দারেমী পবিত্রতা অধ্যায় ৩য় ভাগ হাদিস নং ৭৯১ – ৮৮০

 ৭৯১

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৮০. ‘মুস্তাহাযা’ (রক্তপ্রদরের) রোগিণী

৭৯১. নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সহধর্মিণী আয়িশা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, উম্মু হাবীবাহ বিনতে জাহশ, যিনি আব্দুর রহমান ইবনু আউফের স্ত্রী ছিলেন, তিনি সাত বছর যাবত ইসতিহাযার রোগী ছিলেন। তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নিকট এ ব্যাপারে অভিযোগ করলেন। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন: “এটি হায়েয নয়, বরং এটি শিরা থেকে প্রবাহিত রক্ত। ফলে যখন হায়েয আসবে, তখন তুমি সালাত পরিত্যাগ করবে। যখন তা চলে যাবে, তখন তুমি গোসল করবে এবং সালাত আদায় করবে।” আয়িশা বলেন: এরপর তিনি প্রত্যেক সালাতের জন্য ওযু করতেন এবং সালাত আদায় করতেন। আর তিনি তার বোন যায়নাব বিনতে জাহশের একটি পাত্রে বসে গোসল করতেন। এমনকি পানি রক্তে লাল হয়ে যেতো।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: সহীহ বুখারী, ২২৮; সহীহ মুসলিম ৩৩৩। আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি ও টীকা সংযোজন করেছি মুসনাদুল মাওসিলী নং ৪৪০৫ ও সহীহ ইবনু হিব্বান নং ১৩৪৮, ১৩৫০, ১৩৫৪ এবং মুসনাদুল হুমাইদী নং ১৯৩।

بَابٌ: فِي الْمُسْتَحَاضَةِ

أَخْبَرَنَا أَبُو الْمُغِيرَةِ عَنْ الْأَوْزَاعِيِّ عَنْ الزُّهْرِيِّ عَنْ عُرْوَةَ بْنِ الزُّبَيْرِ وَعَمْرَةَ بِنْتِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ سَعْدِ بْنِ زُرَارَةَ عَنْ عَائِشَةَ زَوْجِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَتْ اسْتُحِيضَتْ أُمُّ حَبِيبَةَ بِنْتُ جَحْشٍ وَهِيَ تَحْتَ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عَوْفٍ سَبْعَ سِنِينَ فَشَكَتْ ذَلِكَ إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِنَّ هَذِهِ لَيْسَتْ بِالْحَيْضَةِ وَإِنَّمَا هِيَ عِرْقٌ فَإِذَا أَقْبَلَتْ الْحَيْضَةُ فَدَعِي الصَّلَاةَ وَإِذَا أَدْبَرَتْ فَاغْتَسِلِي ثُمَّ صَلِّي قَالَتْ عَائِشَةُ فَكَانَتْ تَغْتَسِلُ لِكُلِّ صَلَاةٍ ثُمَّ تُصَلِّي وَكَانَتْ تَقْعُدُ فِي مِرْكَنٍ لِأُخْتِهَا زَيْنَبَ بِنْتِ جَحْشٍ حَتَّى إِنَّ حُمْرَةَ الدَّمِ لَتَعْلُو الْمَاءَ

إسناده صحيح

أخبرنا أبو المغيرة عن الأوزاعي عن الزهري عن عروة بن الزبير وعمرة بنت عبد الرحمن بن سعد بن زرارة عن عائشة زوج النبي صلى الله عليه وسلم قالت استحيضت أم حبيبة بنت جحش وهي تحت عبد الرحمن بن عوف سبع سنين فشكت ذلك إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال النبي صلى الله عليه وسلم إن هذه ليست بالحيضة وإنما هي عرق فإذا أقبلت الحيضة فدعي الصلاة وإذا أدبرت فاغتسلي ثم صلي قالت عائشة فكانت تغتسل لكل صلاة ثم تصلي وكانت تقعد في مركن لأختها زينب بنت جحش حتى إن حمرة الدم لتعلو الماء إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আয়িশা বিনত আবূ বাকর সিদ্দীক (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১. পবিত্রতা অধ্যায় (كتاب الطهارة)

 ৭৯২

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৮১. সিয়ামরত অবস্থায় স্ত্রীর সাথে মেলামেশা করা

৭৯২. আয়িশা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সিয়ামরত অবস্থায় তার সাথে মেলামেশা[1] (স্পর্শ) করতেন।[2]

[1] ‘باشر বাশিরু’ শব্দটি আসলে মেলামেশা বা স্পর্শ করা অর্থে এসেছে। এর মূল হলো সঙ্গম করা ব্যতীত পুরুষের (শরীরের) চামড়া নারীর চামড়া স্পর্শ করা।

 

[2] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: সহীহ বুখারী ১৯২৭; সহীহ মুসলিম ১১০৬; আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি ও টীকা সংযোজন করেছি মুসনাদুল মাওসিলী নং ৪৪২৮ ও সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৩৫৩৭।

بَابُ الْمُبَاشَرَةِ لِلصَّائِمِ

أَخْبَرَنَا أَبُو عَاصِمٍ عَنْ هِشَامٍ صَاحِبِ الدَّسْتَوَائِيِّ عَنْ حَمَّادٍ عَنْ إِبْرَاهِيمَ عَنْ الْأَسْوَدِ عَنْ عَائِشَةَ قَالَتْ كَانَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يُبَاشِرُ وَهُوَ صَائِمٌ

إسناده صحيح

أخبرنا أبو عاصم عن هشام صاحب الدستوائي عن حماد عن إبراهيم عن الأسود عن عائشة قالت كان النبي صلى الله عليه وسلم يباشر وهو صائم إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai’f)  বর্ণনাকারীঃ আয়িশা বিনত আবূ বাকর সিদ্দীক (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)

 ৭৯৩

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৮১. সিয়ামরত অবস্থায় স্ত্রীর সাথে মেলামেশা করা

৭৯৩. (অপর সনদে) আয়িশা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সিয়ামরত অবস্থায় তার সাথে মেলামেশা[1] (স্পর্শ) করতেন।[2]

[1] ‘باشر বাশিরু’ শব্দটি আসলে মেলামেশা বা স্পর্শ করা অর্থে এসেছে। এর মূল হলো সঙ্গম করা ব্যতীত পুরুষের (শরীরের) চামড়া নারীর চামড়া স্পর্শ করা।

 

[2] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: এটি আগের হাদীসের পূনরুক্তি। আগের টীকাটি দেখুন।

بَابُ الْمُبَاشَرَةِ لِلصَّائِمِ

أَخْبَرَنَا أَبُو حَاتِمٍ الْبَصْرِيُّ رَوْحُ بْنُ أَسْلَمَ حَدَّثَنَا زَائِدَةُ عَنْ سُلَيْمَانَ عَنْ إِبْرَاهِيمَ عَنْ الْأَسْوَدِ عَنْ عَائِشَةَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَ يُبَاشِرُ وَهُوَ صَائِمٌ

إسناده صحيح

أخبرنا أبو حاتم البصري روح بن أسلم حدثنا زائدة عن سليمان عن إبراهيم عن الأسود عن عائشة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان يباشر وهو صائم إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আয়িশা বিনত আবূ বাকর সিদ্দীক (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১. পবিত্রতা অধ্যায় (كتاب الطهارة)

 ৭৯৪

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৮২. নারীর হায়িযগ্রস্ত অবস্থায় জায়নামায বিছিয়ে দেয়া

৭৯৪. আয়িশা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা হতে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাকে বলেছেন: “আমাকে জায়নামায[1] এনে দাও।” তখন তিনি (আয়েশা) বলেন, আমি তো হায়েযগ্রস্ত। তখন তিনি বলেন: “তা তো তোমার হাতে লেগে নেই।”[2]

[1] الخمرة ‘খুমরাহ’ অর্থ ‘سجادة ’ (জায়নামায)।

 

[2] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: সহীহ মুসলিম ২৯৮; আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি ও টীকা সংযোজন করেছি মুসনাদুল মাওসিলী নং ৪৪৮৮ ও সহীহ ইবনু হিব্বান নং ১৩৫৭, ১৩৫৮ এ।

بَابُ الْحَائِضِ تُبْسِطُ الْخُمْرَةَ

أَخْبَرَنَا أَبُو الْوَلِيدِ الطَّيَالِسِيُّ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ قَالَ سُلَيْمَانُ أَخْبَرَنِي عَنْ ثَابِتِ بْنِ عُبَيْدٍ عَنْ الْقَاسِمِ عَنْ عَائِشَةَ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ لَهَا نَاوِلِينِي الْخُمْرَةَ قَالَتْ إِنِّي حَائِضٌ قَالَ إِنَّهَا لَيْسَتْ فِي يَدِكِ

أخبرنا أبو الوليد الطيالسي حدثنا شعبة قال سليمان أخبرني عن ثابت بن عبيد عن القاسم عن عائشة أن النبي صلى الله عليه وسلم قال لها ناوليني الخمرة قالت إني حائض قال إنها ليست في يدك

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আয়িশা বিনত আবূ বাকর সিদ্দীক (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১. পবিত্রতা অধ্যায় (كتاب الطهارة)

 ৭৯৫

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৮৩. কাপড়ে হায়েযের রক্ত লেগে গেলে (এর হুকুম)

৭৯৫. ফাতিমা বিনতে আল মুনযির তার দাদি আসমা বিনতে আবু বাকর রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা হতে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, আমি এক মহিলা হতে শুনেছি যে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে এ ব্যাপারে জিজ্ঞেস করেছিলেন যে, যখন সে হায়েয হতে পবিত্র হবে, তখন সে তার কাপড় কিভাবে (পবিত্র) করবে? তিনি বলেছিলেন: “যদি সে তার কাপড়ে রক্ত দেখতে পায় তবে সে তা ঘষে ও খুঁটিয়ে তুলে ফেলবে অতঃপর তোমার পুরো কাপড়ে পানি ছিটিয়ে দেবে। এরপর তুমি সেই কাপড়ে সালাত আদায় করবে।”[1]

 

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: আবু দাউদ ৩৫৬, ৩৬১; আহমাদ ৬/৩৪৫, ৩৪৬,৩৫৩; ইবনু আবী শাইবা ১/৯৫; বুখারী ২২৭; সহীহ মুসলিম ২৯১; তিরমিযী ১৩৮; নাসাঈ ২৯৪; আমি এটি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ১৩৯৬-১৩৯৮ নং ও মুসনাদুল হুমাইদী নং ৩২২ তে পূর্ণ তাখরীজ করেছি।

بَابٌ فِي دَمِ الْحَيْضِ يُصِيبُ الثَّوْبَ

أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ خَالِدٍ حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ إِسْحَقَ عَنْ فَاطِمَةَ بِنْتِ الْمُنْذِرِ عَنْ جَدَّتِهَا أَسْمَاءَ بِنْتِ أَبِي بَكْرٍ قَالَتْ سَمِعْتُ امْرَأَةً وَهِيَ تَسْأَلُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَيْفَ تَصْنَعُ بِثَوْبِهَا إِذَا طَهُرَتْ مِنْ مَحِيضِهَا قَالَ إِنْ رَأَيْتِ فِيهِ دَمًا فَحُكِّيهِ ثُمَّ اقْرُصِيهِ ثُمَّ انْضَحِي فِي سَائِرِ ثَوْبِكِ ثُمَّ صَلِّي فِيهِ

إسناده صحيح

أخبرنا أحمد بن خالد حدثنا محمد بن إسحق عن فاطمة بنت المنذر عن جدتها أسماء بنت أبي بكر قالت سمعت امرأة وهي تسأل رسول الله صلى الله عليه وسلم كيف تصنع بثوبها إذا طهرت من محيضها قال إن رأيت فيه دما فحكيه ثم اقرصيه ثم انضحي في سائر ثوبك ثم صلي فيه إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ ফাতিমা বিনতে আল মুনযির (রহঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১. পবিত্রতা অধ্যায় (كتاب الطهارة)

 ৭৯৬

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৮৪. মুস্তাহাযাহ (রক্ত প্রদরের রোগিণী)-এর গোসল সম্পর্কে

৭৯৬. উম্মুল মু’মিনীন আয়িশা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আনসারদের এক মহিলা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে হায়িয (এর গোসল) সম্পর্কে জিজ্ঞেস করল। তিনি জবাবে বললেন: “তোমরা কুলপাতা মিশ্রিত পানি নাও, এরপর (তা দিয়ে) সুন্দরভাবে ধৌত করো এবং মাথায় পানি ঢালবে যাতে তা তোমার চুলের গোড়া পর্যন্ত পানি পৌঁছে যায়। তারপর সুগন্ধিযুক্ত এক টুকরো কাপড় নিয়ে তা দ্বারা পবিত্রতা অর্জন করবে। সে বললো, ইয়া রাসূলাল্লাহ! তা দ্বারা সে কিভাবে (পবিত্রতা অর্জন) করবে? তখন তিনি চুপ থাকলেন। সে আবার বললো, ইয়া রাসূলাল্লাহ! তা দ্বারা সে কিভাবে (পবিত্রতা অর্জন) করবে? তখনও তিনি চুপ থাকলেন। তখন আয়িশা বললেন: সুগন্ধিযুক্ত এক টুকরো কাপড় নিয়ে তা রক্তের চিহ্নের উপর বুলিয়ে দিবে। আর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তা শুনলেন কিন্তু তিনি এতে অস্বীকৃতি জানাননি।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: বুখারী ৩১৪; সহীহ মুসলিম ৩৩২;

 

আমি এটি মুসনাদুল মাউসিলী নং ৪৭৩৩ ও সহীহ ইবনু হিব্বান নং ১১৯৯, ১২০০ ও মুসনাদুল হুমাইদী নং ১৬৭ তে পূর্ণ তাখরীজ ও পার্শ্বটীকা দিয়েছি, কিন্তু সহীহ ইবনু হিব্বানে সূত্র উল্লেখে করতে ভুল করেছি।

بَابٌ فِي غُسْلِ الْمُسْتَحَاضَةِ

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ حَدَّثَنَا إِسْرَائِيلُ عَنْ إِبْرَاهِيمَ بْنِ مُهَاجِرٍ عَنْ صَفِيَّةَ بِنْتِ شَيْبَةَ بْنِ عُثْمَانَ عَنْ عَائِشَةَ أُمِّ الْمُؤْمِنِينَ قَالَتْ سَأَلَتْ امْرَأَةٌ مِنْ الْأَنْصَارِ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَنْ الْحَيْضِ قَالَ خُذِي مَاءَكِ وَسِدْرَكِ ثُمَّ اغْتَسِلِي وَأَنْقِي ثُمَّ صُبِّي عَلَى رَأْسِكِ حَتَّى تَبْلُغِي شُؤُونَ الرَّأْسِ ثُمَّ خُذِي فِرْصَةً مُمَسَّكَةً قَالَتْ كَيْفَ أَصْنَعُ بِهَا يَا رَسُولَ اللَّهِ فَسَكَتَ قَالَتْ فَكَيْفَ أَصْنَعُ بِهَا يَا رَسُولَ اللَّهِ فَسَكَتَ فَقَالَتْ عَائِشَةُ خُذِي فِرْصَةً مُمَسَّكَةً فَتَتَبَّعِي بِهَا آثَارَ الدَّمِ وَرَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَسْمَعُ فَمَا أَنْكَرَ عَلَيْهَا

إسناده صحيح

حدثنا محمد بن يوسف حدثنا إسرائيل عن إبراهيم بن مهاجر عن صفية بنت شيبة بن عثمان عن عائشة أم المؤمنين قالت سألت امرأة من الأنصار رسول الله صلى الله عليه وسلم عن الحيض قال خذي ماءك وسدرك ثم اغتسلي وأنقي ثم صبي على رأسك حتى تبلغي شؤون الرأس ثم خذي فرصة ممسكة قالت كيف أصنع بها يا رسول الله فسكت قالت فكيف أصنع بها يا رسول الله فسكت فقالت عائشة خذي فرصة ممسكة فتتبعي بها آثار الدم ورسول الله صلى الله عليه وسلم يسمع فما أنكر عليها إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আয়িশা বিনত আবূ বাকর সিদ্দীক (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১. পবিত্রতা অধ্যায় (كتاب الطهارة)

 ৭৯৭

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৮৪. মুস্তাহাযাহ (রক্ত প্রদরের রোগিণী)-এর গোসল সম্পর্কে

৭৯৭. আয়িশা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, ফাতিমা বিনতে আবী হুবাইশ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নিকট এসে বললো, ইয়া রাসূলুল্লাহ! আমি ইস্তিহাযাগ্রস্ত মহিলা। আমি পবিত্র হই না, ফলে সালাত পরিত্যাগ করি। তখন তিনি বললেন: না, বরং এটি শিরা থেকে প্রবাহিত রক্ত। ফলে যখন হায়েয আসবে, তখন তুমি সালাত পরিত্যাগ করবে। যখন তা চলে যাবে, তখন তোমার (দেহ) হতে রক্ত ধুয়ে ফেলবে এবং সালাত আদায় করবে।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: আবু আউয়ানাহ, ১/৩১৯; সহীহ বুখারী ২২৮; সহীহ মুসলিম ৩৩৩।

 

আমি এটি মুসনাদুল মাউসিলী নং ৪৪৮৬, ৪৭৯৯ ও সহীহ ইবনু হিব্বান নং ১৩৫০ ও মুসনাদুল হুমাইদী নং ১৯৩ তে পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি। হাদীসটি সামনে ৮০৬ নং আসছে।

بَابٌ فِي غُسْلِ الْمُسْتَحَاضَةِ

أَخْبَرَنَا جَعْفَرُ بْنُ عَوْنٍ حَدَّثَنَا هِشَامُ بْنُ عُرْوَةَ عَنْ أَبِيهِ عَنْ عَائِشَةَ قَالَتْ جَاءَتْ فَاطِمَةُ بِنْتُ أَبِي حُبَيْشٍ إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَتْ يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنِّي امْرَأَةٌ أُسْتَحَاضُ فَلَا أَطْهُرُ أَفَأَدَعُ الصَّلَاةَ قَالَ لَا إِنَّمَا ذَلِكِ عِرْقٌ فَإِذَا أَقْبَلَتْ الْحَيْضَةُ فَدَعِي الصَّلَاةَ وَإِذَا أَدْبَرَتْ فَاغْسِلِي عَنْكِ الدَّمَ وَصَلِّي

إسناده صحيح

أخبرنا جعفر بن عون حدثنا هشام بن عروة عن أبيه عن عائشة قالت جاءت فاطمة بنت أبي حبيش إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقالت يا رسول الله إني امرأة أستحاض فلا أطهر أفأدع الصلاة قال لا إنما ذلك عرق فإذا أقبلت الحيضة فدعي الصلاة وإذا أدبرت فاغسلي عنك الدم وصلي إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আয়িশা বিনত আবূ বাকর সিদ্দীক (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১. পবিত্রতা অধ্যায় (كتاب الطهارة)

 ৭৯৮

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৮৪. মুস্তাহাযাহ (রক্ত প্রদরের রোগিণী)-এর গোসল সম্পর্কে

৭৯৮. আয়িশা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, জাহাশের কন্যা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের যুগে ইস্তিহাযাগ্রস্ত হয়েছিলেন। ফলে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাকে প্রত্যেক সালাতের জন্য গোসল করার নির্দেশ দিয়েছিলেন। ফলে সে পানি ভরা একটি পাত্রের মধ্যে বসতো এবং তাতে (শরীরের নিম্নাংশ) ডুবানোর পর পাত্র হতে উঠে আসতো। তখন পানির উপরিভাগ পর্যন্ত রক্তবর্ণ ধারণ করতো। অতঃপর সে সালাত আদায় করতো।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ যয়ীফ। মুহাম্মদ ইবনু ইসহাক এটি ‘আন‘আন পদ্ধতিতে বর্ণনা করেছেন। কিন্তু হাদীসটি সহীহ।

 

তাখরীজ: আহমাদ ৬/২৩৭; তাবারানী, আস সগীর ১/৭৫; আবু দাউদ ২৯২; তাহাবী, শারহু মা’আনিল আছার ১/৯৮, ১০১; দেখুন সামনের ৮০৫ নং হাদীসটি। আমি এটি মুসনাদুল মাউসিলী নং ৪৪০৫, ৪৪১০ ও সহীহ ইবনু হিব্বান নং ১৩৫০. ১৩৫৩ তে পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি।

بَابٌ فِي غُسْلِ الْمُسْتَحَاضَةِ

أَخْبَرَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ إِسْحَقَ عَنْ الزُّهْرِيِّ عَنْ عُرْوَةَ عَنْ عَائِشَةَ أَنَّ ابْنَةَ جَحْشٍ اسْتُحِيضَتْ عَلَى عَهْدِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَأَمَرَهَا رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِالْغُسْلِ لِكُلِّ صَلَاةٍ فَإِنْ كَانَتْ لَتَدْخُلُ الْمِرْكَنَ وَإِنَّهُ لَمَمْلُوءٌ مَاءً فَتَنْغَمِسُ فِيهِ ثُمَّ تَخْرُجُ مِنْهُ وَإِنَّ الدَّمَ لَعَالِيهِ فَتُصَلِّي

 

إسناده ضعيف فيه عنعنة محمد بن إسحاق

أخبرنا يزيد بن هارون أخبرنا محمد بن إسحق عن الزهري عن عروة عن عائشة أن ابنة جحش استحيضت على عهد رسول الله صلى الله عليه وسلم فأمرها رسول الله صلى الله عليه وسلم بالغسل لكل صلاة فإن كانت لتدخل المركن وإنه لمملوء ماء فتنغمس فيه ثم تخرج منه وإن الدم لعاليه فتصلي إسناده ضعيف فيه عنعنة محمد بن إسحاق

 হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai’f)  বর্ণনাকারীঃ আয়িশা বিনত আবূ বাকর সিদ্দীক (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১. পবিত্রতা অধ্যায় (كتاب الطهارة)

 ৭৯৯

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৮৪. মুস্তাহাযাহ (রক্ত প্রদরের রোগিণী)-এর গোসল সম্পর্কে

৭৯৯. আয়িশা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম জনৈক মহিলাকে প্রত্যেক সালাতের সময় গোসল করতে নির্দেশ দেন। ফলে সেটি তার উপর কষ্টদায়ক হলে যোহর ও আসর সালাতকে একত্রে এক গোসলে, মাগরিব ও ঈশা’ এক গোসলে এবং ফজর এক গোসলে আদায় করতে নির্দেশ দেন।[1] আবু মুহাম্মদ বলেন: লোকেরা বলতো, (মহিলাটির নাম ছিল) সাহলাহ বিনতু সুহাইল; ইয়াযীদ ইবনু হারুন বলেন, (তার নাম) সুহাইলাহ বিনতু সাহল।

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ যয়ীফ। মুহাম্মদ ইবনু ইসহাক এটি ‘আন‘আন পদ্ধতিতে বর্ণনা করেছেন। কিন্তু তার মুতাবি’আত হাদীস রয়েছে যা এর সনদকে সহীহ তে উন্নীত করে। আল্লাহই ভাল জানেন।

 

তাখরীজ: আবু দাউদ ২৯৫ (একই অর্থে ভিন্ন সনদে); যা সামনে ৮১২ নং এ আসছে। এর জন্য পূর্বের আয়িশার হাদীসটি ও পরের হাদীসটি দেখুন।

بَابٌ فِي غُسْلِ الْمُسْتَحَاضَةِ

أَخْبَرَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ إِسْحَقَ عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ الْقَاسِمِ عَنْ أَبِيهِ عَنْ عَائِشَةَ قَالَتْ إِنَّمَا هِيَ فُلَانَةُ إِنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَ أَمَرَهَا بِالْغُسْلِ لِكُلِّ صَلَاةٍ فَلَمَّا شَقَّ ذَلِكَ عَلَيْهَا أَمَرَهَا أَنْ تَجْمَعَ بَيْنَ الظُّهْرِ وَالْعَصْرِ بِغُسْلٍ وَاحِدٍ وَبَيْنَ الْمَغْرِبِ وَالْعِشَاءِ بِغُسْلٍ وَاحِدٍ وَتَغْتَسِلَ لِلْفَجْرِ قَالَ أَبُو مُحَمَّد النَّاسُ يَقُولُونَ سَهْلَةُ بِنْتُ سُهَيْلٍ قَالَ يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ سُهَيْلَةُ بِنْتُ سَهْلٍ

 

إسناده ضعيف فيه عنعنة ابن إسحاق

أخبرنا يزيد بن هارون أخبرنا محمد بن إسحق عن عبد الرحمن بن القاسم عن أبيه عن عائشة قالت إنما هي فلانة إن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان أمرها بالغسل لكل صلاة فلما شق ذلك عليها أمرها أن تجمع بين الظهر والعصر بغسل واحد وبين المغرب والعشاء بغسل واحد وتغتسل للفجر قال أبو محمد الناس يقولون سهلة بنت سهيل قال يزيد بن هارون سهيلة بنت سهل إسناده ضعيف فيه عنعنة ابن إسحاق

 হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai’f)  বর্ণনাকারীঃ আয়িশা বিনত আবূ বাকর সিদ্দীক (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১. পবিত্রতা অধ্যায় (كتاب الطهارة)

 ৮০০

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৮৪. মুস্তাহাযাহ (রক্ত প্রদরের রোগিণী)-এর গোসল সম্পর্কে

৮০০. শু’বাহ বলেন, আমি আব্দুর রহমান ইবনুল কাসিমকে মুসতাহাযাহ’ (ইস্তিহাযাহগ্রস্ত) নারী’র ব্যাপারে জিজ্ঞেস করলাম। তখন তিনি তার পিতার সূত্রে আয়িশা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা হতে বর্ণনা করলেন, তিনি বলেন, জনৈক মহিলা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের যুগে ইস্তিহাযাগ্রস্ত হয়েছিলেন। ফলে তাকে আদেশ দেয়া হয়েছিল…. তিনি (বর্ণনাকারী) বলেন: আমি আব্দুর রহমানকে বললাম, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাকে আদেশ করেছিলেন? তিনি বললেন: আমি তোমাকে আর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হতে কোনোকিছু বর্ণনা করব না। তিনি বলেন: তাকে আদেশ করা হয়েছিল, সে (মহিলা) যেন আসরের সালাত তার প্রারম্ভিক সময়ে এবং ‍যুহরের সালাত তার শেষ সময়ে একই গোসলে আদায় করে। একইভাবে সে যেন মাগরিবকে পিছিয়ে তার শেষ সময়ে এবং ঈশা’কে তার প্রথম সময়ে একই গোসলে আদায় করে এবং ফজরের সালাতের জন্য একবার গোসল করে।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: তায়ালিসী ১/৬৩ নং ২৪১; আবু দাউদ ২৯৪; তাহাবী, শারহু মা’আনিল আছার ১/১০০; বাইহাকী ১/৩৫২।

بَابٌ فِي غُسْلِ الْمُسْتَحَاضَةِ

أَخْبَرَنَا هَاشِمُ بْنُ الْقَاسِمِ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ قَالَ سَأَلْتُ عَبْدَ الرَّحْمَنِ بْنَ الْقَاسِمِ عَنْ الْمُسْتَحَاضَةِ فَأَخْبَرَنِي عَنْ أَبِيهِ عَنْ عَائِشَةَ أَنَّ امْرَأَةً اسْتُحِيضَتْ عَلَى عَهْدِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَأُمِرَتْ قَالَ قُلْتُ لِعَبْدِ الرَّحْمَنِ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَمَرَهَا قَالَ لَا أُحَدِّثُكَ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ شَيْئًا فَأُمِرَتْ أَنْ تُؤَخِّرَ الظُّهْرَ وَتُعَجِّلَ الْعَصْرَ وَتَغْتَسِلَ لَهُمَا غُسْلًا وَتُؤَخِّرَ الْمَغْرِبَ وَتُعَجِّلَ الْعِشَاءَ وَتَغْتَسِلَ لَهُمَا غُسْلًا وَتَغْتَسِلَ لِلصُّبْحِ غُسْلًا

 

إسناده صحيح

أخبرنا هاشم بن القاسم حدثنا شعبة قال سألت عبد الرحمن بن القاسم عن المستحاضة فأخبرني عن أبيه عن عائشة أن امرأة استحيضت على عهد رسول الله صلى الله عليه وسلم فأمرت قال قلت لعبد الرحمن النبي صلى الله عليه وسلم أمرها قال لا أحدثك عن النبي صلى الله عليه وسلم شيئا فأمرت أن تؤخر الظهر وتعجل العصر وتغتسل لهما غسلا وتؤخر المغرب وتعجل العشاء وتغتسل لهما غسلا وتغتسل للصبح غسلا إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ শু’বা (রহঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১. পবিত্রতা অধ্যায় (كتاب الطهارة)

 ৮০১

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৮৪. মুস্তাহাযাহ (রক্ত প্রদরের রোগিণী)-এর গোসল সম্পর্কে

৮০১. আয়িশা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, উম্মু হাবীবাহ বিনতে জাহশ, যিনি আব্দুর রহমান ইবনু আউফের স্ত্রী ছিলেন, তিনি সাত বছর যাবত ইসতিহাযার রোগী ছিলেন। ফলে তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নিকট এ ব্যাপারে অভিযোগ করলেন। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন: “এটি হায়েয নয়, বরং এটি শিরা থেকে প্রবাহিত রক্ত। ফলে যখন হায়েয আসবে, তখন তুমি সালাত পরিত্যাগ করবে। যখন তা চলে যাবে, তখন তুমি গোসল করবে এবং সালাত আদায় করবে।” আয়িশা বলেন: এরপর তিনি প্রত্যেক সালাতের জন্য গোসল করতেন এবং সালাত আদায় করতেন। তিনি আরও বলেন: আর তিনি তার বোন যায়নাব বিনতে জাহশের একটি পাত্রে বসে গোসল করতেন। এমনকি পানি রক্তে লাল হয়ে যেতো।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: আহমাদ ৬/৮৩; আবু ইয়ালা মাউসিলী, আল মুসনাদ ৪৪০৫; মুসনাদুল মাউসিলীতে আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ ও টীকা দিয়েছি, সেখানে দেখুন। আরও দেখুন পূর্বোক্ত ৮০২ (৭৯১ আমাদের ক্রমিকে-অনুবাদক) নং হাদীসের টীকাটি এবং পরবর্তী ৮০৮-৮১১ নং হাদীস দেখুন।

بَابٌ فِي غُسْلِ الْمُسْتَحَاضَةِ

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ حَدَّثَنَا الْأَوْزَاعِيُّ حَدَّثَنِي الزُّهْرِيُّ عَنْ عُرْوَةَ عَنْ عَائِشَةَ قَالَتْ اسْتُحِيضَتْ أُمُّ حَبِيبَةَ بِنْتُ جَحْشٍ سَبْعَ سِنِينَ وَهِيَ تَحْتَ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عَوْفٍ فَاشْتَكَتْ ذَلِكَ إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ لَهَا رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِنَّهَا لَيْسَتْ بِحِيضَةٍ إِنَّمَا هُوَ عِرْقٌ فَإِذَا أَقْبَلَتْ الْحَيْضَةُ فَدَعِي الصَّلَاةَ وَإِذَا أَدْبَرَتْ فَاغْتَسِلِي وَصَلِّي قَالَتْ عَائِشَةُ فَكَانَتْ تَغْتَسِلُ لِكُلِّ صَلَاةٍ ثُمَّ تُصَلِّي قَالَتْ وَكَانَتْ تَقْعُدُ فِي مِرْكَنٍ لِأُخْتِهَا زَيْنَبَ بِنْتِ جَحْشٍ حَتَّى إِنَّ حُمْرَةَ الدَّمِ لَتَعْلُو الْمَاءَ

 

إسناده صحيح

حدثنا محمد بن يوسف حدثنا الأوزاعي حدثني الزهري عن عروة عن عائشة قالت استحيضت أم حبيبة بنت جحش سبع سنين وهي تحت عبد الرحمن بن عوف فاشتكت ذلك إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال لها رسول الله صلى الله عليه وسلم إنها ليست بحيضة إنما هو عرق فإذا أقبلت الحيضة فدعي الصلاة وإذا أدبرت فاغتسلي وصلي قالت عائشة فكانت تغتسل لكل صلاة ثم تصلي قالت وكانت تقعد في مركن لأختها زينب بنت جحش حتى إن حمرة الدم لتعلو الماء إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আয়িশা বিনত আবূ বাকর সিদ্দীক (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১. পবিত্রতা অধ্যায় (كتاب الطهارة)

 ৮০২

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৮৪. মুস্তাহাযাহ (রক্ত প্রদরের রোগিণী)-এর গোসল সম্পর্কে

৮০২. আয়িশা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, ফাতিমা বিনতে আবী হুবাইশ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নিকট এসে বললো, ইয়া রাসূলুল্লাহ! আমি ইসতিহাযাগ্রস্ত মহিলা। এর জন্য আমি কি সালাত পরিত্যাগ করব? তখন তিনি বললেন: না, বরং এটি শিরা থেকে প্রবাহিত রক্ত। এটি হায়েয নয়। ফলে যখন হায়েয আসবে, তখন তুমি সালাত পরিত্যাগ করবে। যখন তার (হায়েযের) নির্ধারিত দিনগুলি অতিবাহিত হবে, তখন তোমার (দেহ) হতে রক্ত ধুয়ে ফেলবে এবং গোসল করে সালাত আদায় করবে। হিশাম বলেন: আমার পিতা বলতেন: তুমি প্রথমে একবার গোসল করবে, এরপর যা কিছু হবে, তা পবিত্র অবস্থা (ধরে নিতে) হবে এবং ‍তুমি সালাত আদায় করবে।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: তাহাবী, শারহু মা’আনিল আছার ১/১০৩; পূর্ণ তাখরীজের জন্য দেখুন হাদীস নং ৮০১ (আমাদের ক্রমিকে দেখুন ৭৯৭ নং হাদীস এর টীকা-অনুবাদক। )

بَابٌ فِي غُسْلِ الْمُسْتَحَاضَةِ

أَخْبَرَنَا حَجَّاجُ بْنُ مِنْهَالٍ حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ عَنْ أَبِيهِ عَنْ عَائِشَةَ أَنَّ فَاطِمَةَ بِنْتَ أَبِي حُبَيْشٍ قَالَتْ يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنِّي امْرَأَةٌ أُسْتَحَاضُ أَفَأَتْرُكُ الصَّلَاةَ قَالَ لَا إِنَّمَا ذَلِكِ عِرْقٌ وَلَيْسَتْ بِالْحِيضَةِ فَإِذَا أَقْبَلَتْ الْحَيْضَةُ فَاتْرُكِي الصَّلَاةَ فَإِذَا ذَهَبَ قَدْرُهَا فَاغْسِلِي عَنْكِ الدَّمَ وَتَوَضَّئِي وَصَلِّي قَالَ هِشَامٌ فَكَانَ أَبِي يَقُولُ تَغْتَسِلُ غُسْلَ الْأَوَّلِ ثُمَّ مَا يَكُونُ بَعْدَ ذَلِكَ فَإِنَّهَا تَطَّهَّرُ وَتُصَلِّي

أخبرنا حجاج بن منهال حدثنا حماد بن سلمة عن هشام بن عروة عن أبيه عن عائشة أن فاطمة بنت أبي حبيش قالت يا رسول الله إني امرأة أستحاض أفأترك الصلاة قال لا إنما ذلك عرق وليست بالحيضة فإذا أقبلت الحيضة فاتركي الصلاة فإذا ذهب قدرها فاغسلي عنك الدم وتوضئي وصلي قال هشام فكان أبي يقول تغتسل غسل الأول ثم ما يكون بعد ذلك فإنها تطهر وتصلي

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আয়িশা বিনত আবূ বাকর সিদ্দীক (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১. পবিত্রতা অধ্যায় (كتاب الطهارة)

 ৮০৩

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৮৪. মুস্তাহাযাহ (রক্ত প্রদরের রোগিণী)-এর গোসল সম্পর্কে

৮০৩. নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সহধর্মিণী উম্মু সালামাহ হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সময়ে এক মহিলার রক্ত নির্গত হতেই থাকতো। ফলে উম্মু সালামাহ তার পক্ষ হতে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নিকট ফতোয়া চাইলেন। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাকে বললেন: “সে এখন যে অবস্থায় (রক্ত ঝরা রোগাবস্থায়), এ অবস্থা শুরু হওয়ার পূর্বে যে কয়দিন হায়েয হতো, সে যেন সেই কয়দিন গণনা করে; কেননা, মাসের সেই কয়দিন তার (হায়েযের) নির্ধারিত সময়। ফলে সেই কয়দিন সে সালাত পরিত্যাগ করবে, আবার যখন এ কয়দিন অতিক্রান্ত হবে, তখন সালাতের সময় উপস্থিত হলে তুমি গোসল করে এবং কাপড় দিয়ে পট্টি বেঁধে সালাত আদায় করবে।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদে জাহালত (অজ্ঞাত রাবী) রয়েছে। তবে হাদীসটি সহীহ।

 

তাখরীজ: আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ করেছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ৬৮৯৪।

بَابٌ فِي غُسْلِ الْمُسْتَحَاضَةِ

أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ يُونُسَ حَدَّثَنَا اللَّيْثُ بْنُ سَعْدٍ عَنْ نَافِعٍ عَنْ سُلَيْمَانَ بْنِ يَسَارٍ أَنَّ رَجُلًا أَخْبَرَهُ عَنْ أُمِّ سَلَمَةَ زَوْجِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنَّ امْرَأَةً كَانَتْ تُهَرَاقُ الدَّمَ عَلَى عَهْدِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَاسْتَفْتَتْ أُمُّ سَلَمَةَ لَهَا رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ لَهَا رَسُولُ اللَّهِ لِتَنْظُرْ عَدَدَ اللَّيَالِي وَالْأَيَّامِ الَّتِي كَانَتْ تَحِيضُهُنَّ قَبْلَ أَنْ يَكُونَ بِهَا الَّذِي كَانَ وَقَدْرَهُنَّ مِنْ الشَّهْرِ فَتَتْرُكْ الصَّلَاةَ لِذَلِكَ فَإِذَا خَلَفَتْ ذَلِكَ وَحَضَرَتْ الصَّلَاةُ فَلْتَغْتَسِلْ وَلْتَسْتَثْفِرْ بِثَوْبٍ ثُمَّ تُصَلِّي

 

إسناده فيه جهالة ولكن الحديث صحيح

أخبرنا أحمد بن عبد الله بن يونس حدثنا الليث بن سعد عن نافع عن سليمان بن يسار أن رجلا أخبره عن أم سلمة زوج النبي صلى الله عليه وسلم أن امرأة كانت تهراق الدم على عهد رسول الله صلى الله عليه وسلم فاستفتت أم سلمة لها رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال لها رسول الله لتنظر عدد الليالي والأيام التي كانت تحيضهن قبل أن يكون بها الذي كان وقدرهن من الشهر فتترك الصلاة لذلك فإذا خلفت ذلك وحضرت الصلاة فلتغتسل ولتستثفر بثوب ثم تصلي إسناده فيه جهالة ولكن الحديث صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ উম্মু সালামাহ (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১. পবিত্রতা অধ্যায় (كتاب الطهارة)

 ৮০৪

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৮৪. মুস্তাহাযাহ (রক্ত প্রদরের রোগিণী)-এর গোসল সম্পর্কে

৮০৪. আয়িশা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা উম্মু হাবীবাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা হতে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, ইয়া রাসূলুল্লাহ! আমার প্রচুর রক্ত নির্গত হয়। তখন তিনি বলেন: “গোসল করো এবং সালাত আদায় করো।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: আহমাদ ৬/১৪১; পূর্ণাঙ্গ তাখরীজের জন্য আগের ৮০৫ (৮০১) নং হাদীসের টীকাটি দেখুন।

بَابٌ فِي غُسْلِ الْمُسْتَحَاضَةِ

حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ عَبْدِ الْمَجِيدِ حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي ذِئْبٍ عَنْ الزُّهْرِيِّ عَنْ عُرْوَةَ عَنْ عَائِشَةَ عَنْ أُمِّ حَبِيبَةَ قَالَتْ يَا رَسُولَ اللَّهِ غَلَبَنِي الدَّمُ قَالَ اغْتَسِلِي وَصَلِّي

إسناده صحيح

حدثنا عبيد الله بن عبد المجيد حدثنا ابن أبي ذئب عن الزهري عن عروة عن عائشة عن أم حبيبة قالت يا رسول الله غلبني الدم قال اغتسلي وصلي إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আয়িশা বিনত আবূ বাকর সিদ্দীক (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১. পবিত্রতা অধ্যায় (كتاب الطهارة)

 ৮০৫

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৮৪. মুস্তাহাযাহ (রক্ত প্রদরের রোগিণী)-এর গোসল সম্পর্কে

৮০৫. আম্মারাহ বিনতে আব্দুর রহমান ইবনু সা’দ ইবনু যিরারাহ হতে বর্ণিত, তিনি আয়িশা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহাকে বলতে শুনেছেন, উম্মু হাবীবাহ বিনতে জাহশ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নিকট এলো। আর তিনি সাত বছর যাবত ইসতিহাযার রোগী ছিলেন। ফলে তিনি এ ব্যাপারে তাঁর নিকট অভিযোগ করলেন এবং তাঁর নিকট ফতোয়া চাইলেন। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাকে বললেন: “এটি হায়েয নয়, বরং এটি শিরা থেকে প্রবাহিত রক্ত। তুমি গোসল করো এবং সালাত আদায় করো।” আয়িশা বলেন: এরপর উম্মু হাবীবাহ প্রত্যেক সালাতের জন্য গোসল করতেন এবং সালাত আদায় করতেন। আর তিনি একটি পাত্রে বসে গোসল করতেন। এমনকি পানি রক্তে লাল হয়ে যেতো। তারপর তিনি গোসল করতেন।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: আবু আউয়ানাহ ১/৩২০; আবু ইয়ালা, আল মুসনাদ নং ৪৪১০; ইবনু হিব্বান, আস সহীহ নং ১৩৫১; আরও দেখুন পূর্বের ৮০৫ নং হাদীসটি। পূর্ণ তাখরীজের জন্য দেখুন আমার তাহক্বীক্বকৃত মুসনাদুল মাউসিলী ও সহীহ ইবনু হিব্বান।

بَابٌ فِي غُسْلِ الْمُسْتَحَاضَةِ

أَخْبَرَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ دَاوُدَ الْهَاشِمِيُّ حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ يَعْنِي ابْنَ سَعْدٍ عَنْ الزُّهْرِيِّ عَنْ عَمْرَةَ بِنْتِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ سَعْدِ بْنِ زُرَارَةَ أَنَّهَا سَمِعَتْ عَائِشَةَ زَوْجَ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ تَقُولُ جَاءَتْ أُمُّ حَبِيبَةَ بِنْتُ جَحْشٍ إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَكَانَتْ اسْتُحِيضَتْ سَبْعَ سِنِينَ فَاشْتَكَتْ ذَلِكَ إِلَيْهِ وَاسْتَفْتَتْهُ فِيهِ فَقَالَ لَهَا إِنَّ هَذَا لَيْسَ بِالْحِيضَةِ إِنَّمَا هَذَا عِرْقٌ فَاغْتَسِلِي ثُمَّ صَلِّي قَالَتْ عَائِشَةُ وَكَانَتْ أُمُّ حَبِيبَةَ تَغْتَسِلُ لِكُلِّ صَلَاةٍ وَتُصَلِّي وَكَانَتْ تَجْلِسُ فِي الْمِرْكَنِ فَتَعْلُو حُمْرَةُ الدَّمِ الْمَاءَ ثُمَّ تُصَلِّي

إسناده صحيح

أخبرنا سليمان بن داود الهاشمي حدثنا إبراهيم يعني ابن سعد عن الزهري عن عمرة بنت عبد الرحمن بن سعد بن زرارة أنها سمعت عائشة زوج النبي صلى الله عليه وسلم تقول جاءت أم حبيبة بنت جحش إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم وكانت استحيضت سبع سنين فاشتكت ذلك إليه واستفتته فيه فقال لها إن هذا ليس بالحيضة إنما هذا عرق فاغتسلي ثم صلي قالت عائشة وكانت أم حبيبة تغتسل لكل صلاة وتصلي وكانت تجلس في المركن فتعلو حمرة الدم الماء ثم تصلي إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আমরাহ বিনতু আবদুর রহমান (রহঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১. পবিত্রতা অধ্যায় (كتاب الطهارة)

 ৮০৬

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৮৪. মুস্তাহাযাহ (রক্ত প্রদরের রোগিণী)-এর গোসল সম্পর্কে

৮০৬. আয়িশা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, উম্মু হাবীবাহ বিনতে জাহাশ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের যুগে ইস্তিহাযাগ্রস্ত হয়েছিলেন। ফলে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাকে প্রত্যেক সালাতের জন্য গোসল করার নির্দেশ দিয়েছিলেন। ফলে যখন সে পানি ভরা একটি পাত্রের মধ্যে বসতো এবং তাতে (শরীরের নিম্নাংশ) ডুবানোর পর পাত্র হতে উঠে আসতো, তখন পানির উপরিভাগ পর্যন্ত রক্তবর্ণ ধারণ করতো। অতঃপর সে সালাত আদায় করতো।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদটি ইবনু ইসহাক হতে ‘আন’আন পদ্ধতিতে বর্ণিত হয়েছে। ফলে এটি যয়ীফ। কিন্তু হাদীসটি সহীহ যা পূর্বে ৮০৩ (৭৯৮ ) নং এ উল্লেখিত হয়েছে।

 

তাখরীজ: আহমাদ ৬/২৩৭; এটি ৮০২, ৮০৫ (৭৯৮, ৮০১) নং এ গত হয়েছে।

بَابٌ فِي غُسْلِ الْمُسْتَحَاضَةِ

أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ خَالِدٍ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ إِسْحَقَ عَنْ الزُّهْرِيِّ عَنْ عُرْوَةَ عَنْ عَائِشَةَ أَنَّ أُمَّ حَبِيبَةَ بِنْتَ جَحْشٍ كَانَتْ اسْتُحِيضَتْ فِي عَهْدِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَأَمَرَهَا رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِالْغُسْلِ لِكُلِّ صَلَاةٍ فَإِنْ كَانَتْ لَتَنْغَمِسُ فِي الْمِرْكَنِ وَإِنَّهُ لَمَمْلُوءٌ مَاءً ثُمَّ تَخْرُجُ مِنْهُ وَإِنَّ الدَّمَ لَعَالِيهِ فَتُصَلِّي

 

في إسناده عنعنة ابن إسحاق

أخبرنا أحمد بن خالد عن محمد بن إسحق عن الزهري عن عروة عن عائشة أن أم حبيبة بنت جحش كانت استحيضت في عهد رسول الله صلى الله عليه وسلم فأمرها رسول الله صلى الله عليه وسلم بالغسل لكل صلاة فإن كانت لتنغمس في المركن وإنه لمملوء ماء ثم تخرج منه وإن الدم لعاليه فتصلي في إسناده عنعنة ابن إسحاق

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আয়িশা বিনত আবূ বাকর সিদ্দীক (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১. পবিত্রতা অধ্যায় (كتاب الطهارة)

 ৮০৭

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৮৪. মুস্তাহাযাহ (রক্ত প্রদরের রোগিণী)-এর গোসল সম্পর্কে

৮০৭. কাসিম হতে বর্ণিত, তিনি বলেন: (সেই মহিলা) ছিল বাদিয়্যাহ বিনতে গায়লান আস সাকাফিয়্যাহ।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ যয়ীফ। কারণ, এর সনদে মুহাম্মদ ইবনু ইসহাক রয়েছে। সে মুদাল্লিস। তিনি আন’আন পদ্ধতিতে এটি বর্ণনা করেছেন। দেখুন, উসদুল গাবাহ ৭/৩৪; আল ইসাবাহ ১২/১৫১-১৫২।

 

তাখরীজ: (মুহাক্বিক্ব এর কোনো তাখরীজ দেননি।-অনুবাদক)

بَابٌ فِي غُسْلِ الْمُسْتَحَاضَةِ

أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ خَالِدٍ حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ إِسْحَقَ عَنْ الزُّهْرِيِّ عَنْ الْقَاسِمِ أَنَّهَا كَانَتْ بَادِيَةَ بِنْتَ غَيْلَانَ الثَّقَفِيَّةَ

إسناده ضعيف

أخبرنا أحمد بن خالد حدثنا محمد بن إسحق عن الزهري عن القاسم أنها كانت بادية بنت غيلان الثقفية إسناده ضعيف

 হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai’f)  বর্ণনাকারীঃ কাসিম বিন মুহাম্মাদ (রহঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১. পবিত্রতা অধ্যায় (كتاب الطهارة)

 ৮০৮

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৮৪. মুস্তাহাযাহ (রক্ত প্রদরের রোগিণী)-এর গোসল সম্পর্কে

৮০৮. আয়িশা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, তিনি (ইসতিহাযাগ্রস্ত সেই মহিলা) ছিলো সাহলাহ বিনতে সুহাইল ইবনু আমর। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাকে প্রত্যেক সালাতের সময় গোসল করতে নির্দেশ দেন। ফলে সেটি তার উপর কষ্টদায়ক হলে তিনি তাকে যোহর ও আসর সালাতকে একত্রে এক গোসলে, মাগরিব ও ঈশা’ এক গোসলে এবং ফজর এক গোসলে আদায় করতে নির্দেশ দেন।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: (মুহাক্বিক্ব এতে কোনো হুকুম লাগাননি। তবে তাখরীজের শেষে বলেছেন,) ‘তবে হাদীসটি সহীহ।

 

তাখরীজ: তাহাবী, শারহু মা’আনিল আছার ১/১০১; ইবনু মানদাহ- হাফিজ (ইবনু হাজার) তার আল ইসাবাহ ১২/১৫১-১৫২ অপর সনদে এটি উল্লেখ করেছেন। আর এর সনদটি যয়ীফ। তবে হাদীসটি সহীহ, যা ৮০৩ (অনুবাদের ক্রমিক নং ৭৯৯) তে গত হয়েছে।

