You are here

দারেমী যুদ্ধাভিযান অধ্যায় ১ম ভাগ হাদিস নং ২৪৭৪ – ২৫৩০

দারেমী যুদ্ধাভিযান অধ্যায় ১ম ভাগ হাদিস নং ২৪৭৪ – ২৫৩০

২৪৭৪

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১. এই উম্মতের ভোর বেলায় বরকত

২৪৭৪. সাখর আল্-গামিদী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতেবর্ণনা করেন,তিনি এ বলে দু’আ করেছেনঃ ’’হে আল্লাহ্! আমার উম্মতের মধ্যে যারা ভোর বেলায় সফরে বের হয় তাদেরকে বরকত দান করো।’’ আর য়খন তিনি কোন সেনাদল বা সাঁজোয়া বাহিনী পাঠাতেন, তখন ভোর বেলাতেই পাঠাতেন। অত্র ব্যক্তি (হাদীসের বর্ণনাকারী সাখ্র রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু) একজন ব্যবসায়ী ছিলেন। তিনি তাঁর ছেলেদের দিনের প্রথমাংশে (ভোরে) পাঠাতেন (আর বেশ লাভবান হতেন)। এরূপে তাঁর ধন-সম্পদ প্রচুর পরিমাণে বেড়ে যায়।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ হাসান।

 

তাখরীজ: আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৪৭৫৪, ৪৭৫৫ তে। এছাড়াও, বুখারী, কাবীর ৪/৩১০; ইবনুল কানি’, মুজামুস সাহাবাহ নং ৪৬৩; ইবনু হুমাইদ নং ৪৩২। ((আবূ দাউদ, জিহাদ ২৬০৫- ফাওয়ায আহমেদের দারেমী হা/২৪৩৫ এর টীকা হতে। -অনুবাদক))

 

এ অনুচ্ছেদে আলী, ইবনু মাসউদ, ইবনু সালাম রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুম হতে হাদীস বর্ণিত আছে, যার তাখরীজ আমরা দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলীতে পর্যায়ক্রমে ৪২৫, ৫৪০৬, ৭৫০০ নং তে। এবং নাওয়াস্ ইবনু সাম’আন ও আনাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা হতে যার তাখরীজ আমরা দিয়েছি আবী ইয়া’লা’র মু’জামুশ শুয়ূখ নং ২৭১, ২৭২ তে।

بَاب بَارِكْ لِأُمَّتِي فِي بُكُورِهَا

حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ عَامِرٍ عَنْ شُعْبَةَ عَنْ يَعْلَى بْنِ عَطَاءٍ عَنْ عُمَارَةَ بْنِ حَدِيدٍ عَنْ صَخْرٍ الْغَامِدِيِّ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ اللَّهُمَّ بَارِكْ لِأُمَّتِي فِي بُكُورِهَا وَكَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِذَا بَعَثَ سَرِيَّةً بَعَثَهَا مِنْ أَوَّلِ النَّهَارِ قَالَ فَكَانَ هَذَا الرَّجُلُ رَجُلًا تَاجِرًا فَكَانَ يَبْعَثُ غِلْمَانَهُ مِنْ أَوَّلِ النَّهَارِ فَكَثُرَ مَالُهُ

حدثنا سعيد بن عامر عن شعبة عن يعلى بن عطاء عن عمارة بن حديد عن صخر الغامدي أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال اللهم بارك لأمتي في بكورها وكان رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا بعث سرية بعثها من أول النهار قال فكان هذا الرجل رجلا تاجرا فكان يبعث غلمانه من أول النهار فكثر ماله

 হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১৭. যুদ্ধাভিযান অধ্যায় (كتاب السير)

 ২৪৭৫

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ২. বৃহস্পতিবার অভিযানে বের হওয়া প্রসঙ্গে

২৪৭৫. কা’বইবনুমালিকরাদ্বিয়াল্লাহু আনহুহতে বর্ণিত। তিনি বলেছেন, রাসূলূল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বৃহস্পতিবার ছাড়া অন্য দিন সফরের উদ্দেশ্যে খুব কমই বের হতেন।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: আহমাদ ৩/৪৫৬; বুখারী, জিহাদ ২৯৪৯; সাঈদ ইবনু মানসূর, নং ২৩৮০; তাবারাণী, কাবীর ১৯/৬০ নং ১১০; আবীশ শাইখ, আখলাকুন নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম; ইবনু খুযাইমা, নং ২৫১৭ তে।

بَاب فِي الْخُرُوجِ يَوْمَ الْخَمِيسِ

حَدَّثَنَا عُثْمَانُ بْنُ عُمَرَ أَخْبَرَنَا يُونُسُ عَنْ الزُّهْرِيِّ عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ كَعْبٍ عَنْ أَبِيهِ قَالَ لَقَلَّمَا كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَخْرُجُ إِذَا أَرَادَ سَفَرًا إِلَّا يَوْمَ الْخَمِيسِ

حدثنا عثمان بن عمر أخبرنا يونس عن الزهري عن عبد الرحمن بن كعب عن أبيه قال لقلما كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يخرج إذا أراد سفرا إلا يوم الخميس

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ কা‘ব ইবনু মালিক (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১৭. যুদ্ধাভিযান অধ্যায় (كتاب السير)

 ২৪৭৬

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৩. উত্তম সাথী সম্পর্কে

২৪৭৬. আবদুল্লাহ ইবন আমর ইবনুল আস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “আল্লাহর নিকট শ্রেষ্ঠ সঙ্গী হল সেই যে তার সঙ্গী-সাথীর নিকট উত্তম, আল্লাহর নিকট সর্বোত্তম প্রতিবেশী হল সেই যে তার প্রতিবেশীর নিকট উত্তম।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ। হাঁ, ইবনু লাহিয়্যাহ যয়ীফ তবে এর মুতাবিয়াত রয়েছে।

 

তাখরীজ: আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৫১৮, ৫১৯ ও মাওয়ারিদুয যামআন নং ২০৫১ তে।

 

((তিরমিযী, বিরর ওয়াস সুলহ ১৯৪৪; আহমাদ ২/১৬৭-১৬৮; তাহাবী, মুশকিলিল আছার ৪/৩০-৩১; ইবনু মানসূর ২৩৮৮; – ফাতহুল মান্নান, শারহু দারেমী হা/২৫৯৪ এর টীকা হতে।–অনুবাদক))

بَاب فِي حُسْنِ الصَّحَابَةِ

حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ يَزِيدَ حَدَّثَنَا حَيْوَةُ وَابْنُ لَهِيعَةَ قَالَا حَدَّثَنَا شُرَحْبِيلُ بْنُ شَرِيكٍ أَنَّهُ سَمِعَ أَبَا عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْحُبُلِيَّ يُحَدِّثُ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرِو بْنِ الْعَاصِ عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ خَيْرُ الْأَصْحَابِ عِنْدَ اللَّهِ خَيْرُهُمْ لِصَاحِبِهِ وَخَيْرُ الْجِيرَانِ عِنْدَ اللَّهِ خَيْرُهُمْ لِجَارِهِ

حدثنا عبد الله بن يزيد حدثنا حيوة وابن لهيعة قالا حدثنا شرحبيل بن شريك أنه سمع أبا عبد الرحمن الحبلي يحدث عن عبد الله بن عمرو بن العاص عن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال خير الأصحاب عند الله خيرهم لصاحبه وخير الجيران عند الله خيرهم لجاره

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আবদুল্লাহ ইবনু আমর ইবনুল আস (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১৭. যুদ্ধাভিযান অধ্যায় (كتاب السير)

 ২৪৭৭

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৪. উত্তম সাথী, যোদ্ধা ও সৈন্যদল সম্পর্কে

২৪৭৭. ইবনু আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “সর্বোত্তম সঙ্গী সংখ্যা হল চার। সর্বোত্তম পূর্ণ বাহিনী হল চার হাজারের। আর সর্বোত্তম খন্ড বাহিনী হল চার শতের। আর বার হাজার সদস্যের বাহিনী ধৈর্য্যধারণ করলে এবং নিষ্ঠা অবলম্বন করলে কখনো সংখ্যাল্পতার কারণে পরাজিত হতে পারে না।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ হাসান। তবে হাদীসটি সহীহ।

 

তাখরীজ: আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ২৫৮৭ ও সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৪৭১৭ ও মাওয়ারিদুয যামআন নং ১৬৬৩ তে। ((আবু দাউদ, জিহাদ ২৬১১; তিরমিযী, সিয়ার ১৫৫৫।- ফাওয়ায আহমেদের দারেমীর হা/২৪৩৮ এর টীকা হতে।–অনুবাদক))

بَاب فِي خَيْرِ الْأَصْحَابِ وَالسَّرَايَا وَالْجُيُوشِ

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الصَّلْتِ حَدَّثَنَا حِبَّانُ بْنُ عَلِيٍّ عَنْ يُونُسَ وَعُقَيْلٍ عَنْ ابْنِ شِهَابٍ عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ عَنْ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ خَيْرُ الْأَصْحَابِ أَرْبَعَةٌ وَخَيْرُ الْجُيُوشِ أَرْبَعَةُ آلَافٍ وَخَيْرُ السَّرَايَا أَرْبَعُ مِائَةٍ وَمَا بَلَغَ اثْنَا عَشَرَ أَلْفًا فَصَبَرُوا وَصَدَقُوا فَغُلِبُوا مِنْ قِلَّةٍ

حدثنا محمد بن الصلت حدثنا حبان بن علي عن يونس وعقيل عن ابن شهاب عن عبيد الله بن عبد الله عن ابن عباس قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم خير الأصحاب أربعة وخير الجيوش أربعة آلاف وخير السرايا أربع مائة وما بلغ اثنا عشر ألفا فصبروا وصدقوا فغلبوا من قلة

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আবদুল্লাহ ইবনু আব্বাস (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১৭. যুদ্ধাভিযান অধ্যায় (كتاب السير)

 ২৪৭৮

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৫. সেনাদল প্রেরণের প্রাক্কালে ইমামের উপদেশ

২৪৭৮. বুরায়দা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, যখন রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কোন সেনাদলের উপর কাউকে আমীর (সেনাপতি) নিযুক্ত করে পাঠাতেন, তখন আমীরকে লক্ষ্য করে বিশেষভাবে উপদেশ দিতেন, যেন সে নিজে আল্লাহ্ কে ভয় করে চলে আর তাঁর সঙ্গী মুসলিক সৈন্যদের প্রতি কল্যাণকামী হয়। আর তিনি বলতেন: “তোমরা আল্লাহর নাম নিয়ে আল্লাহর রাস্তায় যুদ্ধে অবতীর্ণ হও এবং ঐ সকল কাফিরদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করবে যারা আল্লাহর তা’আলার সাথে কুফরী (অস্বীকার) করেছে। তোমরা যুদ্ধ করে যাও, কিন্তু বিশ্বাসঘাতকতা করো না, যুদ্ধলব্ধ সম্পদ আত্মসাত করো না, নিহত শত্রুর নাক-কান ইত্যাদি কেটে বিকৃত করো না এবং কোন শিশুকে হত্যা করো না।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: মুসলিম, জিহাদ ১৭৩১; এছাড়াও, ইবনু আবী শাইবা ১২/৪৫৮; ইবনু আব্দুল বারর, আত তামহীদ ২/২১৭।

 

আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ১৪১৩ ও সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৪৭৩৯ তে। ((আবূ দাউদ, জিহাদ ২৬১২; তিরমিযী, সিয়ার ১৬১৭।- ফাওয়ায আহমেদের দারেমীর হা/২৪৩৯ এর টীকা হতে।–অনুবাদক))

بَاب وَصِيَّةِ الْإِمَامِ لِلسَّرَايَا

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ عَنْ سُفْيَانَ عَنْ عَلْقَمَةَ بْنِ مَرْثَدٍ عَنْ سُلَيْمَانَ بْنِ بُرَيْدَةَ عَنْ أَبِيهِ قَالَ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِذَا أَمَّرَ رَجُلًا عَلَى سَرِيَّةٍ أَوْصَاهُ فِي خَاصَّةِ نَفْسِهِ بِتَقْوَى اللَّهِ وَبِمَنْ مَعَهُ مِنْ الْمُسْلِمِينَ خَيْرًا وَقَالَ اغْزُوا بِسْمِ اللَّهِ وَفِي سَبِيلِ اللَّهِ قَاتِلُوا مَنْ كَفَرَ بِاللَّهِ اغْزُوا وَلَا تَغْدِرُوا وَلَا تَغُلُّوا وَلَا تُمَثِّلُوا وَلَا تَقْتُلُوا وَلِيدًا

أخبرنا محمد بن يوسف عن سفيان عن علقمة بن مرثد عن سليمان بن بريدة عن أبيه قال كان رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا أمر رجلا على سرية أوصاه في خاصة نفسه بتقوى الله وبمن معه من المسلمين خيرا وقال اغزوا بسم الله وفي سبيل الله قاتلوا من كفر بالله اغزوا ولا تغدروا ولا تغلوا ولا تمثلوا ولا تقتلوا وليدا

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ বুরায়দাহ ইবনু হুসাইব আল-আসলামী (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১৭. যুদ্ধাভিযান অধ্যায় (كتاب السير)

 ২৪৭৯

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৬. শত্রুর মুখোমুখি হওয়ার আকাঙ্ক্ষা করো না

২৪৭৯. আব্দুল্লাহ ইবনু আমর রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, হে লোক সকল! শত্রুর সঙ্গে মোকাবেলায় অবতীর্ণ হবার কামনা করবে না এবং আল্লাহ্ তা’আলার নিকট নিরাপত্তার দু’আ করবে। অতঃপর যখন তোমরা শত্রুর সম্মুখীন হবে তখন তোমরা দৃঢ়পদ থাকবে এবং অধিক পরিমাণে আল্লাহর যিকির করবে। আর তারা যখন শোরগোল ও চেঁচামেচি করবে, তখন তোমাদের উপর নিরবতা অবলম্বন করা অপরিহার্য।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ যয়ীফ, আব্দুর রহমান ইবনু যিয়াদ হলো ইবনু আনআম আল আফরিকী। তার সম্পর্কে হাফিজ (ইবনু হাজার) বলেন: “তার ব্যাপারে সঠিক কথা হলো সে যয়ীফ। তার কারণ তার অধিক সংখ্যক মুনকার হাদীস বর্ণনা করা, যা এমন একটি কাজ যা নেককার গণেকে আঘাত করে।”

 

তাখরীজ: আব্দুর রাযযাক, নং ৯৫১৮; ইবনু আবী শাইবা, ১২/৪৬১-৪৬২ নং ১৫২৬৫; বাইহাকী, সিয়ার ৯/১৫৩।

 

আর “তোমরা দৃঢ় থাক” এ অংশের শাহিদ রয়েছে ইবনু আবী আওফা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বুখারী, জিহাদ ২৯৬৬ এবং আবী হুরাইরা হতে বুখারী জিহাদ ৩০২৬ তে।

بَاب لَا تَتَمَنَّوْا لِقَاءَ الْعَدُوِّ

أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ يَزِيدَ حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ زِيَادٍ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ يَزِيدَ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ لَا تَتَمَنَّوْا لِقَاءَ الْعَدُوِّ وَسَلُوا اللَّهَ الْعَافِيَةَ فَإِنْ لَقِيتُمُوهُمْ فَاثْبُتُوا وَأَكْثِرُوا ذِكْرَ اللَّهِ فَإِنْ أَجْلَبُوا وَضَجُّوا فَعَلَيْكُمْ بِالصَّمْتِ

أخبرنا عبد الله بن يزيد حدثنا عبد الرحمن بن زياد عن عبد الله بن يزيد عن عبد الله بن عمرو أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال لا تتمنوا لقاء العدو وسلوا الله العافية فإن لقيتموهم فاثبتوا وأكثروا ذكر الله فإن أجلبوا وضجوا فعليكم بالصمت

 হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai’f)  বর্ণনাকারীঃ আবদুল্লাহ ইবনু আমর ইবনুল আস (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১৭. যুদ্ধাভিযান অধ্যায় (كتاب السير)

 ২৪৮০

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৭. যুদ্ধের সময় দু’আ করা

২৪৮০. সুহাইব রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হুনায়ন (যুদ্ধের) দিন দু’আয় বলেছেন: “হে আল্লাহ! আমি আপনার সাহায্যেই প্রচেষ্টা করি এবং আপনার সাহায্যেই আক্রমণ করি এবং আপনার সাহায্যেই যুদ্ধ করি।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: আহমাদ ৪/৩৩২, ৩৩৩, ৬/১৬; তাবারাণী, কাবীর ৮/৪৮ নং ৭৩১৮; বাইহাকী, সিয়ার ৯/১৫৩।

بَاب فِي الدُّعَاءِ عِنْدَ الْقِتَالِ

أَخْبَرَنَا حَجَّاجُ بْنُ مِنْهَالٍ حَدَّثَنَا حَمَّادٌ عَنْ ثَابِتٍ عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي لَيْلَى عَنْ صُهَيْبٍ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَ يَدْعُو أَيَّامَ حُنَيْنٍ اللَّهُمَّ بِكَ أُحَاوِلُ وَبِكَ أُصَاوِلُ وَبِكَ أُقَاتِلُ

أخبرنا حجاج بن منهال حدثنا حماد عن ثابت عن عبد الرحمن بن أبي ليلى عن صهيب أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان يدعو أيام حنين اللهم بك أحاول وبك أصاول وبك أقاتل

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ সুহায়ব আর্ রূমী (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১৭. যুদ্ধাভিযান অধ্যায় (كتاب السير)

 ২৪৮১

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৮. (মুশরিকদের) বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার পূর্বে তাদেরকে ইসলামের প্রতি আহ্বান জানানো

২৪৮১. সুলাইমান ইবনু বুরাইদা তার পিতা হতে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, যখন রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কোন সেনাদলের উপর কাউকে আমীর (সেনাপতি) নিযুক্ত করে পাঠাতেন, তখন আমীরকে লক্ষ্য করে (একথা বলে) উপদেশ দিতেন: “যখন তুমি তোমার মুশরিক শত্রুদের সাক্ষাত পাবে তখন তাদেরকে তিনটি বিষয়ের মধ্য হতে যে কোন একটি গ্রহণ করার জন্য আহবান জানাবে। আর যে কোন একটি গ্রহণ করলে তুমি তাতে সায় দিবে এবং তাদের উপর আত্রমণ চালানো হতে বিরত থাকবে।

