You are here

দারেমী ভূমিকা ৬ষ্ঠ ভাগ হাদিস নং ২২৪ – ২৯৫

 ২২৪

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ২৪. আলিমগণের অনুসরণ

২২৪. ইবরাহীম বলেন, আমি এমন লোকদেরকে পেয়েছি (সাহাবীগণকে), যদি তাদের কেউ (ওযুতে) একটি নখও অতিক্রম না করতেন, তাহলে আমি অবশ্যই তা অতিক্রম করতাম না। কোন লোকের ঘৃণ্য বা তুচ্ছ হওয়ার জন্য এতটুকুই যথেষ্ট যে, সে তাদের আমলের খেলাফ বা বিপরীত আমল করবে।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ যয়ীফ, কারণ আবু হামযাহ যয়ীফ। (তবে অন্য সুত্রে এটি সহীহ। তাখরীজ দ্রষ্টব্য)

 

তাখরীজ: আবু নুয়াইম, হিলইয়া ৪/২২৭; আ’মাশ সূত্রে, সনদ সহীহ।

بَابُ الِاقْتِدَاءِ بِالْعُلَمَاءِ

أَخْبَرَنَا مَنْصُورُ بْنُ سَلَمَةَ الْخُزَاعِيُّ، عَنْ شَرِيكٍ، عَنْ أَبِي حَمْزَةَ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ قَالَ: لَقَدْ أَدْرَكْتُ أَقْوَامًا لَوْ لَمْ يُجَاوِزْ أَحَدُهُمْ ظُفْرًا، لَمَا جَاوَزْتُهُ، كَفَى إِزْرَاءً عَلَى قَوْمٍ أَنْ تُخَالَفَ أَفْعَالُهُمْ

 

إسناده ضعيف لضعف أبي حمزة وهو: ميمون القصاب

أخبرنا منصور بن سلمة الخزاعي، عن شريك، عن أبي حمزة، عن إبراهيم قال: لقد أدركت أقواما لو لم يجاوز أحدهم ظفرا، لما جاوزته، كفى إزراء على قوم أن تخالف أفعالهم إسناده ضعيف لضعف أبي حمزة وهو: ميمون القصاب

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ২২৫

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ২৪. আলিমগণের অনুসরণ

২২৫. আব্দুল মালেক হতে বর্ণিত, আল্লাহর কথা

(أَطِيعُوا اللَّهَ وَأَطِيعُوا الرَّسُولَ وَأُولِي الْأَمْرِ مِنْكُمْ)

(অর্থ: তোমরা আল্লাহ ও তারঁ রাসূলের আনুগত্য কর এবং তোমাদের মধ্যকার যারা ’উলিল আমর’।” সূরা নিসা: ৫৯), এ আয়াতের ব্যাখ্যায় আতা’ বলেন: ’উলিল আমর’ বলতে ইলম ও ফিকহের (গভীর জ্ঞানের) অধিকারী আলিমদেরকে বুঝানো হয়েছে আর রাসূলের (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) অনুসরণ বলতে কিতাব ও সুন্নাহর’ অনুসরণকে বুঝানো হয়েছে।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: তাবারী, আত তাফসীর ৫/১৪৭; খতীব, ফাকীহ ওয়াল মুতাফাককিহ নং ১০১, অপর সনদে।

بَابُ الِاقْتِدَاءِ بِالْعُلَمَاءِ

أَخْبَرَنَا يَعْلَى، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْمَلِكِ، عَنْ عَطَاءٍ: (أَطِيعُوا اللَّهَ وَأَطِيعُوا الرَّسُولَ وَأُولِي الْأَمْرِ مِنْكُمْ) [النساء: 59] قَالَ: ” أُولُو الْعِلْمِ وَالْفِقْهِ، وَطَاعَةُ الرَّسُولِ: اتِّبَاعُ الْكِتَابِ وَالسُّنَّةِ

 

إسناده صحيح

أخبرنا يعلى، حدثنا عبد الملك، عن عطاء: (أطيعوا الله وأطيعوا الرسول وأولي الأمر منكم) [النساء: 59] قال: ” أولو العلم والفقه، وطاعة الرسول: اتباع الكتاب والسنة إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ২২৬

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ২৪. আলিমগণের অনুসরণ

২২৬. ইবরাহীম ইবনু আদহাম বলেন, আমি শুবরুমাহকে কোন একটি বিষয়ে জিজ্ঞাসা করলাম যে মাসআলাটি আমার নিকট অত্যন্ত কঠিন ছিল। আমি তাকে বললাম, আল্লাহ আপনাকে রহম করুন। আপনি এ বিষয়টিতে একটু নজর দিন। তিনি বললেন, যখন আমার নিকট কোন রাস্তা স্পষ্ট হয়ে গেল এবং আমি (সেই ব্যাপারে) আছার (হাদীস)ও পেয়ে গেলাম, তখন আর আমি তা আটকে রাখিনা (তা বলে দিই)।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: এ হাদীসটি আমি এখানে ব্যতীত অন্য কোথাও পাইনি।

بَابُ الِاقْتِدَاءِ بِالْعُلَمَاءِ

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ، حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ أَدْهَمَ، قَالَ: سَأَلْتُ ابْنَ شُبْرُمَةَ عَنْ شَيْءٍ وَكَانَتْ عِنْدِي مَسْأَلَةٌ شَدِيدَةٌ، فَقُلْتُ: رَحِمَكَ اللَّهُ، انْظُرْ فِيهَا، قَالَ: إِذَا وَضَحَ لِيَ الطَّرِيقُ وَوَجَدْتُ الْأَثَرَ لَمْ أَحْبَسْ

 

إسناده صحيح

أخبرنا محمد بن يوسف، حدثنا إبراهيم بن أدهم، قال: سألت ابن شبرمة عن شيء وكانت عندي مسألة شديدة، فقلت: رحمك الله، انظر فيها، قال: إذا وضح لي الطريق ووجدت الأثر لم أحبس إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ২২৭

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ২৪. আলিমগণের অনুসরণ

২২৭. হাজারের অধিবাসী সুলায়মান ইবনু জাবির নামক এক ব্যক্তি থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আব্দুল্লাহ ইবনু মাসউদ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, আমাকে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, তোমরা ইলম শিক্ষা করো ও তা লোকদেরকে শিক্ষা দান কর। তোমরা ফারাইয শিক্ষা কর এবং তা লোকদেরকে শিক্ষা দান কর। তোমরা কুরআন শিক্ষা কর এবং লোকদেরকেও তা শিক্ষা দান কর। কেননা, আমি তো একজন মানুষ মাত্র, আমার মৃত্যু হবে। অচিরেই ইলম হ্রাস পাবে এবং ফিতনা প্রকাশিত হবে, এমনকি দু’ব্যক্তি ফরয বিষয় সম্পর্কেও মতভেদ করবে আর তাদের মধ্যে ফায়সালা করার মত একজন লোক (আলিম)-কেও খুঁজে পাওয়া যাবে না।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদে তিনটি ত্রুটি রয়েছে: ১. উছমান ইবনু হায়ছাম যয়ীফ, ২. ইনকিতা’ বা বিচ্ছিন্নতা ৩. সুলায়মানের পরিচয়হীনতা।

 

তাখরীজ: নাসাঈ, আল কুবরা ৬৩০৫; হাকিম ৪/৩৩৩; দারুকুতনী ৪/৮১-৮২ নং ৪৫; তিরমিযী ২০৯২ নং হাদীসের পরে; বাইহাকী, আল ফারাইয ৬/২০৮।

بَابُ الِاقْتِدَاءِ بِالْعُلَمَاءِ

أَخْبَرَنَا عُثْمَانُ بْنُ الْهَيْثَمِ، حَدَّثَنَا عَوْفٌ، عَنْ رَجُلٍ يُقَالُ لَهُ سُلَيْمَانُ بْنُ جَابِرٍ، مِنْ أَهْلِ هَجَرَ، قَالَ: قَالَ ابْنُ مَسْعُودٍ: قَالَ لِي رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: تَعَلَّمُوا الْعِلْمَ وَعَلِّمُوهُ النَّاسَ، تَعَلَّمُوا الْفَرَائِضَ، وَعَلِّمُوهُا النَّاسَ، تَعَلَّمُوا الْقُرْآنَ، وَعَلِّمُوهُ النَّاسَ، فَإِنِّي امْرُؤٌ مَقْبُوضٌ، وَالْعِلْمُ سَيَنْقُصُ، وَتَظْهَرُ الْفِتَنُ، حَتَّى يَخْتَلِفَ اثْنَانِ فِي فَرِيضَةٍ لَا يَجِدَانِ أَحَدًا يَفْصِلُ بَيْنَهُمَا

 

في إسناده ثلاث علل: ضعف عثمان بن الهيثم والانقطاع وجهالة سليمان

أخبرنا عثمان بن الهيثم، حدثنا عوف، عن رجل يقال له سليمان بن جابر، من أهل هجر، قال: قال ابن مسعود: قال لي رسول الله صلى الله عليه وسلم: تعلموا العلم وعلموه الناس، تعلموا الفرائض، وعلموها الناس، تعلموا القرآن، وعلموه الناس، فإني امرؤ مقبوض، والعلم سينقص، وتظهر الفتن، حتى يختلف اثنان في فريضة لا يجدان أحدا يفصل بينهما في إسناده ثلاث علل: ضعف عثمان بن الهيثم والانقطاع وجهالة سليمان

 হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai’f)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ২২৮

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ২৪. আলিমগণের অনুসরণ

২২৮. আব্দুল্লাহ ইবনু উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মুয়ায ইবনু জাবাল ও আবু মুসা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমাকে ইয়ামানে পাঠানোর সময় বললেন: “তোমরা একে অপরের ওপর নির্ভর করবে/সহযোগিতা করবে এবং একে অপরের কথা মান্য করবে এবং তোমরা মানুষকে সুসংবাদ দান করবে, আর তাদেরকে ভয় দেখিয়ে তাড়িয়ে দিবে না।” তারপর তারা দু’জন ইয়ামানে পৌঁছলেন। এরপর মুয়ায রাদিয়াল্লাহু আনহু লোকদের উদ্দেশ্যে বক্তব্য দিলেন, তাদেরকে ইসলামের প্রতি উৎসাহিত করলেন আর তাদেরকে কুরআন সম্পর্কে গভীর জ্ঞান অর্জনের জন্য নির্দেশ দিলেন। তিনি আরও বললেন: ’যখন তোমরা এটি করবে, তখন আমার নিকট জানতে চাইলে আমি তোমাদেরকে জানিয়ে দেব, কারা জান্নাতের অধিবাসী ও কারা জাহান্নামের অধিবাসী। তারপর আল্লাহ যতক্ষণ চাইলেন, তারা অপেক্ষা করল। তারপর তারা মুয়াযকে বলল, আপনি আমাদেরকে আদেশ করেছিলেন, যখন আমরা ফিকহ (পাণ্ডিত্য) অর্জন করব এবং পড়ব, তখন আমরা যেন আপনার নিকট জানতে চাই, ফলে আপনি আমাদেরকে বলে দেবেন যে, কারা জান্নাতের অধিবাসী ও কারা জাহান্নামের অধিবাসী। তখন মুয়ায তাদেরকে বললেন: কোন লোক যখন কল্যাণকর কথা আলোচনা করে, তখন তোমরা বুঝে নেবে যে, সে জান্নাতের অধিবাসী। আর যখন সে অকল্যাণকর বিষয়ে আলোচনা করবে, তখন তোমরা বুঝে নেবে যে, সে জাহান্নামের অধিবাসী।’[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ যয়ীফ ‘ইনকিতা’ বা বিচ্ছিন্নতার কারণে। যিয়াদ্ বিন মাখরাখ ইবনু উমার হতে কিছু শোনেননি। আল্লাহই ভাল জানেন। (তবে এর মারফু’ অংশটুকুর সহীহ শাহেদের কারণে সেটুকু সহীহ। দেখুন, তাখরীজ)

 

তাখরীজ: মাজমাউয যাওয়াইদ নং ৭৬৫ এ বিস্তারিত তাখরীজ দেখুন।

 

আর এর মারফু’ অংশের শাহিদ হাদীস রয়েছে আবু মুসা হতে বর্ণিত হয়েছে, যা সহীহ। যা আমরা মুসনাদের আবু ইয়ালা’র ৭৩১৯ নং এর তাখরীজে বিস্তারিত জানিয়েছি। আবার আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে এর শাহিদ বর্ণিত হয়েছে, যার বিস্তারিত তাখরীজ আমরা করেছি মুসনাদে মাউসিলী নং ৪১৭২ -এ।

بَابُ الِاقْتِدَاءِ بِالْعُلَمَاءِ

أَخْبَرَنَا يَعْقُوبُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، حَدَّثَنَا عُمَرُ بْنُ أَبِي خَلِيفَةَ، قَالَ: سَمِعْتُ زِيَادَ بْنَ مِخْرَاقٍ ذَكَرَ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا، قَالَ: أَرْسَلَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مُعَاذَ بْنَ جَبَلٍ وَأَبَا مُوسَى إِلَى الْيَمَنِ، قَالَ: «تَسَانَدَا، وَتَطَاوَعَا، ويسِّرا وَلَا تُنَفِّرَا» فَقَدِمَا الْيَمَنَ، فَخَطَبَ النَّاسَ مُعَاذٌ فَحَضَّهُمْ عَلَى الْإِسْلَامِ، وَأَمَرَهُمْ بِالتَّفَقُّهِ فِي القرْآنِ، وَقَالَ: إِذَا فَعَلْتُمْ ذَلِكَ، فَاسْأَلُونِي أُخْبِرْكُمْ عَنْ أَهْلِ الْجَنَّةِ مِنْ أَهْلِ النَّارِ، فَمَكَثُوا مَا شَاءَ اللَّهُ أَنْ يَمْكُثُوا، فَقَالُوا لِمُعَاذٍ: قَدْ كُنْتَ أَمَرْتَنَا إِذَا نَحْنُ تَفَقَّهْنَا، وَقَرَأْنَا أَنْ نَسْأَلَكَ فَتُخْبِرَنَا بِأَهْلِ الْجَنَّةِ مِنْ أَهْلِ النَّارِ. فَقَالَ لَهُمْ مُعَاذٌ: إِذَا ذُكِرَ الرَّجُلُ بِخَيْرٍ، فَهُوَ مِنْ أَهْلِ الْجَنَّةِ، وَإِذَا ذُكِرَ بِشَرٍّ فَهُوَ مِنْ أَهْلِ النَّارِ

 

إسناده ضعيف لانقطاعه: زياد بن مخراق لم يسمع من ابن عمر فيما نعلم

أخبرنا يعقوب بن إبراهيم، حدثنا عمر بن أبي خليفة، قال: سمعت زياد بن مخراق ذكر عن عبد الله بن عمر رضي الله عنهما، قال: أرسل رسول الله صلى الله عليه وسلم معاذ بن جبل وأبا موسى إلى اليمن، قال: «تساندا، وتطاوعا، ويسرا ولا تنفرا» فقدما اليمن، فخطب الناس معاذ فحضهم على الإسلام، وأمرهم بالتفقه في القرآن، وقال: إذا فعلتم ذلك، فاسألوني أخبركم عن أهل الجنة من أهل النار، فمكثوا ما شاء الله أن يمكثوا، فقالوا لمعاذ: قد كنت أمرتنا إذا نحن تفقهنا، وقرأنا أن نسألك فتخبرنا بأهل الجنة من أهل النار. فقال لهم معاذ: إذا ذكر الرجل بخير، فهو من أهل الجنة، وإذا ذكر بشر فهو من أهل النار إسناده ضعيف لانقطاعه: زياد بن مخراق لم يسمع من ابن عمر فيما نعلم

 হাদিসের মানঃ সহিহ/যঈফ [মিশ্রিত]  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ২২৯

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ২৪. আলিমগণের অনুসরণ

২২৯. আবু হুরাইরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বলা হলো, হে আল্লাহর রাসূল! লোকদের মধ্যে সবচেয়ে সম্মানিত ব্যক্তি কে? উত্তরে তিনি বললেন: “তোমাদের মধ্যে যে সবচেয়ে বেশি মুত্তাকী।” তারা বলল, আমরা আপনাকে এ বিষয়ে জিজ্ঞাসা করিনি। তখন তিনি বললেন: “তাহলে খলীলুল্লাহ’র নাতী আল্লাহর নবী ইয়া’কুবের পুত্র ইউসুফ।” তারা বলল, আমরা আপনাকে এ বিষয়ে জিজ্ঞেস করিনি। তিনি বললেন: “তবে কি তোমরা আরবের গোত্রসমূহ সম্পর্কে আমাকে জিজ্ঞেস করছ? জাহিলী যুগের শ্রেষ্ঠ ব্যক্তিগণ ইসলামেও শ্রেষ্ঠ, যদি তারা (ইসলামী) জ্ঞান অর্জন করে।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ। বরং এটি বুখারী মুসলিমের হাদীস।

 

তাখরীজ: আমি এটি তাখরীজ করেছি মুসনাদে মাউসিলী নং ৬০৭০, ৬৪৭১, ৬৫৬২; সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৯২, ৬৪৮ ও মুসনাদে হুমাইদী নং ১০৭৬, ১০৭৭ এ। (সহীহ বুখারী ৩৩৫৩, ৩৩৭৪, ৩৩৮৩, ৩৪৯৩, ৩৪৯৬, ৩৫৮৮, ৪৬৮৯; সহীহ মুসলিম ২৩৭৮, ২৫২৬, ২৬৩৮; মুসনাদে আহমাদ২/২৫৭, ২৬০, ২৯১, ৪৩৮, ৪৮৫, ৪৯৮, ৫২৫, ৫৩৯; ফাযাইলুস সাহাবাহ নং ১৫১৮, ১৫১৯, ১৬৭৩। (দেখুন, আল ইহসান ফী তাক্বরীব সহীহ ইবনু হিব্বান, শুয়াইব আরনাউত্ব, হা/৯২ এর টীকা))

بَابُ الِاقْتِدَاءِ بِالْعُلَمَاءِ

حَدَّثَنَا يَعْقُوبُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ الْقَطَّانُ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ، قَالَ: سَمِعْتُ سَعِيدَ بْنَ أَبِي سَعِيدٍ، يُحَدِّثُ عَنْ أَبِيهِ، [ص: 300] عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ، قَالَ: قِيلَ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، أَيُّ النَّاسِ أَكْرَمُ؟ قَالَ: «أَتْقَاهُمْ». قَالُوا: لَيْسَ عَنْ هَذَا نَسْأَلُكَ. قَالَ: «فَيُوسُفُ بْنُ يَعْقُوبَ نَبِيُّ اللَّهِ ابْنُ نَبِيِّ اللَّهِ ابْنِ خَلِيلِ اللَّهِ». قَالُوا: لَيْسَ عَنْ هَذَا نَسْأَلُكَ. قَالَ: فَعَنْ مَعَادِنِ الْعَرَبِ تَسْأَلُونِي؟ خِيَارُهُمْ فِي الْجَاهِلِيَّةِ خِيَارُهُمْ فِي الْإِسْلَامِ إِذَا فَقُهُوا

 

إسناده صحيح وهو متفق عليه

حدثنا يعقوب بن إبراهيم، حدثنا يحيى بن سعيد القطان، عن عبيد الله، قال: سمعت سعيد بن أبي سعيد، يحدث عن أبيه، [ص: 300] عن أبي هريرة رضي الله عنه، قال: قيل: يا رسول الله، أي الناس أكرم؟ قال: «أتقاهم». قالوا: ليس عن هذا نسألك. قال: «فيوسف بن يعقوب نبي الله ابن نبي الله ابن خليل الله». قالوا: ليس عن هذا نسألك. قال: فعن معادن العرب تسألوني؟ خيارهم في الجاهلية خيارهم في الإسلام إذا فقهوا إسناده صحيح وهو متفق عليه

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ২৩০

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ২৪. আলিমগণের অনুসরণ

২৩০. মুয়াবিয়া রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেছেন: “আল্লাহ যার কল্যাণ চান, তাকে দীনের গভীর জ্ঞান দান করেন।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এ সনদটি যয়ীফ, কিন্তু হাদীস সহীহ যা সহীহ বুখারী ও সহীহ মুসলিম এ বর্ণিত হয়েছে।

 

তাখরীজ: এটিও আমি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৯৭ ও মুসনাদে মাউসিলী নং ৭৩৮১ তে পূর্ণাঙ্গ তাখরীজ করেছি। নিম্নোক্ত হাদীস দু’টি দেখুন। এছাড়া খতীব, ফাকিহ ওয়াল মুতাফাককিহ নং ৯।

بَابُ الِاقْتِدَاءِ بِالْعُلَمَاءِ

أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ هُوَ ابْنُ صَالِحٍ، حَدَّثَنِي اللَّيْثُ، عَنْ يَزِيدَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أُسَامَةَ بْنِ الْهَادِ، عَنْ عَبْدِ الْوَهَّابِ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ حُمَيْدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنْ مُعَاوِيَةَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ، قَالَ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ: «مَنْ يُرِدِ اللَّهُ بِهِ خَيْرًا يُفَقِّهْهُ فِي الدِّينِ

 

إسناده ضعيف لضعف عبد الله بن صالح كاتب الليث ولكن الحديث متفق عليه

أخبرنا عبد الله هو ابن صالح، حدثني الليث، عن يزيد بن عبد الله بن أسامة بن الهاد، عن عبد الوهاب، عن ابن شهاب، عن حميد بن عبد الرحمن، عن معاوية رضي الله عنه، قال: سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول: «من يرد الله به خيرا يفقهه في الدين إسناده ضعيف لضعف عبد الله بن صالح كاتب الليث ولكن الحديث متفق عليه

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ২৩১

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ২৪. আলিমগণের অনুসরণ

২৩১. ইবনু আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “আল্লাহ যার কল্যাণ চান, তাকে দীনের গভীর জ্ঞান দান করেন।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: আহমাদ, আল মুসনাদ, ১/৩০৬; তিরমিযী, আল ইলাল ২৬৪৭;; খতীব, আল ফাকীহ ওয়াল মুতাফাককিহ নং ৪। পূর্বের হাদীসটি দেখুন।

بَابُ الِاقْتِدَاءِ بِالْعُلَمَاءِ

أَخْبَرَنَا سَعِيدُ بْنُ سُلَيْمَانَ، عَنْ إِسْمَاعِيلَ بْنِ جَعْفَرٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ سَعِيدِ بْنِ أَبِي هِنْدٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: مَنْ يُرِدِ اللَّهُ بِهِ خَيْرًا، يُفَقِّهْهُ فِي الدِّينِ

 

إسناده صحيح

أخبرنا سعيد بن سليمان، عن إسماعيل بن جعفر، عن عبد الله بن سعيد بن أبي هند، عن أبيه، عن ابن عباس رضي الله عنهما، قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: من يرد الله به خيرا، يفقهه في الدين إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ২৩২

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ২৪. আলিমগণের অনুসরণ

২৩২. (অপর সনদে) মুয়াবিয়া রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেছেন: “আল্লাহ যার কল্যাণ চান, তাকে দীনের গভীর জ্ঞান দান করেন।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: আহমদ, আল মুসনাদ ৪/৯২, ৯৩, ৯৪; তাহাবী, মুশকিলিল আছার ২/২৮০; পূর্ণাঙ্গ তাখরীজের জন্য ২৩০ নং হাদীসটি দ্রষ্টব্য।

