দারেমী ভূমিকা ৮ম ভাগ হাদিস নং ৩৭০ – ৪৫০

 ৩৭০

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৩৩. যে ব্যক্তি নিয়ত ব্যতীত জ্ঞান অন্বেষণ করে, জ্ঞান তাকে তার নিয়তের দিকেই ফিরিয়ে দিবে

৩৭০. ইয়াহইয়া ইবনু ইয়ামান বলেন, আমি চল্লিশ বছর ধরে সুফিয়ানকে বলতে শুনেছি: হাদীস অন্বেষণ (শিক্ষা) করার চেয়ে এখনকার সময়ে উত্তম কিছুই নাই। তারা সুফিয়ানকে বললো: তারা তো নিয়ত ছাড়াই তা শিক্ষা (অন্বেষণ) করছে! তিনি বলেন: তাদের শিক্ষা করাটাই তো তাদের নিয়ত।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ হাসান।

তাখরীজ: খতীব, আল-জামি’ আখলাকুর রাবী নং ৭৭৯; রমহরমুযী, মুহাদ্দিসুল ফাসিল নং ৪০; আরও দেখুন, জামি’ বায়ানিল ইলম নং ১৩৮২।

بَابُ مَنْ طَلَبَ الْعِلْمَ بِغَيْرِ نِيَّةٍ فَرَدَّهُ الْعِلْمُ إِلَى النِّيَّةِ

أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عِمْرَانَ، حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ يَمَانٍ، قَالَ: سَمِعْتُ سُفْيَانَ مُنْذُ أَرْبَعِينَ سَنَةً قَالَ: «مَا كَانَ طَلَبُ الْحَدِيثِ أَفْضَلَ مِنْهُ الْيَوْمَ». قَالُوا لِسُفْيَانَ إِنَّهُمْ يَطْلُبُونَهُ بِغَيْرِ نِيَّةٍ؟ قَالَ: «طَلَبُهُمْ إِيَّاهُ نِيَّةٌ

إسناده حسن

أخبرنا عبد الله بن عمران، حدثنا يحيى بن يمان، قال: سمعت سفيان منذ أربعين سنة قال: «ما كان طلب الحديث أفضل منه اليوم». قالوا لسفيان إنهم يطلبونه بغير نية؟ قال: «طلبهم إياه نية إسناده حسن

 হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৩৭১

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৩৩. যে ব্যক্তি নিয়ত ব্যতীত জ্ঞান অন্বেষণ করে, জ্ঞান তাকে তার নিয়তের দিকেই ফিরিয়ে দিবে

৩৭১. আব্দুল্লাহ ইবনু আজলাহ তার পিতা হতে, তিনি মুজাহিদ (রহঃ) হতে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমরা এ ইলম (হাদীস) শিক্ষা করতে লাগলাম, তখন এ ব্যাপারে আমাদের পাকাপোক্ত কোনো নিয়ত ছিল না। কিন্তু পরবর্তীতে আল্লাহ তা’আলা এ শিক্ষার মধ্যে নিয়ত দান করলেন।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ হাসান।

তাখরীজ: ফাসাওয়ী, মা’রিফাতুত তারীখ ১/৭১২; রমহরমুযী, মুহাদ্দিসুল ফাসিল নং ৩৯, এ সনদ যয়ীফ।

بَابُ مَنْ طَلَبَ الْعِلْمَ بِغَيْرِ نِيَّةٍ فَرَدَّهُ الْعِلْمُ إِلَى النِّيَّةِ

أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ سَعِيدٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ الْأَجْلَحِ، حَدَّثَنِي أَبِي، عَنْ مُجَاهِدٍ، قَالَ: طَلَبْنَا هَذَا الْعِلْمَ وَمَا لَنَا فِيهِ كَبِيرُ نِيَّةٍ، ثُمَّ رَزَقَ اللَّهُ بَعْدُ فِيهِ النِّيَّةَ

إسناده حسن

أخبرنا عبد الله بن سعيد، حدثنا عبد الله بن الأجلح، حدثني أبي، عن مجاهد، قال: طلبنا هذا العلم وما لنا فيه كبير نية، ثم رزق الله بعد فيه النية إسناده حسن

 হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৩৭২

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৩৩. যে ব্যক্তি নিয়ত ব্যতীত জ্ঞান অন্বেষণ করে, জ্ঞান তাকে তার নিয়তের দিকেই ফিরিয়ে দিবে

৩৭২. ইউনুস ইবনু উবাইদ হাসান (রহঃ) হতে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: লোকেরা ইলম শিক্ষা করেছে বটে, তবে এটি তারা আল্লাহ তা’আলার (সন্তুষ্টির) উদ্দেশ্যেও করেনি, কিংবা তাঁর নিকট যা কিছু রয়েছে, সেসব লাভের আশায়ও তারা এটি (জ্ঞানার্জন) করেনি। রাবী বলেন: যখন তারা এ (ইলম অন্বেষণ) দ্বারা আল্লাহ (এর সন্তুষ্টি লাভ) এবং তাঁর নিকট যা কিছু রয়েছে- সেসব (লাভ করা)কে উদ্দেশ্য করেছে, তখন থেকে এ ইলম তাদের মাঝে অব্যাহত রয়েছে।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: হাসসান ইবনু মুসলিমের জীবনী আমি কোথাও পাইনি। বাকী রাবীগণ নির্ভরযোগ্য।

তাখরীজ: এটি আমি সনদসহ আর কোথাও পাইনি।

তবে ইবনু আব্দুল বার, জামি’ বায়ানিল ইলম নং ১৩৮৩ তে এটি উল্লেখ করে বলেন, হাসান বলেন…।

بَابُ مَنْ طَلَبَ الْعِلْمَ بِغَيْرِ نِيَّةٍ فَرَدَّهُ الْعِلْمُ إِلَى النِّيَّةِ

أَخْبَرَنَا بِشْرُ بْنُ ثَابِتٍ الْبَزَّارُ، حَدَّثَنَا حَسَّانُ بْنُ مُسْلِمٍ، عَنْ يُونُسَ بْنِ عُبَيْدٍ، عَنِ الْحَسَنِ قَالَ: «لَقَدْ طَلَبَ أَقْوَامٌ الْعِلْمَ مَا أَرَادُوا بِهِ اللَّهَ تَعَالَى، وَلَا مَا عِنْدَهُ» قَالَ: «فَمَا زَالَ بِهِمُ الْعِلْمُ حَتَّى أَرَادُوا بِهِ اللَّهَ وَمَا عِنْدَهُ

حسان بن مسلم ما وجدت له ترجمة وباقي رجاله ثقات. وما وجدته مسندا في غير هذا الموضع

أخبرنا بشر بن ثابت البزار، حدثنا حسان بن مسلم، عن يونس بن عبيد، عن الحسن قال: «لقد طلب أقوام العلم ما أرادوا به الله تعالى، ولا ما عنده» قال: «فما زال بهم العلم حتى أرادوا به الله وما عنده حسان بن مسلم ما وجدت له ترجمة وباقي رجاله ثقات. وما وجدته مسندا في غير هذا الموضع

 হাদিসের মানঃ তাহকীক অপেক্ষমাণ  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৩৭৩

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৩৪. আল্লাহ ছাড়া অন্য কারও বা কিছুর উদ্দেশ্যে ইলম অন্বেষণকারীর নিন্দা

৩৭৩. আবু কিলাবা বলেন, আবু মুসলিম আল খাওলানী বলেন: আলিম তিন শ্রেণির। যথা: এক. যে ব্যক্তি (’আলিম) তার ইলম অনুযায়ী নিজে জীবন যাপন করেন এবং সাধারণ মানুষও তার ইলমের অনুসরণ করে জীবন যাপন করে। দুই. যে ব্যক্তি (’আলিম) তার ইলম অনুযায়ী নিজে চলেন কিন্তু কোন লোক তাঁর ইলম অনুসরণ করে জীবন যাপন করে না। তিন. যে ব্যক্তি (’আলিম) তার ইলম অনুসরণ করে সাধারণ মানুষ চলে অর্থাৎ জীবন যাপন করে (কিন্তু সে নিজে ইলম অনুযায়ী জীবন যাপন করে না), ফলে তা তার জন্য খারাপ পরিণতি বা কঠিন শাস্তির কারণ হবে।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা, ১৪/৫৫ নং ১৭৫৪৭; আবু নুয়াইম, হিলইয়া ৫/১২১; মা’মার, আল জামি’ নং ২০৪৭২ আবু কিলাবার বক্তব্য হিসেবে সহীহ সনদে।

بَابُ: التَّوْبيخِ لِمَنْ يَطْلُبُ الْعِلْمَ لِغَيْرِ اللَّهَ

أَخْبَرَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ حَرْبٍ، حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ، عَنْ أَيُّوبَ، عَنْ أَبِي قِلَابَةَ قَالَ: قَالَ أَبُو مُسْلِمٍ الْخَوْلَانِيُّ،: الْعُلَمَاءُ ثَلَاثَةٌ، فَرَجُلٌ عَاشَ فِي عِلْمِهِ، وَعَاشَ مَعَهُ النَّاسُ فِيهِ، وَرَجُلٌ عَاشَ فِي عِلْمِهِ، وَلَمْ يَعِشْ مَعَهُ فِيهِ أَحَدٌ، وَرَجُلٌ عَاشَ النَّاسُ فِي عِلْمِهِ، وَكَانَ وَبَالًا عَلَيْهِ

إسناده صحيح

أخبرنا سليمان بن حرب، حدثنا حماد بن زيد، عن أيوب، عن أبي قلابة قال: قال أبو مسلم الخولاني،: العلماء ثلاثة، فرجل عاش في علمه، وعاش معه الناس فيه، ورجل عاش في علمه، ولم يعش معه فيه أحد، ورجل عاش الناس في علمه، وكان وبالا عليه إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৩৭৪

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৩৪. আল্লাহ ছাড়া অন্য কারও বা কিছুর উদ্দেশ্যে ইলম অন্বেষণকারীর নিন্দা

৩৭৪. আতা হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, মূসা আলাইহিস সালাম বলেন: হে রব! আপনার কোন্ বান্দাগণ সর্বোত্তম বিচারক? তিনি (আল্লাহ) বলেন: যে অপরের জন্যও সেই ফায়সালাই করে, যা সে নিজের জন্য ফায়সালা করে, (সে-ই সর্বোত্তম বিচারক)। তিনি (মূসা আ:) জিজ্ঞেস করলেন: হে রব! আপনার কোন্ বান্দাগণ সবচেয়ে ধনী/ মুখাপেক্ষীহীন? তিনি বললেন: আমি তার জন্য যা বণ্টন করেছি, তা-তে যে সন্তুষ্ট থাকে। তিনি আরও জিজ্ঞেস করলেন: হে রব! আপনার কোন্ বান্দাগণ আপনাকে সবচেয়ে বেশী ভয় করে? তিনি বলেন: তাদের মধ্যে যে আমার সম্পর্কে সবচেয়ে বেশি জ্ঞানী।[1]

[1] এর সনদ আতা পর্যন্ত সহীহ। আর তা মুনকাতি’ ।

তাখরীজ: ইবনুল মুবারক, আয যুহদ নং ২২৩, ৫৩৩; দেখুন আবু খায়ছামা, আল ইলম নং ৮৬।

بَابُ: التَّوْبيخِ لِمَنْ يَطْلُبُ الْعِلْمَ لِغَيْرِ اللَّهَ

أَخْبَرَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ مُوسَى، عَنْ عُثْمَانَ بْنِ الْأَسْوَدِ، عَنْ عَطَاءٍ، ” قَالَ: قَالَ مُوسَى عَلَيْهِ السَّلَامُ، يَا رَبِّ أَيُّ عِبَادِكَ أَحْكَمُ؟ قَالَ: الَّذِي يَحْكُمُ لِلنَّاسِ كَمَا يَحْكُمُ لِنَفْسِهِ قَالَ: يَا رَبِّ، أَيُّ عِبَادِكَ أَغْنَى؟ قَالَ: أَرْضَاهُمْ بِمَا قَسَمْتُ لَهُ قَالَ: يَا رَبِّ، أَيُّ عِبَادِكَ أَخْشَى لَكَ؟ قَالَ: أَعْلَمُهُمْ بِي

إسناده صحيح إلى عطاء وهو منقطع

أخبرنا عبيد الله بن موسى، عن عثمان بن الأسود، عن عطاء، ” قال: قال موسى عليه السلام، يا رب أي عبادك أحكم؟ قال: الذي يحكم للناس كما يحكم لنفسه قال: يا رب، أي عبادك أغنى؟ قال: أرضاهم بما قسمت له قال: يا رب، أي عبادك أخشى لك؟ قال: أعلمهم بي إسناده صحيح إلى عطاء وهو منقطع

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৩৭৫

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৩৪. আল্লাহ ছাড়া অন্য কারও বা কিছুর উদ্দেশ্যে ইলম অন্বেষণকারীর নিন্দা

৩৭৫. মুহাম্মদ ইবনু ইউসুফ সুফিয়ান হতে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: তার নিকট বর্ণিত হয়েছিল যে, আলিম তিন শ্রেণির; এক. আল্লাহ সম্পর্কে জ্ঞানী, সে আল্লাহকে ভয় করে; কিন্তু আল্লাহর আদেশ সম্পর্কে সে জ্ঞানী নয় (ফলে সেগুলো ঠিকমতো অনুসরণ করতে পারে না)। দুই. আল্লাহ সম্পর্কে জ্ঞানী, আবার সে আল্লাহকে ভয়ও করে। এ শ্রেণির আলিমই হলেন পরিপূর্ণ আলিম। আবার এমন এক শ্রেণির আলিম রয়েছে, যে আল্লাহর আদেশ-নিষেধ সম্পর্কে জানে, কিন্তু আল্লাহ সম্পর্কে জ্ঞানী নয়, ফলে সে আল্লাহকে ভয় করে না। আর এ শ্রেণির আলিমগণই হলো ’ফাজির’ (ফাসিক/পাপী) আলিম।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: আবু নুয়াইম, হিলইয়া, ৭/২৮০; বাইহাকী, শুয়াবুল ঈমান নং ১৯১৯; ইবনু আব্দুল বার, জামি’ বায়ানিল ইলম নং ১৫৪৩; আবী হাইয়্যানের কথা হিসেবে বর্ণিত, এর সনদ সহীহ।

بَابُ: التَّوْبيخِ لِمَنْ يَطْلُبُ الْعِلْمَ لِغَيْرِ اللَّهَ

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ، عَنْ سُفْيَانَ قَالَ: كَانَ يُقَالُ: ” الْعُلَمَاءُ ثَلَاثَةٌ: عَالِمٌ بِاللَّهِ يَخْشَى اللَّهَ لَيْسَ بِعَالِمٍ بِأَمْرِ اللَّهِ، وَعَالِمٌ بِاللَّهِ عَالِمٌ بِأَمْرِ اللَّهِ يَخْشَى اللَّهَ، فَذَاكَ الْعَالِمُ الْكَامِلُ، وَعَالِمٌ بِأَمْرِ اللَّهِ لَيْسَ بِعَالِمٍ بِاللَّهِ لَا يَخْشَى اللَّهَ، فَذَلِكَ الْعَالِمُ الْفَاجِرُ

إسناده صحيح

أخبرنا محمد بن يوسف، عن سفيان قال: كان يقال: ” العلماء ثلاثة: عالم بالله يخشى الله ليس بعالم بأمر الله، وعالم بالله عالم بأمر الله يخشى الله، فذاك العالم الكامل، وعالم بأمر الله ليس بعالم بالله لا يخشى الله، فذلك العالم الفاجر إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৩৭৬

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৩৪. আল্লাহ ছাড়া অন্য কারও বা কিছুর উদ্দেশ্যে ইলম অন্বেষণকারীর নিন্দা

৩৭৬. হিশাম হাসান থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: ইলম হল দু’ প্রকার: (এক.) অন্তরে অবস্থিত ইলম, আর এ ইলমই হলো উপকারী ইলম। (দুই.) এবং জিহবার উপরস্থিত ইলম (যা তার অন্তরে প্রবেশ করেনি), ফলে এ (ইলম) আদম সন্তানের বিপক্ষে আল্লাহ’র হুজ্জাত (দলীল)।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা, ১৩/২৩৫; মারওয়াযী, যিয়াদাহ আলায যুহদ লি ইবনুল মুবারক নং ১১৬১; খতীব, তারীখ ৪/৩৪৬ মারফু’ হিসেবে হাসান সনদে; ……।

بَابُ: التَّوْبيخِ لِمَنْ يَطْلُبُ الْعِلْمَ لِغَيْرِ اللَّهَ

أَخْبَرَنَا مَكِّيُّ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، حَدَّثَنَا هِشَامٌ، عَنِ الْحَسَنِ، قَالَ: ” الْعِلْمُ عِلْمَانِ: فَعِلْمٌ فِي الْقَلْبِ فَذَلِكَ الْعِلْمُ النَّافِعُ، وَعِلْمٌ عَلَى اللِّسَانِ فَذَلِكَ حُجَّةُ اللَّهِ عَلَى ابْنِ آدَمَ

إسناده صحيح إلى الحسن وهو موقوف عليه

أخبرنا مكي بن إبراهيم، حدثنا هشام، عن الحسن، قال: ” العلم علمان: فعلم في القلب فذلك العلم النافع، وعلم على اللسان فذلك حجة الله على ابن آدم إسناده صحيح إلى الحسن وهو موقوف عليه

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৩৭৭

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৩৪. আল্লাহ ছাড়া অন্য কারও বা কিছুর উদ্দেশ্যে ইলম অন্বেষণকারীর নিন্দা

৩৭৭. হিশাম হাসান হতে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হতে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ। (তবে এটি মুরসাল)

তাখরীজ: এটি আমি এখানে ব্যতীত আর কোথাও পাইনি। পূর্বের টীকাটি দেখুন। আর ইবনুল জাওযী, আল ইলাল নং ৮৯ এ আনাস হতে মারফু’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন, তবে এর সনদে মিথ্যাবাদী রাবী রয়েছে।

بَابُ: التَّوْبيخِ لِمَنْ يَطْلُبُ الْعِلْمَ لِغَيْرِ اللَّهَ

أَخْبَرَنَا عَاصِمُ بْنُ يُوسُفَ، عَنْ فُضَيْلِ بْنِ عِيَاضٍ، عَنْ هِشَامٍ، عَنِ الْحَسَنِ، عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مِثْلَ ذَلِكَ

إسناده صحيح

أخبرنا عاصم بن يوسف، عن فضيل بن عياض، عن هشام، عن الحسن، عن النبي صلى الله عليه وسلم مثل ذلك إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ মুরসাল  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৩৭৮

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৩৪. আল্লাহ ছাড়া অন্য কারও বা কিছুর উদ্দেশ্যে ইলম অন্বেষণকারীর নিন্দা

৩৭৮. আলকামাহ আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণনা করেন, তিনি বলেছেন: তোমরা ইলম শিখে নাও। তোমরা ইলম শিখে নাও। আর যখন তোমরা তা শিখে নেবে, তখন তোমরা (সেই ইলম অনুযায়ী) আমল করবে।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ যয়ীফ, ইয়াযীদ ইবনু আবী যিয়াদ যয়ীফ রাবী।

তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা, ১৩/২৯৪ নং ১৬৩৯৪; খতীব, ইক্বতিদাউল ইলম ওয়াল আমল নং ১০; ইবনু আব্দুল বার, জামি’ বায়ানিল ইলম নং ১২৬৬; আবু নুয়াইম, হিলইয়া ১/১৩১।

بَابُ: التَّوْبيخِ لِمَنْ يَطْلُبُ الْعِلْمَ لِغَيْرِ اللَّهَ

أَخْبَرَنَا عَمْرُو بْنُ عَوْنٍ، أَنبَأَنَا خَالِدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، عَنْ يَزِيدَ بْنِ أَبِي زِيَادٍ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ، عَنْ عَلْقَمَةَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ: تَعَلَّمُوا، تَعَلَّمُوا، فَإِذَا عَلِمْتُمْ، فَاعْمَلُوا

إسناده ضعيف لضعف يزيد بن أبي زياد

أخبرنا عمرو بن عون، أنبأنا خالد بن عبد الله، عن يزيد بن أبي زياد، عن إبراهيم، عن علقمة، عن عبد الله، قال: تعلموا، تعلموا، فإذا علمتم، فاعملوا إسناده ضعيف لضعف يزيد بن أبي زياد

 হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai’f)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৩৭৯

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৩৪. আল্লাহ ছাড়া অন্য কারও বা কিছুর উদ্দেশ্যে ইলম অন্বেষণকারীর নিন্দা

৩৭৯. আবু ওয়াইল আব্দুল্লাহ (ইবনু মাসউদ) রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণনা করেন, তিনি বলেছেন: যে ব্যক্তি চার উদ্দেশ্যের কোনো একটি উদ্দেশ্যে ইলম শিক্ষা করবে, সে জাহান্নামে যাবে,- অথবা তিনি অনুরূপ কথা বলেছেন। যথা: তা (অর্জিত ইলম) দ্বারা আলিমদের সাথে প্রতিযোগিতা করার উদ্দেশ্যে, কিংবা তা দ্বারা জাহিলদের (মুর্খদের) সাথে তর্ক-বিতর্ক করার উদ্দেশ্যে, কিংবা এর মাধ্যমে লোকদের মনোযোগ নিজের দিকে আকৃষ্ট করার উদ্দেশ্যে, কিংবা আমীর-উমারাদের (শাসকদের) নিকট হতে কিছু (হাদীয়া) লাভের উদ্দেশ্যে।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ যয়ীফ। এতে অজ্ঞাত পরিচয় রাবী রয়েছে। আর তা আব্দুল্লাহ’র উপর মাওকুফ (তার বক্তব্য) হিসেবে বর্ণিত। দেখুন মাতালিবুল আলিয়া, নং ৩০২৮।

এর শাহিদ হাদীস রয়েছে যা আমরা মাজমাউয যাওয়াইদ নং ৮৭৫-৮৭৮ এ তাখরীজ করেছি। আরও দেখুন পরবর্তী ৩৮৫, ৩৮৬ নং হাদীস দু’টি।

بَابُ: التَّوْبيخِ لِمَنْ يَطْلُبُ الْعِلْمَ لِغَيْرِ اللَّهَ

أَخْبَرَنَا أَبُو عُبَيْدٍ الْقَاسِمُ بْنُ سَلَّامٍ، حَدَّثَنَا أَبُو إِسْمَاعِيلَ هُوَ إِبْرَاهِيمُ بْنُ سُلَيْمَانَ الْمُؤَدِّبُ، عَنْ عَاصِمٍ الْأَحْوَلِ، عَنْ مَنْ حَدَّثَهُ، عَنْ أَبِي وَائِلٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ قَالَ: ” مَنْ طَلَبَ الْعِلْمَ لِأَرْبَعٍ، دَخَلَ النَّارَ – أَوْ نَحْوَ هَذِهِ الْكَلِمَةِ -: لِيُبَاهِيَ بِهِ الْعُلَمَاءَ. أَوْ لِيُمَارِيَ بِهِ السُّفَهَاءَ، أَوْ لِيَصْرِفَ بِهِ وُجُوهَ النَّاسِ إِلَيْهِ، أَوْ لِيَأْخُذَ بِهِ مِنَ الْأُمَرَاءِ

إسناده ضعيف فيه جهالة وهو موقوف على عبد الله

أخبرنا أبو عبيد القاسم بن سلام، حدثنا أبو إسماعيل هو إبراهيم بن سليمان المؤدب، عن عاصم الأحول، عن من حدثه، عن أبي وائل، عن عبد الله قال: ” من طلب العلم لأربع، دخل النار – أو نحو هذه الكلمة -: ليباهي به العلماء. أو ليماري به السفهاء، أو ليصرف به وجوه الناس إليه، أو ليأخذ به من الأمراء إسناده ضعيف فيه جهالة وهو موقوف على عبد الله

 হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai’f)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৩৮০

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৩৪. আল্লাহ ছাড়া অন্য কারও বা কিছুর উদ্দেশ্যে ইলম অন্বেষণকারীর নিন্দা

৩৮০. সাঈদ ইবনু আমির হিশাম দাস্তাওয়ায়ী হতে বর্ণনা করেন, তিনি বলেছেন: আমি কোন একটি কিতাবে পড়েছিলাম, যা ঈসা আলাইহিস সালামের বাণী বলে আমার নিকট সংবাদ পৌঁছেছে: তোমরা তো দুনিয়ার জন্য কাজ করে যাচ্ছো, কিন্তু দুনিয়াতে কোনো কাজ করা ছাড়াও তোমাদেরকে রিযিক দেয়া হয়। আর তোমরা তো আখিরাতের জন্য কোনো কাজ করছ না, কিন্তু সেখানে আমল (কাজ) ব্যতীত তোমাদেরকে রিযিক দেয়া হবে না। তোমাদের জন্য আফসোস, হে নিকৃষ্ট আলিম সমাজ! তোমরা যে বিনিময় গ্রহণ করছো এবং তোমরা যে আমল নষ্ট করছো তার জন্য আফসোস! আমলের স্রষ্টা অচিরেই তোমাদের নিকট থেকে তাঁর আমল (এর হিসাব) চাইবেন। সেই সময় অতি নিকটবর্তী যখন তোমরা প্রশস্ত দুনিয়া ছেড়ে চলে যাবে এবং সংকীর্ণ অন্ধকার কবরে প্রবেশ করবে।

আল্লাহ তোমাদেরকে পাপ কাজ থেকে নিষেধ করেছেন যেভাবে তিনি তোমাদেরকে সালাত আদায় ও সিয়াম পালনের নির্দেশ দিয়েছেন। সেই ব্যক্তি কিভাবে আলিমদের অন্তর্ভুক্ত হবে যে তার রিযিকে অসন্তুষ্ট এবং নিজের অবস্থানকে তুচ্ছ জ্ঞান করে, অথচ সে জানে, এটি আল্লাহরই ইলম ও তাঁর তাকদীর (নির্ধারণ অনুযায়ী হয়েছে)? সেই ব্যক্তি কিভাবে আলিমগণের অন্তর্ভুক্ত হবে যে আল্লাহ তার জন্য যা নির্ধারণ করেছেন সেই জন্য সে আল্লাহকে দোষারোপ করে, ফলে সে যেটুকু পায়, তাতে সে মোটেও সন্তুষ্ট থাকে না? সেই ব্যক্তি কিভাবে আলিমগণের অন্তর্ভুক্ত হবে যে দুনিয়াকে আখিরাতের উপর প্রাধান্য দেয় এবং সে দুনিয়ার প্রতিই অধিক আশান্বিত?

