You are here

দারেমী পবিত্রতা অধ্যায় ১ম ভাগ হাদিস নং ৬৭৩ – ৭৩০

 ৬৭৩

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১. ওযু ও সালাত ফরয হওয়া সম্পর্কে

৬৭৩. আনাস ইবনু মালিক রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন: যখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে আগবাড়িয়ে (প্রশ্ন করা) থেকে আমাদেরকে নিষেধ করা হয়েছিলো, তখন কোনো মরুবাসী ও বুদ্ধিমান বেদুঈন এসে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে প্রশ্ন করলে তাতে আমরা অত্যন্ত আনন্দিত হতাম। (একদিন) আমরা তাঁর নিকট বসে ছিলাম, এমতাবস্থায় তেমনি একটি ঘটনা ঘটলো। এক বেদু’ঈন এসে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সামনে হাঁটু গেড়ে বসে পড়লো। তারপর সে বললো: হে মুহাম্মদ, আপনার দূত আমাদের নিকট এসে দাবী করেছিলো যে, আপনার নাকি বলেন, আল্লাহ আপনাকে (রাসূল) হিসেবে পাঠিয়েছেন?

তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন: “সে সত্যই বলেছে”। বেদুঈন লোকটি বললো: সেই সত্তার কসম, যিনি আসমানকে সুউচ্চ করেছেন এবং ভূমিকে বিস্তৃত করেছেন এবং পাহাড়সমূহকে প্রোথিত করেছেন! আল্লাহই কি আপনাকে পাঠিয়েছেন? তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন: “হাঁ।”

সে বললো: আপনার দূত আমাদের নিকট এসে দাবী করেছিলো যে, আপনার নাকি বলেন: আমাদের উপর নাকি দিনে ও রাতে পাঁচ ওয়াক্ত সালাত ফরয করা হয়েছে? তখন উত্তরে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন: “সে সত্যই বলেছে।”

সে বললো: সেই সত্তার কসম (দিয়ে আপনাকে জিজ্ঞেস করছি), যিনি আপনাকে পাঠিয়েছেন! আল্লাহই কি আপনাকে এ আদেশ করেছেন? তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন: “হাঁ।”

সে বললো: আপনার দূত আমাদের নিকট এসে দাবী করেছিলো যে, আপনার নাকি বলেন: বছরে একমাস সিয়াম পালন করা নাকি আমাদের উপর ফরয করা হয়েছে? তখন উত্তরে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন: “সে সত্যই বলেছে।”

সে বললো: সেই সত্তার কসম (দিয়ে আপনাকে জিজ্ঞেস করছি), যিনি আপনাকে পাঠিয়েছেন! আল্লাহই কি আপনাকে এর আদেশ দিয়েছেন? তখন তিনি (নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন: “হাঁ।”

সে বললো: আপনার দূত আমাদের নিকট এসে দাবী করেছিলো যে, আপনার নাকি বলেন: আমাদের মাল-সম্পদ থেকে যাকাত দেওয়া নাকি আমাদের উপর ফরয করা হয়েছে? তখন উত্তরে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন: “সে সত্যই বলেছে।”

সে বললো: সেই সত্তার কসম (দিয়ে আপনাকে জিজ্ঞেস করছি), যিনি আপনাকে পাঠিয়েছেন! আল্লাহই কি আপনাকে এর আদেশ দিয়েছেন? তখন তিনি (নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন: “হাঁ।”

সে বললো: আপনার দূত আমাদের নিকট এসে দাবী করেছিলো যে, আপনি নাকি বলেন: আমাদের মধ্যে থেকে বায়তুল্লাহ পর্যন্ত পৌঁছাতে সামর্থবানদের উপর বায়তুল্লাহ’র হাজ্জ্ব পালন করা নাকি ফরয করা হয়েছে? তখন উত্তরে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন: “সে সত্যই বলেছে।”

সে বললো: সেই সত্তার কসম (দিয়ে আপনাকে জিজ্ঞেস করছি), যিনি আপনাকে পাঠিয়েছেন! আল্লাহই কি আপনাকে এর আদেশ দিয়েছেন? তখন তিনি (নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন: “হাঁ।”

সে বললো: তাহলে সেই সত্তার কসম যিনি আপনাকে সত্য সহকারে পাঠিয়েছেন! আমি এর থেকে কোনো কিছু ছেড়েও দিব না, আবার এর থেকে কোনো কিছু অতিরিক্তও করব না।” তিনি (আনাস রা:) বলেন: এরপর বেদুঈন লোকটি লাফাতে লাফাতে দৌড় দিলো। আর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তখন বললেন: “বেদুঈন লোকটি যদি সত্য বলে থাকে, তবে সে জান্নাতে প্রবেশ করবে।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ। এটি বুখারী ও মুসলিম বর্ণিত হাদীস।

তাখরীজ: সহীহ বুখারী, কিতাবুল ইলম ৬৩; সহীহ মুসলিম ১২; আর আমরা মুসনাদুল মাউসিলী ৩৩৩৩ নং ও সহীহ ইবনু হিব্বান ১৫৪, ১৫৫ নং হাদীসের তাখরীজে এর পূর্ণাঙ্গ তাখরীজ দিয়েছি।

بَاب فَرْضِ الْوُضُوءِ وَالصَّلَاةِ

أَخْبَرَنَا عَلِيُّ بْنُ عَبْدِ الْحَمِيدِ حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ الْمُغِيرَةِ عَنْ ثَابِتٍ عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ قَالَ لَمَّا نُهِينَا أَنْ نَبْتَدِئَ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَ يُعْجِبُنَا أَنْ يَقْدُمَ الْبَدَوِيُّ وَالْأَعْرَابِيُّ الْعَاقِلُ فَيَسْأَلَ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَنَحْنُ عِنْدَهُ فَبَيْنَا نَحْنُ كَذَلِكَ إِذْ جَاءَ أَعْرَابِيٌّ فَجَثَا بَيْنَ يَدَيْ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ يَا مُحَمَّدُ إِنَّ رَسُولَكَ أَتَانَا فَزَعَمَ لَنَا أَنَّكَ تَزْعُمُ أَنَّ اللَّهَ أَرْسَلَكَ فَقَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ صَدَقَ قَالَ فَبِالَّذِي رَفَعَ السَّمَاءَ وَبَسَطَ الْأَرْضَ وَنَصَبَ الْجِبَالَ آللَّهُ أَرْسَلَكَ فَقَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ نَعَمْ قَالَ فَإِنَّ رَسُولَكَ زَعَمَ لَنَا أَنَّكَ تَزْعُمُ أَنَّ عَلَيْنَا خَمْسَ صَلَوَاتٍ فِي الْيَوْمِ وَاللَّيْلَةِ فَقَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ صَدَقَ قَالَ فَبِالَّذِي أَرْسَلَكَ آللَّهُ أَمَرَكَ بِهَذَا فَقَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ نَعَمْ قَالَ فَإِنَّ رَسُولَكَ زَعَمَ لَنَا أَنَّكَ تَزْعُمُ أَنَّ عَلَيْنَا صَوْمَ شَهْرٍ فِي السَّنَةِ فَقَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ صَدَقَ قَالَ فَبِالَّذِي أَرْسَلَكَ آللَّهُ أَمَرَكَ بِهَذَا قَالَ نَعَمْ قَالَ فَإِنَّ رَسُولَكَ زَعَمَ لَنَا أَنَّكَ تَزْعُمُ أَنَّ عَلَيْنَا فِي أَمْوَالِنَا الزَّكَاةَ فَقَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ صَدَقَ قَالَ فَبِالَّذِي أَرْسَلَكَ آللَّهُ أَمَرَكَ بِهَذَا فَقَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ نَعَمْ قَالَ فَإِنَّ رَسُولَكَ زَعَمَ لَنَا أَنَّكَ تَزْعُمُ أَنَّ عَلَيْنَا الْحَجَّ إِلَى الْبَيْتِ مَنْ اسْتَطَاعَ إِلَيْهِ سَبِيلًا فَقَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ صَدَقَ قَالَ فَبِالَّذِي أَرْسَلَكَ آللَّهُ أَمَرَكَ بِهَذَا قَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ نَعَمْ قَالَ فَوَالَّذِي بَعَثَكَ بِالْحَقِّ لَا أَدَعُ مِنْهُنَّ شَيْئًا وَلَا أُجَاوِزُهُنَّ قَالَ ثُمَّ وَثَبَ الْأَعْرَابِيُّ فَقَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِنْ صَدَقَ الْأَعْرَابِيُّ دَخَلَ الْجَنَّةَ

إسناده صحيح والحديث متفق عليه

أخبرنا علي بن عبد الحميد حدثنا سليمان بن المغيرة عن ثابت عن أنس بن مالك قال لما نهينا أن نبتدئ النبي صلى الله عليه وسلم كان يعجبنا أن يقدم البدوي والأعرابي العاقل فيسأل النبي صلى الله عليه وسلم ونحن عنده فبينا نحن كذلك إذ جاء أعرابي فجثا بين يدي رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال يا محمد إن رسولك أتانا فزعم لنا أنك تزعم أن الله أرسلك فقال النبي صلى الله عليه وسلم صدق قال فبالذي رفع السماء وبسط الأرض ونصب الجبال آلله أرسلك فقال النبي صلى الله عليه وسلم نعم قال فإن رسولك زعم لنا أنك تزعم أن علينا خمس صلوات في اليوم والليلة فقال النبي صلى الله عليه وسلم صدق قال فبالذي أرسلك آلله أمرك بهذا فقال النبي صلى الله عليه وسلم نعم قال فإن رسولك زعم لنا أنك تزعم أن علينا صوم شهر في السنة فقال النبي صلى الله عليه وسلم صدق قال فبالذي أرسلك آلله أمرك بهذا قال نعم قال فإن رسولك زعم لنا أنك تزعم أن علينا في أموالنا الزكاة فقال النبي صلى الله عليه وسلم صدق قال فبالذي أرسلك آلله أمرك بهذا فقال النبي صلى الله عليه وسلم نعم قال فإن رسولك زعم لنا أنك تزعم أن علينا الحج إلى البيت من استطاع إليه سبيلا فقال النبي صلى الله عليه وسلم صدق قال فبالذي أرسلك آلله أمرك بهذا قال النبي صلى الله عليه وسلم نعم قال فوالذي بعثك بالحق لا أدع منهن شيئا ولا أجاوزهن قال ثم وثب الأعرابي فقال النبي صلى الله عليه وسلم إن صدق الأعرابي دخل الجنة إسناده صحيح والحديث متفق عليه

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আনাস ইবনু মালিক (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১. পবিত্রতা অধ্যায় (كتاب الطهارة)

 ৬৭৪

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১. ওযু ও সালাত ফরয হওয়া সম্পর্কে

৬৭৪. ইবনু আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন: (একদা) এক বেদু’ঈন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নিকট এসে বললো: হে বনী আব্দুল মুত্তালিবের পুত্র! ’আস-সালামু আলাইকা’ (আপনার উপর শান্তি বর্ষিত হোক)। তখন তিনি বললেন: “ওয়া আলাইকা (তোমার উপরও)।”

লোকটি বললো: আমি আপনার মাতুল বংশ বনী সা’দ ইবনু বাকর গোত্রের এক ব্যক্তি। আর আমি আমার গোত্রের দূত ও প্রতিনিধি হিসেবে আপনার নিকট এসেছি। আমি আপনাকে কিছু প্রশ্ন করব এবং সে প্রশ্ন করার ব্যাপারে কঠোরতা অবলম্বন করবো এবং আমি কসম দিয়ে আপনাকে কিছু জিজ্ঞেস করবো এবং আমার এ কসম দিয়ে জিজ্ঞাসার ব্যাপারে আমি আপনার প্রতিই কঠোরতা অবলম্বন করবো। তিনি বললেন: “হে বনী সা’দ গোত্রের ভাই! তুমি তোমার প্রশ্ন করা শুরু কর।”

সে লোকটি বললো, আপনাকে কে সৃষ্টি করেছেন এবং আপনার পূর্ববর্তী ও পরবর্তী লোকদেরকেই বা কে সৃষ্টি করেছেন? তিনি বললেন: “আল্লাহ।”

লোকটি বলল, আমি আপনাকে তাঁর কসম দিয়ে জিজ্ঞেস করছি, তিনিই কি আপনাকে রাসূল হিসেবে পাঠিয়েছেন? তিনি বললেন: “হাঁ।”

সে বললো, সাত আসমান ও সাত জমিনকে কে সৃষ্টি করেছেন এবং এদের মাঝে রিযিকের ব্যবস্থা করেছেন কে? তিনি বললেন: “আল্লাহ।”

লোকটি বলল, আমি আপনাকে তাঁরই কসম দিয়ে জিজ্ঞেস করছি, তিনিই কি আপনাকে রাসূল হিসেবে পাঠিয়েছেন? তিনি বললেন: “হাঁ।”

সে বলল, আমরা আপনার (প্রেরিত) পত্রে পেয়েছি এবং আপনার দূত আমাদেরকে আদেশ করেছে যে, আমরা যেন দিনে ও রাতে নির্দিষ্ট সময়মত পাঁচবার সালাত আদায় করি। আমি আপনাকে তাঁর কসম দিয়ে জিজ্ঞেস করছি, তিনিই কি আপনাকে (এর) আদেশ দিয়েছেন? তিনি বললেন: “হাঁ।”

অতঃপর সে বলল, আমরা আপনার (প্রেরিত) পত্রে পেয়েছি এবং আপনার দূত আমাদেরকে আদেশ করেছে যে, আমরা যেন আমাদের আত্মীয়-স্বজনদের নিকট থেকে সম্পদ (এর কিছু অংশ) সংগ্রহ করি এবং আমাদের দরিদ্রদের মাঝে বণ্টন করি। আমি আপনাকে তাঁর কসম দিয়ে জিজ্ঞেস করছি, তিনিই কি আপনাকে (এর) আদেশ দিয়েছেন? তিনি বললেন: “হাঁ।”

অতঃপর সে বলল, পঞ্চম (প্রশ্ন)টি আমি আর জিজ্ঞেস করছি না। এবং এর কোনো প্রয়োজনও আমার নেই। তারপর সে বললো, আমি এবং আমার কওমের যারা আমার অনুসরণ করবে, আমরা সকলে অবশ্যই এর উপর আমল করব।’ এরপর সে ফিরে গেল। ফলে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হেঁসে ফেললেন, এমনকি তাঁর দাঁত পর্যন্ত প্রকাশিত হয়ে পড়লো। অতঃপর তিনি বললেন: “যে সত্তার হাতের মুঠোয় আমার প্রাণ, সেই সত্তার কসম! যদি সে সত্য বলে থাকে, তবে অবশ্যই সে জান্নাতে প্রবেশ করবে।”[1]

[1] তাহকীক: এর সনদ যয়ীফ। মুহাম্মদ ইবনু ফুযাইল আতা হতে হাদীস শ্রবণ হতে পিছিয়ে রয়েছে। (কিন্তু হাদীসটি সহীহ। পূর্বের ও পরের হাদীসটি দেখুন।

তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা, আল ঈমান; আমরা মাজমাউয যাওয়াইদ নং ১৬২৩ নং এ এর পূর্ণাঙ্গ তাখরীজ দিয়েছি।

بَاب فَرْضِ الْوُضُوءِ وَالصَّلَاةِ

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يَزِيدَ حَدَّثَنَا ابْنُ فُضَيْلٍ حَدَّثَنَا عَطَاءُ بْنُ السَّائِبِ عَنْ سَالِمِ بْنِ أَبِي الْجَعْدِ عَنْ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ جَاءَ أَعْرَابِيٌّ إِلَى النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ السَّلَامُ عَلَيْكَ يَا غُلَامَ بَنِي عَبْدِ الْمُطَّلِبِ فَقَالَ وَعَلَيْكَ وَقَالَ إِنِّي رَجُلٌ مِنْ أَخْوَالِكَ مِنْ بَنِي سَعْدِ بْنِ بَكْرٍ وَأَنَا رَسُولُ قَوْمِي إِلَيْكَ وَوَافِدُهُمْ وَإِنِّي سَائِلُكَ فَمُشَدِّدٌ مَسْأَلَتِي إِلَيْكَ وَمُنَاشِدُكَ فَمُشَدِّدٌ مُنَاشَدَتِي إِيَّاكَ قَالَ خُذْ عَنْكَ يَا أَخَا بَنِي سَعْدٍ قَالَ مَنْ خَلَقَكَ وَخَلَقَ مَنْ قَبْلَكَ وَمَنْ هُوَ خَالِقُ مَنْ بَعْدَكَ قَالَ اللَّهُ قَالَ فَنَشَدْتُكَ بِذَلِكَ أَهُوَ أَرْسَلَكَ قَالَ نَعَمْ قَالَ مَنْ خَلَقَ السَّمَوَاتِ السَّبْعَ وَالْأَرَضِينَ السَّبْعَ وَأَجْرَى بَيْنَهُنَّ الرِّزْقَ قَالَ اللَّهُ قَالَ فَنَشَدْتُكَ بِذَلِكَ أَهُوَ أَرْسَلَكَ قَالَ نَعَمْ قَالَ إِنَّا وَجَدْنَا فِي كِتَابِكَ وَأَمَرَتْنَا رُسُلُكَ أَنْ نُصَلِّيَ فِي الْيَوْمِ وَاللَّيْلَةِ خَمْسَ صَلَوَاتٍ لِمَوَاقِيتِهَا فَنَشَدْتُكَ بِذَلِكَ أَهُوَ أَمَرَكَ قَالَ نَعَمْ قَالَ فَإِنَّا وَجَدْنَا فِي كِتَابِكَ وَأَمَرَتْنَا رُسُلُكَ أَنْ نَأْخُذَ مِنْ حَوَاشِي أَمْوَالِنَا فَنَرُدَّهَا عَلَى فُقَرَائِنَا فَنَشَدْتُكَ بِذَلِكَ أَهُوَ أَمَرَكَ بِذَلِكَ قَالَ نَعَمْ ثُمَّ قَالَ أَمَّا الْخَامِسَةُ فَلَسْتُ بِسَائِلِكَ عَنْهَا وَلَا أَرَبَ لِي فِيهَا ثُمَّ قَالَ أَمَا وَالَّذِي بَعَثَكَ بِالْحَقِّ لَأَعْمَلَنَّ بِهَا وَمَنْ أَطَاعَنِي مِنْ قَوْمِي ثُمَّ رَجَعَ فَضَحِكَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ حَتَّى بَدَتْ نَوَاجِذُهُ ثُمَّ قَالَ وَالَّذِي نَفْسِي بِيَدِهِ لَئِنْ صَدَقَ لَيَدْخُلَنَّ الْجَنَّةَ

إسناده ضعيف محمد بن فضيل متأخر السماع من عطاء

أخبرنا محمد بن يزيد حدثنا ابن فضيل حدثنا عطاء بن السائب عن سالم بن أبي الجعد عن ابن عباس قال جاء أعرابي إلى النبي صلى الله عليه وسلم فقال السلام عليك يا غلام بني عبد المطلب فقال وعليك وقال إني رجل من أخوالك من بني سعد بن بكر وأنا رسول قومي إليك ووافدهم وإني سائلك فمشدد مسألتي إليك ومناشدك فمشدد مناشدتي إياك قال خذ عنك يا أخا بني سعد قال من خلقك وخلق من قبلك ومن هو خالق من بعدك قال الله قال فنشدتك بذلك أهو أرسلك قال نعم قال من خلق السموات السبع والأرضين السبع وأجرى بينهن الرزق قال الله قال فنشدتك بذلك أهو أرسلك قال نعم قال إنا وجدنا في كتابك وأمرتنا رسلك أن نصلي في اليوم والليلة خمس صلوات لمواقيتها فنشدتك بذلك أهو أمرك قال نعم قال فإنا وجدنا في كتابك وأمرتنا رسلك أن نأخذ من حواشي أموالنا فنردها على فقرائنا فنشدتك بذلك أهو أمرك بذلك قال نعم ثم قال أما الخامسة فلست بسائلك عنها ولا أرب لي فيها ثم قال أما والذي بعثك بالحق لأعملن بها ومن أطاعني من قومي ثم رجع فضحك النبي صلى الله عليه وسلم حتى بدت نواجذه ثم قال والذي نفسي بيده لئن صدق ليدخلن الجنة إسناده ضعيف محمد بن فضيل متأخر السماع من عطاء

 হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai’f)  বর্ণনাকারীঃ আবদুল্লাহ ইবনু আব্বাস (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১. পবিত্রতা অধ্যায় (كتاب الطهارة)

 ৬৭৫

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১. ওযু ও সালাত ফরয হওয়া সম্পর্কে

৬৭৫. ইবনু আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, বনু সা’দ ইবনু বাকর, যিমাম ইবনু ছা’লাবা রাদ্বিযাল্লাহু আনহুকে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নিকট পাঠিয়েছিলো। এরপর সে এসে তাঁর নিকট উপস্থিত হলো। এরপর সে তার উটটিকে মসজিদের দরজার সামনে বসিয়ে বেঁধে রাখলো এবং সে মসিজেদ প্রবেশ করলো, তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁর সাহাবীগণের মাঝে বসে ছিলেন। আর যিমাম ছিল শক্তিশালী এক পুরুষ, যার লম্বা চুলগুলোতে দুটি বেনী করা ছিলো। সে সোজা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সামনে এসে থামলো। অতঃপর সে বললো: তোমাদের মধ্যে আব্দুল মুত্তালিবের (বংশের) পুত্র কে?

তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন: আমি হলাম আব্দুল মুত্তালিবের পুত্র।

সে জিজ্ঞেস করলো: (আপনি কি) মুহাম্মাদ? তিনি বললেন: “হাঁ।”

সে বললো: হে আব্দুল মুত্তালিবের পুত্র! আমি আপনাকে কিছু প্রশ্ন করবো এবং আমি সে প্রশ্নের ব্যাপারে রূঢ়তা দেখাবো। কিন্তু আপনি আমার উপর অসন্তুষ্ট হবেন না।

তিনি বললেন: “তোমার যা মনে চায় জিজ্ঞেস কর, আমি অসন্তুষ্ট হবো না।

আমি আপনাকে স্বীয় ইলাহ ও আপনার পূর্ববর্তীদের এবং আপনার পরবর্তীতে সৃষ্ট সকল সৃষ্টির ইলাহ, আল্লাহর নামে শপথ দিয়ে জিজ্ঞেস করছি, আল্লাহই কি আপনাকে আমাদের নিকট রাসূলরূপে পাঠিয়েছেন? তিনি বললেন: “আল্লাহুম্মা (তথা আল্লাহ সাক্ষী), হাঁ।”

আমি আপনাকে স্বীয় ইলাহ ও আপনার পূর্ববর্তীদের এবং আপনার পরবর্তীতে সৃষ্ট সকল সৃষ্টির ইলাহ, আল্লাহর নামে শপথ দিয়ে জিজ্ঞেস করছি, আল্লাহই কি আপনাকে আদেশ করেছেন যে, আমরা যেন একমাত্র তাঁরই ইবাদত করি, তাঁর সাথে কোনোকিছুকে যেন শরীক না করি? আরে আমাদের পূর্ব পূরুষরা আল্লাহকে বাদ দিয়ে যে সকল শরীকদের ইবাদত করতো, আমরা তাদেরকে পরিত্যাগ করি? তিনি বললেন: “আল্লাহুম্মা (তথা আল্লাহ সাক্ষী), হাঁ।”

আমি আপনাকে স্বীয় ইলাহ ও আপনার পূর্ববর্তীদের এবং আপনার পরবর্তীতে সৃষ্ট সকল সৃষ্টির ইলাহ, আল্লাহর নামে শপথ দিয়ে জিজ্ঞেস করছি, আল্লাহই কি আপনাকে আদেশ করেছেন যে, আমরা যেন এ পাঁচ ওয়াক্ত সালাত আদায় করি? তিনি বললেন: “আল্লাহুম্মা (তথা আল্লাহ সাক্ষী), হাঁ।”

তিনি (বর্ণনাকারী ইবনু আব্বাস রা:) বলেন: এরপর সে একটি একটি করে ইসলামের ফরযসমূহের প্রত্যেক ফরয যেমন, যাকাত, সিয়াম, হাজ্জ্ব ও ইসলামী বিধানসমূহ উল্লেখ করতে লাগলো। এবং এর প্রত্যেকটি উল্লেখ করার সময় তাঁকে শপথ দিয়ে জিজ্ঞেস করলো যেভাবে সে পূর্বে উল্লেখিত বিষয়গুলিতে তাঁকে শপথ দিয়ে জিজ্ঞাসা করল। এরপর যখন সে বিরত হলো, তখন বলল: তাহলে আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া কোনো (সত্য) মা’বুদ নেই এবং আমি আরও সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মদ তাঁর বান্দা ও রাসূল। আর আমি অবিলম্বেই এসকল ফরয আদায় করব এবং আপনি আমাকে যেসকল বিষয় থেকে নিষেধ করলেন, আমি সেগুলো পরিহার করবো।

তারপর সে বললো: আমি এতে কিছু বাড়াবোও না, আবার কমাবোও না। তারপর সে তার উটের নিকট ফিরে গেলো। আর যখন সে ফিরে গেলো, তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন: “দু’বেনীওয়ালা যদি সত্য বলে থাকে, তবে সে জান্নাতে প্রবেশ করবে।”

তারপর লোকটি তার উটের নিকট এসে তার বাঁধন খুলে দিলো তারপর চলে গেল। তারপর সে তার কওমের নিকট উপনীত হয়ে তাদেরকে তার নিকট একত্রিত করলো। এরপর সেই প্রথমে কথা বলা শুরু করলো। সে বললো: কত মন্দ লাত ও উযযা!

তারা (কওমের লোকজন) বলল: হে যিমাম, থামো! কুষ্ঠ রোগে আক্রান্ত হওয়াকে ভয় করো, পাগল হওয়াকে ভয় করো এবং গোদ রোগকে ভয় করো।

সে বললো: তোমরা ধ্বংস হও! আল্লাহর কসম! এ দুটো তোমাদের কোনোই ক্ষতি করতে পারে না এবং কোনোই উপকার করতে পারে না। তোমরা যে অবস্থায় ছিলে, তা থেকে তোমাদেরকে উদ্ধার করার জন্য আল্লাহ রাসূল প্রেরণ করেছেন এবং তাঁর প্রতি কিতাব নাযিল করেছেন। আর আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া কোনো (সত্য) মা’বুদ নেই, এবং আরও (সাক্ষ্য দিচ্ছি) যে, মুহাম্মদ তাঁর বান্দা ও তাঁর রাসূল। আর তিনি তোমাদেরকে যা করার আদেশ করেছেন এবং যা থেকে নিষেধ করেছেন, সেসব নিয়ে আমি তাঁর নিকট থেকে তোমাদের কাছে এসেছি।

তিনি (ইবনু আব্বাস রা:) বলেন: আল্লাহর কসম! সেদিন সেখানে উপস্থিত পুরুষ ও নারী সকলেই সন্ধ্যা হওয়ার পূর্বেই মুসলিম হয়ে গিয়েছি। বর্ণনাকারী বলেন, ইবনু আব্বাস রা: বলেন: আমরা যিমাম ইবনু ছা’লাবার চেয়ে উত্তম কোনো কওমের প্রতিনিধির কথা শুনিনি।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ যয়ীফ। কিন্তু হাদীসটি সহীহ।

তাখরীজ: আমরা মাজমাউয যাওয়াইদ নং ১৬২২ এর তাখরীজে এ হাদীসের পূর্ণ তাখরীজ করেছি। আরও দেখুন, পূর্বের টীকা দু’টি দেখুন।

بَاب فَرْضِ الْوُضُوءِ وَالصَّلَاةِ

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ حُمَيْدٍ حَدَّثَنَا سَلَمَةُ حَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ إِسْحَقَ حَدَّثَنِي سَلَمَةُ بْنُ كُهَيْلٍ وَمُحَمَّدُ بْنُ الْوَلِيدِ بْنِ نُوَيْفِعٍ عَنْ كُرَيْبٍ مَوْلَى ابْنِ عَبَّاسٍ عَنْ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ بَعَثَ بَنُو سَعْدِ بْنِ بَكْرٍ ضِمَامَ بْنَ ثَعْلَبَةَ إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَدِمَ عَلَيْهِ فَأَنَاخَ بَعِيرَهُ عَلَى بَابِ الْمَسْجِدِ ثُمَّ عَقَلَهُ ثُمَّ دَخَلَ الْمَسْجِدَ وَرَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ جَالِسٌ فِي أَصْحَابِهِ وَكَانَ ضِمَامٌ رَجُلًا جَلْدًا أَشْعَرَ ذَا غَدِيرَتَيْنِ حَتَّى وَقَفَ عَلَى رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ أَيُّكُمْ ابْنُ عَبْدِ الْمُطَّلِبِ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنَا ابْنُ عَبْدِ الْمُطَّلِبِ قَالَ مُحَمَّدٌ قَالَ نَعَمْ قَالَ يَا ابْنَ عَبْدِ الْمُطَّلِبِ إِنِّي سَائِلُكَ وَمُغَلِّظٌ فِي الْمَسْأَلَةِ فَلَا تَجِدَنَّ فِي نَفْسِكَ قَالَ لَا أَجِدُ فِي نَفْسِي فَسَلْ عَمَّا بَدَا لَكَ قَالَ إِنِّي أَنْشُدُكَ بِاللَّهِ إِلَهِكَ وَإِلَهِ مَنْ كَانَ قَبْلَكَ وَإِلَهِ مَنْ هُوَ كَائِنٌ بَعْدَكَ آللَّهُ بَعَثَكَ إِلَيْنَا رَسُولًا قَالَ اللَّهُمَّ نَعَمْ قَالَ فَأَنْشُدُكَ بِاللَّهِ إِلَهِكَ وَإِلَهِ مَنْ كَانَ قَبْلَكَ وَإِلَهِ مَنْ هُوَ كَائِنٌ بَعْدَكَ آللَّهُ أَمَرَكَ أَنْ نَعْبُدَهُ وَحْدَهُ لَا نُشْرِكُ بِهِ شَيْئًا وَأَنْ نَخْلَعَ هَذِهِ الْأَنْدَادَ الَّتِي كَانَتْ آبَاؤُنَا تَعْبُدُهَا مِنْ دُونِهِ قَالَ اللَّهُمَّ نَعَمْ قَالَ فَأَنْشُدُكَ بِاللَّهِ إِلَهِكَ وَإِلَهِ مَنْ كَانَ قَبْلَكَ وَإِلَهِ مَنْ هُوَ كَائِنٌ بَعْدَكَ آللَّهُ أَمَرَكَ أَنْ نُصَلِّيَ هَذِهِ الصَّلَوَاتِ الْخَمْسَ قَالَ اللَّهُمَّ نَعَمْ قَالَ ثُمَّ جَعَلَ يَذْكُرُ فَرَائِضَ الْإِسْلَامِ فَرِيضَةً فَرِيضَةً الزَّكَاةَ وَالصِّيَامَ وَالْحَجَّ وَشَرَائِعَ الْإِسْلَامِ كُلَّهَا وَيُنَاشِدُهُ عِنْدَ كُلِّ فَرِيضَةٍ كَمَا نَاشَدَهُ فِي الَّتِي قَبْلَهَا حَتَّى إِذَا فَرَغَ قَالَ فَإِنِّي أَشْهَدُ أَنْ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَأَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا عَبْدُهُ وَرَسُولُهُ وَسَأُؤَدِّي هَذِهِ الْفَرِيضَةَ وَأَجْتَنِبُ مَا نَهَيْتَنِي عَنْهُ ثُمَّ قَالَ لَا أَزِيدُ وَلَا أُنْقِصُ ثُمَّ انْصَرَفَ إِلَى بَعِيرِهِ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ حِينَ وَلَّى إِنْ يَصْدُقْ ذُو الْعَقِيصَتَيْنِ يَدْخُلْ الْجَنَّةَ فَأَتَى إِلَى بَعِيرِهِ فَأَطْلَقَ عِقَالَهُ ثُمَّ خَرَجَ حَتَّى قَدِمَ عَلَى قَوْمِهِ فَاجْتَمَعُوا إِلَيْهِ فَكَانَ أَوَّلَ مَا تَكَلَّمَ أَنْ قَالَ بِاسْتِ اللَّاتِ وَالْعُزَّى قَالُوا مَهْ يَا ضِمَامُ اتَّقِ الْبَرَصَ وَاتَّقِ الْجُنُونَ وَاتَّقِ الْجُذَامَ قَالَ وَيْلَكُمْ إِنَّهُمَا وَاللَّهِ مَا يَضُرَّانِ وَلَا يَنْفَعَانِ إِنَّ اللَّهَ قَدْ بَعَثَ رَسُولًا وَأَنْزَلَ عَلَيْهِ كِتَابًا اسْتَنْقَذَكُمْ بِهِ مِمَّا كُنْتُمْ فِيهِ وَإِنِّي أَشْهَدُ أَنْ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَأَنَّ مُحَمَّدًا عَبْدُهُ وَرَسُولُهُ وَقَدْ جِئْتُكُمْ مِنْ عِنْدِهِ بِمَا أَمَرَكُمْ بِهِ وَنَهَاكُمْ عَنْهُ قَالَ فَوَاللَّهِ مَا أَمْسَى مِنْ ذَلِكَ الْيَوْمِ وَفِي حَاضِرِهِ رَجُلٌ وَلَا امْرَأَةٌ إِلَّا مُسْلِمًا قَالَ يَقُولُ ابْنُ عَبَّاسٍ فَمَا سَمِعْنَا بِوَافِدِ قَوْمٍ كَانَ أَفْضَلَ مِنْ ضِمَامِ بْنِ ثَعْلَبَةَ

إسناده ضعيف ولكن الحديث صحيح

أخبرنا محمد بن حميد حدثنا سلمة حدثني محمد بن إسحق حدثني سلمة بن كهيل ومحمد بن الوليد بن نويفع عن كريب مولى ابن عباس عن ابن عباس قال بعث بنو سعد بن بكر ضمام بن ثعلبة إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقدم عليه فأناخ بعيره على باب المسجد ثم عقله ثم دخل المسجد ورسول الله صلى الله عليه وسلم جالس في أصحابه وكان ضمام رجلا جلدا أشعر ذا غديرتين حتى وقف على رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال أيكم ابن عبد المطلب فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم أنا ابن عبد المطلب قال محمد قال نعم قال يا ابن عبد المطلب إني سائلك ومغلظ في المسألة فلا تجدن في نفسك قال لا أجد في نفسي فسل عما بدا لك قال إني أنشدك بالله إلهك وإله من كان قبلك وإله من هو كائن بعدك آلله بعثك إلينا رسولا قال اللهم نعم قال فأنشدك بالله إلهك وإله من كان قبلك وإله من هو كائن بعدك آلله أمرك أن نعبده وحده لا نشرك به شيئا وأن نخلع هذه الأنداد التي كانت آباؤنا تعبدها من دونه قال اللهم نعم قال فأنشدك بالله إلهك وإله من كان قبلك وإله من هو كائن بعدك آلله أمرك أن نصلي هذه الصلوات الخمس قال اللهم نعم قال ثم جعل يذكر فرائض الإسلام فريضة فريضة الزكاة والصيام والحج وشرائع الإسلام كلها ويناشده عند كل فريضة كما ناشده في التي قبلها حتى إذا فرغ قال فإني أشهد أن لا إله إلا الله وأشهد أن محمدا عبده ورسوله وسأؤدي هذه الفريضة وأجتنب ما نهيتني عنه ثم قال لا أزيد ولا أنقص ثم انصرف إلى بعيره فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم حين ولى إن يصدق ذو العقيصتين يدخل الجنة فأتى إلى بعيره فأطلق عقاله ثم خرج حتى قدم على قومه فاجتمعوا إليه فكان أول ما تكلم أن قال باست اللات والعزى قالوا مه يا ضمام اتق البرص واتق الجنون واتق الجذام قال ويلكم إنهما والله ما يضران ولا ينفعان إن الله قد بعث رسولا وأنزل عليه كتابا استنقذكم به مما كنتم فيه وإني أشهد أن لا إله إلا الله وأن محمدا عبده ورسوله وقد جئتكم من عنده بما أمركم به ونهاكم عنه قال فوالله ما أمسى من ذلك اليوم وفي حاضره رجل ولا امرأة إلا مسلما قال يقول ابن عباس فما سمعنا بوافد قوم كان أفضل من ضمام بن ثعلبة إسناده ضعيف ولكن الحديث صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আবদুল্লাহ ইবনু আব্বাস (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১. পবিত্রতা অধ্যায় (كتاب الطهارة)

 ৬৭৬

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ২. পাক-পবিত্রতা সম্পর্কে যা কিছু বর্ণিত হয়েছে

৬৭৬. আবু মালিক আল আশ’আরী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: পবিত্রতা ঈমানের অর্ধাংশ, আর ’আলহামদুলিল্লাহ’ মীযান (ওজনের পাল্লা) পূর্ণ করে দেয়। আর ’লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়া আল্লাহু আকবার’ আসমান ও জমিন- এতদুভয়ের মধ্যবর্তী শূন্যস্থল পূর্ণ করে দেয়। আর সালাত হচ্ছে নূর, সাদাকা (দান) দলীল এবং ওযু হচ্ছে উজ্জ্বলতা। আর কুরআন তোমার পক্ষে কিংবা বিপক্ষে প্রমাণ। প্রত্যেক মানুষ প্রতিদিন সকালে নিজ সত্তাকে বিক্রয় করে, ফলে হয় সে নিজেকে (আগুন থেকে) মুক্তিদানকারী হয়, অথবা, সে নিজেকে ধ্বংসকারী হয়।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ। এটি মুসলিম কর্তৃক বর্ণিত হাদীস।

