You are here

দারেমী সালাত অধ্যায় ৫ম ভাগ হাদিস নং ১৪৯৬ – ১৫৫০

দারেমী সালাত অধ্যায় ৫ম ভাগ হাদিস নং ১৪৯৬ – ১৫৫০

১৪৯৬

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১৫৪. রাত-দিনের সালাত দু’-দু’ রাকা’আত করে

১৪৯৬. ইবনু উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “দিন-রাতের সালাত দু’-দু’ রাকা’আত করে।”আর তাদের কেউ কেউ বর্ণনা করেছেন, ’দু’ রাকা’আত দু’ রাকা’আত করে।’[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি সহহি ইবনু হিব্বান নং ২৪৮২ ও মাওয়ারিদুয যাম’আন নং ৬৩৬ তে। পরবর্তী হাদীসটিও দেখুন।

بَاب صَلَاةُ اللَّيْلِ وَالنَّهَارِ مَثْنَى مَثْنَى

أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَبِي شَيْبَةَ حَدَّثَنَا وَكِيعٌ وَغُنْدَرٌ عَنْ شُعْبَةَ عَنْ يَعْلَى بْنِ عَطَاءٍ عَنْ عَلِيٍّ الْأَزْدِيِّ عَنْ ابْنِ عُمَرَ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ صَلَاةُ اللَّيْلِ وَالنَّهَارِ مَثْنَى مَثْنَى وَقَالَ أَحَدُهُمَا رَكْعَتَيْنِ رَكْعَتَيْنِ

أخبرنا عبد الله بن محمد بن أبي شيبة حدثنا وكيع وغندر عن شعبة عن يعلى بن عطاء عن علي الأزدي عن ابن عمر قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم صلاة الليل والنهار مثنى مثنى وقال أحدهما ركعتين ركعتين

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১৪৯৭

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১৫৫. রাতের সালাত (তাহজ্জুদ) সম্পর্কে

১৪৯৭. ইবনু উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, কোনো এক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কে রাতের সালাত সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলো। তখন তিনি বললেন: “দু’- দু’ রাকা’আত করে। আর যখন তোমাদের কেউ ভোর হয়ে যাওয়ার আশংকা করবে তখন সে যেন এক রাকা’আত সালাত আদায় করে নেয়, যা তার (পূর্বে) আদায়কৃত সালাতকে বিতির (বিজোড়) করে দেবে।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ শক্তিশালী। এটি বুখারী মুসলিমের সম্মিলিত বর্ণনা।

 

তাখরীজ: বুখারী ৪৭২; ‍মুসলিম ৭৪৯। আমরা এর তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ২৬২৩, ৫৪৩১, ৫৪৯৪, ৫৬১৮, ৫৬২০; সহীহ ইবনু হিব্বান নং ২৪২৬, ২৬১৯, ২৬২০, ২৬২৩, ২৬২৪ তে। সামনে ১৬২৫ নং এ এটি আসছে।

بَاب فِي صَلَاةِ اللَّيْلِ

أَخْبَرَنَا خَالِدُ بْنُ مَخْلَدٍ حَدَّثَنَا مَالِكٌ عَنْ نَافِعٍ عَنْ ابْنِ عُمَرَ قَالَ سَأَلَ رَجُلٌ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَنْ صَلَاةِ اللَّيْلِ فَقَالَ مَثْنَى مَثْنَى فَإِذَا خَشِيَ أَحَدُكُمْ الصُّبْحَ فَلْيُصَلِّ رَكْعَةً وَاحِدَةً تُوتِرُ مَا قَدْ صَلَّى

أخبرنا خالد بن مخلد حدثنا مالك عن نافع عن ابن عمر قال سأل رجل رسول الله صلى الله عليه وسلم عن صلاة الليل فقال مثنى مثنى فإذا خشي أحدكم الصبح فليصل ركعة واحدة توتر ما قد صلى

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১৪৯৮

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১৫৬. রাতের সালাত (তাহজ্জুদ) আদায় করার ফযীলত

১৪৯৮. আবদুল্লাহ ইবনু সালাম রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন মদীনায় আগমন করলেন তখন লোকেরা তাঁকে সসম্মানে অভ্যর্থনা জানাল। তখন তারা বলাবলি করতে লাগল যে, ’(আমাদের মাঝে) আল্লাহর রাসূল এসেছেন! আল্লাহর রাসূল এসেছেন!’ দেখতে আসা লোকদের সাথে আমিও তাঁকে দেখতে গেলাম। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর চেহারা যখন আমার সামনে প্রতিভাত হল, তখন আমি চিনে ফেললাম যে, এ মুখচ্ছবি কোন মিথ্যাবাদীর মুখচ্ছবি নয়। সর্বপ্রথম আমি তাঁকে যা বলতে শুনলাম, তা হলো, তিনি বলছিলেন: “হে লোক সকল, তোমরা সালামের প্রসার ঘটাবে, লোকদেরকে খাদ্য খাওয়াবে, আর আত্মীয়তার সম্পর্ক বজায় রাখবে এবং লোকেরা যখন ঘুমিয়ে থাকে, তখন তোমরা (রাতের) সালাত আদায় করবে। তাহলে তোমরা শান্তি ও নিরাপত্তার সাথে জান্নাতে প্রবেশ করতে পারবে।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ৮/৬২৪ নং ৫৭৯১; আহমাদ ৫/৪৫১; তিরমিযী ২৪৮৭; ইবনু মাজাহ ১৩৩৪; বাগাবী, শারহুস সুন্নাহ নং ৯২৬;হাকিম ৩/১৩ ও ৪/১৬০। হাকিম ১ম বর্ণনাটির পর বলেন: হাদীসটি শাইখাইন (বুখারী ও মুসলিমের শর্তানুযায়ী সহীহ, যদিও তারা এটি বর্ণনা করেননি। যাহাবী তার এমত সমর্থন করেছেন।

بَاب فَضْلِ صَلَاةِ اللَّيْلِ

أَخْبَرَنَا سَعِيدُ بْنُ عَامِرٍ عَنْ عَوْفٍ عَنْ زُرَارَةَ بْنِ أَوْفَى عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ سَلَامَ قَالَ لَمَّا قَدِمَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ الْمَدِينَةَ اسْتَشْرَفَهُ النَّاسُ فَقَالُوا قَدِمَ رَسُولُ اللَّهِ قَدِمَ رَسُولُ اللَّهِ فَخَرَجْتُ فِيمَنْ خَرَجَ فَلَمَّا رَأَيْتُ وَجْهَهُ عَرَفْتُ أَنَّ وَجْهَهُ لَيْسَ بِوَجْهِ كَذَّابٍ فَكَانَ أَوَّلُ مَا سَمِعْتُهُ يَقُولُ يَا أَيُّهَا النَّاسُ أَفْشُوا السَّلَامَ وَأَطْعِمُوا الطَّعَامَ وَصِلُوا الْأَرْحَامَ وَصَلُّوا وَالنَّاسُ نِيَامٌ تَدْخُلُوا الْجَنَّةَ بِسَلَامٍ

أخبرنا سعيد بن عامر عن عوف عن زرارة بن أوفى عن عبد الله بن سلام قال لما قدم رسول الله صلى الله عليه وسلم المدينة استشرفه الناس فقالوا قدم رسول الله قدم رسول الله فخرجت فيمن خرج فلما رأيت وجهه عرفت أن وجهه ليس بوجه كذاب فكان أول ما سمعته يقول يا أيها الناس أفشوا السلام وأطعموا الطعام وصلوا الأرحام وصلوا والناس نيام تدخلوا الجنة بسلام

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আবদুল্লাহ বিন সালাম (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১৪৯৯

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১৫৭. যে ব্যক্তি আল্লাহর উদ্দেশ্যে একটি সাজদা করে, তার ফযীলত

১৪৯৯. আহনাফ ইবনু কায়িস হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি দামিশকের মসজিদে প্রবেশ করে দেখলাম, সেখানে এক ব্যক্তি বেশি বেশি রুকূ’-সাজদা করছে (নফল সালাত আদায় করছে)।

আমি (মনে মনে) বললাম, আমি এখান থেকে বের হচ্ছি না, যতক্ষণ না জানতে পারছি যে, সে (এ লোকটি) জানতে পারছেন কি যে, তিনি জোড় রাক’আত না বেজোড় রাক’আত পড়ে সালাত শেষ করছেন। যখন লোকটি নামায শেষ করলেন তখন আমি তাঁকে বললাম, হে আল্লাহর বান্দা! আপনি জানেন কি, আপনি জোড় রাকা’আত না বেজোড় রাকা’আত পড়ে সালাত শেষ করছেন? তিনি উত্তরে বললেন, যদি আমি নাও জানি, তবে আল্লাহ্ তো তা নিশ্চয়ই জানেন। তারপর বললেন, আমি আমার প্রিয়তম আবুল কাসিম কে বলতে শুনেছি, তিনি বলেছেন: “যে বান্দা আল্লাহর উদ্দেশ্যে যে সাজদাই করবে, আল্লাহ এর জন্য তার একটা মর্যাদা বৃদ্ধি করবেন, আর এর জন্য তার একটা পাপ মাফ করে দিবেন।” আমি (রাবী) বললাম, আল্লাহ্ আপনার প্রতি দয়া করুন, (আমাকে বলুন,) আপনি কে? তিনি উত্তরে বললেন, আমি আবূ যারর।’ একথা শুনে আমি (লজ্জায়) মনে মনে খুব ছোট হয়ে গেলাম।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ যয়ীফ, মুহাম্মদ ইবনু কাছীরের কারণে। ((তবে হাদীসটি সহীহ- যা তাখরীজে উল্লিখিত হয়েছে। এছাড়া, মুনযিরী এর সকল সনদকে একত্র করে একে হাসান পর্যায়ের বলে উল্লেখ করেছেন (ফাতহুর রব্বানী, অত্র হাদীস দ্র:-অনুবাদক))

 

তাখরীজ: আব্দুর রাযযাক নং ৩৫৬১; তার সূত্রে আহমাদ ৫/১৬২; বাইহাকী ২/৪৮৯ সহীহ সনদে।

بَاب فَضْلِ مَنْ سَجَدَ لِلَّهِ سَجْدَةً

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ كَثِيرٍ عَنْ الْأَوْزَاعِيِّ عَنْ هَارُونَ بْنِ رِئَابٍ عَنْ الْأَحْنَفِ بْنِ قَيْسٍ قَالَ دَخَلْتُ مَسْجِدَ دِمَشْقَ فَإِذَا رَجُلٌ يُكْثِرُ الرُّكُوعَ وَالسُّجُودَ قُلْتُ لَا أَخْرُجُ حَتَّى أَنْظُرَ أَعَلَى شَفْعٍ يَدْرِي هَذَا يَنْصَرِفُ أَمْ عَلَى وِتْرٍ فَلَمَّا فَرَغَ قُلْتُ يَا عَبْدَ اللَّهِ أَعَلَى شَفْعٍ تَدْرِي انْصَرَفْتَ أَمْ عَلَى وِتْرٍ فَقَالَ إِنْ لَا أَدْرِي فَإِنَّ اللَّهَ يَدْرِي ثُمَّ قَالَ إِنِّي سَمِعْتُ خَلِيلِي أَبَا الْقَاسِمِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ مَا مِنْ عَبْدٍ يَسْجُدُ لِلَّهِ سَجْدَةً إِلَّا رَفَعَهُ اللَّهُ بِهَا دَرَجَةً وَحَطَّ عَنْهُ بِهَا خَطِيئَةً قُلْتُ مَنْ أَنْتَ رَحِمَكَ اللَّهُ قَالَ أَنَا أَبُو ذَرٍّ قَالَ فَتَقَاصَرَتْ إِلَيَّ نَفْسِي

حدثنا محمد بن كثير عن الأوزاعي عن هارون بن رئاب عن الأحنف بن قيس قال دخلت مسجد دمشق فإذا رجل يكثر الركوع والسجود قلت لا أخرج حتى أنظر أعلى شفع يدري هذا ينصرف أم على وتر فلما فرغ قلت يا عبد الله أعلى شفع تدري انصرفت أم على وتر فقال إن لا أدري فإن الله يدري ثم قال إني سمعت خليلي أبا القاسم صلى الله عليه وسلم يقول ما من عبد يسجد لله سجدة إلا رفعه الله بها درجة وحط عنه بها خطيئة قلت من أنت رحمك الله قال أنا أبو ذر قال فتقاصرت إلي نفسي

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আহনাফ ইব্‌ন কায়স (রহঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১৫০০

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১৫৮. শোকরের সাজদা সম্পর্কে

১৫০০. শা’ছাআ হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি ইবনু আবূ আওফা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুকে দু’রাকা’আত সালাত আদায় করতে দেখলাম। এরপর তিনি বললেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ’আলাইহি ওয়া সাল্লাম যখন (মক্কা) বিজয়ের কিংবা আবূ জাহলের শিরশ্ছেদের সুসংবাদ প্রাপ্ত হলেন, তখন তিনি দিবসের প্রথমভাগে (শোকরানা স্বরূপ) দু’ রাক’আত সালাত আদায় করেন।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: সালামাহ ইবনু রিজাআ, তার বর্ণনাকে আমরা মাজমাউয যা্ওয়াইদ ৩৪৬৩ এ হাসান হিসেবে উল্লেক করেছি। আর শা’ছাআ হলেন আব্দুল্লাহ আল আসদিয়া্’র কন্যা। আমি তার ব্যাপারে কাউকে ‘জারাহ বা তা’দীল’ করতে দেখিনি। তাহলে ইবনু হিব্বানের শর্তানযায়ী (সহীহ)।

 

তাখরীজ: ইবনু মাজাহ ১৩৯১; তাহযীবুল কামাল, মিযযী ৩৫/২০৬।

بَاب فِي سَجْدَةِ الشُّكْرِ

حَدَّثَنَا أَبُو نُعَيْمٍ حَدَّثَنَا سَلَمَةُ بْنُ رَجَاءٍ حَدَّثَتْنَا شَعْثَاءُ قَالَتْ رَأَيْتُ ابْنَ أَبِي أَوْفَى صَلَّى رَكْعَتَيْنِ وَقَالَ صَلَّى رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ الضُّحَى رَكْعَتَيْنِ حِينَ بُشِّرَ بِالْفَتْحِ أَوْ بِرَأْسِ أَبِي جَهْلٍ

حدثنا أبو نعيم حدثنا سلمة بن رجاء حدثتنا شعثاء قالت رأيت ابن أبي أوفى صلى ركعتين وقال صلى رسول الله صلى الله عليه وسلم الضحى ركعتين حين بشر بالفتح أو برأس أبي جهل

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১৫০১

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১৫৯. (আল্লাহ ব্যতীত) কারো উদ্দেশ্যে সাজদা করা নিষেধ

১৫০১. কাইস ইবনু সা’দ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমরা যখন (পারস্যের) হীরা নামক শহরে গমণ করলাম, সেখানে দেখলাম, তারা তাদের নেতা/ রাজাকে সিজদা করছে। তখন আমি বললাম, ইয়া রাসূলুল্লাহ! আমরা কি আপনাকে সাজদা করবো না?তিনি বললেন: “আমি যদি কোনো ব্যক্তিকে (অন্য কারো উদ্দেশ্যে) সিজদা করার নির্দেশ দিতাম, তবে অবশ্যই আমি নারীদেরকে তাদের স্বামীদের উদ্দেশ্যে সাজদা করার নির্দেশ দিতাম। কারণ, আল্লাহ তাদের (স্ত্রীলোকদের) উপর তাদের (স্বামীদের) (অনেক বেশি) হাক্ব (অধিকার) নির্ধারণ করেছেন।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ হাসান।

 

তাখরীজ: আবু দাউদ (নিকাহ) ২১৪০; হাকিম ১/১৮৭, হাকিম একে সহীহ বলেছেন ও যাহাবী তা সমর্থন করেছেন;বাইহাকী কসম ও নুশুয ৭/২৯১।

 

এর শাহিদ হাদীস রয়েছে আবী আওফা রা: হতে, যার তাখরীজ আমরা দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৪১৭১, মাওয়ারিদুয যামআন নং ১২৯০ তে, যার সনদ হাসান।

 

অপর শাহিদ হাদীস বর্ণিত হয়েছে আবী হুরাইরা রা: হতে, যার তাখরীজ আমরা দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৪১৬২, মাওয়ারিদুয যামআন নং ১২৯১ তে, যার সনদও হাসান।

 

আমি বলি: এসকল সনদগুলির দ্বারা স্পষ্ট হয় যে, হাদীসটি সহীহ। আল্লাহই ভাল জানেন। আরও দেখুন, কাশফুল আসতার নং ২১১৪ ও পরের হাদীসটি।

بَاب النَّهْيِ أَنْ يَسْجُدَ لِأَحَدٍ

أَخْبَرَنَا عَمْرُو بْنُ عَوْنٍ حَدَّثَنَا إِسْحَقُ الْأَزْرَقُ عَنْ شَرِيكٍ عَنْ حُصَيْنٍ عَنْ الشَّعْبِيِّ عَنْ قَيْسِ بْنِ سَعْدٍ قَالَ أَتَيْتُ الْحِيرَةَ فَرَأَيْتُهُمْ يَسْجُدُونَ لِمَرْزُبَانَ لَهُمْ فَقُلْتُ يَا رَسُولَ اللَّهِ أَلَا نَسْجُدُ لَكَ فَقَالَ لَوْ أَمَرْتُ أَحَدًا لَأَمَرْتُ النِّسَاءَ أَنْ يَسْجُدْنَ لِأَزْوَاجِهِنَّ لِمَا جَعَلَ اللَّهُ عَلَيْهِنَّ مِنْ حَقِّهِمْ

أخبرنا عمرو بن عون حدثنا إسحق الأزرق عن شريك عن حصين عن الشعبي عن قيس بن سعد قال أتيت الحيرة فرأيتهم يسجدون لمرزبان لهم فقلت يا رسول الله ألا نسجد لك فقال لو أمرت أحدا لأمرت النساء أن يسجدن لأزواجهن لما جعل الله عليهن من حقهم

 হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)  বর্ণনাকারীঃ কায়েস ইবনু সা‘দ আনসারী (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১৫০২

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১৫৯. (আল্লাহ ব্যতীত) কারো উদ্দেশ্যে সাজদা করা নিষেধ

১৫০২. ইবনু বুরাইদার পিতা (বুরাইদাহ) রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, একজন বেদুঈন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নিকট এসে বললো, ইয়া রাসূলুল্লাহ! আমাকে আপনার উদ্দেশ্যে সাজদা করার অনুমতি দিন। তিনি বললেন: “আমি যদি কোনো ব্যক্তিকে (আল্লাহ ব্যতীত) অন্য কারো উদ্দেশ্যে সিজদা করার নির্দেশ দিতামই হতো, তবে অবশ্যই আমি স্ত্রীলোককে তার স্বামীর উদ্দেশ্যে সাজদা করতে নির্দেশ দিতাম।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ যয়ীফ। কিন্তু অনেকগুলি শাহিদ হাদীস থাকার কারণে তা সহীহ।

 

তাখরীজ: হাকিম ৪/১৭২; (শাহিদ হাদীসগুলি জন্য) আগের হাদীসটি দেখুন।

بَاب النَّهْيِ أَنْ يَسْجُدَ لِأَحَدٍ

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يَزِيدَ الْحِزَامِيُّ حَدَّثَنَا حِبَّانُ بْنُ عَلِيٍّ عَنْ صَالِحِ بْنِ حَيَّانَ عَنْ ابْنِ بُرَيْدَةَ عَنْ أَبِيهِ قَالَ جَاءَ أَعْرَابِيٌّ إِلَى النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ يَا رَسُولَ اللَّهِ ائْذَنْ لِي فَلِأَسْجُدَ لَكَ قَالَ لَوْ كُنْتُ آمِرًا أَحَدًا أَنْ يَسْجُدَ لِأَحَدٍ لَأَمَرْتُ الْمَرْأَةَ تَسْجُدُ لِزَوْجِهَا