সেই ব্যক্তি কিভাবে আলিমগণের অন্তর্ভুক্ত হবে যার প্রত্যাবর্তনস্থল হলো আখিরাত অথচ সে দুনিয়ামুখী হয়ে বসে আছে। আর যা তার উপকারে আসবে তার চেয়ে যা তার জন্য ক্ষতিকর তার প্রতি সে অধিক আকাঙ্ক্ষা করছে – কিংবা তিনি বলেন: অধিক মহব্বত করছে? সে কিভাবে জ্ঞানীদের অন্তর্ভুক্ত হতে পারে যে ব্যক্তি কালাম (ইলম) অন্বেষণ করে তা (লোকদের নিকট) বর্ণনা করার জন্য অথচ তা আমল করার উদ্দেশ্যে অন্বেষণ করে না?[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ মু’দ্বাল (পরপর কয়েকজন রাবী বাদ পড়েছে)।

তাখরীজ: আবু নুয়াইম, হিলইয়া ৬/২৭৯-২৮০; আহমদ, আয যুহদ পৃ: ৭৫।

بَابُ: التَّوْبيخِ لِمَنْ يَطْلُبُ الْعِلْمَ لِغَيْرِ اللَّهَ

أَخْبَرَنَا سَعِيدُ بْنُ عَامِرٍ، عَنْ هِشَامٍ صَاحِبِ الدَّسْتَوَائِيِّ، قَالَ قَرَأْتُ فِي كِتَابٍ بَلَغَنِي أَنَّهُ مِنْ كَلَامِ عِيسَى عَلَيْهِ السَّلَامُ: ” تَعْمَلُونَ لِلدُّنْيَا، وَأَنْتُمْ تُرْزَقُونَ فِيهَا بِغَيْرِ عَمَلٍ، وَلَا تَعْمَلُونَ لِلْآخِرَةِ، وَأَنْتُمْ لَا تُرْزَقُونَ فِيهَا، إِلَّا بِالْعَمَلِ، ويلَّكمْ عُلَمَاءَ السَّوْءِ: الْأَجْرَ تَأْخُذُونَ، وَالْعَمَلَ تُضَيِّعُونَ، يُوشِكُ رَبُّ الْعَمَلِ أَنْ يَطْلُبَ عَمَلَهُ، وَتُوشِكُونَ أَنْ تَخْرُجُوا مِنَ الدُّنْيَا الْعَرِيضَةِ إِلَى ظُلْمَةِ الْقَبْرِ وَضِيقِهِ. اللَّهُ ينهاكمْ عَنِ الْخَطَايَا كَمَا أَمَرَكُمْ بِالصَّلَاةِ وَالصِّيَامِ، كَيْفَ يَكُونُ مِنْ أَهْلِ الْعِلْمِ مَنْ سَخِطَ رِزْقَهُ وَاحْتَقَرَ مَنْزِلَتَهُ، وَقَدْ عَلِمَ أَنَّ ذَلِكَ مِنْ عِلْمِ اللَّهِ وَقُدْرَتِهِ؟ كَيْفَ يَكُونُ مِنْ أَهْلِ الْعِلْمِ مَنِ اتَّهَمَ اللَّهَ فِيمَا قَضَى لَهُ، فَلَيْسَ يَرْضَى شَيْئًا أَصَابَهُ؟ كَيْفَ يَكُونُ مِنْ أَهْلِ الْعِلْمِ مَنْ دُنْيَاهُ آثَرُ عِنْدَهُ مِنْ آخِرَتِهِ، وَهُوَ فِي الدُّنْيَا أَفْضَلُ رَغْبَةً؟ كَيْفَ يَكُونُ مِنْ أَهْلِ الْعِلْمِ مَنْ مَصِيرُهُ إِلَى آخِرَتِهِ، وَهُوَ مُقْبِلٌ عَلَى دُنْيَاهُ، وَمَا يَضُرُّهُ أَشْهَى إِلَيْهِ – أَوْ قَالَ أَحَبُّ إِلَيْهِ – مِمَّا يَنْفَعُهُ؟ كَيْفَ يَكُونُ مِنْ أَهْلِ الْعِلْمِ مَنْ يَطْلُبُ الْكَلَامَ لِيُخْبِرَ بِهِ، وَلَا يَطْلُبُهُ لِيَعْمَلَ بِهِ؟

إسناده معضل

أخبرنا سعيد بن عامر، عن هشام صاحب الدستوائي، قال قرأت في كتاب بلغني أنه من كلام عيسى عليه السلام: ” تعملون للدنيا، وأنتم ترزقون فيها بغير عمل، ولا تعملون للآخرة، وأنتم لا ترزقون فيها، إلا بالعمل، ويلكم علماء السوء: الأجر تأخذون، والعمل تضيعون، يوشك رب العمل أن يطلب عمله، وتوشكون أن تخرجوا من الدنيا العريضة إلى ظلمة القبر وضيقه. الله ينهاكم عن الخطايا كما أمركم بالصلاة والصيام، كيف يكون من أهل العلم من سخط رزقه واحتقر منزلته، وقد علم أن ذلك من علم الله وقدرته؟ كيف يكون من أهل العلم من اتهم الله فيما قضى له، فليس يرضى شيئا أصابه؟ كيف يكون من أهل العلم من دنياه آثر عنده من آخرته، وهو في الدنيا أفضل رغبة؟ كيف يكون من أهل العلم من مصيره إلى آخرته، وهو مقبل على دنياه، وما يضره أشهى إليه – أو قال أحب إليه – مما ينفعه؟ كيف يكون من أهل العلم من يطلب الكلام ليخبر به، ولا يطلبه ليعمل به؟ إسناده معضل

 হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai’f)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৩৮১

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৩৪. আল্লাহ ছাড়া অন্য কারও বা কিছুর উদ্দেশ্যে ইলম অন্বেষণকারীর নিন্দা

৩৮১. হারীয হাবীব ইবনু উবাইদ হতে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: তার নিকট বর্ণনা করা হয়েছে: তোমরা ইলম শিক্ষা কর এবং তা দ্বারা উপকৃত হও। তা দ্বারা সাজসজ্জা (সৌন্দর্যমণ্ডিত) করার উদ্দেশ্যে তা শিক্ষা করো না। যদি বেশি দিন বেঁচে থাকো, তবে অচিরেই দেখবে যে, ইলমের অধিকারী ব্যক্তি তার ইলম দ্বারা নিজেকে সুসজ্জিত করছে, যেভাবে পোশাকের অধিকারী ব্যক্তি তার পোশাক দ্বারা নিজেকে সুসজ্জিত করে।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: আহমদ, আয যুহদ পৃ: ৩৮৬; আবু নুয়াইম, হিলইয়া ৬/১০২; ইবনুল মুবারক, আয যুহদ নং ১৩৪৫; মিশকাতে তিবরিযী একে দারেমী’র সাথে সংশ্লিষ্ট করেছেন।

بَابُ: التَّوْبيخِ لِمَنْ يَطْلُبُ الْعِلْمَ لِغَيْرِ اللَّهَ

أَخْبَرَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ عَبْدِ الْمَجِيدِ، حَدَّثَنَا حَرِيزٌ، عَنْ حَبِيبِ بْنِ عُبَيْدٍ، قَالَ: كَانَ يُقَالُ: تَعَلَّمُوا الْعِلْمَ وَانْتَفِعُوا بِهِ، وَلَا تَعَلَّمُوهُ لِتَتَجَمَّلُوا بِهِ، فَإِنَّهُ يُوشِكُ إِنْ طَالَ بِكُمْ عُمُرٌ، أَنْ يَتَجَمَّلَ ذُو الْعِلْمِ بِعِلْمِهِ، كَمَا يَتَجَمَّلُ ذُو الْبِزَّةِ بِبِزَّتِهِ

إسناده صحيح

أخبرنا عبيد الله بن عبد المجيد، حدثنا حريز، عن حبيب بن عبيد، قال: كان يقال: تعلموا العلم وانتفعوا به، ولا تعلموه لتتجملوا به، فإنه يوشك إن طال بكم عمر، أن يتجمل ذو العلم بعلمه، كما يتجمل ذو البزة ببزته إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৩৮২

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৩৪. আল্লাহ ছাড়া অন্য কারও বা কিছুর উদ্দেশ্যে ইলম অন্বেষণকারীর নিন্দা

৩৮২. আহওয়াস ইবনু হাকীম তার পিতা হতে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে এক ব্যক্তি অকল্যাণকর বিষয় সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করল। তখন তিনি বলেন: “আমাকে তোমরা অকল্যাণকর বিষয় সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করো না, বরং কল্যাণকর বিষয় সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করো- তিনি একথা তিনবার বললেন।” তারপর তিনি বললেন: “জেনে রাখো, সবচেয়ে নিকৃষ্ট ব্যক্তি হলো ঐ ব্যক্তি যে আলিমদের মধ্যে খারাপ; আবার সবচেয়ে উৎকৃষ্ট ব্যক্তি হলো ঐ ব্যক্তি যে আলিমদের মধ্যে ভালো।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: আল আহওয়াস যয়ীফুল হিফয’ বা স্মৃতিশক্তি দূর্বল। এছাড়া বাকিয়াহ মুদাল্লিস এবং সে ‘আন আ‘ন’ পদ্ধতিতে এটি বর্ণনা করেছেন। আর হাকিম ইবনু উমাইর তাবিঈ। সুতরাং হাদীসটি মুরসালও বটে।

তাখরীজ: খতীব তিবরিযী মিশকাত নং ২৬৭ এ একে দারেমীর সাথে সম্পৃক্ত করেছেন।

بَابُ: التَّوْبيخِ لِمَنْ يَطْلُبُ الْعِلْمَ لِغَيْرِ اللَّهَ

أَخْبَرَنَا نُعَيْمُ بْنُ حَمَّادٍ، حَدَّثَنَا بَقِيَّةُ، عَنِ الْأَحْوَصِ بْنِ حَكِيمٍ، عَنْ أَبِيهِ قَالَ: سَأَلَ رَجُلٌ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَنِ الشَّرِّ فَقَالَ: «لَا تَسْأَلُونِي عَنِ الشَّرِّ، وَاسْأَلُونِي عَنِ الْخَيْرِ، يَقُولُهَا ثَلَاثًا» ثُمَّ قَالَ: أَلَا إِنَّ شَرَّ الشَّرِّ، شِرَارُ الْعُلَمَاءِ، وَإِنَّ خَيْرَ الْخَيْرِ، خِيَارُ الْعُلَمَاءِ

الأحوص ضعيف الحفظ وبقية مدلس وقد عنعن وحكيم بن عمير تابعي فالحديث مرسل أيضا

أخبرنا نعيم بن حماد، حدثنا بقية، عن الأحوص بن حكيم، عن أبيه قال: سأل رجل النبي صلى الله عليه وسلم عن الشر فقال: «لا تسألوني عن الشر، واسألوني عن الخير، يقولها ثلاثا» ثم قال: ألا إن شر الشر، شرار العلماء، وإن خير الخير، خيار العلماء الأحوص ضعيف الحفظ وبقية مدلس وقد عنعن وحكيم بن عمير تابعي فالحديث مرسل أيضا

 হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai’f)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৩৮৩

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৩৪. আল্লাহ ছাড়া অন্য কারও বা কিছুর উদ্দেশ্যে ইলম অন্বেষণকারীর নিন্দা

৩৮৩. ঈসা হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি শা’বীকে বলতে শুনেছি: কেবল সেই ব্যক্তিই এ ইলম অন্বেষণ করতো, যে তার নিজের মধ্যে দু’টি গুণের সমাবেশ করতে সক্ষম: আকল’ বা বুদ্ধি এবং সাধনা বা ইবাদত। ফলে যে ব্যক্তি শুধু ইবাদতগুজার হয় কিন্তু ’আকিল’ বা বুদ্ধিমান নয়, সে বলে: এটি এমন একটি বিষয় যেটি বুদ্ধিমান লোকেরা ব্যতীত কেউ লাভ করতে পারে না। যার ফলে সে তা অন্বেষণ (করার চেষ্টা-ই) করে না। আর যে বুদ্ধিমান হয় কিন্তু ইবাদতগুজার না হয়, সে বলে: এটি এমন একটি বিষয় যেটি ইবাদতগুজার লোকেরা ব্যতীত কেউ লাভ করতে পারবে না। যার ফলে সেও তা অন্বেষণ (করার চেষ্টা) করে না। তারপর শা’বী বললেন: আমার ভয় হয় যে, এখন এমন ব্যক্তি হয়তো তা (জ্ঞান) অন্বেষণ করবে, যার মধ্যে এ দু’টি গুণের একটিও নেই: না আছে বুদ্ধি বা জ্ঞান, আর না আছে ইবাদত বা সাধনা।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: ইবনু আবীদ দুনিয়া, আল আকল ওয়া ফাদলুহু নং ৫১; বাইহাকী, শুয়াবুল ঈমান নং ১৮০১।

بَابُ: التَّوْبيخِ لِمَنْ يَطْلُبُ الْعِلْمَ لِغَيْرِ اللَّهَ

أَخْبَرَنَا سَعِيدُ بْنُ عَامِرٍ، حَدَّثَنَا حُمَيْدُ بْنُ الْأَسْوَدِ، عَنْ عِيسَى، قَالَ: سَمِعْتُ الشَّعْبِيَّ، يَقُولُ: ” إِنَّمَا كَانَ يَطْلُبُ هَذَا الْعِلْمَ مَنِ اجْتَمَعَتْ فِيهِ خَصْلَتَانِ: الْعَقْلُ وَالنُّسُكُ، فَإِنْ كَانَ نَاسِكًا، وَلَمْ يَكُنْ عَاقِلًا، قَالَ: هَذَا أَمْرٌ لَا يَنَالُهُ إِلَّا الْعُقَلَاءُ فَلَمْ يَطْلُبْهُ. وَإِنْ كَانَ عَاقِلًا، وَلَمْ يَكُنْ نَاسِكًا قَالَ: هَذَا أَمْرٌ لَا يَنَالُهُ إِلَّا النُّسَّاكُ، فَلَمْ يَطْلُبْهُ. فَقَالَ: الشَّعْبِيُّ وَلَقَدْ رَهِبْتُ أَنْ يَكُونَ يَطْلُبُهُ الْيَوْمَ مَنْ لَيْسَتْ فِيهِ وَاحِدَةٌ مِنْهُمَا: لَا عَقْلٌ وَلَا نُسُكٌ

إسناده صحيح

أخبرنا سعيد بن عامر، حدثنا حميد بن الأسود، عن عيسى، قال: سمعت الشعبي، يقول: ” إنما كان يطلب هذا العلم من اجتمعت فيه خصلتان: العقل والنسك، فإن كان ناسكا، ولم يكن عاقلا، قال: هذا أمر لا يناله إلا العقلاء فلم يطلبه. وإن كان عاقلا، ولم يكن ناسكا قال: هذا أمر لا يناله إلا النساك، فلم يطلبه. فقال: الشعبي ولقد رهبت أن يكون يطلبه اليوم من ليست فيه واحدة منهما: لا عقل ولا نسك إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৩৮৪

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৩৪. আল্লাহ ছাড়া অন্য কারও বা কিছুর উদ্দেশ্যে ইলম অন্বেষণকারীর নিন্দা

৩৮৪. আবু আসিম বলেন, সুফিয়ান আমার সম্পর্কে ধারণা করে বলেন: “এ লোকটি ইলম অর্জনের পূর্বে চল্লিশ বছর ধরে ইবাদতে না কাটানো পর্যন্ত এ ইলম অন্বেষণ করেন নি।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: রমহরমুযী, আলমুহাদ্দিসুল ফাসিল নং ৫১।

بَابُ: التَّوْبيخِ لِمَنْ يَطْلُبُ الْعِلْمَ لِغَيْرِ اللَّهَ

أَخْبَرَنَا أَبُو عَاصِمٍ، قَالَ: زَعَمَ لِي سُفْيَانُ، قَالَ: كَانَ الرَّجُلُ لَا يَطْلُبُ الْعِلْمَ حَتَّى يَتَعَبَّدَ قَبْلَ ذَلِكَ أَرْبَعِينَ سَنَةً

إسناده صحيح

أخبرنا أبو عاصم، قال: زعم لي سفيان، قال: كان الرجل لا يطلب العلم حتى يتعبد قبل ذلك أربعين سنة إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৩৮৫

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৩৪. আল্লাহ ছাড়া অন্য কারও বা কিছুর উদ্দেশ্যে ইলম অন্বেষণকারীর নিন্দা

৩৮৫. মাকহুল হতে বর্ণিত, তিনি বলেন: যে ব্যক্তি এ উদ্দেশ্যে ইলম শিক্ষা করবে যে, তা দ্বারা জাহিলদের (মুর্খদের) সাথে তর্ক-বিতর্ক করবে, বা তা দ্বারা আলিমদের সাথে প্রতিযোগিতা করবে অথবা তা দ্বারা লোকদের মনোযোগ নিজের দিকে আকৃষ্ট করবে, তাহলে সে জাহান্নামের আগুনে প্রবেশ করবে।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর রাবীগণ নির্ভরযোগ্য এবং এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা, ৮/৭৩১ নং ৬১৭৭ সহীহ সনদে; আব্দুল্লাহ ইবনু আহমদ, যিয়াদাতুহু ফিয যুহদ পৃ: ২৬৪; ইবনু আব্দুল বার, জামি’ বায়ানিল ইলম নং ১১৩২; পূর্বের টীকা দেখুন।

بَابُ: التَّوْبيخِ لِمَنْ يَطْلُبُ الْعِلْمَ لِغَيْرِ اللَّهَ

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ، عَنْ سُفْيَانَ، عَنْ بُرْدِ بْنِ سِنَانٍ أَبِي الْعَلَاءِ، عَنْ مَكْحُولٍ، قَالَ: «مَنْ طَلَبَ الْعِلْمَ لِيُمَارِيَ بِهِ السُّفَهَاءَ وَلِيُبَاهِيَ بِهِ الْعُلَمَاءَ، أَوْ لِيَصْرِفَ بِهِ وُجُوهَ النَّاسِ إِلَيْهِ، فَهُوَ فِي نَارِ جَهَنَّمَ

رجاله ثقات وهذا إسناده صحيح

أخبرنا محمد بن يوسف، عن سفيان، عن برد بن سنان أبي العلاء، عن مكحول، قال: «من طلب العلم ليماري به السفهاء وليباهي به العلماء، أو ليصرف به وجوه الناس إليه، فهو في نار جهنم رجاله ثقات وهذا إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৩৮৬

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৩৪. আল্লাহ ছাড়া অন্য কারও বা কিছুর উদ্দেশ্যে ইলম অন্বেষণকারীর নিন্দা

৩৮৬. মাকহুল হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন: “যে ব্যক্তি এ উদ্দেশ্যে ইলম শিক্ষা করবে যে, তা দ্বারা আলিমদের সাথে প্রতিযোগিতা করবে, কিংবা তা দ্বারা জাহিলদের (মুর্খদের) সাথে তর্ক-বিতর্ক করবে, কিংবা তা দ্বারা লোকদের মনোযোগ নিজের দিকে আকৃষ্ট করবে, তাহলে আল্লাহ তাকে জাহান্নামে প্রবেশ করাবেন।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর বর্ণনাকারীগণ বিশ্বস্ত। তবে এটি মুরসাল। (তবে মারফু’ হিসেবেও এটি সহীহ-যা তাখরীজে উল্লেখ আছে।-অনুবাদক)

তাখরীজ: তবে জাবির রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত হাদীসটি এর শাহিদ হাদীস যা আমরা মাওয়ারিদুয যাম’আন নং ৯০ ও সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৭৭ এ পূর্ণ তাখরীজ করেছি। আরও দেখুন মাজমাউয যাওয়াইদ, হাদীস নং ৮৭৫-৮৭৮।

بَابُ: التَّوْبيخِ لِمَنْ يَطْلُبُ الْعِلْمَ لِغَيْرِ اللَّهَ

أَخْبَرَنَا يَحْيَى بْنُ بِسْطَامَ، عَنْ يَحْيَى بْنِ حَمْزَةَ، حَدَّثَنِي النُّعْمَانُ، عَنْ مَكْحُولٍ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ «مَنْ طَلَبَ الْعِلْمَ لِيُبَاهِيَ بِهِ الْعُلَمَاءَ، أَوْ لِيُمَارِيَ بِهِ السُّفَهَاءَ، أَوْ يُرِيدُ أَنْ يُقْبِلَ بِوُجُوهِ النَّاسِ إِلَيْهِ، أَدْخَلَهُ اللَّهُ جَهَنَّمَ

رجاله ثقات غير أنه مرسل

أخبرنا يحيى بن بسطام، عن يحيى بن حمزة، حدثني النعمان، عن مكحول، قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم «من طلب العلم ليباهي به العلماء، أو ليماري به السفهاء، أو يريد أن يقبل بوجوه الناس إليه، أدخله الله جهنم رجاله ثقات غير أنه مرسل

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৩৮৭

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৩৪. আল্লাহ ছাড়া অন্য কারও বা কিছুর উদ্দেশ্যে ইলম অন্বেষণকারীর নিন্দা

৩৮৭. শাহার ইবনু হাওশাব, ইবনু আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা হতে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: কোনো লোকের হাদীস ততটুকুই মুখস্ত থাকে, যতটুকুর নিয়াত (বিশুদ্ধ) থাকে।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ যয়ীফ।

