দারেমী সাওম অধ্যায় ১ম ভাগ হাদিস নং ১৭১৯ – ১৭৭০

দারেমী সাওম অধ্যায় ১ম ভাগ হাদিস নং ১৭১৯ – ১৭৭০

১৭১৯

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১. সন্দেহযুক্ত দিবসে সিয়াম পালন নিষেধ

১৭১৯. সিলা (রহঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা আমরা আম্মার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু- এর নিকট ছিলাম। সেখানে একটি ভুনা ছাগল পেশ করা হলে তিনি বললেন: তোমরা খাও। সেখানকার কোনো এক লোক (রোযা থাকার কারণে) তা খাওয়া হতে বিরত রইলো। সে বললো, আমি রোযাদার। তখন আম্মার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বললেন, যে ব্যক্তি এ সন্দেহপূর্ণ দিবসে রোযা রাখলো, সে তো আবুল কাসিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নাফরমানী করেছে।[1]

[1] তাহক্বীক্ব; এর সনদ যয়ীফ; আমর ইবনু ক্বাইস আবী ইসহাক সাবিঈ হতে কিছু শ্রবন করা হতে পিছিয়ে। তবে হাদীসটি সহীহ লি গায়রিহী।

তাখরীজ: ইবনু হিব্বান নং ৩৫৯৫; আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু ‍হিব্বান নং ৩৫৮৫, ৩৫৯৫, ৩৫৯৬; মাওয়ারিদুয যাম’আন নং ৮৭৮ ও মুসনাদুল মাউসিলী নং ১৬৪৪ তে। (বুখারী, সিয়াম, তা’লিক হিসেবে বাব: ১১; আবূ দাউদ, সিয়াম ২৩৩৪; তিরমিযী, সওম, ৬৮৬; নাসাঈ, সওম বাব; ৩৭; ইবনু মাজাহ, সিয়াম ১৬৪৫; দারুকুতনী, সিয়াম ৫।– ফাওয়ায আহমেদের তাহক্বীক্বকৃত দারেমী নং ১৬৮২ এর টীকা হতে।–অনুবাদক)

بَاب فِي النَّهْيِ عَنْ صِيَامِ يَوْمِ الشَّكِّ

أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ سَعِيدٍ حَدَّثَنَا أَبُو خَالِدٍ الْأَحْمَرُ عَنْ عَمْرِو بْنِ قَيْسٍ عَنْ أَبِي إِسْحَقَ عَنْ صِلَةَ بْنِ زُفَرَ قَالَ كُنَّا عِنْدَ عَمَّارِ بْنِ يَاسِرٍ فَأُتِيَ بِشَاةٍ مَصْلِيَّةٍ فَقَالَ كُلُوا فَتَنَحَّى بَعْضُ الْقَوْمِ فَقَالَ إِنِّي صَائِمٌ فَقَالَ عَمَّارُ بْنُ يَاسِرٍ مَنْ صَامَ الْيَوْمَ الَّذِي يُشَكُّ فِيهِ فَقَدْ عَصَى أَبَا الْقَاسِمِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ

أخبرنا عبد الله بن سعيد حدثنا أبو خالد الأحمر عن عمرو بن قيس عن أبي إسحق عن صلة بن زفر قال كنا عند عمار بن ياسر فأتي بشاة مصلية فقال كلوا فتنحى بعض القوم فقال إني صائم فقال عمار بن ياسر من صام اليوم الذي يشك فيه فقد عصى أبا القاسم صلى الله عليه وسلم

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ৪. সাওম অধ্যায় (كتاب الصوم)

 ১৭২০

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১. সন্দেহযুক্ত দিবসে সিয়াম পালন নিষেধ

১৭২০. সিমাক ইবনু হারব রাহি. বলেন, আমি একদিন সকালে (ঘুম থেকে) জেগে উঠার পর আমার সন্দেহ হলো সেদিনটি শাবান মাসের নাকি রমযান মাসের। ফলে সকালে উঠেই আমি সেদিন রোযা রাখলাম। এরপর আমি ইকরিমা রাহি. এর নিকট আসলাম, তখন তিনি রুটি ও সবজি খাচ্ছিলেন। এমতাবস্থায় তিনি আমাকে বললেন, এসো, সকালের নাস্তা কর।

তখন আমি বললাম, আমি রোযাদার। তখন তিনি বললেন, আমি আল্লাহর নামে কসম করে বলছি, তুমি অবশ্যই রোযা ভঙ্গ করবে।’ এরপর আমি যখন দেখলাম, তিনি কসম করছেন, কিন্তু ’ইনশা আল্লাহ’ও বলছেন না, তখন আমি সামনে এগিয়ে গেলাম এবং (রোযা রাখার) অজুহাত পেশ করলাম; আর আমি তো এর কিছুক্ষণ পূর্বে সাহারী খেয়েছিলাম। অতঃপর তাঁকে বললাম: ’এখন আপনার নিকট এ বিষয়ে কী প্রমাণ আছে নিয়ে আসেন।’ তখন তিনি বললেন, ইবনুআব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্সাল্লাল্লাহু ’আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেনঃ “(রামাযানের)চাঁদ দেখেতোমরা রোযা রাখবে এবং(শাওয়ালের) চাঁদ দেখে রোযা ভঙ্গ করবে।আর যদি তোমাদের ও চাঁদের মাঝে মেঘ (প্রতিবন্ধকরূপে) থাকে, (অর্থাৎ এসময়মেঘের কারণে চাঁদ দেখতে না পাও), তবে ত্রিশ দিন মেয়াদ পূর্ণ করবে। (রমযান) মাস আসার পূর্বেই তোমরা একে স্বাগত জানাবে না (এগিয়ে আনবে না)।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ যয়ীফ। ইকরিমা হতে সামাকের বর্ণনাগুলি ‘মুযতারিব’ (বিক্ষিপ্ত)। তবে হাদীসটি সহীহ।

তাখরীজ: আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ২৩৫৫; সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৩৫৯০, ৩৫৯৪; মাওয়ারিদুয যাম’আন নং ৮৭৩, ৮৭৪; মুসনাদুল হুমাইদী নং ৫২৩; এটি সামনে ১৭২৮ নং এ আসছে সহীহ সনদে।

((আবূ দাউদ, সাওম ২৩২৭; তিরমিযী, সাওম ৬৮৮, তিনি একে হাসান সহীহ বলেছেন; নাসাঈ, সাওম বাব (১৩); আলবানীও তার সহীহহুল জামি’ ৩/২৫১ তে একে সহীহ বলেছেন। ফাওয়ায আহমেদের তাহক্বীক্বকৃত দারেমী নং ১৬৮৩ এর টীকা হতে।–অনুবাদক))

بَاب فِي النَّهْيِ عَنْ صِيَامِ يَوْمِ الشَّكِّ

حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ سَعِيدٍ حَدَّثَنَا إِسْمَعِيلُ ابْنُ عُلَيَّةَ حَدَّثَنَا حَاتِمُ بْنُ أَبِي صَغِيرَةَ عَنْ سِمَاكِ بْنِ حَرْبٍ قَالَ أَصْبَحْتُ فِي يَوْمٍ قَدْ أُشْكِلَ عَلَيَّ مِنْ شَعْبَانَ أَوْ مِنْ شَهْرِ رَمَضَانَ فَأَصْبَحْتُ صَائِمًا فَأَتَيْتُ عِكْرِمَةَ فَإِذَا هُوَ يَأْكُلُ خُبْزًا وَبَقْلًا فَقَالَ هَلُمَّ إِلَى الْغَدَاءِ فَقُلْتُ إِنِّي صَائِمٌ فَقَالَ أُقْسِمُ بِاللَّهِ لَتُفْطِرَنَّ فَلَمَّا رَأَيْتُهُ حَلَفَ وَلَا يَسْتَثْنِي تَقَدَّمْتُ فَعَذَّرْتُ وَإِنَّمَا تَسَحَّرْتُ قُبَيْلَ ذَلِكَ ثُمَّ قُلْتُ هَاتِ الْآنَ مَا عِنْدَكَ فَقَالَ حَدَّثَنَا ابْنُ عَبَّاسٍ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ صُومُوا لِرُؤْيَتِهِ وَأَفْطِرُوا لِرُؤْيَتِهِ فَإِنْ حَالَ بَيْنَكُمْ وَبَيْنَهُ سَحَابٌ فَكَمِّلُوا الْعِدَّةَ ثَلَاثِينَ وَلَا تَسْتَقْبِلُوا الشَّهْرَ اسْتِقْبَالًا

حدثنا عبد الله بن سعيد حدثنا إسمعيل ابن علية حدثنا حاتم بن أبي صغيرة عن سماك بن حرب قال أصبحت في يوم قد أشكل علي من شعبان أو من شهر رمضان فأصبحت صائما فأتيت عكرمة فإذا هو يأكل خبزا وبقلا فقال هلم إلى الغداء فقلت إني صائم فقال أقسم بالله لتفطرن فلما رأيته حلف ولا يستثني تقدمت فعذرت وإنما تسحرت قبيل ذلك ثم قلت هات الآن ما عندك فقال حدثنا ابن عباس قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم صوموا لرؤيته وأفطروا لرؤيته فإن حال بينكم وبينه سحاب فكملوا العدة ثلاثين ولا تستقبلوا الشهر استقبالا

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ সিমাক ইবন হারব (রহঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ৪. সাওম অধ্যায় (كتاب الصوم)

 ১৭২১

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ২. চাঁদ দেখে রোযা রাখা

১৭২১. ইবন উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ’আলাইহি ওয়া সাল্লাম রমযানের আলোচনায় বলেছেনঃ “তোমরা চাঁদ না দেখে রোযা রাখবে না এবং চাঁদ (শাওয়ালের) না দেখে রোযা ভঙ্গ করবে না। আর তোমাদের আকাশ যদি মেঘাচ্ছন্ন থাকে, তবে তোমরা এর (ত্রিশ দিন) মেয়াদ পূর্ণ করবে।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ। হাদীসটি বুখারী ‍মুসলিমের সম্মিলিত বর্ণনা।

তাখরীজ: বুখারী, সাওম ১৯০৬; মুসলিম, সিয়াম ১০৮০; আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ৫৪৪৮; সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৩৪৪১, ৩৪৪৫ তে।

بَاب الصَّوْمِ لِرُؤْيَةِ الْهِلَالِ

حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ عَبْدِ الْمَجِيدِ حَدَّثَنَا مَالِكٌ عَنْ نَافِعٍ عَنْ ابْنِ عُمَرَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ ذَكَرَ رَمَضَانَ فَقَالَ لَا تَصُومُوا حَتَّى تَرَوْا الْهِلَالَ وَلَا تُفْطِرُوا حَتَّى تَرَوْهُ فَإِنْ غُمَّ عَلَيْكُمْ فَاقْدُرُوا لَهُ

حدثنا عبيد الله بن عبد المجيد حدثنا مالك عن نافع عن ابن عمر أن رسول الله صلى الله عليه وسلم ذكر رمضان فقال لا تصوموا حتى تروا الهلال ولا تفطروا حتى تروه فإن غم عليكم فاقدروا له

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ৪. সাওম অধ্যায় (كتاب الصوم)

 ১৭২২

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ২. চাঁদ দেখে রোযা রাখা

১৭২২. আবী হুরাইরাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ’আলাইহি ওয়া সাল্লাম কিংবা আবুল কাসিম সাল্লাল্লাহু ’আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেনঃ “(রামাযানের)চাঁদদেখেতোমরা রোযারাখবে এবং(শাওয়ালের)চাঁদদেখে রোযা ভঙ্গ করবে।আরযদি মাসজুড়ে মেঘাচ্ছন্ন থাকে (অর্থাৎ এসময়মেঘের কারণে চাঁদ দেখতে না পাও), তবেত্রিশ দিন মেয়াদপূর্ণকরবে।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: বুখারী, সাওম ১৯০৯; মুসলিম, সিয়াম ১০৮১; আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ২৬৫২; সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৩৪৪২, ৩৪৪৩, ৩৪৫৭ তে।

بَاب الصَّوْمِ لِرُؤْيَةِ الْهِلَالِ

حَدَّثَنَا هَاشِمُ بْنُ الْقَاسِمِ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ حَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ زِيَادٍ قَالَ سَمِعْتُ أَبَا هُرَيْرَةَ يَقُولُ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَوْ قَالَ أَبُو الْقَاسِمِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ صُومُوا لِرُؤْيَتِهِ وَأَفْطِرُوا لِرُؤْيَتِهِ فَإِنْ غُمَّ عَلَيْكُمْ الشَّهْرُ فَعُدُّوا ثَلَاثِينَ

حدثنا هاشم بن القاسم حدثنا شعبة حدثني محمد بن زياد قال سمعت أبا هريرة يقول قال رسول الله صلى الله عليه وسلم أو قال أبو القاسم صلى الله عليه وسلم صوموا لرؤيته وأفطروا لرؤيته فإن غم عليكم الشهر فعدوا ثلاثين

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরায়রা (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ৪. সাওম অধ্যায় (كتاب الصوم)

 ১৭২৩

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ২. চাঁদ দেখে রোযা রাখা

১৭২৩. ইবনু আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা হতে বর্ণিত যে, যারা মাসকে এগিয়ে নিয়ে আসে (রমযান মাস আসার পূর্বেই রোযা রাখা আরম্ভ করে), তাদের ব্যাপারে তিনি বিস্মিত হন এবং বলেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ’আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেনঃ “যখন তোমরা (রামাযানের) চাঁদ দেখতে পাবে, তখন রোযা রাখবে এবং যখন (শাওয়ালের) চাঁদ দেখতে পাবে, তখন রোযা ভঙ্গ করবে। আরযদি (আকাশ) মেঘাচ্ছন্ন থাকে (অর্থাৎ এসময় মেঘের কারণে চাঁদ দেখতে না পাও), তবে ত্রিশ দিন মেয়াদ পূর্ণ করবে।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: এর তাখরীজ ১৭২৫ (অনূবাদে ১৭২০) এ গত হয়েছে।

بَاب الصَّوْمِ لِرُؤْيَةِ الْهِلَالِ

أَخْبَرَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ سَعِيدٍ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ عَمْرٍو يَعْنِي ابْنَ دِينَارٍ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ جُبَيْرٍ عَنْ ابْنِ عَبَّاسٍ أَنَّهُ عَجِبَ مِمَّنْ يَتَقَدَّمُ الشَّهْرَ وَيَقُولُ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِذَا رَأَيْتُمُوهُ فَصُومُوا وَإِذَا رَأَيْتُمُوهُ فَأَفْطِرُوا فَإِنْ غُمَّ عَلَيْكُمْ فَأَكْمِلُوا الْعِدَّةَ ثَلَاثِينَ

أخبرنا عبيد الله بن سعيد حدثنا سفيان عن عمرو يعني ابن دينار عن محمد بن جبير عن ابن عباس أنه عجب ممن يتقدم الشهر ويقول قال رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا رأيتموه فصوموا وإذا رأيتموه فأفطروا فإن غم عليكم فأكملوا العدة ثلاثين

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আবদুল্লাহ ইবনু আব্বাস (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ৪. সাওম অধ্যায় (كتاب الصوم)

 ১৭২৪

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৩. নতুন চাঁদ দেখে যা বলতে হয়

১৭২৪. ইবনু উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ’আলাইহি ওয়া সাল্লাম নতুন চাঁদ দেখে বলতেন: “আল্লাহু আকবার। আল্লাহুম্মা উহিল্লাহু আলাইনা বিল আমনি ওয়াল ঈমান; ওয়াস সালামাতি ওয়াল ইসলাম; ওয়াত তাওফীকি লিমা ইউহিব্বু রব্বুনা ওয়া ইয়ারদ্বা। রব্বানা ওয়া রব্বুকাল্লাহ্।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ যয়ীফ।

তাখরীজ: আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৮৮৮; মাওয়ারিদুয যাম’আন নং ২৩৭৪ তে। তবে এর পরের হাদসিটি একে শক্তিশালী করে। এছাড়া, ইবনুস সুন্নী, আমলুল ইয়ামি ওয়াল লাইলাহ নং ৬৪০।

