You are here

দারেমী সালাত অধ্যায় ৩য় ভাগ হাদিস নং ১৩৫১ – ১৪১৫

 ১৩৫১

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৭২. রুকূ’ ও সাজদায় ইমামের অগ্রগামী হওয়া নিষেধ

১৩৫১. মু’য়াবিয়া রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “আমি এখন আমি কিছুটা মোটা হয়ে গেছি। ফলে আমার পূর্বে তোমরা রুকূ’-সিজদা করবে না। (কখনো কখনো এরূপ হয় যে,) আমি তোমাদের যত আগেই রুকূ’তে যায় না কেন, তোমরা আমার মাথা উঠানোর পূর্বেই আমাকে পেয়ে যাও (ধরে ফেলো)। আবার আমি তোমাদের যত আগেই সিজদা করি না কেন, তোমরা আমাকে সিজদা হতে মাথা উঠানোর আগেই পেয়ে যাও।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ হাসান।

তাখরীজ: আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ২২২৯, ২২৩০; মাওয়ারিদুয যাম’আন নং ৩৮২, ৩৮৩ ও মুসনাদুল হুমাইদী নং ৬১৩ তে। (আহমাদ ৪/৯২; বাইহাকী ২/৯২; সহীহ ইবনু খুযাইমা ১৫৯৪; আবু দাউদ ৬১৯; ইবনু মাজাহ ৯৬৩; তাবারাণী, আল কাবীর ১৯/২৭৩-২৭৪ নং ৮৬২।- মুহাক্বিক্বের মাওয়ারিদুয যাম’আন নং ৩৮৩ এর টীকা হতে। – অনুবাদক)

بَاب النَّهْيِ عَنْ مُبَادَرَةِ الْأَئِمَّةِ بِالرُّكُوعِ وَالسُّجُودِ

أَخْبَرَنَا أَبُو الْوَلِيدِ الطَّيَالِسِيُّ حَدَّثَنَا اللَّيْثُ بْنُ سَعْدٍ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَجْلَانَ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ يَحْيَى بْنِ حَبَّانَ عَنْ ابْنِ مُحَيْرِيزٍ عَنْ مُعَاوِيَةَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ إِنِّي قَدْ بَدَّنْتُ فَلَا تَسْبِقُونِي بِالرُّكُوعِ وَلَا بِالسُّجُودِ فَإِنِّي مَهْمَا أَسْبِقُكُمْ حِينَ أَرْكَعُ تُدْرِكُونِي حِينَ أَرْفَعُ وَمَهْمَا أَسْبِقُكُمْ حِينَ أَسْجُدُ تُدْرِكُونِي حِينَ أَرْفَعُ

أخبرنا أبو الوليد الطيالسي حدثنا الليث بن سعد عن محمد بن عجلان عن محمد بن يحيى بن حبان عن ابن محيريز عن معاوية أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال إني قد بدنت فلا تسبقوني بالركوع ولا بالسجود فإني مهما أسبقكم حين أركع تدركوني حين أرفع ومهما أسبقكم حين أسجد تدركوني حين أرفع

 হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)  বর্ণনাকারীঃ মু‘আবিয়াহ ইবন আবূ সুফিয়ান (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১৩৫২

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৭২. রুকূ’ ও সাজদায় ইমামের অগ্রগামী হওয়া নিষেধ

১৩৫২. আবী হুরাইরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “তোমাদের কেউ যখন ইমামের পূর্বে মাথা উঠায় তখন সে কি ভয় করে না যে, তার মাথাকে আল্লাহ গাধার মাথায় পরিবর্তিত করে দেবেন কিংবা তার চেহারাকে গাধার চেহারায় রূপান্তরিত করে দেবেন?”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: বুখারী ৬৯১; মুসলিম ৪২৭; আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ করেছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ২২৮২, ২২৮৩।

এছাড়া, বাইহাকী মা’রিফাতুস সুনান ওয়াল আছার নং ৩৪৫৩; বাগাবী, শারহুস সুন্নাহ ৩/৪১৭ নং ৮৪৯; আবু নুয়াইম, যিকরু আখবারু আসবাহান ১/২৬৯, ২/৫৫, ২১৮, ২৯৯; উকাইলী, আদ দুয়া’ফা ২/৭৩; ইবনু আদী, আল কামিল ৩/১০৬১, ৪/১৫৬৬, ৬/২২৩৭; ইবনু হিব্বান, আল মাজরুহীন ২/৩৫-৩৬; তাবারাণী, আল আওসাত ৩৩৩০, ৩৬০৯, ৩৯৩০, ৫৯৫৯, ৭১৯৩; ও সগীর ১/১১০; আরও দেখুন, তালখীসুল হাবীর ২/২৮।

بَاب النَّهْيِ عَنْ مُبَادَرَةِ الْأَئِمَّةِ بِالرُّكُوعِ وَالسُّجُودِ

حَدَّثَنَا هَاشِمُ بْنُ الْقَاسِمِ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ زِيَادٍ قَالَ سَمِعْتُ أَبَا هُرَيْرَةَ يَقُولُ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَمَا يَخْشَى أَحَدُكُمْ أَوْ أَلَا يَخْشَى أَحَدُكُمْ إِذَا رَفَعَ رَأْسَهُ قَبْلَ الْإِمَامِ أَنْ يَجْعَلَ اللَّهُ رَأْسَهُ رَأْسَ حِمَارٍ أَوْ صُورَتَهُ صُورَةَ حِمَارٍ

حدثنا هاشم بن القاسم حدثنا شعبة عن محمد بن زياد قال سمعت أبا هريرة يقول قال رسول الله صلى الله عليه وسلم أما يخشى أحدكم أو ألا يخشى أحدكم إذا رفع رأسه قبل الإمام أن يجعل الله رأسه رأس حمار أو صورته صورة حمار

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরায়রা (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১৩৫৩

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৭২. রুকূ’ ও সাজদায় ইমামের অগ্রগামী হওয়া নিষেধ

১৩৫৩. আনাস ইবনু মালিক রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাদেরকে সালাতের ব্যাপারে অনুপ্রাণিত করতেন এবং তিনি যখন তাদের ইমামতি করতেন তখন তাঁর পূর্বে রুকূ’ সিজদায় গমণ করতে তাদেরকে নিষেধ করতেন। এছাড়া তাঁর সালাত শেষ করার পূর্বেই তাদেরকে সালাত শেষ করতে যেতে নিষেধ করতেন। এবং তিনি বলেন: “আমি তোমাদেরকে আমার পিছন দিক থেকেও দেখতে পাই, আর সামনের দিক থেকে তো দেখিই।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব; এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ২/৩২৮; মুসলিম ৪২৬; আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ৩৯৫২, ৩৯৫৭, ৩৯৬০, ৩৯৬৩;

এছাড়া, আবু আওয়ানাহ ২/১৩৬; বাইহাকী ২/৯১-৯২।

بَاب النَّهْيِ عَنْ مُبَادَرَةِ الْأَئِمَّةِ بِالرُّكُوعِ وَالسُّجُودِ

أَخْبَرَنَا أَبُو الْوَلِيدِ الطَّيَالِسِيُّ حَدَّثَنَا زَائِدَةُ حَدَّثَنَا الْمُخْتَارُ بْنُ فُلْفُلٍ عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ حَثَّهُمْ عَلَى الصَّلَاةِ وَنَهَاهُمْ أَنْ يَسْبِقُوهُ إِذَا كَانَ يَؤُمُّهُمْ بِالرُّكُوعِ وَالسُّجُودِ وَأَنْ يَنْصَرِفُوا قَبْلَ انْصِرَافِهِ مِنْ الصَّلَاةِ وَقَالَ إِنِّي أَرَاكُمْ مِنْ خَلْفِي وَأَمَامِي

أخبرنا أبو الوليد الطيالسي حدثنا زائدة حدثنا المختار بن فلفل عن أنس بن مالك أن النبي صلى الله عليه وسلم حثهم على الصلاة ونهاهم أن يسبقوه إذا كان يؤمهم بالركوع والسجود وأن ينصرفوا قبل انصرافه من الصلاة وقال إني أراكم من خلفي وأمامي

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আনাস ইবনু মালিক (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১৩৫৪

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৭৩. সাতটি অঙ্গে সাজদা করা ও সাজদায় যা করতে হবে

১৩৫৪. ইবনু আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, তোমারদের নবীকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যে, তিনি যেন সাতটি অঙ্গের উপর সাজদা করেন এবং চুল ও পোশাক গুটিয়ে না রাখেন। শু’বা বলেন, অন্য আরেকবার তিনি আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আমাকে সাজদা করতে এবং চুল ও পোশাক না গুটাতে আদেশ দেওয়া হয়েছে।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: বুখারী ৮০৯; মুসলিম ৪৯০; আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ করেছি ‍মুসনাদুল মাউসিলী নং ২৩৮৯, ২৪৩১, ২৪৬৪, ২৬৬৯ ও সহীহ ইবনু হিব্বান নং ১৯২১, ১৯২৩, ১৯২৪, ১৯২৫ এবং মুসনাদুল হুমাইদী নং ৫০০, ৫০১, ৫০২। দেখুন পরবর্তী হাদীসটি।

بَاب السُّجُودِ عَلَى سَبْعَةِ أَعْظُمٍ وَكَيْفَ الْعَمَلُ فِي السُّجُودِ

أَخْبَرَنَا أَبُو النَّضْرِ هَاشِمُ بْنُ الْقَاسِمِ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ عَنْ عَمْرِو بْنِ دِينَارٍ قَالَ سَمِعْتُ طَاوُسًا يُحَدِّثُ عَنْ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ أُمِرَ نَبِيُّكُمْ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنْ يَسْجُدَ عَلَى سَبْعَةٍ وَأُمِرَ أَنْ لَا يَكُفَّ شَعَرًا وَلَا ثَوْبًا قَالَ شُعْبَةُ وَحَدَّثَنِيهِ مَرَّةً أُخْرَى قَالَ أُمِرْتُ بِالسُّجُودِ وَلَا أَكُفَّ شَعَرًا وَلَا ثَوْبًا

أخبرنا أبو النضر هاشم بن القاسم حدثنا شعبة عن عمرو بن دينار قال سمعت طاوسا يحدث عن ابن عباس قال أمر نبيكم صلى الله عليه وسلم أن يسجد على سبعة وأمر أن لا يكف شعرا ولا ثوبا قال شعبة وحدثنيه مرة أخرى قال أمرت بالسجود ولا أكف شعرا ولا ثوبا

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আবদুল্লাহ ইবনু আব্বাস (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১৩৫৫

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৭৩. সাতটি অঙ্গে সাজদা করা ও সাজদায় যা করতে হবে

১৩৫৫. ইবনু আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা হতে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, আমাকে সাতটি অঙ্গ যথা: কপাল, – (বর্ণনাকারী উহাইব বলেন, একথা বলে তিনি (ইবনু আব্বাস) তার নাকের দিকে ইশারা করলেন;) – দু’হাত, দু’হাঁটু দু’পায়ের আঙ্গুলসমূহ- এর উপর সাজদা করতে এবং পোশাক ও চুল না গুটাতে আদেশ দেওয়া হয়েছে।[1]

[1] তাহক্বীক্ব; এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: বুখারী ৮১২; মুসলিম ৪৯০; এটি আগের হাদীসটির পুনরাবৃত্তি। ফলে পূর্ণ তাখরীজের জন্য সেখানে দেখুন।

بَاب السُّجُودِ عَلَى سَبْعَةِ أَعْظُمٍ وَكَيْفَ الْعَمَلُ فِي السُّجُودِ

أَخْبَرَنَا مُسْلِمُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ وَيَحْيَى بْنُ حَسَّانَ قَالَا حَدَّثَنَا وُهَيْبٌ قَالَ حَدَّثَنَا ابْنُ طَاوُسٍ عَنْ أَبِيهِ عَنْ ابْنِ عَبَّاسٍ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ أُمِرْتُ أَنْ أَسْجُدَ عَلَى سَبْعَةِ أَعْظُمٍ الْجَبْهَةِ قَالَ وُهَيْبٌ وَأَشَارَ بِيَدِهِ إِلَى أَنْفِهِ وَالْيَدَيْنِ وَالرُّكْبَتَيْنِ وَأَطْرَافِ الْقَدَمَيْنِ وَلَا نَكُفَّ الثِّيَابَ وَلَا الشَّعَرَ

أخبرنا مسلم بن إبراهيم ويحيى بن حسان قالا حدثنا وهيب قال حدثنا ابن طاوس عن أبيه عن ابن عباس عن النبي صلى الله عليه وسلم قال أمرت أن أسجد على سبعة أعظم الجبهة قال وهيب وأشار بيده إلى أنفه واليدين والركبتين وأطراف القدمين ولا نكف الثياب ولا الشعر

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আবদুল্লাহ ইবনু আব্বাস (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১৩৫৬

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৭৪. সিজদায় যাওয়ার সময় মানুষের যে অঙ্গ সর্বপ্রথম মাটিতে স্থাপিত হবে

১৩৫৬. ওয়ায়িল ইবনু হুজর রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে দেখেছি, তিনি যখন সাজদায় যেতেন তখন মাটিতে হাত রাখার পূর্বেই হাঁটু রাখতেন।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ হাসান। এবং এর পূর্বে আমরা যতস্থানে একে (বর্ণনাকারী শারীককে) যয়ীফ বলেছি, তা এ তাহক্বীক্ব দ্বারা মানসূখ (রহিত) বলে গণ্য হবে।

((এ হাদীসটি নিয়ে ব্যাপক ইখতিলাফ পরিলক্ষিত হয়। এর সনদকে তিরমিযী হাসান গরীব বলেছেন; ইবনু খুযাইমা, হাকিম সহীহ বলেছেন এবং যাহাবী তা বজায় রেখেছেন। তবে বুখারী, তিরমিযী, দারুকুতনী, ইবনু আবী দাউদ, বাইহাকী এ বর্ণনায় শারীকের একাকী হওয়ার কথা উল্লেখ করেছেন (ইবনু হাজার, তালখীসুল হাবীর ১/২৫৪ নং হা/৩৮০ /১৫) এবং দারুকুতনী শারীকের ব্যাপারে মূলনীতি উল্লেখ করে বলেছেন: শারীক কোনো বর্ণনায় একাকী হলে তা যয়ীফ। আর এর যয়ীফ হওয়ার কথা উল্লেখ করেছেন বাইহাকী (আফ্ফান হতে), আলবানী, আরনাউত্ব, মুস্তফা আ’যমী, মাহির ইয়াসীন আল ফাহল (তাহক্বীক্ব: ইবনু খুযাইমা, তা’লীকাতুল হিসান, আল ইহসান)। এছাড়াও, এটি দু’টি সহীহ হাদীসের বিপরীত বর্ণনা যা ১. ইবনু উমার হতে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের আমল হিসেবে বর্ণিত হয়েছে: “তিনি সিজদা করার সময় হাঁটুর পূর্বে দু’হাত মাটিতে রাখতেন” (বুখারী, আযান বাব ১২, তা’লিক হিসেবে; দারুকুতনী ১/৩৪৪ নং ২ (নং ১৩০৩ আরনাউত্বের টীকাসহ মুয়াসসাসাতুর রিসালাহ হতে),; তাহাবী ১/২৫৪; সহীহ বলেছেন ইবনু খুযাইমা ৬২৭; হাকিম ১/২২৬ ও যাহাবী তা বজায় রেখেছেন) ও

২. পরের হাদীসটি যা আবী হুরাইরা হতে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নির্দেশ বর্ণিত হয়েছে যে, “… তোমাদের যখন কেউ সাজদায় গমণ করে, তখন সে যেন উটের মতো হাঁটু গেড়ে না বসে, বরং সে যেন হাঁটু মাটিতে রাখার পূর্বে দু’হাত রাখে।” (আবু দাউদ ৮৪০, আহমাদ ২/৩৮১; বাগাবী, শারহুস ‍সুন্নাহ ৩/১৩৪; বাইহাকী ২/৯৯; তাহাবী ১/২৫৪ ও অন্যান্য)

যাহোক, এজন্য সালাফগণ এ বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক মতভেদ করেছেন। মালিক ও আউযাঈ, আহমদেরও একটি মত (আল মুগনী ১/৫১৪ তে বর্ণিত) এবং আহলে হাদীসের অধিকাংশের মতে হাঁটুর পূর্বে হাত রাখা মুস্তাহাব। বিপরীতে ‘হাতের পূর্বে হাঁটু রাখা’ সম্পর্কে ইমাম তিরমিযী ও খাত্তাবী উল্লেখ করেছেন যে, এটি অনেক উলামার মত। ইবনুল মুনযির এটি উমার, নাখঈ, মুসলিম ইবনু ইয়াসার, সুফিযান সাওরী, আহমদ, ইসহাক ও ‘আসহাবুর রাই’ (হানাফী)-দের থেকে উল্লেখ করেছেন।- আল ইহসান, তাহ: আরনাউত্ব হা/১৯১২ এর টীকা দ্র:) – অনুবাদক))

তাখরীজ: আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ করেছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ১৯১২; মাওয়ারিদুয যাম’আন ৪৮৭। আরও দেখুন, মুসনাদুল মাউসিলী নং ৬৫৪০ তে আমাদের টীকাটি।

((আবু দাউদ ৮৩৮; তিরমিযী ২৬৮; ইবনু মাজাহ ৮৮২; নাসাঈ ১/২০৬; দারুকুতনী ১/৩৪৫; তাবারাণী ২২/৯৭; তাহাবী, শারহু মা’আনিল আছার ১/২৫৫; বাইহাকী ২/৯৮; হাযিমী, আল ই’তিবার পৃ: ১৬১; ইবনু খুযাইমা নং ৬২৬, ৬২৯; হাকিম ১/২২৬।- আল ইহসান, তাহক্বীক্ব: আরনাউত্ব, ১৯১২ এর টীকা দ্র:- অনুবাদক))

بَاب أَوَّلِ مَا يَقَعُ مِنْ الْإِنْسَانِ الْأَرْضَ إِذَا أَرَادَ أَنْ يَسْجُدَ

أَخْبَرَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ حَدَّثَنَا شَرِيكٌ عَنْ عَاصِمِ بْنِ كُلَيْبٍ عَنْ أَبِيهِ عَنْ وَائِلِ بْنِ حُجْرٍ قَالَ رَأَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِذَا سَجَدَ يَضَعُ رُكْبَتَيْهِ قَبْلَ يَدَيْهِ وَإِذَا نَهَضَ رَفَعَ يَدَيْهِ قَبْلَ رُكْبَتَيْهِ

أخبرنا يزيد بن هارون حدثنا شريك عن عاصم بن كليب عن أبيه عن وائل بن حجر قال رأيت رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا سجد يضع ركبتيه قبل يديه وإذا نهض رفع يديه قبل ركبتيه

 হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)  বর্ণনাকারীঃ ওয়ায়িল ইবনু হুজর (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১৩৫৭

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৭৪. সিজদায় যাওয়ার সময় মানুষের যে অঙ্গ সর্বপ্রথম মাটিতে স্থাপিত হবে

১৩৫৭. আবী হুরাইরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “তোমাদের যখন কেউ সালাত আদায় করে করে, তখন সে যেন উটের মতো হাঁটু গেড়ে না বসে, বরং সে যেন দু’হাঁটু মাটিতে রাখার পূর্বে দু’হাত রাখে।”[1]

আব্দুল্লাহ কে বলা হলো, আপনি কী বলেন?

তিনি বলেন, প্রত্যেকটিই উত্তম। তিনি আরও বলেন, আহলে কুফা’ (কুফাবাসীগণ তথা হানাফীগণ) প্রথমটি (হাত রাখার পূর্বে হাঁটু রাখা) কে পছন্দ করেছেন।

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ করেছি এবং হাদীস বিস্তারিতভাবে উল্লেখ করেছি মুসনাদুল মাওসিলী নং ৬৫৪০। এছাড়া আগের টীকাটিও দেখুন। (((আবু দাউদ ৮৪০, আহমাদ ২/৩৮১; বাগাবী, শারহুস ‍সুন্নাহ ৩/১৩৪; বাইহাকী ২/৯৯; তাহাবী ১/২৫৪; হাযিমী, আল ই’তিবার পৃ: ১৫৮-১৫৯। – মুসনাদুল মাউসিলী ৬৫৪০ নং মুহাক্বিক্বের টীকা হতে। -অনুবাদক))

بَاب أَوَّلِ مَا يَقَعُ مِنْ الْإِنْسَانِ الْأَرْضَ إِذَا أَرَادَ أَنْ يَسْجُدَ

أَخْبَرَنَا يَحْيَى بْنُ حَسَّانَ حَدَّثَنَا عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ مُحَمَّدٍ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الْحَسَنِ عَنْ أَبِي الزِّنَادِ عَنْ الْأَعْرَجِ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ إِذَا صَلَّى أَحَدُكُمْ فَلَا يَبْرُكْ كَمَا يَبْرُكُ الْبَعِيرُ وَلْيَضَعْ يَدَيْهِ قَبْلَ رُكْبَتَيْهِ قِيلَ لِعَبْدِ اللَّهِ مَا تَقُولُ قَالَ كُلُّهُ طَيِّبٌ وَقَالَ أَهْلُ الْكُوفَةِ يَخْتَارُونَ الْأَوَّلَ

أخبرنا يحيى بن حسان حدثنا عبد العزيز بن محمد عن محمد بن عبد الله بن الحسن عن أبي الزناد عن الأعرج عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال إذا صلى أحدكم فلا يبرك كما يبرك البعير وليضع يديه قبل ركبتيه قيل لعبد الله ما تقول قال كله طيب وقال أهل الكوفة يختارون الأول

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরায়রা (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১৩৫৮

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৭৫. (সিজদায় হাত) বিছিয়ে দেয়া ও কাকের ন্যায় ঠোকর মারা নিষেধ

১৩৫৮. আনাস ইবনু মালিক রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “তোমরা ধীর-স্থিরতার সাথে রুকূ’ করো এবং তোমাদের কেউ যেন (সিজদা সময়) তার (কনুই পর্যন্ত) দু’হাত কুকুরের মতো বিছিয়ে না দেয়।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: সহীহ বুখারী ৮২২; সহীহ মুসলিম ৪৯৩; আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ২৮৫৩ ও সহীহ ইবনু হিব্বান নং ১৯২৬ এ।

بَاب النَّهْيِ عَنْ الِافْتِرَاشِ وَنَقْرَةِ الْغُرَابِ

أَخْبَرَنَا هَاشِمُ بْنُ الْقَاسِمِ وَسَعِيدُ بْنُ الرَّبِيعِ قَالَا حَدَّثَنَا شُعْبَةُ عَنْ قَتَادَةَ قَالَ سَمِعْتُ أَنَسَ بْنَ مَالِكٍ يَقُولُ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ اعْتَدِلُوا فِي الرُّكُوعِ وَالسُّجُودِ وَلَا يَبْسُطْ أَحَدُكُمْ ذِرَاعَيْهِ بِسَاطَ الْكَلْبِ

أخبرنا هاشم بن القاسم وسعيد بن الربيع قالا حدثنا شعبة عن قتادة قال سمعت أنس بن مالك يقول قال رسول الله صلى الله عليه وسلم اعتدلوا في الركوع والسجود ولا يبسط أحدكم ذراعيه بساط الكلب

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আনাস ইবনু মালিক (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১৩৫৯

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৭৫. (সিজদায় হাত) বিছিয়ে দেয়া ও কাকের ন্যায় ঠোকর মারা নিষেধ

১৩৫৯. আব্দুর রহমান ইবনু শিবলি আল আনসারী হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হিংস্র জন্তুর মতো (কনুই পর্যন্ত দু’হাত) বিছিয়ে দিতে, কাকের মতো ঠোকর মারতে এবং উটের জায়গা নির্দিষ্ট করার ন্যায় (মসজিদে মধ্যে) কোনো লোকের জন্য জায়গা নির্দিষ্ট করে নিতে নিষেধ করেছেন।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ হাসান, তামীম ইবনু মাহমূদের কারণে।

