You are here

দারেমী সালাত অধ্যায় ৪র্থ ভাগ হাদিস নং ১৪১৬ – ১৪৯৫

দারেমী সালাত অধ্যায় ৪র্থ ভাগ হাদিস নং ১৪১৬ – ১৪৯৫

১৪১৬

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১০৪. সালাতে ‘সাদল’ করা (কাপড় ঝুলিয়ে পরা) নিষেধ

১৪১৬. আবী হুরাইরাহ রাদ্বিয়াল্লাহু্ আনহু হতে বর্ণিত, তিনি ’সাদল’ করা অপছন্দ করতেন।’ আর একে তিনি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া ওয়া সাল্লাম পর্যন্ত পৌঁছিয়েছেন (মারফু’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন)।[1]

সাদল: বলা হয়ে থাকে, তা হলো, ইযার বা লুঙ্গির মধ্যস্থানটি মাথায় স্থাপন করা এবং ডান ও বাম হতে এর কোন অংশ উভয় পাশ কাঁধে না রাখা।

খাত্তাবী ‘মা’আলিমুস ‍সুনান’ ১/১৭৯ এ বলেন: কোনো লোকের মাটি পর্যন্ত প্রলম্বিত করে কাপড় পরিধান করা।

[1] তাহক্বীক্ব; এর সনদে দু’টি ত্রুটি বিদ্যমান। সাঈদ ইবনু আমির সাঈদ ইবনু আবী আরীবাহ থেকে হাদীস শ্রবণ করা হতে পিছিয়ে রয়েছে এবং আসাল ইবনু সুফিয়ান যয়ীফ। তবে হাদীসটি হাসান।

তাখরীজ: আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ২২৮৯, ২৩৫৩ ও মাওয়ারিদুয যাম’আন নং ৪৭৮, ৪৭৯ টীকাতে। ((আবু দাউদ ৬৪৩; বাগাবী, শারহুস ‍সুন্নাহ ২/৪২৬ নং ৫১৯; ইবনু খুযাইমাহ ১/৩৭৯ নং ৭৭২; বাইহাকী ২/২৪২; হাকিম ১/২৫৩ তিনি একে সহীহ বলেছেন এবং যাহাবী তা সমর্থন করেছেন।… মুহাক্কিক্বের মাওয়ারিদুয যাম’আন ৪৭৮ নং এর টীকা হতে।- অনুবাদক))

بَاب النَّهْيِ عَنْ السَّدْلِ فِي الصَّلَاةِ

حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ عَامِرٍ عَنْ سَعِيدِ بْنِ أَبِي عَرُوبَةَ عَنْ عِسْلٍ عَنْ عَطَاءٍ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ أَنَّهُ كَرِهَ السَّدْلَ وَرَفَعَ ذَلِكَ إِلَى النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ

حدثنا سعيد بن عامر عن سعيد بن أبي عروبة عن عسل عن عطاء عن أبي هريرة أنه كره السدل ورفع ذلك إلى النبي صلى الله عليه وسلم

 হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)  বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরায়রা (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১৪১৭

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১০৫. (পুরুষদের) চুলে বেণী বা ঝুটি বাধা (অবস্থায় সালাত আদায়)

১৪১৭. আবী রাফি’ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাকে সাজদারত অবস্থায় দেখতে পেলেন, আর তখন আমি চুলে বেণী বা খোঁপা বেঁধে রেখেছিলাম- অথবা, তিনি বলেন, আমি চুল বেঁধে রেখেছিলাম। অতঃপর তিনি তা খুলে দিলেন।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: আমরা এর তাখরীজ পূর্ণ করেছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ২২৭৯ ও মাওয়ারিদুয যাম’আন নং ৪৭৪।

((আবু দাউদ ৬৪৬; তিরমিযী ৩৮২; ইবনু মাজাহ ১০৪২; সহীহ ইবনু খুযাইমা ২/৫৮ নং ৯১১; সহীহ ইবনু হিব্বান নং ২২৭৬ (আল ইহসান); বাইহাকী ২/১০৯; আব্দুর রাযযাক ২/১৮৩ নং ২৯৯০; হাকিম ১/২৬১-২৬২; বাগাবী, শারহুস ‍সুন্নাহ ৬৪৬; তাবারাণী, আল কাবীর ৯৯০-৯৯৩; আহমাদ ৬/৮, ১০, ৩৯১।… মুহাক্কিক্বের মাওয়ারিদুয যাম’আন ৪৭৪ নং এর টীকা ও ড. মাহির ইয়াসীন ফাহল এর তাহক্বীক্বকৃত সহীহ ইবনু খুযাইমা ৯১১ নং এর টীকা হতে। এসব কিতাবে এটি এভাবে এসেছে: “ একদা (রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের মুক্ত দাস) আবু রাফি’ হাসান ইবনু আলী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু’র পাশ দিয়ে গমন করেন। এ সময় হাসান রা: সালাতরত ছিলেন এবং তার মাথার চুল উপরে (খোঁপা) বাঁধা ছিল। আবূ রাফি’ তখন তাঁর পিছনে গিয়ে তার খোঁপা খুলে দিলেন। ফলে হাসান রা: তাঁর প্রতি রাগান্বিত হয়ে তাকালে আবু রাফি’ রা: বলেন, আপনি আগে সালাত সমাপ্ত করুন, রাগান্বিত হবেন না। কেননা, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কে বলতে শুনেছি: ‘এটা শয়তানের আসন। অর্থাত শয়তানের আড্ডস্থল- অর্থাত পুরুষের খোঁপা বা বেণী।” (আবু দাউদ ৬৪৬ সহ অন্যরা)- অনুবাদক))

بَاب فِي عَقْصِ الشَّعْرِ

أَخْبَرَنَا سَعِيدُ بْنُ عَامِرٍ عَنْ شُعْبَةَ عَنْ مِخْوَلٍ عَنْ أَبِي سَعِيدٍ عَنْ أَبِي رَافِعٍ قَالَ رَآنِي رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَأَنَا سَاجِدٌ وَقَدْ عَقَصْتُ شَعْرِي أَوْ قَالَ عَقَدْتُ فَأَطْلَقَهُ

أخبرنا سعيد بن عامر عن شعبة عن مخول عن أبي سعيد عن أبي رافع قال رآني رسول الله صلى الله عليه وسلم وأنا ساجد وقد عقصت شعري أو قال عقدت فأطلقه

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আবূ রাফি‘ (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১৪১৮

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১০৫. (পুরুষদের) চুলে বেণী বা ঝুটি বাধা (অবস্থায় সালাত আদায়)

১৪১৮. ইবনু আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমার মুক্ত দাস কুরাইবা দেখেন যে, আব্দুল্লাহ ইবনুল হারিছ সালাত আদায় করছেন এবং তার মাথার পিছন দিকে খোঁপা বা বেণী বাঁধা রয়েছে। তখন তিনি দাঁড়িয়ে তা খুলে দিতে থাকলেন এবং অপরজন তা (নিশ্চুপভাবে) মেনে নিলেন। এরপর তিনি সালাত শেষে ইবনু আব্বাস রা: এর নিকট এসে বললেন, আমার মাথা সাথে আপনি এরূপ করলেন কেন? তিনি বললেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেছেন: “এর দৃষ্টান্ত হলো ঐ ব্যক্তির মত যে পেছনে দু’হাত বাঁধা অবস্থায় সালাত আদায় করে।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ যয়ীফ লাইছের কাতিব (হাদীস লেখক) আব্দুল্লাহ ইবনু সালিহ এর জন্য। তবে হাদীসটি সহীহ, যা মুসলিমে বর্ণিত।

তাখরীজ: সহীহ ‍মুসলিম নং ৪৯২। আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ২২৮০ তে। ((আবু দাউদ ৬৪৭; নাসাঈ ২/২১৫-২১৬; কুবরা ৭০১; আহমাদ ১/২০৪, ৩১৬; আবু আউয়ানাহ ২/৮১; ইবনু হিব্বান ২২৮০; সহীহ ইবনু খুযাইমা নং ৯১০।- মাহির ফাহলের তাহক্বীক্বকৃত সহীহ ইবনু খুযাইমা ৯১০ নং এর টীকা হতে।- অনুবাদক))

بَاب فِي عَقْصِ الشَّعْرِ

أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ صَالِحٍ حَدَّثَنِي بَكْرٌ هُوَ ابْنُ مُضَرَ عَنْ عَمْرٍو يَعْنِي ابْنَ الْحَارِثِ عَنْ بُكَيْرٍ أَنَّ كُرَيْبًا مَوْلَى ابْنِ عَبَّاسٍ حَدَّثَهُ أَنَّ ابْنَ عَبَّاسٍ رَأَى عَبْدَ اللَّهِ بْنَ الْحَارِثِ يُصَلِّي وَرَأْسُهُ مَعْقُوصٌ مِنْ وَرَائِهِ فَقَامَ وَرَاءَهُ فَجَعَلَ يَحُلُّهُ وَأَقَرَّ لَهُ الْآخَرُ ثُمَّ انْصَرَفَ إِلَى ابْنِ عَبَّاسٍ فَقَالَ مَا لَكَ وَرَأْسِي قَالَ إِنِّي سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ إِنَّمَا مَثَلُ هَذَا كَمَثَلِ الَّذِي يُصَلِّي وَهُوَ مَكْتُوفٌ

أخبرنا عبد الله بن صالح حدثني بكر هو ابن مضر عن عمرو يعني ابن الحارث عن بكير أن كريبا مولى ابن عباس حدثه أن ابن عباس رأى عبد الله بن الحارث يصلي ورأسه معقوص من ورائه فقام وراءه فجعل يحله وأقر له الآخر ثم انصرف إلى ابن عباس فقال ما لك ورأسي قال إني سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول إنما مثل هذا كمثل الذي يصلي وهو مكتوف

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১৪১৯

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১০৬. সালাতের মধ্যে হাই তোলা সম্পর্কে

১৪১৯. আবী সাঈদ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “যখন তোমাদের কারো হাই আসে সে যেন তা হাত দ্বারা বাধা দেয়। কেননা, (মুখ দিয়ে) শয়তান প্রবেশ করে…।”[1] আবু মুহাম্মদ বলেন: অর্থাত মুখের উপর (হাত দ্বারা বাধা দেবে)।

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ হাসান। নুয়াইম বিন হাম্মাদের কারণে। তবে হাদীসটি সহীহ- তা মুসলিমে বর্ণিত।

তাখরীজ: সহীহ মুসলিম ২৯৯৫; আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ১১৬২ ও সহীহ ইবনু হিব্বান নং ২৩৬০ তে।

بَاب التَّثَاؤُبِ فِي الصَّلَاةِ

أَخْبَرَنَا نُعَيْمُ بْنُ حَمَّادٍ حَدَّثَنَا عَبْدُ الْعَزِيزِ هُوَ ابْنُ مُحَمَّدٍ عَنْ سُهَيْلٍ عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي سَعِيدٍ عَنْ أَبِيهِ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ إِذَا تَثَاءَبَ أَحَدُكُمْ فَلْيَشُدَّ يَدَهُ فَإِنَّ الشَّيْطَانَ يَدْخُلُ قَالَ أَبُو مُحَمَّد يَعْنِي عَلَى فِيهِ

أخبرنا نعيم بن حماد حدثنا عبد العزيز هو ابن محمد عن سهيل عن عبد الرحمن بن أبي سعيد عن أبيه عن النبي صلى الله عليه وسلم قال إذا تثاءب أحدكم فليشد يده فإن الشيطان يدخل قال أبو محمد يعني على فيه

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আবূ সা’ঈদ খুদরী (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১৪২০

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১০৭. তন্দ্রাচ্ছন্ন ব্যক্তির সালাত আদায় করা অপছন্দনীয় (মাকরূহ)

১৪২০. আয়িশা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “যদি সালাতরত অবস্থায় তোমাদের কারো (প্রবল) ঘুম পায়, তবে সে যেনো ঘুমিয়ে নেয়, যতক্ষণ তার ঘুম দূরীভূত না হয়। কেননা, সে ক্ষমা প্রার্থনা করতে গিয়ে হয়তোবা (ঘুমের ঘোরে) নিজেকে গালি দিয়ে বসবে।”[1]

[1] তাহক্বক্বি: এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: বুখারী ২১২; মুসলিম ৭৮৬; আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ২৫৮৩, ২৫৮৪; মুসনাদুল মাউসিলী ৫/১৮৬ নং ২৮০০ তে আনাস রা: হতে এর শাহিদ হাদীস বর্ণিত হয়েছে; এবং মুসনাদুল হুমাইদী নং ১৮৫ তে।

بَاب كَرَاهِيَةِ الصَّلَاةِ لِلنَّاعِسِ

أَخْبَرَنَا حَجَّاجُ بْنُ مِنْهَالٍ حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ عَنْ أَبِيهِ عَنْ عَائِشَةَ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ إِذَا وَجَدَ أَحَدُكُمْ النَّوْمَ وَهُوَ يُصَلِّي فَلْيَنَمْ حَتَّى يَذْهَبَ نَوْمُهُ فَإِنَّهُ عَسَى يُرِيدُ أَنْ يَسْتَغْفِرَ فَيَسُبَّ نَفْسَهُ

أخبرنا حجاج بن منهال حدثنا حماد بن سلمة عن هشام بن عروة عن أبيه عن عائشة عن النبي صلى الله عليه وسلم قال إذا وجد أحدكم النوم وهو يصلي فلينم حتى يذهب نومه فإنه عسى يريد أن يستغفر فيسب نفسه

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আয়িশা বিনত আবূ বাকর সিদ্দীক (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১৪২১

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১০৮. বসে সালাত আদায়কারীর (ফযীলত) দাঁড়িয়ে সালাত আদায়কারীর অর্ধেক

১৪২১. আব্দুল্লাহ ইবনু আমর হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমার নিকট এ খবর পৌঁছেছে যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “কোনো ব্যক্তির বসা অবস্থায় আদায়কৃত সালাত (এর ফযীলত) হলো (দাঁড়িয়ে আদায়কৃত) সালাতের অর্ধেক।” তিনি বলেন, এরপর (একদা) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের বসে সালাত আদায় করছিলেন, এমতাবস্থায় আমি তাঁর নিকট প্রবেশ করলাম। তখন আমি তাঁকে বললাম, ইয়া রাসূলুল্লাহ! আমার নিকট এ খবর পৌঁছেছে যে, আপনি বলেছেন: “কোনো ব্যক্তির বসা অবস্থায় আদায়কৃত সালাত (এর ফযীলত) হলো (দাঁড়িয়ে আদায়কৃত) সালাতের অর্ধেক।” অথচ আপনিই বসা অবস্থায় সালাত আদায় করছেন। জবাবে তিনি বললেন: “হাঁ, নিশ্চয়ই। তবে আমি তোমাদের কারো মতো নই।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ হাসান, জা’ফর ইবনুল হারিছের কারণে। তবে এর মুতাবিয়াত জারির হতে সহীহ মুসলিম ও অন্যত্র বর্ণিত হয়েছে ফলে এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: আব্দুর রাযযাক ৪১২৩; আহমাদ ২/২০৩; মুসলিম ৭৩৫; আবু দাউদ ৯৫০; বাইহাকী ৭/৬২; নাসাঈ ৩/২২৩; সহীহ ইবনু খুযাইমা ১২৩৭।

بَاب صَلَاةُ الْقَاعِدِ عَلَى النِّصْفِ مِنْ صَلَاةِ الْقَائِمِ

أَخْبَرَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ حَدَّثَنَا جَعْفَرٌ هُوَ ابْنُ الْحَارِثِ عَنْ مَنْصُورٍ عَنْ هِلَالٍ عَنْ أَبِي يَحْيَى عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو قَالَ بَلَغَنِي أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ صَلَاةُ الرَّجُلِ جَالِسًا نِصْفُ الصَّلَاةِ قَالَ فَدَخَلْتُ عَلَى النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَهُوَ يُصَلِّي جَالِسًا فَقُلْتُ يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنَّهُ بَلَغَنِي أَنَّكَ قُلْتَ صَلَاةُ الرَّجُلِ جَالِسًا نِصْفُ الصَّلَاةِ وَأَنْتَ تُصَلِّي جَالِسًا قَالَ أَجَلْ وَلَكِنِّي لَسْتُ كَأَحَدٍ مِنْكُمْ

أخبرنا يزيد بن هارون حدثنا جعفر هو ابن الحارث عن منصور عن هلال عن أبي يحيى عن عبد الله بن عمرو قال بلغني أن النبي صلى الله عليه وسلم قال صلاة الرجل جالسا نصف الصلاة قال فدخلت على النبي صلى الله عليه وسلم وهو يصلي جالسا فقلت يا رسول الله إنه بلغني أنك قلت صلاة الرجل جالسا نصف الصلاة وأنت تصلي جالسا قال أجل ولكني لست كأحد منكم

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আবদুল্লাহ ইবনু আমর ইবনুল আস (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১৪২২

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১০৯. নফল সালাত বসে আদায় করা

১৪২২. নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের স্ত্রী হাফসা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বসে নফল সালাত আদায় করতে দেখিনি। অবশেষে তাঁর ইন্তিকালের এক বছর বা দু’ বছর আগে থেকে নফল সালাত বসে আদায় করতেন এবং যে সূরা পাঠ করতেন তা এতই তারতীলের সাথে (স্পষ্টভাবে ধীরে ধীরে) পাঠ করতেন যে, তা এর চেয়ে দীর্ঘ সূরার চাইতেও অধিক দীর্ঘ হয়ে যেতো।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ যয়ীফ, লাইছের কাতিব আব্দুল্লাহ ইবনু সালিহের কারণে। তবে হাদীসটি সহীহ।

তাখরীজ: মালিক, জামা’আত ২২; মুসলিম ৭৩৩; আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ৭০৫৫ ও সহীহ ইবনু হিব্বান নং ২৫৩০।

بَاب صَلَاةِ التَّطَوُّعِ قَاعِدًا

أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ صَالِحٍ حَدَّثَنِي اللَّيْثُ حَدَّثَنِي يُونُسُ عَنْ ابْنِ شِهَابٍ حَدَّثَنِي السَّائِبُ بْنُ يَزِيدَ عَنْ الْمُطَّلِبِ بْنِ أَبِي وَدَاعَةَ أَنَّ حَفْصَةَ زَوْجَ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَتْ لَمْ أَرَ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يُصَلِّي فِي سُبْحَتِهِ وَهُوَ جَالِسٌ حَتَّى كَانَ قَبْلَ أَنْ يُتَوَفَّى بِعَامٍ وَاحِدٍ أَوْ عَامَيْنِ فَرَأَيْتُهُ يُصَلِّي فِي سُبْحَتِهِ وَهُوَ جَالِسٌ فَيُرَتِّلُ السُّورَةَ حَتَّى تَكُونَ أَطْوَلَ مِنْ أَطْوَلَ مِنْهَا

أخبرنا عبد الله بن صالح حدثني الليث حدثني يونس عن ابن شهاب حدثني السائب بن يزيد عن المطلب بن أبي وداعة أن حفصة زوج النبي صلى الله عليه وسلم قالت لم أر رسول الله صلى الله عليه وسلم يصلي في سبحته وهو جالس حتى كان قبل أن يتوفى بعام واحد أو عامين فرأيته يصلي في سبحته وهو جالس فيرتل السورة حتى تكون أطول من أطول منها

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ হাফসাহ (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১৪২৩

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১০৯. নফল সালাত বসে আদায় করা

১৪২৩. (অপর সনদে) হাফসা সূত্রে এ হাদীস নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হতে বর্ণিত হয়েছে।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: মালিক, জামা’আত ২২; পূর্ণ তাখরীজের জন্য আগের টীকাটি দেখুন।

بَاب صَلَاةِ التَّطَوُّعِ قَاعِدًا

أَخْبَرَنَا عُثْمَانُ بْنُ عُمَرَ أَخْبَرَنَا مَالِكٌ عَنْ الزُّهْرِيِّ عَنْ السَّائِبِ بْنِ يَزِيدَ عَنْ الْمُطَّلِبِ بْنِ أَبِي وَدَاعَةَ عَنْ حَفْصَةَ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِهَذَا الْحَدِيثِ

أخبرنا عثمان بن عمر أخبرنا مالك عن الزهري عن السائب بن يزيد عن المطلب بن أبي وداعة عن حفصة عن النبي صلى الله عليه وسلم بهذا الحديث

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ হাফসাহ (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১৪২৪

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১১০. (সালাতের মধ্যে) পাথর সরানো নিষেধ

১৪২৪. মুয়াইক্বীব রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেছেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নিকট মসজিদে কংকর (নুড়ি পাথর) সরানো সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হলো। তখন তিনি বললেন: “যদি তা করা তোমার জন্য অতি জরুরী হয়, তবে একবার (করতে পারো)।” হিশাম (বর্ণনাকারী) বলেন, আমার ধারণা, তিনি (যা) বললেন, এ দ্বারা তিনি কংকর বা নুড়ি পাথর সরানোকে বুঝিয়েছেন।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ২/৪১১; আহমাদ ৫/৪২৫; মুসলিম ৫৪৬; ইবনুল জারুদ, আল মুনতাক্বা নং ২১৮; বুখারী ১২০৭; বাইহাকী ২/২৮৪, ২৮৫; আবু আউয়ানাহ ২/১৯০-১৯১; ইবনু খুযাইমাহ ৮৯৫; আবু দাউদ ৯৪৬; তিরমিযী ৩৮০; নাসাঈ ৩/৭; ইবনু মাজাহ ১০২৬।…

بَاب النَّهْيِ عَنْ مَسْحِ الْحَصَا

حَدَّثَنَا وَهْبُ بْنُ جَرِيرٍ حَدَّثَنَا هِشَامٌ عَنْ يَحْيَى بْنِ أَبِي كَثِيرٍ عَنْ أَبِي سَلَمَةَ حَدَّثَنِي مُعَيْقِيبٌ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قِيلَ لَهُ فِي الْمَسْحِ فِي الْمَسْجِدِ قَالَ إِنْ كُنْتَ لَا بُدَّ فَاعِلًا فَوَاحِدَةً قَالَ هِشَامٌ أُرَاهُ قَالَ مَسْحِ الْحَصَا

حدثنا وهب بن جرير حدثنا هشام عن يحيى بن أبي كثير عن أبي سلمة حدثني معيقيب أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قيل له في المسح في المسجد قال إن كنت لا بد فاعلا فواحدة قال هشام أراه قال مسح الحصا

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ মু‘আইকিব (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১৪২৫

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১১০. (সালাতের মধ্যে) পাথর সরানো নিষেধ

১৪২৫. আবী যারর রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “তোমাদের কেউ যখন সালাতে দাঁড়ায়, তখন তার সামনের দিক হতে রহমত নাযিল হয়। সে যেন (তার সামনের থেকে) কংকর না সরায়।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ২২৭৩; মাওয়ারিদুয যাম’আন নং ৪৮১ ও মুসনাদুল হুমাইদী ১২৮ তে। এছাড়া: তায়ালিসী ১/১০০ নং ৪৪৫; ইবনুল জারুদ ২১৯; মা’রিফাতুস সুনান ওয়াল আছার ৩/২০৪ নং ৪২৭৪ ও।

