You are here

দারেমী ভূমিকা ৫ম ভাগ হাদিস নং ১৫৯ – ২২৩

 ১৫৯

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ২০. ফতোয়া প্রদান করা এবং এতে যে কঠোরতা রয়েছে

১৫৯. উবাইদুল্লাহ ইবনু আবূ জা’ফর থেকে বর্ণিত, তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেছেন, তোমাদের ফতওয়া প্রদানের বিষয়ে অধিক দুঃসাহসীগণ জাহান্নামের (যাওয়ার) জন্যও অধিক দুঃসাহসী।’[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ মু’দাল (এর সনদ থেকে দু’ই বা ততোধিক রাবীর নাম বাদ পড়েছে); কোন সাহাবী থেকে উবাইদুল্লাহ ইবনু আবী জা’ফরের কোন বর্ণনা আমাদের জানা নেই। আল্লাহই ভাল জানেন।

 

তাখরীজ: কাশফুল খফা নং ১১৩; আসনাল মাতালিব, নং ৫৪; জামি’ বায়ানুল ইলম, ২/৮১৬,৮১৭, ৮৪৮ নং ১৫২৫, ১৫২৬, ১৫৯১।

بَابُ الْفُتْيَا وَمَا فِيهِ مِنَ الشِّدَّةِ

أَخْبَرَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ مُوسَى، حَدَّثَنَا ابْنُ الْمُبَارَكِ، عَنْ سَعِيدِ بْنُ أَبِي أَيُّوبَ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي جَعْفَرٍ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «أَجْرَؤُكُمْ عَلَى الْفُتْيَا، أَجْرَؤُكُمْ عَلَى النَّارِ

 

إسناده معضل عبيد الله بن أبي جعفر ما عرفنا له رواية عن الصحابة فيما نعلم

أخبرنا إبراهيم بن موسى، حدثنا ابن المبارك، عن سعيد بن أبي أيوب، عن عبيد الله بن أبي جعفر، قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «أجرؤكم على الفتيا، أجرؤكم على النار إسناده معضل عبيد الله بن أبي جعفر ما عرفنا له رواية عن الصحابة فيما نعلم

 হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai’f)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ১৬০

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ২০. ফতোয়া প্রদান করা এবং এতে যে কঠোরতা রয়েছে

১৬০. ইবনু আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, যে ব্যক্তি এমন মত-পথ উদ্ভাবন করল বা পোষণ করলো যা আল্লাহর কিতাবে নেই, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয় সাল্লামের সুন্নাতে আসেনি, তাহলে যখন সে আল্লাহ আযযা ওয়া জাল্লা’র সাথে (কিয়ামতের দিন) সাক্ষাৎ করবে, সেদিন সে জানতেও পারবে না, সে কোন্ পথের উপর প্রতিষ্ঠিত (দীনের অনুসারী) ছিল।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ, যদি উবাদাহ ইবনু আব্বাস থেকে কিছু শুনে থাকে।

 

তাখরীজ: ইবনু ওয়াদাহ, আল বিদ’আ নং ৯৪; ইবনু হাযম, আল আহকাম ৬/৭৮২; বাইহাকী, আল মাদখাল ১৯০; খতীব, আল ফাকিহ ওয়াল মুতাফাক্কিহ, ১/১৮৩।

بَابُ الْفُتْيَا وَمَا فِيهِ مِنَ الشِّدَّةِ

أَخْبَرَنَا أَبُو الْمُغِيرَةِ، حَدَّثَنَا الْأَوْزَاعِيُّ، عَنْ عَبْدَةَ بْنِ أَبِي لُبَابَةَ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ رضي الله عنهما قَالَ: ” مَنْ أَحْدَثَ رَأْيًا لَيْسَ فِي كِتَابِ اللَّهِ، وَلَمْ تَمْضِ بِهِ سُنَّةٌ مَنْ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، لَمْ يَدْرِ عَلَى مَا هُوَ مِنْهُ، إِذَا لَقِيَ اللَّهَ عَزَّ وَجَلَّ

 

إسناده صحيح إذا كان عبدة سمعه من ابن عباس

أخبرنا أبو المغيرة، حدثنا الأوزاعي، عن عبدة بن أبي لبابة، عن ابن عباس رضي الله عنهما قال: ” من أحدث رأيا ليس في كتاب الله، ولم تمض به سنة من رسول الله صلى الله عليه وسلم، لم يدر على ما هو منه، إذا لقي الله عز وجل إسناده صحيح إذا كان عبدة سمعه من ابن عباس

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ১৬১

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ২০. ফতোয়া প্রদান করা এবং এতে যে কঠোরতা রয়েছে

১৬১. আবী হুরাইরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হতে বর্ণনা করেন, তিনি বলেছেন, যে ব্যক্তি এমন ফতওয়া দিল যা (দলীল-প্রমাণ দ্বারা) সাব্যস্ত নয়, তাহলে ভুল ফতওয়া দানের পাপ ফতওয়া দানকারীর উপরই বর্তাবে।’[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ হাসান, যখন বাকর ইবনু আমর (এ হাদীসের একজন রাবী) আবী উছমান থেকে কিছু শ্রবণ করে থাকেন।

 

তাখরীজ: আবু দাউদ, ৩৬৫৭; বুখারী, আদাবুল মুফরাদ ২৫৯; তাহাবী, মুশকিলিল আছার ১/১৭১; হাকিম ১/১২৬; খতীব, ফাকীহ ওয়াল মুতাফাক্কিহ ১/১৫৫; বাইহাকী, আদাবুল কাযী ১০/১১২; হাকিম ও যাহাবী একে বুখারী মুসলিমের শর্তে সহীহ বলেছেন। তবে আমি বলছি: এটি বুখারী মুসলিমের শর্তানুযায়ী সহীহ নয়, বরং এর রাবী মুসলিম ইবনু ইয়াসার হতে ইমাম মুসলিম তার সহীহ মুসলিমের মুকদ্দমায় এর শাহীদ নিয়ে এসেছেন।

 

ইবনু হাযম, আল আহকাম ৬/১০২১ ইবনু আব্বাস হতে, সনদ সহীহ; আহমদ ২/৩২১, সনদ হাসান, (এছাড়াও শাইখ এর অনেকগুলো সনদ তাখরীজ করেছেন-অনুবাদক)

بَابُ الْفُتْيَا وَمَا فِيهِ مِنَ الشِّدَّةِ

أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ يَزِيدَ، حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ أَبِي أَيُّوبَ، حَدَّثَنِي بَكْرُ بْنُ عَمْرٍو الْمَعَافِرِيُّ، عَنْ أَبِي عُثْمَانَ مُسْلِمِ بْنُ يَسَارٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ رضي الله عنه، عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «مَنْ أُفْتِيَ بِفُتْيَا مَنْ غَيْرِ ثَبْتٍ، فَإِنَّمَا إِثْمُهُ عَلَى مِنْ أَفْتَاهُ

 

إسناده حسن إذا كان بكر بن عمرو سمعه من أبي عثمان

أخبرنا عبد الله بن يزيد، حدثنا سعيد بن أبي أيوب، حدثني بكر بن عمرو المعافري، عن أبي عثمان مسلم بن يسار، عن أبي هريرة رضي الله عنه، عن النبي صلى الله عليه وسلم: «من أفتي بفتيا من غير ثبت، فإنما إثمه على من أفتاه إسناده حسن إذا كان بكر بن عمرو سمعه من أبي عثمان

 হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ১৬২

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ২০. ফতোয়া প্রদান করা এবং এতে যে কঠোরতা রয়েছে

১৬২. ইবনু আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, যে ব্যক্তি কোন বিষয়ে অজ্ঞ হয়েও সে বিষয়ে ফতওয়া প্রদান করে, তবে এই ভুল ফতওয়ার পাপ তার উপরই বর্তাবে।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ। ‘يعمى عليها অর্থ لم يهتد اليها ( এর সঠিক সীমা না জেনেই)।

 

তাখরীজ: ইবনু আব্দুল বার, জামি বায়ানুল ইলম, নং ১৬২৬, ১৬২৭, ১৮৯২; খতীব, আল ফাকিহ ওয়াল মুতাফাক্কিহ, ২/১৫৫;

بَابُ الْفُتْيَا وَمَا فِيهِ مِنَ الشِّدَّةِ

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ، عَنْ أَبِي سِنَانٍ، عَنْ سَعِيدِ بْنُ جُبَيْرٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ رضي الله عنه، قَالَ: «مَنْ أَفْتَى بِفُتْيَا يُعَمَّى عنهَا، فَإِثْمُهَا عَلَيْهِ

 

إسناده صحيح

أخبرنا محمد بن أحمد، حدثنا سفيان بن عيينة، عن أبي سنان، عن سعيد بن جبير، عن ابن عباس رضي الله عنه، قال: «من أفتى بفتيا يعمى عنها، فإثمها عليه إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ১৬৩

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ

১৬৩. মাইমুন ইবনু মিহরান রাহিমাহুল্লাহ বলেন, আবু বাকর রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু-এর নিকট কোনো বিচার-বিসম্বাদ এসে পৌঁছলে তিনি প্রথমে আল্লাহর কিতাবে (এর হুকুম খুঁজে) দেখতেন। তাদের মধ্যকার বিবাদমান বিষয়টি সেখানে পেয়ে গেলে তিনি সে অনুযায়ী তাদের মধ্যে ফায়সালা করতেন। আর তা যদি কিতাবে না থাকত, আর এ বিষয়ে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর সুন্নাত তাঁর জানা থাকত, তবে তিনি সে অনুযায়ী এর ফায়সালা করতেন। আর যদি তিনি এতে (এ বিষয়ে সুন্নাত জানতে) ব্যর্থ হতেন, তবে তিনি লোকদেরকে জিজ্ঞেস করার জন্য বেরিয়ে পড়তেন। তিনি বলতেন: ’আমার নিকট এমন এমন বিচার-বিসম্বাদ এসেছে। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এ বিষয়ে কিভাবে ফায়সালা করেছেন, তা তোমরা জানো কি? তখন লোকেরা দলে দলে তার নিকট একত্রিত হতেন এবং তাদের প্রত্যেকেই উল্লিখিত বিষয়ে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর রায় বর্ণনা করতেন। তখন আবু বাকর রাদিয়াল্লাহু আনহু বলতেন: ’আলহামদু লিল্লাহ! আল্লাহর জন্যই সমস্ত প্রশংসা যিনি আমাদের মাঝ থেকে এমন ব্যক্তি তৈরি করেছেন, যে আমাদের নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে (তাঁর হাদীস) সংরক্ষণ করেছেন। আর যদি তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর সুন্নাত থেকে এ বিষয়ে কোনো ফায়সালা পেতে ব্যর্থ হতেন, তখন তিনি লোকদের মধ্যকার শ্রেষ্ঠ ও নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিদেরকে একত্রিত করতেন এবং তাদের সাথে পরামর্শ করতেন। যখন তারা সকলে একটি বিষয়ে ঐকমত্যে পৌঁছতেন, তখন তিনি তার ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত বা রায় দিতেন।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর রাবীগণ নির্ভরযোগ্য। কিন্তু মাইমুন ইবনু মিহরান আবু বাকরের সাক্ষাত পাননি। ফলে এ সনদ বিচ্ছিন্ন।

 

তাখরীজ: বাইহাকী, আদাবুল কাযী ১০/১১৪;

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الصَّلْتِ، حَدَّثَنَا زُهَيْرٌ، عَنْ جَعْفَرِ بْنِ بُرْقَانَ، حَدَّثَنَا مَيْمُونُ بْنُ مِهْرَانَ، قَالَ: كَانَ أَبُو بَكْرٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ، إِذَا وَرَدَ عَلَيْهِ الْخَصْمُ نَظَرَ فِي كِتَابِ اللَّهِ، فَإِنْ وَجَدَ فِيهِ مَا يَقْضِي بَيْنَهُمْ، قَضَى بِهِ، وَإِنْ لَمْ يَكُنْ فِي الْكِتَابِ، وَعَلِمَ مِنْ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي ذَلِكَ الْأَمْرِ سُنَّةً، قَضَى بِهِ، فَإِنْ أَعْيَاهُ، خَرَجَ فَسَأَلَ الْمُسْلِمِينَ وَقَالَ: «أَتَانِي كَذَا وَكَذَا، فَهَلْ عَلِمْتُمْ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَضَى فِي ذَلِكَ بِقَضَاءٍ؟» فَرُبَّمَا اجْتَمَعَ إِلَيْهِ النَّفَرُ كُلُّهُمْ يَذْكُرُ مِنْ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِيهِ قَضَاءً. فَيَقُولُ أَبُو بَكْرٍ: «الْحَمْدُ لِلَّهِ الَّذِي جَعَلَ فِينَا مَنْ يَحْفَظُ عَلَى نَبِيِّنَا،» صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، ” فَإِنْ أَعْيَاهُ أَنْ يَجِدَ فِيهِ سُنَّةً مِنْ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، جَمَعَ رُءُوسَ النَّاسِ وَخِيَارَهُمْ فَاسْتَشَارَهُمْ، فَإِذَا اجْتَمَعَ رَأْيُهُمْ عَلَى أَمْرٍ، قَضَى بِهِ

 

رجاله ثقات غير أن ميمون بن مهران لم يدرك أبا بكر فالإسناد منقطع

أخبرنا محمد بن الصلت، حدثنا زهير، عن جعفر بن برقان، حدثنا ميمون بن مهران، قال: كان أبو بكر رضي الله عنه، إذا ورد عليه الخصم نظر في كتاب الله، فإن وجد فيه ما يقضي بينهم، قضى به، وإن لم يكن في الكتاب، وعلم من رسول الله صلى الله عليه وسلم في ذلك الأمر سنة، قضى به، فإن أعياه، خرج فسأل المسلمين وقال: «أتاني كذا وكذا، فهل علمتم أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قضى في ذلك بقضاء؟» فربما اجتمع إليه النفر كلهم يذكر من رسول الله صلى الله عليه وسلم فيه قضاء. فيقول أبو بكر: «الحمد لله الذي جعل فينا من يحفظ على نبينا،» صلى الله عليه وسلم، ” فإن أعياه أن يجد فيه سنة من رسول الله صلى الله عليه وسلم، جمع رءوس الناس وخيارهم فاستشارهم، فإذا اجتمع رأيهم على أمر، قضى به رجاله ثقات غير أن ميمون بن مهران لم يدرك أبا بكر فالإسناد منقطع

 হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai’f)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ১৬৪

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ২০. ফতোয়া প্রদান করা এবং এতে যে কঠোরতা রয়েছে

১৬৪. আবু সুহাইল রাহিমাহুল্লাহ হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমার স্ত্রীর উপর মাসজিদুল হারামে তিনদিনের জন্য মানতের ই’তিকাফ রয়ে গিয়েছিল। যখন আমি (এ বিষয়ে) উমার ইবনু আব্দুল আযীয রাহিমাহুল্লাহকে জিজ্ঞেস করলাম, তখন তাঁর নিকট ইবনু শিহাব যুহুরী রাহিমাহুল্লাহও ছিলেন। তিনি বলেন, আমি বললাম, তার উপর কি সিয়ামও রয়েছে? তখন ইবনু শিহাব বললেন: সিয়াম ব্যতীত কোনো ই’তিকাফ হয় না।

তখন উমার ইবনু আব্দুল আযীয তাকে জিজ্ঞেস করলেন, এটা কি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে (বর্ণনা করছেন)? তিনি বললেন, না। তিনি তাকে আবার জিজ্ঞেস করলেন, এটা কি তাহলে আবু বাকর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে (বর্ণনা করছেন)? তিনি বললেন, না। তিনি আবার তাকে জিজ্ঞেস করলেন, এটা কি তবে উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে (বর্ণনা করছেন)? তিনি জবাবে বললেন, না। তিনি অনুরূপভাবে জিজ্ঞেস করলেন, এটা কি তবে উছমান রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে (বর্ণনা করছেন)? তিনি এর জবাবে আবারও বললেন, না।

তখন তিনি বললেন, আমার মত হল, (ই’তিকাফ করার জন্য) এ মহিলার উপর সিয়াম বাধ্যতামুলক নয়। তখন আমি বের হয়ে গেলাম এবং তাউস ও আতা ইবনু আবী রাবাহকে পেয়ে গেলাম। ফলে তাদের দু’জনকে বিষয়টি জিজ্ঞেস করলাম। তাউস বললেন: ইবনু আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু (ই’তিকাফের জন্য) এ ক্ষেত্রে তার উপর সিয়াম অপরিহার্য বলে মনে করতেন না, যদি না সে নিজের উপর তা ধার্য করে নেয়। তিনি বলেন, আতা বললেন, এটি আমারও মত।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: আমি এ হাদীসটি এখানে ব্যতীত অন্য কোথাও পাইনি। তবে দেখুন, মুছান্নাফ ইবনু আবী শাইবা, ৩/৮৭; মা’রিফাতুস সুনান ওয়াল আছার ৬/৩৯৫-৩৯৬; মুছান্নাফ আব্দুর রাযযাক ৪/৩৫৩-৩৫৪।

بَابُ الْفُتْيَا وَمَا فِيهِ مِنَ الشِّدَّةِ

أَخْبَرَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ مُوسَى، وَعَمْرُو بْنُ زُرَارَةَ، عَنْ عَبْدِ الْعَزِيزِ بْنِ مُحَمَّدٍ، عَنْ أَبِي سُهَيْلٍ، قَالَ: كَانَ عَلَى امْرَأَتِي اعْتِكَافُ ثَلَاثَةِ أَيَّامٍ فِي الْمَسْجِدِ الْحَرَامِ، فَسَأَلْتُ عُمَرَ بْنَ عَبْدِ الْعَزِيزِ، وَعِنْدَهُ ابْنُ شِهَابٍ، قَالَ: قُلْتُ عَلَيْهَا صِيَامٌ. قَالَ ابْنُ شِهَابٍ: لَا يَكُونُ اعْتِكَافٌ إِلَّا بِصِيَامٍ. فَقَالَ لَهُ عُمَرُ بْنُ عَبْدِ الْعَزِيزِ: أَعَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ؟ قَالَ: لَا. قَالَ: فَعَنْ أَبِي بَكْرٍ؟ قَالَ: لَا؟ قَالَ: فَعَنْ عُمَرَ؟ قَالَ: لَا. قَالَ: فَعَنْ عُثْمَانَ؟ قَالَ: لَا. قَالَ عُمَرُ: مَا أَرَى عَلَيْهَا صِيَامًا. فَخَرَجْتُ فَوَجَدْتُ طَاوُسًا وَعَطَاءَ بْنَ أَبِي رَبَاحٍ، فَسَأَلْتُهُمَا، فَقَالَ طَاوُسٌ: كَانَ ابْنُ عَبَّاسٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا، «لَا يَرَى عَلَيْهَا صِيَامًا إِلَّا أَنْ تَجْعَلَهُ عَلَى نَفْسِهَا». قَالَ: وَقَالَ عَطَاءٌ: ذَلِكَ رَأْيِي

 

إسناده صحيح

أخبرنا إبراهيم بن موسى، وعمرو بن زرارة، عن عبد العزيز بن محمد، عن أبي سهيل، قال: كان على امرأتي اعتكاف ثلاثة أيام في المسجد الحرام، فسألت عمر بن عبد العزيز، وعنده ابن شهاب، قال: قلت عليها صيام. قال ابن شهاب: لا يكون اعتكاف إلا بصيام. فقال له عمر بن عبد العزيز: أعن النبي صلى الله عليه وسلم؟ قال: لا. قال: فعن أبي بكر؟ قال: لا؟ قال: فعن عمر؟ قال: لا. قال: فعن عثمان؟ قال: لا. قال عمر: ما أرى عليها صياما. فخرجت فوجدت طاوسا وعطاء بن أبي رباح، فسألتهما، فقال طاوس: كان ابن عباس رضي الله عنهما، «لا يرى عليها صياما إلا أن تجعله على نفسها». قال: وقال عطاء: ذلك رأيي إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ১৬৫

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ২০. ফতোয়া প্রদান করা এবং এতে যে কঠোরতা রয়েছে

১৬৫, আবু নাদ্বরাহ্ বলেন, আবু সালামাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু যখন বসরায় এলেন, তখন আমি এবং হাসান তাঁর নিকট এলাম। তিনি হাসানকে বললেন, তুমিই হাসান? বসরায় এমন কোন ব্যক্তি নেই, যার সাথে সাক্ষাৎ করা আমার নিকট তোমার সাথে সাক্ষাৎ অপেক্ষা অধিক প্রিয়। এর কারণ হল, আমার নিকট এ সংবাদ পৌঁছেছে যে, তুমি তোমার আপন রায় (মতামত) দ্বারা ফাতওয়া প্রদান কর। (শোনো), নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সুন্নাত কিংবা (আল্লাহর) নাযিলকৃত কিতাবের দলীল ব্যতীত তুমি কখনো তোমার নিজের রায় দ্বারা ফতওয়া দিও না।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর রাবীগণ নির্ভরযোগ্য। তবে সাঈদ ইবনু ইয়াস হতে যারা তার স্মৃতি গোলমাল হয়ে যাওয়ার পূর্বে শুনেছেন বলে বর্ণিত আছে, আবু উকাইল বাশীর ইবনু উকবাহকে তাদের মধ্যে উল্লেখ করা হয় না।

 

তাখরীজ: খতীব, আল ফাকীহ ওয়াল মুতাফাক্কিহ নং ১০৭১; সনদ সহীহ।

بَابُ الْفُتْيَا وَمَا فِيهِ مِنَ الشِّدَّةِ

حَدَّثَنَا مُسْلِمُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، حَدَّثَنَا أَبُو عَقِيلٍ، حَدَّثَنَا سَعِيدٌ الْجُرَيْرِيُّ، عَنْ أَبِي نَضْرَةَ قَالَ: لَمَّا قَدِمَ أَبُو سَلَمَةَ الْبَصْرَةَ، أَتَيْتُهُ أَنَا وَالْحَسَنُ فَقَالَ لِلْحَسَنِ: أَنْتَ الْحَسَنُ؟ «مَا كَانَ أَحَدٌ بِالْبَصْرَةِ أَحَبَّ إِلَيَّ لِقَاءً مِنْكَ، وَذَلِكَ أَنَّهُ بَلَغَنِي أَنَّكَ تُفْتِي بِرَأْيِكَ، فَلَا تُفْتِ بِرَأْيِكَ إِلَّا أَنْ تَكُونَ سُنَّةٌ عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَوْ كِتَابٌ مُنْزَلٌ

 

رجاله ثقات غير أن أبا عقيل بشير بن عقبة لم يذكر فيمن سمعوا سعيد بن إياس الجريري قبل الاختلاط

حدثنا مسلم بن إبراهيم، حدثنا أبو عقيل، حدثنا سعيد الجريري، عن أبي نضرة قال: لما قدم أبو سلمة البصرة، أتيته أنا والحسن فقال للحسن: أنت الحسن؟ «ما كان أحد بالبصرة أحب إلي لقاء منك، وذلك أنه بلغني أنك تفتي برأيك، فلا تفت برأيك إلا أن تكون سنة عن رسول الله صلى الله عليه وسلم أو كتاب منزل رجاله ثقات غير أن أبا عقيل بشير بن عقبة لم يذكر فيمن سمعوا سعيد بن إياس الجريري قبل الاختلاط

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ১৬৬

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ২০. ফতোয়া প্রদান করা এবং এতে যে কঠোরতা রয়েছে

১৬৬. জাবির বিন যায়িদ থেকে বর্ণিত, তাওয়াফ করার সময় ইবনু উমার তার সাথে সাক্ষাৎ করলেন, অতঃপর বললেন, ওহে আবূ শা’ছা’! নিশ্চয়ই তুমি বসরার ফকীহদের (প্রজ্ঞাবানদের) একজন। ফলে ফয়সালাকারী কুরআন কিংবা বিগত কোন সুন্নাত ব্যতীত তুমি ফতওয়া দিও না। আর যদি তুমি তা কর (কুরআন-সুন্নাহ ব্যতীত ফতওয়া দাও), তবে তুমি নিজেও ধ্বংস হবে এবং (অন্যদেরকেও) ধ্বংস করবে।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ হাসান।