بَاب مَا يُقَالُ عِنْدَ رُؤْيَةِ الْهِلَالِ

أَخْبَرَنَا سَعِيدُ بْنُ سُلَيْمَانَ عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عُثْمَانَ بْنِ إِبْرَاهِيمَ حَدَّثَنِي أَبِي عَنْ أَبِيهِ وَعَمِّهِ عَنْ ابْنِ عُمَرَ قَالَ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِذَا رَأَى الْهِلَالَ قَالَ اللَّهُ أَكْبَرُ اللَّهُمَّ أَهِلَّهُ عَلَيْنَا بِالْأَمْنِ وَالْإِيمَانِ وَالسَّلَامَةِ وَالْإِسْلَامِ وَالتَّوْفِيقِ لِمَا يُحِبُّ رَبُّنَا وَيَرْضَى رَبُّنَا وَرَبُّكَ اللَّهُ

أخبرنا سعيد بن سليمان عن عبد الرحمن بن عثمان بن إبراهيم حدثني أبي عن أبيه وعمه عن ابن عمر قال كان رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا رأى الهلال قال الله أكبر اللهم أهله علينا بالأمن والإيمان والسلامة والإسلام والتوفيق لما يحب ربنا ويرضى ربنا وربك الله

 হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai’f)  বর্ণনাকারীঃ আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ৪. সাওম অধ্যায় (كتاب الصوم)

 ১৭২৫

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৩. নতুন চাঁদ দেখে যা বলতে হয়

১৭২৫. তালহা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ’আলাইহি ওয়া সাল্লাম নতুন চাঁদ দেখে বলতেন: “আল্লাহুম্মা উহিল্লাহু আলাইনা বিল আমনি ওয়াল ঈমান; ওয়াস সালামাতি ওয়াল ইসলাম; রব্বী ওয়া রব্বুকাল্লাহ্।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ যয়ীফ, সুলাইমান ইবনু সুফিয়ানের যয়ীফ হওয়ার কারণে।

তাখরীজ: আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসানাদুল মাউসিলী নং ৬৬১, ৬৬২।

এছাড়া, ইবনুস সুন্নী, আমলুল ইয়ামি ওয়াল লাইলাহ নং ৬৪১; ইবনু আদী, আল কামিল ৩/১১২১;বাগাবী, শারহুস সুন্নাহ নং ১৩৩৫; খতীব, তারীখ বাগদাদ ১৪/৩২৪।

আমি বলছি: পূর্বের হাদীসটি এর শাহিদ এবং আবূ সাঈদ খুদরীর হাদীস রয়েছে ইবনুস সুন্নী নং ৬৪২; আনাস ইবনু মালিকের হাদীস রয়েছে তাবারাণী, আল আওসাত, যেমন মাজমাউল বাহরাইন নং ৪৫৯৫ ও মাজমাউয যাওয়াইদ ১০/১৩৯ তে হাইছামী উল্লেখ করেছেন। আব্দুল্লাহ ইবনু হিশামের হাদীস রয়েছে তাবারাণী, আওসাত নং ৬২৭৩ তে এবং রাফি’ ইবনু খাদিজ রা: এর হাদীস রয়েছে, তাবারাণী, আল কাবীর ৪/২৭৬ নং ৪৪০৯ তে; আয়িশা রা: এর হাদীসটিও রয়েছে ইবনুস সুন্নী, নং ৬৪৪ এবং মুয়াবিয়ার গোলাম বাশিরের হাদীসে বলা হয়েছে: ‘আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের দশজন সাহাবীকে বলতে শুনেছি…। হ্যাঁ, এ হাদীস গুলির প্রত্যেকের সনদই যয়ীফ। তবে একটি আরেকটির শাহিদ হয় এবং তা হাদীসটিকে শক্তিশালী করে। আল্লাহই ভাল জানেন।; আরো দেখুন, মুসান্নাফ ইবনু আবী শাইবা১০/৩৯৮-৪০১; মুসান্নাফ আব্দুর রাযযাক নং ৭৩৫০, ৭৩৫১, ৭৩৫২, ৭৩৫৩।

بَاب مَا يُقَالُ عِنْدَ رُؤْيَةِ الْهِلَالِ

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يَزِيدَ الرِّفَاعِيُّ وَإِسْحَقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ حَدَّثَنَا الْعَقَدِيُّ حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ سُفْيَانَ الْمَدَنِيُّ عَنْ بِلَالِ بْنِ يَحْيَى بْنِ طَلْحَةَ عَنْ أَبِيهِ عَنْ طَلْحَةَ قَالَ كَانَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِذَا رَأَى الْهِلَالَ قَالَ اللَّهُمَّ أَهِلَّهُ عَلَيْنَا بِالْأَمْنِ وَالْإِيمَانِ وَالسَّلَامَةِ وَالْإِسْلَامِ رَبِّي وَرَبُّكَ اللَّهُ

أخبرنا محمد بن يزيد الرفاعي وإسحق بن إبراهيم حدثنا العقدي حدثنا سليمان بن سفيان المدني عن بلال بن يحيى بن طلحة عن أبيه عن طلحة قال كان النبي صلى الله عليه وسلم إذا رأى الهلال قال اللهم أهله علينا بالأمن والإيمان والسلامة والإسلام ربي وربك الله

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ তালহা ইবনু উবায়দুল্লাহ্ (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ৪. সাওম অধ্যায় (كتاب الصوم)

 ১৭২৬

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৪. চাঁদ দেখার পূর্বেই রোযাকে এগিয়ে নিয়ে আসা (আগেভাগে রোযা রাখা) নিষেধ

১৭২৬. আবু হুরাইরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্নিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ’আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেনঃ “তোমরা রমজানের একদিন কিংবা দুই দিন আগে থেকে সাওম শুরু করবে না। তবে কেউ যদি এ সময় সিয়াম পালনে অভ্যস্ত থাকে তাহলে সে সেদিন সাওম করতে পারবে।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ। হাদীসটি বুখারী ‍মুসলিমের সম্মিলিত বর্ণনা।

তাখরীজ: বুখারী, সাওম ১৯১৪; মুসলিম, সিয়াম ১০৮২; আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ৫৯৯৯, ৬০৩০; সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৩৫৮৬, ৩৫৯২ তে।

بَاب النَّهْيِ عَنْ التَّقَدُّمِ فِي الصِّيَامِ قَبْلَ الرُّؤْيَةِ

أَخْبَرَنَا وَهْبُ بْنُ جَرِيرٍ حَدَّثَنَا هِشَامٌ عَنْ يَحْيَى عَنْ أَبِي سَلَمَةَ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَا تَقَدَّمُوا قَبْلَ رَمَضَانَ يَوْمًا وَلَا يَوْمَيْنِ إِلَّا أَنْ يَكُونَ رَجُلًا كَانَ يَصُومُ صَوْمًا فَلْيَصُمْهُ

أخبرنا وهب بن جرير حدثنا هشام عن يحيى عن أبي سلمة عن أبي هريرة قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم لا تقدموا قبل رمضان يوما ولا يومين إلا أن يكون رجلا كان يصوم صوما فليصمه

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরায়রা (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ৪. সাওম অধ্যায় (كتاب الصوم)

 ১৭২৭

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৫. মাস ঊনত্রিশ দিনেও হয়

১৭২৭. ইবন ’উমর রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা থেকে বর্নিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ’আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেনঃ মাস ঊনত্রিশ দিন বিশিষ্ট হয়। তাই তোমরা চাঁদ না দেখে সাওম শুরু করবে না এবং চাঁদ না দেখে সাওম ভঙ্গ করবে না। যদি আকাশ মেঘাবৃত থাকে তাহলে তোমরা (ত্রিশ দিন) মেয়াদ পূর্ণ করবে।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ। হাদীসটি বুখারী ‍মুসলিমের সম্মিলিত বর্ণনা।

তাখরীজ: বুখারী, সাওম ১৯০৬; মুসলিম, সিয়াম ১০৮০; এটি ১৭২৬ (অনূবাদে ১৭২) নং এ গত হয়েছে । আরও দেখুন, মুসনাদুল মাউসিলী নং ৫৪৪৮।

بَاب الشَّهْرُ تِسْعٌ وَعِشْرُونَ

حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ حَرْبٍ حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ عَنْ أَيُّوبَ عَنْ نَافِعٍ عَنْ ابْنِ عُمَرَ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِنَّمَا الشَّهْرُ تِسْعٌ وَعِشْرُونَ فَلَا تَصُومُوا حَتَّى تَرَوْهُ وَلَا تُفْطِرُوا حَتَّى تَرَوْهُ فَإِنْ غُمَّ عَلَيْكُمْ فَاقْدُرُوا لَهُ

حدثنا سليمان بن حرب حدثنا حماد بن زيد عن أيوب عن نافع عن ابن عمر قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم إنما الشهر تسع وعشرون فلا تصوموا حتى تروه ولا تفطروا حتى تروه فإن غم عليكم فاقدروا له

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ৪. সাওম অধ্যায় (كتاب الصوم)

 ১৭২৮

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৬. রমযানের চাঁদ দেখার ব্যাপারে সাক্ষ্য গ্রহণ

১৭২৮. ইবন ’উমর রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা থেকে বর্নিত, তিনি বলেন, লোকেরা (রমযানের) নতুন চাঁদ দেখলো। তখন আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ’আলাইহি ওয়া সাল্লাম কে সংবাদ দিলাম যে, নিশ্চয়ই আমি তা (চাঁদ) দেখেছি। তখন তিনি নিজে সিয়াম পালন করলেন এবং লোকদেরকে সিয়াম পালনের নির্দেশ দিলেন।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: দারুকুতনীর সূত্রে বাইহাকী, মা’রিফাতুস সুনান ওয়াল আছার নং ৮৬১৩; ইবনু হাযম, আল মুহাল্লা ৬/২৩৬ তিনি বলেন: এ খবরটি সহীহ’। ((আবূ দাউদ, সওম ২৩৪২; দারুকুতনী, সিয়াম ২/১৫৬ নং ১ ও ২।— ফাওয়ায আহমেদের তাহক্বীক্বকৃত দারেমী নং ১৬৮৩ এর টীকা হতে।–অনুবাদক))

আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মাওয়ারিদুয যাম’আন নং ৮৭১; সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৩৪৪৭ তে।

بَاب الشَّهَادَةِ عَلَى رُؤْيَةِ هِلَالِ رَمَضَانَ

حَدَّثَنَا مَرْوَانُ بْنُ مُحَمَّدٍ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ وَهْبٍ عَنْ يَحْيَى بْنِ سَالِمٍ عَنْ أَبِي بَكْرِ بْنِ نَافِعٍ عَنْ أَبِيهِ عَنْ ابْنِ عُمَرَ قَالَ تَرَاءَى النَّاسُ الْهِلَالَ فَأَخْبَرْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنِّي رَأَيْتُهُ فَصَامَ وَأَمَرَ النَّاسَ بِالصِّيَامِ

حدثنا مروان بن محمد عن عبد الله بن وهب عن يحيى بن سالم عن أبي بكر بن نافع عن أبيه عن ابن عمر قال تراءى الناس الهلال فأخبرت رسول الله صلى الله عليه وسلم أني رأيته فصام وأمر الناس بالصيام

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ৪. সাওম অধ্যায় (كتاب الصوم)

 ১৭২৯

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৬. রমযানের চাঁদ দেখার ব্যাপারে সাক্ষ্য গ্রহণ

১৭২৯ ইবনু আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, জনৈক বেদুঈন নবী সাল্লাল্লাহু ’আলাইহি ওয়া সাল্লামের কাছে এসে বলল, আমি (রামাযানের) চাঁদ দেখেছি, তিনি জিজ্ঞাসা করলেন: “তুমি কি একথার সাক্ষ্য দাও যে, আল্লাহ ছাড়া কোন ইলাহ নাই এবং নিশ্চয়ই আমি আল্লাহর রাসূল?” সে বলল, হ্যাঁ । তিনি বললেন: “হে বিলাল! লোকদের মধ্যে ঘোষণা দিয়ে দাও, তারা যেন আগামী কাল সিয়াম পালন করে।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ যয়ীফ।

তাখরীজ: আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ২৫৩১; সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৩৪৪৬ মাওয়ারিদুয যাম’আন নং ৮৭০ তে।

بَاب الشَّهَادَةِ عَلَى رُؤْيَةِ هِلَالِ رَمَضَانَ

حَدَّثَنِي عِصْمَةُ بْنُ الْفَضْلِ حَدَّثَنَا حُسَيْنٌ الْجُعْفِيُّ عَنْ زَائِدَةَ عَنْ سِمَاكٍ عَنْ عِكْرِمَةَ عَنْ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ جَاءَ أَعْرَابِيٌّ إِلَى النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَقَالَ إِنِّي رَأَيْتُ الْهِلَالَ فَقَالَ أَتَشْهَدُ أَنْ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَأَنِّي رَسُولُ اللَّهِ قَالَ نَعَمْ قَالَ يَا بِلَالُ نَادِ فِي النَّاسِ فَلْيَصُومُوا غَدًا

حدثني عصمة بن الفضل حدثنا حسين الجعفي عن زائدة عن سماك عن عكرمة عن ابن عباس قال جاء أعرابي إلى النبي صلى الله عليه وسلم وقال إني رأيت الهلال فقال أتشهد أن لا إله إلا الله وأني رسول الله قال نعم قال يا بلال ناد في الناس فليصوموا غدا

 হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai’f)  বর্ণনাকারীঃ আবদুল্লাহ ইবনু আব্বাস (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ৪. সাওম অধ্যায় (كتاب الصوم)

 ১৭৩০

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৭. রোযাদার কখন সেহরীতে পানাহার করা হতে বিরত হবে

১৭৩০. বারা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্নিত, তিনি বলেন, মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু ’আলাইহি ওয়া সাল্লামের সাহাবীগণের অবস্থা এই ছিল যে, যখন তাঁদের কেউ সাওম পালনরত অবস্থায় ইফতারের সময় ইফতার না করে ঘুমিয়ে যেতো, তবে সে রাতে এবং পরের সন্ধ্যা পর্যন্ত কিছুই খেতে পারতেন না। কায়স ইবন সিরমা আনসারী (রা) সাওম পালন করেছিলেন। ইফতারের সময় তিনি তাঁর স্ত্রীর নিকট এসে জিজ্ঞেস করলেন, তোমার নিকট কিছু খাবার আছে কি? তিনি বললেন, না, তবে আমি যাচ্ছি, দেখি আপনার জন্য কিছু যোগাড় করতে পারি কিনা। তিনি দিনের বেলায় কর্মব্যস্ত থাকতেন। তাই ঘুমে তাঁর চোখ বিভোর হয়ে গেল। এরপর স্ত্রী এসে যখন তাকে দেখলেন, তখন তাঁকে বললেন, হায়, তোমার জন্য আফসোস! পরদিন দুপুর হলে তিনি জ্ঞান হারিয়ে ফেললেন। এ ঘটনাটি নবী সাল্লাল্লাহু ’আলাইহি ওয়া সাল্লামের নিকট উল্লেখ করা হলো, তখন এ আয়াতটি নাযিল হয়ঃ “সিয়ামের রাত্রে তোমাদের স্ত্রী সম্ভোগ হালাল করা হয়েছে। ……… তোমরা পানাহার কর যতক্ষণ রাতের কাল রেখা হতে (ভোরের) সাদা রেখা স্পষ্টভাবে তোমাদের নিকট প্রতিভাত না হয়।” (সূরা বাকারা: ১৮৭) এর মাধ্যমে সাহাবীগন খুবই আনন্দিত হলেন। ফলে তারা পানাহার করলেন, যতক্ষন রাতের কাল রেখা হতে (ভোরের) সাদা রেখা স্পষ্টভাবে তাঁদের নিকট প্রতিভাত না হলো।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ। ‍

তাখরীজ: বুখারী, সিয়াম ১৯১৫;

আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৩৪৬০, ৩৪৬১ তে।

بَاب مَتَى يُمْسِكُ الْمُتَسَحِّرُ عَنْ الطَّعَامِ وَالشَّرَابِ

أَخْبَرَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ مُوسَى عَنْ إِسْرَائِيلَ عَنْ أَبِي إِسْحَقَ عَنْ الْبَرَاءِ قَالَ كَانَ أَصْحَابُ مُحَمَّدٍ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِذَا كَانَ الرَّجُلُ صَائِمًا فَحَضَرَ الْإِفْطَارُ فَنَامَ قَبْلَ أَنْ يُفْطِرَ لَمْ يَأْكُلْ لَيْلَتَهُ وَلَا يَوْمَهُ حَتَّى يُمْسِيَ وَإِنَّ قَيْسَ بْنَ صِرْمَةَ الْأَنْصَارِيَّ كَانَ صَائِمًا فَلَمَّا حَضَرَ الْإِفْطَارُ أَتَى امْرَأَتَهُ فَقَالَ عِنْدَكِ طَعَامٌ فَقَالَتْ لَا وَلَكِنْ أَنْطَلِقُ فَأَطْلُبُ لَكَ وَكَانَ يَوْمَهُ يَعْمَلُ فَغَلَبَتْهُ عَيْنُهُ وَجَاءَتْ امْرَأَتُهُ فَلَمَّا رَأَتْهُ قَالَتْ خَيْبَةً لَكَ فَلَمَّا انْتَصَفَ النَّهَارُ غُشِيَ عَلَيْهِ فَذُكِرَ ذَلِكَ لِلنَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَنَزَلَتْ هَذِهِ الْآيَةُ أُحِلَّ لَكُمْ لَيْلَةَ الصِّيَامِ الرَّفَثُ إِلَى نِسَائِكُمْ فَفَرِحُوا بِهَا فَرَحًا شَدِيدًا وَكُلُوا وَاشْرَبُوا حَتَّى يَتَبَيَّنَ لَكُمْ الْخَيْطُ الْأَبْيَضُ مِنْ الْخَيْطِ الْأَسْوَدِ

أخبرنا عبيد الله بن موسى عن إسرائيل عن أبي إسحق عن البراء قال كان أصحاب محمد صلى الله عليه وسلم إذا كان الرجل صائما فحضر الإفطار فنام قبل أن يفطر لم يأكل ليلته ولا يومه حتى يمسي وإن قيس بن صرمة الأنصاري كان صائما فلما حضر الإفطار أتى امرأته فقال عندك طعام فقالت لا ولكن أنطلق فأطلب لك وكان يومه يعمل فغلبته عينه وجاءت امرأته فلما رأته قالت خيبة لك فلما انتصف النهار غشي عليه فذكر ذلك للنبي صلى الله عليه وسلم فنزلت هذه الآية أحل لكم ليلة الصيام الرفث إلى نسائكم ففرحوا بها فرحا شديدا وكلوا واشربوا حتى يتبين لكم الخيط الأبيض من الخيط الأسود

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ বারা’আ ইবনু আযিব (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ৪. সাওম অধ্যায় (كتاب الصوم)

 ১৭৩১

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৭. রোযাদার কখন সেহরীতে পানাহার করা হতে বিরত হবে

১৭৩১. ’আদী ইবন হাতিম রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্নিত, তিনি বলেন, (বাকারা: ১৮৭ নং আয়াত নাযিল হলে) আমি (রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ’আলাইহি ওয়া সাল্লামের নিকট গিয়ে এ বিষয়ে) বললাম। ইয়া রাসূলুল্লাহ! আমি একটি কাল এবং একটি সাদা রশি নিয়ে আমার বালিশের নিচে রেখে দিয়েছিলাম। কিন্তু আমার নিকট কোনো কিছুই (পার্থক্য) প্রকাশিত হল না। তিনি বললেনঃ “তোমার বালিশতো বেশ লম্বা-চওড়া! এ-তো দিনের (আলো) হতে রাতের (আধার)।” তা ছিল আল্লাহ তা’আলার এ বাণী সম্পর্কে: ’’তোমরা পানাহার কর, যতক্ষণ না ফজরের কাল রেখা সাদা রেখা স্পষ্ট রুপে তোমাদের নিকট প্রতিভাত না হয়।”[1] (সুরা বাকারা: ১৮৭)

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ হাসান। তবে হাদীসটি বুখারী ও মুসলিমের সম্মিলিত বর্ণনা। ‍

তাখরীজ: বুখারী, সিয়াম ১৯১৬; মুসলিম, সিয়াম ১০৯০;

আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৩৪৬২, ৩৪৬৩ ও মুসনাদুল হুমাইদী নং ৯৪১ তে।

بَاب مَتَى يُمْسِكُ الْمُتَسَحِّرُ عَنْ الطَّعَامِ وَالشَّرَابِ

أَخْبَرَنَا أَبُو الْوَلِيدِ حَدَّثَنَا شَرِيكٌ عَنْ حُصَيْنٍ عَنْ الشَّعْبِيِّ عَنْ عَدِيِّ بْنِ حَاتِمٍ قَالَ قُلْتُ يَا رَسُولَ اللَّهِ لَقَدْ جَعَلْتُ تَحْتَ وِسَادَتِي خَيْطًا أَبْيَضَ وَخَيْطًا أَسْوَدَ فَمَا تَبَيَّنَ لِي شَيْءٌ قَالَ إِنَّكَ لَعَرِيضُ الْوِسَادِ وَإِنَّمَا ذَلِكَ اللَّيْلُ مِنْ النَّهَارِ فِي قَوْلِهِ وَكُلُوا وَاشْرَبُوا حَتَّى يَتَبَيَّنَ لَكُمْ الْخَيْطُ الْأَبْيَضُ مِنْ الْخَيْطِ الْأَسْوَدِ مِنْ الْفَجْرِ

أخبرنا أبو الوليد حدثنا شريك عن حصين عن الشعبي عن عدي بن حاتم قال قلت يا رسول الله لقد جعلت تحت وسادتي خيطا أبيض وخيطا أسود فما تبين لي شيء قال إنك لعريض الوساد وإنما ذلك الليل من النهار في قوله وكلوا واشربوا حتى يتبين لكم الخيط الأبيض من الخيط الأسود من الفجر

 হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)  বর্ণনাকারীঃ আদী ইবনু হাতিম (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ৪. সাওম অধ্যায় (كتاب الصوم)

 ১৭৩২

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৮. দেরীতে সাহারী খাওয়া মুস্তাহাব হওয়া সম্পর্কে

১৭৩২. যায়দ ইবন সাবিত রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ’আলাইহি ওয়া সাল্লামের সঙ্গে সাহরী খাই এরপর তিনি সালাতের জন্য দাড়ান। বর্ণনাকারী বলেন, আমি জিজ্ঞেস করলাম, আযান ও সাহরীর মাঝে কতটিকু ব্যবধান ছিল? তিনি বললেন, পঞ্চাশ আয়াত (পাঠ করা) পরিমান।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ। হাদীসটি বুখারী ও মুসলিমের সম্মিলিত বর্ণনা। ‍

তাখরীজ: বুখারী, সিয়াম ১৯২১; মুসলিম, সিয়াম ১০৯৭;

আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ১৪৯৭ ও মুসনাদুল মাউসিলী নং ২৯৪৩ তে।

بَاب مَا يُسْتَحَبُّ مِنْ تَأْخِيرِ السُّحُورِ

أَخْبَرَنَا مُسْلِمُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ حَدَّثَنَا هِشَامٌ عَنْ قَتَادَةَ عَنْ أَنَسٍ عَنْ زَيْدِ بْنِ ثَابِتٍ قَالَ تَسَحَّرْنَا مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ ثُمَّ قَامَ إِلَى الصَّلَاةِ قَالَ قُلْتُ كَمْ كَانَ بَيْنَ الْأَذَانِ وَالسُّحُورِ قَالَ قَدْرُ قِرَاءَةِ خَمْسِينَ آيَةً

أخبرنا مسلم بن إبراهيم حدثنا هشام عن قتادة عن أنس عن زيد بن ثابت قال تسحرنا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ثم قام إلى الصلاة قال قلت كم كان بين الأذان والسحور قال قدر قراءة خمسين آية

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ যায়দ ইবনু সাবিত (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ৪. সাওম অধ্যায় (كتاب الصوم)

 ১৭৩৩

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৯. সাহরী খাওয়ার ফযীলত

১৭৩৩. আনাস ইবন মালিক রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু ’আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “তোমরা সাহ্‌রী খাও , কেননা সাহরীতে বরকত রয়েছে।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ। হাদীসটি বুখারী ও মুসলিমের সম্মিলিত বর্ণনা। ‍

তাখরীজ: বুখারী, সিয়াম ১৯২৩; মুসলিম, সিয়াম ১০৯৫; এখানে সংযোজন করছি: বাইহাকী, শুয়াবুল ঈমান নং ৩৯০৮;

আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৩৪৬৬ ও মুসনাদুল মাউসিলী নং ২৮৪৮ তে।

بَاب فِي فَضْلِ السُّحُورِ

أَخْبَرَنَا سَعِيدُ بْنُ عَامِرٍ عَنْ شُعْبَةَ عَنْ عَبْدِ الْعَزِيزِ بْنِ صُهَيْبٍ عَنْ أَنَسٍ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ تَسَحَّرُوا فَإِنَّ فِي السُّحُورِ بَرَكَةً

أخبرنا سعيد بن عامر عن شعبة عن عبد العزيز بن صهيب عن أنس قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم تسحروا فإن في السحور بركة

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আনাস ইবনু মালিক (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ৪. সাওম অধ্যায় (كتاب الصوم)

 ১৭৩৪

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৯. সাহরী খাওয়ার ফযীলত

১৭৩৪. আমর ইবনুল’আসরাদ্বিয়াল্লাহু আনহু’র মুক্তদাস আবী কাইস হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমর ইবনুল ’আস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু আমাদেরকে তাঁর সাহারীর জন্য খাদ্য প্রস্তুত করতে বলতেন, কিন্তু তিনি এর বেশির ভাগই গ্রহণ করতেন না। তখন আমরা তাঁকে বললাম: আপনি আমাদেরকে তা (খাদ্য প্রস্তুত করতে) বলেন, কিন্তু এর বেশির ভাগই আপনি গ্রহণ করেন না (এর কারণ কী) ?

তখন তিনি বলেন, আমি আমার ইচ্ছামত তোমাদেরকে একাজ করতে বলি না, বরং আমি রাসূলূল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ’আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বলতে শুনেছি: “আমাদের রোযার মধ্যে এবং আহলে কিতাবদের রোযার মধ্যে পার্থক্য হ’ল সাহরী খাওয়া।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: মুসলিম, সিয়াম ১০৯৬

আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৩৪৭৭ ও মুসনাদুল মাউসিলী নং ৭৩৩৭ তে।;

এখানে সংযোজন করছি: ইবনু হাযম আল মুহাল্লা ৬/২৪০; তাহাবী, মুশকিলিল আছার ১/১৯৮-১৯৯; খতীব, তারীখ বাগদাদ ৭/২৬৪।

بَاب فِي فَضْلِ السُّحُورِ

حَدَّثَنَا وَهْبُ بْنُ جَرِيرٍ حَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ عُلَيٍّ قَالَ سَمِعْتُ أَبِي يُحَدِّثُ عَنْ أَبِي قَيْسٍ مَوْلَى عَمْرِو بْنِ الْعَاصِ قَالَ كَانَ عَمْرُو بْنُ الْعَاصِ يَأْمُرُنَا أَنْ نَصْنَعَ لَهُ الطَّعَامَ يَتَسَحَّرُ بِهِ فَلَا يُصِيبُ مِنْهُ كَثِيرًا فَقُلْنَا لَهُ تَأْمُرُنَا بِهِ وَلَا تُصِيبُ مِنْهُ كَثِيرًا قَالَ إِنِّي لَا آمُرُكُمْ بِهِ أَنِّي أَشْتَهِيهِ وَلَكِنِّي سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ فَصْلُ مَا بَيْنَ صِيَامِنَا وَصِيَامِ أَهْلِ الْكِتَابِ أَكْلَةُ السَّحَرِ

حدثنا وهب بن جرير حدثنا موسى بن علي قال سمعت أبي يحدث عن أبي قيس مولى عمرو بن العاص قال كان عمرو بن العاص يأمرنا أن نصنع له الطعام يتسحر به فلا يصيب منه كثيرا فقلنا له تأمرنا به ولا تصيب منه كثيرا قال إني لا آمركم به أني أشتهيه ولكني سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول فصل ما بين صيامنا وصيام أهل الكتاب أكلة السحر

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ৪. সাওম অধ্যায় (كتاب الصوم)

 ১৭৩৫

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১০. যে ব্যক্তি রাত থাকতেই সিয়ামের সংকল্প করেনি

১৭৩৫. হাফসা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্নিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেনঃ ফজরের পূর্বেই যে ব্যক্তি সিয়ামের সিদ্ধান্ত না নেয় তার সিয়ামই নেই।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ শক্তিশালী।

তাখরীজ: নাসাঈ, সিয়াম ৪/১৯৬; ইবনু আবী শাইবা ৩/৩১ শক্তিশালী সনদে; ইবনু মাজাহ, সিয়াম ১৭০০; দারুকুতনী ২/১৭২; তিরমিযী, সিয়াম ৭৩০; বাইহাকী, সিয়াম ৪/২০২; ২২১; আবূ দাউদ, সওম ২৪৫৪; ইবনু খুযাইমা, আস সহীহ নং ১৯৩৩; খতীব, তারীখ বাগদাদ ৩/৯২-৯৩; বাগাবী, শারহুস সুন্নাহ নং ১৭৪৪;; আহমাদ ৬/২৮৭।… আরে দেখুন, তালখীসুল হাবীর ২/১৮৮-১৮৯; নাসবুর রায়াহ ২/৪৩৩-৪৩৪; মা’রিফাতুস সুনান ওয়াল আছার ৬/২২৭-২২৮; নাইলুল আওতার ৪/২৬৯-২৭০।

((এরপর মুহাক্বিক্ব এ সনদের রাবীদের সম্পর্কে বিভিন্ন মুহাদ্দিসের বক্তব্য ও মতভেদ উল্লেখ করেছেন এবং যারা বলেছেন এটি মাওকুফ (হাফসার বক্তব্য) হওয়া সহীহ, মারফু’ হিসেবে যয়ীফ, যেমন নাসাঈ, তিরমিযী, আবূ দাউদ, দারুকুতনী, আব্দুর রাযযাক প্রমুখ এবং যারা একে মারফু’ হিসেবে সহীহ বলেছেন যেমন ইবনু হাযম, বাইহাকী, খাত্তাবী প্রমুখ- এ উভয় দলের মতামত উল্লেখ করেছেন।– অনুবাদক))

بَاب مَنْ لَمْ يُجْمِعْ الصِّيَامَ مِنْ اللَّيْلِ

حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ شُرَحْبِيلَ حَدَّثَنَا لَيْثُ بْنُ سَعْدٍ عَنْ يَحْيَى بْنِ أَيُّوبَ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي بَكْرٍ عَنْ سَالِمِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ عَنْ ابْنِ عُمَرَ عَنْ حَفْصَةَ عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ مَنْ لَمْ يُبَيِّتْ الصِّيَامَ قَبْلَ الْفَجْرِ فَلَا صِيَامَ لَهُ قَالَ عَبْد اللَّهِ فِي فَرْضِ الْوَاجِبِ أَقُولُ بِهِ

حدثنا سعيد بن شرحبيل حدثنا ليث بن سعد عن يحيى بن أيوب عن عبد الله بن أبي بكر عن سالم بن عبد الله بن عمر عن ابن عمر عن حفصة عن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال من لم يبيت الصيام قبل الفجر فلا صيام له قال عبد الله في فرض الواجب أقول به

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ হাফসাহ (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ৪. সাওম অধ্যায় (كتاب الصوم)

 ১৭৩৬

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১১. দ্রুত (ওয়াক্ত হওয়ার সাথে সাথে) ইফতার করা

১৭৩৬. সাহল ইবন সা’দ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: লোকেরা যতদিন যাবৎ আগেভাগে (ওয়াকত হওয়ামাত্র) ইফতার করবে, ততদিন তারা কল্যাণের উপর থাকবে।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ। হাদীসটি বুখারী ও মুসলিমের সম্মিলিত বর্ণনা। ‍

তাখরীজ: বুখারী, সওম ১৯৫৭; মুসলিম, সিয়াম ১০৯৮।

আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ৭৫১১ ও সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৩৫০২, ৩৫০৬ তে।