((আবু দাউদ ৯৪৫; তিরমিযী ৩৭৯; নাসাঈ ৩/৬; মালিক, কসর সালাত নং ৪৩ … ফাওয়ায আহমেদের তাহক্বীক্বকৃত সুনানে দারেমী নং ১৩৮৮ হতে। – অনুবাদক))

بَاب النَّهْيِ عَنْ مَسْحِ الْحَصَا

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ حَدَّثَنَا ابْنُ عُيَيْنَةَ عَنْ الزُّهْرِيِّ عَنْ أَبِي الْأَحْوَصِ عَنْ أَبِي ذَرٍّ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِذَا قَامَ أَحَدُكُمْ إِلَى الصَّلَاةِ فَإِنَّ الرَّحْمَةَ تُوَاجِهُهُ فَلَا يَمْسَحْ الْحَصَا

أخبرنا محمد بن يوسف حدثنا ابن عيينة عن الزهري عن أبي الأحوص عن أبي ذر قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا قام أحدكم إلى الصلاة فإن الرحمة تواجهه فلا يمسح الحصا

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আবূ যার আল-গিফারী (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১৪২৬

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১১১. কবরস্থান ও গোসলখানা ব্যতীত জমিনের সকল স্থানই পবিত্র

১৪২৬. জাবির ইবনু আব্দুল্লাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “আমাকে এমন পাঁচটি বিষয় প্রদান করা হযেছে, যা আমার পূর্বে আর কোনো নবীকেই প্রদান করা হয়নি। ১. প্রত্যেক নবী নির্দিষ্ট কওম (গোত্র)-এর জন্য প্রেরিত হয়েছিলেন, আর আমাকে প্রেরণ করা হয়েছে সকল মানুষের জন্য। ২. আমার জন্য গণিমাত (যুদ্ধেলব্ধ মাল-সম্পদ) হালাল করা হয়েছে, যা আমার পূর্ববর্তীদের জন্য হারাম ছিল। ৩. আমার জন্য সমগ্র ভূমিকে পবিত্র মসজিদ (সালাতের স্থান) ও পবিত্রকারী বানিয়ে দেয়া হয়েছে। ৪. আমাদের শত্রুদের (অন্তরে) আমাদের থেকে এক মাসের দূরত্ব সত্বেও ভীতি সৃষ্টি করা হয়েছে এবং ৫. আমাকে শাফা’আত (এর অনুমতি) প্রদান করা হয়েছে।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: বুখারী ৩৩৫; মুসলিম ৫২১; এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি আমি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৬৩৯৮ তে।

بَاب الْأَرْضُ كُلُّهَا طَاهِرَةٌ مَا خَلَا الْمَقْبَرَةَ وَالْحَمَّامَ

أَخْبَرَنَا يَحْيَى بْنُ حَسَّانَ حَدَّثَنَا هُشَيْمٌ حَدَّثَنَا سَيَّارٌ قَالَ سَمِعْتُ يَزِيدَ الْفَقِيرَ يَقُولُ سَمِعْتُ جَابِرَ بْنَ عَبْدِ اللَّهِ يَقُولُ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أُعْطِيتُ خَمْسًا لَمْ يُعْطَهُنَّ نَبِيٌّ قَبْلِي كَانَ النَّبِيُّ يُبْعَثُ إِلَى قَوْمِهِ خَاصَّةً وَبُعِثْتُ إِلَى النَّاسِ كَافَّةً وَأُحِلَّتْ لِيَ الْمَغَانِمُ وَحُرِّمَتْ عَلَى مَنْ كَانَ قَبْلِي وَجُعِلَتْ لِيَ الْأَرْضُ طَيِّبَةً مَسْجِدًا وَطَهُورًا وَيَرْعَبُ مِنَّا عَدُوُّنَا مَسِيرَةَ شَهْرٍ وَأُعْطِيتُ الشَّفَاعَةَ

أخبرنا يحيى بن حسان حدثنا هشيم حدثنا سيار قال سمعت يزيد الفقير يقول سمعت جابر بن عبد الله يقول قال رسول الله صلى الله عليه وسلم أعطيت خمسا لم يعطهن نبي قبلي كان النبي يبعث إلى قومه خاصة وبعثت إلى الناس كافة وأحلت لي المغانم وحرمت على من كان قبلي وجعلت لي الأرض طيبة مسجدا وطهورا ويرعب منا عدونا مسيرة شهر وأعطيت الشفاعة

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ জাবির ইবনু আবদুল্লাহ আনসারী (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১৪২৭

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১১১. কবরস্থান ও গোসলখানা ব্যতীত জমিনের সকল স্থানই পবিত্র

১৪২৭. আবী সাঈদ খুদরী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “জমিনের সকল স্থানই মাসজিদ (সালাতের স্থান), কেবল কবরস্থান ও গোসলখানা ব্যতীত।”[1] আবী মুহাম্মদ কে বলা হলো, কবরস্থানে আদায়কৃত সালাতের সাওয়াব পাওয়া যাবে কি? তিনি বললেন: যখন তা সরাসরি কবরের উপরে না হবে, তখন হ্যাঁ, পাবে। তিনি আরও বলেন, এ হাদীসটি অধিকাংশ বর্ণনাকারীই ’মুরসাল’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন।

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি আমি মুসনাদুল মাউসিলী নং ১৩৫০, সহীহ ইবনু হিব্বান নং ১৬৯৯ ও মাওয়ারিদুয যাম’আন নং ৩৩৮ তে। এছাড়া: বাইহাকী, শুয়াবুল ঈমান নং ১৪৭৯, ১৪৮০; ইবনু আব্দুল বারর, আত তামহীদ ৫/২২১-২২২; আবু নুয়াইম, হিলইয়া ৮/৩১৬।

((আবু দাউদ ৪৯২; তিরমিযী ৩১৭; ইবনু মাজাহ ৭৪৫- … ফাওয়ায আহমেদের তাহক্বীক্বকৃত সুনানে দারেমী নং ১৩৯০ হতে। – অনুবাদক))

بَاب الْأَرْضُ كُلُّهَا طَاهِرَةٌ مَا خَلَا الْمَقْبَرَةَ وَالْحَمَّامَ

أَخْبَرَنَا سَعِيدُ بْنُ مَنْصُورٍ حَدَّثَنَا عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ مُحَمَّدٍ أَنَا سَأَلْتُهُ عَنْهُ قَالَ أَخْبَرَنِي عَمْرُو بْنُ يَحْيَى عَنْ أَبِيهِ عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ الْأَرْضُ كُلُّهَا مَسْجِدٌ إِلَّا الْمَقْبَرَةَ وَالْحَمَّامَ قِيلَ لِأَبِي مُحَمَّدٍ تُجْزِئُ الصَّلَاةُ فِي الْمَقْبَرَةِ قَالَ إِذَا لَمْ تَكُنْ عَلَى الْقَبْرِ فَنَعَمْ وَقَالَ الْحَدِيثُ أَكْثَرُهُمْ أَرْسَلُوهُ

أخبرنا سعيد بن منصور حدثنا عبد العزيز بن محمد أنا سألته عنه قال أخبرني عمرو بن يحيى عن أبيه عن أبي سعيد الخدري قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم الأرض كلها مسجد إلا المقبرة والحمام قيل لأبي محمد تجزئ الصلاة في المقبرة قال إذا لم تكن على القبر فنعم وقال الحديث أكثرهم أرسلوه

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আবূ সা’ঈদ খুদরী (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১৪২৮

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১১২. ছাগলের খোঁয়াড়ে এবং উটের আস্তাবলে সালাত আদায় করা

১৪২৮. আবী হুরাইরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “যদি সালাতের সময় উপস্থিত হয়, আর তোমরা ছাগলের খোঁয়াড় এবং উটের আস্তাবল ব্যতীত আর কোনো স্থান না পাও, তবে তোমরা ছাগলের খোঁয়াড়ে সালাত আদায় করে নেবে কিন্তু উটের আস্তাবলে সালাত আদায় করবে না।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি আমি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ১৩৮৪, ১৭০০, ১৭০১ ও মাওয়ারিদুয যাম’আন নং ৩৩৬, ৩৩৭ তে।

((তিরমিযী ৩৪৮, ৩৪৯; ইবনু মাজাহ ৭৬৮ … ফাওয়ায আহমেদের তাহক্বীক্বকৃত সুনানে দারেমী নং ১৩৯১ হতে। – অনুবাদক))

بَاب الصَّلَاةِ فِي مَرَابِضِ الْغَنَمِ وَمَعَاطِنِ الْإِبِلِ

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ مِنْهَالٍ حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ زُرَيْعٍ حَدَّثَنَا هِشَامُ بْنُ حَسَّانَ عَنْ مُحَمَّدٍ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِذَا حَضَرَتْ الصَّلَاةُ فَلَمْ تَجِدُوا إِلَّا مَرَابِضَ الْغَنَمِ وَأَعْطَانَ الْإِبِلِ فَصَلُّوا فِي مَرَابِضِ الْغَنَمِ وَلَا تُصَلُّوا فِي أَعْطَانِ الْإِبِلِ

أخبرنا محمد بن منهال حدثنا يزيد بن زريع حدثنا هشام بن حسان عن محمد عن أبي هريرة قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا حضرت الصلاة فلم تجدوا إلا مرابض الغنم وأعطان الإبل فصلوا في مرابض الغنم ولا تصلوا في أعطان الإبل

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরায়রা (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১৪২৯

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১১৩. যে ব্যক্তি আল্লাহর উদ্দেশ্যে মসজিদ বানায়

১৪২৯. মাহমূদ ইবনু লাবীদ হতে বর্ণিত, যখন উছমান মসজিদ নির্মানের ইচ্ছা করলেন, তখন লোকেরা এটি অপছন্দ করলো। তখন উছমান রা: বললেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বলতে শুনেছি: “যে ব্যক্তি আল্লাহর উদ্দেশ্যে মসজিদ নির্মান করে, আল্লাহ তার জন্য জান্নাতে অনুরূপ (ঘর) নির্মান করেন।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: বুখারী ৪৫০; মুসলিম ৫৩৩। এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি আমি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ১৬০৯ তে।

بَاب مَنْ بَنَى لِلَّهِ مَسْجِدًا

حَدَّثَنَا أَبُو عَاصِمٍ عَنْ عَبْدِ الْحَمِيدِ بْنِ جَعْفَرٍ حَدَّثَنِي أَبِي عَنْ مَحْمُودِ بْنِ لَبِيدٍ أَنَّ عُثْمَانَ لَمَّا أَرَادَ أَنْ يَبْنِيَ الْمَسْجِدَ كَرِهَ النَّاسُ ذَلِكَ فَقَالَ عُثْمَانُ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ مَنْ بَنَى لِلَّهِ مَسْجِدًا بَنَى اللَّهُ لَهُ فِي الْجَنَّةِ مِثْلَهُ

حدثنا أبو عاصم عن عبد الحميد بن جعفر حدثني أبي عن محمود بن لبيد أن عثمان لما أراد أن يبني المسجد كره الناس ذلك فقال عثمان سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول من بنى لله مسجدا بنى الله له في الجنة مثله

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ মাহমূদ ইবনে লাবীদ (রহঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১৪৩০

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১১৪. মসজিদে প্রবেশ করার সময় দু’রাকা’আত সালাত আদায় করা (দুখুলিল মাসজিদ)

১৪৩০. আবী কাতাদা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “যখন তোমাদের কেউ মসজিদে আগমন করে, তখন সে যেন বসার পূর্বে দু’ রাকা’আত সালাত আদায় করে নেয়।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: বুখারী ৪৪৪; মুসলিম ৭১৪; এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি আমি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ২৪৯৫, ২৪৯৮ ও মাওয়ারিদুয যাম’আন নং ৩২৩ ও মুসনাদুল হুমাইদী নং ৪২৫ তে।

بَاب الرَّكْعَتَيْنِ إِذَا دَخَلَ الْمَسْجِدَ

أَخْبَرَنَا يَحْيَى بْنُ حَسَّانَ حَدَّثَنَا مَالِكُ بْنُ أَنَسٍ وَفُلَيْحُ بْنُ سُلَيْمَانَ عَنْ عَامِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الزُّبَيْرِ عَنْ عَمْرِو بْنِ سُلَيْمٍ عَنْ أَبِي قَتَادَةَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ إِذَا جَاءَ أَحَدُكُمْ الْمَسْجِدَ فَلْيَرْكَعْ رَكْعَتَيْنِ قَبْلَ أَنْ يَجْلِسَ

أخبرنا يحيى بن حسان حدثنا مالك بن أنس وفليح بن سليمان عن عامر بن عبد الله بن الزبير عن عمرو بن سليم عن أبي قتادة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال إذا جاء أحدكم المسجد فليركع ركعتين قبل أن يجلس

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আবূ কাতাদাহ্ আল-আনসারী (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১৪৩১

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১১৫. মসজিদে প্রবেশ করার সময় যা বলতে হয়

১৪৩১. আবী হুমাইদ ও আবী উসাইদ আল আনসারী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “যখন তোমাদের কেউ মসজিদে প্রবেশ করে, তখন সে যেন নবী’র উপর সালাম প্রেরণ করে এরপর বলে, ’আল্লাহুম্মাফতাহ লী আবওয়াবা রহমতিকা’। আর যখন বের হবে, তখন সে যেন বলে, ’আল্লাহুম্মা ইন্নী আসআলুকা মিন ফাদ্বলিকা’।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: মুসলিম ৭১৩; এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি আমি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ২০৪৮, ২০৪৯।

بَاب الْقَوْلِ عِنْدَ دُخُولِ الْمَسْجِدِ

حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ حَسَّانَ أَخْبَرَنَا عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ مُحَمَّدٍ عَنْ رَبِيعَةَ بْنِ أَبِي عَبْدِ الرَّحْمَنِ عَنْ عَبْدِ الْمَلِكِ بْنِ سَعِيدِ بْنِ سُوَيْدٍ قَالَ سَمِعْتُ أَبَا حُمَيْدٍ أَوْ أَبَا أُسَيْدٍ الْأَنْصَارِيَّ يَقُولُ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِذَا دَخَلَ أَحَدُكُمْ الْمَسْجِدَ فَلْيُسَلِّمْ عَلَى النَّبِيِّ ثُمَّ لِيَقُلْ اللَّهُمَّ افْتَحْ لِي أَبْوَابَ رَحْمَتِكَ وَإِذَا خَرَجَ فَلْيَقُلْ اللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ مِنْ فَضْلِكَ

حدثنا يحيى بن حسان أخبرنا عبد العزيز بن محمد عن ربيعة بن أبي عبد الرحمن عن عبد الملك بن سعيد بن سويد قال سمعت أبا حميد أو أبا أسيد الأنصاري يقول قال رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا دخل أحدكم المسجد فليسلم على النبي ثم ليقل اللهم افتح لي أبواب رحمتك وإذا خرج فليقل اللهم إني أسألك من فضلك

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আবূ হুমায়দ সা‘ঈদ (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১৪৩২

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১১৬. মসজিদে থুথু ফেলা অপছন্দনীয়

১৪৩২. শু’বাহ বলেন, আমি কাতাদাকে জিজ্ঞেস করলাম, আপনি কি আনাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু কে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হতে এ কথা বর্ণনা করতে শুনেছেন: “মসজিদে থুথু ফেলা একটি পাপের কাজ”? তিনি বললেন, হাঁ। আর এর কাফফারা (প্রতিবিধান) হলো একে (মাটিতে) পুঁতে ফেলা।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: বুখারী ৪১৫; মুসলিম ৫৫২; আমরা এর তাখরীজ পূর্ণ করেছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ২৭৫০ তে।

بَاب كَرَاهِيَةِ الْبُزَاقِ فِي الْمَسْجِدِ

حَدَّثَنَا هَاشِمُ بْنُ الْقَاسِمِ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ قَالَ قُلْتُ لِقَتَادَةَ أَسَمِعْتَ أَنَسًا يَقُولُ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ الْبُزَاقُ فِي الْمَسْجِدِ خَطِيئَةٌ قَالَ نَعَمْ وَكَفَّارَتُهَا دَفْنُهَا

حدثنا هاشم بن القاسم حدثنا شعبة قال قلت لقتادة أسمعت أنسا يقول عن النبي صلى الله عليه وسلم قال البزاق في المسجد خطيئة قال نعم وكفارتها دفنها

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ শু’বা (রহঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১৪৩৩

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১১৬. মসজিদে থুথু ফেলা অপছন্দনীয়

১৪৩৩. আনাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “বান্দা যখন সালাত আদায় করে, তখন কেবল তার রবের সাথে গোপনে আলাপ করে- অথবা, তার রব তার ও তার কিবলার মাঝে থাকেন। তাই যখন তোমাদের কেউ থুথু ফেলবে, সে যেন তার বামপাশে অথবা, তার পায়ের নিচে থুথু ফেলে, অথবা তিনি এরূপ বলেছেন।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: বুখারী ২৪১; মুসলিম ৫৫১; আমরা এর তাখরীজ পূর্ণ করেছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ২৮৮৪; সহীহ ইবনু হিব্বান নং ২২৬৭ ও মুসনাদুল হুমাইদী নং ১২৫৩ তে।

بَاب كَرَاهِيَةِ الْبُزَاقِ فِي الْمَسْجِدِ

أَخْبَرَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ أَخْبَرَنَا حُمَيْدٌ عَنْ أَنَسٍ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ إِنَّ الْعَبْدَ إِذَا صَلَّى فَإِنَّمَا يُنَاجِي رَبَّهُ أَوْ رَبُّهُ بَيْنَهُ وَبَيْنَ الْقِبْلَةِ فَإِذَا بَزَقَ أَحَدُكُمْ فَلْيَبْصُقْ عَنْ يَسَارِهِ أَوْ تَحْتَ قَدَمِهِ أَوْ يَقُولُ هَكَذَا وَبَزَقَ فِي ثَوْبِهِ وَدَلَكَ بَعْضَهُ بِبَعْضٍ

أخبرنا يزيد بن هارون أخبرنا حميد عن أنس أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال إن العبد إذا صلى فإنما يناجي ربه أو ربه بينه وبين القبلة فإذا بزق أحدكم فليبصق عن يساره أو تحت قدمه أو يقول هكذا وبزق في ثوبه ودلك بعضه ببعض

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আনাস ইবনু মালিক (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১৪৩৪

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১১৬. মসজিদে থুথু ফেলা অপছন্দনীয়

১৪৩৪. ইবনু উমার বলেন, একদা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম খুতবা দিচ্ছিলেন, তখন মসজিদে কিবলার দিকে তিনি কফ দেখতে পেলেন। ফলে তিনি মসজিদের লোকদের উপর ভীষণ রাগ করলেন এবং বললেন: “যখন তোমাদের কেউ সালাতে রত থাকে, তখন আল্লাহ তার সামনে থাকেন। ফলে সে অবশ্যই (সেদিকে) থুথু ফেলবে না। অথবা- তিনি বলেছেন: নাক ঝাড়বে না। এরপর তিনি এর স্থানটি ঘষে তুলে ফেলার আদেশ দিলেন, অথবা, তিনি আদেশ দিলে তা (মলে) বিবর্ণ করে দেয়া হলো।”হাম্মাদ বলেন, আমি কেবল এটা শুনেছি যে, ’তিনি বললেন, ওখানে ’জা’ফরান দ্বারা (মলে দাও)’।[1]

[1] তাহক্বীক্ব; এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: বুখারী ৭৫৩, ১২১৩; বাইহাকী ২/২৯৩; আহমাদ ২/৬, ১৪১; মুসলিম ৫৪৭ (৫১); আবু দাউদ ৪৭৯; মালিক, কিবলা ৪।…

بَاب كَرَاهِيَةِ الْبُزَاقِ فِي الْمَسْجِدِ

أَخْبَرَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ حَرْبٍ حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ عَنْ أَيُّوبَ عَنْ نَافِعٍ عَنْ ابْنِ عُمَرَ قَالَ بَيْنَا النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَخْطُبُ إِذْ رَأَى نُخَامَةً فِي قِبْلَةِ الْمَسْجِدِ فَتَغَيَّظَ عَلَى أَهْلِ الْمَسْجِدِ وَقَالَ إِنَّ اللَّهَ قِبَلَ أَحَدِكُمْ إِذَا كَانَ فِي صَلَاتِهِ فَلَا يَبْزُقَنَّ أَوْ قَالَ لَا يَتَنَخَّعَنَّ ثُمَّ أَمَرَ بِهَا فَحُكَّ مَكَانُهَا وَأَمَرَ بِهَا فَلُطِخَتْ قَالَ حَمَّادٌ لَا أَعْلَمُهُ إِلَّا قَالَ بِزَعْفَرَانٍ

أخبرنا سليمان بن حرب حدثنا حماد بن زيد عن أيوب عن نافع عن ابن عمر قال بينا النبي صلى الله عليه وسلم يخطب إذ رأى نخامة في قبلة المسجد فتغيظ على أهل المسجد وقال إن الله قبل أحدكم إذا كان في صلاته فلا يبزقن أو قال لا يتنخعن ثم أمر بها فحك مكانها وأمر بها فلطخت قال حماد لا أعلمه إلا قال بزعفران

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১৪৩৫

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১১৬. মসজিদে থুথু ফেলা অপছন্দনীয়

১৪৩৫. আবী সাঈদ ও আবী হুরাইরাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা উভয়ে বর্ণনা করেছেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মসজিদের দেয়ালে কফ দেখতে পেলেন। ফলে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম একটি লাঠি এনে তা ঘষে তুলে ফেললেন, এরপর বললেন: “যদি তোমাদের কেউ নাক ঝাড়ে (বা কফ ফেলে), তবে সে যেনো তার সম্মুখের দিকে ও ডান দিকে তা না ফেলে। বরং সে যেন তা তার বাম পাশে কিংবা পায়ের নিচে ফেলে।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: বুখারী ৪০৮, ৪০৯; মুসলিম ৫৪৮; আমরা এর তাখরীজ পূর্ণ করেছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ৯৭৫, ৯৯৩, ১০৮১; সহীহ ইবনু হিব্বান নং ২২৬৮ ও মুসনাদুল হুমাইদী নং ৭৪৫, ৭৪৬ তে।

بَاب كَرَاهِيَةِ الْبُزَاقِ فِي الْمَسْجِدِ

حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ دَاوُدَ حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ سَعْدٍ عَنْ الزُّهْرِيِّ عَنْ حُمَيْدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ أَنَّ أَبَا سَعِيدٍ وَأَبَا هُرَيْرَةَ أَخْبَرَاهُ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ رَأَى نُخَامَةً فِي جِدَارِ الْمَسْجِدِ فَتَنَاوَلَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ حَصَاةً وَحَتَّهَا ثُمَّ قَالَ إِذَا تَنَخَّمَ أَحَدُكُمْ فَلَا يَتَنَخَّمَنَّ قِبَلَ وَجْهِهِ وَلَا عَنْ يَمِينِهِ وَلْيَبْصُقْ عَنْ يَسَارِهِ أَوْ تَحْتَ قَدَمِهِ