بَابٌ فِي غُسْلِ الْمُسْتَحَاضَةِ

وَعَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ الْقَاسِمِ عَنْ أَبِيهِ عَنْ عَائِشَةَ قَالَتْ إِنَّمَا هِيَ سَهْلَةُ بِنْتُ سُهَيْلِ بْنِ عَمْرٍو اسْتُحِيضَتْ وَأَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَ أَمَرَهَا بِالْغُسْلِ عِنْدَ كُلِّ صَلَاةٍ فَلَمَّا جَهَدَهَا ذَلِكَ أَمَرَ أَنْ تَجْمَعَ بَيْنَ الظُّهْرِ وَالْعَصْرِ فِي غُسْلٍ وَاحِدٍ وَالْمَغْرِبِ وَالْعِشَاءِ فِي غُسْلٍ وَاحِدٍ وَتَغْتَسِلَ لِلصُّبْحِ

 

إسناده ضعيف غير أن الحديث صحيح

وعن عبد الرحمن بن القاسم عن أبيه عن عائشة قالت إنما هي سهلة بنت سهيل بن عمرو استحيضت وأن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان أمرها بالغسل عند كل صلاة فلما جهدها ذلك أمر أن تجمع بين الظهر والعصر في غسل واحد والمغرب والعشاء في غسل واحد وتغتسل للصبح إسناده ضعيف غير أن الحديث صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আয়িশা বিনত আবূ বাকর সিদ্দীক (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১. পবিত্রতা অধ্যায় (كتاب الطهارة)

 ৮০৯

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৮৪. মুস্তাহাযাহ (রক্ত প্রদরের রোগিণী)-এর গোসল সম্পর্কে

৮০৯. সা’দ ইবনু ইবরাহীম হতে বর্ণিত, তিনি বলেন: (সেই ইসতিহাযাগ্রস্ত মহিলার নাম সম্পর্কে) লোকদের মধ্যকার মতভেদ যে, তারা ছিল তিন মহিলা- এ সংক্রান্ত বিষয়টি আব্দুর রহমান ইবনু আউফ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু’র নিকট পৌঁছেছিলো। তাদের কেউ বললো: ’তিনি ছিলেন উম্মু হাবীবাহ।’ আবার কেউ বললো: ’তিনি ছিলেন বাদিয়্যাহ।’ আবার কেউ বললেন: ’তিনি ছিলেন সাহলাহ বিনতে সুহাইল।’[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: দেখুন, আগের টীকা দু’টি। এছাড়া উসদুল গাবাহ ৭/৩৪, ১৫৪-১৫৫, ২১৪; এবং হাদীস নং ৮০৩ (অনুবাদের ক্রমিক নং ৭৯৯) এর টীকাটি দেখুন। আরও দেখুন, আল ইসাবাহ ১১২, ১৫১-১৫২, ৩১৯-৩২০, ১৩/১৯২।

بَابٌ فِي غُسْلِ الْمُسْتَحَاضَةِ

أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ خَالِدٍ حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ إِسْحَقَ عَنْ سَعْدِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ قَالَ إِنَّمَا جَاءَ اخْتِلَافُهُمْ أَنَّهُنَّ ثَلَاثَتَهُنَّ كُنَّ عِنْدَ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عَوْفٍ فَقَالَ بَعْضُهُمْ هِيَ أُمُّ حَبِيبَةَ وَقَالَ بَعْضُهُمْ هِيَ بَادِيَةُ وَقَالَ بَعْضُهُمْ هِيَ سَهْلَةُ بِنْتُ سُهَيْلٍ

 

إسناده صحيح

أخبرنا أحمد بن خالد حدثنا محمد بن إسحق عن سعد بن إبراهيم قال إنما جاء اختلافهم أنهن ثلاثتهن كن عند عبد الرحمن بن عوف فقال بعضهم هي أم حبيبة وقال بعضهم هي بادية وقال بعضهم هي سهلة بنت سهيل إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ সা’দ ইবনু ইবরাহীম (রহঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১. পবিত্রতা অধ্যায় (كتاب الطهارة)

 ৮১০

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৮৪. মুস্তাহাযাহ (রক্ত প্রদরের রোগিণী)-এর গোসল সম্পর্কে

৮১০. কা’কা’ ইবনু হাকীম বর্ণনা করেছেন, তিনি সাঈদ রাহি. কে ইস্তিহাযাগ্রস্ত মহিলা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলেন। তখন তিনি বললেন, হে ভাতিজা! এ ব্যাপারে আমার চেয়ে অধিক অবগত কোনো ব্যক্তি আর অবশিষ্ট নেই। যখন তার (মহিলা) হায়েয হয়, তখন সে যেন সালাত পরিত্যাগ করে; আর যখন হায়েয অতিবাহিত হয়ে যায়, তখন সে যেন গোসল করে এবং সালাত আদায় করে।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: সাঈদ পর্যন্ত এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ১/১২৬-১২৭; বাইহাকী ১/৩৩০ সহীহ সনদে।

بَابٌ فِي غُسْلِ الْمُسْتَحَاضَةِ

أَخْبَرَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ أَخْبَرَنَا يَحْيَى أَنَّ الْقَعْقَاعَ بْنَ حَكِيمٍ أَخْبَرَهُ أَنَّهُ سَأَلَ سَعِيدًا عَنْ الْمُسْتَحَاضَةِ فَقَالَ يَا ابْنَ أَخِي مَا بَقِيَ أَحَدٌ أَعْلَمُ بِهَذَا مِنِّي إِذَا أَقْبَلَتْ الْحَيْضَةُ فَلْتَدَعْ الصَّلَاةَ وَإِذَا أَدْبَرَتْ فَلْتَغْتَسِلْ وَلْتُصَلِّ

 

إسناده صحيح إلى سعيد

أخبرنا يزيد بن هارون أخبرنا يحيى أن القعقاع بن حكيم أخبره أنه سأل سعيدا عن المستحاضة فقال يا ابن أخي ما بقي أحد أعلم بهذا مني إذا أقبلت الحيضة فلتدع الصلاة وإذا أدبرت فلتغتسل ولتصل إسناده صحيح إلى سعيد

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ কা’কা’ ইবুন হাকীম (রহঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১. পবিত্রতা অধ্যায় (كتاب الطهارة)

 ৮১১

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৮৪. মুস্তাহাযাহ (রক্ত প্রদরের রোগিণী)-এর গোসল সম্পর্কে

৮১১. ইবনু আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা হতে ইসতিহাযাগ্রস্ত মহিলা সম্পর্কে বর্ণিত হয়েছে যে, (ইতিপূর্বে) যে কয়দিন তার হায়েয হতো, সেই কয়দিন সে সালাত পরিত্যাগ করবে, তারপর গোসল করবে, অতঃপর (গোপনাঙ্গে তুলা) ভরে পুটলি বানিয়ে পট্টি বাঁধবে এরপর সালাত আদায় করবে। তখন এক ব্যক্তি বলে উঠলো, যদি তার রক্ত ঝরতে থাকে, (তাহলেও কি সে সালাত আদায় করবে)? যদি তার এই নলের (ধারার) মতো রক্ত ঝরতে থাকে, (তবুও সে সালাত আদায় করবে)।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: ইবনু হাযম, আল মুহাল্লা ১/২৫২ এটি টীকায় উল্লেখ করেছেন; ইসতিহাযা গ্রস্ত নারীর গোসল করা সম্পর্কে ইবনু আব্বাসের বর্ণনা সমূহ দেখুন নং ৮১৬, ৮২৪, ৮২৭, ৮২৮, ৮৩১ ((৮১২, ৮২০, ৮২৩, ৮২৪, ৮২৭ নং অনুবাদের ক্রম)) হাদীসগুলো দেখুন।

بَابٌ فِي غُسْلِ الْمُسْتَحَاضَةِ

أَخْبَرَنَا أَسْوَدُ بْنُ عَامِرٍ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ عَنْ عَمَّارٍ مَوْلَى بَنِي هَاشِمٍ عَنْ ابْنِ عَبَّاسٍ فِي الْمُسْتَحَاضَةِ تَدَعُ الصَّلَاةَ أَيَّامَ أَقْرَائِهَا ثُمَّ تَغْتَسِلُ ثُمَّ تَحْتَشِي وَتَسْتَثْفِرُ ثُمَّ تُصَلِّي فَقَالَ الرَّجُلُ وَإِنْ كَانَ يَسِيلُ قَالَ وَإِنْ كَانَ يَسِيلُ مِثْلَ هَذَا الْمَثْعَبِ

إسناده صحيح

أخبرنا أسود بن عامر حدثنا شعبة عن عمار مولى بني هاشم عن ابن عباس في المستحاضة تدع الصلاة أيام أقرائها ثم تغتسل ثم تحتشي وتستثفر ثم تصلي فقال الرجل وإن كان يسيل قال وإن كان يسيل مثل هذا المثعب إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আবদুল্লাহ ইবনু আব্বাস (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১. পবিত্রতা অধ্যায় (كتاب الطهارة)

 ৮১২

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৮৪. মুস্তাহাযাহ (রক্ত প্রদরের রোগিণী)-এর গোসল সম্পর্কে

৮১২. আম্মার ইবনু আবী আম্মার হতে বর্ণিত, ইবনু আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা ইসতিহাযাগ্রস্ত নারীদের ব্যাপারে মতামতের ক্ষেত্রে লোকদের মাঝে সকলের চেয়ে অধিক কঠোর ছিলেন। যদিও তিনি পরে তার নিকট যখন এক মহিলা এসে জিজ্ঞাসা করলো: আমি কি হায়েয অবস্থায় কা’বায় প্রবেশ করতে পারি? এরপর তিনি এর অনুমতি দিয়ে বলেন: হাঁ, যদি তোমার হায়েযের রক্ত প্রবল বেগে প্রবাহিত হতে থাকে, তবে (গোপনাঙ্গে) তুলা দিয়ে পট্টি বেধে নাও, এরপর কা’বায় প্রবেশ করো।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: আগের হাদীসের টীকাটি দেখুন। এটি আমি এ ব্যতীত অন্য কোথাও পাইনি।

بَابٌ فِي غُسْلِ الْمُسْتَحَاضَةِ

أَخْبَرَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ حَدَّثَنَا حُمَيْدٌ عَنْ عَمَّارِ بْنِ أَبِي عَمَّارٍ قَالَ كَانَ ابْنُ عَبَّاسٍ مِنْ أَشَدِّ النَّاسِ قَوْلًا فِي الْمُسْتَحَاضَةِ ثُمَّ رَخَّصَ بَعْدُ أَتَتْهُ امْرَأَةٌ فَقَالَتْ أَدْخُلُ الْكَعْبَةَ وَأَنَا حَائِضٌ قَالَ نَعَمْ وَإِنْ كُنْتِ تَثُجِّينَهُ ثَجًّا اسْتَدْخِلِي ثُمَّ اسْتَثْفِرِي ثُمَّ ادْخُلِي

إسناده صحيح

أخبرنا يزيد بن هارون حدثنا حميد عن عمار بن أبي عمار قال كان ابن عباس من أشد الناس قولا في المستحاضة ثم رخص بعد أتته امرأة فقالت أدخل الكعبة وأنا حائض قال نعم وإن كنت تثجينه ثجا استدخلي ثم استثفري ثم ادخلي إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আম্মার ইবনু আবী আম্মার (রহঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১. পবিত্রতা অধ্যায় (كتاب الطهارة)

 ৮১৩

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৮৪. মুস্তাহাযাহ (রক্ত প্রদরের রোগিণী)-এর গোসল সম্পর্কে

৮১৩. (মাসরুকের স্ত্রী) ক্বমীর বিনতে ’ইমরান হতে বর্ণিত, তিনি আয়িশা রা: থেকে বর্ণনা করেন, তিনি (কমীর) বলেন, আমি তাকে (আয়িশা রা: কে) ইসতিহাযাগ্রস্ত মহিলা সম্পর্কে জিজ্ঞেস করেছি। তিনি (আয়িশা রা:) বলেন: ’এর পূর্বে (হায়েযের সময়) যে কয়দিন সে সালাত পরিত্যাগ করতো, সেই কয়দিন সময় সে অপেক্ষা করবে। অতঃপর বিগত দিনে হায়েয অতিক্রান্ত হয়ে যখন পবিত্র হতো, সেই দিনে সে পবিত্র হবে, গোসল করবে তারপর প্রত্যেক সালাতের সময় ওযু করবে ও সালাত আদায় করবে।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ যয়ীফ, কেননা, মুজালিদ ইবনু সাঈদ যয়ীফ। কিন্তু তিনি এটি একা বর্ণনা করেননি। বরং তাকে অনুসরণ করে (মুতাবিয়াত) বর্ণনা করেছেন আব্দুল মালিক ইবনু মায়সারা এবং বায়ান।

 

তাখরীজ: তাহাবী, শারহু মা’আনিল আছার ১/১০৫ এটি আয়িশা রা: থেকে মাওকুফ হিসেবে সহীহ; ইবনু আবী শাইবা ১/১২৬; আব্দুর রাযযাক নং ১১৭০; বাইহাকী ১/৩৪৬; দেখুন সুনান আবু দাউদ ১/২১০-২১১ ৩০০ নং হাদীসের পববর্তী আলোচনা এবং সুনানে বাইহাকী ১/৩৪৬, ৩৪৭; এবং পরবর্তী হাদীসটি দুটিও দেখুন।

بَابٌ فِي غُسْلِ الْمُسْتَحَاضَةِ

أَخْبَرَنَا مُوسَى بْنُ خَالِدٍ حَدَّثَنَا مُعْتَمِرٌ عَنْ إِسْمَعِيلَ بْنِ أَبِي خَالِدٍ عَنْ مُجَالِدٍ عَنْ عَامِرٍ عَنْ قَمِيرَ عَنْ عَائِشَةَ قَالَتْ سَأَلْتُهَا عَنْ الْمُسْتَحَاضَةِ قَالَتْ تَنْتَظِرُ أَقْرَاءَهَا الَّتِي كَانَتْ تَتْرُكُ فِيهَا الصَّلَاةَ قَبْلَ ذَلِكَ فَإِذَا كَانَ يَوْمُ طُهْرِهَا الَّذِي كَانَتْ تَطْهُرُ فِيهِ اغْتَسَلَتْ ثُمَّ تَوَضَّأَتْ عِنْدَ كُلِّ صَلَاةٍ وَصَلَّتْ

 

إسناده ضعيف لضعف مجالد بن سعيد

أخبرنا موسى بن خالد حدثنا معتمر عن إسمعيل بن أبي خالد عن مجالد عن عامر عن قمير عن عائشة قالت سألتها عن المستحاضة قالت تنتظر أقراءها التي كانت تترك فيها الصلاة قبل ذلك فإذا كان يوم طهرها الذي كانت تطهر فيه اغتسلت ثم توضأت عند كل صلاة وصلت إسناده ضعيف لضعف مجالد بن سعيد

 হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai’f)  বর্ণনাকারীঃ ক্বমীর বিনতে ’ইমরান  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১. পবিত্রতা অধ্যায় (كتاب الطهارة)

 ৮১৪

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৮৪. মুস্তাহাযাহ (রক্ত প্রদরের রোগিণী)-এর গোসল সম্পর্কে

৮১৪. আয়িশা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা যা বললেন, আবী জা’ফর থেকেও এর অনুরূপ কথা বর্ণিত হয়েছে।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ যয়ীফ। কারণ এতে জাহালত (অজ্ঞাত পরিচয় রাবী) রয়েছে।

 

তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ১/১২৬ অপর সনদে আবী জা’ফর হতে মাওকুফ হিসেবে সহীহ। যা সামনে ৮২৫ (৮২১ অনুবাদের নং) এ আসছে।

بَابٌ فِي غُسْلِ الْمُسْتَحَاضَةِ

أَخْبَرَنَا مُوسَى بْنُ خَالِدٍ عَنْ مُعْتَمِرٍ عَنْ إِسْمَعِيلَ عَنْ رَجُلٍ مِنْ حَيِّهِ عَنْ أَبِي جَعْفَرٍ مِثْلَ مَا قَالَتْ عَائِشَةُ

إسناده ضعيف فيه جهالة

أخبرنا موسى بن خالد عن معتمر عن إسمعيل عن رجل من حيه عن أبي جعفر مثل ما قالت عائشة إسناده ضعيف فيه جهالة

 হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai’f)  বর্ণনাকারীঃ আয়িশা বিনত আবূ বাকর সিদ্দীক (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১. পবিত্রতা অধ্যায় (كتاب الطهارة)

 ৮১৫

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৮৪. মুস্তাহাযাহ (রক্ত প্রদরের রোগিণী)-এর গোসল সম্পর্কে

৮১৫. আয়িশা রা: হতে বর্ণিত, ইসতিহাযাগ্রস্ত মহিলা সম্পর্কে (তিনি বলেন:) ’ইতিপূর্বে (হায়েযের সময়) যে কয়দিন সে সালাত পরিত্যাগ করতো, সেই কয়দিন সময় সে অপেক্ষা করবে। অতঃপর বিগত দিনে হায়েয অতিক্রান্ত হয়ে যখন পবিত্র হতো, সেই দিনে সে পবিত্র হবে, গোসল করবে তারপর প্রত্যেক সালাতের সময় ওযু করবে ও সালাত আদায় করবে।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: আবু দাউদের ৩০০ নং হাদীসের পরের টীকাটি দেখুন; এবং এর পূর্বর্তী হাদীসটি এবং পরবর্তী ৮২৬ (৮২২ অনুবাদের ক্রমিক) নং হাদীসটি দেখুন।

بَابٌ فِي غُسْلِ الْمُسْتَحَاضَةِ

أَخْبَرَنَا جَعْفَرُ بْنُ عَوْنٍ حَدَّثَنَا إِسْمَعِيلُ عَنْ عَامِرٍ عَنْ قَمِيرَ عَنْ عَائِشَةَ فِي الْمُسْتَحَاضَةِ تَنْتَظِرُ أَيَّامَهَا الَّتِي كَانَتْ تَتْرُكُ الصَّلَاةَ فِيهَا فَإِذَا كَانَ يَوْمُ طُهْرِهَا الَّذِي كَانَتْ تَطْهُرُ فِيهِ اغْتَسَلَتْ ثُمَّ تَوَضَّأَتْ عِنْدَ كُلِّ صَلَاةٍ وَصَلَّتْ

إسناده صحيح

أخبرنا جعفر بن عون حدثنا إسمعيل عن عامر عن قمير عن عائشة في المستحاضة تنتظر أيامها التي كانت تترك الصلاة فيها فإذا كان يوم طهرها الذي كانت تطهر فيه اغتسلت ثم توضأت عند كل صلاة وصلت إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আয়িশা বিনত আবূ বাকর সিদ্দীক (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১. পবিত্রতা অধ্যায় (كتاب الطهارة)

 ৮১৬

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৮৪. মুস্তাহাযাহ (রক্ত প্রদরের রোগিণী)-এর গোসল সম্পর্কে

৮১৬. আদী ইবনু ছাবিত তার পিতা হতে, তিনি তার দাদা হতে তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হতে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: ইসতিহাযাহগ্রস্ত মহিলা প্রত্যেক মাসে তার হায়িয এর দিনগুলিতে সালাত পরিত্যাগ করবে। এরপর যখন এটা সমাপ্ত হবে, তখন সে গোসল করবে এবং সালাত আদায় করবে ও সিয়াম পালন করবে। আর সে প্রত্যেক সালাতের সময় ওযু করবে।[1]

[1] তাহ্ক্বীক্ব: এর সনদ যয়ীফ। কিন্তু হাদীসটির শাহিদ হাদীস থাকায় এটি সহীহ। আয়েশা রা: বর্ণিত পূর্ববর্তী হাদীসসমূহ দেখুন।

 

তাখরীজ: তাহাবী, শারহু মা’আনিল আছার ১/১০২; আবু দাউদ ২৯৭; তিরমিযী ১২৬, ১২৭; ইবনু মাজাহ ৬২৫; বাইহাকী ১/৩৪৭।

بَابٌ فِي غُسْلِ الْمُسْتَحَاضَةِ

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عِيسَى حَدَّثَنَا شَرِيكٌ عَنْ أَبِي الْيَقْظَانِ عَنْ عَدِيِّ بْنِ ثَابِتٍ عَنْ أَبِيهِ عَنْ جَدِّهِ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ الْمُسْتَحَاضَةُ تَدَعُ الصَّلَاةَ أَيَّامَ حَيْضِهَا فِي كُلِّ شَهْرٍ فَإِذَا كَانَ عِنْدَ انْقِضَائِهَا اغْتَسَلَتْ وَصَلَّتْ وَصَامَتْ وَتَوَضَّأَتْ عِنْدَ كُلِّ صَلَاةٍ

إسناده ضعيف ولكن الحديث صحيح بشواهده

أخبرنا محمد بن عيسى حدثنا شريك عن أبي اليقظان عن عدي بن ثابت عن أبيه عن جده عن النبي صلى الله عليه وسلم قال المستحاضة تدع الصلاة أيام حيضها في كل شهر فإذا كان عند انقضائها اغتسلت وصلت وصامت وتوضأت عند كل صلاة إسناده ضعيف ولكن الحديث صحيح بشواهده

 হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai’f)  বর্ণনাকারীঃ আদী ইবন সাবিত (রহঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১. পবিত্রতা অধ্যায় (كتاب الطهارة)

 ৮১৭

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৮৪. মুস্তাহাযাহ (রক্ত প্রদরের রোগিণী)-এর গোসল সম্পর্কে

৮১৭. হাসান রাহিমাহুল্লাহ হতে ইস্তিহাযাহগ্রস্ত মহিলাদের যারা তাদের হায়েযের দিনগুলি অবগত, তাদের সম্পর্কে (তিনি বলেন:) যদি তাকে তালাক প্রদান করা হয়, আর দীর্ঘদিন যাবত তার রক্ত প্রবাহিত হতে থাকে, তবে সে তিন হায়েযের নির্ধারিত দিনগুলির সমপরিমাণ সময় (ইদ্দত) গণনা করবে; আর সালাতের ব্যাপারে কথা হলো, প্রত্যেক মাসে যখন হায়েযের নির্ধারিত সময় আসবে তখন সে সালাত আদায় হতে বিরত থাকবে।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: দেখুন, আব্দুর রাযযাক, ৬/৩৪৫-৩৪৬; ইবনু আবী শাইবা, ৫/১৫৮।

بَابٌ فِي غُسْلِ الْمُسْتَحَاضَةِ

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عِيسَى حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ عَنْ كَثِيرٍ وَحَفْصٍ عَنْ الْحَسَنِ فِي الْمُسْتَحَاضَةِ إِذَا طُلِّقَتْ فَيَطُولُ بِهَا الدَّمُ فَإِنَّهَا تَعْتَدُّ قَدْرَ أَقْرَائِهَا ثَلَاثَ حِيَضٍ وَفِي الصَّلَاةِ إِذَا جَاءَ وَقْتُ الْحَيْضِ فِي كُلِّ شَهْرٍ أَمْسَكَتْ عَنْ الصَّلَاةِ

إسناده صحيح

حدثنا محمد بن عيسى حدثنا حماد بن زيد عن كثير وحفص عن الحسن في المستحاضة إذا طلقت فيطول بها الدم فإنها تعتد قدر أقرائها ثلاث حيض وفي الصلاة إذا جاء وقت الحيض في كل شهر أمسكت عن الصلاة إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ হাসান বাসরী (রহঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১. পবিত্রতা অধ্যায় (كتاب الطهارة)

 ৮১৮

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৮৪. মুস্তাহাযাহ (রক্ত প্রদরের রোগিণী)-এর গোসল সম্পর্কে

৮১৮. মু’তামির তার পিতা হতে বর্ণনা করেছেন। তার পিতা বলেন, আমি কাতাদা রাহি. কে বললাম, যে মহিলা তার হায়েযের দিনগুলি নির্দিষ্ট ছিলে; কিন্তু তার (নির্ধারিত সময়ের) চেয়েও পাঁচ দিন কিংবা চারদিন কিংবা তিনদিন অতিরিক্ত (রক্ত) প্রবাহিত হলো। (তাহলে সে কি এ দিনগুলিতে সালাত আদায় করবে)? তিনি জবাবে বললেন: সে সালাত আদায় করবে। আমি বললাম, যদি দুই দিন অতিরিক্ত হয়? তিনি বললেন, তবে সে দু’দিন তার হায়েযের দিনগুলির অন্তর্ভুক্ত হবে। আর আমি এ বিষয়ে ইবনু সীরীন রাহি. কে জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন: ’এ ব্যাপারে মহিলারাই ভালো জানে।’[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: দেখুন, ইবনু আবী শাইবা ২/৫৩৮; সুনানে আবু দাউদ ২৮৬ নং হাদীসের পরবর্তী ব্যাখ্যা; এবং আল মুহাল্লা ২/২০৩; ও আত তামহীদ ১৬/৭৫।