بَابُ الِاقْتِدَاءِ بِالْعُلَمَاءِ

أَخْبَرَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ، أَنبَأَنَا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ، عَنْ جَبَلَةَ بْنِ عَطِيَّةَ، عَنِ ابْنِ مُحَيْرِيزٍ، عَنْ مُعَاوِيَةَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ، قَالَ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ: مَنْ يُرِدِ اللَّهُ بِهِ خَيْرًا يُفَقِّهْهُ فِي الدِّينِ

 

إسناده صحيح

أخبرنا يزيد بن هارون، أنبأنا حماد بن سلمة، عن جبلة بن عطية، عن ابن محيريز، عن معاوية رضي الله عنه، قال: سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول: من يرد الله به خيرا يفقهه في الدين إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ২৩৩

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ২৪. আলিমগণের অনুসরণ

২৩৩. জুবাইর ইবনু মুতঈম তার পিতা হতে  বর্ণনা করেন যে, তিনি বিদায় হজ্জ্বের দিন আরাফার মাঠে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের খুতবার সময় উপস্থিত ছিলেন। ( নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন): “হে মানবমণ্ডলী! আল্লাহর কসম! আমি জানিনা, হয়তোবা, আজকের পরে আমার এ অবস্থানস্থলে তোমাদের সাথে আমার সাক্ষাৎ নাও হতে পারে। সুতরাং যে ব্যক্তি আজকের আমার এ বক্তব্য শুনবে ও তা স্মরণ রাখবে, আল্লাহ তাকে রহম করবেন। কেননা, অনেক জ্ঞান বহনকারী প্রকৃতপক্ষে জ্ঞানী হয় না এবং জ্ঞান বহনকারীর চাইতে তার শিক্ষার্থীরাও অধিক জ্ঞানী হয়ে থাকে। তোমরা জেনে রাখ, তোমাদের সম্পদ, তোমাদের রক্ত তোমাদের পরস্পরের নিকট সম্মানিত, যেমন সম্মানিত এ শহরে এ মাসে আজকের এ দিনটি। জেনে রাখ, অন্তর তিনটি বিষয়ে খিয়ানত করে না: ১. একমাত্র আল্লাহর জন্য আমলকে বিশুদ্ধ করা, ২. উলিল আমর (শাসক) এর প্রতি নসীহত করা, ৩. মুসলিমগণের জামা’আতকে আঁকড়ে থাকা। কেননা, তাদের দু’আ তাদের পেছনের সকলকে বেষ্টন করে নেয়।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ হাসান। তবে হাদীসটি সহীহ।

 

তাখরীজ: এর তাখরীজ পূর্ণ করেছি মুসনাদে মাউসিলী নং ৭৪১৩ এ; এর অনেক শাহিদ হাদীস রয়েছে। (হাকিম, ১/৮৭, ৮৮; হাকিম ও যাহাবী সহীহ বলেছেন; ১/৮৬-৮৭ অপর সনদে; একে হাকিম ও যাহাবী বুখারী মুসলিমের শর্তানুযায়ী সহীহ বলেছেন। আহমাদ ৪/৮০, ৮২; ইবনু মাজাহ মুকাদ্দমা ২৩১- মুসনাদে মাউসিলী, হা/৭৪১৩ এর টীকা- তাহক্বীক্ব: দারানী। – অনুবাদক।)

بَابُ الِاقْتِدَاءِ بِالْعُلَمَاءِ

أَخْبَرَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ دَاوُدَ الزَّهْرَانِيُّ، أَنبَأَنَا إِسْمَاعِيلُ هُوَ ابْنُ جَعْفَرٍ، حَدَّثَنَا عَمْرُو بْنُ أَبِي عَمْرٍو، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ الْحُوَيْرِثِ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ جُبَيْرِ بْنِ مُطْعِمٍ، عَنْ أَبِيهِ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ، أَنَّهُ شَهِدَ خُطْبَةَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي يَوْمِ عَرَفَةَ فِي حَجَّةِ الْوَدَاعِ: أَيُّهَا النَّاسُ إِنِّي وَاللَّهِ لَا أَدْرِي لَعَلِّي لَا أَلْقَاكُمْ بَعْدَ يَوْمِي هَذَا بِمَكَانِي هَذَا، فَرَحِمَ اللَّهُ مَنْ سَمِعَ مَقَالَتِي الْيَوْمَ فَوَعَاهَا، فَرُبَّ حَامِلِ فِقْهٍ وَلَا فِقْهَ لَهُ، وَرُبَّ حَامِلِ فِقْهٍ إِلَى مَنْ هُوَ أَفْقَهُ مِنْهُ وَاعْلَمُوا أَنَّ أَمْوَالَكُمْ وَدِمَاءَكُمْ حَرَامٌ عَلَيْكُمْ كَحُرْمَةِ هَذَا الْيَوْمِ فِي هَذَا الشَّهْرِ فِي هَذَا الْبَلَدِ وَاعْلَمُوا أَنَّ الْقُلُوبَ لَا تَغُلُّ عَلَى ثَلَاثٍ: إِخْلَاصِ الْعَمَلِ لِلَّهِ، وَمُنَاصَحَةِ أُولِي الْأَمْرِ، وَعَلَى لُزُومِ جَمَاعَةِ الْمُسْلِمِينَ، فَإِنَّ دَعْوَتَهُمْ تُحِيطُ مِنْ وَرَائِهِمْ

 

إسناده حسن والحديث صحيح

أخبرنا سليمان بن داود الزهراني، أنبأنا إسماعيل هو ابن جعفر، حدثنا عمرو بن أبي عمرو، عن عبد الرحمن بن الحويرث، عن محمد بن جبير بن مطعم، عن أبيه رضي الله عنه، أنه شهد خطبة رسول الله صلى الله عليه وسلم في يوم عرفة في حجة الوداع: أيها الناس إني والله لا أدري لعلي لا ألقاكم بعد يومي هذا بمكاني هذا، فرحم الله من سمع مقالتي اليوم فوعاها، فرب حامل فقه ولا فقه له، ورب حامل فقه إلى من هو أفقه منه واعلموا أن أموالكم ودماءكم حرام عليكم كحرمة هذا اليوم في هذا الشهر في هذا البلد واعلموا أن القلوب لا تغل على ثلاث: إخلاص العمل لله، ومناصحة أولي الأمر، وعلى لزوم جماعة المسلمين، فإن دعوتهم تحيط من ورائهم إسناده حسن والحديث صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ২৩৪

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ২৪. আলিমগণের অনুসরণ

২৩৪. জুবাইর ইবনু মুত্বঈম তার পিতার সূত্রে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মিনার নিকট অবস্থিত আল-খাইফ নামক স্থানে আমাদের মাঝে (খুতবার উদ্দেশ্যে) দাঁড়িয়ে বললেন: “আল্লাহ সেই ব্যক্তির চেহারা সমুজ্জ্বল করুন, যে আমার বক্তব্য শুনলো ও তা স্মরণ রাখলো। অতঃপর যে শুনেনি তার নিকট পৌঁছে দিল। কেননা, অনেক জ্ঞান বহনকারী প্রকৃতপক্ষে জ্ঞানী হয় না এবং কোন কোন জ্ঞান বহনকারীর চাইতে তার শিক্ষার্থীরাও অধিক জ্ঞানী হয়ে থাকে। জেনে রাখ, তিনটি বিষয়ে মুমিনের অন্তর খিয়ানত করে না: ১. একমাত্র আল্লাহর জন্য আমলকে বিশুদ্ধ করা, ২. ’যাবিল আমর’ (শাসক)-এর আনুগত্য করা, ৩. মুসলিমগণের জামা’আতকে আঁকড়ে থাকা। কেননা, তাদের দু’আ তাদের পিছনে থেকেও হয়ে থাকে।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ যয়ীফ। কিন্তু হাদীসটি সহীহ।

 

তাখরীজ: এর পূর্ণাঙ্গ তাখরীজ করেছি মাজমাউয যাওয়াইদ, হ/৫৯৮ ও মুসনাদে মাউসিলী হা/৭৪১৩, ৭৪১৪ এ। (পূর্বের হাদীসটি দেখুন- অনুবাদক।)

بَابُ الِاقْتِدَاءِ بِالْعُلَمَاءِ

أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ خَالِدٍ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدٌ هُوَ ابْنُ إِسْحَاقَ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ جُبَيْرِ بْنِ مُطْعِمٍ، عَنْ أَبِيهِ قَالَ: قَامَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِالْخَيْفِ مِنْ مِنًى، فَقَالَ: «نَضَّرَ اللَّهُ عَبْدًا، سَمِعَ مَقَالَتِي فَوَعَاهَا، ثُمَّ أَدَّاهَا إِلَى مَنْ لَمْ يَسْمَعْهَا، فَرُبَّ حَامِلِ فِقْهٍ لَا فِقْهَ لَهُ، وَرُبَّ حَامِلِ فِقْهٍ إِلَى مَنْ هُوَ أَفْقَهُ مِنْهُ ثَلَاثٌ لَا يُغِلُّ عَلَيْهِنَّ قَلْبُ الْمُؤْمِنِ: إِخْلَاصُ الْعَمَلِ لِلَّهِ، وَطَاعَةُ ذَوِي الْأَمْرِ، وَلُزُومُ الْجَمَاعَةِ فَإِنَّ دَعْوَتَهُمْ تَكُونُ مِنْ وَرَائِهِمْ

 

إسناده ضعيف ولكن الحديث صحيح

أخبرنا أحمد بن خالد، حدثنا محمد هو ابن إسحاق، عن الزهري، عن محمد بن جبير بن مطعم، عن أبيه قال: قام رسول الله صلى الله عليه وسلم بالخيف من منى، فقال: «نضر الله عبدا، سمع مقالتي فوعاها، ثم أداها إلى من لم يسمعها، فرب حامل فقه لا فقه له، ورب حامل فقه إلى من هو أفقه منه ثلاث لا يغل عليهن قلب المؤمن: إخلاص العمل لله، وطاعة ذوي الأمر، ولزوم الجماعة فإن دعوتهم تكون من ورائهم إسناده ضعيف ولكن الحديث صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ২৩৫

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ২৪. আলিমগণের অনুসরণ

২৩৫. আব্দুর রহমান বিন আবান বিন উছমান তার পিতা হতে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, দুপুর বেলায় যায়দ ইবনু ছাবিত মারওয়ান ইবনুল হাকাম-এর নিকট থেকে বের হয়ে আসলেন। তিনি বলেন, আমি (মনে মনে) বললাম, এই সময় তিনি মারওয়ান নিকট থেকে বের হয়েছেন, নিশ্চয়ই সে তাকে কোনো (অপছন্দ) বিষয়ে জিজ্ঞাসা করেছে। আমি তার নিকট গেলাম এবং তাকে জিজ্ঞেস করলাম। তিনি বললেন, হাঁ, তিনি একটি হাদীস সম্পর্কে জানতে চেয়েছিলেন, যা আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বলতে শুনেছি। তিনি বলেছেন: “আল্লাহ সেই ব্যক্তির চেহারা উজ্জ্বল করুন যে আমার কোন একটি হাদীস শুনল, তা হিফাজত (মুখস্ত) রাখল এবং তার চেয়ে অধিক হিফাজতকারী কারো নিকট পৌছে দিল। কেননা, অনেক জ্ঞান বহনকারী প্রকৃতপক্ষে জ্ঞানী হয় না এবং কোন কোন জ্ঞান শিক্ষাদানকারীর চাইতে তার শিক্ষার্থীরাও অধিক জ্ঞানী হয়ে থাকে। যে মুসলিমের অন্তরে তিনটি বিষয়ে দৃঢ় বিশ্বাস থাকবে সে অবশ্যই জান্নাতে প্রবেশ করবে।” তিনি বলেন, আমরা বললাম, সেই বিষয়‍গুলি কী কী?

তিনি বললেন, ১. আমলে একনিষ্ঠতা, ২. শাসকের কল্যাণ কামনা করা এবং ৩. জামা’আত আকঁড়ে থাকা। কেননা, তাদের দু’আ তাদের পেছেনের সকলকে বেষ্টন করে নেয়। আর যার নিয়ত থাকবে আখিরাত, আল্লাহ তার অন্তরে অভাবমুক্তি দান করবেন, তার সকল কাজ সুন্দর করে দেবেন এবং দুনিয়া লাঞ্ছিত অবস্থায় তার সামনে হাজির হবে। আর যার নিয়ত হবে দুনিয়া, আল্লাহ তার সবকিছুতে বিচ্ছিন্নতার সৃষ্টি করে দেবেন, আর দারিদ্রকে তার দু’চোখের সামনে রেখে দেবেন। আর সে দুনিয়ার কেবল সেই টুকুই লাভ করবে, যা তার তাকদীরে (নির্ধারিত) আছে।”

তিনি বলেন, আমি তাকে ’সালাতুল উছতা’ বা মধ্যবর্তী ছালাতের কথা জিজ্ঞেস করলে তিনি বললেন, তা হল যোহরের সালাত।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: এর পূর্ণাঙ্গ তাখরীজ করেছি, মাওয়ারিদুয যাম’আন’ হা/৭২,৭৩ এর তাখরীজে; সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৬৭, ৬৮০। এর অনেক শাহীদ রযেছে।

بَابُ الِاقْتِدَاءِ بِالْعُلَمَاءِ

أَخْبَرَنَا عِصْمَةُ بْنُ الْفَضْلِ، حَدَّثَنَا حَرَمِيُّ بْنُ عُمَارَةَ، عَنْ شُعْبَةَ، عَنْ عُمَرَ بْنِ سُلَيْمَانَ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبَانَ بْنِ عُثْمَانَ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ: خَرَجَ زَيْدُ بْنُ ثَابِتٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا، مِنْ عِنْدِ مَرْوَانَ بْنِ الْحَكَمِ، بِنِصْفِ النَّهَارِ، قَالَ: فَقُلْتُ: مَا خَرَجَ هَذِهِ السَّاعَةَ مِنْ عِنْدِ مَرْوَانَ إِلَّا وَقَدْ سَأَلَهُ عَنْ شَيْءٍ، فَأَتَيْتُهُ، فَسَأَلْتُهُ، قَالَ: نَعَمْ، سَأَلَنِي عَنْ حَدِيثٍ سَمِعْتُهُ مِنْ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: «نَضَّرَ اللَّهُ امْرَأً سَمِعَ مِنَّا حَدِيثًا، فَحَفِظَهُ فَأَدَّاهُ إِلَى مَنْ هُوَ أَحْفَظُ مِنْهُ، فَرُبَّ حَامِلِ فِقْهٍ لَيْسَ بِفَقِيهٍ، وَرُبَّ حَامِلِ فِقْهٍ إِلَى مَنْ هُوَ أَفْقَهُ مِنْهُ لَا يَعْتَقِدُ قَلْبُ مُسْلِمٍ عَلَى ثَلَاثِ خِصَالٍ، إِلَّا دَخَلَ الْجَنَّةَ». قَالَ: قُلْتُ: مَا هُنَّ؟ قَالَ: «إِخْلَاصُ الْعَمَلِ، وَالنَّصِيحَةُ لِوُلَاةِ الْأَمْرِ، وَلُزُومُ الْجَمَاعَةِ، فَإِنَّ دَعْوَتَهُمْ تُحِيطُ مَنْ وَرَاءَهُمْ وَمَنْ كَانَتِ الْآخِرَةُ نِيَّتَهُ، جَعَلَ اللَّهُ غِنَاهُ فِي قَلْبِهِ، وَجَمَعَ لَهُ شَمْلَهُ، وَأَتَتْهُ الدُّنْيَا وَهِيَ رَاغِمَةٌ، وَمَنْ كَانِتِ الدُّنْيَا نِيَّتَهُ، فَرَّقَ اللَّهُ عَلَيْهِ شَمْلَهُ، وَجَعَلَ فَقْرَهُ بَيْنَ عَيْنَيْهِ، وَلَمْ يَأْتِهِ مِنَ الدُّنْيَا إِلَّا مَا قُدِّرَ لَهُ قَالَ: وَسَأَلْتُهُ عَنْ صَلَاةِ الْوُسْطَى، قَالَ هِيَ الظُّهْرُ

 

إسناده صحيح

أخبرنا عصمة بن الفضل، حدثنا حرمي بن عمارة، عن شعبة، عن عمر بن سليمان، عن عبد الرحمن بن أبان بن عثمان، عن أبيه، قال: خرج زيد بن ثابت رضي الله عنهما، من عند مروان بن الحكم، بنصف النهار، قال: فقلت: ما خرج هذه الساعة من عند مروان إلا وقد سأله عن شيء، فأتيته، فسألته، قال: نعم، سألني عن حديث سمعته من رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: «نضر الله امرأ سمع منا حديثا، فحفظه فأداه إلى من هو أحفظ منه، فرب حامل فقه ليس بفقيه، ورب حامل فقه إلى من هو أفقه منه لا يعتقد قلب مسلم على ثلاث خصال، إلا دخل الجنة». قال: قلت: ما هن؟ قال: «إخلاص العمل، والنصيحة لولاة الأمر، ولزوم الجماعة، فإن دعوتهم تحيط من وراءهم ومن كانت الآخرة نيته، جعل الله غناه في قلبه، وجمع له شمله، وأتته الدنيا وهي راغمة، ومن كانت الدنيا نيته، فرق الله عليه شمله، وجعل فقره بين عينيه، ولم يأته من الدنيا إلا ما قدر له قال: وسألته عن صلاة الوسطى، قال هي الظهر إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ২৩৬

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ২৪. আলিমগণের অনুসরণ

২৩৬. আবু দারদা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাদের উদ্দেশ্য করে বক্তব্য দিচ্ছিলেন। তখন তিনি বলেছেন: “আল্লাহ সেই ব্যক্তির চেহারা উজ্জ্বল করুন যে আমার কোন একটি হাদীস শুনল এবং সে যেভাবে শুনেছে, অনুরূপভাবেই (অবিকৃতভাবে) কারো নিকট পৌছে দিল। কেননা, কোনো কোনো সময় প্রচারকের চেয়ে শ্রোতা অধিক হিফাজতকারী হয়। কোন মুসলিম ব্যক্তির অন্তর তিনটি বিষয়ে খিয়ানত করে না: ১. একমাত্র আল্লাহর জন্য আমলকে বিশুদ্ধ করা, ২. প্রত্যেক মুসলিমের জন্য কল্যাণ কামন করা, ৩. মুসলিমগণের জামা’আতকে আঁকড়ে থাকা। কেননা, তাদের দু’আ তাদের পেছনের সকলকে বেষ্টন করে নেয়।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ যয়ীফ। তবে হাদীসটি সহীহ।

 

তাখরীজ: আমরা এর পূর্ণাঙ্গ তাখরীজ করেছি, মাজমাউয যাওয়াইদ হা/৫৮৮।

بَابُ الِاقْتِدَاءِ بِالْعُلَمَاءِ

أَخْبَرَنَا يَحْيَى بْنُ مُوسَى، حَدَّثَنَا عَمْرُو بْنُ مُحَمَّدٍ الْقُرَشِيُّ، أَنبَأَنَا إِسْرَائِيلُ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ زُبَيْدٍ الْيَامِيِّ، عَنْ أَبِي الْعَجْلَانِ، عَنْ أَبِي الدَّرْدَاءِ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ، قَالَ: خَطَبَنَا رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ: «نَضَّرَ اللَّهُ امْرءًا سَمِعَ مِنَّا حَدِيثًا، فَبَلَّغَهُ كَمَا سَمِعَهُ، فَرُبَّ مُبَلَّغٍ أَوْعَى مِنْ سَامِعٍ ثَلَاثٌ لَا يُغِلُّ عَلَيْهِنَّ قَلْبُ امْرِئٍ مُسْلِمٍ: إِخْلَاصُ الْعَمَلِ لِلَّهِ، وَالنَّصِيحَةُ لِكُلِّ مُسْلِمٍ، وَلُزُومُ جَمَاعَةِ الْمُسْلِمِينَ، فَإِنَّ دُعَاءَهُمْ مُحِيطٌ مِنْ وَرَائِهِمْ

 

إسناده ضعيف غير أن الحديث صحيح

أخبرنا يحيى بن موسى، حدثنا عمرو بن محمد القرشي، أنبأنا إسرائيل، عن عبد الرحمن بن زبيد اليامي، عن أبي العجلان، عن أبي الدرداء رضي الله عنه، قال: خطبنا رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال: «نضر الله امرءا سمع منا حديثا، فبلغه كما سمعه، فرب مبلغ أوعى من سامع ثلاث لا يغل عليهن قلب امرئ مسلم: إخلاص العمل لله، والنصيحة لكل مسلم، ولزوم جماعة المسلمين، فإن دعاءهم محيط من ورائهم إسناده ضعيف غير أن الحديث صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ২৩৭

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ২৫. নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হতে হাদীস বর্ণনার ক্ষেত্রে সাবধানতা অবলম্বন করা ও এ ক্ষেত্রে যাচাইবাছাই করা প্রসঙ্গে

২৩৭. জাবির রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “যে ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে আমার উপর মিথ্যারোপ করে, সে যেন জাহান্নামে তার বাসস্থান বানিয়ে নেয়।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা, ৮/৭৬৩ নং ৬৩০২; আহমদ, ৩/৩০৩; ইবনু মাজাহ, মুকাদ্দমা ৩৩; বিস্তারিত তাখরীজ দেখুন, মুসনাদে মাউসিলী নং ৮৪৭

بَابُ اتِّقَاءِ الْحَدِيثِ عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، وَالتَّثَبُّتِ فِيهِ

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عِيسَى، حَدَّثَنَا هُشَيْمٌ، أَنبَأَنَا أَبُو الزُّبَيْرِ، عَنْ جَابِرٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «مَنْ كَذَبَ عَلَيَّ مُتَعَمِّدًا، فَلْيَتَبَوَّأْ مَقْعَدَهُ مِنَ النَّارِ

 

إسناده صحيح ومحمد بن عيسى هو ابن نجيح وقد صرح هشيم بالتحديث

أخبرنا محمد بن عيسى، حدثنا هشيم، أنبأنا أبو الزبير، عن جابر رضي الله عنه، قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «من كذب علي متعمدا، فليتبوأ مقعده من النار إسناده صحيح ومحمد بن عيسى هو ابن نجيح وقد صرح هشيم بالتحديث

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ২৩৮

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ২৫. নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হতে হাদীস বর্ণনার ক্ষেত্রে সাবধানতা অবলম্বন করা ও এ ক্ষেত্রে যাচাইবাছাই করা প্রসঙ্গে

২৩৮. ইবনু আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা হতে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “যে ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে আমার উপর মিথ্যারোপ করে, সে যেন জাহান্নামে তার বাসস্থান বানিয়ে নেয়।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ যয়ীফ। কেননা, আব্দুল আ’লা যয়ীফ। তবে হাদীসটি সহীহ। দেখুন এ বাবের হাদীসসমূহ।

 

তাখরীজ: তাহাবী, মুশকিলুল আছার ১/১৬৭; আর এর পূর্ণাঙ্গ তাখরীজের জন্য দেখুন, মাযমাউয যাওয়াইদ হা/৬৪৮।

بَابُ اتِّقَاءِ الْحَدِيثِ عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، وَالتَّثَبُّتِ فِيهِ