তাখরীজ: সহীহ মুসলিম, তাহারাত ২২৩; আর আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ করেছি মাওয়ারিদুয যাম’আন নং ২৩৩৬ ও সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৮৪৪ নং এ; সেখানে দেখতে চাইলে দেখুন।

بَابُ مَا جَاءَ فِي الطُّهُورِ

أَخْبَرَنَا مُسْلِمُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ حَدَّثَنَا أَبَانُ هُوَ ابْنُ يَزِيدَ حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ أَبِي كَثِيرٍ عَنْ زَيْدٍ عَنْ أَبِي سَلَّامٍ عَنْ أَبِي مَالِكٍ الْأَشْعَرِيِّ أَنَّ نَبِيَّ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ الطُّهُورُ شَطْرُ الْإِيمَانِ وَالْحَمْدُ لِلَّهِ يَمْلَأُ الْمِيزَانَ وَلَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَاللَّهُ أَكْبَرُ يَمْلَآَنِ مَا بَيْنَ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضِ وَالصَّلَاةُ نُورٌ وَالصَّدَقَةُ بُرْهَانٌ وَالْوُضُوءُ ضِيَاءٌ وَالْقُرْآنُ حُجَّةٌ لَكَ أَوْ عَلَيْكَ وَكُلُّ النَّاسِ يَغْدُو فَبَائِعٌ نَفْسَهُ فَمُعْتِقُهَا أَوْ مُوبِقُهَا

إسناده صحيح

أخبرنا مسلم بن إبراهيم حدثنا أبان هو ابن يزيد حدثنا يحيى بن أبي كثير عن زيد عن أبي سلام عن أبي مالك الأشعري أن نبي الله صلى الله عليه وسلم قال الطهور شطر الإيمان والحمد لله يملأ الميزان ولا إله إلا الله والله أكبر يملآن ما بين السماوات والأرض والصلاة نور والصدقة برهان والوضوء ضياء والقرآن حجة لك أو عليك وكل الناس يغدو فبائع نفسه فمعتقها أو موبقها إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আবূ মালিক আল আশ্‘আরী (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১. পবিত্রতা অধ্যায় (كتاب الطهارة)

 ৬৭৭

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ২. পাক-পবিত্রতা সম্পর্কে যা কিছু বর্ণিত হয়েছে

৬৭৭. বনী সালীম গোত্রের এক ব্যক্তি হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমার হাতের মধ্যে তাঁর হাত রেখে (একে) শক্ত করে ধরলেন- অথবা তিনি বলেছেন, তিনি তাঁর হাতে আমার হাত নিয়ে (একে) শক্ত করে ধরলেন- আর তাঁর (অপর) হাত ছিল আমার হাতের মধ্যে (এমতাবস্থায় তিনি বললেন): “সুবহানাল্লাহ মীযানের অর্ধেক (ভরে দেয়), আলহামদুলিল্লাহ’ মীযানকে পরিপূর্ণ ভরে দেয়। আর ’আল্লাহু আকবার’ আসমান ও জমিন- এতদুভয়ের মধ্যবর্তী শূন্যস্থল পূর্ণ করে দেয়। আর ওযু হচ্ছে ঈমানের অর্ধাংশ। আর সিয়াম হচ্ছে সবরের (ধৈর্য্যের) অর্ধাংশ।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ জাইয়্যেদ বা উত্তম।

তাখরীজ: আহমদ ৪/২৬০, ৫/৩৭০; বাইহাকী, শুয়াবুল ঈমান ৩/২৯১ নং ৩৫৭৫; তিরমিযী, ৩৫১৪ (সংক্ষেপে); আহমদ (অপর একটি হাসান সনদে) ৫/৩৬৫০।

بَابُ مَا جَاءَ فِي الطُّهُورِ

حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ عَامِرٍ عَنْ شُعْبَةَ عَنْ أَبِي إِسْحَقَ عَنْ جُرَيٍّ النَّهْدِيِّ عَنْ رَجُلٍ مِنْ بَنِي سُلَيْمٍ قَالَ عَقَدَهُنَّ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي يَدِي أَوْ قَالَ عَقَدَهُنَّ فِي يَدِهِ وَيَدُهُ فِي يَدِي سُبْحَانَ اللَّهِ نِصْفُ الْإِيمَانِ وَالْحَمْدُ لِلَّهِ يَمْلَأُ الْمِيزَانَ وَاللَّهُ أَكْبَرُ يَمْلَأُ مَا بَيْنَ السَّمَاءِ وَالْأَرْضِ وَالْوُضُوءُ نِصْفُ الْإِيمَانِ وَالصَّوْمُ نِصْفُ الصَّبْرِ

إسناده جيد

حدثنا سعيد بن عامر عن شعبة عن أبي إسحق عن جري النهدي عن رجل من بني سليم قال عقدهن رسول الله صلى الله عليه وسلم في يدي أو قال عقدهن في يده ويده في يدي سبحان الله نصف الإيمان والحمد لله يملأ الميزان والله أكبر يملأ ما بين السماء والأرض والوضوء نصف الإيمان والصوم نصف الصبر إسناده جيد

 হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১. পবিত্রতা অধ্যায় (كتاب الطهارة)

 ৬৭৮

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ২. পাক-পবিত্রতা সম্পর্কে যা কিছু বর্ণিত হয়েছে

৬৭৮. রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের মুক্ত গোলাম সাওবান রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “তোমরা (দ্বীনের বিধি-বিধান পালনে) অটল থাকো, আর তোমরা কখনো (তোমাদের আমলসমূহকে) গুণে গুণে রেখো না। আর তোমরা জেনে রাখো, তোমাদের আমলসমূহের মধ্যে সর্বোত্তম আমল হলো সালাত।” তিনি অন্যত্র বলেন: “আর তোমাদের আমলসমূহের মধ্যে সর্বোত্তম আমল হলো সালাত। আর মু’মিন ব্যতীত অন্য কেউই উযু’র যথাযোগ্য হিফাযত করে না।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: আমরা এটি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ১০৩৭ ও মাওয়ারিদুয যাম’আন নং ১৬৪ এ পূর্ণাঙ্গ তাখরীজ দিয়েছি। এছাড়া এটি বর্ণনা করেছেন, খতীব, তারীখ ১/২৯৩; মালিক, মু’য়াত্তা ৩৭।

بَابُ مَا جَاءَ فِي الطُّهُورِ

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ مَنْصُورٍ وَالْأَعْمَشِ عَنْ سَالِمِ بْنِ أَبِي الْجَعْدِ عَنْ ثَوْبَانَ مَوْلَى رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ اسْتَقِيمُوا وَلَنْ تُحْصُوا وَاعْلَمُوا أَنَّ خَيْرَ أَعْمَالِكُمْ الصَّلَاةُ وَقَالَ الْآخَرُ إِنَّ مِنْ خَيْرِ أَعْمَالِكُمْ الصَّلَاةَ وَلَنْ يُحَافِظَ عَلَى الْوُضُوءِ إِلَّا مُؤْمِنٌ

إسناده صحيح

حدثنا محمد بن يوسف حدثنا سفيان عن منصور والأعمش عن سالم بن أبي الجعد عن ثوبان مولى رسول الله صلى الله عليه وسلم قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم استقيموا ولن تحصوا واعلموا أن خير أعمالكم الصلاة وقال الآخر إن من خير أعمالكم الصلاة ولن يحافظ على الوضوء إلا مؤمن إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ সাওবান (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১. পবিত্রতা অধ্যায় (كتاب الطهارة)

 ৬৭৯

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ২. পাক-পবিত্রতা সম্পর্কে যা কিছু বর্ণিত হয়েছে

৬৭৯. রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের মুক্ত গোলাম সাওবান রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “তোমরা ঠিকভাবে (ও মধ্যমপন্থায় আমল) করতে থাকো এবং নৈকট্য লাভ করো। আর তোমাদের আমলসমূহের মধ্যে সর্বোত্তম আমল হলো সালাত। আর মু’মিন ব্যতীত অন্য কেউই উযু’র যথাযোগ্য হিফাযত করে না।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব এর সনদ হাসান, আব্দুর রহমান ইবনু ছাবিত ইবনু ছাওবানের কারণে। কিন্তু হাদীসটি সহীহ, আয়শা রা: হতে বুখারী মুসলিম বর্ণনা করেছেন হাদীস।

তাখরীজ: আহমদ, ৫/২৮২; ইবনু হিব্বান নং ১০৩৭; তাবারানী, কাবীর ২/১০১ নং ১৪৪৪; (আয়শা রা: হতে সহীহ বুখারী, ৬৪৬৩, ৬৪৬৪, ৬৪৬৭; সহীহ মুসলিম ২৮১৬)।

بَابُ مَا جَاءَ فِي الطُّهُورِ

حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ بِشْرٍ حَدَّثَنَا الْوَلِيدُ بْنُ مُسْلِمٍ حَدَّثَنَا ابْنُ ثَوْبَانَ قَالَ حَدَّثَنِي حَسَّانُ بْنُ عَطِيَّةَ أَنَّ أَبَا كَبْشَةَ السَّلُولِيَّ حَدَّثَهُ أَنَّهُ سَمِعَ ثَوْبَانَ مَوْلَى رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ سَدِّدُوا وَقَارِبُوا وَخَيْرُ أَعْمَالِكُمْ الصَّلَاةُ وَلَنْ يُحَافِظَ عَلَى الْوُضُوءِ إِلَّا مُؤْمِنٌ

حدثنا يحيى بن بشر حدثنا الوليد بن مسلم حدثنا ابن ثوبان قال حدثني حسان بن عطية أن أبا كبشة السلولي حدثه أنه سمع ثوبان مولى رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول قال رسول الله صلى الله عليه وسلم سددوا وقاربوا وخير أعمالكم الصلاة ولن يحافظ على الوضوء إلا مؤمن

 হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)  বর্ণনাকারীঃ সাওবান (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১. পবিত্রতা অধ্যায় (كتاب الطهارة)

 ৬৮০

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৩. আল্লাহর বাণী: যখন তোমরা সালাতে দাঁড়াও, তখন তোমরা তোমাদের মুখমণ্ডল ধৌত কর”- আয়াত

৬৮০. ইকরিমাহ থেকে বর্ণিত, সা’দ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু এক ওযু দিয়েই সব সালাত আদায় করতেন। আর আলী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু প্রত্যেক সালাতের জন্য (নতুন) ওযু করতেন। তারপর তিনি তিলাওয়াত করলেন: “যখন তোমরা সালাতে দাঁড়াও, তখন তোমাদের মুখমণ্ডল এবং দু’হাত কনুই পর্যন্ত ধৌত কর।”[1] (সূরা মায়িদাহ: ৬)

[1] তাহক্বীক্ব: এর রাবীগণ সকলেই বিশ্বস্ত । কিন্তু সনদ বিচ্ছিন্ন। আবী হাতিম বলেন: ইকরিমা সা’দ ইবনু আবী ওয়াক্কাস হতে কিছু শোনেননি।…

তাখরীজ: সা’দ রা: এর হাদীসটি তাবারী, তাফসীর ৬/১১১; আলী রা: এর হাদীসটিও বর্ণনা করেছেন, তাবারী, তাফসীর ৬/১১২। আরও দেখুন নাসিখুল কুরআন ওয়াল মানসূখাহ;- ইবনুল জাওযী, নাওয়াসিখুল কুরআন, পৃ: ৩৬৯-৩৭০ আমার তাহক্বীক্বকৃত; নাহহাস, নাসিখ ওয়াল মানসুখ পৃ: ১২২; দূররে মানসূর ২/২৬২।

بَابُ {إِذَا قُمْتُمْ إِلَى الصَّلَاةِ، فَاغْسِلُوا وُجُوهَكُمْ} الْآيَةَ

حَدَّثَنَا عَبْدُ الصَّمَدِ بْنُ عَبْدِ الْوَارِثِ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ حَدَّثَنَا مَسْعُودُ بْنُ عَلِيٍّ عَنْ عِكْرِمَةَ أَنَّ سَعْدًا كَانَ يُصَلِّي الصَّلَوَاتِ كُلَّهَا بِوُضُوءٍ وَاحِدٍ وَأَنَّ عَلِيًّا كَانَ يَتَوَضَّأُ لِكُلِّ صَلَاةٍ وَتَلَا هَذِهِ الْآيَةَ إِذَا قُمْتُمْ إِلَى الصَّلَاةِ فَاغْسِلُوا وُجُوهَكُمْ وَأَيْدِيَكُمْ الْآيَةَ

رجاله ثقات ولكنه منقطع قال أبو حاتم: عكرمة لم يسمع من سعد بن أبي وقاص

حدثنا عبد الصمد بن عبد الوارث حدثنا شعبة حدثنا مسعود بن علي عن عكرمة أن سعدا كان يصلي الصلوات كلها بوضوء واحد وأن عليا كان يتوضأ لكل صلاة وتلا هذه الآية إذا قمتم إلى الصلاة فاغسلوا وجوهكم وأيديكم الآية رجاله ثقات ولكنه منقطع قال أبو حاتم: عكرمة لم يسمع من سعد بن أبي وقاص

 হাদিসের মানঃ তাহকীক অপেক্ষমাণ  বর্ণনাকারীঃ ইকরিমা (রহঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১. পবিত্রতা অধ্যায় (كتاب الطهارة)

 ৬৮১

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৩. আল্লাহর বাণী: যখন তোমরা সালাতে দাঁড়াও, তখন তোমরা তোমাদের মুখমণ্ডল ধৌত কর”- আয়াত

৬৮১. মুহাম্মদ ইবনু ইয়াহইয়া ইবনু হিব্বান, আব্দুল্লাহ ইবনু আব্দুল্লাহ ইবনু উমার হতে বর্ণণা করেন, তিনি বলেন, আমি (আব্দুল্লাহকে) বললাম: তুমি কি দেখনি যে, আব্দুল্লাহ ইবনু উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা ওযু থাকা বা না থাকা- ‍উভয় অবস্থায় প্রত্যেক সালাতের পূর্বে ওযু করতেন? এর কারণ কী? তিনি জবাবে (একটি হাদীসের উদ্ধৃতি দিয়ে) বলেন: তার নিকট আসমা বিনতে যাইদ ইবনুল খাত্তাব হাদীস বর্ণনা করেছেন যে, আব্দুল্লাহ ইবনু হানযালাহ ইবনু আবী আমির তার (আসমার) নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে প্রতি সালাতের জন্য ওযু করার নির্দেশ দেয়া হয়েছিলো। কিন্তু যখন এটি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের উপর কষ্টকর হলো, তখন প্রত্যেক সালাতের জন্য মিসওয়াক করার নির্দেশ দেয়া হলো। ইবনু উমার রা: মনে করতেন, তিনি এটি (প্রত্যেক সালাতের জন্য ওযু) করতে সক্ষম ছিলেন; বিধায় তিনি কোনো সালাতের সময়ই ওযু করা পরিত্যাগ করতেন না।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ। (হাকিম ও যাহাবী একে সহীহ মুসলিমের শর্তানুযায়ী সহীহ বলেছেন।)

তাখরীজ: আহমদ, ৫/২২৫; আবু দাউদ, ৪৮; বাইহাকী, তাহারাত ১/৩৭; ইবনু খুযাইমা, আস সহীহ ১৩৬ নং; আবী আসিম, আল আহাদ ওয়াল মাছনা ৪/২৪৪ নং ২২৪৭; হাকিম, আল মুসতাদরাক ১/১৫৫-১৫৬।

بَابُ {إِذَا قُمْتُمْ إِلَى الصَّلَاةِ، فَاغْسِلُوا وُجُوهَكُمْ} الْآيَةَ

أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ خَالِدٍ حَدَّثَنَا مُحَمَّدٌ هُوَ ابْنُ إِسْحَقَ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ يَحْيَى بْنِ حَبَّانَ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ قَالَ قُلْتُ أَرَأَيْتَ تَوَضُّؤَ ابْنِ عُمَرَ لِكُلِّ صَلَاةٍ طَاهِرًا أَوْ غَيْرَ طَاهِرٍ عَمَّ ذَلِكَ قَالَ حَدَّثَتْهُ أَسْمَاءُ بِنْتُ زَيْدِ بْنِ الْخَطَّابِ أَنَّ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ حَنْظَلَةَ بْنِ أَبِي عَامِرٍ حَدَّثَهَا أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أُمِرَ بِالْوُضُوءِ لِكُلِّ صَلَاةٍ طَاهِرًا أَوْ غَيْرَ طَاهِرٍ فَلَمَّا شَقَّ ذَلِكَ عَلَيْهِ أُمِرَ بِالسِّوَاكِ لِكُلِّ صَلَاةٍ وَكَانَ ابْنُ عُمَرَ يَرَى أَنَّ بِهِ عَلَى ذَلِكَ قُوَّةً فَكَانَ لَا يَدَعُ الْوُضُوءَ لِكُلِّ صَلَاةٍ

إسناده صحيح

أخبرنا أحمد بن خالد حدثنا محمد هو ابن إسحق عن محمد بن يحيى بن حبان عن عبد الله بن عبد الله بن عمر قال قلت أرأيت توضؤ ابن عمر لكل صلاة طاهرا أو غير طاهر عم ذلك قال حدثته أسماء بنت زيد بن الخطاب أن عبد الله بن حنظلة بن أبي عامر حدثها أن رسول الله صلى الله عليه وسلم أمر بالوضوء لكل صلاة طاهرا أو غير طاهر فلما شق ذلك عليه أمر بالسواك لكل صلاة وكان ابن عمر يرى أن به على ذلك قوة فكان لا يدع الوضوء لكل صلاة إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ মুহাম্মদ ইবনু ইয়াহইয়া ইবনু হিব্বান (রহঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১. পবিত্রতা অধ্যায় (كتاب الطهارة)

 ৬৮২

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৩. আল্লাহর বাণী: যখন তোমরা সালাতে দাঁড়াও, তখন তোমরা তোমাদের মুখমণ্ডল ধৌত কর”- আয়াত

৬৮২. ইবনু বুরাইদাহ তার পিতা (বুরাইদাহ রা:) হতে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম প্রত্যেক সালাতের জন্য ওযু করতেন। কিন্তু তিনি মক্কা বিজয়ের দিন তিনি এক ওযুতে এবং দু’মোজার উপর মাসেহ করে সকল সালাত আদায় করলেন। এরপর উমার রা: তাঁকে বললেন: আপনাকে এমন কিছু আমি করতে দেখলাম, যা আপনি (ইতিপূর্বে) করেননি। তিনি বললেন: “হে উমার, আমি ইচ্ছাকৃতভাবে ওটা করেছি।”

