দারেমী ভূমিকা ৯ম ভাগ হাদিস নং ৪৫১ – ৫৩৪

 ৪৫১

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৪০. যার নিকট নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে একটি হাদীস পৌঁছল কিন্তু সে এর সম্মান ও মর্যাদা দিল না, সে ব্যক্তির উপর দ্রুত শাস্তি (আপতিত) হওয়া প্রসঙ্গে

৪৫১. আবু হুরায়রা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: একদা এক ব্যক্তি দু’খানা চাদর পরে গর্ব ও অহংকারের সাথে পথ চলছিল। এমতাবস্থায় আল্লাহ তা’আলা তাকে জমিনে ধ্বসিয়ে দিলেন। ফলে কিয়ামত পর্যন্ত সে এভাবে মাটির নিচে ধ্বসে যেতে থাকবে।” তখন এক জোড়া পোশাক (চাদর) পরিহিত এক যুবক তাঁর নাম ধরে ডেকে বললো: হে আবু হুরাইরা! যাকে জমিনে ধ্বসিয়ে দেয়া হয়েছিলো, সে যুবক কি এভাবে পথ চলছিলো? – এ বলে সে হাত দিয়ে অঙ্গভঙ্গি করে দেখাতে লাগল। অমনি সে হোঁচট খেয়ে (উপুড় হয়ে) পড়ে গেলো এবং তার হাড়-গোড় ভেঙ্গে যাওয়ার উপক্রম হলো। তখন আবু হুরাইরা রা: ’নাক ও মুখ অধপতিত হোক’- এরূপ ইঙ্গিত করে এ আয়াত পাঠ করলেন: “উপহাসকারীদের বিরূদ্ধে আমিই আপনার জন্য যথেষ্ট।” (সূরা হিজর: ৯৫)।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ যয়ীফ। কিন্তু এ হাদীসটি মুত্তাফাকুন আলাইহি (বুখারী ও মুসলিমে বর্ণিত) সহীহ হাদীস।

 

তাখরীজ: আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ করেছি, মুসনাদে মাওসিলী, নং ৬৩৩৪, ৬৪৮৪ নং এ। (সহীহ বুখারী, নং ৩৪৮৫; ৫৭৯০; সহীহ মুসলিম নং ২০৮৮, ৩/১৬৫৩-১৬৫৪); তিরমিযী নং ২৪৯১ ৪/৬৫৫; নাসাঈ, যিনাত অধ্যায় বাব ১০১; আহমদ ২/৬৬, ২২২, ২৬৭…)

 

তবে এর কয়েকটি শাহিদ হাদীস রয়েছে আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে যা মুসনাদে মাওসিলী ৩৪০২ নং, ইবনু উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে আহমদ ২/৬৬; বুখারী ৫৭৯০ নং; নাসাঈ ৮/২০৬ এবং আবু সাঈদ আল খুদরী রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে মুসনাদে মাওসিলী নং ১৩১০ এ বর্ণিত।

بَابُ تَعْجِيلِ عُقُوبَةِ مَنْ بَلَغَهُ عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ حَدِيثٌ فَلَمْ يُعَظِّمْهُ وَلَمْ يُوَقِّرْهُ

أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ صَالِحٍ، حَدَّثَنِي اللَّيْثُ، حَدَّثَنِي ابْنُ عَجْلَانَ، عَنِ الْعَجْلَانِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ، عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: «بَيْنَمَا رَجُلٌ يَتَبَخْتَرُ فِي بُرْدَيْنِ، خَسَفَ اللَّهُ بِهِ الْأَرْضَ، فَهُوَ يَتَجَلْجَلُ فِيهَا إِلَى يَوْمِ الْقِيَامَةِ» فَقَالَ لَهُ فَتًى قَدْ سَمَّاهُ وَهُوَ فِي حُلَّةٍ لَهُ: يَا أَبَا هُرَيْرَةَ، أَهَكَذَا كَانَ يَمْشِي ذَلِكَ الْفَتَى الَّذِي خُسِفَ بِهِ؟ ثُمَّ ضَرَبَ بِيَدِهِ، فَعَثَرَ عَثْرَةً كَادَ يَتَكَسَّرُ مِنْهَا، فَقَالَ أَبُو هُرَيْرَةَ: لِلْمَنْخَرَيْنِ، وَلِلْفَمِ، (إِنَّا كَفَيْنَاكَ الْمُسْتَهْزِئِينَ) [الحجر: 95]

 

إسناده ضعيف غير أن الحديث متفق عليه

أخبرنا عبد الله بن صالح، حدثني الليث، حدثني ابن عجلان، عن العجلان، عن أبي هريرة رضي الله عنه، عن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: «بينما رجل يتبختر في بردين، خسف الله به الأرض، فهو يتجلجل فيها إلى يوم القيامة» فقال له فتى قد سماه وهو في حلة له: يا أبا هريرة، أهكذا كان يمشي ذلك الفتى الذي خسف به؟ ثم ضرب بيده، فعثر عثرة كاد يتكسر منها، فقال أبو هريرة: للمنخرين، وللفم، (إنا كفيناك المستهزئين) [الحجر: 95] إسناده ضعيف غير أن الحديث متفق عليه

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৪৫২

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৪০. যার নিকট নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে একটি হাদীস পৌঁছল কিন্তু সে এর সম্মান ও মর্যাদা দিল না, সে ব্যক্তির উপর দ্রুত শাস্তি (আপতিত) হওয়া প্রসঙ্গে

৪৫২. খিরাশ ইবনু জুবাইর থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আমি মসজিদে এক যুবককে কংকর ছুঁড়তে দেখলাম। তখন এক বৃদ্ধ তাকে বললেন: কংকর ছুঁড়ো না। কেননা, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে কংকর ছোঁড়া হতে নিষেধ করতে শুনেছি। তারপর সে এ থেকে বিরত হল। তারপর যখন তার মনে হলো যে, বৃদ্ধটি (এখন আর) তা বুঝতে পারবে না, তখন আবার সে পাথর নিক্ষেপ করতে লাগল। বৃদ্ধ লোকটি আবার তাকে বলল: আমি কি তোমার নিকট হাদীস বর্ণনা করিনি যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে আমি পাথর নিক্ষেপ হতে নিষেধ করতে শুনেছি? তারপরও তুমি পাথর ছুঁড়ছো! আল্লাহর কসম! আমি তোমার জানাযায় উপস্থিত হবো না, তোমার অসুস্থতায় তোমার দেখভাল করতে যাবো না, এমনকি আমি কখনো তোমার সাথে কথাও বলবো না।[1]

(পরবর্তী রাবী বলেন) আমি মুহাজির নামে আমার এক সাথীকে বললাম, খিরাশের নিকট যাও এবং এ সম্পর্কে তাকে জিজ্ঞেস করো। তখন সে তার নিকট এসে তাকে এ ব্যাপারে জিজ্ঞেস করলে সে তার নিকট হাদীসটি বর্ণনা করল।

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদে দু’টি ত্রুটি বিদ্যমান। ১. এতে মুহাম্মদ ইবনু হুমাইদ যয়ীফ এবং ২. খিরাশ ইবনু জুবাইর অজ্ঞাত রাবী, যদি নামটি সঠিক হয়। কিন্তু হাদীসটি সহীহ পরবর্তী হাদীসটির জন্য।

 

তাখরীজ: এটি আমি আর কোথাও পাইনি।

بَابُ تَعْجِيلِ عُقُوبَةِ مَنْ بَلَغَهُ عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ حَدِيثٌ فَلَمْ يُعَظِّمْهُ وَلَمْ يُوَقِّرْهُ

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ حُمَيْدٍ، حَدَّثَنَا هَارُونُ هُوَ ابْنُ الْمُغِيرَةِ، عَنْ عَمْرِو بْنِ أَبِي قَيْسٍ، عَنِ الزُّبَيْرِ بْنِ عَدِيٍّ، عَنْ خِرَاشِ بْنِ جُبَيْرٍ، قَالَ: رَأَيْتُ فِي الْمَسْجِدِ فَتًى يَخْذِفُ. فَقَالَ لَهُ شَيْخٌ، لَا تَخْذِفْ، «فَإِنِّي سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ نَهَى عَنِ الْخَذْفِ» فَغَفَلَ الْفَتَى، وَظَنَّ أَنَّ الشَّيْخَ لَا يَفْطِنُ لَهُ، فَخَذَفَ، فَقَالَ لَهُ الشَّيْخُ، أُحَدِّثُكَ أَنِّي سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَنْهَى عَنِ الْخَذْفِ ثُمَّ تَخْذِفُ؟ وَاللَّهِ لَا أَشْهَدُ لَكَ جَنَازَةً، وَلَا أَعُودُكَ فِي مَرَضٍ، وَلَا أُكَلِّمُكَ أَبَدًا. فَقُلْتُ لِصَاحِبٍ لِي يُقَالُ لَهُ مُهَاجِرٌ: انْطَلِقْ إِلَى خِرَاشٍ فَاسْأَلْهُ، فَأَتَاهُ، فَسَأَلَهُ عَنْهُ فَحَدَّثَهُ

 

 

في إسناده علتان: ضعف محمد بن حميد وجهالة خراش بن جبير إن كان محفوظا. ولكنه صحيح بما بعده

أخبرنا محمد بن حميد، حدثنا هارون هو ابن المغيرة، عن عمرو بن أبي قيس، عن الزبير بن عدي، عن خراش بن جبير، قال: رأيت في المسجد فتى يخذف. فقال له شيخ، لا تخذف، «فإني سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم نهى عن الخذف» فغفل الفتى، وظن أن الشيخ لا يفطن له، فخذف، فقال له الشيخ، أحدثك أني سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم ينهى عن الخذف ثم تخذف؟ والله لا أشهد لك جنازة، ولا أعودك في مرض، ولا أكلمك أبدا. فقلت لصاحب لي يقال له مهاجر: انطلق إلى خراش فاسأله، فأتاه، فسأله عنه فحدثه في إسناده علتان: ضعف محمد بن حميد وجهالة خراش بن جبير إن كان محفوظا. ولكنه صحيح بما بعده

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৪৫৩

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৪০. যার নিকট নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে একটি হাদীস পৌঁছল কিন্তু সে এর সম্মান ও মর্যাদা দিল না, সে ব্যক্তির উপর দ্রুত শাস্তি (আপতিত) হওয়া প্রসঙ্গে

৪৫৩. সাঈদ ইবনু জুবাইর হতে বর্ণিত, আব্দুল্লাহ ইবনু মুগাফফাল রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন: “রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পাথর নিক্ষেপ করা হতে নিষেধ করেছেন।” তিনি আরও বলেছেন: “এর দ্বারা প্রাণী শিকার করা যায় না, শত্রুকেও জখম করা যায় না; কেবল দাঁত ভাঙা যায় এবং চোখ উপড়ানো যায়।” তখন সাঈদের সাথে আত্মীয়তার সম্পর্কে রয়েছে- এমন এক ব্যক্তি মাটি থেকে কিছু একটি উঠিয়ে নিয়ে বলল: এই রকম কি? এ দ্বারা আর এমন কী হয়? তখন সাঈদ বললেন: তুমি আমাকে দেখাচ্ছ? আমি তোমাকে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হতে হাদীস শুনাচ্ছি, তারপরও তুমি তা অবজ্ঞা করছ? আমি আর কোনোদিন তোমার সাথে কথা বলবো না।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: আহমদ, ৪/৭৬, ৫/৫৪, ৫৭; বুখারী ৪৮৪১; ৫৪৭৯, ৬২২০; মুসলিম,১৯৫৪; আবু দাউদ ৫২৭০; নাসাঈ ৮/৪৭; ইবনু মাজাহ, মুকাদ্দামাহ ১৭, ৩২২৬।

بَابُ تَعْجِيلِ عُقُوبَةِ مَنْ بَلَغَهُ عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ حَدِيثٌ فَلَمْ يُعَظِّمْهُ وَلَمْ يُوَقِّرْهُ

أَخْبَرَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ حَرْبٍ، حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ، عَنْ أَيُّوبَ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مُغَفَّلٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ، قَالَ: نَهَى رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَنِ الْخَذْفِ، وَقَالَ: «إِنَّهَا لَا تَصْطَادُ صَيْدًا، وَلَا تَنْكَأُ، عَدُوًّا، وَلَكِنَّهَا تَكْسِرُ السِّنَّ وَتَفْقَأُ الْعَيْنَ». فَرَفَعَ رَجُلٌ بَيْنَهُ وَبَيْنَ سَعِيدٍ قَرَابَةٌ شَيْئًا مِنَ الْأَرْضِ فَقَالَ: هَذِهِ؟ وَمَا تَكُونُ هَذِهِ؟ فَقَالَ سَعِيدٌ: أَلَا أُرَانِي أُحَدِّثُكَ عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، ثُمَّ تَهَاوَنُ بِهِ، لَا أُكَلِّمُكَ أَبَدًا

 

وهكذا جاءت عند البخاري ومسلم إسناده صحيح

أخبرنا سليمان بن حرب، حدثنا حماد بن زيد، عن أيوب، عن سعيد بن جبير، عن عبد الله بن مغفل رضي الله عنه، قال: نهى رسول الله صلى الله عليه وسلم عن الخذف، وقال: «إنها لا تصطاد صيدا، ولا تنكأ، عدوا، ولكنها تكسر السن وتفقأ العين». فرفع رجل بينه وبين سعيد قرابة شيئا من الأرض فقال: هذه؟ وما تكون هذه؟ فقال سعيد: ألا أراني أحدثك عن رسول الله صلى الله عليه وسلم، ثم تهاون به، لا أكلمك أبدا وهكذا جاءت عند البخاري ومسلم إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৪৫৪

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৪০. যার নিকট নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে একটি হাদীস পৌঁছল কিন্তু সে এর সম্মান ও মর্যাদা দিল না, সে ব্যক্তির উপর দ্রুত শাস্তি (আপতিত) হওয়া প্রসঙ্গে

৪৫৪. আব্দুল্লাহ ইবনু বুরাইদাহ বলেন: আব্দুল্লাহ ইবনু মুগাফফাল রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু তাঁর সাথীদের মধ্যকার এক ব্যক্তিকে দেখলেন যে, সে পাথর নিক্ষেপ করছে। তখন তিনি তাকে বললেন: পাথর নিক্ষেপ করো না। কেননা, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পাথর নিক্ষেপ করা হতে নিষেধ করতেন- অথবা, তিনি পাথর নিক্ষেপ করাকে অপছন্দ করতেন। তিনি বলতেন: “এর দ্বারা শত্রুদেরকে আহত করা যায় না, আবার শিকার করাও যায় না; কিন্তু চোখ উপড়ানো যায় এবং দাঁত ভেঙ্গে দেয়া যায়।” এর কিছুক্ষণ পরে তিনি তাকে আবার পাথর নিক্ষেপ করতে দেখলেন। তখন তিনি তাকে বললেন: আমি কি তোমাকে এ খবর দেই নি যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তা থেকে নিষেধ করতেন? এরপরও আমি তোমাকে তা করতে দেখছি! আল্লাহর কসম! আমি তোমার সাথে আর কোনোদিন কথা বলবো না।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: বুখারী, আস সহীহ ৫৪৭৯; মুসলিম, আস সহীহ ১৯৫৪। পূর্বের হাদীসের তাখরীজ দেখুন।

بَابُ تَعْجِيلِ عُقُوبَةِ مَنْ بَلَغَهُ عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ حَدِيثٌ فَلَمْ يُعَظِّمْهُ وَلَمْ يُوَقِّرْهُ

أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ يَزِيدَ، حَدَّثَنَا كَهْمَسُ بْنُ الْحَسَنِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ بُرَيْدَةَ، قَالَ: رَأَى عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُغَفَّلٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ رَجُلًا مِنْ أَصْحَابِهِ يَخْذِفُ، فَقَالَ: لَا تَخْذِفْ، فَإِنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَ يَنْهَى عَنِ الْخَذْفِ – أَوْ كَانَ يَكْرَهُ الْخَذْفَ – وَقَالَ: إنَّهُ لَا يُنْكَأُ بِهِ عَدُوٌّ، وَلَا يُصَادُ بِهِ صَيْدٌ، وَلَكِنَّهُ قَدْ يَفْقَأُ الْعَيْنَ، وَيَكْسِرُ السِّنَّ» ثُمَّ رَآهُ بَعْدَ ذَلِكَ يَخْذِفُ، فَقَالَ لَهُ: أَلَمْ أُخْبِرْكَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كانَ يَنْهَى عنْهُ، ثُمَّ أَرَاكَ تَخْذِفُ، وَاللَّهِ لَا أُكَلِّمُكَ أَبَدًا

 

إسناده صحيح

أخبرنا عبد الله بن يزيد، حدثنا كهمس بن الحسن، عن عبد الله بن بريدة، قال: رأى عبد الله بن مغفل رضي الله عنه رجلا من أصحابه يخذف، فقال: لا تخذف، فإن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان ينهى عن الخذف – أو كان يكره الخذف – وقال: إنه لا ينكأ به عدو، ولا يصاد به صيد، ولكنه قد يفقأ العين، ويكسر السن» ثم رآه بعد ذلك يخذف، فقال له: ألم أخبرك أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان ينهى عنه، ثم أراك تخذف، والله لا أكلمك أبدا إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৪৫৫

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৪০. যার নিকট নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে একটি হাদীস পৌঁছল কিন্তু সে এর সম্মান ও মর্যাদা দিল না, সে ব্যক্তির উপর দ্রুত শাস্তি (আপতিত) হওয়া প্রসঙ্গে

৪৫৫. কাতাদাহ বর্ণনা করেন: ইবনু সীরীন এক ব্যক্তিকে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের একটি হাদীস বর্ণনা করলেন। তখন লোকটি বললো: অমুক ব্যক্তি (এ ব্যাপারে) এই এই কথা বলেছেন। তখন ইবনু সীরীন বললেন: আমি তোমাকে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে হাদীস বর্ণনা করছি আর তুমি বলছো, অমুক অমুক (এ বিষয়ে) এই এই কথা বলেছেন? যাও, আমি তোমার সাথে কোনো দিন কথা বলবো না।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ হাসান, সাঈদ ইবনু বুশাইরের কারণে। কিন্তু শাহিদ (সমর্থক) হাদীস থাকার কারণে এ হাদীসটি সহীহ। এ অনুচ্ছেদের হাদীসসমূহ দেখুন।

 

তাখরীজ: (মুহাক্বিক্ব এর কোনো তাখরীজ করেননি- অনুবাদক)।

بَابُ تَعْجِيلِ عُقُوبَةِ مَنْ بَلَغَهُ عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ حَدِيثٌ فَلَمْ يُعَظِّمْهُ وَلَمْ يُوَقِّرْهُ

أَخْبَرَنَا مَرْوَانُ بْنُ مُحَمَّدٍ، حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ بَشِيرٍ، عَنْ قَتَادَةَ، قَالَ: ” حَدَّثَ ابْنُ سِيرِينَ، رَجُلًا بِحَدِيثٍ عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فَقَالَ رَجُلٌ: قَالَ فُلَانٌ: كَذَا وَكَذَا. فَقَالَ ابْنُ سِيرِينَ ” أُحَدِّثُكَ عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، وَتَقُولُ: قَالَ فُلَانٌ وَفُلَانٌ: كَذَا وَكَذَا، لَا أُكَلِّمُكَ أَبَدًا

 

إسناده حسن من أجل سعيد بن بشير

أخبرنا مروان بن محمد، حدثنا سعيد بن بشير، عن قتادة، قال: ” حدث ابن سيرين، رجلا بحديث عن النبي صلى الله عليه وسلم، فقال رجل: قال فلان: كذا وكذا. فقال ابن سيرين ” أحدثك عن النبي صلى الله عليه وسلم، وتقول: قال فلان وفلان: كذا وكذا، لا أكلمك أبدا إسناده حسن من أجل سعيد بن بشير

 হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৪৫৬

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৪০. যার নিকট নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে একটি হাদীস পৌঁছল কিন্তু সে এর সম্মান ও মর্যাদা দিল না, সে ব্যক্তির উপর দ্রুত শাস্তি (আপতিত) হওয়া প্রসঙ্গে

৪৫৬. ইবনু উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “যখন তোমাদের কারো স্ত্রী রাতের বেলায় মসজিদে যাওয়ার অনুমতি চায়, সে যেনো তাকে নিষেধ না করে।” তখন আব্দুল্লাহ রাদিয়াল্লাহু আনহু-এর এক ছেলে অমুক বললো: আল্লাহর কসম! তখন আমি তাকে নিষেধ করবো। তখন ইবনু উমার তার দিকে ফিরে তাকে এমন তীব্র ভাষায় তিরস্কার করলেন যে, আমি এর পূর্বে এমন তীব্রভাবে তিরস্কার করতে আমি তাকে দেখিনি। তারপর তিনি বললেন: আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হতে তোমাকে হাদীস বর্ণনা করছি, আর তুমি বলছো: আল্লাহর কসম! তবুও আমি নিষেধ করবো!![1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ যয়ীফ কেননা, মুহাম্মদ ইবনু কাছীর যয়ীফ। কিন্তু হাদীসটি সহীহ এবং তা বুখারী ও মুসলিম উভযে তাদের সহীহ’তে বর্ণনা করেছেন।

 

তাখরীজ: সহীহ বুখারী ৮৬৫; মুসলিম ৪২২; (আবু দাউদ ১/১৫৫ নং ৫৬৫, ৫৬৭; আহমদ ২/৭৬; হাকিম); সহীহ ইবনু হিব্বান ২২০৮-২২১০, ২২১৩; মুসনাদে মাউসিলী নং ৫৪২৬, ৫৪৯১ এ আমরা বিস্তারিত তাখরীজ দিয়েছি।

بَابُ تَعْجِيلِ عُقُوبَةِ مَنْ بَلَغَهُ عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ حَدِيثٌ فَلَمْ يُعَظِّمْهُ وَلَمْ يُوَقِّرْهُ

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ كَثِيرٍ، عَنِ الْأَوْزَاعِيِّ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ سَالِمٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: «إِذَا اسْتَأْذَنَتْ أَحَدَكُمُ امْرَأَتُهُ إِلَى الْمَسْجِدِ، فَلَا يَمْنَعْهَا» فَقَالَ فُلَانُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ: إِذًا وَاللَّهِ أَمْنَعُهَا، فَأَقْبَلَ عَلَيْهِ ابْنِ عُمَرَ فَشَتَمَهُ شتمةً لَمْ أَرَهُ شْتمها أَحَدًا قَبْلَهُ، ثُمَّ قَالَ: أُحَدِّثُكَ عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَتَقُولُ: إِذًا وَاللَّهِ أَمْنَعُهَا

 

إسناده ضعيف لضعف محمد بن كثير وهو الثقفي الصنعاني لكن الحديث متفق عليه

أخبرنا محمد بن كثير، عن الأوزاعي، عن الزهري، عن سالم، عن ابن عمر رضي الله عنه، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: «إذا استأذنت أحدكم امرأته إلى المسجد، فلا يمنعها» فقال فلان بن عبد الله: إذا والله أمنعها، فأقبل عليه ابن عمر فشتمه شتمة لم أره شتمها أحدا قبله، ثم قال: أحدثك عن رسول الله صلى الله عليه وسلم وتقول: إذا والله أمنعها إسناده ضعيف لضعف محمد بن كثير وهو الثقفي الصنعاني لكن الحديث متفق عليه

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৪৫৭

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৪০. যার নিকট নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে একটি হাদীস পৌঁছল কিন্তু সে এর সম্মান ও মর্যাদা দিল না, সে ব্যক্তির উপর দ্রুত শাস্তি (আপতিত) হওয়া প্রসঙ্গে

৪৫৭. আবুল মাখারিক বলেন: উবাদাহ ইবনু সামিত রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এক দিরহামের বিনিময়ে দুই দিরহাম গ্রহণ করতে নিষেধ করেছেন। তখন অমুক ব্যক্তি বলল: আমি তো এতে কোনো অসুবিধা দেখি না (যদি) হাতে হাতে হাতে হয়। তখন উবাদাহ রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেন: আমি তোমাকে বলছি: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন… আর তুমি বলছো: আমি এতে কোনো অসুবিধা দেখি না’?! আল্লাহর কসম! কোন ছাদ আমাকে এবং তোমাকে একইসাথে ছায়া দান করবে, তা কখনোই হবে না (তথা তোমার সাথে আমি কখনো একত্রিত হবে না)।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: আবুল মাখারিক ও মা’রুফ দুজনই অজ্ঞাত পরিচয়। এছাড়া মুহাম্মদ ইবনু হামীদ যয়ীফ। তবে এর অনেক শাহিদ হাদীস রয়েছে যা একে শক্তিশালী করে। এ অনুচ্ছেদের হাদীসমূহ দেখুন।