‘আগে আগে ইফতার করা এবং দেরীতে সেহরী খাওয়া’ সংক্রান্ত হাদীসসমূহ সহীহ মুতাওয়াতির। …

بَاب فِي تَعْجِيلِ الْإِفْطَارِ

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ عَنْ سُفْيَانَ الثَّوْرِيِّ عَنْ أَبِي حَازِمٍ عَنْ سَهْلِ بْنِ سَعْدٍ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَا يَزَالُ النَّاسُ بِخَيْرٍ مَا عَجَّلُوا الْفِطْرَ

أخبرنا محمد بن يوسف عن سفيان الثوري عن أبي حازم عن سهل بن سعد قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم لا يزال الناس بخير ما عجلوا الفطر

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ সাহল বিন সা’দ (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ৪. সাওম অধ্যায় (كتاب الصوم)

 ১৭৩৭

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১১. দ্রুত (ওয়াক্ত হওয়ার সাথে সাথে) ইফতার করা

১৭৩৭. উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “যখন রাত্রি ঘনিয়ে আসে এবং দিন পশ্চাদপসরণ করে, আর সূর্য ডুবে যায়, তখন আমি ইফতার করি।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ। হাদীসটি বুখারী ও মুসলিমের সম্মিলিত বর্ণনা। ‍

তাখরীজ: বুখারী, সওম ১৯৫৪; মুসলিম, সিয়াম ১১০০।

আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ২৪০ ও সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৩৫১৩; মুসনাদুল হুমাইদী নং ২০ তে।

بَاب فِي تَعْجِيلِ الْإِفْطَارِ

حَدَّثَنَا عُثْمَانُ بْنُ مُحَمَّدٍ حَدَّثَنَا عَبْدَةُ عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ عَنْ أَبِيهِ عَنْ عَاصِمِ بْنِ عُمَرَ عَنْ عُمَرَ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِذَا أَقْبَلَ اللَّيْلُ وَأَدْبَرَ النَّهَارُ وَغَابَتْ الشَّمْسُ فَقَدْ أَفْطَرْتَ

حدثنا عثمان بن محمد حدثنا عبدة عن هشام بن عروة عن أبيه عن عاصم بن عمر عن عمر قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا أقبل الليل وأدبر النهار وغابت الشمس فقد أفطرت

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ উমর ইবনুল খাত্তাব (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ৪. সাওম অধ্যায় (كتاب الصوم)

 ১৭৩৮

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১২. যা দিয়ে ইফতার করা মুস্তাহাব (পছন্দনীয়)

১৭৩৮. সালমান ইবন আমের রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত। নবীসাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “যখন তোমাদের কেউ রোযা রাখে, তখন সে যেন খেজুর দ্বারা ইফতার করে। আর সে যদি খেজুর না পায়, তবে সে যেন পানি দ্বারা ইফতার করে, কেননা পানি পবিত্র।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ উত্তম (জাইয়্যেদ)।

তাখরীজ: ((আবূ দাউদ, সওম ২৩৫৫; তিরমিযী, সওম ৬৯৫, তিরমিযী বলেন: হাদীসটি হাসান সহীহ “; ইবনু মাজাহ, সিয়াম ১৬৯৯; আলবানী তার সহীহুল জামি’ ১/১৫৮ তে বলেন: সহীহ।– ফাওয়ায আহমেদের দারেমী হা/১৭০১ এর টীকা হতে।– অনুবাদক))

আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মাওয়ারিদুয যাম’আন নং ৮৯২, ৮৯৩ ও সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৩৫১৪, ৩৫১৫ তে।

بَاب مَا يُسْتَحَبُّ الْإِفْطَارُ عَلَيْهِ

أَخْبَرَنَا أَبُو النُّعْمَانِ حَدَّثَنَا ثَابِتُ بْنُ يَزِيدَ حَدَّثَنَا عَاصِمٌ عَنْ حَفْصَةَ عَنْ الرَّبَابِ الضَّبِّيَّةِ عَنْ عَمِّهَا سَلْمَانَ بْنِ عَامِرٍ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ إِذَا أَفْطَرَ أَحَدُكُمْ فَلْيُفْطِرْ عَلَى تَمْرٍ فَإِنْ لَمْ يَجِدْ فَلْيُفْطِرْ عَلَى مَاءٍ فَإِنَّ الْمَاءَ طَهُورٌ

أخبرنا أبو النعمان حدثنا ثابت بن يزيد حدثنا عاصم عن حفصة عن الرباب الضبية عن عمها سلمان بن عامر أن النبي صلى الله عليه وسلم قال إذا أفطر أحدكم فليفطر على تمر فإن لم يجد فليفطر على ماء فإن الماء طهور

 হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)  বর্ণনাকারীঃ সালমান ইবনু ‘আমির আয্ যব্বী (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ৪. সাওম অধ্যায় (كتاب الصوم)

 ১৭৩৯

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১৩. যে ব্যক্তি কোনো রোযাদারকে ইফতার করায়, তার ফযীলত

১৭৩৯. যায়িদ ইবন খালিদ জুহানী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, “যে ব্যক্তি কোন রোযাদারকে ইফতার করায়, তার জন্যও তার (রোযাদারের) সমপরিমাণ সাওয়াব হবে। কিন্তু এতে রোযাদার ব্যক্তির সাওয়াবে কোন ঘাটতি হবে না।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: ((তিরমিযী, সওম ৮০৬, তিরমিযী বলেন: হাদীসটি হাসান সহীহ “; ইবনু মাজাহ, সিয়াম ১৭৪৬; আলবানী তার সহীহুল জামি’ ৫/৩২৭ তে বলেন: সহীহ।’– ফাওয়ায আহমেদের তাহক্বীক্বকৃত দারেমী হা/১৭০১ এর টীকা হতে।– অনুবাদক))

আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মাওয়ারিদুয যাম’আন নং ৮৯২, ৮৯৩ ও সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৩৫১৪, ৩৫১৫ তে।

بَاب الْفَضْلِ لِمَنْ فَطَّرَ صَائِمًا

أَخْبَرَنَا يَعْلَى حَدَّثَنَا عَبْدُ الْمَلِكِ عَنْ عَطَاءٍ عَنْ زَيْدِ بْنِ خَالِدٍ الْجُهَنِيِّ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ مَنْ فَطَّرَ صَائِمًا كُتِبَ لَهُ مِثْلُ أَجْرِهِ إِلَّا أَنَّهُ لَا يَنْقُصُ مِنْ أَجْرِ الصَّائِمِ

أخبرنا يعلى حدثنا عبد الملك عن عطاء عن زيد بن خالد الجهني عن النبي صلى الله عليه وسلم قال من فطر صائما كتب له مثل أجره إلا أنه لا ينقص من أجر الصائم

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ যায়দ ইবনু খালিদ (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ৪. সাওম অধ্যায় (كتاب الصوم)

 ১৭৪০

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১৪. সাওমে বিসাল (পানাহার না করে বিরতিহীনভাবে একটানা রোযা রাখা) নিষেধ

১৭৪০. আবূ হুরায়রা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন: “তোমরা (সাওমে) ’বিসাল’ (বিরতিহীন রোযা) থেকে বিরত থাক।”- (বাক্যটি তিনি) দু’বার বললেন। তাঁরা (সাহাবীগণ) তাঁকে বললেন, কিন্তু আপনি তো ’সাওমে বেসাল’ করেন। তিনি বললেন: “আমি তো তোমাদের মতো নই। আমি এভাবে রাত যাপন করি যে, আমার প্রতিপালক আমাকে পানাহার করিয়ে থাকেন।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ শক্তিশালী। আর হাদীসটি বুখারী ও মুসলিমের সম্মিলিত বর্ণনা। ‍

তাখরীজ: বুখারী, সওম ১৯৬৫; মুসলিম, সিয়াম ১১০৩;

আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ৬০৮৮; সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৩৫৭৫, ৩৫৭৬ ও মুসনাদুল হুমাইদী নং ১০৩৯ তে। সামনে ১৭৪৮ নং এ আসছে।

بَاب النَّهْيِ عَنْ الْوِصَالِ فِي الصَّوْمِ

أَخْبَرَنَا خَالِدُ بْنُ مَخْلَدٍ حَدَّثَنَا مَالِكٌ عَنْ أَبِي الزِّنَادِ عَنْ الْأَعْرَجِ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِيَّاكُمْ وَالْوِصَالَ مَرَّتَيْنِ قَالُوا فَإِنَّكَ تُوَاصِلُ قَالَ إِنِّي لَسْتُ مِثْلَكُمْ إِنِّي أَبِيتُ يُطْعِمُنِي رَبِّي وَيَسْقِينِي

أخبرنا خالد بن مخلد حدثنا مالك عن أبي الزناد عن الأعرج عن أبي هريرة قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم إياكم والوصال مرتين قالوا فإنك تواصل قال إني لست مثلكم إني أبيت يطعمني ربي ويسقيني

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরায়রা (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ৪. সাওম অধ্যায় (كتاب الصوم)

 ১৭৪১

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১৪. সাওমে বিসাল (পানাহার না করে বিরতিহীনভাবে একটানা রোযা রাখা) নিষেধ

১৭৪১. আনাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, নবী করীম সাল্লাল্লাহু ’আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “তোমরা (সাওমে) বেসাল পালন করবে না।” তাঁকে বলা হলো, আপনি যে তা (সাওমে বেসাল) করেন? তিনি বললেন: “আমি তোমাদের কারো মত নই। আমাকে পানাহার করানো হয়।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ। আর হাদীসটি বুখারী ও মুসলিমের সম্মিলিত বর্ণনা। ‍

তাখরীজ: বুখারী, সওম ১৯৬১; মুসলিম, সিয়াম ১১০৪;

আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ২৮৭৪, ৩০৯৯; সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৩৫৭৪, ৩৫৭৯।

بَاب النَّهْيِ عَنْ الْوِصَالِ فِي الصَّوْمِ

حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ الرَّبِيعِ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ عَنْ قَتَادَةَ عَنْ أَنَسٍ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَا تُوَاصِلُوا قِيلَ إِنَّكَ تَفْعَلُ ذَاكَ قَالَ إِنِّي لَسْتُ كَأَحَدِكُمْ إِنِّي أُطْعَمُ وَأُسْقَى

حدثنا سعيد بن الربيع حدثنا شعبة عن قتادة عن أنس قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم لا تواصلوا قيل إنك تفعل ذاك قال إني لست كأحدكم إني أطعم وأسقى

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আনাস ইবনু মালিক (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ৪. সাওম অধ্যায় (كتاب الصوم)

 ১৭৪২

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১৪. সাওমে বিসাল (পানাহার না করে বিরতিহীনভাবে একটানা রোযা রাখা) নিষেধ

১৭৪২. আবূ সাঈদ খুদরী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু খেকে বর্ণিত, তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ’আলাইহি ওয়া সাল্লাম-কে বলতে শুনেছেন যে, “তোমরা ’সাওমে বেসাল’ করবে না। তোমাদের কউ যদি ’সাওমে বেসাল’ করতেই চায়, তবে যেন সাহরীর সময় পর্যন্ত করে। তাঁরা বললেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আপনি তো সাওমে বেসাল (বিরতিহীন রোযা) পালন করেন? তিনি বললেন: আমি এভাবে রাত যাপন করি যে, আমার জন্য একজন আহারদাতা রয়েছেন যিনি আমাকে আহার করান এবং আমাকে পান করান।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ যয়ীফ: আব্দুল্লাহ ইবনু সালিহ যার স্মৃতি শক্তি অত্যন্ত খারাপ। তবে হাদীসটি সহীহ।

তাখরীজ: বুখারী, সওম, ১৯৬৩।

আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাওসিলী নং ১১৩৩, ১৪০৭ ও সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৩৫৭৭, ৩৫৭৮।

بَاب النَّهْيِ عَنْ الْوِصَالِ فِي الصَّوْمِ

حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ صَالِحٍ حَدَّثَنِي اللَّيْثُ حَدَّثَنِي يَزِيدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ خَبَّابٍ عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ أَنَّهُ سَمِعَ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ لَا تُوَاصِلُوا فَأَيُّكُمْ يُرِيدُ أَنْ يُوَاصِلَ فَلْيُوَاصِلْ إِلَى السَّحَرِ قَالُوا إِنَّكَ تُوَاصِلُ يَا رَسُولَ اللَّهِ قَالَ إِنِّي أَبِيتُ لِي مُطْعِمٌ يُطْعِمُنِي وَيَسْقِينِي

حدثنا عبد الله بن صالح حدثني الليث حدثني يزيد بن عبد الله عن عبد الله بن خباب عن أبي سعيد الخدري أنه سمع رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول لا تواصلوا فأيكم يريد أن يواصل فليواصل إلى السحر قالوا إنك تواصل يا رسول الله قال إني أبيت لي مطعم يطعمني ويسقيني

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আবূ সা’ঈদ খুদরী (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ৪. সাওম অধ্যায় (كتاب الصوم)

 ১৭৪৩

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১৪. সাওমে বিসাল (পানাহার না করে বিরতিহীনভাবে একটানা রোযা রাখা) নিষেধ

১৭৪৩. আবূ হুরায়রা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম (সাওমে) ’বিসাল’ পালন করতে নিষেধ করেছেন। তখন একজন মুসলিম তাঁকে বললেন, ’কিন্তু আপনি তো ’সাওমে বেসাল’ (বিরতিহীন রোযা) রাখেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন: “আমি তো তোমাদের মতো নই। আমি এভাবে রাত যাপন করি যে, আমার প্রতিপালক আমাকে পানাহার করিয়ে থাকেন।”কিন্তু তারা যখন বিরত থাকতে অস্বীকার করলেন, তখন তিনি তাদের সাথে একদিন, তারপর আর একদিন বিরতিহীন রোযা রাখলেন। তারপর তারা নতুন চাঁদ দেখতে পেলেন। তখন রাসূলূল্লাহ (সাঃ) বললেন: “যদি তা (চাঁদ) আরো দেরীতে উদিত হতো, তাহলে আমিও তোমাদের (বিরতিহীন রোযা) বাড়িয়ে দিতাম।” যেন তাদেরকে শাসাচ্ছিলেন যখন তারা বিরত থাকতে অস্বীকার করলেন।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: পূর্বের হাদীসটির মতই এর সনদ যয়ীফ: তবে (হাদীসটি সহীহ), এটি বুখারী মুসলিমের সম্মিলিত বর্ণনা।

তাখরীজ: এটি ১৭৪৫ (অনূবাদে ১৭৪০) নং এ গত হয়েছে।

بَاب النَّهْيِ عَنْ الْوِصَالِ فِي الصَّوْمِ

حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ صَالِحٍ حَدَّثَنِي اللَّيْثُ حَدَّثَنِي عُقَيْلٌ عَنْ ابْنِ شِهَابٍ أَخْبَرَنِي أَبُو سَلَمَةَ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ أَنَّ أَبَا هُرَيْرَةَ قَالَ نَهَى رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَنْ الْوِصَالِ فَقَالَ لَهُ رِجَالٌ مِنْ الْمُسْلِمِينَ فَإِنَّكَ تُوَاصِلُ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِنِّي لَسْتُ مِثْلَكُمْ إِنِّي أَبِيتُ يُطْعِمُنِي رَبِّي وَيَسْقِينِي فَلَمَّا أَبَوْا أَنْ يَنْتَهُوا عَنْ الْوِصَالِ وَاصَلَ بِهِمْ يَوْمًا ثُمَّ يَوْمًا ثُمَّ رَأَوْا الْهِلَالَ فَقَالَ لَوْ تَأَخَّرَ لَزِدْتُكُمْ كَالْمُنَكِّلِ لَهُمْ حِينَ أَبَوْا أَنْ يَنْتَهُوا

حدثنا عبد الله بن صالح حدثني الليث حدثني عقيل عن ابن شهاب أخبرني أبو سلمة بن عبد الرحمن أن أبا هريرة قال نهى رسول الله صلى الله عليه وسلم عن الوصال فقال له رجال من المسلمين فإنك تواصل قال رسول الله صلى الله عليه وسلم إني لست مثلكم إني أبيت يطعمني ربي ويسقيني فلما أبوا أن ينتهوا عن الوصال واصل بهم يوما ثم يوما ثم رأوا الهلال فقال لو تأخر لزدتكم كالمنكل لهم حين أبوا أن ينتهوا

