You are here

দারেমী ভূমিকা ১১শ ভাগ হাদিস নং ৬১৫ – ৬৭২

 ৬১৫

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৫১. জ্ঞানের আলাপ-আলোচনা

৬১৫. [1] আবু সাঈদ আল খুদরী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন: তোমরা পরস্পরে হাদীস আলাপ-আলোচনা করবে, কেননা, (এক) হাদীস (অপর) হাদীসকে স্মরণ করিয়ে দেয়।[2]

[1] এখানেও একটি ক্রমিক নং বাদ পড়েছে। এখানে ১৫ নং এর পরে ১৬ না হয়ে ১৭ হয়েছে। এজন্য এখন থেকে আমাদের অনুবাদের সাথে এ নুসখা’র হাদীসের ক্রমিকের পার্থক্য থাকবে দু’টি করে। অর্থা নুসখার ৬১৭ নং হাদীসটি আমাদের অনুবাদে পাবেন ৬১৫ নং এ।- অনুবাদক।

 

[2] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: পরের টীকা দেখুন।

بَابُ مُذَاكَرَةِ الْعِلْمِ

أَخْبَرَنَا أَسَدُ بْنُ مُوسَى حَدَّثَنَا شُعْبَةُ عَنْ الْجُرَيْرِيِّ وَأَبِي مَسْلَمَةَ عَنْ أَبِي نَضْرَةَ عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ قَالَ تَذَاكَرُوا الْحَدِيثَ فَإِنَّ الْحَدِيثَ يُهَيِّجُ الْحَدِيثَ

إسناده صحيح

أخبرنا أسد بن موسى حدثنا شعبة عن الجريري وأبي مسلمة عن أبي نضرة عن أبي سعيد الخدري قال تذاكروا الحديث فإن الحديث يهيج الحديث إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আবূ সা’ঈদ খুদরী (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৬১৬

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৫১. জ্ঞানের আলাপ-আলোচনা

৬১৬. (অপর সনদে) আবু সাঈদ আল খুদরী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত তিনি বলেন: পরস্পরে হাদীস আলাপ-আলোচনা করবে, কেননা, (এক) হাদীস (অপর) হাদীসকে স্মরণ করিয়ে দেয়।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ৮/৭৩৩ নং ৬১৮৪; রমহরমুযী, আল মুহাদ্দিসুল ফাসিল নং ৭২৩; খতীব, আল জামি’ নং ১৮৮২; ইবনু আব্দুল বার, জামি’ বায়ানিল ইলম নং ৬২৬; অপর সনদে খতীব, আল জামি’ নং ৪৭০। দেখুন মাজমাউয যাওয়াইদ ৭৪৫ আমাদের তাহক্বীক্বকৃত।

بَابُ مُذَاكَرَةِ الْعِلْمِ

أَخْبَرَنَا أَبُو نُعَيْمٍ حَدَّثَنَا أَبُو عَوَانَةَ عَنْ أَبِي بِشْرٍ عَنْ أَبِي نَضْرَةَ عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ قَالَ تَذَاكَرُوا الْحَدِيثَ فَإِنَّ الْحَدِيثَ يُهَيِّجُ الْحَدِيثَ

إسناده صحيح

أخبرنا أبو نعيم حدثنا أبو عوانة عن أبي بشر عن أبي نضرة عن أبي سعيد الخدري قال تذاكروا الحديث فإن الحديث يهيج الحديث إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আবূ সা’ঈদ খুদরী (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৬১৭

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৫১. জ্ঞানের আলাপ-আলোচনা

৬১৭. (অপর সনদে) আবু সাঈদ আল খুদরী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন: পরস্পরে হাদীস আলাপ-আলোচনা করবে, কেননা, (এক) হাদীস (অপর) হাদীসকে স্মরণ করিয়ে দেয়।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর রাবীগণ বিশ্বস্ত। তবে হাশীম মুদাল্লিস, সে ‘আন ‘আন পদ্ধতিতে এটি বর্ণনা করেছেন। তবে হাদীসটি সহীহ, দেখুন আগের হাদীস দু’টি।

 

তাখরীজ: (মুহাক্বিক্ব এর কোনো তাখরীজ দেননি-অনুবাদক।)

بَابُ مُذَاكَرَةِ الْعِلْمِ

أَخْبَرَنَا أَبُو مَعْمَرٍ عَنْ هُشَيْمٍ عَنْ أَبِي بِشْرٍ عَنْ أَبِي نَضْرَةَ عَنْ أَبِي سَعِيدٍ قَالَ تَذَاكَرُوا الْحَدِيثَ فَإِنَّ الْحَدِيثَ يُهَيِّجُ الْحَدِيثَ

إسناده رجاله ثقات غير أن هشيما قد عنعن وهو مدلس

أخبرنا أبو معمر عن هشيم عن أبي بشر عن أبي نضرة عن أبي سعيد قال تذاكروا الحديث فإن الحديث يهيج الحديث إسناده رجاله ثقات غير أن هشيما قد عنعن وهو مدلس

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আবূ সা’ঈদ খুদরী (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৬১৮

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৫১. জ্ঞানের আলাপ-আলোচনা

৬১৮. (অপর সনদে) আবু সাঈদ আল খুদরী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত…[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ। এটি পূর্বে উল্লেখিত হয়েছে।

بَابُ مُذَاكَرَةِ الْعِلْمِ

أَخْبَرَنَا أَبُو مَعْمَرٍ عَنْ أَبِي مُعَاوِيَةَ عَنْ الْأَعْمَشِ عَنْ أَبِي بِشْرٍ عَنْ أَبِي نَضْرَةَ عَنْ أَبِي سَعِيدٍ

إسناده صحيح

أخبرنا أبو معمر عن أبي معاوية عن الأعمش عن أبي بشر عن أبي نضرة عن أبي سعيد إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আবূ সা’ঈদ খুদরী (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৬১৯

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৫১. জ্ঞানের আলাপ-আলোচনা

৬১৯. (অপর সনদে) আবী আবু সাঈদ আল খুদরী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত…[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: খতীব, আল জামি’ নং ১৮৮৩ যেটি আগেও উল্লেখিত হয়েছে।

بَابُ مُذَاكَرَةِ الْعِلْمِ

وَابْنِ عُلَيَّةَ عَنْ الْجُرَيْرِيِّ عَنْ أَبِي نَضْرَةَ عَنْ أَبِي سَعِيدٍ

وابن علية عن الجريري عن أبي نضرة عن أبي سعيد

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আবূ সা’ঈদ খুদরী (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৬২০

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৫১. জ্ঞানের আলাপ-আলোচনা

৬২০. (অপর সনদে) আবু সাঈদ আল খুদরী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত…[1] আর এতে এর চেয়ে একটি কথা অতিরিক্ত রয়েছে।

[1] তাহক্বীক্ব: এ সনদটি পূর্বের সনদটির সাথে সংযুক্ত। আর এটি সহীহ।

 

তাখরীজ: পূর্বের ৬১৫ নং আছারটি দেখুন।

بَابُ مُذَاكَرَةِ الْعِلْمِ

أَخْبَرَنَا أَبُو مَسْلَمَةَ، يَعْنِي عَنْ أَبِي نَضْرَةَ، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ وَفِيهِ كَلَامٌ أَكْثَرُ مِنْ هَذَا

إسناده صحيح

أخبرنا أبو مسلمة، يعني عن أبي نضرة، عن أبي سعيد وفيه كلام أكثر من هذا إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আবূ সা’ঈদ খুদরী (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৬২১

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৫১. জ্ঞানের আলাপ-আলোচনা

৬২১. আমর বলেন, আমাকে তাউস রাহিমাহুল্লাহ বলেন: আমাদেরকে নিয়ে চলো, আমরা লোকদের সাথে বসবো।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ হাসান।

 

তাখরীজ: এটি আমি অন্য কোথাও পাইনি।

بَابُ مُذَاكَرَةِ الْعِلْمِ

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ عَمْرٍو قَالَ قَالَ لِي طَاوُسٌ اذْهَبْ بِنَا نُجَالِسْ النَّاسَ

إسناده حسن

أخبرنا محمد بن أحمد حدثنا سفيان عن عمرو قال قال لي طاوس اذهب بنا نجالس الناس إسناده حسن

 হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)  বর্ণনাকারীঃ আমর ইবনু দীনার (রহঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৬২২

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৫১. জ্ঞানের আলাপ-আলোচনা

৬২২. সাঈদ ইবনু যুবাইর ইবনু আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা হতে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: তোমরা এ হাদীস পরস্পর আলাপ-আলোচনা কর, আমি তোমাদেরকে ছেড়ে চলে যাব না। কেনন, এটি (হাদীস) কুরআনের মতো একত্রিতভাবে সংরক্ষিত নয়।[1] ফলে তোমরা যদি এ হাদীস নিয়ে পরস্পর আলাপ-আলোচনা না কর, তবে তা তোমাদের থেকে চলে যাবে। তোমাদের কেউ যেন একথা না বলে যে, গতকালই তো আমি তোমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছি, তাই আজকে আমি আর হাদীস বর্ণনা করব না। বরং তুমি গতকাল হাদীস বর্ণনা করেছো, যেন আজকেও বর্ণনা করো এবং আগামীকালও বর্ণনা করো।[2]

[1] আল মুহাদ্দিসুল ফাসিল এ রয়েছে: তা কুরআনের (সম)মর্যাদার নয়। কারণ কুরআন একত্রিতভাবে সংরক্ষিত।

 

[2] তাহক্বীক্ব: এর রাবীগণ নির্ভরযোগ্য। তবে ইবনু মানদাহ বলেন: জা’ফর ইবনু আবীল মুগীরাহ সাঈদ ইবনু জুবাইর হতে হাদীস বর্ণনার ক্ষেত্রে শক্তিশালী নয়।

 

তাখরীজ: রমহরমুযী, আল মুহাদ্দিসুল ফাসিল নং ৭২৯।

بَابُ مُذَاكَرَةِ الْعِلْمِ

أَخْبَرَنَا إِسْمَعِيلُ بْنُ أَبَانَ حَدَّثَنَا يَعْقُوبُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الْقُمِّيُّ حَدَّثَنَا جَعْفَرُ بْنُ أَبِي الْمُغِيرَةِ عَنْ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ عَنْ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ تَذَاكَرُوا هَذَا الْحَدِيثَ لَا يَنْفَلِتْ مِنْكُمْ فَإِنَّهُ لَيْسَ مِثْلَ الْقُرْآنِ مَجْمُوعٌ مَحْفُوظٌ وَإِنَّكُمْ إِنْ لَمْ تَذَاكَرُوا هَذَا الْحَدِيثَ يَنْفَلِتْ مِنْكُمْ وَلَا يَقُولَنَّ أَحَدُكُمْ حَدَّثْتُ أَمْسِ فَلَا أُحَدِّثُ الْيَوْمَ بَلْ حَدِّثْ أَمْسِ وَلْتُحَدِّثْ الْيَوْمَ وَلْتُحَدِّثْ غَدًا

رجاله ثقات

أخبرنا إسمعيل بن أبان حدثنا يعقوب بن عبد الله القمي حدثنا جعفر بن أبي المغيرة عن سعيد بن جبير عن ابن عباس قال تذاكروا هذا الحديث لا ينفلت منكم فإنه ليس مثل القرآن مجموع محفوظ وإنكم إن لم تذاكروا هذا الحديث ينفلت منكم ولا يقولن أحدكم حدثت أمس فلا أحدث اليوم بل حدث أمس ولتحدث اليوم ولتحدث غدا رجاله ثقات

 হাদিসের মানঃ তাহকীক অপেক্ষমাণ  বর্ণনাকারীঃ সা‘ঈদ ইবনু যুবায়র (রহঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৬২৩

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৫১. জ্ঞানের আলাপ-আলোচনা

৬২৩. সাঈদ ইবনু জুবাইর বলেন, ইবনু আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা বলেন: তোমরা হাদীস পুনঃপুনঃ পড়তে থাক এবং তা মুখস্ত করো। কেননা, তোমরা যদি হাদীস মুখস্ত না করো (না পড়ো), তবে তা বিদায় নেবে। আর কোনো ব্যক্তি কোনো হাদীস বর্ণনা করে, (তাকে সেটি পুনরায় বর্ণনা করতে বললে সে) যেন এ কথা না বলে: আমি তো সেটি একবার বর্ণনা করেছি, (পুনরায় বর্ণনা করব না)। কেননা, যে ব্যক্তি তা শুনবে, তা দ্বারা তার ইলম বৃদ্ধি পাবে, আর যে হাদীসটি শোনেনি তাকে সে শুনাতে পারবে।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ যয়ীফ। মানদাল ইবনু আলী যয়ীফ।

بَابُ مُذَاكَرَةِ الْعِلْمِ

أَخْبَرَنَا مَالِكُ بْنُ إِسْمَعِيلَ حَدَّثَنَا مِنْدَلُ بْنُ عَلِيٍّ حَدَّثَنِي جَعْفَرُ بْنُ أَبِي الْمُغِيرَةِ حَدَّثَنِي سَعِيدُ بْنُ جُبَيْرٍ قَالَ قَالَ ابْنُ عَبَّاسٍ رُدُّوا الْحَدِيثَ وَاسْتَذْكِرُوهُ فَإِنَّهُ إِنْ لَمْ تَذْكُرُوهُ ذَهَبَ وَلَا يَقُولَنَّ رَجُلٌ لِحَدِيثٍ قَدْ حَدَّثَهُ قَدْ حَدَّثْتُهُ مَرَّةً فَإِنَّهُ مَنْ كَانَ سَمِعَهُ يَزْدَادُ بِهِ عِلْمًا وَيَسْمَعُ مَنْ لَمْ يَسْمَعْ

إسناده ضعيف لضعف مندل بن علي

أخبرنا مالك بن إسمعيل حدثنا مندل بن علي حدثني جعفر بن أبي المغيرة حدثني سعيد بن جبير قال قال ابن عباس ردوا الحديث واستذكروه فإنه إن لم تذكروه ذهب ولا يقولن رجل لحديث قد حدثه قد حدثته مرة فإنه من كان سمعه يزداد به علما ويسمع من لم يسمع إسناده ضعيف لضعف مندل بن علي

 হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai’f)  বর্ণনাকারীঃ সা‘ঈদ ইবনু যুবায়র (রহঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৬২৪

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৫১. জ্ঞানের আলাপ-আলোচনা

৬২৪. আব্দুর রহমান ইবনু আবী লাইলা বলেন: তোমরা (হাদীস নিয়ে) পরস্পর আলাপ-আলোচনা করতে থাক, কেননা, হাদীস পুনর্জীবিত করা হলো তা নিয়ে আলাপ-আলোচনা করা।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ যয়ীফ।

 

তাখরীজ: রমহরমুযী, আল মুহাদ্দিসুল ফাসিল নং ৭২৭; পূর্ণ তাখরীজের জন্য পরবর্তী ৬৩৪ নং হাদীসটি দেখুন।

بَابُ مُذَاكَرَةِ الْعِلْمِ

أَخْبَرَنَا الْحَكَمُ بْنُ الْمُبَارَكِ أَخْبَرَنَا أَبُو عَوَانَةَ عَنْ يَزِيدَ بْنِ أَبِي زِيَادٍ عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي لَيْلَى قَالَ تَذَاكَرُوا فَإِنَّ إِحْيَاءَ الْحَدِيثِ مُذَاكَرَتُهُ

إسناده ضعيف

أخبرنا الحكم بن المبارك أخبرنا أبو عوانة عن يزيد بن أبي زياد عن عبد الرحمن بن أبي ليلى قال تذاكروا فإن إحياء الحديث مذاكرته إسناده ضعيف

 হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai’f)  বর্ণনাকারীঃ ইবনু আবূ লায়লাহ (রহঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৬২৫

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৫১. জ্ঞানের আলাপ-আলোচনা

৬২৫. আলকামাহ হতে বর্ণিত, তিনি বলেন: তোমরা হাদীস নিয়ে পরস্পর আলাপ-আলোচনা করতে থাক, কেননা, হাদীস নিয়ে আলাপ-আলোচনা করাই হলো একে পুনর্জীবিত করা।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: খতীব, আল জামি’ নং ১৮৮৪; আবু খায়ছামা, আল ইলম নং ৭১; আবু নুয়াইম, হিলইয়া ২/১০১; রমহরমুযী, আল মুহাদ্দিসুল ফাসিল নয় ৭২৫; ইবনু আব্দুল বার, জামি’ বায়ানিল ইলম নং ৬২৭; এ সনদ অন্ধকারাচ্ছন্ন।

بَابُ مُذَاكَرَةِ الْعِلْمِ

أَخْبَرَنَا قَبِيصَةُ وَمُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ قَالَا حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ الْأَعْمَشِ عَنْ إِبْرَاهِيمَ عَنْ عَلْقَمَةَ قَالَ تَذَاكَرُوا الْحَدِيثَ فَإِنَّ ذِكْرَهُ حَيَاتُهُ

إسناده صحيح

أخبرنا قبيصة ومحمد بن يوسف قالا حدثنا سفيان عن الأعمش عن إبراهيم عن علقمة قال تذاكروا الحديث فإن ذكره حياته إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আলকামাহ (রহঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৬২৬

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৫১. জ্ঞানের আলাপ-আলোচনা

৬২৬. যিয়াদ ইবনু সা’দ হতে বর্ণিত, তিনি বলেন: ইবনু শিহাব (যুহরী) রাহিমাহুল্লাহ বেদু’ঈনদের নিকট হাদীস বর্ণনা করতেন।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: খতীব, আল জামি’ নং ১৮৮৮; দেখুন আয যুহরী, নং নং ২৮৮, ২৮৯।

بَابُ مُذَاكَرَةِ الْعِلْمِ

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ قُدَامَةَ عَنْ سُفْيَانَ بْنِ عُيَيْنَةَ عَنْ زِيَادِ بْنِ سَعْدٍ قَالَ كَانَ ابْنُ شِهَابٍ يُحَدِّثُ الْأَعْرَابَ

إسناده صحيح

أخبرنا محمد بن قدامة عن سفيان بن عيينة عن زياد بن سعد قال كان ابن شهاب يحدث الأعراب إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ যিয়াদ ইবনু সা’দ (রহঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৬২৭

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৫১. জ্ঞানের আলাপ-আলোচনা

৬২৭. আ’মাশ হতে বর্ণিত, তিনি বলেন: ইসমাঈল ইবনু রাজা’ মকতবের দুইজন বালককে একত্রিত করে তাদের নিকটও হাদীস বর্ণনা করতেন। এভাবে তিনি (হাদীস) মুখস্ত করতেন।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: ইবনু আব্দুল বার, জামি’ বায়ানিল ইলম নং ৬২৯,৬৩৮, ৭১২; খতীব, আল জামি’ নং ৬৮০; ইবনু আবী শাইবা ৮/৭৩৩ নং ৬১৮৭; আবু খায়ছামা, আল ইলম নং ৭৩।

بَابُ مُذَاكَرَةِ الْعِلْمِ

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ سَعِيدٍ أَنْبَأَنَا مُحَمَّدُ بْنُ فُضَيْلٍ عَنْ الْأَعْمَشِ قَالَ كَانَ إِسْمَعِيلُ بْنُ رَجَاءٍ يَجْمَعُ صِبْيَانَ الْكُتَّابِ يُحَدِّثُهُمْ يَتَحَفَّظُ بِذَاكَ

إسناده صحيح

أخبرنا محمد بن سعيد أنبأنا محمد بن فضيل عن الأعمش قال كان إسمعيل بن رجاء يجمع صبيان الكتاب يحدثهم يتحفظ بذاك إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আ‘মাশ (রহঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৬২৮

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৫১. জ্ঞানের আলাপ-আলোচনা

৬২৮. ইবরাহীম হতে বর্ণিত, তিনি বলেন: আগ্রহী ও অনাগ্রহী উভয়ের নিকটই তুমি তোমার হাদীস বর্ণনা কর, কেননা, তোমার নিকট তা হবে একটি গ্রন্থের মতো, যেন তুমি তা পাঠ করছ।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: খতীব, আল জামি’ নং ১৮৮৫, ১৮৮৬; ইবনু আবী শাইবা ৮/৭৩৪ নং ৬১৮৮; আবু খায়ছামা, আল ইলম নং ৬৩০।

بَابُ مُذَاكَرَةِ الْعِلْمِ

أَخْبَرَنَا أَبُو النُّعْمَانِ حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ عَنْ أَبِي عَبْدِ اللَّهِ الشَّقَرِيِّ عَنْ إِبْرَاهِيمَ قَالَ حَدِّثْ حَدِيثَكَ مَنْ يَشْتَهِيهِ وَمَنْ لَا يَشْتَهِيهِ فَإِنَّهُ يَصِيرُ عِنْدَكَ كَأَنَّهُ إِمَامٌ تَقْرَؤُهُ

إسناده صحيح

أخبرنا أبو النعمان حدثنا حماد بن زيد عن أبي عبد الله الشقري عن إبراهيم قال حدث حديثك من يشتهيه ومن لا يشتهيه فإنه يصير عندك كأنه إمام تقرؤه إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ ইব্রাহীম আন-নাখঈ (রহঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৬২৯

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৫১. জ্ঞানের আলাপ-আলোচনা

৬২৯. আতা রাহি. ইবনু আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: তোমরা যখন আমাদের নিকট থেকে কোনো হাদীস শ্রবণ করবে, তখন তোমাদের মাঝে সেটি নিয়ে পরস্পর আলাপ-আলোচনা করবে।[1]

[1] তাহক্বক্বি: হাজ্জাজ ইবনু আরতাহ যয়ীফ। অন্যান্য রাবীগণ নির্ভরযোগ্য।

 

তাখরীজ: খতীব, আল জামি’ নং ৪৬৯; রমহরমুযী, আল মুহাদ্দিসুল ফাসিল নং ৭২৮।

بَابُ مُذَاكَرَةِ الْعِلْمِ

أَخْبَرَنَا أَبُو مَعْمَرٍ وَمُحَمَّدُ بْنُ سَعِيدٍ عَنْ عَبْدِ السَّلَامِ عَنْ حَجَّاجٍ عَنْ عَطَاءٍ عَنْ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ إِذَا سَمِعْتُمْ مِنَّا حَدِيثًا فَتَذَاكَرُوهُ بَيْنَكُمْ

 

حجاج بن أرطاة ضعيف

أخبرنا أبو معمر ومحمد بن سعيد عن عبد السلام عن حجاج عن عطاء عن ابن عباس قال إذا سمعتم منا حديثا فتذاكروه بينكم حجاج بن أرطاة ضعيف

 হাদিসের মানঃ তাহকীক অপেক্ষমাণ  বর্ণনাকারীঃ আতা ইবনু আবী রাবাহ (রহঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৬৩০

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৫১. জ্ঞানের আলাপ-আলোচনা

৬৩০. ইউনূস বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমরা হাসান রাহিমাহুল্লাহ’র নিকট এলাম (এবং তার নিকট থেকে হাদীস শ্রবণ করলাম)। আর যখন আমরা তার নিকট থেকে বের হয়ে গেলাম, তখন (সেগুলি) নিজেদের মধ্যে আলাপ-আলোচনা করতে থাকলাম।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: আমরা এটি এখানে ব্যতীত আর কোথাও পাইনি।

بَابُ مُذَاكَرَةِ الْعِلْمِ

أَخْبَرَنَا أَبُو مَعْمَرٍ عَنْ هُشَيْمٍ أَخْبَرَنَا يُونُسُ قَالَ كُنَّا نَأْتِي الْحَسَنَ فَإِذَا خَرَجْنَا مِنْ عِنْدِهِ تَذَاكَرْنَا بَيْنَنَا

إسناده صحيح

أخبرنا أبو معمر عن هشيم أخبرنا يونس قال كنا نأتي الحسن فإذا خرجنا من عنده تذاكرنا بيننا إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ ইউনূস বিন উবাইদ (রহঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৬৩১

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৫১. জ্ঞানের আলাপ-আলোচনা

৬৩১. নাফি’ রাহি. ইবনু উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা হতে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: তোমাদের কেউ যখন কোনো হাদীস বর্ণনা করে, তখন সে যেন সেটি তিনবার পুনরাবৃত্তি করে।[1]

[1] তাহক্বীক্বি এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: খতীব, আল জামি’ নং ৬৪০।

بَابُ مُذَاكَرَةِ الْعِلْمِ

أَخْبَرَنَا صَدَقَةُ بْنُ الْفَضْلِ حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ وَهْبٍ عَنْ عَمْرِو بْنِ الْحَارِثِ عَنْ حُنَيْنِ بْنِ أَبِي حَكِيمٍ عَنْ نَافِعٍ عَنْ ابْنِ عُمَرَ قَالَ إِذَا أَرَادَ أَحَدُكُمْ أَنْ يَرْوِيَ حَدِيثًا فَلْيُرَدِّدْهُ ثَلَاثًا

أخبرنا صدقة بن الفضل حدثنا عبد الله بن وهب عن عمرو بن الحارث عن حنين بن أبي حكيم عن نافع عن ابن عمر قال إذا أراد أحدكم أن يروي حديثا فليردده ثلاثا

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ নাফি‘ (রহঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৬৩২

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৫১. জ্ঞানের আলাপ-আলোচনা

৬৩২. আব্দুর রহমান ইবনু আবী লাইলা বলেন: হাদীসকে পুনরুজ্জীবিত করার অর্থ হলো তা পরস্পর আলাপ-আলোচনা করা। তখন আব্দুল্লাহ ইবনু শাদ্দাদ বলেন: আল্লাহ আপনাকে রহম করুন! যে হাদীস মরে গেছে তা আপনি কিভাবে আপনার অন্তরে পুনর্জীবিত করবেন।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ যয়ীফ, কেননা, ইয়াযীদ ইবনু আবী যিয়াদ যয়ীফ।

 

তাখরীজ: খতীব, আল জামি’ নং ৪৭২, ১৮৯৫; ইবনু আবী শাইবা ৮/৭৩৪ নং ৬১৮৯; ইবনু আব্দুল বার, জামি’ বায়ানিল ইলম নং ৬৩১, ৭০৭; আবু খায়ছামা, আল ইলম নং ৭২।