তাখরীজ: আমরা তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ২২৭৭ এ। ((আবু দাউদ ৮৬২, নাসাঈ, ইবনু মাজাহ -অনুবাদক))

بَاب النَّهْيِ عَنْ الِافْتِرَاشِ وَنَقْرَةِ الْغُرَابِ

أَخْبَرَنَا أَبُو عَاصِمٍ عَنْ عَبْدِ الْحَمِيدِ بْنِ جَعْفَرٍ عَنْ أَبِيهِ عَنْ تَمِيمِ بْنِ مَحْمُودٍ عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ شِبْلٍ الْأَنْصَارِيِّ قَالَ نَهَى رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَنْ افْتِرَاشِ السَّبُعِ وَنَقْرَةِ الْغُرَابِ وَأَنْ يُوطِنَ الرَّجُلُ الْمَكَانَ كَمَا يُوطِنُ الْبَعِيرُ

أخبرنا أبو عاصم عن عبد الحميد بن جعفر عن أبيه عن تميم بن محمود عن عبد الرحمن بن شبل الأنصاري قال نهى رسول الله صلى الله عليه وسلم عن افتراش السبع ونقرة الغراب وأن يوطن الرجل المكان كما يوطن البعير

 হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)  বর্ণনাকারীঃ আবদুর রহমান ইবনু শিবল (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১৩৬০

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৭৬. উভয় সিজদার মাঝে যা বলতে হবে

১৩৬০. হুযাইফাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম দু’ সিজদার মাঝে বলতেন: “রব্বিগফির লী।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর বর্ণনাকারীগণ নির্ভরযোগ্য। তবে নাসাঈ বলেছেন: তালহাহ ইবনু ইয়াযীদ হুযাইফাহ হতে শ্রবণ করেছেন বলে আমি জানি না। তবে হাকিম একে বুখারী মুসলিমের শর্তানুযায়ী সহীহ বলেছেন এবং যাহাবী তা সমর্থন করেছেন।

তাখরীজ: আহমাদ ৫/৩৯৭, ৪০০; ইবনু মাজাহ ৮৯৭ সহীহ সনদে; নাসাঈ, আল ‍কুবরা ৬৫৬, ৭৩১, ১৩৭৮, ১৩৭৯; নাসাঈ বলেন, “এ হাদীসটি আমার নিকট মুরসাল।” আবু দাউদ ৮৭৪; তিরমিযী, শামাইল ২৭০; বাগাবী, শারহুস সুন্নাহ ৯১০; বাইহাকী ২/১২১-১২২; আবু দাউদ তায়ালিসী ৪১৬।…

بَاب الْقَوْلِ بَيْنَ السَّجْدَتَيْنِ

أَخْبَرَنَا أَبُو نُعَيْمٍ حَدَّثَنَا زُهَيْرٌ عَنْ الْعَلَاءِ بْنِ الْمُسَيَّبِ عَنْ عَمْرِو بْنِ مُرَّةَ عَنْ طَلْحَةَ بْنِ يَزِيدَ الْأَنْصَارِيِّ عَنْ حُذَيْفَةَ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَ يَقُولُ بَيْنَ السَّجْدَتَيْنِ رَبِّ اغْفِرْ لِي فَقِيلَ لِعَبْدِ اللَّهِ تَقُولُ هَذَا قَالَ رُبَّمَا قُلْتُ وَرُبَّمَا سَكَتُّ

أخبرنا أبو نعيم حدثنا زهير عن العلاء بن المسيب عن عمرو بن مرة عن طلحة بن يزيد الأنصاري عن حذيفة أن النبي صلى الله عليه وسلم كان يقول بين السجدتين رب اغفر لي فقيل لعبد الله تقول هذا قال ربما قلت وربما سكت

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ হুযায়ফাহ ইবন আল-ইয়ামান (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১৩৬১

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৭৭. রুকূ’ ও সিজদায় কিরা’আত (কুরআন) পাঠ করা নিষেধ

১৩৬১. ইবনু আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম (সর্বশেষ অসুস্থতার সময়ে ঘরের) পর্দা তুলে ধরলেন- তখন লোকেরা আবু বাকরের পিছনে কাতারবদ্ধ ছিলেন। তখন তিনি বললেন: “হে মানবমণ্ডলী! নবুওয়াতের সুসংবাদের আর কোনো কিছুই আর অবশিষ্ট নেই, তবে কোনো মুসলিম যে সুস্বপ্ন দেখবে বা তার পক্ষে দেখানো হবে, তা ব্যতীত। আর জেনে রাখো, আমাকে রুকূ কিংবা সিজদারত অবস্থায় কিরা’আত (কুরআন) পাঠ করতে নিষেধ করা হয়েছে। তাই তোমরা রুকূতে তোমাদের রবের ’তা’যীম’ (মহত্ত্ব) বর্ণনা করবে এবং সিজদায় (বেশি বেশি) দু’আ করার চেষ্টা করবে। কেননা, সেটি তোমাদের দু’আ কবুলের উপযুক্ত সময়।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: সহীহ মুসলিম ৪৭৯; আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ৪১৭, ২৩৮৭ ও সহীহ ইবনু হিব্বান নং ১৮৯৬ ও মুসনাদুল হুমাইদী নং ৪৯৫ এ।

بَاب النَّهْيِ عَنْ الْقِرَاءَةِ فِي الرُّكُوعِ وَالسُّجُودِ

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ حَدَّثَنَا ابْنُ عُيَيْنَةَ عَنْ سُلَيْمَانَ بْنِ سُحَيْمٍ عَنْ إِبْرَاهِيمَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَعْبَدٍ عَنْ أَبِيهِ عَنْ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ كَشَفَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ السِّتَارَةَ وَالنَّاسُ صُفُوفٌ خَلْفَ أَبِي بَكْرٍ فَقَالَ يَا أَيُّهَا النَّاسُ إِنَّهُ لَمْ يَبْقَ مِنْ مُبَشِّرَاتِ النُّبُوَّةِ إِلَّا الرُّؤْيَا الصَّالِحَةُ يَرَاهَا الْمُسْلِمُ أَوْ تُرَى لَهُ أَلَا إِنِّي نُهِيتُ أَنْ أَقْرَأَ رَاكِعًا أَوْ سَاجِدًا فَأَمَّا الرُّكُوعُ فَعَظِّمُوا رَبَّكُمْ وَأَمَّا السُّجُودُ فَاجْتَهِدُوا فِي الدُّعَاءِ فَقَمِنٌ أَنْ يُسْتَجَابَ لَكُمْ

أخبرنا محمد بن أحمد حدثنا ابن عيينة عن سليمان بن سحيم عن إبراهيم بن عبد الله بن معبد عن أبيه عن ابن عباس قال كشف رسول الله صلى الله عليه وسلم الستارة والناس صفوف خلف أبي بكر فقال يا أيها الناس إنه لم يبق من مبشرات النبوة إلا الرؤيا الصالحة يراها المسلم أو ترى له ألا إني نهيت أن أقرأ راكعا أو ساجدا فأما الركوع فعظموا ربكم وأما السجود فاجتهدوا في الدعاء فقمن أن يستجاب لكم

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আবদুল্লাহ ইবনু আব্বাস (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১৩৬২

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৭৭. রুকূ’ ও সিজদায় কিরা’আত (কুরআন) পাঠ করা নিষেধ

১৩৬২. ইবনু আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “আমার রুকূ’ অথবা সাজদারত অবস্থায় আমাকে কিরা’আত (কুরআন) পাঠ করতে নিষেধ করা হয়েছে। তাই তোমরা রুকূতে তোমাদের রবের ’তা’যীম’ (মহত্ত্ব) বর্ণনা করবে এবং সিজদায় (বেশি বেশি) দু’আ করার চেষ্টা করবে। কেননা, সেটি হলো তোমাদের দু’আ কবুলের উপযুক্ত সময়।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: এটি আগের হাদীসটির পূনরাবৃত্তি। পূর্ণ তাখরীজের জন্য সেখানে দেখুন।

بَاب النَّهْيِ عَنْ الْقِرَاءَةِ فِي الرُّكُوعِ وَالسُّجُودِ

أَخْبَرَنَا يَحْيَى بْنُ حَسَّانَ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ وَإِسْمَعِيلُ بْنُ جَعْفَرٍ عَنْ سُلَيْمَانَ بْنِ سُحَيْمٍ عَنْ إِبْرَاهِيمَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَعْبَدِ بْنِ عَبَّاسٍ عَنْ أَبِيهِ عَنْ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِنِّي نُهِيتُ أَنْ أَقْرَأَ وَأَنَا رَاكِعٌ أَوْ سَاجِدٌ فَأَمَّا الرُّكُوعُ فَعَظِّمُوا فِيهِ الرَّبَّ وَأَمَّا السُّجُودُ فَاجْتَهِدُوا فِي الدُّعَاءِ فَقَمِنٌ أَنْ يُسْتَجَابَ لَكُمْ

أخبرنا يحيى بن حسان حدثنا سفيان بن عيينة وإسمعيل بن جعفر عن سليمان بن سحيم عن إبراهيم بن عبد الله بن معبد بن عباس عن أبيه عن ابن عباس قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم إني نهيت أن أقرأ وأنا راكع أو ساجد فأما الركوع فعظموا فيه الرب وأما السجود فاجتهدوا في الدعاء فقمن أن يستجاب لكم

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আবদুল্লাহ ইবনু আব্বাস (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১৩৬৩

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৭৮. যে ব্যক্তি রুকূ’ ও সিজদা পূর্ণরূপে আদায় করে না, তার সম্পর্কে

১৩৬৩. আবী মাসউদ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: যে ব্যক্তি রুকূ’ ও সিজদায় (তথা রুকূ’ ও সিজদা হতে উঠে) তার পিঠ সোজা করবে না, তার সালাত যথেষ্ট হবে না।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ১৮৯২, ১৮৯৩; মাওয়ারিদুয যাম’আন নং ৫০১, ৫০২ ও মুসনাদুল হুমাইদী নং ৪৫৯। ((আবু দাউদ ৮৫৫; আহমাদ ৪/১১৯, ১২২; তায়ালিসী ১/৯৭ নং ৪২৭; ইবুন হাযম, আল মুহাল্লা ৩/২৫৭; তাবারাণী, আল কাবীর ১৭/২১৩; সহীহ ইবনু খুযাইমাহ ১/৩০০ নং ৫৯১, ৫৯২, ৬৬৬; ইবনু হিব্বান নং ১৮৯০; দারুকুতনী ১/৩৪৮; ইবনু মাজাহ ৮৭০; তিরমিযী ২৬৫; আব্দুর রাযযাক ২/১৫০ নং ২৮৫৬, ৩৭৩৬; হুমাইদী ১/২১৬ নং ৪৫৪; বাইহাকী ২/৮৮; নাসাঈ ২/১৮৩, ২১৪; বাগাবী, শারহুস ‍সুন্নাহ নং ৬১৭।- মাওয়ারিদুয যাম’আন ৫০১, ৫০২ মুহাক্বিক্বের টীকা হতে। -অনুবাদক))

بَاب فِي الَّذِي لَا يُتِمُّ الرُّكُوعَ وَالسُّجُودَ

أَخْبَرَنَا يَعْلَى بْنُ عُبَيْدٍ حَدَّثَنَا الْأَعْمَشُ عَنْ عُمَارَةَ هُوَ ابْنُ عُمَيْرٍ عَنْ أَبِي مَعْمَرٍ عَنْ أَبِي مَسْعُودٍ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَا تُجْزِئُ صَلَاةٌ لَا يُقِيمُ الرَّجُلُ فِيهَا صُلْبَهُ فِي الرُّكُوعِ وَالسُّجُودِ

أخبرنا يعلى بن عبيد حدثنا الأعمش عن عمارة هو ابن عمير عن أبي معمر عن أبي مسعود قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم لا تجزئ صلاة لا يقيم الرجل فيها صلبه في الركوع والسجود

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আবূ মাসউদ আনসারী (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১৩৬৪

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৭৮. যে ব্যক্তি রুকূ’ ও সিজদা পূর্ণরূপে আদায় করে না, তার সম্পর্কে

১৩৬৪. আবী কাতাদা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: সবচেয়ে নিকৃষ্ট চোর হলো সেই লোক যে তার সালাত চুরি করে।” তারা বললো, ইয়া রাসূলুল্লাহ! সালাত আবার সে কিভাবে চুরি করে? তিনি বললেন: “সে সালাতের রুকূ’ ও সিজদা কোনোটিই পরিপূর্ণভাবে আদায় করে না।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ যয়ীফ। এতে ওয়ালিদ ইবনু মুসলিম ‘আন‘আন পদ্ধতে এটি বর্ণনা করেছেন। (তবে আবী হুরাইরা থেকে সহীহ সনদে এটি বর্ণিত হয়েছে ইবনু হিব্বান ১৮৮৮, হাকিম ১/২২৯; আহমাদ ৫/৩১০ ও অন্যান্যরা। দেখুন মাওয়ারিদুয যাম’আন নং ৫০৩ এ মুহাক্কিক্বের টীকাটি ও আল ইহসান, নং ১৮৮৮ আরনাউত্বের টীকাটিও।-অনুবাদক))

তাখরীজ: আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি আবী ইয়া’লা’র মু’জামুস শুয়ূখ’ নং ১৫০ এবং সেখানে এর সনদকে সহীহ বলা ভূল হয়েছে; এবং মাজমাউয যাওয়াইদ নং ২৭৪৪ এ।

তবে এর শাহিদ হাদীস রয়েছে আবী সাঈদ খুদরী, আবী হুরাইরা ও আব্দুল্লাহ ইবনু মুগাফ্ফাল হতে। আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ২৭৪৫, ২৭৪৬, ২৭৪৭ এ।

আবী হুরাইরা’র সহীহ হাদীসটি আমরা সহীহ ইবনু হিব্বান নং ১৮৮৮; মাওয়ারিদুয যাম’আন নং ৫০৩ এ।

بَاب فِي الَّذِي لَا يُتِمُّ الرُّكُوعَ وَالسُّجُودَ

أَخْبَرَنَا الْحَكَمُ بْنُ مُوسَى حَدَّثَنَا الْوَلِيدُ بْنُ مُسْلِمٍ عَنْ الْأَوْزَاعِيِّ عَنْ يَحْيَى بْنِ أَبِي كَثِيرٍ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي قَتَادَةَ عَنْ أَبِيهِ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَسْوَأُ النَّاسِ سَرِقَةً الَّذِي يَسْرِقُ صَلَاتَهُ قَالُوا يَا رَسُولَ اللَّهِ وَكَيْفَ يَسْرِقُ صَلَاتَهُ قَالَ لَا يُتِمُّ رُكُوعَهَا وَلَا سُجُودَهَا

أخبرنا الحكم بن موسى حدثنا الوليد بن مسلم عن الأوزاعي عن يحيى بن أبي كثير عن عبد الله بن أبي قتادة عن أبيه قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم أسوأ الناس سرقة الذي يسرق صلاته قالوا يا رسول الله وكيف يسرق صلاته قال لا يتم ركوعها ولا سجودها

 হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai’f)  বর্ণনাকারীঃ আবূ কাতাদাহ্ আল-আনসারী (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১৩৬৫

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৭৮. যে ব্যক্তি রুকূ’ ও সিজদা পূর্ণরূপে আদায় করে না, তার সম্পর্কে

১৩৬৫. রাফি’র দুই পূত্র রিফা’আ ও মালিক দু’ভাই যারা বদরযুদ্ধে অংশগ্রহণকারী ছিলেন, তাদের উভয় থেকে বর্ণিত, তারা বলেন, আমরা একদা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের চারপাশে বসে ছিলাম- রাবী হাম্মামের সন্দেহ- অথবা, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বসে ছিলেন এবং আমরা তাঁর চারপাশে বসে ছিলাম। তখন এক ব্যক্তি এসে কিবলামুখী হয়ে সালাত আদায় করতে আরম্ভ করে দিলো। এরপর যখন সে সালাত শেষ করলো, তখন সে এসে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে ও লোকদেরকে সালাম দিলেন। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন: “তোমার উপরও (সালাম)। তুমি ফিরে গিয়ে (পুনরায়) সালাত আদায় করো। কেননা, তুমি সালাত আদায় করনি।” তখন লোকটি ফিরে গেলো এবং পুনরায় সালাত আদায় করতে লাগলো। আর আমরা তার সালাত পর্যবেক্ষণ করছিলাম, কিন্তু আমরা বুঝতে পারছিলাম না সে সালাতে কী ত্রুটি করেছিলো। এরপর যখন সে সালাত শেষ করলো, তখন সে এসে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে ও লোকদেরকে সালাম দিলেন। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন: “তোমার উপরও (সালাম)। তুমি ফিরে গিয়ে (পুনরায়) সালাত আদায় করো। কেননা, তুমি সালাত আদায় করনি।”

হাম্মাম (বর্ণনাকারী) বলেন, আমি জানিনা, তিনি তাকে দু’বার নাকি তিনবার এর নির্দেশ দিয়েছিলেন।

লোকটি বললো, আমি তো কম করিনি; ফলে আমি আমার সালাতে কী ত্রুটি করেছি তা নিজে থেকে বুঝতে পারছি না।তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন: “তোমাদের কারো সালাত ততক্ষণ পর্যন্ত পূর্ণ হবে না, যতক্ষণ না তোমরা পরিপূর্ণরূপে ওযু করবে, যেভাবে আল্লাহ তা করতে নির্দেশ দিয়েছেন- তথা সে তার মুখমণ্ডল ও দু’হাত কনুই পর্যন্ত ধৌত করবে আর তার মাথা মাসেহ করবে এবং গিঁঠ পর্যন্ত দু’পা ধৌত করবে; এরপর ’আল্লাহু আকবার’ বলে তাঁর ’হামদ’-প্রশংসা বর্ণনা করবে, অতঃপর আল্লাহ আযযা ওয়া জাল্লা যেটুকু অনুমতি দিয়েছেন সে পরিমাণ কুরআন তিলাওয়াত করবে। অতঃপর তাকবীর দিয়ে রুকূ’ করবে আর সে এতে তার উভয় হাতের তালু উভয় হাঁটুতে স্থাপন করবে যতক্ষণ না তার শরীরের জোড়াসমূহ শিথিল হয়ে স্ব-স্ব স্থানে যথারীতি স্থির হয়ে যাবে। এরপর সে বলবে: ’সামি’আল্লাহু লিমান হামিদাহ’। এরপর সে সটান দাঁড়িয়ে যাবে যতক্ষণ না তার পিঠ সোজা হয়ে যায় ফলে তার হাড়সমূহ স্ব-স্ব স্থানে যথারীতি অবস্থান করে। এরপর সে তাকবীর বলে সিজদায় গমণ করবে এবং তার চেহারাকে -” (রাবী) হাম্মাম বলেন, সম্ভবত তিনি বলেছেন, “- তার কপালকে মাটিতে সুপ্রতিষ্ঠিত করবে, যতক্ষণ না তার শরীরের জোড়াসমূহ শিথিল হয়ে স্ব-স্ব স্থানে যথারীতি স্থির হয়ে যাবে। সে তাকবীর দিয়ে তার অবস্থানস্থলে সোজা হয়ে বসে যাবে যতক্ষণ না তার পিঠ সোজা হয়ে যাবে।” এভাবে তিনি এ চার রাকা’আত সালাত আদায় পদ্ধতি শেষ পর্যন্ত বর্ণনা করলেন। (শেষে বললেন:) “তোমাদের কারো সালাত পূর্ণ হবে না, যতক্ষণ না সে এরূপ করবে।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ৬৬২৩; সহীহ ইবনু হিব্বান নং ১৭৮৭ ও মাওয়ারিদুয যাম’আন নং ৪৮৪ এ।

بَاب فِي الَّذِي لَا يُتِمُّ الرُّكُوعَ وَالسُّجُودَ

أَخْبَرَنَا أَبُو الْوَلِيدِ الطَّيَالِسِيُّ حَدَّثَنَا هَمَّامٌ حَدَّثَنَا إِسْحَقُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ عَنْ عَلِيِّ بْنِ يَحْيَى بْنِ خَلَّادٍ عَنْ أَبِيهِ عَنْ عَمِّهِ رِفَاعَةَ بْنِ رَافِعٍ وَكَانَ رِفَاعَةُ وَمَالِكُ ابْنَيْ رَافِعٍ أَخَوَيْنِ مِنْ أَهْلِ بَدْرٍ قَالَ بَيْنَمَا نَحْنُ جُلُوسٌ حَوْلَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَوْ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ جَالِسٌ وَنَحْنُ حَوْلَهُ شَكَّ هَمَّامٌ إِذْ دَخَلَ رَجُلٌ فَاسْتَقْبَلَ الْقِبْلَةَ فَصَلَّى فَلَمَّا قَضَى الصَّلَاةَ جَاءَ فَسَلَّمَ عَلَى رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَعَلَى الْقَوْمِ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَعَلَيْكَ ارْجِعْ فَصَلِّ فَإِنَّكَ لَمْ تُصَلِّ فَرَجَعَ الرَّجُلُ فَصَلَّى وَجَعَلْنَا نَرْمُقُ صَلَاتَهُ لَا نَدْرِي مَا يَعِيبُ مِنْهَا فَلَمَّا قَضَى صَلَاتَهُ جَاءَ فَسَلَّمَ عَلَى رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَعَلَى الْقَوْمِ فَقَالَ لَهُ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَعَلَيْكَ ارْجِعْ فَصَلِّ فَإِنَّكَ لَمْ تُصَلِّ قَالَ هَمَّامٌ فَلَا أَدْرِي أَمَرَهُ بِذَلِكَ مَرَّتَيْنِ أَوْ ثَلَاثًا قَالَ الرَّجُلُ مَا أَلَوْتُ فَلَا أَدْرِي مَا عِبْتَ عَلَيَّ مِنْ صَلَاتِي فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِنَّهَا لَا تَتِمُّ صَلَاةُ أَحَدِكُمْ حَتَّى يُسْبِغَ الْوُضُوءَ كَمَا أَمَرَهُ اللَّهُ عَزَّ وَجَلَّ فَيَغْسِلُ وَجْهَهُ وَيَدَيْهِ إِلَى الْمِرْفَقَيْنِ وَيَمْسَحُ بِرَأْسِهِ وَرِجْلَيْهِ إِلَى الْكَعْبَيْنِ ثُمَّ يُكَبِّرُ اللَّهَ وَيَحْمَدُهُ ثُمَّ يَقْرَأُ مِنْ الْقُرْآنِ مَا أَذِنَ اللَّهُ عَزَّ وَجَلَّ لَهُ فِيهِ ثُمَّ يُكَبِّرُ فَيَرْكَعُ فَيَضَعُ كَفَّيْهِ عَلَى رُكْبَتَيْهِ حَتَّى تَطْمَئِنَّ مَفَاصِلُهُ وَتَسْتَرْخِيَ وَيَقُولُ سَمِعَ اللَّهُ لِمَنْ حَمِدَهُ فَيَسْتَوِي قَائِمًا حَتَّى يُقِيمَ صُلْبَهُ فَيَأْخُذَ كُلُّ عَظْمٍ مَأْخَذَهُ ثُمَّ يُكَبِّرُ فَيَسْجُدُ فَيُمَكِّنُ وَجْهَهُ قَالَ هَمَّامٌ وَرُبَّمَا قَالَ جَبْهَتَهُ مِنْ الْأَرْضِ حَتَّى تَطْمَئِنَّ مَفَاصِلُهُ وَتَسْتَرْخِيَ ثُمَّ يُكَبِّرُ فَيَسْتَوِي قَاعِدًا عَلَى مَقْعَدِهِ وَيُقِيمُ صُلْبَهُ فَوَصَفَ الصَّلَاةَ هَكَذَا أَرْبَعَ رَكَعَاتٍ حَتَّى فَرَغَ لَا تَتِمُّ صَلَاةُ أَحَدِكُمْ حَتَّى يَفْعَلَ ذَلِكَ

