You are here

দারেমী ভূমিকা ২য় ভাগ হাদিস নং ৩১ – ৭০

 ৩১

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৬. মিম্বারের কান্নার মাধ্যমে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে সম্মানিত করার বিবরণ

৩১. ইবনু উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা থেকে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম একটি কাষ্ঠখণ্ডের নিকট দাঁড়িয়ে খুতবা দিতেন। তারপর যখন মিম্বার (বানিয়ে) নিলেন, তখন কাষ্ঠখণ্ডটি কাঁদতে থাকল যতক্ষণ না তিনি সেটির কাছে এসে তার উপর হাত বুলিয়ে দিলেন।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: হাদীসটির সনদ সহীহ।

তাখরীজ: বুখারী, ৩৫৮৩; তিরমিযী ৫০৫।

بَاب مَا أُكْرِمَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مِنْ حَنِينِ الْمِنْبَرِ

أَخْبَرَنَا عُثْمَانُ بْنُ عُمَرَ، أَخْبَرَنَا مُعَاذُ بْنُ الْعَلَاءِ، عَنْ نَافِعٍ، عَنْ ابْنِ عُمَرَ رَضِيَ اللهُ عَنْهُمَا، أَنّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَ

يَخْطُبُ إِلَى جِذْعٍ، فَلَمَّا اتَّخَذَ الْمِنْبَرَ حَنَّ الْجِذْعُ حَتَّى أَتَاهُ، فَمَسَحَهُ

إسناده صحيح

أخبرنا عثمان بن عمر، أخبرنا معاذ بن العلاء، عن نافع، عن ابن عمر رضي الله عنهما، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان يخطب إلى جذع، فلما اتخذ المنبر حن الجذع حتى أتاه، فمسحه إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৩২

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৬. মিম্বারের কান্নার মাধ্যমে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে সম্মানিত করার বিবরণ

৩২. ইবনু বুরাইদা তার পিতা বুরাইদা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যখন খুতবা দিতেন তখন তিনি দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকতেন। এভাবে (দীর্ঘক্ষণ) দাঁড়িয়ে থাকা তাঁর জন্য কষ্টকর হত। তখন তাঁর জন্য খেজুর গাছের একটি কাষ্ঠ খণ্ড নিয়ে আসা হল এবং তিনি যেখানে দাঁড়াতেন তার পাশে গর্ত করে খাড়া ভাবে পূঁতে দেওয়া হল। অতঃপর তিনি দীর্ঘক্ষণ ধরে খুতবা দেওয়ার সময় সেটিতে ভর দিতেন, আবার তার সাথে ঠেস দিয়েও দাঁড়াতেন। এটির প্রতি মদীনায় আগত এক ব্যক্তির দৃষ্টি আকৃষ্ট হল। সে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে ঐ কাষ্ঠখণ্ডটির পাশে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখলো। সে তার পাশের এক ব্যক্তিকে বলল, যদি জানতে পারতাম যে, মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের জন্য উপকারী কিছু করলে তিনি আমার প্রশংসা করবেন, তাহলে অবশ্যই আমি তাঁর জন্য একটি বসার জায়গা বানিয়ে দিতাম, যার উপর তিনি দাঁড়াতে পারতেন। তিনি ইচ্ছা করলে বসতে পারতেন, আবার ইচ্ছা করলে দাঁড়াতেও পারতেন।

একথা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর নিকট পৌঁছলে তিনি বললেন: ’তাকে আমার নিকট নিয়ে এসো।’ তাকে তাঁর নিকট নিয়ে আসা হলে তাকে তিন বা চার ধাপ উঁচু এই (মিম্বার)টি বানানোর নির্দেশ দিলেন, যা এখনকার মদীনার (মসজিদে নববীর) মিম্বার। (সেটি বানানো হলে) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সেটিতে বসে বেশ আরাম পেলেন। যখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এই কাষ্ঠ খণ্ডটিকে ছেড়ে তাঁর জন্য বানানো এ (মিম্বার) টিতে আরোহন করলেন, তখন যেভাবে উটনী (বাচ্চার বিরহে) কাঁদে, তেমনিভাবে কাষ্ঠ খণ্ডটি অস্থির হয়ে কাঁদতে লাগলো,যখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাকে ছেড়ে গেলেন।

ইবনু বুরাইদা তার পিতা হতে তাঁর ধারণা অনুযায়ী আরও বর্ণনা করেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যখন কাষ্ঠ খণ্ডটির কান্না শুনতে পেলেন, তখন তিনি তার কাছে ফিরে গিয়ে এর গায়ে হাত রেখে বললেন: ’তুমি বেছে নাও (কোনটি চাও), তুমি যেখানে ছিলে সেখানে তোমাকে পূঁতে রাখব, ফলে তুমি যেমন ছিলে তেমনই থাকবে,অথবা আমি তোমাকে জান্নাতে রোপণ করব, তখন তুমি সেখানকার নদী ও ঝর্ণা থেকে পান করতে পারবে এবং তুমি সুন্দর সুশোভিত হয়ে উঠবে এবং ফল-ফলাদি দেবে, আর তখন আল্লাহর ওলীগণ তোমার ফল-ফলাদি ও খেজুর খাবে, তুমি যদি চাও তবে আমি তাই করব।’

তাঁর আরও ধারণা, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে সম্ভবত আরও বলতে শুনেছেন, তিনি সেটিকে বলেছেন: ’হাঁ, আমি দু’বার তাই করেছি।’ তখন তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে জিজ্ঞাসা করলেন, (যে সে কোনটি বেছে নিয়েছে?), তখন তিনি বললেন: ’সে বেছে নিয়েছে যে, আমি যেন তাকে জান্নাতে রোপণ করে দেই।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এখানে দু’জন দুর্বল রাবী রয়েছে।

তাখরীজ: (মুহাক্কিক্ব এখানে তার তাহক্বীক্বকৃত হাইছামীর মাজমাউয যাওয়াইদ (৩১৩২ নং) হাদীসের আলোচনা দেখতে বলেছেন।)

بَاب مَا أُكْرِمَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مِنْ حَنِينِ الْمِنْبَرِ

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ حُمَيْدٍ، حَدَّثَنَا تَمِيمُ بْنُ عَبْدِ الْمُؤْمِنِ، حَدَّثَنَا صَالِحُ بْنُ حَيَّانَ، حَدَّثَنِي ابْنُ بُرَيْدَةَ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ: كَانَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِذَا خَطَبَ قَامَ فَأَطَالَ الْقِيامَ، فَكَانَ يَشُقُّ عَلَيْهِ قِيَامُهُ، فَأُتِيَ بِجِذْعِ نَخْلَةٍ فَحُفِرَ لَهُ وَأُقِيمَ إِلَى جَنْبِهِ قَائِمًا لِلنَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَكَانَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِذَا خَطَبَ فَطَالَ الْقِيَامُ عَلَيْهِ، اسْتَنَدَ إِلَيْهِ فَاتَّكَأَ عَلَيْهِ فَبَصُرَ بِهِ رَجُلٌ كَانَ وَرَدَ الْمَدِينَةَ، فَرَآهُ قَائِمًا إِلَى جَنْبِ ذَلِكَ الْجِذْعِ، فَقَالَ: لِمَنْ يَلِيهِ مِنْ النَّاسِ: لَوْ أَعْلَمُ أَنَّ مُحَمَّدًا يَحْمَدُنِي فِي شَيْءٍ يَرْفُقُ بِهِ، لَصَنَعْتُ لَهُ مَجْلِسًا يَقُومُ عَلَيْهِ، فَإِنْ شَاءَ، جَلَسَ مَا شَاءَ، وَإِنْ شَاءَ، قَامَ، فَبَلَغَ ذَلِكَ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ: ” ائْتُونِي بِهِ “، فَأَتَوْهُ بِهِ، فَأَمَرَهُ أَنْ يَصْنَعَ لَهُ هَذِهِ الْمَرَاقِيَ الثَّلَاثَ، أَوْ الْأَرْبَعَ هِيَ الْآنَ فِي مِنْبَرِ الْمَدِينَةِ، فَوَجَدَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي ذَلِكَ رَاحَةً، فَلَمَّا فَارَقَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ الْجِذْعَ وَعَمَدَ إِلَى هَذِهِ الَّتِي صُنِعَتْ لَهُ، جَزِعَ الْجِذْعُ فَحَنَّ كَمَا تَحِنُّ النَّاقَةُ حِينَ فَارَقَهُ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَزَعَمَ ابْنُ بُرَيْدَةَ، عَنْ أَبِيهِ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ حِينَ سَمِعَ حَنِينَ الْجِذْعِ، رَجَعَ إِلَيْهِ فَوَضَعَ يَدَهُ عَلَيْهِ وَقَالَ: ” اخْتَرْ أَنْ أَغْرِسَكَ فِي الْمَكَانِ الَّذِي كُنْتَ فِيهِ، فَتَكُونَ كَمَا كُنْتَ، وَإِنْ شِئْتَ أَنْ أَغْرِسَكَ فِي الْجَنَّةِ فَتَشْرَبَ مِنْ أَنْهَارِهَا وَعُيُونِهَا فَيَحْسُنُ نَبْتُكَ، وَتُثْمِرُ فَيَأْكُلَ أَوْلِيَاءُ اللَّهِ مِنْ ثَمَرَتِكَ وَنَخْلِكَ فَعَلْتُ ” فَزَعَمَ أَنَّهُ سَمِعَ مِنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَهُوَ يَقُولُ لَهُ: ” نَعَمْ قَدْ فَعَلْتُ مَرَّتَيْنِ “، فَسُأَلَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ: اخْتَارَ أَنْ أَغْرِسَهُ فِي الْجَنَّةِ

إسناده فيه ضعيفان : محمد بن حميد وصالح بن حيان

أخبرنا محمد بن حميد، حدثنا تميم بن عبد المؤمن، حدثنا صالح بن حيان، حدثني ابن بريدة، عن أبيه، قال: كان النبي صلى الله عليه وسلم إذا خطب قام فأطال القيام، فكان يشق عليه قيامه، فأتي بجذع نخلة فحفر له وأقيم إلى جنبه قائما للنبي صلى الله عليه وسلم فكان النبي صلى الله عليه وسلم إذا خطب فطال القيام عليه، استند إليه فاتكأ عليه فبصر به رجل كان ورد المدينة، فرآه قائما إلى جنب ذلك الجذع، فقال: لمن يليه من الناس: لو أعلم أن محمدا يحمدني في شيء يرفق به، لصنعت له مجلسا يقوم عليه، فإن شاء، جلس ما شاء، وإن شاء، قام، فبلغ ذلك النبي صلى الله عليه وسلم فقال: ” ائتوني به “، فأتوه به، فأمره أن يصنع له هذه المراقي الثلاث، أو الأربع هي الآن في منبر المدينة، فوجد النبي صلى الله عليه وسلم في ذلك راحة، فلما فارق النبي صلى الله عليه وسلم الجذع وعمد إلى هذه التي صنعت له، جزع الجذع فحن كما تحن الناقة حين فارقه النبي صلى الله عليه وسلم فزعم ابن بريدة، عن أبيه أن النبي صلى الله عليه وسلم حين سمع حنين الجذع، رجع إليه فوضع يده عليه وقال: ” اختر أن أغرسك في المكان الذي كنت فيه، فتكون كما كنت، وإن شئت أن أغرسك في الجنة فتشرب من أنهارها وعيونها فيحسن نبتك، وتثمر فيأكل أولياء الله من ثمرتك ونخلك فعلت ” فزعم أنه سمع من النبي صلى الله عليه وسلم وهو يقول له: ” نعم قد فعلت مرتين “، فسأل النبي صلى الله عليه وسلم فقال: اختار أن أغرسه في الجنة إسناده فيه ضعيفان : محمد بن حميد وصالح بن حيان

 হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai’f)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৩৩

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৬. মিম্বারের কান্নার মাধ্যমে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে সম্মানিত করার বিবরণ

৩৩. জাবির ইবনু আব্দুল্লাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, মিম্বার তৈরীর পূর্বে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম একটি কাষ্ঠ খণ্ডের সাথে হেলান দিয়ে দাঁড়াতেন। তারপর যখন মিম্বার তৈরী করা হল, তখন এই কাষ্ঠখণ্ডটি এমনভাবে কাঁদতে লাগল যে, আমরা তা শুনতে পেলাম। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এটির উপর তাঁর হাত রাখলেন, ফলে এটি শান্ত হল।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: (মুহাক্কিক্ব এ সনদ সম্পর্কে কোন মতামত দেননি)। হাফিজ ইবনু কাছীর এর সনদকে জাইয়্যেদ (উত্তম) বলেছেন। (ফাতহুল মান্নান) তবে এটি অপর সনদে ইমাম আহমদ জাবির রাদিয়াল্লাহু আনহুর সূত্রে বর্ণনা করেছেন, যেটি সহীহ হাদীস। তাছাড়া ইমাম বুখারীও এটি বর্ণনা করেছেন (নং ৩৫৮৫)।

তাখরীজ: আহমাদ, আল মুসনাদ ৩/২৯৩; বুখারী ৪৪৯; সহীহ ইবনু হিব্বান ৬৫০৮।

بَاب مَا أُكْرِمَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مِنْ حَنِينِ الْمِنْبَرِ

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ كَثِيرٍ، عَنْ سُلَيْمَانَ بْنِ كَثِيرٍ، عَنْ الزُّهْرِيِّ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيِّبِ، عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ الْأَنْصَارِيِّ رَضِيَ اللهُ عَنْهُ، قَالَ: كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: ” يَقُومُ إِلَى جِذْعٍ قَبْلَ أَنْ يُجْعَلَ الْمِنْبَرُ، فَلَمَّا جُعِلَ الْمِنْبَرُ حَنَّ ذَلِكَ الْجِذْعُ حَتَّى سَمِعْنَا حَنِينَهُ، فَوَضَعَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَدَهُ عَلَيْهِ فَسَكَنَ

لم يحكم عليه المحقق

أخبرنا محمد بن كثير، عن سليمان بن كثير، عن الزهري، عن سعيد بن المسيب، عن جابر بن عبد الله الأنصاري رضي الله عنه، قال: كان رسول الله صلى الله عليه وسلم: ” يقوم إلى جذع قبل أن يجعل المنبر، فلما جعل المنبر حن ذلك الجذع حتى سمعنا حنينه، فوضع رسول الله صلى الله عليه وسلم يده عليه فسكن لم يحكم عليه المحقق

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৩৪

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৬. মিম্বারের কান্নার মাধ্যমে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে সম্মানিত করার বিবরণ

৩৪. জাবির ইবনু আব্দুল্লাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা হতে বর্ণিত তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম একটি কাষ্ঠ খণ্ডের সাথে হেলান দিয়ে খুতবা দিতেন। তারপর যখন মিম্বার তৈরী করা হল, তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মিম্বারের উপর বসলেন, তখন সেটি (কাষ্ঠখণ্ডটি) দশ মাসের গর্ভবতী উটনীর ন্যায় (শব্দ করে) কান্না জুড়ে দিল। তখন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এটির উপর তাঁর হাত রাখলেন, ফলে তা শান্ত হয়ে গেল।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: সহীহ।

তাখরীজ: পূর্ববর্তী হাদীসটি দেখনু।

بَاب مَا أُكْرِمَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مِنْ حَنِينِ الْمِنْبَرِ

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ كَثِيرٍ، حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ كَثِيرٍ، عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ، عَنْ حَفْصِ بْنِ عُبَيْدِ اللَّهِ، عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ رَضِيَ اللهُ عَنْهُ، قَالَ: ” كَانَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَخْطُبُ إِلَى خَشَبَةٍ، فَلَمَّا صُنِعَ الْمِنْبَرُ فَجَلَسَ عَلَيْهِ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ حَنَّتْ حَنِينَ الْعِشَارِ حَتَّى وَضَعَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَدَهُ عَلَيْهَا فَسَكَنَتْ

صحيح

حدثنا محمد بن كثير، حدثنا سليمان بن كثير، عن يحيى بن سعيد، عن حفص بن عبيد الله، عن جابر بن عبد الله رضي الله عنه، قال: ” كان النبي صلى الله عليه وسلم يخطب إلى خشبة، فلما صنع المنبر فجلس عليه رسول الله صلى الله عليه وسلم حنت حنين العشار حتى وضع رسول الله صلى الله عليه وسلم يده عليها فسكنت صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৩৫

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৬. মিম্বারের কান্নার মাধ্যমে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে সম্মানিত করার বিবরণ

৩৫. জাবির ইবনু আব্দুল্লাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা হতে বর্ণিত তিনি বলেন, কাষ্ঠ খণ্ডটি এমনভাবে কাঁদতে লাগল, যেভাবে বাচ্চা হারানো উটনী কেঁদে থাকে।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: আহমদ ৩/২৯৩; আবী ইয়ালা, আল মুসনাদ নং ২১৭৭; পূর্ণ তাখরীজের জন্য পূর্বের হাদীসটি দ্র:

بَاب مَا أُكْرِمَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مِنْ حَنِينِ الْمِنْبَرِ

أَخْبَرَنَا فَرْوَةُ، حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ زَكَرِيَّا، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي إِسْحَاق، عَنْ سَعِيدِ بْنِ أَبِي كَرِيبٍ، عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ رَضِيَ اللهُ عَنْهُ، قَالَ: حَنَّتْ الْخَشَبَةُ حَنِينَ النَّاقَةِ الْخَلُوجِ

إسناده صحيح

أخبرنا فروة، حدثنا يحيى بن زكريا، عن أبيه، عن أبي إسحاق، عن سعيد بن أبي كريب، عن جابر بن عبد الله رضي الله عنه، قال: حنت الخشبة حنين الناقة الخلوج إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৩৬

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৬. মিম্বারের কান্নার মাধ্যমে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে সম্মানিত করার বিবরণ

৩৬. তুফাইল তার পিতা উবাই ইবনু কা’ব রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, মাসজিদ যখন ছাদবিহীন ছিল, তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম একটি কাষ্ঠখণ্ডের নিকট দাঁড়িয়ে সালাত আদায় করতেন এবং সেটির উপর ভর দিয়ে খুতবা দিতেন। একজন সাহাবী বললেন, আমরা কি আপনার (মসজিদের) জন্য একটি বসার জায়গা বানিয়ে দেব না, যার উপর দাঁড়ালে জুমু’আর দিন লোকজন আপনাকে দেখতে পায় এবং আপনার খুতবা শুনতে পায়? তিনি বললেন: ’হাঁ’। তখন তাঁর জন্য তিন স্তরবিশিষ্ট অবকাঠামো তৈরী করে মিম্বারের উপর স্থাপন করা হলো। এভাবে মিম্বার তৈরী হয়ে গেলে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কর্তৃক নির্ধারিত সেটি সে স্থানে স্থাপন করা হল।

বর্ণনাকারী বলেন, তারপর যখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এসে মিম্বারের উদ্দেশ্যে যাওয়ার জন্য একে (কাষ্ঠখণ্ডটিকে) অতিক্রম করে আগে বাড়লেন, ঠিক তখনই তা আর্তনাদ করে উঠল। ফলে তা ভেঙ্গে চুরমার হয়ে গেল। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এটির উপর হাত বুলিয়ে দিলেন, অতঃপর সেটি শান্ত হল। তারপর তিনি মিম্বারে ফিরে এলেন। বর্ণনাকারী বলেন, এরপর থেকে যখনই তিনি সালাত আদায় করতেন, এটির নিকটেই আদায় করতেন। তারপর যখন মসজিদ ভেঙ্গে ফেলা হল, তখন উবাই ইবনু কা’ব সেই কাষ্ঠ খণ্ডটি নিয়ে গেলেন। যতদিন তা জীর্ণ না হয়েছিল এবং উইপোকা খেয়ে টুকরা টুকরা না করেছিল, ততদিন তা তার নিকটই ছিল।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ হাসান।

তাখরীজ: আহমাদ, আল মুসনাদ ৫/১৩৮-১৩৯; ইবনু মাজা ১৪১৪; আবু নুয়াইম, আদ দালাইল ৩০৬।

بَاب مَا أُكْرِمَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مِنْ حَنِينِ الْمِنْبَرِ

أَخْبَرَنَا زَكَرِيَّا بْنُ عَدِيٍّ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ عَقِيلٍ، عَنْ الطُّفَيْلِ بْنِ أُبَيِّ بْنِ كَعْبٍ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ: كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: يُصَلِّي إِلَى جِذْعٍ وَيَخْطُبُ إِلَيْهِ إِذْ كَانَ الْمَسْجِدُ عَرِيشًا، فَقَالَ لَهُ رَجُلٌ مِنْ أَصْحَابِهِ: أَلَا نَجْعَلُ لَكَ عَرِيشًا تَقُومُ عَلَيْهِ يَرَاكَ النَّاسُ يَوْمَ الْجُمُعَةِ، وَتُسْمَعُ مِنْ خُطْبَتِكَ؟، قَالَ: ” نَعَمْ “، فَصُنِعَ لَهُ الثَّلَاثَ دَرَجَاتٍ، هُنَّ اللَّوَاتِي عَلَى الْمِنْبَرِ، فَلَمَّا صُنِعَ الْمِنْبَرُ وَوُضِعَ فِي مَوْضِعِهِ الَّذِي وَضَعَهُ فِيهِ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: فَلَمَّا جَاءَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يُرِيدُ الْمِنْبَرَ مَرَّ عَلَيْهِ، فَلَمَّا جَاوَزَهُ، خَارَ الْجِذْعُ حَتَّى تَصَدَّعَ وَانْشَقَّ، فَرَجَعَ إِلَيْهِ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَمَسَحَهُ بِيَدِهِ حَتَّى سَكَنَ، ثُمَّ رَجَعَ إِلَى الْمِنْبَرِ، قَالَ: فَكَانَ إِذَا صَلَّى، صَلَّى إِلَيْهِ فَلَمَّا هُدِمَ الْمَسْجِدُ أَخَذَ ذَلِكَ الْجِذْعَ أُبَيُّ بْنُ كَعْبٍ فَلَمْ يَزَلْ عِنْدَهُ حَتَّى بَلِيَ فَأَكَلَتْهُ الْأَرَضَةُ وَعَادَ رُفَاتًا

إسناده حسن من أجل عبد الله بن محمد بن عقيل

أخبرنا زكريا بن عدي، عن عبيد الله بن عمرو، عن عبد الله بن محمد بن عقيل، عن الطفيل بن أبي بن كعب، عن أبيه، قال: كان رسول الله صلى الله عليه وسلم: يصلي إلى جذع ويخطب إليه إذ كان المسجد عريشا، فقال له رجل من أصحابه: ألا نجعل لك عريشا تقوم عليه يراك الناس يوم الجمعة، وتسمع من خطبتك؟، قال: ” نعم “، فصنع له الثلاث درجات، هن اللواتي على المنبر، فلما صنع المنبر ووضع في موضعه الذي وضعه فيه رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: فلما جاء رسول الله صلى الله عليه وسلم يريد المنبر مر عليه، فلما جاوزه، خار الجذع حتى تصدع وانشق، فرجع إليه رسول الله صلى الله عليه وسلم فمسحه بيده حتى سكن، ثم رجع إلى المنبر، قال: فكان إذا صلى، صلى إليه فلما هدم المسجد أخذ ذلك الجذع أبي بن كعب فلم يزل عنده حتى بلي فأكلته الأرضة وعاد رفاتا إسناده حسن من أجل عبد الله بن محمد بن عقيل

 হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৩৭

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৬. মিম্বারের কান্নার মাধ্যমে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে সম্মানিত করার বিবরণ

৩৭. আবু সাঈদ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম একটি কাষ্ঠখণ্ডের নিকট (দাঁড়িয়ে) খুতবা দিতেন। তারপর রোমের একজন ব্যক্তি এসে বলল, আমি আপনার জন্য একটি মিম্বার বানিয়ে দিব যার উপরে (দাঁড়িয়ে) আপনি খুতবা দিবেন। তারপর সে তাঁর জন্যে একটি মিম্বার তৈরী করল, যা তোমরা দেখছ। তারপর যখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম খুতবা দেওয়ার জন্য মিম্বারের উপর দাঁড়ালেন, তখন উটনী তার বাচ্চার জন্য যেভাবে কাঁদে, তেমনিভাবে কাষ্ঠখণ্ডটি কান্না জুড়ে দিল। তখন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম (মিম্বার থেকে) নেমে সেটির দিকে এগিয়ে গেলেন এবং একে আলিঙ্গন করলেন, ফলে তা শান্ত হয়ে গেল। তখন আদেশ দেয়া হলো, যেন এর জন্য একটি গর্ত খুঁড়ে একে দাফন করে দেওয়া হয়।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ যয়ীফ, মুজালিদ বিন সাঈদের দুর্বলতার কারণে।

তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা, ১১/৪৮৬ নং ১১৭৯৮; আবী ইয়ালা (১০৬৮) সংক্ষেপে হাসান সনদে।

بَاب مَا أُكْرِمَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مِنْ حَنِينِ الْمِنْبَرِ

حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ سَعِيدٍ، حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَةَ، عَنْ مُجَالِدٍ، عَنْ أَبِي الْوَدَّاكِ، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ رَضِيَ اللهُ عَنْهُ، قَالَ: كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: ” يَخْطُبُ إِلَى لِزْقِ جِذْعٍ فَأَتَاهُ رَجُلٌ رُومِيٌّ، فَقَالَ: أَصْنَعُ لَكَ مِنْبَرًا تَخْطُبُ عَلَيْهِ، فَصَنَعَ لَهُ مِنْبَرًا هَذَا الَّذِي تَرَوْنَ، قَالَ: فَلَمَّا قَامَ عَلَيْهِ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَخْطُبُ، حَنَّ الْجِذْعُ حَنِينَ النَّاقَةِ إِلَى وَلَدِهَا، فَنَزَلَ إِلَيْهِ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَضَمَّهُ إِلَيْهِ فَسَكَنَ، فَأَمَرَ بِهِ أَنْ يُحْفَرَ لَهُ وَيُدْفَنَ

إسناده ضعيف لضعف مجالد بن سعيد

حدثنا عبد الله بن سعيد، حدثنا أبو أسامة، عن مجالد، عن أبي الوداك، عن أبي سعيد رضي الله عنه، قال: كان رسول الله صلى الله عليه وسلم: ” يخطب إلى لزق جذع فأتاه رجل رومي، فقال: أصنع لك منبرا تخطب عليه، فصنع له منبرا هذا الذي ترون، قال: فلما قام عليه النبي صلى الله عليه وسلم يخطب، حن الجذع حنين الناقة إلى ولدها، فنزل إليه رسول الله صلى الله عليه وسلم فضمه إليه فسكن، فأمر به أن يحفر له ويدفن إسناده ضعيف لضعف مجالد بن سعيد

 হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai’f)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৩৮

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৬. মিম্বারের কান্নার মাধ্যমে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে সম্মানিত করার বিবরণ

৩৮. হাসান রাহিমাহুল্লাহ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যখন মদীনায় আগমন করলেন তখন লোকদের সাথে কথা বলার সময় তিনি একটি কাষ্ঠখণ্ডের সাথে হেলান দিতেন। তারপর যখন তার চারিপাশে অনেক লোকের সমাগম হল, আর তিনি লোকদেরকে (তাঁর কথা) শুনাবার ইচ্ছা করলেন, তখন তিনি বললেন: ’আমার জন্য এমন একটি জিনিস বানাও, যার ‍উপর আমি আরোহণ করে (খুতবা দিতে) পারি।’ তারা বললেন: হে আল্লাহর নবী, সেটি কেমন হবে? তিনি বললেন: ’মুসা’র মাচা যেমন ছিল, ঠিক তেমনি একটি মাচা। অতঃপর তারা তাঁর জন্য তা (মিম্বার) তৈরী করলেন। (বর্ণনাকারী) হাসান বলেন: আল্লাহর কসম! তখন সেই কাষ্ঠখণ্ডটি কান্না জুড়ে দিল। হাসান বলেন, সুবহানাল্লাহ! আনুগত্যকারী লোকদের অন্তর (রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের জন্য) এমন আকাংখী  কি? আবূ মুহাম্মদ বলেন: ’অর্থাৎ এ (ঘটনা) টি।’[1]

[1] তাহক্বীক্ব: মুরসাল হিসেবে এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: আবী ইয়ালা, আল মুসনাদ ২৭৫৬; সহীহ ইবনু হিব্বান ৬৫০৭; হাইছামী, মাওয়ারিদুয যাম’আন ৫৭৪। আলবানী সহীহাহ ৬১৬।

بَاب مَا أُكْرِمَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مِنْ حَنِينِ الْمِنْبَرِ

أَخْبَرَنَا مُسْلِمُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، حَدَّثَنَا الصَّعْقُ، قَالَ: سَمِعْتُ الْحَسَنَ، يَقُولُ: لَمَّا أَنْ قَدِمَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ الْمَدِينَةَ جَعَلَ ” يُسْنِدُ ظَهْرَهُ إِلَى خَشَبَةٍ وَيُحَدِّثُ النَّاسَ “، فَكَثُرُوا حَوْلَهُ، فَأَرَادَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنْ يُسْمِعَهُمْ، فَقَالَ: ” ابْنُوا لِي شَيْئًا أَرْتَفِعُ عَلَيْهِ “، قَالُوا: كَيْفَ يَا نَبِيَّ اللَّهِ؟، قَالَ: ” عَرِيشٌ كَعَرِيشِ مُوسَى “، فَلَمَّا أَنْ بَنَوْا لَهُ، قَالَ الْحَسَنُ: حَنَّتْ وَاللَّهِ الْخَشَبَةُ، قَالَ الْحَسَنُ: سُبْحَانَ اللَّهِ ! هَلْ تُبْتَغَى قُلُوبُ قَوْمٍ سَمِعُوا؟ قَالَ أَبُو مُحَمَّدٍ: يَعْنِي هَذَا

مرسل إسناده صحيح

أخبرنا مسلم بن إبراهيم، حدثنا الصعق، قال: سمعت الحسن، يقول: لما أن قدم النبي صلى الله عليه وسلم المدينة جعل ” يسند ظهره إلى خشبة ويحدث الناس “، فكثروا حوله، فأراد النبي صلى الله عليه وسلم أن يسمعهم، فقال: ” ابنوا لي شيئا أرتفع عليه “، قالوا: كيف يا نبي الله؟، قال: ” عريش كعريش موسى “، فلما أن بنوا له، قال الحسن: حنت والله الخشبة، قال الحسن: سبحان الله ! هل تبتغى قلوب قوم سمعوا؟ قال أبو محمد: يعني هذا مرسل إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৩৯

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৬. মিম্বারের কান্নার মাধ্যমে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে সম্মানিত করার বিবরণ

৩৯. ইবনু আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, মিম্বার বানানোর পূর্বে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম একটি কাষ্ঠখণ্ডের নিকট (দাঁড়িয়ে) খুতবা দিতেন। তারপর যখন তিনি মিম্বার বানালেন এবং সেটির দিকে ফিরে গেলেন, তখন কাষ্ঠখণ্ডটি কান্নাজুড়ে দিল। ফলে তিনি এটিকে আলিঙ্গন করলেন, অতঃপর এটি শান্ত হল। এবং তিনি বললেন: ’আমি যদি একে আলিঙ্গন না করতাম, তবে অবশ্যই তা কিয়ামত পর্য়ন্ত (এভাবে) কাঁদতে থাকত।’[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: আহমাদ, আল মুসনাদ ১/২৪৯, ২৬৩, ২৬৭; ইবনু আবী শাইবা ১১/৪৮৪ নং ১১৭৯৫; আবদ্ ইবনু হুমাইদ ১৩৩৬; বুখারী, আল কাবীর ৭/২৬; তাবারানী, মু’জামুল কাবীর ১২/১৮৭ নং ১২৮৪১।

بَاب مَا أُكْرِمَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مِنْ حَنِينِ الْمِنْبَرِ

أَخْبَرَنَا الْحَجَّاجُ بْنُ مِنْهَالٍ، حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ، عَنْ عَمَّارِ بْنِ أَبِي عَمَّارٍ، عَنْ ابْنِ عَبَّاسٍ رَضِيَ اللهُ عَنْهُمَا، أَنّ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَ: يَخْطُبُ إِلَى جِذْعٍ قَبْلَ أَنْ يَتَّخِذَ الْمِنْبَرَ، فَلَمَّا اتَّخَذَ الْمِنْبَرَ وَتَحَوَّلَ إِلَيْهِ، حَنَّ الْجِذْعُ، فَاحْتَضَنَهُ، فَسَكَنَ “، وَقَالَ: لَوْ لَمْ أَحْتَضِنْهُ، لَحَنَّ إِلَى يَوْمِ الْقِيَامَةِ

إسناده صحيح

أخبرنا الحجاج بن منهال، حدثنا حماد بن سلمة، عن عمار بن أبي عمار، عن ابن عباس رضي الله عنهما، أن النبي صلى الله عليه وسلم كان: يخطب إلى جذع قبل أن يتخذ المنبر، فلما اتخذ المنبر وتحول إليه، حن الجذع، فاحتضنه، فسكن “، وقال: لو لم أحتضنه، لحن إلى يوم القيامة إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৪০

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৬. মিম্বারের কান্নার মাধ্যমে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে সম্মানিত করার বিবরণ

৪০. আনাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতেও অনুরূপ হাদীস বর্ণিত আছে।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: তিরমিযী ৩৬৩১; ইবনু মাজাহ ১৪১৫; সহীহ ইবনু হিব্বান ৬৫০৭।

بَاب مَا أُكْرِمَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مِنْ حَنِينِ الْمِنْبَرِ

أَخْبَرَنَا الْحَجَّاجُ بْنُ مِنْهَالٍ، حَدَّثَنَا حَمَّادٌ، عَنْ ثَابِتٍ، عَنْ أَنَسٍ رَضِيَ اللهُ عَنْهُ، بِمِثْلِهِ

إسناده صحيح

أخبرنا الحجاج بن منهال، حدثنا حماد، عن ثابت، عن أنس رضي الله عنه، بمثله إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৪১

 শেয়ার ও অন্যান্য 

বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৬. মিম্বারের কান্নার মাধ্যমে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে সম্মানিত করার বিবরণ

৪১. সাহল ইবনু সা’দ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত তিনি বলেন, যে কাষ্ঠখণ্ডটির নিকট রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম (খুতবার সময়) দাঁড়াতেন, সেটি কাঁন্না জুড়ে দিল। অতঃপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উঠে সেটির নিকট গেলেন এবং সেটির উপর তাঁর হাত রাখলেন, এরপর সেটি শান্ত হল।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এ সনদটি যয়ীফ, মাসউদীর দুর্বলতার কারণে। তবে এ হাদীসটি (অন্য সনদে) বুখারী ও মুসলিম বর্ণনা করেছেন।

তাখরীজ: বুখারী ৯১৭; মুসলিম ৫৪৪; ইবনু মাজাহ ১৪১৬; ইবনু আবী শাইবাহ ১১/৪৮৫ নং ১১৭৯৬।

بَاب مَا أُكْرِمَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مِنْ حَنِينِ الْمِنْبَرِ

أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ يَزِيدَ، حَدَّثَنَا الْمَسْعُودِيُّ، عَنْ أَبِي حَازِمٍ، عَنْ سَهْلِ بْنِ سَعْدٍ رَضِيَ اللهُ عَنْهُ، قَالَ: حَنَّتِ الْخَشَبَةُ الَّتِي كَانَ يَقُومُ عِنْدَهَا، فَقَامَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِلَيْهَا، وَوَضَعَ يَدَهُ عَلَيْهَا، فَسَكَنَتْ

إسناده ضعيف لضعف المسعودي وهو عبد الرحمن بن عبد الله بن عتبة والحديث متفق عليه

أخبرنا عبد الله بن يزيد، حدثنا المسعودي، عن أبي حازم، عن سهل بن سعد رضي الله عنه، قال: حنت الخشبة التي كان يقوم عندها، فقام رسول الله صلى الله عليه وسلم إليها، ووضع يده عليها، فسكنت إسناده ضعيف لضعف المسعودي وهو عبد الرحمن بن عبد الله بن عتبة والحديث متفق عليه

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৪২

 শেয়ার ও অন্যান্য 

বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৬. মিম্বারের কান্নার মাধ্যমে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে সম্মানিত করার বিবরণ

৪২. আনাস ইবনে মালিক রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেছেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম জুমু’আর দিনে মসজিদের একটি কাষ্ঠখণ্ডের সাথে হেলান দিয়ে দাঁড়িয়ে লোকদের মাঝে খুতবা দিতেন। তারপর এক রোম থেকে একজন লোক এসে বলল, আমি আপনার জন্য একটি কিছু বানিয়ে দিব যার উপরে বসলে মনে হবে যেন আপনি দাঁড়িয়ে আছেন? তারপর সে তাঁর জন্যে একটি মিম্বার তৈরী করল, যার (নিচের দিকে) দু’টি ধাপ ছিল, আর (উপরের দিকে) তৃতীয় ধাপে তিনি বসতেন। অতঃপর যখন আল্লাহর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সেই মিম্বারে বসলেন, তখন কাষ্ঠখণ্ডটি ষাঁড়ের মত আর্তনাদ করতে লাগলো, এমনকি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর শোকে পুরো মসজিদ প্রকম্পিত হয়ে উঠল। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মিম্বার হতে নেমে সেটির দিকে আসলেন এবং আর্তনাদরত কাষ্ঠখণ্ডটিকে আলিঙ্গন করলেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সেটিকে আলিঙ্গন করা মাত্র তা শান্ত হয়ে গেল। তারপর তিনি বলেন: ’সেই মহান সত্ত্বার কসম, যার হাতে রয়েছে মুহাম্মাদের প্রাণ, আমি যদি একে আলিঙ্গন না করতাম, তবে অবশ্যই তা কিয়ামত পর্যন্ত রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর শোকে এভাবে কাঁদতে থাকত।’ এরপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এটিকে দাফন করার নিদের্শ দিলেন, ফলে এটিকে দাফন করে দেয়া হল।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: আহমদ, ৩/২২৬; তিরমিযী ৩৬৩১; ইবনু মাজাহ ১৪১৫।

بَاب مَا أُكْرِمَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مِنْ حَنِينِ الْمِنْبَرِ

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ أَبِي خَلَفٍ، حَدَّثَنَا عُمَرُ بْنُ يُونُسَ، حَدَّثَنَا عِكْرِمَةُ بْنُ عَمَّارٍ، حَدَّثَنَا إِسْحَاق بْنُ أَبِي طَلْحَةَ، حَدَّثَنَا أَنَسُ بْنُ مَالِكٍ رَضِيَ اللهُ عَنْهُ، أَنّ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَ: يَقُومُ يَوْمَ الْجُمُعَةِ، فَيُسْنِدُ ظَهْرَهُ إِلَى جِذْعٍ مَنْصُوبٍ فِي الْمَسْجِدِ فَيَخْطُبُ النَّاسَ، فَجَاءَهُ رُومِيٌّ، فَقَالَ: أَلَا أَصْنَعُ لَكَ شَيْئًا تَقْعُدُ عَلَيْهِ وَكَأَنَّكَ قَائِمٌ؟ فَصَنَعَ لَهُ مِنْبَرًا لَهُ دَرَجَتَانِ، وَيَقْعُدُ عَلَى الثَّالِثَةِ، فَلَمَّا قَعَدَ نَبِيُّ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَلَى ذَلِكَ الْمِنْبَرِ، خَارَ الْجِذْعُ كَخُوَارِ الثَّوْرِ حَتَّى ارْتَجَّ الْمَسْجِدُ حُزْنًا عَلَى رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَنَزَلَ إِلَيْهِ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مِنْ الْمِنْبَرِ، فَالْتَزَمَهُ وَهُوَ يَخُورُ، فَلَمَّا الْتَزَمَهُ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ سَكَنَ، ثُمَّ قَالَ: أَمَا وَالَّذِي نَفْسُ مُحَمَّدٍ بِيَدِهِ لَوْ لَمْ أَلْتَزِمْهُ، لَمَا زَالَ هَكَذَا إِلَى يَوْمِ الْقِيَامَةِ حُزْنًا عَلَى رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ ، فَأَمَرَ بِهِ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَدُفِنَ

إسناده صحيح

أخبرنا محمد بن أحمد بن أبي خلف، حدثنا عمر بن يونس، حدثنا عكرمة بن عمار، حدثنا إسحاق بن أبي طلحة، حدثنا أنس بن مالك رضي الله عنه، أن النبي صلى الله عليه وسلم كان: يقوم يوم الجمعة، فيسند ظهره إلى جذع منصوب في المسجد فيخطب الناس، فجاءه رومي، فقال: ألا أصنع لك شيئا تقعد عليه وكأنك قائم؟ فصنع له منبرا له درجتان، ويقعد على الثالثة، فلما قعد نبي الله صلى الله عليه وسلم على ذلك المنبر، خار الجذع كخوار الثور حتى ارتج المسجد حزنا على رسول الله صلى الله عليه وسلم فنزل إليه رسول الله صلى الله عليه وسلم من المنبر، فالتزمه وهو يخور، فلما التزمه رسول الله صلى الله عليه وسلم سكن، ثم قال: أما والذي نفس محمد بيده لو لم ألتزمه، لما زال هكذا إلى يوم القيامة حزنا على رسول الله صلى الله عليه وسلم ، فأمر به رسول الله صلى الله عليه وسلم فدفن إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৪৩

 শেয়ার ও অন্যান্য 

বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৭. খাদ্যে বরকত প্রদানের মাধ্যমে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে যে মর্যাদা প্রদান করা হয়েছে

৪৩. আব্দুল ওয়াহেদ বিন আইমান আল মাক্কী তার পিতা হতে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন, আমি জাবির বিন আব্দুল্লাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা-কে বললাম, আমার নিকট আপনি এমন একটি হাদীস বর্ণনা করুন, যা আপনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে শুনেছেন। আমি আপনার সূত্রে তা বর্ণনা করব। তখন জাবির রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বললেন, আমরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর সাথে খন্দকের যুদ্ধে পরিখা খনন করছিলাম। আমরা তিনদিন পর্যন্ত অপেক্ষা করলাম, আর আমরা ছিলাম অভুক্ত। আর খাওয়ার কোন অবকাশও আমাদের ছিল না। (হঠাৎ) পরিখার ভেতরে একটি শক্ত পাথর দেখা দিল। আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর কাছে এসে বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! পরিখার ভেতর একটি শক্ত পাথর দেখা দিয়েছে, আমরা সেটির উপর পানি ছিটিয়ে দিয়েছি। অতঃপর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উঠে দাঁড়ালেন। তখন তাঁর পেটে একটি পাথর বাঁধা ছিল। তিনি কোদাল কিংবা বেলচা তুলে নিলেন, তারপর তিনবার ’বিসমিল্লাহ’ বলে সেটিকে আঘাত করলেন। ফলে পাথরটি চূর্ণ-বিচূর্ণ হয়ে বালুকণায় পরিণত হয়ে গেল।

আমি রাসূল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর (ক্ষুধার্ত) অবস্থা লক্ষ্য করে বললাম, ইয়া রাসূলুল্লাহ! আমাকে একটু (বাড়িতে যাওয়ার) অনুমতি দিন। তিনি অনুমতি দিলেন। বাড়ি এসে স্ত্রীকে বললাম, তোমার মা তোমাকে হারিয়ে ফেলুক! রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে যে অবস্থায় দেখে এলাম তাতে মোটেও ধৈর্য্য ধারণ করতে পারছি না। তোমার কাছে কি কিছু আছে? সে বলল, আমার কাছে মাত্র এক সা’ যব এবং একটি ছাগলের বাচ্চা রয়েছে। তিনি বলেন, অতঃপর আমরা যব পিষলাম ও ছাগলের বাচ্চাটি যবেহ করলাম।  এবং আমি সেটির চামড়া ছিলে তা হাঁড়িতে চড়ালাম এবং যবের আটার খামির তৈরী করলাম। তারপর আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর নিকট ফিরে এলাম। কিছুক্ষণ তাঁর সাথে থাকার পর পূনরায় বাড়ি যাবার জন্য তাঁর অনুমতি চাইলাম। তিনি আমাকে অনুমতি দিলেন। আমি বাড়িতে ফিরে দেখলাম আটার খামির (রুটি) বানানোর উপযোগী হয়েছে, তখন আমি আমার স্ত্রীকে রুটি বানাবার নির্দেশ দিয়ে হাঁড়ি চুলায় চড়ালাম।’

(আবী আব্দুর রহমান বলেন: শব্দটি ছিল ’الأثافي’ কিন্তু সেটি এরূপই (আমি পেয়েছি)।

তিনি বলেন: তারপর আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর নিকট এসে তাঁকে বললাম, আমাদের নিকট সামান্য কিছু খাদ্য রয়েছে, যদি আপনি ও আপনার সঙ্গে আরও একজন কিংবা দু’জন লোক নিয়ে আমার সাথে যেতেন! তিনি জিজ্ঞেস করলেন: ’কী পরিমাণ খাবার আছে?’ আমি বললাম, এক সা’ যব ও একটি ছাগলের বাচ্চা। তিনি বললেন: ’তুমি বাড়ি যাও, তোমার স্ত্রীকে বল, আমি না আসা পর্যন্ত সে যেন চুলা থেকে গোশতের হাঁড়ি না নামায় এবং তন্দুর থেকে রুটি বের না করে।’ তারপর লোকদেরকে লক্ষ্য করে বললেন: ’তোমরা জাবিরের বাড়িতে চলো।’ একথা শুনে ভীষণভাবে লজ্জিত হলাম, যা আল্লাহ ছাড়া কেউ জানেন না। স্ত্রীকে বললাম, তোমার সর্বনাশ হোক! রাসূলূল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁর সকল সঙ্গী-সাথীসহ আসছেন। স্ত্রী জিজ্ঞেস করল, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কি তোমাকে খাদ্যের পরিমাণ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করেছিলেন? আমি বললাম, হাঁ। তখন সে বলল, আল্লাহ ও তাঁর রাসূলই ভাল জানেন। আমাদের কাছে যা আছে তা তো তাঁকে জানিয়েই দিয়েছ।

(তার কথা শুনে) আমার মনের দুশ্চিন্তা অনেকটাই কেটে গেল। বললাম, তুমি ঠিকই বলেছ। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এলেন এবং ভেতরে প্রবেশ করলেন। তারপর সাথীদের বললেন: ’তোমরা ভীড় করো না।’ তারপর তিনি হাড়িতে রাখা গোশত ও তন্দুরে রাখা রুটির বরকতের জন্য দু’আ করলেন। তারপর আমরা তন্দুর থেকে রুটি নিয়ে টুকরা করে এবং হাঁড়ি থেকে গোশত নিয়ে তাদেরকে দিতে থাকলাম। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন: ’প্রত্যেক পাত্রে যেন সাত কিংবা আটজন করে বসে।’ তারা যখন খেতে থাকল, তখন আমরা তন্দুর ও হাঁড়ির ঢাকনা খুলে দেখলাম, সে দু’টি পূর্বে যেমন পূর্ণ ছিল, তেমনই রয়েছে। আমরা এরূপ করতে থাকলাম অর্থাৎ আমরা তন্দুর ও হাঁড়ির ঢাকনা খুলে দেখতাম দু’টিই পূর্বের মত পরিপূর্ণ রয়েছে, এমনকি সকল মুসলিম তৃপ্তির সাথে খাওয়ার পরও আরো কিছু খাদ্য উদ্বৃত্ত রইল। অতঃপর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাদেরকে বললেন: ’অনেক লোক ক্ষুধার্ত রয়েছে, অতএব, তোমরা নিজেরা খাও এবং অন্যদেরকেও খাওয়াও।’ আমরা সেদিন সারাদিন খেয়েছি ও খাইয়েছি।

বর্ণনাকারী বলেন, তারা ছিলেন আটশ’ জনের মত, অথবা বলেছেন, তিনশ’ জনের মত। আইমান বলেন, আমি জানি না তিনি কোনটি বলেছিলেন।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: সনদ দুর্বল। তবে এর মুতাবিয়াত হাদীস সহীহ সনদে অন্যদের থেকে বাইহাকী তার ‘দালাইলুন নবুয়াত’-এ (৩/৪২২) বর্ণনা করেছেন।

তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা, ১১/৪৬৬-৪৬৯; বাইহাকী, দালাইল ৩/৪২২-৪২৪; আহমাদ ৩/৩০০, ৩০১ সংক্ষেপে; অনুরূপ রিওয়ায়াত রয়েছে, বুখারী ২১৪২; মুসলিম ২০৩৯।

بَاب مَا أُكْرِمَ بِهِ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي بَرَكَةِ طَعَامِهِ

أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ بْنِ أَبَانَ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ مُحَمَّدٍ الْمُحَارِبِيُّ، عَنْ عَبْدِ الْوَاحِدِ بْنِ أَيْمَنَ الْمَكِّيِّ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ: قُلْتُ لِجَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ رَضِيَ اللهُ عَنْهُ حَدِّثْنِي بِحَدِيثٍ عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ سَمِعْتَهُ مِنْهُ أَرْوِيهِ عَنْكَ، فَقَالَ جَابِرٌ: كُنَّا مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَوْمَ الْخَنْدَقِ نَحْفُرُهُ، فَلَبِثْنَا ثَلَاثَةَ أَيَّامٍ لَا نَطْعَمُ طَعَامًا، وَلَا نَقْدِرُ عَلَيْهِ، فَعَرَضَتْ فِي الْخَنْدَقِ كُدْيَةٌ فَجِئْتُ إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقُلْتُ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، هَذِهِ كُدْيَةٌ قَدْ عَرَضَتْ، فِي الْخَنْدَقِ فَرَشَشْنَا عَلَيْهَا الْمَاءَ، فَقَامَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَبَطْنُهُ مَعْصُوبٌ بِحَجَرٍ، فَأَخَذَ الْمِعْوَلَ، أَوْ الْمِسْحَاةَ، ثُمَّ سَمَّى ثَلَاثًا، ثُمَّ ضَرَبَ فَعَادَتْ كَثِيبًا أَهْيَلَ، فَلَمَّا رَأَيْتُ ذَلِكَ مِنْ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قُلْتُ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، ائْذَنْ لِي، قَالَ: فَأَذِنَ لِي، فَجِئْتُ امْرَأَتِي، فَقُلْتُ: ثَكِلَتْكِ أُمُّكِ قَدْ رَأَيْتُ مِنْ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ شَيْئًا لَا صَبْرَ لِي عَلَيْهِ، فَهَلْ عِنْدَكِ مِنْ شَيْءٍ؟، فَقَالَتْ: عِنْدِي صَاعٌ مِنْ شَعِيرٍ، وَعَنَاقٌ، قَالَ: فَطَحَنَّا الشَّعِيرَ، وَذَبَحْنَا الْعَنَاقَ، وَسَلَخْتُهَا، وَجَعَلْتُهَا، فِي الْبُرْمَةِ وَعَجَنْتُ الشَّعِيرَ، قَالَ: ثُمَّ قَالَ: رَجَعْتُ إِلَى النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَلَبِثْتُ سَاعَةً، ثُمَّ اسْتَأْذَنْتُهُ الثَّانِيَةَ فَأَذِنَ لِي، فَجِئْتُ، فَإِذَا الْعَجِينُ قَدْ أَمْكَنَ، فَأَمَرْتُهَا بِالْخَبْزِ وَجَعَلْتُ الْقِدْرَ عَلَى الْأَثَاثِي، قَالَ أَبُو عَبْدِ الرَّحْمَنِ: إِنَّمَا هِيَ الْأَثَافِيُّ وَلَكِنْ هَكَذَا، قَالَ: ثُمَّ جِئْتُ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقُلْتُ: إِنَّ عِنْدَنَا طُعَيِّمًا لَنَا، فَإِنْ رَأَيْتَ أَنْ تَقُومَ مَعِي أَنْتَ وَرَجُلٌ أَوْ رَجُلَانِ مَعَكَ، فَقَالَ: ” وَكَمْ هُوَ؟ “، قُلْتُ: صَاعٌ مِنْ شَعِيرٍ، وَعَنَاقٌ، فَقَالَ: ” ارْجِعْ إِلَى أَهْلِكَ وَقُلْ لَهَا لَا تَنْزِعْ الْقِدْرَ مِنْ الْأَثَافِيِّ، وَلَا تُخْرِجْ الْخُبْزَ مِنْ التَّنُّورِ حَتَّى آتِيَ “، ثُمَّ قَالَ لِلنَّاسِ: ” قُومُوا إِلَى بَيْتِ جَابِرٍ “، قَالَ: فَاسْتَحْيَيْتُ حَيَاءً لَا يَعْلَمُهُ إِلَّا اللَّهُ، فَقُلْتُ لِامْرَأَتِي: ثَكِلَتْكِ أُمُّكِ، قَدْ جَاءَكِ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِأَصْحَابِهِ أَجْمَعِينَ، فَقَالَتْ: أَكَانَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ سَأَلَكَ: كَمْ الطَّعَامُ؟، فَقُلْتُ: نَعَمْ، فَقَالَتْ: اللَّهُ وَرَسُولُهُ أَعْلَمُ، قَدْ أَخْبَرْتَهُ بِمَا كَانَ عِنْدَنَا، قَالَ: فَذَهَبَ عَنِّي بَعْضُ مَا كُنْتُ أَجِدُ، وَقُلْتُ: لَقَدْ صَدَقْتِ، فَجَاءَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَدَخَلَ، ثُمَّ قَالَ لِأَصْحَابِهِ: ” لَا تَضَاغَطُوا “، ” ثُمَّ بَرَّكَ عَلَى التَّنُّورِ وَعَلَى الْبُرْمَةِ “، قَالَ: فَجَعَلْنَا نَأْخُذُ مِنْ التَّنُّورِ الْخُبْزَ، وَنَأْخُذُ اللَّحْمَ مِنْ الْبُرْمَةِ، فَنُثَرِّدُ وَنَغْرِفُ لَهُمْ، وَقَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: ” لِيَجْلِسْ عَلَى الصَّحْفَةِ سَبْعَةٌ أَوْ ثَمَانِيَةٌ “، فَإِذَا أَكَلُوا كَشَفْنَا عَنْ التَّنُّورِ، وَكَشَفْنَا عَنْ الْبُرْمَةِ، فَإِذَا هُمَا أَمْلَأُ مِمَّا كَانَا، فَلَمْ نَزَلْ نَفْعَلُ ذَلِكَ كُلَّمَا فَتَحْنَا التَّنُّورَ وَكَشَفْنَا عَنْ الْبُرْمَةِ، وَجَدْنَاهُمَا أَمْلَأَ مَا كَانَا حَتَّى شَبِعَ الْمُسْلِمُونَ كُلُّهُمْ، وَبَقِيَ طَائِفَةٌ مِنْ الطَّعَامِ، فَقَالَ لَنَا رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: ” إِنَّ النَّاسَ قَدْ أَصَابَتْهُمْ مَخْمَصَةٌ، فَكُلُوا وَأَطْعِمُوا ، فَلَمْ نَزَلْ يَوْمَنَا ذَلِكَ نَأْكُلُ وَنُطْعِمُ، قَالَ: وَأَخْبَرَنِي أَنَّهُمْ كَانُوا ثَمَانَ مِئَةٍ، أَوْ قَالَ: ثَلَاثَ مِئَةٍ، قَالَ أَيْمَنُ: لَا أَدْرِي أَيُّهُمَا

إسناده ضعيف عبد الرحمن بن محمد المحاربي موصوف بالتدليس وقد عنعن

أخبرنا عبد الله بن عمر بن أبان، حدثنا عبد الرحمن بن محمد المحاربي، عن عبد الواحد بن أيمن المكي، عن أبيه، قال: قلت لجابر بن عبد الله رضي الله عنه حدثني بحديث عن رسول الله صلى الله عليه وسلم سمعته منه أرويه عنك، فقال جابر: كنا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم يوم الخندق نحفره، فلبثنا ثلاثة أيام لا نطعم طعاما، ولا نقدر عليه، فعرضت في الخندق كدية فجئت إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقلت: يا رسول الله، هذه كدية قد عرضت، في الخندق فرششنا عليها الماء، فقام النبي صلى الله عليه وسلم وبطنه معصوب بحجر، فأخذ المعول، أو المسحاة، ثم سمى ثلاثا، ثم ضرب فعادت كثيبا أهيل، فلما رأيت ذلك من رسول الله صلى الله عليه وسلم قلت: يا رسول الله، ائذن لي، قال: فأذن لي، فجئت امرأتي، فقلت: ثكلتك أمك قد رأيت من رسول الله صلى الله عليه وسلم شيئا لا صبر لي عليه، فهل عندك من شيء؟، فقالت: عندي صاع من شعير، وعناق، قال: فطحنا الشعير، وذبحنا العناق، وسلختها، وجعلتها، في البرمة وعجنت الشعير، قال: ثم قال: رجعت إلى النبي صلى الله عليه وسلم فلبثت ساعة، ثم استأذنته الثانية فأذن لي، فجئت، فإذا العجين قد أمكن، فأمرتها بالخبز وجعلت القدر على الأثاثي، قال أبو عبد الرحمن: إنما هي الأثافي ولكن هكذا، قال: ثم جئت النبي صلى الله عليه وسلم فقلت: إن عندنا طعيما لنا، فإن رأيت أن تقوم معي أنت ورجل أو رجلان معك، فقال: ” وكم هو؟ “، قلت: صاع من شعير، وعناق، فقال: ” ارجع إلى أهلك وقل لها لا تنزع القدر من الأثافي، ولا تخرج الخبز من التنور حتى آتي “، ثم قال للناس: ” قوموا إلى بيت جابر “، قال: فاستحييت حياء لا يعلمه إلا الله، فقلت لامرأتي: ثكلتك أمك، قد جاءك رسول الله صلى الله عليه وسلم بأصحابه أجمعين، فقالت: أكان النبي صلى الله عليه وسلم سألك: كم الطعام؟، فقلت: نعم، فقالت: الله ورسوله أعلم، قد أخبرته بما كان عندنا، قال: فذهب عني بعض ما كنت أجد، وقلت: لقد صدقت، فجاء النبي صلى الله عليه وسلم فدخل، ثم قال لأصحابه: ” لا تضاغطوا “، ” ثم برك على التنور وعلى البرمة “، قال: فجعلنا نأخذ من التنور الخبز، ونأخذ اللحم من البرمة، فنثرد ونغرف لهم، وقال النبي صلى الله عليه وسلم: ” ليجلس على الصحفة سبعة أو ثمانية “، فإذا أكلوا كشفنا عن التنور، وكشفنا عن البرمة، فإذا هما أملأ مما كانا، فلم نزل نفعل ذلك كلما فتحنا التنور وكشفنا عن البرمة، وجدناهما أملأ ما كانا حتى شبع المسلمون كلهم، وبقي طائفة من الطعام، فقال لنا رسول الله صلى الله عليه وسلم: ” إن الناس قد أصابتهم مخمصة، فكلوا وأطعموا ، فلم نزل يومنا ذلك نأكل ونطعم، قال: وأخبرني أنهم كانوا ثمان مئة، أو قال: ثلاث مئة، قال أيمن: لا أدري أيهما إسناده ضعيف عبد الرحمن بن محمد المحاربي موصوف بالتدليس وقد عنعن

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৪৪

 শেয়ার ও অন্যান্য 

বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৭. খাদ্যে বরকত প্রদানের মাধ্যমে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে যে মর্যাদা প্রদান করা হয়েছে

৪৪. আনাস ইবনু মালিক রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত তিনি বলেন, আবু তালহা উম্মু সুলাইমকে নির্দেশ দিলেন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর জন্য খাবার তৈরি করতে। তারপর আবু তালহা আমাকে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর নিকট পাঠালেন। আমি এসে তাঁকে বললাম, আবু তালহা আমাকে আপনার নিকট পাঠিয়েছেন। তিনি লোকদেরকে বললেন: ’তোমরা চলো।’ একথা বলে তিনি চলতে লাগলেন, লোকজনও তাঁর সাথে চলতে লাগলো। আবু তালহা বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! আমি তো শুধু আপনার জন্য খাবারের ব্যবস্থা করেছি। তিনি বললেন, তুমি ভেবো না, চলো।’

তিনি বলেন, একথা বলে তিনি চলতে লাগলেন, লোকজনও তাঁর সাথে চলতে লাগলো। খাবার উপস্থিত করা হলে রাসূলূল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম খাবারের উপর হাত রাখলেন এবং ’বিসমিল্লাহ’ পড়ে বললেন: ’দশজনকে আসতে বল।” তাদেরকে আসতে বলা হল। তিনি বললেন: ’তোমরা বিসমিল্লাহ বলে খাওয়া শুরু কর।’ তারা সকলেই পরিতৃপ্তির সাথে খেয়ে উঠে চলে গেল। তারপর তিনি প্রথমবারের মত আবারও বিসমিল্লাহ বলে খাবারের উপর হাত রাখলেন এবং বললেন: ’দশজনকে আসতে বল।’ তাদেরকে আনা হলে তিনি বললেন: ’বিসমিল্লাহ বলে খেতে থাক।’ তারাও পরিতৃপ্তির সাথে খেয়ে চলে গেল। এমনকি এভাবে তিনি আশি জনকে খাওয়ালেন।

বর্ণনাকারী বলেন, এরপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম নিজে খেলেন, তার পরিবার-পরিজন খেলেন এবং তারপরও খাবার অবশিষ্ট রইল।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: সনদ সহীহ।

তাখরীজ: মালিক, ১৯; বুখারী ৪২২; ৩৫৭৮; মুসলিম ২০৪০; তিরমিযী ৩৬৩৪।

بَاب مَا أُكْرِمَ بِهِ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي بَرَكَةِ طَعَامِهِ

أَخْبَرَنَا زَكَرِيَّا بْنُ عَدِيٍّ، حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ هُوَ ابْنُ عَمْرٍو، عَنْ عَبْدِ الْمَلِكِ بْنِ عُمَيْرٍ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي لَيْلَى، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ رَضِيَ اللهُ عَنْهُ، قَالَ: أَمَرَ أَبُو طَلْحَةَ أُمَّ سُلَيْمٍ رَضِيَ اللهُ عَنْهَا، أَنْ تَجْعَلَ لِرَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ طَعَامًا يَأْكُلُ مِنْهُ، قَالَ: ثُمَّ بَعَثَنِي أَبُو طَلْحَةَ إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَأَتَيْتُهُ، فَقُلْتُ: بَعَثَنِي إِلَيْكَ أَبُو طَلْحَةَ، فَقَالَ لِلْقَوْمِ: ” قُومُوا “، فَانْطَلَقَ وَانْطَلَقَ الْقَوْمُ مَعَهُ، فَقَالَ أَبُو طَلْحَةَ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، إِنَّمَا صَنَعْتُ طَعَامًا لِنَفْسِكَ خَاصَّةً؟، فَقَالَ: ” لَا عَلَيْكَ انْطَلِقْ “، قَالَ: فَانْطَلَقَ وَانْطَلَقَ الْقَوْمُ، قَالَ: فَجِيءَ بِالطَّعَامِ، ” فَوَضَعَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَدَهُ وَسَمَّى عَلَيْهِ “، ثُمَّ قَالَ: ” ائْذَنْ لِعَشَرَةٍ “، قَالَ: فَأَذِنَ لَهُمْ، فَقَالَ: ” كُلُوا بِاسْمِ اللَّهِ “، فَأَكَلُوا حَتَّى شَبِعُوا، ثُمَّ قَامُوا، ” ثُمَّ وَضَعَ يَدَهُ كَمَا صَنَعَ فِي الْمَرَّةِ الْأُولَى وَسَمَّى عَلَيْهِ “، ثُمَّ قَالَ: ” ائْذَنْ لِعَشَرَةٍ “، فَأَذِنَ لَهُمْ، فَقَالَ: ” كُلُوا، بِاسْمِ اللَّهِ ” فَأَكَلُوا حَتَّى شَبِعُوا، ثُمَّ قَامُوا حَتَّى فَعَلَ ذَلِكَ بِثَمَانِينَ رَجُلًا، قَالَ: وَأَكَلَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَأَهْلُ الْبَيْتِ وَتَرَكُوا سُؤْرًا

إسناده صحيح

أخبرنا زكريا بن عدي، حدثنا عبيد الله هو ابن عمرو، عن عبد الملك بن عمير، عن عبد الرحمن بن أبي ليلى، عن أنس بن مالك رضي الله عنه، قال: أمر أبو طلحة أم سليم رضي الله عنها، أن تجعل لرسول الله صلى الله عليه وسلم طعاما يأكل منه، قال: ثم بعثني أبو طلحة إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فأتيته، فقلت: بعثني إليك أبو طلحة، فقال للقوم: ” قوموا “، فانطلق وانطلق القوم معه، فقال أبو طلحة: يا رسول الله، إنما صنعت طعاما لنفسك خاصة؟، فقال: ” لا عليك انطلق “، قال: فانطلق وانطلق القوم، قال: فجيء بالطعام، ” فوضع رسول الله صلى الله عليه وسلم يده وسمى عليه “، ثم قال: ” ائذن لعشرة “، قال: فأذن لهم، فقال: ” كلوا باسم الله “، فأكلوا حتى شبعوا، ثم قاموا، ” ثم وضع يده كما صنع في المرة الأولى وسمى عليه “، ثم قال: ” ائذن لعشرة “، فأذن لهم، فقال: ” كلوا، باسم الله ” فأكلوا حتى شبعوا، ثم قاموا حتى فعل ذلك بثمانين رجلا، قال: وأكل رسول الله صلى الله عليه وسلم وأهل البيت وتركوا سؤرا إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৪৫

 শেয়ার ও অন্যান্য 

বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৭. খাদ্যে বরকত প্রদানের মাধ্যমে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে যে মর্যাদা প্রদান করা হয়েছে

৪৫. শাহর ইবনু হাওশাব, আবু উবাইদ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণনা করেন, তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের জন্য এক হাঁড়ি (গোশত) রান্না করলেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাকে বললেন: ’আমাকে সামনের একটি রান দাও।’ তিনি সামনের রানের গোশত পছন্দ করতেন। সে তাঁকে সামনের রান দিল। তিনি আবার বললেন: ’আমাকে সামনের রান দাও।’ তখন সে তাঁকে সামনের রান দিল। তিনি আবারও বললেন: ’আমাকে সামনের রান দাও।’ তখন আমি তাকে বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! একটি ছাগলের সামনের রান কয়টি হয়? তিনি উত্তরে বললেন: ’যার হাতে আমার প্রাণ সেই মহান সত্তার কসম! তুমি যদি চুপ থাকতে তাহলে যতক্ষণ আমি চাইতাম ততক্ষণ তুমি আমাকে সামনের রান দিতেই থাকতে।’[1]

[1] তাহক্বীক্ব: সনদ হাসান, শাহর ইবনু হাওশাবের কারণে।

তাখরীজ: তাবারানী, কাবীর ২২/৩৩৫ নং ৮৪২; তিরমিযী, শামাইল ১৭০।

بَاب مَا أُكْرِمَ بِهِ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي بَرَكَةِ طَعَامِهِ

أَخْبَرَنَا مُسْلِمُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، حَدَّثَنَا أَبَانُ هُوَ الْعَطَّارُ، حَدَّثَنَا قَتَادَةُ، عَنْ شَهْرِ بْنِ حَوْشَبٍ، عَنْ أَبِي عُبَيْدٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ، أَنَّهُ طَبَخَ لِلنَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قِدْرًا، فَقَالَ لَهُ: ” نَاوِلْنِي الْذِّرَاعَ “، وَكَانَ يُعْجِبُهُ الذِّرَاعُ، فَنَاوَلَهُ الذِّرَاعَ، ثُمَّ قَالَ: “نَاوِلْنِي الذِّرَاعَ “، فَنَاوَلَهُ ذِرَاعًا، ثُمَّ قَالَ: “نَاوِلْنِي الذِّرَاعَ “، فَقُلْتُ: يَا نَبِيَّ اللَّهِ، وَكَمْ لِلشَّاةِ مِنْ ذِرَاعٍ؟ فَقَالَ: وَالَّذِي نَفْسِي بِيَدِهِ أَنْ لَوْ سَكَتَّ لَأُعْطَيْتَ أَذْرُعًا مَا دَعَوْتُ بِهِ

إسناده حسن من أجل شهر بن حوشب

أخبرنا مسلم بن إبراهيم، حدثنا أبان هو العطار، حدثنا قتادة، عن شهر بن حوشب، عن أبي عبيد رضي الله عنه، أنه طبخ للنبي صلى الله عليه وسلم قدرا، فقال له: ” ناولني الذراع “، وكان يعجبه الذراع، فناوله الذراع، ثم قال: “ناولني الذراع “، فناوله ذراعا، ثم قال: “ناولني الذراع “، فقلت: يا نبي الله، وكم للشاة من ذراع؟ فقال: والذي نفسي بيده أن لو سكت لأعطيت أذرعا ما دعوت به إسناده حسن من أجل شهر بن حوشب

 হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৪৬

 শেয়ার ও অন্যান্য 

বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৭. খাদ্যে বরকত প্রদানের মাধ্যমে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে যে মর্যাদা প্রদান করা হয়েছে

৪৬. জাবির ইবনু আব্দুল্লাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ‍মুশরিকদের বিরুদ্ধে এক যুদ্ধে বেরিয়েছিলেন। আমার পিতা আব্দুল্লাহ আমাকে বললেন, হে জাবির, তোমার জন্য জরুরী যে, তুমি যুদ্ধে না গিয়ে মদীনাবাসীর দেখাশুনা করবে। এভাবে তুমি আমাদের পরিণতি কী হয় তা জানতে পারবে। আল্লাহর কসম! যদি আমার এ আশংকা না থাকত যে, আমার মৃত্যুর পর এতগুলো মেয়েকে (অভিভাবকবিহীন) রেখে যেতে হবে, তবে অবশ্যই আমি পছন্দ করতাম যে, তুমি যুদ্ধে গিয়ে সামনে থেকে জিহাদ করে শহীদ হয়ে যাও। জাবির বলেন, আমি মদীনা দেখাশুনাকারীদের মাঝে রয়ে গেলাম। (পরে) দেখলাম আমার ফুফু আমার আব্বা ও মামার লাশ নিয়ে এলেন আমাদের কবরস্থানে তাদেরকে দাফন করার জন্য। এমন সময় এক ব্যক্তি এসে বললো, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তোমাদেরকে নির্দেশ দিয়েছেন নিহতদের লাশ ফেরত দিতে এবং তারা যেখানে নিহত হয়েছেন সেখানেই তাদেরকে দাফন করতে। আমরা তাদের দু’জনের লাশ ফেরত দিলাম এবং তাদের নিহত হওয়ার স্থানে তাদেরকে দাফন করলাম।

এরপর মু’আবিয়া ইবনু আবী সুফিয়ান রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু-এর শাসনামলে এক ব্যক্তি আমার কাছে এসে বললেন, হে জাবির ইবনু আব্দুল্লাহ, আপনার আব্বার কবর মু’আবিয়ার লোকজন খুঁড়ে ফেলেছে, তার লাশের কিছু অংশ বের হয়ে পড়েছে। কতিপয় লোক সেখানে গেল। আমিও সেখানে গেলাম। আমি আমার আব্বাকে ঠিক তেমনি পেলাম যেমন আমরা দাফন করেছিলাম। শাহাদাতের ক্ষত ছাড়া লাশের আর কোন বিকৃতি ঘটেনি।