بَابُ مُذَاكَرَةِ الْعِلْمِ

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ سَعِيدٍ حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ فُضَيْلٍ عَنْ يَزِيدَ عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي لَيْلَى قَالَ إِحْيَاءُ الْحَدِيثِ مُذَاكَرَتُهُ فَقَالَ لَهُ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ شَدَّادٍ يَرْحَمُكَ اللَّهُ كَمْ مِنْ حَدِيثٍ أَحْيَيْتَهُ فِي صَدْرِي كَانَ قَدْ مَاتَ

 

إسناده ضعيف لضعف يزيد بن أبي زياد

أخبرنا محمد بن سعيد حدثنا محمد بن فضيل عن يزيد عن عبد الرحمن بن أبي ليلى قال إحياء الحديث مذاكرته فقال له عبد الله بن شداد يرحمك الله كم من حديث أحييته في صدري كان قد مات إسناده ضعيف لضعف يزيد بن أبي زياد

 হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai’f)  বর্ণনাকারীঃ ইবনু আবূ লায়লাহ (রহঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৬৩৩

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৫১. জ্ঞানের আলাপ-আলোচনা

৬৩৩. মুহাম্মদ ইবনু ফুযাইল তার পিতা হতে বর্ণনা করেন, হারিস ইবনু ইয়াযীদ আল উকলী, ইবনু শুবরুমাহ, কা’কা’ ইবনু ইয়াযীদ এবং মুগীরাহ ঈশা’র সালাতের পর ফিকহ্ (গভীর জ্ঞান) সম্পর্কে (আলোচনায়) বসে যেতেন। একমাত্র ফযরের আযানই তাদেরকে (এ আলোচনা হতে) পৃথক করতো।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: আবু খায়ছামা, আল ইলম নং ১০৭; ফাসাওয়ী, আল মা’রিফাহ ২/৬১৪। সামনে আসছে (৬৪২) ৬৪৪ নং এ।

بَابُ مُذَاكَرَةِ الْعِلْمِ

أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ سَعِيدٍ حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ فُضَيْلٍ عَنْ أَبِيهِ قَالَ كَانَ الْحَارِثُ بْنُ يَزِيدَ الْعُكْلِيُّ وَابْنُ شُبْرُمَةَ وَالْقَعْقَاعُ بْنُ يَزِيدَ وَمُغِيرَةُ إِذَا صَلَّوْا الْعِشَاءَ الْآخِرَةَ جَلَسُوا فِي الْفِقْهِ فَلَمْ يُفَرِّقْ بَيْنَهُمْ إِلَّا أَذَانُ الصُّبْحِ

إسناده صحيح

أخبرنا عبد الله بن سعيد حدثنا محمد بن فضيل عن أبيه قال كان الحارث بن يزيد العكلي وابن شبرمة والقعقاع بن يزيد ومغيرة إذا صلوا العشاء الآخرة جلسوا في الفقه فلم يفرق بينهم إلا أذان الصبح إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ মুহাম্মদ ইবনু ফুযাইল (রহঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৬৩৪

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৫১. জ্ঞানের আলাপ-আলোচনা

৬৩৪. লাইছ হতে বর্ণিত, আতা, তাউস ও মুজাহিদ রাহিমাহুমুল্লাহ-এর মধ্য থেকে দু’জন বলেছেন: ফিকহ্ সম্পর্কে আলোচনা করে রাত কাটানো কোনো দোষের কাজ নয়।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ যয়ীফ। কেননা, লাইছ যয়ীফ। আগের টীকাটি দেখুন।

 

তাখরীজ: মুহাক্কিক্ব এর কোনো তাখরীজ দেননি।-অনুবাদক।

بَابُ مُذَاكَرَةِ الْعِلْمِ

أَخْبَرَنَا مَالِكُ بْنُ إِسْمَعِيلَ قَالَ سَمِعْتُ شَرِيكًا ذَكَرَ عَنْ لَيْثٍ عَنْ عَطَاءٍ وَطَاوُسٍ وَمُجَاهِدٍ قَالَ عَنْ اثْنَيْنِ مِنْهُمْ لَا بَأْسَ بِالسَّمَرِ فِي الْفِقْهِ

 

إسناده ضعيف لضعف ليث وهو: ابن أبي سليم

أخبرنا مالك بن إسمعيل قال سمعت شريكا ذكر عن ليث عن عطاء وطاوس ومجاهد قال عن اثنين منهم لا بأس بالسمر في الفقه إسناده ضعيف لضعف ليث وهو: ابن أبي سليم

 হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai’f)  বর্ণনাকারীঃ লাইস (রহঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৬৩৫

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৫১. জ্ঞানের আলাপ-আলোচনা

৬৩৫. লাইছ থেকে বর্ণিত, মুজাহিদ রাহিমাহুল্লাহ বলেন: ফিকহ্ সম্পর্কে আলোচনা করে রাত কাটানোতে কোনো দোষ নেই।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ যয়ীফ।

 

তাখরীজ: আবু খায়ছামা, আল ইলম নং ১১০; খতীব, আল ফাকীহ ওয়াল মুতাফাককিহ নং ৯৫৫।

بَابُ مُذَاكَرَةِ الْعِلْمِ

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ سَعِيدٍ حَدَّثَنَا عَبْدُ السَّلَامِ عَنْ لَيْثٍ عَنْ مُجَاهِدٍ قَالَ لَا بَأْسَ بِالسَّمَرِ فِي الْفِقْهِ

إسناده ضعيف

أخبرنا محمد بن سعيد حدثنا عبد السلام عن ليث عن مجاهد قال لا بأس بالسمر في الفقه إسناده ضعيف

 হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai’f)  বর্ণনাকারীঃ লাইস (রহঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৬৩৬

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৫১. জ্ঞানের আলাপ-আলোচনা

৬৩৬. ইবনু জুরাইজ হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, ইবনু আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহ ‍আনহুমা বলেন: রাতে এক ঘণ্টা সময় জ্ঞান চর্চা করা (নফল ইবাদতে) রাত্রি জাগরণ করার চেয়ে উত্তম।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ যয়ীফ। ইবনু জুরাইজ ইবনু আব্বাসের সাক্ষাৎ লাভ করেননি।

 

তাখরীজ: মা’মার, জামি’ নং ২০৪৬৯ (মুসান্নাফ ইবনু আব্দুর রাযযাকের সাথে সন্নিবেশিত) কাতাদাহ হতে, কাতাদাও ইবনু আব্বাসের সাক্ষাৎ পাননি। ইবনু আব্দুল বার, জামি বায়ানিল ইলম নং ১০৭; পূর্বে গত হয়েছে ২৭১; আরও দেখুন মিশকাত নং ২৫৯।

بَابُ مُذَاكَرَةِ الْعِلْمِ

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ سَعِيدٍ حَدَّثَنَا حَفْصٌ عَنْ ابْنِ جُرَيْجٍ قَالَ قَالَ ابْنُ عَبَّاسٍ تَدَارُسُ الْعِلْمِ سَاعَةً مِنْ اللَّيْلِ خَيْرٌ مِنْ إِحْيَائِهَا

إسناده ضعيف ابن جريج لم يدرك ابن عباس

أخبرنا محمد بن سعيد حدثنا حفص عن ابن جريج قال قال ابن عباس تدارس العلم ساعة من الليل خير من إحيائها إسناده ضعيف ابن جريج لم يدرك ابن عباس

 হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai’f)  বর্ণনাকারীঃ ইবনু জুরায়জ (রহঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৬৩৭

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৫১. জ্ঞানের আলাপ-আলোচনা

৬৩৭. আতা রাহিমাহুল্লাহ বলেন: আমরা জাবির ইবনু আব্দুল্লাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা’র নিকট যেতাম (এবং তার নিকট থেকে হাদীস শ্রবণ করতাম)। আর যখন আমরা তার নিকট থেকে বের হয়ে আসতাম, তখন (সেগুলি) নিজেদের মধ্যে পরস্পর আলাপ-আলোচনা করতে থাকতাম। তখন আবু যুবাইর তার হাদীসের জন্য আমাদেরকে উত্তেজিত করতেন।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ যয়ীফ। কেননা, হাজ্জাজ যয়ীফ।

 

তাখরীজ: আবু খায়ছামা, আল ইলম নং ৭৯; খতীব, আল জামি’ নং ৪৭১।

بَابُ مُذَاكَرَةِ الْعِلْمِ

أَخْبَرَنَا أَبُو مَعْمَرٍ وَمُحَمَّدُ بْنُ عِيسَى عَنْ هُشَيْمٍ أَخْبَرَنَا حَجَّاجٌ عَنْ عَطَاءٍ قَالَ كُنَّا نَأْتِي جَابِرَ بْنَ عَبْدِ اللَّهِ فَإِذَا خَرَجْنَا مِنْ عِنْدِهِ تَذَاكَرْنَا فَكَانَ أَبُو الزُّبَيْرِ أَحْفَظَنَا لِحَدِيثِهِ

 

إسناده ضعيف لضعف حجاج وهو: ابن أبي أرطاة

أخبرنا أبو معمر ومحمد بن عيسى عن هشيم أخبرنا حجاج عن عطاء قال كنا نأتي جابر بن عبد الله فإذا خرجنا من عنده تذاكرنا فكان أبو الزبير أحفظنا لحديثه إسناده ضعيف لضعف حجاج وهو: ابن أبي أرطاة

 হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai’f)  বর্ণনাকারীঃ আতা ইবনু আবী রাবাহ (রহঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৬৩৮

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৫১. জ্ঞানের আলাপ-আলোচনা

৬৩৮. মারওয়ান ইবনু মুহাম্মদ বলেন, আমি লাইছ ইবনু সা’দকে বলতে শুনেছি, ইবনু শিহাব (যুহুরী) রাহিমাহু্ল্লাহ রাতে ঈশার সালাতের পরে অযু অবস্থায় বসে হাদীস আলোচনা করতেন। তিনি বলেন: তার এ মাজলিস সকাল পর্যন্ত অব্যাহত থাকতো। মারওয়ান বলেন: তিনি হাদীসের আলোচনাই চালিয়ে যেতেন।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: ইবনু আসাকীর, তারীখ দিমাশক- আয ‍যুহরী নং ৯৫, ৯৬ সনদ সহীহ।

بَابُ مُذَاكَرَةِ الْعِلْمِ

أَخْبَرَنَا مَرْوَانُ بْنُ مُحَمَّدٍ قَالَ سَمِعْتُ اللَّيْثَ بْنَ سَعْدٍ يَقُولُ تَذَاكَرَ ابْنُ شِهَابٍ لَيْلَةً بَعْدَ الْعِشَاءِ حَدِيثًا وَهُوَ جَالِسٌ مُتَوَضِّئًا قَالَ فَمَا زَالَ ذَلِكَ مَجْلِسَهُ حَتَّى أَصْبَحَ قَالَ مَرْوَانُ جَعَلَ يَتَذَاكَرُ الْحَدِيثَ

إسناده صحيح

أخبرنا مروان بن محمد قال سمعت الليث بن سعد يقول تذاكر ابن شهاب ليلة بعد العشاء حديثا وهو جالس متوضئا قال فما زال ذلك مجلسه حتى أصبح قال مروان جعل يتذاكر الحديث إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ মারওয়ান ইবনু মুহাম্মদ (রহঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৬৩৯

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৫১. জ্ঞানের আলাপ-আলোচনা

৬৩৯. মুহাম্মদ ইবনু ইসহাক থেকে বর্ণিত, যুহরী রাহিমাহুল্লাহ বলেন: আমি যখন উবাইদুল্লাহ ইবনু আব্দুল্লাহ রাহি.-এর সাথে সাক্ষাৎ (করে তাকে প্রশ্ন) করতাম, তখন মনে হতো যেন আমি কোনো এক সাগরকে সবেগে প্রবাহিত করে দিয়েছি।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: ইবনু ইসহাক্ থেকে ‘আন ‘আন পদ্ধতিতে এটি বর্ণনা করেছেন।

 

তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা, ৮/৭১১ নং ৬১০৮, ১৩/৮৯ নং ১৫৭৮৩; ফাসাওয়ী, আল মা’রিফাহ ১/৫৬১ সহীহ সনদে। দেখুন মা’রিফাহ ১/২৫৫, ৬২২ ও তারীখ, ইবনু আসাকীর- যুহরী নং ২২৭।

بَابُ مُذَاكَرَةِ الْعِلْمِ

أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدٍ حَدَّثَنَا ابْنُ إِدْرِيسَ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ إِسْحَقَ عَنْ الزُّهْرِيِّ قَالَ كُنْتُ إِذَا لَقِيتُ عُبَيْدَ اللَّهِ بْنَ عَبْدِ اللَّهِ فَكَأَنَّمَا أَفْجُرُ بِهِ بَحْرًا

إسناده صحيح

أخبرنا عبد الله بن محمد حدثنا ابن إدريس عن محمد بن إسحق عن الزهري قال كنت إذا لقيت عبيد الله بن عبد الله فكأنما أفجر به بحرا إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ মুহাম্মদ ইবনু ইসহাক (রহঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৬৪০

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৫১. জ্ঞানের আলাপ-আলোচনা

৬৪০. জারীর থেকে বর্ণিত, উছমান ইবনু আব্দুল্লাহ রাহি. বলেন: হারিস আল উকলী ও তার সাথীরা রাতে বসে ফিকহ নিয়ে আলাপ আলোচনা করতেন।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ যয়ীফ। তবে আগে এটি সহীহ সনদে গত হয়েছে ৬৩৫ নং এ।

 

তাখরীজ: মুহাক্বিক্ব এর কোনো তাখরীজ দেননি- অনুবাদক।

بَابُ مُذَاكَرَةِ الْعِلْمِ

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ حُمَيْدٍ حَدَّثَنَا جَرِيرٌ عَنْ عُثْمَانَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ قَالَ كَانَ الْحَارِثُ الْعُكْلِيُّ وَأَصْحَابُهُ يَتَجَالَسُونَ بِاللَّيْلِ وَيَذْكُرُونَ الْفِقْهَ

إسناده ضعيف

أخبرنا محمد بن حميد حدثنا جرير عن عثمان بن عبد الله قال كان الحارث العكلي وأصحابه يتجالسون بالليل ويذكرون الفقه إسناده ضعيف

 হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai’f)  বর্ণনাকারীঃ জারীর বিন আবদুল হামীদ (রহঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৬৪১

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৫১. জ্ঞানের আলাপ-আলোচনা

৬৪১. আবুল আহওয়াস থেকে বর্ণিত, আব্দুল্লাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন: তোমরা পরস্পর হাদীস আলোচনা কর, কেননা, তা পুনর্জীবিত করা হলো তা নিয়ে পরস্পর আলোচনা করা।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ যয়ীফ। কেননা, আবু ইসরাঈল যয়ীফ। এর যয়ীফ হওয়ার কারণ আতা হতে হাদীস শোনা হতে তার পিছিয়ে থাকা। তবে আছারটি সহীহ এর শাহিদ এর কারণে। দেখুন নং ৬১৭, ৬২৬, ৬২৭।

 

তাখরীজ: রমহরমুযী, আল মুহাদ্দিসুল ফাসিল নং ৭২৬।

بَابُ مُذَاكَرَةِ الْعِلْمِ

أَخْبَرَنَا أَبُو نُعَيْمٍ حَدَّثَنَا أَبُو إِسْرَائِيلَ عَنْ عَطَاءِ بْنِ السَّائِبِ عَنْ أَبِيهِ أَوْ عَنْ أَبِي الْأَحْوَصِ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ قَالَ تَذَاكَرُوا هَذَا الْحَدِيثَ فَإِنَّ حَيَاتَهُ مُذَاكَرَتُهُ

 

إسناده ضعيف لضعف أبي إسرائيل وهو: إسماعيل بن خليفة لكن الأثر صحيح بشواهده

أخبرنا أبو نعيم حدثنا أبو إسرائيل عن عطاء بن السائب عن أبيه أو عن أبي الأحوص عن عبد الله قال تذاكروا هذا الحديث فإن حياته مذاكرته إسناده ضعيف لضعف أبي إسرائيل وهو: إسماعيل بن خليفة لكن الأثر صحيح بشواهده

 হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai’f)  বর্ণনাকারীঃ আবুল আহওয়াস (রহঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৬৪২

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৫১. জ্ঞানের আলাপ-আলোচনা

৬৪২. আউন বলেন, আব্দুল্লাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু-এর সাথীরা যখন তাঁর নিকট উপস্থিত হলো, তখন তিনি তাদেরকে বললেন: তোমরা কি একত্রে বসবে? তারা বলল, না, আমরা সেটি (বসা) পরিত্যাগ করলাম। তিনি তাদেরকে জিজ্ঞেস করলেন: তাহলে কি তোমরা পরস্পরকে দেখতে এসেছো? তারা বললেন: হাঁ। হে আবু আব্দুর রহমান, আমাদের এক ব্যক্তি তার এক ভাইকে হারিয়ে ফেলেছিল, ফলে তার খোঁজে সে কুফার উপকণ্ঠ পর্যন্ত হেঁটে বেড়াচ্ছিল। অতঃপর সে তাকে পেয়ে গেলো। তখন তিনি বললেন: তোমরা যতক্ষণ এটি করতে থাকবে ততক্ষণ তোমরা কল্যাণের মধ্যেই থাকবে।[1]

[1] তাহ্কীক্ব: এর সনদে দু’টি ত্রুটি বিদ্যমান। ১. আব্দুর রহমান বিন আব্দুল্লাহ আল মাসউদী যয়ীফ। ২. ইনকিতা। আউন ইবনু আব্দুল্লাহ ইবনু উতবাহ ইবনু মাসউদ রা: এর সাক্ষাৎ লাভ করেন নি।

 

তাখরীজ: তাবারানী, আল কাবীর ৯/২২৬ নং ৮৯৭৯

بَابُ مُذَاكَرَةِ الْعِلْمِ

أَخْبَرَنَا أَبُو نُعَيْمٍ حَدَّثَنَا الْمَسْعُودِيُّ عَنْ عَوْنٍ قَالَ قَالَ عَبْدُ اللَّهِ لِأَصْحَابِهِ حِينَ قَدِمُوا عَلَيْهِ هَلْ تَجَالَسُونَ قَالُوا لَيْسَ نُتْرَكُ وَذَاكَ قَالَ فَهَلْ تَزَاوَرُونَ قَالُوا نَعَمْ يَا أَبَا عَبْدِ الرَّحْمَنِ إِنَّ الرَّجُلَ مِنَّا لَيَفْقِدُ أَخَاهُ فَيَمْشِي فِي طَلَبِهِ إِلَى أَقْصَى الْكُوفَةِ حَتَّى يَلْقَاهُ قَالَ فَإِنَّكُمْ لَنْ تَزَالُوا بِخَيْرٍ مَا فَعَلْتُمْ ذَلِكَ

 

في إسناده علتان: ضعف عبد الرحمن بن عبد الله المسعودي والإنقطاع

أخبرنا أبو نعيم حدثنا المسعودي عن عون قال قال عبد الله لأصحابه حين قدموا عليه هل تجالسون قالوا ليس نترك وذاك قال فهل تزاورون قالوا نعم يا أبا عبد الرحمن إن الرجل منا ليفقد أخاه فيمشي في طلبه إلى أقصى الكوفة حتى يلقاه قال فإنكم لن تزالوا بخير ما فعلتم ذلك في إسناده علتان: ضعف عبد الرحمن بن عبد الله المسعودي والإنقطاع

 হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai’f)  বর্ণনাকারীঃ আউন ইবনু আব্দুল্লাহ (রহঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৬৪৩

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৫১. জ্ঞানের আলাপ-আলোচনা

৬৪৩. আউযাঈ হতে বর্ণিত, যুহরী রাহি. বলেন: ইলমের বিপদ হচ্ছে তা ভুলে যাওয়া এবং পারস্পরিক আলোচনা পরিত্যাগ করা।[1]

[1] তহাক্বীক্ব: এর সনদ যয়ীফ। ওয়ালীদ হলেন ইবনুল মুসলিম সে মুদাল্লিস, তিনি এটি ‘আন ‘আন পদ্ধতিতে বর্ণনা করেছেন।

 

তাখরীজ: ইবনু আসাকীর, তারীখ দিমাশক- যুহরী নং ২৩৫;

بَابُ مُذَاكَرَةِ الْعِلْمِ

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُبَارَكِ حَدَّثَنَا الْوَلِيدُ عَنْ الْأَوْزَاعِيِّ عَنْ الزُّهْرِيِّ قَالَ آفَةُ الْعِلْمِ النِّسْيَانُ وَتَرْكُ الْمُذَاكَرَةِ

إسناده ضعيف الوليد هو: ابن مسلم مدلس وقد عنعن

أخبرنا محمد بن المبارك حدثنا الوليد عن الأوزاعي عن الزهري قال آفة العلم النسيان وترك المذاكرة إسناده ضعيف الوليد هو: ابن مسلم مدلس وقد عنعن

 হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai’f)  বর্ণনাকারীঃ আওযায়ী (রহঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৬৪৪

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৫১. জ্ঞানের আলাপ-আলোচনা

৬৪৪. কাসিম বলেন, আব্দুল্লাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন: হাদীসের বিপদ হচ্ছে তা ভুলে যাওয়া।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ ইনকিতা’র কারণে যযীফ। কাসিম ইবনু আব্দুর রহমান আল মাসউদী আব্দুল্লাহ ইবনু মাসউদ রা: হতে কিছু শোনেননি। তবে হাদীসটি সহীহ। পরবর্তী হাদীসটি এর শাহিদ হওয়ায়।

 

তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ৮/৭৩৪ নং ৬১৯১; ইবনু আব্দুল বার, জামি’ বায়ানিল ইলম নং ৬৯১।

بَابُ مُذَاكَرَةِ الْعِلْمِ

أَخْبَرَنَا جَعْفَرُ بْنُ عَوْنٍ أَنْبَأَنَا أَبُو عُمَيْسٍ عَنْ الْقَاسِمِ قَالَ قَالَ عَبْدُ اللَّهِ آفَةُ الْحَدِيثِ النِّسْيَانُ

 

إسناده ضعيف لانقطاعه القاسم بن عبد الرحمن المسعودي لم يسمع عبد الله بن مسعود

أخبرنا جعفر بن عون أنبأنا أبو عميس عن القاسم قال قال عبد الله آفة الحديث النسيان إسناده ضعيف لانقطاعه القاسم بن عبد الرحمن المسعودي لم يسمع عبد الله بن مسعود

 হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai’f)  বর্ণনাকারীঃ কাসিম (রহঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৬৪৫

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৫১. জ্ঞানের আলাপ-আলোচনা

৬৪৫. হাকীম ইবনু জাবির বলেন, আব্দুল্লাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন: প্রত্যেক জিনিসেরই একটি বিপদ রয়েছে। আর ইলমের বিপদ হচ্ছে তা ভুলে যাওয়া।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: আগের টীকাটি দেখুন।

بَابُ مُذَاكَرَةِ الْعِلْمِ

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ عَنْ سُفْيَانَ عَنْ طَارِقٍ عَنْ حَكِيمِ بْنِ جَابِرٍ قَالَ قَالَ عَبْدُ اللَّهِ إِنَّ لِكُلِّ شَيْءٍ آفَةً وَآفَةُ الْعِلْمِ النِّسْيَانُ

إسناده صحيح

أخبرنا محمد بن يوسف عن سفيان عن طارق عن حكيم بن جابر قال قال عبد الله إن لكل شيء آفة وآفة العلم النسيان إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ হাকীম ইবনু জাবির (রহঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৬৪৬

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৫১. জ্ঞানের আলাপ-আলোচনা

৬৪৬. আ’মাশ বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “ইলমের বিপদ হচ্ছে ভুলে যাওয়া আর তার ধ্বংস বা বিলুপ্তি হচ্ছে অনুপযুক্ত ব্যক্তির নিকট তা বর্ণনা করা।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ মু’দাল (বিক্ষিপ্ত)।

 

তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ৮/৭৩৪ নং ৬১৯০; ইবনু আব্দুল বার, জামি’ বায়ানিল ইলম নং ৬৯০; রমহরমুযী, মুহাদ্দিসুল ফাসিল নং ৭৯৩ আ’মাশের কথা হিসেবে সহীহ।

بَابُ مُذَاكَرَةِ الْعِلْمِ

أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ سَعِيدٍ حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَةَ عَنْ الْأَعْمَشِ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ آفَةُ الْعِلْمِ النِّسْيَانُ وَإِضَاعَتُهُ أَنْ تُحَدِّثَ بِهِ غَيْرَ أَهْلِهِ

إسناده معضل

أخبرنا عبد الله بن سعيد حدثنا أبو أسامة عن الأعمش قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم آفة العلم النسيان وإضاعته أن تحدث به غير أهله إسناده معضل

 হাদিসের মানঃ তাহকীক অপেক্ষমাণ  বর্ণনাকারীঃ আ‘মাশ (রহঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৬৪৭

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৫১. জ্ঞানের আলাপ-আলোচনা

৬৪৭. হাসান রাহি. বলেন: ইলমের বিপদ হচ্ছে ভুলে যাওয়া।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদে আবু হামযাহ আত তাম্মার। বাকী রাবীগণ নির্ভরযোগ্য। শাহিদ থাকার জন্য হাদীসটি সহীহ।

 

তাখরীজ: ইবনু আব্দুল বার, জামি’ বায়ানিল ইলম নং ৬৮৯।

بَابُ مُذَاكَرَةِ الْعِلْمِ

أَخْبَرَنَا عَفَّانُ حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ أَنْبَأَنَا أَبُو حَمْزَةَ الثُّمَالِيُّ عَنْ الْحَسَنِ قَالَ غَائِلَةُ الْعِلْمِ النِّسْيَانُ

الأثر صحيح بشواهده

أخبرنا عفان حدثنا حماد بن سلمة أنبأنا أبو حمزة الثمالي عن الحسن قال غائلة العلم النسيان الأثر صحيح بشواهده

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ হাসান বাসরী (রহঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৬৪৮

