You are here

দারেমী সালাত অধ্যায় ৬ষ্ঠ ভাগ হাদিস নং ১৫৫১ – ১৬১০

দারেমী সালাত অধ্যায় ৬ষ্ঠ ভাগ হাদিস নং ১৫৫১ – ১৬১০

১৫৫১

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১৮১. বাহনের উপর সালাত আদায় প্রসঙ্গে

১৫৫১. জাবির ইবনু আবদুল্লাহ্ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ্‌ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বাহনের উপর থাকা অবস্থায় পূর্ব দিকে ফিরেও সালাত আদায় করেছেন। কিন্তু যখন তিনি ফরয সালাত আদায় করার ইচ্ছা করতেন, তখন তিনি বাহন থেকে নেমে যেতেন এবং কিব্‌লামুখী হতেন।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ। এটি বুখারী মুসলিমের সম্মিলিত বর্ণনা।

 

তাখরীজ: বুখারী , তাক্বসীরুস সালাত ১০৯৯; মুসলিম, মাসাজিদ ৫৪০; ((আবু দাউদ, সালাতুস সফর ১২২৭; তিরমিযী, সালাত ৩৫১; নাসাঈ, সাহু ৩/২৬- ফাওয়ায আহমাদ এর দারেমী, ১৫১৪ নং এর টীকা দ্র:- অনুবাদক))।

 

আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ২১২০; সহীহ ইবনু হিব্বান নং ২১২০ ((এটি মুদ্রণজনিত ভূল হতে পারে, এটি মুলত: রয়েছে ২৫০৮, ২৫১০, ২৫১১, ২৫১২ নং এ- অনুবাদক)) তে।

بَاب الصَّلَاةِ عَلَى الرَّاحِلَةِ

أَخْبَرَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ أَخْبَرَنَا هِشَامٌ الدَّسْتَوَائِيُّ عَنْ يَحْيَى بْنِ أَبِي كَثِيرٍ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ ثَوْبَانَ عَنْ جَابِرٍ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَ يُصَلِّي عَلَى رَاحِلَتِهِ نَحْوَ الْمَشْرِقِ فَإِذَا أَرَادَ أَنْ يُصَلِّيَ الْمَكْتُوبَةَ نَزَلَ فَاسْتَقْبَلَ الْقِبْلَةَ

أخبرنا يزيد بن هارون أخبرنا هشام الدستوائي عن يحيى بن أبي كثير عن محمد بن عبد الرحمن بن ثوبان عن جابر أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان يصلي على راحلته نحو المشرق فإذا أراد أن يصلي المكتوبة نزل فاستقبل القبلة

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ জাবির ইবনু আবদুল্লাহ আনসারী (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১৫৫২

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১৮১. বাহনের উপর সালাত আদায় প্রসঙ্গে

১৫৫২. আমির ইবনু রাবী’আ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ্‌ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কে দেখেছি, বাহনের উপর উপবিষ্ট অবস্থায় বাহনের মুখ যেদিকেই ফিরানো থাকতো, তিনি সেদিকে ফিরেই মাথা দিয়ে ইশারা করে সালাত আদায় করতেন। কিন্তু রাসূলুল্লাহ্‌ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ফরয সালাতে এরূপ করতেন না।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ যয়ীফ। আব্দুল্লাহ ইবনু সালিহের মুখস্তশক্তি অত্যন্ত দুর্বল। তবে (হাদীসটি সহীহ) এটি বুখারী মুসলিমের সম্মিলিত বর্ণনা।

 

তাখরীজ: বুখারী , তাক্বসীরুস সালাত ১০৯৩; মুসলিম, মাসাজিদ ৭০১; আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ৭২০২ তে।

بَاب الصَّلَاةِ عَلَى الرَّاحِلَةِ

أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ صَالِحٍ حَدَّثَنِي اللَّيْثُ حَدَّثَنِي عُقَيْلٌ عَنْ الزُّهْرِيِّ قَالَ أَخْبَرَنِي عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عَامِرِ بْنِ رَبِيعَةَ أَنَّ عَامِرَ بْنَ رَبِيعَةَ قَالَ رَأَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يُسَبِّحُ وَهُوَ عَلَى الرَّاحِلَةِ وَيُومِي بِرَأْسِهِ قِبَلَ أَيِّ وَجْهٍ تَوَجَّهَ وَلَمْ يَكُنْ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَصْنَعُ ذَلِكَ فِي الصَّلَاةِ الْمَكْتُوبَةِ

أخبرنا عبد الله بن صالح حدثني الليث حدثني عقيل عن الزهري قال أخبرني عبد الله بن عامر بن ربيعة أن عامر بن ربيعة قال رأيت رسول الله صلى الله عليه وسلم يسبح وهو على الراحلة ويومي برأسه قبل أي وجه توجه ولم يكن رسول الله صلى الله عليه وسلم يصنع ذلك في الصلاة المكتوبة

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আমির ইবনু রাবী‘আহ (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১৫৫৩

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১৮২. দু’ সালাত একত্রে আদায় করা

১৫৫৩. মু’আয ইবনু জাবাল রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, তাবুকের যুদ্ধের বছরে আমরা রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর সঙ্গে বের হয়েছিলাম। সে সময়ে তিনি সালাত জমা’ (একত্রিত) করতেন: (অর্থাৎ) যুহর ও আসর সালাত একত্রে আদায় করতেন এবং (তাঁবুতে) প্রবেশ করতেন; অতঃপর (সময় হলে) আবার তিনি (তাঁবু হতে) বের হয়ে মাগরিব ও ইশার সালাত একত্রে আদায় করতেন।[1]

 

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: মুসলিম, সালাতুল মুসাফিরীন ৭০৬; আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ১৪৫৮, ১৫৯১, ১৫৯৫ ও মাওয়ারিদুয যামআন নং ৫৪৯ তে।

بَاب الْجَمْعِ بَيْنَ الصَّلَاتَيْنِ

أَخْبَرَنَا أَبُو عَلِيٍّ الْحَنَفِيُّ حَدَّثَنَا مَالِكُ بْنُ أَنَسٍ عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ الْمَكِّيِّ أَنَّ أَبَا الطُّفَيْلِ عَامِرَ بْنَ وَاثِلَةَ أَخْبَرَهُ أَنَّ مُعَاذَ بْنَ جَبَلٍ أَخْبَرَهُ قَالَ خَرَجْنَا مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَامَ غَزْوَةِ تَبُوكَ وَكَانَ يَجْمَعُ الصَّلَاةَ فَصَلَّى الظُّهْرَ وَالْعَصْرَ جَمِيعًا ثُمَّ دَخَلَ ثُمَّ خَرَجَ بَعْدَ ذَلِكَ فَصَلَّى الْمَغْرِبَ وَالْعِشَاءَ جَمِيعًا

أخبرنا أبو علي الحنفي حدثنا مالك بن أنس عن أبي الزبير المكي أن أبا الطفيل عامر بن واثلة أخبره أن معاذ بن جبل أخبره قال خرجنا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم عام غزوة تبوك وكان يجمع الصلاة فصلى الظهر والعصر جميعا ثم دخل ثم خرج بعد ذلك فصلى المغرب والعشاء جميعا

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ মু‘আয বিন জাবাল (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১৫৫৪

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১৮২. দু’ সালাত একত্রে আদায় করা

১৫৫৪. আবী আইয়্যুব আল আনসারী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম (বিদায় হাজ্জে মুযদালিফা’র) ’জাম’আ’ নামক স্থানে মাগরিব ও ইশার সালাত একত্রে আদায় করেন।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ। এটি বুখারী মুসলিমের সম্মিলিত বর্ণনা।

 

তাখরীজ: বুখারী , হাজ্জ্ব ১৬৭৪; মুসলিম, হাজ্জ্ব, ১২৮৭।

 

আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৩৮৫৮ ও মুসনাদুল হুমাইদী নং ৩৮৭ তে। এছাড়া এটি সামনে ১৯২৫ নং এ আসছে।

بَاب الْجَمْعِ بَيْنَ الصَّلَاتَيْنِ

حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ حَسَّانَ حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ عَنْ عَدِيِّ بْنِ ثَابِتٍ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ يَزِيدَ الْخَطْمِيِّ عَنْ أَبِي أَيُّوبَ الْأَنْصَارِيِّ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ صَلَّى الْمَغْرِبَ وَالْعِشَاءَ بِجَمْعٍ فَجَمَعَ بَيْنَهُمَا

حدثنا يحيى بن حسان حدثنا حماد بن زيد عن يحيى بن سعيد عن عدي بن ثابت عن عبد الله بن يزيد الخطمي عن أبي أيوب الأنصاري أن رسول الله صلى الله عليه وسلم صلى المغرب والعشاء بجمع فجمع بينهما

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আবূ আইয়ুব আনসারী (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১৫৫৫

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১৮২. দু’ সালাত একত্রে আদায় করা

১৫৫৫. আব্দুল্লাহ ইবনু উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা হতে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যখন (সফরে) দ্রুততার সাথে এগিয়ে চলতেন, তখন মাগরিব ও ঈশার সালাত একত্রে আদায় করতেন।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ। এটি বুখারী মুসলিমের সম্মিলিত বর্ণনা।

 

তাখরীজ: বুখারী , তাক্বসীরুস সালাত ১০৯১; মুসলিম, সালাতুল মুসাফির, ৭০৩।

 

আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী ৫৪২২, ৫৪৩০, ৫৪৮৫। এটি সামনে ১৯২৬ নং এও আসছে।

بَاب الْجَمْعِ بَيْنَ الصَّلَاتَيْنِ

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ حَدَّثَنَا ابْنُ عُيَيْنَةَ عَنْ الزُّهْرِيِّ عَنْ سَالِمٍ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَ يَجْمَعُ بَيْنَ الْمَغْرِبِ وَالْعِشَاءِ إِذَا جَدَّ بِهِ السَّيْرُ

حدثنا محمد بن يوسف حدثنا ابن عيينة عن الزهري عن سالم عن عبد الله بن عمر أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان يجمع بين المغرب والعشاء إذا جد به السير

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১৫৫৬

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১৮৩. মুযদালিফায় দু’ সালাত একত্রে আদায় করা

১৫৫৬. হাকাম ও সালামা ইবনু কুহাইল উভয়ে বর্ণনা করেন, সাঈদ ইবনু জুবাইর ’জাম’আ’ নামক স্থানে আমাদেরকে নিয়ে এক ইকামতে মাগরিবের তিন রাকা’আত সালাত আদায় করলেন। এরপর সালাম ফিরিয়েই দাঁড়িয়ে গেলেন এবং ঈশার দুই রাকা’আত (কসর) সালাত আদায় করলেন। এরপর তিনি ইবনু উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা হতে হাদীস বর্ণনা করলেন যে, তিনি (ইবনু উমার) এ স্থানে তাদেরকে সাথে নিয়ে এরূপ করেছেন। আর ইবনু উমার রা: বর্ণনা করেছেন যে, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এ স্থানে এরূপ করেছেন।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ। এটি বুখারী মুসলিমের বর্ণনা।

 

তাখরীজ: বুখারী, তাক্বসীরুস সালাত ১০৯২; মুসলিম, সালাতুল মুসাফিরীন, ১২৮৮।

 

আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৬৮৫৯ তে।

بَاب الْجَمْعِ بَيْنَ الصَّلَاتَيْنِ بِالْمُزْدَلِفَةِ

أَخْبَرَنَا أَبُو الْوَلِيدِ الطَّيَالِسِيُّ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ أَخْبَرَنِي الْحَكَمُ وَسَلَمَةُ بْنُ كُهَيْلٍ قَالَا صَلَّى بِنَا سَعِيدُ بْنُ جُبَيْرٍ بِجَمْعٍ بِإِقَامَةٍ الْمَغْرِبَ ثَلَاثًا فَلَمَّا سَلَّمَ قَامَ فَصَلَّى رَكْعَتَيْنِ الْعِشَاءَ ثُمَّ حَدَّثَ عَنْ ابْنِ عُمَرَ أَنَّهُ صَنَعَ بِهِمْ فِي ذَلِكَ الْمَكَانِ مِثْلَ ذَلِكَ وَحَدَّثَ ابْنُ عُمَرَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ صَنَعَ فِي ذَلِكَ الْمَكَانِ مِثْلَ ذَلِكَ

أخبرنا أبو الوليد الطيالسي حدثنا شعبة أخبرني الحكم وسلمة بن كهيل قالا صلى بنا سعيد بن جبير بجمع بإقامة المغرب ثلاثا فلما سلم قام فصلى ركعتين العشاء ثم حدث عن ابن عمر أنه صنع بهم في ذلك المكان مثل ذلك وحدث ابن عمر أن رسول الله صلى الله عليه وسلم صنع في ذلك المكان مثل ذلك

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ সালামা ইবন কুহায়াল (রহঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১৫৫৭

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১৮৩. মুযদালিফায় দু’ সালাত একত্রে আদায় করা

১৫৫৭. শু’বাহ রাহি. তাঁর সনদে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: হাদীসটি সহীহ।

 

তাখরীজ: পূর্বের টীকাটি দেখুন।

بَاب الْجَمْعِ بَيْنَ الصَّلَاتَيْنِ بِالْمُزْدَلِفَةِ

حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ الرَّبِيعِ قَالَ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ بِإِسْنَادِهِ نَحْوَهُ

حدثنا سعيد بن الربيع قال حدثنا شعبة بإسناده نحوه

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ শু’বা (রহঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১৫৫৮

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১৮৪. কোনো লোকের সফর থেকে প্রত্যাবর্তনের সময় সালাত আদায় করা প্রসঙ্গে

১৫৫৮. কা’ব ইবনু মালিক রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সর্বদা সকাল বেলায় (দু’হা’র সময়) সফর হতে প্রত্যাবর্তন করতেন। এরপর তিনি মসজিদে প্রবেশ করে দু’ রাকা’আত সালাত আদায় করতেন, অতঃপর লোকদের জন্য বসতেন।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ। এটি বুখারী মুসলিমের বর্ণনা।

 

তাখরীজ: বুখারী , জিহাদ ৩০৮৮; মুসলিম, সালাতুল মুসাফিরীন, ৭১৬।

 

আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৩৩৭০ তে।

بَاب فِي صَلَاةِ الرَّجُلِ إِذَا قَدِمَ مِنْ سَفَرِهِ

أَخْبَرَنَا أَبُو عَاصِمٍ عَنْ ابْنِ جُرَيْجٍ عَنْ ابْنِ شِهَابٍ عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ كَعْبِ بْنِ مَالِكٍ عَنْ أَبِيهِ عَبْدِ اللَّهِ وَعَمِّهِ عُبَيْدِ اللَّهِ ابْنَيْ كَعْبٍ عَنْ كَعْبِ بْنِ مَالِكٍ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَ لَا يَقْدَمُ مِنْ سَفَرٍ إِلَّا بِالنَّهَارِ ضُحًى ثُمَّ يَدْخُلُ الْمَسْجِدَ فَيُصَلِّي رَكْعَتَيْنِ ثُمَّ يَجْلِسُ لِلنَّاسِ

أخبرنا أبو عاصم عن ابن جريج عن ابن شهاب عن عبد الرحمن بن عبد الله بن كعب بن مالك عن أبيه عبد الله وعمه عبيد الله ابني كعب عن كعب بن مالك أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان لا يقدم من سفر إلا بالنهار ضحى ثم يدخل المسجد فيصلي ركعتين ثم يجلس للناس

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ কা‘ব ইবনু মালিক (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১৫৫৯

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১৮৫. সালাতুল খওফ (ভীতিকালীন সালাত)

১৫৫৯. আব্দুল্লাহ ইবনু উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সাথে নাজদের দিকে একটি যুদ্ধে অংশ গ্রহণ করেছিলাম। সেখানে আমরা শত্রুর মুখোমুখী সমান্তরালভাবে কাতারবন্দী হয়ে দাঁড়ালাম। তারপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাদেরকে নিয়ে সালাত আদায় করলেন। একদল তাঁর সঙ্গে সালাতে দাঁড়ালেন এবং অন্য একটি দল শত্রুর মুখোমুখী অবস্থান নিলেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সঙ্গে যারা ছিলেন তিনি তাঁদের নিয়ে একটি রুকু ও দু’টি সিজদা করলেন। এরপর এ দলটি যারা সালাত আদায় করেনি, তাঁদের স্থানে চলে গেলেন এবং যারা সালাত আদায় করেনি, তাঁরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের পিছনে এগিয়ে এলেন। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁদের সঙ্গে একটি রুকু ও দু’টি সিজদা করলেন এরপর রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সালাম ফিরালেন। এরপর মুসলিমগণের প্রত্যেকে উঠে দাঁড়ালেন এবং নিজে নিজে একটি রুকু ও দু’টি সিজদা (সহ সালাত শেষ) করলেন।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ। এটি বুখারী মুসলিমের বর্ণনা।

 