 

তাখরীজ: (মুহাক্বিক্ব এর কোনো তাখরীজ করেননি- অনুবাদক)

بَابُ تَعْجِيلِ عُقُوبَةِ مَنْ بَلَغَهُ عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ حَدِيثٌ فَلَمْ يُعَظِّمْهُ وَلَمْ يُوَقِّرْهُ

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ حُمَيْدٍ، حَدَّثَنَا هَارُونُ بْنُ الْمُغِيرَةِ، عَنْ مَعْرُوفٍ، عَنْ أَبِي الْمُخَارِقِ، قَالَ: ذَكَرَ عُبَادَةُ بْنُ الصَّامِتِ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ، أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ «نَهَى عَنْ دِرْهَمَيْنِ بِدِرْهَمٍ» فَقَالَ فُلَانٌ: مَا أَرَى بِهَذَا بَأْسًا: يَدًا بِيَدٍ. فَقَالَ عُبَادَةُ: أَقُولُ: قَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، وَتَقُولُ: لَا أَرَى بِهِ بَأْسًا، وَاللَّهِ لَا يُظِلُّنِي وَإِيَّاكَ سَقْفٌ أَبَدًا

 

لم يحكم عليه المحقق

أخبرنا محمد بن حميد، حدثنا هارون بن المغيرة، عن معروف، عن أبي المخارق، قال: ذكر عبادة بن الصامت رضي الله عنه، أن النبي صلى الله عليه وسلم «نهى عن درهمين بدرهم» فقال فلان: ما أرى بهذا بأسا: يدا بيد. فقال عبادة: أقول: قال النبي صلى الله عليه وسلم، وتقول: لا أرى به بأسا، والله لا يظلني وإياك سقف أبدا لم يحكم عليه المحقق

 হাদিসের মানঃ তাহকীক অপেক্ষমাণ  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৪৫৮

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৪০. যার নিকট নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে একটি হাদীস পৌঁছল কিন্তু সে এর সম্মান ও মর্যাদা দিল না, সে ব্যক্তির উপর দ্রুত শাস্তি (আপতিত) হওয়া প্রসঙ্গে

৪৫৮. ইবনু আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা হতে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “(সফর হতে ফিরে) রাতে স্ত্রীদের নিকট যেও না।” তিনি বলেন, রাসূলূল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এক কাফেলার সঙ্গে এক সফর থেকে ফিরে এলেন। তখন দুই ব্যক্তি (রাতেই) গোপনে তাদের স্ত্রীদের নিকট গেলো এবং তাদের উভয়েই তাদের স্ত্রীদের নিকট একজন করে পুরুষকে পেলো।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ যয়ীফ, কেননা যাম’আহ যয়ীফ। তবে হাদীসটি সহীহ। এর শাহিদ রয়েছে ইবনু উমার থেকে সহীহ বুখারী (১৮০১, ৫২৪৩-৫২৪৪; মুসলিম ৭১৫ নং; তিরমিযী ২৭১২; আহমদ ৩/৩০২-৩০৮…)

 

তাখরীজ: বাযযার, কাশফুল আসতার ২/১৮৬-১৮৭ নং ১৪৮৭; তাবারানী, আল কাবীর ১১/২৪৫ নং ১১৬২৬;

بَابُ تَعْجِيلِ عُقُوبَةِ مَنْ بَلَغَهُ عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ حَدِيثٌ فَلَمْ يُعَظِّمْهُ وَلَمْ يُوَقِّرْهُ

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يَزِيدَ الرِّفَاعِيُّ، حَدَّثَنَا أَبُو عَامِرٍ الْعَقَدِيُّ، عَنْ زَمْعَةَ، عَنْ سَلَمَةَ بْنِ وَهْرَامٍ، عَنْ عِكْرِمَةَ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: لَا تَطْرُقُوا النِّسَاءَ لَيْلًا» قَالَ وَأَقْبَلَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَافِلًا، فانْسلَ رَجُلَانِ إِلَى أَهْلَيْهِمَا، فَكِلَاهُمَا وَجَدَ مَعَ امْرَأَتِهِ رَجُلًا

 

إسناده ضعيف لضعف زمعة

أخبرنا محمد بن يزيد الرفاعي، حدثنا أبو عامر العقدي، عن زمعة، عن سلمة بن وهرام، عن عكرمة عن ابن عباس رضي الله عنه عن النبي صلى الله عليه وسلم قال: لا تطرقوا النساء ليلا» قال وأقبل رسول الله صلى الله عليه وسلم قافلا، فانسل رجلان إلى أهليهما، فكلاهما وجد مع امرأته رجلا إسناده ضعيف لضعف زمعة

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৪৫৯

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৪০. যার নিকট নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে একটি হাদীস পৌঁছল কিন্তু সে এর সম্মান ও মর্যাদা দিল না, সে ব্যক্তির উপর দ্রুত শাস্তি (আপতিত) হওয়া প্রসঙ্গে

৪৫৯. সাঈদ ইবনুল মুসায়্যেব বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যখন কোনো সফর হতে (রাতে) ফিরে আসতেন, তখন কোনো অবতরণস্থলে অবস্থান করতেন। তারপর বলতেন: “তোমরা রাতেই তোমাদের স্ত্রীদের নিকট গমন করো না।” তাঁর এ কথা শুনেছিলো, এমন দু’ব্যক্তি বের হয়ে গেলো এবং রাতে তাদের স্ত্রীদের নিকট গমন করলো। তারপর তারা উভয়েই তাদের স্ত্রীদের সাথে একজন করে পুরুষকে পেলো।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এটি মুরসাল, এর সনদ হাসান, আব্দুর রহমান ইবনু হারমালার কারণে।

 

তাখরীজ: খারাইতী, মাসায়িউল আখলাক নং ৮৪৬।

بَابُ تَعْجِيلِ عُقُوبَةِ مَنْ بَلَغَهُ عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ حَدِيثٌ فَلَمْ يُعَظِّمْهُ وَلَمْ يُوَقِّرْهُ

أَخْبَرَنَا أَبُو الْمُغِيرَةِ، حَدَّثَنَا الْأَوْزَاعِيُّ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ حَرْمَلَةَ الْأَسْلَمِيِّ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيِّبِ قَالَ: كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِذَا قَدِمَ مِنْ سَفَرٍ نَزَلَ الْمُعَرَّسَ، ثُمَّ قَالَ: «لَا تَطْرُقُوا النِّسَاءَ لَيْلًا»، فَخَرَجَ رَجُلَانِ مِمَّنْ سَمِعَ مَقَالَتَهُ، فَطَرَقَا أهْلْهما، فَوَجَدَ كُلُّ وَاحِدٍ مِنْهُمَا مَعَ امْرَأَتِهِ رَجُلًا

 

مرسل وإسناده حسن من أجل عبد الرحمن بن حرملة

أخبرنا أبو المغيرة، حدثنا الأوزاعي، عن عبد الرحمن بن حرملة الأسلمي، عن سعيد بن المسيب قال: كان رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا قدم من سفر نزل المعرس، ثم قال: «لا تطرقوا النساء ليلا»، فخرج رجلان ممن سمع مقالته، فطرقا أهلهما، فوجد كل واحد منهما مع امرأته رجلا مرسل وإسناده حسن من أجل عبد الرحمن بن حرملة

 হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৪৬০

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৪০. যার নিকট নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে একটি হাদীস পৌঁছল কিন্তু সে এর সম্মান ও মর্যাদা দিল না, সে ব্যক্তির উপর দ্রুত শাস্তি (আপতিত) হওয়া প্রসঙ্গে

৪৬০. আব্দুর রহমান ইবনু হারামালাহ বলেন: সাঈদ ইবনুল মুসায়্যিবের নিকট এক ব্যক্তি হজ্জ্ব কিংবা উমরার জন্য বিদায়ী শুভেচ্ছা জানাতে আসলেন। তখন তিনি লোকটিকে বললেন: সালাত আদায় না করে বের হয়োনা। কারণ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “আযান হয়ে যাওয়ার পরে একমাত্র মুনাফিক ব্যতীত আর কেউ মসজিদ থেকে বের হয়ে যায় না। তবে যে লোকের কোনো প্রয়োজন তাকে বের করে আর সে আবার মসজিদে ফিরে আসার নিয়ত রাখে, তাহলে তার কথা ভিন্ন।” তখন লোকটি বললো: আমার সাথীরা হাররাহ নামক স্থানে রয়েছে। তিনি (বর্ণনাকারী) বলেন, (একথা বলে) সে বের হয়ে গেলো। সাঈদ সর্বদা এ ঘটনাটি বর্ণনা করতে আগ্রহ বোধ করতেন। তারপর আমি তাকে এ সংবাদ দিলাম যে, লোকটি তার বাহন থেকে পড়ে গিয়েছিলো এবং এতে তার উরুর হাড় ভেঙ্গে গিয়েছিলো।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ হাসান। আগের টীকাটি দেখুন।

 

তাখরীজ: বাহাইকী, ৩/৫৬-৫৭; আব্দুর রাযযাক, নং ১৯৪৫; আবু দাউদ, মারাসীল নং ২৫; (ইবনু উয়াইনাহও এটি বর্ণনা করেছেন)।

 

আর এটি মারফু’ হিসেবে আমরা পূর্ণাঙ্গ তাখরীজ করেছি, মাজমাউয যাওয়াইদ নং ১৯৪৮ এ। (আবু হুরাইরা হতে মারফু হিসেবে বর্ণনা করেছেন তাবারানী, আল আউসাত, যেমন এসেছে মাজমাউল বাহরাইন ২/২২ এ। আর মাজমা’তে হাইছামী বলেছেন: এর বর্ণনাকারীগণ সহীহ হাদীসের বর্ণনাকারী।-ফাতহুল মান্নান, ৩/২১৮ নং ৪৬৯ এর টীকা দ্র:)

بَابُ تَعْجِيلِ عُقُوبَةِ مَنْ بَلَغَهُ عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ حَدِيثٌ فَلَمْ يُعَظِّمْهُ وَلَمْ يُوَقِّرْهُ

أَخْبَرَنَا أَبُو الْمُغِيرَةِ، حَدَّثَنَا الْأَوْزَاعِيُّ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ حَرْمَلَةَ، قَالَ: جَاءَ رَجُلٌ إِلَى سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيِّبِ يُوَدِّعُهُ بِحَجٍّ أَوْ عُمْرَةٍ فَقَالَ لَهُ: لَا تَبْرَحْ حَتَّى تُصَلِّيَ، فَإِنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: «لَا يَخْرُجُ بَعْدَ النِّدَاءِ مِنَ الْمَسْجِدِ إِلَّا، مُنَافِقٌ، إِلَّا رَجُلٌ أَخْرَجَتْهُ حاجةُ، وَهُوَ يُرِيدُ الرَّجْعَةَ إِلَى الْمَسْجِدِ» فَقَالَ: إِنَّ أَصْحَابِي بِالْحَرَّةِ قَالَ: فَخَرَجَ، قَالَ: فَلَمْ يَزَلْ سَعِيدٌ يَوْلَعُ بِذِكْرِهِ، حَتَّى أُخْبِرَ أَنَّهُ وَقَعَ مِنْ رَاحِلَتِهِ فَانْكَسَرَتْ فَخِذُهُ

 

إسناده حسن

أخبرنا أبو المغيرة، حدثنا الأوزاعي، حدثنا عبد الرحمن بن حرملة، قال: جاء رجل إلى سعيد بن المسيب يودعه بحج أو عمرة فقال له: لا تبرح حتى تصلي، فإن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: «لا يخرج بعد النداء من المسجد إلا، منافق، إلا رجل أخرجته حاجة، وهو يريد الرجعة إلى المسجد» فقال: إن أصحابي بالحرة قال: فخرج، قال: فلم يزل سعيد يولع بذكره، حتى أخبر أنه وقع من راحلته فانكسرت فخذه إسناده حسن

 হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৪৬১

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৪১. যে ব্যক্তি লোকদেরকে বিরক্ত করাকে অপছন্দ করেন

৪৬১. আবুল আহওয়াস আব্দুল্লাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: লোকদের বিরক্তি (ক্লান্তি) উৎপাদন করো না।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: আমরা এর তাখরীজ করেছি, মাজমাউয যাওয়াইদ নং ৯৩৪ এ; আরও বর্ণনা করেছেন আবু খায়ছামা, আল ইলম নং ৯৯; খতীব, আল জামি’ নং ১৪২২।

بَابُ مَنْ كَرِهَ أَنْ يُمِلَّ النَّاسَ

أَخْبَرَنَا عَبْدُ الصَّمَدِ بْنُ عَبْدِ الْوَارِثِ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ، عَنْ أَبِي الْأَحْوَصِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ، قَالَ: لَا تُمِلُّوا النَّاسَ

 

إسناده صحيح

أخبرنا عبد الصمد بن عبد الوارث، حدثنا شعبة، عن أبي إسحاق، عن أبي الأحوص، عن عبد الله رضي الله عنه، قال: لا تملوا الناس إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৪৬২

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৪১. যে ব্যক্তি লোকদেরকে বিরক্ত করাকে অপছন্দ করেন

৪৬২. কুরদূস হতে বর্ণিত, আব্দুল্লাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন: নিশ্চয় অন্তরের আগ্রহ-উদ্দীপনা ও মনোযোগ (-এর সময়) রয়েছে, অনুরূপ এর বিমুখতা ও পলায়নপরতা (-এরও সময়) রয়েছে। ফলে লোকেরা যখন তোমাদের নিকট আগ্রহী হয়ে আসে তখন তাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করো।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ যয়ীফ, আশ’আস ইবনু সিওয়ার যয়ীফ হওয়ার কারণে।

 

তাখরীজ: খতীব, আল জামি’ নং ৭৫০; ইবনু আবী শাইবা ৯/৬৯; আবু নুয়াইম, হিলইয়া ১/১৩৪, ভিন্ন শব্দে নির্ভরযোগ্য রাবীগণ হতে । তবে একাধিক রাবীর নাম বাদ পড়েছে (মু’দ্বাল)। তবে একটি আরেকটিকে শক্তিশালী করে। আল্লাহই ভাল জানেন।

بَابُ مَنْ كَرِهَ أَنْ يُمِلَّ النَّاسَ

أَخْبَرَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ، أَنْبَأَنَا أَشْعَثُ، عَنْ كُرْدُوسٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ، قَالَ: إِنَّ لِلْقُلُوبِ لَنَشَاطًا وَإِقْبَالًا، وَإِنَّ لَهَا تَوْلِيَةً وَإِدْبَارًا، فَحَدِّثُوا النَّاسَ مَا أَقْبَلُوا عَلَيْكُمْ

 

إسناده ضعيف من أجل أشعث بن سوار

أخبرنا يزيد بن هارون، أنبأنا أشعث، عن كردوس، عن عبد الله رضي الله عنه، قال: إن للقلوب لنشاطا وإقبالا، وإن لها تولية وإدبارا، فحدثوا الناس ما أقبلوا عليكم إسناده ضعيف من أجل أشعث بن سوار

 হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai’f)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৪৬৩

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৪১. যে ব্যক্তি লোকদেরকে বিরক্ত করাকে অপছন্দ করেন

৪৬৩. আবু হিলাল বলেন, আমি হাসানকে বলতে শুনেছি: তাকে বলা হতো: লোকদের নিকট হাদীস বর্ণনা করো, যখন তারা মনোযোগ সহকারে তোমার নিকটে আসে। আর যখন তারা (এদিকে সেদিক) তাকাতে থাকে, তখন ‍বুঝে নেবে যে, তাদের (অপর) প্রয়োজন রয়েছে।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ হাসান পর্যন্ত হাসান।

 

তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ৯/৬৯।

بَابُ مَنْ كَرِهَ أَنْ يُمِلَّ النَّاسَ

أَخْبَرَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ حَرْبٍ، حَدَّثَنَا أَبُو هِلَالٍ، قَالَ: سَمِعْتُ الْحَسَنَ يَقُولُ: كَانَ يُقَالُ: حَدِّثِ الْقَوْمَ مَا أَقْبَلُوا عَلَيْكَ بِوُجُوهِهِمْ، فَإِذَا الْتَفَتُوا، فَاعْلَمْ أَنَّ لَهُمْ حَاجَاتٍ

 

إسناده إلى الحسن حسن

أخبرنا سليمان بن حرب، حدثنا أبو هلال، قال: سمعت الحسن يقول: كان يقال: حدث القوم ما أقبلوا عليك بوجوههم، فإذا التفتوا، فاعلم أن لهم حاجات إسناده إلى الحسن حسن

 হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৪৬৪

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৪২. যিনি হাদীস লিখে রাখার পক্ষে মতামত প্রদান করেন না

৪৬৪. আবু সাঈদ খুদরী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “তোমরা আমার থেকে কুরআন ব্যতীত অন্য কিছুই লিখো না। আর যে আমার থেকে কুরআন ব্যতীত অন্য কিছু লিখেছে, সে যেনো তা মুছে ফেলে।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ। ( হাকিম একে সহীহ বলেছেন এবং যাহাবী তা বজায় রেখেছেন।)

 

তাখরীজ: মুসলিম ৪/২২৯৮-২২৯৯ নং ৩০০৪; হাকিম, ১/১২৬-১২৭; আহমদ, ৩/১২, ২১, ৩৯, ৫৬; মুসনাদুল মাউসিলী নং ২/৪৬৬ নং ১২৮৮ ও সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৬৪; দাইলামী, মুসনাদুল ফেরদাউস ৫/১৮২ নং ৭৫৪৮।

بَابُ مَنْ لَمْ يَرَ كِتَابَةَ الْحَدِيثِ

أَخْبَرَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ، أَنبَأَنَا هَمَّامٌ، عَنْ زَيْدِ بْنِ أَسْلَمَ، عَنْ عَطَاءِ بْنِ يَسَارٍ، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ، أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: لَا تَكْتُبُوا عَنِّي شَيْئًا إِلَّا الْقُرْآنَ، فَمَنْ كَتَبَ عَنِّي شَيْئًا غَيْرَ الْقُرْآنِ، فَلْيَمْحُهُ

 

إسناده صحيح

أخبرنا يزيد بن هارون، أنبأنا همام، عن زيد بن أسلم، عن عطاء بن يسار، عن أبي سعيد الخدري رضي الله عنه، أن النبي صلى الله عليه وسلم قال: لا تكتبوا عني شيئا إلا القرآن، فمن كتب عني شيئا غير القرآن، فليمحه إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৪৬৫

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৪২. যিনি হাদীস লিখে রাখার পক্ষে মতামত প্রদান করেন না

৪৬৫. আবূ সাঈদ খুদরী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তারা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নিকট তাঁর থেকে (হাদীস) লিখে রাখার জন্য অনুমতি চেয়েছিলেন। কিন্তু তিনি তাদেরকে এর অনুমতি দেননি।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: তিরমিযী, ২৬৬৭; কাযী আয়ায, আল ইলমা’ পৃ: ১৪৮; কাযী রমহরমুযী, আল মুহাদ্দিসুল ফাসিল নং ৩৬২; খতীব, আলজামি’ নং ৪৬১; তাক্বয়ীদুল ইলম নং পৃ: ৩২, ৩৩; ইবনু আব্দুল বার, জামি’ বায়ানিল ইলম নং ৩৩৫। পূর্বের হাদীসের টীকা দ্র:

بَابُ مَنْ لَمْ يَرَ كِتَابَةَ الْحَدِيثِ

أَخْبَرَنَا أَبُو مَعْمَرٍ، عَنْ سُفْيَانَ بْنِ عُيَيْنَةَ، قَالَ: حَدَّثَنا زَيْدُ بْنُ أَسْلَمَ، عَنْ عَطَاءِ بْنِ يَسَارٍ، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ «أَنَّهُمْ اسْتَأْذَنُوا النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي أَنْ يَكْتُبُوا عنْهُ، فَلَمْ يَأْذَنْ لَهُمْ

 

إسناده صحيح

أخبرنا أبو معمر، عن سفيان بن عيينة، قال: حدثنا زيد بن أسلم، عن عطاء بن يسار، عن أبي سعيد الخدري رضي الله عنه «أنهم استأذنوا النبي صلى الله عليه وسلم في أن يكتبوا عنه، فلم يأذن لهم إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৪৬৬

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৪২. যিনি হাদীস লিখে রাখার পক্ষে মতামত প্রদান করেন না

৪৬৬. শুবরুমাহ হতে বর্ণিত, শা’বী বলতেন: হে শিবাক (শা’বীর এক অন্ধ সাথী[1])! তোমাকে, মানে তোমার হাদীসকে ফিরিয়ে দেয়া (প্রত্যাখ্যান করা) হয়েছে কি? আমি কখনো আশা করিনি যে, আমার কোনো হাদীসকে ফিরিয়ে দেয়া হবে (অস্বীকার করার উদ্দেশ্যে পুনরাবৃত্তি করতে বলা হবে[2])।[3]

[1] দেখুন ফাতহুল মান্নান, ৩/২৩২ ৪৬৫ নং হাদীসের টীকা দ্র:

 

[2] দেখুন ফাতহুল মান্নান, ৩/২৩২ ৪৬৫ নং হাদীসের টীকা দ্র:

 

[3] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: আবী যুর’আহ, তারীখ নং ১৯৮১; খতীব, আলজামি’ নং ৪৬১।

بَابُ مَنْ لَمْ يَرَ كِتَابَةَ الْحَدِيثِ

أَخْبَرَنَا بِشْرُ بْنُ الْحَكَمِ، عَنْ سُفْيَانَ بْنِ عُيَيْنَةَ، عَنِ ابْنِ شُبْرُمَةَ، عَنِ الشَّعْبِيِّ ” أَنَّهُ كَانَ يَقُولُ: يَا شِبَاكُ، أَرُدُّ عَلَيْكَ، يَعْنِي: الْحَدِيثَ؟ مَا أَرَدْتُ أَنْ يُرَدَّ عَلَيَّ حَدِيثٌ قَطُّ

 

إسناده صحيح

أخبرنا بشر بن الحكم، عن سفيان بن عيينة، عن ابن شبرمة، عن الشعبي ” أنه كان يقول: يا شباك، أرد عليك، يعني: الحديث؟ ما أردت أن يرد علي حديث قط إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৪৬৭

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৪২. যিনি হাদীস লিখে রাখার পক্ষে মতামত প্রদান করেন না

৪৬৭. আব্দুর রহমান ইবনু মাহদী বলেন, আমি মালিক ইবনু আনাস (রহঃ)-কে বলতে শুনেছি: (একদা) যুহরী একটি হাদীসসহ এলেন। তারপর আমি কোনো এক রাস্তায় তার সাথে সাক্ষাৎ করলাম এবং তার (বাহনের) লাগাম ধরে বললাম: হে আবু বাকর! আপনি হাদীসটি আমাকে পুনরায় বলুন, যেটি আপনি আমাদেরকে বলেছিলেন। তিনি বললেন: তুমি হাদীসের পুনরাবৃত্তি করতে বলছো? তিনি (বর্ণনাকারী) বলেন, আমি বললাম: আপনি কি হাদীসের পুনরাবৃত্তি করেন না? তিনি বললেন: না। আমি বললাম: আপনি কি হাদীস লিপিবদ্ধও করেন না? তিনি বললেন: না।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: আবু খায়ছামা, আল ইলম, নং ১৬০।

بَابُ مَنْ لَمْ يَرَ كِتَابَةَ الْحَدِيثِ

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ أَبِي خَلَفٍ، قَالَ: سَمِعْتُ عَبْدَ الرَّحْمَنِ بْنَ مَهْدِيٍّ، يَقُولُ: سَمِعْتُ مَالِكَ بْنَ أَنَسٍ، يَقُولُ: جَاءَ الزُّهْرِيُّ بِحَدِيثٍ فَلَقِيتُهُ فِي بَعْضِ الطَّرِيقِ، فَأَخَذْتُ بِلِجَامِهِ، فَقُلْتُ: يَا أَبَا بَكْرٍ أَعِدْ عَلَيَّ الْحَدِيثَ الَّذِي حَدَّثْتَنَا بِهِ»، قَالَ: وَتَسْتَعِيدُ الْحَدِيثَ؟ قَالَ: قُلْتُ: «وَمَا كُنْتَ تَسْتَعِيدُ الْحَدِيثَ؟» قَالَ: لَا. قُلْتُ: وَلَا تَكْتُبُ؟ قَالَ: لَا