أخبرنا محمد بن يزيد الحزامي حدثنا حبان بن علي عن صالح بن حيان عن ابن بريدة عن أبيه قال جاء أعرابي إلى النبي صلى الله عليه وسلم فقال يا رسول الله ائذن لي فلأسجد لك قال لو كنت آمرا أحدا أن يسجد لأحد لأمرت المرأة تسجد لزوجها

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ বুরায়দাহ ইবনু হুসাইব আল-আসলামী (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১৫০৩

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১৬০. সুরা ‘আন নাজম’ এ সাজদা করা

১৫০৩. আব্দুল্লাহ ইবনু মাসউদ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম (সুরা) [’আন নাজম’] পাঠ করলেন এবং এর মধ্যে সাজদা করলেন, তখন কেউই সাজদা না করে রইলো না; কেবল এক বৃদ্ধ ব্যতীত। সে একমুষ্টি মাটি নিয়ে তার কপাল পর্যন্ত উঠিয়ে বললো, ’আমার জন্য এটাই যথেষ্ট।’[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: বুখারী (সুজুদুল কুরআন) ১০৬৭; মুসলিম (মাসাজিদ) ৫৭৬; আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ৫২১৮ ও সহীহ ইবনু হিব্বান নং ২৭৬৪ তে।

بَاب السُّجُودِ فِي النَّجْمِ

أَخْبَرَنَا أَبُو الْوَلِيدِ الطَّيَالِسِيُّ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ عَنْ أَبِي إِسْحَقَ عَنْ الْأَسْوَدِ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَسْعُودٍ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَرَأَ النَّجْمَ فَسَجَدَ فِيهَا وَلَمْ يَبْقَ أَحَدٌ إِلَّا سَجَدَ إِلَّا شَيْخٌ أَخَذَ كَفًّا مِنْ حَصًى فَرَفَعَهُ إِلَى جَبْهَتِهِ وَقَالَ يَكْفِينِي هَذَا

أخبرنا أبو الوليد الطيالسي حدثنا شعبة عن أبي إسحق عن الأسود عن عبد الله بن مسعود أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قرأ النجم فسجد فيها ولم يبق أحد إلا سجد إلا شيخ أخذ كفا من حصى فرفعه إلى جبهته وقال يكفيني هذا

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আবদুল্লাহ‌ ইব্‌ন মাসউদ (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১৫০৪

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১৬১. সূরা ‘ছোয়াদ’ (ص) এর সাজদা

১৫০৪. আবী সাঈদ খুদরী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, ’একদিন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাদের উদ্দেশ্যে খুতবা দিলেন, তখন তিনি (সুরা) [’ছোয়াদ’ (ص)] পাঠ করলেন, অতঃপর যখন তিনি সিজদা (এর আয়াত) অতিক্রম করলেন, তখন তিনি (মিম্বার থেকে) অবতরণ করে সাজদায় পতিত হলেন, আমরাও তাঁর সাথে সাজদা করলাম। আবার আরেকবার তিনি এ সূরা পাঠ করার সময় যখন সাজদা (এর আয়াতে) পৌঁছলেন, তখন আমরা সাজদা করার জন্য প্রস্তুতি নিলাম। এরপর তিনি যখন আমাদেরকে (প্রস্তুতি নিতে) দেখলেন, তখন তিনি বললেন: “নিশ্চয় এটি নবীর জন্য তওবা স্বরূপ, কিন্তু, তোমারাও দেখছি সিজদার জন্য প্রস্তুত হয়ে গেছো।” (এ বলে) তিনি (মিম্বার হতে) অবতরণ করলেন এবং সিজদা করলেন, আর আমরাও সাজদা করলাম।’[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ যয়ীফ আব্দুল্লাহ ইবনু সালিহ-এর জন্য। তবে এর ‘মুতাবিয়াত’ (অনসরণকারী) বর্ণনা রয়েছে যা একে সহীহ পর্যায়ে উন্নীত করে।

 

তাখরীজ: আমরা এর তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ২৭৬৫, ২৭৯৯ ও মাওয়ারিদুয যাম’আন নং ৬৮৯, ৬৯০ তে। (আবু দাউদ ১৪১০; সহীহ ইবনু খুযাইমা২/৩৫৪ নং ১৪৫৫; দারুকুতনী ১/৪০৮ নং ৭; হাকিম ১/২৮৪-২৮৫, হাকিম একে সহীহ বলেছেন ও যাহাবী তা সমর্থন করেছেন।; বাইহাকী (সালাত) ২/৩১৮; ইমাম নববী তার আল মাজমু’ ৪/৬১ তে একে ‘বুখারীর শর্তানুযায়ী সহীহ’ বলেছেন।

بَاب السُّجُودِ فِي ص

حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ صَالِحٍ حَدَّثَنِي اللَّيْثُ حَدَّثَنِي خَالِدٌ يَعْنِي ابْنَ يَزِيدَ عَنْ سَعِيدٍ يَعْنِي ابْنَ أَبِي هِلَالٍ عَنْ عِيَاضِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ سَعْدٍ عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ أَنَّهُ قَالَ خَطَبَنَا رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَوْمًا فَقَرَأَ ص فَلَمَّا مَرَّ بِالسَّجْدَةِ نَزَلَ فَسَجَدَ وَسَجَدْنَا مَعَهُ وَقَرَأَهَا مَرَّةً أُخْرَى فَلَمَّا بَلَغَ السَّجْدَةَ تَيَسَّرْنَا لِلسُّجُودِ فَلَمَّا رَآنَا قَالَ إِنَّمَا هِيَ تَوْبَةُ نَبِيٍّ وَلَكِنِّي أَرَاكُمْ قَدْ اسْتَعْدَدْتُمْ لِلسُّجُودِ فَنَزَلَ فَسَجَدَ وَسَجَدْنَا

حدثنا عبد الله بن صالح حدثني الليث حدثني خالد يعني ابن يزيد عن سعيد يعني ابن أبي هلال عن عياض بن عبد الله بن سعد عن أبي سعيد الخدري أنه قال خطبنا رسول الله صلى الله عليه وسلم يوما فقرأ ص فلما مر بالسجدة نزل فسجد وسجدنا معه وقرأها مرة أخرى فلما بلغ السجدة تيسرنا للسجود فلما رآنا قال إنما هي توبة نبي ولكني أراكم قد استعددتم للسجود فنزل فسجد وسجدنا

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আবূ সা’ঈদ খুদরী (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১৫০৫

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১৬১. সূরা ‘ছোয়াদ’ (ص) এর সাজদা

১৫০৫. ইবনু আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা হতে বর্ণিত, তিনি (সুরা) [’ছোয়াদ’ (ص)] এর সাজদা’ সম্পর্কে বলেন যে, এটি অপরিহার্য সাজদাসমূহের অন্তর্ভুক্ত নয়। তবে আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে তাতে সাজদা করতে দেখেছি।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: আহমাদ ১/৩৬০; বুখারী (আহাদীসুল আম্বিয়া) ৩৪২২; আবু দাউদ (সালাত) ১৪০৯; তিরমিযী (সালাত) ৫৭৭; এর তাখরীজের জন্য দেখুন সহীহ ইবনু হিব্বান নং ২৭৬৬।

بَاب السُّجُودِ فِي ص

أَخْبَرَنَا عَمْرُو بْنُ زُرَارَةَ حَدَّثَنَا إِسْمَعِيلُ هُوَ ابْنُ عُلَيَّةَ حَدَّثَنَا أَيُّوبُ عَنْ عِكْرِمَةَ عَنْ ابْنِ عَبَّاسٍ أَنَّهُ قَالَ فِي السُّجُودِ فِي ص لَيْسَتْ مِنْ عَزَائِمِ السُّجُودِ وَقَدْ رَأَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ سَجَدَ فِيهَا

أخبرنا عمرو بن زرارة حدثنا إسمعيل هو ابن علية حدثنا أيوب عن عكرمة عن ابن عباس أنه قال في السجود في ص ليست من عزائم السجود وقد رأيت رسول الله صلى الله عليه وسلم سجد فيها

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আবদুল্লাহ ইবনু আব্বাস (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১৫০৬

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১৬২. সুরা [ইযাস্ সামাউন শাকক্বাত্-(ইনশিক্বাক্ব:১)]-এ সাজদা করা প্রসঙ্গে

১৫০৬. আবী সালামাহ বলেন, আমি আবী হুরাইরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুকে সুরা [’ইযাস সামাউন শাক্ক্বাত’-(ইনশিক্বাক্ব :১)]-এ সাজদা করতে দেখলাম। তখন তাঁকে বলা হলো, আপনি এমন একটি সুরায় সাজদা করলেন, যাতে কখনো সাজদা করা হয় না! তখন তিনি বললেন: নিশ্চয় আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে তাতে সাজদা করতে দেখেছি।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ হাসান।

 

তাখরীজ: আবু ইয়ালা আল মাউসিলী, আল মুসনাদ ৫৯৫০। এছাড়া এটি বুখারী মুসলিমের সম্মিলিত বর্ণনা। বুখারী, (আযান) ৭৬৬; মুসলিম, (মাসাজিদ) ৫৭৮। আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলীতে যা গত হয়েছে ও সহীহ ইবনু হিব্বান নং ২৭৬১ তে।

بَاب السُّجُودِ فِي إِذَا السَّمَاءُ انْشَقَّتْ

أَخْبَرَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَمْرٍو عَنْ أَبِي سَلَمَةَ قَالَ رَأَيْتُ أَبَا هُرَيْرَةَ يَسْجُدُ فِي إِذَا السَّمَاءُ انْشَقَّتْ فَقِيلَ لَهُ تَسْجُدُ فِي سُورَةٍ مَا يُسْجَدُ فِيهَا فَقَالَ إِنِّي رَأَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَسْجُدُ فِيهَا

أخبرنا يزيد بن هارون حدثنا محمد بن عمرو عن أبي سلمة قال رأيت أبا هريرة يسجد في إذا السماء انشقت فقيل له تسجد في سورة ما يسجد فيها فقال إني رأيت رسول الله صلى الله عليه وسلم يسجد فيها

 হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)  বর্ণনাকারীঃ আবূ সালামাহ্ ইবনু আবদুর রাহমান (রহঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১৫০৭

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১৬২. সুরা [ইযাস্ সামাউন শাকক্বাত্-(ইনশিক্বাক্ব:১)]-এ সাজদা করা প্রসঙ্গে

১৫০৭. আবী সালামাহ বলেন, আমি আবী হুরাইরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুকে সুরা [’ইযাস সামাউন শাক্ক্বাত’-(ইনশিক্বাক্ব :১)]-এ সাজদা করতে দেখলাম। তখন আমি তাঁকে বললাম, হে আবী হুরাইরা! আমি কি আপনাকে সুরা [’ইযাস সামাউন শাক্ক্বাত’-(ইনশিক্বক্ব :১)]-এ সাজদা করতে দেখলাম না? তখন উত্তরে তিনি বললেন: ’যদি আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে এ (সূরা)-তে সাজদা করতে না দেখতাম, তবে আমিও তাতে সাজদা করতাম না।’[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: আবু ইয়ালা আল মাউসিলী, আল মুসনাদ ৫৯৯৬, সহীহ সনদে। তবে এটি বুখারী মুসলিমের সম্মিলিত বর্ণনা। পূর্বের ও পরের হাদীস দু’টিতে আমাদের টীকা দেখুন।

بَاب السُّجُودِ فِي إِذَا السَّمَاءُ انْشَقَّتْ

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ حَدَّثَنَا الْأَوْزَاعِيُّ عَنْ يَحْيَى عَنْ أَبِي سَلَمَةَ قَالَ رَأَيْتُ أَبَا هُرَيْرَةَ يَسْجُدُ فِي إِذَا السَّمَاءُ انْشَقَّتْ فَقُلْتُ يَا أَبَا هُرَيْرَةَ أَرَاكَ تَسْجُدُ فِي إِذَا السَّمَاءُ انْشَقَّتْ فَقَالَ لَوْ لَمْ أَرَ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ سَجَدَ فِيهَا لَمْ أَسْجُدْ

أخبرنا محمد بن يوسف حدثنا الأوزاعي عن يحيى عن أبي سلمة قال رأيت أبا هريرة يسجد في إذا السماء انشقت فقلت يا أبا هريرة أراك تسجد في إذا السماء انشقت فقال لو لم أر رسول الله صلى الله عليه وسلم سجد فيها لم أسجد

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আবূ সালামাহ্ ইবনু আবদুর রাহমান (রহঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১৫০৮

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১৬২. সুরা [ইযাস্ সামাউন শাকক্বাত্-(ইনশিক্বাক্ব:১)]-এ সাজদা করা প্রসঙ্গে

১৫০৮. (অপর সনদে) আবী হুরাইরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সুরা [’ইযাস সামাউন শাক্ক্বাত’-(ইনশিক্বক্ব :১)]-এ সাজদা করেছেন।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ২/৬; তবে এটি বুখারী মুসলিমের সম্মিলিত বর্ণনা। আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ৫৯৫০ ও মুসনাদুল হুমাইদী নং ১০২২ তে। আরও দেখুন, আগের ও পরের হাদীস দু’টি।

بَاب السُّجُودِ فِي إِذَا السَّمَاءُ انْشَقَّتْ

أَخْبَرَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ عَنْ أَبِي بَكْرِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ عَمْرِو بْنِ حَزْمٍ عَنْ عُمَرَ بْنِ عَبْدِ الْعَزِيزِ عَنْ أَبِي بَكْرِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ الْحَارِثِ بْنِ هِشَامٍ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ سَجَدَ فِي إِذَا السَّمَاءُ انْشَقَّتْ

أخبرنا أبو بكر بن أبي شيبة حدثنا سفيان عن يحيى بن سعيد عن أبي بكر بن محمد بن عمرو بن حزم عن عمر بن عبد العزيز عن أبي بكر بن عبد الرحمن بن الحارث بن هشام عن أبي هريرة أن النبي صلى الله عليه وسلم سجد في إذا السماء انشقت

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরায়রা (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১৫০৯

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১৬৩. [ইকরা বিসমি রব্বিকা – সূরা: আলাক্ব:১] -এ সাজদা করা প্রসঙ্গে

১৫০৯. আবী হুরাইরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সাথে সুরা [’ইযাস সামাউন শাক্ক্বাত’-(ইনশিক্বাক্ব :১)] ও সূরা [“ইকরা বিসমি রব্বিকা”- সূরা আলাক্ব:১]-এ সাজদা করেছি।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ২/৬ সহীহ সনদে; তবে এটি বুখারী মুসলিমের সম্মিলিত বর্ণনা। আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ৫৯৯০ সহীহ ইবনু হিব্বান নং ২৭৬১ ও মুসনাদুল হুমাইদী নং ১০২১ তে। আরও দেখুন, আগের ও পরের হাদীস দু’টি।

بَاب السُّجُودِ فِي اقْرَأْ بِاسْمِ رَبِّكَ

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ أَيُّوبَ بْنِ مُوسَى عَنْ عَطَاءِ بْنِ مِينَا عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ سَجَدْنَا مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي إِذَا السَّمَاءُ انْشَقَّتْ وَاقْرَأْ بِاسْمِ رَبِّكَ

أخبرنا محمد بن يوسف حدثنا سفيان عن أيوب بن موسى عن عطاء بن مينا عن أبي هريرة قال سجدنا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم في إذا السماء انشقت واقرأ باسم ربك

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরায়রা (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১৫১০

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১৬৪. যে ব্যক্তি সাজদা (এর আয়াত) শুনে, কিন্তু সিজদা করে না, তাঁর সম্পর্কে

১৫১০. যাইদ ইবনু ছাবিত রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নিকট সূরা ’আন নাজম’ পাঠ করলাম, কিন্তু তিনি তাতে সাজদা করেননি।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ। এটি বুখারী মুসলিমের সম্মিলিত বর্ণনা।

 

তাখরীজ: বুখারী, (সুজুদুল কুরআন) ১০৭২, ১০৭৩; মুসলিম, (আল মাসাজিদ) ৫৭৭; আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ২৭৬২, ২৭৬৯ তে।

بَاب فِي الَّذِي يَسْمَعُ السَّجْدَةَ وَلَا يَسْجُدُ

أَخْبَرَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ مُوسَى عَنْ ابْنِ أَبِي ذِئْبٍ عَنْ يَزِيدَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ قُسَيْطٍ عَنْ عَطَاءِ بْنِ يَسَارٍ عَنْ زَيْدِ بْنِ ثَابِتٍ قَالَ قَرَأْتُ عِنْدَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ النَّجْمَ فَلَمْ يَسْجُدْ فِيهَا

أخبرنا عبيد الله بن موسى عن ابن أبي ذئب عن يزيد بن عبد الله بن قسيط عن عطاء بن يسار عن زيد بن ثابت قال قرأت عند رسول الله صلى الله عليه وسلم النجم فلم يسجد فيها

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ যায়দ ইবনু সাবিত (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১৫১১

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১৬৫. রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর সালাতের বৈশিষ্ট্য

১৫১১. আয়িশা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাল্লাম ঈশার সালাত ও ফজরের সালাতের মধ্যবর্তী সময়ে এগারো রাকা’আত সালাত আদায় করতেন। আর তিনি এর প্রত্যেক দু’ রাকা’আতে সালাম ফেরাতেন। আর এক রাকা’আত বিতর পড়তেন। এছাড়াও, তিনি তাঁর নফল সালাতে এতো (দীর্ঘ) সময় সিজদায় থাকতেন যে, (সিজদা হতে) তাঁর মাথা উঠানোর পূর্বে তোমাদের কেউ পঞ্চাশ আয়াত পরিমান পাঠ করতে পারতো। আর যখন মুয়াযযিন প্রথম আযান (শেষ করে) থেমে যেতেন, তখন তিনি সংক্ষেপে দু’ রাকা’আত সালাত আদায় করতেন। আর তাঁর নিকট মুয়াযযিন না আসা পর্যন্ত তিনি শুয়ে থাকতেন। এরপর (মুয়াযযিন এলে) তিনি তার সাথে বের হয়ে যেতেন।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ। এটি বুখারী মুসলিমের সম্মিলিত বর্ণনা।

 

তাখরীজ: এটি গত হয়েছে ১৪৮৭ (অনূবাদে ১৪৮৪) নং এ। আবার সামনে ১৬২৬ নং এ আসছে।

بَاب صِفَةِ صَلَاةِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ

أَخْبَرَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ عَنْ ابْنِ أَبِي ذِئْبٍ عَنْ الزُّهْرِيِّ عَنْ عُرْوَةَ عَنْ عَائِشَةَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهَا قَالَتْ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يُصَلِّي مَا بَيْنَ الْعِشَاءِ إِلَى الْفَجْرِ إِحْدَى عَشْرَةَ رَكْعَةً يُسَلِّمُ فِي كُلِّ رَكْعَتَيْنِ وَيُوتِرُ بِوَاحِدَةٍ وَيَسْجُدُ فِي سُبْحَتِهِ بِقَدْرِ مَا يَقْرَأُ أَحَدُكُمْ خَمْسِينَ آيَةً قَبْلَ أَنْ يَرْفَعَ رَأْسَهُ فَإِذَا سَكَتَ الْمُؤَذِّنُ مِنْ الْأَذَانِ الْأَوَّلِ رَكَعَ رَكْعَتَيْنِ خَفِيفَتَيْنِ ثُمَّ اضْطَجَعَ حَتَّى يَأْتِيَهُ الْمُؤَذِّنُ فَيَخْرُجَ مَعَهُ