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عِيسَى، حَدَّثَنَا أَبُو عَوَانَةَ، عَنْ عَبْدِ الْأَعْلَى، عَنْ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا، عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: «مَنْ كَذَبَ عَلَيَّ مُتَعَمِّدًا، فَلْيَتَبَوَّأْ مَقْعَدَهُ مِنَ النَّارِ

 

إسناده ضعيف لضعف عبد الأعلى وهو: ابن عامر الثعلبي

أخبرنا محمد بن عيسى، حدثنا أبو عوانة، عن عبد الأعلى، عن سعيد بن جبير، عن ابن عباس رضي الله عنهما، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال: «من كذب علي متعمدا، فليتبوأ مقعده من النار إسناده ضعيف لضعف عبد الأعلى وهو: ابن عامر الثعلبي

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ২৩৯

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ২৫. নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হতে হাদীস বর্ণনার ক্ষেত্রে সাবধানতা অবলম্বন করা ও এ ক্ষেত্রে যাচাইবাছাই করা প্রসঙ্গে

২৩৯. জুবাইর রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বলতে শুনেছেন: “যে ব্যক্তি আমার নামে/পক্ষ থেকে মিথ্যা হাদীস বর্ণনা করে, সে যেন জাহান্নামে তার বাসস্থান বানিয়ে নেয়।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ যয়ীফ। আব্দুল্লাহ বিন সালিহ যয়ীফ হওয়ার কারণে। তবে হাদীস সহীহ।

 

তাখরীজ : বুখারী, ১০৭; আবু দাউদ ৩৬৫১; ইবনু মাজাহ, মুকাদ্দামা নং ৩৬; ইবনু আবী শাইবা, ৮/৭৬০ নং ২৬৯৩; আহমদ, ১/১৬৫, ১৬৭;

بَابُ اتِّقَاءِ الْحَدِيثِ عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، وَالتَّثَبُّتِ فِيهِ

أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ صَالِحٍ، حَدَّثَنِي اللَّيْثُ، حَدَّثَنِي يَزِيدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، عَنْ عُمَرَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الزُّبَيْرِ، عَنِ الزُّبَيْرِ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ، أَنَّهُ سَمِعَ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ: مَنْ حَدَّثَ عَنِّي كَذِبًا، فَلْيَتَبَوَّأْ مَقْعَدَهُ مِنَ النَّارِ

 

إسناده ضعيف لضعف عبد الله بن صالح كاتب الليث غير أن الحديث صحيح

أخبرنا عبد الله بن صالح، حدثني الليث، حدثني يزيد بن عبد الله، عن عمر بن عبد الله بن عروة، عن عبد الله بن عروة، عن عبد الله بن الزبير، عن الزبير رضي الله عنه، أنه سمع النبي صلى الله عليه وسلم يقول: من حدث عني كذبا، فليتبوأ مقعده من النار إسناده ضعيف لضعف عبد الله بن صالح كاتب الليث غير أن الحديث صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ২৪০

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ২৫. নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হতে হাদীস বর্ণনার ক্ষেত্রে সাবধানতা অবলম্বন করা ও এ ক্ষেত্রে যাচাইবাছাই করা প্রসঙ্গে

২৪০. আব্দুল্লাহ ইবনু মুররাহ তার পিতা হতে, তিনি তার পিতা হতে বর্ণনা করেছেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “যে ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে আমার উপর মিথ্যারোপ করে, সে যেন জাহান্নামে তার বাসস্থান বানিয়ে নেয়।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদে রয়েছে মুহাম্মদ ইবনু হামীদ, উমার ইবনু আব্দল্লাহ ইবনু ইয়া’লা ইবনু মুররাহ এবং আব্দুল্লাহ ইবনু ইয়া’লা। এরা সকলেই যয়ীফ। কিন্তু হাদীস সহীহ।

 

তাখরীজ: এর পূর্ণ তাখরীজ করেছি, মাজামাউয যাওয়াইদ হা/৬৫১; এ বাবের অন্যান্য হাদীসটি সমূহ দ্রষ্টব্য।

بَابُ اتِّقَاءِ الْحَدِيثِ عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، وَالتَّثَبُّتِ فِيهِ

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ حُمَيْدٍ، حَدَّثَنِي الصَّبَّاحُ بْنُ مُحَارِبٍ، عَنْ عُمَرَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ يَعْلَى بْنِ مُرَّةَ، عَنْ أَبِيهِ عَنْ جَدِّهِ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: «مَنْ كَذَبَ عَلَيَّ مُتَعَمِّدًا، فَلْيَتَبَوَّأْ مَقْعَدَهُ مِنَ النَّارِ

 

في إسناده محمد بن حميد وعمر بن عبد الله بن يعلى بن مرة وعبد الله بن يعلى وهم ضعفاء. ولكن الحديث صحيح

أخبرنا محمد بن حميد، حدثني الصباح بن محارب، عن عمر بن عبد الله بن يعلى بن مرة، عن أبيه عن جده أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: «من كذب علي متعمدا، فليتبوأ مقعده من النار في إسناده محمد بن حميد وعمر بن عبد الله بن يعلى بن مرة وعبد الله بن يعلى وهم ضعفاء. ولكن الحديث صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ২৪১

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ২৫. নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হতে হাদীস বর্ণনার ক্ষেত্রে সাবধানতা অবলম্বন করা ও এ ক্ষেত্রে যাচাইবাছাই করা প্রসঙ্গে

২৪১. আত্তাব বলেন, আমি আনাস ইবনু মালিক রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেছেন, আমার যদি ভুল হওয়ার আশঙ্কা না থাকত, তাহলে আমি তোমাদেরকে অবশ্যই এমন সব বিষয়ে হাদীস শুনাতাম, যা আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বলতে শুনেছি কিংবা যা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন। কেননা, আমি এটি তাঁর নিকট শুনেছি: “যে ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে আমার উপর মিথ্যারোপ করে, সে যেন জাহান্নামে তার বাসস্থান বানিয়ে নেয়।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: ইবনুল জাউযী, আল মাউযু’আত ১/৭৯; বুখারী, ১০৮; মুসলিম, মুকদ্দমা ২; তায়ালিসী ১/৩৮ নং ৯৭; বিস্তারিত তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ২৯০৯; সিয়ারু আ’লামিন নুবালা’ ১/৪৩।

بَابُ اتِّقَاءِ الْحَدِيثِ عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، وَالتَّثَبُّتِ فِيهِ

أَخْبَرَنَا أَسَدُ بْنُ مُوسَى، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ عَتَّابٍ، قَالَ: سَمِعْتُ أَنَسَ بْنَ مَالِكٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ، يَقُولُ: لَوْلَا أَنِّي أَخْشَى أَنْ أُخْطِئَ لَحَدَّثْتُكُمْ بِأَشْيَاءَ سَمِعْتُهَا مِنْ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ – أَوْ قَالَهَا رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ – وَذَاكَ أَنِّي سَمِعْتُهُ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ: «مَنْ كَذَبَ عَلَيَّ مُتَعَمِّدًا، فَلْيَتَبَوَّأْ مَقْعَدَهُ مِنَ النَّارِ

 

إسناده صحيح

أخبرنا أسد بن موسى، حدثنا شعبة، عن عتاب، قال: سمعت أنس بن مالك رضي الله عنه، يقول: لولا أني أخشى أن أخطئ لحدثتكم بأشياء سمعتها من رسول الله صلى الله عليه وسلم – أو قالها رسول الله صلى الله عليه وسلم – وذاك أني سمعته صلى الله عليه وسلم يقول: «من كذب علي متعمدا، فليتبوأ مقعده من النار إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ২৪২

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ২৫. নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হতে হাদীস বর্ণনার ক্ষেত্রে সাবধানতা অবলম্বন করা ও এ ক্ষেত্রে যাচাইবাছাই করা প্রসঙ্গে

২৪২. আব্দুল আযীয, হাম্মাদ ইবনু আবী সুলাইমান, তাইমী এবং ইবনু হুরমুযের আযাদকৃত গোলাম আত্তাব থেকে বর্ণিত, তারা সকলেই আনাস ইবনু মালিক রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুকে বলতে শুনেছেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “যে ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে আমার উপর মিথ্যারোপ করে, সে যেন জাহান্নামে তার বাসস্থান বানিয়ে নেয়।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা, ৮/৭৬৩, নং ৬৩০৩; আহমাদ, ৩/১১৩,১১৪, ১৬৬, ১৭৪, ২০৩, ২২৩, ২৭৮, ২৮০; তাহাবী, মুশকিলুল আছার, ১/১৬৯; দেখুন পূর্বের টীকা।

بَابُ اتِّقَاءِ الْحَدِيثِ عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، وَالتَّثَبُّتِ فِيهِ

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، أَنبَأَنَا أَبُو دَاوُدَ، عَنْ شُعْبَةَ، عَنْ عَبْدِ الْعَزِيزِ، وَعَنْ حَمَّادِ بْنِ أَبِي سُلَيْمَانَ وَعَنِ التَّيْمِيِّ، وَعَنْ عَتَّابٍ مَوْلَى ابْنِ هُرْمُزَ سَمِعُوا أَنَسَ بْنَ مَالِكٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ، عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنَّهُ قَالَ: مَنْ كَذَبَ عَلَيَّ مُتَعَمِّدًا، فَلْيَتَبَوَّأْ مَقْعَدَهُ مِنَ النَّارِ

 

إسناده صحيح

أخبرنا محمد بن عبد الله، أنبأنا أبو داود، عن شعبة، عن عبد العزيز، وعن حماد بن أبي سليمان وعن التيمي، وعن عتاب مولى ابن هرمز سمعوا أنس بن مالك رضي الله عنه، عن النبي صلى الله عليه وسلم أنه قال: من كذب علي متعمدا، فليتبوأ مقعده من النار إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ২৪৩

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ২৫. নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হতে হাদীস বর্ণনার ক্ষেত্রে সাবধানতা অবলম্বন করা ও এ ক্ষেত্রে যাচাইবাছাই করা প্রসঙ্গে

২৪৩. আবু কাতাদা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে মিম্বারের উপর বলতে শুনেছি: হে মানবমণ্ডলী! তোমার আমার থেকে অধিক হাদীস বর্ণনা করা হতে বিরত থাকো। তবে যে ব্যক্তি আমার থেকে (হাদীস) বলতে চায়, সে যেন সত্য বা সঠিক ব্যতীত অন্য কিছু না বলে। আর যে ব্যক্তি আমার উপর এমন কথা আরোপ করল, যা আমি বলিনি, তবে সে জাহান্নামে তার বাসস্থান বানিয়ে নিল।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: আহমদ, ৫/২৯৭; ইবনু আবী শাইবা, ৮/৭৬১ নং ৬২৯৫; ইবনু মাজাহ, মুকাদ্দামা ৩৫; হাকিম ১/১১১; তাহাবী, মুশকিলুল আছার ১/১৭২।

بَابُ اتِّقَاءِ الْحَدِيثِ عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، وَالتَّثَبُّتِ فِيهِ

أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ خَالِدٍ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدٌ هُوَ ابْنُ إِسْحَاقَ، عَنْ مَعْبَدِ بْنِ كَعْبٍ، عَنْ أَبِي قَتَادَةَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ، قَالَ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ عَلَى الْمِنْبَرِ: يَا أَيُّهَا النَّاسُ إِيَّاكُمْ وَكَثْرَةَ الْحَدِيثِ عَنِّي، فَمَنْ قَالَ عَلَيَّ، فَلَا يَقُلْ إِلَّا حَقًّا، – أَوْ إِلَّا صِدْقًا – وَمَنْ قَالَ عَلَيَّ مَا لَمْ أَقُلْ، فَلْيَتَبَوَّأْ مَقْعَدَهُ مِنَ النَّارِ

 

إسناده صحيح محمد بن إسحاق صرح بالتحديث عند أحمد وغيره فانتفت شبهة التدليس

أخبرنا أحمد بن خالد، حدثنا محمد هو ابن إسحاق، عن معبد بن كعب، عن أبي قتادة رضي الله عنه، قال: سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول على المنبر: يا أيها الناس إياكم وكثرة الحديث عني، فمن قال علي، فلا يقل إلا حقا، – أو إلا صدقا – ومن قال علي ما لم أقل، فليتبوأ مقعده من النار إسناده صحيح محمد بن إسحاق صرح بالتحديث عند أحمد وغيره فانتفت شبهة التدليس

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ২৪৪

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ২৫. নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হতে হাদীস বর্ণনার ক্ষেত্রে সাবধানতা অবলম্বন করা ও এ ক্ষেত্রে যাচাইবাছাই করা প্রসঙ্গে

২৪৪. আনাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “যে ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে আমার উপর মিথ্যারোপ করে, সে যেন জাহান্নামে তার বাসস্থান বানিয়ে নেয়।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: আমার ধারণা, এ মুহাম্মদ ইবনু বাশার যদি মাহফুয হয়, তবে তিনি মুহাম্মদ ইবনু সীরীন হবেন, তাহলে এটি মুসনাদে আহমাদ ৩/১১৩ ও ইবনু আবী শাইবা ৮/৭৫৯ তে আসেম ইবনু সুলাইমান হতে, তিনি আনাস হতে… এ সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: পূর্বের হাদীস দুটি ২৪১, ২৪২ দেখুন। এছাড়া, বিভিন্ন সনদে এটি দেখুন তাহাবী, মুশকিলুল আছার, ১/১৬৪-১৭৫ ও ইবনুল জাউযীর আল মাউযু’আত ১/৫৫-৯৮।

بَابُ اتِّقَاءِ الْحَدِيثِ عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، وَالتَّثَبُّتِ فِيهِ

أَخْبَرَنَا هَارُونُ بْنُ مُعَاوِيَةَ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ بْنِ سُلَيْمَانَ، عَنْ عَاصِمٍ الْأَحْوَلِ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ بِشْرٍ، عَنْ أَنَسٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَنْ كَذَبَ عَلَيَّ مُتَعَمِّدًا، فَلْيَتَبَوَّأْ مَقْعَدَهُ مِنَ النَّارِ

 

إسناده صحيح

أخبرنا هارون بن معاوية، عن إبراهيم بن سليمان، عن عاصم الأحول، عن محمد بن بشر، عن أنس رضي الله عنه، قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم من كذب علي متعمدا، فليتبوأ مقعده من النار إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ২৪৫

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ২৬. ইলম উঠে যাওয়া সম্পর্কে

২৪৫. আব্দুল্লাহ ইবনু আমর ইবনুল আস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “আল্লাহ মানুষদের (অন্তর) থেকে ইলমকে জবরদস্তিভাবে উঠিয়ে নেন না, বরং আলিমদেরকে উঠিয়ে নেয়ার মাধ্যমে ইলমকে উঠিয়ে নেন। ফলে যখন একজন আলিমও অবশিষ্ট থাকবেন না, তখন ’জাহিল/মূর্খ’-দেরকে লোকেরা তাদের নেতা (অনুসরনীয় ব্যক্তিত্ব) বানিয়ে নেবে। তখন তাদেরকে (মাস’আলা-মাসায়েল) জিজ্ঞাসা করা হলে তারা ইলম ছাড়াই ফাতওয়া দেবে। ফলে তারা নিজেরাও পথভ্রষ্ট হবে এবং অন্যদেরকেও পথভ্রষ্ট করবে।[1]

[1] তাহক্বিক্ব: এর সনদ সহীহ। এটি বুখারী মুসলিমের হাদীস।

 

তাখরীজ: সহীহ বুখারী ১০০, ৭৩০৭ ; সহীহ মুসলিম ৪/৪৭ নং ২৬৭৩; (আহমদ ৬৫২১); ইবনু আবী শাইবা, ১৫/১৭৭ নং ১৯৪৩৬… বিস্তারিত তাখরীজ দেখুন সহীহ ইবনু হিব্বান ৪৫৭১, ৬৭১৯, ৬৭২৩।

بَابٌ فِي ذَهَابِ الْعِلْمِ

أَخْبَرَنَا جَعْفَرُ بْنُ عَوْنٍ، أَنبَأَنَا هِشَامٌ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: ” إِنَّ اللَّهَ لَا يَقْبِضُ الْعِلْمَ انْتِزَاعًا يَنْتَزِعُهُ مِنَ النَّاسِ، وَلَكِنْ: قَبْضُ الْعِلْمِ قَبْضُ الْعُلَمَاءِ، فَإِذَا لَمْ يُبْقِ عَالِمًا، اتَّخَذَ النَّاسُ رُءُوسًا جُهَّالًا فَسُئِلُوا، فَأَفْتَوْا بِغَيْرِ عِلْمٍ، فَضَلُّوا وَأَضَلُّوا

 

إسناده صحيح والحديث متفق عليه

أخبرنا جعفر بن عون، أنبأنا هشام، عن أبيه، عن عبد الله بن عمرو رضي الله عنهما قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: ” إن الله لا يقبض العلم انتزاعا ينتزعه من الناس، ولكن: قبض العلم قبض العلماء، فإذا لم يبق عالما، اتخذ الناس رءوسا جهالا فسئلوا، فأفتوا بغير علم، فضلوا وأضلوا إسناده صحيح والحديث متفق عليه

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ২৪৬

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ২৬. ইলম উঠে যাওয়া সম্পর্কে

২৪৬. আবী উমামা রাদ্বিয়াল্লাহ আনহু হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “ইলমকে উঠিয়ে নেওয়ার পূর্বেই তোমরা তা শিক্ষা কর।” তারা বললেন, হে আল্লাহর নবী! আমাদের মাঝে আল্লাহর কিতাব বিদ্যমান থাকা অবস্থায় কিভাবে ইলম উঠে যাবে? বর্ণনাকারী বলেন, তখন তিনি রেগে গেলেন। তারপর বললেন, “তোমাদের মা তোমাদেরকে হারিয়ে ফেলুক! বনী ইসরাঈলদের নিকট কি তাওরাত ও ইনজিল ছিল না? কিন্তু সেগুলি তাদের কোনো কাজেই আসল না। ইলম উঠিয়ে নেওয়ার অর্থ হল ইলমের বাহককে (আলিমগণকে) উঠিয়ে নেওয়া। ইলম উঠিয়ে নেওয়ার অর্থ হল ইলমের বাহককে (আলিমগণকে) উঠিয়ে নেওয়া।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ যয়ীফ, কেননা, হাজ্জাজ বিন আরতাহ যয়ীফ। কিন্তু শাহিদ থাকার কারণে হাদীসটি হাসান।

 

তাখরীজ: আহমাদ ও তাবারানীতে রয়েছে। আমরা এর পূর্ণাঙ্গ তাখরীজ করেছি মাজমাউয যাওযাইদ হা/৯৯০ এর তাখরীজে। এটি আরও রয়েছে, ইবনু আব্দুল বার, জামি’ বায়ানুল ইলম নং ১৩৬, ১৩৭; খতীব, তারীখ ২/২১২;….।

بَابٌ فِي ذَهَابِ الْعِلْمِ

أَخْبَرَنَا مُوسَى بْنُ خَالِدٍ، أَنبَأَنَا مُعْتَمِرُ بْنُ سُلَيْمَانَ، عَنِ الْحَجَّاجِ، عَنِ الْوَلِيدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أبي مَالِكٍ، عَنِ الْقَاسِمِ أَبِي عَبْدِ الرَّحْمَنِ، مَوْلَى عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ يَزِيدَ، عَنْ أَبِي أُمَامَةَ، عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنَّهُ قَالَ: خُذُوا الْعِلْمَ قَبْلَ أَنْ يَذْهَبَ». قَالُوا: وَكَيْفَ يَذْهَبُ الْعِلْمُ يَا نَبِيَّ اللَّهِ، وَفِينَا كِتَابُ اللَّهِ؟ قَالَ: فَغَضِبَ، ثُمَّ قَالَ: «ثَكِلَتْكُمْ أُمَّهَاتُكُمْ أَوَلَمْ تَكُنِ التَّوْرَاةُ وَالْإِنْجِيلُ فِي بَنِي إِسْرَائِيلَ، فَلَمْ يُغْنِيَا عَنْهُمْ شَيْئًا؟ إِنَّ ذَهَابَ الْعِلْمِ أَنْ يَذْهَبَ حَمَلَتُهُ، إِنَّ ذَهَابَ الْعِلْمِ أَنْ يَذْهَبَ حَمَلَتُهُ

 

إسناده ضعيف لضعف حجاج بن أرطاة ولكنه حديث حسن بشواهده

أخبرنا موسى بن خالد، أنبأنا معتمر بن سليمان، عن الحجاج، عن الوليد بن عبد الرحمن بن أبي مالك، عن القاسم أبي عبد الرحمن، مولى عبد الرحمن بن يزيد، عن أبي أمامة، عن رسول الله صلى الله عليه وسلم أنه قال: خذوا العلم قبل أن يذهب». قالوا: وكيف يذهب العلم يا نبي الله، وفينا كتاب الله؟ قال: فغضب، ثم قال: «ثكلتكم أمهاتكم أولم تكن التوراة والإنجيل في بني إسرائيل، فلم يغنيا عنهم شيئا؟ إن ذهاب العلم أن يذهب حملته، إن ذهاب العلم أن يذهب حملته إسناده ضعيف لضعف حجاج بن أرطاة ولكنه حديث حسن بشواهده

 হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ২৪৭

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ২৬. ইলম উঠে যাওয়া সম্পর্কে

২৪৭. হিলাল ইবনু খাব্বাব বলেন, আমি সাঈদ ইবনু জুবায়ের রাহিমাহুল্লাহ কে জিজ্ঞাসা করলাম, হে আবু আব্দুল্লাহ, লোকদের ধ্বংসের আলামত কী? তিনি বললেন, যখন তোমাদের আলিমগণ মৃত্যুবরণ করবেন।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ১৫/৪০; ইবনু আব্দুল বারর, জামি’ বায়ানুল ইলম নং ১০২৩; ইবনু ওয়াদাহ, আল বিদ’আ নং ২১৩; ইবনু সা’দ, আত তাবাকাত ৬/১৮৩; বাইহাকী, শুয়াবুল ঈমান ২/২৫৩ নং ১৬৬২; আবু নুয়াইম, হিলইয়া ৪/২৭৬..।

بَابٌ فِي ذَهَابِ الْعِلْمِ

حَدَّثَنَا أَبُو النُّعْمَانِ، حَدَّثَنَا ثَابِتُ بْنُ يَزِيدَ، حَدَّثَنَا هِلَالٌ هُوَ: ابْنُ خَبَّابٍ، قَالَ: سَأَلْتُ سَعِيدَ بْنَ جُبَيْرٍ قُلْتُ: يَا أَبَا عَبْدِ اللَّهِ، مَا عَلَامَةُ هَلَاكِ النَّاسِ؟ قَالَ: إِذَا هَلَكَ عُلَمَاؤُهُمْ

 

إسناده صحيح

حدثنا أبو النعمان، حدثنا ثابت بن يزيد، حدثنا هلال هو: ابن خباب، قال: سألت سعيد بن جبير قلت: يا أبا عبد الله، ما علامة هلاك الناس؟ قال: إذا هلك علماؤهم إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ২৪৮