আবু ‍মুহাম্মদ (দারেমী) বলেন: সুতরাং রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের আমল হচ্ছে এ কথার দলীল যে, আল্লাহ তা’আলার এ বাণী: (“যখন তোমরা সালাতের উদ্দেশ্যে দাঁড়াও, তখন তোমাদের মুখমণ্ডল ধৌত কর”- আল মায়িদাহ: ৬) -এর অর্থ প্রত্যেক ’মুহদিস’ (ওযু ভঙ্গকারী ব্যক্তি) এর জন্য ওযু করতে হবে, ওযু থাকলে তার জন্য এ নির্দেশ প্রযোজ্য নয়। এর মধ্যে রয়েছে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের বাণী: “ওযু ভঙ্গকারী লোক ব্যতীত আর কারো জন্য ওযু (জরুরী) নয়।” আল্লাহই সর্বাধিক অবগত।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: আহমদ ৫/৩৫০, ৩৫১,৩৫৮; আব্দুর রাযযাক ১/৫৫ নং ১৫৮; মুসলিম ২৭৭; আবু দাউদ ১৭২; তিরিমিযী ৬১; নাসাঈ ১/৬; আবু আওয়ানাহ ১/২৩৭; তাহাবী, শারহু মা’আনিল আছার ১/৪১; বাইহাকী, ১/১৬২; ইবনুল জারুদ, আল মুনতাক্বা নং ১; বাগবী, শারহুস ‍সুন্নাহ নং ২৩১; ইবনু খুযাইমাহ ১২; তায়ালিসী ১/৫৪ নং ১৮৭;; ইবনু আবী শাইবা ১/২৯; ইবনু মাজাহ ৫১০;…।

بَابُ {إِذَا قُمْتُمْ إِلَى الصَّلَاةِ، فَاغْسِلُوا وُجُوهَكُمْ} الْآيَةَ

أَخْبَرَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ مُوسَى عَنْ سُفْيَانَ عَنْ عَلْقَمَةَ بْنِ مَرْثَدٍ عَنْ ابْنِ بُرَيْدَةَ عَنْ أَبِيهِ قَالَ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَتَوَضَّأُ لِكُلِّ صَلَاةٍ حَتَّى كَانَ يَوْمُ فَتْحِ مَكَّةَ صَلَّى الصَّلَوَاتِ بِوُضُوءٍ وَاحِدٍ وَمَسَحَ عَلَى خُفَّيْهِ فَقَالَ لَهُ عُمَرُ رَأَيْتُكَ صَنَعْتَ شَيْئًا لَمْ تَكُنْ تَصْنَعُهُ قَالَ إِنِّي عَمْدًا صَنَعْتُ يَا عُمَرُ قَالَ أَبُو مُحَمَّد فَدَلَّ فِعْلُ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنَّ مَعْنَى قَوْلِ اللَّهِ تَعَالَى إِذَا قُمْتُمْ إِلَى الصَّلَاةِ فَاغْسِلُوا وُجُوهَكُمْ الْآيَةَ لِكُلِّ مُحْدِثٍ لَيْسَ لِلطَّاهِرِ وَمِنْهُ قَوْلُ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَا وُضُوءَ إِلَّا مِنْ حَدَثٍ وَاللَّهُ أَعْلَمُ

أخبرنا عبيد الله بن موسى عن سفيان عن علقمة بن مرثد عن ابن بريدة عن أبيه قال كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يتوضأ لكل صلاة حتى كان يوم فتح مكة صلى الصلوات بوضوء واحد ومسح على خفيه فقال له عمر رأيتك صنعت شيئا لم تكن تصنعه قال إني عمدا صنعت يا عمر قال أبو محمد فدل فعل رسول الله صلى الله عليه وسلم أن معنى قول الله تعالى إذا قمتم إلى الصلاة فاغسلوا وجوهكم الآية لكل محدث ليس للطاهر ومنه قول النبي صلى الله عليه وسلم لا وضوء إلا من حدث والله أعلم

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ ইবনু বুরয়দাহ্ (রহঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১. পবিত্রতা অধ্যায় (كتاب الطهارة)

 ৬৮৩

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৪. হাজতের (পেশাব-পায়খানার) জন্য যাওয়া প্রসঙ্গে

৬৮৩. মুগীরাহ ইবনু শু’বাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন: আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কতক সফরে সাথে তাঁর ছিলাম। আর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যখন হাজত পূরণে (পায়খানায়) গমন করতেন, তখন তিনি অনেক দূরে চলে যেতেন।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ হাসান।

তাখরীজ: আহমদ ৪/২৪৮; আবু দাউদ ১; তিরিমিযী ২০; নাসাঈ ১/১৮, ১৯; ইবনুল জারুদ নং ২৭; বাইহাকী, ১/৯৩। আর শাহিদ হাদীস রয়েছে আব্দুর রহমান্ ইবনু আবী কুরাদ হতে নাসাঈ ১/১৭, ১৮; সহীহ ইবনু খুযাইমা নং ৫১। আর মুগীরা’র হাদীসটি রয়েছে বুখারী ৩৬৩ ও মুসলিম ২৭৪ (৭৭) যেখানে রয়েছে: “যখন তিনি হাজতে যেতেন, তখন চলতে থাকতেন এমনকি তিনি আমার দৃষ্টি সীমার বাইরে চলে যেতেন এবং হাজত সারতেন।”

بَابٌ: فِي الذَّهَابِ إِلَى الْحَاجَةِ

أَخْبَرَنَا يَعْلَى بْنُ عُبَيْدٍ حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَمْرٍو عَنْ أَبِي سَلَمَةَ عَنْ الْمُغِيرَةِ بْنِ شُعْبَةَ قَالَ كُنْتُ مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي بَعْضِ أَسْفَارِهِ وَكَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِذَا ذَهَبَ إِلَى الْحَاجَةِ أَبْعَدَ

إسناده حسن

أخبرنا يعلى بن عبيد حدثنا محمد بن عمرو عن أبي سلمة عن المغيرة بن شعبة قال كنت مع رسول الله صلى الله عليه وسلم في بعض أسفاره وكان رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا ذهب إلى الحاجة أبعد إسناده حسن

 হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)  বর্ণনাকারীঃ মুগীরা ইবনু শু’বা (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১. পবিত্রতা অধ্যায় (كتاب الطهارة)

 ৬৮৪

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৪. হাজতের (পেশাব-পায়খানার) জন্য যাওয়া প্রসঙ্গে

৬৮৪. মুগীরাহ ইবনু শু’বাহ বলেন: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যখন মলত্যাগ করতে যেতেন তখন অনেক দূরে চলে যেতেন। আবু মুহাম্মদ বলেন: এটাই এর শিষ্টাচার।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: আগের টীকাটি দেখুন।

بَابٌ: فِي الذَّهَابِ إِلَى الْحَاجَةِ

أَخْبَرَنَا أَبُو نُعَيْمٍ حَدَّثَنَا جَرِيرُ بْنُ حَازِمٍ عَنْ ابْنِ سِيرِينَ عَنْ عَمْرِو بْنِ وَهْبٍ عَنْ الْمُغِيرَةِ بْنِ شُعْبَةَ قَالَ كَانَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِذَا تَبَرَّزَ تَبَاعَدَ قَالَ أَبُو مُحَمَّد هُوَ الْأَدَبُ

إسناده صحيح

أخبرنا أبو نعيم حدثنا جرير بن حازم عن ابن سيرين عن عمرو بن وهب عن المغيرة بن شعبة قال كان النبي صلى الله عليه وسلم إذا تبرز تباعد قال أبو محمد هو الأدب إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ মুগীরা ইবনু শু’বা (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১. পবিত্রতা অধ্যায় (كتاب الطهارة)

 ৬৮৫

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৫. হাজতের (পেশাব-পায়খানার) সময় আড়ালে যাওয়া প্রসঙ্গে

৬৮৫. আবু হুরাইরাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “যে সুরমা ব্যবহার করে, সে যেন বেজোড় সংখ্যায় ব্যবহার করে; যে ব্যক্তি এরূপ (বেজোড় সংখ্যায় ব্যবহার) করে, সে উত্তম (কাজ) করে, আর যে এরূপ (বেজোড় সংখ্যায় ব্যবহার) না করে, তাতে কোনো ক্ষতি নেই। যে ব্যক্তি কুলুখ ব্যবহার করে, সে যেনো বেজোড় সংখ্যায় ব্যবহার করে। যে ব্যক্তি এরূপ (বেজোড় সংখ্যায় ব্যবহার) করে, সে উত্তম (কাজ) করে, আর যে এরূপ (বেজোড় সংখ্যায় ব্যবহার) না করে, তাতে কোনো ক্ষতি নেই। যে ব্যক্তি খাওয়ার পর খিলাল দ্বারা দাঁতের ভুক্ত অংশ বের করে সে যেনো তা (মুখ থেকে বাইরে) ফেলে দেয়। আর জিহবার স্পর্শে যা বের হয়, তা যেন যেন খেয়ে ফেলে। যে ব্যক্তি এরূপ করে, সে উত্তম (কাজ) করে, আর যে এরূপ না করে, তাতে কোনো দোষ নেই। যে ব্যক্তি পায়খানায় গমন করে, সে যেন আড়াল করে নেয়। যদি আড়াল করার মতো কিছু না পায়, তবে সে যেন অন্ততঃ বালুর স্তুপ করে তার দিকে পিঠ ফিরিয়ে বসে। কেননা, শয়তান বনী আদমের গুপ্তাঙ্গ (পর্দার স্থান তথা পেশাব-পায়খানার স্থান) নিয়ে খেলা করে। যে ব্যক্তি এরূপ করে, সে উত্তম (কাজ) করে, আর যে এরূপ না করে, তাতে কোনো দোষ নেই।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ হাসান; (তবে একে সহীহ বলেছেন হাকিম এবং যাহাবী তা বজায় রেখেছেন)

তাখরীজ: আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ করেছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ১৪১০। (এটি বর্ণনা করেছেন: আহমদ ২/৩৭১ নং ৮৮২৫; আবু দাউদ নং ৩৫; ইবনু মাজাহ ৩৩৭-৩৩৮, ৩৪৯৮; বাইহাকী, আল কুবরা ১/৯৪; হাকিম ৪/১৩৭; সহীহ ইবনু হিব্বান ৪/২৫৭ নং ১৪১০; )

بَابٌ فِي التَّسَتُّرِ عِنْدَ الْحَاجَةِ

أَخْبَرَنَا أَبُو عَاصِمٍ حَدَّثَنَا ثَوْرُ بْنُ يَزِيدَ حَدَّثَنَا حُصَيْنٌ الْحِمْيَرِيُّ أَخْبَرَنَا أَبُو سَعِيدٍ الْخَيْرُ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَنْ اكْتَحَلَ فَلْيُوتِرْ مَنْ فَعَلَ ذَلِكَ فَقَدْ أَحْسَنَ وَمَنْ لَا فَلَا حَرَجَ مَنْ اسْتَجْمَرَ فَلْيُوتِرْ مَنْ فَعَلَ فَقَدْ أَحْسَنَ وَمَنْ لَا فَلَا حَرَجَ مَنْ أَكَلَ فَلْيَتَخَلَّلْ فَمَا تَخَلَّلَ فَلْيَلْفِظْ وَمَا لَاكَ بِلِسَانِهِ فَلْيَبْتَلِعْ مَنْ أَتَى الْغَائِطَ فَلْيَسْتَتِرْ فَإِنْ لَمْ يَجِدْ إِلَّا كَثِيبَ رَمْلٍ فَلْيَسْتَدْبِرْهُ فَإِنَّ الشَّيَاطِينَ يَتَلَاعَبُونَ بِمَقَاعِدِ بَنِي آدَمَ مَنْ فَعَلَ فَقَدْ أَحْسَنَ وَمَنْ لَا فَلَا حَرَجَ

أخبرنا أبو عاصم حدثنا ثور بن يزيد حدثنا حصين الحميري أخبرنا أبو سعيد الخير عن أبي هريرة قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم من اكتحل فليوتر من فعل ذلك فقد أحسن ومن لا فلا حرج من استجمر فليوتر من فعل فقد أحسن ومن لا فلا حرج من أكل فليتخلل فما تخلل فليلفظ وما لاك بلسانه فليبتلع من أتى الغائط فليستتر فإن لم يجد إلا كثيب رمل فليستدبره فإن الشياطين يتلاعبون بمقاعد بني آدم من فعل فقد أحسن ومن لا فلا حرج

 হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)  বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরায়রা (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১. পবিত্রতা অধ্যায় (كتاب الطهارة)

 ৬৮৬

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৫. হাজতের (পেশাব-পায়খানার) সময় আড়ালে যাওয়া প্রসঙ্গে

৬৮৬. আব্দুল্লাহ ইবনু জা’ফর রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁর হাজত পূরণের সময় যা দিয়ে আড়াল করতেন, তার মধ্যে সবচেয়ে বেশি পছন্দনীয় ছিল টিলা (উচ্চভূমি) এবং একত্রিত খেজুর গাছ।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: সহীহ মুসলিম ৩৪২; বাইহাকী, ১/৯৪; ইবনু খুযাইমা নং ৫৩; পূর্ণাঙ্গ তাখরীজ দেখুন মুসনাদুল মাউসিলী নং ৬৭৮৭, ৬৭৮৮ (আমাদের তাহক্বীক্বকৃত)।

بَابٌ فِي التَّسَتُّرِ عِنْدَ الْحَاجَةِ

أَخْبَرَنَا حَجَّاجُ بْنُ مِنْهَالٍ حَدَّثَنَا مَهْدِيٌّ حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي يَعْقُوبَ عَنْ الْحَسَنِ بْنِ سَعْدٍ مَوْلَى الْحَسَنِ بْنِ عَلِيٍّ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ جَعْفَرٍ قَالَ كَانَ أَحَبَّ مَا اسْتَتَرَ بِهِ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لِحَاجَتِهِ هَدَفٌ أَوْ حَائِشُ نَخْلٍ

إسناده صحيح

أخبرنا حجاج بن منهال حدثنا مهدي حدثنا محمد بن عبد الله بن أبي يعقوب عن الحسن بن سعد مولى الحسن بن علي عن عبد الله بن جعفر قال كان أحب ما استتر به النبي صلى الله عليه وسلم لحاجته هدف أو حائش نخل إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আবদুল্লাহ ইবনু জা‘ফার (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১. পবিত্রতা অধ্যায় (كتاب الطهارة)

 ৬৮৭

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৬. পেশাব কিংবা পায়খানার সময় কিবলাকে পেছনে রাখা নিষিদ্ধ হওয়া সম্পর্কে

৬৮৭. সাহল ইবনু হুনাইফ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাকে বলেছেন: “তুমি মক্কাবাসীর প্রতি আমার প্রেরিত দূত। ফলে তুমি তাদেরকে বলো যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তোমাদেরকে সালাম জানিয়েছেন এবং আদেশ করেছেন যে, যখন তোমরা (পেশাব-পায়খানার উদ্দেশ্যে) যাও, তখন কিবলাকে সম্মুখে কিংবা পিছনে রেখে বসো না।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ যয়ীফ। কিন্তু হাদীস সহীহ এর অনেকগুলি শাহিদ সহীহ হাদীস থাকার কারণে।

তাহক্বীক্ব: আমরা এর পূর্ণাঙ্গ তাখরীজ করেছি মাজমাউয যাওয়াইদ নং ১০২৩, ৬৯৮৫ এ। (বুখারী, আত তারীখুল কাবীর ১/২১১, তরজমাহ ৬৬৪; হাকিম, আল মুসতাদরাক ৩/৪১২ ; আব্দুর রাযযাক, আল মুসান্নাফ ৮/৪৬৬ নং ১৫৯২০; আহমদ ৩/৪৮৭ নং ১৬০২৭- ফাতহুল মান্নান হা/৭০৯ এর টীকা দ্র:- অনুবাদক।)

بَابُ النَّهْيِ عَنِ اسْتِقْبَالِ الْقِبْلَةِ لِغَائِطٍ أَوْ بَوْلٍ

أَخْبَرَنَا أَبُو عَاصِمٍ عَنْ ابْنِ جُرَيْجٍ عَنْ عَبْدِ الْكَرِيمِ عَنْ الْوَلِيدِ بْنِ مَالِكٍ مِنْ عَبْدِ الْقَيْسِ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ قَيْسٍ مَوْلَى سَهْلِ بْنِ حُنَيْفٍ عَنْ سَهْلِ بْنِ حُنَيْفٍ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ لَهُ أَنْتَ رَسُولِي إِلَى أَهْلِ مَكَّةَ فَقُلْ إِنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقْرَأُ عَلَيْكُمْ السَّلَامَ وَيَأْمُرُكُمْ إِذَا خَرَجْتُمْ فَلَا تَسْتَقْبِلُوا الْقِبْلَةَ وَلَا تَسْتَدْبِرُوهَا

إسناده ضعيف ولكن الحديث صحيح بشواهده

أخبرنا أبو عاصم عن ابن جريج عن عبد الكريم عن الوليد بن مالك من عبد القيس عن محمد بن قيس مولى سهل بن حنيف عن سهل بن حنيف أن النبي صلى الله عليه وسلم قال له أنت رسولي إلى أهل مكة فقل إن رسول الله صلى الله عليه وسلم يقرأ عليكم السلام ويأمركم إذا خرجتم فلا تستقبلوا القبلة ولا تستدبروها إسناده ضعيف ولكن الحديث صحيح بشواهده

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ সাহল ইবনু হুনাইফ (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১. পবিত্রতা অধ্যায় (كتاب الطهارة)

 ৬৮৮

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৬. পেশাব কিংবা পায়খানার সময় কিবলাকে পেছনে রাখা নিষিদ্ধ হওয়া সম্পর্কে

৬৮৮. আবু আইয়্যুব রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “যখন তোমরা পায়খানায় যাও, তখন কিবলার দিকে মুখ করে বসো না এবং পিছন করেও বসো না- পায়খানার সময়ও না, পেশাব করতেও না; বরং পূর্বদিকে অথবা পশ্চিম দিকে ফিরে বসো।”[1] আবু আইয়্যুব রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, অতঃপর আমরা শাম (সিরিয়া) গেলাম। সেখানে আমরা দেখলাম যে, শৌচাগারগুলো কিবলার দিকে মুখ করে নির্মাণ করা হয়েছে। তখন আমরা অন্য দিকে মুখ ফিরিয়ে বসতাম এবং আল্লাহর নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করতাম।[2]আবু মুহাম্মদ বলেন: এটি আব্দুল কারীমের হাদীসের চেয়ে অধিক সহীহ। আর আব্দুল কারীম ’মাতরুক’ -হওয়ার নিকটবর্তী।

