বিসমিল্লাহির রহমানির রহিম; আহমদ মুসা জিবরীল লিখিত বই ধূলিমলিন উপহার রামাদান এর pdf ফাইল ডাউনলোড করতে নিচে দেওয়া DOWNLOAD বাটনে ক্লিক করুন।
| লেখক | আহমদ মুসা জিবরীল |
| ধরন | বিষয়ভিত্তিক তাফসীর |
| ভাষা | বাংলা |
| প্রকাশক | সীরাত পাবলিকেশন |
| প্রকাশকাল | ২০১৯ |
| পৃষ্ঠা | ২২০ |
| ফাইল সাইজ | ৮৬ MB |
| ফাইল টাইপ |
প্রচণ্ড উত্তাপের পর অবশেষে যখন এক পশলা বৃষ্টি এসে নামে—সেটা যেন হাফ ছেড়ে বাঁচার মতো! উত্তপ্ত আবহাওয়ার শাসনে রুক্ষ মাটিতে যখন বৃষ্টির প্রথম ফোঁটাগুলো এসে পড়ে, এক অদ্ভুত সোঁদা মাটির গন্ধ নাকে এসে লাগে! এক হৃদয় শীতল করা বাতাস এসময় বয়ে যায়! প্রতিবার বৃষ্টি শেষে নিয়ম করে একবার বাইরে বের হই শুধু এই বাতাসটা গায়ে মাখার জন্য! মাঝে মাঝে রিকশা নিয়ে এমনিতেই এদিক সেদিক ঘুরে বেড়াই, যাতে এই বাতাসটা আরও বেশি করে গায়ে লাগে!
ধূলিমলিন উপহার রামাদান pdf. Dhulimolin Upohar Ramadan
শাইখ আহমাদ মুসা জিবরীলের বিখ্যাত লেকচার সিরিজ ‘Gems Of Ramadan’ এর সম্পাদনা করার সময় অবাক হয়ে আবিষ্কার করলাম আমাদের প্রিয় নবীজি ( রামাদানকেও এরকম মৃদু শীতল বাতাসের সাথে তুলনা করেছেন। যে বাতাস নিমিষেই আমাদের মন ভালো করে দেয়, আমাদের হৃদয়ের সমস্ত দুঃখকষ্ট দূর করে দেয়। যে একবার এই বাতাস গায়ে মাখে—সে আর কখনো দুঃখী হবে না। সুবহানআল্লাহ্!
তবে এটা এমন এক বাতাস যার স্থায়িত্ব হয় খুব অল্প সময়ের জন্য এবং খুব অল্প কিছু সৌভাগ্যবান বান্দাই কেবল এই বাতাসে রোমাঞ্চিত হওয়ার সুযোগ পায়। প্রতিবছর আমাদের সামনে রামাদান এসে হাজির হয়। সারা মুসলিম বিশ্বে এক উৎসব উৎসব রব শুরু হয়। সেহরি, ইফতার, তারাবীহ, শবে ক্বদর, ঈদের খুশি—এই সবকিছুর ভিড়ে রামাদানটা কেমন জানি নির্দিষ্ট কিছু আচার-অনুষ্ঠানে ঘুরপাক খেতে থাকে।
চোখের পলকেই সেই রামাদান আবার চলেও যায়। কিন্তু কয়জন রামাদান নামের সেই শীতল বাতাসে নিজেদের প্রশান্ত করতে পারে? কয়জন আছে যারা নিজেদের গুনাহগুলোকে মাফ করিয়ে নিতে পারে? নিজেদের পাপের বোঝা হালকা করে, এক বিশুদ্ধ অন্তর নিয়ে জাহান্নামের আগুন থেকে অনন্ত সুখের জান্নাতে নিজের নামটা লিখিয়ে নিতে পারে কয়জন!
ধূলিমলিন উপহার রামাদান pdf
আরো বই ডাউনলোড করুন
রমজানের সওগাত pdf – Romjaner Sougat pdf – মুফতি মুহিউদ্দীন কাসেমী
কুরআন সুন্নাহর আলোকে শবে বরাত ফযীলত ও আমল pdf
খোশ আমদেদ মাহে রমজান pdf – খুররম জাহ মুরাদ
ইসলামের দৃষ্টিতে স্বপ্নের ব্যাখ্যা pdf. Shopner Bekkha – ইবনে সিরিন