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরায়রা (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ৪. সাওম অধ্যায় (كتاب الصوم)

 ১৭৪৪

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১৫. সফরে রোযা রাখা

১৭৪৪. আয়িশা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা হতে বর্ণিত, হামযাহ ইবনু আমর আল আসলামী রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নিকট জানতে চাইলেন, ইয়া রাসূলুল্লাহ! আমি সফরে যেতে চাই। এখন (রোযা রাখার ব্যাপারে) আপনি আমাকে কী আদেশ করেন? তখন তিনি বললেন: “তুমি চাইলে রোযা রাখো, আবার চাইলে রোযা ভঙ্গ কর।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ। হাদীসটি বুখারী মুসলিমের সম্মিলিত বর্ণনা।

তাখরীজ: বুখারী, সিয়াম, ১৯৪২, ১৯৪৩; মুসলিম, সিয়াম ১১২১।

আমরা এর পূর্ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ৪৫০২, ৪৬৫৪, ৪৯১৯; সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৩৫৬০, ৩৫৬৭; মুসনাদুল হুমাইদী নং ২০১।

بَاب الصَّوْمِ فِي السَّفَرِ

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ عَنْ سُفْيَانَ عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ عَنْ عُرْوَةَ عَنْ عَائِشَةَ أَنَّ حَمْزَةَ بْنَ عَمْرٍو الْأَسْلَمِيَّ سَأَلَ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنِّي أُرِيدُ السَّفَرَ فَمَا تَأْمُرُنِي قَالَ إِنْ شِئْتَ فَصُمْ وَإِنْ شِئْتَ فَأَفْطِرْ

أخبرنا محمد بن يوسف عن سفيان عن هشام بن عروة عن عروة عن عائشة أن حمزة بن عمرو الأسلمي سأل رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال يا رسول الله إني أريد السفر فما تأمرني قال إن شئت فصم وإن شئت فأفطر

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আয়িশা বিনত আবূ বাকর সিদ্দীক (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ৪. সাওম অধ্যায় (كتاب الصوم)

 ১৭৪৫

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১৫. সফরে রোযা রাখা

১৭৪৫. ইবন ’আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মক্কা বিজয়ের বছরে মক্কার পথে যাত্রা করলেন। তিনি সিয়াম পালন করছিলেন এবং লোকেরাও তাঁর সাথে সিয়াম পালন করছিলেন। কাদীদ নামক স্থানে পৌছার পর তিনি সাওম ভঙ্গ করে ফেললে লোকেরা সকলেই সাওম ভঙ্গ করলেন। লোকেরা যে নতুন কাজটি অবলম্বন করতেন, তা তাঁরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের আমল থেকেই গ্রহণ করতেন।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ শক্তিশালী। তবে হাদীসটি বুখারী মুসলিমের সম্মিলিত বর্ণনা।

তাখরীজ: বুখারী, সিয়াম, ১৯৪৪; মুসলিম, সিয়াম ১১১৩।

আমরা এর পূর্ তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৩৫৫৫, ৩৫৬৩, ৩৫৬৪; মুসনাদুল হুমাইদী নং ৫২৪।

بَاب الصَّوْمِ فِي السَّفَرِ

أَخْبَرَنَا خَالِدُ بْنُ مَخْلَدٍ حَدَّثَنَا مَالِكٌ عَنْ الزُّهْرِيِّ عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُتْبَةَ عَنْ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ خَرَجَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَامَ الْفَتْحِ فَصَامَ وَصَامَ النَّاسُ حَتَّى بَلَغَ الْكَدِيدَ ثُمَّ أَفْطَرَ فَأَفْطَرَ النَّاسُ فَكَانُوا يَأْخُذُونَ بِالْأَحْدَثِ فَالْأَحْدَثِ مِنْ فِعْلِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ

أخبرنا خالد بن مخلد حدثنا مالك عن الزهري عن عبيد الله بن عبد الله بن عتبة عن ابن عباس قال خرج رسول الله صلى الله عليه وسلم عام الفتح فصام وصام الناس حتى بلغ الكديد ثم أفطر فأفطر الناس فكانوا يأخذون بالأحدث فالأحدث من فعل رسول الله صلى الله عليه وسلم

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আবদুল্লাহ ইবনু আব্বাস (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ৪. সাওম অধ্যায় (كتاب الصوم)

 ১৭৪৬

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১৫. সফরে রোযা রাখা

১৭৪৬. জাবির ইবন ’আবদুল্লাহ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এক সফরে ছিলেন, হঠাৎ তিনি দেখলেন লোকজনের ভীড় এবং এক ব্যক্তিকে ছায়া দেয়া হয়েছে। তিনি জিজ্ঞাসা করলেন: “এর কী হয়েছে?” লোকেরা বলল, সে রোযাদার। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন: “সফরে রোযা পালন কোন নেকীর কাজ নয়।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: বুখারী, সিয়াম, ১৯৪৬; মুসলিম, সিয়াম ১১১৫।

আমরা এর পূর্ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ১৮৮৩; সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৩৫৫২, ৩৫৫৩, ৫২৫৪।

بَاب الصَّوْمِ فِي السَّفَرِ

أَخْبَرَنَا هَاشِمُ بْنُ الْقَاسِمِ وَأَبُو الْوَلِيدِ قَالَا حَدَّثَنَا شُعْبَةُ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْأَنْصَارِيِّ قَالَ سَمِعْتُ مُحَمَّدَ بْنَ عَمْرِو بْنِ الْحَسَنِ يُحَدِّثُ عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ أَنَّهُ ذَكَرَ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَ فِي سَفَرٍ فَرَأَى زِحَامًا وَرَجُلٌ قَدْ ظُلِّلَ عَلَيْهِ فَقَالَ مَا هَذَا قَالُوا هَذَا صَائِمٌ فَقَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَيْسَ مِنْ الْبِرِّ الصَّوْمُ فِي السَّفَرِ

أخبرنا هاشم بن القاسم وأبو الوليد قالا حدثنا شعبة عن محمد بن عبد الرحمن الأنصاري قال سمعت محمد بن عمرو بن الحسن يحدث عن جابر بن عبد الله أنه ذكر أن النبي صلى الله عليه وسلم كان في سفر فرأى زحاما ورجل قد ظلل عليه فقال ما هذا قالوا هذا صائم فقال النبي صلى الله عليه وسلم ليس من البر الصوم في السفر

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ জাবির ইবনু আবদুল্লাহ আনসারী (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ৪. সাওম অধ্যায় (كتاب الصوم)

 ১৭৪৭

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১৫. সফরে রোযা রাখা

১৭৪৭. কা’ব ইবনু আসিম আল আশ’আরী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: ““সফরে রোযা পালন কোন নেকীর কাজ নয়।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: আমরা এর পূর্ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল হুমাইদী নং ৮৮৭। আরো দেখুন পরবর্তী ও পূর্ববর্তী হাদীস দু’টি।

بَاب الصَّوْمِ فِي السَّفَرِ

أَخْبَرَنَا عُثْمَانُ بْنُ عُمَرَ حَدَّثَنَا يُونُسُ عَنْ الزُّهْرِيِّ عَنْ صَفْوَانَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ عَنْ أُمِّ الدَّرْدَاءِ عَنْ كَعْبِ بْنِ عَاصِمٍ الْأَشْعَرِيِّ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ لَيْسَ مِنْ الْبِرِّ الصِّيَامُ فِي السَّفَرِ

أخبرنا عثمان بن عمر حدثنا يونس عن الزهري عن صفوان بن عبد الله عن أم الدرداء عن كعب بن عاصم الأشعري أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ليس من البر الصيام في السفر

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ৪. সাওম অধ্যায় (كتاب الصوم)

 ১৭৪৮

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১৫. সফরে রোযা রাখা

১৭৪৮. (অপর সনদে) কা’ব ইবনু আসিম আল আশ’আরী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “সফরে রোযা পালন কোন নেকীর কাজ নয়।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: এটি পূর্বের হাদীসটির পূনরাবৃত্তি।

بَاب الصَّوْمِ فِي السَّفَرِ

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ حَدَّثَنَا الزُّهْرِيُّ عَنْ صَفْوَانَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ صَفْوَانَ عَنْ أُمِّ الدَّرْدَاءِ عَنْ كَعْبِ بْنِ عَاصِمٍ الْأَشْعَرِيِّ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ لَيْسَ مِنْ الْبِرِّ الصِّيَامُ فِي السَّفَرِ

حدثنا محمد بن أحمد حدثنا سفيان حدثنا الزهري عن صفوان بن عبد الله بن صفوان عن أم الدرداء عن كعب بن عاصم الأشعري عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ليس من البر الصيام في السفر

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ৪. সাওম অধ্যায় (كتاب الصوم)

 ১৭৪৯

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১৬. মুসাফিরের জন্য রোযা ভঙ্গ করার অনুমতি রয়েছে

১৭৪৯. আবী উমাইয়া আয যামরী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, এক সফরে আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর নিকট উপস্থিত হলাম এবং তাঁকে সালাম দিলাম। আমি যখন বের হয়ে আসব, এমন সময় তিনি বললেন: “সকালের নাস্তার জন্য একটু অপেক্ষা করো।” আমি বললাম, ইয়া নবীয়াল্লাহ! আমি রোযাদার। তিনি বললেন : এসো, আমি তোমাকে মুসাফির সম্পর্কে জানিয়ে দিচ্ছি। মহান আল্লাহ্ মুসাফিরকে অর্ধেক সালাত এবং রোযা হতে অব্যহতি দিয়েছেন।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: নাসাঈ, সিয়াম ৪/১৭৯, ১৮০; সুনানুল কুবরা নং ২৫৭৬, ২৫৭৭ (সনদ সহীহ), ২৫৭৯, ২৫৮০. ২৫৮২; তাবারাণী, কাবীর ২২/৩৬১ নং ৯০৭; দাওলাবী, আল কুন্নী ১/১৪

بَاب الرُّخْصَةِ لِلْمُسَافِرِ فِي الْإِفْطَارِ

حَدَّثَنَا أَبُو الْمُغِيرَةِ حَدَّثَنَا الْأَوْزَاعِيُّ عَنْ يَحْيَى عَنْ أَبِي قِلَابَةَ عَنْ أَبِي الْمُهَاجِرِ عَنْ أَبِي أُمَيَّةَ الضَّمْرِيِّ قَالَ قَدِمْتُ عَلَى رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مِنْ سَفَرٍ فَسَلَّمْتُ عَلَيْهِ فَلَمَّا ذَهَبْتُ لِأَخْرُجَ قَالَ انْتَظِرْ الْغَدَاءَ يَا أَبَا أُمَيَّةَ قَالَ فَقُلْتُ إِنِّي صَائِمٌ يَا نَبِيَّ اللَّهِ فَقَالَ تَعَالَ أُخْبِرْكَ عَنْ الْمُسَافِرِ إِنَّ اللَّهَ وَضَعَ عَنْهُ الصِّيَامَ وَنِصْفَ الصَّلَاةِ قَالَ أَبُو مُحَمَّد إِنْ شَاءَ صَامَ وَإِنْ شَاءَ أَفْطَرَ

حدثنا أبو المغيرة حدثنا الأوزاعي عن يحيى عن أبي قلابة عن أبي المهاجر عن أبي أمية الضمري قال قدمت على رسول الله صلى الله عليه وسلم من سفر فسلمت عليه فلما ذهبت لأخرج قال انتظر الغداء يا أبا أمية قال فقلت إني صائم يا نبي الله فقال تعال أخبرك عن المسافر إن الله وضع عنه الصيام ونصف الصلاة قال أبو محمد إن شاء صام وإن شاء أفطر

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আমর ইবনু উমাইয়াহ (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ৪. সাওম অধ্যায় (كتاب الصوم)

 ১৭৫০

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১৭. কোনো লোক সফরের উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর কত দূর গিয়ে রোযা ভঙ্গ করতে পারবে:

১৭৫০. উবাইদ ইবনু জুবাইর রাহি. বলেন, একদা আমি রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর সাহাবী আবী বাসরাহ আল্-গিফারীর সাথে রামাযান মাসে ’ফুসতাত’ হতে আগমনকারী এক জাহাজে আরোহী ছিলাম। এরপর জাহাজছেড়ে দেয়ার পর তিনি সকালে নাশতা খেতে শুরু করেন। এরপরতিনি বললেন, এসো! আমাদের সাথে খাদ্য গ্রহণ করো। আমি তাঁকে জিজ্ঞাসা করি, আপনি কি আপনার ঘরবাড়ী দেখছেন না? আবী বাসরাহ বলেন, তুমি কি রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সুন্নাত ত্যাগ করতে চাও?[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: আহমাদ ৬/৩৯৮; আবূ দাউদ ২৪১২; তাবারাণী, আল কাবীর ২/২৭৯-২৮০ নং ২১৬৯; ফাসাওয়ী, মা’রিফাতুত তারীখ ২/৪৯২।

بَاب مَتَى يُفْطِرُ الرَّجُلُ إِذَا خَرَجَ مِنْ بَيْتِهِ يُرِيدُ السَّفَرَ

حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ يَزِيدَ الْمُقْرِئُ حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ أَبِي أَيُّوبَ حَدَّثَنِي يَزِيدُ بْنُ أَبِي حَبِيبٍ أَنَّ كُلَيْبَ بْنَ ذُهْلٍ الْحَضْرَمِيَّ أَخْبَرَهُ عَنْ عُبَيْدِ بْنِ جُبَيْرٍ قَالَ رَكِبْتُ مَعَ أَبِي بَصْرَةَ الْغِفَارِيِّ سَفِينَةً مِنْ الْفُسْطَاطِ فِي رَمَضَانَ فَدَفَعَ فَقَرَّبَ غَدَاءَهُ ثُمَّ قَالَ اقْتَرِبْ فَقُلْتُ أَلَسْتَ تَرَى الْبُيُوتَ فَقَالَ أَبُو بَصْرَةَ أَرَغِبْتَ عَنْ سُنَّةِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ

حدثنا عبد الله بن يزيد المقرئ حدثنا سعيد بن أبي أيوب حدثني يزيد بن أبي حبيب أن كليب بن ذهل الحضرمي أخبره عن عبيد بن جبير قال ركبت مع أبي بصرة الغفاري سفينة من الفسطاط في رمضان فدفع فقرب غداءه ثم قال اقترب فقلت ألست ترى البيوت فقال أبو بصرة أرغبت عن سنة رسول الله صلى الله عليه وسلم

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ৪. সাওম অধ্যায় (كتاب الصوم)

 ১৭৫১

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১৮. যে ব্যক্তি রমযান মাসে ইচ্ছাকৃতভাবে একদিনও রোযা ভঙ্গ করে

১৭৫১. আবূ হুরাইরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেনঃ “যে ব্যক্তি কোনরূপ অনুমোদিত কারণ বা রোগ ব্যতিরেকে রামাযান মাসে একদিনও রোযা ভঙ্গ করে, তবে সে সারা জীবন রোযা রাখলেও তার কাযা আদায় (ক্ষতিপূরণ) হবে না।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ যয়ীফ।

তাখরীজ: তিরমিযী, সিয়াম ৭২৩; নাসাঈ, আল কুবরা নং ৩২৭৮, ৩২৭৯, ৩২৮০; দারুকুতনী ২/২১১; আহমাদ ২/৪৪২, ৪৭০; ইবনু আবী শাইবা ৩/১০৫; ইবনু মাজাহ, সিয়াম ১৬৭২; আব্দুর রাযযাক নং ৭৪৭৫। পূর্ণ তাখরীজের জন্য পরবর্তী হাদীসটি দেখুন।

بَاب مَنْ أَفْطَرَ يَوْمًا مِنْ رَمَضَانَ مُتَعَمِّدًا

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ عَنْ سُفْيَانَ عَنْ حَبِيبِ بْنِ أَبِي ثَابِتٍ قَالَ سَمِعْتُ عُمَارَةَ بْنَ عُمَيْرٍ يُحَدِّثُ عَنْ ابْنِ الْمُطَوِّسِ عَنْ أَبِيهِ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَنْ أَفْطَرَ يَوْمًا مِنْ شَهْرِ رَمَضَانَ مِنْ غَيْرِ رُخْصَةٍ وَلَا مَرَضٍ فَلَنْ يَقْضِيَهُ صِيَامُ الدَّهْرِ كُلِّهِ وَلَوْ صَامَ الدَّهْرَ

