বিসমিল্লাহির রহমানির রহিম, সাইয়েদ আবুল হাসান আলী নদভী লিখিত বই কাদিয়ানী সম্প্রদায় তত্ত্ব ও ইতিহাস pdf ডাউনলোড করতে নিচে দেওয়া DOWNLOAD বাটনে ক্লিক করুন।
| লেখক | সাইয়েদ আবুল হাসান আলী নদভী |
| ধরণ | আদর্শ ও মতবাদ |
| ভাষা | বাংলা |
| প্রকাশক | আন্তর্জাতিক মজলিসে তাহাফফুজে খতমে নবুওয়ত |
| প্রকাশকাল | ২০০৮ |
| পৃষ্ঠা | ১৭৬ |
| ফাইল সাইজ | ৩৮ MB |
| ফাইল টাইপ |
উপমহাদেশে কাদিয়ানী সম্প্রদায়ের আবির্ভাব মুসলিম উম্মাহর জন্য ক্যান্সারস্বরূপ। স্বার্থপর বৃটিশ সরকার তাদের আধিপত্য পাকাপোক্ত করা এবং মুসলমানদের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টির উদ্দেশে পূর্ব পাঞ্জাবের কাদিয়ানের অধিবাসী মির্যা গোলাম আহমদকে মিথ্যা নবুয়তের দাবীদার বানিয়ে দাঁড় করায়। সে তৎকালীন ইংরেজ সরকারের পৃষ্ঠপোষকতায় অতি কৌশলে পর্যায়ক্রমে তার উক্ত দাবী প্রচারের মাধ্যমে কিছু সংখ্যক সরলপ্রাণ মুসলমানকে পথভ্রষ্ট করতে সক্ষম হয়।
পক্ষান্তরে সচেতন ওলামা ও বিজ্ঞ মুসলমান এই ‘ভণ্ড নবীর’ মিথ্যা নবুয়তের দাবীর প্রতিবাদে প্রথম থেকেই সোচ্চার ছিলেন। কিন্তু খ্রিষ্টান, ইহুদী ও ইসলামের অন্যান্য দুশমন শক্তির ছত্রছায়ায় ক্রমান্বয়ে তার একটি বিশেষ গোষ্ঠী গড়ে ওঠে। যদিও বিশ্বের ওলামা এবং অধিকাংশ মুসলিম রাষ্ট্র তাদের কাফের ও মুরতাদ বলে ফতওয়া দিয়েছেন, তবুও তাদের ষড়যন্ত্রমূলক প্রচার অভিযানে বহু সরলপ্রাণ মুসলমান বিভ্রান্ত হচ্ছে।
আমাদের দেশেও তাদের অপতৎপরতা অনেক গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। মির্যা গোলাম আহমদ কাদিয়ানী (জন্ম ১৮৪০-মৃত্যু-১৯০৮)-এর আসল পরিচয় এবং প্রকৃত স্বরূপ জানার পর কোনো বিবেকবান ও ঈমানদার ব্যক্তি তাকে নবী স্বীকার করা দূরের কথা, তাকে একজন ভদ্র এবং সত্যবাদী মানুষ হিসেবেও গণ্য করতে পারে না। অবশ্য তার প্রকৃত পরিচয় না জেনে ধোকার জালে পড়ে কিছু লোক তার দিকে আকৃষ্ট হয়ে পড়ে।
কাজেই সাধারণ মুসলমানদের বিভ্রান্তি থেকে রক্ষা করার লক্ষ্যে মির্যা কাদিয়ানী এবং তার সম্প্রদায়ের প্রকৃত পরিচয় জনসম্মুখে তুলে ধরা অতি জরুরি হয়ে পড়েছে। এ প্রসঙ্গে উর্দু, আরীব, ফারসী ও ইংরেজি ভাষায় ওলামায়ে কেরাম ছোট বড় বহু গ্রন্থ ও পুস্তিকা প্রকাশ করেছেন। এর মধ্যে বিশ্ববিখ্যাত ও নন্দিত আলেমে দীন মাওলানা সাইয়েদ আবুল হাসান নদবী ‘কাদিয়ানিয়্যাত’ নামে প্রায় দু’শ পৃষ্ঠার একটি গ্রন্থ প্রথমে আরবী পরে উর্দু ভাষায় প্রকাশ করেন।
কাদিয়ানী সম্প্রদায় তত্ত্ব ও ইতিহাস pdf