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৫১. জ্ঞানের আলাপ-আলোচনা

৬৪৮. ইবনু বুরাইদাহ হতে বর্ণিত, আলী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন: তোমরা এ হাদীস নিয়ে পরস্পর আলোচনা করো এবং পরস্পর দেখা-সাক্ষাৎ করো। কেননা, তোমরা যদি তা না করো, তাহলে তা মিটে যাবে।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা, ৮/৭৩৩ নং ৬১৮৫; ইবনু আব্দুল বার, জামি’ বায়ানিল ইলম নং ৬২৪, ৭৮৭; রমহরমুযী, মুহাদ্দিসুল ফাসিল নং ৭২১; খতীব, আল জামি’ নং ৪৬৭, ৪৬৮।

بَابُ مُذَاكَرَةِ الْعِلْمِ

أَخْبَرَنَا عُثْمَانُ بْنُ عُمَرَ أَخْبَرَنَا كَهْمَسٌ عَنْ ابْنِ بُرَيْدَةَ قَالَ قَالَ عَلِيٌّ تَذَاكَرُوا هَذَا الْحَدِيثَ وَتَزَاوَرُوا فَإِنَّكُمْ إِنْ لَمْ تَفْعَلُوا يَدْرُسْ

إسناده صحيح

أخبرنا عثمان بن عمر أخبرنا كهمس عن ابن بريدة قال قال علي تذاكروا هذا الحديث وتزاوروا فإنكم إن لم تفعلوا يدرس إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ ইবনু বুরয়দাহ্ (রহঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৬৪৯

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৫১. জ্ঞানের আলাপ-আলোচনা

৬৪৯. সুফিয়ান বলেন, যুহরী রাহি. বলেন, আমি ধারণা করতাম যে, আমি হয়তো ইলমের কিছু অংশ লাভ করেছি। কিন্তু যখন আমি উবাইদুল্লাহ-এর সাথে একত্রে বসলাম, তখন আমার মনে হলো যে, আমি যেন (জ্ঞানের অনেকগুলো) শাখাসমূহের মধ্যে একটি শাখা মাত্র।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: আবু যুর’আহ, তারীখ নং ১৩৯৫; দেখুন, পূর্ববর্তী ৬৪১ নং হাদীসটি দেখুন।

بَابُ مُذَاكَرَةِ الْعِلْمِ

أَخْبَرَنَا بِشْرُ بْنُ الْحَكَمِ قَالَ سَمِعْتُ سُفْيَانَ يَقُولُ قَالَ الزُّهْرِيُّ كُنْتُ أَحْسَبُ بِأَنِّي أَصَبْتُ مِنْ الْعِلْمِ فَجَالَسْتُ عُبَيْدَ اللَّهِ فَكَأَنِّي كُنْتُ فِي شِعْبٍ مِنْ الشِّعَابِ

إسناده صحيح

أخبرنا بشر بن الحكم قال سمعت سفيان يقول قال الزهري كنت أحسب بأني أصبت من العلم فجالست عبيد الله فكأني كنت في شعب من الشعاب إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ সুফইয়ান বিন উয়াইনাহ্ (রহঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৬৫০

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৫২. ফকীহগণের ইখতিলাফ বা মতবিরোধ

৬৫০. হামীদ বলেন, আমি উমার ইবনু আব্দুল আযীয রাহি.কে বললাম, (কতই না উত্তম হতো), আপনি যদি লোকদেরকে একটি বিষয়ের উপর একত্রিত করে দিতেন! তখন তিনি বললেন: আমি এতে আনন্দিত হতাম না যে, তারা মতবিরোধ করবে না। তিনি বলেন: তারপর তিনি দিক-দিগন্তে (চতুর্দিকে) লিখে পাঠালেন যে, প্রত্যেক গোত্রের ফকীহগণের ঐকমত্য অনুযায়ী যেন তাদের মাঝে বিচার-ফায়সালা করা হয়।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: আমি এ শব্দে এটি আর কোথাও পাইনি। ”মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয় সাল্লামের সাথীরা মতবিরোধ না করলে সেটিই আমাকে আনন্দিত করতো না।’’ এ অংশটুকু বর্ণনা করেছেন খতীব, আল ফাকীহ ওয়াল মুতাফাককিহ নং ৭৪৩ (হাসান সনদে),৭৪৫ যয়ীফের নিকটবর্তী সনদে।…

بَابُ اخْتِلَافِ الْفُقَهَاءِ

أَخْبَرَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ عَنْ حَمَّادِ بْنِ سَلَمَةَ عَنْ حُمَيْدٍ قَالَ قِيلَ لِعُمَرَ بْنِ عَبْدِ الْعَزِيزِ لَوْ جَمَعْتَ النَّاسَ عَلَى شَيْءٍ فَقَالَ مَا يَسُرُّنِي أَنَّهُمْ لَمْ يَخْتَلِفُوا قَالَ ثُمَّ كَتَبَ إِلَى الْآفَاقِ وَإِلَى الْأَمْصَارِ لِيَقْضِ كُلُّ قَوْمٍ بِمَا اجْتَمَعَ عَلَيْهِ فُقَهَاؤُهُمْ

إسناده صحيح

أخبرنا يزيد بن هارون عن حماد بن سلمة عن حميد قال قيل لعمر بن عبد العزيز لو جمعت الناس على شيء فقال ما يسرني أنهم لم يختلفوا قال ثم كتب إلى الآفاق وإلى الأمصار ليقض كل قوم بما اجتمع عليه فقهاؤهم إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ হামীদ বিন আবী হামীদ (রহঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৬৫১

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৫২. ফকীহগণের ইখতিলাফ বা মতবিরোধ

৬৫১. আউন ইবনু আব্দুল্লাহ রাহি. বলেন: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সাহাবীগণ মতবিরোধ না করুন- এটি আমার নিকট পছন্দনীয় নয়। কারণ, যদি তারা কোনো একটি বিষয়ের উপর ঐকমত্য পোষণ করতেন, আর কোনো লোক সেটি পরিত্যাগ করতো, তাহলে এর দ্বারা সে সুন্নাতকেই পরিত্যাগ করে বসতো। আর যেহেতু তারা তারা মতভেদ করেছেন, ফলে সেই বিষয়ে যদি কোনো লোক তাঁদের কোনো একজনের মতামত অবলম্বন করে, তবে সে (এর দ্বারা) সুন্নাতকেই আঁকড়ে ধরেছে (বলে গণ্য)।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ যয়ীফ। আব্দুর রহমান ইবনু আব্দুল্লাহ ইবনু উতবাহ আল মাসউদী যয়ীফ।

 

তাখরীজ: পূর্বের টীকাটি দেখুন। (মুহাক্বিক্ব কোনো তাখরীজ করেননি-অনুবাদক)

بَابُ اخْتِلَافِ الْفُقَهَاءِ

أَخْبَرَنَا يَزِيدُ عَنْ الْمَسْعُودِيِّ عَنْ عَوْنِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ قَالَ مَا أُحِبُّ أَنَّ أَصْحَابَ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَمْ يَخْتَلِفُوا فَإِنَّهُمْ لَوْ اجْتَمَعُوا عَلَى شَيْءٍ فَتَرَكَهُ رَجُلٌ تَرَكَ السُّنَّةَ وَلَوْ اخْتَلَفُوا فَأَخَذَ رَجُلٌ بِقَوْلِ أَحَدٍ أَخَذَ بِالسُّنَّةِ

إسناده ضعيف لضعف عبد الرحمن بن عبد الله بن عتبة المسعودي

أخبرنا يزيد عن المسعودي عن عون بن عبد الله قال ما أحب أن أصحاب النبي صلى الله عليه وسلم لم يختلفوا فإنهم لو اجتمعوا على شيء فتركه رجل ترك السنة ولو اختلفوا فأخذ رجل بقول أحد أخذ بالسنة إسناده ضعيف لضعف عبد الرحمن بن عبد الله بن عتبة المسعودي

 হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai’f)  বর্ণনাকারীঃ আউন ইবনু আব্দুল্লাহ (রহঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৬৫২

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৫২. ফকীহগণের ইখতিলাফ বা মতবিরোধ

৬৫২. তাউস রাহি. হতে বর্ণিত, তিনি বলেন: ইবনু আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু কখনো (কোনো বিষয়ে) একটি অভিমত পোষণ করতেন, তারপর সেটি পরিত্যাগ করতেন।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ যয়ীফ। লাইছ ইবনু আবী সালীম যয়ীফ।

 

তাখরীজ: (মুহাক্বিক্ব কোনো তাখরীজ করেননি-অনুবাদক)

بَابُ اخْتِلَافِ الْفُقَهَاءِ

أَخْبَرَنَا أَبُو نُعَيْمٍ حَدَّثَنَا حَسَنٌ عَنْ لَيْثٍ عَنْ طَاوُسٍ قَالَ رُبَّمَا رَأَى ابْنُ عَبَّاسٍ الرَّأْيَ ثُمَّ تَرَكَهُ

 

إسناده ضعيف لضعف الليث وهو ابن أبي سليم

أخبرنا أبو نعيم حدثنا حسن عن ليث عن طاوس قال ربما رأى ابن عباس الرأي ثم تركه إسناده ضعيف لضعف الليث وهو ابن أبي سليم

 হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai’f)  বর্ণনাকারীঃ তাঊস (রহঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৬৫৩

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৫২. ফকীহগণের ইখতিলাফ বা মতবিরোধ

৬৫৩. মারওয়ান ইবনুল হাকাম বলেন: উছমান ইবনু আফফান রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু আমাকে বললেন: উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু আমাকে বলেছিলেন: আমি দাদার ব্যাপারে একটি অভিমত পোষণ করি। যদি তোমরা মনে করো যে, তোমরা তা অনুসরণ করবে, তবে তোমরা তা অনুসরণ করতে পারো। উছমান (তাঁকে) বললেন: আমরা যদি আপনার অভিমত অনুসরণ করি, তবে সেটি হবে সঠিক পথ। তবে আমরা যদি আপনার পূর্ববর্তী বৃদ্ধের মতামত অনুসরণ করি, তবে তিনি কতই না উত্তম মতের অধিকারী ছিলেন! তিনি বলেন: আবু বাকর রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু তাকে (দাদাকে) পিতার স্থলাভিষিক্ত করতেন।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ জাইয়্যেদ বা উত্তম।

 

তাখরীজ: হাকিম, আল মুসতাদরাক ৪/৩৪০; সামনে এ হাদীস আসছে (ফারাইয অধ্যায়ে) ২৯৬০ নং এ।

بَابُ اخْتِلَافِ الْفُقَهَاءِ

أَخْبَرَنَا الْحَجَّاجُ بْنُ الْمِنْهَالِ حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ أَنْبَأَنَا هِشَامُ بْنُ عُرْوَةَ عَنْ عُرْوَةَ عَنْ مَرْوَانَ بْنِ الْحَكَمِ قَالَ قَالَ لِي عُثْمَانُ بْنُ عَفَّانَ إِنَّ عُمَرَ قَالَ لِي إِنِّي قَدْ رَأَيْتُ فِي الْجَدِّ رَأْيًا فَإِنْ رَأَيْتُمْ أَنْ تَتَّبِعُوهُ فَاتَّبِعُوهُ قَالَ عُثْمَانُ إِنْ نَتَّبِعْ رَأْيَكَ فَإِنَّهُ رَشَدٌ وَإِنْ نَتَّبِعْ رَأْيَ الشَّيْخِ قَبْلَكَ فَنِعْمَ ذُو الرَّأْيِ كَانَ قَالَ وَكَانَ أَبُو بَكْرٍ يَجْعَلُهُ أَبًا

 

إسناده جيد

أخبرنا الحجاج بن المنهال حدثنا حماد بن سلمة أنبأنا هشام بن عروة عن عروة عن مروان بن الحكم قال قال لي عثمان بن عفان إن عمر قال لي إني قد رأيت في الجد رأيا فإن رأيتم أن تتبعوه فاتبعوه قال عثمان إن نتبع رأيك فإنه رشد وإن نتبع رأي الشيخ قبلك فنعم ذو الرأي كان قال وكان أبو بكر يجعله أبا إسناده جيد

 হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)  বর্ণনাকারীঃ মারওয়ান ইবনু হাকাম (রহঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৬৫৪

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৫৩. (শাইখের নিকট হাদীস) উপস্থাপন করা প্রসঙ্গে

৬৫৪. আসিম আল আহওয়াল বলেন: আমি ফিকহ বিষয়ক হাদীসসমূহ শা’বী’র নিকট উপস্থাপন করলাম। তখন তিনি আমার সেই বিষয়টি (হাদীস উপস্থাপন করাকে) অনুমোদন দিলেন।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: ফাসাওয়ী, আল মা’রিফাতু ওয়াত তারীখ ২/৮২৬; খতীব, আল কিফায়াহ পৃ: ২৬৪; রমহরমুযী, আল মুহাদ্দিসুল ফাসিল নং ৪৬৬, ৪৮৫।

بَابٌ فِي الْعَرْضِ

أَخْبَرَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ الْمُنْذِرِ الْحِزَامِيُّ حَدَّثَنَا مَرْوَانُ بْنُ مُعَاوِيَةَ حَدَّثَنَا عَاصِمٌ الْأَحْوَلُ قَالَ عَرَضْتُ عَلَى الشَّعْبِيِّ أَحَادِيثَ الْفِقْهِ فَأَجَازَهَا لِي

إسناده صحيح

أخبرنا إبراهيم بن المنذر الحزامي حدثنا مروان بن معاوية حدثنا عاصم الأحول قال عرضت على الشعبي أحاديث الفقه فأجازها لي إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আসিম আল আহওয়াল (রহঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৬৫৫

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৫৩. (শাইখের নিকট হাদীস) উপস্থাপন করা প্রসঙ্গে

৬৫৫. সুফইয়ান ইবনু ওয়াইনা বলেন, আমি আমর ইবনু দীনারকে জিজ্ঞাসা করলাম: এক ব্যক্তি তীর সাথে নিয়ে মাসজিদ অতিক্রম করছিল, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাকে বললেন: “এর ফলাগুলো হাত দিয়ে ধরে রাখ।”- আপনি কি জাবির ইবনু আব্দুল্লাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুকে একথা বলতে শুনেছেন? তিনি বললেন: হাঁ।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ। এটি বুখারী ও মুসলিম কৃর্তক বর্ণিত হাদীস।

 

তাখরীজ: সহীহ বুখারী ৪৫১, ৭০৭৩, ৭০৭৪; সহীহ মুসলিম ২৬১৪; আমরা পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ১৮৩৪; ইবনু খুযাইমা ১৩১৬,১৩১৭; সহীহ ইবনু হিব্বান ১৬৩৯। (হুমাইদী নং ১২৫২; আহমদ ৩/৩০৮, ৩৫০; নাসাঈ ৭১৯; ইবনু মাজাহ ৩৭৭৭; আবু দাউদ ২৫৮৬; ইবনু খুযাইমা ১৩১৬,১৩১৭; সহীহ ইবনু হিব্বান ১৬৩৯, ১৬৪০। – তাহক্বীক্ব, আদ দারানী, মুসনাদুল মাউসিলী নং ১৮৩৪)

بَابٌ فِي الْعَرْضِ

أَخْبَرَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ الْمُنْذِرِ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ قَالَ قُلْتُ لِعَمْرِو بْنِ دِينَارٍ أَسَمِعْتَ جَابِرَ بْنَ عَبْدِ اللَّهِ يَقُولُ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لِرَجُلٍ مَرَّ فِي الْمَسْجِدِ بِسِهَامٍ أَمْسِكْ بِنِصَالِهَا قَالَ نَعَمْ

إسناده صحيح

أخبرنا إبراهيم بن المنذر حدثنا سفيان بن عيينة قال قلت لعمرو بن دينار أسمعت جابر بن عبد الله يقول قال رسول الله صلى الله عليه وسلم لرجل مر في المسجد بسهام أمسك بنصالها قال نعم إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ সুফইয়ান বিন উয়াইনাহ্ (রহঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৬৫৬

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৫৩. (শাইখের নিকট হাদীস) উপস্থাপন করা প্রসঙ্গে

৬৫৬. সুফইয়ান বলেন: আমি আব্দুর রহমান ইবনু কাসিমকে বললাম: তুমি তোমার পিতাকে আয়েশা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা হতে এ হাদীস বর্ণনা করতে শুনেছি কি, যে সিয়ামরত অবস্থায় রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাকে চুম্বন করেছেন? তিনি বললেন: হাঁ।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ। এটিও বুখারী ও মুসলিম উভয়ের বর্ণিত হাদীস।

 

তাখরীজ: সহীহ বুখারী ১৯২৮; মুসলিম ১১০৬; আবু দাউদ ২৩৭২, ২৩৭৩, ২৩৭৪, ২৩৮৬; তিরমিযী ৭২৭, ৭২৯; ইবনু মাজাহ ১৬৭৩, ১৬৮৪; বাইহাকী ৪/২৩৩, ২৩৪; দারু কুতনী ২/১১৮০; মালিক, সিয়াম ১৪; শাফিঈ, আল উম্মু ২/৯৮; মুসনাদুশ শাফিঈ পৃ: ১০৪; আহমদ ৬/১৩০, ১৯৩, ২০৭, ২৩১, ২৫৬, ২৬৪-২৬৫; হুমাইদী ১/১০১ নং ১৯৭, ১৯৮; সহীহ ইবনু খুযাইমা নং ২০০০, ২০০৪; তাহাবী, শারহু মা’আনিল আছার ২/৯১, ৯২, ৯৩; আব্দুর রাযযাক, আল মুসান্নাফ ৭৪০৮, ৭৪৩১; বাগাবী, শারহুস ‍সুন্নাহ নং ১৭৪৯; মুসনাদুল মাউসিলী নং ৪৪২৮; খতীব, তারীখ বাগদাদ ১১/২৫৮।

بَابٌ فِي الْعَرْضِ

أَخْبَرَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ الْمُنْذِرِ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ قَالَ قُلْتُ لِعَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ الْقَاسِمِ أَسَمِعْتَ أَبَاكَ يُحَدِّثُ عَنْ عَائِشَةَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَ يُقَبِّلُهَا وَهُوَ صَائِمٌ قَالَ نَعَمْ

إسناده صحيح والحديث متفق عليه

أخبرنا إبراهيم بن المنذر حدثنا سفيان قال قلت لعبد الرحمن بن القاسم أسمعت أباك يحدث عن عائشة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان يقبلها وهو صائم قال نعم إسناده صحيح والحديث متفق عليه

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ সুফইয়ান বিন উয়াইনাহ্ (রহঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৬৫৭

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৫৩. (শাইখের নিকট হাদীস) উপস্থাপন করা প্রসঙ্গে

৬৫৭. শু’বাহ বলেন: মানসুর আমার নিকট একটি হাদীস লিখে পাঠালে আমি তার সাথে সাক্ষাৎ করলাম। তখন আমি তাকে বললাম: আমি কি সেই হাদীসটি আপনার থেকে বর্ণনা করব? তিনি বললেন: আমি যখন সেটি তোমার নিকট লিখে পাঠালাম, তখন (তার মানে) তোমার নিকট আমি হাদীস বর্ণনা করলাম, তাই নয় কি?[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর তাহক্বীক্ব ও তাখরীজের জন্য পরবর্তী হাদীসটি দেখুন।

بَابٌ فِي الْعَرْضِ

أَخْبَرَنَا الْحَسَنُ بْنُ أَحْمَدَ حَدَّثَنَا مِسْكِينُ بْنُ بُكَيْرٍ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ قَالَ كَتَبَ إِلَيَّ مَنْصُورٌ بِحَدِيثٍ فَلَقِيتُهُ فَقُلْتُ أُحَدِّثُ بِهِ عَنْكَ قَالَ أَوَ لَيْسَ إِذَا كَتَبْتُ إِلَيْكَ فَقَدْ حَدَّثْتُكَ

أخبرنا الحسن بن أحمد حدثنا مسكين بن بكير حدثنا شعبة قال كتب إلي منصور بحديث فلقيته فقلت أحدث به عنك قال أو ليس إذا كتبت إليك فقد حدثتك

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ শু’বা (রহঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৬৫৮

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৫৩. (শাইখের নিকট হাদীস) উপস্থাপন করা প্রসঙ্গে

৬৫৮. তিনি (শু’বাহ) বলেন: এবং আমি আইয়্যুব সাখতিয়ানী রাহি.-কেও এ ব্যাপারে জিজ্ঞাসা করেছি, তিনিও অনুরূপই বলেছেন।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ। উপরের দুটি হাদীসই একই সনদে বর্ণিত।

 

তাখরীজ: এ দু’টি বর্ণনা করেছেন, ফাসাওয়ী, আল মা’রিফাতু ওয়াত তারীখ ২/৮২৫-৮২৬,; খতীব, আল কিফায়াহ পৃ: ৩৪৩-৩৪৪;

 

আর মানসুরের (১ম) হাদীসটি বর্ণনা করেছেন, ফাসাওয়ী, আল মা’রিফাতু ওয়াত তারীখ ২/৮২৭; খতীব, আল কিফায়াহ পৃ: ৩০৬; রমহরমুযী, আল মুহাদ্দিসুল ফাসিল নং ৪৬৩।

بَابٌ فِي الْعَرْضِ

قَالَ وَسَأَلْتُ أَيُّوبَ السَّخْتِيَانِيَّ فَقَالَ مِثْلَ ذَلِكَ

إسناده صحيح

قال وسألت أيوب السختياني فقال مثل ذلك إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ শু’বা (রহঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৬৫৯

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৫৩. (শাইখের নিকট হাদীস) উপস্থাপন করা প্রসঙ্গে

৬৫৯. মা’মার যুহরী হতে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি তার নিকট একটি লিখিত পাণ্ডুলিপি উপস্থাপন করলাম, তারপর তাকে বললাম, আমি কি আপনার থেকে এ হাদীস বর্ণনা করতে পারি? তিনি বললেন: আমি ব্যতীত এ হাদীস তোমাকে আর কে বর্ণনা করেছে?[1]

 

[1]তাহক্বীক্ব : এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: ফাসাওয়ী, আল মা’রিফাতু ওয়াত তারীখ ২/৮২৭; খতীব, আল কিফায়াহ পৃ: ২৬৬, ২৭৩; রমহরমুযী, আল মুহাদ্দিসুল ফাসিল নং ৪৭৭; ইবনু আব্দুল বার, জামি’ বায়ানিল ইলম নং ২২৭১, ২২৮০।

بَابٌ فِي الْعَرْضِ

أَخْبَرَنَا زَكَرِيَّا بْنُ عَدِيٍّ أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ الْمُبَارَكِ عَنْ مَعْمَرٍ عَنْ الزُّهْرِيِّ قَالَ عَرَضْتُ عَلَيْهِ كِتَابًا فَقُلْتُ أَرْوِيهِ عَنْكَ قَالَ وَمَنْ حَدَّثَكَ بِهِ غَيْرِي

إسناده صحيح

أخبرنا زكريا بن عدي أخبرنا عبد الله بن المبارك عن معمر عن الزهري قال عرضت عليه كتابا فقلت أرويه عنك قال ومن حدثك به غيري إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ মা’মার (রহঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৬৬০

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৫৩. (শাইখের নিকট হাদীস) উপস্থাপন করা প্রসঙ্গে

৬৬০. হিশাম ইবনু উরওয়াহ তার পিতা উরওয়াহ হতে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: (মুহাদ্দিসের সামনে) লিখিত পাণ্ডুলিপি উপস্থাপন করা এবং হাদীস (শোনানোর মাধ্যমে) উপস্থাপন করা- উভয়ই সমান।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ যয়ীফ, কেননা দাউদ ইবনু আত্বা যয়ীফ।

 

তাখরীজ: রমহরমুযী, আল মুহাদ্দিসুল ফাসিল নং ৪৬৭।

بَابٌ فِي الْعَرْضِ

أَخْبَرَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ الْمُنْذِرِ الْحِزَامِيُّ حَدَّثَنَا دَاوُدُ بْنُ عَطَاءٍ مَوْلَى الْمُزَنِيِّينَ حَدَّثَنَا هِشَامُ بْنُ عُرْوَةَ عَنْ أَبِيهِ قَالَ عَرْضُ الْكِتَابِ وَالْحَدِيثُ سَوَاءٌ

إسناده ضعيف لضعف داود بن عطاء

أخبرنا إبراهيم بن المنذر الحزامي حدثنا داود بن عطاء مولى المزنيين حدثنا هشام بن عروة عن أبيه قال عرض الكتاب والحديث سواء إسناده ضعيف لضعف داود بن عطاء

 হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai’f)  বর্ণনাকারীঃ হিশাম ইবন উরওয়াহ (রহঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৬৬১

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৫৩. (শাইখের নিকট হাদীস) উপস্থাপন করা প্রসঙ্গে

৬৬১. জা’ফর ইবনু মুহাম্মদ তার পিতা মুহাম্মদ রাহি. হতে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: (মুহাদ্দিসের সামনে) লিখিত পাণ্ডুলিপি উপস্থাপন করা এবং হাদীস (শোনানোর মাধ্যমে) উপস্থাপন করা- উভয়ই সমান।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ যয়ীফ।

 

তাখরীজ: ফাসাওয়ী, আল মা’রিফাতু ওয়াত তারীখ ২/৮২৬; খতীব, আল কিফায়াহ পৃ: ২৬৪।

بَابٌ فِي الْعَرْضِ

أَخْبَرَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ الْمُنْذِرِ حَدَّثَنَا دَاوُدُ بْنُ عَطَاءٍ عَنْ جَعْفَرِ بْنِ مُحَمَّدٍ عَنْ أَبِيهِ قَالَ عَرْضُ الْكِتَابِ وَالْحَدِيثُ سَوَاءٌ

إسناده ضعيف

أخبرنا إبراهيم بن المنذر حدثنا داود بن عطاء عن جعفر بن محمد عن أبيه قال عرض الكتاب والحديث سواء إسناده ضعيف

 হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai’f)  বর্ণনাকারীঃ জা‘ফার ইবনু মুহাম্মাদ (রহঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৬৬২

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৫৩. (শাইখের নিকট হাদীস) উপস্থাপন করা প্রসঙ্গে

