বিসমিল্লাহির রহমানির রহিম; মুফতি মুহিউদ্দীন কাসেমী লিখিত বই রমজানের সওগাত এর pdf ফাইল ডাউনলোড করতে নিচে দেওয়া DOWNLOAD বাটনে ক্লিক করুন।
| লেখক | মুফতি মুহিউদ্দীন কাসেমী |
| ধরন | বিষয়ভিত্তিক তাফসীর |
| ভাষা | বাংলা |
| প্রকাশক | গার্ডিয়ান পাবলিকেশন্স |
| প্রকাশকাল | * |
| পৃষ্ঠা | ২৬ |
| ফাইল সাইজ | ০.৭ MB |
| ফাইল টাইপ |
হিজরি বর্ষপঞ্জিকায় ১২টি চন্দ্রমাসের মধ্যে শ্রেষ্ঠ মাস রমজান। এটা মুমিনদের জন্য বরকতময় ইবাদতের মৌসুম। আল্লাহর নৈকট্যলাভের এক উত্তম সময়। কৃষকদের কাছে ফসল কাটার মৌসুম সবচেয়ে আনন্দের। সারাটি বছর সে এ সময়ের জন্য সশ্রম অপেক্ষা করে। তদ্রূপ একজন মুমিনের কাছে রমজান হলো ফসলের ভরা মৌসুম। সাধারণ সময়ের তুলনায় রমজানে ইবাদতের সওয়াব বহুগুণ বৃদ্ধি করা হয়।
রহমত, বরকত, ক্ষমা-মাগফিরাত, সবর, শোকর ও ইবাদতের বার্তা নিয়ে রমজান আসে আমাদের দোরগোড়ায়। রমজানের রোজা ইসলামের মূল স্তম্ভসমূহের অন্যতম একটি, যাকে মুমিনদের জন্য ফরজ করা হয়েছে। রমজান আসে মাগফিরাতের দ্বার উন্মোচিত করতে। রমজান আসে পাপ-পঙ্কিলতা দূর করে মুমিন জীবনকে বিশুদ্ধ ও সুশোভিত করার তরে। জাহান্নামিদের মুক্ত করে জান্নাতে প্রবেশের বার্তা দেওয়ার জন্য রমজানের আগমন।
কোনো কাজের প্রস্তুতি ছাড়া ভালোভাবে তা সম্পন্ন করা যায় না। তাই রমজান আসার আগেই আমাদের পথ ও পাথেয় সংগ্রহ করা উচিত। রমজানের এত গুরুত্ব থাকার কারণে এর প্রস্তুতি নেওয়ার একটা ব্যাপার আছে। প্রস্তুতি ছাড়া কোনো কাজ ভালোভাবে সম্পন্ন হয় না। ‘শাবান’ মাসকে বলা হয় রমজানের প্রস্তুতি গ্রহণের মাস। রমজানের পরে শাবান মাসে রাসূলুল্লাহ (সা.) সবচেয়ে বেশি রোজা রাখতেন। আমরা লক্ষ করলে দেখতে পাই, পৃথিবীতে বৃষ্টি হওয়ার আগে একটা ঠান্ডা বাতাস বইতে থাকে।
এই বাতাসটা হলো রহমতের বৃষ্টির আগমনি বার্তা। সাথে সাথে যেন ঘোষণা করে যায়—আসছে সেই বৃষ্টি, যার প্রতীক্ষা করছিল মানুষ। তেমনি রমজান হলো সেই মাস, যার জন্য প্রতীক্ষা করে মুত্তাকি বান্দাগণ। রমজানের দুই মাস আগে থেকেই রাসূল (সা.) দুআ করতেন “হে আল্লাহ! আমাদের রজব ও শাবান মাসে বরকত দান করো এবং রমজানে আমাদের পৌঁছাও।’
রমজানের সওগাত pdf
