বিসমিল্লাহির রহমানির রহিম, ওয়ার্ল্ড এসেম্বলী অফ মুসলিম ইউথ লিখিত বই মাহে রমজান তাকওয়ার মিনার pdf ডাউনলোড করতে নিচে দেওয়া DOWNLOAD বাটনে ক্লিক করুন।
| লেখক | ওয়ার্ল্ড এসেম্বলী অফ মুসলিম ইউথ |
| ধরণ | রমজান |
| ভাষা | বাংলা |
| প্রকাশক | ওয়ার্ল্ড এসেম্বলী অফ মুসলিম ইউথ |
| প্রকাশকাল | ২০০৯ |
| পৃষ্ঠা | ৪২ |
| ফাইল সাইজ | ২ MB |
| ফাইল টাইপ |
রোজা ইসলামের ৫টি মৌলিক ভিত্তির ১টি অন্যতম ভিত্তি। রোজা ফারসি শব্দ। এর আরবি প্রতিশব্দ অর্থাৎ কুরআনের ভাষা ‘আসসাওম’, অর্থ হচ্ছে আত্মসংযম, কঠোর সাধনা, অবিরাম চেষ্টা ও বিরত থাকা ইত্যাদি। এর প্রতিশব্দ ‘আল ইমসাক’। ইংরেজি পরিভাষা হচ্ছে Fasting। আর ব্যাপক অর্থে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের উদ্দেশ্যে সওমের নিয়্যতে সুবহে সাদেক থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত সব ধরনের পানাহার ও যৌন মিলন থেকে বিরত থাকার নাম সওম বা রোজা।
মাহে রমজান আরবি চন্দ্র বছরের নবম মাস। রমজান শব্দটি আরবি ‘রমজ’ শব্দ থেকে উৎপন্ন হয়েছে। এর অর্থ দহন করা, জ্বালিয়ে দেয়া ইত্যাদি। অর্থাৎ প্রবৃত্তির তাড়নায় মানুষের সঞ্চিত পাপ পঙ্কিলতা জ্বালিয়ে দেয়া, নিঃশেষ করে দেয়াই এর উদ্দেশ্য। রোজা ফরজ হয় রাসূল (সা.) নবুওয়াতের ১৫তম বর্ষ ২য় হিজরীতে। সুরা বাকারার ১৮৩ নং আয়াতে আল্লাহ রব্বুল আলামিন ঈমানদারদেরকে ডেকে বলেন, “হে ঈমানদারগণ! তোমাদের উপর সিয়াম ফরজ করা হয়েছে। যেমনিভাবে ফরজ করা হয়েছিল তোমাদের পূর্ববর্তীদের উপর যেন তোমরা তাকওয়া অর্জন করতে পার।”
আমাদের উপরই কেবল সিয়াম ফরজ করা হয়নি বরং পূর্ববর্তী সব নবী রাসূল ও তাদের অনুসারীদের উপরও সিয়াম ফরজ ছিল। হযরত আদম (আ.) থেকে হযরত নূহ (আ.) পর্যন্ত প্রতি চন্দ্রমাসের ১৩, ১৪ ও ১৫ তারিখ রোজা রাখার বিধান ছিল। একে বলা হতো আইয়্যামে ‘বিজ’। ইহুদিরা প্রতি সপ্তাহে শনিবার এবং বছরে মহররমের ১০ম তারিখে রোজা রাখতো। এবং মুসা (আ.) তুর পাহাড়ে অবস্থানের স্মৃতির স্মরণে ৪০ দিন রোজা পালনের নির্দেশ ছিল। খ্রিষ্টানদের ৫০ দিন রোজা রাখার রেওয়াজ ছিল। উচ্চবর্ণের হিন্দুরা একাদশী উপবাস পালন করে।
মাহে রমজান তাকওয়ার মিনার pdf