[1] মদীনা তাইয়্যেবা মক্কা মুকাররমা হতে উত্তরে অবস্থিত। এ হুকুম মদীনাবাসী ও দক্ষিণে অবস্থিত অঞ্চলের জন্য প্রযোজ্য। পূর্ব-পশ্চিমে অবস্থানরতদের জন্য উত্তর-দক্ষিণমুখী বসার নির্দেশ প্রযোজ্য হবে।

[2] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: সহীহ বুখারী, ৩৯৪; সহীহ মুসলিম ২৬৪; আর আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ১৪১৬, ১৪১৭; এবং মুসনাদুল হুমাইদী নং ৩৮২।

بَابُ النَّهْيِ عَنِ اسْتِقْبَالِ الْقِبْلَةِ لِغَائِطٍ أَوْ بَوْلٍ

أَخْبَرَنَا أَبُو نُعَيْمٍ حَدَّثَنَا ابْنُ عُيَيْنَةَ عَنْ الزُّهْرِيِّ عَنْ عَطَاءِ بْنِ يَزِيدَ عَنْ أَبِي أَيُّوبَ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ إِذَا أَتَيْتُمْ الْغَائِطَ فَلَا تَسْتَقْبِلُوا الْقِبْلَةَ بِغَائِطٍ وَلَا بَوْلٍ وَلَا تَسْتَدْبِرُوهَا قَالَ ثُمَّ قَالَ أَبُو أَيُّوبَ فَقَدِمْنَا الشَّامَ فَوَجَدْنَا مَرَاحِيضَ قَدْ بُنِيَتْ عِنْدَ الْقِبْلَةِ فَنَنْحَرِفُ وَنَسْتَغْفِرُ اللَّهَ قَالَ أَبُو مُحَمَّد وَهَذَا أَصَحُّ مِنْ حَدِيثِ عَبْدِ الْكَرِيمِ وَعَبْدُ الْكَرِيمِ شِبْهُ الْمَتْرُوكِ

إسناده صحيح

أخبرنا أبو نعيم حدثنا ابن عيينة عن الزهري عن عطاء بن يزيد عن أبي أيوب عن النبي صلى الله عليه وسلم قال إذا أتيتم الغائط فلا تستقبلوا القبلة بغائط ولا بول ولا تستدبروها قال ثم قال أبو أيوب فقدمنا الشام فوجدنا مراحيض قد بنيت عند القبلة فننحرف ونستغفر الله قال أبو محمد وهذا أصح من حديث عبد الكريم وعبد الكريم شبه المتروك إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আবূ আইয়ুব আনসারী (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১. পবিত্রতা অধ্যায় (كتاب الطهارة)

 ৬৮৯

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৭. পরিচ্ছেদ নাই

৬৮৯. আনাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম (পেশাব-পায়খানার সময়) ভূমির নিকটবর্তী না হওয়া পর্যন্ত তাঁর কাপড় উঠাতেন না।[1]

আবু মুহাম্মদ বলেন: এটাই শিষ্টাচার। এটি মুগীরাহ’র হাদীসের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ।

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ যয়ীফ। কেননা, আ’মাশ আনাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে কিছু শোনেন নি।

তাখরীজ: তিরমিযী ১৪; আবু দাউদ ১৪; খতীব, তারীখ বাগদাদ ১৪/২০৮।

এর শাহিদ হাদীস রয়েছে ইবনু উমার হতে আবু দাউদ ১৪; বাইহাকী ১/৯৬ অজ্ঞাত পরিচয় রাবী রয়েছে এ সনদে; ইবনু আবী শাইবা ১/১০৭ মুনকাতি’ সনদে; বাইহাকী ১/৯৬ এ অপর একটি সহীহ সনদে।

এর অপর শাহিদ জাবির রা: হতে মাজমাউয যাওয়াইদ নং ১০৩৪ এ এর পূর্ণাঙ্গ তাখরীজ করেছি।

بَابٌ

حَدَّثَنَا عَمْرُو بْنُ عَوْنٍ عَنْ عَبْدِ السَّلَامِ بْنِ حَرْبٍ عَنْ الْأَعْمَشِ عَنْ أَنَسٍ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَ لَا يَرْفَعُ ثَوْبَهُ حَتَّى يَدْنُوَ مِنْ الْأَرْضِ قَالَ أَبُو مُحَمَّد هُوَ أَدَبٌ وَهُوَ أَشْبَهُ مِنْ حَدِيثِ الْمُغِيرَةِ

إسناده ضعيف لم يسمعه الأعمش من أنس

حدثنا عمرو بن عون عن عبد السلام بن حرب عن الأعمش عن أنس أن النبي صلى الله عليه وسلم كان لا يرفع ثوبه حتى يدنو من الأرض قال أبو محمد هو أدب وهو أشبه من حديث المغيرة إسناده ضعيف لم يسمعه الأعمش من أنس

 হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai’f)  বর্ণনাকারীঃ আনাস ইবনু মালিক (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১. পবিত্রতা অধ্যায় (كتاب الطهارة)

 ৬৯০

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৮. কিবলাকে সম্মুখে রাখার অনুমতি প্রদান প্রসঙ্গে

৬৯০. ইবনু উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন: ’একদা আমি আমাদের ঘরের উপরে উঠে দেখলাম, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম দু’টি ইটের উপর বায়তুল মুকাদ্দাসের দিকে মুখ করে প্রাকৃতিক প্রয়োজনে বসেছেন।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: সহীহ বুখারী ১৪৮-১৪৯; সহীহ মুসলিম ২৬৬; আমরা এর তাখরীজ পূর্ণ করেছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ১৪১৮,১৪২১; আরও দেখুন নাইলুল আওতার ১/৯৮; সুনানে দারুকুতনী ১/৬১; আল মুহাল্লা ১/১৯৪-১৯৫; তামহীদ ১/৩০৫-৩০৬।

بَاب الرُّخْصَةِ فِي اسْتِقْبَالِ الْقِبْلَةِ

أَخْبَرَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ أَنَّ مُحَمَّدَ بْنَ يَحْيَى بْنِ حَبَّانَ أَخْبَرَهُ أَنَّ عَمَّهُ وَاسِعَ بْنَ حَبَّانَ أَخْبَرَهُ عَنْ ابْنِ عُمَرَ قَالَ رَأَيْتُ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَلَى ظَهْرِ بَيْتِنَا فَرَأَيْتُ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ جَالِسًا عَلَى لَبِنَتَيْنِ مُسْتَقْبِلَ بَيْتِ الْمَقْدِسِ

إسناده صحيح

أخبرنا يزيد بن هارون حدثنا يحيى بن سعيد أن محمد بن يحيى بن حبان أخبره أن عمه واسع بن حبان أخبره عن ابن عمر قال رأيت النبي صلى الله عليه وسلم على ظهر بيتنا فرأيت النبي صلى الله عليه وسلم جالسا على لبنتين مستقبل بيت المقدس إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১. পবিত্রতা অধ্যায় (كتاب الطهارة)

 ৬৯১

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৯. দাঁড়িয়ে পেশাব করা সম্পর্কে

৬৯১. হুযাইফা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম একদা এক কওমের ময়লা-আবর্জনা ফেলার স্থানে এসে দাঁড়িয়ে পেশাব করলেন।[1]আবু মুহাম্মদ বলেন: আমি এ ব্যাপারে অপছন্দনীয় কিছু আছে বলে জানি না।

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: সহীহ বুখারী ২২৪; সহীহ মুসলিম ২৭৩। আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ১৪২৪, ১৪২৫, ১৪২৭, ১৪২৮; মুসনাদে হুমাইদী নং ৪৪৭; দেখুন নাইলুল আওতার ১/১০৯।

بَاب فِي الْبَوْلِ قَائِمًا

أَخْبَرَنَا جَعْفَرُ بْنُ عَوْنٍ أَخْبَرَنَا الْأَعْمَشُ عَنْ أَبِي وَائِلٍ عَنْ حُذَيْفَةَ قَالَ جَاءَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِلَى سُبَاطَةِ قَوْمٍ فَبَالَ وَهُوَ قَائِمٌ قَالَ أَبُو مُحَمَّد لَا أَعْلَمُ فِيهِ كَرَاهِيَةً

أخبرنا جعفر بن عون أخبرنا الأعمش عن أبي وائل عن حذيفة قال جاء رسول الله صلى الله عليه وسلم إلى سباطة قوم فبال وهو قائم قال أبو محمد لا أعلم فيه كراهية

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ হুযায়ফাহ ইবন আল-ইয়ামান (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১. পবিত্রতা অধ্যায় (كتاب الطهارة)

 ৬৯২

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১০. পায়খানায় প্রবেশের সময় যা বলতে হয়

৬৯২: আনাস ইবনু মালিক রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যখন পায়খানায় প্রবেশ করতেন, তখন বলতেন: “আল্লাহুম্মা ইন্নী আঊযুবিকা মিনাল খুবুছি ওয়াল খাবায়িছ”- হে আল্লাহ! আমি আপনার নিকট অপবিত্র জিনিস ও শয়তান থেকে তোমার আশ্রয় গ্রহণ করছি।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ। বুখারী মুসলিম বর্ণিত হাদীস।

তাখরজি: সহীহ বুখারী ১৪২; সহীহ মুসলিম ৩৭৫; আমরা এর পূর্ণাঙ্গ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ৩৯০২, ৩৯৩১, ৩৯৪০ এবং সহীহ ইবনু হ্বিব্বান নং ১৪০৭।

হাদীসের শিক্ষা

১. বাথরুমে পায়খানা ব্যবহার করার জন্য গেলে উপরোক্ত দো’আ পাঠ করা সুন্নাত।

২. আলেমগণ বলেছেন, এর মাধ্যমে শয়তানের ওয়াসওয়াসা, কুমন্ত্রণা ও বিভিন্ন প্রকার ধোকা থেকে হিফাযত থাকা যায়। শয়তান ওযূতে সমস্যা করে, সালাত বিনষ্ট করতে চেষ্টা চালায় এসব থেকে বাঁচার জন্য এ দোআ করা উচিত।

৩. শয়তানের অন্যতম অস্ত্র হচ্ছে মানুষকে ময়লা, পায়খানা ইত্যাদির মাধ্যমে অশুচি করে ফেলবে। তাই শয়তানদের থেকে আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাওয়া জরুরী।

৪. ময়লা ও অপবিত্রতা থেকে বেঁচে থাকা ফরয: অনুরূপভাবে যা মানুষকে এসব থেকে বাঁচাতে পারবে তা অবলম্বন করাও জরুরী; কারণ হাদীসে পেশাব থেকে না বাঁচার কারণে কবরে শাস্তি হওয়ার বিষয়টি সাব্যস্ত হয়েছে।

৫. ‘ইস্তেআযাহ’ হচ্ছে অদৃশ্য শত্রুর ক্ষতি থেকে বাঁচার জন্য আশ্রয় চাওয়া। এটি আল্লাহ ব্যতীত অন্য কারো কাছে চাওয়ার অর্থ হচ্ছে শির্ক করা। সুতরাং ইস্তেআযাহ কেবল আল্লাহর কাছেই চাইতে হবে।

بَاب مَا يَقُولُ إِذَا دَخَلَ الْمَخْرَجَ

أَخْبَرَنَا أَبُو النُّعْمَانِ حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ عَنْ عَبْدِ الْعَزِيزِ بْنِ صُهَيْبٍ عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ قَالَ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِذَا دَخَلَ الْخَلَاءَ قَالَ اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنْ الْخُبْثِ وَالْخَبَائِثِ

إسناده صحيح

أخبرنا أبو النعمان حدثنا حماد بن زيد عن عبد العزيز بن صهيب عن أنس بن مالك قال كان رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا دخل الخلاء قال اللهم إني أعوذ بك من الخبث والخبائث إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আনাস ইবনু মালিক (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১. পবিত্রতা অধ্যায় (كتاب الطهارة)

 ৬৯৩

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১১. পবিত্রতা অর্জন করা

৬৯৩. আয়শা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “তোমাদের কেউ যখন পায়খানায় যায়, সে যেন তার সাথে তিনটি পাথর (কুলুখ) নিয়ে যায়, যা দ্বারা সে পবিত্রতা অর্জন করবে। আর এটাই তার জন্য যথেষ্ট।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ জাইয়্যেদ (উত্তম)। এ হাদীসের শাহিদ রয়েছে যা একে সহীহতে উন্নীত করে।

তাখরীজ: আহমদ ১/১৩৩; আবু দাউদ ৪০; বাইহাকী, ১/১০৩; নাসাঈ ১/৪১-৪২; বুখারী, আল কাবীর ৭/২৭১; দারুকুতনী ১/৫৪-৫৫; তাহাবী শারহু মা’আনিল আছার ১/১২১।

দেখুন, নাসাবুর রায়াহ ১/২১৫; তালখীসুল হাবীর ১/১০৯; নাইলুল আওতার ১/১১০।

بَابُ الِاسْتِطَابَةِ

حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ مَنْصُورٍ حَدَّثَنَا يَعْقُوبُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ عَنْ أَبِي حَازِمٍ عَنْ مُسْلِمِ بْنِ قُرْطٍ عَنْ عُرْوَةَ عَنْ عَائِشَةَ قَالَتْ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِذَا ذَهَبَ أَحَدُكُمْ إِلَى الْغَائِطِ فَلْيَذْهَبْ مَعَهُ بِثَلَاثَةِ أَحْجَارٍ يَسْتَطِيبُ بِهِنَّ فَإِنَّهَا تُجْزِئُ عَنْهُ

إسناده جيد

حدثنا سعيد بن منصور حدثنا يعقوب بن عبد الرحمن عن أبي حازم عن مسلم بن قرط عن عروة عن عائشة قالت قال رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا ذهب أحدكم إلى الغائط فليذهب معه بثلاثة أحجار يستطيب بهن فإنها تجزئ عنه إسناده جيد

 হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)  বর্ণনাকারীঃ আয়িশা বিনত আবূ বাকর সিদ্দীক (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১. পবিত্রতা অধ্যায় (كتاب الطهارة)

 ৬৯৪

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১১. পবিত্রতা অর্জন করা

৬৯৪. খুযাইমাহ ইবনু ছাবিত আল আনসারী তার পিতা (ছাবিত) রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম (ইস্তিনজার সময় কয়টি পাথর ব্যবহার করা উচিত- এ মর্মে জিজ্ঞাসিত হয়ে) বলেছেন: তিনটি পাথর, যার মধ্যে গোবর থাকবে না। এর অর্থ: পবিত্রতা অর্জনের জন্য।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ জাইয়্যেদ বা উত্তম।

তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা, ১/১৫৪; আহমদ ৫/২১৩,২১৪,২১৫; আবু দাউদ ৪১; বাইহাকী ১/১০৩; ইবনু মাজাহ ৩১৫; ইবনু আব্দুল বার, তামহীদ ২২/৩০৯; দেখুন নাইলুল আওতার ১/১৭৭।

بَابُ الِاسْتِطَابَةِ

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عُيَيْنَةَ أَخْبَرَنَا عَلِيٌّ هُوَ ابْنُ مُسْهِرٍ عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ عَنْ عَمْرِو بْنِ خُزَيْمَةَ عَنْ عُمَارَةَ بْنِ خُزَيْمَةَ بْنِ ثَابِتٍ الْأَنْصَارِيِّ عَنْ أَبِيهِ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ ثَلَاثَةُ أَحْجَارٍ لَيْسَ مِنْهُنَّ رَجِيعٌ يَعْنِي الِاسْتِطَابَةَ

إسناده جيد

أخبرنا محمد بن عيينة أخبرنا علي هو ابن مسهر عن هشام بن عروة عن عمرو بن خزيمة عن عمارة بن خزيمة بن ثابت الأنصاري عن أبيه قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ثلاثة أحجار ليس منهن رجيع يعني الاستطابة إسناده جيد

 হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)  বর্ণনাকারীঃ খুযাইমাহ ইবনু ছাবিত আল আনসারী (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১. পবিত্রতা অধ্যায় (كتاب الطهارة)

 ৬৯৫

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১২. ইনতিনজায় হাড় অথবা গোবর ব্যবহার করার নিষেধাজ্ঞা সম্পর্কে

৬৯৫. সাহল ইবনু হুনাইফ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাকে বলেছেনঃ “তুমি মক্কাবাসীর প্রতি আমার প্রেরিত দূত। ফলে তুমি তাদেরকে বলো যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তোমাদেরকে সালাম জানিয়েছেন এবং আদেশ করেছেন যে, তোমরা হাড় কিংবা পশুর মল (গোবর) দ্বারা ইসতিনজা (পবিত্রতা অর্জন) করো না।[1]

আবু আসিম একবার বলেছেন: ’তিনি তোমাদেরকে নিষেধ করেছেন, (আরেকবার বলেছেন) অথবা তোমাদেরকে আদেশ করেছেন।’

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ যয়ীফ, কিন্তু হাদীসটি সহীহ যা ৬৯১ (৬৮৭) তে গত হয়েছে।

بَابُ النَّهْيِ عَنِ الِاسْتِنْجَاءِ بِعَظْمٍ أَوْ رَوْثٍ

أَخْبَرَنَا أَبُو عَاصِمٍ عَنْ ابْنِ جُرَيْجٍ عَنْ عَبْدِ الْكَرِيمِ هُوَ ابْنُ أَبِي الْمُخَارِقِ عَنْ الْوَلِيدِ بْنِ مَالِكٍ مِنْ عَبْدِ الْقَيْسِ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ قَيْسٍ مَوْلَى سَهْلِ بْنِ حُنَيْفٍ عَنْ سَهْلِ بْنِ حُنَيْفٍ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ لَهُ أَنْتَ رَسُولِي إِلَى أَهْلِ مَكَّةَ فَقُلْ إِنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقْرَأُ عَلَيْكُمْ السَّلَامَ وَيَأْمُرُكُمْ أَنْ لَا تَسْتَنْجُوا بِعَظْمٍ وَلَا بِبَعْرَةٍ قَالَ أَبُو عَاصِمٍ مَرَّةً وَيَنْهَاكُمْ أَوْ يَأْمُرُكُمْ

إسناده ضعيف والحديث صحيح

أخبرنا أبو عاصم عن ابن جريج عن عبد الكريم هو ابن أبي المخارق عن الوليد بن مالك من عبد القيس عن محمد بن قيس مولى سهل بن حنيف عن سهل بن حنيف أن النبي صلى الله عليه وسلم قال له أنت رسولي إلى أهل مكة فقل إن رسول الله صلى الله عليه وسلم يقرأ عليكم السلام ويأمركم أن لا تستنجوا بعظم ولا ببعرة قال أبو عاصم مرة وينهاكم أو يأمركم إسناده ضعيف والحديث صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ সাহল ইবনু হুনাইফ (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১. পবিত্রতা অধ্যায় (كتاب الطهارة)