৬৬২. দাউদ ইবনু আতা বলেন: (লিখিত) পাণ্ডুলিপি উপস্থাপন করা এবং হাদীস (শোনানোর মাধ্যমে) উপস্থাপন করা- উভয়কেই যাইদ ইবনু আসলাম রাহি. সমান গণ্য করতেন। এছাড়া ইবনু আবু যি’বও এই মত পোষণ করতেন।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ যযীফ, কেননা, দাউদ ইবনু আত্বা যয়ীফ।

 

তাখরীজ: আমি এটি এখানে ব্যতীত অন্য কোথাও পাইনি। তবে অপর সূত্রে বর্ণনা করেছেন খতীব, আল কিফায়াহ পৃ: ২৭৬ ইবরাহীম থেকে বর্ণনা করেছেন: ইবনু আবূ যি’ব ‘আলিম কর্তৃক তোমাকে পাঠ করে শোনানোর চেয়ে আলিমের নিকট (হাদীস) পাঠ করে শোনানোকে উত্তম গণ্য করতেন।’

بَابٌ فِي الْعَرْضِ

أَخْبَرَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ الْمُنْذِرِ حَدَّثَنَا دَاوُدُ بْنُ عَطَاءٍ قَالَ كَانَ زَيْدُ بْنُ أَسْلَمَ يَرَى عَرْضَ الْكِتَابِ وَالْحَدِيثَ سَوَاءً وَكَانَ ابْنُ أَبِي ذِئْبٍ يَرَى ذَلِكَ

 

إسناده ضعيف لضعف داود بن عطاء

أخبرنا إبراهيم بن المنذر حدثنا داود بن عطاء قال كان زيد بن أسلم يرى عرض الكتاب والحديث سواء وكان ابن أبي ذئب يرى ذلك إسناده ضعيف لضعف داود بن عطاء

 হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai’f)  বর্ণনাকারীঃ দাউদ ইবনু আতা (রহঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৬৬৩

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৫৩. (শাইখের নিকট হাদীস) উপস্থাপন করা প্রসঙ্গে

৬৬৩. মুতাররিফ মালিক ইবনু আনাস রাহি. হতে বর্ণনা করেন যে, তিনি (পাণ্ডুলিপি) উপস্থাপন করা এবং হাদীস (শোনানো)- উভয়কেই সমান গণ্য করতেন।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: মালিক ইবনু আনাস হতে অনুরূপ কথা বর্ণনা করেছেন খতীব, আল কিফায়াহ পৃ: ২৭০, সনদ সহীহ।

بَابٌ فِي الْعَرْضِ

أَخْبَرَنَا إِبْرَاهِيمُ حَدَّثَنَا مُطَرِّفٌ عَنْ مَالِكِ بْنِ أَنَسٍ أَنَّهُ كَانَ يَرَى الْعَرْضَ وَالْحَدِيثَ سَوَاءً

إسناده صحيح

أخبرنا إبراهيم حدثنا مطرف عن مالك بن أنس أنه كان يرى العرض والحديث سواء إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ মুতাররিফ (রহঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৬৬৪

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৫৪. কোনো লোক কোনো একটি বিষয়ে ফতোয়া দেয়ার পর তার নিকট নাবী (ﷺ) হতে (এর বিপরীত) হাদীস পৌঁছলে, তিনি নাবী (ﷺ) এর বাণীর দিকে প্রত্যাবর্তন করেন

৬৬৪. আ’মাশ হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, ইবরাহীম বলতেন: (ইমামের পিছনে মুকতাদী একজন হলে সেক্ষেত্রে) সে (ইমামের) বাম পাশে দাঁড়াবে। তারপর আমি যখন তার নিকট সুমাই’ আয যাইয়াতের সূত্রে ইবনু আব্বাস হতে হাদীস শুনালাম যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাকে তাঁর ডান পাশে দাঁড় করিয়ে দিয়েছিলেন’, তখন তিনি (তার পূর্বের মত পরিত্যাগ করে), এ মত গ্রহণ করলেন।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ। ইবনু আব্বাস কর্তৃক তার খালা মায়মুনা’র ঘরে রাত্রিযাপন’-এর হাদীসের অংশ বিশেষ এ হাদীসটি। এটি বুখারী-মুসলিম উভয়ের বর্ণিত হাদীস।

 

তাখরীজ: সহীহ বুখারী ৮৫৯, ১১৭ তে এর মূল রয়েছে। সহীহ মুসলিম ৭৬৩; আমরা এর পূর্ণাঙ্গ তাখরীজ করেছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ২৪৬৫ নং, সহীহ ইবনু হিব্বান নং ১১৯০, ১৪৪৫, ২১৯৬, ২৫৯২; মু’জামুশ শুয়ুখিল মাউসিলী নং ৩২৯; এবং মুসনাদুল হুমাইদী নং ৪৭৭ এ।

بَابُ الرَّجُلِ يُفْتِي بِشَيْءٍ، ثُمَّ يَبْلُغُهُ عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فَيَرْجِعُ إِلَى قَوْلِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ

أَخْبَرَنَا قَبِيصَةُ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ الْأَعْمَشِ قَالَ كَانَ إِبْرَاهِيمُ يَقُولُ يَقُومُ عَنْ يَسَارِهِ فَحَدَّثْتُهُ عَنْ سُمَيْعٍ الزَّيَّاتِ عَنْ ابْنِ عَبَّاسٍ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَقَامَهُ عَنْ يَمِينِهِ فَأَخَذَ بِهِ

إسناده صحيح

أخبرنا قبيصة حدثنا سفيان عن الأعمش قال كان إبراهيم يقول يقوم عن يساره فحدثته عن سميع الزيات عن ابن عباس أن النبي صلى الله عليه وسلم أقامه عن يمينه فأخذ به إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আ‘মাশ (রহঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৬৬৫

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৫৪. কোনো লোক কোনো একটি বিষয়ে ফতোয়া দেয়ার পর তার নিকট নাবী (ﷺ) হতে (এর বিপরীত) হাদীস পৌঁছলে, তিনি নাবী (ﷺ) এর বাণীর দিকে প্রত্যাবর্তন করেন

৬৬৫.[1] মুগীরাহ ইবনু ‍শু’বাহ বলেন: উমার ইবনুল খাত্ত্বাব রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু লোকদেরকে কসম দিয়ে জিজ্ঞেস করলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-কে গর্ভস্থ শিশু বা ভ্রূণ (হত্যার) ব্যাপারে ফায়সালা দিতে আপনাদের কেউ শুনেছেন কি? তখন মুগীরাহ ইবনু শু’বাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু দাঁড়িয়ে বললেন, তিনি এরূপ ক্ষেত্রে একটি গোলাম অথবা বাঁদী প্রদানের ফায়সালা করেছেন।

তিনি পুনরায় লোকদেরকে কসম দিয়ে জিজ্ঞেস করলেন। তখন যার পক্ষে তিনি এ ফায়সালা দিয়েছিলেন সেই বাদী ব্যক্তি দাঁড়িয়ে বললেন: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমার পক্ষে (গর্ভস্থ শিশুর ক্ষতিপূরণ বা দিয়াত স্বরূপ) একটি গোলাম অথবা বাঁদী প্রদানের ফায়সালা করেছেন। তিনি পুনরায় লোকদেরকে কসম দিয়ে জিজ্ঞেস করলেন। তখন যার বিপক্ষে তিনি এ ফায়সালা দিয়েছিলেন সেই বিবাদী ব্যক্তি দাঁড়িয়ে বললেন: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমার বিপক্ষে ’গুররাহ’ (গর্ভস্থ শিশুর ক্ষতিপূরণ বা দিয়াত) স্বরূপ একটি গোলাম অথবা বাঁদী প্রদানের ফায়সালা করেছেন। তখন আমি বলেছিলাম: আপনি আমার বিপক্ষে এমন একজনের বিষয়ে (ক্ষতিপূরণের) ফায়সালা দিলেন, যা খায়নি, পানও করেনি আবার কাঁন্নাকাটিও করেনি এবং কথাও বলেনি। বরং এ (দিয়াত) রহিত হওয়াই ছিল অধিকতর সঙ্গত। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁর হাতে থাকা কোনো একটি বস্তু তার দিকে ছুঁড়ে মারলেন এবং বললেন: এ কি কাব্য? (এ হাদীস শুনে) তখন উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বললেন: যদি আমার নিকট নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের এ ফায়সালা না পৌঁছতো, তবে আমি দুটি দিয়াতের মধ্য থেকে অবশ্যই একটি দিয়াতের ব্যবস্থা করতাম।[2]

[1] এখানে আরো একটি ক্রমিক নং (৬৫৭) বাদ পড়েছে। ফলে সবমিলিয়ে এ পর্যন্ত তিনটি সংখ্যা বাদ যাওয়ায় মুহাক্কিকের নুসখায় এটির নং হয়েছে ৬৬৮ যেখানে আমাদের অনুবাদে বাদ পড়া নং গুলো ঠিক করে এর নম্বর হয়েছে ৬৬৫।

 

[2] তাহক্বীক্ব: এর সনদ যয়ীফ, তবে হাদীসটি সহীহ। সহীহ বুখারী ও সহীহ মুসলিমের বর্ণিত হাদীস।

 

তাখরীজ: সহীহ বুখারী, ৭৩১৭, ৭৩১৮, ৬৯০৫, ৬৯০৭; সহীহ মুসলিম ১৬৮১-১৬৮৩। আমরা এর পূর্ণাঙ্গ তাখরীজ করেছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৬০১৬। এর শাহিদ হাদীস রয়েছে আবু হুরাইরা হতে যা সহীহ বুখারী ও মুসলিমে বর্ণিত হয়েছে। দেখুন আমার তাহক্বীক্বকৃত মুসনাদুল মাউসিলী নং ৫৯১৭ ও সহীহ ইবনু হিব্বান ৬০১৮, ৬০২০।

بَابُ الرَّجُلِ يُفْتِي بِشَيْءٍ، ثُمَّ يَبْلُغُهُ عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فَيَرْجِعُ إِلَى قَوْلِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ حُمَيْدٍ حَدَّثَنَا هَارُونُ بْنُ الْمُغِيرَةِ عَنْ عَنْبَسَةَ بْنِ سَعِيدٍ عَنْ خَالِدِ بْنِ زَيْدٍ الْأَنْصَارِيِّ عَنْ عَقَّارِ بْنِ الْمُغِيرَةِ بْنِ شُعْبَةَ عَنْ أَبِيهِ الْمُغِيرَةِ بْنِ شُعْبَةَ قَالَ نَشَدَ عُمَرُ النَّاسَ أَسَمِعَ مِنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَحَدٌ مِنْكُمْ فِي الْجَنِينِ فَقَامَ الْمُغِيرَةُ بْنُ شُعْبَةَ فَقَالَ قَضَى فِيهِ عَبْدًا أَوْ أَمَةً فَنَشَدَ النَّاسَ أَيْضًا فَقَامَ الْمَقْضِيُّ لَهُ فَقَالَ قَضَى النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لِي بِهِ عَبْدًا أَوْ أَمَةً فَنَشَدَ النَّاسَ أَيْضًا فَقَامَ الْمَقْضِيُّ عَلَيْهِ فَقَالَ قَضَى النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَلَيَّ غُرَّةً عَبْدًا أَوْ أَمَةً فَقُلْتُ أَتَقْضِي عَلَيَّ فِيهِ فِيمَا لَا أَكَلَ وَلَا شَرِبَ وَلَا اسْتَهَلَّ وَلَا نَطَقَ أَنْ تُطِلَّهُ فَهُوَ أَحَقُّ مَا يُطَلُّ فَهَمَّ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِلَيْهِ بِشَيْءٍ مَعَهُ فَقَالَ أَشِعْرٌ فَقَالَ عُمَرُ لَوْلَا مَا بَلَغَنِي مِنْ قَضَاءِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَجَعَلْتُهُ دِيَةً بَيْنَ دِيَتَيْنِ

 

الحديث صحيح متفق عليه

أخبرنا محمد بن حميد حدثنا هارون بن المغيرة عن عنبسة بن سعيد عن خالد بن زيد الأنصاري عن عقار بن المغيرة بن شعبة عن أبيه المغيرة بن شعبة قال نشد عمر الناس أسمع من النبي صلى الله عليه وسلم أحد منكم في الجنين فقام المغيرة بن شعبة فقال قضى فيه عبدا أو أمة فنشد الناس أيضا فقام المقضي له فقال قضى النبي صلى الله عليه وسلم لي به عبدا أو أمة فنشد الناس أيضا فقام المقضي عليه فقال قضى النبي صلى الله عليه وسلم علي غرة عبدا أو أمة فقلت أتقضي علي فيه فيما لا أكل ولا شرب ولا استهل ولا نطق أن تطله فهو أحق ما يطل فهم النبي صلى الله عليه وسلم إليه بشيء معه فقال أشعر فقال عمر لولا ما بلغني من قضاء النبي صلى الله عليه وسلم لجعلته دية بين ديتين الحديث صحيح متفق عليه

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ মুগীরা ইবনু শু’বা (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৬৬৬

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৫৪. কোনো লোক কোনো একটি বিষয়ে ফতোয়া দেয়ার পর তার নিকট নাবী (ﷺ) হতে (এর বিপরীত) হাদীস পৌঁছলে, তিনি নাবী (ﷺ) এর বাণীর দিকে প্রত্যাবর্তন করেন

৬৬৬. সালাম আউয়্যুব হতে উল্লেখ করতেন যে, তিনি বলেন: যদি তুমি তোমার শিক্ষকের দোষ-ত্রুটি জানতে চাও, তবে তিনি ব্যতীত অন্যদের সাথে বসো।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: আবু নুয়াইম, হিলইয়া ৩/৯ সহীহ সনদে; আবু যুর’আহ, তারীখ নং ২০৭২

بَابُ الرَّجُلِ يُفْتِي بِشَيْءٍ، ثُمَّ يَبْلُغُهُ عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فَيَرْجِعُ إِلَى قَوْلِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ

أَخْبَرَنَا سَعِيدُ بْنُ عَامِرٍ قَالَ كَانَ سَلَّامٌ يَذْكُرُ عَنْ أَيُّوبَ قَالَ إِذَا أَرَدْتَ أَنْ تَعْرِفَ خَطَأَ مُعَلِّمِكَ فَجَالِسْ غَيْرَهُ

إسناده صحيح

أخبرنا سعيد بن عامر قال كان سلام يذكر عن أيوب قال إذا أردت أن تعرف خطأ معلمك فجالس غيره إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ সালাম (রহঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৬৬৭

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৫৪. কোনো লোক কোনো একটি বিষয়ে ফতোয়া দেয়ার পর তার নিকট নাবী (ﷺ) হতে (এর বিপরীত) হাদীস পৌঁছলে, তিনি নাবী (ﷺ) এর বাণীর দিকে প্রত্যাবর্তন করেন

৬৬৭. আইয়্যুব বলেন: আমরা মক্কায় এক মৃতব্যক্তি সম্পর্কে আলোচনা করছিলাম। তখন আমি বললাম: এর (মৃতব্যক্তির) স্ত্রী যেদিন স্বামীর মৃত্যুর সংবাদ জানতে পারবে, সেদিন হতে তার ইদ্দত গণনা শুরু হবে। কারণ, হাসান, কাতাদাহ ও আমাদের সাথীরা সবাই এ মত পোষণ করেন। তারপর তালক ইবনু হাবীব আমার সাথে সাক্ষাৎ করে বললেন: আপনি আমাদের নিকট সম্মানিত ব্যক্তি এবং আপনি সেই শহরের বাসিন্দাদের অন্যতম, যাদের দিকে দ্রুত সকলের দৃষ্টি আকৃষ্ট হয়। এতদসত্ত্বেও আমি আপনার উপর নির্ভর করতে পারছি না। তিনি বললেন: আপনি এমন একটি কথা বললেন যা এ শহরাসীদের বক্তব্যের বিপরীত ফলে আমি (আপনার কথার উপর) নির্ভর করতে পারছি না। আমি বললাম: এ নিয়ে ইখতিলাফ রয়েছে কি? তিনি বলেন: হাঁ, তার (মহিলার) ইদ্দত শুরু হবে তার (স্বামীর) মৃত্যুর দিন থেকেই।

তখন আমি সাঈদ ইবনু জুবাইরের সাথে সাক্ষাৎ করে তাকে এটি জিজ্ঞেস করলাম। তিনি উত্তরে বলেন: তার (মহিলার) ইদ্দত শুরু হবে তার (স্বামীর) মৃত্যুর দিন থেকেই। আর আমি মুজাহিদকে জিজ্ঞেস করলাম। তিনি বললেন: তার (মহিলার) ইদ্দত শুরু হবে তার (স্বামীর) মৃত্যুর দিন থেকেই। আর আমি আতা ইবনু আবী রাবাহকে জিজ্ঞেস করলাম। তিনি বললেন: (মহিলার ইদ্দত শুরু হবে) তার (স্বামীর) মৃত্যুর দিন থেকেই। আর আমি আবু কিলাবাহকে জিজ্ঞেস করলাম। তিনি বললেন: (মহিলার ইদ্দত শুরু হবে) তার (স্বামীর) মৃত্যুর দিন থেকেই। আর আমি মুহাম্মদ ইবনু সীরীনকে জিজ্ঞেস করলাম। তিনি বললেন: (মহিলার ইদ্দত শুরু হবে) তার (স্বামীর) মৃত্যুর দিন থেকেই।

তিনি বলেন: আমাকে নাফি’ রাহি. বর্ণনা করেছেন: ইবনু উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা বলেছেন: (মহিলার ইদ্দত শুরু হবে) তার (স্বামীর) মৃত্যুর দিন থেকেই। আমি ইকরিমাহকে বলেতে শুনেছি, তিনি বলেন: (মহিলার ইদ্দত শুরু হবে) তার (স্বামীর) মৃত্যুর দিন থেকেই। তিনি বলেন: তিনি আরও বললেন: জাবির ইবনু যাইদ বলেন: (মহিলার ইদ্দত শুরু হবে) তার (স্বামীর) মৃত্যুর দিন থেকেই। তিনি বলেন: তিনি আরও বললেন: ইবনু আব্বাস রাদ্বিযাল্লাহু আনহুমা বলতেন: (মহিলার ইদ্দত শুরু হবে) তার (স্বামীর) মৃত্যুর দিন থেকেই। হাম্মাদ বলেন, আমি লাইছকে হাকাম থেকে হাদীস বর্ণনা করতে শুনেছি যে, আব্দুল্লাহ ইবনু মাসউদ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন: (মহিলার ইদ্দত শুরু হবে) তার (স্বামীর) মৃত্যুর দিন থেকেই। তিনি বলেন: আলীরাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন: (মহিলার ইদ্দত শুরু হবে) তার (স্বামীর) মৃত্যুর খবর তার নিকট পৌঁছানোর দিন থেকে।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।।

 

তাখরীজ: দেখুন, মুসান্নাফ ইবনু আবী শাইবা ৫/১৯৬-১৯৮; সুনান ইবনু মানসূর ১/২৮৮, ২৮৯; মুসান্নাফ আব্দুর রাযযাক ৬/৩২৭, ৩২৮, ৩২৯; সুনান বাইহাকী ৭/৪২৫, এখানে এটি অবিচ্ছিন্ন সনদে রয়েছে।

بَابُ الرَّجُلِ يُفْتِي بِشَيْءٍ، ثُمَّ يَبْلُغُهُ عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فَيَرْجِعُ إِلَى قَوْلِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ

أَخْبَرَنَا عَفَّانُ حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ حَدَّثَنَا أَيُّوبُ قَالَ تَذَاكَرْنَا بِمَكَّةَ الرَّجُلَ يَمُوتُ فَقُلْتُ عِدَّتُهَا مِنْ يَوْمِ يَأْتِيهَا الْخَبَرُ لِقَوْلِ الْحَسَنِ وَقَتَادَةَ وَأَصْحَابِنَا قَالَ فَلَقِيَنِي طَلْقُ بْنُ حَبِيبٍ الْعَنَزِيُّ فَقَالَ إِنَّكَ عَلَيَّ كَرِيمٌ وَإِنَّكَ مِنْ أَهْلِ بَلَدٍ الْعَيْنُ إِلَيْهِمْ سَرِيعَةٌ وَإِنِّي لَسْتُ آمَنُ عَلَيْكَ وَإِنَّكَ قُلْتَ قَوْلًا هَا هُنَا خِلَافَ قَوْلِ أَهْلِ الْبَلَدِ وَلَسْتُ آمَنُ فَقُلْتُ وَفِي ذَا اخْتِلَافٌ قَالَ نَعَمْ عِدَّتُهَا مِنْ يَوْمِ يَمُوتُ فَلَقِيتُ سَعِيدَ بْنَ جُبَيْرٍ فَسَأَلْتُهُ فَقَالَ عِدَّتُهَا مِنْ يَوْمِ تُوُفِّيَ قَالَ وَسَأَلْتُ مُجَاهِدًا فَقَالَ عِدَّتُهَا مِنْ يَوْمِ تُوُفِّيَ وَسَأَلْتُ عَطَاءَ بْنَ أَبِي رَبَاحٍ فَقَالَ مِنْ يَوْمِ تُوُفِّيَ وَسَأَلْتُ أَبَا قِلَابَةَ فَقَالَ مِنْ يَوْمِ تُوُفِّيَ وَسَأَلْتُ مُحَمَّدَ بْنَ سِيرِينَ فَقَالَ مِنْ يَوْمِ تُوُفِّيَ وَحَدَّثَنِي نَافِعٌ أَنَّ ابْنَ عُمَرَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا قَالَ مِنْ يَوْمِ تُوُفِّيَ وَسَمِعْت عِكْرِمَةَ يَقُولُ مِنْ يَوْمِ تُوُفِّيَ قَالَ وَقَالَ جَابِرُ بْنُ زَيْدٍ مِنْ يَوْمِ تُوُفِّيَ قَالَ وَكَانَ ابْنُ عَبَّاسٍ يَقُولُ مِنْ يَوْمِ تُوُفِّيَ قَالَ حَمَّادٌ وَسَمِعْتُ لَيْثًا حَدَّثَ عَنْ الْحَكَمِ أَنَّ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ مَسْعُودٍ قَالَ مِنْ يَوْمِ تُوُفِّيَ قَالَ تُوُفِّيَ عَلِيٌّ مِنْ يَوْمِ يَأْتِيهَا الْخَبَرُ قَالَ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ أَقُولُ مِنْ يَوْمِ تُوُفِّيَ

أخبرنا عفان حدثنا حماد بن زيد حدثنا أيوب قال تذاكرنا بمكة الرجل يموت فقلت عدتها من يوم يأتيها الخبر لقول الحسن وقتادة وأصحابنا قال فلقيني طلق بن حبيب العنزي فقال إنك علي كريم وإنك من أهل بلد العين إليهم سريعة وإني لست آمن عليك وإنك قلت قولا ها هنا خلاف قول أهل البلد ولست آمن فقلت وفي ذا اختلاف قال نعم عدتها من يوم يموت فلقيت سعيد بن جبير فسألته فقال عدتها من يوم توفي قال وسألت مجاهدا فقال عدتها من يوم توفي وسألت عطاء بن أبي رباح فقال من يوم توفي وسألت أبا قلابة فقال من يوم توفي وسألت محمد بن سيرين فقال من يوم توفي وحدثني نافع أن ابن عمر رضي الله عنهما قال من يوم توفي وسمعت عكرمة يقول من يوم توفي قال وقال جابر بن زيد من يوم توفي قال وكان ابن عباس يقول من يوم توفي قال حماد وسمعت ليثا حدث عن الحكم أن عبد الله بن مسعود قال من يوم توفي قال توفي علي من يوم يأتيها الخبر قال عبد الله بن عبد الرحمن أقول من يوم توفي

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আইয়ূব সিখতিয়ানী (রহঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৬৬৮

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৫৫. কোনো লোক কোনো একটি বিষয়ে ফতওয়া দেওয়ার পর তা পরিবর্তন করা প্রসঙ্গে

৬৬৮. ওয়াহাব ইবনু মুনাব্বিহ থেকে বর্ণিত, হাকাম ইবনু মাসউদ বলেন: “আমরা শরীকানা (ভাগাভাগি)-এর বিষয়ে উমর রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু’র নিকট এলাম। কিন্তু তিনি আমাদের মাঝে তা বন্টন করলেন না। অতঃপর পরবর্তী বছরেও আমরা বিষয়টি নিয়ে তাঁর নিকট এলে তিনি আমাদের মাঝে বন্টন করে দিলেন। তখন আমরা তাঁকে এ বিষয়ে জিজ্ঞেস করলে তিনি বললেন: সেটিও ছিল আমাদের রায় অনুযায়ী, এটিও আমাদের রায় অনুযায়ী।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ জাইয়্যেদ।

 

তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা, ১১/২৫৫ নং ১১১৪৪; বুখারী, আল কাবীর ২/৩৩১-৩৩২; ফাসাওয়ী, আল মা’রিফাতু ওয়াত তারীখ ২/২২৩; বাইহাকী, ৬/২৫৫; আব্দুর রাযযাক ১০/২৪৯ নং ১৯০০৫; দেখুন লীসানুল মীযান ২/৩৩৮-৩৩৯ ও সুনানে সাঈদ ইবনু মানসূর পৃ: ৫৭।

بَابُ الرَّجُلِ يُفْتِي بِالشَّيْءِ ثُمَّ يَرَى غَيْرَهُ

أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ حُمَيْدٍ حَدَّثَنَا ابْنُ الْمُبَارَكِ عَنْ مَعْمَرٍ عَنْ سِمَاكِ بْنِ الْفَضْلِ عَنْ وَهْبِ بْنِ مُنَبِّهٍ عَنْ الْحَكَمِ بْنِ مَسْعُودٍ قَالَ أَتَيْنَا عُمَرَ فِي الْمُشَرَّكَةِ فَلَمْ يُشَرِّكْ ثُمَّ أَتَيْنَاهُ الْعَامَ الْمُقْبِلَ فَشَرَّكَ فَقُلْنَا لَهُ فَقَالَ تِلْكَ عَلَى مَا قَضَيْنَا وَهَذِهِ عَلَى مَا قَضَيْنَا