 

إسناده صحيح

أخبرنا محمد بن أحمد بن أبي خلف، قال: سمعت عبد الرحمن بن مهدي، يقول: سمعت مالك بن أنس، يقول: جاء الزهري بحديث فلقيته في بعض الطريق، فأخذت بلجامه، فقلت: يا أبا بكر أعد علي الحديث الذي حدثتنا به»، قال: وتستعيد الحديث؟ قال: قلت: «وما كنت تستعيد الحديث؟» قال: لا. قلت: ولا تكتب؟ قال: لا إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৪৬৮

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৪২. যিনি হাদীস লিখে রাখার পক্ষে মতামত প্রদান করেন না

৪৬৮. আওযাঈ বলেন: কাতাদাহ (ইলম বা হাদীস) লিখে রাখা অপছন্দ করতেন। কিন্তু যখন তিনি (হাতে লিখিত) কিতাবের মর্যাদার কথা শুনলেন, তিনি তা (পূর্বের মত) থেকে প্রত্যাবর্তন করলেন এবং তা নিজ হাত দ্বারা লিখতে চাইলেন।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ যয়ীফ, কেননা, মুহাম্মদ ইবনু কাছীর আবী আতা যয়ীফ।

 

তাখরীজ: এটি এস্থানে ব্যতীত অন্য কোথাও আমি পাইনি। তবে তার থেকে তা জায়েয হওয়া কথা বর্ণিত হয়েছে। দেখুন আল মুহাদ্দিসুল ফাসিল নং ৩৪০।

بَابُ مَنْ لَمْ يَرَ كِتَابَةَ الْحَدِيثِ

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ كَثِيرٍ، عَنِ الْأَوْزَاعِيِّ، قَالَ: كَانَ قَتَادَةُ «يَكْرَهُ الْكِتَابَةَ، فَإِذَا سَمِعَ وَقْعَ الْكِتَابِ، أَنْكَرَهُ وَالْتَمَسَهُ بِيَدِهِ

 

إسناده ضعيف لضعف محمد بن كثير بن أبي عطاء

أخبرنا محمد بن كثير، عن الأوزاعي، قال: كان قتادة «يكره الكتابة، فإذا سمع وقع الكتاب، أنكره والتمسه بيده إسناده ضعيف لضعف محمد بن كثير بن أبي عطاء

 হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai’f)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৪৬৯

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৪২. যিনি হাদীস লিখে রাখার পক্ষে মতামত প্রদান করেন না

৪৬৯. আবুল মুগীরাহ বলেন: আওযাঈ এটি অপছন্দ করতেন।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: এটি এ স্থানে ব্যতীত অন্য কোথাও আমি পাইনি।

بَابُ مَنْ لَمْ يَرَ كِتَابَةَ الْحَدِيثِ

أَخْبَرَنَا أَبُو الْمُغِيرَةِ، قَالَ: كَانَ الْأَوْزَاعِيُّ يَكْرَهُهُ

 

إسناده صحيح

أخبرنا أبو المغيرة، قال: كان الأوزاعي يكرهه إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৪৭০

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৪২. যিনি হাদীস লিখে রাখার পক্ষে মতামত প্রদান করেন না

৪৭০. মানছুর থেকে বর্ণিত, ইবরাহীম ইলম লিপিবদ্ধ করাকে অপছন্দ করতেন।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: আবু খায়ছামাহ, আল ইলম নং ১৬০।

بَابُ مَنْ لَمْ يَرَ كِتَابَةَ الْحَدِيثِ

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ، عَنْ سُفْيَانَ، عَنْ مَنْصُورٍ، أَنَّ إِبْرَاهِيمَ كَانَ يَكْرَهُ الْكِتَابَ – يَعْنِي الْعِلْمَ

 

إسناده صحيح

أخبرنا محمد بن يوسف، عن سفيان، عن منصور، أن إبراهيم كان يكره الكتاب – يعني العلم إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৪৭১

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৪২. যিনি হাদীস লিখে রাখার পক্ষে মতামত প্রদান করেন না

৪৭১. ইবনু আউন হতে বর্ণিত, ইবনু সীরীন বলেন: আমি যদি কোন (লিখিত) কিতাব অবলম্বন করতাম, তবে নিশ্চয়ই আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের রিসালা বা চিঠি-পত্রগুলোকেই অবলম্বন করতাম। (অন্য কিছুকে নয়)”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: খতীব, তাক্বয়ীদুল ইলম, পৃ: ৪৮; আরো দেখুন, পৃ: ৪৬, ৪৭; এবং মুহাদ্দিসুল ফাসিল নং ৩৬৬, ৩৬৮। (এখানে বনী ইসরাইলের পথভ্রষ্টতার কারণ হিসেবে তিনি কিতাব অবলম্বন করাকে চিহ্নিত করে তাকে অপছন্দ করেছেন। – ফাতহুল মান্নান, হা/৪৮০ এর টীকা দ্র:)

بَابُ مَنْ لَمْ يَرَ كِتَابَةَ الْحَدِيثِ

أَخْبَرَنَا يُوسُفُ بْنُ مُوسَى، أَنبَأَنَا أَزْهَرُ، عَنِ ابْنِ عَوْنٍ، عَنِ ابْنِ سِيرِينَ، قَالَ: «لَوْ كُنْتُ مُتَّخِذًا كِتَابًا، لَاتَّخَذْتُ رَسَائِلَ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ

أخبرنا يوسف بن موسى، أنبأنا أزهر، عن ابن عون، عن ابن سيرين، قال: «لو كنت متخذا كتابا، لاتخذت رسائل النبي صلى الله عليه وسلم

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৪৭২

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৪২. যিনি হাদীস লিখে রাখার পক্ষে মতামত প্রদান করেন না

৪৭২. ইবনু আউন বলেন, আমি হাম্মাদকে ইবরাহীমের নিকট বসে লিখতে দেখলাম। তখন ইবরাহীম তাকে বললেন: আমি কি তোমাকে (এথেকে) নিষেধ করিনি? তিনি বলেন: এ হলো (হাদীসের) পার্শ্বটীকা মাত্র।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: আবু খায়ছামাহ, আল ইলম নং ১৩৫ সহীহ সনদে, ১৩৬, ১৬১; ইবনু আবী শাইবা ৯/৫০ নং ৬৪৮১; ইবনু আব্দুল বার, জামি’ বায়ানিল ইলম নং ৪০০; আবু নুয়াইম, হিলইয়া ৪/২২৫, ইবরাহীম থেকে: কিতাবের ‘আত্বরাফ’ (পার্শ্বটীকা) লিখতে অসুবিধা নেই।” এর সনদ সহীহ।

بَابُ مَنْ لَمْ يَرَ كِتَابَةَ الْحَدِيثِ

أَخْبَرَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ أَبَانَ، حَدَّثَنَا ابْنُ إِدْرِيسَ، عَنِ ابْنِ عَوْنٍ، قَالَ: رَأَيْتُ حَمَّادًا يَكْتُبُ عِنْدَ إِبْرَاهِيمَ، فَقَالَ لَهُ إِبْرَاهِيمُ ” أَلَمْ أَنْهَكَ؟ قَالَ: إِنَّمَا هِيَ أَطْرَافٌ

 

إسناده صحيح

أخبرنا إسماعيل بن أبان، حدثنا ابن إدريس، عن ابن عون، قال: رأيت حمادا يكتب عند إبراهيم، فقال له إبراهيم ” ألم أنهك؟ قال: إنما هي أطراف إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৪৭৩

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৪২. যিনি হাদীস লিখে রাখার পক্ষে মতামত প্রদান করেন না

৪৭৩. ইবরাহীম বলেন, আমাকে উবাইদাহ বলেন: আমার থেকে কোনো লিপিবদ্ধ (হাদীস বা ইলম) তোমার নিকট যেনো স্থায়ীভাবে থেকে না যায়।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ৯/৫২ নং ৬৪৯৪; ইবনু আব্দুল বার, জামি’ বায়ানিল ইলম নং ৩৬২; খতীব, তাক্বয়ীদুল ইলম, পৃ: ৪৬, ৪৭; পূর্ণ তাখরীজ দেখুন পরবর্তী ৪৭৭ ও ৪৭৮ নং হাদীসের টীকায়।

بَابُ مَنْ لَمْ يَرَ كِتَابَةَ الْحَدِيثِ

أَخْبَرَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ أَبَانَ، حَدَّثَنَا ابْنُ إِدْرِيسَ، عَنْ شُعْبَةَ، عَنِ الْحَكَمِ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ قَالَ: قَالَ لِي عَبِيْدَةُ «لَا تُخَلِّدَنَّ بِي كِتَابًا

 

إسناده صحيح

أخبرنا إسماعيل بن أبان، حدثنا ابن إدريس، عن شعبة، عن الحكم، عن إبراهيم قال: قال لي عبيدة «لا تخلدن بي كتابا إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৪৭৪

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৪২. যিনি হাদীস লিখে রাখার পক্ষে মতামত প্রদান করেন না

৪৭৪. সাঈদ ইবনু আমের  হতে বর্ণিত, হিশাম বলেন: আমি মুহাম্মদ থেকে কোনো হাদীস লিখিনি কেবল ’আ’মাক’[1] সংক্রান্ত হাদীস ব্যতীত। এরপর যখন আমি সেটি মুখস্ত করে নিলাম তখন লেখাটি মুছে দিলাম।”[2]

[1] সম্ভবত এর দ্বারা এ হাদীসটি প্রতি ইঙ্গিত করা হয়েছে যা মুসলিম, কিতাবুল ফিতান নং ২৮৯৭ যেখানে বলা হয়েছে: “কিয়ামত কায়েম হবে না , যতক্ষণ পর্যন্ত রোমানগণ আ’মাক নামক স্থানে অবর্তীর্ণ না হবে…।”

 

[2] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: রমহারমুযী, আল মুহাদ্দিসুল ফাসিল নং ৩৭৩।

بَابُ مَنْ لَمْ يَرَ كِتَابَةَ الْحَدِيثِ

أَخْبَرَنَا سَعِيدُ بْنُ عَامِرٍ، عَنْ هِشَامٍ، قَالَ: «مَا كَتَبْتُ عَنْ مُحَمَّدٍ، إِلَّا حَدِيثَ الْأَعْمَاقِ، فَلَمَّا حَفِظْتُهُ، مَحَوْتُهُ

 

إسناده صحيح

أخبرنا سعيد بن عامر، عن هشام، قال: «ما كتبت عن محمد، إلا حديث الأعماق، فلما حفظته، محوته إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৪৭৫

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৪২. যিনি হাদীস লিখে রাখার পক্ষে মতামত প্রদান করেন না

৪৭৫. মারওয়ান ইবনু মুহাম্মদ বলেন, আমি সাঈদ ইবনু আব্দুল আযীযকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি কখনো একটি হাদীসও লিখি নি।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: ইবনু আব্দুল বার, জামি’ বায়ানিল ইলম নং ৩৬৭ সহীহ সনদে।

بَابُ مَنْ لَمْ يَرَ كِتَابَةَ الْحَدِيثِ

أَخْبَرَنَا مَرْوَانُ بْنُ مُحَمَّدٍ، قَالَ: سَمِعْتُ سَعِيدَ بْنَ عَبْدِ الْعَزِيزِ، يَقُولُ: مَا كَتَبْتُ حَدِيثًا قَطُّ

 

إسناده صحيح

أخبرنا مروان بن محمد، قال: سمعت سعيد بن عبد العزيز، يقول: ما كتبت حديثا قط إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৪৭৬

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৪২. যিনি হাদীস লিখে রাখার পক্ষে মতামত প্রদান করেন না

৪৭৬. মুগীরাহ থেকে বর্ণিত, ইবরাহীম বলেন: আমি কখনোই কোনো কিছু (হাদীস বা ইলম) লিখে রাখিনি।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: রমহারমুযী, আল মুহাদ্দিসুল ফাসিল নং৩৬৭; পূর্ণ তাখরীজ দেখুন হা/৪৭৩ নং এ।

بَابُ مَنْ لَمْ يَرَ كِتَابَةَ الْحَدِيثِ

أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عِمْرَانَ، حَدَّثَنَا أَبُو دَاوُدَ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنِ الْمُغِيرَةِ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ قَالَ: «مَا كَتَبْتُ شَيْئًا قَطُّ

أخبرنا عبد الله بن عمران، حدثنا أبو داود، حدثنا شعبة، عن المغيرة، عن إبراهيم قال: «ما كتبت شيئا قط

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৪৭৭

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৪২. যিনি হাদীস লিখে রাখার পক্ষে মতামত প্রদান করেন না

৪৭৭. ইসামাঈল ইবনু রাজা থেকে বর্ণিত, ইবরাহীম বলেন: আমি যার উপর আমি লিখতে পারি, এমন ছাল বা চামড়ার টুকরা সম্পর্কে উবাইদাহকে জিজ্ঞাসা করেছিলাম। তথন তিনি বললেন: হে ইবরাহীম! আমার থেকে কোনো লিপিবদ্ধ (হাদীস বা ইলম) তোমার নিকট যেনো চিরস্থায়ীভাবে থেকে না যায়।[1]

[1] তাহক্বক্বি: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: পূর্বের হাদীস নং ৪৭৩ ও পরবর্তী হাদীসটি দেখুন।

بَابُ مَنْ لَمْ يَرَ كِتَابَةَ الْحَدِيثِ

أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عِمْرَانَ، حَدَّثَنَا أَبُو دَاوُدَ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ إِسْمَاعِيلَ بْنِ رَجَاءٍ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ، قَالَ: سَأَلْتُ عَبِيدَةَ قِطْعَةَ جِلْدٍ أَكْتُبُ فِيهِ، فَقَالَ يَا إِبْرَاهِيمُ لَا تُخَلِّدَنَّ عَنِّي كِتَابًا

أخبرنا عبد الله بن عمران، حدثنا أبو داود، حدثنا شعبة، عن إسماعيل بن رجاء، عن إبراهيم، قال: سألت عبيدة قطعة جلد أكتب فيه، فقال يا إبراهيم لا تخلدن عني كتابا

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৪৭৮

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৪২. যিনি হাদীস লিখে রাখার পক্ষে মতামত প্রদান করেন না

৪৭৮. আল হাকাম ইবরাহীম হতে, তিনি উবাইদাহ হতে অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন।[1]

[1] তাহক্বীক্ব; এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: ইবনু সা’দ , আত তাবাকাত ৬/৬৩; পূর্ণ তাখরীজ দেখুন হা/৪৭৩ নং।

بَابُ مَنْ لَمْ يَرَ كِتَابَةَ الْحَدِيثِ

أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ، حَدَّثَنَا أَبُو دَاوُدَ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنِ الْحَكَمِ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ عَنْ عَبِيدَةَ مِثْلَهُ

أخبرنا عبد الله، حدثنا أبو داود، حدثنا شعبة، عن الحكم، عن إبراهيم عن عبيدة مثله

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৪৭৯

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৪২. যিনি হাদীস লিখে রাখার পক্ষে মতামত প্রদান করেন না

৪৭৯. আবু মা’শার ইবরাহীম থেকে বর্ণনা করেন, তিনি পুস্তিকা বা খাতায় হাদীস লিপিবদ্ধ করাকে অপছন্দ করতেন। তিনি বলতেন: এটি কুরআনের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ হয়ে যায়।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা, ৯/১৮ নং ৬৩৬০; ইবনু আব্দুল বার, আলজামি’ নং ৩৬৫; খতীব, তাক্বয়ীদুল ইলম পৃ: ৪৮। এগুলোতে শেষাংশটুকু নেই।

بَابُ مَنْ لَمْ يَرَ كِتَابَةَ الْحَدِيثِ

أَخْبَرَنَا يَحْيَى بْنُ حَمَّادٍ، حَدَّثَنَا أَبُو عَوَانَةَ، عَنْ سُلَيْمَانَ بْنِ أَبِي عَتِيكٍ، عَنْ أَبِي مَعْشَرٍ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ أَنَّهُ ” كَانَ يَكْرَهُ أَنْ يُكْتَبَ الْحَدِيثُ فِي الْكَرَارِيسِ. وَيَقُولُ: يُشَبَّهُ بِالْمَصَاحِفِ

أخبرنا يحيى بن حماد، حدثنا أبو عوانة، عن سليمان بن أبي عتيك، عن أبي معشر، عن إبراهيم أنه ” كان يكره أن يكتب الحديث في الكراريس. ويقول: يشبه بالمصاحف

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৪৮০

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৪২. যিনি হাদীস লিখে রাখার পক্ষে মতামত প্রদান করেন না

৪৮০. ইয়াহইয়া বলেন, আর আমি আমার কিতাবে পেয়েছি লেখক যিয়াদ থেকে, তিনি আবু মা’শার হতে: এখন তোমার যেভাবে চাও, লিখো।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ। আর এটুকু বাড়তি।

 

তাখরীজ: এটি আমি অন্য কোথাও পাইনি।

بَابُ مَنْ لَمْ يَرَ كِتَابَةَ الْحَدِيثِ

قَالَ يَحْيَى: وَوَجَدْتُ فِي كِتَابِي عَنْ زِيَادٍ الْكَاتِبِ، عَنْ أَبِي مَعْشَرٍ: فَاكْتُبْ كَيْفَ شِئْتَ

 

إسناده صحيح وهو وجادة

قال يحيى: ووجدت في كتابي عن زياد الكاتب، عن أبي معشر: فاكتب كيف شئت إسناده صحيح وهو وجادة

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৪৮১

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৪২. যিনি হাদীস লিখে রাখার পক্ষে মতামত প্রদান করেন না

৪৮১. নু’মান ইবনু কায়েস হতে বর্ণিত, উবাইদাহ তার মৃত্যুকালীন সময়ে তার লেখা কিতাবসমূহ চাইলেন এবং (সেগুলো নিয়ে আসা হলে) তিনি সেগুলো মুছে দিলেন। আর বললেন: আমার আশংকা হয় যে, পরবর্তীতে এমন লোকেরা এগুলোর মালিক হবে, যারা এগুলোকে এর যথাযোগ্য স্থানে স্থাপন করবে না।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ৯/১৭ নং ৬৩৫৩; ইবনু সা’দ, আত তাবাকাত ৬/৬৩; খতীব, তাক্বয়ীদুল ইলম পৃ: ৬১, ৬২; আবু খায়ছামা, আল ইলম নং ১১২; ইবনু আব্দুল বার, জামি’ বায়ানিল ইলম নং ৩৬৩, ৩৬৪ এর সনদও সহীহ।

بَابُ مَنْ لَمْ يَرَ كِتَابَةَ الْحَدِيثِ

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ، وَعُبَيْدُ اللَّهِ، عَنْ سُفْيَانَ، عَنْ نُعْمَانَ بْنِ قَيْسٍ، أَنَّ عَبِيدَةَ، دَعَا بِكُتُبِهِ، فَمَحَاهَا عِنْدَ الْمَوْتِ، وَقَالَ: إِنِّي أَخَافُ أَنْ يَلِيَهَا قَوْمٌ، فَلَا يَضَعُونَهَا مَوَاضِعَهَا

 

إسناده صحيح

أخبرنا محمد بن يوسف، وعبيد الله، عن سفيان، عن نعمان بن قيس، أن عبيدة، دعا بكتبه، فمحاها عند الموت، وقال: إني أخاف أن يليها قوم، فلا يضعونها مواضعها إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৪৮২

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৪২. যিনি হাদীস লিখে রাখার পক্ষে মতামত প্রদান করেন না

৪৮২. লাইছ থেকে, তিনি মুজাহিদ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি খাতায় ইলম লিপিবদ্ধ করাকে অপছন্দ করতেন।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ যয়ীফ, লাইছ যয়ীফ হওয়ার কারণে। (সহীহ শাহিদ থাকার কারণে এটি সহীহ। তাখরীজে দেখুন।-অনুবাদক)

 

তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা, ৯/১৮ নং ৬৩৫৯; খতীব, তাক্বয়ীদুল ইলম পৃ: ৪৭ লাইছ থেকে মাওকুফ হিসেবে।

 

এর শাহিদ পূর্ববর্তী ৪৭৯ নং হাদীসটি, যা সহীহ।

بَابُ مَنْ لَمْ يَرَ كِتَابَةَ الْحَدِيثِ

أَخْبَرَنَا الْحَكَمُ بْنُ الْمُبَارَكِ، وَزَكَرِيَّا بْنُ عَدِيٍّ، عَنْ عَبْدِ الْوَاحِدِ بْنِ زِيَادٍ، عَنْ لَيْثٍ، عَنْ مُجَاهِدٍ، أَنَّهُ كَرِهَ أَنْ يُكْتَبَ الْعِلْمُ فِي الْكَرَارِيسِ

 

إسناده ضعيف لضعف ليث وهو: ابن أبي سليم

أخبرنا الحكم بن المبارك، وزكريا بن عدي، عن عبد الواحد بن زياد، عن ليث، عن مجاهد، أنه كره أن يكتب العلم في الكراريس إسناده ضعيف لضعف ليث وهو: ابن أبي سليم

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৪৮৩

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৪২. যিনি হাদীস লিখে রাখার পক্ষে মতামত প্রদান করেন না

৪৮৩. আওযায়ী হতে বর্ণিত, তিনি বলেন: লোকদের (মাঝে) এ জ্ঞান অর্জন সম্মানের সাথেই অব্যাহত থাকবে যতদিন পর্যন্ত তা গ্রন্থ বা পুস্তিকায় লিপিবদ্ধ করা না হবে এবং তা (এ ইলম)  কিংবা এর (ইলমের) মধ্যে যথাযোগ্য ব্যক্তি ব্যতীত অন্যরা তা বহন না করবে বা এতে অনুপ্রবেশ না করবে।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: খতীব, তাক্বয়ীদুল ইলম পৃ: ৬৪; ইবনু আব্দুল বার, জামি’ বায়ানিল ইলম নং ৩৭১ সহীহ সনদে।

بَابُ مَنْ لَمْ يَرَ كِتَابَةَ الْحَدِيثِ

أَخْبَرَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ صَالِحٍ، حَدَّثَنَا ابْنُ الْمُبَارَكِ، عَنِ الْأَوْزَاعِيِّ، قَالَ: مَا زَالَ هَذَا الْعِلْمُ عَزِيزًا، يَتَلَقَّاهُ الرِّجَالُ، حَتَّى وَقَعَ فِي الصُّحُفِ، فَحَمَلَهُ أَوْ دَخَلَ فِيهِ غَيْرُ أَهْلِهِ

 

إسناده صحيح

أخبرنا عبد الرحمن بن صالح، حدثنا ابن المبارك، عن الأوزاعي، قال: ما زال هذا العلم عزيزا، يتلقاه الرجال، حتى وقع في الصحف، فحمله أو دخل فيه غير أهله إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৪৮৪

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৪২. যিনি হাদীস লিখে রাখার পক্ষে মতামত প্রদান করেন না

৪৮৪. শু’বাহ, ইউনুস হতে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: হাসান নিজে (ইলম) লিপিবদ্ধ করে রাখতেন এবং অন্যদের দিয়েও লেখাতেন; কিন্তু ইবনু সীরীন লিখতেনও না, অন্যদের দ্বারাও লেখাতেন না।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: দেখুন, জামি’ বায়ানিল ইলম ১/৯০ নং ৩৮৭, ৩৯০।

بَابُ مَنْ لَمْ يَرَ كِتَابَةَ الْحَدِيثِ

أَخْبَرَنَا يُوسُفُ بْنُ مُوسَى، حَدَّثَنَا أَبُو دَاوُدَ الطَّيَالِسِيُّ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ يُونُسَ، قَالَ: «كَانَ الْحَسَنُ يَكْتُبُ وَيُكْتِبُ» وَكَانَ ابْنُ سِيرِينَ لَا يَكْتُبُ وَلَا يُكْتِبُ

 

إسناده صحيح

أخبرنا يوسف بن موسى، حدثنا أبو داود الطيالسي، حدثنا شعبة، عن يونس، قال: «كان الحسن يكتب ويكتب» وكان ابن سيرين لا يكتب ولا يكتب إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৪৮৫

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৪২. যিনি হাদীস লিখে রাখার পক্ষে মতামত প্রদান করেন না