أخبرنا أبو الوليد الطيالسي حدثنا همام حدثنا إسحق بن عبد الله عن علي بن يحيى بن خلاد عن أبيه عن عمه رفاعة بن رافع وكان رفاعة ومالك ابني رافع أخوين من أهل بدر قال بينما نحن جلوس حول رسول الله صلى الله عليه وسلم أو رسول الله صلى الله عليه وسلم جالس ونحن حوله شك همام إذ دخل رجل فاستقبل القبلة فصلى فلما قضى الصلاة جاء فسلم على رسول الله صلى الله عليه وسلم وعلى القوم فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم وعليك ارجع فصل فإنك لم تصل فرجع الرجل فصلى وجعلنا نرمق صلاته لا ندري ما يعيب منها فلما قضى صلاته جاء فسلم على رسول الله صلى الله عليه وسلم وعلى القوم فقال له النبي صلى الله عليه وسلم وعليك ارجع فصل فإنك لم تصل قال همام فلا أدري أمره بذلك مرتين أو ثلاثا قال الرجل ما ألوت فلا أدري ما عبت علي من صلاتي فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم إنها لا تتم صلاة أحدكم حتى يسبغ الوضوء كما أمره الله عز وجل فيغسل وجهه ويديه إلى المرفقين ويمسح برأسه ورجليه إلى الكعبين ثم يكبر الله ويحمده ثم يقرأ من القرآن ما أذن الله عز وجل له فيه ثم يكبر فيركع فيضع كفيه على ركبتيه حتى تطمئن مفاصله وتسترخي ويقول سمع الله لمن حمده فيستوي قائما حتى يقيم صلبه فيأخذ كل عظم مأخذه ثم يكبر فيسجد فيمكن وجهه قال همام وربما قال جبهته من الأرض حتى تطمئن مفاصله وتسترخي ثم يكبر فيستوي قاعدا على مقعده ويقيم صلبه فوصف الصلاة هكذا أربع ركعات حتى فرغ لا تتم صلاة أحدكم حتى يفعل ذلك

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১৩৬৬

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৭৯. সিজদায় (দু’হাতকে পার্শ্বদেশ হতে) পৃথক রাখা

১৩৬৬. মাইমুনাহ বিনতুল হারিস থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যখন সাজদা করতেন, তখন তিনি তার দু’হাতকে (পার্শ্বদেশ হতে) আলাদা করে রাখতেন এমনকি তাঁর পেছনে যারা থাকতেন, তারা তাঁর উভয় বাহুমুলের ঔজ্জ্বল্য স্পষ্টভাবে দেখতে পেতেন।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: মুসলিম ৪৯৭; আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ৭০৯৬, ৭০৯৭, ৭১০২ এ।

بَاب التَّجَافِي فِي السُّجُودِ

أَخْبَرَنَا أَبُو نُعَيْمٍ حَدَّثَنَا جَعْفَرُ بْنُ بُرْقَانَ حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ الْأَصَمِّ عَنْ مَيْمُونَةَ بِنْتِ الْحَارِثِ قَالَتْ كَانَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِذَا سَجَدَ جَافَى حَتَّى يَرَى مَنْ خَلْفَهُ وَضَحَ إِبِطَيْهِ

أخبرنا أبو نعيم حدثنا جعفر بن برقان حدثنا يزيد بن الأصم عن ميمونة بنت الحارث قالت كان النبي صلى الله عليه وسلم إذا سجد جافى حتى يرى من خلفه وضح إبطيه

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ মাইমূনাহ (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১৩৬৭

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৭৯. সিজদায় (দু’হাতকে পার্শ্বদেশ হতে) পৃথক রাখা

১৩৬৭. মাইমুনাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যখন সাজদা করতেন, তখন তিনি (তার দু’হাতকে) পার্শ্বদেশ হতে এমনভাবে আলাদা করে রাখতেন যে, একটি ছাগলের বাচ্চা ইচ্ছে করলে তাঁর নিচ দিয়ে চলে যেতে পারতো।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: পূর্ণ তাখরীজের জন্য পূর্বের ও পরের হাদীস দু’টি দেখুন।

بَاب التَّجَافِي فِي السُّجُودِ

أَخْبَرَنَا يَحْيَى بْنُ حَسَّانَ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ وَإِسْمَعِيلُ بْنُ زَكَرِيَّا عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الْأَصَمِّ عَنْ عَمِّهِ يَزِيدَ بْنِ الْأَصَمِّ عَنْ مَيْمُونَةَ قَالَتْ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِذَا سَجَدَ جَافَى حَتَّى لَوْ شَاءَتْ بَهْمَةٌ تَمُرُّ تَحْتَهُ لَمَرَّتْ

أخبرنا يحيى بن حسان حدثنا سفيان بن عيينة وإسمعيل بن زكريا عن عبيد الله بن عبد الله بن الأصم عن عمه يزيد بن الأصم عن ميمونة قالت كان رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا سجد جافى حتى لو شاءت بهمة تمر تحته لمرت

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ মাইমূনাহ (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১৩৬৮

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৭৯. সিজদায় (দু’হাতকে পার্শ্বদেশ হতে) পৃথক রাখা

১৩৬৮. নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সহধর্মিনী মাইমূনাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যখন সাজদা করতেন, তখন তিনি তার দু’বাহুকে পার্শ্বদেশ হতে এমনভাবে আলাদা করে রাখতেন যে, তাঁর পেছন থেকে তাঁর উভয় বাহুমুলের শুভ্রতা স্পষ্টভাবে দেখা যেতো। আর যখন বসতেন তখন তাঁর বাম উরুর উপর শান্ত হয়ে বসতেন।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: সহীহ মুসলিম ৪৯৭; দেখুন, আগের হাদীসটি এবং আমার তাহক্বীক্বৃকত মাজমাউয যাওয়াইদে ২২৮৬ নং টি।

بَاب التَّجَافِي فِي السُّجُودِ

حَدَّثَنَا إِسْحَقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ حَدَّثَنَا مَرْوَانُ حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الْأَصَمِّ عَنْ يَزِيدَ بْنِ الْأَصَمِّ عَنْ مَيْمُونَةَ زَوْجِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَتْ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِذَا سَجَدَ خَوَّى بِيَدَيْهِ يَعْنِي جَنَّحَ حَتَّى يُرَى وَضَحُ إِبْطَيْهِ مِنْ وَرَائِهِ وَإِذَا قَعَدَ اطْمَأَنَّ عَلَى فَخِذِهِ الْيُسْرَى

حدثنا إسحق بن إبراهيم حدثنا مروان حدثنا عبيد الله بن عبد الله بن الأصم عن يزيد بن الأصم عن ميمونة زوج النبي صلى الله عليه وسلم قالت كان رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا سجد خوى بيديه يعني جنح حتى يرى وضح إبطيه من ورائه وإذا قعد اطمأن على فخذه اليسرى

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ মাইমূনাহ (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১৩৬৯

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৮০. নাবী (ﷺ) (রুকূ’-সিজদা হতে) মাথা উঠিয়ে যতটুকু সময় অপেক্ষা করতেন, এর পরিমাণ

১৩৬৯. বারা’আ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের রুকু’, রুকূ’ হতে মাথা উঠানোর পরবর্তী সময়, সাজদা ও উভয় সাজদার মধ্যবর্তী সময় প্রায় সম পরিমাণ হতো।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: সহীহ বুখারী ৭৯২; মুসলিম ৪৭১ (১৯৪)। আমরা পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ১৬৮০; সহীহ ইবনু হিব্বান নং ১৮৮৪ তে। পরবর্তী হাদীসটি ও তার টীকাটি দেখুন।

بَاب قَدْرُ كَمْ كَانَ يَمْكُثُ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بَعْدَ مَا يَرْفَعُ رَأْسَهُ

أَخْبَرَنَا سَعِيدُ بْنُ الرَّبِيعِ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ عَنْ الْحَكَمِ عَنْ ابْنِ أَبِي لَيْلَى حَدَّثَنِي الْبَرَاءُ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَ رُكُوعُهُ إِذَا رَكَعَ وَإِذَا رَفَعَ رَأْسَهُ مِنْ الرُّكُوعِ وَسُجُودُهُ وَبَيْنَ السَّجْدَتَيْنِ قَرِيبًا مِنْ السَّوَاءِ

أخبرنا سعيد بن الربيع حدثنا شعبة عن الحكم عن ابن أبي ليلى حدثني البراء أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان ركوعه إذا ركع وإذا رفع رأسه من الركوع وسجوده وبين السجدتين قريبا من السواء

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ বারা’আ ইবনু আযিব (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১৩৭০

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৮০. নাবী (ﷺ) (রুকূ’-সিজদা হতে) মাথা উঠিয়ে যতটুকু সময় অপেক্ষা করতেন, এর পরিমাণ

১৩৭০. বারা’আ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সালাত পর্যবেক্ষণ করেছি। অতএব, তাঁর কিয়াম (সালাতে দাঁড়ানো), রুকূ’, রুকূ’ হতে সোজা হয়ে দাঁড়ানোর অবস্থা, এরপর তাঁর সাজদা ও উভয় সিজদার মধ্যবর্তী বসা, অতঃপর তাঁর (দ্বিতীয়) সাজদা এবং সালাম ও (মুসল্লীদের দিকে) ফিরে বসার মধ্যবর্তী সময় – এ সবগুলোকেই প্রায় সমান পেয়েছি।[1] আবু মুহাম্মদ বলেন, হিলাল ইবনু হুমাইদ হলেন আবু হুমাইদ আল ওয়াযযান।

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: সহীহ মুসলিম ৪৭১; এটি পূর্বের হাদীসটির পুনরাবৃত্তি। তাই পূর্ণ তাখরীজ সেখানে দেখুন।

بَاب قَدْرُ كَمْ كَانَ يَمْكُثُ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بَعْدَ مَا يَرْفَعُ رَأْسَهُ

أَخْبَرَنَا عَمْرُو بْنُ عَوْنٍ حَدَّثَنَا أَبُو عَوَانَةَ عَنْ هِلَالِ بْنِ حُمَيْدٍ الْوَزَّانِ عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي لَيْلَى عَنْ الْبَرَاءِ قَالَ رَمَقْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي صَلَاتِهِ فَوَجَدْتُ قِيَامَهُ وَرَكْعَتَهُ وَاعْتِدَالَهُ بَعْدَ الرَّكْعَةِ فَسَجْدَتَهُ فَجِلْسَتَهُ بَيْنَ السَّجْدَتَيْنِ فَسَجْدَتَهُ فَجِلْسَتَهُ بَيْنَ التَّسْلِيمِ وَالِانْصِرَافِ قَرِيبًا مِنْ السَّوَاءِ قَالَ أَبُو مُحَمَّد هِلَالُ بْنُ حُمَيْدٍ أُرَى أَبُو حُمَيْدٍ الْوَزَّانُ

أخبرنا عمرو بن عون حدثنا أبو عوانة عن هلال بن حميد الوزان عن عبد الرحمن بن أبي ليلى عن البراء قال رمقت رسول الله صلى الله عليه وسلم في صلاته فوجدت قيامه وركعته واعتداله بعد الركعة فسجدته فجلسته بين السجدتين فسجدته فجلسته بين التسليم والانصراف قريبا من السواء قال أبو محمد هلال بن حميد أرى أبو حميد الوزان

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ বারা’আ ইবনু আযিব (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১৩৭১

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৮১. কারো সালাতের কোনো অংশ ছুটে গেলে সেক্ষেত্রে সুন্নাত হলো

১৩৭১. মুগীরাহ ইবনু শু’বাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এগিয়ে চললেন এবং মুগীরা ইবনু শু’বাও তাঁর সাথে এগিয়ে চললেন। তখন তাঁরা লোকদেরকে ফজর সালাতে দণ্ডায়মান অবস্থায় পেলেন। আর লোকেরা আব্দুর রহমান ইবনু আউফ কে তাদের নিয়ে সালাত আদায়ের জন্য আগে বাড়িয়ে দিয়েছেন। ফলে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ফিরে আসার পূর্বে আব্দুর রহমান তাদের নিয়ে ফজর সালাতের এক রাকা’আত আদায় করলেন; অতঃপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ফিরে আসলেন এবং দ্বিতীয় রাকা’আতে আব্দুর রহমানের পিছনে লোকদের সাথে কাতারবদ্ধ হয়ে দাঁড়ালেন। অতঃপর যখন আব্দুর রহমান সালাম ফিরালেন, তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উঠে দাঁড়িয়ে (ছুটে যাওয়া এক রাকা’আত) সালাত আদায় করলেন। এজন্য লোকেরা ভীত হয়ে পড়লো এবং অধিক পরিমানে তাসবীহ (সুবহানাল্লাহ) পড়তে লাগলো। এরপর যখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁর সালাত শেষ করলেন, তখন লোকদেরকে বললেন: “তোমরা ঠিকই করেছো” অথবা “তোমরা ভালই করেছো”।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ যয়ীফ। তবে হাদীসটি সহীহ।

তাখরীজ: আমরা এর তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ২২২৪; মাওয়ারিদ নং ৩৭১ ও মুসনাদুল হুমাইদী নং ৭৭৫; পরবর্তী হাদীসটিও দেখুন। ((সহীহ মুসলিম ২৭৪ (১০৫); আহমাদ ৪/২৪৯, ২৫১; আবু দাউদ ১৪৯; নাসাঈ ৭৯; বাগাবী শারহুস সুন্নাহ ১/৪৫৫-৪৫৬ নং ২৩৬; বাইহাকী ১/২৭৪; তাবারাণী, আল কাবীর ২০/৩৭৬ নং ৮৮০, ৮৮১; ইবনু খুযাইমা ৩/৮ নং ১৫১৪।- মুহাক্বিক্বের মাওয়ারিদুয যাম’আন নং৩৭১ এর টীকা হতে- অনুবাদক।))

بَاب السُّنَّةِ فِيمَنْ سُبِقَ بِبَعْضِ الصَّلَاةِ

أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ صَالِحٍ حَدَّثَنِي اللَّيْثُ بْنُ سَعْدٍ حَدَّثَنِي عُقَيْلٌ عَنْ ابْنِ شِهَابٍ أَخْبَرَنِي عَبَّادُ بْنُ زِيَادٍ عَنْ عُرْوَةَ بْنِ الْمُغِيرَةِ وَحَمْزَةَ بْنِ الْمُغِيرَةِ أَنَّهُمَا سَمِعَا الْمُغِيرَةَ بْنَ شُعْبَةَ يُخْبِرُ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَقْبَلَ وَأَقْبَلَ مَعَهُ الْمُغِيرَةُ بْنُ شُعْبَةَ حَتَّى وَجَدُوا النَّاسَ قَدْ أَقَامُوا الصَّلَاةَ صَلَاةَ الْفَجْرِ وَقَدَّمُوا عَبْدَ الرَّحْمَنِ بْنَ عَوْفٍ يُصَلِّي بِهِمْ فَصَلَّى بِهِمْ عَبْدُ الرَّحْمَنِ رَكْعَةً مِنْ صَلَاةِ الْفَجْرِ قَبْلَ أَنْ يَأْتِيَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ ثُمَّ جَاءَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَصَفَّ مَعَ النَّاسِ وَرَاءَ عَبْدِ الرَّحْمَنِ فِي الرَّكْعَةِ الثَّانِيَةِ فَلَمَّا سَلَّمَ عَبْدُ الرَّحْمَنِ قَامَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ ثُمَّ صَلَّى فَفَزِعَ النَّاسُ لِذَلِكَ وَأَكْثَرُوا التَّسْبِيحَ فَلَمَّا قَضَى رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ صَلَاتَهُ قَالَ لِلنَّاسِ قَدْ أَصَبْتُمْ أَوْ قَدْ أَحْسَنْتُمْ

أخبرنا عبد الله بن صالح حدثني الليث بن سعد حدثني عقيل عن ابن شهاب أخبرني عباد بن زياد عن عروة بن المغيرة وحمزة بن المغيرة أنهما سمعا المغيرة بن شعبة يخبر أن رسول الله صلى الله عليه وسلم أقبل وأقبل معه المغيرة بن شعبة حتى وجدوا الناس قد أقاموا الصلاة صلاة الفجر وقدموا عبد الرحمن بن عوف يصلي بهم فصلى بهم عبد الرحمن ركعة من صلاة الفجر قبل أن يأتي رسول الله صلى الله عليه وسلم ثم جاء رسول الله صلى الله عليه وسلم فصف مع الناس وراء عبد الرحمن في الركعة الثانية فلما سلم عبد الرحمن قام رسول الله صلى الله عليه وسلم ثم صلى ففزع الناس لذلك وأكثروا التسبيح فلما قضى رسول الله صلى الله عليه وسلم صلاته قال للناس قد أصبتم أو قد أحسنتم

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ মুগীরা ইবনু শু’বা (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১৩৭২

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৮১. কারো সালাতের কোনো অংশ ছুটে গেলে সেক্ষেত্রে সুন্নাত হলো

১৩৭২. মুগীরাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, যখন আমরা লোকদের নিকট এসে পৌঁছলাম, তখন তারা সালাতে ছিলো, আর আব্দুর রহমান ইবনু আউফ তাদের নিয়ে সালাত আদায় করছিলেন। আর তখন তিনি তাদের সাথে রুকূ’ করছিলেন। ফলে তিনি যখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের উপস্থিতি টের পেলেন, তিনি পিছিয়ে আসতে চাইলেন। তখন তিনি তাদেরকে নিয়ে সালাত আদায় করার জন্য তাকে হাত দ্বারা ইশারা করলেন। এরপর যখন তিনি সালাম ফেরালেন, তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উঠে দাঁড়ালেন, আমিও উঠে দাঁড়ালাম এবং আমরা ছুটে যাওয়া এক রাকা’আত সালাত আদায় করলাম।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: সহীহ মুসলিম ২৭৪ (৮১)। আমরা এর তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ১৩২৬, ১৩৪৬, ১৩৪৭, ২২২৪, ২২২৫ তে। ((আগের টীকাটি দেখুন- অনুবাদক))

بَاب السُّنَّةِ فِيمَنْ سُبِقَ بِبَعْضِ الصَّلَاةِ

أَخْبَرَنَا مُسَدَّدٌ حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ زُرَيْعٍ حَدَّثَنَا حُمَيْدٌ الطَّوِيلُ حَدَّثَنَا بَكْرُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الْمُزَنِيُّ عَنْ حَمْزَةَ بْنِ الْمُغِيرَةِ عَنْ أَبِيهِ أَنَّهُ قَالَ فَانْتَهَيْنَا إِلَى الْقَوْمِ وَقَدْ قَامُوا إِلَى الصَّلَاةِ يُصَلِّي بِهِمْ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ عَوْفٍ وَقَدْ رَكَعَ بِهِمْ فَلَمَّا أَحَسَّ بِالنَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ ذَهَبَ يَتَأَخَّرُ فَأَوْمَى إِلَيْهِ بِيَدِهِ فَصَلَّى بِهِمْ فَلَمَّا سَلَّمَ قَامَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَقُمْتُ فَرَكَعْنَا الرَّكْعَةَ الَّتِي سُبِقْنَا قَالَ أَبُو مُحَمَّد أَقُولُ فِي الْقَضَاءِ بِقَوْلِ أَهْلِ الْكُوفَةِ أَنْ يَجْعَلَ مَا فَاتَهُ مِنْ الصَّلَاةِ قَضَاءً

أخبرنا مسدد حدثنا يزيد بن زريع حدثنا حميد الطويل حدثنا بكر بن عبد الله المزني عن حمزة بن المغيرة عن أبيه أنه قال فانتهينا إلى القوم وقد قاموا إلى الصلاة يصلي بهم عبد الرحمن بن عوف وقد ركع بهم فلما أحس بالنبي صلى الله عليه وسلم ذهب يتأخر فأومى إليه بيده فصلى بهم فلما سلم قام النبي صلى الله عليه وسلم وقمت فركعنا الركعة التي سبقنا قال أبو محمد أقول في القضاء بقول أهل الكوفة أن يجعل ما فاته من الصلاة قضاء

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ মুগীরা ইবনু শু’বা (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১৩৭৩

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৮২. (অতিরিক্ত) গরম ও ঠাণ্ডার সময় কাপড়ের উপর সাজদা করার অনুমতি প্রসঙ্গে

১৩৭৩. আনাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বলেন, আমরা ভীষণ গরমের সময় রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সাথে সালাত আদায় করেছি। এমতাবস্থায় যখন আমাদের কেউ জমিনে কপাল স্থির রাখতে সক্ষম হতো না, তখন সে তার কাপড় বিছিয়ে তার উপর সালাত আদায় (সাজদা) করতো।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: সহীহ বুখারী ৩৮৫; মুসলিম ৬২০। আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ৪১৫২ ও সহীহ ইবনু হিব্বান নং ২৩৫৪ তে।

بَاب الرُّخْصَةِ فِي السُّجُودِ عَلَى الثَّوْبِ فِي الْحَرِّ وَالْبَرْدِ

أَخْبَرَنَا عَفَّانُ حَدَّثَنَا بِشْرُ بْنُ الْمُفَضَّلِ حَدَّثَنَا غَالِبٌ الْقَطَّانُ عَنْ بَكْرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ عَنْ أَنَسٍ قَالَ كُنَّا نُصَلِّي مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي شِدَّةِ الْحَرِّ فَإِذَا لَمْ يَسْتَطِعْ أَحَدُنَا أَنْ يُمَكِّنَ جَبْهَتَهُ مِنْ الْأَرْضِ بَسَطَ ثَوْبَهُ فَصَلَّى عَلَيْهِ

أخبرنا عفان حدثنا بشر بن المفضل حدثنا غالب القطان عن بكر بن عبد الله عن أنس قال كنا نصلي مع رسول الله صلى الله عليه وسلم في شدة الحر فإذا لم يستطع أحدنا أن يمكن جبهته من الأرض بسط ثوبه فصلى عليه

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আনাস ইবনু মালিক (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১৩৭৪

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৮৩. তাশাহুদের সময় ইশারা করা

১৩৭৪. আব্দুল্লাহ ইবনু যুবাইর এর পিতা (যুবাইর) রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে দেখেছি, তিনি সালাতে এভাবে দু’আ করতেন।’ (এটি বর্ণনার সময় বর্ণনাকারী) ইবনু উয়াইনাহ তার আঙ্গুল দ্বারা ইশারা করলেন। আর (অপর বর্ণনাকারী) আবীল ওয়লীদ তর্জনী আঙ্গুল দ্বারা ইশারা করে দেখালেন।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ হাসান, ইবনু ইজলানের কারণে। ((তবে হাদীসটি সহীহ যা মুসলিমে বর্ণিত হয়েছে- অনুবাদক))

তাখরীজ: মুসলিম ৫৭৯। আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ৬৮০৬, ৬৮০৭; সহীহ ইবনু হিব্বান নং ১৯৪৩, ১৯৪৪ ও মুসনাদুল হুমাইদী নং ৯০৩ তে। আঙ্গুল নাড়ানো জন্য দেখুন, মুসনাদুল মাউসিলী নং ৫৭৬৭ ও মুসনাদুল হুমাইদী নং ৬৬২, ৬৬৩। সেটিই পরের হাদীসটি।