১. তুমি (প্রথমে) তাদেরকে ইসলামের দিকে আহবান জানাবে। যদি এতে সাড়া দেয়, তুমি মেনে নিবে আর তাদের ওপর আক্রমণ চালানো হতে বিরত থাকবে। তারপর তাদেরকে নিজ দেশে ছেড়ে মুহাজিরদের দেশে অর্থাৎ মদীনায় হিজরত করার আহবান জানাবে। আর তাদেরকে অবহিত করে দিবে যে, হিজরত করার পর মুহাজিরগণ যে সকল সুযোগ-সুবিধাভোগ করেন, তারাও সে সকল সুবিধা ভোগ করবে। আর (জিহাদের) যে সকল দায়- দায়িত্ব মুহাজিরদের ওপর বর্তায়, তাদের ওপরও তা সমভাবে বর্তাবে। তারা যদি এ প্রস্তাবে অস্বীকৃতি জানায় (রাযী না হয় বা প্রত্যাখ্যান করে আর নিজ দেশেই অবস্থান করতে চায়) তবে তাদেরকে জানিয়ে দিবে যে, তারা হবে বেদুঈন মুসলিমগণের মতো। তাদেরকে আল্লাহ আদেশ- নিষেধ ও বিধি- বিধান মেনে চলতে হবে যেরূপে মুসলিমগণ তা মেনে চলেন। ’ফাই’ ও গনিমতের (যুদ্ধলব্ধ সম্পদের) কোন ভাগ তারা পাবে না, যদি মুজাহিদগণের সাথে প্রত্যক্ষভাবে যুদ্ধে অংশগ্রহণ না করে।

২. আর যদি তারা ইসলাম গ্রহণ করতে অস্বীকার করে তবে (তাদের নিরাপত্তার জন্য) জিয্ইয়া প্রদান করার প্রস্তাব দিবে। যদি তারা তা প্রদান করে, তবে তুমি মেনে নিবে এবং তাদের সঙ্গে যুদ্ধে লিপ্ত হবে না।

৩. যদি তারা (জিযইয়া দিতে) অস্বীকার করে তবে আল্লাহর নিকট সাহায্য প্রার্থনা করবে এবং তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করবে। আর যখন তুমি কোন শত্রুর দূর্গ অবরোধ করবে আর তারা তাদের ব্যাপারে তোমার নিকট আল্লাহ্ ও নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম’র যিম্মাহ’ বা প্রতিশ্রুতি/অঙ্গীকার কামনা করে, তবে তাদেরকে আল্লাহ্ ও নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম’র যিম্মাহ’ বা আশ্রয় প্রদান করবে না। তবে তুমি তোমার, তোমার পিতার ও তোমার সঙ্গী-সাথীদের ’যিম্মা বা প্রতিশ্রুতি প্রদান করতে পার। কেননা, আল্লাহ্ ও রাসূলের যিম্মাহ’ বা প্রতিশ্রুতি রক্ষা করার চেয়ে তোমাদের ও তোমাদের পিতা-পিতামহের যিম্মা বা প্রতিশ্রুতি রক্ষা করা তোমাদের জন্য সহজতর। আর যদি তুমি কোন শত্রুর দূর্গ অবরোধ করো, আর তখন তারা আল্লাহর বিধান ভিত্তিতে দুর্গ হতে অবতরণের ইচ্ছা প্রকাশ করবে, তখন তুমি আ্লাহ্ অথবা রাসূলের নির্দেশের ভিত্তিতে তাদের অবতরণ করাবে না বরং তোমার নিজ সিদ্ধান্ত মোতাবেক তাদেরকে অবতরণ করাবে। কারণ, তোমার জানা নেই তাদের ব্যাপারে আল্লাহর নির্দেশ তুমি ঠিকমত কার্যকর করলে কী-না। এরপরে তাদের ব্যাপারে তোমার ইচ্ছানুযায়ী ফয়সালা করবে।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: মুসলিম, জিহাদ ১৭৩১; আরও দেখুন, বাইহাকী, সিয়ার ৯/১৮৪।

بَاب فِي الدَّعْوَةِ إِلَى الْإِسْلَامِ قَبْلَ الْقِتَالِ

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ عَنْ سُفْيَانَ عَنْ عَلْقَمَةَ بْنِ مَرْثَدٍ عَنْ سُلَيْمَانَ بْنِ بُرَيْدَةَ عَنْ أَبِيهِ قَالَ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِذَا أَمَّرَ رَجُلًا عَلَى سَرِيَّةٍ أَوْصَاهُ إِذَا لَقِيتَ عَدُوَّكَ مِنْ الْمُشْرِكِينَ فَادْعُهُمْ إِلَى إِحْدَى ثَلَاثِ خِلَالٍ أَوْ خِصَالٍ فَأَيَّتُهُمْ مَا أَجَابُوكَ إِلَيْهَا فَاقْبَلْ مِنْهُمْ وَكُفَّ عَنْهُمْ ثُمَّ ادْعُهُمْ إِلَى الْإِسْلَامِ فَإِنْ هُمْ أَجَابُوكَ فَاقْبَلْ مِنْهُمْ وَكُفَّ عَنْهُمْ ثُمَّ ادْعُهُمْ إِلَى التَّحَوُّلِ مِنْ دَارِهِمْ إِلَى دَارِ الْمُهَاجِرِينَ وَأَخْبِرْهُمْ إِنْ هُمْ فَعَلُوا أَنَّ لَهُمْ مَا لِلْمُهَاجِرِينَ وَأَنَّ عَلَيْهِمْ مَا عَلَى الْمُهَاجِرِينَ فَإِنْ هُمْ أَبَوْا فَأَخْبِرْهُمْ أَنَّهُمْ يَكُونُونَ كَأَعْرَابِ الْمُسْلِمِينَ يَجْرِي عَلَيْهِمْ حُكْمُ اللَّهِ الَّذِي يَجْرِي عَلَى الْمُؤْمِنِينَ وَلَيْسَ لَهُمْ فِي الْفَيْءِ وَالْغَنِيمَةِ نَصِيبٌ إِلَّا أَنْ يُجَاهِدُوا مَعَ الْمُسْلِمِينَ فَإِنْ هُمْ أَبَوْا أَنْ يَدْخُلُوا فِي الْإِسْلَامِ فَسَلْهُمْ إِعْطَاءَ الْجِزْيَةِ فَإِنْ فَعَلُوا فَاقْبَلْ مِنْهُمْ وَكُفَّ عَنْهُمْ فَإِنْ هُمْ أَبَوْا فَاسْتَعِنْ بِاللَّهِ وَقَاتِلْهُمْ وَإِنْ حَاصَرْتَ أَهْلَ حِصْنٍ فَإِنْ أَرَادُوكَ أَنْ تَجْعَلَ لَهُمْ ذِمَّةَ اللَّهِ وَذِمَّةَ نَبِيِّهِ فَلَا تَجْعَلْ لَهُمْ ذِمَّةَ اللَّهِ وَلَا ذِمَّةَ نَبِيِّهِ وَلَكِنْ اجْعَلْ لَهُمْ ذِمَّتَكَ وَذِمَّةَ أَبِيكَ وَذِمَّةَ أَصْحَابِكَ فَإِنَّكُمْ إِنْ تُخْفِرُوا بِذِمَّتِكُمْ وَذِمَّةِ آبَائِكُمْ أَهْوَنُ عَلَيْكُمْ مِنْ أَنْ تُخْفِرُوا ذِمَّةَ اللَّهِ وَذِمَّةَ رَسُولِهِ وَإِنْ حَاصَرْتَ حِصْنًا فَأَرَادُوكَ أَنْ يَنْزِلُوا عَلَى حُكْمِ اللَّهِ فَلَا تُنْزِلْهُمْ عَلَى حُكْمِ اللَّهِ وَلَكِنْ أَنْزِلْهُمْ عَلَى حُكْمِكَ فَإِنَّكَ لَا تَدْرِي أَتُصِيبُ حُكْمَ اللَّهِ فِيهِمْ أَمْ لَا ثُمَّ اقْضِ فِيهِمْ بِمَا شِئْتَ

أخبرنا محمد بن يوسف عن سفيان عن علقمة بن مرثد عن سليمان بن بريدة عن أبيه قال كان رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا أمر رجلا على سرية أوصاه إذا لقيت عدوك من المشركين فادعهم إلى إحدى ثلاث خلال أو خصال فأيتهم ما أجابوك إليها فاقبل منهم وكف عنهم ثم ادعهم إلى الإسلام فإن هم أجابوك فاقبل منهم وكف عنهم ثم ادعهم إلى التحول من دارهم إلى دار المهاجرين وأخبرهم إن هم فعلوا أن لهم ما للمهاجرين وأن عليهم ما على المهاجرين فإن هم أبوا فأخبرهم أنهم يكونون كأعراب المسلمين يجري عليهم حكم الله الذي يجري على المؤمنين وليس لهم في الفيء والغنيمة نصيب إلا أن يجاهدوا مع المسلمين فإن هم أبوا أن يدخلوا في الإسلام فسلهم إعطاء الجزية فإن فعلوا فاقبل منهم وكف عنهم فإن هم أبوا فاستعن بالله وقاتلهم وإن حاصرت أهل حصن فإن أرادوك أن تجعل لهم ذمة الله وذمة نبيه فلا تجعل لهم ذمة الله ولا ذمة نبيه ولكن اجعل لهم ذمتك وذمة أبيك وذمة أصحابك فإنكم إن تخفروا بذمتكم وذمة آبائكم أهون عليكم من أن تخفروا ذمة الله وذمة رسوله وإن حاصرت حصنا فأرادوك أن ينزلوا على حكم الله فلا تنزلهم على حكم الله ولكن أنزلهم على حكمك فإنك لا تدري أتصيب حكم الله فيهم أم لا ثم اقض فيهم بما شئت

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ সুলায়মান ইবন বুরায়দা (রহঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১৭. যুদ্ধাভিযান অধ্যায় (كتاب السير)

 ২৪৮২

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৮. (মুশরিকদের) বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার পূর্বে তাদেরকে ইসলামের প্রতি আহ্বান জানানো

২৪৮২. নু’মান ইবনু মুক্বাররিন রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদটি আগের সনদে মাওসূল হিসেবে (অবিচ্ছিন্ন সূত্রে) বর্ণিত হয়েছে। আর এর সনদটি জাইয়্যেদ।

 

তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা, মুসলিম, জিহাদ ১৭৩১;

 

বাইহাকী, সিয়ার ৯/১৮৪।

بَاب فِي الدَّعْوَةِ إِلَى الْإِسْلَامِ قَبْلَ الْقِتَالِ

قَالَ عَلْقَمَةُ فَحَدَّثْتُ بِهِ مُقَاتِلَ بْنَ حَيَّانَ فَقَالَ حَدَّثَنِي مُسْلِمُ بْنُ هَيْصَمٍ عَنْ النُّعْمَانِ بْنِ مُقَرِّنٍ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مِثْلَهُ

قال علقمة فحدثت به مقاتل بن حيان فقال حدثني مسلم بن هيصم عن النعمان بن مقرن عن النبي صلى الله عليه وسلم مثله

 হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)  বর্ণনাকারীঃ নু’মান ইবনু মুকররিন (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১৭. যুদ্ধাভিযান অধ্যায় (كتاب السير)

 ২৪৮৩

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৮. (মুশরিকদের) বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার পূর্বে তাদেরকে ইসলামের প্রতি আহ্বান জানানো

২৪৮৩. ইবনু আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কোনো ক্বওমকে (ইসলামের দিকে) দাওয়াত না দেওয়া পর্যন্ত তাদের সাথে যুদ্ধ করেননি।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর বর্ণনাকারীগণ সকলেই বিশ্বস্ত। তবে সুফিয়ান ইবনু আবী নাজীহ হতে হাদীস শ্রবণ করেননি, যেমনটি দারেমী বলেছেন। তবে হাদীসটি সহীহ। অনেক বিশ্বস্ত রাবী হতে এর মুতাবিয়াত বর্ণিত আছে।

 

তাখরীজ: আহমাদ ১/২৩১, ২৩৬; মুসনাদুল মাউসিলী নং ২৪৯৪, ২৫৯১; তাবারাণী, কাবীর ১১/১৩২ নং ১১১৫৯, ১১২৭০, ১১২৭১; বাইহাকী, সিয়ার ৯/১০৭; হাকিম নং ৩৮; ইবনু আব্দুল বারর, আত তামহীদ ২/২১৭।

بَاب فِي الدَّعْوَةِ إِلَى الْإِسْلَامِ قَبْلَ الْقِتَالِ

أَخْبَرَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ مُوسَى عَنْ سُفْيَانَ عَنْ ابْنِ أَبِي نَجِيحٍ عَنْ أَبِيهِ عَنْ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ مَا قَاتَلَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَوْمًا حَتَّى دَعَاهُمْ قَالَ عَبْد اللَّهِ سُفْيَانُ لَمْ يَسْمَعْ مِنْ ابْنِ أَبِي نَجِيحٍ يَعْنِي هَذَا الْحَدِيثَ

أخبرنا عبيد الله بن موسى عن سفيان عن ابن أبي نجيح عن أبيه عن ابن عباس قال ما قاتل رسول الله صلى الله عليه وسلم قوما حتى دعاهم قال عبد الله سفيان لم يسمع من ابن أبي نجيح يعني هذا الحديث

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আবদুল্লাহ ইবনু আব্বাস (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১৭. যুদ্ধাভিযান অধ্যায় (كتاب السير)

 ২৪৮৪

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৯. শত্রুদের উপর আক্রমণ করা

২৪৮৪. আনাস ইবন মালিক রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ফজরের সময় অতর্কিত হামলা চালাতেন। তিনি (আযান) শোনার জন্য কান পাততেন; যখন তিনি (কোনো কওমের এলাকা থেকে) আযানের আওয়ায শুনতে পেতেন, তখন (তাদেরকে আক্রমণ করা হতে) বিরত হয়ে যেতেন। আর যখন আযান শুনতে পেতেন না, তখন হামলা চালাতেন।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ। হাদীসটি বুখারী ও মুসলিম কর্তৃক সম্মিলিত ভাবে বর্ণিত।

 

তাখরীজ: বুখারী, আযান ৬১০; মুসলিম, সালাত ৩৮২।

 

আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ৩৩০৭ তে।

بَاب الْإِغَارَةِ عَلَى الْعَدُوِّ

حَدَّثَنَا حَجَّاجُ بْنُ مِنْهَالٍ حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ عَنْ ثَابِتٍ عَنْ أَنَسٍ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَ يُغِيرُ عِنْدَ صَلَاةِ الْفَجْرِ وَكَانَ يَسْتَمِعُ فَإِنْ سَمِعَ أَذَانًا أَمْسَكَ وَإِنْ لَمْ يَسْمَعْ أَذَانًا أَغَارَ

حدثنا حجاج بن منهال حدثنا حماد بن سلمة عن ثابت عن أنس أن النبي صلى الله عليه وسلم كان يغير عند صلاة الفجر وكان يستمع فإن سمع أذانا أمسك وإن لم يسمع أذانا أغار

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আনাস ইবনু মালিক (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১৭. যুদ্ধাভিযান অধ্যায় (كتاب السير)

 ২৪৮৫

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১০. ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ’ না বলা পর্যন্ত যুদ্ধ করা সম্পর্কে

২৪৮৫. আউস ইবনু আবী আউস সাকাফী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি সাফীফ গোত্রের প্রতিনিধি দলের সাথে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট আগমণ করলাম। তখন আমরা তাঁর সঙ্গে একটি কুব্বায় ছিলাম। আমি এবং তিনি ব্যতীত কুব্বায় কেউই ছিল, আর তিনি ঘুমিয়ে ছিলেন। এমন সময় এক ব্যক্তি এসে তার সংগে গোপনে কিছু বললো, তিনি আমাকে বললেনঃ “যাও, তাকে হত্যা কর।”

এরপর তিনি বললেনঃ “সে কি ’লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ’-এর সাক্ষ্য দান করে না?” রাবী শু’বা বলেন: এবং সেকি একথার সাক্ষ্য দান করে না যে, মুহাম্মদ আল্লাহর বাসূল? তিনি বললেন, হাঁ, সে এরুপ বলে। তখন তিনি বললেনঃ “আমাকে লোকের বিরুদ্ধে যূদ্ধ করার আদেশ দান করা হয়েছে যতক্ষন না তারা বলে, ’লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ।’ যখন তারা এরুপ বলবে, তখন তাদের জানমাল আমার জন্য হারাম হয়ে যাবে,- তবে তার হক ব্যতীত।[1] রাবী বলেন, এ হলো সেই ব্যক্তি যে আবী মাসউদ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু কে হত্যা করেছিল। তিনি বলেন, সে তায়িফের শ্রেষ্ট ব্যক্তিকে হত্যা না করা পর্যন্ত মরলো না।

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ৬৮৬২ তে।

 

এছাড়াও, তায়ালিসী ১/২৬ নং ৩৭; তাবারাণী, কাবীর ১/২১৮ নং ৫৯৪; ইবনুল কানি’, মু’জামুস সাহাবাহ নং ২২; ইবনু আবী শাইবা, ৮/৭৪৩ নং ৬২৩১; ইবনু মাজাহ, ফিতান নং ৩৯২৯; আব্দুর রাযযাক নং ১৮৬৮৯।

 

এ মর্মে আবী হুরাইরা হাদীস রয়েছে যার তাখরীজের জন্য দেখুন ইবনু হিব্বান নং ১৭৩; ইবনু উমার হতে যার তাখরীজের জন্য দেখুন ১৭৫ এ।

بَاب فِي الْقِتَالِ عَلَى قَوْلِ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ

أَخْبَرَنَا هَاشِمُ بْنُ الْقَاسِمِ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ عَنْ النُّعْمَانِ بْنِ سَالِمٍ قَالَ سَمِعْتُ أَوْسَ بْنَ أَبِي أَوْسٍ الثَّقَفِيَّ قَالَ أَتَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي وَفْدِ ثَقِيفٍ قَالَ وَكُنْتُ فِي أَسْفَلِ الْقُبَّةِ لَيْسَ فِيهَا أَحَدٌ إِلَّا النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ نَائِمٌ إِذْ أَتَاهُ رَجُلٌ فَسَارَّهُ فَقَالَ اذْهَبْ فَاقْتُلْهُ ثُمَّ قَالَ أَلَيْسَ يَشْهَدُ أَنْ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ قَالَ شُعْبَةُ وَأَشُكُّ مُحَمَّدًا رَسُولُ اللَّهِ قَالَ بَلَى قَالَ إِنِّي أُمِرْتُ أَنْ أُقَاتِلَ النَّاسَ حَتَّى يَقُولُوا لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ فَإِذَا قَالُوهَا حَرُمَتْ عَلَيَّ دِمَاؤُهُمْ وَأَمْوَالُهُمْ إِلَّا بِحَقِّهَا وَحِسَابُهُمْ عَلَى اللَّهِ قَالَ وَهُوَ الَّذِي قَتَلَ أَبَا مَسْعُودٍ قَالَ وَمَا مَاتَ حَتَّى قَتَلَ خَيْرَ إِنْسَانٍ بِالطَّائِفِ