أخبرنا يزيد بن هارون عن ابن أبي ذئب عن الزهري عن عروة عن عائشة رضي الله عنها قالت كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يصلي ما بين العشاء إلى الفجر إحدى عشرة ركعة يسلم في كل ركعتين ويوتر بواحدة ويسجد في سبحته بقدر ما يقرأ أحدكم خمسين آية قبل أن يرفع رأسه فإذا سكت المؤذن من الأذان الأول ركع ركعتين خفيفتين ثم اضطجع حتى يأتيه المؤذن فيخرج معه

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আয়িশা বিনত আবূ বাকর সিদ্দীক (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১৫১২

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১৬৫. রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর সালাতের বৈশিষ্ট্য

১৫১২. আবী সালামাহ হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি আয়িশা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহাকে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাল্লামের রাতের সালাত সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম। তখন তিনি বললেন: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম (মোট) তেরো রাকা’আত সালাত আদায় করতেন: (প্রথমে) আট রাকা’আত সালাত আদায় করতেন, এরপর (তিন রাকা’আত) বিতর সালাত আদায় করতেন, এরপর দু’ রাকা’আত সালাত বসে আদায় করতে থাকতেন। এরপর যখন রুকূ’ করার ইচ্ছা করতেন, তখন তিনি দাঁড়িয়ে যেতেন এবং রুকূ’ করতেন। আর সকালের (ফজর) সালাতের আযান ও ইকামতের মাঝে দু’ রাকা’আত (ফজরের সুন্নাত) সালাত আদায় করতেন।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ। এটি বুখারী ও মুসলিমের সম্মিলিত বর্ণনা।

 

তাখরীজ: নাসাঈ, (ক্বিয়ামুল লাইল ওয়া তাত্বওয়াউন নাহার) ৩/২৫৬; বুখারী, (আযান) ৬১৯; ‍মুসলিম, (সালাতুল মুসাফিরীন) ৭৩৭। আগের ও পরের হাদীস দু’টিও দেখুন।

بَاب صِفَةِ صَلَاةِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ

حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ وَوَهْبُ بْنُ جَرِيرٍ قَالَا حَدَّثَنَا هِشَامٌ عَنْ يَحْيَى عَنْ أَبِي سَلَمَةَ قَالَ سَأَلْتُ عَائِشَةَ عَنْ صَلَاةِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِاللَّيْلِ فَقَالَتْ كَانَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يُصَلِّي ثَلَاثَ عَشْرَةَ رَكْعَةً يُصَلِّي ثَمَانَ رَكَعَاتٍ ثُمَّ يُوتِرُ ثُمَّ يُصَلِّي رَكْعَتَيْنِ وَهُوَ جَالِسٌ فَإِذَا أَرَادَ أَنْ يَرْكَعَ قَامَ فَرَكَعَ وَيُصَلِّي رَكْعَتَيْنِ بَيْنَ النِّدَاءِ وَالْإِقَامَةِ مِنْ صَلَاةِ الصُّبْحِ

حدثنا يزيد بن هارون ووهب بن جرير قالا حدثنا هشام عن يحيى عن أبي سلمة قال سألت عائشة عن صلاة رسول الله صلى الله عليه وسلم بالليل فقالت كان النبي صلى الله عليه وسلم يصلي ثلاث عشرة ركعة يصلي ثمان ركعات ثم يوتر ثم يصلي ركعتين وهو جالس فإذا أراد أن يركع قام فركع ويصلي ركعتين بين النداء والإقامة من صلاة الصبح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আবূ সালামাহ্ ইবনু আবদুর রাহমান (রহঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১৫১৩

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১৬৫. রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর সালাতের বৈশিষ্ট্য

১৫১৩. যুরারা (রাহি.) সুত্রে বর্ণনা করেন যে, সাদ ইবন হিশাম ইবন আমির (রাহি.) (আল্লাহর রাস্তায় জিহাদ করার ইচ্ছা করে) তার স্ত্রীকে তালাক দিলেন এবং মদীনায় এসে তাঁর সম্পত্তি বিক্রি করে তা যূদ্ধাস্ত্র ও ঘোড়া সংগ্রহে ব্যয় করতে মনস্থ করলেন। তারপর আনসারদের একটি দলের সাথে তার সাক্ষাত হলে তাঁরা তাঁকে বললেন, ’আমাদের মধ্যকার ছয় জন লোক রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের জীবদ্দশায় এরুপ করার ইচ্ছা করেছিলো । তখন তিনি তাদের নিষেধ করেন এবং বলেন, “আমার মধ্যে কি তোমাদের জন্য কোন আদর্শ নেই?” এরপর তিনি বছরায় চলে গেলেন এবং তিনি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন যে, তিনি (সেখানে) আব্দুল্লাহ ইবনু আব্বাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-এর সাথে সাক্ষাত করে তাঁকে বিতর সালাত সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলেন। তখন তিনি (ইবন আব্বাস) বললেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর বিতর সম্পর্কে সর্বাধিক অবগত ব্যক্তি সম্পর্কে কি তোমাকে বলে দিব না?

আমি বললাম, অবশ্যই। তিনি (ইবন আব্বাস) বললেন, তিনি হলেন উম্মুল মু’মিনীন আয়িশা (রাঃ)। তাঁর কাছে গিয়ে তুমি তাঁকে জিজ্ঞাসা করবে, এরপর তোমাকে তিনি যা বলেন, সে সম্পর্কে আমাকে অবহিত করবে। আমি তখন হাকীম ইবনু আফলাহ (রাঃ)-এর কাছে গিয়ে তাকে বললাম: তুমি আমার সঙ্গে উম্মুল মু’মিনীন আয়িশা (রাঃ)-এর কাছে চলো। তিনি বললেন, আমি তো তাঁর নিকট যাই না। কেননা (বিবাদমান) এ দু’টি দল থেকে আমি তাকে বারণ করেছিলাম, কিন্তু তিনি তা হতে নিবৃত্ত থাকতে অস্বীকার করেন। আমি বললাম, আমি তোমাকে (সেখানে) যাওয়ার জন্য কসম দিলাম। তখন (তিনি যেতে রাজী হলেন এবং) আমরা (আয়েশা রাঃ-এর উদ্দেশ্যে) চললাম এবং (তাঁর কাছে গিয়ে) তাঁকে সালাম দিলাম। তিনি হাকিম এর কণ্ঠস্বর চিনতে পারলেন এবং বললেন, এটি কে? উত্তরে আমি বললাম, সা’দ ইবনু হিশাম।

তিনি (আয়িশা রা:) বললেন, কোন হিশাম ? আমি বললাম, হিশাম ইবনু আমির।

তিনি (আয়িশা রাঃ) বললেন, (হিশাম ইবনু আমির) অতি উত্তম লোক। তিনি উহুদের যুদ্ধে শহীদ হয়েছিলেন।

আমি (সা’দ) বললাম, আপনি আমাকে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের আখলাক (স্বভাব-চরিত্র) সস্পর্কে অবহিত করুন!

তিনি বললেন, তুমি কি কুরআন পাঠ কর না ? আমি বললাম, হাঁ, অবশ্যই।

তিনি বললেন, সেটা (কুর’আন)-ই তো রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের আখলাক।

(সা’দ বলেন,) তখন আমার ইচ্ছে হলো যে, আমি উঠে যাই এবং আল্লাহর সাথে সাক্ষাত না করা (মৃত্যু) পর্যন্ত কাউকে কোন বিষয় জিজ্ঞাসা না করি। তখনই আমার (মনের) কাছে ’ক্বিয়াম’-এর কথা আবির্ভূত হলো (মনে পড়লো), তাই আমি বললাম, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের ’ক্বিয়াম’ (রাতের সালাত) সম্পর্কে আমাকে অবহিত করুন!

তিনি বললেন, তুমি কি সূরা “ইয়া আয়্যুহাল মুযৃযামিল” পড়ো না? আমি বললাম, হাঁ।

তিনি বললেন, সেটাই ছিলো রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের ’ক্বিয়াম’। এ সূরার প্রথমাংশ নাযিল হলে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এবং তাঁর সাহাবীগণ (তাহাজ্জুদের জন্য) রাত্রি জাগরণ করলেন, এমনকি তাঁদের পদ্বসমূহ ফুলে যেতে লাগলো। আর এ সূরার শেষ অংশ ষোল মাস পর্যন্ত আসমানে আটকে রাখা হলো। অতঃপর তা (এ সূরার শেষ অংশ) নাযিল হলো। ফলে রাত্রি জাগরণ ফরয হওয়ার পরে আবার নফলে পরিণত হলো । (সা’দ বলেন,) তখন আমার ইচ্ছে হলো যে, আমি উঠে যাই এবং আল্লাহর সাথে সাক্ষাত করা (মৃত্যু) পর্যন্ত কাউকে কোন বিষয় জিজ্ঞাসা না করি। তখনই আমার (মনের) ভেতরে ’বিতর’-এর কথা আবির্ভাব হলো, তাই আমি বললাম, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের ’বিতর’ সালাত সম্পর্কে আমাকে অবহিত করুন! তিনি বললেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যখন ঘুমাতেন, তখন তাঁর মিসওয়াক আমার নিকট রেখে দিতেন। এরপর আল্লাহ যখন ইচ্ছা করতেন, তখন তাঁকে জাগিয়ে দিতেন । এরপর তিনি নয় রাকা’আত সালাত আদায় করতেন। তিনি অষ্টম রাকা’আতে ব্যতীত এর মাঝে আর বসতেন না। তখন তিনি আল্লাহর ’হামদ’ (প্রশংসা) করতেন, এবং তাঁর রবের কাছে দু’আ করতেন। তারপর সালাম না করেই উঠে পড়তেন এবং নবম রাকা’আত আদায় করে বসতেন এবং আল্লাহর হামদ (প্রশংসা) করতেন এবং তাঁর রবের কাছে দুআ করতেন। আর একবার সালাম ফিরাতেন যা আমরা শুনতে পেতাম। এরপর বসে দু’ রাকা’আত সালাত আদায় করতেন। ফলে, হে বৎস, এ হলো মোট এগার রাকা’আত।

পরে যখন তিনি বয়ো:বৃদ্ধ হলেন এবং স্থুলদেহী হয়ে গেলেন, তখন সাত রাকাআত সালাত আদায় করতেন, যার ষষ্ঠ রাকা’আতে ব্যতীত তিনি (আর কোনও রাকা’আতে) বসতেন না। তখন তিনি আল্লাহর ’হামদ’ (প্রশংসা) করতেন, এবং তাঁর রবের কাছে দু’আ করতেন। তারপর সালাম না করেই উঠে পড়তেন এবং সপ্তম রাকা’আত আদায় করে বসতেন এবং আল্লাহর হামদ (প্রশংসা) করতেন এবং তাঁর রবের কাছে দুআ করতেন। আর একবার মাত্র সালাম ফিরাতেন যা আমরা শুনতে পেতাম। এরপর বসে দু’ রাকা’আত সালাত আদায় করতেন। ফলে, হে বৎস, এ হলো মোট নয় রাকা’আত।

আর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নিদ্রা প্রবল হতো, অথবা, তাঁর অসুস্থতা প্রবল হতো, তিনি দিনের বেলা বার রাক’আতসালাত আদায় করে নিতেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কোনো নীতি বা আচরণ অবলম্বন করতেন তখন তাতে ধারাবাহিকতা রক্ষা করা পসন্দ করতেন। আর আল্লাহর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ভোর পর্যন্ত সারা রাত সালাতে দাঁড়ান নি (আদায় করেননি) এবং এক রাতে পূর্ণ কুরআন পাঠ করেননি এবং এবং রমযান ব্যতীত অন্য কোন মাসে পুরো মাস সাওম পালন করেননি।

(সাদ র) বলেন,) এরপর আমি ইবন আব্বাস (রাঃ)-এর কাছে গেলাম এবং (আয়িশা রাঃ বর্ণিত হাদীস) তাঁর কাছে বর্ণনা করলাম। তিনি বললেন, তিনি তোমাকে যথার্থই বলেছেন। জেনে রাখো, আমি যদি তাঁর নিকট যেতে পারতাম, তাহলে অবশ্যই আমি (তাঁর কাছে গিয়ে) সরাসরি তাঁর মুখে এ হাদীস শুনে আসতাম। তিনি (সা’দ রাহি.) বলেন, আমি বললাম, জেনে রাখুন, আমি যদি বুঝতে পারতাম যে, আপনি তাঁর কাছে যান না, তবে তাঁর হাদীস আমি আপনার নিকট বর্ণনা করতাম না।[1]

[1] তাহক্বীক্ব; এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: আব্দুর রাযযাক নং ৪৭১৪; তার সুত্রে মুসলিম, (সালাতুল মুসাফিরীন) ৭৪৬; নাসাঈ, (কিয়ামুল লাইল ৩/২৪১-২৪২; আবু আওয়ানাহ ২/৩২১-৩২২; আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ৪৬৫০; সহীহ ইবনু হিব্বান নং২৪২০, ২৪২৩, ২৪৩১, ২৪৬৭, ২৫৫১ তে। এ বাবের অন্যান্য টীকাসমূহও দেখুন।

بَاب صِفَةِ صَلَاةِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ

حَدَّثَنَا إِسْحَقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ حَدَّثَنَا مُعَاذُ بْنُ هِشَامٍ حَدَّثَنِي أَبِي عَنْ قَتَادَةَ عَنْ زُرَارَةَ بْنِ أَوْفَى عَنْ سَعْدِ بْنِ هِشَامٍ أَنَّهُ طَلَّقَ امْرَأَتَهُ وَأَتَى الْمَدِينَةَ لِبَيْعِ عَقَارِهِ فَيَجْعَلَهُ فِي السِّلَاحِ وَالْكُرَاعِ فَلَقِيَ رَهْطًا مِنْ الْأَنْصَارِ فَقَالُوا أَرَادَ ذَلِكَ سِتَّةٌ مِنَّا عَلَى عَهْدِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَمَنَعَهُمْ وَقَالَ أَمَا لَكُمْ فِيَّ أُسْوَةٌ ثُمَّ إِنَّهُ قَدِمَ الْبَصْرَةَ فَحَدَّثَنَا أَنَّهُ لَقِيَ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عَبَّاسٍ فَسَأَلَهُ عَنْ الْوِتْرِ فَقَالَ أَلَا أُحَدِّثُكَ بِأَعْلَمِ النَّاسِ بِوِتْرِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قُلْتُ بَلَى قَالَ أُمُّ الْمُؤْمِنِينَ عَائِشَةُ فَأْتِهَا فَاسْأَلْهَا ثُمَّ ارْجِعْ إِلَيَّ فَحَدِّثْنِي بِمَا تُحَدِّثُكَ فَأَتَيْتُ حَكِيمَ بْنَ أَفْلَحَ فَقُلْتُ لَهُ انْطَلِقْ مَعِي إِلَى أُمِّ الْمُؤْمِنِينَ عَائِشَةَ قَالَ إِنِّي لَا آتِيهَا إِنِّي نَهَيْتُ عَنْ هَذِهِ الشِّيعَتَيْنِ فَأَبَتْ إِلَّا مُضِيًّا قُلْتُ أَقْسَمْتُ عَلَيْكَ لَمَا انْطَلَقْتَ فَانْطَلَقْنَا فَسَلَّمْنَا فَعَرَفَتْ صَوْتَ حَكِيمٍ فَقَالَتْ مَنْ هَذَا قُلْتُ سَعْدُ بْنُ هِشَامٍ قَالَتْ مَنْ هِشَامٌ قُلْتُ هِشَامُ بْنُ عَامِرٍ قَالَتْ نِعْمَ الْمَرْءُ قُتِلَ يَوْمَ أُحُدٍ قُلْتُ أَخْبِرِينَا عَنْ خُلُقِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَتْ أَلَسْتَ تَقْرَأُ الْقُرْآنَ قُلْتُ بَلَى قَالَتْ فَإِنَّهُ خُلُقُ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَأَرَدْتُ أَنْ أَقُومَ وَلَا أَسْأَلَ أَحَدًا عَنْ شَيْءٍ حَتَّى أَلْحَقَ بِاللَّهِ فَعَرَضَ لِي الْقِيَامُ فَقُلْتُ أَخْبِرِينَا عَنْ قِيَامِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَتْ أَلَسْتَ تَقْرَأُ يَا أَيُّهَا الْمُزَّمِّلُ قُلْتُ بَلَى قَالَتْ فَإِنَّهَا كَانَتْ قِيَامَ رَسُولِ اللَّهِ أُنْزِلَ أَوَّلُ السُّورَةِ فَقَامَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَأَصْحَابُهُ حَتَّى انْتَفَخَتْ أَقْدَامُهُمْ وَحُبِسَ آخِرُهَا فِي السَّمَاءِ سِتَّةَ عَشَرَ شَهْرًا ثُمَّ أُنْزِلَ فَصَارَ قِيَامُ اللَّيْلِ تَطَوُّعًا بَعْدَ أَنْ كَانَ فَرِيضَةً فَأَرَدْتُ أَنْ أَقُومَ وَلَا أَسْأَلَ أَحَدًا عَنْ شَيْءٍ حَتَّى أَلْحَقَ بِاللَّهِ فَعَرَضَ لِي الْوِتْرُ فَقُلْتُ أَخْبِرِينَا عَنْ وِتْرِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَتْ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِذَا نَامَ وَضَعَ سِوَاكَهُ عِنْدِي فَيَبْعَثُهُ اللَّهُ لِمَا شَاءَ أَنْ يَبْعَثَهُ فَيُصَلِّي تِسْعَ رَكَعَاتٍ لَا يَجْلِسُ إِلَّا فِي الثَّامِنَةِ فَيَحْمَدُ اللَّهَ وَيَدْعُو رَبَّهُ ثُمَّ يَقُومُ وَلَا يُسَلِّمُ ثُمَّ يَجْلِسُ فِي التَّاسِعَةِ فَيَحْمَدُ اللَّهَ وَيَدْعُو رَبَّهُ وَيُسَلِّمُ تَسْلِيمَةً يُسْمِعُنَا ثُمَّ يُصَلِّي رَكْعَتَيْنِ وَهُوَ جَالِسٌ فَتِلْكَ إِحْدَى عَشْرَةَ رَكْعَةً يَا بُنَيَّ فَلَمَّا أَسَنَّ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَحَمَلَ اللَّحْمَ صَلَّى سَبْعَ رَكَعَاتٍ لَا يَجْلِسُ إِلَّا فِي السَّادِسَةِ فَيَحْمَدُ اللَّهَ وَيَدْعُو رَبَّهُ ثُمَّ يَقُومُ وَلَا يُسَلِّمُ ثُمَّ يَجْلِسُ فِي السَّابِعَةِ فَيَحْمَدُ اللَّهَ وَيَدْعُو رَبَّهُ ثُمَّ يُسَلِّمُ تَسْلِيمَةً ثُمَّ يُصَلِّي رَكْعَتَيْنِ وَهُوَ جَالِسٌ فَتِلْكَ تِسْعٌ يَا بُنَيَّ وَكَانَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِذَا غَلَبَهُ نَوْمٌ أَوْ مَرَضٌ صَلَّى مِنْ النَّهَارِ ثِنْتَيْ عَشْرَةَ رَكْعَةً وَكَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِذَا أَخَذَ خُلُقًا أَحَبَّ أَنْ يُدَاوِمَ عَلَيْهِ وَمَا قَامَ نَبِيُّ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَيْلَةً حَتَّى يُصْبِحَ وَلَا قَرَأَ الْقُرْآنَ كُلَّهُ فِي لَيْلَةٍ وَلَا صَامَ شَهْرًا كَامِلًا غَيْرَ رَمَضَانَ فَأَتَيْتُ ابْنَ عَبَّاسٍ فَحَدَّثْتُهُ فَقَالَ صَدَقَتْكَ أَمَا إِنِّي لَوْ كُنْتُ أَدْخُلُ عَلَيْهَا لَشَافَهْتُهَا مُشَافَهَةً قَالَ فَقُلْتُ أَمَا إِنِّي لَوْ شَعَرْتُ أَنَّكَ لَا تَدْخُلُ عَلَيْهَا مَا حَدَّثْتُكَ

