দারেমী পবিত্রতা অধ্যায় ২য় ভাগ হাদিস নং ৭৩১ – ৭৯০

 ৭৩১

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৩৬. মাথা ও দু’কান মাসেহ করা

৭৩১. শাক্বীক্ব ইবনু সালামাহ হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি উছমান রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুকে ওযু করতে দেখেছিলাম। তখন তিনি তাঁর মাথা ও দু’কানের বাইরের ও ভিতরের অংশ মাসেহ করলেন। অতঃপর তিনি বললেন: আমি যেমন, (রাবীর সন্দেহ) কিংবা- যেরূপ করলাম, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে সেরূপ করতে দেখেছি।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ হাসান। এর তাখরীজ গত হয়েছে ৭৩১ নং এ (যা আমাদের ক্রমিকে ৭২৭ -অনুবাদক) । দেখুন, নাইলুল আওতার ১/১৯৮।

بَابٌ فِي مَسْحِ الرَّأْسِ وَالْأُذُنَيْنِ

أَخْبَرَنَا مَالِكُ بْنُ إِسْمَعِيلَ حَدَّثَنَا إِسْرَائِيلُ عَنْ عَامِرِ بْنِ شَقِيقٍ عَنْ شَقِيقِ بْنِ سَلَمَةَ قَالَ رَأَيْتُ عُثْمَانَ تَوَضَّأَ فَمَسَحَ بِرَأْسِهِ وَأُذُنَيْهِ ظَاهِرِهِمَا وَبَاطِنِهِمَا ثُمَّ قَالَ رَأَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ صَنَعَ كَمَا صَنَعْتُ أَوْ كَالَّذِي صَنَعْتُ

إسناده حسن

أخبرنا مالك بن إسمعيل حدثنا إسرائيل عن عامر بن شقيق عن شقيق بن سلمة قال رأيت عثمان توضأ فمسح برأسه وأذنيه ظاهرهما وباطنهما ثم قال رأيت رسول الله صلى الله عليه وسلم صنع كما صنعت أو كالذي صنعت إسناده حسن

 হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)  বর্ণনাকারীঃ শাক্বীক ইবনু সালামা (রহঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১. পবিত্রতা অধ্যায় (كتاب الطهارة)

 ৭৩২

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৩৭. রাসূলুল্লাহ (ﷺ) মাথা (মাসেহ করা)-এর জন্য নতুন ভাবে পানি নিতেন

৭৩২. যায়িদ ইবনু আসিম আল মাযিন্নী বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে জুহফাহ নামক স্থানে ওযু করতে দেখেছি। তিনি কুলি করলেন এবং নাকে পানি দিলেন, তারপর তিনবার মুখমণ্ডল ধৌত করলেন, এরপর তিনবার তাঁর দু’হাত ধৌত করলেন। তারপর তিনি মাথা মাসেহ্ করলেন এবং তাঁর পা দু’টি খুব ভালোভাবে ধুয়ে পরিষ্কার করলেন। তারপর ভেজা হাতে আদ্রতা দ্বারা মাথা মাসেহ না করে (নতুনভাবে) পানি নিয়ে মাথা মাসেহ করলেন। আবু মুহাম্মদ বলেন: এ (মাথা মাসেহের পুনরায় কথা উল্লেখ করা) এর উদ্দেশ্য হলো প্রথম বারের মাথা মাসেহের ব্যাখ্যা দেয়া।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ যয়ীফ। এতে ইবনু লাহিয়া’হ রয়েছে। (আর হাদীসটি সহীহ যা মুসলিমে বর্ণিত হয়েছে যেমন তাখরীজে উল্লেখিত হয়েছে-অুনবাদক)।

তাখরীজ: সহীহ মুসলিম ২৩৬; আহমাদ ৪/৪১; আবু দাউদ ১২০; তিরমিযী ৩৫, তিরমিযী বলেন: হাদীসটি হাসান সহীহ; তবে আব্দুল্লাহ ইবনু যায়দ থেকে সহীহ সূত্রে একথাটুকু নেই: ‘তারপর ভেজা হাতে আদ্রতা দ্বারা মাথা মাসেহ না করে (নতুনভাবে) পানি নিয়ে মাথা মাসেহ করলেন’। আর সেটির তাখরীজ গত হয়েছে ৭২১ নং এ (যা আমাদের ক্রমিকে যা ৭১৭ নং-অনুবাদক)।

بَابُ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَأْخُذُ لِرَأْسِهِ مَاءً جَدِيدًا

أَخْبَرَنَا يَحْيَى بْنُ حَسَّانَ حَدَّثَنَا ابْنُ لَهِيعَةَ حَدَّثَنَا حَبَّانُ بْنُ وَاسِعٍ عَنْ أَبِيهِ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ زَيْدِ بْنِ عَاصِمٍ الْمَازِنِيِّ قَالَ رَأَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَتَوَضَّأُ بِالْجُحْفَةِ فَمَضْمَضَ وَاسْتَنْشَقَ ثُمَّ غَسَلَ وَجْهَهُ ثَلَاثًا ثُمَّ غَسَلَ يَدَيْهِ ثَلَاثًا ثُمَّ مَسَحَ رَأْسَهُ وَغَسَلَ رِجْلَيْهِ حَتَّى أَنْقَاهُمَا ثُمَّ مَسَحَ رَأْسَهُ بِمَاءٍ غَيْرِ فَضْلِ يَدَيْهِ قَالَ أَبُو مُحَمَّد يُرِيدُ بِهِ تَفْسِيرَ مَسْحِ الْأَوَّلِ

إسناده ضعيف فيه ابن لهيعة

أخبرنا يحيى بن حسان حدثنا ابن لهيعة حدثنا حبان بن واسع عن أبيه عن عبد الله بن زيد بن عاصم المازني قال رأيت رسول الله صلى الله عليه وسلم يتوضأ بالجحفة فمضمض واستنشق ثم غسل وجهه ثلاثا ثم غسل يديه ثلاثا ثم مسح رأسه وغسل رجليه حتى أنقاهما ثم مسح رأسه بماء غير فضل يديه قال أبو محمد يريد به تفسير مسح الأول إسناده ضعيف فيه ابن لهيعة

 হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai’f)  বর্ণনাকারীঃ আবদুল্লাহ্ ইবন যায়দ (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১. পবিত্রতা অধ্যায় (كتاب الطهارة)

 ৭৩৩

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৩৮. পাগড়ীর উপর মাসেহ করা

৭৩৩. জাফর আমর ইবনু উমাইয়া আয যামরী তাঁর পিতা (উমাইয়া) রাদ্বিয়াল্লাহু হতে বর্ণনা করেন যে, তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে তাঁর উভয় মোজার উপর এবং তাঁর পাগড়ীর উপর মাসেহ করতে দেখেছেন।’[1]

আবু মুহাম্মদকে বলা হলো: আপনি কি তা গ্রহণ করেছেন? তিনি বললেন: হাঁ, আল্লাহর শপথ!

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: সহীহ বুখারী ২০৫; ইবনুল জারুদ, আল মুনতাকা নং ৮৩। আমরা এর পূর্ণাঙ্গ তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ১৩৪৩। আরও দেখুন, নাইলুল আওতার ১/২০৪-২০৬; দিরায়াহ ১/৭০-৭৭ যেখানে ৪৬ জন সাহাবা হতে মোজার উপর মাসেহের হাদীস বর্ণিত হয়েছে; ও তালখীসুল হাবীর ১/১৫৭-১৬২; নাসবুর রায়াহ ১৬২-১৭৪।

بَابُ الْمَسْحِ عَلَى الْعِمَامَةِ

أَخْبَرَنَا أَبُو الْمُغِيرَةِ حَدَّثَنَا الْأَوْزَاعِيُّ عَنْ يَحْيَى عَنْ أَبِي سَلَمَةَ عَنْ جَعْفَرِ بْنِ عَمْرِو بْنِ أُمَيَّةَ الضَّمْرِيِّ عَنْ أَبِيهِ أَنَّهُ رَأَى رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَسَحَ عَلَى الْخُفَّيْنِ وَالْعِمَامَةِ قِيلَ لِأَبِي مُحَمَّدٍ تَأْخُذُ بِهِ قَالَ إِي وَاللَّهِ

أخبرنا أبو المغيرة حدثنا الأوزاعي عن يحيى عن أبي سلمة عن جعفر بن عمرو بن أمية الضمري عن أبيه أنه رأى رسول الله صلى الله عليه وسلم مسح على الخفين والعمامة قيل لأبي محمد تأخذ به قال إي والله

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ জা‘ফার ইবনু ‘আমর ইবনু ‘উমাইয়াহ যামরী (রহঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১. পবিত্রতা অধ্যায় (كتاب الطهارة)

 ৭৩৪

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৩৯. ওযুর পরে লজ্জাস্থানে পানি ছিটানো

৭৩৪. ইবনু আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা হতে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম একবার একবার করে (অঙ্গসমূহ) ধৌত করে ওযু করেছেন এবং তাঁর লজ্জাস্থানে পানি ছিটিয়ে দিয়েছেন।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: বাইহাকী ১/১৬২।

بَابٌ فِي نَضْحِ الْفَرْجِ بَعْدَ الْوُضُوءِ

أَخْبَرَنَا قَبِيصَةُ أَخْبَرَنَا سُفْيَانُ عَنْ زَيْدِ بْنِ أَسْلَمَ عَنْ عَطَاءِ بْنِ يَسَارٍ عَنْ ابْنِ عَبَّاسٍ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ تَوَضَّأَ مَرَّةً مَرَّةً وَنَضَحَ فَرْجَهُ

إسناده صحيح

أخبرنا قبيصة أخبرنا سفيان عن زيد بن أسلم عن عطاء بن يسار عن ابن عباس أن النبي صلى الله عليه وسلم توضأ مرة مرة ونضح فرجه إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আবদুল্লাহ ইবনু আব্বাস (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১. পবিত্রতা অধ্যায় (كتاب الطهارة)

 ৭৩৫

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৪০. ওযুর পরে তোয়ালে বা রুমাল (দ্বারা মোছা)

৭৩৫. ইবনু আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি আমার খালা মায়মুনাহ রাদ্বিয়াল্লাহ আনহাকে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের জানাবাতের (বড় অপবিত্রতার) গোসল সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম। তখন তিনি বললেন, তাঁর নিকট পানির পাত্র আনা হতো। তখন তিনি ডান হাত দিয়ে বাম হাতের উপর পানি ঢেলে দিতেন, তারপর তিনি তাঁর লজ্জাস্থানে লেগে থাকা অপবিত্রতা ধুয়ে ফেলতেন। এরপর তিনি সালাতের ওযুর ন্যায় ওযু করতেন। তারপর তিনি তাঁর মাথা এবং সারা শরীর ধুতেন। এরপর সেই স্থান হতে একটু সরে যেতেন এবং তাঁর দু’পা ধুতেন। তারপর তাঁকে একটি রুমাল বা তোয়ালে দেয়া হলে তিনি তা তার সামনে রেখে দিতেন অতঃপর তাঁর আঙ্গুলসমূহ ঝাড়া দিতেন কিন্তু তিনি তা স্পর্শ করতেন না।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ যয়ীফ। কিন্তু হাদীসটি সহীহ বুখারী-মুসলিমের হাদীস।

তাখরীজ: সহীহ বুখারী ২৫৯; সহীহ মুসলিম ৩১৭; আবু আওয়ানাহ ১/২৯৯, ৩০০ সহীহ সনদে।

আমরা এর পূর্ণাঙ্গ তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ১১৯০ এ; মুসনাদুল মাওসিলী নং ৭১০১ এ এবং মুসনাদুল হুমাইদী নং ৩১৮ এর টীকায়। আরও দেখুন নাইলুল আওতার ১/৩০৯।

بَابُ الْمِنْدِيلِ بَعْدَ الْوُضُوءِ

أَخْبَرَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ مُوسَى عَنْ ابْنِ أَبِي لَيْلَى عَنْ سَلَمَةَ بْنِ كُهَيْلٍ عَنْ كُرَيْبٍ عَنْ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ سَأَلْتُ مَيْمُونَةَ خَالَتِي عَنْ غُسْلِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مِنْ الْجَنَابَةِ فَقَالَتْ كَانَ يُؤْتَى بِالْإِنَاءِ فَيُفْرِغُ بِيَمِينِهِ عَلَى شِمَالِهِ فَيَغْسِلُ فَرْجَهُ وَمَا أَصَابَهُ ثُمَّ يَتَوَضَّأُ وُضُوءَهُ لِلصَّلَاةِ ثُمَّ يَغْسِلُ رَأْسَهُ وَسَائِرَ جَسَدِهِ ثُمَّ يَتَحَوَّلُ فَيَغْسِلُ رِجْلَيْهِ ثُمَّ يُؤْتَى بِالْمِنْدِيلِ فَيَضَعُهُ بَيْنَ يَدَيْهِ فَيَنْفُضُ أَصَابِعَهُ وَلَا يَمَسُّهُ

إسناده ضعيف لضعف محمد بن أبي ليلى لكن الحديث متفق عليه

أخبرنا عبيد الله بن موسى عن ابن أبي ليلى عن سلمة بن كهيل عن كريب عن ابن عباس قال سألت ميمونة خالتي عن غسل النبي صلى الله عليه وسلم من الجنابة فقالت كان يؤتى بالإناء فيفرغ بيمينه على شماله فيغسل فرجه وما أصابه ثم يتوضأ وضوءه للصلاة ثم يغسل رأسه وسائر جسده ثم يتحول فيغسل رجليه ثم يؤتى بالمنديل فيضعه بين يديه فينفض أصابعه ولا يمسه إسناده ضعيف لضعف محمد بن أبي ليلى لكن الحديث متفق عليه

 হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai’f)  বর্ণনাকারীঃ আবদুল্লাহ ইবনু আব্বাস (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১. পবিত্রতা অধ্যায় (كتاب الطهارة)

 ৭৩৬

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৪১. মোজার উপর মাসেহ করা

৭৩৬. উরওয়াহ ইবনুল মুগীরাহ কর্তৃক তাঁর পিতা (মুগীরাহ) রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি কোনো রাতে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সাথে সফরে ছিলাম। তখন তিনি বললেন: “তোমার সাথে কি পানি আছে?” আমি বললাম: হাঁ। তারপর তিনি তাঁর বাহন হতে নামলেন। অতঃপর তিনি হাঁটতে থাকলেন যতক্ষণ না তিনি রাতের অন্ধকারের মধ্যে আমার থেকে আড়ালে চলে গেলেন। অতঃপর তিনি ফিরে এলেন আর আমি পানির পাত্র হতে তাঁকে পানি ঢেলে দিতে লাগলাম। তখন তিনি তাঁর হাত দু’টি এবং মুখমণ্ডল ধুলেন। আর তাঁর পরণে ছিল সূফ (পশমের) জুব্বা। ফলে তিনি জুব্বার (হাতা দিয়ে) তাঁর হাত দুটি বের করতে পারছিলেন না, ফলে জুব্বার নিচ দিয়ে হাত দু’টি বের করলেন এবং উভয় হাত ধুলেন, মাথা মাসেহ করলেন অতঃপর আমি তাঁর (পায়ের) মোজা জোড়া খুলতে চাইলাম। তখন তিনি বললেন: “ও দু’টো থাক, আমি তো ও ‍দু’টো পবিত্র অবস্থায়ই পরেছিলাম।” (এ বলে) তিনি সেই দু’টোর উপর মাসেহ করলেন।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: সহীহ বুখারী ২০৬ (সংক্ষিপ্ত আকারে); সহীহ মুসলিম ২৭৪ (৭৯)।

আমরা এর পূর্ণাঙ্গ তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ১৩৪৭ এ; মুসনাদুল হুমাইদী নং ৭৭৫. ৭৭৬ এর টীকায়। আরও দেখুন নাইলুল আওতার ১/২২৭।

بَابٌ فِي الْمَسْحِ عَلَى الْخُفَّيْنِ

أَخْبَرَنَا أَبُو نُعَيْمٍ حَدَّثَنَا زَكَرِيَّا هُوَ ابْنُ أَبِي زَائِدَةَ عَنْ عَامِرٍ عَنْ عُرْوَةَ بْنِ الْمُغِيرَةِ عَنْ أَبِيهِ قَالَ كُنْتُ مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ ذَاتَ لَيْلَةٍ فِي سَفَرٍ فَقَالَ أَمَعَكَ مَاءٌ فَقُلْتُ نَعَمْ فَنَزَلَ عَنْ رَاحِلَتِهِ فَمَشَى حَتَّى تَوَارَى عَنِّي فِي سَوَادِ اللَّيْلِ ثُمَّ جَاءَ فَأَفْرَغْتُ عَلَيْهِ مِنْ الْإِدَاوَةِ فَغَسَلَ يَدَيْهِ وَوَجْهَهُ وَعَلَيْهِ جُبَّةٌ مِنْ صُوفٍ فَلَمْ يَسْتَطِعْ أَنْ يُخْرِجَ ذِرَاعَيْهِ مِنْهَا حَتَّى أَخْرَجَهُمَا مِنْ أَسْفَلِ الْجُبَّةِ فَغَسَلَ ذِرَاعَيْهِ وَمَسَحَ بِرَأْسِهِ ثُمَّ أَهْوَيْتُ لِأَنْزِعَ خُفَّيْهِ فَقَالَ دَعْهُمَا فَإِنِّي أَدْخَلْتُهُمَا طَاهِرَتَيْنِ فَمَسَحَ عَلَيْهِمَا

إسناده صحيح

أخبرنا أبو نعيم حدثنا زكريا هو ابن أبي زائدة عن عامر عن عروة بن المغيرة عن أبيه قال كنت مع رسول الله صلى الله عليه وسلم ذات ليلة في سفر فقال أمعك ماء فقلت نعم فنزل عن راحلته فمشى حتى توارى عني في سواد الليل ثم جاء فأفرغت عليه من الإداوة فغسل يديه ووجهه وعليه جبة من صوف فلم يستطع أن يخرج ذراعيه منها حتى أخرجهما من أسفل الجبة فغسل ذراعيه ومسح برأسه ثم أهويت لأنزع خفيه فقال دعهما فإني أدخلتهما طاهرتين فمسح عليهما إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ উরওয়াহ ইবনুল মুগীরাহ (রহঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১. পবিত্রতা অধ্যায় (كتاب الطهارة)

 ৭৩৭

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৪২. মাসেহ’র সময়সীমা

৭৩৭. আলী ইবনু আবী তালিব রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন: ’রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মুসাফিরের জন্য তিনদিন তিনরাত এবং মুকীমের জন্য একদিন একরাত নির্ধারণ করেছেন।’ এর দ্বারা তিনি মোজার উপর মাসেহ করা (-এর সময়সীমা)কে বুঝিয়েছেন।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: সহীহ মুসলিম ২৭৬।

আমরা এর পূর্ণাঙ্গ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ২৬৪; সহীহ ইবনু হিব্বান নং ১৩২২, ১৩২৭, ১৩৩১। আরও দেখুন, নাইলুল আওতার ১/২৩০-২৩১; দিরায়াহ ১/৭০-৭৭; ও তালখীসুল হাবীর ১/১৫৭-১৬২; নাসবুর রায়াহ ১৬২-১৭৪।

بَابُ التَّوْقِيتِ فِي الْمَسْحِ

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ عَمْرِو بْنِ قَيْسٍ عَنْ الْحَكَمِ بْنِ عُتَيْبَةَ عَنْ الْقَاسِمِ بْنِ مُخَيْمِرَةَ عَنْ شُرَيْحِ بْنِ هَانِئٍ عَنْ عَلِيِّ بْنِ أَبِي طَالِبٍ قَالَ جَعَلَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ ثَلَاثَةَ أَيَّامٍ وَلَيَالِيَهُنَّ لِلْمُسَافِرِ وَيَوْمًا وَلَيْلَةً لِلْمُقِيمِ يَعْنِي الْمَسْحَ عَلَى الْخُفَّيْنِ

إسناده صحيح

أخبرنا محمد بن يوسف حدثنا سفيان عن عمرو بن قيس عن الحكم بن عتيبة عن القاسم بن مخيمرة عن شريح بن هانئ عن علي بن أبي طالب قال جعل رسول الله صلى الله عليه وسلم ثلاثة أيام ولياليهن للمسافر ويوما وليلة للمقيم يعني المسح على الخفين إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আলী ইবনু আবী তালিব (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১. পবিত্রতা অধ্যায় (كتاب الطهارة)

 ৭৩৮

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৪৩. জুতার উপর মাসেহ করা

৭৩৮. আবদে খায়ের হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি আলী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুকে ওযু করতে দেখেছি। আর তিনি জুতার উপর মাসেহ করলেন এবং অনেকখানি জায়গা নিয়ে মাসেহ করলেন। অতঃপর বললেন: আমি যদি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে এরূপ করতে না দেখতাম যেরূপ করতে আমাকে তোমরা দেখলে, তবে অবশ্যই আমি এ মত পোষণ করতাম যে, দু’পায়ের (জুতাদ্বয়ের) উপরের অংশ মাসেহ করার চেয়ে নিচের অংশ মাসেহ করাই তো বরং অধিক সংগত ছিল। (কিন্তু আমি যেহেতু তাঁকে জুতার উপরের অংশ মাসেহ করতে দেখেছি, তাই আমিও জুতার নিচে মাসেহ না করে উপরের অংশই মাসেহ করলাম।)

আবু মুহাম্মদ বলেন: আল্লাহর বাণী: “তোমরা তোমাদের মাথা মাসেহ কর এবং গিঁঠ পর্যন্ত পা ধৌত কর।” সূরা মায়িদাহ : ৬) দ্বারা এ হাদীস রহিত হয়ে গিয়েছে।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: বাইহাকী ১/২৯২; আবু দাউদ ১৬২-১৬৪; দারুকুতনী ১/২০৪-২০৫ নং ৪; ইবনু হাযম, আল মুহাল্লা ২/১১১।

হাফিজ (ইবনু হাজার আসকালানী) ‘বুলুগুল মারাম’ (উস্তাদ যুহাইরী কৃর্তৃক তাহক্বীক্বকৃত) নং ৬০-এ বলেন: “এটি আবু দাউদ হাসান সনদে বর্ণনা করেছেন।”

তিনি তালখীসুল হাবীর ১/১৬০ এ বলেন: এটি আবু দাউদ বর্ণনা করেছেন, এর সনদ সহীহ।’ আরও দেখুন, দিরায়াহ ১/৮০; নাইলুল আওতার ১/২৩১-২৩২।

بَابُ الْمَسْحِ عَلَى النَّعْلَيْنِ

أَخْبَرَنَا أَبُو نُعَيْمٍ حَدَّثَنَا يُونُسُ عَنْ أَبِي إِسْحَقَ عَنْ عَبْدِ خَيْرٍ قَالَ رَأَيْتُ عَلِيًّا تَوَضَّأَ وَمَسَحَ عَلَى النَّعْلَيْنِ فَوَسَّعَ ثُمَّ قَالَ لَوْلَا أَنِّي رَأَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَعَلَ كَمَا رَأَيْتُمُونِي فَعَلْتُ لَرَأَيْتُ أَنَّ بَاطِنَ الْقَدَمَيْنِ أَحَقُّ بِالْمَسْحِ مِنْ ظَاهِرِهِمَا قَالَ أَبُو مُحَمَّد هَذَا الْحَدِيثُ مَنْسُوخٌ بِقَوْلِهِ تَعَالَى وَامْسَحُوا بِرُءُوسِكُمْ وَأَرْجُلَكُمْ إِلَى الْكَعْبَيْنِ

إسناده صحيح

أخبرنا أبو نعيم حدثنا يونس عن أبي إسحق عن عبد خير قال رأيت عليا توضأ ومسح على النعلين فوسع ثم قال لولا أني رأيت رسول الله صلى الله عليه وسلم فعل كما رأيتموني فعلت لرأيت أن باطن القدمين أحق بالمسح من ظاهرهما قال أبو محمد هذا الحديث منسوخ بقوله تعالى وامسحوا برءوسكم وأرجلكم إلى الكعبين إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আবদু খায়ের (রহঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১. পবিত্রতা অধ্যায় (كتاب الطهارة)

 ৭৩৯

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৪৪. ওযুর পরের দু’আ

৭৩৯. উক্ববাহ ইবনু আমির রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সাথে তাবুক যুদ্ধে গমণ করেছিলেন। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম একদিন তাঁর সাহাবীদের নিকট বসে কথা-বার্তা বলছিলেন। তখন তিনি বলেছিলেন: “যখন সূর্য পরিপূর্ণভাবে উদিত হয়ে যায়, তখন যে ব্যক্তি উঠে উত্তমরূপে ওযু করে অতঃপর দু’রাকাত সালাত আদায় করে, তাহলে তার গুনাহসমূহ এমনভাবে বের হয়ে যায় (এবং সে গুনাহবিহীন হয়ে যায়), যেন আজই তার মা তাকে প্রসব করেছে।”

তখন উক্ববা বললেন: আমি বললাম, সেই আল্লাহর জন্যই সমস্ত প্রশংসা যিনি আমাকে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে একথা শোনার তাওফীক দিলেন।

তখন উমার ইবনুল খাত্তাব রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু আমার মুখোমুখি বসা ছিলেন, তিনি বললেন: তুমি একথায় ‍খুব আশ্চর্যান্বিত হলে? কিন্তু তুমি আসার আগে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর চেয়েও অধিক বিস্ময়কর কথা বলেছেন। তখন আমি তাকে বললাম, আমার পিতা মাতা আপনার জন্য কুরবান হোন, সেটি কী?