তাখরীজ: এ সম্পর্কে আমি আর কোথাও পাইনি।

بَابُ: التَّوْبيخِ لِمَنْ يَطْلُبُ الْعِلْمَ لِغَيْرِ اللَّهَ

أَخْبَرَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ أَبَانَ، حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ يَمَانٍ، عَنِ الْمِنْهَالِ بْنِ خَلِيفَةَ، عَنْ مَطَرٍ الْوَرَّاقِ، عَنْ شَهْرِ بْنِ حَوْشَبٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا، قَالَ: إِنَّمَا يُحْفَظُ حَدِيثُ الرَّجُلِ عَلَى قَدْرِ نِيَّتِهِ

إسناده ضعيف

أخبرنا إسماعيل بن أبان، حدثنا يحيى بن يمان، عن المنهال بن خليفة، عن مطر الوراق، عن شهر بن حوشب، عن ابن عباس رضي الله عنهما، قال: إنما يحفظ حديث الرجل على قدر نيته إسناده ضعيف

 হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai’f)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৩৮৮

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৩৪. আল্লাহ ছাড়া অন্য কারও বা কিছুর উদ্দেশ্যে ইলম অন্বেষণকারীর নিন্দা

৩৮৮. কাসিম থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আব্দুল্লাহ (ইবনু মাসউদ) রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু আমাকে বলেন: আমার ধারণা, কোনো লোক যে পরিমাণে পাপ করে, সে তার শিক্ষাকৃত ইলম সেই পরিমাণে ভুলে যায়।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ যয়ীফ। আবু খায়ছামাহ, ইলম নং ১৩২; ইবনুল মুবারক, আয যুহদ নং ৮৩; ওয়াকী’, আয যুহদ নং ২৬৯; আহমদ, আয ‍যুহদ পৃ: ১৯৫-১৯৬; আবু নুয়াইম, হিলইয়া ১/১৩১; খতীব, ইক্বতিদাউল ইলমুল আমল নং ৯৬; জামি’ নং ১৮৫০; ইবনু আব্দুল বার, জামি’ বায়ানিল ইলম নং ১১৯৫। পূর্ণাঙ্গ তাখরীজ দেখুন, আমার তাহক্বীক্বকৃত মাজমাউয যাওয়াইদ নং ৯৯০ হাদীস।

بَابُ: التَّوْبيخِ لِمَنْ يَطْلُبُ الْعِلْمَ لِغَيْرِ اللَّهَ

أَخْبَرَنَا يَعْلَى، حَدَّثَنَا الْمَسْعُودِيُّ، عَنِ الْقَاسِمِ، قَالَ: قَالَ لِي عَبْدُ اللَّهِ إِنِّي لَأَحْسَبُ الرَّجُلَ يَنْسَى الْعِلْمَ كَانَ يَعْلَمُهُ لِلْخَطِيئَةِ كَانَ يَعْمَلُهَا

إسناده ضعيف

أخبرنا يعلى، حدثنا المسعودي، عن القاسم، قال: قال لي عبد الله إني لأحسب الرجل ينسى العلم كان يعلمه للخطيئة كان يعملها إسناده ضعيف

 হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai’f)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৩৮৯

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৩৪. আল্লাহ ছাড়া অন্য কারও বা কিছুর উদ্দেশ্যে ইলম অন্বেষণকারীর নিন্দা

৩৮৯. শাহর ইবনু হাওশাব হতে বর্ণিত, তিনি বলেন: আমার নিকট এ খবর পৌঁছেছে যে, লুকমান হাকীম তাঁর পুত্রকে বলেছিলেন: হে আমার পুত্র! তুমি এ উদ্দেশ্যে ইলম শিক্ষা করবে না যে, তা দ্বারা আলিমদের সাথে প্রতিযোগিতা করবে, কিংবা তা দ্বারা জাহিলদের (মুর্খদের) সাথে তর্ক-বিতর্ক করবে, কিংবা সমাবেশে লোকদেরকে তা প্রদর্শন করবে। আর ইলম থেকে উদাসীন হয়ে এবং মূর্খতার আশায় তুমি ইলমকে পরিত্যাগ করবে না।

হে আমার পুত্র! তোমার সামনের মজলিসকে অগ্রাধিকার দাও; আর যখন তুমি লোকদেরকে আল্লাহর যিকির করতে দেখবে, তখন তাদের সাথে বসে যাও। ফলে তুমি যদি আলিম হও, তবে (অন্যদের শিক্ষাদানের মাধ্যমে) তোমার ইলম তোমার উপকারে আসবে। আর যদি জাহিল হও, তবে তারা তোমাকে ইলম শিক্ষা দেবে। আশা করা যায় আল্লাহ তাদের উপর রহমত বর্ষণ করবেন; ফলে তাদের সাথে ‍তুমিও সেই রহমত প্রাপ্ত হবে।

আর যখন লোকদেরকে দেখবে, তারা আল্লাহর যিকির করছে না, তখন তুমি তাদের সাথে বসবে না। তাহলে যদি তুমি আলিম হও, তবে তোমার ইলম তখন তোমার কোনো উপকারে আসবে না। আর তুমি যদি একজন জাহিল (মুর্খ্য) হও, তারা তোমার অজ্ঞতা আরও বৃদ্ধি করবে। এবং হতে পারে আল্লাহ তাদের উপর আযাব নাযিল করবেন এবং তাদের সাথে সেই আযাব তোমার উপরও আপতিত হবে।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ শাহর ইবনু হাওশাব পর্যন্ত হাসান।

তাখরীজ: ইবনু আব্দুল বার, জামি’ বায়ানিল ইলম, নং ৬৭৮; আহমদ, আয যুহদ ১/১৫৩; আবু নুয়াইম, হিলইয়া ৯/৫৫ উবাইদ ইবনু আমির বলেন, লুকমান বলেন….। পরবর্তী আছারটিও দেখুন।

بَابُ: التَّوْبيخِ لِمَنْ يَطْلُبُ الْعِلْمَ لِغَيْرِ اللَّهَ

أَخْبَرَنَا الْحَكَمُ بْنُ نَافِعٍ، أَخْبَرَنَا شُعَيْبُ بْنُ أَبِي حَمْزَةَ، عَنِ ابْنِ أَبِي حُسَيْنٍ، عَنْ شَهْرِ بْنِ حَوْشَبٍ، قَالَ: بَلَغَنِي أَنَّ لُقْمَانَ الْحَكِيمَ كَانَ يَقُولُ لِابْنِهِ: «يَا بُنَيَّ، لَا تَعَلَّمِ الْعِلْمَ لِتُبَاهِيَ بِهِ الْعُلَمَاءَ، أَوْ لِتُمَارِيَ بِهِ السُّفَهَاءَ، أَوْ تُرَائِيَ بِهِ فِي الْمَجَالِسِ، وَلَا تَتْرُكِ الْعِلْمَ زُهْدًا فِيهِ، وَرَغْبَةً فِي الْجَهَالَةِ. يَا بُنَيَّ اخْتَرِ الْمَجَالِسَ عَلَى عَيْنِكَ، وَإِذَا رَأَيْتَ قَوْمًا يَذْكُرُونَ اللَّهَ، فَاجْلِسْ مَعَهُمْ، فَإِنَّكَ إِنْ تَكُنْ عَالِمًا، يَنْفَعْكَ عِلْمُكَ، وَإِنْ تَكُنْ جَاهِلًا، يُعَلِّمُوكَ، وَلَعَلَّ اللَّهَ أَنْ يَطَّلِعَ عَلَيْهِمْ بِرَحْمَتِهِ، فَيُصِيبَكَ بِهَا مَعَهُمْ، وَإِذَا رَأَيْتَ قَوْمًا، لَا يَذْكُرُونَ اللَّهَ، فَلَا تَجْلِسْ مَعَهُمْ، فَإِنَّكَ إِنْ تَكُنْ عَالِمًا، لَا يَنْفَعْكَ عِلْمُكَ، وَإِنْ تَكُنْ جَاهِلًا، زَادُوكَ غَيًّا، وَلَعَلَّ اللَّهَ أَنْ يَطَّلِعَ عَلَيْهِمْ بِعَذَابٍ فَيُصِيبَكَ مَعَهُمْ

إسناده حسن إلى شهر بن حوشب

أخبرنا الحكم بن نافع، أخبرنا شعيب بن أبي حمزة، عن ابن أبي حسين، عن شهر بن حوشب، قال: بلغني أن لقمان الحكيم كان يقول لابنه: «يا بني، لا تعلم العلم لتباهي به العلماء، أو لتماري به السفهاء، أو ترائي به في المجالس، ولا تترك العلم زهدا فيه، ورغبة في الجهالة. يا بني اختر المجالس على عينك، وإذا رأيت قوما يذكرون الله، فاجلس معهم، فإنك إن تكن عالما، ينفعك علمك، وإن تكن جاهلا، يعلموك، ولعل الله أن يطلع عليهم برحمته، فيصيبك بها معهم، وإذا رأيت قوما، لا يذكرون الله، فلا تجلس معهم، فإنك إن تكن عالما، لا ينفعك علمك، وإن تكن جاهلا، زادوك غيا، ولعل الله أن يطلع عليهم بعذاب فيصيبك معهم إسناده حسن إلى شهر بن حوشب

 হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৩৯০

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৩৪. আল্লাহ ছাড়া অন্য কারও বা কিছুর উদ্দেশ্যে ইলম অন্বেষণকারীর নিন্দা

৩৯০. কাছীর ইবনু মুররাহ বলেন: জ্ঞানী ব্যক্তিদের নিকট মিথ্যা কথা বলো না, তাহলে তারা তোমাকে অবজ্ঞা/ঘৃণা করবে। আর মুর্খদের নিকট জ্ঞানের কথা বলো না, তাহলে তারা তোমাকে মিথ্যা প্রতিপন্ন করবে। ইলমের জন্য উপযুক্ত ব্যক্তিকে ইলম থেকে বঞ্চিত করো না, তাহলে তুমি পাপী হবে। আর ইলমকে তার উপযুক্ত ব্যক্তি ছাড়া অন্যত্র দান করো না, তাহলে সে তোমাকে অজ্ঞ বলবে। তোমার উপর তোমার ইলমের হক রয়েছে, যেভাবে তোমার উপর তোমার মাল-সম্পদের হক রয়েছে।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: আহমদ, আয যুহদ পৃ: ৩৮৬; রমহরমুযী, আল মুহাদ্দিসুল ফাসিল নং ৮০৪; থতীব, আলজামি’ লি আখলাকির রাবী নং ৭৯০।

بَابُ: التَّوْبيخِ لِمَنْ يَطْلُبُ الْعِلْمَ لِغَيْرِ اللَّهَ

أَخْبَرَنَا يُوسُفُ بْنُ مُوسَى، حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ سُلَيْمَانَ، حَدَّثَنَا حَرِيزٌ، عَنْ سَلْمَانَ بْنِ سُمَيْرٍ، عَنْ كَثِيرِ بْنِ مُرَّةَ، قَالَ: «لَا تُحَدِّثِ الْبَاطِلَ الْحُكَمَاءَ فَيَمْقُتُوكَ، وَلَا تُحَدِّثِ الْحِكْمَةَ لِلسُّفَهَاءِ، فَيُكَذِّبُوكَ، وَلَا تَمْنَعِ الْعِلْمَ أَهْلَهُ، فَتَأْثَمَ، وَلَا تَضَعْهُ فِي غَيْرِ أَهْلِهِ فَتُجَهَّلَ. إِنَّ عَلَيْكَ فِي عِلْمِكَ حَقًّا، كَمَا أَنَّ عَلَيْكَ فِي مَالِكَ حَقًّا

إسناده صحيح

أخبرنا يوسف بن موسى، حدثنا إسحاق بن سليمان، حدثنا حريز، عن سلمان بن سمير، عن كثير بن مرة، قال: «لا تحدث الباطل الحكماء فيمقتوك، ولا تحدث الحكمة للسفهاء، فيكذبوك، ولا تمنع العلم أهله، فتأثم، ولا تضعه في غير أهله فتجهل. إن عليك في علمك حقا، كما أن عليك في مالك حقا إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৩৯১

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৩৪. আল্লাহ ছাড়া অন্য কারও বা কিছুর উদ্দেশ্যে ইলম অন্বেষণকারীর নিন্দা

৩৯১. মুয়াবিয়া বর্ণনা করেন যে, আবু ফুরুত তার নিকট বর্ণনা করেন যে, ঈসা ইবনু মারইয়াম আলাইহিস সালাম বলতেন: ইলমের জন্য উপযুক্ত ব্যক্তিকে ইলম থেকে বঞ্চিত করো না, তাহলে তুমি পাপী হবে। আর উপযুক্ত ব্যক্তি ছাড়া অন্যত্র ইলম প্রকাশ করো না, তাহলে তোমাকে অজ্ঞ বলা হবে। তুমি এমন নরম অন্তরের ডাক্তার হয়ে যাও, যিনি সেখানেই তার ঔষধ প্রয়োগ করেন, যেখানে তা উপকারী হবে বলে তিনি জানেন।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ যয়ীফ। এতে লাইছের কাতিব (লেখক) আব্দুল্লাহ ইবনু সলিহ রয়েছে, তিনি যয়ীফ।…।

তাখরীজ: তবে আব্দুল্লাহ ইবনু সলিহের মুতাবিয়াত বর্ণনা রয়েছে, যা ইবনু আব্দুল বার, জামি’ বায়ানিল ইলম নং ৬৯৬ এ বর্ণনা করেছেন। আরও দেখুন, মুহাদ্দিসুল ফাসিল নং ৮০৮; হিলইয়াতুল আউলিয়া ৭/২৭৩।

بَابُ: التَّوْبيخِ لِمَنْ يَطْلُبُ الْعِلْمَ لِغَيْرِ اللَّهَ

أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ صَالِحٍ، حَدَّثَنِي مُعَاوِيَةُ، أَنَّ أَبَا فَرْوَةَ، حَدَّثَهُ: أَنَّ عِيسَى ابْنَ مَرْيَمَ عَلَيْهِ السَّلَامُ كَانَ يَقُولُ: «لَا تَمْنَعِ الْعِلْمَ مِنْ أَهْلِهِ، فَتَأْثَمَ، وَلَا تَنْشُرْهُ عِنْدَ غَيْرِ أَهْلِهِ فَتُجَهَّلَ، وَكُنْ طَبِيبًا رَفِيقًا، يَضَعُ دَوَاءَهُ حَيْثُ يَعْلَمُ أَنَّهُ يَنْفَعُ

إسناده ضعيف فيه عبد الله بن صالح كاتب الليث وهو ضعيف وفي الإسناد إعضال

أخبرنا عبد الله بن صالح، حدثني معاوية، أن أبا فروة، حدثه: أن عيسى ابن مريم عليه السلام كان يقول: «لا تمنع العلم من أهله، فتأثم، ولا تنشره عند غير أهله فتجهل، وكن طبيبا رفيقا، يضع دواءه حيث يعلم أنه ينفع إسناده ضعيف فيه عبد الله بن صالح كاتب الليث وهو ضعيف وفي الإسناد إعضال

 হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai’f)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৩৯২

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৩৪. আল্লাহ ছাড়া অন্য কারও বা কিছুর উদ্দেশ্যে ইলম অন্বেষণকারীর নিন্দা

৩৯২. গায়লান মুতাররিফ হতে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: তুমি এমন ব্যক্তিকে তোমার খাদ্য দান করো না, যে তা কামনা-প্রত্যাশা করে না।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: রমহরমুযী, আল মুহাদ্দিসুল ফাসিল নং ৮৪৩; খতীব, আল জামি’উল আখলাকুর রাবী নং ৭৩৮।

بَابُ: التَّوْبيخِ لِمَنْ يَطْلُبُ الْعِلْمَ لِغَيْرِ اللَّهَ

أَخْبَرَنَا أَبُو النُّعْمَانِ، حَدَّثَنَا مَهْدِيٌّ، عَنْ غَيْلَانَ، عَنْ مُطَرِّفٍ، قَالَ: «لَا تُطْعِمْ طَعَامَكَ مَنْ لَا يَشْتَهِيهِ

إسناده صحيح

أخبرنا أبو النعمان، حدثنا مهدي، عن غيلان، عن مطرف، قال: «لا تطعم طعامك من لا يشتهيه إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৩৯৩

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৩৪. আল্লাহ ছাড়া অন্য কারও বা কিছুর উদ্দেশ্যে ইলম অন্বেষণকারীর নিন্দা

৩৯৩. দাউদ ইবনু সাবূর হতে বর্ণিত, তিনি শাহর ইবনু হাওশাবকে বলতে শুনেছেন, লুকমান হাকীম তাঁর পূত্র কে বলেছিলেন: হে আমার পূত্র! তুমি এ উদ্দেশ্যে ইলম শিক্ষা করবে না যে, তা দ্বারা আলিমদের সাথে প্রতিযোগিতা (গর্ব) করবে, কিংবা তা দ্বারা জাহিলদের (মুর্খদের) সাথে তর্ক-বিতর্ক করবে, কিংবা সমাবেশে লোকদেরকে তা প্রদর্শন করবে। আর ইলম থেকে উদাসীন হয়ে এবং মুর্খতার আশায় তুমি ইলমকে পরিত্যাগ করো না।

আর যখন তুমি লোকদেরকে আল্লাহর যিকির করতে[1] দেখ, তখন তাদের সাথে বসে যাও। ফলে তুমি যদি একজন আলিম হও, তবে তোমার ইলম তোমার উপকারে আসবে। আর যদি জাহিল হও, তবে তারা তোমাকে ইলম শিক্ষা দেবে। আশা করা যায় আল্লাহ তাদের উপর রহমত বর্ষণ করবেন; ফলে তাদের সাথে ‍তুমিও সেই রহমত প্রাপ্ত হবে।

আর যখন লোকদেরকে দেখবে, তারা আল্লাহর যিকির করছে না, তখন তুমি তাদের সাথে বসবে না। কেননা, তুমি যদি একজন আলিম হও, তবে তোমার ইলম তখন তোমার কোনো উপকারে আসবে না। আর তুমি যদি একজন জাহিল (মুর্খ্য) হও, তাহলে তারা তোমার বিভ্রান্তি- কিংবা অজ্ঞতা আরও বৃদ্ধি করবে। এবং হতে পারে আল্লাহ তাদের উপর ক্রোধ নাযিল করবেন এবং তাদের সাথে সেই ক্রোধ তোমার উপরও আপতিত হবে।[2]

[1] (এখানে মুহাক্কিক্বের তাহক্বীক্বকৃত এ কিতাবে ‘লা’ বা না শব্দটি রয়েছে। কিন্তু পূর্বে উল্লেখিত এ হাদীসে এ শব্দটি নাই। আমাদের ধারণা শব্দটি ভুল করে দুইবার হয়ে গিয়েছে, যা পরের বাক্যেও রয়েছে। তাই আমরা শব্দটি বাদ দিয়ে অনুবাদ করেছি।- অনুবাদক)

[2] তাহক্বীক্ব: শাহর ইবনু হাওশাব পর্যন্ত এর সনদ সহীহ। কিন্তু এটি ‍মু’দ্বাল।

তাখরীজ: ইবনুল মুবারক, আয যুহদ নং ৯৫২; আবু নুয়াইম, হিলইয়া ৬/৬২-৬৩; ইবনু আব্দুল বার, জামি’ বায়ানিল ইলম নং ৬৭৯, ইবনু মানসুর ইবনু উয়াইনাহ হতে এ সনদে বর্ণনা করেছেন। পূর্বের ৩৮৯ নং আছারটি দেখুন।

بَابُ: التَّوْبيخِ لِمَنْ يَطْلُبُ الْعِلْمَ لِغَيْرِ اللَّهَ

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ دَاوُدَ بْنِ شَابُورَ، سَمِعَ شَهْرَ بْنَ حَوْشَبٍ، يَقُولُ: قَالَ لُقْمَانُ لِابْنِهِ: «يَا بُنَيَّ لَا تَعَلَّمِ الْعِلْمَ لِتُبَاهِيَ بِهِ الْعُلَمَاءَ، وتُمَارِيَ بِهِ السُّفَهَاءَ، وَتُرَائِيَ بِهِ فِي الْمَجَالِسِ، وَلَا تَتْرُكِ الْعِلْمَ زَهَادَةً فِيهِ، وَرَغْبَةً فِي الْجَهَالَةِ، وَإِذَا رَأَيْتَ قَوْمًا لا يَذْكُرُونَ اللَّهَ، فَاجْلِسْ مَعَهُمْ، إِنْ تَكُ عَالِمًا، يَنْفَعْكَ عِلْمُكَ، وَإِنْ تَكُ جَاهِلًا، عَلَّمُوكَ، وَلَعَلَّ اللَّهَ أَنْ يَطَّلِعَ عَلَيْهِمْ بِرَحْمَتِهِ، فَيُصِيبَكَ بِهَا مَعَهُمْ، وَإِذَا رَأَيْتَ قَوْمًا لَا يَذْكُرُونَ اللَّهَ فَلَا تَجْلِسْ مَعَهُمْ، إِنْ تَكُ عَالِمًا لَمْ يَنْفَعْكَ عِلْمُكَ، وَإِنْ تَكُ جَاهِلًا، زَادُوكَ غَيًّا – أَوْ عِيًّا – وَلَعَلَّ اللَّهَ أَنْ يَطَّلِعَ عَلَيْهِمْ بِسَخَطٍ فَيُصِيبَكَ بِهِ مَعَهُمْ

إسناده صحيح إلى شهر بن حوشب ولكنه معضل

أخبرنا محمد بن أحمد، حدثنا سفيان، عن داود بن شابور، سمع شهر بن حوشب، يقول: قال لقمان لابنه: «يا بني لا تعلم العلم لتباهي به العلماء، وتماري به السفهاء، وترائي به في المجالس، ولا تترك العلم زهادة فيه، ورغبة في الجهالة، وإذا رأيت قوما لا يذكرون الله، فاجلس معهم، إن تك عالما، ينفعك علمك، وإن تك جاهلا، علموك، ولعل الله أن يطلع عليهم برحمته، فيصيبك بها معهم، وإذا رأيت قوما لا يذكرون الله فلا تجلس معهم، إن تك عالما لم ينفعك علمك، وإن تك جاهلا، زادوك غيا – أو عيا – ولعل الله أن يطلع عليهم بسخط فيصيبك به معهم إسناده صحيح إلى شهر بن حوشب ولكنه معضل

 হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai’f)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৩৯৪

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৩৪. আল্লাহ ছাড়া অন্য কারও বা কিছুর উদ্দেশ্যে ইলম অন্বেষণকারীর নিন্দা

৩৯৪. ইয়াহইয়া ইবনু জা’দাহ আলী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণনা করেন, তিনি বলেছেন: হে ইলমের ধারক (আলিম)গণ! তোমরা তোমাদের ইলম অনুযায়ী আমল কর; কেননা, আলিম তো হলেন সেই ব্যক্তি যিনি তার জ্ঞান অনুসারে আমল করেন এবং তার আমল তার ইলমের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ হয়। আর অচিরেই এমন এক সম্প্রদায়ের আবির্ভাব হবে, যারা ইলমের ধারক (আলিম) হবে কিন্তু তাদের ইলম তাদের কণ্ঠনালী অতিক্রম করবে না। তাদের আমল হবে তাদের ইলমের বিপরীত। তাদের গোপন বিষয়সমূহ হবে প্রকাশ্য বিষয়সমূহের বিপরীত। তারা গোলাকৃতি হয়ে (হালাকায়) বসে একে অপরের সাথে বিতর্কে লিপ্ত হবে। এমনকি কোনো ব্যক্তি তার নিকট না বসে অন্যের নিকট বসলে সে এতে রাগান্বিত হবে এবং সে তাকে পরিত্যাগ করবে। আর এরা হলো ঐ সকল লোক যাদের সেই সকল মজলিসে কৃত আমলসমূহ আল্লাহ তা’আলা’-র নিকট উঠবে না।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: বাশার ইবনু সালম মুনকারুল হাদীস (হাদীসের ক্ষেত্রে পরিত্যক্ত)। ছাবীর ইবনু আবী ফাখতাহ যয়ীফ। আমরা যতটা জানতে পেরেছি, ইয়াহইয়া ইবনু জা’দাহ কর্তৃক আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে কোনো বর্ণনা আমরা জানতে পারিনি। আল্লাহই সর্বাধিক জানেন।