জাবির বলেন, অতঃপর আব্বার লাশ পুনঃদাফন করে ফিরে এলাম। আব্বা জীবদ্দশায় কিছু খেজুর ঋণ নিয়েছিলেন। কিছু ঋণদাতা সেই ঋণ পরিশোধের জন্য আমাকে চাপ দিতে লাগলো। আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর কাছে গিয়ে বললাম, হে আল্লাহর রাসূল, আমার আব্বা অমুক দিন শহীদ হয়েছেন। তিনি কিছু খেজুর ঋণ করে গেছেন। কতিপয় পাওনাদার আমাকে ঋণ পরিশোধের জন্য চাপ দিচ্ছে। আমি চাই আপনি এ ব্যাপারে আমাকে সাহায্য করুন যেন সামনের ফসল তোলার পূর্ব পর্যন্ত আমাকে তারা অবকাশ দেয়। তিনি বলেন: ’ঠিক আছে, দুপুরের কাছাকাছি সময়ে আল্লাহ চান তো আমি তোমার কাছে যাবে।’ জাবির বলেন, তিনি আসলেন, তাঁর সাথে কয়েকজন সঙ্গীও ছিল। তারা সবাই ছায়ায় বসে পড়লেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এসে সালাম দিলেন এবং ভেতরে প্রবেশের জন্য অনুমতি চাইলেন। তারপর তিনি আমাদের নিকট এলেন। আমি আমার স্ত্রীকে বলে রেখেছিলাম, আজ দুপুরে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাদের নিকট আসবেন। তিনি যেন তোমাকে কিছুতেই না দেখতে পান। তুমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে আমার বাড়িতে কোন কারণেই কষ্ট দিবে না। আর তুমি তাঁর সাথে কথাও বলবে না।

তারপর আমি চাদর বিছিয়ে দিলাম এবং সেখানে একটি বালিশ রাখলাম। তিনি তাঁর উপর মাথা রেখে ঘুমিয়ে পড়লেন। আমার কাছে একটি ছাগল ছানা ছিল, সেটি ছিল আমার পোষা ও বেশ মোটাতাজা। আমার গোলামকে বললাম, এই ছাগলটি যবেহ করো এবং রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ঘুম থেকে জেগে উঠার আগেই তাড়াতাড়ি বানিয়ে ফেল। আমি তোমার সাথে আছি। আমরা কাজ শেষ না করে আর বিশ্রাম নিলাম না। তখনও তিনি ঘুমে ছিলেন। আমি বললাম, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম জেগে ওযুর পানি চাইবেন। আমার ভয় হচ্ছে, তিনি ওযু করেই যদি চলে যান। ওযু শেষ করার সাথে সাথেই যদি তাঁর সামনে ছাগলের মাংস পেশ করা না যায়! তখন তিনি ঘুম থেকে জেগে উঠে বললেন: ’হে জাবির, আমাকে ওযুর পানি দাও।’ আমি বললাম, জ্বি, দিচ্ছি। তিনি ওযু শেষ করার আগেই তাঁর সামনে গোশত রাখা হল। তিনি আমার দিকে চাইলেন। তারপর বললেন, আবু বকরকে ডাকো। অতঃপর তিনি তাঁর সঙ্গীদেরকে ডেকে পাঠালেন।

জাবির বলেন, খানা এনে সামনে রাখা হলো। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সেগুলোর ওপর হাত রেখে বললেন: বিসমিল্লাহ, তোমরা খাও। তারা সকলেই পরিতৃপ্তির সাথে খেলেন। তারপরও অনেক গোশত বেঁচে গেল। আল্লাহর কসম! বনী সালামার লোকজন তাদেরকে দেখছিলেন। তিনি তাদের কাছে তাদের জীবনের চেয়েও বেশি প্রিয় ছিলেন। তারা কাছে আসতে পারছিলেন না, তাদের ভয় ছিল, তারা না আবার (তাদের কোন কথা বা কাজের দ্বারা) তাঁকে কষ্ট দিয়ে ফেলেন! তারপর তিনি উঠে দাঁড়ালেন, তাঁর সাথীরাও উঠে দাঁড়ালেন এবং তাঁর সামনে সামনে চলতে লাগলেন। আর তিনি বলতেন: ’আমার পেছনের দিকটা ফেরেশতাদের জন্য ছেড়ে দাও।’

আমি তাঁর সাথে দরজার চৌকাঠ পর্যন্ত যেতেই আমার স্ত্রী মাথা বের করে দিল। সে বেশ পর্দানশীন ছিল। সে বললো, হে আল্লাহর রাসূল! আপনি আমার ও আমার স্বামীর জন্য দু’আ করুন। তিনি বললেন: ’আল্লাহ তোমার ও তোমার স্বামীর উপর রহমত করুন।’

তারপর বললেন: ’অমুককে আমার নিকট ডেকে নিয়ে আস।’ অর্থাৎ যিনি ঋণ পরিশোধের জন্য আমাকে চাপাচাপি করছিল। (ডেকে আনা হলে) তিনি তাকে বললেন: ’জাবিরের পিতার উপর যে ঋণ ছিলো, তা পরিশোধের জন্য জাবিরকে আগামী ফসল তোলা পর্যন্ত অবকাশ দাও।’ সে বললো, আমি তা পারব না। সে কারণ দর্শাতে লাগলো, বললো, তা ইয়াতীমের সম্পদ। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন: ’জাবির কোথায়?’ বললাম, ইয়া রাসূলুল্লাহ! এই যে আমি। তিনি বললেন: ’তুমি তাকে মেপে দাও। আর শীঘ্রই আল্লাহ তা পরিশোধ করে দেবেন।’ তারপর তিনি আকাশের দিকে মাথা উঠিয়ে তাকালেন। সূর্য্য তখন মাত্র হেলে পড়েছিল। তিনি বললেন: ’হে আবু বকর! সালাত।’ বর্ণনাকারী বলেন, একথা বলেই তারা মসজিদের দিকে ধাবিত হলেন। আমি ঋণদাতাকে বললাম, তোমার পাত্র কাছে আন এবং আমি তাকে আজওয়া খেজুর মেপে দিতে লাগলাম। দেখা গেল, আল্লাহ তা পরিশোধ করে দিলেন এবং অনেক পরিমাণে খেজুর অতিরিক্ত থাকলো। আমি অগ্নিস্ফুলিঙ্গের মত দ্রুত দৌড়ে মসজিদে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর নিকট গেলাম। আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে এমন অবস্থায় পেলাম যে, তিনি মাত্র সালাত আদায় শেষ করেছেন।

অতঃপর আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! আমি আমার কাছে পাওনাদারকে তার প্রাপ্য খেজুর মেপে দিয়ে দিয়েছি। আল্লাহ তাঁকে তা পরিপূর্ণ করে দিয়েছেন। এমনকি তারপরও এই এই পরিমাণে খেজুর আমাদের জন্য উদ্বৃত্ত থাকলো। অতঃপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন: ’উমার ইবনুল খাত্তাব কোথায়? (ডাক শুনে) তিনি দৌড়ে কাছে এলেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাকে বললেন: ’জাবির ইবনু আব্দুল্লাহকে তার ঋণ ও খেজুর সম্পর্কে জিজ্ঞেস কর।’ তিনি বললেন, আমি তাকে জিজ্ঞেস করব না। কেননা, আমি জানি যে, আল্লাহ অচিরেই তাকে পরিশোধ করে দিবেন,যখন আপনি বলেছেন যে, নিশ্চয়ই আল্লাহ অচিরে তাকে পরিশোধ করে দিবেন। এভাবে তিনি তিনবার এ কথার পুনরাবৃত্তি করলেন। প্রত্যেকবারই তিনি বললেন, আমি তাকে জিজ্ঞেস করব না। তৃতীয়বারের পর আর এর পুনরাবৃত্তি হয় নি। এবারে জিজ্ঞাসা করলেন: ’তোমার ঋণদাতা আর খেজুরের কী হল?’ আমি বললাম, আল্লাহই তা পরিপূর্ণরূপে পরিশোধ করে দিয়েছেন এবং আমাদের নিকট এত এত পরিমাণে উদ্বৃত্ত রয়ে গেছে। তারপর আমি আমার স্ত্রীর নিকট ফিরে এলাম। তাকে বললাম, আমি কি তোমাকে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর সাথে আমার বাড়িতে কথা বলতে নিষেধ করিনি? সে বললো, তোমার কি ধারণা, আল্লাহ তাঁর নবীকে আমাদের বাড়িতে পাঠাবেন এরপর তিনি চলেও যাবেন, অথচ আমি তাঁর নিকট আমার জন্য ও আমার স্বামীর জন্য রহমতের দু’আ চাইব না?[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: আহমদ ৩/৩৯৭-৩৯৮; হাকিম ৪/১১০-১১১; বুখারী ২৬০১।

بَاب مَا أُكْرِمَ بِهِ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي بَرَكَةِ طَعَامِهِ

أَخْبَرَنَا أَبُو النُّعْمَان، حَدَّثَنَا أَبُو عَوَانَةَ، عَنْ الْأَسْوَدِ، عَنْ نُبَيْحٍ الْعَنَزِيِّ، عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ: خَرَجَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِلَى الْمُشْرِكِينَ لِيُقَاتِلَهُمْ، فَقَالَ أَبِي عَبْدُ اللَّهِ: يَا جَابِرُ، لَا عَلَيْكَ أَنْ تَكُونَ، فِي نَظَّارِي أَهْلِ الْمَدِينَةِ حَتَّى تَعْلَمَ إِلَى مَا يَصِيرُ أَمْرُنَا، فَإِنِّي وَاللَّهِ لَوْلَا أَنِّي أَتْرُكُ بَنَاتٍ لِي بَعْدِي، لَأَحْبَبْتُ أَنْ تُقْتَلَ بَيْنَ يَدَيَّ، قَالَ: فَبَيْنَمَا أَنَا فِي النَّظَّارِينَ إِذْ جَاءَتْ عَمَّتِي بِأَبِي وَخَالِي لِتَدْفُنَهُمَا فِي مَقَابِرِنَا، فَلَحِقَ رَجُلٌ يُنَادِي، إِنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَأْمُرُكُمْ أَنْ تَرُدُّوا الْقَتْلَى فَتَدْفُنُوهَا فِي مَضَاجِعَهَا حَيْثُ قُتِلَتْ، فَرَدَدْنَاهُمَا، فَدَفَنَّاهُمَا فِي مَضْجَعِهِمَا حَيْثُ قُتِلَا: فَبَيْنَا أَنَا فِي خِلَافَةِ مُعَاوِيَةَ بْنِ أَبِي سُفْيَانَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ، إِذْ جَاءَنِي رَجُلٌ، فَقَالَ: يَا جَابِرُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، لَقَدْ أَثَارَ أَبَاكَ عُمَّالُ مُعَاوِيَةَ، فَبَدَا، فَخَرَجَ طَائِفَةٌ مِنْهُمْ، فَانْطَلَقْتُ إِلَيْهِ فَوَجَدْتُهُ عَلَى النَّحْوِ الَّذِي دَفَنْتُهُ لَمْ يَتَغَيَّرْ إِلَّا مَا لَمْ يَدَعِ الْقَتِيلَ، قَالَ: فَوَارَيْتُهُ، وَتَرَكَ أَبِي عَلَيْهِ دَيْنًا مِنْ التَّمْرِ فَاشْتَدَّ عَلَيَّ بَعْضُ غُرَمَائِهِ، فِي التَّقَاضِي، فَأَتَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقُلْتُ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، إِنَّ أَبِي أُصِيبَ يَوْمَ كَذَا وَكَذَا، وَإِنَّهُ تَرَكَ عَلَيْهِ دَيْنًا مِنَ التَّمْرِ، وَإِنَّهُ قَدْ اشْتَدَّ عَلَيَّ بَعْضُ غُرَمَائِهِ فِي الطَّلَبِ، فَأُحِبُّ أَنْ تُعِينَنِي عَلَيْهِ لَعَلَّهُ أَنْ يُنْظِرَنِي طَائِفَةً مِنْ تَمْرِهِ إِلَى هَذَا الصِّرَامِ الْمُقْبِلِ، قَالَ: ” نَعَمْ آتِيكَ إِنْ شَاءَ اللَّهُ قَرِيبًا مِنْ وَسَطِ النَّهَارِ “، قَالَ: فَجَاءَ وَمَعَهُ حَوَارِيُّوهُ، قَالَ: فَجَلَسُوا فِي الظِّلِّ وَسَلَّمَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَاسْتَأْذَنَ ثُمَّ دَخَلَ عَلَيْنَا، قَالَ: وَقَدْ قُلْتُ لِامْرَأَتِي: إِنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ جَاءَنِي الْيَوْمَ وَسَطَ النَّهَارِ، فَلَا يَرَيَنَّكِ وَلَا تُؤْذِي رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي بَيْتِي بِشَيْءٍ وَلَا تُكَلِّمِيهِ، فَفَرَشَتْ فِرَاشًا وَوِسَادَةً فَوَضَعَ رَأْسَهُ، فَنَامَ، فَقُلْتُ لِمَوْلًى لِي: اذْبَحْ هَذِهِ الْعَنَاقَ، وَهِيَ دَاجِنٌ سَمِينَة، فَالْوَحَا وَالْعَجْلَ افْرَغْ مِنْهَا قَبْلَ أَنْ يَسْتَيْقِظَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَأَنَا مَعَكَ، فَلَمْ نَزَلْ فِيهَا حَتَّى فَرَغْنَا مِنْهَا، وَهُوَ نَائِمٌ، فَقُلْتُ: إِنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ حِينَ يَسْتَيْقِظُ يَدْعُو بِطَهُورِ، وَأَنَا أَخَافُ إِذَا فَرَغَ أَنْ يَقُومَ، فَلَا يَفْرَغْ مِنْ طُهُورِهِ حَتَّى يُوضَعَ الْعَنَاقُ بَيْنَ يَدَيْهِ، فَلَمَّا اسْتَيْقَظَ، قَالَ: ” يَا جَابِرُ ائْتِنِي بِطَهُورٍ “، قَالَ: نَعَمْ، فَلَمْ يَفْرَغْ مِنْ وُضُوئِهِ حَتَّى وُضِعَتِ الْعَنَاقُ بَيْنَ يَدَيْهِ، قَالَ: فَنَظَرَ إِلَيَّ، فَقَالَ: ” كَأَنَّكَ قَدْ عَلِمْتَ حُبَّنَا اللَّحْمَ، ادْعُ أَبَا بَكْر “، ثُمَّ دَعَا حَوَارِيِّيهِ، قَالَ: فَجِيءَ بِالطَّعَامِ فَوُضِعَ، قَالَ: فَوَضَعَ يَدَهُ، وَقَالَ: ” بِسْمِ اللَّهِ كُلُوا “، فَأَكَلُوا حَتَّى شَبِعُوا وَفَضَلَ مِنْهَا لَحْمٌ كَثِيرٌ، وَقَالَ: وَاللَّهِ إِنَّ مَجْلِسَ بَنِي سَلِمَةَ لَيَنْظُرُونَ إِلَيْهِمْ، هُوَ أَحَبُّ إِلَيْهِمْ مِنْ أَعْيُنِهِمْ، مَا يَقْرَبُونَهُ مَخَافَةَ أَنْ يُؤْذُوهُ، ثُمَّ قَامَ، وَقَامَ أَصْحَابُهُ، فَخَرَجُوا بَيْنَ يَدَيْهِ، وَكَانَ يَقُولُ: ” خَلُّوا ظَهْرِي لِلْمَلَائِكَةِ “، قَالَ: فَاتَّبَعْتُهُمْ حَتَّى بَلَغْتُ سَقُفَّةَ الْبَابِ، فَأَخْرَجَتِ امْرَأَتِي صَدْرَهَا وَكَانَتْ سَتِّيرَةً، فَقَالَتْ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، صَلِّ عَلَيَّ وَعَلَى زَوْجِي، قَالَ: ” صَلَّى اللَّهُ عَلَيْكِ وَعَلَى زَوْجِكِ “، ثُمَّ قَالَ: ” ادْعُوا لِي فُلَانًا لِلْغَرِيمِ الَّذِي اشْتَدَّ عَلَيَّ فِي الطَّلَبِ، فَقَالَ: ” أَنْسِ جَابِرًا طَائِفَةً مِنْ دَيْنِكَ الَّذِي عَلَى أَبِيهِ إِلَى هَذَا الصِّرَامِ الْمُقْبِلِ “، قَالَ: مَا أَنَا بِفَاعِلٍ، قَالَ: وَاعْتَلَّ وَقَالَ: إِنَّمَا هُوَ مَالُ يَتَامَى، فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: ” أَيْنَ جَابِرٌ؟ ” قَالَ: قُلْتُ: أَنَا ذَا يَا رَسُولَ اللَّهِ، قَالَ: ” كِلْ لَهُ، فَإِنَّ اللَّهَ تَعَالَى سَوْفَ يُوَفِّيهِ “، فَرَفَعَ رَأْسَهُ إِلَى السَّمَاءِ، فَإِذَا الشَّمْسُ قَدْ دَلَكَتْ، قَالَ: ” الصَّلَاةُ يَا أَبَا بَكْرٍ “، فَانْدَفَعُوا إِلَى الْمَسْجِدِ، فَقُلْتُ لِغَرِيمِي: قَرِّبْ أَوْعِيَتَكَ، فَكِلْتُ لَهُ مِنْ الْعَجْوَةِ فَوَفَّاهُ اللَّهُ وَفَضُلَ لَنَا مِنْ التَّمْرِ كَذَا وَكَذَا، قَالَ: فَجِئْتُ أَسْعَى إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي مَسْجِدِهِ كَأَنِّي شَرَارَةٌ، فَوَجَدْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَدْ صَلَّى، فَقُلْتُ: يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنِّي قَدْ كِلْتُ لِغَرِيمِي تَمْرَهُ فَوَفَّاهُ اللَّهُ وَفَضُلَ لَنَا مِنْ التَّمْرِ كَذَا وَكَذَا، فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: ” أَيْنَ عُمَرُ بْنُ الْخَطَّابِ؟ “، قَالَ: فَجَاءَ يُهَرْوِلُ، قَالَ: ” سَلْ جَابِرَ بْنَ عَبْدِ اللَّهِ عَنْ غَرِيمِهِ وَتَمْرِهِ “، قَالَ: مَا أَنَا بِسَائِلِهِ، قَدْ عَلِمْتُ أَنَّ اللَّهَ سَوْفَ يُوَفِّيهِ إِذْ أَخْبَرْتَ أَنَّ اللَّهَ سَوْفَ يُوَفِّيهِ فَرَدَّدَ عَلَيْهِ، وَرَدَّدَ عَلَيْهِ هَذِهِ الْكَلِمَةَ ثَلَاثَ مَرَّاتٍ، كُلُّ ذَلِكَ يَقُولُ: مَا أَنَا بِسَائِلِهِ، وَكَانَ لَا يُرَاجَعُ بَعْدَ الْمَرَّةِ الثَّالِثَةِ، فَقَالَ: مَا فَعَلَ غَرِيمُكَ وَتَمْرُكَ؟، قَالَ: قُلْتُ: وَفَّاهُ اللَّهُ وَفَضُلَ لَنَا مِنْ التَّمْرِ كَذَا وَكَذَا، قالَ: فَرَجَعْتُ إِلَى امْرَأَتِي، فَقُلْتُ: أَلَمْ أَكُنْ نَهَيْتُكِ أَنْ تُكَلِّمِي رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي بَيْتِي؟، فَقَالَتْ: تَظُنُّ أَنَّ اللَّهَ تَعَالَى يُورِدُ نَبِيَّهُ فِي بَيْتِي ثُمَّ يَخْرُجُ وَلَا أَسْأَلُهُ الصَّلَاةَ عَلَيَّ وَعَلَى زَوْجِي

إسناده صحيح

أخبرنا أبو النعمان، حدثنا أبو عوانة، عن الأسود، عن نبيح العنزي، عن جابر بن عبد الله، قال: خرج رسول الله صلى الله عليه وسلم إلى المشركين ليقاتلهم، فقال أبي عبد الله: يا جابر، لا عليك أن تكون، في نظاري أهل المدينة حتى تعلم إلى ما يصير أمرنا، فإني والله لولا أني أترك بنات لي بعدي، لأحببت أن تقتل بين يدي، قال: فبينما أنا في النظارين إذ جاءت عمتي بأبي وخالي لتدفنهما في مقابرنا، فلحق رجل ينادي، إن النبي صلى الله عليه وسلم يأمركم أن تردوا القتلى فتدفنوها في مضاجعها حيث قتلت، فرددناهما، فدفناهما في مضجعهما حيث قتلا: فبينا أنا في خلافة معاوية بن أبي سفيان رضي الله عنه، إذ جاءني رجل، فقال: يا جابر بن عبد الله، لقد أثار أباك عمال معاوية، فبدا، فخرج طائفة منهم، فانطلقت إليه فوجدته على النحو الذي دفنته لم يتغير إلا ما لم يدع القتيل، قال: فواريته، وترك أبي عليه دينا من التمر فاشتد علي بعض غرمائه، في التقاضي، فأتيت رسول الله صلى الله عليه وسلم فقلت: يا رسول الله، إن أبي أصيب يوم كذا وكذا، وإنه ترك عليه دينا من التمر، وإنه قد اشتد علي بعض غرمائه في الطلب، فأحب أن تعينني عليه لعله أن ينظرني طائفة من تمره إلى هذا الصرام المقبل، قال: ” نعم آتيك إن شاء الله قريبا من وسط النهار “، قال: فجاء ومعه حواريوه، قال: فجلسوا في الظل وسلم رسول الله صلى الله عليه وسلم واستأذن ثم دخل علينا، قال: وقد قلت لامرأتي: إن رسول الله صلى الله عليه وسلم جاءني اليوم وسط النهار، فلا يرينك ولا تؤذي رسول الله صلى الله عليه وسلم في بيتي بشيء ولا تكلميه، ففرشت فراشا ووسادة فوضع رأسه، فنام، فقلت لمولى لي: اذبح هذه العناق، وهي داجن سمينة، فالوحا والعجل افرغ منها قبل أن يستيقظ رسول الله صلى الله عليه وسلم وأنا معك، فلم نزل فيها حتى فرغنا منها، وهو نائم، فقلت: إن رسول الله صلى الله عليه وسلم حين يستيقظ يدعو بطهور، وأنا أخاف إذا فرغ أن يقوم، فلا يفرغ من طهوره حتى يوضع العناق بين يديه، فلما استيقظ، قال: ” يا جابر ائتني بطهور “، قال: نعم، فلم يفرغ من وضوئه حتى وضعت العناق بين يديه، قال: فنظر إلي، فقال: ” كأنك قد علمت حبنا اللحم، ادع أبا بكر “، ثم دعا حوارييه، قال: فجيء بالطعام فوضع، قال: فوضع يده، وقال: ” بسم الله كلوا “، فأكلوا حتى شبعوا وفضل منها لحم كثير، وقال: والله إن مجلس بني سلمة لينظرون إليهم، هو أحب إليهم من أعينهم، ما يقربونه مخافة أن يؤذوه، ثم قام، وقام أصحابه، فخرجوا بين يديه، وكان يقول: ” خلوا ظهري للملائكة “، قال: فاتبعتهم حتى بلغت سقفة الباب، فأخرجت امرأتي صدرها وكانت ستيرة، فقالت: يا رسول الله، صل علي وعلى زوجي، قال: ” صلى الله عليك وعلى زوجك “، ثم قال: ” ادعوا لي فلانا للغريم الذي اشتد علي في الطلب، فقال: ” أنس جابرا طائفة من دينك الذي على أبيه إلى هذا الصرام المقبل “، قال: ما أنا بفاعل، قال: واعتل وقال: إنما هو مال يتامى، فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: ” أين جابر؟ ” قال: قلت: أنا ذا يا رسول الله، قال: ” كل له، فإن الله تعالى سوف يوفيه “، فرفع رأسه إلى السماء، فإذا الشمس قد دلكت، قال: ” الصلاة يا أبا بكر “، فاندفعوا إلى المسجد، فقلت لغريمي: قرب أوعيتك، فكلت له من العجوة فوفاه الله وفضل لنا من التمر كذا وكذا، قال: فجئت أسعى إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم في مسجده كأني شرارة، فوجدت رسول الله صلى الله عليه وسلم قد صلى، فقلت: يا رسول الله إني قد كلت لغريمي تمره فوفاه الله وفضل لنا من التمر كذا وكذا، فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: ” أين عمر بن الخطاب؟ “، قال: فجاء يهرول، قال: ” سل جابر بن عبد الله عن غريمه وتمره “، قال: ما أنا بسائله، قد علمت أن الله سوف يوفيه إذ أخبرت أن الله سوف يوفيه فردد عليه، وردد عليه هذه الكلمة ثلاث مرات، كل ذلك يقول: ما أنا بسائله، وكان لا يراجع بعد المرة الثالثة، فقال: ما فعل غريمك وتمرك؟، قال: قلت: وفاه الله وفضل لنا من التمر كذا وكذا، قال: فرجعت إلى امرأتي، فقلت: ألم أكن نهيتك أن تكلمي رسول الله صلى الله عليه وسلم في بيتي؟، فقالت: تظن أن الله تعالى يورد نبيه في بيتي ثم يخرج ولا أسأله الصلاة علي وعلى زوجي إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৪৭