بَابٌ فِي غُسْلِ الْمُسْتَحَاضَةِ

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عِيسَى حَدَّثَنَا مُعْتَمِرٌ عَنْ أَبِيهِ قَالَ قُلْتُ لِقَتَادَةَ امْرَأَةٌ كَانَ حَيْضُهَا مَعْلُومًا فَزَادَتْ عَلَيْهِ خَمْسَةَ أَيَّامٍ أَوْ أَرْبَعَةَ أَيَّامٍ أَوْ ثَلَاثَةَ أَيَّامٍ قَالَ تُصَلِّي قُلْتُ يَوْمَيْنِ قَالَ ذَاكَ مِنْ حَيْضِهَا وَسَأَلْتُ ابْنَ سِيرِينَ قَالَ النِّسَاءُ أَعْلَمُ بِذَلِكَ

إسناده صحيح

أخبرنا محمد بن عيسى حدثنا معتمر عن أبيه قال قلت لقتادة امرأة كان حيضها معلوما فزادت عليه خمسة أيام أو أربعة أيام أو ثلاثة أيام قال تصلي قلت يومين قال ذاك من حيضها وسألت ابن سيرين قال النساء أعلم بذلك إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ মু’তামির (রহঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১. পবিত্রতা অধ্যায় (كتاب الطهارة)

 ৮১৯

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৮৪. মুস্তাহাযাহ (রক্ত প্রদরের রোগিণী)-এর গোসল সম্পর্কে

৮১৯. মু’তামির তার পিতা হতে বর্ণনা করেছেন। তার পিতা হাসান রাহি. হতে সেই মহিলা সম্পর্কে বর্ণনা করেন, যে তার পবিত্রতার দিনগুলিতেও রক্ত দেখতে পায়। তিনি (হাসান) বলেন, আমি মনে করি, সে গোসল করবে এবং সালাত আদায় করবে।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ হাসান পর্যন্ত সহীহ।

 

তাখরীজ: সামনে ৮৯৪ (অনুবাদের ক্রমিক ৮৯০) নং এ আসছে। আরও দেখুন, মুছান্নাফ ইবনু আবী শাইবা ১/৯৪।

 

তাহক্বীক্ব: এর সনদ হাসান শাহর ইবনু হাওশাব এর কারণে।

 

তাখরীজ: আগের ৮১৫ (৮১১ অনুবাদের ক্রমিক) নং হাদীসটি দেখুন।

بَابٌ فِي غُسْلِ الْمُسْتَحَاضَةِ

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عِيسَى حَدَّثَنَا مُعْتَمِرٌ عَنْ أَبِيهِ عَنْ الْحَسَنِ فِي الْمَرْأَةِ تَرَى الدَّمَ أَيَّامَ طُهْرِهَا قَالَ أَرَى أَنْ تَغْتَسِلَ وَتُصَلِّيَ

إسناده صحيح إلى الحسن

أخبرنا محمد بن عيسى حدثنا معتمر عن أبيه عن الحسن في المرأة ترى الدم أيام طهرها قال أرى أن تغتسل وتصلي إسناده صحيح إلى الحسن

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ মু’তামির (রহঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১. পবিত্রতা অধ্যায় (كتاب الطهارة)

 ৮২০

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৮৪. মুস্তাহাযাহ (রক্ত প্রদরের রোগিণী)-এর গোসল সম্পর্কে

৮২০. শাহর ইবনু হাওশাব বলেন, আমি ইবনু আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমাকে ইসতিহাযাহগ্রস্ত মহিলা সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলাম। তিনি বললেন: যে কয়টা দিন ধরে তার হায়েয হতো, সে সেই কয়টা দিন পরিমাণ সময় অপেক্ষা করবে, এবং তার উপর সালাত আদায় করা হারাম। তারপর সে যেন গোসল করে এবং সালাত আদায় করে সেই সময় পর্যন্ত যতক্ষণ না তার (পূণরায়) হায়েয হয়। (হায়েয হলে) তখন তার উপর সালাত আদায় হারাম। এরপর সে যেন গোসল করে। আর ওটি শয়তানের পক্ষ হতে। সে তাদের দু’জনের একজনকে কাফির বানাতে চায়।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ হাসান শাহর ইবনু হাওশাব এর কারণে।

 

তাখরীজ: আগের ৮১৫ (৮১১ অনুবাদের ক্রমিক) নং হাদীসটি দেখুন।

بَابٌ فِي غُسْلِ الْمُسْتَحَاضَةِ

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ حَدَّثَنَا عَبْدُ الْحَمِيدِ بْنُ بَهْرَامَ عَنْ شَهْرِ بْنِ حَوْشَبٍ قَالَ سُئِلَ ابْنُ عَبَّاسٍ عَنْ الْمَرْأَةِ تُسْتَحَاضُ قَالَ تَنْتَظِرُ قَدْرَ مَا كَانَتْ تَحِيضُ فَلْتُحَرِّمْ الصَّلَاةَ ثُمَّ لِتَغْتَسِلْ وَلْتُصَلِّ حَتَّى إِذَا كَانَ أَوَانُهَا الَّذِي تَحِيضُ فِيهِ فَلْتُحَرِّمْ الصَّلَاةَ ثُمَّ لِتَغْتَسِلْ فَإِنَّمَا ذَاكَ مِنْ الشَّيْطَانِ يُرِيدُ أَنْ يُكْفِرَ إِحْدَاهُنَّ

إسناده حسن من أجل شهر بن حوشب

أخبرنا محمد بن يوسف حدثنا عبد الحميد بن بهرام عن شهر بن حوشب قال سئل ابن عباس عن المرأة تستحاض قال تنتظر قدر ما كانت تحيض فلتحرم الصلاة ثم لتغتسل ولتصل حتى إذا كان أوانها الذي تحيض فيه فلتحرم الصلاة ثم لتغتسل فإنما ذاك من الشيطان يريد أن يكفر إحداهن إسناده حسن من أجل شهر بن حوشب

 হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)  বর্ণনাকারীঃ শাহর ইবনু হাওশাব (রহঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১. পবিত্রতা অধ্যায় (كتاب الطهارة)

 ৮২১

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৮৪. মুস্তাহাযাহ (রক্ত প্রদরের রোগিণী)-এর গোসল সম্পর্কে

৮২১. মুহাম্মদ ইবনু আবী জা’ফর হতে বর্ণিত, তিনি ইসতিহাযাগ্রস্ত মহিলা সম্পর্কে বলেন যে, সে তার হায়েযের দিনগুলির সমান সংখ্যক দিন সালাত পরিত্যাগ করবে। (তা অতিক্রান্ত হলে) তারপর সে গোসল করবে, (তার গোপনাঙ্গে) তুলা দিয়ে পট্টি বেধে প্রত্যেক (ওয়াক্ত) সালাতের সময় ওযু করে সালাত আদায় করবে।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: এটি ৮১৮ (৮১৪) নং এ গত হয়েছে।

بَابٌ فِي غُسْلِ الْمُسْتَحَاضَةِ

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ أَخْبَرَنَا إِسْرَائِيلُ حَدَّثَنَا أَبُو إِسْحَقَ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَلِيٍّ أَبِي جَعْفَرٍ أَنَّهُ قَالَ فِي الْمُسْتَحَاضَةِ تَدَعُ الصَّلَاةَ أَيَّامَ أَقْرَائِهَا ثُمَّ تَغْتَسِلُ وَتَحْتَشِي كُرْسُفًا وَتَوَضَّأُ عِنْدَ كُلِّ صَلَاةٍ

إسناده صحيح

أخبرنا محمد بن يوسف أخبرنا إسرائيل حدثنا أبو إسحق عن محمد بن علي أبي جعفر أنه قال في المستحاضة تدع الصلاة أيام أقرائها ثم تغتسل وتحتشي كرسفا وتوضأ عند كل صلاة إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আবূ জা‘ফার (রহঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১. পবিত্রতা অধ্যায় (كتاب الطهارة)

 ৮২২

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৮৪. মুস্তাহাযাহ (রক্ত প্রদরের রোগিণী)-এর গোসল সম্পর্কে

৮২২. মাসরুকের স্ত্রী ক্বমীর আয়িশা রাদ্বিয়াল্লাহু্ আনহা হতে বর্ণনা করেন, তিনি বলেছেন, ’ইসতিহাযাগ্রস্ত মহিলা তার হায়েযের নির্ধারিত সময়ের দিনগুলিতে (সালাত আদায় হতে) বিরত থাকবে। (তা অতিক্রান্ত হলে) তারপর সে একবার মাত্র গোসল করবে, কিন্তু প্রত্যেক সালাতের সময় ওযু করবে।[1]

[1] এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: এটি গত হয়েছে ৮১৭ (অনুবাদের ক্রম ৮১৩) নং এ।

بَابٌ فِي غُسْلِ الْمُسْتَحَاضَةِ

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ فِرَاسٍ عَنْ الشَّعْبِيِّ عَنْ قَمِيرَ امْرَأَةِ مَسْرُوقٍ عَنْ عَائِشَةَ قَالَتْ الْمُسْتَحَاضَةُ تَجْلِسُ أَيَّامَ أَقْرَائِهَا ثُمَّ تَغْتَسِلُ غُسْلًا وَاحِدًا وَتَتَوَضَّأُ لِكُلِّ صَلَاةٍ

إسناده صحيح

أخبرنا محمد بن يوسف حدثنا سفيان عن فراس عن الشعبي عن قمير امرأة مسروق عن عائشة قالت المستحاضة تجلس أيام أقرائها ثم تغتسل غسلا واحدا وتتوضأ لكل صلاة إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ ক্বমীর বিনতে ’ইমরান  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১. পবিত্রতা অধ্যায় (كتاب الطهارة)

 ৮২৩

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৮৪. মুস্তাহাযাহ (রক্ত প্রদরের রোগিণী)-এর গোসল সম্পর্কে

৮২৩. আনাস ইবনু সীরীন বলেন, আনাসের পরিবারের এক মহিলা ইসতিহাযাগ্রস্ত হলে তারা আমাকে নির্দেশ দিলেন, ফলে আমি ইবনু আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা কে এ ব্যাপারে জিজ্ঞেস করলাম। তখন তিনি বললেন: এ প্রসঙ্গে কথা হলো যখন সে প্রবলভাবে (গাড় লাল) রক্ত প্রবাহিত হতে দেখবে, তখন সে সালাত আদায় করবে না। তারপর যদি সে দিনের কোনো এক মুহুর্তের জন্যও পবিত্র অবস্থা লক্ষ্য করে, তবে সে যেন গোসল করে এবং সালাত আদায় করে।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ১/১২৮; ইবনু হাযম, আল মুহাল্লা ২/১৬৭; আবু দাউদ ২৮৬ নং হাদীসের পরে (সনদবিহীনভাবে); বাইহাকী সুনান ১/৩৪০, আল মা’রিফাহ ১/১৬৭ নং ২২৪৭।

بَابٌ فِي غُسْلِ الْمُسْتَحَاضَةِ

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عِيسَى حَدَّثَنَا ابْنُ عُلَيَّةَ أَخْبَرَنَا خَالِدٌ عَنْ أَنَسِ بْنِ سِيرِينَ قَالَ اسْتُحِيضَتْ امْرَأَةٌ مِنْ آلِ أَنَسٍ فَأَمَرُونِي فَسَأَلْتُ ابْنَ عَبَّاسٍ فَقَالَ أَمَّا مَا رَأَتْ الدَّمَ الْبَحْرَانِيَّ فَلَا تُصَلِّي فَإِذَا رَأَتْ الطُّهْرَ وَلَوْ سَاعَةً مِنْ نَهَارٍ فَلْتَغْتَسِلْ وَلْتُصَلِّ

إسناده صحيح

أخبرنا محمد بن عيسى حدثنا ابن علية أخبرنا خالد عن أنس بن سيرين قال استحيضت امرأة من آل أنس فأمروني فسألت ابن عباس فقال أما ما رأت الدم البحراني فلا تصلي فإذا رأت الطهر ولو ساعة من نهار فلتغتسل ولتصل إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আনাস ইবনু সীরীন (রহঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১. পবিত্রতা অধ্যায় (كتاب الطهارة)

 ৮২৪

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৮৪. মুস্তাহাযাহ (রক্ত প্রদরের রোগিণী)-এর গোসল সম্পর্কে

৮২৪. আনাস ইবনু সীরীন বলেন, আনাস ইবনু মালিক রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু’র উম্মু ওয়ালাদ (দাসী) এক মহিলা ইসতিহাযাগ্রস্ত হলে তারা আমাকে নির্দেশ দিলেন যে, আমি যেন ইবনু আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা নিকট এ ব্যাপারে ফতোয়া চাই। ফলে আমি তাঁকে জিজ্ঞেস করলাম। তখন তিনি বললেন: যখন সে প্রবলভাবে (গাড় লাল) রক্ত প্রবাহিত হতে দেখবে, তখন সে সালাত আদায় করবে না। আর যখন সে পবিত্র অবস্থা লক্ষ্য করবে, তখন সে গোসল করবে এবং সালাত আদায় করবে।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।।

 

তাখরীজ: পূর্বের টীকাটি দেখুন।

بَابٌ فِي غُسْلِ الْمُسْتَحَاضَةِ

أَخْبَرَنَا أَبُو النُّعْمَانِ حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ زُرَيْعٍ حَدَّثَنَا خَالِدٌ عَنْ أَنَسِ بْنِ سِيرِينَ قَالَ كَانَتْ أُمُّ وَلَدٍ لِأَنَسِ بْنِ مَالِكٍ اسْتُحِيضَتْ فَأَمَرُونِي أَنْ أَسْتَفْتِيَ ابْنَ عَبَّاسٍ فَسَأَلْتُهُ فَقَالَ إِذَا رَأَتْ الدَّمَ الْبَحْرَانِيَّ فَلَا تُصَلِّي فَإِذَا رَأَتْ الطُّهْرَ فَلْتَغْتَسِلْ وَلْتُصَلِّ

إسناده صحيح

أخبرنا أبو النعمان حدثنا يزيد بن زريع حدثنا خالد عن أنس بن سيرين قال كانت أم ولد لأنس بن مالك استحيضت فأمروني أن أستفتي ابن عباس فسألته فقال إذا رأت الدم البحراني فلا تصلي فإذا رأت الطهر فلتغتسل ولتصل إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আনাস ইবনু সীরীন (রহঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১. পবিত্রতা অধ্যায় (كتاب الطهارة)

 ৮২৫

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৮৪. মুস্তাহাযাহ (রক্ত প্রদরের রোগিণী)-এর গোসল সম্পর্কে

৮২৫. দাহহাক রাহি. হতে বর্ণিত, এক মহিলা তাকে কোনো একটি বিষয়ে প্রশ্ন করলো। সে বললো, আমি একজন ইসতিহাযাগ্রস্ত মহিলা। তখন তিনি বললেন: তুমি যখন তাজা রক্ত দেখতে পাবে, তখন তোমার হায়েযের নির্ধারিত দিনগুলিতে (সালাত আদায় হতে) বিরত থাকবে।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ যয়ীফ, হাজ্জাজ ইবনু নুসাইর যয়ীফ হওয়ার কারণে।

 

তাখরীজ: (মুহাক্কিক্ব এর কোনো তাখরীজ দেননি-অনুবাদক)

بَابٌ فِي غُسْلِ الْمُسْتَحَاضَةِ

حَدَّثَنَا حَجَّاجُ بْنُ نُصَيْرٍ حَدَّثَنَا قُرَّةُ عَنْ الضَّحَّاكِ أَنَّ امْرَأَةً سَأَلَتْهُ فَقَالَتْ إِنِّي امْرَأَةٌ أُسْتَحَاضُ فَقَالَ إِذَا رَأَيْتِ دَمًا عَبِيطًا فَأَمْسِكِي أَيَّامَ أَقْرَائِكِ

 

إسناده ضعيف لضعف حجاج بن نصير

حدثنا حجاج بن نصير حدثنا قرة عن الضحاك أن امرأة سألته فقالت إني امرأة أستحاض فقال إذا رأيت دما عبيطا فأمسكي أيام أقرائك إسناده ضعيف لضعف حجاج بن نصير

 হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai’f)  বর্ণনাকারীঃ দাহহাক ইবনু মুযাহিম (রহঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১. পবিত্রতা অধ্যায় (كتاب الطهارة)

 ৮২৬

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৮৪. মুস্তাহাযাহ (রক্ত প্রদরের রোগিণী)-এর গোসল সম্পর্কে

৮২৬. ইবরাহীম হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, ইসতিহাযার রোগিণী মহিলা হায়েযের নির্ধারিত দিনগুলিতে (সালাত আদায় হতে) বিরত থাকবে। (যখন হায়েযের নির্ধারিত দিনগুলির সমপরিমাণ সময় অতিক্রান্ত হয়ে যাবে), তারপর সে ‍যুহর ও আসর সালাতের জন্য একবার গোসল করবে। আর মাগরিবকে পিছিয়ে দিয়ে (তার শেষ সময়ে) এবং ঈশা’ কে এগিয়ে (তার প্রথম সময়ে) ঈশা’র ওয়াক্তে (এক গোসলে) আদায় করবে। আর ফজরের জন্য একবার গোসল করবে। সে সিয়াম পালন করবে না, আর তার স্বামীও তার নিকট আসতে (তার সাথে সহবাস করতে) পারবে না এবং আর সে (কুরআনের) মুসহাফ স্পর্শ করতে পারবে না।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: আব্দুর রাযযাক নং ১১৭২; ইবনু হাযম আল মুহাল্লা ২/২১৪।

بَابٌ فِي غُسْلِ الْمُسْتَحَاضَةِ

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ مَنْصُورٍ عَنْ إِبْرَاهِيمَ قَالَ الْمُسْتَحَاضَةُ تَجْلِسُ أَيَّامَ أَقْرَائِهَا ثُمَّ تَغْتَسِلُ لِلظُّهْرِ وَالْعَصْرِ غُسْلًا وَاحِدًا وَتُؤَخِّرُ الْمَغْرِبَ وَتُعَجِّلُ الْعِشَاءَ وَذَلِكَ فِي وَقْتِ الْعِشَاءِ وَلِلْفَجْرِ غُسْلًا وَاحِدًا وَلَا تَصُومُ وَلَا يَأْتِيهَا زَوْجُهَا وَلَا تَمَسُّ الْمُصْحَفَ

 

إسناده صحيح

أخبرنا محمد بن يوسف حدثنا سفيان عن منصور عن إبراهيم قال المستحاضة تجلس أيام أقرائها ثم تغتسل للظهر والعصر غسلا واحدا وتؤخر المغرب وتعجل العشاء وذلك في وقت العشاء وللفجر غسلا واحدا ولا تصوم ولا يأتيها زوجها ولا تمس المصحف إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ ইব্রাহীম আন-নাখঈ (রহঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১. পবিত্রতা অধ্যায় (كتاب الطهارة)

 ৮২৭

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৮৪. মুস্তাহাযাহ (রক্ত প্রদরের রোগিণী)-এর গোসল সম্পর্কে

৮২৭. আতা রাহি. হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, ইসতিহাযাহগ্রস্ত মহিলা সম্পর্কে ইবনু আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা বলতেন: সে ‍যুহর এবং আসর সালাতের জন্য একবার গোসল করবে; মাগরিব ও ঈশা’র সালাতের জন্যও একবার গোসল করবে। আর তিনি আরও বলতেন: সে ‍যুহরকে বিলম্বিত করে (তার শেষে সময়ে) ও আসরকে এগিয়ে নিয়ে (তার প্রথম সময়ে) আদায় করবে। আর মাগরিবকে বিলম্বিত করে (তার শেষ সময়ে) এবং ঈশা’কে আগে আগে আদায় করবে।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ১/১২৭; দেখুন সুনান আবু দাউদ ১/২০৮ এবং সামনের ৮৩৩, ৯২০, ৯৩৪ (অনুবাদের ক্রম ৮২৯, ৯১৬, ৯৩০) নং হাদীসগুলি।

بَابٌ فِي غُسْلِ الْمُسْتَحَاضَةِ

أَخْبَرَنَا الْحَسَنُ بْنُ الرَّبِيعِ حَدَّثَنَا أَبُو الْأَحْوَصِ عَنْ عَبْدِ الْعَزِيزِ بْنِ رُفَيْعٍ عَنْ عَطَاءٍ قَالَ كَانَ ابْنُ عَبَّاسٍ يَقُولُ فِي الْمُسْتَحَاضَةِ تَغْتَسِلُ غُسْلًا وَاحِدًا لِلظُّهْرِ وَالْعَصْرِ وَغُسْلًا لِلْمَغْرِبِ وَالْعِشَاءِ وَكَانَ يَقُولُ تُؤَخِّرُ الظُّهْرَ وَتُعَجِّلُ الْعَصْرَ وَتُؤَخِّرُ الْمَغْرِبَ وَتُعَجِّلُ الْعِشَاءَ

 

إسناده صحيح

أخبرنا الحسن بن الربيع حدثنا أبو الأحوص عن عبد العزيز بن رفيع عن عطاء قال كان ابن عباس يقول في المستحاضة تغتسل غسلا واحدا للظهر والعصر وغسلا للمغرب والعشاء وكان يقول تؤخر الظهر وتعجل العصر وتؤخر المغرب وتعجل العشاء إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আতা ইবনু আবী রাবাহ (রহঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১. পবিত্রতা অধ্যায় (كتاب الطهارة)

 ৮২৮

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৮৪. মুস্তাহাযাহ (রক্ত প্রদরের রোগিণী)-এর গোসল সম্পর্কে

৮২৮. মুজাহিদ রাহি. হতে ইসতিহাযাগ্রস্ত মহিলা সম্পর্কে বর্ণিত হয়েছে যে, যদি তার (হায়েযের) নির্ধারিত দিনসমূহ (কুরু’) পরিবর্তন হয়ে যায়, আর তা যদি আসর সালাতের কাছাকাছি সময়ে হয়, তবে সে পরিপূর্ণরূপে ওযু করবে, অতঃপর কাপড় নিয়ে তা দ্বারা (তার গোপনাঙ্গে) পট্টি বাধবে। তারপর সে যুহর ও আসর সালাত একত্রে আদায় করবে। এরপর সে অনুরূপ কাজগুলো করবে, তারপর মাগরিব ও ঈশা’র সালাত একত্রে আদায় করবে। এরপর সে পুনরায় অনুরূপ কাজগুলো করে ফজরের সালাত আদায় করবে।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ মুজাহিদ পর্যন্ত সহীহ।

 

তাখরীজ: এ স্থান ব্যতীত এটি আমি আর কোথাও পাইনি।

بَابٌ فِي غُسْلِ الْمُسْتَحَاضَةِ

أَخْبَرَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ مُوسَى عَنْ عُثْمَانَ بْنِ الْأَسْوَدِ عَنْ مُجَاهِدٍ فِي الْمُسْتَحَاضَةِ إِذَا خَلَفَتْ قُرُوءَهَا فَإِذَا كَانَ عِنْدَ الْعَصْرِ تَوَضَّأَتْ وُضُوءًا سَابِغًا ثُمَّ لِتَأْخُذْ ثَوْبًا فَلْتَسْتَثْفِرْ بِهِ ثُمَّ لِتُصَلِّ الظُّهْرَ وَالْعَصْرَ جَمِيعًا ثُمَّ لِتَفْعَلْ مِثْلَ ذَلِكَ ثُمَّ لِتُصَلِّ الْمَغْرِبَ وَالْعِشَاءَ جَمِيعًا ثُمَّ لِتَفْعَلْ مِثْلَ ذَلِكَ ثُمَّ تُصَلِّي الصُّبْحَ

 

إسناده صحيح إلى مجاهد

أخبرنا عبيد الله بن موسى عن عثمان بن الأسود عن مجاهد في المستحاضة إذا خلفت قروءها فإذا كان عند العصر توضأت وضوءا سابغا ثم لتأخذ ثوبا فلتستثفر به ثم لتصل الظهر والعصر جميعا ثم لتفعل مثل ذلك ثم لتصل المغرب والعشاء جميعا ثم لتفعل مثل ذلك ثم تصلي الصبح إسناده صحيح إلى مجاهد

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ মুজাহিদ (রহঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১. পবিত্রতা অধ্যায় (كتاب الطهارة)

 ৮২৯

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৮৪. মুস্তাহাযাহ (রক্ত প্রদরের রোগিণী)-এর গোসল সম্পর্কে

৮২৯. আতা’, সাঈদ ও ইকরিমাহ রাহিমাহুমুল্লাহ ’ইসিহাযাগ্রস্ত মহিলা সম্পর্কে বলেন: সে প্রতিদিন প্রথম সালাত (তথা যুহর) ও আসরের সালাতের জন্য একবার গোসল করবে এবং এ দু’টি সালাত (একত্রে) আদায় করবে। আবার মাগরিব ও ঈশা’র সালাতের জন্য পুনরায় গোসল করবে এবং এ দু’টি সালাত আদায় করবে। অনুরূপভাবে সে ফজরের সালাতের জন্যও পুনরায় গোসল করবে।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: আতা’র হাদীস বর্ণনা করেছেন আব্দুর রাযযাক নং ১১৭১; ইবনু হাযম, আল মুহাল্লা ২/২১৪। সাঈদের হাদীসটি বর্ণনা করেছেন, ইবনু হাযম, আল মুহাল্লা ২/২১৪; আর ইবনু হাযম সনদবিহীনভাবে ইকরিমার হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। দেখুন, হাদীস নং ৮৩১, ৯২০, ৯৩৪ (অনুবাদের ক্রম ৮২৭, ৯১৬, ৯৩০)।

