বিসমিল্লাহির রহমানির রহিম, আব্দুল্লাহ শাহেদ আল মাদানী লিখিত বই কুরআন ও সহীহ হাদীসের মানদণ্ডে সুফীবাদ pdf ডাউনলোড করতে নিচে দেওয়া DOWNLOAD বাটনে ক্লিক করুন।
| লেখক | আব্দুল্লাহ শাহেদ আল মাদানী |
| ধরণ | আদর্শ ও মতবাদ |
| ভাষা | বাংলা |
| প্রকাশক | তাওহীদ পাবলিকেশন্স |
| প্রকাশকাল | ২০১২ |
| পৃষ্ঠা | ৫৯ |
| ফাইল সাইজ | ২ MB |
| ফাইল টাইপ |
ইসলামের প্রথম যুগে মুসলমানগণ নিঃশর্তভাবে কুরআন ও সুন্নাহর অনুসরণ করে চলতেন। তারা নির্দিষ্ট কোন মাজহাব, তরীকা বা মতবাদের দিকে নিজেদেরকে নিসবত (সম্পৃক্ত) করতেন না। তবে বদরের যুদ্ধ যেহেতু ইসলামের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ যুদ্ধ ছিল এবং তাতে অংশগ্রহণ করা বিশেষ একটি ফজীলতের কাজ ছিল, তাই যারা বদরের যুদ্ধে শরীক হয়েছেন তাদেরকে বদরী সাহাবী, যারা বাইআতে রিযওয়ানে অংশগ্রহণ করেছিলেন তাদেরকে আসহাবে বাইআত এবং দ্বীনী ইলম শিক্ষায় সর্বক্ষণ আত্মনিয়োগকারী সুফাবাসী কতিপয় গরীব সাহাবীকে আসহাবে সুফফা বলা হত।
কিন্তু পরবর্তীতে মুসলমানগণ রাজনৈতিক, ধর্মীয় ও অন্যান্য কারণে বিভিন্ন দলে ও উপদলে বিভক্ত হয়ে যায়। মুসলমানদের মাঝে আত্মপ্রকাশ করে শিয়া, খারেজী, মুতাজেলা, কদরীয়া, আশায়েরা, জাহমেয়ী এবং আরও অসংখ্য বাতিল ফির্কা ও মতবাদ। এরই ধারাবাহিকতায় সুফীবাদও একটি ধর্মীয় মতবাদ হিসেবে মুসলমানদের মধ্যে অনুপ্রবেশ করে।
সুফী মতবাদ কখন থেকে ইসলামের মধ্যে প্রবেশ করে, তার সঠিক সময় নির্ধারণ করা কঠিন। তবে সঠিক কথা হচ্ছে এ মতবাদটি হিজরী তৃতীয় শতকে ইসলামী জগতে ছড়িয়ে পড়ে। তখন শুধু কতিপয় লোকের ব্যক্তিগত প্রবণতা, আচরণ ও আগ্রহের মধ্যেই এটি সীমিত ছিল। কতিপয় ব্যক্তি কর্তৃক দুনিয়ার ভোগবিলাস ও আরাম- আয়েশ পরিহার করে ইবাদতে মশগুল হওয়ার আহবান জানানোর মাধ্যমে এ পথের যাত্রা শুরু হয়।
পরবর্তীতে ব্যক্তিগতভাবে গড়ে উঠা আচরণগুলো উন্নতি লাভ করে একটি মতবাদে পরিণত হয় এবং সুফীবাদের নামে বিভিন্ন তরীকার আবির্ভাব ঘটে। এবাদত-বন্দেগীতে মশগুল থাকা, আত্মাকে হিংসা-বিদ্বেষ থেকে পরিশুদ্ধ করা, আল্লাহর ভয় দিয়ে অন্তর পরিপূর্ণ রাখা, তাওবা-ইস্তেগফার ও যিকির-আযকারের মাধ্যমে কলব পরিস্কার রাখার প্রতি সুফীরা আহবান জানায়।
কুরআন ও সহীহ হাদীসের মানদণ্ডে সুফীবাদ pdf
আরো বই ডাউনলোড করুন
প্রশ্নোত্তরে তাফসীরুল বায়যাবী pdf
