You are here

দারেমী সালাত অধ্যায় ১ম ভাগ হাদিস নং ১২১৫ – ১২৭৮

 ১২১৫

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১. সালাতের ফযীলত সম্পর্কে

১২১৫. জাবির রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “পাঁচ ওয়াক্ত ফরয সালাতের উপমা হলো তোমাদের কারোর (বাড়ির) দরজার সামনে দিয়ে প্রবাহিত সুমিষ্ট (পানির) নদীর মতো যাতে সেই ব্যক্তি প্রতিদিন পাঁচবার গোসল করে।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: আবূ আওয়ানাহ ২/২১; ইবনু হিব্বান নং ১৭২৫; সহীহ মুসলিম ৬৬৮; আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাওসিলী নং ১৯৪১ ও সহীহ ইবনু হিব্বান নং ১৭২৫ এ।

 

এছাড়াও, বাইহাকী ৩/৬৩।

بَاب فِي فَضْلِ الصَّلَوَاتِ

أَخْبَرَنَا يَعْلَى بْنُ عُبَيْدٍ حَدَّثَنَا الْأَعْمَشُ عَنْ أَبِي سُفْيَانَ عَنْ جَابِرٍ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَثَلُ الصَّلَوَاتِ الْمَكْتُوبَاتِ كَمَثَلِ نَهَرٍ جَارٍ عَذْبٍ عَلَى بَابِ أَحَدِكُمْ يَغْتَسِلُ مِنْهُ كُلَّ يَوْمٍ خَمْسَ مَرَّاتٍ

أخبرنا يعلى بن عبيد حدثنا الأعمش عن أبي سفيان عن جابر قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم مثل الصلوات المكتوبات كمثل نهر جار عذب على باب أحدكم يغتسل منه كل يوم خمس مرات

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ জাবির ইবনু আবদুল্লাহ আনসারী (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১২১৬

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১. সালাতের ফযীলত সম্পর্কে

১২১৬. আবী হুরাইরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বলতে শুনেছেন, তিনি বলেছেন: “আচ্ছা, বলো তো দেখি, তোমাদের মধ্যকার কারো দরজার সামনে যদি একটি নদী থাকে আর সে ব্যক্তি পাঁচবার তাতে গোসল করে, তবে তোমরা কী বলো, তার (শরীরে) কোনো ময়লা অবশিষ্ট থাকতে পারে কি? তারা বললো, কোনো ময়লাই থাকতে পারে না। তিনি বললেন: “এমনটি-ই হলো পাঁচ ওয়াক্ত সালাতের উপমা, এগুলোর দ্বারা আল্লাহ পাপসমূহ মোচন করে দেন।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ যয়ীফ, কেননা এতে আব্দুল্লাহ ইবনু সলিহ রয়েছে। কিন্তু হাদীসটি সহীহ।

 

তাখরীজ: সহীহ বুখারী ৫২৮; সহীহ মুসলিম ৬৬৭; বাইহাকী ৩/৬২-৬৩; আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ১৭২৬।

بَاب فِي فَضْلِ الصَّلَوَاتِ

أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ صَالِحٍ حَدَّثَنِي اللَّيْثُ حَدَّثَنِي يَزِيدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ عَنْ أَبِي سَلَمَةَ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ أَنَّهُ سَمِعَ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ أَرَأَيْتُمْ لَوْ أَنَّ نَهَرًا بِبَابِ أَحَدِكُمْ يَغْتَسِلُ كُلَّ يَوْمٍ خَمْسَ مَرَّاتٍ مَاذَا تَقُولُونَ ذَلِكَ مُبْقِيًا مِنْ دَرَنِهِ قَالُوا لَا يُبْقِي مِنْ دَرَنِهِ قَالَ كَذَلِكَ مَثَلُ الصَّلَوَاتِ الْخَمْسِ يَمْحُو اللَّهُ بِهِنَّ الْخَطَايَا

أخبرنا عبد الله بن صالح حدثني الليث حدثني يزيد بن عبد الله عن محمد بن إبراهيم عن أبي سلمة عن أبي هريرة أنه سمع رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول أرأيتم لو أن نهرا بباب أحدكم يغتسل كل يوم خمس مرات ماذا تقولون ذلك مبقيا من درنه قالوا لا يبقي من درنه قال كذلك مثل الصلوات الخمس يمحو الله بهن الخطايا

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরায়রা (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১২১৭

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ২. সালাতের ওয়াক্তসমূহ

১২১৭. ‍মুহাম্মদ ইবনু আমর ইবনুল হাসান ইবনু আলী রিদ্বওয়ানুল্লাহি আলাইহিমা বলেন: হাজ্জাজের শাসনামলে আমরা জাবির ইবনু আব্দুল্লাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমাকে সালাতের ওয়াক্ত সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম, কারণ, সে (হাজ্জাজ) বিলম্বে সালাত আদায় করতো। তখন জাবির রা: বললেন: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যুহর সালাত আদায় করতেন, যখন সূর্য হেলে পড়তো; আর আসর সালাত আদায় করতেন আর তখনও সূর্য সজীব থাকতো কিংবা স্বচ্ছ-পরিষ্কার থাকতো; আর মাগরিবের সালাত সূর্য অস্ত যেতেই আদায় করতেন এবং ’ইশার সালাত কখনো সকাল সকাল আদায় করতেন, আবার কখনো দেরীতে আদায় করতেন। যখন লোকেরা সমবেত হতো, তখন তিনি সকাল সকাল আদায় করতেন, আবার যখন লোকেরা দেরীতে আসতো, তখন তিনিও বিলম্বে আদায় করতেন। আর সকালের (ফজরের) সালাত কথনো তারা অথবা তিনি ’গালাসে’ (রাতের শেষভাগের অন্ধকার অবস্থায়) আদায় করতেন।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ। এটি বুখারী-মুসলিমের হাদীস।

 

তাখরীজ: সহীহ বুখারী ৫৬০; সহীহ মুসলিম ৬৪৬; আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ১৭২৮ ও মুসনাদুল মাউসিলী নং ২০২৯, ২০৪৮, ২১০৩ এ।

بَاب فِي مَوَاقِيتِ الصَّلَاةِ

أَخْبَرَنَا هَاشِمُ بْنُ الْقَاسِمِ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ عَنْ سَعْدِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ قَالَ سَمِعْتُ مُحَمَّدَ بْنَ عَمْرِو بْنِ الْحَسَنِ بْنِ عَلِيٍّ قَالَ سَأَلْنَا جَابِرَ بْنَ عَبْدِ اللَّهِ فِي زَمَنِ الْحَجَّاجِ وَكَانَ يُؤَخِّرُ الصَّلَاةَ عَنْ وَقْتِ الصَّلَاةِ فَقَالَ جَابِرٌ كَانَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يُصَلِّي الظُّهْرَ حِينَ تَزُولُ الشَّمْسُ وَالْعَصْرَ وَهِيَ حَيَّةٌ أَوْ نَقِيَّةٌ وَالْمَغْرِبَ حِينَ تَجِبُ الشَّمْسُ وَالْعِشَاءَ رُبَّمَا عَجَّلَ وَرُبَّمَا أَخَّرَ إِذَا اجْتَمَعَ النَّاسُ عَجَّلَ وَإِذَا تَأَخَّرُوا أَخَّرَ وَالصُّبْحَ رُبَّمَا كَانُوا أَوْ كَانَ يُصَلِّيهَا بِغَلَسٍ

أخبرنا هاشم بن القاسم حدثنا شعبة عن سعد بن إبراهيم قال سمعت محمد بن عمرو بن الحسن بن علي قال سألنا جابر بن عبد الله في زمن الحجاج وكان يؤخر الصلاة عن وقت الصلاة فقال جابر كان النبي صلى الله عليه وسلم يصلي الظهر حين تزول الشمس والعصر وهي حية أو نقية والمغرب حين تجب الشمس والعشاء ربما عجل وربما أخر إذا اجتمع الناس عجل وإذا تأخروا أخر والصبح ربما كانوا أو كان يصليها بغلس

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১২১৮

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ২. সালাতের ওয়াক্তসমূহ

১২১৮. ইবনু শিহাব (যুহুরী) রাহি. হতে বর্ণিত, একদিন উমার ইবনু আব্দুল আযীয রাহি. বিলম্বে সালাত আদায় করলেন। তখন উরওয়া ইবনুয যুবাইর রাহি. তাঁর নিকট প্রবেশ করে তাঁর নিকট বর্ণনা করলেন, মুগীরাহ ইবনু শু’বাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু একদিন বিলম্বে সালাত আদায় করলে আবু মাসউদ আল আনসারী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু তাঁর নিকট প্রবেশ করে তাকে বললেন: হে মুগীরাহ, এটা কি হলো? তুমি কি অবগত নও যে, (একদিন) জীবরীল আলাইহি সালাম রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নিকট অবতীর্ণ হয়ে সালাত আদায় করলেন, তারপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামও সালাত আদায় করলেন। এরপর তিনি সালাত আদায় করলেন, ফলে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামও সালাত আদায় করলেন। তারপর তিনি সালাত আদায় করলেন, ফলে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামও সালাত আদায় করলেন। তারপর তিনি সালাত আদায় করলেন, ফলে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামও সালাত আদায় করলেন। তারপর তিনি সালাত আদায় করলেন, ফলে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামও সালাত আদায় করলেন। অতঃপর জীবরীল আলাইহিস সালাম বললেন, আমি এজন্য আদিষ্ট হয়েছি।

তখন উমার ইবনু আব্দুল আযীয উরওয়াহকে বললেন: হে উরওয়াহ, তুমি কী বর্ণনা করছো, তা ভালভাবে ভেবে দেখো। জীবরীল আলাইহিস সালাম কি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের জন্য সালাতের ওয়াক্ত নির্ধারণ করে দিয়েছিলেন? উরওয়াহ বললেন, বাশীর ইবনু আবী মাসউদ তাঁর পিতা হতে এরূপই বর্ণনা করে থাকেন।উরওয়াহ বলেন: আয়িশা রা: আমার নিকট বর্ণনা করেছেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এমন সময় আসরের সালাত আদায় করতেন যে, সূর্য (রশ্মি) তখনও তার হুজরার মধ্যে থাকতো। তবে তা উপরে দিকে উঠে যাওয়ার পূর্বেই।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: মালিক, ওয়াকুতুস সালাত নং ১১; তার সূত্রে আহমাদ ৫/২৭৪; বুখারী ৫২১; মুসলিম ৬১০ (১৬৭); আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ১৪৪৯, ১৪৫০ ও মুসনাদুল হুমাইদী নং ৪৫৬।

بَاب فِي مَوَاقِيتِ الصَّلَاةِ

أَخْبَرَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ عَبْدِ الْمَجِيدِ الْحَنَفِيُّ حَدَّثَنَا مَالِكٌ عَنْ ابْنِ شِهَابٍ أَنَّ عُمَرَ بْنَ عَبْدِ الْعَزِيزِ أَخَّرَ الصَّلَاةَ يَوْمًا فَدَخَلَ عَلَيْهِ عُرْوَةُ بْنُ الزُّبَيْرِ فَأَخْبَرَهُ أَنَّ الْمُغِيرَةَ بْنَ شُعْبَةَ أَخَّرَ الصَّلَاةَ يَوْمًا فَدَخَلَ عَلَيْهِ أَبُو مَسْعُودٍ الْأَنْصَارِيُّ فَقَالَ مَا هَذَا يَا مُغِيرَةُ أَلَيْسَ قَدْ عَلِمْتَ أَنَّ جِبْرِيلَ نَزَلَ عَلَى رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَصَلَّى فَصَلَّى رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ ثُمَّ صَلَّى فَصَلَّى رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ ثُمَّ صَلَّى فَصَلَّى رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ ثُمَّ صَلَّى فَصَلَّى رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ ثُمَّ صَلَّى فَصَلَّى رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ ثُمَّ قَالَ بِهَذَا أُمِرْتَ قَالَ اعْلَمْ مَا تُحَدِّثُ يَا عُرْوَةُ أَوَ أَنَّ جِبْرِيلَ أَقَامَ وَقْتَ الصَّلَاةِ لِرَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ كَذَلِكَ كَانَ بَشِيرُ بْنُ أَبِي مَسْعُودٍ يُحَدِّثُ عَنْ أَبِيهِ قَالَ عُرْوَةُ وَلَقَدْ حَدَّثَتْنِي عَائِشَةُ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَ يُصَلِّي الْعَصْرَ وَالشَّمْسُ فِي حُجْرَتِهَا قَبْلَ أَنْ تَظْهَرَ

أخبرنا عبيد الله بن عبد المجيد الحنفي حدثنا مالك عن ابن شهاب أن عمر بن عبد العزيز أخر الصلاة يوما فدخل عليه عروة بن الزبير فأخبره أن المغيرة بن شعبة أخر الصلاة يوما فدخل عليه أبو مسعود الأنصاري فقال ما هذا يا مغيرة أليس قد علمت أن جبريل نزل على رسول الله صلى الله عليه وسلم فصلى فصلى رسول الله صلى الله عليه وسلم ثم صلى فصلى رسول الله صلى الله عليه وسلم ثم صلى فصلى رسول الله صلى الله عليه وسلم ثم صلى فصلى رسول الله صلى الله عليه وسلم ثم صلى فصلى رسول الله صلى الله عليه وسلم ثم قال بهذا أمرت قال اعلم ما تحدث يا عروة أو أن جبريل أقام وقت الصلاة لرسول الله صلى الله عليه وسلم قال كذلك كان بشير بن أبي مسعود يحدث عن أبيه قال عروة ولقد حدثتني عائشة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان يصلي العصر والشمس في حجرتها قبل أن تظهر

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ ইবনু শিহাব আয-যুহরী (রহঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১২১৯

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৩. আযানের সূচনা

১২১৯. মুহাম্মদ ইবনু ইসহাক বলেন, যখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সেখানে (আবু মুহাম্মদ দারেমী বলেন: তখা মদীনায়) আগমণ করলেন, তখন সালাতের ওয়াক্ত হলে লোকেরা তাঁর নিকট কোনো আহ্বান ছাড়াই তার নিকট সালাতের জন্য একত্রিত হতো। ফলে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মনস্থ করলেন যে, ইয়াহুদীরা যেমন শিঙ্গা বাজিয়ে তাদের সালাতের জন্য আহবান করে থাকে, তেমনি একটি শিঙ্গা নির্ধারণ করে দিবেন। তারপর তিনি তা অপছন্দ করলেন। তারপর তিনি একটি ঘন্টা বানানোর নির্দেশ দিলেন, ফলে তা বানানো হলো যাতে তা বাজানোর মাধ্যমে মুসলিমদেরকে সালাতের দিকে আহবান করা যায়। তারা যখন এমন অবস্থায় রয়েছে, তখন আল হারিস ইবনুল খাযরাজ -এর ভাই আব্দুল্লাহ ইবনু যাইদ ইবনু আব্দি রব্বিহ (স্বপ্নে) দেখলেন। এরপর সে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর নিকট আগমণ করে বললেন, ইয়া রাসূলুল্লাহ, রাতে আমি বারবার স্বপ্নে দেখলাম যে, দু’টি সবুজ কাপড় পরিহিত এক ব্যক্তি হাতে ’নাকুস’ (শিঙ্গা) নিয়ে আমার পাশ দিয়ে যাচ্ছে। তখন আমি তাকে বললাম, হে আল্লাহর বান্দা! আপনি কি ’নাকুস’টি বিক্রি করবেন? সে বললো, আপনি এটি দিয়ে কী করবেন?

আমি বললাম, আমি এটি দিয়ে সালাতের জন্য (লোকদেরকে) আহ্বান করবো। তখন সে বললো, আমি কি তোমাকে এর চেয়ে উত্তম (বস্তু) বলে দেবো না? আমি বললাম: সেটা কি? তিনি বললেন, আপনি বলুন: ’আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার। আশহাদু আল্ লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ, আশহাদু আল্ লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ, আশহাদু আন্না মুহাম্মাদান রাসূলুল্লাহ, আশহাদু আন্না মুহাম্মাদান রাসূলুল্লাহ। হাইয়্যা আলাস সালাহ, হাইয়্যা আলাস সালাহ, হাইয়্যা আলাল ফালাহ, হাইয়্যা আলাল ফালাহ, আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার। লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ।

তারপর সামান্য সময় বিরতি দিয়ে সে তার (আযানের বাক্যগুলোর) অনুরূপ পূণরায় বললো, তবে সেগুলি বিজোড় বানিয়ে (একবার করে) বললো। তবে সে (শেষের দিকে এ বাক্যগুলিও) বললো: ’ক্বাদ ক্বামাতিস সালাহ’ ’ক্বাদ ক্বমাতিস সালাহ’, আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ’।

যখন সে এটি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বলা হলো, তখন তিনি বললেন: “ইনশা আল্লাহ এটি সত্য স্বপ্ন। তাই তুমি উঠে বিলালের সাথে যাও, এবং একথাগুলি তাকে বলে দাও। কেননা, সে তোমার চেয়ে উচ্চ কন্ঠেস্বরের অধিকারী।” তখন বিলাল আযান দিতে আরম্ভ করলো। আর উমার ইবনু খাত্তাব আযান শুনতে পেলো। তখন সে তখন বাড়িতে ছিলো। ফলে তিনি (বাড়ি থেকে) বেরিয়ে তার ’ইযার’ (লুঙ্গি) ধরে টানতে টানতে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নিকট এসে উপস্থিত হলেন এবং বলতে লাগলেন, ইয়া নবীয়্যাল্লাহ, যে মহান সত্ত্বা আপনাকে সত্যসহ প্রেরণ করেছেন, তাঁর শপথ! আমিও তার অনুরূপ (স্বপ্ন) দেখেছি, যা সে দেখেছে। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন: “সকল প্রশংসা আল্লাহরই জন্য, ফলে এ বিষয়টি অধিকতর শক্তিশালী হলো।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ যয়ীফ। তবে হাদীসটি সহীহ।

 

তাখরীজ: আমরা এটি তাখরীজ করেছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ১৬৭৯ ও মাওয়ারিদুয যাম’আন নং ২৮৭ ((আহমদ ৪/৪৩; দারুকুতনী ১/৪১ নং ২৯; বাইহাকী ১/৩৯০-৩৯১, ৪১৫; আবু দাউদ ৪৯৯; সহীহ ইবনু খুযাইমাহ ১/১৯৩ নং ৩৭১; তিরমিযী ১৮৯; ইবনু মাজাহ ৭০৬; আব্দুর রাযযাক ১/৪৬০ নং ১৭৮৭; তাহাবী, শারহু মা’আনিল আছার ১/১৩১-১৩২; বাগাবী, শারহুস ‍সুন্নাহ ২/২৫৭; তিরমিযী, আল ইলাল গ্রন্থে বলেন, এ হাদীস সম্পর্কে মুহাম্মদ ইবনু ইসমাঈল তথা বুখারীকে এ হাদীসটি সম্পর্কে জিজ্ঞেস করেছিলাম, তিনি বলেন, আমার নিকট এ হাদীস সহীহ।- মুহহাক্বিক্বের তাহক্বীক্বকৃত মাওয়ারিদুয যাম’আন ২৮৭ নং হাদীসের টীকা হতে।- অনুবাদক))

 