بَابٌ فِي غُسْلِ الْمُسْتَحَاضَةِ

حَدَّثَنَا زَكَرِيَّا بْنُ عَدِيٍّ عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو عَنْ عَبْدِ الْكَرِيمِ عَنْ عَطَاءٍ وَسَعِيدٍ وَعِكْرِمَةَ قَالُوا فِي الْمُسْتَحَاضَةِ تَغْتَسِلُ كُلَّ يَوْمٍ لِصَلَاةِ الْأُولَى وَالْعَصْرِ فَتُصَلِّيهِمَا وَتَغْتَسِلُ لِلْمَغْرِبِ وَالْعِشَاءِ فَتُصَلِّيهِمَا وَتَغْتَسِلُ لِصَلَاةِ الْغَدَاةِ

إسناده صحيح

حدثنا زكريا بن عدي عن عبيد الله بن عمرو عن عبد الكريم عن عطاء وسعيد وعكرمة قالوا في المستحاضة تغتسل كل يوم لصلاة الأولى والعصر فتصليهما وتغتسل للمغرب والعشاء فتصليهما وتغتسل لصلاة الغداة إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আতা ইবনু আবী রাবাহ (রহঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১. পবিত্রতা অধ্যায় (كتاب الطهارة)

 ৮৩০

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৮৪. মুস্তাহাযাহ (রক্ত প্রদরের রোগিণী)-এর গোসল সম্পর্কে

৮৩০. আব্দুল্লাহ ইবনু শাদ্দাদ বলেন, ইসতিহাযাগ্রস্ত মহিলা গোসল করবে, তারপর যুহর এবং আসর সালাত একত্রে আদায় করবে। অতঃপর সে যদি কিছু (রক্ত) দেখতে পায়, তবে গোসল করবে এবং মাগরিব ও ঈশা’র সালাত একত্রে আদায় করবে।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: আবু দাউদ ২৯৬ নং হাদীসের পরে এটি সনদবিহীনভাবে উল্লেখ করেছেন।

بَابٌ فِي غُسْلِ الْمُسْتَحَاضَةِ

أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ يُونُسَ حَدَّثَنَا أَبُو زُبَيْدٍ حَدَّثَنَا حُصَيْنٌ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ شَدَّادٍ قَالَ الْمُسْتَحَاضَةُ تَغْتَسِلُ ثُمَّ تَجْمَعُ بَيْنَ الظُّهْرِ وَالْعَصْرِ فَإِنْ رَأَتْ شَيْئًا اغْتَسَلَتْ وَجَمَعَتْ بَيْنَ الْمَغْرِبِ وَالْعِشَاءِ

 

إسناده صحيح

أخبرنا أحمد بن عبد الله بن يونس حدثنا أبو زبيد حدثنا حصين عن عبد الله بن شداد قال المستحاضة تغتسل ثم تجمع بين الظهر والعصر فإن رأت شيئا اغتسلت وجمعت بين المغرب والعشاء إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আবদুল্লাহ ইব্‌নু শাদ্দাদ (রহঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১. পবিত্রতা অধ্যায় (كتاب الطهارة)

 ৮৩১

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৮৫. যিনি বলেন, (ইসতিহাযাগ্রস্ত মহিলা) যুহর হতে (পরদিন) যুহর পর্যন্ত (একবার) গোসল করবে, স্বামীর সাথে মিলিত হবে এবং সিয়াম পালন করবে

৮৩১. সুমাইয়্যি হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি সাঈদ ইবনুল মুসাইয়্যিব রাহি.-কে ইসতিহাযাগ্রস্ত মহিলা সম্পর্কে জিজ্ঞেস করেছিলাম। তখন তিনি বললেন: তার হায়েযের নির্ধারিত (কুরু’র) দিনগুলি পরিমাণ সময় সে বসে (সালাত হতে বিরত) থাকবে। আর সে দৈনিক এক যুহর হতে পরবর্তী যুহর পর্যন্ত (একবার) গোসল করবে। সে কাপড় দ্বারা মজবুতভাবে (স্ত্রীঅংগে) পট্টি বেঁধে নেবে। তার স্বামী তার সাথে সহবাস করতে পারবে এবং সে সিয়াম পালনও করতে পারবে। আমি তাকে জিজ্ঞেস করলাম, এটি কার থেকে বর্ণনা করছেন? তখন তিনি (ছুঁড়ে মারার জন্য) নুড়িপাথর হাতে তুললেন।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ১/১২৭ সহীহ সনদে; আব্দুর রাযযাক নং ১১৬৯; আবু দাউদ ১/১৯৮; এটি সামনে ৮৩৭ (অনুবাদের ক্রমিক ৮৩৩) নং এ আসছে।

بَابُ مَنْ قَالَ تَغْتَسِلُ مِنَ الظُّهْرِ إِلَى الظُّهْرِ، وَتُجَامِعُ وَتَصُومُ

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ سُمَيٍّ قَالَ سَأَلْتُ سَعِيدَ بْنَ الْمُسَيَّبِ عَنْ الْمُسْتَحَاضَةِ فَقَالَ تَجْلِسُ أَيَّامَ أَقْرَائِهَا وَتَغْتَسِلُ مِنْ الظُّهْرِ إِلَى الظُّهْرِ وَتَسْتَذْفِرُ بِثَوْبٍ وَيَأْتِيهَا زَوْجُهَا وَتَصُومُ فَقُلْتُ عَمَّنْ هَذَا فَأَخَذَ الْحَصَا

إسناده صحيح

أخبرنا محمد بن يوسف حدثنا سفيان عن سمي قال سألت سعيد بن المسيب عن المستحاضة فقال تجلس أيام أقرائها وتغتسل من الظهر إلى الظهر وتستذفر بثوب ويأتيها زوجها وتصوم فقلت عمن هذا فأخذ الحصا إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ সুমাইয়্যি (রহঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১. পবিত্রতা অধ্যায় (كتاب الطهارة)

 ৮৩২

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৮৫. যিনি বলেন, (ইসতিহাযাগ্রস্ত মহিলা) যুহর হতে (পরদিন) যুহর পর্যন্ত (একবার) গোসল করবে, স্বামীর সাথে মিলিত হবে এবং সিয়াম পালন করবে

৮৩২. সাঈদ ইবনুল মুসাইয়্যিব থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, সে (ইসতিহাযাগ্রস্ত মহিলা) এক যুহর হতে পরবর্তী যুহর পর্যন্ত (একবার) গোসল করবে এবং প্রত্যেক সালাতের জন্য (নুতনভাবে) ওযু করবে। ইসতিহাযার সময় অধিক পরিমাণে রক্তস্রাব হলে কাপড় দ্বারা (স্ত্রীঅংগে) মজবুতভাবে পট্টি বেঁধে নেবে।’[1] আর হাসানও একথা বলতেন।[2]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ১/১২৭ যয়ীফ সনদে।

 

[2] হাসানের হাদীসটিও ইবনু আবী শাইবা ১/১২৯ তে সহীহ সনদে বর্ণনা করেছেন।

بَابُ مَنْ قَالَ تَغْتَسِلُ مِنَ الظُّهْرِ إِلَى الظُّهْرِ، وَتُجَامِعُ وَتَصُومُ

أَخْبَرَنَا أَبُو الْمُغِيرَةِ حَدَّثَنَا الْأَوْزَاعِيُّ حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيَّبِ قَالَ تَغْتَسِلُ مِنْ ظُهْرٍ إِلَى ظُهْرٍ وَتَتَوَضَّأُ لِكُلِّ صَلَاةٍ فَإِنْ غَلَبَهَا الدَّمُ اسْتَثْفَرَتْ وَكَانَ الْحَسَنُ يَقُولُ ذَلِكَ

إسناده صحيح

أخبرنا أبو المغيرة حدثنا الأوزاعي حدثنا يحيى بن سعيد عن سعيد بن المسيب قال تغتسل من ظهر إلى ظهر وتتوضأ لكل صلاة فإن غلبها الدم استثفرت وكان الحسن يقول ذلك إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ সাঈদ ইবনু মুসাইয়্যাব (রহ.)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১. পবিত্রতা অধ্যায় (كتاب الطهارة)

 ৮৩৩

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৮৫. যিনি বলেন, (ইসতিহাযাগ্রস্ত মহিলা) যুহর হতে (পরদিন) যুহর পর্যন্ত (একবার) গোসল করবে, স্বামীর সাথে মিলিত হবে এবং সিয়াম পালন করবে

৮৩৩. ইয়াহইয়া বর্ণনা করেন: আবু বকর ইবনু আব্দুর রহমান ইবনুল হারিস ইবনু হিশাম এর দাস সুমাইয়্যি তার নিকট বর্ণনা করেছেন যে, কা’কা’আ ইবনু হাকীম ও যাইদ ইবনু আসলাম তাকে সাঈদ ইবনুল মুসাইয়্যিব রাহি.-এর নিকট ’ইসতিহাযাগ্রস্ত মহিলা কিভাবে গোসল করবে’- সেই সম্পর্কে তাকে জিজ্ঞেস করতে পাঠালেন। তখন সাঈদ বললেন: সে আজকের যুহর হতে আগামীকাল যুহর পর্যন্ত (একবার) গোসল করবে। ইসতিহাযার সময় অধিক পরিমাণে রক্তস্রাব হলে কাপড় দ্বারা (স্ত্রীঅংগে) মজবুতভাবে পট্টি বেঁধে নেবে। আর প্রত্যেক সালাতের জন্য ওযু করবে এবং সালাত আদায় করবে।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: আবু দাউদ ৩০১ সহীহ সনদে; মালিক ১০৯; ইবনু আবী শাইবা ১/১২৭; আব্দুর রাযযাক নং ১১৬৯; এটি ৮৩৫ (অনুবাদের ক্রমিক ৮৩১) নং এ গত হয়েছে।

 

আবু দাউদ বলেন: এটি ইবনু উমার, আনাস ইবনু মালিক … ও আয়িশা রা; হতে বর্ণিত হয়েছে।… আর এটি সালিম ইবনু আব্দুল্লাহ, হাসান ও আতা’র মত।

بَابُ مَنْ قَالَ تَغْتَسِلُ مِنَ الظُّهْرِ إِلَى الظُّهْرِ، وَتُجَامِعُ وَتَصُومُ

أَخْبَرَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ حَدَّثَنَا يَحْيَى أَنَّ سُمَيًّا مَوْلَى أَبِي بَكْرِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ الْحَارِثِ بْنِ هِشَامٍ أَخْبَرَهُ أَنَّ الْقَعْقَاعَ بْنَ حَكِيمٍ وَزَيْدَ بْنَ أَسْلَمَ أَرْسَلَاهُ إِلَى سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيَّبِ يَسْأَلُهُ كَيْفَ تَغْتَسِلُ الْمُسْتَحَاضَةُ فَقَالَ سَعِيدٌ تَغْتَسِلُ مِنْ الظُّهْرِ إِلَى مِثْلِهَا مِنْ الْغَدِ لِصَلَاةِ الظُّهْرِ فَإِنْ غَلَبَهَا الدَّمُ اسْتَثْفَرَتْ وَتَوَضَّأَتْ لِكُلِّ صَلَاةٍ وَصَلَّتْ

إسناده صحيح

أخبرنا يزيد بن هارون حدثنا يحيى أن سميا مولى أبي بكر بن عبد الرحمن بن الحارث بن هشام أخبره أن القعقاع بن حكيم وزيد بن أسلم أرسلاه إلى سعيد بن المسيب يسأله كيف تغتسل المستحاضة فقال سعيد تغتسل من الظهر إلى مثلها من الغد لصلاة الظهر فإن غلبها الدم استثفرت وتوضأت لكل صلاة وصلت إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ ইয়াহইয়া (রহঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১. পবিত্রতা অধ্যায় (كتاب الطهارة)

 ৮৩৪

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৮৫. যিনি বলেন, (ইসতিহাযাগ্রস্ত মহিলা) যুহর হতে (পরদিন) যুহর পর্যন্ত (একবার) গোসল করবে, স্বামীর সাথে মিলিত হবে এবং সিয়াম পালন করবে

৮৩৪. হাসান রাহি. হতে ইসতিহাযাগ্রস্ত মহিলার সম্পর্কে বর্ণিত হয়েছে যে, সে যুহর সালাত হতে পরের দিন যুহর সালাত পর্যন্ত একবার গোসল করবে।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: হাসান পর্যন্ত এর সনদ জাইয়্যেদ।

 

তাখরীজ: মুসান্নাফ আব্দুর রাযযাক নং ১২১০; এবং আগের টীকাটি দেখুন।

بَابُ مَنْ قَالَ تَغْتَسِلُ مِنَ الظُّهْرِ إِلَى الظُّهْرِ، وَتُجَامِعُ وَتَصُومُ

حَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ خَالِدٍ عَنْ مُعْتَمِرٍ عَنْ أَبِيهِ عَنْ الْحَسَنِ فِي الْمُسْتَحَاضَةِ تَغْتَسِلُ مِنْ صَلَاةِ الظُّهْرِ إِلَى صَلَاةِ الظُّهْرِ مِنْ الْغَدِ

إسناده جيد إلى الحسن

حدثنا موسى بن خالد عن معتمر عن أبيه عن الحسن في المستحاضة تغتسل من صلاة الظهر إلى صلاة الظهر من الغد إسناده جيد إلى الحسن

 হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)  বর্ণনাকারীঃ হাসান বাসরী (রহঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১. পবিত্রতা অধ্যায় (كتاب الطهارة)

 ৮৩৫

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৮৫. যিনি বলেন, (ইসতিহাযাগ্রস্ত মহিলা) যুহর হতে (পরদিন) যুহর পর্যন্ত (একবার) গোসল করবে, স্বামীর সাথে মিলিত হবে এবং সিয়াম পালন করবে

৮৩৫. (অপর সনদে) হাসান রাহি. হতে ইসতিহাযাগ্রস্ত মহিলার সম্পর্কে বর্ণিত হয়েছে যে, মাসে তার হায়েযের নির্ধারিত দিনগুলিতে সে সালাত পরিত্যাগ করবে। তারপর সে এক যুহর হতে পরবর্তী যুহর পর্যন্ত (একবার) গোসল করবে। এরপর প্রত্যেক সালাতের সময় (নতুন) ওযু করবে। আর সে সিয়াম পালন করবে, সালাত আদায় করবে এবং তার স্বামী তার সাথে সহবাস করতে পারবে।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: পুর্বের টীকাটি দেখুন।

بَابُ مَنْ قَالَ تَغْتَسِلُ مِنَ الظُّهْرِ إِلَى الظُّهْرِ، وَتُجَامِعُ وَتَصُومُ

حَدَّثَنَا حَجَّاجُ بْنُ مِنْهَالٍ حَدَّثَنَا حَمَّادٌ عَنْ حُمَيْدٍ عَنْ الْحَسَنِ قَالَ الْمُسْتَحَاضَةُ تَدَعُ الصَّلَاةَ أَيَّامَ حَيْضِهَا مِنْ الشَّهْرِ ثُمَّ تَغْتَسِلُ مِنْ الظُّهْرِ إِلَى الظُّهْرِ وَتَوَضَّأُ عِنْدَ كُلِّ صَلَاةٍ وَتَصُومُ وَتُصَلِّي وَيَأْتِيهَا زَوْجُهَا

إسناده صحيح

حدثنا حجاج بن منهال حدثنا حماد عن حميد عن الحسن قال المستحاضة تدع الصلاة أيام حيضها من الشهر ثم تغتسل من الظهر إلى الظهر وتوضأ عند كل صلاة وتصوم وتصلي ويأتيها زوجها إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ হাসান বাসরী (রহঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১. পবিত্রতা অধ্যায় (كتاب الطهارة)

 ৮৩৬

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৮৫. যিনি বলেন, (ইসতিহাযাগ্রস্ত মহিলা) যুহর হতে (পরদিন) যুহর পর্যন্ত (একবার) গোসল করবে, স্বামীর সাথে মিলিত হবে এবং সিয়াম পালন করবে

৮৩৬. হাসান ও আতা’ রাহি. হতে এর অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ যয়ীফ, কেননা, আব্বাস ইবনু মানসুর যয়ীফ।

 

তাখরীজ: আবু দাউদ তার সুনানের ১/২১২ তে বলেন: এটি সালিম ইবনু আব্দুল্লাহ, হাসান ও আতা’র বক্তব্য।

بَابُ مَنْ قَالَ تَغْتَسِلُ مِنَ الظُّهْرِ إِلَى الظُّهْرِ، وَتُجَامِعُ وَتَصُومُ

حَدَّثَنَا حَجَّاجُ بْنُ مِنْهَالٍ حَدَّثَنَا حَمَّادٌ عَنْ عَبَّادِ بْنِ مَنْصُورٍ عَنْ الْحَسَنِ وَعَطَاءٍ مِثْلَ ذَلِكَ

 

إسناده ضعيف لضعف عباد بن منصور

حدثنا حجاج بن منهال حدثنا حماد عن عباد بن منصور عن الحسن وعطاء مثل ذلك إسناده ضعيف لضعف عباد بن منصور

 হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai’f)  বর্ণনাকারীঃ হাসান বাসরী (রহঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১. পবিত্রতা অধ্যায় (كتاب الطهارة)

 ৮৩৭

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৮৫. যিনি বলেন, (ইসতিহাযাগ্রস্ত মহিলা) যুহর হতে (পরদিন) যুহর পর্যন্ত (একবার) গোসল করবে, স্বামীর সাথে মিলিত হবে এবং সিয়াম পালন করবে

৮৩৭. মাসরুকের স্ত্রী ক্বমীর আয়িশা রাদ্বিয়াল্লাহু্ আনহা হতে ’ইসতিহাযাগ্রস্ত মহিলা সম্পর্কে বর্ণনা করেন যে, সে দৈনিক একবার মাত্র গোসল করবে।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ। আর এটি আয়িশা রা: এর বক্তব্য (মাওকুফ)।

 

তাখরীজ: ইবনু হাযম, আল মুহাল্লা ২/২১৪ আয়িশা রা: হতে।

 

দেখুন, পূর্বের ৮১৭ (অনুবাদের ক্রমিক ৮১৩) নং হাদীসটি এবং ৮৩৭ (অনুবাদের ক্রমিক ৮৩৩) নং হাদীসের টীকায় আমরা উল্লেখ করেছি যে, আবু দাউদ ৩০০ তে মারফু’ হিসেবে (রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হতে) এটি বর্ণনা করেছেন। তবে এর সনদকে তিনি যয়ীফ বলে উল্লেখ করেছেন।…

بَابُ مَنْ قَالَ تَغْتَسِلُ مِنَ الظُّهْرِ إِلَى الظُّهْرِ، وَتُجَامِعُ وَتَصُومُ

أَخْبَرَنَا حَجَّاجٌ حَدَّثَنَا حَمَّادٌ عَنْ دَاوُدَ عَنْ الشَّعْبِيِّ عَنْ قَمِيرَ امْرَأَةِ مَسْرُوقٍ أَنَّ عَائِشَةَ قَالَتْ فِي الْمُسْتَحَاضَةِ تَغْتَسِلُ كُلَّ يَوْمٍ مَرَّةً

 

إسناده صحيح

أخبرنا حجاج حدثنا حماد عن داود عن الشعبي عن قمير امرأة مسروق أن عائشة قالت في المستحاضة تغتسل كل يوم مرة إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ ক্বমীর বিনতে ’ইমরান  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১. পবিত্রতা অধ্যায় (كتاب الطهارة)

 ৮৩৮

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৮৫. যিনি বলেন, (ইসতিহাযাগ্রস্ত মহিলা) যুহর হতে (পরদিন) যুহর পর্যন্ত (একবার) গোসল করবে, স্বামীর সাথে মিলিত হবে এবং সিয়াম পালন করবে

৮৩৮. নাফি’ (আব্দুল্লাহ) ইবনু উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণনা করেন, তিনি বলতেন: ইসতিহাযাগ্রস্ত মহিলা এক যুহর সালাত হতে অপর যুহর সালাত পর্যন্ত একবার গোসল করবে।[1]

মারওয়ান বলেন: এটি আওযাঈ’রও মত।

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ বুকাইর ইবনু মা’রুফ এর কারণে হাসান।

 

তাখরীজ: আবু দাউদ তার সুনান ১/২১১ তে বলেন: এটি ইবনু উমার, আনাস ইবনু মালিকের বক্তব্য যে, “সে এক যুহর হতে অপর যুহর পর্যন্ত একবার গোসল করবে।” আরও দেখুন, মুসান্নাফে আব্দুর রাযযাক নং ১১৬৭।

بَابُ مَنْ قَالَ تَغْتَسِلُ مِنَ الظُّهْرِ إِلَى الظُّهْرِ، وَتُجَامِعُ وَتَصُومُ

أَخْبَرَنَا مَرْوَانُ عَنْ بُكَيْرِ بْنِ مَعْرُوفٍ عَنْ مُقَاتِلِ بْنِ حَيَّانَ عَنْ نَافِعٍ عَنْ ابْنِ عُمَرَ أَنَّهُ كَانَ يَقُولُ فِي الْمُسْتَحَاضَةِ تَغْتَسِلُ مِنْ ظُهْرٍ إِلَى ظُهْرٍ قَالَ مَرْوَانُ وَهُوَ قَوْلُ الْأَوْزَاعِيِّ

إسناده حسن

أخبرنا مروان عن بكير بن معروف عن مقاتل بن حيان عن نافع عن ابن عمر أنه كان يقول في المستحاضة تغتسل من ظهر إلى ظهر قال مروان وهو قول الأوزاعي إسناده حسن

 হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)  বর্ণনাকারীঃ নাফি‘ (রহঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১. পবিত্রতা অধ্যায় (كتاب الطهارة)

 ৮৩৯

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৮৫. যিনি বলেন, (ইসতিহাযাগ্রস্ত মহিলা) যুহর হতে (পরদিন) যুহর পর্যন্ত (একবার) গোসল করবে, স্বামীর সাথে মিলিত হবে এবং সিয়াম পালন করবে

৮৩৯. সাঈদ ইবনুল মুসাইয়্যিব রাহি. হতে বর্ণিত, তিনি বলেন: ইসতিহাযাগ্রস্ত মহিলা প্রতিদিন প্রথম (যুহর) সালাতের সময় গোসল করবে।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: আব্দুর রাযযাক নং ১২১০।

 

উল্লেখ্য যে, মুদ্রিত সংস্করণে অতিরিক্ত রয়েছে, ‘এর উপর আমল নেই।’

بَابُ مَنْ قَالَ تَغْتَسِلُ مِنَ الظُّهْرِ إِلَى الظُّهْرِ، وَتُجَامِعُ وَتَصُومُ

حَدَّثَنَا زَكَرِيَّا بْنُ عَدِيٍّ عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو عَنْ عَبْدِ الْكَرِيمِ عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيَّبِ قَالَ الْمُسْتَحَاضَةُ تَغْتَسِلُ كُلَّ يَوْمٍ عِنْدَ صَلَاةِ الْأُولَى

إسناده صحيح

حدثنا زكريا بن عدي عن عبيد الله بن عمرو عن عبد الكريم عن سعيد بن المسيب قال المستحاضة تغتسل كل يوم عند صلاة الأولى إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ সাঈদ ইবনু মুসাইয়্যাব (রহ.)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১. পবিত্রতা অধ্যায় (كتاب الطهارة)

 ৮৪০

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৮৬. যিনি বলেন: ইসতিহাযাগ্রস্ত মহিলার স্বামী তার সাথে মিলিত হতে পারবে

৮৪০. ইকরিমা সূত্রে ইবনু আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা হতে ইসতিহাযাগ্রস্ত মহিলার সম্পর্কে বর্ণিত আছে, তার স্বামী তার সাথে সহবাস করবে- তিনি এতে কোনো অপরাধ আছে বলে মনে করতেন না।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: সনদ সহীহ।

بَابُ مَنْ قَالَ: الْمُسْتَحَاضَةُ يُجَامِعُهَا زَوْجُهَا

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عِيسَى حَدَّثَنَا عَتَّابٌ هُوَ ابْنُ بَشِيرٍ الْجَزَرِيُّ عَنْ خُصَيْفٍ عَنْ عِكْرِمَةَ عَنْ ابْنِ عَبَّاسٍ فِي الْمُسْتَحَاضَةِ لَمْ يَرَ بَأْسًا أَنْ يَأْتِيَهَا زَوْجُهَا

إسناده صحيح

أخبرنا محمد بن عيسى حدثنا عتاب هو ابن بشير الجزري عن خصيف عن عكرمة عن ابن عباس في المستحاضة لم ير بأسا أن يأتيها زوجها إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ ইকরিমা (রহঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১. পবিত্রতা অধ্যায় (كتاب الطهارة)