أخبرنا محمد بن يوسف عن سفيان عن حبيب بن أبي ثابت قال سمعت عمارة بن عمير يحدث عن ابن المطوس عن أبيه عن أبي هريرة قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم من أفطر يوما من شهر رمضان من غير رخصة ولا مرض فلن يقضيه صيام الدهر كله ولو صام الدهر

 হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai’f)  বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরায়রা (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ৪. সাওম অধ্যায় (كتاب الصوم)

 ১৭৫২

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১৮. যে ব্যক্তি রমযান মাসে ইচ্ছাকৃতভাবে একদিনও রোযা ভঙ্গ করে

১৭৫২. (অপর সনদে) আবূ হুরাইরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেনঃ “কোনরূপ অনুমোদিত কারণ – যার অনুমতি আল্লাহ তাকে দিয়েছেন, সেইরুপ কারণ ব্যতিরেকে যে ব্যক্তি রামাযান মাসে একদিনও রোযা ভঙ্গ করে, তার সারা জীবনের রোযাও এর ক্ষতিপূরণ হবে না।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ যয়ীফ।

তাখরীজ: আগের টীকাটি দেখুন। আবী দাউদ তায়ালিসী ১/১৮৪ নং ৮৭৬; ইবনু হাযম, আল মুহাল্লা ৬/১৮৩; বাইহাকী, সিয়াম ৪/২২৮; (অন্য সনদে) আবী দাউদ ২৩৯৬, ২৩৯৭; বুখারী, তা’লিক হিসেবে, সওম; নাসাঈ, কুবরা নং ৩২৮১, ৩২৮২; ইবনু খুযাইমা, আস সহীহ নং ১৯৮৭, ১৯৮৮; আহমাদ ২/৪৭০।

بَاب مَنْ أَفْطَرَ يَوْمًا مِنْ رَمَضَانَ مُتَعَمِّدًا

أَخْبَرَنَا أَبُو الْوَلِيدِ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ أَخْبَرَنِي حَبِيبُ بْنُ أَبِي ثَابِتٍ قَالَ سَمِعْتُ عُمَارَةَ بْنَ عُمَيْرٍ يُحَدِّثُ عَنْ أَبِي الْمُطَوِّسِ عَنْ أَبِيهِ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ مَنْ أَفْطَرَ يَوْمًا مِنْ رَمَضَانَ مِنْ غَيْرِ رُخْصَةٍ رَخَّصَهُ اللَّهُ لَهُ لَمْ يَقْضِ عَنْهُ صِيَامُ الدَّهْرِ

أخبرنا أبو الوليد حدثنا شعبة أخبرني حبيب بن أبي ثابت قال سمعت عمارة بن عمير يحدث عن أبي المطوس عن أبيه عن أبي هريرة عن النبي صلى الله عليه وسلم قال من أفطر يوما من رمضان من غير رخصة رخصه الله له لم يقض عنه صيام الدهر

 হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai’f)  বর্ণনাকারীঃ আয়িশা বিনত আবূ বাকর সিদ্দীক (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ৪. সাওম অধ্যায় (كتاب الصوم)

 ১৭৫৩

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১৯. যে ব্যক্তি রমযান মাসে দিনের বেলায় স্ত্রী-সহবাস করে, তার সম্পর্কে

১৭৫৩. আবূ হুরায়রা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর নিকট এক ব্যক্তি এসে বলল, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমি তো ধ্বংস হয়ে গিয়েছি! রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন: “কিসে তোমাকে ধ্বংস করলো?” সে বলল, আমি রমযান মাসে (রোযাদার অবস্থায়) আমার স্ত্রীর সাথে মিলিত হয়েছি। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন: তাহলে তুমি একটি ক্রীতদাস আযাদ করো। সে বলল, আমার নিকট তো (কোনো ক্রীতদাস) নেই । তিনি বললেন: “তাহলে তুমি একাধারে দু’মাস সাওম পালন করো।” সে বলল, তা করতেও আমি সক্ষম নই। তিনি বললেন: “তাহলে ষাটজন মিসকীনকে আহার করাও? সে বলল, আমার কাছে (তাও) নেই। তিনি (রাবী) বলেন, এ সময় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর কাছে একটি ’আরাক’ (ঝুড়ি) পেশ করা হল যাতে খেজুর ছিল। তখন তিনি বললেন: “প্রশ্নকারী কোথায়? এগুলো নিয়ে সাদকা করে দাও।” তখন লোকটি বলল, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমার পরিবারের চাইতেও বেশী অভাবগ্রস্থকে (সাদাকা করব)? আল্লাহর শপথ, মদীনার উভয় ’লাবাত’ অর্থাৎ উভয় প্রান্তের মধ্যে আমাদের চাইতে অধিক অভাবগ্রস্থ কোনো পরিবার নেই। তখন রাসূলাল্লাহসাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, “তবে তোমরাই (এগুলো খাও)।” (একথা বলে) তিনি হেসে উঠলেন এমনকি তাঁর দাঁতসমূহ প্রকাশিত হয়ে পড়লো।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ। এটি বুখারী মুসলিমের সম্মিলিত বর্ণনা ।

তাখরীজ: বুখারী, সওম ১৯৩৬; মুসলিম, সিয়াম ১১১১; আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ৬৩৬৮; সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৩৫২৩-৩৫২৭; মুসনাদুল হুমাইদী নং ১০৩৮ তে।

بَاب فِي الَّذِي يَقَعُ عَلَى امْرَأَتِهِ فِي شَهْرِ رَمَضَانَ نَهَارًا

حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ دَاوُدَ الْهَاشِمِيُّ حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ سَعْدٍ عَنْ الزُّهْرِيِّ عَنْ حُمَيْدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ أَتَى رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ رَجُلٌ فَقَالَ هَلَكْتُ فَقَالَ وَمَا أَهْلَكَكَ قَالَ وَاقَعْتُ امْرَأَتِي فِي شَهْرِ رَمَضَانَ قَالَ فَأَعْتِقْ رَقَبَةً قَالَ لَيْسَ عِنْدِي قَالَ فَصُمْ شَهْرَيْنِ مُتَتَابِعَيْنِ قَالَ لَا أَسْتَطِيعُ قَالَ فَأَطْعِمْ سِتِّينَ مِسْكِينًا قَالَ لَا أَجِدُ قَالَ فَأُتِيَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِعَرَقٍ فِيهِ تَمْرٌ فَقَالَ أَيْنَ السَّائِلُ تَصَدَّقْ بِهَذَا فَقَالَ أَعَلَى أَفْقَرَ مِنْ أَهْلِي يَا رَسُولَ اللَّهِ فَوَاللَّهِ مَا بَيْنَ لَابَتَيْهَا أَهْلُ بَيْتٍ أَفْقَرَ مِنَّا فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَأَنْتُمْ إِذًا وَضَحِكَ حَتَّى بَدَتْ أَنْيَابُهُ

حدثنا سليمان بن داود الهاشمي حدثنا إبراهيم بن سعد عن الزهري عن حميد بن عبد الرحمن عن أبي هريرة قال أتى رسول الله صلى الله عليه وسلم رجل فقال هلكت فقال وما أهلكك قال واقعت امرأتي في شهر رمضان قال فأعتق رقبة قال ليس عندي قال فصم شهرين متتابعين قال لا أستطيع قال فأطعم ستين مسكينا قال لا أجد قال فأتي رسول الله صلى الله عليه وسلم بعرق فيه تمر فقال أين السائل تصدق بهذا فقال أعلى أفقر من أهلي يا رسول الله فوالله ما بين لابتيها أهل بيت أفقر منا فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم فأنتم إذا وضحك حتى بدت أنيابه

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরায়রা (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ৪. সাওম অধ্যায় (كتاب الصوم)

 ১৭৫৪

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১৯. যে ব্যক্তি রমযান মাসে দিনের বেলায় স্ত্রী-সহবাস করে, তার সম্পর্কে

১৭৫৪. আবূ হুরায়রা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, এক ব্যক্তি রমযান মাসে রোযা ভঙ্গ করে ফেলে- অতঃপর তিনি পূর্ণ হাদীসটি বর্ণনা করেন।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ। এটি বুখারী মুসলিমের সম্মিলিত বর্ণনা।

তাখরীজ: মালিক, সিয়াম ২৮; এটি পূর্বের হাদীসটির পুনরাবৃত্তি। তাই পূর্ণ তাখরীজের জন্য সেখানে দেখুন।

بَاب فِي الَّذِي يَقَعُ عَلَى امْرَأَتِهِ فِي شَهْرِ رَمَضَانَ نَهَارًا

حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ عَبْدِ الْمَجِيدِ حَدَّثَنَا مَالِكٌ عَنْ ابْنِ شِهَابٍ عَنْ حُمَيْدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ أَنَّ رَجُلًا أَفْطَرَ فِي رَمَضَانَ فَذَكَرَ الْحَدِيثَ

حدثنا عبيد الله بن عبد المجيد حدثنا مالك عن ابن شهاب عن حميد بن عبد الرحمن عن أبي هريرة أن رجلا أفطر في رمضان فذكر الحديث

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরায়রা (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ৪. সাওম অধ্যায় (كتاب الصوم)

 ১৭৫৫

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১৯. যে ব্যক্তি রমযান মাসে দিনের বেলায় স্ত্রী-সহবাস করে, তার সম্পর্কে

১৭৫৫. আব্বাদ ইবনু আব্দুল্লাহ ইবনুয যুবাইর রাহি. ’আয়িশা (রা) কে বলতে শুনেছেন, তিনি বলেন, এক ব্যক্তি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর নিকট এসে কিছু (সাদাকা) চাইল। এরপর লোকটি বলল যে, সে তো জ্বলে-পুড়ে (ধ্বংস হয়ে) গেছে। তখন তিনি জিজ্ঞেস করলেন যে, তার কি হয়েছে? উত্তরে লোকটি বলল যে, সে রমযানে স্ত্রী-সহবাস করে ফেলেছে। এ সময় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর কাছে (খেজুর ভর্তি) একটি ঝুড়ি এল, যাকে ’আরাক (খেজুর পাতার তৈরী ঝুড়ি) বলা হয়। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন: “অগ্নিদগ্ধ লোকটি কোথায়?” লোকটি উঠে দাঁড়ালো। তখন তিনি বললেন: “এগুলো সাদকা করে দাও।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ। এটি বুখারী মুসলিমের সম্মিলিত বর্ণনা।

তাখরীজ: বুখারী, সওম ১৯৩৫; মুসলিম, সিয়াম ১১১২; আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ৪৬৬৩; সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৩৫২৮ তে।

بَاب فِي الَّذِي يَقَعُ عَلَى امْرَأَتِهِ فِي شَهْرِ رَمَضَانَ نَهَارًا

أَخْبَرَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ حَدَّثَنَا يَحْيَى يَعْنِي ابْنَ سَعِيدٍ الْأَنْصَارِيَّ أَنَّ عَبْدَ الرَّحْمَنِ بْنَ الْقَاسِمِ أَخْبَرَهُ أَنَّ مُحَمَّدَ بْنَ جَعْفَرِ بْنِ الزُّبَيْرِ أَخْبَرَهُ أَنَّهُ سَمِعَ عَبَّادَ بْنَ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الزُّبَيْرِ أَنَّهُ سَمِعَ عَائِشَةَ تَقُولُ إِنَّ رَجُلًا سَأَلَ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ إِنَّهُ احْتَرَقَ فَسَأَلَهُ مَا لَهُ فَقَالَ أَصَابَ أَهْلَهُ فِي رَمَضَانَ فَأُتِيَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِمِكْتَلٍ يُدْعَى الْعَرَقَ فِيهِ تَمْرٌ فَقَالَ أَيْنَ الْمُحْتَرِقُ فَقَامَ الرَّجُلُ فَقَالَ تَصَدَّقْ بِهَذَا

أخبرنا يزيد بن هارون حدثنا يحيى يعني ابن سعيد الأنصاري أن عبد الرحمن بن القاسم أخبره أن محمد بن جعفر بن الزبير أخبره أنه سمع عباد بن عبد الله بن الزبير أنه سمع عائشة تقول إن رجلا سأل النبي صلى الله عليه وسلم فقال إنه احترق فسأله ما له فقال أصاب أهله في رمضان فأتي النبي صلى الله عليه وسلم بمكتل يدعى العرق فيه تمر فقال أين المحترق فقام الرجل فقال تصدق بهذا

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আব্বাদ ইবন আবদুল্লাহ ইবন যুবায়র  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ৪. সাওম অধ্যায় (كتاب الصوم)

 ১৭৫৬

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ২০. কোনো মহিলার স্বামীর অনুমতি ব্যতীত নফল রোযা রাখা নিষেধ

১৭৫৬. আবী সাঈদ আল খুদরী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কোনো এক মহিলাকে বলেছিলেন: “তুমি তার (অর্থাৎ স্বামীর) অনুমতি ব্যতীত রোযা রাখবে না।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ হাসান। তবে হাদীসটি সহীহ।

তাখরীজ: আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ ও টীকা দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ১০৩৭, ১১৭৪; সহীহ ইবনু হিব্বান নং ১৪৮৮ ও মাওয়ারিদুয যাম’আন নং ৯৫৬তে।

((আবূ দাউদ, সওম ২৪৫৯; ইবনু মাজাহ, সিয়াম ১৭৬২ আবী সাঈদ থেকে মাওকুফ হিসেবে; আহমাদ ৩/৮০-৮৪; আলবানী তার সহীহহুল জামি’ ৬/১৬১ তে একে সহীহ বলেছেন।– ফাওয়ায আহমেদের দারেমী হা/১৭১৯ এর টীকা থেকে।–অনুবাদক))

بَاب النَّهْيِ عَنْ صَوْمِ الْمَرْأَةِ تَطَوُّعًا إِلَّا بِإِذْنِ زَوْجِهَا

أَخْبَرَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ أَخْبَرَنَا شَرِيكٌ عَنْ الْأَعْمَشِ عَنْ أَبِي صَالِحٍ عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنَّهُ قَالَ لِامْرَأَةٍ لَا تَصُومِي إِلَّا بِإِذْنِهِ

أخبرنا يزيد بن هارون أخبرنا شريك عن الأعمش عن أبي صالح عن أبي سعيد الخدري عن النبي صلى الله عليه وسلم أنه قال لامرأة لا تصومي إلا بإذنه

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আবূ সা’ঈদ খুদরী (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ৪. সাওম অধ্যায় (كتاب الصوم)

 ১৭৫৭

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ২০. কোনো মহিলার স্বামীর অনুমতি ব্যতীত নফল রোযা রাখা নিষেধ

১৭৫৭. আবী হুরাইরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “কোনো স্ত্রীলোক রমযান ব্যতীত অন্য সময়ে তার স্বামীর উপস্থিতিতে তার অনুমতি ব্যতীত একটি দিনও রোযা রাখবে না।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ। এটি বুখারী মুসলিমের সম্মিলিত বর্ণনা।

তাখরীজ: বুখারী, নিকাহ ৫১৯২; মুসলিম, সিয়াম ১০২৬।

আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ৬২৭৩; সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৩৫৭২, ৩৫৭৩ ও মুসনাদুল হুমাইদী নং ১০৪৬ তে।

بَاب النَّهْيِ عَنْ صَوْمِ الْمَرْأَةِ تَطَوُّعًا إِلَّا بِإِذْنِ زَوْجِهَا

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ أَبِي الزِّنَادِ عَنْ الْأَعْرَجِ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ لَا تَصُومُ الْمَرْأَةُ يَوْمًا تَطَوُّعًا فِي غَيْرِ رَمَضَانَ وَزَوْجُهَا شَاهِدٌ إِلَّا بِإِذْنِهِ

أخبرنا محمد بن أحمد حدثنا سفيان عن أبي الزناد عن الأعرج عن أبي هريرة عن النبي صلى الله عليه وسلم قال لا تصوم المرأة يوما تطوعا في غير رمضان وزوجها شاهد إلا بإذنه