 ৬৯৬

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১৩. ডান হাত দিয়ে ইসতিনজা করা নিষেধ

৬৯৬. আব্দুল্লাহ্ ইবনু আবী কাতাদাহ তার পিতা (আবু কাতাদাহ) রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণনা করেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “(যখন পায়খানায় যায় তখন) তোমাদের কেউ তার ডান হাত দিয়ে তার পুরুষাঙ্গ স্পর্শ না করে এবং ডান হাত দিয়ে যেন শৌচকার্য না করে।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: সহীহ বুখারী, ১৫৩, ১৫৪; মুসলিম ২৬৭; আমরা এর পূর্ণাঙ্গ তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ১৪৩৪; মুসনাদুল হুমাইদী নং ৪৩২।

بَابُ النَّهْيِ عَنِ الِاسْتِنْجَاءِ بِالْيَمِينِ

أَخْبَرَنَا وَهْبُ بْنُ جَرِيرٍ وَيَزِيدُ بْنُ هَارُونَ وَأَبُو نُعَيْمٍ عَنْ هِشَامٍ عَنْ يَحْيَى عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي قَتَادَةَ عَنْ أَبِيهِ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ لَا يَمَسَّ أَحَدُكُمْ ذَكَرَهُ بِيَمِينِهِ وَلَا يَتَمَسَّحْ بِيَمِينِهِ

إسناده صحيح

أخبرنا وهب بن جرير ويزيد بن هارون وأبو نعيم عن هشام عن يحيى عن عبد الله بن أبي قتادة عن أبيه أن النبي صلى الله عليه وسلم قال لا يمس أحدكم ذكره بيمينه ولا يتمسح بيمينه إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ কাতাদাহ (রহঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১. পবিত্রতা অধ্যায় (كتاب الطهارة)

 ৬৯৭

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১৪. পাথর দিয়ে ইসতিনজা করা

৬৯৭. আবু হুরাইরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: সন্তানদের পিতা যেভাবে (শিক্ষা দেয়), আমিও তোমাদেরকে ঠিক তেমনিভাবেই শিক্ষা দেই। অতএব, তোমরা কিবলাকে সামনে রেখে কিংবা পিছনে রেখে (পেশাব-পায়খানায়) বসবে না; আর যখন তোমরা ইসতিনজা (পবিত্রতা অর্জন) করবে, তখন ডান হাত দিয়ে ইসতিনজা করবে না।

আর তিনি আমাদেরকে তিনটি পাথর দিয়ে (ইসতিনজা করতে) আদেশ করতেন এবং পশুর মল (গোবর) ও হাড় দ্বারা (ইসতিনজা করতে) নিষেধ করতেন।[1]আর যাকারিয়া বলেন: এর অর্থ জীর্ণ বা পুরাতন হাড়।

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ হাসান;

তাখরীজ: আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ করেছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ১৪৩১, ১৪৪০; মাওয়ারিদুয যাম’আন নং ১২৮, ১২৯, ১৩০; মুসনাদুল হুমাইদী নং ১০১৮ তে।

আরও বর্ণনা করেছেন, শাফিঈ, আল উম্মু ১/২২, মুসনাদ ১/২৮; বাইহাকী, আল মা’রিফাহ ১/৩৪৩ নং ৮৪৬।

(সুনান ১/১০ নং ৫০; সুনানুল কুবরা ১/৯১; আহমদ, আল মুসনাদ ২/২৪৭, ২৫০ নং ৭৩৬২, ৭৪০৩; আবু দাউদ ৮; নাসাঈ ৪০; ইবনু মাজাহ ৩১২; সহীহ মুসলিম, কিতাবুত তাহারাত (সংক্ষিপ্ত আকারে)- ফাতহুল মান্নান। – অনুবাদক।)

بَابُ الِاسْتِنْجَاءِ بِالْأَحْجَارِ

حَدَّثَنَا زَكَرِيَّا بْنُ عَدِيٍّ حَدَّثَنَا ابْنُ الْمُبَارَكِ عَنْ ابْنِ عَجْلَانَ عَنْ الْقَعْقَاعِ عَنْ أَبِي صَالِحٍ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِنَّمَا أَنَا لَكُمْ مِثْلُ الْوَالِدِ لِلْوَلَدِ أُعَلِّمُكُمْ فَلَا تَسْتَقْبِلُوا الْقِبْلَةَ وَلَا تَسْتَدْبِرُوهَا وَإِذَا اسْتَطَبْتَ فَلَا تَسْتَطِبْ بِيَمِينِكَ وَكَانَ يَأْمُرُنَا بِثَلَاثَةِ أَحْجَارٍ وَيَنْهَى عَنْ الرَّوْثِ وَالرِّمَّةِ قَالَ زَكَرِيَّا يَعْنِي الْعِظَامَ الْبَالِيَةَ

إسناده حسن

حدثنا زكريا بن عدي حدثنا ابن المبارك عن ابن عجلان عن القعقاع عن أبي صالح عن أبي هريرة قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم إنما أنا لكم مثل الوالد للولد أعلمكم فلا تستقبلوا القبلة ولا تستدبروها وإذا استطبت فلا تستطب بيمينك وكان يأمرنا بثلاثة أحجار وينهى عن الروث والرمة قال زكريا يعني العظام البالية إسناده حسن

 হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)  বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরায়রা (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১. পবিত্রতা অধ্যায় (كتاب الطهارة)

 ৬৯৮

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১৫. পানি দ্বারা ইসতিনজা করা

৬৯৮. আনাস ইবনু মালিক রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যখন তাঁর হাজত (প্রাকৃতিক প্রয়োজন) সারতে যেতেন, তখন আমি ও একটি ছেলে ’আনাযাহ’ ও পানির পাত্র নিয়ে তাঁর নিকট যেতাম। অতঃপর তিনি পানি দ্বারা শৌচকার্য করতেন।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: সহীহ বুখারী ১৫০; মুসলিম ২৭১; আমরা পূর্ণ তাখরীজ করেছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ৩৬৫৯, ৩৬৬২; সহীহ ইবনু হিব্বান নং ১৪৪২; পরবর্তী টীকাটি দেখুন। আরও দেখুন নাইলুল আওতার ১/১২১।

بَابُ الِاسْتِنْجَاءِ بِالْمَاءِ

أَخْبَرَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ عَنْ شُعْبَةَ عَنْ عَطَاءِ بْنِ أَبِي مَيْمُونَةَ عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَ إِذَا ذَهَبَ لِحَاجَتِهِ أَتَيْتُهُ أَنَا وَغُلَامٌ بِعَنَزَةٍ وَإِدَاوَةٍ فَيَتَوَضَّأُ

إسناده صحيح

أخبرنا يزيد بن هارون عن شعبة عن عطاء بن أبي ميمونة عن أنس بن مالك أن النبي صلى الله عليه وسلم كان إذا ذهب لحاجته أتيته أنا وغلام بعنزة وإداوة فيتوضأ إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আনাস ইবনু মালিক (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১. পবিত্রতা অধ্যায় (كتاب الطهارة)

 ৬৯৯

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১৫. পানি দ্বারা ইসতিনজা করা

৬৯৯. আনাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যখন প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিয়ে বের হতেন, তখন একটি বালক পানির পাত্র নিয়ে আসতো। তিনি তা দ্বারা ইসতিনজা করতেন।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: সহীহ বুখারী নং ১৫০-১৫১। এবং পূর্ববর্তী টীকাটি দেখুন।

بَابُ الِاسْتِنْجَاءِ بِالْمَاءِ

أَخْبَرَنَا أَبُو الْوَلِيدِ الطَّيَالِسِيُّ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ عَنْ أَبِي مُعَاذٍ عَنْ أَنَسٍ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَ إِذَا خَرَجَ مِنْ الْخَلَاءِ جَاءَ الْغُلَامُ بِإِدَاوَةٍ مِنْ مَاءٍ كَانَ يَسْتَنْجِي بِهِ قَالَ أَبُو مُحَمَّد أَبُو مُعَاذٍ اسْمُهُ عَطَاءُ بْنُ مَنِيعٍ أَبِي مَيْمُونَةٍ

إسناده صحيح

أخبرنا أبو الوليد الطيالسي حدثنا شعبة عن أبي معاذ عن أنس أن النبي صلى الله عليه وسلم كان إذا خرج من الخلاء جاء الغلام بإداوة من ماء كان يستنجي به قال أبو محمد أبو معاذ اسمه عطاء بن منيع أبي ميمونة إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আনাস ইবনু মালিক (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১. পবিত্রতা অধ্যায় (كتاب الطهارة)

 ৭০০

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১৫. পানি দ্বারা ইসতিনজা করা

৭০০. মুসাইয়্যেব ইবনু নুজাবাহ বলেন, আমার চাচা যিনি ‍হুযায়ফা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু’র অধীনে থাকতেন, তিনি আমার নিকট বর্ণনা করেন যে, হুযাইফা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু পানি দিয়ে ইসতিনজা করতেন।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ যয়ীফ, এ সনদে অজ্ঞাত পরিচয় রাবী রয়েছে …।

তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা, ১/১৫২।

بَابُ الِاسْتِنْجَاءِ بِالْمَاءِ

أَخْبَرَنَا سَعِيدُ بْنُ سُلَيْمَانَ عَنْ عَبَّادِ بْنِ الْعَوَّامِ عَنْ حُصَيْنِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ عَنْ ذَرٍّ عَنْ الْمُسَيَّبِ بْنِ نَجَبَةَ قَالَ حَدَّثَتْنِي عَمَّتِي وَكَانَتْ تَحْتَ حُذَيْفَةَ أَنَّ حُذَيْفَةَ كَانَ يَسْتَنْجِي بِالْمَاءِ

إسناده ضعيف فيه جهالة

أخبرنا سعيد بن سليمان عن عباد بن العوام عن حصين بن عبد الرحمن عن ذر عن المسيب بن نجبة قال حدثتني عمتي وكانت تحت حذيفة أن حذيفة كان يستنجي بالماء إسناده ضعيف فيه جهالة

 হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai’f)  বর্ণনাকারীঃ মুসাইয়্যেব ইবনু নুজাবাহ (রহঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১. পবিত্রতা অধ্যায় (كتاب الطهارة)

 ৭০১

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১৬. ইসতিনজার পরে যিনি মাটিতে হাত ঘষেন, সে সম্পর্কে

৭০১. আবু হুরাইরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন: “আমার জন্য পানি আনো।” তারপর তিনি ঝোপের আড়ালে প্রবেশ করলেন। তখন আমি তাঁর জন্য পানি নিয়ে এলাম আর তিনি পানি দ্বারা ইসতিনজা (শৌচকার্য) করলেন তারপর মাটিতে হাত ঘষলেন। তারপর তিনি তাঁর উভয় হাত ধুয়ে ফেললেন।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ যয়ীফ, আবু হুরাইরা’র গোলামের অজ্ঞাত পরিচয় হওয়ার কারণে। তবে শাহিদ থাকার কারণে এটি হাসান।

তাখরীজ: আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ করেছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ৬১৩৬, ও সহীহ ইবনু হিব্বান নং ১৪০৫; মাওয়ারিদুয যাম’আন নং ১৩৯ হাসান হাদীস এটি। দেখুন এরপরেরটিও। (আহমদ ২/৩১১, ৩৫৮, ৪৫৪ নং ৮০৯০, ৮৬৮০, ৯৮৬২; আবু দাউদ ৪৫; নাসাঈ ৫০, ৫১; ইবনু মাজাহ ৩৫৮, ৩৫৯; বাইহাকী, সুনানুল কুবরা ১/১০৬, ১০৭; সহীহ ইবনু হিব্বান ৮৯; তাবারানী, আল কাবীর ২/৩৮০ নং ২৩৯৩- ফাতহুল মান্নান হা/৭২৩। – অনুবাদক)

بَابُ فِيمَنْ يَمْسَحُ يَدَهُ بِالتُّرَابِ بَعْدَ الِاسْتِنْجَاءِ

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ عَنْ أَبَانَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي حَازِمٍ عَنْ مَوْلًى لِأَبِي هُرَيْرَةَ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ ائْتِنِي بِوَضُوءٍ ثُمَّ دَخَلَ غَيْضَةً فَأَتَيْتُهُ بِمَاءٍ فَاسْتَنْجَى ثُمَّ مَسَحَ يَدَهُ بِالتُّرَابِ ثُمَّ غَسَلَ يَدَيْهِ

إسناده ضعيف لجهالة مولى أبي هريرة

أخبرنا محمد بن يوسف عن أبان بن عبد الله بن أبي حازم عن مولى لأبي هريرة عن أبي هريرة قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ائتني بوضوء ثم دخل غيضة فأتيته بماء فاستنجى ثم مسح يده بالتراب ثم غسل يديه إسناده ضعيف لجهالة مولى أبي هريرة

 হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)  বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরায়রা (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১. পবিত্রতা অধ্যায় (كتاب الطهارة)

 ৭০২

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১৬. ইসতিনজার পরে যিনি মাটিতে হাত ঘষেন, সে সম্পর্কে

৭০২. ইবরাহীম ইবনু জরীর ইবনু আব্দুল্লাহ থেকে তাঁর পিতা (জারীর ইবনু আব্দুল্লাহ) রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হতে (পূর্বের হাদীসটির) অনুরূপ বর্ণনা করেন।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর রাবীগণ বিশ্বস্ত, তবে এ সনদটি বিচ্ছিন্ন (মুনকাতি’)। ইবরাহীম ইবনু জারীর তার পিতা হতে কিছু শোনেননি।

তাখরীজ: নাসাঈ ১/৪৫।

بَابُ فِيمَنْ يَمْسَحُ يَدَهُ بِالتُّرَابِ بَعْدَ الِاسْتِنْجَاءِ

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ حَدَّثَنَا أَبَانُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ حَدَّثَنِي إِبْرَاهِيمُ بْنُ جَرِيرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ عَنْ أَبِيهِ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مِثْلَهُ

رجاله ثقات غير أنه منقطع إبراهيم بن جرير لم يسمع من أبيه

أخبرنا محمد بن يوسف حدثنا أبان بن عبد الله حدثني إبراهيم بن جرير بن عبد الله عن أبيه عن النبي صلى الله عليه وسلم مثله رجاله ثقات غير أنه منقطع إبراهيم بن جرير لم يسمع من أبيه

 হাদিসের মানঃ তাহকীক অপেক্ষমাণ  বর্ণনাকারীঃ ইবরাহীম ইবনু জরীর ইবনু আব্দুল্লাহ (রহঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১. পবিত্রতা অধ্যায় (كتاب الطهارة)

 ৭০৩

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১৭. পায়খানা হতে বের হওয়ার সময় যা বলতে হয়

৭০৩. আয়শা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা হতে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যখন পায়খানা হতে বের হতেন, তখন বলতেন: ’গুফরা-নাকা’ (আমরা আপনার নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করছি)।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ করেছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ১৪৪৪। দেখুন, নাইলুল আওতার ১/৮৮ ও আল মা’রিফাহ ১/৩৩৮ নং ৮২৮।

بَابُ مَا يَقُولُ إِذَا خَرَجَ مِنَ الْخَلَاءِ

أَخْبَرَنَا مَالِكُ بْنُ إِسْمَعِيلَ حَدَّثَنَا إِسْرَائِيلُ عَنْ يُوسُفَ بْنِ أَبِي بُرْدَةَ عَنْ أَبِيهِ أَنَّ عَائِشَةَ حَدَّثَتْهُ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَ إِذَا خَرَجَ مِنْ الْخَلَاءِ قَالَ غُفْرَانَكَ

إسناده صحيح

أخبرنا مالك بن إسمعيل حدثنا إسرائيل عن يوسف بن أبي بردة عن أبيه أن عائشة حدثته أن النبي صلى الله عليه وسلم كان إذا خرج من الخلاء قال غفرانك إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আয়িশা বিনত আবূ বাকর সিদ্দীক (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১. পবিত্রতা অধ্যায় (كتاب الطهارة)

 ৭০৪

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১৮. মিসওয়াক সম্পর্কে

৭০৪. আনাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “আমি তোমাদেরকে বেশি বেশি মিসওয়াক করতে বলছি।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: সহীহ বুখারী ৮৮৮; আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ করেছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ৪১৭১ ও সহীহ ইবনু হিব্বান নং ১০৬৬। পরবর্তী হাদীসটি দেখুন।

بَابٌ فِي السِّوَاكِ

أَخْبَرَنَا يَحْيَى بْنُ حَسَّانَ حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ زَيْدٍ عَنْ شُعَيْبِ بْنِ الْحَبْحَابِ عَنْ أَنَسٍ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ أَكْثَرْتُ عَلَيْكُمْ فِي السِّوَاكِ

أخبرنا يحيى بن حسان حدثنا سعيد بن زيد عن شعيب بن الحبحاب عن أنس أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال أكثرت عليكم في السواك

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আনাস ইবনু মালিক (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১. পবিত্রতা অধ্যায় (كتاب الطهارة)

 ৭০৫

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১৮. মিসওয়াক সম্পর্কে

৭০৫. (অপর সূত্রে) আনাস ইবনু মালিক রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “আমি তোমাদেরকে বেশি বেশি মিসওয়াক করতে বলছি।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ১/১৭১; পূর্ণ তাখরীজের জন্য পূর্বের টীকাটি দেখুন।

بَابٌ فِي السِّوَاكِ

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عِيسَى حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَارِثِ عَنْ شُعَيْبِ بْنِ الْحَبْحَابِ عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَكْثَرْتُ عَلَيْكُمْ فِي السِّوَاكِ

إسناده صحيح

أخبرنا محمد بن عيسى حدثنا عبد الوارث عن شعيب بن الحبحاب عن أنس بن مالك قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم أكثرت عليكم في السواك إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আনাস ইবনু মালিক (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১. পবিত্রতা অধ্যায় (كتاب الطهارة)

 ৭০৬

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১৮. মিসওয়াক সম্পর্কে

৭০৬. আবু হুরাইরা রাদ্বিয়াল্লাহু্ আনহু হতে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “আমি যদি আমার উম্মতের উপরে কঠিন মনে না করতাম তবে, আমি অবশ্যই তাদেরকে প্রত্যেক সালাতের সময় এর নির্দেশ দিতাম।”[1] আবু মুহাম্মদ বলেন: ’এর’ অর্থ ’মিসওয়াক করার’।

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ । এটি বুখারী-মুসলিম বর্ণিত হাদীস।

তাখরীজ: সহীহ বুখারী ৮৮৭; সহীহ মুসলিম ২৫২। আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ করেছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ৬২৭০, ৬৩৪৩, ৭১২৭, ৭১৪৩ ও সহীহ ইবনু হিব্বান নং ১৬৮; আরও দেখুন, নাইলুল আওতার ১/১২৮।