بَاب الْإِشَارَةِ فِي التَّشَهُّدِ

أَخْبَرَنَا أَبُو الْوَلِيدِ الطَّيَالِسِيُّ حَدَّثَنَا ابْنُ عُيَيْنَةَ عَنْ ابْنِ عَجْلَانَ عَنْ عَامِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الزُّبَيْرِ عَنْ أَبِيهِ قَالَ رَأَيْتُ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَدْعُو هَكَذَا فِي الصَّلَاةِ وَأَشَارَ ابْنُ عُيَيْنَةَ بِأُصْبُعِهِ وَأَشَارَ أَبُو الْوَلِيدِ بِالسَّبَّاحَةِ

أخبرنا أبو الوليد الطيالسي حدثنا ابن عيينة عن ابن عجلان عن عامر بن عبد الله بن الزبير عن أبيه قال رأيت النبي صلى الله عليه وسلم يدعو هكذا في الصلاة وأشار ابن عيينة بأصبعه وأشار أبو الوليد بالسباحة

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আবদুল্লাহ্ ইবনু-যুবায়র (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১৩৭৫

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৮৩. তাশাহুদের সময় ইশারা করা

১৩৭৫. ইবনু উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা হতে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যখন সালাতের শেষে (বৈঠকে) বসতেন, তখন তাঁর বাম হাত তাঁর বাম হাঁটুর উপর এবং ডান হাত তাঁর ডান হাঁটুর উপর রাখতেন এবং তাঁর (তর্জনী) আঙ্গুল উঠিয়ে রাখতেন।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: মুসলিম ৫৮০; আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ৫৭৬৭; সহীহ ইবনু হিব্বান নং ১৯৪২ ও মুসনাদুল হুমাইদী নং ৬৬২।

হুমাইদীতে অতিরিক্ত আছে: ‘সুফিয়ান বলেন: ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদ আমাদের নিকট মুসলিম থেকে বর্ণনা করেছেন যে, যখন আমি মুসলিমের সাথে সাক্ষাত করলাম, তিনি আমার নিকট এ হাদীসটি বর্ণনা করলেন এবং এতে অতিরিক্ত বললেন: ‘এটি শয়তান তাড়ানোর যন্ত্র, ফলে কেউ যেন তা ভূলে না যায়।’ আর আরও বলতেন: আর তা ‘এভাবে’ (নাড়াতে হবে বলে) হুমাইদী তার আঙ্গুল উঠিয়ে রাখলেন।

بَاب الْإِشَارَةِ فِي التَّشَهُّدِ

أَخْبَرَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ حَرْبٍ حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ عَنْ أَيُّوبَ عَنْ نَافِعٍ عَنْ ابْنِ عُمَرَ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَ إِذَا قَعَدَ فِي آخِرِ الصَّلَاةِ وَضَعَ يَدَهُ الْيُسْرَى عَلَى رُكْبَتِهِ الْيُسْرَى وَوَضَعَ يَدَهُ الْيُمْنَى عَلَى رُكْبَتِهِ الْيُمْنَى وَنَصَبَ إِصْبَعَهُ

أخبرنا سليمان بن حرب حدثنا حماد بن سلمة عن أيوب عن نافع عن ابن عمر أن النبي صلى الله عليه وسلم كان إذا قعد في آخر الصلاة وضع يده اليسرى على ركبته اليسرى ووضع يده اليمنى على ركبته اليمنى ونصب إصبعه

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১৩৭৬

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৮৪. তাশাহ্হুদ সম্পর্কে

১৩৭৬. আব্দুল্লাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের পিছনে সালাত আদায় করার সময় আমরা বলতাম: ’আস সালামু আলাল্লাহ ক্ববলা ইবাদিহী; আস সালামু আলা জিবরীল, আস সালামু আলা মীকাঈল, আস সালামু আলা ইসরাফীল, আস সালামু আলা ফুলান ওয়া ফুলান’। এরপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাদের নিকট এসে বললেন: “আল্লাহ তা’আলা তো নিজেই ’আস সালাম’। ফলে যখন তোমরা সালাতে বসবে, তখন বলবে: ’আত্তাহিয়্যাতু লিল্লাহি, ওয়াস সলাওয়াতু ওয়াত তয়্যিবাতু, আস সালামু আলাইকা আইয়্যূহান নাবিয়্যূ ওয়া রহমাতুল্লাহি ওয়া বারকাতুহু; আস সালামু আলাইনা ওয়া আলা ইবাদিল্লাহিস স্বলিহীন।’ তোমরা যখন একথা বলবে, তখন আসমান-যমীনের সকল সালেহীন বান্দাগণ তা প্রাপ্ত হবে।- (এরপর বলবে) ’আশহাদু আন্ লা ইলা-হা ইল্লাল্লাহু, ওয়া আশহাদু আন্না মুহাম্মাদান আব্‌দুহু ওয়া রসূলুহু।’ এরপর সে ইচ্ছামতো (দু’আ) বেছে নেবে।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: বুখারী ৮৩১ সহ অন্যান্য স্থানে; মুসলিম ৪০২; আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ৫০৮২; সহীহ ইবনু হিব্বান নং ১৯৪৮, ১৯৪৯, ১৯৫০, ১৯৫১, ১৯৫৫, ১৯৫৬, ১৯৬১, ১৯৬২, ১৯৬৩ তে।

بَاب فِي التَّشَهُّدِ

حَدَّثَنَا يَعْلَى حَدَّثَنَا الْأَعْمَشُ عَنْ شَقِيقٍ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ قَالَ كُنَّا إِذَا صَلَّيْنَا خَلْفَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قُلْنَا السَّلَامُ عَلَى اللَّهِ قَبْلَ عِبَادِهِ السَّلَامُ عَلَى جِبْرِيلَ السَّلَامُ عَلَى مِيكَائِيلَ السَّلَامُ عَلَى إِسْرَافِيلَ السَّلَامُ عَلَى فُلَانٍ وَفُلَانٍ قَالَ فَأَقْبَلَ عَلَيْنَا رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ إِنَّ اللَّهَ تَعَالَى هُوَ السَّلَامُ فَإِذَا جَلَسْتُمْ فِي الصَّلَاةِ فَقُولُوا التَّحِيَّاتُ لِلَّهِ وَالصَّلَوَاتُ وَالطَّيِّبَاتُ السَّلَامُ عَلَيْكَ أَيُّهَا النَّبِيُّ وَرَحْمَةُ اللَّهِ وَبَرَكَاتُهُ السَّلَامُ عَلَيْنَا وَعَلَى عِبَادِ اللَّهِ الصَّالِحِينَ فَإِنَّكُمْ إِذَا قُلْتُمُوهَا أَصَابَتْ كُلَّ عَبْدٍ صَالِحٍ فِي السَّمَاءِ وَالْأَرْضِ أَشْهَدُ أَنْ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَأَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا عَبْدُهُ وَرَسُولُهُ ثُمَّ لِيَتَخَيَّرْ مَا شَاءَ

حدثنا يعلى حدثنا الأعمش عن شقيق عن عبد الله قال كنا إذا صلينا خلف رسول الله صلى الله عليه وسلم قلنا السلام على الله قبل عباده السلام على جبريل السلام على ميكائيل السلام على إسرافيل السلام على فلان وفلان قال فأقبل علينا رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال إن الله تعالى هو السلام فإذا جلستم في الصلاة فقولوا التحيات لله والصلوات والطيبات السلام عليك أيها النبي ورحمة الله وبركاته السلام علينا وعلى عباد الله الصالحين فإنكم إذا قلتموها أصابت كل عبد صالح في السماء والأرض أشهد أن لا إله إلا الله وأشهد أن محمدا عبده ورسوله ثم ليتخير ما شاء

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আবদুল্লাহ‌ ইব্‌ন মাসউদ (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১৩৭৭

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৮৪. তাশাহ্হুদ সম্পর্কে

১৩৭৭. আব্দুল্লাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তার হাত ধরে সালাতে তাশাহহুদ পাঠ তাকে শিক্ষা দিয়েছিলেন: “আত তাহিয়্যাতু লিল্লাহি, ওয়াস সলাওয়াতু ওয়াত তয়্যিবাতু, আস সালামু আলাইকা আইয়্যূহান নাবিয়্যূ ওয়া রহমাতুল্লাহি ওয়া বারকাতুহু; আস সালামু আলাইনা ওয়া আলা ইবাদিল্লাহিস স্বলিহীন।’ যুহাইর (বর্ণনাকারী) বলেন, আমার ধারণা, তিনি আরও বলেছেন: ’আশহাদু আন্ লা ইলা-হা ইল্লাল্লাহু, ওয়া আশহাদু আন্না মুহাম্মাদান আব্দুহু ওয়া রসূলুহু।’ তিনি (বর্ণনাকারী) এ বাক্য দু’টির ব্যাপারেও (তিনি বলেছিলেন কি-না তা নিয়ে) সন্দেহে নিপতিত হয়েছেন – ’’যখন তুমি এটি করলে অথবা সম্পন্ন করলে, তখন ‍তুমি তোমার সালাত সম্পন্ন করলে। (এরপর) তুমি উঠে যেতে চাইলে উঠে যেতে পারো, আবার বসে থাকতে চাইলে বসেও থাকতে পারো।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: এটি আগের হাদীসটির পুনরাবৃত্তি। এছাড়া ইবনু হিব্বান নং ১৯৬১; আগের টীকাটি দেখুন।

بَاب فِي التَّشَهُّدِ

أَخْبَرَنَا أَبُو نُعَيْمٍ حَدَّثَنَا زُهَيْرٌ عَنْ الْحَسَنِ بْنِ حُرٍّ حَدَّثَنِي الْقَاسِمُ بْنُ مُخَيْمِرَةَ قَالَ أَخَذَ عَلْقَمَةُ بِيَدِي فَحَدَّثَنِي أَنَّ عَبْدَ اللَّهِ أَخَذَ بِيَدِهِ وَأَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَخَذَ بِيَدِ عَبْدِ اللَّهِ فَعَلَّمَهُ التَّشَهُّدَ فِي الصَّلَاةِ التَّحِيَّاتُ لِلَّهِ وَالصَّلَوَاتُ وَالطَّيِّبَاتُ السَّلَامُ عَلَيْكَ أَيُّهَا النَّبِيُّ وَرَحْمَةُ اللَّهِ وَبَرَكَاتُهُ السَّلَامُ عَلَيْنَا وَعَلَى عِبَادِ اللَّهِ الصَّالِحِينَ قَالَ زُهَيْرٌ أُرَاهُ قَالَ أَشْهَدُ أَنْ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَأَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا عَبْدُهُ وَرَسُولُهُ أَيْضًا شَكَّ فِي هَاتَيْنِ الْكَلِمَتَيْنِ إِذَا فَعَلْتَ هَذَا أَوْ قَضَيْتَ فَقَدْ قَضَيْتَ صَلَاتَكَ إِنْ شِئْتَ أَنْ تَقُومَ فَقُمْ وَإِنْ شِئْتَ أَنْ تَقْعُدَ فَاقْعُدْ

أخبرنا أبو نعيم حدثنا زهير عن الحسن بن حر حدثني القاسم بن مخيمرة قال أخذ علقمة بيدي فحدثني أن عبد الله أخذ بيده وأن رسول الله صلى الله عليه وسلم أخذ بيد عبد الله فعلمه التشهد في الصلاة التحيات لله والصلوات والطيبات السلام عليك أيها النبي ورحمة الله وبركاته السلام علينا وعلى عباد الله الصالحين قال زهير أراه قال أشهد أن لا إله إلا الله وأشهد أن محمدا عبده ورسوله أيضا شك في هاتين الكلمتين إذا فعلت هذا أو قضيت فقد قضيت صلاتك إن شئت أن تقوم فقم وإن شئت أن تقعد فاقعد

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আবদুল্লাহ‌ ইব্‌ন মাসউদ (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১৩৭৮

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৮৫. নাবী (ﷺ) এর উপর সালাত (দরূদ) প্রেরণ

১৩৭৮. হাকাম বলেন, আমি ইবনু আবী লাইলা রাহি. কে বলতে শুনেছি, আমার নিকট কা’ব ইবনু উজরাহ এসে বললেন, আমি কি তোমাকে একটি উপহার দেবো না? রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাদের নিকট বেরিয়ে এলে আমরা তাঁকে বললাম, আপনাকে কিভাবে সালাম দিতে হবে, তা তো আমরা শিখেছি, কিন্তু আমরা আপনার উপর সালাত (দরূদ) পাঠাবো কিভাবে?তিনি বললেন: “তোমরা বলো: ’আল্লাহুম্মা সল্লি ’আলা মুহাম্মাদ, ওয়া ’আলা আলি মুহাম্মাদ, কামা সল্লাইতা ’আলা ইবরাহীম, ওয়া ’আলা আলি ইবরাহীম, ইন্নাকা হামীদুম মাজীদ; ’আল্লাহুম্মা বারিক ’আলা মুহাম্মাদ, ওয়া ’আলা আলি মুহাম্মাদ, কামা বারাকতা ’আলা ইবরাহীম, ওয়া ’আলা আলি ইবরাহীম, ইন্নাকা হামীদুম মাজীদ।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: বুখারী ৩৩৭০ ও অন্যত্র; মুসলিম ৪০৬; আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৯১২, ১৯৫৭, ১৯৬৪ ও মুসনাদুল হুমাইদী নং ৭২৮, ৭২৯ তে।

بَاب الصَّلَاةِ عَلَى النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ

أَخْبَرَنَا أَبُو الْوَلِيدِ الطَّيَالِسِيُّ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ قَالَ الْحَكَمُ أَخْبَرَنِي قَالَ سَمِعْتُ ابْنَ أَبِي لَيْلَى يَقُولُ لَقِيَنِي كَعْبُ بْنُ عُجْرَةَ فَقَالَ أَلَا أُهْدِي لَكَ هَدِيَّةً إِنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ خَرَجَ عَلَيْنَا فَقُلْنَا قَدْ عَلِمْنَا السَّلَامَ عَلَيْكَ فَكَيْفَ نُصَلِّي قَالَ قُولُوا اللَّهُمَّ صَلِّ عَلَى مُحَمَّدٍ وَعَلَى آلِ مُحَمَّدٍ كَمَا صَلَّيْتَ عَلَى آلِ إِبْرَاهِيمَ إِنَّكَ حَمِيدٌ مَجِيدٌ وَبَارِكْ عَلَى مُحَمَّدٍ وَعَلَى آلِ مُحَمَّدٍ كَمَا بَارَكْتَ عَلَى آلِ إِبْرَاهِيمَ إِنَّكَ حَمِيدٌ مَجِيدٌ

أخبرنا أبو الوليد الطيالسي حدثنا شعبة قال الحكم أخبرني قال سمعت ابن أبي ليلى يقول لقيني كعب بن عجرة فقال ألا أهدي لك هدية إن رسول الله صلى الله عليه وسلم خرج علينا فقلنا قد علمنا السلام عليك فكيف نصلي قال قولوا اللهم صل على محمد وعلى آل محمد كما صليت على آل إبراهيم إنك حميد مجيد وبارك على محمد وعلى آل محمد كما باركت على آل إبراهيم إنك حميد مجيد

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১৩৭৯

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৮৫. নাবী (ﷺ) এর উপর সালাত (দরূদ) প্রেরণ

১৩৭৯. উমার ইবনুল খাত্তাব এর মুক্ত দাস নুয়াইম আল মুজমিরি হতে বর্ণিত, ‍মুহাম্মদ ইবনু আব্দুল্লাহ ইবনু যাইদ আল আনসারী যিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সময়ে স্বপ্নে আযান (এর বাক্যাবলী ও পদ্ধতি) দেখেছিলেন, তিনি তার নিকট বর্ণনা করেছেন, আবী মাসউদ আল আনসারী বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাদের নিকট এসে আমাদের সাথে সা’দ ইবনু উবাদাহ’র মাজলিসে বসে গেলেন। তখন বুশাইর ইবনু সা’দ তথা আবু নু’মান ইবনু বাশীর তাঁকে বললেন, ইয়া রাসূলুল্লাহ! আল্লাহ তা’আলা আমাদেরকে আপনার উপর সালাত (দরূদ) পাঠ করতে নির্দেশ দিয়েছেন। এখন আমরা কিভাবে আপনার উপর সালাত পাঠ করবো? তিনি (রাবী) বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম চুপ থাকলেন, এমনকি আমরা কামনা করতে লাগলাম যে, সে যদি এ প্রশ্নটি তাঁকে জিজ্ঞেসই না করতো! এরপর তিনি বললেন: “তোমরা বলো: ’আল্লাহুম্মা সল্লি ’আলা মুহাম্মাদ, ওয়া ’আলা আলি মুহাম্মাদ, কামা সল্লাইতা ’আলা ইবরাহীম; ’ওয়া বারিক ’আলা মুহাম্মাদ, ওয়া ’আলা আলি মুহাম্মাদ, কামা বারাকতা ’আলা ইবরাহীম ফীল ’আলামীন, ইন্নাকা হামীদুম মাজীদ।’ আর সালাম (কিভাবে দিবে তা) তো তোমরা জেনেছেই।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব; এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: মালিক ৭০; তার সূত্রে মুসলিম ৪০৫; ; আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ১৯৫৮, ১৯৫৯ তে।

بَاب الصَّلَاةِ عَلَى النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ

أَخْبَرَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ عَبْدِ الْمَجِيدِ حَدَّثَنَا مَالِكٌ عَنْ نُعَيْمٍ الْمُجْمِرِ مَوْلَى عُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ أَنَّ مُحَمَّدَ بْنَ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ زَيْدٍ الْأَنْصَارِيَّ الَّذِي كَانَ أُرِيَ النِّدَاءَ بِالصَّلَاةِ عَلَى عَهْدِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَخْبَرَهُ أَنَّ أَبَا مَسْعُودٍ الْأَنْصَارِيَّ قَالَ أَتَانَا رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَجَلَسَ مَعَنَا فِي مَجْلِسِ سَعْدِ بْنِ عُبَادَةَ فَقَالَ لَهُ بَشِيرُ بْنُ سَعْدٍ وَهُوَ أَبُو النُّعْمَانِ بْنُ بَشِيرٍ أَمَرَنَا اللَّهُ أَنْ نُصَلِّيَ عَلَيْكَ يَا رَسُولَ اللَّهِ فَكَيْفَ نُصَلِّي عَلَيْكَ قَالَ فَصَمَتَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ حَتَّى تَمَنَّيْنَا أَنَّهُ لَمْ يَسْأَلْهُ ثُمَّ قَالَ قُولُوا اللَّهُمَّ صَلِّ عَلَى مُحَمَّدٍ وَعَلَى آلِ مُحَمَّدٍ كَمَا صَلَّيْتَ عَلَى إِبْرَاهِيمَ وَبَارِكْ عَلَى مُحَمَّدٍ وَعَلَى آلِ مُحَمَّدٍ كَمَا بَارَكْتَ عَلَى آلِ إِبْرَاهِيمَ فِي الْعَالَمِينَ إِنَّكَ حَمِيدٌ مَجِيدٌ وَالسَّلَامُ كَمَا قَدْ عَلِمْتُمْ

أخبرنا عبيد الله بن عبد المجيد حدثنا مالك عن نعيم المجمر مولى عمر بن الخطاب أن محمد بن عبد الله بن زيد الأنصاري الذي كان أري النداء بالصلاة على عهد رسول الله صلى الله عليه وسلم أخبره أن أبا مسعود الأنصاري قال أتانا رسول الله صلى الله عليه وسلم فجلس معنا في مجلس سعد بن عبادة فقال له بشير بن سعد وهو أبو النعمان بن بشير أمرنا الله أن نصلي عليك يا رسول الله فكيف نصلي عليك قال فصمت رسول الله صلى الله عليه وسلم حتى تمنينا أنه لم يسأله ثم قال قولوا اللهم صل على محمد وعلى آل محمد كما صليت على إبراهيم وبارك على محمد وعلى آل محمد كما باركت على آل إبراهيم في العالمين إنك حميد مجيد والسلام كما قد علمتم

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ নু‘আয়ম মুজমির (রহঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১৩৮০

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৮৬. তাশাহ্হুদের পরে দু’আ করা

১৩৮০. মুহাম্মদ ইবনু আয়িশা বলেন, আমি আবী হুরাইরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু-কে বলতে শুনেছি, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “তোমাদের কেউ যখন তাশাহহুদ পাঠ শেষ করে, তখন সে যেন চারটি বিষয়ে আল্লাহর নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করে: ’জাহান্নামের আযাব, কবরের আযাব, জীবন ও মৃত্যুর ফিতনা ও মাসীহিদ দাজ্জাল এর অনিষ্ট হতে।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: সহীহ মুসলিম ৫৮৮; আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ৬১৩৩ ও সহীহ ইবনু হিব্বান নং ১০০২, ১০১৮, ১০১৯, ১৯৬৭ তে।

بَاب الدُّعَاءِ بَعْدَ التَّشَهُّدِ

أَخْبَرَنَا أَبُو الْمُغِيرَةِ حَدَّثَنَا الْأَوْزَاعِيُّ عَنْ حَسَّانَ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ أَبِي عَائِشَةَ قَالَ سَمِعْتُ أَبَا هُرَيْرَةَ يَقُولُ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِذَا فَرَغَ أَحَدُكُمْ مِنْ التَّشَهُّدِ فَلْيَتَعَوَّذْ بِاللَّهِ مِنْ أَرْبَعٍ مِنْ عَذَابِ جَهَنَّمَ وَعَذَابِ الْقَبْرِ وَفِتْنَةِ الْمَحْيَا وَالْمَمَاتِ وَشَرِّ الْمَسِيحِ الدَّجَّالِ

أخبرنا أبو المغيرة حدثنا الأوزاعي عن حسان عن محمد بن أبي عائشة قال سمعت أبا هريرة يقول قال رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا فرغ أحدكم من التشهد فليتعوذ بالله من أربع من عذاب جهنم وعذاب القبر وفتنة المحيا والممات وشر المسيح الدجال

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১৩৮১

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৮৬. তাশাহ্হুদের পরে দু’আ করা

১৩৮১. আওযাঈ হতে ও অনুরূপ বর্ণিত আছে।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ যয়ীফ। তবে হাদীসটি সহীহ।

তাখরীজ: এটি পূর্বের হাদীসটির পুনরাবৃত্তি।

بَاب الدُّعَاءِ بَعْدَ التَّشَهُّدِ

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ كَثِيرٍ عَنْ الْأَوْزَاعِيِّ نَحْوَهُ

حدثنا محمد بن كثير عن الأوزاعي نحوه

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আওযায়ী (রহঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১৩৮২

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৮৭. সালাতের মধ্যে সালাম ফিরানো

১৩৮২. আমর ইবনু সা’দ হতে বর্ণিত, তার পিতা বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ডানদিকে এমনভাবে সালাম ফিরাতেন যে, (পাশ থেকে) তাঁর গালের শুভ্রতা দেখা যেতো। এরপর বাম দিকে এমনভাবে সালাম ফিরাতেন যে, তাঁর গালের শুভ্রতা দেখা যেতো।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ শক্তিশালী।

তাখরীজ: মুসলিম ৫৮২; আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ৮০১ ও সহীহ ইবনু হিব্বান নং ১৯৯২ তে।

بَاب التَّسْلِيمِ فِي الصَّلَاةِ

حَدَّثَنَا خَالِدُ بْنُ مَخْلَدٍ حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ جَعْفَرٍ عَنْ إِسْمَعِيلَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ سَعْدٍ عَنْ عَامِرِ بْنِ سَعْدٍ عَنْ أَبِيهِ قَالَ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يُسَلِّمُ عَنْ يَمِينِهِ حَتَّى يُرَى بَيَاضُ خَدِّهِ ثُمَّ يُسَلِّمُ عَنْ يَسَارِهِ حَتَّى يُرَى بَيَاضُ خَدِّهِ

