বিসমিল্লাহির রহমানির রহিম; ড. বিলাল ফিলিপস লিখিত বই হাদীস বোঝার মূলনীতি pdf ডাউনলোড করতে নিচে দেওয়া DOWNLOAD বাটনে ক্লিক করুন।
| লেখক | ড. বিলাল ফিলিপস |
| ধরণ | হাদিস সম্পর্কিত |
| ভাষা | বাংলা |
| প্রকাশক | সিয়ান পাবলিকেশন |
| প্রকাশকাল | ২০২০ |
| পৃষ্ঠা | ২২৫ |
| ফাইল সাইজ | ৯ MB |
| ফাইল টাইপ |
আরবি ‘হাদীস’ শব্দটি দ্বারা মূলত ‘কোনো সংবাদ, কথোপকথন, কাহিনী, গল্প কিংবা বিবরণী’কে বুঝানো হয়- হোক তা ঐতিহাসিক কিংবা কিংবদন্তী, সত্য কিংবা মিথ্যা, বর্তমান কিংবা অতীতের সাথে সংশ্লিষ্ট।বিশেষণ হিসেবে এর আরেকটি অর্থ হলো ‘নতুন’; সেই অর্থে হাদীস শব্দের বিপরীত শব্দ ক্বাদীম (পুরাতন)। তবে আরবি অন্যান্য অনেক শব্দের ন্যায় (যেমন সালাত, যাকাত, সিয়াম) ইসলামের ব্যবহারিক পরিভাষায় হাদীস শব্দটিও সম্পূর্ণ এক ভিন্ন অর্থ পরিগ্রহ করেছে। এ শব্দটি নতুন এই মাত্রা গ্রহণ করে নাবী মুহাম্মাদ-এর যুগ থেকে।
তাঁর আবির্ভাবের পর পৃথিবীর অন্য সব ঘটনা ও আলোচনার ওপর তাঁর সাথে সংশ্লিষ্ট ঘটনা ও তাঁর আলোচনা প্রাধান্য লাভ করতে থাকে। এই প্রেক্ষিতে হাদীস পরিভাষাটি বিশেষত সেসব বর্ণনা বুঝাতে ব্যবহৃত হতে শুরু করে- যেগুলোতে নাবী-এর কোনো কার্যধারা কিংবা তাঁর কোনো বক্তব্য সন্নিবিষ্ট রয়েছে। ভাষাতাত্ত্বিক বিচারে হাদীস শব্দের যতগুলো অর্থ হতে পারে তার প্রায় সব ক’টি অর্থেই হাদীস শব্দটি কুরআন ২ ও হাদীসে ব্যবহৃত হয়েছে। নিম্নোক্ত তিনটি প্রকার হলো হাদীস শব্দের সর্বাধিক উল্লেখযোগ্য ব্যবহার।
হাদীস বিশেষজ্ঞদের পরিভাষায়, ‘নাবী থেকে তাঁর কথা, কাজ, মৌন সমর্থন কিংবা শারীরিক বৈশিষ্ট্য সংক্রান্ত যা কিছুই বর্ণিত হয়েছে- তা সবই হাদীস হিসেবে পরিগণিত’। তবে ইসলামী আইন বিশেষজ্ঞরা নাবী -এর দৈহিক গঠন সংক্রান্ত বক্তব্যসমূহকে হাদীসের পরিধির অন্তর্ভুক্ত মনে করেন না। নাবী-এর বক্তব্য ও কার্যাবলীর মূল ভিত্তি হলো আল্লাহর পক্ষ থেকে নাযিলকৃত ওয়াহী; আর এ কারণে কুরআনের পর হাদীসকে ইসলামের মৌলিক উৎস হিসেবে বিবেচনা করতে হয়।
হাদীস বোঝার মূলনীতি pdf