এছাড়া বাইহাকী দালাইলুল নবুওয়াত ৭/১৭-১৮।

بَاب فِي بَدْءِ الْأَذَانِ

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ حُمَيْدٍ حَدَّثَنَا سَلَمَةُ حَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ إِسْحَقَ قَالَ وَقَدْ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ حِينَ قَدِمَهَا قَالَ أَبُو مُحَمَّد يَعْنِي الْمَدِينَةَ إِنَّمَا يُجْتَمَعُ إِلَيْهِ بِالصَّلَاةِ لِحِينِ مَوَاقِيتِهَا بِغَيْرِ دَعْوَةٍ فَهَمَّ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنْ يَجْعَلَ بُوقًا كَبُوقِ الْيَهُودِ الَّذِينَ يَدْعُونَ بِهِ لِصَلَاتِهِمْ ثُمَّ كَرِهَهُ ثُمَّ أَمَرَ بِالنَّاقُوسِ فَنُحِتَ لِيُضْرَبَ بِهِ لِلْمُسْلِمِينَ إِلَى الصَّلَاةِ فَبَيْنَمَا هُمْ عَلَى ذَلِكَ إِذْ رَأَى عَبْدُ اللَّهِ بْنُ زَيْدِ بْنِ عَبْدِ رَبِّهِ أَخُو بَلْحَارِثِ بْنِ الْخَزْرَجِ فَأَتَى رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنَّهُ طَافَ بِيَ اللَّيْلَةَ طَائِفٌ مَرَّ بِي رَجُلٌ عَلَيْهِ ثَوْبَانِ أَخْضَرَانِ يَحْمِلُ نَاقُوسًا فِي يَدِهِ فَقُلْتُ يَا عَبْدَ اللَّهِ أَتَبِيعُ هَذَا النَّاقُوسَ فَقَالَ وَمَا تَصْنَعُ بِهِ قُلْتُ نَدْعُو بِهِ إِلَى الصَّلَاةِ قَالَ أَفَلَا أَدُلُّكَ عَلَى خَيْرٍ مِنْ ذَلِكَ قُلْتُ وَمَا هُوَ قَالَ تَقُولُ اللَّهُ أَكْبَرُ اللَّهُ أَكْبَرُ اللَّهُ أَكْبَرُ اللَّهُ أَكْبَرُ أَشْهَدُ أَنْ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ أَشْهَدُ أَنْ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ أَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا رَسُولُ اللَّهِ أَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا رَسُولُ اللَّهِ حَيَّ عَلَى الصَّلَاةِ حَيَّ عَلَى الصَّلَاةِ حَيَّ عَلَى الْفَلَاحِ حَيَّ عَلَى الْفَلَاحِ اللَّهُ أَكْبَرُ اللَّهُ أَكْبَرُ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ ثُمَّ اسْتَأْخَرَ غَيْرَ كَثِيرٍ ثُمَّ قَالَ مِثْلَ مَا قَالَ وَجَعَلَهَا وِتْرًا إِلَّا أَنَّهُ قَالَ قَدْ قَامَتْ الصَّلَاةُ قَدْ قَامَتْ الصَّلَاةُ اللَّهُ أَكْبَرُ اللَّهُ أَكْبَرُ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ فَلَمَّا خُبِّرَ بِهَا رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ إِنَّهَا لَرُؤْيَا حَقٌّ إِنْ شَاءَ اللَّهُ فَقُمْ مَعَ بِلَالٍ فَأَلْقِهَا عَلَيْهِ فَإِنَّهُ أَنْدَى صَوْتًا مِنْكَ فَلَمَّا أَذَّنَ بِلَالٌ سَمِعَهَا عُمَرُ بْنُ الْخَطَّابِ وَهُوَ فِي بَيْتِهِ فَخَرَجَ إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَهُوَ يَجُرُّ إِزَارَهُ وَهُوَ يَقُولُ يَا نَبِيَّ اللَّهِ وَالَّذِي بَعَثَكَ بِالْحَقِّ لَقَدْ رَأَيْتُ مِثْلَ مَا رَأَى فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَلِلَّهِ الْحَمْدُ فَذَاكَ أَثْبَتُ

أخبرنا محمد بن حميد حدثنا سلمة حدثني محمد بن إسحق قال وقد كان رسول الله صلى الله عليه وسلم حين قدمها قال أبو محمد يعني المدينة إنما يجتمع إليه بالصلاة لحين مواقيتها بغير دعوة فهم رسول الله صلى الله عليه وسلم أن يجعل بوقا كبوق اليهود الذين يدعون به لصلاتهم ثم كرهه ثم أمر بالناقوس فنحت ليضرب به للمسلمين إلى الصلاة فبينما هم على ذلك إذ رأى عبد الله بن زيد بن عبد ربه أخو بلحارث بن الخزرج فأتى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال يا رسول الله إنه طاف بي الليلة طائف مر بي رجل عليه ثوبان أخضران يحمل ناقوسا في يده فقلت يا عبد الله أتبيع هذا الناقوس فقال وما تصنع به قلت ندعو به إلى الصلاة قال أفلا أدلك على خير من ذلك قلت وما هو قال تقول الله أكبر الله أكبر الله أكبر الله أكبر أشهد أن لا إله إلا الله أشهد أن لا إله إلا الله أشهد أن محمدا رسول الله أشهد أن محمدا رسول الله حي على الصلاة حي على الصلاة حي على الفلاح حي على الفلاح الله أكبر الله أكبر لا إله إلا الله ثم استأخر غير كثير ثم قال مثل ما قال وجعلها وترا إلا أنه قال قد قامت الصلاة قد قامت الصلاة الله أكبر الله أكبر لا إله إلا الله فلما خبر بها رسول الله صلى الله عليه وسلم قال إنها لرؤيا حق إن شاء الله فقم مع بلال فألقها عليه فإنه أندى صوتا منك فلما أذن بلال سمعها عمر بن الخطاب وهو في بيته فخرج إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم وهو يجر إزاره وهو يقول يا نبي الله والذي بعثك بالحق لقد رأيت مثل ما رأى فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم فلله الحمد فذاك أثبت

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ মুহাম্মদ ইবনু ইসহাক (রহঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১২২০

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৩. আযানের সূচনা

১২২০. মুহাম্মদ ইবনু আব্দুল্লাহ ইবনু যাইদ ইবনু আব্দি রব্বিহ তার পিতা হতে এ হাদীস বর্ণনা করেছেন।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এটি পূর্বের হাদীসটির পুনরাবৃত্তি। এর সনদ যয়ীফ।

 

তাখরীজ: আগের এবং পরের হাদীসটি দেখুন।

بَاب فِي بَدْءِ الْأَذَانِ

قَالَ مُحَمَّدُ بْنُ حُمَيْدٍ حَدَّثَنِيهِ سَلَمَةُ قَالَ حَدَّثَنِيهِ ابْنُ إِسْحَقَ قَالَ حَدَّثَنِي هَذَا الْحَدِيثَ مُحَمَّدُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ الْحَارِثِ التَّيْمِيُّ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ زَيْدِ بْنِ عَبْدِ رَبِّهِ عَنْ أَبِيهِ بِهَذَا الْحَدِيثِ

قال محمد بن حميد حدثنيه سلمة قال حدثنيه ابن إسحق قال حدثني هذا الحديث محمد بن إبراهيم بن الحارث التيمي عن محمد بن عبد الله بن زيد بن عبد ربه عن أبيه بهذا الحديث

 হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai’f)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১২২১

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৩. আযানের সূচনা

১২২১. মুহাম্মদ ইবনু আব্দুল্লাহ ইবনু যাইদ ইবনু আব্দি রব্বিহ বর্ণনা করেছেন, আমার পিতা আব্দুল্লাহ ইবনু যাইদ বলেন, যখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ’নাকুস’ (ঘন্টা) বানানোর নির্দেশ দিলেন…. ।’ অতঃপর তিনি এর অনুরূপ উল্লেখ করেন।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: দেখুন, আগের টীকাটি।

بَاب فِي بَدْءِ الْأَذَانِ

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يَحْيَى حَدَّثَنَا يَعْقُوبُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ سَعْدٍ قَالَ حَدَّثَنَا أَبِي عَنْ ابْنِ إِسْحَقَ قَالَ حَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ الْحَارِثِ التَّيْمِيُّ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ زَيْدِ بْنِ عَبْدِ رَبِّهِ قَالَ حَدَّثَنِي أَبِي عَبْدُ اللَّهِ بْنُ زَيْدٍ قَالَ لَمَّا أَمَرَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِالنَّاقُوسِ فَذَكَرَ نَحْوَهُ

أخبرنا محمد بن يحيى حدثنا يعقوب بن إبراهيم بن سعد قال حدثنا أبي عن ابن إسحق قال حدثني محمد بن إبراهيم بن الحارث التيمي عن محمد بن عبد الله بن زيد بن عبد ربه قال حدثني أبي عبد الله بن زيد قال لما أمر رسول الله صلى الله عليه وسلم بالناقوس فذكر نحوه

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১২২২

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৪. ফজরের আযানের ওয়াক্ত সম্পর্কে

১২২২. ইবনু উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে মারফু’ হিসেবে (তথা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হতে) বর্ণিত, তিনি বলেছেন: “বিলাল রাত থাকতেই আযান দেয়, কাজেই ইবনু উম্মু মাকতুম আযান না দেওয়া পর্যন্ত তোমরা পানাহার করতে পারো।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ। এটি বুখারী-মুসলিমের হাদীস।

 

তাখরীজ: সহীহ বুখারী ৬১৭; সহীহ মুসলিম ১০৯২; আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাওসিলী নং ৫৪৩২, ৫৪৯২, ৫৫৪১ ও সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৩৪৬৯, ৩৪৭০, ৩৪৭১ এবং মুসনাদুল হুমাইদী নং ৬২৩ এ।

بَاب فِي وَقْتِ أَذَانِ الْفَجْرِ

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ حَدَّثَنَا ابْنُ عُيَيْنَةَ عَنْ الزُّهْرِيِّ عَنْ سَالِمٍ عَنْ أَبِيهِ يَرْفَعُهُ قَالَ إِنَّ بِلَالًا يُؤَذِّنُ بِلَيْلٍ فَكُلُوا وَاشْرَبُوا حَتَّى يُؤَذِّنَ ابْنُ أُمِّ مَكْتُومٍ

أخبرنا محمد بن يوسف حدثنا ابن عيينة عن الزهري عن سالم عن أبيه يرفعه قال إن بلالا يؤذن بليل فكلوا واشربوا حتى يؤذن ابن أم مكتوم

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১২২৩

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৪. ফজরের আযানের ওয়াক্ত সম্পর্কে

১২২৩. নাফিঈ’ হতে বর্ণিত, তিনি ইবনু উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা হতে,[1]

এবং কাসিম রাহি. হতে বর্ণিত, আয়িশা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের দু’জন মুয়াযযিন ছিল: বিলাল ও ইবনু উম্মু মাকতুম। তাই রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “বিলাল রাত থাকতেই আযান দেয়, কাজেই ইবনু উম্মু মাকতুম আযান না শোনা পর্যন্ত তোমরা পানাহার করতে পারো।”[2]তারপর কাসিম বলেন, আর উভয়ের মাঝে সময়ের ব্যবধান ছিল মাত্র এতটুকু যে একজন নামতেন এবং আরেকজন (আযান দিতে) উঠতেন।

[1] ইবনু উমারের হাদীসটি সহীহ বুখারী-সহীহ মুসলিমে রয়েছে, যা মুলত আগের হাদীসটি।

 

[2] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: সহীহ বুখারী ৬২২, ৬২৩; মুসলিম ১০৯২ (৩৮)। আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৩৪৭৩ ও মুসনাদুল মাওসিলী নং ৪৩৮৫ সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৩৪৬৯, ৩৪৭০, ৩৪৭১ টীকাসহ।

بَاب فِي وَقْتِ أَذَانِ الْفَجْرِ

أَخْبَرَنَا إِسْحَقُ حَدَّثَنَا عَبْدَةُ أَخْبَرَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ عَنْ نَافِعٍ عَنْ ابْنِ عُمَرَ وَعَنْ الْقَاسِمِ عَنْ عَائِشَةَ قَالَتْ كَانَ لِلنَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مُؤَذِّنَانِ بِلَالٌ وَابْنُ أُمِّ مَكْتُومٍ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِنَّ بِلَالًا يُؤَذِّنُ بِلَيْلٍ فَكُلُوا وَاشْرَبُوا حَتَّى تَسْمَعُوا أَذَانَ ابْنِ أُمِّ مَكْتُومٍ فَقَالَ الْقَاسِمُ وَمَا كَانَ بَيْنَهُمَا إِلَّا أَنْ يَنْزِلَ هَذَا وَيَرْقَى هَذَا

أخبرنا إسحق حدثنا عبدة أخبرنا عبيد الله عن نافع عن ابن عمر وعن القاسم عن عائشة قالت كان للنبي صلى الله عليه وسلم مؤذنان بلال وابن أم مكتوم فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم إن بلالا يؤذن بليل فكلوا واشربوا حتى تسمعوا أذان ابن أم مكتوم فقال القاسم وما كان بينهما إلا أن ينزل هذا ويرقى هذا

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ নাফি‘ (রহঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১২২৪

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৫. ফজরের আযানে ‘তাছবীব’ (‘আস সালাতু খইরুম মিন আন নাওম’ উচ্চারণ) করা

১২২৪. মুয়াযযিন হাফস ইবনু উমার ইবনু সা’দ হতে বর্ণিত, আর সা’দ ছিলেন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের মসজিদের মুয়াযযিন। হাফস বলেন, আমার পরিবার আমার নিকট বর্ণনা করেছেন যে, (একদা) বিলাল রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে ফজরের সালাতের জন্য ডাকতে আসলেন। তখন সে বললো, তিনি তো ঘুমিয়ে আছেন। তারপর বিলাল অতি উচ্চ স্বরে এ বলে ডেকে উঠলেন: ’সালাতু খইরুম মিনান্নাওম’ (ঘুম হতে সালাত উত্তম)। তখন ফজরের আযানে এটি বজায় রাখা (অনুমোদিত) হলো।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ যয়ীফ। এতে অজ্ঞাত পরিচয় রাবী (জাহালাত) রয়েছে।

 

তাখরীজ: তাবারাণী, আল কাবীর ৬/৪০ নং ৫৪৪৯; ইবনু আবী আছিম, আল আহাদুল মাছানী নং ২২৫৫।

 

‘আস সালাতু খইরুম মিনান্নাওম’ বাক্যটি সহীহ, দেখুন, আবী মাহযুরা’র হাদীস সহীহ ইবনু হিব্বান নং ১৬৮২; মাওয়ারিদুয যাম’আন নং ২৮৯ ও মুছান্নাফ আব্দুর রাযযাক ১/৪৭২-৪৭৫।

بَاب التَّثْوِيبِ فِي أَذَانِ الْفَجْرِ

أَخْبَرَنَا عُثْمَانُ بْنُ عُمَرَ بْنِ فَارِسٍ حَدَّثَنَا يُونُسُ عَنْ الزُّهْرِيِّ عَنْ حَفْصِ بْنِ عُمَرَ بْنِ سَعْدٍ الْمُؤَذِّنِ أَنَّ سَعْدًا كَانَ يُؤَذِّنُ فِي مَسْجِدِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ حَفْصٌ حَدَّثَنِي أَهْلِي أَنَّ بِلَالًا أَتَى رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يُؤْذِنُهُ لِصَلَاةِ الْفَجْرِ فَقَالُوا إِنَّهُ نَائِمٌ فَنَادَى بِلَالٌ بِأَعْلَى صَوْتِهِ الصَّلَاةُ خَيْرٌ مِنْ النَّوْمِ فَأُقِرَّتْ فِي أَذَانِ صَلَاةِ الْفَجْرِ قَالَ أَبُو مُحَمَّد يُقَالُ سَعْدٌ الْقَرَظُ

أخبرنا عثمان بن عمر بن فارس حدثنا يونس عن الزهري عن حفص بن عمر بن سعد المؤذن أن سعدا كان يؤذن في مسجد رسول الله صلى الله عليه وسلم قال حفص حدثني أهلي أن بلالا أتى رسول الله صلى الله عليه وسلم يؤذنه لصلاة الفجر فقالوا إنه نائم فنادى بلال بأعلى صوته الصلاة خير من النوم فأقرت في أذان صلاة الفجر قال أبو محمد يقال سعد القرظ

 হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai’f)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১২২৫

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৬. আযান (এর বাক্য) হবে জোড়া জোড়া এবং ইকামত (এর বাক্যগুলি) হবে বিজোড় সংখ্যায়

১২২৫. ইবনু উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সময়ে আযানের বাক্যগুলি দু’বার করে এবং ইকামতের বাক্যগুলি একবার করে বলা হতো। কিন্তু ইকামতের মধ্যে ’ক্বদ ক্বমাতিস সালাহ’ বলার সময় এ বাক্যটি দু’বার বলা হতো। আমরা যখন (মুয়াযযিনের) ইকামত শুনতাম, তখন আমাদের কেউ উযু করতে যেত, এরপর (সালাতের আদায় করতে) বের হতো।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ জাইয়েদ।

 

তাখরীজ: আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ১৬৭৪, ১৬৭৭; মাওয়ারিদুয যাম’আন ২৯০, ২৯১। ((আবু দাউদ ৫১০; বাগাবী, শারহুস সুন্নাহ ৪০৬; সহীহ ইবনু খুযাইমা ৩৭৪; আহমাদ ২/৮৫, ৮৭; দাওলাবী, আল কুন্নী ২/১০৬; হাকিম ১/১৯৭, ১৯৮, তিনি একে সহীহ বলেছেন এবং যাহাবী তা সমর্থন করেছেন; নাসাঈ ২/৩২/২০, ২১; বাইহাকী ১/৪১৩।- শাইখ আরনাউত্বের তাহক্বীক্বকৃত সহীহ ইবনু হিব্বান নং ১৬৭৪ এর টীকা হতে।-অনুবাদক))

بَاب الْأَذَانُ مَثْنَى مَثْنَى وَالْإِقَامَةُ مَرَّةً

أَخْبَرَنَا سَهْلُ بْنُ حَمَّادٍ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ حَدَّثَنَا أَبُو جَعْفَرٍ عَنْ مُسْلِمٍ أَبِي الْمُثَنَّى عَنْ ابْنِ عُمَرَ أَنَّهُ قَالَ كَانَ الْأَذَانُ عَلَى عَهْدِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَثْنَى مَثْنَى وَالْإِقَامَةُ مَرَّةً مَرَّةً غَيْرَ أَنَّهُ كَانَ إِذَا قَالَ قَدْ قَامَتْ الصَّلَاةُ قَالَهَا مَرَّتَيْنِ فَإِذَا سَمِعْنَا الْإِقَامَةَ تَوَضَّأَ أَحَدُنَا وَخَرَجَ

أخبرنا سهل بن حماد حدثنا شعبة حدثنا أبو جعفر عن مسلم أبي المثنى عن ابن عمر أنه قال كان الأذان على عهد رسول الله صلى الله عليه وسلم مثنى مثنى والإقامة مرة مرة غير أنه كان إذا قال قد قامت الصلاة قالها مرتين فإذا سمعنا الإقامة توضأ أحدنا وخرج

 হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)  বর্ণনাকারীঃ আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১২২৬

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৬. আযান (এর বাক্য) হবে জোড়া জোড়া এবং ইকামত (এর বাক্যগুলি) হবে বিজোড় সংখ্যায়

১২২৬. আবী কিলাবা হতে বর্ণিত, আনাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, বিলাল রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুকে আযান বাক্যসমূহ জোড়া জোড়া এবং ইকামাতের বাক্যসমূহ বিজোড়ভাবে বলার নির্দেশ প্রদান করা হয়।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: সহীহ বুখারী ৬০৩; সহীহ মুসলিম ৩৭৮; আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ২৭৯২, ২৮৯৩; সহীহ ইবনু হিব্বান নং ১৬৭৫, ১৬৭৬, ১৬৭৭ এ। আরও দেখুন, পরবতী হাদীসটি।

بَاب الْأَذَانُ مَثْنَى مَثْنَى وَالْإِقَامَةُ مَرَّةً

أَخْبَرَنَا أَبُو الْوَلِيدِ الطَّيَالِسِيُّ وَعَفَّانُ قَالَا حَدَّثَنَا شُعْبَةُ عَنْ خَالِدٍ الْحَذَّاءِ عَنْ أَبِي قِلَابَةَ عَنْ أَنَسٍ قَالَ أُمِرَ بِلَالٌ أَنْ يَشْفَعَ الْأَذَانَ وَيُوتِرَ الْإِقَامَةَ

أخبرنا أبو الوليد الطيالسي وعفان قالا حدثنا شعبة عن خالد الحذاء عن أبي قلابة عن أنس قال أمر بلال أن يشفع الأذان ويوتر الإقامة

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আবূ কিলাবাহ্ (রহঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১২২৭

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৬. আযান (এর বাক্য) হবে জোড়া জোড়া এবং ইকামত (এর বাক্যগুলি) হবে বিজোড় সংখ্যায়

১২২৭. (অপর সূত্রে) আবী কিলাবা হতে বর্ণিত, আনাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, বিলাল রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুকে আযান বাক্যসমূহ জোড়া জোড়া এবং ইকামাতের বাক্যসমূহ বিজোড়ভাবে বলার নির্দেশ প্রদান করা হয়, তবে ’ইকামত (এর অতিরিক্ত বাক্যগুলি)[1] ব্যতীত।[2]

[1] ‘ইকামত ব্যতীত’ অর্থ ইকামতের শব্দগুলি তখা ‘ক্বদ ক্বমাতিস সালাহ’। এটি বিজোড় নয়, এ বাক্যটি দু’বার বলতে হবে। দেখুন, সহীহ মুসলিম এ বাবের ৩৭৮ নং হাদীসটি।

 

[2] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: এটি আগের হাদীসটির পূনরাবৃত্তি।

بَاب الْأَذَانُ مَثْنَى مَثْنَى وَالْإِقَامَةُ مَرَّةً

حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ حَرْبٍ حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ عَنْ سِمَاكِ بْنِ عَطِيَّةَ عَنْ أَيُّوبَ عَنْ أَبِي قِلَابَةَ عَنْ أَنَسٍ قَالَ أُمِرَ بِلَالٌ أَنْ يَشْفَعَ الْأَذَانَ وَيُوتِرَ الْإِقَامَةَ إِلَّا الْإِقَامَةَ

حدثنا سليمان بن حرب حدثنا حماد بن زيد عن سماك بن عطية عن أيوب عن أبي قلابة عن أنس قال أمر بلال أن يشفع الأذان ويوتر الإقامة إلا الإقامة

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আবূ কিলাবাহ্ (রহঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১২২৮

