বিসমিল্লাহির রহমানির রহিম, আব্দুল হামীদ ফাইযী লিখিত বই সালাতে মুবাশশির pdf ডাউনলোড করতে নিচে দেওয়া DOWNLOAD বাটনে ক্লিক করুন।
| লেখক | আব্দুল হামীদ ফাইযী |
| ধরণ | নামাজ |
| ভাষা | বাংলা |
| প্রকাশক | আল মাজমাআহ |
| প্রকাশকাল | ২০০২ |
| পৃষ্ঠা | ৩৩৮ |
| ফাইল সাইজ | ৩ MB |
| ফাইল টাইপ |
নামায ইসলামের অন্যতম প্রধান ইবাদত। দ্বীনের দ্বিতীয় স্তম্ভ। এ ইবাদত কিভাবে শুদ্ধ হবে সে চিন্তা প্রত্যেক নামাযীর। মুসলিম মাত্রই জানা দরকার যে, যে কোনও ইবাদত ও আমল কবুল হয় একটি ভিত্তিতে। আর সে ভিত্তি হল ‘তাওহীদ”। সুতরাং যার তাওহীদ নেই, তার নামায নেই। সে নামাযী হলেও তার নামায মকবুল নয় আল্লাহর দরবারে।
পক্ষান্তরে প্রত্যেক ইবাদত ও আমল কবুল হয় দুটি মৌলিক শর্ত পালনের মাধ্যমে; (১) ইখলাস (সে কাজ কেবল মাত্র আল্লাহর উদ্দেশ্যে হতে হবে। আর কারো উদ্দেশ্যে, অন্য কোন স্বার্থে সে কাজ করলে, তা আল্লাহর নিকট গ্রহণযোগ্য নয়)। (২) রসূল এর অনুসরণ। তাঁর নির্দেশ বাতীত অন্য কোন তরীকায় বা পদ্ধতিতে সে আমল করলে, তা আল্লাহর কাছে গ্রহণীয় নয়। মহান আল্লাহ বলেন, সুতরাং যে ব্যক্তি আল্লাহর সাক্ষাৎ কামনা করে, সে ব্যক্তি যেন নেক আমল করে এবং তার প্রতিপালকের ইবাদতে অন্য কাউকে শরীক না করে। (কুঃ ১৮/১১০)
নবী মুবাশশির সাঃ বলেন, অর্থাৎ, তোমরা সেইরূপ নামায পড়, যেরূপ আমাকে পড়তে দেখেছে। (মিঃ ৬৮৩ নং)। অনেক পাঠকের মনে শুরুতেই এ প্রশ্ন জাগা স্বাভাবিক যে, এ পুস্তক কোন্ মযহাবকে ভিত্তি করে লিখিত? এর উত্তরে বলা যায় যে, ইমাম আবূ হানীফা (রঃ) এর উক্তি “হাদীস সহীহ হলেই সেটিই আমার মযহাব।’ (ইবনে আবেদীন, হাশিয়া ২/৬৩, সিঙ্গানা ৪৬)
অর্থাৎ, সহীহ হাদীস পাওয়া গেলে যয়ীফ হাদীস বা রায় ও কিয়াসকে বর্জন করে সেই অনুযায়ী আমল করা প্রত্যেক মুসলিমের জন্য ওয়াজেব। আর সেই কথার প্রতি বিশেষ খেয়াল রেখে এই পুস্তক লিখিত। নামায শিক্ষার ব্যাপারে পাঠক হয়তো বিভিন্ন বই-পুস্তকে ‘নানা মুনির নানা মত’ লক্ষ্য করবেন। আর এমন মতবিরোধ যে অস্বাভাবিক তা নয়।
সালাতে মুবাশশির pdf