তাখরীজ: খতীব, ইক্বতিদাউল ইলমুল আমল নং ৯; আল জামি’ নং ৩২১; ইবনু আব্দুল বার, জামি’ বায়ানিল ইলম নং ১২৩৬ এর টীকায় সংযোজন করেছেন।

بَابُ: التَّوْبيخِ لِمَنْ يَطْلُبُ الْعِلْمَ لِغَيْرِ اللَّهَ

أَخْبَرَنَا الْحَسَنُ بْنُ بِشْرٍ، قَالَ: حَدَّثَنِي أَبِي، عَنْ سُفْيَانَ، عَنْ ثُوَيْرٍ، عَنْ يَحْيَى بْنِ جَعْدَةَ، عَنْ عَلِيٍّ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ، قَالَ: «يَا حَمَلَةَ الْعِلْمِ اعْمَلُوا بِهِ، فَإِنَّمَا الْعَالِمُ مَنْ عَمِلَ بِمَا عَلِمَ وَوَافَقَ عِلْمُهُ عَمَلَهُ، وَسَيَكُونُ أَقْوَامٌ يَحْمِلُونَ الْعِلْمَ لَا يُجَاوِزُ تَرَاقِيَهُمْ، يُخَالِفُ عَمَلُهُمْ عِلْمَهُمْ، وَتُخَالِفُ سَرِيرَتُهُمْ عَلَانِيَتَهُمْ، يَجْلِسُونَ حِلَقًا فَيُبَاهِيَ بَعْضُهُمْ بَعْضًا، حَتَّى إِنَّ الرَّجُلَ لَيَغْضَبُ عَلَى جَلِيسِهِ أَنْ يَجْلِسَ إِلَى غَيْرِهِ وَيَدَعَهُ، أُولَئِكَ لَا تَصْعَدُ أَعْمَالُهُمْ فِي مَجَالِسِهِمْ، تِلْكَ إِلَى اللَّهِ تَعَالَى

بشر بن سلم منكر الحديث وثوير بن أبي فاخته ضعيف ويحيى بن جعدة ما عرفنا له رواية عن علي فيما نعلم

أخبرنا الحسن بن بشر، قال: حدثني أبي، عن سفيان، عن ثوير، عن يحيى بن جعدة، عن علي رضي الله عنه، قال: «يا حملة العلم اعملوا به، فإنما العالم من عمل بما علم ووافق علمه عمله، وسيكون أقوام يحملون العلم لا يجاوز تراقيهم، يخالف عملهم علمهم، وتخالف سريرتهم علانيتهم، يجلسون حلقا فيباهي بعضهم بعضا، حتى إن الرجل ليغضب على جليسه أن يجلس إلى غيره ويدعه، أولئك لا تصعد أعمالهم في مجالسهم، تلك إلى الله تعالى بشر بن سلم منكر الحديث وثوير بن أبي فاخته ضعيف ويحيى بن جعدة ما عرفنا له رواية عن علي فيما نعلم

 হাদিসের মানঃ মুনকার (সহীহ হাদীসের বিপরীত)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৩৯৫

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৩৪. আল্লাহ ছাড়া অন্য কারও বা কিছুর উদ্দেশ্যে ইলম অন্বেষণকারীর নিন্দা

৩৯৫. মুসলিম মাসরুক হতে বর্ণনা করেন, তিনি বলেছেন: কোনো লোকের আলিম হওয়ার জন্য এতটুকুই যথেষ্ট যে, সে আল্লাহকে ভয় করে। আবার কোনো লোকের জাহিল হওয়ার জন্য এতটুকুই যথেষ্ট যে, সে তার ইলমের জন্য বিস্মিত/আনন্দিত হয়।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: এটি ৩২২ নং এ গত হয়েছে।

بَابُ: التَّوْبيخِ لِمَنْ يَطْلُبُ الْعِلْمَ لِغَيْرِ اللَّهَ

أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ يُونُسَ، حَدَّثَنَا زَائِدَةُ، عَنِ الْأَعْمَشِ، عَنْ مُسْلِمٍ، عَنْ مَسْرُوقٍ، قَالَ: كَفَى بِالْمَرْءِ عِلْمًا أَنْ يَخْشَى اللَّهَ، وَكَفَى بِالْمَرْءِ جَهْلًا، أَنْ يُعْجَبَ بِعِلْمِهِ

إسناده صحيح

أخبرنا أحمد بن عبد الله بن يونس، حدثنا زائدة، عن الأعمش، عن مسلم، عن مسروق، قال: كفى بالمرء علما أن يخشى الله، وكفى بالمرء جهلا، أن يعجب بعلمه إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৩৯৬

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৩৪. আল্লাহ ছাড়া অন্য কারও বা কিছুর উদ্দেশ্যে ইলম অন্বেষণকারীর নিন্দা

৩৯৬. আব্দুল্লাহ ইবনু জুবায়ের মুয়াবিয়া ইবনু ক্বুররাহ হতে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: পূর্ববর্তী জাতীসমূহের কোন জাতি এ উম্মতের কোন সাধারণ ইলমধারী ব্যক্তিকে তার ইলমের কারণে আঁকড়ে ধরে, তবে নিশ্চয়ই সেই জাতি সঠিক পথ (হেদায়েত) লাভ করবে।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ হাসান।

তাখরীজ: আমি এ বিষয়টি এখানে ব্যতীত আর কোথাও পাইনি।

بَابُ: التَّوْبيخِ لِمَنْ يَطْلُبُ الْعِلْمَ لِغَيْرِ اللَّهَ

أَخْبَرَنَا الْحَكَمُ بْنُ الْمُبَارَكِ، أَنبَأَنَا يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ بُجَيْرٍ، عَنْ مُعَاوِيَةَ بْنِ قُرَّةَ، قَالَ: لَوْ أَنَّ أَدْنَى هَذِهِ الْأُمَّةِ عِلْمًا أَخَذَتْ أُمَّةٌ مِنَ الْأُمَمِ بِعِلْمِهِ، لَرَشَدَتْ تِلْكَ الْأُمَّةُ

إسناده حسن

أخبرنا الحكم بن المبارك، أنبأنا يحيى بن سعيد، عن عبد الله بن بجير، عن معاوية بن قرة، قال: لو أن أدنى هذه الأمة علما أخذت أمة من الأمم بعلمه، لرشدت تلك الأمة إسناده حسن

 হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৩৯৭

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৩৪. আল্লাহ ছাড়া অন্য কারও বা কিছুর উদ্দেশ্যে ইলম অন্বেষণকারীর নিন্দা

৩৯৭. হিশাম হাসান হতে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: যদি কোনো লোক জ্ঞানের কোনো একটি অধ্যায় শিক্ষা করে এবং সে অনুযায়ী সে আমল করে, তবে তা তার জন্য দুনিয়া ও এর মধ্যে যা কিছু আছে- তা থেকে উত্তম হবে। যদি তা (দুনিয়া ও এর মধ্যে যা কিছু আছে) সে লাভ করতো, তবে তাও সে আখিরাতে (-এর কাজে) নিযুক্ত করবে।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এটি ও পরের দু’টি- মোট তিনটি হাদীসের সনদ একই। আর তা সহীহ।

তাখরীজ: ইবনুল মুবারক, আয যুহদ নং ৭৯; ইবনু আব্দুল বার, জামি’ বায়ানিল ইলম নং ২৭৩, ৩১৫; ইবনু আবী শাইবা, ১৩/৫০১ নং ১৭০৫০;

بَابُ: التَّوْبيخِ لِمَنْ يَطْلُبُ الْعِلْمَ لِغَيْرِ اللَّهَ

أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، حَدَّثَنَا زَائِدَةُ، عَنْ هِشَامٍ، عَنِ الْحَسَنِ، قَالَ: «إِنْ كَانَ الرَّجُلُ لَيُصِيبُ الْبَابَ مِنَ الْعِلْمِ فَيَعْمَلُ بِهِ، فَيَكُونُ خَيْرًا لَهُ مِنَ الدُّنْيَا وَمَا فِيهَا، لَوْ كَانَتْ لَهُ، فَجَعَلَهَا فِي الْآخِرَةِ

ثلاثة أحاديث بإسناد واحد وهو إسناد صحيح

أخبرنا أحمد بن عبد الله، حدثنا زائدة، عن هشام، عن الحسن، قال: «إن كان الرجل ليصيب الباب من العلم فيعمل به، فيكون خيرا له من الدنيا وما فيها، لو كانت له، فجعلها في الآخرة ثلاثة أحاديث بإسناد واحد وهو إسناد صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৩৯৮

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৩৪. আল্লাহ ছাড়া অন্য কারও বা কিছুর উদ্দেশ্যে ইলম অন্বেষণকারীর নিন্দা

৩৯৮. তিনি বলেন, হাসান আরও বলেছেন: কোনো লোক যখন জ্ঞান অর্জন করে, তখন তার দৃষ্টিতে, তার খুশু’তে, তার জিহবাতে, তার হাতে, তার সালাতে এবং তার ধার্মিকতায় তা পরিলক্ষিত হোক- এর অপক্ষায় সে থাকে না।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: আগের হাদীসটির মতই একই সহীহ সনদবিশিষ্ট ।

তাখরীজ: আগের হাদীসের মতই। তার সাথে আহমদ, আয যুহদ পৃ: ২৬১।

بَابُ: التَّوْبيخِ لِمَنْ يَطْلُبُ الْعِلْمَ لِغَيْرِ اللَّهَ

قَالَ: قَالَ الْحَسَنُ،: ” كَانَ الرَّجُلُ إِذَا طَلَبَ الْعِلْمَ لَمْ يَلْبَثْ أَنْ يُرَى ذَلِكَ فِي بَصَرِهِ، وَتَخَشُّعِهِ، وَلِسَانِهِ، وَيَدِهِ، وَصَلَاتِهِ، وَزُهْدِهِ

قال: قال الحسن،: ” كان الرجل إذا طلب العلم لم يلبث أن يرى ذلك في بصره، وتخشعه، ولسانه، ويده، وصلاته، وزهده

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৩৯৯

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৩৪. আল্লাহ ছাড়া অন্য কারও বা কিছুর উদ্দেশ্যে ইলম অন্বেষণকারীর নিন্দা

৩৯৯. তিনি বলেন, আর মুহাম্মদ (ইবনু সীরীন) বলেন: তোমরা ভাল করে লক্ষ্য করো, কার নিকট হতে তোমরা এ হাদীস গ্রহণ করছো। কেননা, তা-ই তোমাদের দীন।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: হাদীস তিনটি একই সহীহ সনদবিশিষ্ট।

তাখরীজ: সামনে ৪৪৩ এ এ সনদে এবং ৪৩৮ নং এ অপর একটি সনদে আসছে। তা ইবনু সীরীনের কথা হিসেবে সহীহ।

তাখরীজ: সহীহ মুসলিম, মুকাদ্দমা, সনদ বর্ণনা করা দীনের অন্তর্ভুক্ত।; খতীব, আল ফাকিহ ওয়াল মুতাফাককিহ ২/৯৬।

আর এটি মারফু’ হিসেবেও বর্ণিত হয়েছে, তবে তা সহীহ নয়। সহীহ তাই, যা আমরা পূর্বে উল্লেখ করেছি।

بَابُ: التَّوْبيخِ لِمَنْ يَطْلُبُ الْعِلْمَ لِغَيْرِ اللَّهَ

قَالَ: وَقَالَ مُحَمَّدٌ،: انْظُرُوا عَمَّنْ تَأْخُذُونَ هَذَا الْحَدِيثَ، فَإِنَّمَا هُوَ دِينُكُمْ

ثلاثة أحاديث بإسناد واحد وهو إسناد صحيح

قال: وقال محمد،: انظروا عمن تأخذون هذا الحديث، فإنما هو دينكم ثلاثة أحاديث بإسناد واحد وهو إسناد صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৪০০

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৩৪. আল্লাহ ছাড়া অন্য কারও বা কিছুর উদ্দেশ্যে ইলম অন্বেষণকারীর নিন্দা

৪০০. বাশার ইবনুল হাকাম বলেন, আমি সুফইয়ানকে বলতে শুনেছি: যখন কোনো বান্দা ইলম বৃদ্ধি করে আবার (এর দ্বারা) সে ‍দুনিয়ার প্রতি আকাংখাও বৃদ্ধি করে, তখন অবশ্যই আল্লাহ হতে তার দূরত্ব বৃদ্ধি পেতে থাকে।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: এখানে ব্যতীত অন্যত্র আমি এটি পাইনি।

بَابُ: التَّوْبيخِ لِمَنْ يَطْلُبُ الْعِلْمَ لِغَيْرِ اللَّهَ

أَخْبَرَنَا بِشْرُ بْنُ الْحَكَمِ، قَالَ: سَمِعْتُ سُفْيَانَ، يَقُولُ: مَا ازْدَادَ عَبْدٌ عِلْمًا، فَازْدَادَ فِي الدُّنْيَا رَغْبَةً، إِلَّا ازْدَادَ مِنَ اللَّهِ بُعْدًا

إسناده صحيح

أخبرنا بشر بن الحكم، قال: سمعت سفيان، يقول: ما ازداد عبد علما، فازداد في الدنيا رغبة، إلا ازداد من الله بعدا إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৪০১

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৩৪. আল্লাহ ছাড়া অন্য কারও বা কিছুর উদ্দেশ্যে ইলম অন্বেষণকারীর নিন্দা

৪০১. আওযাঈ হাসসান হতে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: যখন বান্দার আল্লাহ সম্পর্কিত জ্ঞান বৃদ্ধি পায়, তখন আল্লাহর রহমতে লোকেরা ঐ ব্যক্তির নৈকট্য অর্জনে দ্রুত অগ্রসর হয়।[1]

[2]وَقَالَ فِي حَدِيثٍ آخَرَ: ” مَا ازْدَادَ عَبْدٌ عِلْمًا: إِلَّا ازْدَادَ قَصْدًا، وَلَا قَلَّدَ اللَّهُ عَبْدًا قِلَادَةً خَيْرًا مِنْ سَكِينَةٍ

অপর হাদীসে তিনি বলেন: (আল্লাহর) কোনো বান্দা যখন তার জ্ঞানকে সমৃদ্ধ করে নেয়, তখন সে (এর দ্বারা) তার হেদায়েতকেও সুসংহত করে নেয়। আর আল্লাহ কোনো বান্দাকে প্রশান্তি বা স্থিরতার চেয়ে উত্তম কোনো সম্পদে ভূষিত করেননি।[3]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: আবু নুয়াইম, হিলইয়া ৬/৭৪; ইবনু আব্দুল বার, জামি’ বায়ানিল ইলম নং ১৫০৮।

[2] (মুহাক্কিক্ব এটি এবং পরের হাদীসটি- এ দু’টি হাদীসেরই নম্বর দিয়েছেন ৪০২ করে। আমরা এটির নম্বর দেয়া হতে বিরত রইলাম এবং পরেরটিকেই ৪০২ নং হিসেবে ঠিক রাখলাম- অনুবাদক)

[3] তাহক্বীক্ব: এর সনদও পূর্বের হাদীসটির মতো সহীহ। এখানে ব্যতীত আমি এটি অন্যত্র পাইনি। পূর্বের টীকা এবং ইবনুল মুবারক, আয যুহদ ১৭৮; হিলইয়া, ৫/১২৩ দেখুন।

بَابُ: التَّوْبيخِ لِمَنْ يَطْلُبُ الْعِلْمَ لِغَيْرِ اللَّهَ

أَخْبَرَنَا أَبُو الْمُغِيرَةِ، حَدَّثَنَا الْأَوْزَاعِيُّ، عَنْ حَسَّانَ، قَالَ: «مَا ازْدَادَ عَبْدٌ بِاللَّهِ عِلْمًا، إِلَّا ازْدَادَ النَّاسُ مِنْهُ قُرْبًا مِنْ رَحْمَةِ اللَّهِ

إسناده صحيح

أخبرنا أبو المغيرة، حدثنا الأوزاعي، عن حسان، قال: «ما ازداد عبد بالله علما، إلا ازداد الناس منه قربا من رحمة الله إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৪০২

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৩৪. আল্লাহ ছাড়া অন্য কারও বা কিছুর উদ্দেশ্যে ইলম অন্বেষণকারীর নিন্দা

৪০২. আব্দুর রহমান্ ইবনু শুরাইহ, আমীরাহকে বলতে শুনেছেন: একটি লোক তার এক পুত্রকে বলছে: যাও, ইলম অন্বেষণ কর। অতঃপর সে বের হয়ে পড়ল, আর কিছুদিন সে তার থেকে অনুপস্থিত থাকল। অতঃপর (একদিন) সে তার পিতার নিকট এসে তাকে কিছু কথা শুনাল। তখন তার পিতা তাকে বলল: হে পুত্র! যাও এবং জ্ঞান অন্বেষণ কর। এরপর সে এক যুগ ধরে তার নিকট থেকে অনুপস্থিত থাকল। তারপর একদিন সে কিতাবের কিছু পৃষ্ঠা নিয়ে তার পিতার নিকট হাজির হল এবং সেগুলো তাকে পড়ে শুনালো। তখন সে তাকে বলল: এতো শূন্য সাদা পাতার উপর কিছু কালো রঙের দাগমাত্র। তুমি আবার যাও এবং জ্ঞান অন্বেষণ কর। তখন সে আবার বেরিয়ে পড়লো এবং তার নিকট হতে বেশ কিছুদিন অনুপস্থিত থাকল। তারপর সে ফিরে এসে তার পিতাকে বলল: আপনার যা মনে চায় আমাকে প্রশ্ন করুন। তখন তার পিতা তাকে বলল: (ধরো) তুমি এমন একটি লোকের পাশ দিয়ে অতিক্রম করলে যে তোমার প্রশংসা করল। আবার (অন্য সময়) তুমি অপর এক ব্যক্তির পাশ দিয়ে গমন করলে যে তোমার নিন্দা করল। এমতাবস্থায় (তোমার এদের সাথে কী আচরণ করা উচিত বলে) তুমি মনে কর? সে বলল: যে আমার নিন্দা করল, আমি তাকে দোষারোপ করবো না । আবার, যে আমার প্রশংসা করল আমি তারও প্রশংসা করব না। আবার সে বলল: (আবার) যদি তুমি কোনো (রাস্তায় পড়ে থাকা) পাতের পাশ দিয়ে গমন কর, তখন (তুমি কী করবে বলে) তুমি মনে কর? (বর্ণনাকারী আবু ‍শুরাইহ বলেন: সেটি সোনার পাত নাকি রূপার পাত- তা আমি জানিনা।) তখন জবাবে সে বলল: সেটি আমাকে আকৃষ্ট করে না, ফলে আমি তার নিকটেও যাবো না। তখন সে (পিতা) তাকে বলল: যাও, এখন তুমি (প্রকৃতই) জ্ঞান অর্জন করেছো।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: এখানে ছাড়া এটি আমি আর কোথাও পাইনি।

بَابُ: التَّوْبيخِ لِمَنْ يَطْلُبُ الْعِلْمَ لِغَيْرِ اللَّهَ

أَخْبَرَنَا الْقَاسِمُ بْنُ كَثِيرٍ، قَالَ: سَمِعْتُ عَبْدَ الرَّحْمَنِ بْنَ شُرَيْحٍ، يُحَدِّثُ: عَنْ عَمِيرَةَ، أَنَّهُ سَمِعَهُ يَقُولُ: إِنَّ رَجُلًا قَالَ لِابْنِهِ: ” اذْهَبْ فَاطْلُبِ الْعِلْمَ، فَخَرَجَ فَغَابَ عَنْهُ مَا غَابَ، ثُمَّ جَاءَ، فَحَدَّثَهُ بِأَحَادِيثَ، فَقَالَ لَهُ أَبُوهُ: يَا بُنَيَّ اذْهَبْ فَاطْلُبِ الْعِلْمَ، فَغَابَ عَنْهُ أَيْضًا زَمَانًا. ثُمَّ جَاءَ بِقَرَاطِيسَ فِيهَا من كُتُبٌ فَقَرَأَهَا عَلَيْهِ، فَقَالَ لَهُ: هَذَا سَوَادٌ فِي بَيَاضٍ، فَاذْهَبْ فاطْلبِ الْعِلْمَ، فَخَرَجَ فَغَابَ عَنْهُ مَا غَابَ، ثُمَّ جَاءَ فَقَالَ لِأَبِيهِ: سَلْنِي عَمَّا بَدَا لَكَ، فَقَالَ لَهُ أَبُوهُ: أَرَأَيْتَ لَوْ أَنَّكَ مَرَرْتَ بِرَجُلٍ يَمْدَحُكَ، وَمَرَرْتَ بِآخَرَ يَعِيبُكَ؟ قَالَ: إِذًا لَمْ أَلُمِ الَّذِي يَعِيبُنِي، وَلَمْ أَحْمَدِ الَّذِي يَمْدَحُنِي. فَقَالَ: أَرَأَيْتَ لَوْ مَرَرْتَ بِصَفِيحَةٍ؟ ” قَالَ أَبُو شُرَيْحٍ: لَا أَدْرِي أَمِنْ ذَهَبٍ أَوْ وَرِقٍ. فَقَالَ: ” إِذًا لَمْ أُهَيِّجْهَا وَلَمْ أَقْرَبْهَا. فقالَ: اذْهَبْ فَقَدْ عَلِمْتَ

إسناده صحيح

أخبرنا القاسم بن كثير، قال: سمعت عبد الرحمن بن شريح، يحدث: عن عميرة، أنه سمعه يقول: إن رجلا قال لابنه: ” اذهب فاطلب العلم، فخرج فغاب عنه ما غاب، ثم جاء، فحدثه بأحاديث، فقال له أبوه: يا بني اذهب فاطلب العلم، فغاب عنه أيضا زمانا. ثم جاء بقراطيس فيها من كتب فقرأها عليه، فقال له: هذا سواد في بياض، فاذهب فاطلب العلم، فخرج فغاب عنه ما غاب، ثم جاء فقال لأبيه: سلني عما بدا لك، فقال له أبوه: أرأيت لو أنك مررت برجل يمدحك، ومررت بآخر يعيبك؟ قال: إذا لم ألم الذي يعيبني، ولم أحمد الذي يمدحني. فقال: أرأيت لو مررت بصفيحة؟ ” قال أبو شريح: لا أدري أمن ذهب أو ورق. فقال: ” إذا لم أهيجها ولم أقربها. فقال: اذهب فقد علمت إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৪০৩

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৩৪. আল্লাহ ছাড়া অন্য কারও বা কিছুর উদ্দেশ্যে ইলম অন্বেষণকারীর নিন্দা

৪০৩. সাকান ইবনু উমাইর বলেন, আমি ওয়াহাব ইবনু মুনাব্বিহকে বলতে শুনেছি: হে পুত্র! তোমার উপর অপরিহার্য হলো ’হিকমাহ’ অবলম্বন করা। আর হিকমাতের মধ্যেই রয়েছে পরিপূর্ণ কল্যাণ। (আর হিকমাহ হলো এই যে): তুমি বড়দের উপরে ছোটদেরকে এবং স্বাধীন লোকদের উপর দাসদেরকে মর্যাদা দান করবে। আর তুমি মর্যাদাবান ব্যক্তির মর্যাদা আরও বাড়িয়ে দেবে এবং রাজার আসনে ফকীরকে বসাবে।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ যয়ীফ।

তাখরীজ: দেখুন, ইবনু আব্দুল বার, জামি’ বায়ানিল ইলম নং ৬২৫-৬২৬।

بَابُ: التَّوْبيخِ لِمَنْ يَطْلُبُ الْعِلْمَ لِغَيْرِ اللَّهَ

أَخْبَرَنَا الْحَكَمُ بْنُ الْمُبَارَكِ، أَنبَأَنَا بَقِيَّةُ، عَنِ السَّكَنِ بْنِ عُمَيْرٍ، قَالَ: سَمِعْتُ وَهْبَ بْنَ مُنَبِّهٍ، يَقُولُ: يَا بُنَيَّ عَلَيْكَ بِالْحِكْمَةِ، فَإِنَّ الْخَيْرَ فِي الْحِكْمَةِ كُلَّهُ: وَتُشَرِّفُ الصَّغِيرَ عَلَى الْكَبِيرِ، وَالْعَبْدَ عَلَى الْحُرِّ، وَتُزِيدُ السَّيِّدَ سُؤْدُدًا، وَتُجْلِسُ الْفَقِيرَ مَجَالِسَ الْمُلُوكِ