তাখরীজ: বুখারী , সালাতুল খওফ ৯৪২; মুসলিম, সালাতুল মুসাফিরীন, ৮৩৯।

 

আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ২৮৭৯ তে।

بَاب فِي صَلَاةِ الْخَوْفِ

أَخْبَرَنَا الْحَكَمُ بْنُ نَافِعٍ عَنْ شُعَيْبٍ عَنْ الزُّهْرِيِّ أَخْبَرَنِي سَالِمُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ أَنَّ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عُمَرَ قَالَ غَزَوْتُ مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ غَزْوَةً قِبَلَ نَجْدٍ فَوَازَيْنَا الْعَدُوَّ وَصَافَفْنَاهُمْ فَقَامَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يُصَلِّي لَنَا فَقَامَ طَائِفَةٌ مِنَّا مَعَهُ وَأَقْبَلَ طَائِفَةٌ عَلَى الْعَدُوِّ فَرَكَعَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِمَنْ مَعَهُ رَكْعَةً وَسَجْدَتَيْنِ ثُمَّ انْصَرَفُوا فَكَانُوا مَكَانَ الطَّائِفَةِ الَّتِي لَمْ تُصَلِّ وَجَاءَتْ الطَّائِفَةُ الَّتِي لَمْ تُصَلِّ فَرَكَعَ بِهِمْ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ رَكْعَةً وَسَجْدَتَيْنِ ثُمَّ سَلَّمَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَامَ كُلُّ رَجُلٍ مِنْ الْمُسْلِمِينَ فَرَكَعَ لِنَفْسِهِ رَكْعَةً وَسَجْدَتَيْنِ

أخبرنا الحكم بن نافع عن شعيب عن الزهري أخبرني سالم بن عبد الله أن عبد الله بن عمر قال غزوت مع رسول الله صلى الله عليه وسلم غزوة قبل نجد فوازينا العدو وصاففناهم فقام رسول الله صلى الله عليه وسلم يصلي لنا فقام طائفة منا معه وأقبل طائفة على العدو فركع رسول الله صلى الله عليه وسلم بمن معه ركعة وسجدتين ثم انصرفوا فكانوا مكان الطائفة التي لم تصل وجاءت الطائفة التي لم تصل فركع بهم النبي صلى الله عليه وسلم ركعة وسجدتين ثم سلم رسول الله صلى الله عليه وسلم فقام كل رجل من المسلمين فركع لنفسه ركعة وسجدتين

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১৫৬০

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১৮৫. সালাতুল খওফ (ভীতিকালীন সালাত)

১৫৬০. সাহল ইবনু আবী হাছমাহ থেকে বর্ণিত, তিনি সালাতুল খাওফ (ভীতিকালীন সালাত) সম্পর্কে বলেন, ইমাম একদলকে নিয়ে সালাত আদায় করবেন এবং অপর দল শত্রুর মুখোমুখি অবস্থানে থাকবেন। ফলে তিনি (ইমাম) তাঁর সঙ্গের লোকদের নিয়ে এক রাকা’আত সালাত আদায় করবেন এবং এরা (সালাত আদায়কারী দলটি) তাদের সাথী (যে দলটি এখনও সালাত আদায় করেননি)-দের কাতারের স্থানে চলে যাবে এবং তারা (যে দলটি এখনও সালাত আদায় করেননি) চলে আসবেন এবং (তিনি) ইমাম তাদেরকে নিয়ে এক রাকা’আত সালাত আদায় করবেন। আর তারা (বাঁকী) এক রাকা’আত নিজে নিজে আদায় করে নিবেন।’[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: বুখারী, মাগাযী ৪১৩১; মুসলিম, সালাতুল মুসাফিরীন, ৮৪১।

 

আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ২৮৮৫, ২৮৮৬ তে।

بَاب فِي صَلَاةِ الْخَوْفِ

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ الْأَنْصَارِيِّ عَنْ الْقَاسِمِ بْنِ مُحَمَّدٍ عَنْ صَالِحِ بْنِ خَوَّاتٍ عَنْ سَهْلِ بْنِ أَبِي حَثْمَةَ فِي صَلَاةِ الْخَوْفِ قَالَ يُصَلِّي الْإِمَامُ بِطَائِفَةٍ وَطَائِفَةٌ مُوَاجِهَةُ الْعَدُوِّ فَيُصَلِّي بِالَّذِينَ مَعَهُ رَكْعَةً وَيَذْهَبُ هَؤُلَاءِ إِلَى مَصَافِّ أَصْحَابِهِمْ وَيَجِيءُ أُولَئِكَ فَيُصَلِّي بِهِمْ رَكْعَةً وَيَقْضُونَ رَكْعَةً لِأَنْفُسِهِمْ

أخبرنا محمد بن بشار حدثنا يحيى بن سعيد عن يحيى بن سعيد الأنصاري عن القاسم بن محمد عن صالح بن خوات عن سهل بن أبي حثمة في صلاة الخوف قال يصلي الإمام بطائفة وطائفة مواجهة العدو فيصلي بالذين معه ركعة ويذهب هؤلاء إلى مصاف أصحابهم ويجيء أولئك فيصلي بهم ركعة ويقضون ركعة لأنفسهم

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ সাহল ইবনু আবূ হাসমা (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১৫৬১

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১৮৫. সালাতুল খওফ (ভীতিকালীন সালাত)

১৫৬১. (অপর সূত্রে) সাহল ইবনু আবী হাছমাহ থেকে বর্ণিত, তিনি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হতে অনূরূপ বর্ণনা করেছেন।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: মুসলিম, সালাতুল মুসাফিরীন, ৮৪১।

 

আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ১২৯৭; সহীহ ইবনু হিব্বান নং ২৮৯০ ও মাওয়ারিদুয যাম’আন নং ২৮৫ তে।

بَاب فِي صَلَاةِ الْخَوْفِ

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ حَدَّثَنَا يَحْيَى عَنْ شُعْبَةَ عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ الْقَاسِمِ عَنْ أَبِيهِ عَنْ صَالِحِ بْنِ خَوَّاتٍ عَنْ سَهْلِ بْنِ أَبِي حَثْمَةَ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مِثْلَهُ

حدثنا محمد بن بشار حدثنا يحيى عن شعبة عن عبد الرحمن بن القاسم عن أبيه عن صالح بن خوات عن سهل بن أبي حثمة عن النبي صلى الله عليه وسلم مثله

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ সাহল ইবনু আবূ হাসমা (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১৫৬২

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১৮৬. সালাত আদায় করা থেকে বাধাপ্রাপ্ত হলে

১৫৬২. আবূ সাঈদ খুদরী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন: খন্দকের যুদ্ধের দিন আমাদেরকে (সালাত হতে) বিরত রাখা হয়েছিল এমনকি রাত নেমে এলো, কিন্তু সেটিই আমাদের জন্য যথেষ্ট হয়ে গিয়েছিল। আর তা-ই হলো আল্লাহ তা’আলার এই আয়াতের বক্তব্য: [“যুদ্ধে মু’মিনদের জন্য আল্লাহই যথেষ্ট। আল্লাহই হলেন সর্বশক্তিমান, পরাক্রমশালী।” (আহযাব ৩৩:২৫)]

তারপর রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বিলাল -কে ইকামত দেওয়ার আদেশ করেন। তখন তিনি যুহরের সালাতের ইকামত দেন। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ওয়াক্তের মধ্যে সে সালাত যেভাবে উত্তমরূপে আদায় করেন, তেমনিভাবে তিনি যোহরের (কাযা) সালাত আদায় করেন। এরপর তিনি তাকে আদেশ দিলে সে (বিলাল) আসরের সালাতের জন্য ইকামত দেয় এবং তিনি আসরের (কাযা) সালাত আদায় করেন। এরপর তিনি তাকে আদেশ দিলে সে (বিলাল) মাগরিবের সালাতের জন্য ইকামত দেয় এবং তিনি মাগরিবের (কাযা) সালাত আদায় করেন। এরপর তিনি তাকে আদেশ দিলে সে (বিলাল) ঈশার সালাতের জন্য ইকামত দেয় এবং তিনি ঈশার সালাত আদায় করেন। আর এটি ছিল (যুদ্ধের) এ আয়াত নাযিল হওয়ার পূর্বের ঘটনা: [“অতঃপর যদি তোমরা (শত্রুর ভয়ের) আশংকা করো, সে অবস্থায় পদব্রজে বা যানবাহনাদির উপর (সালাত আদায় করে নেবে)…।” সূরা: বাক্বারা ২: ২৩৯][1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: ((নাসাঈ, মাওয়াক্বিত (বাব:৫৫) ও আযান (বাব:২৩); আহমাদ ৩/২৫- দারেমী, ফাওয়ায আহমাদের তাহক্বীক্বকৃত, নং ১৫২৪ এর টীকা হতে- অনুবাদক।))

 

আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ১২৯৬; সহীহ ইবনু হিব্বান নং ২৮৯০; মাওয়ারিদুয যাম’আন নং ২৮৫ তে।

بَاب الْحَبْسِ عَنْ الصَّلَاةِ

أَخْبَرَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ عَنْ ابْنِ أَبِي ذِئْبٍ عَنْ الْمَقْبُرِيِّ عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ عَنْ أَبِيهِ قَالَ حُبِسْنَا يَوْمَ الْخَنْدَقِ حَتَّى ذَهَبَ هَوِيٌّ مِنْ اللَّيْلِ حَتَّى كُفِينَا وَذَلِكَ قَوْلُ اللَّهِ تَعَالَى وَكَفَى اللَّهُ الْمُؤْمِنِينَ الْقِتَالَ وَكَانَ اللَّهُ قَوِيًّا عَزِيزًا فَدَعَا النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِلَالًا فَأَمَرَهُ فَأَقَامَ فَصَلَّى الظُّهْرَ فَأَحْسَنَ كَمَا كَانَ يُصَلِّيهَا فِي وَقْتِهَا ثُمَّ أَمَرَهُ فَأَقَامَ الْعَصْرَ فَصَلَّاهَا ثُمَّ أَمَرَهُ فَأَقَامَ الْمَغْرِبَ فَصَلَّاهَا ثُمَّ أَمَرَهُ فَأَقَامَ الْعِشَاءَ فَصَلَّاهَا وَذَلِكَ قَبْلَ أَنْ يَنْزِلَ فَإِنْ خِفْتُمْ فَرِجَالًا أَوْ رُكْبَانًا

أخبرنا يزيد بن هارون عن ابن أبي ذئب عن المقبري عن عبد الرحمن بن أبي سعيد الخدري عن أبيه قال حبسنا يوم الخندق حتى ذهب هوي من الليل حتى كفينا وذلك قول الله تعالى وكفى الله المؤمنين القتال وكان الله قويا عزيزا فدعا النبي صلى الله عليه وسلم بلالا فأمره فأقام فصلى الظهر فأحسن كما كان يصليها في وقتها ثم أمره فأقام العصر فصلاها ثم أمره فأقام المغرب فصلاها ثم أمره فأقام العشاء فصلاها وذلك قبل أن ينزل فإن خفتم فرجالا أو ركبانا

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আবূ সা’ঈদ খুদরী (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১৫৬৩

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১৮৭. সূর্যগ্রহণের সময়কালীন সালাত

১৫৬৩. আবী মাসউদ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: “নিশ্চয়ই সূর্য গ্রহণ ও চন্দ্র গ্রহণ কোনো লোকের মৃত্যুর কারণে সংঘটিত হয় না। বরং এ দু’টি আল্লাহর নিদর্শনসমূহের মধ্যে দু’টি নিদর্শন। তাই যখনই তোমরা এ দু’টিতে (চন্দ্র-সূর্যে) গ্রহণ সংঘটিত হতে দেখবে, তখনই তোমরা সালাতে দণ্ডায়মান হয়ে যাবে।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: বুখারী, কুসূফ ১০৪১; মুসলিম, কুসূফ ৯১১; আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল হুমাইদী নং ৪৬০ তে।

بَاب الصَّلَاةِ عِنْدَ الْكُسُوفِ

حَدَّثَنَا يَعْلَى حَدَّثَنَا إِسْمَعِيلُ عَنْ قَيْسٍ عَنْ أَبِي مَسْعُودٍ عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ إِنَّ الشَّمْسَ وَالْقَمَرَ لَيْسَا يَنْكَسِفَانِ لِمَوْتِ أَحَدٍ مِنْ النَّاسِ وَلَكِنَّهُمَا آيَتَانِ مِنْ آيَاتِ اللَّهِ فَإِذَا رَأَيْتُمُوهُمَا فَقُومُوا فَصَلُّوا

حدثنا يعلى حدثنا إسمعيل عن قيس عن أبي مسعود عن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال إن الشمس والقمر ليسا ينكسفان لموت أحد من الناس ولكنهما آيتان من آيات الله فإذا رأيتموهما فقوموا فصلوا

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আবূ মাসউদ আনসারী (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১৫৬৪

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১৮৭. সূর্যগ্রহণের সময়কালীন সালাত

১৫৬৪. ইবনু আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সূর্যগ্রহণের সময় আট রুকূ’ ও চার সিজদাসহ (দু’ রাকা’আত) সালাত আদায় করেন।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: বিচ্ছিন্নতার কারণে এর সনদ যয়ীফ। …

 

তাখরীজ: আহমাদ ১/২২৫; ইবনু আবী শাইবা ২/৪৬৭; মুসলিম, কুসূফ ৯০৮; বাইহাকী ৩/৩২৭; নাসাঈ, কুসূফ ৩/১২৮-১২৯; আরও দেখুন ১৫৬৯ নং ও পরবর্তী হাদীসের টীকা দুটি।

بَاب الصَّلَاةِ عِنْدَ الْكُسُوفِ

أَخْبَرَنَا عَلِيُّ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الْمَدِينِيُّ وَمُسَدَّدٌ قَالَا حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ الْقَطَّانُ عَنْ سُفْيَانَ بْنِ سَعِيدٍ حَدَّثَنِي حَبِيبُ بْنُ أَبِي ثَابِتٍ عَنْ طَاوُسٍ عَنْ ابْنِ عَبَّاسٍ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ صَلَّى فِي كُسُوفٍ ثَمَانَ رَكَعَاتٍ فِي أَرْبَعِ سَجَدَاتٍ

أخبرنا علي بن عبد الله المديني ومسدد قالا حدثنا يحيى بن سعيد القطان عن سفيان بن سعيد حدثني حبيب بن أبي ثابت عن طاوس عن ابن عباس أن النبي صلى الله عليه وسلم صلى في كسوف ثمان ركعات في أربع سجدات

 হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai’f)  বর্ণনাকারীঃ আবদুল্লাহ ইবনু আব্বাস (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১৫৬৫

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১৮৭. সূর্যগ্রহণের সময়কালীন সালাত

১৫৬৫. আয়িশা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণিত, এক ইয়াহুদী মহিলা তাঁর নিকট এলো। এরপর সে (মহিলাটি আয়িশা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহাকে) বলল, ’আল্লাহ তা’আলা আপনাকে কবরের আযাব হতে রক্ষা করুন।’ এরপর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এলে তাঁকে তিনি (আয়িশা) জিজ্ঞেস করলেন, লোকদেরকে কি তাদের কবরে আযাব দেওয়া হবে? রাসূলুল্লাহ্‌ (সা) বললেনঃ “(তা থেকে) আল্লাহর কাছে পানাহ চাই।” (এরপর) কোন এক দিন রাসূলুল্লাহ্‌ (সা) সাওয়ারীতে আরোহণ করেন। তখন সূর্যগ্রহণ আরম্ভ হয়। তিনি ফিরে আসেন এবং (সাওয়ারী হতে) অবতরণ করেন। রাসূলুল্লাহ্‌ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সেই স্থানে গেলেন যেখানে তিনি সালাত আদায় করতেন। তারপর (তিনি সালাতে দাঁড়ালেন এবং) লোকেরাও তাঁর পেছনে দাঁড়ালো। তিনি দীর্ঘ কিয়াম করলেন। এরপর দীর্ঘক্ষণ রুকূ’তে থাকলেন। তারপর (মাথা) উঠালেন, আবার দীর্ঘ কিয়াম করলেন। তবে এ কিয়াম প্রথম কিয়ামের চাইতে স্বল্পস্থায়ী ছিল। এরপর তিনি আবার দীর্ঘ রুকূ’ করেন। তবে এ রুকূ’ প্রথম রুকূ’র চাইতে স্বল্পস্থায়ী ছিল। তারপর তিনি দু’টি সিজদা করলেন। এরপর তিনি দাঁড়িয়ে পুনরায় (প্রথম রাকা’আতের) অনুরূপ করেন। এরপর সূর্য উজ্জ্বল হয়ে গেলো, তখন তিনি আমার নিকট প্রবেশ করলেন। এরপর বললেন: “আমি তোমাদেরকে দেখলাম, তোমাদের কবরে তোমাদেরকে দাজ্জালের ফিতনার ন্যায় ফিতনায় ফেলা হচ্ছে।”আমি তাঁকে (এও) বলতে শুনেছি: “আল্লাহুম্মা ইন্নী ’আ’উযুবিকা মিন আযাবিল ক্বাবরী, ওয়া ’আ’উযুবিকা মিন আযাবিন নার।”[1] (অর্থ: ’হে আল্লাহ! আমি কবরের আযাব হতে আপনার আশ্রয় প্রার্থনা করছি এবং আমি জাহান্নামের আযাব হতেও আপনার আশ্রয় প্রার্থনা করছি।’)