حدثنا سليمان بن داود حدثنا إبراهيم بن سعد عن الزهري عن حميد بن عبد الرحمن أن أبا سعيد وأبا هريرة أخبراه أن رسول الله صلى الله عليه وسلم رأى نخامة في جدار المسجد فتناول رسول الله صلى الله عليه وسلم حصاة وحتها ثم قال إذا تنخم أحدكم فلا يتنخمن قبل وجهه ولا عن يمينه وليبصق عن يساره أو تحت قدمه

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আবূ সা’ঈদ খুদরী (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১৪৩৬

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১১৭. মসজিদে ঘুমানো

১৪৩৬. আবী যার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, আমি মসজিদে ঘুমাচ্ছিলাম, এমতাবস্থায় আল্লাহর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমার নিকট আসলেন এবং তাঁর পা দিয়ে আমাকে নাড়া দিলেন এবং বললেন: “তুমি তো দেখি (মসজিদ)-এর মধ্যে ঘুমাচ্ছো, তাই নয়কি?” আমি বললাম, হে আল্লাহর নবী! আমার খুব ঘুম পেলো।’[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ যয়ীফ।

তাখরীজ: আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৬৬৬৮ ও মাওয়ারিদুয যামআন নং ১৫৪৮ তে।

بَاب النَّوْمِ فِي الْمَسْجِدِ

حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ الْمُغِيرَةِ حَدَّثَنَا مُعْتَمِرٌ عَنْ دَاوُدَ بْنِ أَبِي هِنْدٍ عَنْ أَبِي حَرْبِ بْنِ أَبِي الْأَسْوَدِ الدِّيلِيِّ عَنْ عَمِّهِ عَنْ أَبِي ذَرٍّ قَالَ أَتَانِي نَبِيُّ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَأَنَا نَائِمٌ فِي الْمَسْجِدِ فَضَرَبَنِي بِرِجْلِهِ قَالَ أَلَا أَرَاكَ نَائِمًا فِيهِ قُلْتُ يَا نَبِيَّ اللَّهِ غَلَبَتْنِي عَيْنِي

حدثنا سعيد بن المغيرة حدثنا معتمر عن داود بن أبي هند عن أبي حرب بن أبي الأسود الديلي عن عمه عن أبي ذر قال أتاني نبي الله صلى الله عليه وسلم وأنا نائم في المسجد فضربني برجله قال ألا أراك نائما فيه قلت يا نبي الله غلبتني عيني

 হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai’f)  বর্ণনাকারীঃ আবূ যার আল-গিফারী (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১৪৩৭

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১১৭. মসজিদে ঘুমানো

১৪৩৭. ইবনে উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি মসজিদে রাত্রি যাপন করতাম, তখন আমার কোনো পরিবার-পরিজন ছিল না। সেসময় আমি (একদা) স্বপ্নে দেখলাম যে, আমাকে যেন একটি কুপের দিকে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল যেখানে কিছু লোককে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছিল। এরপর বলা হলো, ’তাকে ডান দিকে নিয়ে চলো।’ এরপর এ স্বপ্নের কথা আমি হাফসার নিকট বর্ণনা করে বললাম: তুমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নিকট এটি (স্বপ্নটি) বর্ণনা করবে। ফলে সে তাঁর নিকট এটি বর্ণনা করলে তিনি বললেন: “এ (স্বপ্ন)টি কে দেখেছে?” সে (হাফসা) বললো, ’ইবনু উমার (দেখেছে)।’

তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন: “(আব্দুল্লাহ) কতই না ভাল যুবক!”- অথবা তিনি বলেছেন: “(আব্দুল্লাহ) কতই না ভাল লোক! যদি সে রাতে সালাত (তাহাজ্জুদ বা কিয়ামুল্লাইল) আদায় করতো!”তিনি বলেন, আর আমি যখন ঘুমাতাম তখন ভোর (ফজরের) হওয়ার আগে উঠতাম না।’ এরপর তিনি (রাবী) বলেন, এরপর থেকে ইবনু উমার রাতে সালাত (কিয়ামুল্লাইল) আদায় করতেন।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ জাইয়্যেদ।

তাখরীজ: বুখারী ১১২১, ১১২২; মুসলিম ২৪৭৯; আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৭০৭০, ৭০৭১, ৭০৭২ ও মাওয়ারিদুয যামআন নং ১৫৪৮ তে।

بَاب النَّوْمِ فِي الْمَسْجِدِ

حَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ خَالِدٍ عَنْ أَبِي إِسْحَقَ الْفَزَارِيِّ عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ عَنْ نَافِعٍ عَنْ ابْنِ عُمَرَ قَالَ كُنْتُ أَبِيتُ فِي الْمَسْجِدِ وَلَمْ يَكُنْ لِي أَهْلٌ فَرَأَيْتُ فِي الْمَنَامِ كَأَنَّمَا انْطُلِقَ بِي إِلَى بِئْرٍ فِيهَا رِجَالٌ مُعَلَّقُونَ فَقِيلَ انْطَلِقُوا بِهِ إِلَى ذَاتِ الْيَمِينِ فَذَكَرْتُ الرُّؤْيَا لِحَفْصَةَ فَقُلْتُ قُصِّيهَا عَلَى رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَصَّتْهَا عَلَيْهِ فَقَالَ مَنْ رَأَى هَذِهِ قَالَتْ ابْنُ عُمَرَ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ نِعْمَ الْفَتَى أَوْ قَالَ نِعْمَ الرَّجُلُ لَوْ كَانَ يُصَلِّي مِنْ اللَّيْلِ قَالَ وَكُنْتُ إِذَا نِمْتُ لَمْ أَقُمْ حَتَّى أُصْبِحَ قَالَ فَكَانَ ابْنُ عُمَرَ يُصَلِّي اللَّيْلَ

حدثنا موسى بن خالد عن أبي إسحق الفزاري عن عبيد الله بن عمر عن نافع عن ابن عمر قال كنت أبيت في المسجد ولم يكن لي أهل فرأيت في المنام كأنما انطلق بي إلى بئر فيها رجال معلقون فقيل انطلقوا به إلى ذات اليمين فذكرت الرؤيا لحفصة فقلت قصيها على رسول الله صلى الله عليه وسلم فقصتها عليه فقال من رأى هذه قالت ابن عمر فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم نعم الفتى أو قال نعم الرجل لو كان يصلي من الليل قال وكنت إذا نمت لم أقم حتى أصبح قال فكان ابن عمر يصلي الليل

 হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)  বর্ণনাকারীঃ আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১৪৩৮

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১১৮. মসজিদে হারানো বিজ্ঞপ্তি এবং ক্রয়-বিক্রয়ের ঘোষণা দেওয়া নিষেধ

১৪৩৮. আবী হুরাইরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “যদি তোমরা মসজিদের মধ্যে কাউকে ক্রয়-বিক্রয় করতে দেখো, তবে তোমরা বলবে: ’আল্লাহ যেন তোমার ব্যবসা লাভজনক না করেন।’ আর তোমরা যদি মসজিদে কাউকে হারানো বিজ্ঞপ্তি প্রচার করতে দেখো, তবে বলবে: ’আল্লাহ যেন তোমাকে তা ফেরত না দেন।’[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

তাখলীজ: আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ১৬৫০ ও মাওয়ারিদুয যাম’আন নং ৩১৩ তে। ((সহীহ ইবনু খুযাইমা২/২৭৪ নং ১৩০৫; তিরমিযী ১৩২১; নাসাঈ, আমলুল ইয়াম ওয়াল লাইল নং ১৭৬; বাইহাকী ২/৪৪৭; হাকিম ২/৫৬ তিনি একে সহীহ বলেছেন ও যাহাবী তা সমর্থন করেছেন; দেখুন, মুসান্নাফ আব্দুর রাযযাক ১/৪৪১ নং ১৭২৫।- মুহাক্কিক্বের মাওয়ারিদুয যাম’আন নং ৩১৩ এর টীকা হতে।- অনুবাদক))

بَاب النَّهْيِ عَنْ اسْتِنْشَادِ الضَّالَّةِ فِي الْمَسْجِدِ وَالشِّرَى وَالْبَيْعِ

أَخْبَرَنَا الْحَسَنُ بْنُ أَبِي زَيْدٍ الْكُوفِيُّ حَدَّثَنَا عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ مُحَمَّدٍ أَخْبَرَنِي يَزِيدُ بْنُ خُصَيْفَةَ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ ثَوْبَانَ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ إِذَا رَأَيْتُمْ مَنْ يَبِيعُ أَوْ يَبْتَاعُ فِي الْمَسْجِدِ فَقُولُوا لَا أَرْبَحَ اللَّهُ تِجَارَتَكَ وَإِذَا رَأَيْتُمْ مَنْ يَنْشُدُ فِيهِ الضَّالَّةَ فَقُولُوا لَا أَدَّى اللَّهُ عَلَيْكَ

أخبرنا الحسن بن أبي زيد الكوفي حدثنا عبد العزيز بن محمد أخبرني يزيد بن خصيفة عن محمد بن عبد الرحمن بن ثوبان عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال إذا رأيتم من يبيع أو يبتاع في المسجد فقولوا لا أربح الله تجارتك وإذا رأيتم من ينشد فيه الضالة فقولوا لا أدى الله عليك

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরায়রা (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১৪৩৯

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১১৯. মসজিদের ভেতর দিয়ে অস্ত্র বহন করা নিষেধ

১৪৩৯. সুফিয়ান ইবনু উয়াইনা বলেন, আমি আমর ইবনু দীনার কে জিজ্ঞেস করলাম, যে, ’এক ব্যক্তি তীর সাথে নিয়ে (মসজিদ) অতিক্রম করছিল, তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাকে বললেন: “তুমি এর ফলাগুলো (ধারালো অংশ) (হাত দিয়ে) ধরে রাখো।” -আপনি কি জাবির ইবনু আব্দুল্লাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুকে এ হাদীস বলতে শুনেছেন? তিনি (আমর) বললেন, হাঁ।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: বুখারী ৪৫১; মুসলিম ২৬১৪; আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ১৮৩৩; সহীহ ইবনু হিব্বান নং ১৬৪৭ ও মুসনাদুল হুমাইদী নং ১২৮৯ তে।

بَاب النَّهْيِ عَنْ حَمْلِ السِّلَاحِ فِي الْمَسْجِدِ

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُبَارَكِ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ قَالَ قُلْتُ لِعَمْرِو بْنِ دِينَارٍ أَسَمِعْتَ جَابِرَ بْنَ عَبْدِ اللَّهِ يَقُولُ مَرَّ رَجُلٌ فِي الْمَسْجِدِ يَحْمِلُ نَبْلًا فَقَالَ لَهُ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَمْسِكْ نُصُولَهَا قَالَ نَعَمْ

أخبرنا محمد بن المبارك حدثنا سفيان بن عيينة قال قلت لعمرو بن دينار أسمعت جابر بن عبد الله يقول مر رجل في المسجد يحمل نبلا فقال له النبي صلى الله عليه وسلم أمسك نصولها قال نعم

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ সুফইয়ান বিন উয়াইনাহ্ (রহঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১৪৪০

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১২০. কবরকে মসজিদ বা সিজদার স্থানে পরিণত করা নিষেধ

১৪৪০. নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মৃত্যু পীড়া শুরু হলে তিনি তাঁর একটি চাদর (কালো কাপড়) দিয়ে মুখমণ্ডল আবৃত করছিলেন। যখন এতে কষ্ট হতে লাগলো তখন তিনি তাঁর মুখের উপর থেকে সেটাকে সরিয়ে দিলেন। তখন তিনি যা বললেন, তা ছিল এরূপ: “ইয়াহুদী ও নাসারাদের প্রতি আল্লাহর লা’নত (অভিশাপ)! তারা তাদের নবীগণের কবরসমূহকে মসজিদে পরিণত করেছে।” (এভাবে) তারা যে (শিরকী) কার্যকলাপ করেছিলো, তেমন (কার্যকলাপ) থেকে তিনি সতর্ক করছিলেন।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: বুখারী ৪৩৫, ৪৩৬; মুসলিম ৫৩১; আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৬৬১৯ তে।

بَاب النَّهْيِ عَنْ اتِّخَاذِ الْقُبُورِ مَسَاجِدَ

أَخْبَرَنَا الْحَكَمُ بْنُ نَافِعٍ أَخْبَرَنَا شُعَيْبٌ عَنْ الزُّهْرِيِّ أَخْبَرَنِي عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ أَنَّ ابْنَ عَبَّاسٍ وَعَائِشَةَ قَالَا لَمَّا نُزِلَ بِالنَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ طَفِقَ يَطْرَحُ خَمِيصَةً لَهُ عَلَى وَجْهِهِ فَإِذَا اغْتَمَّ كَشَفَهَا عَنْ وَجْهِهِ فَقَالَ وَهُوَ كَذَلِكَ لَعْنَةُ اللَّهِ عَلَى الْيَهُودِ وَالنَّصَارَى اتَّخَذُوا قُبُورَ أَنْبِيَائِهِمْ مَسَاجِدَ يُحَذِّرُ مِثْلَ مَا صَنَعُوا

أخبرنا الحكم بن نافع أخبرنا شعيب عن الزهري أخبرني عبيد الله بن عبد الله أن ابن عباس وعائشة قالا لما نزل بالنبي صلى الله عليه وسلم طفق يطرح خميصة له على وجهه فإذا اغتم كشفها عن وجهه فقال وهو كذلك لعنة الله على اليهود والنصارى اتخذوا قبور أنبيائهم مساجد يحذر مثل ما صنعوا

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১৪৪১

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১২১. মসজিদের উদ্দেশ্যে বের হওয়ার সময় ‘ইশতিবাক’ (এক হাতের আঙ্গুলসমূহ অপর হাতের আঙ্গুলসমূহে প্রবেশ করা করানো) নিষেধ

১৪৪১. আবী ছুমামাহ আল হান্নাত্ব বলেন, কা’ব ইবনু ’ঊজরাহ আমাকে (মসজিদের) আঙিনায় এমতাবস্থায় পেলেন, যখন আমি আমার (হাতের) আঙ্গুলসমূহ পরস্পরের মাঝে প্রবিষ্ট করা অবস্থায় ছিলাম। তখন তিনি বললেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “যখন তোমাদের কেউ ওযু করে সালাতের উদ্দেশ্যে বের হয়, সে যেন তার (উভয় হাতের) আঙ্গুলসমূহ পরস্পরের মধ্যে প্রবেশ না করায়।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ হাসান, আবী ছুমামাহ আল হান্নাত্ব এর কারণে।

তাখরীজ: আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ২০৩৬, ২১৪৯, ২১৫০ ও মাওয়ারিদুয যাম’আন নং ৩১৫, ৩১৬ তে। পরবর্তী টীকাটিও দেখুন।

بَاب النَّهْيِ عَنْ الِاشْتِبَاكِ إِذَا خَرَجَ إِلَى الْمَسْجِدِ

حَدَّثَنَا عُثْمَانُ بْنُ عُمَرَ أَخْبَرَنَا دَاوُدُ بْنُ قَيْسٍ الْفَرَّاءُ عَنْ سَعْدِ بْنِ إِسْحَقَ عَنْ أَبِي ثُمَامَةَ الْحَنَّاطِ قَالَ أَدْرَكَنِي كَعْبُ بْنُ عُجْرَةَ بِالْبَلَاطِ وَأَنَا مُشَبِّكٌ بَيْنَ أَصَابِعِي فَقَالَ إِنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ إِذَا تَوَضَّأَ أَحَدُكُمْ ثُمَّ خَرَجَ عَامِدًا إِلَى الصَّلَاةِ فَلَا يُشَبِّكُ بَيْنَ أَصَابِعِهِ

حدثنا عثمان بن عمر أخبرنا داود بن قيس الفراء عن سعد بن إسحق عن أبي ثمامة الحناط قال أدركني كعب بن عجرة بالبلاط وأنا مشبك بين أصابعي فقال إن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال إذا توضأ أحدكم ثم خرج عامدا إلى الصلاة فلا يشبك بين أصابعه

 হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১৪৪২

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১২১. মসজিদের উদ্দেশ্যে বের হওয়ার সময় ‘ইশতিবাক’ (এক হাতের আঙ্গুলসমূহ অপর হাতের আঙ্গুলসমূহে প্রবেশ করা করানো) নিষেধ

১৪৪২. কা’ব ইবনু ’ঊজরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “যখন তুমি ওযু করে মসজিদে (যাওয়ার) ইচ্ছা করবে, তখন তুমি (উভয় হাতের) আঙ্গুলসমূহ পরস্পরের মধ্যে প্রবেশ না করাবে না। কেননা, তুমি তো সালাতরত (বলেই গণ্য)।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ হাসান, ইবনু ইজলান এর কারণে। তবে হাদীসটি সহীহ।

তাখরীজ: আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং- ২১৪৯ ও মাওয়ারিদুয যাম’আন নং ৩১৬ তে। পরবর্তী ও পূর্ববর্তী টীকা দু’টিও দেখুন।

بَاب النَّهْيِ عَنْ الِاشْتِبَاكِ إِذَا خَرَجَ إِلَى الْمَسْجِدِ

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَجْلَانَ عَنْ الْمَقْبُرِيِّ عَنْ كَعْبِ بْنِ عُجْرَةَ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِذَا تَوَضَّأْتَ فَعَمَدْتَ إِلَى الْمَسْجِدِ فَلَا تُشَبِّكَنَّ بَيْنَ أَصَابِعِكَ فَإِنَّكَ فِي صَلَاةٍ

أخبرنا محمد بن يوسف حدثنا سفيان عن محمد بن عجلان عن المقبري عن كعب بن عجرة قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا توضأت فعمدت إلى المسجد فلا تشبكن بين أصابعك فإنك في صلاة

 হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)  বর্ণনাকারীঃ কা‘ব ইবনু ‘উজরাহ (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১৪৪৩

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১২১. মসজিদের উদ্দেশ্যে বের হওয়ার সময় ‘ইশতিবাক’ (এক হাতের আঙ্গুলসমূহ অপর হাতের আঙ্গুলসমূহে প্রবেশ করা করানো) নিষেধ

১৪৪৩. আবী হুরাইরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “যে ব্যক্তি ওযু করে সালাতের উদ্দেশ্যে (মসজিদের দিকে) বের হয়, সে তো সালাতেই রত থাকে, যতক্ষণ না সে তার বাড়িতে ফিরে আসে। ফলে তোমরা এইভাবে ধরো না।”- অর্থাৎ: তিনি তাঁর এক হাতের আঙ্গুলসমূহ অপর হাতের আঙ্গুলের মধ্যে প্রবেশ করালেন।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: ইবনু খুযাইমা নং ৪৪৬; হাকিম ১/২০৬ হাকিম একে সহীহ বলেছেন এবং যাহাবী ‘বুখারী মুসলিমের শর্তানুযায়ী সহীহ’ বলেছেন।

بَاب النَّهْيِ عَنْ الِاشْتِبَاكِ إِذَا خَرَجَ إِلَى الْمَسْجِدِ

أَخْبَرَنَا الْهَيْثَمُ بْنُ جَمِيلٍ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ مُسْلِمٍ عَنْ إِسْمَعِيلَ بْنِ أُمَيَّةَ عَنْ الْمَقْبُرِيِّ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَنْ تَوَضَّأَ ثُمَّ خَرَجَ يُرِيدُ الصَّلَاةَ فَهُوَ فِي صَلَاةٍ حَتَّى يَرْجِعَ إِلَى بَيْتِهِ فَلَا تَقُولُوا هَكَذَا

أخبرنا الهيثم بن جميل عن محمد بن مسلم عن إسمعيل بن أمية عن المقبري عن أبي هريرة قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم من توضأ ثم خرج يريد الصلاة فهو في صلاة حتى يرجع إلى بيته فلا تقولوا هكذا

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরায়রা (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১৪৪৪

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১২২. যে ব্যক্তি মসজিদে সালাতের অপেক্ষায় বসে থাকে, তার ফযীলত

১৪৪৪. আবী হুরাইরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “বান্দা যতক্ষণ তার ’মুসাল্লা’য় তথা তার সালাত আদায়ের স্থানে বসে থাকে, তার (সেখান থেকে) উঠে না দাঁড়ানো অথবা তার ’হাদাছ’ (ওযু নষ্ট) না হওয়া পর্যন্ত ফিরিশতাগণ তার জন্য এ বলে দু’আ করতে থাকে: ’হে আল্লাহ! আপনি তাকে ক্ষমা করুন। হে আল্লাহ! আপনি তাকে রহম করুন’।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ হাসান। তবে হাদীসটি বুখারী ‍মুসলিম উভয়ে বর্ণনা করেছেন।

তাখরীজ: বুখারী ৪৪৫; মুসলিম ৬৪৯; আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ১৭৫৩ তে।

بَاب فَضْلِ مَنْ جَلَسَ فِي الْمَسْجِدِ يَنْتَظِرُ الصَّلَاةَ

أَخْبَرَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَمْرٍو عَنْ أَبِي سَلَمَةَ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَا تَزَالُ الْمَلَائِكَةُ تُصَلِّي عَلَى الْعَبْدِ مَا دَامَ فِي مُصَلَّاهُ الَّذِي يُصَلِّي فِيهِ مَا لَمْ يَقُمْ أَوْ يُحْدِثْ تَقُولُ اللَّهُمَّ اغْفِرْ لَهُ اللَّهُمَّ ارْحَمْهُ

أخبرنا يزيد بن هارون أخبرنا محمد بن عمرو عن أبي سلمة عن أبي هريرة قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم لا تزال الملائكة تصلي على العبد ما دام في مصلاه الذي يصلي فيه ما لم يقم أو يحدث تقول اللهم اغفر له اللهم ارحمه

 হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)  বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরায়রা (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১৪৪৫

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১২৩. মসজিদসমূহকে সুসজ্জিত ও কারুকার্যমণ্ডিত করা সম্পর্কে

১৪৪৫. আনাস ইবনু মালিক রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “কিয়ামত সঙ্ঘটিত হবে না, যতক্ষণ মসজিদসমূহের ব্যাপারে লোকেরা পরস্পর গর্ব-অহংকারের প্রতিযোগীতায় লিপ্ত না হবে।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ১৬১৩, ১৬১৪ ও মাওয়ারিদুয যাম’আন নং ৩০৭, ৩০৮ তে। ((মুসনাদে আবী ইয়ালা আল মাউসিলী ৫/১৮৪ নং ২৭৯৮; বাগাবী, শারহুস সুন্নাহ ২/৩৫০ নং ৪৬৪))