أخبرنا هاشم بن القاسم حدثنا شعبة عن النعمان بن سالم قال سمعت أوس بن أبي أوس الثقفي قال أتيت رسول الله صلى الله عليه وسلم في وفد ثقيف قال وكنت في أسفل القبة ليس فيها أحد إلا النبي صلى الله عليه وسلم نائم إذ أتاه رجل فساره فقال اذهب فاقتله ثم قال أليس يشهد أن لا إله إلا الله قال شعبة وأشك محمدا رسول الله قال بلى قال إني أمرت أن أقاتل الناس حتى يقولوا لا إله إلا الله فإذا قالوها حرمت علي دماؤهم وأموالهم إلا بحقها وحسابهم على الله قال وهو الذي قتل أبا مسعود قال وما مات حتى قتل خير إنسان بالطائف

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১৭. যুদ্ধাভিযান অধ্যায় (كتاب السير)

 ২৪৮৬

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১১. যে ব্যক্তি ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ’-এর সাক্ষ্য দান করে, তার রক্ত হালাল নয়

২৪৮৬. আব্দুল্লাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ সেই ব্যক্তিকে হত্যা করা বৈধ নয়, যে সাক্ষ্য দেয় যে, আল্লাহ ব্যতীত কোন ইলাহ নেই। তিন ব্যক্তি ব্যতীত; ১. কিসাসে প্রাণের বিনিময়ে প্রাণ; ২. বিবাহিত যিনাকারী; ৩. যে ব্যক্তি ইসলাম পরিত্যাগ করে মুসলিমদের দল হতে পৃথক হয়ে যায়।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ। হাদীসটি বুখারী ও মুসলিম কর্তৃক সম্মিলিত ভাবে বর্ণিত।

 

তাখরীজ: এটি গত ২৩৪৪ নং এ গত হয়েছে।

بَاب لَا يَحِلُّ دَمُ رَجُلٍ يَشْهَدُ أَنَّ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ

أَخْبَرَنَا يَعْلَى حَدَّثَنَا الْأَعْمَشُ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مُرَّةَ عَنْ مَسْرُوقٍ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَا يَحِلُّ دَمُ رَجُلٍ يَشْهَدُ أَنْ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ إِلَّا إِحْدَى ثَلَاثَةِ نَفَرٍ النَّفْسُ بِالنَّفْسِ وَالثَّيِّبُ الزَّانِي وَالتَّارِكُ لِدِينِهِ الْمُفَارِقُ لِلْجَمَاعَةِ

أخبرنا يعلى حدثنا الأعمش عن عبد الله بن مرة عن مسروق عن عبد الله قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم لا يحل دم رجل يشهد أن لا إله إلا الله إلا إحدى ثلاثة نفر النفس بالنفس والثيب الزاني والتارك لدينه المفارق للجماعة

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আবদুল্লাহ‌ ইব্‌ন মাসউদ (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১৭. যুদ্ধাভিযান অধ্যায় (كتاب السير)

 ২৪৮৭

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১২. নাবী (ﷺ) এর বাণীঃ ‘সালাত একত্রকারী’ এ কথা সম্পর্কে

২৪৮৭. আবী কাতাদাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সেনাপতিদের একটি দল প্রেরণ করলেন। এরপর তাঁরা চলে যেতে উদ্যত হলেন, এরপর আল্লাহ যতক্ষণ চান তারা অপেক্ষা করলেন। এরপর রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মিম্বারে আরোহন করলেন, তারপর তিনি আদেশ দান করলে ঘোষণা দেয়া হলো: “সালাত হলো একত্রকারী।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: ইবনু সা’দ ৩/১/২৬, ৩২; বাইহাকী, দালাইল ৪/৩৬৭; আহমাদ ৫/২৯৯, ৩০০, ৩০১; নাসাঈ, কুবরা নং , ৮১৫৯, ৮২৪৯; আবূ নুয়াইম, হিলইয়া ৯/১৬; ইবনু হিব্বান নং ৭০৪৮।

بَاب فِي بَيَانِ قَوْلِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ الصَّلَاةُ جَامِعَةٌ

حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ حَرْبٍ حَدَّثَنَا الْأَسْوَدُ بْنُ شَيْبَانَ عَنْ خَالِدِ بْنِ سُمَيْرٍ قَالَ قَدِمَ عَلَيْنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ رَبَاحٍ الْأَنْصَارِيُّ وَكَانَتْ الْأَنْصَارُ تُفَقِّهُهُ قَالَ حَدَّثَنَا أَبُو قَتَادَةَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بَعَثَ جَيْشَ الْأُمَرَاءِ قَالَ فَانْطَلَقُوا فَلَبِثُوا مَا شَاءَ اللَّهُ ثُمَّ صَعِدَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ الْمِنْبَرَ فَأَمَرَ فَنُودِيَ الصَّلَاةُ جَامِعَةٌ

حدثنا سليمان بن حرب حدثنا الأسود بن شيبان عن خالد بن سمير قال قدم علينا عبد الله بن رباح الأنصاري وكانت الأنصار تفقهه قال حدثنا أبو قتادة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم بعث جيش الأمراء قال فانطلقوا فلبثوا ما شاء الله ثم صعد رسول الله صلى الله عليه وسلم المنبر فأمر فنودي الصلاة جامعة

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আবূ কাতাদাহ্ আল-আনসারী (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১৭. যুদ্ধাভিযান অধ্যায় (كتاب السير)

 ২৪৮৮

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১৩. পরমর্শদাতার বিশ্বস্ত হওয়া

২৪৮৮. আবী মাসউদ আল আনসারী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ “পরামর্শদাতা হবেন আমানতদার বা বিশ্বাসভাজন।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ হাসান।

 

তাখরীজ: আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি ও বেশকিছু শাহিদ উল্লেখ করেছি মাওয়ারিদুয যাম’আন নং ১৯৯১ তে। (আবূ দাউদ, আদাব ৫১২৮; তিরমিযী, আদাব, ২৮২৩; নাসাঈ, ইবনু মাজাহ, আদাব ৩৭৪৬, হাকিম, ৪/১৩১; বাইহাকী, আাদাবুল কাযী ১০/১১২; ।– ফাতহুল মান্নান শারহে দারেমী হা/২৬০৬ এর টীকা হতে। -অনুবাদক))

بَاب فِي الْمُسْتَشَارُ مُؤْتَمَنٌ

أَخْبَرَنَا الْأَسْوَدُ بْنُ عَامِرٍ حَدَّثَنَا شَرِيكٌ عَنْ الْأَعْمَشِ عَنْ أَبِي عَمْرٍو الشَّيْبَانِيِّ عَنْ أَبِي مَسْعُودٍ الْأَنْصَارِيِّ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ الْمُسْتَشَارُ مُؤْتَمَنٌ

أخبرنا الأسود بن عامر حدثنا شريك عن الأعمش عن أبي عمرو الشيباني عن أبي مسعود الأنصاري عن النبي صلى الله عليه وسلم قال المستشار مؤتمن

 হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)  বর্ণনাকারীঃ আবূ মাসউদ আনসারী (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১৭. যুদ্ধাভিযান অধ্যায় (كتاب السير)

 ২৪৮৯

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১৪. যুদ্ধ একটি কৌশল বা ধোকা মাত্র

২৪৮৯. কা’ব ইবনু মালিক রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন কোনো যুদ্ধে যাওয়ার ইচ্ছা পোষণ করতেন, তখন (সঠিক স্থান প্রকাশ না করে) সেস্থান ব্যতীত অন্যত্র যাওয়ার মনস্থ করেছেন বলে বাহ্যিকভাবে দেখাতেন।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা, ১২/৫২৯-৫৩০ নং ১৫৫১০; আবূ দাউদ, ২৬৩৬; বাইহাকী, সিয়ার ৯/১৫০ সহীহ সনদে; আবূ দাউদে অতিরিক্ত আছে: ‘তিনি বলতেন: “যুদ্ধ প্রতারণা বা কৌশল মাত্র।” আহমাদ ৩/৪৫৬।

بَاب فِي الْحَرْبِ خُدْعَةٌ

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يَزِيدَ الْحِزَامِيُّ حَدَّثَنَا ابْنُ الْمُبَارَكِ عَنْ مَعْمَرٍ عَنْ الزُّهْرِيِّ عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ كَعْبِ بْنِ مَالِكٍ عَنْ كَعْبِ بْنِ مَالِكٍ قَالَ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِذَا أَرَادَ غَزْوَةً وَرَّى بِغَيْرِهَا

أخبرنا محمد بن يزيد الحزامي حدثنا ابن المبارك عن معمر عن الزهري عن عبد الرحمن بن كعب بن مالك عن كعب بن مالك قال كان رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا أراد غزوة ورى بغيرها

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ কা‘ব ইবনু মালিক (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১৭. যুদ্ধাভিযান অধ্যায় (كتاب السير)

 ২৪৯০

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১৫. সাংকেতিক চিহ্ন

২৪৯০. সালমা ইবনুল আকওয়া হতে রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বর্ণিত। তিনি বলেন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট মুশরিকদের একজন গুপ্তচর আসলে তিনি লোকটিকে কতল করতে নির্দেশ দেন।) তখন আমিই সর্বপ্রথম তার মুখোমুখি হই এবং তাকে হত্যা করি। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার ফেলে যাওয়া মালপত্র আমাকে প্রদান করেন। তখন আমার ও খালিদ ইবনুল ওয়ালিদের মাঝে সাংকেতিক চিহ্ন ছিল, ’আমিত’ অর্থ: ’তাকে হত্যা কর।’[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ। হাদীসটি বুখারী ও মুসলিম কর্তৃক সম্মিলিত ভাবে বর্ণিত।

 

তাখরীজ: বুখারী, জিহাদ ৩০৫১; মুসলিম, সিয়ার ওয়াল জিহাদ ১৭৫৪।

 

আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৪৮৩৯, ৪৮৪৩ তে।

بَاب الشِّعَارِ

حَدَّثَنَا إِسْحَقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ حَدَّثَنَا وَكِيعٌ عَنْ أَبِي عُمَيْسٍ عَنْ إِيَاسِ بْنِ سَلَمَةَ بْنِ الْأَكْوَعِ عَنْ أَبِيهِ قَالَ بَارَزْتُ رَجُلًا فَقَتَلْتُهُ فَنَفَّلَنِي رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ سَلَبَهُ فَكَانَ شِعَارُنَا مَعَ خَالِدِ بْنِ الْوَلِيدِ أَمِتْ يَعْنِي اقْتُلْ

حدثنا إسحق بن إبراهيم حدثنا وكيع عن أبي عميس عن إياس بن سلمة بن الأكوع عن أبيه قال بارزت رجلا فقتلته فنفلني رسول الله صلى الله عليه وسلم سلبه فكان شعارنا مع خالد بن الوليد أمت يعني اقتل

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ সালামাহ ইবনু আক্ওয়া‘ (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১৭. যুদ্ধাভিযান অধ্যায় (كتاب السير)

 ২৪৯১

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১৬. নাবী (ﷺ) এর বাণীঃ চেহারাসমূহ বিকৃত হয়ে গেছে

২৪৯১. আবূ আবদুর রহমান ফিহরী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আমি হুনায়নের যুদ্ধের সময় রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সঙ্গে ছিলাম। আমরা এমন এক সময় সফর করি, যখন ছিল প্রচন্ড গরম। ফলে, আমরা একটি গাছের নীচে অবতরন করি। এরপর তিনি পুরো ঘটনা বর্ণনা করেন। (তিনি বলেন:) তারপর তিনি এক মুষ্টি মাটি যমিন থেকে তুলে নিলেন। এরপর তাদের মুখমন্ডলে তা নিক্ষেপ করলেন এবং বললেনঃ “তাদের মুখমন্ডল বিকৃত হয়ে গেছে।” এভাবে আল্লাহ তা’আলা (এ দ্বারাই) তাদেরকে পরাজিত করলেন। বর্ণনাকারী ইয়া’লা বলেন, পরবর্তীতে তাদের ছেলেরা বর্ণনা করেছেন যে, তাদের পিতারা বলেন: এরপর আমাদের এমন কোনো লোক অবশিষ্ট ছিল না, যার চোখ-মুখ সে এক মুষ্টি মাটির ধুলায় ভরে যায়নি।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা, ১৪/৫২৯ নং ১৮৮৪৪; আহমাদ ৫/২৮৬; আবূ দাউদ, আদাব ৫২৩৩; ইবনুল আসীর, আসাদুল গাবাহ ৬/২০০।

 

এর সহীহ শাহিদ হাদীস রয়েছে আব্বাস ইবনু আব্দুল মুত্তালিব হতে আমরা যার পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ৬৭০৮ ও সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৭০৪৯ ও মুসনাদুল হুমাইদী নং ৪৬৪ তে।

بَاب فِي قَوْلِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ شَاهَتْ الْوُجُوهُ

حَدَّثَنَا حَجَّاجُ بْنُ مِنْهَالٍ وَعَفَّانُ قَالَا حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ عَنْ يَعْلَى بْنِ عَطَاءٍ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ يَسَارٍ أَبِي هَمَّامٍ عَنْ أَبِي عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْفِهْرِيِّ قَالَ كُنَّا مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي غَزْوَةِ حُنَيْنٍ فَكُنَّا فِي يَوْمٍ قَائِظٍ شَدِيدِ الْحَرِّ فَنَزَلْنَا تَحْتَ ظِلَالِ الشَّجَرِ فَذَكَرَ الْقِصَّةَ ثُمَّ أَخَذَ كَفًّا مِنْ تُرَابٍ قَالَ فَحَدَّثَنِي الَّذِي هُوَ أَقْرَبُ إِلَيْهِ مِنِّي أَنَّهُ ضَرَبَ بِهِ وُجُوهَهُمْ وَقَالَ شَاهَتْ الْوُجُوهُ فَهَزَمَ اللَّهُ الْمُشْرِكِينَ قَالَ يَعْلَى فَحَدَّثَنِي أَبْنَاؤُهُمْ أَنَّ أَبَاءَهُمْ قَالُوا فَمَا بَقِيَ مِنَّا أَحَدٌ إِلَّا امْتَلَأَتْ عَيْنَاهُ وَفَمُهُ تُرَابًا

حدثنا حجاج بن منهال وعفان قالا حدثنا حماد بن سلمة عن يعلى بن عطاء عن عبد الله بن يسار أبي همام عن أبي عبد الرحمن الفهري قال كنا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم في غزوة حنين فكنا في يوم قائظ شديد الحر فنزلنا تحت ظلال الشجر فذكر القصة ثم أخذ كفا من تراب قال فحدثني الذي هو أقرب إليه مني أنه ضرب به وجوههم وقال شاهت الوجوه فهزم الله المشركين قال يعلى فحدثني أبناؤهم أن أباءهم قالوا فما بقي منا أحد إلا امتلأت عيناه وفمه ترابا

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১৭. যুদ্ধাভিযান অধ্যায় (كتاب السير)

 ২৪৯২

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১৭. নাবী (ﷺ) কর্তৃক বাইয়াত (অঙ্গীকার) গ্রহণ প্রসঙ্গে

২৪৯২. উবাদা ইবনুস সামিত রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, আমরা একটি মাজলিসে ছিলাম, এমতাবস্থায় রাসূলুল্লাহ্‌ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদেরকে বলেনঃ “তোমরা আমার কাছে এই মর্মে বায়’আত গ্রহণ কর যে, আল্লাহ্‌র সঙ্গে কিছু শরীক করবে না, চুরি করবে না, যিনা করবে না, তোমাদের সন্তানদের হত্যা করবে না এবং কাউকে মিথ্যা অপবাদ দেবে। তোমাদের মধ্যে যে তা পূরণ করবে, তার বিনিময় আল্লহ্‌র কাছে। আর কেউ এর কোন একটিতে লিপ্ত হয়ে পড়লে এবং আল্লাহ্ তা অপ্রকাশিত রাখলে, তবে তা আল্লাহ্‌র ইচ্ছাধীন। তিনি যদি চান, তাকে শাস্তি দেবেন আর যদি চান, তাকে মাফ করে দেবেন। আর কেউ এর কোন একটিতে লিপ্ত হয়ে পড়লে এবং দুনিয়াতে তার শাস্তি পেয়ে গেলে, তবে তা হবে তার জন্য কাফ্‌ফারা।” তিনি বলেন, আমরা তাঁর নিকট এর উপর বায়’আত গ্রহণ করলাম।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ। হাদীসটি বুখারী ও মুসলিম কর্তৃক সম্মিলিত ভাবে বর্ণিত।

 

তাখরীজ: বুখারী, ঈমান ১৮; মুসলিম, হুদূদ ১৭০৯।

 

আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মাওয়ারিদুয যাম’আন নং ১৫০৬ ও মুসনাদুল হুমাইদী নং ৩৯১ সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৪৪০৫ তে।

بَاب فِي بَيْعَةِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ

حَدَّثَنَا عُثْمَانُ بْنُ عُمَرَ حَدَّثَنَا يُونُسُ عَنْ الزُّهْرِيِّ عَنْ أَبِي إِدْرِيسَ عَنْ عُبَادَةَ بْنِ الصَّامِتِ قَالَ قَالَ لَنَا رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَنَحْنُ مَعَهُ فِي مَجْلِسٍ بَايِعُونِي عَلَى أَنْ لَا تُشْرِكُوا بِاللَّهِ شَيْئًا وَلَا تَسْرِقُوا وَلَا تَزْنُوا وَلَا تَقْتُلُوا أَوْلَادَكُمْ وَلَا تَأْتُوا بِبُهْتَانٍ تَفْتَرُونَهُ بَيْنَ أَيْدِيكُمْ وَأَرْجُلِكُمْ فَمَنْ وَفَى مِنْكُمْ فَأَجْرُهُ عَلَى اللَّهِ وَمَنْ أَصَابَ شَيْئًا مِنْ ذَلِكَ فَسَتَرَهُ اللَّهُ فَأَمْرُهُ إِلَى اللَّهِ إِنْ شَاءَ عَاقَبَهُ وَإِنْ شَاءَ عَفَا عَنْهُ وَمَنْ أَصَابَ مِنْ ذَلِكَ شَيْئًا فَعُوقِبَ بِهِ فِي الدُّنْيَا فَهُوَ كَفَّارَةٌ لَهُ قَالَ فَبَايَعْنَاهُ عَلَى ذَلِكَ

حدثنا عثمان بن عمر حدثنا يونس عن الزهري عن أبي إدريس عن عبادة بن الصامت قال قال لنا رسول الله صلى الله عليه وسلم ونحن معه في مجلس بايعوني على أن لا تشركوا بالله شيئا ولا تسرقوا ولا تزنوا ولا تقتلوا أولادكم ولا تأتوا ببهتان تفترونه بين أيديكم وأرجلكم فمن وفى منكم فأجره على الله ومن أصاب شيئا من ذلك فستره الله فأمره إلى الله إن شاء عاقبه وإن شاء عفا عنه ومن أصاب من ذلك شيئا فعوقب به في الدنيا فهو كفارة له قال فبايعناه على ذلك

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ উবাদা ইব্‌নুস সামিত (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১৭. যুদ্ধাভিযান অধ্যায় (كتاب السير)

 ২৪৯৩

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১৮. (যুদ্ধক্ষেত্র থেকে) পলায়ন না করার বাইআত গ্রহণ প্রসঙ্গে

২৪৯৩. জাবির রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, হুদায়বিয়ার (সন্ধির) দিন আমরা সংখ্যায় ছিলাম চৌদ্দশ’। আমরা রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর হাতে বাইআত হলাম। ’সামুরাহ’ গাছের নীচে উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু তাঁর হাত ধরে ছিলেন। বর্ণনাকারী বলেন, আমরা যুদ্ধক্ষেত্র থেকে পলায়ন না করার বাইআত করেছিলাম, কিন্তু মৃত্যুর জন্য বাইআত করিনি।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: বুখারী, মাগাযী ৪১৫৪; মুসলিম, ইমারাহ ১৮৫৬

 

আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ১৮৩৮ ও সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৪৮৭৫ ও মুসনাদুল হুমাইদী নং ১৩১২ তে।

بَاب فِي بَيْعَتِهِ أَنْ لَا يَفِرُّوا

أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ حَدَّثَنَا لَيْثُ بْنُ سَعْدٍ عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ أَنَّهُ قَالَ كُنَّا يَوْمَ الْحُدَيْبِيَةِ أَلْفًا وَأَرْبَعَ مِائَةٍ فَبَايَعْنَاهُ وَعُمَرُ آخِذٌ بِيَدِهِ تَحْتَ الشَّجَرَةِ وَهِيَ سَمُرَةٌ وَقَالَ بَايَعْنَاهُ عَلَى أَنْ لَا نَفِرَّ وَلَمْ نُبَايِعْهُ عَلَى الْمَوْتِ

أخبرنا أحمد بن عبد الله حدثنا ليث بن سعد عن أبي الزبير عن جابر بن عبد الله أنه قال كنا يوم الحديبية ألفا وأربع مائة فبايعناه وعمر آخذ بيده تحت الشجرة وهي سمرة وقال بايعناه على أن لا نفر ولم نبايعه على الموت

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ জাবির ইবনু আবদুল্লাহ আনসারী (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১৭. যুদ্ধাভিযান অধ্যায় (كتاب السير)

 ২৪৯৪

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১৯. পরিখা খনন প্রসঙ্গে

২৪৯৪. বারা’ ইবনু আযিব রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আহযাবের দিন আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে দেখেছি যে, তিনি আমাদের সঙ্গে মাটি বহন করছেন। আর মাটি তাঁর উভয় বাহুমূলের শুভ্রতা ঢেকে ফেলেছে। সে সময় তিনি আবৃত্তি করছিলেন: হে আল্লাহ্!