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: বুখারী, কুসূফ ১০৪৯, ১০৫০; মুসলিম, কুসূফ ৯০৩; আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল হুমাইদী নং ৪৮৪১ (বিস্তারিত টীকাসহ); সহীহ ইবনু হিব্বান নং ২৮৪০, ২৮৪১, ২৮৪২, ২৮৪৫, ২৮৪৬ এবং মুসনাদুল হুমাইদী নং ১৭৯, ১৮০ তে।…

بَاب الصَّلَاةِ عِنْدَ الْكُسُوفِ

حَدَّثَنَا أَبُو النُّعْمَانِ حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ عَنْ عَمْرَةَ بِنْتِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ عَنْ عَائِشَةَ أَنَّ يَهُودِيَّةً دَخَلَتْ عَلَيْهَا فَقَالَتْ أَعَاذَكِ اللَّهُ مِنْ عَذَابِ الْقَبْرِ فَلَمَّا جَاءَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ سَأَلَتْهُ أَيُعَذَّبُ النَّاسُ فِي قُبُورِهِمْ قَالَ عَائِذٌ بِاللَّهِ قَالَتْ إِنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ رَكِبَ يَوْمًا مَرْكَبًا فَخَسَفَتْ الشَّمْسُ فَجَاءَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَنَزَلَ ثُمَّ عَمَدَ إِلَى مَقَامِهِ الَّذِي كَانَ يُصَلِّي فِيهِ فَقَامَ النَّاسُ خَلْفَهُ فَأَطَالَ الْقِيَامَ ثُمَّ رَكَعَ فَأَطَالَ الرُّكُوعَ ثُمَّ رَفَعَ فَأَطَالَ الْقِيَامَ وَهُوَ دُونَ الْقِيَامِ الْأَوَّلِ ثُمَّ رَكَعَ فَأَطَالَ الرُّكُوعَ وَهُوَ دُونَ الرُّكُوعِ الْأَوَّلِ ثُمَّ سَجَدَ سَجْدَتَيْنِ ثُمَّ قَامَ فَفَعَلَ مِثْلَ ذَلِكَ ثُمَّ تَجَلَّتْ الشَّمْسُ فَدَخَلَ عَلَيَّ فَقَالَ إِنِّي أُرَاكُمْ تُفْتَنُونَ فِي قُبُورِكُمْ كَفِتْنَةِ الدَّجَّالِ سَمِعْتُهُ يَقُولُ اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنْ عَذَابِ الْقَبْرِ وَأَعُوذُ بِكَ مِنْ عَذَابِ النَّارِ

حدثنا أبو النعمان حدثنا حماد بن زيد حدثنا يحيى بن سعيد عن عمرة بنت عبد الرحمن عن عائشة أن يهودية دخلت عليها فقالت أعاذك الله من عذاب القبر فلما جاء النبي صلى الله عليه وسلم سألته أيعذب الناس في قبورهم قال عائذ بالله قالت إن رسول الله صلى الله عليه وسلم ركب يوما مركبا فخسفت الشمس فجاء النبي صلى الله عليه وسلم فنزل ثم عمد إلى مقامه الذي كان يصلي فيه فقام الناس خلفه فأطال القيام ثم ركع فأطال الركوع ثم رفع فأطال القيام وهو دون القيام الأول ثم ركع فأطال الركوع وهو دون الركوع الأول ثم سجد سجدتين ثم قام ففعل مثل ذلك ثم تجلت الشمس فدخل علي فقال إني أراكم تفتنون في قبوركم كفتنة الدجال سمعته يقول اللهم إني أعوذ بك من عذاب القبر وأعوذ بك من عذاب النار

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আয়িশা বিনত আবূ বাকর সিদ্দীক (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১৫৬৬

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১৮৭. সূর্যগ্রহণের সময়কালীন সালাত

১৫৬৬. ইবনু আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সূর্যগ্রহণের সময় সালাত আদায় করেছেন। এরপর ইবনু আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন যে, তাঁর (রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের) সালাত ছিল দু’ রাকা’আত। আর এ দু’ রাকা’আতের প্রত্যেক রাকা’আতে দু’টি করে রুকূ’ করেন। এরপর তিনি তাদেরকে খুতবা দেন। তিনি (খুতবায়) বলেন: “নিশ্চয়ই সূর্য ও চন্দ্র আল্লাহর নিদর্শনসমূহের মধ্যে দু’টি নিদর্শন। আর কারো মৃত্যু বা জন্মগ্রহণের কারণে সূর্য গ্রহণ ও চন্দ্র গ্রহণ সংঘটিত হয় না। তাই যখনই তোমরা তা (চন্দ্রগ্রহণ ও সূর্য গ্রহণ হতে) দেখবে, তখনই ভীতিসহ আল্লাহর যিকিরের (সালাতের) প্রতি ধাবিত হবে।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ। এটি বুখারী মুসলিমের ঐকমত্য বর্ণনা।

 

তাখরীজ: মালিক, কুসূফ (২); বুখারী, কুসূফ ১০৫২; মুসলিম, কুসূফ ৯০৭; বাইহাকী, মা’রিফাতুস সুনান ওয়াল আছার নং ৭০৩৯; আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ২৮৩২, ২৮৫৩ তে।

بَاب الصَّلَاةِ عِنْدَ الْكُسُوفِ

حَدَّثَنَا أَبُو يَعْقُوبَ يُوسُفُ الْبُوَيْطِيُّ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ إِدْرِيسَ هُوَ الشَّافِعِيُّ حَدَّثَنَا مَالِكُ بْنُ أَنَسٍ عَنْ زَيْدِ بْنِ أَسْلَمَ عَنْ عَطَاءِ بْنِ يَسَارٍ عَنْ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ خَسَفَتْ الشَّمْسُ فَصَلَّى رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَحَكَى ابْنُ عَبَّاسٍ أَنَّ صَلَاتَهُ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ رَكْعَتَيْنِ فِي كُلِّ رَكْعَةٍ رَكْعَتَيْنِ ثُمَّ خَطَبَهُمْ فَقَالَ إِنَّ الشَّمْسَ وَالْقَمَرَ آيَتَانِ مِنْ آيَاتِ اللَّهِ لَا يَخْسِفَانِ لِمَوْتِ أَحَدٍ وَلَا لِحَيَاتِهِ فَإِذَا رَأَيْتُمْ ذَلِكَ فَافْزَعُوا إِلَى ذِكْرِ اللَّهِ

حدثنا أبو يعقوب يوسف البويطي عن محمد بن إدريس هو الشافعي حدثنا مالك بن أنس عن زيد بن أسلم عن عطاء بن يسار عن ابن عباس قال خسفت الشمس فصلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فحكى ابن عباس أن صلاته صلى الله عليه وسلم ركعتين في كل ركعة ركعتين ثم خطبهم فقال إن الشمس والقمر آيتان من آيات الله لا يخسفان لموت أحد ولا لحياته فإذا رأيتم ذلك فافزعوا إلى ذكر الله

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আবদুল্লাহ ইবনু আব্বাস (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১৫৬৭

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১৮৭. সূর্যগ্রহণের সময়কালীন সালাত

১৫৬৭. (অপর সূত্রে) আয়িশা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা হতে (অনুরূপ) বর্ণিত হয়েছে।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: মালিক, কুসূফ (১); বুখারী, কুসূফ ১০৪৪; মুসলিম, কুসূফ ৯০৩; আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল হুমাইদী নং ২৮৪০, ৪৮৪১; সহীহ ইবনু হিব্বান নং ২৮৪০ এবং মুসনাদুল হুমাইদী নং ১৭৯, ১৮০ তে। দেখুন, আগের ১৫৬৮ নং হাদীসটি।

بَاب الصَّلَاةِ عِنْدَ الْكُسُوفِ

قَالَ وَأَخْبَرَنَا مَالِكٌ عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ عَنْ أَبِيهِ عَنْ عَائِشَةَ

قال وأخبرنا مالك عن هشام بن عروة عن أبيه عن عائشة

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আয়িশা বিনত আবূ বাকর সিদ্দীক (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১৫৬৮

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১৮৭. সূর্যগ্রহণের সময়কালীন সালাত

১৫৬৮. আয়িশা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, সূর্যগ্রহণের সময় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সালাত আদায় করেছেন। এরপর তিনি (আয়িশা) বর্ণনা করেন যে, তিনি (রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দু’ রাকা’আত সালাত আদায় করেন, যার প্রত্যেক রাকা’আতে দু’টি করে রুকূ’ করেন।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ। এটি বুখারী মুসলিমের ঐকমত্য বর্ণনা।

 

তাখরীজ: মালিক, কুসূফ (৩); দেখুন, আগের হাদীসটি।

بَاب الصَّلَاةِ عِنْدَ الْكُسُوفِ

قَالَ وَأَخْبَرَنَا مَالِكٌ عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ عَنْ عَمْرَةَ عَنْ عَائِشَةَ قَالَتْ خَسَفَتْ الشَّمْسُ فَصَلَّى النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَحَكَتْ أَنَّهُ صَلَّى رَكْعَتَيْنِ فِي كُلِّ رَكْعَةٍ رَكْعَتَيْنِ

قال وأخبرنا مالك عن يحيى بن سعيد عن عمرة عن عائشة قالت خسفت الشمس فصلى النبي صلى الله عليه وسلم فحكت أنه صلى ركعتين في كل ركعة ركعتين

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আয়িশা বিনত আবূ বাকর সিদ্দীক (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১৫৬৯

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১৮৭. সূর্যগ্রহণের সময়কালীন সালাত

১৫৬৯. আসমা বিনতে আবী বাকর রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা হতে বর্ণিত যে, সূর্যগ্রহণের সময় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম দাসমুক্ত করার নির্দেশ দিয়েছেন।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ। এটি বুখারী মুসলিমের ঐকমত্য বর্ণনা।

 

তাখরীজ: মালিক, কুসূফ (৪); বুখারী, আল ইলম (৮৬); মুসলিম, কুসূফ ৯০৫।

 

আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ২৮৫৫ তে।

بَاب الصَّلَاةِ عِنْدَ الْكُسُوفِ

أَخْبَرَنَا الْحَكَمُ بْنُ الْمُبَارَكِ حَدَّثَنَا عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ مُحَمَّدٍ عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ عَنْ فَاطِمَةَ بِنْتِ الْمُنْذِرِ عَنْ أَسْمَاءَ بِنْتِ أَبِي بَكْرٍ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَمَرَ حِينَ كَسَفَتْ الشَّمْسُ بِعَتَاقَةٍ

أخبرنا الحكم بن المبارك حدثنا عبد العزيز بن محمد عن هشام بن عروة عن فاطمة بنت المنذر عن أسماء بنت أبي بكر أن النبي صلى الله عليه وسلم أمر حين كسفت الشمس بعتاقة

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আসমা বিনতু আবূ বাকর (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১৫৭০

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১৮৭. সূর্যগ্রহণের সময়কালীন সালাত

১৫৭০. (অপর সনদে) আসমা বিনতে আবী বাকর রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হতে অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ। এটি বুখারী মুসলিমের ঐকমত্য বর্ণনা।

 

তাখরীজ: বুখারী, আল ইতক্ব ২৫১৯; পূর্বের হাদীস ওটীকাটি দেখুন।

بَاب الصَّلَاةِ عِنْدَ الْكُسُوفِ

قَالَ حَدَّثَنِي أَبُو حُذَيْفَةَ مُوسَى بْنُ مَسْعُودٍ عَنْ زَائِدَةَ عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ عَنْ فَاطِمَةَ عَنْ أَسْمَاءَ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ نَحْوَهُ

قال حدثني أبو حذيفة موسى بن مسعود عن زائدة عن هشام بن عروة عن فاطمة عن أسماء عن النبي صلى الله عليه وسلم نحوه

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আসমা বিনতু আবূ বাকর (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১৫৭১

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১৮৮. ইস্তিস্কার (বৃষ্টি প্রার্থনা)’র সালাত

১৫৭১. আব্দুল্লাহ ইবনু যাইদ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন যে, লোকদের সঙ্গে নিয়ে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বৃষ্টির জন্য দোয়া করতে মুসাল্লা’র (সালাত আদায়ের মাঠের) উদ্দেশ্যে বের হলেন এবং তাঁর চাদর উল্টে নিলেন।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: বুখারী, ইসতিসক্বা ১০০৫; মুসলিম, ইসতিসক্বা ৮৯৪;

 

আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ২৮৬৪, ২৮৬৫, ২৮৬৬, ২৮৬৭ ও মুসনাদুল মাউসিলী নং ৪১৯, ৪২০ তে।

بَاب صَلَاةِ الِاسْتِسْقَاءِ

أَخْبَرَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ الْأَنْصَارِيُّ أَنَّ أَبَا بَكْرِ بْنَ مُحَمَّدِ بْنِ عَمْرِو بْنِ حَزْمٍ أَخْبَرَهُ عَنْ عَبَّادِ بْنِ تَمِيمٍ أَنَّهُ سَمِعَ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ زَيْدٍ يَذْكُرُ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ خَرَجَ بِالنَّاسِ إِلَى الْمُصَلَّى يَسْتَسْقِي فَاسْتَقْبَلَ الْقِبْلَةَ وَحَوَّلَ رِدَاءَهُ

أخبرنا يزيد بن هارون حدثنا يحيى بن سعيد الأنصاري أن أبا بكر بن محمد بن عمرو بن حزم أخبره عن عباد بن تميم أنه سمع عبد الله بن زيد يذكر أن رسول الله صلى الله عليه وسلم خرج بالناس إلى المصلى يستسقي فاستقبل القبلة وحول رداءه

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আবদুল্লাহ্ ইবন যায়দ (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১৫৭২

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১৮৮. ইস্তিস্কার (বৃষ্টি প্রার্থনা)’র সালাত

১৫৭২. আব্বাদ ইবনু তামীমের চাচা (আব্দুল্লাহ ইবনু যাইদ) বর্ণনা করেন যে, লোকদের সঙ্গে নিয়ে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বৃষ্টির জন্য দোয়া করতে মুসাল্লা’র (সালাত আদায়ের মাঠের) উদ্দেশ্যে বের হলেন। এরপর তিনি দাঁড়িয়ে গেলেন এবং দাঁড়ানো অবস্থায়ই আল্লাহর নিকট দু’আ করলেন, এরপর তিনি ক্বিবলা (কিবলা/কেবলা)মুখী হলেন এবং তাঁর চাদরটি উল্টে নিলেন, তখন তাদের উপর বৃষ্টি বর্ষিত হলো।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: এটি আগের হাদীসের পূনরাবৃত্তি। বুখারী, ইসতিসকা, ১০২৩।

بَاب صَلَاةِ الِاسْتِسْقَاءِ

أَخْبَرَنَا الْحَكَمُ بْنُ نَافِعٍ عَنْ شُعَيْبٍ عَنْ الزُّهْرِيِّ أَخْبَرَنِي عَبَّادُ بْنُ تَمِيمٍ أَنَّ عَمَّهُ أَخْبَرَهُ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ خَرَجَ بِالنَّاسِ إِلَى الْمُصَلَّى يَسْتَسْقِي لَهُمْ فَقَامَ فَدَعَا اللَّهَ قَائِمًا ثُمَّ تَوَجَّهَ قِبَلَ الْقِبْلَةِ فَحَوَّلَ رِدَاءَهُ فَأُسْقُوا

أخبرنا الحكم بن نافع عن شعيب عن الزهري أخبرني عباد بن تميم أن عمه أخبره أن النبي صلى الله عليه وسلم خرج بالناس إلى المصلى يستسقي لهم فقام فدعا الله قائما ثم توجه قبل القبلة فحول رداءه فأسقوا

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আবদুল্লাহ্ ইবন যায়দ (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১৫৭৩

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১৮৯. ইসতিসক্বা’র দু’আয় দু’হাত উঠানো

১৫৭৩. আনাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ’ইসতিসক্বা’র (বৃষ্টি জন্য) দু’আয় ব্যতীত আর কোথাও (কোনো দু’আয়) দু’হাত তুলতেন না।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: বুখারী, ইসতিসকা, ১০৩১; মুসলিম, ইসতিসকা ৮৯৫; আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ২৯৩৫ ও সহীহ ইবনু হিব্বান নং ২৮৬৩ তে।