حدثنا خالد بن مخلد حدثنا عبد الله بن جعفر عن إسمعيل بن محمد بن سعد عن عامر بن سعد عن أبيه قال كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يسلم عن يمينه حتى يرى بياض خده ثم يسلم عن يساره حتى يرى بياض خده

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আমির ইবন সা’দ (রহঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১৩৮৩

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৮৭. সালাতের মধ্যে সালাম ফিরানো

১৩৮৩. আবী মা’মার বলেন, আমি মক্কায় এক ব্যক্তির পিছনে সালাত আদায় করলাম। তিনি দুই সালাম (-এর মাধ্যমে সালাত শেষ) করলেন। এ বিষয়টি যখন আমি আব্দুল্লাহ’ (ইবনু মাসউদ)-এর নিকট উল্লেখ করলাম, তখন তিনি বললেন, সে এ (সুন্নাত) টি কোথা থেকে পেয়েছে? আর হাকাম বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এরূপ করতেন (তথা দু’দিকে সালাম ফিরাতেন)।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: মুসলিম ৫৮১; আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ৫২৪৪। ‘أنى علقها’ অর্থ: সে এ সুন্নাতটি কোথা থেকে হাসিল ও সংরক্ষণ করেছে?! দেখুন, মুসনাদুল মাউসিলী হাদীস নং ৫০৫১, ৫১০২।

بَاب التَّسْلِيمِ فِي الصَّلَاةِ

حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ حَدَّثَنَا يَحْيَى عَنْ شُعْبَةَ عَنْ الْحَكَمِ وَمَنْصُورٍ عَنْ مُجَاهِدٍ عَنْ أَبِي مَعْمَرٍ قَالَ صَلَّيْتُ خَلْفَ رَجُلٍ بِمَكَّةَ فَسَلَّمَ تَسْلِيمَتَيْنِ فَذَكَرْتُ ذَلِكَ لِعَبْدِ اللَّهِ فَقَالَ أَنَّى عَلِقَهَا وَقَالَ الْحَكَمُ كَانَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَفْعَلُ ذَلِكَ

حدثنا مسدد حدثنا يحيى عن شعبة عن الحكم ومنصور عن مجاهد عن أبي معمر قال صليت خلف رجل بمكة فسلم تسليمتين فذكرت ذلك لعبد الله فقال أنى علقها وقال الحكم كان النبي صلى الله عليه وسلم يفعل ذلك

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১৩৮৪

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৮৮. সালামের পরে যা বলতে হয় (যিকির)

১৩৮৪. আয়িশা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, “আল্লাহুম্মা আনতাস সালাম ওয়া মিনকাস সালাম, তাবারাকতা ইয়া যাল জালালি ওয়াল ইকরাম।” এ (দু’আ) টি পড়তে যতটুকু সময় লাগে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সালাতের পরে এর অধিক পরিমাণ সময় বসতেন না।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: মুসলিম ৫৯২; আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ৪৭২১ ও সহীহ ইবনু হিব্বান নং ২০০০, ২০০১ তে।

بَاب الْقَوْلِ بَعْدَ السَّلَامِ

أَخْبَرَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ أَخْبَرَنَا عَاصِمٌ عَنْ أَبِي الْوَلِيدِ هُوَ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ الْحَارِثِ عَنْ عَائِشَةَ قَالَتْ مَا كَانَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَجْلِسُ بَعْدَ الصَّلَاةِ إِلَّا قَدْرَ مَا يَقُولُ اللَّهُمَّ أَنْتَ السَّلَامُ وَمِنْكَ السَّلَامُ تَبَارَكْتَ يَا ذَا الْجَلَالِ وَالْإِكْرَامِ

أخبرنا يزيد بن هارون أخبرنا عاصم عن أبي الوليد هو عبد الله بن الحارث عن عائشة قالت ما كان النبي صلى الله عليه وسلم يجلس بعد الصلاة إلا قدر ما يقول اللهم أنت السلام ومنك السلام تباركت يا ذا الجلال والإكرام

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আয়িশা বিনত আবূ বাকর সিদ্দীক (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১৩৮৫

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৮৮. সালামের পরে যা বলতে হয় (যিকির)

১৩৮৫. ছাওবান রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যখন সালাত সমাপ্ত করতেন, তখন তিনি তিনবার ’আস্তাগফিরুল্লাহ’ বলতেন এরপর পড়তেন, “আল্লাহুম্মা আনতাস সালাম ওয়া মিনকাস সালাম তাবারাকতা ইয়া যাল জালালি ওয়াল ইকরাম।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: সহীহ মুসলিম ৫৯১; আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ করেছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ২০০৩।

بَاب الْقَوْلِ بَعْدَ السَّلَامِ

أَخْبَرَنَا أَبُو الْمُغِيرَةِ حَدَّثَنَا الْأَوْزَاعِيُّ عَنْ شَدَّادٍ أَبِي عَمَّارٍ عَنْ أَبِي أَسْمَاءَ الرَّحَبِيِّ عَنْ ثَوْبَانَ قَالَ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِذَا أَرَادَ أَنْ يَنْصَرِفَ مِنْ صَلَاتِهِ اسْتَغْفَرَ ثَلَاثَ مَرَّاتٍ ثُمَّ قَالَ اللَّهُمَّ أَنْتَ السَّلَامُ وَمِنْكَ السَّلَامُ تَبَارَكْتَ يَا ذَا الْجَلَالِ وَالْإِكْرَامِ

أخبرنا أبو المغيرة حدثنا الأوزاعي عن شداد أبي عمار عن أبي أسماء الرحبي عن ثوبان قال كان رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا أراد أن ينصرف من صلاته استغفر ثلاث مرات ثم قال اللهم أنت السلام ومنك السلام تباركت يا ذا الجلال والإكرام

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ সাওবান (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১৩৮৬

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৮৮. সালামের পরে যা বলতে হয় (যিকির)

১৩৮৬. মুগীরাহ ইবনু শু’বাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু এর কাতিব (লিপিকার) ওয়াররাদ বলেন, মুগীরাহ ইবনু শু’বাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু আমাকে মু’আবিয়া রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুর (নিকট পাঠানোর) জন্য একটি খাতায় লিখে দিতে বললেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম প্রত্যেক ফরয সালাতের শেষে পাঠ করতেন: “লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারীকা লাহু, লাহুল মুলকু ওয়া লাহুল হামদু, ওয়া হুয়া আলা কুল্লি শাইয়্যিন ক্বদীর। আল্লাহুম্মা লা মানি’আ লিমা আ’তইতা, ওয়া লা মু’তিআ লিমা মানা’তা, ওয়া লা ইয়ানফা’ঊ যাল জাদ্দি মিনকাল জাদ্দু।”[1] (অর্থ: আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য উপাস্য নেই, তিনি একক তাঁর কোনোই শারীক নেই। সকল রাজত্ব তারই, সকল প্রশংসাও তাঁরই জন্য। আর তিনি সকল কিছুর উপরে ক্ষমতাবান। হে আল্লাহ! আপনি যা দেন, তা প্রতিরোধ করার কেউ নেই, আর আপনি যা আটকে দেন, তা দানকারী কেউ নেই। কোনো সম্পদশালীর সম্পদ আপনার মোকাবেলায় কোনো উপকারে আসে না।)

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: বুখারী ৮৪৪; মুসলিম ৫৯৩; আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ করেছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ২০০৫, ২০০৬, ২০০৭ ও মুসনাদুল হুমাইদী নং ৭৮০তে।

بَاب الْقَوْلِ بَعْدَ السَّلَامِ

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ عَبْدِ الْمَلِكِ بْنِ عُمَيْرٍ عَنْ وَرَّادٍ كَاتِبِ الْمُغِيرَةِ بْنِ شُعْبَةَ قَالَ أَمْلَى عَلَيَّ الْمُغِيرَةُ بْنُ شُعْبَةَ فِي كِتَابٍ إِلَى مُعَاوِيَةَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَ يَقُولُ فِي دُبُرِ كُلِّ صَلَاةٍ مَكْتُوبَةٍ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَحْدَهُ لَا شَرِيكَ لَهُ لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ اللَّهُمَّ لَا مَانِعَ لِمَا أَعْطَيْتَ وَلَا مُعْطِيَ لِمَا مَنَعْتَ وَلَا يَنْفَعُ ذَا الْجَدِّ مِنْكَ الْجَدُّ

أخبرنا محمد بن يوسف حدثنا سفيان عن عبد الملك بن عمير عن وراد كاتب المغيرة بن شعبة قال أملى علي المغيرة بن شعبة في كتاب إلى معاوية أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان يقول في دبر كل صلاة مكتوبة لا إله إلا الله وحده لا شريك له له الملك وله الحمد وهو على كل شيء قدير اللهم لا مانع لما أعطيت ولا معطي لما منعت ولا ينفع ذا الجد منك الجد

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ মুগীরা ইবনু শু’বা (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১৩৮৭

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৮৯. সালাত শেষে (ইমাম) কোন্ পাশ দিয়ে (মুসল্লির দিকে) ঘুরে বসবে

১৩৮৭. আব্দুল্লাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, তোমাদের কেউ যেন শয়তানের জন্য তার সালাতের কোনো অংশ নির্দিষ্ট না করে। তা হলো, কারো এ ধারণা করা যে, কেবল ডান পাশ দিয়ে ঘুরে বসাই তার জন্য জরুরী। বরং আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে অধিকাংশ সময় বামপাশ দিয়ে ঘুরে (বসতে) দেখেছি।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: বুখারী ৮৫২; মুসলিম ৭০৭; আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ৫১৭৪; সহীহ ইবনু হিব্বান নং ১৯৯৭ ও মুসনাদুল হুমাইদী নং ১২৭।

بَاب عَلَى أَيِّ شِقَّيْهِ يَنْصَرِفُ مِنْ الصَّلَاةِ

أَخْبَرَنَا أَبُو الْوَلِيدِ الطَّيَالِسِيُّ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ عَنْ الْأَعْمَشِ عَنْ عُمَارَةَ عَنْ الْأَسْوَدِ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ قَالَ لَا يَجْعَلْ أَحَدُكُمْ لِلشَّيْطَانِ نَصِيبًا مِنْ صَلَاتِهِ يَرَى أَنَّ حَقًّا عَلَيْهِ أَنْ لَا يَنْصَرِفَ إِلَّا عَنْ يَمِينِهِ لَقَدْ رَأَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَثِيرًا يَنْصَرِفُ عَنْ يَسَارِهِ

أخبرنا أبو الوليد الطيالسي حدثنا شعبة عن الأعمش عن عمارة عن الأسود عن عبد الله قال لا يجعل أحدكم للشيطان نصيبا من صلاته يرى أن حقا عليه أن لا ينصرف إلا عن يمينه لقد رأيت رسول الله صلى الله عليه وسلم كثيرا ينصرف عن يساره

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আবদুল্লাহ‌ ইব্‌ন মাসউদ (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১৩৮৮

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৮৯. সালাত শেষে (ইমাম) কোন্ পাশ দিয়ে (মুসল্লির দিকে) ঘুরে বসবে

১৩৮৮. সুদ্দী বলেন, আমি আনাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহকে বলতে শুনেছি, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে ডানপাশ দিয়ে ঘুরে (বসতে) দেখেছি।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ হাসান। তবে হাদীসটি সহীহ, মুসলিমে বর্ণিত হয়েছে।

তাখরীজ: মুসলিম ৭০৮; আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ৪০৪২ ও সহীহ ইবনু হিব্বান নং ১৯৯৬; আগের টীকাটি ও পরের হাদীসটি দেখুন।

بَاب عَلَى أَيِّ شِقَّيْهِ يَنْصَرِفُ مِنْ الصَّلَاةِ

أَخْبَرَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ مُوسَى عَنْ إِسْرَائِيلَ عَنْ السُّدِّيِّ قَالَ سَمِعْتُ أَنَسًا يَقُولُ رَأَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَنْصَرِفُ عَنْ يَمِينِهِ

أخبرنا عبيد الله بن موسى عن إسرائيل عن السدي قال سمعت أنسا يقول رأيت رسول الله صلى الله عليه وسلم ينصرف عن يمينه

 হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১৩৮৯

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৮৯. সালাত শেষে (ইমাম) কোন্ পাশ দিয়ে (মুসল্লির দিকে) ঘুরে বসবে

১৩৮৯. (অপর সনদে) সুদ্দী বলেন, আমি আনাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহকে বলতে শুনেছি, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে সালাতে (এর শেষে) ডানপাশ দিয়ে ঘুরে (বসতে) দেখেছি।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ হাসান।

তাখরীজ: আগের টীকাটি দেখুন।

بَاب عَلَى أَيِّ شِقَّيْهِ يَنْصَرِفُ مِنْ الصَّلَاةِ

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ السُّدِّيِّ قَالَ سَمِعْتُ أَنَسَ بْنَ مَالِكٍ قَالَ انْصَرَفَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَنْ يَمِينِهِ يَعْنِي فِي الصَّلَاةِ

أخبرنا محمد بن يوسف حدثنا سفيان عن السدي قال سمعت أنس بن مالك قال انصرف النبي صلى الله عليه وسلم عن يمينه يعني في الصلاة

 হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১৩৯০

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৯০. সালাত শেষে তাসবীহ (সুবহানাল্লাহ) পড়া

১৩৯০. আবু হুরাইরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আবূ যারর রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, ইয়া রাসূলুল্লাহ! সম্পদশালী লোকেরাই তো সব সাওয়াব নিয়ে গেলো। তারা আমাদের মতোই সালাত আদায় করে, আমাদের মতো সিয়াম পালন করে। অধিকন্তু তাদের তো অর্থ-বিত্ত রয়েছে অনেক যা তারা সাদাকা করে, কিন্তু আমাদের তো কিছুই নেই (যা আমরা সাদাকা করবো)। তখন আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন: “তোমাকে কি আমি এমন কিছু কালিমা শিক্ষা দেবো না, যা বললে ‍তুমি তোমার অগ্রবর্তীদের নাগাল পেয়ে যাবে, কিন্তু তোমার পশ্চাদবর্তীগণ তোমার নাগাল পাবে না, যদি না তারাও তোমার মতো আমল করে (তথা সেগুলো বলে)?”

তিনি বললেন, হাঁ, অবশ্যই, ইয়া রাসূলুল্লাহ।তিনি বললেন: “তুমি প্রত্যেক সালাত শেষে তেঁত্রিশ বার তাসবীহ (সুবহানাল্লাহ), তেঁত্রিশ বার তাহমীদ (আলহামদু লিল্লাহ) ও তেঁত্রিশ বার তাকবীর (আল্লাহু আকবার) পাঠ করবে। আর, “লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারীকা লাহু, লাহুল মুলকু ওয়া লাহুল হামদু, ওয়া হুয়া আলা কুল্লি শাইয়্যিন ক্বদীর”- পাঠের মাধ্যমে তা শেষ করবে।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

এর সনদ সহীহ।

সহীহ মুসলিম ৮৪৩; মুসলিম ৫৯৫; আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ৬৫৮৭ ও সহীহ ইবনু হিব্বান নং ২০১৫, ২০১৬।

بَاب التَّسْبِيحِ فِي دُبُرِ الصَّلَوَاتِ

أَخْبَرَنَا الْحَكَمُ بْنُ مُوسَى حَدَّثَنَا هِقْلٌ عَنْ الْأَوْزَاعِيِّ قَالَ حَدَّثَنِي حَسَّانُ بْنُ عَطِيَّةَ قَالَ حَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ أَبِي عَائِشَةَ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ قَالَ أَبُو ذَرٍّ يَا رَسُولَ اللَّهِ ذَهَبَ أَصْحَابُ الدُّثُورِ بِالْأُجُورِ يُصَلُّونَ كَمَا نُصَلِّي وَيَصُومُونَ كَمَا نَصُومُ وَلَهُمْ فُضُولُ أَمْوَالٍ يَتَصَدَّقُونَ بِهَا وَلَيْسَ لَنَا مَا نَتَصَدَّقُ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَفَلَا أُعَلِّمُكَ كَلِمَاتٍ إِذَا أَنْتَ قُلْتَهُنَّ أَدْرَكْتَ مَنْ سَبَقَكَ وَلَمْ يَلْحَقْكَ مَنْ خَلَفَكَ إِلَّا مَنْ عَمِلَ بِمِثْلِ عَمَلِكَ قَالَ قُلْتُ بَلَى يَا رَسُولَ اللَّهِ قَالَ تُسَبِّحُ دُبُرَ كُلِّ صَلَاةٍ ثَلَاثًا وَثَلَاثِينَ وَتَحْمَدُهُ ثَلَاثًا وَثَلَاثِينَ وَتُكَبِّرُهُ ثَلَاثًا وَثَلَاثِينَ وَتَخْتِمُهَا بِلَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَحْدَهُ لَا شَرِيكَ لَهُ لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ

أخبرنا الحكم بن موسى حدثنا هقل عن الأوزاعي قال حدثني حسان بن عطية قال حدثني محمد بن أبي عائشة عن أبي هريرة قال قال أبو ذر يا رسول الله ذهب أصحاب الدثور بالأجور يصلون كما نصلي ويصومون كما نصوم ولهم فضول أموال يتصدقون بها وليس لنا ما نتصدق قال رسول الله صلى الله عليه وسلم أفلا أعلمك كلمات إذا أنت قلتهن أدركت من سبقك ولم يلحقك من خلفك إلا من عمل بمثل عملك قال قلت بلى يا رسول الله قال تسبح دبر كل صلاة ثلاثا وثلاثين وتحمده ثلاثا وثلاثين وتكبره ثلاثا وثلاثين وتختمها بلا إله إلا الله وحده لا شريك له له الملك وله الحمد وهو على كل شيء قدير

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরায়রা (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১৩৯১

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৯০. সালাত শেষে তাসবীহ (সুবহানাল্লাহ) পড়া

১৩৯১. যাইদ ইবনু ছাবিত হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমরা প্রত্যেক সালাত শেষে তেঁত্রিশ বার তাসবীহ (সুবহানাল্লাহ), তেঁত্রিশ বার তাহমীদ (আলহামদু লিল্লাহ) ও চৌঁত্রিশ বার তাকবীর (আল্লাহু আকবার) পাঠ করতাম। তখন আনসারগণের মধ্য থেকে এক ব্যক্তির নিকট কেউ এলো কিংবা স্বপ্নে দেখানো হলো যে, তাকে জিজ্ঞেস করা হলো: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কি তোমাদেরকে প্রত্যেক সালাত শেষে তেঁত্রিশ বার তাসবীহ (সুবহানাল্লাহ), তেঁত্রিশ বার তাহমীদ (আলহামদু লিল্লাহ) ও চৌঁত্রিশ বার তাকবীর (আল্লাহু আকবার) পাঠ করতে নির্দেশ দিয়েছেন?

তিনি বললেন: হাঁ। তখন সে বললো, এর প্রতিটিকে (বাড়িয়ে) পঁচিশ-পঁচিশ করে নির্ধারণ করো। আর, এর সাথে তাহলীল (“লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু) কে যোগ করে নাও।’নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে এ খবর দেওয়া হলে তিনি বললেন: “তোমরা তা-ই করো।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: নাসাঈ ৩/৭৬; কুবরা ১/৪০১-৪০২ নং ১২৭৩।

بَاب التَّسْبِيحِ فِي دُبُرِ الصَّلَوَاتِ

أَخْبَرَنَا عُثْمَانُ بْنُ عُمَرَ حَدَّثَنَا هِشَامُ بْنُ حَسَّانَ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ سِيرِينَ عَنْ كَثِيرِ بْنِ أَفْلَحَ عَنْ زَيْدِ بْنِ ثَابِتٍ قَالَ أُمِرْنَا أَنْ نُسَبِّحَ فِي دُبُرِ كُلِّ صَلَاةٍ ثَلَاثًا وَثَلَاثِينَ وَنَحْمَدَهُ ثَلَاثًا وَثَلَاثِينَ وَنُكَبِّرَ أَرْبَعًا وَثَلَاثِينَ فَأُتِيَ رَجُلٌ أَوْ أُرِيَ رَجُلٌ مِنْ الْأَنْصَارِ فِي الْمَنَامِ فَقِيلَ أَمَرَكُمْ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنْ تُسَبِّحُوا اللَّهَ فِي دُبُرِ كُلِّ صَلَاةٍ ثَلَاثًا وَثَلَاثِينَ وَتَحْمَدُوا ثَلَاثًا وَثَلَاثِينَ وَتُكَبِّرُوا أَرْبَعًا وَثَلَاثِينَ قَالَ نَعَمْ قَالَ فَاجْعَلُوهَا خَمْسًا وَعِشْرِينَ خَمْسًا وَعِشْرِينَ وَاجْعَلُوا مَعَهَا التَّهْلِيلَ فَأُخْبِرَ بِذَلِكَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ افْعَلُوهَا

أخبرنا عثمان بن عمر حدثنا هشام بن حسان عن محمد بن سيرين عن كثير بن أفلح عن زيد بن ثابت قال أمرنا أن نسبح في دبر كل صلاة ثلاثا وثلاثين ونحمده ثلاثا وثلاثين ونكبر أربعا وثلاثين فأتي رجل أو أري رجل من الأنصار في المنام فقيل أمركم رسول الله صلى الله عليه وسلم أن تسبحوا الله في دبر كل صلاة ثلاثا وثلاثين وتحمدوا ثلاثا وثلاثين وتكبروا أربعا وثلاثين قال نعم قال فاجعلوها خمسا وعشرين خمسا وعشرين واجعلوا معها التهليل فأخبر بذلك النبي صلى الله عليه وسلم فقال افعلوها

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ যায়দ ইবনু সাবিত (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১৩৯২

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৯১. কিয়ামত দিবসে বান্দার সর্ব প্রথম যে বিষয়ের হিসাব নেওয়া হবে

১৩৯২. তামীম দারী হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, : রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “বান্দার সর্ব প্রথম যে বিষয়ের হিসাব নেওয়া হবে, তা হলো সালাত। আর তা যদি পরিপূর্ণ হিসেবে পায়, তবে তা পরিপূর্ণ হিসেবে লিখা হবে। আর তাতে কোনো ঘাটতি থাকলে আল্লাহ তা’আলা মালাইকা (ফিরিশতা) দেরকে বলবেন, “তোমরা (খুঁজে) দেখো, আমার বান্দার নফল (সালাত) আছে কি-না। (থাকলে) তার ফরয সালাতের যে ঘাটতি রয়েছে, তার এ (নফল) দ্বারা তোমরা তা পূর্ণ করে দাও। তারপর যাকাত, তারপর অন্যান্য আমলসমূহের হিসাবও (এভাবে) নেওয়া হবে।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: ইবনু মাজাহ ১৪২৬; আহমাদ ৪/১০৩; আবু দাউদ ৮৬৬; বাইহাকী ২/৩৮৭; হাকিম ১/২৬২-২৬৩; তাবারাণী, আল আওয়াইল নং ৩০।

এর শাহিদ হাদীস রয়েছে আবী হুরাইরা রা: হতে যা আমরা মুসনাদুল মাউসিলী ৬২২৬ নং এ ((ইবনু মাজাহ, ১৪২৫- অনুবাদক)); এবং আনাস রা: হতে যা আমরা মুসনাদুল মাউসিলী নং ৩৯৭৬ নং ও মাজমাউয যাওয়াইদ নং ১৬৩১ এ তাখরীজ করেছি।

