বিসমিল্লাহির রহমানির রহিম, আব্দুল হামীদ ফাইযী সালাম লিখিত বই আরশের ছায়া pdf ডাউনলোড করতে নিচে দেওয়া DOWNLOAD বাটনে ক্লিক করুন।
| লেখক | আব্দুল হামীদ ফাইযী |
| ধরণ | আখিরাত |
| ভাষা | বাংলা |
| প্রকাশক | তাওহীদ পাবলিকেশন্স |
| প্রকাশকাল | ২০১০ |
| পৃষ্ঠা | ৪৮ |
| ফাইল সাইজ | ২ MB |
| ফাইল টাইপ |
পৃথিবীর এ জীবন কয়েক দিনকার। সেই পরপারের চিরস্থায়ী জীবনের কথা মানুষের ভাবা দরকার। দিনের দিন দিন ফুরিয়ে আসছে, তার জন্য ভয় হওয়া এবং প্রস্তুতি নেওয়া দরকার। মহান আল্লাহ বলেন, তোমরা ভয় কর সেই দিনকে, যেদিনে তোমাদেরকে আল্লাহর কাছে ফিরে যেতে হবে। অতঃপর প্রত্যেককে তার কর্মের ফল পূর্ণভাবে প্রদান করা হবে, আর তাদের প্রতি কোনরূপ অন্যায় করা হবে না। (সূরা বাক্বারাহ ২৮১ আয়াত)
মরণের ভয় সবারই আছে, কিন্তু মরণের পর কি হবে, তাতে বিশ্বাস অনেকের নেই। তাই তো কবরের জন্য প্রস্তুতি নিতে তৎপর হয় না। এ বিশ্ব একদিন ধ্বংস হবে, অনেকে বিশ্বাস করে, কিন্তু কিয়ামতের মাঠে কী হবে, তাতে অনেকের বিশ্বাস নেই। তাই তাতে অনেকে গুরুত্ব দেয় না। আর তাই তাদের আমল ঠিক নেই।
পক্ষান্তরে মু’মিনের সে সবে বিশ্বাস আছে, তাই নিজের আমল ঠিক রাখে। পরকালের নানা বিপদ থেকে বাঁচার জন্য এবং সেখানে চিরসুখ লাভের জন্য প্রস্তুতি গ্রহণ করে। বক্ষ্যমাণ পুস্তিকা তার সে কাজের সহযোগী হবে বলে আশা করি। আর মহান আল্লাহই তওফীকদাতা।
আরশ হল রাজার সিংহাসন। শরীয়তে আরশ বলা হয় সেই মহাসনকে, যার উপর মহান আল্লাহ সমারূঢ় আছেন। এই আরশ হল মহান আল্লাহর সবচেয়ে বড় সৃষ্টি। মহানবী (র) বলেন, “কুরসীর তুলনায় সাত আসমান হল ময়দানে পড়ে থাকা একটি বালার মত। আর আরশের তুলনায় কুরসী হল ঐরূপ বালার মত!”
ইবনে আব্বাস (রা) বলেন, ‘কুরসী হল মহান আল্লাহর পা রাখার জায়গা। মহান আল্লাহ সেই কুরসীর বিশালতা সম্বন্ধে বলেন, তাঁর কুরসী আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবী পরিব্যাপ্ত। আর সেগুলির রক্ষণাবেক্ষণ তাঁকে ক্লান্ত করে না। তিনি সুউচ্চ, মহামহিম। (সূরা বাকারাহ ২৫৫ আয়াত) এই মহা আরশের পায়া ও প্রান্ত আছে। মহানবী (স) বলেন, “নবীদের মধ্যে এককে অপরের উপর প্রাধান্য দিয়ো না।
আরশের ছায়া pdf