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ২৬. ইলম উঠে যাওয়া সম্পর্কে

২৪৮. আব্দুল্লাহ ইবনু ‍রুবাইয়্যিআহ থেকে বর্ণিত, সালমান রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, লোকেরা ততদিন পর্যন্ত কল্যাণের মধ্যে থাকবে যতদিন প্রথম যুগের লোকেরা (সাহাবীগণ) তাদের মাঝে থাকবেন এবং পরবর্তী লোকেরা ইলম শিক্ষা করতে থাকবে, অথবা শিক্ষা দিতে থাকবে। তারপর যখন পরবর্তীগণ ইলম শিক্ষা পাওয়া – কিংবা শেখার পূর্বেই পূর্ববর্তীরা মৃত্যুবরণ করবে, তখনই লোকেরা ধ্বংস হবে।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ যয়ীফ; এতে ইনকিতা বা বিচ্ছিন্নতা রয়েছে। মাসউদ ইবনু সা’দ আতা থেকে কিছু শোনা থেকে পিছিয়ে রয়েছে।

 

তাখরীজ: আহমদ, আয যুহদ পৃ: ১৫১ তে অপর সনদে। এর রাবীগণ নির্ভরযোগ্য হলেও এতেও ইনকিতা রয়েছে। সামনেও নং ২৫৫ তে এটি বর্ণিত হয়েছে অপর সনদে। এ সমস্ত সনদ মিলিয়ে আছারটি হাসান পর্যায়ে পৌঁছে যায়।

بَابٌ فِي ذَهَابِ الْعِلْمِ

أَخْبَرَنَا مَالِكُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ، حَدَّثَنَا مَسْعُودُ بْنُ سَعْدٍ الْجُعْفِيُّ، عَنْ عَطَاءِ بْنِ السَّائِبِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ رُبَيِّعَةَ، عَنْ سَلْمَانَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ، قَالَ: ” لَا يَزَالُ النَّاسُ بِخَيْرٍ مَا بَقِيَ الْأَوَّلُ حَتَّى يَتَعَلَّمَ – أَوْ يُعَلِّمَ – الْآخِرَ، فَإِذا هَلَكَ الْأَوَّلُ قَبْلَ أَنْ يُعَلِّمَ – أَوْ يَتَعَلَّمَ – الْآخِرُ، هَلَكَ النَّاسُ

 

إسناده ضعيف مسعود بن سعد متأخر السماع من عطاء

أخبرنا مالك بن إسماعيل، حدثنا مسعود بن سعد الجعفي، عن عطاء بن السائب، عن عبد الله بن ربيعة، عن سلمان رضي الله عنه، قال: ” لا يزال الناس بخير ما بقي الأول حتى يتعلم – أو يعلم – الآخر، فإذا هلك الأول قبل أن يعلم – أو يتعلم – الآخر، هلك الناس إسناده ضعيف مسعود بن سعد متأخر السماع من عطاء

 হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ২৪৯

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ২৬. ইলম উঠে যাওয়া সম্পর্কে

২৪৯. কাবুস তার পিতা হতে বর্ণনা করেছেন, ইবনু আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা বলেন, তোমরা জান কি ইলম উঠে যাওয়া (অর্থ) কী? আমরা বললাম, না। তিনি বললেন: আলিমগণের মৃত্যু বরণ করা।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: এর তাখরীজ দিয়েছি মাজমাউয যাওয়াইদ নং ১০০৭। ১০০৬ ও দেখুন। এছাড়া আবু খায়ছামা, আল ইলম নং ৫৩;

بَابٌ فِي ذَهَابِ الْعِلْمِ

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الصَّلْتِ، حَدَّثَنَا أَبُو كُدَيْنَةَ، عَنْ قَابُوسَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا، قَالَ: «هَلْ تَدْرُونَ مَا ذَهَابُ الْعِلْمِ؟» قُلْنَا: لَا. قَالَ: ذَهَابُ الْعُلَمَاءِ

 

إسناده صحيح

أخبرنا محمد بن الصلت، حدثنا أبو كدينة، عن قابوس، عن أبيه، عن ابن عباس رضي الله عنهما، قال: «هل تدرون ما ذهاب العلم؟» قلنا: لا. قال: ذهاب العلماء إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ২৫০

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ২৬. ইলম উঠে যাওয়া সম্পর্কে

২৫০. আবু ওয়াইল থেকে বর্ণিত, হুযাইফা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, তোমরা জান কি, ইলম কিভাবে হ্রাস পাবে? তিনি বলেন, আমি বললাম, পোশাক যেভাবে ছোট হয়ে যায়, দিরহাম যেভাবে অচল হয়ে যায়।

তিনি বললেন, না, এর কোনটাই নয়। বরং ইলম উঠিয়ে নেওয়া হলো: আলিমদেরকে উঠিয়ে নেওয়া (মৃত্যু দান)।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: (এর রাবী মুহাম্মদ ইবনু আস’আদ সম্পর্কে বিভিন্ন মুহাদ্দিসগণের মতামত আলোচনা করেছেন, কিন্তু তিনি কোন হুকুম লাগাননি। তবে পূর্বের হাদীসগুলি এর শাহিদ হওয়ায় তা সহীহ বা হাসান পর্যায়ের ইনশা আল্লাহ।- অনুবাদক)

 

তাখরীজ: দেখুন, মাজমাউয যাওয়াইদ (আমার তাহক্কিক্বকৃত) নং ১০০৫ এর টীকা।

بَابٌ فِي ذَهَابِ الْعِلْمِ

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ أَسْعَدَ، حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرٍ، عَنْ عَاصِمٍ، عَنْ أَبِي وَائِلٍ، قَالَ: قَالَ حُذَيْفَةُ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ: «أَتَدْرِي كَيْفَ يُنْقَصُ الْعِلْمُ؟» قَالَ: قُلْتُ: كَمَا يُنْفَضُ الثَّوْبُ، وَكَمَا يَقْسُو الدِّرْهَمُ. قَالَ: «لَا»، وَإِنَّ ذَلِكَ لَمِنْهُ، قَبْضُ الْعِلْمِ: قَبْضُ الْعُلَمَاءِ

 

في إسناده محمد بن أسعد منكر الحديث

أخبرنا محمد بن أسعد، حدثنا أبو بكر، عن عاصم، عن أبي وائل، قال: قال حذيفة رضي الله عنه: «أتدري كيف ينقص العلم؟» قال: قلت: كما ينفض الثوب، وكما يقسو الدرهم. قال: «لا»، وإن ذلك لمنه، قبض العلم: قبض العلماء في إسناده محمد بن أسعد منكر الحديث

 হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ২৫১

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ২৬. ইলম উঠে যাওয়া সম্পর্কে

২৫১. আবু দারদা’ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, কী হল! আমি দেখছি তোমাদের আলিমগণ চলে যাচ্ছেন এবং তোমাদের মুর্খরা (ইলম) শিখছে না? ইলম উঠিয়ে নেয়ার আগেই তোমরা তা শিক্ষা কর। কেননা, ইলম উঠে যাওয়া ( অর্থ) হল আলিমগণের চলে যাওয়া (মৃত্যুবরণ করা)।[1]

[1] তাহক্কীক্ব: এর সনদ যয়ীফ। কেননা, এতে বিচ্ছিন্নতা রয়েছে। আমরা যা জানতে পেরেছি, তাতে সালিম আবী দারদার সাক্ষাৎ লাভ করেননি। আল্লাহই ভাল জানেন। (তবে এটি ইবনু আব্দুল বারর, জামি’ ১০৩৬ নং তে সহীহ সনদে বর্ণনা করেছেন। তাখরীজ দেখুন)

 

তাখরীজ: আহমদ, আয যুহদ পৃ. ১৪৪; ইবনু আব্দুল বার, জামি’ বায়ানুল ইলম নং ১০৪৪; আবু নুয়াইম, হিলইয়া ১/২১২, ২২১; অপর সনদে বর্ণনা করেছেন ইবনু আব্দুল বার, জামি’ বায়ানুল ইলম নং ১০৩৬, এর সনদ সহীহ।

بَابٌ فِي ذَهَابِ الْعِلْمِ

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الصَّلْتِ، عَنْ مَنْصُورِ بْنِ أَبِي الْأَسْوَدِ، عَنْ حُصَيْنٍ، عَنْ سَالِمِ بْنِ أَبِي الْجَعْدِ، عَنْ أَبِي الدَّرْدَاءِ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ قَالَ: «مَا لِي أَرَى عُلَمَاءَكُمْ يَذْهَبُونَ وَجُهَّالَكُمْ لَا يَتَعَلَّمُونَ؟ تعلَّموا قَبْلَ أَنْ يُرْفَعَ الْعِلْمُ، فَإِنَّ رَفْعَ الْعِلْمِ ذَهَابُ الْعُلَمَاءِ

 

إسناده ضعيف لانقطاعه سالم لم يدرك أبا الدرداء فيما نعلم

أخبرنا محمد بن الصلت، عن منصور بن أبي الأسود، عن حصين، عن سالم بن أبي الجعد، عن أبي الدرداء رضي الله عنه قال: «ما لي أرى علماءكم يذهبون وجهالكم لا يتعلمون؟ تعلموا قبل أن يرفع العلم، فإن رفع العلم ذهاب العلماء إسناده ضعيف لانقطاعه سالم لم يدرك أبا الدرداء فيما نعلم

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ২৫২

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ২৬. ইলম উঠে যাওয়া সম্পর্কে

২৫২. আবু দারদা’ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, (কল্যাণ লাভকারী) মানুষ দু’ প্রকার: ১. আলিম ও ২. ইলম শিক্ষার্থী। এ ব্যতীত আর যারা রয়েছে, তাদের মধ্যে কোনো কল্যাণ নেই।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: বিচ্ছিন্নতার কারণে এর সনদ যয়ীফ। সুলায়মান ইবনু মুসা আবী দারদার সাক্ষাৎ লাভ করেন নি। (তবে আহমাদ, যুহদ পৃ. ১৩৬ তে এটি সহীহ সনদে বর্ণনা করেছেন। তাখরীজ দেখুন)

তাখরীজ: আহমদ, আয যুহদ পৃ. ১৩৬, এর সনদ সহীহ; আব্দুল্লাহ ইবনু আহমদ, যাওয়াইদ আলায যুহদ পৃ. ১৩৬; ইবনু আবী শাইবা, ৮/৭৩০ নং ৬১৭২; আবু নুয়াইম, আল হিলইয়া ১/২১২-২১৩; ইবনু আব্দুল বার, জামি’ বায়ানুল ইলম নং ১৩৮, ১৪০।

بَابٌ فِي ذَهَابِ الْعِلْمِ

أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ أَسَدٍ أَبُو عَاصِمٍ، حَدَّثَنَا عَبْثَرٌ، عَنْ بُرْدٍ، عَنْ سُلَيْمَانَ بْنِ مُوسَى، عَنْ أَبِي الدَّرْدَاءِ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ، قَالَ: النَّاسُ عَالِمٌ، وَمُتَعَلِّمٌ، وَلَا خَيْرَ، فِيمَا بَعْدَ ذَلِكَ

 

إسناده ضعيف لانقطاعه سليمان بن موسى لم يدرك أبا الدرداء

أخبرنا أحمد بن أسد أبو عاصم، حدثنا عبثر، عن برد، عن سليمان بن موسى، عن أبي الدرداء رضي الله عنه، قال: الناس عالم، ومتعلم، ولا خير، فيما بعد ذلك إسناده ضعيف لانقطاعه سليمان بن موسى لم يدرك أبا الدرداء

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ২৫৩

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ২৬. ইলম উঠে যাওয়া সম্পর্কে

২৫৩. আবু দারদা’ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, কল্যাণকর বিষয় শিক্ষাদানকারীর এবং শিক্ষার্থীর প্রতিদান (সাওয়াব) একই সমান; আর এ (দু’প্রকারের লোক) ব্যতীত গোটা মানবজাতির মধ্যে কোনো কল্যাণ নেই।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর রাবীগণ বিশ্বস্ত, তবে এর সনদে বিচ্ছিন্নতা রয়েছে; যেমন পূর্বে বলে এসেছি।

 

তাখরীজ: আব্দুল্লাহ ইবনু আহমদ, যাওয়াইদ আলায যুহদ পৃ. ১৩৬; ইবনু আবী শাইবা, ৮/৭৩০ নং ৬১৭৪; ইবনু আব্দুল বার, জামি’ বায়ানুল ইলম নং ১৪১।

بَابٌ فِي ذَهَابِ الْعِلْمِ

أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ أَسَدٍ أَبُو عَاصِمٍ، حَدَّثَنَا عَبْثَرٌ، عَنِ الْأَعْمَشِ، عَنْ سَالِمٍ، عَنْ أَبِي الدَّرْدَاءِ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ قَالَ: مُعَلِّمُ الْخَيْرِ، وَالْمُتَعَلِّمُ فِي الْأَجْرِ سَوَاءٌ، وَلَيْسَ لِسَائِرِ النَّاسِ بَعْدُ خَيْرٌ

 

رجاله ثقات غير أنه منقطع كما قدمنا

أخبرنا أحمد بن أسد أبو عاصم، حدثنا عبثر، عن الأعمش، عن سالم، عن أبي الدرداء رضي الله عنه قال: معلم الخير، والمتعلم في الأجر سواء، وليس لسائر الناس بعد خير رجاله ثقات غير أنه منقطع كما قدمنا

 হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai’f)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ২৫৪

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ২৬. ইলম উঠে যাওয়া সম্পর্কে

২৫৪. আব্দুল্লাহ ইবনু মাসউদ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, “ হয় আলিম হয়ে যাও, নয়তো (ইলম) শিক্ষাকারী হও, নয়তো মনযোগী শ্রোতা হয়ে যাও; এ (তিন ব্যতীত) চতুর্থ প্রকারের অন্তর্ভুক্ত হয়ো না। তাহলে তুমি ধ্বংস হয়ে যাবে।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ যয়ীফ। হাসান বাছরী তিনি ‘আন ‘আন’ পদ্ধতিতে এ হাদীস বর্ণনা করেছেন। (তবে বুখারীর সনদটি সহীহ- তাখরীজ দেখুন।-অনুবাদক)

 

তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা, ৮/৭২৯ নং ৬১৭১; ইবনু আব্দুল বার, জামি’ বায়ানুল ইলম নং ১৩৯; ইয়াকুব আল ফাসওয়ায়ী, আল মা’রেফাত ওয়াত তারীখ ৩/৩৯৯; আবু খায়ছামা, আল ইলম নং ১১৬; বুখারী, আত তারীখুল কাবীর ৪/৯৯; এর সনদ সহীহ। ইবনু হাযম, আল ইহকাম ৬/১০৪৫ হাসান সনদে।

بَابٌ فِي ذَهَابِ الْعِلْمِ

أَخْبَرَنَا قَبِيصَةُ، أَنبَأَنَا سُفْيَانُ، عَنْ عَطَاءِ بْنِ السَّائِبِ، عَنِ الْحَسَنِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَسْعُودٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ، قَالَ: اغْدُ عَالِمًا أَوْ مُتَعَلِّمًا أَوْ مُسْتَمِعًا، وَلَا تَكُنِ الرَّابِعَ فَتَهْلِكَ

 

إسناده ضعيف الحسن هو البصري وقد عنعن

أخبرنا قبيصة، أنبأنا سفيان، عن عطاء بن السائب، عن الحسن، عن عبد الله بن مسعود رضي الله عنه، قال: اغد عالما أو متعلما أو مستمعا، ولا تكن الرابع فتهلك إسناده ضعيف الحسن هو البصري وقد عنعن

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ২৫৫

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ২৬. ইলম উঠে যাওয়া সম্পর্কে

২৫৫. আব্দুল্লাহ বিন রাবীয়াহ হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, সালমান রা. বলেছেন, “লোকেরা ততদিন পর্যন্ত কল্যাণের থাকবে যতদিন পূর্ববর্তীগণ (সাহাবীগণ) জীবিত থাকবেন, আর পরবর্তী লোকেরা ইলম শিক্ষা করতে থাকবেন। তারপর যখন পরবর্তীগণ ইলম শিক্ষা করার পূর্বেই পূর্ববর্তীগণ মৃত্যুবরণ করবেন, তখনই লোকেরা ধ্বংস হবে।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এ হাদীসটি পূর্বে ২৪৮ নং এ গত হয়েছে। সেখানে দেখুন। (সনদের রাবীগণ সকলেই বিশ্বস্ত, তবে সনদে ইনক্বিতা’ বা বিচ্ছিন্নতা রয়েছে। তবে কয়েকটি সনদের সমন্বয়ে সামগ্রিকভাবে এ আছারটি হাসান স্তরে উন্নীত হয়- ২৪৮ নং এর টীকা হতে।- অনুবাদক)

بَابٌ فِي ذَهَابِ الْعِلْمِ

أَخْبَرَنَا عَمْرُو بْنُ عَوْنٍ، أَنبَأَنَا خَالِدٌ، عَنْ عَطَاءِ بْنِ السَّائِبِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ رُبَيِّعَةَ، قَالَ: قَالَ سَلْمَانُ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ: لَا يَزَالُ النَّاسُ بِخَيْرٍ مَا بَقِيَ الْأَوَّلُ حَتَّى يَتَعَلَّمَ الْآخِرُ، فَإِذَا هَلَكَ الْأَوَّلُ قَبْلَ أَنْ يَتَعَلَّمَ الْآخِرُ، هَلَكَ النَّاسُ

 

لم يحكم عليه المحقق

أخبرنا عمرو بن عون، أنبأنا خالد، عن عطاء بن السائب، عن عبد الله بن ربيعة، قال: قال سلمان رضي الله عنه: لا يزال الناس بخير ما بقي الأول حتى يتعلم الآخر، فإذا هلك الأول قبل أن يتعلم الآخر، هلك الناس لم يحكم عليه المحقق

 হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ২৫৬

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ২৬. ইলম উঠে যাওয়া সম্পর্কে

২৫৬. আহনাফ হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, উমার রাদ্বিয়াল্লাহ আনহু বলেছেন, তোমাদেরকে নেতা বানানোর পূর্বেই তোমরা দীনের গভীর জ্ঞান অর্জন কর।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা, ৮/৭২৯ নং ৬১৬৭; আবু খায়ছামা, আল ইলম নং ৯; ওয়াকী’, আয যুহদ নং ১০২; খতীব, ফাকীহ ওয়াল ‍মুতাফাককিহ ২/৭৮; বাইহাকী, শুয়াবুল ঈমান নং ১৬৬৯; ইবনু আব্দুল বার, জামি’ বায়ানুল ইলম নং ৫০৮-৫০৯।

بَابٌ فِي ذَهَابِ الْعِلْمِ

أَخْبَرَنَا وَهْبُ بْنُ جَرِيرٍ، وَعُثْمَانُ بْنُ عُمَرَ، قَالَا: أَنبَأَنَا ابْنُ عَوْنٍ، عَنْ مُحَمَّدٍ، عَنِ الْأَحْنَفِ، قَالَ: قَالَ عُمَرُ «تَفَقَّهُوا قَبْلَ أَنْ تُسَوَّدُوا

 

إسناده صحيح

أخبرنا وهب بن جرير، وعثمان بن عمر، قالا: أنبأنا ابن عون، عن محمد، عن الأحنف، قال: قال عمر «تفقهوا قبل أن تسودوا إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ২৫৭

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ২৬. ইলম উঠে যাওয়া সম্পর্কে

২৫৭. তামীম দারী হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, উমার রাদ্বিয়াল্লাহ আনহু’র জামানায় লোকেরা সুউচ্চ ভবন নির্মাণ করছিল। তখন উমার রাদ্বিয়াল্লাহ আনহু বলেন, হে আরব জাতি! যমীনে, যমীনে (বসবাস কর, উচ্চ দালান নির্মাণ করোনা)। কেননা, নিশ্চয়ই জামা’আত ব্যতীত ইসলাম নেই, আর ইমারত (নেতৃত্ব) ব্যতীত জামা’আত নেই, আর আনুগত্য ব্যতীত ইমারত (নেতৃত্ব) নেই। ফলে প্রজ্ঞা ও গভীর জ্ঞানের ভিত্তিতে জাতি যে ব্যক্তিকে তাদের নেতা হিসেবে নির্বাচন করবে, সে হবে তার নিজের জন্য ও তার জাতির জন্য জীবন সমতুল্য। আর , প্রজ্ঞা ও গভীর জ্ঞান ব্যতীত অন্য কিছুর ভিত্তিতে জাতি যে ব্যক্তিকে তাদের নেতা হিসেবে নির্বাচন করবে, সে তার নিজের ও জাতির জন্য ধ্বংসের কারণ হবে।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এ সনদে দু’টি ত্রুটি রয়েছে। ১. সাফওয়ান ইবনু রুস্তম অজ্ঞাত ২. এতে ইনকিতা বা বিচ্ছিন্নতা বিদ্যমান। আব্দুর রহমান ইবনু মায়সার তামীম দারীর সাক্ষাত লাভ করেননি। আল্লাহই ভাল জানেন।

 

তাখরীজ: ইবনু্ আব্দুল বার, জামি’ বায়ানুল ইলম, নং ৩২৬।

بَابٌ فِي ذَهَابِ الْعِلْمِ

أَخْبَرَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ، أَنبَأَنَا بَقِيَّةُ، حَدَّثَنِي صَفْوَانُ بْنُ رُسْتُمَ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ مَيْسَرَةَ، عَنْ تَمِيمٍ الدَّارِيِّ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ، قَالَ: تَطَاوَلَ النَّاسُ فِي الْبِنَاءِ فِي زَمَنِ عُمَرَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ فَقَالَ عُمَرُ: «يَا مَعْشَرَ الْعُرَيْبِ، الْأَرْضَ الْأَرْضَ، إِنَّهُ لَا إِسْلَامَ إِلَّا بِجَمَاعَةٍ، وَلَا جَمَاعَةَ إِلَّا بِإِمَارَةٍ، وَلَا إِمَارَةَ إِلَّا بِطَاعَةٍ، فَمَنْ سَوَّدَهُ قَوْمُهُ عَلَى الْفِقْهِ، كَانَ حَيَاةً لَهُ وَلَهُمْ، وَمَنْ سَوَّدَهُ قَوْمُهُ عَلَى غَيْرِ فِقْهٍ، كَانَ هَلَاكًا لَهُ وَلَهُمْ

 

في إسناده علتان: الأولى جهالة صفوان بن رستم والثانية الانقطاع. وعبد الرحمن بن ميسرة لم يدرك تميما الداري

أخبرنا يزيد بن هارون، أنبأنا بقية، حدثني صفوان بن رستم، عن عبد الرحمن بن ميسرة، عن تميم الداري رضي الله عنه، قال: تطاول الناس في البناء في زمن عمر رضي الله عنه فقال عمر: «يا معشر العريب، الأرض الأرض، إنه لا إسلام إلا بجماعة، ولا جماعة إلا بإمارة، ولا إمارة إلا بطاعة، فمن سوده قومه على الفقه، كان حياة له ولهم، ومن سوده قومه على غير فقه، كان هلاكا له ولهم في إسناده علتان: الأولى جهالة صفوان بن رستم والثانية الانقطاع. وعبد الرحمن بن ميسرة لم يدرك تميما الداري

 হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai’f)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ২৫৮

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ২৭. ইলমের ভিত্তিতে আমল করা এবং এতে নিয়ত সহীহ রাখা