بَاب مَا أَوَّلُ مَا يُحَاسَبُ بِهِ الْعَبْدُ يَوْمَ الْقِيَامَةِ

أَخْبَرَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ حَرْبٍ حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ عَنْ دَاوُدَ بْنِ أَبِي هِنْدٍ عَنْ زُرَارَةَ بْنِ أَوْفَى عَنْ تَمِيمٍ الدَّارِيِّ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِنَّ أَوَّلَ مَا يُحَاسَبُ بِهِ الْعَبْدُ الصَّلَاةُ فَإِنْ وَجَدَ صَلَاتَهُ كَامِلَةً كُتِبَتْ لَهُ كَامِلَةً وَإِنْ كَانَ فِيهَا نُقْصَانٌ قَالَ اللَّهُ تَعَالَى لِمَلَائِكَتِهِ انْظُرُوا هَلْ لِعَبْدِي مِنْ تَطَوُّعٍ فَأَكْمِلُوا لَهُ مَا نَقَصَ مِنْ فَرِيضَتِهِ ثُمَّ الزَّكَاةُ ثُمَّ الْأَعْمَالُ عَلَى حَسَبِ ذَلِكَ قَالَ أَبُو مُحَمَّد لَا أَعْلَمُ أَحَدًا رَفَعَهُ غَيْرَ حَمَّادٍ قِيلَ لِأَبِي مُحَمَّدٍ صَحَّ هَذَا قَالَ إِي

أخبرنا سليمان بن حرب حدثنا حماد بن سلمة عن داود بن أبي هند عن زرارة بن أوفى عن تميم الداري قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم إن أول ما يحاسب به العبد الصلاة فإن وجد صلاته كاملة كتبت له كاملة وإن كان فيها نقصان قال الله تعالى لملائكته انظروا هل لعبدي من تطوع فأكملوا له ما نقص من فريضته ثم الزكاة ثم الأعمال على حسب ذلك قال أبو محمد لا أعلم أحدا رفعه غير حماد قيل لأبي محمد صح هذا قال إي

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ তামীম আদ্ দারী (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১৩৯৩

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৯২. রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর সালাতের বৈশিষ্ট্য

১৩৯৩. আতা রাহি. বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের দশ জন সাহাবী- যাদের মাঝে আবী কাতাদাও ছিলেন, তাঁদের উপস্থিতিতে আবী হুমাইদ আস সাঈদীকে বলতে শুনেছি, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সালাতের ব্যাপারে তোমাদের চেয়ে আমি অধিক অবগত আছি। তখন তাঁরা বললেন, কি কারণে? আপনি তো আমাদের চেয়ে তাঁকে অধিক অনুসরণ করেননি, আর তাঁর সান্নিধ্য লাভের ব্যাপারেও আপনি আমাদের থেকে অগ্রগামী নন, (তাহলে)? তিনি বললেন, হাঁ। তাঁরা বললেন, এখন আপনি আপনার বক্তব্য পেশ করুন। তিনি বললেন, যখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সালাতে দাঁড়াতেন তখন তিনি তাঁর উভয় হাত কাঁধ পর্যন্ত উঠাতেন, এরপর তাকবীর দিতেন। এমনকি তাঁর প্রত্যেকটি অস্থি স্ব-স্ব স্থানে স্থির হয়ে যেতো। এরপর তিনি কিরা’আত করতেন, এরপর রুকূ’র জন্য তাকবীর দিতেন ও তাঁর দু’হাত কাঁধ বরাবর উঠাতেন, এরপর রুকূ’তে যেতেন এবং তাঁর দু’ হাতের তালু দু’ হাঁটুর উপর স্থাপন করতেন এমনকি তাঁর প্রত্যেকটি অস্থি স্ব-স্ব স্থানে ফিরে আসতো। আর তাঁর মাথাকে (পিঠের চেয়ে) নিচু করতেন না, আবার উঁচুও করতেন না (সমান করে রাখতেন)।

এরপর তিনি তাঁর মাথা উঠাতেন এবং বলতেন: ’সামি’আল্লাহু লিমান হামিদাহ’ এবং তাঁর দু’হাত কাঁধ বরাবর উঠাতেন।- (রাবী) আবু আসিমের ধারণা, তিনি আরও বলেছেন, এমনকি তাঁর প্রত্যেকটি অস্থি স্ব-স্ব স্থানে যথাযথভাবে ফিরে আসতো। এরপর তিনি ’আল্লাহু আকবার’ বলে মাটির দিকে ঝুঁকে যেতেন এবং (সিজদায় গিয়ে) তাঁর দু’হাত দু’পাঁজর হতে পৃথক করে রাখতেন। এরপর (এভাবে) সিজদা করতেন। তারপর মাথা উঠাতেন এবং বাম পা ভাঁজ করে তার উপর বসতেন। আর সিজদার সময় তাঁর পায়ের আঙ্গুল সমূহ খুলে দিতেন। এরপর তিনি পূনরায় সাজদা করতেন। এরপর ’আল্লাহু আকবার’ বলে মাথা উঠাতেন ও বাম পা ভাঁজ করে তার উপর স্থিরভাবে বসতেন, এমনকি তাঁর প্রত্যেকটি অস্থি স্ব-স্ব স্থানে যথাযথভাবে ফিরে আসতো। এরপর দাঁড়িয়ে যেতেন এবং অপর রাকা’আতেও এরূপ করতেন। আর যখন (বৈঠক শেষে) দ্বিতীয় রাকা’আত হতে দাঁড়াতেন, তখন তাকবীর বলতেন ও তাঁর উভয় হাত কাঁধ পর্যন্ত উঠাতেন, যেমন করতেন তিনি সালাত শুরু করার সময়। তারপর তাঁর অবশিষ্ট সালাত এরূপভাবে আদায় করতেন। যখন শেষ শেষ রাকা’আত বা সালামের (শেষ) বৈঠক আসতো, তখন বাম পা পিছিয়ে দিয়ে বাম পাশের নিতন্বের উপর ভর দিয়ে বসতেন।রাবী বলেন, তাঁরা বললেন: আপনি সত্যই বলেছেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সালাত এরূপই ছিল।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ১৮৬৫-১৮৬৭; মাওয়ারিদুয যাম’আন নং ৪৪২ ও ৪৯১-৪৯৫ এ। ((বাইহাকী ২/১১৬; আহমাদ ৫/৪২৪; আবু দাউদ ৭৩০, ৭৬৩; তিরমিযী ৩০৪; বাগাবী, শারহুসু সুন্নাহ ৩/১ নং ৫৫৫-; নাসাঈ ৩/৩৪-৩৫; ইবনু খুযাইমা ১/২৯৭ নং ৫৮৭; ইবনু মাজাহ ১০৬১…. মাওয়ারিদ নং ৪৪২ এ মুহাক্বিক্বের টীকা হতে।- অনুবাদক))

بَاب صِفَةِ صَلَاةِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ

أَخْبَرَنَا أَبُو عَاصِمٍ عَنْ عَبْدِ الْحَمِيدِ بْنِ جَعْفَرٍ حَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ عَمْرِو بْنِ عَطَاءٍ قَالَ سَمِعْتُ أَبَا حُمَيْدٍ السَّاعِدِيَّ فِي عَشَرَةٍ مِنْ أَصْحَابِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَحَدُهُمْ أَبُو قَتَادَةَ قَالَ أَنَا أَعْلَمُكُمْ بِصَلَاةِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالُوا لِمَ فَمَا كُنْتَ أَكْثَرَنَا لَهُ تَبَعَةً وَلَا أَقْدَمَنَا لَهُ صُحْبَةً قَالَ بَلَى قَالُوا فَاعْرِضْ قَالَ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِذَا قَامَ إِلَى الصَّلَاةِ رَفَعَ يَدَيْهِ حَتَّى يُحَاذِيَ بِهِمَا مَنْكِبَيْهِ ثُمَّ كَبَّرَ حَتَّى يَقَرَّ كُلُّ عَظْمٍ فِي مَوْضِعِهِ ثُمَّ يَقْرَأُ ثُمَّ يُكَبِّرُ وَيَرْفَعُ يَدَيْهِ حَتَّى يُحَاذِيَ بِهِمَا مَنْكِبَيْهِ ثُمَّ يَرْكَعُ وَيَضَعُ رَاحَتَيْهِ عَلَى رُكْبَتَيْهِ حَتَّى يَرْجِعَ كُلُّ عَظْمٍ إِلَى مَوْضِعِهِ وَلَا يُصَوِّبُ رَأْسَهُ وَلَا يُقْنِعُ ثُمَّ يَرْفَعُ رَأْسَهُ فَيَقُولُ سَمِعَ اللَّهُ لِمَنْ حَمِدَهُ ثُمَّ يَرْفَعُ يَدَيْهِ حَتَّى يُحَاذِيَ بِهِمَا مَنْكِبَيْهِ يَظُنُّ أَبُو عَاصِمٍ أَنَّهُ قَالَ حَتَّى يَرْجِعَ كُلُّ عَظْمٍ إِلَى مَوْضِعِهِ مُعْتَدِلًا ثُمَّ يَقُولُ اللَّهُ أَكْبَرُ ثُمَّ يَهْوِي إِلَى الْأَرْضِ فَيُجَافِي يَدَيْهِ عَنْ جَنْبَيْهِ ثُمَّ يَسْجُدُ ثُمَّ يَرْفَعُ رَأْسَهُ فَيَثْنِي رِجْلَهُ الْيُسْرَى فَيَقْعُدُ عَلَيْهَا وَيَفْتَحُ أَصَابِعَ رِجْلَيْهِ إِذَا سَجَدَ ثُمَّ يَعُودُ فَيَسْجُدُ ثُمَّ يَرْفَعُ رَأْسَهُ فَيَقُولُ اللَّهُ أَكْبَرُ وَيَثْنِي رِجْلَهُ الْيُسْرَى فَيَقْعُدُ عَلَيْهَا مُعْتَدِلًا حَتَّى يَرْجِعَ كُلُّ عَظْمٍ إِلَى مَوْضِعِهِ مُعْتَدِلًا ثُمَّ يَقُومُ فَيَصْنَعُ فِي الرَّكْعَةِ الْأُخْرَى مِثْلَ ذَلِكَ فَإِذَا قَامَ مِنْ السَّجْدَتَيْنِ كَبَّرَ وَرَفَعَ يَدَيْهِ حَتَّى يُحَاذِيَ بِهِمَا مَنْكِبَيْهِ كَمَا فَعَلَ عِنْدَ افْتِتَاحِ الصَّلَاةِ ثُمَّ يَصْنَعُ مِثْلَ ذَلِكَ فِي بَقِيَّةِ صَلَاتِهِ حَتَّى إِذَا كَانَتْ السَّجْدَةُ أَوْ الْقَعْدَةُ الَّتِي يَكُونُ فِيهَا التَّسْلِيمُ أَخَّرَ رِجْلَهُ الْيُسْرَى وَجَلَسَ مُتَوَرِّكًا عَلَى شِقِّهِ الْأَيْسَرِ قَالَ قَالُوا صَدَقْتَ هَكَذَا كَانَتْ صَلَاةُ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ

أخبرنا أبو عاصم عن عبد الحميد بن جعفر حدثني محمد بن عمرو بن عطاء قال سمعت أبا حميد الساعدي في عشرة من أصحاب النبي صلى الله عليه وسلم أحدهم أبو قتادة قال أنا أعلمكم بصلاة رسول الله صلى الله عليه وسلم فقالوا لم فما كنت أكثرنا له تبعة ولا أقدمنا له صحبة قال بلى قالوا فاعرض قال كان رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا قام إلى الصلاة رفع يديه حتى يحاذي بهما منكبيه ثم كبر حتى يقر كل عظم في موضعه ثم يقرأ ثم يكبر ويرفع يديه حتى يحاذي بهما منكبيه ثم يركع ويضع راحتيه على ركبتيه حتى يرجع كل عظم إلى موضعه ولا يصوب رأسه ولا يقنع ثم يرفع رأسه فيقول سمع الله لمن حمده ثم يرفع يديه حتى يحاذي بهما منكبيه يظن أبو عاصم أنه قال حتى يرجع كل عظم إلى موضعه معتدلا ثم يقول الله أكبر ثم يهوي إلى الأرض فيجافي يديه عن جنبيه ثم يسجد ثم يرفع رأسه فيثني رجله اليسرى فيقعد عليها ويفتح أصابع رجليه إذا سجد ثم يعود فيسجد ثم يرفع رأسه فيقول الله أكبر ويثني رجله اليسرى فيقعد عليها معتدلا حتى يرجع كل عظم إلى موضعه معتدلا ثم يقوم فيصنع في الركعة الأخرى مثل ذلك فإذا قام من السجدتين كبر ورفع يديه حتى يحاذي بهما منكبيه كما فعل عند افتتاح الصلاة ثم يصنع مثل ذلك في بقية صلاته حتى إذا كانت السجدة أو القعدة التي يكون فيها التسليم أخر رجله اليسرى وجلس متوركا على شقه الأيسر قال قالوا صدقت هكذا كانت صلاة رسول الله صلى الله عليه وسلم

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১৩৯৪

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৯২. রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর সালাতের বৈশিষ্ট্য

১৩৯৪. ওয়ায়িল ইবনু হুজর রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, আমি বললাম, আমি নিশ্চয় রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সালাত দেখেছি, তিনি কিভাবে সালাত আদায় করতেন। তখন আমি তার দিকে দেখতে লাগলাম, তিনি দাঁড়িয়ে তাকবীর দিয়ে তাঁর উভয় হাত তাঁর কান বরাবর উঠালেন, এরপর ডান হাত বাম হাতে তালুর পিঠের উপর স্থাপন করলেন।

তিনি বলেন, এরপর যখন রুকূ’ করার ইচ্ছা করলেন, তখন আগের মতো দু’হাত উঠালেন ও তাঁর দু’হাত দু’হাঁটুর উপর স্থাপন করলেন। এরপর (রুকূ’ হতে) মাথা উঠানোর সময়ও অনুরূপভাবে দু’হাত উঠালেন। এরপর সাজদা করলেন এবং তাঁর হাত দু’টিকে কান বরাবর রাখলেন। এরপর (রুকূ’ হতে) উঠে বাম পা বিছিয়ে বসলেন ও বামহাতের তালু তার বাম উরু ও হাঁটুর উপর রাখলেন এবং তার ডান কনুই ডান উরুর উপর স্থাপন করলেন। এরপর তিনি কনিষ্ঠ ও অনামিক আঙ্গুল দু’টিকে আবদ্ধ করে রাখেন। এরপর একটি (বৃদ্ধাঙ্গুল ও মধ্যমা অাঙ্গুল দ্বারা) একটি বৃত্তাকার বানান। এরপর (তর্জনী) আঙ্গুল উঠিয়ে রাখেন। আর আমি তাকে সেটা নাড়াতে দেখলাম, যা দিয়ে তিনি দু’আ করছিলেন।এর কিছুদিন পর আমি সেখানে অত্যন্ত ঠাণ্ডার সময় গিয়ে দেখতে পাই যে, লোকেরা তাদের শরীরে কাপড় জড়িয়ে রয়েছেন এবং স্ব-স্ব কাপড়ের নিচ দিয়েই তাদের হাত গুলি নড়াচড়া করছিল।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ১৮৬০; মাওয়ারিদুয যাম’আন নং ৪৮৫; মুসনাদুল হুমাইদী নং ৯০৯ এ। ((আবু দাউদ ৭২৭; আহমদ ৪/৩১৮; নাসাঈ ২/১২৬;, ৩/৩৭; বাইহাকী ২/১৩২; ইবনু খুযাইমা ১/২৪৩ নং ৪৮০; দারুকুতনী ১/৯২; তাবারাণী ২২/৩৫… মাওয়ারিদ নং ৪৮৫ এ মুহাক্বিক্বের টীকা হতে।- অনুবাদক))

بَاب صِفَةِ صَلَاةِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ

حَدَّثَنَا مُعَاوِيَةُ بْنُ عَمْرٍو حَدَّثَنَا زَائِدَةُ بْنُ قُدَامَةَ حَدَّثَنَا عَاصِمُ بْنُ كُلَيْبٍ أَخْبَرَنِي أَبِي أَنَّ وَائِلَ بْنَ حُجْرٍ أَخْبَرَهُ قَالَ قُلْتُ لَأَنْظُرَنَّ إِلَى صَلَاةِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَيْفَ يُصَلِّي فَنَظَرْتُ إِلَيْهِ فَقَامَ فَكَبَّرَ فَرَفَعَ يَدَيْهِ حَتَّى حَاذَتَا بِأُذُنَيْهِ وَوَضَعَ يَدَهُ الْيُمْنَى عَلَى ظَهْرِ كَفِّهِ الْيُسْرَى قَالَ ثُمَّ لَمَّا أَرَادَ أَنْ يَرْكَعَ رَفَعَ يَدَيْهِ مِثْلَهَا وَوَضَعَ يَدَيْهِ عَلَى رُكْبَتَيْهِ ثُمَّ رَفَعَ رَأْسَهُ فَرَفَعَ يَدَيْهِ مِثْلَهَا ثُمَّ سَجَدَ فَجَعَلَ كَفَّيْهِ بِحِذَاءِ أُذُنَيْهِ ثُمَّ قَعَدَ فَافْتَرَشَ رِجْلَهُ الْيُسْرَى وَوَضَعَ كَفَّهُ الْيُسْرَى عَلَى فَخِذِهِ وَرُكْبَتِهِ الْيُسْرَى وَجَعَلَ مِرْفَقَهُ الْأَيْمَنَ عَلَى فَخْذِهِ الْيُمْنَى ثُمَّ قَبَضَ ثِنْتَيْنِ فَحَلَّقَ حَلْقَةً ثُمَّ رَفَعَ أُصْبُعَهُ فَرَأَيْتُهُ يُحَرِّكُهَا يَدْعُو بِهَا قَالَ ثُمَّ جِئْتُ بَعْدَ ذَلِكَ فِي زَمَانٍ فِيهِ بَرْدٌ فَرَأَيْتُ عَلَى النَّاسِ جُلَّ الثِّيَابِ يُحَرِّكُونَ أَيْدِيَهُمْ مِنْ تَحْتِ الثِّيَابِ

حدثنا معاوية بن عمرو حدثنا زائدة بن قدامة حدثنا عاصم بن كليب أخبرني أبي أن وائل بن حجر أخبره قال قلت لأنظرن إلى صلاة رسول الله صلى الله عليه وسلم كيف يصلي فنظرت إليه فقام فكبر فرفع يديه حتى حاذتا بأذنيه ووضع يده اليمنى على ظهر كفه اليسرى قال ثم لما أراد أن يركع رفع يديه مثلها ووضع يديه على ركبتيه ثم رفع رأسه فرفع يديه مثلها ثم سجد فجعل كفيه بحذاء أذنيه ثم قعد فافترش رجله اليسرى ووضع كفه اليسرى على فخذه وركبته اليسرى وجعل مرفقه الأيمن على فخذه اليمنى ثم قبض ثنتين فحلق حلقة ثم رفع أصبعه فرأيته يحركها يدعو بها قال ثم جئت بعد ذلك في زمان فيه برد فرأيت على الناس جل الثياب يحركون أيديهم من تحت الثياب

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ ওয়ায়িল ইবনু হুজর (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১৩৯৫

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৯২. রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর সালাতের বৈশিষ্ট্য

১৩৯৫. হিত্তান ইবনু আব্দুল্লাহ আর রুকাশী থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, (একদা) আমি আবূ মুসা রা: এর সাথে ’ইশা’র সালাত আদায় করলাম। তিনি যখন তাশাহহুদের বৈঠকে ছিলেন তখন মুসল্লীদের মধ্যে থেকে এক ব্যক্তি বলে উঠলো, ’সালাত নেকী ও যাকাতের সাথে ফরয করা হয়েছে’। হিত্তান বলেন, আবূ মুসা রা: যখন সালাত শেষ করে সালাম ফিরালেন তখন বললেন, তোমাদের মধ্যে এই ধরণের কথা কে বলেছো? সবাই চুপ করে রইলো। তিনি আবার বললেন, এরকম কথা তোমাদের মধ্য থেকে কে বলেছো? সবাই চুপ করে রইলো। তিনি বললেন, হিত্তান! তুমিই হয়তো এরকম বলেছো।’ হিত্তান বললেন, আমি এটা বলিনি। আমি ভয় করছিলাম যে, আপনি এ কারণে আমাকে তিরস্কার করবেন। অতঃপর এক ব্যক্তি বললো, আমি এটি বলেছি। আর আমি এর কেবলমাত্র সাওয়াবের উদ্দেশ্যেই বলেছি।’

আবূ মূসা রা: বললেন, তোমরা তোমাদের সালাতে কী বলবে, তা জান না। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাদের সামনে খুতবা দিয়েছেন এরপর আমাদেরকে সালাত শিক্ষা দিয়েছেন এবং আমাদের জন্য পন্থা-পদ্ধতি (সুন্নাত) প্রবর্তন করেছেন। তিনি বলেন, আমার ধারণা, তিনি বলেছেন: “সালাতের ইকামাত দেয়া হলে তোমাদের মধ্যে থেকে কোনো একজন যেন তোমাদের ইমামতি করে। ফলে সে যখন তাকবীর দেবে, তখন তোমরাও তাকবীর দেবে। আর যখন সে পাঠ করবে [“গয়রিল মাগদ্বুবি আলাইহিম ওয়ালাদ্দ্বল্লীন।” (সুরা ফাতিহা: ৭)] তখন তোমরা বলবে, ’আমীন’। তাহলে আল্লাহ তোমাদের (দু’আ) কে কবুল করবেন। আর যখন সে তাকবীর দিয়ে রুকূ’ করবে তখন তোমরাও তাকবীর দিয়ে রুকূ’ করবে।

তবে ইমাম অবশ্যই তোমাদের পূর্বে রুকু’ করবেন এবং তোমাদের পূর্বেই রুকূ’ হতে উঠবেন।” নবীউল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন: “ফলে ঐটার সঙ্গেই ঐটা। আর যখন সে বলবে, ’সামি’য়াল্লাহু লিমান হামিদাহ’ তখন তোমরা বলবে, আল্লাহুম্মা রব্বানা লাকাল হামদ’ অথবা, তিনি বলেন: ’রব্বানা ওয়া লাকাল হামদ’। কেননা, আল্লাহ আযযা ওয়া জাল্লা তাঁর নবীর মুখ দিয়ে বলিয়েছেন, ’সামি’য়াল্লাহু লিমান হামিদাহ’ (অর্থ: যে ব্যক্তি আল্লাহ’র প্রশংসা করে, মহান আল্লাহ তা শোনেন)।’

এরপর তিনি যখন তাকবীর দিয়ে সাজদা করবে, তখন তোমরাও তাকবীর দিয়ে সাজদা করবে। আর ইমাম অবশ্যই তোমাদের পূর্বে সাজদা করবেন এবং তোমাদের পূর্বেই (সিজদা হতে মাথা) উঠাবেন।”নবীউল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন: “ফলে ঐটার সঙ্গেই ঐটা। আর যখন সে বসবে, তোমাদের কারো প্রথম কথা যেন হয়: ’আত্তাহিয়্যাতু লিল্লাহি, ওয়াস সলাওয়াতু ওয়াত তয়্যিবাতু, আস সালামু- অথবা সালামু আলাইকা আইয়্যূহান নাবিয়্যূ ওয়া রহমাতুল্লাহি ওয়া বারকাতুহু; আস সালামু- অথবা সালামু- আলাইনা ওয়া আলা ইবাদিল্লাহিস স্বলিহীন।’ তোমরা যখন একথা বলবে, তখন আসমান-যমীনের সকল সালেহীন বান্দাগণ তা প্রাপ্ত হবে।- (এরপর বলবে) ’আশহাদু আন্ লা ইলা-হা ইল্লাল্লাহু, ওয়া আশহাদু আন্না মুহাম্মাদান আব্দুহু ওয়া রসূলুহু।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ যয়ীফ। সাঈদ ইবনু আমির সাঈদ ইবনু আবী আরুবাহ হতে কিছু শ্রবণ করা হতে পিছিয়ে। তবে হাদীসটি সহীহ।