 

তাখরীজ: বুখারী, আত তারীখ ২/২০৪; খতীব, আল ফাকীহ ওয়াল মুতাফাক্কিহ ১/১৮৩ ও ২/১৬৩; আবু নুয়াইম, হিলইয়া ৩/৮৬;

بَابُ الْفُتْيَا وَمَا فِيهِ مِنَ الشِّدَّةِ

أَخْبَرَنَا عِصْمَةُ بْنُ الْفَضْلِ، حَدَّثَنَا زَيْدُ بْنُ الْحُبَابِ، عَنْ يَزِيدَ بْنِ عُقْبَةَ، حَدَّثَنَا الضَّحَّاكُ، عَنْ جَابِرِ بْنِ زَيْدٍ، أَنَّ ابْنَ عُمَرَ لَقِيَهُ فِي الطَّوَافِ فَقَالَ لَهُ: يَا أَبَا الشَّعْثَاءِ إِنَّكَ مِنْ فُقَهَاءِ الْبَصْرَةِ فَلَا تُفْتِ إِلَّا بِقُرْآنٍ نَاطِقٍ، أَوْ سُنَّةٍ مَاضِيَةٍ، فَإِنَّكَ إِنْ فَعَلْتَ غَيْرَ ذَلِكَ، هَلَكْتَ وَأَهْلَكْتَ

 

إسناده حسن

أخبرنا عصمة بن الفضل، حدثنا زيد بن الحباب، عن يزيد بن عقبة، حدثنا الضحاك، عن جابر بن زيد، أن ابن عمر لقيه في الطواف فقال له: يا أبا الشعثاء إنك من فقهاء البصرة فلا تفت إلا بقرآن ناطق، أو سنة ماضية، فإنك إن فعلت غير ذلك، هلكت وأهلكت إسناده حسن

 হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ১৬৭

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ২০. ফতোয়া প্রদান করা এবং এতে যে কঠোরতা রয়েছে

১৬৭. আব্দুল্লাহ ইবনু মাসউদ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমাদের উপর এক যামানা এসেছিল, যখন আমরা কোন ফায়সালা বা সমাধান দিতাম না, আর সে অবস্থাও আমাদের ছিল না। এরপর মহান আল্লাহ এ বিষয়টি নির্ধারণ করলেন এবং আমাদেরকে সেই অবস্থায় পৌঁছে দিলেন, যেখানে তোমরা আজকে আমাদেরকে দেখছ। কাজেই আজকের পর থেকে কারো নিকট এমন কোন মুকাদ্দমা-বিবাদ উত্থাপিত হলে সে যেন আল্লাহ আযযা ওয়া জাল্লা’-এর কিতাব অনুযায়ী ফায়সালা করে। আর তার নিকট যদি এমন কোন বিবাদ আসে যা আল্লাহর কিতাবে নেই, তবে সে যেন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর ফায়সালা দ্বারা ফায়সালা করে। আর যদি তার নিকট এমন কিছু আসে, যা আল্লাহর কিতাবেও নেই, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামও সে ব্যাপারে কোন ফায়সালা দেননি, তবে সে বিষয়ে সে সলিহীন (নেককার)দের ফায়সালা অনুযায়ী ফায়সালা দেবে। ’আমার ভয় হয়’ বা ’আমি মনে করি’- এ জাতীয় কথা সে যেন না বলে। কেননা, হারাম স্পষ্ট করে দেয়া হয়েছে এবং হালালও স্পষ্ট করে দেয়া হয়েছে। এতদুভয়ের মাঝে রয়েছে সন্দেহজনক বিষয়সমূহ। সুতরাং তোমাকে যা সন্দেহে পতিত করে, তা তুমি পরিত্যাগ করে সেই বিষয় অবলম্বন কর যা তোমাকে সন্দেহে পতিত করে না।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ জায়্যেদ (উত্তম)।

 

তাখরীজ: নাসাঈ, আদাবুল কুযাত ৮/২৩০-২৩১; খতীব, আল ফাকীহ ওয়াল মুতাফাক্কিহ ১/২০০-২০১; বাইহাকী, আদাবুল কাযী ১০/১১৫; ইবনু আব্দুল বাররা, জামিউ’ বায়ানুল ইলম, ১৫৯৫, ১৫৯৬।

بَابُ الْفُتْيَا وَمَا فِيهِ مِنَ الشِّدَّةِ

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ، عَنْ سُفْيَانَ، عَنِ الْأَعْمَشِ، عَنْ عُمَارَةَ بْنِ عُمَيْرٍ، عَنْ حُرَيْثِ بْنِ ظُهَيْرٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَسْعُودٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ، قَالَ: أَتَى عَلَيْنَا زَمَانٌ لَسْنَا نَقْضِي وَلَسْنَا هُنَالِكَ، وَإِنَّ اللَّهَ قَدْ قَدَّرَ مِنَ الْأَمْرِ أَنْ قَدْ بَلَغْنَا مَا تَرَوْنَ، «فَمَنْ عَرَضَ لَهُ قَضَاءٌ بَعْدَ الْيَوْمِ، فَلْيَقْضِ فِيهِ بِمَا فِي كِتَابِ اللَّهِ عَزَّ وَجَلَّ فَإِنْ جَاءَهُ مَا لَيْسَ فِي كِتَابِ اللَّهِ، فَلْيَقْضِ بِمَا قَضَى بِهِ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فَإِنْ جَاءَهُ مَا لَيْسَ فِي كِتَابِ اللَّهِ، وَلَمْ يَقْضِ بِهِ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فَلْيَقْضِ بِمَا قَضَى بِهِ الصَّالِحُونَ، وَلَا يَقُلْ إِنِّي أَخَافُ، وَإِنِّي أُرَى، فَإِنَّ الْحَرَامَ بَيِّنٌ، وَالْحَلَالَ بَيِّنٌ، وَبَيْنَ ذَلِكَ أُمُورٌ مُشْتَبِهَةٌ، فَدَعْ مَا يَرِيبُكَ إِلَى مَا لَا يَرِيبُكَ

أخبرنا محمد بن يوسف، عن سفيان، عن الأعمش، عن عمارة بن عمير، عن حريث بن ظهير، عن عبد الله بن مسعود رضي الله عنه، قال: أتى علينا زمان لسنا نقضي ولسنا هنالك، وإن الله قد قدر من الأمر أن قد بلغنا ما ترون، «فمن عرض له قضاء بعد اليوم، فليقض فيه بما في كتاب الله عز وجل فإن جاءه ما ليس في كتاب الله، فليقض بما قضى به رسول الله صلى الله عليه وسلم، فإن جاءه ما ليس في كتاب الله، ولم يقض به رسول الله صلى الله عليه وسلم، فليقض بما قضى به الصالحون، ولا يقل إني أخاف، وإني أرى، فإن الحرام بين، والحلال بين، وبين ذلك أمور مشتبهة، فدع ما يريبك إلى ما لا يريبك

 হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ১৬৮

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ২০. ফতোয়া প্রদান করা এবং এতে যে কঠোরতা রয়েছে

১৬৮. উবাইদুল্লাহ বিন আবু ইয়াযীদ বলেন, ইবনু আব্বাসকে যখন কোন বিষয় জিজ্ঞাসা করা হত, যদি তা কুরআনে থাকে, তবে তিনি তা জানিয়ে দিতেন। আর তা যদি কুরআনে না থাকে, কিন্তু রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে বর্ণিত থাকে, তবে তাও তিনি জানিয়ে দিতেন। আর যা কুরআন-হাদীসে নাই, তবে আবু বকর ও উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা থেকে সে বিষয়ে কিছু বর্ণিত আছে, তাও তিনি জানিয়ে দিতেন। আর তা (উল্লিখিত স্থানসমূহে) কোথাও-ই না থাকলে তিনি সে ব্যাপারে আপন মতামত ব্যক্ত করতেন।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: হাকিম, ১/১২৭; খতীব, আল ফাকীহ ওয়াল মুতাফাক্কিহ ১/২০৩; বাইহাকী, আদাবুল কাযী ১০/১১৫; সনদ সহীহ।

بَابُ الْفُتْيَا وَمَا فِيهِ مِنَ الشِّدَّةِ

أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدٍ، حَدَّثَنَا ابْنُ عُيَيْنَةَ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي يَزِيدَ، قَالَ: كَانَ ابْنُ عَبَّاسٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا، «إِذَا سُئِلَ عَنِ الْأَمْرِ فَكَانَ فِي الْقُرْآنِ، أَخْبَرَ بِهِ، وَإِنْ لَمْ يَكُنْ فِي الْقُرْآنِ وَكَانَ عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، أَخْبَرَ بِهِ، فَإِنْ لَمْ يَكُنْ، فَعَنْ أَبِي بَكْرٍ وَعُمَرَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا – فَإِنْ لَمْ يَكُنْ، قَالَ فِيهِ بِرَأْيِهِ

 

إسناده صحيح

أخبرنا عبد الله بن محمد، حدثنا ابن عيينة، عن عبيد الله بن أبي يزيد، قال: كان ابن عباس رضي الله عنهما، «إذا سئل عن الأمر فكان في القرآن، أخبر به، وإن لم يكن في القرآن وكان عن رسول الله صلى الله عليه وسلم، أخبر به، فإن لم يكن، فعن أبي بكر وعمر رضي الله عنهما – فإن لم يكن، قال فيه برأيه إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ১৬৯

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ২০. ফতোয়া প্রদান করা এবং এতে যে কঠোরতা রয়েছে

১৬৯. শুরাইহ থেকে বর্ণিত, উমার ইবনুল খাত্তাব রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু তাকে লিখে পাঠিয়েছিলেন, ’তোমার কাছে যদি এমন বিষয় আসে যা আল্লাহর কিতাবে (কুরআনে) রয়েছে, তবে সেই অনুযায়ী তুমি বিচার ফায়সালা করবে। কোন ব্যক্তি যেন তোমাকে তা থেকে (ডানে বামে) সরিয়ে না দেয়। আর যদি এমন বিষয় আসে যা আল্লাহর কিতাবে নেই তাহলে তুমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সুন্নাহ দেখবে এবং সে অনুযায়ী ফায়সালা করবে। আর যদি তোমার নিকট এমন বিষয় আসে যা আল্লাহর কিতাবেও নেই, সে বিষয়ে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর কোন সুন্নাহও নেই, তাহলে দেখবে লোকেরা কোন্ বিষয়ের উপর ঐকমত্য পোষণ করছে, তুমি সেটি গ্রহণ করবে। আর যদি তোমার নিকট এমন বিষয় আসে যা আল্লাহর কিতাবেও নেই, সে বিষয়ে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর সুন্নাহও নেই, আর তোমার পূর্বে এ বিষয়ে কেউ কোন কথাই বলে যাননি, তবে তুমি দু’টি বিষয়ের যেকোন একটি গ্রহণ করতে পারো; যদি চাও তুমি আপন মতামতের ভিত্তিতে ইজতিহাদ করে অগ্রসর হবে, তবে অগ্রসর হতে পারো। আর যদি তুমি চাও (এ ব্যাপারে আপন মতামত প্রদান করা হতে) তুমি বিষয়টি মুলতুবি রাখবে, তবে মুলতুবি রাখতেও পার। তবে মুলতুবি রাখাই তোমার জন্য কল্যাণকর হবে বলে আমি মনে করি।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ জাইয়্যেদ (উত্তম)।

 

তাখরীজ: : বাইহাকী, আদাবুল কাযী ১০/১১৫; নাসাঈ, আদাবুল কুযাত ৮/২৩১; খতীব, আল ফাকীহ ওয়াল মুতাফাকিহ ১/১৯৯-২০১; ইবনু আব্দুল বাররা, জামিউ’ বয়ানুল ইলম, ১৪৩৯; ইবনু হাযম, আল আহকাম ৬/১০০৫;

بَابُ الْفُتْيَا وَمَا فِيهِ مِنَ الشِّدَّةِ

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عُيَيْنَةَ، عَنْ عَلِيِّ بْنِ مُسْهِرٍ، عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ، عَنِ الشَّعْبِيِّ، عَنْ شُرَيْحٍ، أَنَّ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ كَتَبَ إِلَيْهِ: ” إِنْ جَاءَكَ شَيْءٌ فِي كِتَابِ اللَّهِ، فَاقْضِ بِهِ وَلَا تَلْفِتْكَ عَنْهُ الرِّجَالُ، فَإِنْ جَاءَكَ مَا لَيْسَ فِي كِتَابِ اللَّهِ فَانْظُرْ سُنَّةَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فَاقْضِ بِهَا، فَإِنْ جَاءَكَ مَا لَيْسَ فِي كِتَابِ اللَّهِ وَلَمْ يَكُنْ فِيهِ سُنَّةٌ مِنْ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فَانْظُرْ مَا اجْتَمَعَ عَلَيْهِ النَّاسُ فَخُذْ بِهِ، فَإِنْ جَاءَكَ مَا لَيْسَ فِي كِتَابِ اللَّهِ وَلَمْ يَكُنْ فِي سُنَّةِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، وَلَمْ يَتَكَلَّمْ فِيهِ أَحَدٌ قَبْلَكَ. فَاخْتَرْ أَيَّ الْأَمْرَيْنِ شِئْتَ: إِنْ شِئْتَ أَنْ تَجْتَهِدَ برأْيكَ ثُمَّ تَقَدَّمَ فَتَقَدَّمْ، وَإِنْ شِئْتَ أَنْ تتأخَّرَ، فَتَأَخَّرْ، وَلَا أَرَى التَّأَخُّرَ إِلَّا خَيْرًا لَكَ

 

إسناده جيد

أخبرنا محمد بن عيينة، عن علي بن مسهر، عن أبي إسحاق، عن الشعبي، عن شريح، أن عمر بن الخطاب كتب إليه: ” إن جاءك شيء في كتاب الله، فاقض به ولا تلفتك عنه الرجال، فإن جاءك ما ليس في كتاب الله فانظر سنة رسول الله صلى الله عليه وسلم، فاقض بها، فإن جاءك ما ليس في كتاب الله ولم يكن فيه سنة من رسول الله صلى الله عليه وسلم، فانظر ما اجتمع عليه الناس فخذ به، فإن جاءك ما ليس في كتاب الله ولم يكن في سنة رسول الله صلى الله عليه وسلم، ولم يتكلم فيه أحد قبلك. فاختر أي الأمرين شئت: إن شئت أن تجتهد برأيك ثم تقدم فتقدم، وإن شئت أن تتأخر، فتأخر، ولا أرى التأخر إلا خيرا لك إسناده جيد

 হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ১৭০

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ২০. ফতোয়া প্রদান করা এবং এতে যে কঠোরতা রয়েছে

১৭০. মু’আয রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যখন তাকে ইয়ামানে পাঠান, তখন বলেন: তোমার নিকট বিচার-বিসম্বাদ উত্থাপিত হলে তুমি কিভাবে তার বিচার-ফয়সালা করবে? মু’আয বললেন, আমি আল্লাহর কিতাব অনুসারে ফায়সালা করব। তিনি বললেন, ’তা যদি আল্লাহর কিতাবে না থাকে?’ তখন তিনি বললেন, তাহলে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর সুন্নাহ অনুযায়ী ফায়সালা করব। তিনি আবার জিজ্ঞেস করলেন, ’যদি তা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর সুন্নাহতেও না থাকে?’ তিনি জবাবে বললেন, তাহলে আমি আপন মতামতের ভিত্তিতে ইজতিহাদ করব, আমি অবহেলা করব না। তখন নবী রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তার বুকে চাপড় মেরে বললেন, সেই আল্লাহর জন্যই সমস্ত প্রশংসা যিনি রাসূলুল্লাহ’র দূতকে এমন বিষয়ে তাওফীক দিয়েছেন, যা রাসূলুল্লাহকে সন্তুষ্ট করেছে।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ যয়ীফ, কেননা এতে ‘ইনক্বিত্বা’ বা বিচ্ছিন্নতা রয়েছে। তিরমিযী বলেন, ‘এ হাদীসটি এ সনদে ছাড়া অপর সনদে জানতে পারিনি, আর আমার নিকট এর সনদ ‘মুত্তাসিল’ (অবিচ্ছিন্ন) নয়।’ এছাড়া জাওযাকানী (আবাতীল ওয়াল মানাকীর, ১/১০৬) বলেন, এ হাদীস বাতিল।

 

তাখরীজ: তায়ালিসী ১/২৮৬ নং ১৪৫২; ইবনু আবী শাইবা ১০/১৭৭ নং ৯১৪৯; আহমদ ৫/২৩০, ২৩৬, ২৪২; আবু দাউদ ৩৫৯৩; তিরমিযী ১৩২৮;

بَابُ الْفُتْيَا وَمَا فِيهِ مِنَ الشِّدَّةِ

حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ حَمَّادٍ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عُبَيْدِ اللَّهِ الثَّقَفِيِّ، عَنِ الْحَارِثِ بْنِ عَمْرِو، ابْنِ أَخِي الْمُغِيرَةِ بْنِ شُعْبَةَ، عَنْ نَاسٍ مِنْ أَهْلِ حِمْصٍ مِنْ أَصْحَابِ مُعَاذٍ عَنْ مُعَاذٍ، رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ، أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَمَّا بَعَثَهُ إِلَى الْيَمَنِ قَالَ: أَرَأَيْتَ إِنْ عَرَضَ لَكَ قَضَاءٌ كَيْفَ تَقْضِي؟ ” قَالَ: أَقْضِي بِكِتَابِ اللَّهِ، قَالَ: «فَإِنْ لَمْ يَكُنْ فِي كِتَابِ اللَّهِ؟». قَالَ: فَبِسُنَّةِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ. قَالَ: ” فَإِنْ لَمْ يَكُنْ فِي سُنَّةِ رَسُولِ اللَّهِ؟. قَالَ: أَجْتَهِدُ رَأْيِي وَلَا آلُو. قَالَ: فَضَرَبَ صَدْرَهُ ثُمَّ قَالَ: «الْحَمْدُ لِلَّهِ الَّذِي وَفَّقَ رَسُولَ رَسُولِ اللَّهِ لِمَا يُرْضِي رَسُولَ اللَّهِ

 

إسناده ضعيف لانقطاعه

حدثنا يحيى بن حماد، حدثنا شعبة، عن محمد بن عبيد الله الثقفي، عن الحارث بن عمرو، ابن أخي المغيرة بن شعبة، عن ناس من أهل حمص من أصحاب معاذ عن معاذ، رضي الله عنه، أن النبي صلى الله عليه وسلم لما بعثه إلى اليمن قال: أرأيت إن عرض لك قضاء كيف تقضي؟ ” قال: أقضي بكتاب الله، قال: «فإن لم يكن في كتاب الله؟». قال: فبسنة رسول الله صلى الله عليه وسلم. قال: ” فإن لم يكن في سنة رسول الله؟. قال: أجتهد رأيي ولا آلو. قال: فضرب صدره ثم قال: «الحمد لله الذي وفق رسول رسول الله لما يرضي رسول الله إسناده ضعيف لانقطاعه

 হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai’f)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ১৭১

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ২০. ফতোয়া প্রদান করা এবং এতে যে কঠোরতা রয়েছে

১৭১. হুরাইছ বিন জুহাইর হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমার ধারণা, আব্দুল্লাহ ইবনু মাসউদ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন: আমাদের জীবনে এমন একটি সময় অতিবাহিত হয়েছে, যখন আমরা কোন বিষয়ে জিজ্ঞাসিত হতাম না, আর সে অবস্থাও আমাদের ছিল না। এরপর মহান আল্লাহ (আমাদেরকে) এ অবস্থার যোগ্য করে তুললেন এবং সেই অবস্থায় পৌঁছে দিলেন, যেখানে তোমরা আজকে আমাকে দেখছ। কাজেই তোমাদেরকে কোন বিষয়ে জিজ্ঞাসা করা হলে তোমরা আল্লাহ-এর কিতাবে তা খুঁজে দেখো। যদি বিষয়টি আল্লাহর কিতাবে (খুঁজে) না পাও, তবে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম্-এর সুন্নাতে তা তালাশ কর। আর যদি বিষয়টি রাসূলুল্লাহ’র সুন্নাতেও না পাও, তবে সে বিষয়ে মুসলিমগণের (সাহাবীদের) ইজমা (ঐকমত্য) তালাশ করবে। যদি সেই বিষয়ে মুসলিমগণের ইজমা না পাও, তবে কেবল তখনই তুমি তোমার আপন মতামতের ভিত্তিতে ইজতিহাদ করতে পার। এমন বলো না যে, ’আমি ভয় পাচ্ছি ও শংকিত হচ্ছি’। কেননা, হালাল স্পষ্ট করে দেয়া হয়েছে এবং হারামও স্পষ্ট করে দেয়া হয়েছে। এতদুভয়ের মাঝে রয়েছে সন্দেহজনক বিষয়সমূহ। সুতরাং তোমাকে যা সন্দেহে পতিত করে, তা তুমি পরিত্যাগ করে সেই বিষয় অবলম্বন কর যা তোমাকে সন্দেহে পতিত করে না।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ জায়্যেদ (উত্তম)।

 

তাখরীজ: খতীব, আল ফাকীহ ওয়াল মুতাফাক্কিহ ১/২০১। পূর্ণাঙ্গ তাখরীজের জন্য দেখুন পূর্বের হা/১৬৭।

بَابُ الْفُتْيَا وَمَا فِيهِ مِنَ الشِّدَّةِ

أَخْبَرَنَا يَحْيَى بْنُ حَمَّادٍ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ سُلَيْمَانَ، عَنْ عُمَارَةَ بْنِ عُمَيْرٍ، عَنْ حُرَيْثِ بْنِ ظُهَيْرٍ، قَالَ: أَحْسَبُ أَنَّ عَبْدَ اللَّهِ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ، قَالَ: ” قَدْ أَتَى عَلَيْنَا زَمَانٌ وَمَا نُسْأَلُ، وَمَا نَحْنُ هُنَاكَ، وَإِنَّ اللَّهِ قَدَّرَ أَنْ بَلَغْتُ مَا تَرَوْنَ. فَإِذَا سُئِلْتُمْ عَنْ شَيْءٍ، فَانْظُرُوا فِي كِتَابِ اللَّهِ، فَإِنْ لَمْ تَجِدُوهُ فِي كِتَابِ اللَّهِ عَزَّ وَجَلَّ فَفِي سُنَّةِ رَسُولِ اللَّهِ، فَإِنْ لَمْ تَجِدُوهُ فِي سُنَّةِ رَسُولِ اللَّهِ، فَمَا أَجْمَعَ عَلَيْهِ الْمُسْلِمُونَ، فَإِنْ لَمْ يَكُنْ فِيمَا أَجْمَعَ عَلَيْهِ الْمُسْلِمُونَ، فَاجْتَهِدْ رَأْيَكَ، وَلَا تَقُلْ: إِنِّي أَخَافُ وَأَخْشَى، فَإِنَّ الْحَلَالَ بَيِّنٌ، وَالْحَرَامَ بَيِّنٌ، وَبَيْنَ ذَلِكَ أُمُورٌ مُشْتَبِهَةٌ، فَدَعْ مَا يَرِيبُكَ إِلَى مَا لَا يَرِيبُكَ

أخبرنا يحيى بن حماد، حدثنا شعبة، عن سليمان، عن عمارة بن عمير، عن حريث بن ظهير، قال: أحسب أن عبد الله رضي الله عنه، قال: ” قد أتى علينا زمان وما نسأل، وما نحن هناك، وإن الله قدر أن بلغت ما ترون. فإذا سئلتم عن شيء، فانظروا في كتاب الله، فإن لم تجدوه في كتاب الله عز وجل ففي سنة رسول الله، فإن لم تجدوه في سنة رسول الله، فما أجمع عليه المسلمون، فإن لم يكن فيما أجمع عليه المسلمون، فاجتهد رأيك، ولا تقل: إني أخاف وأخشى، فإن الحلال بين، والحرام بين، وبين ذلك أمور مشتبهة، فدع ما يريبك إلى ما لا يريبك

 হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ১৭২

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ২০. ফতোয়া প্রদান করা এবং এতে যে কঠোরতা রয়েছে

১৭২. আব্দুর রহমান ইবনু ইয়াযীদ থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: পূর্বের হাদীসটি দেখুন।

بَابُ الْفُتْيَا وَمَا فِيهِ مِنَ الشِّدَّةِ

حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ حَمَّادٍ، عَنْ أَبِي عَوَانَةَ، عَنْ سُلَيْمَانَ، عَنْ عُمَارَةَ بْنِ عُمَيْرٍ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ يَزِيدَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ نَحْوَهُ

حدثنا يحيى بن حماد، عن أبي عوانة، عن سليمان، عن عمارة بن عمير، عن عبد الرحمن بن يزيد، عن عبد الله نحوه

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ১৭৩

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ২০. ফতোয়া প্রদান করা এবং এতে যে কঠোরতা রয়েছে

১৭৩. কাসিম ইবনু আব্দুর রহমান তার পিতা আব্দুর রহমান হতে, তিনি আব্দুল্লাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতেও অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: (মুহাক্বিক্ব এর কোন তাখরীজ করেন নি-অনুবাদক)।

بَابُ الْفُتْيَا وَمَا فِيهِ مِنَ الشِّدَّةِ

أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدٍ، حَدَّثَنَا جَرِيرٌ، عَنِ الْأَعْمَشِ، عَنِ الْقَاسِمِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بِنَحْوِهِ

أخبرنا عبد الله بن محمد، حدثنا جرير، عن الأعمش، عن القاسم بن عبد الرحمن، عن أبيه، عن عبد الله بنحوه

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ১৭৪

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ২০. ফতোয়া প্রদান করা এবং এতে যে কঠোরতা রয়েছে

১৭৪. আ’মাশ বলেন, আব্দুল্লাহ ইবনু মাসঊদ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন: হে মানবমণ্ডলী! অচিরেই তোমরা নতুন বিষয় (মত-পথ) উদ্ভাবন করবে এবং তোমাদের জন্যও নতুন বিষয় (মত-পথ) উদ্ভাবন করা হবে। কাজেই যখনই তোমরা কোন নতুন বিষয় (মত-পথ) দেখবে, তখন তোমাদের উপর আবশ্যক হল, প্রাথমিক যুগের (রাসূল সা: ও সাহাবাগণের) নির্দেশ অনুসরণ করা।[1]

হাফস বলেন: আমি হাবীব থেকে তিনি আবু আব্দুর রহমান থেকে- এ সনদে এটি বর্ণনা করতাম। তারপর এ সনদ সম্পর্কে আমার সন্দেহ হল। (ফলে সে সনদ বাদ দিয়ে উল্লিখিত সনদে বর্ণনা করছি)।[2]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ বিচ্ছিন্ন (মুনক্বাতি’)। আ’মাশ ইবনু মাসউদ হতে কিছু শোনেননি। (আছারটি সহীহ লি গয়রিহী। তাখরীজের আলোচনা দ্রষ্টব্য-অনুবাদক।)

 

তাখরীজ: মারওয়াযী, আস সুন্নাহ নং ৮০; ইবনু বাত্তাহ, আল ইবানাহ ১/৩২৯, ৩৩০ নং ১৮০-১৮১; সনদ সহীহ। ইবনু বাত্তাহ নং ১৮২ তে আম্মারাহ ইবনু উবাইদ থেকে তিনি ইবনু মাসউদ থেকে বর্ণনা করেছেন। এর সনদ জায়্যেদ ক্বাবী (উত্তম শক্তিশালী)। আবার নং ১৮৩ তেও আসওয়াদ্ ইবনু হিলাল থেকে তিনি আব্দুল্লাহ থেকে এটি বর্ণনা করেছেন। এর সনদ সহীহ।

 

[2] তাহক্বীক্ব: (এর কোন হুকুম লাগাননি)। এর রাবীগণ বিশ্বস্ত, তবে হাবীব বিন আবী ছাবিত মুদাল্লিস, তিনি ‘আন ‘আন পদ্ধতিতে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন।

 

তাখরীজ: খতীব, আল ফাকীহ ওয়াল মুতাফাক্কিহ ১/১৮২ ইবনু আবী শাইবা সূত্রে।

بَابُ الْفُتْيَا وَمَا فِيهِ مِنَ الشِّدَّةِ

أَخْبَرَنَا هَارُونُ بْنُ مُعَاوِيَةَ، عَنْ حَفْصِ بْنِ غِيَاثٍ، حَدَّثَنَا الْأَعْمَشُ، قَالَ: قَالَ عَبْدُ اللَّهِ: «أَيُّهَا النَّاسُ إِنَّكُمْ سَتُحْدِثُونَ وَيُحْدَثُ لَكُمْ، فَإِذَا رَأَيْتُمْ مُحْدَثَةً، فَعَلَيْكُمْ بِالْأَمْرِ الْأَوَّلِ» قَالَ حَفْصٌ: كُنْتُ أُسْنِدُ عَنْ حَبِيبٍ، عَنْ أَبِي عَبْدِ الرَّحْمَنِ، ثُمَّ دَخَلَنِي مِنْهُ شَكٌّ

 

إسناده منقطع لم يسمع الأعمش من ابن مسعود

أخبرنا هارون بن معاوية، عن حفص بن غياث، حدثنا الأعمش، قال: قال عبد الله: «أيها الناس إنكم ستحدثون ويحدث لكم، فإذا رأيتم محدثة، فعليكم بالأمر الأول» قال حفص: كنت أسند عن حبيب، عن أبي عبد الرحمن، ثم دخلني منه شك إسناده منقطع لم يسمع الأعمش من ابن مسعود

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ১৭৫

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ২০. ফতোয়া প্রদান করা এবং এতে যে কঠোরতা রয়েছে

১৭৫. ইবনু আউন হতে বর্ণিত, তিনি মুহাম্মাদ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু ইবনু মাসউদ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুকে বলেন, আমি জানতে পেরেছি যে, তুমি ফতওয়া দিচ্ছো, অথচ তুমি শাসক নও। এর শীতলতার ভার তুমি তাকেই অর্পণ কর, যাকে এর উত্তাপেরও ভার দিয়েছ (শাসক বা আমীর ফতওয়া দেওয়ার কর্তৃত্বশীল, ফতওয়া দানের ক্ষতির ভার ও তাকেই বহন করতে দাও)।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ যয়ীফ। মুহাম্মদ ইবনু সীরীন উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুর সাক্ষাৎ পাননি।

 

তাখরীজ: আব্দুল বার, জামিউ’ বায়ানুল ইলম, নং ২০৬৪, ২২১৬;

بَابُ الْفُتْيَا وَمَا فِيهِ مِنَ الشِّدَّةِ

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الصَّلْتِ، حَدَّثَنَا ابْنُ الْمُبَارَكِ، عَنِ ابْنِ عَوْنٍ، عَنْ مُحَمَّدٍ قَالَ: قَالَ عُمَرُ لِابْنِ مَسْعُودٍ: «أَلَمْ أُنْبَأْ – أَوْ أُنْبِئْتُ – أَنَّكَ تُفْتِي وَلَسْتَ بِأَمِيرٍ؟ وَلِّ حَارَّهَا مَنْ تَوَلَّى قَارَّهَا

أخبرنا محمد بن الصلت، حدثنا ابن المبارك، عن ابن عون، عن محمد قال: قال عمر لابن مسعود: «ألم أنبأ – أو أنبئت – أنك تفتي ولست بأمير؟ ول حارها من تولى قارها

 হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai’f)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ১৭৬

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ২১. যেকোন বিষয়ে ফতওয়া চাওয়ামাত্রই যে ব্যক্তি লোকদেরকে ফতওয়া দিয়ে বেড়ায়- তার সম্পর্কে

১৭৬. ইবনু মাসউদ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, লোকদের জিজ্ঞাসিত সকল বিষয়ে যে ব্যক্তি ফতোয়া দিয়ে দেয়, নিশ্চয়ই সেই ব্যক্তি একজন উন্মাদ বা পাগল।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: খতীব, আল ফাকীহ ওয়াল মুতাফাক্কিহ, নং ১১৯৪-১১৯৫; মাজমাউয যাওয়াইদ নং ৮৭০ দেখুন।

باب في الذي يفتي الناس في كل ما يستفتى

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ، عَنْ سُفْيَانَ، عَنِ الْأَعْمَشِ، عَنْ أَبِي وَائِلٍ، عَنِ ابْنِ مَسْعُودٍ قَالَ: «إِنَّ الَّذِي يُفْتِي النَّاسَ فِي كُلِّ مَا يُسْتَفْتَى لَمَجْنُونٌ

 

إسناده صحيح

أخبرنا محمد بن يوسف، عن سفيان، عن الأعمش، عن أبي وائل، عن ابن مسعود قال: «إن الذي يفتي الناس في كل ما يستفتى لمجنون إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ১৭৭

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ২১. যেকোন বিষয়ে ফতওয়া চাওয়ামাত্রই যে ব্যক্তি লোকদেরকে ফতওয়া দিয়ে বেড়ায়- তার সম্পর্কে

১৭৭. হুযায়ফা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, কেবলমাত্র তিন প্রকারের মানুষ লোকদেরকে ফতওয়া দিতে পারো: (এক.) যে ব্যক্তি ইমাম, কিংবা শাসক, (দুই.) যে ব্যক্তি আল-কুরআনের নাসিখ ও মানসুখ সম্পর্কে অভিজ্ঞ। তারা জিজ্ঞাসা করল, হে হুযায়ফা! ঔ ব্যক্তিটি কে? তিনি বললেন, উমার বিন খাত্ত্বাব রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু।  (তিন.) এবং বোকা, (কিন্তু জ্ঞানীর) ভানকারী।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ যয়ীফ ‘ইনকিত্বা’ বা বিচ্ছিন্নতার কারণে। কেননা, মুহাম্মদ ইবনু সীরীন হুযায়ফার সাক্ষাৎ পাননি। তবে এই হাদীসটি সহীহ। দেখুন পরবর্তী টীকা।

 

তাখরীজ: খতীব, ফাকীহ ওয়াল মুতাফাক্কিহ ২/১৪৬-১৪৭; ইবনু আব্দুল বার, জামি’ বায়ানুল ইলম, নং ২২১৪, ২২১৭;

باب في الذي يفتي الناس في كل ما يستفتى

أَخْبَرَنَا سَعِيدُ بْنُ عَامِرٍ، عَنْ هِشَامٍ، عَنْ مُحَمَّدٍ، عَنْ حُذَيْفَةَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ، قَالَ: ” إِنَّمَا يُفْتِي النَّاسَ ثَلَاثَةٌ: رَجُلٌ إِمَامٌ أَوْ وَالٍ، وَرَجُلٌ يَعْلَمُ نَاسِخَ الْقُرْآنِ مِنَ الْمَنْسُوخِ – قَالُوا: يَا حُذَيْفَةُ، مِنْ ذَاكَ؟ قَالَ عُمَرُ بْنُ الْخَطَّابِ – أَوْ أَحْمَقُ مُتَكَلِّفٌ

 

إسناده ضعيف لانقطاعه محمد بن سيرين لم يدرك حذيفة

أخبرنا سعيد بن عامر، عن هشام، عن محمد، عن حذيفة رضي الله عنه، قال: ” إنما يفتي الناس ثلاثة: رجل إمام أو وال، ورجل يعلم ناسخ القرآن من المنسوخ – قالوا: يا حذيفة، من ذاك؟ قال عمر بن الخطاب – أو أحمق متكلف إسناده ضعيف لانقطاعه محمد بن سيرين لم يدرك حذيفة

 হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ১৭৮

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ২১. যেকোন বিষয়ে ফতওয়া চাওয়ামাত্রই যে ব্যক্তি লোকদেরকে ফতওয়া দিয়ে বেড়ায়- তার সম্পর্কে

১৭৮. আবী ওবাইদাহ ইবনু হুযায়ফা হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, হুযায়ফা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, কেবলমাত্র তিন প্রকারের মানুষ লোকদেরকে ফতওয়া দিতে পারে: (এক) যে ব্যক্তি আল-কুরআনের নাসিখ ও মানসুখ সম্পর্কে জ্ঞানী। তারা বলল, হে হুযায়ফা! ঐ ব্যক্তিটি কে? তিনি বললেন, উমার বিন খাত্ত্বাব । তিনি বলে চললেন, (দুই.) সেই শাসক যার (ফতওয়া না দিয়ে) গত্যন্তর থাকে না; কিংবা বোকা, (কিন্তু জ্ঞানীর) ভানকারী।

অতঃপর মুহাম্মদ বলেন: আর আমি তো এ দু’প্রকার (উমার ইবনুল খাত্ত্বাব কিংবা শাসক) এর অন্তর্ভূক্ত নই-ই, আর আমি আশা করি আমি তৃতীয় প্রকারেরও (ভানকারী আহাম্মকের) অন্তর্ভূক্ত নই।’[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ জায়্যেদ (উত্তম)।

 

তাখরীজ: ইবনুল জাওযী, নাসিখুল কুরআন মিনাল মানসুখ, পৃ: ১৩৪ (আমাদের তাহক্বীক্বকৃত) সেখানে আমরা এর তাখরীজ করেছি।

باب في الذي يفتي الناس في كل ما يستفتى

أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ سَعِيدٍ، أَنبَأَنَا أَبُو أُسَامَةَ، عَنْ هِشَامِ بْنِ حَسَّانَ، عَنْ مُحَمَّدٍ، عَنْ أَبِي عُبَيْدَةَ بْنِ حُذَيْفَةَ قَالَ: قَالَ حُذَيْفَةُ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ: ” إِنَّمَا يُفْتِي النَّاسَ أَحَدُ ثَلَاثَةٍ: رَجُلٌ عَلِمَ نَاسِخَ الْقُرْآنِ مِنْ مَنْسُوخِهِ، قَالُوا: وَمَنْ ذَاكَ؟ قَالَ: عُمَرُ بْنُ الْخَطَّابِ – قَالَ: «وَأَمِيرٌ لَا يَجِدُ بُدًّا، أَوْ أَحْمَقُ مُتَكَلِّفٌ» ثُمَّ قَالَ مُحَمَّدٌ: فَلَسْتُ بِوَاحِدٍ مِنْ هَذَيْنِ، وَأَرْجُو أَنْ لَا أَكُونَ الثَّالِثَ

أخبرنا عبد الله بن سعيد، أنبأنا أبو أسامة، عن هشام بن حسان، عن محمد، عن أبي عبيدة بن حذيفة قال: قال حذيفة رضي الله عنه: ” إنما يفتي الناس أحد ثلاثة: رجل علم ناسخ القرآن من منسوخه، قالوا: ومن ذاك؟ قال: عمر بن الخطاب – قال: «وأمير لا يجد بدا، أو أحمق متكلف» ثم قال محمد: فلست بواحد من هذين، وأرجو أن لا أكون الثالث

 হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ১৭৯

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ২১. যেকোন বিষয়ে ফতওয়া চাওয়ামাত্রই যে ব্যক্তি লোকদেরকে ফতওয়া দিয়ে বেড়ায়- তার সম্পর্কে

১৭৯. মাসরূক হতে বর্ণিত, তিনি আব্দুল্লাহ হতে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, তোমাদের মধ্যে যে ব্যক্তি কোন বিষয়ে জ্ঞান রাখে, সে যেন সেই জ্ঞান অনুযায়ী কথা-বার্তা বলে। আর যে কোন বিষয়ে জ্ঞান রাখে না, সে যেন তার অজানা বিষয়ে একথা বলে, ’আল্লাহ-ই ভাল জানেন।’ আর যখন আলিম এমন বিষয়ে জিজ্ঞাসিত হয় যা সে জানে না, তবে সে যেন বলেন, ’আল্লাহ-ই ভাল জানেন।’ আর মহান আল্লাহ তাঁর রাসূলকে বলেছেন: “বল, আমি তোমাদের নিকট কোনো পারিশ্রমিক চাই না এবং আমি ভানকারীদের অন্তর্ভূক্তও নই।”(সূরা ছোয়াদ : ৮৬)।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ। এটি বুখারী-মুসলিমের হাদীস।

 

তাখরীজ: সহীহ বুখারী, কিতাবুত তাফসীর নং ৪৭৭৪, ৪৮২২; সহীহ মুসলিম কিতাবুল সিফাতুল মুনাফিকীন নং ২৭৯৮।

باب في الذي يفتي الناس في كل ما يستفتى

أَخْبَرَنَا جَعْفَرُ بْنُ عَوْنٍ، عَنِ الْأَعْمَشِ، عَنْ مُسْلِمٍ، عَنْ مَسْرُوقٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ قَالَ: ” مَنْ عَلِمَ مِنْكُمْ عِلْمًا، فَلْيَقُلْ بِهِ، وَمَنْ لَمْ يَعْلَمْ، فَلْيَقُلْ لِمَا لَا يَعْلَمُ: اللَّهُ أَعْلَمُ. فَإِنَّ: الْعَالِمَ إِذَا سُئِلَ عَمَّا لَا يَعْلَمُ، قَالَ: اللَّهُ عَزَّ وَجَلَّ أَعْلَمُ، ” وَقَدْ قَالَ اللَّهُ لِرَسُولِهِ: (قُلْ مَا أَسْأَلُكُمْ عَلَيْهِ مِنْ أَجْرٍ وَمَا أَنَا مِنَ الْمُتَكَلِّفِينَ)

 

إسناده صحيح والحديث متفق عليه

أخبرنا جعفر بن عون، عن الأعمش، عن مسلم، عن مسروق، عن عبد الله قال: ” من علم منكم علما، فليقل به، ومن لم يعلم، فليقل لما لا يعلم: الله أعلم. فإن: العالم إذا سئل عما لا يعلم، قال: الله عز وجل أعلم، ” وقد قال الله لرسوله: (قل ما أسألكم عليه من أجر وما أنا من المتكلفين) إسناده صحيح والحديث متفق عليه

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ১৮০

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ২১. যেকোন বিষয়ে ফতওয়া চাওয়ামাত্রই যে ব্যক্তি লোকদেরকে ফতওয়া দিয়ে বেড়ায়- তার সম্পর্কে

১৮০. আবুল মুহাল্লাব হতে বর্ণিত, (একদা) আবু মুসা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু খুতবায় বলেন, যে ব্যক্তি কোন বিষয়ে জানে, সে যেন তা লোকদেরকে শেখায়। আর সে যেন এমন বিষয়ে কথা বলা থেকে বিরত থাকে, যে বিষয় তার জানা নেই। কেননা এর মাধ্যমে সে দীন থেকে বেরিয়ে যাবে এবং ভানকারীদের অন্তর্ভূক্ত হয়ে যাবে।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর রাবীগণ বিশ্বস্ত, তবে এ সনদটি মুনকাতি’ বা বিচ্ছিন্ন। কেননা, আবু রিজা’ সালমান মাওলা আবী কিলাবাহ; তিনি আবী কিলাবার চাচা আবীল মুহাল্লাব হতে কিছু শোনেননি।

 

তাখরীজ: আমি এটা এ ব্যতীত অন্য কোথাও পাইনি।

باب في الذي يفتي الناس في كل ما يستفتى

أَخْبَرَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ، حَدَّثَنَا حُمَيْدٌ، عَنْ أَبِي رَجَاءٍ، عَنْ أَبِي الْمُهَلَّبِ،: أَنَّ أَبَا مُوسَى رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ، قَالَ، فِي خُطْبَتِهِ: «مَنْ عَلِمَ عِلْمًا، فَلْيُعَلِّمْهُ النَّاسَ، وَإِيَّاهُ أَنْ يَقُولَ مَا لَا عِلْمَ لَهُ بِهِ فَيَمْرُقُ مِنَ الدِّينِ وَيَكُونَ مِنَ الْمُتَكَلِّفِينَ

أخبرنا يزيد بن هارون، حدثنا حميد، عن أبي رجاء، عن أبي المهلب،: أن أبا موسى رضي الله عنه، قال، في خطبته: «من علم علما، فليعلمه الناس، وإياه أن يقول ما لا علم له به فيمرق من الدين ويكون من المتكلفين

 হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai’f)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ১৮১

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ২১. যেকোন বিষয়ে ফতওয়া চাওয়ামাত্রই যে ব্যক্তি লোকদেরকে ফতওয়া দিয়ে বেড়ায়- তার সম্পর্কে

১৮১. আবুল বুখতারী ও যাজান উভয়ে বর্ণনা করেন, আলী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, আহ! হৃদয়ে শীতলতা দানকারী কতই না উত্তম কথা, যে কোন অজানা বিষয়ে আমার নিকট কিছু জিজ্ঞাসা করা হলে তার জবাবে আমার একথা বলা, ’আল্লাহ-ই সবচেয়ে ভাল জানেন’![1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ যয়ীফ। খালিদ ইবনু আব্দুল্লাহ ‘আতা থেকে হাদীস শোনা হতে পিছিয়ে। (তবে পরবর্তী হাদীসের তাখরীজে বলা হয়েছে খতীব, ফাকিহ ওয়াল মুতাফাক্কিহ ২/১৭১ এ বর্ণিত হাদীসটির সনদ শাহিদের কারণে সহীহ।)

তাখরীজ: ইবনু আব্দুল বার, জামি’ বায়ানুল ইলম, নং ১৪০৫। পরবর্তী হাদীসটি দেখুন।

باب في الذي يفتي الناس في كل ما يستفتى

أَخْبَرَنَا عَمْرُو بْنُ عَوْنٍ، عَنْ خَالِدِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، عَنْ عَطَاءِ بْنِ السَّائِبِ، عَنْ أَبِي الْبَخْتَرِيِّ، وَزَاذَانَ، قَالَا: قَالَ عَلِيٌّ رِضْوَانُ اللَّهِ عَلَيْهِ ” وَا بَرْدَهَا عَلَى الْكَبِدِ إِذَا سُئِلْتُ عَمَّا لَا أَعْلَمُ، أَنْ أَقُولَ: اللَّهُ أَعْلَمُ

 

إسناده ضعيف خالد بن عبد الله متأخر السماع من عطاء

أخبرنا عمرو بن عون، عن خالد بن عبد الله، عن عطاء بن السائب، عن أبي البختري، وزاذان، قالا: قال علي رضوان الله عليه ” وا بردها على الكبد إذا سئلت عما لا أعلم، أن أقول: الله أعلم إسناده ضعيف خالد بن عبد الله متأخر السماع من عطاء

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ১৮২

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ২১. যেকোন বিষয়ে ফতওয়া চাওয়ামাত্রই যে ব্যক্তি লোকদেরকে ফতওয়া দিয়ে বেড়ায়- তার সম্পর্কে

১৮২. আবুল বুখতারী হতে বর্ণিত, আলী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন: আহ! হৃদয়ে শীতলতা দানকারী কতই না উত্তম কথা, যে তোমার অজানা বিষয়ে (জিজ্ঞাসিত হলে) তুমি একথা বলবে, ’আল্লাহ-ই সবচেয়ে ভাল জানেন’![1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ যয়ীফ। শারীক আতা থেকে হাদীস শ্রবণ করা হতে পিছিয়ে। আবুল বুখতারী হল সাঈদ ইবনু ফিরোয, তার সম্পর্কে হাফিজ ইবনু হাজার তার ‘নুকাত’ ১/৩৯৬ এ বলেন: “তিনি আলী হতে কিছু শোনেননি।”।

তাখরীজ: খতীব, ফাকিহ ওয়াল মুতাফাক্বিহ ২/১৭১ অপর সনদে, শাহিদের কারণে তা সহীহ। পূর্বের ও পরের টীকাগুলি দেখুন।

باب في الذي يفتي الناس في كل ما يستفتى

أَخْبَرَنَا أَبُو نُعَيْمٍ، حَدَّثَنَا شَرِيكٌ، عَنْ عَطَاءِ بْنِ السَّائِبِ، عَنْ أَبِي الْبَخْتَرِيِّ، عَنْ عَلِيٍّ رِضْوَانُ اللَّهِ عَلَيْهِ، قَالَ: ” يَا بَرْدَهَا عَلَى الْكَبِدِ أَنْ تَقُولَ لِمَا لَا تَعْلَمُ: اللَّهُ أَعْلَمُ