তখন উমার বললেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “যে ব্যক্তি উত্তমরূপে ওযু করে আকাশের দিকে চোখ তুলে তাকিয়ে, অথবা তিনি বলেছেন: আকাশের দিকে দৃষ্টি দিয়ে বলবে:

أَشْهَدُ أَنْ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَحْدَهُ لَا شَرِيكَ لَهُ وَأَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا عَبْدُهُ وَرَسُولُهُ

“আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া কোনো (সত্য) ইলাহ নেই, তিনি এক ও একক। তাঁর কোনো শরীক নেই। আমি আরও সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মদ তাঁর বান্দা ও তাঁর রাসূল।”) তার জন্য জান্নাতের আটটি দরজা খুলে দেয়া হবে এবং সে যে দরজা দিয়ে ইচ্ছা জান্নাতে প্রবেশ করতে পারবে।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদে অজ্ঞাত নামা রাবী (জাহালত) রয়েছে।(“আকাশের দিকে তাকিয়ে”- এ অংশটুকু ব্যতীত এটি সহীহ মুসলিম নং ২৩৪ এ বর্ণিত হয়েছে।-অনুবাদক। )

তাখরীজ: মুসনাদুল মাউসিলী নং ১৮০, ২৪৯, ১৭৬৩ এর সনদ সহীহ, (যদিও মুহাক্বিক্ব এখানে মুসনাদুল মাউসিলীর এ সনদকে সহীহ বলছেন, কিন্তু তিনি নিজেই মুসনাদুল মাওসিলীর তাহক্বীক্বে উপরোক্ত সবগুলি সনদকেই যয়ীফ বলেছেন। দেখুন, দারানীর তাহক্বীক্ব, মুসনাদুল মাউসিলী নং ১৮০, ২৪৯, ১৭৬৩ এর টীকা। এছাড়া এ সনদকে শাইখ আলবানী এবং আরনাউত্ব উভয়ে যয়ীফ বলেছেন, আর আলবানী এ বাড়তি অংশ “আকাশের দিকে তাকিয়ে”- ‘মুনকারাহ’ বলেছেন।- দেখুন আবু দাউদ ১৭০, উভয়ের তাহক্বীক্বকৃত।-অনুবাদক); আহমদ ৪/১৫৩; সহীহ মুসলিম ২৩৪; নাসাঈ ১৪২; আবু দাউদ ১৬৯ (১৭০); আবু আউয়ানাহ ১/২২৫-২২৬; সহীহ ইবনু খুযাইমা নং ২২২; হাকিম ২/৩৯৮-৩৯৯; দেখুন তারগীব ওয়াত তারহীব ১/২৫২-২৫৩। আমরা উপরোল্লিতি (মুসনাদুল মাউসিলীর নং সমূহে) পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি। এছাড়া ইবনু হিব্বান নং ১০৫০ এও সকল সূত্র ও বর্ণনা একত্রিত করেছি।

بَابُ الْقَوْلِ بَعْدَ الْوُضُوءِ

أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ يَزِيدَ حَدَّثَنَا حَيْوَةُ أَخْبَرَنَا أَبُو عَقِيلٍ زُهْرَةُ بْنُ مَعْبَدٍ عَنْ ابْنِ عَمِّهِ عَنْ عُقْبَةَ بْنِ عَامِرٍ أَنَّهُ خَرَجَ مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي غَزْوَةِ تَبُوكَ فَجَلَسَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَوْمًا يُحَدِّثُ أَصْحَابَهُ فَقَالَ مَنْ قَامَ إِذَا اسْتَقَلَّتْ الشَّمْسُ فَتَوَضَّأَ فَأَحْسَنَ الْوُضُوءَ ثُمَّ صَلَّى رَكْعَتَيْنِ خَرَجَ مِنْ ذُنُوبِهِ كَيَوْمِ وَلَدَتْهُ أُمُّهُ فَقَالَ عُقْبَةُ فَقُلْتُ الْحَمْدُ لِلَّهِ الَّذِي رَزَقَنِي أَنْ أَسْمَعَ هَذَا مِنْ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ عُمَرُ بْنُ الْخَطَّابِ وَكَانَ تُجَاهِي جَالِسًا أَتَعْجَبُ مِنْ هَذَا فَقَدْ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَعْجَبَ مِنْ هَذَا قَبْلَ أَنْ تَأْتِيَ فَقُلْتُ وَمَا ذَلِكَ بِأَبِي أَنْتَ وَأُمِّي فَقَالَ عُمَرُ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَنْ تَوَضَّأَ فَأَحْسَنَ الْوُضُوءَ ثُمَّ رَفَعَ بَصَرَهُ إِلَى السَّمَاءِ أَوْ قَالَ نَظَرَهُ إِلَى السَّمَاءِ فَقَالَ أَشْهَدُ أَنْ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَحْدَهُ لَا شَرِيكَ لَهُ وَأَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا عَبْدُهُ وَرَسُولُهُ فُتِحَتْ لَهُ ثَمَانِيَةُ أَبْوَابِ الْجَنَّةِ يَدْخُلُ مِنْ أَيِّهِنَّ شَاءَ

في إسناده جهالة

أخبرنا عبد الله بن يزيد حدثنا حيوة أخبرنا أبو عقيل زهرة بن معبد عن ابن عمه عن عقبة بن عامر أنه خرج مع رسول الله صلى الله عليه وسلم في غزوة تبوك فجلس رسول الله صلى الله عليه وسلم يوما يحدث أصحابه فقال من قام إذا استقلت الشمس فتوضأ فأحسن الوضوء ثم صلى ركعتين خرج من ذنوبه كيوم ولدته أمه فقال عقبة فقلت الحمد لله الذي رزقني أن أسمع هذا من رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال عمر بن الخطاب وكان تجاهي جالسا أتعجب من هذا فقد قال رسول الله صلى الله عليه وسلم أعجب من هذا قبل أن تأتي فقلت وما ذلك بأبي أنت وأمي فقال عمر قال رسول الله صلى الله عليه وسلم من توضأ فأحسن الوضوء ثم رفع بصره إلى السماء أو قال نظره إلى السماء فقال أشهد أن لا إله إلا الله وحده لا شريك له وأشهد أن محمدا عبده ورسوله فتحت له ثمانية أبواب الجنة يدخل من أيهن شاء في إسناده جهالة

 হাদিসের মানঃ সহিহ/যঈফ [মিশ্রিত]  বর্ণনাকারীঃ উকবাহ ইবনু আমির (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১. পবিত্রতা অধ্যায় (كتاب الطهارة)

 ৭৪০

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৪৫. ওযুর ফযীলত

৭৪০. আসিম ইবনু সুফিয়ান হতে বর্ণিত, তারা সালাসিল যুদ্ধে অংশ গ্রহণ করেছিলেন। এরপর তারা মুয়াবিয়া রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুর নিকট ফিরে গেলেন। তখন তাঁর নিকট আবু আইয়্যুব ও উক্ববাহ ইবনু আমির রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা অবস্থান করছিলেন। তখন আবু আইয়্যুব বললেন: আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বলতে শুনেছি: “যেভাবে আদেশ করা হয়েছে সেই অনুসারে যে ব্যক্তি ওযু করলো এবং যেভাবে তা আদায় করতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে সেই অনুযায়ী সালাত আদায় করলো, তার পেছনের গুনাহগুলো মাফ করে দেওয়া হলো।” হে উক্ববাহ, তাই নয় কি? তিনি বললেন: হাঁ।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ জাইয়্যেদ বা উত্তম।

তাখরীজ: তাবারানী, আল কাবীর ৪/ ১৫৬-১৫৭ নং ৩৯৯৪, ৩৯৯৫; আরো দেখুন, মাজমাউয যাওয়াইদ নং ৩৯, ১১৬২ আমাদের তাহক্বীক্বকৃত। আমরা এর তাখরীজ পূর্ণ করেছি মাওয়ারিদুয যাম’আন নং ১৬৬ তে এবং সহীহ ইবনু হিব্বান নং ১০৪৪ এ। (আহমাদ ৫/৪২৩; নাসাঈ ১৪৪; ইবনু মাজাহ ১৩৯৬; সহীহ ইবনু হিব্বান নং ১০৪৪। মুহাক্কিক্বের মাওয়ারিদুয যাম’আন নং ১৬৬ এর টীকা হতে- অনুবাদক ।)

بَابُ فَضْلِ الْوُضُوءِ

أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ حَدَّثَنَا لَيْثُ بْنُ سَعْدٍ عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ عَنْ سُفْيَانَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ عَنْ عَاصِمِ بْنِ سُفْيَانَ أَنَّهُمْ غَزَوْا غَزْوَةَ السَّلَاسِلِ فَرَجَعُوا إِلَى مُعَاوِيَةَ وَعِنْدَهُ أَبُو أَيُّوبَ وَعُقْبَةُ بْنُ عَامِرٍ فَقَالَ أَبُو أَيُّوبَ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ مَنْ تَوَضَّأَ كَمَا أُمِرَ وَصَلَّى كَمَا أُمِرَ غُفِرَ لَهُ مَا تَقَدَّمَ مِنْ عَمَلٍ أَكَذَاكَ يَا عُقْبَةُ قَالَ نَعَمْ

إسناده جيد

أخبرنا أحمد بن عبد الله حدثنا ليث بن سعد عن أبي الزبير عن سفيان بن عبد الله عن عاصم بن سفيان أنهم غزوا غزوة السلاسل فرجعوا إلى معاوية وعنده أبو أيوب وعقبة بن عامر فقال أبو أيوب سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول من توضأ كما أمر وصلى كما أمر غفر له ما تقدم من عمل أكذاك يا عقبة قال نعم إسناده جيد

 হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)  বর্ণনাকারীঃ আসিম ইবনু সুফিয়ান (রহঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১. পবিত্রতা অধ্যায় (كتاب الطهارة)

 ৭৪১

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৪৫. ওযুর ফযীলত

৭৪১. আবু হুরাইরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “যখন মুসলিম বা মু’মিন বান্দা ওযু করে, আর সে মুখমণ্ডল ধৌত করে, তখন সে তার চোখের নজরের মাধ্যমে যে সকল গুনাহ করেছিল, সেই সমস্ত গুনাহ তার মুখমণ্ডল হতে পানির সাথে কিংবা পানির শেষ বিন্দুর সাথে বের হয়ে যায়। আবার যখন সে তার হাতদু’টি ধৌত করে, তখন হাত দিয়ে ধরার মাধ্যমে যে গুনাহ সে করেছিল, সেই সমস্ত গুনাহ পানির সাথে কিংবা পানির শেষ বিন্দুর সাথে বের হয়ে যায়। এমনকি এভাবে সে সমস্ত গুনাহ হতে পবিত্র হয়ে যায়।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: আমরা এর তাখরীজ পূর্ণ করেছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ১০৪০ এ। ( আহমাদ ২/৩০৩ নং ৮০০৭; সহীহ মুসলিম ২৪৪; সহীহ ইবনু খুযাইমাহ নং ৪; তিরমিযী ২, তিরমিযী বলেন: এ হাদীসটি হাসান সহীহ; আব্দুর রাযযাক নং ১৫৫; মালিক, মুয়াত্বা- ফাতহুল মান্নান, হা/৭৬৩ এর টীকা দ্র:- অনুবাদক।)

بَابُ فَضْلِ الْوُضُوءِ

أَخْبَرَنَا الْحَكَمُ بْنُ الْمُبَارَكِ حَدَّثَنَا مَالِكٌ عَنْ سُهَيْلِ بْنِ أَبِي صَالِحٍ عَنْ أَبِيهِ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ إِذَا تَوَضَّأَ الْعَبْدُ الْمُسْلِمُ أَوْ الْمُؤْمِنُ فَغَسَلَ وَجْهَهُ خَرَجَتْ مِنْ وَجْهِهِ كُلُّ خَطِيئَةٍ نَظَرَ إِلَيْهَا بِعَيْنِهِ مَعَ الْمَاءِ أَوْ مَعَ آخِرِ قَطْرِ الْمَاءِ فَإِذَا غَسَلَ يَدَيْهِ خَرَجَتْ مِنْ يَدَيْهِ كُلُّ خَطِيئَةٍ بَطَشَتْهَا يَدَاهُ مَعَ الْمَاءِ أَوْ مَعَ آخِرِ قَطْرِ الْمَاءِ حَتَّى يَخْرُجَ نَقِيًّا مِنْ الذُّنُوبِ

إسناده صحيح

أخبرنا الحكم بن المبارك حدثنا مالك عن سهيل بن أبي صالح عن أبيه عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال إذا توضأ العبد المسلم أو المؤمن فغسل وجهه خرجت من وجهه كل خطيئة نظر إليها بعينه مع الماء أو مع آخر قطر الماء فإذا غسل يديه خرجت من يديه كل خطيئة بطشتها يداه مع الماء أو مع آخر قطر الماء حتى يخرج نقيا من الذنوب إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরায়রা (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১. পবিত্রতা অধ্যায় (كتاب الطهارة)

 ৭৪২

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৪৫. ওযুর ফযীলত

৭৪২. আবু উছমান বলেন, আমি সালমান রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুর সাথে একটি গাছের নিচে ছিলাম। তখন তিনি গাছের একটি শুকনো ডাল নিলেন এবং সেটি ঝাঁকাতে লাগলেন। এমনকি এর পাতাসমূহ ঝরে পড়লো। তিনি বললেন: তুমি কি আমাকে জিজ্ঞেস করবে না, আমি এটি কেন করলাম? আমি তাকে বললাম: আপনি তা কেন করলেন? তিনি বললেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামও আমার সামনে এরূপ করেছিলেন। তারপর বলেছিলেন: “মুসলিম যখন সুন্দর করে ওযু করে এবং পাঁচ ওয়াক্ত সালাত আদায় করে, তখন তার গুনাহসমূহ এভাবে ঝরে যায়, যেভাবে এ পাতা ঝরে গেলো। তারপর তিনি পাঠ করলেন: “এবং সালাত কায়েম কর দিবসের দু’প্রান্তে এবং রাত্রির কিছু অংশে; নিঃসন্দেহে নেককাজ সমূহ মুছে ফেলে মন্দ কাজসমূহকে; এটিই হচ্ছে একটি (ব্যাপক) নাসীহাত, নাসীহাত মান্যকারীদের জন্য।”[1] (সূরা হুদ: ১১৪)

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ যয়ীফ। কিন্তু এর শাহিদ হাদীসসমূহ একে শক্তিশালী করে। আমরা এর তাখরীজ পূর্ণ করেছি মাজমাউয যাওয়াইদ নং ১৬৭৪, ১৬৯১ এ। আরও দেখুন, তারগীব ওয়াত তারহীব ১/২৩৬, ২৩৭।

بَابُ فَضْلِ الْوُضُوءِ

أَخْبَرَنَا يَحْيَى بْنُ حَسَّانَ حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ عَنْ عَلِيِّ بْنِ زَيْدٍ عَنْ أَبِي عُثْمَانَ قَالَ كُنْتُ مَعَ سَلْمَانَ تَحْتَ شَجَرَةٍ فَأَخَذَ مِنْهَا غُصْنًا يَابِسًا فَهَزَّهُ حَتَّى تَحَاتَّ وَرَقُهُ قَالَ أَمَا تَسْأَلُنِي لِمَ أَفْعَلُ هَذَا قُلْتُ لَهُ لِمَ فَعَلْتَهُ قَالَ هَكَذَا فَعَلَ بِي رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ ثُمَّ قَالَ إِنَّ الْمُسْلِمَ إِذَا تَوَضَّأَ فَأَحْسَنَ الْوُضُوءَ وَصَلَّى الْخَمْسَ تَحَاتَّتْ ذُنُوبُهُ كَمَا تَحَاتَّ هَذَا الْوَرَقُ ثُمَّ قَالَ وَأَقِمْ الصَّلَاةَ طَرَفَيْ النَّهَارِ وَزُلَفًا مِنْ اللَّيْلِ إِلَى قَوْلِهِ ذَلِكَ ذِكْرَى لِلذَّاكِرِينَ

إسناده ضعيف ولكن يتقوى بشواهده

أخبرنا يحيى بن حسان حدثنا حماد بن سلمة عن علي بن زيد عن أبي عثمان قال كنت مع سلمان تحت شجرة فأخذ منها غصنا يابسا فهزه حتى تحات ورقه قال أما تسألني لم أفعل هذا قلت له لم فعلته قال هكذا فعل بي رسول الله صلى الله عليه وسلم ثم قال إن المسلم إذا توضأ فأحسن الوضوء وصلى الخمس تحاتت ذنوبه كما تحات هذا الورق ثم قال وأقم الصلاة طرفي النهار وزلفا من الليل إلى قوله ذلك ذكرى للذاكرين إسناده ضعيف ولكن يتقوى بشواهده

 হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai’f)  বর্ণনাকারীঃ আবূ ‘উসমান (রহঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১. পবিত্রতা অধ্যায় (كتاب الطهارة)

 ৭৪৩

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৪৬. প্রত্যেক ওয়াক্ত সালাতের জন্য ওযু করা

৭৪৩. আনাস ইবনু মালিক রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম প্রত্যেক সালাতের জন্য ওযু করতেন, আর আমাদের কারো ’হাদাস’ (ওযু ভঙ্গের কারণ) না ঘটা পর্যন্ত আমাদের পূর্বের ওযুই যথেষ্ট হতো।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: সহীহ বুখারী ২১৪; তারীখুল কাবীর ৬/৩৬৫; বাইহাকী ১/১৬২; বাগবী, শারহুস সুন্নাহ ১/৪৪৭ নং ২৩০; তিরমিযী ৬০; আহমাদ ৩/১৫৪; দেখুন নাইলুল আওতার ১/২৬৪।

بَابُ الْوُضُوءِ لِكُلِّ صَلَاةٍ

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ عَنْ سُفْيَانَ عَنْ عَمْرِو بْنِ عَامِرٍ الْأَنْصَارِيِّ عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ قَالَ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَتَوَضَّأُ لِكُلِّ صَلَاةٍ وَكَانَ أَحَدُنَا يَكْفِيهِ الْوُضُوءُ مَا لَمْ يُحْدِثْ

إسناده صحيح

أخبرنا محمد بن يوسف عن سفيان عن عمرو بن عامر الأنصاري عن أنس بن مالك قال كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يتوضأ لكل صلاة وكان أحدنا يكفيه الوضوء ما لم يحدث إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আনাস ইবনু মালিক (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১. পবিত্রতা অধ্যায় (كتاب الطهارة)

 ৭৪৪

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৪৭. ‘হাদাস’ (ওযু ভঙ্গের কারণ) ঘটা ব্যতীত ওযুর প্রয়োজন নেই

৭৪৪. আবু হুরাইরাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “তোমাদের কেউ সালাতে থাকাকালীন যদি তার পশ্চাদ্দেশে কম্পন অনুভব করে, ফলে তার মনে সন্দেহের উদ্রেক হয় যে, তার ’হাদাস’ (তথা বায়ু নির্গমনের মাধ্যমে ওযু নষ্ট) হয়েছে, নাকি হয়নি, তবে সে যেন অবশ্যই তার সালাত ত্যাগ না করে, যতক্ষণ না সে (বায়ু নির্গমনের) শব্দ শোনে অথবা, দুর্গন্ধ পায়।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: আহমাদ ২/৪১৪; আবু দাউদ ১৭৭; সহীহ মুসলিম ৩৬২; বাইহাকী ১/১১৭; তিরমিযী ৭৪; দেখুন তালখীসুল হাবীর ১/১২৭।

بَابُ لَا وُضُوءَ إِلَّا مِنْ حَدَثٍ

أَخْبَرَنَا يَحْيَى بْنُ حَسَّانَ حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ عَنْ سُهَيْلِ بْنِ أَبِي صَالِحٍ عَنْ أَبِيهِ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ إِذَا وَجَدَ أَحَدُكُمْ فِي صَلَاتِهِ حَرَكَةً فِي دُبُرِهِ فَأَشْكَلَ عَلَيْهِ أَحْدَثَ أَوْ لَمْ يُحْدِثْ فَلَا يَنْصَرِفَنَّ حَتَّى يَسْمَعَ صَوْتًا أَوْ يَجِدَ رِيحًا