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৭. আযানে ‘তারজী’ করা

১২২৮. আবী মাহযুরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বিশজন লোককে এভাবে আযান দিতে নির্দেশ দেন, ফলে তারা আযান দিতে থাকে। তখন আবী মাহযুরার কণ্ঠস্বর তাঁকে মুগ্ধ করে; ফলে তিনি তাকে (এ বাক্যসমূহ দ্বারা) আযান শিক্ষা দেন: ’আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার। আশহাদু আল্ লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ, আশহাদু আল্ লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ, আশহাদু আন্না মুহাম্মাদান রাসূলুল্লাহ, আশহাদু আন্না মুহাম্মাদান রাসূলুল্লাহ।

আশহাদু আল্ লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ, আশহাদু আল্ লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ, আশহাদু আন্না মুহাম্মাদান রাসূলুল্লাহ, আশহাদু আন্না মুহাম্মাদান রাসূলুল্লাহ। হাইয়্যা আলাস সালাহ, হাইয়্যা আলাস সালাহ, হাইয়্যা আলাল ফালাহ, হাইয়্যা আলাল ফালাহ, আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার। লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ।’আর ইকামত (শিক্ষা দেন) জোড়া জোড়া বাক্যে।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: বাইহাকী ১/৪১৬-৪১৭; আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ১৬৮০,. ১৬৮১, ১৬৮২; মাওয়ারিদুয যাম’আন নং ২৮৮, ২৮৯ ও আবী ইয়ালা, মু’জামুশ শুয়ুখ নং ১৩৬ এ। আরও দেখুন, আগের টীকাটি।

بَاب التَّرْجِيعِ فِي الْأَذَانِ

أَخْبَرَنَا سَعِيدُ بْنُ عَامِرٍ عَنْ هَمَّامٍ عَنْ عَامِرٍ الْأَحْوَلِ عَنْ مَكْحُولٍ عَنْ ابْنِ مُحَيْرِيزٍ عَنْ أَبِي مَحْذُورَةَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَمَرَ نَحْوًا مِنْ عِشْرِينَ رَجُلًا فَأَذَّنُوا فَأَعْجَبَهُ صَوْتُ أَبِي مَحْذُورَةَ فَعَلَّمَهُ الْأَذَانَ اللَّهُ أَكْبَرُ اللَّهُ أَكْبَرُ اللَّهُ أَكْبَرُ اللَّهُ أَكْبَرُ أَشْهَدُ أَنْ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ أَشْهَدُ أَنْ لَا إِلَه إِلَّا اللَّهُ أَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا رَسُولُ اللَّهِ أَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا رَسُولُ اللَّهِ أَشْهَدُ أَنْ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ أَشْهَدُ أَنْ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ أَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا رَسُولُ اللَّهِ أَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا رَسُولُ اللَّهِ حَيَّ عَلَى الصَّلَاةِ حَيَّ عَلَى الصَّلَاةِ حَيَّ عَلَى الْفَلَاحِ حَيَّ عَلَى الْفَلَاحِ اللَّهُ أَكْبَرُ اللَّهُ أَكْبَرُ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَالْإِقَامَةَ مَثْنَى مَثْنَى

أخبرنا سعيد بن عامر عن همام عن عامر الأحول عن مكحول عن ابن محيريز عن أبي محذورة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم أمر نحوا من عشرين رجلا فأذنوا فأعجبه صوت أبي محذورة فعلمه الأذان الله أكبر الله أكبر الله أكبر الله أكبر أشهد أن لا إله إلا الله أشهد أن لا إله إلا الله أشهد أن محمدا رسول الله أشهد أن محمدا رسول الله أشهد أن لا إله إلا الله أشهد أن لا إله إلا الله أشهد أن محمدا رسول الله أشهد أن محمدا رسول الله حي على الصلاة حي على الصلاة حي على الفلاح حي على الفلاح الله أكبر الله أكبر لا إله إلا الله والإقامة مثنى مثنى

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আবু মাহযুরা (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১২২৯

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৭. আযানে ‘তারজী’ করা

১২২৯. আবী মাহযুরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাকে ঊনিশটি বাক্যে আযান এবং সতেরোটি বাক্যে ইকামাত শিক্ষা দেন।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: বাইহাকী ১/৪১৬; পূর্ণ তাখরীজের জন্য আগের টীকাটি দেখুন।

بَاب التَّرْجِيعِ فِي الْأَذَانِ

أَخْبَرَنَا أَبُو الْوَلِيدِ الطَّيَالِسِيُّ وَحَجَّاجُ بْنُ الْمِنْهَالِ قَالَا حَدَّثَنَا هَمَّامٌ حَدَّثَنَا عَامِرٌ الْأَحْوَلُ قَالَ حَجَّاجٌ فِي حَدِيثِهِ عَامِرُ بْنُ عَبْدِ الْوَاحِدِ قَالَ حَدَّثَنِي مَكْحُولٌ أَنَّ ابْنَ مُحَيْرِيزٍ حَدَّثَهُ أَنَّ أَبَا مَحْذُورَةَ حَدَّثَهُ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَلَّمَهُ الْأَذَانَ تِسْعَ عَشْرَةَ كَلِمَةً وَالْإِقَامَةَ سَبْعَ عَشْرَةَ كَلِمَةً

أخبرنا أبو الوليد الطيالسي وحجاج بن المنهال قالا حدثنا همام حدثنا عامر الأحول قال حجاج في حديثه عامر بن عبد الواحد قال حدثني مكحول أن ابن محيريز حدثه أن أبا محذورة حدثه أن رسول الله صلى الله عليه وسلم علمه الأذان تسع عشرة كلمة والإقامة سبع عشرة كلمة

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আবু মাহযুরা (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১২৩০

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৮. আযানের সময় (মুখমণ্ডল ডানে ও বামে) ফিরানো

১২৩০. আবী জুহাইফা তার পিতা হতে বর্ণনা করেন, তিনি বিলাল কে আযান দিতে দেখেছেন। তিনি বলেন, তারপর থেকে (তার অনুসরণ করে) আযানে আমি মুখ এদিক সেদিক (ডানে-বামে) ফিরাই।[1]

 

[1] তাহক্বীক্ব; এর সনদ সহীহ। বরং হাদীসটি বুখারী-মুসলিমের।

 

তাখরীজ: সহীহ বুখারী নং ৬৩৪; সহীহ মুসলিম ৫০৩। আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ৮৮৭; সহীহ ইবনু হিব্বান নং ১২৬৮ ও মুসনাদুল হুমাইদী নং ৯১৬ এ।

بَاب الِاسْتِدَارَةِ فِي الْأَذَانِ

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ عَوْنِ بْنِ أَبِي جُحَيْفَةَ عَنْ أَبِيهِ أَنَّهُ رَأَى بِلَالًا أَذَّنَ قَالَ فَجَعَلْتُ أَتْبَعُ فَاهُ هَاهُنَا وَهَاهُنَا بِالْأَذَانِ

أخبرنا محمد بن يوسف حدثنا سفيان عن عون بن أبي جحيفة عن أبيه أنه رأى بلالا أذن قال فجعلت أتبع فاه هاهنا وهاهنا بالأذان

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আবূ জুহাইফাহ (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১২৩১

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৮. আযানের সময় (মুখমণ্ডল ডানে ও বামে) ফিরানো

১২৩১. আবী জুহাইফার পিতা হতে বর্ণিত, বিলাল বর্শা পুঁতে দিলেন, তারপর আযান দিলেন, আর তার ‍দু’টি আঙ্গুল তার দু’কানে স্থাপন করলেন। অতঃপর আমি তাকে আযানের মধ্যে (ডানে-বামে) ঘুরতে দেখলাম।’[1] আব্দুল্লাহ বলেন: ছাওরী’র হাদীস অধিক সহীহ।

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ যয়ীফ হাজ্জাজ ইবনু আরতাহ’র কারণে। তবে হাদীসটি বুখারী-মুসলিমের হাদীস।

 

তাখরীজ: আগের টীকাটি দেখুন।

بَاب الِاسْتِدَارَةِ فِي الْأَذَانِ

أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدٍ حَدَّثَنَا عَبَّادٌ عَنْ حَجَّاجٍ عَنْ عَوْنِ بْنِ أَبِي جُحَيْفَةَ عَنْ أَبِيهِ أَنَّ بِلَالًا رَكَزَ الْعَنَزَةَ ثُمَّ أَذَّنَ وَوَضَعَ أُصْبُعَيْهِ فِي أُذُنَيْهِ فَرَأَيْتُهُ يَدُورُ فِي أَذَانِهِ قَالَ عَبْد اللَّهِ حَدِيثُ الثَّوْرِيِّ أَصَحُّ

أخبرنا عبد الله بن محمد حدثنا عباد عن حجاج عن عون بن أبي جحيفة عن أبيه أن بلالا ركز العنزة ثم أذن ووضع أصبعيه في أذنيه فرأيته يدور في أذانه قال عبد الله حديث الثوري أصح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১২৩২

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৯. আযানের সময় দু’আ করা

১২৩২. সাহল ইবনু সা’দ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “দু’টি বিষয় ফেরত দেওয়া হয়না” অথবা, তিনি বলেন, “দু’টি সময়ের (দু’আ) কদাচিতই ফেরত দেওয়া হয়: আযানের সময়ের দু’আ এবং যুদ্ধকালীন সময়ের দু’আ, যখন তারা একে অপরকে হত্যা করতে থাকে।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ হাসান। তবে হাদীসটি সহীহ। আল হাফিয (ইবনু হাজার) তাখরীজুল আযকার’ পৃ: ৩৭৮-৩৮২ তে বলেছেন: এ হাদীসটি হাসান সহীহ…। এর রাবীগণ সকলেই বিশ্বস্ত কেবল মুসা বাদে। তার ব্যাপারে মতভেদ আছে। আর মূসার ব্যাপারে আমি হাদীস ৫০১১ তে বিস্তারিত আলোচনা করেছি।

 

তাখরীজ: ইবনুল জারুদ, আল মুনতাকা নং ১০৬৫; আবু দাউদ ২৫৪০; তাবারাণী, আল কাবীর ৬/১৩৫ নং ৫৭৫৬; সহীহ ইবনু ‍খুযাইমা ৪১৯; হাকিম ১/১৯৮; বাইহাকী ১/৪১০, ৩/৩৬০; আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ১৭২০. ১৭৬৪ ও মাওয়ারিদুয যাম’আন নং ২৯৭,২৯৮ তে।

بَاب الدُّعَاءِ عِنْدَ الْأَذَانِ

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يَحْيَى حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ أَبِي مَرْيَمَ أَخْبَرَنَا مُوسَى هُوَ ابْنُ يَعْقُوبَ الزَّمْعِيُّ قَالَ حَدَّثَنِي أَبُو حَازِمِ بْنُ دِينَارٍ قَالَ أَخْبَرَنِي سَهْلُ بْنُ سَعْدٍ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ ثِنْتَانِ لَا تُرَدَّانِ أَوْ قَلَّ مَا تُرَدَّانِ الدُّعَاءُ عِنْدَ النِّدَاءِ وَعِنْدَ الْبَأْسِ حِينَ يُلْحِمُ بَعْضُهُ بَعْضًا

أخبرنا محمد بن يحيى حدثنا سعيد بن أبي مريم أخبرنا موسى هو ابن يعقوب الزمعي قال حدثني أبو حازم بن دينار قال أخبرني سهل بن سعد أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ثنتان لا تردان أو قل ما تردان الدعاء عند النداء وعند البأس حين يلحم بعضه بعضا

 হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)  বর্ণনাকারীঃ সাহল বিন সা’দ (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১২৩৩

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১০. আযানের (জবাবে) যা বলতে হয়

১২৩৩. আবী সাঈদ রা: বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “যখন তোমরা মুয়াযযিনকে (আযান দিতে) শুনবে, তখন সে যা বলে, (তার জবাবে) তোমরাও সেরূপই বলবে।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: সহীহ ইবনু খুযাইমা ৪১১; বুখারী ৬১১; সহীহ মুসলিম ৩৮৩; আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ১১৮৯ ও সহীহ ইবনু হিব্বান নং ১৬৮৬ তে।

بَاب مَا يُقَالُ عِنْدَ الْأَذَانِ

أَخْبَرَنَا عُثْمَانُ بْنُ عُمَرَ أَخْبَرَنَا يُونُسُ عَنْ الزُّهْرِيِّ عَنْ عَطَاءِ بْنِ يَزِيدَ عَنْ أَبِي سَعِيدٍ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ إِذَا سَمِعْتُمْ الْمُؤَذِّنَ فَقُولُوا مِثْلَ مَا يَقُولُ

أخبرنا عثمان بن عمر أخبرنا يونس عن الزهري عن عطاء بن يزيد عن أبي سعيد أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال إذا سمعتم المؤذن فقولوا مثل ما يقول

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আবূ সা’ঈদ খুদরী (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১২৩৪

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১০. আযানের (জবাবে) যা বলতে হয়

১২৩৪. ঈসা ইবনু তালহা বলেন, আমরা মুয়াবিয়া রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু’র নিকট প্রবেশ করলে মুয়াযযিন আযান দিতে আরম্ভ করল: ’আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার’। তখন মুয়াবিয়া রা:ও বলতে লাগলেন: ’আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার’। যখন সে (মুয়াযযিন) বললো, আশহাদু আল্ লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ, তখন মুয়াবিয়া রা:ও বলতে লাগলেন: আমিও বলছি, আশহাদু আল্ লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ, যখন সে (মুয়াযযিন) বললো, আশহাদু আন্না মুহাম্মাদান রাসূলুল্লাহ, তখন মুয়াবিয়া রা:ও বলতে লাগলেন: আমিও (অনুরূপ) সাক্ষ্য দিচ্ছি।’[1](রাবী) ইয়াহইয়া বলেন: আমাদের কোনো কোনো সাথী আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, সে যখন ’হাইয়্যা আলাস সালাহ’ বললো, তখন তিনি ’লা হাওলা ওয়ালা- কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ’ বললেন। তারপর মুয়াবিয়া রা: বললেন, আমি তোমাদের নবীকে এরূপই বলতে শুনেছি।’[2]

[1] তাহক্বীক্ব: আবু উমার (সম্পর্কে মুহাদ্দিসগণের মতভেদ উল্লেখ করে মুহাক্বিক্ব বলেন) বাকী রাবীগণ বিশ্বস্ত। তবে এ সনদের মধ্যে (অজ্ঞাত পরিচয় রাবী বা) জাহালত রয়েছে।

 

[2] তাহখ্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: সহীহ বুখারী ৬১২, ৬১৩, ৯১৪; আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ৭৩৬৫ ও সহীহ ইবনু হিব্বান নং ১৬৮৪, ১৬৮৭ তে। আরও দেখুন, হাফিজ ইবনু হাজার তাখরীজুল আযকার পৃ: ৩৪১ এবং পরবর্তী হাদীসটি।

بَاب مَا يُقَالُ عِنْدَ الْأَذَانِ

أَخْبَرَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ أَخْبَرَنَا هِشَامٌ الدَّسْتَوَائِيُّ عَنْ يَحْيَى عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ بْنِ الْحَارِثِ عَنْ عِيسَى بْنِ طَلْحَةَ قَالَ دَخَلْنَا عَلَى مُعَاوِيَةَ فَنَادَى الْمُنَادِي فَقَالَ اللَّهُ أَكْبَرُ اللَّهُ أَكْبَرُ فَقَالَ مُعَاوِيَةُ اللَّهُ أَكْبَرُ اللَّهُ أَكْبَرُ قَالَ أَشْهَدُ أَنْ لَا إِلَه إِلَّا اللَّهُ قَالَ وَأَنَا أَشْهَدُ أَنْ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ قَالَ أَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا رَسُولُ اللَّهِ قَالَ وَأَنَا أَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا رَسُولُ اللَّهِ قَالَ يَحْيَى وَأَخْبَرَنِي بَعْضُ أَصْحَابِنَا أَنَّهُ لَمَّا قَالَ حَيَّ عَلَى الصَّلَاةِ قَالَ لَا حَوْلَ وَلَا قُوَّةَ إِلَّا بِاللَّهِ ثُمَّ قَالَ مُعَاوِيَةُ سَمِعْتُ نَبِيَّكُمْ يَقُولُ هَذَا

أخبرنا يزيد بن هارون أخبرنا هشام الدستوائي عن يحيى عن محمد بن إبراهيم بن الحارث عن عيسى بن طلحة قال دخلنا على معاوية فنادى المنادي فقال الله أكبر الله أكبر فقال معاوية الله أكبر الله أكبر قال أشهد أن لا إله إلا الله قال وأنا أشهد أن لا إله إلا الله قال أشهد أن محمدا رسول الله قال وأنا أشهد أن محمدا رسول الله قال يحيى وأخبرني بعض أصحابنا أنه لما قال حي على الصلاة قال لا حول ولا قوة إلا بالله ثم قال معاوية سمعت نبيكم يقول هذا

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ ঈসা ইবনু তালহা (রহঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১২৩৫

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১০. আযানের (জবাবে) যা বলতে হয়

১২৩৫. মুহাম্মদ ইবনু আমর তার পিতা (আমর) হতে, তিনি তার দাদা হতে বর্ণনা করেছেন, মুয়াবিয়া রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু মুয়াযযিনকে আযান দিতে শুনতে পেলেন। যখন সে (মুয়াযযিন) বললো: ’আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার’। তখন মুয়াবিয়া রা:ও বলতে লাগলেন: ’আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার’। যখন মুয়াযযিন বললো, আশহাদু আল্ লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ, ’আশহাদু আল্ লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ’। তখন মুয়াবিয়া রা:ও বলতে লাগলেন: আমিও বলছি, আশহাদু আল্ লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ, তারপর ’আশহাদু আল্ লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ’। যখন মুয়াযযিন বললো, আশহাদু আন্না মুহাম্মাদান রাসূলুল্লাহ, আশহাদু আন্না মুহাম্মাদান রাসূলুল্লাহ, তখন মুয়াবিয়া রা:ও বললেন: আশহাদু আন্না মুহাম্মাদান রাসূলুল্লাহ, আশহাদু আন্না মুহাম্মাদান রাসূলুল্লাহ। মুয়াযযিন যখন ’হাইয়্যা আলাস সালাহ’ বললো, তখন তিনি ’লা হাওলা ওয়ালা- কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ’ বললেন। মুয়াযযিন যখন বললেন: ’হাইয়্যা আলাল ফালাহ, হাইয়্যা আলাল ফালাহ,’ তখন তিনি বললেন, ’লা হাওলা ওয়ালা- কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ’ । তারপর মুয়াযযিন বললেন: আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার। লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ।’ তখন তিনি বললেন, আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার। লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ।’ তারপর তিনি বললেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এরূপ করেছেন।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ হাসান।

 

তাখরীজ: তাহাবী, শারহু মা’আনিল আছার ১/১৪৫; আরও দেখুন, হাফিজ ইবনু হাজার তাখরীজুল আযকার পৃ: ৩৬১-৩৬২ এবং পূর্ববর্তী টীকাটি।

بَاب مَا يُقَالُ عِنْدَ الْأَذَانِ

أَخْبَرَنَا سَعِيدُ بْنُ عَامِرٍ حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَمْرٍو عَنْ أَبِيهِ عَنْ جَدِّهِ أَنَّ مُعَاوِيَةَ سَمِعَ الْمُؤَذِّنَ قَالَ اللَّهُ أَكْبَرُ اللَّهُ أَكْبَرُ فَقَالَ مُعَاوِيَةُ اللَّهُ أَكْبَرُ اللَّهُ أَكْبَرُ فَقَالَ الْمُؤَذِّنُ أَشْهَدُ أَنْ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ أَشْهَدُ أَنْ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ فَقَالَ مُعَاوِيَةُ أَشْهَدُ أَنْ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ أَشْهَدُ أَنْ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ فَقَالَ الْمُؤَذِّنُ أَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا رَسُولُ اللَّهِ أَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا رَسُولُ اللَّهِ فَقَالَ مُعَاوِيَةُ أَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا رَسُولُ اللَّهِ أَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا رَسُولُ اللَّهِ فَقَالَ الْمُؤَذِّنُ حَيَّ عَلَى الصَّلَاةِ حَيَّ عَلَى الصَّلَاةِ فَقَالَ لَا حَوْلَ وَلَا قُوَّةَ إِلَّا بِاللَّهِ فَقَالَ الْمُؤَذِّنُ حَيَّ عَلَى الْفَلَاحِ حَيَّ عَلَى الْفَلَاحِ فَقَالَ لَا حَوْلَ وَلَا قُوَّةَ إِلَّا بِاللَّهِ فَقَالَ الْمُؤَذِّنُ اللَّهُ أَكْبَرُ اللَّهُ أَكْبَرُ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ فَقَالَ اللَّهُ أَكْبَرُ اللَّهُ أَكْبَرُ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ ثُمَّ قَالَ هَكَذَا فَعَلَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ

أخبرنا سعيد بن عامر حدثنا محمد بن عمرو عن أبيه عن جده أن معاوية سمع المؤذن قال الله أكبر الله أكبر فقال معاوية الله أكبر الله أكبر فقال المؤذن أشهد أن لا إله إلا الله أشهد أن لا إله إلا الله فقال معاوية أشهد أن لا إله إلا الله أشهد أن لا إله إلا الله فقال المؤذن أشهد أن محمدا رسول الله أشهد أن محمدا رسول الله فقال معاوية أشهد أن محمدا رسول الله أشهد أن محمدا رسول الله فقال المؤذن حي على الصلاة حي على الصلاة فقال لا حول ولا قوة إلا بالله فقال المؤذن حي على الفلاح حي على الفلاح فقال لا حول ولا قوة إلا بالله فقال المؤذن الله أكبر الله أكبر لا إله إلا الله فقال الله أكبر الله أكبر لا إله إلا الله ثم قال هكذا فعل رسول الله صلى الله عليه وسلم

 হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)  বর্ণনাকারীঃ মুহাম্মাদ ইবনু ‘আমর (রহঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১২৩৬

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১১. আযান শুনে সময় শয়তান পালিয়ে যায়

১২৩৬. আবী হুরাইরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “যখন সালাতের জন্য আযান দেয়া হয়, তখন শয়তান বাতকর্ম করতে করতে পিছন ফিরে পলায়ন করতে থাকে, যাতে সে আযান শুনতে না পায়। এরপর যখন আযান শেষ হয়, তখন সে ফিরে আসে। আবার যখন পূণরায় ডাকা (সালাতের জন্য ’ইকামাত’ দেয়া) হয়, তখন আবার সে পলায়ন করে। অতঃপর ডাকা (ইকামত) শেষ হলে সে পূনরায় ফিরে এসে লোকদের মনে কুমন্ত্রণা দিতে থাকে এবং বলে এটা স্মরণ কর, ওটা স্মরণ কর। (এভাবে সে এমনসব বিষয় স্মরণ করিয়ে দেয়) যা ইতিপূর্বে তার স্মরণে আসেনি।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: সহীহ বুখারী ৬০৮; সহীহ মুসলিম ৩৮৯; আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ৫৯৫৮, ৫৯৬৪, ৫৯৯৩ ও সহীহ ইবনু হিব্বান নং ১৬, ১৬৮৪, ১৬৮৭ তে।

بَاب الشَّيْطَانُ إِذَا سَمِعَ النِّدَاءَ فَرَّ

أَخْبَرَنَا وَهْبُ بْنُ جَرِيرٍ حَدَّثَنَا هِشَامٌ عَنْ يَحْيَى عَنْ أَبِي سَلَمَةَ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنَّهُ قَالَ إِذَا نُودِيَ بِالصَّلَاةِ أَدْبَرَ الشَّيْطَانُ لَهُ ضُرَاطٌ حَتَّى لَا يَسْمَعَ الْأَذَانَ فَإِذَا قُضِيَ الْأَذَانُ أَقْبَلَ وَإِذَا ثُوِّبَ أَدْبَرَ فَإِذَا قُضِيَ التَّثْوِيبُ أَقْبَلَ حَتَّى يَخْطِرَ بَيْنَ الْمَرْءِ وَنَفْسِهِ فَيَقُولُ اذْكُرْ كَذَا وَكَذَا لِمَا لَمْ يَكُنْ يَذْكُرُ قَبْلَ ذَلِكَ قَالَ أَبُو مُحَمَّد ثُوِّبَ يَعْنِي أُقِيمَ

أخبرنا وهب بن جرير حدثنا هشام عن يحيى عن أبي سلمة عن أبي هريرة عن النبي صلى الله عليه وسلم أنه قال إذا نودي بالصلاة أدبر الشيطان له ضراط حتى لا يسمع الأذان فإذا قضي الأذان أقبل وإذا ثوب أدبر فإذا قضي التثويب أقبل حتى يخطر بين المرء ونفسه فيقول اذكر كذا وكذا لما لم يكن يذكر قبل ذلك قال أبو محمد ثوب يعني أقيم

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরায়রা (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১২৩৭

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১২. আযানের পর মসজিদ হতে বের হওয়া মাকরূহ (অপছন্দনীয়)

১২৩৭. আবী শা’ছা’ই আল মুহারিবী হতে বর্ণিত, আবী হুরাইরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু মুয়াযযিন আযান দেওযার পর এক ব্যক্তিকে মসজিদ হতে বের হয়ে যেতে দেখলেন। তখন তিনি বললেন: একি! এ ব্যক্তিতো আবীল কাসিম (রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর বিরোধিতা করলো।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: সহীহ মুসলিম ৬৫৫; আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ২০৬২ ও মুসনাদুল হুমাইদী নং ১০২৮ এ।

بَاب كَرَاهِيَةِ الْخُرُوجِ مِنْ الْمَسْجِدِ بَعْدَ النِّدَاءِ

أَخْبَرَنَا سَعِيدُ بْنُ عَامِرٍ عَنْ شُعْبَةَ عَنْ إِبْرَاهِيمَ بْنِ مُهَاجِرٍ عَنْ أَبِي الشَّعْثَاءِ الْمُحَارِبِيِّ أَنَّ أَبَا هُرَيْرَةَ رَأَى رَجُلًا خَرَجَ مِنْ الْمَسْجِدِ بَعْدَ مَا أَذَّنَ الْمُؤَذِّنُ فَقَالَ أَمَّا هَذَا فَقَدْ عَصَى أَبَا الْقَاسِمِ

أخبرنا سعيد بن عامر عن شعبة عن إبراهيم بن مهاجر عن أبي الشعثاء المحاربي أن أبا هريرة رأى رجلا خرج من المسجد بعد ما أذن المؤذن فقال أما هذا فقد عصى أبا القاسم

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১২৩৮

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১৩. যুহর সালাতের ওয়াক্ত

১২৩৮. আনাস ইবনু মালিক রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেছেন, (একদা) সূর্য ঢলে পড়লে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বেরিয়ে এলেন এবং লোকদেরকে নিয়ে যুহরের সালাত আদায় করলেন।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: সহীহ বুখারী ৫৪০; সহীহ মুসলিম ২৩৫৯ (১৩৬); আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ৩১০৫, ৩১৩৪, ৩১৩৫, ৩৬০১ ও সহীহ ইবনু হিব্বান নং ১০৬, ১৫০২ তে।

بَاب فِي وَقْتِ الظُّهْرِ

أَخْبَرَنَا الْحَكَمُ بْنُ نَافِعٍ أَخْبَرَنَا شُعَيْبٌ عَنْ الزُّهْرِيِّ أَخْبَرَنِي أَنَسُ بْنُ مَالِكٍ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ خَرَجَ حِينَ زَاغَتْ الشَّمْسُ فَصَلَّى بِهِمْ صَلَاةَ الظُّهْرِ

أخبرنا الحكم بن نافع أخبرنا شعيب عن الزهري أخبرني أنس بن مالك أن النبي صلى الله عليه وسلم خرج حين زاغت الشمس فصلى بهم صلاة الظهر

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আনাস ইবনু মালিক (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১২৩৯

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১৪. যুহরকে ঠাণ্ডা করে (বিলম্বে) আদায় করা

১২৩৯. আবী হুরাইরাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “যখন গ্রীষ্মকালীন উত্তাপ বৃদ্ধি পায়, তখন সালাত ঠাণ্ডা করে (কিছুটা বিলম্বে) আদায় করবে। কেননা, উত্তাপের তীব্রতা জাহান্নামের নি:শ্বাস (উত্তাপ বিচ্ছুরণ ও বিস্তার) থেকে উদ্ভূত হয়ে থাকে।”[1]

আবু মুহাম্মদ বলেন: আমার মতে, এর অর্থ হলো যখন গরমের কারণে কষ্ট হয়, তখন (সালাতকে) পিছিয়ে দেয়া।

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ যয়ীফ। তবে হাদীসটি সহীহ বুখারী-মুসলিমের।

 

তাখরীজ: সহীহ বুখারী ৫৩৩, ৫৩৪; সহীহ মুসলিম ৬১৫; আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ৫৮৭১ ও সহীহ ইবনু হিব্বান নং ১৫০৪,১৫০৬, ১৫০৭ এ।

بَاب الْإِبْرَادِ بِالظُّهْرِ

أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ صَالِحٍ حَدَّثَنِي اللَّيْثُ حَدَّثَنِي ابْنُ شِهَابٍ عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيَّبِ وَأَبِي سَلَمَةَ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ إِذَا اشْتَدَّ الْحَرُّ فَأَبْرِدُوا بِالصَّلَاةِ فَإِنَّ شِدَّةَ الْحَرِّ مِنْ فَيْحِ جَهَنَّمَ قَالَ أَبُو مُحَمَّد هَذَا عِنْدِي عَلَى التَّأْخِيرِ إِذَا تَأَذَّوْا بِالْحَرِّ

أخبرنا عبد الله بن صالح حدثني الليث حدثني ابن شهاب عن سعيد بن المسيب وأبي سلمة بن عبد الرحمن عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال إذا اشتد الحر فأبردوا بالصلاة فإن شدة الحر من فيح جهنم قال أبو محمد هذا عندي على التأخير إذا تأذوا بالحر

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরায়রা (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১২৪০

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১৫. আসর সালাতের ওয়াক্ত

১২৪০. আনাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আসরের সালাত আদায় করতেন, এরপর কোনো গমনকারী আওয়ালী (মদীনা হতে চার মাইল দূরের একটি স্থান)-এর দিকে রওয়ানা হয়ে যেতো এবং সেখানে পৌঁছেও যেতো, আর তখনও সূর্য বেশ উপরে থাকতো।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: সহীহ বুখারী নং ৫৫০, ৫৫১; সহীহ মুসলিম ৬২১; আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ৩৫৯৩ ও সহীহ ইবনু হিব্বান নং ১৫১৮ ,১৫১৯, ১৫২০ ((মুহাক্বিক্ব ভূলবশত: ১৬১৮, ১৬১৯, ৬১২০ নং বলে উল্লেখ করেছেন-অনুবাদক)) এ।

بَاب وَقْتِ الْعَصْرِ

أَخْبَرَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ مُوسَى عَنْ ابْنِ أَبِي ذِئْبٍ عَنْ الزُّهْرِيِّ عَنْ أَنَسٍ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَ يُصَلِّي الْعَصْرَ ثُمَّ يَذْهَبُ الذَّاهِبُ إِلَى الْعَوَالِي فَيَأْتِيهَا وَالشَّمْسُ مُرْتَفِعَةٌ

أخبرنا عبيد الله بن موسى عن ابن أبي ذئب عن الزهري عن أنس أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان يصلي العصر ثم يذهب الذاهب إلى العوالي فيأتيها والشمس مرتفعة

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আনাস ইবনু মালিক (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১২৪১

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১৬. মাগরিবের ওয়াক্ত

১২৪১. সালামাহ ইবনুল আকওয়াহ বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মাগরিবের সালাত আদায় করতেন সুর্য ডোবার সঙ্গে সঙ্গে, যখন এর (উপরের) কিনারাও অদৃশ্য হয়ে যেতো।[1]

[1] তাহক্বীক্ব; এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: সহীহ বুখারী ৫৬১; সহীহ মুসলিম ৬৩৬; আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ৩৫৯৩ ও সহীহ ইবনু হিব্বান নং ১৫২৩। (( তিরমিযী ১৬৪; আবু দাউদ ৪১৭; ইবনু মাজাহ ৬৮৮; বাইহাকী ১/৪৪৬; আহমাদ ৪/৫৪; তাবারাণী ৬২৮৯; বাগাবী, শারহুস সুন্নাহ ৩৭২।- সহীহ ইবনু হিব্বান ১৫২৩ নং এর মুহাক্বিক্ব আরনাউত্বের টীকা হতে-অনুবাদক।))

بَاب وَقْتِ الْمَغْرِبِ

أَخْبَرَنَا إِسْحَقُ هُوَ ابْنُ إِبْرَاهِيمَ الْحَنْظَلِيُّ حَدَّثَنَا صَفْوَانُ بْنُ عِيسَى عَنْ يَزِيدَ بْنِ أَبِي عُبَيْدٍ عَنْ سَلَمَةَ بْنِ الْأَكْوَعِ قَالَ كَانَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يُصَلِّي الْمَغْرِبَ سَاعَةَ تَغْرُبُ الشَّمْسُ إِذَا غَابَ حَاجِبُهَا

أخبرنا إسحق هو ابن إبراهيم الحنظلي حدثنا صفوان بن عيسى عن يزيد بن أبي عبيد عن سلمة بن الأكوع قال كان النبي صلى الله عليه وسلم يصلي المغرب ساعة تغرب الشمس إذا غاب حاجبها

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ সালামাহ ইবনু আক্ওয়া‘ (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১২৪২

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১৭. মাগরিবের সালাতের ওয়াক্তকে পিছিয়ে দেয়া মাকরূহ

১২৪২. আব্বাস হতে বর্ণিত, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হতে, তিনি বলেন: “আমার ‍উম্মত ততদিন পর্যন্ত কল্যাণের উপর থাকবে, যতদিন পর্যন্ত তারা তারকারাজি চমকানো পর্যন্ত মাগরিবের বিলম্বিত করবে না।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ যয়ীফ। আমর ইবনু ইবরাহীম আল আবদী সম্পর্কে ইমাম আহমদ বলেছেন: সে কাতাদা হতে অনেকগুলি মুনকার হাদীস বর্ণনা করে।… আর ইবাদ ইবনু আওয়াম তার সূত্রে মুনকার হাদীস তখা এ হাদীসটি বর্ণনা করেছেন।….

 

তাখরীজ: ইবনু মাজাহ ৬৮৯; বাযযার নং ১৩০৫; ইবনু আদী, আল কামিল ৫/১৭০১; উকাইলী, আয যু’আফা’ ৩/১৪৭; হাকিম সহীহ শাহিদ হিসেবে ১/১৯১; বাইহাকী ১/৪৪৮; খতীব, তারীখ বাগদাদ ১/৪০৫;তাবারাণী, আস সগীর ১/২৮; আওসাত ১৭৯১।

 

তবে এর শাহিদ হাদীস রয়েছে আবু আইয়্যুব আনসারী রা: হতে আহমদ ৪/১৪৭, ৫/৪১৭,৪২২; আবু দাউদ ৪১৮ সহীহ সনদে। হাকিম ও যাহাবী সহীহ বলেছেন, দেখুন,ইলালুল হাদীস ১/১৭৭ নং ৫০৬।

 

এর অপর শাহিদ সাইব ইবনু ইয়াযীদ হতে বাইহাকী ১/৪৪৮; খতীব, তারীখ বাগদাদ ১৪/১৪ সহীহ সনদে।

بَاب كَرَاهِيَةِ تَأْخِيرِ الْمَغْرِبِ

أَخْبَرَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ مُوسَى عَنْ عَبَّادِ بْنِ الْعَوَّامِ عَنْ عُمَرَ بْنِ إِبْرَاهِيمَ عَنْ قَتَادَةَ عَنْ الْحَسَنِ عَنْ الْأَحْنَفِ بْنِ قَيْسٍ عَنْ الْعَبَّاسِ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ لَا تَزَالُ أُمَّتِي بِخَيْرٍ مَا لَمْ يَنْتَظِرُوا بِالْمَغْرِبِ اشْتِبَاكَ النُّجُومِ

أخبرنا إبراهيم بن موسى عن عباد بن العوام عن عمر بن إبراهيم عن قتادة عن الحسن عن الأحنف بن قيس عن العباس عن النبي صلى الله عليه وسلم قال لا تزال أمتي بخير ما لم ينتظروا بالمغرب اشتباك النجوم

 হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai’f)  বর্ণনাকারীঃ আব্বাস ইবনু আবদুল মুত্তালিব (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১২৪৩

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১৮. ঈশা’র সালাতের ওয়াক্ত

১২৪৩. নু’মান ইবনু বাশীর রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, আমি এ সালাত তথা এশার সালাতের ওয়াক্ত সম্পর্কে অন্যদের তুলনায় অধিক অবগত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এই সালাত তৃতীয়ার চাঁদ অস্তমিত হওয়া পরিমাণ সময়ের পর আদায় করতেন।[1] ইয়াহইয়া বলেন, তিনি তার পাণ্ডুলিপি হতে আমাদের নিকট বাশীর ইবনু ছাবিত হতে বর্ণনা করেছেন।

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: আহমাদ ৪/২৭২, ২৭৪; আবু দাউদ ৪১৯; তিরমিযী ১৬৫; নাসাঈ ৫২৯।

بَاب وَقْتِ الْعِشَاءِ

أَخْبَرَنَا يَحْيَى بْنُ حَمَّادٍ حَدَّثَنَا أَبُو عَوَانَةَ عَنْ أَبِي بِشْرٍ عَنْ بَشِيرِ بْنِ ثَابِتٍ عَنْ حَبِيبِ بْنِ سَالِمٍ عَنْ النُّعْمَانِ بْنِ بَشِيرٍ قَالَ وَاللَّهِ إِنِّي لَأَعْلَمُ النَّاسِ بِوَقْتِ هَذِهِ الصَّلَاةِ يَعْنِي صَلَاةَ الْعِشَاءِ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يُصَلِّيهَا لِسُقُوطِ الْقَمَرِ لِثَالِثَةٍ قَالَ يَحْيَى أَمَلَّهُ عَلَيْنَا مِنْ كِتَابِهِ عَنْ بَشِيرِ بْنِ ثَابِتٍ

أخبرنا يحيى بن حماد حدثنا أبو عوانة عن أبي بشر عن بشير بن ثابت عن حبيب بن سالم عن النعمان بن بشير قال والله إني لأعلم الناس بوقت هذه الصلاة يعني صلاة العشاء كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يصليها لسقوط القمر لثالثة قال يحيى أمله علينا من كتابه عن بشير بن ثابت

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ নু’মান ইবনু বশীর (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১২৪৪

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১৯. ঈশার সালাতকে পিছিয়ে দেয়া মুস্তাহাব (পছন্দনীয়)

১২৪৪. আবী হুরাইরাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, একরাতে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ঈশার সালাত কে পিছিয়ে দিলেন, এমনকি রাত্রির এক-তৃতীয়াংশ কিংবা তার কাছাকাছি সময় অতিক্রান্ত হওয়ার উপক্রম হলো। তারপর তিনি এলেন, লোকেরা তখন ছোট ছোট দলে (বিভক্ত হয়ে) বৃত্তাকারে ঘুমাচ্ছিলো, ফলে তিনি রাগান্বিত হলেন অত:পর বললেন:“যদি কোনো ব্যক্তি লোকদেরকে একটি গোশত ছাড়ানো হাড় কিংবা বর্শা (তথা খেলা-ধুলা)-এর দিকে আহবান করে- রাবী আমর বলেন, ডাকে, তবে অবশ্যই তারা সে আহবানে সাড়া দিতো। কিন্তু তারা এ সালাত (ঈশার সালাত) হতে পিছিয়ে থাকে। আর আমার ইচ্ছা হয়, আমি কোনো একজনকে লোকদেরকে নিয়ে সালাত আদায়ের নির্দেশ দেই, অত:পর এ সকল বাড়ীঘরের অধিবাসী যারা সালাত হতে পিছিয়ে রয়েছে (হাজির হয়নি), তাদের নিকট যাই এবং সেগুলি আগুন দিয়ে জ্বালিয়ে দেই।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ হাসান; তবে হাদীসটি বুখারী মুসলিমের।

 

তাখরীজ: সহীহ বুখারী ৬৪৪; সহীহ মুসলিম ৬৫১; এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ৬৩৩৮ ও সহীহ ইবনু হিব্বান নং ২০৯৬-২০৯৮; হুমাইদী নং ৯৮৬।

بَاب مَا يُسْتَحَبُّ مِنْ تَأْخِيرِ الْعِشَاءِ

أَخْبَرَنَا حَجَّاجُ بْنُ مِنْهَالٍ وَعَمْرُو بْنُ عَاصِمٍ قَالَا حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ حَدَّثَنَا عَاصِمُ بْنُ بَهْدَلَةَ عَنْ أَبِي صَالِحٍ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ أَخَّرَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ صَلَاةَ الْعِشَاءِ ذَاتَ لَيْلَةٍ حَتَّى كَادَ أَنْ يَذْهَبَ ثُلُثُ اللَّيْلِ أَوْ قَرِيبُهُ فَجَاءَ وَالنَّاسُ رُقَّدٌ وَهُمْ عِزُونَ وَهِيَ حِلَقٌ فَغَضِبَ فَقَالَ لَوْ أَنَّ رَجُلًا نَدَى النَّاسَ وَقَالَ عَمْرٌو نَدَبَ النَّاسَ إِلَى عَرْقٍ أَوْ مِرْمَاتَيْنِ لَأَجَابُوا إِلَيْهِ وَهُمْ يَتَخَلَّفُونَ عَنْ هَذِهِ الصَّلَاةِ لَهَمَمْتُ أَنْ آمُرَ رَجُلًا لِيُصَلِّيَ بِالنَّاسِ ثُمَّ أَتَخَلَّفَ عَلَى أَهْلِ هَذِهِ الدُّورِ الَّذِينَ يَتَخَلَّفُونَ عَنْ هَذِهِ الصَّلَاةِ فَأُضْرِمَهَا عَلَيْهِمْ بِالنِّيرَانِ

