দারেমী ভূমিকা ৭ম ভাগ হাদিস নং ২৯৬ – ৩৬৯

 ২৯৬

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ২৯. যে ব্যক্তি বলেন, ইলম হল আল্লাহর ভয় ও তাক্বওয়া

২৯৬. জুবাইর ইবনু নুফাইর আবু দারদা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, আমরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সাথে ছিলাম। তিনি আকাশের দিকে দৃষ্টি দিয়ে বললেন: “এই সময়ে লোকদের নিকট থেকে ইলমকে কেড়ে নেয়া হবে, এমনকি এর উপর তাদের কোনো ক্ষমতাই থাকবে না।” তখন যিয়াদ ইবনু লাবীদ আল আনসারী বললেন, ইয়া রাসূলুল্লাহ, কিভাবে আমাদের থেকে জ্ঞানকে কেড়ে নেয়া হবে, অথচ আমরা কুরআন পড়ছি? আল্লাহর কসম, আমরা তো অবশ্যই পড়ছি, এমনকি আমাদের স্ত্রী ও সন্তানদেরকেও পড়াচ্ছি। তখন তিনি বললেন: “হে যিয়াদ, তোমার মা তোমাকে হারিয়ে ফেলুক! আমি তো তোমাকে মদীনাবাসীদের মধ্যে ফকীহ হিসেবে গণ্য করতাম! এই যে ইয়াহুদী ও খ্রিস্টানদের নিকট তাওরাত ও ইন্জিল কিতাব রয়েছে, তা তাদের কোন্ কাজে আসছে?” জুবাইর বলেন: আমি উবাদাহ ইবনু সামিত রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু’র সাথে সাক্ষাৎ করলাম।’ তিনি (বর্ণনাকারী) বলেন, তিনি বললেন: আমি বললাম, আপনি কি শুনেননি আপনার ভাই আবু দারদা কী বলছেন? তিনি যা বলেছিলেন, আমি তাকে তা জানালাম।

তখন তিনি বললেন: আবু দারদা সত্যই বলেছেন, তুমি চাইলে আমি তোমার নিকট এ সম্পর্কে হাদীস বর্ণনা করতে পারি যে, সর্বপ্রথম কোন্ জ্ঞান লোকদের থেকে উঠিয়ে নেয়া হবে। (সর্বপ্রথম লোকদের নিকট থেকে জ্ঞানের যে অংশটুকু উঠিয়ে নেয়া হবে তা হলো) ’খুশু’ (আল্লাহর ভয়)। শীঘ্রই তুমি কোনো জামে’ মসজিদে প্রবেশ করে সেখানে ’খুশু’ ওয়ালা (ভয়াবনত) একজন লোককেও পাবে না।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ যয়ীফ। আব্দুল্লাহ ইবনু সালিহ’র স্মৃতিশক্তি ত্রুটিযুক্ত। এবং তার মধ্যে ঢিলেমী রয়েছে। অন্যান্য রাবীগণ বিশ্বস্ত। তবে তিরমিযী বলেন: এটি হাসান ও গরীব। হাকিম বলেন: বাসরাবাসীর হাদীসের মধ্যে এ হাদীসটি সহীহ। যাহাবী তাকে সমর্থন করেছেন।

 

তাখরীজ: তিরমিযী, ২৬৫৫; হাকিম, ১/৯৯।

بَابُ مَنْ قَالَ: الْعِلْمُ: الْخَشْيَةُ وَتَقْوَى اللَّهِ

أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ صَالِحٍ، حَدَّثَنِي مُعَاوِيَةُ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ جُبَيْرِ بْنِ نُفَيْرٍ، عَنْ أَبِيهِ جُبْيَرِ بْنِ نُفَيْرٍ، عَنْ أَبِي الدَّرْدَاءِ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ، قَالَ: كُنَّا مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهِ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَشَخَصَ بِبَصَرِهِ إِلَى السَّمَاءِ ثُمَّ قَالَ: «هَذَا أَوَانُ يُخْتَلَسُ الْعِلْمُ مِنَ النَّاسِ حَتَّى لَا يَقْدِرُوا مِنْهُ عَلَى شَيْءٍ» فَقَالَ زِيَادُ بْنُ لَبِيدٍ الْأَنْصَارِيُّ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، وَكَيْفَ يُخْتَلَسُ مِنَّا وَقَدْ قَرَأْنَا الْقُرْآنَ؟ فَوَاللَّهِ لَنَقْرَأَنَّهُ، وَلَنُقْرِئَنَّهُ نِسَاءَنَا وَأَبْنَاءَنَا، فَقَالَ: «ثَكِلَتْكَ أُمُّكَ يَا زِيَادُ، إِنْ كُنْتُ لَأَعُدُّكَ مِنْ فُقَهَاءِ أَهْلِ الْمَدِينَةِ، هَذِهِ التَّوْرَاةُ وَالْإِنْجِيلُ عِنْدَ الْيَهُودِ وَالنَّصَارَى، فَمَاذَا يُغْنِي عَنْهُمْ؟» قَالَ جُبَيْرٌ: فَلَقِيتُ عُبَادَةَ بْنَ الصَّامِتِ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ قَالَ: قُلْتُ أَلَا تَسْمَعُ مَا يَقُولُ أَخُوكَ أَبُو الدَّرْدَاءِ؟ فَأَخْبَرْتُهُ بِالَّذِي قَالَ. قَالَ: صَدَقَ أَبُو الدَّرْدَاءِ إِنْ شِئْتَ لَأُحَدِّثَنَّكَ بِأَوَّلِ عِلْمٍ يُرْفَعُ مِنَ النَّاسِ: الْخُشُوعُ، يُوشِكُ أَنْ تَدْخُلَ مَسْجِدَ الْجَمَاعَةِ فَلَا تَرَى فِيهِ رَجُلًا خَاشِعًا

 

إسناده ضعيف عبد الله بن صالح سيئ الحفظ وفيه غفلة وباقي رجاله ثقات

أخبرنا عبد الله بن صالح، حدثني معاوية، عن عبد الرحمن بن جبير بن نفير، عن أبيه جبير بن نفير، عن أبي الدرداء رضي الله عنه، قال: كنا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم فشخص ببصره إلى السماء ثم قال: «هذا أوان يختلس العلم من الناس حتى لا يقدروا منه على شيء» فقال زياد بن لبيد الأنصاري: يا رسول الله، وكيف يختلس منا وقد قرأنا القرآن؟ فوالله لنقرأنه، ولنقرئنه نساءنا وأبناءنا، فقال: «ثكلتك أمك يا زياد، إن كنت لأعدك من فقهاء أهل المدينة، هذه التوراة والإنجيل عند اليهود والنصارى، فماذا يغني عنهم؟» قال جبير: فلقيت عبادة بن الصامت رضي الله عنه قال: قلت ألا تسمع ما يقول أخوك أبو الدرداء؟ فأخبرته بالذي قال. قال: صدق أبو الدرداء إن شئت لأحدثنك بأول علم يرفع من الناس: الخشوع، يوشك أن تدخل مسجد الجماعة فلا ترى فيه رجلا خاشعا إسناده ضعيف عبد الله بن صالح سيئ الحفظ وفيه غفلة وباقي رجاله ثقات

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ২৯৭

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ২৯. যে ব্যক্তি বলেন, ইলম হল আল্লাহর ভয় ও তাক্বওয়া

২৯৭. মাকহুল বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “তোমাদের মধ্যকার সাধারণ একজন ব্যক্তির উপর আমার যেরূপ মর্যাদা রয়েছে, একজন আবিদ’ (অধিক ইবাদতগুজার) এর উপর একজন আলিমের তদ্রূপ মর্যাদা রয়েছে। তারপর তিনি এ আয়াত তিলাওয়াত করলেন- “নিশ্চয় আল্লাহ’র বান্দাগণের মাঝে আলিমগণই আল্লাহকে ভয় করে।” (সুরা ফাতির: ২৮) অতঃপর তিনি বলেন: “আল্লাহ ঐ ব্যক্তির ওপর রহম করেন এবং তাঁর ফেরেশতামণ্ডলী, আসমানসমূহ ও পৃথিবীর অধিবাসীগণ, সাগরের মাছসমূহ সকলেই ঐ ব্যক্তির জন্য রহমত কামনা করে দু’আ করে, যে ব্যক্তি লোকদেরকে কল্যাণকর বিষয় শিক্ষাদান করে।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এটি মুরসাল হিসেবে এসেছে। । কিন্তু তিরিমিযী এটি আবু উমামা হতে মারফু’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন এবং বলেছেন: এটি হাসান, সহীহ গরীব। (আলবানী একে সহীহ বলেছেন (সহীহুল জামি’ ৪/৮৬)- অনুবাদক)।

 

তাখরীজ: তিরমিযী, আল জামি’, নং ২৬৮৬; তাবারানী, আল কাবীর ৮/২৭৮ নং ৭৯১১।

بَابُ مَنْ قَالَ: الْعِلْمُ: الْخَشْيَةُ وَتَقْوَى اللَّهِ

أَخْبَرَنَا يَعْقُوبُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ، حَدَّثَنَا الْوَلِيدُ بْنُ جَمِيلٍ الْكِنَانِيُّ، حَدَّثَنَا مَكْحُولٌ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ «فَضْلُ الْعَالِمِ عَلَى الْعَابِدِ، كَفَضْلِي عَلَى أَدْنَاكُمْ» ثُمَّ تَلَا هَذِهِ الْآيَةَ (إِنَّمَا يَخْشَى اللَّهَ مِنْ عِبَادِهِ الْعُلَمَاءُ) [فاطر: 28] ثُمَّ قَالَ: إِنَّ اللَّهَ وَمَلَائِكَتَهُ، وَأَهْلَ سَمَاوَاتِهِ وَأَرَضِيهِ، وَالنُّونَ فِي الْبَحْرِ يُصَلُّونَ عَلَى الَّذِينَ يُعَلِّمُونَ النَّاسَ الْخَيْرَ

 

هكذا جاء مرسلا

أخبرنا يعقوب بن إبراهيم، حدثنا يزيد بن هارون، حدثنا الوليد بن جميل الكناني، حدثنا مكحول قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم «فضل العالم على العابد، كفضلي على أدناكم» ثم تلا هذه الآية (إنما يخشى الله من عباده العلماء) [فاطر: 28] ثم قال: إن الله وملائكته، وأهل سماواته وأرضيه، والنون في البحر يصلون على الذين يعلمون الناس الخير هكذا جاء مرسلا

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ২৯৮

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ২৯. যে ব্যক্তি বলেন, ইলম হল আল্লাহর ভয় ও তাক্বওয়া

২৯৮. কোন এক ব্যক্তি ইবনু উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: কোনো ব্যক্তি ততক্ষণ পর্যন্ত আলিম হতে পারবে না, যতক্ষণ না তার চেয়ে উচ্চস্তরের লোক তাকে হিংসা করবে, তার চেয়ে নিম্নস্তরের লোক তাকে হেয়জ্ঞান করবে; আর সে তার জ্ঞানের বিনিময়ে মূল্য গ্রহণ করবে না।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এ সনদে লাইছ ইবনু আবী সালীম রয়েছে যে দুর্বল রাবী। এছাড়া ইবনু উমার থেকে যে ব্যক্তি এটি বর্ণনা করেছেন তিনি অজ্ঞাত।

 

তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা, ১৩/৩২৩ নং ১৬৪৭৭; আবু নুয়াইম, হিলইয়া ১/৩০৬; ইবনু আব্দুল বারর, জামি’ বায়ান নং ৮৫৮। এর শাহিদ বর্ণনা সামনে আসছে ৩০০ নং এ।

بَابُ مَنْ قَالَ: الْعِلْمُ: الْخَشْيَةُ وَتَقْوَى اللَّهِ

أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ أَسَدٍ أَبُو عَاصِمٍ، حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ يَمَانٍ، عَنْ سُفْيَانَ، عَنْ لَيْثٍ، عَنْ رَجُلٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا، قَالَ: «لَا يَكُونُ الرَّجُلُ عَالِمًا حَتَّى لَا يَحْسُدَ مَنْ فَوْقَهُ، وَلَا يَحْقِرَ مَنْ دُونَهُ، وَلَا يَبْتَغِيَ بِعِلْمِهِ ثَمَنًا

 

في إسناده ليث بن أبي سليم وهو ضعيف وفيه جهالة الرجل الراوي عن ابن عمر

أخبرنا أحمد بن أسد أبو عاصم، حدثنا يحيى بن يمان، عن سفيان، عن ليث، عن رجل، عن ابن عمر رضي الله عنهما، قال: «لا يكون الرجل عالما حتى لا يحسد من فوقه، ولا يحقر من دونه، ولا يبتغي بعلمه ثمنا في إسناده ليث بن أبي سليم وهو ضعيف وفيه جهالة الرجل الراوي عن ابن عمر

 হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai’f)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ২৯৯

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ২৯. যে ব্যক্তি বলেন, ইলম হল আল্লাহর ভয় ও তাক্বওয়া

২৯৯. মিস’আর হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি আব্দুল আ’লা আত তাইমীকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: যাকে এমন জ্ঞান দান করা হয়েছে, যা তাকে কাঁদায় না, তবে অবশ্যই আল্লাহ সে ব্যক্তিকে তার জন্য উপকারী জ্ঞান দান করেননি। কেননা, আল্লাহ তা’আলাই আলিমগণের বৈশিষ্ট্য বর্ণনা করেছেন।” অতঃপর তিনি তিলাওয়াত করেন: “নিশ্চয় যাদেরকে জ্ঞান দান করা হয়েছে (সূরা ইসরা’: ১০৭) … তারা কাঁদতে থাকে” (সূরা ইসরা’: ১০৯) – এ পর্যন্ত।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ জাইয়্যেদ (উত্তম)।

 

তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা, আল মুছান্নাফ ১৩/৫৪২-৫৪৩; আবু নুয়াইম, হিলইয়া ৫/৮৮; ইবনুল মুবারক, আয যুহদ নং ১২৫।

بَابُ مَنْ قَالَ: الْعِلْمُ: الْخَشْيَةُ وَتَقْوَى اللَّهِ

أَخْبَرَنَا سَعِيدُ بْنُ سُلَيْمَانَ، عَنْ أَبِي أُسَامَةَ، عَنْ مِسْعَرٍ، قَالَ: سَمِعْتُ عَبْدَ الْأَعْلَى التَّيْمِيَّ يَقُولُ: ” مَنْ أُوتِيَ مِنَ الْعِلْمِ مَا لَا يُبْكِيهِ، لَخَلِيقٌ أَنْ لَا يَكُونَ أُوتِيَ عِلْمًا يَنْفَعُهُ، لِأَنَّ اللَّهَ تَعَالَى نَعَتَ الْعُلَمَاءَ ثُمَّ قَرَأَ: (إِنَّ الَّذِينَ أُوتُوا الْعِلْمَ) [الإسراء: 107] إِلَى قَوْلِهِ (يَبْكُونَ) [الإسراء: 109]

 

إسناده جيد

أخبرنا سعيد بن سليمان، عن أبي أسامة، عن مسعر، قال: سمعت عبد الأعلى التيمي يقول: ” من أوتي من العلم ما لا يبكيه، لخليق أن لا يكون أوتي علما ينفعه، لأن الله تعالى نعت العلماء ثم قرأ: (إن الذين أوتوا العلم) [الإسراء: 107] إلى قوله (يبكون) [الإسراء: 109] إسناده جيد

 হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৩০০

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ২৯. যে ব্যক্তি বলেন, ইলম হল আল্লাহর ভয় ও তাক্বওয়া

৩০০. আবু হাযিম থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, তোমার মধ্যে তিনটি গুণ না থাকা পর্যন্ত তুমি একজন আলিম হতে পারবে না: ১. তোমার চেয়ে উচ্চস্তরের লোকদের প্রতি সীমালংঘন করবে না; ২. তোমার চেয়ে নিম্নস্তরের লোকদেরকে হেয়জ্ঞান/অবজ্ঞা করবে না। আর তোমার ইলমের বিনিময়ে দুনিয়া (-এর ভোগ সম্ভার) গ্রহণ করবে না।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ যয়ীফ। মুবারক ইবনু ফুদালাহ, তাদলীস করেন এবং তিনি ‘আন’‘আন’ পদ্ধতিতে এটি বর্ণনা করেছেন।

 

তাখরীজ: আবু নুয়াইম, হিলইয়া ৩/২৪৩; এর শাহিদ পূর্ববর্তী ২৯৮ নং হাদীসটি দেখুন।

بَابُ مَنْ قَالَ: الْعِلْمُ: الْخَشْيَةُ وَتَقْوَى اللَّهِ

أَخْبَرَنَا عِصْمَةُ بْنُ الْفَضْلِ، حَدَّثَنَا زَيْدُ بْنُ حُبَابٍ، عَنْ مُبَارَكِ بْنِ فَضَالَةَ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ الْعُمَرِيِّ، عَنْ أَبِي حَازِمٍ، قَالَ: ” لَا تَكُونُ عَالِمًا حَتَّى يَكُونَ فِيكَ ثَلَاثُ خِصَالٍ: لَا تَبْغِي عَلَى مَنْ فَوْقَكَ وَلَا تَحْقِرُ مَنْ دُونَكَ، وَلَا تَأْخُذُ عَلَى عِلْمِكَ دُنْيَا

 

مبارك بن فضال يدلس تدليس تسوية وقد عنعن. فالإسناد ضعيف

أخبرنا عصمة بن الفضل، حدثنا زيد بن حباب، عن مبارك بن فضالة، عن عبيد الله بن عمر العمري، عن أبي حازم، قال: ” لا تكون عالما حتى يكون فيك ثلاث خصال: لا تبغي على من فوقك ولا تحقر من دونك، ولا تأخذ على علمك دنيا مبارك بن فضال يدلس تدليس تسوية وقد عنعن. فالإسناد ضعيف

 হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai’f)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৩০১

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ২৯. যে ব্যক্তি বলেন, ইলম হল আল্লাহর ভয় ও তাক্বওয়া

৩০১. আবু দারদা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন: তুমি শিক্ষার্থী না হওয়া পর্যন্ত আলিম হতে পারবেনা; আর তুমি অর্জিত জ্ঞান অনুযায়ী আমল না করা পর্যন্ত শুধু জ্ঞান অর্জন দ্বারা আলিম হতে পারবে না। তোমার পাপী হওয়ার জন্য এতটুকুই যথেষ্ট যে, তুমি সর্বদা ঝগড়া-বিবাদে লিপ্ত থাকবে; তোমার পাপী হওয়ার জন্য এতটুকুই যথেষ্ট যে, তুমি সর্বদা তর্ক-বিতর্ক করতে থাকবে; আবার তোমার মিথ্যাবাদী হওয়ার জন্য এতটুকুই যথেষ্ট যে, তুমি একমাত্র আল্লাহ আযযা ওয়া জাল্লা ব্যতীত অন্যের বিষয়ে অধিক আলোচনা করতে থাকবে।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ হাসান।

 

তাখরীজ: ওয়াকী’, আয যুহদ নং ২২০; তার সূত্রে খতীব, ইক্বতিযাউল ইলম নং ১৬; এ সনদটি মুনাকাত্বি’। আরও দেখুন মুক্বতাদি নং ১৭ এবং ইবনু আব্দুল বার, আল জামি’ নং ১১২০।

بَابُ مَنْ قَالَ: الْعِلْمُ: الْخَشْيَةُ وَتَقْوَى اللَّهِ

أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ أَسَدٍ، حَدَّثَنَا عَبْثَرٌ، عَنْ بُرْدِ بْنِ سِنَانٍ، عَنْ سُلَيْمَانَ بْنِ مُوسَى الدِّمَشْقِيِّ، عَنْ أَبِي الدَّرْدَاءِ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ، قَالَ: «لَا تَكُونُ عَالِمًا حَتَّى تَكُونَ مُتَعَلِّمًا، وَلَا تَكُونُ بِالْعِلْمِ عَالِمًا حَتَّى تَكُونَ بِهِ عَامِلًا، وَكَفَى بِكَ إِثْمًا أَنْ لَا تَزَالَ مُخَاصِمًا، وَكَفَى بِكَ إِثْمًا أَنْ لَا تَزَالَ مُمَارِيًا، وَكَفَى بِكَ كَاذِبًا أَنْ لَا تَزَالَ مُحَدِّثًا فِي غَيْرِ ذَاتِ اللَّهِ عَزَّ وَجَلَّ

 

إسناده حسن

أخبرنا أحمد بن أسد، حدثنا عبثر، عن برد بن سنان، عن سليمان بن موسى الدمشقي، عن أبي الدرداء رضي الله عنه، قال: «لا تكون عالما حتى تكون متعلما، ولا تكون بالعلم عالما حتى تكون به عاملا، وكفى بك إثما أن لا تزال مخاصما، وكفى بك إثما أن لا تزال مماريا، وكفى بك كاذبا أن لا تزال محدثا في غير ذات الله عز وجل إسناده حسن

 হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৩০২

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ২৯. যে ব্যক্তি বলেন, ইলম হল আল্লাহর ভয় ও তাক্বওয়া

৩০২. ইমরান আল মিনকারী হতে বর্ণিত, তিনি বলেন: আমি একদিন কোনো এক বিষয়ে প্রশ্ন করতে গিয়ে হাসানকে বললাম: হে আবু সা’ঈদ! ফকীহগণ (বিশেষজ্ঞ আলিমগণ) তো এভাবে বলেন না। তিনি বললেন: তোমার জন্য আফসোস! তুমি নিজ চোখে কখনো কি কোনো আলিমকে দেখেছো? আলিম তো হলো সেই ব্যক্তি যে দুনিয়ার প্রতি নিরাসক্ত / অনাগ্রহী, আখিরাতের প্রতি আগ্রহী, তার দীনের কাজের ব্যাপারে দূরদৃষ্টিসম্পন্ন; আর তার রবের ইবাদতের ব্যাপারে ধারাবাহিকতা রক্ষাকারী বা নিরবচ্ছিন্ন।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ৩১/৪৯৮ নং ১৭০৩৭; তার সূত্রে আবী নুয়াইম, হিলইয়া ২/১৪৭; ইবনুল মুবারক, আয যুহদ সনদ অন্ধকারাচ্ছন্ন; খতীব, ফাকীহ ওয়াল মুতাফাককিহ নং ১০৬৬, ১০৬৭ দু’টি সনদে।

بَابُ مَنْ قَالَ: الْعِلْمُ: الْخَشْيَةُ وَتَقْوَى اللَّهِ

أَخْبَرَنَا الْحَسَنُ بْنُ عَرَفَةَ، حَدَّثَنَا الْمُبَارَكُ بْنُ سَعِيدٍ، عَنْ أَخِيهِ سُفْيَانَ الثَّوْرِيِّ، عَنْ عِمْرَانَ الْمِنْقَرِيِّ، قَالَ: قُلْتُ لِلْحَسَنِ يَوْمًا فِي شَيْءٍ قَالَهُ: يَا أَبَا سَعِيدٍ، لَيْسَ هَكَذَا يَقُولُ الْفُقَهَاءُ. فَقَالَ: «وَيْحَكَ وَرَأَيْتَ أَنْتَ فَقِيهًا قَطُّ، إِنَّمَا الْفَقِيهُ الزَّاهِدُ فِي الدُّنْيَا، الرَّاغِبُ فِي الْآخِرَةِ، الْبَصِيرُ بِأَمْرِ دِينِهِ، الْمُدَاوِمُ عَلَى عِبَادَةِ رَبِّهِ

 