إسناده صحيح

أخبرنا يحيى بن حسان حدثنا حماد بن سلمة عن سهيل بن أبي صالح عن أبيه عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال إذا وجد أحدكم في صلاته حركة في دبره فأشكل عليه أحدث أو لم يحدث فلا ينصرفن حتى يسمع صوتا أو يجد ريحا إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরায়রা (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১. পবিত্রতা অধ্যায় (كتاب الطهارة)

 ৭৪৫

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৪৮. ঘুমের কারণে ওযু করা

৭৪৫. মুয়াবিয়া ইবনু আবী সুফিয়ান রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “চক্ষুদ্বয় হলো পশ্চাদ্দ্বারের বাঁধন। অতএব, চক্ষু যখন ঘুমিয়ে পড়ে, তখন তার বাঁধনও ঢিলে হয়ে যায়।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ যয়ীফ।

তাখরীজ: আমরা এর পূর্ণাঙ্গ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ৭৩৭২ এ। (বাইহাকী ১/১৮৪; আব্দুল্লাহ ইবনু আহমাদ, যিয়াদাহ ৪/৯৭; দারুকুতনী ১/১৬০- মুসনাদুল মাউসিলী ৭৩৭২ এর টীকা।- অনুবাদক)।

এটি আরো বর্ণিত হয়েছে, তাবারানী, আল কাবীর ১৯/৩৭২ নং ৮৭৫; মুসনাদুশ শামিয়্যিন নং ১৪৯৪; আবু নুয়াইম, হিলইয়া ৯/৩০৫; তাহাবী, মুশকিলুল আসার ৪/৩৫৫; বাইহাকী, আল মা’রেফাহ নং ৯৩১। আরও দেখুন, নাইলুল আওতার ১/২৪১-২৪২; আল মুহাল্লা ১২৩১; কাশফুল খফা’ নং ১৭৯৮; তালখীসুল হাবীর ১/১১৮।

(আর এর শাহিদ হাদীস রয়েছে আলী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে যা বর্ণনা করেছেন আবু দাউদ ২০৩; ইবনু মাজাহ ৪৭৭; বাইহাকী ১/১১৮ সকলেই য়য়ীফ সনদে।- মুসনাদুল মাউসিলী নং ৭৩৭২ এ টীকা দ্র:। -অনুবাদক)

আমাদের এ হাদীসটির শাহিদ আলী রা: এর হাদীসটি যেটিকে ‘হাসান’ বলেছেন: মুনযিরী, নববী ও ইবনু সালাহ । (এবং আলবানী ও, তাহক্বীক্ব: আবু দাউদ, ২০২- ‍অনুবাদক)

بَابُ الْوُضُوءِ مِنَ النَّوْمِ

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُبَارَكِ أَخْبَرَنَا بَقِيَّةُ بْنُ الْوَلِيدِ عَنْ أَبِي بَكْرِ بْنِ أَبِي مَرْيَمَ حَدَّثَنِي عَطِيَّةُ بْنُ قَيْسٍ الْكَلَاعِيُّ عَنْ مُعَاوِيَةَ بْنِ أَبِي سُفْيَانَ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ إِنَّمَا الْعَيْنَانِ وِكَاءُ السَّهِ فَإِذَا نَامَتْ الْعَيْنُ اسْتَطْلَقَ الْوِكَاءُ قِيلَ لِأَبِي مُحَمَّدٍ عَبْدِ اللَّهِ تَقُولُ بِهِ قَالَ لَا إِذَا نَامَ قَائِمًا لَيْسَ عَلَيْهِ الْوُضُوءُ

إسناده ضعيف

أخبرنا محمد بن المبارك أخبرنا بقية بن الوليد عن أبي بكر بن أبي مريم حدثني عطية بن قيس الكلاعي عن معاوية بن أبي سفيان أن النبي صلى الله عليه وسلم قال إنما العينان وكاء السه فإذا نامت العين استطلق الوكاء قيل لأبي محمد عبد الله تقول به قال لا إذا نام قائما ليس عليه الوضوء إسناده ضعيف

 হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai’f)  বর্ণনাকারীঃ মু‘আবিয়াহ ইবন আবূ সুফিয়ান (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১. পবিত্রতা অধ্যায় (كتاب الطهارة)

 ৭৪৬

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৪৯. মযী

৭৪৬. সাহল ইবনু হুনাইফ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমার প্রচুর পরিমাণে ’মযী’ বের হতো। ফলে এর জন্য আমাকে অনেক বার গোসল করতে হতো। ফলে আমি এটি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নিকট বর্ণনা করলাম এবং এ ব্যাপারে তাঁকে জিজ্ঞেস করলাম। তখন তিনি বললেন: “এর ফলে তোমার জন্য ওযু করাই যথেষ্ট।” তিনি বলেন, আমি বললাম, আর আমার কাপড়ে এ থেকে যা লেগে যায়, সেই ব্যাপারে কী করবো? তিনি বললেন: “এক কোষ পানি নাও, আর তুমি কাপড়ের যেখানে তা লেগে থাকতে দেখো, সেখানে ছিটিয়ে দাও।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ১/৯১ নং ২৯১; আবু দাউদ ২১০; তিরমিযী ১১৫; ইবনু মাজাহ ৫০৬; সহীহ ইবনু খুযাইমা ২৯১; আমরা এর তাহক্বীক্ব ও এর উপর টীকা দিয়েছি মাওয়ারিদুয যাম’আন নং ২৪০; এবং সহীহ ইবনু হিব্বান নং ১১০৪।

আলী রা: হতে বর্ণিত সহীহ হাদীস এর শাহিদ হিসেবে বর্ণিত হয়েছে, যার পূর্ণ তাখরীজ আমরা সহীহ ইবনু হিব্বান ১১০২, ১১০৪; এবং মাওয়ারিদুয যাম’আন নং ২৪১, ২৪২,২৪৩ এ দিয়েছি।

بَابٌ فِي الْمَذْيِ

أَخْبَرَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ إِسْحَقَ عَنْ سَعِيدِ بْنِ عُبَيْدِ بْنِ السَّبَّاقِ عَنْ أَبِيهِ عَنْ سَهْلِ بْنِ حُنَيْفٍ قَالَ كُنْتُ أَلْقَى مِنْ الْمَذْيِ شِدَّةً فَكُنْتُ أُكْثِرُ الْغُسْلَ مِنْهُ فَذَكَرْتُ ذَلِكَ لِلنَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَسَأَلْتُهُ عَنْهُ فَقَالَ إِنَّمَا يُجْزِئُكَ مِنْ ذَلِكَ الْوُضُوءُ قَالَ قُلْتُ فَكَيْفَ بِمَا يُصِيبُ ثَوْبِي مِنْهُ قَالَ خُذْ كَفًّا مِنْ مَاءٍ فَانْضَحْهُ حَيْثُ تَرَى أَنَّهُ أَصَابَهُ

إسناده صحيح

أخبرنا يزيد بن هارون أخبرنا محمد بن إسحق عن سعيد بن عبيد بن السباق عن أبيه عن سهل بن حنيف قال كنت ألقى من المذي شدة فكنت أكثر الغسل منه فذكرت ذلك للنبي صلى الله عليه وسلم وسألته عنه فقال إنما يجزئك من ذلك الوضوء قال قلت فكيف بما يصيب ثوبي منه قال خذ كفا من ماء فانضحه حيث ترى أنه أصابه إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ সাহল ইবনু হুনাইফ (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১. পবিত্রতা অধ্যায় (كتاب الطهارة)

 ৭৪৭

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৫০. পুরুষাঙ্গ স্পর্শ করার কারণে ওযু করা

৭৪৭. বুসরাহ বিনতে সাফওয়ান রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা হতে বর্ণিত, তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বলতে শুনেছেন: “পুরুষাঙ্গ স্পর্শ করলে ওযু করতে হবে।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: তাহাবী, শারহু মা’আনিল আছার ১/৭২; আর এ বুসরাহ বিনতে সাফওয়ানের হাদীসটি আমরা পূর্ণাঙ্গ তাখরীজ করেছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ১১১২-১১১৭; মাওয়ারিদুয যাম’আন নং ২১১-২১৪ এ টীকাসহ। (নাসাঈ ১৬৪, ৪৪৫, ৪৪৬; ইবনু মাজাহ ৪৭৯; তিরমিযী বাইহাকী আল কুবরা ১/১২৯, ১৩২ নং ৫০৫; আল খিলাফিয়্যাত ২/২২৯; তাবারানী, আল কাবীর ২৪/১৯৪ নং ৪৮৮। এছাড়া এর মুতাবিয়াত বর্ণনা রয়েছে অনেক। দেখুন, ফাতহুল মান্নান হা/৭৬৯ এর টীকা।- অনুবাদক)।

بَابُ الْوُضُوءِ مِنْ مَسِّ الذَّكَرِ

أَخْبَرَنَا أَبُو الْمُغِيرَةِ حَدَّثَنَا الْأَوْزَاعِيُّ عَنْ الزُّهْرِيِّ حَدَّثَنِي ابْنُ حَزْمٍ عَنْ عُرْوَةَ عَنْ بُسْرَةَ بِنْتِ صَفْوَانَ أَنَّهَا سَمِعَتْ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ يَتَوَضَّأُ الرَّجُلُ مِنْ مَسِّ الذَّكَرِ

إسناده صحيح

أخبرنا أبو المغيرة حدثنا الأوزاعي عن الزهري حدثني ابن حزم عن عروة عن بسرة بنت صفوان أنها سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول يتوضأ الرجل من مس الذكر إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ বুসরাহ বিনতে সাফওয়ান (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১. পবিত্রতা অধ্যায় (كتاب الطهارة)

 ৭৪৮

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৫০. পুরুষাঙ্গ স্পর্শ করার কারণে ওযু করা

৭৪৮. বুসরাহ বিনতে সাফওয়ান রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা হতে বর্ণিত, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বলতে শুনেছেন: “যে ব্যক্তি লজ্জাস্থান স্পর্শ করলো সে যেনো ওযু করে”। আবু মুহাম্মাদ বলেন, লজ্জাস্থান স্পর্শ করা সম্পর্কিত হাদীসগুলোর মধ্যে এই বর্ণনাটি বেশি শক্তিশালী।[1]

[1] তাহক্বীক: সনদ যয়ীফ কিন্তু হাদিসটি সহীহ।

بَابُ الْوُضُوءِ مِنْ مَسِّ الذَّكَرِ

أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ خَالِدٍ الْوَهْبِيُّ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ إِسْحَقَ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي بَكْرٍ عَنْ عُرْوَةَ عَنْ مَرْوَانَ بْنِ الْحَكَمِ عَنْ بُسْرَةَ بِنْتِ صَفْوَانَ أَنَّهَا سَمِعَتْ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ مَنْ مَسَّ فَرْجَهُ فَلْيَتَوَضَّأْ قَالَ أَبُو مُحَمَّد هَذَا أَوْثَقُ فِي مَسِّ الْفَرْجِ

إسناده ضعيف ولكن الحديث صحيح

أخبرنا أحمد بن خالد الوهبي عن محمد بن إسحق عن عبد الله بن أبي بكر عن عروة عن مروان بن الحكم عن بسرة بنت صفوان أنها سمعت النبي صلى الله عليه وسلم يقول من مس فرجه فليتوضأ قال أبو محمد هذا أوثق في مس الفرج إسناده ضعيف ولكن الحديث صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ বুসরাহ বিনতে সাফওয়ান (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১. পবিত্রতা অধ্যায় (كتاب الطهارة)

 ৭৪৯

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৫১. আগুনের জ্বাল দেয়া (রান্না করা) খাদ্য আহার করার কারণে ওযু করা

৭৪৯. যাইদ ইবনু ছাবিত রাদ্বিয়াল্লাহ আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বলতে শুনেছি: “আগুনে জ্বাল দেয়া বস্তু আহার করলে ওযু করবে।”[1] আবু মুহাম্মদকে বলা হলো: আপনি কি এমত গ্রহণ করেছেন? তিনি বললেন: না।

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ যয়ীফ। (কিন্তু এটি সহীহ সনদে বর্ণনা করেছেন সহীহ মুসলিম, তাবারানী, খতীব। তাখরীজে দেখুন।–অনুবাদক)।

তাখরীজ: তাবারানী, আল কাবীর ৫/১২৮ নং ৪৮৩৬, ৪৮৩৩, ৪৮৩৪ সহীহ সনদে; (অপর সনদে) সহীহ মুসলিম ৩৪১; তাবারানীর সনদে খতীব, ফাকীহ ওয়াল মুতাফাকিহ ১/১২৭-১২৮ নং৪৮৩৫-৪৮৪০ সনদ সহীহ; দেখুন, সহীহ ইবনু হিব্বান নং ১১২৪-১১৬০; মাজমাউয যাওয়াইদ নং ১৩১৫-১৩৩২ এ দুটি আমাদের তাহক্বীক্বকৃত।

بَابُ الْوُضُوءِ مِمَّا مَسَّتِ النَّارُ

أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ صَالِحٍ حَدَّثَنِي اللَّيْثُ حَدَّثَنِي عُقَيْلٌ عَنْ ابْنِ شِهَابٍ أَخْبَرَنِي عَبْدُ الْمَلِكِ بْنُ أَبِي بَكْرِ بْنِ الْحَارِثِ بْنِ هِشَامٍ أَنَّ خَارِجَةَ بْنَ زَيْدٍ الْأَنْصَارِيَّ أَخْبَرَهُ أَنَّ أَبَاهُ زَيْدَ بْنَ ثَابِتٍ قَالَ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ الْوُضُوءُ مِمَّا مَسَّتْ النَّارُ قِيلَ لِأَبِي مُحَمَّدٍ تَأْخُذُ بِهِ قَالَ لَا

إسناده ضعيف لضعف عبد الله بن صالح كاتب الليث

أخبرنا عبد الله بن صالح حدثني الليث حدثني عقيل عن ابن شهاب أخبرني عبد الملك بن أبي بكر بن الحارث بن هشام أن خارجة بن زيد الأنصاري أخبره أن أباه زيد بن ثابت قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول الوضوء مما مست النار قيل لأبي محمد تأخذ به قال لا إسناده ضعيف لضعف عبد الله بن صالح كاتب الليث

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ যায়দ ইবনু সাবিত (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১. পবিত্রতা অধ্যায় (كتاب الطهارة)

 ৭৫০

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৫২. এর জন্য (রান্না করা খাবার খেয়ে) ওযু না করার অবকাশ প্রদান

৭৫০. আমর ইবনু উমাইয়্যাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি একবার রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে দেখলাম, তিনি নিজে হাতে একটি বকরীর কাঁধের মাংশ কাটছেন। (তারপর তিনি তা থেকে খেলেন[1]) এরপর সালাতের জন্য ডাকা হলে তিনি যে ছুরি দিয়ে মাংস কাটছিলেন, তা ছুঁড়ে ফেলে দিলেন এবং দাঁড়িয়ে গেলেন। এরপর সালাত আদায় করলেন কিন্তু তিনি ওযু করেননি।”[2]

[1] (এটি রয়েছে সহীহ মুসলিমে-অনুবাদক)।

[2] তাহক্বীক্ব: এর সনদ আগেরটির মতই যয়ীফ। কিন্তু হাদীসটি সহীহ।

তাখরীজ: সহীহ মুসলিম ৩৫৫; আমরা পূর্ণাঙ্গ তাখরীজ করেছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ১১৪১; মাজমাউয যাওয়াইদ নং ১৩৩৪-১৩৬৭ এ আমাদের তাহক্বীক্বকৃত। আরও দেখুন, নাইলুল আওতার ১/২৫২, ২৫৫, ২৬২-২৬৪।

بَابُ الرُّخْصَةِ فِي تَرْكِ الْوُضُوءِ

أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ صَالِحٍ حَدَّثَنِي اللَّيْثُ حَدَّثَنِي عُقَيْلٌ عَنْ ابْنِ شِهَابٍ حَدَّثَنِي جَعْفَرُ بْنُ عَمْرِو بْنِ أُمَيَّةَ أَنَّ أَبَاهُ عَمْرَو بْنَ أُمَيَّةَ أَخْبَرَهُ أَنَّهُ رَأَى رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَحْتَزُّ مِنْ كَتِفِ شَاةٍ فِي يَدِهِ ثُمَّ دُعِيَ إِلَى الصَّلَاةِ فَأَلْقَى السِّكِّينَ الَّتِي كَانَ يَحْتَزُّ بِهَا ثُمَّ قَامَ فَصَلَّى وَلَمْ يَتَوَضَّأْ

إسناده ضعيف كسابقه ولكن الحديث صحيح

أخبرنا عبد الله بن صالح حدثني الليث حدثني عقيل عن ابن شهاب حدثني جعفر بن عمرو بن أمية أن أباه عمرو بن أمية أخبره أنه رأى رسول الله صلى الله عليه وسلم يحتز من كتف شاة في يده ثم دعي إلى الصلاة فألقى السكين التي كان يحتز بها ثم قام فصلى ولم يتوضأ إسناده ضعيف كسابقه ولكن الحديث صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আমর ইবনু উমাইয়াহ (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১. পবিত্রতা অধ্যায় (كتاب الطهارة)

 ৭৫১

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৫৩. সাগরের পানি দ্বারা ওযু করা

৭৫১. আবু হুরাইরা রাদ্বিয়াল্লাহু্ আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, মুদলিজ গোত্রের কিছু লোক রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নিকট এসে বললো, ইয়া রাসূলুল্লাহ! আমরা এই সাগর পাড়ের অধিবাসী। আমরা ছোট নৌকার মাধ্যমে শিকার করার চেষ্টা করি। ফলে (কখনো কখনো) একরাত, দু’রাত, তিনরাত ও চাররাত পর্যন্ত (উপকূল ছেড়ে) আমাদের সাগরের বুকে অনেক দূরে যেতে হয়। তাই আমরা খাওয়ার জন্য মিষ্টি পানি সাথে নিয়ে যাই। সুতরাং যদি আমরা এ পানি দিয়ে ওযু করি, তবে আমাদের জীবন নাশের আশংকা করি, আর যদি (এ পানির ব্যাপারে) আমাদের জীবনকে অগ্রাধিকার দিই এবং সাগরের পানি দিয়ে ওযু করি, তবে এ (ওযুর) ব্যাপারে আমাদের মনে খটকা অনুভব করি; ফলে আমাদের মনে আশংকা জাগে যে, হয়তোবা (এ পানি দ্বারা ওযু করার মাধ্যমে) আমাদের পবিত্রতা অর্জন হয় না। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন: “তোমরা তা (সাগরের পানি) দ্বারা ওযু করতে থাকো। কেননা, সাগরের পানি পবিত্র এবং এর মৃত জন্তু হালাল।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর রাবীগণ নির্ভরযোগ্য। তবে মুহাম্মদ ইবনু ইসহাক মুদাল্লিস আর তিনি এটি ‘আন ‘আন পদ্ধিতিতে বর্ণনা করেছেন …।

তাখরীজ: হাকিম ১/১৪১; ((তিরমিযী ৬৯; ইবনু মাজাহ ৩৮৬; বুখারী, তারীখ ৩/৪৭৮ তরজমাহ নং ১৫৯৯; বুখারী সূত্রে বাইহাকী, মা’রেফাহ ১/২২৭; তাহাবী, মুশকিলুল আছার ১০/২০৭ নং ৪০৩৬; আরও দেখুন, বাইহাকী, সুনানুল কুবরা ১/৩; মা’রিফাহ ১/২২৬ নং ৪৭৫; আহমাদ আল মুসনাদ ২/৩৭৮ নং ৮৮৯৯। এর শাহিদ হাদীস রয়েছে জাবির রা: হতে আহমাদ, আল মুসনাদ ৩/৩৭৩ নং ১৫০৫৪; ইবনু মাজাহ ৩৮৮; ইবনু হিব্বান নং ১২৪৪; ইবনু খুযাইমা নং ১১২; হাকিম ১/১৪৩; দারুকুতনী ১/৩৪। আনাস ইবনু মালিক হতে আব্দুর রাযযাক, আল মুসান্নাফ ১/৯৪ নং ৩২০; দারুকুতনী ১/৩৫। আলী ইবনু আবী তালিব, ইবনু আব্বাস, আব্দুল্লাহ ইবনু আমর হতে বর্ণনা করেছেন, হাকিম, আল মুসতাদরাক ১/১৪২-১৪৩; দারুকুতনী ১/৩৫। আবু বাকর সিদ্দীক রা: এর বক্তব্য হিসেবে বর্ণিত হয়েছে আবু উবাইদ আল কাসিম, আত তহুর ১৮৩ নং ২২৬; ইবনুল মুনজির, আল আওসাত ১/২৪৮ আছার নং ১৫৯; ইবনু আবী শাইবা ১/১৩০।-ফাতহুল মান্নান হা/৭৭৩ এর টীকা দ্র:- অনুবাদক।))

আর হাফিজ ইবনু হাজার তাহযীব ১০/২৫৭ এ বলেন: ‘আবী হুরাইরা হতে তার (মাখযুমী’র) সমুদ্র সম্পর্কিত হাদীসকে সহীহ বলেছেন: ইবনু খুযাইমা, ইবনু হিব্বান, ইবনুল মুনযির, আল খাত্তাবী, তাহাবী, ইবনু মানদাহ, হাকিম, ইবনু হাযম, বাইহাকী, আব্দুল হাক্ব এবং অন্যরা’।’ আরও দেখুন পরবর্তী হাদীসটি। পূর্ণ তাখরীজের জন্য পরবর্তী হাদীসটি দেখুন।

بَابُ الْوُضُوءِ مِنْ مَاءِ الْبَحْرِ

أَخْبَرَنَا الْحَسَنُ بْنُ أَحْمَدَ الْحَرَّانِيُّ حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ سَلَمَةَ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ إِسْحَقَ عَنْ يَزِيدَ بْنِ أَبِي حَبِيبٍ عَنْ الْجُلَاحِ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ سَعِيدٍ الْمَخْزُومِيِّ عَنْ الْمُغِيرَةِ بْنِ أَبِي بُرْدَةَ عَنْ أَبِيهِ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ أَتَى رِجَالٌ مِنْ بَنِي مُدْلِجٍ إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالُوا يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنَّا أَصْحَابُ هَذَا الْبَحْرِ نُعَالِجُ الصَّيْدَ عَلَى رَمَثٍ فَنَعْزُبُ فِيهِ اللَّيْلَةَ وَاللَّيْلَتَيْنِ وَالثَّلَاثَ وَالْأَرْبَعَ وَنَحْمِلُ مَعَنَا مِنْ الْعَذْبِ لِشِفَاهِنَا فَإِنْ نَحْنُ تَوَضَّأْنَا بِهِ خَشِينَا عَلَى أَنْفُسِنَا وَإِنْ نَحْنُ آثَرْنَا بِأَنْفُسِنَا وَتَوَضَّأْنَا مِنْ الْبَحْرِ وَجَدْنَا فِي أَنْفُسِنَا مِنْ ذَلِكَ فَخَشِينَا أَنْ لَا يَكُونَ طَهُورًا فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ تَوَضَّئُوا مِنْهُ فَإِنَّهُ الطَّاهِرُ مَاؤُهُ الْحَلَالُ مَيْتَتُهُ