إسناده جيد

أخبرنا أحمد بن حميد حدثنا ابن المبارك عن معمر عن سماك بن الفضل عن وهب بن منبه عن الحكم بن مسعود قال أتينا عمر في المشركة فلم يشرك ثم أتيناه العام المقبل فشرك فقلنا له فقال تلك على ما قضينا وهذه على ما قضينا إسناده جيد

 হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)  বর্ণনাকারীঃ ওয়াহাব ইবনু মুনাব্বিহ (রহঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৬৬৯

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৫৬. ইলমের মর্যাদা দান প্রসঙ্গে

৬৬৯. হাজ্জাজ আল আসওয়াদ বলেন, ইবনু মুনাব্বিহ বলেছেন: ইতিপূর্বে ইলমের অধিকারী ব্যক্তিবর্গ দুনিয়াদার লোকদেরকে তাদের ইলম প্রদান করতে কার্পণ্য করতেন। ফলে দুনিয়াদার লোকেরা তাদের (আহলে ইলমদের) ইলমের প্রতি আগ্রহী হতো। ফলে তারা তাদের দুনিয়া (এর মাল-সম্পদ) তাদের (আহলে ইলমদের) জন্য নিয়োজিত বা ব্যয় করতো। কিন্তু আজকের আহলে ইলম (ইলমের অধিকারীগণ) তাদের ইলমকে ‍দুনিয়াদারদের জন্যই নিয়োজিত করেছেন। এতে দুনিয়াদাররা তাদের (ইলমের অধিকারীগণ) ইলমের ব্যাপারে অনাগ্রহী হয়েছে। ফলে তারা তাদের দুনিয়া (এর ধন-সম্পদ) এদের (আহলে ইলমদের)কে প্রদান করতে কার্পণ্য করে।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ যয়ীফ বিচ্ছিন্নতার কারণে। হাজ্জাজ আল আসওয়াদ, আমাদের জানামতে, ওয়াহাবের সাক্ষাত পাননি। আল্লাহই ভাল জানেন।

 

তাখরীজ: মুহাক্বিক্ব এর কোন তাখরীজ করেননি- অনুবাদক।

بَابٌ: فِي إِعْظَامِ الْعِلْمِ

أَخْبَرَنَا يَعْقُوبُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ حَدَّثَنَا رَوْحٌ حَدَّثَنَا حَجَّاجٌ الْأَسْوَدُ قَالَ قَالَ ابْنُ مُنَبِّهٍ كَانَ أَهْلُ الْعِلْمِ فِيمَا مَضَى يَضَنُّونَ بِعِلْمِهِمْ عَنْ أَهْلِ الدُّنْيَا فَيَرْغَبُ أَهْلُ الدُّنْيَا فِي عِلْمِهِمْ فَيَبْذُلُونَ لَهُمْ دُنْيَاهُمْ وَإِنَّ أَهْلَ الْعِلْمِ الْيَوْمَ بَذَلُوا عِلْمَهُمْ لِأَهْلِ الدُّنْيَا فَزَهِدَ أَهْلُ الدُّنْيَا فِي عِلْمِهِمْ فَضَنُّوا عَلَيْهِمْ بِدُنْيَاهُمْ

 

إسناده ضعيف لانقطاعه: حجاج الأسود لم يدرك وهبا فيما نعلم والله أعلم

أخبرنا يعقوب بن إبراهيم حدثنا روح حدثنا حجاج الأسود قال قال ابن منبه كان أهل العلم فيما مضى يضنون بعلمهم عن أهل الدنيا فيرغب أهل الدنيا في علمهم فيبذلون لهم دنياهم وإن أهل العلم اليوم بذلوا علمهم لأهل الدنيا فزهد أهل الدنيا في علمهم فضنوا عليهم بدنياهم إسناده ضعيف لانقطاعه: حجاج الأسود لم يدرك وهبا فيما نعلم والله أعلم

 হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai’f)  বর্ণনাকারীঃ হাজ্জাজ আল আসওয়াদ (রহঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৬৭০

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৫৬. ইলমের মর্যাদা দান প্রসঙ্গে

৬৭০. দাহহাক ইবনু মুসা বলেন: সুলায়মান ইবনু আব্দুল মালেক মক্কার উদ্দেশ্যে যাওয়ার পথে মদীনা অতিক্রম করছিলেন। সেখানে তিনি কয়েকদিন অবস্থান করেন। তখন তিনি বলেন, মদীনাতে এমন কেউ আছেন কি যিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কোনো সাহাবীর সাক্ষাৎ লাভ করেছেন? তখন লোকেরা তাকে বলল, আবু হাযিম রয়েছেন। তখন তিনি তার নিকট লোক পাঠালেন। আর যখন তিনি তার কাছে এলেন, তিনি তাকে বললেন: হে আবু হাযিম, (আপনার) এই কঠোরতার কারণ কী? আবু হাযিম বলেন: হে আমীরুল মু’মিনীন! আপনি আমার পক্ষ থেকে কী কঠোরতা দেখলেন? তিনি বললেন: আমার নিকট মদীনার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ সকলেই এলো, কিন্তু আপনি এলেন না।

তিনি বললেন: হে আমীরুল মু’মিনীন! আমি আল্লাহর নিকট আপনার থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করছি যে, যা হয়নি আপনি তা বলবেন। আজকের আগে আপনি আমাকে চিনতেন না, আর আমিও আপনাকে দেখিনি।

বর্ণনাকারী বলেন: এরপর সুলায়মান মুহাম্মদ ইবনু শিহাব যুহরী রাহ. দিকে ফিরে বললেন: এ শাইখ ঠিকই বলেছেন, আমিই ভুল করেছি। সুলায়মান বলেন: হে আবু হাযিম, আমাদের কী হলো যে, আমরা মৃত্যুকে অপছন্দ করছি? তিনি জবাবে বলেন: আপনারা আখিরাতকে বরবাদ বা শূন্য করে দিচ্ছেন এবং দুনিয়াকে আবাদ বা সমৃদ্ধ করছেন। ফলে সমৃদ্ধ (দুনিয়া) হতে বিরাণ বা শূন্য (আখিরাতে)’র দিকে স্থানান্তরিত হতে আপনারা অপছন্দ করছেন।

তিনি (সুলাইমান) বললেন: আপনি ঠিকই বলেছেন, হে আবু হাযিম। তাহলে আমরা আগামীকাল কিভাবে আল্লাহর সামনে যাবো? তিনি বললেন: মুহসিন বা নেককার ব্যক্তিগণ ঠিকমতোই উপস্থিত হবেন, যেভাবে অনুপস্থিত ব্যক্তি তার পরিবারের নিকট উপস্থিত হয়। আর খারাপ লোকেরা সেভাবেই যাবে, যেভাবে পলায়নকারী গোলাম তার মনিবের নিকট (লাঞ্ছিত ও ভীত সন্ত্রস্ত অবস্থায়) উপস্থিত হয়।

তখন সুলাইমান কাঁদতে লাগলেন। এরপর বললেন: হায়! আমি যদি জানতে পারতাম আল্লাহর নিকট আমাদের জন্য কী রয়েছে! তিনি বললেন: আল্লাহর কিতাবের সামনে আপনার আমলকে উপস্থাপন করুন (মিলিয়ে দেখুন)। তিনি (সুলাইমান) বলেন: আমি এটি (কুরআনে) কোন্ স্থানে পাব? তিনি (আবু হাযিম) বলেন: “

إِنَّ الْأَبْرَارَ لَفِي نَعِيمٍ وَإِنَّ الْفُجَّارَ لَفِي جَحِيمٍ

অর্থ: নিশ্চয় নেককারগণ জান্নাতে এবং পাপীগণ জাহান্নামে থাকবে।” –সূরা ইনফিতার: ১৩।

সুলাইমান বলেন: হে আবু হাযিম! তাহলে আল্লাহর রহমত কোথায়? আবু হাযিম তিলাওয়াত করলেন:

رَحْمَةَ اللَّهِ قَرِيبٌ مِنْ الْمُحْسِنِينَ

অর্থ:আল্লাহর রহমত নেককারগণের অতি নিকটবর্তী ।” সূরা আ’রাফ: ৫৬।

সুলাইমান তাকে বললেন: হে আবু হাযিম! আল্লাহর কোন্ বান্দা সবচেয়ে সম্মানিত? তিনি বলেন: মানবতা ও বিচক্ষণতার অধিকারী ব্যক্তিগণ। সুলাইমান তাকে বললেন: হে আবু হাযিম! কোন্ আমল সবচেয়ে উত্তম? আবু হাযিম বলেন: হারাম কাজসমূহ পরিত্যাগ করার সাথে সাথে ফরয ইবাদতসমূহ পালন করা। সুলাইমান তাকে বললেন: কোন্ দো’আ সর্বাধিক কবুল হয়? আবু হাযিম বলেন: যাকে ইহসান করা হয়, ইহসানকারীর জন্য তার দু’আ। তিনি বলেন: তারপর কোন্ সাদাকাহ বা দান সর্বোত্তম? তিনি (আবু হাযিম) বলেন: বিপদগ্রস্ত যাচ্ণাকারীকে করা দান এবং দরিদ্র-অভাবী পরিশ্রমের (উপার্জন হতে কৃত দান) যাতে কোনো খোঁটা ও কষ্ট প্রদান করা হয় নাই। তিনি বলেন: সবচেয়ে ন্যায্য কথা কোনটি? তিনি বলেন: সে যাকে ভয় করে এবং সে যার নিকট কিছু আশা করে- এমন লোকের সামনে ন্যায়সঙ্গত কথা বলা। তিনি বলেন: আর কোন্ মু’মিন সবচেয়ে বুদ্ধিমান? তিনি (আবু হাযিম) বলেন: এমন লোক যে আল্লাহর আনুগত্যমূলক কাজ করে এবং লোকদেরকে সে কাজের দিকে আহবান করে।

তিনি বলেন: কোন্ মু’মিন সর্বাধিক বোকা? তিনি বলেন: এমন লোক যে তার জালিম ভাইয়ের (কু-)প্রবৃত্তিতে অংশগ্রহণ করে। ফলে সে অপরের দুনিয়ার বিনিময়ে নিজের আখেরাতকে বিক্রয় করে দেয়। সুলাইমান তাকে বললেন: আপনি ঠিকই বলেছেন। তাহলে আমরা যে অবস্থায় রয়েছি, সে ব্যাপারে আপনি কী বলেন? তিনি বললেন: হে আমীরুল মু’মিনীন! আপনি আমাকে মাফ করবেন কি? সুলাইমান তাকে বললেন: না, তবে আপনি আমাকে নসীহত করুন। তিনি বললেন: হে আমীরুল মু’মিনীন! আপনার বাপ-দাদা তলোয়ার দিয়ে লোকদেরকে বশীভূত করেছেন। আর এ রাজ্য মুসলিমগণের সাথে পরামর্শ ছাড়াই জোরপূর্বক দখল করেছেন এবং তারা এতে সন্তুষ্ট ছিল না। এমনকি তারা তাদেরকে ব্যাপক আকারে হত্যা করেছেন। এরপর তারা গত হয়েছেন। আর আপনার জানা আছে, তারা কী বলেছে এবং তাদেরকে কী বলা হয়েছে? তখন মাজলিসে উপবিষ্ট লোকদের মধ্যেকার এক ব্যক্তি বলে উঠলো: হে আবু হাযিম, আপনি যা বললেন, তা কতই না মন্দ! আবু হাযিম বললেন: তুমি মিথ্যাচার করছো। আল্লাহ আলিমগণের নিকট থেকে এ অঙ্গীকার নিয়েছেন, যে তারা যেন অবশ্যই লোকদেরকে সবকিছু জানিয়ে দেয়, আর কোনো কিছু গোপন না করে। সুলাইমান তাকে বললেন: তাহলে এখন আমরা কিভাবে সংশোধিত হতে পারি? তিনি (আবু হাযিম) বলেন: আপনারা গর্ব-অহংকার পরিত্যাগ করুন এবং মানবিকতাকে আঁকড়ে ধরুন এবং (লোকদের মাঝে) সমানভাবে বণ্টন করুন।

সুলাইমান তাকে বললেন: (লোকদের নিকট থেকে আমাদের কর) গ্রহণ করার ত্রুটি কেমন? তিনি (আবু হাযিম) বলেন: এর হালালকে গ্রহণ করুন এবং যথাযোগ্য পাত্রে তা খরচ করুন। সুলাইমান তাকে বললেন: হে আবু হাযিম, আপনি কি আমাদেরকে সঙ্গ দান করবেন, যাতে আমরা আপনার নিকট থেকে কিছু লাভ করতে পারি এবং আপনিও আমাদের নিকট হতে কিছু লাভ করতে পারি। তিনি বলেন: আউযুবিল্লাহ (তা থেকে আমি আল্লাহর আশ্রয় চাচ্ছি)! সুলাইমান তাকে বললেন: তা কেন? তিনি বলেন: আমার ভয় হয়, যদি আমি যদি আপনাদের দিকে সামান্যও ঝুঁকে যাই, হয়তো আল্লাহ আমাকে জীবন ও মৃত্যুতে দ্বিগুণ (শাস্তির) স্বাদ আস্বাদন করাবেন। সুলাইমান তাকে বললেন: আপনি আমাদের নিকট আপনার প্রয়োজনসমূহ বলুন। তিনি বলেন: আপনি আমাকে জাহান্নাম হতে মুক্তি দিন এবং আমাকে জান্নাতে প্রবেশ করিয়ে দিন। সুলাইমান বলেন: তা আমার আয়ত্বে নেই। আবু হাযিম বলেন: তাহলে এছাড়া আপনার নিকট আমার আর কোনো প্রয়োজন নেই।

তিনি বলেন: আমার জন্য আপনি দো’আ করুন। আবু হাযিম বলেন: হে আল্লাহ, সুলাইমান যদি আপনার বন্ধু হয়ে থাকে, তবে দুনিয়া ও আখিরাতের সকল কল্যাণ লাভ তার জন্য সহজ করে দিন। আর যদি সে আপনার শত্রু হয়ে থাকে, তাকে তার কপালের চুল ধরে আপনি যা পছন্দ করেন এবং যাতে সন্তুষ্ট হন, সেদিকে ফিরিয়ে দিন। সুলাইমান বললেন: ব্যস! আর নয়। আবু হাযিম বলেন: আমি সংক্ষেপ করেছি অথচ অনেক বেশিও করে ফেলেছি, অবশ্য যদি আপনি এর উপযুক্ত হন। আর আপনি যদি এর উপযুক্ত না হন, তবে যে ধনুকের ছিলা নেই, তা থেকে তীর নিক্ষেপ করাতে আমার কী লাভ হবে?

সুলাইমান তাকে বললেন: আপনি আমাকে উপদেশ দিন। আবু হাযিম বলেন: আমি আপনাকে উপদেশ দিচ্ছি এবং সংক্ষেপ করছি: আপনি আপনার রবের মহত্ব-বড়ত্ব প্রচার করুন এবং তিনি আপনাকে যে স্থানে থাকতে নিষেধ করেছেন, সেখানে আপনাকে দেখা হতে তাকে মুক্ত রাখুন (সে স্থান হতে আপনি দূরে থাকুন)। অথবা, তিনি যা করতে আদেশ করেছেন, সেই সকল স্থানে তিনি যেন আপনাকে অনুপস্থিত না পান।

এরপর যখন তার নিকট থেকে তিনি চলে গেলেন, তারপর তিনি তার নিকট একশ’ দীনার পাঠিয়ে দিলেন। আর তার নিকট লিখে পাঠালেন: আপনি এ থেকে ব্যয় করুন। আর আপনার জন্য আমার নিকট এরূপ আরো অনেক রয়েছে।

তিনি (রাবী) বলেন: কিন্তু তিনি তার নিকট তা ফেরত দিলেন এবং লিখে পাঠালেন: হে আমীরুল মু’মিনীন, আমি আপনার থেকে আল্লাহর আশ্রয় চাচ্ছি তামাশা স্বরূপ একমাত্র আমাকেই আপনার প্রশ্ন করা হতে কিংবা আপনার নিকট দান স্বরূপ আমার (এ অর্থ) ফিরিয়ে দেয়া হতে । আর যা আমি আপনার জন্যই পছন্দ করিনা, তা আমার নিজের জন্য কিভাবে পছন্দ করতে পারি?

তিনি তার নিকট আরও লিখেছিলেন: মূসা ইবনু ইমরান যখন মাদায়েনে পানির কুপের নিকট পৌঁছলেন, তখন একদল রাখালকে তাদের জন্তুদের পানি পান করাতে দেখলেন এবং তারা ছাড়াও তিনি দু’জন বালিকাকে দেখলেন তাদের পশুগুলোকে থামিয়ে রাখছে। তখন তিনি তাদের দু’জনকে জিজ্ঞাসা করলেন, তখন তারা জবাবে বললেন:

لَا نَسْقِي حَتَّى يُصْدِرَ الرِّعَاءُ وَأَبُونَا شَيْخٌ كَبِيرٌ فَسَقَى لَهُمَا ثُمَّ تَوَلَّى إِلَى الظِّلِّ فَقَالَ رَبِّ إِنِّي لِمَا أَنْزَلْتَ إِلَيَّ مِنْ خَيْرٍ فَقِيرٌ

অর্থ: রাখালরা চলে না যাওয়া পর্যন্ত আমরা আমাদের পশুদেরকে পানি পান করাতে পারিনা। আমাদের পিতা অত্যন্ত বৃদ্ধ। তখন তিনি তাদের জানোয়ারগুলিকে পানি পান করালেন। অতঃপর গাছের ছায়ার নীচে আশ্রয় গ্রহণ করলেন এবং বললেন: হে আমার প্রতিপালক। আপনি আমার প্রতি যে অনুগ্রহই করবেন, আমি তারই মুখাপেক্ষী।” সূরা ক্বসাস: ২৩-২৪।

এর কারণ হলো যে, তিনি ছিলেন ক্ষুধার্ত, ভীত এবং অনিরাপদ। তাই তিনি তার প্রতিপালকের নিকট চেয়েছিলেন, আর তিনি মানুষের কাছে চাননি। আর রাখালরা বুঝতে পারেনি, কিন্তু বালিকা দু’টি বুঝতে পেরেছিল। ফলে যখন তারা তাদের পিতার নিকট ফিরে এলো, তখন তারা দু’জন তাকে এ ঘটনা ও তাঁর কথা জানালো। তখন তাদের পিতা -যিনি ছিলেন শুয়াইব আ:, তিনি বললেন: এ লোকটি তো ক্ষুধার্ত। তিনি তাদের একজনকে বললেন: যাও, তাকে ডেকে নিয়ে আস। আর যখন সে তার নিকট আসল, তখন সে তার মুখ ঢেকে তাঁকে যথাযথ সম্মানের সাথে বললো:

(إِنَّ أَبِي يَدْعُوكَ لِيَجْزِيَكَ أَجْرَ مَا سَقَيْتَ لَنَا)

অর্থ: “আমার পিতা আপনাকে ডেকেছেন কারণ আপনি আমাদের (পশুগুলি)কে পানি পান করিয়েছেন, তার বিনিময় দানের জন্য।” [সূরা ক্বসাস: ২৫]।

সে যখন উল্লেখ করল যে, আপনি আমাদের পশুকে যে পান করিয়েছেন, তা বিনিময় দেবেন,- এ কথাটি মূসা আ: এর উপর অত্যন্ত কষ্টকর বোধ হলো। কিন্তু তিনি তাকে অনুসরণ করা ব্যতীত আর কোনো উপায় খুঁজে পেলেন না। কারণ, তিনি এ পাহাড়ী এলাকার মাঝে একজন ক্ষুধার্ত আপনজনহীন ব্যক্তি। ফলে যখন তিনি তার অনুসরণ করলেন, তখন (সজোরে) বাতাস প্রবাহিত হচ্ছিল ফলে তার কাপড় তার পিছনে আছড়ে পড়ছিল। আর তার নিতম্ব তাঁর দৃষ্টিগোচর হচ্ছিল। আর সে ছিল উঁচু নিতম্ব বিশিষ্টা। ফলে মূসা আ: একবার মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছিলেন, আরেকবার দৃষ্টি নিচু করে ফেলছিলেন। এভাবে (একসময়) যখন তিনি ধৈর্য্য হারিয়ে ফেললেন, তখন বললেন, হে আল্লাহর বান্দী! আমার পিছনে পিছনে চলো এবং পেছন থেকে আমাকে রাস্তা বলে দাও।

অতঃপর যখন তিনি শুয়াইব আ:-এর নিকট উপস্থিত হলেন, তখন তিনি রাতের খাবার প্রস্তুত করছিলেন। তখন শুয়াইব তাঁকে বললেন: হে যুবক! বসে পড়ো এবং তিনি তাকে রাতের খাবার পরিবেশন করলেন।

তখন মূসা আ: তাঁকে বললেন: আউযুবিল্লাহ! তখন শুয়াইব তাঁকে বললেন: কেন? তুমি কি ক্ষুধার্ত নও? তিনি বললেন: অবশ্যই। কিন্তু আমার ভয় হয় যে, আমি যে তাদের পশুকে পানি করিয়েছিলাম, এ খাবার তার বিনিময় হয়ে যাচ্ছে। আর আমি হলো সেই বংশের সন্তান যে, আমরা দুনিয়া ভর্তি সোনার বিনিময়েও আমাদের দীনের সামান্য অংশও বিক্রয় করি না।

তখন শুয়াইব আ: তাঁকে বললেন: না, হে যুবক (এটি কোনো বিনিময় নয়)। তবে এটি আমার এবং আমার পূর্বপুরুষদের রীতি যে, আমরা মেহমানদের আপ্যায়ন করি এবং তাদেরকে খাদ্য খাওয়াই। তখন মূসা আ: বসে গেলেন এবং খাবার খেলেন।’ (আবু হাযিম বললেন:) আমি আপনাকে যা বলেছি, এই একশ দীনার যদি তার বিনিময় হয়, তবে অপারগ অবস্থায় মৃত জন্তু, রক্ত এবং শুকরের মাংশ এর চেয়েও অধিক হালাল। আর এটা যদি বায়তুল মালের (রাষ্ট্রীয় কোষাগারের) থেকে গৃহীত হয়, তবে আমার জন্য এটি বিতর্কিত জিনিস। অবশ্য যদি আপনি আমাদের মাঝে সমতা বিধান করতে পারেন (তবে সেটি ভিন্ন কথা)। তা না হলে আমার এর কোনো প্রয়োজন নেই।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ ধারাবাহিকভাবে অজ্ঞাত রাবী দ্বারা বর্ণিত। মুহাম্মদ ইবনু উমার, আলী ইবনু ওয়াহহাব এবং দাহহাক ইবনু মূসা- এদের একজনের জীবনীও আমি খুঁজে পাইনি।

 