 

إسناده ضعيف شريك متأخر السماع من عطاء

أخبرنا أبو نعيم، حدثنا شريك، عن عطاء بن السائب، عن أبي البختري، عن علي رضوان الله عليه، قال: ” يا بردها على الكبد أن تقول لما لا تعلم: الله أعلم إسناده ضعيف شريك متأخر السماع من عطاء

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ১৮৩

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ২১. যেকোন বিষয়ে ফতওয়া চাওয়ামাত্রই যে ব্যক্তি লোকদেরকে ফতওয়া দিয়ে বেড়ায়- তার সম্পর্কে

১৮৩. রাযীন আবু নু’মান আলী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণনা করেন, আলী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, যখন তোমাদেরকে এমন বিষয়ে জিজ্ঞাসা করা হয়, যা তোমরা জান না, তখন তোমরা পালিয়ে যাও। তিনি জিজ্ঞেস করলেন, হে আমীরুল মু’মিনীন! এ পালিয়ে যাওয়াটা কেমন ভাবে? তিনি বললেন: তা হল, তোমরা বলবে: ’আল্লাহ-ই ভাল জানেন’।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: রাযীন আবু নু’মানের জীবনী আমি আমার নিকট রক্ষিত কিতাবসমূহে পাইনি।

 

তাখরীজ: (মুহাক্বিক্ব কোন তাখরীজ করেন নি।-অনুবাদক) আগের ও পরের টীকাগুলি দেখুন।

باب في الذي يفتي الناس في كل ما يستفتى

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ، حَدَّثَنَا عُمَيْرُ بْنُ عَرْفَجَةَ، حَدَّثَنَا رَزِينٌ أَبُو النُّعْمَانِ، عَنْ عَلِيِّ بْنِ أَبِي طَالِبٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ، قَالَ: «إِذَا سُئِلْتُمْ عَمَّا لَا تَعْلَمُونَ، فَاهْرُبُوا» قَالَ: وَكَيْفَ الْهَرَبُ يَا أَمِيرَ الْمُؤْمِنِينَ؟ قَالَ: تَقُولُونَ: اللَّهُ أَعْلَمُ

 

لم يحكم عليه المحقق

أخبرنا محمد بن يوسف، حدثنا عمير بن عرفجة، حدثنا رزين أبو النعمان، عن علي بن أبي طالب رضي الله عنه، قال: «إذا سئلتم عما لا تعلمون، فاهربوا» قال: وكيف الهرب يا أمير المؤمنين؟ قال: تقولون: الله أعلم لم يحكم عليه المحقق

 হাদিসের মানঃ সহিহ/যঈফ [মিশ্রিত]  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ১৮৪

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ২১. যেকোন বিষয়ে ফতওয়া চাওয়ামাত্রই যে ব্যক্তি লোকদেরকে ফতওয়া দিয়ে বেড়ায়- তার সম্পর্কে

১৮৪. আযুরাহ আত তামিমী থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আলী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, আহ! হৃদয়ে শীতলতা দানকারী কতই না উত্তম কথা- এ কথা তিনি তিনবার বলেন। তখন তারা জিজ্ঞাসা করলেন, হে আমীরুল মু’মিনীন! সেটা কোন্ কথা? তখন তিনি বলেন, কোন লোক অজানা বিষয়ে জিজ্ঞাসিত হলে তার একথা বলা, ’আল্লাহ-ই সবচেয়ে ভাল জানেন’।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: মুহাম্মদ ইবনু হামীদ যয়ীফ। (তবে শাহিদের কারণে এটিকে মুহাক্বিক্ব পূর্বে একে সহীহ বলেছেন-দেখুন, ১৮২ নং হাদীসের তাখরীজ।)

 

তাখরীজ: বাইহাকী, আল মাদখাল নং ৭৯৪ (অপর সনদে); ইবনু আব্দুল বার, জামি’ বায়ানুল ইলম নং ১৫৬৯ শা’বী থেকে তিনি আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে।

باب في الذي يفتي الناس في كل ما يستفتى

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ حُمَيْدٍ، حَدَّثَنَا جَرِيرٌ، عَنْ مَنْصُورٍ، عَنْ مُسْلِمٍ الْبَطِينِ، عَنْ عَزْرَةَ التَّمِيمِيِّ، قَالَ: قَالَ عَلِيٌّ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ، وَا بَرْدَهَا عَلَى الْكَبِدِ، ثَلَاثَ مَرَّاتٍ. قَالُوا: وَمَا ذَلِكَ يَا أَمِيرَ الْمُؤْمِنِينَ؟ قَالَ: ” أَنْ يُسْأَلَ الرَّجُلُ عَمَّا لَا يَعْلَمُ فَيَقُولُ: اللَّهُ أَعْلَمُ

 

لم يحكم عليه المحقق

أخبرنا محمد بن حميد، حدثنا جرير، عن منصور، عن مسلم البطين، عن عزرة التميمي، قال: قال علي رضي الله عنه، وا بردها على الكبد، ثلاث مرات. قالوا: وما ذلك يا أمير المؤمنين؟ قال: ” أن يسأل الرجل عما لا يعلم فيقول: الله أعلم لم يحكم عليه المحقق

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ১৮৫

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ২১. যেকোন বিষয়ে ফতওয়া চাওয়ামাত্রই যে ব্যক্তি লোকদেরকে ফতওয়া দিয়ে বেড়ায়- তার সম্পর্কে

১৮৫. উরওয়া হতে বর্ণিত, তিনি ইবনু উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা হতে বর্ণনা করেন যে, এক ব্যক্তি ইবনু উমার রা: কে একটি মাস’আলা জিজ্ঞেস করেন। তখন তিনি বলেন, এ বিষয়ে আমার জানা নেই। যখন সেই লোকটি ফিরে গেল, তখন ইবনু উমার বললেন, ইবনু উমার কী উত্তম কথা-ই না বলেছে! যে বিষয়ে তাঁর জানা নেই-এমন বিষয়ে তাঁকে প্রশ্ন করা হলে তিনি বললেন, ’এ বিষয়ে আমার জানা নেই।’[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: খতীব, আল ফাকীহ ওয়াল মুতাফাক্কিহ, ২/১৭২; ইবনু আব্দুল বার, জামি’ বায়ানিল ইলম নং ১৫৬৩, নাফি’ থেকে তিনি ইবনু উমার থেকে। এর উভয় সনদ হাসান। দেখুন, মাওয়ারিদুয যাম’আন নং ১৬৪১।

باب في الذي يفتي الناس في كل ما يستفتى

أَخْبَرَنَا فَرْوَةُ بْنُ أَبِي الْمَغْرَاءِ، حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ مُسْهِرٍ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا، أَنَّ رَجُلًا سَأَلَهُ عَنْ مَسْأَلَةٍ فَقَالَ: لَا عِلْمَ لِي بِهَا، فَلَمَّا أَدْبَرَ الرَّجُلُ، قَالَ ابْنُ عُمَرَ: ” نِعْمَ مَا قَالَ ابْنُ عُمَرَ، سُئِلَ عَمَّا لَا يَعْلَمُ فَقَالَ: لَا عِلْمَ لِي بِهِ

 

إسناده صحيح

أخبرنا فروة بن أبي المغراء، حدثنا علي بن مسهر، عن هشام بن عروة، عن أبيه، عن ابن عمر رضي الله عنهما، أن رجلا سأله عن مسألة فقال: لا علم لي بها، فلما أدبر الرجل، قال ابن عمر: ” نعم ما قال ابن عمر، سئل عما لا يعلم فقال: لا علم لي به إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ১৮৬

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ২১. যেকোন বিষয়ে ফতওয়া চাওয়ামাত্রই যে ব্যক্তি লোকদেরকে ফতওয়া দিয়ে বেড়ায়- তার সম্পর্কে

১৮৬. মুগীরা থেকে বর্ণিত, তিনি শা’বী রাহিমাহুমুল্লাহ হতে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন, ’আমি জানি না’ -এ কথা বলা হল ’ইলমে’র অর্ধাংশ।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: খতীব, আল ফাকীহ ওয়াল মুতাফাক্কিহ, ২/১৭৩।

باب في الذي يفتي الناس في كل ما يستفتى

أَخْبَرَنَا يَحْيَى بْنُ حَمَّادٍ، حَدَّثَنَا أَبُو عَوَانَةَ، عَنْ مُغِيرَةَ عَنِ الشَّعْبِيِّ قَالَ لَا أَدْرِي نِصْفُ الْعِلْمِ

 

إسناده صحيح

أخبرنا يحيى بن حماد، حدثنا أبو عوانة، عن مغيرة عن الشعبي قال لا أدري نصف العلم إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ১৮৭

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ২১. যেকোন বিষয়ে ফতওয়া চাওয়ামাত্রই যে ব্যক্তি লোকদেরকে ফতওয়া দিয়ে বেড়ায়- তার সম্পর্কে

১৮৭. নাফি’ হতে বর্ণিত, এক ব্যক্তি ইবনু উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা’র নিকট এসে কোন একটি বিষয়ে প্রশ্ন করলো। তখন তিনি বললেন, এ ব্যাপারে আমার জানা নেই। অতঃপর লোকটি ফিরে যাওয়ার পর (লোকদের দিকে) লক্ষ্য করে বললেন, ইবনু উমার কী উত্তম কথা-ই না বলেছে! যে বিষয়ে তাঁর জানা নেই সে বিষয়ে তাঁকে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলে দিলেন, ’এ বিষয়ে আমার তথা ইবনু উমারের জানা নেই।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এ সনদ হাসান।

 

তাখরীজ: ফাসাওয়ী, আল মা’রিফাতু ওয়াত তারীখ, ১/৯৩; খতীব, আল ফাকীহ ওয়াল মুতাফাক্কিহ, ২/১৭২।

باب في الذي يفتي الناس في كل ما يستفتى

أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مَسْلَمَةَ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ الْعُمَرِيُّ، عَنْ نَافِعٍ، أَنَّ رَجُلًا أَتَى ابْنَ عُمَرَ يَسْأَلُهُ عَنْ شَيْءٍ فَقَالَ: لَا عِلْمَ لِي، ثُمَّ الْتَفَتَ بَعْدَ أَنْ قَفَّى الرَّجُلُ فَقَالَ: نِعْمَ مَا قَالَ ابْنُ عُمَرَ يسُألَ عَمَّا لَا يَعْلَمُ، فَقَالَ: لَا عِلْمَ لِي، يَعْنِي ابْنُ عُمَرَ نَفْسَهُ

 

أخبرنا عبد الله بن مسلمة، حدثنا عبد الله العمري، عن نافع، أن رجلا أتى ابن عمر يسأله عن شيء فقال: لا علم لي، ثم التفت بعد أن قفى الرجل فقال: نعم ما قال ابن عمر يسأل عما لا يعلم، فقال: لا علم لي، يعني ابن عمر نفسه

 হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ১৮৮

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ২১. যেকোন বিষয়ে ফতওয়া চাওয়ামাত্রই যে ব্যক্তি লোকদেরকে ফতওয়া দিয়ে বেড়ায়- তার সম্পর্কে

১৮৮. মুগীরাহ হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমিরকে যখন কোন বিষয়ে প্রশ্ন করা হত, তখন তিনি বলতেন, ’আমি জানি না’। তারা তাকে পুনরায় একই প্রশ্ন করলে তিনি বলেন: আমি আল্লাহর কসম করে তোমাকে বলছি, এ ব্যাপারে আমার জানা নেই।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ যয়ীফ, মুহাম্মদ ইবনু হামীদ যয়ীফ হওয়ার কারণে।

 

তাখরীজ: খতীব, আল ফাকীহ ওয়াল মুতাফাকক্কিহ, ২/১৭৪ শু’বা সম্পর্কে এ কথা বর্ণিত হয়েছে। এর সনদ যয়ীফ। খতীব, অনুরূপ (২/১৮৪) শা’বী সম্পর্কেও বর্ণিত আছে; এর সনদও যয়ীফ।

باب في الذي يفتي الناس في كل ما يستفتى

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ حُمَيْدٍ، ثَنَا جَرِيرٌ، عَنْ مُغِيرَةَ، قَالَ: كَانَ عَامِرٌ ” إِذَا سُئِلَ عَنْ شَيْءٍ يَقُولُ: لَا أَدْرِي، فَإِنْ رُدُّوا عَلَيْهِ، قَالَ: إِنْي حَلَفْتُ لَكَ بِاللَّهِ إِنْ كَانَ لِي بِهِ عِلْمٌ

 

إسناده ضعيف لضعف محمد بن حميد

أخبرنا محمد بن حميد، ثنا جرير، عن مغيرة، قال: كان عامر ” إذا سئل عن شيء يقول: لا أدري، فإن ردوا عليه، قال: إني حلفت لك بالله إن كان لي به علم إسناده ضعيف لضعف محمد بن حميد

 হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai’f)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ১৮৯

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ২১. যেকোন বিষয়ে ফতওয়া চাওয়ামাত্রই যে ব্যক্তি লোকদেরকে ফতওয়া দিয়ে বেড়ায়- তার সম্পর্কে

১৮৯. ইবনু সীরীন থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমাকে আমার জানা বিষয়ে জিজ্ঞেস করা হোক, আর অজানা বিষয়ে জিজ্ঞেস করা হোক- আমি তা পরোয়া করিনা। কেননা, যখন আমাকে এমন বিষয়ে প্রশ্ন করা হয়, যা আমি জানি তখন আমি যা জানি তা বলি, ; আর যখন আমাকে আমার অজানা কোন বিষয়ে প্রশ্ন করা হয়, তখন আমি বলে দেই, আমি জানিনা।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: আমি এছাড়া অন্য কোথাও এটি পাইনি।

باب في الذي يفتي الناس في كل ما يستفتى

أَخْبَرَنَا هَارُونُ بْنُ مُعَاوِيَةَ، عَنْ حَفْصٍ، عَنْ أَشْعَثَ، عَنِ ابْنِ سِيرِينَ، قَالَ: مَا أُبَالِي سُئِلْتُ عَمَّا أَعْلَمُ أَوْ مَا لَا أَعْلَمُ، لِأَنِّي ” إِذَا سُئِلْتُ عَمَّا أَعْلَمُ، قُلْتُ مَا أَعْلَمُ، وَإِذَا سُئِلْتُ عَمَّا لَا أَعْلَمُ، قُلْتُ: لَا أَعْلَمُ

 

إسناده صحيح

أخبرنا هارون بن معاوية، عن حفص، عن أشعث، عن ابن سيرين، قال: ما أبالي سئلت عما أعلم أو ما لا أعلم، لأني ” إذا سئلت عما أعلم، قلت ما أعلم، وإذا سئلت عما لا أعلم، قلت: لا أعلم إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ১৯০

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ২১. যেকোন বিষয়ে ফতওয়া চাওয়ামাত্রই যে ব্যক্তি লোকদেরকে ফতওয়া দিয়ে বেড়ায়- তার সম্পর্কে

১৯০. আ’মাশ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি ইবরাহীম (আন নাখঈ’)-কে কখনো বলতে শুনিনি, ’এটি হালাল’ আর, ’এটি হারাম’। বরং তিনি বলতেন: তাঁরা (সাহাবীরা) তা ’মাকরূহ’ (অপছন্দনীয়) মনে করতেন, এবং তাঁরা তা ’মুস্তাহাব’ (পছন্দনীয়) মনে করতেন।’[১]

তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: এটি আমি অন্য কোথাও পাইনি।

باب في الذي يفتي الناس في كل ما يستفتى

أَخْبَرَنَا هَارُونُ، عَنْ حَفْصٍ، عَنِ الْأَعْمَشِ، قَالَ: مَا سَمِعْتُ إِبْرَاهِيمَ يَقُولُ قَطُّ: حَلَالٌ وَلَا حَرَامٌ، إِنَّمَا كَانَ يَقُولُ: كَانُوا يتكْرهونَ، وَكَانُوا يَسْتَحِبُّونَ

 

إسناده صحيح

أخبرنا هارون، عن حفص، عن الأعمش، قال: ما سمعت إبراهيم يقول قط: حلال ولا حرام، إنما كان يقول: كانوا يتكرهون، وكانوا يستحبون إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ১৯১

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ২২. কালের বিবর্তন ও নতুন বিষয়ের আবির্ভাব

১৯১. শাক্বীক্ব হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আব্দুল্লাহ ইবনু মাসঊদ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন: তোমাদের অবস্থা তখন কেমন হবে যখন ফিতনা তোমাদের আচ্ছন্ন করে ফেলবে, যার মধ্যেই বড়রা বৃদ্ধ হবে এবং ছোটরা বেড়ে উঠবে। আর সেটিকেই লোকেরা সুন্নাত হিসেবে গ্রহণ করবে। যখন তা (ফিতনা) পরিবর্তন করা হবে, তখন লোকেরা বলবে, সুন্নাতকে পরিবর্তন করে ফেলা হল! তারা জিজ্ঞেস করল, হে আবু আব্দুর রহমান! এটা কখন ঘটবে? তিনি বললেন, যখন তোমাদের মধ্যে কুররা আবিদ বা দরবেশের সংখ্যা বেশি হবে এবং ফকীহ (বিশেষজ্ঞ আলিম) দের সংখ্যা কমে যাবে, আমীর বা নেতার সংখ্যা বেড়ে যাবে এবং আমানতদারের সংখ্যা কমে যাবে এবং আখিরাতের আমলের (কাজের) দ্বারা দুনিয়া (এর লাভ) অন্বেষণ করা হবে।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: হাকিম, আল মুসতাদরাক, ৪/৫১৪-৫১৫; হাকিম চুপ থেকেছেন এবং যাহাবী একে বুখারী-মুসলিমের শর্তানুযায়ী সহীহ বলেছেন। আর তিনি যা বলেছেন সেটিই সঠিক। (তার মানে বুখারী মুসলিমের শর্তানুযায়ী সহীহ।); ইবনু আবী শাইবা, ১৫/২৪ নং ১৯০০৩; ইবনু ওয়াদাহ, আল বিদ’আহ, পৃ: ৭৮ নং ৮০।

بَابُ تَغَيُّرِ الزَّمَانِ وَمَا يَحْدُثُ فِيهِ

أَخْبَرَنَا يَعْلَى، حَدَّثَنَا الْأَعْمَشُ، عَنْ شَقِيقٍ، قَالَ: قَالَ عَبْدُ اللَّهِ: ” كَيْفَ أَنْتُمْ إِذَا لَبِسَتْكُمْ فِتْنَةٌ يَهْرَمُ فِيهَا الْكَبِيرُ، وَيَرْبُو فِيهَا الصَّغِيرُ، وَيَتَّخِذُهَا النَّاسُ سُنَّةً، فَإِذَا غُيِّرَتْ قَالُوا: غُيِّرَتِ السُّنَّةُ “. قَالُوا: وَمَتَى ذَلِكَ يَا أَبَا عَبْدِ الرَّحْمَنِ؟ قَالَ: إِذَا كَثُرَتْ قُرَّاؤُكُمْ، وَقَلَّتْ فُقَهَاؤُكُمْ، وَكَثُرَتْ أُمَرَاؤُكُمْ، وَقَلَّتْ أُمَنَاؤُكُمْ، وَالْتُمِسَتِ الدُّنْيَا بِعَمَلِ الْآخِرَةِ

 

إسناده صحيح

أخبرنا يعلى، حدثنا الأعمش، عن شقيق، قال: قال عبد الله: ” كيف أنتم إذا لبستكم فتنة يهرم فيها الكبير، ويربو فيها الصغير، ويتخذها الناس سنة، فإذا غيرت قالوا: غيرت السنة “. قالوا: ومتى ذلك يا أبا عبد الرحمن؟ قال: إذا كثرت قراؤكم، وقلت فقهاؤكم، وكثرت أمراؤكم، وقلت أمناؤكم، والتمست الدنيا بعمل الآخرة إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ১৯২

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ২২. কালের বিবর্তন ও নতুন বিষয়ের আবির্ভাব

১৯২. আলকামাহ বর্ণনা করেন, আব্দুল্লাহ (ইবনু মাসউদ) রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেছেন, তোমাদের অবস্থা তখন কেমন হবে যখন ফিতনা তোমাদের আচ্ছন্ন করে ফেলবে, যার মধ্যেই বড়রা বৃদ্ধ হবে এবং ছোটরা বেড়ে উঠবে? যখন তা (ফিতনা) থেকে সামান্য কিছু পরিত্যাগ করা হবে, তখন বলা হবে, সুন্নাতকে পরিত্যাগ করা হল! তারা জিজ্ঞেস করল, এটা কখন ঘটবে? তিনি বললেন, যখন তোমাদের মধ্যকার আলিমগণ মৃত্যুবরণ করবেন এবং তোমাদের মাঝে জাহিল (মূর্খ)দের সংখ্যা বৃদ্ধি পাবে, তোমাদের মধ্যে কুররা বা দরবেশের সংখ্যা বেশি হবে এবং ফকীহ (বিশেষজ্ঞ আলিম) দের সংখ্যা কমে যাবে, আমীর বা নেতার সংখ্যা বেড়ে যাবে এবং আমানতদারের সংখ্যা কমে যাবে, আখিরাতের আমলের (কাজের) দ্বারা দুনিয়া (এর লাভ) অন্বেষণ করা হবে এবং দ্বীনের উদ্দেশ্যে ব্যতীত অন্য উদ্দেশ্যে গভীর জ্ঞান (ফিকহ) অর্জন করা হবে।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ যয়ীফ; কেননা, ইয়াযীদ ইবনু আবী যিয়াদ যয়ীফ। কিন্তু হাদীসটি সহীহ পূর্ববর্তী হাদীস অনুসারে।

 

তাখরীজ: ইবনু ওয়াদাহ, আল বিদ’আহ, পৃ: ৮৯ এবং সংক্ষিপ্ত আকারে পৃ: ৩৪ এ; ইবনু আব্দুল বার, জামি’ বায়ানিল ইলম, নং ১১৩৫।

بَابُ تَغَيُّرِ الزَّمَانِ وَمَا يَحْدُثُ فِيهِ

أَخْبَرَنَا عَمْرُو بْنُ عَوْنٍ، عَنْ خَالِدِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ عَنْ يَزِيدَ بْنِ أَبِي زِيَادٍ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ، عَنْ عَلْقَمَةَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ، قَالَ: ” كَيْفَ أَنْتُمْ إِذَا لَبِسَتْكُمْ فِتْنَةٌ يَهْرَمُ فِيهَا الْكَبِيرُ وَيَرْبُو فِيهَا الصَّغِيرُ، إِذَا تُرِكَ مِنْهَا شَيْءٌ قِيلَ: تُرِكَتِ السُّنَّةُ “، قَالُوا: وَمَتَى ذَلِكَ؟ قَالَ: «إِذَا ذَهَبَتْ عُلَمَاؤُكُمْ، وَكَثُرَتْ جُهَلَاؤُكُمْ، وَكَثُرَتْ قُرَّاؤُكُمْ، وَقَلَّتْ فُقَهَاؤُكُمْ، وَكَثُرَتْ أُمَرَاؤُكُمْ، وَقَلَّتْ أُمَنَاؤُكُمْ، وَالْتُمِسَتِ الدُّنْيَا بِعَمَلِ الْآخِرَةِ، وَتُفُقِّهَ لِغَيْرِ الدِّينِ

 

إسناده ضعيف لضعف يزيد بن أبي زياد ولكن الحديث صحيح بما سبقه

أخبرنا عمرو بن عون، عن خالد بن عبد الله عن يزيد بن أبي زياد، عن إبراهيم، عن علقمة، عن عبد الله رضي الله عنه، قال: ” كيف أنتم إذا لبستكم فتنة يهرم فيها الكبير ويربو فيها الصغير، إذا ترك منها شيء قيل: تركت السنة “، قالوا: ومتى ذلك؟ قال: «إذا ذهبت علماؤكم، وكثرت جهلاؤكم، وكثرت قراؤكم، وقلت فقهاؤكم، وكثرت أمراؤكم، وقلت أمناؤكم، والتمست الدنيا بعمل الآخرة، وتفقه لغير الدين إسناده ضعيف لضعف يزيد بن أبي زياد ولكن الحديث صحيح بما سبقه