رجاله ثقات لكن محمد بن إسحاق قد عنعن وهو مدلس

أخبرنا الحسن بن أحمد الحراني حدثنا محمد بن سلمة عن محمد بن إسحق عن يزيد بن أبي حبيب عن الجلاح عن عبد الله بن سعيد المخزومي عن المغيرة بن أبي بردة عن أبيه عن أبي هريرة قال أتى رجال من بني مدلج إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقالوا يا رسول الله إنا أصحاب هذا البحر نعالج الصيد على رمث فنعزب فيه الليلة والليلتين والثلاث والأربع ونحمل معنا من العذب لشفاهنا فإن نحن توضأنا به خشينا على أنفسنا وإن نحن آثرنا بأنفسنا وتوضأنا من البحر وجدنا في أنفسنا من ذلك فخشينا أن لا يكون طهورا فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم توضئوا منه فإنه الطاهر ماؤه الحلال ميتته رجاله ثقات لكن محمد بن إسحاق قد عنعن وهو مدلس

 হাদিসের মানঃ তাহকীক অপেক্ষমাণ  বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরায়রা (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১. পবিত্রতা অধ্যায় (كتاب الطهارة)

 ৭৫২

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৫৩. সাগরের পানি দ্বারা ওযু করা

৭৫২. আবু হুরাইরা বলেন: এক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নিকট এসে প্রশ্ন করলো। বললো: আমরা সমূদ্রে যাতায়াত করি, আমাদের সাথে সামান্য পরিমাণে (খাওয়ার) পানি থাকে। ফলে আমরা যদি তা দিয়ে ওযু করি, তবে পিপাসায় কাতর হয়ে যাবো। এমতাবস্থায় আমরা কি সমুদ্রের পানি দ্বারা ওযু করতে পারবো? তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন: “তার পানি তো পবিত্র এবং তার মৃত প্রাণীও হালাল।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: আবু দাউদ ৮৩; হাকিম ১/১৪০; ইবনু মাজাহ ৩৮৬; তিরমিযী ৬৯; আমরা এর পূর্ণাঙ্গ তাখরীজ করেছি সহীহ ইবনু হিব্বান নরং ১২৪৩; মাওয়ারিদুয যামআন নং ১১৯ এ।

এছাড়া এটি বর্ণিত হয়েছে: বাইহাকী, আল মা’রেফাহ নং ৪৭৩; দারুকুতনী ১/৩৬ নং ১৩; বাগাবী, শারহুস সুন্নাহ নং ২৮১; খতীব, তারীখে বাগদাদ ৭/১৩৯; হাকিম ১/১৪০-১৪২; যা সামনে ২০৫৪ (২০৫৮) নং আসছে।

আরও দেখুন, তালখীসুল হাবীর ১/৯-১২; নাইলুল আওতার ১/১৭-২১; দিরায়াহ ১/৫৩-৫৪ এবং পূর্বের টীকাটি।

بَابُ الْوُضُوءِ مِنْ مَاءِ الْبَحْرِ

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُبَارَكِ عَنْ مَالِكٍ قِرَاءَةً عَنْ صَفْوَانَ بْنِ سُلَيْمٍ عَنْ سَعِيدِ بْنِ سَلَمَةَ مِنْ آلِ الْأَزْرَقِ أَنَّ الْمُغِيرَةَ بْنَ أَبِي بُرْدَةَ وَهُوَ رَجُلٌ مِنْ بَنِي عَبْدِ الدَّارِ أَخْبَرَهُ أَنَّهُ سَمِعَ أَبَا هُرَيْرَةَ يَقُولُ سَأَلَ رَجُلٌ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ إِنَّا نَرْكَبُ الْبَحْرَ وَمَعَنَا الْقَلِيلُ مِنْ الْمَاءِ فَإِنْ تَوَضَّأْنَا بِهِ عَطِشْنَا أَفَنَتَوَضَّأُ مِنْ مَاءِ الْبَحْرِ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ هُوَ الطَّهُورُ مَاؤُهُ الْحِلُّ مَيْتَتُهُ

إسناده صحيح

أخبرنا محمد بن المبارك عن مالك قراءة عن صفوان بن سليم عن سعيد بن سلمة من آل الأزرق أن المغيرة بن أبي بردة وهو رجل من بني عبد الدار أخبره أنه سمع أبا هريرة يقول سأل رجل رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال إنا نركب البحر ومعنا القليل من الماء فإن توضأنا به عطشنا أفنتوضأ من ماء البحر فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم هو الطهور ماؤه الحل ميتته إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরায়রা (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১. পবিত্রতা অধ্যায় (كتاب الطهارة)

 ৭৫৩

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৫৪. আবদ্ধ পানি দ্বারা ওযু করা

৭৫৩. আবু হুরাইরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “তোমাদের কেউ যেনো বদ্ধ বা স্থির পানিতে পেশাব না করে। (হয়তো) পরে সেই পানিতেই সে আবার গোসল করবে।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ। এটি বুখারী মুসলিমের হাদীস।

তাখরীজ: সহীহ বুখারী ২৩৯; সহীহ মুসলিম ২৮২;

আমরা এর পূর্ণাঙ্গ তাখরীজ করেছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ১২৫১, ১২৫৪, ১২৫৬; মুসনাদুল মাউসিলী নং ৬০৭৬; মুসনাদুল হুমাইদী নং ৯৯৯, ১০০০ এ। আরও দেখুন, তালখীসুল হাবীর ১/১০৫-১০৬; নাইলুল আওতার ১/৩৯-৪১; দিরায়াহ ১/৫৬; নাসবুর রায়াহ ১/১০১।

তাঁর কথা: “পেশাব না করে” নিষেধ অর্থে এসেছে, এর জোরদার প্রমাণ।

بَابُ الْوُضُوءِ مِنَ الْمَاءِ الرَّاكِدِ

أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ حَدَّثَنَا زَائِدَةُ عَنْ هِشَامٍ عَنْ مُحَمَّدٍ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ لَا يَبُولُ أَحَدُكُمْ فِي الْمَاءِ الدَّائِمِ ثُمَّ يَغْتَسِلُ مِنْهُ

إسناده صحيح

أخبرنا أحمد بن عبد الله حدثنا زائدة عن هشام عن محمد عن أبي هريرة عن النبي صلى الله عليه وسلم قال لا يبول أحدكم في الماء الدائم ثم يغتسل منه إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরায়রা (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১. পবিত্রতা অধ্যায় (كتاب الطهارة)

 ৭৫৪

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৫৫. যে পরিমাণ পানি অপবিত্র হয় না, তার পরিমাণ

৭৫৪. উবাইদুল্লাহ ইবনু আব্দুল্লাহ ইবনু উমার তার পিতা (ইবনু উমার) রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে শুনেছি, (যখন) তাঁকে জঙ্গলের কুয়ার পানি সম্পর্কে প্রশ্ন করা হলো, যাতে গৃহপালিত পশু ও হিংস্র প্রাণী পানি পান করার জন্য এসে থাকে। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন: “পানি দুই কুল্লাহ পরিমাণ হলে কোনো কিছুই একে অপবিত্র করতে পারে না।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ যয়ীফ। কারণ, ইবনু ইসহাক মুদাল্লিস, আর তিনি এটি ‘আন ‘আন পদ্ধতিতে বর্ণনা করেছেন। তবে হাদীসটি সহীহ।

তাখরীজ: আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ করেছি মুসনাদুল মাউসিলী নং৫৫৯০; সহীহ ইবনু হিব্বান নং ১২৪৯; মাউয়ারিদুয যাম’আন নং ১১৭ এ। (আহমাদ ২/১২, ২৩; তিরমিযী ৬৭; দারুকুতনী ১/১৯ নং ১৪; আবু দাউদ ৬৩, ৬৪, ৬৫; ইবনু মাজাহ ৫১৭, ৫১৮; তাহাবী, শারহু মা’আনিল আছার ১/১৫, ১৬; বাইহাকী, ১/২৬২; হাকিম ১/১৩৩। (অপর সনদে) নাসাঈ ১/৪৬, ১৭৫; ইবনু হিব্বান ১২৩৭; হাকিম ১/১৩২; ইবনু খুযাইমা ৯২।- মুহাক্বিক্বের তাহক্বীক্বকৃত, মুসনাদুল মাউসিলী নং ৫৫৯০ এর টীকা হতে।- অনুবাদক)

بَابُ قَدْرِ الْمَاءِ الَّذِي لَا يَنْجُسُ

أَخْبَرَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ إِسْحَقَ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ جَعْفَرِ بْنِ الزُّبَيْرِ عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ عَنْ أَبِيهِ قَالَ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَهُوَ يُسْأَلُ عَنْ الْمَاءِ يَكُونُ بِالْفَلَاةِ مِنْ الْأَرْضِ وَمَا يَنُوبُهُ مِنْ الدَّوَابِّ وَالسِّبَاعِ فَقَالَ إِذَا بَلَغَ الْمَاءُ قُلَّتَيْنِ لَمْ يُنَجِّسْهُ شَيْءٌ

إسناده ضعيف فيه عنعنة ابن إسحاق ولكن الحديث صحيح

أخبرنا يزيد بن هارون أخبرنا محمد بن إسحق عن محمد بن جعفر بن الزبير عن عبيد الله بن عبد الله بن عمر عن أبيه قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم وهو يسأل عن الماء يكون بالفلاة من الأرض وما ينوبه من الدواب والسباع فقال إذا بلغ الماء قلتين لم ينجسه شيء إسناده ضعيف فيه عنعنة ابن إسحاق ولكن الحديث صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ উবাইদুল্লাহ ইবনু উমার (রহঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১. পবিত্রতা অধ্যায় (كتاب الطهارة)

 ৭৫৫

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৫৫. যে পরিমাণ পানি অপবিত্র হয় না, তার পরিমাণ

৭৫৫. ইবনু উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে (যখন) পানি সম্পর্কে প্রশ্ন করা হলো, যাতে গৃহপালিত পশু ও হিংস্র প্রাণী পানি পান করার জন্য এসে থাকে। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন: “পানি দুই কুল্লাহ পরিমাণ হলে তখন তা অপবিত্রতা বহন করে না (অপবিত্র হয় না)।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: পূর্বের টীকাটি দেখুন। এটি পূর্বের হাদীসের পূনরোক্তি।

بَابُ قَدْرِ الْمَاءِ الَّذِي لَا يَنْجُسُ

حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ حَسَّانَ حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَةَ عَنْ الْوَلِيدِ بْنِ كَثِيرٍ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ جَعْفَرِ بْنِ الزُّبَيْرِ عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ عَنْ ابْنِ عُمَرَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ سُئِلَ عَنْ الْمَاءِ وَمَا يَنُوبُهُ مِنْ الدَّوَابِّ وَالسِّبَاعِ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِذَا كَانَ الْمَاءُ قُلَّتَيْنِ لَمْ يَحْمِلْ الْخَبَثَ

إسناده صحيح

حدثنا يحيى بن حسان حدثنا أبو أسامة عن الوليد بن كثير عن محمد بن جعفر بن الزبير عن عبيد الله بن عبد الله عن ابن عمر أن رسول الله صلى الله عليه وسلم سئل عن الماء وما ينوبه من الدواب والسباع فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا كان الماء قلتين لم يحمل الخبث إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১. পবিত্রতা অধ্যায় (كتاب الطهارة)

 ৭৫৬

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৫৬: ব্যবহৃত পানি দ্বারা ওযু করা

৭৫৬. জাবির রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন: আমি অসুস্থ ছিলাম, আমার কোনো জ্ঞান ছিল না, (এমতাবস্থায়) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাকে দেখতে আসলেন। এরপর তিনি ওযু করলেন এবং ওযুর (অবশিষ্ট) পানি আমার উপর ছিটিয়ে দিলেন। ফলে আমি জ্ঞান ফিরে পেলাম।’[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: বুখারী ১৯৪; সহীহ মুসলিম ১৬১৬; আর আমরা এর পূর্ণাঙ্গ তাখরীজ করেছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ২০১৮ ও সহীহ ইবনু হিব্বান ১২৬৬; মুসনাদুল হুমাইদী নং ১২৬৪ তে।

بَابُ الْوُضُوءِ بِالْمَاءِ الْمُسْتَعْمَلِ

أَخْبَرَنَا أَبُو الْوَلِيدِ الطَّيَالِسِيُّ وَأَبُو زَيْدٍ سَعِيدُ بْنُ الرَّبِيعِ قَالَا حَدَّثَنَا شُعْبَةُ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ الْمُنْكَدِرِ قَالَ سَمِعْتُ جَابِرًا يَقُولُ جَاءَنِي النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَعُودُنِي وَأَنَا مَرِيضٌ لَا أَعْقِلُ فَتَوَضَّأَ وَصَبَّ مِنْ وَضُوئِهِ عَلَيَّ فَعَقَلْتُ

إسناده صحيح

أخبرنا أبو الوليد الطيالسي وأبو زيد سعيد بن الربيع قالا حدثنا شعبة عن محمد بن المنكدر قال سمعت جابرا يقول جاءني النبي صلى الله عليه وسلم يعودني وأنا مريض لا أعقل فتوضأ وصب من وضوئه علي فعقلت إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ জাবির ইবনু আবদুল্লাহ আনসারী (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১. পবিত্রতা অধ্যায় (كتاب الطهارة)

 ৭৫৭

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৫৭. স্ত্রীলোকের ব্যবহারের পর উদ্বৃত্ত পানি দ্বারা ওযু করা

৭৫৭. ইবনু আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কোনো একজন স্ত্রী দাঁড়িয়ে পাত্রের পানি দিয়ে জানাবাতের গোসল করলেন। তারপর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম দাঁড়িয়ে এর উদ্বৃত্ত পানি দিয়ে গোসল করলেন। তখন সে বললো: আমি তো আপনার পূর্বে এ পানিতে গোসল করেছি?’ তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন: “পানির কোনো অপবিত্রতা নেই।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: ইকরিমা হতে সামাকের বর্ণনায় ‘ইযতিরাব’ বা বিক্ষিপ্ততা রয়েছে। তবে কয়েকটি শাহিদ হাদীস থাকার কারণে হাদীসটি সহীহ।

তাখরীজ: আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ করেছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ২৪১১ ও সহীহ ইবনু হিব্বান নং ১২৪১, ১২৪২, ১২৬৯ এবং মাওয়ারিদুয যাম’আন নং ১১৬, ২২৬ এ। ((আবু দাউদ ৬৮; তিরমিযী ৬৫; ইবনু মাজাহ ৩৭০; বাইহাকী ১/১৮৯; তাবারী, তাহযীবুল আছার ২/৬৯২ নং ২৯-৩০; আহমাদ ১/২৩৫; নাসাঈ ১/১৭৩; দারুকুতনী ১/৫১ নং ৩; বাগাবী, শারহুস সুন্নাহ ২/২৭ নং ২৫৯; ইবনু খুযাইমা নং ৯১; হাকিম ১/১৫৯; বাযযার নং ২৫০।- মুহাক্বিক্বের তাহক্বীক্বকৃত মুসনাদুল মাউসিলী নং ২৪১১ নং এর টীকা থেকে।- অনুবাদক ))

بَابُ الْوُضُوءِ بِفَضْلِ وَضُوءِ الْمَرْأَةِ

أَخْبَرَنَا يَحْيَى بْنُ حَسَّانَ حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ عَطَاءٍ عَنْ سِمَاكٍ عَنْ عِكْرِمَةَ عَنْ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ قَامَتْ امْرَأَةٌ مِنْ نِسَاءِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَاغْتَسَلَتْ فِي جَفْنَةٍ مِنْ جَنَابَةٍ فَقَامَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِلَى فَضْلِهَا يَسْتَحِمُّ فَقَالَتْ إِنِّي قَدْ اغْتَسَلْتُ فِيهِ قَبْلَكَ فَقَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِنَّهُ لَيْسَ عَلَى الْمَاءِ جَنَابَةٌ

الحديث صحيح بشواهده

أخبرنا يحيى بن حسان حدثنا يزيد بن عطاء عن سماك عن عكرمة عن ابن عباس قال قامت امرأة من نساء النبي صلى الله عليه وسلم فاغتسلت في جفنة من جنابة فقام النبي صلى الله عليه وسلم إلى فضلها يستحم فقالت إني قد اغتسلت فيه قبلك فقال النبي صلى الله عليه وسلم إنه ليس على الماء جنابة الحديث صحيح بشواهده

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আবদুল্লাহ ইবনু আব্বাস (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১. পবিত্রতা অধ্যায় (كتاب الطهارة)

 ৭৫৮

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৫৭. স্ত্রীলোকের ব্যবহারের পর উদ্বৃত্ত পানি দ্বারা ওযু করা

৭৫৮. (অপর সনদে) ইবনু আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হতে এর অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে।[1]

[1] তাহক্বীক্ব : আগের হাদীসটির এর সনদও যয়ীফ। কিন্তু হাদীসটি সহীহ।

তাখরীজ: আগের টীকাটি দেখুন।

এছাড়া ইবনু আব্বাস মায়মুনাহ হতেও এটি বর্ণনা করেছেন, যা আমরা মুসনাদুল মাওসিলী নং ৭০৯৮ তে পূর্ণ তাখরীজ করেছি।

بَابُ الْوُضُوءِ بِفَضْلِ وَضُوءِ الْمَرْأَةِ

أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ عَنْ سُفْيَانَ عَنْ سِمَاكِ بْنِ حَرْبٍ عَنْ عِكْرِمَةَ عَنْ ابْنِ عَبَّاسٍ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ نَحْوَهُ

إسناده ضعيف

أخبرنا عبد الله عن سفيان عن سماك بن حرب عن عكرمة عن ابن عباس عن النبي صلى الله عليه وسلم نحوه إسناده ضعيف

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আবদুল্লাহ ইবনু আব্বাস (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১. পবিত্রতা অধ্যায় (كتاب الطهارة)

 ৭৫৯

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৫৮. বিড়াল যখন পানির পাত্রে মুখ দেয়

৭৫৯. কাবশা বিনতে কা’ব ইবনু মালিক হতে বর্ণিত। আর তিনি ছিলেন আবু কাতাদা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু’র পুত্রবধূ। একদা আবু কাতাদা (গৃহে) আগমণ করলে তিনি তাঁকে ওযুর পানি দিলেন। তারপর একটি বিড়াল এসে তা থেকে পানি পান করতে লাগলো। তখন (বিড়ালের পান করার সুবিধার্থে) তিনি (আবু কাতাদা) পাত্রটিকে কাত করে ধরলেন। এমনকি বিড়ালটি তৃপ্তি সহকারে পান করলো। কাবশাহ বলেন, তিনি আমাকে এর প্রতি তাকিয়ে থাকতে দেখে বললেন, হে ভ্রাতুষ্পুত্রী! তুমি কি আশ্চর্যবোধ করছো? জবাবে আমি বললাম, হাঁ। তখন তিনি বললেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “নিশ্চয়ই এরা (বিড়াল) অপবিত্র (প্রাণী) নয়। নিশ্চয়ই এরা তোমাদের আশেপাশে ঘোরাফেরাকারী ও অধিক বিচরণকারী প্রাণী।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ জাইয়্যেদ।

তাখরীজ: আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ করেছি মাওয়ারিদুয যামআন নং ১২১ ও সহীহ ইবনু হিব্বান নং ১২৯৯ এ। (মালিক ১৩; শাফিঈ, আল উম্মু ১/৮; আব্দুর রাযযাক ১/১০১ নং ৩৫৩; ইবনু আবী শাইবা ১/৩১; আহমদ ৫/৩০৩, ৩০৯; আবু দাউদ ৭৫; তিরমিযী ৯২; নাসাঈ ১/৫৫, ১৭৮; ইবনু মাজাহ ৩৬৭; তাহাবী, শারহু মা’আনিল আছার ১/১৮; বাইহাকী ১/২৪৫; বাগাবী, শারহুস সুন্নাহ ২/৬৯ নং ২৮৬; আর একে সহীহ হিসেবে বর্ণনা করেছেন ইবনু খুযাইমা ১০৪; হাকিম ১/৬০, আর যাহাবী তাকে সমর্থন করেছেন।

হাফিজ তার তালখীসুল হাবীর ১/১৪১ এ বলেন: একে সহীহ বলেছৈন বুখারী, তিরমিযী, উকাইলী, দারুকুতনী…।”

আর এর শাহিদ হাদীস বর্ণনা করেছেন আয়েশা রা: হতে আমাদের তাহক্বীক্বকৃত আবু ইয়ালা নং ৪৯৫১।- মুহাক্কিক্বের তাহক্বীক্বকৃত মাওয়ারিদুয যাম’আন নং ১২১ এর টীকা হতে।- অনুবাদক))

আরো বর্ণিত হয়েছে: বাইহাকী, মা’রেফাতুস সুনান ২/৬৭ নং ১৭৭০; আমাদের তাহক্বীক্বকৃত মুসনাদুল হুমাইদী নং ৪৩৪

بَابُ الْهِرَّةِ إِذَا وَلَغَتْ فِي الْإِنَاءِ

أَخْبَرَنَا الْحَكَمُ بْنُ الْمُبَارَكِ أَخْبَرَنَا مَالِكٌ عَنْ إِسْحَقَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي طَلْحَةَ عَنْ حُمَيْدَةَ بِنْتِ عُبَيْدِ بْنِ رِفَاعَةَ عَنْ كَبْشَةَ بِنْتِ كَعْبِ بْنِ مَالِكٍ وَكَانَتْ تَحْتَ ابْنِ أَبِي قَتَادَةَ أَنَّ أَبَا قَتَادَةَ دَخَلَ عَلَيْهَا فَسَكَبَتْ لَهُ وَضُوءًا فَجَاءَتْ هِرَّةٌ تَشْرَبُ مِنْهُ فَأَصْغَى لَهَا أَبُو قَتَادَةَ الْإِنَاءَ حَتَّى شَرِبَتْ قَالَتْ كَبْشَةُ فَرَآنِي أَنْظُرُ فَقَالَ أَتَعْجَبِينَ يَا بِنْتَ أَخِي قُلْتُ نَعَمْ قَالَ إِنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ إِنَّهَا لَيْسَتْ بِنَجَسٍ إِنَّمَا هِيَ مِنْ الطَّوَّافِينَ عَلَيْكُمْ وَالطَّوَّافَاتِ