إسناده صحيح

أخبرنا الحسن بن عرفة، حدثنا المبارك بن سعيد، عن أخيه سفيان الثوري، عن عمران المنقري، قال: قلت للحسن يوما في شيء قاله: يا أبا سعيد، ليس هكذا يقول الفقهاء. فقال: «ويحك ورأيت أنت فقيها قط، إنما الفقيه الزاهد في الدنيا، الراغب في الآخرة، البصير بأمر دينه، المداوم على عبادة ربه إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৩০৩

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ২৯. যে ব্যক্তি বলেন, ইলম হল আল্লাহর ভয় ও তাক্বওয়া

৩০৩. মিস’আর সা’দ ইবনু ইবরাহীম থেকে বর্ণনা করেন, ইবরাহীম বলেন, তাকে একবার বলা হলো: মদীনাবাসীদের মধ্যে সবচেয়ে বড় আলিম কে? তিনি বললেন: যে তার রব আযযা ওয়া জাল্লা’কে সবচেয়ে বেশি ভয় করে।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদে নাদ্বর ইবনু ইসমাঈল রয়েছে, সে শক্তিশালী নয়।

 

তাখরীজ: আবু নুয়াইম, হিলইয়া ৩/১৬৯ এ সনদ যয়ীফ; এর পূর্ববর্তী এবং পরবর্তী আছারটি দেখুন যা একে অপরকে শক্তিশালী করে।

بَابُ مَنْ قَالَ: الْعِلْمُ: الْخَشْيَةُ وَتَقْوَى اللَّهِ

أَخْبَرَنَا الْحَسَنُ بْنُ عَرَفَةَ، حَدَّثَنَا النَّضْرُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ الْبَجَلِيُّ، عَنْ مِسْعَرٍ، عَنْ سَعْدِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ، قَالَ: قِيلَ لَهُ: ” مَنْ أَفْقَهُ أَهْلِ الْمَدِينَةِ؟ قَالَ: أَتْقَاهُمْ لِرَبِّهِ عَزَّ وَجَلَّ

 

إسناده فيه النضر بن إسماعيل وليس بالقوي وهذا إسناد ضعيف

أخبرنا الحسن بن عرفة، حدثنا النضر بن إسماعيل البجلي، عن مسعر، عن سعد بن إبراهيم، قال: قيل له: ” من أفقه أهل المدينة؟ قال: أتقاهم لربه عز وجل إسناده فيه النضر بن إسماعيل وليس بالقوي وهذا إسناد ضعيف

 হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai’f)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৩০৪

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ২৯. যে ব্যক্তি বলেন, ইলম হল আল্লাহর ভয় ও তাক্বওয়া

৩০৪. লাইছ ইবনু আবু সালীম হতে বর্ণিত, মুজাহিদ বলেন, আলিম হলেন সেই ব্যক্তি যে আল্লাহ তা’আলাকে ভয় করে।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ যয়ীফ, লাইছ ইবনু আবী সালীম যয়ীফ।

 

তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা, নং ১৭৩০১; আবু নুয়াইম, হিলইয়া ৩/২৮০; ইবনু আব্দুল বার, জামি’ বায়ানিল ইলম নং ১৫৪৭।

بَابُ مَنْ قَالَ: الْعِلْمُ: الْخَشْيَةُ وَتَقْوَى اللَّهِ

أَخْبَرَنَا الْحَسَنُ بْنُ عَرَفَةَ، حَدَّثَنَا الْحُسَيْنُ بْنُ عَلِيٍّ، عَنْ لَيْثِ بْنِ أَبِي سُلَيْمٍ، عَنْ مُجَاهِدٍ، قَالَ: إِنَّمَا الْفَقِيهُ مَنْ يَخَافُ اللَّهَ تَعَالَى

 

إسناده ضعيف لضعف ليث بن أبي سليم

أخبرنا الحسن بن عرفة، حدثنا الحسين بن علي، عن ليث بن أبي سليم، عن مجاهد، قال: إنما الفقيه من يخاف الله تعالى إسناده ضعيف لضعف ليث بن أبي سليم

 হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai’f)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৩০৫

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ২৯. যে ব্যক্তি বলেন, ইলম হল আল্লাহর ভয় ও তাক্বওয়া

৩০৫. ইবনু আব্বাদ আলী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণনা করেন যে, আলী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন: “নিশ্চয়ই প্রকৃত আলিম হলেন সেই আলিম যিনি লোকদেরকে আল্লাহর রহমত হতে নিরাশ করেন না এবং আল্লাহর অবাধ্যতার অনুমতিও লোকদেরকে দেন না; আর আল্লাহর আযাব হতে লোকদেরকে নির্ভীকও করেন না। আবার অন্য কোনো কিছুর আশায় কুরআনকে ছেড়ে দেন না। নিশ্চয়ই ইলমবিহীন (জ্ঞানহীন) ইবাদাতের মধ্যে কোন কল্যাণ নেই, আর উপলব্ধি বা অনুধাবন ব্যতীত কোন ইলম নেই এবং গভীর চিন্তাভাবনা ব্যতীত কুরআন তিলাওয়াত নেই (তেলাওয়াত করে কোন কল্যাণ অর্জন করা যাবে না)।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদে দু’টি ত্রুটি বিদ্যমান। ১. লাইছ ইবনু আবী সালীমের দুর্বলতা। ২. ইনকিতা’ বা বিচ্ছিন্নতা। ইয়াহইয়া ইবনু ইবাদ ইবনু শাইবান আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু এর সাক্ষাৎ লাভ করেননি, আমরা যতটা জানতে পেরেছি। আল্লাহই ভাল জানেন।

 

তাখরীজ: ইবনুদ দ্বরীস, ফাদ্বাইলুল কুরআন নং ৬৯; আবু খায়ছামা, আল ইলম নং ১৪৩; আবু নুয়াইম, হিলইয়া ১/৭৭; খতীব, ফাকিহ ওয়াল মুতাফাককিহ ২/১৬১; ইবনু আব্দুল বার তাঁর জামি’ বায়ানিল ইলম গ্রন্থে ১৫১০ নং এ আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হতে এটি বর্ণনা করেছেন; এর সনদও যয়ীফ। দেখুন, আলবানী, যয়ীফাহ ২/১৬১ নং ৭৩৪।

بَابُ مَنْ قَالَ: الْعِلْمُ: الْخَشْيَةُ وَتَقْوَى اللَّهِ

أَخْبَرَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ أَبَانَ، عَنْ يَعْقُوبَ الْقُمِّيِّ، قَالَ: حَدَّثَنِي لَيْثُ بْنُ أَبِي سُلَيْمٍ، عَنْ يَحْيَى هُوَ ابْنُ عَبَّادٍ، عَنْ عَلِيِّ بْنِ أَبِي طَالِبٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ قَالَ: إِنَّ الْفَقِيهَ حَقَّ الْفَقِيهِ، مَنْ لَمْ يُقَنِّطِ النَّاسَ مِنْ رَحْمَةِ اللَّهِ، وَلَمْ يُرَخِّصْ لَهُمْ فِي مَعَاصِي اللَّهِ، وَلَمْ يُؤَمِّنْهُمْ مِنْ عَذَابِ اللَّهِ، وَلَمْ يَدَعِ الْقُرْآنَ رَغْبَةً عنْهُ إِلَى غَيْرِهِ، إِنَّهُ لَا خَيْرَ فِي عِبَادَةٍ لَا عِلْمَ فِيهَا، وَلَا عِلْمٍ لَا فَهْمَ فِيهِ، وَلَا قِرَاءَةٍ لَا تَدَبُّرَ فِيهَا

 

في هذا الإسناد علتان: الأولى: ضعف ليث بن أبي سليم والثانية: الانقطاع يحيى بن عباد بن شيبان لم يدرك عليا فيما نعلم

أخبرنا إسماعيل بن أبان، عن يعقوب القمي، قال: حدثني ليث بن أبي سليم، عن يحيى هو ابن عباد، عن علي بن أبي طالب رضي الله عنه قال: إن الفقيه حق الفقيه، من لم يقنط الناس من رحمة الله، ولم يرخص لهم في معاصي الله، ولم يؤمنهم من عذاب الله، ولم يدع القرآن رغبة عنه إلى غيره، إنه لا خير في عبادة لا علم فيها، ولا علم لا فهم فيه، ولا قراءة لا تدبر فيها في هذا الإسناد علتان: الأولى: ضعف ليث بن أبي سليم والثانية: الانقطاع يحيى بن عباد بن شيبان لم يدرك عليا فيما نعلم

 হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai’f)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৩০৬

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ২৯. যে ব্যক্তি বলেন, ইলম হল আল্লাহর ভয় ও তাক্বওয়া

৩০৬. ইয়াহইয়া ইবনু ’ইবাদ হতে বর্ণিত, তিনি বলেন আলী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন: “সেই আলিমই হলেন প্রকৃত আলিম যিনি লোকদেরকে আল্লাহর রহমত হতে নিরাশ করেন না এবং আল্লাহর আযাব হতে লোকদেরকে নির্ভীকও করেন না। যিনি লোকদেরকে আল্লাহর অবাধ্যতার অনুমতিও দেন না। নিশ্চয়ই ইলমবিহীন ইবাদতের মধ্যে কোনোই কল্যাণ নেই; আর এমন ইলমেও কোনো কল্যাণ নেই, যাতে কোনো উপলব্ধি বা অনুধাবন নেই; আর এমন কুরআন তিলাওয়াতেও কোনো কল্যাণ নেই যার মধ্যে কোনো গভীর চিন্তাভাবনা নেই।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ যয়ীফ।

 

তাখরীজ: পূর্বের হাদীসের টীকা দ্রষ্টব্য।

بَابُ مَنْ قَالَ: الْعِلْمُ: الْخَشْيَةُ وَتَقْوَى اللَّهِ

حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ عَرَفَةَ، حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، عَنْ لَيْثٍ، عَنْ يَحْيَى بْنِ عَبَّادٍ، قَالَ: قَالَ عَلِيٌّ: «الْفَقِيهُ حَقُّ الْفَقِيهِ الَّذِي لَا يُقَنِّطُ النَّاسَ مِنْ رَحْمَةِ اللَّهِ، وَلَا يُؤَمِّنُهُمْ مِنْ عَذَابِ اللَّهِ، وَلَا يُرَخِّصُ لَهُمْ فِي مَعَاصِي اللَّهِ، إِنَّهُ لَا خَيْرَ فِي عِبَادَةٍ لَا عِلْمَ فِيهَا، وَلَا خَيْرَ فِي عِلْمٍ لَا فَهْمَ فِيهِ، وَلَا خَيْرَ فِي قِرَاءَةٍ لَا تَدَبُّرَ فِيهَا

 

إسناده ضعيف

حدثنا الحسن بن عرفة، حدثنا إسماعيل بن إبراهيم، عن ليث، عن يحيى بن عباد، قال: قال علي: «الفقيه حق الفقيه الذي لا يقنط الناس من رحمة الله، ولا يؤمنهم من عذاب الله، ولا يرخص لهم في معاصي الله، إنه لا خير في عبادة لا علم فيها، ولا خير في علم لا فهم فيه، ولا خير في قراءة لا تدبر فيها إسناده ضعيف

 হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai’f)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৩০৭

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ২৯. যে ব্যক্তি বলেন, ইলম হল আল্লাহর ভয় ও তাক্বওয়া

৩০৭. তুবাইয়া বর্ণনা করেন, কা’ব বলেন: আমি (পূর্ববর্তী কিতাবে) এমন এক জাতির গুণাবলীর বর্ণনা পেয়েছি যারা আমলের উদ্দেশ্য ব্যতীত অন্য উদ্দেশ্যে ইলম শিক্ষা করবে; ইবাদত ব্যতীত অন্য উদ্দেশ্যে গভীর জ্ঞান (ফিকহ্) অর্জন করবে; আখিরাতের আমলের দ্বারা দুনিয়া’ (এর ধন-সম্পদ) প্রত্যাশা করবে; ভেড়ার চামড়া পরিধান করবে। আর তাদের হৃদয়সমূহ হবে তেতো গাছ (যথা নিম)-এর তিক্ততার চেয়েও অধিক তিক্ততর। তবে কি তারা আমাকে ধোঁকা দেবে অথবা আমারই সাথে প্রতারণা করবে? আমি আমার সত্তার কসম করে বলছি,[1] অবশ্যই আমি এমন কঠিন ফিতনা তাদের জন্য সহজ করে দেব, যা তাদের মহা ধৈর্য্যশীল বা জ্ঞানী লোকদেরকেও হয়রান করে ছাড়বে।[2]

[1] অপর হাদীস, আবু দারদা হতে (খতীব, ফাকীহ ওয়াল মুতাফাককিহ, ২/১৬২; ইবনু আব্দুল বার, জামি’ বায়ানিল ইলম ১/২৩১; ইবনু আসাকীর, নং ৮; ইবনু নাজ্জার, যাইলুত তারীখ বাগদাদ ২/৩৭) হতে জানা যায় যে, এটি মহান আল্লাহ বাণী হিসেবে বর্ণিত হয়েছে। দেখুন, ফতহুল মান্নান শরহে দারেমী, ২য় খণ্ড পৃ: ৪৭৩; ৩১১ নং হাদীসের টীকা)

 

[2] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: বাইহাকী, শুয়াবুল ঈমান নং ১৯১৮; ইবনু আব্দুল বার, জামি’ বায়ানিল ইলম নং ১১৪১ মুনকাতি’ সনদে। তবে এর অনেক শাহিদ রয়েছে যা একে শক্তিশালী করে।

بَابُ مَنْ قَالَ: الْعِلْمُ: الْخَشْيَةُ وَتَقْوَى اللَّهِ

أَخْبَرَنَا أَبُو النُّعْمَانِ، حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ، عَنْ يَزِيدَ بْنِ حَازِمٍ، حَدَّثَنِي عَمِّي جَرِيرُ بْنُ زَيْدٍ أَنَّهُ سَمِعَ تُبَيْعًا يُحَدِّثُ عَنْ كَعْبٍ، قَالَ: «إِنِّي لَأَجِدُ نَعْتَ قَوْمٍ يَتَعَلَّمُونَ لِغَيْرِ الْعَمَلِ، وَيَتَفَقَّهُونَ لِغَيْرِ الْعِبَادَةِ، وَيَطْلُبُونَ الدُّنْيَا بِعَمَلِ الْآخِرَةِ. وَيَلْبَسُونَ جُلُودَ الضَّأْنِ. وَقُلُوبُهُمْ أَمَرُّ مِنَ الصَّبْرِ، فَبِي يَغْتَرُّونَ، أَوْ إِيَّايَ يُخَادِعُونَ؟ فَحَلَفْتُ بِي لَأُتِيحَنَّ لَهُمْ فِتْنَةً تَتْرُكُ الْحَلِيمَ فِيهَا حَيْرَانَ

 

إسناده صحيح

أخبرنا أبو النعمان، حدثنا حماد بن زيد، عن يزيد بن حازم، حدثني عمي جرير بن زيد أنه سمع تبيعا يحدث عن كعب، قال: «إني لأجد نعت قوم يتعلمون لغير العمل، ويتفقهون لغير العبادة، ويطلبون الدنيا بعمل الآخرة. ويلبسون جلود الضأن. وقلوبهم أمر من الصبر، فبي يغترون، أو إياي يخادعون؟ فحلفت بي لأتيحن لهم فتنة تترك الحليم فيها حيران إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৩০৮

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ২৯. যে ব্যক্তি বলেন, ইলম হল আল্লাহর ভয় ও তাক্বওয়া

৩০৮. আবু ইমরান আল জাওনী বর্ণনা করেন, হারিম ইবনু হাইয়্যান বলতেন: “তোমরা ফাসিক আলিম থেকে বেঁচে থাকো। এরপর এ খবর উমার ইবনুল খাত্ত্বাব রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুর নিকট পৌঁছলে তিনি তাকে লিখে পাঠালেন- ফাসিক আলিম কে? এতে তিনি ভয় পেয়ে গেলেন। তিনি (বর্ণনাকারী) বলেন: হারিম তাকে লিখে পাঠালেন: হে আমীরুল মু’মিনীন! আল্লাহর কসম, এ দ্বারা কল্যাণ ব্যতীত অন্য কোনো উদ্দেশ্য আমার ছিল না। কোন কোন আলিম এমন হবে, যে ইলমসমৃদ্ধ কথা বলবে কিন্তু তার কাজ হবে ফাসিক ব্যক্তির ন্যায়। আর (এভাবে) সে লোকদের মাঝে সন্দেহ সৃষ্টি করবে ফলে তারা পথভ্রষ্ট হয়ে যাবে।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: ইবনু সা’দ, আত তাবাকাত ৭/১/৯৬; যাহাবী, সিয়ারু আ’লাম আন নুবালা ৪/৪৯।

بَابُ مَنْ قَالَ: الْعِلْمُ: الْخَشْيَةُ وَتَقْوَى اللَّهِ

أَخْبَرَنَا بِشْرُ بْنُ الْحَكَمِ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ عَبْدِ الصَّمَدِ الْعَمِّيُّ، حَدَّثَنَا أَبُو عِمْرَانَ الْجَوْنِيُّ، عَنْ هَرِمِ بْنِ حَيَّانَ، أَنَّهُ قَالَ: «إِيَّاكُمْ وَالْعَالِمَ الْفَاسِقَ»، فَبَلَغَ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ – فَكَتَبَ إِلَيْهِ – وَأَشْفَقَ مِنْهَا مَا الْعَالِمُ الْفَاسِقُ؟ قَالَ: فَكَتَبَ إِلَيْهِ هَرِمٌ: يَا أَمِيرَ الْمُؤْمِنِينَ، وَاللَّهِ مَا أَرَدْتُ بِهِ إِلَّا الْخَيْرَ: يَكُونُ إِمَامٌ يَتَكَلَّمُ بِالْعِلْمِ، وَيَعْمَلُ بِالْفِسْقِ، فَيُشَبِّهُ عَلَى النَّاسِ فَيَضِلُّوا

 

إسناده صحيح

أخبرنا بشر بن الحكم، حدثنا عبد العزيز بن عبد الصمد العمي، حدثنا أبو عمران الجوني، عن هرم بن حيان، أنه قال: «إياكم والعالم الفاسق»، فبلغ عمر بن الخطاب رضي الله عنه – فكتب إليه – وأشفق منها ما العالم الفاسق؟ قال: فكتب إليه هرم: يا أمير المؤمنين، والله ما أردت به إلا الخير: يكون إمام يتكلم بالعلم، ويعمل بالفسق، فيشبه على الناس فيضلوا إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৩০৯

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ২৯. যে ব্যক্তি বলেন, ইলম হল আল্লাহর ভয় ও তাক্বওয়া

৩০৯. উবাইদুল্লাহ ইবনু আবুল মুহাজির হতে বর্ণিত, আব্দুল্লাহ ইবনু মাসউদ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন: যে ব্যক্তি তার দীনকে মর্যাদামণ্ডিত করতে চায়, সে যেন সুলতান বা শাসকের নিকট না যায়, আর কখনোই সে যেন নারীদের সাথে একাকী অবস্থান না করে এবং প্রবৃত্তির অনুসারীদের সাথে তর্কে লিপ্ত না হয়।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর বর্ণনাকারীগণ নির্ভরযোগ্য। তবে ওয়ালীদ ইবনু মুসলিম মুদাল্লিস, আর সে ‘আন‘আন’ পদ্ধতিতে এটি বর্ণনা করেছেন। আর এর সনদ মুনকাতি’ বা বিচ্ছিন্ন। আর সম্ভবত এটি মু’দ্বাল (সনদের মাঝে পরপর দুই বা ততোধিক রাবীর নাম বাদ পড়েছে)।

 

তাখরীজ: (এর কোনো তাখরীজ মুহাক্বিক্ব দেননি- অনুবাদক)

بَابُ مَنْ قَالَ: الْعِلْمُ: الْخَشْيَةُ وَتَقْوَى اللَّهِ

أَخْبَرَنَا سَعِيدُ بْنُ الْمُغِيرَةِ، حَدَّثَنَا الْوَلِيدُ بْنُ مُسْلِمٍ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ مُطَرِّفٍ وَعَبْدِ الْعَزِيزِ بْنِ إِسْمَاعِيلَ بْنِ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي الْمُهَاجِرِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَسْعُودٍ قَالَ: «مَنْ أَرَادَ أَنْ يُكْرَمَ دِينُهُ، فَلَا يَدْخُلْ عَلَى السُّلْطَانِ، وَلَا يَخْلُوَنَّ بِالنِّسْوَانِ، وَلَا يُخَاصِمَنَّ أَصْحَابَ الْأَهْوَاءِ

 

رجاله ثقات غير أن الوليد بن مسلم قد عنعن وهو مدلس والإسناد منقطع وربما كان معضلا

أخبرنا سعيد بن المغيرة، حدثنا الوليد بن مسلم، عن محمد بن مطرف وعبد العزيز بن إسماعيل بن عبيد الله بن أبي المهاجر، عن عبد الله بن مسعود قال: «من أراد أن يكرم دينه، فلا يدخل على السلطان، ولا يخلون بالنسوان، ولا يخاصمن أصحاب الأهواء رجاله ثقات غير أن الوليد بن مسلم قد عنعن وهو مدلس والإسناد منقطع وربما كان معضلا

 হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai’f)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৩১০

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ২৯. যে ব্যক্তি বলেন, ইলম হল আল্লাহর ভয় ও তাক্বওয়া

৩১০. ইউনুস রাহি. বলেন, মায়মুন ইবনু মিহরান আমার নিকট লিখে পাঠান: তুমি দীনী বিষয়ে ঝগড়া-বিবাদ ও তর্ক-বিতর্ক করা হতে দূরে থাকবে। আর তুমি কখনোই তর্ক-বিতর্ক করবে না কোনো আলিমের সাথে , আর না কোনো জাহিলের (মুর্খের) সাথে। কেননা, আলিম তো তোমার থেকে তার ইলমকে সংরক্ষণ করবেন, আর তুমি কী আমল করছো, সে ব্যাপারে তিনি পরোয়া করবেন না; আর জাহিল তো তোমার অন্তরকে কঠিন করে ফেলবে[1] অথচ সে তোমার আনুগত্য-অনুসরণও করবে না।[2]

[1] তোমার অন্তরকে ক্রোধান্বিত করবে/ ক্ষেপিয়ে তুলবে। (মুহাক্কিক্বের টীকা)

 

[2] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: আবু নুয়াইম, হিলইয়া, ৪/৮২ সহীহ সনদে;

 

এর কোনো অংশের শাহিদ রয়েছে আবী হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু এর হাদীসে, যা বর্ণনা করেছেন ইবনুল মুবারক, আয যুহদ (৫০); তার সনদে তিরমিযী ২৪০৬, এর সনদে ইয়াহইয়া ইবনু আব্দুল্লাহ রয়েছে, সে পরিত্যক্ত রাবী।

 

এর অপর শাহিদ ইবনু উমার হতে যা তিরমিযী (২৪০৭) বর্ণনা করেছেন। এ সনদে রয়েছে হামযাহ ইবনু আবী মুহাম্মদ আর সে যয়ীফ বা দুর্বল।

 

এর অপর শাহিদ আবী দারদা হতে ইবনু আব্দুল বার তার জামি’ বায়ানিল ইলম-এ ১১৩৯ নং এর বর্ণনা করেছেন। এর সনদও যয়ীফ।

