বিসমিল্লাহির রহমানির রহিম, মাওলানা ফজলুর রহমান আশরাফী লিখিত বই সুদ ও ইসলামী ব্যাংকিং pdf ডাউনলোড করতে নিচে দেওয়া DOWNLOAD বাটনে ক্লিক করুন।
| লেখক | মাওলানা ফজলুর রহমান আশরাফী |
| ধরণ | সুদ |
| ভাষা | বাংলা |
| প্রকাশক | আহসান পাবলিকেশন |
| প্রকাশকাল | ২০১৪ |
| পৃষ্ঠা | ২৭৩ |
| ফাইল সাইজ | ৭ MB |
| ফাইল টাইপ |
‘ইসলামী ব্যাংক ও ব্যাংকিং’ পরিভাষাটি আধুনিককালে উদ্ভাবিত হলেও ইসলামী পদ্ধতি ও নীতিমালার ভিত্তিতে ব্যবসা বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক কর্মকান্ড পরিচালিত হয়ে আসছে ইসলামের শুরু থেকেই। আল্লাহর রাসূল (সাঃ) ‘বায়তুল মাল’ প্রতিষ্ঠা করে ইসলামী রাষ্ট্রের অর্থনৈতিক সকল কর্মকান্ড পরিচালনা করেছিলেন। পরবর্তীতে খোলাফায়ে রাশেদীনও বায়তুল মালকে বহাল রেখে এর মাধ্যমে রাষ্ট্রের অর্থনৈতিক কর্মকান্ড পরিচালনা করতেন। বায়তুল মাল ছিল সম্পূর্ণ সুদমুক্ত রাষ্ট্রীয় কোষাগার এবং ইসলামী রাষ্ট্রের সকল নাগরিকদের সম্মিলিত মালিকানা সম্পদ।
কিন্তু কালের বিবর্তনের সাথে সাথে বিবিধ কারণে মুসলমানগণ তাঁদের হাতে আর রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা ধরে রাখতে পারেনি। ক্রমান্বয়ে তাঁরা পাশ্চাত্যের সংস্পর্শে এসে সুদী অর্থ ব্যবস্থার সাথে জড়িত হয়ে পড়ে। রাষ্ট্রীয় অর্থনৈতিক কর্মকান্ড পরিচালনার জন্যে ধীরে ধীরে প্রতিষ্ঠিত হয় সুদ ভিত্তিক ব্যাংকিং ব্যবস্থা। শত শত বছর সুদী ব্যাংকিং ব্যবস্থার সাথে জড়িত থাকার ফলে বর্তমানে ব্যাংক বলতে অনেকে সুদকেই বুঝে।
বর্তমান আধুনিক বিশ্বে ব্যবসা বাণিজ্য, রাষ্ট্রের অর্থনৈতিক কর্মকান্ড পরিচালনা এবং জনগণের অর্থের নিরাপত্তা বিধানে ব্যাংকের গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তা অপরিসীম। কিন্তু ব্যাংকিং ব্যবস্থা জনগণের জন্যে প্রকৃত উপকারী ও কল্যাণমুখী তখনই হবে যখন ব্যাংক থেকে সুদ প্রথাটি রহিত হবে। তাই দেশ বিদেশের শত শত ইসলামী চিন্তাবিদ, পণ্ডিত, গবেষক, আইনবিদ ও ব্যাংকারদের অক্লান্ত পরিশ্রম ও ত্যাগের বিনিময়ে বিংশ শতাব্দির মাঝামাঝি থেকে বিশ্বে প্রতিষ্ঠিত হতে থাকে সুদ বিহীন ইসলামী ব্যাংকিং ব্যবস্থা।
‘ইসলামী ব্যাংক ও ব্যাংকিং’ পরিভাষাটি এখন আর তেমন নতুন নয়। কারণ বিশ্বে ইসলামী ব্যাংকের বয়স ইতিমধ্যে প্রায় তিন যুগের অধিক কাল পার হয়েছে। বাংলাদেশেও এর বয়স অতিক্রান্ত হয়েছে প্রায় এক যুগ। ইতিমধ্যে বিশ্বে দুই শতাধিক সুদমুক্ত ইসলামী ব্যাংক প্রতিষ্ঠা লাভ করেছে।
সুদ ও ইসলামী ব্যাংকিং pdf