إسناده جيد

أخبرنا الحكم بن المبارك أخبرنا مالك عن إسحق بن عبد الله بن أبي طلحة عن حميدة بنت عبيد بن رفاعة عن كبشة بنت كعب بن مالك وكانت تحت ابن أبي قتادة أن أبا قتادة دخل عليها فسكبت له وضوءا فجاءت هرة تشرب منه فأصغى لها أبو قتادة الإناء حتى شربت قالت كبشة فرآني أنظر فقال أتعجبين يا بنت أخي قلت نعم قال إن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال إنها ليست بنجس إنما هي من الطوافين عليكم والطوافات إسناده جيد

 হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)  বর্ণনাকারীঃ কাবশা বিনতে কা’ব ইবনু মালিক  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১. পবিত্রতা অধ্যায় (كتاب الطهارة)

 ৭৬০

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৫৯. কুকুর (পাত্রে) মুখ দেয়া প্রসঙ্গে

৭৬০. আব্দুল্লাহ ইবনু মুগাফফাল রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “কুকুর যখন কোনো পাত্রে মুখ দেয়, তখন তোমরা তা সাতবার ধুবে এবং অষ্টমবারে মাটিতে ঘষে নেবে।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: সহীহ মুসলিম ২৮০; আমরা এর পূর্ণাঙ্গ তাখরীজ করেছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ১২৯৮ এ।

এর শাহিদ হাদীস রয়েছে আবী হুরাইরা রা: হতে যা সহীহ বুখারী ও সহীহ মুসলিমে বর্ণিত। এর পূর্ণ তাখরীজ করেছি আমি মুসনাদুল মাওসিলী নং ৬৬৭৮, সহীহ ইবনু হিব্বান নং ১২৯৪-১২৯৭ এবং মুসনাদুল হুমাইদী নং ৯৯৭ এ।

بَابٌ فِي وُلُوغِ الْكَلْبِ

أَخْبَرَنَا وَهْبُ بْنُ جَرِيرٍ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ عَنْ أَبِي التَّيَّاحِ عَنْ مُطَرِّفٍ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مُغَفَّلٍ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ إِذَا وَلَغَ الْكَلْبُ فِي الْإِنَاءِ فَاغْسِلُوهُ سَبْعَ مِرَارٍ وَالثَّامِنَةَ عَفِّرُوهُ فِي التُّرَابِ

إسناده صحيح

أخبرنا وهب بن جرير حدثنا شعبة عن أبي التياح عن مطرف عن عبد الله بن مغفل أن النبي صلى الله عليه وسلم قال إذا ولغ الكلب في الإناء فاغسلوه سبع مرار والثامنة عفروه في التراب إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আবদুল্লাহ ইবনু মুগাফফাল (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১. পবিত্রতা অধ্যায় (كتاب الطهارة)

 ৭৬১

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৬০. ঘিয়ে ইদুর পড়া

৭৬১. ইবনু আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা মাইমুনাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা হতে বর্ণনা করেন, ঘিয়ের মধ্যে একটি ইঁদুর পড়ে মরে গিয়েছিল। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন: “সেটি (ইঁদুরটি) এবং এর আশপাশের ঘি ফেলে দাও এবং (অবশিষ্ট ঘি থেকে) তোমরা খাও।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: সহীহ বুখারী ২৩৫; আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাওসিলী নং ৭০৮৭ ও সহীহ ইবনু হিব্বান নং ১৩৯২ এ। এছাড়া মুসনাদুল হুমাইদী নং ২৩১৪। সামনে আসছে ২১২৮ নং এ।

بَابُ الْفَأْرَةِ تَقَعُ فِي السَّمْنِ

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ عَنْ ابْنِ عُيَيْنَةَ عَنْ الزُّهْرِيِّ عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ عَنْ ابْنِ عَبَّاسٍ عَنْ مَيْمُونَةَ أَنَّ فَأْرَةً وَقَعَتْ فِي سَمْنٍ فَمَاتَتْ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَلْقُوهَا وَمَا حَوْلَهَا وَكُلُوهُ

إسناده صحيح

أخبرنا محمد بن يوسف عن ابن عيينة عن الزهري عن عبيد الله عن ابن عباس عن ميمونة أن فأرة وقعت في سمن فماتت فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ألقوها وما حولها وكلوه إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আবদুল্লাহ ইবনু আব্বাস (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১. পবিত্রতা অধ্যায় (كتاب الطهارة)

 ৭৬২

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৬১. পেশাব থেকে সতর্ক থাকা

৭৬২. ইবনু আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা হতে বর্ণিত, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম দু’টি কবরের পাশ দিয়ে অতিক্রম করছিলেন। এ সময় তিনি বললেন: এদের কবরে আযাব দেয়া হচ্ছে, তবে কোনো গুরুতর অপরাধের জন্য তাদের শাস্তি দেয়া হচ্ছে না। তাদের একজন চোগলখুরী করে বেড়াতো এবং অপরজন পেশাব হতে পবিত্র থাকতো না।” তিনি বলেন: অতঃপর তিনি একটি কাঁচা খেজুরের ডাল নিয়ে (দু’ টুকরো করে) ভেঙ্গে প্রত্যেক কবরের মাথার নিকট এক টুকরো করে পুঁতে দিলেন। তারপর বললেন: “আশা করি, এ দু’টি শুকিয়ে না যাওয়া পর্যন্ত এদের আযাব হালকা করা হবে।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: সহীহ বুখারী ২১৬; সহীহ মুসলিম ২৯২; (আহমাদ ১৯৮০)। জাবির রা: হতে বর্ণিত এর শাহিদ হাদীসটির পূর্ণ তাখরীজ করেছি আমি মুসনাদুল মাওসিলী নং ৪/৪৩, সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৩১২৮-৩১২৯ এবং মুসনাদুল মাওসিলী নং ১০৫০ এ জাবির রা: এর সহীহ হাদীসের টীকাটি দেখুন।

প্রাসঙ্গিক আলোচনা

হাদীসে উল্লিখিত ব্যক্তিদেরকে কবরে আযাব দেওয়ার যে কারণ, তা ত্যাগ করা তাদের ওপর কঠিন ছিল না। বস্তুত কেউ যদি অন্যায় থেকে বাঁচার চেষ্টা করে আল্লাহ তাকে সাহায্য করেন। কিন্তু অধিকাংশ মানুষ চেষ্টা করে না।

জীবিত মানুষের যেসব আমল মৃতদের কাজে লাগে

সর্বসম্মত মতে, জীবিত মানুষের পক্ষ থেকে দো’আ ঈমানদার মৃত মানুষের কাজে লাগে। এখানে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম যা করেছেন তা দো’আর সমতুল্য। সুতরাং সেটা কাজে লাগবে। কিন্তু অন্য কারো জন্য এ ধরনের গাছ ভেঙ্গে দেয়ার ব্যাপারটি কোথাও বর্ণিত হয়নি। সুতরাং, বর্তমানে কারো জন্য গাছ ভেঙ্গে রোপন করলে সেটা কার্যকরী হবে বলা যায় না। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের উক্ত কাজটি তার সাথে বিশেষভাবে সংশ্লিষ্ট, অন্য কারো সাথে তা কার্যকারী হওয়ার প্রমাণ নেই। কারণ, এ হাদীসেরই অপর বর্ণনায় যা সহীহ মুসলিমে এসেছে, “আমার সুপারিশের কারণে আল্লাহ তাদের শাস্তি গাছের ডালটি শুষ্ক হওয়া পর্যন্ত লাঘব করবেন।” [সহীহ মুসলিম ৩০০৬]

ইমাম খাত্তাবী রাহিমাহুল্লাহ বলেন, এটা এর উপর ধরা হবে যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ দুই কবরবাসীর ‘আযাব লাঘবের জন্য দো’আ করেছেন; যতক্ষণ তা তরতাজা থাকবে। এটা নয় যে, আযাব বন্ধ করার ব্যাপারে গাছের ডালে এমন কোনো বৈশিষ্ট্য রয়েছে বা কাঁচা ডালে কোনো বৈশিষ্ট্য রয়েছে যা শুকনো ডালে নেই। [আউনুল মাবুদ (১/২৫)]

অথচ আফসোসের বিষয় হচ্ছে, অনেক মুসলিমকে দেখা যায় তারা কবরের উপর ফুল দিচ্ছে, যা কখনও জয়েয নেই, প্রথমত: এটাতো নাসারাদের কাজ। দ্বিতীয়ত: যদি এ হাদীস দলীল হয় তবে এ হাদীস তো প্রমাণ করছে যে, এখানে মৃতব্যক্তির আযাব হচ্ছে, তারা যেখানে ফুল দিচ্ছে কিংবা খেজুর ডাল পুঁতে দিচ্ছে তাদের কাছে কি এসব কবরে আযাব হওয়ার বিষয়টির সংবাদ এসেছে?

হাদীসের শিক্ষা

১. কবরের আযাব হক্ব ও যথার্থ।

২. আরো বুঝা যায় যে, চোগলখুরী বা একের কথা অন্যের কাছে লাগানো হারাম ও কবীরা গুনাহ। এর মাধ্যমে স্বার্থ হাসিল করা আরো বড় হারাম।

৩. চোগলখুরী ও পেশাব থেকে পবিত্র না হওয়া কবর আযাবের অন্যতম কারণ।

৪. আল্লাহ তা’আলা কখনও কখনও মানুষের জন্য নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের কোনো নিদর্শন প্রকাশ করে দেন; যাতে মানুষ তা থেকে শিক্ষা গ্রহণ করতে পারে।

৫. সালাতের বিষয়টি অত্যধিক মহৎ হওয়া; কারণ এর একটি শর্ত বাস্তবায়ন না হওয়ায় বান্দার ওপর শাস্তি হচ্ছে। যারা সালাত ত্যাগ করে তাদের পরিণতি কত ভয়াবহ হতে পারে তা থেকেই অনুমেয়।

৬. উম্মতের প্রতি নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের ভালোবাসা; এমনকি তাদের মধ্যে যারা গুনাহগার তাদের নাজাতের জন্যও রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঐকান্তিক প্রচেষ্টা চালাতেন।

৭. নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সুপারিশ কখনও কখনও কিছু সময়ের জন্য বা বড় কষ্ট থেকে ছোট কষ্টে নিয়ে যাওয়ার জন্য হতে পারে; কারণ রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহ “আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘আশা করা যায় যতক্ষণ এ দু’টি ডাল শুষ্ক না হলে ততক্ষণ তাদের ওপর সে আযাব হালকা করা হবে।

৮. সাহাবায়ে কেরাম সর্বদা রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাজের কারণ ও হিকমত জানতে সচেষ্ট থাকতেন। এজন্য তারা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে জিজ্ঞেস করলেন, হে আল্লাহর রাসূল আপনি এ কাজটি কেন করলেন?

৯. সাধারণ অপরাধী ও গুনাহগারদের অপমান না করে তাদেরকে গোপন করা জরুরী। কারণ রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ দু’জনের নাম বর্ণনা করেননি।

بَابُ الِاتِّقَاءِ مِنَ الْبَوْلِ

أَخْبَرَنَا الْمُعَلَّى بْنُ أَسَدٍ حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَاحِدِ بْنُ زِيَادٍ حَدَّثَنَا الْأَعْمَشُ عَنْ مُجَاهِدٍ عَنْ طَاوُسٍ عَنْ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ مَرَّ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِقَبْرَيْنِ فَقَالَ إِنَّهُمَا لَيُعَذَّبَانِ فِي قُبُورِهِمَا وَمَا يُعَذَّبَانِ فِي كَبِيرٍ كَانَ أَحَدُهُمَا يَمْشِي بِالنَّمِيمَةِ وَكَانَ الْآخَرُ لَا يَسْتَنْزِهُ عَنْ الْبَوْلِ أَوْ مِنْ الْبَوْلِ قَالَ ثُمَّ أَخَذَ جَرِيدَةً رَطْبَةً فَكَسَرَهَا فَغَرَزَ عِنْدَ رَأْسِ كُلِّ قَبْرٍ مِنْهُمَا قِطْعَةً ثُمَّ قَالَ عَسَى أَنْ يُخَفَّفَ عَنْهُمَا حَتَّى تَيْبَسَا

إسناده صحيح

أخبرنا المعلى بن أسد حدثنا عبد الواحد بن زياد حدثنا الأعمش عن مجاهد عن طاوس عن ابن عباس قال مر رسول الله صلى الله عليه وسلم بقبرين فقال إنهما ليعذبان في قبورهما وما يعذبان في كبير كان أحدهما يمشي بالنميمة وكان الآخر لا يستنزه عن البول أو من البول قال ثم أخذ جريدة رطبة فكسرها فغرز عند رأس كل قبر منهما قطعة ثم قال عسى أن يخفف عنهما حتى تيبسا إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আবদুল্লাহ ইবনু আব্বাস (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১. পবিত্রতা অধ্যায় (كتاب الطهارة)

 ৭৬৩

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৬২. মসজিদে পেশাব করা

৭৬৩. আনাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নিকট এক বেদুঈন এলো। অতঃপর সে উঠে দাঁড়াল এবং মসজিদের এক কোণে পেশাব করতে শুরু করলো।তিনি (রাবী) বলেন: অতঃপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সাহাবীগণ হৈ চৈ শুরু করে দিল। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তার থেকে তাদেরকে নিবৃত্ত করলেন, অতঃপর এক বালতি পানি আনিয়ে তার পেশাবের উপর ঢেলে দিলেন।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: সহীহ বুখারী ২১৯; সহীহ মুসলিম ২৮৪। আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ করেছি মুসনাদুল মাওসিলী নং ৩৪৬৭, ৩৬৫২, ৩৬৫৪ ও সহীহ ইবনু হিব্বান নং ১৪০১ এবং মুসনাদুল হুমাইদী নং ১২৩০; আরও দেখুন নাইলুল আওতার ১/৫৩।

بَابُ الْبَوْلِ فِي الْمَسْجِدِ

حَدَّثَنَا جَعْفَرُ بْنُ عَوْنٍ أَخْبَرَنَا يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ عَنْ أَنَسٍ قَالَ جَاءَ أَعْرَابِيٌّ إِلَى النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَلَمَّا قَامَ بَالَ فِي نَاحِيَةِ الْمَسْجِدِ قَالَ فَصَاحَ بِهِ أَصْحَابِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَكَفَّهُمْ عَنْهُ ثُمَّ دَعَا بِدَلْوٍ مِنْ مَاءٍ فَصَبَّهُ عَلَى بَوْلِهِ

إسناده صحيح

حدثنا جعفر بن عون أخبرنا يحيى بن سعيد عن أنس قال جاء أعرابي إلى النبي صلى الله عليه وسلم فلما قام بال في ناحية المسجد قال فصاح به أصحاب رسول الله صلى الله عليه وسلم فكفهم عنه ثم دعا بدلو من ماء فصبه على بوله إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আনাস ইবনু মালিক (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১. পবিত্রতা অধ্যায় (كتاب الطهارة)

 ৭৬৪

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৬৩. যে শিশু (এখনও মাতৃদুগ্ধ ব্যতীত অন্য কোনো) খাদ্য খায় নি, এমন শিশুর পেশাব

৭৬৪. উম্মু কায়িস বিনতে মিহসান রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা হতে বর্ণিত, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নিকট তার এক শিশু পুত্রকে নিয়ে এলেন, যে তখনও খাবার খাওয়ার মতো বয়সে পৌঁছায়নি। তিনি তাকে তাঁর কোলে বসালেন। তখন সে শিশুটি তাঁর কোলে পেশাব করে দিলো। তখন তিনি পানি আনালেন, অতঃপর তা তাঁর (কাপড়ের) উপর ছিটিয়ে দিলেন কিন্তু তিনি তা ধৌত করলেন না।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: সহীহ বুখারী ২২৩; সহীহ মুসলিম ২৮৬; আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ করেছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ১৩৭৩, ১৩৭৪ এ।

بَابُ بَوْلِ الْغُلَامِ الَّذِي لَمْ يَطْعَمْ

أَخْبَرَنَا عُثْمَانُ بْنُ عُمَرَ حَدَّثَنَا مَالِكُ بْنُ أَنَسٍ وَحَدَّثَنَاهُ عَنْ يُونُسَ أَيْضًا عَنْ الزُّهْرِيِّ عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُتْبَةَ عَنْ أُمِّ قَيْسٍ بِنْتِ مِحْصَنٍ أَنَّهَا أَتَتْ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِابْنٍ لَهَا لَمْ يَبْلُغْ أَنْ يَأْكُلَ الطَّعَامَ فَأَجْلَسَتْهُ فِي حِجْرِهِ فَبَالَ عَلَيْهِ فَدَعَا بِمَاءٍ فَنَضَحَهُ وَلَمْ يَغْسِلْهُ

إسناده صحيح

أخبرنا عثمان بن عمر حدثنا مالك بن أنس وحدثناه عن يونس أيضا عن الزهري عن عبيد الله بن عبد الله بن عتبة عن أم قيس بنت محصن أنها أتت النبي صلى الله عليه وسلم بابن لها لم يبلغ أن يأكل الطعام فأجلسته في حجره فبال عليه فدعا بماء فنضحه ولم يغسله إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ উম্মু কায়স বিনত মিহসান (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১. পবিত্রতা অধ্যায় (كتاب الطهارة)

 ৭৬৫

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৬৪. ভূমির এক অংশ আরেক অংশকে পবিত্র করে

৭৬৫. ইবরাহীম ইবনু আব্দুর রহমান ইবনু আউফ এর উম্মু ওয়ালাদ (দাসী) হতে বর্ণিত, তিনি উম্মু সালামাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহাকে প্রশ্ন করেছিলেন এই বলে: আমি একজন নারী, আমার কাপড়ের নিম্নভাগ প্রলম্বিত করে (ঝুলিয়ে) পরি। এরপর (অনেক সময়) আমি ময়লা আবর্জনার স্থান দিয়েও চলাচল করি। (ফলে আমার কাপড় কিভাবে পবিত্র করবো?) উম্মু সালামাহ বললেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “এ (অপবিত্র মাটির) পরবর্তী যে (পবিত্র) মাটি রয়েছে, তা একে পবিত্র করে দেবে।”[1] আমি (রাবী) আবু মুহাম্মদ (দারেমী)কে জিজ্ঞেস করলাম: আপনি কি এটি গ্রহণ করেছেন? তিনি বললেন: আমি জানি না।

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদে অজ্ঞাত পরিচয় রাবী রয়েছে। কিন্তু হাদীসটি শাহিদ থাকার কারণে সহীহ। পূর্বের উম্মু কায়িস বিনতে ‍মিহসান বর্ণিত হাদীসটি এর শাহিদ।

আবার এর শাহিদ আয়েশা রা: হতে বর্ণিত হাদীসটি যা সহীহ বুখারী নং ২২২; সহীহ মুসলিম ২৮৬ এ সংকলিত হয়েছে। আর এর তাখরীজ করেছি আমরা মুসনাদুল মাওসিলী নং ৪৬২৩ এ এবং সহীহ ইবনু হিব্বান নং ১৩৭২ এ।

তাখরীজ: আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ করেছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ৬৯২৫, ৬৯৮১ এ।

بَابُ الْأَرْضِ يُطهِّرُ بَعْضُهَا بعْضًا

أَخْبَرَنَا يَحْيَى بْنُ حَسَّانَ حَدَّثَنَا مَالِكُ بْنُ أَنَسٍ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عُمَارَةَ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ التَّيْمِيِّ عَنْ أُمِّ وَلَدٍ لِإِبْرَاهِيمَ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عَوْفٍ أَنَّهَا سَأَلَتْ أُمَّ سَلَمَةَ فَقَالَتْ إِنِّي امْرَأَةٌ أُطِيلُ ذَيْلِي فَأَمْشِي فِي الْمَكَانِ الْقَذِرِ فَقَالَتْ أُمُّ سَلَمَةَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يُطَهِّرُهُ مَا بَعْدَهُ قِيلَ لِأَبِي مُحَمَّدٍ تَأْخُذُ بِهَذَا قَالَ لَا أَدْرِي

في إسناده جهالة ولكنه صحيح بشواهده

أخبرنا يحيى بن حسان حدثنا مالك بن أنس عن محمد بن عمارة عن محمد بن إبراهيم التيمي عن أم ولد لإبراهيم بن عبد الرحمن بن عوف أنها سألت أم سلمة فقالت إني امرأة أطيل ذيلي فأمشي في المكان القذر فقالت أم سلمة قال رسول الله صلى الله عليه وسلم يطهره ما بعده قيل لأبي محمد تأخذ بهذا قال لا أدري في إسناده جهالة ولكنه صحيح بشواهده

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১. পবিত্রতা অধ্যায় (كتاب الطهارة)

 ৭৬৬

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৬৫. তায়াম্মুম করা

৭৬৬. ’ইমরান ইবনু হুসাইন রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমরা এক সফরে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সাথে ছিলাম। এরপর (পথিমধ্যে) তিনি অবতরণ করলেন এবং ওযুর পানি চাইলেন অতঃপর ওযু করলেন। অতঃপর সালাতের জন্য আহবান করা হলে তিনি লোকদেরকে নিয়ে সালাত আদায় করলেন। এরপর যখন তিনি সালাত (শেষ করে পিছনে) ঘুরলেন, তখন দেখলেন এক ব্যক্তি লোকদের সাথে সালাত আদায় না করে বিচ্ছিন্ন হয়ে একাকী দাঁড়িয়ে আছে। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাকে বললেন: “হে অমুক! কিসে তোমাকে লোকদের সাথে সালাত আদায়ে বাধা দিল? তখন সে বললো, ইয়া রাসূলুল্লাহ! আমার উপর জানাবাতের কারণে গোসল ফরয হয়েছে, কিন্তু পানি নেই। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাকে বললেন: “মাটি ব্যবহার করো (তায়াম্মুম করো)। আর এটাই তোমার জন্য যথেষ্ট।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: সহীহ বুখারী ৩৪৪; সহীহ মুসলিম ৬৮২; আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ করেছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ১৩০১, ১৩০২, ১৪৬১; এটি আরও বর্ণনা করেছেন: ইবনুল জারুদ, আল মুনতাকা নং ১২২; বাইহাকী, দালাইলুন নবুওয়াত ৪/২৭৭-২৭৮।

بَابُ التَّيمُّمِ

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْعَلَاءِ حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَةَ حَدَّثَنَا عَوْفٌ حَدَّثَنِي أَبُو رَجَاءٍ الْعُطَارِدِيُّ عَنْ عِمْرَانَ بْنِ حُصَيْنٍ قَالَ كُنَّا مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي سَفَرٍ ثُمَّ نَزَلَ فَدَعَا بِوَضُوءٍ فَتَوَضَّأَ ثُمَّ نُودِيَ بِالصَّلَاةِ فَصَلَّى بِالنَّاسِ فَلَمَّا انْفَتَلَ مِنْ صَلَاتِهِ إِذَا هُوَ بِرَجُلٍ مُعْتَزِلٍ لَمْ يُصَلِّ فِي الْقَوْمِ فَقَالَ لَهُ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَا مَنَعَكَ يَا فُلَانُ أَنْ تُصَلِّيَ فِي الْقَوْمِ فَقَالَ يَا رَسُولَ اللَّهِ أَصَابَتْنِي جَنَابَةٌ وَلَا مَاءَ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَلَيْكَ بِالصَّعِيدِ فَإِنَّهُ يَكْفِيكَ