حدثنا إسحق بن إبراهيم حدثنا معاذ بن هشام حدثني أبي عن قتادة عن زرارة بن أوفى عن سعد بن هشام أنه طلق امرأته وأتى المدينة لبيع عقاره فيجعله في السلاح والكراع فلقي رهطا من الأنصار فقالوا أراد ذلك ستة منا على عهد رسول الله صلى الله عليه وسلم فمنعهم وقال أما لكم في أسوة ثم إنه قدم البصرة فحدثنا أنه لقي عبد الله بن عباس فسأله عن الوتر فقال ألا أحدثك بأعلم الناس بوتر رسول الله صلى الله عليه وسلم قلت بلى قال أم المؤمنين عائشة فأتها فاسألها ثم ارجع إلي فحدثني بما تحدثك فأتيت حكيم بن أفلح فقلت له انطلق معي إلى أم المؤمنين عائشة قال إني لا آتيها إني نهيت عن هذه الشيعتين فأبت إلا مضيا قلت أقسمت عليك لما انطلقت فانطلقنا فسلمنا فعرفت صوت حكيم فقالت من هذا قلت سعد بن هشام قالت من هشام قلت هشام بن عامر قالت نعم المرء قتل يوم أحد قلت أخبرينا عن خلق رسول الله صلى الله عليه وسلم قالت ألست تقرأ القرآن قلت بلى قالت فإنه خلق رسول الله صلى الله عليه وسلم فأردت أن أقوم ولا أسأل أحدا عن شيء حتى ألحق بالله فعرض لي القيام فقلت أخبرينا عن قيام رسول الله صلى الله عليه وسلم قالت ألست تقرأ يا أيها المزمل قلت بلى قالت فإنها كانت قيام رسول الله أنزل أول السورة فقام رسول الله صلى الله عليه وسلم وأصحابه حتى انتفخت أقدامهم وحبس آخرها في السماء ستة عشر شهرا ثم أنزل فصار قيام الليل تطوعا بعد أن كان فريضة فأردت أن أقوم ولا أسأل أحدا عن شيء حتى ألحق بالله فعرض لي الوتر فقلت أخبرينا عن وتر رسول الله صلى الله عليه وسلم فقالت كان رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا نام وضع سواكه عندي فيبعثه الله لما شاء أن يبعثه فيصلي تسع ركعات لا يجلس إلا في الثامنة فيحمد الله ويدعو ربه ثم يقوم ولا يسلم ثم يجلس في التاسعة فيحمد الله ويدعو ربه ويسلم تسليمة يسمعنا ثم يصلي ركعتين وهو جالس فتلك إحدى عشرة ركعة يا بني فلما أسن رسول الله صلى الله عليه وسلم وحمل اللحم صلى سبع ركعات لا يجلس إلا في السادسة فيحمد الله ويدعو ربه ثم يقوم ولا يسلم ثم يجلس في السابعة فيحمد الله ويدعو ربه ثم يسلم تسليمة ثم يصلي ركعتين وهو جالس فتلك تسع يا بني وكان النبي صلى الله عليه وسلم إذا غلبه نوم أو مرض صلى من النهار ثنتي عشرة ركعة وكان رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا أخذ خلقا أحب أن يداوم عليه وما قام نبي الله صلى الله عليه وسلم ليلة حتى يصبح ولا قرأ القرآن كله في ليلة ولا صام شهرا كاملا غير رمضان فأتيت ابن عباس فحدثته فقال صدقتك أما إني لو كنت أدخل عليها لشافهتها مشافهة قال فقلت أما إني لو شعرت أنك لا تدخل عليها ما حدثتك

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ যুরারা ইবন আওফা (রহঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১৫১৪

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১৬৬. ‘রাতের সালাত’ কোন্ সময়ে সর্বোত্তম

১৫১৪. আবী হুরাইরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “ফরয সালাতের পরে সর্বোত্তম সালাত হলো মধ্যরাতের সালাত।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: যিয়াদ ইবনু আওফ মাতরূক (পরিত্যক্ত রাবী)। তবে হাদীসটি মুসলিমে বর্ণিত সহীহ্ হাদীস।

 

তাখরীজ: সহীহ মুসলিম, (সিয়াম) ১১৬৩; আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ৬৩৯২ ও সহীহ ইবনু হিব্বান নং ২৫৬৩, ৩৬৩৬ তে। এছাড়া এটি হাকিমও ১/৩০৭ এ বর্ণনা বর্ণনা করেছেন, তবে সেটি (বুখারী ও মুসলিমের) বাদ পড়া হাদীস নয় বরং মুসলিম এটি বর্ণনা করেছেন, যা পূর্বে দেখলাম।

بَاب أَيُّ صَلَاةِ اللَّيْلِ أَفْضَلُ

أَخْبَرَنَا زَيْدُ بْنُ عَوْفٍ حَدَّثَنَا أَبُو عَوَانَةَ عَنْ عَبْدِ الْمَلِكِ بْنِ عُمَيْرٍ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ الْمُنْتَشِرِ عَنْ حُمَيْدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ أَفْضَلُ الصَّلَاةِ بَعْدَ الْفَرِيضَةِ الصَّلَاةُ فِي جَوْفِ اللَّيْلِ

أخبرنا زيد بن عوف حدثنا أبو عوانة عن عبد الملك بن عمير عن محمد بن المنتشر عن حميد بن عبد الرحمن عن أبي هريرة أن النبي صلى الله عليه وسلم قال أفضل الصلاة بعد الفريضة الصلاة في جوف الليل

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরায়রা (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১৫১৫

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১৬৭. কোনো ব্যক্তি তার নিয়মিত ওয়াযীফা আদায় না করে ঘুমিয়ে পড়লে

১৫১৫. উমর ইবনুল খাত্তাব রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “যে ব্যক্তি (রাতে) তার নিয়মিত ওয়াযীফা বা তার অংশ বিশেষ আদায় করতে না পেরে ঘুমিয়ে পড়ল এবং পরে ফজর সালাত ও যুহর সালাতের মধ্যবর্তী সময় তা পড়ে নিল, তবে তার জন্য তেমনই লিপিবদ্ধ করা হয়, যেন সে তা রাতেই পড়েছে।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ যয়ীফ। তবে হাদীসটি সহীহ।

 

তাখরীজ: মুসলিম, (সালাতুল মুসাফিরীন) ৭৪৭; আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ২৩৫ ও সহীহ ইবনু হিব্বান নং ২৬৪৩ তে। এছাড়াও, আহমাদ ১/৩২; তাহাবী, মুশকিলিল আছার ২/১৮৫; ইবনু খুযাইমা, আস সহীহ নং ১১৭১; আবু নুয়াইম, হিলইয়া ৮/৩২৬ সকলেই সহীহ সনদে; দাওলাবী, আল কুন্নী ২/১২; তাবারাণী, আস সগীর ২/৭১।

بَاب إِذَا نَامَ عَنْ حِزْبِهِ مِنْ اللَّيْلِ

أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ صَالِحٍ حَدَّثَنِي اللَّيْثُ حَدَّثَنِي يُونُسُ عَنْ ابْنِ شِهَابٍ أَخْبَرَنِي السَّائِبُ بْنُ يَزِيدَ وَعُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ أَنَّ عَبْدَ الرَّحْمَنِ بْنَ عَبْدٍ قَالَ سَمِعْتُ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ يَقُولُ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَنْ نَامَ عَنْ حِزْبِهِ أَوْ عَنْ شَيْءٍ مِنْهُ فَقَرَأَهُ فِيمَا بَيْنَ صَلَاةِ الْفَجْرِ وَصَلَاةِ الظُّهْرِ كُتِبَ لَهُ كَأَنَّمَا قَرَأَهُ مِنْ اللَّيْلِ

أخبرنا عبد الله بن صالح حدثني الليث حدثني يونس عن ابن شهاب أخبرني السائب بن يزيد وعبيد الله بن عبد الله أن عبد الرحمن بن عبد قال سمعت عمر بن الخطاب يقول قال رسول الله صلى الله عليه وسلم من نام عن حزبه أو عن شيء منه فقرأه فيما بين صلاة الفجر وصلاة الظهر كتب له كأنما قرأه من الليل

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ উমর ইবনুল খাত্তাব (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১৫১৬

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১৬৮. আল্লাহ তা’আলা দুনিয়ার আসমানে অবতরণ করেন

১৫১৬. আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “প্রত্যেক রাতেই শেষ অর্ধেকের সময় কিংবা শেষ এক-তৃতীয়াংশের সময় আল্লাহ তা’আলা দুনিয়ার আকাশে অবতরণ করেন এবং বলতে থাকেন : “কে আছে আমাকে ডাকবে? আমি তার ডাকে সাড়া দিব। কে আছে আমার কাছে যাচ্ঞা করবে, আমি তাকে তা দেব। কে আছে আমার কাছে ক্ষমা ভিক্ষা করবে? আমি তাকে ক্ষমা করে দেব।” ফজর (সুবহে সাদিক) উদ্ভাসিত না হওয়া পর্যন্ত কিংবা ইমাম ফজরের সালাতের কিরা’আত সমাপ্ত না করা পর্যন্ত এভাবেই চলতে থাকে “[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ হাসান। তবে হাদীসটি বুখারী মুসলিমের সম্মিলিত বর্ণনা।

 

তাখরীজ: বুখারী, (তাহাজ্জুদ)১১৪৫; মুসলিম (সালাতুল মুসাফিরীন) ৭৫৮; আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ১১৮০, ৫৯৩৬, ৫৯৩৭, ৬১৫৫; সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৯১৯, ৯২০ তে।…

بَاب يَنْزِلُ اللَّهُ إِلَى السَّمَاءِ الدُّنْيَا

أَخْبَرَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَمْرٍو عَنْ أَبِي سَلَمَةَ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَنْزِلُ اللَّهُ تَعَالَى إِلَى السَّمَاءِ الدُّنْيَا كُلَّ لَيْلَةٍ لِنِصْفِ اللَّيْلِ الْآخِرِ أَوْ لِثُلُثِ اللَّيْلِ الْآخِرِ فَيَقُولُ مَنْ ذَا الَّذِي يَدْعُونِي فَأَسْتَجِيبَ لَهُ مَنْ ذَا الَّذِي يَسْأَلُنِي فَأُعْطِيَهُ مَنْ ذَا الَّذِي يَسْتَغْفِرُنِي فَأَغْفِرَ لَهُ حَتَّى يَطْلُعَ الْفَجْرُ أَوْ يَنْصَرِفَ الْقَارِئُ مِنْ صَلَاةِ الْفَجْرِ

أخبرنا يزيد بن هارون أخبرنا محمد بن عمرو عن أبي سلمة عن أبي هريرة قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ينزل الله تعالى إلى السماء الدنيا كل ليلة لنصف الليل الآخر أو لثلث الليل الآخر فيقول من ذا الذي يدعوني فأستجيب له من ذا الذي يسألني فأعطيه من ذا الذي يستغفرني فأغفر له حتى يطلع الفجر أو ينصرف القارئ من صلاة الفجر

 হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)  বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরায়রা (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১৫১৭

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১৬৮. আল্লাহ তা’আলা দুনিয়ার আসমানে অবতরণ করেন

১৫১৭. আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “রাতের প্রথম এক-তৃতীয়াংশ অবশিষ্ট থাকাকালীন প্রত্যেক রাতেই বরকতময় নামের অধিকারী আমাদের রব দুনিয়ার আকাশে নেমে আসেন এবং বলতে থাকেন : “কে আছে আমাকে ডাকবে? আমি তার ডাকে সাড়া দিব। কে আছে আমার কাছে ক্ষমা ভিক্ষা করবে? আমি তাকে ক্ষমা করে দেব। কে আছে আমার কাছে যাচ্ঞা করবে? আমি তাকে তা দেব।” ফজর (সুবহে সাদিক) পর্যন্ত (এভাবেই চলতে থাকে)।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: এটি আগের হাদীসটির পূনরাবৃত্তি। ইবনু খুযাইমা, আত তাওহীদ ১/৩০১ নং ১৯২ (১৫) তে বর্ণনা করেছেন।

بَاب يَنْزِلُ اللَّهُ إِلَى السَّمَاءِ الدُّنْيَا

حَدَّثَنَا الْحَكَمُ بْنُ نَافِعٍ عَنْ شُعَيْبِ بْنِ أَبِي حَمْزَةَ عَنْ الزُّهْرِيِّ حَدَّثَنِي أَبُو سَلَمَةَ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ وَأَبُو عَبْدِ اللَّهِ الْأَغَرُّ صَاحِبَا أَبِي هُرَيْرَةَ أَنَّ أَبَا هُرَيْرَةَ أَخْبَرَهُمَا أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ يَنْزِلُ رَبُّنَا تَبَارَكَ اسْمُهُ كُلَّ لَيْلَةٍ حِينَ يَبْقَى ثُلُثُ اللَّيْلِ الْآخِرُ إِلَى السَّمَاءِ الدُّنْيَا فَيَقُولُ مَنْ يَدْعُونِي فَأَسْتَجِيبَ لَهُ مَنْ يَسْتَغْفِرُنِي فَأَغْفِرَ لَهُ مَنْ يَسْأَلُنِي فَأُعْطِيَهُ حَتَّى الْفَجْرِ

حدثنا الحكم بن نافع عن شعيب بن أبي حمزة عن الزهري حدثني أبو سلمة بن عبد الرحمن وأبو عبد الله الأغر صاحبا أبي هريرة أن أبا هريرة أخبرهما أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ينزل ربنا تبارك اسمه كل ليلة حين يبقى ثلث الليل الآخر إلى السماء الدنيا فيقول من يدعوني فأستجيب له من يستغفرني فأغفر له من يسألني فأعطيه حتى الفجر

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরায়রা (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১৫১৮

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১৬৮. আল্লাহ তা’আলা দুনিয়ার আসমানে অবতরণ করেন

১৫১৮. নাফি’ ইবনু জুবাইর ইবনু মুত’ঈমের পিতা (জুবাইর ইবনু মুত’ঈম) রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “প্রত্যেক রাতেই আল্লাহ তা’আলা দুনিয়ার আকাশে অবতরণ করেন এবং বলতে থাকেন : “কোন যাচ্ঞাকারী আছে কি, আমি তাকে তা দেব? কোন ক্ষমা প্রার্থনাকারী আছে কি, আমি তাকে ক্ষমা করে দেব?”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েীছ মুসনাদুল মাউসিলী নং ৭৪০৮, ৭৪০৯ তে, চাইলে সেখানে দেখুন। এছাড়াও, আজুরী, আশ শরীয়াহ পৃ: ২৭৭; ইবনু খুযাইমা, আত তাওহীদ ১/ ৩১৫ নং ১৯৭ (৩৯); ইবনু আবী আসিম, আস সুন্নাহ নং ৫০৭; বাইহাক্বী, আসমা ওয়াস সিফাত পৃ: ৪৫১।

 

 

এ ধরণের হাদীস সম্পর্কে আওযাঈ, মালিক, সুফিয়ান সাওরী, লাইছ ইবনু সা’দ রাহি. বলতেন: “যেভাবে বর্ণিত আছে সেভাবেই তারা তা বর্ণনা করতেন, কোনো ধরণ বা প্রকৃতি বর্ণনা ব্যতীতই।”

بَاب يَنْزِلُ اللَّهُ إِلَى السَّمَاءِ الدُّنْيَا

أَخْبَرَنَا حَجَّاجُ بْنُ مِنْهَالٍ حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ حَدَّثَنَا عَمْرُو بْنُ دِينَارٍ عَنْ نَافِعِ بْنِ جُبَيْرِ بْنِ مُطْعِمٍ عَنْ أَبِيهِ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ يَنْزِلُ اللَّهُ تَعَالَى كُلَّ لَيْلَةٍ إِلَى السَّمَاءِ الدُّنْيَا فَيَقُولُ هَلْ مِنْ سَائِلٍ فَأُعْطِيَهُ هَلْ مِنْ مُسْتَغْفِرٍ فَأَغْفِرَ لَهُ

أخبرنا حجاج بن منهال حدثنا حماد بن سلمة حدثنا عمرو بن دينار عن نافع بن جبير بن مطعم عن أبيه أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ينزل الله تعالى كل ليلة إلى السماء الدنيا فيقول هل من سائل فأعطيه هل من مستغفر فأغفر له

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১৫১৯

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১৬৮. আল্লাহ তা’আলা দুনিয়ার আসমানে অবতরণ করেন

১৫১৯. রিফা’আহ ইবনু ’উরাবাহ আল জুহানী রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “যখন রাতের অর্ধেক কিংবা এক-তৃতীয়াংশ অতিক্রান্ত হয়, তখন আল্লাহ তা’আলা দুনিয়ার আকাশে অবতরণ করেন, এরপর বলতে থাকেন : “আমার বান্দা আমি ব্যতীত আর কারো কাছে চাইবে না। কে আছে আমাকে ডাকবে? আমি তার ডাকে সাড়া দিব। কে আছে আমার কাছে ক্ষমা ভিক্ষা করবে? আমি তাকে ক্ষমা করে দেব। কে আছে আমার কাছে যাচ্ঞা করবে? আমি তাকে তা দান করব।” ফজর (সুবহে সাদিক) উদ্ভাসিত না হওয়া পর্যন্ত (এভাবেই চলতে থাকে)।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: আহমাদ ৪/১৬; ইবনু মাজাহ(ইক্বামাতুস সালাত) ১৩৬৭; আজুরী, আশ শরীয়াহ পৃ: ২৭৫, ২৭৬; ইবনু খুযাইমা, আত তাওহীদ ১/৩১২; পূর্ণ তাখরীজের জন্য পরবর্তী টীকাটি দেখুন।

بَاب يَنْزِلُ اللَّهُ إِلَى السَّمَاءِ الدُّنْيَا

أَخْبَرَنَا أَبُو الْمُغِيرَةِ حَدَّثَنَا الْأَوْزَاعِيُّ حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ أَبِي كَثِيرٍ عَنْ هِلَالِ بْنِ أَبِي مَيْمُونَةَ عَنْ عَطَاءِ بْنِ يَسَارٍ عَنْ رِفَاعَةَ بْنِ عَرَابَةَ الْجُهَنِيِّ قَالَ قَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِذَا مَضَى مِنْ اللَّيْلِ نِصْفُهُ أَوْ ثُلُثَاهُ هَبَطَ اللَّهُ إِلَى السَّمَاءِ الدُّنْيَا ثُمَّ يَقُولُ لَا أَسْأَلُ عَنْ عِبَادِي غَيْرِي مَنْ ذَا الَّذِي يَسْأَلُنِي فَأُعْطِيَهُ مَنْ ذَا الَّذِي يَسْتَغْفِرُنِي فَأَغْفِرَ لَهُ مَنْ ذَا الَّذِي يَدْعُونِي فَأَسْتَجِيبَ لَهُ حَتَّى يَطْلُعَ الْفَجْرُ

أخبرنا أبو المغيرة حدثنا الأوزاعي حدثنا يحيى بن أبي كثير عن هلال بن أبي ميمونة عن عطاء بن يسار عن رفاعة بن عرابة الجهني قال قال النبي صلى الله عليه وسلم إذا مضى من الليل نصفه أو ثلثاه هبط الله إلى السماء الدنيا ثم يقول لا أسأل عن عبادي غيري من ذا الذي يسألني فأعطيه من ذا الذي يستغفرني فأغفر له من ذا الذي يدعوني فأستجيب له حتى يطلع الفجر

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১৫২০

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১৬৮. আল্লাহ তা’আলা দুনিয়ার আসমানে অবতরণ করেন