 ৮৪১

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৮৬. যিনি বলেন: ইসতিহাযাগ্রস্ত মহিলার স্বামী তার সাথে মিলিত হতে পারবে

৮৪১. সালিম আল আফতাস বলেন: সাঈদ ইবনু জুবাইর রাহি.-কে প্রশ্ন করা হলো, ’ইসতিহাযাগ্রস্ত মহিলা তার স্বামীর সাথে সহবাস করতে পারবে কি?’ জবাবে তিনি বললেন: ’সহবাস করা হতে সালাত অনেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।’ (সুতরাং সালাত আদায় বৈধ হলে সহবাসও করতে পারবে)।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: আব্দুর রাযযাক নং ১১৮৭ সহীহ সনদে; ইবনু আবী শাইবা ৪/২৭৯ অপর সহীহ সনদে। পরবর্তী সূত্রটিও দেখুন।

بَابُ مَنْ قَالَ: الْمُسْتَحَاضَةُ يُجَامِعُهَا زَوْجُهَا

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ سَالِمٍ الْأَفْطَسِ قَالَ سُئِلَ سَعِيدُ بْنُ جُبَيْرٍ أَتُجَامَعُ الْمُسْتَحَاضَةُ فَقَالَ الصَّلَاةُ أَعْظَمُ مِنْ الْجِمَاعِ

إسناده صحيح

أخبرنا محمد بن يوسف حدثنا سفيان عن سالم الأفطس قال سئل سعيد بن جبير أتجامع المستحاضة فقال الصلاة أعظم من الجماع إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ সালিম আল আফতাস (রহঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১. পবিত্রতা অধ্যায় (كتاب الطهارة)

 ৮৪২

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৮৬. যিনি বলেন: ইসতিহাযাগ্রস্ত মহিলার স্বামী তার সাথে মিলিত হতে পারবে

৮৪২. সুমাইয়্যি বর্ণনা করেন, সাঈদ ইবনুল মুসাইয়্যিব রাহি. বলেন, (ইসতিহাযাগ্রস্ত মহিলার সাথে) তার স্বামী সহবাস করতে পারবেন।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এ সনদ পূর্ববর্তী সনদটিই (সহীহ)।

 

তাখরীজ: আব্দুর রাযযাক নং ১১৮৬ সহীহ সনদে। পূর্ণাঙ্গ তাখরীজ দেখুন, এর আগের হাদীসটিতে।

بَابُ مَنْ قَالَ: الْمُسْتَحَاضَةُ يُجَامِعُهَا زَوْجُهَا

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ سُمَيٍّ عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيَّبِ قَالَ يَأْتِيهَا زَوْجُهَا

إسناده صحيح

أخبرنا محمد بن يوسف حدثنا سفيان عن سمي عن سعيد بن المسيب قال يأتيها زوجها إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ সুমাইয়্যি (রহঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১. পবিত্রতা অধ্যায় (كتاب الطهارة)

 ৮৪৩

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৮৬. যিনি বলেন: ইসতিহাযাগ্রস্ত মহিলার স্বামী তার সাথে মিলিত হতে পারবে

৮৪৩. ইউনুস হতে বর্ণিত, হাসান রাহি. ইসতিহাযাগ্রস্ত মহিলা সম্পর্কে বলেন: ’তার স্বামী তার সাথে সহবাস করতে পারবে।’[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: আব্দুর রাযযাক নং ১১৮৬ সহীহ সনদে; ইবনু আবী শাইবা ৪/২৭৯ অপর সহীহ সনদে। পরবর্তী ৮৫০ (অনুবাদের ক্রমিক ৮৪৬) নং হাদীসটিও দেখুন।

بَابُ مَنْ قَالَ: الْمُسْتَحَاضَةُ يُجَامِعُهَا زَوْجُهَا

أَخْبَرَنَا أَبُو النُّعْمَانِ حَدَّثَنَا وُهَيْبٌ حَدَّثَنَا يُونُسُ عَنْ الْحَسَنِ فِي الْمُسْتَحَاضَةِ قَالَ يَغْشَاهَا زَوْجُهَا

إسناده صحيح

أخبرنا أبو النعمان حدثنا وهيب حدثنا يونس عن الحسن في المستحاضة قال يغشاها زوجها إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ ইউনূস বিন উবাইদ (রহঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১. পবিত্রতা অধ্যায় (كتاب الطهارة)

 ৮৪৪

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৮৬. যিনি বলেন: ইসতিহাযাগ্রস্ত মহিলার স্বামী তার সাথে মিলিত হতে পারবে

৮৪৪. সাঈদ ইবনু জুবাইর রাহিমাহুল্লাহ হতে বর্ণিত, তিনি ইসতিহাযাগ্রস্ত মহিলা সম্পর্কে বলেন: ’তার স্বামী তার সাথে সহবাস করতে পারবে, যদিও মাদুর (বিছানায়) ফোঁটা ফোঁটা রক্ত পড়তে থাকে তবুও।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ যয়ীফ, কেননা, আব্দুল্লাহ ইবনু মুসলিম যয়ীফ।

 

তাখরীজ: দেখুন, পুর্ববর্তী ৮৪৫, ৮৪৬ (অনুবাদের ক্রম ৮৪১, ৮৪২) নং হাদীস দু’টি।

بَابُ مَنْ قَالَ: الْمُسْتَحَاضَةُ يُجَامِعُهَا زَوْجُهَا

أَخْبَرَنَا أَبُو عَاصِمٍ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مُسْلِمٍ عَنْ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ قَالَ فِي الْمُسْتَحَاضَةِ يَغْشَاهَا زَوْجُهَا وَإِنْ قَطَرَ الدَّمُ عَلَى الْحَصِيرِ

إسناده ضعيف لضعف عبد الله بن مسلم

أخبرنا أبو عاصم عن عبد الله بن مسلم عن سعيد بن جبير قال في المستحاضة يغشاها زوجها وإن قطر الدم على الحصير إسناده ضعيف لضعف عبد الله بن مسلم

 হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai’f)  বর্ণনাকারীঃ সা‘ঈদ ইবনু যুবায়র (রহঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১. পবিত্রতা অধ্যায় (كتاب الطهارة)

 ৮৪৫

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৮৬. যিনি বলেন: ইসতিহাযাগ্রস্ত মহিলার স্বামী তার সাথে মিলিত হতে পারবে

৮৪৫. হাম্মাদ হুমাইদ থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, বাকর ইবনু আব্দুল্লাহকে বলা হলো যে, হাজ্জাজ বিন ইউসুফ বলেন: ইসতিহাযাগ্রস্ত মহিলার স্বামী তার সাথে সহবাস করতে পারবে না। বাকর ইবনু আব্দুল্লাহ আল মুযানী বলেন: সালাতের মর্যাদা (সহবাসের চেয়ে) অনেক বেশি। সুতরাং (যখন সালাত আদায় করতে পারবে, তখন) তার স্বামীও তার সাথে সহবাস করতে পারবে।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ মুনকাতি’ (বিচ্ছিন্ন)। (তথা যয়ীফ)

 

তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ৪/২৭৯।

بَابُ مَنْ قَالَ: الْمُسْتَحَاضَةُ يُجَامِعُهَا زَوْجُهَا

أَخْبَرَنَا حَجَّاجُ بْنُ مِنْهَالٍ حَدَّثَنَا حَمَّادٌ عَنْ حُمَيْدٍ قَالَ قِيلَ لِبَكْرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ إِنَّ الْحَجَّاجَ بْنَ يُوسُفَ يَقُولُ إِنَّ الْمُسْتَحَاضَةَ لَا يَغْشَاهَا زَوْجُهَا قَالَ بَكْرُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الْمُزَنِيُّ الصَّلَاةُ أَعْظَمُ حُرْمَةً يَغْشَاهَا زَوْجُهَا

إسناده منقطع

أخبرنا حجاج بن منهال حدثنا حماد عن حميد قال قيل لبكر بن عبد الله إن الحجاج بن يوسف يقول إن المستحاضة لا يغشاها زوجها قال بكر بن عبد الله المزني الصلاة أعظم حرمة يغشاها زوجها إسناده منقطع

 হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai’f)  বর্ণনাকারীঃ হাম্মাদ বিন সালামা (রহঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১. পবিত্রতা অধ্যায় (كتاب الطهارة)

 ৮৪৬

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৮৬. যিনি বলেন: ইসতিহাযাগ্রস্ত মহিলার স্বামী তার সাথে মিলিত হতে পারবে

৮৪৬. হুমাইদ হতে বর্ণিত, হাসান রাহি. বলেন: তার (’ইসতিহাযা’গ্রস্ত মহিলার) স্বামী তার সাথে সহবাস করতে পারবে।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: এটি পূর্বে ৮৪৭ (অনুবাদের ক্রম ৮৪৩) নং এ গত হয়েছে।

بَابُ مَنْ قَالَ: الْمُسْتَحَاضَةُ يُجَامِعُهَا زَوْجُهَا

حَدَّثَنَا حَجَّاجُ بْنُ مِنْهَالٍ حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ عَنْ حُمَيْدٍ عَنْ الْحَسَنِ قَالَ يَأْتِيهَا زَوْجُهَا

حدثنا حجاج بن منهال حدثنا حماد بن زيد عن حميد عن الحسن قال يأتيها زوجها

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ হুমায়দ (রহঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১. পবিত্রতা অধ্যায় (كتاب الطهارة)

 ৮৪৭

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৮৬. যিনি বলেন: ইসতিহাযাগ্রস্ত মহিলার স্বামী তার সাথে মিলিত হতে পারবে

৮৪৭. আতা ইবনু সাইব আতা রাহি. হতে বর্ণনা করেন। তিনি ’ইসতিহাযা’গ্রস্ত মহিলা সম্পর্কে বলেন: তার স্বামী তার সাথে সহবাস করতে পারবে। আর সে তার হায়েযের নির্ধারিত দিনগুলিতে সালাত পরিত্যাগ করবে। পরে যখন (হায়েযের সময় অতিক্রান্ত হওয়ার ফলে) তার জন্য সালাত আদায় করা বৈধ হবে, তখন তার স্বামীও তার সাথে সহবাস করতে পারবে।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ যয়ীফ, কেননা, খালিদ ইবনু আব্দুল্লাহ আতা’র নিকট কিছু শ্রবণ করা হতে পিছিয়ে।

 

তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ৪/২৭৯; দেখুন পুর্ববর্তী ৮৪০ (অনুবাদের ক্রম ৮৩৬) নং ও পরবর্তী ৮৫৩ (অনুবাদের ক্রম ৮৪৯) নং হাদীস দু’টি দেখুন।

بَابُ مَنْ قَالَ: الْمُسْتَحَاضَةُ يُجَامِعُهَا زَوْجُهَا

أَخْبَرَنَا عَمْرُو بْنُ عَوْنٍ عَنْ خَالِدِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ عَنْ عَطَاءِ بْنِ السَّائِبِ عَنْ عَطَاءٍ قَالَ فِي الْمُسْتَحَاضَةِ يُجَامِعُهَا زَوْجُهَا تَدَعُ الصَّلَاةَ أَيَّامَ حَيْضِهَا فَإِذَا حَلَّتْ لَهَا الصَّلَاةُ فَلْيَطَأْهَا

 

إسناده ضعيف خالد بن عبد الله متأخر السماع من عطاء

أخبرنا عمرو بن عون عن خالد بن عبد الله عن عطاء بن السائب عن عطاء قال في المستحاضة يجامعها زوجها تدع الصلاة أيام حيضها فإذا حلت لها الصلاة فليطأها إسناده ضعيف خالد بن عبد الله متأخر السماع من عطاء

 হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai’f)  বর্ণনাকারীঃ আতা ইবনু সাইব (রহঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১. পবিত্রতা অধ্যায় (كتاب الطهارة)

 ৮৪৮

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৮৬. যিনি বলেন: ইসতিহাযাগ্রস্ত মহিলার স্বামী তার সাথে মিলিত হতে পারবে

৮৪৮. শা’বী রাহি. হতে বর্ণিত, তিনি আলী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, ইসতিহাযাগ্রস্ত মহিলার স্বামী তার সাথে সহবাস করতে পারবে।’[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ যয়ীফ। কেননা, এতে মুহাম্মদ ইবনু সালিম হামদানী রয়েছে, যিনি যয়ীফ। আর উমার ইবনু যুর’আহ সম্পর্কেও বুখারী আল কাবীর ৬/১৫৭বলেন: ‘তার ব্যাপারে সমালোচনা রয়েছে।’।…

 

তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ৪/২৭৯; কিন্তু এর শাহিদ হলো পূর্বের হাদীসগুলি। পরবর্তী হাদীসটিও দেখুন। )

بَابُ مَنْ قَالَ: الْمُسْتَحَاضَةُ يُجَامِعُهَا زَوْجُهَا

أَخْبَرَنَا أَبُو نُعَيْمٍ حَدَّثَنَا عُمَرُ بْنُ زُرْعَةَ الْخَارِفِيُّ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ سَالِمٍ عَنْ الشَّعْبِيِّ عَنْ عَلِيٍّ قَالَ الْمُسْتَحَاضَةُ يُجَامِعُهَا زَوْجُهَا

 

إسناده ضعيف محمد بن سالم هو: الهمداني وهو ضعيف وعمر بن زرعة الخارفي قال البخاري في الكبير 157/ 6: فيه نظر

أخبرنا أبو نعيم حدثنا عمر بن زرعة الخارفي عن محمد بن سالم عن الشعبي عن علي قال المستحاضة يجامعها زوجها إسناده ضعيف محمد بن سالم هو: الهمداني وهو ضعيف وعمر بن زرعة الخارفي قال البخاري في الكبير 157/ 6: فيه نظر

 হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai’f)  বর্ণনাকারীঃ শা‘বী (রহঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১. পবিত্রতা অধ্যায় (كتاب الطهارة)

 ৮৪৯

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৮৬. যিনি বলেন: ইসতিহাযাগ্রস্ত মহিলার স্বামী তার সাথে মিলিত হতে পারবে

৮৪৯. সাঈদ ইবনুল মুসাইয়্যিব, হাসান ও আতা রাহি. হতে বর্ণিত, তারা ’ইসতিহাযা’গ্রস্ত মহিলা সম্পর্কে বলেন: সে গোসল করবে এবং সালাত আদায় করবে ও রমাযানের সিয়াম পালন করবে। আর তার স্বামীও তার সাথে সহবাস করতে পারবে।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ৪/২৭৯ যয়ীফ সনদে; আরও দেখুন ৮৩৯, ৮৪০, ৮৪৩ (অনুবাদের ক্রম ৮৩৫, ৮৩৬, ৮৩৯) নং হাদীসগুলি।

بَابُ مَنْ قَالَ: الْمُسْتَحَاضَةُ يُجَامِعُهَا زَوْجُهَا

أَخْبَرَنَا أَبُو النُّعْمَانِ حَدَّثَنَا أَبُو عَوَانَةَ عَنْ قَتَادَةَ عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيَّبِ وَالْحَسَنِ وَعَطَاءٍ قَالُوا فِي الْمُسْتَحَاضَةِ تَغْتَسِلُ وَتُصَلِّي وَتَصُومُ رَمَضَانَ وَيَغْشَاهَا زَوْجُهَا

أخبرنا أبو النعمان حدثنا أبو عوانة عن قتادة عن سعيد بن المسيب والحسن وعطاء قالوا في المستحاضة تغتسل وتصلي وتصوم رمضان ويغشاها زوجها

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ সাঈদ ইবনু মুসাইয়্যাব (রহ.)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১. পবিত্রতা অধ্যায় (كتاب الطهارة)

 ৮৫০

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৮৭. যিনি বলেন, ইসতিহাযাগ্রস্ত মহিলার স্বামী তার সাথে সহবাস করতে পারবে না

৮৫০. হাসান রাহি. হতে বর্ণিত, তিনি বলতেন, ইসতিহাযাগ্রস্ত মহিলার স্বামী তার সাথে সহবাস করতে পারবে না।[1] আবু নু’মান বলেন, আমাকে ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদ আল কাত্তান বলেন, আমি এমন কাউকে চিনি না, যে হাসান থেকে এ হাদীস বর্ণনা করেন।

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ। কিন্তু এটি শায’ (তথা সহীহ বর্ণনার বিপরীত)। কেননা, হাসান থেকে এর বিপরীত কথা বর্ণিত হয়েছে। ফলে ইয়াহইয়া এর পরে যা বললেন, তারই অনুসরণ করা হবে। দেখুন ৮৪৭, ৮৫০, ৮৫৩ (অনুবাদের ক্রম ৮৪৩, ৮৪৬, ৮৪৯) নং হাদীসগুলি।

بَابُ مَنْ قَالَ: لَا يُجَامِعُ الْمُسْتَحَاضَةَ زَوْجُهَا

أَخْبَرَنَا أَبُو النُّعْمَانِ حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ عَنْ حَفْصٍ عَنْ الْحَسَنِ قَالَ كَانَ يَقُولُ الْمُسْتَحَاضَةُ لَا يَغْشَاهَا زَوْجُهَا قَالَ أَبُو النُّعْمَانِ قَالَ لِي يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ الْقَطَّانُ لَا أَعْلَمُ أَحَدًا قَالَ هَذَا عَنْ الْحَسَنِ

إسناده صحيح ولكنه شاذ

أخبرنا أبو النعمان حدثنا حماد بن زيد عن حفص عن الحسن قال كان يقول المستحاضة لا يغشاها زوجها قال أبو النعمان قال لي يحيى بن سعيد القطان لا أعلم أحدا قال هذا عن الحسن إسناده صحيح ولكنه شاذ

 হাদিসের মানঃ শা’জ  বর্ণনাকারীঃ হাসান বাসরী (রহঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১. পবিত্রতা অধ্যায় (كتاب الطهارة)

 ৮৫১

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৮৭. যিনি বলেন, ইসতিহাযাগ্রস্ত মহিলার স্বামী তার সাথে সহবাস করতে পারবে না

৮৫১. খালিদ হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, মুহাম্মদ (ইবনু সীরীন) রাহি. ইসতিহাযাগ্রস্ত মহিলার সাথে তার স্বামীর সহবাস করাকে অপছন্দ (মাকরূহ মনে) করতেন।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ৪/২৭৮ সহীহ সনদে।

بَابُ مَنْ قَالَ: لَا يُجَامِعُ الْمُسْتَحَاضَةَ زَوْجُهَا

أَخْبَرَنَا عَفَّانُ حَدَّثَنَا وُهَيْبٌ عَنْ خَالِدٍ قَالَ كَانَ مُحَمَّدٌ يَكْرَهُ أَنْ يَغْشَى الرَّجُلُ امْرَأَتَهُ وَهِيَ مُسْتَحَاضَةٌ

إسناده صحيح

أخبرنا عفان حدثنا وهيب عن خالد قال كان محمد يكره أن يغشى الرجل امرأته وهي مستحاضة إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ খালিদ ইবন মিহরান (রহঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১. পবিত্রতা অধ্যায় (كتاب الطهارة)

 ৮৫২

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৮৭. যিনি বলেন, ইসতিহাযাগ্রস্ত মহিলার স্বামী তার সাথে সহবাস করতে পারবে না

৮৫২. ইবরাহীম রাহি. হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, ইসতিহাযাগ্রস্ত মহিলার স্বামী তার সাথে সহবাস করতে পারবে না। আর সে সিয়াম পালন করবে না এবং মুসহাফ (কুরআন) স্পর্শ করবে না।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: আব্দুর রাযযাক নং ১১৯২, ১১৯৩ সহীহ সনদে; দেখুন আত তামহীদ ১৬/৬৮।

بَابُ مَنْ قَالَ: لَا يُجَامِعُ الْمُسْتَحَاضَةَ زَوْجُهَا

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ مَنْصُورٍ عَنْ إِبْرَاهِيمَ قَالَ الْمُسْتَحَاضَةُ لَا يَأْتِيهَا زَوْجُهَا وَلَا تَصُومُ وَلَا تَمَسُّ الْمُصْحَفَ

إسناده صحيح

أخبرنا محمد بن يوسف حدثنا سفيان عن منصور عن إبراهيم قال المستحاضة لا يأتيها زوجها ولا تصوم ولا تمس المصحف إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ ইব্রাহীম আন-নাখঈ (রহঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১. পবিত্রতা অধ্যায় (كتاب الطهارة)

 ৮৫৩

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৮৭. যিনি বলেন, ইসতিহাযাগ্রস্ত মহিলার স্বামী তার সাথে সহবাস করতে পারবে না

৮৫৩. কুমাইর হতে বর্ণিত, আয়িশা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা বলেন, ইসতিহাযাগ্রস্ত মহিলার স্বামী তার সাথে সহবাস করতে পারবে না।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ৪/২৭৮ সহীহ সনদে।

بَابُ مَنْ قَالَ: لَا يُجَامِعُ الْمُسْتَحَاضَةَ زَوْجُهَا

أَخْبَرَنَا الْحَكَمُ بْنُ الْمُبَارَكِ حَدَّثَنَا حَجَّاجٌ الْأَعْوَرُ عَنْ شُعْبَةَ عَنْ عَبْدِ الْمَلِكِ بْنِ مَيْسَرَةَ عَنْ الشَّعْبِيِّ عَنْ قَمِيرَ عَنْ عَائِشَةَ قَالَتْ الْمُسْتَحَاضَةُ لَا يَأْتِيهَا زَوْجُهَا

إسناده صحيح

أخبرنا الحكم بن المبارك حدثنا حجاج الأعور عن شعبة عن عبد الملك بن ميسرة عن الشعبي عن قمير عن عائشة قالت المستحاضة لا يأتيها زوجها إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ কুমাইর (রহঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১. পবিত্রতা অধ্যায় (كتاب الطهارة)

 ৮৫৪

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৮৭. যিনি বলেন, ইসতিহাযাগ্রস্ত মহিলার স্বামী তার সাথে সহবাস করতে পারবে না

৮৫৪. ইবরাহীম রাহি. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: (লোকদের মাঝে) বলা হতো যে, ইসতিহাযাগ্রস্ত মহিলার (স্বামীর সাথে) সহবাস করতে পারবে না। আর সে সিয়াম পালন করবে না এবং মুসহাফ (কুরআন) স্পর্শ করবে না। আর সালাতের ব্যাপারে তার সাথে নমনীয় (আচরণ) করা হয়েছে।[1]

ইয়াযীদ বলেন, তার স্বামী তার সাথে সহবাস করতে পারবে। আর (অন্যান্য) পবিত্র মহিলার জন্য যা হালাল, তার জন্যও তা হালাল হবে।

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ হাসান।

 

তাখরীজ: দেখুন পূর্বের ৮৫৬ (অনুবাদের ক্রম ৮৫২) নং হাদীসটি।

بَابُ مَنْ قَالَ: لَا يُجَامِعُ الْمُسْتَحَاضَةَ زَوْجُهَا

أَخْبَرَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ عَنْ جَعْفَرِ بْنِ الْحَارِثِ عَنْ مَنْصُورٍ عَنْ إِبْرَاهِيمَ قَالَ كَانَ يُقَالُ الْمُسْتَحَاضَةُ لَا تُجَامَعُ وَلَا تَصُومُ وَلَا تَمَسُّ الْمُصْحَفَ إِنَّمَا رُخِّصَ لَهَا فِي الصَّلَاةِ قَالَ يَزِيدُ يُجَامِعُهَا زَوْجُهَا وَيَحِلُّ لَهَا مَا يَحِلُّ لِلطَّاهِرِ

إسناده حسن

أخبرنا يزيد بن هارون عن جعفر بن الحارث عن منصور عن إبراهيم قال كان يقال المستحاضة لا تجامع ولا تصوم ولا تمس المصحف إنما رخص لها في الصلاة قال يزيد يجامعها زوجها ويحل لها ما يحل للطاهر إسناده حسن

 হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)  বর্ণনাকারীঃ ইব্রাহীম আন-নাখঈ (রহঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১. পবিত্রতা অধ্যায় (كتاب الطهارة)

 ৮৫৫

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৮৮. অধিক সময় হায়েয হওয়া প্রসঙ্গে যা বর্ণিত হয়েছে

৮৫৫. হাসান রাহি. হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, মহিলা হায়েযের নির্ধারিত সাতদিন সালাত হতে বিরত থাকবে। এ সময়ের মধ্যে সে পবিত্র হয়ে গেলে সেটিই (তার পবিত্রতার সময় বলে গণ্য হবে)। আর তা না হলে সে তখন থেকে (সর্বোচ্চ) দশদিন পর্যন্ত সালাত হতে বিরত থাকবে। এর মধ্যে সে পবিত্র হয়ে গেলে সেটিই (তার পবিত্রতার সময় গণ্য হবে)। আর (এর মধ্যে সে পবিত্র) না হলে সে গোসল করবে এবং সালাত আদায় করবে। আর সে আসলে ইস্তিহাযাগ্রস্ত মহিলা।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ। তবে এর রাবী হাশীম ‘হাদীস বানোয়াটকারী’ হিসেবে সমালোচিত।