بَاب رَفْعِ الْأَيْدِي فِي الِاسْتِسْقَاءِ

حَدَّثَنَا عُثْمَانُ بْنُ مُحَمَّدٍ حَدَّثَنَا عَبْدَةُ عَنْ سَعِيدٍ عَنْ قَتَادَةَ عَنْ أَنَسٍ قَالَ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَا يَرْفَعُ يَدَيْهِ فِي شَيْءٍ مِنْ الدُّعَاءِ إِلَّا فِي الِاسْتِسْقَاءِ

حدثنا عثمان بن محمد حدثنا عبدة عن سعيد عن قتادة عن أنس قال كان رسول الله صلى الله عليه وسلم لا يرفع يديه في شيء من الدعاء إلا في الاستسقاء

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আনাস ইবনু মালিক (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১৫৭৪

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১৯০. জুমু’আ’র দিন গোসল করা

১৫৭৪. ইবনু উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “যখন তোমাদের কেউ জুমু’আ’র (সালাতে) আসে, সে যেনো গোসল করে।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ শক্তিশালী। আর এ হাদীসটি বুখারী ও মুসলিম সম্মিলিতভাবে বর্ণনা করেছেন।

 

তাখরীজ: বুখারী, জুমু’আ ৮৭৭; মুসলিম, জুমু’আ ৮৯৫; আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ৫৪৮০ ও সহীহ ইবনু হিব্বান নং ১২২৩, ১২২৪, ১২২৫, ১২২৬ ও মুসনাদুল হুমাইদী নং ৬২০, ৬২১, ৬২২ তে।

بَاب الْغُسْلِ يَوْمَ الْجُمُعَةِ

أَخْبَرَنَا خَالِدُ بْنُ مَخْلَدٍ حَدَّثَنَا مَالِكٌ عَنْ نَافِعٍ عَنْ ابْنِ عُمَرَ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِذَا جَاءَ أَحَدُكُمْ الْجُمُعَةَ فَلْيَغْتَسِلْ

أخبرنا خالد بن مخلد حدثنا مالك عن نافع عن ابن عمر قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا جاء أحدكم الجمعة فليغتسل

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১৫৭৫

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১৯০. জুমু’আ’র দিন গোসল করা

১৫৭৫. আবী সাঈদ আল খুদরী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “প্রত্যেক সাবালক ব্যক্তির উপর জুমু’আ’র দিন গোসল করা ওয়াজিব।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ শক্তিশালী। আর এ হাদীসটি বুখারী ও মুসলিম সম্মিলিতভাবে বর্ণনা করেছেন।

 

তাখরীজ: বুখারী, আযান ৮৫৮; মুসলিম, জুমু’আ ৮৪৬; আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ৯৭৮, ১১০০, ১১২৭ ও সহীহ ইবনু হিব্বান নং ১২২৮, ১২২৯ ও মুসনাদুল হুমাইদী নং ৭৫৩ তে।

بَاب الْغُسْلِ يَوْمَ الْجُمُعَةِ

حَدَّثَنَا خَالِدُ بْنُ مَخْلَدٍ حَدَّثَنَا مَالِكٌ عَنْ صَفْوَانَ بْنِ سُلَيْمٍ عَنْ عَطَاءِ بْنِ يَسَارٍ عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ غُسْلُ يَوْمِ الْجُمُعَةِ وَاجِبٌ عَلَى كُلِّ مُحْتَلِمٍ

حدثنا خالد بن مخلد حدثنا مالك عن صفوان بن سليم عن عطاء بن يسار عن أبي سعيد الخدري قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم غسل يوم الجمعة واجب على كل محتلم

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আবূ সা’ঈদ খুদরী (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১৫৭৬

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১৯০. জুমু’আ’র দিন গোসল করা

১৫৭৬. (অপর সনদে) আবী সাঈদ আল খুদরী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু সূত্রে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হতে অনূরুপ বর্ণিত হয়েছে।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ। আর এ হাদীসটি বুখারী ও মুসলিম সম্মিলিতভাবে বর্ণনা করেছেন।

 

তাখরীজ: এটি আগের হাদীসের পূনরাবৃত্তি।

بَاب الْغُسْلِ يَوْمَ الْجُمُعَةِ

أَخْبَرَنَا أَبُو نُعَيْمٍ حَدَّثَنَا ابْنُ عُيَيْنَةَ عَنْ صَفْوَانَ بْنِ سُلَيْمٍ عَنْ عَطَاءِ بْنِ يَسَارٍ عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مِثْلَهُ

أخبرنا أبو نعيم حدثنا ابن عيينة عن صفوان بن سليم عن عطاء بن يسار عن أبي سعيد الخدري عن النبي صلى الله عليه وسلم مثله

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আবূ সা’ঈদ খুদরী (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১৫৭৭

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১৯০. জুমু’আ’র দিন গোসল করা

১৫৭৭. আবী হুরাইরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, একদা উমার ইবনুল খাত্তাব রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু আমাদের উদ্দেশ্যে খুতবা দিচ্ছিলেন। এ সময় এক ব্যক্তি (মসজিদে) প্রবেশ করলো। তখন উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু তাকে ইঙ্গিতে কিছু বললেন। অতঃপর জবাবে লোকটি বললো: হে আমীরুল মু’মিনীন! আযান শুনার পর আমি উযূ ব্যতীত আর বেশি কিছু করতে পারিনি। তখন তিনি (উমার) বললেন: আর কেবলমাত্র উযুই? তুমি কি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কে বলতে শোনোনি: “যখন তোমাদের কেউ জুমু’আ’র (সালাতে) আসে, সে যেনো গোসল করে”?[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: বুখারী, জুমু’আ, ৮৭৮; মুসলিম, জুমু’আ ৮৪৫; আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ২৫৮ ও সহীহ ইবনু হিব্বান নং ১২৩০ তে।

بَاب الْغُسْلِ يَوْمَ الْجُمُعَةِ

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ حَدَّثَنَا الْأَوْزَاعِيُّ عَنْ يَحْيَى بْنِ أَبِي كَثِيرٍ عَنْ أَبِي سَلَمَةَ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ حَدَّثَنِي أَبُو هُرَيْرَةَ قَالَ بَيْنَمَا عُمَرُ بْنُ الْخَطَّابِ يَخْطُبُ إِذْ دَخَلَ رَجُلٌ فَعَرَّضَ بِهِ عُمَرُ فَقَالَ يَا أَمِيرَ الْمُؤْمِنِينَ مَا زِدْتُ أَنْ تَوَضَّأْتُ حِينَ سَمِعْتُ النِّدَاءَ فَقَالَ وَالْوُضُوءَ أَيْضًا أَلَمْ تَسْمَعْ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ إِذَا جَاءَ أَحَدُكُمْ إِلَى الْجُمُعَةِ فَلْيَغْتَسِلْ

أخبرنا محمد بن يوسف حدثنا الأوزاعي عن يحيى بن أبي كثير عن أبي سلمة بن عبد الرحمن حدثني أبو هريرة قال بينما عمر بن الخطاب يخطب إذ دخل رجل فعرض به عمر فقال يا أمير المؤمنين ما زدت أن توضأت حين سمعت النداء فقال والوضوء أيضا ألم تسمع رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول إذا جاء أحدكم إلى الجمعة فليغتسل

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরায়রা (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১৫৭৮

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১৯০. জুমু’আ’র দিন গোসল করা

১৫৭৮. সামুরাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “যে ব্যক্তি জুমু’আর দিন উযূ করে, সে কতই না উত্তম কাজ করে। আর যে ব্যক্তি গোসল করে- তবে (প্রকৃতপক্ষে) সেটিই তো সর্বোত্তম।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর রাবীগণ নির্ভরযোগ্য। তবে সামুরাহ হতে হাসানের কিছু শ্রবণ করা সাব্যস্ত নয়। (ফলে এ সনদটি বিচ্ছিন্ন)

 

তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ২/৯৭; আহমাদ ৫/২২; খতীব, তারীখ বাগদাদ ২/৩৫২; বাইহাকী, তাহারাত ১/২৯৫; আবু দাউদ, তাহারাত ৩৫৪; তাহাবী, শারহু মা’আনিল আছার ১/১১৯; তাবারাণী, আল কাবীর ৭/১৯৯ নং ৬৮১৭; বাইহাকী, মা’রেফাতুস সুনান নং ২১০৪, ৬৩৭৪; ইবনু আব্দুল বারর, তামহীদ ১০/৭৯; নাসাঈ, জুমু’আ ৩/৯৪; ইবনু খুযাইমা, আস সহীহ নং ১৭৫৭; তিরমিযী, সালাত ৪৯৭; বাগাবী, শারহুস সুন্নাহ নং ৩৩৫; আব্দুর রাযযাক নং ৫৩১১ মুরসাল হিসেবে বিশ্বস্ত রাবীগণের সূত্রে; তিরমিযী বলেন: সামুরা’র হাদীসটি হাসান।’…

 

আমি বলছি: এ বাবে আনাস, জাবির, আবী সাঈদ, ইবনু আব্বাস, আব্দুর রহমান ইবনু সামুরাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুম হতে হাদীস বর্ণিত হয়েছে, যা আমরা একত্রিত করেছি ও তাখরীজ করেছি মাজমাউয যাওয়াইদ নং ৩০৯২, ৩০৯৩, ৩০৯৪, ৩০৯৫, ৩০৯৬ তে। আরও দেখুন, আনাস রা: এর হাদীসটি মুসনাদুল মাউসিলী নং ১৩৩১ তে।

 

মুলত: এ সকল হাদীসের কোনেটির সনদই দূর্বলতা হতে মুক্ত নয়। তবে সবগুলি সনদ সামগ্রিকভাবে হাদীসটিকে শক্তিশালী করে এবং একে হাসান পর্যায়ে উন্নীত করে। আল্লাহই ভাল জানেন।

بَاب الْغُسْلِ يَوْمَ الْجُمُعَةِ

أَخْبَرَنَا عَفَّانُ حَدَّثَنَا هَمَّامٌ حَدَّثَنَا قَتَادَةُ عَنْ الْحَسَنِ عَنْ سَمُرَةَ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ مَنْ تَوَضَّأَ لِلْجُمُعَةِ فَبِهَا وَنِعْمَتْ وَمَنْ اغْتَسَلَ فَهُوَ أَفْضَلُ

أخبرنا عفان حدثنا همام حدثنا قتادة عن الحسن عن سمرة أن النبي صلى الله عليه وسلم قال من توضأ للجمعة فبها ونعمت ومن اغتسل فهو أفضل

 হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)  বর্ণনাকারীঃ সামুরাহ ইবনু জুনদুব (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১৫৭৯

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১৯১. জুমু’আ’র ফযীলত ও জুমু’আর দিনে গোসল ও সুগন্ধি ব্যবহারের ফযীলত সম্পর্কে

১৫৭৯. রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সাহাবী সালমান ফারিসী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেনঃ “যে ব্যক্তি জুমু’আর দিন গোসল করে এবং যথাসাধ্য উত্তমরূপে পবিত্রতা অর্জন করে ও নিজের তেল ব্যবহার করে বা নিজ ঘরের সুগন্ধি ব্যবহার করে, এরপর (মসজিদে) চলে যায় এবং দু’জন লোকের মাঝে ফাঁক না করে, তারপর তার ভাগ্যে নির্ধারিত সালাত আদায় করে এবং যখন ইমাম (খুতবা দেওয়ার জন্য) বের হন, তখন চুপ থাকে, তা হলে এ জুমু’আ এবং পরবর্তী জুমু’আর মধ্যবর্তী তার যাবতীয় গুনাহ মাফ করে দেওয়া হয়।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: বুখারী, জুমু’আ, ৮৮৩, ৯১০; বাইহাকী, জুমু’আ ৩/২৩২; ইবনু আবী শাইবা ২/১৫২; তায়ালিসী ১/২৪২ নং ৬৭৯।

 

আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ২৭৭৬ তে।

بَاب فِي فَضْلِ الْجُمُعَةِ وَالْغُسْلِ وَالطِّيبِ فِيهَا

أَخْبَرَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ عَبْدِ الْمَجِيدِ حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي ذِئْبٍ عَنْ الْمَقْبُرِيِّ عَنْ أَبِيهِ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ وَدِيعَةَ عَنْ سَلْمَانَ الْفَارِسِيِّ صَاحِبِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنَّ نَبِيَّ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ مَنْ اغْتَسَلَ يَوْمَ الْجُمُعَةِ فَتَطَهَّرَ بِمَا اسْتَطَاعَ مِنْ طُهْرٍ ثُمَّ ادَّهَنَ مِنْ دُهْنِهِ أَوْ مَسَّ مِنْ طِيبِ بَيْتِهِ ثُمَّ رَاحَ فَلَمْ يُفَرِّقْ بَيْنَ اثْنَيْنِ وَصَلَّى مَا كُتِبَ لَهُ فَإِذَا خَرَجَ الْإِمَامُ أَنْصَتَ غُفِرَ لَهُ مَا بَيْنَهُ وَبَيْنَ الْجُمُعَةِ الْأُخْرَى

أخبرنا عبيد الله بن عبد المجيد حدثنا ابن أبي ذئب عن المقبري عن أبيه عن عبد الله بن وديعة عن سلمان الفارسي صاحب رسول الله صلى الله عليه وسلم أن نبي الله صلى الله عليه وسلم قال من اغتسل يوم الجمعة فتطهر بما استطاع من طهر ثم ادهن من دهنه أو مس من طيب بيته ثم راح فلم يفرق بين اثنين وصلى ما كتب له فإذا خرج الإمام أنصت غفر له ما بينه وبين الجمعة الأخرى

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ সালমান ফারসী (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১৫৮০

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১৯২. জুমু’আর দিন ফজরের সালাতের ক্বিরা’আত

১৫৮০. আবী হুরাইরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, জুমু’আর দিন ফজর সালাতে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম [“তানযীল…” আস সিজদা] এবং [“হাল আতা আলাল ইনসান”]।[1] (আল ইনসান: ১)

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: বুখারী, জুমু’আ, ৮৯১; ‍মুসলিম, জুমুআ ৮৮০; নাসাঈ, ইফতিতাহ ২/১৫৯।

بَاب الْقِرَاءَةِ فِي صَلَاةِ الْفَجْرِ يَوْمَ الْجُمُعَةِ

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ سَعْدِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ هُرْمُزَ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ كَانَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقْرَأُ يَوْمَ الْجُمُعَةِ فِي صَلَاةِ الْغَدَاةِ تَنْزِيلُ السَّجْدَةَ وَهَلْ أَتَى عَلَى الْإِنْسَانِ

أخبرنا محمد بن يوسف حدثنا سفيان عن سعد بن إبراهيم عن عبد الرحمن بن هرمز عن أبي هريرة قال كان النبي صلى الله عليه وسلم يقرأ يوم الجمعة في صلاة الغداة تنزيل السجدة وهل أتى على الإنسان

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরায়রা (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১৫৮১

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১৯৩. জুমু’আর সালাতের উদ্দেশ্যে আগে আগে (মসজিদে) গমণের ফযীলত

১৫৮১. আবী হুরাইরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “জুমু’আর দিন আগে আগে মসজিদে আগমণকারী ব্যক্তি একটি মোটাতাজা উট কুরবানীকারীর ব্যক্তির ন্যায়। এরপর যে আসে সে একটি গাভী কুরবানীকারীর ব্যক্তির ন্যায়। তারপর আগমণকারী ব্যক্তি একটি মেষ কোরবানিকারীর ন্যায়। এরপর ইমাম যখন মিম্বারে বসে যান তখন ফিরিশতাগণ তাঁদের খাতা গুটিয়ে নেন এবং মনোযোগ সহকারে খুতবা শুনতে থাকেন।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: বুখারী, জুমু’আ, ৮৮১; ‍মুসলিম, জুমুআ ৮৫০; আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসানাদুল মাউসিলী নং ২৭৭৪, ২৭৭৫ ও মুসনাদুল হুমাইদী নং ৯৬৩, ৯৬৪ তে। আরও দেখুন পরবর্তী হাদীসটি এবং মুসনাদ আহমাদ ২/২৩৯, ২৫৯, ২৮০, ৪৯৯, ৫১২।

بَاب فَضْلِ التَّهْجِيرِ إِلَى الْجُمُعَةِ

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ حَدَّثَنَا الْأَوْزَاعِيُّ عَنْ يَحْيَى عَنْ أَبِي سَلَمَةَ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ الْمُتَعَجِّلُ إِلَى الْجُمُعَةِ كَالْمُهْدِي جَزُورًا ثُمَّ الَّذِي يَلِيهِ كَالْمُهْدِي بَقَرَةً ثُمَّ الَّذِي يَلِيهِ كَالْمُهْدِي شَاةً فَإِذَا جَلَسَ الْإِمَامُ عَلَى الْمِنْبَرِ طُوِيَتْ الصُّحُفُ وَجَلَسُوا يَسْتَمِعُونَ الذِّكْرَ