بَاب فِي تَزْوِيقِ الْمَسَاجِدِ

أَخْبَرَنَا عَفَّانُ حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ حَدَّثَنَا أَيُّوبُ عَنْ أَبِي قِلَابَةَ عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ لَا تَقُومُ السَّاعَةُ حَتَّى يَتَبَاهَى النَّاسُ فِي الْمَسَاجِدِ

أخبرنا عفان حدثنا حماد بن سلمة حدثنا أيوب عن أبي قلابة عن أنس بن مالك عن النبي صلى الله عليه وسلم قال لا تقوم الساعة حتى يتباهى الناس في المساجد

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আনাস ইবনু মালিক (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১৪৪৬

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১২৪. সুতরা’মুখী হয়ে সালাত আদায় করা

১৪৪৬. হাকাম ইবনু উতাইবাহ বলেন, আমি আবী জুহাইফা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুকে বলতে শুনেছি, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম একদিন দুপুর বেলায় ’বাতহা’ (মক্কার একটি উপত্যকা)-এর দিকে বের হয়ে গেলেন। এরপর (সেখানে) তিনি যুহরের দু’ রাকা’আত ও আসরের দু’ রাকা’আত (কসর) সালাত আদায় করলেন, তখন তাঁর সামনে একটি বর্শা (প্রোথিত) ছিল। আর তাঁর সামনে দিয়ে (উটের হাওদার মধ্যে আরোহনকারীনী) মহিলারা যাতায়াত করছিলো।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

তাখলীজ: বুখারী ১৮৭; ‍মুসলিম ৫০৩; আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ৮৮৭, ৮৯১; সহীহ ইবনু হিব্বান নং ১২৬৮ ও মুসনাদুল হুমাইদী নং ৯১৬ তে।

بَاب الصَّلَاةِ إِلَى سُتْرَةٍ

أَخْبَرَنَا أَبُو الْوَلِيدِ الطَّيَالِسِيُّ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ عَنْ الْحَكَمِ بْنِ عُتَيْبَةَ قَالَ سَمِعْتُ أَبَا جُحَيْفَةَ يَقُولُ خَرَجَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِالْبَطْحَاءِ بِالْهَاجِرَةِ فَصَلَّى الظُّهْرَ رَكْعَتَيْنِ وَالْعَصْرَ رَكْعَتَيْنِ وَبَيْنَ يَدَيْهِ عَنَزَةٌ وَإِنَّ الظُّعُنَ لَتَمُرُّ بَيْنَ يَدَيْهِ

أخبرنا أبو الوليد الطيالسي حدثنا شعبة عن الحكم بن عتيبة قال سمعت أبا جحيفة يقول خرج رسول الله صلى الله عليه وسلم بالبطحاء بالهاجرة فصلى الظهر ركعتين والعصر ركعتين وبين يديه عنزة وإن الظعن لتمر بين يديه

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১৪৪৭

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১২৪. সুতরা’মুখী হয়ে সালাত আদায় করা

১৪৪৭. ইবনু উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুকে হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের জন্য একটি বর্শা স্থাপন করা হতো, সেটির দিকে (মুখ করে) তিনি সালাত আদায় করতেন।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: বুখারী ৪৯৪; মুসলিম ৫০১।

আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ২৩৭৭।

بَاب الصَّلَاةِ إِلَى سُتْرَةٍ

أَخْبَرَنَا مُسَدَّدٌ حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ عَنْ نَافِعٍ عَنْ ابْنِ عُمَرَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَتْ تُرْكَزُ لَهُ الْعَنَزَةُ يُصَلِّي إِلَيْهَا

أخبرنا مسدد حدثنا يحيى بن سعيد عن عبيد الله عن نافع عن ابن عمر أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كانت تركز له العنزة يصلي إليها

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১৪৪৮

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১২৫. সালাত আদায়কারীর সুতরা’র কাছাকাছি থাকা সম্পর্কে

১৪৪৮. আবী সাঈদ আল খুদরী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “যখন তোমাদের কেউ সালাত আদায় করে, তখন সে যেন তার সামনে দিয়ে কাউকে গমণ করতে না দেয়। আর যদি সে (গমণকারী) তা না মানে, তবে সে (মুসল্লী) যেন তার সাথে লড়াই করে। কেননা, নিশ্চয়ই সে একটি শয়তান।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: বুখারী ৫০৯; মুসলিম ৫০৫; আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ১২৪০ ও সহীহ ইবনু হিব্বান নং ২৩৬৭, ২৩৬৮ তে।

بَاب فِي دُنُوِّ الْمُصَلِّي إِلَى السُّتْرَةِ

أَخْبَرَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ عَبْدِ الْمَجِيدِ حَدَّثَنَا مَالِكٌ عَنْ زَيْدِ بْنِ أَسْلَمَ عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي سَعِيدٍ عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ إِذَا كَانَ أَحَدُكُمْ يُصَلِّي فَلَا يَدَعْ أَحَدًا يَمُرُّ بَيْنَ يَدَيْهِ فَإِنْ أَبَى فَلْيُقَاتِلْهُ فَإِنَّمَا هُوَ شَيْطَانٌ

أخبرنا عبيد الله بن عبد المجيد حدثنا مالك عن زيد بن أسلم عن عبد الرحمن بن أبي سعيد عن أبي سعيد الخدري أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال إذا كان أحدكم يصلي فلا يدع أحدا يمر بين يديه فإن أبى فليقاتله فإنما هو شيطان

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আবূ সা’ঈদ খুদরী (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১৪৪৯

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১২৬. বাহনের দিকে মুখ করে সালাত আদায় করা

১৪৪৯. ইবনু উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁর বাহনের দিকে মুখ করে সালাত আদায় করতেন।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: বুখারী ৪৩০, ৫০৭; মুসলিম ৫০২; আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ২৬৩৬, ৫৪৫৯, ৫৫৮৮, ৫৬৪৭ ও সহীহ ইবনু হিব্বান নং ২৩৭৮ তে।

بَاب الصَّلَاةِ إِلَى الرَّاحِلَةِ

أَخْبَرَنَا الْحَكَمُ بْنُ الْمُبَارَكِ وَعَبْدُ اللَّهِ بْنُ سَعِيدٍ عَنْ أَبِي خَالِدٍ الْأَحْمَرِ عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ عَنْ نَافِعٍ عَنْ ابْنِ عُمَرَ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَ يُصَلِّي إِلَى رَاحِلَتِهِ

أخبرنا الحكم بن المبارك وعبد الله بن سعيد عن أبي خالد الأحمر عن عبيد الله عن نافع عن ابن عمر أن النبي صلى الله عليه وسلم كان يصلي إلى راحلته

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১৪৫০

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১২৭. মুসল্লীর সামনে কোনো মহিলার অবস্থান করা

১৪৫০. উরওয়াহ ইবনুয যুবাইর হতে বর্ণিত, তার নিকট আয়িশা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা বর্ণনা করেছেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম (রাতে) সালাত আদায় করতেন, আর তিনি তখন তাঁর ও তাঁর কিবলার মাঝে জানাযার মতো আড়াআড়িভাবে বিছানায় শুয়ে থাকতেন।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ যয়ীফ। তবে হাদীসটি সহীহ বুখারী ও মুসলিমে একই সূত্রে বর্ণিত।

তাখরীজ: বুখারী ৩৮২, ৩৮৩; মুসলিম ৫১২; আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ৪৪৯০ ও সহীহ ইবনু হিব্বান নং ২৩৪১, ২৩৪২, ২৩৪৩, ২৩৪৪, ২৩৯০ তে।

بَاب الْمَرْأَةِ تَكُونُ بَيْنَ يَدَيْ الْمُصَلِّي

أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ صَالِحٍ حَدَّثَنِي اللَّيْثُ حَدَّثَنِي عُقَيْلٌ عَنْ ابْنِ شِهَابٍ حَدَّثَنِي عُرْوَةُ بْنُ الزُّبَيْرِ أَنَّ عَائِشَةَ أَخْبَرَتْهُ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَ يُصَلِّي وَهِيَ بَيْنَهُ وَبَيْنَ الْقِبْلَةِ عَلَى فِرَاشِ أَهْلِهِ اعْتِرَاضَ الْجَنَازَةِ

أخبرنا عبد الله بن صالح حدثني الليث حدثني عقيل عن ابن شهاب حدثني عروة بن الزبير أن عائشة أخبرته أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان يصلي وهي بينه وبين القبلة على فراش أهله اعتراض الجنازة

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ উরওয়াহ বিন যুবাইর (রহ.)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১৪৫১

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১২৮. যা সালাতকে নষ্ট করে এবং যা সালাতকে নষ্ট করে না

১৪৫১. আবী যার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহ হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, গাধা, কালো কুকুর ও নারী কোনো লোকের সালাত নষ্ট করে দেয়, যখন তার সামনে হাওদার পিছনের কাঠের মতো (উঁচু) কোনো বস্তু তার সামনে না থাকে।তিনি বলেন, আমি বললাম, হলুদ- লাল (কুকুর) হতে কালো রং এর (কুকুরের পার্থক্য) কী? তখন তিনি বললেন, তুমি যেভাবে আমাকে জিজ্ঞেস করছো, আমিও সেভাবে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে জিজ্ঞেস করেছিলাম। তখন তিনি বলেছিলেন: “কালো (কুকুর)টি একটি শয়তান।”[1]

[1] তাহক্বক্বি: এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: মুসলিম ৫১০; আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ২৩৮৩, ২৩৮৪, ২৩৮৫, ২৩৮৮, ২৩৮৯, ২৩৯১ তে।

بَاب مَا يَقْطَعُ الصَّلَاةَ وَمَا لَا يَقْطَعُهَا

أَخْبَرَنَا أَبُو الْوَلِيدِ وَحَجَّاجٌ قَالَا حَدَّثَنَا شُعْبَةُ أَخْبَرَنِي حُمَيْدُ بْنُ هِلَالٍ قَالَ سَمِعْتُ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ الصَّامِتِ عَنْ أَبِي ذَرٍّ أَنَّهُ قَالَ يَقْطَعُ صَلَاةَ الرَّجُلِ إِذَا لَمْ يَكُنْ بَيْنَ يَدَيْهِ كَآخِرَةِ الرَّحْلِ الْحِمَارُ وَالْكَلْبُ الْأَسْوَدُ وَالْمَرْأَةُ قَالَ قُلْتُ فَمَا بَالُ الْأَسْوَدِ مِنْ الْأَحْمَرِ مِنْ الْأَصْفَرِ قَالَ سَأَلْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَمَا سَأَلْتَنِي فَقَالَ الْأَسْوَدُ شَيْطَانٌ

أخبرنا أبو الوليد وحجاج قالا حدثنا شعبة أخبرني حميد بن هلال قال سمعت عبد الله بن الصامت عن أبي ذر أنه قال يقطع صلاة الرجل إذا لم يكن بين يديه كآخرة الرحل الحمار والكلب الأسود والمرأة قال قلت فما بال الأسود من الأحمر من الأصفر قال سألت رسول الله صلى الله عليه وسلم كما سألتني فقال الأسود شيطان

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আবূ যার আল-গিফারী (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১৪৫২

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১২৯. কোনো কিছুই সালাতকে নষ্ট করে না

১৪৫২. ইবনু আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, ’আমি এবং ফাযল এলাম-তথা একটি গাধীর পিঠে আরোহন করে এলাম, তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মিনা কিংবা আরাফাতে সালাত আদায় করছিলেন। তখন আমি কোনো একটি কাতার অতিক্রম করে গাধীর পিঠ থেকে অবতরণ করলাম এবং চরবার উদ্দেশ্যে একে ছেড়ে দিয়ে আমি কাতারের মধ্যে ঢুকে পড়লাম।’[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: বুখারী ৭৬; মুসলিম ৫০৪; আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ২৩৮২ তে।…

بَاب لَا يَقْطَعُ الصَّلَاةَ شَيْءٌ

أَخْبَرَنَا أَبُو نُعَيْمٍ حَدَّثَنَا ابْنُ عُيَيْنَةَ عَنْ الزُّهْرِيِّ عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ عَنْ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ جِئْتُ أَنَا وَالْفَضْلُ يَعْنِي عَلَى أَتَانٍ وَالنَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يُصَلِّي بِمِنًى أَوْ بِعَرَفَةَ فَمَرَرْتُ عَلَى بَعْضِ الصَّفِّ فَنَزَلْتُ عَنْهَا وَتَرَكْتُهَا تَرْعَى وَدَخَلْتُ فِي الصَّفِّ

أخبرنا أبو نعيم حدثنا ابن عيينة عن الزهري عن عبيد الله بن عبد الله عن ابن عباس قال جئت أنا والفضل يعني على أتان والنبي صلى الله عليه وسلم يصلي بمنى أو بعرفة فمررت على بعض الصف فنزلت عنها وتركتها ترعى ودخلت في الصف

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আবদুল্লাহ ইবনু আব্বাস (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১৪৫৩

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১৩০. মুসল্লির সামনে দিয়ে অতিক্রম করা/চলে যাওয়া অপছন্দনীয়

১৪৫৩. বুসর ইবনু সাঈদ হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আবু জুহাইম আল আনসারী আমাকে যাইদ ইবনু খালিদ আল জুহানীর নিকট জিজ্ঞাসা করতে পাঠালেন যে, যে ব্যক্তি মুসল্লীর (সালাতরত ব্যক্তির) সম্মুখ দিয়ে গমণ করে, তার সম্পর্কে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হতে তিনি কী শুনেছেন। তখন তিনি বললেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “মুসল্লীর (সালাতরত ব্যক্তির) সম্মুখ দিয়ে গমণ করার চেয়ে তোমাদের কারো চল্লিশ (দিন/মাস/বছর) পর্যন্ত দাঁড়িয়ে থাকাও তার জন্য উত্তম।”তিনি (বর্ণনাকারী) বলেন, আমি জানি না, তা (চল্লিশ) বছর, মাস, নাকি দিন।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: মুসলিম ৫০৭; পূর্ণ তাখরীজের জন্য পরবর্তী হাদীসটি দেখুন।

بَاب كَرَاهِيَةِ الْمُرُورِ بَيْنَ يَدَيْ الْمُصَلِّي

حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ حَسَّانَ أَخْبَرَنَا ابْنُ عُيَيْنَةَ عَنْ سَالِمٍ أَبِي النَّضْرِ عَنْ بُسْرِ بْنِ سَعِيدٍ قَالَ أَرْسَلَنِي أَبُو جُهَيْمٍ الْأَنْصَارِيُّ إِلَى زَيْدِ بْنِ خَالِدٍ الْجُهَنِيِّ أَسْأَلُهُ مَا سَمِعَ مِنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي الَّذِي يَمُرُّ بَيْنَ يَدَيْ الْمُصَلِّي فَقَالَ إِنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ لَأَنْ يَقُومَ أَحَدُكُمْ أَرْبَعِينَ خَيْرٌ لَهُ مِنْ أَنْ يَمُرَّ بَيْنَ يَدَيْ الْمُصَلِّي قَالَ فَلَا أَدْرِي سَنَةً أَوْ شَهْرًا أَوْ يَوْمًا

حدثنا يحيى بن حسان أخبرنا ابن عيينة عن سالم أبي النضر عن بسر بن سعيد قال أرسلني أبو جهيم الأنصاري إلى زيد بن خالد الجهني أسأله ما سمع من النبي صلى الله عليه وسلم في الذي يمر بين يدي المصلي فقال إن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال لأن يقوم أحدكم أربعين خير له من أن يمر بين يدي المصلي قال فلا أدري سنة أو شهرا أو يوما

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ বুসর ইবনু সা‘ঈদ (রহঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১৪৫৪

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১৩০. মুসল্লির সামনে দিয়ে অতিক্রম করা/চলে যাওয়া অপছন্দনীয়

১৪৫৪. বুসর ইবনু সাঈদ হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, যাইদ ইবনু খালিদ আল জুহানী তাকে আবু জুহাইমের নিকট একথা জিজ্ঞাসা করতে পাঠালেন যে, মুসল্লীর (সালাতরত ব্যক্তির) সম্মুখ দিয়ে গমণকারী ব্যক্তি সম্পর্কে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কে তিনি কী বলতে শুনেছেন। তখন আবু জুহাইম বললেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “মুসল্লীর (সালাতরত ব্যক্তির) সম্মুখ দিয়ে গমণকারী ব্যক্তি যদি জানতো যে, এর জন্য তার উপর কী (পাপের বোঝা) চেপেছে, তবে চল্লিশ পর্যন্ত দাঁড়িয়ে থাকাও তার জন্য উত্তম হতো।”[1] আবু নাযর (বর্ণনাকারী) বলেন, আমি জানি না, চল্লিশ দিন, মাস নাকি বছর।

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: বুখারী ৫১০; মুসলিম ৫০৭; আমরা এর তাখরীজ পূর্ণ করেছি সহীহ ইবনু হিব্বান ২৩৬৬ ও মুসনাদুল হমাইদী নং ৮৩৬ তে।

بَاب كَرَاهِيَةِ الْمُرُورِ بَيْنَ يَدَيْ الْمُصَلِّي

أَخْبَرَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ عَبْدِ الْمَجِيدِ حَدَّثَنَا مَالِكٌ عَنْ أَبِي النَّضْرِ مَوْلَى عُمَرَ بْنِ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ مَعْمَرٍ أَنَّ بُسْرَ بْنَ سَعِيدٍ أَخْبَرَهُ أَنَّ زَيْدَ بْنَ خَالِدٍ الْجُهَنِيَّ أَرْسَلَهُ إِلَى أَبِي جُهَيْمٍ يَسْأَلُهُ مَاذَا سَمِعَ مِنْ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ فِي الْمَارِّ بَيْنَ يَدَيْ الْمُصَلِّي فَقَالَ أَبُو جُهَيْمٍ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَوْ يَعْلَمُ الْمَارُّ بَيْنَ يَدَيْ الْمُصَلِّي مَاذَا عَلَيْهِ فِي ذَلِكَ لَكَانَ أَنْ يَقِفَ أَرْبَعِينَ خَيْرًا لَهُ مِنْ أَنْ يَمُرَّ بَيْنَ يَدَيْهِ قَالَ أَبُو النَّضْرِ لَا أَدْرِي أَرْبَعِينَ يَوْمًا أَوْ شَهْرًا أَوْ سَنَةً

أخبرنا عبيد الله بن عبد المجيد حدثنا مالك عن أبي النضر مولى عمر بن عبيد الله بن معمر أن بسر بن سعيد أخبره أن زيد بن خالد الجهني أرسله إلى أبي جهيم يسأله ماذا سمع من رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول في المار بين يدي المصلي فقال أبو جهيم قال رسول الله صلى الله عليه وسلم لو يعلم المار بين يدي المصلي ماذا عليه في ذلك لكان أن يقف أربعين خيرا له من أن يمر بين يديه قال أبو النضر لا أدري أربعين يوما أو شهرا أو سنة

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ বুসর ইবনু সা‘ঈদ (রহঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১৪৫৫

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১৩১. নাবী (ﷺ) এর মসজিদে সালাত আদায় করার ফযীলত

১৪৫৫. আবী হুরাইরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “আমার এ মসজিদে একটি সালাত অন্যান্য মসজিদে এক হাজার সালাতের সমান, কেবল মসজিদুল হারাম ছাড়া।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহহি।

তাখরীজ: বুখারী ১১৯০; সহীহ মুসলিম ১৩৯৪; আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ৫৮৫৭, ৫৮৭৫, ৬১৬৫; সহীহ ইবনু হিব্বান নং ১৬২১, ১৬২৫ ও মুসনাদুল হুমাইদী নং ৯৬৯ তে।

بَاب فَضْلِ الصَّلَاةِ فِي مَسْجِدِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ

أَخْبَرَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ عَبْدِ الْمَجِيدِ حَدَّثَنَا أَفْلَحُ هُوَ ابْنُ حُمَيْدٍ حَدَّثَنِي أَبُو بَكْرِ بْنُ مُحَمَّدٍ حَدَّثَنِي سَلْمَانُ الْأَغَرُّ قَالَ سَمِعْتُ أَبَا هُرَيْرَةَ يَقُولُ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ صَلَاةٌ فِي مَسْجِدِي هَذَا كَأَلْفِ صَلَاةٍ فِيمَا سِوَاهُ مِنْ الْمَسَاجِدِ إِلَّا الْمَسْجِدَ الْحَرَامَ

أخبرنا عبيد الله بن عبد المجيد حدثنا أفلح هو ابن حميد حدثني أبو بكر بن محمد حدثني سلمان الأغر قال سمعت أبا هريرة يقول قال رسول الله صلى الله عليه وسلم صلاة في مسجدي هذا كألف صلاة فيما سواه من المساجد إلا المسجد الحرام

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরায়রা (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১৪৫৬

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১৩১. নাবী (ﷺ) এর মসজিদে সালাত আদায় করার ফযীলত

১৪৫৬. ইবনু উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “আমার এ মসজিদে (আদায়কৃত) একটি সালাত অন্যান্য মসজিদে (আদায়কৃত) এক হাজার সালাত অপেক্ষা উত্তম, কেবল মসজিদুল হারাম ছাড়া।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: আহমাদ ২/১৬, ২৯, ৫৩, ৫৪, ৬৮, ১০২; মুসলিম ১৩৯৫; ইবনু মাজাহ ১৪০৫; ইবনু আবী শাইবা ২/৩৭১।

بَاب فَضْلِ الصَّلَاةِ فِي مَسْجِدِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ

أَخْبَرَنَا مُسَدَّدٌ حَدَّثَنَا بِشْرُ بْنُ الْمُفَضَّلِ حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ عَنْ نَافِعٍ عَنْ ابْنِ عُمَرَ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ صَلَاةٌ فِي مَسْجِدِي هَذَا أَفْضَلُ مِنْ أَلْفِ صَلَاةٍ فِيمَا سِوَاهُ إِلَّا الْمَسْجِدَ الْحَرَامَ

أخبرنا مسدد حدثنا بشر بن المفضل حدثنا عبيد الله عن نافع عن ابن عمر قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم صلاة في مسجدي هذا أفضل من ألف صلاة فيما سواه إلا المسجد الحرام

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১৪৫৭

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১৩১. নাবী (ﷺ) এর মসজিদে সালাত আদায় করার ফযীলত

১৪৫৭. আবী হুরাইরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “আমার এ মসজিদে (আদায়কৃত) একটি সালাত অন্যান্য মসজিদে (আদায়কৃত) এক হাজার সালাত অপেক্ষা উত্তম, কেবল মসজিদুল হারাম ছাড়া।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: বুখারী ১১৯০; সহীহ মুসলিম ১৩৯৪; আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ৫৮৫৭, ৫৮৭৫, ৬১৬৫; সহীহ ইবনু হিব্বান নং ১৬২১, ১৬২৫ ও মসনাদুল হুমাইদী নং ৯৬৯ তে। আরও দেখুন, পূর্বের ১৪৫৮ (অনূবাদে ১৪৫৪) নং হাদীসটি দেখুন।

بَاب فَضْلِ الصَّلَاةِ فِي مَسْجِدِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ

حَدَّثَنَا حَجَّاجُ بْنُ مِنْهَالٍ حَدَّثَنَا ابْنُ عُيَيْنَةَ عَنْ الزُّهْرِيِّ عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيَّبِ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ صَلَاةٌ فِي مَسْجِدِي هَذَا أَفْضَلُ مِنْ أَلْفِ صَلَاةٍ فِيمَا سِوَاهُ إِلَّا الْمَسْجِدَ الْحَرَامَ

حدثنا حجاج بن منهال حدثنا ابن عيينة عن الزهري عن سعيد بن المسيب عن أبي هريرة عن النبي صلى الله عليه وسلم قال صلاة في مسجدي هذا أفضل من ألف صلاة فيما سواه إلا المسجد الحرام

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরায়রা (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১৪৫৮

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১৩২. তিনটি মাসজিদ ব্যতীত অন্য কোনো স্থানের উদ্দেশ্যে হাওদা বাঁধা (সফর করা) যাবে না

১৪৫৮. আবী হুরাইরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “তিনটি মসজিদ ব্যতীত অন্য কোন স্থানের উদ্দেশ্যে হাওদা বাঁধা (সফর করা) যাবে না: কা’বার মসজিদ (মসজিদুল হারাম), আমার এ মসজিদ (মসজিদে নববী) এবং মসজিদুল আকসা’ (বায়তুল মাকদিস)।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: বুখারী ১১৮৯; মুসলিম ১৩৯৭; ((আবু দাউদ ২০৩৩; তিরমিযী (আবু সাঈদ খুদরী হতে) ৩২৬; নাসাঈ ; ইবনু মাজাহ ১৪০৯; আহমাদ ২/২৩৪, ২৭৮, ৫০১)) আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী ৫৮৮০; সহীহ ইবনু হিব্বান নং ১৬১৯, ১৬৩১ ও মুসনাদুল হুমাইদী নং ৯৭৩ তে।

بَاب لَا تُشَدُّ الرِّحَالُ إِلَّا إِلَى ثَلَاثَةِ مَسَاجِدَ

أَخْبَرَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَمْرٍو عَنْ أَبِي سَلَمَةَ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَا تُشَدُّ الرِّحَالُ إِلَّا إِلَى ثَلَاثَةِ مَسَاجِدَ الْكَعْبَةِ وَمَسْجِدِي هَذَا وَمَسْجِدِ الْأَقْصَى

أخبرنا يزيد بن هارون حدثنا محمد بن عمرو عن أبي سلمة عن أبي هريرة قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم لا تشد الرحال إلا إلى ثلاثة مساجد الكعبة ومسجدي هذا ومسجد الأقصى

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরায়রা (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১৪৫৯

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১৩৩. (রাতের) অন্ধকারে মসজিদের দিকে হেঁটে যাওয়ার ফযীলত

১৪৫৯. আবী দারদা’আ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “যে ব্যক্তি রাতের অন্ধকারে কোনো সালাতের দিকে হেঁটে যায়, কিয়ামতের দিন আল্লাহ তাকে নূর প্রদান করবেন।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ জাইয়্যেদ। আর হাদীসটির কয়েকটি শাহিদ থাকার কারণে সহীহ।

তাখরীজ: আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ২০৪৬ ও মাওয়ারিদুয যাম’আন নং ৪২২; মাজমাউয যাওয়াইদ নং ২১০৯ তে।

بَاب فَضْلِ الْمَشْيِ إِلَى الْمَسَاجِدِ فِي الظُّلَمِ

حَدَّثَنَا زَكَرِيَّا بْنُ عَدِيٍّ عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو عَنْ زَيْدِ بْنِ أَبِي أُنَيْسَةَ عَنْ جُنَادَةَ عَنْ مَكْحُولٍ عَنْ أَبِي إِدْرِيسَ عَنْ أَبِي الدَّرْدَاءِ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ مَنْ مَشَى فِي ظُلْمَةِ لَيْلٍ إِلَى صَلَاةٍ آتَاهُ اللَّهُ نُورًا يَوْمَ الْقِيَامَةِ

حدثنا زكريا بن عدي عن عبيد الله بن عمرو عن زيد بن أبي أنيسة عن جنادة عن مكحول عن أبي إدريس عن أبي الدرداء عن النبي صلى الله عليه وسلم قال من مشى في ظلمة ليل إلى صلاة آتاه الله نورا يوم القيامة

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আবুদ দারদা (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১৪৬০

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১৩৪. সালাতের মধ্যে (অন্যদিকে) তাকানো (বা মনোযোগ দেওয়া) নিন্দনীয় (মাকরূহ)

১৪৬০. আবী যারর রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “বান্দা সালাতের মধ্যে যতক্ষণ (অন্যদিকে) দৃষ্টিপাত না করে (বা অন্যমনস্ক না হয়), ততক্ষণ পর্যন্ত আল্লাহ তার দিকে লক্ষ্য রাখেন। অপরদিকে যখন সে (অন্যদিকে) দৃষ্টিপাত করে (বা অন্যমনস্ক হয়), তখন আল্লাহও তার দিক থেকে তাঁর দৃষ্টি ফিরিয়ে নেন।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ যয়ীফ, আব্দুল্লাহ ইবনু সালেহ’র যয়ীফ হওয়ার কারণে। ((তবে এর অনেকগুলো শাহিদ হাদীস থাকার কারণে হাদীসটি সহীহ। একে সহীহ বলেছেন হাকিম ও যাহাবী তা সমর্থন করেছেন-সুনানে দারেমী, তাহক্বীক্ব: ফাওয়ায আহমদ নং ১৪২৩ এর টীকা দ্র: -অনুবাদক))

তাখরীজ: আহমাদ ৫/১৭৫; আবু দাউদ ৯১০; নাসাঈ, কুবরা ১১১৮।

এর শাহিদ হাদীস রয়েছে জাবির, আবী হুরাইরা, আব্দুল্লাহ ইবনু সালাম, আবী দারদা’আ ও ইবনু মাসউদ রা: হতে যা আমরা মাজমাউয যাওয়াইদ নং ২৪৫২, ২৪৫৩, ২৪৫৪, ২৪৫৫, ২৪৫৭, ২৪৫৯ তে, যা একে শক্তিশালী করে।

بَاب كَرَاهِيَةِ الِالْتِفَاتِ فِي الصَّلَاةِ

حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ صَالِحٍ حَدَّثَنِي اللَّيْثُ حَدَّثَنِي يُونُسُ عَنْ ابْنِ شِهَابٍ قَالَ سَمِعْتُ أَبَا الْأَحْوَصِ يُحَدِّثُ عَنْ ابْنِ الْمُسَيَّبِ أَنَّ أَبَا ذَرٍّ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَا يَزَالُ اللَّهُ مُقْبِلًا عَلَى الْعَبْدِ مَا لَمْ يَلْتَفِتْ فَإِذَا صَرَفَ وَجْهَهُ انْصَرَفَ عَنْهُ

حدثنا عبد الله بن صالح حدثني الليث حدثني يونس عن ابن شهاب قال سمعت أبا الأحوص يحدث عن ابن المسيب أن أبا ذر قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم لا يزال الله مقبلا على العبد ما لم يلتفت فإذا صرف وجهه انصرف عنه

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আবূ যার আল-গিফারী (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১৪৬১

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১৩৫. কোন্ সালাত সর্বোত্তম?

১৪৬১. আব্দুল্লাহ ইবনু হুবশী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে জিজ্ঞাসা করা হলো, কোন্ আমল সর্বোত্তম? তিনি বললেন: “সংশয়মুক্ত ঈমান ও খিয়ানতমুক্ত জিহাদ এবং ’মাবরুর’ (পূণ্যময়) হাজ্জ্ব।”

তাঁকে আবার জিজ্ঞেস করা হলো, কোন্ সালাত সর্বোত্তম? তিনি বললেন: দীর্ঘ কিয়াম (তথা ক্বিরা’আত বিশিষ্ট সালাত)।”জিজ্ঞাস করা হলো: সর্বোত্তম সাদাক্বাহ কোনটি? তিনি বললেন: অনটনগ্রস্ত ব্যক্তির কষ্টসাধ্যের দান। জিজ্ঞাসা করা হলো, কোন্ হিজরত সর্বোত্তম? তিনি বললেন: আল্লাহ তোমার উপর যা হারাম করেছেন, তা থেকে হিজরত (পরিত্যাগ) করা। জিজ্ঞাসা করা হলো, কোন্ জিহাদ সর্বোত্তম? তিনি বললেন: “যে ব্যক্তি তার জান ও মাল নিয়ে মুশরিকদের বিরুদ্ধে জিহাদ করে।” জিজ্ঞাসা করা হলো, সম্মানজনক নিহত হওয়া কোনটি? তিনি বললেন: যার ঘোড়াকে হত্যা করা হয়েছে এবং তার রক্ত প্রবাহিত করা হয়েছে।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: আহমাদ ৩/৪১১-৪১২; আবু দাউদ ১৪৪৯; নাসাঈ (কিতাবুয যাকাত বাব: ৪৯ ও কিতাবুল ঈমান বাব: ১); আল কুবরা ২৩০৫, ১১৭০৭; বুখারী, আল কাবীর ৫/২৫। আরও দেখুন, তারগীব ওয়াত তারহীব ২/২৯৩ নং ৩০; দুররে মানছুর ১/২৪৯।

بَاب أَيُّ الصَّلَاةِ أَفْضَلُ

أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ حَدَّثَنَا حَجَّاجُ بْنُ مُحَمَّدٍ قَالَ قَالَ ابْنُ جُرَيْجٍ أَخْبَرَنِي عُثْمَانُ بْنُ أَبِي سُلَيْمَانَ عَنْ عَلِيٍّ الْأَزْدِيِّ عَنْ عُبَيْدِ بْنِ عُمَيْرٍ اللَّيْثِيِّ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ حُبْشِيٍّ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ سُئِلَ أَيُّ الْأَعْمَالِ أَفْضَلُ قَالَ إِيمَانٌ لَا شَكَّ فِيهِ وَجِهَادٌ لَا غُلُولَ فِيهِ وَحَجَّةٌ مَبْرُورَةٌ قِيلَ فَأَيُّ الصَّلَاةِ أَفْضَلُ قَالَ طُولُ الْقِيَامِ قِيلَ فَأَيُّ الصَّدَقَةِ أَفْضَلُ قَالَ جُهْدُ مُقِلٍّ قِيلَ فَأَيُّ الْهِجْرَةِ أَفْضَلُ قَالَ أَنْ تَهْجُرَ مَا حَرَّمَ اللَّهُ عَلَيْكَ قِيلَ فَأَيُّ الْجِهَادِ أَفْضَلُ قَالَ مَنْ جَاهَدَ الْمُشْرِكِينَ بِمَالِهِ وَنَفْسِهِ قِيلَ فَأَيُّ الْقَتْلِ أَشْرَفُ قَالَ مَنْ عُقِرَ جَوَادُهُ وَأُهْرِيقَ دَمُهُ

أخبرنا أحمد بن عبد الله حدثنا حجاج بن محمد قال قال ابن جريج أخبرني عثمان بن أبي سليمان عن علي الأزدي عن عبيد بن عمير الليثي عن عبد الله بن حبشي أن النبي صلى الله عليه وسلم سئل أي الأعمال أفضل قال إيمان لا شك فيه وجهاد لا غلول فيه وحجة مبرورة قيل فأي الصلاة أفضل قال طول القيام قيل فأي الصدقة أفضل قال جهد مقل قيل فأي الهجرة أفضل قال أن تهجر ما حرم الله عليك قيل فأي الجهاد أفضل قال من جاهد المشركين بماله ونفسه قيل فأي القتل أشرف قال من عقر جواده وأهريق دمه

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আব্দুল্লাহ ইবন হুবশী খাছ’আমী (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১৪৬২

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১৩৬. ফজর ও আসরের সালাতের ফযীলত

১৪৬২. আবী মূসা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “যে ব্যক্তি দু’ঠাণ্ডার (সময়ের) সালাত আদায় করবে, সে জান্নাতে প্রবেশ করবে।”[1] আবু মুহাম্মদ কে জিজ্ঞেস করা হলো: ’দু’ঠাণ্ডা’র সালাত’ কী? তিনি বললেন: ফজর ও আসর।

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: সহীহ বুখারী ৫৭৪; মুসলিম ৬৩৫; আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ৬২৬৫, সহীহ ইবনু হিব্বান নং১৭৩৯।

بَاب فَضْلِ صَلَاةِ الْغَدَاةِ وَصَلَاةِ الْعَصْرِ

حَدَّثَنَا عَفَّانُ أَخْبَرَنَا هَمَّامٌ عَنْ أَبِي جَمْرَةَ عَنْ أَبِي بَكْرِ بْنِ أَبِي مُوسَى عَنْ أَبِيهِ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَنْ صَلَّى الْبَرْدَيْنِ دَخَلَ الْجَنَّةَ قِيلَ لِأَبِي مُحَمَّدٍ مَا الْبَرْدَيْنِ قَالَ الْغَدَاةُ وَالْعَصْرُ

حدثنا عفان أخبرنا همام عن أبي جمرة عن أبي بكر بن أبي موسى عن أبيه قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم من صلى البردين دخل الجنة قيل لأبي محمد ما البردين قال الغداة والعصر

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আবূ মূসা আল- আশ’আরী (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১৪৬৩

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১৩৬. ফজর ও আসরের সালাতের ফযীলত

১৪৬৩. আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, যে ব্যক্তি ফজরের সালাত আদায় করল সে আল্লাহর যিম্মায় (নিরাপত্তার ভেতরে) চলে এলো। ফলে তোমরা আল্লাহর যিম্মাদারীতে খিয়ানত (নষ্ট) করো না। আর যে ব্যক্তি আসরের সালাত আদায় করল সে আল্লাহর যিম্মায় (নিরাপত্তার ভেতরে) চলে এলো। ফলে তোমরা আল্লাহর যিম্মাদারীতে খিয়ানত (নষ্ট) করো না।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ জাইয়্যেদ, যদি সালিম আল বাররাদ ইবরাহীমের দাদা হয়। আর তা না হলে আল্লাহই ভাল জানেন।

তাখরীজ: আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ৬৪৫২।

আর এর শাহিদ হাদীস রয়েছে, ইবনু উমার, আনাস, আবী বাকর, আবী মালিক আল আশযাঈ, তাঁর পিতা হতে। আমি এর তাখরীজ করেছি মাওয়ারিদুয যাম’আন নং ১৬৬৩, ১৬৬৪, ১৬৬৭, ১৬৬৮, ১৬৬৯,১৬৭০, ১৬৭১ তে।

بَاب فَضْلِ صَلَاةِ الْغَدَاةِ وَصَلَاةِ الْعَصْرِ

أَخْبَرَنَا يَحْيَى بْنُ حَسَّانَ حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ بِلَالٍ عَنْ إِبْرَاهِيمَ بْنِ أَبِي أُسَيْدٍ عَنْ جَدِّهِ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ مَنْ صَلَّى الصُّبْحَ فَهُوَ فِي جِوَارِ اللَّهِ فَلَا تُخْفِرُوا اللَّهَ فِي جَارِهِ وَمَنْ صَلَّى الْعَصْرَ فَهُوَ فِي جِوَارِ اللَّهِ فَلَا تُخْفِرُوا اللَّهَ فِي جَارِهِ قَالَ أَبُو مُحَمَّد إِذَا أُمِّنَ وَلَمْ يَفِ فَقَدْ غَدَرَ وَأَخْفَرَ

أخبرنا يحيى بن حسان حدثنا سليمان بن بلال عن إبراهيم بن أبي أسيد عن جده عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال من صلى الصبح فهو في جوار الله فلا تخفروا الله في جاره ومن صلى العصر فهو في جوار الله فلا تخفروا الله في جاره قال أبو محمد إذا أمن ولم يف فقد غدر وأخفر

 হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)  বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরায়রা (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১৪৬৪

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১৩৭. সালাতে পায়খানা-পেশাবের বেগ নিয়ে দাঁড়ানো নিষেধ

১৪৬৪. আব্দুল্লাহ ইবনু আরকাম রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু-আলাইহে ওয়া সাল্লাম বলেন: “সালাত শুরুর প্রাক্কালে তোমাদের কারো যদি পায়খানার বেগ হয়, তবে সে যেন প্রথমে পায়খানার প্রয়োজন সম্পন্ন করে।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: এর পূর্ণ তাখরীজ আমরা দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং২০৭১; মাওয়ারিদুয যামআন নং ১৯৪ ও মুসনাদুল হুমাউদী নং ৮৯৬ তে।

((আবু দাউদ ৮৮; তিরমিযী ১৪২; নাসাঈ ৮৫৩; ইবনু মাজাহ ৬১৬;বাইহাকী ৩/৭২; ইবনু ‍খুযাইমা ৯৩২; আহমাদ ৪/৩৫; হাকিম ১/১৬৮, তিনি একে সহীহ বলেছেন এবং যাহাবী তা সমর্থন করেছেন।– মুহাক্বিক্বের মাওয়ারিদুয যাম’আন নং ১৯৪ এর টীকা হতে। – অনুবাদক))

بَاب النَّهْيِ عَنْ دَفْعِ الْأَخْبَثَيْنِ فِي الصَّلَاةِ

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ كُنَاسَةَ عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ عَنْ أَبِيهِ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الْأَرْقَمِ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ إِذَا حَضَرَتْ الصَّلَاةُ وَأَرَادَ الرَّجُلُ الْخَلَاءَ فَابْدَأْ بِالْخَلَاءِ

حدثنا محمد بن كناسة عن هشام بن عروة عن أبيه عن عبد الله بن الأرقم عن النبي صلى الله عليه وسلم قال إذا حضرت الصلاة وأراد الرجل الخلاء فابدأ بالخلاء

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আব্দুল্লাহ ইবনু আরকাম (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১৪৬৫

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১৩৮. সালাতের মধ্যে কোমরে হাত রাখা নিষেধ

১৪৬৫. আবূ হুরায়রা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, কোনো লোককে কোমরে হাত রাখা অবস্থায় সালাত আদায় করতে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম নিষেধ করেছেন।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: বুখারী ১২২০; মুসলিম ৫৪৫; এর পূর্ণ তাখরীজ আমরা দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ৬০৪৩ ও সহীহ ইবনু হিব্বান নং ২২৮৫ তে।

ইবনু আবী শাইবা ২/৪৭-৪৮ এ এ হাদীসের তাখরীজের (বর্ণনার) পরে ইবনু সীরীন ‘ইখতিস্বর’ এর পরিচিতিতে বলেছেন: “তা হলো কারো উভয় কোমরে তার উভয় হাত রাখা, অথচ সে সালাতে রয়েছে।”

بَاب النَّهْيِ عَنْ الِاخْتِصَارِ فِي الصَّلَاةِ

حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ سَعِيدٍ حَدَّثَنَا أَبُو خَالِدٍ عَنْ هِشَامٍ عَنْ ابْنِ سِيرِينَ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ نَهَى رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنْ يُصَلِّيَ الرَّجُلُ مُخْتَصِرًا

حدثنا عبد الله بن سعيد حدثنا أبو خالد عن هشام عن ابن سيرين عن أبي هريرة قال نهى رسول الله صلى الله عليه وسلم أن يصلي الرجل مختصرا

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরায়রা (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১৪৬৬

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১৩৯. ঈশার সালাতের পূর্বে ঘুমানো এবং এর পরে কথা বলা নিষেধ

১৪৬৬. আবূ হুরায়রা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ঈশার সালাতের পূর্বে ঘুমানো এবং এর পরে কথা বলা অপছন্দ করতেন।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: বুখারী ৫৪১; এটি বিস্তারিত আকারে গত হয়েছে ১৩৩৮ নং এ; পূর্ণ তাখরীজের জন্য সেখানে দেখুন।

بَاب النَّهْيِ عَنْ النَّوْمِ قَبْلَ الْعِشَاءِ وَالْحَدِيثِ بَعْدَهَا

أَخْبَرَنَا حَفْصُ بْنُ عُمَرَ الْحَوْضِيُّ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ عَنْ سَيَّارٍ أَبِي الْمِنْهَالِ الرِّيَاحِيِّ عَنْ أَبِي بَرْزَةَ قَالَ كَانَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَكْرَهُ النَّوْمَ قَبْلَ الْعِشَاءِ وَالْحَدِيثَ بَعْدَهَا

أخبرنا حفص بن عمر الحوضي حدثنا شعبة عن سيار أبي المنهال الرياحي عن أبي برزة قال كان النبي صلى الله عليه وسلم يكره النوم قبل العشاء والحديث بعدها

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরায়রা (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১৪৬৭

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১৪০. মুশরিকদের জন্য মসজিদুল হারামে প্রবেশ নিষেধ

১৪৬৭. আবূ হুরায়রা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ’আলী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু –কে প্রেরণ করেন তখন আমি ’আলী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু এর সঙ্গে ছিলাম। আর (কুরবানীর দিন মিনায়) তিনি চারটি বিষয়ের ঘোষণা দিতে থাকেন, এমনকি তাঁর কণ্ঠস্বর ভেঙ্গে যায়- যে, তোমরা জেনে রাখো, মু’মিন ব্যতীত কেউ জান্নাতে প্রবেশ করবে না। আর এ বছরের পর থেকে আর কোন মুশরিক হজ্জ করতে পারবে না এবং কোন উলঙ্গ ব্যক্তিও (আল্লাহর) ঘরের তাওয়াফ করতে পারবে না। আর যার সাথে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের চুক্তি (বা অঙ্গীকার) রয়েছে, তার জন্য নির্ধারিত অবকাশ রয়েছে চার মাস পর্যন্ত। আর যখন চার মাস অতীত হয়ে যাবে, তখন আল্লাহ মুশরিকদের থেকে দায়মুক্ত হয়ে যাবেন এবং তাঁর রাসূলও।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ উত্তম।

তাখরীজ: বুখারী ৩৬৯; মুসলিম ১৩৪৭। এর পূর্ণ তাখরীজ আমরা দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ৭৬, ১০৪, ৪৫২ ও সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৩৮২০; মুসনাদুল হুমাইদী নং ৪৮ তে। এটি সামনে ২৫৪৮ নং এ আসছে।

بَاب النَّهْيِ عَنْ دُخُولِ الْمُشْرِكِ الْمَسْجِدَ الْحَرَامَ

أَخْبَرَنَا بِشْرُ بْنُ ثَابِتٍ الْبَزَّارُ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ عَنْ الْمُغِيرَةِ عَنْ الشَّعْبِيِّ عَنْ الْمُحَرَّرِ بْنِ أَبِي هُرَيْرَةَ عَنْ أَبِيهِ قَالَ كُنْتُ مَعَ عَلِيِّ بْنِ أَبِي طَالِبٍ لَمَّا بَعَثَهُ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَنَادَى بِأَرْبَعٍ حَتَّى صَهَلَ صَوْتُهُ أَلَا إِنَّهُ لَا يَدْخُلُ الْجَنَّةَ إِلَّا نَفْسٌ مُؤْمِنَةٌ وَلَا يَحُجَّنَّ بَعْدَ الْعَامِ مُشْرِكٌ وَلَا يَطُوفُ بِالْبَيْتِ عُرْيَانٌ وَمَنْ كَانَ بَيْنَهُ وَبَيْنَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَهْدٌ فَإِنَّ أَجَلَهُ إِلَى أَرْبَعَةِ أَشْهُرٍ فَإِذَا مَضَتْ الْأَرْبَعَةُ فَإِنَّ اللَّهَ بَرِيءٌ مِنْ الْمُشْرِكِينَ وَرَسُولُهُ