بَابُ مَنْ قَالَ: الْعِلْمُ: الْخَشْيَةُ وَتَقْوَى اللَّهِ

أَخْبَرَنَا سَعِيدُ بْنُ عَامِرٍ، عَنْ إِسْمَاعِيلَ بْنِ إِبْرَاهِيمَ، عَنْ يُونُسَ، قَالَ: كَتَبَ إِلَيَّ مَيْمُونُ بْنُ مِهْرَانَ ” إِيَّاكَ وَالْخُصُومَةَ وَالْجِدَالَ فِي الدِّينِ، وَلَا تُجَادِلَنَّ عَالِمًا، وَلَا جَاهِلًا: أَمَّا الْعَالِمُ، فَإِنَّهُ يَخْزُنُ عَنْكَ عِلْمَهُ وَلَا يُبَالِي مَا صَنَعْتَ، وَأَمَّا الْجَاهِلُ، فَإِنَّهُ يُخَشِّنُ بِصَدْرِكَ وَلَا يُطِيعُكَ

 

إسناده صحيح

أخبرنا سعيد بن عامر، عن إسماعيل بن إبراهيم، عن يونس، قال: كتب إلي ميمون بن مهران ” إياك والخصومة والجدال في الدين، ولا تجادلن عالما، ولا جاهلا: أما العالم، فإنه يخزن عنك علمه ولا يبالي ما صنعت، وأما الجاهل، فإنه يخشن بصدرك ولا يطيعك إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৩১১

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ২৯. যে ব্যক্তি বলেন, ইলম হল আল্লাহর ভয় ও তাক্বওয়া

৩১১. ইয়াহইয়া ইবনু আবী কাছীর হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, সুলাইমান ইবনু দাউদ (আ:) তাঁর পূত্রকে বলেন: তর্ক-বিতর্ক পরিত্যাগ কর, কেননা এতে উপকার খুবই কম। আর তা ভাইদের মাঝে শত্রুতার আগুন প্রজ্জ্বলিত করে।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ মু’দ্বাল।

 

তাখরীজ: এ ব্যতীত এ বিষয়ে আর কোথাও এটি দেখতে পাইনি।

بَابُ مَنْ قَالَ: الْعِلْمُ: الْخَشْيَةُ وَتَقْوَى اللَّهِ

أَخْبَرَنَا أَبُو الْمُغِيرَةِ، حَدَّثَنَا الْأَوْزَاعِيُّ، عَنْ يَحْيَى بْنِ أَبِي كَثِيرٍ، قَالَ: قَالَ سُلَيْمَانُ بْنُ دَاوُدَ عَلَيْهِ السَّلَامُ لِابْنِهِ: «دَعِ الْمِرَاءَ فَإِنَّ نَفْعَهُ قَلِيلٌ، وَهُوَ يُهَيِّجُ الْعَدَاوَةَ بَيْنَ الْإِخْوَانِ

 

إسناده معضل

أخبرنا أبو المغيرة، حدثنا الأوزاعي، عن يحيى بن أبي كثير، قال: قال سليمان بن داود عليه السلام لابنه: «دع المراء فإن نفعه قليل، وهو يهيج العداوة بين الإخوان إسناده معضل

 হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai’f)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৩১২

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ২৯. যে ব্যক্তি বলেন, ইলম হল আল্লাহর ভয় ও তাক্বওয়া

৩১২. ইসমাঈল ইবনু আবী হাকীম বলেন, আমি উমার ইবনু আব্দুল আযীযকে বলতে শুনেছি: যে ব্যক্তি তার দীনকে ঝগড়া-বিবাদের লক্ষ্যবস্তু বানাল, সে বার বার (তার দীনকে) পরিবর্তন করল।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: ইবনু সা’দ, আত তাবাকাত ৫/২৭৩; ইবনু বাত্তাহ, আল ইবানাহ নং ৫৬৬, ৫৬৯, ৫৮০, ৭৬৮,৭৬৯; লালিকাঈ, উসুলুল ই’তিকাদ আহলুস সুন্নাহ নং ২১৬; আজুরী, আশ শরীয়াহ পৃ: ৬২; খতীব, ফাকীহ ওয়াল মুতাফাককিহ ১/২৩৫; ইবনু আব্দুল বার, জামি’ বায়ানিল ইলম নং ১৭৭০; এ সনদ সহীহ।

بَابُ مَنْ قَالَ: الْعِلْمُ: الْخَشْيَةُ وَتَقْوَى اللَّهِ

أَخْبَرَنَا يَحْيَى بْنُ حَسَّانَ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ إِدْرِيسَ، عَنْ إِسْمَاعِيلَ بْنِ أَبِي حَكِيمٍ، قَالَ: سَمِعْتُ عُمَرَ بْنَ عَبْدِ الْعَزِيزِ، «يَقُولُ مَنْ جَعَلَ دِينَهُ غَرَضًا لِلْخُصُومَاتِ، أَكْثَرَ التَّنَقُّلَ

 

إسناده صحيح

أخبرنا يحيى بن حسان، حدثنا عبد الله بن إدريس، عن إسماعيل بن أبي حكيم، قال: سمعت عمر بن عبد العزيز، «يقول من جعل دينه غرضا للخصومات، أكثر التنقل إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৩১৩

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ২৯. যে ব্যক্তি বলেন, ইলম হল আল্লাহর ভয় ও তাক্বওয়া

৩১৩. সাঈদ ইবনু আব্দুল আযীয হতে বর্ণিত, উমার ইবনু আব্দুল আযীয মদীনাবাসীকে লিখে পাঠিয়েছিলেন: যে ব্যক্তি ইলম ব্যতীত ইবাদত করবে, সে নেক আমল করার চেয়ে খারাপ কাজই বেশি করবে। আর যে তার আমলের চেয়ে কথা বেশী হিসাব করে বলবে, তার কথা কমে যাবে। তবে তার জন্য উপকারী বিষয়ে সে কথা বলবে। আর যে ব্যক্তি তার দীনকে ঝগড়া-বিবাদের লক্ষ্যবস্তু বানাবে, তার (মতা/অবস্থা) অধিক হারে পরিবর্তিত হবে।”[1].।

[1] তাহক্বীক্ব: এর রাবীগণ নির্ভরযোগ্য। তবে এতে ‘ইনকিতা’ বা বিচ্ছিন্নতা রয়েছে। সাঈদ্ বিন আব্দুল আযীয উমার ইবনু আব্দুল আযীযের সাক্ষাৎ লাভ করেননি- আমরা যতটা জানি, আল্লাহই সবচেয়ে অধিক জানেন।

 

তাখরীজ: ইবনু্ আব্দুল বার, জামি’ বায়ানিল ইলম নং ১৩২; মুনকাতি সনদে; খতীব, ফাকীহ ওয়াল মুতাফাককিহ ১/১৯ অজ্ঞাত সনদে; আহমদ, আয যুহদ পৃ: ৩০২ যয়ীফ সনদে..

بَابُ مَنْ قَالَ: الْعِلْمُ: الْخَشْيَةُ وَتَقْوَى اللَّهِ

أَخْبَرَنَا مَرْوَانُ بْنُ مُحَمَّدٍ، حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ عَبْدِ الْعَزِيزِ قَالَ: «كَتَبَ عُمَرُ بْنُ عَبْدِ الْعَزِيزِ إِلَى أَهْلِ الْمَدِينَةِ أنَّهُ مَنْ تَعَبَّدَ بِغَيْرِ عِلْمٍ، كَانَ مَا يُفْسِدُ أَكْثَرَ مِمَّا يُصْلِحُ، وَمَنْ عَدَّ كَلَامَهُ مِنْ عَمَلِهِ، قَلَّ كَلَامُهُ إِلَّا فِيمَا يَعْنِيهِ، وَمَنْ جَعَلَ دِينَهُ غَرَضًا لِلْخُصُومَاتِ، كَثُرَ تَنَقُّلُهُ

 

رجاله ثقات غير أنه منقطع سعيد بن عبد العزيز لم يدرك عمر بن عبد العزيز فيما نعلم

أخبرنا مروان بن محمد، حدثنا سعيد بن عبد العزيز قال: «كتب عمر بن عبد العزيز إلى أهل المدينة أنه من تعبد بغير علم، كان ما يفسد أكثر مما يصلح، ومن عد كلامه من عمله، قل كلامه إلا فيما يعنيه، ومن جعل دينه غرضا للخصومات، كثر تنقله رجاله ثقات غير أنه منقطع سعيد بن عبد العزيز لم يدرك عمر بن عبد العزيز فيما نعلم

 হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai’f)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৩১৪

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ২৯. যে ব্যক্তি বলেন, ইলম হল আল্লাহর ভয় ও তাক্বওয়া

৩১৪. জা’ফর ইবনু বুরক্বান বর্ণনা করেন, উমার ইবনু্ আব্দুল আযীয রাহি. বলেন: এক ব্যক্তি তাঁকে প্রবৃত্তি সম্পর্কিত কোনো একটি বিষয়ে প্রশ্ন করলো। তখন তিনি বললেন: (সহজ-সরল) বেদুঈনদের এবং মাদরাসার (অবুঝ) বালকের দীনকে তুমি আকড়ে ধর। এ ব্যতীত আর সকল কিছুকে পরিত্যাগ কর।[1]

আবু মুহাম্মদ বলেন: ’অধিক হারে পরিবর্তিত হওয়া’ অর্থ এক মত থেকে আরেক মতে আসা-যাওয়া করা।

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ মুনকাতি’। জা’ফর ইবনু বুরক্বান উমার ইবনু আব্দুল আযীযের সাক্ষাৎ পাননি।

 

তাখরীজ: লালিকাঈ, শারহু উসুল নং ২৫০।

بَابُ مَنْ قَالَ: الْعِلْمُ: الْخَشْيَةُ وَتَقْوَى اللَّهِ

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ، عَنْ سُفْيَانَ، عَنْ جَعْفَرِ بْنِ بُرْقَانَ، عَنْ عُمَرَ بْنِ عَبْدِ الْعَزِيزِ قَالَ: سَأَلَهُ رَجُلٌ عَنْ شَيْءٍ مِنَ الْأَهْوَاءِ فَقَالَ: «عَلَيْكَ بِدِينِ الْأَعْرَابِيِّ، وَالْغُلَامِ فِي الْكُتَّابِ، وَالْهَ عَمَّا سِوَى ذَلِكَ» قَالَ أَبُو مُحَمَّدٍ: كَثُرَ تَنَقُّلُهُ، أَيْ: يَنْتَقِلُ مِنْ رَأْيٍ إِلَى رَأْيٍ

 

إسناده منقطع جعفر بن برقان لم يدرك عمر بن عبد العزيز

أخبرنا محمد بن يوسف، عن سفيان، عن جعفر بن برقان، عن عمر بن عبد العزيز قال: سأله رجل عن شيء من الأهواء فقال: «عليك بدين الأعرابي، والغلام في الكتاب، واله عما سوى ذلك» قال أبو محمد: كثر تنقله، أي: ينتقل من رأي إلى رأي إسناده منقطع جعفر بن برقان لم يدرك عمر بن عبد العزيز

 হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai’f)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৩১৫

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৩০. প্রবৃত্তি থেকে বেঁচে থাকা সম্পর্কে

৩১৫. আওযাঈ হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, উমার ইবনু আব্দুল আযীয বলেন, যখন কোনো সম্প্রদায়কে দেখবে, তারা সাধারণ্যে গৃহীত বিষয়াবলীর বাইরে গোপণে কিছু করছে, তখন (জানবে) তাদের ভিত্তি পথভ্রষ্টতার উপর প্রতিষ্ঠিত।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ মুনকাতি’। আওযাঈ ইবনু আব্দুল আযীযের সাক্ষাৎ পাননি।

 

তাখরীজ: আহমদ, আয যুহদ পৃ: ২৮৯; লালিকাঈ, শারহু উসুল নং ২৫১; ইবনু আব্দুল বার, জামি’ বায়ানিল ইলম নং ১৭৭৪।

بَابٌ فِي اجْتِنَابِ الْأَهْوَاءِ

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ كَثِيرٍ، عَنِ الْأَوْزَاعِيِّ قَالَ: قَالَ: عُمَرُ بْنُ عَبْدِ الْعَزِيزِ إِذَا رَأَيْتَ قَوْمًا يُنْتِجُونَ بِأَمْرٍ دُونَ عَامَّتِهِمْ، فَهُمْ عَلَى تَأْسِيسِ الضَّلَالَةِ

 

إسناده منقطع الأوزاعي لم يدرك ابن عبد العزيز

أخبرنا محمد بن كثير، عن الأوزاعي قال: قال: عمر بن عبد العزيز إذا رأيت قوما ينتجون بأمر دون عامتهم، فهم على تأسيس الضلالة إسناده منقطع الأوزاعي لم يدرك ابن عبد العزيز

 হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai’f)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৩১৬

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৩০. প্রবৃত্তি থেকে বেঁচে থাকা সম্পর্কে

৩১৬. ইবনুল ‍মুবারক থেকে বর্ণিত, আওযাঈ বলেন, ইবলিস তার সাঙ্গ-পাঙ্গদের বলে: তোমরা বনী আদমের কোন্ কোন্ জিনিস এনেছো? তারা বলে, সবকিছুই তো আমরা নিয়ে এসেছি। সে বলে, তোমরা কি ইস্তিগফার (ক্ষমা প্রার্থনা) ও নিয়ে এসেছো? তারা বলে, হায় হায়! এটি তো এমন বিষয় যা তাওহীদ’ (একত্ববাদ) এর কাছাকাছি। তখন সে বলে, আমি এমন জিনিস তাদের মাঝে ছড়িয়ে দেবো, যা থেকে তারা আল্লাহর নিকট ইস্তিগফার (ক্ষমা প্রার্থনা) করবে না। তিনি বলেন, অতঃপর সে তাদের মাঝে প্রবৃত্তি (ভাল লাগা ও মন্দ লাগা’র অনুসরণকে) ছড়িয়ে দিল।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: লালিকাঈ, আল ই’তিকাদ নং ২৩৭; ফাসাওয়ী ৩/৩৮৯ সহীহ সনদে।

بَابٌ فِي اجْتِنَابِ الْأَهْوَاءِ

أَخْبَرَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ إِسْحَاقَ، عَنِ ابْنِ الْمُبَارَكِ، عَنِ الْأَوْزَاعِيِّ قَالَ: ” قَالَ إِبْلِيسُ لِأَوْلِيَائِهِ: مِنْ أَيِّ شَيْءٍ تَأْتُونَ بَنِي آدَمَ؟ فَقَالُوا: مِنْ كُلِّ شَيْءٍ. قَالَ: فَهَلْ تَأْتُونَهُمْ مِنْ قِبَلِ الِاسْتِغْفَارِ؟ فَقَالُوا: هَيْهَاتَ، ذَاكَ شَيْءٌ قُرِنَ بِالتَّوْحِيدِ. قَالَ: لَأَبُثَّنَّ فِيهِمْ شَيْئًا لَا يَسْتَغْفِرُونَ اللَّهَ مِنْهُ. قَالَ: فَبَثَّ فِيهِمُ الْأَهْوَاءَ

 

إسناده صحيح

أخبرنا إبراهيم بن إسحاق، عن ابن المبارك، عن الأوزاعي قال: ” قال إبليس لأوليائه: من أي شيء تأتون بني آدم؟ فقالوا: من كل شيء. قال: فهل تأتونهم من قبل الاستغفار؟ فقالوا: هيهات، ذاك شيء قرن بالتوحيد. قال: لأبثن فيهم شيئا لا يستغفرون الله منه. قال: فبث فيهم الأهواء إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৩১৭

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৩০. প্রবৃত্তি থেকে বেঁচে থাকা সম্পর্কে

৩১৭. আ’মাশ থেকে বর্ণিত, মুজাহিদ রাহি. বলেন, “আমাকে ইসলামের প্রতি হেদায়েত করা এবং এ প্রবৃত্তি থেকে নিরাপত্তা প্রদান করা”- আমার জন্য এ দু’টি নিয়া’মাতের মাঝে কোনটি মহত্তর, তা আমি জানি না।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর রাবীগণ নির্ভরযোগ্য। কিন্তু আব্দুর রহমান ইবনু মুহাম্মদ আল মুহারিবী মুদাল্লিস, আর তিনি ‘আন‘আন পদ্ধতিতে এটি বর্ণনা করেছেন।

 

তাখরীজ: বা’লী হতে আবু নুয়াইম, হিলইয়া ৩/২৯৩, আমি এ সূত্র সম্পর্কে অবগত নই।

 

আবু কিলাবাহ হতে এর শাহিদ বর্ণিত হয়েছে, লালকাঈ, আল ই’তিক্বাদ নং ২৩০; আবু নুয়াইম, হিলইয়া ২/২১৮।

بَابٌ فِي اجْتِنَابِ الْأَهْوَاءِ

أَخْبَرَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ إِسْحَاقَ، عَنِ الْمُحَارِبِيِّ، عَنِ الْأَعْمَشِ، عَنْ مُجَاهِدٍ قَالَ: مَا أَدْرِي أَيُّ النِّعْمَتَيْنِ عَلَيَّ أَعْظَمُ: أَنْ هَدَانِي لِلْإِسْلَامِ، أَوْ عَافَانِي مِنْ هَذِهِ الْأَهْوَاءِ

 

رجاله ثقات ولكن عبد الرحمن بن محمد المحاربي مدلس وقد عنعن

أخبرنا إبراهيم بن إسحاق، عن المحاربي، عن الأعمش، عن مجاهد قال: ما أدري أي النعمتين علي أعظم: أن هداني للإسلام، أو عافاني من هذه الأهواء رجاله ثقات ولكن عبد الرحمن بن محمد المحاربي مدلس وقد عنعن

 হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai’f)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৩১৮

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৩০. প্রবৃত্তি থেকে বেঁচে থাকা সম্পর্কে

৩১৮. হাব্বাহ ইবনু জুয়াইন হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি আলী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুকে বলতে শুনেছি কিংবা তিনি বলেন, আলী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেছেন: যদি কোনো লোক সর্বদা রোযা রাখে ও সর্বদা সালাত আদায় করে, এরপর সে রুকন (ইয়ামানী) ও মাকাম (ইবরাহীম)-এর মাঝে নিহত হয়, তবে আল্লাহ তা’আলা কিয়ামতের দিন তার হাশর করাবেন সেই ব্যক্তির সাথে যে মনে করে, সে হেদায়েতের উপর রয়েছে।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ যয়ীফ। কেননা, মুসলিম ইবনু আউর যয়ীফ। কিন্তু এর শাহিদ থাকলে একে শক্তিশালী করবে।

 

তাখরীজ: এর কোনো তাখরীজ মুহাক্বিক্ব দেননি – অনুবাদক।

بَابٌ فِي اجْتِنَابِ الْأَهْوَاءِ

أَخْبَرَنَا مُوسَى بْنُ خَالِدٍ، حَدَّثَنَا عِيسَى بْنُ يُونُسَ، عَنِ الْأَعْمَشِ، عَنْ مُسْلِمٍ الْأَعْوَرِ، عَنْ حَبَّةَ بْنِ جُوَيْنٍ، قَالَ سَمِعْتُ عَلِيًّا أَوْ قَالَ: قَالَ عَلِيٌّ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ: «لَوْ أَنَّ رَجُلًا صَامَ الدَّهْرَ كُلَّهُ، وَقَامَ الدَّهْرَ كُلَّهُ، ثُمَّ قُتِلَ بَيْنَ الرُّكْنِ وَالْمَقَامِ، لَحَشَرَهُ اللَّهُ يَوْمَ الْقِيَامَةِ مَعَ مَنْ يُرَى أَنَّهُ كَانَ عَلَى هُدًى

 

أخبرنا موسى بن خالد، حدثنا عيسى بن يونس، عن الأعمش، عن مسلم الأعور، عن حبة بن جوين، قال سمعت عليا أو قال: قال علي رضي الله عنه: «لو أن رجلا صام الدهر كله، وقام الدهر كله، ثم قتل بين الركن والمقام، لحشره الله يوم القيامة مع من يرى أنه كان على هدى

 হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai’f)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৩১৯

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৩০. প্রবৃত্তি থেকে বেঁচে থাকা সম্পর্কে

৩১৯. আবু সাদিক্ব হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, সালমান রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন: কোনো লোক যদি তার মাথা হাজরে আসওয়াদ (কালো পাথর)-এর উপর রাখে, আর দিনে সিয়াম পালন করে এবং রাতে সালাত আদায় করে, তবুও তাকে আল্লাহ কিয়ামতের দিন তার প্রবৃত্তির চাহিদা অনুসারেই পুনরুত্থিত করবেন।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ যয়ীফ। মুহাম্মদ ইবনু হুমাইদ যয়ীফ।

 

তাখরীজ: আগের এবং পরের হাদীসের টীকা দেখুন।

بَابٌ فِي اجْتِنَابِ الْأَهْوَاءِ

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ حُمَيْدٍ، عَنْ هَارُونَ هُوَ ابْنُ الْمُغِيرَةِ، عَنْ شُعَيْبٍ، عَنْ سَلَمَةَ بْنِ كُهَيْلٍ، عَنْ أَبِي صَادِقٍ، قَالَ: قَالَ سَلْمَانُ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ، «لَوْ وَضَعَ رَجُلٌ رَأْسَهُ عَلَى الْحَجَرِ الْأَسْوَدِ، فَصَامَ النَّهَارَ، وَقَامَ اللَّيْلَ، لَبَعَثَهُ اللَّهُ يَوْمَ الْقِيَامَةِ مَعَ هَوَاهُ

 

إسناده ضعيف لضعف محمد بن حميد

أخبرنا محمد بن حميد، عن هارون هو ابن المغيرة، عن شعيب، عن سلمة بن كهيل، عن أبي صادق، قال: قال سلمان رضي الله عنه، «لو وضع رجل رأسه على الحجر الأسود، فصام النهار، وقام الليل، لبعثه الله يوم القيامة مع هواه إسناده ضعيف لضعف محمد بن حميد

 হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai’f)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৩২০

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৩০. প্রবৃত্তি থেকে বেঁচে থাকা সম্পর্কে

৩২০. রবীয়াহ ইবনু নাজিয থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আলী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন: তোমরা মানুষের মাঝে এমন হও, পক্ষীকুলের মাঝে মৌমাছি যেমন। সকল পাখিই তাকে (মৌমাছিকে) তারা সবচেয়ে দুর্বল মনে করে। আর মৌমাছির পেটের মধ্যে কী বরকত নিহিত রয়েছে, তা যদি পাখিরা জানতো, তবে মৌমাছিকে তারা এমন (মনে) করতো না। তোমরা মানুষের সাথে জিহবা (কথা-বার্তা) ও শরীর (লেন-দেন) দ্বারা মেলামেশা কর। কিন্তু তোমাদের আ’মল ও তোমাদের মন দ্বারা তাদের থেকে পৃথক থেকো। কেননা, মানুষের জন্য তো তা-ই রয়েছে যা সে উপার্জন (আ’মল) করে। আর সে যাকে ভালোবাসে, কিয়ামতের দিন সে তার সাথেই থাকবে।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: মুহাক্বিক্ব এর কোনো তাখরীজ করেননি-অনুবাদক।