أخبرنا محمد بن يوسف حدثنا الأوزاعي عن يحيى عن أبي سلمة بن عبد الرحمن عن أبي هريرة قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم المتعجل إلى الجمعة كالمهدي جزورا ثم الذي يليه كالمهدي بقرة ثم الذي يليه كالمهدي شاة فإذا جلس الإمام على المنبر طويت الصحف وجلسوا يستمعون الذكر

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরায়রা (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১৫৮২

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১৯৩. জুমু’আর সালাতের উদ্দেশ্যে আগে আগে (মসজিদে) গমণের ফযীলত

১৫৮২. আবু হুরায়রা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “জুমু’আর দিন এলে মসজিদের দরজাসমূহে ফিরিশতাগণ বসে যান এবং তারা আগমনকারীদের নাম ক্রমানুসারে লিপিবদ্ধ করতে থাকেন। ইমাম যখন বের হন তখন তারা নথিপত্র গুটিয়ে নিয়ে আলোচনা শোনার জন্য চলে আসেন।” তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আরও বলেছেন: “মসজিদে সর্বপ্রথম আগমনকারী ব্যক্তি উট কোরবানিকারীর সমতুল্য, তারপরে আগমনকারী গরু কোরবানিকারীর সমতুল্য, তারপরে মেষ কোরবানিকারীর সমতুল্য, তারপরে আগমনকারী হাঁস কোরবানিকারীর সমতুল্য, তারপরে আগমনকারী মুরগী কোরবানিকারীর সমতুল্য, তারপরে আগমনকারী ডিম সাদাকাকারীর সমতুল্য।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ। হাদীসটি বুখারী মুসলিম সম্মিলিতভাবে বর্ণনা করেছেন।

 

তাখরীজ: পুর্ণ তাখরীজের জন্য পূর্বের হাদীসটি দেখুন।

بَاب فَضْلِ التَّهْجِيرِ إِلَى الْجُمُعَةِ

أَخْبَرَنَا نَصْرُ بْنُ عَلِيٍّ حَدَّثَنَا عَبْدُ الْأَعْلَى عَنْ مَعْمَرٍ عَنْ الزُّهْرِيِّ عَنْ الْأَغَرِّ أَبِي عَبْدِ اللَّهِ صَاحِبِ أَبِي هُرَيْرَةَ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ إِذَا كَانَ يَوْمُ الْجُمُعَةِ قَعَدَتْ الْمَلَائِكَةُ عَلَى أَبْوَابِ الْمَسْجِدِ فَكَتَبُوا مَنْ جَاءَ إِلَى الْجُمُعَةِ فَإِذَا رَاحَ الْإِمَامُ طَوَتْ الْمَلَائِكَةُ الصُّحُفَ وَدَخَلَتْ تَسْتَمِعُ الذِّكْرَ قَالَ وَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ الْمُتَهَجِّرُ إِلَى الْجُمُعَةِ كَالْمُهْدِي بَدَنَةً ثُمَّ كَالْمُهْدِي بَقَرَةً ثُمَّ كَالْمُهْدِي شَاةً ثُمَّ كَالْمُهْدِي بَطَّةً ثُمَّ كَالْمُهْدِي دَجَاجَةً ثُمَّ كَالْمُهْدِي بَيْضَةً

أخبرنا نصر بن علي حدثنا عبد الأعلى عن معمر عن الزهري عن الأغر أبي عبد الله صاحب أبي هريرة عن أبي هريرة أن النبي صلى الله عليه وسلم قال إذا كان يوم الجمعة قعدت الملائكة على أبواب المسجد فكتبوا من جاء إلى الجمعة فإذا راح الإمام طوت الملائكة الصحف ودخلت تستمع الذكر قال وقال رسول الله صلى الله عليه وسلم المتهجر إلى الجمعة كالمهدي بدنة ثم كالمهدي بقرة ثم كالمهدي شاة ثم كالمهدي بطة ثم كالمهدي دجاجة ثم كالمهدي بيضة

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরায়রা (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১৫৮৩

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১৯৪. জুমু’আর সালাতের ওয়াক্ত সম্পর্কে

১৫৮৩. যুবাইর ইবনুল আওয়াম রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমরা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সাথে জুমু’আর সালাত্ আদায় করতাম, তারপর ফিরে আসতাম। এরপর আমরা বনী গনম গোত্রের দূর্গের ছায়া দিয়ে দ্রুত যেতাম। আর তখন (দেখতাম) সে ছায়াগুলি কেবলমাত্র আমাদের কদম পরিমাণে (হেলানো) থাকতো।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ মুনকাত্বি’ বা বিচ্ছিন্ন।

 

তাখরীজ: তায়ালিসী ১/১৪১ নং ৬৭২; বাইহাকী, জুমু’আ ৩/১৯১; আহমাদ ১/১৬৪, ১৬৭; আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ৬৮০ ও মাজমাউয যাওয়াইদ নং ৩১৩৭। তবে এর পরবর্তী হাদীসটি এর শাহিদ।

بَاب فِي وَقْتِ الْجُمُعَةِ

أَخْبَرَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ مُوسَى عَنْ ابْنِ أَبِي ذِئْبٍ عَنْ مُسْلِمِ بْنِ جُنْدُبٍ عَنْ الزُّبَيْرِ بْنِ الْعَوَّامٍ قَالَ كُنَّا نُصَلِّي مَعَ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ الْجُمُعَةَ ثُمَّ نَرْجِعُ فَنَتَبَادَرُ الظِّلَّ فِي أُطُمِ بَنِي غَنْمٍ فَمَا هُوَ إِلَّا مَوَاضِعُ أَقْدَامِنَا

أخبرنا عبيد الله بن موسى عن ابن أبي ذئب عن مسلم بن جندب عن الزبير بن العوام قال كنا نصلي مع النبي صلى الله عليه وسلم الجمعة ثم نرجع فنتبادر الظل في أطم بني غنم فما هو إلا مواضع أقدامنا

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ যুবাইর ইবনু ‘আওয়াম (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১৫৮৪

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১৯৪. জুমু’আর সালাতের ওয়াক্ত সম্পর্কে

১৫৮৪. আইয়াস ইবনে সালামা ইবনুল আকওয়া থেকে তার পিতা (সালামাহ ইবনুল আকওয়া রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু’)-এর সূত্রে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর সাথে জুমু’আর সালাত আদায় করার পর যখন ফিরে আসতাম তখন প্রাচীরের এমন কোন ছায়াই পড়তো না, যে ছায়ার নিচে আমরা আশ্রয় গ্রহণ করতে পারি (অর্থাৎ সূর্য ঢলে যাওয়ার পরপরই নামায পড়া হতো)।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ। হাদীসটি বুখারী মুসলিম সম্মিলিতভাবে বর্ণনা করেছেন।

 

তাখরীজ: বুখারী, মাগাযী, ৪১৬৮; ‍মুসলিম, জুমুআ ৮৬০; এছাড়াও দারুকুতনী ২/১৮ নং ২; আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ১৫১১, ১৫১২।

بَاب فِي وَقْتِ الْجُمُعَةِ

أَخْبَرَنَا عَفَّانُ بْنُ مُسْلِمٍ حَدَّثَنَا يَعْلَى بْنُ الْحَارِثِ قَالَ سَمِعْتُ إِيَاسَ بْنَ سَلَمَةَ بْنِ الْأَكْوَعِ يُحَدِّثُ عَنْ أَبِيهِ قَالَ كُنَّا نُصَلِّي مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ الْجُمُعَةَ ثُمَّ نَنْصَرِفُ وَلَيْسَ لِلْحِيطَانِ فَيْءٌ يُسْتَظَلُّ بِهِ

أخبرنا عفان بن مسلم حدثنا يعلى بن الحارث قال سمعت إياس بن سلمة بن الأكوع يحدث عن أبيه قال كنا نصلي مع رسول الله صلى الله عليه وسلم الجمعة ثم ننصرف وليس للحيطان فيء يستظل به

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ সালামাহ ইবনু আক্ওয়া‘ (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১৫৮৫

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১৯৫. জুমু’আর দিন খুতবা শোনা ও খুতবার সময় চুপ থাকা

১৫৮৫. আওস (রাঃ)হতে বর্ণিত, তিনি এটিকে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের দিকে সম্পৃক্ত করেছেন, তিনি বলেছেন: “যে ব্যক্তি জুমুআর দিন উত্তমরূপে (মাথা) ধৌত করবে এবং আগে আগে গোসল করবে, অতঃপর সকাল-সকাল মসজিদে গিয়ে ইমামের নিকটবর্তী স্থানে বসবে এবং (খুতবার সময়) চুপ থাকবে এবং ইমামের (খুতবা) শেষ করা পর্যন্ত যাবতীয় অনর্থক কথা (ও কাজ) হতে বিরত থাকবে, তার জন্য প্রতি পদক্ষেপে এক বছরের সিয়াম পালন ও রাত জেগে সালাত আদায়ের সমান সওয়াব রয়েছে।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: ((আহমাদ ৪/১০৪; আবু দাউদ, তাহারাত ৩৪৫; ইবনু মাজাহ, ইকামাতিস সালাত ১০৮৭; বাগাবী শারহুস সুন্নাহ ১০৬৪, ১০৬৫; হাকিম ১/২৮২; তিরমিযী, সালাত ৪৯৬; নাসাঈ ৩/৯৫-৯৬; ইবনু খুযাইমা ১৭৬৭- আরনাউত্বের তাহক্বীক্বকৃত “আল ইহসান” এর ২৭৮১ নং হাদীসের টীকা হতে- অনুবাদক)) আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ২৭৮১ ও মাওয়ারিদুয যাম’আন নং ৫৫৯ তে।

بَاب فِي الِاسْتِمَاعِ يَوْمَ الْجُمُعَةِ عِنْدَ الْخُطْبَةِ وَالْإِنْصَاتِ

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُبَارَكِ حَدَّثَنَا صَدَقَةُ هُوَ ابْنُ خَالِدٍ عَنْ يَحْيَى بْنِ الْحَارِثِ عَنْ أَبِي الْأَشْعَثِ الصَّنْعَانِيِّ يَرُدُّهُ إِلَى أَوْسِ بْنِ أَوْسٍ يَرُدُّهُ إِلَى النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ مَنْ غَسَّلَ وَاغْتَسَلَ يَوْمَ الْجُمُعَةِ ثُمَّ غَدَا وَابْتَكَرَ ثُمَّ جَلَسَ قَرِيبًا مِنْ الْإِمَامِ وَأَنْصَتَ وَلَمْ يَلْغُ حَتَّى يَنْصَرِفَ الْإِمَامُ كَانَ لَهُ بِكُلِّ خُطْوَةٍ يَخْطُوهَا كَعَمَلِ سَنَةٍ صِيَامِهَا وَقِيَامِهَا

أخبرنا محمد بن المبارك حدثنا صدقة هو ابن خالد عن يحيى بن الحارث عن أبي الأشعث الصنعاني يرده إلى أوس بن أوس يرده إلى النبي صلى الله عليه وسلم قال من غسل واغتسل يوم الجمعة ثم غدا وابتكر ثم جلس قريبا من الإمام وأنصت ولم يلغ حتى ينصرف الإمام كان له بكل خطوة يخطوها كعمل سنة صيامها وقيامها

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১৫৮৬

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১৯৫. জুমু’আর দিন খুতবা শোনা ও খুতবার সময় চুপ থাকা

১৫৮৬. আবী হুরাইরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “ইমামের খুতবা দেওয়ার সময় যদি তুমি তোমার সাথীকে বল, ’চুপ থাকো’, তবে তুমিও অনর্থক কাজ করলে।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ শক্তিশালী। হাদীসটি বুখারী মুসলিম সম্মিলিতভাবে বর্ণনা করেছেন।

 

তাখরীজ: বুখারী, জুমু’আ, ৯৩৪; ‍মুসলিম, জুমুআ ৮৫১; মালিক, জুমু’আ (৬)। আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ৫৮৪৬; সহীহ ইবনু হিব্বান নং ২৭৯৩, ২৭৯৫ ও মসনাদুল হুমাইদী নং ৯৯৬। এছাড়া পরবর্তী হাদীস দু’টিও দেখুন।

بَاب فِي الِاسْتِمَاعِ يَوْمَ الْجُمُعَةِ عِنْدَ الْخُطْبَةِ وَالْإِنْصَاتِ

حَدَّثَنَا خَالِدُ بْنُ مَخْلَدٍ حَدَّثَنَا مَالِكٌ عَنْ أَبِي الزِّنَادِ عَنْ الْأَعْرَجِ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِذَا قُلْتَ لِصَاحِبِكَ أَنْصِتْ وَالْإِمَامُ يَخْطُبُ فَقَدْ لَغَوْتَ

حدثنا خالد بن مخلد حدثنا مالك عن أبي الزناد عن الأعرج عن أبي هريرة قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا قلت لصاحبك أنصت والإمام يخطب فقد لغوت

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরায়রা (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১৫৮৭

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১৯৫. জুমু’আর দিন খুতবা শোনা ও খুতবার সময় চুপ থাকা

১৫৮৭. (অপর সনদে) আবী হুরাইরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “ইমামের খুতবা দেওয়ার সময় যদি তুমি তোমার সাথীকে বল, ’চুপ থাকো’, তবে তুমিও অনর্থক কাজ করলে।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ শক্তিশালী। হাদীসটি বুখারী মুসলিম সম্মিলিতভাবে বর্ণনা করেছেন।

 

তাখরীজ: পূর্বের ও পরের হাদীস দুটি দেখুন।

بَاب فِي الِاسْتِمَاعِ يَوْمَ الْجُمُعَةِ عِنْدَ الْخُطْبَةِ وَالْإِنْصَاتِ

حَدَّثَنَا خَالِدُ بْنُ مَخْلَدٍ حَدَّثَنَا مَالِكٌ عَنْ الزُّهْرِيِّ عَنْ سَعِيدٍ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِذَا قُلْتَ لِصَاحِبِكَ أَنْصِتْ وَالْإِمَامُ يَخْطُبُ فَقَدْ لَغَوْتَ

حدثنا خالد بن مخلد حدثنا مالك عن الزهري عن سعيد عن أبي هريرة قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا قلت لصاحبك أنصت والإمام يخطب فقد لغوت

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরায়রা (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১৫৮৮

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১৯৫. জুমু’আর দিন খুতবা শোনা ও খুতবার সময় চুপ থাকা

১৫৮৮. (অপর সনদে) আবী হুরাইরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হতে অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ শক্তিশালী। হাদীসটি বুখারী মুসলিম সম্মিলিতভাবে বর্ণনা করেছেন।

 

তাখরীজ: পূর্বের হাদীস দুটি দেখুন।

بَاب فِي الِاسْتِمَاعِ يَوْمَ الْجُمُعَةِ عِنْدَ الْخُطْبَةِ وَالْإِنْصَاتِ

أَخْبَرَنَا الْمُعَلَّى بْنُ أَسَدٍ حَدَّثَنَا وُهَيْبٌ عَنْ مَعْمَرٍ عَنْ الزُّهْرِيِّ عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيَّبِ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مِثْلَهُ

أخبرنا المعلى بن أسد حدثنا وهيب عن معمر عن الزهري عن سعيد بن المسيب عن أبي هريرة عن النبي صلى الله عليه وسلم مثله

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরায়রা (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১৫৮৯

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১৯৬. যে ব্যক্তি ইমামের খুতবা দেওয়ার সময় মসজিদে প্রবেশ করে, তার সম্পর্কে

১৫৮৯. জাবির ইবনু আব্দুল্লাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “যদি তোমাদের মধ্যে কোনো ব্যক্তি ইমামের খুতবা দেওয়ার সময় অথবা, ইমামের বের হওয়ার পর (মসজিদে) আসে, তবে সে যেনো দু’ রাকা’আত সালাত আদায় করে নেয়।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: বুখারী, জুমু’আ, ৯৩০; ‍মুসলিম, জুমুআ ৮৭৫।

 

আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ১৯৪৬, ২২৭৬, ২২৮৬ ও সহীহ ইবনু হিব্বান নং ২৫০০, ২৫০১, ২৫০২ এবং মুসনাদুল হুমাইদী নং ১২৫৭ তে।

بَاب فِيمَنْ دَخَلَ الْمَسْجِدَ يَوْمَ الْجُمُعَةِ وَالْإِمَامُ يَخْطُبُ

حَدَّثَنَا هَاشِمُ بْنُ الْقَاسِمِ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ عَنْ عَمْرِو بْنِ دِينَارٍ قَالَ سَمِعْتُ جَابِرَ بْنَ عَبْدِ اللَّهِ يُحَدِّثُ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ إِذَا جَاءَ أَحَدُكُمْ وَالْإِمَامُ يَخْطُبُ أَوْ قَدْ خَرَجَ فَلْيُصَلِّ رَكْعَتَيْنِ

حدثنا هاشم بن القاسم حدثنا شعبة عن عمرو بن دينار قال سمعت جابر بن عبد الله يحدث عن النبي صلى الله عليه وسلم قال إذا جاء أحدكم والإمام يخطب أو قد خرج فليصل ركعتين