بَابٌ فِي السِّوَاكِ

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ أَبِي الزِّنَادِ عَنْ الْأَعْرَجِ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ لَوْلَا أَنْ أَشُقَّ عَلَى أُمَّتِي لَأَمَرْتُهُمْ بِهِ عِنْدَ كُلِّ صَلَاةٍ قَالَ أَبُو مُحَمَّد يَعْنِي السِّوَاكَ

إسناده صحيح

أخبرنا محمد بن أحمد حدثنا سفيان عن أبي الزناد عن الأعرج عن أبي هريرة عن النبي صلى الله عليه وسلم قال لولا أن أشق على أمتي لأمرتهم به عند كل صلاة قال أبو محمد يعني السواك إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরায়রা (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১. পবিত্রতা অধ্যায় (كتاب الطهارة)

 ৭০৭

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ১৯. মিসওয়াক মুখ পবিত্রকারী বস্তু

৭০৭. আয়শা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “মিসওয়াক হচ্ছে মুখের জন্য পবিত্র হওয়ার উপকরণ এবং প্রতিপালকের সন্তুষ্টি লাভের উপায়।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ যয়ীফ, কেননা, ইবরাহীম ইবনু ইসমাঈল যয়ীফ। তবে হাদীসটি সহীহ।

তাখরীজ: আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ করেছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ৪৫৬৯, ৪৫৯৮, ৪৯১৬ ও সহীহ ইবনু হিব্বান নং ১০৬৭; মাওয়ারিদুয যাম’আন নং ১৪৩ এবং মুসনাদুল হুমাইদী নং ১৬২ এ। আরও দেখুন, নাইলুল আওতার ১/১২৫। (আহমাদ ৬/১২৪, ১৪৬ নং ২৪৯৬৯, ২৫১৭৬; নাসাঈ ৫; আবু ইয়ালা মাওসিলী ৮/৫১ নং ৪৫৬৯; ইবনু হিব্বান নং ১০৬৭; ইবনু খুযাইমা নং ১৩৫ বাইহাকী, ‍সুনানুল কুবরা ১/৩৪; আবু নুয়াইম, হিলইয়া ৭/৯৪, ১৫৯; বাগাবী, শারহুস ‍সুন্নাহ ১/৩৯৪ নং ১৯৯; শাফিঈ, আল মুসনাদ নং ৭১; আর হাদীসটি হাসান, যেমন বলেছেন বাগাবী তার শারহুস ‍সুন্নাহ’তে- ফাতহুল মান্নান হা/৭২৯।- অনুবাদক)

بَابُ السِّوَاكُ مَطْهَرَةٌ لِلْفَمِ

أَخْبَرَنَا خَالِدُ بْنُ مَخْلَدٍ هُوَ الْقَطْوَانِيُّ حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ إِسْمَعِيلَ بْنِ أَبِي حَبِيبَةَ أَخْبَرَنِي دَاوُدُ بْنُ الْحُصَيْنِ عَنْ الْقَاسِمِ بْنِ مُحَمَّدٍ عَنْ عَائِشَةَ قَالَتْ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ السِّوَاكُ مَطْهَرَةٌ لِلْفَمِ مَرْضَاةٌ لِلرَّبِّ

إسناده ضعيف لضعف إبراهيم بن إسماعيل ولكن الحديث صحيح

أخبرنا خالد بن مخلد هو القطواني حدثنا إبراهيم بن إسمعيل بن أبي حبيبة أخبرني داود بن الحصين عن القاسم بن محمد عن عائشة قالت قال رسول الله صلى الله عليه وسلم السواك مطهرة للفم مرضاة للرب إسناده ضعيف لضعف إبراهيم بن إسماعيل ولكن الحديث صحيح

 হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai’f)  বর্ণনাকারীঃ আয়িশা বিনত আবূ বাকর সিদ্দীক (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১. পবিত্রতা অধ্যায় (كتاب الطهارة)

 ৭০৮

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ২০. তাহজ্জুদের সময় মিসওয়াক করা

৭০৮. হুযাইফা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যখন তাহাজ্জুদের সালাতের জন্য উঠতেন তখন মিসওয়াক দ্বারা দাঁত মেজে মুখ পরিষ্কার করে নিতেন।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ। এটি ‍বুখারী মুসলিমের হাদীস।

তাখরীজ: সহীহ বুখারী, ৮৮৯; সহীহ মুসলিম (৪৭), ২৫৫। আমরা এর তাখরজি পূর্ণ করেছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ১০৭২; দেখুন নাইলুল আওতার ১/১২৯।

بَاب السِّوَاكِ عِنْدَ التَّهَجُّدِ

أَخْبَرَنَا سَعِيدُ بْنُ الرَّبِيعِ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ عَنْ حُصَيْنٍ قَالَ سَمِعْتُ أَبَا وَائِلٍ عَنْ حُذَيْفَةَ قَالَ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِذَا قَامَ إِلَى التَّهَجُّدِ يَشُوصُ فَاهُ بِالسِّوَاكِ

إسناده صحيح

أخبرنا سعيد بن الربيع حدثنا شعبة عن حصين قال سمعت أبا وائل عن حذيفة قال كان رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا قام إلى التهجد يشوص فاه بالسواك إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ হুযায়ফাহ ইবন আল-ইয়ামান (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১. পবিত্রতা অধ্যায় (كتاب الطهارة)

 ৭০৯

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ২১. পবিত্রতা ব্যতীত সালাত কবুল হয় না

৭০৯. আবুল মালীহ-এর পিতা (উসামাহ ইবনু উমাইর আল হাযালী) রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হতে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: “আল্লাহ পবিত্রতা ব্যতীত সালাত কবুল করেন না এবং আত্মসাত বা চুরির (গণিমাত বা অন্যান্য যেকোন খিয়ানতের) মালের সাদাকা কবুল করেন না।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: আমরা এর পূর্ণাঙ্গ তাখরীজ করেছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ১৭০৫; মাওয়ারিদুয যাম’আন নং ১৪৫। (আহমাদ ৫/৭৪, ৭৫; আবু দাউদ ৫৯; নাসাঈ ১৩৯; ইবনু মাজাহ ২৭১; ইবনু আবী শাইবা ১/৫; তাবারানী, আল কাবীর ১/১৯১ নং ৫০৫; বাগাবী, শারহুস সুন্নাহ ১/৩২৯ নং ১৫৭; তায়ালিসী ১/৪৯ নং ১৫৩; বাইহাকী ১/২৩০। মাওয়ারিদুয যাম’আন, হা/১৪৬ এর টীকা।- অনুবাদক)

এবং এর শাহিদ হাদীস রয়েছে আবু হুরাইরা হতে যার পূর্ণ তাখরীজ করেছি মুসনাদুল মাওসিলী নং ৬২৩০; আরও দেখুন, নাইলুল আওতার ১/১৪৫।

بَابُ لَا تُقْبَلُ صَلَاةٌ بِغَيْرِ طُهُورٍ

أَخْبَرَنَا سَهْلُ بْنُ حَمَّادٍ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ عَنْ قَتَادَةَ عَنْ أَبِي الْمَلِيحِ عَنْ أَبِيهِ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ لَا يَقْبَلُ اللَّهُ صَلَاةً بِغَيْرِ طُهُورٍ وَلَا صَدَقَةً مِنْ غُلُولٍ

إسناده صحيح

أخبرنا سهل بن حماد حدثنا شعبة عن قتادة عن أبي المليح عن أبيه عن النبي صلى الله عليه وسلم قال لا يقبل الله صلاة بغير طهور ولا صدقة من غلول إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আবূ মালীহ্ আল হুযালী (রহঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১. পবিত্রতা অধ্যায় (كتاب الطهارة)

 ৭১০

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ২২. সালাতের চাবি হচ্ছে পবিত্রতা

৭১০. আলী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “সালাতের চাবি হচ্ছে পবিত্রতা, আর এর তাকবীর হলো (সালাতের বাইরের সকল কাজ) হারামকারী এবং এর সালাম হলো (সালাতের বাইরের বৈধ কাজ) হালালকারী।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ হাসান।

তাখরীজ: আমরা এর তাখরীজ পূর্ণ করেছি এবং এর শাহিদ হাদীসসমূহ উল্লেখ করেছি যা একে শক্তিশালী করে, মুসনাদুল মাওসিলী নং ৬১৬ ((আহমাদ ১/১২৩, ১২৯; আবু দাউদ ৬১; তিরমিযী ৩; ইবনু মাজাহ ২৭৫; শাফিঈ, আল উম্মু ১/১০০; বাইহাকী ২/১৫; মুসনাদে আবী ইয়ালা ৬১৬; দারুকুতনী পৃ: ১৩৮। …

এর শাহিদ রয়েছে জাবির রা: হতে আহমাদ ৩/৩৪০; তিরমিযী ৩। আবু সাঈদ আল খুদরী হতে তিরযিমী ২৩৮; ইবনু মাজাহ ২৭৬ যয়ীফ সনদে; হাকিম ১/১৩২ মুসলিমের শর্তানুযায়ী সহীহ বলেছেন তিনি এবং যাহাবী তার সাথে একমত হয়েছেন। আলী রা: হতেও শাহিদ রয়েছে যা হাকিম উল্লেখ করেছেন।- তাহক্বীক্ব, মুসনাদুল মাওসিলী হা/৬১৬ এর টীকা দ্রষ্টব্য)- অনুবাদক)); মাজমাউয যাওয়াইদ ২৬২৬-২৬২৮; আরও দেখুন নাসবুর রায়াহ ১/৩০৭-৩০৮ এবং উকাইলী, আদ দুয়া’ফাউল কাবীর ২/১৩৭।

بَابُ مِفْتَاحُ الصَّلَاةِ الطُّهُورُ

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ عَنْ سُفْيَانَ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ عَقِيلٍ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ الْحَنَفِيَّةِ عَنْ عَلِيٍّ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مِفْتَاحُ الصَّلَاةِ الطُّهُورُ وَتَحْرِيمُهَا التَّكْبِيرُ وَتَحْلِيلُهَا التَّسْلِيمُ

إسناده حسن

أخبرنا محمد بن يوسف عن سفيان عن عبد الله بن محمد بن عقيل عن محمد بن الحنفية عن علي قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم مفتاح الصلاة الطهور وتحريمها التكبير وتحليلها التسليم إسناده حسن

 হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)  বর্ণনাকারীঃ আলী ইবনু আবী তালিব (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১. পবিত্রতা অধ্যায় (كتاب الطهارة)

 ৭১১

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ২৩. ওযুতে কতটুকু পানি যথেষ্ট হবে

৭১১. সাফীনাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এক মুদ্দ পানি দ্বারা ওযু করতেন এবং এক সা’আ পানি দ্বারা গোসল করতেন।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ১/৬৫; আহমাদ ৫/২২২; আবু আউয়ানাহ ১/২৩৩; ইবনুল জারুদ, মুনতাকা নং ৬২; সহীহ মুসলিম ৩২৬ (৫৩); ইবনু মাজাহ ২৬৭; বাইহাকী ১/১৯৫।

সা’আ: হলো চার মুদ্দের সমপরিমাণ। যার পরিমাণ শাফিঈদের নিকট ২১৭৫ গ্রাম ও হানাফীদের নিকট ৩৮০০ গ্রাম- ড. যুহাইলী, ফিকহুল ইসলামী ওয়া আদিল্লাতুহ।

بَابُ كَمْ يَكْفِي فِي الْوُضُوءِ مِنَ الْمَاءِ

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عِيسَى حَدَّثَنَا ابْنُ عُلَيَّةَ حَدَّثَنَا أَبُو رَيْحَانَةَ عَنْ سَفِينَةَ قَالَ كَانَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَتَوَضَّأُ بِالْمُدِّ وَيَغْتَسِلُ بِالصَّاعِ

إسناده صحيح

أخبرنا محمد بن عيسى حدثنا ابن علية حدثنا أبو ريحانة عن سفينة قال كان النبي صلى الله عليه وسلم يتوضأ بالمد ويغتسل بالصاع إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ সাফীনাহ্ (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১. পবিত্রতা অধ্যায় (كتاب الطهارة)

 ৭১২

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ২৩. ওযুতে কতটুকু পানি যথেষ্ট হবে

৭১২. আনাস রাদ্বিয়াল্লাহু বলেন: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এক ’মাক্কুক’ (পেয়ালা) পানি দ্বারা ওযু করতেন এবং পাঁচ ’মাক্কুক’ পানি দ্বারা গোসল করতেন।’[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

তাখরীজ: সহীহ মুসলিম ৩২৫; আমরা এর পূর্ণাঙ্গ তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ১২০৩, ১২০৪ এ।

بَابُ كَمْ يَكْفِي فِي الْوُضُوءِ مِنَ الْمَاءِ

أَخْبَرَنَا أَبُو الْوَلِيدِ الطَّيَالِسِيُّ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ أَخْبَرَنِي عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ جَبْرٍ قَالَ سَمِعْتُ أَنَسًا يَقُولُ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَتَوَضَّأُ بِالْمَكُّوكِ وَيَغْتَسِلُ بِخَمْسِ مَكَاكِي

إسناده صحيح

أخبرنا أبو الوليد الطيالسي حدثنا شعبة أخبرني عبد الله بن عبد الله بن جبر قال سمعت أنسا يقول كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يتوضأ بالمكوك ويغتسل بخمس مكاكي إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আনাস ইবনু মালিক (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১. পবিত্রতা অধ্যায় (كتاب الطهارة)

 ৭১৩

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ২৪. (পবিত্রতা অর্জনের) পাত্র থেকে ওযু করা

৭১৩. রুবাঈ’ বিনতে মুয়াওয়িয ইবনু আফরা’ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাদের বাড়িতে আমাদের নিকট আসতেন। তখন এক মুদ্দ ও এর তিন ভাগের একভাগ অথবা চার ভাগের একভাগ পানি ধরে, আমাদের এমন একটি পানির পাত্র নিয়ে আমি তাঁকে পানি ঢেলে দিতাম, আর তিনি (ওযুর অঙ্গসমূহ) তিন তিনবার করে ধুয়ে ওযু করতেন।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ হাসান।

 

তাখরীজ: ইবনু মাজাহ ৩৯০; বাইহাকী ২৩৭ হাসান সনদে; (অপর সনদে) আবু দাউদ ১২৬; তিরমিযী ৩৩; হাকিম ১/১৫২; আহমদ ৬/৩৫৮-৩৬০; আবু দাউদ ১২৭-১২৯ ও ১৩১; হুমাইদী নং ৩৪৫। দেখুন, নাসবুর রায়াহ ১/১২; ফাতহুল বারী ১/২৮৬; নাইলুল আওতার ১/১৭৯।

بَابُ الْوُضُوءِ مِنَ الْمِيضَأَةِ

أَخْبَرَنَا زَكَرِيَّا بْنُ عَدِيٍّ حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ عَمْرٍو عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ عَقِيلٍ عَنْ الرُّبَيِّعِ بِنْتِ مُعَوِّذِ بْنِ عَفْرَاءَ قَالَتْ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَأْتِينَا فِي مَنْزِلِنَا فَآخُذُ مِيضَأَةً لَنَا تَكُونُ مُدًّا وَثُلُثَ مُدٍّ أَوْ رُبُعَ مُدٍّ فَأَسْكُبُ عَلَيْهِ فَيَتَوَضَّأُ ثَلَاثًا ثَلَاثًا

إسناده حسن

أخبرنا زكريا بن عدي حدثنا عبيد الله بن عمرو عن عبد الله بن محمد بن عقيل عن الربيع بنت معوذ بن عفراء قالت كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يأتينا في منزلنا فآخذ ميضأة لنا تكون مدا وثلث مد أو ربع مد فأسكب عليه فيتوضأ ثلاثا ثلاثا إسناده حسن

 হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)  বর্ণনাকারীঃ রুবায়্যি‘ বিনতু মু‘আব্বিয (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১. পবিত্রতা অধ্যায় (كتاب الطهارة)

 ৭১৪

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ২৫. অযুতে ‘বিসমিল্লাহ’ বলা

৭১৪. আবু সাঈদ আল খুদরী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “যে ব্যক্তি ওযুর শুরুতে ’বিসমিল্লাহ’ বলে না, তার ওযু হয় না।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ হাসান। কিন্তু শাহিদ হাদীস থাকার কারণে হাদীসটি সহীহ।

 

তাখরীজ: আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাওসিলী নং ১০৬০, ১২২১; এর শাহিদ হাদীস আবু হুরাইরা হতে যার পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাওসিলী নং ৬৪০৯; আব্দুল্লাহ্ ইবনু যাইদ হতে যার পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাওসিলী নং ১/৩২৪। এছাড়া এটি বর্ণনা করেছেন, দারু কুতনী ১/৭১; ইবনু আবী শাইবা ১/২; ((আহমাদ ৩/৪১ নং ১১৩৮৮; ইবনু মাজাহ ৩৯৭; তাবারানী, আদ দু’আ ২/৯৭২ নং ৩৮০; তিরমিযী, আল ইলাল ১/১১২; আবু ইয়ালা ২/৪২৪ নং ১২২১; আব্দ ইবনু হুমাইদ, আল মুন্তাখাব /২৮৫ নং ৯১০।- ফাতহুল মান্নান হা/৭৩৬ এর টীকা- অনুবাদক।))

بَابُ التَّسْمِيَةِ فِي الْوُضُوءِ

أَخْبَرَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ سَعِيدٍ حَدَّثَنَا أَبُو عَامِرٍ الْعَقَدِيُّ حَدَّثَنَا كَثِيرُ بْنُ زَيْدٍ حَدَّثَنِي رُبَيْحُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيُّ عَنْ أَبِيهِ عَنْ جَدِّهِ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ لَا وُضُوءَ لِمَنْ لَمْ يَذْكُرْ اسْمَ اللَّهِ عَلَيْهِ

إسناده حسن

أخبرنا عبيد الله بن سعيد حدثنا أبو عامر العقدي حدثنا كثير بن زيد حدثني ربيح بن عبد الرحمن بن أبي سعيد الخدري عن أبيه عن جده عن النبي صلى الله عليه وسلم قال لا وضوء لمن لم يذكر اسم الله عليه إسناده حسن

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আবূ সা’ঈদ খুদরী (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১. পবিত্রতা অধ্যায় (كتاب الطهارة)

 ৭১৫

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ২৬. দু’হাত ধোয়ার পূর্বে পাত্রে প্রবেশ করানো (উচিত নয়)