২৫৮. মুহাসির ইবনু হাবীব বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: আল্লাহ তায়ালা বলেন: ’আমি প্রত্যেক জ্ঞানগর্ভ কথাকেই কবুল করি না, বরং তার নিয়ত ও মন-মানস (এর টান) কে আমি কবুল করি। যদি তার নিয়ত ও মন-মানস (এর টান) আমার আনুগত্যের প্রতি হয়ে থাকে, তবে আমি তার নিরবতাকেও আমার গুণকীর্তণ ও সম্মান প্রদর্শন হিসেবে ধরে নেই, যদিও সে কোনো কথা বলেনি।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ যয়ীফ। সদাকাহ ইবনু আব্দুল্লাহ যয়ীফ। আর হাদীসটি মুরসাল।

 

তাখরীজ: এ হাদীস এখানে ব্যতীত আর কোথাও আমি পাইনি। খতীব তিবরিযী তার মিশকাতুল মাসাবীহ গ্রন্থে নং ৫৩৩৮ এ একে দারেমী’র দিকে সম্বন্ধ করেছেন।

بَابُ الْعَمَلِ بِالْعِلْمِ وَحُسْنِ النِّيَّةِ فِيهِ

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُبَارَكِ، أَنبَأَنَا بَقِيَّةُ، حَدَّثَنَا صَدَقَةُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، أَنَّ الْمُهَاصِرَ بْنَ حَبِيبٍ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ ” قَالَ اللَّهُ تَعَالَى: إِنِّي لَسْتُ كُلَّ كَلَامِ الْحَكِيمِ أَتَقَبَّلُ، وَلَكِنِّي أَتَقَبَّلُ هَمَّهُ وَهَوَاهُ، فَإِنْ كَانَ هَمُّهُ وَهَوَاهُ فِي طَاعَتِي، جَعَلْتُ صَمْتَهُ حَمْدًا لِي وَوَقَارًا، وَإِنْ لَمْ يَتَكَلَّمْ

 

إسناده ضعيف صدقة بن عبد الله ضعيف والحديث مرسل

أخبرنا محمد بن المبارك، أنبأنا بقية، حدثنا صدقة بن عبد الله، أن المهاصر بن حبيب، قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ” قال الله تعالى: إني لست كل كلام الحكيم أتقبل، ولكني أتقبل همه وهواه، فإن كان همه وهواه في طاعتي، جعلت صمته حمدا لي ووقارا، وإن لم يتكلم إسناده ضعيف صدقة بن عبد الله ضعيف والحديث مرسل

 হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai’f)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ২৫৯

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ২৭. ইলমের ভিত্তিতে আমল করা এবং এতে নিয়ত সহীহ রাখা

২৫৯. মুয়াবিয়াহ ইবনু সালিহ, আবূ যাহিরিয়্যাহ হতে বর্ণনা করেন, তিনি একে মারফু’ হাদীস হিসেবে (রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হতে) বর্ণনা করেছেন যে, আল্লাহ তা’আলা বলেন: “আমি আখেরী যামানায় ইলমকে (সকলের মাঝে) ছড়িয়ে দেব, যাতে নারী-পুরুষ, কৃতদাস-স্বাধীন ব্যক্তি, ছোট-বড় নির্বিশেষে সকলেই তা শিখে নেয়। যখন আমি তাদের ব্যাপারে একাজ করব (তাদের জ্ঞান শিক্ষার সুযোগ করে দেব), অত:পর আমি তাদের উপর আমার হকের বিষয়ে তাদেরকে পাকড়াও করব।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ আবী যাহিরিয়্যাহ পর্যন্ত সহীহ। কিন্তু তা মুরসাল।

 

তাখরীজ: ইবনু্ আব্দুল বার, জামি’ বায়ানুল ইলম, নং ১২১০; আবু নুয়াইম, আল হিলইয়া ৬/১০০।

بَابُ الْعَمَلِ بِالْعِلْمِ وَحُسْنِ النِّيَّةِ فِيهِ

أَخْبَرَنَا مَخْلَدُ بْنُ مَالِكٍ، عَنْ حَجَّاجِ بْنِ مُحَمَّدٍ، عَنْ لَيْثِ بْنِ سَعْدٍ، عَنْ مُعَاوِيَةَ بْنِ صَالِحٍ، عَنْ أَبِي الزَّاهِرِيَّةِ، يَرْفَعُ الْحَدِيثَ أنَّ اللَّهَ قَالَ: «أَبُثُّ الْعِلْمَ فِي آخِرِ الزَّمَانِ حَتَّى يَعْلَمَهُ الرَّجُلُ وَالْمَرْأَةُ، وَالْعَبْدُ وَالْحُرُّ، وَالصَّغِيرُ وَالْكَبِيرُ، فَإِذَا فَعَلْتُ ذَلِكَ بِهِمْ، أَخَذْتُهُمْ بِحَقِّي عَلَيْهِمْ

 

إسناده صحيح إلى أبي الزاهرية حدير بن كريب وهو مرسل

أخبرنا مخلد بن مالك، عن حجاج بن محمد، عن ليث بن سعد، عن معاوية بن صالح، عن أبي الزاهرية، يرفع الحديث أن الله قال: «أبث العلم في آخر الزمان حتى يعلمه الرجل والمرأة، والعبد والحر، والصغير والكبير، فإذا فعلت ذلك بهم، أخذتهم بحقي عليهم إسناده صحيح إلى أبي الزاهرية حدير بن كريب وهو مرسل

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ২৬০

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ২৭. ইলমের ভিত্তিতে আমল করা এবং এতে নিয়ত সহীহ রাখা

২৬০. হাসান (রহঃ) বলেন, “যে ব্যক্তি এ জ্ঞানের কোনো অংশ তালাশ (অন্বেষণ) করে এবং এর দ্বারা তার ‍একমাত্র উদ্দেশ্য হয় আল্লাহর নিকট যা আছে তা (অর্থাৎ সাওয়াব), তবে ইনশা আল্লাহ সে তা লাভ করবে। আর এ (ইলম) দ্বারা যার উদ্দেশ্য হবে দুনিয়া কামাই, তবে আল্লাহর কসম! সে এর দ্বারা তা-ই লাভ করবে (সাওয়াব পাবে না)।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: হাসান পর্যন্ত এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: খতীব, ইকিতিদাউল ইলমুল আমল নং ১০৩।

بَابُ الْعَمَلِ بِالْعِلْمِ وَحُسْنِ النِّيَّةِ فِيهِ

أَخْبَرَنَا مَخْلَدُ بْنُ مَالِكٍ، حَدَّثَنَا مَخْلَدُ بْنُ حُسَيْنٍ، عَنْ هِشَامٍ، عَنِ الْحَسَنِ، قَالَ: «مَنْ طَلَبَ شَيْئًا مِنْ هَذَا الْعِلْمِ فَأَرَادَ بِهِ مَا عِنْدَ اللَّهِ، يُدْرِكْ إِنْ شَاءَ اللَّهُ، وَمَنْ أَرَادَ بِهِ الدُّنْيَا، فَذَاكَ وَاللَّهِ حَظُّهُ مِنْهُ

 

إسناده صحيح إلى الحسن

أخبرنا مخلد بن مالك، حدثنا مخلد بن حسين، عن هشام، عن الحسن، قال: «من طلب شيئا من هذا العلم فأراد به ما عند الله، يدرك إن شاء الله، ومن أراد به الدنيا، فذاك والله حظه منه إسناده صحيح إلى الحسن

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ২৬১

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ২৭. ইলমের ভিত্তিতে আমল করা এবং এতে নিয়ত সহীহ রাখা

২৬১. ইবরাহীম ইবনু মুসা বলেন, ইবনু মাসউদ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, “তোমরা এ তিনটি উদ্দেশ্যে ইলম শিক্ষা করো না: ১. এর (জ্ঞানের) মাধ্যমে মুর্খদের সঙ্গে ঝগড়া-বিবাদ করার জন্য, ২. এর মাধ্যমে আলিমগণের সাথে তর্ক-বিতর্ক করার জন্য, ৩. এর মাধ্যমে লোকদের চেহারা (দৃষ্টি/মনযোগ) তোমাদের দিকে আকর্ষণ করার জন্য। আর তোমাদের কথার মাধ্যমে আল্লাহর নিকট যা রয়েছে , তা (অর্থাৎ সাওয়াব) প্রত্যাশা কর। কারণ, তা-ই স্থায়ী ও অবশিষ্ট থাকবে। আর তা ব্যতীত সবকিছুই নিঃশেষ হয়ে যাবে।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এ সনদে মুহাম্মদ ইবনু আউন রয়েছে, সে মাতরুক (পরিত্যক্ত রাবী)। অন্যান্য রাবীগণ নির্ভরযোগ্য।

 

তাখরীজ: খতীব, আল ফাকীহ ওয়াল ‍মুতাফাককিহ নং ৮১০; আরও দেখুন জামিই’ বায়ানিল ইলম, নং ২৫৭।

بَابُ الْعَمَلِ بِالْعِلْمِ وَحُسْنِ النِّيَّةِ فِيهِ

أَخْبَرَنَا يَعْلَى، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَوْنٍ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ بْنِ عِيسَى، قَالَ: قَالَ ابْنُ مَسْعُودٍ: «لَا تَعَلَّمُوا الْعِلْمَ لِثَلَاثٍ لِتُمَارُوا بِهِ السُّفَهَاءَ، وَتُجَادِلُوا بِهِ الْعُلَمَاءَ، وَلِتَصْرِفُوا بِهِ وُجُوهَ النَّاسِ إِلَيْكُمْ، وَابْتَغُوا بِقَوْلِكُمْ مَا عِنْدَ اللَّهِ، فَإِنَّهُ يَدُومُ وَيَبْقَى وَيَنْفَدُ مَا سِوَاهُ

 

في إسناده محمد بن عون وهو متروك. وباقي رجاله ثقات

أخبرنا يعلى، حدثنا محمد بن عون، عن إبراهيم بن عيسى، قال: قال ابن مسعود: «لا تعلموا العلم لثلاث لتماروا به السفهاء، وتجادلوا به العلماء، ولتصرفوا به وجوه الناس إليكم، وابتغوا بقولكم ما عند الله، فإنه يدوم ويبقى وينفد ما سواه في إسناده محمد بن عون وهو متروك. وباقي رجاله ثقات

 হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai’f)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ২৬২

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ২৭. ইলমের ভিত্তিতে আমল করা এবং এতে নিয়ত সহীহ রাখা

২৬২. একই সনদে তিনি আরও বলেন, “তোমরা জ্ঞানের ঝর্ণা হও, হেদায়েতের আলোকবর্তিকা হও, গৃহসমূহের পরিচ্ছদ হও (গৃহের জন্য অপরিহার্য্য), রাতের প্রদীপ হও, অন্তরসমূহের ঐকান্তিকতা হও, পুরাতন পোশাক খণ্ড হয়ে যাও, আসমানবাসীর নিকট সুপরিচিত হও এবং জমিনবাসীর নিকট অপরিচিত (গোপন) হও।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এটি পূর্ববতী হাদীসের সনদ।

 

তাখরীজ: বাইহাকী, শুয়াবুল ঈমান, ১৭২৯; এর সনদও যয়ীফ।

بَابُ الْعَمَلِ بِالْعِلْمِ وَحُسْنِ النِّيَّةِ فِيهِ

وَبِهَذَا الْإِسْنَادِ قَالَ: كُونُوا يَنَابِيعَ الْعِلْمِ مَصَابِيحَ الْهُدَى، أَحْلَاسَ الْبُيُوتِ، سُرُجَ اللَّيْلِ، جُدُدَ الْقُلُوبِ، خُلْقَانَ الثِّيَابِ، تُعْرَفُونَ فِي أَهْلِ السَّمَاءِ، وَتَخْفَوْنَ عَلَى أَهْلِ الْأَرْضِ

 

إسناده ضعيف

وبهذا الإسناد قال: كونوا ينابيع العلم مصابيح الهدى، أحلاس البيوت، سرج الليل، جدد القلوب، خلقان الثياب، تعرفون في أهل السماء، وتخفون على أهل الأرض إسناده ضعيف

 হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai’f)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ২৬৩

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ২৭. ইলমের ভিত্তিতে আমল করা এবং এতে নিয়ত সহীহ রাখা

২৬৩. আব্দুল্লাহ্ ইবনু আব্দুর রহমান থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “যে ব্যক্তি এ ইলম অন্বেষণ করবে এবং এর মাধ্যমে  দুনিয়া (এর সম্পদ)-ই তার একমাত্র উদ্দেশ্যে হবে, কিয়ামতের দিন আল্লাহ তাঁর জন্য জান্নাতের সুঘ্রাণও হারাম করে দিবেন।”[1]

[1] তাহাক্বীক্ব: আব্দুল্লাহ ইবনু আব্দুর রহমান পর্যন্ত এর সনদ সহীহ। কিন্তু এটি মুরসাল; বরং সম্ভবত এটি মু’দ্বাল। কিন্তু আবী হুরাইরা হতে বর্ণিত এর শাহিদ হাদীস রয়েছে ইবনু আবী শাইবা ৮/৭৩১ নং ৬১৭৮।

 

তাখরীজ: ইবনু মাজাহ, মুকাদ্দামাহ ২৫২; আবু দাউদ ৩৬৬৪; ইবনু আব্দুল বার, জামি’ নং ১১৪৫; আহমদ ২/৩৩৮ আবু হুরাইরা হতে….। হাকিম ও যাহাবী একে সহীহ বলেছেন।

بَابُ الْعَمَلِ بِالْعِلْمِ وَحُسْنِ النِّيَّةِ فِيهِ

أَخْبَرَنَا أَبُو عَاصِمٍ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عُمَارَةَ بْنِ حَزْمٍ، حَدَّثَنِي عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «لَا يَطْلُبُ هَذَا الْعِلْمَ أَحَدٌ لَا يُرِيدُ بِهِ إِلَّا الدُّنْيَا، إِلَّا حَرَّمَ اللَّهُ عَلَيْهِ عَرْفَ الْجَنَّةِ يَوْمَ الْقِيَامَةِ

 

إسناده صحيح إلى عبد الله بن عبد الرحمن وهو مرسل بل ربما كان معضلا

أخبرنا أبو عاصم، حدثنا محمد بن عمارة بن حزم، حدثني عبد الله بن عبد الرحمن، قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «لا يطلب هذا العلم أحد لا يريد به إلا الدنيا، إلا حرم الله عليه عرف الجنة يوم القيامة إسناده صحيح إلى عبد الله بن عبد الرحمن وهو مرسل بل ربما كان معضلا

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ২৬৪

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ২৭. ইলমের ভিত্তিতে আমল করা এবং এতে নিয়ত সহীহ রাখা

২৬৪. মালিক ইবনু মিগওয়াল হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, শা’বীকে কোন এক ব্যক্তি বলল, হে আলিম, আপনি আমাকে একটি বিষয়ে ফতওয়া দিন। তখন তিনি বলেন, আলিম হল ঐ ব্যক্তি যে আল্লাহ আযযা ওয়া জাল্লাকে ভয় করে।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ১৪/৪৮ নং ১৭৫১৭; আবু নুয়াইম, আল হিলইয়া ৪/৩১১।

بَابُ الْعَمَلِ بِالْعِلْمِ وَحُسْنِ النِّيَّةِ فِيهِ

أَخْبَرَنَا مُجَاهِدُ بْنُ مُوسَى، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ نُمَيْرٍ، عَنْ مَالِكِ بْنِ مِغْوَلٍ، قَالَ: قَالَ رَجُلٌ لِلشَّعْبِيِّ: أَفْتِنِي أَيُّهَا الْعَالِمُ، فَقَالَ: «الْعَالِمُ مَنْ يَخَافُ اللَّهَ» عَزَّ وَجَلَّ

 

إسناده صحيح

أخبرنا مجاهد بن موسى، حدثنا عبد الله بن نمير، عن مالك بن مغول، قال: قال رجل للشعبي: أفتني أيها العالم، فقال: «العالم من يخاف الله» عز وجل إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ২৬৫

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ২৭. ইলমের ভিত্তিতে আমল করা এবং এতে নিয়ত সহীহ রাখা

২৬৫. আওফা ইবনু দালহাম হতে বর্ণিত, আলী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন: “তোমরা ইলম শিক্ষা কর, তাহলে এর দ্বারাই তোমরা পরিচিতি লাভ করবে, তোমরা এর দ্বারা আমল করতে পারবে, আর তোমরা জ্ঞানের বাহক হয়ে যাবে। কেননা, নিশ্চয় এ যামানার পরেই এমন এক যামানা আসবে, যখন দশজনের নয়জন লোকই ভালো কথা/কাজ (মা’রুফ) বিষয়ে জানবে না। আর এ (ফিতনা) থেকে অখ্যাত (অকল্যাণ থেকে বেখেয়াল) ব্যক্তিবর্গ ব্যতীত আর কেউ রক্ষা পাবে না। আর তারাই হলেন সঠিকপথের ইমাম (আলিম) এবং ইলমের আলোকবর্তিকা। আর তারা মন্দ কাজ ও চোগলখুরীতে ব্যস্ত থাকে না, এবং তারা লোকদের মাঝে কুৎসা ও অশ্লীলতার প্রচারকারী নন।[1]

আবু মুহাম্মদ (দারেমী) বলেন: ’نومة ’: অকল্যাণ (ফিতনা) থেকে বেখেয়ালী ব্যক্তিবর্গ। المذاييع: বাচালতা, অধিক কথা বলা। البذر চোগলখোর, কুৎসা রটনাকারীগণ।

[1] তাহক্বীক্ব: এর রাবীগণ নির্ভরযোগ্য, তবে এ সনদে বিচ্ছিন্নতা রয়েছে। আমরা যতদূর জানতে পেরেছি, আওফা বিন দুলহাম আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে কোন কিছু শ্রবণ করেননি। আল্লাহই ভাল জানেন।

 

তাখরীজ: আহমদ, আয যুহদ পৃ. ১৩০; দেখুন শুয়াবুল ঈমান ৯৬৭০।

بَابُ الْعَمَلِ بِالْعِلْمِ وَحُسْنِ النِّيَّةِ فِيهِ

أَخْبَرَنَا عُثْمَانُ بْنُ عُمَرَ، حَدَّثَنَا عُمَرُ بْنُ مَزْيَدٍ، عَنْ أَوْفَى بْنِ دَلْهَمٍ: أَنَّهُ بَلَغَهُ عَنْ عَلِيٍّ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ، قَالَ: «تَعَلَّمُوا الْعِلْمَ، تُعْرَفُوا بِهِ، وَاعْمَلُوا بِهِ، تَكُونُوا مِنْ أَهْلِهِ، فَإِنَّهُ سَيَأْتِي بَعْدَ هَذَا زَمَانٌ لَا يَعْرِفُ فِيهِ تِسْعَةُ عُشَرَائِهِمُ الْمَعْرُوفَ، وَلَا يَنْجُو مِنْهُ إِلَّا كُلُّ نُوَمَةٍ فَأُولَئِكَ أَئِمَّةُ الْهُدَى وَمَصَابِيحُ الْعِلْمِ، لَيْسُوا بِالْمَسَايِيحِ وَلَا الْمَذَايِيعِ الْبُذْرِ» قَالَ أَبُو مُحَمَّدٍ: نُوَمَةٌ: غَافِلٌ عَنِ الشَّرِّ، الْمَذَايِيعُ: كَثِيرُ الْكَلَامِ، وَالْبُذْرُ: النَّمَّامُونَ

 

رجاله ثقات غير أنه منقطع أوفى بن دلهم لم يسمع عليا فيما نعلم

أخبرنا عثمان بن عمر، حدثنا عمر بن مزيد، عن أوفى بن دلهم: أنه بلغه عن علي رضي الله عنه، قال: «تعلموا العلم، تعرفوا به، واعملوا به، تكونوا من أهله، فإنه سيأتي بعد هذا زمان لا يعرف فيه تسعة عشرائهم المعروف، ولا ينجو منه إلا كل نومة فأولئك أئمة الهدى ومصابيح العلم، ليسوا بالمساييح ولا المذاييع البذر» قال أبو محمد: نومة: غافل عن الشر، المذاييع: كثير الكلام، والبذر: النمامون رجاله ثقات غير أنه منقطع أوفى بن دلهم لم يسمع عليا فيما نعلم

 হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai’f)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ২৬৬

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ২৭. ইলমের ভিত্তিতে আমল করা এবং এতে নিয়ত সহীহ রাখা

২৬৬. ইয়াযীদ ইবনু জাবির বলেন, মুয়ায ইবনু জাবাল রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন: “তোমরা জ্ঞান অর্জন করার পরে তোমাদের ইচ্ছা অনুযায়ী আমল কর। কেননা, তোমরা আমল না করা পর্যন্ত কখনোই আল্লাহ তা’আলা তোমাদেরকে ইলমের সাওয়াব দিবেন না।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর রাবীগণ নির্ভরযোগ্য, তবে ইয়াযীদ ইবনু জাবির আল আযদী মুয়ায ইবনু জাবাল রাদিয়াল্লাহু আনহু এর সাক্ষাৎ লাভ করেননি। আর আল্লাহই সর্বাধিক অবগত।

 

তাখরীজ: ইবনুল মুবারক, আয যুহদ নং ৬২; তার থেকে আবু নুয়াইম, হিলইয়া ১/২৩৬; খতীব, ইকতিদাউল ইলম নং ৭, ৮ মারফু’ হিসেবে; তবে সঠিক হল এটি মাওকুফ।

بَابُ الْعَمَلِ بِالْعِلْمِ وَحُسْنِ النِّيَّةِ فِيهِ

أَخْبَرَنَا مَرْوَانُ بْنُ مُحَمَّدٍ، حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ عَبْدِ الْعَزِيزِ، عَنْ يَزِيدَ بْنِ جَابِرٍ، قَالَ: قَالَ مُعَاذُ بْنُ جَبَلٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ، «اعْمَلُوا مَا شِئْتُمْ بَعْدَ أَنْ تَعْلَمُوا، فَلَنْ يَأْجُرَكُمُ اللَّهُ تَعَالَى بِالْعِلْمِ حَتَّى تَعْمَلُوا

 

إسناده رجاله ثقات غير أن يزيد بن جابر الأزدي لم يدرك معاذ بن جبل

أخبرنا مروان بن محمد، حدثنا سعيد بن عبد العزيز، عن يزيد بن جابر، قال: قال معاذ بن جبل رضي الله عنه، «اعملوا ما شئتم بعد أن تعلموا، فلن يأجركم الله تعالى بالعلم حتى تعملوا إسناده رجاله ثقات غير أن يزيد بن جابر الأزدي لم يدرك معاذ بن جبل

 হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai’f)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ২৬৭

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ২৭. ইলমের ভিত্তিতে আমল করা এবং এতে নিয়ত সহীহ রাখা

২৬৭. সা’দ বর্ণনা করেন যে, তিনি ইবনু মুনাব্বিহ’র নিকট এসে তাঁকে হাসান সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলেন এবং তাকে বললেন: তার বিবেক-বুদ্ধির কী অবস্থা? তখন তিনি (তার সম্পর্কে) তাকে জানালেন। এরপর বললেন, নিশ্চয়ই আমরা বলাবলি করি, কিংবা আমরা কিতাবসমূহে পেয়েছি যে, আল্লাহ তাঁর একজন বান্দাকে ইলম দান করলেন, অত:পর সে ব্যক্তি তার জ্ঞান-বুদ্ধি অনুযায়ী হেদায়েতের পথে আমল করলো। তারপর আল্লাহ তার জ্ঞান-বুদ্ধি ছিনিয়ে নেন, এমনকি এভাবেই তিনি তাকে মৃত্যু দেন।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এ সনদে সা’দ রয়েছে যাকে আমি চিনি না; অন্যান্য রাবীগণ নির্ভরযোগ্য। (তবে সা’দের সূত্র ছাড়াই ইয়াযিদ সরাসরি ওয়াহাব ইবনু মুনাব্বিহ’র সাথে সাক্ষাত করে এটি শুনেছেন। এবং এর সনদের রাবীগণকে বিশ্বস্ত বলা হয়েছে।- ফাতহুল মান্নান, হা/২৭৫ এর টীকা দ্রষ্টব্য।-অনুবাদক)