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ জাবির ইবনু আবদুল্লাহ আনসারী (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১৫৯০

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১৯৬. যে ব্যক্তি ইমামের খুতবা দেওয়ার সময় মসজিদে প্রবেশ করে, তার সম্পর্কে

১৫৯০. ইয়ায ইবনু আব্দুল্লাহ হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আবূ সাঈদ আল-খুদরী (রাঃ) জুমু’আর দিন (মসজিদে) ঢুকলেন, আর মারওয়ান তখন খুতবা দিচ্ছিল। তিনি সালাতে দাঁড়ালেন এবং দু’ রাকা’আত সালাত আদায় করলেন। মারওয়ানের দেহরক্ষীরা তাঁর কাছে এসে তাঁকে বাধা দিলো। তখন তিনি বললেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লল্লাহু ’আলাইহি ওয়াসাল্লামকে এ দু’ রাকা’আত আদায়ের জন্য আদেশ করতে দেখেছি। ফলে আমি এ দুই রাক’আত কখনও ছাড়তে পারি না।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: মুহাম্মদ ইবনু ’ইজলান এর কারণে এর সনদ হাসান।

 

তাখরীজ: আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ৯৯৪ ও সহীহ ইবনু হিব্বান নং ২৫০৩, ২৫০৫ এবং মুসনাদুল হুমাইদী নং ৭৫৮ তে।

بَاب فِيمَنْ دَخَلَ الْمَسْجِدَ يَوْمَ الْجُمُعَةِ وَالْإِمَامُ يَخْطُبُ

أَخْبَرَنَا صَدَقَةُ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ ابْنِ عَجْلَانَ عَنْ عِيَاضِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ قَالَ جَاءَ أَبُو سَعِيدٍ وَمَرْوَانُ يَخْطُبُ فَقَامَ يُصَلِّي رَكْعَتَيْنِ فَأَتَاهُ الْحَرَسُ يَمْنَعُونَهُ فَقَالَ مَا كُنْتُ أَتْرُكُهُمَا وَقَدْ رَأَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَأْمُرُ بِهِمَا

أخبرنا صدقة حدثنا سفيان عن ابن عجلان عن عياض بن عبد الله قال جاء أبو سعيد ومروان يخطب فقام يصلي ركعتين فأتاه الحرس يمنعونه فقال ما كنت أتركهما وقد رأيت رسول الله صلى الله عليه وسلم يأمر بهما

 হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১৫৯১

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১৯৬. যে ব্যক্তি ইমামের খুতবা দেওয়ার সময় মসজিদে প্রবেশ করে, তার সম্পর্কে

১৫৯১. রবী’- যিনি হলেন ইবনু সাবীহ আল বাসরী- থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি ইমামের খুতবা দেওয়ার সময় হাসানকে দু’ রাকা’আত সালাত আদায় করতে দেখেছি। আর হাসান বলেন, “যদি তোমাদের মধ্যে কোনো ব্যক্তি ইমামের খুতবা দেওয়ার সময় (মসজিদে) আসে, তবে সে যেনো সংক্ষেপে দু’ রাকা’আত সালাত আদায় করে নেয়।”[1]

আবূ মুহাম্মদ বলেন, আমি এ মত পোষণ করি।

[1]তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: ((ইবনু মাজাহ, ইক্বামাহ ১১১৪; আবু দাউদ ১১১৭; মুসলিম, জুমু’আ ৮৭৫; সহীহ ইবনু হিব্বান নং ২৪৯২; বাইহাকী, জুমু’আ ৩/১৯৪। এছাড়া এর শাহিদ আবী হুরাইরা রা: এর হাদীসটিও সহীহ।- মুসনাদুল মাউসিলী ১৯৪৬ নং এ মুহাক্বিক্বের টীকা হতে- অনুবাদক।)) মুসনাদুল মাউসিলী ২২৭৬; আর এর তাখরীজের জন্য দেখুন, সেখান থেকে ১৯৪৬, ২১৮৬ নং দুটির টীকা।

بَاب فِيمَنْ دَخَلَ الْمَسْجِدَ يَوْمَ الْجُمُعَةِ وَالْإِمَامُ يَخْطُبُ

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ الرَّبِيعِ هُوَ ابْنُ صَبِيحٍ الْبَصْرِيُّ قَالَ رَأَيْتُ الْحَسَنَ يُصَلِّي رَكْعَتَيْنِ وَالْإِمَامُ يَخْطُبُ وَقَالَ الْحَسَنُ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِذَا جَاءَ أَحَدُكُمْ وَالْإِمَامُ يَخْطُبُ فَلْيُصَلِّ رَكْعَتَيْنِ خَفِيفَتَيْنِ يَتَجَوَّزُ فِيهِمَا قَالَ أَبُو مُحَمَّد أَقُولُ بِهِ

أخبرنا محمد بن يوسف حدثنا سفيان عن الربيع هو ابن صبيح البصري قال رأيت الحسن يصلي ركعتين والإمام يخطب وقال الحسن قال رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا جاء أحدكم والإمام يخطب فليصل ركعتين خفيفتين يتجوز فيهما قال أبو محمد أقول به

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১৫৯২

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১৯৭. জুমু’আর দিন খুতবায় কুরআন তিলাওয়াত করা প্রসঙ্গে

১৫৯২. আবী সাঈদ আল খুদরী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, একদিন রাসূলুল্লাহ সাল্লল্লাহু ’আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের উদ্দেশ্যে খুতবা দিলেন। তখন তিনি “সূরা সোয়াদ” তিলাওয়াত করলেন। এরপর যখন সিজদা (-এর আয়াত) অতিক্রম করলেন, তখন তিনি (মিম্বার) হতে অবতরণ করলেন এবং সিজদা করলেন।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ যয়ীফ। তবে হাদীসটি সহীহ।

 

তাখরীজ: এটি ১৫০৭ (অনূবাদে ১৫০৪) নং এ গত হয়েছৈ।

بَاب فِي قِرَاءَةِ الْقُرْآنِ فِي الْخُطْبَةِ يَوْمَ الْجُمُعَةِ

أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ صَالِحٍ حَدَّثَنِي اللَّيْثُ أَخْبَرَنِي خَالِدٌ يَعْنِي ابْنَ يَزِيدَ عَنْ سَعِيدِ بْنِ أَبِي هِلَالٍ عَنْ عِيَاضِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ قَالَ خَطَبَنَا رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَوْمًا فَقَرَأَ ص فَلَمَّا مَرَّ بِالسَّجْدَةِ نَزَلَ فَسَجَدَ

أخبرنا عبد الله بن صالح حدثني الليث أخبرني خالد يعني ابن يزيد عن سعيد بن أبي هلال عن عياض بن عبد الله عن أبي سعيد الخدري قال خطبنا رسول الله صلى الله عليه وسلم يوما فقرأ ص فلما مر بالسجدة نزل فسجد

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আবূ সা’ঈদ খুদরী (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১৫৯৩

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১৯৮. খুতবার মধ্যে কথা বলা

১৫৯৩. জাবির ইবনু আব্দুল্লাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, জুমু’আর দিন এক লোক মুসজিদে প্রবেশ করলো, আর সেই সময় রাসূলুল্লাহ সাল্লল্লাহু ’আলাইহি ওয়াসাল্লাম খুতবা দিচ্ছিলেন। তখন তিনি (লোকটিকে) জিজ্ঞেস করলেন: “তুমি কি সালাত আদায় করেছো?” লোকটি বললো, না। তিনি বললেন: “তাহলে তুমি দু’ রাকা’আত সালাত আদায় করে নাও।”[1]

আবূ মুহাম্মদ বলেন, আমিও এ মত পোষণ করি।

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ। হাদীসটি বুখারী মুসলিম সম্মিলিতভাবে বর্ণনা করেছেন।

 

তাখরীজ: বুখারী, জুমু’আ, ৯৩০; ‍মুসলিম, জুমুআ ৮৭৫। এটি ১৫৯২ (অনূবাদে ১৫৮৯) নং এ গত হয়েছে। পূর্ণ তাখরীজের জন্য সেখানে দেখুন।

بَاب الْكَلَامِ فِي الْخُطْبَةِ

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ حَدَّثَنَا ابْنُ عُيَيْنَةَ عَنْ عَمْرِو بْنِ دِينَارٍ قَالَ سَمِعْتُ جَابِرَ بْنَ عَبْدِ اللَّهِ يَقُولُ دَخَلَ رَجُلٌ الْمَسْجِدَ يَوْمَ الْجُمُعَةِ وَرَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَخْطُبُ فَقَالَ أَصَلَّيْتَ قَالَ لَا قَالَ فَصَلِّ رَكْعَتَيْنِ قَالَ أَبُو مُحَمَّد أَقُولُ بِهِ

أخبرنا محمد بن يوسف حدثنا ابن عيينة عن عمرو بن دينار قال سمعت جابر بن عبد الله يقول دخل رجل المسجد يوم الجمعة ورسول الله صلى الله عليه وسلم يخطب فقال أصليت قال لا قال فصل ركعتين قال أبو محمد أقول به

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ জাবির ইবনু আবদুল্লাহ আনসারী (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১৫৯৪

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১৯৯. খুতবা সংক্ষেপ করা সম্পর্কে

১৫৯৪. আবু ওয়াইল (রহঃ) বলেছেন, আম্মার ইবনু ইয়াসার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু আমাদের উদ্দেশ্যে একটি সারগর্ভ অথচ সংক্ষিপ্ত ভাষণ দিলেন। তখন আমরা তাঁকে বললাম, হে আবুল ইয়াকযান! আপনি যদি তা কিছুটা দীর্ঘ করতেন! তিনি বললেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লল্লাহু ’আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছি: “কোন ব্যক্তির দীর্ঘ সালাত ও সংক্ষিপ্ত খুতবা (ভাষণ) তার প্রজ্ঞার পরিচায়ক। অতএব, তোমরা এ সালাতকে দীর্ঘ করো এবং খুতবা (ভাষণ)-কে সংক্ষিপ্ত করো। কেননা, অবশ্যই কোন কোন ভাষণে যাদুকরি প্রভাব থাকে।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: মুসলিম, জুমু’আ ৮৬৯; মুসনাদুল মাউসিলী নং ১৬৪২; তার সূত্রে ইবনু হিব্বান, আস সহীহ নং ২৭৯১।

 

আমরা এর তাখরীজ পূর্ণভাবে দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ১৬১৮. ১৬২১ ও সহীহ ইবনু হিব্বান নং ২৭৯১ তে।

بَاب فِي قَصْرِ الْخُطْبَةِ

أَخْبَرَنَا الْعَلَاءُ بْنُ عُصَيْمٍ الْجُعْفِيُّ حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ عَبْدِ الْمَلِكِ بْنِ أَبْجَرَ حَدَّثَنِي أَبِي عَبْدُ الْمَلِكِ بْنُ أَبْجَرَ عَنْ وَاصِلِ بْنِ حَيَّانَ عَنْ أَبِي وَائِلٍ قَالَ خَطَبَنَا عَمَّارُ بْنُ يَاسِرٍ فَأَبْلَغَ وَأَوْجَزَ فَقُلْنَا يَا أَبَا الْيَقْظَانِ لَوْ كُنْتَ نَفَّسْتَ شَيْئًا قَالَ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ إِنَّ طُولَ صَلَاةِ الرَّجُلِ وَقِصَرَ خُطْبَتِهِ مَئِنَّةٌ مِنْ فِقْهِهِ فَأَطِيلُوا هَذِهِ الصَّلَاةَ وَاقْصُرُوا هَذِهِ الْخُطَبَ وَإِنَّ مِنْ الْبَيَانِ سِحْرًا

أخبرنا العلاء بن عصيم الجعفي حدثنا عبد الرحمن بن عبد الملك بن أبجر حدثني أبي عبد الملك بن أبجر عن واصل بن حيان عن أبي وائل قال خطبنا عمار بن ياسر فأبلغ وأوجز فقلنا يا أبا اليقظان لو كنت نفست شيئا قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول إن طول صلاة الرجل وقصر خطبته مئنة من فقهه فأطيلوا هذه الصلاة واقصروا هذه الخطب وإن من البيان سحرا

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আবূ ওয়াইল (রহঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১৫৯৫

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১৯৯. খুতবা সংক্ষেপ করা সম্পর্কে

১৯৯৫. জাবির ইবনু সামুরাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি নবী সাল্লল্লাহু ’আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে সালাত আদায় করেছি। তাঁর সালাত মধ্যম প্রকৃতির এবং তাঁর খুতবাও ছিল মধ্যম প্রকৃতির।[1] (অর্থাৎ অতি দীর্ঘও নয়, আবার অতি সংক্ষিপ্তও নয়)

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ জাইয়্যেদ বা উত্তম।

 

তাখরীজ: মুসলিম, আল জুমু’আ ৮৬৬; আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ২৮০২ তে। আরও দেখুন, মা’রেফাতুস সুনান ওয়াল আছার নং ৬৫০৮।

بَاب فِي قَصْرِ الْخُطْبَةِ

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ سَعِيدٍ حَدَّثَنَا أَبُو الْأَحْوَصِ عَنْ سِمَاكٍ عَنْ جَابِرِ بْنِ سَمُرَةَ قَالَ صَلَّيْتُ مَعَ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَكَانَتْ صَلَاتُهُ قَصْدًا وَخُطْبَتُهُ قَصْدًا

حدثنا محمد بن سعيد حدثنا أبو الأحوص عن سماك عن جابر بن سمرة قال صليت مع النبي صلى الله عليه وسلم فكانت صلاته قصدا وخطبته قصدا

 হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)  বর্ণনাকারীঃ জাবির ইবনু সামুরাহ (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১৫৯৬

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ২০০. দুই খুতবার মাঝে বসা

১৫৯৬. ইবনু উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লল্লাহু ’আলাইহি ওয়া সাল্লাম দণ্ডায়মান অবস্থায় দু’টি খুতবা দিতেন। আর তিনি এ দু’য়ের (দু’ খুতবার) মাঝখানে বসার মাধ্যমে একটিকে অপরটি হতে আলাদা করতেন।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: বুখারী. জুমু’আ ৯২০, ৯২৮; নাসাঈ, জুমু’আ ৩/১০৯; মুসলিম, জুমু’আ ৮৬১; তিরমিযী, সালাত ৫০৬; আবু দাউদ, সালাত ১০৯২; আহমাদ ২/৯৮। আমরা এর তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ২৮০২ তে।

بَاب الْقُعُودِ بَيْنَ الْخُطْبَتَيْنِ

حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ حَدَّثَنَا بِشْرُ بْنُ الْمُفَضَّلِ حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ عَنْ نَافِعٍ عَنْ ابْنِ عُمَرَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَ يَخْطُبُ خُطْبَتَيْنِ وَهُوَ قَائِمٌ وَكَانَ يَفْصِلُ بَيْنَهُمَا بِجُلُوسٍ

حدثنا مسدد حدثنا بشر بن المفضل حدثنا عبيد الله عن نافع عن ابن عمر أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان يخطب خطبتين وهو قائم وكان يفصل بينهما بجلوس

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১৫৯৭

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ২০০. দুই খুতবার মাঝে বসা

১৫৯৭. জাবির ইবনু সামুরাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী সাল্লল্লাহু ’আলাইহি ওয়া সাল্লামের খুতবা ছিলো দু’টি। আর তিনি উভয় খুতবার মাঝখানে বসতেন, (খুতবায়) কুরআন পাঠ করতেন এবং লোকদেরকে উপদেশ দিতেন।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ শক্তিশালী।

 

তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ২/১১২; মুসলিম, জুমু’আ ৮৬২; আমরা এর তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ২৬২১ ও সহীহ ইবনু হিব্বান নং ২৮০৩ তে।

بَاب الْقُعُودِ بَيْنَ الْخُطْبَتَيْنِ

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ سَعِيدٍ حَدَّثَنَا أَبُو الْأَحْوَصِ عَنْ سِمَاكٍ عَنْ جَابِرِ بْنِ سَمُرَةَ قَالَ كَانَتْ لِلنَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ خُطْبَتَانِ يَجْلِسُ بَيْنَهُمَا يَقْرَأُ الْقُرْآنَ وَيُذَكِّرُ النَّاسَ

أخبرنا محمد بن سعيد حدثنا أبو الأحوص عن سماك عن جابر بن سمرة قال كانت للنبي صلى الله عليه وسلم خطبتان يجلس بينهما يقرأ القرآن ويذكر الناس

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ জাবির ইবনু সামুরাহ (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১৫৯৮

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ২০১. খুতবার মাঝে ইমাম কিভাবে ইশারা করবেন