আপনি না হলে আমরা হিদায়াত পেতাম না;

সাদাকা দিতাম না এবং সালাত আদায় করতাম না।

তাই আমাদের উপর শান্তি নাযিল করুন।

যখন আমরা শত্রু সম্মুখীন হই তখন আমাদের পা সুদৃঢ় করুন।

ওরা আমাদের বিরুদ্ধাচরণ করেছে।

তারা যখনই কোন ফিতনা সৃষ্টি করতে চায় তখনই আমরা তা থেকে বিরত থাকি।”

আবৃত্তি করার সময় তাঁর কন্ঠস্বর উঁচু হচ্ছিল।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: বুখারী, জিহাদ ২৮৩৬, ২৮৩৭; মুসলিম, সিয়ার ১৮০৩।

 

আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ১৭১৬ তে।

بَاب فِي حَفْرِ الْخَنْدَقِ

أَخْبَرَنَا أَبُو الْوَلِيدِ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ حَدَّثَنَا أَبُو إِسْحَقَ قَالَ سَمِعْتُ الْبَرَاءَ بْنَ عَازِبٍ يَقُولُ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَنْقُلُ مَعَنَا التُّرَابَ يَوْمَ الْأَحْزَابِ وَقَدْ وَارَى التُّرَابُ بَيَاضَ إِبِطَيْهِ وَهُوَ يَقُولُ

 

اللَّهُمَّ لَوْلَا أَنْتَ مَا اهْتَدَيْنَا وَلَا تَصَدَّقْنَا وَلَا صَلَّيْنَا فَأَنْزِلَنَّ سَكِينَةً عَلَيْنَا

وَثَبِّتْ الْأَقْدَامَ إِنْ لَاقَيْنَا إِنَّ الْأُولَى قَدْ بَغَوْا عَلَيْنَا

وَإِنْ أَرَادُوا فِتْنَةً أَبَيْنَا

وَيَرْفَعُ بِهَا صَوْتَهُ

أخبرنا أبو الوليد حدثنا شعبة حدثنا أبو إسحق قال سمعت البراء بن عازب يقول كان رسول الله صلى الله عليه وسلم ينقل معنا التراب يوم الأحزاب وقد وارى التراب بياض إبطيه وهو يقول اللهم لولا أنت ما اهتدينا ولا تصدقنا ولا صلينا فأنزلن سكينة علينا وثبت الأقدام إن لاقينا إن الأولى قد بغوا علينا وإن أرادوا فتنة أبينا ويرفع بها صوته

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ বারা’আ ইবনু আযিব (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১৭. যুদ্ধাভিযান অধ্যায় (كتاب السير)

 ২৪৯৫

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ২০. নাবী (ﷺ) যেভাবে মক্কায় প্রবেশ করলেন

২৪৯৫. আনাস ইবনু মালিক রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, মক্কা বিজয়ের দিন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মক্কায় প্রবেশ করেন। তখন তাঁর মাথায় ছিল লৌহ শিরস্ত্রাণ। তিনি যখন তা খুললেন, তখন তাঁকে বলা হল, ইয়া রাসূলুল্লাহ! এ হলো ইবনু খাতল, কা’বার পর্দায় জড়িয়ে ধরে আছে। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, “তাকে হত্যা করে ফেল।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ। হাদীসটি বুখারী ও মুসলিম কর্তৃক সম্মিলিত ভাবে বর্ণিত।

 

তাখরীজ: এটি ১৯৮১ নং এ গত হয়েছে।

بَاب كَيْفَ دَخَلَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَكَّةَ

حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ خَالِدِ بْنِ حَازِمٍ حَدَّثَنَا مَالِكٌ عَنْ الزُّهْرِيِّ عَنْ أَنَسٍ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ دَخَلَ مَكَّةَ عَامَ الْفَتْحِ وَعَلَى رَأْسِهِ مِغْفَرٌ فَلَمَّا نَزَعَهُ جَاءَهُ رَجُلٌ فَقَالَ يَا رَسُولَ اللَّهِ هَذَا ابْنُ خَطَلٍ مُتَعَلِّقٌ بِأَسْتَارِ الْكَعْبَةِ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ اقْتُلُوهُ

حدثنا عبد الله بن خالد بن حازم حدثنا مالك عن الزهري عن أنس أن النبي صلى الله عليه وسلم دخل مكة عام الفتح وعلى رأسه مغفر فلما نزعه جاءه رجل فقال يا رسول الله هذا ابن خطل متعلق بأستار الكعبة فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم اقتلوه

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আনাস ইবনু মালিক (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১৭. যুদ্ধাভিযান অধ্যায় (كتاب السير)

 ২৪৯৬

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ২১. নাবী (ﷺ) এর তরবারীর বাট সম্পর্কে

২৪৯৬. আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর তলওয়ারের বাটটি ছিল রৌপ্য খচিত।[1] আব্দুল্লাহ বলেন, হিশাম দুস্তাওয়ী তার বিপরীত কথা বলেছেন। তিনি বলেন, কাতাদাহ সাঈদ ইবনু আবীল হাসান হতে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণনা করেছেন। আর লোকদের ধারণা, এটিই মাহফূজ বা সংরক্ষিত।

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: আবূ দাউদ, জিহাদ ২৫৮৩; মারাসীল ২৪৮৫; তাহাবী, মুশকিলিল আছার ২/১৬৬; তিরমিযী, জিহাদ ১৬৯১; শামাইল ১০০; নাসাঈ, কুবরা নং ৯৮১৩; বাইহাকী, যাকাত ৪/১৪৩; আবী শাইখ, আখলাকুন নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম r পৃ: ১৪০।

 

এ হাদীসের অনেক গুলি শাহিদ রয়েছে যা একে শক্তিশালী করে। আল্লাহই ভাল জানেন।

بَاب فِي قَبِيعَةِ سَيْفِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ

أَخْبَرَنَا أَبُو النُّعْمَانِ حَدَّثَنَا جَرِيرُ بْنُ حَازِمٍ عَنْ قَتَادَةَ عَنْ أَنَسٍ قَالَ كَانَ قَبِيعَةُ سَيْفِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مِنْ فِضَّةٍ قَالَ عَبْد اللَّهِ هِشَامٌ الدَّسْتَوَائِيُّ خَالَفَهُ قَالَ قَتَادَةُ عَنْ سَعِيدِ بْنِ أَبِي الْحَسَنِ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَزَعَمَ النَّاسُ أَنَّهُ هُوَ الْمَحْفُوظُ

أخبرنا أبو النعمان حدثنا جرير بن حازم عن قتادة عن أنس قال كان قبيعة سيف النبي صلى الله عليه وسلم من فضة قال عبد الله هشام الدستوائي خالفه قال قتادة عن سعيد بن أبي الحسن عن النبي صلى الله عليه وسلم وزعم الناس أنه هو المحفوظ

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আনাস ইবনু মালিক (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১৭. যুদ্ধাভিযান অধ্যায় (كتاب السير)

 ২৪৯৭

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ২২. নবী (ﷺ) যখন কোন কওমের উপর বিজয়ী হতেন, তখন তিনি সেইস্থানে তিন রাত অতিবাহিত করতেন

২৪৯৭. আবূ তালহা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন কোন কওমের উপর বিজয়ী হতেন, তখন তিনি সেইস্থানে তিন রাত অতিবাহিত করতে পছন্দ করতেন।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: যারা সাঈদ এর স্মৃতি এলোমেলো হওয়ার পূর্বে তার নিকট হতে হাদীস শুনেছেন, মুয়ায ইবনু মুয়ায এর নাম তাদের অন্তর্ভুক্ত নয়। তবে আব্দুল আ’লা এর মুতাবিয়াত বর্ণনা করেছেন। যা এর সনদকে সহীহতে পরিণত করে।

 

তাখরীজ: বুখারী, জিহাদ ৩০৬৫; মুসলিম, জান্নাত ওয়া সিফাতু নাঈমুহা ২৮৭৫।

 

আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ১৪১৫, ৩১৭৪ ও সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৪৭৭৬, ৪৭৭৭, ৪৭৭৮ তে। এছাড়াও, ইবনু আবী শাইবা ১২/৩৫২ নং ১৩০৬৬ তে।

بَاب أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَقَامَ بِالْعَرْصَةِ ثَلَاثَةً

أَخْبَرَنَا الْمُعَلَّى بْنُ أَسَدٍ حَدَّثَنَا مُعَاذُ بْنُ مُعَاذٍ حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ أَبِي عَرُوبَةَ عَنْ قَتَادَةَ عَنْ أَنَسٍ عَنْ أَبِي طَلْحَةَ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَ إِذَا ظَهَرَ عَلَى قَوْمٍ أَحَبَّ أَنْ يُقِيمَ بِعَرْصَتِهِمْ ثَلَاثًا

أخبرنا المعلى بن أسد حدثنا معاذ بن معاذ حدثنا سعيد بن أبي عروبة عن قتادة عن أنس عن أبي طلحة أن النبي صلى الله عليه وسلم كان إذا ظهر على قوم أحب أن يقيم بعرصتهم ثلاثا

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আবূ ত্বলহা (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১৭. যুদ্ধাভিযান অধ্যায় (كتاب السير)

 ২৪৯৮

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ২৩. নাবী (ﷺ) কর্তৃক বনী নাযির গোত্রের বাগান জ্বালিয়ে দেয়া প্রসঙ্গে

২৪৯৮. ইবনু উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত।রাসূলূল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বনী নাযীর গোত্রের খেজুরের বাগান জ্বালিয়ে দিয়েছিলেন।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ। হাদীসটি বুখারী ও মুসলিম কর্তৃক সম্মিলিত ভাবে বর্ণিত।

 

তাখরীজ: বুখারী, হারছ ওয়াল মাযারাআহ ২৩২৬; মুসলিম, জিহাদ ১৭৪৬।

 

আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ৫৮৩৭ তে। এছাড়াও, ইবনু মানসূর ২৬৪২।

بَاب فِي تَحْرِيقِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ نَخْلَ بَنِي النَّضِيرِ

حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ سَعِيدٍ حَدَّثَنَا عُقْبَةُ بْنُ خَالِدٍ حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ عَنْ نَافِعٍ عَنْ ابْنِ عُمَرَ قَالَ حَرَّقَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ نَخْلَ بَنِي النَّضِيرِ

حدثنا عبد الله بن سعيد حدثنا عقبة بن خالد حدثنا عبيد الله عن نافع عن ابن عمر قال حرق رسول الله صلى الله عليه وسلم نخل بني النضير

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১৭. যুদ্ধাভিযান অধ্যায় (كتاب السير)

 ২৪৯৯

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ২৪. কাউকে আল্লাহর আযাবের ন্যায় আযাব দেয়া নিষিদ্ধ

২৪৯৯. আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদেরকে এক অভিযানে প্রেরণ করেন। তখন তিনি বলেছিলেন, “অমুক অমুক দুই ব্যক্তিকে যদি পাও তবে এদের আগুনে পুড়িয়ে ফেলবে।” পরের দিন তিনি আমাদের নিকট একজন লোক পাঠিয়ে বললেন: “অমুক অমুক দুই ব্যক্তিকে আগুনে জ্বালিয়ে দিতে আমি তোমাদের নির্দেশ দিয়েছিলাম। পরে আমার মনে হলো যে, আল্লাহ ছাড়া আর কেউ আগুনে শাস্তি দিতে পারেন না। সুতরাং তোমরা যদি এদের দুই জনকে পাও তবে এদের হত্যা করবে।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর রাবীগণ বিশ্বস্ত। তবে মুহাম্মদ ইবনু ইসহাক এটি ‘আন ‘আন’ শব্দে বর্ননা করেছেন। তবে হাদীসটি সহীহ।

 

তাখরীজ: বুখারী, জিহাদ ৩০১৬।

 

আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৫৬১১ তে। এছাড়াও, ইবনু আবী শাইবা, ১২/২৮৯ নং ১৪০৮৮; ইবনু মানসূর ২৬৪৫; নাসাঈ, কুবরা নং , ৮৬১৩; বাইহাকী, সিয়ার ৯/৭১।

بَاب فِي النَّهْيِ عَنْ التَّعْذِيبِ بِعَذَابِ اللَّهِ

أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ بْنِ أَبَانَ حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحِيمِ بْنُ سُلَيْمَانَ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ إِسْحَقَ عَنْ يَزِيدَ بْنِ أَبِي حَبِيبٍ عَنْ بُكَيْرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الْأَشَجِّ عَنْ أَبِي إِسْحَقَ الدَّوْسِيِّ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ الدَّوْسِيِّ قَالَ بَعَثَنَا رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي سَرِيَّةٍ فَقَالَ إِنْ ظَفِرْتُمْ بِفُلَانٍ وَفُلَانٍ فَحَرِّقُوهُمَا بِالنَّارِ حَتَّى إِذَا كَانَ الْغَدُ بَعَثَ إِلَيْنَا فَقَالَ إِنِّي كُنْتُ أَمَرْتُكُمْ بِتَحْرِيقِ هَذَيْنِ الرَّجُلَيْنِ ثُمَّ رَأَيْتُ أَنَّهُ لَا يَنْبَغِي لِأَحَدٍ أَنْ يُعَذِّبَ بِالنَّارِ إِلَّا اللَّهُ فَإِنْ ظَفِرْتُمْ بِهِمَا فَاقْتُلُوهُمَا

أخبرنا عبد الله بن عمر بن أبان حدثنا عبد الرحيم بن سليمان عن محمد بن إسحق عن يزيد بن أبي حبيب عن بكير بن عبد الله بن الأشج عن أبي إسحق الدوسي عن أبي هريرة الدوسي قال بعثنا رسول الله صلى الله عليه وسلم في سرية فقال إن ظفرتم بفلان وفلان فحرقوهما بالنار حتى إذا كان الغد بعث إلينا فقال إني كنت أمرتكم بتحريق هذين الرجلين ثم رأيت أنه لا ينبغي لأحد أن يعذب بالنار إلا الله فإن ظفرتم بهما فاقتلوهما

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরায়রা (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১৭. যুদ্ধাভিযান অধ্যায় (كتاب السير)

 ২৫০০

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ২৫. নারী ও শিশুদের হত্যা করা নিষিদ্ধ

২৫০০. ইবনু উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কোন এক অভিযানে এক মহিলাকে নিহত অবস্থায় পাওয়া গেল। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নারী ও শিশু হত্যা নিষিদ্ধ করে দেন।[1]

[1]তাহক্বীক্ব: এর সনদ জাইয়্যেদ।

 

তাখরীজ: বুখারী, জিহাদ ৩০১৪, ৩০১৫; মুসলিম, জিহাদ ১৭৪৪ ; ইবনু আবী শাইবা, ১২/৩৮১ নং ১৪০৫৮; তাহাবী, শারহু মা’আনিল আছার ৩/২২০;

 

আহমাদ ২/২২, ১২২, ১২৩; তাবারাণী, কাবীর ১২/৩৮৩ নং ৬৭৭; আওসাত ৮৯৩৫; আবূ দাউদ, জিহাদ ২৬৬৮; তিরমিযী, সিয়ার ১৫৬৯;ইবনু মাজাহ, জিহাদ ২৮৪১।

بَاب فِي النَّهْيِ عَنْ قَتْلِ النِّسَاءِ وَالصِّبْيَانِ

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عُيَيْنَةَ عَنْ عَلِيِّ بْنِ مُسْهِرٍ عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ هُوَ ابْنُ عُمَرَ بْنِ حَفْصِ بْنِ عَاصِمٍ عَنْ نَافِعٍ عَنْ ابْنِ عُمَرَ قَالَ وُجِدَ فِي بَعْضِ مَغَازِي رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ امْرَأَةٌ مَقْتُولَةٌ فَنَهَى رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَنْ قَتْلِ النِّسَاءِ وَالصِّبْيَانِ

أخبرنا محمد بن عيينة عن علي بن مسهر عن عبيد الله هو ابن عمر بن حفص بن عاصم عن نافع عن ابن عمر قال وجد في بعض مغازي رسول الله صلى الله عليه وسلم امرأة مقتولة فنهى رسول الله صلى الله عليه وسلم عن قتل النساء والصبيان

 হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)  বর্ণনাকারীঃ আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১৭. যুদ্ধাভিযান অধ্যায় (كتاب السير)

 ২৫০১

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ২৫. নারী ও শিশুদের হত্যা করা নিষিদ্ধ