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরায়রা (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ৪. সাওম অধ্যায় (كتاب الصوم)

 ১৭৫৮

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ২০. কোনো মহিলার স্বামীর অনুমতি ব্যতীত নফল রোযা রাখা নিষেধ

১৭৫৮. (অপর সনদে) আবী হুরাইরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “কোনো স্ত্রীলোক রমযান ব্যতীত অন্য সময়ে তার স্বামীর উপস্থিতিতে তার অনুমতি ব্যতীত একটি দিনও রোযা রাখবে না।”[1]

তিনি বলেন: তবে, মানতের রোযা থাকলে সে তা পূর্ণ করবে।

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ হাসান। তবে হাদীসটি সহীহ বুখারী ও মুসলিমের সম্মিলিত বর্ণনা।।

তাখরীজ: এটি পূর্বের হাদীসটির পুনরাবৃত্তি। এছাড়া বর্ণনা করেছেন, হুমাইদী তার মুসনাদে নং ১০৪৬ তে।

بَاب النَّهْيِ عَنْ صَوْمِ الْمَرْأَةِ تَطَوُّعًا إِلَّا بِإِذْنِ زَوْجِهَا

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ عَنْ سُفْيَانَ عَنْ أَبِي الزِّنَادِ عَنْ مُوسَى بْنِ أَبِي عُثْمَانَ عَنْ أَبِيهِ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ لَا تَصُومُ الْمَرْأَةُ يَوْمًا وَزَوْجُهَا شَاهِدٌ إِلَّا بِإِذْنِهِ مَعْنَاهُ قَالَ فِي النُّذُورِ تَفِي بِهِ

أخبرنا محمد بن يوسف عن سفيان عن أبي الزناد عن موسى بن أبي عثمان عن أبيه عن أبي هريرة عن النبي صلى الله عليه وسلم قال لا تصوم المرأة يوما وزوجها شاهد إلا بإذنه معناه قال في النذور تفي به

 হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)  বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরায়রা (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ৪. সাওম অধ্যায় (كتاب الصوم)

 ১৭৫৯

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ২১. রোযাদারের জন্য (স্ত্রীকে) চুম্বন করার অনুমতি রয়েছে

১৭৫৯. ’আয়িশা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম রোযাদার অবস্থায় চুম্বন করতেন।[1] এরপর উরওয়াহ (বর্ণনাকারী) বলেন, তবে সেটি (সবসময়) কল্যাণ বয়ে আনে না (অকল্যাণের কারণও হতে পারে)।

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ। এটি বুখারী মুসলিমের সম্মিলিত বর্ণনা।

তাখরীজ: এটি ৬৫৮ নং এ গত হয়েছে। আরো দেখুন, মুসনাদুল হুমাইদী নং ১৯৮, ১৯৯ ও মুসনাদুল মাউসিলী নং ৪৪২৮ তে।

بَاب الرُّخْصَةِ فِي الْقُبْلَةِ لِلصَّائِمِ

حَدَّثَنَا حَجَّاجُ بْنُ مِنْهَالٍ حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ عَنْ أَبِيهِ عَنْ عَائِشَةَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَ يُقَبِّلُ وَهُوَ صَائِمٌ فَقَالَ عُرْوَةُ أَمَا إِنَّهَا لَا تَدْعُو إِلَى خَيْرٍ

حدثنا حجاج بن منهال حدثنا حماد بن سلمة عن هشام بن عروة عن أبيه عن عائشة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان يقبل وهو صائم فقال عروة أما إنها لا تدعو إلى خير

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আয়িশা বিনত আবূ বাকর সিদ্দীক (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ৪. সাওম অধ্যায় (كتاب الصوم)

 ১৭৬০

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ২১. রোযাদারের জন্য (স্ত্রীকে) চুম্বন করার অনুমতি রয়েছে

১৭৬০. (অপর সনদে) ’আয়িশা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা হতে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম রোযাদার অবস্থায় তাঁকে চুম্বন করতেন।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ। এটি বুখারী মুসলিমের সম্মিলিত বর্ণনা।

তাখরীজ: এটি পূর্বের হাদীসটির পুনরাবৃত্তি।

بَاب الرُّخْصَةِ فِي الْقُبْلَةِ لِلصَّائِمِ

أَخْبَرَنَا سَعْدُ بْنُ حَفْصٍ الطَّلْحِيُّ حَدَّثَنَا شَيْبَانُ عَنْ يَحْيَى بْنِ أَبِي كَثِيرٍ عَنْ أَبِي سَلَمَةَ عَنْ عُمَرَ بْنِ عَبْدِ الْعَزِيزِ عَنْ عُرْوَةَ عَنْ عَائِشَةَ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَ يُقَبِّلُهَا وَهُوَ صَائِمٌ

أخبرنا سعد بن حفص الطلحي حدثنا شيبان عن يحيى بن أبي كثير عن أبي سلمة عن عمر بن عبد العزيز عن عروة عن عائشة أن النبي صلى الله عليه وسلم كان يقبلها وهو صائم

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আয়িশা বিনত আবূ বাকর সিদ্দীক (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ৪. সাওম অধ্যায় (كتاب الصوم)

 ১৭৬১

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ২১. রোযাদারের জন্য (স্ত্রীকে) চুম্বন করার অনুমতি রয়েছে

১৭৬১. জাবির ইবন আবদুল্লাহ্ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, উমার ইবনুল খাত্তাব রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, একদা রোযাদার অবস্থায় আমি (আমার স্ত্রীর সাথে) আনন্দ করতে করতে চুম্বন করে ফেলি। এরপর আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নিকট এসে বলি, ইয়া রাসূলুল্লাহ্! আজ আমি একটি গুরুতর কাজ করে ফেলেছি – রোযাদার অবস্থায় আমি (আমার স্ত্রীকে) চুম্বন করে ফেলেছি।’ তিনি বলেন, “তুমি যদি (রোযাদার অবস্থায়) পানি দিয়ে কুলি করতে, তবে (সে ক্ষেত্রে) তোমার মতামত কি? আমি বলি, ’সেক্ষেত্রে তো কোন ক্ষতি হতো না।’ তিনি বললেন: “তদ্রূপ এতে আর কি?”[1] (কোনো ক্ষতি নেই)।

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৩৫৪৪ ও মাওয়ারিদুয যাম’আন নং ৯০৫ তে। এছাড়া ইবনু হাযম আল মুহাল্লা ৬/২০৯ আবূ দাউদের সনদে। ((আবূ দাউদ ২৩৮৫-অনুবাদক))

بَاب الرُّخْصَةِ فِي الْقُبْلَةِ لِلصَّائِمِ

حَدَّثَنَا أَبُو الْوَلِيدِ الطَّيَالِسِيُّ حَدَّثَنَا لَيْثُ بْنُ سَعْدٍ عَنْ بُكَيْرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الْأَشَجِّ عَنْ عَبْدِ الْمَلِكِ بْنِ سَعِيدٍ الْأَنْصَارِيِّ عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ عَنْ عُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ قَالَ هَشِشْتُ فَقَبَّلْتُ وَأَنَا صَائِمٌ فَجِئْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقُلْتُ إِنِّي صَنَعْتُ الْيَوْمَ أَمْرًا عَظِيمًا قَبَّلْتُ وَأَنَا صَائِمٌ قَالَ أَرَأَيْتَ لَوْ مَضْمَضْتَ مِنْ الْمَاءِ قُلْتُ إِذًا لَا يَضِيرُ قَالَ فَفِيمَ

حدثنا أبو الوليد الطيالسي حدثنا ليث بن سعد عن بكير بن عبد الله بن الأشج عن عبد الملك بن سعيد الأنصاري عن جابر بن عبد الله عن عمر بن الخطاب قال هششت فقبلت وأنا صائم فجئت رسول الله صلى الله عليه وسلم فقلت إني صنعت اليوم أمرا عظيما قبلت وأنا صائم قال أرأيت لو مضمضت من الماء قلت إذا لا يضير قال ففيم

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ জাবির ইবনু আবদুল্লাহ আনসারী (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ৪. সাওম অধ্যায় (كتاب الصوم)

 ১৭৬২

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ২২. যে ব্যক্তি রোযা রাখার ইচ্ছা নিয়ে জুনুবী’ অবস্থায় ভোরে ওঠে, তার সম্পর্কে

১৭৬২. উম্মু সালামাহ ও আয়িশা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা উভয়ে বর্ণনা করেছেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পরিজনের সাথে (সহবাস জনিত) কারণে ’জুনুবী’ (অপবিত্র) অবস্থায় ভোরে উপনীত হতেন এবং এরপর রোযা রাখতেন।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ। এটি বুখারী মুসলিমের সম্মিলিত বর্ণনা।

তাখরীজ: বুখারী, সওম ১৯২৬; মুসলিম, সিয়াম ১১০৯।

আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৩৪৮৭, ৩৪৮৯, ৩৪৯৬, ৩৪৯৮ তে। আর আয়িশা রা: এর একাকী বর্ণিত হাদীসটির তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ৪৪২৭, ৪৫৫১, ৪৬৩৭ ও সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৩৪৮৮, ৩৪৯০, ৩৪৯১ তে।

আর উম্মু সালামার হাদীসটির পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ১৫৪৫, ৬৯৬২, ৬৯৯৯; ও সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৩৫০০ তে।

بَاب فِيمَنْ يُصْبِحُ جُنُبًا وَهُوَ يُرِيدُ الصَّوْمَ

أَخْبَرَنَا أَبُو عَاصِمٍ حَدَّثَنَا عَبْدُ الْمَلِكِ يَعْنِي ابْنَ جُرَيْجٍ قَالَ أَخْبَرَنِي ابْنُ شِهَابٍ أَنَّ أَبَا بَكْرٍ أَخْبَرَهُ عَنْ أَبِيهِ أَنَّ أُمَّ سَلَمَةَ وَعَائِشَةَ أَخْبَرتَاهُ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَ يُصْبِحُ جُنُبًا مِنْ أَهْلِهِ ثُمَّ يَصُومُ

أخبرنا أبو عاصم حدثنا عبد الملك يعني ابن جريج قال أخبرني ابن شهاب أن أبا بكر أخبره عن أبيه أن أم سلمة وعائشة أخبرتاه أن النبي صلى الله عليه وسلم كان يصبح جنبا من أهله ثم يصوم

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ উম্মু সালামাহ (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ৪. সাওম অধ্যায় (كتاب الصوم)

 ১৭৬৩

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ২৩. যে (রোযাদার) ব্যক্তি ভুলে যাওয়ার কারণে (কোনো কিছু) খেয়ে ফেলে, তার সম্পর্কে

১৭৬৩. আবূ হুরাইরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “যে ব্যক্তি সাওমরত অবস্থায় ভুলক্রমে আহার করে বা পান করে ফেলে, তবে সে যেন তার সাওম পুরা করে নেয়। কেননা আল্লাহই তাকে আহার করিয়েছেন এবং তিনিই তাকে পান করিয়েছেন।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ। এটি বুখারী মুসলিমের সম্মিলিত বর্ণনা।

তাখরীজ: বুখারী, সওম ১৯৩৩; মুসলিম, সিয়াম ১১৫৫।

রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ৬০৩৮, ৬০৫৮, ৬০৭১ ও সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৩৫১৯, ৩৫২০, ৩৫২২ তে।

بَاب فِيمَنْ أَكَلَ نَاسِيًا

أَخْبَرَنَا عُثْمَانُ بْنُ مُحَمَّدٍ حَدَّثَنَا جَرِيرٌ عَنْ هِشَامِ بْنِ حَسَّانَ عَنْ ابْنِ سِيرِينَ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ مَنْ نَسِيَ وَهُوَ صَائِمٌ فَأَكَلَ أَوْ شَرِبَ فَلْيُتِمَّ صَوْمَهُ فَإِنَّمَا أَطْعَمَهُ اللَّهُ وَسَقَاهُ

أخبرنا عثمان بن محمد حدثنا جرير عن هشام بن حسان عن ابن سيرين عن أبي هريرة عن النبي صلى الله عليه وسلم قال من نسي وهو صائم فأكل أو شرب فليتم صومه فإنما أطعمه الله وسقاه

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরায়রা (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ৪. সাওম অধ্যায় (كتاب الصوم)

 ১৭৬৪

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ২৩. যে (রোযাদার) ব্যক্তি ভুলে যাওয়ার কারণে (কোনো কিছু) খেয়ে ফেলে, তার সম্পর্কে

১৭৬৪. আবূ হুরাইরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “তোমাদের মধ্যে কোনো ব্যক্তি সাওমরত অবস্থায় যদি ভুলক্রমে কিছু আহার করে বা পান করে ফেলে, এরপর তার (সিয়ামের কথা) স্মরণ হয়, তবে সে যেন তার সাওম পুরা করে নেয়। কেননা আল্লাহই তাকে আহার করিয়েছেন এবং তিনিই তাকে পান করিয়েছেন।”[1]

আবূ মুহাম্মদ বলেন: হিজাযবাসী গণ বলেন, তাকে এ রোযার কাযা আদায় করতে হবে। তবে আমার মতে, এর কাযা আদায় করতে হবে না।

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ উত্তম (জাইয়্যেদ), যদি উম্মুল হারিছের সাহাবী হওয়া সাব্যস্ত হয়। আর তিনি হলেন: আইয়ায ইবনু আব্দুল্লাহ ইবনু সা’দ ইবনু আবী যি’আব, যাকে ইবনু মানদাহ ও আবু নুয়াইম সাহাবীগনের অন্তর্ভূক্ত করেছেন। যদি এটি সাব্যস্ত না হয়, তবে তিনি মাজহুল (অজ্ঞাত পরিচয়)। তবে হাদীসটি (সহীহ) বুখারী মুসলিমের সম্মিলিত বর্ণনা।

তাখরীজ: এটি আগের হাদীসটির পুনরাবৃত্তি।

بَاب فِيمَنْ أَكَلَ نَاسِيًا

أَخْبَرَنَا أَبُو جَعْفَرٍ مُحَمَّدُ بْنُ مِهْرَانَ الْجَمَّالُ حَدَّثَنَا حَاتِمُ بْنُ إِسْمَعِيلَ عَنْ الْحَارِثِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي ذُبَابٍ عَنْ عَمِّهِ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِذَا أَكَلَ أَحَدُكُمْ أَوْ شَرِبَ نَاسِيًا وَهُوَ صَائِمٌ ثُمَّ ذَكَرَ فَلْيُتِمَّ صِيَامَهُ فَإِنَّمَا أَطْعَمَهُ اللَّهُ وَسَقَاهُ قَالَ أَبُو مُحَمَّد أَهْلُ الْحِجَازِ يَقُولُونَ يَقْضِي وَأَنَا أَقُولُ لَا يَقْضِي

أخبرنا أبو جعفر محمد بن مهران الجمال حدثنا حاتم بن إسمعيل عن الحارث بن عبد الرحمن بن أبي ذباب عن عمه عن أبي هريرة قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا أكل أحدكم أو شرب ناسيا وهو صائم ثم ذكر فليتم صيامه فإنما أطعمه الله وسقاه قال أبو محمد أهل الحجاز يقولون يقضي وأنا أقول لا يقضي

 হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)  বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরায়রা (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ৪. সাওম অধ্যায় (كتاب الصوم)

 ১৭৬৫

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ২৪. রোযাদারের বমি করা

১৭৬৫. মা’দান ইবনু তালহা (রাহি.) আবূ দারদা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণনা করেন, একদা রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বমি করেন, এরপর রোযা ভঙ্গ করেন। তিনি বলেন, তারপর (একদা) দামেশকের এক মসজিদে আমার সাথে সাওবান রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু এর দেখা হয়। আমি তাঁর নিকট এ (হাদীস)টি বর্ণনা করলে তিনি (সাওবান) বলেন, তিনি সত্য বলেছেন। আর ঐ সময় আমি তাঁকে ওযূর জন্য পানি ঢেলে দিয়েছিলাম।[1] [আব্দুল্লাহ বলেন: যখন ইচ্ছাকৃত বমি করে।]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী ১১/৪৮৪ ও সহীহ ইবনু হিব্বান নং ১০৯৭ এবং মাওয়ারিদুয যাম’আন নং ৯০৮ তে। সেখানে আমরা ছাওবান রা: এর হাদীসের তাখরীজ দিয়েছি এবং এর শাহিদ হাদীসসমূহও উল্লেখ করেছি।