৪৮৫. ইবরাহীম তাইমী হতে বর্ণিত, তিনি বলেন: ইবনু মাসউদ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু’র নিকট খবর পৌঁছল যে, লোকদের নিকট একটি কিতাব (লেখা) রয়েছে যা তাদেরকে বিস্মিত/আনন্দিত করছে। আর তার নিকট এটি নিয়ে আসার আগ পর্যন্ত তা অব্যাহত রইল। আর যখন তার নিকট এটি নিয়ে আসা হলো, তখন তিনি এটি মুছে/নিশ্চিহ্ন করে দিলেন এবং বললেন: তোমাদের পূর্ববর্তী আহলে কিতাবদের (ইয়াহুদী ও খৃস্টানদের) ধ্বংসের কারণ তারা তাদের উলামাগণের (লিখিত) কিতাবসমূহে আত্মনিয়োগ করেছিলো, কিন্তু তাদের রবের কিতাবকে পরিত্যাগ করেছিলো।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: খতীব, তাক্বয়ীদুল ইলম পৃ: ৫৬; ইবনু আব্দুল বার, জামি’ বায়ানিল ইলম নং ৩১৯ সহীহ সনদে।

بَابُ مَنْ لَمْ يَرَ كِتَابَةَ الْحَدِيثِ

أَخْبَرَنَا يَزِيدُ، أَنبَأَنَا الْعَوَّامُ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ التَّيْمِيِّ، قَالَ: بَلَغَ ابْنَ مَسْعُودٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ، أَنَّ عِنْدَ نَاسٍ كِتَابًا يُعْجَبُونَ بِهِ، فَلَمْ يَزَلْ بِهِمْ حَتَّى أَتَوْهُ بِهِ، فَمَحَاهُ ثُمَّ قَالَ: «إِنَّمَا هَلَكَ أَهْلُ الْكِتَابِ قَبْلَكُمْ، أَنَّهُمْ أَقْبَلُوا عَلَى كُتُبِ عُلَمَائِهِمْ، وَتَرَكُوا كِتَابَ رَبِّهِمْ

 

إسناده صحيح

أخبرنا يزيد، أنبأنا العوام، عن إبراهيم التيمي، قال: بلغ ابن مسعود رضي الله عنه، أن عند ناس كتابا يعجبون به، فلم يزل بهم حتى أتوه به، فمحاه ثم قال: «إنما هلك أهل الكتاب قبلكم، أنهم أقبلوا على كتب علمائهم، وتركوا كتاب ربهم إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৪৮৬

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৪২. যিনি হাদীস লিখে রাখার পক্ষে মতামত প্রদান করেন না

৪৮৬. মুহাম্মদ হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি উবাইদাহকে জিজ্ঞেস করলাম: আমি আপনার নিকট থেকে যা কিছু শুনি, তা কি আমি লিপিবদ্ধ করতে পারি? তিনি বললেন: না। আমি বললাম: তাহলে আমি যদি কোনো কিতাব/লিখিত কিছু পাই, তবে আমি কি সেটা পড়তে পারি? তিনি বললেন: না।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: খতীব, তাক্বয়ীদুল ইলম পৃ: ৪৫; ইবনু আব্দুল বার, জামি’ বায়ানিল ইলম নং ৩৬০; ইবনু আবী শাইবা ৯/১৭ নং ৬৩৫৬; আবু খাইছামা, আল ইলম নং ১৫০।

بَابُ مَنْ لَمْ يَرَ كِتَابَةَ الْحَدِيثِ

أَخْبَرَنَا أَبُو النُّعْمَانِ، حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ، عَنِ ابْنِ عَوْنٍ، عَنْ مُحَمَّدٍ، قَالَ: قُلْتُ لِعَبِيدَةَ أَكْتُبُ مَا أَسْمَعُ مِنْكَ، قَالَ: «لَا» قُلْتُ: فَإِنْ وَجَدْتُ كِتَابًا أَقْرَؤُهُ، قَالَ: لَا

 

أخبرنا أبو النعمان، حدثنا حماد بن زيد، عن ابن عون، عن محمد، قال: قلت لعبيدة أكتب ما أسمع منك، قال: «لا» قلت: فإن وجدت كتابا أقرؤه، قال: لا

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৪৮৭

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৪২. যিনি হাদীস লিখে রাখার পক্ষে মতামত প্রদান করেন না

৪৮৭. আবু নাযরাহ বলেন: আমি আবু সাঈদ খুদরী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুকে বললাম: আপনি কি আমাদেরকে (হাদীস) লেখাবেন না? কেননা, আমরা মনে রাখতে পারি না। তখন তিনি বললেন: না। আমরা কখনোই তোমাদেরকে লেখেবো না, আর না আমরা একে কুরআনে (’র মতো কিতাবে) পরিণত করব। বরং আমরা যেভাবে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে মুখস্ত বা স্মরণ রেখেছি, তোমরাও তদ্রূপ আমাদের থেকে মুখস্ত বা হিফয করো।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: খতীব, তাক্বয়ীদুল ইলম পৃ: ৩৮ সহীহ সনদে, পৃ: ৩৬, ৩৭, ৩৮ অপর সনদে; ইবনু আব্দুল বার, জামি’ বায়ানিল ইলম নং ৩৩৮, ৩৩৯,৩৪০; ইবনু আবী শাইবা ৯/৫২ নং ৬৪৯১; রমহরমুযী, আল মুহাদ্দিসুল ফাসিল নং ৩৬৩ সবাই বিভিন্ন সনদে বর্ণনা করেছেন।

بَابُ مَنْ لَمْ يَرَ كِتَابَةَ الْحَدِيثِ

أَخْبَرَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ، أَنبَأَنَا الْجُرَيْرِيُّ، عَنْ أَبِي نَضْرَةَ، قَالَ: قُلْتُ لِأَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ،: أَلَا تُكْتِبُنَا، فَإِنَّا لَا نَحْفَظُ؟ فَقَالَ: «لَا، إِنَّا لَنْ نُكْتِبَكُمْ، وَلَنْ نَجْعَلَهُ قُرْآنًا، وَلَكِنِ احْفَظُوا عَنَّا، كَمَا حَفِظْنَا نَحْنُ عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ

 

إسناده صحيح

أخبرنا يزيد بن هارون، أنبأنا الجريري، عن أبي نضرة، قال: قلت لأبي سعيد الخدري رضي الله عنه،: ألا تكتبنا، فإنا لا نحفظ؟ فقال: «لا، إنا لن نكتبكم، ولن نجعله قرآنا، ولكن احفظوا عنا، كما حفظنا نحن عن رسول الله صلى الله عليه وسلم إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৪৮৮

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৪২. যিনি হাদীস লিখে রাখার পক্ষে মতামত প্রদান করেন না

৪৮৮. আওযাঈ বলেন, আমি আবু কাছীরকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন, আমি আবু হুরাইরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুকে বলতে ‍শুনেছি: নিশ্চয়ই আবু হুরাইরা ( নিজে হাদীস) লিপিবদ্ধ করেন না এবং তিনি (অন্যকে দিয়েও) লেখান না।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ যয়ীফ, কেননা, মুহাম্মদ ইবনু কাছীর যয়ীফ। তবে এটি বর্ণনায় তিনি একাকী নন, তার অনুসরণে এটি আরও বর্ণনা করেছেন আল মু’আফা ইবনু ইমরান, আর তিনি নির্ভরযোগ্য। ফলে সেটি এর সনদকে নির্ভরযোগ্য (সহীহ) বানিয়ে দেয়। আল্লাহই ভাল জানেন।

 

তাখরীজ: আবু খায়ছামা, আল ইলম, নং ১৪০; ইবনু আব্দুল বার, জামি’ বায়ানিল ইলম নং ৩৫৭; খতীব, তাক্বয়ীদুল ইলম পৃ: ৪২।

بَابُ مَنْ لَمْ يَرَ كِتَابَةَ الْحَدِيثِ

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ كَثِيرٍ، عَنِ الْأَوْزَاعِيِّ، قَالَ: سَمِعْتُ أَبَا كَثِيرٍ، يَقُولُ: سَمِعْتُ أَبَا هُرَيْرَةَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ، يَقُولُ: إِنَّ أَبَا هُرَيْرَةَ لَا يَكْتُبُ وَلَا يُكْتِبُ

 

إسناده ضعيف لضعف محمد بن كثير الصنعاني ولكنه لم ينفرد به بل تابعه عليه المعافى بن عمران وهو ثقة فيصح الإسناد

حدثنا محمد بن كثير، عن الأوزاعي، قال: سمعت أبا كثير، يقول: سمعت أبا هريرة رضي الله عنه، يقول: إن أبا هريرة لا يكتب ولا يكتب إسناده ضعيف لضعف محمد بن كثير الصنعاني ولكنه لم ينفرد به بل تابعه عليه المعافى بن عمران وهو ثقة فيصح الإسناد

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৪৮৯

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৪২. যিনি হাদীস লিখে রাখার পক্ষে মতামত প্রদান করেন না

৪৮৯. হুমাইদ ইবনু হিলাল, আবু বুরদাহ হতে বর্ণনা করেন: তিনি তার পিতার হাদীস লিপিবদ্ধ করতেন। তারপর যখন আবু মুসা তা দেখলেন, তখন সেটা মুছে দিলেন।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ যয়ীফ। কেননা, আবু মুসা অজ্ঞাত পরিচয়। (তবে অপর দু’টি সহীহ ও জাইয়্যেদ সনদে এটি আবূ বুরদা হতে বর্ণিত আছে। তাখরীজ দেখুন-অনুবাদক)

 

তাখরীজ: রমহরমুযী, আল মুহাদ্দিসুল ফাসিল নং ৩৬৯; খতীব, তাক্বয়ীদুল ইলম পৃ: ৩৯-৪০ সহীহ সনদে,; ইবনু আব্দুল বার, জামি’ বায়ানিল ইলম নং ৩৪৭; ইবনু আবী শাইবা ৯/৫৩ নং ৬৪৯৫; আবু খায়ছামা, আল ইলম, নং ১৪০ জায়্যেদ সনদে।

بَابُ مَنْ لَمْ يَرَ كِتَابَةَ الْحَدِيثِ

أَخْبَرَنَا أَسَدُ بْنُ مُوسَى، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ أَبِي مُوسَى، عَنْ حُمَيْدِ بْنِ هِلَالٍ، عَنْ أَبِي بُرْدَةَ أَنَّهُ كَانَ يَكْتُبُ حَدِيثَ أَبِيهِ، فَرَآهُ أَبُو مُوسَى، فَمَحَاهُ

 

إسناده ضعيف لجهالة أبي موسى

أخبرنا أسد بن موسى، حدثنا شعبة، عن أبي موسى، عن حميد بن هلال، عن أبي بردة أنه كان يكتب حديث أبيه، فرآه أبو موسى، فمحاه إسناده ضعيف لجهالة أبي موسى

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৪৯০

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৪২. যিনি হাদীস লিখে রাখার পক্ষে মতামত প্রদান করেন না

৪৯০. কুরাইশ ইবনু আনাস বলেন, আমাকে ইবনু আউন বলেন: আল্লাহর কসম! আমি কখনোই কোনো হাদীস লিপিবদ্ধ করিনি। তিনি বলেন: আর ইবনু সীরীন বলেন: না, আল্লাহর কসম! আমি কখনোই কোনো হাদীস লিপিবদ্ধ করিনি।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এ সনদে কুরাইশ ইবনু আনাস রয়েছেন, তিনি (বৃদ্ধ বয়সে মৃত্যুর পূর্বে হাদীস বর্ণনায়) তালগোল পাকিয়ে ফেলতেন। তবে তিনি ইমাম বুখারীর, আস সহীহ’ গ্রন্থের একজন বর্ণনাকারী…।

 

তাখরীজ: রমহরমুযী, আল মুহাদ্দিসুল ফাসিল নং ৩৬৮।

بَابُ مَنْ لَمْ يَرَ كِتَابَةَ الْحَدِيثِ

أَخْبَرَنَا الْوَلِيدُ بْنُ شُجَاعٍ، حَدَّثَنِي قُرَيْشُ بْنُ أَنَسٍ، قَالَ: قَالَ لِي: ابْنُ عَوْنٍ، وَاللَّهِ مَا كَتَبْتُ حَدِيثًا قَطُّ، قَالَ: وقال ابْنُ سِيرِينَ لَا وَاللَّهِ مَا كَتَبْتُ حَدِيثًا قَطُّ

 

أسناده فيه قريش بن أنس وقد اختلط وهو من رجال البخاري في صحيحه

أخبرنا الوليد بن شجاع، حدثني قريش بن أنس، قال: قال لي: ابن عون، والله ما كتبت حديثا قط، قال: وقال ابن سيرين لا والله ما كتبت حديثا قط أسناده فيه قريش بن أنس وقد اختلط وهو من رجال البخاري في صحيحه

 হাদিসের মানঃ তাহকীক অপেক্ষমাণ  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৪৯১

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৪২. যিনি হাদীস লিখে রাখার পক্ষে মতামত প্রদান করেন না

৪৯১. ইবনু সীরীন, যায়েদ ইবনু ছাবিত রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণনা করেন: মদীনার আমীর মারওয়ান ইবনুল হাকাম চাইলো আমি যেনো তাকে কিছু লিখে দেই। তিনি বলেন: কিন্তু আমি তাকে কিছু লিখে দিলাম না। রাবী বলেন: তারপর সে তার মজলিস ও তার বাড়ীর বাকী অংশের মাঝে একটি পর্দা দিয়ে দিলেন। তিনি (রাবী) বলেন: তার সাথীরা তার নিকট এসে এ স্থানে বসে কথা-বার্তা বলতে লাগলো। তখন মারওয়ান তার সাথীদের কাছে এসে বললো: আমাদেরকে দেখে মনে হচ্ছে যে, ’আমরা তার সাথে খেয়ানত করেছি।’ এরপর সে আমার নিকট এলো। তিনি বলেন: আমি বললাম: ওটা আবার কী? সে বলল: আমাদেরকে দেখে মনে হচ্ছে যে, ’আমরা আপনার সাথে খেয়ানত করেছি (তথা আপনার বিনা অনুমতিতে গোপনে আমরা আপনার মতামত লিখার জন্য পর্দার পেছনে লোককে বসিয়েছি)।’ তিনি বলেন: আমি বললাম: সেটা আবার কী? সে বলল: আমরা একজন লোককে এ পর্দার পিছনে বসে এসকল লোকদেরকে আপনি যে ফাতওয়া দেন এবং যে সকল কথাবার্তা বলেন, তা লিখতে নির্দেশ দিয়েছি।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ পূর্বের হাদীসের সনদের অনুরূপ। (তবে অন্য শব্দে ইবনু আব্দুল বারর এটি বর্ণনা করেছেন যার সনদ সহীহ। তাখরীজ দ্রষ্টব্য।- অনুবাদক)

 

তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ৯/৫৩ নং ৬৪৯৭ সংক্ষেপে; ইবনু আব্দুল বার, জামি’ বায়ানিল ইলম নং ৩৪৯; ইবনু সা’দ, আত তাবাকাত ২/২/১১৭ এভাবে: মারওয়ান পর্দার পিছনে যাইদ ইবনু ছাবিতের জন্য কয়েকজন লোককে বসিয়ে রেখেছিলো এবং তারপর তাকে ডেকে তাকে প্রশ্ন করছিলো এবং তারা তার কথা লিখতে ছিলো। যখন যায়েদ এদেরকে দেখতে পেলেন, তখন বললেন: হে মারওয়ান, আমি ওযর পেশ করছি, আমি কিন্তু আমার নিজস্ব রায় বা মতামত থেকে বলছি।” এর সনদ সহীহ।

 

তাবারানী, কাবীর ৫/১৩৭ নং ৪৮৭১ এ অতি দুর্বল সনদে।

بَابُ مَنْ لَمْ يَرَ كِتَابَةَ الْحَدِيثِ

قَالَ ابْنُ عوْنٍ، قَالَ لِي: ابْنُ سِيرينَ، عنْ زيْدِ بْنِ ثابتٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ أَرَادِنِي مرْوانُ بْنُ الْحَكَمِ – وَهُوَ أَمِيرٌ عَلَى الْمَدِينَةِ – أنْ أُكْتِبَهُ شَيْئًا، قَالَ: «فَلَمْ أَفْعَلْ»، قَالَ: «فَجَعَلَ سِتْرًا بَيْنَ مَجْلِسِهِ وَبَيْنَ بَقِيَّةِ دَارِهِ» قَالَ: فَكَانَ أَصْحَابُهُ يَدْخُلُونَ عَلَيْهِ، وَيَتَحَدَّثُونَ فِي ذَلِكَ الْمَوْضِعِ، فَأَقْبَلَ مَرْوَانُ عَلَى أَصْحَابِهِ، فَقَالَ: مَا أُرَانَا إِلَّا قَدْ خُنَّاهُ، ثُمَّ أَقْبَلَ عَلَيَّ قَالَ: قُلْتُ وَمَا ذَاكَ؟ قَالَ: مَا أُرَانَا إِلَّا قَدْ خُنَّاكَ، قَالَ: قُلتُ: وَمَا ذَاكَ؟ قَالَ: إِنَّا أَمَرْناَ رَجُلًا يَقْعُدُ خَلْفَ هَذَا السِّتْرِ فَيَكْتُبَ مَا تُفْتِي هَؤُلَاءِ وَمَا تَقُولُ

 

إسناده صحيح

قال ابن عون، قال لي: ابن سيرين، عن زيد بن ثابت رضي الله عنه أرادني مروان بن الحكم – وهو أمير على المدينة – أن أكتبه شيئا، قال: «فلم أفعل»، قال: «فجعل سترا بين مجلسه وبين بقية داره» قال: فكان أصحابه يدخلون عليه، ويتحدثون في ذلك الموضع، فأقبل مروان على أصحابه، فقال: ما أرانا إلا قد خناه، ثم أقبل علي قال: قلت وما ذاك؟ قال: ما أرانا إلا قد خناك، قال: قلت: وما ذاك؟ قال: إنا أمرنا رجلا يقعد خلف هذا الستر فيكتب ما تفتي هؤلاء وما تقول إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৪৯২

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৪২. যিনি হাদীস লিখে রাখার পক্ষে মতামত প্রদান করেন না

৪৯২. মানসুর বলেন: আমি ইবরাহীমকে বললাম, সালিম কি আপনার থেকে হাদীস (সংরক্ষণ)-এর ক্ষেত্রে অধিক পূর্ণাঙ্গ? তিনি বললেন: (হতে পারে, কারণ) সালিম হাদীস লিখে রাখতেন।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: ইবনু সা’দ, আত তাবাকাত ৬/২০৩; রমহরমুযী, আল মুহাদ্দিসুল ফাসিল নং ৩৪৯; খতীব, তাক্বয়ীদুল ইলম পৃ: ১০৮-১০৯; ইবনু আব্দুল বার, জামি’ বায়ানিল ইলম নং ৩৮৫।

بَابُ مَنْ لَمْ يَرَ كِتَابَةَ الْحَدِيثِ

أَخْبَرَنَا عَفَّانُ، حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ الْقَطَّانُ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ مَنْصُورٍ قَالَ: قُلْتُ لِإِبْرَاهِيمَ: إِنَّ سَالِمًا أَتَمُّ مِنْكَ حَدِيثًا؟ قَالَ: إِنَّ سَالِمًا كَانَ يَكْتُبُ

 

إسناده صحيح

أخبرنا عفان، حدثنا يحيى بن سعيد القطان، حدثنا سفيان، عن منصور قال: قلت لإبراهيم: إن سالما أتم منك حديثا؟ قال: إن سالما كان يكتب إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৪৯৩

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৪২. যিনি হাদীস লিখে রাখার পক্ষে মতামত প্রদান করেন না

৪৯৩. আমর ইবনু কায়িস বলেন: যখন মুয়াবিয়া রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু মৃত্যু বরণ করলেন, তখন আমি ইয়াযীদ ইবনু মুয়াবিয়াকে সান্ত্বনা দেওয়ার উদ্দেশ্যে এবং শাসনভার লাভের কারণে তাকে অভিনন্দন জানানোর উদ্দেশ্যে হুওয়ারিণ শহরে আমার পিতার সাথে তার নিকট গমন করলাম। তখন সেখানকার মসজিদে এক ব্যক্তি বলছিলেন: জেনে রাখ! কিয়ামতের আলামত সমূহের মধ্যে রয়েছে, নিকৃষ্ট লোকদের উচ্চাসনে বসা এবং উত্তম লোকদের অপদস্থ হওয়া।

জেনে রাখ! কিয়ামতের আলামতের মধ্যে রয়েছে (আপন) মত জাহির করা এবং আমল সঞ্চয় করা।

আরও জেনে রাখো! কিয়ামতের আলামতের মধ্যে রয়েছে ’আল-মাছনাহ’[1] পঠিত হবে (অনুসরণ করা হবে) কিন্তু তাতে বাধা দেওয়ার মত কাউকে পাওয়া যাবে না।

তাকে বলা হলো: ’আল মাছনাহ’ আবার কী? তিনি বললেন: কুরআন ব্যতীত অন্য যে কোনো কিতাব লিখিয়ে নেয়া। কেননা, কুরআনকে আঁকড়ে ধরা তোমাদের উপর অপরিহার্য্য। কারণ এর মাধ্যমেই তোমাদেরকে হেদায়েত করা হয়েছে এবং এর জন্যই তোমাদেরকে প্রতিদান দান করা হবে এবং এ সম্পর্কেই তোমাদেরকে জিজ্ঞাসা করা হবে।

আমি জানতাম না লোকটি কে। ফলে যখন আমি হাদীসটি হিমসে বর্ণনা করছিলাম, তখন লোকদের মধ্য থেকে এক ব্যক্তি আমাকে বলল: হায়! তুমি কি তাকে (বর্ণনাকারীকে) চিনতে পারনি? আমি বললাম: না। সে বলল: তিনি হলেন আব্দুল্লাহ ইবনু আমর রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা।[2]

[1] মাছনাহ’ বলতে এখানে বনী ইসরাঈলের আহবার (আলিমগণ) মুসা আলাইহিস সালামের পরে তাওরাত ব্যতীত অন্যান্য যে সকল কিতাব রচনা করেছিল- ইবনুল আছীর০ মুহাক্কিক্বেরে টীকা।

 

[2] তাহক্বীক্ব: এর সনদ জাইয়্যেদ (উত্তম)।

 

তাখরীজ: হাকিম, ৪/৫৫৪- ৫৫৫।

بَابُ مَنْ لَمْ يَرَ كِتَابَةَ الْحَدِيثِ

أَخْبَرَنَا الْوَلِيدُ بْنُ هِشَامٍ، حَدَّثَنَا الْحَارِثُ بْنُ يَزِيدَ الْحِمْصِيُّ، عَنْ عَمْرِو بْنِ قَيْسٍ، قَالَ: وَفَدْتُ مَعَ أَبِي إِلَى يَزِيدَ بْنِ مُعَاوِيَةَ بِحُوَّارَيْنَ حِينَ تُوُفِّيَ مُعَاوِيَةُ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ، نُعَزِّيهِ وَنُهَنِّيهِ بِالْخِلَافَةِ، فَإِذَا رَجُلٌ فِي مَسْجِدِهَا يَقُولُ: أَلَا إِنَّ مِنْ أَشْرَاطِ السَّاعَةِ أَنْ يُرْفَعَ الْأَشْرَارُ، وَيُوضَعَ الْأَخْيَارُ. أَلَا إِنَّ «مِنْ أَشْرَاطِ السَّاعَةِ، أَنْ يَظْهَرَ الْقَوْلُ وَيُخْزَنَ الْعَمَلُ، أَلَا إِنَّ مِنْ أَشْرَاطِ السَّاعَةِ، أَنْ تُتْلَى الْمَثْنَاةُ فَلَا يُوجَدُ مَنْ يُغَيِّرُهَا»، قِيلَ لَهُ: وَمَا الْمَثْنَاةُ؟ قَالَ: «مَا اسْتُكْتِبَ مِنْ كِتَابٍ غَيْرِ الْقُرْآنِ، فَعَلَيْكُمْ بِالْقُرْآنِ فَبِهِ هُدِيتُمْ، وَبِهِ تُجْزَوْنَ، وَعَنْهُ تُسْأَلُونَ». فَلَمْ أَدْرِ مَنِ الرَّجُلُ، فَحَدَّثْتُ هَذَا الْحَدِيثِ بَعْدَ ذَلِكَ بِحِمْصَ، فَقَالَ لِي رَجُلٌ مِنَ الْقَوْمِ: أَوَ مَا تَعْرِفُهُ؟ قُلْتُ: لَا. قَالَ: ذَلِكَ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عَمْرٍو رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا

 

إسناده جيد

أخبرنا الوليد بن هشام، حدثنا الحارث بن يزيد الحمصي، عن عمرو بن قيس، قال: وفدت مع أبي إلى يزيد بن معاوية بحوارين حين توفي معاوية رضي الله عنه، نعزيه ونهنيه بالخلافة، فإذا رجل في مسجدها يقول: ألا إن من أشراط الساعة أن يرفع الأشرار، ويوضع الأخيار. ألا إن «من أشراط الساعة، أن يظهر القول ويخزن العمل، ألا إن من أشراط الساعة، أن تتلى المثناة فلا يوجد من يغيرها»، قيل له: وما المثناة؟ قال: «ما استكتب من كتاب غير القرآن، فعليكم بالقرآن فبه هديتم، وبه تجزون، وعنه تسألون». فلم أدر من الرجل، فحدثت هذا الحديث بعد ذلك بحمص، فقال لي رجل من القوم: أو ما تعرفه؟ قلت: لا. قال: ذلك عبد الله بن عمرو رضي الله عنهما إسناده جيد

 হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৪৯৪

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৪২. যিনি হাদীস লিখে রাখার পক্ষে মতামত প্রদান করেন না

৪৯৪. মুররাহ আল হামদানী বলেন, আবু মুররাহ আল কিনদী শাম হতে একটি কিতাব নিয়ে আসলেন। এরপর সেটি নিয়ে আব্দুল্লাহ ইবনু মাসউদ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুকে দিলেন। তিনি এর দিকে তাকিয়ে একটি থালা (ট্রে) এবং পানি আনালেন এবং একে তাতে ডুবিয়ে হাত দিয়ে ডলতে লাগলেন আর বললেন: তোমাদের পূর্ববর্তীগণ নিশ্চয় ধ্বংস হয়েছে তাদের প্রতি প্রেরিত কিতাব (তাওরাত) কে পরিত্যাগ করে (তাদের লিখিত) অন্যান্য কিতাবের অনুসরণ করার কারণে।[1]

হুসাইন (বর্ণনাকারী) বলেন: এরপর মুররাহ বললেন: জেনে রাখো! যদি সেটি কুরআন কিংবা সুন্নাহ (বা হাদীস)-এর অংশ বিশেষ হতো, তবে তিনি অবশ্যই তা মুছে দিতেন না। কিন্তু সেটি ছিল মূলত: আহলে কিতাবদের কিতাবসমূহের অংশবিশেষ।

[1] তাহক্বীক্ক: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: খতীব, তাক্বয়ীদুল ইলম, পৃ: ৫৩; আরো দেখুন, ইবনু আবী শাইবা ৯/১৭ নং ৬৩৫৫।

بَابُ مَنْ لَمْ يَرَ كِتَابَةَ الْحَدِيثِ

أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ يُونُسَ، حَدَّثَنَا أَبُو زُبَيْدٍ، حَدَّثَنَا حُصَيْنٌ، عَنْ مُرَّةَ الْهَمْدَانِيِّ، قَالَ: جَاءَ أَبُو قُرَّةَ الْكِنْدِيُّ بِكِتَابٍ مِنَ الشَّامِ، فَحَمَلَهُ فَدَفَعَهُ إِلَى عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَسْعُودٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ، فَنَظَرَ فِيهِ فَدَعَا بِطَسْتٍ، ثُمَّ دَعَا بِمَاءٍ فَمَرَسَهُ فِيهِ، وَقَالَ: «إِنَّمَا هَلَكَ مَنْ كَانَ قَبْلَكُمْ بِاتِّبَاعِهِمُ الْكُتُبَ وَتَرْكِهِمْ كِتَابَهُمْ» قَالَ: حُصَيْنٌ فَقَالَ مُرَّةُ: أَمَا إِنَّهُ لَوْ كَانَ مِنَ الْقُرْآنِ أَوِ السُّنَّةِ لَمْ يَمْحُهُ، وَلَكِنْ كَانَ مِنْ كُتُبِ أَهْلِ الْكِتَابِ

 

إسناده صحيح

أخبرنا أحمد بن عبد الله بن يونس، حدثنا أبو زبيد، حدثنا حصين، عن مرة الهمداني، قال: جاء أبو قرة الكندي بكتاب من الشام، فحمله فدفعه إلى عبد الله بن مسعود رضي الله عنه، فنظر فيه فدعا بطست، ثم دعا بماء فمرسه فيه، وقال: «إنما هلك من كان قبلكم باتباعهم الكتب وتركهم كتابهم» قال: حصين فقال مرة: أما إنه لو كان من القرآن أو السنة لم يمحه، ولكن كان من كتب أهل الكتاب إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৪৯৫

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৪২. যিনি হাদীস লিখে রাখার পক্ষে মতামত প্রদান করেন না

৪৯৫. ইয়াহইয়া ইবনু জা’দাহ বলেন: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নিকট একটি কিতাব কাঁধে বহন করে নিয়ে আসা হলো। তখন তিনি বললেন: কোন ক্বওমের পথভ্রষ্ট হওয়ার জন্য এতটুকুই যথেষ্ট যে, তাদের নবী যে সকল বিষয়সমূহ নিয়ে এসেছেন, তা বর্জন করে তাদের নবী ব্যতীত অন্য নবী যা নিয়ে এসেছিলেন, তারা সেই সকল বিষয়সমূহের প্রতি মনোযোগী/আগ্রহী হবে কিংবা তাদের (নবী কর্তৃক আনীত) কিতাবকে বাদ অন্য কিতাবের প্রতি মনোযোগী/আগ্রহী হবে। তারপর আল্লাহ আযযা ওয়া জাল্লা নাযিল করলেন: “তাদের জন্য কি এটাই যথেষ্ট নয় যে, আমি আপনার উপর কিতাব নাযিল করেছি যা তাদের নিকট পাঠ করা হচ্ছে? নিশ্চয় যারা ঈমান এনেছে, সেই সকল লোকদের জন্য এতে রহমত ও উপদেশ রয়েছে ।”- (সূরা আনকাবুত: ৫১)।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ। কিন্তু এটি মুরসাল।

 

তাখরীজ: আবু দাউদ, মারাসিল নং ৪৫৪; ইবনু জারীর তাবারী, আত তাফসীর ২১/৭ যয়ীফ সনদে…।

بَابُ مَنْ لَمْ يَرَ كِتَابَةَ الْحَدِيثِ

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ عَمْرٍو، عَنْ يَحْيَى بْنِ جَعْدَةَ، قَالَ أُتِيَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِكَتِفٍ فِيهِ كِتَابٌ، فَقَالَ: ” كَفَى بِقَوْمٍ ضَلَالًا، أَنْ يَرْغَبُوا عَمَّا جَاءَ بِهِ نَبِيُّهُمْ، إِلَى مَا جَاءَ بِهِ نَبِيٌّ غَيْرُ نَبِيِّهِمْ، أَوْ كِتَابٌ غَيْرُ كِتَابِهِمْ، فَأَنْزَلَ اللَّهُ عَزَّ وَجَلَّ (أَوَلَمْ يَكْفِهِمْ أَنَّا أَنْزَلْنَا عَلَيْكَ الْكِتَابَ يُتْلَى عَلَيْهِمْ إِنَّ فِي ذَلِكَ لَرَحْمَةً وَذِكْرَى لِقَوْمٍ يُؤْمِنُونَ) [العنكبوت: 51] ” الْآيَةَ

 

إسناده صحيح وهو مرسل

أخبرنا محمد بن أحمد، حدثنا سفيان، عن عمرو، عن يحيى بن جعدة، قال أتي النبي صلى الله عليه وسلم بكتف فيه كتاب، فقال: ” كفى بقوم ضلالا، أن يرغبوا عما جاء به نبيهم، إلى ما جاء به نبي غير نبيهم، أو كتاب غير كتابهم، فأنزل الله عز وجل (أولم يكفهم أنا أنزلنا عليك الكتاب يتلى عليهم إن في ذلك لرحمة وذكرى لقوم يؤمنون) [العنكبوت: 51] ” الآية إسناده صحيح وهو مرسل

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৪৯৬

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৪২. যিনি হাদীস লিখে রাখার পক্ষে মতামত প্রদান করেন না

৪৯৬. আশ’আস তার পিতা থেকে বর্ণনা করেন, যিনি আব্দুল্লাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুর সাথী ছিলেন, তিনি বলেন: আমি এক ব্যক্তির নিকট একটি সহীফা (পুস্তিকা) দেখলাম যাতে রয়েছে: সুবহানাল্লাহ, ওয়ালহামদু লিল্লাহ, ওয়া লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ, ওয়াল্লাহু আকবার। তখন আমি তাকে বললাম: আমাকে এর একটি অনুলিপি করে দিন। সে যেনো এতে কৃপণতা দেখাতে লাগল। তারপর সে আমাকে সেটা দেওয়ার ওয়াদা করল। তারপর আমি যখন আব্দুল্লাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুর নিকট এলাম, তখন (দেখলাম) সেটি তার সামনে ছিল। তখন তিনি বললেন: এ কিতাবের মধ্যে যা কিছু আছে, সবই বিদ’আত, ফিতনা ও বিভ্রান্তি ও পথভ্রষ্টতা। আর এটিই এবং এর অনুরূপ বিষয়াবলীই তোমাদের পূর্ববর্তী জাতিসমূহকে ধ্বংস করেছে। (তা হলো) তারা সেগুলো লিখতো, তারপর এগুলো তাদের জবানকে খুব আনন্দ দিতো; এগুলো তাদের অন্তরসমূহ (গভীরভাবে) তাতে মজা উপভোগ করতো; আর সেগুলো প্রত্যেক ব্যক্তির উপর যাদুর প্রভাব বিস্তার করতো, যারা কোন কিতাবের মর্যাদা সম্পর্কে অবগত ছিল, সে-ই এর দিকে পথ দেখাতো। অত:পর আমি আল্লাহ’র কসম করে বলছি। শু’বা বলেন: তিনি আল্লাহর নামে কসম করলেন? তিনি (বর্ণনাকারী) বলেন: আমার ধারণা তিনি কসম করে (বললেন): যদি আমাদের দেখা কুফা হতে দূরে অবস্থিত ’দায়র হিন্দ’ নামক স্থানেও এটি বর্ণিত হতো, তবুও আমি তার নিকট যেতাম এমনকি পায়ে হেঁটে হলেও।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: খতীব, তাক্বয়ীদুল ইলম, পৃ: ৫৫; ইবনু আবী শাইবা, ৯/৫৩ নং ৬৪৯৮; ইবনু আব্দুল বার, জামি’ বায়ানিল ইলম নং ৩৫০ সহীহ সনদে

بَابُ مَنْ لَمْ يَرَ كِتَابَةَ الْحَدِيثِ

أَخْبَرَنَا سَهْلُ بْنُ حَمَّادٍ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنِ الْأَشْعَثِ، عَنْ أَبِيهِ، وَكَانَ مِنْ أَصْحَابِ عَبْدِ اللَّهِ قَالَ: رَأَيْتُ مَعَ رَجُلٍ صَحِيفَةً، فِيهَا سُبْحَانَ اللَّهِ، وَالْحَمْدُ لِلَّهِ، وَلَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ، وَاللَّهُ أَكْبَرُ، فَقُلْتُ لَهُ: أَنْسِخْنِيهَا، فَكَأَنَّهُ بَخِلَ بِهَا، ثُمَّ وَعَدَنِي أَنْ يُعْطِيَنِيهَا، فَأَتَيْتُ عَبْدَ اللَّهِ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ فَإِذَا هِيَ بَيْنَ يَدَيْهِ فَقَالَ: ” إِنَّ مَا فِي هَذَا الْكِتَابِ بِدْعَةٌ، وَفِتْنَةٌ، وَضَلَالَةٌ، وَإِنَّمَا أَهْلَكَ مَنْ كَانَ قَبْلَكُمْ هَذَا، وَأَشْبَاهُ هَذَا، إِنَّهُمْ كَتَبُوهَا، فَاسْتَلَذَّتْهَا أَلْسِنَتُهُمْ، وَأُشْرِبَتْهَا قُلُوبُهُمْ، فَأَعْزِمُ عَلَى كُلِّ امْرِئٍ يَعْلَمُ مكانِ كِتَابٍ، إِلَّا دَلَّ عَلَيْهِ، وَأُقْسِمُ بِاللَّهِ، – قَالَ: شُعْبَةُ فَأَقْسَمَ بِاللَّهِ؟ قَالَ: أَحْسَبُهُ أَقْسَمَ – لَوْ أَنَّهَا ذُكِرَتْ لهُ بِديرِ لهنْدِ نُراهُ – يَعْنِي مَكَانًا بِالْكُوفَةِ بَعِيدًا – لأتيْتهُ وَلَوْ مَشْيًا

 

إسناده صحيح

أخبرنا سهل بن حماد، حدثنا شعبة، عن الأشعث، عن أبيه، وكان من أصحاب عبد الله قال: رأيت مع رجل صحيفة، فيها سبحان الله، والحمد لله، ولا إله إلا الله، والله أكبر، فقلت له: أنسخنيها، فكأنه بخل بها، ثم وعدني أن يعطينيها، فأتيت عبد الله رضي الله عنه فإذا هي بين يديه فقال: ” إن ما في هذا الكتاب بدعة، وفتنة، وضلالة، وإنما أهلك من كان قبلكم هذا، وأشباه هذا، إنهم كتبوها، فاستلذتها ألسنتهم، وأشربتها قلوبهم، فأعزم على كل امرئ يعلم مكان كتاب، إلا دل عليه، وأقسم بالله، – قال: شعبة فأقسم بالله؟ قال: أحسبه أقسم – لو أنها ذكرت له بدير لهند نراه – يعني مكانا بالكوفة بعيدا – لأتيته ولو مشيا إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৪৯৭

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৪২. যিনি হাদীস লিখে রাখার পক্ষে মতামত প্রদান করেন না

৪৯৭. আবু বুরদাহ আবু মুসা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণনা করেন, বনী ইসরাঈলগণ একটি কিতাব লিখেছিল, তারপর তাওরাত ছেড়ে তারা সেটিই অনুসরণ করেছিল।’[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ আর তা মাওকুফ।

 

তাখরীজ: খতীব, তাক্বয়ীদুল ইলম পৃ: ৫৬; তাবারানী, আল কাবীর (মাজমাউল যাওয়াইদ, নং ৬৭৬, ৯৪০) মারফু’ হিসেবে হাসান সনদে।

بَابُ مَنْ لَمْ يَرَ كِتَابَةَ الْحَدِيثِ

أَخْبَرَنَا زَكَرِيَّا بْنُ عَدِيٍّ، حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ هُوَ ابْنُ عَمْرٍو، عَنْ عَبْدِ الْمَلِكِ بْنِ عُمَيْرٍ، عَنْ أَبِي بُرْدَةَ، عَنْ أَبِي مُوسَى رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ، «أَنَّ بَنِي إِسْرَائِيلَ كَتَبُوا كِتَابًا، فَتَبِعُوهُ، وَتَرَكُوا التَّوْرَاةَ

 

إسناده صحيح وهو موقوف

أخبرنا زكريا بن عدي، حدثنا عبيد الله هو ابن عمرو، عن عبد الملك بن عمير، عن أبي بردة، عن أبي موسى رضي الله عنه، «أن بني إسرائيل كتبوا كتابا، فتبعوه، وتركوا التوراة إسناده صحيح وهو موقوف

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৪৯৮

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৪২. যিনি হাদীস লিখে রাখার পক্ষে মতামত প্রদান করেন না

৪৯৮. ইফ্ফাক আল মুহারিবী তার পিতা হতে বর্ণনা করেন, তিনি ইবনু মাসউদ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুকে বলতে শুনেছেন, তিনি বলেন: লোকেরা আমার কথা শুনে, অত:পর তারা ফিরে গিয়ে তা লিখে রাখে। কিন্তু আমি কারো জন্য আল্লাহর কিতাব ব্যতীত অন্য কোনো কিছু লিপিবদ্ধ করাকে জায়েয মনে করি না।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ জায়্যেদ।

 

তাখরীজ: মুহাক্বিক্ব এর কোনো তাখরীজ করেননি।

بَابُ مَنْ لَمْ يَرَ كِتَابَةَ الْحَدِيثِ

أَخْبَرَنَا أَبُو نُعَيْمٍ، حَدَّثَنَا إِسْرَائِيلُ، عَنْ عُثْمَانَ بْنِ أَبِي الْمُغِيرَةِ، عَنْ عَفَّاقٍ الْمُحَارِبِيِّ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ: سَمِعْتُ ابْنَ مَسْعُودٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ، يَقُولُ: «إِنَّ نَاسًا يَسْمَعُونَ كَلَامِي، ثُمَّ يَنْطَلِقُونَ فَيَكْتُبُونَهُ، وَإِنِّي لَا أُحِلُّ لِأَحَدٍ أَنْ يَكْتُبَ إِلَّا كِتَابَ اللَّهِ عَزَّ وَجَلَّ

 

أخبرنا أبو نعيم، حدثنا إسرائيل، عن عثمان بن أبي المغيرة، عن عفاق المحاربي، عن أبيه، قال: سمعت ابن مسعود رضي الله عنه، يقول: «إن ناسا يسمعون كلامي، ثم ينطلقون فيكتبونه، وإني لا أحل لأحد أن يكتب إلا كتاب الله عز وجل

 হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৪৯৯

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৪২. যিনি হাদীস লিখে রাখার পক্ষে মতামত প্রদান করেন না

৪৯৯. ইবনু শুবরুমাহ বলেন, আমি শা’বীকে বলতে শুনেছি, আমি সাদা (পাতার) মধ্যে কখনো কালো দাগ দেইনি (কখনো কোনো কিছু লিপিবদ্ধ করিনি)। আর না লোকদের থেকে কোনো হাদীস পুনরায় শুনেছি।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: রমহরমুযী, আল মুহাদ্দিসুল ফাসিল নং ৩৬০; আবু খায়ছামাহ, আল ইলম, নং ২৮; খতীব, তারিখ বাগদাদ ১২/২২৯, আল জামি’ নং ১৮৩২; ইবনু আব্দুল বার, জামি’ বায়ানিল ইলম নং ৩৬৮,৩৬৯; আবু নুয়াইম, হিলইয়া ৪/৩২১।

بَابُ مَنْ لَمْ يَرَ كِتَابَةَ الْحَدِيثِ

أَخْبَرَنَا مَالِكُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ فُضَيْلٍ، عَنِ ابْنِ شُبْرُمَةَ، قَالَ: سَمِعْتُ الشَّعْبِيَّ، يَقُولُ: «مَا كَتَبْتُ سَوْدَاءَ فِي بَيْضَاءَ، وَلَا اسْتَعَدْتُ حَدِيثًا مِنْ إِنْسَانٍ

 

إسناده صحيح

أخبرنا مالك بن إسماعيل، حدثنا محمد بن فضيل، عن ابن شبرمة، قال: سمعت الشعبي، يقول: «ما كتبت سوداء في بيضاء، ولا استعدت حديثا من إنسان إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৫০০

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৪৩. যিনি ইলম লিপিবদ্ধ করার অনুমতি প্রদান করেন

৫০০. ওয়াহাব ইবনু মুনাব্বিহ তার ভাই থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, আবু হুরাইরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সাহাবীগণের মাঝে আমার চেয়ে অধিক হাদীস জানে এমন কেউ নেই। তবে আব্দুল্লাহ ইবনু আমর ব্যতীত। কারণ, তিনি লিখে রাখতেন, আর আমি লিখতাম না।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: সহীহ বুখারী, ৩১১; এর বিস্তারিত তাখরীজ করেছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৭১৫২।

بَابُ مَنْ رَخَّصَ فِي كِتَابَةِ الْعِلْمِ

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ عَمْرٍو، عَنْ وَهْبِ بْنِ مُنَبِّهٍ، عَنْ أَخِيهِ، سَمِعَ أَبَا هُرَيْرَةَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ، يَقُولُ: «لَيْسَ أَحَدٌ مِنْ أَصْحَابِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، أَكْثَرَ حَدِيثًا عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مِنِّي، إِلَّا مَا كَانَ مِنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو فَإِنَّهُ كَانَ يَكْتُبُ وَلَا أَكْتُبُ

 

إسناده صحيح

أخبرنا محمد بن أحمد، حدثنا سفيان، عن عمرو، عن وهب بن منبه، عن أخيه، سمع أبا هريرة رضي الله عنه، يقول: «ليس أحد من أصحاب رسول الله صلى الله عليه وسلم، أكثر حديثا عن النبي صلى الله عليه وسلم مني، إلا ما كان من عبد الله بن عمرو فإنه كان يكتب ولا أكتب إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৫০১

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৪৩. যিনি ইলম লিপিবদ্ধ করার অনুমতি প্রদান করেন

৫০১. আব্দুল্লাহ ইবনু আমর রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হতে যা-ই শুনতাম, মুখস্ত রাখার উদ্দেশ্যে তার সবই লিখে রাখতাম। তারপর কুরাইশরা আমাকে (লিখতে) নিষেধ করল এবং বলল: তুমি তো রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে সকল বিষয়ই লিখছ, কিন্তু তিনি তো একজন মানুষ। তিনি তো (কোনো কোনো সময়) রাগান্বিত অবস্থায় কথা বলেন, আবার সন্তুষ্ট অবস্থায়ও কথা বলেন। একথা শুনে আমি লিখা বন্ধ করে দেই এবং বিষয়টি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নিকট উল্লেখ করি। তখন তিনি তার আঙ্গুল দ্বারা তাঁর মুখের প্রতি ইশারা করে বললেন: “তুমি লিখতে থাকো। সেই সত্তার কসম, যার হাতে আমার জীবন, এ মুখ থেকে যা কিছু বের হয়, তা সবই সত্য”।[1]

 

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: আবু দাউদ ৩৬৪৬; আহমদ, আল মুসনাদ ২/১৬৩, ১৯২; ইবনু আবী শাইবা, ৯/৪৯-৫০ নং ৬৪৭৯; খতীব, তাক্বয়ীদুল ইলম পৃ: ৮০; হাকিম ১/১০৫-১০৬; ইবনু আব্দুল বার, জামি’ বায়ানিল ইলম নং ৩৮৯।

অনেকগুলি সনদে তিরমিযী, ৩৫০৪; নাসাঈ ৭/২৮৮, ২৯৫; ইবনুল জারুদ নং ৬০১; দারুকুতনী ৩/৭৪-৭৫ ও অন্যান্যরা বর্ণনা করেছেন।

بَابُ مَنْ رَخَّصَ فِي كِتَابَةِ الْعِلْمِ

أَخْبَرَنَا مُسَدَّدٌ، حَدَّثَنَا يَحْيَى، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ الْأَخْنَسِ، قَالَ: حَدَّثَنِي الْوَلِيدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، عَنْ يُوسُفَ بْنِ مَاهَكَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا، قَالَ: كُنْتُ أَكْتُبُ كُلَّ شَيْءٍ أَسْمَعُهُ مِنْ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أُرِيدُ حِفْظَهُ، فَنَهَتْنِي قُرَيْشٌ، وَقَالُوا: تَكْتُبُ كُلَّ شَيْءٍ سَمِعْتَهُ مِنْ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، وَرَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بَشَرٌ يَتَكَلَّمُ فِي الْغَضَبِ وَالرِّضَا؟ فَأَمْسَكْتُ عَنِ الْكِتَابِ، فَذَكَرْتُ ذَلِكَ لِرَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فَأَوْمَأَ بِإِصْبَعِهِ إِلَى فِيهِ، وَقَالَ: «اكْتُبْ فَوَالَّذِي نَفْسِي بِيَدِهِ، مَا خَرَجَ مِنْهُ إِلَّا حَقٌّ»

إسناده صحيح

أخبرنا مسدد، حدثنا يحيى، عن عبيد الله بن الأخنس، قال: حدثني الوليد بن عبد الله، عن يوسف بن ماهك، عن عبد الله بن عمرو رضي الله عنهما، قال: كنت أكتب كل شيء أسمعه من رسول الله صلى الله عليه وسلم أريد حفظه، فنهتني قريش، وقالوا: تكتب كل شيء سمعته من رسول الله صلى الله عليه وسلم، ورسول الله صلى الله عليه وسلم بشر يتكلم في الغضب والرضا؟ فأمسكت عن الكتاب، فذكرت ذلك لرسول الله صلى الله عليه وسلم، فأومأ بإصبعه إلى فيه، وقال: «اكتب فوالذي نفسي بيده، ما خرج منه إلا حق» إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আবদুল্লাহ ইবনু আমর ইবনুল আস (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৫০২

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৪৩. যিনি ইলম লিপিবদ্ধ করার অনুমতি প্রদান করেন

৫০২. আব্দুল্লাহ ইবনু আমর রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা থেকে বর্ণিত, একদা তিনি রাসূলাল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নিকট এসে বললেন: ইয়া রাসূলুল্লাহ! আমি আপনার হাদীস (লোকদের নিকট) বর্ণনা করতে চাই। ফলে আমি আমার অন্তরে (মুখস্ত) রাখার সাথে সাথে আমার হাতের সাহায্যে লিখেও রাখতে চাই, আপনি কী মনে করেন?

তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন: “আমার হাদীস মুখস্ত রাখ; এরপর অন্তরে মুখস্ত রাখার সাথে সাথে (প্রয়োজনে) তোমার হাতের সাহায্য গ্রহণ কর”।[1]

[1] তাহকীক্ব: এর সনদে দু’টি ত্রুটি বিদ্যমান। ১. আব্দুল্লাহ ইবনু সালিহ যয়ীফ। ২. আব্দুল্লাহ ইবনু আমর হতে হাদীস বর্ণনাকারী ব্যক্তি অজ্ঞাত পরিচয়।

 

তাখরীজ: ইবনু সা’দ, আত তাবাকাত, ৪/২/৯; খতীব, তাক্বয়ীদুল্ ইলম পৃ: ৮১।

بَابُ مَنْ رَخَّصَ فِي كِتَابَةِ الْعِلْمِ

أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ صَالِحٍ، حَدَّثَنِي اللَّيْثُ، حَدَّثَنِي خَالِدُ بْنُ يَزِيدَ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ أَبِي هِلَالٍ، عَنْ عَبْدِ الْوَاحِدِ بْنِ قَيْسٍ، قَالَ: أَخْبَرَنِي مُخْبِرٌ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا، أَنَّهُ أَتَى رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، إِنِّي أُرِيدُ أَنْ أَرْوِيَ مِنْ حَدِيثِكَ، فَأَرَدْتُ أَنْ أَسْتَعِينَ بِكِتَابِ يَدِي مَعَ قَلْبِي، إِنْ رَأَيْتَ ذَلِكَ، فَقَالَ: رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ – إِنْ كَانَ قَالَهُ – عِ حَدِيثِي، ثُمَّ اسْتَعِنْ بِيَدِكَ مَعَ قَلْبِكَ

إسناده فيه علتان: ضعف عبد الله بن صالح كاتب الليث وجهالة المخبر عن عبد الله بن عمرو

أخبرنا عبد الله بن صالح، حدثني الليث، حدثني خالد بن يزيد، عن سعيد بن أبي هلال، عن عبد الواحد بن قيس، قال: أخبرني مخبر، عن عبد الله بن عمرو رضي الله عنهما، أنه أتى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال: يا رسول الله، إني أريد أن أروي من حديثك، فأردت أن أستعين بكتاب يدي مع قلبي، إن رأيت ذلك، فقال: رسول الله صلى الله عليه وسلم – إن كان قاله – ع حديثي، ثم استعن بيدك مع قلبك إسناده فيه علتان: ضعف عبد الله بن صالح كاتب الليث وجهالة المخبر عن عبد الله بن عمرو

 হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai’f)  বর্ণনাকারীঃ আবদুল্লাহ ইবনু আমর ইবনুল আস (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৫০৩

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৪৩. যিনি ইলম লিপিবদ্ধ করার অনুমতি প্রদান করেন

৫০৩. আবু ক্বাবিল বলেন, আমি আব্দুল্লাহ ইবনু আমর রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমাকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন, কোন এক সময় আমরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের পাশে বসে লিখছিলাম। যখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে প্রশ্ন করা হলো: দু’শহরের কোন্ শহরটি সর্বপ্রথম বিজিত হবে, কনস্টানটিনোপল, না-কি রোম? তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন: না, বরং হিরাকল (হিরাক্লিয়াস)-এর শহর (কনস্টানটিনোপল) সর্বপ্রথম বিজিত হবে।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ শক্তিশালী।

 

তাখরীজ: আহমদ, ২/১৭৪; ইবনু আবী শাইবা, ৫/৩২৯-৩৩০; তাবারানী, আওয়াইল নং ৬১।

بَابُ مَنْ رَخَّصَ فِي كِتَابَةِ الْعِلْمِ

أَخْبَرَنَا عُثْمَانُ بْنُ مُحَمَّدٍ حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ إِسْحَقَ حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ أَيُّوبَ عَنْ أَبِي قَبِيلٍ قَالَ سَمِعْتُ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عَمْرٍو قَالَ بَيْنَمَا نَحْنُ حَوْلَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ نَكْتُبُ إِذْ سُئِلَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَيُّ الْمَدِينَتَيْنِ تُفْتَحُ أَوَّلًا قُسْطَنْطِينِيَّةُ أَوْ رُومِيَّةُ فَقَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَا بَلْ مَدِينَةُ هِرَقْلَ أَوَّلًا

إسناده قوي

أخبرنا عثمان بن محمد حدثنا يحيى بن إسحق حدثنا يحيى بن أيوب عن أبي قبيل قال سمعت عبد الله بن عمرو قال بينما نحن حول رسول الله صلى الله عليه وسلم نكتب إذ سئل رسول الله صلى الله عليه وسلم أي المدينتين تفتح أولا قسطنطينية أو رومية فقال النبي صلى الله عليه وسلم لا بل مدينة هرقل أولا إسناده قوي

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আবু ক্বাবিল (রহঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৫০৪

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৪৩. যিনি ইলম লিপিবদ্ধ করার অনুমতি প্রদান করেন

৫০৪. আব্দুল্লাহ ইবনু দীনার বলেন: উমার ইবনু আব্দুল আযীয রাহিমাহুল্লাহ আবু বাকর ইবনু মুহাম্মদ ইবনু আমর ইবনু হাযম রাহি.-এর নিকট লিখে পাঠালেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে তোমার নিকট সাব্যস্ত সকল হাদীস এবং আমরাহ বর্ণিত হাদীস আমার নিকট লিখে পাঠাও। কেননা, আমি ইলমের বিলুপ্তির এবং তা বিদায় নেয়ার আশঙ্কা করছি।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: খতীব, তাক্বয়ীদুল ইলম প: ১০৫-১০৬; পূর্ণাঙ্গ তাখরীজের জন্য পরবর্তী হাদীসটি দ্র:

بَابُ مَنْ رَخَّصَ فِي كِتَابَةِ الْعِلْمِ

أَخْبَرَنَا إِسْمَعِيلُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ أَبُو مَعْمَرٍ عَنْ أَبِي ضَمْرَةَ عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ دِينَارٍ قَالَ كَتَبَ عُمَرُ بْنُ عَبْدِ الْعَزِيزِ إِلَى أَبِي بَكْرِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ عَمْرِو بْنِ حَزْمٍ أَنْ اكْتُبْ إِلَيَّ بِمَا ثَبَتَ عِنْدَكَ مِنْ الْحَدِيثِ عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَبِحَدِيثِ عَمْرَةَ فَإِنِّي قَدْ خَشِيتُ دُرُوسَ الْعِلْمِ وَذَهَابَهُ

إسناده صحيح

أخبرنا إسمعيل بن إبراهيم أبو معمر عن أبي ضمرة عن يحيى بن سعيد عن عبد الله بن دينار قال كتب عمر بن عبد العزيز إلى أبي بكر بن محمد بن عمرو بن حزم أن اكتب إلي بما ثبت عندك من الحديث عن رسول الله صلى الله عليه وسلم وبحديث عمرة فإني قد خشيت دروس العلم وذهابه إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আবদুল্লাহ ইবনু দীনার (রহঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৫০৫

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৪৩. যিনি ইলম লিপিবদ্ধ করার অনুমতি প্রদান করেন

৫০৫. আব্দুল্লাহ ইবনু দীনার বলেন: উমার ইবনু আব্দুল আযীয মদীনাবাসীদের নিকট লিখে পাঠালেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের হাদীসের প্রতি মনোযোগ দাও এবং তা লিখে রাখো। কেননা, আমার আশঙ্কা যে, ইলমের বিলুপ্তি ঘটবে এবং ইলমের বাহকদের মৃত্যু ঘটবে।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: রমহরমুযী, আল মুহাদ্দিসুল ফাসিল নং ৩৪৬; খতীব, তাক্বয়ীদুল ইলম প: ১০৬; আরও দেখুন, আমাদের তাহক্বীক্বকৃত মুসনাদুল হুমাইদী, মুকাদ্দমা, মাজমাউয যাওয়াইদ ২/৪১৮-৪১৯; সুয়ুতী, মিফতাহুল জান্নাহ পৃ: ৩২।

بَابُ مَنْ رَخَّصَ فِي كِتَابَةِ الْعِلْمِ

حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ حَسَّانَ حَدَّثَنَا عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ مُسْلِمٍ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ دِينَارٍ قَالَ كَتَبَ عُمَرُ بْنُ عَبْدِ الْعَزِيزِ إِلَى أَهْلِ الْمَدِينَةِ أَنْ انْظُرُوا حَدِيثَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَاكْتُبُوهُ فَإِنِّي قَدْ خِفْتُ دُرُوسَ الْعِلْمِ وَذَهَابَ أَهْلِهِ

إسناده صحيح

حدثنا يحيى بن حسان حدثنا عبد العزيز بن مسلم عن عبد الله بن دينار قال كتب عمر بن عبد العزيز إلى أهل المدينة أن انظروا حديث رسول الله صلى الله عليه وسلم فاكتبوه فإني قد خفت دروس العلم وذهاب أهله إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আবদুল্লাহ ইবনু দীনার (রহঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৫০৬

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৪৩. যিনি ইলম লিপিবদ্ধ করার অনুমতি প্রদান করেন

৫০৬. আবুল মালীহ হতে বর্ণিত, তিনি বলেন: (ইলম) লিপিবদ্ধ করার জন্য আমাদেরকে দোষারোপ করা হয়; কিন্তু আল্লাহ তা’আলাই তো বলেছেন: “এর জ্ঞান রয়েছে আমার রবের নিকট (রক্ষিত) কিতাবে।”[1] (সূরা: ত্বহা: ৫২)

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা, ৯/৫১ নং ৬৪৮৭; খতীব, তাক্বয়ীদুল ইলম প: ১১০; ইবনু আব্দুল বার, জামি’ বায়ানিল ইলম নং ৪০৭।

بَابُ مَنْ رَخَّصَ فِي كِتَابَةِ الْعِلْمِ

أَخْبَرَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ حَرْبٍ حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ عَنْ أَيُّوبَ عَنْ أَبِي الْمَلِيحِ قَالَ يَعِيبُونَ عَلَيْنَا الْكِتَابَ وَقَدْ قَالَ اللَّهُ تَعَالَى عِلْمُهَا عِنْدَ رَبِّي فِي كِتَابٍ

إسناده صحيح

أخبرنا سليمان بن حرب حدثنا حماد بن زيد عن أيوب عن أبي المليح قال يعيبون علينا الكتاب وقد قال الله تعالى علمها عند ربي في كتاب إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আবূ মালীহ্ আল হুযালী (রহঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৫০৭

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৪৩. যিনি ইলম লিপিবদ্ধ করার অনুমতি প্রদান করেন

৫০৭. সাওয়াদাহ ইবনু হাইয়্যান বলেন, আমি আবু ইয়াস মুয়াবিয়া ইবনু কুররাহ কে বলতে শুনেছি: তার নিকট বর্ণিত হয়েছে: যে ব্যক্তি তার ইলম লিখে রাখে না, তার ইলম (বিশুদ্ধ) ইলম নয়।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: ইবনু আব্দুল বারর, জামি’ বায়ানুল ইলম নং ৪১৭; খতীব, তাক্বয়ীদুল ইলম প: ১০৯; রমহরমুযী, আল মুহাদ্দিসুল ফাসিল নং ৩৪১-৩৪২;

بَابُ مَنْ رَخَّصَ فِي كِتَابَةِ الْعِلْمِ

أَخْبَرَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ عَبْدِ الْمَجِيدِ حَدَّثَنَا سَوَادَةُ بْنُ حَيَّانَ قَالَ سَمِعْتُ مُعَاوِيَةَ بْنَ قُرَّةَ أَبَا إِيَاسٍ يَقُولُ كَانَ يُقَالُ مَنْ لَمْ يَكْتُبْ عِلْمَهُ لَمْ يُعَدَّ عِلْمُهُ عِلْمًا

إسناده صحيح

أخبرنا عبيد الله بن عبد المجيد حدثنا سوادة بن حيان قال سمعت معاوية بن قرة أبا إياس يقول كان يقال من لم يكتب علمه لم يعد علمه علما إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ সাওয়াদাহ ইবনু হাইয়্যান (রহঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৫০৮

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৪৩. যিনি ইলম লিপিবদ্ধ করার অনুমতি প্রদান করেন

৫০৮. ছুমামাহ ইবনু আব্দুল্লাহ ইবনু আনাস বর্ণনা করেন: আনাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু তাঁর পুত্রদেরকে বলতেন: হে পুত্র! (লিপিবদ্ধ করা মাধ্যমে) এ ইলমকে বন্দী করে রাখো।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ হাসান।

 

তাখরীজ: খতীব, তাক্বয়ীদুল ইলম প: ৯৭; তাবারানী, আল কাবীর ১/২৪৬ নং ৭০০; হাকিম ১/১০৬; ইবনু আব্দুল বারর, জামি’ বায়ানুল ইলম নং ৪১০; আবু খায়ছামা, আল ইলম নং ১২০;

 

একে মারফু’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন, রমহরমুযী, আল মুহাদ্দিসুল ফাসিল নং ৩২৭; ইবনু শাহিন, নাসিখ ওয়াল মানসুখ নং ৫৯৯; ইবনু আব্দুল বারর, জামি’ বায়ানুল ইলম নং ৩৯৫; আবুশ শাইখ, তাবাকাতুল মুহাদ্দিসীন ৩/১৪২ নং ৯০৯; খতীব, তারীখে বাগদাদ ১০/৫৬; ইবনুল জাওযী, আল ইলালুল মুতানাহিয়াহ ১/৮৬; কিন্তু মাওকুফ হিসেবেই এটি সহীহ, মারফু’ হিসেবে সহীহ নয়।- একথা বলেছেন খতীব।…।

بَابُ مَنْ رَخَّصَ فِي كِتَابَةِ الْعِلْمِ

أَخْبَرَنَا مُسْلِمُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ الْمُثَنَّى حَدَّثَنِي ثُمَامَةُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَنَسٍ أَنَّ أَنَسًا كَانَ يَقُولُ لِبَنِيهِ يَا بَنِيَّ قَيِّدُوا هَذَا الْعِلْمَ

إسناده حسن من أجل عبد الله بن المثنى

أخبرنا مسلم بن إبراهيم حدثنا عبد الله بن المثنى حدثني ثمامة بن عبد الله بن أنس أن أنسا كان يقول لبنيه يا بني قيدوا هذا العلم إسناده حسن من أجل عبد الله بن المثنى

 হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)  বর্ণনাকারীঃ সুমামা ইবনু ‘আবদুল্লাহ ইবনু আনাস (রহ.)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৫০৯

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৪৩. যিনি ইলম লিপিবদ্ধ করার অনুমতি প্রদান করেন

৫০৯. সালম আল-আলাবী বলেন: আমি আবানকে আনাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুর নিকট বসে পাথর খণ্ডে লিখতে দেখেছি।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ জাইয়্যেদ। (তবে রাবী সালমকে অনেকেই যয়ীফ ও মুনকার বলেছেন- দেখুন, ফাতহুল মান্নান হা/৫১৯ এর টীকা- অনুবাদক)

 

তাখরীজ: খতীব, তাক্বয়ীদুল ইলম পৃ: ১০৯; (ইবনু আদী, আল কামিল ৩/১১৭৫)।

بَابُ مَنْ رَخَّصَ فِي كِتَابَةِ الْعِلْمِ

أَخْبَرَنَا إِسْمَعِيلُ بْنُ أَبَانَ حَدَّثَنَا ابْنُ إِدْرِيسَ عَنْ مَهْدِيِّ بْنِ مَيْمُونٍ عَنْ سَلْمٍ الْعَلَوِيِّ قَالَ رَأَيْتُ أَبَانَ يَكْتُبُ عِنْدَ أَنَسٍ فِي سَبُّورَةٍ

إسناده جيد

أخبرنا إسمعيل بن أبان حدثنا ابن إدريس عن مهدي بن ميمون عن سلم العلوي قال رأيت أبان يكتب عند أنس في سبورة إسناده جيد

 হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)  বর্ণনাকারীঃ সালম আল-আলাবী (রহঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৫১০

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৪৩. যিনি ইলম লিপিবদ্ধ করার অনুমতি প্রদান করেন

৫১০. হাসান ইবনু জাবির হতে বর্ণিত, তিনি আবু উমামা আল বাহিলী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুকে ইলম লিপিবদ্ধ করার ব্যাপারে জিজ্ঞাসা করেছিলেন। তখন তিনি বলেন: এতে কোনো আপত্তি নেই।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ জাইয়্যেদ।

 

তাখরীজ: ইবনু আব্দুল বারর, জামি’ বায়ানুল ইলম নং ৪১১; আবু যুর’আহ, তারীখ নং ১৭২৬; খতীব, তাক্বয়ীদুল ইলম পৃ: ৯৮; আরও দেখুন, ইবনু সা’দ, আত তাবাকাত ৭/২/১৩২।

بَابُ مَنْ رَخَّصَ فِي كِتَابَةِ الْعِلْمِ

أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ عِيسَى حَدَّثَنَا ابْنُ وَهْبٍ عَنْ مُعَاوِيَةَ عَنْ الْحَسَنِ بْنِ جَابِرٍ أَنَّهُ سَأَلَ أَبَا أُمَامَةَ الْبَاهِلِيَّ عَنْ كِتَابِ الْعِلْمِ فَقَالَ لَا بَأْسَ بِذَلِكَ

إسناده جيد

أخبرنا أحمد بن عيسى حدثنا ابن وهب عن معاوية عن الحسن بن جابر أنه سأل أبا أمامة الباهلي عن كتاب العلم فقال لا بأس بذلك إسناده جيد

 হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)  বর্ণনাকারীঃ হাসান ইবনু জাবির (রহঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৫১১

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৪৩. যিনি ইলম লিপিবদ্ধ করার অনুমতি প্রদান করেন

৫১১. বাশীর ইবনু নুহাইক বলেন, আমি আবু হুরাইরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে যা শুনতাম সবকিছুই লিখে রাখতাম। তারপর আমি যখন তার নিকট হতে অন্যত্র চলে যেতে চাইলাম তখন আমি তার নিকট থেকে লিপিবদ্ধ করা সেই পাণ্ডুলিপিসহ তার কাছে এসে তা পাঠ করলাম এবং তাকে বললাম, আমি যা আপনার নিকট হতে শ্রবণ করেছি, এটি কি সেটি নয়? তিনি বললেন: হ্যাঁ।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: আবু খায়ছামা, আল ইলম নং ১৩৭; ইবনু আবী শাইবা ৯/৫০ নং ৬৪৮৩; খতীব, তাক্বয়ীদুল ইলম পৃ: ১০১; ইবনু আব্দুল বারর, জামি’ বায়ানুল ইলম নং ৪০৩।

بَابُ مَنْ رَخَّصَ فِي كِتَابَةِ الْعِلْمِ

أَخْبَرَنَا مَخْلَدُ بْنُ مَالِكٍ حَدَّثَنَا مُعَاذٌ حَدَّثَنَا عِمْرَانُ بْنُ حُدَيْرٍ عَنْ أَبِي مِجْلَزٍ عَنْ بَشِيرِ بْنِ نَهِيكٍ قَالَ كُنْتُ أَكْتُبُ مَا أَسْمَعُ مِنْ أَبِي هُرَيْرَةَ فَلَمَّا أَرَدْتُ أَنْ أُفَارِقَهُ أَتَيْتُهُ بِكِتَابِهِ فَقَرَأْتُهُ عَلَيْهِ وَقُلْتُ لَهُ هَذَا سَمِعْتُ مِنْكَ قَالَ نَعَمْ

إسناده صحيح

أخبرنا مخلد بن مالك حدثنا معاذ حدثنا عمران بن حدير عن أبي مجلز عن بشير بن نهيك قال كنت أكتب ما أسمع من أبي هريرة فلما أردت أن أفارقه أتيته بكتابه فقرأته عليه وقلت له هذا سمعت منك قال نعم إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ বাশীর ইবনু নুহাইক (রহঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৫১২

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৪৩. যিনি ইলম লিপিবদ্ধ করার অনুমতি প্রদান করেন

৫১২. সাঈদ ইবনু জুবাইর বলেন: আমি রাত্রি বেলায় ইবনু উমার ও ইবনু আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহুমা হতে হাদীস শুনতাম তারপর সেগুলো উটের পিঠে আরোহণের জন্য রক্ষিত কাঠে লিখে রাখতাম।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ হাসান।

 

তাখরীজ: খতীব, তাক্বয়ীদুল ইলম পৃ: ১০২, ১০৩। পূর্ণ তাখরীজের জন্য দেখুন পরবর্তী ৫১৬ নং হাদীসটি।

`আর রহল: উটির পিঠে আরোহনের জন্য যে কাঠখণ্ড স্থাপন করা হয়।

‘ওয়াসিত্বাহ: আরোহীর সামনে প্রথমে বা শুরুতে যে কাঠখণ্ডটি থাকে, আরোহী আরোহন করার সময় তা ধরে…।

بَابُ مَنْ رَخَّصَ فِي كِتَابَةِ الْعِلْمِ

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ سَعِيدٍ أَخْبَرَنَا شَرِيكٌ عَنْ طَارِقِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ عَنْ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ قَالَ كُنْتُ أَسْمَعُ مِنْ ابْنِ عُمَرَ وَابْنِ عَبَّاسٍ الْحَدِيثَ بِاللَّيْلِ فَأَكْتُبُهُ فِي وَاسِطَةِ الرَّحْلِ

إسناده حسن

أخبرنا محمد بن سعيد أخبرنا شريك عن طارق بن عبد الرحمن عن سعيد بن جبير قال كنت أسمع من ابن عمر وابن عباس الحديث بالليل فأكتبه في واسطة الرحل إسناده حسن

 হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)  বর্ণনাকারীঃ সা‘ঈদ ইবনু যুবায়র (রহঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৫১৩

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৪৩. যিনি ইলম লিপিবদ্ধ করার অনুমতি প্রদান করেন

৫১৩. আব্দুল্লাহ ইবনু আমর রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমার জীবনের আশা জাগানো দু’টি বস্তু হলো, ’আস সাদিকা’[1] (লিখিত হাদীসের সহীফাহ) এবং ’ওয়াহতু’[2] (তায়েফের নিকটবর্তী একটি স্থান)। আর ’আস-সাদিকাহ’ হলো সেই সহীফা যা আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হতে লিখেছিলাম। আর ’আল-ওয়াহতু’ হলো: সেই জমি যা আমর ইবনুল আস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু দান করেছিলেন, যেখানে তিনি অবস্থান করতেন।[3]

[1] রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাকে হাদীস লিপিবদ্ধ করার অনুমতি দানের ফলে ইবনু আমর রা: তাঁর হতে শ্রবণকৃত সকল হাদীসের যে সহীফাটি লিখেছিলেন, সেটিই হলো ‘আস-সাদিকাহ’।

 

[2] প্রশান্ত ভূমি, তায়েফের নিকটবর্তী একটি স্থান, যেখানে আমর ইবনুল আস রা: এর সম্পত্তি ছিল, আমর রা: এর জন্য-ই এর মর্যাদা ছিল।

 

[3] তাহক্বীক্ব: এর সনদ যয়ীফ। লাইছ ইবনু আবু সালীম এর কারণে।

 

তাখরীজ: খতীব, তাক্বয়ীদুল ইলম পৃ: ৮৪, ৮৫; ইবনু আব্দুল বারর, জামি’ বায়ানুল ইলম নং ৩৯৪; দেখুন মুহাদ্দিসুল ফাসিল নং ৩২৩।