২৫০১. আসওয়াদ ইবনু সারি’ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাথে কোন এক যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিলাম। তখন মুশরিকদেরকে আয়ত্তে পেয়ে তারা তাদের লোকদেরকে দ্রুত হত্যা করে চললো। এমনকি তারা এক শিশু কে হত্যা করে ফেললো। তখন এ বিষয়টি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট পৌছলে তিনি বললেন: “লোকদের কী হলো? তারা হত্যা করতে এতই আগ্রাসী হয়েছে যে, তারা শিশুকেও হত্যা করে ফেললো! সাবধান! কোনো শিশুকে হত্যা করবে না।” একথা তিনি তিনিবার বললেন।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ:আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ১৩২ ও মাওয়ারিদুয যাম’আন নং ১৬৫৮ তে।

بَاب فِي النَّهْيِ عَنْ قَتْلِ النِّسَاءِ وَالصِّبْيَانِ

أَخْبَرَنَا عَاصِمُ بْنُ يُوسُفَ حَدَّثَنَا أَبُو إِسْحَقَ الْفَزَارِيُّ عَنْ يُونُسَ بْنِ عُبَيْدٍ عَنْ الْحَسَنِ عَنْ الْأَسْوَدِ بْنِ سَرِيعٍ قَالَ خَرَجْنَا مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي غَزَاةٍ فَظَفِرَ بِالْمُشْرِكِينَ فَأَسْرَعَ النَّاسُ فِي الْقَتْلِ حَتَّى قَتَلُوا الذُّرِّيَّةَ فَبَلَغَ ذَلِكَ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ مَا بَالُ أَقْوَامٍ ذَهَبَ بِهُمْ الْقَتْلُ حَتَّى قَتَلُوا الذُّرِّيَّةَ أَلَا لَا تُقْتَلَنَّ ذُرِّيَّةٌ ثَلَاثًا

أخبرنا عاصم بن يوسف حدثنا أبو إسحق الفزاري عن يونس بن عبيد عن الحسن عن الأسود بن سريع قال خرجنا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم في غزاة فظفر بالمشركين فأسرع الناس في القتل حتى قتلوا الذرية فبلغ ذلك النبي صلى الله عليه وسلم فقال ما بال أقوام ذهب بهم القتل حتى قتلوا الذرية ألا لا تقتلن ذرية ثلاثا

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১৭. যুদ্ধাভিযান অধ্যায় (كتاب السير)

 ২৫০২

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ২৬. শিশুদের হত্যা করার সময়সীমা

২৫০২. আতিয়্যা আল কুরাযী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, সেদিন বনূ কুরায়যার বন্দীদেরকে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট পেশ করা হলো। (তারা পর্যবেক্ষণ করতো) যার (নাভির নিচের) চুল গজাত, তাকে হত্যা করা হতো, আর যার গজায় নি, তাকে ছেড়ে দেওয়া হতো। আর আমি ছিলাম তাদের একজন যাদের চুল গজায়নি। ফলে আমাকে হত্যা করা হয়নি। অর্থাৎ: বনী কুরাইযার দিনে।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ বুখারীর শর্তানুযায়ী সহীহ।

 

তাখরীজ: আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৪৭৮০, ৪৭৮১, ৪৭৮২, ৪৭৮৩, ৪৭৮৮ ও মাওয়ারিদুয যাম’আন নং ১৪৯৯, ১৫০০, ১৫০১ ও মুসনাদুল হুমাইদী নং ৯১২, ৯১৩ তে। তে। ((আহমাদ ৪/৩১০, ৩৮৩, ৫/৩১২; ইবনু আবী শাইবা ১২/৫৩৯-৫৪০; আব্দুর রাযযাক ১০/১৭৯ নং ১৮৭৪৩; আবু দাউদ, হুদূদ ৪৪০৪; তিরমিযী, সিয়ার ১৫৮৪; নাসাঈ, তালাক ৩৪৩০; ইবনু মাজাহ, হুদুদ ২৫৪১, ২৫৪২।– ফাতহুল মান্নান শারহু দারিমী হা/২৬২১ এর টীকা হতে।-অনুবাদক))

بَاب حَدِّ الصَّبِيِّ مَتَى يُقْتَلُ

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ عَنْ سُفْيَانَ عَنْ عَبْدِ الْمَلِكِ بْنِ عُمَيْرٍ عَنْ عَطِيَّةَ الْقُرَظِيِّ قَالَ عُرِضْنَا عَلَى النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَوْمَئِذٍ فَمَنْ أَنْبَتَ الشَّعْرَ قُتِلَ وَمَنْ لَمْ يُنْبِتْ تُرِكَ فَكُنْتُ أَنَا مِمَّنْ لَمْ يُنْبِتْ الشَّعْرَ فَلَمْ يَقْتُلُونِي يَعْنِي يَوْمَ قُرَيْظَةَ

أخبرنا محمد بن يوسف عن سفيان عن عبد الملك بن عمير عن عطية القرظي قال عرضنا على النبي صلى الله عليه وسلم يومئذ فمن أنبت الشعر قتل ومن لم ينبت ترك فكنت أنا ممن لم ينبت الشعر فلم يقتلوني يعني يوم قريظة

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আতিয়্যা কুরাযী (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১৭. যুদ্ধাভিযান অধ্যায় (كتاب السير)

 ২৫০৩

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ২৭. বন্দীদের মুক্তিদান

২৫০৩. আবূ মূসা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “তোমরা বন্দীদেরকে আযাদ কর এবং ক্ষুধার্তকে আহার্য দাও।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ বুখারীর শর্তানুযায়ী সহীহ।

 

তাখরীজ: বুখারী, জিহাদ ৩০৪৬; আতইমাহ ৫৩৭৩। ((আবূ দাউদ, জানাইয ৩১০৫; নাসাঈ, কুবরা নং ৮৬৬৬))

 

আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ৭৩২৫ ও সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৩৩২৪ তে।

بَاب فِي فِكَاكِ الْأَسِيرِ

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ عَنْ سُفْيَانَ عَنْ مَنْصُورٍ عَنْ أَبِي وَائِلٍ عَنْ أَبِي مُوسَى عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ فُكُّوا الْعَانِيَ وَأَطْعِمُوا الْجَائِعَ

أخبرنا محمد بن يوسف عن سفيان عن منصور عن أبي وائل عن أبي موسى عن النبي صلى الله عليه وسلم قال فكوا العاني وأطعموا الجائع

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আবূ মূসা আল- আশ’আরী (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১৭. যুদ্ধাভিযান অধ্যায় (كتاب السير)

 ২৫০৪

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ২৮. বন্দী বিনিময়

২৫০৪. ইমরান ইবনে হুসাইন রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দু’জন লোকের বিনিময়ে একজন বন্দীকে মুক্তি দিয়েছেন।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: মুসলিম, নুযূর ১৬৪১।

 

আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি , ৪৩৯২, ৪৮৫৯ ও মুসনাদুল হুমাইদী নং ৮৫১ তে।

بَاب فِي فِدَاءِ الْأَسَارَى

أَخْبَرَنَا أَبُو نُعَيْمٍ حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ عَنْ أَيُّوبَ عَنْ أَبِي قِلَابَةَ عَنْ أَبِي الْمُهَلَّبِ عَنْ عِمْرَانَ بْنِ حُصَيْنٍ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَادَى رَجُلًا بِرَجُلَيْنِ

أخبرنا أبو نعيم حدثنا حماد بن زيد عن أيوب عن أبي قلابة عن أبي المهلب عن عمران بن حصين أن رسول الله صلى الله عليه وسلم فادى رجلا برجلين

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ ইমরান ইবনু হুসায়ন (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১৭. যুদ্ধাভিযান অধ্যায় (كتاب السير)

 ২৫০৫

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ২৯. আমাদের পূর্বে আর কারো জন্য গণিমাত (যুদ্ধলব্ধ সম্পদ) হালাল ছিল না

২৫০৫. আবী যার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ নবী সাল্লাল্লাহু ’আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেনঃ “আমাকে এমন পাঁচটি বিষয় দান করা হয়েছে, যা আমার পুর্বে আর কোনো নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে দান করা হয়নি।

(১) (অন্যান্য নবী প্রেরিত হতেন কেবল তাঁদের সম্প্রদায়ের জন্য;) আর আমাকে প্রেরণ করা হয়েছে লাল-কালো (তথা সমগ্র) মানব জাতির জন্য।

(২) সমস্ত যমীনকে আমার জন্য পবিত্র ও সালাত আদায়ের (উপযোগী) স্থান বানানো হয়েছে।

(৩) আমার জন্য গানীমাতের মাল হালাল করে দেওয়া হয়েছে, যা আমার পূর্বে আর কারো জন্য হালাল করা হয়নি।

(৪) আমাকে একমাস দূরত্বের এমন প্রভাব দিয়ে সাহায্য করা হয়েছে, যার কারণে একমাসের দুরত্বেও শত্রু আমাদেরকে ভয় করবে।

(৫) এবং আমাকে বলা হয়েছে, ’তুমি চাও, তোমাকে তা দেয়া হবে।’ ফলে আমার উম্মাতের শাফা’আতের জন্য আমার দু’আকে আমি (কিয়ামত দিবসের জন্য) গোপণ করে রেখেছি; ইনশা আল্লাহ তা তোমাদের মধ্যকার এমন সকলেই পাবে যে ব্যক্তি আল্লাহর সাথে কোনোকিছুকে শরীক করেনি।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৬৪৬২; আহমাদ ৫/১৪৮; বুখারী, কাবীর ৫/৪৫৫; ইবনু আবী শাইবা ১১/৪৩৫; হাকিম ২/৪২৪; বাযযার নং ৩৪৬১ যয়ীফ সনদে; তায়ালিসী ২/১২২ নং ২৪৪৪; বাইহাকী, দালাইল ৫/৪৭৩; আবূ দাউদ, সালাত ৪৮৯।

 

আর এর শাহিদ হাদীস রয়েছে আবূ হুরাইরা হতে যেটি বুখারী ও মুসলিম সম্মিলিতভাবে বর্ণনা করেছেন; আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল হুমাইদী নং ৯৭৫ তে।

بَاب الْغَنِيمَةِ لَا تَحِلُّ لِأَحَدٍ قَبْلَنَا

أَخْبَرَنَا يَحْيَى بْنُ حَمَّادٍ حَدَّثَنَا أَبُو عَوَانَةَ عَنْ سُلَيْمَانَ عَنْ مُجَاهِدٍ عَنْ عُبَيْدِ بْنِ عُمَيْرٍ عَنْ أَبِي ذَرٍّ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ أُعْطِيتُ خَمْسًا لَمْ يُعْطَهُنَّ نَبِيٌّ قَبْلِي بُعِثْتُ إِلَى الْأَحْمَرِ وَالْأَسْوَدِ وَجُعِلَتْ لِيَ الْأَرْضُ مَسْجِدًا وَطَهُورًا وَأُحِلَّتْ لِيَ الْغَنَائِمُ وَلَمْ تَحِلَّ لِأَحَدٍ قَبْلِي وَنُصِرْتُ بِالرُّعْبِ شَهْرًا يُرْعَبُ مِنِّي الْعَدُوُّ مَسِيرَةَ شَهْرٍ وَقِيلَ لِي سَلْ تُعْطَهْ فَاخْتَبَأْتُ دَعْوَتِي شَفَاعَةً لِأُمَّتِي وَهِيَ نَائِلَةٌ مِنْكُمْ إِنْ شَاءَ اللَّهُ تَعَالَى مَنْ لَمْ يُشْرِكْ بِاللَّهِ شَيْئًا

أخبرنا يحيى بن حماد حدثنا أبو عوانة عن سليمان عن مجاهد عن عبيد بن عمير عن أبي ذر أن النبي صلى الله عليه وسلم قال أعطيت خمسا لم يعطهن نبي قبلي بعثت إلى الأحمر والأسود وجعلت لي الأرض مسجدا وطهورا وأحلت لي الغنائم ولم تحل لأحد قبلي ونصرت بالرعب شهرا يرعب مني العدو مسيرة شهر وقيل لي سل تعطه فاختبأت دعوتي شفاعة لأمتي وهي نائلة منكم إن شاء الله تعالى من لم يشرك بالله شيئا

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আবূ যার আল-গিফারী (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১৭. যুদ্ধাভিযান অধ্যায় (كتاب السير)

 ২৫০৬

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৩০. শত্রুর দেশে অবস্থানরত অবস্থায়ই গণীমত বন্টন

২৫০৬. আবী ওয়াইল রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হুনাইন যুদ্ধের গণিমত বন্টন করেন জি’ইর্রানাহ’ নামক স্থানে। আবূ মুহাম্মদ বলেন, এ সনদে আব্দুল্লাহ ইবনু মাসউদ রয়েছেন।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: আহমাদ ১/৪২৭, ৪৫৬।

 

এটি এমন একটি হাদীসের অংশ যেটি বুখারী ও মুসলিম সম্মিলিতভাবে বর্ণনা করেছেন; আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ৪৯৯২, ৫০৭২, ৫২০৫, ৫২১৬ ও সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৬৫৭৬ তে। আরও দেখুন, ফাতহুল বারী ৬/৫২১।

بَاب قِسْمَةِ الْغَنَائِمِ فِي بِلَادِ الْعَدُوِّ

حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ حَرْبٍ حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ عَنْ عَاصِمٍ عَنْ أَبِي وَائِلٍ قَالَ قَسَمَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ غَنَائِمَ حُنَيْنٍ بِالْجِعْرَانَةِ قَالَ عَبْد اللَّهِ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مَسْعُودٍ فِي الْإِسْنَادِ

حدثنا سليمان بن حرب حدثنا حماد بن زيد عن عاصم عن أبي وائل قال قسم رسول الله صلى الله عليه وسلم غنائم حنين بالجعرانة قال عبد الله عبد الله بن مسعود في الإسناد

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ শাক্বীক ইবনু সালামা (রহঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১৭. যুদ্ধাভিযান অধ্যায় (كتاب السير)

 ২৫০৭

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৩১. গণীমাত কোন পদ্ধতিতে বন্টিত হবে- সে সম্পর্কে

২৫০৭. আব্দুর রহমান ইবনু আবী লাইলা তার পিতা হতে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সঙ্গে খায়বার বিজয়ে হাযির ছিলাম। মুশরিকরা যখন পরাজিত হলো, তখন আমরা তাদের মালপত্রের উপর ঝাপিয়ে পড়লাম এবং লোকেরা যে যে ছাগল-ভেড়াটি-ই পেলো, তারা সেটিই দ্রুত কব্জা করে নিলো। আর তাদের রান্নার ডেকচিগুলি খুব দ্রুতবেগে টগবগ করে ফুটছিল। ফলে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নির্দেশ দিলে সেগুলি উল্টে দেওয়া হলো।

তিনি বলেন, এরপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের মাঝে (গণীমত) বন্টন করে দিলেন; তখন আমাদের প্রত্যেক বারো জনের জন্য একটি করে ছাগল বা ভেড়া পাওয়া গেল।

তিনি বলেন, বনী ’অমুক’ ছিল নয় জন আর আমি একাই ছিলাম। ফলে আমি তাদের দিকে চলে গেলে আমরা দশ জন হলাম এবং আমাদের দশজনের জন্য (বরাদ্দ) হলো একটি ছাগল বা ভেড়া।[1] আব্দুল্লাহ বলেন, আমার নিকট বর্ণনা করা হয়েছে যে, আপনার সাথীরা কায়িস ইবনু মুসলিম থেকে বর্ণনা করতেন: সম্ভবত: তিনি বলতেন, তিনি এটি সংরক্ষণ (হিফজ) করেননি।

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ। যদিও দারিমী এটির এমন ত্রুটি বর্ণনা করেছেন, যার জন্য হাদীদের ত্রুটি বর্ণনা করা হয় না।

 

তাখরীজ: পরবর্তী হাদীসটি দেখুন।

بَاب فِي قِسْمَةِ الْغَنَائِمِ كَيْفَ تُقَسَّمُ

أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ جَعْفَرٍ الرَّقِّيُّ حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ عَمْرٍو عَنْ زَيْدٍ عَنْ الْحَكَمِ عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي لَيْلَى عَنْ أَبِيهِ قَالَ شَهِدْتُ فَتْحَ خَيْبَرَ مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَانْهَزَمَ الْمُشْرِكُونَ فَوَقَعْنَا فِي رِحَالِهِمْ فَابْتَدَرَ النَّاسُ مَا وَجَدُوا مِنْ جَزُورٍ قَالَ فَلَمْ يَكُنْ ذَلِكَ بِأَسْرَعَ مِنْ أَنْ فَارَتْ الْقُدُورُ فَأَمَرَ بِهَا رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَأُكْفِئَتْ قَالَ ثُمَّ قَسَمَ بَيْنَنَا رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَجَعَلَ لِكُلِّ عَشْرَةٍ شَاةً قَالَ وَكَانَ بَنُو فُلَانٍ مَعَهُ تِسْعَةً وَكُنْتُ وَحْدِي فَالْتَفَتُّ إِلَيْهِمْ فَكُنَّا عَشْرَةً بَيْنَنَا شَاةٌ قَالَ عَبْد اللَّهِ بَلَغَنِي أَنَّ صَاحِبَكُمْ يَقُولُ عَنْ قَيْسِ بْنِ مُسْلِمٍ كَأَنَّهُ يَقُولُ إِنَّهُ لَمْ يَحْفَظْهُ

أخبرنا عبد الله بن جعفر الرقي حدثنا عبيد الله بن عمرو عن زيد عن الحكم عن عبد الرحمن بن أبي ليلى عن أبيه قال شهدت فتح خيبر مع رسول الله صلى الله عليه وسلم فانهزم المشركون فوقعنا في رحالهم فابتدر الناس ما وجدوا من جزور قال فلم يكن ذلك بأسرع من أن فارت القدور فأمر بها رسول الله صلى الله عليه وسلم فأكفئت قال ثم قسم بيننا رسول الله صلى الله عليه وسلم فجعل لكل عشرة شاة قال وكان بنو فلان معه تسعة وكنت وحدي فالتفت إليهم فكنا عشرة بيننا شاة قال عبد الله بلغني أن صاحبكم يقول عن قيس بن مسلم كأنه يقول إنه لم يحفظه

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আবদুর রহমান ইবনু আবূ লাইলা (রহঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১৭. যুদ্ধাভিযান অধ্যায় (كتاب السير)

 ২৫০৮

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৩১. গণীমাত কোন পদ্ধতিতে বন্টিত হবে- সে সম্পর্কে

২৫০৮. (অপর সনদে) আব্দুর রহমান ইবনু আবী লাইলা তার পিতা হতে বর্ণনা করেন, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।[1]

সেখানে তিনি বলেছেন, ’আমি তাদের দিকে ফিরে গেলাম।’আবূ মুহাম্মদ বলেন, আমার নিকট সঠিক বর্ণনা হলো সেটি, যেটি যাকারিয়া (তার) সনদে বলেছেন।

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: আহমাদ ৪/৩৪৮; তাবারাণী, আওসাত নং ৫০৯।

 

আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ৯৩০ তে।

بَاب فِي قِسْمَةِ الْغَنَائِمِ كَيْفَ تُقَسَّمُ

أَخْبَرَنَا زَكَرِيَّا بْنُ عَدِيٍّ عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو عَنْ زَيْدٍ هُوَ ابْنُ أَبِي أُنَيْسَةَ عَنْ قَيْسِ بْنِ مُسْلِمٍ عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي لَيْلَى عَنْ أَبِيهِ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ نَحْوَهُ قَالَ فَأُلِّفْتُ إِلَيْهِمْ قَالَ أَبُو مُحَمَّد الصَّوَابُ عِنْدِي مَا قَالَ زَكَرِيَّا فِي الْإِسْنَادِ

أخبرنا زكريا بن عدي عن عبيد الله بن عمرو عن زيد هو ابن أبي أنيسة عن قيس بن مسلم عن عبد الرحمن بن أبي ليلى عن أبيه عن النبي صلى الله عليه وسلم نحوه قال فألفت إليهم قال أبو محمد الصواب عندي ما قال زكريا في الإسناد

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আবদুর রহমান ইবনু আবূ লাইলা (রহঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১৭. যুদ্ধাভিযান অধ্যায় (كتاب السير)

 ২৫০৯

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৩২. নিকটাত্মীয়দের জন্য গণীমাতের অংশ

২৫০৯. ইয়াযীদ ইবন হুরমুয রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন যে, নাজদা ইবন আমর হারুরী ইবনু আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু-এর নিকট পত্র লিখে কিছু বিষয় জানতে চাইলেন, (যার মধ্যে ছিল, যাবিল কুরবা- বা নিকটাত্নীয় কারা?) তখন তিনি ইয়াযিদকে লিখলেনঃ, ’যাবিল কুরবা-বা নিকটাত্মীয়ের গণীমতের অংশ-যা আল্লাহ তাঁর কুরআনে উল্লেখ করেছেন-সে সন্মন্ধে তুমি আমাকে প্রশ্ন করেছ (যে, তারা কারা?) আমরা মনে করি, তারা হলেন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকটাত্মীয়রাই (অর্থাৎ আমরা)। কিন্তু আমাদের লোকেরা আমাদের ক্ষেত্রে সেটি অস্বীকার করেছে।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: মুসলিম, জিহাদ ১৮১২।

 

আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ২৫৫০, ২৫৫১, ২৬৩০ ও সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৪৮২৪ ও মুসনাদুল হুমাইদী নং ৫৪২ তে।

بَاب سَهْمِ ذِي الْقُرْبَى

أَخْبَرَنَا أَبُو النُّعْمَانِ حَدَّثَنَا جَرِيرُ بْنُ حَازِمٍ حَدَّثَنِي قَيْسُ بْنُ سَعْدٍ عَنْ يَزِيدَ بْنِ هُرْمُزَ قَالَ كَتَبَ نَجْدَةُ بَنُ عَامِرٍ إِلَى ابْنِ عَبَّاسٍ يَسْأَلُهُ عَنْ أَشْيَاءَ فَكَتَبَ إِلَيْهِ إِنَّكَ سَأَلْتَ عَنْ سَهْمِ ذِي الْقُرْبَى الَّذِي ذَكَرَ اللَّهُ وَإِنَّا كُنَّا نَرَى أَنَّ قَرَابَةَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ هُمْ فَأَبَى ذَلِكَ عَلَيْنَا قَوْمُنَا

أخبرنا أبو النعمان حدثنا جرير بن حازم حدثني قيس بن سعد عن يزيد بن هرمز قال كتب نجدة بن عامر إلى ابن عباس يسأله عن أشياء فكتب إليه إنك سألت عن سهم ذي القربى الذي ذكر الله وإنا كنا نرى أن قرابة رسول الله صلى الله عليه وسلم هم فأبى ذلك علينا قومنا

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ ইয়াযীদ ইবন হুরমুয  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১৭. যুদ্ধাভিযান অধ্যায় (كتاب السير)

 ২৫১০

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৩৩. ঘোড়ার জন্য গণীমতের দু’অংশ রয়েছে

২৫১০. আব্দুল্লাহ ইবন উমর রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম খায়বার যুদ্ধের দিন যুদ্ধলব্ধ সম্পদের মধ্যে অশ্বারোহী সৈনিকের জন্য তিন অংশ এবং পদাতিক সৈনিকের জন্য এক অংশ বণ্টন করেন।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ। হাদীসটি বুখারী ও মুসলিম কর্তৃক সম্মিলিত ভাবে বর্ণিত।

 

তাখরীজ: বুখারী, জিহাদ ২৮৬৩; মুসলিম, জিহাদ ১৭৬২।

 

আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৪৮১০, ৪৮১০, ৪৮১২ তে।

بَاب فِي سُهْمَانِ الْخَيْلِ

أَخْبَرَنَا إِسْحَقُ بْنُ عِيسَى حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ خَازِمٍ أَبُو مُعَاوِيَةَ عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ عَنْ نَافِعٍ عَنْ ابْنِ عُمَرَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَسْهَمَ يَوْمَ خَيْبَرَ لِلْفَارِسِ ثَلَاثَةَ أَسْهُمٍ وَلِلرَّاجِلِ سَهْمًا

أخبرنا إسحق بن عيسى حدثنا محمد بن خازم أبو معاوية عن عبيد الله بن عمر عن نافع عن ابن عمر أن رسول الله صلى الله عليه وسلم أسهم يوم خيبر للفارس ثلاثة أسهم وللراجل سهما

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১৭. যুদ্ধাভিযান অধ্যায় (كتاب السير)

 ২৫১১

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৩৩. ঘোড়ার জন্য গণীমতের দু’অংশ রয়েছে

২৫১১. (অপর সনদে) আব্দুল্লাহ ইবন উমর রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে অনুরূপ বর্ণিত আছে।[1]

[1] এটি পূর্বের হাদীসের পূনরাবৃত্তি।

بَاب فِي سُهْمَانِ الْخَيْلِ

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ عَنْ سُفْيَانَ عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ عَنْ نَافِعٍ عَنْ ابْنِ عُمَرَ نَحْوَهُ

حدثنا محمد بن يوسف عن سفيان عن عبيد الله عن نافع عن ابن عمر نحوه

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১৭. যুদ্ধাভিযান অধ্যায় (كتاب السير)

 ২৫১২

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৩৪. যারা যুদ্ধে বিজয়ের পরে আসে তাদেরকে গণিমাত দিতে হবে কি-না

২৫১২. আবী হুরাইরাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি যখনই রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের গণিমাত বন্টনের সময় উপস্থিত থেকেছি, তখনই তিনি আমাকে তা থেকে অংশ দিয়েছেন, কেবলমাত্র খাইবারের দিন ব্যতীত। কেননা, তা ছিল হুদাইবিয়ার দিন উপস্থিত ব্যক্তিদের জন্য বিশেষভাবে নির্ধারিত। আর আবূ মূসা ও আবী হুরাইরাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা হুদাইবিয়া ও খাইবারের যুদ্ধের মধ্যবর্তী সময়ে (ইসলামের ছায়াতলে) আসেন।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ যয়ীফ, আলী ইবনু যাইদ এর দুর্বলতার কারণে; আর তিনি হলেন ইবনু জুদ’আন।

 

তাখরীজ: ফাসাওয়ী, আল মা’রিফাতু ওয়াত তারীখ৩/১৬০-১৬১; আহমাদ ২/৫৩৫।

بَاب فِي الَّذِي يَقْدَمُ بَعْدَ الْفَتْحِ هَلْ يُسْهَمُ لَهُ

أَخْبَرَنَا حَجَّاجُ بْنُ مِنْهَالٍ حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ عَنْ عَلِيِّ بْنِ زَيْدٍ عَنْ عَمَّارِ بْنِ أَبِي عَمَّارٍ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ مَا شَهِدْتُ مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَغْنَمًا إِلَّا قَسَمَ لِي إِلَّا يَوْمَ خَيْبَرَ فَإِنَّهَا كَانَتْ لِأَهْلِ الْحُدَيْبِيَةِ خَاصَّةً وَكَانَ أَبُو مُوسَى وَأَبُو هُرَيْرَةَ جَاءَا بَيْنَ الْحُدَيْبِيَةِ وَخَيْبَرَ

أخبرنا حجاج بن منهال حدثنا حماد بن سلمة عن علي بن زيد عن عمار بن أبي عمار عن أبي هريرة قال ما شهدت مع رسول الله صلى الله عليه وسلم مغنما إلا قسم لي إلا يوم خيبر فإنها كانت لأهل الحديبية خاصة وكان أبو موسى وأبو هريرة جاءا بين الحديبية وخيبر

 হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai’f)  বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরায়রা (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১৭. যুদ্ধাভিযান অধ্যায় (كتاب السير)

 ২৫১৩

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৩৫. দাস ও বালকদের জন্য গণীমতের অংশ প্রদান

২৫১৩. আবূল লাহমের মাওলা বা আযাদকৃত গোলাম উমাইর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি খায়বার যুদ্ধে মালিকানাধীন দাস হিসেবে হাযির ছিলাম। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার জন্য গনীমত সম্পদের থেকে সামান্য তৈজশপত্রের কিছু জিনিস দিয়েছিলেন এবং তিনি আমাকে একটি তলোয়ার দিয়ে বলেন, “এটি তার গলায় লটকে দাও।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৪৮৩১ ও মাওয়ারিদুয যাম’আন নং ১৬৬৯ তে। ((আহমাদ ৫/২২৩; আবূ দাউদ, জিহাদ ২৭৩০; তিরমিযী, সিয়ার ১৫৫৭; নাসাঈ, কুবরা যেমন তুহফা’ ৮/২০৮ এ এসেছে; ইবনু মাজাহ ৩৮৫৫…।– ইবনু হিব্বান নং ৪৮৩১ এর টীকা হতে। – অনুবাদক))

بَاب فِي سِهَامِ الْعَبِيدِ وَالصِّبْيَانِ

أَخْبَرَنَا إِسْمَعِيلُ بْنُ خَلِيلٍ أَخْبَرَنَا حَفْصٌ حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ زَيْدٍ عَنْ عُمَيْرٍ مَوْلَى آبِي اللَّحْمِ قَالَ شَهِدْتُ خَيْبَرَ وَأَنَا عَبْدٌ مَمْلُوكٌ فَأَعْطَانِي رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مِنْ خُرْثِيِّ الْمَتَاعِ وَأَعْطَانِي سَيْفًا فَقَالَ تَقَلَّدْ بِهَذَا

أخبرنا إسمعيل بن خليل أخبرنا حفص حدثنا محمد بن زيد عن عمير مولى آبي اللحم قال شهدت خيبر وأنا عبد مملوك فأعطاني رسول الله صلى الله عليه وسلم من خرثي المتاع وأعطاني سيفا فقال تقلد بهذا

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১৭. যুদ্ধাভিযান অধ্যায় (كتاب السير)

 ২৫১৪

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৩৬. বন্টনের পূর্বে গণীমাতের মাল বিক্রয় করা নিষেধ

২৫১৪. আবী উমামাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণনা করেন যে, তিনি বন্টন না হওয়া পর্যন্ত গণীমাতের মাল বিক্রয় করতে নিষেধ করেছেন।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ। হাঁ, মাকহুল আবী উমামাহকে দেখেছেন তবে, তাঁর থেকে কিছু শোনেননি। তবে এর মুতাবিয়াত রয়েছে।

 

তাখরীজ: তাবারাণী, কাবীর ৮/১৫৪ নং ৭৫৯৪।

 

সাঈদ ইবনু মানসুর নং ২৭৫৯ মাকহুল পর্যন্ত মাওকুফ হিসেবে সহীহ সনদে।

 

আরও দেখুন, এ হাদীসটি মাজমাউয যাওয়াইদ নং ৬৫৬৯ আমাদের তাহক্বীক্বে।

بَاب فِي النَّهْيِ عَنْ بَيْعِ الْمَغَانِمِ حَتَّى تُقْسَمَ

أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ حُمْيَدٍ حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَةَ عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ يَزِيدَ بْنِ جَابِرٍ عَنْ الْقَاسِمِ وَمَكْحُولٍ عَنْ أَبِي أُمَامَةَ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنَّهُ نَهَى أَنْ تُبَاعَ السِّهَامُ حَتَّى تُقْسَمَ

أخبرنا أحمد بن حميد حدثنا أبو أسامة عن عبد الرحمن بن يزيد بن جابر عن القاسم ومكحول عن أبي أمامة عن النبي صلى الله عليه وسلم أنه نهى أن تباع السهام حتى تقسم

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আবূ উমামাহ্ বাহিলী (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১৭. যুদ্ধাভিযান অধ্যায় (كتاب السير)

 ২৫১৫

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৩৭. (গর্ভবতী) দাসীর গর্ভ খালাস হওয়া (পর্যন্ত তার সাথে সহবাস করার নিষিদ্ধতা) প্রসঙ্গে

২৫১৫. হানাশ সান’আনী বলেন, আমরা পশ্চিমাঞ্চল তথা মরক্কোতে যুদ্ধ করেছি আর সেখানে আমাদের উপর দায়িত্বশীল ছিলেন রুওয়াইফি’ ইবন সাবিত আল আনসারী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু। আমরা জারবাহ’ নামক এক শহর জয় লাভ করলে রুওয়াইফি’ ইবনু সাবিত আল আনসারী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু আমাদের মধ্যে খুতবা প্রদানের উদ্দেশ্যে দন্ডায়মান হয়ে বলেন, আমি তোমাদের মাঝে দণ্ডায়মান হতাম না, যদি আমি আমি রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে একথা বলতে না শুনতাম। তিনি খায়বার (যুদ্ধের) দিন আমরা সেখানে বিজয় লাভ করলে তিনি আমাদের মাঝে দণ্ডায়মান হয়ে বলেন, “যে ব্যক্তি আল্লাহ্ এবং শেষ দিবসের প্রতি ঈমান এনেছে, সে যেন কিছুতেই কোন (গর্ভবতী) যুদ্ধবন্দিনী নারীর সাথে সহবাস না করে, যতক্ষণ সে সন্তান প্রসব করে (পবিত্র না হয়)।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ যয়ীফ, তবে হাদীসটি সহীহ।

 

তাখরীজ: আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৪৮৫০ ও মাওয়ারিদুয যাম’আন নং ১৬৭৫ তে। ((আবূ দাউদ: নিকাহ ২১৫৮-৫৯, জিহাদ ২৭০৮; তিরমিযী, নিকাহ ১১৩১।– ইবনু হিব্বান, তাহক্বীক্ব: আরনাউত্ব, হা/৪৮৫০ এর টীকা হতে।–অনুবাদক))

بَاب فِي اسْتِبْرَاءِ الْأَمَةِ

أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ خَالِدٍ حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ إِسْحَقَ عَنْ يَزِيدَ بْنِ أَبِي حَبِيبٍ عَنْ أَبِي مَرْزُوقٍ مَوْلًى لِتُجِيبَ قَالَ حَدَّثَنِي حَنَشٌ الصَّنْعَانِيُّ قَالَ غَزَوْنَا الْمَغْرِبَ وَعَلَيْنَا رُوَيْفِعُ بْنُ ثَابِتٍ الْأَنْصَارِيُّ فَافْتَتَحْنَا قَرْيَةً يُقَالُ لَهَا جَرْبَةُ فَقَامَ فِينَا رُوَيْفِعُ بْنُ ثَابِتٍ الْأَنْصَارِيُّ خَطِيبًا فَقَالَ إِنِّي لَا أَقُومُ فِيكُمْ إِلَّا مَا سَمِعْتُ مِنْ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَامَ فِينَا يَوْمَ خَيْبَرَ حِينَ افْتَتَحْنَاهَا فَقَالَ مَنْ كَانَ يُؤْمِنُ بِاللَّهِ وَالْيَوْمِ الْآخِرِ فَلَا يَأْتِيَنَّ شَيْئًا مِنْ السَّبْيِ حَتَّى يَسْتَبْرِئَهَا

أخبرنا أحمد بن خالد حدثنا محمد بن إسحق عن يزيد بن أبي حبيب عن أبي مرزوق مولى لتجيب قال حدثني حنش الصنعاني قال غزونا المغرب وعلينا رويفع بن ثابت الأنصاري فافتتحنا قرية يقال لها جربة فقام فينا رويفع بن ثابت الأنصاري خطيبا فقال إني لا أقوم فيكم إلا ما سمعت من رسول الله صلى الله عليه وسلم قام فينا يوم خيبر حين افتتحناها فقال من كان يؤمن بالله واليوم الآخر فلا يأتين شيئا من السبي حتى يستبرئها

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১৭. যুদ্ধাভিযান অধ্যায় (كتاب السير)

 ২৫১৬

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৩৮. গর্ভবতী (যুদ্ধবন্দিনী)-এর সাথে সহবাস করার নিষিদ্ধতা

২৫১৬. আবীদ দারদা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত। রাসূলূল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (কোন এক যুদ্ধের পরে) তিনি একটি তাবুর প্রবেশপথে জনৈক সন্তানসম্ভবা দাসীকে (দাঁড়িয়ে থাকতে) দেখেন। তখন তিনি বলেন, “সম্ভবতঃ সে (এর মালিক) এর সাথে সহবাস করেছে। তাঁরা (উপস্থিত সাহাবীগণ) বলেন, হাঁ। তিনি বলেন, “আমি তার জন্য এমন লা’নত (বদদু’আ) করতে ইচ্ছা করেছি, যা তার সাথে কবরে প্রবেশ করবে। উক্ত সন্তানকে কিরূপে সে তার উত্তরাধিকারী বানাবে, অথচ সে তার জন্য বৈধ নয়? আর সে তাকে (সন্তানকে) কিরূপেই বা তার সেবক বানাবে, অথচ সে তার জন্য বৈধ নয়?”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: আবূ দাউদ তায়ালিসী, ১/২৩৯ ন ১১৭২; মুসলিম, নিকাহ ১৪৪১; আহমাদ ৬/৪৪৬; আবূ দাউদ নিকাহ ২১৫৬।

بَاب فِي النَّهْيِ عَنْ وَطْءِ الْحَبَالَى

أَخْبَرَنَا أَسَدُ بْنُ مُوسَى حَدَّثَنَا شُعْبَةُ عَنْ يَزِيدَ بْنِ خُمَيْرٍ أَبِي عُمَرَ الشَّامِيِّ الْهَمْدَانِيِّ قَالَ سَمِعْتُ عَبْدَ الرَّحْمَنِ بْنَ جُبَيْرِ بْنِ نُفَيْرٍ عَنْ أَبِيهِ عَنْ أَبِي الدَّرْدَاءِ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ رَأَى امْرَأَةً مُجِحَّةً يَعْنِي حُبْلَى عَلَى بَابِ فُسْطَاطٍ فَقَالَ لَعَلَّهُ قَدْ أَلَمَّ بِهَا قَالُوا نَعَمْ قَالَ لَقَدْ هَمَمْتُ أَنْ أَلْعَنَهُ لَعْنَةً تَدْخُلُ مَعَهُ قَبْرَهُ كَيْفَ يُوَرِّثُهُ وَهُوَ لَا يَحِلُّ لَهُ وَكَيْفَ يَسْتَخْدِمُهُ وَهُوَ لَا يَحِلُّ لَهُ