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ১৯৩

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ২২. কালের বিবর্তন ও নতুন বিষয়ের আবির্ভাব

১৯৩. আওযায়ী বলতেন, আমার নিকট বর্ণনা করা হয়েছে যে, ধ্বংস ঐসকল ব্যক্তির জন্য যারা ইবাদতের উদ্দেশ্য ব্যতীত গভীর জ্ঞানার্জন করে এবং সংশয়পূর্ণ বস্তুসমূহের মাধ্যমে হারাম বস্তুসমূহকে হালাল প্রতিপন্ন করে ।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ যয়ীফ।

 

তাখরীজ: খতীব, ইকতিদাউল ইলম ওয়াল আমল, পৃ: ৭৮ নং ১১৯; দেখুন শুয়াবুল ঈমান, নং ১৯২৪-১৯২৫।

بَابُ تَغَيُّرِ الزَّمَانِ وَمَا يَحْدُثُ فِيهِ

أَخْبَرَنَا أَبُو الْمُغِيرَةِ، حَدَّثَنَا الْأَوْزَاعِيُّ، قَالَ: أُنْبِئْتُ أَنَّهُ كَانَ يُقَالُ: «وَيْلٌ لِلْمُتَفَقِّهِينَ لِغَيْرِ الْعِبَادَةِ وَالْمُسْتَحِلِّينَ الحرماتِ بِالشُّبُهَاتِ

 

إسناده ضعيف

أخبرنا أبو المغيرة، حدثنا الأوزاعي، قال: أنبئت أنه كان يقال: «ويل للمتفقهين لغير العبادة والمستحلين الحرمات بالشبهات إسناده ضعيف

 হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai’f)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ১৯৪

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ২২. কালের বিবর্তন ও নতুন বিষয়ের আবির্ভাব

১৯৪. মাসরূক্ব হতে বর্ণিত, আব্দুল্লাহ ইবনু মাসউদ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, তোমাদের আগামী বছর গুলো বিগত বছরগুলো থেকে অবশ্যই নিকৃষ্ট হবে। জেনে রাখ, আমি এ কথার দ্বারা এটা বুঝাচ্ছি না যে, এক বছরের চেয়ে আরেক বছর অধিক উর্বর হবে এবং এক আমীর অপর আমীর থেকে উত্তম হবে। বরং আমি এ দ্বারা একথা বুঝাতে চাচ্ছি যে, তোমাদের আলিমগণ, শ্রেষ্ঠ ব্যক্তিবর্গ এবং ফকীহগণ মৃত্যুবরণ করবেন। অতঃপর তোমরা তাদের স্থলাভিষিক্ত হওয়ার মত কাউকে পাবে না। আর এমন একটি সম্প্রদায়ের আবির্ভাব হবে যারা তাদের সকল কাজে আপন রায় (মতামত) দ্বারা কিয়াস করবে।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ যয়ীফ, কেননা, মুজালিদ ইবনু সাঈদ যয়ীফ।

 

তাখরীজ: আমি মাজমাউয যাওয়াইদ নং ৮৫৮ তে এর পূর্ণাঙ্গ তাখরীজ করেছি। এছাড়াও, ইবনু ওয়াদাহ, আল বিদ’আ নং ৭৮, ২৪৮; খতীব, আল ফাকিহ ওয়াল মুতাফাক্কিহ, ১/১৮২; ইবনু আব্দুল বার, জামি’ বায়ানিল ইলম,, নং ২০০৭, ২০০৮, ২০০৯ ।

بَابُ تَغَيُّرِ الزَّمَانِ وَمَا يَحْدُثُ فِيهِ

حَدَّثَنَا صَالِحُ بْنُ سُهَيْلٍ، مَوْلَى يَحْيَى بْنِ أَبِي زَائِدَةَ، ثَنَا يَحْيَى، عَنْ مُجَالِدٍ، عَنِ الشَّعْبِيِّ، عَنْ مَسْرُوقٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ، قَالَ: «لَا يَأْتِي عَلَيْكُمْ عَامٌ إِلَّا وَهُوَ شَرٌّ مِنَ الَّذِي كَانَ قَبْلَهُ. أَمَا إِنِّي لَسْتُ أَعْنِي عَامًا أَخْصَبَ مِنْ عَامٍ، وَلَا أَمِيرًا خَيْرًا مِنْ أَمِيرٍ، وَلَكِنْ عُلَمَاؤُكُمْ وَخِيَارُكُمْ وَفُقَهَاؤُكُمْ يَذْهَبُونَ، ثُمَّ لَا تَجِدُونَ مِنْهُمْ خَلَفًا، وَيَجِيءُ قَوْمٌ يَقِيسُونَ الْأُمُورَ بِرَأْيِهِمْ

 

إسناده ضعيف لضعف مجالد بن سعيد

حدثنا صالح بن سهيل، مولى يحيى بن أبي زائدة، ثنا يحيى، عن مجالد، عن الشعبي، عن مسروق، عن عبد الله رضي الله عنه، قال: «لا يأتي عليكم عام إلا وهو شر من الذي كان قبله. أما إني لست أعني عاما أخصب من عام، ولا أميرا خيرا من أمير، ولكن علماؤكم وخياركم وفقهاؤكم يذهبون، ثم لا تجدون منهم خلفا، ويجيء قوم يقيسون الأمور برأيهم إسناده ضعيف لضعف مجالد بن سعيد

 হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai’f)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ১৯৫

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ২২. কালের বিবর্তন ও নতুন বিষয়ের আবির্ভাব

১৯৫. ইবনু সীরীন বলেন, ইবলিসই সর্বপ্রথম কিয়াস করেছিল এবং একমাত্র  কিয়াসের ভিত্তিতেই সূর্য ও চন্দ্রের ইবাদত করা (শুরু) হয়েছিল।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ জায়্যেদ (উত্তম)।

 

তাখরীজ: তাবারী, আত তাফসীর, ৮/১৩১; ইবনু আব্দুল বার, জামি’ বায়ানিল ইলম, নং ১৬৭৫; খতীব, আল ফাকিহ ওয়াল মুতাফাক্কিহ, নং ৫০৬; দেখুন পরবর্তী হাদীসটি।

بَابُ تَغَيُّرِ الزَّمَانِ وَمَا يَحْدُثُ فِيهِ

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ أَبِي خَلَفٍ، حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ سُلَيْمٍ، قَالَ: سَمِعْتُ دَاوُدَ بْنَ أَبِي هِنْدٍ، عَنِ ابْنِ سِيرِينَ قَالَ: أَوَّلُ مَنْ قَاسَ إِبْلِيسُ، وَمَا عُبِدَتِ الشَّمْسُ وَالْقَمَرُ إِلَّا بِالْمَقَايِيسِ

 

إسناده جيد

أخبرنا محمد بن أحمد بن أبي خلف، حدثنا يحيى بن سليم، قال: سمعت داود بن أبي هند، عن ابن سيرين قال: أول من قاس إبليس، وما عبدت الشمس والقمر إلا بالمقاييس إسناده جيد

 হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ১৯৬

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ২২. কালের বিবর্তন ও নতুন বিষয়ের আবির্ভাব

১৯৬. মাতর থেকে বর্ণিত, হাসান এ আয়াত তেলাওয়াত করলেন, (خَلَقْتَنِي مِن نَّارٍ وَخَلَقْتَهُ مِن طِينٍ) (আমাকে আপনি আগুন থেকে সৃষ্টি করেছেন এবং তাকে সৃষ্টি করেছেন মাটি হতে”- সূরা আল-আরাফ: ১২) তারপর তিনি বললেন, ইবলিস কিয়াস (তুলনা) করল। আর ইবলিসই সর্বপ্রথম কিয়াস করেছিল।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ যয়ীফ, এর কারণ মুহাম্মদ ইবনু কাছীর।

 

তাখরীজ: তাবারী, আত তাফসীর, ৮/১৩১; ইবনু আব্দুল বার, জামি’ বায়ানিল ইলম, নং ১৬৭৪; দেখুন পূর্ববর্তী হাদীসটি।

بَابُ تَغَيُّرِ الزَّمَانِ وَمَا يَحْدُثُ فِيهِ

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ كَثِيرٍ، عَنِ ابْنِ شَوْذَبٍ، عَنْ مَطَرٍ عَنِ الْحَسَنِ أَنَّهُ تَلَا هَذِهِ الْآيَةَ (خَلَقْتَنِي مِنْ نَارٍ وَخَلَقْتَهُ مِنْ طِينٍ) [الأعراف: 12] قَالَ: «قَاسَ إِبْلِيسُ وَهُوَ أَوَّلُ مَنْ قَاسَ

 

إسناده ضعيف من أجل محمد بن كثير ومطر

أخبرنا محمد بن كثير، عن ابن شوذب، عن مطر عن الحسن أنه تلا هذه الآية (خلقتني من نار وخلقته من طين) [الأعراف: 12] قال: «قاس إبليس وهو أول من قاس إسناده ضعيف من أجل محمد بن كثير ومطر

 হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai’f)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ১৯৭

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ২২. কালের বিবর্তন ও নতুন বিষয়ের আবির্ভাব

১৯৭. মাসরূক বলেন, আমি কিয়াস করতে খুব ভয় পাই বা আশঙ্কাবোধ করি এই জন্য যে, আমার পা পিছলে যায় কি-না![1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: ইবনু আব্দুল বার, জামি’ বায়ানিল ইলম, নং ১৬৭৬, ১৬৭৭, ১৬৭৮; খতীব, আল ফাকিহ ওয়াল মুতাফাক্কিহ, নং ৪৮৯;

بَابُ تَغَيُّرِ الزَّمَانِ وَمَا يَحْدُثُ فِيهِ

أَخْبَرَنَا عَمْرُو بْنُ عَوْنٍ، حَدَّثَنَا أَبُو عَوَانَةَ، عَنْ إِسْمَاعِيلَ بْنِ أَبِي خَالِدٍ، عَنِ الشَّعْبِيِّ، عَنْ مَسْرُوقٍ أَنَّهُ قَالَ: «إِنِّي أَخَافُ أَوْ أَخْشَى أَنْ أَقِيسَ، فَتَزِلَّ قَدَمِي

 

إسناده صحيح

أخبرنا عمرو بن عون، حدثنا أبو عوانة، عن إسماعيل بن أبي خالد، عن الشعبي، عن مسروق أنه قال: «إني أخاف أو أخشى أن أقيس، فتزل قدمي إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ১৯৮

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ২২. কালের বিবর্তন ও নতুন বিষয়ের আবির্ভাব

১৯৮. শা’বী বলতেন, আল্লাহর কসম, যদি তোমরা কিয়াস করাকে অবলম্বন কর, তাহলে অবশ্যই তোমরা হালালকে হারাম এবং হারামকে হালাল বানিয়ে ফেলবে।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: খতীব, আল ফাকিহ ওয়াল মুতাফাক্কিহ, নং ১/১৮৩, ১৮৪; ইবনু আব্দুল বার, জামি’ বায়ানিল ইলম, নং ১৬৭৯ ঈসা হান্নাতের সনদে, ঈসা হান্নাত মাতরূক।

بَابُ تَغَيُّرِ الزَّمَانِ وَمَا يَحْدُثُ فِيهِ

أَخْبَرَنَا صَدَقَةُ بْنُ الْفَضْلِ، حَدَّثَنَا أَبُو خَالِدٍ الْأَحْمَرُ، عَنْ إِسْمَاعِيلَ، عَنِ الشَّعْبِيِّ، قَالَ: وَاللَّهِ «لَئِنْ أَخَذْتُمْ بِالْمَقَايِيسِ، لَتُحَرِّمُنَّ الْحَلَالَ، وَلَتُحِلُّنَّ الْحَرَامَ

 

إسناده صحيح

أخبرنا صدقة بن الفضل، حدثنا أبو خالد الأحمر، عن إسماعيل، عن الشعبي، قال: والله «لئن أخذتم بالمقاييس، لتحرمن الحلال، ولتحلن الحرام إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ১৯৯

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ২২. কালের বিবর্তন ও নতুন বিষয়ের আবির্ভাব

১৯৯. ইসমাঈল হতে বর্ণিত, আমির বলতেন: আমার নিকট সবচেয়ে ঘৃণ্য কথা হল, ’আপনার মতামত কী-’ ’আপনার মতামত কী’। কোন লোক তার সাথীকে কোন বিষয়ে জিজ্ঞাসা করে অতঃপর বলে, ’তোমার মতামত কী?’। আর তিনি (আমির) কিয়াস করতেন না।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: (মুহাক্কিক্ব এ হাদীসের কোন হুকুম লাগাননি। তবে ইবনু বাত্তা এটি সহীহ সনদে বর্ণনা করেছেন বলে জানিয়েছেন। তাখরীজ দ্রষ্টব্য)

 

তাখরীজ: ইবনু বাত্তাহ, আল ইবানাহ, ২/৫১৭ নং ৬০৫ ও ইবনু আব্দুল বার, জামি’ বায়ানিল ইলম নং ২০৯৫ অন্য সনদে এটি বর্ণনা করেছেন। আর এ সনদটি সহীহ।

بَابُ تَغَيُّرِ الزَّمَانِ وَمَا يَحْدُثُ فِيهِ

أَخْبَرَنَا الْحَسَنُ بْنُ بِشْرٍ، حَدَّثَنَا أَبِي، عَنْ إِسْمَاعِيلَ، عَنْ عَامِرٍ أَنَّهُ كَانَ يَقُولُ: ” مَا أَبْغَضَ إِلَيَّ أَرَأَيْتَ، أَرَأَيْتَ يَسْأَلُ الرَّجُلُ صَاحِبَهُ فَيَقُولُ: أَرَأَيْتَ وَكَانَ لَا يُقَايِسُ

 

لم يحكم عليه المحقق

أخبرنا الحسن بن بشر، حدثنا أبي، عن إسماعيل، عن عامر أنه كان يقول: ” ما أبغض إلي أرأيت، أرأيت يسأل الرجل صاحبه فيقول: أرأيت وكان لا يقايس لم يحكم عليه المحقق

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ২০০

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ২২. কালের বিবর্তন ও নতুন বিষয়ের আবির্ভাব

২০০. যিবরিক্বান থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আবূ ওয়ায়িল আমাকে সেই সেকল লোকদের নিকট বসা হতে বারণ করেছেন, যারা (কোন বিষয়ে প্রশ্ন করে) বলে ’আপনার মতামত কী?’।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: ইবনু বাত্তাহ, আল ইবানাহ ২/৪৫১ নং ৪১৫, ৪১৬, ২/৫১৬ নং ৬০৪; ইবনু আব্দুল বার, জামি’ বায়ানিল ইলম নং ২০৯৪।

بَابُ تَغَيُّرِ الزَّمَانِ وَمَا يَحْدُثُ فِيهِ

أَخْبَرَنَا صَدَقَةُ بْنُ الْفَضْلِ، حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ، عَنِ الزِّبْرِقَانِ، قَالَ: «نَهَانِي أَبُو وَائِلٍ أَنْ أُجَالِسَ أَصْحَابَ أَرَأَيْتَ

 

إسناده صحيح

أخبرنا صدقة بن الفضل، حدثنا يحيى بن سعيد، عن الزبرقان، قال: «نهاني أبو وائل أن أجالس أصحاب أرأيت إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ২০১

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ২২. কালের বিবর্তন ও নতুন বিষয়ের আবির্ভাব

২০১. শা’বী হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, যদি এসকল (অনাগত বিষয়ে অধিক প্রশ্নকারী) লোকেরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের জামানার হত, তবে (এদের প্রশ্নের জবাবে) অবশ্যই পুরো কুরআনই নাযিল হত (একথা বলে) যে,’তারা আপনাকে জিজ্ঞেস করছে’, তারা আপনাকে জিজ্ঞেস করছে’।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: এ আছারটি সনদসহ আমি আর কোথাও পাইনি। আর ইবনু বাত্তাহ (সনদবিহীনভাবে) ‘আল ইবানা’ ১/৪১৯ তে কাছাকাছি শব্দে এটি বর্ণনা করেছেন।

بَابُ تَغَيُّرِ الزَّمَانِ وَمَا يَحْدُثُ فِيهِ

أَخْبَرَنَا صَدَقَةُ بْنُ الْفَضْلِ، أَنبَأَنَا ابْنُ عُيَيْنَةَ، عَنْ إِسْمَاعِيلَ، عَنِ الشَّعْبِيِّ، قَالَ: «لَوْ أَنَّ هَؤُلَاءِ كَانُوا عَلَى عَهْدِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَنَزَلَتْ عَامَّةُ الْقُرْآنِ يَسْأَلُونَكَ يَسْأَلُونَكَ

 

إسناده صحيح

أخبرنا صدقة بن الفضل، أنبأنا ابن عيينة، عن إسماعيل، عن الشعبي، قال: «لو أن هؤلاء كانوا على عهد النبي صلى الله عليه وسلم لنزلت عامة القرآن يسألونك يسألونك إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ২০২

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ২২. কালের বিবর্তন ও নতুন বিষয়ের আবির্ভাব

২০২. মাইমুন আবু হামযা বলেন, ইবরাহীম আমাকে বলেন, হে আবু হামযা! আল্লাহর কসম! আমি কথা বলেছি (ফতওয়া দিয়েছি)। কিন্তু, আমার যদি কোন গত্যন্তর থাকত তবে আমি কোন কথা-ই বলতাম না (কোন ফতওয়া দিতাম না) । কেননা, যে যুগে আমি কুফাবাসীদের ফকীহ হয়েছি, সেই যুগটি অত্যন্ত মন্দ।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ যয়ীফ, কেননা, মায়মুন আবু হামযাহ যয়ীফ।

 

তাখরীজ: দাওলাবী, আল কুন্নী ১/১৫৮; আবু নুয়াইম, হিলইয়া ৪/২২৩।

بَابُ تَغَيُّرِ الزَّمَانِ وَمَا يَحْدُثُ فِيهِ

أَخْبَرَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ أَبَانَ، أَخْبَرَنِي مُحَمَّدٌ هُوَ: ابْنُ طَلْحَةَ، عَنْ مَيْمُونٍ أَبِي حَمْزَةَ قَالَ: قَالَ لِي إِبْرَاهِيمُ: يَا أَبَا حَمْزَةَ، «وَاللَّهِ لَقَدْ تَكَلَّمْتُ، وَلَوْ وَجَدْتُ بُدًّا مَا تَكَلَّمْتُ، وَإِنَّ زَمَانًا أَكُونُ فِيهِ فَقِيهَ أَهْلِ الْكُوفَةِ زَمَانُ سُوءٍ

 

إسناده ضعيف لضعف ميمون أبي حمزة القصاب

أخبرنا إسماعيل بن أبان، أخبرني محمد هو: ابن طلحة، عن ميمون أبي حمزة قال: قال لي إبراهيم: يا أبا حمزة، «والله لقد تكلمت، ولو وجدت بدا ما تكلمت، وإن زمانا أكون فيه فقيه أهل الكوفة زمان سوء إسناده ضعيف لضعف ميمون أبي حمزة القصاب

 হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai’f)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ২০৩

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ২২. কালের বিবর্তন ও নতুন বিষয়ের আবির্ভাব

২০৩. মুজাহিদ হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেছেন, তুমি যে কারও কথার (কিয়াস করার মাধ্যমে) প্রতিউত্তর দেয়া[1] থেকে বিরত থাকো।[2]

[1] কিয়াস করা; আপন মত দ্বারা ফতওয়া দেওয়া।- ফতহুল মান্নান, শরহে দারেমী, হা/২০৮ এর টীকা দ্র:

[2] তাহক্বীক্ব: এর সনদ যয়ীফ লাইছের কারণে। আর সে হল ইবনু আবী সালীম।

 

তাখরীজ: আবু খায়ছামা, আল ইলম, নং ৬৫; খতীব, ফাকীহ ওয়াল মুতাফাক্কিহ, ১/১৮২।

بَابُ تَغَيُّرِ الزَّمَانِ وَمَا يَحْدُثُ فِيهِ

أَخْبَرَنَا أَبُو نُعَيْمٍ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ لَيْثٍ، عَنْ مُجَاهِدٍ قَالَ: قَالَ عُمَرُ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ: ” إِيَّاي وَالْمُكَايَلَةَ يَعْنِي: فِي الْكَلَامِ

 

إسناده ضعيف من أجل ليث وهو: ابن أبي سليم

أخبرنا أبو نعيم، حدثنا سفيان، عن ليث، عن مجاهد قال: قال عمر رضي الله عنه: ” إياي والمكايلة يعني: في الكلام إسناده ضعيف من أجل ليث وهو: ابن أبي سليم

 হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai’f)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ২০৪

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ২২. কালের বিবর্তন ও নতুন বিষয়ের আবির্ভাব

২০৪. শা’বী হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি শুরাইহ-এর নিকট উপস্থিত ছিলাম। তখন তার নিকট মুরাদ গোত্রের এক ব্যক্তি এসে বললো, হে আবু উমাইয়্যা! আঙুলসমূহের দিয়াত (রক্তপণ) কী? তিনি বলেন, (প্রতিটি আঙুলের জন্য) দশ দশটি (করে উট)। লোকটি বলল, সুবহানাল্লাহ! এ দু’টি আঙ্গুল কি সমান? একথা বলে সে কনিষ্ঠ অঙ্গুলি ও বৃদ্ধাঙ্গুলি একত্রিত করল। তখন শুরাইহ বললেন, সুবহানাল্লাহ! তোমার কান আর তোমার হাত কি সমান? কান তো চুল, টুপি ও পাগড়ী দ্বারা আবৃত থাকে, তার জন্য অর্ধেক দিয়াত (রক্তপণ), আবার হাতের জন্যও অর্ধেক দিয়াত।

তোমার জন্য আফসোস! নিশ্চয় সুন্নাত (হাদীছ) তোমাদের কিয়াস হতে অগ্রবর্তী। সুতরাং সুন্নাতের অনুসরণ কর, বিদ’আত তৈরি করো না। কেননা, তুমি কখনো পথভ্রষ্ট হবে না, যতক্ষণ তুমি হাদীসকে আঁকড়ে ধরে থাকবে।

আবু বাকর বলেন, তারপর শা’বী আমাকে বলেন, হে হুযালী! যদি তোমাদের মধ্যকার একজন জ্ঞানী ব্যক্তিকে এবং এই দোলনার শিশুকে হত্যা করা হয়, তবে এদের দিয়াত সমান হবে কি? আমি বললাম, হাঁ। তখন তিনি বললেন, তাহলে কিয়াস (তুলনা-অনুমান) কোথায় গেল?[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদে আবু বাকর আল হুযালী রয়েছে। তিনি পরিত্যক্ত রাবী।

 

তাখরীজ: আব্দুর রাযযাক, আল মুছান্নাফ নং ১৭৭০৩ অতি সংক্ষিপ্ত আকারে; ইবনু আব্দুল বার, জামি’ বায়ানিল ইলম, নং ২০২৪।