بَابٌ فِي اجْتِنَابِ الْأَهْوَاءِ

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الصَّلْتِ، حَدَّثَنَا مَنْصُورٌ هُوَ ابْنُ أَبِي الْأَسْوَدِ، عَنِ الْحَارِثِ بْنِ حَصِيرَةَ، عَنْ أَبِي صَادِقٍ الْأَزْدِيِّ، عَنْ رَبِيعَةَ بْنِ نَاجِذٍ، قَالَ: قَالَ عَلِيٌّ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ، ” كُونُوا فِي النَّاسِ كَالنَّحْلَةِ فِي الطَّيْرِ: إِنَّهُ لَيْسَ مِنَ الطَّيْرِ شَيْءٌ إِلَّا وَهُوَ يَسْتَضْعِفُهَا، وَلَوْ يَعْلَمُ الطَّيْرُ مَا فِي أَجْوَافِهَا مِنَ الْبَرَكَةِ، لَمْ يَفْعَلُوا ذَلِكَ بِهَا، خَالِطُوا النَّاسَ بِأَلْسِنَتِكُمْ وَأَجْسَادِكُمْ، وَزَايِلُوهُمْ بِأَعْمَالِكُمْ وَقُلُوبِكُمْ، فَإِنَّ لِلْمَرْءِ مَا اكْتَسَبَ، وَهُوَ يَوْمَ الْقِيَامَةِ مَعَ مَنْ أَحَبَّ

 

إسناده صحيح وهو موقوف على علي

أخبرنا محمد بن الصلت، حدثنا منصور هو ابن أبي الأسود، عن الحارث بن حصيرة، عن أبي صادق الأزدي، عن ربيعة بن ناجذ، قال: قال علي رضي الله عنه، ” كونوا في الناس كالنحلة في الطير: إنه ليس من الطير شيء إلا وهو يستضعفها، ولو يعلم الطير ما في أجوافها من البركة، لم يفعلوا ذلك بها، خالطوا الناس بألسنتكم وأجسادكم، وزايلوهم بأعمالكم وقلوبكم، فإن للمرء ما اكتسب، وهو يوم القيامة مع من أحب إسناده صحيح وهو موقوف على علي

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৩২১

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৩০. প্রবৃত্তি থেকে বেঁচে থাকা সম্পর্কে

৩২১. আওযাঈ যুহরী হতে বর্ণনা করেন, যুহরী (রহঃ) বলতেন: ’উত্তম অভিমত’ ইলম-এর কতই না উত্তম সহযোগী![1]

[1] তাহক্কীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: ইবনু আব্দুল বার, জামি’ বায়ানিল ইলম নং ১৬১৫।

بَابٌ فِي اجْتِنَابِ الْأَهْوَاءِ

أَخْبَرَنَا الْوَلِيدُ بْنُ شُجَاعٍ، حَدَّثَنِي بَقِيَّةُ، عَنِ الْأَوْزَاعِيِّ عَنِ الزُّهْرِيِّ، قَالَ: «نِعْمَ وَزِيرُ الْعِلْمِ، الرَّأْيُ الْحَسَنُ

 

إسناده صحيح

أخبرنا الوليد بن شجاع، حدثني بقية، عن الأوزاعي عن الزهري، قال: «نعم وزير العلم، الرأي الحسن إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৩২২

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৩০. প্রবৃত্তি থেকে বেঁচে থাকা সম্পর্কে

৩২২. মুসলিম থেকে বর্ণিত, তিনি মাসরুক হতে বর্ণনা করেন, মাসরুক বলেন: কোনো লোকের জ্ঞানী হওয়ার জন্য এটাই যথেষ্ট যে, সে আল্লাহকে ভয় করে। আর কোনো লোকের মূর্খ হওয়ার জন্য এটাই যথেষ্ট যে, সে তার ইলমের কারণে বিস্মিত বা আনন্দিত হয়।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ মাওকুফ রূপে সহীহ।

 

তাখরীজ: আবু নুয়াইম, হিলইয়া, ২/৯৫; বাইহাকী, শুয়াবুল ঈমান নং ৭৪৬, ৮৪৮; ইবনু আব্দুল বার, জামি’ বায়ানিল ইলম নং ৯৬২; আহমদ, আয যুহদ পৃ: ১৫৮।

بَابٌ فِي اجْتِنَابِ الْأَهْوَاءِ

أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، حَدَّثَنَا زَائِدَةُ، عَنِ الْأَعْمَشِ، عَنْ مُسْلِمٍ، عَنْ مَسْرُوقٍ قَالَ: «كَفَى بِالْمَرْءِ عِلْمًا أَنْ يَخْشَى اللَّهَ، وَكَفَى بِالْمَرْءِ جَهْلًا أَنْ يُعْجَبَ بِعِلْمِهِ

 

إسناده صحيح موقوفا

أخبرنا أحمد بن عبد الله، حدثنا زائدة، عن الأعمش، عن مسلم، عن مسروق قال: «كفى بالمرء علما أن يخشى الله، وكفى بالمرء جهلا أن يعجب بعلمه إسناده صحيح موقوفا

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৩২৩

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৩০. প্রবৃত্তি থেকে বেঁচে থাকা সম্পর্কে

৩২৩. তিনি বলেন, মাসুরুক্ব আরও বলেছেন:লোকের জন্য সঙ্গত হল, সে তার জন্য একটি বসার স্থান নির্ধারণ করবে, সেখানে সে নির্জনে উপবেশন করবে, অতঃপর সে তার গুনাহসমূহকে স্মরণ করবে এবং আল্লাহ তা’আলার নিকট তার পাপসমূহের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করবে।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ আগের হাদীসের সনদের অনুরূপ। (সহীহ)

 

তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা, আল মুছান্নাফ ১৩/৪০৩ নং ১৬৭২০ সহীহ সনদে; আবু নুয়াইম, হিলইয়া ২/৯৭।

بَابٌ فِي اجْتِنَابِ الْأَهْوَاءِ

قَالَ: وَقَالَ مَسْرُوقٌ «الْمَرْءُ حَقِيقٌ أَنْ يَكُونَ لَهُ مَجَالِسُ يَخْلُو فِيهَا، فَيَذْكُرُ ذُنُوبَهُ، فَيَسْتَغْفِرُ اللَّهَ تَعَالَى مِنْهَا

قال: وقال مسروق «المرء حقيق أن يكون له مجالس يخلو فيها، فيذكر ذنوبه، فيستغفر الله تعالى منها

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৩২৪

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৩১. যিনি অর্থ সঠিক হলে হাদীস বর্ণনার অনুমতি দেন

৩২৪. মাকহুল থেকে বর্ণিত, ওয়াছিলাহ বিন আসক্বা’ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন: আমরা যখন তোমাদের নিকট অর্থের ভিত্তিতে হাদীস বর্ণনা করি, তোমাদের জন্য তা-ই যথেষ্ট হবে।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: আবু খায়ছামাহ, আল ইলম নং ১০৪; খতীব, কিফায়াহ পৃ: ২০৪; তিরমিযী, শারহে ইলালুত তিরমিযী ১/১৪৫ নং ৬৮৫; তাবারাণী, আল কাবীর ২২/৫৪, ৬৫ নং ১২৮, ১৫৮; মুসনাদুশ শামিয়্যীন নং ১৫১০, ১৯৮৩, ৩৪০২; হাকিম ৩/৫৬৯।

بَابُ مَنْ رَخَّصَ فِي الْحَدِيثِ إِذَا أَصَابَ الْمَعْنَى

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ أَبِي خَلَفٍ، حَدَّثَنِي مَعْنٌ، عَنْ مُعَاوِيَةَ بْنِ صَالِحٍ، عَنِ الْعَلَاءِ بْنِ الْحَارِثِ، عَنْ مَكْحُولٍ عَنْ وَاثِلَةَ بْنِ الْأَسْقَعِ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ قَالَ: «إِذَا حَدَّثْنَاكُمْ بِالْحَدِيثِ عَلَى مَعْنَاهُ فَحَسْبُكُمْ

 

إسناده صحيح

أخبرنا محمد بن أحمد بن أبي خلف، حدثني معن، عن معاوية بن صالح، عن العلاء بن الحارث، عن مكحول عن واثلة بن الأسقع رضي الله عنه قال: «إذا حدثناكم بالحديث على معناه فحسبكم إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৩২৫

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৩১. যিনি অর্থ সঠিক হলে হাদীস বর্ণনার অনুমতি দেন

৩২৫. হিশাম হতে বর্ণিত, তিনি ইবনু সীরীন হতে বর্ণনা করেন, ইবনু সীরীন যখন হাদীস বর্ণনা করতেন, তখন তিনি আগে-পিছে করতেন না; আর হাসান যখন হাদীস বর্ণনা করতেন, তখন তিনি আগে-পিছে করতেন।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: এ শব্দে এটি পাইনি। কিন্তু পরবর্তী হাদীসটি দেখুন। আরও দেখুন, মুহাদ্দিসুল ফাসিল নং ৬৮৬, ৬৮৭, ৬৮৯।

بَابُ مَنْ رَخَّصَ فِي الْحَدِيثِ إِذَا أَصَابَ الْمَعْنَى

أَخْبَرَنَا عَاصِمُ بْنُ يُوسُفَ، حَدَّثَنَا فُضَيْلُ بْنُ عِيَاضٍ، عَنْ هِشَامٍ، عَنِ ابْنِ سِيرِينَ، «أَنَّهُ كَانَ إِذَا حَدَّثَ، لَمْ يُقَدِّمْ وَلَمْ يُؤَخِّرْ، وَكَانَ الْحَسَنُ إِذَا حَدَّثَ قَدَّمَ وَأَخَّرَ

 

إسناده صحيح

أخبرنا عاصم بن يوسف، حدثنا فضيل بن عياض، عن هشام، عن ابن سيرين، «أنه كان إذا حدث، لم يقدم ولم يؤخر، وكان الحسن إذا حدث قدم وأخر إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৩২৬

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৩১. যিনি অর্থ সঠিক হলে হাদীস বর্ণনার অনুমতি দেন

৩২৬. জারীর ইবনুল হাযিম বলেন: হাসান এমনভাবে হাদীস বর্ণনা করতেন যাতে মূল (অর্থ) একই হতো, কিন্তু শব্দাবলী ভিন্ন ভিন্ন হতো।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: খতীব, আল কিফায়াহ পৃ: ২০৪ সহীহ সনদে।

بَابُ مَنْ رَخَّصَ فِي الْحَدِيثِ إِذَا أَصَابَ الْمَعْنَى

أَخْبَرَنَا مُسْلِمُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، أَخْبَرَنَا جَرِيرُ بْنُ حَازِمٍ، قَالَ: كَانَ الْحَسَنُ يُحَدِّثُ بِالْحَدِيثِ الْأَصْلُ وَاحِدٌ وَالْكَلَامُ مُخْتَلِفٌ

 

إسناده صحيح

أخبرنا مسلم بن إبراهيم، أخبرنا جرير بن حازم، قال: كان الحسن يحدث بالحديث الأصل واحد والكلام مختلف إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৩২৭

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৩১. যিনি অর্থ সঠিক হলে হাদীস বর্ণনার অনুমতি দেন

৩২৭. উবাইদুল্লাহ ইবনু উমাইর আব্দুল্লাহ ইবনু উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুর নিকট হাদীস বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “মুনাফিকের দৃষ্টান্ত দু’খোয়াড়ের মাঝে অথবা দু’ ছাগলের মাঝে (যাতায়াতকারী) ছাগীর ন্যায়।” এরপর ইবনু উমার বলেন: না, বরং তিনি এমন, এমন বলেছেন। বর্ণনাকারী বলেন: ইবনু উমার নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে কিছু শুনলে তাতে কিছু বৃদ্ধিও করতেন না, আবার তা থেকে কিছু কমাতেনও না, তা লম্বাও করতেন না, আবার তাকে খাটোও করতেন না।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: এর তাখরীজ পূর্ণভাবে দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ২৬৪ ও মুসনাদে হুমাইদী নং ৭০৫ এর তাখরীজে।

بَابُ مَنْ رَخَّصَ فِي الْحَدِيثِ إِذَا أَصَابَ الْمَعْنَى

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ سُوقَةَ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَلِيِّ بْنِ الْحُسَيْنِ، قَالَ: حَدَّثَ عُبَيْدُ بْنُ عُمَيْرٍ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عُمَرَ رضي الله عنه قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَثَلُ الْمُنَافِقِ مَثَلُ الشَّاةِ بَيْنَ الرَّبْضَيْنِ أَوْ بَيْنَ الْغَنَمَيْنِ، فَقَالَ: ابْنُ عُمَرَ لَا، إِنَّمَا قَالَ: كَذَا وَكَذَا، قَالَ: وَكَانَ ابْنُ عُمَرَ إِذَا سَمِعَ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَمْ يَزِدْ فِيهِ، وَلَمْ يُنْقِصْ مِنْهُ، وَلَمْ يُجَاوِزْهُ، وَلَمْ يُقَصِّرْ عَنْهُ

 

إسناده صحيح

أخبرنا محمد بن أحمد، حدثنا سفيان، عن محمد بن سوقة، عن محمد بن علي بن الحسين، قال: حدث عبيد بن عمير عبد الله بن عمر رضي الله عنه قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم مثل المنافق مثل الشاة بين الربضين أو بين الغنمين، فقال: ابن عمر لا، إنما قال: كذا وكذا، قال: وكان ابن عمر إذا سمع النبي صلى الله عليه وسلم لم يزد فيه، ولم ينقص منه، ولم يجاوزه، ولم يقصر عنه إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৩২৮

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৩১. যিনি অর্থ সঠিক হলে হাদীস বর্ণনার অনুমতি দেন

৩২৮. ইবনু আউন থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, শা’বী, নাখঈ ও হাসান হাদীস বর্ণনা করতেন একবার এভাবে, অন্যবার অন্যভাবে (শব্দের ভিন্নতাসহ)।’ তখন আমি একথাটি মুহাম্মদ ইবনু সীরীন-এর নিকট উল্লেখ করলে তিনি বলেন: জেনে রাখ, যদি তারা সেভাবে হাদীস বর্ণনা করতেন যেভাবে তারা শুনেছেন, তাহলে তা-ই তাদের জন্য উত্তম ছিল।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: রমহরমুজী, আল মুহাদ্দিসুল ফাসিল নং ৬৮৯; খতীব, আল কিফায়াহ পৃ: ২০৬।

بَابُ مَنْ رَخَّصَ فِي الْحَدِيثِ إِذَا أَصَابَ الْمَعْنَى

أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ سَعِيدٍ، حَدَّثَنَا ابْنُ عُلَيَّةَ، عَنِ ابْنِ عَوْنٍ، قَالَ: كَانَ الشَّعْبِيُّ، وَالنَّخَعِيُّ، وَالْحَسَنُ يُحَدِّثُونَ بِالْحَدِيثِ مَرَّةً هَكَذَا، وَمَرَّةً هَكَذَا، فَذَكَرْتُ ذَلِكَ لِمُحَمَّدِ بْنِ سِيرِينَ فَقَالَ: «أَمَا إِنَّهُمْ لَوْ حَدَّثُوا بِهِ كَمَا سَمِعُوهُ، كَانَ خَيْرًا لَهُمْ

 

إسناده صحيح

أخبرنا عبد الله بن سعيد، حدثنا ابن علية، عن ابن عون، قال: كان الشعبي، والنخعي، والحسن يحدثون بالحديث مرة هكذا، ومرة هكذا، فذكرت ذلك لمحمد بن سيرين فقال: «أما إنهم لو حدثوا به كما سمعوه، كان خيرا لهم إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৩২৯

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৩১. যিনি অর্থ সঠিক হলে হাদীস বর্ণনার অনুমতি দেন

৩২৯. আবু মা’মার বলেন, আমি হাদীসের ভাষার দিকে লক্ষ্য রেখে হাদীস শুনতাম, এরপর আমি যে ভাষায় শুনতাম সেই ভাষার অনুসরণেই তা বর্ণনা করতাম।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: খতীব, আল কিফায়াহ পৃ: ১৮৬ হাসান ও সহীহ দুটি সনদে ।

بَابُ مَنْ رَخَّصَ فِي الْحَدِيثِ إِذَا أَصَابَ الْمَعْنَى

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْعَلَاءِ، حَدَّثَنَا عَثَّامٌ، عَنِ الْأَعْمَشِ، عَنْ عُمَارَةَ بْنِ عُمَيْرٍ، عَنْ أَبِي مَعْمَرٍ قَالَ: «إِنِّي لَأَسْمَعُ الْحَدِيثَ لَحْنًا فَأَلْحَنُ اتِّبَاعًا لِمَا سَمِعْتُ

 

إسناده صحيح

أخبرنا محمد بن العلاء، حدثنا عثام، عن الأعمش، عن عمارة بن عمير، عن أبي معمر قال: «إني لأسمع الحديث لحنا فألحن اتباعا لما سمعت إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৩৩০

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৩২. ইলম ও আলিমের মর্যাদা

৩৩০. ইবরাহীম ইবনু মায়সারাহ বলেন, মুজাহিদ তাউসকে স্বপ্নে দেখলেন যেন তিনি কা’বার মধ্যে মুখ ঢাকা অবস্থায় সালাত আদায় করছেন, আর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কা’বার দরজায় দাঁড়িয়ে তাকে বলছেন: “হে আব্দুল্লাহ! তোমার মুখের আবরণ খুলে ফেলো এবং সজোরে কিরা’আত করো (কুরআন তিলাওয়াত করো)।” তিনি বলেন: ফলে তিনি এ (স্বপ্নে)’র তা’বীর (ব্যাখ্যা) করলেন ’ইলম’। পরবর্তীতে হাদীসের ক্ষেত্রে সে বিস্তৃত জ্ঞান লাভ করেছিলেন।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ। তবে এটি মুরসাল।

 

তাখরীজ: আবু নুয়াইম, হিলইয়া ৪/৫, সেটিও মুরসাল হিসেবে সহীহ।

بَابٌ فِي فَضْلِ الْعِلْمِ وَالْعَالِمِ

أَخْبَرَنَا بِشْرُ بْنُ الْحَكَمِ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ بْنِ مَيْسَرَةَ، قَالَ: رَأَى مُجَاهِدٌ طاوُوسًا فِي الْمَنَامِ كَأَنَّهُ فِي الْكَعْبَةِ يُصَلِّي مُتَقَنِّعًا، وَالنَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَلَى بَابِ الْكَعْبَةِ فَقَالَ لَهُ «يَا عَبْدَ اللَّهِ اكْشِفْ قِنَاعَكَ وَأَظْهِرْ قِرَاءَتَكَ» قَالَ: «فَكَأَنَّهُ عَبَّرَهُ عَلَى الْعِلْمِ، فَانْبَسَطَ بَعْدَ ذَلِكَ فِي الْحَدِيثِ

 

إسناده صحيح غير أنه مرسل

أخبرنا بشر بن الحكم، حدثنا سفيان، عن إبراهيم بن ميسرة، قال: رأى مجاهد طاووسا في المنام كأنه في الكعبة يصلي متقنعا، والنبي صلى الله عليه وسلم على باب الكعبة فقال له «يا عبد الله اكشف قناعك وأظهر قراءتك» قال: «فكأنه عبره على العلم، فانبسط بعد ذلك في الحديث إسناده صحيح غير أنه مرسل

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৩৩১

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৩২. ইলম ও আলিমের মর্যাদা

৩৩১. আব্দুল্লাহ ইবনু যামরাহ হতে বর্ণিত, তিনি কা’ব হতে বর্ণনা করেন, কা’ব বলেন: দুনিয়া ও এর মধ্যে যা কিছু আছে- সবকিছুই অভিশপ্ত, কেবল কল্যাণকর বিষয়ে শিক্ষা অর্জনকারী এবং কল্যাণের শিক্ষা দানকারী ব্যতীত।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ হাসান।

 

তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা, ১৩/৫৩৪ নং ১৭১৮১; তিরমিযী ২৩২৩; ইবনু মাজাহ ৪১১২; উকাইলী, আদ দু’আফা ২/৪২৬; বাইহাকী, শুয়াব নং ১৭০৮; ইবনুল জাউযী, আল ইলালুল মুতানাহিয়্যাহ নং ১৩৩০: অনেকগুলো সনদে, মারফু’ হিসেবে যেখানে রয়েছে: আবু হুরায়রা হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসুলূল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বলতে শুনেছি: “দুনিয়া ও এর মধ্যে যা কিছু আছে, এ সবকিছুই অভিশপ্ত কেবল আল্লাহর যিকর ও এ সংশ্লিষ্ট যা কিছু আছে, কিংবা আলিম ও ইলম শিক্ষাদানাকারী ব্যতীত।” তিরমিযী বলেন, এ হাদীস হাসান গারীব।’ দেখুন, তারগীব ওয়াত তারহীব ১/৯৮ ও মাজমাউয যাওয়াইদ নং ৪৯৯। ফলে তা এ হাদীসের শাহিদ ।

بَابٌ فِي فَضْلِ الْعِلْمِ وَالْعَالِمِ

أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدٍ، حَدَّثَنَا ابْنُ يَمَانٍ، عَنِ ابْنِ ثَوْبَانَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ ضَمْرَةَ، عَنْ كَعْبٍ قَالَ: «الدُّنْيَا مَلْعُونَةٌ مَلْعُونٌ مَا فِيهَا إِلَّا مُتَعَلِّمَ خَيْرٍ أَوْ مُعَلِّمَهُ

 

إسناده حسن يحيى بن يمان حسن الحديث فيما لم يخالف فيه

أخبرنا عبد الله بن محمد، حدثنا ابن يمان، عن ابن ثوبان، عن أبيه، عن عبد الله بن ضمرة، عن كعب قال: «الدنيا ملعونة ملعون ما فيها إلا متعلم خير أو معلمه إسناده حسن يحيى بن يمان حسن الحديث فيما لم يخالف فيه

 হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৩৩২

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৩২. ইলম ও আলিমের মর্যাদা

৩৩২. খালিদ ইবনু মা’দান বলেন: মানুষ (এ দু’ প্রকারের): আলিম ও ইলম শিক্ষার্থী; এ দু’য়ের মাঝে রয়েছে নির্বোধ লোকজন- তাদের মাঝে কোনো কল্যাণ নেই।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ যয়ীফ, কারণ মুহাম্মদ ইবনু কাছীর বিন আবী আতা যয়ীফ। (এর মারফু’ সহীহ শাহিদ হাদীসের কারণে সহীহ- যা তাখরীজে উল্লেখ আছে।-অনুবাদক)

 

তাখরীজ: কিন্তু এর শাহিদ রয়েছে ইবনু মাসউদ কর্তৃক বর্ণিত মারফু’ হাদীসে যা আমরা আমাদের তাহক্বীক্বকৃত মাওয়ারিদুয যাম’আন, নং ৪৯৮ এ বিস্তারিত বর্ণনা করেছি।

 

এছাড়া আবু দারাদা’ হতেও এটি মারফু’ হিসেবে বর্ণিত হয়েছে যা মাজমাউয যাওয়াইদ নং ৫০০ তে আমরা বিস্তারিত তাখরীজ করেছি। এছাড়া এটি রয়েছে আহমদ, আয যুহদ পৃ: ১৩৬; ইবনু আব্দুল বার, জামি’ বায়ানিল ইলম নং ১১৪ আবু দারদা’ হতে….. এ সনদ সহীহ, যদি খালিদ আবূ দারদা রা: হতে শুনে থাকেন।

بَابٌ فِي فَضْلِ الْعِلْمِ وَالْعَالِمِ

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ كَثِيرٍ، عَنِ الْأَوْزَاعِيِّ، عَنْ بَحِيرِ بْنِ سَعْدٍ، عَنْ خَالِدِ بْنِ مَعْدَانَ، قَالَ: «النَّاسُ عَالِمٌ وَمُتَعَلِّمٌ، وَمَا بَيْنَ ذَلِكَ هَمَجٌ لَا خَيْرَ فِيهِ