إسناده صحيح

أخبرنا محمد بن العلاء حدثنا أبو أسامة حدثنا عوف حدثني أبو رجاء العطاردي عن عمران بن حصين قال كنا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم في سفر ثم نزل فدعا بوضوء فتوضأ ثم نودي بالصلاة فصلى بالناس فلما انفتل من صلاته إذا هو برجل معتزل لم يصل في القوم فقال له رسول الله صلى الله عليه وسلم ما منعك يا فلان أن تصلي في القوم فقال يا رسول الله أصابتني جنابة ولا ماء فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم عليك بالصعيد فإنه يكفيك إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ ইমরান ইবনু হুসায়ন (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১. পবিত্রতা অধ্যায় (كتاب الطهارة)

 ৭৬৭

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৬৫. তায়াম্মুম করা

৭৬৭. আবু সাঈদ আল খুদরী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, দু’ব্যক্তি কোনো এক সফরে বের হলো। এরপর সালাতের সময় উপস্থিত হলো, কিন্তু তাদের সাথে কোনো পানি ছিল না। তখন তারা উভয়ে পবিত্র মাটি দ্বারা তায়াম্মুম করলো এবং সালাত আদায় করলো। এরপর সালাতের ওয়াক্ত পার হওয়ার পর তারা পানি পেলো। ফলে তাদের মধ্যেকার একজন ওযু করে পুনরায় সালাত আদায় করলো, কিন্তু অপর জন তা পুনরায় আদায় করলো না। তারপর তারা উভয়ে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নিকট এসে এ ঘটনা উল্লেখ করলো। তখন যে লোকটি সালাত পুনরায় আদায় করেনি, তাকে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন: “তুমি সুন্নাতকে গ্রহণ করেছো এবং তোমার এ সালাত তোমার জন্য যথেষ্ট হয়েছে।” আর যে ওযু করে পুনরায় সালাত আদায় করেছিলো, তিনি তাকে বললেন: “তোমার জন্য রয়েছে দ্বিগুণ সাওয়াব।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ হাসান, আব্দুল্লাহ ইবনু নাফি’ এর কারণে।

তাখরীজ: আবুদাউদ ৩৩৮; নাসাঈ ৪৩৩; দারুকুতনী ১/১৮৯; বাইহাকী ১/২৩১; এটি ইবনু লাহিয়া ও লাইছের কাতিব আব্দুল্লাহ ইবনু সালিহ -এ দু’জনের সূত্রে মুরসাল হিসেবে বর্ণিত হয়েছে। আর এ দু’জনই যয়ীফ।

আর শাহিদ আয়িশা রা: বর্ণিত হাদীস যা এর মানকে সমুন্নত করে, তা সামনে ৭৭৩ নং এ আসছে।

بَابُ التَّيمُّمِ

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ إِسْحَقَ حَدَّثَنِي عَبْدُ اللَّهِ بْنُ نَافِعٍ عَنْ اللَّيْثِ بْنِ سَعْدٍ عَنْ بَكْرِ بْنِ سَوَادَةَ عَنْ عَطَاءِ بْنِ يَسَارٍ عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ قَالَ خَرَجَ رَجُلَانِ فِي سَفَرٍ فَحَضَرَتْهُمَا الصَّلَاةُ وَلَيْسَ مَعَهُمَا مَاءٌ فَتَيَمَّمَا صَعِيدًا طَيِّبًا فَصَلَّيَا ثُمَّ وَجَدَا الْمَاءَ بَعْدُ فِي الْوَقْتِ فَأَعَادَ أَحَدُهُمَا الصَّلَاةَ بِوُضُوءٍ وَلَمْ يُعِدْ الْآخَرُ ثُمَّ أَتَيَا رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَذَكَرَا ذَلِكَ فَقَالَ لِلَّذِي لَمْ يُعِدْ أَصَبْتَ السُّنَّةَ وَأَجْزَتْكَ صَلَاتُكَ وَقَالَ لِلَّذِي تَوَضَّأَ وَأَعَادَ لَكَ الْأَجْرُ مَرَّتَيْنِ

إسناده حسن

حدثنا محمد بن إسحق حدثني عبد الله بن نافع عن الليث بن سعد عن بكر بن سوادة عن عطاء بن يسار عن أبي سعيد الخدري قال خرج رجلان في سفر فحضرتهما الصلاة وليس معهما ماء فتيمما صعيدا طيبا فصليا ثم وجدا الماء بعد في الوقت فأعاد أحدهما الصلاة بوضوء ولم يعد الآخر ثم أتيا رسول الله صلى الله عليه وسلم فذكرا ذلك فقال للذي لم يعد أصبت السنة وأجزتك صلاتك وقال للذي توضأ وأعاد لك الأجر مرتين إسناده حسن

 হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)  বর্ণনাকারীঃ আবূ সা’ঈদ খুদরী (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১. পবিত্রতা অধ্যায় (كتاب الطهارة)

 ৭৬৮

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৬৬. তায়াম্মুম এক বার করে (মাসেহ করা)

৭৬৮. আম্মার ইবনু ইয়াসার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তায়াম্মুমের ব্যাপারে বলতেন: “মুখমণ্ডল ও হাত (মাসেহ)-এর জন্য মাটিতে (হাত) মারা একবার।”[1] আব্দুল্লাহ বলেন: এর সনদ সহীহ।

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ। হাদীসটি সহীহ বুখারী ও সহীহ মুসলিমের।

তাখরীজ: (সহীহ বুখারী ৩৪৭; সহীহ মুসলিম ৩৬৮) আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ করেছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ১৩০৩, ১৮৬৭ ও মুসনাদুল হুমাইদী নং ১৪৪।

এটি আরও বর্ণনা করেছেন: ইবনুল জারুদ নং ১২৬; দারুকুতনী ১/১৮২-১৮৩। আরও দেখুন মুয়ায রা: এর হাদীস যা ইমাম বুখারী ও মুসলিম তাদের সহীহ গ্রন্থে বর্ণনা করেছেন। যার তাখরীজ আমরা দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ১২৬৭ তে।

بَابُ التَّيمُّمِ مرَّةً

حَدَّثَنَا عَفَّانُ حَدَّثَنَا أَبَانُ بْنُ يَزِيدَ الْعَطَّارُ حَدَّثَنَا قَتَادَةُ عَنْ عَزْرَةَ عَنْ سَعِيدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبْزَى عَنْ أَبِيهِ عَنْ عَمَّارِ بْنِ يَاسِرٍ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَ يَقُولُ فِي التَّيَمُّمِ ضَرْبَةٌ لِلْوَجْهِ وَالْكَفَّيْنِ قَالَ عَبْد اللَّهِ صَحَّ إِسْنَادُهُ

إسناده صحيح

حدثنا عفان حدثنا أبان بن يزيد العطار حدثنا قتادة عن عزرة عن سعيد بن عبد الرحمن بن أبزى عن أبيه عن عمار بن ياسر أن النبي صلى الله عليه وسلم كان يقول في التيمم ضربة للوجه والكفين قال عبد الله صح إسناده إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আম্মার ইবনু ইয়াসির (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১. পবিত্রতা অধ্যায় (كتاب الطهارة)

 ৭৬৯

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৬৬. তায়াম্মুম এক বার করে (মাসেহ করা)

৭৬৯. আয়িশাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা হতে বর্ণিত, তিনি আসমা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা’র নিকট হতে একটি গলার হার ধার করেছিলেন। (পাথিমধ্যে) সেটি হারিয়ে গেলো। ফলে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কয়েকজন সাহাবীকে সেটির খোঁজে পাঠালেন। যখন সালাতের সময় হলো, তখন তারা ওযু ছাড়াই সালাত আদায় করলেন। যখন তারা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নিকট ফিরে এলেন, তখন তারা এ ব্যাপারে তাঁর নিকট অভিযোগ পেশ করলেন। তখন তায়াম্মুমের আয়াত নাযিল হলো। তখন উসাইদ ইবনু হুযাইর (আয়েশা রা: কে লক্ষ্য করে) বললেন: ’আল্লাহ আপনাকে উত্তম বিনিময় দান করুন।’ কেননা, আল্লাহর কসম! আপনি যখনি কোনো (অপছন্দনীয়) অবস্থায় পড়েছেন, তখনই আল্লাহ আপনাকে তা থেকে মুক্তির পথ বের করে দিয়েছেন এবং সেই বিষয়টিতে মুসলিমগণের জন্য বরকত রেখেছেন।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: সহীহ বুখারী ৩৩৪-৩৩৬; সহীহ মুসলিম ৩৬৭; আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ করেছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ১৩০০, ১৭০৯।

بَابُ التَّيمُّمِ مرَّةً

أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ سَعِيدٍ حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَةَ عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ عَنْ أَبِيهِ عَنْ عَائِشَةَ أَنَّهَا اسْتَعَارَتْ قِلَادَةً مِنْ أَسْمَاءَ فَهَلَكَتْ فَأَرْسَلَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ نَاسًا مِنْ أَصْحَابِهِ فِي طَلَبِهَا فَأَدْرَكَتْهُمْ الصَّلَاةُ فَصَلَّوْا مِنْ غَيْرِ وُضُوءٍ فَلَمَّا أَتَوْا النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ شَكَوْا ذَلِكَ إِلَيْهِ فَنَزَلَتْ آيَةُ التَّيَمُّمِ فَقَالَ أُسَيْدُ بْنُ حُضَيْرٍ جَزَاكِ اللَّهُ خَيْرًا فَوَاللَّهِ مَا نَزَلَ بِكِ أَمْرٌ قَطُّ إِلَّا جَعَلَ اللَّهُ لَكِ مِنْهُ مَخْرَجًا وَجَعَلَ لِلْمُسْلِمِينَ فِيهِ بَرَكَةً

إسناده صحيح

أخبرنا عبد الله بن سعيد حدثنا أبو أسامة عن هشام بن عروة عن أبيه عن عائشة أنها استعارت قلادة من أسماء فهلكت فأرسل رسول الله صلى الله عليه وسلم ناسا من أصحابه في طلبها فأدركتهم الصلاة فصلوا من غير وضوء فلما أتوا النبي صلى الله عليه وسلم شكوا ذلك إليه فنزلت آية التيمم فقال أسيد بن حضير جزاك الله خيرا فوالله ما نزل بك أمر قط إلا جعل الله لك منه مخرجا وجعل للمسلمين فيه بركة إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আয়িশা বিনত আবূ বাকর সিদ্দীক (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১. পবিত্রতা অধ্যায় (كتاب الطهارة)

 ৭৭০

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৬৭. জানাবাত (বড় অপবিত্রতা) হতে গোসল করা

৭৭০. ইবনু আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা মাইমুনাহ রাদ্বিয়াল্লাহ আনহা হতে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, আমি একবার নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের (জানাবাতের গোসলের) জন্য পানি রাখলাম। (প্রথমে) তিনি তাঁর হাত দু’টিতে পানি ঢাললেন। এরপর (বাম) হাত দিয়ে তাঁর লজ্জাস্থান ধুয়ে ফেললেন। এরপর তিনি (হাতে) পানি ঢাললেন এবং মাটিতে কিংবা দেয়ালে (রাবী সুলাইমানের সন্দেহ) (বাম) হাত ঘষে নিলেন। অতঃপর কুলি করলেন ও নাকে পানি দিলেন। এরপর তাঁর মুখমণ্ডল ও উভয় হাত ধুলেন। এবং এরপর তিনি মাথা ও সারা শরীরে পানি ঢাললেন। যখন তিনি গোসল শেষ করলেন, তখন একটু সরে গিয়ে দু’পা ধুলেন। এরপর আমি তাকে একটি রুমাল দিলাম, তিনি তা নিতে অস্বীকার করলেন এবং হাত দিয়ে পানি ঝাড়তে লাগলেন। তিনি (আরও) বলেন: তিনি যতক্ষণ গোসল করতেন, ততক্ষণ আমি তাঁকে পর্দা করে রাখতাম। (বর্ণনাকারী) সুলাইমান বলেন: (অপর বর্ণনাকারী) সালিম উল্লেখ করেছেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের এ গোসল ছিল জানাবাতের গোসল।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: সহীহ বুখারী ২৪৯; সহীহ মুসলিম ৩১৭;

আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ করেছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ৭১০১ ও সহীহ ইবনু হিব্বান নং ১১৯০ এ।

بَابٌ فِي الْغُسْلِ مِنَ الْجَنَابَةِ

أَخْبَرَنَا أَبُو الْوَلِيدِ حَدَّثَنَا زَائِدَةُ عَنْ سُلَيْمَانَ عَنْ سَالِمِ بْنِ أَبِي الْجَعْدِ عَنْ كُرَيْبٍ عَنْ ابْنِ عَبَّاسٍ عَنْ مَيْمُونَةَ قَالَتْ وَضَعْتُ لِلنَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَاءً فَأَفْرَغَ عَلَى يَدَيْهِ فَجَعَلَ يَغْسِلُ بِهَا فَرْجَهُ فَلَمَّا فَرَغَ مَسَحَهَا بِالْأَرْضِ أَوْ بِحَائِطٍ شَكَّ سُلَيْمَانُ ثُمَّ تَمَضْمَضَ وَاسْتَنْشَقَ فَغَسَلَ وَجْهَهُ وَذِرَاعَيْهِ وَصَبَّ عَلَى رَأْسِهِ وَجَسَدِهِ فَلَمَّا فَرَغَ تَنَحَّى فَغَسَلَ رِجْلَيْهِ فَأَعْطَيْتُهُ مِلْحَفَةً فَأَبَى وَجَعَلَ يَنْفُضُ بِيَدِهِ قَالَتْ فَسَتَرْتُهُ حَتَّى اغْتَسَلَ قَالَ سُلَيْمَانُ فَذَكَرَ سَالِمٌ أَنَّ غُسْلَ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ هَذَا كَانَ مِنْ جَنَابَةٍ

أخبرنا أبو الوليد حدثنا زائدة عن سليمان عن سالم بن أبي الجعد عن كريب عن ابن عباس عن ميمونة قالت وضعت للنبي صلى الله عليه وسلم ماء فأفرغ على يديه فجعل يغسل بها فرجه فلما فرغ مسحها بالأرض أو بحائط شك سليمان ثم تمضمض واستنشق فغسل وجهه وذراعيه وصب على رأسه وجسده فلما فرغ تنحى فغسل رجليه فأعطيته ملحفة فأبى وجعل ينفض بيده قالت فسترته حتى اغتسل قال سليمان فذكر سالم أن غسل النبي صلى الله عليه وسلم هذا كان من جنابة

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আবদুল্লাহ ইবনু আব্বাস (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১. পবিত্রতা অধ্যায় (كتاب الطهارة)

 ৭৭১

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৬৭. জানাবাত (বড় অপবিত্রতা) হতে গোসল করা

৭৭১. আয়িশাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম (জানাবাতের গোসলের) শুরুতে দু’হাত ধুতেন। এরপর সালাতের ওযুর ন্যায় ওযু করতেন। তারপর পানিতে হাত ঢুকিয়ে দিয়ে হাত দিয়ে তাঁর চুলের গোড়া খিলাল করতেন যতক্ষণ না তাঁর মনে হতো যে (চুলের গোড়ার) মাথার চামড়া ভিজে গেছে। হাত দিয়ে অঞ্জলী ভরে মাথায় তিন অঞ্জলী পানি ঢালতেন। তারপর মাথায় পানি ঢালতেন এবং (এরপর সারা শরীর) ধৌত করতেন।[1] আবু মুহাম্মদ বলেন: সালিম ইবনু আবীল জা’দের হাদীসের চেয়ে এটাই আমার নিকট অধিক পছন্দনীয়।

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: সহীহ বুখারী ২৪৮; সহীহ মুসলিম ৩১৬; আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ করেছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ৪৪৮২ ও সহীহ ইবনু হিব্বান নং ১১৯১, ১১৯৬, ১১৯৭; ও মুসনাদুল হুমাইদী নং ১৬৩।

بَابٌ فِي الْغُسْلِ مِنَ الْجَنَابَةِ

أَخْبَرَنَا جَعْفَرُ بْنُ عَوْنٍ حَدَّثَنَا هِشَامُ بْنُ عُرْوَةَ عَنْ أَبِيهِ عَنْ عَائِشَةَ قَالَتْ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَبْدَأُ فَيَغْسِلُ يَدَيْهِ ثُمَّ يَتَوَضَّأُ وُضُوءَهُ لِلصَّلَاةِ ثُمَّ يُدْخِلُ كَفَّهُ فِي الْمَاءِ فَيُخَلِّلُ بِهَا أُصُولَ شَعْرِهِ حَتَّى إِذَا خُيِّلَ إِلَيْهِ أَنَّهُ قَدْ اسْتَبْرَأَ الْبَشَرَةَ غَرَفَ بِيَدِهِ ثَلَاثَ غَرَفَاتٍ فَصَبَّهَا عَلَى رَأْسِهِ ثُمَّ اغْتَسَلَ قَالَ أَبُو مُحَمَّد هَذَا أَحَبُّ إِلَيَّ مِنْ حَدِيثِ سَالِمِ بْنِ أَبِي الْجَعْدِ

إسناده صحيح

أخبرنا جعفر بن عون حدثنا هشام بن عروة عن أبيه عن عائشة قالت كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يبدأ فيغسل يديه ثم يتوضأ وضوءه للصلاة ثم يدخل كفه في الماء فيخلل بها أصول شعره حتى إذا خيل إليه أنه قد استبرأ البشرة غرف بيده ثلاث غرفات فصبها على رأسه ثم اغتسل قال أبو محمد هذا أحب إلي من حديث سالم بن أبي الجعد إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আয়িশা বিনত আবূ বাকর সিদ্দীক (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১. পবিত্রতা অধ্যায় (كتاب الطهارة)

 ৭৭২

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৬৮. কোনো লোক ও তার স্ত্রী উভয়ের একই পাত্র হতে গোসল করা

৭৭২. আয়িশা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা হতে বর্ণিত, তিনি বলেন: আমি ও রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু্ আলাইহি ওয়া সাল্লাম একই পাত্র হতে (পানি নিয়ে) জানাবাতের গোসল করেছি।’[1]

[1] তাহক্বীক্ব: মুহাম্মাদ ইবনু কাছীর যয়ীফ; অন্যান্য বর্ণনাকারীগণ নির্ভরযোগ্য। তবে হাদীসটি সহীহ।

তাখরীজ: সহীহ বুখারী ২৫০; সহীহ মুসলিম ৩১৯; আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ করেছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ৪৪১২ ও সহীহ ইবনু হিব্বান নং ১১০৮, ১১৯৩-১১৯৫; ও মুসনাদুল হুমাইদী নং ১৫৯।

بَابُ الرَّجُلِ وَالْمَرْأَةِ يَغْتَسِلَانِ مِنْ إِنَاءٍ وَاحِدٍ

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ كَثِيرٍ عَنْ الْأَوْزَاعِيِّ عَنْ الزُّهْرِيِّ عَنْ عُرْوَةَ عَنْ عَائِشَةَ قَالَتْ كُنْتُ أَغْتَسِلُ أَنَا وَرَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مِنْ إِنَاءٍ وَاحِدٍ مِنْ الْجَنَابَةِ

الحديث صحيح

أخبرنا محمد بن كثير عن الأوزاعي عن الزهري عن عروة عن عائشة قالت كنت أغتسل أنا ورسول الله صلى الله عليه وسلم من إناء واحد من الجنابة الحديث صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আয়িশা বিনত আবূ বাকর সিদ্দীক (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১. পবিত্রতা অধ্যায় (كتاب الطهارة)

 ৭৭৩

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৬৮. কোনো লোক ও তার স্ত্রী উভয়ের একই পাত্র হতে গোসল করা

৭৭৩. (অপর সনদে) আয়িশা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা হতে বর্ণিত, তিনি বলেন: আমি ও রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু্ আলাইহি ওয়া সাল্লাম একই পাত্র হতে (পানি নিয়ে) গোসল করেছি। আর সেই পাত্রটি ছিল ’ফারাক’[1]।’[2]

[1] ফারাক’ : পিতল, তামা কিংবা কাঁসার পাত্র যার ধারণক্ষমতা ষোল রতল, বা তিন সা’, যা ১০ কিলোগ্রাম এর সমান।…

[2] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।।

তাখরীজ: এটি পূর্বের হাদীসের পুনরুক্তি।

بَابُ الرَّجُلِ وَالْمَرْأَةِ يَغْتَسِلَانِ مِنْ إِنَاءٍ وَاحِدٍ

أَخْبَرَنَا جَعْفَرُ بْنُ عَوْنٍ أَخْبَرَنَا جَعْفَرُ بْنُ بُرْقَانَ عَنْ الزُّهْرِيِّ عَنْ عُرْوَةَ عَنْ عَائِشَةَ قَالَتْ كُنْتُ أَغْتَسِلُ أَنَا وَرَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مِنْ إِنَاءٍ وَاحِدٍ وَهُوَ الْفَرَقُ

إسناده صحيح

أخبرنا جعفر بن عون أخبرنا جعفر بن برقان عن الزهري عن عروة عن عائشة قالت كنت أغتسل أنا ورسول الله صلى الله عليه وسلم من إناء واحد وهو الفرق إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আয়িশা বিনত আবূ বাকর সিদ্দীক (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১. পবিত্রতা অধ্যায় (كتاب الطهارة)

 ৭৭৪

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৬৯. যে ব্যক্তি জানাবাতের গোসলে চুল পরিমাণ স্থানও (শুকনো অবস্থায়) ছেড়ে দেয়

৭৭৪. আলী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “যে ব্যক্তি জানাবাতের গোসলে চুল পরিমাণ স্থানও (শুকনো অবস্থায়) ছেড়ে দেয়, যেখানে পানি পৌঁছায়নি, তাকে জাহান্নামে এই এই শাস্তি দেয়া হবে”। আলী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, আর এই জন্যই আমি আমার মাথার সাথে শত্রুতা করি। আর তিনি তাঁর চুলকে কেটে ফেলেন।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: (মুহাক্বিক্ব এ হাদীসের সরাসরি কোনো হুকুম লাগাননি। বরং প্রায় দু’পৃষ্ঠা ব্যাপী এ হাদীসের রাবীদের সম্পর্কে বিভিন্ন মুহাদ্দিসের সমালোচনা ও মন্তব্য এবং একে যয়ীফ বলার কারণসমূহ উল্লেখ করে সেগুলো খণ্ডনের চেষ্টা করেছেন। এবং উপসংহারে একে সহীহ বলে মন্তব্য করেছেন। তবে শাইখ শুয়াইব আরনাউত্ব এবং আলবানী (আবু দাউদ ২৪৯) এটাকে যয়ীফ বলেছেন এবং আহমাদ শাকির (তাহক্বীক্ব, মুসনাদে আহমাদ ১/৯৪ নং ৭২৭) এটাকে সহীহ বলেছেন- অনুবাদক।)

তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ১/১০০; ইবনু মাজাহ ৫৯৯; তায়ালিসী ১/৬১ নং ২৩১; আবু নুয়াইম, হিলইয়াতুল আউলিয়া ৪/২০০; আহমাদ ১/৯৪, ১০৪; আব্দুল্লাহ ইবনু আহমাদ, যাওয়াইদ আল মুসনাদ ১/১৩৩; আবু দাউদ ২৪৯; বাইহাকী ১/১৭৫, ২২৭; তাবারী, তাহযীবুল আছার, মুসনাদে আলী পৃ: ২৭৬ নং ৪১, ৪২; বাযযার, আল বাহরুয ‍যুখ্খার নং ৮১৩।

بَابُ مَنْ تَرَكَ مَوْضِعَ شَعْرَةٍ مِنْ جَنَابَةٍ

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْفَضْلِ حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ عَنْ عَطَاءِ بْنِ السَّائِبِ عَنْ زَاذَانَ عَنْ عَلِيٍّ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ مَنْ تَرَكَ مَوْضِعَ شَعْرَةٍ مِنْ جَنَابَةٍ لَمْ يُصِبْهَا الْمَاءُ فُعِلَ بِهَا كَذَا وَكَذَا مِنْ النَّارِ قَالَ عَلِيٌّ فَمِنْ ثَمَّ عَادَيْتُ رَأْسِي وَكَانَ يَجُزُّ شَعْرَهُ

لم يحكم عليه المحقق

أخبرنا محمد بن الفضل حدثنا حماد بن سلمة عن عطاء بن السائب عن زاذان عن علي أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال من ترك موضع شعرة من جنابة لم يصبها الماء فعل بها كذا وكذا من النار قال علي فمن ثم عاديت رأسي وكان يجز شعره لم يحكم عليه المحقق

 হাদিসের মানঃ তাহকীক অপেক্ষমাণ  বর্ণনাকারীঃ আলী ইবনু আবী তালিব (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১. পবিত্রতা অধ্যায় (كتاب الطهارة)

 ৭৭৫

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৭০. আহত ব্যক্তি জুনুবী বা নাপাক হলে

৭৭৫. আতা ইবনু আবী রাবাহ বলেন, আমি ইবনু আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমাকে বর্ণনা করতে শুনেছি যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সময়ে এক ব্যক্তি আহত হয়। এরপর (রাতে) তার স্বপ্নদোষ হয়। আর লোকেরা তাকে গোসল করার জন্য নির্দেশ দেয়। ফলে সে মৃত্যু বরণ করে। তখন এ খবর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নিকট পৌঁছলে তিনি বলেন: “তারা তাকে হত্যা করেছে। আল্লাহ তাদেরকে ধ্বংস করুন! প্রশ্ন করাই (তাদের) অজ্ঞতার প্রতিকার নয় কি?”[1]আতা বলেন: আমার কাছে এ সংবাদ পৌঁছেছে যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে পরবর্তীতে এ বিষয়ে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেছিলেন: “সে যদি তার আঘাতপ্রাপ্ত স্থান মাথা বাদ দিয়ে শরীর ধুয়ে ফেলতো, (তবে তা-ই যথেষ্ট হতো)।”[2]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ মুনকাতি’ বা বিচ্ছিন্ন। তবে হাদীসটি সহীহ।

তাখরীজ: আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ করেছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ২৪২০ ও সহীহ ইবনু হিব্বান নং ১৩১৪; ও মাওয়ারিদুয যাম’আন নং ২০১। ((হাকিম ১/১৬৫, ১৭৮, হাকিম ও যাহাবী একে সহীহ বলেছেন; ইবনু মাজাহ ৫৭২; বাইহাকী ১/২২৬-২২৭; সহীহ ইবনু খুযাইমাহ নং ২৭৩; সহীহ ইবনু হিব্বান নং ১৩০৪; আব্দুর রাযযাক, আল মুছান্নাফ ৮৬৭; আহমাদ ১/৩৩০; আবু দাউদ ৩৩৭।

আর এর শাহিদ হাদীস জাবির রা: থেকে বর্ণনা করেছেন আবু দাউদ ৩৩৫, ৩৩৬; বাইহাকী ১/২২৭ )

[2] তাহক্বীক্ব: এর সনদও মুনকাতি’। এটি আতা’ হতে মুরসাল বর্ণনাসমূহের একটি।

তাখরীজ: দারুকুতনী ১/১৯১; খতীব, ফাকীহ ওয়াল মুতাফাককিহ ২/৬৮।

بَابُ الْمَجْرُوحِ تُصِيبُهُ الْجَنَابَةُ

أَخْبَرَنَا أَبُو الْمُغِيرَةِ حَدَّثَنَا الْأَوْزَاعِيُّ قَالَ بَلَغَنِي أَنَّ عَطَاءَ بْنَ أَبِي رَبَاحٍ قَالَ إِنَّهُ سَمِعَ ابْنَ عَبَّاسٍ يُخْبِرُ أَنَّ رَجُلًا أَصَابَهُ جُرْحٌ فِي عَهْدِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ ثُمَّ أَصَابَهُ احْتِلَامٌ فَأُمِرَ بِالِاغْتِسَالِ فَمَاتَ فَبَلَغَ ذَلِكَ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ قَتَلُوهُ قَتَلَهُمْ اللَّهُ أَلَمْ يَكُنْ شِفَاءَ الْعِيِّ السُّؤَالُ وَقَالَ عَطَاءٌ بَلَغَنِي أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ سُئِلَ بَعْدَ ذَلِكَ فَقَالَ لَوْ غَسَلَ جَسَدَهُ وَتَرَكَ رَأْسَهُ حَيْثُ أَصَابَهُ الْجُرْحُ

إسناده منقطع ولكن الحديث صحيح

أخبرنا أبو المغيرة حدثنا الأوزاعي قال بلغني أن عطاء بن أبي رباح قال إنه سمع ابن عباس يخبر أن رجلا أصابه جرح في عهد النبي صلى الله عليه وسلم ثم أصابه احتلام فأمر بالاغتسال فمات فبلغ ذلك النبي صلى الله عليه وسلم فقال قتلوه قتلهم الله ألم يكن شفاء العي السؤال وقال عطاء بلغني أن النبي صلى الله عليه وسلم سئل بعد ذلك فقال لو غسل جسده وترك رأسه حيث أصابه الجرح إسناده منقطع ولكن الحديث صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আতা ইবনু আবী রাবাহ (রহঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১. পবিত্রতা অধ্যায় (كتاب الطهارة)

 ৭৭৬

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৭১. যিনি একাধিক স্ত্রীর নিকট গমণ করে একবার গোসল করেন

৭৭৬. আনাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম একই রাতে পর্যায়ক্রমে স্ত্রীগণের নিকট গমণ করতেন।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ। হাদীসটি বুখারী মুসলিমের হাদীস।

তাখরীজ: তাহাবী, শারহু মা’আনিল আছার ১/১২৯; আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ করেছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ২৯৪২, ৩১৭৫, ৩১৭৬, ৩২০৩, ৩৭১৮, ৩৭১৯, ৩৮৮৬ ও সহীহ ইবনু হিব্বান নং ১২০৬-১২০৯; এবং পরের টীকাটি দেখুন। (সহীহ বুখারী ২৬৮; সহীহ মুসলিম ৩০৯; আহমাদ ৩/১৮৫; তিরমিযী ১৪০; আবু দাউদ ২১৮; নাসাঈ ১/১৪৩, ১৪৪ ও ৬/৫৩, ৫৪; ইবনু মাজাহ ৫৮৮; বাইহাকী ১/২০৪; সহীহ ইবনু খুযাইমা ২৩১; সহীহ ইবনু হিব্বান , ১১৯৫. ১১৯৬; আব্দুর রাযযাক, আল মুছান্নাফ ১০৬১; বাগাবী, শারহুস ‍সুন্নাহ নং ২৬৯, ২৭০; আবুশ শাইখ, আখলাকুন নাবী সা:, পৃ: ২৩১; আবু আওয়ানাহ ১/২৮০; আবু নুয়াইম, হিলইয়া ৭/২৩২; তাবারানী, আস সগীর ১/২৪৬; অনেকগুলো সূত্রে। – মুহাক্বিক্বের তাহক্বীক্বকৃত মুসনাদুল মাউসিলী নং ২৯৪১, ২৯৪২ এর টীকা অনুসরণে।- অনুবাদক))

بَابٌ فِي الَّذِي يَطُوفُ عَلَى نِسَائِهِ فِي غُسْلٍ وَاحِدٍ

حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ حَرْبٍ حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ عَنْ ثَابِتٍ عَنْ أَنَسٍ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ طَافَ عَلَى نِسَائِهِ فِي يَوْمٍ وَاحِدٍ

إسناده صحيح

حدثنا سليمان بن حرب حدثنا حماد بن سلمة عن ثابت عن أنس أن رسول الله صلى الله عليه وسلم طاف على نسائه في يوم واحد إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আনাস ইবনু মালিক (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১. পবিত্রতা অধ্যায় (كتاب الطهارة)

 ৭৭৭

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৭১. যিনি একাধিক স্ত্রীর নিকট গমণ করে একবার গোসল করেন

৭৭৭. (অপর সূত্রে) আনাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম একই রাতে পর্যায়ক্রমে স্ত্রীগণের সাথে মিলিত হতেন।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: আহমাদ ৩/২৫২; আর পূর্ণ তাখরীজের জন্য আগের টীকাটি দেখুন।

بَابٌ فِي الَّذِي يَطُوفُ عَلَى نِسَائِهِ فِي غُسْلٍ وَاحِدٍ

حَدَّثَنَا عَفَّانُ حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ حَدَّثَنَا ثَابِتٌ عَنْ أَنَسٍ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ طَافَ عَلَى نِسَائِهِ فِي لَيْلَةٍ وَاحِدَةٍ جُمَعَ

إسناده صحيح

حدثنا عفان حدثنا حماد بن سلمة حدثنا ثابت عن أنس أن رسول الله صلى الله عليه وسلم طاف على نسائه في ليلة واحدة جمع إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আনাস ইবনু মালিক (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১. পবিত্রতা অধ্যায় (كتاب الطهارة)

 ৭৭৮

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৭২. যা দিয়ে পর্দা করা পছন্দনীয়

৭৭৮. আব্দুল্লাহ ইবনু জা’ফর রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম একদা আমাকে তাঁর বাহনে তাঁর পিছনে আরোহন করালেন। তারপর তিনি আমাকে একটি গোপন কথা বললেন যা আমি কোনো লোককে বলিনি। আর তাঁর হাজত পূরণের সময় যা দিয়ে আড়াল করতে তিনি পছন্দ করতেন, তার মধ্যে সবচেয়ে বেশি পছন্দনীয় ছিল টিলা (উচ্চভূমি) অথবা, ঘন খেজুর বাগান।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: আর এটি গত হয়েছে ৬৯০ নং এ গত হয়েছে (আমাদের গণনায় তা ৬৮৬ নং-অনুবাদক)। দেখুন নাইলুল আওতার ১/৯২।

بَابُ مَا يُسْتَحَبُّ أَنْ يُسْتَتَرَ بِهِ

أَخْبَرَنَا حَجَّاجُ بْنُ مِنْهَالٍ حَدَّثَنَا مَهْدِيُّ بْنُ مَيْمُونٍ حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي يَعْقُوبَ عَنْ الْحَسَنِ بْنِ سَعْدٍ مَوْلَى الْحَسَنِ بْنِ عَلِيٍّ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ جَعْفَرٍ قَالَ أَرْدَفَنِي رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ ذَاتَ يَوْمٍ خَلْفَهُ فَأَسَرَّ إِلَيَّ حَدِيثًا لَا أُحَدِّثُ بِهِ أَحَدًا مِنْ النَّاسِ وَكَانَ أَحَبَّ مَا اسْتَتَرَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لِحَاجَتِهِ هَدَفٌ أَوْ حَائِشُ نَخْلٍ

إسناده صحيح

أخبرنا حجاج بن منهال حدثنا مهدي بن ميمون حدثنا محمد بن عبد الله بن أبي يعقوب عن الحسن بن سعد مولى الحسن بن علي عن عبد الله بن جعفر قال أردفني رسول الله صلى الله عليه وسلم ذات يوم خلفه فأسر إلي حديثا لا أحدث به أحدا من الناس وكان أحب ما استتر النبي صلى الله عليه وسلم لحاجته هدف أو حائش نخل إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আবদুল্লাহ ইবনু জা‘ফার (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১. পবিত্রতা অধ্যায় (كتاب الطهارة)

 ৭৭৯

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৭৩. ‘জুনুবী’ (বীর্যপাতের কারণে অপবিত্র ব্যক্তি) যদি ঘুমাতে চায়

৭৭৯. ইবনু উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, (একদা) উমার রিদওয়ানুল্লাহু আলাইহি রাসূলূল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে প্রশ্ন করলেন। বললেন: ’রাতে যদি ’জুনুবী’ (অপবিত্র) হয়ে পড়ি (এমতাবস্থায় আমি গোসল না করে ঘুমাতে পারব কি)? তখন তিনি তাকে নির্দেশ দিলেন যে, সে যেন তার পুরুষাঙ্গ ধুয়ে নেয় এবং ওযু করে, এরপর ঘুমায়।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: সহীহ বুখারী, ২৮৭; সহীহ মুসলিম ৩০৬; আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ করেছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ১২১৭, ১২১৮ এ; এটি আরও বর্ণিত, হয়েছে: বাইহাকী, মা’রেফাতুস ‍সুনান নং ১৫১৬; দেখুন, ইবনু হাযম, আল মুহাল্লা ১/৮৬।

بَابُ الْجُنُبِ إِذَا أَرَادَ أَنْ يَنَامَ

أَخْبَرَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ مُوسَى عَنْ سُفْيَانَ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ دِينَارٍ عَنْ ابْنِ عُمَرَ قَالَ سَأَلَ عُمَرُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ تُصِيبُنِي الْجَنَابَةُ مِنْ اللَّيْلِ فَأَمَرَهُ أَنْ يَغْسِلَ ذَكَرَهُ وَيَتَوَضَّأَ ثُمَّ يَرْقُدَ

إسناده صحيح

أخبرنا عبيد الله بن موسى عن سفيان عن عبد الله بن دينار عن ابن عمر قال سأل عمر رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال تصيبني الجنابة من الليل فأمره أن يغسل ذكره ويتوضأ ثم يرقد إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১. পবিত্রতা অধ্যায় (كتاب الطهارة)

 ৭৮০

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৭৩. ‘জুনুবী’ (বীর্যপাতের কারণে অপবিত্র ব্যক্তি) যদি ঘুমাতে চায়

৭৮০. আব্দুর রহমান ইবনুল আসওয়াদ তার পিতা হতে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, আমি আয়িশা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহাকে জিজ্ঞাসা করলাম: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ’জুনুবী’ (অপবিত্র) অবস্থায় ঘুমাতে চাইলে কী করতেন? তিনি বললেন: তিনি সালাতের ওযুর ন্যায় ওযু করতেন এরপর ঘুমাতেন।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: মুহাম্মদ ইবনু ইসহাক মুদাল্লিস। আর তিনি এটি ‘আন ‘আন পদ্ধতিতে বর্ণনা করেছেন (ফলে এর সনদ যয়ীফ-অুনবাদক)। তবে হাদীসটি সহীহ।

তাখরীজ: সহীহ বুখারী ২৮৬; সহীহ মুসলিম ৩০৫; আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ করেছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ১২১৭, ১২১৮ এ; এটি আরও বর্ণিত, হয়েছে: বাইহাকী, মা’রেফাতুস ‍সুনান নং ১৫১৭, ১৫২০; ইবনু হাযম, আল মুহাল্লা ২/২২০, ২২১।

بَابُ الْجُنُبِ إِذَا أَرَادَ أَنْ يَنَامَ

أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ خَالِدٍ حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ إِسْحَقَ عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ الْأَسْوَدِ عَنْ أَبِيهِ قَالَ سَأَلْتُ عَائِشَةَ كَيْفَ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَصْنَعُ إِذَا أَرَادَ أَنْ يَنَامَ وَهُوَ جُنُبٌ فَقَالَتْ كَانَ يَتَوَضَّأُ وُضُوءَهُ لِلصَّلَاةِ ثُمَّ يَنَامُ

محمد بن إسحاق مدلس وقد عنعن ولكن الحديث صحيح

أخبرنا أحمد بن خالد حدثنا محمد بن إسحق عن عبد الرحمن بن الأسود عن أبيه قال سألت عائشة كيف كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يصنع إذا أراد أن ينام وهو جنب فقالت كان يتوضأ وضوءه للصلاة ثم ينام محمد بن إسحاق مدلس وقد عنعن ولكن الحديث صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আব্দুর রহমান ইবনুল আসওয়াদ (রহঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১. পবিত্রতা অধ্যায় (كتاب الطهارة)

 ৭৮১

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৭৪. পানি (বীর্যপাত)-এর ফলে পানি ব্যবহার (গোসল ফরয) হয়

৭৮১. আবু আইয়্যুব আল আনসারী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওযা সাল্লাম বলেছেন: “পানি (তথা গোসল করা) পানির (বীর্যপাতের) ফলেই ফরয হয়।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ ওটি নয়। কিন্তু হাদীসটি সহীহ।

তাখরীজ: আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ ও টীকা সংযোজন করেছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ১১৭৩; মাওয়ারিদুয যাম’আন নং ২২৮, ২২৯ এ; মাওয়ারিদে আমাদের সংযোজিত টীকা দেখুন। আর এ হাদীসটি মানসুখ (রহিত)। দেখুন পরবর্তী হাদীসগুলি এবং এরউপর আমাদের টীকাসমূহ।

بَابُ الْمَاءِ مِنَ الْمَاءِ

أَخْبَرَنَا يَحْيَى بْنُ مُوسَى حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ أَخْبَرَنَا ابْنُ جُرَيْجٍ أَخْبَرَنِي عَمْرُو بْنُ دِينَارٍ عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ السَّائِبِ عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ سُعَادٍ وَكَانَ مَرْضِيًّا مِنْ أَهْلِ الْمَدِينَةِ عَنْ أَبِي أَيُّوبَ الْأَنْصَارِيِّ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ الْمَاءُ مِنْ الْمَاءِ

إسناده ليس بذاك ولكن الحديث صحيح

أخبرنا يحيى بن موسى حدثنا عبد الرزاق أخبرنا ابن جريج أخبرني عمرو بن دينار عن عبد الرحمن بن السائب عن عبد الرحمن بن سعاد وكان مرضيا من أهل المدينة عن أبي أيوب الأنصاري أن النبي صلى الله عليه وسلم قال الماء من الماء إسناده ليس بذاك ولكن الحديث صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আবূ আইয়ুব আনসারী (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১. পবিত্রতা অধ্যায় (كتاب الطهارة)

 ৭৮২

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৭৪. পানি (বীর্যপাত)-এর ফলে পানি ব্যবহার (গোসল ফরয) হয়

৭৮২. সাহল ইবনু সা’দ আস সাঈদী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, যিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সাক্ষাৎ লাভ করেছেন এবং তাঁর নিকট থেকে হাদীস শ্রবণ করেছেন। আর যখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের ওফাত (ইন্তেকাল) হয়, তখন তার বয়স ছিল পনের বছর। তিনি বলেন, আমার নিকট উবাই ইবনু কা’ব রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন যে, তাঁর (রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের) এ বাণী: “পানি (তথা গোসল করা) পানির (বীর্যপাতের) ফলেই ফরয হয়।” এর দ্বারা তারা যে ফতোয়া দিতেন, তা ছিলো আসলে একটি বিশেষ ছাড়। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইসলামের প্রাথমিক যুগে এ ব্যাপারে অনুমতি দিয়েছিলেন। তারপর তিনি পরবর্তীকালে (বীর্যপাত না হলেও) গোসল করার নির্দেশ দিয়েছেন। আব্দুল্লাহ বলেন: অপর একজন বলেন: যুহরী বলেছেন: সাহল ইবনু সা’দ এমন এক ব্যক্তি আমার নিকট এটি বর্ণনা করেছেন যিনি তার প্রতি সন্তুষ্ট।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ যয়ীফ, কিন্তু হাদীসটি সহীহ।

তাখরীজ: মাওয়ারিদুয যাম’আন নং ২২৮, ২২৯ ও সহীহ ইবনু হিব্বান নং ১১৭৯ এ আমরা দীর্ঘ টীকা সংযোজন করেছি। আরও দেখুন পরবর্তী টীকাটি এবং ইবনু শাহীন, নাসিখ ওয়াল মানসূখ নং ১৭।

بَابُ الْمَاءِ مِنَ الْمَاءِ

أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ صَالِحٍ حَدَّثَنِي اللَّيْثُ حَدَّثَنِي عُقَيْلٌ عَنْ ابْنِ شِهَابٍ عَنْ سَهْلِ بْنِ سَعْدٍ السَّاعِدِيِّ وَكَانَ قَدْ أَدْرَكَ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَسَمِعَ مِنْهُ وَهُوَ ابْنُ خَمْسَ عَشْرَةَ سَنَةً حِينَ تُوُفِّيَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ حَدَّثَنِي أُبَيُّ بْنُ كَعْبٍ أَنَّ الْفُتْيَا الَّتِي كَانُوا يُفْتَوْنَ بِهَا فِي قَوْلِهِ الْمَاءُ مِنْ الْمَاءِ رُخْصَةٌ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ رَخَّصَ فِيهَا فِي أَوَّلِ الْإِسْلَامِ ثُمَّ أَمَرَ بِالِاغْتِسَالِ بَعْدُ قَالَ عَبْد اللَّهِ وَقَالَ غَيْرُهُ قَالَ الزُّهْرِيُّ حَدَّثَنِي بَعْضُ مَنْ أَرْضَى عَنْ سَهْلِ بْنِ سَعْدٍ