 শেয়ার ও অন্যান্য 

বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৭. খাদ্যে বরকত প্রদানের মাধ্যমে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে যে মর্যাদা প্রদান করা হয়েছে

৪৭. আব্দুল্লাহ ইবনু আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আল্লাহ মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে নবীগণ (আলাইহিমুস সালাম)-এর উপর এবং আসমানবাসী (ফিরিশতা) গণের উপর শ্রেষ্ঠত্ব দিয়েছেন। তারা জিজ্ঞেস করল, হে ইবনু আব্বাস! তিনি কিসের দ্বারা আসমানবাসীর ওপর তাঁকে শ্রেষ্ঠত্ব দিয়েছেন? তিনি বলেন, নিশ্চয় আল্লাহ আসমানবাসীদের লক্ষ্য করে বলেছেন: তাদের মধ্যে যে বলবে, আল্লাহ ছাড়া আমিও একজন ইলাহ, তাকে আমি জাহান্নামে শাস্তি দেব। এভাবে আমি যালিমদেরকে শাস্তি দিয়ে থাকি। (সূরা আল-আম্বিয়া: ২৯)

আর মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে লক্ষ্য করে আল্লাহ তা’আলা বলেন, “আমি নিশ্চয়ই আপনাকে সুস্পষ্ট বিজয় দান করেছি, যাতে আল্লাহ আপনার পূর্বাপর সকল ভুল-ত্রুটি ক্ষমা করে দেন।” (সূরা আল-ফাতহ: ১-২)

তারা বলল: তাহলে নবীগণ (আলাইহিমুস সালাম)-এর উপর তাঁর শ্রেষ্ঠত্ব কী? তিনি বললেন, আল্লাহ আযযা ওয়া জাল্লা বলেন: আমি প্রত্যেক রাসূলকেই তার স্বগোত্রের ভাষায় প্রেরণ করেছি। যাতে তিনি তাদের কাছে স্পষ্টভাবে বর্ণনা করতে পারেন। (সূরা ইবরাহীম: ৪)

আর আল্লাহ তাআলা মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে লক্ষ্য করে বলেন: আমি আপনাকে সমগ্র মানবজাতির জন্যই পাঠিয়েছি।” (সূরা সাবা: ২৮)

সুতরাং তিনি তাঁকে জিন ও মানব উভয় জাতির জন্যই রাসূল হিসেবে পাঠিয়েছেন।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ । হাকিম ও যাহাবী একে সহীহ বলেছেন।

তাখরীজ: হাকিম ২/৩৫০; বাইহাকী, দালাইল ৫/৪৮৬-৪৮৭; তাবারানী, কাবীর ১১/২৩৯-২৪০ নং ১১৬১০।

بَاب مَا أُكْرِمَ بِهِ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي بَرَكَةِ طَعَامِهِ

أَخْبَرَنَا إِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، أَخْبَرَنَا يَزِيدُ بْنُ أَبِي حَكِيمٍ، حَدَّثَنِي الْحَكَمُ بْنُ أَبَانَ، عَنْ عِكْرِمَةَ، عَنْ ابْنِ عَبَّاسٍ رَضِيَ اللهُ عَنْهُ، قَالَ: إِنَّ اللَّهَ فَضَّلَ مُحَمَّدًا صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَلَى الْأَنْبِيَاءِ عَلَيْهِمْ السَّلامُ وَعَلَى أَهْلِ السَّمَاءِ، فَقَالُوا: يَا ابْنَ عَبَّاسٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا، بِمَ فَضَّلَهُ عَلَى أَهْلِ السَّمَاءِ؟، قَالَ: إِنَّ اللَّهَ قَالَ لِأَهْلِ السَّمَاءِ [وَمَنْ يَقُلْ مِنْهُمْ إِنِّي إِلَهٌ مِنْ دُونِهِ فَذَلِكَ نَجْزِيهِ جَهَنَّمَ كَذَلِكَ نَجْزِي الظَّالِمِينَ]، وَقَالَ اللَّهُ تَعَالَى لِمُحَمَّدٍ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: إِنَّا فَتَحْنَا لَكَ فَتْحًا مُبِينًا لِيَغْفِرَ لَكَ اللَّهُ مَا تَقَدَّمَ مِنْ ذَنْبِكَ وَمَا تَأَخَّرَق، قَالُوا: فَمَا فَضْلُهُ عَلَى الْأَنْبِيَاءِ عَلَيْهِمْ السَّلامُ؟ قَالَ: قَالَ اللَّهُ تَعَالى: [وَمَا أَرْسَلْنَا مِنْ رَسُولٍ إِلا بِلِسَانِ قَوْمِهِ لِيُبَيِّنَ لَهُمْ]، وَقَالَ اللَّهُ تَعَالى لِمُحَمَّدٍ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: [وَمَا أَرْسَلْنَاكَ إِلا كَافَّةً لِلنَّاسِ]، فَأَرْسَلَهُ إِلَى الْجِنِّ وَالْإِنْسِ

إسناده صحيح

أخبرنا إسحاق بن إبراهيم، أخبرنا يزيد بن أبي حكيم، حدثني الحكم بن أبان، عن عكرمة، عن ابن عباس رضي الله عنه، قال: إن الله فضل محمدا صلى الله عليه وسلم على الأنبياء عليهم السلام وعلى أهل السماء، فقالوا: يا ابن عباس رضي الله عنهما، بم فضله على أهل السماء؟، قال: إن الله قال لأهل السماء [ومن يقل منهم إني إله من دونه فذلك نجزيه جهنم كذلك نجزي الظالمين]، وقال الله تعالى لمحمد صلى الله عليه وسلم: إنا فتحنا لك فتحا مبينا ليغفر لك الله ما تقدم من ذنبك وما تأخرق، قالوا: فما فضله على الأنبياء عليهم السلام؟ قال: قال الله تعالى: [وما أرسلنا من رسول إلا بلسان قومه ليبين لهم]، وقال الله تعالى لمحمد صلى الله عليه وسلم: [وما أرسلناك إلا كافة للناس]، فأرسله إلى الجن والإنس إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৪৮

 শেয়ার ও অন্যান্য 

বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৮. নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে যে সকল মর্যাদা প্রদান করা হয়েছে তার বর্ণনা

৪৮. আব্দুল্লাহ ইবনু আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা হতে বর্ণিত, তিনি বলেছেন, একবার রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর কিছু সাহাবী বসে তাঁর জন্য অপেক্ষা করছিলেন। তিনি বের হয়ে যখন তাদের কাছাকাছি এলেন, তিনি তাদেরকে পরস্পর কিছু আলাপ-আলোচনা করতে শুনতে পেলেন। অতঃপর তিনি তাদের কথাবার্তা মনোযোগ দিয়ে শুনলেন। তাদের কেউ বলছিল, কী আশ্চর্য্যের কথা! আল্লাহ তাঁর সৃষ্টিকুল থেকে একজনকে খলীল রূপে গ্রহণ করেছেন। ইবরাহীম আলাইহিস সালাম হচ্ছেন তাঁর সেই খলীল। আরেকজন বলল, এরচেয়ে বিস্ময়ের বিষয় কী হতে পারে: “ আল্লাহ মুসা আলাইহিস সালাম-এর সাথে কথা বলেছেন।”- (সূরা নিসা: ১৬৪) অপর একজন বলল, ঈসা আলাইহিস সালাম তো আল্লাহর কালিমা এবং তাঁর (প্রদত্ত) রূহ। আরেকজন বলল, আদম আলাইহিস সালামকে আল্লাহ বিশেষভাবে মনোনীত করেছেন। (তাদের আলোচনা চলছিলো) এমতাবস্থায় রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাদের কাছে এসে সালাম দিলেন এবং বললেন: ’আমি তোমাদের কথা-বার্তা ও বিস্মিত হওয়ার বিষয়গুলি শুনেছি।

নিশ্চয় ইবরাহীম আল্লাহর খলীল, এটা ঠিকই। আল্লাহ মুসা’র সাথে গোপনে কথা বলেছেন, সেটাও ঠিক। ঈসা আল্লাহর কালিমা ও তাঁর রূহ, সেটিও ঠিক। আদম আলাইহিস সালাম আল্লাহ’র মনোনীত, একথাও ঠিক। তবে তোমরা শুনে রাখ, আমি আল্লাহর হাবীব, এতে আমার কোন অহংকার নেই। কিয়ামতের দিন আমিই প্রশংসার পতাকা বহন করবো, তাতে কোন অহংকার নেই। কিয়ামতের দিন আমিই সর্বপ্রথম শাফা’আত করবো এবং আমার শাফা’আতই সর্বপ্রথম গ্রহণ করা হবে, তাতে কোন অহংকার নেই। আমিই সর্বপ্রথম জান্নাতের কড়া নাড়াব এবং এতেও কোন অহংকার নেই। আর আমার জন্যই আল্লাহ সর্বপ্রথম জান্নাতের দরজা খুলে দেবেন এবং আমাকে জান্নাতে প্রবেশ করাবেন এবং আমার সাথে থাকবে দরিদ্র মুমিনগণ, এতেও কোন অহংকার নেই। আর আমি হলাম আল্লাহর নিকট পূর্বাপর সকলের চেয়ে মর্যাদাবান, এতেও কোন অহংকার নেই।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ যয়ীফ, যাম’আহ’র দুর্বলতার কারণে। তিরমিযী ও ইবনু কাছীর একে ‘গারীব’ বলেছেন। কিন্তু আমি বলছি: এর কয়েকটি সহীহ শাহীদ রয়েছে।

তাখরীজ: তিরমিযী ৩৬২০; ইবনু কাছীর তাফসীর ২/৩৭৫।

দেখুন, আনাস রা: এর হাদীস, আমার তাহক্বীক্বকৃত মুসনাদে আবী ইয়ালা ৩৯৫৯, ৩৯৬৪, ৩৯৬৭, ৩৯৮৯; ওয়াসিলাহ রা: এর হাদীস সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৬২৪২, ৬৩৩৩, ৬৪৭৫, মুসনাদে আবী ইয়ালা নং ৭৪৮৫, ৭৪৮৭ তে। সেখানকার টীকায় বিস্তারিত দেখুন।

بَاب مَا أُعْطِيَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مِنْ الْفَضْلِ

أَخْبَرَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ عَبْدِ الْمَجِيدِ، حَدَّثَنَا زَمْعَةُ، عَنْ سَلَمَةَ، عَنْ عِكْرِمَةَ، عَنْ ابْنِ عَبَّاسٍ رَضِيَ اللهُ عَنْهُ، قَالَ: جَلَسَ نَاسٌ مِنْ أَصْحَابِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَنْتَظِرُونَهُ فَخَرَجَ حَتَّى إِذَا دَنَا مِنْهُمْ، سَمِعَهُمْ يَتَذَاكَرُونَ، فَتَسَمَّعَ حَدِيثَهُمْ، فَإِذَا بَعْضُهُمْ، يَقُولُ: عَجَبًا إِنَّ اللَّهَ اتَّخَذَ مِنْ خَلْقِهِ خَلِيلًا، فَإِبْرَاهِيمُ خَلِيلُهُ، وَقَالَ آخَرُ: مَاذَا بِأَعْجَبَ مِنْ: [وَكَلَّمَ اللَّهُ مُوسَى تَكْلِيمًا]، وَقَالَ آخَرُ: فَعِيسَى كَلِمَةُ اللَّهِ وَرُوحُهُ، وَقَالَ آخَرُ: وَآدَمُ اصْطَفَاهُ اللَّه، فَخَرَجَ عَلَيْهِمْ فَسَلَّمَ، وَقَالَ: “قَدْ سَمِعْتُ كَلَامَكُمْ وَعَجَبَكُمْ، إِنَّ إِبْرَاهِيمَ خَلِيلُ اللَّهِ، وَهُوَ كَذَلِكَ، وَمُوسَى نَجِيُّهُ، وَهُوَ كَذَلِكَ، وَعِيسَى رُوحُهُ وَكَلِمَتُهُ، وَهُوَ كَذَلِكَ، وَآدَمُ اصْطَفَاهُ اللَّهُ تَعَالَى، وَهُوَ كَذَلِكَ، أَلَا وَأَنَا حَبِيبُ اللَّهِ، وَلَا فَخْرَ، وَأَنَا حَامِلُ لِوَاءِ الْحَمْدِ يَوْمَ الْقِيَامَةِ، وَلَا فَخْرُ وَأَنَا أَوَّلُ شَافِعٍ، وَأَوَّلُ مُشَفَّعٍ يَوْمَ الْقِيَامَةِ وَلَا فَخْرُ، وَأَنَا أَوَّلُ مَنْ يُحَرِّكُ بِحَلَقِ الْجَنَّةِ وَلَا فَخْرُ، فَيَفْتَحُ اللَّهُ فَيُدْخِلُنِيهَا وَمَعِي فُقَرَاءُ الْمُؤْمِنِينَ وَلَا فَخْرُ، وَأَنَا أَكْرَمُ الْأَوَّلِينَ وَالْآخِرِينَ عَلَى اللَّهِ، وَلَا فَخْرُ

إسناده ضعيف لضعف زمعه

أخبرنا عبيد الله بن عبد المجيد، حدثنا زمعة، عن سلمة، عن عكرمة، عن ابن عباس رضي الله عنه، قال: جلس ناس من أصحاب النبي صلى الله عليه وسلم ينتظرونه فخرج حتى إذا دنا منهم، سمعهم يتذاكرون، فتسمع حديثهم، فإذا بعضهم، يقول: عجبا إن الله اتخذ من خلقه خليلا، فإبراهيم خليله، وقال آخر: ماذا بأعجب من: [وكلم الله موسى تكليما]، وقال آخر: فعيسى كلمة الله وروحه، وقال آخر: وآدم اصطفاه الله، فخرج عليهم فسلم، وقال: “قد سمعت كلامكم وعجبكم، إن إبراهيم خليل الله، وهو كذلك، وموسى نجيه، وهو كذلك، وعيسى روحه وكلمته، وهو كذلك، وآدم اصطفاه الله تعالى، وهو كذلك، ألا وأنا حبيب الله، ولا فخر، وأنا حامل لواء الحمد يوم القيامة، ولا فخر وأنا أول شافع، وأول مشفع يوم القيامة ولا فخر، وأنا أول من يحرك بحلق الجنة ولا فخر، فيفتح الله فيدخلنيها ومعي فقراء المؤمنين ولا فخر، وأنا أكرم الأولين والآخرين على الله، ولا فخر إسناده ضعيف لضعف زمعه

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৪৯

 শেয়ার ও অন্যান্য 

বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৮. নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে যে সকল মর্যাদা প্রদান করা হয়েছে তার বর্ণনা

৪৯. আনাস ইবনু মালিক রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: (কিয়ামতের দিন) সর্বপ্রথম আমিই বের হব। আল্লাহর সামনে লোকেরা যখন উপস্থিত হবে আমিই হব, তাদের পরিচালক বা নেতা। তারা সকলেই যখন চুপ থাকবে, আমিই তখন তাদের হয়ে কথা বলব। যখন তাদেরকে আটকে দেয়া হবে, তখন আমিই হব তাদের জন্য সুপারিশকারী। তারা যখন নিরাশ হয়ে যাবে, তখন আমিই তাদের সুসংবাদ দেব। সকল সম্মাননা ও চাবিগুচ্ছ সেদিন আমারই হাতে থাকবে। সকল আদম সন্তানের মধ্যে আমিই আমার রবের নিকট সবচেয়ে সম্মানিত। আমার চতুর্দিকে ঘুরতে থাকবে হাজারো সেবক, তারা যেন সুরক্ষিত ডিমের মত কিংবা বিক্ষিপ্ত মুক্তার মতো।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ যয়ীফ, লাইস বিন আবী সুলাইম দুর্বল রাবী।

তাখরীজ: তিরমিযী, ৩৬১৪; বাইহাকী দালাইল ৫/৪৮৪; খিলাল, আস সুন্নাহ ২৩৫;

بَاب مَا أُعْطِيَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مِنْ الْفَضْلِ

حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ سُلَيْمَانَ، عَنْ مَنْصُورِ بْنِ أَبِي الْأَسْوَدِ، عَنْ لَيْثٍ، عَنْ الرَّبِيعِ بْنِ أَنَسٍ، عَنْ أَنَسٍ رَضِيَ اللهُ عَنْهُ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: “أَنَا أَوَّلُهُمْ خُرُوجًا، وَأَنَا قَائِدُهُمْ إِذَا وَفَدُوا، وَأَنَا خَطِيبُهُمْ إِذَا أَنْصَتُوا، وَأَنَا مُسْتَشْفِعُهُمْ إِذَا حُبِسُوا، وَأَنَا مُبَشِّرُهُمْ إِذَا أَيِسُوا، الْكَرَامَةُ وَالْمَفَاتِيحُ يَوْمَئِذٍ بِيَدِي، وَأَنَا أَكْرَمُ وَلَدِ آدَمَ عَلَى رَبِّي، يَطُوفُ عَلَيَّ أَلْفُ خَادِمٍ كَأَنَّهُمْ بَيْضٌ مَكْنُونٌ، أَوْ لُؤْلُؤٌ مَنْثُورٌ

إسناده ضعيف لضعف ليث بن أبي سليم

حدثنا سعيد بن سليمان، عن منصور بن أبي الأسود، عن ليث، عن الربيع بن أنس، عن أنس رضي الله عنه، قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: “أنا أولهم خروجا، وأنا قائدهم إذا وفدوا، وأنا خطيبهم إذا أنصتوا، وأنا مستشفعهم إذا حبسوا، وأنا مبشرهم إذا أيسوا، الكرامة والمفاتيح يومئذ بيدي، وأنا أكرم ولد آدم على ربي، يطوف علي ألف خادم كأنهم بيض مكنون، أو لؤلؤ منثور إسناده ضعيف لضعف ليث بن أبي سليم

 হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai’f)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৫০

 শেয়ার ও অন্যান্য 

বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৮. নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে যে সকল মর্যাদা প্রদান করা হয়েছে তার বর্ণনা

৫০. জাবির ইবনু আব্দুল্লাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, আমিই রাসূলদের পরিচালক আর এতে কোন অহংকার নেই। আর আমিই ’খাতামুন নাবিয়্যীন’ বা নবীদের ধারাবাহিকতা সমাপ্তকারী, এতে আমার কোন অহংকার নেই। আমিই সর্বপ্রথম সুপারিশকারী এবং সর্বপ্রথম আমারই সুপারিশ কবুল করা হবে, এতে আমার কোন অহংকার নেই।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ জাইয়্যেদ (উত্তম)। এর অংশসমূহ বিভিন্ন সহীহ হাদীসে বর্ণিত হয়েছে। (সংক্ষেপিত)

তাখরীজ: বুখারী, আল-কাবীর ৪/২৮৬; তাবারানী, আল-আওসাত ১/১৪২ নং ১৭২; বাইহাকী, দালাইল ৫/৪৮০।

بَاب مَا أُعْطِيَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مِنْ الْفَضْلِ

أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عَبْدِ الْحَكَمِ الْمِصْرِيُّ، حَدَّثَنَا بَكْرُ بْنُ مُضَرَ، عَنْ جَعْفَرِ بْنِ رَبِيعَةَ، عَنْ صَالِحٍ هُوَ ابْنُ عَطَاءِ بْنِ خَبَّابٍ مَوْلَى بَنِي الدُّئِلِ، عَنْ عَطَاءِ بْنِ أَبِي رَبَاحٍ، عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ رَضِيَ اللهُ عَنْهُمَا، أَنّ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: أَنَا قَائِدُ الْمُرْسَلِينَ وَلَا فَخْرُ، وَأَنَا خَاتَمُ النَّبِيِّينَ وَلَا فَخْرُ، وَأَنَا أَوَّلُ شَافِعٍ وَأَوَّلُ مُشَفَّعٍ وَلَا فَخْرُ

إسناده جيد

أخبرنا عبد الله بن عبد الحكم المصري، حدثنا بكر بن مضر، عن جعفر بن ربيعة، عن صالح هو ابن عطاء بن خباب مولى بني الدئل، عن عطاء بن أبي رباح، عن جابر بن عبد الله رضي الله عنهما، أن النبي صلى الله عليه وسلم قال: أنا قائد المرسلين ولا فخر، وأنا خاتم النبيين ولا فخر، وأنا أول شافع وأول مشفع ولا فخر إسناده جيد

 হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৫১

 শেয়ার ও অন্যান্য 

বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৮. নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে যে সকল মর্যাদা প্রদান করা হয়েছে তার বর্ণনা

৫১. আনাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন: আমিই সর্বপ্রথম জান্নাতের কড়া ধরে নাড়াবো। আনাস বলেন: আমি যেন দেখতে পাচ্ছি, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হাত নাড়াচ্ছেন। (পরবর্তী বর্ণনাকারী বলেন) সুফিইয়ান আমাদেরকে এরূপই বর্ণনা করেছেন। আর আবু আব্দুল্লাহ হাতের আঙ্গুলসমূহ একত্রিত করলেন এবং নাড়ালেন। তিনি বলেন: ছাবিত তাঁকে জিজ্ঞেস করলেন, তুমি কি তোমার হাত দিয়ে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের হাত স্পর্শ করেছিলে? তিনি বলেন, হাঁ । তিনি বলেন, তাহলে আমার দিকে আপনার হাতটা একটু বাড়িয়ে দিন, আমি তাতে চুম্বন করবো।’[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ যয়ীফ, এর বর্ণনাকারী আলী ইবনু যাইদ ইবনু জুদ’আনের দুর্বলতার কারণে। তবে ‘জান্নাতের কড়া নাড়ার হাদীস সহীহ যা ইমাম আহমাদ ৩/১৪৪, ২৪৭-২৪৮ এ বর্ণনা করেছেন।

তাখরীজ: তিরযিমী ৩১৪৭; হুমাইদী ১২৩৮।

بَاب مَا أُعْطِيَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مِنْ الْفَضْلِ

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبَّادٍ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ هُوَ ابْنُ عُيَيْنَةَ، عَنْ ابْنِ جُدْعَانَ، عَنْ أَنَسٍ بْنِ مَالِكٍ رَضِيَ اللهُ عَنْهُ، أَنّ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: ” أَنَا أَوَّلُ مَنْ يَأْخُذُ بِحَلْقَةِ بَابِ الْجَنَّةِ فَأُقَعْقِعُهَا “، قَالَ أَنَسٌ: كَأَنِّي أَنْظُرُ إِلَى يَدِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يُحَرِّكُهَا، وَصَفَ لَنَا سُفْيَانُ كَذَا، وَجَمَعَ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ أَصَابِعَهُ وَحَرَّكَهَا، قَالَ: وَقَالَ لَهُ ثَابِتٌ: مَسَسْتَ يَدَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِيَدِكَ؟، قَالَ: نَعَمْ، قَالَ: فَأَعْطِنِيهَا أُقَبِّلْهَا

إسناده ضعيف لضعف علي بن زيد بن جدعان

حدثنا محمد بن عباد، حدثنا سفيان هو ابن عيينة، عن ابن جدعان، عن أنس بن مالك رضي الله عنه، أن النبي صلى الله عليه وسلم قال: ” أنا أول من يأخذ بحلقة باب الجنة فأقعقعها “، قال أنس: كأني أنظر إلى يد رسول الله صلى الله عليه وسلم يحركها، وصف لنا سفيان كذا، وجمع أبو عبد الله أصابعه وحركها، قال: وقال له ثابت: مسست يد رسول الله صلى الله عليه وسلم بيدك؟، قال: نعم، قال: فأعطنيها أقبلها إسناده ضعيف لضعف علي بن زيد بن جدعان

 হাদিসের মানঃ সহিহ/যঈফ [মিশ্রিত]  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৫২

 শেয়ার ও অন্যান্য 

বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৮. নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে যে সকল মর্যাদা প্রদান করা হয়েছে তার বর্ণনা