 

إسناده ضعيف لضعف محمد بن كثير بن أبي عطاء

أخبرنا محمد بن كثير، عن الأوزاعي، عن بحير بن سعد، عن خالد بن معدان، قال: «الناس عالم ومتعلم، وما بين ذلك همج لا خير فيه إسناده ضعيف لضعف محمد بن كثير بن أبي عطاء

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৩৩৩

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৩২. ইলম ও আলিমের মর্যাদা

৩৩৩. হিশাম হতে বর্ণিত হাসান রাহি. বলেন: তারা বলতেন: “আলিমের মৃত্যু হলো ইসলামের মধ্যে এমন এক শুন্যস্থান, যা কোন কিছুতেই পূরণ হবে না- যতদিন দিন-রাত আবর্তিত হতে থাকবে (কিয়ামত পর্যন্ত)।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: আহমদ, আয যুহদ পৃ: ২৬২; ইবনু আব্দুল বার, জামি’ বায়ানিল ইলম নং ১০২১; বাইহাকী, শুয়াবুল ঈমান নং ১৭১৯;

 

এছাড়া আয়িশা রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে এটি মারফু’ হিসেবে বর্ণিত হয়েছে যা আমরা তাখরীজ করেছি মাজমাউয যাওয়াইদ নং ৯৯৯, এর সনদে অভিযুক্ত রাবী রয়েছে।

 

এছাড়া জাবির ও আবু দারদা হতেও এ হাদীস মারফু’ হিসেবে বর্ণিত হয়েছে। কিন্তু তাতে আনন্দের কিছু নেই। আমরা এগুলো তাখরীজ করেছি মাজমাউয যাওয়াইদ নং ১০০১ এ।

بَابٌ فِي فَضْلِ الْعِلْمِ وَالْعَالِمِ

أَخْبَرَنَا بِشْرُ بْنُ الْحَكَمِ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ رَجَاءٍ، عَنْ هِشَامٍ، عَنِ الْحَسَنِ قَالَ: كَانُوا يَقُولُونَ: «مَوْتُ الْعَالِمِ ثُلْمَةٌ فِي الْإِسْلَامِ لَا يَسُدُّهَا شَيْءٌ مَا اخْتَلَفَ اللَّيْلُ وَالنَّهَارُ

 

إسناده صحيح

أخبرنا بشر بن الحكم، حدثنا عبد الله بن رجاء، عن هشام، عن الحسن قال: كانوا يقولون: «موت العالم ثلمة في الإسلام لا يسدها شيء ما اختلف الليل والنهار إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৩৩৪

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৩২. ইলম ও আলিমের মর্যাদা

৩৩৪. মুনযির ইবনু নু’মান ওয়াহাব ইবনু মুনাব্বিহ হতে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: যে সময়টুকু ইলম সম্পর্কে আলোচনা-পর‌্যালোচনা করা হয়, সেই পরিমাণ সময় (নফল) সালাত আদায় করার চেয়েও তা আমার নিকট অধিক প্রিয়। হয়তো তাদের কেউ এমন কথা শুনবে যা দ্বারা সে এক বছর কিংবা যতদিন সে বেঁচে থাকবে ততদিন পর্যন্ত উপকৃত হতে থাকবে।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: মুহাক্বিক্ব এর কোনো তাখরীজ করেননি- অনুবাদক।

بَابٌ فِي فَضْلِ الْعِلْمِ وَالْعَالِمِ

أَخْبَرَنَا يُوسُفُ بْنُ مُوسَى، حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ مُوسَى، أَنبَأَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْحَسَنِ الصَّنْعَانِيُّ، حَدَّثَنَا مُنْذِرٌ هُوَ ابْنُ النُّعْمَانِ، عَنْ وَهْبِ بْنِ مُنَبِّهٍ، قَالَ: «مَجْلِسٌ يُتَنَازَعُ فِيهِ الْعِلْمُ أَحَبُّ إِلَيَّ مِنْ قَدْرِهِ صَلَاةً، لَعَلَّ أَحَدَهُمْ يَسْمَعُ الْكَلِمَةَ فَيَنْتَفِعُ بِهَا سَنَةً أَوْ مَا بَقِيَ مِنْ عُمُرِهِ

 

إسناده صحيح

أخبرنا يوسف بن موسى، حدثنا إبراهيم بن موسى، أنبأنا محمد بن الحسن الصنعاني، حدثنا منذر هو ابن النعمان، عن وهب بن منبه، قال: «مجلس يتنازع فيه العلم أحب إلي من قدره صلاة، لعل أحدهم يسمع الكلمة فينتفع بها سنة أو ما بقي من عمره إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৩৩৫

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৩২. ইলম ও আলিমের মর্যাদা

৩৩৫. ওয়াকী’ হতে বর্ণিত, সুফিয়ান বলেন: ইলমের মাধ্যমে আল্লাহ যার কল্যাণ করতে চান, তার জন্য জ্ঞান অর্জন করা ও তা স্মরণ রাখার চেয়ে উত্তম কোনো আমলের কথা আমি জানি না।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: আবু নুয়াইম, হিলইয়া ৬/৩৬৩; ইবনু আব্দুল বার, জামি’ বায়ানিল ইলম নং ৯৯, ১০০ সুফিয়ান থেকে বর্ণনা করেছেন, “ফরয আমলসমূহের পরে জ্ঞানার্জনের চেয়ে উত্তম কোনো আমল নেই।”

بَابٌ فِي فَضْلِ الْعِلْمِ وَالْعَالِمِ

أَخْبَرَنَا يَعْقُوبُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، أَنبَأَنَا وَكِيعٌ، قَالَ: قَالَ سُفْيَانُ: «مَا أَعْلَمُ عَمَلًا أَفْضَلَ مِنْ طَلَبِ الْعِلْمِ وَحِفْظِهِ لِمَنْ أَرَادَ اللَّهَ تَعَالَى بِهِ خَيْرًا

 

إسناده صحيح

أخبرنا يعقوب بن إبراهيم، أنبأنا وكيع، قال: قال سفيان: «ما أعلم عملا أفضل من طلب العلم وحفظه لمن أراد الله تعالى به خيرا إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৩৩৬

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৩২. ইলম ও আলিমের মর্যাদা

৩৩৬. তিনি আরও বলেন, হাসান ইবনু সালিহ বলেছেন: লোকেরা যেভাবে তাদের দুনিয়াবী (পার্থিব) বিষয়ে খাদ্য ও পানীয়ের মুখাপেক্ষী, ঠিক তেমনিভাবে তারা তাদের দীনের বিষয়ে এ ইলমের মুখাপেক্ষী।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ। এ সনদ পূর্বের হাদীসের অনুরূপ।

 

তাখরীজ: খতীব, শরফু আসহাবিল হাদীস নং ১৭৮।

بَابٌ فِي فَضْلِ الْعِلْمِ وَالْعَالِمِ

وقَالَ: قَالَ الْحَسَنُ بْنُ صَالِحٍ، «إِنَّ النَّاسَ لَيَحْتَاجُونَ إِلَى هَذَا الْعِلْمِ فِي دِينِهِمْ، كَمَا يَحْتَاجُونَ إِلَى الطَّعَامِ وَالشَّرَابِ فِي دُنْيَاهُمْ

وقال: قال الحسن بن صالح، «إن الناس ليحتاجون إلى هذا العلم في دينهم، كما يحتاجون إلى الطعام والشراب في دنياهم

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৩৩৭

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৩২. ইলম ও আলিমের মর্যাদা

৩৩৭. সালিম ইবনু আবুল জা’দ বলেন, আবু দারদা’ বলেছেন, ইলম উঠিয়ে নেওয়ার পূর্বেই তোমরা ইলম শিক্ষা কর। আর ইলমকে উঠিয়ে নেওয়ার অর্থ হলো আলিমগণকে উঠিয়ে নেয়া। আর আলিম ও ইলম শিক্ষার্থী সাওয়াবের দিক দিয়ে সমান।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ বিচ্ছিন্নতার কারণে যয়ীফ।।

 

তাখরীজ: ইবনু আবু শায়বাহ, ৮/৭৩০ নং ৬১৭২; আর ২৫১ নং এ এটি গত হয়েছে, পূর্ণ তাখরীজের জন্য সেখানে দেখুন।

بَابٌ فِي فَضْلِ الْعِلْمِ وَالْعَالِمِ

أَخْبَرَنَا أَبُو نُعَيْمٍ، وَجَعْفَرُ بْنُ عَوْنٍ، قَالَا: حَدَّثَنَا مِسْعَرٌ، عَنْ عَمْرِو بْنِ مُرَّةَ، عَنْ سَالِمِ بْنِ أَبِي الْجَعْدِ، قَالَ قَالَ: أَبُو الدَّرْدَاءِ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ، «تَعَلَّمُوا قَبْلَ أَنْ يُقْبَضَ الْعِلْمُ. فَإِنَّ قَبْضَ الْعِلْمِ قَبْضُ الْعُلَمَاءِ، وَإِنَّ الْعَالِمَ وَالْمُتَعَلِّمَ فِي الْأَجْرِ سَوَاءٌ

 

إسناده ضعيف لانقطاعه

أخبرنا أبو نعيم، وجعفر بن عون، قالا: حدثنا مسعر، عن عمرو بن مرة، عن سالم بن أبي الجعد، قال قال: أبو الدرداء رضي الله عنه، «تعلموا قبل أن يقبض العلم. فإن قبض العلم قبض العلماء، وإن العالم والمتعلم في الأجر سواء إسناده ضعيف لانقطاعه

 হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai’f)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৩৩৮

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৩২. ইলম ও আলিমের মর্যাদা

৩৩৮. আবু আব্দুল্লাহ আল খুরাসানী থেকে বর্ণিত, তিনি দাহহাক থেকে বর্ণনা করেন, (وَلَكِنْ كُونُوا رَبَّانِيِّينَ بِمَا كُنْتُمْ تُعَلِّمُونَ الْكِتَابَ) (এ আয়াতের ব্যাখ্যায়) তিনি বলেন: যে ব্যক্তি কুরআন পাঠ করে, তার উপর জরুরী হলো যে, সে একজন ফকীহ (বিশেষ জ্ঞানী) হবে।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: … এটি ইবনু হিব্বানের শর্তানুযায়ী (সহীহ)। (আবু আব্দুল্লাহ আল খুরাসানী বাদে) অন্যান্য বর্ণনাকারী গণ নির্ভরযোগ্য।

 

তাখরীজ: দাওলাবী, আল কুন্নী ২/৬১ ….।

بَابٌ فِي فَضْلِ الْعِلْمِ وَالْعَالِمِ

أَخْبَرَنَا هَارُونُ بْنُ مُعَاوِيَةَ، عَنْ حَفْصِ بْنِ غِيَاثٍ، عَنْ أَبِي عَبْدِ اللَّهِ الْخُرَاسَانِيِّ، عَنِ الضَّحَّاكِ، (وَلَكِنْ كُونُوا رَبَّانِيِّينَ بِمَا كُنْتُمْ تُعَلِّمُونَ الْكِتَابَ) [آل عمران: 79] قَالَ: حَقٌّ عَلَى كُلِّ مَنْ قَرَأَ الْقُرْآنَ، أَنْ يَكُونَ فَقِيهًا

 

لم يحكم عليه المحقق

أخبرنا هارون بن معاوية، عن حفص بن غياث، عن أبي عبد الله الخراساني، عن الضحاك، (ولكن كونوا ربانيين بما كنتم تعلمون الكتاب) [آل عمران: 79] قال: حق على كل من قرأ القرآن، أن يكون فقيها لم يحكم عليه المحقق

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৩৩৯

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৩২. ইলম ও আলিমের মর্যাদা

৩৩৯. আশ’আস ইবনু সিওয়ার, হাসান হতে বর্ণনা করেন, (لَوْلَا يَنْهَاهُمُ الرَّبَّانِيُّونَ وَالْأَحْبَارُ) হাসান বলেন: তারা হলেন বিজ্ঞ আলিমগণ।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ যয়ীফ। আশ’আস ইবনু সিওয়ার যয়ীফ।

 

তাখরীজ: এটি এ ব্যতীত অন্য কোথাও পাইনি। তবে আগের এবং পরের হাদীস দু’টি দেখুন।

بَابٌ فِي فَضْلِ الْعِلْمِ وَالْعَالِمِ

أَخْبَرَنَا هَارُونُ بْنُ مُعَاوِيَةَ، عَنْ حَفْصٍ، عَنْ أَشْعَثَ بْنِ سَوَّارٍ، عَنِ الْحَسَنِ، (لَوْلَا يَنْهَاهُمُ الرَّبَّانِيُّونَ وَالْأَحْبَارُ) [المائدة: 63] قَالَ: الْحُكَمَاءُ الْعُلَمَاءُ

 

إسناده ضعيف لضعف أشعث بن سوار

أخبرنا هارون بن معاوية، عن حفص، عن أشعث بن سوار، عن الحسن، (لولا ينهاهم الربانيون والأحبار) [المائدة: 63] قال: الحكماء العلماء إسناده ضعيف لضعف أشعث بن سوار

 হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai’f)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৩৪০

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৩২. ইলম ও আলিমের মর্যাদা

৩৪০. আতা ইবনু সাইব হতে, তিনি সাঈদ ইবনু জুবাইর হতে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: (كُونُوا رَبَّانِيِّينَ) (আল্লাহওয়ালা’রা হয়ে যাও।” সুরাহ: আলে ইমরাণ: ৭৯)  অর্থাৎ ফকীহ (বিশেষজ্ঞ) আলিমগণ।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর রাবীগণ নির্ভরযোগ্য। তবে আবু ইসহাক আতা হতে, তার স্মৃতি গোলমাল হওয়ার পূর্বে যারা হাদীস শুনেছেন, তাদের মধ্যে তার উল্লেখ পাওয়া যায় না।

 

তাখরীজ: তাবারী, আত তাফসীর ৩/৩২৭; বাইহাকী, শুয়াবুল ঈমান নং ১৮৫৬; খতীব, ফকীহ ওয়াল মুতাফাককিহ ১/৫১।

بَابٌ فِي فَضْلِ الْعِلْمِ وَالْعَالِمِ

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عُيَيْنَةَ، عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ الْفَزَارِيِّ، عَنْ عَطَاءِ بْنِ السَّائِبِ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ، قَالَ: (كُونُوا رَبَّانِيِّينَ) [آل عمران: 79] قَالَ: عُلَمَاءُ فُقَهَاءُ

أخبرنا محمد بن عيينة، عن أبي إسحاق الفزاري، عن عطاء بن السائب، عن سعيد بن جبير، قال: (كونوا ربانيين) [آل عمران: 79] قال: علماء فقهاء

 হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai’f)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৩৪১

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৩২. ইলম ও আলিমের মর্যাদা

৩৪১. উবাইদুল্লাহ্ বিন সাঈদ বলেছেন, আমি সুফইয়ান ইবনু উয়াইনাকে বলতে শুনেছি: ইলম বলতে বুঝায় হিফজ করা ((মুখস্ত/স্মরণ রাখা), আমল করা, মনোযোগ সহকারে শোনা, চুপ থাকা এবং তা প্রচার-প্রসার করা।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: বাইহাকী, শুয়াবুল ঈমান নং ১৭৯৭; আবু নুয়াইম, হিলইয়া ৭/২৭৪; কাযী আয়ায, আল ইলমা’ পৃ: ২২১; ইবনু আব্দুল বারর, জামি’ বায়ানিল ইলম নং ৭৬০,৭৬১ (শব্দের ক্রমের কমবেশিসহ।)

بَابٌ فِي فَضْلِ الْعِلْمِ وَالْعَالِمِ

أَخْبَرَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ سَعِيدٍ، قَالَ: سَمِعْتُ سُفْيَانَ بْنَ عُيَيْنَةَ، يَقُولُ: «يُرَادُ لِلْعِلْمِ الْحِفْظُ، وَالْعَمَلُ، وَالِاسْتِمَاعُ، وَالْإِنْصَاتُ، وَالنَّشْرُ

 

رجاله ثقات غير أن أبا إسحاق إبراهيم بن محمد ابن الحارث ليس مذكورا فيمن سمعوا من عطاء قبل اختلاطه

أخبرنا عبيد الله بن سعيد، قال: سمعت سفيان بن عيينة، يقول: «يراد للعلم الحفظ، والعمل، والاستماع، والإنصات، والنشر رجاله ثقات غير أن أبا إسحاق إبراهيم بن محمد ابن الحارث ليس مذكورا فيمن سمعوا من عطاء قبل اختلاطه

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৩৪২

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৩২. ইলম ও আলিমের মর্যাদা

৩৪২. আহমদ ইবনু মুহাম্মদ হতে বর্ণিত, সুফইয়ান ইবনু উয়াইনা বলেন: সবচেয়ে জাহিল (মুর্খ) হলো ঐ ব্যক্তি, যে সে যা জানে তা (আ’মাল করা) ছেড়ে দেয়। আর সর্বাধিক জ্ঞানী ঐ ব্যক্তি, যে সে যা জানে সেই অনুযায়ী আ’মাল করে। আর সর্বশ্রেষ্ঠ হলেন সেই ব্যক্তি যে আল্লাহ আযযা ওয়া জাল্লা’র জন্য সবচেয়ে বিনীত।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: এ বিষয়ে আর কিছু আমি পাইনি।

بَابٌ فِي فَضْلِ الْعِلْمِ وَالْعَالِمِ

قَالَ: وأخْبرني مُحَمَّدٌ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ، عَنْ سُفْيَانَ بْنِ عُيَيْنَةَ قَالَ: «أَجْهَلُ النَّاسِ مَنْ تَرَكَ مَا يَعْلَمُ، وَأَعْلَمُ النَّاسِ مَنْ عَمِلَ بِمَا يَعْلَمُ، وَأَفْضَلُ النَّاسِ أَخْشَعَهُمْ لِلَّهِ عَزَّ وَجَلَّ

 

إسناده صحيح

قال: وأخبرني محمد أبو عبد الله، عن سفيان بن عيينة قال: «أجهل الناس من ترك ما يعلم، وأعلم الناس من عمل بما يعلم، وأفضل الناس أخشعهم لله عز وجل إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৩৪৩

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৩২. ইলম ও আলিমের মর্যাদা

৩৪৩. হাসান বলেন, দু’ প্রকারের ক্ষুধার্ত (লোভী) ব্যক্তি কখনও পরিতৃপ্ত হয় না। ১. ’ইলমের প্রতি ক্ষুধার্ত (জ্ঞান অনুসন্ধানী) সে কখনও পরিতৃপ্ত হয় না এবং দুনিয়া’র প্রতি ক্ষুধার্ত (লোভী) সেও কথনও পরিতৃপ্ত হয় না। আর আখিরাতই যার উদ্বেগ-আগ্রহ, অস্থিরতা ও বিষন্নতা (এর কেন্দ্রবিন্দু), আল্লাহই তার সকল (দুনিয়াবী) ক্ষতির বিরুদ্ধে যথেষ্ট হয়ে যান এবং তিনি তার অন্তরকে মুখাপেক্ষীহীন (অভাবমুক্ত) করেন। আর দুনিয়াই যার সকল উদ্বেগ-আগ্রহ, অস্থিরতা ও বিষন্নতা (এর কেন্দ্রবিন্দু), আল্লাহ তার (দুনিয়াবী) ক্ষতি বাড়িয়ে দেন এবং তার দু’চোখের মাঝে দারিদ্রকে স্থাপন করেন। ফলে সে সকাল করবে দরিদ্র হিসেবে এবং সন্ধ্যাও অতিবাহিত করবে দরিদ্র হিসেবেই (দরিদ্র হিসেবেই জীবন যাপন করতে থাকবে)।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: হাসান পর্যন্ত এর সনদ সহীহ। এটি তার কথা। কিন্তু ইবনু আদী (আল কামিল, ৬/২২৯৮) হাসান সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হতে এটি বর্ণনা করেছেন। আর এটি মুরসাল। দেখুন পরবর্তী টীকা।

بَابٌ فِي فَضْلِ الْعِلْمِ وَالْعَالِمِ

أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ جَعْفَرٍ الرَّقِّيُّ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو، عَنْ زَيْدٍ هُوَ ابْنُ أَبِي أُنَيْسَةَ، عَنْ سَيَّارٍ، عَنِ الْحَسَنِ، قَالَ: ” مَنْهُومَانِ لَا يَشْبَعَانِ: مَنْهُومٌ فِي الْعِلْمِ لَا يَشْبَعُ مِنْهُ، وَمَنْهُومٌ فِي الدُّنْيَا لَا يَشْبَعُ مِنْهَا، فَمَنْ تَكُنِ الْآخِرَةُ هَمَّهُ، وَبَثَّهُ، وَسَدَمَهُ، يَكْفِي اللَّهُ ضَيْعَتَهُ، وَيَجْعَلُ غِنَاهُ فِي قَلْبِهِ، وَمَنْ تَكُنِ الدُّنْيَا هَمَّهُ، وَبَثَّهُ، وَسَدَمَهُ، يُفْشِي اللَّهُ عَلَيْهِ ضَيْعَتَهُ، وَيَجْعَلُ فَقْرَهُ بَيْنَ عَيْنَيْهِ، ثُمَّ لَا يُصْبِحُ إِلَّا فَقِيرًا، وَلَا يُمْسِي إِلَّا فَقِيرًا

 

إسناده صحيح إلى الحسن

أخبرنا عبد الله بن جعفر الرقي، عن عبيد الله بن عمرو، عن زيد هو ابن أبي أنيسة، عن سيار، عن الحسن، قال: ” منهومان لا يشبعان: منهوم في العلم لا يشبع منه، ومنهوم في الدنيا لا يشبع منها، فمن تكن الآخرة همه، وبثه، وسدمه، يكفي الله ضيعته، ويجعل غناه في قلبه، ومن تكن الدنيا همه، وبثه، وسدمه، يفشي الله عليه ضيعته، ويجعل فقره بين عينيه، ثم لا يصبح إلا فقيرا، ولا يمسي إلا فقيرا إسناده صحيح إلى الحسن

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৩৪৪

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৩২. ইলম ও আলিমের মর্যাদা

৩৪৪. আউন বলেন, আব্দুল্লাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন: দু’ প্রকারের ক্ষুধার্ত (লোভী) ব্যক্তি কখনও পরিতৃপ্ত হয় না। জ্ঞানী ব্যক্তি ও দুনিয়াদার ব্যক্তি। তবে তারা দু’জন সমান নয়। জ্ঞানবান ব্যক্তির ক্ষেত্রে তা দয়াময় আল্লাহর সন্তুষ্টি বাড়িয়ে দেয়। আর দুনিয়াদার ব্যক্তির ব্যাপার হলো, (দুনিয়ার পিছনে পড়ে) সে অবাধ্যতার সীমা ছাড়িয়ে যায়। অতঃপর আব্দুল্লাহ রাদিয়াল্লাহু আনহু তিলাওয়াত করলেন:

كَلَّا إِنَّ الْإِنْسَانَ لَيَطْغَى أَنْ رَآهُ اسْتَغْنَى

(অর্থ: কখনও নয়, মানুষ তো সীমালঙ্ঘন করেই থাকে, কারণ সে নিজেকে অভাবমুক্ত মনে করে।” (সূরা আলাক্ব: ৬-৭)

তিনি (বর্ণনাকারী) বলেন: তিনি আরও বলেন,

إِنَّمَا يَخْشَى اللَّهَ مِنْ عِبَادِهِ الْعُلَمَاءُ

অর্থ: আল্লাহর বান্দাদের মধ্যে আলিমগণই আল্লাহ তায়ালাকে সবচেয়ে বেশি ভয় করে।- (সূরা ফাতির: ২৮)[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ ’মুনক্বাতি’ বা বিচ্ছিন্ন। আওন আব্দুল্লাহ ইবনু মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে ইরসাল করেছেন। এটি মুরসাল। কিন্তু তাবারানী, আল কাবীর ১০/২২৩ নং ১০৩৮৮ এটিকে (মাওসুল) সংযুক্ত করেছেন। তবে এর সনদও যয়ীফ।

 

তাখরীজ: আমরা এর তাখরীজ সম্পূর্ণ করেছি মাজমাউয যাওয়াইদ নং ৫৭৬ এ।

 

আর এর শাহিদ হাদীস ইবনু আব্বাস হতে তাবারানী, আল কাবীর ১১/৭৬-৭৭ নং ১১০৯৫ যয়ীফ সনদে বর্ণনা করেছেন।

 

মারফু’ হিসেবে ইবনু আবী শাইবা, আল ‍মুছান্নাফ ৮/৭২৯ নং ৬১৬৯; তার সনদে ইবনু আব্দুল বার, জামি’ বায়ানিল ইলম নং ৫৮৩; আবু খায়ছামাহ, আল ইলম নং ১৪১; ইবনুল জাওযী, আল ইলালুল মুতানাহিয়্যাহ ১/৯৪-৯৫ নং ১১১।

এ দু’ হাদীসের অপর শাহিদ উল্লেখ করেছি আনাস রা: হতে। …..