إسناده ضعيف ولكن الحديث صحيح

أخبرنا عبد الله بن صالح حدثني الليث حدثني عقيل عن ابن شهاب عن سهل بن سعد الساعدي وكان قد أدرك النبي صلى الله عليه وسلم وسمع منه وهو ابن خمس عشرة سنة حين توفي رسول الله صلى الله عليه وسلم حدثني أبي بن كعب أن الفتيا التي كانوا يفتون بها في قوله الماء من الماء رخصة كان رسول الله صلى الله عليه وسلم رخص فيها في أول الإسلام ثم أمر بالاغتسال بعد قال عبد الله وقال غيره قال الزهري حدثني بعض من أرضى عن سهل بن سعد إسناده ضعيف ولكن الحديث صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ সাহল বিন সা’দ (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১. পবিত্রতা অধ্যায় (كتاب الطهارة)

 ৭৮৩

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৭৪. পানি (বীর্যপাত)-এর ফলে পানি ব্যবহার (গোসল ফরয) হয়

৭৮৩. সাহল ইবনু সা’দ আস সাঈদী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমার নিকট উবাই ইবনু কা’ব রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন যে, “পানি (তথা গোসল করা) পানির (বীর্যপাতের) ফলেই ফরয হয়।” এ কথার দ্বারা তারা যে ফতোয়া দিতেন, তা ছিলো আসলে একটি বিশেষ ছাড় যা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইসলামের প্রথম দিকে কিংবা প্রাথমিক যুগে এ অনুমতি দিয়েছিলেন। তারপর তিনি পরবর্তীকালে (বীর্যপাত না হলেও) গোসল করতেন।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: আগের টীকাটি দেখুন। (আরও দেখুন, সহীহ মুসলিম ৩৫০-অনুবাদক।)

بَابُ الْمَاءِ مِنَ الْمَاءِ

أَخْبَرَنَا أَبُو جَعْفَرٍ مُحَمَّدُ بْنُ مِهْرَانَ الْجَمَّالُ حَدَّثَنَا مُبَشِّرٌ الْحَلَبِيُّ عَنْ مُحَمَّدٍ أَبِي غَسَّانَ عَنْ أَبِي حَازِمٍ عَنْ سَهْلِ بْنِ سَعْدٍ حَدَّثَنِي أُبَيٌّ أَنَّ الْفُتْيَا الَّتِي كَانُوا يُفْتَوْنَ بِهَا الْمَاءُ مِنْ الْمَاءِ كَانَتْ رُخْصَةً رَخَّصَهَا رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي أَوَّلِ الْإِسْلَامِ أَوْ الزَّمَانِ ثُمَّ اغْتَسَلَ بَعْدُ

إسناده صحيح

أخبرنا أبو جعفر محمد بن مهران الجمال حدثنا مبشر الحلبي عن محمد أبي غسان عن أبي حازم عن سهل بن سعد حدثني أبي أن الفتيا التي كانوا يفتون بها الماء من الماء كانت رخصة رخصها رسول الله صلى الله عليه وسلم في أول الإسلام أو الزمان ثم اغتسل بعد إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ সাহল বিন সা’দ (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১. পবিত্রতা অধ্যায় (كتاب الطهارة)

 ৭৮৪

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৭৫. একজনের লজ্জাস্থান অপরের লজ্জাস্থান স্পর্শ করার (ফলে গোসল ফরয হওয়া) সম্পর্কে

৭৮৪. আবু হুরাইরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “যখন সে (কোনো পূরুষ) তার (স্ত্রীর) চার শাখার (দু’হাত ও দু’পায়ের) মাঝখানে বসবে এবং তার সাথে (সঙ্গমে) চেষ্টারত হবে, তখন গোসল ফরয হবে।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: সহীহ বুখারী ২৯১; সহীহ মুসলিম ৩৪৮; আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ ও টীকা সংযোজন করেছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ১১৭৪, ১১৭৮, ১১৮২।

এটি আরও বর্ণনা করেছেন, হাইছাম ইবনু কুলাইব, আল মুসনাদ নং ১৪২১।

بَابٌ: فِي مَسِّ الْخِتَانِ الْخِتَانَ

أَخْبَرَنَا أَبُو نُعَيْمٍ حَدَّثَنَا هِشَامٌ عَنْ قَتَادَةَ عَنْ الْحَسَنِ عَنْ أَبِي رَافِعٍ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ إِذَا جَلَسَ بَيْنَ شُعَبِهَا الْأَرْبَعِ ثُمَّ جَهَدَهَا فَقَدْ وَجَبَ الْغُسْلُ

إسناده صحيح

أخبرنا أبو نعيم حدثنا هشام عن قتادة عن الحسن عن أبي رافع عن أبي هريرة عن النبي صلى الله عليه وسلم قال إذا جلس بين شعبها الأربع ثم جهدها فقد وجب الغسل إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরায়রা (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১. পবিত্রতা অধ্যায় (كتاب الطهارة)

 ৭৮৫

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৭৬. পুরুষ যা স্বপ্নে দেখে, যদি স্ত্রীলোক তা স্বপ্নে দেখে (পূরুষের মত স্ত্রীলোকের স্বপ্নদোষ হলে) এ সম্পর্কে

৭৮৫. আতা আল খুরাসানী হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি সাঈদ ইবনুল মুসাইয়্যিব রাহ. কে বলতে শুনেছি: আমার খালা খাওলাহ বিনতে হাকীম আল সুলামী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে ’ইহতিলাম’ (স্বপ্নদোষ) হওয়া স্ত্রীলোক সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছিলেন। তখন তিনি তাকে গোসল করার নির্দেশ দিয়েছিলেন।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: সাঈদ ইবনুল মুসাইয়্যিব ‘জিজ্ঞাসা’র যুগ পাননি, তবে তিনি তার খালা হতে এটি বর্ণনা করেছেন, তার খালা খাওলাহ বলেন, আমি জিজ্ঞাসা করেছিলাম…. মুসনাদে আহমাদ ৬/৪০৯; নাসাঈ ১৯৮; তাবারাণী, আল কাবীর ২৪/২৪০ নং ৬১০; আবু নুয়াইম, হিলইয়া ৫/২০৬। এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: আহমাদ ৬/৪০৯; ইবনু মাজাহ ৬০২; তাবারাণী ২৪/২৪১ নং ৬১৩… (এ সনদের) আলী ইবনু যাইদ যয়ীফ।

(এর শাহিদ বর্ণিত হয়েছে আনাস ইবনু মালিক, আয়িশা এবং উম্মু সালামাহ রা: হতে সহীহ মুসলিম ৩১০-৩১৪। -অনুবাদক। পরবর্তী হাদীস দু’টি দেখুন)

দেখুন, উসদুল গাবাহ ৭/৯৩; আল ইসাবা ১২/২৩৪-২৩৫; আমার তাহক্বীক্বকৃত মাজমাউয যাওয়াইদ নং ১৪৭৪।

بَابٌ: فِي الْمَرْأَةِ تَرَى فِي مَنَامِهَا مَا يَرَى الرَّجُلُ

أَخْبَرَنَا أَبُو الْوَلِيدِ الطَّيَالِسِيُّ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ عَنْ عَطَاءٍ الْخُرَاسَانِيِّ قَالَ سَمِعْتُ سَعِيدَ بْنَ الْمُسَيَّبِ يَقُولُ سَأَلَتْ خَالَتِي خَوْلَةُ بِنْتُ حَكِيمٍ الْسُلَمِيَّةُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَنْ الْمَرْأَةِ تَحْتَلِمُ فَأَمَرَهَا أَنْ تَغْتَسِلَ

إسناده صحيح

أخبرنا أبو الوليد الطيالسي حدثنا شعبة عن عطاء الخراساني قال سمعت سعيد بن المسيب يقول سألت خالتي خولة بنت حكيم السلمية رسول الله صلى الله عليه وسلم عن المرأة تحتلم فأمرها أن تغتسل إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আত্বা আল খুরাসানী (রহঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১. পবিত্রতা অধ্যায় (كتاب الطهارة)

 ৭৮৬

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৭৬. পুরুষ যা স্বপ্নে দেখে, যদি স্ত্রীলোক তা স্বপ্নে দেখে (পূরুষের মত স্ত্রীলোকের স্বপ্নদোষ হলে) এ সম্পর্কে

৭৮৬. উরওয়া ইবনু যুবাইর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সহধর্মিণী আয়িশা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা হতে বর্ণিত। তিনি তার নিকট বর্ণনা করেছেন যে, আবী তালহার সন্তানের মাতা উম্মু সুলাইম রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নিকট প্রবেশ করে বললেন, ইয়া রাসূলুল্লাহ! নিশ্চয়ই আল্লাহ হক্ব (সত্য প্রকাশ)-এর ব্যাপারে লজ্জাবোধ করেন না। পুরুষ ঘুমের মধ্যে যা দেখতে পায়, যদি কোনো স্ত্রীলোক তা দেখে তবে সে কি গোসল করবে বলে আপনি মনে করেন? তখন তিনি বললেন: “হাঁ।” আয়িশা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা বলেন: তখন আমি বললাম, তোমার জন্য আফসোস! স্ত্রীলোকও কি সেটা দেখে? তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তার দিকে ফিরে বললেন: “তোমার ডান হাত ধুলি মলিণ হোক! তা না হলে (সন্তান তার) সদৃশ হয় কিভাবে?”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ যয়ীফ, কেননা, লাইছের লেখক আব্দুল্লাহ ইবনু সালিহ যয়ীফ। কিন্তু হাদীসটি সহীহ।

তাখরীজ: সহীহ মুসলিম ৩১৪; আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ করেছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ৪৩৯৫, ও সহীহ ইবনু হিব্বান নং ১১৬৬ এ।

بَابٌ: فِي الْمَرْأَةِ تَرَى فِي مَنَامِهَا مَا يَرَى الرَّجُلُ

أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ صَالِحٍ حَدَّثَنِي اللَّيْثُ حَدَّثَنِي عُقَيْلٌ عَنْ ابْنِ شِهَابٍ حَدَّثَنِي عُرْوَةُ بْنُ الزُّبَيْرِ عَنْ عَائِشَةَ زَوْجِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنَّهَا أَخْبَرَتْهُ أَنَّ أُمَّ سُلَيْمٍ أُمَّ بَنِي أَبِي طَلْحَةَ دَخَلَتْ عَلَى رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَتْ يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنَّ اللَّهَ لَا يَسْتَحْيِي مِنْ الْحَقِّ أَرَأَيْتَ الْمَرْأَةَ تَرَى فِي النَّوْمِ مَا يَرَى الرَّجُلُ أَتَغْتَسِلُ قَالَ نَعَمْ فَقَالَتْ عَائِشَةُ فَقُلْتُ أُفٍّ لَكِ أَتَرَى الْمَرْأَةُ ذَلِكَ فَالْتَفَتَ إِلَيْهَا رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ تَرِبَتْ يَمِينُكِ فَمِنْ أَيْنَ يَكُونُ الشَّبَهُ

إسناده ضعيف لضعف عبد الله بن صالح كاتب الليث ولكن الحديث صحيح

أخبرنا عبد الله بن صالح حدثني الليث حدثني عقيل عن ابن شهاب حدثني عروة بن الزبير عن عائشة زوج النبي صلى الله عليه وسلم أنها أخبرته أن أم سليم أم بني أبي طلحة دخلت على رسول الله صلى الله عليه وسلم فقالت يا رسول الله إن الله لا يستحيي من الحق أرأيت المرأة ترى في النوم ما يرى الرجل أتغتسل قال نعم فقالت عائشة فقلت أف لك أترى المرأة ذلك فالتفت إليها رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال تربت يمينك فمن أين يكون الشبه إسناده ضعيف لضعف عبد الله بن صالح كاتب الليث ولكن الحديث صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ উরওয়াহ বিন যুবাইর (রহ.)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১. পবিত্রতা অধ্যায় (كتاب الطهارة)

 ৭৮৭

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৭৬. পুরুষ যা স্বপ্নে দেখে, যদি স্ত্রীলোক তা স্বপ্নে দেখে (পূরুষের মত স্ত্রীলোকের স্বপ্নদোষ হলে) এ সম্পর্কে

৭৮৭. আনাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, একবার রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নিকট উম্মু সালামাহ ছিলেন, এমতাবস্থায় উম্মু সুলাইম তাঁর নিকট প্রবেশ করে বললেন, পুরুষ ঘুমের মধ্যে যা দেখতে পায়, যদি কোনো স্ত্রীলোক তা দেখে (তবে সে কী করবে)? তখন উম্মু সালামাহ বললেন, তোমার হাত দু’টি ধুলি মলিণ হোক! হে উম্মু সুলাইম, তুমি নারী জাতিকে অপমানিত করেছো।’ তখন উম্মু সুলাইমের সাহাযার্থে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন: “বরং তোমার দু’হাত ধুলি মলিন হোক! তোমাদের মধ্যে উত্তম তো সেই স্ত্রীলোক যে তার প্রয়োজনীয় বিষয়ে জিজ্ঞাসা করে (জেনে নেয়)। যদি সে পানি (বীর্য) দেখতে পায়, তবে সে যেন গোসল করে।” উম্মু সালামাহ বলেন, স্ত্রীলোকদেরও কি পানি (বীর্য নির্গত) হয়? তিনি বললেন: “হাঁ, তা না হলে সন্তান তাদের সৃদশ হয় কিভাবে? নিশ্চয়ই তারা (এক্ষেত্রে) পুরুষদের সমকক্ষ।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ যয়ীফ। মুহাম্মাদ ইবনু কাছীর যয়ীফ। কিন্তু হাদীসটি সহীহ।

তাখরীজ: সহীহ মুসলিম ৩১০, ৩১৪; আহমাদ ৩/১৯৯, ২৮২; নাসাঈ ১৯৫; বাইহাকী ১/১৬৯; ইবনু আব্দুল বার, আত তামহীদ ৮/৩৩৮; ইবনু হিব্বান নং ১১৬৪।

بَابٌ: فِي الْمَرْأَةِ تَرَى فِي مَنَامِهَا مَا يَرَى الرَّجُلُ

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ كَثِيرٍ عَنْ الْأَوْزَاعِيِّ عَنْ إِسْحَقَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي طَلْحَةَ عَنْ أَنَسٍ قَالَ دَخَلَتْ عَلَى رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أُمُّ سُلَيْمٍ وَعِنْدَهُ أُمُّ سَلَمَةَ فَقَالَتْ الْمَرْأَةُ تَرَى فِي مَنَامِهَا مَا يَرَى الرَّجُلُ فَقَالَتْ أُمُّ سَلَمَةَ تَرِبَتْ يَدَاكِ يَا أُمَّ سُلَيْمٍ فَضَحْتِ النِّسَاءَ فَقَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مُنْتَصِرًا لِأُمِّ سُلَيْمٍ بَلْ أَنْتِ تَرِبَتْ يَدَاكِ إِنَّ خَيْرَكُنَّ الَّتِي تَسْأَلُ عَمَّا يَعْنِيهَا إِذَا رَأَتْ الْمَاءَ فَلْتَغْتَسِلْ قَالَتْ أُمُّ سَلَمَةَ وَلِلنِّسَاءِ مَاءٌ قَالَ نَعَمْ فَأَنَّى يُشْبِهُهُنَّ الْوَلَدُ إِنَّمَا هُنَّ شَقَائِقُ الرِّجَالِ

إسناده ضعيف محمد بن كثير هو: الصنعاني وهو ضعيف. ولكن الحديث صحيح

أخبرنا محمد بن كثير عن الأوزاعي عن إسحق بن عبد الله بن أبي طلحة عن أنس قال دخلت على رسول الله صلى الله عليه وسلم أم سليم وعنده أم سلمة فقالت المرأة ترى في منامها ما يرى الرجل فقالت أم سلمة تربت يداك يا أم سليم فضحت النساء فقال النبي صلى الله عليه وسلم منتصرا لأم سليم بل أنت تربت يداك إن خيركن التي تسأل عما يعنيها إذا رأت الماء فلتغتسل قالت أم سلمة وللنساء ماء قال نعم فأنى يشبههن الولد إنما هن شقائق الرجال إسناده ضعيف محمد بن كثير هو: الصنعاني وهو ضعيف. ولكن الحديث صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আনাস ইবনু মালিক (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১. পবিত্রতা অধ্যায় (كتاب الطهارة)

 ৭৮৮

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৭৭. যে ব্যক্তি ‘ইহতিলাম’ (স্বপ্নদোষ) -এর কথা স্মরণ করতে পারল না, কিন্তু কাপড়ে আদ্রতা (ভেজা) দেখতে পেল

৭৮৮. আয়িশা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হতে সেই ব্যক্তি সম্পর্কে বর্ণনা করেন, যে লোক জেগে উঠে কাপড়ে আদ্রতা (ভেজা) দেখে কিন্তু স্বপ্নদোষের কথা স্মরণ করতে পারে না। তিনি (নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন: “সে যেন গোসল করে, কারণ যদি তার স্বপ্নদোষ হয়েছে বলে মনে হয়, কিন্তু (বীর্যপাতের কারণে) কাপড়ে আদ্রতা দেখতে না পায়, তবে তার গোসলের প্রয়োজন নেই।” [1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ হাসান।

তাখরীজ: আমরা মুসনাদুল মাউসিলী নং ৪৬৯৪ তে এ সনদ কে যয়ীফ বলেছি।

((বাইহাকী ১/১৬৭; আহমাদ ৬/২৫৬; আবু দাউদ ২৩৬; তিরমিযী ১১৩; ইবনু মাজাহ ৬১২।- মুহাক্বিক্ব দারানীর তাহক্বীক্বকৃত মুসনাদুল মাওসিলী নং ৪৬৯৪ এর টীকা হতে।-অনুবাদক))

এটি আরও বর্ণনা করেছেন: দারুকুতনী ১/১৩৩।

بَابُ مَنْ يَرَى بَلَلًا، وَلَمْ يَذْكُرِ احْتِلَامًا

أَخْبَرَنَا يَحْيَى بْنُ مُوسَى حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ أَوْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ عَنْ الْقَاسِمِ عَنْ عَائِشَةَ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي الرَّجُلِ يَسْتَيْقِظُ فَيَرَى بَلَلًا وَلَمْ يَذْكُرْ احْتِلَامًا قَالَ لِيَغْتَسِلْ فَإِنْ رَأَى احْتِلَامًا وَلَمْ يَرَ بَلَلًا فَلَا غُسْلَ عَلَيْهِ

إسناده حسن

أخبرنا يحيى بن موسى حدثنا عبد الرزاق عن عبد الله بن عمر أو عبيد الله بن عمر عن القاسم عن عائشة عن النبي صلى الله عليه وسلم في الرجل يستيقظ فيرى بللا ولم يذكر احتلاما قال ليغتسل فإن رأى احتلاما ولم ير بللا فلا غسل عليه إسناده حسن

 হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)  বর্ণনাকারীঃ আয়িশা বিনত আবূ বাকর সিদ্দীক (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১. পবিত্রতা অধ্যায় (كتاب الطهارة)

 ৭৮৯

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৭৮. যখন তোমাদের কেউ ঘুম থেকে জেগে ওঠে

৭৮৯. আবু হুরাইরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “যখন তোমাদের কেউ ঘুম থেকে জেগে ওঠে, তখন সে যেন তার হাত তিনবার ধোয়ার পূর্বে তা ওযুর পাত্রের পানিতে ডুবিয়ে না দেয়।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: সহীহ বুখারী ৫৮০; সহীহ মুসলিম ৬০৭।

আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ করেছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ৫৮৬৩, ৫৯৬১, ৫৯৭৩; ও সহীহ ইবনু হিব্বান নং ১০৬১, ১০৬২; এবং মুসনাদুল হুমাইদী নং ৯৮১-৯৮২।

بَابُ إِذَا اسْتَيْقَظَ أَحَدُكُمْ مِنْ مَنَامِهِ

أَخْبَرَنَا أَبُو نُعَيْمٍ حَدَّثَنَا ابْنُ عُيَيْنَةَ عَنْ الزُّهْرِيِّ عَنْ أَبِي سَلَمَةَ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِذَا اسْتَيْقَظَ أَحَدُكُمْ مِنْ نَوْمِهِ فَلَا يَغْمِسْ يَدَهُ فِي الْوَضُوءِ حَتَّى يَغْسِلَهَا ثَلَاثًا

أخبرنا أبو نعيم حدثنا ابن عيينة عن الزهري عن أبي سلمة عن أبي هريرة قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا استيقظ أحدكم من نومه فلا يغمس يده في الوضوء حتى يغسلها ثلاثا

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরায়রা (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১. পবিত্রতা অধ্যায় (كتاب الطهارة)

 ৭৯০

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৭৯. যে ব্যক্তি পায়খানা থেকে বের হওয়ার পরপরই খাদ্য গ্রহণ করে

৭৯০. ইবনু আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমরা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নিকট ছিলাম। এমতাবস্থায় তিনি পায়খানায় প্রবেশ করলেন। অতঃপর তিনি বের হলেন, ইতোমধ্যে খাবার নিয়ে আসা হলো। তাঁকে বলা হলো: আপনি ওযু করলেন না? তখন জবাবে তিনি বললেন: “আমি কি সালাত আদায় করবো যে, ওযু করতে হবে?”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: সহীহ মুসলিম ৩৭৪ (১১৯); তিরমিযী, শামাইল নং ১৮৬, ১৮৭; ইবনু হাযম, আল মুহাল্লা ১/২৩৯; বাইহাকী ১/৪২; আহমদ ১/৩৫৯; আবু দাউদ ৩৭৬০; নাসাঈ ১৩২; তাবারানী, আল কাবীর ১১/১২২ নং ১১২৪১; বাগাবী, শারহুস ‍সুন্নাহ নং ২৮৩৫; সহীহ ইবনু খুযাইমা, অপর একটি সহীহ সনদে; আহমাদ ১/২৮২ অপর সনদে; অপর সনদে তাবারানী, আল কাবীর ১২/৮২ নং ১২৫৪৭; আরও দেখুন ফাতহুল বারী ১/২৩২।

بَابُ الرَّجُلِ يَخْرُجُ مِنَ الْخَلَاءِ فَيأْكُلُ

أَخْبَرَنَا أَبُو نُعَيْمٍ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ عَنْ عَمْرِو بْنِ دِينَارٍ عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْحُوَيْرِثِ عَنْ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ كُنَّا عِنْدَ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَدَخَلَ الْغَائِطَ ثُمَّ خَرَجَ فَأُتِيَ بِطَعَامٍ فَقِيلَ أَلَا تَتَوَضَّأُ فَقَالَ أُصَلِّي فَأَتَوَضَّأُ

إسناده صحيح

أخبرنا أبو نعيم حدثنا سفيان بن عيينة عن عمرو بن دينار عن سعيد بن الحويرث عن ابن عباس قال كنا عند النبي صلى الله عليه وسلم فدخل الغائط ثم خرج فأتي بطعام فقيل ألا تتوضأ فقال أصلي فأتوضأ إسناده صحيح

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আবদুল্লাহ ইবনু আব্বাস (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১. পবিত্রতা অধ্যায় (كتاب الطهارة)

Leave a Comment

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।