 

তাখরীজ: বাইহাকী, শুয়াবুল ঈমান ৪/৪৫৯ নং১৭৪০ ও ১৮৮৩; (আব্দুল্লাহ ইবনু আহমাদ, যাওয়াইদ আয যুহদ /৩৮০ নং ১৫২৭-ফাতহুল মান্নান)

بَابُ الْعَمَلِ بِالْعِلْمِ وَحُسْنِ النِّيَّةِ فِيهِ

أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ خَالِدِ بْنِ حَازِمٍ، حَدَّثَنَا الْوَلِيدُ بْنُ مَزْيَدٍ، قَالَ: سَمِعْتُ عَبْدَ الرَّحْمَنِ بْنَ يَزِيدَ بْنِ جَابِرٍ، يُحَدِّثُ: عَنْ سَعْدٍ أَنَّهُ أَتَى ابْنَ مُنَبِّهٍ فَسَأَلَهُ عَنِ الْحَسَنِ وَقَالَ لَهُ: كَيْفَ عَقْلُهُ؟ فَأَخْبَرَهُ، ثُمَّ قَالَ: «إِنَّا لَنَتَحَدَّثُ – أَوْ نَجِدُ فِي الْكُتُبِ – أَنَّهُ مَا آتَى اللَّهُ سُبْحَانَهُ عَبْدًا عِلْمًا فَعَمِلَ بِهِ عَلَى سَبِيلِ الْهُدَى، فَيَسْلُبَهُ عَقْلَهُ حَتَّى يَقْبِضَهُ اللَّهُ إِلَيْهِ

 

في إسناده سعد وما عرفته وباقي رجاله ثقات

أخبرنا عبد الله بن خالد بن حازم، حدثنا الوليد بن مزيد، قال: سمعت عبد الرحمن بن يزيد بن جابر، يحدث: عن سعد أنه أتى ابن منبه فسأله عن الحسن وقال له: كيف عقله؟ فأخبره، ثم قال: «إنا لنتحدث – أو نجد في الكتب – أنه ما آتى الله سبحانه عبدا علما فعمل به على سبيل الهدى، فيسلبه عقله حتى يقبضه الله إليه في إسناده سعد وما عرفته وباقي رجاله ثقات

 হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ২৬৮

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ২৭. ইলমের ভিত্তিতে আমল করা এবং এতে নিয়ত সহীহ রাখা

২৬৮. আবু কাবশা আস সালুলী থেকে বর্ণিত তিনি বলেন, আমি আবু দারদা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেছেন: কিয়ামত দিবসে আল্লাহ’র নিকট সবচেয়ে নিকৃষ্ট অবস্থা হবে ঐ ব্যক্তির, যেই আলিম তার ইলম দ্বারা উপকৃত হয়নি।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ অত্যন্ত দুর্বল।

 

তাখরীজ: ইবনুল মুবারক, আয যুহদ নং ৪০; তার সনদে আবী নুয়াইম, হিলইয়া ১/২২৩; এবং ইবনু আব্দুল বার, জামি’ই বায়ানিল ইলম নং ১০৭৮; এ সনদে অজ্ঞতা রয়েছে।

بَابُ الْعَمَلِ بِالْعِلْمِ وَحُسْنِ النِّيَّةِ فِيهِ

أَخْبَرَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ أَبَانَ، عَنِ ابْنِ الْقَاسِمِ بْنِ قَيْسٍ، قال: حَدَّثَنِي يُونُسُ بْنُ سَيْفٍ الْحِمْصِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنِي أَبُو كَبْشَةَ السَّلُولِيُّ، قَالَ: سَمِعْتُ أَبَا الدَّرْدَاءِ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ، يَقُولُ: «إِنَّ مِنْ أَشَرِّ النَّاسِ عِنْدَ اللَّهِ مَنْزِلَةً يَوْمَ الْقِيَامَةِ، عَالِمٌ لَا يَنْتَفِعُ بِعِلْمِهِ

 

إسناده ضعيف جدا ابن القاسم هو عبد الغفار بن القاسم بن قيس قال ابن المديني: كان يضع الحديث

أخبرنا إسماعيل بن أبان، عن ابن القاسم بن قيس، قال: حدثني يونس بن سيف الحمصي، قال: حدثني أبو كبشة السلولي، قال: سمعت أبا الدرداء رضي الله عنه، يقول: «إن من أشر الناس عند الله منزلة يوم القيامة، عالم لا ينتفع بعلمه إسناده ضعيف جدا ابن القاسم هو عبد الغفار بن القاسم بن قيس قال ابن المديني: كان يضع الحديث

 হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai’f)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ২৬৯

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ২৭. ইলমের ভিত্তিতে আমল করা এবং এতে নিয়ত সহীহ রাখা

২৬৯. মালিক ইবনু দীনার হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আবু দারদা’ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, যে ব্যক্তি তার জ্ঞান বৃদ্ধি করল, সে তার কষ্ট-যন্ত্রণাকে বৃদ্ধি করল।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এ সনদে দু’টি ত্রুটি রয়েছে। ১. মালিক ইবনু দীনার আবু দারদার সাক্ষাৎ লাভ করেননি। ফলে এ সনদটি বিচ্ছিন্ন। ২. আবু কুদামাহ হলেন হারিছ ইবনু উবাইদ, তিনি দুর্বল রাবী।

 

তাখরীজ: ইবনু আব্দুল বার, জামি’ বায়ানিল ইলম নং ৯০০।

بَابُ الْعَمَلِ بِالْعِلْمِ وَحُسْنِ النِّيَّةِ فِيهِ

أَخْبَرَنَا عَمْرُو بْنُ عَوْنٍ، أَنبَأَنَا أَبُو قُدَامَةَ، عَنْ مَالِكِ بْنِ دِينَارٍ، قَالَ: قَالَ أَبُو الدَّرْدَاءِ مَنْ يَزْدَدْ عِلْمًا، يَزْدَدْ وَجَعًا

 

في إسناده علتان: الأولى مالك بن دينار لم يدرك أبا الدرداء فالإسناد منقطع والثانية: أبو قدامة وهو: الحارث بن عبيد وهو ضعيف

أخبرنا عمرو بن عون، أنبأنا أبو قدامة، عن مالك بن دينار، قال: قال أبو الدرداء من يزدد علما، يزدد وجعا في إسناده علتان: الأولى مالك بن دينار لم يدرك أبا الدرداء فالإسناد منقطع والثانية: أبو قدامة وهو: الحارث بن عبيد وهو ضعيف

 হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai’f)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ২৭০

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ২৭. ইলমের ভিত্তিতে আমল করা এবং এতে নিয়ত সহীহ রাখা

২৭০. (একই সনদে) আবী দারদা’ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, আমি আমার নিজের ব্যাপারে ভয় পাই না যে, আমাকে জিজ্ঞেস করা হবে, তুমি কী শিক্ষা করেছ? বরং আমি নিজের ব্যাপারে ভয় পাই যে, আমাকে জিজ্ঞেস করা হবে, তুমি কী আমল করেছ?[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদও পূর্বের হাদীসটির সনদের অনুরূপ। (তবে অন্য সনদে ইবনু আব্দুল বারর এটি বর্ণনা করেছেন যা সহীহ। তাখরীজ দেখুন-অনুবাদক)

 

তাখরীজ: থতীব, ইকতিদাউল ইলম ওয়াল আমল, মাওকুফ হিসেবে; ইবনুল মুবারক, আয যুহদ নং ৩৯; ইবনু্ আব্দুল বার, জামি’ বায়ানিল ইলম নং ১২০১; ইবনু আবী শাইবা ১৩/৩১১ নং ১৬৪৪৬; আহমদ, আয যুহদ পৃ: ১৩৬; আবু নুয়াইম, হিলইয়া ১/২১৩। তবে ইবনু আব্দুল বার অপর সনদে কাছীর বিন আব্দুল্লাহ হতে তিনি আবু দারদা হতে এটি বর্ণনা করেছেন জামি’ বয়ানুল ইলম নং ১২০৪, এর সনদ সহীহ।

بَابُ الْعَمَلِ بِالْعِلْمِ وَحُسْنِ النِّيَّةِ فِيهِ

أَخْبَرَنَا وقالَ أَبُو الدَّرْدَاءِ: ” مَا أَخَافُ عَلَى نَفْسِي أَنْ يُقَالَ لِي: مَا عَلِمْتَ، وَلَكِنْ أَخَافُ أَنْ يُقَالَ لِي: مَاذَا عَمِلْتَ؟

أخبرنا وقال أبو الدرداء: ” ما أخاف على نفسي أن يقال لي: ما علمت، ولكن أخاف أن يقال لي: ماذا عملت؟

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ২৭১

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ২৭. ইলমের ভিত্তিতে আমল করা এবং এতে নিয়ত সহীহ রাখা

২৭১. ইবনু আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাতে সামান্য সময় জ্ঞান চর্চা করা সারা রাত্রি জাগরণ (তথা সালাত আদায়) করার চেয়ে উত্তম।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ যয়ীফ। (তবে বাইহাকীর বর্ণনাটির সনদ সহীহ। তাখরীজ দ্রষ্টব্য- অনুবাদক)

 

তাখরীজ: মা’মার, আল জামি’ (মুছান্নাফ আব্দুর রাযযাক এর সাথে সংযুক্তভাবে প্রকাশিত) নং ১১/২৫৩ নং ২০৪৬৯; ইবনু আব্দুল বার, জামি’ বায়ানিল ইলম নং ১০৭; বাইহাকী, আল মাদখাল নং ৪৫৯ এর সনদ সহীহ; আর অনেক শাহিদ আছার রয়েছে। দেখুন, জামি’ বায়ানিল ইলম নং ৯৬-১০৬; আল ফাকীহ ওয়াল মুতাফাককিহ ১/১৪-১৯।

بَابُ الْعَمَلِ بِالْعِلْمِ وَحُسْنِ النِّيَّةِ فِيهِ

أَخْبَرَنَا هَارُونُ بْنُ مُعَاوِيَةَ، عَنْ حَفْصِ بْنِ غِيَاثٍ، قَالَ: سَمِعْتُ ابْنَ جُرَيْجٍ، يَذْكُرُ عَمَّنْ حَدَّثَهُ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ، قَالَ: تَدَارُسُ الْعِلْمِ سَاعَةً مِنَ اللَّيْلِ، خَيْرٌ مِنْ إِحْيَائِهَا

 

إسناده ضعيف

أخبرنا هارون بن معاوية، عن حفص بن غياث، قال: سمعت ابن جريج، يذكر عمن حدثه، عن ابن عباس رضي الله عنه، قال: تدارس العلم ساعة من الليل، خير من إحيائها إسناده ضعيف

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ২৭২

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ২৭. ইলমের ভিত্তিতে আমল করা এবং এতে নিয়ত সহীহ রাখা

২৭২. আবু হুরাইরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, আমি রাত্রিকে তিনটি ভাগে ভাগ করি। এক তৃতীয়াংশ সময় আমি ঘুমাই, আর এক তৃতীয়াংশ সময় আমি রাতের সালাত আদায় করি এবং এক তৃতীয়াংশ সময় আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের হাদীসসমূহ চর্চা (শিক্ষা) করি।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ পূর্বের সনদের অনুরূপ। এটি এখানে ব্যতীত আর কোথাও আমি পাইনি।

بَابُ الْعَمَلِ بِالْعِلْمِ وَحُسْنِ النِّيَّةِ فِيهِ

أَخْبَرَنَا، وَقَالَ أَبُو هُرَيْرَةَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ، ” إِنِّي لَأُجَزِّئُ اللَّيْلَ ثَلَاثَةَ أَجْزَاءٍ: فَثُلُثٌ أَنَامُ، وَثُلُثٌ أَقُومُ، وَثُلُثٌ أَتَذَكَّرُ أَحَادِيثَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسلَّمَ

أخبرنا، وقال أبو هريرة رضي الله عنه، ” إني لأجزئ الليل ثلاثة أجزاء: فثلث أنام، وثلث أقوم، وثلث أتذكر أحاديث رسول الله صلى الله عليه وسلم

 হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai’f)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ২৭৩

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ২৭. ইলমের ভিত্তিতে আমল করা এবং এতে নিয়ত সহীহ রাখা

২৭৩. ইবরাহীম হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, যে ব্যক্তি কোনো প্রকার জ্ঞান অন্বেষণ করে, আর এতে তার একমাত্র লক্ষ্য হয় আল্লাহ সুবহানাহু’র সন্তুষ্টি লাভ, তবে আল্লাহ তাকে এই পরিমাণ ইলম দান করেন, যা তার জন্য যথেষ্ট হয়ে যাবে।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা, আল মুছান্নাফ ১৩/৫৫৩ নং ১৭২৪৮; আবু নুয়াইম, হিলইয়া ৪/২২৮; আবী খায়ছামা, আল ইলম নং-১১১।

بَابُ الْعَمَلِ بِالْعِلْمِ وَحُسْنِ النِّيَّةِ فِيهِ

أَخْبَرَنَا الْحَسَنُ بْنُ عَرَفَةَ، حَدَّثَنَا جَرِيرٌ، عَنِ الْحَسَنِ بْنِ عَمْرٍو، عَنْ إِبْرَاهِيمَ، قَالَ: «مَنِ ابْتَغَى شَيْئًا مِنَ الْعِلْمِ يَبْتَغِي بِهِ وَجْهَ اللَّهِ سُبْحَانَهُ، آتَاهُ اللَّهُ مِنْهُ مَا يَكْفِيهِ

 

إسناده صحيح

أخبرنا الحسن بن عرفة، حدثنا جرير، عن الحسن بن عمرو، عن إبراهيم، قال: «من ابتغى شيئا من العلم يبتغي به وجه الله سبحانه، آتاه الله منه ما يكفيه إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ২৭৪

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ২৮. যে ব্যক্তি ভুল হবার আশঙ্কায় ফতওয়া দেয়াকে ভয় পায়

২৭৪. আসিম হতে বর্ণিত, তিনি বলেন: আমি শা’বী রাহিমাহুল্লাহকে একটি হাদীস সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলাম, যা তিনি আমার নিকট বর্ণনা করেছিলেন। আমি বললাম: এটিকে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পর্যন্ত পৌঁছানো হয়ে থাকে। তখন তিনি বললেন, না, বরং নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ব্যতীত অন্য কোনো ব্যক্তির উপর (এ হাদীসটি) আরোপ করা আমাদের নিকট অধিক পছন্দনীয়। কেননা, যদি এতে কোনো অতিরিক্ত সংযোজন কিংবা বিয়োজন থাকে, তবে তা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ব্যতীত অপর কারোর উপর আরোপ করাই শ্রেয়।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: শা’বী পর্যন্ত এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা, আল ‍মুছান্নাফ ৮/৭৫৪ নং ৬২৭৫।

بَابُ مَنْ هَابَ الْفُتْيَا مَخَافَةَ السَّقَطِ

أَخْبَرَنَا أَبُو النُّعْمَانِ، حَدَّثَنَا ثَابِتُ بْنُ يَزِيدَ، حَدَّثَنَا عَاصِمٌ، قَالَ: سَأَلْتُ الشَّعْبِيَّ، عَنْ حَدِيثٍ فَحَدَّثَنِيهِ، فَقُلْتُ: إِنَّهُ يُرْفَعُ إِلَى النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ. فَقَالَ: لَا عَلَى مَنْ دُونَ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَحَبُّ إِلَيْنَا فَإِنْ كَانَ فِيهِ زِيَادَةٌ أَوْ نُقْصَانٌ، كَانَ عَلَى مَنْ دُونَ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ

 

إسناده صحيح إلى الشعبي

أخبرنا أبو النعمان، حدثنا ثابت بن يزيد، حدثنا عاصم، قال: سألت الشعبي، عن حديث فحدثنيه، فقلت: إنه يرفع إلى النبي صلى الله عليه وسلم. فقال: لا على من دون النبي صلى الله عليه وسلم أحب إلينا فإن كان فيه زيادة أو نقصان، كان على من دون النبي صلى الله عليه وسلم إسناده صحيح إلى الشعبي

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ২৭৫

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ২৮. যে ব্যক্তি ভুল হবার আশঙ্কায় ফতওয়া দেয়াকে ভয় পায়

২৭৫. ইবরাহীম রাহি. হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ’মুহাক্বালাহ’[1] (পরিপক্ক হওয়ার পূর্বে ফসল বিক্রয় কিংবা বর্গা চাষ) এবং ’মুযাবানাহ’[2] (গাছে থাকা অবস্থায় ফল বিক্রয়) থেকে নিষেধ করেছেন। তখন তাকে বলা হল, আপনি কি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে এটি ব্যতীত আর কোনো হাদীস স্মরণ রেখেছেন? তিনি বলেন, অবশ্যই। তবে আমার নিকট অধিক প্রিয় হল আমার একথা বলা যে, ’আব্দুল্লাহ (ইবনু মাসউদ) বলেছেন’, ’আলক্বামা বলেছেন’।[3]

[1] ইবনুল আছীর, তার আন নিহায়া গ্রন্থে বলেন, মুহাক্বালাহ সম্পর্কে ইখতিলাফ রয়েছে। বলা হয়: খাদ্যশস্য দ্বারা জমি ইজারা বা ভাড়া নেওয়া। আবার বলা হয়: নির্ধারিত অংশ যেমন এক তৃতীয়াংশ, এক চতুর্থাংশ বা অনুরূপ খাদ্যশস্য প্রদানের শর্তে জমি চাষ।

আবার বলা হয়: ফসল পাওয়ার পূর্বে বিক্রি করা। …

[2] মুযাবানাহ: শুকনো খেজুরের বিনিময়ে গাছে থাকা খেজুরের ক্রয়-বিক্রয়।

[3] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ। তবে এটি মুরসাল।

 

তাখরীজ: ইবনু সা’দ, আত তাবাকাত ৬/১৯০; এর শাহিদ রয়েছে আবু সাঈদ আল খুদরীর হাদীসে, যা বুখারী ও মুসলিমে বর্ণিত হয়েছে। এছাড়া জাবির কর্তৃক বর্ণিত সহীহ হাদীস রয়েছে যা মুসনাদে মাউসিলী নং ১৮০৬, ১৮৪৫ ও ২১৪১ এ।

بَابُ مَنْ هَابَ الْفُتْيَا مَخَافَةَ السَّقَطِ

أَخْبَرَنَا إِسْحَاقُ بْنُ عِيسَى، حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ، عَنْ أَبِي هَاشِمٍ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ، قَالَ «نَهَى رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَنِ الْمُحَاقَلَةِ وَالْمُزَابَنَةِ» فَقِيلَ لَهُ: أَمَا تَحْفَظُ عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ حَدِيثًا غَيْرَ هَذَا، قَالَ: بَلَى، وَلَكِنْ أَقُولُ قَالَ: عَبْدُ اللَّهِ، قَالَ عَلْقَمَةُ، أَحَبُّ إِلَيَّ

 

إسناده صحيح وهو مرسل

أخبرنا إسحاق بن عيسى، حدثنا حماد بن زيد، عن أبي هاشم، عن إبراهيم، قال «نهى رسول الله صلى الله عليه وسلم عن المحاقلة والمزابنة» فقيل له: أما تحفظ عن رسول الله صلى الله عليه وسلم حديثا غير هذا، قال: بلى، ولكن أقول قال: عبد الله، قال علقمة، أحب إلي إسناده صحيح وهو مرسل

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ২৭৬

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ২৮. যে ব্যক্তি ভুল হবার আশঙ্কায় ফতওয়া দেয়াকে ভয় পায়

২৭৬. ইসমাঈল ইবনু উবাইদুল্লাহ হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আবু দারদা’ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু যখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে কোনো হাদীস বর্ণনা করতেন, তখন একথা বলতেন: “অথবা এর অনুরূপ’, ’অথবা এরকম’ ’কিংবা এইরূপ’ (বলেছেন)।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদে দু’টি ত্রুটি বিদ্যমান। ১. ইসমাঈল ইবনু উবাইদুল্লাহ আল মাখযুমী আবী দারদাআ’র সাক্ষাত লাভ করেননি। ২. মুহাম্মদ ইবনু কাছীর ছাকাফী দুর্বল বর্ণনাকারী।

 

তাখরীজ: আবু যুর’আহ, তারীখ নং ১৪৭৩; খতীব, আল কিফায়াহ পৃ. ২০৬।

بَابُ مَنْ هَابَ الْفُتْيَا مَخَافَةَ السَّقَطِ

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ كَثِيرٍ، عَنِ الْأَوْزَاعِيِّ، عَنْ إِسْمَاعِيلَ بْنِ عُبَيْدِ اللَّهِ، قَالَ: ” كَانَ أَبُو الدَّرْدَاءِ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ، إِذَا حَدَّثَ بِحَدِيثٍ عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: هَذَا: أَوْ نَحْوَهُ، أَوْ شِبْهَهُ، أَوْ شَكْلَهُ

 

إسناده فيه علتان: إسماعيل بن عبيد الله المخزومي لم يدرك أبا الدرداء ومحمد بن كثير الثقفي الصنعاني ضعيف

أخبرنا محمد بن كثير، عن الأوزاعي، عن إسماعيل بن عبيد الله، قال: ” كان أبو الدرداء رضي الله عنه، إذا حدث بحديث عن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: هذا: أو نحوه، أو شبهه، أو شكله إسناده فيه علتان: إسماعيل بن عبيد الله المخزومي لم يدرك أبا الدرداء ومحمد بن كثير الثقفي الصنعاني ضعيف

 হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai’f)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ২৭৭

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ২৮. যে ব্যক্তি ভুল হবার আশঙ্কায় ফতওয়া দেয়াকে ভয় পায়

২৭৭. রবীয়াহ ইবনু ইয়াযীদ হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আবু দারদা’ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু যখন কোনো হাদীস বর্ণনা করতেন, তখন বলতেন: “হে আল্লাহ! তবে এইরূপ, কিংবা এর অনুরূপ (তিনি বলেছেন)।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: বর্ণনাকারীগণ নির্ভরযোগ্য। তবে এটি মুনক্বাতি’ বা বিচ্ছিন্ন। রবীয়াহ ইবনু ইয়াযীদ আবু দারদা’র সাক্ষাৎ পাননি।

 

তাখরীজ: আবু যুর’আহ, তারীখ নং ১৪৮৪; খতীব, আল কিফায়াহ পৃ. ২০৫; …. পরবর্তী আছারটি দেখুন। এর পূর্ণ তাখরীজ দেখুন, মাজমাওয যাওয়াইদ নং ৬১২।