((আবূ দাউদ, সিয়াম ২৩৮১; দারুকুতনী, সিয়াম ২/১৮১ নং ৫; আবূ তাইয়্যেব ‘হামিশ দারুকুতনী’ ২/১৮১ তে বলেন: ইবনু মানদাহ বলেন, এর সনদ সহীহ মুত্তাসিল।; তিরমিযী বলেন: ‘ জাওদাহ হুসাইন হলেন মুয়াল্লিম আর তিনি এ বাবের মধ্যে সবচেয়ে সহীহ।’ আহমাদ ও অনুরূপ বলেছেন। আর বাইহাকী বলেন: সঠিক কথা হলো, ইচ্ছাকৃত বমিকারী ব্যক্তির উপর (কাযার) দায়িত্ব রয়েছে।’- ফাওয়ায আহমেদের তাহক্বীক্বকৃত দারেমী হা/১৭২৮ এর টীকা হতে।–অনুবাদক))

بَاب الْقَيْءِ لِلصَّائِمِ

أَخْبَرَنَا عَبْدُ الصَّمَدِ بْنُ عَبْدِ الْوَارِثِ حَدَّثَنِي أَبِي حَدَّثَنِي حُسَيْنٌ الْمُعَلِّمُ عَنْ يَحْيَى بْنِ أَبِي كَثِيرٍ عَنْ الْأَوْزَاعِيِّ عَنْ يَعِيشَ بْنِ الْوَلِيدِ عَنْ أَبِيهِ عَنْ مَعْدَانَ بْنِ أَبِي طَلْحَةَ عَنْ أَبِي الدَّرْدَاءِ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَاءَ فَأَفْطَرَ قَالَ فَلَقِيتُ ثَوْبَانَ بِمَسْجِدِ دِمَشْقَ فَذَكَرْتُ ذَلِكَ لَهُ فَقَالَ صَدَقَ أَنَا صَبَبْتُ لَهُ الْوَضُوءَ قَالَ عَبْد اللَّهِ إِذَا اسْتَقَاءَ

أخبرنا عبد الصمد بن عبد الوارث حدثني أبي حدثني حسين المعلم عن يحيى بن أبي كثير عن الأوزاعي عن يعيش بن الوليد عن أبيه عن معدان بن أبي طلحة عن أبي الدرداء أن النبي صلى الله عليه وسلم قاء فأفطر قال فلقيت ثوبان بمسجد دمشق فذكرت ذلك له فقال صدق أنا صببت له الوضوء قال عبد الله إذا استقاء

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ মা’দান ইবনু তলহাহ আল ইয়া’মুরী (রহ.)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ৪. সাওম অধ্যায় (كتاب الصوم)

 ১৭৬৬

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ২৫. এ (বমি করার) ব্যাপারে অনুমতি

১৭৬৬. আবূ হুরাইরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলূল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেনঃ “যে ব্যক্তি রোযা থাকাবস্থায় অনিচ্ছাকৃতভাবে বমি করে তার জন্য কাযা আদায় করা জরুরী নয়। অবশ্য যদি কেউ ইচ্ছাকৃতভাবে বমি করে তবে তার জন্য কাযা আদায় জরুরী।”[1]

’ঈসা বলেন: বছরাবাসীর ধারণা, হিশাম এ ব্যাপারে ভূল করেছেন। আর এটি মতভেদেরই স্থান।

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি ও এর শাহিদ হাদীস হাদীস উল্লেখ করেছি মুসনাদুল মাউসিলী ৬৬০৪ ও সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৩৫১৮ এবং মাওয়ারিদুয যাম’আন নং ৯০৭ তে। এছাড়াও, এখানে সংযোজন করছি: ইবনুল জারুদ, আল মুনতাক্বা নং ৩৮৫; ইবনু হাযম, আল মুহাল্লা ৬/১৭৫।

((আবূ দাউদ, সওম ২৩৮০; তিরমিযী, সওম ৭২০; ইবনু মাজাহ, সিয়াম ১৬৭৬; আহমাদ ২/৪৯৮; তায়ালিসী নং ৯৯৩; দারুকুতনী, সিয়াম ২১, ২২, ২৫।- ফাওয়ায আহমেদের তাহক্বীক্বকৃত দারেমী হা/১৭২৯ তথা অত্র হাদীসের টীকা হতে।–অনুবাদক))

بَاب الرُّخْصَةِ فِيهِ

أَخْبَرَنَا إِسْحَقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ حَدَّثَنَا عِيسَى بْنُ يُونُسَ عَنْ هِشَامِ بْنِ حَسَّانَ عَنْ ابْنِ سِيرِينَ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِذَا ذَرَعَ الصَّائِمَ الْقَيْءُ وَهُوَ لَا يُرِيدُهُ فَلَا قَضَاءَ عَلَيْهِ وَإِذَا اسْتَقَاءَ فَعَلَيْهِ الْقَضَاءُ قَالَ عِيسَى زَعَمَ أَهْلُ الْبَصْرَةِ أَنَّ هِشَامًا أَوْهَمَ فِيهِ فَمَوْضِعُ الْخِلَافِ هَا هُنَا

أخبرنا إسحق بن إبراهيم حدثنا عيسى بن يونس عن هشام بن حسان عن ابن سيرين عن أبي هريرة قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا ذرع الصائم القيء وهو لا يريده فلا قضاء عليه وإذا استقاء فعليه القضاء قال عيسى زعم أهل البصرة أن هشاما أوهم فيه فموضع الخلاف ها هنا

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরায়রা (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ৪. সাওম অধ্যায় (كتاب الصوم)

 ১৭৬৭

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ২৬. হিজামাহ (শিঙা লাগানো) রোযাদারের রোযা ভেঙ্গে দেয়

১৭৬৭. শাদ্দাদ ইবনু আওস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, একদা আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর সাথে (বাকী নামক স্থানে) হাঁটছিলাম। তখন রমযান মাসের আঠার দিন গত হয়েছে। তিনি এক ব্যক্তিকে শিঙা লাগাতে (রক্তমোক্ষণ করতে) দেখলেন। তখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেনঃ শিঙা যে লাগালো (রক্তমোক্ষণকারী) ও যাকে লাগিয়ে দেয়া হলো (যার রক্তমোক্ষণ করা হলো), তারা উভয়ে রোযা ভঙ্গ করেছে।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি ও মুসনাদুল মাউসিলী ১০/২৩১ ও সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৩৫৩৩, ৩৫৩৪ এবং মাওয়ারিদুয যাম’আন নং ৯০০, ৯০১ তে। পরবর্তী হাদীসটিও দেখুন।

بَاب الْحِجَامَةِ تُفْطِرُ الصَّائِمَ

أَخْبَرَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ أَخْبَرَنَا عَاصِمٌ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ يَزِيدَ عَنْ أَبِي الْأَشْعَثِ الصَّنْعَانِيِّ عَنْ أَبِي أَسْمَاءَ الرَّحَبِيِّ عَنْ شَدَّادِ بْنِ أَوْسٍ قَالَ مَرَرْتُ مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي ثَمَانِ عَشْرَةَ خَلَتْ مِنْ رَمَضَانَ فَأَبْصَرَ رَجُلًا يَحْتَجِمُ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَفْطَرَ الْحَاجِمُ وَالْمَحْجُومُ

أخبرنا يزيد بن هارون أخبرنا عاصم عن عبد الله بن يزيد عن أبي الأشعث الصنعاني عن أبي أسماء الرحبي عن شداد بن أوس قال مررت مع رسول الله صلى الله عليه وسلم في ثمان عشرة خلت من رمضان فأبصر رجلا يحتجم فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم أفطر الحاجم والمحجوم

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ শাদ্দাদ ইবনু আওস (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ৪. সাওম অধ্যায় (كتاب الصوم)

 ১৭৬৮

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ২৬. হিজামাহ (শিঙা লাগানো) রোযাদারের রোযা ভেঙ্গে দেয়

১৭৬৮. ছাওবান রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত তিনি বলেন যে, একদা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বাকী নামক স্থানে হাঁটছিলেন। তখন এক ব্যক্তি শিঙা লাগাচ্ছিল (রক্তমোক্ষণ করছিল)। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন: “শিঙা যে লাগালো (রক্তমোক্ষণকারী) ও যাকে লাগিয়ে দেয়া হলো (যার রক্তমোক্ষণ করা হলো), তারা উভয়ে রোযা ভঙ্গ করেছে।”[1]

আবূ মুহাম্মদ বলেন: আমি রমযান মাসের রোযা রাখা অবস্থায় ’হিজামাহ’ (শিঙা লাগানো) থেকে বিরত থাকি।

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি ও মুসনাদুল মাউসিলী ১০/২৩১ ও সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৩৫৩২ এবং মাওয়ারিদুয যাম’আন নং ৮৯৯ তে।

بَاب الْحِجَامَةِ تُفْطِرُ الصَّائِمَ

أَخْبَرَنَا وَهْبُ بْنُ جَرِيرٍ حَدَّثَنَا هِشَامٌ عَنْ يَحْيَى عَنْ أَبِي قِلَابَةَ أَنَّ أَبَا أَسْمَاءَ الرَّحَبِيَّ حَدَّثَهُ أَنَّ ثَوْبَانَ حَدَّثَهُ قَالَ بَيْنَمَا رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَمْشِي بِالْبَقِيعِ فَإِذَا رَجُلٌ يَحْتَجِمُ فَقَالَ أَفْطَرَ الْحَاجِمُ وَالْمَحْجُومُ قَالَ أَبُو مُحَمَّد أَنَا أَتَّقِي الْحِجَامَةَ فِي الصَّوْمِ فِي رَمَضَانَ

أخبرنا وهب بن جرير حدثنا هشام عن يحيى عن أبي قلابة أن أبا أسماء الرحبي حدثه أن ثوبان حدثه قال بينما رسول الله صلى الله عليه وسلم يمشي بالبقيع فإذا رجل يحتجم فقال أفطر الحاجم والمحجوم قال أبو محمد أنا أتقي الحجامة في الصوم في رمضان

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ সাওবান (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ৪. সাওম অধ্যায় (كتاب الصوم)

 ১৭৬৯

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ২৭. যে রোযাদার ব্যক্তি গীবত করে, তার সিয়াম (এর সাওয়াব) নষ্ট হয়ে যায়

১৭৬৯. আবু উবায়দা ইবনুল জাররাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেছেন যে, আমি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-কে বলতে শুনেছি: “সাওম ঢালস্বরুপ যতক্ষণ পর্যন্ত তা ভেঙ্গে ফেলা না হয়।”[1]

আবূ মুহাম্মদ বলেন, এর অর্থ: গীবতের দ্বারা (নষ্ট করা)।

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ হাসান।

তাখরীজ: আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি ও মুসনাদুল মাউসিলী নং ৮৭৮ বিস্তারিতভাবে ও মাজমাউয যাওয়াইদ নং ৩৮৩০ তে।

এছাড়া, বুখারী, আল কাবীর ৭/২১; ((নাসাঈ, সিয়াম বাব: ৪৩। আলবানী যয়ীফুল জামি’ ১/২৮৯ তে একে যয়ীফ বলেছেন।’- ফাওয়ায আহমেদের তাহক্বীক্বকৃত দারেমী হা/১৭৩২ তথা অত্র হাদীসের টীকা হতে।–অনুবাদক))

بَاب الصَّائِمِ يَغْتَابُ فَيَخْرِقُ صَوْمَهُ

أَخْبَرَنَا عَمْرُو بْنُ عَوْنٍ حَدَّثَنَا خَالِدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ عَنْ وَاصِلٍ مَوْلَى أَبِي عُيَيْنَةَ عَنْ بَشَّارِ بْنِ أَبِي سَيْفٍ عَنْ الْوَلِيدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ عَنْ عِيَاضِ بْنِ غُطَيْفٍ عَنْ أَبِي عُبَيْدَةَ بْنِ الْجَرَّاحِ قَالَ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ الصَّوْمُ جُنَّةٌ مَا لَمْ يَخْرِقْهَا قَالَ أَبُو مُحَمَّد يَعْنِي بِالْغِيبَةِ

أخبرنا عمرو بن عون حدثنا خالد بن عبد الله عن واصل مولى أبي عيينة عن بشار بن أبي سيف عن الوليد بن عبد الرحمن عن عياض بن غطيف عن أبي عبيدة بن الجراح قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول الصوم جنة ما لم يخرقها قال أبو محمد يعني بالغيبة

 হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)  বর্ণনাকারীঃ আবূ উবাইদাহ ইবনুল জাররাহ (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ৪. সাওম অধ্যায় (كتاب الصوم)

 ১৭৭০

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ২৮. রোযাদার ব্যক্তির সুরমা ব্যবহার করা

১৭৭০. আবদুর রহমান ইবনু নু’মান আবী নু’মান আল আনসারী রাহি. তাঁর পিতা হতে, তিনি তাঁর দাদা হতে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর তার নিকট এসে তার মাথায় হাত বুলিয়ে দিয়েছেন এবং বলেছেন: “দিনের বেলায় রোযাদার অবস্থায় তুমি (চোখে) সুরমা ব্যবহার করবে না বরং রাতে সুরমা ব্যবহার করবে। কেননা, তা দৃষ্টিকে উজ্জ্বল ও স্পষ্ট করে এবং বোধ-বুদ্ধি উৎপন্ন করে।”[1]

আবূ মুহাম্মদ বলেন, সুরমা লাগানোয় আমি কোনো দোষ দেখি না।

[1] তাহক্বীক্ব: ((মুহাক্বিক্ব এর কোনো হুকুম লাগান নি-তবে শেষের দিকে হাসান বলার চেষ্টা করেছেন। তবে একে আলবানী (আবূ দাউদ ২৩৭৭) যয়ীফ, আবূ দাউদ মুনকার বলেছেন, যা কিছু পরেই আমরা উল্লেখ করব ইনশা আল্লাহ–অনুবাদক))

তাখরীজ: বুখারী, আল কাবীর ৭/৩৯৮; বাইহাকী, সিয়াম ৪/২৬২; তাবারাণী, আল কাবীর ২০/৩৪১ নং ৮০২; আহমাদ ৩/৪৯৯-৫০০; আবূ দাউদ, সওম ২৩৭৭; ইবনুল আছীর, আসদুল গাবাহ ৫/২২৩; ইবনুল কানি’,মু’জামুস সাহাবাহ নং ১০৫৯; ইমাম আবূ দাঊদ (র) বলেন, আমাকে ইয়াহ্ইয়া ইবন মা‘ঈন বলেছেন, সুরমা ব্যবহার সংক্রান্ত এ হাদীসটি মুনকার (অস্বীকৃত তথা গ্রহণীয় নয়)।…

بَاب الْكُحْلِ لِلصَّائِمِ

أَخْبَرَنَا أَبُو نُعَيْمٍ حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ النُّعْمَانِ أَبُو النُّعْمَانِ الْأَنْصَارِيُّ حَدَّثَنِي أَبِي عَنْ جَدِّي وَكَانَ جَدِّي قَدْ أُتِيَ بِهِ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَمَسَحَ عَلَى رَأْسِهِ وَقَالَ لَا تَكْتَحِلْ بِالنَّهَارِ وَأَنْتَ صَائِمٌ اكْتَحِلْ لَيْلًا بِالْإِثْمِدِ فَإِنَّهُ يَجْلُو الْبَصَرَ وَيُنْبِتُ الشَّعَرَ قَالَ أَبُو مُحَمَّد لَا أَرَى بِالْكُحْلِ بَأْسًا

أخبرنا أبو نعيم حدثنا عبد الرحمن بن النعمان أبو النعمان الأنصاري حدثني أبي عن جدي وكان جدي قد أتي به النبي صلى الله عليه وسلم فمسح على رأسه وقال لا تكتحل بالنهار وأنت صائم اكتحل ليلا بالإثمد فإنه يجلو البصر وينبت الشعر قال أبو محمد لا أرى بالكحل بأسا

 হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai’f)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ৪. সাওম অধ্যায় (كتاب الصوم)

Scroll to Top