أخبرنا حجاج بن منهال وعمرو بن عاصم قالا حدثنا حماد بن سلمة حدثنا عاصم بن بهدلة عن أبي صالح عن أبي هريرة قال أخر رسول الله صلى الله عليه وسلم صلاة العشاء ذات ليلة حتى كاد أن يذهب ثلث الليل أو قريبه فجاء والناس رقد وهم عزون وهي حلق فغضب فقال لو أن رجلا ندى الناس وقال عمرو ندب الناس إلى عرق أو مرماتين لأجابوا إليه وهم يتخلفون عن هذه الصلاة لهممت أن آمر رجلا ليصلي بالناس ثم أتخلف على أهل هذه الدور الذين يتخلفون عن هذه الصلاة فأضرمها عليهم بالنيران

 হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)  বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরায়রা (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১২৪৫

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১৯. ঈশার সালাতকে পিছিয়ে দেয়া মুস্তাহাব (পছন্দনীয়)

১২৪৫. আয়িশা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, একদা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ঈশার সালাত কে রাত্রির এক-তৃতীয়াংশ পর্যন্ত পিছিয়ে দিলেন। তখন উমার রা: তাঁকে এই বলে ডাকলেন যে, নারী ও শিশুরা তো ঘুমিয়ে পড়েছে। অত:পর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বেরিয়ে এসে বললেন: তোমরা ব্যতীত পৃথিবীর অধিবাসীদের মধ্যে আর কেউ নেই যে এ সালাত আদায় করছে।” আর তখন মদীনাবাসী ব্যতীত কেউ সালাত আদায় করতো না।[1]

[1] তাহক্বীক্ব; এর সনদ সহীহ। এটি বুখারী মুসলিমের হাদীস।

 

তাখরীজ: সহীহ বুখারী ৫৬৬; সহীহ মুসলিম ৬৩৮; এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ১৫৩৫ এ।

بَاب مَا يُسْتَحَبُّ مِنْ تَأْخِيرِ الْعِشَاءِ

أَخْبَرَنَا نَصْرُ بْنُ عَلِيٍّ حَدَّثَنَا عَبْدُ الْأَعْلَى عَنْ مَعْمَرٍ عَنْ الزُّهْرِيِّ عَنْ عُرْوَةَ عَنْ عَائِشَةَ قَالَتْ أَعْتَمَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِالْعِشَاءِ حَتَّى نَادَاهُ عُمَرُ بْنُ الْخَطَّابِ قَدْ نَامَ النِّسَاءُ وَالصِّبْيَانُ فَخَرَجَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ إِنَّهُ لَيْسَ أَحَدٌ مِنْ أَهْلِ الْأَرْضِ يُصَلِّي هَذِهِ الصَّلَاةَ غَيْرَكُمْ وَلَمْ يَكُنْ أَحَدٌ يُصَلِّي يَوْمَئِذٍ غَيْرَ أَهْلِ الْمَدِينَةِ

أخبرنا نصر بن علي حدثنا عبد الأعلى عن معمر عن الزهري عن عروة عن عائشة قالت أعتم رسول الله صلى الله عليه وسلم بالعشاء حتى ناداه عمر بن الخطاب قد نام النساء والصبيان فخرج رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال إنه ليس أحد من أهل الأرض يصلي هذه الصلاة غيركم ولم يكن أحد يصلي يومئذ غير أهل المدينة

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আয়িশা বিনত আবূ বাকর সিদ্দীক (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১২৪৬

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১৯. ঈশার সালাতকে পিছিয়ে দেয়া মুস্তাহাব (পছন্দনীয়)

১২৪৬. আয়িশা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, এক রাতে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ঈশার সালাত কে পিছিয়ে দিলেন। এমনকি রাত্রির প্রথম (এক-তৃতীয়) অংশ অতিবাহিত হয়ে গেলো। মসজিদে অবস্থানকারী লোকেরা ঘুমিয়ে পড়লো। অত:পর তিনি বের হলেন এবং ঈশার সালাত আদায় করলেন। তারপর বললেন: “যদি আমার উম্মতের জন্য কষ্টকর হবে বলে আশংকা না করতাম, তবে এটিই এর (ঈশার সালাতের ‍মুস্তাহাব) ওয়াক্ত ছিলো।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: আব্দুর রাযযাক নং ২১১৪; আহমাদ ৬/১৫০; সহীহ ‍মুসলিম ৬৩৮ (২১৯); নাসাঈ ৫৩৭; আবু আউয়ানাহ ১/৩৬২; বাইহাকী ১/৪৫০; আরও দেখুন, আগের টীকাটি।

بَاب مَا يُسْتَحَبُّ مِنْ تَأْخِيرِ الْعِشَاءِ

حَدَّثَنَا إِسْحَقُ حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَكْرٍ أَخْبَرَنَا ابْنُ جُرَيْجٍ أَخْبَرَنَا الْمُغِيرَةُ بْنُ حَكِيمٍ أَنَّ أُمَّ كُلْثُومٍ بِنْتَ أَبِي بَكْرٍ أَخْبَرَتْهُ عَنْ عَائِشَةَ قَالَتْ أَعْتَمَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ ذَاتَ لَيْلَةٍ حَتَّى ذَهَبَ عَامَّةُ اللَّيْلِ وَرَقَدَ أَهْلُ الْمَسْجِدِ فَخَرَجَ فَصَلَّاهَا فَقَالَ إِنَّهَا لَوَقْتُهَا لَوْلَا أَنْ أَشُقَّ عَلَى أُمَّتِي

حدثنا إسحق حدثنا محمد بن بكر أخبرنا ابن جريج أخبرنا المغيرة بن حكيم أن أم كلثوم بنت أبي بكر أخبرته عن عائشة قالت أعتم رسول الله صلى الله عليه وسلم ذات ليلة حتى ذهب عامة الليل ورقد أهل المسجد فخرج فصلاها فقال إنها لوقتها لولا أن أشق على أمتي

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আয়িশা বিনত আবূ বাকর সিদ্দীক (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১২৪৭

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১৯. ঈশার সালাতকে পিছিয়ে দেয়া মুস্তাহাব (পছন্দনীয়)

১২৪৭. ইবনু আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, এক রাতে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ঈশার সালাত কে পিছিয়ে দিলেন। তখন তাঁকে বলা হলো, ইয়া রাসূলুল্লাহ! নারী ও শিশুরা তো ঘুমিয়ে পড়েছে। অত:পর তিনি (মাথার) একপাশ হতে পানি মুছতে মুছতে বেরিয়ে এসে বললেন: “যদি আমার উম্মতের জন্য কষ্টকর হবে বলে আশংকা না করতাম, তবে এটিই এর (ঈশার সালাতের ‍মুস্তাহাব) ওয়াক্ত ছিলো।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: আবু ইয়ালা ২৩৯৮; হুমাইদী নং ৪৯৯; বুখারী ৫৭১; মুসলিম ৬৪২; এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ২৩৯৮ ও সহীহ ইবনু হিব্বান নং ১০৯৮, ১৫৩২, ১৫৩৩।

بَاب مَا يُسْتَحَبُّ مِنْ تَأْخِيرِ الْعِشَاءِ

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ أَبِي خَلَفٍ أَخْبَرَنَا سُفْيَانُ عَنْ عَمْرٍو عَنْ عَطَاءٍ عَنْ ابْنِ عَبَّاسٍ ح وَابْنُ جُرَيْجٍ عَنْ عَطَاءٍ عَنْ ابْنِ عَبَّاسٍ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَخَّرَ الصَّلَاةَ ذَاتَ لَيْلَةٍ فَقِيلَ يَا رَسُولَ اللَّهِ الصَّلَاةَ نَامَ النِّسَاءُ وَالْوِلْدَانُ فَخَرَجَ وَهُوَ يَمْسَحُ الْمَاءَ عَنْ شِقِّهِ وَهُوَ يَقُولُ هُوَ الْوَقْتُ لَوْلَا أَنْ أَشُقَّ عَلَى أُمَّتِي

أخبرنا محمد بن أحمد بن أبي خلف أخبرنا سفيان عن عمرو عن عطاء عن ابن عباس ح وابن جريج عن عطاء عن ابن عباس أن رسول الله صلى الله عليه وسلم أخر الصلاة ذات ليلة فقيل يا رسول الله الصلاة نام النساء والولدان فخرج وهو يمسح الماء عن شقه وهو يقول هو الوقت لولا أن أشق على أمتي

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আবদুল্লাহ ইবনু আব্বাস (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১২৪৮

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ২০. ফজরের সালাত অন্ধকার থাকতে আদায় করা

১২৪৮. আয়িশা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমরা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের স্ত্রীগণ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সাথে ফজর সালাত আদায় করতাম। অত:পর চিনে ফেলার পূর্বেই আমরা আমাদের চাদরে আবৃত হয়ে প্রত্যবর্তন করতাম।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: সহীহবুখারী ৩৭২; সহীহ মুসলিম ৬৪৫; এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ৪৪১৫, ৪৪১৬ ও সহীহ ইবনু হিব্বান নং ১৪৯৮-১৫০১; মুসনাদুল হুমাইদী নং ১৭৪।

بَاب التَّغْلِيسِ فِي الْفَجْرِ

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ حَدَّثَنَا الْأَوْزَاعِيُّ حَدَّثَنِي الزُّهْرِيُّ حَدَّثَنِي عُرْوَةُ عَنْ عَائِشَةَ قَالَتْ كُنَّ نِسَاءُ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يُصَلِّينَ مَعَ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ الْفَجْرَ ثُمَّ يَرْجِعْنَ مُتَلَفِّعَاتٍ بِمُرُوطِهِنَّ قَبْلَ أَنْ يُعْرَفْنَ

أخبرنا محمد بن يوسف حدثنا الأوزاعي حدثني الزهري حدثني عروة عن عائشة قالت كن نساء النبي صلى الله عليه وسلم يصلين مع النبي صلى الله عليه وسلم الفجر ثم يرجعن متلفعات بمروطهن قبل أن يعرفن

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আয়িশা বিনত আবূ বাকর সিদ্দীক (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১২৪৯

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ২১. ফর্সা (আলোকিত) হয়ে যাওয়ার পর ফজর সালাত আদায় করা

১২৪৯. রাফিঈ’ ইবনু খাদিজ হতে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “তোমরা ফজরের সালাতকে ফর্সা (আলোকিত) করে আদায় করো। কেননা, সাওয়াবের দিক থেকে সেটিই উত্তম।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর রাবীগণ বিশ্বস্ত, তবে ইবনু ইসহাক ‘আনআন’ পদ্ধতিতে বর্ণনা করেছেন। তবে এর মুতাবিয়া’ত রয়েছে যেমন পরের হাদীসে উল্লেখ করা হয়েছে।

 

তাখরীজ: এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ১৪৮৯, ১৪৯০, ১৪৯১; মাওয়ারিদুয যাম’আন নং ২৬৩, ২৬৪, ২৬৫ টীকাসহ দেখুন।

بَاب الْإِسْفَارِ بِالْفَجْرِ

حَدَّثَنَا حَجَّاجُ بْنُ مِنْهَالٍ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ إِسْحَقَ عَنْ عَاصِمِ بْنِ عُمَرَ بْنِ قَتَادَةَ عَنْ مَحْمُودِ بْنِ لَبِيدٍ عَنْ رَافِعِ بْنِ خَدِيجٍ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ أَسْفِرُوا بِصَلَاةِ الصُّبْحِ فَإِنَّهُ أَعْظَمُ لِلْأَجْرِ

حدثنا حجاج بن منهال حدثنا شعبة عن محمد بن إسحق عن عاصم بن عمر بن قتادة عن محمود بن لبيد عن رافع بن خديج عن النبي صلى الله عليه وسلم قال أسفروا بصلاة الصبح فإنه أعظم للأجر

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ রাফি‘ ইবনু খাদীজ (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১২৫০

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ২১. ফর্সা (আলোকিত) হয়ে যাওয়ার পর ফজর সালাত আদায় করা

১২৫০. রাফিঈ’ ইবনু খাদিজ বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “তোমরা ফজরের সালাতকে আলোকিত (উজ্জ্বল) করে আদায় করো। কেননা, সাওয়াবের দিক থেকে সেটিই সর্ব্বোত্তম।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ হাসান মুহাম্মদ ইবনুল ‘ইজলান এর কারণে।

 

তাখরীজ: পূর্ণ তাখরীজের জন্য আগের টীকাটি দেখুন। এছাড়া, আব্দুর রাযযাক নং ২১৫৯।

بَاب الْإِسْفَارِ بِالْفَجْرِ

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ ابْنِ عَجْلَانَ عَنْ عَاصِمِ بْنِ عُمَرَ بْنِ قَتَادَةَ عَنْ مَحْمُودِ بْنِ لَبِيدٍ عَنْ رَافِعِ بْنِ خَدِيجٍ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ نَوِّرُوا بِصَلَاةِ الْفَجْرِ فَإِنَّهُ أَعْظَمُ لِلْأَجْرِ

أخبرنا محمد بن يوسف حدثنا سفيان عن ابن عجلان عن عاصم بن عمر بن قتادة عن محمود بن لبيد عن رافع بن خديج قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم نوروا بصلاة الفجر فإنه أعظم للأجر

 হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)  বর্ণনাকারীঃ রাফি‘ ইবনু খাদীজ (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১২৫১

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ২১. ফর্সা (আলোকিত) হয়ে যাওয়ার পর ফজর সালাত আদায় করা

১২৫১. ইবনু ’ইজলান হতে অনুরূপ কিংবা “(তোমরা ফজরের সালাতকে) ফর্সা (আলোকিত) করে আদায় করো”- (কথাগুলিসহ) বর্ণিত হয়েছে।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ হাসান।

 

তাখরীজ: আগের টীকাটি দেখুন।

بَاب الْإِسْفَارِ بِالْفَجْرِ

أَخْبَرَنَا أَبُو نُعَيْمٍ عَنْ سُفْيَانَ عَنْ ابْنِ عَجْلَانَ نَحْوَهُ أَوْ أَسْفِرُوا

أخبرنا أبو نعيم عن سفيان عن ابن عجلان نحوه أو أسفروا

 হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)  বর্ণনাকারীঃ মুহাম্মাদ ইবনে আজলান (রহঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১২৫২

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ২২. যে ব্যক্তি সালাতের এক রাকা’আত পেলো, সে (পূরো সালাতই) পেয়ে গেলো

১২৫২. আবী হুরাইরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “যে ব্যক্তি কোনো সালাতের এক রাকা’আত পেলো, সে (পূরো) সালাত পেলো।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ যয়ীফ। কিন্তু হাদীসটি বুখারী-মুসলিমের।

 

তাখরীজ: সহীহ বুখারী ৫৮০; সহীহ মুসলিম ৬০৭, ৬০৮; আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ৫৯৬২, ৫৯৬৬, ৫৯৬৭; সহীহ ইবনু হিব্বান নং ১৪৮৩, ১৪৮৫, ১৪৮৭; ও মুসনাদুল হুমাইদী নং ৯৭৬।

بَاب مَنْ أَدْرَكَ رَكْعَةً مِنْ صَلَاةٍ فَقَدْ أَدْرَكَ

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ كَثِيرٍ عَنْ الْأَوْزَاعِيِّ عَنْ الزُّهْرِيِّ عَنْ أَبِي سَلَمَةَ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ مَنْ أَدْرَكَ مِنْ صَلَاةٍ رَكْعَةً فَقَدْ أَدْرَكَهَا

أخبرنا محمد بن كثير عن الأوزاعي عن الزهري عن أبي سلمة عن أبي هريرة عن النبي صلى الله عليه وسلم قال من أدرك من صلاة ركعة فقد أدركها

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরায়রা (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১২৫৩

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ২২. যে ব্যক্তি সালাতের এক রাকা’আত পেলো, সে (পূরো সালাতই) পেয়ে গেলো

১২৫৩. (অপর সনদে) আবী হুরাইরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হতে অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ। এটিও বুখারী-মুসলিমের হাদীস।

 

তাখরীজ: আগের হাদীসটি দেখুন।

بَاب مَنْ أَدْرَكَ رَكْعَةً مِنْ صَلَاةٍ فَقَدْ أَدْرَكَ

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ حَدَّثَنَا ابْنُ عُيَيْنَةَ حَدَّثَنِي الزُّهْرِيُّ عَنْ أَبِي سَلَمَةَ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِمِثْلِهِ

أخبرنا محمد بن يوسف حدثنا ابن عيينة حدثني الزهري عن أبي سلمة عن أبي هريرة عن النبي صلى الله عليه وسلم بمثله

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরায়রা (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১২৫৪

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ২২. যে ব্যক্তি সালাতের এক রাকা’আত পেলো, সে (পূরো সালাতই) পেয়ে গেলো

১২৫৪. (অপর সূত্রে) আবী হুরাইরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “যে ব্যক্তি সুর্য উদয়ের পূর্বে ফজর সালাতের এক রাকা’আত পায়, সে ফজরের সালাত পেয়েছে। যে ব্যক্তি সুর্য অস্ত যাওয়ার পূর্বে আসর সালাতের এক রাকা’আত পায়, সে আসরের সালাত পেয়েছে।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ। এটিও বুখারী-মুসলিমের হাদীস।

 

তাখরীজ: আগের হাদীসটি দেখুন।

بَاب مَنْ أَدْرَكَ رَكْعَةً مِنْ صَلَاةٍ فَقَدْ أَدْرَكَ

أَخْبَرَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ عَبْدِ الْمَجِيدِ حَدَّثَنَا مَالِكٌ عَنْ زَيْدِ بْنِ أَسْلَمَ عَنْ عَطَاءِ بْنِ يَسَارٍ وَعَنْ بُسْرِ بْنِ سَعِيدٍ وَعَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْأَعْرَجِ يُحَدِّثُونَهُ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ مَنْ أَدْرَكَ مِنْ الصُّبْحِ رَكْعَةً قَبْلَ أَنْ تَطْلُعَ الشَّمْسُ فَقَدْ أَدْرَكَهَا وَمَنْ أَدْرَكَ مِنْ الْعَصْرِ رَكْعَةً قَبْلَ أَنْ تَغْرُبَ الشَّمْسُ فَقَدْ أَدْرَكَهَا

أخبرنا عبيد الله بن عبد المجيد حدثنا مالك عن زيد بن أسلم عن عطاء بن يسار وعن بسر بن سعيد وعن عبد الرحمن الأعرج يحدثونه عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال من أدرك من الصبح ركعة قبل أن تطلع الشمس فقد أدركها ومن أدرك من العصر ركعة قبل أن تغرب الشمس فقد أدركها

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরায়রা (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১২৫৫

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ২৩. সালাতসমূহের সংরক্ষণ করা

১২৫৫. আবী সাঈদ আল খুদরী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “তোমরা যদি কোনো লোককে মসজিদে (যাতায়াতে) অভ্যস্ত দেখো, তবে তোমরা তার ঈমানের ব্যাপারে (মু’মিন বলে) সাক্ষ্য দিতে পারো। কেননা, আল্লাহ তা’আলা বলেছেন: [“নিশ্চয় আল্লাহর মসজিদ সমূহকে একমাত্র সেই ব্যক্তি আবাদ রাখে যে আল্লাহর প্রতি ঈমান এনেছে।”(সুরা তাওবা: ১৮)][1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ যয়ীফ। ইমাম আহমাদ বলেন: “আবী সাঈদ হতে আবী হাইছাম সূত্রে দাররাজ এর হাদীসসমূহে দুর্বলতা রয়েছে।” ((যদিও ইবনু খুযাইমা ও এর মুহাক্বিক্ব (ড. মুস্তফা আ’যমী) সহীহ এবং তিরমিযী হাসান বলেছেন, তবে এর যয়ীফের কথা বলেছেন, আলবানী (তিরমিযী ২৬১৭, ইবনু মাজাহ ৮০২; আরনাউত্ব (আল ইহসান ফী তাক্বরীব সহীহ ইবনু হিব্বান হা/১৭২১) এবং মুগলাতী, (শরহে ইবনু মাজাহ’তে) একে যয়ীফ বলেছেন। হাকিম ও যাহাবী সহীহ বলেছেন বলে আরনাউত্ব উল্লেখ করলেও একই সাথে তিনি শারহে জামিউস সগীর ১/৩৫৮ হতে মুনাবী’র এ বক্তব্য উল্লেখ করেছেন যে, যাহাবী ‘হাকিমের সহীহ’ বলাকে এ বলে খণ্ডণ করেছেন যে, ‘এতে দাররাজ রয়েছে। আর সে অনেক মুনকার হাদীস বর্ণনাকারী।’ বিস্তারিত দেখুন, আল ইহসান ফী তাক্বরীব সহীহ ইবনু হিব্বান হা/১৭২১ আরনাউত্বের টীকাসহ-অনুবাদক))