بَابُ مَنْ هَابَ الْفُتْيَا مَخَافَةَ السَّقَطِ

أَخْبَرَنَا أَسَدُ بْنُ مُوسَى، حَدَّثَنَا مُعَاوِيَةُ، عَنْ رَبِيعَةَ بْنِ يَزِيدَ، قَالَ: ” كَانَ أَبُو الدَّرْدَاءِ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ، إِذَا حَدَّثَ حَدِيثًا، قَالَ: اللَّهُمَّ إِلَّا هَكَذَا، أَوْ كَشَكْلِهِ

 

رجاله ثقات غير أنه منقطع: ربيعة بن يزيد لم يدرك أبا الدرداء

أخبرنا أسد بن موسى، حدثنا معاوية، عن ربيعة بن يزيد، قال: ” كان أبو الدرداء رضي الله عنه، إذا حدث حديثا، قال: اللهم إلا هكذا، أو كشكله رجاله ثقات غير أنه منقطع: ربيعة بن يزيد لم يدرك أبا الدرداء

 হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai’f)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ২৭৮

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ২৮. যে ব্যক্তি ভুল হবার আশঙ্কায় ফতওয়া দেয়াকে ভয় পায়

২৭৮. আমর ইবনু মাইমুন বলেন, আব্দুল্লাহ ইবনু মাসউদ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু’র সান্ধ্যকালীন সমাবেশ কখনো আমার হাতছাড়া হয়নি। আর আমি তাকে কোনো বিষয়ে কখনো বলতে শুনিনি ’রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন’। কিন্তু একদিন সন্ধ্যায় যখন তিনি বলে ফেললেন, ’রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন’, আমর ইবনু মাইমুন বলেন, তখন তার দু’চোখ অশ্রু প্লাবিত হয়ে গেলো এবং (ভয়ে) ঘাড়ের শাহরগ স্ফীত হয়ে উঠল। তখন আমি লক্ষ্য করলাম, তার জামার বোতাম খোলা ছিল । আর তিনি বলছেন: ’অথবা এর অনুরূপ’ কিংবা ’এর মত’ কিংবা এ জাতীয় (কথা তিনি বলেছেন)।’[1]

[1] এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা, আল মুছান্নাফ ৮/৭৫৩-৭৫৪ নং ৬২৭৩; ইবনু মাজাহ, মুকাদ্দামাহ ২৩; বুসীরী মিছবাহুয যুজাজাহতে বলেন: এর সনদ সহীহ, এর সকল রিওয়ায়েতের উপর ইমাম বুখারী ও ইমাম মুসলিম নির্ভর করেছেন।

بَابُ مَنْ هَابَ الْفُتْيَا مَخَافَةَ السَّقَطِ

حَدَّثَنَا عُثْمَانُ بْنُ عُمَرَ، أَنبَأَنَا ابْنُ عَوْنٍ، عَنْ مُسْلِمٍ أَبِي عَبْدِ اللَّهِ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ التَّيْمِيِّ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَمْرِو بْنِ مَيْمُونٍ، قَالَ: كُنْتُ لَا تَفُوتُنِي عَشِيَّةُ خَمِيسٍ إِلَّا وَآتِي فِيهَا عَبْدَ اللَّهِ بْنَ مَسْعُودٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ، فَمَا سَمِعْتُهُ يَقُولُ لِشَيْءٍ، قَطُّ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ، حَتَّى كَانَتْ ذَاتَ عَشِيَّةٍ فَقَالَ: «قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ» قَالَ: ” فَاغْرَوْرَقَتْ عَيْنَاهُ وَانْتَفَخَتْ أَوْدَاجُهُ، فَأَنَا رَأَيْتُهُ مَحْلُولَةً أَزْرَارُهُ، وَقَالَ: «أَوْ مِثْلُهُ، أَوْ نَحْوُهُ، أَوْ شَبِيهٌ بِهِ

 

إسناده صحيح

حدثنا عثمان بن عمر، أنبأنا ابن عون، عن مسلم أبي عبد الله، عن إبراهيم التيمي، عن أبيه، عن عمرو بن ميمون، قال: كنت لا تفوتني عشية خميس إلا وآتي فيها عبد الله بن مسعود رضي الله عنه، فما سمعته يقول لشيء، قط: قال رسول الله، حتى كانت ذات عشية فقال: «قال رسول الله صلى الله عليه وسلم» قال: ” فاغرورقت عيناه وانتفخت أوداجه، فأنا رأيته محلولة أزراره، وقال: «أو مثله، أو نحوه، أو شبيه به إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ২৭৯

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ২৮. যে ব্যক্তি ভুল হবার আশঙ্কায় ফতওয়া দেয়াকে ভয় পায়

২৭৯. শা’বী ও ইবনু সীরীন হতে বর্ণিত যে, ইবনু মাসউদ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু যখন কোনো কোনো দিন রাসুলূল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে কোনো হাদীস বর্ণনা করতেন, তখন তার চেহারা পাংশুটে (ভয়ে ফ্যাকাসে)[1] হয়ে যেতো। আর তিনি বলতে থাকতেন: ’এইরূপ’, অথবা ’এর অনুরূপ’, ’এইরূপ’, অথবা ’এর অনুরূপ’।”[2]

[1] রাগের সময় ভীষণ লাল বর্ণ ধারণ করা।

 

[2] তাহক্বীক্ব: এর সনদ যয়ীফ। এ সনদে আশ’আস ইবনু সিওয়ার রয়েছে। পরের (নং ২৮৯), পূর্বের ও তার পূর্বের আছারগুলি দেখুন। (ইবনু মাসউদ হতে পূর্বের হাদীসে সহীহ সনদে এরূপ গত হয়েছে, যা এর শাহিদ হতে পারে- অনুবাদক)

 

তাখরীজ: (মুহাক্কিক্ব এর কোনো তাখরীজ করেন নি- অনুবাদক)

بَابُ مَنْ هَابَ الْفُتْيَا مَخَافَةَ السَّقَطِ

أَخْبَرَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ، أَنبَأَنَا أَشْعَثُ، عَنِ الشَّعْبِيِّ، وَابْنِ سِيرِينَ، أَنَّ ابْنَ مَسْعُودٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ، كَانَ إِذَا حَدَّثَ عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي الْأَيَّامِ تَرَبَّدَ وَجْهُهُ وَقَالَ: هَكَذَا أَوْ نَحْوَهُ، هَكَذَا أَوْ نَحْوَهُ

 

إسناده ضعيف فيه أشعث بن سوار

أخبرنا يزيد بن هارون، أنبأنا أشعث، عن الشعبي، وابن سيرين، أن ابن مسعود رضي الله عنه، كان إذا حدث عن رسول الله صلى الله عليه وسلم في الأيام تربد وجهه وقال: هكذا أو نحوه، هكذا أو نحوه إسناده ضعيف فيه أشعث بن سوار

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ২৮০

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ২৮. যে ব্যক্তি ভুল হবার আশঙ্কায় ফতওয়া দেয়াকে ভয় পায়

২৮০. তওবা আল আম্বারী বলেন, শা’বী আমাকে বলেছেন: তুমি কি অমুক ব্যক্তিকে দেখেছো, যে বলে, ’রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন’, ’রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন’? আমি ইবনু উমার এর সাথে দু’বছর কিংবা দেড় বছর যাবত বসেছি, কিন্তু তাকে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে কেবল এই হাদীসটি ব্যতীত আমি আর কোনো হাদীস বর্ণনা করতে শুনিনি।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা, ৮/৭৫৫ নং ৬২৭৮; রমহারমুযী, আল মুহাদ্দিসুল ফাসিল নং ৭৩৯; বাইহাকী, আদ দুহায়া ৯/৩২৩।

بَابُ مَنْ هَابَ الْفُتْيَا مَخَافَةَ السَّقَطِ

أَخْبَرَنَا سَهْلُ بْنُ حَمَّادٍ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، حَدَّثَنَا تَوْبَةُ الْعَنْبَرِيُّ، قَالَ: قَالَ لِي الشَّعْبِيُّ: ” أَرَأَيْتَ فُلَانًا الَّذِي يَقُولُ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ، قَالَ رَسُولُ اللَّهِ؟ قَعَدْتُ مَعَ ابْنِ عُمَرَ سَنَتَيْنِ أَوْ سَنَةً وَنِصْفًا فَمَا سَمِعْتُهُ يُحَدِّثُ عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ شَيْئًا إِلَّا هَذَا الْحَدِيثَ

 

إسناده صحيح

أخبرنا سهل بن حماد، حدثنا شعبة، حدثنا توبة العنبري، قال: قال لي الشعبي: ” أرأيت فلانا الذي يقول: قال رسول الله، قال رسول الله؟ قعدت مع ابن عمر سنتين أو سنة ونصفا فما سمعته يحدث عن رسول الله صلى الله عليه وسلم شيئا إلا هذا الحديث إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ২৮১

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ২৮. যে ব্যক্তি ভুল হবার আশঙ্কায় ফতওয়া দেয়াকে ভয় পায়

২৮১. আব্দুল্লাহ্ ইবনু আবু সাফার শা’বী হতে বর্ণনা করেন, শা’বী বলেন, আমি ইবনু উমার এর নিকট এক বছর যাবত বসেছি, কিন্তু আমি তাকে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে একটি হাদীসও বর্ণনা করতে শুনিনি।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা, ৮/৭৫৫ নং ৬২৭৯; তার সনদে ইবনু মাজাহ, মুকদ্দামাহ ২৬; রমহারমুযী, আল মুহাদ্দিসুল ফাসিল নং ৭৩৯।

بَابُ مَنْ هَابَ الْفُتْيَا مَخَافَةَ السَّقَطِ

أَخْبَرَنَا أَسَدُ بْنُ مُوسَى، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ أَبِي السَّفَرِ، عَنِ الشَّعْبِيِّ قَالَ: جَالَسْتُ ابْنَ عُمَرَ سَنَةً. فَلَمْ أَسْمَعْهُ يَذْكُرُ حَدِيثًا عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ

 

إسناده صحيح

أخبرنا أسد بن موسى، حدثنا شعبة، حدثنا عبد الله بن أبي السفر، عن الشعبي قال: جالست ابن عمر سنة. فلم أسمعه يذكر حديثا عن رسول الله صلى الله عليه وسلم إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ২৮২

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ২৮. যে ব্যক্তি ভুল হবার আশঙ্কায় ফতওয়া দেয়াকে ভয় পায়

২৮২. শা’বী হতে বর্ণিত, ছাবিত ইবনু কুতবাহ আল আনছারী বলেন, আব্দুল্লাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু পুরো মাসের মধ্যে বড় জোর দু’টি কিংবা তিনটি হাদীস আমাদের নিকট বর্ণনা করতেন।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ হাসান।

 

তাখরীজ: এ শব্দে এটি ব্যতীত এ বিষয়ে আমি আর কোনো হাদীস পাইনি।

بَابُ مَنْ هَابَ الْفُتْيَا مَخَافَةَ السَّقَطِ

أَخْبَرَنَا عَاصِمُ بْنُ يُوسُفَ، حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرٍ، عَنْ أَبِي حَصِينٍ، عَنِ الشَّعْبِيِّ، عَنْ ثَابِتِ بْنِ قُطْبَةَ الْأَنْصَارِيِّ، قَالَ: كَانَ عَبْدُ اللَّهِ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ، يُحَدِّثُنَا فِي الشَّهْرِ بِالْحَدِيثَيْنِ أَوِ الثَّلَاثَةِ

 

إسناده حسن من أجل أبي بكر بن عياش

أخبرنا عاصم بن يوسف، حدثنا أبو بكر، عن أبي حصين، عن الشعبي، عن ثابت بن قطبة الأنصاري، قال: كان عبد الله رضي الله عنه، يحدثنا في الشهر بالحديثين أو الثلاثة إسناده حسن من أجل أبي بكر بن عياش

 হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ২৮৩

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ২৮. যে ব্যক্তি ভুল হবার আশঙ্কায় ফতওয়া দেয়াকে ভয় পায়

২৮৩. আব্দুল মালিক ইবনু উবাইদ হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমাদের নিকট দিয়ে আনাস ইবনু মালিক রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু যাচ্ছিলেন। তখন আমরা তাকে বললাম, আপনি আমাদেরকে এমন কিছু হাদীস বর্ণনা করুন যা আপনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে শুনেছেন। তখন তিনি বললেন: ’তবে তো আমি বিলীন হয়ে যাব।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ জাইয়্যেদ।

 

তাখরীজ: (মুহাক্কিক্ব কোন তাখরীজ করেননি) পরবর্তী হাদীস দেখুন।

بَابُ مَنْ هَابَ الْفُتْيَا مَخَافَةَ السَّقَطِ

أَخْبَرَنَا عُثْمَانُ بْنُ عُمَرَ، أَنبَأَنَا يُونُسُ، عَنْ عَبْدِ الْمَلِكِ بْنِ عُبَيْدٍ قَالَ مَرَّ بِنَا أَنَسُ بْنُ مَالِكٍ، فَقُلْنَا: «حَدِّثْنَا بِبَعْضِ مَا سَمِعْتَ مِنْ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ؟» فَقَالَ: وَأَتَحَلَّلُ

 

إسناده جيد

أخبرنا عثمان بن عمر، أنبأنا يونس، عن عبد الملك بن عبيد قال مر بنا أنس بن مالك، فقلنا: «حدثنا ببعض ما سمعت من رسول الله صلى الله عليه وسلم؟» فقال: وأتحلل إسناده جيد

 হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ২৮৪

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ২৮. যে ব্যক্তি ভুল হবার আশঙ্কায় ফতওয়া দেয়াকে ভয় পায়

২৮৪. মুহাম্মদ হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আনাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে খুবই কম সংখ্যক হাদীস বর্ণনা করতেন। আর যখন তিনি রাসুলূল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে কোনো হাদীস বর্ণনা করতেন, তখন বলতেন: ’অথবা রাসুলূল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যেরূপ বলেছেন।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা, ৮/৭৫৪ নং ৬২৭৪; তার সনদে ইবনু মাজাহ, মুকদ্দামাহ ২৪; রমহারমুযী, আল মুহাদ্দিসুল ফাসিল নং ৭৩৬; ইবনু আব্দুল বার, জামি’ বায়ানিল ইলম নং ৪২৬; খতীব, আল কিফায়াহ পৃ. ২০৬;

بَابُ مَنْ هَابَ الْفُتْيَا مَخَافَةَ السَّقَطِ

أَخْبَرَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ حَرْبٍ، قَالَ: ثَنَا حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ، عَنِ ابْنِ عَوْنٍ، عَنْ مُحَمَّدٍ، قَالَ: كَانَ أَنَسٌ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ ” قَلِيلَ الْحَدِيثِ عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَكَانَ إِذَا حَدَّثَ عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: أَوْ كَمَا قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ

 

إسناده صحيح

أخبرنا سليمان بن حرب، قال: ثنا حماد بن زيد، عن ابن عون، عن محمد، قال: كان أنس رضي الله عنه ” قليل الحديث عن رسول الله صلى الله عليه وسلم وكان إذا حدث عن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: أو كما قال رسول الله صلى الله عليه وسلم إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ২৮৫

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ২৮. যে ব্যক্তি ভুল হবার আশঙ্কায় ফতওয়া দেয়াকে ভয় পায়

২৮৫. অপর সূত্রে মুহাম্মদ হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আনাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু যখন রাসুলূল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে কোনো হাদীস বর্ণনা করতেন, তখন তিনি বলতেন: ’অথবা রাসুলূল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যেরূপ বলেছেন।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: পূর্বের হাদীসটি দেখুন।

بَابُ مَنْ هَابَ الْفُتْيَا مَخَافَةَ السَّقَطِ

أَخْبَرَنَا عُثْمَانُ بْنُ مُحَمَّدٍ، حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ، عَنْ أَيُّوبَ، عَنْ مُحَمَّدٍ، قَالَ: كَانَ أَنَسٌ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ إِذَا ” حَدَّثَ عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ حَدِيثًا، قَالَ: أَوْ كَمَا قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ

 

إسناده صحيح

أخبرنا عثمان بن محمد، حدثنا إسماعيل، عن أيوب، عن محمد، قال: كان أنس رضي الله عنه إذا ” حدث عن رسول الله صلى الله عليه وسلم حديثا، قال: أو كما قال رسول الله صلى الله عليه وسلم إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ২৮৬

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ২৮. যে ব্যক্তি ভুল হবার আশঙ্কায় ফতওয়া দেয়াকে ভয় পায়

২৮৬. সাইব ইবনু ইয়াযীদ বলেন, আমি সা’দ রাদ্বিয়াল্লাহ আনহু’র সঙ্গে মক্কা পর্যন্ত যাত্রা করলাম। কিন্তু (সেখান থেকে) মদীনায় ফিরে আসা পর্যন্ত আমি তাকে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে একটি হাদীসও বর্ণনা করতে শুনলাম না।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা, ৮/৭৫৫ নং ৬২৭৭; তার সনদে ইবনু মাজাহ, মুকদ্দামাহ ২৯; ইবনু সাদ, আত তাবাকাত ৩/১/১০২; অপর সনদে রমহারমুযী, আল মুহাদ্দিসুল ফাসিল নং ৭৫২।

بَابُ مَنْ هَابَ الْفُتْيَا مَخَافَةَ السَّقَطِ

حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ حَرْبٍ، حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ، عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ، قَالَ: حَدَّثَنِي السَّائِبُ بْنُ يَزِيدَ، قَالَ: «خَرَجْتُ مَعَ سَعْدٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ إِلَى مَكَّةَ فَمَا سَمِعْتُهُ يُحَدِّثُ حَدِيثًا عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ حَتَّى رَجَعْنَا إِلَى الْمَدِينَةِ

 

إسناده صحيح

حدثنا سليمان بن حرب، حدثنا حماد بن زيد، عن يحيى بن سعيد، قال: حدثني السائب بن يزيد، قال: «خرجت مع سعد رضي الله عنه إلى مكة فما سمعته يحدث حديثا عن رسول الله صلى الله عليه وسلم حتى رجعنا إلى المدينة إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ২৮৭

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ২৮. যে ব্যক্তি ভুল হবার আশঙ্কায় ফতওয়া দেয়াকে ভয় পায়

২৮৭. কুরাযাহ ইবনু কা’ব আনসারী হতে বর্ণিত, উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু আনসার সাহাবীগণকে বিদায় জানানোর জন্য পিছনে পিছনে চলতে লাগলেন, এরপর যখন তারা মদীনা হতে বাইরে চলে আসলেন, তখন তিনি বললেন: তোমরা জানো কি, কেন আমি তোমাদের পিছনে পিছনে বিদায় জানানোর জন্য এসেছি? আমরা বললাম, আনসারগণের সম্মানে। তিনি বললেন: তোমরা এমন এক সম্প্রদায়ের নিকট উপস্থিত হতে যাচ্ছ যাদের জিহবা কুরআন পাঠের দ্বারা (সর্বদা) আন্দোলিত হবে, যেভাবে খেজুর গাছ আন্দোলিত হতে থাকে। সুতরাং তাদেরকে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর হাদীসের মাধ্যমে তাদেরকে ফিরিয়ে রেখো না, আমি তোমাদের সাথেই আছি।

তিনি বলেন, আমি কোনো বিষয়েই হাদীস বর্ণনা করি না, যদিও আমি তা শুনেছি যেমন আমার সাথীরা শুনেছে।’[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: ইবনু সা’দ, আত তাবাকাত ৬/২; হাকিম ১/১০২; ইবনু আব্দুল বার, জামি’ বায়ানিল ইলম নং ১৬৯১, ১৬৯২; হাকিম বলেন: এ হাদীসের সনদ সহীহ।

بَابُ مَنْ هَابَ الْفُتْيَا مَخَافَةَ السَّقَطِ

أَخْبَرَنَا سَهْلُ بْنُ حَمَّادٍ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، حَدَّثَنَا بَيَانٌ، عَنِ الشَّعْبِيِّ، عَنْ قَرَظَةَ بْنِ كَعْبٍ، أَنَّ عُمَرَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ، شَيَّعَ الْأَنْصَارَ حِينَ خَرَجُوا مِنَ الْمَدِينَةِ فَقَالَ: «أَتَدْرُونَ لِمَ شَيَّعْتُكُمْ» قُلْنَا: لِحَقِّ الْأَنْصَارِ. قَالَ: «إِنَّكُمْ تَأْتُونَ قَوْمًا تَهْتَزُّ أَلْسِنَتُهُمْ بِالْقُرْآنِ اهْتِزَازَ النَّخْلِ، فَلَا تَصُدُّوهُمْ بِالْحَدِيثِ عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَأَنَا شَرِيكُكُمْ» قَالَ: فَمَا حَدَّثْتُ بِشَيْءٍ وَقَدْ سَمِعْتُ كَمَا سَمِعَ أَصْحَابِي

 

إسناده صحيح

أخبرنا سهل بن حماد، حدثنا شعبة، حدثنا بيان، عن الشعبي، عن قرظة بن كعب، أن عمر رضي الله عنه، شيع الأنصار حين خرجوا من المدينة فقال: «أتدرون لم شيعتكم» قلنا: لحق الأنصار. قال: «إنكم تأتون قوما تهتز ألسنتهم بالقرآن اهتزاز النخل، فلا تصدوهم بالحديث عن رسول الله صلى الله عليه وسلم وأنا شريككم» قال: فما حدثت بشيء وقد سمعت كما سمع أصحابي إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ২৮৮

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ২৮. যে ব্যক্তি ভুল হবার আশঙ্কায় ফতওয়া দেয়াকে ভয় পায়

২৮৮. কুরাযাহ ইবনু কা’ব আনসারী (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু কুফায় আনসারদের একটি দলকে পাঠালেন, আমাকেও তাদের সাথে পাঠালেন। আর তিনিও আমাদের সাথে হেঁটে চললেন, এমনকি তিনি ’সিরার’ পর্যন্ত চলে আসলেন। ’সিরার’ হলো: মদীনার রাস্তায় অবস্থিত একটি জলাশয়। এরপর তিনি তাঁর দু’পা থেকে মাটি ধুতে লাগলেন এবং তারপর বললেন: ’তোমরা কুফায় যাচ্ছো। সুতরাং তোমরা এমন এক সম্প্রদায়ের নিকট যাচ্ছো, যারা (বুলন্দ) আওয়াজে কুরআন পাঠে রত থাকে। তারা তোমাদের নিকট এসে বলবে: মুহাম্মদের সাহাবীগণ এসেছেন! মুহাম্মদের সাহাবীগণ এসেছেন! তারা তোমাদের নিকট এসে হাদীস সম্পর্কে জিজ্ঞেস করবে। সুতরাং তোমরা জেনে রাখো যে, পরিপূর্ণরুপে উযু করা হল তিনবার করে (অযুর অঙ্গপ্রত্যঙ্গগুলো ধোয়া)। আর দু’-দু’বার করে (ধোয়াই) যথেষ্ট (জায়েয)। তারপর বললেন: ’তোমরা কুফায় যাচ্ছো। সুতরাং তোমরা এমন এক সম্প্রদায়ের নিকট যাচ্ছো, যারা (বুলন্দ) আওয়াজে কুরআন পাঠে রত থাকে। তারা তোমাদেরকে বলবে: মুহাম্মদের সাহাবীগণ এসেছেন! মুহাম্মদের সাহাবীগণ এসেছেন! তারা তোমাদের নিকট এসে হাদীস সম্পর্কে জিজ্ঞেস করবে। সুতরাং তোমরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে খুব কম সংখ্যক হাদীস বর্ণনা করবে, আর আমিও তাতে তোমাদের অংশীদার।”[1]