তাখরীজ: আবু নুয়াইম, হিলইয়া ৩/২৩৪-২৩৭।

بَابٌ: فِي إِعْظَامِ الْعِلْمِ

أَخْبَرَنَا يَعْقُوبُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عُمَرَ بْنِ الْكُمَيْتِ حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ وَهْبٍ الْهَمْدَانِيُّ حَدَّثَنَا الضَّحَّاكُ بْنُ مُوسَى قَالَ مَرَّ سُلَيْمَانُ بْنُ عَبْدِ الْمَلِكِ بِالْمَدِينَةِ وَهُوَ يُرِيدُ مَكَّةَ فَأَقَامَ بِهَا أَيَّامًا فَقَالَ هَلْ بِالْمَدِينَةِ أَحَدٌ أَدْرَكَ أَحَدًا مِنْ أَصْحَابِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالُوا لَهُ أَبُو حَازِمٍ يَا أَمِيرَ الْمُؤْمِنِينَ فَأَرْسَلَ إِلَيْهِ فَلَمَّا دَخَلَ عَلَيْهِ قَالَ لَهُ يَا أَبَا حَازِمٍ مَا هَذَا الْجَفَاءُ قَالَ أَبُو حَازِمٍ يَا أَمِيرَ الْمُؤْمِنِينَ وَأَيُّ جَفَاءٍ رَأَيْتَ مِنِّي قَالَ أَتَانِي وُجُوهُ أَهْلِ الْمَدِينَةِ وَلَمْ تَأْتِنِي قَالَ يَا أَمِيرَ الْمُؤْمِنِينَ أُعِيذُكَ بِاللَّهِ أَنْ تَقُولَ مَا لَمْ يَكُنْ مَا عَرَفْتَنِي قَبْلَ هَذَا الْيَوْمِ وَلَا أَنَا رَأَيْتُكَقَالَ فَالْتَفَتَ سُلَيْمَانُ إِلَى مُحَمَّدِ بْنِ شِهَابٍ الزُّهْرِيِّ فَقَالَ أَصَابَ الشَّيْخُ وَأَخْطَأْتُ قَالَ سُلَيْمَانُ يَا أَبَا حَازِمٍ مَا لَنَا نَكْرَهُ الْمَوْتَ قَالَ لِأَنَّكُمْ أَخْرَبْتُمْ الْآخِرَةَ وَعَمَّرْتُمْ الدُّنْيَا فَكَرِهْتُمْ أَنْ تُنْقَلُوا مِنْ الْعُمْرَانِ إِلَى الْخَرَابِ قَالَ أَصَبْتَ يَا أَبَا حَازِمٍ فَكَيْفَ الْقُدُومُ غَدًا عَلَى اللَّهِ قَالَ أَمَّا الْمُحْسِنُ فَكَالْغَائِبِ يَقْدُمُ عَلَى أَهْلِهِ وَأَمَّا الْمُسِيءُ فَكَالْآبِقِ يَقْدُمُ عَلَى مَوْلَاهُ فَبَكَى سُلَيْمَانُ وَقَالَ لَيْتَ شِعْرِي مَا لَنَا عِنْدَ اللَّهِ قَالَ اعْرِضْ عَمَلَكَ عَلَى كِتَابِ اللَّهِ قَالَ وَأَيُّ مَكَانٍ أَجِدُهُ قَالَ إِنَّ الْأَبْرَارَ لَفِي نَعِيمٍ وَإِنَّ الْفُجَّارَ لَفِي جَحِيمٍ قَالَ سُلَيْمَانُ فَأَيْنَ رَحْمَةُ اللَّهِ يَا أَبَا حَازِمٍ قَالَ أَبُو حَازِمٍ رَحْمَةَ اللَّهِ قَرِيبٌ مِنْ الْمُحْسِنِينَ قَالَ لَهُ سُلَيْمَانُ يَا أَبَا حَازِمٍ فَأَيُّ عِبَادِ اللَّهِ أَكْرَمُ قَالَ أُولُو الْمُرُوءَةِ وَالنُّهَى قَالَ لَهُ سُلَيْمَانُ فَأَيُّ الْأَعْمَالِ أَفْضَلُ قَالَ أَبُو حَازِمٍ أَدَاءُ الْفَرَائِضِ مَعَ اجْتِنَابِ الْمَحَارِمِ قَالَ سُلَيْمَانُ فَأَيُّ الدُّعَاءِ أَسْمَعُ قَالَ أَبُو حَازِمٍ دُعَاءُ الْمُحْسَنِ إِلَيْهِ لِلْمُحْسِنِ قَالَ فَأَيُّ الصَّدَقَةِ أَفْضَلُ قَالَ لِلسَّائِلِ الْبَائِسِ وَجُهْدُ الْمُقِلِّ لَيْسَ فِيهَا مَنٌّ وَلَا أَذًى قَالَ فَأَيُّ الْقَوْلِ أَعْدَلُ قَالَ قَوْلُ الْحَقِّ عِنْدَ مَنْ تَخَافُهُ أَوْ تَرْجُوهُ قَالَ فَأَيُّ الْمُؤْمِنِينَ أَكْيَسُ قَالَ رَجُلٌ عَمِلَ بِطَاعَةِ اللَّهِ وَدَلَّ النَّاسَ عَلَيْهَا قَالَ فَأَيُّ الْمُؤْمِنِينَ أَحْمَقُ قَالَ رَجُلٌ انْحَطَّ فِي هَوَى أَخِيهِ وَهُوَ ظَالِمٌ فَبَاعَ آخِرَتَهُ بِدُنْيَا غَيْرِهِ قَالَ لَهُ سُلَيْمَانُ أَصَبْتَ فَمَا تَقُولُ فِيمَا نَحْنُ فِيهِ قَالَ يَا أَمِيرَ الْمُؤْمِنِينَ أَوَ تُعْفِينِي قَالَ لَهُ سُلَيْمَانُ لَا وَلَكِنْ نَصِيحَةٌ تُلْقِيهَا إِلَيَّ قَالَ يَا أَمِيرَ الْمُؤْمِنِينَ إِنَّ آبَاءَكَ قَهَرُوا النَّاسَ بِالسَّيْفِ وَأَخَذُوا هَذَا الْمُلْكَ عَنْوَةً عَلَى غَيْرِ مَشُورَةٍ مِنْ الْمُسْلِمِينَ وَلَا رِضَاهُمْ حَتَّى قَتَلُوا مِنْهُمْ مَقْتَلَةً عَظِيمَةً فَقَدْ ارْتَحَلُوا عَنْهَا فَلَوْ أُشْعِرْتَ مَا قَالُوا وَمَا قِيلَ لَهُمْ فَقَالَ لَهُ رَجُلٌ مِنْ جُلَسَائِهِ بِئْسَ مَا قُلْتَ يَا أَبَا حَازِمٍ قَالَ أَبُو حَازِمٍ كَذَبْتَ إِنَّ اللَّهَ أَخَذَ مِيثَاقَ الْعُلَمَاءِ لَيُبَيِّنُنَّهُ لِلنَّاسِ وَلَا يَكْتُمُونَهُ قَالَ لَهُ سُلَيْمَانُ فَكَيْفَ لَنَا أَنْ نُصْلِحَ قَالَ تَدَعُونَ الصَّلَفَ وَتَمَسَّكُونَ بِالْمُرُوءَةِ وَتَقْسِمُونَ بِالسَّوِيَّةِ قَالَ لَهُ سُلَيْمَانُ كَيْفَ لَنَا بِالْمَأْخَذِ بِهِ قَالَ أَبُو حَاَزِمٍ تَأْخُذُهُ مِنْ حِلِّهِ وَتَضَعُهُ فِي أَهْلِهِ قَالَ لَهُ سُلَيْمَانُ هَلْ لَكَ يَا أَبَا حَازِمٍ أَنْ تَصْحَبَنَا فَتُصِيبَ مِنَّا وَنُصِيبَ مِنْكَ قَالَ أَعُوذُ بِاللَّهِ قَالَ لَهُ سُلَيْمَانُ وَلِمَ ذَاكَ قَالَ أَخْشَى أَنْ أَرْكَنَ إِلَيْكُمْ شَيْئًا قَلِيلًا فَيُذِيقَنِي اللَّهُ ضِعْفَ الْحَيَاةِ وَضِعْفَ الْمَمَاتِ قَالَ لَهُ سُلَيْمَانُ ارْفَعْ إِلَيْنَا حَوَائِجَكَ قَالَ تُنْجِينِي مِنْ النَّارِ وَتُدْخِلُنِي الْجَنَّةَ قَالَ سُلَيْمَانُ لَيْسَ ذَاكَ إِلَيَّ قَالَ أَبُو حَازِمٍ فَمَا لِي إِلَيْكَ حَاجَةٌ غَيْرُهَا قَالَ فَادْعُ لِي قَالَ أَبُو حَازِمٍ اللَّهُمَّ إِنْ كَانَ سُلَيْمَانُ وَلِيَّكَ فَيَسِّرْهُ لِخَيْرِ الدُّنْيَا وَالْآخِرَةِ وَإِنْ كَانَ عَدُوَّكَ فَخُذْ بِنَاصِيَتِهِ إِلَى مَا تُحِبُّ وَتَرْضَى قَالَ لَهُ سُلَيْمَانُ قَطُّ قَالَ أَبُو حَازِمٍ قَدْ أَوْجَزْتُ وَأَكْثَرْتُ إِنْ كُنْتَ مِنْ أَهْلِهِ وَإِنْ لَمْ تَكُنْ مِنْ أَهْلِهِ فَمَا يَنْفَعُنِي أَنْ أَرْمِيَ عَنْ قَوْسٍ لَيْسَ لَهَا وَتَرٌ قَالَ لَهُ سُلَيْمَانُ أَوْصِنِي قَالَ سَأُوصِيكَ وَأُوجِزُ عَظِّمْ رَبَّكَ وَنَزِّهْهُ أَنْ يَرَاكَ حَيْثُ نَهَاكَ أَوْ يَفْقِدَكَ حَيْثُ أَمَرَكَ فَلَمَّا خَرَجَ مِنْ عِنْدِهِ بَعَثَ إِلَيْهِ بِمِائَةِ دِينَارٍ وَكَتَبَ إِلَيْهِ أَنْ أَنْفِقْهَا وَلَكَ عِنْدِي مِثْلُهَا كَثِيرٌ قَالَ فَرَدَّهَا عَلَيْهِ وَكَتَبَ إِلَيْهِ يَا أَمِيرَ الْمُؤْمِنِينَ أُعِيذُكَ بِاللَّهِ أَنْ يَكُونَ سُؤَالُكَ إِيَّايَ هَزْلًا أَوْ رَدِّي عَلَيْكَ بَذْلًا وَمَا أَرْضَاهَا لَكَ فَكَيْفَ أَرْضَاهَا لِنَفْسِي وَكَتَبَ إِلَيْهِ إِنَّ مُوسَى بْنَ عِمْرَانَ لَمَّا وَرَدَ مَاءَ مَدْيَنَ وَجَدَ عَلَيْهَا رِعَاءً يَسْقُونَ وَوَجَدَ مِنْ دُونِهِمْ جَارِيَتَيْنِ تَذُودَانِ فَسَأَلَهُمَا فَقَالَتَا لَا نَسْقِي حَتَّى يُصْدِرَ الرِّعَاءُ وَأَبُونَا شَيْخٌ كَبِيرٌ فَسَقَى لَهُمَا ثُمَّ تَوَلَّى إِلَى الظِّلِّ فَقَالَ رَبِّ إِنِّي لِمَا أَنْزَلْتَ إِلَيَّ مِنْ خَيْرٍ فَقِيرٌ وَذَلِكَ أَنَّهُ كَانَ جَائِعًا خَائِفًا لَا يَأْمَنُ فَسَأَلَ رَبَّهُ وَلَمْ يَسْأَلْ النَّاسَ فَلَمْ يَفْطِنْ الرِّعَاءُ وَفَطِنَتْ الْجَارِيتَانِ فَلَمَّا رَجَعَتَا إِلَى أَبِيهِمَا أَخْبَرَتَاهُ بِالْقِصَّةِ وَبِقَوْلِهِ فَقَالَ أَبُوهُمَا وَهُوَ شُعَيْبٌ هَذَا رَجُلٌ جَائِعٌ فَقَالَ لِإِحْدَاهُمَا اذْهَبِي فَادْعِيهِ فَلَمَّا أَتَتْهُ عَظَّمَتْهُ وَغَطَّتْ وَجْهَهَا وَقَالَتْ إِنَّ أَبِي يَدْعُوكَ لِيَجْزِيَكَ أَجْرَ مَا سَقَيْتَ لَنَا فَشَقَّ عَلَى مُوسَى حِينَ ذَكَرَتْ أَجْرَ مَا سَقَيْتَ لَنَا وَلَمْ يَجِدْ بُدًّا مِنْ أَنْ يَتْبَعَهَا إِنَّهُ كَانَ بَيْنَ الْجِبَالِ جَائِعًا مُسْتَوْحِشًا فَلَمَّا تَبِعَهَا هَبَّتْ الرِّيحُ فَجَعَلَتْ تَصْفِقُ ثِيَابَهَا عَلَى ظَهْرِهَا فَتَصِفُ لَهُ عَجِيزَتَهَا وَكَانَتْ ذَاتَ عَجُزٍ وَجَعَلَ مُوسَى يُعْرِضُ مَرَّةً وَيَغُضُّ أُخْرَى فَلَمَّا عِيلَ صَبْرُهُ نَادَاهَا يَا أَمَةَ اللَّهِ كُونِي خَلْفِي وَأَرِينِي السَّمْتَ بِقَوْلِكِ ذَا فَلَمَّا دَخَلَ عَلَىشُعَيْبٍ إِذَا هُوَ بِالْعَشَاءِ مُهَيَّأً فَقَالَ لَهُ شُعَيْبٌ اجْلِسْ يَا شَابُّ فَتَعَشَّ فَقَالَ لَهُ مُوسَى أَعُوذُ بِاللَّهِ فَقَالَ لَهُ شُعَيْبٌ لِمَ أَمَا أَنْتَ جَائِعٌ قَالَ بَلَى وَلَكِنِّي أَخَافُ أَنْ يَكُونَ هَذَا عِوَضًا لِمَا سَقَيْتُ لَهُمَا وَإِنَّا مِنْ أَهْلِ بَيْتٍ لَا نَبِيعُ شَيْئًا مِنْ دِينِنَا بِمِلْءِ الْأَرْضِ ذَهَبًا فَقَالَ لَهُ شُعَيْبٌ لَا يَا شَابُّ وَلَكِنَّهَا عَادَتِي وَعَادَةُ آبَائِي نُقْرِي الضَّيْفَ وَنُطْعِمُ الطَّعَامَ فَجَلَسَ مُوسَى فَأَكَلَ فَإِنْ كَانَتْ هَذِهِ الْمِائَةُ دِينَارٍ عِوَضًا لِمَا حَدَّثْتُ فَالْمَيْتَةُ وَالدَّمُ وَلَحْمُ الْخِنْزِيرِ فِي حَالِ الِاضْطِرَارِ أَحَلُّ مِنْ هَذِهِ وَإِنْ كَانَ لِحَقٍّ لِي فِي بَيْتِ الْمَالِ فَلِي فِيهَا نُظَرَاءُ فَإِنْ سَاوَيْتَ بَيْنَنَا وَإِلَّا فَلَيْسَ لِي فِيهَا حَاجَةٌ

 

إسناده مسلسل بالمجاهيل

أخبرنا يعقوب بن إبراهيم حدثنا محمد بن عمر بن الكميت حدثنا علي بن وهب الهمداني حدثنا الضحاك بن موسى قال مر سليمان بن عبد الملك بالمدينة وهو يريد مكة فأقام بها أياما فقال هل بالمدينة أحد أدرك أحدا من أصحاب النبي صلى الله عليه وسلم فقالوا له أبو حازم يا أمير المؤمنين فأرسل إليه فلما دخل عليه قال له يا أبا حازم ما هذا الجفاء قال أبو حازم يا أمير المؤمنين وأي جفاء رأيت مني قال أتاني وجوه أهل المدينة ولم تأتني قال يا أمير المؤمنين أعيذك بالله أن تقول ما لم يكن ما عرفتني قبل هذا اليوم ولا أنا رأيتكقال فالتفت سليمان إلى محمد بن شهاب الزهري فقال أصاب الشيخ وأخطأت قال سليمان يا أبا حازم ما لنا نكره الموت قال لأنكم أخربتم الآخرة وعمرتم الدنيا فكرهتم أن تنقلوا من العمران إلى الخراب قال أصبت يا أبا حازم فكيف القدوم غدا على الله قال أما المحسن فكالغائب يقدم على أهله وأما المسيء فكالآبق يقدم على مولاه فبكى سليمان وقال ليت شعري ما لنا عند الله قال اعرض عملك على كتاب الله قال وأي مكان أجده قال إن الأبرار لفي نعيم وإن الفجار لفي جحيم قال سليمان فأين رحمة الله يا أبا حازم قال أبو حازم رحمة الله قريب من المحسنين قال له سليمان يا أبا حازم فأي عباد الله أكرم قال أولو المروءة والنهى قال له سليمان فأي الأعمال أفضل قال أبو حازم أداء الفرائض مع اجتناب المحارم قال سليمان فأي الدعاء أسمع قال أبو حازم دعاء المحسن إليه للمحسن قال فأي الصدقة أفضل قال للسائل البائس وجهد المقل ليس فيها من ولا أذى قال فأي القول أعدل قال قول الحق عند من تخافه أو ترجوه قال فأي المؤمنين أكيس قال رجل عمل بطاعة الله ودل الناس عليها قال فأي المؤمنين أحمق قال رجل انحط في هوى أخيه وهو ظالم فباع آخرته بدنيا غيره قال له سليمان أصبت فما تقول فيما نحن فيه قال يا أمير المؤمنين أو تعفيني قال له سليمان لا ولكن نصيحة تلقيها إلي قال يا أمير المؤمنين إن آباءك قهروا الناس بالسيف وأخذوا هذا الملك عنوة على غير مشورة من المسلمين ولا رضاهم حتى قتلوا منهم مقتلة عظيمة فقد ارتحلوا عنها فلو أشعرت ما قالوا وما قيل لهم فقال له رجل من جلسائه بئس ما قلت يا أبا حازم قال أبو حازم كذبت إن الله أخذ ميثاق العلماء ليبيننه للناس ولا يكتمونه قال له سليمان فكيف لنا أن نصلح قال تدعون الصلف وتمسكون بالمروءة وتقسمون بالسوية قال له سليمان كيف لنا بالمأخذ به قال أبو حازم تأخذه من حله وتضعه في أهله قال له سليمان هل لك يا أبا حازم أن تصحبنا فتصيب منا ونصيب منك قال أعوذ بالله قال له سليمان ولم ذاك قال أخشى أن أركن إليكم شيئا قليلا فيذيقني الله ضعف الحياة وضعف الممات قال له سليمان ارفع إلينا حوائجك قال تنجيني من النار وتدخلني الجنة قال سليمان ليس ذاك إلي قال أبو حازم فما لي إليك حاجة غيرها قال فادع لي قال أبو حازم اللهم إن كان سليمان وليك فيسره لخير الدنيا والآخرة وإن كان عدوك فخذ بناصيته إلى ما تحب وترضى قال له سليمان قط قال أبو حازم قد أوجزت وأكثرت إن كنت من أهله وإن لم تكن من أهله فما ينفعني أن أرمي عن قوس ليس لها وتر قال له سليمان أوصني قال سأوصيك وأوجز عظم ربك ونزهه أن يراك حيث نهاك أو يفقدك حيث أمرك فلما خرج من عنده بعث إليه بمائة دينار وكتب إليه أن أنفقها ولك عندي مثلها كثير قال فردها عليه وكتب إليه يا أمير المؤمنين أعيذك بالله أن يكون سؤالك إياي هزلا أو ردي عليك بذلا وما أرضاها لك فكيف أرضاها لنفسي وكتب إليه إن موسى بن عمران لما ورد ماء مدين وجد عليها رعاء يسقون ووجد من دونهم جاريتين تذودان فسألهما فقالتا لا نسقي حتى يصدر الرعاء وأبونا شيخ كبير فسقى لهما ثم تولى إلى الظل فقال رب إني لما أنزلت إلي من خير فقير وذلك أنه كان جائعا خائفا لا يأمن فسأل ربه ولم يسأل الناس فلم يفطن الرعاء وفطنت الجاريتان فلما رجعتا إلى أبيهما أخبرتاه بالقصة وبقوله فقال أبوهما وهو شعيب هذا رجل جائع فقال لإحداهما اذهبي فادعيه فلما أتته عظمته وغطت وجهها وقالت إن أبي يدعوك ليجزيك أجر ما سقيت لنا فشق على موسى حين ذكرت أجر ما سقيت لنا ولم يجد بدا من أن يتبعها إنه كان بين الجبال جائعا مستوحشا فلما تبعها هبت الريح فجعلت تصفق ثيابها على ظهرها فتصف له عجيزتها وكانت ذات عجز وجعل موسى يعرض مرة ويغض أخرى فلما عيل صبره ناداها يا أمة الله كوني خلفي وأريني السمت بقولك ذا فلما دخل علىشعيب إذا هو بالعشاء مهيأ فقال له شعيب اجلس يا شاب فتعش فقال له موسى أعوذ بالله فقال له شعيب لم أما أنت جائع قال بلى ولكني أخاف أن يكون هذا عوضا لما سقيت لهما وإنا من أهل بيت لا نبيع شيئا من ديننا بملء الأرض ذهبا فقال له شعيب لا يا شاب ولكنها عادتي وعادة آبائي نقري الضيف ونطعم الطعام فجلس موسى فأكل فإن كانت هذه المائة دينار عوضا لما حدثت فالميتة والدم ولحم الخنزير في حال الاضطرار أحل من هذه وإن كان لحق لي في بيت المال فلي فيها نظراء فإن ساويت بيننا وإلا فليس لي فيها حاجة إسناده مسلسل بالمجاهيل

 হাদিসের মানঃ তাহকীক অপেক্ষমাণ  বর্ণনাকারীঃ দাহহাক ইবনু মুসা (রহঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৬৭১

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৫৬. ইলমের মর্যাদা দান প্রসঙ্গে

৬৭১. যাইদ আল আম্মী হতে বর্ণিত, তিনি বলেন: জনৈক ফকীহ বলেছেন:

হে জ্ঞানী! তুমি তোমার ইলম অনুযায়ী আমল করো। আর তোমার প্রয়োজনের অতিরিক্ত সম্পদ তুমি দান করো। তোমার রবের নিকট তোমার উপকারে আসবে এমন কথা ছাড়া আর যে কোনো প্রকার অতিরিক্ত কথা বলা হতে বিরত থাকো।

হে জ্ঞানী! তুমি যা জান, এরপরও তোমার ইলম অনুযায়ী আমল না করো, তাহলে তুমি যখন তোমার রবের সাথে সাক্ষাৎ করবে, তখন তা তোমার রবের নিকট তোমার পক্ষে কৈফিয়ত ও ওজর-আপত্তি ছিন্নকারী বিষয় হয়ে দাঁড়াবে।

হে জ্ঞানী! যে সকল কাজে তোমাকে আল্লাহর আনুগত্য করার আদেশ দেয়া হয়েছে, তা যেন তোমাকে আল্লাহর অবাধ্যতা থেকে বিরত রাখে, যা থেকে তোমাকে নিষেধ করা হয়েছে।

হে জ্ঞানী! তুমি অপরের কাজের ব্যাপারে শক্তিশালী, আর নিজের আমলের ক্ষেত্রে দুর্বল হয়ো না।

হে জ্ঞানী! অন্যের কাজ যেন তোমাকে তোমার আপন কাজ হতে অবশ্যই বিরত না রাখে।

হে জ্ঞানী! আলিমগণকে সম্মান করো। আর তাদের নিকটে ভীঁড় জমাও এবং তাদের কথা শোনো এবং তাদের সাথে ঝগড়া-বিতর্ক করা থেকে দূরে থাকো।

হে জ্ঞানী! আলিমগণকে তাদের ইলমের কারণে সম্মান করো এবং জাহিলদেরকে তাদের জাহালাত (মুর্খতা)-এর কারণে ছোট জানো। আর তাদেরকে দূরে ঠেলে দিওনা, বরং তাদের নিকটবর্তী হও এবং তাদেরকে ইলম শিক্ষা দাও।

হে জ্ঞানী! তুমি কোনো মাজলিসে এমন বক্তব্য দেবে না, যতক্ষণ না তা নিজে বুঝো। আর তুমি কোনো লোকের কোনো কথার জবাব দেবে না, যতক্ষণ না তুমি জানতে পারবে, তোমাকে কী বলা হলো।

হে জ্ঞানী! তুমি আল্লাহর ব্যাপারে ধোঁকায় পড়ো না, আর লোকদের ব্যাপারেও ধোকাগ্রস্ত হবে না। আর আল্লাহর বিষয়ে ধোঁকায় পড়া হলো তাঁর নির্দেশ পরিত্যাগ করা। আর লোকদের ব্যাপারে ধোঁকায় পড়া হলো তাদের প্রবৃত্তির অনুসরণ করা। আল্লাহকে ভয় করো, যেভাবে তোমাকে তাঁর আপন সত্তার ভয় দেখানো হয়েছে। আর লোকদের ফিতনাকে তুমি ভয় করো।

হে জ্ঞানী! যেভাবে সূর্য ব্যতীত দিনের আলো পূর্ণতা লাভ করে না, তদ্রূপ আল্লাহর আনুগত্য ব্যতীত হিকমাত (গভীর জ্ঞান) পূর্ণতা পায় না।

হে জ্ঞানী! পানি ও মাটি ব্যতীত যেমন ফসল ভাল হয় না, তদ্রূপ ইলম ও আমল ব্যতীত ঈমান পূর্ণতা লাভ করে না।

হে জ্ঞানী! প্রত্যেক মুসাফির (অভিযাত্রী) যেমন পাথেয় সাথে নেয় এবং যা সে সাথে নিয়েছে, তার চেয়েও অধিক প্রয়োজন হলে দ্রুতই সে তা লাভ করে, ঠিক তদ্রূপ আখিরাতে যখন প্রত্যেক আমলকারী তার এ আমলের মুখাপেক্ষী হবে, তখন সে অবিলম্বেই তা পেয়ে যাবে, যা সে দুনিয়াতে আমল করেছিলো।

হে জ্ঞানী! আল্লাহ যখন তোমাকে তাঁর ইবাদতের দিকে উদ্বুদ্ধ করেন, তখন জেনে রেখো যে, তাঁর নিকট তোমার যে মর্যাদা-সম্মান রয়েছে, তা তোমার নিকট প্রকাশ করাই তাঁর উদ্দেশ্য। তাই তিনি ব্যতীত আর কারও নিকট তুমি যাবে না। (যদি যাও), তাহলে তাঁর প্রদত্ত সম্মান-মর্যাদার আসন থেকে লাঞ্ছনা-অপমানের দিকেই তুমি ফিরে যাবে। হে জ্ঞানী! তোমার কথা যে অনুধাবন করে না, তার নিকট তোমার কথা বলার চেয়ে পাথর ও শিলাখণ্ড সরানোও তোমার জন্য অধিকতর সহজ হবে। যে ব্যক্তি তার কথা অনুধাবন করে না, এমন ব্যক্তির নিকট কথা বলার দৃষ্টান্ত হচ্ছে সেই ব্যক্তির মতো যে মৃত ব্যক্তিকে আহবান করে এবং কবরবাসীর জন্য খাবার প্রস্তুত করে (যারা কখনো ডাকে সাড়া দিতে পারে না এবং খেতে পারে না)।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ অন্ধকারাচ্ছন্ন।

 