তাখরীজ: মুসলিম ৪০৪; আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ৭২২৪ ও সহীহ ইবনু হিব্বান নং ২১৬৭ তে। দেখুন, বিগত ১৩৫১ (অনূবাদে ১৩৪৮) নং টি।

بَاب صِفَةِ صَلَاةِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ

أَخْبَرَنَا سَعِيدُ بْنُ عَامِرٍ عَنْ سَعِيدِ بْنِ أَبِي عَرُوبَةَ عَنْ قَتَادَةَ عَنْ يُونُسَ بْنِ جُبَيْرٍ عَنْ حِطَّانَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ الرَّقَاشِيِّ قَالَ صَلَّى بِنَا أَبُو مُوسَى إِحْدَى صَلَاتَيْ الْعَشِيِّ فَقَالَ رَجُلٌ مِنْ الْقَوْمِ أُقِرَّتْ الصَّلَاةُ بِالْبِرِّ وَالزَّكَاةِ فَلَمَّا قَضَى أَبُو مُوسَى الصَّلَاةَ قَالَ أَيُّكُمْ الْقَائِلُ كَلِمَةَ كَذَا وَكَذَا فَأَرَمَّ الْقَوْمُ فَقَالَ لَعَلَّكَ يَا حِطَّانُ قُلْتَهَا قَالَ مَا أَنَا قُلْتُهَا وَقَدْ خِفْتُ أَنْ تَبْكَعَنِي بِهَا فَقَالَ رَجُلٌ مِنْ الْقَوْمِ أَنَا قُلْتُهَا وَمَا أَرَدْتُ بِهَا إِلَّا الْخَيْرَ فَقَالَ أَبُو مُوسَى أَوَ مَا تَعْلَمُونَ مَا تَقُولُونَ فِي صَلَاتِكُمْ إِنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ خَطَبَنَا فَعَلَّمَنَا صَلَاتَنَا وَبَيَّنَ لَنَا سُنَّتَنَا قَالَ أَحْسَبُهُ قَالَ إِذَا أُقِيمَتْ الصَّلَاةُ فَلْيَؤُمَّكُمْ أَحَدُكُمْ فَإِذَا كَبَّرَ فَكَبِّرُوا وَإِذَا قَالَ غَيْرِ الْمَغْضُوبِ عَلَيْهِمْ وَلَا الضَّالِّينَ فَقُولُوا آمِينَ يُجِبْكُمْ اللَّهُ فَإِذَا كَبَّرَ وَرَكَعَ فَكَبِّرُوا وَارْكَعُوا فَإِنَّ الْإِمَامَ يَرْكَعُ قَبْلَكُمْ وَيَرْفَعُ قَبْلَكُمْ قَالَ نَبِيُّ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَتِلْكَ بِتِلْكَ فَإِذَا قَالَ سَمِعَ اللَّهُ لِمَنْ حَمِدَهُ فَقُولُوا اللَّهُمَّ رَبَّنَا لَكَ الْحَمْدُ أَوْ قَالَ رَبَّنَا وَلَكَ الْحَمْدُ فَإِنَّ اللَّهَ قَالَ عَلَى لِسَانِ نَبِيِّهِ سَمِعَ اللَّهُ لِمَنْ حَمِدَهُ وَإِذَا كَبَّرَ وَسَجَدَ فَكَبِّرُوا وَاسْجُدُوا فَإِنَّ الْإِمَامَ يَسْجُدُ قَبْلَكُمْ وَيَرْفَعُ قَبْلَكُمْ قَالَ نَبِيُّ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَتِلْكَ بِتِلْكَ فَإِذَا كَانَ عِنْدَ الْقَعْدَةِ فَلْيَكُنْ مِنْ أَوَّلِ قَوْلِ أَحَدِكُمْ التَّحِيَّاتُ الطَّيِّبَاتُ الصَّلَوَاتُ لِلَّهِ السَّلَامُ أَوْ سَلَامٌ عَلَيْكَ أَيُّهَا النَّبِيُّ وَرَحْمَةُ اللَّهِ وَبَرَكَاتُهُ السَّلَامُ أَوْ سَلَامٌ عَلَيْنَا وَعَلَى عِبَادِ اللَّهِ الصَّالِحِينَ أَشْهَدُ أَنْ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَأَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا عَبْدُهُ وَرَسُولُهُ

أخبرنا سعيد بن عامر عن سعيد بن أبي عروبة عن قتادة عن يونس بن جبير عن حطان بن عبد الله الرقاشي قال صلى بنا أبو موسى إحدى صلاتي العشي فقال رجل من القوم أقرت الصلاة بالبر والزكاة فلما قضى أبو موسى الصلاة قال أيكم القائل كلمة كذا وكذا فأرم القوم فقال لعلك يا حطان قلتها قال ما أنا قلتها وقد خفت أن تبكعني بها فقال رجل من القوم أنا قلتها وما أردت بها إلا الخير فقال أبو موسى أو ما تعلمون ما تقولون في صلاتكم إن رسول الله صلى الله عليه وسلم خطبنا فعلمنا صلاتنا وبين لنا سنتنا قال أحسبه قال إذا أقيمت الصلاة فليؤمكم أحدكم فإذا كبر فكبروا وإذا قال غير المغضوب عليهم ولا الضالين فقولوا آمين يجبكم الله فإذا كبر وركع فكبروا واركعوا فإن الإمام يركع قبلكم ويرفع قبلكم قال نبي الله صلى الله عليه وسلم فتلك بتلك فإذا قال سمع الله لمن حمده فقولوا اللهم ربنا لك الحمد أو قال ربنا ولك الحمد فإن الله قال على لسان نبيه سمع الله لمن حمده وإذا كبر وسجد فكبروا واسجدوا فإن الإمام يسجد قبلكم ويرفع قبلكم قال نبي الله صلى الله عليه وسلم فتلك بتلك فإذا كان عند القعدة فليكن من أول قول أحدكم التحيات الطيبات الصلوات لله السلام أو سلام عليك أيها النبي ورحمة الله وبركاته السلام أو سلام علينا وعلى عباد الله الصالحين أشهد أن لا إله إلا الله وأشهد أن محمدا عبده ورسوله

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ হিত্তান ইবনে আবদুল্লাহ আর-রাকাশী (রহঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১৩৯৬

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৯৩. সালাতের মধ্যে যে কাজ করণীয়

১৩৯৬. আবী কাতাদাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বের হয়ে সালাত আদায় করলেন, অথচ তাঁর ঘাড়ে অথবা, কাঁধে উমামাহ বিনতে যায়নাব (যায়নাবের শিশু সন্তান) কে বহন করছিলেন। আর যখন তিনি রুকূ’ করলেন, তাকে নামিয়ে রাখলেন। আবার যখন তিনি দাঁড়ালেন, তখন তাকে (কাঁধে বা ঘাড়ে) উঠিয়ে নিলেন।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ হাসান। তবে হাদীসটি বুখারী-মুসলিমে বর্ণিত।

তাখরীজ: বুখারী ৫১৬; মুসলিম ৫৪৩। আমরা এর পূর্ণ তাখলীজ ও টীকা দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান ১১০৯, ১১১০, ২৩৩৯ ও মুসনাদুল হুমাইদী নং ৪২৬ এ। পরবর্তী টীকাটিও দেখুন।

بَاب الْعَمَلِ فِي الصَّلَاةِ

أَخْبَرَنَا أَبُو عَاصِمٍ هُوَ النَّبِيلُ عَنْ ابْنِ عَجْلَانَ عَنْ الْمَقْبُرِيِّ عَنْ عَمْرِو بْنِ سُلَيْمٍ عَنْ أَبِي قَتَادَةَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ خَرَجَ يُصَلِّي وَقَدْ حَمَلَ عَلَى عُنُقِهِ أَوْ عَاتِقِهِ أُمَامَةَ بِنْتَ زَيْنَبَ فَإِذَا رَكَعَ وَضَعَهَا وَإِذَا قَامَ حَمَلَهَا

أخبرنا أبو عاصم هو النبيل عن ابن عجلان عن المقبري عن عمرو بن سليم عن أبي قتادة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم خرج يصلي وقد حمل على عنقه أو عاتقه أمامة بنت زينب فإذا ركع وضعها وإذا قام حملها

 হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)  বর্ণনাকারীঃ আবূ কাতাদাহ্ আল-আনসারী (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১৩৯৭

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৯৩. সালাতের মধ্যে যে কাজ করণীয়

১৩৯৭. আবী কাতাদাহ আল আনসারী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উমামাহ বিনতে যায়নাব বিনতে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম (রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের মেয়ে যায়নাবের শিশু সন্তান) কে (কাঁধে বা ঘাড়ে) বহন করছিলেন, অথচ, তিনি তখন সালাতে ছিলেন। করলেন, আর যখন তিনি রুকূ’ করলেন, তাকে নামিয়ে রাখলেন। আবার যখন তিনি দাঁড়ালেন, তখন তাকে উঠিয়ে নিলেন।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: এটি আগের হাদীসটির পূনরাবৃত্তি।

بَاب الْعَمَلِ فِي الصَّلَاةِ

حَدَّثَنَا خَالِدُ بْنُ مَخْلَدٍ حَدَّثَنَا مَالِكٌ عَنْ عَامِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الزُّبَيْرِ عَنْ عَمْرِو بْنِ سُلَيْمٍ الزُّرَقِيِّ عَنْ أَبِي قَتَادَةَ الْأَنْصَارِيِّ قَالَ حَمَلَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أُمَامَةَ بِنْتَ زَيْنَبَ بِنْتِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَهُوَ فِي الصَّلَاةِ فَإِذَا سَجَدَ وَضَعَهَا وَإِذَا قَامَ حَمَلَهَا

حدثنا خالد بن مخلد حدثنا مالك عن عامر بن عبد الله بن الزبير عن عمرو بن سليم الزرقي عن أبي قتادة الأنصاري قال حمل رسول الله صلى الله عليه وسلم أمامة بنت زينب بنت رسول الله صلى الله عليه وسلم وهو في الصلاة فإذا سجد وضعها وإذا قام حملها

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আবূ কাতাদাহ্ আল-আনসারী (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১৩৯৮

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৯৪. সালাতরত অবস্থায় কিভাবে সালামের জবাব দিতে হবে

১৩৯৮. সুহাইব রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় তাঁকে সালাম দিলাম, আর তখন তিনি সালাতরত ছিলেন। আর তিনি ইশারায় আমার সালামের জবাব দিলেন। লাইছ বলেন, আমার ধারণা, তিনি এও বলেছেন: ’তাঁর আঙ্গুল দ্বারা’।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: আমরা এর পূর্ণ তাখলীজ ও টীকা দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান ২২৫৯; দেখুন পরবর্তী টীকাটিও দেখুন।

بَاب كَيْفَ يَرُدُّ السَّلَامَ فِي الصَّلَاةِ

أَخْبَرَنَا أَبُو الْوَلِيدِ الطَّيَالِسِيُّ حَدَّثَنَا لَيْثُ بْنُ سَعْدٍ أَخْبَرَنِي بُكَيْرٌ هُوَ ابْنُ الْأَشَجِّ عَنْ نَابِلٍ صَاحِبِ الْعَبَاءِ عَنْ ابْنِ عُمَرَ عَنْ صُهَيْبٍ قَالَ مَرَرْتُ بِرَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَسَلَّمْتُ عَلَيْهِ وَهُوَ يُصَلِّي فَرَدَّ إِلَيَّ إِشَارَةً قَالَ لَيْثٌ أَحْسَبُهُ قَالَ بِأُصْبُعِهِ

أخبرنا أبو الوليد الطيالسي حدثنا ليث بن سعد أخبرني بكير هو ابن الأشج عن نابل صاحب العباء عن ابن عمر عن صهيب قال مررت برسول الله صلى الله عليه وسلم فسلمت عليه وهو يصلي فرد إلي إشارة قال ليث أحسبه قال بأصبعه

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ সুহায়ব আর্ রূমী (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১৩৯৯

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৯৪. সালাতরত অবস্থায় কিভাবে সালামের জবাব দিতে হবে

১৩৯৯. ইবনু উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা হতে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বনী আমর ইবনু আওফের মসজিদে প্রবেশ করলেন। আর লোকেরাও সেখানে প্রবেশ করে তাঁকে সালাম দিলো, অথচ তিনি তখন সালাতরত ছিলেন।তিনি বলেন, আমি সুহাইবকে জিজ্ঞেস করলাম, তিনি কিভাবে তাদের সালামের জবাব দিলেন? তিনি বললেন, “এভাবে”, (একথা বলে) তিনি তার হাত দিয়ে ইশারা করলেন।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ ও টীকা দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ৫৬৩৮, ৫৬৪৩ ও সহীহ ইবনু হিব্বান ২২৫৯ ও মাওয়ারিদুয যাম’আন নং ৫৩২ ও মুসনাদুল হুমাইদী নং ২৪৮ এ। ((আহমাদ ২/১০; আব্দুর রাযযাক ২/৩৩৬ নং ৩৫৯৭; নাসাঈ ৩/৫; ইবনু মাজাহ ১০১৭; বাইহাকী ২/২৫৯; ইবনু খুযাইমা ২/৪৯ নং ৮৮৮- মুসনাদে আবী ইয়ালা মাউসিলী নং ৫৬৩৮ এর মুহাক্বিক্বের টীকা হতে।- অনুবাদক))

بَاب كَيْفَ يَرُدُّ السَّلَامَ فِي الصَّلَاةِ

أَخْبَرَنَا يَحْيَى بْنُ حَسَّانَ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ عَنْ زَيْدِ بْنِ أَسْلَمَ عَنْ ابْنِ عُمَرَ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ دَخَلَ مَسْجِدَ بَنِي عَمْرِو بْنِ عَوْفٍ فَدَخَلَ النَّاسُ يُسَلِّمُونَ عَلَيْهِ وَهُوَ فِي الصَّلَاةِ قَالَ فَسَأَلْتُ صُهَيْبًا كَيْفَ كَانَ يَرُدُّ عَلَيْهِمْ قَالَ هَكَذَا وَأَشَارَ بِيَدِهِ

أخبرنا يحيى بن حسان حدثنا سفيان بن عيينة عن زيد بن أسلم عن ابن عمر أن النبي صلى الله عليه وسلم دخل مسجد بني عمرو بن عوف فدخل الناس يسلمون عليه وهو في الصلاة قال فسألت صهيبا كيف كان يرد عليهم قال هكذا وأشار بيده

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১৪০০

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৯৫. পুরুষদের জন্য তাসবীহ ও নারীদের জন্য হাত তালি দেওয়া

১৪০০. আবী হুরাইরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “পুরুষদের জন্য তাসবীহ ও নারীদের জন্য হাত তালি দেওয়া (অনুমোদিত)।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: বুখারী ১২০৩; মুসলিম ৪২২। আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ৫৯৫৫, ৬০৪২ ও সহীহ ইবনু হিব্বান ২২৬২, ২২৬৩ ও মুসনাদুল হুমাইদী নং ৯৭৮ এ। পরবর্তী হাদীসটিও দেখুন।

بَاب التَّسْبِيحُ لِلرِّجَالِ وَالتَّصْفِيقُ لِلنِّسَاءِ

أَخْبَرَنَا يَحْيَى بْنُ حَسَّانَ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ الزُّهْرِيِّ عَنْ أَبِي سَلَمَةَ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ التَّسْبِيحُ لِلرِّجَالِ وَالتَّصْفِيقُ لِلنِّسَاءِ

أخبرنا يحيى بن حسان حدثنا سفيان عن الزهري عن أبي سلمة عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال التسبيح للرجال والتصفيق للنساء

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরায়রা (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১৪০১

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৯৫. পুরুষদের জন্য তাসবীহ ও নারীদের জন্য হাত তালি দেওয়া

১৪০১. সাহল ইবনু সা’দ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ ‍আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “ যখন তোমাদের সালাতে মধ্যে হঠাৎ কোনো কিছু ঘটে, তখন পুরুষরা যেন ’তাসবীহ’ (সুবহানাল্লাহ) বলে এবং নারীরা হাত তালি দেয়।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: বুখারী ৬৮৪; মুসলিম ৪২১। আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ৭৫১৩, ৭৫১৭, ৭৫২৪, ৭৫৪৫; সহীহ ইবনু হিব্বান নং ২২৬০ ও মুসনাদুল হুমাইদী নং ৯৫৬ এ। মুসনাদুল মাউসিলী এ হাদীসটির উপর আমাদের টীকাটি দেখুন।

بَاب التَّسْبِيحُ لِلرِّجَالِ وَالتَّصْفِيقُ لِلنِّسَاءِ

حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ حَسَّانَ حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ عَنْ أَبِي حَازِمٍ عَنْ سَهْلِ بْنِ سَعْدٍ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ إِذَا نَابَكُمْ فِي صَلَاتِكُمْ شَيْءٌ فَلْيُسَبِّحْ الرِّجَالُ وَلْتُصَفِّحْ النِّسَاءُ

حدثنا يحيى بن حسان حدثنا حماد بن زيد عن أبي حازم عن سهل بن سعد أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال إذا نابكم في صلاتكم شيء فليسبح الرجال ولتصفح النساء

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ সাহল বিন সা’দ (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১৪০২

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৯৫. পুরুষদের জন্য তাসবীহ ও নারীদের জন্য হাত তালি দেওয়া

১৪০২. (অপর সনদে) সাহল ইবনু সা’দ সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে, অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: আগের টীকাটি দেখুন।

بَاب التَّسْبِيحُ لِلرِّجَالِ وَالتَّصْفِيقُ لِلنِّسَاءِ

أَخْبَرَنَا يَحْيَى بْنُ حَسَّانَ حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْجُمَحِيُّ وَعَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ مُحَمَّدٍ وَعَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ أَبِي حَازِمٍ وَسُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ عَنْ أَبِي حَازِمٍ عَنْ سَهْلِ بْنِ سَعْدٍ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مِثْلَهُ

أخبرنا يحيى بن حسان حدثنا سعيد بن عبد الرحمن الجمحي وعبد العزيز بن محمد وعبد العزيز بن أبي حازم وسفيان بن عيينة عن أبي حازم عن سهل بن سعد عن النبي صلى الله عليه وسلم مثله

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ সাহল বিন সা’দ (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১৪০৩

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৯৬. কোন্ স্থানে নফল (সুন্নাত) সালাত আদায় করা উত্তম

১৪০৩. যাইদ ইবনু ছাবিত রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “তোমাদের কর্তব্য হলো তোমাদের ঘরে সালাত আদায় করা। কেননা, কোনো লোকের সর্বোত্তম সালাত হলো তাই যা সে তার ঘরে আদায় করে, তবে জামা’আত (তথা ফরয সালাত[1]) ব্যতীত।”[2]

[1]((সহীহ মুসলিমের বর্ণনায় এটি রয়েছে।- অনুবাদক))

[2] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: বুখারী ৭৩১; মুসলিম ৭৮১। আমরা সহীহ ইবনু হিব্বান নং ২৪৯১ এ এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি।

بَاب صَلَاةُ التَّطَوُّعِ فِي أَيِّ مَوْضِعٍ أَفْضَلُ

أَخْبَرَنَا مَكِّيُّ بْنُ إِبْرَاهِيمَ حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ سَعِيدِ بْنِ أَبِي هِنْدٍ عَنْ أَبِي النَّضْرِ عَنْ بُسْرِ بْنِ سَعِيدٍ عَنْ زَيْدِ بْنِ ثَابِتٍ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ عَلَيْكُمْ بِالصَّلَاةِ فِي بُيُوتِكُمْ فَإِنَّ خَيْرَ صَلَاةِ الْمَرْءِ فِي بَيْتِهِ إِلَّا الْجَمَاعَةَ

أخبرنا مكي بن إبراهيم حدثنا عبد الله بن سعيد بن أبي هند عن أبي النضر عن بسر بن سعيد عن زيد بن ثابت أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال عليكم بالصلاة في بيوتكم فإن خير صلاة المرء في بيته إلا الجماعة

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ যায়দ ইবনু সাবিত (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১৪০৪

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৯৭. বাড়িতে সালাত আদায় করার পর পূণরায় সে সালাত জামা’আতে আদায় করা প্রসঙ্গে

১৪০৪. ইয়াযীদ ইবনুল আসওয়াদ আস সাওয়াঈ হতে বর্ণিত, তিনি একদা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সাথে ফজরের সালাত আদায় করলেন। তিনি বলেন, এমতাবস্থায় রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সালাত আদায়ের সময় দু’ ব্যক্তি সালাত আদায় না করে (মসজিদের) এক প্রান্তে বসে রইলো। তিনি বলেন, ফলে তাদের দু’জনকে ডেকে আনা হলো। তখন তারা দু’জন ভীষণ ভয়ে কঁম্পমান অবস্থায় হাযির হলো। অতঃপর তিনি তাদেরকে জিজ্ঞাসা করলেন: “আমাদের সাথে সালাত আদায় করতে কিসে তোমাদেরকে বাধা দিয়েছে?” তারা বললো, আমরা আমাদের ঘরে সালাত আদায় করে এসেছি। তিনি বললেন: “তোমরা এইরূপ করো না। বরং যখন তোমরা তোমাদের বাড়ীতে সালাত আদায় করবে তারপর ইমামের সাথে (জামা’আত) পাবে, তখন তোমরা (তার সাথে) পূনরায় সালাত আদায় করবে, তাহলে তা তোমাদের জন্য নফল হিসেবে গণ্য হবে।”

তিনি বলেন, তখন লোকেরা দাঁড়িয়ে গেলো এবং তাঁর হাত ধরে তা তাদের মুখমণ্ডলে মাসেহ করতে লাগলো।তিনি বলেন, তখন আমিও তাঁর হাত ধরে তা দিয়ে আমার মুখমণ্ডল মাসেহ করলাম। (তখন দেখলাম) তা ছিল বরফের চেয়েও শীতল, আর মিসকের সুগন্ধির চেয়েও অধিক সুগন্ধযুক্ত।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ ও টীকা দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ১৫৬৪, ২৩৯৫ ও মাওয়ারিদুয যাম’আন নং ৪৩৪, ৪৩৫ তে। ((আহমাদ ৪/১৬০; তিরমিযী ২১৯; নাসাঈ ৮৫৯; ইবনু খুযাইমা, আস সহীহ ১২৭৯; দারুকুতনী ১/৪১৩; বাইহাকী ২/৩০১; তায়ালিসী ১/১৩৭ নং ৬৫৬; আবু দাউদ ৫৭৫, ৫৭৬; তাহাবী, শারহু মা’আনিল আসার ১/৩৬৩; আব্দুর রাযযাক ২/৪২১ নং ৩৯৩৪; তাবারাণী ২২/২৩২-২৩৫; খতীব, তারীখ বাগদাদ ৯/৯৮; হাকিম একে সহীহ বলেছেন ও যাহাবী তা সমর্থন করেছেন…।- মুহাক্বিক্বের মাওয়ারিদুয যাম’আন নং ৪৩৪ এর টীকা হতে। -অনুবাদক))