أخبرنا بشر بن ثابت البزار حدثنا شعبة عن المغيرة عن الشعبي عن المحرر بن أبي هريرة عن أبيه قال كنت مع علي بن أبي طالب لما بعثه رسول الله صلى الله عليه وسلم فنادى بأربع حتى صهل صوته ألا إنه لا يدخل الجنة إلا نفس مؤمنة ولا يحجن بعد العام مشرك ولا يطوف بالبيت عريان ومن كان بينه وبين رسول الله صلى الله عليه وسلم عهد فإن أجله إلى أربعة أشهر فإذا مضت الأربعة فإن الله بريء من المشركين ورسوله

 হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)  বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরায়রা (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১৪৬৮

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১৪১. শিশুদেরকে কখন সালাতের আদেশ দেয়া হবে

১৪৬৮. সাবরাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: “রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “সাত বৎসর বয়স হলে শিশুদের সালাত শিক্ষা দিবে আর দশ বৎসর হলে এর জন্য (প্রয়োজনবোধে) প্রহার করবে।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ হাসান।

তাখরীজ: তিরমিযী ৪০৭; তাবারাণী, আল কাবীর ৭/১১৫ নং ৬৫৪৬, ৬৫৪৭,৬৫৪৮, ৬৫৪৯; তাহাবী , শারহু মুশকিলিল আছার ৩/২৩১; ইবনু খুযাইমা, আস সহীহ নং ১০০২; হাকিম ১/২৫৮; বাইহাকী ৩/৮৩-৮৪; মা’রিফাতুস ‍ুসুনান ওয়াল আছার নং ৫৭২২; ইবনু আবী শাইবা ১/৩৪৭; আহমাদ ৩/৪০৪; আবু দাউদ ৪৯৪; দারুকুতনী ১/২৩০।

তিরমিযী বলেন: এ হাদীসটি হাসান সহীহ।

হাকিম বলেন: এ হাদীসটি সহীহ মুসলিমের শর্তানুযায়ী সহীহ যদিও তারা এটি বর্ণনা করেননি।’ যাহাবী তার এ মত সমর্থন করেছেন।

بَاب مَتَى يُؤْمَرُ الصَّبِيُّ بِالصَّلَاةِ

أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ الزُّبَيْرِ الْحُمَيْدِيُّ حَدَّثَنَا حَرْمَلَةُ بْنُ عَبْدِ الْعَزِيزِ بْنِ الرَّبِيعِ بْنِ سَبْرَةَ بْنِ مَعْبَدٍ الْجُهَنِيُّ حَدَّثَنِي عَمِّي عَبْدُ الْمَلِكِ بْنُ الرَّبِيعِ بْنِ سَبْرَةَ عَنْ أَبِيهِ عَنْ جَدِّهِ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَلِّمُوا الصَّبِيَّ الصَّلَاةَ ابْنَ سَبْعِ سِنِينَ وَاضْرِبُوهُ عَلَيْهَا ابْنَ عَشْرٍ

أخبرنا عبد الله بن الزبير الحميدي حدثنا حرملة بن عبد العزيز بن الربيع بن سبرة بن معبد الجهني حدثني عمي عبد الملك بن الربيع بن سبرة عن أبيه عن جده قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم علموا الصبي الصلاة ابن سبع سنين واضربوه عليها ابن عشر

 হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)  বর্ণনাকারীঃ সাবরাহ বিন মা’বাদ আল জুহনী (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১৪৬৯

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১৪২. যে সকল সময়ে সালাত আদায় করা মাকরুহ (নিষেধ)

১৪৬৯. উকবা ইবনু আমির আল- জুহানী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তিনি বলেন, তিন সময় রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাদেরকে সালাত আদায় করতে এবং মৃতদের কবরস্থ করতে নিষেধ করতেন: সূর্য যখন উদিত হয়, তা পূর্ণভাবে উদিত না হওয়া পর্যন্ত; ও যখন ঠিক দ্বিপ্রহর হয়, এরপর সূর্য পশ্চিম দিকে না হেলে পড়া পর্যন্ত এবং যখন সূর্য অস্তমিত হওয়ার দিকে ঝুঁকে যায়, তখন (থেকে পূর্ণভাবে) অস্তমিত না হওয়া পর্যন্ত।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: মুসলিম, ৮৩১; আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী ১৭৫৫; সহীহ ইবনু হিব্বান নং ১৫৪৬, ১৫৫১ তে।

بَاب أَيُّ سَاعَةٍ تُكْرَهُ فِيهَا الصَّلَاةُ

أَخْبَرَنَا وَهْبُ بْنُ جَرِيرٍ حَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ عَلِيٍّ قَالَ سَمِعْتُ أَبِي قَالَ سَمِعْتُ عُقْبَةَ بْنَ عَامِرٍ قَالَ ثَلَاثُ سَاعَاتٍ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَنْهَانَا أَنْ نُصَلِّيَ فِيهِنَّ أَوْ أَنْ نَقْبُرَ فِيهِنَّ مَوْتَانَا حِينَ تَطْلُعُ الشَّمْسُ بَازِغَةً حَتَّى تَرْتَفِعَ وَحِينَ يَقُومُ قَائِمُ الظَّهِيرَةِ حَتَّى تَمِيلَ الشَّمْسُ وَحِينَ تَضَيَّفُ الشَّمْسُ لِلْغُرُوبِ حَتَّى تَغْرُبَ

أخبرنا وهب بن جرير حدثنا موسى بن علي قال سمعت أبي قال سمعت عقبة بن عامر قال ثلاث ساعات كان رسول الله صلى الله عليه وسلم ينهانا أن نصلي فيهن أو أن نقبر فيهن موتانا حين تطلع الشمس بازغة حتى ترتفع وحين يقوم قائم الظهيرة حتى تميل الشمس وحين تضيف الشمس للغروب حتى تغرب

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ উকবাহ ইবনু আমির (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১৪৭০

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১৪২. যে সকল সময়ে সালাত আদায় করা মাকরুহ (নিষেধ)

১৪৭০. ইবনু ’আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, কয়েকজন সন্তোষভাজন ব্যক্তি – ’উমারও যাদের অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন এবং তাদের মধ্যে ’উমার-ই আমার নিকট অধিক সন্তোষভাজন ব্যক্তি- তারা আমাকে বলেছেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ’আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: “ফজরের সালাতের পর (থেকে) সূর্য (পূর্ণরূপে) উদিত হওয়া পর্যন্ত কোন সালাত নাই এবং আসরের সালাতের পর (থেকে) সূর্যাস্ত পর্যন্ত কোন সালাত নাই।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: ইবনু মাজাহ ১২৫০; বুখারী ৫৮১; মুসলিম ৮২৬ (২৮৭); তিরমিযী ১৮৩; নাসাঈ ৫৬৩; আহমাদ ১/১৮; আবু দাউদ ১২৭৬।

ইমাম তিরমিযী সাহাবীগণ হতে এরূপ আরও হাদীস উল্লেখ করার পর বলেন: উমার রা: হতে ইবনু আব্বাসের হাদীসটি হাসান সহীহ। আর এটি নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের বহু সাহাবী ও তাবেঈদের মধ্যকার অধিকাংশ ফকীহ গণ ও তাদের পরবর্তী অনেকের মত।”

بَاب أَيُّ سَاعَةٍ تُكْرَهُ فِيهَا الصَّلَاةُ

أَخْبَرَنَا عَفَّانُ حَدَّثَنَا هَمَّامٌ عَنْ قَتَادَةَ عَنْ أَبِي الْعَالِيَةِ عَنْ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ حَدَّثَنِي رِجَالٌ مَرْضِيُّونَ فِيهِمْ عُمَرُ بْنُ الْخَطَّابِ وَأَرْضَاهُمْ عِنْدِي عُمَرُ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ لَا صَلَاةَ بَعْدَ صَلَاةِ الصُّبْحِ حَتَّى تَطْلُعَ الشَّمْسُ وَلَا صَلَاةَ بَعْدَ صَلَاةِ الْعَصْرِ حَتَّى تَغْرُبَ الشَّمْسُ

أخبرنا عفان حدثنا همام عن قتادة عن أبي العالية عن ابن عباس قال حدثني رجال مرضيون فيهم عمر بن الخطاب وأرضاهم عندي عمر أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال لا صلاة بعد صلاة الصبح حتى تطلع الشمس ولا صلاة بعد صلاة العصر حتى تغرب الشمس

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আবদুল্লাহ ইবনু আব্বাস (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১৪৭১

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১৪৩. আসরের পরের দু’রাকাত সালাত আদায় সম্পর্কে

১৪৭১. আয়িশা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সম্পর্কে সাক্ষ্য দিয়েছেন যে, একদিনের জন্যও এমন হয়নি যে, তিনি তার নিকট অবস্থান করা কালীন এ দু’রাকা’আত সালাত আদায় করেননি।[1] আবু মুহাম্মদ বলেন, অর্থা? আসরের পরবর্তী দু’রাকাত।

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: বুখারী ৫৯০; মুসলিম ৮৩৫; আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ৪৪৮৯ আমাদের হাদীসের এ অংশের জন্য, এবং সহীহ ইবনু হিব্বান নং ১৫৭০, ১৫৭১, ১৫৭২, ১৫৭৩ এবং মুসনাদুল হুমাইদী নং ১৯৪ তে।

بَاب فِي الرَّكْعَتَيْنِ بَعْدَ الظُّهْرِ

أَخْبَرَنَا سَعِيدُ بْنُ الرَّبِيعِ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ عَنْ أَبِي إِسْحَقَ قَالَ سَمِعْتُ الْأَسْوَدَ بْنَ يَزِيدَ وَمَسْرُوقًا يَشْهَدَانِ عَلَى عَائِشَةَ أَنَّهَا شَهِدَتْ عَلَى رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنَّهُ لَمْ يَكُنْ عِنْدَهَا يَوْمًا إِلَّا صَلَّى هَاتَيْنِ الرَّكْعَتَيْنِ قَالَ أَبُو مُحَمَّد تَعْنِي بَعْدَ الْعَصْرِ

أخبرنا سعيد بن الربيع حدثنا شعبة عن أبي إسحق قال سمعت الأسود بن يزيد ومسروقا يشهدان على عائشة أنها شهدت على رسول الله صلى الله عليه وسلم أنه لم يكن عندها يوما إلا صلى هاتين الركعتين قال أبو محمد تعني بعد العصر

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আয়িশা বিনত আবূ বাকর সিদ্দীক (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১৪৭২

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১৪৩. আসরের পরের দু’রাকাত সালাত আদায় সম্পর্কে

১৪৭২. আয়িশা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আসরের পরবর্তী দু’রাকাআত কখনও ছাড়েননি।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ। এটি বুখারী মুসলিমের সম্মিলিত বর্ণনা।

তাখরীজ: এটি পূর্বের হাদীসটির পুনরাবৃত্তি; আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ১৫৭৩ তে।

بَاب فِي الرَّكْعَتَيْنِ بَعْدَ الظُّهْرِ

أَخْبَرَنَا فَرْوَةُ بْنُ أَبِي الْمَغْرَاءِ حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ مُسْهِرٍ عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ عَنْ أَبِيهِ عَنْ عَائِشَةَ قَالَتْ مَا تَرَكَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ رَكْعَتَيْنِ بَعْدَ الْعَصْرِ قَطُّ

أخبرنا فروة بن أبي المغراء حدثنا علي بن مسهر عن هشام بن عروة عن أبيه عن عائشة قالت ما ترك رسول الله صلى الله عليه وسلم ركعتين بعد العصر قط

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আয়িশা বিনত আবূ বাকর সিদ্দীক (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১৪৭৩

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১৪৩. আসরের পরের দু’রাকাত সালাত আদায় সম্পর্কে

১৪৭৩. ইবন আব্বাসের (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু) আযাদকৃত গোলাম কুরায়ব (রহঃ) হতে বর্ণিত, আব্দুল্লাহ ইবন আব্বাস, আব্দুর রহমান ইবন আযহার এবং মিসওয়ার ইবন মাখরামা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু সকলে মিলে তাকে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর সহধর্মিনী আয়িশা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা এর নিকট প্রেরণ করলেন এবং বলে দিলেন, তাঁকে আমাদের সবার পক্ষ থেকে সালাম জানাবে এবং তাঁকে আসরের পরের দু- রাকআত সালাত সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করবে। এবং এ কথাও বলবে যে, আমরা জানতে পেরেছি যে, আপনিও সেই দু রাকআত সালাত আদায় করে থাকেন, অথচ আমাদের নিকট (হাদীস) পৌঁছেছে যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এ দু’রাকাত আদায় করতে নিষেধ করেছেন ।

ইবন আব্বাসরাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, আমিও উমর ইবনুল খাত্তাব রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু এর সঙ্গে এ দুই রাকা’আত (সালাত আদায় করা)-এর কারণে লোকদেরকে প্রহার করতাম।

কুরাইব বলেন, আমি তাঁর নিকট গেলাম এবং তাঁরা যে সকল বক্তব্যসহ আমাকে প্রেরণ করেছিলেন তা সব পৌঁছে দিলাম । তিনি (আয়িশা রাঃ) বললেন, উম্মু সালামাকে (রাঃ) জিজ্ঞাসা কর।’ ফলে আমি সেখান থেকে বেরিয়ে যারা আমাকে পাঠিয়েছেন, তাঁদের কাছে এলাম এবং তাঁদেরকে আয়িশা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা যা বলেছিলেন তা অবহিত করলাম। তারা আমাকে পূনরায় উম্মু সালামা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা এর নিকট প্রেরণ করলেন, যা দিয়ে আমাকে আয়িশা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা এর নিকট পাঠিয়েছিলেন। তখন (আমার বক্তব্য শুনে ) উম্মু সালামা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা বললেন, আমিও রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে এ দু’রাকাত আদায় করা হতে নিষেধ করতে শুনেছিলাম, পরে তাঁকেই এ দু’ রাকা’আত সালাত আদায় করতে দেখলাম । আর তাঁর এ দু-রাকআত সালাত আদায়ের ব্যাপারটি হলো, তিনি একদা আসরের সালাত আদায় করলেন অতঃপর (আমার নিকট) প্রবেশ করলেন। তখন আনসারগনের বনী হারাম গোত্রের কতিপয় মহিলা আমার নিকট বসেছিলেন। এরপর তিনি দু’রাকআত সালাত আদায় করলেন। আমি একটি দাসীকে তাঁর নিকট পাঠালাম এবং বলে দিলাম, তুমি তাঁর পাশে দাঁড়াবে এবং তাঁকে বলবে, উম্মে সালামা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা বলেছেন,’ ইয়া রাসুলুল্লাহ! আমি কি আপনাকে এ দু’রাকা’আত হতে নিষেধ করতে শুনিনি? অথচ এখন আপনাকেই সে দু-রাকআত আদায় করতে দেখছি!’ তখন তিনি যদি হাত দ্বারা ইশারা করেন তাহলে পিছনে সরে দাঁড়াবে।

তিনি (উম্মে সালামা) বলেন, দাসীটি তাই করল। ফলে তিনি হাত দ্বারা ইশারা করলেন। আর সে (দাসীটি) পিছনে সরে দাঁড়াল । সালাত শেষ করে তিনি বললেন, হে আবু উমাইয়ার কন্যা! তুমি কি আমাকে আসরের পরের দু- রাকআত সালাত সস্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছ? (এর ব্যাপারটি হলো) আমার নিকট আবদুল কায়স গোত্রের কতিপয় লোক তাদের গোত্রের পক্ষ হতে ইসলাম গ্রহণ করতে এসেছিল। ফলে তারা আমাকে যুহরের পরের দু’রাকা’আতসালাত হতে ব্যস্ত (বিরত) রেখেছিল। আর এ হলো সেই দু-রাকআত।”[1] আবু মুহাম্মদকে এ হাদীস সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলো, তখন তিনি বললেন, আমি মত পোষণ করি সেই হাদীস অনুযায়ী, যা উমার কর্তৃক নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে বর্ণিত যে,“ফজরের সালাতের পর (থেকে) সূর্য (পূর্ণরূপে) উদিত হওয়া পর্যন্ত কোন সালাত নাই এবং আসরের সালাতের পর (থেকে) সূর্যাস্ত পর্যন্ত কোন সালাত নাই।”

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: বুখারী ১২৩৩; মুসলিম ৮৩৪; আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ৬৯৪৬ ও সহীহ ইবনু হিব্বান নং ১৫৭৬, ১৫৭৪ তে।

بَاب فِي الرَّكْعَتَيْنِ بَعْدَ الظُّهْرِ

أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ عِيسَى حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ وَهْبٍ أَخْبَرَنِي عَمْرُو بْنُ الْحَارِثِ عَنْ بُكَيْرِ بْنِ الْأَشَجِّ عَنْ كُرَيْبٍ مَوْلَى ابْنِ عَبَّاسٍ أَنَّ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عَبَّاسٍ وَعَبْدَ الرَّحْمَنِ بْنَ أَزْهَرَ وَالْمِسْوَرَ بْنَ مَخْرَمَةَ أَرْسَلُوهُ إِلَى عَائِشَةَ زَوْجِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالُوا اقْرَأْ عَلَيْهَا السَّلَامَ مِنَّا جَمِيعًا وَسَلْهَا عَنْ الرَّكْعَتَيْنِ بَعْدَ الْعَصْرِ وَقُلْ إِنَّا أُخْبِرْنَا أَنَّكِ تُصَلِّينَهُمَا وَقَدْ بَلَغَنَا أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ نَهَى عَنْهُمَا قَالَ ابْنُ عَبَّاسٍ وَكُنْتُ أَضْرِبُ مَعَ عُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ النَّاسَ عَلَيْهِمَا قَالَ كُرَيْبٌ فَدَخَلْتُ عَلَيْهَا وَبَلَّغْتُهَا مَا أَرْسَلُونِي بِهِ فَقَالَتْ سَلْ أُمَّ سَلَمَةَ فَخَرَجْتُ إِلَيْهِمْ فَأَخْبَرْتُهُمْ بِقَوْلِهَا فَرَدُّونِي إِلَى أُمِّ سَلَمَةَ بِمِثْلِ مَا أَرْسَلُونِي إِلَى عَائِشَةَ فَقَالَتْ أُمُّ سَلَمَةَ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَنْهَى عَنْهُمَا ثُمَّ رَأَيْتُهُ يُصَلِّيهِمَا أَمَّا حِينَ صَلَّاهُمَا فَإِنَّهُ صَلَّى الْعَصْرَ ثُمَّ دَخَلَ وَعِنْدِي نِسْوَةٌ مِنْ بَنِي حَرَامٍ مِنْ الْأَنْصَارِ فَصَلَّاهُمَا فَأَرْسَلْتُ إِلَيْهِ الْجَارِيَةَ فَقُلْتُ قُومِي بِجَنْبِهِ فَقُولِي أُمُّ سَلَمَةَ تَقُولُ يَا رَسُولَ اللَّهِ أَلَمْ أَسْمَعْكَ تَنْهَى عَنْ هَاتَيْنِ الرَّكْعَتَيْنِ وَأَرَاكَ تُصَلِّيهِمَا فَإِنْ أَشَارَ بِيَدِهِ فَاسْتَأْخِرِي عَنْهُ قَالَتْ فَفَعَلَتْ الْجَارِيَةُ فَأَشَارَ بِيَدِهِ فَاسْتَأْخَرَتْ عَنْهُ فَلَمَّا انْصَرَفَ قَالَ يَا ابْنَةَ أَبِي أُمَيَّةَ سَأَلْتِ عَنْ الرَّكْعَتَيْنِ بَعْدَ الْعَصْرِ إِنَّهُ أَتَانِي نَاسٌ مِنْ عَبْدِ الْقَيْسِ بِالْإِسْلَامِ مِنْ قَوْمِهِمْ فَشَغَلُونِي عَنْ الرَّكْعَتَيْنِ اللَّتَيْنِ بَعْدَ الظُّهْرِ فَهُمَا هَاتَانِ سُئِلَ أَبُو مُحَمَّد عَنْ هَذَا الْحَدِيثِ فَقَالَ أَنَا أَقُولُ بِحَدِيثِ عُمَرَ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَا صَلَاةَ بَعْدَ الْعَصْرِ حَتَّى تَغْرُبَ الشَّمْسُ وَلَا بَعْدَ الْفَجْرِ حَتَّى تَطْلُعَ الشَّمْسُ

أخبرنا أحمد بن عيسى حدثنا عبد الله بن وهب أخبرني عمرو بن الحارث عن بكير بن الأشج عن كريب مولى ابن عباس أن عبد الله بن عباس وعبد الرحمن بن أزهر والمسور بن مخرمة أرسلوه إلى عائشة زوج النبي صلى الله عليه وسلم فقالوا اقرأ عليها السلام منا جميعا وسلها عن الركعتين بعد العصر وقل إنا أخبرنا أنك تصلينهما وقد بلغنا أن النبي صلى الله عليه وسلم نهى عنهما قال ابن عباس وكنت أضرب مع عمر بن الخطاب الناس عليهما قال كريب فدخلت عليها وبلغتها ما أرسلوني به فقالت سل أم سلمة فخرجت إليهم فأخبرتهم بقولها فردوني إلى أم سلمة بمثل ما أرسلوني إلى عائشة فقالت أم سلمة سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم ينهى عنهما ثم رأيته يصليهما أما حين صلاهما فإنه صلى العصر ثم دخل وعندي نسوة من بني حرام من الأنصار فصلاهما فأرسلت إليه الجارية فقلت قومي بجنبه فقولي أم سلمة تقول يا رسول الله ألم أسمعك تنهى عن هاتين الركعتين وأراك تصليهما فإن أشار بيده فاستأخري عنه قالت ففعلت الجارية فأشار بيده فاستأخرت عنه فلما انصرف قال يا ابنة أبي أمية سألت عن الركعتين بعد العصر إنه أتاني ناس من عبد القيس بالإسلام من قومهم فشغلوني عن الركعتين اللتين بعد الظهر فهما هاتان سئل أبو محمد عن هذا الحديث فقال أنا أقول بحديث عمر عن النبي صلى الله عليه وسلم لا صلاة بعد العصر حتى تغرب الشمس ولا بعد الفجر حتى تطلع الشمس

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ কুরায়ব (রহ.)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১৪৭৪