তাখরীজ: আমি এ ব্যতীত অন্য কোথাও এটি আছে বলে জানি না।

بَابٌ: فِي إِعْظَامِ الْعِلْمِ

أَخْبَرَنَا أَبُو عُثْمَانَ الْبَصْرِيُّ عَنْ عَبْدِ الْعَزِيزِ بْنِ مُسْلِمٍ الْقَسْمَلِيِّ أَخْبَرَنَا زَيْدٌ الْعَمِّيُّ عَنْ بَعْضِ الْفُقَهَاءِ أَنَّهُ قَالَ يَا صَاحِبَ الْعِلْمِ اعْمَلْ بِعِلْمِكَ وَأَعْطِ فَضْلَ مَالِكَ وَاحْبِسْ الْفَضْلَ مِنْ قَوْلِكَ إِلَّا بِشَيْءٍ مِنْ الْحَدِيثِ يَنْفَعُكَ عِنْدَ رَبِّكَ يَا صَاحِبَ الْعِلْمِ إِنَّ الَّذِي عَلِمْتَ ثُمَّ لَمْ تَعْمَلْ بِهِ قَاطِعٌ حُجَّتَكَ وَمَعْذِرَتَكَ عِنْدِ رَبِّكَ إِذَا لَقِيتَهُ يَا صَاحِبَ الْعِلْمِ إِنَّ الَّذِي أُمِرْتَ بِهِ مِنْ طَاعَةِ اللَّهِ لَيَشْغَلُكَ عَمَّا نُهِيتَ عَنْهُ مِنْ مَعْصِيَةِ اللَّهِ يَا صَاحِبَ الْعِلْمِ لَا تَكُونَنَّ قَوِيًّا فِي عَمَلِ غَيْرِكَ ضَعِيفًا فِي عَمَلِ نَفْسِكَ يَا صَاحِبَ الْعِلْمِ لَا يَشْغَلَنَّكَ الَّذِي لِغَيْرِكَ عَنْ الَّذِي لَكَ يَا صَاحِبَ الْعِلْمِ جَالِسْ الْعُلَمَاءَ وَزَاحِمْهُمْ وَاسْتَمِعْ مِنْهُمْ وَدَعْ مُنَازَعَتَهُمْ يَا صَاحِبَ الْعِلْمِ عَظِّمْ الْعُلَمَاءَ لِعِلْمِهِمْ وَصَغِّرْ الْجُهَّالَ لِجَهْلِهِمْ وَلَا تُبَاعِدْهُمْ وَقَرِّبْهُمْ وَعَلِّمْهُمْ يَا صَاحِبَ الْعِلْمِ لَا تُحَدِّثْ بِحَدِيثٍ فِي مَجْلِسٍ حَتَّى تَفْهَمَهُ وَلَا تُجِبْ امْرَأً فِي قَوْلِهِ حَتَّى تَعْلَمَ مَا قَالَ لَكَ يَا صَاحِبَ الْعِلْمِ لَا تَغْتَرَّ بِاللَّهِ وَلَا تَغْتَرَّ بِالنَّاسِ فَإِنَّ الْغِرَّةَ بِاللَّهِ تَرْكُ أَمْرِهِ وَالْغِرَّةَ بِالنَّاسِ اتِّبَاعُ أَهْوَائِهِمْ وَاحْذَرْ مِنْ اللَّهِ مَا حَذَّرَكَ مِنْ نَفْسِهِ وَاحْذَرْ مِنْ النَّاسِ فِتْنَتَهُمْ يَا صَاحِبَ الْعِلْمِ إِنَّهُ لَا يَكْمُلُ ضَوْءُ النَّهَارِ إِلَّا بِالشَّمْسِ كَذَلِكَ لَا تَكْمُلُ الْحِكْمَةُ إِلَّا بِطَاعَةِ اللَّهِ يَا صَاحِبَ الْعِلْمِ إِنَّهُ لَا يَصْلُحُ الزَّرْعُ إِلَّا بِالْمَاءِ وَالتُّرَابِ كَذَلِكَ لَا يَصْلُحُ الْإِيمَانُ إِلَّا بِالْعِلْمِ وَالْعَمَلِ يَا صَاحِبَ الْعِلْمِ كُلُّ مُسَافِرٍ مُتَزَوِّدٌ وَسَيَجِدُ إِذَا احْتَاجَ إِلَى زَادِهِ مَا تَزَوَّدَ وَكَذَلِكَ سَيَجِدُ كُلُّ عَامِلٍ إِذَا احْتَاجَ إِلَى عَمَلِهِ فِي الْآخِرَةِ مَا عَمِلَ فِي الدُّنْيَا يَا صَاحِبَ الْعِلْمِ إِذَا أَرَادَ اللَّهُ أَنْ يَحُضَّكَ عَلَى عِبَادَتِهِ فَاعْلَمْ أَنَّهُ إِنَّمَا أَرَادَ أَنْ يُبَيِّنَ لَكَ كَرَامَتَكَ عَلَيْهِ فَلَا تَحَوَّلَنَّ إِلَى غَيْرِهِ فَتَرْجِعَ مِنْ كَرَامَتِهِ إِلَى هَوَانِهِ يَا صَاحِبَ الْعِلْمِ إِنَّكَ إِنْ تَنْقُلْ الْحِجَارَةَ وَالْحَدِيدَ أَهْوَنُ عَلَيْكَ مِنْ أَنْ تُحَدِّثَ مَنْ لَا يَعْقِلُ حَدِيثَكَ وَمَثَلُ الَّذِي يُحَدِّثُ مَنْ لَا يَعْقِلُ حَدِيثَهُ كَمَثَلِ الَّذِي يُنَادِي الْمَيِّتَ وَيَضَعُ الْمَائِدَةَ لِأَهْلِ الْقُبُورِ

أخبرنا أبو عثمان البصري عن عبد العزيز بن مسلم القسملي أخبرنا زيد العمي عن بعض الفقهاء أنه قال يا صاحب العلم اعمل بعلمك وأعط فضل مالك واحبس الفضل من قولك إلا بشيء من الحديث ينفعك عند ربك يا صاحب العلم إن الذي علمت ثم لم تعمل به قاطع حجتك ومعذرتك عند ربك إذا لقيته يا صاحب العلم إن الذي أمرت به من طاعة الله ليشغلك عما نهيت عنه من معصية الله يا صاحب العلم لا تكونن قويا في عمل غيرك ضعيفا في عمل نفسك يا صاحب العلم لا يشغلنك الذي لغيرك عن الذي لك يا صاحب العلم جالس العلماء وزاحمهم واستمع منهم ودع منازعتهم يا صاحب العلم عظم العلماء لعلمهم وصغر الجهال لجهلهم ولا تباعدهم وقربهم وعلمهم يا صاحب العلم لا تحدث بحديث في مجلس حتى تفهمه ولا تجب امرأ في قوله حتى تعلم ما قال لك يا صاحب العلم لا تغتر بالله ولا تغتر بالناس فإن الغرة بالله ترك أمره والغرة بالناس اتباع أهوائهم واحذر من الله ما حذرك من نفسه واحذر من الناس فتنتهم يا صاحب العلم إنه لا يكمل ضوء النهار إلا بالشمس كذلك لا تكمل الحكمة إلا بطاعة الله يا صاحب العلم إنه لا يصلح الزرع إلا بالماء والتراب كذلك لا يصلح الإيمان إلا بالعلم والعمل يا صاحب العلم كل مسافر متزود وسيجد إذا احتاج إلى زاده ما تزود وكذلك سيجد كل عامل إذا احتاج إلى عمله في الآخرة ما عمل في الدنيا يا صاحب العلم إذا أراد الله أن يحضك على عبادته فاعلم أنه إنما أراد أن يبين لك كرامتك عليه فلا تحولن إلى غيره فترجع من كرامته إلى هوانه يا صاحب العلم إنك إن تنقل الحجارة والحديد أهون عليك من أن تحدث من لا يعقل حديثك ومثل الذي يحدث من لا يعقل حديثه كمثل الذي ينادي الميت ويضع المائدة لأهل القبور

 হাদিসের মানঃ তাহকীক অপেক্ষমাণ  বর্ণনাকারীঃ যাইদ আল আম্মী (রহঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 ৬৭২

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৫৭. আব্বাদ ইবনু আব্বাদ আল খাওয়াসী আশ শামী’র পত্র প্রসঙ্গে

৬৭২. মালিক ইবনু সুলাইমান আবু আব্দুর রহমান আল ইনতাকী থেকে বর্ণিত, আব্বাদ ইবনু আব্বাদ আল খাওয়াসী আশ শামী আবী উতবাহ বলেন: অতঃপর, তোমরা বুঝে নাও যে, আকল বা বুদ্ধি-বিবেক একটি নিয়া’মত। কেননা, অনেক বুদ্ধিমান লোক তার জন্য ক্ষতিকর বিষয়ে তার অন্তরকে গভীর চিন্তা-ভাবনায় মগ্ন রেখেছে তার প্রয়োজনীয় বিষয় বাদ দিয়ে- এমনকি সে তা থেকে অমনোযোগী হয়ে গেছে। কোনো লোকের বুদ্ধিমত্তার পরিচয় হচ্ছে সেই বিষয়ে মনোযোগ দেওয়া পরিত্যাগ করা (ইতোপূর্বে) যাতে সে ভ্রুক্ষেপ করেনি। তার নিম্নস্তরের লোকের সাথে নেক আমলের ব্যাপারে প্রতিযোগিতা করা ত্যাগ করার ব্যাপারে তার বুদ্ধিমত্তার শ্রেষ্ঠত্ব যেন তার ক্ষতির কারণ হয়ে না যায়। কিংবা, যে লোক তার অন্তরকে বিদ’আতে লিপ্ত রেখেছে, সেই বিষয়ে সে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সাহাবীগণ ব্যতীত অন্য লোকদের নিকট তার দীনকে সঁপে দিয়েছে; কিংবা যে তার আপন মতামতের উপর সন্তুষ্ট হয়ে গিয়েছে, তার মতামত ব্যতীত অন্য কোথাও (কারও মতামতের মধ্যে) সে হেদায়েত দেখতে পায় না এবং কেবল তা পরিত্যাগ করাকেই পথভ্রষ্টতা বলে মনে করে; তার ধারণা সে কুরআন থেকেই তার মতামত গ্রহণ করেছে। আসলে সে কুরআন থেকে বিচ্ছিন্নতার দিকেই (লোকদেরকে) আহবান করছে। (কেন?) তার ও তার সাথীদের পূর্বে কি কুরআনের ধারক কেউ ছিলো না, যারা কুরআনের মুহকাম আয়াতের উপর আমল করতেন এবং এর মুতাশাবিহাহ আয়াতের উপর ঈমান রাখতেন? তারা ছিলেন রাস্তা আলোকিত করা আলোকস্তম্ভের সারি।

আর কুরআন ছিলো রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের পথ নির্দেশক, আর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ছিলেন তাঁর সাহাবীগণের ইমাম বা পথ প্রদর্শক। আর তাঁর সাহাবীগণ ইমাম ছিলেন পরবর্তীদের লোকদের, যারা ছিলেন বিভিন্ন শহরে প্রসিদ্ধ ও নেতৃস্থানীয়। তাদের নিজেদের মধ্যকার (ছোট-খাটো ফিকহী) ইখতিলাফসহ-ই তারা প্রবৃত্তির অনুসারীদের খণ্ডনে ঐক্যবদ্ধ ছিলেন। এবং এ প্রবৃত্তির অনুসারীদেরকে তাদের আপন রায় (মতামতসমূহ) উদ্দেশ্যহীন ভাবে বহু রাস্তা ঘুরিয়ে তাদেরকে হয়রান করেছে, যার প্রত্যেকটি পন্থাই ছিল মধ্যমপন্থা বিরোধী এবং তা হতে বাড়াবাড়িমূলক এবং সঠিক পথ হতে বিচ্ছিন্ন। তাদের পথপ্রদর্শকরা বিভ্রান্তকারী হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ এ মিশনে তাদেরকে বিভ্রান্ত করেছে। ফলে বিপথগামীরা তাদের বিভ্রান্তিতেই একাগ্রচিত্ত হয়েছে। এদের বিভ্রান্তির মধ্যে শয়তান যখনই কোনো বিদ’আত চালু করেছে তখনই এরা তা (তাদের বর্তমান বিভ্রান্তি) ছেড়ে অন্যটির দিকে ঘুরে গিয়েছে। কারণ, তারা তো পূর্ববর্তীদের (সালফে সালেহীনদের) হাদীস (মতামত-আমল) সন্ধান করে না এবং মুহাজির (সাহাবী)গণের অনুসরণ করে না।

উমার রা: হতে বর্ণিত আছে, যে তিনি যিয়াদকে বলেছিলেন: তুমি জান কি, কোন্ জিনিসটি ইসলামকে ধ্বংস করবে? আলিমগণের পদস্খলন, কুর’আন নিয়ে মুনাফিকদের ঝগড়া-বিতর্ক এবং বিভ্রান্তকারী নেতৃবৃন্দ। আল্লাহকে ভয় করবে এবং তোমাদের কারী (কুর’আনে অভিজ্ঞ আলিম) ও মসজিদে অবস্থানকারীগণের মধ্যে যারা গীবত, চোগলখুরী এবং লোকদের মাঝে দু’ই মুখ ও দুই জিহবা নিয়ে বিচরণ করে, তাদের থেকে সাবধান থাকবে। আরও বর্ণিত, হয়েছে যে, ‍দুনিয়াতে যে দু’মুখের অধিকারী হবে জাহান্নামেও সে দু’মুখের অধিকারী হবে।

গীবতকারী তোমার সাথে মিলিত হয়ে তোমার নিকট ঐ ব্যক্তি গীবত করে, যার গীবত করাকে তুমি পছন্দ কর বলে সে ধারণা করে। এরপর তোমার সাথীর (দুশমনের) সাথে তোমার অসাক্ষাতে মিলিত হয়ে তোমার থেকে তার নিকট অনুরূপ কথা পৌঁছে দেয়। এভাবে তোমাদের প্রত্যেকের নিকট থেকে সে নিজের প্রয়োজন পূরণ করে নেয়। এবং সে তোমাদের দু’জনের প্রত্যেকের নিকটই গোপন রাখে, যা সে তোমাদের একজনের পক্ষ থেকে অপর জনের নিকট পৌছে দেয়। যার নিকট সে সাক্ষাৎ করে, এমনভাবেই তার সাথে সাক্ষাৎ করে, যেভাবে দু’ভাই সাক্ষাত করে। আর যার নিকট থেকে সে চলে যায়, এমনভাবেই চলে যায় যেন দুশমন চলে যাচ্ছে। তাদের মধ্যে যার যে তার সামনে উপস্থিত থাকে, তার নিকট তার কৃতিত্ব বজায় থাকে। কিন্তু তাদের মধ্যকার যে তার নিকট থেকে চলে যায়, তার কোনো সম্মানই সে অবশিষ্ট রাখে না। যে তার নিকট উপস্থিত থাকে, তার প্রশংসাগীতি গেয়ে তাকে মুগ্ধ করে আর যে তার নিকট অনুপস্থিত জঘন্যভাবে তার গীবত করতে থাকে। সুতরাং, হে আল্লাহর বান্দারা! লোকদের মধ্যে এমন উত্তম ও সংশোধনকারী কেউ নেই যে একে তার প্রতারণা থেকে নিবৃত্ত করবে এবং তার মুসলিম ভাইয়ের সম্মান (নষ্ট করা) থেকে একে ফেরাবে? বরং সে যেভাবে তাদের নিকট যায়, তাতে তাদের প্রবৃত্তি-ই প্রকাশ পায়।

এভাবে সে তাদের উপর কর্তৃত্ব লাভ করে এবং তারা তার প্রয়োজনটাকে পূরণ করে দেয়। ফলে সে তাদের দীনের সাথে নিজের দীনকেও বরবাদ করে দেয়। তাই তোমরা আল্লাহকে ভয় করো। তোমরা তোমাদের বিশিষ্ট ব্যক্তিদের সম্মান রক্ষা করো এবং কল্যাণমূলক আলোচনা ব্যতীত তাদের ব্যাপারে তোমাদের জিহবাকে বিরত রাখো। তোমাদের উম্মতের ব্যাপারে আল্লাহকে উপদেশদাতা হিসেবে গ্রহণ করো, কেননা তোমরা হলে কিতাব ও ‍সুন্নাতের ধারক। আর কিতাব ততক্ষণ কথা বলে না, যতক্ষণ তার সাথে কথা বলা না হয়। আর সুন্নাত নিজে আমল করিয়ে দেয় না, যদি না তা আমল করা হয়। সুতরাং যদি আলিমগণ চুপ থাকে, আর যে অনিষ্ট প্রকাশ পেয়েছে, তা না চেনে এবং যা পরিত্যাগ করা হয়েছে তা করতে আদেশ না করে, তবে জাহিলরা কখন (কিভাবে) জানবে? অথচ, “যাদেরকে কিতাব দেয়া হয়েছিল তাদের থেকে এ ওয়াদা নেয়া হয়েছিল যে, তারা লোকদের নিকট কিতাবের শিক্ষা বর্ণনা করে দেবে এবং তা গোপন করবে না।”- (সূরা আলে ইমরান: ১৮৭)

তোমরা আল্লাহকে ভয় করো, কেননা, তোমরা এমন এক সময়ে আছো যখন তাকওয়া দুর্বল হয়ে গেছে এবং বিনয়ও কমে গেছে। ইলমের বাহকরাই ইলম নষ্ট করছে। কারণ তারা তাদের ইলমের দ্বারা প্রসিদ্ধি লাভের আকাঙ্ক্ষা করছে। আর ইলম বিনষ্টকারী হিসেবে তাদের পরিচিতি লাভকে তারা পছন্দ করছে না। কিন্তু ইলমের ব্যাপারে নিজেদের মনগড়া কথা বলে তাতে ভুল-ত্রুটির অনুপ্রবেশ ঘটাচ্ছে। আবার যে সত্যকে তারা পরিত্যাগ করছে, সেই সকল বাণীর অপব্যাখ্যা করে তারা যে বাতিল আমল করছে সেদিকে ঘুরিয়ে দিচ্ছে। ফলে তাদের গুনাহগুলো এমন (মারাত্মক) গুনাহ যা ক্ষমার যোগ্য নয়। তাদের এ কাটছাঁট কোনোভাবেই মেনে নেয়ার যোগ্য নয়। পথপ্রদর্শকই যদি বিপথগামী হয়, তবে সেই পথপ্রদর্শক কিভাবে পথের দিশা প্রার্থীদেরকে সঠিক পথে পরিচালিত করবে?

তারা (নিজেরাই) দুনিয়াকে ভালোবাসে, কিন্তু দুনিয়াদার লোকদেরকে তারা অপছন্দ করছে। ফলে তারা দুনিয়াদারদের সাথে তাদের জীবন-জীবিকায় অংশীদার হচ্ছে, আর শুধু কথায় তারা তাদের থেকে পৃথক থাকছে। আর শুধু কথার মাধ্যমেই তারা আত্মপক্ষ সমর্থন করছে যে, তাদেরকে (মিছামিছি) ‍তাদের (দুনিয়াদারদের) কাজের দিকে সম্পৃক্ত করা হচ্ছে এবং যে স্থানে তারা উপস্থিত থাকে না, সেখান (সংঘটিত অপরাধ) খেকেও তারা অব্যাহতি পাচ্ছে না। আবার তারা নিজেরা যেদিকে নিজেদেরকে সম্পৃক্ত করছে, তাতেও তারা অন্তর্ভুক্ত নয়। কারণ সত্যের উপর আমলকারী (সত্যের) কথক, এমনকি যদিও সে চুপ থাকে। কেননা, উল্লেখ করা হয়েছে যে, আল্লাহ তা’আলা বলেন: “আমি প্রত্যেক জ্ঞানগর্ভ কথাকেই কবুল করি না। বরং আমি দেখি তার অভিপ্রায় ও কামনাকে। যদি তার ইচ্ছা ও কামনা শুধুই আমার জন্য হয়, তবে আমি তার নিশ্চুপ থাকাকে (আমার) প্রশংসা ও মর্যাদা (বর্ণনায়) পরিণত করে দিই, যদিও সে কোনো কথা বলে না”। আর আল্লাহ তা’আলা কিতাবে বলেছেন: “যারা তাওরাত দেয়া হয়েছিল কিন্তু তারা তা বহন করেনি, তাদের দৃষ্টান্ত সেই গাধার মতো যা শুধু কিতাবের বোঝা-ই বহন করে চলেছে।” (সূরা জুমু’আহ: ৫)

আল্লাহ আরও বলেছেন: “আমি যা তোমাদেরকে যা দেই, তা দৃঢ়ভাবে ধারণ কর।” (সূরা বাকারাহ: ৬৩)

তিনি বলেছেন: এর মধ্যে যা কিছু রয়েছে, তার উপর আমল করা সম্পর্কে। সুন্নাতের আমল করা ছাড়াই সুন্নাত ধারণের শুধু মৌখিক দাবী করাকেই যথেষ্ট মনে করো না। কেননা, সুন্নাতের উপর আমল না করেই সুন্নাতের মৌখিক দাবী করা সম্পূর্ণই মিথ্যাচার, সেই সাথে তা ইলম বিনষ্ট করাও বটে। তোমরা নিজেরা একই দোষে দুষ্ট হয়ে সেই দোষের কারণে বিদ’আতীদের দোষারোপ করো না। তোমাদের নিজেদের সংশোধনের চেয়ে বিদ’আতীদের বিভ্রান্তি অধিক (দুষণীয়) নয়। আর বিদ’আতীদের দোষারোপের ক্ষেত্রে বাড়াবাড়ি করে ফেলো না; কারণ বাড়াবাড়ি করা বরং তোমাদের পক্ষেই অন্যায় হবে। আর ডাক্তারের জন্য এটা সঙ্গত নয় যে, তিনি অসুস্থ ব্যক্তিদেরকে ওষুধ দেবেন, যা দ্বারা তারা সুস্থ্য হবে ঠিকই কিন্তু ডাক্তার নিজে অসুস্থ হয়ে পড়বেন। কারণ, তিনি নিজেই যখন অসুস্থ হবেন, তখন তাদের চিকিৎসা করা থেকে তার নিজের অসুস্থতা নিয়েই তিনি অধিক ব্যস্ত হয়ে পড়বেন। বরং তার উচিত নিজের সুস্থতা চাওয়া যাতে তিনি রোগীর চিকিৎসা করতে সক্ষম হন।

সুতরাং তোমাদের কাজ হবে, ভাইদের মন্দ থেকে ফিরিয়ে রাখতে গিয়ে নিজেদের কল্যাণের জন্য তোমাদের নিজেদের দিকে অধিক নজর দেয়া। আর তোমাদের রবের (সন্তুষ্টির) উদ্দেশ্যে তোমাদের পক্ষ থেকে (তাদের জন্য) কল্যাণ কামনা করা এবং তোমাদের ভাইদের প্রতি সহানুভূতিশীল হওয়া। আর সেই সাথে অন্যের দোষের চেয়ে তোমাদের নিজেদের দোষ নিয়ে অধিক উদ্বিগ্ন হওয়াই তোমাদের কাজ। তোমাদের উচিত পরস্পরকে নসীহত করতে থাকা। যে তোমাদেরকে সম্মান দান করে সে যেন তোমাদের নিকট সম্মান লাভ করে এবং তোমরা যেন তা মেনে নাও।

উমার ইবনুল খাত্তাব রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেছেন: যে ব্যক্তি আমার দোষ-ত্রুটি আমাকে দেখিয়ে দেয, আল্লাহ তাকে রহম করুন। তোমরা পছন্দ কর যে, তোমরা যখন বলো, তখন যেন তা সহ্য করা হয়। কিন্তু তোমরা যা বলো, তার অনুরূপ কথা যদি তোমাদেরকে বলা হয়, তবে তোমরা রেগে যাও। লোকেরা যে সকল কাজ করে, সেই একই কাজ থেকে যখন তোমাদেরকে নিষেধ করা হচ্ছে, তখন তোমরা লোকদের উপর রেগে যাচ্ছো, অথচ তোমরাই সে ধরনের কাজ করছো। তবে তোমরা কি পছন্দ করো না যে, তোমাদের বিপক্ষে (অন্য লোকদেরকে) পাকড়াও করা হোক?

তোমাদের নিজস্ব মতামত ও তোমাদের সমকালীন লোকদের মতামতকে তোমরা ত্রুটিযুক্ত মনে করবে; আর কথা বলার পূর্বে তোমরা নিজেদেরকে দৃঢ় করে নেবে, আর আমল করার পূর্বে (সেই বিষয়ে) তোমরা জ্ঞান অর্জন করে নেবে। কেননা, এমন এক সময় আসবে যখন হক ও বাতিল অস্পষ্ট হয়ে যাবে, যখন ভালো কাজ মন্দ হয়ে যাবে এবং মন্দ কাজ ভালো হিসেবে গণ্য হবে। ফলে (মন্দ কাজকে) আল্লাহর নৈকট্য দানকারী (কথা ও কাজ মনে করবে) কিন্তু তা তাকে আল্লাহ থেকে আরও দূরে ঠেলে দেবে। (তারা আল্লাহর অপছন্দনীয় কাজকে) আল্লাহর পছন্দনীয় (বলে মনে করবে) ফলে তা তাঁকে তার বিরুদ্ধে ক্রুদ্ধ করে তুলবে।

আল্লাহ তা’আলা বলেন: “আর যাকে তার মন্দ কর্ম সুন্দর করে দেখানো হয় এবং সে ওটাকে উত্তম মনে করে”।… আয়াতের শেষ পর্যন্ত। ‍সূরা ফাতির: ৮)

সন্দেহজনক বিষয়ের নিকট থেমে যাওয়া তোমাদের জন্য অপরিহার্য যতক্ষণ না তোমাদের নিকট হকের সুস্পষ্টতা প্রমাণসহ প্রকাশিত হয়ে যায়। কেননা, যে ব্যক্তি কোনো বিষয়ে না জেনে ইলম ছাড়া প্রবেশ করে, সেও পাপী। যে ব্যক্তি আল্লাহর প্রতি লক্ষ্য রাখবে, আল্লাহ তাকে সাহায্য করবেন। কুরআনকে আঁকড়ে ধরা এবং এর অনুসরণ করা এবং এ অনুসারে (অন্যদেরকে) পরিচালিত করা তোমাদের জন্য অপরিহার্য। এবং তোমাদের উপর অপরিহার্য হলো যারা গত হয়েছেন (সাহাবীগণের) কুরআনের আয়াতসমূহ সম্পর্কে তাদের মতামতসমূহ অনুসন্ধান করা। যদি (আহলে কিতাবদের) আলিমগণ ও সন্ন্যাসীগণের আশঙ্কা না থাকতো যে, যদি তারা আল্লাহর কিতাব অনুযায়ী আমল করা ও তা বর্ণনা করে দেওয়ার মাধ্যমে কিতাবকে কায়েম রাখেন তাহলে তাদের মান-মর্যাদা ক্ষুণ্ণ হয়ে যাবে এবং তাদের অবস্থান নষ্ট হয়ে যাবে, তাহলে তারা কিতাবের অপব্যাখ্যা করতো না এবং তা লুকাতোও না। কিন্তু যখন তারা কিতাবের বিপরীত আমল করলো, তখন তাদের অবস্থান নষ্ট হওয়া এবং তাদের নষ্টামী লোকদের নিকট প্রকাশ হয়ে পড়ার আশঙ্কায় তারা ইচ্ছা করেছিল যে তাদের কওমকে তাদের কৃতকর্মের ব্যাপারে প্রতারিত করবে, তাই তারা অপব্যাখ্যার নামে কিতাবে পরিবর্তন করতে শুরু করলো। আর যেখানে পরিবর্তন করতে পারলো না, তা গোপন করে গেলো। আর তাদের অবস্থানকে টিকিয়ে রাখার জন্য তারা নিরবতা অবলম্বন করলো এবং তাদের কওমের লোকদের তোষামোদের উদ্দেশ্যে তাদের কৃতকর্মের ব্যাপারেও তারা চুপ করে রইলো। অথচ যাদেরকে কিতাব দেয়া হয়েছিলো, তাদের নিকট থেকে আল্লাহ তা’আলা এই প্রতিশ্রুতি নিয়েছিলেন যে, অবশ্যই তারা লোকদের নিকট তা স্পষ্টভাবে বর্ণনা করে দেবে আর তা গোপন করবে না। বরং তারা তাদের কাজে সহায়তা করতে লাগলো এবং তাদের সাথে বন্ধুত্বপূর্ণ আচরণ করা আরম্ভ করলো।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ যয়ীফ। আব্দুল মালিক ইবনু সুলাইমান আলআনতাকী অজ্ঞাত পরিচয়। দেখুন, হিলইয়া ৮/২৮২; তাহযীবুল কামাল ১৪/১৩৫।