بَابُ تَغَيُّرِ الزَّمَانِ وَمَا يَحْدُثُ فِيهِ

أَخْبَرَنَا حَجَّاجٌ الْبَصْرِيُّ، حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرٍ الْهُذَلِيُّ، عَنِ الشَّعْبِيِّ قَالَ: شَهِدْتُ شُرَيْحًا وَجَاءَهُ رَجُلٌ مِنْ مُرَادٍ، فَقَالَ: يَا أَبَا أُمَيَّةَ، مَا دِيَةُ الْأَصَابِعِ؟ قَالَ: «عَشْرٌ عَشْرٌ». قَالَ: يَا سُبْحَانَ اللَّهِ، أَسَوَاءٌ هَاتَانِ؟ جَمَعَ بَيْنَ الْخِنْصِرِ وَالْإِبْهَامِ. فَقَالَ شُرَيْحٌ: يَا سُبْحَانَ اللَّهِ، أَسَوَاءٌ أُذُنُكَ وَيَدُكَ؟ فَإِنَّ الْأُذُنَ يُوَارِيهَا الشَّعْرُ وَالْكُمَّةُ وَالْعِمَامَةُ فِيهَا نِصْفُ الدِّيَةِ، وَفِي الْيَدِ نِصْفُ الدِّيَةِ. وَيْحَكَ: إِنَّ السُّنَّةَ سَبَقَتْ قِيَاسَكُمْ فَاتَّبِعْ وَلَا تَبْتَدِعْ، فَإِنَّكَ لَنْ تَضِلَّ مَا أَخَذْتَ بِالْأَثَرِ. قَالَ أَبُو بَكْرٍ: فَقَالَ لِي الشَّعْبِيُّ: يَا هُذَلِيُّ، لَوْ أَنَّ أَحْنَفَكُمْ قُتِلَ وَهَذَا الصَّبِيُّ فِي مَهْدِهِ، أَكَانَ دِيَتُهُمَا سَوَاءً؟ قُلْتُ: نَعَمْ قَالَ: فَأَيْنَ الْقِيَاسُ

 

في إسناده أبو بكر الهذلي وهو متروك

أخبرنا حجاج البصري، حدثنا أبو بكر الهذلي، عن الشعبي قال: شهدت شريحا وجاءه رجل من مراد، فقال: يا أبا أمية، ما دية الأصابع؟ قال: «عشر عشر». قال: يا سبحان الله، أسواء هاتان؟ جمع بين الخنصر والإبهام. فقال شريح: يا سبحان الله، أسواء أذنك ويدك؟ فإن الأذن يواريها الشعر والكمة والعمامة فيها نصف الدية، وفي اليد نصف الدية. ويحك: إن السنة سبقت قياسكم فاتبع ولا تبتدع، فإنك لن تضل ما أخذت بالأثر. قال أبو بكر: فقال لي الشعبي: يا هذلي، لو أن أحنفكم قتل وهذا الصبي في مهده، أكان ديتهما سواء؟ قلت: نعم قال: فأين القياس في إسناده أبو بكر الهذلي وهو متروك

 হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai’f)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ২০৫

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ২২. কালের বিবর্তন ও নতুন বিষয়ের আবির্ভাব

২০৫. রবীয়াহ ইবনু ইয়াযীদ হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, মুয়ায রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেছেন, মানুষদের সামনে কুরআনকে উন্মুক্ত করে দেয়া হবে এমনকি মহিলা, শিশু, পুরুষ সকলেই তা পাঠ করতে থাকবে। অতঃপর এক ব্যক্তি বলবে: আমি তো কুরআন পাঠ করলাম, কিন্তু কেউ-ই তো আমার অনুসরণ করল না। আল্লাহর কসম, নিশ্চয়ই আমি লোকদের মাঝে এ (কুরআন) নিয়ে দণ্ডায়মান হব, যাতে তারা আমার অনুসরণ করে। অত:পর সে তা নিয়ে তাদের মাঝে দণ্ডায়মান হবে, কিন্তু কেউ-ই তার অনুসরণ করবে না। তখন সে বলবে, আমি তো কুরআন পাঠ করলাম তবুও কেউ আমার অনুসরণ করল না! আমি তাদের মাঝে তা নিয়ে দণ্ডায়মান হলাম (বাস্তবায়ন করলাম), তাতেও তারা আমার অনুসরণ করল না! ফলে এখন আমি অবশ্যই আমার বাড়িতে চারপাশে পর্দা বা বেড়া দিয়ে ঘিরে দেব একটি সিজদার স্থান বানাব (খানকা তৈরী করব), যাতে লোকেরা আমার অনুসরণ করে। ফলে সে তার বাড়িতে চারপাশে পর্দা বা বেড়া দিয়ে ঘিরে একটি সিজদার স্থান বানাবে (খানকা তৈরী করবে), কিন্তু তারপরও কেউ-ই তার অনুসরণ করবে না।

তাই সে বলবে, আমি এত কুরআন পড়লাম, কিন্তু কেউ-ই তো আমার অনুসরণ করল না। আমি তাদের মাঝে তা নিয়ে দাঁড়ালাম, তাতেও তারা আমার অনুসরণ করল না! আমার বাড়িতে চারপাশে পর্দা বা বেড়া দিয়ে ঘিরে সিজদার স্থান বানালাম (খানকা তৈরী করলাম), তবুও কেউ আমার অনুসরণ করল না! আল্লাহর কসম, তাহলে আমি তাদের নিকট এমন কথা বা বাণী নিয়ে উপস্থিত হব, যা তারা আল্লাহ জাল্লা ওয়া ’আলা’র কিতাবে খুঁজে পাবে না, আর তারা তা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নিকট থেকেও শুনেনি, যেন তারা আমার অনুসরণ করে।

মুয়ায বলেন, সাবধান! তারা যা নিয়ে আসবে, তা থেকে তোমরা দূরে থাকবে। কেননা, তারা যা নিয়ে আসবে, নিশ্চয়ই তা পথভ্রষ্টতা বা বিভ্রান্তি।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: মা’মার, জামি’ ১১/৩৬৩-৩৬৪ নং ২০৭৫০; আবু দাউদ, ৪৬১১; ইবনু ওয়াদা, আল বিদ’আ নং ৫৯-৬৩; ইবনু বাত্তাহ, আল ইবানাহ ১/৩০৮ নং ১৪৩; আল আজুরী, আশ শরীয়াহ পৃ.৫৪-৫৫; ফাসওয়ায়ী, আল মারেফাতু ওয়াত তারীখ ২/৩২১-৩২২; লালিকায়ী, শরহু উসুলুল ই’তিকাদ নং ১১৬-১১৭।

بَابُ تَغَيُّرِ الزَّمَانِ وَمَا يَحْدُثُ فِيهِ

أَخْبَرَنَا مَرْوَانُ بْنُ مُحَمَّدٍ، حَدَّثَنَا سَعِيدٌ، عَنْ رَبِيعَةَ بْنِ يَزِيدَ، قَالَ: قَالَ مُعَاذُ بْنُ جَبَلٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ، ” يُفْتَحُ الْقُرْآنُ عَلَى النَّاسِ حَتَّى يَقْرَأَهُ الْمَرْأَةُ وَالصَّبِيُّ وَالرَّجُلُ، فَيَقُولُ الرَّجُلُ: قَدْ قَرَأْتُ الْقُرْآنَ فَلَمْ أُتَّبَعُ، وَاللَّهِ لَأَقُومَنَّ بِهِ فِيهِمْ لَعَلِّي أُتَّبَعُ، فَيَقُومُ بِهِ فِيهِمْ فَلَا يُتَّبَعُ، فَيَقُولُ: قَدْ قَرَأْتُ الْقُرْآنَ فَلَمْ أُتَّبَعْ، وَقَدْ قُمْتُ بِهِ فِيهِمْ، فَلَمْ أُتَّبَعْ، لَأَحتَظِرَنَّ فِي بَيْتِي مَسْجِدًا لَعَلِّي أُتَّبَعُ، فَيَحْتَظِرُ فِي بَيْتِهِ مَسْجِدًا فَلَا يُتَّبَعُ، فَيَقُولُ: قَدْ قَرَأْتُ الْقُرْآنَ فَلَمْ أُتَّبَعْ، وَقُمْتُ بِهِ فِيهِمْ فَلَمْ أُتَّبَعْ، وَقَدِ احْتظرْتُ فِي بَيْتِي مَسْجِدًا، فَلَمْ أُتَّبَعْ، وَاللَّهِ لَآتِيَنَّهُمْ: بِحَدِيثٍ لَا يَجِدُونَهُ فِي كِتَابِ اللَّهِ – جَلَّ وَعَلَا – وَلَمْ يَسْمَعُوهُ عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَعَلِّي أُتَّبَعُ قَالَ مُعَاذٌ: فَإِيَّاكُمْ وَمَا جَاءَ بِهِ فَإِنَّ مَا جَاءَ بِهِ ضَلَالَةٌ

 

إسناده صحيح

أخبرنا مروان بن محمد، حدثنا سعيد، عن ربيعة بن يزيد، قال: قال معاذ بن جبل رضي الله عنه، ” يفتح القرآن على الناس حتى يقرأه المرأة والصبي والرجل، فيقول الرجل: قد قرأت القرآن فلم أتبع، والله لأقومن به فيهم لعلي أتبع، فيقوم به فيهم فلا يتبع، فيقول: قد قرأت القرآن فلم أتبع، وقد قمت به فيهم، فلم أتبع، لأحتظرن في بيتي مسجدا لعلي أتبع، فيحتظر في بيته مسجدا فلا يتبع، فيقول: قد قرأت القرآن فلم أتبع، وقمت به فيهم فلم أتبع، وقد احتظرت في بيتي مسجدا، فلم أتبع، والله لآتينهم: بحديث لا يجدونه في كتاب الله – جل وعلا – ولم يسمعوه عن رسول الله صلى الله عليه وسلم لعلي أتبع قال معاذ: فإياكم وما جاء به فإن ما جاء به ضلالة إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ২০৬

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ২৩. রায় বা মত পোষণ করা অপছন্দনীয় বিষয়ে

২০৬. ইবনু মিগওয়াল বলেন, শা’বী আমাকে বলেছেন, এরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে তোমাদের নিকট যে সকল হাদীস বর্ণনা করে, তা তোমরা গ্রহণ করবে। আর তারা আপন রায় বা মতামত দ্বারা যা বলবে, সেগুলি তোমরা আস্তাকুঁড়ে নিক্ষেপ করবে।’[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: ইবনু বাত্তাহ, আল ইবানাহ ১/৩০৮ নং ১৪৩; ইবনু হাযম, আল ‍আহকাম ৬/১০৩০; ইবনু আব্দুল বারর, জামি’ নং ১০৬৬।

بَابٌ فِي كَرَاهِيَةِ أَخْذِ الرَّأْيِ

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ، حَدَّثَنَا مَالِكٌ هُوَ: ابْنُ مِغْوَلٍ، قَالَ: قَالَ لِيَ الشَّعْبِيُّ «مَا حَدَّثُوكَ هَؤُلَاءِ عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَخُذْ بِهِ، وَمَا قَالُوهُ بِرَأْيِهِمْ، فَأَلْقِهِ فِي الْحُشِّ

 

إسناده صحيح

أخبرنا محمد بن يوسف، حدثنا مالك هو: ابن مغول، قال: قال لي الشعبي «ما حدثوك هؤلاء عن رسول الله صلى الله عليه وسلم فخذ به، وما قالوه برأيهم، فألقه في الحش إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ২০৭

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ২৩. রায় বা মত পোষণ করা অপছন্দনীয় বিষয়ে

২০৭. রজা’ ইবনু আবী সালামাহ বলেন, আব্দাহ ইবনু আবু লুবাবাহকে বলতে শুনেছি, তিনি বলতেন, আমি আমার জামানার এ সকল লোকদের সাথে সম্মত হয়েছি যে, তারা আমাকে কিছু জিজ্ঞেস করবে না, আর আমিও তাদেরকে কিছু জিজ্ঞেস করব না। নিশ্চয়ই এদের কেউ কেউ বলে, ’আপনার মতামত কী’, ’আপনার মতামত কী’?[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ হাসান, আব্বাস ইবনু সুফইয়ান আদ দাবুসী’র জন্য।

 

তাখরীজ: আবু যুরআহ, তারীখ নং ৭৪৩।

بَابٌ فِي كَرَاهِيَةِ أَخْذِ الرَّأْيِ

أَخْبَرَنِا الْعَبَّاسُ بْنُ سُفْيَانَ، عَنْ زَيْدِ بْنِ حُبَابٍ، أَخْبَرَنِي رَجَاءُ بْنُ أَبِي سَلَمَةَ، قَالَ: سَمِعْتُ عَبْدَةَ بْنَ أَبِي لُبَابَةَ، يَقُولُ: ” قَدْ رَضِيتُ مِنْ أَهْلِ زَمَانِي هَؤُلَاءِ أَنْ لَا يَسْأَلُونِي وَلَا أَسْأَلُهُمْ، إِنَّمَا يَقُولُ أَحَدُهُمْ: أَرَأَيْتَ، أَرَأَيْتَ؟

 

إسناده حسن من أجل عباس بن سفيان الدبوسي

أخبرنا العباس بن سفيان، عن زيد بن حباب، أخبرني رجاء بن أبي سلمة، قال: سمعت عبدة بن أبي لبابة، يقول: ” قد رضيت من أهل زماني هؤلاء أن لا يسألوني ولا أسألهم، إنما يقول أحدهم: أرأيت، أرأيت؟ إسناده حسن من أجل عباس بن سفيان الدبوسي

 হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ২০৮

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ২৩. রায় বা মত পোষণ করা অপছন্দনীয় বিষয়ে

২০৮. আবী ওয়াইল হতে বর্ণিত, আব্দুল্লাহ ইবনু মাসউদ বলেন, তিনি বলেন, আমাদের জন্য রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম একটি সরল রেখা টেনে বললেন: “এটা হল আল্লাহর রাস্তা, অতঃপর ডানে ও বামে আরও কতকগুলি রেখা টেনে বললেন: “এও কতকগুলি রাস্তা; তবে এসকল রাস্তার প্রত্যেকটির উপরই একটি করে শয়তান রয়েছে, তারা লোকদেরকে তার দিকে আহ্বান করছে। অতঃপর তিনি (প্রমাণ স্বরূপ) পাঠ করলেন: (“নিশ্চয়ই এটিই আমার সরল পথ, তোমরা এরই অনুসরণ কর। তোমরা অন্যান্য পথসমূহের অনুসরণ করো না। নইলে সেগুলো তোমাকে তাঁর রাস্তা থেকে দূরে সরিয়ে দিবে। … (সূরা আনআম ৬: ১৫৩)) আয়াতের শেষ পযর্ন্ত।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ হাসান। (আলবানী একে হাসান সহীহ (তা’লিকাতুল হিসান, হা/৬), আরনাউত্ব (তাহক্বীক্ব, আল ইহসান) ‘হাসান’ এবং হাকিম (আল মুস্তাদরাক, ২/৩১৮) একে সহীহ বলেছেন এবং যাহাবী তা বজায় রেখেছেন । দেখুন, সহীহ ইবনু হিব্বান, হা/৬- অনুবাদক)

 

তাখরীজ: আহমাদ, ১/৪৩৫ ও ৪৬৫; নাসাঈ (কুবরা); সহীহ ইবনু হিব্বান, হা/৬; হাকিম, মুস্তাদরাক (তাহকীক, যাহাবী) (2/318); আল ইহসান তাক্বরীব ইবনু হিব্বান, হা/6 (আরনাউত্বের তাহক্বীক্বসহ); মাওয়ারিদুয যাম’আন আলা যাওয়াইদি ইবনু হিব্বান, ৫/৪১০ হা/১৭৪১; আরো অনেকে।

بَابٌ فِي كَرَاهِيَةِ أَخْذِ الرَّأْيِ

أَخْبَرَنَا عَفَّانُ، حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ، حَدَّثَنَا عَاصِمُ ابْنُ بَهْدَلَةَ، عَنْ أَبِي وَائِلٍ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَسْعُودٍ قَالَ: خَطَّ لَنَا رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَوْمًا خَطًّا ثُمَّ قَالَ: «هَذَا سَبِيلُ اللَّهِ» ثُمَّ خَطَّ خُطُوطًا عَنْ يَمِينِهِ، وَعَنْ شِمَالِهِ، ثُمَّ قَالَ: «هَذِهِ سُبُلٌ عَلَى كُلِّ سَبِيلٍ مِنْهَا شَيْطَانٌ يَدْعُو إِلَيْهِ» ثُمَّ تَلَا (وَأَنَّ هَذَا صِرَاطِي مُسْتَقِيمًا فَاتَّبِعُوهُ وَلَا تَتَّبِعُوا السُّبُلَ فَتَفَرَّقَ بِكُمْ عَنْ سَبِيلِهِ) [الأنعام: 153]

 

إسناده حسن

أخبرنا عفان، حدثنا حماد بن زيد، حدثنا عاصم ابن بهدلة، عن أبي وائل عن عبد الله بن مسعود قال: خط لنا رسول الله صلى الله عليه وسلم يوما خطا ثم قال: «هذا سبيل الله» ثم خط خطوطا عن يمينه، وعن شماله، ثم قال: «هذه سبل على كل سبيل منها شيطان يدعو إليه» ثم تلا (وأن هذا صراطي مستقيما فاتبعوه ولا تتبعوا السبل فتفرق بكم عن سبيله) [الأنعام: 153] إسناده حسن

 হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ২০৯

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ২৩. রায় বা মত পোষণ করা অপছন্দনীয় বিষয়ে

২০৯. ইবনু আবী নাজীহ মুজাহিদ হতে বর্ণনা করেন, (وَلَا تَتَّبِعُوا السُّبُلَ) (অন্য পথসমূহের অনুসরণ কর না। সূরা আন’আম: ১৫৩) (এ আয়াতের ব্যাখ্যায়) তিনি বলেন, (অন্য পথসমূহ বলতে এখানে) বিদ’আত ও সন্দেহ-সংশয় (এর পথ বুঝানো হয়েছে)।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: মারওয়াযী, আস সুন্নাহ নং ১৯-২০; ইবনু বাত্তাহ, আল ইবানাহ নং ১৩৪; আবু নুয়াইম, হিলইয়া ৩/২৯৩।

بَابٌ فِي كَرَاهِيَةِ أَخْذِ الرَّأْيِ

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ، حَدَّثَنَا وَرْقَاءُ، عَنِ ابْنِ أَبِي نَجِيحٍ، عَنْ مُجَاهِدٍ،: ” (وَلَا تَتَّبِعُوا السُّبُلَ) [الأنعام: 153] قَالَ: الْبِدَعَ وَالشُّبُهَاتِ

 

إسناده صحيح

أخبرنا محمد بن يوسف، حدثنا ورقاء، عن ابن أبي نجيح، عن مجاهد،: ” (ولا تتبعوا السبل) [الأنعام: 153] قال: البدع والشبهات إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ২১০

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ২৩. রায় বা মত পোষণ করা অপছন্দনীয় বিষয়ে

২১০. আমর ইবনু ইয়াহইয়া তার পিতা ইয়াহইয়াকে তার দাদা আমর ইবনু সালামাহ হতে বর্ণনা করতে শুনেছেন, তিনি বলেন, আমরা (হাদীস ও ইলম শিক্ষার জন্য তালেবে ইলমগণ) ফজর নামাযের পূর্বেই আব্দুল্লাহ ইবনু মাসউদ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুর বাড়ির দরজায় গিয়ে বসে থাকতাম। যখন তিনি মসজিদে যাওয়ার জন্য বাহির হতেন, তখন আমরা তাঁর সাথে সাথে যেতাম। একদিন আবূ মূসা আল আশ’আরী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু এসে আমাদেরকে জিজ্ঞাসা করলেন, আবু আব্দুর রহমান (আব্দুল্লাহ ইবনু মাসউদ) কি বের হয়েছেন? আমরা বললাম, না, এখনো বের হননি। তখন তিনিও আমাদের সাথে বসে পড়লেন। যখন তিনি বের হলেন তখন আমরা সবাই উঠে তাঁর কাছে গেলাম। আবু মূসা আশ’আরী রাদিয়াল্লাহু আনহু তাঁকে বললেন, হে আবু আব্দুর রহমান (আব্দুল্লাহ ইবনু মাসউদ) আমি একটু আগে মসজিদের মধ্যে একটি বিষয় দেখেছি এবং দেখে অপছন্দ করেছি, যদিও যা দেখেছি তা ভালো ছাড়া খারাপ মনে হয়নি, আলহামদুলিল্লাহ।

ইবনু মাসউদ বললেন, বিষয়টি কী? আবু মূসা বললেন: আপনি জীবিত থাকলে, একটু পরেই তা দেখতে পাবেন। তিনি বলেন: আমি দেখলাম কিছু মানুষ কয়েকটি হালাকায় (বৃত্তাকারে) বসে নামাযের অপেক্ষা করছে। প্রত্যেক হালাকায় (গ্রুপে) একজন (নেতা গোছের) ব্যক্তি রয়েছে, তাদের প্রত্যেকের হাতে (তাসবীহের মতো) কাঁকর রয়েছে। নেতা গোছের ব্যক্তি বলছে, সবাই একশতবার ’আল্লাহু আকবার’ পড়ুন, তখন সবাই ১০০ বার ’আল্লাহ আকবার’ বলছে। তখন সে বলছে, সবাই ১০০ বার ’লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ’ পড়ুন। এতে সবাই ১০০ বার ’লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ’ বলছেন। তখন সে বলছে: সবাই ১০০ বার ’সুবহানাল্লাহ’ বলুন। সবাই তখন ১০০ বার ’সুবহানাল্লাহ’ বলছে। ইবনু মাসউদ বললেন: আপনি তাদেরকে কী বলেছেন? তিনি বললেন: আমি আপনার মতামতের ও নির্দেশের অপেক্ষায় তাদেরকে কিছু বলিনি।

ইবনু মাসউদ বললেন: আপনি তাদেরকে বললেন না কেন যে, তোমরা তোমাদের পাপগুলি গুণে গুণে রাখ, আর আপনি দায়িত্ব নিতেন যে, তাদের কোনো নেককর্ম নষ্ট হবে না? এরপর আমরা সবাই তাঁর সাথে মসজিদে গেলাম। তিনি ঐ হালকাগুলি (গ্রুপগুলির) একটি হালাকার নিকট গিয়ে তাদেরকে বললেন: আমি তোমাদেরকে এ কী করতে দেখছি? তারা বলল: হে আবু আব্দুর রহমান (আব্দুল্লাহ ইবনু মাসউদ)! আমরা কাঁকর দিয়ে তাসবীহ, তাহলীল, তাকবীর গণনা করছি। তিনি বললেন: তোমরা তোমাদের পাপগুলি গণনা কর, আমি দায়িত্ব নিচ্ছি যে, তোমাদের নেক কর্ম বিনষ্ট হবে না। হতভাগা উম্মতে মুহাম্মাদী! কত দ্রুত তোমরা ধ্বংসের পথে এগিয়ে চলেছ! এখনো তোমাদের মাঝে তোমাদের নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সাহাবীগণ বিপুল সংখ্যায় জীবিত রয়েছেন। দেখ! তাঁর পোশাকগুলি এখনো পুরাতন হয়নি, তাঁর আসবাবপত্র এখনো ভেঙ্গে নষ্ট হয়নি। (অথচ তার আগেই তোমরা ধ্বংসের পথে চলে গেলে) আল্লাহর কসম করে বলছি: তোমরা কি মুহাম্মাদের (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ধর্মের চেয়েও ভালো কোনো ধর্মের ওপরে আছো? নাকি তোমরা বিভ্রান্তি ও গোমরাহীর দরজা খুলে নিলে?