إسناده ضعيف بقية مدلس تدليس تسوية ولم يصرح بالتحديث إلى نهاية الإسناد

أخبرنا الحكم بن المبارك، أنبأنا بقية، عن السكن بن عمير، قال: سمعت وهب بن منبه، يقول: يا بني عليك بالحكمة، فإن الخير في الحكمة كله: وتشرف الصغير على الكبير، والعبد على الحر، وتزيد السيد سؤددا، وتجلس الفقير مجالس الملوك إسناده ضعيف بقية مدلس تدليس تسوية ولم يصرح بالتحديث إلى نهاية الإسناد

 হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai’f)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৪০৪

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৩৪. আল্লাহ ছাড়া অন্য কারও বা কিছুর উদ্দেশ্যে ইলম অন্বেষণকারীর নিন্দা

৪০৪. উতবাহ ইবনু আবী হাকীম, আবু দারদা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: জ্ঞানী ব্যক্তিদের বাণী বা উক্তি না থাকলে আমাদের যে কী হতো![1]

[1] তাহক্বীক্ব: ‘ইনকিত্বা’র কারণে এর সনদ যয়ীফ। কেননা, উতবাহ আবু দারদা’র সাক্ষাৎ পাননি। (তবে খতীবের সনদ সহীহ। তাখরীজ দেখুন-অনুবাদক)

তাখরীজ: খতীব, আল ফাকিহ ওয়াল মুতাফাককিহ নং ১৪১ সহীহ সনদে।

بَابُ: التَّوْبيخِ لِمَنْ يَطْلُبُ الْعِلْمَ لِغَيْرِ اللَّهَ

أَخْبَرَنَا الْحَكَمُ بْنُ الْمُبَارَكِ، قَالَ: أَخْبَرَنِي بَقِيَّهُ، سَمِعْتُ عُتْبَةَ بْنَ أَبِي حَكِيمٍ، عَنْ أَبِي الدَّرْدَاءِ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ قَالَ: «وَمَا نَحْنُ لَوْلَا كَلِمَاتُ الْعُلَمَاءِ؟

إسناده ضعيف بسبب الانقطاع فإن عتبة لم يدرك أبا الدرداء

أخبرنا الحكم بن المبارك، قال: أخبرني بقيه، سمعت عتبة بن أبي حكيم، عن أبي الدرداء رضي الله عنه قال: «وما نحن لولا كلمات العلماء؟ إسناده ضعيف بسبب الانقطاع فإن عتبة لم يدرك أبا الدرداء

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৪০৫

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৩৫. প্রবৃত্তির অনুসারী, বিদ’আতী ও কলহপ্রিয় (তর্ক-বিতর্কপ্রিয়) লোকদের বর্জন করা প্রসঙ্গে

৪০৫. আবু ক্বিলাবাহ বলেন: তোমরা প্রবৃত্তির অনুসারীদের নিকট বসবে না এবং তাদের সাথে ঝগড়ায় লিপ্ত হবে না। কেননা, আমি এ ব্যাপারে আশংকামুক্ত নই যে, তারা তোমাদেরকে তাদের বিভ্রান্তিতে নিমজ্জিত করবে না। কিংবা তোমাদের চেনা-জানা বিষয়গুলিকেও তারা তোমাদের নিকট সন্দেহপূর্ণ করে তুলবে।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: ইবনু বাত্তাহ, আল ইবানাহ নং ৩৬৩,৩৬৪,৬১০; ইবনু সা’দ, আত তাবাকাত ৭/১/১৩৪; লালিকাঈ, শারহু উসুলুল ই’তিকাদ নং ২৪৩, ২৪৪; ইবনু ওয়াদা’, আল বিদআ’ নং ১৩২; আজুরী, আশ শরীয়া’হ পৃ: ৬৭; বাইহাকী, ইতিকাদ ও হিদয়াহ, পৃ: ১৫৮।

بَابُ اجْتِنَابِ أَهْلِ الْأَهْوَاءِ، وَالْبِدَعِ، وَالْخُصُومَةِ

أَخْبَرَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ حَرْبٍ، عَنْ حَمَّادِ بْنِ زَيْدٍ، عَنْ أَيُّوبَ، قَالَ: قَالَ أَبُو قِلَابَةَ لَا تُجَالِسُوا أَهْلَ الْأَهْوَاءِ وَلَا تُجَادِلُوهُمْ، فَإِنِّي لَا آمَنُ أَنْ يَغْمِسُوكُمْ فِي ضَلَالَتِهِمْ، أَوْ يَلْبِسُوا عَلَيْكُمْ مَا كُنْتُمْ تَعْرِفُونَ

إسناده صحيح

أخبرنا سليمان بن حرب، عن حماد بن زيد، عن أيوب، قال: قال أبو قلابة لا تجالسوا أهل الأهواء ولا تجادلوهم، فإني لا آمن أن يغمسوكم في ضلالتهم، أو يلبسوا عليكم ما كنتم تعرفون إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৪০৬

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৩৫. প্রবৃত্তির অনুসারী, বিদ’আতী ও কলহপ্রিয় (তর্ক-বিতর্কপ্রিয়) লোকদের বর্জন করা প্রসঙ্গে

৪০৬. আইয়্যুব হতে বর্ণিত, তিনি বলেন: সাঈদ ইবনু যুবাইর আমাকে তাল্ক ইবন হাবীবের নিকট বসতে দেখলেন। তারপর তিনি আমাকে বললেন: আমি কি তোমাকে তাল্ক ইবনু হাবীবের নিকট বসতে দেখিনি? তুমি কখনোই তার নিকট বসো না।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: ইবনু ওয়াদাহ’, আল বিদ’আ’ নং ১৪৫; ইবনু বাত্তাহ, আল ইবানাহ নং ৪১৩।

بَابُ اجْتِنَابِ أَهْلِ الْأَهْوَاءِ، وَالْبِدَعِ، وَالْخُصُومَةِ

أَخْبَرَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ حَرْبٍ، حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ، عَنْ أَيُّوبَ، قَالَ: رَآنِي سَعِيدُ بْنُ جُبَيْرٍ، جَلَسْتُ إِلَى طَلْقِ بْنِ حَبِيبٍ فَقَالَ لِي: أَلَمْ أَرَكَ جَلَسْتَ إِلَى طَلْقِ بْنِ حَبِيبٍ؟ لَا تُجَالِسَنَّهُ

إسناده صحيح

أخبرنا سليمان بن حرب، حدثنا حماد بن زيد، عن أيوب، قال: رآني سعيد بن جبير، جلست إلى طلق بن حبيب فقال لي: ألم أرك جلست إلى طلق بن حبيب؟ لا تجالسنه إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৪০৭

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৩৫. প্রবৃত্তির অনুসারী, বিদ’আতী ও কলহপ্রিয় (তর্ক-বিতর্কপ্রিয়) লোকদের বর্জন করা প্রসঙ্গে

৪০৭. নাফি’ ইবনু উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণনা করেন যে, এক ব্যক্তি ইবনু উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুর নিকট এসে বললো, অমুক আপনার প্রতি সালাম জানিয়েছেন। তখন তিনি বলেন: আমার নিকট এ খবর পৌঁছেছে যে, সে নতুন বিষয় (বিদ’আত/মুহদাছ) উদ্ভাবন করেছে। ফলে যদি সে বিদ’আত সৃষ্টি করে, তবে তুমি তাকে আমার সালাম জানাবে না।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: এখানে ব্যতীত এটি আমি আর কোথাও পাইনি।

بَابُ اجْتِنَابِ أَهْلِ الْأَهْوَاءِ، وَالْبِدَعِ، وَالْخُصُومَةِ

أَخْبَرَنَا أَبُو عَاصِمٍ، أَنبَأَنَا حَيْوَةُ بْنُ شُرَيْحٍ، حَدَّثَنِي أَبُو صَخْرٍ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ أَنَّهُ جَاءَهُ رَجُلٌ فَقَالَ: إِنَّ فُلَانًا يَقْرَأُ عَلَيْكَ السَّلَامَ. قَالَ: بَلَغَنِي أَنَّهُ قَدْ أَحْدَثَ، فَإِنْ كَانَ قَدْ أَحْدَثَ، فَلَا تَقْرَأْ عَلَيْهِ السَّلَامَ

إسناده صحيح

أخبرنا أبو عاصم، أنبأنا حيوة بن شريح، حدثني أبو صخر، عن نافع، عن ابن عمر رضي الله عنه أنه جاءه رجل فقال: إن فلانا يقرأ عليك السلام. قال: بلغني أنه قد أحدث، فإن كان قد أحدث، فلا تقرأ عليه السلام إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৪০৮

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৩৫. প্রবৃত্তির অনুসারী, বিদ’আতী ও কলহপ্রিয় (তর্ক-বিতর্কপ্রিয়) লোকদের বর্জন করা প্রসঙ্গে

৪০৮. আমা’শ বর্ণনা করেন, ইবরাহীম (আন্ নাখঈ) বিদ’আত সৃষ্টিকারীর গীবত (দোষ বর্ণনা) করাকে গীবত বলে মনে করতেন না।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর বর্ণনাকারীগণ নির্ভরযোগ্য। কিন্তু, আ’মাশ হতে আব্দুর রহমানের বর্ণিত হাদীসের ব্যাপারে সমালোচনা (কালাম) রয়েছে। (তবে অপর একটি সহীহ সনদে অনুরূপ বর্ণিত আছে। তাখরীজ দ্রষ্টব্য-অনুবাদক)

তাখরীজ: লালিকাঈ, শারহু উসূলুল ই’তিকাদ নং ২২৯; আবু নুয়াইম, হিলইয়া ৪/৩২০ সহীহ সনদে; পূর্ণ তাখরীজের জন্য পরবর্তী ৪১৬ নং হাদীসটি দেখুন।

بَابُ اجْتِنَابِ أَهْلِ الْأَهْوَاءِ، وَالْبِدَعِ، وَالْخُصُومَةِ

أَخْبَرَنَا مَخْلَدُ بْنُ مَالِكٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ مَغْرَاءَ، حَدَّثَنَا الْأَعْمَشُ، قَالَ: كَانَ إِبْرَاهِيمُ لَا يَرَى غِيبَةً لِلْمُبْتَدِعِ

رجاله ثقات وهذا إسناده صحيح

أخبرنا مخلد بن مالك، حدثنا عبد الرحمن بن مغراء، حدثنا الأعمش، قال: كان إبراهيم لا يرى غيبة للمبتدع رجاله ثقات وهذا إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৪০৯

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৩৫. প্রবৃত্তির অনুসারী, বিদ’আতী ও কলহপ্রিয় (তর্ক-বিতর্কপ্রিয়) লোকদের বর্জন করা প্রসঙ্গে

৪০৯. ইবনু শাবরামাহ শা’বী হতে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: ’প্রবৃত্তি (কামনা-বাসনা) কে প্রবৃত্তি নামে নামকরণ করা হয়েছে এজন যে, এর অনুসারী (প্রবৃত্তির অনুসারী) একে কামনা করে।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ যয়ীফ; কেননা, মুহাম্মদ ইবনু হুমাইদ যয়ীফ।

তাখরীজ: লালিকাঈ, শারহু উসুলুল ই’তিকাদ নং ২২৯; আবু নুয়াইম, হিলইয়া ৪/৩২০ সহীহ সনদে।

بَابُ اجْتِنَابِ أَهْلِ الْأَهْوَاءِ، وَالْبِدَعِ، وَالْخُصُومَةِ

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ حُمَيْدٍ، حَدَّثَنَا جَرِيرٌ، عَنِ ابْنِ شُبْرُمَةَ، عَنِ الشَّعْبِيِّ، قَالَ: إِنَّمَا سُمِّيَ الْهَوَى لِأَنَّهُ يَهْوِي بِصَاحِبِهِ

إسناده ضعيف لضعف محمد بن حميد

أخبرنا محمد بن حميد، حدثنا جرير، عن ابن شبرمة، عن الشعبي، قال: إنما سمي الهوى لأنه يهوي بصاحبه إسناده ضعيف لضعف محمد بن حميد

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৪১০

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৩৫. প্রবৃত্তির অনুসারী, বিদ’আতী ও কলহপ্রিয় (তর্ক-বিতর্কপ্রিয়) লোকদের বর্জন করা প্রসঙ্গে

৪১০. মুহাম্মদ ইবনু ওয়াসি বলেন: মুসলিম ইবনু ইয়াসার বলতেন: তোমরা অবশ্যই ঝগড়া-বিতর্ক থেকে সাবধান থাকবে। কেননা, তা হলো একজন আলিমের অজ্ঞতার মুহুর্ত এবং এ মুহুর্তে শয়তান এর দ্বারা তার পদস্খলন বা বিভ্রান্তি সুযোগ খোঁজে।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: আজুরী, আশ শরীয়াহ, পৃ: ৬১; আবু নুয়াইম, হিলইয়া ২/২৯৪; ইবনু বাত্তাহ, আল ইবানাহ নং ৫৪৭, ৫৪৮।

بَابُ اجْتِنَابِ أَهْلِ الْأَهْوَاءِ، وَالْبِدَعِ، وَالْخُصُومَةِ

أَخْبَرَنَا عَفَّانُ، حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ وَاسِعٍ قَالَ: كَانَ مُسْلِمُ بْنُ يَسَارٍ يَقُولُ: إِيَّاكُمْ وَالْمِرَاءَ، فَإِنَّهَا سَاعَةُ جَهْلِ الْعَالِمِ، وَبِهَا يَبْتَغِي الشَّيْطَانُ زَلَّتَهُ

إسناده صحيح

أخبرنا عفان، حدثنا حماد بن زيد، حدثنا محمد بن واسع قال: كان مسلم بن يسار يقول: إياكم والمراء، فإنها ساعة جهل العالم، وبها يبتغي الشيطان زلته إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৪১১

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৩৫. প্রবৃত্তির অনুসারী, বিদ’আতী ও কলহপ্রিয় (তর্ক-বিতর্কপ্রিয়) লোকদের বর্জন করা প্রসঙ্গে

৪১১. আসমা বিন উবাইদ বলেন: ইবনু সীরীন এর নিকট প্রবৃত্তির অনুসারীদের মধ্যকার দু’জন লোক প্রবেশ করে ইবনু সীরীনকে বলল: হে আবু বাকর! আমরা কি আপনাকে একটি হাদীস শোনাবো? তিনি বললেন: না। তখন তারা দু’জন বলল: তাহলে আমরা আপনাকে আল্লাহর কিতাব কুরআন থেকে একটি আয়াত পাঠ করে শোনাই? তিনি আবারও বললেন: না। হয় তোমরা আমার নিকট থেকে উঠে যাও, তা নাহলে আমি উঠব।

তিনি (বর্ণনাকারী) বলেন: তখন তারা দু’জন বের হয়ে গেলো। এরপর লোকদের কেউ তাকে বললো: হে আবু বাকর! আপনার কী হলো যে, তারা আপনার নিকট আল্লাহ তা’আলার কিতাবের একটি আয়াত পাঠ করতে চাইলো, (তবুও আপনি তা শুনতে অস্বীকার করলেন)? তিনি বললেন: আমি আশংকা করলাম যে, তারা আমার নিকট একটি আয়াত তিলাওয়াত করবে অতঃপর তার বিকৃত (মনগড়া) ব্যাখ্যা করবে, আর তা আমার অন্তরে স্থায়ীভাবে বসে যাবে।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: ইবনু বাত্তাহ, আল ইবানাহ নং ৩৯৮; লালকাঈ, শারহু উসুলুল ই’তিকাদ নং ২৪২; আজুরী, আশ শরীয়া’হ পৃ: ৬২। আবার ইবনু ওযাদাহ, আল বিদ’আ নং ১৫০ অপর একটি যয়ীফ সনদে।

بَابُ اجْتِنَابِ أَهْلِ الْأَهْوَاءِ، وَالْبِدَعِ، وَالْخُصُومَةِ

أَخْبَرَنَا سَعِيدُ بْنُ عَامِرٍ، عَنْ أَسْمَاءَ بْنِ عُبَيْدٍ، قَالَ: دَخَلَ رَجُلَانِ مِنْ أَصْحَابِ الْأَهْوَاءِ عَلَى ابْنِ سِيرِينَ فَقَالَا: يَا أَبَا بَكْرٍ نُحَدِّثُكَ بِحَدِيثٍ؟ قَالَ: «لَا»، قَالَا: فَنَقْرَأُ عَلَيْكَ آيَةً مِنْ كِتَابِ اللَّهِ؟ قَالَ: «لَا، لِتَقُومَانِ عَنِّي أَوْ لَأَقُومَنَّ»، قَالَ: فَخَرَجَا، فَقَالَ: بَعْضُ الْقَوْمِ. يَا أَبَا بَكْرٍ، وَمَا كَانَ عَلَيْكَ أَنْ يَقْرَآ عَلَيْكَ آيَةً مِنْ كِتَابِ اللَّهِ تَعَالَى؟ قَالَ: «إِنِّي خَشِيتُ أَنْ يَقْرَآ عَلَيَّ آيَةً فَيُحَرِّفَانِهَا، فَيَقِرُّ ذَلِكَ فِي قَلْبِي

إسناده صحيح

أخبرنا سعيد بن عامر، عن أسماء بن عبيد، قال: دخل رجلان من أصحاب الأهواء على ابن سيرين فقالا: يا أبا بكر نحدثك بحديث؟ قال: «لا»، قالا: فنقرأ عليك آية من كتاب الله؟ قال: «لا، لتقومان عني أو لأقومن»، قال: فخرجا، فقال: بعض القوم. يا أبا بكر، وما كان عليك أن يقرآ عليك آية من كتاب الله تعالى؟ قال: «إني خشيت أن يقرآ علي آية فيحرفانها، فيقر ذلك في قلبي إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৪১২

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৩৫. প্রবৃত্তির অনুসারী, বিদ’আতী ও কলহপ্রিয় (তর্ক-বিতর্কপ্রিয়) লোকদের বর্জন করা প্রসঙ্গে

৪১২. সালাম ইবনু আবী মুতী’ হতে বর্ণিত, প্রবৃত্তির অনুসারীদের এক ব্যক্তি আইয়্যুব (রহঃ)-কে জিজ্ঞেস করলো: হে আবু বাকর! আমি কি আপনাকে একটি কথা জিজ্ঞেস করতে পারি? বর্ণনাকারী বলেন: তখন তিনি উঠে চলে যেতে লাগলেন এবং তিনি তার আঙ্গুল দিয়ে ইশারা করে বললেন: আধখানা কথাও নয়।’ এবং (পরবর্তী রাবী) সাঈদ আমাদের দিকে তার ডান হাতের কনিষ্ঠ আঙ্গুল দ্বারা ইশারা করে দেখালেন।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: ইবনু বাত্তাহ, আল ইবানাহ নং ৪০২; আবু নুয়াইম, হিলইয়া ৩/৯; লালকাঈ, শারহু উসুলুল ইতিকাদ নং ২৯১।

بَابُ اجْتِنَابِ أَهْلِ الْأَهْوَاءِ، وَالْبِدَعِ، وَالْخُصُومَةِ

أَخْبَرَنَا سَعِيدٌ، عَنْ سَلَّامِ بْنِ أَبِي مُطِيعٍ، أَنَّ رَجُلًا مِنْ أَهْلِ الْأَهْوَاءِ، قَالَ: لِأَيُّوبَ، يَا أَبَا بَكْرٍ، أَسْأَلُكَ عَنْ كَلِمَةٍ؟ قَالَ: «فَوَلَّى، وَهُوَ يُشِيرُ بِأُصْبُعِهِ وَلَا نِصْفَ كَلِمَةٍ» وَأَشَارَ لَنَا سَعِيدٌ بِخِنْصِرِهِ الْيُمْنَى

إسناده صحيح

أخبرنا سعيد، عن سلام بن أبي مطيع، أن رجلا من أهل الأهواء، قال: لأيوب، يا أبا بكر، أسألك عن كلمة؟ قال: «فولى، وهو يشير بأصبعه ولا نصف كلمة» وأشار لنا سعيد بخنصره اليمنى إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৪১৩

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৩৫. প্রবৃত্তির অনুসারী, বিদ’আতী ও কলহপ্রিয় (তর্ক-বিতর্কপ্রিয়) লোকদের বর্জন করা প্রসঙ্গে

৪১৩. কুলছুম ইবনু জাবর হতে বর্ণিত, এক ব্যক্তি সাঈদ ইবনু জুবাইর (রহঃ)-কে কোনো একটি বিষয়ে প্রশ্ন করলে তিনি তার জবাব দিলেন না। তখন তাকে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বললেন: এরা তাদের (প্রবৃত্তির অনুসারীদের[1]) অন্তর্ভুক্ত।[2]

[1] এখানে মুল শব্দটি ‘আযাইয়ান’ যা একটি ফার্সী শব্দ যার অর্থ: ‘তাদের অন্তর্ভুক্ত’, মানে প্রবৃত্তির অনুসারীদের অন্তর্ভুক্ত- ‍মুহাক্কিক্ব।

[2] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: আমি এটি এখানে ব্যতীত অন্য কোথাও পাইনি।

بَابُ اجْتِنَابِ أَهْلِ الْأَهْوَاءِ، وَالْبِدَعِ، وَالْخُصُومَةِ

أَخْبَرَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ حَرْبٍ، عَنْ حَمَّادِ بْنِ زَيْدٍ، عَنْ كُلْثُومِ بْنِ جَبْرٍ، أَنَّ رَجُلًا سَأَلَ سَعِيدَ بْنَ جُبَيْرٍ، عَنْ شَيْءٍ فَلَمْ يُجِبْهُ، فَقِيلَ لَهُ، فَقَالَ أَزِيشَانْ

إسناده صحيح

أخبرنا سليمان بن حرب، عن حماد بن زيد، عن كلثوم بن جبر، أن رجلا سأل سعيد بن جبير، عن شيء فلم يجبه، فقيل له، فقال أزيشان إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৪১৪

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৩৫. প্রবৃত্তির অনুসারী, বিদ’আতী ও কলহপ্রিয় (তর্ক-বিতর্কপ্রিয়) লোকদের বর্জন করা প্রসঙ্গে

৪১৪. আবু জাফর মুহাম্মদ ইবনু আলী থেকে বর্ণিত,  তিনি বলেন: তোমরা ঝগড়া-বিতর্ককারী লোকদের নিকট বসো না। কেননা, তারা হলো এমন লোক যারা আল্লাহর আয়াত সম্বন্ধে উপহাসমূলক কথা বলে।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ যয়ীফ, কেননা লাইছ যয়ীফ রাবী।

তাখরীজ: ইবনু বাত্তাহ, আল্ ইবানাহ নং ৫৪৩, অপর সনদে ৩৮৩, ৩৮৪, ৩৫৩, ৪০৫, ৮০৮।

بَابُ اجْتِنَابِ أَهْلِ الْأَهْوَاءِ، وَالْبِدَعِ، وَالْخُصُومَةِ

أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، حَدَّثَنَا فُضَيْلٌ، عَنْ لَيْثٍ، عَنْ أَبِي جَعْفَرٍ مُحَمَّدِ بْنِ عَلِيٍّ، قَالَ: لَا تُجَالِسُوا أَصْحَابَ الْخُصُومَاتِ، فَإِنَّهُمُ الَّذِينَ يَخُوضُونَ فِي آيَاتِ اللَّهِ

إسناده ضعيف لضعف الليث هو: ابن أبي سليم

أخبرنا أحمد بن عبد الله، حدثنا فضيل، عن ليث، عن أبي جعفر محمد بن علي، قال: لا تجالسوا أصحاب الخصومات، فإنهم الذين يخوضون في آيات الله إسناده ضعيف لضعف الليث هو: ابن أبي سليم

 হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai’f)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৪১৫

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৩৫. প্রবৃত্তির অনুসারী, বিদ’আতী ও কলহপ্রিয় (তর্ক-বিতর্কপ্রিয়) লোকদের বর্জন করা প্রসঙ্গে