১৫৯৮. হুসাইন হতে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, উমারাহ ইবনু রুওয়াইবাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বিশর ইবনু মারওয়ানকে মিম্বারের উপর (দু’আর জন্য) দু’হাত উঠানো অবস্থায় দেখে বলেন, আল্লাহ এই হাত দু’টিকে ধ্বংস করুন। আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লল্লাহু ’আলাইহি ওয়া সাল্লাম-কে মিম্বারের উপর (খুতবা দিতে) দেখেছি। কিন্তু তিনি (দু’আর সময়) কেবলমাত্র তাঁর (শাহাদত) আঙ্গুল দ্বারা ইশারা করতেন।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: মুসলিম, জুমু’আ ৮৭৪; আমরা এর তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৮৮২ তে। এছাড়া পরবর্তী হাদীসটিও দেখুন।

بَاب كَيْفَ يُشِيرُ الْإِمَامُ فِي الْخُطْبَةِ

أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ حَدَّثَنَا أَبُو زُبَيْدٍ حَدَّثَنَا حُصَيْنٌ قَالَ رَأَى عُمَارَةُ بْنُ رُوَيْبَةَ بِشْرَ بْنَ مَرْوَانَ عَلَى الْمِنْبَرِ رَافِعًا يَدَيْهِ فَقَالَ قَبَّحَ اللَّهُ هَذِهِ الْيَدَيْنِ لَقَدْ رَأَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَلَى الْمِنْبَرِ وَمَا يُشِيرُ إِلَّا بِأُصْبُعِهِ

أخبرنا أحمد بن عبد الله حدثنا أبو زبيد حدثنا حصين قال رأى عمارة بن رويبة بشر بن مروان على المنبر رافعا يديه فقال قبح الله هذه اليدين لقد رأيت رسول الله صلى الله عليه وسلم على المنبر وما يشير إلا بأصبعه

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ হুসায়ন ইবন আবদুর রহমান (রহঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১৫৯৯

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ২০১. খুতবার মাঝে ইমাম কিভাবে ইশারা করবেন

১৫৯৯. হুসাইন ইবনু আব্দুর রহমান উমারাহ ইবনু রুওয়াইবাহ হতে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, তিনি (উমারাহ ইবনু রুওয়াইবাহ) বিশর ইবনু মারওয়ানকে জুমু’আর দিন মিম্বারের উপর দু’আর জন্য দু’হাত উঠানো অবস্থায় দেখলেন। তখন তিনি তাকে তিরস্কার করলেন এবং বললেন: “আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লল্লাহু ’আলাইহি ওয়া সাল্লাম-কে মিম্বারের উপর (খুতবা দিতে) দেখেছি। তিনি তাঁর আঙ্গুল দ্বারা এরূপ করা ব্যতীত (দু’আতে) আর কিছুই করতেন না।” আর (এ বলে) তিনি তার শাহাদাত আঙ্গুল দ্বারা কটিদেশের নিকটে ইশারা করলেন।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: এটি আগের হাদীসের পুনরাবৃত্তি।

بَاب كَيْفَ يُشِيرُ الْإِمَامُ فِي الْخُطْبَةِ

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ حُصَيْنِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ عَنْ عُمَارَةَ بْنِ رُوَيْبَةَ قَالَ رَأَى بِشْرَ بْنَ مَرْوَانَ رَافِعًا يَدَيْهِ يَدْعُو عَلَى الْمِنْبَرِ يَوْمَ الْجُمُعَةِ قَالَ فَسَبَّهُ وَقَالَ لَقَدْ رَأَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَلَى الْمِنْبَرِ وَمَا يَقُولُ بِأُصْبُعِهِ إِلَّا هَكَذَا وَأَشَارَ بِالسَّبَّابَةِ عِنْدَ الْخَاصِرَةِ

حدثنا محمد بن يوسف حدثنا سفيان عن حصين بن عبد الرحمن عن عمارة بن رويبة قال رأى بشر بن مروان رافعا يديه يدعو على المنبر يوم الجمعة قال فسبه وقال لقد رأيت رسول الله صلى الله عليه وسلم على المنبر وما يقول بأصبعه إلا هكذا وأشار بالسبابة عند الخاصرة

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ হুসায়ন ইবন আবদুর রহমান (রহঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১৬০০

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ২০২. খুতবা দেওয়ার সময় ইমামের অবস্থান

১৬০০. জাবির ইবনু আব্দুল্লাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, মিম্বার তৈরীর পূর্বে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম একটি কাষ্ঠ খণ্ডের সাথে হেলান দিয়ে দাঁড়াতেন। তারপর যখন মিম্বর তৈরী করা হল, তখন এই কাষ্ঠখণ্ডটি এমনভাবে কাঁদতে লাগল যে, আমরা এর কান্নার শব্দ শুনতে পেলাম। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এটির উপর তাঁর হাত রাখলেন, ফলে এটি শান্ত হল।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: হাফিজ ইবনু কাছীর বিদায়া ৬/১২৮ এ বাযযারের সূত্রে উল্লেখ করেছেন। ((এর সনদকে তিনি জাইয়্যেদ (উত্তম) বলেছেন। -ফাতহুল মান্নান)) তবে এটি অপর সনদে ইমাম আহমদ জাবির (রা:) সূত্রে বর্ণনা করেছেন সহীহ সনদে।

 

তাখরীজ: বুখারী, মানাকিব, নং ৩৫৮৫। এর মূল রয়েছে বুখারী, নং ৪৪৯, ৯১৪, ২০৯৫, ৩৫৮৪, ৩৫৮৫ তে। আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৬৫০৮ তে। ((আহমাদ, আল মুসনাদ ৩/২৯৩; বুখারী ৪৪৯; সহীহ ইবনু হিব্বান ৬৫০৮- – ফাতহুল মান্নান, নং ৩৪ এর টীকা- অনুবাদক।))

بَاب مَقَامِ الْإِمَامِ إِذَا خَطَبَ

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ كَثِيرٍ عَنْ سُلَيْمَانَ بْنِ كَثِيرٍ عَنْ الزُّهْرِيِّ عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيَّبِ عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ قَالَ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُومُ إِلَى جِذْعٍ قَبْلَ أَنْ يُجْعَلَ الْمِنْبَرُ فَلَمَّا جُعِلَ الْمِنْبَرُ حَنَّ ذَلِكَ الْجِذْعُ حَتَّى سَمِعْنَا حَنِينَهُ فَوَضَعَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَدَهُ عَلَيْهِ فَسَكَنَ

أخبرنا محمد بن كثير عن سليمان بن كثير عن الزهري عن سعيد بن المسيب عن جابر بن عبد الله قال كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يقوم إلى جذع قبل أن يجعل المنبر فلما جعل المنبر حن ذلك الجذع حتى سمعنا حنينه فوضع رسول الله صلى الله عليه وسلم يده عليه فسكن

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ জাবির ইবনু আবদুল্লাহ আনসারী (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১৬০১

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ২০২. খুতবা দেওয়ার সময় ইমামের অবস্থান

১৬০১. ইবনু আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, মিম্বার বানানোর পূর্বে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম একটি কাষ্ঠ খণ্ডের নিকট (দাঁড়িয়ে) খুতবা দিতেন। তারপর যখন মিম্বার বানানো হলো এবং তিনি এর দিকে স্থানান্তরিত হলেন, তখন কাষ্ঠ খণ্ডটি কান্নাজুড়ে দিল। তিনি যখন এটিকে আলিঙ্গন করলেন, অতঃপর এটি শান্ত হল। তখন তিনি বললেন: ’আমি যদি একে আলিঙ্গন না করতাম, তবে তা অবশ্যই কিয়ামত পর্য়ন্ত (এভাবে) কাঁদতে থাকত।’[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: এটি ৩৯ নং এ গত হয়েছে। ((আহমাদ, আল মুসনাদ ১/২৪৯, ২৬৩, ২৬৭; ইবনু আবী শাইবা ১১/৪৮৪ নং ১১৭৯৫; আবদ্ ইবনু হুমাইদ ১৩৩৬; বুখারী, আল কাবীর ৭/২৬; তাবারাণী, মু’জামুল কাবীর ১২/১৮৭ নং ১২৮৪১।- ৩৯ নং হাদীসের টীকা অনুযায়ী- অনুবাদক))

بَاب مَقَامِ الْإِمَامِ إِذَا خَطَبَ

حَدَّثَنَا حَجَّاجُ بْنُ مِنْهَالٍ حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ عَنْ عَمَّارِ بْنِ أَبِي عَمَّارٍ عَنْ ابْنِ عَبَّاسٍ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَ يَخْطُبُ إِلَى جِذْعٍ قَبْلَ أَنْ يَتَّخِذَ الْمِنْبَرَ فَلَمَّا اتَّخَذَ الْمِنْبَرَ تَحَوَّلَ إِلَيْهِ حَنَّ الْجِذْعُ فَاحْتَضَنَهُ فَسَكَنَ وَقَالَ لَوْ لَمْ أَحْتَضِنْهُ لَحَنَّ إِلَى يَوْمِ الْقِيَامَةِ

حدثنا حجاج بن منهال حدثنا حماد بن سلمة عن عمار بن أبي عمار عن ابن عباس أن النبي صلى الله عليه وسلم كان يخطب إلى جذع قبل أن يتخذ المنبر فلما اتخذ المنبر تحول إليه حن الجذع فاحتضنه فسكن وقال لو لم أحتضنه لحن إلى يوم القيامة

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আবদুল্লাহ ইবনু আব্বাস (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১৬০২

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ২০২. খুতবা দেওয়ার সময় ইমামের অবস্থান

১৬০২. আনাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা হতে বর্ণিত, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হতে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: এটি ৪০ নং এ গত হয়েছে। আরও দেখুন, মুসনাদুল মাউসিলী নং ২৭৫৬।

بَاب مَقَامِ الْإِمَامِ إِذَا خَطَبَ

حَدَّثَنَا حَجَّاجٌ حَدَّثَنَا حَمَّادٌ عَنْ ثَابِتٍ عَنْ أَنَسٍ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مِثْلَهُ

حدثنا حجاج حدثنا حماد عن ثابت عن أنس عن النبي صلى الله عليه وسلم مثله

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আনাস ইবনু মালিক (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১৬০৩

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ২০২. খুতবা দেওয়ার সময় ইমামের অবস্থান

১৬০৩. সাহল ইবনু সা’দ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত তিনি বলেন, যখন মদীনার লোকসংখ্যা বেড়ে গেলো। এক একজন করে লোক আসতে শুরু করলো, অতঃপর লোকেরা দলে দলে আগমন করতে লাগলো। ফলে তারা (দূরবর্তীতার কারণে) রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের বাণী শুনতে সক্ষম হচ্ছিল না। ফলে তারা তাঁর নিকট হতে ফিরে চলে যেতে লাগলো। তখন লোকজন তাঁকে বললো, ইয়া রাসূলুল্লাহ! (মদীনায়) অধিবাসী সংখ্যা তো বেড়ে গিয়েছে। কিন্তু কোনো আগত ব্যক্তি এসে আপনার কথা শুনতে পাচ্ছে না। তখন তিনি বললেন: “তাহলে তোমাদের কী ইচ্ছা?” এরপর তিনি আনসারদের নাজ্জার গোত্রের এক মহিলার গোলামের নিকট লোক পাঠালেন আর (মদীনা থেকে নয় মাইল দূরবর্তী) গাবা নামক স্থানের পাশ্ববর্তী অঞ্চলের দিকেও (পাঠালেন)। ফলে তারা তাঁর জন্য দু’টি কিংবা তিনটি সিঁড়ি (বিশিষ্ট একটি মিম্বার) বানালো। এরপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তার উপর বসতেন এবং এর উপর (দাঁড়িয়ে) খুতবা দিতেন। যখন তারা সেটি (মিম্বার তৈরী) করলো, তখন যে কাষ্ঠ খণ্ডটির নিকট দাঁড়িয়ে তিনি খুতবা দিতেন, সেই কাষ্ঠ খণ্ডটি কাঁন্না জুড়ে দিলো। ফলে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উঠে তার নিকট গেলেন এবং তার উপর তাঁর হাত রাখলেন, অতঃপর সেটি শান্ত হল।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এ সনদটি যয়ীফ, মাসউদীর দুর্বলতার কারণে। তবে এ হাদীসটি (অন্য সনদে) বুখারী ও মুসলিম সম্মিলিত ভাবে বর্ণনা করেছেন।

 

তাখরীজ: এটি ৪১ নং এ গত হয়েছে। ((বুখারী ৯১৭; মুসলিম ৫৪৪; ইবনু মাজাহ ১৪১৬; ইবনু আবী শাইবাহ ১১/৪৮৫ নং ১১৭৯৬- ৪১ নং এর টীকা হতে- অনুবাদক।))

بَاب مَقَامِ الْإِمَامِ إِذَا خَطَبَ

حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ يَزِيدَ حَدَّثَنَا الْمَسْعُودِيُّ عَنْ أَبِي حَازِمٍ عَنْ سَهْلِ بْنِ سَعْدٍ قَالَ لَمَّا كَثُرَ النَّاسُ بِالْمَدِينَةِ جَعَلَ الرَّجُلُ يَجِيءُ وَالْقَوْمُ يَجِيئُونَ فَلَا يَكَادُونَ أَنْ يَسْمَعُوا كَلَامَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ حَتَّى يَرْجِعُوا مِنْ عِنْدِهِ فَقَالَ لَهُ النَّاسُ يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنَّ النَّاسَ قَدْ كَثُرُوا وَإِنَّ الْجَائِيَ يَجِيءُ فَلَا يَكَادُ يَسْمَعُ كَلَامَكَ قَالَ فَمَا شِئْتُمْ فَأَرْسِلْ إِلَى غُلَامٍ لِامْرَأَةٍ مِنْ الْأَنْصَارِ نَجَّارٍ وَإِلَى طَرْفَاءِ الْغَابَةِ فَجَعَلُوا لَهُ مِرْقَاتَيْنِ أَوْ ثَلَاثَةً فَكَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَجْلِسُ عَلَيْهِ وَيَخْطُبُ عَلَيْهِ فَلَمَّا فَعَلُوا ذَلِكَ حَنَّتْ الْخَشَبَةُ الَّتِي كَانَ يَقُومُ عِنْدَهَا فَقَامَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِلَيْهَا فَوَضَعَ يَدَهُ عَلَيْهَا فَسَكَنَتْ

حدثنا عبد الله بن يزيد حدثنا المسعودي عن أبي حازم عن سهل بن سعد قال لما كثر الناس بالمدينة جعل الرجل يجيء والقوم يجيئون فلا يكادون أن يسمعوا كلام رسول الله صلى الله عليه وسلم حتى يرجعوا من عنده فقال له الناس يا رسول الله إن الناس قد كثروا وإن الجائي يجيء فلا يكاد يسمع كلامك قال فما شئتم فأرسل إلى غلام لامرأة من الأنصار نجار وإلى طرفاء الغابة فجعلوا له مرقاتين أو ثلاثة فكان رسول الله صلى الله عليه وسلم يجلس عليه ويخطب عليه فلما فعلوا ذلك حنت الخشبة التي كان يقوم عندها فقام رسول الله صلى الله عليه وسلم إليها فوضع يده عليها فسكنت

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ সাহল বিন সা’দ (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১৬০৪

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ২০৩. জুমু’আর সালাতের কিরাআত

১৬০৪. উবাইদুল্লাহ ইবনু আব্দুল্লাহ ইবনু উতবা থেকে বর্ণিত, দাহহাক ইবনু কায়িস নু’মান ইবনু বাশীর আল আনসারী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুকে প্রশ্ন করলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম জুমু’আর দিন সূরা জুমু’আর পরে (দ্বিতীয় রাকা’আতে) আর কোন্ সূরা পাঠ করতেন?তিনি বললেন: [“হাল আতাকা হাদীছুল গশিয়াহ।”][1] (সূরা গশিয়াহ:১)

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: মালিক, জুমু’আহ ২১; মুসলিম, জুমু’আ ৮৭৮; পূর্ণ তাখরীজের জন্য পরবর্তী হাদীস দুটি দেখুন।

بَاب الْقِرَاءَةِ فِي صَلَاةِ الْجُمُعَةِ

أَخْبَرَنَا خَالِدُ بْنُ مَخْلَدٍ حَدَّثَنَا مَالِكٌ عَنْ ضَمْرَةَ بْنِ سَعِيدٍ الْمَازِنِيِّ عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُتْبَةَ أَنَّ الضَّحَّاكَ بْنَ قَيْسٍ سَأَلَ النُّعْمَانَ بْنَ بَشِيرٍ الْأَنْصَارِيَّ مَا كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقْرَأُ يَوْمَ الْجُمُعَةِ عَلَى إِثْرِ سُورَةِ الْجُمُعَةِ قَالَ هَلْ أَتَاكَ حَدِيثُ الْغَاشِيَةِ

أخبرنا خالد بن مخلد حدثنا مالك عن ضمرة بن سعيد المازني عن عبيد الله بن عبد الله بن عتبة أن الضحاك بن قيس سأل النعمان بن بشير الأنصاري ما كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يقرأ يوم الجمعة على إثر سورة الجمعة قال هل أتاك حديث الغاشية