 

তাখরীজ: আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ১৭২১ ও মাওয়ারিদুয যাম’আন নং ৩১০। ((আহমাদ ৩/৬৮, ৭৬; তিরমিযী ২৬১৭, ৩০৯৩; ইবনু মাজাহ ৮০২; বাইহাকী ৩/৬৬; হাকিম ২/৩৩২। – আল ইহসান ফী তাক্বরীব সহীহ ইবনু হিব্বান হা/১৭২১ আরনাউত্বের টীকাসহ-অনুবাদক))

بَاب الْمُحَافَظَةِ عَلَى الصَّلَوَاتِ

أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ الزُّبَيْرِ الْحُمَيْدِيُّ حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ وَهْبٍ عَنْ عَمْرِو بْنِ الْحَارِثِ عَنْ دَرَّاجٍ أَبِي السَّمْحِ عَنْ أَبِي الْهَيْثَمِ عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ إِذَا رَأَيْتُمْ الرَّجُلَ يَعْتَادُ الْمَسَاجِدَ فَاشْهَدُوا لَهُ بِالْإِيمَانِ فَإِنَّ اللَّهَ يَقُولُ إِنَّمَا يَعْمُرُ مَسَاجِدَ اللَّهِ مَنْ آمَنَ بِاللَّهِ

أخبرنا عبد الله بن الزبير الحميدي حدثنا عبد الله بن وهب عن عمرو بن الحارث عن دراج أبي السمح عن أبي الهيثم عن أبي سعيد الخدري عن النبي صلى الله عليه وسلم قال إذا رأيتم الرجل يعتاد المساجد فاشهدوا له بالإيمان فإن الله يقول إنما يعمر مساجد الله من آمن بالله

 হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai’f)  বর্ণনাকারীঃ আবূ সা’ঈদ খুদরী (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১২৫৬

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ২৩. সালাতসমূহের সংরক্ষণ করা

১২৫৬. উছমান রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তি ’ঈশার সালাত জামা’আতে আদায় করলো, সে যেন অর্ধ রাত্রি পর্যন্ত (নফল) সালাত আদায় করলো। আর যে ব্যক্তি ফজরের সালাত জামা’আতে আদায় করলো, সে যেন পূরো রাত্রি নফল সালাত আদায় করলো।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: সহীহ মুসলিম ৬৫৬; আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ২০৫৮,২০৫৯।

بَاب الْمُحَافَظَةِ عَلَى الصَّلَوَاتِ

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ أَبِي سَهْلٍ قَالَ ح وَأَخْبَرَنَا أَبُو نُعَيْمٍ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ عُثْمَانَ بْنِ حَكِيمٍ عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي عَمْرَةَ عَنْ عُثْمَانَ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَنْ صَلَّى الْعِشَاءَ فِي جَمَاعَةٍ كَانَ كَقِيَامِ نِصْفِ لَيْلَةٍ وَمَنْ صَلَّى الْفَجْرَ فِي جَمَاعَةٍ كَانَ كَقِيَامِ لَيْلَةٍ

أخبرنا محمد بن يوسف حدثنا سفيان عن أبي سهل قال ح وأخبرنا أبو نعيم حدثنا سفيان عن عثمان بن حكيم عن عبد الرحمن بن أبي عمرة عن عثمان قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم من صلى العشاء في جماعة كان كقيام نصف ليلة ومن صلى الفجر في جماعة كان كقيام ليلة

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ উসমান ইবন আফফান (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১২৫৭

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ২৪. প্রথম ওয়াক্তে সালাত আদায় করা মুস্তাহাব (পছন্দনীয়)

১২৫৭. আবী আমর আশ শাইবানী বলেন, আমার নিকট এ বাড়ির মালিক বর্ণনা করেছেন- একথা বলে তিনি তার হাত দ্বারা আব্দুল্লাহ’র বাড়ির দিকে ইশারা করলেন- তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে জিজ্ঞাসা করলেন, কো্ন্ কাজটি সর্বোত্তম, কিংবা আল্লাহর নিকট সবচেয়ে প্রিয়? তিনি বললেন: “ওয়াক্ত মতো সালাত আদায় করা।”[1]

 

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: সহীহ বুখারী ৫২৭; সহীহ মুসলিম ৮৫। আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ৫২৮৬; সহীহ ইবনু হিব্বান নং ১৪৭৪-১৪৭৯।

بَاب اسْتِحْبَابِ الصَّلَاةِ فِي أَوَّلِ الْوَقْتِ

أَخْبَرَنَا أَبُو الْوَلِيدِ الطَّيَالِسِيُّ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ قَالَ الْوَلِيدُ بْنُ عَيْزَارٍ أَخْبَرَنِي قَالَ سَمِعْتُ أَبَا عَمْرٍو الشَّيْبَانِيَّ يَقُولُ حَدَّثَنِي صَاحِبُ هَذِهِ الدَّارِ وَأَوْمَأَ بِيَدِهِ إِلَى دَارِ عَبْدِ اللَّهِ أَنَّهُ سَأَلَ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَيُّ الْعَمَلِ أَفْضَلُ أَوْ أَحَبُّ إِلَى اللَّهِ قَالَ الصَّلَاةُ عَلَى مِيقَاتِهَا

أخبرنا أبو الوليد الطيالسي حدثنا شعبة قال الوليد بن عيزار أخبرني قال سمعت أبا عمرو الشيباني يقول حدثني صاحب هذه الدار وأومأ بيده إلى دار عبد الله أنه سأل النبي صلى الله عليه وسلم أي العمل أفضل أو أحب إلى الله قال الصلاة على ميقاتها

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আবূ আমর শায়বানী (রহঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১২৫৮

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ২৪. প্রথম ওয়াক্তে সালাত আদায় করা মুস্তাহাব (পছন্দনীয়)

১২৫৮. কা’ব রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমরা সংখ্যায় সাতজন লোক মসজিদে বসে ছিলাম, তার মধ্যে তিনজন ছিলাম আরব ও চারজন অনারব মাওয়ালী, অথবা চারজন ছিলাম আরব এবং তিনজন ছিল অনারব মাওয়ালী; এমতাবস্থায় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁর কোনো একটি হুজরা হতে আমাদের নিকট বেরিয়ে এসে আমাদের সাথে বসে গেলেন। এরপর তিনি বললেন: কোন্ জিনিসটি তোমাদেরকে এখানে বসিয়ে রেখেছে?” আমরা বললাম, সালাতের জন্য প্রতীক্ষা। তিনি (বর্ণনাকারী) বলেন, তারপর তিনি তাঁর আঙ্গুল দিয়ে মাটি খুঁড়ে আবার সঙ্গে সঙ্গে সেগুলো ঠিক করে দিলেন। এরপর তিনি আমাদের দিকে মাথা উঠিয়ে বললেন: “তোমাদের রব কী বলেছেন, তা তোমরা জানো কি?”

তিনি (বর্ণনাকারী) বলেন, আমরা বললাম, আল্লাহ ও তাঁর রাসূলই সর্বাধিক অবগত।তিনি বললেন: “তিনি (আল্লাহ তা’আলা) বলেন: ’যে ব্যক্তি ওয়াক্তমতো সালাত আদায় করলো, আর সে সালাতের সীমা (উযু, রুকু’, সাজদা) সঠিকভাবে আদায় করলো, এর মাধ্যমে তার প্রতি আমার ওয়াদা হলো, আমি তাকে জান্নাতে প্রবেশ করাবো। আর যে ব্যক্তি ওয়াক্তমতো সালাত আদায় করলো না এবং সে সালাতের সীমা (উযু, রুকু’, সাজদা)ও সঠিকভাবে আদায় করলো না, তার প্রতি আমার কোনো ওয়াদা নেই; ইচ্ছা হলে আমি তাকে জাহান্নামে প্রবেশ করাবো, অথবা, ইচ্ছা হলে তাকে জান্নাতে প্রবেশ করাবো।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ উত্তম। ((শাইখ আরনাউত্ব (মুসনাদে আহমাদ, তাহ: আরনাউত্ব ৪/২৪৪ নং ১৮১৩২) একে সহীহ লিগয়রিহী ও আহমদ শাকির (মুসনাদে আহমাদ, তাহক্বীক্ব: শাকির নং ১৮০৫০) হাসান এবং মুনযিরী (ফাতহুর রব্বানী, কিতাবুস সালাত নং ১০৮২ এর তাখরীজে উল্লিখিত) একে হাসান ও হাইছামী (মাজমাউয যাওয়াইদ ১/৩০২) একে যয়ীফ বলেছেন।- আরনাউতের তাহক্বীক্ব, মুসনাদে আহমাদ ৪/২৪৪ নং ১৮১৩২) এর টীকা হতে……. অনুবাদক।))

 

তাখরীজ: এর উপর পূর্ণাঙ্গ আলোচনা করেছি মাজমাউয যাওয়াইদ নং ১৭০১ এ।((মুসনাদে আহমাদ (তাহ: আরনাউত্ব) ৪/২৪৪ নং ১৮১৩২, বুখারী, আত তারীখ ১/৩৮৭; আব্দ ইবনু হুমাইদ, আল মুনতাখাব ৩৭১; তাবারাণী, আল কাবীর ১৯/৩১১, ৩১২; আউসাত ৪৭৬১; সাহমী, তারীখ জুরজান ২৯৬-২৯৭; তাহাবী, শারহু মুশকিলিল আছার ৩১৭৩, ৩১৭৪; হাইছামী, মাজমাউয যাওয়াইদ ১/৩০২।

 

এর শাহিদ হাদীস রয়েছে উবাদাহ ইবনু ছামিত রা: হতে আহমদ ৫/৩১৭ সহীহ সনদে; এবং আবী কাতাদা রা: হতে আবু দাউদ ৪৩০; ইবনু মাজাহ ১৪০৩ যয়ীফ সনদে।- আরনাউতের তাহক্বীক্ব, মুসনাদে আহমাদ ৪/২৪৪ নং ১৮১৩২) এর টীকা হতে……. অনুবাদক।))

بَاب اسْتِحْبَابِ الصَّلَاةِ فِي أَوَّلِ الْوَقْتِ

أَخْبَرَنَا أَبُو نُعَيْمٍ حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ هُوَ ابْنُ النُّعْمَانِ الْأَنْصَارِيُّ حَدَّثَنِي سَعْدُ بْنُ إِسْحَقَ بْنِ كَعْبِ بْنِ عُجْرَةَ الْأَنْصَارِيُّ عَنْ أَبِيهِ عَنْ كَعْبٍ قَالَ خَرَجَ عَلَيْنَا رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَنَحْنُ فِي الْمَسْجِدِ سَبْعَةٌ مِنَّا ثَلَاثَةٌ مِنْ عَرَبِنَا وَأَرْبَعَةٌ مِنْ مَوَالِينَا أَوْ أَرْبَعَةٌ مِنْ عَرَبِنَا وَثَلَاثَةٌ مِنْ مَوَالِينَا قَالَ فَخَرَجَ عَلَيْنَا النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مِنْ بَعْضِ حُجَرِهِ حَتَّى جَلَسَ إِلَيْنَا فَقَالَ مَا يُجْلِسُكُمْ هَاهُنَا قُلْنَا انْتِظَارُ الصَّلَاةِ قَالَ فَنَكَتَ بِإِصْبَعِهِ فِي الْأَرْضِ وَنَكَسَ سَاعَةً ثُمَّ رَفَعَ إِلَيْنَا رَأْسَهُ فَقَالَ هَلْ تَدْرُونَ مَا يَقُولُ رَبُّكُمْ قَالَ قُلْنَا اللَّهُ وَرَسُولُهُ أَعْلَمُ قَالَ إِنَّهُ يَقُولُ مَنْ صَلَّى الصَّلَاةَ لِوَقْتِهَا فَأَقَامَ حَدَّهَا كَانَ لَهُ بِهِ عَلَيَّ عَهْدٌ أُدْخِلُهُ الْجَنَّةَ وَمَنْ لَمْ يُصَلِّ الصَّلَاةَ لِوَقْتِهَا وَلَمْ يُقِمْ حَدَّهَا لَمْ يَكُنْ لَهُ عِنْدِي عَهْدٌ إِنْ شِئْتُ أَدْخَلْتُهُ النَّارَ وَإِنْ شِئْتُ أَدْخَلْتُهُ الْجَنَّةَ

أخبرنا أبو نعيم حدثنا عبد الرحمن هو ابن النعمان الأنصاري حدثني سعد بن إسحق بن كعب بن عجرة الأنصاري عن أبيه عن كعب قال خرج علينا رسول الله صلى الله عليه وسلم ونحن في المسجد سبعة منا ثلاثة من عربنا وأربعة من موالينا أو أربعة من عربنا وثلاثة من موالينا قال فخرج علينا النبي صلى الله عليه وسلم من بعض حجره حتى جلس إلينا فقال ما يجلسكم هاهنا قلنا انتظار الصلاة قال فنكت بإصبعه في الأرض ونكس ساعة ثم رفع إلينا رأسه فقال هل تدرون ما يقول ربكم قال قلنا الله ورسوله أعلم قال إنه يقول من صلى الصلاة لوقتها فأقام حدها كان له به علي عهد أدخله الجنة ومن لم يصل الصلاة لوقتها ولم يقم حدها لم يكن له عندي عهد إن شئت أدخلته النار وإن شئت أدخلته الجنة

 হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)  বর্ণনাকারীঃ কা‘ব ইবনু ‘উজরাহ (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১২৫৯

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ২৫. যে ব্যক্তি সালাতকে তার ওয়াক্ত হতে পিছিয়ে দেয়, তার পিছনে সালাত আদায় করা

১২৫৯. আবী যার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাকে বলেছেন: “যখন তুমি এমন লোকদের মাঝে অবশিষ্ট থাকবে যারা সালাতকে তার ওয়াক্ত হতে পিছিয়ে দেয়, তুমি তখন কী করবে?”

তিনি বলেন, আল্লাহ ও তাঁর রাসূলই অধিক অবগত।তিনি বললেন: “তুমি ওয়াক্তমতোই সালাত আদায় করবে এবং বের হবে। এরপর যদি (জামা’আতে) সালাতের ইকামত দেয়া হয়, আর তুমি (সেই সময়) মসজিদে থাকো, তবে তুমিও তাদের সাথে সালাত আদায় করবে।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: সহীহ মুসলিম ৬৪৮; আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ করেছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ১৪৮২, ১৭১৮, ১৭১৯। আরও দেখুন, পরবর্তী হাদীসটি।

بَاب الصَّلَاةِ خَلْفَ مَنْ يُؤَخِّرُ الصَّلَاةَ عَنْ وَقْتِهَا

أَخْبَرَنَا سَهْلُ بْنُ حَمَّادٍ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ عَنْ بُدَيْلٍ عَنْ أَبِي الْعَالِيَةِ الْبَرَّاءِ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الصَّامِتِ عَنْ أَبِي ذَرٍّ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ لَهُ كَيْفَ أَنْتَ إِذَا بَقِيتَ فِي قَوْمٍ يُؤَخِّرُونَ الصَّلَاةَ عَنْ وَقْتِهَا قَالَ اللَّهُ وَرَسُولُهُ أَعْلَمُ قَالَ صَلِّ الصَّلَاةَ لِوَقْتِهَا وَاخْرُجْ فَإِنْ أُقِيمَتْ الصَّلَاةُ وَأَنْتَ فِي الْمَسْجِدِ فَصَلِّ مَعَهُمْ

أخبرنا سهل بن حماد حدثنا شعبة عن بديل عن أبي العالية البراء عن عبد الله بن الصامت عن أبي ذر أن النبي صلى الله عليه وسلم قال له كيف أنت إذا بقيت في قوم يؤخرون الصلاة عن وقتها قال الله ورسوله أعلم قال صل الصلاة لوقتها واخرج فإن أقيمت الصلاة وأنت في المسجد فصل معهم

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আবূ যার আল-গিফারী (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১২৬০

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ২৫. যে ব্যক্তি সালাতকে তার ওয়াক্ত হতে পিছিয়ে দেয়, তার পিছনে সালাত আদায় করা

১২৬০. আবী যার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “হে আবী যারর! যখন তুমি এমন শাসকদেরকে পাবে, যারা সালাতকে তার ওয়াক্ত হতে পিছিয়ে দিবে (সালাতের সময় শেষ করে সালাত আদায় করবে), তুমি তখন কী করবে?”

তিনি বলেন, ইয়া রাসূলুল্লাহ! আপনি আমাকে কী করতে আদেশ দেন?

তিনি বললেন: “তুমি ওয়াক্তমতোই সালাত আদায় করবে এবং (এরপর যদি তাদের সাথে জামা’আত পাও তবে,) তাদের সাথে তোমার আদায়কৃত সালাতকে নফল বানিয়ে নাও।”[1]আবু মুহাম্মদ বলেন, ইবনু ছামিত হলেন আবী যারের ভাতিজা।

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: সহীহ মুসলিম ৬৪৮; এটি আগের হাদীসের পুনরাবৃত্তি।

بَاب الصَّلَاةِ خَلْفَ مَنْ يُؤَخِّرُ الصَّلَاةَ عَنْ وَقْتِهَا

أَخْبَرَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ حَدَّثَنَا هَمَّامٌ حَدَّثَنَا أَبُو عِمْرَانَ الْجَوْنِيُّ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الصَّامِتِ عَنْ أَبِي ذَرٍّ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَا أَبَا ذَرٍّ كَيْفَ تَصْنَعُ إِذَا أَدْرَكْتَ أُمَرَاءَ يُؤَخِّرُونَ الصَّلَاةَ عَنْ وَقْتِهَا قُلْتُ مَا تَأْمُرُنِي يَا رَسُولَ اللَّهِ قَالَ صَلِّ الصَّلَاةَ لِوَقْتِهَا وَاجْعَلْ صَلَاتَكَ مَعَهُمْ نَافِلَةً قَالَ أَبُو مُحَمَّد ابْنُ الصَّامِتِ هُوَ ابْنُ أَخِي أَبِي ذَرٍّ

أخبرنا يزيد بن هارون حدثنا همام حدثنا أبو عمران الجوني عن عبد الله بن الصامت عن أبي ذر قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم يا أبا ذر كيف تصنع إذا أدركت أمراء يؤخرون الصلاة عن وقتها قلت ما تأمرني يا رسول الله قال صل الصلاة لوقتها واجعل صلاتك معهم نافلة قال أبو محمد ابن الصامت هو ابن أخي أبي ذر

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আবূ যার আল-গিফারী (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১২৬১

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ২৬. যে ব্যক্তি সালাত আদায় না করে ঘুমিয়ে পড়ে অথবা সালাত আদায় করতে ভুলে যায়

১২৬১. আনাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “যে ব্যক্তি সালাত আদায় করতে ভুলে যায় অথবা, সালাত আদায় না করে ঘুমিয়ে পড়ে, তবে সে যেনো স্মরণ হওয়ামাত্রই তা আদায় করে নেয়। কেননা, আল্লাহ তা’আলা বলেছেন: [“আমার স্মরণে সালাত আদায় করো।”][1] সুরা ত্বহা: ১৪

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ যয়ীফ তবে হাদীসটি সহীহ বুখারী-মুসলিমের হাদীস।

 

তাখরীজ: সহীহ বুখারী ৫৯৭; সহীহ মুসলিম ৬৮৪; আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাওসিলী নং ২৮৫৪, ২৮৫৫, ২৮৫৬; এবং সহীহ ইবনু হিব্বান নং ১৫৫৫, ১৫৫৬। ((আবু দাউদ ৪৪৩; তিরমিযী ১৭৮, নাসাঈ অনুচ্ছেদ: ৫২: যে ব্যক্তি সালাত আদায় করতে ভূলে যায়; ইবনু মাজাহ ৬৯৬; আহমাদ ৩/১০০, ২৪৩, ২৬৭, ২৬৯, ২৮২, ৫/২২; মালিক (ইবনু উমারের বক্তব্য হিসেবে) ৭৭।- দারেমী, তাহক্বীক্ব: ফাওয়ায আহমদ রমিযলী ও খালিদ সাবিঈ নং ১২২৯ এর টীকা হতে- অনুবাদক।))

بَاب مَنْ نَامَ عَنْ صَلَاةٍ أَوْ نَسِيَهَا

أَخْبَرَنَا سَعِيدُ بْنُ عَامِرٍ عَنْ سَعِيدٍ عَنْ قَتَادَةَ عَنْ أَنَسٍ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ مَنْ نَسِيَ صَلَاةً أَوْ نَامَ عَنْهَا فَلْيُصَلِّهَا إِذَا ذَكَرَهَا إِنَّ اللَّهَ تَعَالَى يَقُولُ أَقِمْ الصَّلَاةَ لِذِكْرِي

أخبرنا سعيد بن عامر عن سعيد عن قتادة عن أنس أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال من نسي صلاة أو نام عنها فليصلها إذا ذكرها إن الله تعالى يقول أقم الصلاة لذكري

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আনাস ইবনু মালিক (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১২৬২

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ২৭. যে ব্যক্তির আসরের সালাত ‘ফাওত’ (বিনষ্ট) হলো, তার সম্পর্কে