সমবেত যিকিরকারীরা বলল: হে আবু আব্দুর রহমান (আব্দুল্লাহ ইবনু মাসউদ)! আমরা তো একান্তই ভাল নিয়্যাতে এ কাজ করেছি। তিনি জবাবে বললেন: অনেক মানুষেরই উদ্দেশ্য ভালো হয়, তবে সে ভালো পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে না। (কারণ, উদ্দেশ্য ভাল হয়, কিন্তু উদ্দেশ্য অর্জনের পন্থা ভালো হয় না)। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাদেরকে বলেছেন যে, কিছু মানুষ কুরআন তিলাওয়াত করবে, কিন্তু তাদের তিলাওয়াত কণ্ঠনালীর নিচে নামবে না। (বিদ’আতে লিপ্ত থাকার ফলে তাদের আমল কবুল হবে না)। আল্লাহর কসম! আমি জানি না, হয়ত তোমাদের অনেকেই এই শ্রেণির অন্তর্গত। এরপর তিনি তাদের কাছ থেকে চলে গেলেন।

আমর ইবনু সালামাহ (বর্ণনাকারী) বলেন, এ সকল হলাকায় যারা উপস্থিত ছিল তাদের অধিকাংশকেই দেখেছি নাহরাওয়ানের যুদ্ধে খারেজীদের পক্ষে আমাদের (আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু এর বিপক্ষে) যুদ্ধ করছে।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ জাইয়্যেদ (উত্তম)।

 

তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা, আল মুছান্নাফ ১৫/৩০৬ নং ১৯৭৩৬; তাবারানী, আল কাবীর নং ৮৬৩৬ (সনদ যয়ীফ); আহমদ (অতি সংক্ষিপ্ত আকারে) ১/৪৪৪; তিরমিযী ২১৮৯; ইবনু মাজাহ, মুকাদ্দামাহ ১৬৮।

بَابٌ فِي كَرَاهِيَةِ أَخْذِ الرَّأْيِ

أَخْبَرَنَا الْحَكَمُ بْنُ الْمُبَارَكِ، أَنبَأَنَا عَمْرُو بْنُ يَحْيَى، قَالَ: سَمِعْتُ أَبِي، يُحَدِّثُ، عَنْ أَبِيهِ قَالَ: كُنَّا نَجْلِسُ عَلَى بَابِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَسْعُودٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ، قَبْلَ صَلَاةِ الْغَدَاةِ، فَإِذَا خَرَجَ، مَشَيْنَا مَعَهُ إِلَى الْمَسْجِدِ، فَجَاءَنَا أَبُو مُوسَى الْأَشْعَرِيُّ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ فَقَالَ: أَخَرَجَ إِلَيْكُمْ أَبُو عَبْدِ الرَّحْمَنِ قُلْنَا: لَا، بَعْدُ. فَجَلَسَ مَعَنَا حَتَّى خَرَجَ، فَلَمَّا خَرَجَ، قُمْنَا إِلَيْهِ جَمِيعًا، فَقَالَ لَهُ أَبُو مُوسَى: يَا أَبَا عَبْدِ الرَّحْمَنِ، إِنِّي رَأَيْتُ فِي الْمَسْجِدِ آنِفًا أَمْرًا أَنْكَرْتُهُ وَلَمْ أَرَ – وَالْحَمْدُ لِلَّهِ – إِلَّا خَيْرًا. [ص: 287] قَالَ: فَمَا هُوَ؟ فَقَالَ: إِنْ عِشْتَ فَسَتَرَاهُ. قَالَ: رَأَيْتُ فِي الْمَسْجِدِ قَوْمًا حِلَقًا جُلُوسًا يَنْتَظِرُونَ الصَّلَاةَ فِي كُلِّ حَلْقَةٍ رَجُلٌ، وَفِي أَيْدِيهِمْ حصًا، فَيَقُولُ: كَبِّرُوا مِائَةً، فَيُكَبِّرُونَ مِائَةً، فَيَقُولُ: هَلِّلُوا مِائَةً، فَيُهَلِّلُونَ مِائَةً، وَيَقُولُ: سَبِّحُوا مِائَةً، فَيُسَبِّحُونَ مِائَةً، قَالَ: فَمَاذَا قُلْتَ لَهُمْ؟ قَالَ: مَا قُلْتُ لَهُمْ شَيْئًا انْتِظَارَ رَأْيِكَ أَوِ انْتظارَ أَمْرِكَ. قَالَ: «أَفَلَا أَمَرْتَهُمْ أَنْ يَعُدُّوا سَيِّئَاتِهِمْ، وَضَمِنْتَ لَهُمْ أَنْ لَا يَضِيعَ مِنْ حَسَنَاتِهِمْ»، ثُمَّ مَضَى وَمَضَيْنَا مَعَهُ حَتَّى أَتَى حَلْقَةً مِنْ تِلْكَ الْحِلَقِ، فَوَقَفَ عَلَيْهِمْ، فَقَالَ: «مَا هَذَا الَّذِي أَرَاكُمْ تَصْنَعُونَ؟» قَالُوا: يَا أَبَا عَبْدِ الرَّحْمَنِ حصًا نَعُدُّ بِهِ التَّكْبِيرَ وَالتَّهْلِيلَ وَالتَّسْبِيحَ. قَالَ: «فَعُدُّوا سَيِّئَاتِكُمْ، فَأَنَا ضَامِنٌ أَنْ لَا يَضِيعَ مِنْ حَسَنَاتِكُمْ شَيْءٌ وَيْحَكُمْ يَا أُمَّةَ مُحَمَّدٍ، مَا أَسْرَعَ هَلَكَتَكُمْ هَؤُلَاءِ صَحَابَةُ نَبِيِّكُمْ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مُتَوَافِرُونَ، وَهَذِهِ ثِيَابُهُ لَمْ تَبْلَ، وَآنِيَتُهُ لَمْ تُكْسَرْ، وَالَّذِي نَفْسِي بِيَدِهِ، إِنَّكُمْ لَعَلَى مِلَّةٍ هِيَ أَهْدَى مِنْ مِلَّةِ مُحَمَّدٍ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أوْ مُفْتَتِحُو بَابِ ضَلَالَةٍ». قَالُوا: وَاللَّهِ يَا أَبَا عَبْدِ الرَّحْمَنِ، مَا أَرَدْنَا إِلَّا الْخَيْرَ. قَالَ: «وَكَمْ مِنْ مُرِيدٍ لِلْخَيْرِ لَنْ يُصِيبَهُ، إِنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ حَدَّثَنَا أَنَّ» قَوْمًا يَقْرَءُونَ الْقُرْآنَ لَا يُجَاوِزُ تَرَاقِيَهُمْ “، وَايْمُ اللَّهِ مَا أَدْرِي لَعَلَّ أَكْثَرَهُمْ مِنْكُمْ، ثُمَّ تَوَلَّى عَنْهُمْ. فَقَالَ عَمْرُو بْنُ سَلَمَةَ: رَأَيْنَا عَامَّةَ أُولَئِكَ الْحِلَقِ يُطَاعِنُونَا يَوْمَ النَّهْرَوَانِ مَعَ الْخَوَارِجِ

 

إسناده جيد

أخبرنا الحكم بن المبارك، أنبأنا عمرو بن يحيى، قال: سمعت أبي، يحدث، عن أبيه قال: كنا نجلس على باب عبد الله بن مسعود رضي الله عنه، قبل صلاة الغداة، فإذا خرج، مشينا معه إلى المسجد، فجاءنا أبو موسى الأشعري رضي الله عنه فقال: أخرج إليكم أبو عبد الرحمن قلنا: لا، بعد. فجلس معنا حتى خرج، فلما خرج، قمنا إليه جميعا، فقال له أبو موسى: يا أبا عبد الرحمن، إني رأيت في المسجد آنفا أمرا أنكرته ولم أر – والحمد لله – إلا خيرا. [ص: 287] قال: فما هو؟ فقال: إن عشت فستراه. قال: رأيت في المسجد قوما حلقا جلوسا ينتظرون الصلاة في كل حلقة رجل، وفي أيديهم حصا، فيقول: كبروا مائة، فيكبرون مائة، فيقول: هللوا مائة، فيهللون مائة، ويقول: سبحوا مائة، فيسبحون مائة، قال: فماذا قلت لهم؟ قال: ما قلت لهم شيئا انتظار رأيك أو انتظار أمرك. قال: «أفلا أمرتهم أن يعدوا سيئاتهم، وضمنت لهم أن لا يضيع من حسناتهم»، ثم مضى ومضينا معه حتى أتى حلقة من تلك الحلق، فوقف عليهم، فقال: «ما هذا الذي أراكم تصنعون؟» قالوا: يا أبا عبد الرحمن حصا نعد به التكبير والتهليل والتسبيح. قال: «فعدوا سيئاتكم، فأنا ضامن أن لا يضيع من حسناتكم شيء ويحكم يا أمة محمد، ما أسرع هلكتكم هؤلاء صحابة نبيكم صلى الله عليه وسلم متوافرون، وهذه ثيابه لم تبل، وآنيته لم تكسر، والذي نفسي بيده، إنكم لعلى ملة هي أهدى من ملة محمد صلى الله عليه وسلم أو مفتتحو باب ضلالة». قالوا: والله يا أبا عبد الرحمن، ما أردنا إلا الخير. قال: «وكم من مريد للخير لن يصيبه، إن رسول الله صلى الله عليه وسلم حدثنا أن» قوما يقرءون القرآن لا يجاوز تراقيهم “، وايم الله ما أدري لعل أكثرهم منكم، ثم تولى عنهم. فقال عمرو بن سلمة: رأينا عامة أولئك الحلق يطاعنونا يوم النهروان مع الخوارج إسناده جيد

 হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ২১১

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ২৩. রায় বা মত পোষণ করা অপছন্দনীয় বিষয়ে

২১১. আব্দুল্লাহ ইবনু মাসউদ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, তোমরা অনুসরণ করো, নতুন মত-পথ (বিদ’আত) উদ্ভাবন করো না। তবেই তোমরা রক্ষা পাবে।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদে দু’টি ত্রুটি বিদ্যমান। হাবীব ইবনু আবী ছাবিত তাদলীস (উস্তাদের নাম গোপন) করে ‘আন-‘আন পদ্ধতিতে বর্ণনা করেছেন এবং শু’বাহ বলেছেন: ‘আবী আব্দুর রহমান আব্দুল্লাহ ইবনু হাবীব ইবনু মাসউদ থেকে কোন কিছু শোনেননি।

 

তাখরীজ: ওয়াকী’, আয যুহদ নং ৩১৫; ইবনু বাত্তাহ, আল ইবানাহ নং ১৭৫; ইবনু ওযাদা’, আল বিদ’আ নং ৫৪; মারওয়াযী , আস সুন্নাহ নং ৭৮; লালিকাঈ, শারহে উসূল নং ১০৪; আহমাদ, আয যুহদ পৃ: ১৬২

بَابٌ فِي كَرَاهِيَةِ أَخْذِ الرَّأْيِ

أَخْبَرَنَا يَعْلَى، حَدَّثَنَا الْأَعْمَشُ، عَنْ حَبِيبٍ، عَنْ أَبِي عَبْدِ الرَّحْمَنِ، قَالَ: قَالَ عَبْدُ اللَّهِ – رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ -: اتَّبِعُوا وَلَا تَبْتَدِعُوا، فَقَدْ كُفِيتُمْ

 

في اسناده علتان: الأولى: تدليس حبيب بن أبي ثابت وقد عنعن والثانية: قول شعبة: ” لم يسمع أبو عبد الرحمن: عبد الله بن حبيب من عبد الله بن مسعود “. ولكن قال الإمام أحمد: ” في قول شعبة: لم يسمع من ابن مسعود شيئا أراه وهما

أخبرنا يعلى، حدثنا الأعمش، عن حبيب، عن أبي عبد الرحمن، قال: قال عبد الله – رضي الله عنه -: اتبعوا ولا تبتدعوا، فقد كفيتم في اسناده علتان: الأولى: تدليس حبيب بن أبي ثابت وقد عنعن والثانية: قول شعبة: ” لم يسمع أبو عبد الرحمن: عبد الله بن حبيب من عبد الله بن مسعود “. ولكن قال الإمام أحمد: ” في قول شعبة: لم يسمع من ابن مسعود شيئا أراه وهما

 হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai’f)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ২১২

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ২৩. রায় বা মত পোষণ করা অপছন্দনীয় বিষয়ে

২১২. জাবির ইবনু আব্দুল্লাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাদের উদ্দেশ্যে বক্তৃতা করলেন। প্রথমে তিনি আল্লাহর প্রশংসা ও তা’রীফ করলেন, তারপর বললেন: ’সর্বোত্তম হেদায়াত (পথ-নির্দেশনা) হল মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর হেদায়াত, সবচেয়ে নিকৃষ্ট কাজ হচ্ছে নতুন প্রবর্তিত কাজ। আর প্রত্যেক বিদ’আতই (নব উদ্ভাবন) ভ্রষ্টতা।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ হাসান, ইয়াহইয়া ইবনু সালীম এর কারণে। তবে তিনি এ বর্ণনায় একাকী নন, এতে তার অনুসরণ করেছেন আব্দুল ওয়াহাব ছাকাফী ও সুলাইমান ইবনু বিলাল এবং সুফইয়ান। ফলে তা সহীহ’র স্তরে উন্নীত হয়। আল্লাহই ভাল জানেন। তবে এটি ইমাম মুসলিম বর্ণনা করেছেন। (তবে শাইখ আলবানী ও আরনাউত্ব একে সহীহ বলেছেন, দেখুন, আলবানী, আল ইহসান ও এবং সহীহ ইবনু হিব্বান, তাহক্বীক্ব: আরনাউত্ব নং ১০-অনুবাদক।)

 

তাখরীজ: এর বিস্তারিত তাখরীজ করেছি আমার তাহক্বীক্বকৃত, মুসনাদে মাউসিলী ৪/৮৫ নং ২১১১ ও ২১১৯ এ। (সহীহ, বুখারী ৬০৯৮, ৭২৭৭; সহীহ মুসলিম, কিতাবুল জুমু’আ, (৪৩,৪৪,৪৫)(৮৬৭), নাসাঈ ৩/১৮৮; আহমাদ, আল মুসনাদ ৩/৩১০, ৩৩৮, ৩৭১; সহীহ ইবনু হিব্বান, ১০। – অনুবাদক)।

بَابٌ فِي كَرَاهِيَةِ أَخْذِ الرَّأْيِ

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ أَبِي خَلَفٍ، حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ سُلَيْمٍ، حَدَّثَنِي جَعْفَرُ بْنُ مُحَمَّدٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ الْأَنْصَارِيِّ – رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا – قَالَ: خَطَبَنَا رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَحَمِدَ اللَّهَ وَأَثْنَى عَلَيْهِ ثُمَّ قَالَ: إِنَّ أَفْضَلَ الْهَدْيِ هَدْيُ مُحَمَّدٍ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، وَشَرَّ الْأُمُورِ مُحْدَثَاتُهَا، وَكُلَّ بِدْعَةٍ ضَلَالَةٌ

 

إسناده حسن من أجل يحيى بن سليم ولكنه لم ينفرد به بل تابعه عليه عبد الوهاب الثقفي وسليمان بن بلال وسفيان فيصح الإسناد

أخبرنا محمد بن أحمد بن أبي خلف، حدثنا يحيى بن سليم، حدثني جعفر بن محمد، عن أبيه، عن جابر بن عبد الله الأنصاري – رضي الله عنهما – قال: خطبنا رسول الله صلى الله عليه وسلم فحمد الله وأثنى عليه ثم قال: إن أفضل الهدي هدي محمد صلى الله عليه وسلم، وشر الأمور محدثاتها، وكل بدعة ضلالة إسناده حسن من أجل يحيى بن سليم ولكنه لم ينفرد به بل تابعه عليه عبد الوهاب الثقفي وسليمان بن بلال وسفيان فيصح الإسناد

 হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ২১৩

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ২৩. রায় বা মত পোষণ করা অপছন্দনীয় বিষয়ে

২১৩. বিলায ইবনু ইছমাহ বলেন, আমি আব্দুল্লাহ মাসউদ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুকে বলতে শুনেছি, যখন বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা তথা জুমু’আর রাত্রি আগমন করতো, তিনি দাঁড়িয়ে যেতেন এবং বলতেন, ’সবচেয়ে সত্য বাণী হল আল্লাহ আযযা ওয়া জাল্লা-’র বাণী আর ’সর্বোত্তম হেদায়াত (পথ-নির্দেশনা) হল মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর হেদায়াত। আর দুর্ভাগা সেই ব্যক্তি যে তার মায়ের গর্ভে থাকাকালীন দুর্ভাগা (বলে নির্ধারিত) হয়েছে। আর সবচেয়ে নিকৃষ্ট বর্ণনা হল মিথ্যা বর্ণনা, সবচেয়ে নিকৃষ্ট কাজ হচ্ছে নতুন প্রবর্তিত কাজ (বিদ’আত)। আর এর (বিদ’আতের) প্রত্যেকটিই অদূর ভবিষ্যতে আগমন করবে।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ জাইয়্যেদ (উত্তম)।

 

তাখরীজ: মা’মার, জামি’ (লেখকের এ কিতাবের সাথে সংযুক্ত) ১/১১৪ নং ২০০৭৬।

بَابٌ فِي كَرَاهِيَةِ أَخْذِ الرَّأْيِ

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عُيَيْنَةَ، عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ الْفَزَارِيِّ، عَنْ أَسْلَمَ الْمِنْقَرِيِّ، عَنْ بِلَادِ بْنِ عِصْمَةَ، قَالَ: سَمِعْتُ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ مَسْعُودٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ يَقُولُ، وَكَانَ إِذَا كَانَ عَشِيَّةَ الْخَمِيسِ ليْلةِ الْجُمُعَةِ، قَامَ فَقَالَ: «إِنَّ أَصْدَقَ الْقَوْلِ قَوْلُ اللَّهِ عَزَّ وَجَلَّ وَإِنَّ أَحْسَنَ الْهَدْيِ هَدْيُ مُحَمَّدٍ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَالشَّقِيُّ مَنْ شَقِيَ فِي بَطْنِ أُمِّهِ، وَإِنَّ شَرَّ الرَّوَايَا رَوَايَا الْكَذِبِ، وَشَرَّ الْأُمُورِ مُحْدَثَاتُهَا، وَكُلَّ مَا هُوَ آتٍ قَرِيبٌ

 

إسناده جيد

أخبرنا محمد بن عيينة، عن أبي إسحاق الفزاري، عن أسلم المنقري، عن بلاد بن عصمة، قال: سمعت عبد الله بن مسعود رضي الله عنه يقول، وكان إذا كان عشية الخميس ليلة الجمعة، قام فقال: «إن أصدق القول قول الله عز وجل وإن أحسن الهدي هدي محمد صلى الله عليه وسلم والشقي من شقي في بطن أمه، وإن شر الروايا روايا الكذب، وشر الأمور محدثاتها، وكل ما هو آت قريب إسناده جيد

 হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ২১৪

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ২৩. রায় বা মত পোষণ করা অপছন্দনীয় বিষয়ে

২১৪. ইবনু সীরীন রাহি. বলেন, যখনই কোন ব্যক্তি কোন বিদ’আতকে আকড়ে ধরে, তখনই সে কোন একটি সুন্নাত থেকে (মুখ) ফিরিয়ে নেয়।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ যয়ীফ, কেননা, বর্ণনাকারী লাইছ যয়ীফ।

 

তাখরীজ: আবু শামাহ, আল বায়িছ পৃ: ২৬।

بَابٌ فِي كَرَاهِيَةِ أَخْذِ الرَّأْيِ

أَخْبَرَنِي مُحَمَّدُ بْنُ عُيَيْنَةَ، عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ الْفَزَارِيِّ عَنْ لَيْثٍ، عَنْ أَيُّوبَ، عَنِ ابْنِ سِيرِينَ، قَالَ: مَا أَخَذَ رَجُلٌ بِبِدْعَةٍ فَرَاجَعَ سُنَّةً

 

إسناده ضعيف لضعف الليث وهو ابن أبي سليم

أخبرني محمد بن عيينة، عن أبي إسحاق الفزاري عن ليث، عن أيوب، عن ابن سيرين، قال: ما أخذ رجل ببدعة فراجع سنة إسناده ضعيف لضعف الليث وهو ابن أبي سليم

 হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai’f)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ২১৫

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ২৩. রায় বা মত পোষণ করা অপছন্দনীয় বিষয়ে

২১৫. ছাওবান রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: ’আমার উম্মাতের জন্য আমি সর্বাধিক ভয় করি গোমরাহকারী ইমাম (অনুসৃত আলিম/নেতা)-গণকে ।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: আহমাদ, ৫/২৭৮, ২৮৪; আবু দাউদ ৪২৫২; তিরমিযী ২২৩০; ইবনু মাজাহ ৩৯৫২; কুদায়ী, মুসনাদুশ আশ শিহাব নং ১১১৬; বাইহাকী, দালাইল ৬/৫২৭; হাকিম, আল মুসতাদরাক ৪/৪৪৯। হাকিম ও যাহাবী একে বুখারী মুসলিমের শর্তানুযায়ী সহীহ বলেছেন। কিন্তু এটি শুধু মুসলিমের শর্তানুযায়ী সহীহ। আল্লাহই ভাল জানেন। এর শাহিদ হাদীস রয়েছে, যা শাদ্দাদ ইবনু আউস ও আবী দারদা কর্তক বর্ণিত যা সামনে ২১৮ নং এ আসছে।

بَابٌ فِي كَرَاهِيَةِ أَخْذِ الرَّأْيِ

أَخْبَرَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ حَرْبٍ، حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ، عَنْ أَيُّوبَ، عَنْ أَبِي قِلَابَةَ، عَنْ أَبِي أَسْمَاءَ، عَنْ ثَوْبَانَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ، عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنَّهُ قَالَ: إِنَّمَا أَخَافُ عَلَى أُمَّتِي الْأَئِمَّةَ الْمُضِلِّينَ

 

إسناده صحيح

أخبرنا سليمان بن حرب، حدثنا حماد بن زيد، عن أيوب، عن أبي قلابة، عن أبي أسماء، عن ثوبان رضي الله عنه، عن النبي صلى الله عليه وسلم أنه قال: إنما أخاف على أمتي الأئمة المضلين إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ২১৬

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ২৩. রায় বা মত পোষণ করা অপছন্দনীয় বিষয়ে

২১৬. হায়্যাত বিনতে আবী হায়্যাত বলেন, (একদা) এক লোক দুপুর বেলায় আমাদের নিকট এলেন। তখন আমি তাকে জিজ্ঞেস করলাম, হে আল্লাহর বান্দা! আপনি কোথা হতে এসেছেন। তিনি উত্তরে বললেন, আমি ও আমার সাথী আমাদের কোনো একটি বিষয়ের খোঁজে এসেছি। আমার সাথী তা খুঁজতে বের হলেন, আর আমি এখানে ছায়ায় একটু আশ্রয় গ্রহণ এবং একটু কিছু পান করার উদ্দেশ্যে এলাম।

আমি তখন উঠে টক দুধ আনতে গেলাম, বর্ণনাকারী বলেন, (বর্ণনাকারীর সন্দেহ) কখনো তিনি বলেছেন, আমি টক দই আনতে গেলাম। এরপর আমি তাকে তা পান করালাম। আর তিনিও পান করলেন এবং আমিও পান করলাম। এরপর আমি তাকে মনোযোগ সহকারে লক্ষ্য করলাম এবং বললাম: হে আল্লাহর বান্দা! আপনি কে? তখন তিনি বললেন, আমি আবু বাকর। আমি বললাম, আপনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর সাথী আবু বকর, যার সম্পর্কে আমি শুনেছি? তিনি বললেন, হাঁ। তখন আমি খাছ’আম গোত্রের সাথে আমাদের যুদ্ধ ও জাহিলিয়্যাতের কোন কোন যুদ্ধের কথা উল্লেখ করলাম। এরপর বললাম, এরপর আল্লাহ আমাদের মধ্যে সম্প্রীতি ও বন্ধুত্ব সৃষ্টি করেছেন এবং তাঁবু সমুহের রশিগুলি (এর ন্যায় সেতুবন্ধন) এনে দিয়েছেন। বর্ণনাকারী ইবনু আউন এক হাতের আঙ্গুলসমূহকে অপর হাতের আঙ্গুলের ফাঁকে প্রবেশ করিয়ে দেখালেন। মুয়ায (অপর বর্ণনাকারী) আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আহমাদও এক হাতের আঙ্গুলসমূহকে অপর হাতের আঙ্গুলের ফাঁকে প্রবেশ করিয়ে দেখালেন।

[বর্ণনাকারী (হায়্যাত) বলেন]: আমি বললাম, হে আল্লাহর বান্দা! লোকদের এ অবস্থা কতদিন পর্যন্ত বহাল থাকবে বলে আপনি মনে করেন? তিনি বললেন, ইমামগণ যতক্ষণ সরল পথে স্থির থাকবে। আমি জিজ্ঞেস করলাম, ইমামগণ কারা? তিনি বললেন, তুমি কি (একত্রে বসবাসকারী) জনগোষ্ঠীর নেতাকে দেখনি, বিভিন্ন মহল্লায় যেমন সর্দার থাকে আর তারা তাকে অনুসরণ করে এবং তার আনুগত্য করে? ফলে এরা যতদিন সরল পথে স্থির থাকে, (ততদিন তা ঠিক থাকবে)।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ হাসান।