بَابُ مَنْ رَخَّصَ فِي كِتَابَةِ الْعِلْمِ

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ سَعِيدٍ أَخْبَرَنَا شَرِيكٌ عَنْ لَيْثٍ عَنْ مُجَاهِدٍ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو قَالَ مَا يُرَغِّبُنِي فِي الْحَيَاةِ إِلَّا الصَّادِقَةُ وَالْوَهْطُ فَأَمَّا الصَّادِقَةُ فَصَحِيفَةٌ كَتَبْتُهَا مِنْ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَأَمَّا الْوَهْطُ فَأَرْضٌ تَصَدَّقَ بِهَا عَمْرُو بْنُ الْعَاصِ كَانَ يَقُومُ عَلَيْهَا

إسناده ضعيف من أجل ليث بن أبي سليم

أخبرنا محمد بن سعيد أخبرنا شريك عن ليث عن مجاهد عن عبد الله بن عمرو قال ما يرغبني في الحياة إلا الصادقة والوهط فأما الصادقة فصحيفة كتبتها من رسول الله صلى الله عليه وسلم وأما الوهط فأرض تصدق بها عمرو بن العاص كان يقوم عليها إسناده ضعيف من أجل ليث بن أبي سليم

 হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai’f)  বর্ণনাকারীঃ আবদুল্লাহ ইবনু আমর ইবনুল আস (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৫১৪

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৪৩. যিনি ইলম লিপিবদ্ধ করার অনুমতি প্রদান করেন

৫১৪. আমর ইবনু আবু সুফিয়ান হতে বর্ণিত, তিনি উমার ইবনুল খাত্তাব রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুকে বলতে শুনেছেন: তোমরা লিপিবদ্ধ করার মাধ্যমে ইলমকে সংরক্ষণ করে রাখো।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ যয়ীফ। এখানে ইবনু জুরাইজ আন-আন পদ্ধতিতে বর্ণনা করেছেন।

 

তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা, ৯/৪৯ নং ৬৪৭৮; খতীব, তাক্বয়ীদুল ইলম পৃ: ৮৮; ইবনু আব্দুল বারর, জামি’ বায়ানুল ইলম নং ৩৯৬; রমহরমুযী, আল মুহাদ্দিসুল ফাসিল নং ৩৫৮; হাকিম, ১/১০৬।

بَابُ مَنْ رَخَّصَ فِي كِتَابَةِ الْعِلْمِ

أَخْبَرَنَا أَبُو عَاصِمٍ أَخْبَرَنِي ابْنُ جُرَيْجٍ عَنْ عَبْدِ الْمَلِكِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي سُفْيَانَ عَنْ عَمِّهْ عَمْرِو بْنِ أَبِي سُفْيَانَ أَنَّهُ سَمِعَ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ يَقُولُ قَيِّدُوا الْعِلْمَ بِالْكِتَابِ

إسناده ضعيف فيه عنعنة ابن جريج

أخبرنا أبو عاصم أخبرني ابن جريج عن عبد الملك بن عبد الله بن أبي سفيان عن عمه عمرو بن أبي سفيان أنه سمع عمر بن الخطاب يقول قيدوا العلم بالكتاب إسناده ضعيف فيه عنعنة ابن جريج

 হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai’f)  বর্ণনাকারীঃ আমর ইবনু আবূ সুফ্ইয়ান  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৫১৫

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৪৩. যিনি ইলম লিপিবদ্ধ করার অনুমতি প্রদান করেন

৫১৫. আব্দুল মালিক ইবনু আব্দুল্লাহ ইবনু আবু সুফিয়ান সাক্বাফী হতে বর্ণিত,  ইবনু উমার রাদ্বিয়াল্লাহু বলেন: তোমরা এ ইলমকে লিপিবদ্ধ করার মাধ্যমে সংরক্ষণ করে রাখো।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর বর্ণনাকারীগণ নির্ভরযোগ্য । তবে এটি মুনকাতি’ বা বিচ্ছিন্ন সূত্র। আব্দুল মালিক ইবনু উমারের সাক্ষাত লাভ করেননি। কিন্তু হাদীসটি সহীহ লি গয়রিহী।

 

তাখরীজ: এটি আমি এখানে ব্যতীত অন্যত্র (একই সনদে) পাইনি। দেখুন, তাবারাণী, আল আওসাত নং ৮৫২; হাকিম, মুসতাদরাক ১/১০৬।

بَابُ مَنْ رَخَّصَ فِي كِتَابَةِ الْعِلْمِ

أَخْبَرَنَا مَخْلَدُ بْنُ مَالِكٍ حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ حَدَّثَنَا ابْنُ جُرَيْجٍ قَالَ أَخْبَرَنِي عَبْدُ الْمَلِكِ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي سُفْيَانَ الثَّقَفِيُّ عَنْ ابْنِ عُمَرَ أَنَّهُ قَالَ قَيِّدُوا هَذَا الْعِلْمَ بِالْكِتَابِ

رجاله ثقات غير أنه منقطع عبد الملك بن عبد الله بن أبي سفيان لم يدرك عبد الله بن عمر. ولكن الأثر صحيح لغيره

أخبرنا مخلد بن مالك حدثنا يحيى بن سعيد حدثنا ابن جريج قال أخبرني عبد الملك بن عبد الله بن أبي سفيان الثقفي عن ابن عمر أنه قال قيدوا هذا العلم بالكتاب رجاله ثقات غير أنه منقطع عبد الملك بن عبد الله بن أبي سفيان لم يدرك عبد الله بن عمر. ولكن الأثر صحيح لغيره

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আব্দুল মালিক ইবনু আব্দুল্লাহ ইবনু আবু সুফিয়ান সাক্বাফী (রহঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৫১৬

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৪৩. যিনি ইলম লিপিবদ্ধ করার অনুমতি প্রদান করেন

৫১৬. উছমান ইবনু হাকীম বলেন, আমি সাঈদ ইবনু জুবাইরকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি এক রাতে ইবনু আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা’র সাথে সাথে মক্কার পথে চলছিলাম। তিনি আমাকে হাদীস বর্ণনা করছিলেন আর আমি উটের পিঠে আরোহণের জন্য রক্ষিত কাঠখণ্ডে তা লিখতে লাগলাম। সকাল হলে আমি (তা অন্যত্র) লিখে নিলাম।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা, ৯/৫১ নং ৬৪৮৫; ইবনু আব্দুল বারর, জামি’ বায়ানুল ইলম নং ৪০৫ সহীহ সনদে; খতীব, তাক্বয়ীদুল ইলম পৃ: ১০২-১০৩।

بَابُ مَنْ رَخَّصَ فِي كِتَابَةِ الْعِلْمِ

أَخْبَرَنَا أَبُو النُّعْمَانِ حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَاحِدِ حَدَّثَنَا عُثْمَانُ بْنُ حَكِيمٍ قَالَ سَمِعْتُ سَعِيدَ بْنَ جُبَيْرٍ يَقُولُ كُنْتُ أَسِيرُ مَعَ ابْنِ عَبَّاسٍ فِي طَرِيقِ مَكَّةَ لَيْلًا وَكَانَ يُحَدِّثُنِي بِالْحَدِيثِ فَأَكْتُبُهُ فِي وَاسِطَةِ الرَّحْلِ حَتَّى أُصْبِحَ فَأَكْتُبَهُ

إسناده صحيح

أخبرنا أبو النعمان حدثنا عبد الواحد حدثنا عثمان بن حكيم قال سمعت سعيد بن جبير يقول كنت أسير مع ابن عباس في طريق مكة ليلا وكان يحدثني بالحديث فأكتبه في واسطة الرحل حتى أصبح فأكتبه إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ উসমান ইবনু হাকীম (রহঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৫১৭

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৪৩. যিনি ইলম লিপিবদ্ধ করার অনুমতি প্রদান করেন

৫১৭. সাঈদ ইবনু জুবাইর বলেন, আমি ইবনু আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা’র নিকটে থাকা কালে একটি সহীফা’য়  (হাদীস) লিখে নিতাম আবার (কখনো) আমার জুতা-স্যাণ্ডেলে লিখে নিতাম।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর রাবীগণ বিশ্বস্ত । তবে ইবনু মানদাহ বলেছেন: সাঈদ ইবনু জুবাইর হতে হাদীস বর্ণনার ক্ষেত্রে জা’ফর ইবনু মুগীরাহ শক্তিশালী নয়।

 

তাখরীজ: খতীব, তাক্বয়ীদুল ইলম পৃ: ১০২। পূর্বের এবং পরের হাদীস দু’টি দেখুন।

بَابُ مَنْ رَخَّصَ فِي كِتَابَةِ الْعِلْمِ

أَخْبَرَنَا إِسْمَعِيلُ بْنُ أَبَانَ عَنْ يَعْقُوبَ الْقُمِّيِّ عَنْ جَعْفَرِ بْنِ أَبِي الْمُغِيرَةِ عَنْ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ قَالَ كُنْتُ أَكْتُبُ عِنْدَ ابْنِ عَبَّاسٍ فِي صَحِيفَةٍ وَأَكْتُبُ فِي نَعْلَيَّ

 

رجاله ثقات غير أن ابن مندة قال: جعفر بن أبي المغيرة ليس بالقوي في سعيد بن جبير

أخبرنا إسمعيل بن أبان عن يعقوب القمي عن جعفر بن أبي المغيرة عن سعيد بن جبير قال كنت أكتب عند ابن عباس في صحيفة وأكتب في نعلي رجاله ثقات غير أن ابن مندة قال: جعفر بن أبي المغيرة ليس بالقوي في سعيد بن جبير

 হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai’f)  বর্ণনাকারীঃ সা‘ঈদ ইবনু যুবায়র (রহঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৫১৮

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৪৩. যিনি ইলম লিপিবদ্ধ করার অনুমতি প্রদান করেন

৫১৮. সাঈদ ইবনু জুবাইর বলেন, আমি ইবনু আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা’র নিকট বসে যেতাম এবং সহীফা’ ভরে না যাওয়া পর্যন্ত তাতে লিখতে থাকতাম; তারপর (সহীফা বা পাণ্ডুলিপি ভরে গেলে) আমার জুতাজোড়া উল্টে নিতাম এবং উভয়ের পিঠে লিখতাম।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ যয়ীফ, কেননা, আলী ইবনু মানদাল আল আনাযী যয়ীফ।

 

তাখরীজ: রমহরমুযী, আল মুহাদ্দিসুল ফাসিল নং ৩৪৭; খতীব, তাক্বয়ীদুল ইলম পৃ: ১০২। পূর্ববর্তী হাদীস দু’টির টীকা দেখুন।

بَابُ مَنْ رَخَّصَ فِي كِتَابَةِ الْعِلْمِ

أَخْبَرَنَا مَالِكُ بْنُ إِسْمَعِيلَ حَدَّثَنَا مَنْدَلُ بْنُ عَلِيٍّ الْعَنَزِيُّ حَدَّثَنِي جَعْفَرُ بْنُ أَبِي الْمُغِيرَةِ عَنْ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ قَالَ كُنْتُ أَجْلِسُ إِلَى ابْنِ عَبَّاسٍ فَأَكْتُبُ فِي الصَّحِيفَةِ حَتَّى تَمْتَلِئَ ثُمَّ أَقْلِبُ نَعْلَيَّ فَأَكْتُبُ فِي ظُهُورِهِمَا

 

إسناده ضعيف لضعف علي بن مندل العنزي

أخبرنا مالك بن إسمعيل حدثنا مندل بن علي العنزي حدثني جعفر بن أبي المغيرة عن سعيد بن جبير قال كنت أجلس إلى ابن عباس فأكتب في الصحيفة حتى تمتلئ ثم أقلب نعلي فأكتب في ظهورهما إسناده ضعيف لضعف علي بن مندل العنزي

 হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai’f)  বর্ণনাকারীঃ সা‘ঈদ ইবনু যুবায়র (রহঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৫১৯

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৪৩. যিনি ইলম লিপিবদ্ধ করার অনুমতি প্রদান করেন

৫১৯. উবাইদ আল-মুকাতিব হতে বর্ণিত, তিনি বলেন: আমি তাদেরকে মুজাহিদের নিকট হতে তাফসীর লিখতে দেখতাম।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: খতীব, তাক্বয়ীদুল ইলম পৃ: ১০৫।

بَابُ مَنْ رَخَّصَ فِي كِتَابَةِ الْعِلْمِ

أَخْبَرَنَا عَمْرُو بْنُ عَوْنٍ أَخْبَرَنَا فُضَيْلٌ عَنْ عُبَيْدٍ الْمُكْتِبِ قَالَ رَأَيْتُهُمْ يَكْتُبُونَ التَّفْسِيرَ عِنْدَ مُجَاهِدٍ

 

إسناده صحيح

أخبرنا عمرو بن عون أخبرنا فضيل عن عبيد المكتب قال رأيتهم يكتبون التفسير عند مجاهد إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ উবাইদ আল-মুকাতিব (রহঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৫২০

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৪৩. যিনি ইলম লিপিবদ্ধ করার অনুমতি প্রদান করেন

৫২০. আব্দুল্লাহ ইবনু হানাশ হতে বর্ণিত, তিনি বলেন: আমি তাদেরকে বারা’আ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু’র নিকট বসে বাঁশ/বেত বা হাড়ের প্রান্ত দ্বারা তাদের তালুতে (হাদীস) লিখতে দেখেছি।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: আবু খায়ছামা, আল ইলম নং ১৪৭; ইবনু আবী শাইবা ৯/৫১ নং ৬৪৮৯; ইবনু আব্দুল বারর, জামি’ বায়ানুল ইলম নং ৪০৮; খতীব, তাক্বয়ীদুল ইলম, পৃ: ১০৫।

بَابُ مَنْ رَخَّصَ فِي كِتَابَةِ الْعِلْمِ

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ سَعِيدٍ أَخْبَرَنَا أَبُو وَكِيعٍ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ حَنَشٍ قَالَ رَأَيْتُهُمْ يَكْتُبُونَ عِنْدَ الْبَرَاءِ بِأَطْرَافِ الْقَصَبِ عَلَى أَكُفِّهِمْ

 

إسناده صحيح

أخبرنا محمد بن سعيد أخبرنا أبو وكيع عن عبد الله بن حنش قال رأيتهم يكتبون عند البراء بأطراف القصب على أكفهم إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আব্দুল্লাহ ইবনু হানাশ (রহঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৫২১

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৪৩. যিনি ইলম লিপিবদ্ধ করার অনুমতি প্রদান করেন

৫২১. হারুন ইবনু আনতারাহ তার পিতা হতে বর্ণনা করেন, ইবনু আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু আমার নিকট একটি হাদীস বর্ণনা করলেন। তারপর আমি বললাম: আমি আপনার থেকে এ হাদীসটি কি লিখে নিতে পারি? তিনি (বর্ণনাকারী) বলেন, এরপর তিনি আমাকে (লিপিবদ্ধ করার) অনুমতি দিলেন এবং তিনি আমাকে (লিপিবদ্ধ করা হতে) বাধা দিলেন না।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ৯/৫৫ নং ৬৫০৩; ইবনু আব্দুল বারর, জামি’ বায়ানুল ইলম নং ৪০৯ যার শব্দাবলী: “ইবনু আব্বাস হতে তিনি তাকে লিপিবদ্ধ করার অনুমতি দিলেন।”

بَابُ مَنْ رَخَّصَ فِي كِتَابَةِ الْعِلْمِ

أَخْبَرَنَا إِسْمَعِيلُ بْنُ أَبَانَ عَنْ ابْنِ إِدْرِيسَ عَنْ هَارُونَ بْنِ عَنْتَرَةَ عَنْ أَبِيهِ حَدَّثَنِي ابْنُ عَبَّاسٍ بِحَدِيثٍ فَقُلْتُ أَكْتُبُهُ عَنْكَ قَالَ فَرَخَّصَ لِي وَلَمْ يَكَدْ

 

إسناده صحيح

أخبرنا إسمعيل بن أبان عن ابن إدريس عن هارون بن عنترة عن أبيه حدثني ابن عباس بحديث فقلت أكتبه عنك قال فرخص لي ولم يكد إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ হারুন ইবনু আনতারাহ (রহঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৫২২

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৪৩. যিনি ইলম লিপিবদ্ধ করার অনুমতি প্রদান করেন

৫২২. রাজা’আ ইবনু হাইওয়াত থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, হিশাম ইবনু আব্দুল মালিক আমাকে একটি হাদীস সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করার জন্য তার কর্মচারীর নিকট লিখে পাঠালেন। রাজা’আ বলেন, আমার নিকট সেটি লিখিত না থাকলে তো আমি সেটি ভুলেই যেতাম।[1]

[1] এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: আবু যুরআহ, তারীখ নং ৭৯৩; খতীব, তাক্বয়ীদুল ইলম, পৃ: ১০৮।

بَابُ مَنْ رَخَّصَ فِي كِتَابَةِ الْعِلْمِ

أَخْبَرَنَا الْوَلِيدُ بْنُ شُجَاعٍ حَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ شُعَيْبِ بْنِ شَابُورٍ أَخْبَرَنَا الْوَلِيدُ بْنُ سُلَيْمَانَ بْنِ أَبِي السَّائِبِ عَنْ رَجَاءِ بْنِ حَيْوَةَ أَنَّهُ حَدَّثَهُ قَالَ كَتَبَ هِشَامُ بْنُ عَبْدِ الْمَلِكِ إِلَى عَامِلِهِ أَنْ يَسْأَلَنِي عَنْ حَدِيثٍ قَالَ رَجَاءٌ فَكُنْتُ قَدْ نَسِيتُهُ لَوْلَا أَنَّهُ كَانَ عِنْدِي مَكْتُوبًا

 

إسناده صحيح

أخبرنا الوليد بن شجاع حدثني محمد بن شعيب بن شابور أخبرنا الوليد بن سليمان بن أبي السائب عن رجاء بن حيوة أنه حدثه قال كتب هشام بن عبد الملك إلى عامله أن يسألني عن حديث قال رجاء فكنت قد نسيته لولا أنه كان عندي مكتوبا إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ রাজা’আ ইবনু হাইওয়াত (রহঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৫২৩

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৪৩. যিনি ইলম লিপিবদ্ধ করার অনুমতি প্রদান করেন

৫২৩. হিশাম ইবনুল গায বলেন যে, তিনি আতা ইবনু আবু রাবাহ’কে প্রশ্ন করতেন এবং তিনি উত্তরে যা বলতেন, সে তাঁর সামনেই সেগুলি লিখে নিতেন।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: এটি আমি এ স্থান ব্যতীত অন্য কোথাও পাইনি।

بَابُ مَنْ رَخَّصَ فِي كِتَابَةِ الْعِلْمِ

أَخْبَرَنَا الْوَلِيدُ بْنُ شُجَاعٍ أَخْبَرَنِي مُحَمَّدُ بْنُ شُعَيْبٍ أَخْبَرَنَا هِشَامُ بْنُ الْغَازِ قَالَ كَانَ يُسْأَلُ عَطَاءُ بْنُ أَبِي رَبَاحٍ وَيُكْتَبُ مَا يُجِيبَ فِيهِ بَيْنَ يَدَيْهِ

 

أخبرنا الوليد بن شجاع أخبرني محمد بن شعيب أخبرنا هشام بن الغاز قال كان يسأل عطاء بن أبي رباح ويكتب ما يجيب فيه بين يديه

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ হিশাম ইবনুল গায (রহঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৫২৪

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৪৩. যিনি ইলম লিপিবদ্ধ করার অনুমতি প্রদান করেন

৫২৪. সুলাইমান ইবনু মূসা থেকে বর্ণিত, তিনি ইবনু উমারের মুক্ত দাস নাফি’কে দেখেছেন, তিনি তার ইলমকে (লিপিবদ্ধ করার) অনুমতি দিচ্ছেন  আর তিনি তার সম্মুখেই লিপিবদ্ধ করছেন।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: আবু যুর’আহ, তারীখ নং ৭৯২।

بَابُ مَنْ رَخَّصَ فِي كِتَابَةِ الْعِلْمِ

أَخْبَرَنَا الْوَلِيدُ بْنُ شُجَاعٍ أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ شُعَيْبِ بْنِ شَابُورٍ حَدَّثَنَا الْوَلِيدُ بْنُ سُلَيْمَانَ بْنِ أَبِي السَّائِبِ عَنْ سُلَيْمَانَ بْنِ مُوسَى أَنَّهُ رَأَى نَافِعًا مَوْلَى ابْنِ عُمَرَ يُمْلِي عِلْمَهُ وَيُكْتَبُ بَيْنَ يَدَيْهِ

 

إسناده صحيح

أخبرنا الوليد بن شجاع أخبرنا محمد بن شعيب بن شابور حدثنا الوليد بن سليمان بن أبي السائب عن سليمان بن موسى أنه رأى نافعا مولى ابن عمر يملي علمه ويكتب بين يديه إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ সুলাইমান ইবনু মূসা (রহঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৫২৫

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৪৩. যিনি ইলম লিপিবদ্ধ করার অনুমতি প্রদান করেন

৫২৫. আল-মুবারক ইবনু সা’ঈদ বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, সুফিয়ান রাতের বেলায় দেয়ালে হাদীস লিখে রাখতেন। আর যখন সকাল হতো, তখন তিনি সেটির অনুলিপি বানিয়ে নিতেন এবং (দেয়াল হতে) সেটি ঘষে তুলে ফেলতেন।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: আমি এটি অন্যত্র পাইনি।

بَابُ مَنْ رَخَّصَ فِي كِتَابَةِ الْعِلْمِ

أَخْبَرَنَا الْوَلِيدُ بْنُ شُجَاعٍ حَدَّثَنَا الْمُبَارَكُ بْنُ سَعِيدٍ قَالَ كَانَ سُفْيَانُ يَكْتُبُ الْحَدِيثَ بِاللَّيْلِ فِي الْحَائِطِ فَإِذَا أَصْبَحَ نَسَخَهُ ثُمَّ حَكَّهُ

 

إسناده صحيح

أخبرنا الوليد بن شجاع حدثنا المبارك بن سعيد قال كان سفيان يكتب الحديث بالليل في الحائط فإذا أصبح نسخه ثم حكه إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আল-মুবারক ইবনু সা’ঈদ (রহঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৫২৬

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৪৩. যিনি ইলম লিপিবদ্ধ করার অনুমতি প্রদান করেন

৫২৬. আউন ইবনু আব্দুল্লাহ বলেন, আমি উমার ইবনু আব্দুল আযীয রাহি.-কে বললাম: আমাকে অমুক ব্যক্তি অর্থাৎ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের এক সাহাবী হাদীস বর্ণনা করেছেন। ফলে তিনি তাঁকে চিনতে পারলেন। আমি বললাম: তিনি আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: নিশ্চয় লজ্জা, পবিত্রতা/সংযম ও অক্ষমতা- ক্বলবের (অন্তরের) অক্ষমতা নয়, জবানের অক্ষমতা- এবং বুদ্ধিমত্তা (ফিকহ) ঈমানের অঙ্গ। এগুলো আখিরাত (এর নেয়ামত)-কে বৃদ্ধি করবে আর দুনিয়া (-এর ভোগ-সামগ্রী)-কে কমিয়ে দেবে। তবে আখিরাত (এর নেয়ামত) বৃদ্ধি পাওয়াই হলো সর্বাধিক (বৃদ্ধি)। অপরদিকে অশ্লীলতা, কঠোরতা ও কৃপণতা (বা লোভ) নিফাক (মুনাফিকী’) হতে (উদ্ভূত)। আর এগুলো দুনিয়া (-এর ভোগ-সামগ্রী)-কে বাড়িয়ে দেবে এবং আখিরাত (এর নেয়ামত)-কে কমিয়ে দেবে। আর যা আখিরাতকে কমিয়ে দেয়, সেটাই হলো সর্বাধিক (কমতি)।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: একই সনদে অন্য কোথাও আমি পাইনি। তবে অন্য সনদে বর্ণনা করেছেন তাবারাণী, আল কাবীর ১৯/২৯ নং ৬৩; বুখারী, আল কাবীর ২/৮৮ ও ৭/১৮১; ফাসাওয়ী, মা’রেফাত ওয়াত তারীখ ১/৩১১; বাইহাকী, শাহাদাত ১০/১৯৪; আবু নুআইম, হিলইয়া ৩/১২৫; ইবনু আবিদ দুনিয়া, মাকারিমুল আখলাক্ব নং ৮৭- যয়ীফ সনদে। ইবনু আবী শাইবা ১৪/২১ নং ১৭৪২৩ অপর একটি যয়ীফ সনদে।

