বিসমিল্লাহির রহমানির রহিম; শায়খ আব্দুল ফাত্তাহ আবু গুদ্দাহ লিখিত বই সময়ের মূল্য বুঝতেন যারা এর pdf ফাইল ডাউনলোড করতে নিচে দেওয়া DOWNLOAD বাটনে ক্লিক করুন।
| লেখক | শায়খ আব্দুল ফাত্তাহ আবু গুদ্দাহ |
| ধরন | আত্মশুদ্ধি ও অনুপ্রেরণা |
| ভাষা | বাংলা |
| প্রকাশক | মাকতাবাতুত তাকওয়া |
| প্রকাশকাল | ২০১৩ |
| পৃষ্ঠা | ১২৮ |
| ফাইল সাইজ | ৩ MB |
| ফাইল টাইপ |
আজ থেকে প্রায় পনের বছর আগের কথা। তখন আমি শহীদবাড়ীয়া জেলাধীন হরষপুর গ্রামের দারুল উলূম মাদরাসার হেফয বিভাগের তালিবুল ইলম। আমার উস্তায হাফেয নূরুজ্জামান ছাহেব (দা.বা.)। আমার ‘হৃদয়-যমিনে’ বাংলা ভাষার চর্চা ও বাংলা লেখার অনুশীলনের প্রতি আগ্রহ ও অনুরাগের প্রথম বীজটি রোপিত হয় তাঁরই হাতে।
আমার এই উস্তাযের প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা সীমিত। কিন্তু তিনি স্বশিক্ষিত। তাঁর লিখন-ক্ষমতা সত্যিই আশ্চর্যজনক। তাঁর রচিত আল্লামা ফখরে বাঙ্গাল তাজুল ইসলাম (রহ.) এর জীবনী গ্রন্থ ইসলামিক ফাউন্ডেশন থেকে প্রকাশিত হয়েছে।
তাঁরই মুখে আমি প্রথম সাইয়েদ আবুল হাসান আলী নদভী (রহ.) এর কথা শুনেছি। আর তাঁর ব্যক্তিত্ব ও কর্মপরিধি সম্পর্কে জেনেছি। হাফেয ছাহেব হুযুরের কাছেই আমার বাংলা চর্চার হাতেখড়ি। মাদরাসার তাহছীলের প্রয়োজনে তিনি বিভিন্ন জনের কাছে চিঠি লিখতেন। মাঝে মাঝে সেগুলো আমাকে পড়ে শোনাতেন। আমি বিমুগ্ধ ও বিমোহিত হয়ে শুনতাম। আর মনে মনে বলতাম, হায়, আমিও যদি এমনভাবে লিখতে পারতাম! তখন থেকেই আমার মাঝে জাগ্রত হয়েছে কলম ধরার প্রেরণা এবং লেখক হওয়ার বাসনা।
হেফ্য শেষ করার পর আল্লাহর অনুগ্রহে মাদরাসাতুল মাদীনায় অধ্যয়নের সুযোগ হয়। এখন তো অভিভাবকগণ আদীব হুযুর ও তাঁর প্রণীত নেছাব সম্পর্কে পূর্ণ অবগতি নিয়েই সেখানে ভর্তি করেন, কিন্তু আমাদের সময়ে বিষয়টি তেমন ছিল না। আল্লাহ তাঁর বিশেষ অনুগ্রহে আমাকে এই কাফেলায় শামিল করে দিয়েছিলেন।
মাদরাসাতুল মাদীনার অনুকূল পরিবেশে সেই সুপ্ত বীজটি অঙ্কুরিত হয়ে স্নিগ্ধ আলোর পরশ লাভ করল। প্রথম তিন বছর ‘আল-কলম’ (পুষ্প)ই ছিল আমার এ পথের দিশারী। এরপর আলিয়া-তে পরীক্ষা দেয়ার পারিবারিক চাপ সামলাতে গিয়ে নদভী হুযুরের (দা.বা.) পরামর্শে ঢাকা থেকে চট্টগ্রামে, দারুল মা’আরিফে ভর্তি হলাম।
সময়ের মূল্য বুঝতেন যারা pdf