সাখাবী ইবনু মাসউদ, ইবনু আব্বাস, আনাস ও অন্যান্যদের হাদীস উল্লেখ করার পর বলেন: এ অনুচ্ছেদে ইবনু উমার, আবূ হুরাইরা হতেও বর্ণিত আছে। যদিও সেগুলি একক ভাবে যয়ীফ, তথাপিও সামগ্রিকভাবে শক্তিশালী….।

بَابٌ فِي فَضْلِ الْعِلْمِ وَالْعَالِمِ

أَخْبَرَنَا جَعْفَرُ بْنُ عَوْنٍ، أَنبَأَنَا أَبُو عُمَيْسٍ، عَنْ عَوْنٍ، قَالَ: قَالَ عَبْدُ اللَّهِ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ، ” مَنْهُومَانِ لَا يَشْبَعَانِ: صَاحِبُ الْعِلْمِ، وَصَاحِبُ الدُّنْيَا، وَلَا يَسْتَوِيَانِ. أَمَّا صَاحِبُ الْعِلْمِ، فَيَزْدَادُ رِضًا لِلرَّحْمَنِ، وَأَمَّا صَاحِبُ الدُّنْيَا، فَيَتَمَادَى فِي الطُّغْيَانِ، ثُمَّ قَرَأَ عَبْدُ اللَّهِ (كَلَّا إِنَّ الْإِنْسَانَ لَيَطْغَى أَنْ رَآهُ اسْتَغْنَى) [العلق: 7] قَالَ: وَقَالَ الْآخَرُ: (إِنَّمَا يَخْشَى اللَّهَ مِنْ عِبَادِهِ الْعُلَمَاءُ) [فاطر: 28]

 

إسناده منقطع: عون بن عبد الله بن عتبة أرسل عن ابن مسعود وهو مرسل

أخبرنا جعفر بن عون، أنبأنا أبو عميس، عن عون، قال: قال عبد الله رضي الله عنه، ” منهومان لا يشبعان: صاحب العلم، وصاحب الدنيا، ولا يستويان. أما صاحب العلم، فيزداد رضا للرحمن، وأما صاحب الدنيا، فيتمادى في الطغيان، ثم قرأ عبد الله (كلا إن الإنسان ليطغى أن رآه استغنى) [العلق: 7] قال: وقال الآخر: (إنما يخشى الله من عباده العلماء) [فاطر: 28] إسناده منقطع: عون بن عبد الله بن عتبة أرسل عن ابن مسعود وهو مرسل

 হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৩৪৫

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৩২. ইলম ও আলিমের মর্যাদা

৩৪৫. ইকরিমাহ, ইবনু আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা হতে বর্ণনা করেন,

إِنَّمَا يَخْشَى اللَّهَ مِنْ عِبَادِهِ الْعُلَمَاءُ

অর্থ: আল্লাহর বান্দাদের মধ্যে আলিমগণই আল্লাহ তায়ালাকে সবচেয়ে বেশি ভয় করে।- (সূরা ফাতির: ২৮)

তিনি (আয়াত সম্পর্কে) বলেন: যে আল্লাহকে ভয় করে, সে-ই একজন আলিম।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদে দু’টি ত্রুটি আছে। মুহাম্মাদ ইবনু হামীদ যয়ীফ। ইকরিমাহ হতে সামাকের বর্ণনায় ইদ্বতিরাব তথা বিক্ষিপ্ততা রয়েছে।

 

তাখরীজ: তাবারী, তাফসীর ২২/১৩২; লালকাঈ, আল ই’তিক্বাদ নং ৯৪৫ যয়ীফ ও বিচ্ছিন্ন সনদে। এর অনেক শাহিদ বর্ণনা রয়েছে।

بَابٌ فِي فَضْلِ الْعِلْمِ وَالْعَالِمِ

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ حُمَيْدٍ، حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ مُخْتَارٍ، حَدَّثَنَا عَنْبَسَةُ بْنُ الْأَزْهَرِ، عَنْ سِمَاكِ بْنِ حَرْبٍ، عَنْ عِكْرِمَةَ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا، (إِنَّمَا يَخْشَى اللَّهَ مِنْ عِبَادِهِ الْعُلَمَاءُ) [فاطر: 28] قَالَ: مَنْ خَشِيَ اللَّهَ فَهُوَ عَالِمٌ

 

في إسناد هذا الأثر علتان: ضعف محمد بن حميد واضطراب رواية سماك عن عكرمة

أخبرنا محمد بن حميد، حدثنا إبراهيم بن مختار، حدثنا عنبسة بن الأزهر، عن سماك بن حرب، عن عكرمة، عن ابن عباس رضي الله عنهما، (إنما يخشى الله من عباده العلماء) [فاطر: 28] قال: من خشي الله فهو عالم في إسناد هذا الأثر علتان: ضعف محمد بن حميد واضطراب رواية سماك عن عكرمة

 হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai’f)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৩৪৬

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৩২. ইলম ও আলিমের মর্যাদা

৩৪৬. তাউস ইবনু আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা হতে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: দু’ প্রকারের ক্ষুধার্ত (লোভী) ব্যক্তি কখনও পরিতৃপ্ত হয় না। ১. ’তালিবে ইলম’ (জ্ঞান অনুসন্ধানী) এবং দুনিয়া অনুসন্ধানী।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ যয়ীফ।

 

তাখরীজ: এর পূর্ণ তাখরীজ আমরা করেছি মাজমাউয যাওয়াইদ নং ৫৭৭ এ। আরও দেখুন পূর্বের হাদীস নং ৩৪৪ এর আমাদের টীকা।

بَابٌ فِي فَضْلِ الْعِلْمِ وَالْعَالِمِ

أَخْبَرَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ أَبَانَ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ إِدْرِيسَ، عَنْ لَيْثٍ، عَنْ طَاوُسٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا، قَالَ: ” مَنْهُومَانِ لَا يَشْبَعَانِ: طَالِبُ عِلْمٍ، وَطَالِبُ دُنْيَا

 

إسناده ضعيف

أخبرنا إسماعيل بن أبان، حدثنا عبد الله بن إدريس، عن ليث، عن طاوس، عن ابن عباس رضي الله عنهما، قال: ” منهومان لا يشبعان: طالب علم، وطالب دنيا إسناده ضعيف

 হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai’f)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৩৪৭

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৩২. ইলম ও আলিমের মর্যাদা

৩৪৭. রবী’আহ ইবনু ইয়াযীদ বলেন, আমি ওয়াসিলা ইবনুল আসক্বা’ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুকে বলতে শুনেছি, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন: “যে ব্যক্তি জ্ঞান অন্বেষণ করে অত:পর তা অর্জন করতে সক্ষম হয়, তার জন্য রয়েছে দু’টি সাওয়াব; আর (অন্বেষণ করা সত্ত্বেও) যে তা অর্জন করতে সক্ষম হয়না, তার জন্য রয়েছে একটি সাওয়াব।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: ইয়াযীদ ইবনু রবী’আহ সম্পর্কে আবু হাতিম বলেন: সে মুনকারুল হাদীস (হাদীসের ক্ষেত্রে সে পরিত্যক্ত), সে ওয়াহীউল হাদীস (হাদীস শাস্ত্রে সে মূল্যহীন, তুচ্ছ)।’ নাসাঈ, উকাইলী, দারুকুতনী বলেন: (সে) মাতরুক।’ দেখুন মীযানুল ই’তিদাল ৪/৪২২; লিসানুল মীযান ৬/২৮৬।

 

তাখরীজ: ইবনু আব্দুল বার, জামি’ বায়ানিল ইলম, নং ২১৩; খতীব, ফাকীহ ওয়াল মুতাফাককিহ ২/৮৫; কুদায়ী, মুসনাদুশ শিহাব নং ৪৮১, ১৫১৩; তাবারানী, আল কাবীর ২২/৬৮ নং ১৬৫।

بَابٌ فِي فَضْلِ الْعِلْمِ وَالْعَالِمِ

أَخْبَرَنَا مَرْوَانُ بْنُ مُحَمَّدٍ، حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ رَبِيعَةَ الصَّنْعَانِيُّ، حَدَّثَنَا رَبِيعَةُ بْنُ يَزِيدَ، قَالَ: سَمِعْتُ وَاثِلَةَ بْنَ الْأَسْقَعِ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ يَقُولُ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «مَنْ طَلَبَ الْعِلْمَ فَأَدْرَكَهُ، كَانَ لَهُ كِفْلَانِ مِنَ الْأَجْرِ، فَإِنْ لَمْ يُدْرِكْهُ، كَانَ لَهُ كِفْلٌ مِنَ الْأَجْرِ

 

يزيد بن ربيعة الصنعاني قال أبو حاتم: منكر الحديث واهي الحديث

أخبرنا مروان بن محمد، حدثنا يزيد بن ربيعة الصنعاني، حدثنا ربيعة بن يزيد، قال: سمعت واثلة بن الأسقع رضي الله عنه يقول: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «من طلب العلم فأدركه، كان له كفلان من الأجر، فإن لم يدركه، كان له كفل من الأجر يزيد بن ربيعة الصنعاني قال أبو حاتم: منكر الحديث واهي الحديث

 হাদিসের মানঃ মুনকার (সহীহ হাদীসের বিপরীত)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৩৪৮

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৩২. ইলম ও আলিমের মর্যাদা

৩৪৮. আব্বাস আল ’আম্মী (অন্ধ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমার নিকট একথা পৌঁছেছে যে, নবী দাউদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁর দু’আয় বলতেন: ’হে আল্লাহ, আপনি অতি পবিত্র। আপনি আমার রব, আপনি সুমহান, আপনার আরশের উর্ধ্বে। আর আপনার ভয়কে আসমানসমূহ ও পৃথিবীর অধিবাসীদের মাঝে ছড়িয়ে দিয়েছেন। ফলে আপনার সৃষ্টির মধ্যে আপনার ভয় যার যতবেশী, সে ততবেশী আপনার নিকটতর মর্যাদা লাভ করে। যে আপনাকে ভয় করে না, তার কোনো ইলম-ই নেই। আর যে আপনার আদেশের আনুগত্য-অনুসরণ করে না, তার কোনো হিকমাহ (বিচক্ষণতা-প্রজ্ঞা) নেই।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: আব্বাস আল ‘আম্মী মাজহুল বা অজ্ঞাত পরিচয়। অন্যান্য রাবীগণ নির্ভরযোগ্য।

 

তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা, ১০/২৭৭ নং ৯৪৩০; দেখুন দুররে মানসুর ৫/২৫০।

بَابٌ فِي فَضْلِ الْعِلْمِ وَالْعَالِمِ

أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا مَرْوَانُ بْنُ مُعَاوِيَةَ، عَنْ عَوْفٍ، عَنْ عَبَّاسٍ الْعَمِّيِّ، قَالَ: بَلَغَنِي أَنَّ دَاوُدَ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَ يَقُولُ فِي دُعَائِهِ: «سُبْحَانَكَ اللَّهُمَّ، أَنْتَ رَبِّي تَعَالَيْتَ فَوْقَ عَرْشِكَ، وَجَعَلْتَ خَشْيَتَكَ عَلَى مَنْ فِي السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضِ، فَأَقْرَبُ خَلْقِكَ مِنْكَ مَنْزِلَةً أَشَدُّهُمْ لَكَ خَشْيَةً. وَمَا عِلْمُ مَنْ لَمْ يَخْشَكَ؟ وَمَا حِكْمَةُ مَنْ لَمْ يُطِعْ أَمْرَكَ؟

 

عباس العمي مجهول وباقي رجاله ثقات

أخبرنا عبد الله بن محمد بن أبي شيبة، حدثنا مروان بن معاوية، عن عوف، عن عباس العمي، قال: بلغني أن داود النبي صلى الله عليه وسلم كان يقول في دعائه: «سبحانك اللهم، أنت ربي تعاليت فوق عرشك، وجعلت خشيتك على من في السماوات والأرض، فأقرب خلقك منك منزلة أشدهم لك خشية. وما علم من لم يخشك؟ وما حكمة من لم يطع أمرك؟ عباس العمي مجهول وباقي رجاله ثقات

 হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai’f)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৩৪৯

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৩২. ইলম ও আলিমের মর্যাদা

৩৪৯. দাহহাক থেকে বর্ণিত, ইবনু মাসউদ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন: আলিম হও, কিংবা ইলম শিক্ষার্থী হও। কেননা, এ দু’প্রকারের লোক ব্যতীত অন্যান্যদের মাঝে কোনো কল্যাণ নেই।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ বিচ্ছিন্ন (মুনাকাতি’)। দাহহাক ইবনু মাসউদ থেকে হাদীস শুনেননি। এর রাবীগণ সকলেই নির্ভরযোগ্য। আর হাদীসটি সহীহ। দেখুন, পূর্ববর্তী হাদীস নং ২৫৪ এবং পরবর্তী ৩৫১ নং ।

 

তাখরীজ: (মুহাক্বিক্ব এর কোনো তাখরীজ করেননি- অনুবাদক।)

بَابٌ فِي فَضْلِ الْعِلْمِ وَالْعَالِمِ

أَخْبَرَنَا الْمُعَلَّى بْنُ أَسَدٍ، حَدَّثَنَا سَلَّامٌ هُوَ ابْنُ أَبِي مُطِيعٍ، قَالَ: سَمِعْتُ أَبَا الْهَزْهَازِ، يُحَدِّثُ: عَنِ الضَّحَّاكِ، قَالَ: قَالَ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مَسْعُودٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ، «اغْدُ عَالِمًا، أَوْ مُتَعَلِّمًا، وَلَا خَيْرَ فِيمَا سِوَاهُمَا

 

إسناده منقطع لم يسمع الضحاك بن مزاحم من ابن مسعود ورجاله ثقات: أبو الهزهاز هو نصر بن زياد العجلي

أخبرنا المعلى بن أسد، حدثنا سلام هو ابن أبي مطيع، قال: سمعت أبا الهزهاز، يحدث: عن الضحاك، قال: قال عبد الله بن مسعود رضي الله عنه، «اغد عالما، أو متعلما، ولا خير فيما سواهما إسناده منقطع لم يسمع الضحاك بن مزاحم من ابن مسعود ورجاله ثقات: أبو الهزهاز هو نصر بن زياد العجلي

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৩৫০

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৩২. ইলম ও আলিমের মর্যাদা

৩৫০. আবু উমামাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হতে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: “অচিরেই এমন ফিতনাসমূহের আবির্ভাব হবে, তখন মানুষ সকালে উঠবে মু’মিন হিসেবে, আর সন্ধ্যায় উপনীত হবে কাফির হিসেবে। কেবল সেই ব্যক্তি ব্যতীত আল্লাহ তা’আলা যাকে ইলম -এর মাধ্যমে জীবিত রেখেছেন।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ যয়ীফ। কারণ, আলী ইবনু ইয়াযীদ যয়ীফ।

 

তাখরীজ: ইবনু মাজাহ, ফিতান অধ্যায় নং ৩৯৫৪; তাবারানী, আল কাবীর ৮/২৭৮ নং ৭৯১০; খতীব, তারীখে বাগদাদ ৬/৩৮৫।

 

এ অধ্যায়ে আবু হুরায়রা, সা’দ ইবনু আবী ওয়াক্কাস, হুযাইফা, আনাস ইবনু উমার… হতেও অনেক হাদীস বর্ণিত রয়েছে যা একে শক্তিশালী করে। আল্লাহই সর্বাধিক অবগত।

بَابٌ فِي فَضْلِ الْعِلْمِ وَالْعَالِمِ

أَخْبَرَنَا الْحَكَمُ بْنُ الْمُبَارَكِ، أَنبَأَنَا الْوَلِيدُ بْنُ مُسْلِمٍ، أَنبَأَنَا الْوَلِيدُ بْنُ سُلَيْمَانَ، عَنْ عَلِيِّ بْنِ يَزِيدَ، عَنِ الْقَاسِمِ أَبِي عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنْ أَبِي أُمَامَةَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ، عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: «سَتَكُونُ فِتَنٌ يُصْبِحُ الرَّجُلُ فِيهَا مُؤْمِنًا، وَيُمْسِي كَافِرًا، إِلَّا مَنْ أَحْيَاهُ اللَّهُ بِالْعِلْمِ

 

إسناده ضعيف لضعف علي بن يزيد

أخبرنا الحكم بن المبارك، أنبأنا الوليد بن مسلم، أنبأنا الوليد بن سليمان، عن علي بن يزيد، عن القاسم أبي عبد الرحمن، عن أبي أمامة رضي الله عنه، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال: «ستكون فتن يصبح الرجل فيها مؤمنا، ويمسي كافرا، إلا من أحياه الله بالعلم إسناده ضعيف لضعف علي بن يزيد

 হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai’f)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৩৫১

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৩২. ইলম ও আলিমের মর্যাদা

৩৫১. হারুন ইবনু রিয়াব আব্দুল্লাহ ইবনু মাসউদ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলতেন: আলিম হও কিংবা ইলম শিক্ষার্থী হও, এতদুভয়ের মাঝে যারা রয়েছে, তাদের অন্তর্ভুক্ত হয়ো না। কেননা, এদু’য়ের মাঝে রয়েছে জাহিল (মূর্খ)। আর নিশ্চয়ই যে ব্যক্তি ইলম অন্বেষণের উদ্দেশ্যে সকালে পথ চলে, ফিরিশতারা তার কৃতকর্ম (ইলম অন্বেষণ)-এর কারণে খুশী হয়ে তার জন্য তাদের ডানা বিছিয়ে দেয়।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর বর্ণনাকারীগণ নির্ভরযোগ্য; তবে এর সনদ মুনকাতি’ বা বিচ্ছিন্ন। হারুন ইবনু রিয়াব ইবনু মাসউদের সাক্ষাৎ পাননি।

 

তাখরীজ: ফাসাওয়ী, মা’রিফাত ওয়াত তারীখ ৩/৩৯৯; ইবনু আব্দুল বার, জামি’ বায়ানিল ইলম, নং ১৪৬; পূর্ণ তাখরীজের জন্য পূর্বের হাদীস নং ২৫৪ টি দেখুন।

بَابٌ فِي فَضْلِ الْعِلْمِ وَالْعَالِمِ

أَخْبَرَنَا أَبُو الْمُغِيرَةِ، حَدَّثَنَا الْأَوْزَاعِيُّ، حَدَّثَنِي هَارُونُ بْنُ رئَابٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَسْعُودٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ، أَنَّهُ كَانَ يَقُولُ: اغْدُ عَالِمًا أَوْ مُتَعَلِّمًا، وَلَا تَغْدُ فِيمَا بَيْنَ ذَلِكَ، فَإِنَّ مَا بَيْنَ ذَلِكَ جَاهِلٌ، وَإِنَّ الْمَلَائِكَةَ تَبْسُطُ أَجْنِحَتَهَا لِلرَّجُلِ، غَدَا يَبْتَغِي الْعِلْمَ مِنَ الرِّضَا بِمَا يَصْنَعُ

 

رجاله ثقات غير أنه منقطع هارون بن رئاب لم يدرك ابن مسعود

أخبرنا أبو المغيرة، حدثنا الأوزاعي، حدثني هارون بن رئاب، عن عبد الله بن مسعود رضي الله عنه، أنه كان يقول: اغد عالما أو متعلما، ولا تغد فيما بين ذلك، فإن ما بين ذلك جاهل، وإن الملائكة تبسط أجنحتها للرجل، غدا يبتغي العلم من الرضا بما يصنع رجاله ثقات غير أنه منقطع هارون بن رئاب لم يدرك ابن مسعود

 হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai’f)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৩৫২

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৩২. ইলম ও আলিমের মর্যাদা

৩৫২. আওযাঈ হাসান হতে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বনী ইসরাঈলের এমন দু’ ব্যক্তি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলো, যাদের একজন ছিলেন আলিম। তিনি ফরয সালাত আদায়ের পরেই লোকদেরকে কল্যাণকর বিষয় শিক্ষা দেওয়ার জন্য বসতেন। অপরজন দিনে সিয়াম পালন করতেন এবং রাতে কিয়াম করতেন (সালাত আদায় করতেন)। (তাঁকে জিজ্ঞেস করা হলো) এদের দু’জনের মধ্যে কোন্ ব্যক্তি উত্তম? রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন: “যিনি ফরয সালাত আদায়ের পরেই লোকদেরকে কল্যাণকর বিষয় শিক্ষা দেওয়ার জন্য বসতেন, সেই আলিম ব্যক্তিটি দিনে সিয়াম পালনকারী এবং রাতে কিয়ামকারী সেই আবিদ (ইবাদতগুজার)-এর উপর ঠিক তেমনই মর্যাদাবান যেমন তোমাদের মধ্যকার সাধারণ কোনো ব্যক্তির উপরে আমার মর্যাদা।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর রাবীগণ নির্ভরযোগ্য তবে এ সনদটি বিচ্ছিন্ন (মুনকাতি’)। হাসান থেকে আওযাঈ’র কোনো রিওয়ায়েতের কথা আমরা জানতে পারিনি।

 

তাখরীজ: এ ব্যতীত আমি অন্য কোথাও এটি পাইনি।

بَابٌ فِي فَضْلِ الْعِلْمِ وَالْعَالِمِ

أَخْبَرَنَا أَبُو الْمُغِيرَةِ، حَدَّثَنَا الْأَوْزَاعِيُّ، عَنِ الْحَسَنِ، قَالَ: سُئِلَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَنْ رَجُلَيْنِ كَانَا فِي بَنِي إِسْرَائِيلَ أَحَدُهُمَا كَانَ عَالِمًا يُصَلِّي الْمَكْتُوبَةَ، ثُمَّ يَجْلِسُ فَيُعَلِّمُ النَّاسَ الْخَيْرَ، وَالْآخَرُ يَصُومُ النَّهَارَ وَيَقُومُ اللَّيْلَ أَيُّهُمَا أَفْضَلُ؟ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: فَضْلُ هَذَا الْعَالِمِ الَّذِي يُصَلِّي الْمَكْتُوبَةَ ثُمَّ يَجْلِسُ فَيُعَلِّمُ النَّاسَ الْخَيْرَ، عَلَى الْعَابِدِ الَّذِي يَصُومُ النَّهَارَ، وَيَقُومُ اللَّيْلَ، كَفَضْلِي عَلَى أَدْنَاكُمْ رَجُلًا