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১৪৪. সুন্নাত ছালাত সম্পর্কে

১৪৭৪. ইবনু উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা হতে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যুহরের আগে দু’রাকা’আত ও যুহরের পরে দু’রাকা’আত, মাগরিবের পরে তাঁর ঘরে (গিয়ে) দু’রাকাআত, ঈশার পরে দু’রাকা’আত এবং জুমু’আর সালাতের পরে ঘরে গিয়ে দু’ রাকা’আত সালাত আদায় করতেন।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: বুখারী ৯৩৭; মুসলিম ৮৮২।

আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ৫৪৩৫, ৫৭৭৬; সহীহ ইবনু হিব্বান নং ২৪৫৪, ২৪৬২, ২৪৭৩ ও মুসনাদুল হুমাইদী নং ৬৯০

بَاب فِي صَلَاةِ السُّنَّةِ

أَخْبَرَنَا أَبُو عَاصِمٍ عَنْ مَالِكٍ عَنْ نَافِعٍ عَنْ ابْنِ عُمَرَ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَ يُصَلِّي قَبْلَ الظُّهْرِ رَكْعَتَيْنِ وَبَعْدَ الظُّهْرِ رَكْعَتَيْنِ وَبَعْدَ الْمَغْرِبِ رَكْعَتَيْنِ فِي بَيْتِهِ وَبَعْدَ الْعِشَاءِ رَكْعَتَيْنِ وَبَعْدَ الْجُمُعَةِ رَكْعَتَيْنِ فِي بَيْتِهِ

أخبرنا أبو عاصم عن مالك عن نافع عن ابن عمر أن النبي صلى الله عليه وسلم كان يصلي قبل الظهر ركعتين وبعد الظهر ركعتين وبعد المغرب ركعتين في بيته وبعد العشاء ركعتين وبعد الجمعة ركعتين في بيته

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১৪৭৫

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১৪৪. সুন্নাত ছালাত সম্পর্কে

১৪৭৫. নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সহধর্মিনী উম্মু হাবীবাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা হতে বর্ণিত, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বলতে শুনেছেন, “প্রত্যেক মুসলিম বান্দা যে প্রতিদিন ফরয ছাড়াও ঐচ্ছিকভাবে (আরও) বারো রাকা’আত সালাত আদায় করবে, জান্নাতে তার জন্য একটি বাড়ি থাকবে- অথবা জান্নাতে তার জন্য একটি বাড়ি বানানো হবে।”[1] উম্মু হাবীবাহ বলেন, এরপর আর কখনো (এ বারো রাকা’আত) সালাত আদায় করা আমি ছাড়িনি। আর আমরও অনুরূপ কথা বলেছেন। আবার নু’মানও অনুরূপ কথা বলেছেন।

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: মুসলিম ৭২৮।

আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ৭১২৪, ৭১৩৫, ৭১৩৮, ৭১৩৯; সহীহ ইবনু হিব্বান নং ২৪৫১, ২৪৫২ তে।

بَاب فِي صَلَاةِ السُّنَّةِ

حَدَّثَنَا هَاشِمُ بْنُ الْقَاسِمِ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ عَنْ النُّعْمَانِ بْنِ سَالِمٍ قَالَ سَمِعْتُ عَمْرَو بْنَ أَوْسٍ الثَّقَفِيَّ يُحَدِّثُ عَنْ عَنْبَسَةَ بْنِ أَبِي سُفْيَانَ عَنْ أُمِّ حَبِيبَةَ زَوْجِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنَّهَا سَمِعَتْ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ مَا مِنْ عَبْدٍ مُسْلِمٍ يُصَلِّي كُلَّ يَوْمٍ ثِنْتَيْ عَشْرَةَ رَكْعَةً تَطَوُّعًا غَيْرَ الْفَرِيضَةِ إِلَّا لَهُ بَيْتٌ فِي الْجَنَّةِ أَوْ بُنِيَ لَهُ بَيْتٌ فِي الْجَنَّةِ قَالَتْ أُمُّ حَبِيبَةَ مَا بَرِحْتُ أُصَلِّيهِنَّ بَعْدُ وَقَالَ عَمْرٌو مِثْلَهُ وَقَالَ النُّعْمَانُ مِثْلَهُ

حدثنا هاشم بن القاسم حدثنا شعبة عن النعمان بن سالم قال سمعت عمرو بن أوس الثقفي يحدث عن عنبسة بن أبي سفيان عن أم حبيبة زوج النبي صلى الله عليه وسلم أنها سمعت النبي صلى الله عليه وسلم يقول ما من عبد مسلم يصلي كل يوم ثنتي عشرة ركعة تطوعا غير الفريضة إلا له بيت في الجنة أو بني له بيت في الجنة قالت أم حبيبة ما برحت أصليهن بعد وقال عمرو مثله وقال النعمان مثله

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ উম্মু হাবীবা (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১৪৭৬

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১৪৪. সুন্নাত ছালাত সম্পর্কে

১৪৭৬. আয়িশা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যুহরের আগের চার রাকা’আত ও ফজরের পূর্বের দু’ রাকা’আত সালাত কখনো ছাড়তেন না।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ্

তাখরীজ; আহমাদ ৬/৬৩, ১৪৮; তায়ালিসী ১/১১৩ নং ৫২২; তার সূত্রে বাইহাকী ৩/৪৭২; বুখারী ১১৮২; বুখারী সূত্রে বাগাবী, শারহুস সুন্নাহ নং ৮৭১; আবু দাউদ ১২৫৩; আবু নুয়াইম, হিলইয়াতুল আউলিয়া ১০/২৯ তে।

بَاب فِي صَلَاةِ السُّنَّةِ

أَخْبَرَنَا عُثْمَانُ بْنُ عُمَرَ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ عَنْ إِبْرَاهِيمَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ الْمُنْتَشِرِ عَنْ أَبِيهِ عَنْ عَائِشَةَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهَا قَالَتْ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَا يَدَعُ أَرْبَعًا قَبْلَ الظُّهْرِ وَرَكْعَتَيْنِ قَبْلَ الْفَجْرِ

أخبرنا عثمان بن عمر حدثنا شعبة عن إبراهيم بن محمد بن المنتشر عن أبيه عن عائشة رضي الله عنها قالت كان رسول الله صلى الله عليه وسلم لا يدع أربعا قبل الظهر وركعتين قبل الفجر

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আয়িশা বিনত আবূ বাকর সিদ্দীক (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১৪৭৭

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১৪৫. মাগরিবের পূর্বে দু’রাকা’আত সালাত আদায় করা

১৪৭৭. আব্দুল্লাহ ইবনু মুগাফফাল রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “প্রত্যেক দু’ আযানের (আযান ও ইকামাতের) মধ্যবর্তী সময়ে সালাত রয়েছে, প্রত্যেক দু’ আযানের মধ্যবর্তী সময়ে সালাত রয়েছে, প্রত্যেক দু’ আযানের মধ্যবর্তী সময়ে সালাত রয়েছে সেই ব্যক্তির জন্য যে ইচ্ছা করে।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর বর্ণনাকারীগণ সকলেই বিশ্বস্ত। হাদীসটি বুখারী ও মুসলিম একই সূত্রে বর্ণনা করেছেন।

তাখরীজ: বুখারী ৬২৪; মুসলিম ৮৩৮; আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ১৫৫৯, ১৫৬০, ১৫৬১ তে।

بَاب الرَّكْعَتَيْنِ قَبْلَ الْمَغْرِبِ

أَخْبَرَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ أَخْبَرَنَا الْجُرَيْرِيُّ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ بُرَيْدَةَ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مُغَفَّلٍ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بَيْنَ كُلِّ أَذَانَيْنِ صَلَاةٌ بَيْنَ كُلِّ أَذَانَيْنِ صَلَاةٌ بَيْنَ كُلِّ أَذَانَيْنِ صَلَاةٌ لِمَنْ شَاءَ

أخبرنا يزيد بن هارون أخبرنا الجريري عن عبد الله بن بريدة عن عبد الله بن مغفل قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم بين كل أذانين صلاة بين كل أذانين صلاة بين كل أذانين صلاة لمن شاء

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আবদুল্লাহ ইবনু মুগাফফাল (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১৪৭৮

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১৪৫. মাগরিবের পূর্বে দু’রাকা’আত সালাত আদায় করা

১৪৭৮. আনাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সময়ে মুয়াযিযন যখন মাগরিবের আযান দিতো, তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের শ্রেষ্ঠ সাহাবীগনের একটি দল দ্রুত স্তম্ভের নিকট যেতেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বেরিয়ে না আসা পর্যন্ত তারা এরূপ (করতেন)। তিনি বলেন: আর তিনি (আসতে) খুব সামান্য সময়ই দেরি করতেন।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: বুখারী ৫০৩, ৬২৫; মুসলিম ৮২৭। আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ১৫৮৯, ২৪৮৯ তে।

بَاب الرَّكْعَتَيْنِ قَبْلَ الْمَغْرِبِ

أَخْبَرَنَا سَعِيدُ بْنُ الرَّبِيعِ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ عَنْ عَمْرِو بْنِ عَامِرٍ قَالَ سَمِعْتُ أَنَسًا قَالَ كَانَ الْمُؤَذِّنُ يُؤَذِّنُ لِصَلَاةِ الْمَغْرِبِ عَلَى عَهْدِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَيَقُومُ لُبَابُ أَصْحَابِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَيَبْتَدِرُونَ السَّوَارِيَ حَتَّى يَخْرُجَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَهُمْ كَذَلِكَ قَالَ وَقَلَّ مَا كَانَ يَلْبَثُ

أخبرنا سعيد بن الربيع حدثنا شعبة عن عمرو بن عامر قال سمعت أنسا قال كان المؤذن يؤذن لصلاة المغرب على عهد رسول الله صلى الله عليه وسلم فيقوم لباب أصحاب رسول الله صلى الله عليه وسلم فيبتدرون السواري حتى يخرج رسول الله صلى الله عليه وسلم وهم كذلك قال وقل ما كان يلبث

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আনাস ইবনু মালিক (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১৪৭৯

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১৪৬. ফজরের দু’রাকা’আত (সুন্নাত) এর ক্বিরাআত

১৪৭৯. আয়িশা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এ দু’ রাতা’আতে চুপে চুপে ক্বিরাআত পড়তেন। আর তিনি (দু’টি সূরা) উল্লেখ করলেন, “কু্ল ইয়া আইয়্যূহাল কাফিরূন।” (সূরা আল কাফিরূন: ১) এবং [“কূল হুওয়াল্লাহু আহাদ।”[1] সূরা আল ইখলাস:১)(বর্ণনাকারী) সাঈদ বলেন, অর্থা? ফজরের দু’রাকা’আত (সুন্নাত) সালাতে।

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: তাহাবী, শারহু মাআনিল আছার ১/২৯৭; আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ২৪৬১ তে।

بَاب الْقِرَاءَةِ فِي رَكْعَتَيْ الْفَجْرِ

أَخْبَرَنَا سَعِيدُ بْنُ عَامِرٍ عَنْ هِشَامٍ عَنْ مُحَمَّدٍ عَنْ عَائِشَةَ قَالَتْ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يُخْفِي مَا يَقْرَأُ فِيهِمَا وَذَكَرَتْ قُلْ يَا أَيُّهَا الْكَافِرُونَ وَقُلْ هُوَ اللَّهُ أَحَدٌ قَالَ سَعِيدٌ فِي رَكْعَتَيْ الْفَجْرِ

أخبرنا سعيد بن عامر عن هشام عن محمد عن عائشة قالت كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يخفي ما يقرأ فيهما وذكرت قل يا أيها الكافرون وقل هو الله أحد قال سعيد في ركعتي الفجر

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আয়িশা বিনত আবূ বাকর সিদ্দীক (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১৪৮০

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১৪৬. ফজরের দু’রাকা’আত (সুন্নাত) এর ক্বিরাআত

১৪৮০. ইবনু উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা হাফসাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা বর্ণনা করেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ফজর উদিত (সময়) হওয়ার পরে শুধু সংক্ষেপে দু’ রাকা’আত সালাত আদায় করতেন। সেই সময়টিতে আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নিকট প্রবেশ করতাম না।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: বুখারী ৬১৮; মুসলিম ৭২৩; আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ৭০৩২, ৭০৩৬, ৭০৫৩; সহীহ ইবনু হিব্বান নং ২৪৫৪, ২৪৬২ ও মুসনাদুল হুমাইদী নং ২৯০ তে। এছাড়া পরবর্তী টীকাটিও দেখুন।

بَاب الْقِرَاءَةِ فِي رَكْعَتَيْ الْفَجْرِ

حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ حَدَّثَنَا يَحْيَى عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ حَدَّثَنِي نَافِعٌ عَنْ ابْنِ عُمَرَ حَدَّثَتْنِي حَفْصَةُ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَ يُصَلِّي سَجْدَتَيْنِ خَفِيفَتَيْنِ بَعْدَ مَا يَطْلُعُ الْفَجْرُ وَكَانَتْ سَاعَةً لَا أَدْخُلُ فِيهَا عَلَى النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ

حدثنا مسدد حدثنا يحيى عن عبيد الله حدثني نافع عن ابن عمر حدثتني حفصة أن النبي صلى الله عليه وسلم كان يصلي سجدتين خفيفتين بعد ما يطلع الفجر وكانت ساعة لا أدخل فيها على النبي صلى الله عليه وسلم

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১৪৮১

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১৪৬. ফজরের দু’রাকা’আত (সুন্নাত) এর ক্বিরাআত

১৪৮১. হাফসা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, মুআয্‌যিন যখন ভোরের আযান (শেষে) থেমে যেতো এবং সুবহে সাদিক (ভোর) শুরু হতো, তখন সালাত (-এর জামা’আত) দাঁড়ানোর আগে রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সংক্ষেপে দু’রাকাআত সালাত আদায় করে নিতেন।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ শক্তিশালী।

তাখরীজ: মালিক, মু’আত্তা, কিতাবুস সালাতুল লাইল ২৯; বুখারী ৬১৮; মুসলিম ৭২৩।

পূর্ণ তাখরীজের জন্য আগের টীকাটি দেখুন।

আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ৫৪৩৫ তে।

আমি বলি জামা’আতের পূর্বে সুন্নাতের ব্যাপারে অনেকগুলি হাদীস বর্ণিত হয়েছে: এর মধ্যে রয়েছে, আবী হুরাইরা, আলী, ইবনু আব্বাস, ইবনু মাসউদ, সাফিয়্যাহ- এঁদের থেকে বর্ণিত সকল হাদীস যয়ীফ যা শারঈ হুকুমের দলীল হওয়ার উপযুক্ত নয়।

بَاب الْقِرَاءَةِ فِي رَكْعَتَيْ الْفَجْرِ

حَدَّثَنَا خَالِدُ بْنُ مَخْلَدٍ حَدَّثَنَا مَالِكٌ عَنْ نَافِعٍ عَنْ ابْنِ عُمَرَ عَنْ حَفْصَةَ زَوْجِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَتْ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِذَا سَكَتَ الْمُؤَذِّنُ مِنْ أَذَانِ الصُّبْحِ وَبَدَا الصُّبْحُ صَلَّى رَكْعَتَيْنِ خَفِيفَتَيْنِ قَبْلَ أَنْ تُقَامَ الصَّلَاةُ

حدثنا خالد بن مخلد حدثنا مالك عن نافع عن ابن عمر عن حفصة زوج النبي صلى الله عليه وسلم قالت كان رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا سكت المؤذن من أذان الصبح وبدا الصبح صلى ركعتين خفيفتين قبل أن تقام الصلاة

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ হাফসাহ (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১৪৮২

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১৪৬. ফজরের দু’রাকা’আত (সুন্নাত) এর ক্বিরাআত

১৪৮২. সালিমের পিতা ইবনু উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম জুমু’আর পরে দু’ রাকা’আত সালাত আদায় করতেন।[1] হাফসা তার নিকট বর্ণনা করেছেন যে, সুবহে সাদিক (ভোর) স্পষ্ট (আলোকিত) হয়ে উঠলে তিনি (ফজরের জামা’আতের আগে) দু’ রাকা’আত সালাত আদায় করতেন।[2]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: বুখারী ৯৩৭; মুসলিম ৮৮২; আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ৫৪৩৫ তে।

আমি বলি জামা’আতের পূর্বে সুন্নাতের ব্যাপারে অনেকগুলি হাদীস বর্ণিত হয়েছে: এর মধ্যে রয়েছে, আবী হুরাইরা, আলী, ইবনু আব্বাস, ইবনু মাসউদ, সাফিয়্যাহ- এঁদের থেকে বর্ণিত সকল হাদীস যয়ীফ যা শারঈ হুকুমের দলীল হওয়ার উপযুক্ত নয়।

তবে ইবনু উমার হতে বর্ণিত হয়েছে যে, তিনি জুমু’আর আগে দীর্ঘ সময় সালাত আদায় করতেন এবং জুমু’আর পরেও….।

ফলে এটি সাধারণ নফল সালাত, রাতেবাহ (সুন্নাত) নয়। আর এতে ‘ক্ববলাল জুমু’আহ’ (জুমু’আ’র পূর্বের) সালাতের জন্য কোনো দলীল নেই, কেননা, এটি সাধারণ (উন্মুক্ত) বর্ণনা। আল্লাহই ভাল জানেন।

[2] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: হাফসার হাদীস গত হয়েছে। পূর্ণ তাখরীজের জন্য পূর্বের হাদীসগুলি দেখুন।

بَاب الْقِرَاءَةِ فِي رَكْعَتَيْ الْفَجْرِ

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ أَبِي خَلَفٍ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ عَنْ عَمْرٍو عَنْ الزُّهْرِيِّ عَنْ سَالِمٍ عَنْ أَبِيهِ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَ يُصَلِّي بَعْدَ الْجُمُعَةِ رَكْعَتَيْنِ وَأَخْبَرَتْهُ حَفْصَةُ أَنَّهُ كَانَ يُصَلِّي إِذَا أَضَاءَ الصُّبْحُ رَكْعَتَيْنِ

أخبرنا محمد بن أحمد بن أبي خلف حدثنا سفيان بن عيينة عن عمرو عن الزهري عن سالم عن أبيه أن النبي صلى الله عليه وسلم كان يصلي بعد الجمعة ركعتين وأخبرته حفصة أنه كان يصلي إذا أضاء الصبح ركعتين

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১৪৮৩

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১৪৭. ফজরের দু’ রাকা’আত (সুন্নাত) সালাতের পরে কথা বলা

১৪৮৩. আয়িশা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ফজরের সালাতের পূর্বে দু’ রাকা’আত (সুন্নাত) আদায় করতেন। এরপর কোনো কিছুর প্রয়োজন হলে আমার সাথে কথা বলতেন, আর তা না হলে সালাতের জন্য বের হয়ে যেতেন।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: ইবনু আদী, আল কামিল ৩/৯৩৪; ইবনু আবী শাইবা ২/২৪৯; তার সূত্রে মুসলিম ৭৪৩ তবে তাঁর শব্দাবলি: নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ফজরের দু’ রাকা’আত (সুন্নাত) আদায় করতেন, এরপর আমি জেগে থাকলে আমার সাথে কথা বলতেন, আর তা না হলে তিনি শুয়ে থাকতেন।” আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল হুমাইদী নং ১৭৫ তে।

بَاب الْكَلَامِ بَعْدَ رَكْعَتَيْ الْفَجْرِ

حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ سَعِيدٍ حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ إِدْرِيسَ عَنْ مَالِكِ بْنِ أَنَسٍ عَنْ سَالِمٍ أَبِي النَّضْرِ عَنْ أَبِي سَلَمَةَ عَنْ عَائِشَةَ قَالَتْ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِذَا صَلَّى الرَّكْعَتَيْنِ قَبْلَ الْفَجْرِ فَإِنْ كَانَتْ لَهُ حَاجَةٌ كَلَّمَنِي بِهَا وَإِلَّا خَرَجَ إِلَى الصَّلَاةِ

حدثنا عبد الله بن سعيد حدثنا عبد الله بن إدريس عن مالك بن أنس عن سالم أبي النضر عن أبي سلمة عن عائشة قالت كان رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا صلى الركعتين قبل الفجر فإن كانت له حاجة كلمني بها وإلا خرج إلى الصلاة

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আয়িশা বিনত আবূ বাকর সিদ্দীক (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১৪৮৪

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১৪৮. ফজরের দু’রাকা’আত (সুন্নাত) সালাতের পরে শয়ন করা

১৪৮৪. আয়িশা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ঈশার সালাত ও ফজরের সালাতের মধ্যবর্তী সময়ে এগারো রাকা’আত সালাত আদায় করতেন। আর তিনি এর প্রত্যেক দু’ রাকা’আতে সালাম ফেরাতেন। এক রাকা’আত বিতর পড়তেন। আর যখন মুয়াযযিন প্রথম আযান (শেষ করে) থেমে যেতেন, তখন তিনি সংক্ষেপে দু’ রাকা’আত সালাত আদায় করতেন। আর তাঁর নিকট মুয়াযযিন না আসা পর্যন্ত তিনি শুয়ে থাকতেন। এরপর (মুয়াযযিন এলে) তিনি তার সাথে বের হয়ে যেতেন।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: বুখারী ৬২৬; মুসলিম ৭৩৬। আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ৪৬৫০ ও সহীহ ইবনু হিব্বান নং ২৪৩১, ২৪৬৭।

بَاب فِي الِاضْطِجَاعِ بَعْدَ رَكْعَتَيْ الْفَجْرِ

أَخْبَرَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ عَنْ ابْنِ أَبِي ذِئْبٍ عَنْ الزُّهْرِيِّ عَنْ عُرْوَةَ عَنْ عَائِشَةَ قَالَتْ كَانَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يُصَلِّي مَا بَيْنَ الْعِشَاءِ إِلَى الْفَجْرِ إِحْدَى عَشْرَةَ رَكْعَةً يُسَلِّمُ فِي كُلِّ رَكْعَتَيْنِ يُوتِرُ بِوَاحِدَةٍ فَإِذَا سَكَتَ الْمُؤَذِّنُ مِنْ الْأَذَانِ الْأَوَّلِ رَكَعَ رَكْعَتَيْنِ خَفِيفَتَيْنِ ثُمَّ اضْطَجَعَ حَتَّى يَأْتِيَهُ الْمُؤَذِّنُ فَيَخْرُجُ مَعَهُ

أخبرنا يزيد بن هارون عن ابن أبي ذئب عن الزهري عن عروة عن عائشة قالت كان النبي صلى الله عليه وسلم يصلي ما بين العشاء إلى الفجر إحدى عشرة ركعة يسلم في كل ركعتين يوتر بواحدة فإذا سكت المؤذن من الأذان الأول ركع ركعتين خفيفتين ثم اضطجع حتى يأتيه المؤذن فيخرج معه

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আয়িশা বিনত আবূ বাকর সিদ্দীক (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১৪৮৫

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১৪৯. যখন সালাতের ইকামত দেয়া হয়, তখন ফরয সালাত ব্যতীত আর কোনো সালাত নেই