৪১৫. হিশাম হাসান ও ইবনু সীরীন হতে বর্ণনা করেন: তারা উভয়ে বলতেন: তোমরা প্রবৃত্তির অনুসারীদের নিকট বসবে না এবং তাদের সাথে ঝগড়া-বিতর্কে লিপ্ত হবে না এবং তাদের নিকট থেকে কিছু শুনবেও না।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: ইবনু বাত্তাহ, আল ইবানাহ নং ৩৯৫, ৪৫৮; ইবনু আব্দুল বার, জামি’ বায়ানিল ইলম নং ১৮০৩; লালিকাঈ, শারহু উছুলুল ই’তিকাদ নং ২৪০ ইবনু সীরীন ছাড়াই।

بَابُ اجْتِنَابِ أَهْلِ الْأَهْوَاءِ، وَالْبِدَعِ، وَالْخُصُومَةِ

أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ، حَدَّثَنَا زَائِدَةُ، عَنْ هِشَامٍ، عَنِ الْحَسَنِ وَابْنِ سِيرِينَ: أَنَّهُمَا قَالَا: لَا تُجَالِسُوا أَصْحَابَ الْأَهْوَاءِ، وَلَا تُجَادِلُوهُمْ، وَلَا تَسْمَعُوا مِنْهُمْ

إسناده صحيح

أخبرنا أحمد، حدثنا زائدة، عن هشام، عن الحسن وابن سيرين: أنهما قالا: لا تجالسوا أصحاب الأهواء، ولا تجادلوهم، ولا تسمعوا منهم إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৪১৬

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৩৫. প্রবৃত্তির অনুসারী, বিদ’আতী ও কলহপ্রিয় (তর্ক-বিতর্কপ্রিয়) লোকদের বর্জন করা প্রসঙ্গে

৪১৬. উমাইয়ী বর্ণনা করেন, শা’বী বলেন: প্রবৃত্তির (পছন্দ-ভাললাগা’র) অনুসারীদেরকে এ নামে নামকরণ করার কারণ তারা জাহান্নামে পতিত হতে পছন্দ করে।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ হাসান, শারীক এর কারণে।

তাখরীজ: লালকাঈ, শারহু উসুলুল ইতিকাদ নং ২২৯ সহীহ সনদে; পূর্ণ তাখরীজের জন্য ৪০৯ নং দেখুন।

بَابُ اجْتِنَابِ أَهْلِ الْأَهْوَاءِ، وَالْبِدَعِ، وَالْخُصُومَةِ

أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ، حَدَّثَنَا شَرِيكٌ، عَنْ أُمَيٍّ، عَنِ الشَّعْبِيِّ قَالَ: إِنَّمَا سُمُّوا أَصْحَابَ الْأَهْوَاءِ، لِأَنَّهُمْ يَهْوُونَ فِي النَّارِ

إسناده حسن من أجل شريك

أخبرنا أحمد، حدثنا شريك، عن أمي، عن الشعبي قال: إنما سموا أصحاب الأهواء، لأنهم يهوون في النار إسناده حسن من أجل شريك

 হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৪১৭

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৩৬. ইলম অন্বেষণের ব্যাপারে সমতাবিধান সম্পর্কে

৪১৭. সুফিয়ান ইবনু মায়সারাহ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি তাউসকে ব্যতীত আর কোনো লোককে দেখিনি, যার নিকট ইতর-ভদ্র সকলেই সমান। আর এর (কথার) উপর তিনি কসম করেন।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: আবু নুয়াইম, হিলইয়া ৪/১৬ ।

بَابُ التَّسْوِيَةِ فِي الْعِلْمِ

أَخْبَرَنَا بِشْرُ بْنُ الْحَكَمِ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنِ ابْنِ مَيْسَرَةَ، قَالَ مَا رَأَيْتُ أَحَدًا مِنَ النَّاسِ، الشَّرِيفُ، وَالْوَضِيعُ، عِنْدَهُ سَوَاءٌ، غَيْرَ طَاوُسٍ، وَهُوَ يَحْلِفُ عَلَيْهِ

أخبرنا بشر بن الحكم، حدثنا سفيان، عن ابن ميسرة، قال ما رأيت أحدا من الناس، الشريف، والوضيع، عنده سواء، غير طاوس، وهو يحلف عليه

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৪১৮

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৩৬. ইলম অন্বেষণের ব্যাপারে সমতাবিধান সম্পর্কে

৪১৮. সুফিয়ান বর্ণনা করেন, যুহরী বলেন: “আমরা ইলম লিখে রাখাকে অপছন্দ করতাম, কিন্তু যখন সুলতান আমাদেরকে তা করতে বাধ্য করল, তখন থেকে আমরা কাউকে তা (ইলম লিখে রাখা) থেকে নিষেধ করাকেই বরং অপছন্দ করতে লাগলাম।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: ইবনু আব্দুল বার, জামি’ বায়ানিল ইলম নং ১০৯৬; আব্দুর রাযযাক ১১/২৫৮ নং ২০৪৮৬; খতীব, তাকয়ীদুল ইলম পৃ: ১০৭; ইবনু সা’দ, আত তাবাকাত ৭/৩৮৮-৩৮৯; ইবনু আব্দুল বার, জামি’ বায়ানিল ইলম নং ৪৩৯, ৪৪৩; আরও দেখুন, ফাসাওয়ী, আল মারিফাহ ১/৬৩৩।

بَابُ التَّسْوِيَةِ فِي الْعِلْمِ

أَخْبَرَنَا بِشْرُ بْنُ الْحَكَمِ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، قَالَ: كُنَّا نَكْرَهُ كِتَابَةَ الْعِلْمِ، حَتَّى أَكْرَهَنَا عَلَيْهِ السُّلْطَانُ، فَكَرِهْنَا أَنْ نَمْنَعَهُ أَحَدًا

إسناده صحيح

أخبرنا بشر بن الحكم، حدثنا سفيان، عن الزهري، قال: كنا نكره كتابة العلم، حتى أكرهنا عليه السلطان، فكرهنا أن نمنعه أحدا إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৪১৯

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৩৬. ইলম অন্বেষণের ব্যাপারে সমতাবিধান সম্পর্কে

৪১৯. ইবনু আউন বলেন: তারা মুহাম্মদ (ইবনু সীরীন)-এর নিকট কোনো এক ব্যক্তি সম্পর্কে সমালোচনা করলেন তথা সে তার নিকট হাদীস বর্ণনা করেছিল। তখন তিনি বললেন: যদি সে কোনো কালো মানুষ (নিগ্রো)ও হতো, তবুও সে এবং মুহাম্মদের (তথা নিজের) ছেলে  আব্দুল্লাহ এ (হাদীস বর্ণনার) বিষয়ে আমার নিকট সমান হতো।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: (মুহাক্কিক্ব এর কোনো তাখরীজ দেননি- অনুবাদক।)

بَابُ التَّسْوِيَةِ فِي الْعِلْمِ

أَخْبَرَنَا يُوسُفُ بْنُ مُوسَى، حَدَّثَنَا مُعَاذُ بْنُ مُعَاذٍ، حَدَّثَنَا ابْنُ عَوْنٍ، قَالَ: كَلَّمُوا مُحَمَّدًا، فِي رَجُلٍ – يَعْنِي: يُحَدِّثُهُ – فَقَالَ: لَوْ كَانَ رَجُلًا مِنَ الزِّنْجِ، لَكَانَ عِنْدِي وَعَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدٍ فِي هَذَا سَوَاءً

إسناده صحيح

أخبرنا يوسف بن موسى، حدثنا معاذ بن معاذ، حدثنا ابن عون، قال: كلموا محمدا، في رجل – يعني: يحدثه – فقال: لو كان رجلا من الزنج، لكان عندي وعبد الله بن محمد في هذا سواء إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৪২০

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৩৬. ইলম অন্বেষণের ব্যাপারে সমতাবিধান সম্পর্কে

৪২০. সালত ইবনু রাশিদ থেকে বর্ণিত, সালম্ ইবনু কুতাইবা একদা তাউসকে কোনো একটি বিষয়ে প্রশ্ন করলেন, কিন্তু তিনি তার জবাব দিলেন না। তখন তাকে বলা হলো, ইনি সালম্ ইবনু কুতাইবা। তখন তিনি বললেন: তার ক্ষেত্রে এ কাজ করা আমার জন্য অধিকতর সহজ।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: এটি আমি এ ব্যতীত অন্য কোথাও পাইনি।

بَابُ التَّسْوِيَةِ فِي الْعِلْمِ

أَخْبَرَنَا يَحْيَى بْنُ حَسَّانَ، عَنْ حَمَّادِ بْنِ زَيْدٍ، عَنِ الصَّلْتِ بْنِ رَاشِدٍ، قَالَ: سَأَلَ سَلْمُ بْنُ قُتَيْبَةَ طاووسًا، عَنْ مَسْأَلَةٍ فَلَمْ يُجِبْهُ، فَقِيلَ لَهُ: هَذَا سَلْمُ بْنُ قُتَيْبَةَ قَالَ: ذَلِكَ أَهْوَنُ لَهُ عَلَيَّ

إسناده صحيح

أخبرنا يحيى بن حسان، عن حماد بن زيد، عن الصلت بن راشد، قال: سأل سلم بن قتيبة طاووسا، عن مسألة فلم يجبه، فقيل له: هذا سلم بن قتيبة قال: ذلك أهون له علي إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৪২১

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৩৭. ’আলিমগণকে মর্যাদা প্রদান প্রসঙ্গে

৪২১. হাবীব ইবনু সালিহ বলেন: খালিদ ইবনু মা’দানকে আমি যত বেশি ভয় পাই, আর কোনও লোককে আমি এতো বেশি ভয় পাই না।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: (মুহাক্কিক্ব এর কোনো তাখরীজ দেননি- অনুবাদক ।)

بَابٌ فِي تَوْقِيرِ الْعُلَمَاءِ

أَخْبَرَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ إِسْحَاقَ، عَنْ بَقِيَّةَ، قَالَ: حَدَّثَنِي حَبِيبُ بْنُ صَالِحٍ، قَالَ: مَا خِفْتُ أَحَدًا مِنَ النَّاسِ، مَخَافَتِي خَالِدَ بْنَ مَعْدَانَ

إسناده صحيح

أخبرنا إبراهيم بن إسحاق، عن بقية، قال: حدثني حبيب بن صالح، قال: ما خفت أحدا من الناس، مخافتي خالد بن معدان إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৪২২

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৩৭. ’আলিমগণকে মর্যাদা প্রদান প্রসঙ্গে

৪২২. মুগীরাহ বলেন: আমরা ইবরাহীমকে ঠিক তেমনই শ্রদ্ধা/ভয় করতাম, যেমন আমীর (শাসক) কে শ্রদ্ধা/ভয় করতাম।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: ফাসাওয়ী, আল মারিফাহ ২/৬০৪; খতীব, আলজামি’ নং ২৯৭।

بَابٌ فِي تَوْقِيرِ الْعُلَمَاءِ

أَخْبَرَنَا أَبُو نُعَيْمٍ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ مُغِيرَةَ، قَالَ: كُنَّا نَهَابُ إِبْرَاهِيمَ هَيْبَةَ الْأَمِيرِ

إسناده صحيح

أخبرنا أبو نعيم، حدثنا سفيان، عن مغيرة، قال: كنا نهاب إبراهيم هيبة الأمير إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৪২৩

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৩৭. ’আলিমগণকে মর্যাদা প্রদান প্রসঙ্গে

৪২৩. আইয়ুব বলেন: একদিন সাঈদ ইবনু জুবাইর একটি হাদীস বর্ণনা করলেন। তারপর (অন্য সময়) আমি তার নিকট গিয়ে সেটি আবার বলার জন্য তাঁকে অনুরোধ করলাম [1]। তিনি তখন বললেন: ’আমি সর্বদা কেবল দুগ্ধ দোহন করার সময়ই পান করি’ (সময়মত হাদীস বর্ণনা করি, যখন তখন নয়)।[2]

[1] ফাতহুল মান্নানে এরূপই অর্থ করা হয়েছে -অনুবাদক।

[2] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ৯/১০৫ নং ৬৬৮৮; রমহরমুযী, আল মুহাদ্দিসুল ফাসিল নং ৭৮০; খতীব, আলজামি’ নং ৯৭৪।

بَابٌ فِي تَوْقِيرِ الْعُلَمَاءِ

أَخْبَرَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ حَرْبٍ، حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ، عَنْ أَيُّوبَ، قَالَ: حَدَّثَ سَعِيدُ بْنُ جُبَيْرٍ، يَوْمًا بِحَدِيثٍ، فَقُمْتُ إِلَيْهِ فَاسْتَعَدْتُهُ، فَقَالَ: مَا كُلَّ سَاعَةٍ أَحْلُبُ فَأُشْرَبُ

إسناده صحيح

أخبرنا سليمان بن حرب، حدثنا حماد بن زيد، عن أيوب، قال: حدث سعيد بن جبير، يوما بحديث، فقمت إليه فاستعدته، فقال: ما كل ساعة أحلب فأشرب إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৪২৪

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৩৭. ’আলিমগণকে মর্যাদা প্রদান প্রসঙ্গে

৪২৪. আতা বলেন: আবু আব্দুর রহমান (আস সুলামী) রাস্তার উপর হাদীস বর্ণনা করা অপছন্দ করতেন।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এ সনদে দু’টি ত্রুটি বিদ্যমান। মুহাম্মদ ইবনু হামীদ যয়ীফ এবং আতা হতে আমর বিন আবী কায়েস কিছু শ্রবণ করা হতে পিছিয়ে রয়েছেন।

তাখরীজ: খতীব, আল জামি’ নং ৩৯৫।

بَابٌ فِي تَوْقِيرِ الْعُلَمَاءِ

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ حُمَيْدٍ، حَدَّثَنَا هَارُونُ هُوَ ابْنُ الْمُغِيرَةِ، وَيَحْيَى بْنُ ضُرَيْسٍ، عَنْ عَمْرِو بْنِ أَبِي قَيْسٍ، عَنْ عَطَاءٍ، أَنَّ أَبَا عَبْدِ الرَّحْمَنِ كَرِهَ الْحَدِيثَ فِي الطَّرِيقِ

في إسناده علتان: ضعف محمد بن حميد وسماع عمرو بن أبي قيس متأخر من عطاء

أخبرنا محمد بن حميد، حدثنا هارون هو ابن المغيرة، ويحيى بن ضريس، عن عمرو بن أبي قيس، عن عطاء، أن أبا عبد الرحمن كره الحديث في الطريق في إسناده علتان: ضعف محمد بن حميد وسماع عمرو بن أبي قيس متأخر من عطاء

 হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai’f)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৪২৫

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৩৭. ’আলিমগণকে মর্যাদা প্রদান প্রসঙ্গে

৪২৫. হাবীব ইবনু আবী ছাবিত বলেন: আমরা সাঈদ ইবনু জুবাইর এর নিকট ছিলাম তখন তিনি একটি হাদীস বর্ণনা করলেন। অত:পর কোনো এক ব্যক্তি তাকে বলল, কে এ হাদীস আপনাকে বর্ণনা করেছে?- কিংবা, আপনি এ হাদীস কার নিকট শুনেছেন? তখন তিনি রাগান্বিত হলেন এবং আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করা হতে বিরত রইলেন, এমনকি তিনি উঠে পড়লেন।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ জাইয়েদ (উত্তম)।

তাখরীজ: (মুহাক্কিক্ব এর কোনো তাখরীজ দেননি- অনুবাদক ।)

بَابٌ فِي تَوْقِيرِ الْعُلَمَاءِ

أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عِمْرَانَ، حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ ضُرَيْسٍ، حَدَّثَنَا أَبُو سِنَانٍ، عَنْ حَبِيبِ بْنِ أَبِي ثَابِتٍ، قَالَ: كُنَّا عِنْدَ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ، ” فَحَدَّثَ بِحَدِيثٍ، فَقَالَ لَهُ رَجُلٌ: مَنْ حَدَّثَكَ هَذَا – أَوْ مِمَّنْ سَمِعْتَ هَذَا؟ – فَغَضِبَ وَمَنَعَنَا حَدِيثَهُ حَتَّى قَامَ

إسناده جيد

أخبرنا عبد الله بن عمران، حدثنا يحيى بن ضريس، حدثنا أبو سنان، عن حبيب بن أبي ثابت، قال: كنا عند سعيد بن جبير، ” فحدث بحديث، فقال له رجل: من حدثك هذا – أو ممن سمعت هذا؟ – فغضب ومنعنا حديثه حتى قام إسناده جيد

 হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৪২৬

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৩৭. ’আলিমগণকে মর্যাদা প্রদান প্রসঙ্গে

৪২৬. যুহরী হতে বর্ণিত, আবু সালামাহ বলেন: আমি যদি ইবনু আব্বাসের সাহচার্য লাভ করতে পারতাম তবে আমি তাঁর থেকে অনেক ইলম অর্জন করতে পারতাম।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: ফাসাওয়ী, আল মারিফাহ ১/৫৫৯; খতীব, আল জামি’ নং ৩৮৫; দেখুন জামি’ বায়ানিল ইলম ১/১৫৬ ও পরবর্তী ৫৮৭ নং হাদীস।

بَابٌ فِي تَوْقِيرِ الْعُلَمَاءِ

أَخْبَرَنَا أَبُو مَعْمَرٍ إِسْمَاعِيلُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، عَنْ سُفْيَانَ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ، قَالَ: لَوْ رَفَقْتُ بِابْنِ عَبَّاسٍ، لَأَصَبْتُ مِنْهُ عِلْمًا كَثِيرًا

إسناده صحيح

أخبرنا أبو معمر إسماعيل بن إبراهيم، عن سفيان، عن الزهري، عن أبي سلمة، قال: لو رفقت بابن عباس، لأصبت منه علما كثيرا إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৪২৭

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৩৭. ’আলিমগণকে মর্যাদা প্রদান প্রসঙ্গে

৪২৭. উম্মু আব্দুল্লাহ বিনতে খালিদ বলেন: আমি আমার পিতার চেয়ে ইলমকে অধিক সম্মান করতে আর কাউকে দেখিনি।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ যয়ীফ। বাকীয়াহ বিন ওয়ালিদ মুদাল্লিস সে ‘আন‘আন পদ্ধতিতে বর্ণনা করেছেন। (তবে অন্য একটি সহীহ সনদে অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। তাখরীজ দেখুন।- অনুবাদক)

তাখরীজ: আহমদ, আল জামি’ ফিল ইলাল ১/৩১৭ নং ২৪০৯; বুখারী, আল কাবীর ৩/১৭৬; এর সনদ সহীহ।

بَابٌ فِي تَوْقِيرِ الْعُلَمَاءِ

أَخْبَرَنَا الْحَكَمُ بْنُ الْمُبَارَكِ، أَنبَأَنَا بَقِيَّةُ، عَنْ أُمِّ عَبْدِ اللَّهِ بِنْتِ خَالِدٍ، قَالَتْ: «مَا رَأَيْتُ أَحَدًا أَكْرَمَ لِلْعِلْمِ مِنْ أَبِي

إسناده ضعيف بقية بن الوليد مدلس وقد عنعن

أخبرنا الحكم بن المبارك، أنبأنا بقية، عن أم عبد الله بنت خالد، قالت: «ما رأيت أحدا أكرم للعلم من أبي إسناده ضعيف بقية بن الوليد مدلس وقد عنعن

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৪২৮

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৩৮. নির্ভরযোগ্য বর্ণনাকারী হতে হাদীস বর্ণনা প্রসঙ্গে

৪২৮. আওযাঈ সুলাইমান্ বিন মুসা হতে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি তাউসকে বললাম: অমুক ব্যক্তি আমাকে এমন এমন হাদীস বর্ণনা করেছেন। তিনি বললেন: সে যদি তোমার দীর্ঘদিনের সাথী হয়, তবে তার নিকট হতে হাদীস গ্রহণ করতে পারো।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ হাসান সুলাইমান বিন মুসার কারণে।

তাখরীজ: উকাইলী, আদ দুয়াফা ১/১২; আবী যুর’আহ, তারীখ নং ৬০১; রমহরমুযী, আল মুহাদ্দিসুল ফাসিল নং ৪২৬; খতীব, আল কিফায়াহ পৃ: ১৩২ যয়ীফ সনদে।… সামনে অপর একটি হাদীস আসছে ৪৩৯ নং এ।

بَابٌ فِي الْحَدِيثِ عَنِ الثِّقَاتِ

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُبَارَكِ، عَنْ عِيسَى بْنِ يُونُسَ، عَنِ الْأَوْزَاعِيِّ، عَنْ سُلَيْمَانَ بْنِ مُوسَى، قَالَ: قُلْتُ لِطَاوُسٍ: إِنَّ فُلَانًا حَدَّثَنِي بِكَذَا وَكَذَا: قَالَ إِنْ كَانَ صَاحِبُكَ مَلِيًّا، فَخُذْ عَنْهُ

إسناده حسن من أجل سليمان بن موسى الأموي

أخبرنا محمد بن المبارك، عن عيسى بن يونس، عن الأوزاعي، عن سليمان بن موسى، قال: قلت لطاوس: إن فلانا حدثني بكذا وكذا: قال إن كان صاحبك مليا، فخذ عنه إسناده حسن من أجل سليمان بن موسى الأموي

 হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৪২৯

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৩৮. নির্ভরযোগ্য বর্ণনাকারী হতে হাদীস বর্ণনা প্রসঙ্গে

৪২৯. মিস’আর বলেন, সাঈদ ইবনু ইবরাহীম বলেন: নির্ভরযোগ্য বর্ণনাকারী ব্যতীত রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে কেউ যেন হাদীস বর্ণনা না করে।[1]

[1]এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: খতীব, কিফায়াহ পৃ: ৩২; আবু যুর’আহ, তারীখ নং ১৪৮৩; মুসলিম, মুকাদ্দিমাহ ১/১৫।

بَابٌ فِي الْحَدِيثِ عَنِ الثِّقَاتِ

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ مِسْعَرٍ، قَالَ: قَالَ سَعْدُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، لَا يُحَدِّثْ عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، إِلَّا الثِّقَاتُ

إسناده صحيح

أخبرنا محمد بن أحمد، حدثنا سفيان، عن مسعر، قال: قال سعد بن إبراهيم، لا يحدث عن رسول الله صلى الله عليه وسلم، إلا الثقات إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৪৩০

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৩৮. নির্ভরযোগ্য বর্ণনাকারী হতে হাদীস বর্ণনা প্রসঙ্গে

৪৩০. ইবনু সীরীন বলেন: তারা (হাদীসের) সনদ সম্পর্কে প্রশ্ন করতেন না। তারপর থেকে তারা (বর্ণনাকারীর) পরিচয় লাভের উদ্দেশ্যে প্রশ্ন করা শুরু করলেন। যদি বর্ণনাকারী আহলুস সুন্নাহ’র অন্তর্ভুক্ত হতো, তবে তার থেকে তারা হাদীস গ্রহণ করতেন। আর যে আহলুস সুন্নাহর অন্তর্ভুক্ত না হতো, তার থেকে তারা হাদীস গ্রহণ করতেন না।

আবু মুহাম্মদ (দারেমী) বলেন: আমার ধারণা তিনি ( পরবর্তী বর্ণনাকারী জারীর) আসিম থেকে হাদীস শ্রবণ করেননি।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ যয়ীফ, কারণ, মুহাম্মদ্ ইবনু হুমাইদ যয়ীফ। আর জারীর ও আসেমের মাঝে ‘ইনকিতা’ বা বিচ্ছিন্নতা’র সম্ভাবনা রয়েছে। (তবে তাখরীজে ‍মুহাক্বিক্বের আলোচনা থেকে বুঝা যায়, খতীব ও আবূ নুয়াইমের সনদটি হাসান পর‌্যায়ের। আল্লাহু আ’লামু।- অনুবাদক)

তাখরীজ: খতীব, কিফায়াহ পৃ: ১২২ দুটি সনদে; আবু নুয়াইম, হিলইয়া ২/২৭৮ যার রাবীগণ নির্ভরযোগ্য।

