বিসমিল্লাহির রহমানির রহিম; হাফেজ মুনির উদ্দীন আহমদ এর কোরআনের পূর্ণাঙ্গ সহজ সরল বাংলা অনুবাদ এর pdf ফাইল ডাউনলোড করতে নিচে দেওয়া DOWNLOAD বাটনে ক্লিক করুন।
| লেখক | হাফেজ মুনির উদ্দীন আহমদ |
| ধরণ | কুরআন |
| ভাষা | বাংলা |
| প্রকাশক | আল কোরআন একাডেমী লন্ডন |
| প্রকাশকাল | ২০০৯ |
| পৃষ্ঠা | ৬৫৬ |
| ফাইল সাইজ | ১২ MB |
| ফাইল টাইপ |
অনুবাদ বা ভাষান্তর এমনিতেই একটি জটিল বিষয়। কুরানের মতো একটি আসমানী গ্রন্থের ব্যাপারে জটিলতার সাথে স্পর্শকাতরতার বিষয়টিও জড়িত। মানুষের তৈরী গ্রন্থের বেলায় বক্তার কথার হুবহু ভাষান্তর না হলে তেমন কি-ই বা আসে যায়। বড়োজোর বলা যায় অনুবাদক মূল লেখকের কথাটার সাথে যথাযথ ইনসাফ করতে পারেননি, কিন্তু কুরানের ক্ষেত্রে বিষয়টি এতোই গুরুত্বপূর্ণ যে অনুবাদের একটু হেরফের হলে স্বয়ং আল্লাহ তা’আলার কথাই বিতর্কিত হয়ে পড়ার আশংকা দেখা দেয়।
এসব কারণেই মুসলমানদের মাঝে কেউই এক দীর্ঘ সময় পর্যন্ত কুরানের অনুবাদের ঝুঁকি নিতে চায়নি। এমনকি বিগত শতকের মাঝামাঝি সময় পর্যন্ত মধ্য এশিয়ার আলেমরা ফতোয়ার মাধ্যমে তাতারী ভাষায় কুরানের যাবতীয় অনুবাদ প্রচেষ্টাকে বন্ধ করে রাখেন। আফ্রিকা মহাদেশে বিশেষ করে নাইজেরিয়া ও নাইজারে হাউসা হচ্ছে আরবীর পর সর্বাধিক সমৃদ্ধ ভাষা।
এই ভাষার আলেমরা দীর্ঘদিন পর্যন্ত তাদের ভাষায় কুরানের অনুবাদকে এই বলে বন্ধ করে রাখেন যে, এতে কুরানের মর্যাদা ক্ষুন্ন হবে। এই মহাদেশের ক্যামেরুন রাজ্যের সূলতান সাঈদ নিজেও আলেমদের প্রবল বিরোধিতার কারণে বামুম ভাষায় কুরান অনুবাদ কাজ থেকে ফিরে আসে। মুসলিম দুনিয়ায় শ্রেষ্ঠ বিদ্যাপীঠ আল আযহার বিশ্ববিদ্যালয়ের ফতোয়া বোর্ডও তো এই সেদিন পর্যন্ত কুরানের যাবতীয় অনুবাদকর্মের বিরোধিতা করে আসছিলো।
১৯২৬ সালে তুরস্কে ওসমানী খেলাফত বিলুপ্তির পর তুর্কী ভাষায় কুরান অনুবাদ প্রচেষ্টার তারা বিরোধিতা করেন। কুরানের ইংরেজী অনুবাদক নও মুসলিম মার্মাডিউক পিকথল যখন কুরানের অনুবাদ করার উদ্যোগ গ্রহণ করেন তখন হায়দারাবাদের শাসক নিযাম তাকে সর্বাত্মক সহযোগিতা দিলেও আল আযহার কর্তৃপক্ষ এ উদ্যোগের তীব্র বিরোধিতা করেন।
কোরআনের পূর্ণাঙ্গ সহজ সরল বাংলা অনুবাদ pdf