১৪৮৫. আবী হুরাইরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “যখন সালাতের ইকামত দেয়া হয়, তখন ফরয সালাত ব্যতীত আর কোনো সালাত নেই।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: তাহাবী, শারহু মা’আনিল আছার ১/৩৭১। পূর্ণ তাখরীজের জন্য পরবর্তী টীকাটি দেখুন।

بَاب إِذَا أُقِيمَتْ الصَّلَاةُ فَلَا صَلَاةَ إِلَّا الْمَكْتُوبَةُ

حَدَّثَنَا أَبُو عَاصِمٍ عَنْ زَكَرِيَّا بْنِ إِسْحَقَ عَنْ عَمْرِو بْنِ دِينَارٍ عَنْ سُلَيْمَانَ بْنِ يَسَارٍ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِذَا أُقِيمَتْ الصَّلَاةُ فَلَا صَلَاةَ إِلَّا الْمَكْتُوبَةُ

حدثنا أبو عاصم عن زكريا بن إسحق عن عمرو بن دينار عن سليمان بن يسار عن أبي هريرة قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا أقيمت الصلاة فلا صلاة إلا المكتوبة

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরায়রা (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১৪৮৬

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১৪৯. যখন সালাতের ইকামত দেয়া হয়, তখন ফরয সালাত ব্যতীত আর কোনো সালাত নেই

১৪৮৬. (অপর সনদে) আবী হুরাইরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হতে, অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: মুসলিম ৭১০; আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ৬৩৭৯, ৬৩৮০; সহীহ ইবনু হিব্বান নং ২১৯০, ২১৯৩, ২৪৭০। এটি সামনে ১৪৯১ নং এও আসছে।

بَاب إِذَا أُقِيمَتْ الصَّلَاةُ فَلَا صَلَاةَ إِلَّا الْمَكْتُوبَةُ

أَخْبَرَنَا أَبُو حَفْصٍ عَمْرُو بْنُ عَلِيٍّ الْفَلَّاسُ حَدَّثَنَا غُنْدَرٌ عَنْ شُعْبَةَ عَنْ وَرْقَاءَ عَنْ عَمْرِو بْنِ دِينَارٍ عَنْ عَطَاءِ بْنِ يَسَارٍ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ نَحْوَهُ

أخبرنا أبو حفص عمرو بن علي الفلاس حدثنا غندر عن شعبة عن ورقاء عن عمرو بن دينار عن عطاء بن يسار عن أبي هريرة عن النبي صلى الله عليه وسلم نحوه

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরায়রা (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১৪৮৭

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১৪৯. যখন সালাতের ইকামত দেয়া হয়, তখন ফরয সালাত ব্যতীত আর কোনো সালাত নেই

১৪৮৭. ইবনু বুহাইনা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, সালাতের ইকামত হয়ে গেলে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এক ব্যক্তিকে দু’ রাকা’আত সালাত আদায় করতে দেখলেন। এরপর যখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁর (ফরয) সালাত শেষ করলেন, তখন লোকেরা তার (ঐ ব্যক্তির) নিকট একত্রিত হলো। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাকে বললেন: “তুমি কি ফজর (এর সালাত) চার রাকা’আত আদায় করো?”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: আহমাদ ৫/৩৪৫, ৩৪৬; ইবনু আবী শাইবা ২/২৫৩; বুখারী ৬৬৩; মুসলিম ৭১১; নাসাঈ ২/১১৭; তাহাবী, শারহু মা’আনিল আছার ১/৩৭২; বাইহাকী ২/৪৮২

بَاب إِذَا أُقِيمَتْ الصَّلَاةُ فَلَا صَلَاةَ إِلَّا الْمَكْتُوبَةُ

حَدَّثَنَا هَاشِمُ بْنُ الْقَاسِمِ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ عَنْ سَعْدِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ عَنْ حَفْصِ بْنِ عَاصِمِ بْنِ عُمَرَ عَنْ ابْنِ بُحَيْنَةَ قَالَ أُقِيمَتْ الصَّلَاةُ فَرَأَى النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ رَجُلًا يُصَلِّي الرَّكْعَتَيْنِ فَلَمَّا قَضَى النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ صَلَاتَهُ لَاثَ بِهِ النَّاسُ فَقَالَ لَهُ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَتُصَلِّي الصُّبْحَ أَرْبَعًا

حدثنا هاشم بن القاسم حدثنا شعبة عن سعد بن إبراهيم عن حفص بن عاصم بن عمر عن ابن بحينة قال أقيمت الصلاة فرأى النبي صلى الله عليه وسلم رجلا يصلي الركعتين فلما قضى النبي صلى الله عليه وسلم صلاته لاث به الناس فقال له النبي صلى الله عليه وسلم أتصلي الصبح أربعا

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ ইবনু বুহাইনা (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১৪৮৮

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১৪৯. যখন সালাতের ইকামত দেয়া হয়, তখন ফরয সালাত ব্যতীত আর কোনো সালাত নেই

১৪৮৮. (অপর সনদে) আবী হুরাইরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “যখন সালাতের ইকামত দেয়া হয়, তখন ফরয সালাত ব্যতীত আর কোনো সালাত নেই।”আবু মুহাম্মদ বলেন, যদি সে তার বাড়িতে থাকে, তবে বাড়িতে (এমন করা) লঘুতর অপরাধ।[1]

[1] তাহত্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: এর তাখরীজ ১৪৮৯ (ও ১৪৯০) নং এ গত হয়েছে। আরো দেখুন, আল ইলালুল ওয়ারিদাতু ফীল আহাদীস’ ১১/৮৩-৯৩ নং ২১৩৯ ।

بَاب إِذَا أُقِيمَتْ الصَّلَاةُ فَلَا صَلَاةَ إِلَّا الْمَكْتُوبَةُ

حَدَّثَنَا مُسْلِمٌ حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ عَنْ عَمْرِو بْنِ دِينَارٍ عَنْ عَطَاءِ بْنِ يَسَارٍ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ إِذَا أُقِيمَتْ الصَّلَاةُ فَلَا صَلَاةَ إِلَّا الْمَكْتُوبَةُ قَالَ أَبُو مُحَمَّد إِذَا كَانَ فِي بَيْتِهِ فَالْبَيْتُ أَهْوَنُ

حدثنا مسلم حدثنا حماد بن سلمة عن عمرو بن دينار عن عطاء بن يسار عن أبي هريرة عن النبي صلى الله عليه وسلم قال إذا أقيمت الصلاة فلا صلاة إلا المكتوبة قال أبو محمد إذا كان في بيته فالبيت أهون

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরায়রা (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১৪৮৯

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১৫০. দিনের প্রথমভাগে (সকালে) চার রাকা’আত (চাশত/ দুহা’র) সালাত আদায় প্রসঙ্গে

১৪৮৯. নুয়াইম ইবনু হাম্মারী আল গাত্বফানী থেকে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “আল্লাহ তা’আলা বলেন: ’হে আদম সন্তান! ‍তুমি দিনের প্রথমভাগে আমার জন্য চার রাকা’আত সালাত আদায় করো, তাহলে আমি তোমার দিনের শেষভাগের জন্যও একে যথেষ্ট করে দেবো।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ হাসান।

তাখরীজ: আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ২৫৩৩, ২৫৩৪ ও মাওয়ারিদুয যাম’আন নং ৬৩৪ তে। আবু দাউদ ১২৮৯; আহমাদ ৫/২৮৭; বাইহাকী ৩/৪৭-৪৮; এ বিষয়ে হাদীস বর্ণিত আছে উক্ববাহ ইবনু আমির হতে মুসনাদুল মাউসিলী ৪/২৯৪ নং ১৭৫৭; আবী যারর ও আবী দারদা’আ হতে তিরমিযী ৪৭৫ তে। আরো দেখুন, মাজমাউয যাওয়াইদ ৫/২৩৫-২৩৬ তে।

بَاب فِي أَرْبَعِ رَكَعَاتٍ فِي أَوَّلِ النَّهَارِ

أَخْبَرَنَا أَبُو النُّعْمَانِ حَدَّثَنَا مُعْتَمِرُ بْنُ سُلَيْمَانَ عَنْ بُرْدٍ حَدَّثَنِي سُلَيْمَانُ بْنُ مُوسَى عَنْ مَكْحُولٍ عَنْ كَثِيرِ بْنِ مُرَّةَ الْحَضْرَمِيِّ عَنْ قَيْسٍ الْجُذَامِيِّ عَنْ نُعَيْمِ بْنِ هَمَّارٍ الْغَطَفَانِيِّ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ قَالَ اللَّهُ تَعَالَى ابْنَ آدَمَ صَلِّ لِي أَرْبَعَ رَكَعَاتٍ مِنْ أَوَّلِ النَّهَارِ أَكْفِكَ آخِرَهُ

أخبرنا أبو النعمان حدثنا معتمر بن سليمان عن برد حدثني سليمان بن موسى عن مكحول عن كثير بن مرة الحضرمي عن قيس الجذامي عن نعيم بن همار الغطفاني عن النبي صلى الله عليه وسلم قال قال الله تعالى ابن آدم صل لي أربع ركعات من أول النهار أكفك آخره

 হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১৪৯০

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১৫১. দুহা’র (চাশতের) সালাত

১৪৯০. আবদুর রাহমান ইবনু আবী লাইলা (রহঃ) বলেন, আর কেউই আমাদের নিকট বর্ণনা করেননি যে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-কে দুহা’র সালাত আদায় করতে দেখেছেন; কেবল উম্মু হানী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা ব্যতীত। তিনি বর্ণনা করেছেন যে, তিনি (রাসূলুল্লাহ্‌ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মক্কা বিজয়ের দিন পূর্বাহ্ণে তাঁর ঘরে গিয়ে গোসল করেলেন। এরপর তিনি আট রাকা’আত সালাত আদায় করলেন। তিনি বলেন, আমি আর কখনো তাঁকে এরচেয়ে অধিক সংক্ষিপ্তভাবে সালাত আদায় করতে দেখি নি। তবে তিনি রুকু’ ও সিজ্‌দা পুর্নাঙ্গরুপে আদায় করছিলেন।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: বুখারী ১১৬৭; মুসলিম ৩৩৬ (৮০); পূর্ণ তাখরীজের জন্য পরবর্তী টীকাটি দেখুন।

بَاب صَلَاةِ الضُّحَى

أَخْبَرَنَا أَبُو الْوَلِيدِ الطَّيَالِسِيُّ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ قَالَ عَمْرُو بْنُ مُرَّةَ أَنْبَأَنِي قَالَ سَمِعْتُ ابْنَ أَبِي لَيْلَى يَقُولُ مَا أَخْبَرَنَا أَحَدٌ أَنَّهُ رَأَى النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يُصَلِّي الضُّحَى غَيْرُ أُمِّ هَانِئٍ فَإِنَّهَا ذَكَرَتْ أَنَّهُ يَوْمَ فَتْحِ مَكَّةَ اغْتَسَلَ فِي بَيْتِهَا ثُمَّ صَلَّى ثَمَانَ رَكَعَاتٍ قَالَتْ وَلَمْ أَرَهُ صَلَّى صَلَاةً أَخَفَّ مِنْهَا غَيْرَ أَنَّهُ يُتِمُّ الرُّكُوعَ وَالسُّجُودَ

أخبرنا أبو الوليد الطيالسي حدثنا شعبة قال عمرو بن مرة أنبأني قال سمعت ابن أبي ليلى يقول ما أخبرنا أحد أنه رأى النبي صلى الله عليه وسلم يصلي الضحى غير أم هانئ فإنها ذكرت أنه يوم فتح مكة اغتسل في بيتها ثم صلى ثمان ركعات قالت ولم أره صلى صلاة أخف منها غير أنه يتم الركوع والسجود

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আবদুর রহমান ইবনু আবূ লাইলা (রহঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১৪৯১

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১৫১. দুহা’র (চাশতের) সালাত

১৪৯১. উম্মু হানী বিনতে আবূ তালিব রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণিত, তিনি মক্কা বিজয়ের বছর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর কাছে গিয়ে দেখলেন যে, তিনি গোসল করছেন আর তাঁর মেয়ে ফাতিমা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু তাঁকে একটি কাপড় দ্বারা পর্দা করে রেখেছেন। তিনি বলেনঃ আমি তাঁকে সালাম করলাম, আর তখন ছিল চাশতের সময়। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম জিজ্ঞাসা করলেনঃ “কে এটা?” আমি উত্তর দিলামঃ আমি উম্মু হানী। তিনি বলেনঃ তিনি যখন গোসল শেষ করলেন, তখন তিনি দাঁড়িয়ে গেলেন এবং একটি কাপড়ে আবৃত হয়ে আট রাকা’আত সালাত আদায় করলেন। এরপর তিনি সালাত শেষ করলেন। তখন আমি তাঁকে বললাম: ইয়া রাসূলুল্লাহ! আমার সহোদর ভাই [’আলী ইবন আবূ তালিব রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু] একটি লোককে হত্যা করতে চায়, অথচ আমি সে লোকটিকে আশ্রয় দিলাম। (সে লোকটি হলো) হুবায়রার ছেলে অমুক। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেনঃ “হে উম্মু হানী! তুমি যাকে আশ্রয় দিয়েছ, আমরাও তাঁকে আশ্রয় দিলাম।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: মালিক, মুয়াত্ত্বা ৩১; বুখারী ৩৫৭; মুসলিম ৩৩৬ (৮২)। আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ১১৮৭, ১১৮৮, ১১৮৯, ১১৯০ ২৫৩৭, ২৫৩৮; মাওয়ারিদুয যাম’আন নং ৬৩১।

بَاب صَلَاةِ الضُّحَى

أَخْبَرَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ عَبْدِ الْمَجِيدِ حَدَّثَنَا مَالِكٌ عَنْ أَبِي النَّضْرِ أَنَّ أَبَا مُرَّةَ مَوْلَى عَقِيلِ بْنِ أَبِي طَالِبٍ أَخْبَرَهُ أَنَّهُ سَمِعَ أُمَّ هَانِئٍ بِنْتَ أَبِي طَالِبٍ تُحَدِّثُ أَنَّهَا ذَهَبَتْ إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَامَ الْفَتْحِ فَوَجَدَتْهُ يَغْتَسِلُ وَفَاطِمَةُ بِنْتُهُ تَسْتُرُهُ بِثَوْبٍ قَالَتْ فَسَلَّمْتُ عَلَيْهِ وَذَلِكَ ضُحًى فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَنْ هَذِهِ فَقُلْتُ أَنَا أُمُّ هَانِئٍ قَالَتْ فَلَمَّا فَرَغَ مِنْ غُسْلِهِ قَامَ فَصَلَّى ثَمَانَ رَكَعَاتٍ مُلْتَحِفًا فِي ثَوْبٍ وَاحِدٍ ثُمَّ انْصَرَفَ فَقُلْتُ يَا رَسُولَ اللَّهِ زَعَمَ ابْنُ أُمِّي أَنَّهُ قَاتِلٌ رَجُلًا أَجَرْتُهُ فُلَانَ بْنَ هُبَيْرَةَ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَدْ أَجَرْنَا مَنْ أَجَرْتِ يَا أُمَّ هَانِئٍ

أخبرنا عبيد الله بن عبد المجيد حدثنا مالك عن أبي النضر أن أبا مرة مولى عقيل بن أبي طالب أخبره أنه سمع أم هانئ بنت أبي طالب تحدث أنها ذهبت إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم عام الفتح فوجدته يغتسل وفاطمة بنته تستره بثوب قالت فسلمت عليه وذلك ضحى فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم من هذه فقلت أنا أم هانئ قالت فلما فرغ من غسله قام فصلى ثمان ركعات ملتحفا في ثوب واحد ثم انصرف فقلت يا رسول الله زعم ابن أمي أنه قاتل رجلا أجرته فلان بن هبيرة فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم قد أجرنا من أجرت يا أم هانئ

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ উম্মু হানী বিনতু আবূ তালিব (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১৪৯২

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১৫১. দুহা’র (চাশতের) সালাত

১৪৯২. আবী হুরাইরাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমার প্রিয়তম বন্ধু আমাকে তিনটি বিষয়ে ওয়াসীয়াত (নির্দেশ প্রদান) করেছেন, যেগুলি আমি আমার মৃত্যুর পূর্ব পর্যন্ত পরিত্যাগ করবো না: আমি যেন ঘুমানোর পূর্বে বিতর আদায় করি, প্রত্যেক মাসে তিনদিন সিয়াম পালন করি এবং দু’হার (পূর্বাহ্নের) সময় দু’ রাকা’আত সালাত (আদায় করি)।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: বুখারী ১১৭৮; মুসলিম ৭২১; আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী রনং ৬২২৬, ৬৩৬৯; সহীহ ইবনু হিব্বান নং ২৫৩৬ যা সামনে ১৭৮৬ নং এ আসছে। এছাড়া, খতীব, আল মুত্তাফিক ওয়াল মুফতারিক্ব নং ৯৪৬; আহমাদ ২/২২৯, ২৩৩, ২৬০, ৩২৯, ৩৩১, ৭২-৪৭৩; তায়ালিসী ২/৫২ নং ২১৪০; নাসাঈ ৪/২১৮; তাবারাণী, আস সগীর ১/১৭৯; আবু নুয়াইম, হিলইয়াতুল আউলিয়া: (সেখানে) ‘সালাতুত দুহা’-র পরিবর্তে ‘জুম’আর দিনে গোসল করা’ র কথা রয়েছে।

بَاب صَلَاةِ الضُّحَى

حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ حَرْبٍ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ عَنْ عَبَّاسٍ الْجُرَيْرِيِّ عَنْ أَبِي عُثْمَانَ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ أَوْصَانِي خَلِيلِي بِثَلَاثٍ لَا أَدَعُهُنَّ حَتَّى أَمُوتَ الْوِتْرِ قَبْلَ أَنْ أَنَامَ وَصَوْمِ ثَلَاثَةِ أَيَّامٍ مِنْ كُلِّ شَهْرٍ وَمِنْ الضُّحَى رَكْعَتَيْنِ

حدثنا سليمان بن حرب حدثنا شعبة عن عباس الجريري عن أبي عثمان عن أبي هريرة قال أوصاني خليلي بثلاث لا أدعهن حتى أموت الوتر قبل أن أنام وصوم ثلاثة أيام من كل شهر ومن الضحى ركعتين

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরায়রা (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১৪৯৩

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১৫২. এ (সালাতুদ দুহা’) অপছন্দনীয় হওয়ার বিষয়ে যা বর্ণিত হয়েছে

১৪৯৩. আয়িশা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কখনো দুহা’র (নফল) সালাত আদায় করেননি- না সফরে, আর না বাড়িতে।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: বুখারী ১১২৮; মুসলিম ৭১৮; আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৩১২, ৩১৩।

بَاب مَا جَاءَ فِي الْكَرَاهِيَةِ فِيهِ

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ حَدَّثَنَا الْأَوْزَاعِيُّ عَنْ الزُّهْرِيِّ عَنْ عُرْوَةَ عَنْ عَائِشَةَ قَالَتْ مَا صَلَّى رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ سُبْحَةَ الضُّحَى فِي سَفَرٍ وَلَا حَضَرٍ

حدثنا محمد بن يوسف حدثنا الأوزاعي عن الزهري عن عروة عن عائشة قالت ما صلى رسول الله صلى الله عليه وسلم سبحة الضحى في سفر ولا حضر

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আয়িশা বিনত আবূ বাকর সিদ্দীক (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১৪৯৪

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১৫২. এ (সালাতুদ দুহা’) অপছন্দনীয় হওয়ার বিষয়ে যা বর্ণিত হয়েছে

১৪৯৪. আব্দুর রহমান ইবনু আবী বাকর রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা হতে বর্ণিত, তাঁর পিতা (আবী বাকর) লোকদেরকে দু’হার সালাত আদায় করতে দেখেন। তখন তিনি বলেন, জেনে রাখো! তারা এমন এক সালাত আদায় করছে, যে সালাত রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কখনো আদায় করেননি, আর তাঁর বড় বড় সাহাবীগণও আদায় করেননি।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: আহমাদ ৫/৪৫; নাসাঈ, আল কুবরা নং ৪৭৮।

بَاب مَا جَاءَ فِي الْكَرَاهِيَةِ فِيهِ

حَدَّثَنَا صَدَقَةُ بْنُ الْفَضْلِ حَدَّثَنَا مُعَاذُ بْنُ مُعَاذٍ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ عَنْ الْفُضَيْلِ بْنِ فَضَالَةَ عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي بَكْرَةَ أَنَّ أَبَاهُ رَأَى أُنَاسًا يُصَلُّونَ صَلَاةَ الضُّحَى فَقَالَ أَمَا إِنَّهُمْ لَيُصَلُّونَ صَلَاةً مَا صَلَّاهَا رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَلَا عَامَّةُ أَصْحَابِهِ

حدثنا صدقة بن الفضل حدثنا معاذ بن معاذ حدثنا شعبة عن الفضيل بن فضالة عن عبد الرحمن بن أبي بكرة أن أباه رأى أناسا يصلون صلاة الضحى فقال أما إنهم ليصلون صلاة ما صلاها رسول الله صلى الله عليه وسلم ولا عامة أصحابه

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আবদুর রহমান ইবনু আবূ বাকর (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১৪৯৫

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১৫৩. সালাতুল আওয়াবীন (অধিক তাওবাকারীগণের সালাত) প্রসঙ্গে

১৪৯৫. যাইদ ইবনু আরক্বাম রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাদের নিকট বেরিয়ে এলেন, তখন সূর্য উদিত হওয়ার পরে তারা সালাত আদায় করছিলো। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন: “’আওয়াবীন’দের সালাত (বেশি বেশি তাওবাকারীগণের সালাত)-এর সময় হয় যখন উষ্ট্রীর বাচ্চার (পায়ের নীচের বালু সূর্যতাপে) উত্তপ্ত হয়ে উঠে।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: মুসলিম ৭৪৮; ইবনু আবী শাইবা ২/৪০৬; আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ২৫৩৯ তে।

بَاب فِي صَلَاةِ الْأَوَّابِينَ

أَخْبَرَنَا وَهْبُ بْنُ جَرِيرٍ حَدَّثَنَا هِشَامٌ الدَّسْتَوَائِيُّ عَنْ الْقَاسِمِ بْنِ عَوْفٍ عَنْ زَيْدِ بْنِ أَرْقَمَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ خَرَجَ عَلَيْهِمْ وَهُمْ يُصَلُّونَ بَعْدَ طُلُوعِ الشَّمْسِ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ صَلَاةُ الْأَوَّابِينَ إِذَا رَمِضَتْ الْفِصَالُ

أخبرنا وهب بن جرير حدثنا هشام الدستوائي عن القاسم بن عوف عن زيد بن أرقم أن رسول الله صلى الله عليه وسلم خرج عليهم وهم يصلون بعد طلوع الشمس فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم صلاة الأوابين إذا رمضت الفصال

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ যায়দ ইবনু আরক্বাম (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

মন্তব্য করুন

Top