 

তাখরীজ: আমি এটি (এ সনদে) আর কোথাও পাইনি।

 

আবু দাউদ ১/১৯৮ ২৮৬ নং হাদীসের পরে উল্লেখ করেছেন: ইউনুস হাসান হতে বর্ণনা করেন, যখন হায়েযগ্রস্ত মহিলার অধিক পরিমাণে রক্তস্রাব হবে, তার হায়েযের নির্ধারিত দিনগুলির পরে সে একদিন কিংবা দু’দিন বিরত থাকবে; তখন সে আসলে ইসতিহাযাগ্রস্ত।’ আর সম্মুখে ৯৮৯ (অনুবাদের ক্রমিক ৯৮৫) নং এ অনুরূপ সনদে আসছে। তাই পূর্ণ তাখরীজের জন্য সেখানে দেখুন। আরেও দেখুন পরবর্তী হাদীসটি।

بَابُ: مَا جَاءَ فِي أَكْثَرِ الْحَيْضِ

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عِيسَى حَدَّثَنَا هُشَيْمٌ حَدَّثَنَا يُونُسُ عَنْ الْحَسَنِ قَالَ تُمْسِكُ الْمَرْأَةُ عَنْ الصَّلَاةِ فِي حَيْضِهَا سَبْعًا فَإِنْ طَهُرَتْ فَذَاكَ وَإِلَّا أَمْسَكَتْ مَا بَيْنَهَا وَبَيْنَ الْعَشْرِ فَإِنْ طَهُرَتْ فَذَاكَ وَإِلَّا اغْتَسَلَتْ وَصَلَّتْ وَهِيَ مُسْتَحَاضَةٌ

إسناده صحيح

أخبرنا محمد بن عيسى حدثنا هشيم حدثنا يونس عن الحسن قال تمسك المرأة عن الصلاة في حيضها سبعا فإن طهرت فذاك وإلا أمسكت ما بينها وبين العشر فإن طهرت فذاك وإلا اغتسلت وصلت وهي مستحاضة إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ হাসান বাসরী (রহঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১. পবিত্রতা অধ্যায় (كتاب الطهارة)

 ৮৫৬

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৮৮. অধিক সময় হায়েয হওয়া প্রসঙ্গে যা বর্ণিত হয়েছে

৮৫৬. হাসান রাহি. হতে বর্ণিত, তিনি বলেন: হায়েযের মেয়াদ দশদিন। এরচেয়ে বেশি দিন যাবত রক্তস্রাব হলে সে ইসতিহাযাগ্রস্ত মহিলা।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ হাসান।

 

তাখরীজ: আব্দুর রাযযাক নং ১১৫১ হাসান সনদে।

بَابُ: مَا جَاءَ فِي أَكْثَرِ الْحَيْضِ

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ الرَّبِيعِ عَنْ الْحَسَنِ قَالَ الْحَيْضُ عَشْرٌ فَمَا زَادَ فَهِيَ مُسْتَحَاضَةٌ

إسناده حسن

أخبرنا محمد بن يوسف حدثنا سفيان عن الربيع عن الحسن قال الحيض عشر فما زاد فهي مستحاضة إسناده حسن

 হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)  বর্ণনাকারীঃ হাসান বাসরী (রহঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১. পবিত্রতা অধ্যায় (كتاب الطهارة)

 ৮৫৭

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৮৮. অধিক সময় হায়েয হওয়া প্রসঙ্গে যা বর্ণিত হয়েছে

৮৫৭. আতা বলেন: হায়েযের মেয়াদ পনেরো দিন।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ আগের হাদীসটির সনদ একই।

 

তাখরীজ: বাইহাকী ১/৩২১ হাসান সনদে; ইবনু আবী শাইবা ৫/২; অপর সনদে বাইহাকী ৭/৪১৯; সামনের ৮৭০ (অনুবাদের ক্রম ৮৬৬) নং হাদীসটি দেখুন।

بَابُ: مَا جَاءَ فِي أَكْثَرِ الْحَيْضِ

وَقَالَ عَطَاءٌ الْحَيْضُ خَمْسَ عَشْرَةَ

إسناده حسن

وقال عطاء الحيض خمس عشرة إسناده حسن

 হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)  বর্ণনাকারীঃ আতা ইবনু আবী রাবাহ (রহঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১. পবিত্রতা অধ্যায় (كتاب الطهارة)

 ৮৫৮

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৮৮. অধিক সময় হায়েয হওয়া প্রসঙ্গে যা বর্ণিত হয়েছে

৮৫৮. মুয়াবিয়া ইবনু কুররাহ আনাস ইবনু মালিক থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, হায়েযের মেয়াদকাল দশ দিন। এর চেয়ে বেশি দিন (রক্তস্রাব) হলে সেই মহিলা ইসতিহাযাগ্রস্ত।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ যয়ীফ জিদ্দান (অত্যন্ত দুর্বল)। সুফিয়ান ইবনু উয়াইনাহ বলেন: হায়েয সংক্রান্ত আলজাল্দ ইবনু আইয়ুবের হাদীসটি বানোয়াট, এর কোনো ভিত্তি নেই।’

 

তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ৫/২৮৩; আব্দুর রাযযাক নং ১১৫০; ফাসাওয়ী, আল মা’রিফাতু ওয়াত তারীখ ৩/৪৭; তার সূত্রে বাইহাকী ১/৩২২; ইবনু আদী, আল কামিল ২/৫৯৮; উকাইলী, আদ দু’আফা’ ১/২০৫; আমরা এটি তাখরীজ করেছি মুসনাদুল মাওসিলী নং ৪১৫০ এ। আরও দেখুন, পরবর্তী ৮৬৪, ৮৬৮ (অনুবাদের ক্রম ৮৬০, ৮৬৪) নং হাদীস।

بَابُ: مَا جَاءَ فِي أَكْثَرِ الْحَيْضِ

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ عَنْ سُفْيَانَ عَنْ الْجَلْدِ بْنِ أَيُّوبَ عَنْ أَبِي إِيَاسٍ مُعَاوِيَةَ بْنِ قُرَّةَ عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ قَالَ الْحَيْضُ عَشْرَةٌ فَمَا زَادَ فَهِيَ مُسْتَحَاضَةٌ

 

إسناده ضعيف جدا قال سفيان بن عيينة: حديث الجلد بن أيوب في الحيض حديث محدث لا أصل له

أخبرنا محمد بن يوسف عن سفيان عن الجلد بن أيوب عن أبي إياس معاوية بن قرة عن أنس بن مالك قال الحيض عشرة فما زاد فهي مستحاضة إسناده ضعيف جدا قال سفيان بن عيينة: حديث الجلد بن أيوب في الحيض حديث محدث لا أصل له

 হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai’f)  বর্ণনাকারীঃ মু‘আবিয়াহ্ ইবনু কুররাহ্ (রহঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১. পবিত্রতা অধ্যায় (كتاب الطهارة)

 ৮৫৯

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৮৮. অধিক সময় হায়েয হওয়া প্রসঙ্গে যা বর্ণিত হয়েছে

৮৫৯. সাঈদ ইবনু জুবাইর রাহি. হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, হায়েযের মেয়াদকাল তেরো দিন পর্যন্ত। এরপর আরো বেশিদিন (রক্তস্রাব হতে) থাকলে সেই মহিলা ইসতিহাযাগ্রস্ত।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ৫/২৮৩; এটি পরবর্তীতে ৮৬৫ (অনুবাদে ৮৬১) নং এ আসছে।

بَابُ: مَا جَاءَ فِي أَكْثَرِ الْحَيْضِ

أَخْبَرَنَا أَبُو نُعَيْمٍ حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ عَنْ عَلِيِّ بْنِ ثَابِتٍ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ زَيْدٍ عَنْ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ قَالَ الْحَيْضُ إِلَى ثَلَاثَ عَشْرَةَ فَمَا زَادَ فَهِيَ مُسْتَحَاضَةٌ

إسناده صحيح

أخبرنا أبو نعيم حدثنا حماد بن سلمة عن علي بن ثابت عن محمد بن زيد عن سعيد بن جبير قال الحيض إلى ثلاث عشرة فما زاد فهي مستحاضة إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ সা‘ঈদ ইবনু যুবায়র (রহঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১. পবিত্রতা অধ্যায় (كتاب الطهارة)

 ৮৬০

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৮৮. অধিক সময় হায়েয হওয়া প্রসঙ্গে যা বর্ণিত হয়েছে

৮৬০. (অপর সনদে) মুয়াবিয়া ইবনু কুররাহ আনাস ইবনু মালিক থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: হায়েযের মেয়াদ দশদিন। এরপর (আরো বেশিদিন রক্তস্রাব হতে থাকলে) সেই মহিলা ইসতিহাযাগ্রস্ত।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ যয়ীফ জিদ্দান (অত্যন্ত দুর্বল)। যা ৮৬২ (অনুবাদে ৮৫৮) নং এ গত হয়েছে।

بَابُ: مَا جَاءَ فِي أَكْثَرِ الْحَيْضِ

أَخْبَرَنَا حَجَّاجُ بْنُ مِنْهَالٍ حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ عَنْ الْجَلْدِ بْنِ أَيُّوبَ عَنْ مُعَاوِيَةَ بْنِ قُرَّةَ عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ قَالَ الْحَيْضُ عَشْرَةُ أَيَّامٍ ثُمَّ هِيَ مُسْتَحَاضَةٌ

إسناده ضعيف جدا

أخبرنا حجاج بن منهال حدثنا حماد بن سلمة عن الجلد بن أيوب عن معاوية بن قرة عن أنس بن مالك قال الحيض عشرة أيام ثم هي مستحاضة إسناده ضعيف جدا

 হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai’f)  বর্ণনাকারীঃ মু‘আবিয়াহ্ ইবনু কুররাহ্ (রহঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১. পবিত্রতা অধ্যায় (كتاب الطهارة)

 ৮৬১

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৮৮. অধিক সময় হায়েয হওয়া প্রসঙ্গে যা বর্ণিত হয়েছে

৮৬১. সাঈদ ইবনু জুবাইর রাহি. হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, হায়েযের মেয়াদকাল তেরো দিন পর্যন্ত। এর চেয়ে অধিক দিন (রক্তস্রাব হতে) থাকলে সেই মহিলা ইসতিহাযাগ্রস্ত।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: এটি ৮৬৩ (অনুবাদে ৮৫৯) নং এ গত হয়েছে।

بَابُ: مَا جَاءَ فِي أَكْثَرِ الْحَيْضِ

أَخْبَرَنَا حَجَّاجٌ حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ عَنْ عَلِيِّ بْنِ ثَابِتٍ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ زَيْدٍ عَنْ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ قَالَ الْحَيْضُ إِلَى ثَلَاثَةَ عَشَرَ يَوْمًا فَمَا سِوَى ذَلِكَ فَهِيَ مُسْتَحَاضَةٌ

إسناده صحيح

أخبرنا حجاج حدثنا حماد بن سلمة عن علي بن ثابت عن محمد بن زيد عن سعيد بن جبير قال الحيض إلى ثلاثة عشر يوما فما سوى ذلك فهي مستحاضة إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ সা‘ঈদ ইবনু যুবায়র (রহঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১. পবিত্রতা অধ্যায় (كتاب الطهارة)

 ৮৬২

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৮৮. অধিক সময় হায়েয হওয়া প্রসঙ্গে যা বর্ণিত হয়েছে

৮৬২. হাসান রাহি. হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, যদি কোন মহিলা রক্তস্রাব দেখে তবে সে সালাত আদায় হতে বিরত থাকবে। আর তার হায়েযের দিনগুলির সাথে (অতিরিক্ত) একদিন বা দু’দিনকে (হায়েযের দিনসমূহের অন্তর্ভুক্ত বলে) গণ্য করবে। এরপর থেকে (রক্তস্রাব থাকলে) সে মহিলা ইসতিহাযাগ্রস্ত।[1]

[1] তাহক্বীক্ব:এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: দেখুন ৮৫৯ (অনুবাদে ৮৫৫) নং হাদীসটি।

بَابُ: مَا جَاءَ فِي أَكْثَرِ الْحَيْضِ

أَخْبَرَنَا حَجَّاجٌ حَدَّثَنَا حَمَّادٌ عَنْ يُونُسَ عَنْ الْحَسَنِ قَالَ إِذَا رَأَتْ الدَّمَ فَإِنَّهَا تُمْسِكُ عَنْ الصَّلَاةِ بَعْدَ أَيَّامِ حَيْضِهَا يَوْمًا أَوْ يَوْمَيْنِ ثُمَّ هِيَ بَعْدَ ذَلِكَ مُسْتَحَاضَةٌ

 

إسناده صحيح

أخبرنا حجاج حدثنا حماد عن يونس عن الحسن قال إذا رأت الدم فإنها تمسك عن الصلاة بعد أيام حيضها يوما أو يومين ثم هي بعد ذلك مستحاضة إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ হাসান বাসরী (রহঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১. পবিত্রতা অধ্যায় (كتاب الطهارة)

 ৮৬৩

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৮৮. অধিক সময় হায়েয হওয়া প্রসঙ্গে যা বর্ণিত হয়েছে

৮৬৩. মুয়াবিয়া ইবনু কুররাহ আনাস হতে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, ইসতিহাযাগ্রস্ত মহিলা (হায়েযের নির্ধারিত দিনগুলির পরও রক্ত দেখলে) অপেক্ষা করবে তিন, চার, পাঁচ, ছয়, সাত, আট, নয়, দশ দিন।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ যয়ীফ জিদ্দান (অত্যন্ত দুর্বল)।

 

তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ৫/২৮৩; এটি ৮৬২, ৮৬৪ (অনুবাদে ৮৫৮, ৮৬০) গত হয়েছে।

بَابُ: مَا جَاءَ فِي أَكْثَرِ الْحَيْضِ

أَخْبَرَنَا أَبُو النُّعْمَانِ حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ عَنْ الْجَلْدِ بْنِ أَيُّوبَ عَنْ مُعَاوِيَةَ بْنِ قُرَّةَ عَنْ أَنَسٍ قَالَ الْمُسْتَحَاضَةُ تَنْتَظِرُ ثَلَاثًا أَرْبَعًا خَمْسًا سِتًّا سَبْعًا ثَمَانِيًا تِسْعًا عَشْرًا

 

إسناده ضعيف جدا

أخبرنا أبو النعمان حدثنا حماد بن زيد عن الجلد بن أيوب عن معاوية بن قرة عن أنس قال المستحاضة تنتظر ثلاثا أربعا خمسا ستا سبعا ثمانيا تسعا عشرا إسناده ضعيف جدا

 হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai’f)  বর্ণনাকারীঃ মু‘আবিয়াহ্ ইবনু কুররাহ্ (রহঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১. পবিত্রতা অধ্যায় (كتاب الطهارة)

 ৮৬৪

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৮৮. অধিক সময় হায়েয হওয়া প্রসঙ্গে যা বর্ণিত হয়েছে

৮৬৪. ইবনু জুরাইজ আতা’ রাহি. হতে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, আমাদের নিকট এ খবর পৌঁছেছে যে, ইসতিহাযাগ্রস্ত মহিলা তার হায়েযের নির্ধারিত দিনসমূহের পরে একদিন অপেক্ষা করবে।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ যয়ীফ। ইবনু জুরাইজ মুদাল্লিস তিনি এটি ‘আন‘আন পদ্ধতিতে বর্ণনা করেছেন।

 

তাখরীজ: দেখুন, আব্দুর রাযযাক নং ১১৫৭।

بَابُ: مَا جَاءَ فِي أَكْثَرِ الْحَيْضِ

أَخْبَرَنَا جَعْفَرُ بْنُ عَوْنٍ عَنْ ابْنِ جُرَيْجٍ عَنْ عَطَاءٍ قَالَ بَلَغَنَا أَنَّ الْمُسْتَحَاضَةَ تَنْتَظِرُ أَعْلَى أَقْرَائِهَا بِيَوْمٍ

 

إسناده ضعيف ابن جريج مدلس وقد عنعن

أخبرنا جعفر بن عون عن ابن جريج عن عطاء قال بلغنا أن المستحاضة تنتظر أعلى أقرائها بيوم إسناده ضعيف ابن جريج مدلس وقد عنعن

 হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai’f)  বর্ণনাকারীঃ ইবনু জুরায়জ (রহঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১. পবিত্রতা অধ্যায় (كتاب الطهارة)

 ৮৬৫

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৮৮. অধিক সময় হায়েয হওয়া প্রসঙ্গে যা বর্ণিত হয়েছে

৮৬৫. রবী ইবনু সাবীহ যিনি আনাস ইবনু মালিক থেকে হাদীস শ্রবণ করেছেন, তিনি বলেন: দশদিনের পরে যদি অধিক সময় পর্যন্ত (রক্তস্রাব হতে) থাকে, তবে সে মহিলা ইসতিহাযাগ্রস্ত।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ ইনকিতা’ বা বিচ্ছিন্নতার কারণে যয়ীফ।

 

তাখরীজ: এটি এ সনদে আমি আর কোথাও পাইনি। দেখুন, দারুকুতনী ১/২০৯; পুর্বের ৮৬২, ৮৬৪ (অনুবাদে ৮৫৮, ৮৬০) নং হাদীস দু’টিও দেখুন।

بَابُ: مَا جَاءَ فِي أَكْثَرِ الْحَيْضِ

أَخْبَرَنَا جَعْفَرُ بْنُ عَوْنٍ حَدَّثَنَا الرَّبِيعُ بْنُ صَبِيحٍ عَنْ مَنْ سَمِعَ أَنَسَ بْنَ مَالِكٍ يَقُولُ مَا زَادَ عَلَى الْعَشْرِ فَهِيَ مُسْتَحَاضَةٌ

إسناده ضعيف لانقطاعه

أخبرنا جعفر بن عون حدثنا الربيع بن صبيح عن من سمع أنس بن مالك يقول ما زاد على العشر فهي مستحاضة إسناده ضعيف لانقطاعه

 হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai’f)  বর্ণনাকারীঃ রবী ইবনু সাবীহ (রহঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১. পবিত্রতা অধ্যায় (كتاب الطهارة)

 ৮৬৬

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৮৮. অধিক সময় হায়েয হওয়া প্রসঙ্গে যা বর্ণিত হয়েছে

৮৬৬. ইবনু জুরাইজ আতা’ রাহি. হতে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, হায়েযের সর্ব্বোচ্চ মেয়াদ পনেরো দিন।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ যয়ীফ। ইবনু জুরাইজ মুদাল্লিস, তিনি এটি ‘আন‘আন পদ্ধতিতে বর্ণনা করেছেন। (তবে, হাদীসটি হাসান লিগয়রিহী। দেখুন ৮৫৭ নং হাদীসটি- অনুবাদক।))

 

তাখরীজ: দারুকুতনী ১/২০৮; বাইহাকী ১/৩২১; আল মা’রিফাহ ২/১৭১ নং ২২৭৪; আরও দেখুন বিগত ৮৬১ (অনুবাদে ৮৫৭) নং হাদীসটি।

 

বুখারী হায়েয অধ্যায়ে এটি তা’লীক (সনদবিহীনভাবে) বর্ণনা করেছেন। আর হাফিজ (ইবনু হাজার) ফাতহুল বারী ১/৪২৫ এ বলেন: ‘দারেমী এটি অবিচ্ছিন্নভাবে সহীহ সনদে বর্ণনা করেছেন।

بَابُ: مَا جَاءَ فِي أَكْثَرِ الْحَيْضِ

أَخْبَرَنَا الْحَكَمُ بْنُ الْمُبَارَكِ حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ إِدْرِيسَ عَنْ مُفَضَّلِ بْنِ مُهَلْهَلٍ عَنْ سُفْيَانَ عَنْ ابْنِ جُرَيْجٍ عَنْ عَطَاءٍ قَالَ أَقْصَى الْحَيْضِ خَمْسَ عَشْرَةَ

إسناده ضعيف فيه عنعنة ابن جريج

أخبرنا الحكم بن المبارك حدثنا عبد الله بن إدريس عن مفضل بن مهلهل عن سفيان عن ابن جريج عن عطاء قال أقصى الحيض خمس عشرة إسناده ضعيف فيه عنعنة ابن جريج

 হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)  বর্ণনাকারীঃ ইবনু জুরায়জ (রহঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১. পবিত্রতা অধ্যায় (كتاب الطهارة)

 ৮৬৭

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৮৯. হায়েযের সর্বনিম্ন সীমা সম্পর্কে

৮৬৭. আনাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, হায়েযের সর্বনিম্ন সীমা তিনদিন।[1]আব্দুল্লাহ আদ-দারেমীকে জিজ্ঞাসা করা হলো, আপনি কি এ মত গ্রহণ করেছেন? তিনি বললেন: হাঁ, যদি সেটি তার রীতি হয়ে থাকে। আমি তাকে এ ব্যাপারে আবারও জিজ্ঞেস করলাম। (এবারে) তিনি বললেন: হায়েযের সর্বনিম্ন সীমা একদিন একরাত আর এর সর্বোচ্চ সীমা পনেরো দিন।

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ ইনকিতা’ বা বিচ্ছিন্নতার কারণে যয়ীফ।

 

তাখরীজ: আমি এটি আর কোথাও আছে বলে জানতে পারিনি।

بَابٌ فِي أَقَلِّ الْحَيْضِ

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ قَالَ قَالَ سُفْيَانُ بَلَغَنِي عَنْ أَنَسٍ أَنَّهُ قَالَ أَدْنَى الْحَيْضِ ثَلَاثَةُ أَيَّامٍ سُئِلَ عَبْدُ اللَّهِ الدَّارِمِيُّ تَأْخُذُ بِهَذَا قَالَ نَعَمْ إِذَا كَانَ عَادَتَهَا وَسَأَلْتُهُ أَيْضًا عَنْ هَذَا قَالَ أَقَلُّ الْحَيْضِ يَوْمٌ وَلَيْلَةٌ وَأَكْثَرُهُ خَمْسَ عَشْرَةَ

إسناده ضعيف لانقطاعه

أخبرنا محمد بن يوسف قال قال سفيان بلغني عن أنس أنه قال أدنى الحيض ثلاثة أيام سئل عبد الله الدارمي تأخذ بهذا قال نعم إذا كان عادتها وسألته أيضا عن هذا قال أقل الحيض يوم وليلة وأكثره خمس عشرة إسناده ضعيف لانقطاعه

 হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai’f)  বর্ণনাকারীঃ আনাস ইবনু মালিক (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১. পবিত্রতা অধ্যায় (كتاب الطهارة)

 ৮৬৮

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৮৯. হায়েযের সর্বনিম্ন সীমা সম্পর্কে

৮৬৮. হাসান রাহি. হলে বর্ণিত, তিনি বলেন, হায়েযের সর্বনিম্ন সীমা তিনদিন।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: মুহাম্মদ ইবনু আবী যাকারিয়ার যয়ীফ হওয়ার কারণে এর সনদ যয়ীফ। কিন্তু এর পরবর্তী হাদীস একে শক্তিশালী করে।

 

তাখরীজ: ((মুহাক্বিক্ব এর কোন তাখরীজ দেননি।–অনুবাদক))

بَابٌ فِي أَقَلِّ الْحَيْضِ

أَخْبَرَنَا الْحَكَمُ بْنُ الْمُبَارَكِ أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ أَبِي زَكَرِيَّا قَالَ أَبُو مُحَمَّد هُوَ أَبُو سَعْدٍ الصَّغَّانِيُّ عَنْ سُفْيَانَ عَنْ الرَّبِيعِ عَنْ الْحَسَنِ قَالَ أَدْنَى الْحَيْضِ ثَلَاثٌ

 

إسناده ضعيف لضعف محمد بن أبي زكريا

أخبرنا الحكم بن المبارك أخبرنا محمد بن أبي زكريا قال أبو محمد هو أبو سعد الصغاني عن سفيان عن الربيع عن الحسن قال أدنى الحيض ثلاث إسناده ضعيف لضعف محمد بن أبي زكريا

 হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai’f)  বর্ণনাকারীঃ হাসান বাসরী (রহঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১. পবিত্রতা অধ্যায় (كتاب الطهارة)

 ৮৬৯

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৮৯. হায়েযের সর্বনিম্ন সীমা সম্পর্কে

৮৬৯. আতা’ রাহি. হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, হায়েযের সর্বনিম্ন সীমা একদিন।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: দারুকুতনী ১/৮০২; বাইহাকী ১/৩২০, ৭/৪১৯;

 

এবং বুখারী হায়েয অধ্যায়ে এটি তা’লীক (সনদবিহীনভাবে) বর্ণনা করেছেন। আর হাফিজ (ইবনু হাজার) ফাতহুল বারী ১/৪২৫ এ বলেন: ‘দারেমী এটি অবিচ্ছিন্নভাবে সহীহ সনদে বর্ণনা করেছেন।

 

বাইহাকী, আল মা’রিফাহ ২/১৭১ এ ইমাম শাফিঈ’র কথা উদ্ধৃত করেছেন, তিনি বলেছেন: ‘আমাদের নিকট আতা’ হতে বর্ণনা করা হয়েছে যে, তিনি বলতেন, হায়েযের সর্বনিম্ন সীমা একদিন।’