১৫২০. আতা ইবনু ইয়াসার হতে রিফা’আহ রাদিয়াল্লাহু আনহু’র সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: আহমাদ ৪/১৬; আজুরী, আশ শরীয়াহ পৃ: ২৭৫, ২৭৬; ইবনু খুযাইমা, আত তাওহীদ ১/৩১২।

بَاب يَنْزِلُ اللَّهُ إِلَى السَّمَاءِ الدُّنْيَا

حَدَّثَنَا وَهْبُ بْنُ جَرِيرٍ حَدَّثَنَا هِشَامٌ عَنْ يَحْيَى عَنْ هِلَالِ بْنِ أَبِي مَيْمُونَةَ عَنْ عَطَاءِ بْنِ يَسَارٍ أَنَّ رِفَاعَةَ أَخْبَرَهُ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِنَحْوِهِ

حدثنا وهب بن جرير حدثنا هشام عن يحيى عن هلال بن أبي ميمونة عن عطاء بن يسار أن رفاعة أخبره عن النبي صلى الله عليه وسلم بنحوه

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আতা ইবনু ইয়াসার (রহ.)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১৫২১

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১৬৮. আল্লাহ তা’আলা দুনিয়ার আসমানে অবতরণ করেন

১৫২১. আলী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “যখন রাতের এক-তৃতীয়াংশ কিংবা অর্ধাংশ (অতিক্রান্ত) হয়, …. ।” এরপর তিনি ’নুযূল’ (মহান আল্লাহর অবতরণের হাদীস) বর্ণনা করেন।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ যয়ীফ। এতে দু’টি ত্রুটি রয়েছে: মুহাম্মদ ইবনু হুমাইদ যয়ীফ এবং ইবনু ইসহাক এটি ‘আন আন’ পদ্ধতিতে বর্ণনা করেছেন। কিন্তু আমি বলছি: এটি সহীহ সনদে পরবর্তী হাদীসের পরেই সামনে বর্ণনা আসছে ১৫২৬ (অনূবাদে ১৫২৩) নং এ।

 

তাখরীজ: ((মুহাক্বিক্ব এর কোনো তাখরীজ দেননি। তবে এটি যেহেতু সামনে ১৫২৩ আসছে, তাই তাখরীজের জন্য সেখানে দেখা যেতে পারে।- অনুবাদক))

بَاب يَنْزِلُ اللَّهُ إِلَى السَّمَاءِ الدُّنْيَا

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ حُمَيْدٍ حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ مُخْتَارٍ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ إِسْحَقَ عَنْ عَمِّهِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ يَسَارٍ عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي رَافِعٍ عَنْ عَلِيٍّ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِذَا كَانَ ثُلُثُ اللَّيْلِ أَوْ نِصْفُ اللَّيْلِ فَذَكَرَ النُّزُولَ

أخبرنا محمد بن حميد حدثنا إبراهيم بن مختار عن محمد بن إسحق عن عمه عبد الرحمن بن يسار عن عبيد الله بن أبي رافع عن علي قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا كان ثلث الليل أو نصف الليل فذكر النزول

 হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai’f)  বর্ণনাকারীঃ আলী ইবনু আবী তালিব (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১৫২২

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১৬৮. আল্লাহ তা’আলা দুনিয়ার আসমানে অবতরণ করেন

১৫২২. আবূ হুরাইরা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বলতে শুনেছি: “যদি আমার উম্মতের উপর কষ্টকর না হতো, তবে আমি অবশ্যই তাদেরকে প্রতি সালাতের সময় মিসওয়াক করার নির্দেশ দিতাম এবং সর্বশেষ ঈশার সালাতকে রাতের এক-তৃতীয়াংশ অতিক্রান্ত হওয়া পর্যন্ত পিছিয়ে দিতাম। কেননা, যখন রাতের প্রথম এক-তৃতীয়াংশ অতিক্রান্ত হয়, তখন আল্লাহ তা’আলা দুনিয়ার আকাশে অবতরণ করেন। আর ফজর (সুবহে সাদিক) উদিত হওয়া পর্যন্ত সেথায় অবস্থান করতে থাকেন।(এ সময়) একজন আহবানকারী বলতে থাকেন : “ কোনো যাচ্ঞাকারী কি নাই, (যে যাচ্ঞা করবে), ফলে তাকে (তার প্রার্থিত জিনিস) প্রদান করা হবে? কোনো রোগাক্রান্ত ব্যক্তি কি নাই, যে তার রোগমুক্তি কামনা করবে, আর তাকে রোগমুক্তি দান করা হবে? কোনো ক্ষমাপ্রার্থী কি নাই, যে ক্ষমা প্রার্থনা করবে, ফলে তাকে ক্ষমা করা হবে?”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ৬৫৭৬ ও পরবর্তী হাদীসটির সনদও একই। পূর্বের ১৫১৯, ১৫১৬ নং হাদীসও দেখুন।

بَاب يَنْزِلُ اللَّهُ إِلَى السَّمَاءِ الدُّنْيَا

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يَحْيَى حَدَّثَنَا يَعْقُوبُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ حَدَّثَنَا أَبِي عَنْ ابْنِ إِسْحَقَ حَدَّثَنِي سَعِيدُ بْنُ أَبِي سَعِيدٍ الْمَقْبُرِيُّ عَنْ عَطَاءٍ مَوْلَى أُمِّ صُبَيَّةَ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ لَوْلَا أَنْ أَشُقَّ عَلَى أُمَّتِي لَأَمَرْتُهُمْ بِالسِّوَاكِ عِنْدَ كُلِّ صَلَاةٍ وَلَأَخَّرْتُ الْعِشَاءَ الْآخِرَةَ إِلَى ثُلُثِ اللَّيْلِ فَإِنَّهُ إِذَا مَضَى ثُلُثُ اللَّيْلِ الْأَوَّلُ هَبَطَ اللَّهُ إِلَى السَّمَاءِ الدُّنْيَا فَلَمْ يَزَلْ هُنَالِكَ حَتَّى يَطْلُعَ الْفَجْرُ يَقُولُ قَائِلٌ أَلَا سَائِلٌ يُعْطَى أَلَا دَاعٍ يُجَابُ أَلَا سَقِيمٌ يَسْتَشْفِي فَيُشْفَى أَلَا مُذْنِبٌ يَسْتَغْفِرُ فَيُغْفَرَ لَهُ

أخبرنا محمد بن يحيى حدثنا يعقوب بن إبراهيم حدثنا أبي عن ابن إسحق حدثني سعيد بن أبي سعيد المقبري عن عطاء مولى أم صبية عن أبي هريرة قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول لولا أن أشق على أمتي لأمرتهم بالسواك عند كل صلاة ولأخرت العشاء الآخرة إلى ثلث الليل فإنه إذا مضى ثلث الليل الأول هبط الله إلى السماء الدنيا فلم يزل هنالك حتى يطلع الفجر يقول قائل ألا سائل يعطى ألا داع يجاب ألا سقيم يستشفي فيشفى ألا مذنب يستغفر فيغفر له

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরায়রা (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১৫২৩

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১৬৮. আল্লাহ তা’আলা দুনিয়ার আসমানে অবতরণ করেন

১৫২৩. উবাইদুল্লাহ ইবনু আবী রাফি’র পিতা, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের মুক্তদাস আবী রাফি’ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে, তিনি আলী ইবনু আবী তালিব রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে, তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হতে আবী হুরাইরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু’র হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ জাইয়্যেদ (উত্তম)।

 

তাখরীজ: আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ৬৫৭৬ তে, এর পূর্বর্তী হাদীসটি সহ, যার সনদ একই।

بَاب يَنْزِلُ اللَّهُ إِلَى السَّمَاءِ الدُّنْيَا

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ حَدَّثَنَا يَعْقُوبُ حَدَّثَنِي أَبِي عَنْ ابْنِ إِسْحَقَ حَدَّثَنِي عَمِّي عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ يَسَارٍ عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي رَافِعٍ مَوْلَى رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَنْ أَبِيهِ عَنْ عَلِيِّ بْنِ أَبِي طَالِبٍ عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مِثْلَ حَدِيثِ أَبِي هُرَيْرَةَ

أخبرنا محمد حدثنا يعقوب حدثني أبي عن ابن إسحق حدثني عمي عبد الرحمن بن يسار عن عبيد الله بن أبي رافع مولى رسول الله صلى الله عليه وسلم عن أبيه عن علي بن أبي طالب عن رسول الله صلى الله عليه وسلم مثل حديث أبي هريرة

 হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১৫২৪

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১৬৯. তাহজ্জুদের সময়কালীন দু’আ

১৫২৪. ইবনু আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্‌ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম রাতে তাহাজ্জুদের উদ্দেশ্যে যখন দাঁড়াতেন, তখন দু’আয় বলতেন- “ইয়া আল্লাহ! আপনারই জন্যই সমস্ত প্রশংসা। আপনি আসমান যমীন এবং এ দু’য়ের মাঝে যা কিছু আছে সব কিছুর নূর। আর আপনারই জন্য সমস্ত প্রশংসা, আপনিই আসমানসমূহ, যমীন এবং এসবের মাঝে বিদ্যমান সব কিছুর (’ক্বইয়্যুম’) তত্ত্বাবধায়ক। আর আপনারই জন্য সমস্ত প্রশংসা, আপনি আসমান যমীন এবং তাদের মাঝে বিদ্যমান সব কিছুর মালিক। আপনিই চির সত্য। আপনার বাণী সত্য; আপনার ওয়াদা চির সত্য; আপনার সাক্ষাত সত্য; জান্নাত সত্য; জাহান্নাম সত্য; পুনুরুত্থান সত্য; নবীগণ সত্য; মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সত্য। ইয়া আল্লাহ! আপনার কাছেই আমি আত্মসমর্পণ করলাম; আপনার প্রতি ঈমান আনলাম; আপনার উপরেই তাওয়াক্কুল (ভরসা) করালাম, আপনার দিকেই প্রত্যাবর্তন করলাম; আপনার (সস্তুষ্টির জন্যই) শত্রুতায় লিপ্ত হলাম, আপনাকেই বিচারক মেনে নিলাম। তাই আপনি আমার পূর্বাপর ও প্রকাশ্য-গোপন সব অপরাধ ক্ষমা করুন। আপনিই অগ্র পশ্চাতের মালিক। আপনি ব্যতীত কোন ইলাহ্ নেই, আর আপনার শক্তি ও ক্ষমতা ব্যতীত আর কারো কোনো শক্তি ও ক্ষমতা নেই।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: বুখারী (তাহাজ্জুদ) ১১২০; মুসলিম (সালাতুল মুসাফিরীন) ৭৬৯; আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ২৪০৪ ও সহীহ ইবনু হিব্বান নং ২৫৯৭, ২৫৯৮, ২৫৯৯ ও মুসনাদুল হুমাইদী নং ৫০৩ তে। সেখানে আমাদের টীকা দেখুন।

بَاب الدُّعَاءِ عِنْدَ التَّهَجُّدِ

حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ حَسَّانَ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ هُوَ ابْنُ عُيَيْنَةَ عَنْ سُلَيْمَانَ الْأَحْوَلِ عَنْ طَاوُسٍ عَنْ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِذَا قَامَ يَتَهَجَّدُ مِنْ اللَّيْلِ قَالَ اللَّهُمَّ لَكَ الْحَمْدُ أَنْتَ نُورُ السَّمَوَاتِ وَالْأَرْضِ وَمَنْ فِيهِنَّ وَلَكَ الْحَمْدُ أَنْتَ قَيِّمُ السَّمَوَاتِ وَالْأَرْضِ وَمَنْ فِيهِنَّ وَلَكَ الْحَمْدُ أَنْتَ مَلِكُ السَّمَوَاتِ وَالْأَرْضِ وَمَنْ فِيهِنَّ أَنْتَ الْحَقُّ وَقَوْلُكَ الْحَقُّ وَوَعْدُكَ الْحَقُّ وَلِقَاؤُكَ حَقٌّ وَالْجَنَّةُ حَقٌّ وَالنَّارُ حَقٌّ وَالْبَعْثُ حَقٌّ وَالنَّبِيُّونَ حَقٌّ وَمُحَمَّدٌّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ حَقٌّ اللَّهُمَّ لَكَ أَسْلَمْتُ وَبِكَ آمَنْتُ وَعَلَيْكَ تَوَكَّلْتُ وَإِلَيْكَ أَنَبْتُ وَبِكَ خَاصَمْتُ وَإِلَيْكَ حَاكَمْتُ فَاغْفِرْ لِي مَا قَدَّمْتُ وَمَا أَخَّرْتُ وَمَا أَعْلَنْتُ وَمَا أَسْرَرْتُ أَنْتَ الْمُقَدِّمُ وَأَنْتَ الْمُؤَخِّرُ لَا إِلَهَ إِلَّا أَنْتَ وَلَا حَوْلَ وَلَا قُوَّةَ إِلَّا بِكَ

حدثنا يحيى بن حسان حدثنا سفيان هو ابن عيينة عن سليمان الأحول عن طاوس عن ابن عباس قال كان رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا قام يتهجد من الليل قال اللهم لك الحمد أنت نور السموات والأرض ومن فيهن ولك الحمد أنت قيم السموات والأرض ومن فيهن ولك الحمد أنت ملك السموات والأرض ومن فيهن أنت الحق وقولك الحق ووعدك الحق ولقاؤك حق والجنة حق والنار حق والبعث حق والنبيون حق ومحمد صلى الله عليه وسلم حق اللهم لك أسلمت وبك آمنت وعليك توكلت وإليك أنبت وبك خاصمت وإليك حاكمت فاغفر لي ما قدمت وما أخرت وما أعلنت وما أسررت أنت المقدم وأنت المؤخر لا إله إلا أنت ولا حول ولا قوة إلا بك

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আবদুল্লাহ ইবনু আব্বাস (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১৫২৫

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১৭০. যে ব্যক্তি সূরাতুল বাক্বারা’র শেষ দু’ আয়াত পাঠ করে

১৫২৫. আবী মাসউদ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্নিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “যে ব্যক্তি রাতে সূরাতুল বাক্বারার শেষ দু’টি আয়াত পাঠ করবে, সেই দু’টি-ই তার জন্য যথেষ্ট হবে।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: বুখারী, (ফাযাইলূল কুরআন) ৫০০৮, ৫০০৯; মুসলিম, (আস সালাতুল মুসাফিরীন) ৮০৭। আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি

 

ও সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৭৮১, ২৫৭৫, ও মুসনাদুল হুমাইদী নং ৪৫৭ তে।

بَاب مَنْ قَرَأَ الْآيَتَيْنِ مِنْ آخِرِ سُورَةِ الْبَقَرَةِ

حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ عَامِرٍ عَنْ شُعْبَةَ عَنْ مَنْصُورٍ عَنْ إِبْرَاهِيمَ عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ يَزِيدَ عَنْ أَبِي مَسْعُودٍ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنَّهُ قَالَ مَنْ قَرَأَ الْآيَتَيْنِ الْآخِرَتَيْنِ مِنْ سُورَةِ الْبَقَرَةِ فِي لَيْلَةٍ كَفَتَاهُ

حدثنا سعيد بن عامر عن شعبة عن منصور عن إبراهيم عن عبد الرحمن بن يزيد عن أبي مسعود عن النبي صلى الله عليه وسلم أنه قال من قرأ الآيتين الآخرتين من سورة البقرة في ليلة كفتاه

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আবূ মাসউদ আনসারী (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১৫২৬

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১৭১. কুর’আনকে সুন্দর সূরে তিলাওয়াত করা

১৫২৬. আবী হুরাইরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্নিত, তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “কোনো নবীর উচ্চস্বরে সূর দিয়ে কুরআন তিলাওয়াত আল্লাহ যেভাবে কান পেতে শ্রবণ করেন, আর কোন কিছুই তিনি এমনভাবে কান পেতে শ্রবন করেন না।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ। এটি বুখারী মুসলিমের সমন্বিত বর্ণনা।

 

তাখরীজ: বুখারী (ফাযাইলূল কুরআন) ৫০২৪; মুসলিম (সালাতুল মুসাফিরীন) ৭৯২; আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ৫৯৫৯ ও সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৭৫১, ৭৫২ ও মুসনাদুল হুমাইদী নং ৯৭৯ তে। এটি সামনে ১৫৩২ নং এও আসছে।

بَاب التَّغَنِّي بِالْقُرْآنِ

أَخْبَرَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَمْرٍو عَنْ أَبِي سَلَمَةَ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَا أَذِنَ اللَّهُ لِشَيْءٍ كَإِذْنِهِ لِنَبِيٍّ يَتَغَنَّى بِالْقُرْآنِ يَجْهَرُ بِهِ

أخبرنا يزيد بن هارون أخبرنا محمد بن عمرو عن أبي سلمة عن أبي هريرة قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ما أذن الله لشيء كإذنه لنبي يتغنى بالقرآن يجهر به

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরায়রা (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১৫২৭

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১৭১. কুর’আনকে সুন্দর সূরে তিলাওয়াত করা

১৫২৭. আয়িশা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আবু মুসা কে কুরআন পাঠ করতে শুনলেন। তখন তিনি বললেন: তাকে দাঊদ (আঃ) পরিবারের বাশরী সমুহের মধ্য থেকে এটি (অর্থাৎ সুমধুর সূর) দান করা হয়েছে।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: ((নাসাঈ ২/১৮০; আর আবূ মূসা হতে বুখারী, ফাযাইলুল কুরআন ৫০৪৮; মুসলিম, সালাতুল মুসাফিরীন ৭৯৩; তিরমিযী ৩৮৫৫; আহমাদ ৫/৩৪৯ ও ২/৩৬৯-৪৫০। -সুনানে দারেমী’র ফাওয়ায আহমেদের তাহক্বীক্বকৃত, নং ১৪৮৯। -অনুবাদক।))

 

আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৭১৯৫ ও মাওয়ারিদুয যাম’আন নং ২২৬৩ ও মুসনাদুল হুমাইদী নং ২৮৪ তে।

بَاب التَّغَنِّي بِالْقُرْآنِ

أَخْبَرَنَا أَبُو نُعَيْمٍ حَدَّثَنَا ابْنُ عُيَيْنَةَ عَنْ الزُّهْرِيِّ قَالَ ابْنُ عُيَيْنَةَ أُرَاهُ عَنْ عُرْوَةَ عَنْ عَائِشَةَ قَالَتْ سَمِعَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَبَا مُوسَى وَهُوَ يَقْرَأُ فَقَالَ لَقَدْ أُوتِيَ هَذَا مِنْ مَزَامِيرِ آلِ دَاوُدَ

أخبرنا أبو نعيم حدثنا ابن عيينة عن الزهري قال ابن عيينة أراه عن عروة عن عائشة قالت سمع النبي صلى الله عليه وسلم أبا موسى وهو يقرأ فقال لقد أوتي هذا من مزامير آل داود

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আয়িশা বিনত আবূ বাকর সিদ্দীক (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১৫২৮

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১৭১. কুর’আনকে সুন্দর সূরে তিলাওয়াত করা

১৫২৮. সা’দ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “যে ব্যক্তি সুন্দর সূরে কুরআন পাঠ করে না, সে আমাদের দলভূক্ত নয়।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: ((আবু দাউদ, সালাত ১৪৭০; আহমাদ ১/১৭২-১৭৫-১৭৯; বাযযার ও তাবারাণী, যেমন মাজমাউয যাওয়াইদ ৭/১৭০ এ বলা হয়েছে। আর এটি আবূ হুরাইরা হতে বুখারী বর্ণনা করেছেন।- -সুনানে দারেমী’র ফাওয়ায আহমেদের তাহক্বীক্বকৃত, নং ১৪৯০। -অনুবাদক।))

 

আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ১২০ ও মুসনাদুল মাউসিলী নং ৬৮৯, ৭৪৮ ও মুসনাদুল হুমাইদী নং ৭৭ তে।

بَاب التَّغَنِّي بِالْقُرْآنِ

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ أَبِي خَلَفٍ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ عَمْرٍو يَعْنِي ابْنَ دِينَارٍ عَنْ ابْنِ أَبِي مُلَيْكَةَ عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي نَهِيكٍ عَنْ سَعْدٍ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ لَيْسَ مِنَّا مَنْ لَمْ يَتَغَنَّ بِالْقُرْآنِ

أخبرنا محمد بن أحمد بن أبي خلف حدثنا سفيان عن عمرو يعني ابن دينار عن ابن أبي مليكة عن عبيد الله بن أبي نهيك عن سعد أن النبي صلى الله عليه وسلم قال ليس منا من لم يتغن بالقرآن

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ সা’দ বিন আবূ ওয়াক্কাস (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১৫২৯

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১৭১. কুর’আনকে সুন্দর সূরে তিলাওয়াত করা

১৫২৯. আবী হুরাইরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্নিত, তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “একজন নবীর সূর দিয়ে কুরআন তিলাওয়াত আল্লাহ যেভাবে কান পেতে শ্রবণ করেন, আর কোন কিছুই তিনি এমনভাবে কান পেতে শ্রবন করেন না।”আবূ মুহাম্মদ বলেন, (’কান পেতে শোনা’)এর দ্বারা তিনি ’সন্তুষ্ট হওয়া’ বুঝিয়েছেন।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ। এটি বুখারী মুসলিমের সম্মিলিত বর্ণনা।

 

তাখরীজ: এটি ১৫২৯ (অনূবাদে ১৫২৬) নং এ গত হয়েছে।

بَاب التَّغَنِّي بِالْقُرْآنِ

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ الزُّهْرِيِّ عَنْ أَبِي سَلَمَةَ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ مَا أَذِنَ اللَّهُ لِشَيْءٍ مَا أَذِنَ لِنَبِيٍّ يَتَغَنَّى بِالْقُرْآنِ قَالَ أَبُو مُحَمَّد يُرِيدُ بِهِ الِاسْتِغْنَاءَ

أخبرنا محمد بن أحمد حدثنا سفيان عن الزهري عن أبي سلمة عن أبي هريرة عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ما أذن الله لشيء ما أذن لنبي يتغنى بالقرآن قال أبو محمد يريد به الاستغناء

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরায়রা (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১৫৩০

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১৭২. উম্মুল কুরআন (তথা সূরাতুল ফাতিহাহ’)-ই হলো বার বার পঠিত সাতটি আয়াত (সাব’উল মাছানী’)

১৫৩০. আবী সাঈদ ইবনুল মু’আল্লী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমার পাশ দিয়ে গেলেন (ও আমাকে ডাকলেন, তখন আমি সালাতরত ছিলাম)। ফলে তিনি বললেন: “আল্লাহ কি বলেন নি যে, “ওহে যারা ঈমান এনেছো! তোমরা আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের ডাকে সাড়া দিবে, যখন তোমাদেরকে ডাক দেন।” (সূরাতুন নামল: ২৪)?” এরপর তিনি বললেন: “তুমি মাসজিদ থেকে বের হওয়ার পূর্বেই আমি কি তোমাকে কুরআনের সূরাসমূহ থেকে একটি অতি মহান সূরাহ আমি তোমাকে শিক্ষা দিব না?” এরপর তিনি যখন মসজিদ হতে বের হওয়ার ইচ্ছা করলেন, তখন বললেন: [“আলহামদু লিল্লাহি রব্বিল ’আলামীন।”] আর এটিই হলো বার বার পঠিত সাতটি আয়াত এবং মহান কুরআন যা কেবল আমাকেই দেয়া হয়েছে।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: বুখারী, তাফসীর ৪৪৭৪; আমরা এর তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী ৬৮৩৭ ও সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৭৭৭ তে।

بَاب أُمُّ الْقُرْآنِ هِيَ السَّبْعُ الْمَثَانِي

أَخْبَرَنَا بِشْرُ بْنُ عُمَرَ الزَّهْرَانِيُّ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ عَنْ خُبَيْبِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ عَنْ حَفْصِ بْنِ عَاصِمٍ عَنْ أَبِي سَعِيدِ بْنِ الْمُعَلَّى قَالَ مَرَّ بِي رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ أَلَمْ يَقُلْ اللَّهُ يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا اسْتَجِيبُوا لِلَّهِ وَلِلرَّسُولِ إِذَا دَعَاكُمْ ثُمَّ قَالَ أَلَا أُعَلِّمُكَ سُورَةً أَعْظَمَ سُورَةٍ مِنْ الْقُرْآنِ قَبْلَ أَنْ أَخْرُجَ مِنْ الْمَسْجِدِ فَلَمَّا أَرَادَ أَنْ يَخْرُجَ قَالَ الْحَمْدُ لِلَّهِ رَبِّ الْعَالَمِينَ وَهِيَ السَّبْعُ الْمَثَانِي وَالْقُرْآنُ الْعَظِيمُ الَّذِي أُوتِيتُمْ

أخبرنا بشر بن عمر الزهراني حدثنا شعبة عن خبيب بن عبد الرحمن عن حفص بن عاصم عن أبي سعيد بن المعلى قال مر بي رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال ألم يقل الله يا أيها الذين آمنوا استجيبوا لله وللرسول إذا دعاكم ثم قال ألا أعلمك سورة أعظم سورة من القرآن قبل أن أخرج من المسجد فلما أراد أن يخرج قال الحمد لله رب العالمين وهي السبع المثاني والقرآن العظيم الذي أوتيتم

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আবূ সা’ঈদ খুদরী (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১৫৩১

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১৭৩. কতদিনে কুরআন খতম করা হবে

১৫৩১. আব্দুল্লাহ ইবনু আমর রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্নিত, তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “তিনদিনের চেয়েও কম সময়ে যে ব্যক্তি কুরআন খতম করে, সে (কুরআনের) কিছুই বুঝতে পারে না।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: আহমাদ ২/১৯৫; তিরমিযী, (ক্বিরা’আত) ২৯৫০; ইবনু মাজাহ (ইকামাতিস সালাত) ১৩৪৭; আবু দাউদ, (আস সালাত) ১৩৯৪;

 

এর শাহিদ হাদীস বর্ণিত হয়েছে সাঈদ ইবনু মানছুরে সহীহ সনদে ইবনু মাসউদ রা: হতে: তোমরা সাতদিনে কুরআন খতম করো, তবে তিনদিনের কম সময়ে কুরআন পড়ো (খতম করো) না।”

 

আয়িশা রা: হতে আবী উবাইদ বর্ণনা করেছেন যে, নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনদিনের কম সময়ে কুরআন খতম করতেন না।”

بَاب فِي كَمْ يُخْتَمُ الْقُرْآنُ

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمِنْهَالِ حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ زُرَيْعٍ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ عَنْ قَتَادَةَ عَنْ أَبِي الْعَلَاءِ يَزِيدَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَا يَفْقَهُ مَنْ قَرَأَ الْقُرْآنَ فِي أَقَلَّ مِنْ ثَلَاثٍ

أخبرنا محمد بن المنهال حدثنا يزيد بن زريع حدثنا شعبة عن قتادة عن أبي العلاء يزيد بن عبد الله عن عبد الله بن عمرو قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم لا يفقه من قرأ القرآن في أقل من ثلاث

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আবদুল্লাহ ইবনু আমর ইবনুল আস (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১৫৩২

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১৭৪. যখন কোনো লোক (সালাত আদায় করতে গিয়ে) তিন রাকা’আত নাকি চার রাকা’আত আদায় করেছে, তা বুঝতে পারে না

১৫৩২. আবী হুরাইরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “যখন (সালাতের জন্য) আযান দেয়া হয়, তখন শয়তান বাতকর্ম করতে করতে পিছন ফিরে পলায়ন করতে থাকে, যাতে সে আযান শুনতে না পায়। এরপর যখন আযান শেষ হয়, তখন সে ফিরে আসে। আবার যখন সালাতের ’ইকামাত’ হয়, তখন আবার সে পলায়ন করে। অতঃপর ’ইকামত’ শেষ হলে সে পূনরায় ফিরে এসে লোকদের মনে কুমন্ত্রণা দিতে (স্মরণ করাতে) থাকে এবং বলে, ’এটা স্মরণ কর, ওটা স্মরণ কর।’ (এভাবে সে এমনসব বিষয় স্মরণ করিয়ে দেয়) যা ইতিপূর্বে তার স্মরণে আসেনি। তখন এমন হয় যে, সেই লোকটি আর মনে করতে পারে না, সে কত রাকা’আত আদায় করেছে। ফলে যখন তোমাদের কেউ এরূপ মনে করতে না পারবে যে, সে কত রাকা’আত সালাত আদায় করেছে, চার- নাকি তিন রাকা’আত, তখন সে যেন বসা অবস্থায় দু’টি (সাহু) সিজদা করে।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ। এটি বুখারী মুসলিমের সম্মিলিত বর্ণনা।

 

তাখরীজ: এটি ১২৪০ (অনূবাদে ১২৩৬) নং এ গত হয়েছে। ((সহীহ বুখারী ৬০৮; সহীহ মুসলিম ৩৮৯))

بَاب الرَّجُلُ لَا يَدْرِي أَثَلَاثًا صَلَّى أَمْ أَرْبَعًا

أَخْبَرَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ حَدَّثَنَا هِشَامٌ عَنْ يَحْيَى عَنْ أَبِي سَلَمَةَ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ إِذَا نُودِيَ بِالْأَذَانِ أَدْبَرَ الشَّيْطَانُ لَهُ ضُرَاطٌ حَتَّى لَا يَسْمَعَ الْأَذَانَ فَإِذَا قُضِيَ الْأَذَانُ أَقْبَلَ فَإِذَا ثُوِّبَ أَدْبَرَ فَإِذَا قُضِيَ التَّثْوِيبُ أَقْبَلَ حَتَّى يَخْطِرَ بَيْنَ الْمَرْءِ وَنَفْسِهِ فَيَقُولُ اذْكُرْ كَذَا اذْكُرْ كَذَا لِمَا لَمْ يَكُنْ يَعْنِي يَذْكُرُ حَتَّى يَظَلَّ الرَّجُلُ إِنْ يَدْرِي كَمْ صَلَّى فَإِذَا لَمْ يَدْرِ أَحَدُكُمْ كَمْ صَلَّى ثَلَاثًا أَمْ أَرْبَعًا فَلْيَسْجُدْ سَجْدَتَيْنِ وَهُوَ جَالِسٌ

أخبرنا يزيد بن هارون حدثنا هشام عن يحيى عن أبي سلمة عن أبي هريرة عن النبي صلى الله عليه وسلم قال إذا نودي بالأذان أدبر الشيطان له ضراط حتى لا يسمع الأذان فإذا قضي الأذان أقبل فإذا ثوب أدبر فإذا قضي التثويب أقبل حتى يخطر بين المرء ونفسه فيقول اذكر كذا اذكر كذا لما لم يكن يعني يذكر حتى يظل الرجل إن يدري كم صلى فإذا لم يدر أحدكم كم صلى ثلاثا أم أربعا فليسجد سجدتين وهو جالس

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরায়রা (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১৫৩৩

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১৭৪. যখন কোনো লোক (সালাত আদায় করতে গিয়ে) তিন রাকা’আত নাকি চার রাকা’আত আদায় করেছে, তা বুঝতে পারে না

১৫৩৩. আবী সাঈদ খুদরী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “যখন তোমাদের কেউ এরূপ মনে করতে না পারবে যে, সে কত রাকা’আত সালাত আদায় করেছে, চার রাকা’আত- নাকি তিন রাকা’আত, তখন সে যেন দাঁড়িয়ে আরো এক রাকা’আত সালাত আদায় করে অতঃপর এরজন্য বসা অবস্থায় দু’টি (সাহু) সিজদা করে। ফলে যদি (মোট) সে পাঁচ রাকা’আত সালাত আদায় করে থাকে, তবে এ দু’টি (সাজদা) তার সালাতকে জোড় বানিয়ে দিবে। আর যদি সে চার রাকা’আত আদায় করে থাকে, তবে এ দু’টি (সাজদা) হবে শয়তানের জন্য লাঞ্ছনা (বা মাটি নিক্ষেপ) স্বরূপ।”[1]

আবু মুহাম্মদ বলেন: আমি এ মত গ্রহণ করেছি।

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: সহীহ মুসলিম (মাসাজিদ) ৫৭১। আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল হুমাইদী নং ১১৪১, ১২৪১ ও সহীহ ইবনু হিব্বান নং ২৬৬৩, ২৬৬৪, ২৬৬৭, ২৬৬৯ তে।

بَاب الرَّجُلُ لَا يَدْرِي أَثَلَاثًا صَلَّى أَمْ أَرْبَعًا

أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ حَدَّثَنَا عَبْدُ الْعَزِيزِ هُوَ ابْنُ أَبِي سَلَمَةَ الْمَاجِشُونُ أَخْبَرَنَا زَيْدُ بْنُ أَسْلَمَ عَنْ عَطَاءِ بْنِ يَسَارٍ عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِذَا لَمْ يَدْرِ أَحَدُكُمْ أَثَلَاثًا صَلَّى أَمْ أَرْبَعًا فَلْيَقُمْ فَلْيُصَلِّ رَكْعَةً ثُمَّ يَسْجُدُ بَعْدَ ذَلِكَ سَجْدَتَيْنِ فَإِنْ كَانَ صَلَّى خَمْسًا شَفَعَتَا لَهُ صَلَاتَهُ وَإِنْ كَانَ صَلَّى أَرْبَعًا كَانَتَا تَرْغِيمًا لِلشَّيْطَانِ قَالَ أَبُو مُحَمَّد آخُذُ بِهِ

أخبرنا أحمد بن عبد الله حدثنا عبد العزيز هو ابن أبي سلمة الماجشون أخبرنا زيد بن أسلم عن عطاء بن يسار عن أبي سعيد الخدري قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا لم يدر أحدكم أثلاثا صلى أم أربعا فليقم فليصل ركعة ثم يسجد بعد ذلك سجدتين فإن كان صلى خمسا شفعتا له صلاته وإن كان صلى أربعا كانتا ترغيما للشيطان قال أبو محمد آخذ به

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আবূ সা’ঈদ খুদরী (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১৫৩৪

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১৭৫. সালাতে বৃদ্ধির কারণে সাহু সিজদা

১৫৩৪. আবু হুরাইরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেছেন, একদিন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম দিবাভাগের দুই ওয়াক্ত সালাতের কোন এক সালাত (অর্থাৎ যোহর কিংবা আসরের সালাত) আদায় করলেন। কিন্তু দুই রাকা’আত আদায় করার পরই সালাম ফিরালেন। এরপর তিনি রাগান্বিত মনে মসজিদের মধ্যস্থানে স্থাপিত একটি (খেজুর) কাষ্ঠখণ্ডের উপর ভর দিয়ে দাঁড়ালেন।

ইয়াযীদ (বর্ণনাকারী) বলেন, আমরা ইবনু আউনকে তার দু’ হাতের তালুর একটিকে অপরটির পিঠের উপর স্থাপন করতে দেখলাম। এরপর তিনি সবচেয়ে লম্বা আঙ্গুলটিকে সবচেয়ে নিচু আঙ্গুলটির মধ্যে প্রবেশ করিয়ে রেখে দিলেন।তিনি বলেন, তাড়াহুড়াকারী লোকেরা তো এ কথা বলতে বলতে দ্রুত মসজিদ থেকে বের হয়ে গেলো যে, সালাতকে কমিয়ে দেয়া হয়েছে, সালাতকে কমিয়ে দেয়া হয়েছে। এই সময় সবার মাঝে আবু বকর ও উমারও ছিলেন। কিন্তু (এই পরিস্থিতিতে) তারা কেউই কোনো কথা বলছিলেন না। অতঃপর যুলইয়াদাইন নামে পরিচিত লম্বা হাত বিশিষ্ট এক ব্যক্তি দাঁড়িয়ে বললো, হে আল্লাহর রাসূল, আপনি সালাত ভুলে গিয়েছেন- নাকি সালাতকেই কম করে দেয়া হয়েছে?

একথা শুনে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন: “আমি ভূলেও যাইনি, আবার সালাতকেও সংক্ষিপ্ত করে দেয়া হয়নি।” তারপর জিজ্ঞেস করলেন, “ব্যাপারটা কি সেরকমই?” (সে যা বলছে, তা কি ঠিক?) সবাই জবাব দিলো, হাঁ। (সে যা বলেছে সত্য বলেছে।) তখন তিনি সালাতের বাকী অংশ আদায় করে সালাম ফিরালেন। এর পর তাকবীর বলে লম্বা সিজদা করলেন এবং তাকবীর বলে মাথা উঠালেন। তারপর আবার তাকবীর বলে অনুরূপ সিজদা করলেন এবং তাকবীর বলে মাথা উঠালেন। এরপর তিনি (সালাত) সমাপ্ত করলেন।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: বুখারী, (সালাত) ৪৮২; মুসলিম (মাসাজিদ) ৫৭৩; আমরা এর তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী ৫৮৬০ ও সহীহ ইবনু হিব্বান নং ২২৪৯ ও মুসনাদুল হুমাইদী ১০১৩ তে।

بَاب فِي سَجْدَتَيْ السَّهْوِ مِنْ الزِّيَادَةِ

أَخْبَرَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ أَخْبَرَنَا ابْنُ عَوْنٍ عَنْ مُحَمَّدٍ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ صَلَّى رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِحْدَى صَلَاتَيْ الْعَشِيِّ فَصَلَّى رَكْعَتَيْنِ ثُمَّ سَلَّمَ وَقَامَ إِلَى خَشَبَةٍ مُعْتَرِضَةٍ فِي الْمَسْجِدِ فَوَضَعَ يَدَهُ عَلَيْهَا قَالَ يَزِيدُ وَأَرَانَا ابْنُ عَوْنٍ وَوَضَعَ كَفَّيْهِ إِحْدَاهُمَا عَلَى ظَهْرِ الْأُخْرَى وَأَدْخَلَ أَصَابِعَهُ الْعُلْيَا فِي السُّفْلَى وَاضِعًا وَقَامَ كَأَنَّهُ غَضْبَانُ قَالَ فَخَرَجَ السَّرَعَانُ مِنْ النَّاسِ وَجَعَلُوا يَقُولُونَ قُصِرَتْ الصَّلَاةُ قُصِرَتْ الصَّلَاةُ وَفِي الْقَوْمِ أَبُو بَكْرٍ وَعُمَرُ فَلَمْ يَتَكَلَّمَا وَفِي الْقَوْمِ رَجُلٌ طَوِيلُ الْيَدَيْنِ يُسَمَّى ذُو الْيَدَيْنِ فَقَالَ يَا رَسُولَ اللَّهِ أَنَسِيتَ الصَّلَاةَ أَمْ قُصِرَتْ فَقَالَ مَا نَسِيتُ وَلَا قُصِرَتْ الصَّلَاةُ فَقَالَ أَوَ كَذَلِكَ قَالُوا نَعَمْ قَالَ فَرَجَعَ فَأَتَمَّ مَا بَقِيَ ثُمَّ سَلَّمَ وَكَبَّرَ فَسَجَدَ طَوِيلًا ثُمَّ رَفَعَ رَأْسَهُ فَكَبَّرَ وَسَجَدَ مِثْلَ مَا سَجَدَ ثُمَّ رَفَعَ رَأْسَهُ وَانْصَرَفَ