أخبرنا أسد بن موسى حدثنا شعبة عن يزيد بن خمير أبي عمر الشامي الهمداني قال سمعت عبد الرحمن بن جبير بن نفير عن أبيه عن أبي الدرداء أن النبي صلى الله عليه وسلم رأى امرأة مجحة يعني حبلى على باب فسطاط فقال لعله قد ألم بها قالوا نعم قال لقد هممت أن ألعنه لعنة تدخل معه قبره كيف يورثه وهو لا يحل له وكيف يستخدمه وهو لا يحل له

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আবুদ দারদা (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১৭. যুদ্ধাভিযান অধ্যায় (كتاب السير)

 ২৫১৭

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ

২৫১৭. আবূ আব্দুর রহমান আল হুবুলী (রহঃ) হতে বর্ণিত, আবূ আইয়্যূব রাদিয়াল্লাহু আনহু কোনো এক সৈন্যদলে ছিলেন। সে সময় তিনি শিশুদেরকে তাদের মাতাদের থেকে বিচ্ছিন্ন করে দিলেন। তখন তিনি দেখলেন যে, তারা (শিশুরা) কান্নাকাটি জুড়ে দিয়েছে। তখন তিনি শিশুকে তার মায়ের নিকট ফিরিয়ে দিলেন এবং বললেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, “যে ব্যক্তি মা ও তার সন্তানের মাঝে বিচ্ছেদ ঘটাবে আল্লাহ তা’আলা কিয়ামতের দিন তার ও তার প্রিয়জনের মাঝে বিচ্ছেদ সৃষ্টি করে দিবেন।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ জাইয়্যেদ।

 

তাখরীজ: আহমাদ ৫/৪১২-৪১৩; তিরমিযী, বুয়ূ ১২৮৩; হাকিম ২/৫৫ হাসান সনদে; আর এর শাহিদ হাদীস রয়েছে সুলাইম আল আযুরী হতে দারুকুতনী ৩/৬৮ নং ২৫৭ অত্যন্ত দুর্বল সনদে। দেখুন, নাসবুর রায়াহ ৪/২৩-২৪; তালখীসুল হাবীর ৩/১৫-১৬।

أَخْبَرَنَا الْقَاسِمُ بْنُ كَثِيرٍ عَنْ اللَّيْثِ بْنِ سَعْدٍ قِرَاءَةً عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ جُنَادَةَ عَنْ أَبِي عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْحُبُلِىِّ أَنَّ أَبَا أَيُّوبَ كَانَ فِي جَيْشٍ فَفُرِّقَ بَيْنَ الصِّبْيَانِ وَبَيْنَ أُمَّهَاتِهِمْ فَرَآهُمْ يَبْكُونَ فَجَعَلَ يَرُدُّ الصَّبِيَّ إِلَى أُمِّهِ وَيَقُولُ إِنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ مَنْ فَرَّقَ بَيْنَ الْوَالِدَةِ وَوَلَدِهَا فَرَّقَ اللَّهُ بَيْنَهُ وَبَيْنَ الْأَحِبَّاءِ يَوْمَ الْقِيَامَةِ

أخبرنا القاسم بن كثير عن الليث بن سعد قراءة عن عبد الله بن جنادة عن أبي عبد الرحمن الحبلى أن أبا أيوب كان في جيش ففرق بين الصبيان وبين أمهاتهم فرآهم يبكون فجعل يرد الصبي إلى أمه ويقول إن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال من فرق بين الوالدة وولدها فرق الله بينه وبين الأحباء يوم القيامة

 হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১৭. যুদ্ধাভিযান অধ্যায় (كتاب السير)

 ২৫১৮

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৪০. কোনো কাফির ইসলাম গ্রহণ করে আসলে

২৫১৮. সাখর ইবনুল আইলাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি মুগীরা ইবনু শু’বা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু’র ফুফুকে বন্দী করলাম। তখন সে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট উপস্থিত হলো। এরপর তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট গিয়ে তাঁর ফুফু কে (ফেরত) চাইলেন। এরপর তিনি (আমাকে ডেকে) বললেন: “হে সাখর! যখন কোন কওম মুসলিম হয়, তখন তাদের রক্ত (জান)-মালের হিফাযত করবে। তুমি তাকে (মুগীরার ফুফুকে) তাঁর (মুগীরার) নিকট ফিরিয়ে দাও।” আবার বনী সুলাইমের একটি পুকুর ছিল। অবশেষে বনী-সুলাইম ইসলাম গ্রহণ করার পর তারা তাঁর নিকট এসে এটি ফেরত চাইলো। এরপর তিনি (নবী সাল্লাল্লাহু ’আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে ডেকে বললেন: “হে সাখর! যখন কোন কওম মুসলিম হয়, তখন তাদের রক্ত (জান)-মালের হিফাযত করবে। সুতরাং ঐ (কওমের পুকুর)-টি তাদেরকে ফিরিয়ে দাও।” ফলে আমি তা ফেরত দিলাম।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ হাসান।

 

তাখরীজ: এটি গত হয়েছে ১৭১৫ (অনুবাদে ১৭১০) নং তে। ((ইবনু আবী শাইবা, ১২/৩১১; ইবনু সা’দ, আত তাবাকাত ৬/১৯; তাবারানী, কাবীর ৪/৩১০-৩১১; ৮/২৯-৩০ নং ৭২৭৯, ৭২৮০; আবূ দাউদ, খারাজ ওয়াল ইমারাহ ৩০৬৭; বাইহাকী, সিয়ার ১/১১৪; ইবনু কাছীর, বিদা’আহ ৪/৩৪২; আহমাদ ৪/৩১০; ১৭১৬ নং হাদীসটিও দেখুন। আরও দেখুন, আদ দিরায়াহ ২/১২১-১২২; তালখীসুল হাবীর ৪/১১০, ১২০; আর আবী হুরাইরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু এর হাদীসটি বর্ণিত হয়েছে মুসনাদুল মাউসিলী নং ৫৮৪৭ তে।’- ১৭১৫ (অনুবাদে ১৭১০) নং হতে।–অনুবাদক))

بَاب فِي الْحَرْبِيِّ إِذَا قَدِمَ مُسْلِمًا

أَخْبَرَنَا أَبُو نُعَيْمٍ حَدَّثَنَا أَبَانُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الْبَجَلِيُّ عَنْ عُثْمَانَ بْنِ أَبِي حَازِمٍ عَنْ صَخْرِ بْنِ الْعَيْلَةِ قَالَ أَبُو مُحَمَّد وَمِنْهُمْ مَنْ يَقُولُ الْعِيلَةِ قَالَ أَخَذْتُ عَمَّةَ الْمُغِيرَةِ بْنِ شُعْبَةَ فَقَدِمْتُ بِهَا عَلَى رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَسَأَلَ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَمَّتَهُ فَقَالَ يَا صَخْرُ إِنَّ الْقَوْمَ إِذَا أَسْلَمُوا أَحْرَزُوا أَمْوَالَهُمْ وَدِمَاءَهُمْ فَادْفَعْهَا إِلَيْهِ وَكَانَ مَاءٌ لِبَنِي سُلَيْمٍ فَأَسْلَمُوا فَأَتَوْهُ فَسَأَلُوهُ ذَلِكَ فَدَعَانِي فَقَالَ يَا صَخْرُ إِنَّ الْقَوْمَ إِذَا أَسْلَمُوا أَحْرَزُوا أَمْوَالَهُمْ وَدِمَاءَهُمْ فَادْفَعْهُ إِلَيْهِمْ فَدَفَعْتُهُ

أخبرنا أبو نعيم حدثنا أبان بن عبد الله البجلي عن عثمان بن أبي حازم عن صخر بن العيلة قال أبو محمد ومنهم من يقول العيلة قال أخذت عمة المغيرة بن شعبة فقدمت بها على رسول الله صلى الله عليه وسلم فسأل النبي صلى الله عليه وسلم عمته فقال يا صخر إن القوم إذا أسلموا أحرزوا أموالهم ودماءهم فادفعها إليه وكان ماء لبني سليم فأسلموا فأتوه فسألوه ذلك فدعاني فقال يا صخر إن القوم إذا أسلموا أحرزوا أموالهم ودماءهم فادفعه إليهم فدفعته

 হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)  বর্ণনাকারীঃ সাখর ইবনু আইলাহ (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১৭. যুদ্ধাভিযান অধ্যায় (كتاب السير)

 ২৫১৯

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৪১. যুদ্ধলব্ধ সম্পদের (নির্ধারিত এক পঞ্চমাংশের) অতিরিক্ত অংশ প্রদান করা ইমামের উপর নির্ভরশীল

২৫১৯. ’আবদুল্লাহ্ ইবনু ’উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (নাজদের দিকে) একটি সেনাদল পাঠালেন, যাদের মধ্যে ’আবদুল্লাহ ইবনু ’উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু-ও ছিলেন। এ যুদ্ধে গনীমত হিসেবে তাঁরা বহু উট লাভ করেন। তাঁদের প্রত্যেকের ভাগে বারটি কিংবা এগারোটি করে উট পড়েছিল এবং তাঁদেরকে পুরস্কার হিসেবে আরো একটি করে উট দেয়া হয়েছিল।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ শক্তিশালী।

 

তাখরীজ: মালিক, জিহাদ ১৫ সহীহ সনদে; বুখারী, ফারযিল খুমুস ৩১৩৪; মুসলিম জিহাদ ১৭৪৯।

 

আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ৫৮২৬ ও সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৪৮৩২, ৪৮৩৩, ৪৮৩৪ তে।

بَاب فِي أَنَّ النَّفْلَ إِلَى الْإِمَامِ

أَخْبَرَنَا خَالِدُ بْنُ مَخْلَدٍ حَدَّثَنَا مَالِكٌ عَنْ نَافِعٍ عَنْ ابِنِ عُمَرَ قَالَ بَعَثَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ سَرِيَّةً فِيهَا ابْنُ عُمَرَ فَغَنِمُوا إِبِلًا كَثِيرَةً فَكَانَتْ سِهَامُهُمْ اثْنَيْ عَشَرَ بَعِيرًا أَوْ أَحَدَ عَشَرَ بَعِيرًا وَنُفِّلُوا بَعِيرًا بَعِيرًا

أخبرنا خالد بن مخلد حدثنا مالك عن نافع عن ابن عمر قال بعث رسول الله صلى الله عليه وسلم سرية فيها ابن عمر فغنموا إبلا كثيرة فكانت سهامهم اثني عشر بعيرا أو أحد عشر بعيرا ونفلوا بعيرا بعيرا

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১৭. যুদ্ধাভিযান অধ্যায় (كتاب السير)

 ২৫২০

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৪২. আক্রমণের প্রথম ভাগে একচতুর্থাংশ এবং ফিরতী হামলার ক্ষেত্রে এক তৃতীয়াংশ নফল বা অতিরিক্ত প্রদান

২৫২০. উবাদা ইবন সামিত রাদিয়াল্লাহু আনহ থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কোনো শত্রু রাজ্যে আক্রমণের প্রথম ভাগে একচতুর্থাংশ এবং প্রত্যাবর্তনকালীন যুদ্ধের ক্ষেত্রে এক তৃতীয়াংশ নাফল বা অতিরিক্ত প্রদান করতেন।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ হাসান।

 

তাখরীজ: আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৪৮৫৫ ও মাওয়ারিদুয যাম’আন নং ১৬৯৩ তে। ((তিরমিযী, সিয়ার ১৫৬১; নাসাঈ, কিসমুল ফাই ৭/১৩১; ইবনু মাজা:, জিহাদ ২৮৫২; আহমাদ ৫/৩১৯, ৩২২, ৩২৩ ।– ইবনু হিব্বান, তাহক্বীক্ব: আরনাউত্ব, হা/৪৮৫৫ এর টীকা হতে।–অনুবাদক))

بَاب فِي أَنْ يُنَفَّلَ فِي الْبَدْأَةِ الرُّبُعُ وَفِي الرَّجْعَةِ الثُّلُثُ

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عُيَيْنَةَ حَدَّثَنَا أَبُو إِسْحَقَ الْفَزَارِيُّ عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عَيَّاشٍ عَنْ سُلَيْمَانَ بْنِ مُوسَى عَنْ أَبِي سَلَّامٍ عَنْ أَبِي أُمَامَةَ الْبَاهِلِيِّ عَنْ عُبَادَةَ بْنِ الصَّامِتِ قَالَ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِذَا أَغَارَ فِي أَرْضِ الْعَدُوِّ نَفَّلَ الرُّبُعَ وَإِذَا أَقْبَلَ رَاجِعًا وَكَلَّ النَّاسُ نَفَّلَ الثُّلُثَ

أخبرنا محمد بن عيينة حدثنا أبو إسحق الفزاري عن عبد الرحمن بن عياش عن سليمان بن موسى عن أبي سلام عن أبي أمامة الباهلي عن عبادة بن الصامت قال كان رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا أغار في أرض العدو نفل الربع وإذا أقبل راجعا وكل الناس نفل الثلث

 হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)  বর্ণনাকারীঃ উবাদা ইব্‌নুস সামিত (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১৭. যুদ্ধাভিযান অধ্যায় (كتاب السير)

 ২৫২১

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৪৩. খুমুস বা যুদ্ধলব্ধ সম্পদের নির্ধারিত অংশের অতিরিক্ত প্রদান

২৫২১. হাবীব ইবনে মাসলামা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক-পঞ্চমাংশ নেয়ার পর অবশিষ্ট মালের এক-তৃতীয়াংশ নফল (অতিরিক্ত) প্রদান করেছেন।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ হাসান।

 

তাখরীজ: আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৪৮৩৫ ও মাওয়ারিদুয যাম’আন নং ১৬৭২ তে। এছাড়াও, ইবনুল কানি’ , মু’জামুস সাহাবাহ, ২১৪; আবী উবাইদ, আলআমওয়াল নং ৮০০; ইবনু আবী আসিম, আহাদ ওয়াল মাছানী নং ৮৪৮, ৮৪৯, ৮৫০, ৮৫১, ৮৫২।((আবূ দাউদ ২৭৪৮, ২৭৪৯, ২৭৫০, আহমাদ ১৭০০৮, ১৭০১১, ; ইবনু মাজাহ জিহাদ, ২৮৫১, ২৮৫৩।– তাখরীজ ইবনু মাজাহ ২৮৫১।– অনুবাদক))

بَاب فِي النَّفْلِ بَعْدَ الْخُمُسِ

أَخْبَرَنَا أَبُو عَاصِمٍ عَنْ سُفْيَانَ عَنْ يَزِيدَ بْنِ يَزِيدَ بْنِ جَابِرٍ عَنْ مَكْحُولٍ عَنْ زِيَادِ بْنِ جَارِيَةَ عَنْ حَبِيبِ بْنِ مَسْلَمَةَ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ نَفَّلَ الثُّلُثَ بَعْدَ الْخُمُسِ

أخبرنا أبو عاصم عن سفيان عن يزيد بن يزيد بن جابر عن مكحول عن زياد بن جارية عن حبيب بن مسلمة أن النبي صلى الله عليه وسلم نفل الثلث بعد الخمس

 হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)  বর্ণনাকারীঃ হাবীব ইবন মাসলামাহ (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১৭. যুদ্ধাভিযান অধ্যায় (كتاب السير)

 ২৫২২

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৪৪. (যুদ্ধে) কোন ব্যক্তি কাউকে হত্যা করলে নিহত ব্যক্তির মালামাল হত্যাকারী পাবে

২৫২২. আনাস ইবনু মালিক রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ (হুনায়নের যুদ্ধের দিন) রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, “যে মুসলিম কোন কাফিরকে হত্যা করবে, সে সেই নিহত ব্যক্তির পরিত্যক্ত মালের অধিকারী হবে।” সেদিন আবূ তালহা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বিশজন কাফিরকে হত্যা করেন এবং তাদের মালামাল লাভ করেন।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৪৮৩৬, ৪৮৩৮, ৪৮৪১ ও মাওয়ারিদুয যাম’আন নং ১৬৭১ তে। ((মুসলিম, জিহাদ ১৮০৯; আহমাদ ৩/১১৪, ১৯০, ২৭৯; তায়ালিসী ২০৭৯; আবী দাউদ, জিহাদ ২৭১৭, ২৭১৮; ইবনু মাজাহ হাকিম ৩/৩৫৩; বাইহাকী ৬/৩০৭।– আরনাউত্বের তাহক্বীক্বকৃত ইবনু হিব্বান হা/৪৮৪১ এর টীকা হতে।–অনুবাদক))

بَاب مَنْ قَتَلَ قَتِيلًا فَلَهُ سَلَبُهُ

أَخْبَرَنَا حَجَّاجُ بْنُ مِنْهَالٍ حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ حَدَّثَنَا إِسْحَقُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي طَلْحَةَ عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ مَنْ قَتَلَ كَافِرًا فَلَهُ سَلَبُهُ فَقَتَلَ أَبُو طَلْحَةَ يَوْمَئِذٍ عِشْرِينَ وَأَخَذَ أَسْلَابَهُمْ

أخبرنا حجاج بن منهال حدثنا حماد بن سلمة حدثنا إسحق بن عبد الله بن أبي طلحة عن أنس بن مالك أن النبي صلى الله عليه وسلم قال من قتل كافرا فله سلبه فقتل أبو طلحة يومئذ عشرين وأخذ أسلابهم

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আনাস ইবনু মালিক (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১৭. যুদ্ধাভিযান অধ্যায় (كتاب السير)

 ২৫২৩

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৪৪. (যুদ্ধে) কোন ব্যক্তি কাউকে হত্যা করলে নিহত ব্যক্তির মালামাল হত্যাকারী পাবে

২৫২৩. আবী কাতাদাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি একজন (কাফির) ব্যক্তির সাথে লড়াই করে তাকে হত্যা করলাম। ফলে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে তার মালামাল প্রদান করলেন।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: বুখারী, ফারযিল খুমুস ৩১৪২; মুসলিম জিহাদ ১৭৫১।

 

আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৪৮০৫ ও মুসনাদুল হুমাইদী নং ৪২৭ তে।

بَاب مَنْ قَتَلَ قَتِيلًا فَلَهُ سَلَبُهُ

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ عَنْ سُفْيَانَ بْنِ عُيَيْنَةَ عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ عَنْ ابْنِ كَثِيرِ بْنِ أَفْلَحَ هُوَ عُمَرُ بْنُ كَثِيرٍ عَنْ أَبِي مُحَمَّدٍ مَوْلَى أَبِي قَتَادَةَ عَنْ أَبِي قَتَادَةَ قَالَ بَارَزْتُ رَجُلًا فَقَتَلْتُهُ فَنَفَّلَنِي رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ سَلَبَهُ

أخبرنا محمد بن يوسف عن سفيان بن عيينة عن يحيى بن سعيد عن ابن كثير بن أفلح هو عمر بن كثير عن أبي محمد مولى أبي قتادة عن أبي قتادة قال بارزت رجلا فقتلته فنفلني رسول الله صلى الله عليه وسلم سلبه