১২৬২. ইবনু উমার হতে মারফু’ হিসেবে (নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হতে) বর্ণিত, তিনি বলেছেন: “যে ব্যক্তির সালাত তথা আসরের সালাত ছুটে গেলো, তার পরিবার-পরিজন ও ধন-সম্পদ সবই যেন ধ্বংস হয়ে গেলো।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ। হাদীসটি বুখারী-মুসলিমের।

 

তাখরীজ: সহীহ বুখারী ৫৫২; সহীহ মুসলিম ৬২৬; আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাওসিলী নং ৫৪৪৭; এবং সহীহ ইবনু হিব্বান নং ১৪৬৯। ((‘ইবনু মাজাহ ৬৮৫; আবু দাউদ ৪১৪; তিরমিযী ১৭৫।’- দারেমী, তাহক্বীক্ব: ফাওয়ায আহমদ রমিযলী ও খালিদ সাবিঈ নং ১২৩০ এর টীকা হতে- অনুবাদক।))

بَاب فِي الَّذِي تَفُوتُهُ صَلَاةُ الْعَصْرِ

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ حَدَّثَنَا ابْنُ عُيَيْنَةَ عَنْ الزُّهْرِيِّ عَنْ سَالِمٍ عَنْ أَبِيهِ يَرْفَعُهُ قَالَ إِنَّ الَّذِي تَفُوتُهُ الصَّلَاةُ صَلَاةُ الْعَصْرِ فَكَأَنَّمَا وُتِرَ أَهْلَهُ وَمَالَهُ

أخبرنا محمد بن يوسف حدثنا ابن عيينة عن الزهري عن سالم عن أبيه يرفعه قال إن الذي تفوته الصلاة صلاة العصر فكأنما وتر أهله وماله

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১২৬৩

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ২৭. যে ব্যক্তির আসরের সালাত ‘ফাওত’ (বিনষ্ট) হলো, তার সম্পর্কে

১২৬৩. ইবনু উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “যে ব্যক্তির সালাত তথা আসরের সালাত ছুটে গেলো, তার পরিবার-পরিজন ও সন্তান-সন্ততি সবই যেন ধ্বংস হয়ে গেলো।”[1] আবু মুহাম্মদ বলেন, ’অথবা, তার ধন-সম্পদ’।

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: এটি আগের হাদীসটিরই পুনরাবৃত্তি। পূর্ণ তাখরীজের জন্য সেখানে দেখুন।

بَاب فِي الَّذِي تَفُوتُهُ صَلَاةُ الْعَصْرِ

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ عَنْ نَافِعٍ عَنْ ابْنِ عُمَرَ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَنْ فَاتَتْهُ صَلَاةُ الْعَصْرِ فَكَأَنَّمَا وُتِرَ أَهْلَهُ وَوَلَدَهُ قَالَ أَبُو مُحَمَّد أَوْ مَالَهُ

أخبرنا محمد بن يوسف حدثنا سفيان عن عبيد الله عن نافع عن ابن عمر قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم من فاتته صلاة العصر فكأنما وتر أهله وولده قال أبو محمد أو ماله

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১২৬৪

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ২৮. মধ্যবর্তী সালাত (সালাতুল ‘উছতা’) সম্পর্কে বর্ণনা

১২৬৪. আলী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম খন্দকের যুদ্ধের দিন বলেছিলেন: “আল্লাহ তাদের কবরসমূহ ও তাদের ঘর-বাড়িগুলিকে আগুনে পরিপূর্ণ করে দিন, যেভাবে তারা আমাদের মধ্যবর্তী সালাত আদায় হতে বিরত রেখেছে, এমনকি সুর্য অস্ত গেলো।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: সহীহ বুখারী ২৯৩১; সহীহ মুসলিম ৬২৭; আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাওসিলী নং ৩৮৫ হতে ৩৯৩ এবং সহীহ ইবনু হিব্বান নং ১৭৪৫।

بَاب فِي الصَّلَاةِ الْوُسْطَى

أَخْبَرَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ أَخْبَرَنَا هِشَامُ بْنُ حَسَّانَ عَنْ مُحَمَّدٍ عَنْ عَبِيدَةَ عَنْ عَلِيٍّ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَوْمَ الْخَنْدَقِ مَلَأَ اللَّهُ قُبُورَهُمْ وَبُيُوتَهُمْ نَارًا كَمَا حَبَسُونَا عَنْ صَلَاةِ الْوُسْطَى حَتَّى غَابَتْ الشَّمْسُ

أخبرنا يزيد بن هارون أخبرنا هشام بن حسان عن محمد عن عبيدة عن علي قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم يوم الخندق ملأ الله قبورهم وبيوتهم نارا كما حبسونا عن صلاة الوسطى حتى غابت الشمس

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আলী ইবনু আবী তালিব (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১২৬৫

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ২৯. সালাত তরককারী সম্পর্কে

১২৬৫. জাবির রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, বান্দা ও শিরক-কুফরের মাঝে সালাত পরিত্যাগ করা ব্যতীত আর কিছুই (প্রতিবন্ধকতা) নেই।”[1] আবু মুহাম্মদ বলেন, বান্দা যখন ওযর ও কারণ ছাড়া তখন একে একথা বলা ব্যতীত গত্যন্তর নেই যে, তা কুফর, কিন্তু তাকে কাফির নামে আখ্যায়িত করা যাবে না।

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাকরীজ: সহীহ মুসলিম ৮২; আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাওসিলী নং ১৭৮৩ এবং সহীহ ইবনু হিব্বান নং ১৪৫৩। ((তিরমিযী ২৬১৮, ২৬১৯; বাইহাকী ৩/৩৬৬; আহমাদ ৩/৩৭০; ইবনু আবী শাইবা ১১/৩৪; তাবারাণী, আস সগীর ২/১৪; ইবনু মানদাহ, আল ঈমান ২১৮, ২১৯। – আল ইহসান, (তাহক্বীক্ব: আরনাউত্বে) নং ১৪৫৩ হতে।- অনুবাদক))

بَاب فِي تَارِكِ الصَّلَاةِ

أَخْبَرَنَا أَبُو عَاصِمٍ عَنْ ابْنِ جُرَيْجٍ حَدَّثَنَا أَبُو الزُّبَيْرِ أَنَّهُ سَمِعَ جَابِرًا يَقُولُ أَوْ قَالَ جَابِرٌ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَيْسَ بَيْنَ الْعَبْدِ وَبَيْنَ الشِّرْكِ وَبَيْنَ الْكُفْرِ إِلَّا تَرْكُ الصَّلَاةِ قَالَ لِي أَبُو مُحَمَّد الْعَبْدُ إِذَا تَرَكَهَا مِنْ غَيْرِ عُذْرٍ وَعِلَّةٍ وَلَا بُدَّ مِنْ أَنْ يُقَالَ بِهِ كُفْرٌ وَلَمْ يَصِفْ بِالْكُفْرِ

أخبرنا أبو عاصم عن ابن جريج حدثنا أبو الزبير أنه سمع جابرا يقول أو قال جابر قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ليس بين العبد وبين الشرك وبين الكفر إلا ترك الصلاة قال لي أبو محمد العبد إذا تركها من غير عذر وعلة ولا بد من أن يقال به كفر ولم يصف بالكفر

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ জাবির ইবনু আবদুল্লাহ আনসারী (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১২৬৬

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৩০. বায়তুল মাকদিস হতে কা’বার দিকে কিবলা পরিবর্তন সম্পর্কে

১২৬৬. ইবনু উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, একদা লোকেরা ’কু’বা’ নামক স্থানে ফজরের সালাত আদায় করছিলেন। তখন এক ব্যক্তি তাদের নিকট এসে বললো, নিশ্চয়ই রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের উপর কুরআন নাযিল হয়েছে; এবং তাঁকে নির্দেশ দান করা হয়েছে যেন তিনি (সালাতের সময়) কা’বা অভিমুখী হন। সুতরাং তোমরাও সেদিকে মুখ ফিরাও। তখন তাদের চেহারা ছিল শামের (বায়তুল মাকদিস) দিকে, ফলে তারা ঘুরে গিয়ে কাবা’র অভিমুখী হলো।[1]

[1] তহাক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: সহীহ বুখারী ৪০৩, ৪৪৯২; সহীহ মুসলিম ৫২৬। আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ১৭১৫, ১৭১৭।

بَاب فِي تَحْوِيلِ الْقِبْلَةِ مِنْ بَيْتِ الْمَقْدِسِ إِلَى الْكَعْبَةِ

أَخْبَرَنَا يَحْيَى بْنُ حَسَّانَ حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ بِلَالٍ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ دِينَارٍ عَنْ ابْنِ عُمَرَ قَالَ بَيْنَمَا النَّاسُ فِي صَلَاةِ الْفَجْرِ فِي قُبَاءٍ جَاءَهُمْ رَجُلٌ فَقَالَ إِنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أُنْزِلَ عَلَيْهِ الْقُرْآنُ وَأُمِرَ أَنْ يَسْتَقْبِلَ الْكَعْبَةَ فَاسْتَقْبِلُوهَا وَكَانَ وُجُوهُ النَّاسِ إِلَى الشَّامِ فَاسْتَدَارُوا فَوَجَّهُوا إِلَى الْكَعْبَةِ

أخبرنا يحيى بن حسان حدثنا سليمان بن بلال عن عبد الله بن دينار عن ابن عمر قال بينما الناس في صلاة الفجر في قباء جاءهم رجل فقال إن رسول الله صلى الله عليه وسلم أنزل عليه القرآن وأمر أن يستقبل الكعبة فاستقبلوها وكان وجوه الناس إلى الشام فاستداروا فوجهوا إلى الكعبة

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১২৬৭

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৩০. বায়তুল মাকদিস হতে কা’বার দিকে কিবলা পরিবর্তন সম্পর্কে

১২৬৭. ইবনু আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহ আনহুমা হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, বলা হলো, ইয়া রাসূলুল্লাহ! যারা ইতোমধ্যে মৃত্যু বরণ করেছে আর তারা ’বাইতুল মাকদিস’ এর অভিমুখী হয়ে সালাত আদায় করতো। এদের ব্যাপারে আপনার অভিমত কী? তখন আল্লাহ তা’আলা নাযিল করলেন: [“নিশ্চয়ই আল্লাহ এমন নন, যে তোমাদের ঈমানকে বিনষ্ট করেন।”[1] (সুরা বাকারা: ১৪৩)]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ যয়ীফ। তবে এর শাহিদ হাদীস বারা’আ (রা:) হতে সহীহ বুখারী-মুসলিমে বর্ণিত হয়েছে। ((ফলে এ হাদীসটি সহীহ লিগয়রিহী-অনুবাদক))

 

তাখরীজ: আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ১৭১৭ ও মাওয়ারিদুয যাম’আন নং ১৭১৮ এ। আর বারা’আ রা: হতে এর শাহিদ হাদীসটি বর্ণনা করেছেন, সহীহ ‍বুখারী ৪০; সহীহ মুসলিম ৫২৫; আর এটির তাখরীজ করেছি ইবনু হিব্বান নং ১৭১৬ এ।

بَاب فِي تَحْوِيلِ الْقِبْلَةِ مِنْ بَيْتِ الْمَقْدِسِ إِلَى الْكَعْبَةِ

أَخْبَرَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ مُوسَى عَنْ إِسْرَائِيلَ عَنْ عِكْرِمَةَ عَنْ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ قِيلَ يَا رَسُولَ اللَّهِ أَرَأَيْتَ الَّذِينَ مَاتُوا وَهُمْ يُصَلُّونَ إِلَى بَيْتِ الْمَقْدِسِ فَأَنْزَلَ اللَّهُ تَعَالَى وَمَا كَانَ اللَّهُ لِيُضِيعَ إِيمَانَكُمْ

أخبرنا عبيد الله بن موسى عن إسرائيل عن عكرمة عن ابن عباس قال قيل يا رسول الله أرأيت الذين ماتوا وهم يصلون إلى بيت المقدس فأنزل الله تعالى وما كان الله ليضيع إيمانكم

 হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai’f)  বর্ণনাকারীঃ আবদুল্লাহ ইবনু আব্বাস (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১২৬৮

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৩১. সালাতের প্রারম্ভ বা সূচনা

১২৬৮. আয়িশা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সালাত শুরু করতেন ’তাকবীর’ (আল্লাহু আকবার) দ্বারা এবং তিনি ক্বিরা’আত শুরু করতেন “আলহামদু লিল্লাহি রব্বিল আলামীন” (ফাতিহা: ১) পাঠের দ্বারা এবং তা (সালাত) সমাপ্ত করতেন সালাম দ্বারা।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ যয়ীফ। কারণ জা’ফর ইবনু আউন ইবনু আবু আরুবাহ হতে শ্রবণ করা হতে পিছিয়ে। তবে হাদীসটি সহীহ- বুখারী ও মুসলিমের।

 

তাখরীজ: সহীহ বুখারী ৭৪৩; সহীহ মুসলিম ৩৯৯; আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাওসিলী নং ২৮৮১, ২৯৮০ হতে ২৯৮৫ এবং সহীহ ইবনু হিব্বান নং ১৭৯৮, ১৭৯৯, ১৮০০, ১৮০২, ১৮০৩, এবং আরও দেখুন, মুসনাদুল মাউসিলী ও মুসনাদুল হুমাইদী নং ১২৩৩ এর টীকা দু’টি।

بَاب فِي افْتِتَاحِ الصَّلَاةِ

أَخْبَرَنَا جَعْفَرُ بْنُ عَوْنٍ عَنْ سَعِيدِ بْنِ أَبِي عَرُوبَةَ حَدَّثَنَا بُدَيْلٌ الْعُقَيْلِيُّ عَنْ أَبِي الْجَوْزَاءِ عَنْ عَائِشَةَ قَالَتْ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَفْتَتِحُ الصَّلَاةَ بِالتَّكْبِيرِ وَيَفْتَتِحُ الْقِرَاءَةَ بِالْحَمْدُ لِلَّهِ رَبِّ الْعَالَمِينَ وَيَخْتِمُهَا بِالتَّسْلِيمِ

أخبرنا جعفر بن عون عن سعيد بن أبي عروبة حدثنا بديل العقيلي عن أبي الجوزاء عن عائشة قالت كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يفتتح الصلاة بالتكبير ويفتتح القراءة بالحمد لله رب العالمين ويختمها بالتسليم

 হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai’f)  বর্ণনাকারীঃ আয়িশা বিনত আবূ বাকর সিদ্দীক (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১২৬৯

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৩২. সালাতের প্রারম্ভে ‘রফউল ইয়াদাইন’ (দু’হাত উত্তোলণ) করা প্রসঙ্গে

১২৬৯. আবী হুরাইরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যখনই সালাতে দাঁড়াতেন, তখনই তাঁর উভয় হাত প্রসারিত করে উত্তোলণ করতেন।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ১৭৬৯, ১৭৭৭; মাওয়ারিদুয যাম’আন নং ৪৪৬; আমরা সেখানে টীকা দিয়েছি প্রয়োজনে দেখে নিন। আরও দেখুন, দারুকুতনী ১/২৯৭-২৯৮। ((আহমাদ ২/৩৭৫ নং ৮৮৬৩, ২/৪৩৪ নং ৯৬০৬, ২/৫০০ নং ১০৪৯৬; নাসাঈ ৮৮৩; ইবনু খুযাইমা নং ৪৫৯, ৪৬০, ৪৭৩; তিরমিযী ২৪০; তায়ালিসী ২৩৭৪; বাইহাকী ২/২৭; হাকিম ১/২৩৪; ইবনু হিব্বান (আল ইহসান অনুযায়ী) নং ১৭৭৭।- ফাতহুল মান্নান নং ১৩৪৯ এর টীকা হতে- অনুবাদক))

بَاب رَفْعِ الْيَدَيْنِ عِنْدَ افْتِتَاحِ الصَّلَاةِ

أَخْبَرَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ عَبْدِ الْمَجِيدِ الْحَنَفِيُّ حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي ذِئْبٍ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَمْرِو بْنِ عَطَاءٍ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ ثَوْبَانَ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَمْ يَكُنْ يَقُومُ إِلَى الصَّلَاةِ إِلَّا رَفَعَ يَدَيْهِ مَدًّا

أخبرنا عبيد الله بن عبد المجيد الحنفي حدثنا ابن أبي ذئب عن محمد بن عمرو بن عطاء عن محمد بن عبد الرحمن بن ثوبان عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم لم يكن يقوم إلى الصلاة إلا رفع يديه مدا

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরায়রা (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১২৭০

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৩৩. সালাত শুরু করার পর যা বলতে হয়

১২৭০. আলী ইবনু আবী তালিব রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যখন সালাত আরম্ভ করতেন, তখন তাকবীর দিতেন, এরপর বলতেন: ’আমি আমার মুখমণ্ডলকে যিনি আসমানসমূ ও ভূ-মণ্ডল সৃষিট করেছেন, তাঁর দিকে ঐকান্তিকভাবে আত্মসমর্পণ করার উদ্দেশ্যে ফিরিয়েছি, আর আমি মুশরিকদের দলভুক্ত নিই। নিশ্চয়ই আমার সালাত, আমার কুরবানী, আমার জীবন, আমার মরণ সকল কিছুই বিশ্বজগতের প্রতিপালক আল্লাহর জন্য । যাঁর কোনো শরীক নাই-আমি এজন্যই আদিষ্ট হয়েছি আর আমিই সর্বপ্রথম মুসলিম। হে আল্লাহ! আপনিই প্রভু, আপনি ছাড়া কোনো উপাস্য নেই, আপনি আমার প্রভু। আমি আপনার বান্দা। আমি নিজের উপর জুলুম করেছি, আমি আমার অপরাধের ব্যাপারে অনুতপ্ত। আপনি আমার সকল অপরাধ ক্ষমা করুন। আপনি ব্যতীত কেউ অপরাধ কেউ ক্ষমা করতে পারে না। আপনি আমাকে উত্তম আখলাকের দিকে পরিচালিত করুন। আপনি ব্যতীত অন্য কেউ সুন্দর চরিত্রের পথ দেখাতে পারে না। আপনি আমার চরিত্র থেকে অসত স্বভাবগুলি দূর করুন। আপনি ব্যতীত অন্য কেউ চরিত্রের অসদগণাবলী দূর করতে পারে না। আমি আপনার সমীপে হাযির আছি। সকল কল্যাণ আপনারই হাতের মুঠোয়, কোনো অকল্যাণ আপনার নিকট পৌঁছতে পারে না। আমি আপনার কাছে এবং আপনার দিকেই প্রত্যাবর্তনকারী, আপনি কতই না বরকতময়। আপনি মহান। আমি আপনার নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করছি এবং আপনার নিকট তাওবা করছি।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ২৮৫, ৫৭৪, ৫৭৫; সহীহ ইবনু হিব্বান নং ১৭৭১, ১৭৭২, ১৭৭৩; মাওয়ারিদুয যাম’আন নং ৪৪৫; ((সহীহ মুসলিম ৭৭১; আহমাদ ১/১০২ নং ৮০৩; ইবনু হিব্বান ১৭৭৩; তায়ালিসী ১৫২; তিরমিযী ২৬৬, ৩৪২২; বাইহাকী, আল কুবার ২/৩২; তাহাবী শারহু মুশকিলিল আছার ১/৪৮৮; আবী আওয়ানাহ, মুসতাখরীজ ২/১০০; নাসাঈ ৮৯৭; আবু দাউদ ৭৬০; ইবনু আবী শাইবা ১/২৩১; ইবনুল জারুদ, আল মুনতাকা ১৭৯; ‍দারুকুতনী ১/২৯৬; তাবারাণী, ২/১০২৬… – ফাতহুল মান্নান ১৩৫০ এর টীকা হতে- অনুবাদক।))

بَاب مَا يُقَالُ بَعْدَ افْتِتَاحِ الصَّلَاةِ

أَخْبَرَنَا يَحْيَى بْنُ حَسَّانَ حَدَّثَنَا عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي سَلَمَةَ عَنْ عَمِّهْ الْمَاجِشُونَ عَنْ الْأَعْرَجِ عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي رَافِعٍ عَنْ عَلِيِّ بْنِ أَبِي طَالِبٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ قَالَ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِذَا افْتَتَحَ الصَّلَاةَ كَبَّرَ ثُمَّ قَالَ وَجَّهْتُ وَجْهِيَ لِلَّذِي فَطَرَ السَّمَوَاتِ وَالْأَرْضَ حَنِيفًا وَمَا أَنَا مِنْ الْمُشْرِكِينَ إِنَّ صَلَاتِي وَنُسُكِي وَمَحْيَايَ وَمَمَاتِي لِلَّهِ رَبِّ الْعَالَمِينَ لَا شَرِيكَ لَهُ وَبِذَلِكَ أُمِرْتُ وَأَنَا أَوَّلُ الْمُسْلِمِينَ اللَّهُمَّ أَنْتَ الْمَلِكُ لَا إِلَهَ إِلَّا أَنْتَ أَنْتَ رَبِّي وَأَنَا عَبْدُكَ ظَلَمْتُ نَفْسِي وَاعْتَرَفْتُ بِذَنْبِي فَاغْفِرْ لِي ذُنُوبِي جَمِيعًا لَا يَغْفِرُ الذُّنُوبَ إِلَّا أَنْتَ وَاهْدِنِي لِأَحْسَنِ الْأَخْلَاقِ لَا يَهْدِي لِأَحْسَنِهَا إِلَّا أَنْتَ وَاصْرِفْ عَنِّي سَيِّئَهَا لَا يَصْرِفُ سَيِّئَهَا إِلَّا أَنْتَ لَبَّيْكَ وَسَعْدَيْكَ وَالْخَيْرُ كُلُّهُ فِي يَدَيْكَ وَالشَّرُّ لَيْسَ إِلَيْكَ أَنَا بِكَ وَإِلَيْكَ تَبَارَكْتَ وَتَعَالَيْتَ أَسْتَغْفِرُكَ وَأَتُوبُ إِلَيْكَ