 

رجاله ثقات غير أنه منقطع: ما عرفنا للأوزاعي رواية عن الحسن وهو مرسل أيضا

أخبرنا أبو المغيرة، حدثنا الأوزاعي، عن الحسن، قال: سئل رسول الله صلى الله عليه وسلم عن رجلين كانا في بني إسرائيل أحدهما كان عالما يصلي المكتوبة، ثم يجلس فيعلم الناس الخير، والآخر يصوم النهار ويقوم الليل أيهما أفضل؟ قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: فضل هذا العالم الذي يصلي المكتوبة ثم يجلس فيعلم الناس الخير، على العابد الذي يصوم النهار، ويقوم الليل، كفضلي على أدناكم رجلا رجاله ثقات غير أنه منقطع: ما عرفنا للأوزاعي رواية عن الحسن وهو مرسل أيضا

 হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai’f)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৩৫৩

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৩২. ইলম ও আলিমের মর্যাদা

৩৫৩. ইবনু সীরীন রাহি. বলেন: আমি আমি মসজিদে এমন সময় গেলাম যখন আল আসওয়াদ ইবনু সারী’[1] কিচ্ছা-কাহিনীর মাধ্যমে ওয়াজ করছিলেন এবং হুমাইদ ইবনু আব্দুর রহমান মসজিদের এক কোণে ইলমের আলোচনা করছিলেন। আমি দো’টানায় পড়ে গেলাম আমি কোন্ মজলিসে বসবো। তারপর আমি তন্দ্রাচ্ছন্ন হয়ে গেলাম, ফলে (স্বপ্নে) আমার নিকট একজন আগন্তুক এসে বললো: তুমি কোন্ মজলিসের দিকে বসবে, সে ব্যাপারে কি ‍তুমি দ্বিধান্বিত? তুমি যদি চাও তবে হুমাইদ ইবনু আব্দুর রহমান-এর স্থান হতে জিবরীল আলাইহিস সালামের অবস্থান আমি তোমাকে দেখাতে পারি।[2]

[1] মুলে রয়েছে ‘সামীর ইবনু আব্দুর রহমান’ কিন্তু সেটি ভুল। সঠিক হলো যা আমরা সাব্যস্ত করেছি (আল আসওয়াদ ইবনু সারী’)। দেখুন মাছাদীরুত তাখরীজ ও আসাদুল গাবাহ ১/১০৪। (মুহাক্বিক্ব)

 

[2] তাহক্বীক্ব: এর সনদ যয়ীফ। হাসান ইবনু যাকওয়ান তাদলীসের দোষে অভিযুক্ত আর সে এখানে ‘আন ‘আন পদ্ধতিতে বর্ণনা করেছেন। অন্যান্য রাবীগণ নির্ভরযোগ্য।

 

তাখরীজ: ইবনু আব্দুল বার, জামি’ বায়ানিল ইলম, নং ২১৯।

بَابٌ فِي فَضْلِ الْعِلْمِ وَالْعَالِمِ

أَخْبَرَنَا الْحَسَنُ بْنُ الرَّبِيعِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُبَيْدِ اللَّهِ، عَنِ الْحَسَنِ بْنِ ذَكْوَانَ، عَنِ ابْنِ سِيرِينَ، قَالَ: دَخَلْتُ الْمَسْجِدَ فَإِذَا الْأَسْوَدُ بْنُ سُرَيْعٍ يَقُصُّ، وَحُمَيْدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ يَذْكُرُ الْعِلْمَ فِي نَاحِيَةِ الْمَسْجِدِ، فَمَيَّلْتُ إِلَى أَيِّهِمَا أَجْلِسُ، فَنَعَسْتُ فَأَتَانِي آتٍ فَقَالَ: مَيَّلْتَ إِلَى أَيِّهِمَا تَجْلِسُ؟ إِنْ شِئْتَ أَرَيْتُكَ مَكَانَ جِبْرَائِيلَ عَلَيْهِ السَّلَامُ مِنْ حُمَيْدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ

 

إسناده ضعيف الحسن بن ذكوان متهم بالتدليس وقد عنعن وباقي رجاله ثقات

أخبرنا الحسن بن الربيع، عن عبد الله بن عبيد الله، عن الحسن بن ذكوان، عن ابن سيرين، قال: دخلت المسجد فإذا الأسود بن سريع يقص، وحميد بن عبد الرحمن يذكر العلم في ناحية المسجد، فميلت إلى أيهما أجلس، فنعست فأتاني آت فقال: ميلت إلى أيهما تجلس؟ إن شئت أريتك مكان جبرائيل عليه السلام من حميد بن عبد الرحمن إسناده ضعيف الحسن بن ذكوان متهم بالتدليس وقد عنعن وباقي رجاله ثقات

 হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai’f)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৩৫৪

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৩২. ইলম ও আলিমের মর্যাদা

৩৫৪. কাছীর ইবনু কাইস হতে বর্ণিত, তিনি বলেন: আমি দামিস্কের মসজিদে আবু দারদা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু’র সাথে বসে ছিলাম। তখন এক লোক এসে বললো: হে আবু দারদা! আমি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের শহর মদীনা হতে এখানে আপনার নিকট এসেছি একটি হাদীস (সংগ্রহ)-এর জন্য, যেটি আপনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হতে বর্ণনা করেন বলে আমার নিকট খবর পৌঁছেছে। আবু দারদা বললেন: তবে কি ব্যবসায়িক প্রয়োজন তোমাকে এখানে আসেনি? সে বললো, না। তিনি আবার প্রশ্ন করলেন,  এ ছাড়া অন্য কোনো কাজও কি তোমাকে এখানে নিয়ে আসেনি?  তিনি বললেন, না। তখন তিনি বললেন: আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেছেন: “যে ব্যক্তি ইলমের অনুসন্ধানে কোনো পথে চলে, এর মাধ্যমে আল্লাহ জান্নাতের রাস্তাসমূহের কোনো একটি রাস্তা (তার জন্য) সহজ করে দেবেন। আর নিশ্চয় ফেরেশতারা তালিবে ইলম’ (জ্ঞান অন্বেষণকারী)-এর জন্য খুশী হয়ে তাদের ডানা বিছিয়ে দেন। আর আসমানবাসী, পৃথিবীবাসী এমনকি পানির মাছসমূহ পর্যন্ত তালিবে ইলমের জন্য ইস্তিগফার (ক্ষমা প্রার্থনা) করতে থাকে। আর একজন আবিদের (ইবাদতগুজার) লোকের উপর একজন আলিমের শ্রেষ্ঠত্ব ঠিক তেমন, যেমন সকল তারকার উপর চাঁদের শ্রেষ্ঠত্ব। নিশ্চয় আলিমগণ হলেন নবীগণের ওয়ারীস (উত্তরাধিকারী)। আর নবীগণ দীনার বা দিরহাম (মীরাস/উত্তরাধিকার হিসেবে) রেখে যান না, নিশ্চয় তাঁরা রেখে যান ইলম। ফলে যে ইলমকে গ্রহণ করলো সে এর অংশ লাভ করলো কিংবা এর সম্পূর্ণ অংশই লাভ করলো।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ যয়ীফ। (হাফিজ (ইবনু হাজার আসকালানী) ফাতহুল বারী’তে এ বাবের টীকায় বলেছেন: হাদীসের (নিশ্চয় আলিমগণ হলেন নবীগণের ওয়ারীস … এর সম্পূর্ণ অংশই লাভ করলো।) এ অংশে আবু দাউদ, তিরমিযী, ইবনু হিব্বান, হাকিম তার সহীহ মন্তব্যসহ আবু দারদা হতে এটি বর্ণনা করেছেন এবং হামযাহ আল কিনানী একে হাসান বলেছেন।

 

আর তাদের নিকট এর সনদ যয়ীফ কিন্তু এর অনেক শাহিদ রয়েছে যা একে শক্তিশালী করে…।

 

তাখরীজ: আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ করেছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৮৮ এবং মাওয়ারিদুয যাম’আন নং ৮০ তে। এটি আরও রয়েছে: তাহাবী, মুশকিলুল আছার ১/৪২৯; ইবনু আব্দুল বারর, জামি’ বায়ানিল ইলম নং ১৭৩, ১৭৪, ১৭৫; তাবারানী, মুসনাদুশ শামিয়্যিন নং ১২৩১; বাইহাকী, শুয়াবুল ঈমান নং ১৬৯৬; ফাসাওয়ী, মা’রিফাতুত তারীখ ৩/৪০১; পরের হাদীসের পরবর্তী হাদীস ‍দু’টি দেখুন। আরও দেখুন তারগীব ওয়াত তারহীব ১/৯৪।

بَابٌ فِي فَضْلِ الْعِلْمِ وَالْعَالِمِ

أَخْبَرَنَا نَصْرُ بْنُ عَلِيٍّ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ دَاوُدَ، عَنْ عَاصِمِ بْنِ رَجَاءِ بْنِ حَيْوَةَ، عَنْ دَاوُدَ بْنِ جَمِيلٍ، عَنْ كَثِيرِ بْنِ قَيْسٍ، قَالَ: كُنْتُ جَالِسًا مَعَ أَبِي الدَّرْدَاءِ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ فِي مَسْجِدِ دِمَشْقَ، فَأَتَاهُ رَجُلٌ فَقَالَ: يَا أَبَا الدَّرْدَاءِ إِنِّي أَتَيْتُكَ مِنَ الْمَدِينَةِ مَدِينَةِ الرَّسُولِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لِحَدِيثٍ بَلَغَنِي عَنْكَ أَنَّكَ تُحَدِّثُهُ عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: فَمَا جَاءَ بِكَ تِجَارَةٌ؟ قَالَ: لَا، قَالَ: وَلَا جَاءَ بِكَ غَيْرُهُ؟ قَالَ: لَا. قَالَ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ: «مَنْ سَلَكَ طَرِيقًا يَلْتَمِسُ بِهِ عِلْمًا، سَهَّلَ اللَّهُ بِهِ طَرِيقًا مِنْ طُرُقِ الْجَنَّةِ، وَإِنَّ الْمَلَائِكَةَ لَتَضَعُ أَجْنِحَتَهَا رِضًا لِطَالِبِ الْعِلْمِ، وَإِنَّ طَالِبَ الْعِلْمِ، لَيَسْتَغْفِرُ لَهُ مَنْ فِي السَّمَاءِ وَالْأَرْضِ حَتَّى الْحِيتَانُ فِي الْمَاءِ، وَإِنَّ فَضْلَ الْعَالِمِ عَلَى الْعَابِدِ كَفَضْلِ الْقَمَرِ عَلَى سَائِرِ النُّجُومِ. إِنَّ الْعُلَمَاءَ هُمْ وَرَثَةُ الْأَنْبِيَاءِ، إِنَّ الْأَنْبِيَاءَ لَمْ يُوَرِّثُوا دِينَارًا، وَلَا دِرْهَمًا، وَإِنَّمَا وَرَّثُوا الْعِلْمَ، فَمَنْ أَخَذَ بِهِ أَخَذَ بِحَظِّهِ – أَوْ بِحَظٍّ وَافِرٍ

 

إسناده ضعيف

أخبرنا نصر بن علي، حدثنا عبد الله بن داود، عن عاصم بن رجاء بن حيوة، عن داود بن جميل، عن كثير بن قيس، قال: كنت جالسا مع أبي الدرداء رضي الله عنه في مسجد دمشق، فأتاه رجل فقال: يا أبا الدرداء إني أتيتك من المدينة مدينة الرسول صلى الله عليه وسلم لحديث بلغني عنك أنك تحدثه عن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: فما جاء بك تجارة؟ قال: لا، قال: ولا جاء بك غيره؟ قال: لا. قال: سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول: «من سلك طريقا يلتمس به علما، سهل الله به طريقا من طرق الجنة، وإن الملائكة لتضع أجنحتها رضا لطالب العلم، وإن طالب العلم، ليستغفر له من في السماء والأرض حتى الحيتان في الماء، وإن فضل العالم على العابد كفضل القمر على سائر النجوم. إن العلماء هم ورثة الأنبياء، إن الأنبياء لم يورثوا دينارا، ولا درهما، وإنما ورثوا العلم، فمن أخذ به أخذ بحظه – أو بحظ وافر إسناده ضعيف

 হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৩৫৫

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৩২. ইলম ও আলিমের মর্যাদা

৩৫৫. সাঈদ ইবনু জুবাইর, ইবনু আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা হতে বর্ণনা করেন, তিনি বলেছেন: কল্যাণকর (ইলম) শিক্ষাদানকারীর জন্য সকলেই -এমনকি সমুদ্রের মাছ পর্যন্ত ক্ষমা প্রার্থনা করতে থাকে।[1]

[1] তাহ্ক্বীক্ব: এর সনদ উত্তম (জাইয়্যেদ)। আর ইবনু আব্বাসের উপর এটি মাওকুফ।

 

তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ৮/৭২৮ নং ৬১৬৪; সহীহ সনদে; ইবনু আব্দুল বার, জামি’ বায়ানিল ইলম, নং ৭৯৬, ১৮১ সহীহ সনদে; আরও দেখুন আল জামিউল আছার, ১৮০ মাজহুল সনদে।

بَابٌ فِي فَضْلِ الْعِلْمِ وَالْعَالِمِ

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عُيَيْنَةَ، عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ الْفَزَارِيِّ، عَنِ الْأَعْمَشِ، عَنْ شِمْرِ بْنِ عَطِيَّةَ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا، قَالَ: مُعَلِّمُ الْخَيْرِ يَسْتَغْفِرُ لَهُ كُلُّ شَيْءٍ حَتَّى الْحُوتُ فِي الْبَحْرِ

 

إسناده جيد وهو موقوف على ابن عباس

أخبرنا محمد بن عيينة، عن أبي إسحاق الفزاري، عن الأعمش، عن شمر بن عطية، عن سعيد بن جبير، عن ابن عباس رضي الله عنهما، قال: معلم الخير يستغفر له كل شيء حتى الحوت في البحر إسناده جيد وهو موقوف على ابن عباس

 হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৩৫৬

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৩২. ইলম ও আলিমের মর্যাদা

৩৫৬. আবু হুরাইরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “যে ব্যক্তিই ইলম অন্বেষণ করার উদ্দেশ্যে কোনো রাস্তায় চলে, অবশ্যই আল্লাহ তার জন্য জান্নাতের দিকে (গমনকারী) একটি রাস্তা সহজ করে দেন। যাকে তার আমল পিছিয়ে দেয়, তার বংশ-মর্যাদা তাকে আগে বাড়িয়ে দিতে পারে না।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা, ৮/৭২৯ নং ৬১৬৮ সহীহ সনদে; আমরা বিস্তারিত তাখরীজ করেছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৮৪। (আহমদ ২/৪০৭; আবু দাউদ ৩৬৪৩; তিরমিযী ২৬৪৬; হাকিম ১/৮৮, ৮৯; বাগবী, শারহুস সুন্নাহ ১৩০; ইবনু আব্দুল বারর, জামি’ বায়ানিল ইলম, পৃ: ১৩ ও ১৪; আরও বিস্তারিত বর্ণনা করেছেন, আহমদ ২/২৫২; মুসলিম ২৬৯৬; তিরযিমী ২৯৪৫; ইবনু মাজাহ ২২৫); বাইহাক্বী, শুয়াবুল ঈমান নং ১৬৯৫; খতীব, তারীখে বাগদাদ ১২/১১৪।

بَابٌ فِي فَضْلِ الْعِلْمِ وَالْعَالِمِ

أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ يُونُسَ، حَدَّثَنَا زَائِدَةُ، عَنِ الْأَعْمَشِ، عَنْ أَبِي صَالِحٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: مَا مِنْ رَجُلٍ يَسْلُكُ طَرِيقًا يَطْلُبُ فِيهِ عِلْمًا، إِلَّا سَهَّلَ اللَّهُ لَهُ بِهِ طَرِيقًا إِلَى الْجَنَّةِ، وَمَنْ أَبْطَأَ بِهِ عَمَلُهُ، لَمْ يُسْرِعْ بِهِ نَسَبُهُ

 

إسناده صحيح

أخبرنا أحمد بن عبد الله بن يونس، حدثنا زائدة، عن الأعمش، عن أبي صالح، عن أبي هريرة رضي الله عنه، قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: ما من رجل يسلك طريقا يطلب فيه علما، إلا سهل الله له به طريقا إلى الجنة، ومن أبطأ به عمله، لم يسرع به نسبه إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৩৫৭

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৩২. ইলম ও আলিমের মর্যাদা

৩৫৭. হারুন ইবনু আনতারা তার পিতা হতে, তিনি ইবনু আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা হতে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: “যে ব্যক্তিই ইলম অন্বেষণ করার উদ্দেশ্যে কোনো রাস্তায় চলে, অবশ্যই আল্লাহ তার জন্য জান্নাতের দিকে (গমনকারী) একটি রাস্তা সহজ করে দেন। যাকে তার আমল পিছিয়ে দেয়, তার বংশ-মর্যাদা তাকে আগে বাড়িয়ে দিতে পারে না।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা, ৮/৭২৮ নং ৬১৬৫; বাইহাকী, শুয়াবুল ঈমান নং ৬৭১-৬৭২; দেখুন পরের ৩৬৮ নং হাদীসটি।

بَابٌ فِي فَضْلِ الْعِلْمِ وَالْعَالِمِ

أَخْبَرَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ أَبَانَ، عَنْ يَعْقُوبَ هُوَ الْقُّمِّيُّ، عَنْ هَارُونَ بْنِ عَنْتَرَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا، قَالَ: «مَا سَلَكَ رَجُلٌ طَرِيقًا يَبْتَغِي فِيهِ الْعِلْمَ إِلَّا سَهَّلَ اللَّهُ لَهُ بِهِ طَرِيقًا إِلَى الْجَنَّةِ، وَمَنْ يُبْطِئْ بِهِ عَمَلُهُ، لَمْ يُسْرِعْ بِهِ نَسَبُهُ

 

إسناده صحيح

أخبرنا إسماعيل بن أبان، عن يعقوب هو القمي، عن هارون بن عنترة، عن أبيه، عن ابن عباس رضي الله عنهما، قال: «ما سلك رجل طريقا يبتغي فيه العلم إلا سهل الله له به طريقا إلى الجنة، ومن يبطئ به عمله، لم يسرع به نسبه إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৩৫৮

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৩২. ইলম ও আলিমের মর্যাদা

৩৫৮. মাতর হতে বর্ণিত, (وَلَقَدْ يَسَّرْنَا الْقُرْآنَ لِلذِّكْرِ فَهَلْ مِنْ مُدَّكِرٍ) “আমি কুরআনকে সহজ করে দিয়েছি উপদেশ গ্রহণের জন্য, সুতরাং উপদেশ গ্রহণকারী কেউ আছে কি?” (সুরা ক্বামার : ১৭) (এ আয়াতের ব্যাখ্যায়) তিনি বলেন: কোনো কল্যাণ অনুসন্ধানকারী আছে কি, ফলে তাকে এ বিষয়ে সাহায্য করা হবে?[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ যয়ীফ, মুহাম্মদ ইবনু কাছীর ইবনু আবী আতা।

 

তাখরীজ: তাবারী, আত তাফসীর ২৭/৯৬-৯৭ এ দু’টি সনদে কাতাদা হতে এটি বর্ণনা করেছেন। পরবর্তী টীকা দেখুন।

بَابٌ فِي فَضْلِ الْعِلْمِ وَالْعَالِمِ

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ كَثِيرٍ، عَنِ ابْنِ شَوْذَبٍ، عَنْ مَطَرٍ: (وَلَقَدْ يَسَّرْنَا الْقُرْآنَ لِلذِّكْرِ فَهَلْ مِنْ مُدَّكِرٍ) [القمر: 17] قَالَ: «هَلْ مِنْ طَالِبِ خَيْرٍ فَيُعَانَ عَلَيْهِ؟

 

إسناده ضعيف لضعف محمد بن كثير بن أبي عطاء

أخبرنا محمد بن كثير، عن ابن شوذب، عن مطر: (ولقد يسرنا القرآن للذكر فهل من مدكر) [القمر: 17] قال: «هل من طالب خير فيعان عليه؟ إسناده ضعيف لضعف محمد بن كثير بن أبي عطاء

 হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai’f)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৩৫৯

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৩২. ইলম ও আলিমের মর্যাদা

৩৫৯. মারওয়ান যামরাহ হতে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: (এ দ্বারা উদ্দেশ্য) জ্ঞান অন্বেষণকারী।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ হাসান।

 

তাখরীজ: ইবনু আবী হাতিম যা ইবনু কাছীর, তাফসীর ৭/৪৫৩ এ উল্লেখ করেছেন; ইবনু আব্দুল বার, জামি’ বায়ানিল ইলম নং ১৯৪৫ হাসান সনদে; তাবারী, তাফসীর, ২৭/৯৭; বুখারী, তা’লীক হিসেবে ৭৫৫১ হাদীসের পূর্বে…।

بَابٌ فِي فَضْلِ الْعِلْمِ وَالْعَالِمِ

وأخْبرنا مرْوانُ، عنْ ضمْرةَ، قَالَ: طالبُ عِلمٍ

 

إسناده حسن

وأخبرنا مروان، عن ضمرة، قال: طالب علم إسناده حسن

 হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৩৬০

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৩২. ইলম ও আলিমের মর্যাদা

৩৬০. আমির ইবনু ইবরাহীম বলেন, আবু দারদা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু কোনো ইলম অন্বেষণকারী (ছাত্র) দেখলে বলতেন: জ্ঞান অন্বেষণকারীকে মারহাবা (স্বাগতম)! তিনি আরও বলতেন: নিশ্চয় রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তোমাদের জন্য (এরূপ করতে) উপদেশ দিয়ে গেছেন।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর রাবীগণ বিশ্বস্ত, কিন্তু এটি মু’দ্বাল (মাঝে একাধিক রাবী নাম বাদ পড়েছে)। এটি আমি আর কোথাও পাইনি। তবে এর দু’টি শাহিদ হাদীস রয়েছে, আবী সাঈদ খুদরী রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে রমহারমুযী নং ২০ এবং ইবনু মাসউদ হতে শুয়াবে নং ১৭২৯।

بَابٌ فِي فَضْلِ الْعِلْمِ وَالْعَالِمِ

أَخْبَرَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ أَبَانَ، حَدَّثَنَا يَعْقُوبُ هُوَ الْقُمِّيُّ، عَنْ عَامِرِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ، قَالَ: كَانَ أَبُو الدَّرْدَاءِ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ، إِذَا رَأَى طَلَبَةَ الْعِلْمِ، قَالَ: مَرْحَبًا بِطَلَبَةِ الْعِلْمِ، وَكَانَ يَقُولُ: إِنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَوْصَى بِكُمْ

 

رجاله ثقات غير أنه معضل

أخبرنا إسماعيل بن أبان، حدثنا يعقوب هو القمي، عن عامر بن إبراهيم، قال: كان أبو الدرداء رضي الله عنه، إذا رأى طلبة العلم، قال: مرحبا بطلبة العلم، وكان يقول: إن رسول الله صلى الله عليه وسلم أوصى بكم رجاله ثقات غير أنه معضل

 হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai’f)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৩৬১

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৩২. ইলম ও আলিমের মর্যাদা

৩৬১. আব্দুল্লাহ ইবনু আমির রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁর মসজিদে দু’টি মজলিসের পাশ দিয়ে গেলেন। তখন বললেন: “উভয়টিই কল্যাণের উপর রয়েছে। তবে একটির চেয়ে অন্যটির শ্রেষ্ঠত্ব রয়েছে। আর এরা (একদল লোক) আল্লাহর নিকট দু’আ করছে এবং তাঁর নিকটই (জান্নাতের) আশা পোষণ করছে। আর তিনি চাইলে তা তাদেরকে দেবেন আর যদি চান তবে তাদেরকে তা দেয়া থেকে বিরত থাকবেন। আর এরা (অপরদল) পরস্পর ফিকহ ও ইলম শিক্ষা করছে এবং জাহিলদেরকে শিক্ষা দিচ্ছে। সুতরাং এরাই শ্রেষ্ঠ। কেননা, আমি শিক্ষক হিসেবেই প্রেরিত হয়েছি।” তিনি (রাবী) বলেন: অতঃপর তিনি তাদের মাঝে বসে গেলেন।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদে দু’জন যয়ীফ রাবী রয়েছে: ১. আব্দুর রহমান ইবনু যিয়াদ ও আব্দুর রহমান ইবনু রফি’।

 

তাখরীজ: ইবনুল মুবারক, আয যুহদ নং ১৩৮৯; তায়ালিসী ১/৩৬ নং ৮২; খতীব, ফকীহ ওয়াল মুতাফাককিহ ১/১০,১১; ইবনু মাজাহ, মুকাদ্দামাহ ২২৯, এ সনদে দাউদ মাতরুক রাবী ও দুজন যয়ীফ রয়েছে।

بَابٌ فِي فَضْلِ الْعِلْمِ وَالْعَالِمِ

أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ يَزِيدَ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ زِيَادِ بْنِ أَنْعُمَ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ رَافِعٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَرَّ بِمَجْلِسَيْنِ فِي مَسْجِدِهِ فَقَالَ: «كِلَاهُمَا عَلَى خَيْرٍ، وَأَحَدُهُمَا أَفْضَلُ مِنْ صَاحِبِهِ. أَمَّا هَؤُلَاءِ فَيَدْعُونَ اللَّهَ وَيَرْغَبُونَ إِلَيْهِ، فَإِنْ شَاءَ أَعْطَاهُمْ، وَإِنْ شَاءَ مَنَعَهُمْ، وَأَمَّا هَؤُلَاءِ فَيَتَعَلَّمُونَ الْفِقْهَ والعلمَ وَيُعَلِّمُونَ الْجَاهِلَ، فَهُمْ أَفْضَلُ، وَإِنَّمَا بُعِثْتُ مُعَلِّمًا» قَالَ: ثُمَّ جَلَسَ فِيهِمْ

 

في إسناده ضعيفان: عبد الرحمن بن زياد وعبد الرحمن بن رافع

أخبرنا عبد الله بن يزيد، حدثنا عبد الرحمن بن زياد بن أنعم، عن عبد الرحمن بن رافع، عن عبد الله بن عمرو رضي الله عنهما، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم مر بمجلسين في مسجده فقال: «كلاهما على خير، وأحدهما أفضل من صاحبه. أما هؤلاء فيدعون الله ويرغبون إليه، فإن شاء أعطاهم، وإن شاء منعهم، وأما هؤلاء فيتعلمون الفقه والعلم ويعلمون الجاهل، فهم أفضل، وإنما بعثت معلما» قال: ثم جلس فيهم في إسناده ضعيفان: عبد الرحمن بن زياد وعبد الرحمن بن رافع

 হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai’f)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৩৬২

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৩২. ইলম ও আলিমের মর্যাদা

৩৬২. মুতাররিফ ইবনু আব্দুল্লাহ ইবনু শিখখীর থেকে বর্ণিত, তিনি তার পুত্রকে বলেন: হে আমার পুত্র! নিশ্চয় আমলের চেয়ে ইলম শ্রেষ্ঠতর।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এ সনদে দু’টি ত্রুটি রয়েছে: আব্দুর রহমান ইবনু আব্দুল্লাহ আল মাসউদী যয়ীফ এবং ‘আল ইনকিতা’ বা বিচ্ছিন্নতা। মুতাররিফ হতে আওন ইবনু আব্দুল্লাহ’র কোনো রিওয়ায়েত আমরা পাইনি। আল্লাহই ভাল জানেন। (তবে অপর একটি সহীহ সনদে এটি বর্ণিত হয়েছে- তাখরীজ দেখুন।-অনুবাদক)

 

তাখরীজ: আবু নুয়াইম, হিলইয়া ২/২০৯ এ সনদ সহীহ।; খতীব, ফকীহ ওয়াল মুতাফাককিহ ১/১৯।

بَابٌ فِي فَضْلِ الْعِلْمِ وَالْعَالِمِ

أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ يَزِيدَ، حَدَّثَنَا الْمَسْعُودِيُّ، عَنْ عَوْنِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، عَنْ مُطَرِّفِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الشِّخِّيرِ، أَنَّهُ قَالَ لِابْنِهِ: يَا بُنَيَّ، إِنَّ «الْعِلْمَ خَيْرٌ مِنَ الْعَمَلِ

 

إسناده فيه علتان: ضعف عبد الرحمن بن عبد الله المسعودي والانقطاع عون بن عبد الله لا نعلم له رواية عن مطرف

أخبرنا عبد الله بن يزيد، حدثنا المسعودي، عن عون بن عبد الله، عن مطرف بن عبد الله بن الشخير، أنه قال لابنه: يا بني، إن «العلم خير من العمل إسناده فيه علتان: ضعف عبد الرحمن بن عبد الله المسعودي والانقطاع عون بن عبد الله لا نعلم له رواية عن مطرف

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৩৬৩

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৩২. ইলম ও আলিমের মর্যাদা

৩৬৩. শুরাহবীল ইবনু শারীক থেকে বর্ণিত, তিনি আবু আব্দুল্লাহ আল হুবুলী’কে বলতে শুনেছেন: হিকমাতপূর্ণ বা প্রজ্ঞাপূর্ণ কথা বলার চেয়ে উত্তম কোনো হাদিয়া নেই, যা তুমি তোমার কোনো ভাইকে হাদিয়া হিসেবে দিতে পারো।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: এটি আমি আর কোথাও পাইনি। তবে এর অনেক শাহিদ রয়েছে ইবনু উমার, ইবনু ‘আস এর হাদীস যা বাইহাকী, শুয়াবুল ঈমান নং ১৭৬৪ নং এ বর্ণনা করেছেন। আবু নুয়াইম …. আব্দুল্লাহ ইবনু আমর থেকে মারফু’ হিসেবে যয়ীফ সনদে বর্ণনা করেছেন।

 

এছাড়া ইবনু খয়ের, ফাহারাসাত পৃ: ৮ ইবনু আব্বাসের হাদীসও এর শাহিদ হয়, এর সনদে এমন রাবী রয়েছে যাকে আমি চিনি না। দেখুন, মাকাসিদুল হাসানাহ নং ৯৩৮; কাশফুল খফা নং ২১৮২; শাজারাহ নং ৮০৪; আরও দেখুন তাবারাণী, মু’জামুল কাবীর ১২/৪৩ নং ১২৪২০।

بَابٌ فِي فَضْلِ الْعِلْمِ وَالْعَالِمِ

أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ يَزِيدَ، حَدَّثَنَا حَيْوَةُ، أَخْبَرَنَا شُرَحْبِيلُ بْنُ شَرِيكٍ، أَنَّهُ: سَمِعَ أَبَا عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْحُبُلِيَّ يَقُولُ: «لَيْسَ هَدِيَّةٌ أَفْضَلَ مِنْ كَلِمَةِ حِكْمَةٍ تُهْدِيهَا لِأَخِيكَ

 

إسناده صحيح

أخبرنا عبد الله بن يزيد، حدثنا حيوة، أخبرنا شرحبيل بن شريك، أنه: سمع أبا عبد الرحمن الحبلي يقول: «ليس هدية أفضل من كلمة حكمة تهديها لأخيك إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৩৬৪

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৩২. ইলম ও আলিমের মর্যাদা

৩৬৪. মুহাম্মদ ইবনু ’আজলান যুহরী হতে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: (ইবাদতে) ’মুজাহাদাহ’-কারী (প্রচেষ্টাকারী) অর্থাৎ অনেক ইবাদাতগুজার ব্যক্তির তুলনায় একজন আলিমের মর্যাদা একশ স্তর উপরে। আর এ দু’টি স্তরের মধ্যে দূরত্ব হলো যুদ্ধের জন্য প্রস্তুতকৃত দ্রুত ধাবমান কৃশ ঘোড়ার পাঁচশ’ বছর সময়ে (অতিক্রান্ত) ময়দানের সমান।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: যুহরী পর্যন্ত এর সনদ যয়ীফ। এটি তার কথা।

 

তাখরীজ: আবু নুয়াইম, হিলইয়া ৩/৩৬৫, এর রাবী শাযিকুনী মাতরুক।

بَابٌ فِي فَضْلِ الْعِلْمِ وَالْعَالِمِ

أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عِمْرَانَ، حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ يَمَانٍ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَجْلَانَ، عَنِ الزُّهْرِيِّ قَالَ: فَضْلُ الْعَالِمِ عَلَى الْمُجْتَهِدِ مِائَةُ دَرَجَةٍ، مَا بَيْنَ الدَّرَجَتَيْنِ خَمْسُ مِائَةِ سَنَةٍ حُضْرُ الْفَرَسِ الْمُضَمَّرِ السَّرِيعِ

 

إسناده إلى الزهري ضعيف

أخبرنا عبد الله بن عمران، حدثنا يحيى بن يمان، حدثنا محمد بن عجلان، عن الزهري قال: فضل العالم على المجتهد مائة درجة، ما بين الدرجتين خمس مائة سنة حضر الفرس المضمر السريع إسناده إلى الزهري ضعيف

 হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai’f)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৩৬৫

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৩২. ইলম ও আলিমের মর্যাদা

৩৬৫. ইবনু আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমার মুক্তদাস ইকরিমাহ থেকে বর্ণিত, তিনি ইবনু আব্বাস হতে বর্ণনা করেন, (يَرْفَعُ اللَّهُ الَّذِينَ آمَنُوا مِنْكُمْ وَالَّذِينَ أُوتُوا الْعِلْمَ دَرَجَاتٍ) (“তোমাদের মধ্যকার ঈমানদারদেরকে এবং যাদেরকে জ্ঞান দান করা হয়েছে, তাদেরকে উচ্চ মর্যাদা দান করা হয়েছে।”- আল-মুজাদালাহ: ১১) (এ আয়াত সম্পর্কে) তিনি বলেন: যাদেরকে ইলম দেওয়া হয়েছে তাদেরকে আল্লাহ (সাধারণ) মু’মিনদের উপর অনেক উচ্চ মযার্দা দান করেছেন।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: হাকিম, আল মুসতাদরাক ২/৪৮১; হাকিম বলেন: এ হাদীসের সনদ সহীহ যদিও তারা বর্ণনা করেননি।” যাহাবী তার সমর্থন করেছেন।

بَابٌ فِي فَضْلِ الْعِلْمِ وَالْعَالِمِ

أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ يَزِيدَ، حَدَّثَنَا حَيْوَةُ، قَالَ: أَخْبَرَنِي السَّكَنُ بْنُ أَبِي كَرِيمَةَ، عَنْ عِكْرِمَةَ مَوْلَى ابْنِ عَبَّاسٍ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ ” (يَرْفَعُ اللَّهُ الَّذِينَ آمَنُوا مِنْكُمْ وَالَّذِينَ أُوتُوا الْعِلْمَ دَرَجَاتٍ) [المجادلة: 11] قَالَ: يَرْفَعُ اللَّهُ الَّذِينَ أُوتُوا الْعِلْمَ عَلَى الَّذِينَ آمَنُوا بِدَرَجَاتٍ

 

إسناده صحيح

أخبرنا عبد الله بن يزيد، حدثنا حيوة، قال: أخبرني السكن بن أبي كريمة، عن عكرمة مولى ابن عباس عن ابن عباس ” (يرفع الله الذين آمنوا منكم والذين أوتوا العلم درجات) [المجادلة: 11] قال: يرفع الله الذين أوتوا العلم على الذين آمنوا بدرجات إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৩৬৬

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৩২. ইলম ও আলিমের মর্যাদা

৩৬৬. হাসান (রহঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “যে ব্যক্তির মৃত্যু উপস্থিত হয়েছে অথচ সে ইসলামকে পুনরুজ্জীবিত করার উদ্দেশ্যে ইলম অন্বেষণে রত রয়েছে, জান্নাতে তার ও নবীগণের মাঝে মাত্র একটি মর্যাদা (’এর স্তরের) পার্থক্য থাকবে।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদে ধারাবাহিকভাবে অজ্ঞাত রাবী রয়েছে।

 

তাখরীজ: তাবারানী, আল আওসাত নং ৯৪৫০; খতীব, তারীখ ৩/৭৮ সাঈব ইবনু মুসাইয়্যেব থেকে তিনি ইবনু আব্বাস থেকে, তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে।

بَابٌ فِي فَضْلِ الْعِلْمِ وَالْعَالِمِ

أَخْبَرَنَا بِشْرُ بْنُ ثَابِتٍ الْبَزَّارُ، حَدَّثَنَا نَصْرُ بْنُ الْقَاسِمِ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ إِسْمَاعِيلَ، عَنْ عَمْرِو بْنِ كَثِيرٍ، عَنِ الْحَسَنِ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ «مَنْ جَاءَهُ الْمَوْتُ وَهُوَ يَطْلُبُ الْعِلْمَ لِيُحْيِيَ بِهِ الْإِسْلَامَ، فَبَيْنَهُ وَبَيْنَ النَّبِيِّينَ دَرَجَةٌ وَاحِدَةٌ فِي الْجَنَّةِ

 

إسناده مسلسل بالمجاهيل

أخبرنا بشر بن ثابت البزار، حدثنا نصر بن القاسم، عن محمد بن إسماعيل، عن عمرو بن كثير، عن الحسن قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم «من جاءه الموت وهو يطلب العلم ليحيي به الإسلام، فبينه وبين النبيين درجة واحدة في الجنة إسناده مسلسل بالمجاهيل

 হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai’f)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৩৬৭

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৩২. ইলম ও আলিমের মর্যাদা

৩৬৭. আবু ইসহাক হতে বর্ণিত, তিনি আমর ইবনু মাইমুন থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: উমার রাদ্বিয়াল্লাহ আনহু জ্ঞানের দুই-তৃতীয়াংশ নিয়ে চলে গিয়েছেন (মৃত্যুবরণ করেছেন)। তিনি (বর্ণনাকারী) বলেন, এ কথা ইবরাহীমের নিকট উল্লেখ করা হলে তিনি বলেন: বরং দশভাগের নয়ভাগ ইলম নিয়ে উমার রাদ্বিয়াল্লাহ আনহু চলে গিয়েছেন।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদে দু’টি ত্রুটি রয়েছে। মুহাম্মদ্ বিন হুমাইদ যয়ীফ। আবু সিনান সাঈদ ইবনু সিনান আবু ইসহাক সাবিঈ থেকে কিছু শোনা থেকে পিছিয়ে রয়েছে।

 

তাখরীজ: এখানে ছাড়া এ আছারটি আর কোথাও আমরা পাইনি।

 

তবে ইবরাহীমের দিকে সম্পৃক্ত না করে ইবনু মাসউদের কথা হিসেবে এটি বর্ণনা করেছেন আবু খায়ছামা, আল ইলম নং ৬১, এর রাবীগণ নির্ভরযোগ্য কিন্তু এটি মুনকাতি’ বা বিচ্ছিন্ন। ইবরাহীম নাখঈ ইবনু মাসউদ থেকে কিছু শ্রবণ করেননি।

بَابٌ فِي فَضْلِ الْعِلْمِ وَالْعَالِمِ

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ حُمَيْدٍ، حَدَّثَنَا مِهْرَانُ، حَدَّثَنَا أَبُو سِنَانٍ، عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ، عَنْ عَمْرِو بْنِ مَيْمُونٍ، قَالَ: «ذَهَبَ عُمَرُ بِثُلُثَيِ الْعِلْمِ». قَالَ: فَذَكَرْتُ لِإِبْرَاهِيمَ، فَقَالَ: ذَهَبَ عُمَرُ بِتِسْعَةِ أَعْشَارِ الْعِلْمِ

 

في إسناده علتان: ضعف محمد بن حميد وأبو سنان سعيد بن سنان متأخر السماع من أبي إسحاق السبيعي

أخبرنا محمد بن حميد، حدثنا مهران، حدثنا أبو سنان، عن أبي إسحاق، عن عمرو بن ميمون، قال: «ذهب عمر بثلثي العلم». قال: فذكرت لإبراهيم، فقال: ذهب عمر بتسعة أعشار العلم في إسناده علتان: ضعف محمد بن حميد وأبو سنان سعيد بن سنان متأخر السماع من أبي إسحاق السبيعي

 হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai’f)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৩৬৮

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৩২. ইলম ও আলিমের মর্যাদা

৩৬৮. হারুন তার পিতা হতে, তিনি ইবনু আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা হতে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: যখন কিছু লোক নিজেরা পরস্পরকে আল্লাহর কিতাব স্মরণ করানো বা আলোচনা ও শিক্ষা দেওয়ার উদ্দেশ্যে আল্লাহর ঘরসমূহের মধ্য থেকে কোনো একটি ঘরে একত্রিত হয়, তখন ফিরিশতাগণ তাদের উপর তাদের ডানা দ্বারা ছায়া দান করতে থাকে, যতক্ষণ না তারা তা ছেড়ে অন্য কথায় রত হয়। আর যে ব্যক্তি ইলম অন্বেষণের উদ্দেশ্যে পথ চলে আল্লাহ তাকে জান্নাতের দিকে তার পথ সহজ করে দেন। আর যাকে তার আমল পিছিয়ে দিয়েছে, বংশ-মর্যাদা তাকে সামনে এগিয়ে দিতে পারে না।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: বাইহাকী, শুয়াবুল ঈমান নং ৬৭১;

 

আর এর কিছু অংশের তাখরীজ ৩৫৭ নং এ গত হয়েছে। সেখানে পূর্ণ তাখরীজ দেখুন।

بَابٌ فِي فَضْلِ الْعِلْمِ وَالْعَالِمِ

أَخْبَرَنَا بِشْرُ بْنُ ثَابِتٍ، أَنبَأَنَا شُعْبَةُ، عَنْ يَزِيدَ أَبِي خَالِدٍ، عَنْ هَارُونَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا، قَالَ: «مَا اجْتَمَعَ قَوْمٌ فِي بَيْتٍ مِنْ بُيُوتِ اللَّهِ يَتَذَاكَرُونَ كِتَابَ اللَّهِ وَيَتَدَارَسُونَهُ بَيْنَهُمْ، إِلَّا أَظَلَّتْهُمُ الْمَلَائِكَةُ بِأَجْنِحَتِهَا حَتَّى يَخُوضُوا فِي حَدِيثٍ غَيْرِهِ. وَمَنْ سَلَكَ طَرِيقًا يَبْتَغِي بِهِ الْعِلْمَ، سَهَّلَ اللَّهُ طَرِيقَهُ إِلَى الْجَنَّةِ، وَمَنْ أَبْطَأَ بِهِ عَمَلُهُ، لَمْ يُسْرِعْ بِهِ نَسَبُهُ

 

إسناده صحيح

أخبرنا بشر بن ثابت، أنبأنا شعبة، عن يزيد أبي خالد، عن هارون، عن أبيه، عن ابن عباس رضي الله عنهما، قال: «ما اجتمع قوم في بيت من بيوت الله يتذاكرون كتاب الله ويتدارسونه بينهم، إلا أظلتهم الملائكة بأجنحتها حتى يخوضوا في حديث غيره. ومن سلك طريقا يبتغي به العلم، سهل الله طريقه إلى الجنة، ومن أبطأ به عمله، لم يسرع به نسبه إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৩৬৯

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৩২. ইলম ও আলিমের মর্যাদা

৩৬৯. আসিম বর্ণনা করেন, যার বলেন: আমি সাফওয়ান ইবনু আসসাল আল মুরাদীর নিকট এ উদ্দেশ্যে সকালে গিয়ে উপস্থিত হলাম যে, আমি তাকে চামড়ার মোজার উপর মাসেহ করা সম্পর্কে প্রশ্ন করবো। তখন তিনি আমাকে জিজ্ঞেস করলেন, কোন্ জিনিস তোমাকে (এখানে) নিয়ে এসেছে? আমি বললাম: ইলম অন্বেষণ। তিনি বলেন: আমি কি তোমাকে সুসংবাদ দেব না? আমি বললাম, নিশ্চয়ই। তখন তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পর্যন্ত সূত্র মিলিয়ে হাদীস বর্ণনা করলেন। তিনি বলেছেন: “নিশ্চয় ফেরেশতাগণ তালিবে ইলম’- (জ্ঞান শিক্ষার্থী)-এর জন্য তার (জ্ঞান) অন্বেষণে খুশী হয়ে তাদের ডানা বিছিয়ে দেন।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ হাসান।

 

তাখরীজ: আবু খায়ছামা, আল ইলম নং ৫; এর পূর্ণ তাখরীজ করেছি আমি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ১৩১৯-১৩২১, ১৩৩৫; ও মাওয়ারিদুয যাম’আন নং ৭৯, ১৭৯, ১৮০, ১৮৬ এ।

بَابٌ فِي فَضْلِ الْعِلْمِ وَالْعَالِمِ

أَخْبَرَنَا عَمْرُو بْنُ عَاصِمٍ، حَدَّثَنَا حَمَّادٌ هُوَ ابْنُ سَلَمَةَ، عَنْ عَاصِمٍ، عَنْ زِرٍّ قَالَ: غَدَوْتُ عَلَى صَفْوَانَ بْنِ عَسَّالٍ الْمُرَادِيِّ، وَأَنَا أُرِيدُ أَنْ أَسْأَلَهُ عَنِ الْمَسْحِ عَلَى الْخُفَّيْنِ، فَقَالَ: مَا جَاءَ بِكَ؟ قُلْتُ: ابْتِغَاءُ الْعِلْمِ. قَالَ: أَلَا أُبَشِّرُكَ؟ قُلْتُ: بَلَى. فَقَالَ: رَفَعَ الْحَدِيثَ إِلَى النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَقَالَ: «إِنَّ الْمَلَائِكَةَ لَتَضَعُ أَجْنِحَتَهَا لِطَالِبِ الْعِلْمِ، رِضًا بِمَا يَطْلُبُ

 

إسناده حسن

أخبرنا عمرو بن عاصم، حدثنا حماد هو ابن سلمة، عن عاصم، عن زر قال: غدوت على صفوان بن عسال المرادي، وأنا أريد أن أسأله عن المسح على الخفين، فقال: ما جاء بك؟ قلت: ابتغاء العلم. قال: ألا أبشرك؟ قلت: بلى. فقال: رفع الحديث إلى النبي صلى الله عليه وسلم وقال: «إن الملائكة لتضع أجنحتها لطالب العلم، رضا بما يطلب إسناده حسن

 হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 

Leave a Comment

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।