 

তাখরীজ: (মুহাক্বিক্ব এর কোনো তাখরীজ দেননি- অনুবাদক)।

رِسَالَةُ عَبَّادِ بْنِ عَبَّادٍ الْخَوَّاصِ الشَّامِيِّ

أَخْبَرَنَا عَبْدُ الْمَلِكِ بْنُ سُلَيْمَانَ أَبُو عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْأَنْطَاكِيُّ عَنْ عَبَّادِ بْنِ عَبَّادٍ الْخَوَّاصِ الشَّامِيِّ أَبِي عُتْبَةَ قَالَ أَمَّا بَعْدُ اعْقِلُوا وَالْعَقْلُ نِعْمَةٌ فَرُبَّ ذِي عَقْلٍ قَدْ شُغِلَ قَلْبُهُ بِالتَّعَمُّقِ عَمَّا هُوَ عَلَيْهِ ضَرَرٌ عَنْ الِانْتِفَاعِ بِمَا يَحْتَاجُ إِلَيْهِ حَتَّى صَارَ عَنْ ذَلِكَ سَاهِيًا وَمِنْ فَضْلِ عَقْلِ الْمَرْءِ تَرْكُ النَّظَرِ فِيمَا لَا نَظَرَ فِيهِ حَتَّى لَا يَكُونَ فَضْلُ عَقْلِهِ وَبَالًا عَلَيْهِ فِي تَرْكِ مُنَافَسَةِ مَنْ هُوَ دُونَهُ فِي الْأَعْمَالِ الصَّالِحَةِ أَوْ رَجُلٍ شُغِلَ قَلْبُهُ بِبِدْعَةٍ قَلَّدَ فِيهَا دِينَهُ رِجَالًا دُونَ أَصْحَابِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَوْ اكْتَفَى بِرَأْيِهِ فِيمَا لَا يَرَى الْهُدَى إِلَّا فِيهَا وَلَا يَرَى الضَّلَالَةَ إِلَّا بِتَرْكِهَا يَزْعُمُ أَنَّهُ أَخَذَهَا مِنْ الْقُرْآنِ وَهُوَ يَدْعُو إِلَى فِرَاقِ الْقُرْآنِ أَفَمَا كَانَ لِلْقُرْآنِ حَمَلَةٌ قَبْلَهُ وَقَبْلَ أَصْحَابِهِ يَعْمَلُونَ بِمُحْكَمِهِ وَيُؤْمِنُونَ بِمُتَشَابِهِهِ وَكَانُوا مِنْهُ عَلَى مَنَارٍ كَوَضَحِ الطَّرِيقِ فَكَانَ الْقُرْآنُ إِمَامَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَكَانَ رَسُولُ اللَّهِ إِمَامًا لِأَصْحَابِهِ وَكَانَ أَصْحَابُهُ أَئِمَّةً لِمَنْ بَعْدَهُمْ رِجَالٌ مَعْرُوفُونَ مَنْسُوبُونَ فِي الْبُلْدَانِ مُتَّفِقُونَ فِي الرَّدِّ عَلَى أَصْحَابِ الْأَهْوَاءِ مَعَ مَا كَانَ بَيْنَهُمْ مِنْ الِاخْتِلَافِ وَتَسَكَّعَ أَصْحَابُ الْأَهْوَاءِ بِرَأْيِهِمْ فِي سُبُلٍ مُخْتَلِفَةٍ جَائِرَةٍ عَنْ الْقَصْدِ مُفَارِقَةٍ لِلصِّرَاطِ الْمُسْتَقِيمِ فَتَوَّهَتْ بِهِمْ أَدِلَّاؤُهُمْ فِي مَهَامِهَ مُضِلَّةٍ فَأَمْعَنُوا فِيهَا مُتَعَسِّفِينَ فِي تِيهِهِمْ كُلَّمَا أَحْدَثَ لَهُمْ الشَّيْطَانُ بِدْعَةً فِي ضَلَالَتِهِمْ انْتَقَلُوا مِنْهَا إِلَى غَيْرِهَا لِأَنَّهُمْ لَمْ يَطْلُبُوا أَثَرَ السَّالِفِينَ وَلَمْ يَقْتَدُوا بِالْمُهَاجِرِينَ وَقَدْ ذُكِرَ عَنْ عُمَرَ أَنَّهُ قَالَ لِزِيَادٍ هَلْ تَدْرِي مَا يَهْدِمُ الْإِسْلَامَ زَلَّةُ عَالِمٍ وَجِدَالُ مُنَافِقٍ بِالْقُرْآنِ وَأَئِمَّةٌ مُضِلُّونَ اتَّقُوا اللَّهَ وَمَا حَدَثَ فِي قُرَّائِكُمْ وَأَهْلِ مَسَاجِدِكُمْ مِنْ الْغِيبَةِ وَالنَّمِيمَةِ وَالْمَشْيِ بَيْنَ النَّاسِ بِوَجْهَيْنِ وَلِسَانَيْنِ وَقَدْ ذُكِرَ أَنَّ مَنْ كَانَ ذَا وَجْهَيْنِ فِي الدُّنْيَا كَانَ ذَا وَجْهَيْنِ فِي النَّارِ يَلْقَاكَ صَاحِبُ الْغِيبَةِ فَيَغْتَابُ عِنْدَكَ مَنْ يَرَى أَنَّكَ تُحِبُّ غِيبَتَهُ وَيُخَالِفُكَ إِلَى صَاحِبِكَ فَيَأْتِيهِ عَنْكَ بِمِثْلِهِ فَإِذَا هُوَ قَدْ أَصَابَ عِنْدَ كُلِّ وَاحِدٍ مِنْكُمَا حَاجَتَهُ وَخَفِيَ عَلَى كُلِّ وَاحِدٍ مِنْكُمَا مَا أُتِيَ بِهِ عِنْدَ صَاحِبِهِ حُضُورُهُ عِنْدَ مَنْ حَضَرَهُ حُضُورُ الْإِخْوَانِ وَغَيْبَتُهُ عَلَى مَنْ غَابَ عَنْهُ غَيْبَةُ الْأَعْدَاءِ مَنْ حَضَرَ مِنْهُمْ كَانَتْ لَهُ الْأَثَرَةُ وَمَنْ غَابَ مِنْهُمْ لَمْ تَكُنْ لَهُ حُرْمَةٌ يَفْتِنُ مَنْ حَضَرَهُ بِالتَّزْكِيَةِ وَيَغْتَابُ مَنْ غَابَ عَنْهُ بِالْغِيبَةِ فَيَا لَعِبَادَ اللَّهِ أَمَا فِي الْقَوْمِ مِنْ رَشِيدٍ وَلَا مُصْلِحٍ يَقْمَعُ هَذَا عَنْ مَكِيدَتِهِ وَيَرُدُّهُ عَنْ عِرْضِ أَخِيهِ الْمُسْلِمِ بَلْ عَرَفَ هَوَاهُمْ فِيمَا مَشَى بِهِ إِلَيْهِمْ فَاسْتَمْكَنَ مِنْهُمْ وَأَمْكَنُوهُ مِنْ حَاجَتِهِ فَأَكَلَ بِدِينِهِ مَعَ أَدْيَانِهِمْ فَاللَّهَ اللَّهَ ذُبُّوا عَنْ حُرَمِ أَغْيَابِكُمْ وَكُفُّوا أَلْسِنَتَكُمْ عَنْهُمْ إِلَّا مِنْ خَيْرٍ وَنَاصِحُوا اللَّهَ فِي أُمَّتِكُمْ إِذْ كُنْتُمْ حَمَلَةَ الْكِتَابِ وَالسُّنَّةِ فَإِنَّ الْكِتَابَ لَا يَنْطِقُ حَتَّى يُنْطَقَ بِهِ وَإِنَّ السُّنَّةَ لَا تَعْمَلُ حَتَّى يُعْمَلَ بِهَا فَمَتَى يَتَعَلَّمُ الْجَاهِلُ إِذَا سَكَتَ الْعَالِمُ فَلَمْ يُنْكِرْ مَا ظَهَرَ وَلَمْ يَأْمُرْ بِمَا تُرِكَ وَقَدْ أَخَذَ اللَّهُ مِيثَاقَ الَّذِينَ أُوتُوا الْكِتَابَ لَتُبَيِّنُنَّهُ لِلنَّاسِ وَلَا تَكْتُمُونَهُ اتَّقُوا اللَّهَ فَإِنَّكُمْ فِي زَمَانٍ رَقَّ فِيهِ الْوَرَعُ وَقَلَّ فِيهِ الْخُشُوعُ وَحَمَلَ الْعِلْمَ مُفْسِدُوهُ فَأَحَبُّوا أَنْ يُعْرَفُوا بِحَمْلِهِ وَكَرِهُوا أَنْ يُعْرَفُوا بِإِضَاعَتِهِ فَنَطَقُوا فِيهِ بِالْهَوَى لَمَّا أَدْخَلُوا فِيهِ مِنْ الْخَطَإِ وَحَرَّفُوا الْكَلِمَ عَمَّا تَرَكُوا مِنْ الْحَقِّ إِلَى مَا عَمِلُوا بِهِ مِنْ بَاطِلٍ فَذُنُوبُهُمْ ذُنُوبٌ لَا يُسْتَغْفَرُ مِنْهَا وَتَقْصِيرُهُمْ تَقْصِيرٌ لَا يُعْتَرَفُ بِهِ كَيْفَ يَهْتَدِي الْمُسْتَدِلُّ الْمُسْتَرْشِدُ إِذَا كَانَ الدَّلِيلُ حَائِرًا أَحَبُّوا الدُّنْيَا وَكَرِهُوا مَنْزِلَةَ أَهْلِهَا فَشَارَكُوهُمْ فِي الْعَيْشِ وَزَايَلُوهُمْ بِالْقَوْلِ وَدَافَعُوا بِالْقَوْلِ عَنْ أَنْفُسِهِمْ أَنْ يُنْسَبُوا إِلَى عَمَلِهِمْ فَلَمْ يَتَبَرَّءُوا مِمَّا انْتَفَوْا مِنْهُ وَلَمْ يَدْخُلُوا فِيمَا نَسَبُوا إِلَيْهِ أَنْفُسَهُمْ لِأَنَّ الْعَامِلَ بِالْحَقِّ مُتَكَلِّمٌ وَإِنْ سَكَتَ وَقَدْ ذُكِرَ أَنَّ اللَّهَ تَعَالَى يَقُولُ إِنِّي لَسْتُ كُلَّ كَلَامِ الْحَكِيمِ أَتَقَبَّلُ وَلَكِنِّي أَنْظُرُ إِلَى هَمِّهِ وَهَوَاهُ فَإِنْ كَانَ هَمُّهُ وَهَوَاهُ لِي جَعَلْتُ صَمْتَهُ حَمْدًا وَوَقَارًا لِي وَإِنْ لَمْ يَتَكَلَّمْ وَقَالَ اللَّهُ تَعَالَى مَثَلُ الَّذِينَ حُمِّلُوا التَّوْرَاةَ ثُمَّ لَمْ يَحْمِلُوهَا لَمْ يَعْمَلُوا بِهَا كَمَثَلِ الْحِمَارِ يَحْمِلُ أَسْفَارًا كُتُبًا وَقَالَ خُذُوا مَا آتَيْنَاكُمْ بِقُوَّةٍ قَالَ الْعَمَلُ بِمَا فِيهِ وَلَا تَكْتَفُوا مِنْ السُّنَّةِ بِانْتِحَالِهَا بِالْقَوْلِ دُونَ الْعَمَلِ بِهَا فَإِنَّ انْتِحَالَ السُّنَّةِ دُونَ الْعَمَلِ بِهَا كَذِبٌ بِالْقَوْلِ مَعَ إِضَاعَةِ الْعَمَلِ وَلَا تَعِيبُوا بِالْبِدَعِ تَزَيُّنًا بِعَيْبِهَا فَإِنَّ فَسَادَ أَهْلِ الْبِدَعِ لَيْسَ بِزَائِدٍ فِي صَلَاحِكُمْ وَلَا تَعِيبُوهَا بَغْيًا عَلَى أَهْلِهَا فَإِنَّ الْبَغْيَ مِنْ فَسَادِ أَنْفُسِكُمْ وَلَيْسَ يَنْبَغِي لِلطَّبِيبِ أَنْ يُدَاوِيَ الْمَرْضَى بِمَا يُبَرِّئُهُمْ وَيُمْرِضُهُ فَإِنَّهُ إِذَا مَرِضَ اشْتَغَلَ بِمَرَضِهِ عَنْ مُدَاوَاتِهِمْ وَلَكِنْ يَنْبَغِي أَنْ يَلْتَمِسَ لِنَفْسِهِ الصِّحَّةَ لِيَقْوَى بِهِ عَلَى عِلَاجِ الْمَرْضَى فَلْيَكُنْ أَمْرُكُمْ فِيمَا تُنْكِرُونَ عَلَى إِخْوَانِكُمْ نَظَرًا مِنْكُمْ لِأَنْفُسِكُمْ وَنَصِيحَةً مِنْكُمْ لِرَبِّكُمْ وَشَفَقَةً مِنْكُمْ عَلَى إِخْوَانِكُمْ وَأَنْ تَكُونُوا مَعَ ذَلِكَ بِعُيُوبِ أَنْفُسِكُمْ أَعْنَى مِنْكُمْ بِعُيُوبِ غَيْرِكُمْ وَأَنْ يَسْتَطْعِمَ بَعْضُكُمْ بَعْضًا النَّصِيحَةَ وَأَنْ يَحْظَى عِنْدَكُمْ مَنْ بَذَلَهَا لَكُمْ وَقَبِلَهَا مِنْكُمْ وَقَدْ قَالَ عُمَرُ بْنُ الْخَطَّابِ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ رَحِمَ اللَّهُ مَنْ أَهْدَى إِلَيَّ عُيُوبِي تُحِبُّونَ أَنْ تَقُولُوا فَيُحْتَمَلَ لَكُمْ وَإِنْ قِيلَ لَكُمْ مِثْلُ الَّذِي قُلْتُمْ غَضِبْتُمْ تَجِدُونَ عَلَى النَّاسِ فِيمَا تُنْكِرُونَ مِنْ أُمُورِهِمْ وَتَأْتُونَ مِثْلَ ذَلِكَ فَلَا تُحِبُّونَ أَنْ يُوجَدَ عَلَيْكُمْ اتَّهِمُوا رَأْيَكُمْ وَرَأْيَ أَهْلِ زَمَانِكُمْ وَتَثَبَّتُوا قَبْلَ أَنْ تَكَلَّمُوا وَتَعَلَّمُوا قَبْلَ أَنْ تَعْمَلُوا فَإِنَّهُ يَأْتِي زَمَانٌ يَشْتَبِهُ فِيهِ الْحَقُّ وَالْبَاطِلُ وَيَكُونُ الْمَعْرُوفُ فِيهِ مُنْكَرًا وَالْمُنْكَرُ فِيهِ مَعْرُوفًا فَكَمْ مِنْ مُتَقَرِّبٍ إِلَى اللَّهِ بِمَا يُبَاعِدُهُ وَمُتَحَبِّبٍ إِلَيْهِ بِمَا يُغْضِبُهُ عَلَيْهِ قَالَ اللَّهُ تَعَالَى أَفَمَنْ زُيِّنَ لَهُ سُوءُ عَمَلِهِ فَرَآهُ حَسَنًا الْآيَةَ فَعَلَيْكُمْ بِالْوُقُوفِ عِنْدَ الشُّبُهَاتِ حَتَّى يَبْرُزَ لَكُمْ وَاضِحُ الْحَقِّ بِالْبَيِّنَةِ فَإِنَّ الدَّاخِلَ فِيمَا لَا يَعْلَمُ بِغَيْرِ عِلْمٍ آثِمٌ وَمَنْ نَظَرَ لِلَّهِ نَظَرَ اللَّهُ لَهُ عَلَيْكُمْ بِالْقُرْآنِ فَأْتَمُّوا بِهِ وَأُمُّوا بِهِ وَعَلَيْكُمْ بِطَلَبِ أَثَرِ الْمَاضِينَ فِيهِ وَلَوْ أَنَّ الْأَحْبَارَ وَالرُّهْبَانَ لَمْ يَتَّقُوا زَوَالَ مَرَاتِبِهِمْ وَفَسَادَ مَنْزِلَتِهِمْ بِإِقَامَةِ الْكِتَابِ وَتِبْيَانِهِ مَا حَرَّفُوهُ وَلَا كَتَمُوهُ وَلَكِنَّهُمْ لَمَّا خَالَفُوا الْكِتَابَ بِأَعْمَالِهِمْ الْتَمَسُوا أَنْ يَخْدَعُوا قَوْمَهُمْ عَمَّا صَنَعُوا مَخَافَةَ أَنْ تَفْسُدَ مَنَازِلُهُمْ وَأَنْ يَتَبَيَّنَ لِلنَّاسِ فَسَادُهُمْ فَحَرَّفُوا الْكِتَابَ بِالتَّفْسِيرِ وَمَا لَمْ يَسْتَطِيعُوا تَحْرِيفَهُ كَتَمُوهُ فَسَكَتُوا عَنْ صَنِيعِ أَنْفُسِهِمْ إِبْقَاءً عَلَى مَنَازِلِهِمْ وَسَكَتُوا عَمَّا صَنَعَ قَوْمُهُمْ مُصَانَعَةً لَهُمْ وَقَدْ أَخَذَ اللَّهُ مِيثَاقَ الَّذِينَ أُوتُوا الْكِتَابَ لَتُبَيِّنُنَّهُ لِلنَّاسِ وَلَا تَكْتُمُونَهُ بَلْ مَالَئُوا عَلَيْهِ وَرَقَّقُوا لَهُمْ فِيهِ

 

إسناده ضعيف عبد الملك بن سليمان الأنطاكي مجهول

أخبرنا عبد الملك بن سليمان أبو عبد الرحمن الأنطاكي عن عباد بن عباد الخواص الشامي أبي عتبة قال أما بعد اعقلوا والعقل نعمة فرب ذي عقل قد شغل قلبه بالتعمق عما هو عليه ضرر عن الانتفاع بما يحتاج إليه حتى صار عن ذلك ساهيا ومن فضل عقل المرء ترك النظر فيما لا نظر فيه حتى لا يكون فضل عقله وبالا عليه في ترك منافسة من هو دونه في الأعمال الصالحة أو رجل شغل قلبه ببدعة قلد فيها دينه رجالا دون أصحاب رسول الله صلى الله عليه وسلم أو اكتفى برأيه فيما لا يرى الهدى إلا فيها ولا يرى الضلالة إلا بتركها يزعم أنه أخذها من القرآن وهو يدعو إلى فراق القرآن أفما كان للقرآن حملة قبله وقبل أصحابه يعملون بمحكمه ويؤمنون بمتشابهه وكانوا منه على منار كوضح الطريق فكان القرآن إمام رسول الله صلى الله عليه وسلم وكان رسول الله إماما لأصحابه وكان أصحابه أئمة لمن بعدهم رجال معروفون منسوبون في البلدان متفقون في الرد على أصحاب الأهواء مع ما كان بينهم من الاختلاف وتسكع أصحاب الأهواء برأيهم في سبل مختلفة جائرة عن القصد مفارقة للصراط المستقيم فتوهت بهم أدلاؤهم في مهامه مضلة فأمعنوا فيها متعسفين في تيههم كلما أحدث لهم الشيطان بدعة في ضلالتهم انتقلوا منها إلى غيرها لأنهم لم يطلبوا أثر السالفين ولم يقتدوا بالمهاجرين وقد ذكر عن عمر أنه قال لزياد هل تدري ما يهدم الإسلام زلة عالم وجدال منافق بالقرآن وأئمة مضلون اتقوا الله وما حدث في قرائكم وأهل مساجدكم من الغيبة والنميمة والمشي بين الناس بوجهين ولسانين وقد ذكر أن من كان ذا وجهين في الدنيا كان ذا وجهين في النار يلقاك صاحب الغيبة فيغتاب عندك من يرى أنك تحب غيبته ويخالفك إلى صاحبك فيأتيه عنك بمثله فإذا هو قد أصاب عند كل واحد منكما حاجته وخفي على كل واحد منكما ما أتي به عند صاحبه حضوره عند من حضره حضور الإخوان وغيبته على من غاب عنه غيبة الأعداء من حضر منهم كانت له الأثرة ومن غاب منهم لم تكن له حرمة يفتن من حضره بالتزكية ويغتاب من غاب عنه بالغيبة فيا لعباد الله أما في القوم من رشيد ولا مصلح يقمع هذا عن مكيدته ويرده عن عرض أخيه المسلم بل عرف هواهم فيما مشى به إليهم فاستمكن منهم وأمكنوه من حاجته فأكل بدينه مع أديانهم فالله الله ذبوا عن حرم أغيابكم وكفوا ألسنتكم عنهم إلا من خير وناصحوا الله في أمتكم إذ كنتم حملة الكتاب والسنة فإن الكتاب لا ينطق حتى ينطق به وإن السنة لا تعمل حتى يعمل بها فمتى يتعلم الجاهل إذا سكت العالم فلم ينكر ما ظهر ولم يأمر بما ترك وقد أخذ الله ميثاق الذين أوتوا الكتاب لتبيننه للناس ولا تكتمونه اتقوا الله فإنكم في زمان رق فيه الورع وقل فيه الخشوع وحمل العلم مفسدوه فأحبوا أن يعرفوا بحمله وكرهوا أن يعرفوا بإضاعته فنطقوا فيه بالهوى لما أدخلوا فيه من الخطإ وحرفوا الكلم عما تركوا من الحق إلى ما عملوا به من باطل فذنوبهم ذنوب لا يستغفر منها وتقصيرهم تقصير لا يعترف به كيف يهتدي المستدل المسترشد إذا كان الدليل حائرا أحبوا الدنيا وكرهوا منزلة أهلها فشاركوهم في العيش وزايلوهم بالقول ودافعوا بالقول عن أنفسهم أن ينسبوا إلى عملهم فلم يتبرءوا مما انتفوا منه ولم يدخلوا فيما نسبوا إليه أنفسهم لأن العامل بالحق متكلم وإن سكت وقد ذكر أن الله تعالى يقول إني لست كل كلام الحكيم أتقبل ولكني أنظر إلى همه وهواه فإن كان همه وهواه لي جعلت صمته حمدا ووقارا لي وإن لم يتكلم وقال الله تعالى مثل الذين حملوا التوراة ثم لم يحملوها لم يعملوا بها كمثل الحمار يحمل أسفارا كتبا وقال خذوا ما آتيناكم بقوة قال العمل بما فيه ولا تكتفوا من السنة بانتحالها بالقول دون العمل بها فإن انتحال السنة دون العمل بها كذب بالقول مع إضاعة العمل ولا تعيبوا بالبدع تزينا بعيبها فإن فساد أهل البدع ليس بزائد في صلاحكم ولا تعيبوها بغيا على أهلها فإن البغي من فساد أنفسكم وليس ينبغي للطبيب أن يداوي المرضى بما يبرئهم ويمرضه فإنه إذا مرض اشتغل بمرضه عن مداواتهم ولكن ينبغي أن يلتمس لنفسه الصحة ليقوى به على علاج المرضى فليكن أمركم فيما تنكرون على إخوانكم نظرا منكم لأنفسكم ونصيحة منكم لربكم وشفقة منكم على إخوانكم وأن تكونوا مع ذلك بعيوب أنفسكم أعنى منكم بعيوب غيركم وأن يستطعم بعضكم بعضا النصيحة وأن يحظى عندكم من بذلها لكم وقبلها منكم وقد قال عمر بن الخطاب رضي الله عنه رحم الله من أهدى إلي عيوبي تحبون أن تقولوا فيحتمل لكم وإن قيل لكم مثل الذي قلتم غضبتم تجدون على الناس فيما تنكرون من أمورهم وتأتون مثل ذلك فلا تحبون أن يوجد عليكم اتهموا رأيكم ورأي أهل زمانكم وتثبتوا قبل أن تكلموا وتعلموا قبل أن تعملوا فإنه يأتي زمان يشتبه فيه الحق والباطل ويكون المعروف فيه منكرا والمنكر فيه معروفا فكم من متقرب إلى الله بما يباعده ومتحبب إليه بما يغضبه عليه قال الله تعالى أفمن زين له سوء عمله فرآه حسنا الآية فعليكم بالوقوف عند الشبهات حتى يبرز لكم واضح الحق بالبينة فإن الداخل فيما لا يعلم بغير علم آثم ومن نظر لله نظر الله له عليكم بالقرآن فأتموا به وأموا به وعليكم بطلب أثر الماضين فيه ولو أن الأحبار والرهبان لم يتقوا زوال مراتبهم وفساد منزلتهم بإقامة الكتاب وتبيانه ما حرفوه ولا كتموه ولكنهم لما خالفوا الكتاب بأعمالهم التمسوا أن يخدعوا قومهم عما صنعوا مخافة أن تفسد منازلهم وأن يتبين للناس فسادهم فحرفوا الكتاب بالتفسير وما لم يستطيعوا تحريفه كتموه فسكتوا عن صنيع أنفسهم إبقاء على منازلهم وسكتوا عما صنع قومهم مصانعة لهم وقد أخذ الله ميثاق الذين أوتوا الكتاب لتبيننه للناس ولا تكتمونه بل مالئوا عليه ورققوا لهم فيه إسناده ضعيف عبد الملك بن سليمان الأنطاكي مجهول

 হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai’f)  বর্ণনাকারীঃ মালিক ইবনু সুলাইমান আবু আব্দুর রহমান আল ইনতাকী (রহঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ভূমিকা (المقدمة)

 

মন্তব্য করুন

Top