৫২. আনাস রাদ্বিযাল্লাহু আনহু বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: ’আমিই হব জান্নাতের ব্যাপারে সর্বপ্রথম শাফা’আতকারী।’[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: সহীহ মুসলিম ১৯৬ (৩৩২); ইবনু আবী শাইবা, আল মুছান্নাফ ১১/৪৩৬ নং ১১৬৯৭ ও ১৪/৮৭, ৯৫ নং ১৭৬৫৮, ১৭৬৯৫; বাইহাকী, দালাইল ৫/৪৭৯; আবী আওয়ানাহ ১/১১০, ১৫৮।

بَاب مَا أُعْطِيَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مِنْ الْفَضْلِ

أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، حَدَّثَنَا حُسَيْنُ بْنُ عَلِيٍّ، عَنْ زَائِدَةَ، عَنْ الْمُخْتَارِ بْنِ فُلْفُلٍ، عَنْ أَنَسٍ رَضِيَ اللهُ عَنْهُ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: أَنَا أَوَّلُ شَافِعٍ فِي الْجَنَّةِ

إسناده صحيح

أخبرنا أحمد بن عبد الله، حدثنا حسين بن علي، عن زائدة، عن المختار بن فلفل، عن أنس رضي الله عنه، قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: أنا أول شافع في الجنة إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৫৩

 শেয়ার ও অন্যান্য 

বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৮. নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে যে সকল মর্যাদা প্রদান করা হয়েছে তার বর্ণনা

৫৩. আনাস ইবনু মালিক রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেছেন: ’আমিই হলাম সর্বপ্রথম ব্যক্তি কিয়ামতের দিন যার মাথার উপর থেকে মাটি ফেটে যাবে, কিন্তু এতে কোন অহংকার নেই। আর আমাকে প্রশংসার পতাকা দেয়া হবে, তাতেও কোন অহংকার নেই। কিয়ামতের দিন আমিই হব মানবজাতির নেতা, এতেও আমার কোন অহংকার নেই। কিয়ামতের দিন আমিই হব জান্নাতে প্রবেশকারী সর্বপ্রথম ব্যক্তি, এতেও কোন অহংকার নেই। আর আমি জান্নাতের দরজায় এসে কড়া নাড়বো, তখন তারা (জান্নাতের প্রহরীরা) বলবে: এ ব্যক্তি কে? তখন আমি বলব: ’আমি মুহাম্মদ’। ফলে আমার জন্য তারা জান্নাতের দরজা খুলে দিবে আর আমি তাতে প্রবেশ করেই ’আল-জাব্বার’ (মহাপ্রতাপশালী) আল্লাহ’কে আমার সম্মুখেই পাব, ফলে আমি তাঁকে সাজদা করব, তখন তিনি বলবেন: ইয়া মুহাম্মদ, তোমার মাথা উঠাও, তুমি কথা বল, তোমার কথা শোনা হবে; তুমি বল, তোমার বক্তব্য কবুল করা হবে; তুমি শাফা’আত কর, তোমার শাফা’আত গৃহীত হবে।’ তখন আমি মাথা উঠাব এবং বলব: ’হে রব! আমার উম্মাত, আমার উম্মাত। তখন তিনি বলবেন: তুমি তোমার উম্মতের নিকট যাও, (তাদের মধ্য থেকে) যার অন্তরে যবের দানা পরিমাণ ঈমান পাবে, তাকে জান্নাতে প্রবেশ করাবে।’ তারপর আমি (তাদের নিকট) যাব, (তাদের মধ্য থেকে) যাদের অন্তরে যবের দানা পরিমাণ ঈমান পাব, তাদেরকে জান্নাতে প্রবেশ করাব।’

তারপর আমি (আবার) ’আল-জাব্বার’ (মহাপ্রতাপশালী) আল্লাহ’কে আমার সম্মুখে পাব, ফলে আমি তাঁকে সাজদা করব, তখন তিনি বলবেন: হে মুহাম্মদ, তোমার মাথা উঠাও, তুমি কথা বল, তোমার কথা শোনা হবে; তুমি বল, তোমার বক্তব্য কবুল করা হবে; তুমি শাফা’আত কর, তোমার শাফা’আত গৃহীত হবে।’ তখন আমি মাথা উঠাব এবং বলব: ’হে রব! আমার উম্মাত, আমার উম্মাত। তখন তিনি বলবেন: তুমি তোমার উম্মতের নিকট যাও, (তাদের মধ্য থেকে) যার অন্তরে সরিষার দানা পরিমাণ ঈমান পাবে, তাকে জান্নাতে প্রবেশ করাবে।’ তারপর আমি (তাদের নিকট) যাব, (তাদের মধ্য থেকে) যার অন্তরে সরিষার দানা পরিমাণ ঈমান পাব, তাকে জান্নাতে প্রবেশ করাব।’ যখন লোকদের হিসাব-নিকাশ শেষ হবে এবং আমার উম্মতের মধ্যকার যারা অবশিষ্ট রইল তাদেরকে জাহান্নামীদের সাথে জাহান্নামে প্রবেশ করানো হবে, তখন জাহান্নামের অধিবাসীরা তাদেরকে বলবে, তোমরা তো আল্লাহর ইবাদত করতে এবং তাঁর সাথে কোন কিছুকে শরীক করতে না, কিন্তু আজকে তা (তোমাদের এ কাজ) তোমাদের কোনই উপকারে আসল না।

তখন মহাপ্রতাপশালী (আল্লাহ) বলবেন, ’আমার ইযযতের কসম! আমি অবশ্যই তাদেরকে জাহান্নাম থেকে মুক্তি দিব।’ এরপর তাদের নিকট (দূত) পাঠানো হবে, অতঃপর অগ্নিদগ্ধ অবস্থায় তাদেরকে জাহান্নাম থেকে বের করা হবে, তারপর তাদেরকে ’সঞ্জীবনী নহর’-এ প্রবেশ করানো হবে। তখন তারা সেখানে এমনভাবে পুনর্জীবন লাভ করবে, যেভাবে আবর্জনা স্তুপের সিক্ততায় শস্য দানা গজিয়ে উঠে। তাদের দু’চোখের মাঝে (কপালে) লেখা থাকবে ’এরা আল্লাহ’র (দয়ায়) মুক্তি প্রাপ্ত।’ তাদেরকে নিয়ে যাওয়া হবে এবং জান্নাতে প্রবেশ করানো হবে। তখন জান্নাতের অধিবাসীরা এদেরকে বলবে, ’এরা (ছিল) জাহান্নামী’। তখন মহাপ্রতাপশালী (আল্লাহ) বলবেন: ’না, বরং ’এরা আল্লাহ’র (দয়ায়) মুক্তি প্রাপ্ত।’[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ যয়ীফ। আব্দুল্লাহ ইবনু সালিহ যয়ীফ। তবে ইমাম আহমাদ অন্য সূত্রে এ হাদীস বর্ণনা করেছেন যার সনদ সহীহ। (৩/১৪৫)। (ফাতহুল মান্নানের লেখক (হাশিম আলগুমারী) বলেছেন: এর সনদ এ হাদীস… সহীহ হাদীসের শর্তপুরণকারী -অনুবাদক )

তাখরীজ: আহমদ ৩/১৪৪; ইবনু মানদাহ, আত তাওহীদ ৮৭৭; বাইহাকী, দালাইল ৫/৪৭৯-৪৮০। এর শেষাংশ তথা শাফা’আতের অংশ বর্ণনা করেছেন আনাস হতে মুসলিম তার সহীহ নং ১৯৩ তে।

بَاب مَا أُعْطِيَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مِنْ الْفَضْلِ

أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ صَالِحٍ، حَدَّثَنِي اللَّيْثُ، حَدَّثَنِي يَزِيدُ هُوَ ابْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الْهَادِ، عَنْ عَمْرِو بْنِ أَبِي عَمْرٍو، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، قَالَ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ: ” إِنِّي لَأَوَّلُ النَّاسِ تَنْشَقُّ الْأَرْضُ عَنْ جُمْجُمَتِي يَوْمَ الْقِيَامَةِ وَلَا فَخْرُ، وَأُعْطَى لِوَاءَ الْحَمْدِ وَلَا فَخْرُ، وَأَنَا سَيِّدُ النَّاسِ يَوْمَ الْقِيَامَةِ وَلَا فَخْرُ، وَأَنَا أَوَّلُ مَنْ يَدْخُلُ الْجَنَّةَ يَوْمَ الْقِيَامَةِ وَلَا فَخْرُ، وَآتِي بَابَ الْجَنَّةِ فَآخُذُ بِحَلْقَتِهَا فَيَقُولُونَ: مَنْ هَذَا؟، فَأَقُولُ أَنَا مُحَمَّدٌ، فَيَفْتَحُونَ لِي فَأَدْخُلُ فَأَجِدُ الْجَبَّارَ مُسْتَقْبِلِي، فَأَسْجُدُ لَهُ، فَيَقُولُ: ارْفَعْ رَأْسَكَ يَا مُحَمَّدُ وَتَكَلَّمْ، يُسْمَعْ مِنْكَ، وَقُلْ، يُقْبَلْ مِنْكَ، وَاشْفَعْ تُشَفَّعْ، فَأَرْفَعُ رَأْسِي، فَأَقُولُ: أُمَّتِي أُمَّتِي يَا رَبّ، فَيَقُولُ: اذْهَبْ إِلَى أُمَّتِكَ، فَمَنْ وَجَدْتَ فِي قَلْبِهِ مِثْقَالَ حَبَّةٍ مِنْ شَعِيرٍ مِنْ الْإِيمَانِ، فَأَدْخِلْهُ الْجَنَّةَ، فَأَذْهَبُ، فَمَنْ وَجَدْتُ فِي قَلْبِهِ مِثْقَالَ ذَلِكَ أَدْخَلْتُهُمْ الْجَنَّةَ، فَأَجِدُ الْجَبَّارَ مُسْتَقْبِلِي فَأَسْجُدُ لَهُ، فَيَقُولُ: ارْفَعْ رَأْسَكَ يَا مُحَمَّدُ وَتَكَلَّمْ، يُسْمَعْ مِنْكَ، وَقُلْ: يُقْبَلْ مِنْكَ، وَاشْفَعْ تُشَفَّعْ، فَأَرْفَعُ رَأْسِي فَأَقُولُ: أُمَّتِي أُمَّتِي يَا رَبِّ، فَيَقُولُ: اذْهَبْ إِلَى أُمَّتِكَ، فَمَنْ وَجَدْتَ فِي قَلْبِهِ مِثْقَالَ حَبَّةٍ مِنْ خَرْدَلٍ مِنْ الْإِيمَانِ فَأَدْخِلْهُ الْجَنَّةَ، فَأَذْهَبُ، فَمَنْ وَجَدْتُ فِي قَلْبِهِ مِثْقَالَ ذَلِكَ أَدْخَلْتُهُمْ الْجَنَّةَ، وَفُرِغَ مِنْ حِسَابِ النَّاسِ وَأُدْخِلَ مَنْ بَقِيَ مِنْ أُمَّتِي فِي النَّارِ مَعَ أَهْلِ النَّارِ، فَيَقُولُ أَهْلُ النَّارِ: مَا أَغْنَى عَنْكُمْ أَنَّكُمْ كُنْتُمْ تَعْبُدُونَ اللَّهَ وَلَا تُشْرِكُونَ بِهِ شَيْئًا، فَيَقُولُ الْجَبَّارُ: فَبِعِزَّتِي لَأَعْتِقَنَّهُمْ مِنْ النَّارِ، فَيُرْسِلُ إِلَيْهِمْ، فَيَخْرُجُونَ مِنْ النَّارِ وَقَدْ امْتُحِشُوا، فَيُدْخَلُونَ فِي نَهَرِ الْحَيَاةِ، فَيَنْبُتُونَ فِيهِ كَمَا تَنْبُتُ الْحِبَّةُ فِي غُثَاءِ السَّيْلِ وَيُكْتَبُ بَيْنَ أَعْيُنِهِمْ هَؤُلَاءِ عُتَقَاءُ اللَّهِ، فَيُذْهَبُ بِهِمْ فَيَدْخُلُونَ الْجَنَّةَ، فَيَقُولُ لَهُمْ أَهْلُ الْجَنَّةِ: هَؤُلَاءِ الْجَهَنَّمِيُّونَ، فَيَقُولُ الْجَبَّار: بَلْ هَؤُلَاءِ عُتَقَاءُ الْجَبَّارِ

إسناده ضعيف لضعف عبد الله بن صالح فهو صدوق ولكنه كثير الخطأ وكانت فيه غفلة

أخبرنا عبد الله بن صالح، حدثني الليث، حدثني يزيد هو ابن عبد الله بن الهاد، عن عمرو بن أبي عمرو، عن أنس بن مالك، قال: سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول: ” إني لأول الناس تنشق الأرض عن جمجمتي يوم القيامة ولا فخر، وأعطى لواء الحمد ولا فخر، وأنا سيد الناس يوم القيامة ولا فخر، وأنا أول من يدخل الجنة يوم القيامة ولا فخر، وآتي باب الجنة فآخذ بحلقتها فيقولون: من هذا؟، فأقول أنا محمد، فيفتحون لي فأدخل فأجد الجبار مستقبلي، فأسجد له، فيقول: ارفع رأسك يا محمد وتكلم، يسمع منك، وقل، يقبل منك، واشفع تشفع، فأرفع رأسي، فأقول: أمتي أمتي يا رب، فيقول: اذهب إلى أمتك، فمن وجدت في قلبه مثقال حبة من شعير من الإيمان، فأدخله الجنة، فأذهب، فمن وجدت في قلبه مثقال ذلك أدخلتهم الجنة، فأجد الجبار مستقبلي فأسجد له، فيقول: ارفع رأسك يا محمد وتكلم، يسمع منك، وقل: يقبل منك، واشفع تشفع، فأرفع رأسي فأقول: أمتي أمتي يا رب، فيقول: اذهب إلى أمتك، فمن وجدت في قلبه مثقال حبة من خردل من الإيمان فأدخله الجنة، فأذهب، فمن وجدت في قلبه مثقال ذلك أدخلتهم الجنة، وفرغ من حساب الناس وأدخل من بقي من أمتي في النار مع أهل النار، فيقول أهل النار: ما أغنى عنكم أنكم كنتم تعبدون الله ولا تشركون به شيئا، فيقول الجبار: فبعزتي لأعتقنهم من النار، فيرسل إليهم، فيخرجون من النار وقد امتحشوا، فيدخلون في نهر الحياة، فينبتون فيه كما تنبت الحبة في غثاء السيل ويكتب بين أعينهم هؤلاء عتقاء الله، فيذهب بهم فيدخلون الجنة، فيقول لهم أهل الجنة: هؤلاء الجهنميون، فيقول الجبار: بل هؤلاء عتقاء الجبار إسناده ضعيف لضعف عبد الله بن صالح فهو صدوق ولكنه كثير الخطأ وكانت فيه غفلة

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৫৪

 শেয়ার ও অন্যান্য 

বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৮. নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে যে সকল মর্যাদা প্রদান করা হয়েছে তার বর্ণনা

৫৪. ইবনু গানাম হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, জীবরীল আলাইহিস সালাম একবার রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নিকট অবতরণ করলেন এবং তাঁর পেট চিরে ফেললেন। অতঃপর জীবরীল বললেন: অত্যন্ত মজবুত অন্তর, তাতে শ্রবণশক্তিসম্পন্ন দু’টি কান রয়েছে এবং দৃষ্টিশক্তিসম্পন্ন দু’টি চোখ রয়েছে। মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আল্লাহর সর্বশেষ (সবার পশ্চাতে আগমনকারী) রাসূল, ’আলহাশির’ (একত্রকারী), আপনার চরিত্র সুপ্রতিষ্ঠিত, আপনার জিহবা সত্যভাষী, আপনার হৃদয় (নফস্) প্রশান্ত।’

আবু মুহাম্মাদ বলেন: وكيع মানে شديدا (কঠোর, মজবুত)[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদে তিনটি ত্রুটি রয়েছে। (দুজন রাবী যয়ীফ এবং এটি মুরসাল)। ((তবে ফতহুল মান্নানের লেখক একে মুরসাল হিসেবে সহীহ বলেছেন- ফাতহুল মান্নান (১/৪৩৩, ৫৬ নং হাদীসের ব্যাখ্যা দ্র:)- অনুবাদক))

তাখরীজ: ইবনু আসাকীর, আত তারীখ (/৩৮৯); আবী নুয়াইম, দালাইল, সূয়ূতী, খাসাইসুল কুবরা, ১/১৬১-১৬২।

بَاب مَا أُعْطِيَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مِنْ الْفَضْلِ

أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ صَالِحٍ، حَدَّثَنِي مُعَاوِيَةُ، عَنْ يُونُسَ بْنِ مَيْسَرَةَ، عَنْ أَبِي إِدْرِيسَ الْخَوْلَانِيِّ، عَنْ ابْنِ غَنْمٍ، قَالَ: ” نَزَلَ جِبْرِيلُ عَلَيْهِ السَّلامُ عَلَى رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَشَقَّ بَطْنَهُ، ثُمَّ قَالَ جِبْرِيلُ: قَلْبٌ وَكِيعٌ فِيهِ أُذُنَانِ سَمِيعَتَانِ وَعَيْنَانِ بَصِيرَتَانِ مُحَمَّدٌ رَسُولُ اللَّهِ الْمُقَفِّي، الْحَاشِرُ، خُلُقُكَ قَيِّمٌ، وَلِسَانُكَ صَادِقٌ، وَنَفْسُكَ مُطْمَئِنَّةٌ “، قَالَ أَبُو مُحَمَّد: وَكِيعٌ يَعْنِي: شَدِيدًا

في إسناده ثلاث علل : عبد الله بن صالح ومعاوية بن يحيى ضعيفان وهو مرسل أيضا عبد الرحمن بن غنم تابعي وليس صحابيا

أخبرنا عبد الله بن صالح، حدثني معاوية، عن يونس بن ميسرة، عن أبي إدريس الخولاني، عن ابن غنم، قال: ” نزل جبريل عليه السلام على رسول الله صلى الله عليه وسلم فشق بطنه، ثم قال جبريل: قلب وكيع فيه أذنان سميعتان وعينان بصيرتان محمد رسول الله المقفي، الحاشر، خلقك قيم، ولسانك صادق، ونفسك مطمئنة “، قال أبو محمد: وكيع يعني: شديدا في إسناده ثلاث علل : عبد الله بن صالح ومعاوية بن يحيى ضعيفان وهو مرسل أيضا عبد الرحمن بن غنم تابعي وليس صحابيا

 হাদিসের মানঃ মুরসাল  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৫৫

 শেয়ার ও অন্যান্য 

বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৮. নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে যে সকল মর্যাদা প্রদান করা হয়েছে তার বর্ণনা

৫৫. আমর ইবনু কায়েস রাদ্বিযাল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: ’আল্লাহ আমাকে রহমত লাভের সময় (তথা মৃত্যুর সময়) সম্পর্কে জানিয়ে দিয়েছেন। আর আমার (আয়ুষ্কাল) অত্যন্ত সংক্ষিপ্ত করেছেন। (দুনিয়াতে) আমরা পরে আগমনকারী হলেও আখিরাতে আমরা অগ্রগামী। আমি কোন অহংকার ব্যতীতই একটি কথা বলছি: ইবরাহীম খলীলুল্লাহ, মুসা সফীউল্লাহ (খাঁটি বন্ধু), আর আমি হাবীবুল্লাহ। আর কিয়ামতের দিন আমার সাথেই থাকবে প্রশংসার পতাকা। এবং নিশ্চয় আল্লাহ আযযা ওয়া জাল্লা আমার উম্মতের ব্যাপারে আমার সাথে ওয়াদা করেছেন এবং তাদের তিনটি বিষয় থেকে পরিত্রাণ দিয়েছেন: ব্যাপকভাবে তাদের উপর দুর্ভিক্ষ চাপিয়ে দিবেন না, শত্রু তাদেরকে সমূলে উৎপাটন করতে পারবে না এবং তাদেরকে বিভ্রান্তির উপরে একত্রিত করবেন না।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদে দু’টি ত্রুটি রয়েছে। আব্দুল্লাহ ইবনু সালিহ (দুর্বল) এবং (এ সনদের) বিচ্ছিন্নতা । (দেখুন ইবনু কাছীর, বিদায়া ৬/২৭০)

তাখরীজ: কানযুল উম্মাল, ৩২০৮০; ইবনু আসাকীর ।

بَاب مَا أُعْطِيَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مِنْ الْفَضْلِ

أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ صَالِحٍ، حَدَّثَنِي مُعَاوِيَةُ، عَنْ عُرْوَةَ بْنِ رُوَيْمٍ، عَنْ عَمْرِو بْنِ قَيْسٍ، أَنّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: إِنَّ اللَّهَ أَدْرَكَ بِيَ الْأَجَلَ الْمَرْحُومَ وَاخْتَصَرَ لِيَ اخْتِصَارًا فَنَحْنُ الْآخِرُونَ، وَنَحْنُ السَّابِقُونَ يَوْمَ الْقِيَامَةِ، وَإِنِّي قَائِلٌ قَوْلًا غَيْرَ فَخْرٍ: إِبْرَاهِيمُ خَلِيلُ اللَّهِ، وَمُوسَى صَفِيُّ اللَّهِ، وَأَنَا حَبِيبُ اللَّهِ، وَمَعِي لِوَاءُ الْحَمْدِ يَوْمَ الْقِيَامَةِ، وَإِنَّ اللَّهَ تَعَالى وَعَدَنِي فِي أُمَّتِي وَأَجَارَهُمْ مِنْ ثَلَاثٍ: لَا يَعُمُّهُمْ بِسَنَةٍ، وَلَا يَسْتَأْصِلُهُمْ عَدُوٌّ، وَلَا يَجْمَعُهُمْ عَلَى ضَلَالَةٍ

في إسناده علتان : عبد الله بن صالح والانقطاع

أخبرنا عبد الله بن صالح، حدثني معاوية، عن عروة بن رويم، عن عمرو بن قيس، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: إن الله أدرك بي الأجل المرحوم واختصر لي اختصارا فنحن الآخرون، ونحن السابقون يوم القيامة، وإني قائل قولا غير فخر: إبراهيم خليل الله، وموسى صفي الله، وأنا حبيب الله، ومعي لواء الحمد يوم القيامة، وإن الله تعالى وعدني في أمتي وأجارهم من ثلاث: لا يعمهم بسنة، ولا يستأصلهم عدو، ولا يجمعهم على ضلالة في إسناده علتان : عبد الله بن صالح والانقطاع

 হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai’f)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৫৬

 শেয়ার ও অন্যান্য 

বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৯. আসমান হতে খাদ্য নাযিল করার মাধ্যমে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে সম্মানিত করা হয়েছে (তার বর্ণনা)

৫৬. সালামাহ আস-সাকুনী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আমরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নিকট ছিলাম, তখন একজন লোক বলল, হে আল্লাহর রাসূল! আপনাকে কি আসমান হতে কোন খাদ্য প্রদান করা হয়েছে? তিনি জবাবে বলেন: ’হাঁ, আমাকে (আসমান হতে) একটি খাদ্য প্রদান করা হয়েছে।’ লোকটি বলল, হে আল্লাহর নবী! তার থেকে কিছু উদ্বৃত্ত ছিল কি? তিনি বললেন: ’হাঁ’। সে লোকটি বলল: তা কী করা হয়েছিল? তিনি বললেন: ’আসমানে উঠিয়ে নেয়া হয়েছিল। আর আমার নিকট ওহী করা হয়েছে যে, আমি তোমাদের মাঝে সামান্য কয়টা দিনই অবস্থান করবো। অতঃপর তোমরা অপেক্ষা করতে থাকবে, এমনকি তোমরা বলবে: (কিয়ামত) কখন হবে, কখন হবে? তখন তোমরা পরস্পরকে হত্যা করতে থাকবে, এবং এমতাবস্থায়ই একের পর এক দলে দলে আমার নিকট আসবে। কিয়ামতের পূর্বে দু’টি ভীষণ মহামারী দেখা দেবে এবং এরপর আসবে ভূমিকম্পের বছরসমূহ।’[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ যয়ীফ, মুয়াবিয়া ইবনু ইয়াহইয়ার দূর্বলতার কারণে। কিন্তু হাদীসটি সহীহ। অন্যান্যরা সহীহ সনদে বর্ণনা করেছেন। হাইছামী মাজমা’উয যাওয়াইদে (৭/৩০৬) বলেছেন: এর বর্ণনাকারীগণ সিকাহ বা বিশ্বস্ত।