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ উবাইদুল্লাহ ইবনু আবদুল্লাহ ইবন ‘উতবাহ (রহঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১৬০৫

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ২০৩. জুমু’আর সালাতের কিরাআত

১৬০৫. (অপর সূত্রে) উবাইদুল্লাহ ইবনু আব্দুল্লাহ ইবনু উতবা থেকে বর্ণিত, দাহহাক ইবনু কায়িস আল ফিহরী বলেন, আমরা নু’মান ইবনু বাশীর আল আনসারী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুকে প্রশ্ন করলাম, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাদের সাথে জুমু’আর দিন বর্ণিত সূরা- তথা সূরা জুম’আহ’র সাথে (দ্বিতীয় রাকা’আতে) আর কোন্ সূরা পাঠ করতেন?তিনি বললেন: তিনি এর (সূরা জুমু’আর) সাথে পাঠ করতেন, [“হাল আতাকা হাদীছুল গশিয়াহ।”][1] (সূরা গশিয়াহ: ১)

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: এটি পূর্বের হাদীসটির পুনরাবৃত্তি। এছাড়া, সহীহ ইবনু খুযাইমা নং ১৮৪৬; পূর্ণ তাখরীজের জন্য আগের ও পরের হাদীস দু’টি দেখুন।

بَاب الْقِرَاءَةِ فِي صَلَاةِ الْجُمُعَةِ

حَدَّثَنَا إِسْمَعِيلُ بْنُ أَبَانَ حَدَّثَنَا أَبُو أُوَيْسٍ عَنْ ضَمْرَةَ بْنِ سَعِيدٍ الْمَازِنِيِّ عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُتْبَةَ عَنْ الضَّحَّاكِ بْنِ قَيْسٍ الْفِهْرِيِّ عَنْ النُّعْمَانِ بْنِ بَشِيرٍ الْأَنْصَارِيِّ قَالَ سَأَلْنَاهُ مَا كَانَ يَقْرَأُ بِهِمْ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَوْمَ الْجُمُعَةِ مَعَ السُّورَةِ الَّتِي ذُكِرَتْ فِيهَا الْجُمُعَةُ قَالَ كَانَ يَقْرَأُ مَعَهَا هَلْ أَتَاكَ حَدِيثُ الْغَاشِيَةِ

حدثنا إسمعيل بن أبان حدثنا أبو أويس عن ضمرة بن سعيد المازني عن عبيد الله بن عبد الله بن عتبة عن الضحاك بن قيس الفهري عن النعمان بن بشير الأنصاري قال سألناه ما كان يقرأ بهم النبي صلى الله عليه وسلم يوم الجمعة مع السورة التي ذكرت فيها الجمعة قال كان يقرأ معها هل أتاك حديث الغاشية

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ উবাইদুল্লাহ ইবনু আবদুল্লাহ ইবন ‘উতবাহ (রহঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১৬০৬

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ২০৩. জুমু’আর সালাতের কিরাআত

১৬০৬. নূমান ইবন বাশীর রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম দু’ ঈদে এবং জুমু’আর সালাতে [“সাব্বি হিসমা রব্বিকাল আ’লা”-(সূরা আ’লা:১)] এবং [“হাল আতাকা হাদীছুল গশিয়াহ।”] (সূরা গশিয়াহ: ১)পাঠ করতেন । রাবী বলেন, ঈদ ও জুমু-আ একই দিনে একত্রিত হয়ে পড়লে উক্ত সূরা দু-টি উভয় সালাতে পাঠ করতেন ।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: সহীহ মুসলিম, জুমু’আহ ৮৭৮ (৬৩); সহীহ ইবনু খুযাইমা নং ১৮৪৫; পূর্ণ তাখরীজের জন্য সহীহ ইবনু হিব্বান নং ২৮০৭, ২৮২০, ২৮২১ দেখুন।

بَاب الْقِرَاءَةِ فِي صَلَاةِ الْجُمُعَةِ

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ إِبْرَاهِيمَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ الْمُنْتَشِرِ عَنْ أَبِيهِ عَنْ حَبِيبِ بْنِ سَالِمٍ عَنْ النُّعْمَانِ بْنِ بَشِيرٍ قَالَ كَانَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقْرَأُ فِي الْعِيدَيْنِ وَالْجُمُعَةِ بِسَبِّحِ اسْمَ رَبِّكَ الْأَعْلَى وَهَلْ أَتَاكَ حَدِيثُ الْغَاشِيَةِ وَرُبَّمَا اجْتَمَعَا فَقَرَأَ بِهِمَا

حدثنا محمد بن يوسف حدثنا سفيان عن إبراهيم بن محمد بن المنتشر عن أبيه عن حبيب بن سالم عن النعمان بن بشير قال كان النبي صلى الله عليه وسلم يقرأ في العيدين والجمعة بسبح اسم ربك الأعلى وهل أتاك حديث الغاشية وربما اجتمعا فقرأ بهما

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ নু’মান ইবনু বশীর (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১৬০৭

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ২০৪. (বিশেষ) একটি মুহুর্ত যা জুমু’আর দিনে রয়েছে বলে বর্ণিত হয়েছে

১৬০৭. আবী হুরাইরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, কা’ব এর সাথে আমার সাক্ষাত হলে আমি তাকে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের হাদীস বর্ণনা করতে আরম্ভ করলাম, আর সে তাওরাত থেকে বর্ণনা করতে লাগলো। এভাবে চলতে চলতে আমরা যখন জুমু’আর প্রসঙ্গে পৌঁছলাম, তখন আমি তাকে বললাম যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “নিশ্চয়ই এতে (জুমু’আর দিবসে) এমন একটি মুহুর্ত রয়েছে যদি কোনো মুসলিম বান্দা সেই সময়ে সালাতে দাঁড়িয়ে আল্লাহর নিকট কল্যাণকর কোনো কিছু চায়, তবে অবশ্যই আল্লাহ তাকে তা প্রদান করেন।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ যয়ীফ, তবে হাদীসটি সহীহ বুখারী ও মুসলিমের হাদীস। (হাদীসটি সহীহ)

 

তাখরীজ: বুখারী, জুমু’আ নং ৯৩৫; মুসলিম, জুমু’আ ৮৫২; আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ৬০৫৫ ও সহীহ ইবনু হিব্বান নং ২৭৭২, ২৭৭৩ ও মুসনাদুল হুমাইদী নং ১০১৬ তে।

بَاب السَّاعَةِ الَّتِي تُذْكَرُ فِي الْجُمُعَةِ

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ كَثِيرٍ عَنْ مَخْلَدِ بْنِ حُسَيْنٍ عَنْ هِشَامٍ عَنْ ابْنِ سِيرِينَ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ الْتَقَيْتُ أَنَا وَكَعْبٌ فَجَعَلْتُ أُحَدِّثُ عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَجَعَلَ يُحَدِّثُنِي عَنْ التَّوْرَاةِ حَتَّى أَتَيْنَا عَلَى ذِكْرِ يَوْمِ الْجُمُعَةِ فَقُلْتُ إِنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ إِنَّ فِيهَا لَسَاعَةً لَا يُوَافِقُهَا عَبْدٌ مُسْلِمٌ يُصَلِّي يَسْأَلُ اللَّهَ فِيهَا خَيْرًا إِلَّا أَعْطَاهُ إِيَّاهُ

أخبرنا محمد بن كثير عن مخلد بن حسين عن هشام عن ابن سيرين عن أبي هريرة قال التقيت أنا وكعب فجعلت أحدث عن رسول الله صلى الله عليه وسلم وجعل يحدثني عن التوراة حتى أتينا على ذكر يوم الجمعة فقلت إن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال إن فيها لساعة لا يوافقها عبد مسلم يصلي يسأل الله فيها خيرا إلا أعطاه إياه

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরায়রা (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১৬০৮

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ২০৫. যে ব্যক্তি ‘ওযর’ (শরীয়তসম্মত কারণ) ব্যতীত জুমু’আ পরিত্যাগ করে, তার সম্পর্কে

১৬০৮. আবদুল্লাহ ইবনে উমার ও আবী হুরাইরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা থেকে বর্ণিত। তাঁরা উভয়ে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে তাঁর মিম্বারের সিঁড়িতে দাঁড়িয়ে বলতে শুনেছেন: “লোকদেরকে নিশ্চয়ই জুমু’আর সালাত পরিত্যাগ করা থেকে বিরত থাকতে হবে। নতুবা আল্লাহ অবশ্যই তাদের অন্তরে মোহর মেরে দিবেন, অতঃপর তারা বিস্মৃতদের অন্তর্ভুক্ত হয়ে যাবে।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: বাগাবী, শারহুস সুন্নাহ ১০৫৪; মুসলিম, জুমু’আ ৮৬৫; তাহাবী, মুশকিলিল আছার ৪/২৩১, ২৩২; বাইহাকী, জুমু’আ ৩/১৭১।…

 

এ বাবে ইবনু আব্বাস, ইবনু উমার হতে হাদীস বর্ণিত রয়েছে। আর আমরা এর তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ৫৭৪২; সহীহ ইবনু হিব্বান নং ২৭৮৫; মাওয়ারিদুয যামআন নং ৫৫৫ তে। আরও দেখুন, মুসান্নাফ ইবনু আবী শাইবা ২/১৫৪ ও মুশকিলিল আছার ৪/২৩১ ও সহীহ ইবনু খুযাইমা নং ১৮৫৫।

بَاب فِيمَنْ تَرَكَ الْجُمُعَةَ مِنْ غَيْرِ عُذْرٍ

حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ حَسَّانَ حَدَّثَنَا مُعَاوِيَةُ بْنُ سَلَّامٍ أَخْبَرَنِي زَيْدُ بْنُ سَلَّامٍ أَنَّهُ سَمِعَ أَبَا سَلَّامٍ قَالَ حَدَّثَنِي الْحَكَمُ بْنُ مِينَا أَنَّ ابْنَ عُمَرَ حَدَّثَهُ وَأَبَا هُرَيْرَةَ أَنَّهُمَا سَمِعَا رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ وَهُوَ عَلَى أَعْوَادِ مِنْبَرِهِ لَيَنْتَهِيَنَّ أَقْوَامٌ عَنْ وَدَعِهِمْ الْجُمُعَاتِ أَوْ لَيَخْتِمَنَّ اللَّهُ عَلَى قُلُوبِهِمْ ثُمَّ لَيَكُونُنَّ مِنْ الْغَافِلِينَ

حدثنا يحيى بن حسان حدثنا معاوية بن سلام أخبرني زيد بن سلام أنه سمع أبا سلام قال حدثني الحكم بن مينا أن ابن عمر حدثه وأبا هريرة أنهما سمعا رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول وهو على أعواد منبره لينتهين أقوام عن ودعهم الجمعات أو ليختمن الله على قلوبهم ثم ليكونن من الغافلين

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১৬০৯

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ২০৫. যে ব্যক্তি ‘ওযর’ (শরীয়তসম্মত কারণ) ব্যতীত জুমু’আ পরিত্যাগ করে, তার সম্পর্কে

১৬০৯. আবুল জা’দ্ আদ-যামরী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “যে ব্যক্তি একটি জুমুআ (-এর সালাত) এর প্রতি অবহেলাবশত: বা অবজ্ঞাভরে পরিত্যাগ করে, আল্লাহ তার অন্তরের উপর মোহর মেরে দেন।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ হাসান।

 

তাখরীজ: ((আবু দাউদ ১০৫২; তিরমিযী ৫০০; নাসাঈ, ‍জুমু’আ বাব (২); ইবনু মাজাহ, ১১২৫; আহমাদ ৩/৪২৪; এছাড়া আবী কাতাদা রা: হতে আহমাদ ও হাকিম এবং জাবির রা: হতে আহমাদ, নাসাঈ, ইবনু মাজাহ ও হাকিম এটি বর্ণনা করেছেন।- ফাওয়ায আহমাদের তাহক্বীক্বকৃত সুনানে দারেমী, হা/১৫৭১ এর টীকা দেখুন।- অনুবাদক))

 

আমরা এটি পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ১৬০০; সহীহ ইবনু হিব্বান নং ২৫৮; মাওয়ারিদুয যামআন নং ৫৫, ৬২ ৫৫৪ তে।

بَاب فِيمَنْ تَرَكَ الْجُمُعَةَ مِنْ غَيْرِ عُذْرٍ

حَدَّثَنَا يَعْلَى حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَمْرٍو عَنْ عَبِيدَةَ بْنِ سُفْيَانَ عَنْ أَبِي الْجَعْدِ الضَّمْرِيِّ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَنْ تَرَكَ الْجُمُعَةَ تَهَاوُنًا بِهَا طَبَعَ اللَّهُ عَلَى قَلْبِهِ

حدثنا يعلى حدثنا محمد بن عمرو عن عبيدة بن سفيان عن أبي الجعد الضمري قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم من ترك الجمعة تهاونا بها طبع الله على قلبه

 হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১৬১০

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ২০৬. জুমু’আর ফযীলত

১৬১০. আওস ইবন আওস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “তোমাদের দিনসমূহের মধ্যে সর্বোৎকৃষ্ট হচ্ছে জুমুআর দিন। এই দিনেই হযরত আদম (আ.) কে সৃষ্টি করা হয় এবং ঐ দিনেই শিংগায় ফুঁ দেয়া হবে। আর ঐ দিনেই (সমস্ত সৃষ্টিকুল) বেহুঁশ্ হবে। অতএব, তোমরা ঐ দিনে আমার উপর অধিক পরিমাণে সালাত (দরূদ) পাঠ করবে, কেননা তোমাদের সালাতসমূহ (দরূদ) আমার সম্মুখে পেশ করা হয়ে থাকে।” এক ব্যক্তি জিজ্ঞাসা করেন, ইয়া রাসূলুল্লাহ! আপনার দেহ তো পচে-গলে যাবে, অর্থাৎ ক্ষয়প্রাপ্ত হবে। এমতাবস্থায় আমাদের দরূদ কিভাবে আপনার সম্মুখে পেশ করা হবে? তিনি বললেনঃ “আল্লাহ নবীগণের দেহসমূহ মাটির জন্য (বিনষ্ট করা) হারাম করে দিয়েছেন।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব; এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৯১০ ও মাওয়ারিদুয যামআন নং ৫৫০, আবার এর কতকগুলি শাহিদও উল্লেখ করেছি।

 

((আবু দাউদ ১০৪৭; নাসাঈ৩/৯১-৯২; ইবনু মাজাহ নং ১০৮৫; ইবনু খুযাইমা নং ১৭৩৩; ইবনু হিব্বান নং ৫৫০০; হাকিম ১/২৭৮। হাকিম একে সহীহ বলেছেন, এবং যাহাবী তা সমর্থন করেছেন। ‍মুনযিরী, ইবু হাজার একে হাসান বলেছেন। আর নববী, আল আযকার’ এ একে সহীহ বলেছেন।– ফাওয়ায আহমাদের তাহক্বীক্বকৃত সুনানে দারেমী, হা/১৫৭২ এর টীকা থেকে।- অনুবাদক))

بَاب فِي فَضْلِ يَوْمِ الْجُمُعَةِ

أَخْبَرَنَا عُثْمَانُ بْنُ مُحَمَّدٍ حَدَّثَنَا الْحُسَيْنُ بْنُ عَلِيٍّ عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ يَزِيدَ بْنِ جَابِرٍ عَنْ أَبِي الْأَشْعَثِ الصَّنْعَانِيِّ عَنْ أَوْسِ بْنِ أَوْسٍ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِنَّ أَفْضَلَ أَيَّامِكُمْ يَوْمُ الْجُمُعَةِ فِيهِ خُلِقَ آدَمُ وَفِيهِ النَّفْخَةُ وَفِيهِ الصَّعْقَةُ فَأَكْثِرُوا عَلَيَّ مِنْ الصَّلَاةِ فِيهِ فَإِنَّ صَلَاتَكُمْ مَعْرُوضَةٌ عَلَيَّ قَالَ رَجُلٌ يَا رَسُولَ اللَّهِ كَيْفَ تُعْرَضُ صَلَاتُنَا عَلَيْكَ وَقَدْ أَرَمْتَ يَعْنِي بَلِيتَ قَالَ إِنَّ اللَّهَ حَرَّمَ عَلَى الْأَرْضِ أَنْ تَأْكُلَ أَجْسَادَ الْأَنْبِيَاءِ

أخبرنا عثمان بن محمد حدثنا الحسين بن علي عن عبد الرحمن بن يزيد بن جابر عن أبي الأشعث الصنعاني عن أوس بن أوس قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم إن أفضل أيامكم يوم الجمعة فيه خلق آدم وفيه النفخة وفيه الصعقة فأكثروا علي من الصلاة فيه فإن صلاتكم معروضة علي قال رجل يا رسول الله كيف تعرض صلاتنا عليك وقد أرمت يعني بليت قال إن الله حرم على الأرض أن تأكل أجساد الأنبياء

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

মন্তব্য করুন

Top