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আবূ কাতাদাহ্ আল-আনসারী (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১৭. যুদ্ধাভিযান অধ্যায় (كتاب السير)

 ২৫২৪

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৪৫. গণীমাতের মাল অপছন্দ করা ও তার বাণীঃ শক্তিশালী মুসলিমগণ দুর্বল মুসলিমকে গনীমতের মাল ফেরত দিবে

২৫২৪. উবাদাহ ইবনু সামিত রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যুদ্ধলব্ধ সম্পদ অপছন্দ করতেন। আর তিনি বলতেন: “শক্তিশালী মুসলিমগণ দুর্বল মুসলিমকে গনীমতের মাল ফেরত দিবে।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ হাসান।

 

তাখরীজ: এর তাখরীজ ২৫২৫ (অনুবাদে ২৫১৭) নং এ গত হয়েছে।

بَاب فِي كَرَاهِيَةِ الْأَنْفَالِ وَقَالَ لِيَرُدَّ قَوِيُّ الْمُؤْمِنِينَ عَلَى ضَعِيفِهِمْ

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عُيَيْنَةَ حَدَّثَنَا أَبُو إِسْحَقَ الْفَزَارِيُّ عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عَيَّاشٍ عَنْ سُلَيْمَانَ بْنِ مُوسَى عَنْ أَبِي سَلَّامٍ عَنْ أَبِي أُمَامَةَ الْبَاهِلِيِّ عَنْ عُبَادَةَ بْنِ الصَّامِتِ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَ يَكْرَهُ الْأَنْفَالَ وَيَقُولُ لِيَرُدَّ قَوِيُّ الْمُسْلِمِينَ عَلَى ضَعِيفِهِمْ

حدثنا محمد بن عيينة حدثنا أبو إسحق الفزاري عن عبد الرحمن بن عياش عن سليمان بن موسى عن أبي سلام عن أبي أمامة الباهلي عن عبادة بن الصامت أن النبي صلى الله عليه وسلم كان يكره الأنفال ويقول ليرد قوي المسلمين على ضعيفهم

 হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)  বর্ণনাকারীঃ উবাদা ইব্‌নুস সামিত (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১৭. যুদ্ধাভিযান অধ্যায় (كتاب السير)

 ২৫২৫

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৪৬. তাঁর বাণীঃ ‘সুঁই ও সুতা – সবই তোমরা গনীমতের মালের মধ্যে জমা দাও’-এ সম্পর্কে যা বর্ণিত হয়েছে

২৫২৫. উবাদা ইবনুস সামিত রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, (হুনায়নের যুদ্ধের দিন) রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ “(হে লোকসকল! তোমাদের গনীমতের মালের) সুঁই ও সুতা – সবই তোমরা গনীমতের মালের মধ্যে জমা দাও। আর (গনীমতের মাল) আত্মসাৎ করা হতে আত্মরক্ষা করো। কেননা, কিয়ামতের দিন তা আত্মসাৎকারীর জন্য লজ্জা-অপমানের কারণ হবে।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ হাসান।

 

তাখরীজ: এটি পূর্বের হাদীসটির অংশবিশেষ। এছাড়াও, বুখারী, কাবীর ৮/৫৭ তালিক হিসেবে।

بَاب مَا جَاءَ أَنَّهُ قَالَ أَدُّوا الْخِيَاطَ وَالْمَخِيطَ

وَبِهَذَا الْإِسْنَادِ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَ يَقُولُ أَدُّوا الْخِيَاطَ وَالْمَخِيطَ وَإِيَّاكُمْ وَالْغُلُولَ فَإِنَّهُ عَارٌ عَلَى أَهْلِهِ يَوْمَ الْقِيَامَةِ

وبهذا الإسناد أن النبي صلى الله عليه وسلم كان يقول أدوا الخياط والمخيط وإياكم والغلول فإنه عار على أهله يوم القيامة

 হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)  বর্ণনাকারীঃ উবাদা ইব্‌নুস সামিত (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১৭. যুদ্ধাভিযান অধ্যায় (كتاب السير)

 ২৫২৬

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৪৭. (বন্টনের পূর্বে) গণীমাতের মাল হতে নেওয়া কোনো পশুর উপর আরোহণ করা ও তা থেকে নিয়ে পোশাক পরিধান করা নিষেধ

২৫২৬. হানাশ সান’আনী বলেন, আমরা পশ্চিমাঞ্চল তথা মরক্কোতে যুদ্ধ করেছি আর সেখানে আমাদের উপর দায়িত্বশীল ছিলেন রুওয়াইফি’ ইবন সাবিত আল আনসারী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু। আমরা জারবাহ’ নামক এক শহরটিতে বিজয় লাভ করলে রুওয়াইফি’ ইবনু সাবিত আল আনসারী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু আমাদের মধ্যে খুতবা প্রদানের উদ্দেশ্যে দন্ডায়মান হয়ে বলেন, আমি তোমাদের মাঝে দণ্ডায়মান হতাম না, যদি আমি আমি রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে একথা বলতে না শুনতাম। তিনি খায়বার (যুদ্ধের) দিন আমরা সেখানে বিজয় লাভ করলেতিনি আমাদের মাঝে দণ্ডায়মান হয়ে বলেন, “যে ব্যক্তি আল্লাহর উপর এবং কিয়ামতের দিনের উপর ঈমান রাখে, সে যেন মুসলিমদের গণীমতের মালের কোন বাহনের উপর সওযার না হয়, এমনকি সে তার ক্ষতি করে- আবূ মুহাম্মদ বলেন: এ ব্যাপারে আমার সন্দেহ যে, অথবা তিনি বলেছেন- তা দূর্বল করে – ফেরত দেয়। আর যে ব্যক্তি আল্লাহর উপর এবং কিয়ামতের দিনের উপর ঈমান রাখে, সে যেন মুসলিমদের প্রাপ্ত গণীমতের মাল থেকে কোন কাপড় না পরে, এমনকি সে তা পুরাতন করে এতে ফেরত দেয়।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ যয়ীফ, তবে হাদীসটি সহীহ।

 

তাখরীজ: এটি ২৫২0 (অনুবাদে ২৫১২) নং এ গত হয়েছে।

بَاب النَّهْيِ عَنْ رُكُوبِ الدَّابَّةِ مِنْ الْمَغْنَمِ وَلُبْسِ الثَّوْبِ مِنْهُ

أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ خَالِدٍ حَدَّثَنَا مُحَمَّدٌ هُوَ ابْنُ إِسْحَقَ عَنْ يَزِيدَ هُوَ ابْنُ أَبِي حَبِيبٍ عَنْ أَبِي مَرْزُوقٍ مَوْلًى لِتُجِيبَ قَالَ حَدَّثَنِي حَنَشٌ الصَّنْعَانِيُّ قَالَ غَزَوْنَا الْمَغْرِبَ وَعَلَيْنَا رُوَيْفِعُ بْنُ ثَابِتٍ الْأَنْصَارِيُّ فَافْتَتَحْنَا قَرْيَةً يُقَالُ لَهَا جَرْبَةُ فَقَامَ فِينَا رُوَيْفِعُ بْنُ ثَابِتٍ الْأَنْصَارِيُّ خَطِيبًا فَقَالَ إِنِّي لَا أَقُومُ فِيكُمْ إِلَّا مَا سَمِعْتُ مِنْ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَامَ فِينَا يَوْمَ خَيْبَرَ حِينَ افْتَتَحْنَاهَا مَنْ كَانَ يُؤْمِنُ بِاللَّهِ وَالْيَوْمِ الْآخِرِ فَلَا يَرْكَبَنَّ دَابَّةً مِنْ فَيْءِ الْمُسْلِمِينَ حَتَّى إِذَا أَجْحَفَهَا أَوْ قَالَ أَعْجَفَهَا قَالَ أَبُو مُحَمَّد أَنَا أَشُكُّ فِيهِ رَدَّهَا وَمَنْ كَانَ يُؤْمِنُ بِاللَّهِ وَالْيَوْمِ الْآخِرِ فَلَا يَلْبَسْ ثَوْبًا مِنْ فَيْءِ الْمُسْلِمِينَ حَتَّى إِذَا أَخْلَقَهُ رَدَّهُ فِيهِ

أخبرنا أحمد بن خالد حدثنا محمد هو ابن إسحق عن يزيد هو ابن أبي حبيب عن أبي مرزوق مولى لتجيب قال حدثني حنش الصنعاني قال غزونا المغرب وعلينا رويفع بن ثابت الأنصاري فافتتحنا قرية يقال لها جربة فقام فينا رويفع بن ثابت الأنصاري خطيبا فقال إني لا أقوم فيكم إلا ما سمعت من رسول الله صلى الله عليه وسلم قام فينا يوم خيبر حين افتتحناها من كان يؤمن بالله واليوم الآخر فلا يركبن دابة من فيء المسلمين حتى إذا أجحفها أو قال أعجفها قال أبو محمد أنا أشك فيه ردها ومن كان يؤمن بالله واليوم الآخر فلا يلبس ثوبا من فيء المسلمين حتى إذا أخلقه رده فيه

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১৭. যুদ্ধাভিযান অধ্যায় (كتاب السير)

 ২৫২৭

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৪৮. (গণীমাতের মাল) আত্মসাত করা সম্পর্কে কঠোর হুঁশিয়ারী

২৫২৭. উমার ইবনুল খাত্তাব রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, খায়বারের যুদ্ধে একটি দল নিহত হলে লোকেরা বলতে লাগলো, অমুক ব্যক্তি শহীদ হয়েছে। এভাবে তারা এক ব্যক্তির নাম উল্লেখ করে বললো, অমুক ব্যক্তি শহীদ হয়েছে। তখন রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, না, কখনো নয়। আমি তাকে (গনীমতের মাল থেকে) একটি আবা (এক ধরণের পোষাক) আত্মসাৎ করার কারণে আগুনে জ্বলতে দেখেছি।” তিনি বললেন, হে ইবনু খাত্তাব, দাঁড়াও এবং লোকদের মাঝে ঘোষণা দাও যে, জান্নাতে মু’মিন ছাড়া আর কেউ প্রবেশ করবে না।”ফলে আমি দাঁড়িয়ে লোকদের মাঝে তা ঘোষণা করতে লাগলাম।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ হাসান।

 

তাখরীজ: মুসলিম, ঈমান ১১৪। এছাড়াও, আবী আওয়ানাহ ১/৪৮।

 

আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৪৮৪৯, ৪৮৫৭ তে। ((তিরমিযী, সিয়ার ১৫৭৪; বাইহাকী, ৯/১০১। – আরনাউত্বের তাহক্বীক্ব ইবনু হিব্বান, নং ৪৮৪৯ এর টীকা হতে।-অনুবাদক)

بَاب مَا جَاءَ فِي الْغُلُولِ مِنْ الشِّدَّةِ

حَدَّثَنَا أَبُو الْوَلِيدِ حَدَّثَنَا عِكْرِمَةُ بْنُ عَمَّارٍ حَدَّثَنِي أَبُو زُمَيْلٍ حَدَّثَنِي ابْنُ عَبَّاسٍ حَدَّثَنِي عُمَرُ بْنُ الْخَطَّابِ قَالَ قُتِلَ نَفَرٌ يَوْمَ خَيْبَرَ فَقَالُوا فُلَانٌ شَهِيدٌ حَتَّى ذَكَرُوا رَجُلًا فَقَالُوا فُلَانٌ شَهِيدٌ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَلَّا إِنِّي رَأَيْتُهُ فِي النَّارِ فِي عَبَاءَةٍ أَوْ فِي بُرْدَةٍ غَلَّهَا قَالَ لِي يَا ابْنَ الْخَطَّابِ قُمْ فَنَادِ فِي النَّاسِ أَنَّهُ لَا يَدْخُلُ الْجَنَّةَ إِلَّا الْمُؤْمِنُونَ فَقُمْتُ فَنَادَيْتُ فِي النَّاسِ

حدثنا أبو الوليد حدثنا عكرمة بن عمار حدثني أبو زميل حدثني ابن عباس حدثني عمر بن الخطاب قال قتل نفر يوم خيبر فقالوا فلان شهيد حتى ذكروا رجلا فقالوا فلان شهيد فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم كلا إني رأيته في النار في عباءة أو في بردة غلها قال لي يا ابن الخطاب قم فناد في الناس أنه لا يدخل الجنة إلا المؤمنون فقمت فناديت في الناس

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ উমর ইবনুল খাত্তাব (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১৭. যুদ্ধাভিযান অধ্যায় (كتاب السير)

 ২৫২৮

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৪৯. (গণীমাতের মাল) আত্মসাৎ করার শাস্তি সম্পর্কে

২৫২৮. আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু তাঁর পিতা ’উমার ইবনুল খাত্তাব রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ “গণীমতের মাল আত্মসাৎকারী পেলে তোমরা তাকে মারধর করবে এবং তার সমস্ত মালামাল জ্বালিয়ে দেবে।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ যয়ীফ, সালিহ ইবনু মুহাম্মদ ইবনু যায়িদাহ’র দুর্বলতার কারণে।

 

তাখরীজ: আহমাদ ১/২২; আবূ দাউদ, জিহাদ ২৭১৩; তিরমিযী, হুদূদ ১৪৬১; ইবনু মানসূর নং ২৭২৯; ইবনু আবী শাইবা ১০/৫২ নং ৮৭৩৯ ও ১২/৪৯৬-৪৯৭ নং ১৫৩৮৯; ইবনু আদী, আল কামিল ৪/১৩৪১, ১৩৭৭।

بَاب فِي عُقُوبَةِ الْغَالِّ

حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ مَنْصُورٍ عَنْ عَبْدِ الْعَزِيزِ بْنِ مُحَمَّدٍ عَنْ صَالِحِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ زَائِدَةَ عَنْ سَالِمِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ عَنْ أَبِيهِ عَنْ جَدِّهِ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَنْ وَجَدْتُمُوهُ غَلَّ فَاضْرِبُوهُ وَأَحْرِقُوا مَتَاعَهُ

حدثنا سعيد بن منصور عن عبد العزيز بن محمد عن صالح بن محمد بن زائدة عن سالم بن عبد الله عن أبيه عن جده قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم من وجدتموه غل فاضربوه وأحرقوا متاعه

 হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai’f)  বর্ণনাকারীঃ আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১৭. যুদ্ধাভিযান অধ্যায় (كتاب السير)

 ২৫২৯

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৫০. (গণীমাতের মাল) আত্মসাৎকারী তার আত্মসাৎকৃত মালসহ কিয়ামত দিবসে উপস্থিত হওয়া সম্পর্কে

২৫২৯. কাছির ইবনু আব্দুল্লাহ ইবনু আমর ইবনু আওফ তার পিতার সূত্রে তার দাদা হতে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ “(মাল-সম্পদ) লুণ্ঠন করা যাবে না, আত্মসাৎও করা যাবে না, আবার গোপনে চুরি করাও যাবে না। আর যে ব্যক্তি কোনো মাল-সম্পদ আত্মসাৎ করবে, তা নিয়েই সে কিয়ামত দিবসে উপস্থিত হবে।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ যয়ীফ, কাছীর এর কারণে।

 

তাখরীজ: ইবনু আদী, আল কামিল ৬/২০৮০; তাবারাণী, কাবীর ১৭/১৭-১৮ নং ১৬।

بَاب فِي الْغَالِّ إِذَا جَاءَ بِمَا غَلَّ بِهِ

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ حَاتِمٍ الْمُكْتِبُ حَدَّثَنَا الْقَاسِمُ بْنُ مَالِكٍ حَدَّثَنِي كَثِيرُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرِو بْنِ عَوْفٍ الْمُزَنِيُّ عَنْ أَبِيهِ عَنْ جَدِّهِ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَا نَهْبَ وَلَا إِغْلَالَ وَلَا إِسْلَالَ وَمَنْ يَغْلُلْ يَأْتِ بِمَا غَلَّ يَوْمَ الْقِيَامَةِ قَالَ أَبُو مُحَمَّد الْإِسْلَالُ السَّرِقَةُ

أخبرنا محمد بن حاتم المكتب حدثنا القاسم بن مالك حدثني كثير بن عبد الله بن عمرو بن عوف المزني عن أبيه عن جده قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم لا نهب ولا إغلال ولا إسلال ومن يغلل يأت بما غل يوم القيامة قال أبو محمد الإسلال السرقة

 হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai’f)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১৭. যুদ্ধাভিযান অধ্যায় (كتاب السير)

 ২৫৩০

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৫১. যুদ্ধে হাত কাটা যাবে না

২৫৩০. জুনাদাহ ইবনু উমাইয়া হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি যদি বুসর ইবনু আরতাহ রাদিয়াল্লাহু আনহু কে একথা বলতে না শুনতাম যে, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছি: “যুদ্ধে থাকাবস্থায় হাত কাটা যাবে না।”- তবে অবশ্যই আমি তা কেটে দিতাম।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ যয়ীফ।

 

তাখরীজ: আহমাদ ৪/১৮১; তিরমিযী, হুদূদ ১৪৫০; আল কামিল ২/৪৩৯; ইবনুল কানি’ , মু’জামুস সাহাবাহ, নং ৮১; অপর সহীহ সনদে আবূ দাউদ, হুদূদ ৪৪০৮;

 

বাইহাকী, সিয়ার ৯/১০৪; েইবনুল আছীর, আসদুল গাবাহ ১/২১৪; ইবনুল কানি’ , মু’জামুস সাহাবাহ, নং ৮১। আরও দেখুন, নাসবুর রায়াহ ৩/৩৪৪; আল ইসাবাহ ১/২৪৩-২৪৪; মা’রিফাতুস সুনান ওয়াল আছার নং ১৮১৬১।

بَاب فِي أَنْ لَا تُقْطَعَ الْأَيْدِي فِي الْغَزْوِ

حَدَّثَنَا بِشْرُ بْنُ عُمَرَ الزَّهْرَانِيُّ حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ هُوَ ابْنُ لَهِيعَةَ حَدَّثَنَا عَيَّاشُ بْنُ عَبَّاسٍ عَنْ شِيَيْمِ بْنِ بَيْتَانَ عَنْ جُنَادَةَ بْنِ أَبِي أُمَيَّةَ قَالَ لَوْلَا أَنِّي سَمِعْتُ ابْنَ أَرْطَاةَ يَقُولُ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ لَا تُقْطَعُ الْأَيْدِي فِي الْغَزْوِ لَقَطَعْتُهَا

حدثنا بشر بن عمر الزهراني حدثنا عبد الله هو ابن لهيعة حدثنا عياش بن عباس عن شييم بن بيتان عن جنادة بن أبي أمية قال لولا أني سمعت ابن أرطاة يقول سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول لا تقطع الأيدي في الغزو لقطعتها

 হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai’f)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১৭. যুদ্ধাভিযান অধ্যায় (كتاب السير)

মন্তব্য করুন

Top