বিসমিল্লাহির রহমানির রহিম; আহসান হাবীব ইমরোজ লিখিত বই মোরা বড় হতে চাই pdf ডাউনলোড করতে নিচে দেওয়া DOWNLOAD বাটনে ক্লিক করুন।
| লেখক | আহসান হাবীব ইমরোজ |
| ধরণ | আত্ম-উন্নয়ন |
| ভাষা | বাংলা |
| প্রকাশক | আইসিএস পাবলিকেশন্স |
| প্রকাশকাল | ২০২৩ |
| পৃষ্ঠা | ৮২ |
| ফাইল সাইজ | ৩ MB |
| ফাইল টাইপ |
ইক্করা (পড়)। মহাবিশ্বের মহান স্রষ্টা তার সর্বশ্রেষ্ঠ ফেরেশতার মাধ্যমে বিশ্বের সর্বোত্তম মানুষের কাছে সর্বপ্রথম এই শব্দটিই নাজিল করেন এবং এভাবেই শুরু হয় মহানবীর (স.) মহান শিক্ষা তথা আত্মগঠনের আন্দোলন। এরপর এই পৃথিবীতে শুরু হয় মানব সভ্যতার এক প্রোজ্জ্বল পরিক্রমা। ঐতিহাসিক টমাস কার্লাইলের ভাষায়-“মুহাম্মদ স. এর আবির্ভাব জগতের অবস্থা ও চিন্তাস্রোতে এক অভিনব পরিবর্তন সংঘটিত করে। যেন একটি স্ফুলিঙ্গ তমসাচ্ছন্ন বালুকা স্তূপে নিপাতিত হল। কিন্তু এই বালুকারাশি বিস্ফোরক বারুদে পরিণত হয়ে দিল্লি হতে গ্রানাডা পর্যন্ত আকাশমন্ডল প্রদীপ্ত করল।
মহানবী জ্ঞানের গুরুত্ব সম্পর্কে বলেছেন- “জ্ঞানার্জন করা প্রতিটি মুসলিম নর এবং নারীর জন্য ফরজ।” এর সময়সীমা বলেছেন- “তোমরা দোলনা হতে কবর পর্যন্ত জ্ঞানার্জন কর।” এর বিস্তৃতি বলতে গিয়ে বলেছেন- “প্রয়োজনে চীন দেশে যাও।” রাসূলের এই মহান আন্দোলন সাহাবী থেকে তাবেয়ী এবং তাবেতাবেয়ী পর্যন্ত প্লাবনের মতো ছড়িয়ে পড়েছিল। পরবর্তী মহান পুরুষদের জীবনে আমরা যে চিত্র দেখতে পাই তার মাত্র দু একটি উদাহরণ নিম্নরূপ :
আল কিন্দী একাধারে বারোটি স্বতন্ত্র বিষয়ে বিশেষজ্ঞ হওয়ার পরও ছয়টি ভাষাতে অসাধারণ বুৎপত্তি অর্জন করেন এবং প্রায় ২৬৫টি গ্রন্থ রচনা করেন। আল রাযী প্রায় ২০০টি গ্রন্থ রচনা করেছিলেন। তার আল জুদারী ওয়াল্-হাসাবাহ নামক পুস্তকটি শুধু ইংরেজী ভাষাতেই চল্লিশবার মুদ্রিত ও প্রকাশিত হয়। জ্ঞানার্জনে তার আগ্রহ তার বিনীত বক্তব্য হতেই বুঝা যায়ঃ “জ্ঞান সাধনায় আমার অদম্য উৎসাহের ফলেই মাত্র এক বৎসরে আমি কুড়ি হাজার পৃষ্ঠার মৌলিক রচনা লিখেছি (প্রতিদিন প্রায় ষাট পৃষ্ঠা করে)।
মোরা বড় হতে চাই pdf