 

তাখরীজ: (মুহাক্বিক্ব এর কোন তাখরীজ করেন নি।– অনুবাদক)

بَابٌ فِي كَرَاهِيَةِ أَخْذِ الرَّأْيِ

أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ أَبُو الْوَلِيدِ الْهَرَوِيُّ، حَدَّثَنَا مُعَاذُ بْنُ مُعَاذٍ، عَنِ ابْنِ عَوْنٍ، عَنْ عَمْرِو بْنِ سَعِيدٍ، عَنْ أَبِي زُرْعَةَ بْنِ عَمْرِو بْنِ جَرِيرٍ، عَنْ حَيَّةَ بِنْتِ أَبِي حَيَّةَ، قَالَتْ: دَخَلَ عَلَيْنَا رَجُلٌ بِالظَّهِيرَةِ فَقُلْتُ: يَا عَبْدَ اللَّهِ مِنْ أَيْنَ أَقْبَلْتَ؟ قَالَ: «أَقْبَلْتُ أَنَا وَصَاحِبٌ لِي فِي بُغَاءٍ لَنَا فَانْطَلَقَ صَاحِبِي يَبْغِي وَدَخَلْتُ أَنَا أَسْتَظِلُّ بِالظِّلِّ وَأَشْرَبُ مِنَ الشَّرَابِ». فَقُمْتُ إِلَى لُبَيْنَةٍ حَامِضَةٍ – ورُبَّما قَالَتْ: فَقُمْتُ إِلَى ضَيْحَةٍ حَامِضَةٍ – فَسَقَيْتُهُ مِنْهَا، فَشَرِبَ وَشَرِبْتُ. قَالَتْ: وَتَوَسَّمْتُهُ فَقُلْتُ: يَا عَبْدَ اللَّهِ مَنْ أَنْتَ؟ فَقَالَ: «أَنَا أَبُو بَكْرٍ». قُلْتُ: أَنْتَ أَبُو بَكْرٍ صَاحِبُ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ الَّذِي سَمِعْتُ بِهِ؟ قَالَ: «نَعَمْ». قَالَتْ: فَذَكَرْتُ غَزْوَنَا خَثْعَمًا، وَغَزْوَةَ بَعْضِنَا بَعْضًا فِي الْجَاهِلِيَّةِ، وَمَا جَاءَ اللَّهُ بِهِ مِنَ الْأُلْفَةِ وَأَطْنَابِ الْفَسَاطِيطِ – وَشَبَّكَ ابْنُ عَوْنٍ أَصَابِعَهُ، وَوَصَفَهُ لَنَا مُعَاذٌ، وَشَبَّكَ أَحْمَدُ – فَقُلْتُ: يَا عَبْدَ اللَّهِ حَتَّى مَتَى تَرَى أَمْرَ النَّاسِ هَذَا؟ قَالَ: «مَا اسْتَقَامَتِ الْأَئِمَّةُ»، قُلْتُ: مَا الْأَئِمَّةُ؟ قَالَ: أَمَا رَأَيْتَ السَّيِّدَ يَكُونُ فِي الْحِوَاءِ فَيَتَّبِعُونَهُ وَيُطِيعُونَهُ؟ فَمَا اسْتَقَامَ أُولَئِكَ

 

إسناده حسن

أخبرنا أحمد بن عبد الله أبو الوليد الهروي، حدثنا معاذ بن معاذ، عن ابن عون، عن عمرو بن سعيد، عن أبي زرعة بن عمرو بن جرير، عن حية بنت أبي حية، قالت: دخل علينا رجل بالظهيرة فقلت: يا عبد الله من أين أقبلت؟ قال: «أقبلت أنا وصاحب لي في بغاء لنا فانطلق صاحبي يبغي ودخلت أنا أستظل بالظل وأشرب من الشراب». فقمت إلى لبينة حامضة – وربما قالت: فقمت إلى ضيحة حامضة – فسقيته منها، فشرب وشربت. قالت: وتوسمته فقلت: يا عبد الله من أنت؟ فقال: «أنا أبو بكر». قلت: أنت أبو بكر صاحب رسول الله صلى الله عليه وسلم الذي سمعت به؟ قال: «نعم». قالت: فذكرت غزونا خثعما، وغزوة بعضنا بعضا في الجاهلية، وما جاء الله به من الألفة وأطناب الفساطيط – وشبك ابن عون أصابعه، ووصفه لنا معاذ، وشبك أحمد – فقلت: يا عبد الله حتى متى ترى أمر الناس هذا؟ قال: «ما استقامت الأئمة»، قلت: ما الأئمة؟ قال: أما رأيت السيد يكون في الحواء فيتبعونه ويطيعونه؟ فما استقام أولئك إسناده حسن

 হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ২১৭

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ২৩. রায় বা মত পোষণ করা অপছন্দনীয় বিষয়ে

২১৭. আবু দারদা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “আমি তোমাদের জন্য যে সকল জিনিসকে ভয় করি, তার মধ্যে সবচেয়ে বেশি ভয় করি গোমরাহকারী ইমাম (নেতা)-দেরকে।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ যয়ীফ। এতে অজ্ঞাত রাবী রয়েছে। তবে হাদীসটি সহীহ, যার শাহিদ হাদীস পূর্বে গত হয়েছে।

 

তাখরীজ: আহমদ, ৬/৪৪১, সনদ আগেরটির চেয়েও অধিক যয়ীফ।

بَابٌ فِي كَرَاهِيَةِ أَخْذِ الرَّأْيِ

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الصَّلْتِ، حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ سَعْدٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَخٍ لِعَدِيِّ بْنِ أَرْطَاةَ عَنْ أَبِي الدَّرْدَاءِ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: إِنَّ أَخْوَفُ مَا أَخَافُ عَلَيْكُمُ الْأَئِمَّةَ الْمُضِلِّينَ

 

إسناده ضعيف فيه جهالة ولكن الحديث صحيح يشهد له الحديث قبل السابق

أخبرنا محمد بن الصلت، حدثنا إبراهيم بن سعد، عن أبيه، عن أخ لعدي بن أرطاة عن أبي الدرداء قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: إن أخوف ما أخاف عليكم الأئمة المضلين إسناده ضعيف فيه جهالة ولكن الحديث صحيح يشهد له الحديث قبل السابق

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ২১৮

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ২৩. রায় বা মত পোষণ করা অপছন্দনীয় বিষয়ে

২১৮. কায়িস ইবনু আবু হাযিম বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, আবু বাকর আহমাস গোত্রের এক মহিলার নিকট গেলেন, যাকে যায়নাব বলে ডাকা হত। তিনি বলেন, তিনি মহিলাকে দেখলেন যে, সে কোনো কথা-বার্তা বলছে না। তখন তিনি (লোকদেরকে) জিজ্ঞেস করলেন, তার কী হয়েছে যে সে কথা বলছে না? তারা বলল, সে কথা-বার্তাহীন (নিশ্চুপ) হজ্জ করার নিয়াত করেছে। তিনি তাকে বললেন, তুমি কথা বলো। কারণ, এটি জায়েয নয়। এটি জাহিলী যুগের কাজ। তিনি (বর্ণনাকারী) বলেন, তারপর সে কথা বলল। তখন সে জিজ্ঞেস করল, আপনি কে? তিনি (আবু বাকর) বললেন, আমি মুহাজিরগণের একজন । সে তখন জিজ্ঞেস করল, কোন্ মুহাজিরগণের? তিনি বললেন, কুরাইশ বংশের। তখন সে আবারও প্রশ্ন করল, আপনি কুরাইশদের কোন্ (গোত্রের)? তিনি বললেন, তুমি তো দেখি খুব বেশি বেশি প্রশ্ন কর! আমি আবু বাকর। তখন ঐ মহিলা বললেন, জাহিলিয়্যাহ যুগের পরে আল্লাহ আমাদের জন্য যে কল্যাণকর অবস্থা সৃষ্টি করেছেন, তার উপর আমরা কতদিন পর্যন্ত স্থির থাকবো? তিনি বললেন, তোমরা এর উপর ততদিন পর্যন্ত স্থির থাকবে, যতদিন পর্যন্ত তোমাদের ইমামগণ সরল পথে স্থির থাকবে। সে বলল, ইমামগণ আবার কী? তিনি বললেন: ’তোমাদের গোত্রে কি নেতৃস্থানীয় সর্দার ও সম্ভ্রান্ত ব্যক্তিবর্গ আছেন না, যারা লোকদেরকে আদেশ করেন এবং তারা তাদের আদেশ মান্য করে? সে বলল, হাঁ, অবশ্যই আছে। তিনি বললেন, ফলে তারাই হলো লোকদের জন্য ঐ ব্যক্তিবর্গের (ইমামগণের) মত।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: বুখারী, সহীহ ৩৮৩৪; ইবনু সা’দ, আত তাবাকাত ৮/৩৪৫, যয়ীফ সনদে ।

بَابٌ فِي كَرَاهِيَةِ أَخْذِ الرَّأْيِ

أَخْبَرَنَا أَبُو النُّعْمَانِ، حَدَّثَنَا أَبُو عَوَانَةَ، عَنْ بَيَانٍ بْنِ بِشْرٍ، عَنْ قَيْسِ بْنِ أَبِي حَازِمٍ، قَالَ: دَخَلَ أَبُو بَكْرٍ رِضْوَانُ اللَّهِ عَلَيْهِ عَلَى امْرَأَةٍ مِنْ أَحْمَسَ يُقَالُ لَهَا زَيْنَبُ، قَالَ: «فَرَآهَا لَا تَتَكَلَّمُ»، فَقَالَ: مَا لَهَا لَا تَتَكَلَّمُ؟ قَالُوا: نَوَتْ حَجَّةً مُصْمِتَةً. فَقَالَ لَهَا: «تَكَلَّمِي، فَإِنَّ هَذَا لَا يَحِلُّ، هَذَا مِنْ عَمَلِ الْجَاهِلِيَّةِ». قَالَ: فَتَكَلَّمَتْ، فَقَالَتْ: مَنْ أَنْتَ. قَالَ: ” أَنَا امْرُؤٌ مِنَ الْمُهَاجِرِينَ. قَالَتْ: مِنْ أَيِّ الْمُهَاجِرِينَ؟ قَالَ: «مِنْ قُرَيْشٍ» قَالَتْ: فَمِنْ أَيِّ قُرَيْشٍ أَنْتَ؟ قَالَ: ” إِنَّكِ لَسَئُولٌ، أَنَا أَبُو بَكْرٍ. قَالَتْ: مَا بَقَاؤُنَا عَلَى هَذَا الْأَمْرِ الصَّالِحِ الَّذِي جَاءَ اللَّهُ بِهِ بَعْدَ الْجَاهِلِيَّةِ؟ فَقَالَ: «بَقَاؤُكُمْ عليْهِ مَا اسْتَقَامَتْ بِكُمْ أَئِمَّتُكُمْ». قَالَتْ ” وَمَا الْأَئِمَّةُ؟ قَالَ: «أَمَا كَانَ لِقَوْمِكِ رُؤَسَاءُ وَأَشْرَافٌ يَأْمُرُونَهُمْ فَيُطِيعُونَهُمْ؟» قَالَتْ: بَلَى، قَالَ: «فَهُمْ مِثْلُ أُولَئِكَ عَلَى النَّاسِ

 

إسناده صحيح

أخبرنا أبو النعمان، حدثنا أبو عوانة، عن بيان بن بشر، عن قيس بن أبي حازم، قال: دخل أبو بكر رضوان الله عليه على امرأة من أحمس يقال لها زينب، قال: «فرآها لا تتكلم»، فقال: ما لها لا تتكلم؟ قالوا: نوت حجة مصمتة. فقال لها: «تكلمي، فإن هذا لا يحل، هذا من عمل الجاهلية». قال: فتكلمت، فقالت: من أنت. قال: ” أنا امرؤ من المهاجرين. قالت: من أي المهاجرين؟ قال: «من قريش» قالت: فمن أي قريش أنت؟ قال: ” إنك لسئول، أنا أبو بكر. قالت: ما بقاؤنا على هذا الأمر الصالح الذي جاء الله به بعد الجاهلية؟ فقال: «بقاؤكم عليه ما استقامت بكم أئمتكم». قالت ” وما الأئمة؟ قال: «أما كان لقومك رؤساء وأشراف يأمرونهم فيطيعونهم؟» قالت: بلى، قال: «فهم مثل أولئك على الناس إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ২১৯

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ২৩. রায় বা মত পোষণ করা অপছন্দনীয় বিষয়ে

২১৯. আইযা নামক এক মহিলা হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি ইবনু মাসউদ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুকে নারী-পুরুষদেরকে নসীহত করতে শুনেছি। তিনি বলতেন: “তোমাদের মধ্যকার নারী বা পুরুষ যে-ই (ফিতনা ও বিদআতের যুগ) পায় সে যেনো অনুসরণ করে প্রথমযুগের লোকদের পথ, প্রাচীনদের পন্থা (তথা সাহাবীগণের পন্থা)। কেননা, তবেই তোমরা ফিতরাত’ তথা স্বভাব ধর্ম (ইসলাম)-এর উপর থাকবে।

(পরবর্তী বর্ণনাকারী) আব্দুল্লাহ বলেন, السمت মানে রাস্তা, পথ-পন্থা।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: ইবনু সা’দ, আত তাবাকাত ৮/৩৫৮; ইবনু আবী শাইবা ১৪/১৩৩ নং ১৭৮৫৬; বিস্তারিত তাখরীজ দেখুন পূর্বে উল্লেখিত হাদীস নং ১৭৪।

بَابٌ فِي كَرَاهِيَةِ أَخْذِ الرَّأْيِ

أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ مَهْدِيٍّ، عَنْ سُفْيَانَ، عَنْ وَاصِلٍ، عَنِ امْرَأَةٍ يُقَالُ لَهَا: عَائِذَةُ، قَالَتْ: رَأَيْتُ ابْنَ مَسْعُودٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ يُوصِي الرِّجَالَ وَالنِّسَاءَ وَيَقُولُ: «مَنْ أَدْرَكَ مِنْكمْ مِنَ امْرَأَةٍ أَوْ رَجُلٍ، فَالسَّمْتَ الْأَوَّلَ السَّمْتُ الْأَوَّلُ، فَإِنَّكُمْ عَلَى الْفِطْرَةِ» قَالَ عَبْدُ اللَّهِ السَّمْتُ: الطَّرِيقُ

 

إسناده صحيح

أخبرنا عبد الله بن محمد، حدثنا عبد الرحمن بن مهدي، عن سفيان، عن واصل، عن امرأة يقال لها: عائذة، قالت: رأيت ابن مسعود رضي الله عنه يوصي الرجال والنساء ويقول: «من أدرك منكم من امرأة أو رجل، فالسمت الأول السمت الأول، فإنكم على الفطرة» قال عبد الله السمت: الطريق إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ২২০

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ২৩. রায় বা মত পোষণ করা অপছন্দনীয় বিষয়ে

২২০. যিয়াদ ইবনু হুদাইর থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমাকে উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, তুমি কি জানো, কিসে ইসলামকে ধ্বংস করবে? আমি বললাম, না। তিনি বললেন, আলিমগণের পদস্খলন বা ভ্রান্তি, কিতাব তথা কুরআন নিয়ে মুনাফিকদের বিতর্ক-বিবাদ এবং গোমরাহকারী ইমাম (নেতা)-দের শাসন-পরিচালনা।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: ইবনু বাত্তাহ, আল ইবানাহ নং ৬৪১, ৬৪৩; খতীব, আল ফাকীহ ওয়াল মুতাফাকিহ নং ৬০৭; ইবনু আব্দুল বারর, জামি’ নং ১৮,৬৭, ১৮৬৯, ১৮৭০।

بَابٌ فِي كَرَاهِيَةِ أَخْذِ الرَّأْيِ

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عُيَيْنَةَ، أَنبَأَنَا عَلِيٌّ هُوَ ابْنُ مُسْهِرٍ، عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ، عَنِ الشَّعْبِيِّ، عَنْ زِيَادِ بْنِ حُدَيْرٍ، قَالَ: قَالَ لِي عُمَرُ: «هَلْ تَعْرِفُ مَا يَهْدِمُ الْإِسْلَامَ؟» قَالَ: قُلْتُ: لَا، قَالَ: يَهْدِمُهُ زَلَّةُ الْعَالِمِ، وَجِدَالُ الْمُنَافِقِ بِالْكِتَابِ وَحُكْمُ الْأَئِمَّةِ الْمُضِلِّينَ

 

إسناده صحيح

أخبرنا محمد بن عيينة، أنبأنا علي هو ابن مسهر، عن أبي إسحاق، عن الشعبي، عن زياد بن حدير، قال: قال لي عمر: «هل تعرف ما يهدم الإسلام؟» قال: قلت: لا، قال: يهدمه زلة العالم، وجدال المنافق بالكتاب وحكم الأئمة المضلين إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ২২১

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ২৩. রায় বা মত পোষণ করা অপছন্দনীয় বিষয়ে

২২১. মুহাম্মদ ইবনু আলী হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, তোমরা ঝগড়া-বিতর্ককারী লোকদের নিকট বসবে না। কেননা, তারা আল্লাহর আয়াতসমূহে দোষ-ত্রুটি অনুসন্ধান করবে।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ যয়ীফ, কেননা, লাইছ ইবনু আবী সালীম যয়ীফ।

 

তাখরীজ: ইবনু বাত্তাহ, আল ইবানাহ নং ৩৮৩,৩৮৪ ।

بَابٌ فِي كَرَاهِيَةِ أَخْذِ الرَّأْيِ

أَخْبَرَنَا هَارُونُ، عَنْ حَفْصِ بْنِ غِيَاثٍ، عَنْ لَيْثٍ، عَنِ الْحَكَمِ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَلِيٍّ، قَالَ: لَا تُجَالِسُوا أَصْحَابَ الْخُصُومَاتِ فَإِنَّهُمْ يَخُوضُونَ فِي آيَاتِ اللَّهِ

 

إسناده ضعيف لضعف ليث بن أبي سليم

أخبرنا هارون، عن حفص بن غياث، عن ليث، عن الحكم، عن محمد بن علي، قال: لا تجالسوا أصحاب الخصومات فإنهم يخوضون في آيات الله إسناده ضعيف لضعف ليث بن أبي سليم

 হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai’f)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ২২২

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ২৩. রায় বা মত পোষণ করা অপছন্দনীয় বিষয়ে

২২২. হাসান (রহঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আল্লাহর কসম, যিনি ছাড়া কোন উপাস্য নেই, তোমাদের রীতি-পদ্ধতি (সুন্নাত) হল বাড়াবাড়ি ও শৈথিল্যের মাঝামাঝি। তাই তোমরা এ সুন্নাতের উপর অটল থাকবে, আল্লাহ তোমাদের প্রতি দয়া করুন। কেননা, আহলুস ‍সুন্নাহ (সুন্নাতের অনুসারীগণ) ছিলেন অতীতের অতি স্বল্প সংখ্যক লোক; আর বর্তমানেও তারা সংখ্যায় অতি অল্প; যারা ভোগ-বিলাসে মত্ত লোকদের সাথে ভোগ-বিলাসে মত্ত হয়নি, আর বিদ’আতী লোকদের সাথেও বিদ’আতে লিপ্ত হয়নি। বরং তারা তাদের রবের সাথে সাক্ষাত করা পর্যন্ত তাদের পথ-পন্থার (সুন্নাতের) উপর অটল থেকেছেন। সুতরাং আল্লাহ যদি ইচ্ছা করেন, তোমরাও (অটল থাকার ব্যাপারে) তাদের মত হয়ে যাও।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ যয়ীফ। আল মুবারক ইবনু ফুদালাহ, তাদলীস ও সমন্বয় করতেন এবং তিনি ‘আন ‘আন’ পদ্ধতিতে বর্ণনা করেছেন।

 

তাখরীজ: আবী শামাহ, বায়িছ, পৃ. ২৬।

بَابٌ فِي كَرَاهِيَةِ أَخْذِ الرَّأْيِ

أَخْبَرَنَا الْحُسَيْنُ بْنُ مَنْصُورٍ، حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَةَ، عَنْ شَرِيكٍ عَنْ المُبَارَكٍ، عَنِ الْحَسَنِ قَالَ: ” سُنَّتُكُمْ – وَاللَّهِ الَّذِي لَا إِلَهَ إِلَّا هُوَ بَيْنَهُمَا: بَيْنَ الْغَالِي وَالْجَافِي، فَاصْبِرُوا عَلَيْهَا رَحِمَكُمُ اللَّهُ، فَإِنَّ أَهْلَ السُّنَّةِ كَانُوا أَقَلَّ النَّاسِ فِيمَا مَضَى، وَهُمْ أَقَلُّ النَّاسِ فِيمَا بَقِيَ: الَّذِينَ لَمْ يَذْهَبُوا مَعَ أَهْلِ الْإِتْرَافِ فِي إِتْرَافِهِمْ، وَلَا مَعَ أَهْلِ الْبِدَعِ فِي بِدَعِهِمْ، وَصَبَرُوا عَلَى سُنَّتِهِمْ حَتَّى لَقُوا رَبَّهُمْ فكذاكمْ – إِنْ شَاءَ اللَّهُ – فَكُونُوا

 

إسناده ضعيف المبارك بن فضالة يدلس ويسوي وقد عنعن

أخبرنا الحسين بن منصور، حدثنا أبو أسامة، عن شريك عن المبارك، عن الحسن قال: ” سنتكم – والله الذي لا إله إلا هو بينهما: بين الغالي والجافي، فاصبروا عليها رحمكم الله، فإن أهل السنة كانوا أقل الناس فيما مضى، وهم أقل الناس فيما بقي: الذين لم يذهبوا مع أهل الإتراف في إترافهم، ولا مع أهل البدع في بدعهم، وصبروا على سنتهم حتى لقوا ربهم فكذاكم – إن شاء الله – فكونوا إسناده ضعيف المبارك بن فضالة يدلس ويسوي وقد عنعن

 হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai’f)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ২২৩

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ২৩. রায় বা মত পোষণ করা অপছন্দনীয় বিষয়ে

২২৩. আব্দুর রহমান ইবনু ইয়াযীদ হতে বর্ণিত, আব্দুল্লাহ (ইবনু মাসউদ) রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, বিদ’আতের মধ্যে (অনেক) পরিশ্রম করার চেয়ে সুন্নাতের মধ্যে মধ্যপন্থা অবলম্বন করা উত্তম।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ জাইয়্যেদ (উত্তম)।

 

তাখরীজ: লালিকাঈ, শারহে উসুল নং ১৪, ১১৪; হাকিম, আল মুসতাদরাক ১/১০৩; মারওয়াযী,আস সুন্নাহ নং ৮৮; খতীব, আল ফকীহ ওয়াল মুতাফাককিহ ১/১৪৮; ইবনু আব্দুল বারর, জামি’ বয়ানুল ইলম নং ২৩৩৪।

بَابٌ فِي كَرَاهِيَةِ أَخْذِ الرَّأْيِ

أَخْبَرَنَا مُوسَى بْنُ خَالِدٍ، حَدَّثَنَا عِيسَى بْنُ يُونُسَ، عَنِ الْأَعْمَشِ، عَنْ عُمَارَةَ، وَمَالِكِ بْنِ الْحَارِثِ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ يَزِيدَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ، قَالَ: الْقَصْدُ فِي السُّنَّةِ خَيْرٌ مِنَ الِاجْتِهَادِ فِي الْبِدْعَةِ

 

إسناده جيد

أخبرنا موسى بن خالد، حدثنا عيسى بن يونس، عن الأعمش، عن عمارة، ومالك بن الحارث، عن عبد الرحمن بن يزيد، عن عبد الله رضي الله عنه، قال: القصد في السنة خير من الاجتهاد في البدعة إسناده جيد

 হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

মন্তব্য করুন

Top