أخبرنا يزيد بن هارون أخبرنا ابن عون عن محمد عن أبي هريرة قال صلى رسول الله صلى الله عليه وسلم إحدى صلاتي العشي فصلى ركعتين ثم سلم وقام إلى خشبة معترضة في المسجد فوضع يده عليها قال يزيد وأرانا ابن عون ووضع كفيه إحداهما على ظهر الأخرى وأدخل أصابعه العليا في السفلى واضعا وقام كأنه غضبان قال فخرج السرعان من الناس وجعلوا يقولون قصرت الصلاة قصرت الصلاة وفي القوم أبو بكر وعمر فلم يتكلما وفي القوم رجل طويل اليدين يسمى ذو اليدين فقال يا رسول الله أنسيت الصلاة أم قصرت فقال ما نسيت ولا قصرت الصلاة فقال أو كذلك قالوا نعم قال فرجع فأتم ما بقي ثم سلم وكبر فسجد طويلا ثم رفع رأسه فكبر وسجد مثل ما سجد ثم رفع رأسه وانصرف

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরায়রা (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১৫৩৫

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১৭৫. সালাতে বৃদ্ধির কারণে সাহু সিজদা

১৫৩৫. আবু হুরাইরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেছেন, একদিন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যোহর কিংবা আসরের সালাত আদায় করলেন। কিন্তু সেই সালাতের দুই রাকা’আত আদায় করার পরই তিনি সালাম ফিরালেন। অতঃপর ’যুশিমালাইন’ নামে পরিচিত ইবনু আব্দু আমর ইবনু নাদ্বলাহ আল খুযাঈ, যে বনী যুহরাহ গোত্রের সাথে চুক্তিবদ্ধ ছিল, সে বললো, হে আল্লাহর রাসূল, সালাতকেই কম করে দেয়া হয়েছে – নাকি আপনিই ভুলে গিয়েছেন? (একথা শুনে) রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন: “আমি ভূলেও যাইনি, আবার (সালাতকে) সংক্ষিপ্তও করে দেয়া হয়নি।”

তখন ’যুশিমালাইন’ বললো, হে আল্লাহর রাসূল, এতদুভয়ের কোনো একটি তো হয়েছে। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম লোকদের দিকে ফিরে বললেন: “যুলইয়াদাইন’ কি ঠিক বলেছে?”সবাই জবাব দিলো, হাঁ, ইয়া রাসূলুল্লাহ। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম দাঁড়িয়ে সালাত পূর্ণ করলেন। আর তাদের মধ্যে আর কেউই বর্ণনা করেননি যে, ’ঐ সালাতে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বসা অবস্থায় দু’টি সাজদা করলেন।’ এর কারণ হিসেবে যা ধারণা করা হয় – আসলে আল্লাহই ভাল জানেন-, তাহলো এই যে, যখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম নিশ্চিতরূপে সেটি জানতে না পারেন, তখন লোকেরা তাঁকে (বিষয়টি) নিশ্চিত করে দেন।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ যয়ীফ লাইছের কাতিব আব্দুল্লাহ ইবনু লাইছের কারণে। ((তবে হাদীসটি সহীহ। আগের হাদীসটি দেখুন))

 

তাখরীজ: আগের হাদীসটি দেখুন।

بَاب فِي سَجْدَتَيْ السَّهْوِ مِنْ الزِّيَادَةِ

أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ صَالِحٍ حَدَّثَنِي اللَّيْثُ حَدَّثَنِي يُونُسُ عَنْ ابْنِ شِهَابٍ أَخْبَرَنِي ابْنُ الْمُسَيَّبِ وَأَبُو سَلَمَةَ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ وَأَبُو بَكْرِ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ وَعُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ أَنَّ أَبَا هُرَيْرَةَ قَالَ صَلَّى رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ صَلَاةَ الظُّهْرِ أَوْ الْعَصْرِ فَسَلَّمَ فِي رَكْعَتَيْنِ مِنْ إِحْدَاهُمَا فَقَالَ لَهُ ذُو الشِّمَالَيْنِ بْنُ عَبْدِ عَمْرِو بْنِ نَضْلَةَ الْخُزَاعِيُّ وَهُوَ حَلِيفُ بَنِي زُهْرَةَ أَقُصِرَتْ أَمْ نَسِيتَ يَا رَسُولَ اللَّهِ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَمْ أَنْسَ وَلَمْ تُقْصَرْ فَقَالَ ذُو الشِّمَالَيْنِ قَدْ كَانَ بَعْضُ ذَلِكَ يَا رَسُولَ اللَّهِ فَأَقْبَلَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَلَى النَّاسِ فَقَالَ أَصَدَقَ ذُو الْيَدَيْنِ قَالُوا نَعَمْ يَا رَسُولَ اللَّهِ فَقَامَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَأَتَمَّ الصَّلَاةَ وَلَمْ يُحَدِّثْنِي أَحَدٌ مِنْهُمْ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ سَجَدَ سَجْدَتَيْنِ وَهُوَ جَالِسٌ فِي تِلْكَ الصَّلَاةِ وَذَلِكَ فِيمَا نُرَى وَاللَّهُ أَعْلَمُ مِنْ أَجْلِ أَنَّ النَّاسَ يَقَّنُوا رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ حَتَّى اسْتَيْقَنَ

أخبرنا عبد الله بن صالح حدثني الليث حدثني يونس عن ابن شهاب أخبرني ابن المسيب وأبو سلمة بن عبد الرحمن وأبو بكر بن عبد الرحمن وعبيد الله بن عبد الله أن أبا هريرة قال صلى رسول الله صلى الله عليه وسلم صلاة الظهر أو العصر فسلم في ركعتين من إحداهما فقال له ذو الشمالين بن عبد عمرو بن نضلة الخزاعي وهو حليف بني زهرة أقصرت أم نسيت يا رسول الله قال رسول الله صلى الله عليه وسلم لم أنس ولم تقصر فقال ذو الشمالين قد كان بعض ذلك يا رسول الله فأقبل رسول الله صلى الله عليه وسلم على الناس فقال أصدق ذو اليدين قالوا نعم يا رسول الله فقام رسول الله صلى الله عليه وسلم فأتم الصلاة ولم يحدثني أحد منهم أن رسول الله صلى الله عليه وسلم سجد سجدتين وهو جالس في تلك الصلاة وذلك فيما نرى والله أعلم من أجل أن الناس يقنوا رسول الله صلى الله عليه وسلم حتى استيقن

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরায়রা (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১৫৩৬

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১৭৫. সালাতে বৃদ্ধির কারণে সাহু সিজদা

১৫৩৬. আব্দুল্লাহ (ইবনু মাসউদ) রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যোহরের সালাত পাঁচ রাকা’আত আদায় করলেন। যখন তাকে (বিষয়টি) বলা হলো, তখন তিনি দু’টি সাজদা করলেন।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: বুখারী, (সালাত) ৪০১; মুসলিম (মাসাজিদ) ৫৭২; আমরা এর তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী ৫০০২ ও সহীহ ইবনু হিব্বান নং ২৬৫৬ ও মুসনাদুল হুমাইদী ৯৬ তে।

بَاب فِي سَجْدَتَيْ السَّهْوِ مِنْ الزِّيَادَةِ

حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ عَامِرٍ عَنْ شُعْبَةَ عَنْ الْحَكَمِ عَنْ إِبْرَاهِيمَ عَنْ عَلْقَمَةَ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنَّهُ صَلَّى الظُّهْرَ خَمْسًا فَقِيلَ لَهُ فَسَجَدَ سَجْدَتَيْنِ

حدثنا سعيد بن عامر عن شعبة عن الحكم عن إبراهيم عن علقمة عن عبد الله عن النبي صلى الله عليه وسلم أنه صلى الظهر خمسا فقيل له فسجد سجدتين

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আবদুল্লাহ‌ ইব্‌ন মাসউদ (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১৫৩৭

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১৭৬. সালাতে কোনো কমতি হলে

১৫৩৭. আবদুল্লাহ ইবন বুহায়না (রা) হতে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ একদা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাদেরকে নিয়ে সালাত আদায় করার সময় দুই রাকাতের পর না বসে (ভুলবশত: তৃতীয় রাকাতের) জন্য দন্ডায়মান হন এবং লোকেরাও তাঁর সাথে দাঁড়িয়ে যায়। সালাত শেষে আমরা যখন তাঁর সালামের অপেক্ষায় ছিলাম, তখন তিনি তাকবীর দিয়ে বসা অবস্থায় সালামের পূর্বে দুইটি সিজদা করেন অত:পর তিনি সালাম ফিরান।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: বুখারী, (আযান) ৮২৯; মুসলিম (মাসাজিদ) ৫৭০; আমরা এর তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী ২৬৩৯ ও সহীহ ইবনু হিব্বান নং ১৯৩৮, ১৯৩৯, ১৯৪১ তে।

بَاب إِذَا كَانَ فِي الصَّلَاةِ نُقْصَانٌ

أَخْبَرَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ عَبْدِ الْمَجِيدِ حَدَّثَنَا مَالِكٌ عَنْ ابْنِ شِهَابٍ عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ هُرْمُزَ الْأَعْرَجِ عَنْ ابْنِ بُحَيْنَةَ قَالَ صَلَّى بِنَا رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ رَكْعَتَيْنِ ثُمَّ قَامَ وَلَمْ يَجْلِسْ وَقَامَ النَّاسُ فَلَمَّا قَضَى الصَّلَاةَ نَظَرْنَا تَسْلِيمَهُ فَكَبَّرَ فَسَجَدَ سَجْدَتَيْنِ وَهُوَ جَالِسٌ قَبْلَ أَنْ يُسَلِّمَ ثُمَّ سَلَّمَ

أخبرنا عبيد الله بن عبد المجيد حدثنا مالك عن ابن شهاب عن عبد الرحمن بن هرمز الأعرج عن ابن بحينة قال صلى بنا رسول الله صلى الله عليه وسلم ركعتين ثم قام ولم يجلس وقام الناس فلما قضى الصلاة نظرنا تسليمه فكبر فسجد سجدتين وهو جالس قبل أن يسلم ثم سلم

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আবদুল্লাহ্ ইবনু বুহায়নাহ্ (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১৫৩৮

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১৭৬. সালাতে কোনো কমতি হলে

১৫৩৮. ইবন বুহায়না হতে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ একদা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যুহর কিংবা আসরের সালাত আদায় করার সময় দুই রাকাতের পর না বসে (ভুলবশত: তৃতীয় রাকাতের) জন্য দন্ডায়মান হন এবং তিনি (বসার জন্য) প্রত্যাবর্তন করেননি, এমনকি তিনি (এভাবেই) তাঁর সালাত শেষ করেন। এরপর তিনি ভুলের জন্য দুইটি সিজদা করেন অত:পর তিনি সালাম ফিরান।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: বুখারী, (সাহু) ১২২৫; মুসলিম (মাসাজিদ) ৫৭০; এটি পূর্বের হাদীসের পুনরাবৃত্তি। পূর্ণ তাখরীজের জন্য সেখানে দেখুন।

بَاب إِذَا كَانَ فِي الصَّلَاةِ نُقْصَانٌ

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْفَضْلِ حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْأَعْرَجِ عَنْ مَالِكِ ابْنِ بُحَيْنَةَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَامَ فِي الرَّكْعَتَيْنِ مِنْ الظُّهْرِ أَوْ الْعَصْرِ فَلَمْ يَرْجِعْ حَتَّى فَرَغَ مِنْ صَلَاتِهِ ثُمَّ سَجَدَ سَجْدَتَيْ الْوَهْمِ ثُمَّ سَلَّمَ

أخبرنا محمد بن الفضل حدثنا حماد بن سلمة عن يحيى بن سعيد عن عبد الرحمن الأعرج عن مالك ابن بحينة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قام في الركعتين من الظهر أو العصر فلم يرجع حتى فرغ من صلاته ثم سجد سجدتي الوهم ثم سلم

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ ইবনু বুহাইনা (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১৫৩৯

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১৭৬. সালাতে কোনো কমতি হলে

১৫৩৯. যিয়াদ ইবনু ’ইলাকাহ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, মুগীরাহ ইবনু শু’বাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু আমাদেরকে নিয়ে সালাত আদায় করার সময় দুই রাকাতের পর না বসে (ভুলবশত: তৃতীয় রাকাতের জন্য) দন্ডায়মান হন। ফলে এজন্য তাঁর পিছনের মুসল্লীগণ তাসবীহ (সুবহানাল্লাহ) পাঠ করতে আরম্ভ করেন, তখন তিনি তাদেরকে ইশারায় দাঁড়িয়ে যেতে বলেন। এরপর তিনি তাঁর সালাত শেষ করে সালাম ফিরান এবং তিনি ভুলের জন্য দুইটি সাহু (ভূলের) সিজদা করেন অত:পর সালাম ফিরান এবং বলেন: ’রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাদের সঙ্গে (সালাত আদায়ের সময়) এরূপ করেছেন।’[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ যয়ীফ, আব্দুর রহমান ইবনু আব্দুল্লাহ ইবনু ‘উতবাহ আল মাসউদী হতে শ্রবন করা হতে ইয়াযীদ ইবনু হারুণ পিছিয়ে রয়েছে।

 

তাখরীজ: আহমাদ ৪/২৪৭, ২৫৩, ২৫৪; আবু দাউদ (সালাত) ১০৩৬, ১০৩৭; তিরমিযী, আস সালাত ৩৬৫; ইবনু হাযম, আল মুহাল্লা ৪/১৭২; আব্দুর রাযযাক নং ৩৪৮৩।

بَاب إِذَا كَانَ فِي الصَّلَاةِ نُقْصَانٌ

أَخْبَرَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ عَنْ الْمَسْعُودِيِّ عَنْ زِيَادِ بْنِ عِلَاقَةَ قَالَ صَلَّى بِنَا الْمُغِيرَةُ بْنُ شُعْبَةَ فَلَمَّا صَلَّى رَكْعَتَيْنِ قَامَ وَلَمْ يَجْلِسْ فَسَبَّحَ بِهِ مَنْ خَلْفَهُ فَأَشَارَ إِلَيْهِمْ أَنْ قُومُوا فَلَمَّا فَرَغَ مِنْ صَلَاتِهِ سَلَّمَ وَسَجَدَ سَجْدَتَيْ السَّهْوِ وَسَلَّمَ وَقَالَ هَكَذَا صَنَعَ بِنَا رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ يَزِيدُ يُصَحِّحُونَهُ

أخبرنا يزيد بن هارون عن المسعودي عن زياد بن علاقة قال صلى بنا المغيرة بن شعبة فلما صلى ركعتين قام ولم يجلس فسبح به من خلفه فأشار إليهم أن قوموا فلما فرغ من صلاته سلم وسجد سجدتي السهو وسلم وقال هكذا صنع بنا رسول الله صلى الله عليه وسلم قال يزيد يصححونه

 হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai’f)  বর্ণনাকারীঃ যিয়াদ ইবনু ‘ইলাকা (রহ.)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১৫৪০

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১৭৭. সালাতের মধ্যে কথা বলা নিষেধ

১৫৪০. মুআবিয়া ইবনুল হাকাম আস-সুলামী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম -এর সাথে কোনো একটি সালাত আদায় করেছিলাম। ইত্যবসরে লোকদের মধ্য থেকে একজন হাঁচি দিল। ফলে আমি বললাম, ’ইয়ারহামুকাল্লাহ’।

তিনি বলেন, তখন লোকেরা আড়চোখে আমার দিকে তাকাতে লাগল। আমি বললাম “আমার মায়ের পুত্র বিয়োগ হোক! তোমরা আমার প্রতি (এভাবে) তাকাচ্ছো কেন? তখন তারা তাদের উরুর উপর হাত চাপড়াতে লাগল। আমি যখন দেখলাম যে, তারা আমাকে চুপ করাতে চাচ্ছে, তখন আমি বললাম, তোমরা আমাকে চুপ করাতে চাচ্ছো কেন? যাহোক, আমি চুপ হয়ে গেলাম। তিনি বলেন, অতঃপর যখন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সালাত শেষ করলেন, আমার মাতা-পিতা তাঁর জন্য কুরবান হোক! আমি কোনো শিক্ষাদাতাকে তার মতো এত সুন্দর করে শিক্ষা দান করতে পূর্বেও কখনো দেখিনি, তাঁর পরেও কখনো দেখিনি। আল্লাহর কসম! তিনি আমাকে মারলেন না, ধমক দিলেন না, গালিও দিলেন না। বরং তিনি বললেন: “আমাদের এ সালাতে কোনো লোকের কোনো কথাবার্তা বলা ঠিক নয়। বরং তা হচ্ছে- তাসবীহ, তাকবীর ও কুরআন পাঠের জন্য।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: মুসলিম, মাসাজিদ ৫৩৭; নাসাঈ, সাহু ৩/১৪-১৮; আবু আউয়ানাহ ২/১৪১; তাহাবী, শারহু মা’আনিল আছার ১/৪৪৬; তাবারাণী, আল কাবীর ১৯/৪০১ নং ৯৪৫, ৯৪৭; বাইহাকী, আস সালাত ২/২৪৯; খতীব, ফাকিহ ওয়াল মুতাফাকিহ নং ৯৮২; আহমাদ ৫/৪৪৭, ৪৪৮; ইবনু আবী শাইবা ২/৪৩২; আবু দাউদ, আস সালাত ৯৩০; বাগাবী, শারহুস সুন্নাহ ৭২৬; ইবনুল জারুদ নং ২১২; ইবনু হাযম, আল মুহাল্লা ৩/১৪৯ ও ৪/৪; তায়ালিসী ১/১০৭ নং ৪৮৬; আমরা এটি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ১৬৫,২২৪৭, ২২৪৮ তে। আরও দেখুন, তালখীসুল হাবীর ১/২৮০, ২৮১।

بَاب النَّهْيِ عَنْ الْكَلَامِ فِي الصَّلَاةِ

حَدَّثَنَا أَبُو الْمُغِيرَةِ حَدَّثَنَا الْأَوْزَاعِيُّ عَنْ يَحْيَى عَنْ هِلَالِ بْنِ أَبِي مَيْمُونَةَ عَنْ عَطَاءِ بْنِ يَسَارٍ عَنْ مُعَاوِيَةَ بْنِ الْحَكَمِ السُّلَمِيِّ قَالَ بَيْنَا أَنَا مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي الصَّلَاةِ إِذْ عَطَسَ رَجُلٌ مِنْ الْقَوْمِ فَقُلْتُ يَرْحَمُكَ اللَّهُ قَالَ فَحَدَّقَنِي الْقَوْمُ بِأَبْصَارِهِمْ فَقُلْتُ وَا ثُكْلَاهُ مَا لَكُمْ تَنْظُرُونَ إِلَيَّ قَالَ فَضَرَبَ الْقَوْمُ بِأَيْدِيهِمْ عَلَى أَفْخَاذِهِمْ فَلَمَّا رَأَيْتُهُمْ يُسْكِتُونَنِي قُلْتُ مَا لَكُمْ تُسْكِتُونَنِي لَكِنِّي سَكَتُّ قَالَ فَلَمَّا انْصَرَفَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَبِأَبِي هُوَ وَأُمِّي مَا رَأَيْتُ مُعَلِّمًا قَبْلَهُ وَلَا بَعْدَهُ أَحْسَنَ تَعْلِيمًا مِنْهُ وَاللَّهِ مَا ضَرَبَنِي وَلَا كَهَرَنِي وَلَا سَبَّنِي وَلَكِنْ قَالَ إِنَّ صَلَاتَنَا هَذِهِ لَا يَصْلُحُ فِيهَا شَيْءٌ مِنْ كَلَامِ النَّاسِ إِنَّمَا هِيَ التَّسْبِيحُ وَالتَّكْبِيرُ وَتِلَاوَةُ الْقُرْآنِ