أخبرنا يحيى بن حسان حدثنا عبد العزيز بن عبد الله بن أبي سلمة عن عمه الماجشون عن الأعرج عن عبيد الله بن أبي رافع عن علي بن أبي طالب رضي الله عنه قال كان رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا افتتح الصلاة كبر ثم قال وجهت وجهي للذي فطر السموات والأرض حنيفا وما أنا من المشركين إن صلاتي ونسكي ومحياي ومماتي لله رب العالمين لا شريك له وبذلك أمرت وأنا أول المسلمين اللهم أنت الملك لا إله إلا أنت أنت ربي وأنا عبدك ظلمت نفسي واعترفت بذنبي فاغفر لي ذنوبي جميعا لا يغفر الذنوب إلا أنت واهدني لأحسن الأخلاق لا يهدي لأحسنها إلا أنت واصرف عني سيئها لا يصرف سيئها إلا أنت لبيك وسعديك والخير كله في يديك والشر ليس إليك أنا بك وإليك تباركت وتعاليت أستغفرك وأتوب إليك

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আলী ইবনু আবী তালিব (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১২৭১

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৩৩. সালাত শুরু করার পর যা বলতে হয়

১২৭১. আবী সাঈদ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, যখন রাতে সালাত আদায়ের জন্য দাঁড়াতেন, তখন তিনি তাকবীর দিয়ে বলতেন: “হে আল্লাহ! মহা পবিত্র আপনি, প্রশংসা আপনারই। আপনার নাম কতই না বরকতময়, আর আপনার মর্যাদা অতি উচ্চ আর আপনি ছাড়া কোনো উপাস্য নেই।

বিতাড়িত শয়তান, তার কু-মন্ত্রণা, কুপ্রভাব ও কুপ্ররোচনা থেকে সর্বশ্রোতা ও সর্বজ্ঞ আল্লাহর আশ্রয় প্রার্থনা করছি।” জা’ফর বলেন: মাতার ব্যাখ্যা দিয়েছেন, ’হামযুহু’ (কুমন্ত্রণা) অর্থ: শয়তানী; ’নাফছুহু’ (কুপ্রভাব) অর্থ: (অশ্লীল) কবিতা; ’নাফখুহ’ (কুপ্ররোচনা) অর্থ: তার অহমিকা (উন্মত্ততা)।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ জাইয়্যেদ।

 

তাখরীজ: আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ১১০৮; এছাড়া, দারুকুতনী ১/২৯৮ নং ৪; বাইহাকী ২/৩৫; ইবনু আবী শাইবা ১/২৩২; সহীহ ইবনু খুযাইমা নং ৪৬৭। ((আহমাদ ৩/৫০; আবু দাউদ , ৭৬৪, ৭৭৫; তিরমিযী ২৪২; নাসাঈ ৪/১৩২; ইবনু মাজাহ ৮০৪, ৪১৭৬; ; ইবনু হিব্বান ৩২৪৫ – মুহাক্বিক্বের মুসনাদুল মাওসিলীর ১১০৮ এর টীকা হতে। – অনুবাদক))

بَاب مَا يُقَالُ بَعْدَ افْتِتَاحِ الصَّلَاةِ

أَخْبَرَنَا زَكَرِيَّا بْنُ عَدِيٍّ حَدَّثَنَا جَعْفَرُ بْنُ سُلَيْمَانَ عَنْ عَلِيِّ بْنِ عَلِيٍّ عَنْ أَبِي الْمُتَوَكِّلِ عَنْ أَبِي سَعِيدٍ قَالَ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِذَا قَامَ مِنْ اللَّيْلِ فَكَبَّرَ قَالَ سُبْحَانَكَ اللَّهُمَّ وَبِحَمْدِكَ وَتَبَارَكَ اسْمُكَ وَتَعَالَى جَدُّكَ وَلَا إِلَهَ غَيْرُكَ أَعُوذُ بِاللَّهِ السَّمِيعِ الْعَلِيمِ مِنْ الشَّيْطَانِ الرَّجِيمِ مِنْ هَمْزِهِ وَنَفْثِهِ وَنَفْخِهِ ثُمَّ يَسْتَفْتِحُ صَلَاتَهُ قَالَ جَعْفَرٌ وَفَسَّرَهُ مَطَرٌ هَمْزُهُ الْمُوتَةُ وَنَفْثُهُ الشِّعْرُ وَنَفْخُهُ الْكِبْرُ

أخبرنا زكريا بن عدي حدثنا جعفر بن سليمان عن علي بن علي عن أبي المتوكل عن أبي سعيد قال كان رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا قام من الليل فكبر قال سبحانك اللهم وبحمدك وتبارك اسمك وتعالى جدك ولا إله غيرك أعوذ بالله السميع العليم من الشيطان الرجيم من همزه ونفثه ونفخه ثم يستفتح صلاته قال جعفر وفسره مطر همزه الموتة ونفثه الشعر ونفخه الكبر

 হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)  বর্ণনাকারীঃ আবূ সা’ঈদ খুদরী (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১২৭২

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৩৪. ‘বিসমিল্লাহির রহমানির রাহীম’ উচ্চস্বরে বলা অপছন্দনীয়

১২৭২. আনাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, আবু বাকর, উমার ও উছমান কিরা’আত শুরু করতেন ’’আলহামদু লিল্লাহি রব্বিল আলামিন।’’ (ফাতিহা: ১) এর দ্বারা।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: সহীহ বুখারী ৭৪৩; সহীহ মুসলিম ৩৯৯; আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ২৮৮১; ইবনু হিব্বান নং ১৭৯৮-১৮০০; মুসনাদুল হুমাইদী ১২৩৩ এ।

بَاب كَرَاهِيَةِ الْجَهْرِ بِ بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِ

أَخْبَرَنَا مُسْلِمُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ حَدَّثَنَا هِشَامٌ حَدَّثَنَا قَتَادَةُ عَنْ أَنَسٍ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَأَبَا بَكْرٍ وَعُمَرَ وَعُثْمَانَ كَانُوا يَفْتَتِحُونَ الْقِرَاءَةَ بِ الْحَمْدُ لِلَّهِ رَبِّ الْعَالَمِينَ قَالَ أَبُو مُحَمَّد بِهَذَا نَقُولُ وَلَا أَرَى الْجَهْرَ بِ بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِ

أخبرنا مسلم بن إبراهيم حدثنا هشام حدثنا قتادة عن أنس أن النبي صلى الله عليه وسلم وأبا بكر وعمر وعثمان كانوا يفتتحون القراءة ب الحمد لله رب العالمين قال أبو محمد بهذا نقول ولا أرى الجهر ب بسم الله الرحمن الرحيم

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আনাস ইবনু মালিক (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১২৭৩

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৩৫. সালাতে ডান হাত দিয়ে বাম হাত ধরা

১২৭৩. আব্দুল জাব্বার ইবনু ওয়ায়িল এর পিতা (ওয়াইল ইবনু হুজর রা:) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কে ডান বাম হাতের কবজির কাছাকাছি স্থানে রাখতে দেখেছি।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: সহীহ মুসলিম ৪০১; আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি ইবনু হিব্বান নং ১৮০৫; মাওয়ারিদুয যাম’আন নং ৪৪৭।

بَاب قَبْضِ الْيَمِينِ عَلَى الشِّمَالِ فِي الصَّلَاةِ

أَخْبَرَنَا أَبُو نُعَيْمٍ حَدَّثَنَا زُهَيْرٌ عَنْ أَبِي إِسْحَقَ عَنْ عَبْدِ الْجَبَّارِ بْنِ وَائِلٍ عَنْ أَبِيهِ قَالَ رَأَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَضَعُ يَدَهُ الْيُمْنَى عَلَى الْيُسْرَى قَرِيبًا مِنْ الرُّسْغِ

أخبرنا أبو نعيم حدثنا زهير عن أبي إسحق عن عبد الجبار بن وائل عن أبيه قال رأيت رسول الله صلى الله عليه وسلم يضع يده اليمنى على اليسرى قريبا من الرسغ

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ ওয়ায়িল ইবনু হুজর (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১২৭৪

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৩৬. সুরা ফাতিহা ছাড়া সালাত নেই

১২৭৪. উবাদাহ ইবনু ছামিত রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “যে ব্যক্তি (সালাতে) উম্মুল কিতাব (সুরা ফাতিহা) পাঠ করল না, তার সালাত হলো না।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: সহীহ মুসলিম ৭৫৬; সহীহ মুসলিম ৩৯৪; আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি ইবনু হিব্বান নং ১৭৮২, ১৭৮৫, ১৭৯২, ১৮৪৮।

بَاب لَا صَلَاةَ إِلَّا بِفَاتِحَةِ الْكِتَابِ

أَخْبَرَنَا عُثْمَانُ بْنُ عُمَرَ حَدَّثَنَا يُونُسُ عَنْ الزُّهْرِيِّ عَنْ مَحْمُودِ بْنِ الرَّبِيعِ عَنْ عُبَادَةَ بْنِ الصَّامِتِ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ مَنْ لَمْ يَقْرَأْ بِأُمِّ الْقُرْآنِ فَلَا صَلَاةَ لَهُ

أخبرنا عثمان بن عمر حدثنا يونس عن الزهري عن محمود بن الربيع عن عبادة بن الصامت أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال من لم يقرأ بأم القرآن فلا صلاة له

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ উবাদা ইব্‌নুস সামিত (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১২৭৫

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৩৭. দু’বার চুপ থাকা

১২৭৫. সামুরাহ বিন জুনদুব রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম (সালাতে) দু’ দু’বার চুপ থাকতেন: যখন সালাতে প্রবেশ (শুরু) করতেন এবং যখন কিরা’আত পাঠ শেষ করতেন। ’ইমরাণ ইবনু হুসাইন একথা অস্বীকার করলে তারা উবাই ইবনু কা’ব রা: এর নিকট (ব্যাপারটি) লিখে পাঠালো। জবাবে তিনি তাদেরকে লিখে পাঠালেন যে, সামুরাহ সত্যই বলেছেন।[1] আবু মুহাম্মদ বলেন: কাতাদা তিনবার চুপ থাকার কথা বলতেন এবং মারফু’ হাদীসে রয়েছে দু’বার চুপ থাকার কথা।

[1] তাহক্বীক্ব: সনদের রাবীগণ নির্ভরযোগ্য। তবে সামুরাহ হতে হাসানের শ্রবণ করার বিষয়ে বিচ্ছিন্নতা রয়েছে কি-না তা আল্লাহই ভাল জানেন। তবে আমার নিকট অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত মত হলো, তিনি তাঁর নিকট কিছু শোনেননি। দেখুন, মু’জামুশ শুয়ূখুল মাউসিলী হাদীস নং ২০২, মাজমাউয যাওয়াইদ নং ২৬৪১ এবং মাওয়ারিদুয যাম’আন এর এ সনদের উপর আমার টীকাগুলি দেখুন।

 

তাখরীজ: আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি ইবনু হিব্বান নং ১৮০৭; মাওয়ারিদুয যাম’আন নং ৪৪৮।

بَاب فِي السَّكْتَتَيْنِ

أَخْبَرَنَا عَفَّانُ حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ عَنْ حُمَيْدٍ عَنْ الْحَسَنِ عَنْ سَمُرَةَ بْنِ جُنْدُبٍ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَ يَسْكُتُ سَكْتَتَيْنِ إِذَا دَخَلَ فِي الصَّلَاةِ وَإِذَا فَرَغَ مِنْ الْقِرَاءَةِ فَأَنْكَرَ ذَلِكَ عِمْرَانُ بْنُ حُصَيْنٍ فَكَتَبُوا إِلَى أُبَيِّ بْنِ كَعْبٍ فَكَتَبَ إِلَيْهِمْ أَنْ قَدْ صَدَقَ سَمُرَةُ قَالَ أَبُو مُحَمَّد كَانَ قَتَادَةُ يَقُولُ ثَلَاثُ سَكَتَاتٍ وَفِي الْحَدِيثِ الْمَرْفُوعِ سَكْتَتَانِ

أخبرنا عفان حدثنا حماد بن سلمة عن حميد عن الحسن عن سمرة بن جندب أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان يسكت سكتتين إذا دخل في الصلاة وإذا فرغ من القراءة فأنكر ذلك عمران بن حصين فكتبوا إلى أبي بن كعب فكتب إليهم أن قد صدق سمرة قال أبو محمد كان قتادة يقول ثلاث سكتات وفي الحديث المرفوع سكتتان

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ সামুরাহ ইবনু জুনদুব (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১২৭৬

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৩৭. দু’বার চুপ থাকা

১২৭৬. আবী হুরাইরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম (সালাতে) তাকবীর ও কিরা’আতের মাঝে একবার চুপ থাকতেন- বলে আমার ধারণা। তিনি বলেন, (সেটি ছিল) ক্ষণিকের জন্য।

তখন আমি তাঁকে বললাম, আমার পিতা-মাতা আপনার জন্য কুরবান হোন, ইয়া রাসূলুল্লাহ! তাকবীর ও কিরা’আতের মাঝে আপনার চুপ থাকার ব্যাপারটি কী? আপনি তখন কী পাঠ করে থাকেন?তিনি বললেন: “আমি এ সময় পাঠ করি: ’হে আল্লাহ! আমার এবং আমার গুনাহসমূহের মাঝে এমন ব্যবধান করে দিন যেমন ব্যবধান করেছেন পূর্ব ও পশ্চিমের মাঝে। হে আল্লাহ! আমাকে আমার গুনাহ হতে পবিত্র করুন যেমনভাবে সাদা কাপড় ময়লা হতে পরিষ্কার করা হয়। হে আল্লাহ! আমার গুনাহ সমূহকে বরফ, পানি ও শিশির দ্বারা ধৌত করে দিন।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: সহীহ বুখারী ৭৪৪; সহীহ মুসলিম ৫৯৮; আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ৬০৮১, ৬০৯৭, ৬১০৯; ইবনু হিব্বান নং ১৭৭৬, ১৭৭৮।

بَاب فِي السَّكْتَتَيْنِ

أَخْبَرَنَا بِشْرُ بْنُ آدَمَ حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَاحِدِ بْنُ زِيَادٍ حَدَّثَنَا عُمَارَةُ بْنُ الْقَعْقَاعِ عَنْ أَبِي زُرْعَةَ بْنِ عَمْرٍو عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَسْكُتُ بَيْنَ التَّكْبِيرِ وَالْقِرَاءَةِ إِسْكَاتَةً حَسِبْتُهُ قَالَ هُنَيَّةً فَقُلْتُ لَهُ بِأَبِي وَأُمِّي يَا رَسُولَ اللَّهِ أَرَأَيْتَ إِسْكَاتَتَكَ بَيْنَ التَّكْبِيرِ وَالْقِرَاءَةِ مَا تَقُولُ قَالَ أَقُولُ اللَّهُمَّ بَاعِدْ بَيْنِي وَبَيْنَ خَطَايَايَ كَمَا بَاعَدْتَ بَيْنَ الْمَشْرِقِ وَالْمَغْرِبِ اللَّهُمَّ نَقِّنِي مِنْ خَطَايَايَ كَمَا يُنَقَّى الثَّوْبُ الْأَبْيَضُ مِنْ الدَّنَسِ اللَّهُمَّ اغْسِلْنِي مِنْ خَطَايَايَ بِالثَّلْجِ وَالْمَاءِ الْبَارِدِ

أخبرنا بشر بن آدم حدثنا عبد الواحد بن زياد حدثنا عمارة بن القعقاع عن أبي زرعة بن عمرو عن أبي هريرة قال كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يسكت بين التكبير والقراءة إسكاتة حسبته قال هنية فقلت له بأبي وأمي يا رسول الله أرأيت إسكاتتك بين التكبير والقراءة ما تقول قال أقول اللهم باعد بيني وبين خطاياي كما باعدت بين المشرق والمغرب اللهم نقني من خطاياي كما ينقى الثوب الأبيض من الدنس اللهم اغسلني من خطاياي بالثلج والماء البارد

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরায়রা (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১২৭৭

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৩৮. ‘আমীন’ বলার ফযীলত

১২৭৭. আবী হুরাইরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, রাসূলুল্লাহ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “যখন কিরা’আতকারী (ইমাম) পাঠ করেন, [“গয়রিল মাগদ্বূবি আলাইহিম ওয়ালাদ্দ্ব-ল্লীন।” (ফাতিহা: ৭)] আর তার পেছনের কোনো ব্যক্তি ’আমীন’ বলেন এবং এটি আসমানবাসীদের সাথে মিলে যায়, তবে তার পিছনের গুনাহসমূহ ক্ষমা করে দেয়া হয়।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ হাসান, মুহাম্মদ ইবনু আমরের কারণে। কিন্তু হাদীসটি সহীহ।

 

তাখরীজ: সহীহ বুখারী ৭৮২; সহীহ মুসলিম ৪১০। আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ৫৮৭৪; ইবনু হিব্বান নং ১৮০৪। পরবর্তী হাদীসটিও দেখুন।

بَاب فِي فَضْلِ التَّأْمِينِ

أَخْبَرَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَمْرٍو عَنْ أَبِي سَلَمَةَ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِذَا قَالَ الْقَارِئُ غَيْرِ الْمَغْضُوبِ عَلَيْهِمْ وَلَا الضَّالِّينَ فَقَالَ مَنْ خَلْفَهُ آمِينَ فَوَافَقَ ذَلِكَ أَهْلَ السَّمَاءِ غُفِرَ لَهُ مَا تَقَدَّمَ مِنْ ذَنْبِهِ

أخبرنا يزيد بن هارون أخبرنا محمد بن عمرو عن أبي سلمة عن أبي هريرة قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا قال القارئ غير المغضوب عليهم ولا الضالين فقال من خلفه آمين فوافق ذلك أهل السماء غفر له ما تقدم من ذنبه

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরায়রা (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১২৭৮

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৩৮. ‘আমীন’ বলার ফযীলত

১২৭৮. আবী হুরাইরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, রাসূলুল্লাহ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “ইমাম যখন পাঠ করেন, [“গয়রিল মাগদ্বূবি আলাইহিম ওয়ালাদ্দ্ব-ল্লীন।” (ফাতিহা: ৭)] তখন তোমরা বলো, ’আমীন’ । কেননা, ফিরিশতাগণও বলেন, ’আমীন’ এবং ইমামও বলেন, ’আমীন’। আর যার ’আমীন’ বলা ফিরিশতাগণের ’আমীন’ বলার সাথে মিলে যায়, তার পিছনের গুনাহসমূহ ক্ষমা করে দেয়া হয়।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: পূর্ণ তাখরীজের জন্য আগের টীকাটি দেখুন।

بَاب فِي فَضْلِ التَّأْمِينِ

أَخْبَرَنَا نَصْرُ بْنُ عَلِيٍّ حَدَّثَنَا عَبْدُ الْأَعْلَى عَنْ مَعْمَرٍ عَنْ الزُّهْرِيِّ عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيَّبِ وَأَبِي سَلَمَةَ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ أَنَّ نَبِيَّ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ إِذَا قَالَ الْإِمَامُ غَيْرِ الْمَغْضُوبِ عَلَيْهِمْ وَلَا الضَّالِّينَ فَقُولُوا آمِينَ فَإِنَّ الْمَلَائِكَةَ تَقُولُ آمِينَ وَإِنَّ الْإِمَامَ يَقُولُ آمِينَ فَمَنْ وَافَقَ تَأْمِينُهُ تَأْمِينَ الْمَلَائِكَةِ غُفِرَ لَهُ مَا تَقَدَّمَ مِنْ ذَنْبِهِ

أخبرنا نصر بن علي حدثنا عبد الأعلى عن معمر عن الزهري عن سعيد بن المسيب وأبي سلمة عن أبي هريرة أن نبي الله صلى الله عليه وسلم قال إذا قال الإمام غير المغضوب عليهم ولا الضالين فقولوا آمين فإن الملائكة تقول آمين وإن الإمام يقول آمين فمن وافق تأمينه تأمين الملائكة غفر له ما تقدم من ذنبه

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরায়রা (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

মন্তব্য করুন

Top