بَاب إِعَادَةِ الصَّلَوَاتِ فِي الْجَمَاعَةِ بَعْدَ مَا صَلَّى فِي بَيْتِهِ

حَدَّثَنَا هَاشِمُ بْنُ الْقَاسِمِ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ عَنْ يَعْلَى بْنِ عَطَاءٍ قَالَ سَمِعْتُ جَابِرَ بْنَ يَزِيدَ بْنِ الْأَسْوَدِ السُّوَائِيَّ يُحَدِّثُ عَنْ أَبِيهِ أَنَّهُ صَلَّى مَعَ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ صَلَاةَ الصُّبْحِ قَالَ فَإِذَا رَجُلَانِ حِينَ صَلَّى النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَاعِدَانِ فِي نَاحِيَةٍ لَمْ يُصَلِّيَا قَالَ فَدَعَا بِهِمَا فَجِيءَ بِهِمَا تُرْعَدُ فَرَائِصُهُمَا قَالَ مَا مَنَعَكُمَا أَنْ تُصَلِّيَا قَالَا صَلَّيْنَا فِي رِحَالِنَا قَالَ فَلَا تَفْعَلَا إِذَا صَلَّيْتُمَا فِي رِحَالِكُمَا ثُمَّ أَدْرَكْتُمَا الْإِمَامَ فَصَلِّيَا فَإِنَّهَا لَكُمَا نَافِلَةٌ قَالَ فَقَامَ النَّاسُ يَأْخُذُونَ بِيَدِهِ يَمْسَحُونَ بِهَا وُجُوهَهُمْ قَالَ فَأَخَذْتُ بِيَدِهِ فَمَسَحْتُ بِهَا وَجْهِي فَإِذَا هِيَ أَبْرَدُ مِنْ الثَّلْجِ وَأَطْيَبُ رِيحًا مِنْ الْمِسْكِ

حدثنا هاشم بن القاسم حدثنا شعبة عن يعلى بن عطاء قال سمعت جابر بن يزيد بن الأسود السوائي يحدث عن أبيه أنه صلى مع النبي صلى الله عليه وسلم صلاة الصبح قال فإذا رجلان حين صلى النبي صلى الله عليه وسلم قاعدان في ناحية لم يصليا قال فدعا بهما فجيء بهما ترعد فرائصهما قال ما منعكما أن تصليا قالا صلينا في رحالنا قال فلا تفعلا إذا صليتما في رحالكما ثم أدركتما الإمام فصليا فإنها لكما نافلة قال فقام الناس يأخذون بيده يمسحون بها وجوههم قال فأخذت بيده فمسحت بها وجهي فإذا هي أبرد من الثلج وأطيب ريحا من المسك

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১৪০৫

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৯৮. যে মসজিদে একবার জামা’আতে সালাত অনুষ্ঠিত হয়েছে, সেখানে পূনরায় সালাতের জামা’আত করা প্রসঙ্গে

১৪০৫. আবী সাঈদ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক ব্যক্তিকে দেখলেন, সে একজন একাকী সালাত আদায় করছে। তখন তিনি বললেন: “এমন কেউ কি নেই, যে এ লোকটিকে সাদাকা করবে, তথা এর সাথে সালাত আদায় করবে?[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ ও টীকা দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ১০৫৭ ও মাওয়ারিদুয যাম’আন নং ৪৩৬ তে। ((আহমাদ ৩/৬৪; বাইহাকী ৩/৬৯; আবু দাউদ ৫৭৪; হাকিম ১/২০৯; হাকিম একে সহীহ বলেছেন আর যাহাবী তা সমর্থন করেছেন।; তিরমিযী ২২০ …।- মুহাক্বিক্বের মাওয়ারিদুয যাম’আন নং ৪৩৬ এর টীকা হতে। -অনুবাদক))

بَاب فِي صَلَاةِ الْجَمَاعَةِ فِي مَسْجِدٍ قَدْ صُلِّيَ فِيهِ مَرَّةً

أَخْبَرَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ حَرْبٍ حَدَّثَنَا وُهَيْبٌ حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ الْأَسْوَدُ عَنْ أَبِي الْمُتَوَكِّلِ النَّاجِيِّ عَنْ أَبِي سَعِيدٍ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ رَأَى رَجُلًا يُصَلِّي وَحْدَهُ فَقَالَ أَلَا رَجُلٌ يَتَصَدَّقُ عَلَى هَذَا فَيُصَلِّي مَعَهُ

أخبرنا سليمان بن حرب حدثنا وهيب حدثنا سليمان الأسود عن أبي المتوكل الناجي عن أبي سعيد أن النبي صلى الله عليه وسلم رأى رجلا يصلي وحده فقال ألا رجل يتصدق على هذا فيصلي معه

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আবূ সা’ঈদ খুদরী (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১৪০৬

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৯৮. যে মসজিদে একবার জামা’আতে সালাত অনুষ্ঠিত হয়েছে, সেখানে পূনরায় সালাতের জামা’আত করা প্রসঙ্গে

১৪০৬. আবী সাঈদ আল খুদরী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, এক ব্যক্তি মসজিদে এমন সময় প্রবেশ করলো, ততক্ষণে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সালাত আদায় করে নিয়েছেন। তখন তিনি বললেন: “এমন কেউ কি নাই, যে এ লোকটিকে সাদাকা করবে, তথা এর সাথে সালাত আদায় করবে?”[1] আব্দুল্লাহ বলেন, তিনি আসর সালাত আদায় করতেন এবং মাগরিবের সালাত আদায় করতেন, তবে (সে দু’টিকে) একত্রে আদায় করতেন।

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ ও টীকা দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ২৩৯৮, ২৩৯৯ ও মাওয়ারিদুয যাম’আন নং ৪৩৭, ৪৩৮ তে। আগের টীকাটি দেখুন।

بَاب فِي صَلَاةِ الْجَمَاعَةِ فِي مَسْجِدٍ قَدْ صُلِّيَ فِيهِ مَرَّةً

أَخْبَرَنَا عَفَّانُ حَدَّثَنَا وُهَيْبٌ حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ الْأَسْوَدُ عَنْ أَبِي الْمُتَوَكِّلِ النَّاجِيِّ عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ أَنَّ رَجُلًا دَخَلَ الْمَسْجِدَ وَقَدْ صَلَّى النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ أَلَا رَجُلٌ يَتَصَدَّقُ عَلَى هَذَا فَيُصَلِّي مَعَهُ قَالَ عَبْد اللَّهِ يُصَلِّي صَلَاةَ الْعَصْرِ وَيُصَلِّي الْمَغْرِبَ وَلَكِنْ يَشْفَعُ

أخبرنا عفان حدثنا وهيب حدثنا سليمان الأسود عن أبي المتوكل الناجي عن أبي سعيد الخدري أن رجلا دخل المسجد وقد صلى النبي صلى الله عليه وسلم فقال ألا رجل يتصدق على هذا فيصلي معه قال عبد الله يصلي صلاة العصر ويصلي المغرب ولكن يشفع

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আবূ সা’ঈদ খুদরী (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১৪০৭

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৯৯. একটি মাত্র কাপড়ে সালাত আদায় করা

১৪০৭. আবী হুরাইরাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, এক ব্যক্তি বললো, ইয়া রাসূলুল্লাহ! কোনো লোক একটি মাত্র কাপড় পরে সালাত আদায় করতে পারবে কি? তিনি বললেন: “তোমাদের প্রত্যেকেরই দু’টি করে কাপড়ের সংস্থান আছে কি? অথবা, তোমাদের প্রত্যেকের জন্যই দু’টি করে কাপড় আছে কি?”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ্।

তাখরীজ: বুখারী ৩৫৮; মুসলিম ৫১৫; আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ৫৮৮৩ ; সহীহ ইবনু হিব্বান নং ২২৯৫, ২২৯৬, ২২৯৮; ও মুসনাদুল হুমাইদী নং ৯৬৬।

بَاب الصَّلَاةِ فِي الثَّوْبِ الْوَاحِدِ

أَخْبَرَنَا سَعِيدُ بْنُ عَامِرٍ عَنْ هِشَامٍ عَنْ مُحَمَّدٍ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ أَنَّ رَجُلًا قَالَ يَا رَسُولَ اللَّهِ أَيُصَلِّي الرَّجُلُ فِي الثَّوْبِ الْوَاحِدِ قَالَ أَوَ كُلُّكُمْ يَجِدُ ثَوْبَيْنِ أَوْ لِكُلِّكُمْ ثَوْبَانِ

أخبرنا سعيد بن عامر عن هشام عن محمد عن أبي هريرة أن رجلا قال يا رسول الله أيصلي الرجل في الثوب الواحد قال أو كلكم يجد ثوبين أو لكلكم ثوبان

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরায়রা (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১৪০৮

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৯৯. একটি মাত্র কাপড়ে সালাত আদায় করা

১৪০৮. আবী হুরাইরাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “তোমাদের কেউ যেন এক কাপড় পরা অবস্থায় সালাত আদায় না করে, যখন তার (কাপড়ের) কিছু অংশ তার দু’কাঁধে না থাকে।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: বুখারী ৩৫৯; মুসলিম ৫১৬। আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ২৬৬২, ৬৩৫৩ ; সহীহ ইবনু হিব্বান নং ২৩০৩, ২৩০৪; ও মুসনাদুল হুমাইদী নং ৯৯৪।

بَاب الصَّلَاةِ فِي الثَّوْبِ الْوَاحِدِ

أَخْبَرَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ مُوسَى وَمُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ عَنْ سُفْيَانَ عَنْ أَبِي الزِّنَادِ عَنْ الْأَعْرَجِ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَا يُصَلِّيَنَّ أَحَدُكُمْ فِي الثَّوْبِ الْوَاحِدِ لَيْسَ عَلَى عَاتِقِهِ مِنْهُ شَيْءٌ

أخبرنا عبيد الله بن موسى ومحمد بن يوسف عن سفيان عن أبي الزناد عن الأعرج عن أبي هريرة قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم لا يصلين أحدكم في الثوب الواحد ليس على عاتقه منه شيء

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরায়রা (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১৪০৯

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১০০. (সালাতে) ‘সাম্মা’ করে (শরীরে) কাপড় জড়ানো নিষেধ

১৪০৯. আবী হুরাইরাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম দু’ভাবে কাপড় পরিধান করতে নিষেধ করেছেন: ১. তোমাদেরকে এক কাপড়ে ’ইহতিবা’ করা (এমনভাবে পেঁচিয়ে বসতে) যাতে তার লজ্জাস্থানের ও আসমানের মাঝে (কাপড়ের) কোনো অংশ না থাকে এবং ইয়াহুদীদের কাপড় জড়ানোর ন্যায় ’সাম্মা’ করা হতে।[1]

‘সাম্মা’ : হাফিজ ফাতহুল বারীতে বলেছেন: ‘ব্যাকরণ বিদগণ বলেছেন, তা হলো এমনভাবে কাপড় দিয়ে শরীরকে আবৃত করা, যাতে তা থেকে পার্শ্বদেশকে উঠানো যায় না এবং হাত উত্তোলন করার অবকাশ থাকে না।…

ইমাম নববী বলেন, অভিধানবিদদের ব্যাখ্যা অনুসারে এটি মাকরূহ হবে। কেননা, কোনো কারণে হাত বের করা প্রয়োজন হলে হাত বের করা খুব কষ্টকর হবে, ফলে তার ক্ষতি হতে পারে।’

—–

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: বুখারী ৩৬৮; আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ৬১২৪ ও সহীহ ইবনু হিব্বান নং ২২৯০, ৫৪২৬ তে।

بَاب النَّهْيِ عَنْ اشْتِمَالِ الصَّمَّاءِ

أَخْبَرَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَمْرٍو عَنْ أَبِي سَلَمَةَ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ نَهَى رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَنْ لِبْسَتَيْنِ أَنْ يَحْتَبِيَ أَحَدُكُمْ فِي الثَّوْبِ الْوَاحِدِ لَيْسَ بَيْنَ فَرْجِهِ وَبَيْنَ السَّمَاءِ شَيْءٌ وَعَنْ الصَّمَّاءِ اشْتِمَالِ الْيَهُودِ

أخبرنا يزيد بن هارون أخبرنا محمد بن عمرو عن أبي سلمة عن أبي هريرة قال نهى رسول الله صلى الله عليه وسلم عن لبستين أن يحتبي أحدكم في الثوب الواحد ليس بين فرجه وبين السماء شيء وعن الصماء اشتمال اليهود

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরায়রা (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১৪১০

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১০১. মাদুরের উপর সালাত আদায় করা

১৪১০. মাইমূনাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম (কাপড় কিংবা খেজুর পাতা দ্বারা বুনানো) মাদুরের উপর সালাত আদায় করতেন।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ। বুখারী ও মুসলিম যৌথভাবে এটি বর্ণনা করেছেন।

তাখরীজ: বুখারী ৩৩৩; মুসলিম ৫১৩; আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ৭০৯০ ও মুসনাদুল হুমাইদী নং ৩১৩ তে।

بَاب الصَّلَاةِ عَلَى الْخُمْرَةِ

أَخْبَرَنَا سَعِيدُ بْنُ عَامِرٍ وَأَبُو الْوَلِيدِ عَنْ شُعْبَةَ عَنْ سُلَيْمَانَ الشَّيْبَانِيِّ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ شَدَّادٍ عَنْ مَيْمُونَةَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَ يُصَلِّي عَلَى الْخُمْرَةِ

أخبرنا سعيد بن عامر وأبو الوليد عن شعبة عن سليمان الشيباني عن عبد الله بن شداد عن ميمونة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان يصلي على الخمرة

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ মাইমূনাহ (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১৪১১

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১০১. মাদুরের উপর সালাত আদায় করা

১৪১১. আনাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মাদুর (বা চাটাইয়ের) উপর সালাত আদায় করতেন।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: এটি ১৩২৪ (অনূবাদে ১৩২১) নং এ গত হয়েছে।

بَاب الصَّلَاةِ عَلَى الْخُمْرَةِ

أَخْبَرَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ عَبْدِ الْمَجِيدِ وَعَبْدُ اللَّهِ بْنُ مَسْلَمَةَ قَالَا حَدَّثَنَا مَالِكٌ عَنْ إِسْحَقَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي طَلْحَةَ عَنْ أَنَسٍ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ صَلَّى عَلَى حَصِيرٍ

أخبرنا عبيد الله بن عبد المجيد وعبد الله بن مسلمة قالا حدثنا مالك عن إسحق بن عبد الله بن أبي طلحة عن أنس أن النبي صلى الله عليه وسلم صلى على حصير

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আনাস ইবনু মালিক (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১৪১২

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১০২. নারীদের (দেহের সাথে সম্পৃক্ত) কাপড়ের ভিতর থেকে সালাত আদায় করা

১৪১২. মুয়া’বিয়া ইবনু আবু সুফিয়ান থেকে বর্ণিত, তিনি (উম্মুল মু’মিনীন) উম্মু হাবীবাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহাকে জিজ্ঞেস করেছিলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কি এমন কাপড়ে সালাত আদায় করতেন যে কাপড়ে তিনি আপনার সাথে শয়ন করতেন? তিনি বললেন, হাঁ, যদি তাতে কোনো নাপাকী না দেখতেন।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর বর্ণনাকারীগণ নির্ভরযোগ্য, তবে এটি মুনকাতি বা বিচ্ছিন্ন।

তাখরীজ: পরবর্তী হাদীসটি দেখুন।

بَاب الصَّلَاةِ فِي ثِيَابِ النِّسَاءِ

أَخْبَرَنَا أَبُو عَاصِمٍ عَنْ عَبْدِ الْحَمِيدِ بْنِ جَعْفَرٍ عَنْ يَزِيدَ بْنِ أَبِي حَبِيبٍ عَنْ مُعَاوِيَةَ بْنِ حُدَيْجٍ عَنْ مُعَاوِيَةَ بْنِ أَبِي سُفْيَانَ أَنَّهُ سَأَلَ أُمَّ حَبِيبَةَ هَلْ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يُصَلِّي فِي الثَّوْبِ الَّذِي يُضَاجِعُكِ فِيهِ قَالَتْ نَعَمْ إِذَا لَمْ يَرَ فِيهِ أَذًى

أخبرنا أبو عاصم عن عبد الحميد بن جعفر عن يزيد بن أبي حبيب عن معاوية بن حديج عن معاوية بن أبي سفيان أنه سأل أم حبيبة هل كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يصلي في الثوب الذي يضاجعك فيه قالت نعم إذا لم ير فيه أذى

 হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai’f)  বর্ণনাকারীঃ মু‘আবিয়াহ ইবন আবূ সুফিয়ান (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১৪১৩

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১০২. নারীদের (দেহের সাথে সম্পৃক্ত) কাপড়ের ভিতর থেকে সালাত আদায় করা

১৪১৩. মুয়া’বিয়া ইবনু আবু সুফিয়ান থেকে বর্ণিত, তিনি তার বোন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের স্ত্রী উম্মু হাবীবাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহাকে জিজ্ঞেস করেছিলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কি এমন কাপড়ে সালাত আদায় করতেন যে কাপড় পরে তিনি আপনার সাথে মিলিত হতেন? তিনি বললেন, হাঁ, যদি তাতে কোনো নাপাকী না দেখতেন।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ৭১২৬, ৭১৪০ ও সহীহ ইবনু হিব্বান নং ২৩৩১; মাওয়ারিদুয যাম’আন নং ২৩৭ ও ‍ মাজমাউয যাওয়াইদ নং ২২৩৯ (আমার তাহক্বীক্বকৃত) তে।

بَاب الصَّلَاةِ فِي ثِيَابِ النِّسَاءِ

أَخْبَرَنَا أَبُو الْوَلِيدِ الطَّيَالِسِيُّ حَدَّثَنَا لَيْثُ بْنُ سَعْدٍ عَنْ يَزِيدَ بْنِ أَبِي حَبِيبٍ عَنْ سُوَيْدِ بْنِ قَيْسٍ عَنْ مُعَاوِيَةَ بْنِ حُدَيْجٍ عَنْ مُعَاوِيَةَ بْنِ أَبِي سُفْيَانَ عَنْ أُخْتِهِ أُمِّ حَبِيبَةَ زَوْجِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنَّهُ سَأَلَهَا هَلْ كَانَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يُصَلِّي فِي الثَّوْبِ الَّذِي يُجَامِعُهَا فِيهِ قَالَتْ نَعَمْ إِذَا لَمْ يَرَ فِيهِ أَذًى

أخبرنا أبو الوليد الطيالسي حدثنا ليث بن سعد عن يزيد بن أبي حبيب عن سويد بن قيس عن معاوية بن حديج عن معاوية بن أبي سفيان عن أخته أم حبيبة زوج النبي صلى الله عليه وسلم أنه سألها هل كان النبي صلى الله عليه وسلم يصلي في الثوب الذي يجامعها فيه قالت نعم إذا لم ير فيه أذى

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ মু‘আবিয়াহ ইবন আবূ সুফিয়ান (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১৪১৪

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১০৩. জুতা পরিহিত অবস্থায় সালাত আদায় প্রসঙ্গে

১৪১৪. আবী মাসলামাহ সাঈদ ইবনু ইয়াযীদ আল আযদী হতে বর্ণিত, আমি আনাস ইবনু মালিক রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুকে জিজ্ঞাসা করলাম, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কি জুতা পরে সালাত আদায় করতেন? তিনি বললেন, হাঁ।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: বুখারী ৩৮৬; মুসলিম ৫৫৫। আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ২৯১২, ৩৬৬৭, ৪৩৪২ তে।

بَاب الصَّلَاةِ فِي النَّعْلَيْنِ

حَدَّثَنَا عُثْمَانُ بْنُ عُمَرَ أَخْبَرَنَا شُعْبَةُ عَنْ أَبِي مَسْلَمَةَ هُوَ سَعِيدُ بْنُ يَزِيدَ الْأَزْدِيُّ قَالَ سَأَلْتُ أَنَسَ بْنَ مَالِكٍ أَكَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يُصَلِّي فِي نَعْلَيْهِ قَالَ نَعَمْ

حدثنا عثمان بن عمر أخبرنا شعبة عن أبي مسلمة هو سعيد بن يزيد الأزدي قال سألت أنس بن مالك أكان رسول الله صلى الله عليه وسلم يصلي في نعليه قال نعم

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

 ১৪১৫

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১০৩. জুতা পরিহিত অবস্থায় সালাত আদায় প্রসঙ্গে

১৪১৫. আবী সাঈদ আল খুদরী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, একদা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁর সাহাবীগণকে নিয়ে সালাত আদায় করছিলেন, এমতাবস্থায় তিনি তাঁর জুতা জোড়া খুলে বাম পাষে রাখলেন। ফলে তাঁরাও তাদের জুতা খুলে বাম পাশে রাখলো। এরপর তিনি সালাত শেষ করে বললেন: “কোন্ জিনিস তোমাদের জুতা খুলতে উদ্বুদ্ধ করলো?” তারা বললো, আমরা আপনাকে জুতা খুলতে দেখলাম, তাই আমরাও জুতা খুলেছি। তিনি বললেন: “জীবরীল আমার নিকট এসে- কিংবা এসে আমাকে খবর দিলেন যে, ও দু’টিতে অপবিত্র বস্তু কিংবা ময়লা রয়েছে। তাই যখন তোমাদের কেউ মসজিতে আসে, তখন সে যেন তার জুতা উল্টিয়ে (দেখে) নেয়, আর যদি তাতে কোন ময়লা লক্ষ্য করে, তবে সে যেন জুতা জোড়া (মাটির উপর লম্বা করে) ঘষে নেয়, অতঃপর (পরিষ্কার হয়ে গেলে) তা পরে সালাত আদায় করে।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ১১৯৪; সহীহ ইবনু হিব্বান নং ২১৮৫ ও মাওয়ারিদুয যাম’আন নং ৩৬০ তে। ((ইবনু খুযাইমাহ ২/১০৭ নং ১০১৭; তায়ালিসী ১/৮৪ নং ৩৬০; ইবনু আবী শাইবা ২/৪১৭; আহমাদ ৩/২০, ৯২; আবু দাউদ ৬৫০; বাইহাকী ২/৪৩১; আব্দুর রাযযাক ১/৩৮৮ নং ১৫১৬; হাকিম ১/২৬০ তিনি একে সহীহ বলেছেন এবং যাহাবী তা সমর্থনে করেছেন। … মুহাক্কিক্বের মাওয়ারিদুয যাম’আন ৩৬০ নং এর টীকা হতে।- অনুবাদক))

بَاب الصَّلَاةِ فِي النَّعْلَيْنِ

حَدَّثَنَا حَجَّاجُ بْنُ مِنْهَالٍ وَأَبُو النُّعْمَانِ قَالَا حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ عَنْ أَبِي نَعَامَةَ السَّعْدِيِّ عَنْ أَبِي نَضْرَةَ عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ قَالَ بَيْنَمَا رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يُصَلِّي بِأَصْحَابِهِ إِذْ خَلَعَ نَعْلَيْهِ فَوَضَعَهُمَا عَنْ يَسَارِهِ فَخَلَعُوا نِعَالَهُمْ فَلَمَّا قَضَى صَلَاتَهُ قَالَ مَا حَمَلَكُمْ عَلَى إِلْقَائِكُمْ نِعَالَكُمْ قَالُوا رَأَيْنَاكَ خَلَعْتَ فَخَلَعْنَا قَالَ إِنَّ جِبْرِيلَ أَتَانِي أَوْ آتٍ فَأَخْبَرَنِي أَنَّ فِيهِمَا أَذًى أَوْ قَذَرًا فَإِذَا جَاءَ أَحَدُكُمْ الْمَسْجِدَ فَلْيُقَلِّبْ نَعْلَيْهِ فَإِنْ رَأَى فِيهِمَا أَذًى فَلْيُمِطْ وَلْيُصَلِّ فِيهِمَا

حدثنا حجاج بن منهال وأبو النعمان قالا حدثنا حماد بن سلمة عن أبي نعامة السعدي عن أبي نضرة عن أبي سعيد الخدري قال بينما رسول الله صلى الله عليه وسلم يصلي بأصحابه إذ خلع نعليه فوضعهما عن يساره فخلعوا نعالهم فلما قضى صلاته قال ما حملكم على إلقائكم نعالكم قالوا رأيناك خلعت فخلعنا قال إن جبريل أتاني أو آت فأخبرني أن فيهما أذى أو قذرا فإذا جاء أحدكم المسجد فليقلب نعليه فإن رأى فيهما أذى فليمط وليصل فيهما

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আবূ সা’ঈদ খুদরী (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ২. সালাত অধ্যায় (كتاب الصلاة)

মন্তব্য করুন

Top