بَابٌ فِي أَقَلِّ الْحَيْضِ

أَخْبَرَنَا الْحَكَمُ بْنُ الْمُبَارَكِ أَخْبَرَنَا مَخْلَدُ بْنُ يَزِيدَ عَنْ مَعْقِلِ بْنِ عُبَيْدِ اللَّهِ عَنْ عَطَاءٍ قَالَ أَدْنَى الْحَيْضِ يَوْمٌ

إسناده صحيح

أخبرنا الحكم بن المبارك أخبرنا مخلد بن يزيد عن معقل بن عبيد الله عن عطاء قال أدنى الحيض يوم إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আতা ইবনু আবী রাবাহ (রহঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১. পবিত্রতা অধ্যায় (كتاب الطهارة)

 ৮৭০

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৮৯. হায়েযের সর্বনিম্ন সীমা সম্পর্কে

৮৭০. হাসান রাহি. হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, যদি কোন মহিলা তার হায়েয শুরু হওয়ার একদিন বা দু’দিন পূর্বে রক্তস্রাব দেখে তবে তা তার হায়েয বলে গণ্য হবে।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: (মুহাক্কিক্ব এর কোনো তাখরীজ দেননি।-অনুবাদক)

بَابٌ فِي أَقَلِّ الْحَيْضِ

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الرَّقَاشِيُّ حَدَّثَنَا وُهَيْبٌ حَدَّثَنَا يُونُسُ عَنْ الْحَسَنِ قَالَ إِذَا رَأَتْ الدَّمَ قَبْلَ حَيْضِهَا يَوْمًا أَوْ يَوْمَيْنِ فَهُوَ مِنْ الْحَيْضِ

 

إسناده صحيح

أخبرنا محمد بن عبد الله الرقاشي حدثنا وهيب حدثنا يونس عن الحسن قال إذا رأت الدم قبل حيضها يوما أو يومين فهو من الحيض إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ হাসান বাসরী (রহঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১. পবিত্রতা অধ্যায় (كتاب الطهارة)

 ৮৭১

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৯০. কিশোরী মেয়ের রক্তস্রাব (শুরু হয়ে) অবিরামভাবে চলতে থাকা প্রসঙ্গে

৮৭১. কাতাদা ও কাইস ইবনু সা’দ উভয়ে আতা’ রাহি. হতে কুমারী মেয়ের সম্পর্কে বর্ণনা করেন: যখন তার নিফাস[1] (সন্তান জন্মদানের পরের রক্তস্রাব) শুরু হবে, অতঃপর (নির্ধারিত সময় পরেও) রক্তস্রাব চলতে থাকবে’, তারা বলেন, ’মেয়েটি সেই কয়দিন সালাত হতে বিরত থাকবে, যে কয়দিন তার পরিবারের অপর কোনো মেয়ে সালাত থেকে বিরত থাকে।[2]

[1] (ফাতহুল মান্নান, শরহে দারেমী-তে একে নারীর প্রথম হায়েয বলে উল্লেখ করা হয়েছে। কিন্তু মুহাক্কিক্ব তাখরীজে আব্দুর রাযযাকের আল মুসান্নাফের যে হাদীস নিয়ে এসেছেন, সেখানে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে এটি নিফাস, যখন সে সন্তান প্রসব করে।’ যদিও দারেমীর বাবের শিরোনাম দেখে ফাতহুল মান্নানের বক্তব্যই সঠিক মনে হয়, তবু আমরা তাখরীজের সূত্র ধরে একে নিফাস’ বলেই অনুবাদ করেছি-অনুবাদক।)

 

[2] তাহক্বীক্ব: আছার (হাদীস) দু’টির সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: আতার হাদীসটি বর্ণনা করেছেন, আব্দুর রাযযাক নং ১২০০ যয়ীফ সনদে।

 

বাইহাকী ১/৩৪০ এ বলেন: ইমাম শাফিঈ রাহি. আতা ইবনু আবী রাবাহ হতে ‘কুমারী মেয়ে’ সম্পর্কে উল্লেখ করেছেন যার রক্তস্রাব অব্যাহতভাবে চলতে থাকে,’: তার পরিবারের নারীরা যেভাবে (সালাত পরিত্যাগ করে) বসে থাকে, সেও সেভাবে বসে থাকবে।’

 

আর কাতাদা’র হাদীসটি বর্ণনা করেছেন আব্দুর রাযযাক নং ১২০০ এ সহীহ সনদে।

بَابٌ فِي الْبِكْرِ يَسْتَمِرُّ بِهَا الدَّمُ

أَخْبَرَنَا حَجَّاجُ بْنُ مِنْهَالٍ حَدَّثَنَا حَمَّادٌ عَنْ قَتَادَةَ وَقَيْسِ بْنِ سَعْدٍ عَنْ عَطَاءٍ أَنَّهُمَا قَالَا فِي الْبِكْرِ إِذَا نَفِسَتْ فَاسْتُحِيضَتْ قَالَا تُمْسِكُ عَنْ الصَّلَاةِ مِثْلَ مَا تُمْسِكُ الْمَرْأَةُ مِنْ نِسَائِهَا

 

الأثران إسنادهما صحيح

أخبرنا حجاج بن منهال حدثنا حماد عن قتادة وقيس بن سعد عن عطاء أنهما قالا في البكر إذا نفست فاستحيضت قالا تمسك عن الصلاة مثل ما تمسك المرأة من نسائها الأثران إسنادهما صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ কাতাদাহ (রহঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১. পবিত্রতা অধ্যায় (كتاب الطهارة)

 ৮৭২

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৯০. কিশোরী মেয়ের রক্তস্রাব (শুরু হয়ে) অবিরামভাবে চলতে থাকা প্রসঙ্গে

৮৭২. সুফিয়ান বলেন, যখন নারীর প্রথম হায়েয হবে, তখন সে তার (পরিবারের) অপরাপর নারীদের হায়েযের (নির্ধারিত সময়ের) অনুরূপ সময় পর্যন্ত অপেক্ষা করবে। আব্দুল্লাহকে এ বিষয়ে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন, সেটিই সর্বাধিক সামঞ্জস্যপূর্ণ।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: আব্দুর রাযযাক নং ১২০৩ সহীহ সনদে। সেখানে অতিরিক্ত রয়েছে: ‘হায়েযের দিনগুলিতে হলুদ রংয়ের স্রাব ও রক্তস্রাবের হুকুম একই।’

بَابٌ فِي الْبِكْرِ يَسْتَمِرُّ بِهَا الدَّمُ

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ قَالَ قَالَ سُفْيَانُ إِذَا كَانَتْ الْمَرْأَةُ أَوَّلَ مَا تَحِيضُ تَجْلِسُ فِي الْحَيْضِ مِنْ نَحْوِ نِسَائِهَا سُئِلَ عَبْد اللَّهِ عَنْ هَذَا فَقَالَ هُوَ أَشْبَهُ الْأَشْيَاءِ

إسناده صحيح

أخبرنا محمد بن يوسف قال قال سفيان إذا كانت المرأة أول ما تحيض تجلس في الحيض من نحو نسائها سئل عبد الله عن هذا فقال هو أشبه الأشياء إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ সুফিয়ান (রহঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১. পবিত্রতা অধ্যায় (كتاب الطهارة)

 ৮৭৩

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৯১. বৃদ্ধা মহিলা যখন রক্তস্রাব লক্ষ্য করে

৮৭৩. আতা রাহি. হতে ’বৃদ্ধা মহিলার রক্তস্রাব দেখতে পাওয়া’ সম্পর্কে বর্ণিত হয়েছে, তিনি বলেন, আমরা একে হায়েয গণ্য করি না।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ যয়ীফ। লাইছ, ইবনু আবী সালীম যয়ীফ।

 

তাখরীজ: (মুহাক্বিক্ব এর কোনো তাখরীজ দেননি।-অনুবাদক।)

بَابٌ فِي الْكَبِيرَةِ تَرَى الدَّمَ

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ لَيْثٍ عَنْ عَطَاءٍ فِي الْكَبِيرَةِ تَرَى الدَّمَ قَالَ لَا نَرَاهُ حَيْضًا

 

إسناده ضعيف وليث هو: ابن أبي سليم وهو ضعيف

أخبرنا محمد بن يوسف حدثنا سفيان عن ليث عن عطاء في الكبيرة ترى الدم قال لا نراه حيضا إسناده ضعيف وليث هو: ابن أبي سليم وهو ضعيف

 হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai’f)  বর্ণনাকারীঃ আতা ইবনু আবী রাবাহ (রহঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১. পবিত্রতা অধ্যায় (كتاب الطهارة)

 ৮৭৪

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৯১. বৃদ্ধা মহিলা যখন রক্তস্রাব লক্ষ্য করে

৮৭৪. ইবনু জুরাইজ আতা’ রাহি. হতে সেই মহিলা সম্পর্কে বর্ণনা করেন, যে মহিলার তিরিশ বছর যাবত হায়েয বন্ধ হয়ে গিয়েছে, তারপর (আকস্মিকভাবে) রক্তস্রাব দেখতে পেলো। তিনি এমন মহিলার ব্যাপারে ইসতিহাযাগ্রস্ত মহিলার অবস্থার হুকুম লাগান।[1] (সে মহিলা ইসতিহাযাগ্রস্ত মহিলার মতো সালাত, সিয়াম চালু রাখবে।)

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ যয়ীফ। ইবনু জুরাইজ থেকে ‘আন‘আন পদ্ধতে এটি বর্ণিত হয়েছে।

 

তাখরীজ: আব্দুর রাযযাক নং ১১৮১। পরবর্তী আছারটিও দেখুন।

بَابٌ فِي الْكَبِيرَةِ تَرَى الدَّمَ

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عِيسَى حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ الْمُبَارَكِ أَخْبَرَنِيهِ ابْنُ جُرَيْجٍ عَنْ عَطَاءٍ فِي امْرَأَةٍ تَرَكَهَا الْحَيْضُ ثَلَاثِينَ سَنَةً ثُمَّ رَأَتْ الدَّمَ فَأَمَرَ فِيهَا بِشَأْنِ الْمُسْتَحَاضَةِ

إسناده ضعيف فيه عنعنة ابن جريج

أخبرنا محمد بن عيسى حدثنا عبد الله بن المبارك أخبرنيه ابن جريج عن عطاء في امرأة تركها الحيض ثلاثين سنة ثم رأت الدم فأمر فيها بشأن المستحاضة إسناده ضعيف فيه عنعنة ابن جريج

 হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai’f)  বর্ণনাকারীঃ ইবনু জুরায়জ (রহঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১. পবিত্রতা অধ্যায় (كتاب الطهارة)

 ৮৭৫

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৯১. বৃদ্ধা মহিলা যখন রক্তস্রাব লক্ষ্য করে

৮৭৫. ইবনু জুরাইজ রাহি. হতে বর্ণিত, আতা’ রাহি. সেই বৃদ্ধা মহিলা যে (অনেক দিন পূর্বে হায়েয বন্ধ হওয়ার পরে আবার) রক্তস্রাব দেখতে পেলো – তার সম্পর্কে বলেন, সেতো ইসতিহাযাগ্রস্ত মহিলার স্থলাভিষিক্ত। একজন ইসতিহাযাগ্রস্ত মহিলা যা যা করে, সেও তা-ই করবে।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ যয়ীফ।

 

তাখরীজ: আগের হাদীসটি দেখুন।

بَابٌ فِي الْكَبِيرَةِ تَرَى الدَّمَ

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ ابْنِ جُرَيْجٍ عَنْ عَطَاءٍ فِي الْكَبِيرَةِ تَرَى الدَّمَ قَالَ هِيَ بِمَنْزِلَةِ الْمُسْتَحَاضَةِ تَفْعَلُ كَمَا تَفْعَلُ الْمُسْتَحَاضَةُ

إسناده ضعيف

أخبرنا محمد بن يوسف حدثنا سفيان عن ابن جريج عن عطاء في الكبيرة ترى الدم قال هي بمنزلة المستحاضة تفعل كما تفعل المستحاضة إسناده ضعيف

 হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai’f)  বর্ণনাকারীঃ ইবনু জুরায়জ (রহঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১. পবিত্রতা অধ্যায় (كتاب الطهارة)

 ৮৭৬

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৯১. বৃদ্ধা মহিলা যখন রক্তস্রাব লক্ষ্য করে

৮৭৬. হাজ্জাজ হতে বর্ণিত। যে বৃদ্ধা মহিলা হায়েয থেকে মুক্ত হয়ে গেছে, তার সম্পর্কে আতা’ ও হাকাম ইবনু উতাইবাহ বলেন: যদি সে রক্ত দেখে, তবে সে ওযু করবে এবং সালাত আদায় করবে কিন্তু সে গোসল করবে না। আব্দুল্লাহকে বৃদ্ধা মহিলার সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন, সে ওযু করবে এবং সালাত আদায় করবে আর যখন তাকে তালাক দেয়া হবে তখন সে নির্দিষ্ট মাসসমূহ ইদ্দাত পালন করবে।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ যয়ীফ। এতে হাজ্জাজ ইবনু আরতাহ রয়েছে (সে যয়ীফ)।

 

তাখরীজ: আমি এটি এ শব্দে আর কোথাও পাইনি।

بَابٌ فِي الْكَبِيرَةِ تَرَى الدَّمَ

حَدَّثَنَا حَجَّاجٌ حَدَّثَنَا حَمَّادٌ عَنْ حَجَّاجٍ عَنْ عَطَاءٍ وَالْحَكَمِ بْنِ عُتَيْبَةَ فِي الَّتِي قَعَدَتْ مِنْ الْمَحِيضِ إِذَا رَأَتْ الدَّمَ تَوَضَّأَتْ وَصَلَّتْ وَلَا تَغْتَسِلُ سُئِلَ عَبْد اللَّهِ عَنْ الْكَبِيرَةِ قَالَ تَوَضَّأُ وَتُصَلِّي وَإِذَا طُلِّقَتْ تَعْتَدُّ بِالْأَشْهُرِ

 

إسناده ضعيف فيه حجاج بن أرطاة وما وقعت عليه بهذا اللفظ

حدثنا حجاج حدثنا حماد عن حجاج عن عطاء والحكم بن عتيبة في التي قعدت من المحيض إذا رأت الدم توضأت وصلت ولا تغتسل سئل عبد الله عن الكبيرة قال توضأ وتصلي وإذا طلقت تعتد بالأشهر إسناده ضعيف فيه حجاج بن أرطاة وما وقعت عليه بهذا اللفظ

 হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai’f)  বর্ণনাকারীঃ হাজ্জাজ ইবনু মিনহাল (রহঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১. পবিত্রতা অধ্যায় (كتاب الطهارة)

 ৮৭৭

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৯২. পবিত্রাবস্থার সর্বনিম্ন পরিমাণ সম্পর্কে

৮৭৭. সুফিয়ান বলেন, পবিত্রাবস্থা (এর সর্বনিম্ন সীমা) পনেরো দিন।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: আমি এটি এ শব্দে আর কোথাও পাইনি।

بَابٌ فِي أَقَلِّ الطُّهْرِ

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ قَالَ قَالَ سُفْيَانُ الطُّهْرُ خَمْسُ عَشْرَةَ

أخبرنا محمد بن يوسف قال قال سفيان الطهر خمس عشرة

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ সুফিয়ান (রহঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১. পবিত্রতা অধ্যায় (كتاب الطهارة)

 ৮৭৮

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৯২. পবিত্রাবস্থার সর্বনিম্ন পরিমাণ সম্পর্কে

৮৭৮. ইবরাহীম হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, যখন কোনো মহিলার মাসে কিংবা চল্লিশ দিনে তিনবার হায়েয হয়, আর তিনজন ন্যায়পরায়ণা মহিলা এ ব্যাপারে সাক্ষ্য দেয় যে, সে তার থেকে এমনকিছু দেখেছে যা তার উপর সালাতকে হারাম করে দেয়, অর্থাৎ, হায়েযের রক্ত যা হায়েয হিসেবে সমধিক পরিচিত, তবে তার হায়েযের নির্ধারিত সময় অতিক্রান্ত হয়ে যাবে।[1] (সে পবিত্র হয়ে যাবে)

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: ইবনু হাযম, আল মুহাল্লা ১০/২৭২; আল হাফিজ ইবনু হাজার, ফাতহুল বারী ১/৪২৫ তে বলেন: দারেমীও এটি ইবরাহীম পর্যন্ত সহীহ সনদে বর্ণনা করেছেন।…

بَابٌ فِي أَقَلِّ الطُّهْرِ

أَخْبَرَنَا الْمُعَلَّى بْنُ أَسَدٍ حَدَّثَنَا أَبُو عَوَانَةَ عَنْ الْمُغِيرَةِ عَنْ إِبْرَاهِيمَ قَالَ إِذَا حَاضَتْ الْمَرْأَةُ فِي شَهْرٍ أَوْ فِي أَرْبَعِينَ لَيْلَةً ثَلَاثَ حِيَضٍ فَإِذَا شَهِدَ لَهَا الشُّهُودُ الْعُدُولُ مِنْ النِّسَاءِ أَنَّهَا رَأَتْ مَا يُحَرِّمُ عَلَيْهَا الصَّلَاةَ مِنْ طُمُوثِ النِّسَاءِ الَّذِي هُوَ الطَّمْثُ الْمَعْرُوفُ فَقَدْ خَلَا أَجَلُهَا قَالَ أَبُو مُحَمَّد سَمِعْت يَزِيدَ بْنَ هَارُونَ يَقُولُ أَسْتَحِبُّ الطُّهْرَ خَمْسَ عَشْرَةَ

 

إسناده صحيح

أخبرنا المعلى بن أسد حدثنا أبو عوانة عن المغيرة عن إبراهيم قال إذا حاضت المرأة في شهر أو في أربعين ليلة ثلاث حيض فإذا شهد لها الشهود العدول من النساء أنها رأت ما يحرم عليها الصلاة من طموث النساء الذي هو الطمث المعروف فقد خلا أجلها قال أبو محمد سمعت يزيد بن هارون يقول أستحب الطهر خمس عشرة إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ ইব্রাহীম আন-নাখঈ (রহঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১. পবিত্রতা অধ্যায় (كتاب الطهارة)

 ৮৭৯

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৯২. পবিত্রাবস্থার সর্বনিম্ন পরিমাণ সম্পর্কে

৮৭৯. আমির রাহি. হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, এক মহিলা আলী রা: এর নিকট এলো সে তার স্বামীর সাথে ঝগড়া করেছে আর তার স্বামী তাকে তালাক দিয়েছে। মহিলাটি বললো, আমার একমাসে তিনবার হায়েয হয়েছে। তখন আলী কাযী শুরাইহকে বললেন: এদের দু’জনের মাঝে ফায়সালা করে দাও। কাজী শুরাইহ বললেন: ইয়া আমীরুল মু’মিনীন! আপনিই তো এখানে রয়েছেন।’ তিনি আবারও বললেন: ’তুমি তাদের দু’জনের মধ্যে ফায়সালা করে দাও।’ তখন তিনি (শুরাইহ) বললেন, যদি এ মহিলার পরিবারের ঘনিষ্ঠ কোনো মহিলা যার দীনদারী ও আমানতদারী গ্রহণযোগ্য, সে যদি দাবী করে যে এ মহিলার মাসে তিনবার হায়েয হয়েছে এবং প্রত্যেক হায়েযের নির্ধারিত মেয়াদ শেষে পবিত্র হয়েছে এবং সালাত আদায় করেছে, তবে তার জন্য এটা (তালাক) বৈধ হয়েছে। তা না হলে (তা বৈধ) নয়। তখন আলী রা: বললেন: ’ক্বালুন’। আর ’ক্বালুন’ শব্দটি রোমান ভাষার। যার অর্থ: তুমি সুন্দর (ফায়সালা) করেছো।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: সাঈদ ইবনু মানসূর নং ১৩০৯, ১৩১০; ইবনু হাযম, আল মুহাল্লা ১০/৩৭২; বাইহাকী ৭/৪১৮-৪১৯।

بَابٌ فِي أَقَلِّ الطُّهْرِ

أَخْبَرَنَا يَعْلَى حَدَّثَنَا إِسْمَعِيلُ عَنْ عَامِرٍ قَالَ جَاءَتْ امْرَأَةٌ إِلَى عَلِيٍّ تُخَاصِمُ زَوْجَهَا طَلَّقَهَا فَقَالَتْ قَدْ حِضْتُ فِي شَهْرٍ ثَلَاثَ حِيَضٍ فَقَالَ عَلِيٌّ لِشُرَيْحٍ اقْضِ بَيْنَهُمَا قَالَ يَا أَمِيرَ الْمُؤْمِنِينَ وَأَنْتَ هَا هُنَا قَالَ اقْضِ بَيْنَهُمَا قَالَ يَا أَمِيرَ الْمُؤْمِنِينَ وَأَنْتَ هَا هُنَا قَالَ اقْضِ بَيْنَهُمَا قَالَ إِنْ جَاءَتْ مِنْ بِطَانَةِ أَهْلِهَا مِمَّنْ يُرْضَى دِينُهُ وَأَمَانَتُهُ تَزْعُمُ أَنَّهَا حَاضَتْ ثَلَاثَ حِيَضٍ تَطْهُرُ عِنْدَ كُلِّ قُرْءٍ وَتُصَلِّي جَازَ لَهَا وَإِلَّا فَلَا فَقَالَ عَلِيٌّ قَالُونُ وَقَالُونُ بِلِسَانِ الرُّومِ أَحْسَنْتَ

 

إسناده صحيح

أخبرنا يعلى حدثنا إسمعيل عن عامر قال جاءت امرأة إلى علي تخاصم زوجها طلقها فقالت قد حضت في شهر ثلاث حيض فقال علي لشريح اقض بينهما قال يا أمير المؤمنين وأنت ها هنا قال اقض بينهما قال يا أمير المؤمنين وأنت ها هنا قال اقض بينهما قال إن جاءت من بطانة أهلها ممن يرضى دينه وأمانته تزعم أنها حاضت ثلاث حيض تطهر عند كل قرء وتصلي جاز لها وإلا فلا فقال علي قالون وقالون بلسان الروم أحسنت إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আমির (রহঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১. পবিত্রতা অধ্যায় (كتاب الطهارة)

 ৮৮০

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৯২. পবিত্রাবস্থার সর্বনিম্ন পরিমাণ সম্পর্কে

৮৮০. খালিদ আল হাযযা’ থেকে বর্ণিত, ইকরিমাহ রাহি. (وَلَا يَحِلُّ لَهُنَّ أَنْ يَكْتُمْنَ مَا خَلَقَ اللَّهُ فِي أَرْحَامِهِنَّ) অর্থ: “তাদের জন্য জায়েয নয় যে, তারা তা গোপন করবে, যা আল্লাহ তাদের গর্ভে সৃষ্টি করেছেন।” (সূরা বাকারাহ: ২২৮) (এ আয়াত সম্পর্কে) বলেন: (এর অর্থ) হায়েয।

আবু মুহাম্মদ (আব্দুল্লাহ আদ-দারিমী)কে বলা হলো, আপনিও কি তাই বলেন? তিনি বললেন, না। আর আব্দুল্লাহকে শুরাইহ’-এর হাদীস সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলো: আপনিও কি অনুরূপ বলেন? তিনি বললেন, না। তিনি বলেন, একমাসে তিন বার হায়েয হওয়া কিভাবে সম্ভব?[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ৫/২৩৪; সাঈদ ইবনু মানসূর ও বাইহাকী এটি বর্ণনা করেছেন বলে সুয়ূতী দূররে মানসূর ১/২৭৬ এ উল্লেখ করেছেন।

بَابٌ فِي أَقَلِّ الطُّهْرِ

أَخْبَرَنَا عَمْرُو بْنُ عَوْنٍ عَنْ خَالِدِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ عَنْ خَالِدٍ الْحَذَّاءِ عَنْ عِكْرِمَةَ وَلَا يَحِلُّ لَهُنَّ أَنْ يَكْتُمْنَ مَا خَلَقَ اللَّهُ فِي أَرْحَامِهِنَّ قَالَ الْحَيْضُ قِيلَ لِأَبِي مُحَمَّدٍ أَتَقُولُ بِهَذَا قَالَ لَا سُئِلَ عَبْد اللَّهِ عَنْ حَدِيثِ شُرَيْحٍ تَقُولُ بِهِ قَالَ لَا وَقَالَ ثَلَاثُ حِيَضٍ فِي الشَّهْرِ كَيْفَ يَكُونُ

 

أخبرنا عمرو بن عون عن خالد بن عبد الله عن خالد الحذاء عن عكرمة ولا يحل لهن أن يكتمن ما خلق الله في أرحامهن قال الحيض قيل لأبي محمد أتقول بهذا قال لا سئل عبد الله عن حديث شريح تقول به قال لا وقال ثلاث حيض في الشهر كيف يكون

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ খালিদ ইবন মিহরান (রহঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১. পবিত্রতা অধ্যায় (كتاب الطهارة)

 

Leave a Comment

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।