بَابٌ فِي الْحَدِيثِ عَنِ الثِّقَاتِ

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ حُمَيْدٍ، حَدَّثَنَا جَرِيرٌ، عَنْ عَاصِمٍ، عَنِ ابْنِ سِيرِينَ، قَالَ: «كَانُوا لَا يَسْأَلُونَ عَنِ الْإِسْنَادِ، ثُمَّ سَأَلُوا بَعْدُ لِيَعْرِفُوا مَنْ كَانَ صَاحِبَ سُنَّةٍ أَخَذُوا عَنْهُ، وَمَنْ لَمْ يَكُنْ صَاحِبَ سُنَّةٍ، لَمْ يَأْخُذُوا عَنْهُ» قَالَ أَبُو مُحَمَّدٍ: مَا أَظُنُّهُ سَمِعَهُ مِنْ عَاصِمٍ

إسناده ضعيف من أجل محمد بن حميد. وفيه شبهة انقطاع بين جرير وبين عاصم

أخبرنا محمد بن حميد، حدثنا جرير، عن عاصم، عن ابن سيرين، قال: «كانوا لا يسألون عن الإسناد، ثم سألوا بعد ليعرفوا من كان صاحب سنة أخذوا عنه، ومن لم يكن صاحب سنة، لم يأخذوا عنه» قال أبو محمد: ما أظنه سمعه من عاصم إسناده ضعيف من أجل محمد بن حميد. وفيه شبهة انقطاع بين جرير وبين عاصم

 হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৪৩১

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৩৮. নির্ভরযোগ্য বর্ণনাকারী হতে হাদীস বর্ণনা প্রসঙ্গে

৪৩১. মুহাম্মদ ইবনু সীরীন বলেন:  তুমি যখন আমার নিকট হাদীস করবে, (জনৈক) ‍দু’ব্যক্তি থেকে আমার নিকট হাদীস বর্ণনা করো না, কারণ তারা তাদের হাদীসসমূহ কার নিকট থেকে গ্রহণ করছে সেই ব্যাপারে তারা কোনো পরোয়া করে না।

আবু মুহাম্মদ আব্দুল্লাহ বলেন: আমার ধারণা, তিনি তার নিকট হাদীস শ্রবণ করেননি।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ যয়ীফ। পূর্বের টীকা দেখুন।

তাখরীজ: মুহাক্কিক্ব এর কোনো তাখরীজ করেন নি-অনুবাদক।

بَابٌ فِي الْحَدِيثِ عَنِ الثِّقَاتِ

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ حُمَيْدٍ، حَدَّثَنَا جَرِيرٌ، عَنْ عَاصِمٍ، قَالَ: قَالَ: مُحَمَّدُ بْنُ سِيرِينَ، «مَا حَدَّثْتَنِي، فَلَا تُحَدِّثْنِي عَنْ رَجُلَيْنِ، فَإِنَّهُمَا لَا يُبَالِيَانِ، عَمَّنْ أَخَذَا حَدِيثَهُمَا» قَالَ أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ اللَّهِ: لَا أَظُنُّهُ سَمِعَهُ

إسناده ضعيف

أخبرنا محمد بن حميد، حدثنا جرير، عن عاصم، قال: قال: محمد بن سيرين، «ما حدثتني، فلا تحدثني عن رجلين، فإنهما لا يباليان، عمن أخذا حديثهما» قال أبو محمد عبد الله: لا أظنه سمعه إسناده ضعيف

 হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai’f)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৪৩২

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৩৮. নির্ভরযোগ্য বর্ণনাকারী হতে হাদীস বর্ণনা প্রসঙ্গে

৪৩২. আম্মারাহ ইবনু কা’কা’ থেকে বর্ণিত, ইবরাহীম বলেন: তুমি আমার নিকট হাদীস বর্ণনা করলে আবু যুর’আহ’ থেকে হাদীস বর্ণনা করবে। কেননা, তিনি আমার নিকট হাদীস বর্ণনা করেছিলেন। তারপর আমি একবছর পর আবার সেটি তাকে জিজ্ঞেস করি। তখন তিনি (পূর্বে যেভাবে বর্ণনা করেছিলেন) তা থেকে একটি হরফও কম করেননি।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ যয়ীফ, কেননা মুহাম্মদ ইবনু হুমাইদ যয়ীফ।

তাখরীজ: তিরযিমী, আল ইলাল (তার জামি’ গ্রন্থের সাথে সংযুক্ত) ৫/৫১।

بَابٌ فِي الْحَدِيثِ عَنِ الثِّقَاتِ

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ، حَدَّثَنَا جَرِيرٌ، عَنْ عُمَارَةَ بْنِ الْقَعْقَاعِ، قَالَ: قَالَ إِبْرَاهِيمُ، إِذَا حَدَّثْتَنِي، فَحَدِّثْنِي عَنْ أَبِي زُرْعَةَ، فَإِنَّهُ حَدَّثَنِي بِحَدِيثٍ ثُمَّ سَأَلْتُهُ بَعْدَ ذَلِكَ بِسَنَةٍ فَمَا خَرمَ مِنْهُا حَرْفًا

إسناده ضعيف من أجل محمد بن حميد

أخبرنا محمد، حدثنا جرير، عن عمارة بن القعقاع، قال: قال إبراهيم، إذا حدثتني، فحدثني عن أبي زرعة، فإنه حدثني بحديث ثم سألته بعد ذلك بسنة فما خرم منها حرفا إسناده ضعيف من أجل محمد بن حميد

 হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai’f)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৪৩৩

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৩৮. নির্ভরযোগ্য বর্ণনাকারী হতে হাদীস বর্ণনা প্রসঙ্গে

৪৩৩. ইবনু আউন হতে বর্ণিত, মুহাম্মদ (ইবনু সীরীন) বলেন: এ ইলমই (হাদীসের সনদ সম্পর্কিত জ্ঞান) হলো দীন। সুতরাং কোনো লোক যেনো লক্ষ্য রাখে, সে কার নিকট হতে তার দীন গ্রহণ করছে।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: এর তাখরীজ করা হয়েছে ২৯৯ নং হাদীসে এবং সামনে আসছে ৪৩৮ নং এ।

بَابٌ فِي الْحَدِيثِ عَنِ الثِّقَاتِ

أَخْبَرَنَا عَفَّانُ، حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ، عَنِ ابْنِ عَوْنٍ، عَنْ مُحَمَّدٍ، قَالَ: إِنَّ هَذَا الْعِلْمَ، دِينٌ، فَلْيَنْظُرِ الرَّجُلُ، عَمَّنْ يَأْخُذُ دِينَهُ

إسناده صحيح

أخبرنا عفان، حدثنا حماد بن زيد، عن ابن عون، عن محمد، قال: إن هذا العلم، دين، فلينظر الرجل، عمن يأخذ دينه إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৪৩৪

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৩৮. নির্ভরযোগ্য বর্ণনাকারী হতে হাদীস বর্ণনা প্রসঙ্গে

৪৩৪. মুগীরাহ হতে বর্ণিত, ইবরাহীম বলেন: যখন তারা কোনো লোকের নিকট হতে হাদীস সংগ্রহের জন্য আসতেন, তখন তারা তার সালাত, তার আচার-আচরণ বা বেশ-ভূষা এবং তার গঠনাকৃতি লক্ষ্য করতেন। [1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: আবু নুয়াইম, হিলইয়া ৪/২২৫; খতীব, আলজামি’ নং ১৩৬; দেখুন পরবর্তী হাদীসের টীকা।

بَابٌ فِي الْحَدِيثِ عَنِ الثِّقَاتِ

أَخْبَرَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، عَنْ هُشَيْمٍ، عَنْ مُغِيرَةَ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ، قَالَ: كَانُوا إِذَا أَتَوْا الرَّجُلَ لِيَأْخُذُوا عَنْهُ، نَظَرُوا إِلَى صَلَاتِهِ، وَإِلَى سَمْتِهِ، وَإِلَى هَيْئَتِ

إسناده صحيح فقد صرح هشيم بالتحديث في الطريق التالي

أخبرنا إسماعيل بن إبراهيم، عن هشيم، عن مغيرة، عن إبراهيم، قال: كانوا إذا أتوا الرجل ليأخذوا عنه، نظروا إلى صلاته، وإلى سمته، وإلى هيئت إسناده صحيح فقد صرح هشيم بالتحديث في الطريق التالي

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৪৩৫

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৩৮. নির্ভরযোগ্য বর্ণনাকারী হতে হাদীস বর্ণনা প্রসঙ্গে

৪৩৫. মুগীরাহ হতে বর্ণিত, ইবরাহীম বলেন: যখন তারা কোনো লোকের নিকট হতে ইলম অর্জনের জন্য আসতেন, তখন তারা তার সালাত, তার আচার-আচরণ বা বেশ-ভূষা এবং তার গঠনাকৃতি লক্ষ্য করতেন। (তার এসবে সন্তুষ্ট হলে) তারপর তারা তার নিকট থেকে হাদীস গ্রহণ করতেন।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: আবী হাতিম, জারহু ওয়াত তা’দীল ২/১৬; খতীব, আল কিফায়াহ পৃ: ১৫৭।

بَابٌ فِي الْحَدِيثِ عَنِ الثِّقَاتِ

خْبَرَنَا عَمْرُو بْنُ زُرَارَةَ، أَنبَأَنَا هُشَيْمٌ، أَنبَأَنَا مُغِيرَةُ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ، قَالَ: كَانُوا إِذَا أَتَوْا الرَّجُلَ يَأْخُذُونَ عَنْهُ الْعِلْمَ، نَظَرُوا إِلَى صَلَاتِهِ، وَإِلَى سَمْتِهِ، وَإِلَى هَيْئَتِهِ، ثُمَّ يَأْخُذُونَ عَنْهُ

إسناده صحيح

خبرنا عمرو بن زرارة، أنبأنا هشيم، أنبأنا مغيرة، عن إبراهيم، قال: كانوا إذا أتوا الرجل يأخذون عنه العلم، نظروا إلى صلاته، وإلى سمته، وإلى هيئته، ثم يأخذون عنه إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৪৩৬

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৩৮. নির্ভরযোগ্য বর্ণনাকারী হতে হাদীস বর্ণনা প্রসঙ্গে

৪৩৬. হিশাম হতে বর্ণিত, তিনি হাসান হতেও ইবরাহীমের হাদীসের অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেন।[1]

[1] তাহক্বীক্ব; হাসান পর্যন্ত এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: পূর্বের হাদীসটি দেখুন।

بَابٌ فِي الْحَدِيثِ عَنِ الثِّقَاتِ

أخْبرنا أَبُو مَعْمَرٍ إِسْمَاعِيلُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، عَنْ رَوْحٍ، عَنْ هِشَامٍ، عَنِ الْحَسَنِ، نَحْوَ حَدِيثِ إِبْرَاهِيمَ

إسناده صحيح إلى الحسن

أخبرنا أبو معمر إسماعيل بن إبراهيم، عن روح، عن هشام، عن الحسن، نحو حديث إبراهيم إسناده صحيح إلى الحسن

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৪৩৭

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৩৮. নির্ভরযোগ্য বর্ণনাকারী হতে হাদীস বর্ণনা প্রসঙ্গে

৪৩৭. রবী’ হতে বর্ণিত, আবুল আ’লিয়া বলেন: আমরা যখন লোকের থেকে হাদীস গ্রহণের জন্য যেতাম, তখন সালাত আদায়ের সময় তার দিকে লক্ষ্য করতাম। সে তার সালাত সুন্দর করে আদায় করলে আমরা তার নিকট বসতাম এবং (মনে মনে) বলতাম: সে সালাত ব্যতীত অন্যান্য ক্ষেত্রে হয়তো আরও অধিক উত্তম। আর সে সালাত আদায় সঠিকভাবে না করলে আমরা তার থেকে (হাদীস গ্রহণ না করে) উঠে যেতাম এবং বলতাম: সে সালাত ব্যতীত অন্যান্য ক্ষেত্রে হয়তো আরও অধিক মন্দ। মা’মার (বর্ণনাকারী) বলেন: তার শব্দগুলো এরকমই।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ হাসান।

তাখরীজ: রমহরমুযী, আল মুহাদ্দিসুল ফাসিল নং ৪৩০; আবু নুয়াইম, হিলইয়া ২/২২০।

بَابٌ فِي الْحَدِيثِ عَنِ الثِّقَاتِ

أَخْبَرَنَا أَبُو مَعْمَرٍ إِسْمَاعِيلُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، أَنبَأَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ أَبِي جَعْفَرٍ الرَّازِيُّ، عَنْ أَبِيهِ، عَنِ الرَّبِيعِ، عَنْ أَبِي الْعَالِيَةِ، قَالَ: ” كُنَّا نَأْتِي الرَّجُلَ، لِنَأْخُذَ عَنْهُ، فَنَنْظُرُ إِذَا صَلَّى، فَإِنْ أَحْسَنَهَا، جَلَسْنَا إِلَيْهِ، وَقُلْنَا: هُوَ لِغَيْرِهَا أَحْسَنُ. وَإِنْ أَسَاءَهَا، قُمْنَا عَنْهُ، وَقُلْنَا: هُوَ لِغَيْرِهَا أسْوأُ ” قَالَ أَبُو مَعْمَرٍ: لَفْظُهُ نَحْوُ هَذَا

إسناده حسن

أخبرنا أبو معمر إسماعيل بن إبراهيم، أنبأنا عبد الله بن أبي جعفر الرازي، عن أبيه، عن الربيع، عن أبي العالية، قال: ” كنا نأتي الرجل، لنأخذ عنه، فننظر إذا صلى، فإن أحسنها، جلسنا إليه، وقلنا: هو لغيرها أحسن. وإن أساءها، قمنا عنه، وقلنا: هو لغيرها أسوأ ” قال أبو معمر: لفظه نحو هذا إسناده حسن

 হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৪৩৮

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৩৮. নির্ভরযোগ্য বর্ণনাকারী হতে হাদীস বর্ণনা প্রসঙ্গে

৪৩৮. ইবনু আউন থেকে বর্ণিত, মুহাম্মদ (ইবনু সীরীন) বলেন: এ ইলমই হলো দীন। সুতরাং তোমরা লক্ষ্য করো কার নিকট হতে তোমরা তোমাদের দীন গ্রহণ করছো।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এ হাদীসটি সহীহ।

তাখরীজ: এটি ৩৯৯, ৪৩৩ নং এ গত হয়েছে, পূর্ণ তাখরীজের জন্য সেখানে দেখুন।

بَابٌ فِي الْحَدِيثِ عَنِ الثِّقَاتِ

أَخْبَرَنَا أَبُو عَاصِمٍ، قَالَ: لَا أَدْرِي سَمِعْتُهُ مِنْهُ أَوْ لابْنُ عَوْنٍ، عَنْ مُحَمَّدٍ «إِنَّ هَذَا الْعِلْمَ دِينٌ، فَانْظُرُوا عَمَّنْ تَأْخُذُونَ دِينَكُمْ

أثر صحيح

أخبرنا أبو عاصم، قال: لا أدري سمعته منه أو لابن عون، عن محمد «إن هذا العلم دين، فانظروا عمن تأخذون دينكم أثر صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৪৩৯

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৩৮. নির্ভরযোগ্য বর্ণনাকারী হতে হাদীস বর্ণনা প্রসঙ্গে

৪৩৯. সুলাইমান ইবনু মূসা বলেন: আমি তাউসকে বললাম: অমুক ব্যক্তি আমাকে এমন এমন হাদীস বর্ণনা করেছেন। তিনি বললেন: সে যদি তোমার দীর্ঘদিনের সাথী হয়, তবে তার নিকট হতে হাদীস গ্রহণ করতে পারো।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ হাসান।

তাখরীজ: এটি ৪২৮ নং এ গত হয়েছে, পূর্ণ তাখরীজের জন্য সেখানে দেখুন।

بَابٌ فِي الْحَدِيثِ عَنِ الثِّقَاتِ

أَخْبَرَنَا مَرْوَانُ بْنُ مُحَمَّدٍ، حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ عَبْدِ الْعَزِيزِ، عَنْ سُلَيْمَانَ بْنِ مُوسَى، قَالَ: قُلْتُ لِطَاوُسٍ إِنَّ فُلَانًا حَدَّثَنِي بِكَذَا وَكَذَا، قَالَ: فَإِنْ كَانَ صَاحِبُكَ، مَلِيًّا، فَخُذْ عَنْهُ

إسناده حسن

أخبرنا مروان بن محمد، حدثنا سعيد بن عبد العزيز، عن سليمان بن موسى، قال: قلت لطاوس إن فلانا حدثني بكذا وكذا، قال: فإن كان صاحبك، مليا، فخذ عنه إسناده حسن

 হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৪৪০

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৩৮. নির্ভরযোগ্য বর্ণনাকারী হতে হাদীস বর্ণনা প্রসঙ্গে

৪৪০. তাউস বলেন: বুশাইর ইবনু কা’ব, ইবনু আব্বাসের নিকট এসে হাদীস বর্ণনা করা শুরু করে দিল। তখন ইবনু আব্বাস বললেন: আমাকে প্রথম হাদীসটি আবার শোনাও। বুশাইর তাকে বলল: আমি বুঝতে পারছি না, আপনি আমার সকল হাদীস স্বীকৃতি দিলেন, শুধুমাত্র এটি প্রত্যাখ্যান করলেন; নাকি- এ হাদীসটি স্বীকৃত দিলেন, আর আমার বর্ণিত অন্যান্য সকল হাদীস প্রত্যাখ্যান করলেন। তখন ইবনু আব্বাস বললেন: আমরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হতে হাদীস বর্ণনা করতাম, যখন তাঁর উপর মিথ্যারোপ করা হতো না। এরপর লোকদের উপর জটিলতা ও হীনতা চেপে বসলো, ফলে আমরা তাঁর (রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে হাদীস বর্ণনা করা পরিত্যাগ করলাম।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ শক্তিশালী।

তাখরীজ: মুসলিম, মুকাদ্দিমাহ ১/১২-১৩; আবু যুর’আহ, তারীখ নং ১৪৮৬; ইবনু আদী, আল কামিল ১/৬১-৬২; পরবর্তী হাদীসটি দেখুন।

بَابٌ فِي الْحَدِيثِ عَنِ الثِّقَاتِ

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ هِشَامِ بْنِ حُجَيْرٍ، عَنْ طَاوُسٍ، قَالَ: جَاءَ بُشَيْرُ بْنُ كَعْبٍ إِلَى ابْنِ عَبَّاسٍ فَجَعَلَ يُحَدِّثُهُ، فَقَالَ: ابْنُ عَبَّاسٍ «أَعِدْ عَلَيَّ الْحَدِيثَ الْأَوَّلَ» قَالَ لَهُ بُشَيْرٌ: مَا أَدْرِي عَرَفْتَ حَدِيثِي كُلَّهُ، وَأَنْكَرْتَ هَذَا، أَوْ عَرَفْتَ هَذَا، وَأَنْكَرْتَ حَدِيثِي كُلَّهُ؟ فَقَالَ ابْنُ عَبَّاسٍ إِنَّا كُنَّا نُحَدِّثُ عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِذْ لَمْ يَكُنْ يُكْذَبُ عَلَيْهِ، فَلَمَّا رَكِبَ النَّاسُ الصَّعْبَ وَالذَّلُولَ، تَرَكْنَا الْحَدِيثَ عَنْهُ

إسناده قوي

أخبرنا محمد بن أحمد، حدثنا سفيان، عن هشام بن حجير، عن طاوس، قال: جاء بشير بن كعب إلى ابن عباس فجعل يحدثه، فقال: ابن عباس «أعد علي الحديث الأول» قال له بشير: ما أدري عرفت حديثي كله، وأنكرت هذا، أو عرفت هذا، وأنكرت حديثي كله؟ فقال ابن عباس إنا كنا نحدث عن رسول الله صلى الله عليه وسلم إذ لم يكن يكذب عليه، فلما ركب الناس الصعب والذلول، تركنا الحديث عنه إسناده قوي

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৪৪১

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৩৮. নির্ভরযোগ্য বর্ণনাকারী হতে হাদীস বর্ণনা প্রসঙ্গে

৪৪১. তাউস হতে বর্ণিত, ইবনু আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন: আমরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে হাদীস সংরক্ষণ করতাম (মুখস্ত করতাম)। এমনকি তোমাদের উপর জটিলতা ও হীনতা চেপে বসার আগ পর্যন্ত রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হতে হাদীস সংরক্ষণ করা হতো।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: মুসলিম, মুকাদ্দিমাহ ১/৩১; ইবনু আদী, আল কামিল ১/৬২; পূর্বের টীকাটি দেখুন।

بَابٌ فِي الْحَدِيثِ عَنِ الثِّقَاتِ

خْبَرَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ أَبَانَ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ الْمُبَارَكِ، عَنْ مَعْمَرٍ، عَنِ ابْنِ طَاوُسٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ، قَالَ:كُنَّا نَحْفَظُ الْحَدِيثَ، وَالْحَدِيثُ يُحْفَظُ عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، حَتَّى رَكِبْتُمُ الصَّعْبَةَ وَالذَّلُولَ

إسناده صحيح

خبرنا إسماعيل بن أبان، قال: حدثنا عبد الله بن المبارك، عن معمر، عن ابن طاوس، عن أبيه، عن ابن عباس رضي الله عنه، قال:كنا نحفظ الحديث، والحديث يحفظ عن رسول الله صلى الله عليه وسلم، حتى ركبتم الصعبة والذلول إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৪৪২

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৩৮. নির্ভরযোগ্য বর্ণনাকারী হতে হাদীস বর্ণনা প্রসঙ্গে

৪৪২. তাউস হতে বর্ণিত, আব্দুল্লাহ ইবনু আমর রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন: অচিরেই শয়তানের দলবল প্রকাশ পাবে, যাদেরকে সুলাইমান আলাইহিস সালাম বন্দী করে রেখেছিলেন। তারা লোকদেরকে দীনের জ্ঞান (অপর বর্ণনায়: কুরআন) শিক্ষা দেবে।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ যয়ীফ, কেননা, রাবী লাইছ যয়ীফ। আর এটি মাওকুফ হাদীস। (তবে কিছুটা শব্দের পার্থক্যসহ হাদীসটি আমর ইবনুল আস রা: হতে অপর সনদে ইমাম মুসলিম তার সহীহ মুসলিমের মুকাদ্দামা নং ৬ এর পরে উল্লেখ করেছেন। সেখানে যয়ীফ রাবী লাইছ নেই।- যার সনদ সহীহ। ওয়াল্লাহু আ’লামু।- অনুবাদক)

তাখরীজ: মুসলিম, মুকাদ্দিমাহ ৭; আব্দুর রাযযাক, আল মুছান্নাফ নং ২০৮০৭;

এছাড়া ইবনু আদী, আল কামিল ১/৫৯; তাবারাণী, আল কাবীর; সুয়ূতী, লা’আলী আল মাসনু’আহ ১/২৫০; খতীব, আল ফাকীহ ওয়াল মুতাফাকিহ ২/১৫৩ এর সনদের মুহাম্মদ ইবনু খালিদকে ইবনু মাঈন মিথ্যা বলেন বলে অভিযুক্ত করেছেন।

بَابٌ فِي الْحَدِيثِ عَنِ الثِّقَاتِ

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ، عَنْ سُفْيَانَ، عَنْ لَيْثٍ، عَنْ طَاوُسٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ قَالَ: يُوشِكُ أَنْ يَظْهَرَ شَيَاطِينُ قَدْ أَوْثَقَهَا سُلَيْمَانُ عَلَيْهِ السَّلَامُ يُفَقِّهُونَ النَّاسَ فِي الدِّينِ

إسناده ضعيف لضعف ليث بن أبي سليم. وهو موقوف

أخبرنا محمد بن يوسف، عن سفيان، عن ليث، عن طاوس، عن عبد الله بن عمرو رضي الله عنه قال: يوشك أن يظهر شياطين قد أوثقها سليمان عليه السلام يفقهون الناس في الدين إسناده ضعيف لضعف ليث بن أبي سليم. وهو موقوف

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৪৪৩

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৩৮. নির্ভরযোগ্য বর্ণনাকারী হতে হাদীস বর্ণনা প্রসঙ্গে