তাখরীজ: ‍আবী ইয়ালা, আল ‍মুসনাদ ৬৮৬১ সনদ সহীহ; আহমদ ৪/১০৪।

بَاب مَا أُكْرِمَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِنُزُولِ الطَّعَامِ مِنْ السَّمَاءِ

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُبَارَكِ، حَدَّثَنَا مُعَاوِيَةُ بْنُ يَحْيَى، حَدَّثَنَا أَرْطَاةُ بْنُ الْمُنْذِرِ، عَنْ ضَمْرَةَ بْنِ حَبِيبٍ، قَالَ: سَمِعْتُ مَسْلَمَةَ السَّكُونِيَّ، وَقَالَ غَيْرُ مُحَمَّدٍ: سَلَمَةَ السَّكُونِيَّ رَضِيَ اللهُ عَنْهُ، قَالَ: بَيْنَمَا نَحْنُ عِنْدَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِذْ قَالَ قَائِلٌ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، هَلْ أُتِيتَ بِطَعَامٍ مِنْ السَّمَاءِ؟، قَالَ: ” نَعَمْ أُتِيتُ بِطَعَامٍ “، قَالَ: يَا نَبِيَّ اللَّهِ، هَلْ كَانَ فِيهِ مِنْ فَضْلٍ؟، قَالَ: نَعَمْ ، قَالَ: فَمَا فُعِلَ بِهِ؟، قَالِ: ” رُفِعَ إِلَى السَّمَاءِ، وَقَدْ أُوحِيَ إِلَيَّ أَنِّي غَيْرُ لَابِثٍ فِيكُمْ إِلَّا قَلِيلًا، ثُمَّ تَلْبَثُونَ، حَتَّى تَقُولُوا: مَتَى مَتَى؟ ثُمَّ تَأْتُونِي أَفْنَادًا يُفْنِي بَعْضُكُمْ بَعْضًا، بَيْنَ يَدَيْ السَّاعَةِ مُوتَانٌ شَدِيدٌ، وَبَعْدَهُ سَنَوَاتُ الزَّلَازِلِ

إسناده ضعيف لضعف معاوية بن يحيى ولكن الحديث صحيح

حدثنا محمد بن المبارك، حدثنا معاوية بن يحيى، حدثنا أرطاة بن المنذر، عن ضمرة بن حبيب، قال: سمعت مسلمة السكوني، وقال غير محمد: سلمة السكوني رضي الله عنه، قال: بينما نحن عند رسول الله صلى الله عليه وسلم إذ قال قائل: يا رسول الله، هل أتيت بطعام من السماء؟، قال: ” نعم أتيت بطعام “، قال: يا نبي الله، هل كان فيه من فضل؟، قال: نعم ، قال: فما فعل به؟، قال: ” رفع إلى السماء، وقد أوحي إلي أني غير لابث فيكم إلا قليلا، ثم تلبثون، حتى تقولوا: متى متى؟ ثم تأتوني أفنادا يفني بعضكم بعضا، بين يدي الساعة موتان شديد، وبعده سنوات الزلازل إسناده ضعيف لضعف معاوية بن يحيى ولكن الحديث صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৫৭

 শেয়ার ও অন্যান্য 

বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৯. আসমান হতে খাদ্য নাযিল করার মাধ্যমে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে সম্মানিত করা হয়েছে (তার বর্ণনা)

৫৭. সামুরাহ বিন জুনদুব রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, (একদা) রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বড় এক বাটি ছারীদ (ঝোলে ভেজানো রুটি) দেয়া হল। অত:পর তা লোকদের সামনে রাখা হল। তখন তারা সকাল থেকে যোহর পর্যন্ত তা থেকে পালাক্রমে খেতে থাকল। একদল লোক খেয়ে উঠে যায় তো আরেকদল খেতে বসে – (এভাবে চলতে থাকে)। তখন এক ব্যক্তি সামুরাহ ইবনু জুনদুব রা:কে জিজ্ঞেস করল, সেটা কি বৃদ্ধি করা হয়েছিল না? তখন সামুরাহ বললেন: তুমি কি কারণে আশ্চর্যবোধ করছো? বৃদ্ধি তো কেবল ওখান থেকেই হতো’ – একথা বলে তিনি আসমানের দিকে ইঙ্গিত করলেন।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ । (বাইহাকী, তিরমিযী, হাকিম সকলেই সহীহ বলেছেন।)

তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবাহ ১১/৪৬৫-৪৬৬;, তিরযিমী, ৩৬২৯; সহীহ ইবনু হিব্বান ৬৫২৯, আহমাদ ৫/১২; বাইহাকী, দালাইল ৬/৯৩।

بَاب مَا أُكْرِمَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِنُزُولِ الطَّعَامِ مِنْ السَّمَاءِ

أَخْبَرَنَا عُثْمَانُ بْنُ مُحَمَّدٍ، حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ، أَخْبَرنَا سُلَيْمَانُ التَّيْمِيُّ، عَنْ أَبِي الْعَلَاءِ، عَنْ سَمُرَةَ بْنِ جُنْدُبٍ رَضِيَ اللهُ عَنْهُ، أَنّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: ” أُتِيَ بِقَصْعَةٍ مِنْ ثَرِيدٍ “، فَوُضِعَتْ بَيْنَ يَدَيْ الْقَوْمِ، فَتَعَاقَبُوهَا إِلَى الظُّهْرِ مِنْ غُدْوَةٍ، يَقُومُ قَوْمٌ وَيَجْلِسُ آخَرُونَ، فَقَالَ رَجُلٌ لِسَمُرَةَ بْنِ جُنْدُبٍ: أَمَا كَانَتْ تُمَدُّ؟، فَقَالَ سَمُرَةُ: مِنْ أَيِّ شَيْءٍ تَعْجَبُ؟ مَا كَانَتْ تُمَدُّ إِلَّا مِنْ هَا هُنَا، وَأَشَارَ بِيَدِهِ إِلَى السَّمَاءِ

إسناده صحيح

أخبرنا عثمان بن محمد، حدثنا يزيد بن هارون، أخبرنا سليمان التيمي، عن أبي العلاء، عن سمرة بن جندب رضي الله عنه، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم: ” أتي بقصعة من ثريد “، فوضعت بين يدي القوم، فتعاقبوها إلى الظهر من غدوة، يقوم قوم ويجلس آخرون، فقال رجل لسمرة بن جندب: أما كانت تمد؟، فقال سمرة: من أي شيء تعجب؟ ما كانت تمد إلا من ها هنا، وأشار بيده إلى السماء إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৫৮

 শেয়ার ও অন্যান্য 

বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১০. নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সৌন্দর্য প্রসঙ্গে

৫৮. জাবির ইবনু সামুরাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন: আমি এক চাঁদনী রাতে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে লাল রংয়ের একজোড়া উত্তম নতুন (মোটা কিংবা পাতলা[1]) কাপড় পরিহিত অবস্থায় দেখেছি। আমি একবার তাঁর দিকে আরেকবার চাঁদের দিকে তাকাচ্ছিলাম। আর নিশ্চয়ই আমার চোখে চাঁদের চেয়ে তাঁকেই বেশি সুন্দর লাগছিলো।[2]

[1] (হুল্লাহ’ শব্দের অর্থ সুন্দর উত্তম মোটা কিংবা পাতলা একজাতীয় দুইখানা কাপড়।- মুহাক্বিক্বের টীকা দ্র: – অনুবাদক)

[2] সনদ যয়ীফ । আশ’আস বিন সিওয়ার যয়ীফ। তবে তিরমিযী বারা’ ইবনু আযিব রা: হতে বর্ণিত হাদীসটির ব্যাপারে ইমাম বুখারীর মতামত উল্লেখ করেছেন যে, তিনি একে সহীহ বলেছেন। শাইখ আরনাউত্ব ও আল মাউসিলী, আল মুসনাদের (১৬৯৯, ১৭০০,১৭১৪) তাহক্বীক্বে এ হাদীসকে সহীহ বলেছেন।

তাখরীজ: তিরমিযী ২৮১২; তাবারানী, মু’জামুল কাবীর ২/২০৬ নং ১৮৪২; হাকিম ৪/১৮৬; বাইহাকী, দালাইল ১/১৯৬।ৎ

এর শাহিদ রয়েছে বারা’ রা: হতে আমরা যার তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী ৩/৪৬৪ নং ৭৪৭৭ ও ১৭০০ তে। আর তা সহীহ।

بَاب فِي حُسْنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ سَعِيدٍ، أَخْبَرَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ مُحَمَّدٍ، عَنْ أَشْعَثَ بْنِ سَوَّارٍ، عَنْ أَبِي إِسْحَاق، عَنْ جَابِرِ بْنِ سَمُرَةَ رَضِيَ اللهُ عَنْهُ، قَالَ: رَأَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي لَيْلَةٍ إِضْحِيَانٍ، وَعَلَيْهِ حُلَّةٌ حَمْرَاءُ، فَجَعَلْتُ أَنْظُرُ إِلَيْهِ وَإِلَى الْقَمَرِ، قَالَ: فَلَهُوَ كَانَ أَحْسَنَ فِي عَيْنِي مِنْ الْقَمَرِ

إسناده ضعيف أشعث بن سوار ضعيف وهو متأخر السماع من أبي إسحاق

حدثنا محمد بن سعيد، أخبرنا عبد الرحمن بن محمد، عن أشعث بن سوار، عن أبي إسحاق، عن جابر بن سمرة رضي الله عنه، قال: رأيت رسول الله صلى الله عليه وسلم في ليلة إضحيان، وعليه حلة حمراء، فجعلت أنظر إليه وإلى القمر، قال: فلهو كان أحسن في عيني من القمر إسناده ضعيف أشعث بن سوار ضعيف وهو متأخر السماع من أبي إسحاق

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৫৯

 শেয়ার ও অন্যান্য 

বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১০. নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সৌন্দর্য প্রসঙ্গে

৫৯. আব্দুল্লাহ বিন আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যখন তিনি কথা বলার জন্য মুখ খুলতেন, তখন মনে হতো যেন তাঁর (সামনের উপর নিচের) দু’পাটি দাঁতের মাঝ দিয়ে নূর (আলোকচ্ছটা) বিচ্ছুরিত হচ্ছে।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: আব্দুল আযীয বিন আবী ছাবিত হল, ইবনু ইমরান, আর সে হল পরিত্যক্ত রাবী (মাতরূক)।

তাখরীজ: তিরমিযী, শামাইল ১৪; বাইহাকী, দালাইল ১/২১৫; বাগাবী, শারহুস ‍সুন্নাহ ১৩/২২৩ নং ৩৬৪৪।

بَاب فِي حُسْنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ

أَخْبَرَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ الْمُنْذِرِ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ أَبِي الثَابِتٍ الزُّهْرِيُّ، حَدَّثَنِي إِسْمَاعِيل بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنُ أَخِي مُوسَى، عَنْ عَمِّهِ مُوسَى بْنِ عُقْبَةَ، عَنْ كُرَيْبٍ، عَنْ ابْنِ عَبَّاسٍ رَضِيَ اللهُ عَنْهُمَا، قَالَ: كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: أَفْلَجَ الثَّنِيَّتَيْنِ، إِذَا تَكَلَّمَ رُئِيَ كَالنُّورِ يَخْرُجُ مِنْ بَيْنِ ثَنَايَاهُ

لم يحكم عليه المحقق

أخبرنا إبراهيم بن المنذر، حدثنا عبد العزيز بن أبي الثابت الزهري، حدثني إسماعيل بن إبراهيم بن أخي موسى، عن عمه موسى بن عقبة، عن كريب، عن ابن عباس رضي الله عنهما، قال: كان رسول الله صلى الله عليه وسلم: أفلج الثنيتين، إذا تكلم رئي كالنور يخرج من بين ثناياه لم يحكم عليه المحقق

 হাদিসের মানঃ মুনকার (সহীহ হাদীসের বিপরীত)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৬০

 শেয়ার ও অন্যান্য 

বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১০. নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সৌন্দর্য প্রসঙ্গে

৬০. ইবনু উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের চেয়ে অধিক সাহায্যকারী, দানশীল, বীরপুরুষ, উজ্জ্বল (পরিচ্ছন্ন ও সুন্দর) কাউকে দেখিনি।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর বর্ণনাকারীগণ সকলেই বিশ্বস্ত।

তাখরীজ: ইবনু সা’দ, আত তাবাকাত ১/২/৯৬; তাবারানী, আল কাবীর ২৪/২৭৪ নং ৬৯৬, আল আওসাত ৫/২৩০; বাইহাকী, দালাইল ৫৫১।

بَاب فِي حُسْنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ

أَخْبَرَنَا مَحْمُودُ بْنُ غَيْلَانَ، حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ، أَخْبَرَنَا مِسْعَرٌ، عَنْ عَبْدِ الْمَلِكِ بْنِ عُمَيْرٍ، قَالَ: قَالَ ابْنُ عُمَرَ رَضِيَ اللهُ عَنْهُ: مَا رَأَيْتُ أَحَدًا أَنْجَدَ، وَلَا أَجْوَدَ، وَلَا أَشْجَعَ، وَلَا أَوْضَأَ مِنْ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ

رجاله ثقات

أخبرنا محمود بن غيلان، حدثنا يزيد بن هارون، أخبرنا مسعر، عن عبد الملك بن عمير، قال: قال ابن عمر رضي الله عنه: ما رأيت أحدا أنجد، ولا أجود، ولا أشجع، ولا أوضأ من رسول الله صلى الله عليه وسلم رجاله ثقات

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৬১

 শেয়ার ও অন্যান্য 

বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১০. নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সৌন্দর্য প্রসঙ্গে

৬১. আবু উবাইদা বিন মুহাম্মাদ বিন আম্মার বিন ইয়াসার বলেন, আমি রুবাই’ঈ বিনতে মুয়াব্বিয ইবনু আফরা’ রা: কে বললাম, আপনি আমাদেরকে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের গুণাবলী সম্পর্কে বলুন। তিনি বললেন: হে বৎস! তুমি যদি তাঁকে দেখতে তাহলে (তোমার মনে হত যেন) তুমি উদীয়মান সূর্যকে দেখলে।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ দুর্বল, কেননা, আব্দুল্লাহ ইবনু মুসা তালহা আত তাইমী দুর্বল।

তাখরীজ: তাবারানী, আল কাবীর ২৪/২৭৪ নং ৬৯৬ ও আল আওসাত ৫/২৩০ নং ৪৪৫৫; আবু নুয়াইম, দালাইল ৫৫১।

بَاب فِي حُسْنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ

أَخْبَرَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ الْمُنْذِرِ الْحِزَامِيُّ، حَدَّثَنَا عبدُ اللَّهِ بْنُ مُوسَى، حَدَّثَنَا أُسَامَةُ بْنُ زَيْدٍ، عَنْ أَبِي عُبَيْدَةَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ عَمَّارِ بْنِ يَاسِرٍ، قَالَ: قُلْتُ: لِلرُّبَيِّعِ بِنْتِ مُعَوِّذِ ابْنِ عَفْرَاءَ: صِفِي لَنَا رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَتْ: يَا بُنَيَّ لَوْ رَأَيْتَهُ، رَأَيْتَ الشَّمْسَ طَالِعَةً

إسناده ضعيف لضعف عبد الله بن موسى الطلحي التيمي

أخبرنا إبراهيم بن المنذر الحزامي، حدثنا عبد الله بن موسى، حدثنا أسامة بن زيد، عن أبي عبيدة بن محمد بن عمار بن ياسر، قال: قلت: للربيع بنت معوذ ابن عفراء: صفي لنا رسول الله صلى الله عليه وسلم فقالت: يا بني لو رأيته، رأيت الشمس طالعة إسناده ضعيف لضعف عبد الله بن موسى الطلحي التيمي

 হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai’f)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৬২

 শেয়ার ও অন্যান্য 

বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১০. নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সৌন্দর্য প্রসঙ্গে

৬২. আনাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের গায়ের রং ছিল উজ্জ্বল শুভ্র। তাঁর ঘাম যেন মুক্তো-দানা। আর  তিনি রাস্তার দিকে ঝুঁকে মধ্যমগতিতে [1] চলতেন । আর আমি রেশম বা রেশমী কাপড়কেও তাঁর হাতের তালুর মত মোলায়েম পাইনি। আমি তাঁর দেহে একটি সুগন্ধ পেয়েছি, যা মিশক্ বা অন্য কোন সুগন্ধির মধ্যে পাইনি।”[2]

[1] মুহাক্বিক্বের টীকা অনুযায়ী।

[2] তাহক্বীক্ব: সনদ সহীহ।

তাখরীজ: বুখারী, ৩৫৬১; মুসলিম, সহীহ ২৩৩০; আহমদ ৩/১০৭, ২০০, ২২২, ২২৭, ২৬৫, ২৬৭।

بَاب فِي حُسْنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ

أَخْبَرَنَا حَجَّاجُ بْنُ مِنْهَالٍ، حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ، أَخْبَرَنَا ثَابِتٌ، عَنْ أَنَسٍ رَضِيَ اللهُ عَنْهُ، قَالَ: كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَزْهَرَ اللَّوْنِ كَأَنَّ عَرَقَهُ اللُّؤْلُؤُ، إِذَا مَشَى تَكَفَّأَ، وَمَا مَسِسْتُ حَرِيرَةً وَلَا دِيبَاجَةً أَلْيَنَ مِنْ كَفِّهِ، وَلَا شَمِمْتُ رَائِحَةً قَطُّ أَطْيَبُ مِنْ رَائِحَتِهِ: مِسْكَةً وَلَا غَيْرَهَا

إسناده صحيح

أخبرنا حجاج بن منهال، حدثنا حماد بن سلمة، أخبرنا ثابت، عن أنس رضي الله عنه، قال: كان رسول الله صلى الله عليه وسلم أزهر اللون كأن عرقه اللؤلؤ، إذا مشى تكفأ، وما مسست حريرة ولا ديباجة ألين من كفه، ولا شممت رائحة قط أطيب من رائحته: مسكة ولا غيرها إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৬৩

 শেয়ার ও অন্যান্য 

বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১০. নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সৌন্দর্য প্রসঙ্গে

৬৩. আনাস ইবনু মালিক রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের খেদমত করেছি, কিন্তু তিনি কখনো আমাকে ’উহ’ শব্দটিও বলেননি (অর্থাৎ আমার কোন কাজ বা আচরণের প্রতি বিরক্ত হয়ে ’উহ’ শব্দটিও উচ্চারণ করেননি)। আর আমি কোন কিছু করে ফেললে তিনি আমাকে কখনো কোন কাজ করার জন্য বলেননি, ’’তুমি অমুক অমুক কাজ কেন করলে?’’ অথবা ’’তুমি কি অমুক অমুক কাজ করনি?’’

তিনি (আনাস) আরও বলেন, আল্লাহর কসম! আমি আমার হাত দিয়ে কখনো রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের হাতের চেয়ে অধিক মোলায়েম কোন রেশমী কাপড় কিংবা রেশম স্পর্শ করিনি। এছাড়াও আমি কখানো রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের (শরীরের) সুগন্ধির চেয়ে অধিক উত্তম কোন সুগন্ধি বা ঘ্রাণ পাইনি।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ। বুখারী ও মুসলিমের হাদীস এটি।

তাখরীজ: সহীহ বুখারী ৩৫৬১ (হাদীসের ২য় অংশ) ; সহীহ মুসলিম ২৩০৯ (হাদীসের ১ম অংশ);

بَاب فِي حُسْنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ

أَخْبَرَنَا أَبُو النُّعْمَانِ، أَخْبَرَنَا حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ، عَنْ ثَابِتٍ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ رَضِيَ اللهُ عَنْهُ، قَالَ: خَدَمْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَمَا قَالَ لِي: أُفٍّ قَطُّ، وَلَا قَالَ لِي لِشَيْءٍ صَنَعْتُهُ: لِمَ صَنَعْتَ كَذَا وَكَذَا أَوْ هَلَّا صَنَعْتَ كَذَا وَكَذَا، وَقَالَ: لَا وَاللَّهِ مَا مَسِسْتُ بِيَدِي دِيبَاجًا، وَلَا حَرِيرًا أَلْيَنَ مِنْ يَدِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَلَا وَجَدْتُ رِيحًا قَطُّ أَوْ عَرْفًا كَانَ أَطْيَبَ مِنْ عَرْفِ أَوْ رِيحِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ

إسناده صحيح والحديث متفق عليه

أخبرنا أبو النعمان، أخبرنا حماد بن زيد، عن ثابت، عن أنس بن مالك رضي الله عنه، قال: خدمت رسول الله صلى الله عليه وسلم فما قال لي: أف قط، ولا قال لي لشيء صنعته: لم صنعت كذا وكذا أو هلا صنعت كذا وكذا، وقال: لا والله ما مسست بيدي ديباجا، ولا حريرا ألين من يد رسول الله صلى الله عليه وسلم ولا وجدت ريحا قط أو عرفا كان أطيب من عرف أو ريح رسول الله صلى الله عليه وسلم إسناده صحيح والحديث متفق عليه

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৬৪

 শেয়ার ও অন্যান্য 

বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১০. নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সৌন্দর্য প্রসঙ্গে

৬৪. হাবীব ইবনু খুদরাহ হতে বর্ণিত হয়েছে, তিনি বলেছেন, হুরাইশ গোত্রের এক ব্যক্তি কর্তৃক বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যখন মায়িয ইবনু মালিককে রজম (শরীয়াতের শাস্তি হিসেবে পাথর মেরে হত্যা) করেন, তখন আমি আমার পিতার সাথে সেখানে উপস্থিত ছিলাম। যখনই কোন একটি পাথর তাকে আঘাত করছিল, তখনই আমি ভয় পাচ্ছিলাম। ফলে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাকে বুকে জড়িয়ে নিলেন। তখন মিশকের সুগন্ধির মত সুগন্ধযুক্ত ঘাম তাঁর বাহুমূল (বগল) থেকে আমার উপর গড়িয়ে পড়ছিল।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর বর্ণনাকারীগণ বিশ্বস্ত, হাবীব বিন খুদরাহ ব্যতীত। (ফাতহুল মান্নানে এক যয়ীফ বলা হয়েছে ‘ইনকিতাহ’ বা বিচ্ছিন্নতা ও হাবীব বিন খুদরাহ’র ‘মাজহুল’ বা অজ্ঞাত পরিচয়’ হওয়ার কারণে- পৃ: ৪৬৪- অনুবাদক)

তাখরীজ: (অন্য কোন হাদীস গ্রন্থে এটি বর্ণিত হয়েছে বলে মুহাক্কিক্ব উল্লেখ করেননি। বরং হাবীব বিন খুদরাহ’র জীবনী বর্ণনায় ‘রাবীদের জীবনমূলক গ্রন্থে এটি বর্ণনা করা হয়েছে। যেমন- মীযানুল ই’তিদাল ১/৪৫৪।- অনুবাদক)

بَاب فِي حُسْنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يَزِيدَ الرِّفَاعِيُّ، حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرٍ، عَنْ حَبِيبِ بْنِ خُدْرَةَ، حَدَّثَنِي رَجُلٌ مِنْ بَنِي حُرَيْشٍ، قَالَ: كُنْتُ مَعَ أَبِي حِينَ رَجَمَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَاعِزَ بْنَ مَالِكٍ رَضِيَ اللهُ عَنْهُ، فَلَمَّا أَخَذَتْهُ الْحِجَارَةُ أُرْعِبْتُ، فَضَمَّنِي إِلَيْهِ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَسَالَ عَلَيَّ مِنْ عَرَقِ إِبْطِهِ مِثْلُ رِيحِ الْمِسْكِ

رجاله ثقات غير حبيب بن خدرة

أخبرنا محمد بن يزيد الرفاعي، حدثنا أبو بكر، عن حبيب بن خدرة، حدثني رجل من بني حريش، قال: كنت مع أبي حين رجم رسول الله صلى الله عليه وسلم ماعز بن مالك رضي الله عنه، فلما أخذته الحجارة أرعبت، فضمني إليه رسول الله صلى الله عليه وسلم فسال علي من عرق إبطه مثل ريح المسك رجاله ثقات غير حبيب بن خدرة

 হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai’f)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৬৫

 শেয়ার ও অন্যান্য 

বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১০. নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সৌন্দর্য প্রসঙ্গে

৬৫. বারা’ ইবনু আযিব রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, এক ব্যক্তি বারা’ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুকে জিজ্ঞেস করল, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের চেহারা দেখতে কি তরবারীর মত ছিল? তিনি বললেন, না, বরং দেখতে চাঁদের মত ছিল।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: বুখারী (৩৫৫২); বাইহাকী, দালাইল ১/১৯৫; ইবনু হিব্বান, সহীহ ৬২৮৭; আবী ইয়ালা, আল মুসনাদ ১৩/৪৫১ নং ৭৪৫৬।

بَاب فِي حُسْنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ

حَدَّثَنَا أَبُو نُعَيْمٍ، حَدَّثَنَا زُهَيْرٌ، عَنْ أَبِي إِسْحَاق، عَنْ الْبَرَاءِ، قَالَ: سَأَلَهُ رَجُلٌ: أَرَأَيْتَ كَانَ وَجْهُ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مِثْلَ السَّيْفِ؟، قَالَ: لَا، مِثْلَ الْقَمَرِ

إسناده صحيح

حدثنا أبو نعيم، حدثنا زهير، عن أبي إسحاق، عن البراء، قال: سأله رجل: أرأيت كان وجه رسول الله صلى الله عليه وسلم مثل السيف؟، قال: لا، مثل القمر إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৬৬

 শেয়ার ও অন্যান্য 

বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১০. নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সৌন্দর্য প্রসঙ্গে

৬৬. ইবরাহীম রাহিমাহুল্লাহ বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে রাতের বেলায় তার মনোহর সুগন্ধ দ্বারাই চেনা যেত।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ হাসান, ইবরাহীম পর্যন্ত। আর এটি ইবরাহীম কর্তৃক মাওকুফ (সাহাবীর নাম বাদ দিয়ে তাবেঈ কর্তৃক সরাসরি রাসূলুল্লাহ সা: হতে বর্ণিত) হাদীস।

তাখরীজ: ইবনু সা’দ, আত তাবাকাত ১/২/১১৩; ইবনু আবী শাইবা, ৯/২৫; আবীশ শাইখ, আখলাকুন্নবী সা: পৃ: ১০৫ ।

بَاب فِي حُسْنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ

أَخْبَرَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ، أَخْبَرَنَا شَرِيكٌ، عَنْ الْأَعْمَشِ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ، قَالَ: كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: يُعْرَفُ بِاللَّيْلِ بِطيبِ الرِّيحِ

إسناده حسن إلى إبراهيم وهو موقوف عليه

أخبرنا يزيد بن هارون، أخبرنا شريك، عن الأعمش، عن إبراهيم، قال: كان رسول الله صلى الله عليه وسلم: يعرف بالليل بطيب الريح إسناده حسن إلى إبراهيم وهو موقوف عليه

 হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৬৭

 শেয়ার ও অন্যান্য 

বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১০. নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সৌন্দর্য প্রসঙ্গে

৬৭. জাবির রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যখনই কোন রাস্তা দিয়ে চলেছেন বা চলেন, সেই রাস্তা দিয়ে পরবর্তীতে কোন ব্যক্তি চললে তাঁর উত্তম সুগন্ধের দ্বারাই, অথবা বলেছেন: তাঁর ঘামের সুগন্ধেই (বর্ণনাকারীর সন্দেহ), সে বুঝতে পারত যে, তিনি এ রাস্তা দিয়ে গেছেন।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এটি ইবনু হিব্বানের শর্তানুযায়ী (সহীহ)।

তাখরীজ: বুখারী, তারীখুল কাবীর, ১/৩৯৯-৪০০।

بَاب فِي حُسْنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ

أَخْبَرَنَا مَالِكُ بْنُ إِسْمَاعِيل، حَدَّثَنَا إِسْحَاق بْنُ الْفَضْلِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْهَاشِمِيُّ، أَخْبَرَنَا الْمُغِيرَةُ بْنُ عَطِيَّةَ، عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ، عَنْ جَابِرٍ رَضِيَ اللهُ عَنْهُ، أَنّ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: لَمْ يَسْلُكْ طَرِيقًا أَوْ لَا يَسْلُكُ طَرِيقًا، فَيَتْبَعُهُ أَحَدٌ إِلَّا عَرَفَ أَنَّهُ قَدْ سَلَكَهُ مِنْ طِيبِ عَرْفِهِ، أَوْ قَالَ: مِنْ رِيحِ عَرَقِهِ

لم يحكم عليه المحقق

أخبرنا مالك بن إسماعيل، حدثنا إسحاق بن الفضل بن عبد الرحمن الهاشمي، أخبرنا المغيرة بن عطية، عن أبي الزبير، عن جابر رضي الله عنه، أن النبي صلى الله عليه وسلم: لم يسلك طريقا أو لا يسلك طريقا، فيتبعه أحد إلا عرف أنه قد سلكه من طيب عرفه، أو قال: من ريح عرقه لم يحكم عليه المحقق

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৬৮

 শেয়ার ও অন্যান্য 

বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১১. মৃত ব্যক্তির কথা বলার মাধ্যমে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে সম্মানিত করা হয়েছে প্রসঙ্গে

৬৮. আবু সালামাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হাদিয়া (উপহার) খেতেন (গ্রহণ করতেন) কিন্তু সাদাকা গ্রহণ করতেন না। একবার খায়বারের এক ইহুদী মহিলা তাঁকে একটি ভূনা ছাগল হাদিয়া দিল। তারপর তিনি তা থেকে খেলেন  এবং তা থেকে বিশর ইবনু বারা’ও খেলেন। এরপর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁর হাত উঠিয়ে নিয়ে বললেন: ’এটি (এই বকরী) আমাকে সংবাদ দিচ্ছে যে, এটি বিষ মিশ্রিত।’ ফলে (তা খেয়ে) বিশর ইবনু বারা’ মৃত্যুবরণ করলেন। তখন তিনি ঐ মহিলার নিকট লোক পাঠিয়ে জিজ্ঞেস করলেন: ’কিসে তোমাকে এ কাজ করতে প্ররোচিত করল? তখন সে বলল, যদি আপনি নবী হন, তবে এটি আপনার কোন ক্ষতি করতে পারবে না, আর যদি আপনি কোন বাদশাহ্ হন, তবে (আপনার মৃত্যু হবে ফলে) আপনার কবল থেকে লোকদেরকে আমি রেহাই দিলাম।

তাই তিনি তাঁর অসুস্থতার সময় বলতেন: ’খায়বারে যে খাদ্য আমি খেয়েছিলাম তা আজও আমাকে কষ্ট দিচ্ছে। এখন এটি আমার প্রাণ ধমনি (কলিজা) ছিঁড়ে ফেলছে।’[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ হাসান, তবে এটি মুরসাল।

তাখরীজ: আবু দাউদ ৪৫১১, ৪৫১২; বাইহাকী, দালাইল ৪/২৬২; ইবনু সা’দ, তাবাকাত ১/১১৩-১১৪।

باب ما أكرم الله -عَزَّوَجَلَّ- بِهِ نبيه صلى الله عليه وسلم من كلام الموتى

أَخْبَرَنَا جَعْفَرُ بْنُ عَوْنٍ، أَنبَأَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَمْرٍو اللَّيْثِيُّ، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ قَالَ: كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَأْكُلُ الْهَدِيَّةَ، وَلَا يَقْبَلُ الصَّدَقَةَ، فَأَهْدَتْ لَهُ امْرَأَةٌ مِنْ يَهُودِ خَيْبَرَ شَاةً مَصْلِيَّةً فَتَنَاوَلَ مِنْهَا، وَتَنَاوَلَ مِنْهَا بِشْرُ بْنُ الْبَرَاءِ، ثُمَّ رَفَعَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَدَهُ، ثُمَّ قَالَ: «إِنَّ هَذِهِ تُخْبِرُنِي أَنَّهَا مَسْمُومَةٌ»، فَمَاتَ بِشْرُ بْنُ الْبَرَاءِ، فَأَرْسَلَ إِلَيْهَا النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «مَا حَمَلَكِ عَلَى مَا صَنَعْتِ؟» فَقَالَتْ: إِنْ كُنْتَ نَبِيًّا لَمْ يَضُرَّكَ شَيْءٌ، وَإِنْ كُنْتَ مَلِكًا، أَرَحْتُ النَّاسَ مِنْكَ، فَقَالَ فِي مَرَضِهِ: مَا زِلْتُ مِنَ الْأُكْلَةِ الَّتِي أَكَلْتُ بِخَيْبَرَ، فَهَذَا أَوَانُ انْقِطَاعِ أَبْهَرِي

إسناده حسن وهو مرسل

أخبرنا جعفر بن عون، أنبأنا محمد بن عمرو الليثي، عن أبي سلمة قال: كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يأكل الهدية، ولا يقبل الصدقة، فأهدت له امرأة من يهود خيبر شاة مصلية فتناول منها، وتناول منها بشر بن البراء، ثم رفع النبي صلى الله عليه وسلم يده، ثم قال: «إن هذه تخبرني أنها مسمومة»، فمات بشر بن البراء، فأرسل إليها النبي صلى الله عليه وسلم: «ما حملك على ما صنعت؟» فقالت: إن كنت نبيا لم يضرك شيء، وإن كنت ملكا، أرحت الناس منك، فقال في مرضه: ما زلت من الأكلة التي أكلت بخيبر، فهذا أوان انقطاع أبهري إسناده حسن وهو مرسل

 হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৬৯

 শেয়ার ও অন্যান্য 

বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১১. মৃত ব্যক্তির কথা বলার মাধ্যমে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে সম্মানিত করা হয়েছে প্রসঙ্গে

৬৯. জাবির ইবনু আব্দুল্লাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা বর্ণনা করেছেন, খায়বারের এক ইহুদী মহিলা একটি ভূনা ছাগলের সাথে বিষ মিশিয়ে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে হাদিয়া দিল। তারপর তিনি এর সামনের রান নিয়ে খেতে লাগলেন এবং তা থেকে তাঁর কয়েকজন সাহাবীও খেতে থাকলেন। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাদেরকে বলেন: ’তোমরা হাত উঠিয়ে নাও।’ তারপর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সেই ইয়াহুদী মহিলার নিকট লোক পাঠিয়ে তাকে ডেকে আনলেন। তিনি তাকে জিজ্ঞাসা করলেন: ’তুমি কি এই ছাগলে বিষ মিশিয়েছো? সে উত্তরে বলল, হ্যাঁ, কিন্তু আপনাকে সে খবর কে দিল? নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন: ’আমার হাতের এই বকরীর রানই আমাকে তা বলে দিচ্ছে।’ সে বলল, তাই! তিনি তাকে জিজ্ঞেস করলেন: ’কি উদ্দেশ্যে তুমি এ কাজ করলে?’ সে জবাব দিল, আমি (মনে মনে) বলেছিলাম, তিনি যদি নবী হন, তবে এটি তার কোনো ক্ষতি করতে পারবেনা। আর তিনি যদি নবী না হন, তবে আমরা তার থেকে রেহাই পাব। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাকে ক্ষমা করে দিলেন এবং তাকে এর জন্য কোন শাস্তি দিলেন না। কোন কোন সাহাবী মারা গেলেন, যারা এ বিষ মিশ্রিত ছাগলের গোশত খেয়েছিলেন। এই ছাগলের গোশত খাওয়ার কারণে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁর দুকাঁধের মাঝে শিঙ্গা লাগান।

আর বায়াযাহ’র আবূ হিন্দ নামক এক গোলাম শিং ও বড় ছুরি দ্বারা তাঁর সে শিঙ্গা লাগিয়ে দেন। সে ছিল ছুমামাহ গোত্রের অন্তর্ভূক্ত, আর বনী ছুমামাহ হল আনসারদের একটি শাখা গোত্র।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ বিচ্ছিন্নতার কারণে দুর্বল। আমরা যা জানি তা হল, যুহরী জাবির থেকে শুনেননি। আর আল্লাহই সবচেয়ে ভাল জানেন।

তাখরীজ: আবু দাউদ ৪৫১০; বাইহাকী দালাইল ৪/২৬২।

باب ما أكرم الله -عَزَّوَجَلَّ- بِهِ نبيه صلى الله عليه وسلم من كلام الموتى

أَخْبَرَنَا الْحَكَمُ بْنُ نَافِعٍ، أَنبأَنَا شُعَيْبُ بْنُ أَبِي حَمْزَةَ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، قَالَ: كَانَ جَابِرُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا، يُحَدِّثُ أَنَّ يَهُودِيَّةً مِنْ أَهْلِ خَيْبَرَ سَمَّتْ شَاةً مَصْلِيَّةً ثُمَّ أَهْدَتْهَا إلى النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَأَخَذَ [ص: 209] النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ الذِّرَاعَ فَأَكَلَ مِنْهَا وَأَكَلَ الرَّهْطُ مِنْ أَصْحَابِهِ مَعَهُ، ثُمَّ قَالَ لَهُمُ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ «ارْفَعُوا أَيْدِيَكُمْ» وَأَرْسَلَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِلَى الْيَهُودِيَّةِ فَدَعَاهَا، فَقَالَ لَهَا، «أَسَمَمْتِ هَذِهِ الشَّاةَ؟»، فَقَالَتْ: نَعَمْ، وَمَنْ أَخْبَرَكَ؟ فَقَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ ” أَخْبَرَتْنِي هَذِهِ فِي يَدِي: لِلذِّرَاعِ “، فقالتْ: نَعَمْ، قَالَ: «فَمَاذَا أَرَدْتِ إِلَى ذَلِكَ؟»، قَالَتْ: قُلْتُ: إِنْ كَانَ نَبِيًّا لَمْ يَضُرَّهُ، وَإِنْ لَمْ يَكُنْ نَبِيًّا اسْتَرَحْنَا مِنْهُ فَعَفَا عَنْهَا رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، وَلَمْ يُعَاقِبْهَا، وَتُوُفِّيَ بَعْضُ أَصْحَابِهِ الَّذِينَ أَكَلُوا مِنَ الشَّاةِ، وَاحْتَجَمَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَلَى كَاهِلِهِ مِنْ أَجْلِ الَّذِي أَكَلَ مِنَ الشَّاةِ حَجَمَهُ أَبُو هِنْدَ مَوْلَى بَنِي بَيَاضَةَ بِالْقَرْنِ وَالشَّفْرَةِ وَهُوَ مِنْ بَنِي ثُمَامَةَ، وَهُمْ حَيٌّ مِنَ الْأَنْصَارِ

إسناده ضعيف لانقطاعه الزهري لم يسمع من جابر فيما نعلم

أخبرنا الحكم بن نافع، أنبأنا شعيب بن أبي حمزة، عن الزهري، قال: كان جابر بن عبد الله رضي الله عنهما، يحدث أن يهودية من أهل خيبر سمت شاة مصلية ثم أهدتها إلى النبي صلى الله عليه وسلم فأخذ [ص: 209] النبي صلى الله عليه وسلم الذراع فأكل منها وأكل الرهط من أصحابه معه، ثم قال لهم النبي صلى الله عليه وسلم «ارفعوا أيديكم» وأرسل النبي صلى الله عليه وسلم إلى اليهودية فدعاها، فقال لها، «أسممت هذه الشاة؟»، فقالت: نعم، ومن أخبرك؟ فقال النبي صلى الله عليه وسلم ” أخبرتني هذه في يدي: للذراع “، فقالت: نعم، قال: «فماذا أردت إلى ذلك؟»، قالت: قلت: إن كان نبيا لم يضره، وإن لم يكن نبيا استرحنا منه فعفا عنها رسول الله صلى الله عليه وسلم، ولم يعاقبها، وتوفي بعض أصحابه الذين أكلوا من الشاة، واحتجم النبي صلى الله عليه وسلم على كاهله من أجل الذي أكل من الشاة حجمه أبو هند مولى بني بياضة بالقرن والشفرة وهو من بني ثمامة، وهم حي من الأنصار إسناده ضعيف لانقطاعه الزهري لم يسمع من جابر فيما نعلم

 হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai’f)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৭০

 শেয়ার ও অন্যান্য 

বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১১. মৃত ব্যক্তির কথা বলার মাধ্যমে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে সম্মানিত করা হয়েছে প্রসঙ্গে

৭০. আবু হুরায়রা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন: যখন খায়বার বিজিত হল, তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে একটি বিষ মিশানো ছাগল উপহার দেয়া হল। ফলে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন: এখানকার ইয়াহুদীদেরকে আমার সামনে একত্রিত কর। যখন তাদেরকে তাঁর সামনে একত্রিত করা হল, তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাদেরকে বললেন: ’তোমাদেরকে আমি একটি বিষয়ে প্রশ্ন করবো, তোমরা কি সে বিষয়ে আমাকে সত্য কথা বলবে?’ তারা বলল, হ্যাঁ, হে আবুল কাসিম। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাদেরকে বললেন: ’তোমাদের পিতা কে?’ তারা বলল, আমাদের পিতা অমুক। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাদেরকে বললেন: ’তোমরা মিথ্যা বলছ, বরং তোমাদের পিতা অমুক।’ তারা বলল, হ্যাঁ, আপনি সত্য ও সঠিক বলেছেন।

তারপর তিনি তাদেরকে বললেন: ’তোমাদেরকে আমি একটি বিষয়ে প্রশ্ন করলে তোমরা কি সে বিষয়ে আমাকে সত্য কথা বলবে?’ তারা বলল, জি হ্যাঁ। তা নাহলে আপনি তো জেনে যাবেন যে, আমরা মিথ্যা বলছি, যেমন জেনে গেলেন, আমাদের পিতার বিষয়টি। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাদেরকে বললেন: ’জাহান্নামের অধিবাসী কারা?’ তারা বলল, আমরা সেখানে সামান্য সময় অবস্থান করব, তারপর আপনারা সেখানে আমাদের স্থলাভিষিক্ত হবেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাদেরকে বললেন: ’দূর হও! বরং তোমরাই সেখানে থাকবে। আল্লাহর কসম, আমরা কখনোই সেখানে তোমাদের স্থলাভিষিক্ত হব না।’

তারপর তিনি তাদেরকে বললেন: ’’তোমাদেরকে আমি একটি বিষয়ে প্রশ্ন করলে তোমরা কি সে বিষয়ে আমাকে সত্য কথা বলবে?’ তারা বলল, জি হ্যাঁ। তিনি বললেন: ’তোমরা কি এ ছাগলের (গোশতের) সাথে বিষ মিশিয়েছো?’ তারা বলল, হ্যাঁ। তিনি বললেন: ’কিসে তোমাদেরকে একাজ করতে প্ররোচিত করল?’ তারা বলল, আমাদের উদ্দেশ্য ছিল, আপনি যদি (নবুওয়াতের দাবীতে) মিথ্যাবাদী হন, তবে আপনার থেকে আমরা রেহাই পাব; আর আপনি যদি নবী হন, তবে এটি আপনার কোনো ক্ষতি করবেনা।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ যয়ীফ। কারণ এতে আব্দুল্লাহ ইবনু সালিহ দুর্বল রাবী রয়েছে। তবে হাদীসটি সহীহ। যা বুখারী বর্ণনা করেছেন।

তাখরীজ: বুখারী আস সহীহ ৫৭৭৭; আহমদ, আল মুসনাদ ২/৪৫১; বাগাবী, শারহুস সুন্নাহ ১৪/২২-২৩ নং ৩৮০৫; বাইহাকী দালাইল ৪/২৫৬।

باب ما أكرم الله -عَزَّوَجَلَّ- بِهِ نبيه صلى الله عليه وسلم من كلام الموتى

أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ صَالِحٍ، حَدَّثَنِي اللَّيْثُ، حَدَّثَنِي سَعِيدُ بْنُ أَبِي سَعِيدٍ الْمَقْبُرِيُّ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ، قَالَ: لَمَّا فُتِحَتْ خَيْبَرُ، أُهْدِيَتْ لِرَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ شَاةٌ فِيهَا سُمٌّ، فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «اجْمَعُوا لِي مَنْ كَانَ هاهُنا [ص: 210] مِنَ الْيَهُودِ»، فَجُمِعُوا لَهُ، فَقَالَ لَهُمْ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «إِنِّي سَائِلُكُمْ عَنْ شَيْءٍ فَهَلْ أَنْتُمْ صَادِقِيَّ عَنْهُ؟» قَالُوا: نَعَمْ يَا أَبَا الْقَاسِمِ، فَقَالَ لَهُمْ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «مَنْ أَبُوكُمْ؟» قَالُوا: أَبُونَا فُلَانٌ، فَقَالَ لهم رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «كَذَبْتُمْ، بَلْ أَبُوكُمْ فُلَانٌ»، قَالُوا: صَدَقْتَ وَبَرَرْتَ، فَقَالَ لَهُمْ: «هَلْ أَنْتُمْ صَادِقِيَّ عَنْ شَيْءٍ إِنْ سَأَلْتُكُمْ عَنْهُ؟» فَقَالُوا نَعَمْ، وَإِنْ كَذَبْنَاكَ، عَرَفْتَ كَذِبَنَا كَمَا عرفْتَهُ فِي أَبِينَا، فَقَالَ لَهُمْ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «فَمَنْ أَهْلُ النَّارِ؟» فَقَالُوا: نَكُونُ فِيهَا يَسِيرًا، ثُمَّ تَخْلُفُونَنَا فِيهَا، فقَالَ لَهُمْ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «اخْسَؤُوا فِيهَا، وَاللَّهِ لَا نَخْلُفُكُمْ فِيهَا أَبَدًا» ثُمَّ قَالَ لَهُمْ: «هَلْ أَنْتُمْ صَادِقِيَّ عَنْ شَيْءٍ إِنْ سَأَلْتُكُمْ عَنْهُ؟» قَالُوا: نَعَمْ، قَالَ: «هَلْ جَعَلْتُمْ فِي هَذِهِ الشَّاةِ سُمًّا؟»، قَالُوا: نَعَمْ، قَالَ: «مَا حَمَلَكُمْ عَلَى ذَلِكَ؟» قَالُوا: أَرَدْنَا إِنْ كُنْتَ كَاذِبًا أَنْ نَسْتَرِيحَ مِنْكَ، وَإِنْ كُنْتَ نَبِيًّا، لَمْ يَضُرَّكَ

إسناده ضعيف لضعف عبد الله بن صالح ولكن الحديث صحيح

أخبرنا عبد الله بن صالح، حدثني الليث، حدثني سعيد بن أبي سعيد المقبري، عن أبي هريرة رضي الله عنه، قال: لما فتحت خيبر، أهديت لرسول الله صلى الله عليه وسلم شاة فيها سم، فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «اجمعوا لي من كان هاهنا [ص: 210] من اليهود»، فجمعوا له، فقال لهم رسول الله صلى الله عليه وسلم: «إني سائلكم عن شيء فهل أنتم صادقي عنه؟» قالوا: نعم يا أبا القاسم، فقال لهم رسول الله صلى الله عليه وسلم: «من أبوكم؟» قالوا: أبونا فلان، فقال لهم رسول الله صلى الله عليه وسلم: «كذبتم، بل أبوكم فلان»، قالوا: صدقت وبررت، فقال لهم: «هل أنتم صادقي عن شيء إن سألتكم عنه؟» فقالوا نعم، وإن كذبناك، عرفت كذبنا كما عرفته في أبينا، فقال لهم رسول الله صلى الله عليه وسلم: «فمن أهل النار؟» فقالوا: نكون فيها يسيرا، ثم تخلفوننا فيها، فقال لهم رسول الله صلى الله عليه وسلم: «اخسؤوا فيها، والله لا نخلفكم فيها أبدا» ثم قال لهم: «هل أنتم صادقي عن شيء إن سألتكم عنه؟» قالوا: نعم، قال: «هل جعلتم في هذه الشاة سما؟»، قالوا: نعم، قال: «ما حملكم على ذلك؟» قالوا: أردنا إن كنت كاذبا أن نستريح منك، وإن كنت نبيا، لم يضرك إسناده ضعيف لضعف عبد الله بن صالح ولكن الحديث صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

মন্তব্য করুন

Top