কুরাযাহ বলেন: আমি যেসকল লোকদের মাঝে বসতাম, তারা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে হাদীস বর্ণনা করতো, যদিও নিশ্চয়ই আমি তাদের চেয়ে তা অধিক হাদীস সংরক্ষণকারী ছিলাম। কিন্তু যখনই আমি উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু’র ওয়াসিয়াত (উপদেশ) স্মরণ করতাম, তখনই আমি চুপ হয়ে যেতাম। আবু মুহাম্মদ (দারিমী) বলেন: আমার নিকট মনে হয়, ঐ হাদীসগুলো দ্বারা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর যুদ্ধবিগ্রহ বিষয়ক হাদীসের কথা বলা হয়েছে। এ দ্বারা সুনান ও ফারায়েয বিষয়ক হাদীস বোঝানো হয়নি।

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ যয়ীফ। এ সনদে আশ’আস ইবনু সিওয়ার রয়েছে। (তবে হাদীস সহীহ। আগের হাদীসটি ও তাখরীজ দ্রষ্টব্য।-অনুবাদক)

 

তাখরীজ: ইবনু মাজাহ, মুকদ্দমাহ ২৮, সনদ সহীহ; দেখুন মিসবাহুয যুজাজাহ ১/৫০ এবং পূর্বের হাদীসটি। এছাড়াও দেখুন, ইবনু আব্দুল বার, জামি’ বায়ানিল ইলম নং ১৬৯০।

بَابُ مَنْ هَابَ الْفُتْيَا مَخَافَةَ السَّقَطِ

أَخْبَرَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ، أَنبَأَنَا أَشْعَثُ بْنُ سَوَّارٍ، عَنِ الشَّعْبِيِّ، عَنْ قَرَظَةَ بْنِ كَعْبٍ، قَالَ: بَعَثَ عُمَرُ بْنُ الْخَطَّابِ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ، رَهْطًا مِنَ الْأَنْصَارِ إِلَى الْكُوفَةِ، فَبَعَثَنِي مَعَهُمْ، فَجَعَلَ يَمْشِي مَعَنَا حَتَّى أَتَى صِرَارَ – وَصِرَارُ: مَاءٌ فِي طَرِيقِ الْمَدِينَةِ – فَجَعَلَ يَنْفُضُ التُّرَابَ عَنْ رِجْلَيْهِ، ثُمَّ قَالَ: ” إِنَّكُمْ تَأْتُونَ الْكُوفَةَ، فَتَأْتُونَ قَوْمًا لَهُمْ أَزِيزٌ بِالْقُرْآنِ فَيَأْتُونَكُمْ فَيَقُولُونَ: قَدِمَ أَصْحَابُ مُحَمَّدٍ قَدِمَ أَصْحَابُ مُحَمَّدٍ فَيَأْتُونَكُمْ فَيَسْأَلُونَكُمْ عَنِ الْحَدِيثِ، فَاعْلَمُوا أَنَّ أَسْبَغَ الْوُضُوءِ ثَلَاثٌ، وَثِنْتَانِ تُجْزِيَانِ “. ثُمَّ قَالَ: ” إِنَّكُمْ تَأْتُونَ الْكُوفَةَ فَتَأْتُونَ قَوْمًا لَهُمْ أَزِيزٌ بِالْقُرْآنِ فَيَقُولُونَ: قَدِمَ أَصْحَابُ مُحَمَّدٍ قَدِمَ أَصْحَابُ مُحَمَّدٍ فَيَأْتُونَكُمْ فَيَسْأَلُونَكُمْ عَنِ الْحَدِيثِ. فَأَقِلُّوا الرِّوَايَةَ عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، وَأَنَا شَرِيكُكُمْ فِيهِ قَالَ قَرَظَةُ: وَإِنْ كُنْتُ لَأَجْلِسُ فِي الْقَوْمِ فَيَذْكُرُونَ الْحَدِيثَ عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وإِنِّي لَمِنْ أَحْفَظِهِمْ لَهُ. فَإِذَا ذَكَرْتُ وَصِيَّةَ عُمَرَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ سَكَتُّ. قَالَ أَبُو مُحَمَّدٍ: مَعْنَاهُ عِنْدِي: الْحَدِيثُ عَنْ أَيَّامِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَيْسَ السُّنَنَ وَالْفَرَائِضَ

 

إسناده ضعيف فيه أشعث بن سوار

أخبرنا يزيد بن هارون، أنبأنا أشعث بن سوار، عن الشعبي، عن قرظة بن كعب، قال: بعث عمر بن الخطاب رضي الله عنه، رهطا من الأنصار إلى الكوفة، فبعثني معهم، فجعل يمشي معنا حتى أتى صرار – وصرار: ماء في طريق المدينة – فجعل ينفض التراب عن رجليه، ثم قال: ” إنكم تأتون الكوفة، فتأتون قوما لهم أزيز بالقرآن فيأتونكم فيقولون: قدم أصحاب محمد قدم أصحاب محمد فيأتونكم فيسألونكم عن الحديث، فاعلموا أن أسبغ الوضوء ثلاث، وثنتان تجزيان “. ثم قال: ” إنكم تأتون الكوفة فتأتون قوما لهم أزيز بالقرآن فيقولون: قدم أصحاب محمد قدم أصحاب محمد فيأتونكم فيسألونكم عن الحديث. فأقلوا الرواية عن رسول الله صلى الله عليه وسلم، وأنا شريككم فيه قال قرظة: وإن كنت لأجلس في القوم فيذكرون الحديث عن رسول الله صلى الله عليه وسلم وإني لمن أحفظهم له. فإذا ذكرت وصية عمر رضي الله عنه سكت. قال أبو محمد: معناه عندي: الحديث عن أيام رسول الله صلى الله عليه وسلم ليس السنن والفرائض إسناده ضعيف فيه أشعث بن سوار

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ২৮৯

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ২৮. যে ব্যক্তি ভুল হবার আশঙ্কায় ফতওয়া দেয়াকে ভয় পায়

২৮৯. আলকামাহ হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আব্দুল্লাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন: “রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন’, অত:পর তিনি ভয়ে কেঁপে উঠলেন। তারপর বললেন: এই রকম কিংবা এর কিছু অধিক।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: আবু যুরআহ, তারীখ নং ১৬৪; আহমদ (মাকতাবাতুল ইসলামী প্রকাশনা) নং ৪০১৬; হাকিম, ১/১১১, এ সনদ সহীহ; আহমদ ৩৬৬৯, যয়ীফ সনদে; খতীব, আল কিফায়াহ পৃ. ২০৫; ইবনু আব্দুল বার, জামি’ বায়ানিল ইলম নং ৪২৭ ।

بَابُ مَنْ هَابَ الْفُتْيَا مَخَافَةَ السَّقَطِ

أَخْبَرَنَا مُجَاهِدُ بْنُ مُوسَى، حَدَّثَنَا ابْنُ نُمَيْرٍ، عَنْ مَالِكِ بْنِ مِغْوَلٍ، عَنِ الشَّعْبِيِّ، عَنْ عَلْقَمَةَ، قَالَ: قَالَ: عَبْدُ اللَّهِ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ، ” قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، ثُمَّ ارْتَعَدَ، ثُمَّ قَالَ: نَحْوَ ذَلِكَ أَوْ فَوْقَ ذَاكَ

 

إسناده صحيح

أخبرنا مجاهد بن موسى، حدثنا ابن نمير، عن مالك بن مغول، عن الشعبي، عن علقمة، قال: قال: عبد الله رضي الله عنه، ” قال رسول الله صلى الله عليه وسلم، ثم ارتعد، ثم قال: نحو ذلك أو فوق ذاك إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ২৯০

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ২৮. যে ব্যক্তি ভুল হবার আশঙ্কায় ফতওয়া দেয়াকে ভয় পায়

২৯০. মুজাহিদ হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি মদীনার পথে ইবনু উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু’র সঙ্গী হয়েছিলাম। (পুরো রাস্তায়) আমি তাকে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে কোন হাদীস বর্ণনা করতে শুনিনি। কেবল এই একটি মাত্র হাদীস বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন: আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সাথে ছিলাম, তখন তাঁর নিকট খেজুর গাছের মজ্জা আনা হলে তিনি বললেন: “এমন একটি গাছ রয়েছে, যা মুসলিম ব্যক্তির সাথে তুলনীয়।” তখন আমি এ কথা বলতে চেয়েছিলাম যে, তা হলো খেজুর গাছ। কিন্তু আমি লক্ষ্য করলাম যে, আমি ছিলাম লোকদের মাঝে সবচেয়ে অল্প বয়স্ক। ফলে আমি চুপ করে গেলাম। উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বললেন: ‍তুমি যদি তা বলতে, তবে আমার নিকট অমুক জিনিস থাকার চেয়ে তা অধিক পছন্দনীয় হতো।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: হাদীসটি সহীহ। বুখারী ও মুসলিমের হাদীস।

 

তাখরীজ: সহীহ বুখারী, ৭২; সহীহ মুসলিম, ২৮১১।

بَابُ مَنْ هَابَ الْفُتْيَا مَخَافَةَ السَّقَطِ

أَخْبَرَنَا بِشْرُ بْنُ الْحَكَمِ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنِ ابْنِ أَبِي نَجِيحٍ، عَنْ مُجَاهِدٍ، قَالَ: صَحِبْتُ ابْنَ عُمَرَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ، إِلَى الْمَدِينَةِ فَلَمْ أَسْمَعْهُ يُحَدِّثُ عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِحَدِيثٍ إِلَّا أَنَّهُ قَالَ: كُنْتُ مَعَ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَأُتِيَ بِجُمَّارٍ، فَقَالَ: «إِنَّ مِنَ الشَّجَرِ شَجَرًا مِثْلَ الرَّجُلِ الْمُسْلِمِ» فَأَرَدْتُ أَنْ أَقُولَ: هِيَ النَّخْلَةُ، فَنَظَرْتُ فَإِذَا أَنَا أَصْغَرُ الْقَوْمِ، فَسَكَتُّ. [ص: 331] قَالَ عُمَرُ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ وَدِدْتُ أَنَّكَ قُلْتَ، وَعَلَيَّ كَذَا

 

إسناده صحيح وابن أبي نجيح هو: عبد الله. والحديث متفق عليه

أخبرنا بشر بن الحكم، حدثنا سفيان، عن ابن أبي نجيح، عن مجاهد، قال: صحبت ابن عمر رضي الله عنه، إلى المدينة فلم أسمعه يحدث عن رسول الله صلى الله عليه وسلم بحديث إلا أنه قال: كنت مع النبي صلى الله عليه وسلم فأتي بجمار، فقال: «إن من الشجر شجرا مثل الرجل المسلم» فأردت أن أقول: هي النخلة، فنظرت فإذا أنا أصغر القوم، فسكت. [ص: 331] قال عمر رضي الله عنه وددت أنك قلت، وعلي كذا إسناده صحيح وابن أبي نجيح هو: عبد الله. والحديث متفق عليه

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ২৯১

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ২৮. যে ব্যক্তি ভুল হবার আশঙ্কায় ফতওয়া দেয়াকে ভয় পায়

২৯১. সালিহ আদ দাহহান বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, আমি জাবির ইবনু যায়িদকে কখনও বলতে শুনিনি: ’রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন’। এটিকে অত্যন্ত বড় বিষয় মনে করার কারণে ও তাঁর উপর মিথ্যারোপ করার ভয়ে (তিনি এরূপ করতেন)।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ জাইয়্যেদ (উত্তম)।

 

তাখরীজ: ফাসাওয়ী, মারিফাহ ২/১৫।

بَابُ مَنْ هَابَ الْفُتْيَا مَخَافَةَ السَّقَطِ

أَخْبَرَنَا بِشْرُ بْنُ الْحَكَمِ، حَدَّثَنَا خَالِدُ بْنُ يَزِيدَ الْهَدَادِيُّ، حَدَّثَنَا صَالِحٌ الدَّهَّانُ، قَالَ: مَا سَمِعْتُ جَابِرَ بْنَ زَيْدٍ يَقُولُ قَطُّ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِعْظَامًا وَاتِّقَاءً أَنْ يَكْذِبَ عَلَيْهِ

 

إسناده جيد

أخبرنا بشر بن الحكم، حدثنا خالد بن يزيد الهدادي، حدثنا صالح الدهان، قال: ما سمعت جابر بن زيد يقول قط: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم إعظاما واتقاء أن يكذب عليه إسناده جيد

 হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ২৯২

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ২৮. যে ব্যক্তি ভুল হবার আশঙ্কায় ফতওয়া দেয়াকে ভয় পায়

২৯২. আব্দুল্লাহ ইবনু শাক্বীক্ব হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আবু হুরায়রা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু কা’ব -এর নিকট এসে তাঁকে কিছু জিজ্ঞেস করলেন। আর কা’ব তখন লোকদের মধ্যে ছিলেন। কা’ব বললেন: আপনার এ কথার উদ্দেশ্য কী? তখন তিনি বলেন: ’জেনে রাখ! রাসূলূল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর সাহাবীগণের মধ্যে আমি এমন কাউকে জানিনা যে আমার থেকে অধিক হাদীস মুখস্থ রেখেছেন।

তখন কা’ব বলেন, আপনিও জেনে রাখুন! আপনি কখনোই এমন কোন জিনিস অন্বেষণকারী ব্যক্তিকে পাবেন না, যে কোন দিন কোন সময় পরিতৃপ্ত হবে। সে জ্ঞান অন্বেষণকারী হোক কিংবা দুনিয়া (’র ধন-সম্পদ) অন্বেষণকারীই হোক। তখন তিনি বললেন: তুমিই কি কা’ব? সে জবাব দিল, হাঁ। তখন তিনি বললেন: এ কারণেই আমি (তোমার নিকট) এসেছিলাম।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ বিচ্ছিন্নতার কারণে যয়ীফ। হাকিম সহীহ বললেও যাহাবী বলেন: এতে ‘ইনকিতা’ বা বিচ্ছিন্নতা রয়েছে।

 

তাখরীজ: হাকিম, আল মুসতাদরাক ১/৯২।

بَابُ مَنْ هَابَ الْفُتْيَا مَخَافَةَ السَّقَطِ

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، أَنبَأَنَا رَوْحٌ، عَنْ كَهْمَسِ بْنِ الْحَسَنِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ شَقِيقٍ، قَالَ: جَاءَ أَبُو هُرَيْرَةَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ إِلَى كَعْبٍ يَسْأَلُ عَنْهُ، وَكَعْبٌ فِي الْقَوْمِ، فَقَالَ كَعْبٌ: مَا تُرِيدُ مِنْهُ؟ فَقَالَ: أَمَا إِنِّي لَا أَعْرِفُ لِأَحَدٍ مِنْ أَصْحَابِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنْ يَكُونَ أَحْفَظَ لِحَدِيثِهِ مِنِّي. فَقَالَ كَعْبٌ: أَمَا إِنَّكَ لَنْ تَجِدَ طَالِبَ شَيْءٍ إِلَّا سَيَشْبَعُ مِنْهُ يَوْمًا مِنَ الدَّهْرِ، إِلَّا طَالِبَ عِلْمٍ أَوْ طَالِبَ دُنْيَا. فَقَالَ: أَنْتَ كَعْبٌ؟ قَالَ: نَعَمْ، قَالَ: لِمِثْلِ هَذَا جِئْتُ

 

إسناده ضعيف لانقطاعه

أخبرنا محمد بن عبد الله، أنبأنا روح، عن كهمس بن الحسن، عن عبد الله بن شقيق، قال: جاء أبو هريرة رضي الله عنه إلى كعب يسأل عنه، وكعب في القوم، فقال كعب: ما تريد منه؟ فقال: أما إني لا أعرف لأحد من أصحاب رسول الله صلى الله عليه وسلم أن يكون أحفظ لحديثه مني. فقال كعب: أما إنك لن تجد طالب شيء إلا سيشبع منه يوما من الدهر، إلا طالب علم أو طالب دنيا. فقال: أنت كعب؟ قال: نعم، قال: لمثل هذا جئت إسناده ضعيف لانقطاعه

 হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai’f)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ২৯৩

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ২৮. যে ব্যক্তি ভুল হবার আশঙ্কায় ফতওয়া দেয়াকে ভয় পায়

২৯৩. তাউস হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে জিজ্ঞাসা করা হলো: হে আল্লাহর রাসূল! সবচেয়ে জ্ঞানী লোক কে? তিনি বলেন: “যে ব্যক্তি সকল মানুষের জ্ঞানকে তার জ্ঞানের সাথে জমা করেছে এবং প্রত্যেক জ্ঞান অন্বেষণকারী জ্ঞানের জন্য লালায়িত থাকে।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ। (তবে এটি মুরসাল)।

 

তাখরীজ: এ আছারটি আমি অন্য কোথাও পাইনি, তবে আবু ইয়ালা, মুসনাদ (৪/১৩২) নং ২১৮৩ তে জাবির রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে মারফু’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন যার সনদ যয়ীফ জিদ্দান বা অত্যন্ত দুর্বল।

بَابُ مَنْ هَابَ الْفُتْيَا مَخَافَةَ السَّقَطِ

أَخْبَرَنَا يَعْقُوبُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ أَبِي بُكَيْرٍ، حَدَّثَنَا شِبْلٌ، عَنْ عَمْرِو بْنِ دِينَارٍ، عَنْ طَاوُسٍ، قَالَ: قِيلَ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، أَيُّ النَّاسِ أَعْلَمُ؟ قَالَ: مَنْ جَمَعَ عِلْمَ النَّاسِ إِلَى عِلْمِهِ، وَكُلُّ طَالِبِ عِلْمٍ غَرْثَانُ إِلَى عِلْمٍ

 

إسناده صحيح

أخبرنا يعقوب بن إبراهيم، حدثنا يحيى بن أبي بكير، حدثنا شبل، عن عمرو بن دينار، عن طاوس، قال: قيل: يا رسول الله، أي الناس أعلم؟ قال: من جمع علم الناس إلى علمه، وكل طالب علم غرثان إلى علم إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ২৯৪

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ২৮. যে ব্যক্তি ভুল হবার আশঙ্কায় ফতওয়া দেয়াকে ভয় পায়

২৯৪. মুয়াবিয়া ইবনু কুররাহ বলেন, আমি একটি হালাকায় (বৃত্তাকার সমাবেশে) ছিলাম যাতে একজন নেতৃস্থানীয় ব্যক্তি ছিল, যার পিছনে পিছনে লোকেরা চলছিল। আর তাদের মধ্যে আবিদ ইবনু আমর ছিলেন। লোকদের মাঝ থেকে এক যুবক বলতে লাগলো: তোমরা আল্লাহর যিকিরের দিকে ধাবিত হও, আল্লাহ তোমাদের বরকত দান করুন। তখন লোকেরা একে অপরের দিকে তাকাতে লাগল। সে আমাদেরকে কোন্ বিষয়ে রত দেখছে? তারপর তাদের কেউ একজন বলল: ’তোমাকে কে এ কাজের নির্দেশ দিল? অত:পর সে তাকে তাড়িয়ে দিল। (তারা বলল:) যদি তুমি পুনরায় একাজ কর, তবে নিশ্চয়ই আমরাও (এই এই) করব।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: খলীল ইবনু মুররাহ যয়ীফ। অন্যান্য রাবীগণ নির্ভরযোগ্য। এর অনেক যয়ীফ শাহিদ রয়েছে যা পরস্পরকে শক্তিশালী করে।

بَابُ مَنْ هَابَ الْفُتْيَا مَخَافَةَ السَّقَطِ

أَخْبَرَنَا سَعِيدُ بْنُ عَامِرٍ، عَنِ الْخَلِيلِ بْنِ مُرَّةَ، عَنْ مُعَاوِيَةَ بْنِ قُرَّةَ، قَالَ: ” كُنْتُ فِي حَلْقَةٍ فِيهَا الْمَشْيَخَةُ وَهُمْ يَتَرَاجَعُونَ فِيهِمْ عابدُ بْنُ عَمْرٍو، فَقَالَ شَابٌّ فِي نَاحِيَةِ الْقَوْمِ: أَفِيضُوا فِي ذِكْرِ اللَّهِ بَارَكَ اللَّهُ فِيكُمْ، فَنَظَرَ الْقَوْمُ بَعْضُهُمْ إِلَى بَعْضٍ. فِي أَيِّ شَيْءٍ رَآنَا؟ ثُمَّ قَالَ بَعْضُهُمْ: مَنْ أَمَرَكَ بِهَذَا؟ فَمُرْ، لَئِنْ عُدْتَ، لَنَفْعَلَنَّ وَلَنَفْعَلَنَّ

 

لم يحكم عليه المحقق

أخبرنا سعيد بن عامر، عن الخليل بن مرة، عن معاوية بن قرة، قال: ” كنت في حلقة فيها المشيخة وهم يتراجعون فيهم عابد بن عمرو، فقال شاب في ناحية القوم: أفيضوا في ذكر الله بارك الله فيكم، فنظر القوم بعضهم إلى بعض. في أي شيء رآنا؟ ثم قال بعضهم: من أمرك بهذا؟ فمر، لئن عدت، لنفعلن ولنفعلن لم يحكم عليه المحقق

 হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai’f)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ২৯৫

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ২৮. যে ব্যক্তি ভুল হবার আশঙ্কায় ফতওয়া দেয়াকে ভয় পায়

২৯৫. আউন ইবনু আব্দুল্লাহ হতে বর্ণিত, আব্দুল্লাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, কতই না উত্তম সেই মজলিস যে মজলিসে হিকমাত (জ্ঞান) ছড়িয়ে পড়ে এবং যাতে রহমত কামনা করা হয়।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর রাবীগণ নির্ভরযোগ্য। তবে এটি ‘মুনকাতি’ বা বিচ্ছিন্ন বর্ণনা। আউন ইবনু আব্দুল্লাহ আব্দুল্লাহ হতে কিছু শ্রবণ করেননি যতদুর আমরা জানতে পেরেছি; আল্লাহহ সবচেয়ে ভাল জানেন।

 

তাখরীজ: দেখুন আমার তাহক্বীক্বকৃত মাজমাউয যাওয়াইদ, নং ৭৭৫ এর তাখরীজ।

بَابُ مَنْ هَابَ الْفُتْيَا مَخَافَةَ السَّقَطِ

أَخْبَرَنَا يُوسُفُ بْنُ مُوسَى، أَنبَأَنَا أَبُو عَامِرٍ، أَنْبَأَنَا قُرَّةُ بْنُ خَالِدٍ، عَنْ عَوْنِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ: قَالَ عَبْدُ اللَّهِ: نِعْمَ الْمَجْلِسُ مَجْلِسٌ تُنْشَرُ فِيهِ الْحِكْمَةُ وَتُرْجَى فِيهِ الرَّحْمَةُ

 

رجاله ثقات غير أنه منقطع عون بن عبد الله لم يسمع من عبد الله فيما نعلم

أخبرنا يوسف بن موسى، أنبأنا أبو عامر، أنبأنا قرة بن خالد، عن عون بن عبد الله، قال: قال عبد الله: نعم المجلس مجلس تنشر فيه الحكمة وترجى فيه الرحمة رجاله ثقات غير أنه منقطع عون بن عبد الله لم يسمع من عبد الله فيما نعلم

 হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai’f)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 

মন্তব্য করুন

Top