بَابُ مَنْ رَخَّصَ فِي كِتَابَةِ الْعِلْمِ

أَخْبَرَنَا الْحُسَيْنُ بْنُ مَنْصُورٍ حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَةَ حَدَّثَنَا أَبُو غِفَارٍ الْمُثَنَّى بْنُ سَعْدٍ الطَّائِيُّ حَدَّثَنِي عَوْنُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ قَالَ قُلْتُ لِعُمَرَ بْنِ عَبْدِ الْعَزِيزِ [ ص: 140 ] حَدَّثَنِي فُلَانٌ رَجُلٌ مِنْ أَصْحَابِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَعَرَفَهُ عُمَرُ قُلْتُ حَدَّثَنِي أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ إِنَّ الْحَيَاءَ وَالْعَفَافَ وَالْعِيَّ عِيَّ اللِّسَانِ لَا عِيَّ الْقَلْبِ وَالْفِقْهَ مِنْ الْإِيمَانِ وَهُنَّ مِمَّا يَزِدْنَ فِي الْآخِرَةِ وَيُنْقِصْنَ مِنْ الدُّنْيَا وَمَا يَزِدْنَ فِي الْآخِرَةِ أَكْثَرُ وَإِنَّ الْبَذَاءَ وَالْجَفَاءَ وَالشُّحَّ مِنْ النِّفَاقِ وَهُنَّ مِمَّا يَزِدْنَ فِي الدُّنْيَا وَيُنْقِصْنَ فِي الْآخِرَةِ وَمَا يُنْقِصْنَ فِي الْآخِرَةِ أَكْثَرُ

إسناده صحيح

أخبرنا الحسين بن منصور حدثنا أبو أسامة حدثنا أبو غفار المثنى بن سعد الطائي حدثني عون بن عبد الله قال قلت لعمر بن عبد العزيز [ ص: 140 ] حدثني فلان رجل من أصحاب رسول الله صلى الله عليه وسلم فعرفه عمر قلت حدثني أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال إن الحياء والعفاف والعي عي اللسان لا عي القلب والفقه من الإيمان وهن مما يزدن في الآخرة وينقصن من الدنيا وما يزدن في الآخرة أكثر وإن البذاء والجفاء والشح من النفاق وهن مما يزدن في الدنيا وينقصن في الآخرة وما ينقصن في الآخرة أكثر إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আউন ইবনু আব্দুল্লাহ (রহঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৫২৭

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৪৩. যিনি ইলম লিপিবদ্ধ করার অনুমতি প্রদান করেন

৫২৭. আবু কিলাবাহ বলেন, উমার ইবনু আব্দুল আযীয যখন ‍যুহরের সালাত আদায় করার জন্য আমাদের নিকট আসলেন, তখন তার সাথে ছিল একটি কাগজ। আবার যখন তিনি আসরের সালাত আদায়ের উদ্দেশ্যে আমাদের নিকট এলেন, তখনও সেই কাগজটি তার সাথেই ছিল। তখন আমি তাকে বললাম: হে আমীরুল মু’মিনীন! এ লেখা কাগজটি কিসের? তিনি বললেন: এটি একটি হাদীস যা আউন ইবনু আব্দুল্লাহ আমার নিকট বর্ণনা করেছিলেন এবং সেটি আমাকে মুগ্ধ/আনন্দিত করেছিল ফলে আমি সেটি লিখে নিয়েছিলাম। মূলত এখানে সেই হাদীসটিই রয়েছে।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: এখানে ব্যতীত অন্য কোথাও আমি এটি পাইনি। পূর্বের হাদীসের টীকাটি দেখুন।

بَابُ مَنْ رَخَّصَ فِي كِتَابَةِ الْعِلْمِ

أَخْبَرَنَا الْحُسَيْنُ بْنُ مَنْصُورٍ حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَةَ حَدَّثَنِي سُلَيْمَانُ بْنُ الْمُغِيرَةِ قَالَ قَالَ أَبُو قِلَابَةَ خَرَجَ عَلَيْنَا عُمَرُ بْنُ عَبْدِ الْعَزِيزِ لِصَلَاةِ الظُّهْرِ وَمَعَهُ قِرْطَاسٌ ثُمَّ خَرَجَ عَلَيْنَا لِصَلَاةِ الْعَصْرِ وَهُوَ مَعَهُ فَقُلْتُ لَهُ يَا أَمِيرَ الْمُؤْمِنِينَ مَا هَذَا الْكِتَابُ قَالَ هَذَا حَدِيثٌ حَدَّثَنِي بِهِ عَوْنُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ فَأَعْجَبَنِي فَكَتَبْتُهُ فَإِذَا فِيهِ هَذَا الْحَدِيثُ

 

إسناده صحيح

أخبرنا الحسين بن منصور حدثنا أبو أسامة حدثني سليمان بن المغيرة قال قال أبو قلابة خرج علينا عمر بن عبد العزيز لصلاة الظهر ومعه قرطاس ثم خرج علينا لصلاة العصر وهو معه فقلت له يا أمير المؤمنين ما هذا الكتاب قال هذا حديث حدثني به عون بن عبد الله فأعجبني فكتبته فإذا فيه هذا الحديث إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আবূ কিলাবাহ্ (রহঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৫২৮

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৪৩. যিনি ইলম লিপিবদ্ধ করার অনুমতি প্রদান করেন

৫২৮. সুরাহবীল ইবনু সা’দ[1] বলেন: হাসান রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু তার ছেলেকে এবং তার ভাতিজাকে ডেকে বললেন: হে প্রিয় ছেলে এবং হে আমার ভাতিজা! তোমাদের এখন গোত্রের মধ্যে ছোট, অচিরেই তোমরা অন্যদের মধ্যে বড় হয়ে যাবে। সুতরাং তোমরা ইলম শিক্ষা কর। তবে যদি তোমাদের কেউ তা বর্ণনা করতে সক্ষম না হয় কিংবা- বর্ণনাকারী বলেন: মুখস্ত করতে সক্ষম না হয়, তবে সে যেনো সেটি লিখে রাখে এবং তা তার নিজ বাড়িতে রেখে দেয়।[2]

[1] এখানে রয়েছে সাঈদ (যেটি বিকৃতি)।

 

[2] তাহক্বীক্ব: এর সনদ যয়ীফ, কেননা, শারাহবীল যয়ীফ রাবী।

 

তাখরীজ:: খতীব, তাক্বয়ীদুল ইলম পৃ: ৯১; আরও দেখুন, ইবনু আব্দুল বারর, জামি’ বায়ানুল ইলম নং ৪৪৮।

بَابُ مَنْ رَخَّصَ فِي كِتَابَةِ الْعِلْمِ

أَخْبَرَنَا إِسْمَعِيلُ بْنُ أَبَانَ حَدَّثَنَا مَسْعُودٌ عَنْ يُونُسَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي فَرْوَةَ عَنْ شُرَحْبِيلَ أَبِي سَعْدٍ قَالَ دَعَا الْحَسَنُ بَنِيهِ وَبَنِي أَخِيهِ فَقَالَ يَا بَنِيَّ وَبَنِي أَخِي إِنَّكُمْ صِغَارُ قَوْمٍ يُوشِكُ أَنْ تَكُونُوا كِبَارَ آخَرِينَ فَتَعَلَّمُوا الْعِلْمَ فَمَنْ لَمْ يَسْتَطِعْ مِنْكُمْ أَنْ يَرْوِيَهُ أَوْ قَالَ يَحْفَظَهُ فَلْيَكْتُبْهُ وَلْيَضَعْهُ فِي بَيْتِهِ

 

إسناده ضعيف لضعف شرحبيل بن سعد

أخبرنا إسمعيل بن أبان حدثنا مسعود عن يونس بن عبد الله بن أبي فروة عن شرحبيل أبي سعد قال دعا الحسن بنيه وبني أخيه فقال يا بني وبني أخي إنكم صغار قوم يوشك أن تكونوا كبار آخرين فتعلموا العلم فمن لم يستطع منكم أن يرويه أو قال يحفظه فليكتبه وليضعه في بيته إسناده ضعيف لضعف شرحبيل بن سعد

 হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai’f)  বর্ণনাকারীঃ সুরাহবীল ইবনু সা’দ (রহঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৫২৯

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৪৪. যে ব্যক্তি ভালো কিংবা মন্দ রীতি চালু করে

৫২৯. জারীর রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “যে ব্যক্তি কোনো ভাল কাজের রীতি প্রচলন করে আর তার পরবর্তীতে তা অনুসরণে আমল করা হয়, তবে তার কাজের সাওয়াব তো সে পাবেই, উপরন্তু যারা তার অনুসরণে এর উপর আমল করেছে, তাদের সমান সাওয়াবও সে পাবে। কিন্তু তাতে তার সাওয়াবের কোনো কমতি হবে না। আর যদি কেউ কোনো মন্দ কাজের রীতি প্রচলন করে তবে (তার নিজের পাপ এবং) যারা তার অনুসরণে এ কাজ করেছে, তাদের সকলের পাপ তার উপর বর্তাবে। কিন্তু এতে অনুসরণকারীদের নিজের পাপের কোনো কমতি হবে না।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ হাসান কিন্তু হাদীসটি সহীহ মুসলিমের সহীহ হাদীস।

 

তাখরীজ: সহীহ মুসলিম ১০১৭; নাসাঈ ৫/৭৫-৭৭; তিরমিযী ২৬৭৫; ইবনু মাজাহ, মুকাদ্দমা ২০৩; আহমদ, ৪/৩৫৭-৩৫৯; ইবনু আবী শাইবা ৩/১০৯-১১০; তাবারাণী, ২৩৭৩, ২৩৭৪; বাইহাকী, ৪/১৭৫-১৭৬; তাহাবী, মুশকিলুল আছার ২৪৩; তায়ালিসী ৬৭০।

بَاب مَنْ سَنَّ سُنَّةً حَسَنَةً أَوْ سَيِّئَةً

أَخْبَرَنَا الْوَلِيدُ بْنُ شُجَاعٍ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ قَالَ حَدَّثَنَاهُ عَاصِمٌ عَنْ شَقِيقٍ عَنْ جَرِيرٍ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَنْ سَنَّ سُنَّةً حَسَنَةً عُمِلَ بِهَا بَعْدَهُ كَانَ لَهُ مِثْلُ أَجْرِ مَنْ عَمِلَ بِهَا مِنْ غَيْرِ أَنْ يُنْقَصَ مِنْ أَجْرِهِ شَيْءٌ وَمَنْ سَنَّ سُنَّةً سَيِّئَةً كَانَ عَلَيْهِ مِثْلُ وِزْرِ مَنْ عَمِلَ بِهَا مِنْ غَيْرِ أَنْ يُنْقَصَ مِنْ أَوْزَارِهِ شَيْءٌ

 

إسناده حسن من أجل عاصم ولكن الحديث صحيح

أخبرنا الوليد بن شجاع حدثنا سفيان بن عيينة قال حدثناه عاصم عن شقيق عن جرير قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم من سن سنة حسنة عمل بها بعده كان له مثل أجر من عمل بها من غير أن ينقص من أجره شيء ومن سن سنة سيئة كان عليه مثل وزر من عمل بها من غير أن ينقص من أوزاره شيء إسناده حسن من أجل عاصم ولكن الحديث صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ জারীর ইবনু আবদুল্লাহ আল বাজলী (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৫৩০

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৪৪. যে ব্যক্তি ভালো কিংবা মন্দ রীতি চালু করে

৫৩০. আবু হুরায়রা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “যে ব্যক্তি (কাউকে) হেদায়েতের দিকে আহবান করে, তবে যে তার অনুসরণ করেছে, তার সমান সাওয়াব সেও পাবে। কিন্তু তাতে অনুসরণকারীর সাওয়াবের কোনো কমতি হবে না। আর যদি কেউ পথভ্রষ্টতার দিকে কাউকে আহবান করে তবে, যে তার অনুসরণ করেছে, তার সমান পাপ ঐ ব্যক্তির উপরও বর্তাবে। কিন্তু এতে অনুসরণকারীর নিজের পাপের কোনো কমতি হবে না।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: সহীহ মুসলিম ২৬৭৪, আবু দাউদ ৪৬০৯; তিরমিযী, ২৬৭৪; ইবনু মাজাহ, ২০৬; মুসনাদে আহমাদ ২/৩৯৭; বাগাবী, শারহুস ‍সুন্নাহ ১০৯; সহীহ ইবনু হিব্বান ১১২।

بَاب مَنْ سَنَّ سُنَّةً حَسَنَةً أَوْ سَيِّئَةً

أَخْبَرَنَا الْوَلِيدُ بْنُ شُجَاعٍ حَدَّثَنَا إِسْمَعِيلُ بْنُ جَعْفَرٍ عَنْ الْعَلَاءِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ يَعْقُوبَ مَوْلَى الْحُرَقَةِ عَنْ أَبِيهِ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ مَنْ دَعَا إِلَى هُدًى كَانَ لَهُ مِنْ الْأَجْرِ مِثْلُ أُجُورِ مَنْ اتَّبَعَهُ لَا يَنْقُصُ ذَلِكَ مِنْ أُجُورِهِمْ شَيْئًا وَمَنْ دَعَا إِلَى ضَلَالَةٍ كَانَ عَلَيْهِ مِنْ الْإِثْمِ مِثْلُ آثَامِ مَنْ تَبِعَهُ لَا يَنْقُصُ ذَلِكَ مِنْ آثَامِهِمْ شَيْئًا

إسناده صحيح

أخبرنا الوليد بن شجاع حدثنا إسمعيل بن جعفر عن العلاء بن عبد الرحمن بن يعقوب مولى الحرقة عن أبيه عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال من دعا إلى هدى كان له من الأجر مثل أجور من اتبعه لا ينقص ذلك من أجورهم شيئا ومن دعا إلى ضلالة كان عليه من الإثم مثل آثام من تبعه لا ينقص ذلك من آثامهم شيئا إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরায়রা (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৫৩১

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৪৪. যে ব্যক্তি ভালো কিংবা মন্দ রীতি চালু করে

৫৩১. জারীর ইবনু আব্দুল্লাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাদের উদ্দেশ্যে বক্তৃতা করলেন। তারপর তিনি লোকদেরকে দান-সাদাকা করার জন্য উৎসাহিত করলেন। কিন্তু লোকেরা সাদাকা দিতে বিলম্ব করছিল। এমনকি তাঁর চেহারায় রাগ (এর চিহ্ন) স্পষ্ট হয়ে উঠলো। তারপর একজন আনসারী ব্যক্তি একটি থলে নিয়ে এলেন। এরপর লোকেরা তার অনুসরনে (দান করা) শুরু করলে তাঁর চেহারায় খুশীর চিহ্ন ফুটে উঠল। তখন তিনি বললেন: “যে ব্যক্তি কোনো ভাল কাজের রীতি প্রচলন করে, তবে তার কাজের সাওয়াব তো সে পাবেই, উপরন্তু যারা তার অনুসরণে এর উপর আমল করছে, তাদের সমান সাওয়াবও সে পাবে। কিন্তু তাতে অনুসরণকারীদের সাওয়াবের কোনো কমতি হবে না। অপরদিকে যদি কেউ কোনো মন্দ কাজের রীতি প্রচলন করে তবে তার নিজের পাপ এবং যারা তার অনুসরণে এ কাজ করেছে, তাদের সকলের পাপের সমান পাপ তার উপর বর্তাবে। কিন্তু এতে অনুসরণকারীদের নিজেদের পাপের কোনো কমতি হবে না।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: সহীহ মুসলিম ২৬৭৪; এর বিস্তারিত তাখরীজ ৫২৯ নং এ গত হয়েছে। এটি আরও বর্ণনা করেছেন লালকাঈ, শারহু উসুলুল ই’তিকাদ নং ৫।

بَاب مَنْ سَنَّ سُنَّةً حَسَنَةً أَوْ سَيِّئَةً

أَخْبَرَنَا الْوَلِيدُ بْنُ شُجَاعٍ حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِيَةَ حَدَّثَنَا الْأَعْمَشُ عَنْ مُسْلِمٍ يَعْنِي ابْنَ صُبَيْحٍ عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ هِلَالٍ الْعَبْسِيِّ عَنْ جَرِيرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ قَالَ خَطَبَنَا رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَحَثَّ النَّاسَ عَلَى الصَّدَقَةِ فَأَبْطَئُوا حَتَّى بَانَ فِي وَجْهِهِ الْغَضَبُ ثُمَّ إِنَّ رَجُلًا مِنْ الْأَنْصَارِ جَاءَ بِصُرَّةٍ فَتَتَابَعَ النَّاسُ حَتَّى رُئِيَ فِي وَجْهِهِ السُّرُورُ فَقَالَ مَنْ سَنَّ سُنَّةً حَسَنَةً كَانَ لَهُ أَجْرُهُ وَمِثْلُ أَجْرِ مَنْ عَمِلَ بِهَا مِنْ غَيْرِ أَنْ يُنْقَصَ مِنْ أُجُورِهِمْ شَيْءٌ وَمَنْ سَنَّ سُنَّةً سَيِّئَةً كَانَ عَلَيْهِ وِزْرُهُ وَمِثْلُ وِزْرِ مَنْ عَمِلَ بِهَا مِنْ غَيْرِ أَنْ يُنْقَصَ مِنْ أَوْزَارِهِمْ شَيْءٌ

إسناده صحيح

أخبرنا الوليد بن شجاع حدثنا أبو معاوية حدثنا الأعمش عن مسلم يعني ابن صبيح عن عبد الرحمن بن هلال العبسي عن جرير بن عبد الله قال خطبنا رسول الله صلى الله عليه وسلم فحث الناس على الصدقة فأبطئوا حتى بان في وجهه الغضب ثم إن رجلا من الأنصار جاء بصرة فتتابع الناس حتى رئي في وجهه السرور فقال من سن سنة حسنة كان له أجره ومثل أجر من عمل بها من غير أن ينقص من أجورهم شيء ومن سن سنة سيئة كان عليه وزره ومثل وزر من عمل بها من غير أن ينقص من أوزارهم شيء إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ জারীর ইবনু আবদুল্লাহ আল বাজলী (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৫৩২

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৪৪. যে ব্যক্তি ভালো কিংবা মন্দ রীতি চালু করে

৫৩২. হাসান ইবনু আতিয়াহ বর্ণনা করেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন: “কিয়ামতের দিন আমার সাওয়াব তোমাদের থেকে অধিক হবে। কেননা, আমার জন্য থাকবে আমার (আমলের) সাওয়াব এবং যারা আমার অনুসরণ করবে, তাদের সকলের সমান সাওয়াবও।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: মুরসাল, তবে এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: এটি আমি আর কোথাও পাইনি।

بَاب مَنْ سَنَّ سُنَّةً حَسَنَةً أَوْ سَيِّئَةً

أَخْبَرَنَا عَبْدُ الْوَهَّابِ بْنُ سَعِيدٍ حَدَّثَنَا شُعَيْبٌ هُوَ ابْنُ إِسْحَقَ حَدَّثَنَا الْأَوْزَاعِيُّ حَدَّثَنِي حَسَّانُ بْنُ عَطِيَّةَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ أَنَا أَعْظَمُكُمْ أَجْرًا يَوْمَ الْقِيَامَةِ لِأَنَّ لِي أَجْرِي وَمِثْلَ أَجْرِ مَنْ اتَّبَعَنِي

مرسل وإسناده صحيح

أخبرنا عبد الوهاب بن سعيد حدثنا شعيب هو ابن إسحق حدثنا الأوزاعي حدثني حسان بن عطية أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال أنا أعظمكم أجرا يوم القيامة لأن لي أجري ومثل أجر من اتبعني مرسل وإسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ হাসান ইবনু আতিয়াহ (রহঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৫৩৩

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৪৪. যে ব্যক্তি ভালো কিংবা মন্দ রীতি চালু করে

৫৩৩. আনাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “যে ব্যক্তি কাউকে কোনো একটি বিষয়ের দিকে আহ্বান করে, এমনকি যদিও একজন লোক কোনো একজন লোককেও আহ্বান করে, তবে কিয়ামতের দিন সে তার জন্য থেমে থাকবে এবং তার কাঁধের সাথে জড়িয়ে থাকবে। তারপর তিনি তিলাওয়াত করলেন: (وَقِفُوهُمْ إِنَّهُمْ مَسْئُولُونَ) (অর্থ: এদেরকে থামাও কেননা, এদেরকে প্রশ্ন করা হবে।”) [সূরা সাফফাত ৩৭: ২৪][1]

[1] তাহক্বীক: এর সনদ যঈফ, লাইস বিন আবী সালীম এর কারণে।

بَاب مَنْ سَنَّ سُنَّةً حَسَنَةً أَوْ سَيِّئَةً

أَخْبَرَنَا مَالِكُ بْنُ إِسْمَعِيلَ حَدَّثَنَا عَبْدُ السَّلَامِ عَنْ لَيْثٍ عَنْ بِشْرٍ عَنْ أَنَسٍ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَنْ دَعَا إِلَى أَمْرٍ وَلَوْ دَعَا رَجُلٌ رَجُلًا كَانَ يَوْمَ الْقِيَامَةِ مَوْقُوفًا بِهِ لَازِمًا بِغَارِبِهِ ثُمَّ قَرَأَ وَقِفُوهُمْ إِنَّهُمْ مَسْئُولُونَ

إسناده ضعيف لضعف ليث بن أبي سليم

أخبرنا مالك بن إسمعيل حدثنا عبد السلام عن ليث عن بشر عن أنس قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم من دعا إلى أمر ولو دعا رجل رجلا كان يوم القيامة موقوفا به لازما بغاربه ثم قرأ وقفوهم إنهم مسئولون إسناده ضعيف لضعف ليث بن أبي سليم

 হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai’f)  বর্ণনাকারীঃ আনাস ইবনু মালিক (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৫৩৪

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৪৪. যে ব্যক্তি ভালো কিংবা মন্দ রীতি চালু করে

৫৩৪. শা’বী হতে বর্ণিত, ইবনু মাসউদ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন: চারটি জিনিস (এর বিনিময়) মানুষ তার মৃত্যুর পরও পেতে থাকবে। তার এক তৃতীয়াংশ সম্পদ (এর সাওয়াব), যদি সে তা মৃত্যুর আগে আল্লাহর উদ্দেশ্যে দান করে থাকে। নেককার সন্তান যে তার মৃত্যুর পর তার জন্য দু’আ করতে থাকবে। কোনো উত্তম রীতি যা মানুষ প্রচলন করে থাকে আর লোকেরা তার মৃত্যুর পরেও তার উপর আমল করতে থাকে। আর যদি তার জন্য সুপারিশকারী লোকের সংখ্যা একশত জন হয়, তবে তার ব্যাপারে সুপারিশ কবুল করা হয়।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: এ সনদে অন্য কোথাও আমি পাইনি। তবে এর অনেক শাহিদ (সমর্থক) হাদীস রয়েছে।

بَاب مَنْ سَنَّ سُنَّةً حَسَنَةً أَوْ سَيِّئَةً

أَخْبَرَنَا عَمْرُو بْنُ عَاصِمٍ حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ عَنْ عَاصِمٍ عَنْ الشَّعْبِيِّ أَنَّ ابْنَ مَسْعُودٍ قَالَ أَرْبَعٌ يُعْطَاهَا الرَّجُلُ بَعْدَ مَوْتِهِ ثُلُثُ مَالِهِ إِذَا كَانَ فِيهِ قَبْلَ ذَلِكَ لِلَّهِ مُطِيعًا وَالْوَلَدُ الصَّالِحُ يَدْعُو لَهُ مِنْ بَعْدِ مَوْتِهِ وَالسُّنَّةُ الْحَسَنَةُ يَسُنُّهَا الرَّجُلُ فَيُعْمَلُ بِهَا بَعْدَ مَوْتِهِ وَالْمِائَةُ إِذَا شَفَعُوا لِلرَّجُلِ شُفِّعُوا فِيهِ

إسناده صحيح إلى عبد الله ولكن مثله لا يقال بالرأي

أخبرنا عمرو بن عاصم حدثنا حماد بن سلمة عن عاصم عن الشعبي أن ابن مسعود قال أربع يعطاها الرجل بعد موته ثلث ماله إذا كان فيه قبل ذلك لله مطيعا والولد الصالح يدعو له من بعد موته والسنة الحسنة يسنها الرجل فيعمل بها بعد موته والمائة إذا شفعوا للرجل شفعوا فيه إسناده صحيح إلى عبد الله ولكن مثله لا يقال بالرأي

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ শা‘বী (রহঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 

Leave a Comment

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।