حدثنا أبو المغيرة حدثنا الأوزاعي عن يحيى عن هلال بن أبي ميمونة عن عطاء بن يسار عن معاوية بن الحكم السلمي قال بينا أنا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم في الصلاة إذ عطس رجل من القوم فقلت يرحمك الله قال فحدقني القوم بأبصارهم فقلت وا ثكلاه ما لكم تنظرون إلي قال فضرب القوم بأيديهم على أفخاذهم فلما رأيتهم يسكتونني قلت ما لكم تسكتونني لكني سكت قال فلما انصرف رسول الله صلى الله عليه وسلم فبأبي هو وأمي ما رأيت معلما قبله ولا بعده أحسن تعليما منه والله ما ضربني ولا كهرني ولا سبني ولكن قال إن صلاتنا هذه لا يصلح فيها شيء من كلام الناس إنما هي التسبيح والتكبير وتلاوة القرآن

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ মু‘আবিয়াহ্ ইবনু হাকাম (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১৫৪১

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১৭৭. সালাতের মধ্যে কথা বলা নিষেধ

১৫৪১. (অপর সূত্রে) মুআবিয়া রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে অনূরূপ বর্ণিত হয়েছে।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: আহমাদ ৫/৪৪৭, ৪৪৮। এটি আগের হাদীসের পূনরাবৃত্তি। সেখানে পূর্ণ তাখরীজ দেখুন।

بَاب النَّهْيِ عَنْ الْكَلَامِ فِي الصَّلَاةِ

حَدَّثَنَا صَدَقَةُ أَخْبَرَنَا ابْنُ عُلَيَّةَ وَيَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ عَنْ حَجَّاجٍ الصَّوَّافِ عَنْ يَحْيَى عَنْ هِلَالٍ عَنْ عَطَاءٍ عَنْ مُعَاوِيَةَ بِنَحْوِهِ

حدثنا صدقة أخبرنا ابن علية ويحيى بن سعيد عن حجاج الصواف عن يحيى عن هلال عن عطاء عن معاوية بنحوه

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ মু‘আবিয়াহ্ ইবনু হাকাম (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১৫৪২

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১৭৮. সালাতরত অবস্থায় সাপ ও বিচ্ছু হত্যা প্রসঙ্গে

১৫৪২. আবু হুরাইরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, সালাতরত অবস্থায় দু’টি কালো প্রাণিকে মেরে ফেলার জন্য রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আদেশ করেছেন। ইয়াহইয়া বলেন: কালো রং এর প্রাণী দু’টি হলো: সাপ ও বিচ্ছু।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: আমরা এর তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ২৩৫১, ২৩৫২ ও মাওয়ারিদুয যাম’আন নং ৫২৬, ৫২৮ তে।

بَاب قَتْلِ الْحَيَّةِ وَالْعَقْرَبِ فِي الصَّلَاةِ

أَخْبَرَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ أَخْبَرَنَا هِشَامٌ عَنْ يَحْيَى عَنْ ضَمْضَمٍ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَمَرَ بِقَتْلِ الْأَسْوَدَيْنِ فِي الصَّلَاةِ قَالَ يَحْيَى وَالْأَسْوَدَيْنِ الْحَيَّةُ وَالْعَقْرَبُ

أخبرنا يزيد بن هارون أخبرنا هشام عن يحيى عن ضمضم عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم أمر بقتل الأسودين في الصلاة قال يحيى والأسودين الحية والعقرب

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরায়রা (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১৫৪৩

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১৭৯. সফরে সালাত কসর (সংক্ষেপ) করা:

১৫৪৩. ইয়া’লা ইবনু উমাইয়া বলেন, আমি উমার ইবনুল খাত্তাব রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুকে বললাম, আল্লাহ তা’আলা তো বলেছেন: [“যদি তোমরা আশংকা করো, তবে তোমরা তোমাদের সালাত সমূহ ’কসর’ করলে এতে তোমাদের কোনো পাপ নেই।” (সূরা: নিসা: ১০১)] আর এখনতো লোকেরা নিরাপত্তা লাভ করেছে! (ফলে, এখনতো আর সালাত কসর করার প্রয়োজন নেই!)তখন তিনি বললেন: যে ব্যাপারটিতে তুমি বিস্মিত হচ্ছো, আমিও তাতে বিস্মিত হয়েছিলাম। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন: “আল্লাহ তা’আলার পক্ষ হতে (এটি) তোমাদের জন্য একটি সাদাকা (বিশেষ দান)। তাই তোমরা সেটি কবুল করো।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: মুসলিম, সালাতুল মুসাফিরীন ৬৮৬; পূর্ণ তাখরীজের জন্য দেখুন, মুসনাদুল মাউসিলী নং ১৮১ ও সহীহ ইবনু হিব্বান নং ২৭৩৯, ২৭৪০, ২৭৪১। এছাড়াও, ফাসওয়ী, আল মা’রেফাতুত তারীখ ২/২০৫; খতীব, আল মাওদিহ ১/৩০৪; ইবনু আবী শাইবা ২/৪৪৭; ইবনুল জারুদ, আল মুনতাকা নং ১৪৬; ইবনু হাযম, আল মুহাল্লা ৪/২৬৬-২৬৭; বাগাবী, শারহুস সুন্নাহ নং ১০২৪; ইবনুল আ’রাবী, মু’জাম নং ৯৩২; আব্দুর রাযযাক নং ৪২৭৫।

بَاب قَصْرِ الصَّلَاةِ فِي السَّفَرِ

أَخْبَرَنَا أَبُو عَاصِمٍ عَنْ ابْنِ جُرَيْجٍ عَنْ ابْنِ أَبِي عَمَّارٍ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ بَابَيْهِ عَنْ يَعْلَى بْنِ أُمَيَّةَ قَالَ قُلْتُ لِعُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ قَالَ اللَّهُ تَعَالَى أَنْ تَقْصُرُوا مِنْ الصَّلَاةِ إِنْ خِفْتُمْ فَقَدْ أَمِنَ النَّاسُ قَالَ عَجِبْتُ مِمَّا عَجِبْتَ مِنْهُ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ صَدَقَةٌ تَصَدَّقَ اللَّهُ بِهَا عَلَيْكُمْ فَاقْبَلُوهَا

أخبرنا أبو عاصم عن ابن جريج عن ابن أبي عمار عن عبد الله بن بابيه عن يعلى بن أمية قال قلت لعمر بن الخطاب قال الله تعالى أن تقصروا من الصلاة إن خفتم فقد أمن الناس قال عجبت مما عجبت منه فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم صدقة تصدق الله بها عليكم فاقبلوها

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ ইয়ালা ইবন উমাইয়া (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১৫৪৪

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১৭৯. সফরে সালাত কসর (সংক্ষেপ) করা:

১৫৪৪. সালিমের পিতা (ইবনু উমার) রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মিনায় দু’ রাকা’আত সালাত আদায় করেছেন। (অর্থাৎ কসর করেছেন) আবূ বকর দু’ রাকা’আত, উমার দু’ রাকা’আত এবং উছমান রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুম তাঁর শাসনামলের প্রথমভাগে দু’ রাকা’আত সালাত আদায় করেছেন। এর পরবর্তীতে তিনি (উছমান) সালাত সম্পূর্ণ (তথা চার রাকা’আত) আদায় করেছেন।[1]

[1]তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: বুখারী, তাক্বসীরুস সালাত ১০৮২; মুসলিম, সালাতুল মুসাফিরীন ৬৯৪; আমরা এর তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী ২৭৯৪ ও সহীহ ইবনু হিব্বান নং ২৭৪৩, ২৭৪৪, ২৭৪৮ তে।

بَاب قَصْرِ الصَّلَاةِ فِي السَّفَرِ

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ عَنْ الْأَوْزَاعِيِّ عَنْ الزُّهْرِيِّ عَنْ سَالِمٍ عَنْ أَبِيهِ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ صَلَّى بِمِنًى رَكْعَتَيْنِ وَأَبُو بَكْرٍ رَكْعَتَيْنِ وَعُمَرُ رَكْعَتَيْنِ وَعُثْمَانُ رَكْعَتَيْنِ صَدْرًا مِنْ إِمَارَتِهِ ثُمَّ أَتَمَّهَا بَعْدَ ذَلِكَ

أخبرنا محمد بن يوسف عن الأوزاعي عن الزهري عن سالم عن أبيه أن رسول الله صلى الله عليه وسلم صلى بمنى ركعتين وأبو بكر ركعتين وعمر ركعتين وعثمان ركعتين صدرا من إمارته ثم أتمها بعد ذلك

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১৫৪৫

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১৭৯. সফরে সালাত কসর (সংক্ষেপ) করা:

১৫৪৫. আনাস ইবনু মালিক রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমরা মদীনাতে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সাথে চার রাকা’আত সালাত আদায় করলাম। এরপর তাঁর সাথে ’যুল হুলাইফা’-তে দু’ রাকা’আত সালাত আদায় করলাম।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: বুখারী, (তাক্বসীরুস সালাত) ১০৮৯; মুসলিম, সালাতুল মুসাফিরীন ৬৯০; পরবর্তী হাদীসটি দেখুন।

بَاب قَصْرِ الصَّلَاةِ فِي السَّفَرِ

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ الْمُنْكَدِرِ عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ قَالَ صَلَّيْنَا الظُّهْرَ مَعَ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِالْمَدِينَةِ أَرْبَعًا وَصَلَّيْنَا مَعَهُ بِذِي الْحُلَيْفَةِ رَكْعَتَيْنِ

حدثنا محمد بن يوسف حدثنا سفيان عن محمد بن المنكدر عن أنس بن مالك قال صلينا الظهر مع النبي صلى الله عليه وسلم بالمدينة أربعا وصلينا معه بذي الحليفة ركعتين

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আনাস ইবনু মালিক (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১৫৪৬

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১৭৯. সফরে সালাত কসর (সংক্ষেপ) করা:

১৫৪৬. ইবরাহীম ইবনু মায়সারাহ ও মুহাম্মদ ইবনুল মুনকাদির থেকে বর্ণিত, তারা উভয়ে আনাস ইবনু মালিক রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু কে বলতে শুনেছেন, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের মদীনায় চার রাকা’আত এবং ’যুল হুলাইফা’-তে দু’ রাকা’আত সালাত আদায় করলেন।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: বুখারী, (তাক্বসীরুস সালাত) (১০৮৯) ১৫৪৬, ১৫৪৭, ১৫৪৮; মুসলিম, সালাতুল মুসাফিরীন ৬৯০; পূর্ববর্তী হাদীসটি দেখুন।

بَاب قَصْرِ الصَّلَاةِ فِي السَّفَرِ

حَدَّثَنَا عُثْمَانُ بْنُ مُحَمَّدٍ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ عَنْ إِبْرَاهِيمَ بْنِ مَيْسَرَةَ وَمُحَمَّدِ بْنِ الْمُنْكَدِرِ أَنَّهُمَا سَمِعَا أَنَسَ بْنَ مَالِكٍ يَقُولُ صَلَّى رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِالْمَدِينَةِ أَرْبَعًا وَبِذِي الْحُلَيْفَةِ رَكْعَتَيْنِ

حدثنا عثمان بن محمد حدثنا سفيان بن عيينة عن إبراهيم بن ميسرة ومحمد بن المنكدر أنهما سمعا أنس بن مالك يقول صلى رسول الله صلى الله عليه وسلم بالمدينة أربعا وبذي الحليفة ركعتين

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ মুহাম্মাদ ইবনুল মুনকাদির (রহঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১৫৪৭

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১৭৯. সফরে সালাত কসর (সংক্ষেপ) করা:

১৫৪৭. আয়িশা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, প্রথম অবস্থায় সালাতকে দু’ রাকা’আত করে ফরয করা হয়। অতঃপর সফরে সালাতকে সেভাবেই (দু’ রাকা’আত) বজায় রাখা হয়েছে এবং নিজ আবাসে সালাতকে পূর্ণ (চার রাকা’আত) করা হয়েছে।

(বর্ণনাকারী যুহুরী বলেন) আমি (উরওয়া কে) বললাম, তিনি নিজে সফরে পূর্ণ সালাত (চার রাকা’আত) আদায় করেন কেন?তিনি (উরওয়া) বললেন: উছমান রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু যেভাবে ব্যাখ্যা করেছিলেন, তিনিও (আয়িশা রা:) সেভাবেই ব্যাখ্যা করেছেন।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ। হাদীসটি বুখারী মুসলিমের সম্মিলিত বর্ণনা।

 

তাখরীজ: বুখারী, (তাক্বসীরুস সালাত) ৩৫০, ১০৯০; মুসলিম, সালাতুল মুসাফিরীন ৬৮৫; আমরা এর তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী ২৬৩৮ ও সহীহ ইবনু হিব্বান নং ২৭৩৬, ২৭৩৭ তে।

بَاب قَصْرِ الصَّلَاةِ فِي السَّفَرِ

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ قَالَ سَمِعْتُ الزُّهْرِيَّ يَذْكُرُ عَنْ عُرْوَةَ بْنِ الزُّبَيْرِ عَنْ عَائِشَةَ قَالَتْ إِنَّ الصَّلَاةَ أَوَّلَ مَا فُرِضَتْ رَكْعَتَيْنِ فَأُقِرَّتْ صَلَاةُ السَّفَرِ وَأُتِمَّتْ صَلَاةُ الْحَضَرِ فَقُلْتُ مَا لَهَا كَانَتْ تُتِمُّ الصَّلَاةَ فِي السَّفَرِ قَالَ إِنَّهَا تَأَوَّلَتْ كَمَا تَأَوَّلَ عُثْمَانُ

حدثنا محمد بن يوسف حدثنا سفيان بن عيينة قال سمعت الزهري يذكر عن عروة بن الزبير عن عائشة قالت إن الصلاة أول ما فرضت ركعتين فأقرت صلاة السفر وأتمت صلاة الحضر فقلت ما لها كانت تتم الصلاة في السفر قال إنها تأولت كما تأول عثمان

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আয়িশা বিনত আবূ বাকর সিদ্দীক (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১৫৪৮

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১৮০. কোনো লোক কোনো শহরে অবস্থান করার ইচ্ছে করলে কতদিন পর্যন্ত অবস্থান করলে সালাত কসর করবে

১৫৪৮. আনাস ইবনু মালিক রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমরা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সাথে (হাজ্জের সফরে) বের হলাম। তখন আমরা মক্কায় না পৌঁছা পর্যন্ত তিনি সালাত কসর করে যাচ্ছিলেন। আর তিনি সেখানে দশদিন অবস্থান করলেন এবং আর ফিরে না আসা পর্যন্ত কসর করতে থাকলেন। আর সেটি ছিল তাঁর হাজ্জে (এর সফর)।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ। হাদীসটি বুখারী মুসলিমের সম্মিলিত বর্ণনা।

 

তাখরীজ: বুখারী, (তাক্বসীরুস সালাত) ১০৮১; মুসলিম, সালাতুল মুসাফিরীন ৬৯৩; আমরা এর তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ২৭৫১, ২৭৫৪ তে।

بَاب فِيمَنْ أَرَادَ أَنْ يُقِيمَ بِبَلْدَةٍ كَمْ يُقِيمُ حَتَّى يَقْصُرَ الصَّلَاةَ

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ يَحْيَى هُوَ ابْنُ أَبِي إِسْحَقَ عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ قَالَ خَرَجْنَا مَعَ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَجَعَلَ يَقْصُرُ حَتَّى قَدِمْنَا مَكَّةَ فَأَقَامَ بِهَا عَشَرَةَ أَيَّامٍ يَقْصُرُ حَتَّى رَجَعَ وَذَلِكَ فِي حَجِّهِ

حدثنا محمد بن يوسف حدثنا سفيان عن يحيى هو ابن أبي إسحق عن أنس بن مالك قال خرجنا مع النبي صلى الله عليه وسلم فجعل يقصر حتى قدمنا مكة فأقام بها عشرة أيام يقصر حتى رجع وذلك في حجه

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আনাস ইবনু মালিক (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১৫৪৯

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১৮০. কোনো লোক কোনো শহরে অবস্থান করার ইচ্ছে করলে কতদিন পর্যন্ত অবস্থান করলে সালাত কসর করবে

১৫৪৯. ’আলা ইবনুল হাযরামী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “হাজ্জ্বের কার্যাবলী সম্পন্ন করার পরে মুহাজিরগণের জন্য মক্কায় অবস্থান হবে তিনদিন।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ। হাদীসটি বুখারী মুসলিমের সম্মিলিত বর্ণনা।

 

তাখরীজ: বুখারী, (মানাক্বিবুল আনসার) ৩৯৩৩; মুসলিম, আল হাজ্জ ১৩৫২; এছাড়াও, ইবনু ক্বনি’, মু’জামুস সাহাবাহ নং ৮৩৭; আব্দুর রাযযাক নং ৮৮৪২; আমরা এর তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৩৯০৬, ৩৯০৭ ও মুসনাদুল হুমাইদী নং ৮৬৭ তে।

بَاب فِيمَنْ أَرَادَ أَنْ يُقِيمَ بِبَلْدَةٍ كَمْ يُقِيمُ حَتَّى يَقْصُرَ الصَّلَاةَ

أَخْبَرَنَا أَبُو عَاصِمٍ عَنْ ابْنِ جُرَيْجٍ عَنْ إِسْمَعِيلَ بْنِ مُحَمَّدٍ عَنْ حُمَيْدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عَوْفٍ عَنْ السَّائِبِ بْنِ يَزِيدَ عَنْ الْعَلَاءِ بْنِ الْحَضْرَمِيِّ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مُكْثُ الْمُهَاجِرِ بَعْدَ قَضَاءِ نُسُكِهِ ثَلَاثٌ

أخبرنا أبو عاصم عن ابن جريج عن إسمعيل بن محمد عن حميد بن عبد الرحمن بن عوف عن السائب بن يزيد عن العلاء بن الحضرمي قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم مكث المهاجر بعد قضاء نسكه ثلاث

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আলা ইবনুল হাযরামী (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১৫৫০

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১৮০. কোনো লোক কোনো শহরে অবস্থান করার ইচ্ছে করলে কতদিন পর্যন্ত অবস্থান করলে সালাত কসর করবে

১৫৫০. ’আলা ইবনুল হাযরামী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ’তাওয়াফুস সদর’ সম্পন্ন করার পরে মুহাজিরগণের জন্য মক্কায় তিনদিন অবস্থানের অনুমতি দিয়েছেন।”[1] আবূ মুহাম্মদ বলেন: এটি আমারও মত।

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ। হাদীসটি বুখারী মুসলিমের সম্মিলিত বর্ণনা।

 

তাখরীজ: এটি পূর্বের হাদীসটির পুনরাবৃত্তি।

 

‘সদর সম্পন্ন করার পরে’ অর্থ: হাজ্জের কার্যাবলী সম্পন্ন করার পরে।

بَاب فِيمَنْ أَرَادَ أَنْ يُقِيمَ بِبَلْدَةٍ كَمْ يُقِيمُ حَتَّى يَقْصُرَ الصَّلَاةَ

حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ سَعِيدٍ حَدَّثَنَا حَفْصٌ حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ حُمَيْدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عَوْفٍ عَنْ السَّائِبِ بْنِ يَزِيدَ عَنْ الْعَلَاءِ بْنِ الْحَضْرَمِيِّ قَالَ رَخَّصَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لِلْمُهَاجِرِينَ أَنْ يُقِيمُوا ثَلَاثًا بَعْدَ الصَّدَرِ بِمَكَّةَ قَالَ أَبُو مُحَمَّد أَقُولُ بِهِ

حدثنا عبد الله بن سعيد حدثنا حفص حدثنا عبد الرحمن بن حميد بن عبد الرحمن بن عوف عن السائب بن يزيد عن العلاء بن الحضرمي قال رخص رسول الله صلى الله عليه وسلم للمهاجرين أن يقيموا ثلاثا بعد الصدر بمكة قال أبو محمد أقول به

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আলা ইবনুল হাযরামী (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

মন্তব্য করুন

Top