৪৪৩. হিশাম হতে বর্ণিত, মুহাম্মদ (ইবনু সীরীন) বলেন: তোমরা লক্ষ্য করো, কার নিকট হতে তোমরা এ হাদীস গ্রহণ করছো। কেননা, এ (হাদীস)-ই হলো তোমাদের দীন।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: আবী হাতিম, জারহু ওয়াত তা’দীল ১/১৫; রমহরমুযী, আল মুহাদ্দিসুল ফাসিল নং ৪৪৫; আর এটি দেখুন ৩৯৯ নং এর টীকায়।

بَابٌ فِي الْحَدِيثِ عَنِ الثِّقَاتِ

أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، حَدَّثَنَا زَائِدَةُ، عَنْ هِشَامٍ، عَنْ مُحَمَّدٍ، قَالَ: انْظُرُوا عَمَّنْ تَأْخُذُونَ هَذَا الْحَدِيثَ فَإِنَّهُ دِينُكُمْ

إسناده صحيح

أخبرنا أحمد بن عبد الله، حدثنا زائدة، عن هشام، عن محمد، قال: انظروا عمن تأخذون هذا الحديث فإنه دينكم إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৪৪৪

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৩৯. নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের হাদীসের ব্যাখ্যা করা এবং তাঁর হাদীসের নিকট অন্য কোনো ব্যক্তির কথা বলা থেকে বিরত থাকা প্রসঙ্গে

৪৪৪. মু’তামির তার পিতা হতে বর্ণনা করেন, তিনি বলতেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের হাদীসের ব্যাখ্যা করা হতে যেনো বিরত থাকা হয়, যেমনভাবে কুরআনের তাফসীর থেকে বিরত থাকা হয়।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ জায়্যেদ।

তাখরীজ: এ স্থান ব্যতীত আমি এটি অন্য কোথাও পাইনি।

بَابُ مَا يُتَّقَى مِنْ تَفْسِيرِ حَدِيثِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، وَقَوْلِ غَيْرِهِ عِنْدَ قَوْلِهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ

أَخْبَرَنَا مُوسَى بْنُ خَالِدٍ، حَدَّثَنَا مُعْتَمِرٌ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ: لِيُتَّقَى، مِنْ تَفْسِيرِ حَدِيثِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، كَمَا يُتَّقَى مِنْ تَفْسِيرِ الْقُرْآنِ

إسناده جيد

أخبرنا موسى بن خالد، حدثنا معتمر، عن أبيه، قال: ليتقى، من تفسير حديث رسول الله صلى الله عليه وسلم، كما يتقى من تفسير القرآن إسناده جيد

 হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৪৪৫

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৩৯. নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের হাদীসের ব্যাখ্যা করা এবং তাঁর হাদীসের নিকট অন্য কোনো ব্যক্তির কথা বলা থেকে বিরত থাকা প্রসঙ্গে

৪৪৫. ইবনু আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন: তোমরা যে একথা বলে বেড়াচ্ছো যে, ’রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম (একথা) বলেছেন. আর অমুক একথা বলেছে’- তোমরা কি ভয় পাও না যে, তোমাদের এ কথার জন্য তোমাদেরকে আযাব দেয়া হবে, কিংবা তোমাদেরকে মাটিতে দাবিয়ে দেয়া হবে?[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: খতীব, আল ফাকিহ ওয়াল মুতাফাককিহ নং ৩৭৯, ৩৮০; ইবনু আব্দুল বার, জামি’ বায়ান নং ২০৯৫, ২০৯৭, ২০৯৯।

بَابُ مَا يُتَّقَى مِنْ تَفْسِيرِ حَدِيثِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، وَقَوْلِ غَيْرِهِ عِنْدَ قَوْلِهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ

أَخْبَرَنَا صَدَقَةُ بْنُ الْفَضْلِ، حَدَّثَنَا مُعْتَمِرٌ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ: قَالَ ابْنُ عَبَّاسٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا، ” أَمَا تَخَافُونَ أَنْ تُعَذَّبُوا، أَوْ يُخْسَفَ بِكُمْ، أَنْ تَقُولُوا: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، وَقَالَ فُلَانٌ؟

إسناده صحيح

أخبرنا صدقة بن الفضل، حدثنا معتمر، عن أبيه، قال: قال ابن عباس رضي الله عنهما، ” أما تخافون أن تعذبوا، أو يخسف بكم، أن تقولوا: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم، وقال فلان؟ إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৪৪৬

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৩৯. নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের হাদীসের ব্যাখ্যা করা এবং তাঁর হাদীসের নিকট অন্য কোনো ব্যক্তির কথা বলা থেকে বিরত থাকা প্রসঙ্গে

৪৪৬. আওযাঈ বলেন: উমার ইবনু আব্দুল আযীয রাহিমাহুল্লাহ লিখে পাঠালেন যে, আল্লাহর কিতাবের ব্যাপারে কারো কোনো মতামত (রায়) প্রদান চলবে না। আর আল্লাহর কিতাবে যে সকল বিষয় নাযিল হয়নি কিংবা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সুন্নাত যা অনুমোদন করেনি, সেই সকল বিষয়ে আইম্মা বা নেতৃস্থানীয় আলিমগণ মতামত প্রদান করবেন। আর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যে সুন্নাত প্রবর্তন করে গিয়েছেন, সেই সুন্নাতের ব্যাপারে কারো মতামত প্রদান করা চলবে না।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: ইবনু বাত্তাহ, আল ইবানাহ নং ১০০; আজুরী, আশ শরীয়াহ পৃ: ৫৭; ইবনু আব্দুল বার, আল জামি’ নং ১৩০৭।

بَابُ مَا يُتَّقَى مِنْ تَفْسِيرِ حَدِيثِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، وَقَوْلِ غَيْرِهِ عِنْدَ قَوْلِهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ

أَخْبَرَنَا الْحَسَنُ بْنُ بِشْرٍ، حَدَّثَنَا الْمُعَافَى، عَنِ الْأَوْزَاعِيِّ، قَالَ: «كَتَبَ عُمَرُ بْنُ عَبْدِ الْعَزِيزِ رَحِمَهُ اللَّهُ تَعَالَى أَنَّهُ لَا رَأْيَ لِأَحَدٍ فِي كِتَابِ اللَّهِ، وَإِنَّمَا رَأْيُ الْأَئِمَّةِ فِيمَا لَمْ يَنْزِلْ فِيهِ كِتَابٌ، وَلَمْ تَمْضِ بِهِ سُنَّةٌ مِنْ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، وَلَا رَأْيَ لِأَحَدٍ فِي سُنَّةٍ سَنَّهَا رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ

إسناده صحيح

أخبرنا الحسن بن بشر، حدثنا المعافى، عن الأوزاعي، قال: «كتب عمر بن عبد العزيز رحمه الله تعالى أنه لا رأي لأحد في كتاب الله، وإنما رأي الأئمة فيما لم ينزل فيه كتاب، ولم تمض به سنة من رسول الله صلى الله عليه وسلم، ولا رأي لأحد في سنة سنها رسول الله صلى الله عليه وسلم إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৪৪৭

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৩৯. নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের হাদীসের ব্যাখ্যা করা এবং তাঁর হাদীসের নিকট অন্য কোনো ব্যক্তির কথা বলা থেকে বিরত থাকা প্রসঙ্গে

৪৪৭. উবাইদুল্লাহ ইবনু উমার বর্ণনা করেন: উমার ইবনু আব্দুল আযীয রাহিমাহুল্লাহ খুতবা দিলেন এবং এতে বললেন: “হে মানবমণ্ডলী! আল্লাহ তা’আলা তোমাদের নবীর পরে আর কোনো নবী পাঠাবেন না। আর তাঁর উপর যে কিতাব তিনি নাযিল করেছেন, এর পর আর কোনো কিতাবও তিনি নাযিল করবেন না। ফলে আল্লাহ তাঁর নবীর মুখ দিয়ে যা হালাল করেছেন, তা কিয়ামত পর্যন্ত হালাল থাকবে। আর তিনি তাঁর নবীর মুখ দিয়ে যা হারাম করেছেন, তা কিয়ামত পর্যন্ত হারাম থাকবে। তোমরা জেনে রাখো! আমি হুকুমদাতা নই, আমি হলাম (আল্লাহর হুকুম) বাস্তবায়নকারী। আমি বিদ’আত রচনাকারী নই, আমি (কুরআন-সুন্নাহ’র) অনুসরণকারী। আর আমি তোমাদের মধ্যকার সর্বোত্তম ব্যক্তিও নই, তবে তোমাদের মধ্যে আমার দায়িত্ব সবচেয়ে ভারী। আর জেনে রাখো! আল্লাহর অবাধ্যতামুলক বিষয়ে আল্লাহর কোনো সৃষ্টির আনুগত্য করা কারো জন্য বিধেয় নয়। আমি কি তোমাদেরকে শোনাতে সক্ষম হয়েছি?[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ জায়্যেদ।

তাখরীজ: ইবনু সা’দ, তাবাকাত ৫/২৫০-২৫১; ফাসাওয়ী, আল মা’রিফাহ ১/৫৭৪-৫৭৫।

بَابُ مَا يُتَّقَى مِنْ تَفْسِيرِ حَدِيثِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، وَقَوْلِ غَيْرِهِ عِنْدَ قَوْلِهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ

حَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ خَالِدٍ، حَدَّثَنَا مُعْتَمِرُ بْنُ سُلَيْمَانَ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ، أَنَّ عُمَرَ بْنَ عَبْدِ الْعَزِيزِ رَحِمَهُ اللَّهُ، خَطَبَ فَقَالَ: «يَا أَيُّهَا النَّاسُ إِنَّ اللَّهَ لَمْ يَبْعَثْ بَعْدَ نَبِيِّكُمْ نَبِيًّا، وَلَمْ يُنْزِلْ بَعْدَ هَذَا الْكِتَابِ الَّذِي أَنْزَلَ عَلَيْهِ كِتَابًا، فَمَا أَحَلَّ اللَّهُ عَلَى لِسَانِ نَبِيِّهِ فَهُوَ حَلَالٌ إِلَى يَوْمِ الْقِيَامَةِ، وَمَا حَرَّمَ عَلَى لِسَانِ نَبِيِّهِ فَهُوَ حَرَامٌ إِلَى يَوْمِ الْقِيَامَةِ، أَلَا وَإِنِّي لَسْتُ بِقاضٍّ، وَلَكِنِّي مُنَفِّذٌ، وَلَسْتُ بِمُبْتَدِعٍ، وَلَكِنِّي مُتَّبِعٌ، وَلَسْتُ بِخَيْرٍ مِنْكُمْ، غَيْرَ أَنِّي أَثْقَلُكُمْ حِمْلًا، أَلَا وَإِنَّهُ لَيْسَ لِأَحَدٍ مِنْ خَلْقِ اللَّهِ أَنْ يُطَاعَ فِي مَعْصِيَةِ اللَّهِ، أَلَا هَلْ أَسْمَعْتُ؟

إسناده جيد

حدثنا موسى بن خالد، حدثنا معتمر بن سليمان، عن عبيد الله بن عمر، أن عمر بن عبد العزيز رحمه الله، خطب فقال: «يا أيها الناس إن الله لم يبعث بعد نبيكم نبيا، ولم ينزل بعد هذا الكتاب الذي أنزل عليه كتابا، فما أحل الله على لسان نبيه فهو حلال إلى يوم القيامة، وما حرم على لسان نبيه فهو حرام إلى يوم القيامة، ألا وإني لست بقاض، ولكني منفذ، ولست بمبتدع، ولكني متبع، ولست بخير منكم، غير أني أثقلكم حملا، ألا وإنه ليس لأحد من خلق الله أن يطاع في معصية الله، ألا هل أسمعت؟ إسناده جيد

 হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৪৪৮

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৩৯. নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের হাদীসের ব্যাখ্যা করা এবং তাঁর হাদীসের নিকট অন্য কোনো ব্যক্তির কথা বলা থেকে বিরত থাকা প্রসঙ্গে

৪৪৮. হিশাম ইবনু হুজাইর বলেন: তাউস আসরের পরে দু’রাকাত সালাত আদায় করতেন। তখন ইবনু আব্বাস তাকে বললেন: তুমি তা পরিত্যাগ কর। আর একে অবলম্বন হিসেবে গ্রহণ করতে আমাদেরকে নিষেধ করা হয়েছিল। ইবনু আব্বাস বলেন: আসরের সালাতের পরে যেকোন সালাত আদায় করতে আমাদেরকে নিষেধ করা হয়েছিল। তাই আমি জানিনা, এর (আসরের পরে সালাত আদায়ের) জন্য তোমাকে আযাব দেয়া হবে, নাকি এর সাওয়াব দেয়া হবে। কেননা, আল্লাহ তা’আলা বলেছেন: “আল্লাহ তা’আলা ও তাঁর রাসূল যখন কোনো ব্যাপারে কোনো সিদ্ধান্ত দেন, তখন কোনো মু’মিন পুরুষ ও মুমিন নারীর সে ব্যাপারে নিজেদের কোনো এখতিয়ার থাকবে না (যে তারা তার ব্যতিক্রম করবে); যে ব্যক্তি আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের নাফরমানী করবে, সে নিশ্চয় সুস্পষ্ট গোমরাহীতে নিমজ্জিত হবে।” (সূরা আহযাব, ৩৩: ৩৬)

সুফিয়ান বলেন: “অবলম্বন হিসেবে গ্রহণ করা”- (এর অর্থ সম্পর্কে) তিনি বলতেন: আসরের পরে রাত পর্যন্ত সালাত আদায় করা। [1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ জায়্যেদ (উত্তম)।

তাখরীজ: বাইহাকী, ২/৪৫৩; ইবনু আব্দুল বার, জামি’ বায়ানিল ইলম নং ২৩৩৯; খতীব, আল ফাকিহ ওয়াল মুতাফাককিহ নং ৩৮৬।

بَابُ مَا يُتَّقَى مِنْ تَفْسِيرِ حَدِيثِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، وَقَوْلِ غَيْرِهِ عِنْدَ قَوْلِهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ

أَخْبَرَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ سَعِيدٍ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ، عَنْ هِشَامِ بْنِ حُجَيْرٍ، قَالَ: كَانَ طاووسٌ يُصَلِّي رَكْعَتَيْنِ بَعْدَ الْعَصْرِ، فَقَالَ لَهُ ابْنُ عَبَّاسٍ: «اتْرُكْهُمَا» قَالَ: «إِنَّمَا نُهِيَ عَنْهَا أَنْ تُتَّخَذُ سُلَّمًا» قَالَ: ابْنُ عَبَّاسٍ ” فَإِنَّهُ قَدْ نُهِيَ عَنْ صَلَاةٍ بَعْدَ الْعَصْرِ، فَلَا أَدْرِي أَتُعَذَّبُ عَلَيْهَا أَمْ تُؤْجَرُ، لِأَنَّ اللَّهَ يَقُولُ: (وَمَا كَانَ لِمُؤْمِنٍ وَلَا مُؤْمِنَةٍ إِذَا قَضَى اللَّهُ وَرَسُولُهُ أَمْرًا أَنْ يَكُونَ لَهُمُ الْخِيَرَةُ مِنْ أَمْرِهِمْ وَمَنْ يَعْصِ اللَّهَ وَرَسُولَهُ فَقْدَ ضَلَّ ضَلَالًا مُبِينًا) [الأحزاب: 36] قَالَ: سُفْيَانُ تُتَّخَذَ سُلَّمًا، يَقُولُ: يُصَلِّي بَعْدَ الْعَصْرِ إِلَى اللَّيْلِ

إسناده جيد

أخبرنا عبيد الله بن سعيد، حدثنا سفيان بن عيينة، عن هشام بن حجير، قال: كان طاووس يصلي ركعتين بعد العصر، فقال له ابن عباس: «اتركهما» قال: «إنما نهي عنها أن تتخذ سلما» قال: ابن عباس ” فإنه قد نهي عن صلاة بعد العصر، فلا أدري أتعذب عليها أم تؤجر، لأن الله يقول: (وما كان لمؤمن ولا مؤمنة إذا قضى الله ورسوله أمرا أن يكون لهم الخيرة من أمرهم ومن يعص الله ورسوله فقد ضل ضلالا مبينا) [الأحزاب: 36] قال: سفيان تتخذ سلما، يقول: يصلي بعد العصر إلى الليل إسناده جيد

 হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৪৪৯

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৩৯. নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের হাদীসের ব্যাখ্যা করা এবং তাঁর হাদীসের নিকট অন্য কোনো ব্যক্তির কথা বলা থেকে বিরত থাকা প্রসঙ্গে

৪৪৯. জাবির রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, উমার ইবনুল খাত্তাব রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু তাওরাতের একটি নুসখা/কপি নিয়ে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নিকট এসে বললেন: ইয়া রাসূলুল্লাহ! এটি তাওরাতের একটি নুসখা। তখন (একথা শুনে) তিনি চুপ করে থাকলেন। তখন উমার তা পাঠ করতে শুরু করলেন এবং এতে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর চেহারা পরিবর্তন হয়ে গেল। তখন (তা দেখে) আবু বাকর রহমাতুল্লাহ আলাইহি বললেন, সন্তানহারা শোক তোমাকে আচ্ছন্ন করুক! তুমি কি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের চেহারার দিকে তাকাওনি? তখন উমার রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের চেহারার দিকে তাকিয়ে বললেন: আমি আল্লাহর নিকট আল্লাহর গযব ও তাঁর রাসূলের ক্রোধ থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করছি। আমরা আল্লাহকে রব হিসেবে, ইসলামকে দীন হিসেবে ও মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে নবী হিসেবে পেয়ে সন্তুষ্ট। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন: “যার হাতে মুহাম্মদের প্রাণ, সেই সত্তার কসম! যদি মূসাও প্রকাশিত হতেন আর তোমরা তাকে অনুসরণ করতে এবং আমাকে পরিত্যাগ করতে, তবে অবশ্যই তোমরা সরল-সোজা পথ হতে বিচ্যুত হতে। আর যদি তিনি জীবিত থাকতেন এবং আমার নবুয়তী সময় পেতেন, তবে তিনি অবশ্যই আমার অনুসরণ করতেন।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ যয়ীফ; কেননা, মুজালিদ যয়ীফ। কিন্তু হাদীসটি হাসান এর শাহিদ থাকার কারণে। দেখুন, হাদীসসমূহ নং ৮১৫, ৮১৭,৮১৮, ৮১৯।

بَابُ مَا يُتَّقَى مِنْ تَفْسِيرِ حَدِيثِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، وَقَوْلِ غَيْرِهِ عِنْدَ قَوْلِهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْعَلَاءِ، حَدَّثَنَا ابْنُ نُمَيْرٍ، عَنْ مُجَالِدٍ، عَنْ عَامِرٍ، عَنْ جَابِرٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ أَنَّ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ رِضْوَانُ اللَّهِ عَلَيْهِ أَتَى رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِنُسْخَةٍ مِنَ التَّوْرَاةِ، فَقَالَ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، هَذِهِ نُسْخَةٌ مِنَ التَّوْرَاةِ، فَسَكَتَ، فَجَعَلَ يَقْرَأُ وَوَجْهُ رَسُولِ اللَّهِ يَتَغَيَّرُ، فَقَالَ: أَبُو بَكْرٍ رَحْمَةُ اللَّهِ عَلَيْهِ ثَكِلَتْكَ الثَّوَاكِلُ، مَا تَرَى بِوَجْهِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ؟ فَنَظَرَ عُمَرُ إِلَى وَجْهِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فَقَالَ: أَعُوذُ بِاللَّهِ مِنْ غَضَبِ اللَّهِ وَغَضَبِ رَسُولِهِ رَضِينَا بِاللَّهِ رَبًّا وَبِالْإِسْلَامِ دِينًا وَبِمُحَمَّدٍ نَبِيًّا. فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عليْهِ وَسَلَّمَ رَضِينَا بِاللَّهِ رَبًّا وَبِالْإِسْلَامِ دِينًا وَبِمُحَمَّدٍ نَبِيًّا. فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عليْهِ وَسَلَّمَ: «وَالَّذِي نَفْسُ مُحَمَّدٍ بِيَدِهِ، لَوْ بَدَا لَكُمْ مُوسَى فَاتَّبَعْتُمُوهُ وَتَرَكْتُمُونِي، لَضَلَلْتُمْ عَنْ سَوَاءِ السَّبِيلِ، وَلَوْ كَانَ حَيًّا وَأَدْرَكَ نُبُوَّتِي، لَاتَّبَعَنِي

إسناده ضعيف لضعف مجالد ولكن الحديث حسن

أخبرنا محمد بن العلاء، حدثنا ابن نمير، عن مجالد، عن عامر، عن جابر رضي الله عنه أن عمر بن الخطاب رضوان الله عليه أتى رسول الله صلى الله عليه وسلم بنسخة من التوراة، فقال: يا رسول الله، هذه نسخة من التوراة، فسكت، فجعل يقرأ ووجه رسول الله يتغير، فقال: أبو بكر رحمة الله عليه ثكلتك الثواكل، ما ترى بوجه رسول الله صلى الله عليه وسلم؟ فنظر عمر إلى وجه رسول الله صلى الله عليه وسلم، فقال: أعوذ بالله من غضب الله وغضب رسوله رضينا بالله ربا وبالإسلام دينا وبمحمد نبيا. فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم رضينا بالله ربا وبالإسلام دينا وبمحمد نبيا. فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «والذي نفس محمد بيده، لو بدا لكم موسى فاتبعتموه وتركتموني، لضللتم عن سواء السبيل، ولو كان حيا وأدرك نبوتي، لاتبعني إسناده ضعيف لضعف مجالد ولكن الحديث حسن

 হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৪৫০

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৩৯. নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের হাদীসের ব্যাখ্যা করা এবং তাঁর হাদীসের নিকট অন্য কোনো ব্যক্তির কথা বলা থেকে বিরত থাকা প্রসঙ্গে

৪৫০. আবু রাবাহ বলেন: সাঈদ ইবনুল মুসায়্যেব এক ব্যক্তিকে আসরের পরে দু’রাকাত সালাত আদায়ের উদ্দেশ্যে তাকবীর দিতে দেখলেন। (তখন তিনি তাকে শাস্তির কথা শুনালেন)। ফলে লোকটি তাঁকে বললো: হে আবু মুহাম্মদ! আল্লাহ কি আমাকে সালাত আদায়ের জন্য শাস্তি দিবেন? তিনি বললেন: না। কিন্তু আল্লাহ তোমাকে (তাঁর নবীর) ‍সুন্নাতের বিরোধীতার জন্য শাস্তি দিবেন। (কারণ, সুন্নাত হল, আসরের পরে সালাত আদায় না করা)।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ জাইয়েদ।

তাখরীজ: খতীব, আল ফাকিহ ওয়াল মুতাফাকিহ নং ৩৮৭ হাসান সনদে।

بَابُ مَا يُتَّقَى مِنْ تَفْسِيرِ حَدِيثِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، وَقَوْلِ غَيْرِهِ عِنْدَ قَوْلِهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ

حَدَّثَنَا قَبِيصَةُ، أَخْبَرَنَا سُفْيَانُ، عَنْ أَبِي رَبَاحٍ شَيْخٌ مِنْ آلِ عُمَرَ قَالَ: ” رَأَى سَعِيدُ بْنُ الْمُسَيِّبِ رَجُلًا يُصَلِّي بَعْدَ الْعَصْرِ الرَّكْعَتَيْنِ يُكَبِّرُ، فَقَالَ لَهُ يَا أَبَا مُحَمَّدٍ: أَيُعَذِّبُنِي اللَّهُ عَلَى الصَّلَاةِ؟ قَالَ: لَا، وَلَكِنْ يُعَذِّبُكَ اللَّهُ بِخِلَافِ السُّنَّةِ

إسناده جيد

حدثنا قبيصة، أخبرنا سفيان، عن أبي رباح شيخ من آل عمر قال: ” رأى سعيد بن المسيب رجلا يصلي بعد العصر الركعتين يكبر، فقال له يا أبا محمد: أيعذبني الله على الصلاة؟ قال: لا، ولكن يعذبك الله بخلاف السنة إسناده جيد

 হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 

Leave a Comment

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।