৭১৫. ইবনু আউস তার দাদা আউস ইবনু আবী আউস থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে ওযু করতে দেখেছেন। আর তিনি তিনবার করে পানি ঢাললেন। অতঃপর আমি তাকে (দাদাকে) বললাম: আপনি তিনবার কোন্ জিনিসে পানি ঢাললেন? তিনি বললেন: তিনি তিনবার করে তাঁর হাত দু’টি ধুলেন।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: তায়ালিসী ১/৫১ নং ১৬৮; আহমাদ ৪/৮-৯-১০; নাসাঈ ১/৬৪; সুনানুল কুবরা নং ৮৭।

بَابُ فِيمَنْ يُدْخِلُ يَدَيْهِ فِي الْإِنَاءِ قَبْلَ أَنْ يَغْسِلَهُمَا

أَخْبَرَنَا هَاشِمُ بْنُ الْقَاسِمِ أَخْبَرَنَا شُعْبَةُ أَخْبَرَنِي النُّعْمَانُ بْنُ سَالِمٍ قَالَ سَمِعْتُ ابْنَ عَمْرِو بْنِ أَوْسٍ يُحَدِّثُ عَنْ جَدِّهِ أَوْسِ بْنِ أَبِي أَوْسٍ أَنَّهُ رَأَى رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ تَوَضَّأَ فَاسْتَوْكَفَ ثَلَاثًا فَقُلْتُ أَنَا لَهُ أَيُّ شَيْءٍ اسْتَوْكَفَ ثَلَاثًا قَالَ غَسَلَ يَدَيْهِ ثَلَاثًا

إسناده صحيح

أخبرنا هاشم بن القاسم أخبرنا شعبة أخبرني النعمان بن سالم قال سمعت ابن عمرو بن أوس يحدث عن جده أوس بن أبي أوس أنه رأى رسول الله صلى الله عليه وسلم توضأ فاستوكف ثلاثا فقلت أنا له أي شيء استوكف ثلاثا قال غسل يديه ثلاثا إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ ইবনু আউস (রহঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১. পবিত্রতা অধ্যায় (كتاب الطهارة)

 ৭১৬

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ২৭. (অঙ্গসমূহ) তিনবার করে ধুয়ে ওযু করা

৭১৬. উছমান ইবনু আফফান রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুর গোলাম হুমরান ইবনু আবান হতে বর্ণিত, উছমান রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু (একদা) ওযু করলেন। আর (প্রথমে) তিনি কুলি করলেন এবং নাকি পানি দিলেন। তারপর তিনি তিনবার তাঁর মুখমণ্ডল ধুলেন এবং দু’হাত তিনবার করে ধুলেন আর মাথা মাসেহ করলেন এবং দু’পা তিনবার করে ধুলেন। অতঃপর তিনি বললেন: আমি যেভাবে ওযু করলাম, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে দেখেছি, তিনি সেভাবেই ওযু করলেন, অতঃপর বললেন: যে ব্যক্তি আমার এ ওযুর মতো করে ওযু করবে, এরপর দু’রাকাত সালাত আদায় করবে যার মধ্যে সে আপনমনে কোনো কথাবার্তা বলবে না, তার পূর্বের সকল গুনাহ মাফ করে দেয়া হবে।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব; এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: সহীহ বুখারী ১৫৯,১৬০; সহীহ মুসলিম ২২৬; আমরা এর তাখরীজ পূর্ণরূপে দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৩৬০,১০৪১, ১০৫৮, ১০৬০ নং এ এবং মুসনাদুল ‍হুমাইদী নং ৩৫ এ। এটি আরও বর্ণনা করেছেন, ইবনুল জারুদ, আল মুনতাকা নং ৬৭; দারুকুতনী ১/৮৩ নং ১৪।

بَاب الْوُضُوءُ ثَلَاثًا

أَخْبَرَنَا نَصْرُ بْنُ عَلِيٍّ الْجَهْضَمِيُّ حَدَّثَنَا عَبْدُ الْأَعْلَى عَنْ مَعْمَرٍ عَنْ الزُّهْرِيِّ عَنْ عَطَاءِ بْنِ يَزِيدَ عَنْ حُمْرَانَ بْنِ أَبَانَ مَوْلَى عُثْمَانَ بْنِ عَفَّانَ أَنَّ عُثْمَانَ تَوَضَّأَ فَمَضْمَضَ وَاسْتَنْشَقَ وَغَسَلَ وَجْهَهُ ثَلَاثًا وَيَدَيْهِ ثَلَاثًا وَمَسَحَ بِرَأْسِهِ وَغَسَلَ رِجْلَيْهِ ثَلَاثًا ثُمَّ قَالَ رَأَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ تَوَضَّأَ كَمَا تَوَضَّأْتُ ثُمَّ قَالَ مَنْ تَوَضَّأَ وُضُوئِي هَذَا ثُمَّ صَلَّى رَكْعَتَيْنِ لَا يُحَدِّثُ فِيهِمَا نَفْسَهُ غُفِرَ لَهُ مَا تَقَدَّمَ مِنْ ذَنْبِهِ

إسناده صحيح

أخبرنا نصر بن علي الجهضمي حدثنا عبد الأعلى عن معمر عن الزهري عن عطاء بن يزيد عن حمران بن أبان مولى عثمان بن عفان أن عثمان توضأ فمضمض واستنشق وغسل وجهه ثلاثا ويديه ثلاثا ومسح برأسه وغسل رجليه ثلاثا ثم قال رأيت رسول الله صلى الله عليه وسلم توضأ كما توضأت ثم قال من توضأ وضوئي هذا ثم صلى ركعتين لا يحدث فيهما نفسه غفر له ما تقدم من ذنبه إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ হুমরান ইবনু আবান (রহঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১. পবিত্রতা অধ্যায় (كتاب الطهارة)

 ৭১৭

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ২৮. ওযুতে (অঙ্গসমূহ) দু’ দু’বার করে ধোয়া

৭১৭. আমর ইবনু ইয়াহইয়া আল মুযানী তার পিতা হতে বর্ণনা করেন যে, আব্দুল্লাহ ইবনু যাইদ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু একপাত্র পানি চাইলেন। এরপর তিনি তার দু’হাতে পানি ঢেলে হাত দু’টি তিনবার ধুলেন, আর তার মুখমণ্ডলও তিনবার ধুলেন। এরপর কনুই পর্যন্ত দু’হাত দু’ দু’বার করে ধুলেন। তারপর বললেন, আমি এভাবে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে ওযু করতে দেখেছি।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: সহীহ বুখারী ১৮৫; সহীহ মুসলিম ২৩৫; আর আমরা এর তাখরীজ পূর্ণরূপে দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ১০৭৭, ১০৮৩-১০৮৫, ১০৯৩; নং এ এবং মুসনাদুল ‍হুমাইদী নং ৪২১ এ। এছাড়া এটি বর্ণনা করেছেন, বাইহাকী, আল মা’রিফাহ ১/২৮৩ নং ৬৫৬; দারুকুতনী ১/৮২ নং ১৩।

بَابُ الْوُضُوءِ مَرَّتَيْنِ مَرَّتَيْنِ

حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ حَسَّانَ حَدَّثَنَا عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ مُحَمَّدٍ وَخَالِدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ عَنْ عَمْرِو بْنِ يَحْيَى الْمَازِنِيِّ عَنْ أَبِيهِ أَنَّ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ زَيْدٍ دَعَا بِتَوْرٍ مِنْ مَاءٍ فَأَكْفَأَ عَلَى يَدَيْهِ فَغَسَلَهُمَا ثَلَاثَ مَرَّاتٍ وَغَسَلَ وَجْهَهُ ثَلَاثًا وَيَدَيْهِ إِلَى الْمِرْفَقَيْنِ مَرَّتَيْنِ مَرَّتَيْنِ ثُمَّ قَالَ هَكَذَا رَأَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَتَوَضَّأُ

إسناده صحيح

حدثنا يحيى بن حسان حدثنا عبد العزيز بن محمد وخالد بن عبد الله عن عمرو بن يحيى المازني عن أبيه أن عبد الله بن زيد دعا بتور من ماء فأكفأ على يديه فغسلهما ثلاث مرات وغسل وجهه ثلاثا ويديه إلى المرفقين مرتين مرتين ثم قال هكذا رأيت رسول الله صلى الله عليه وسلم يتوضأ إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আমর ইবনু ইয়াহইয়া আল মুযানী (রহঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১. পবিত্রতা অধ্যায় (كتاب الطهارة)

 ৭১৮

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ২৮. ওযুতে (অঙ্গসমূহ) দু’ দু’বার করে ধোয়া

৭১৮. (অপর সনদে) আমর ইবনু ইয়াহইয়া আল মুযানী তার পিতা হতে, তিনি আব্দুল্লাহ ইবনু যাইদ রাদ্বিয়াল্লাহু হতে, তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হতে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: পূর্বের হাদীসের টীকাটি দেখুন।

بَابُ الْوُضُوءِ مَرَّتَيْنِ مَرَّتَيْنِ

أَخْبَرَنَا يَحْيَى حَدَّثَنَا عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ أَبِي سَلَمَةَ عَنْ عَمْرِو بْنِ يَحْيَى عَنْ أَبِيهِ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ زَيْدٍ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ نَحْوًا مِنْهُ

إسناده صحيح

أخبرنا يحيى حدثنا عبد العزيز بن أبي سلمة عن عمرو بن يحيى عن أبيه عن عبد الله بن زيد عن النبي صلى الله عليه وسلم نحوا منه إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আমর ইবনু ইয়াহইয়া আল মুযানী (রহঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১. পবিত্রতা অধ্যায় (كتاب الطهارة)

 ৭১৯

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ২৯. ওযুতে (অঙ্গসমূহ) একবার করে ধোয়া

৭১৯. ইবনু আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা হতে বর্ণিত, তিনি বলেন: আমি কি তোমাদেরকে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের ওযু সম্পর্কে জানাবো না, কিংবা খবর দিব না? এরপর তিনি একবার করে (অঙ্গ সমূহ ধুয়ে) ওযু করলেন, অথবা তিনি বললেন: একবার একবার (করে তিনি অঙ্গ সমূহ ধুতেন)।[1]

[1] তাহ্কবীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: সহীহ বুখারী, ১৫৭; আর আমরা এর তাখরীজ পূর্ণরূপে দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ১০৯৫। পূর্ণ তাখরীজের জন্য নিচের টীকা দেখুন।

بَابُ الْوُضُوءُ مَرَّةً مَرَّةً

أَخْبَرَنَا أَبُو عَاصِمٍ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ الثَّوْرِيُّ حَدَّثَنَا زَيْدُ بْنُ أَسْلَمَ عَنْ عَطَاءِ بْنِ يَسَارٍ عَنْ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ أَلَا أُنَبِّئُكُمْ أَوْ أَلَا أُخْبِرُكُمْ بِوُضُوءِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَتَوَضَّأَ مَرَّةً مَرَّةً أَوْ قَالَ مَرَّةً مَرَّةً

إسناده صحيح

أخبرنا أبو عاصم حدثنا سفيان الثوري حدثنا زيد بن أسلم عن عطاء بن يسار عن ابن عباس قال ألا أنبئكم أو ألا أخبركم بوضوء رسول الله صلى الله عليه وسلم فتوضأ مرة مرة أو قال مرة مرة إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আবদুল্লাহ ইবনু আব্বাস (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১. পবিত্রতা অধ্যায় (كتاب الطهارة)

 ৭২০

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ২৯. ওযুতে (অঙ্গসমূহ) একবার করে ধোয়া

৭২০. ইবনু আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা হতে বর্ণিত, তিনি বলেন: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম একবার একবার করে অঙ্গসমূহ ধুতেন এবং একবার পানি নিয়েই তা দিয়ে কুলি করতেন এবং নাকে পানি দিতেন।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: ইবনু হিব্বান নং ১০৭৬ আমাদের তাহক্বীক্বকৃত; হাকিম ১/১৫০; বাইহাকী ১/৫০; আর আমরা এর তাখরীজ পূর্ণরূপে দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান এ। আরো দেখুন সহীহ ইবনু হিব্বানে নং ১০৭৮ এবং আগের টীকাটি।

بَابُ الْوُضُوءُ مَرَّةً مَرَّةً

أَخْبَرَنَا أَبُو الْوَلِيدِ حَدَّثَنِي عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ مُحَمَّدٍ الدَّرَاوَرْدِيُّ حَدَّثَنَا زَيْدُ بْنُ أَسْلَمَ عَنْ عَطَاءِ بْنِ يَسَارٍ عَنْ ابْنِ عَبَّاسٍ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ تَوَضَّأَ مَرَّةً مَرَّةً جَمَعَ بَيْنَ الْمَضْمَضَةِ وَالِاسْتِنْشَاقِ

إسناده صحيح

أخبرنا أبو الوليد حدثني عبد العزيز بن محمد الدراوردي حدثنا زيد بن أسلم عن عطاء بن يسار عن ابن عباس أن النبي صلى الله عليه وسلم توضأ مرة مرة جمع بين المضمضة والاستنشاق إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আবদুল্লাহ ইবনু আব্বাস (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১. পবিত্রতা অধ্যায় (كتاب الطهارة)

 ৭২১

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৩০. পূর্ণরূপে ওযু করা সম্পর্কে যা বর্ণিত হয়েছে

৭২১. আবু সাঈদ আল খুদরী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বলতে শুনেছেন, তিনি বলতেন: “আমি কি তোমাদেরকে এমন একটি জিনিসের কথা জানিয়ে দেব না, যার দ্বারা আল্লাহ তোমাদের গুণাহসমূহ মোচন করবেন এবং নেকীর পরিমাণ বৃদ্ধি করে দেবেন? তারা বললেন: হ্যাঁ, ইয়া রাসূলুল্লাহ! তিনি বললেন: তা হচ্ছে কষ্টের সময় পরিপূর্ণরূপে ওযু করা, মসজিদের দিকে অধিক পদচারণা করা এবং এক সালাতের পরে পরবর্তী সালাতের জন্য অপেক্ষা করা।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ হাসান কিন্তু হাদীসটি সহীহ।

 

তাখরীজ: আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান ৪০২; মুসনাদুল মাউসিলী নং ১৩৫৫; মাওয়ারিদুয যাম’আন নং ১৬২। (সহীহ ইবনু খুযাইমাহ ১১৭, ১৭৭, ৩৫৭; হাকিম ১/১৯১, ১৯২; আহমাদ ৩/৩; বাইহাকী ২/১৬; ইবনু আবী শাইবা ১/৭; ইবনু মাজাহ ৪২৭; আর এর শাহিদ হাদীস রয়েছে আবু হুরায়রা হতে সহীহ মুসলিম ২৫১; তিরমিযী ৫১; সহীহ ইবনু হিব্বান নং ১০৩৮; তাবারানী, আল কাবীর ২৩/৪১৮; আহমদ ৫/২৭০ নং ২২৩৮০। এছাড়া জাবির রা: থেকেও এর শাহিদ বর্ণিত হয়েছে সহীহ ইবনু হিব্বান ১০৩৯; বাযযার ৪৪৯, ৪৫০।- দেখুন, মাওয়ারিদুয যাম’আন, মুহাক্বিক্বের তাহক্বীক্বকৃত নং ১৬২; ফাতহুল মান্নান নং ৭৪৩ এর টীকা।- অনুবাদক।)

بَابُ مَا جَاءَ فِي إِسْبَاغِ الْوُضُوءِ

حَدَّثَنَا زَكَرِيَّا بْنُ عَدِيٍّ حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ عَمْرٍو عَنْ ابْنِ عَقِيلٍ عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيَّبِ عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنَّهُ سَمِعَهُ يَقُولُ أَلَا أَدُلُّكُمْ عَلَى مَا يُكَفِّرُ اللَّهُ بِهِ الْخَطَايَا وَيَزِيدُ بِهِ فِي الْحَسَنَاتِ قَالُوا بَلَى قَالَ إِسْبَاغُ الْوُضُوءِ عَلَى الْمَكْرُوهَاتِ وَكَثْرَةُ الْخُطَا إِلَى الْمَسَاجِدِ وَانْتِظَارُ الصَّلَاةِ بَعْدَ الصَّلَاةِ

إسناده حسن والحديث صحيح

حدثنا زكريا بن عدي حدثنا عبيد الله بن عمرو عن ابن عقيل عن سعيد بن المسيب عن أبي سعيد الخدري عن النبي صلى الله عليه وسلم أنه سمعه يقول ألا أدلكم على ما يكفر الله به الخطايا ويزيد به في الحسنات قالوا بلى قال إسباغ الوضوء على المكروهات وكثرة الخطا إلى المساجد وانتظار الصلاة بعد الصلاة إسناده حسن والحديث صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আবূ সা’ঈদ খুদরী (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১. পবিত্রতা অধ্যায় (كتاب الطهارة)

 ৭২২

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৩০. পূর্ণরূপে ওযু করা সম্পর্কে যা বর্ণিত হয়েছে

৭২২. (অপর সনদে) আবু সাঈদ আল খুদরী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বলতে শুনেছেন, তিনি বলতেন: (পূর্বের হাদীসের) অনুরূপ বর্ণনা করেন।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ হাসান।

 

তাখরীজ: আবু ইয়ালা মাউসিলী নং ১৩৫৫; পূর্ণ তাখরীজ দেখুন পূর্বের হাদীসের টীকায়।

بَابُ مَا جَاءَ فِي إِسْبَاغِ الْوُضُوءِ

حَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ مَسْعُودٍ حَدَّثَنَا زُهَيْرُ بْنُ مُحَمَّدٍ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ هُوَ ابْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَقِيلٍ عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيَّبِ عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ أَنَّهُ سَمِعَ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَذَكَرَ بِنَحْوِهِ

إسناده حسن

حدثنا موسى بن مسعود حدثنا زهير بن محمد عن عبد الله هو ابن محمد بن عقيل عن سعيد بن المسيب عن أبي سعيد الخدري أنه سمع رسول الله صلى الله عليه وسلم فذكر بنحوه إسناده حسن

 হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)  বর্ণনাকারীঃ আবূ সা’ঈদ খুদরী (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১. পবিত্রতা অধ্যায় (كتاب الطهارة)

 ৭২৩

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৩০. পূর্ণরূপে ওযু করা সম্পর্কে যা বর্ণিত হয়েছে

৭২৩. ইবনু আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হতে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: “আমাদেরকে পরিপূর্ণরূপে ওযু করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।”[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: আহমাদ ১/২৩২; বাইহাকী ১০/২৩; মা’রেফাহ ১৪/৯৯ নং ১৯২৭৫; ইবনু মাজাহ ৪২৬; ইবনু খুযাইমাহ নং১৭৫; তিরমিযী ১৭০১; আবু দাউদ ৮০৮; নাসাঈ ১/৮৯; তিরমিযী বলেন: এ অনুচ্ছেদে আলী রা: হতেও হাদীস বর্ণিত হয়েছে। আর এ হাদীসটি হাসান সহীহ।’’; তাবারানী, আল কাবীর ১১/১৫৫ নং ১১৩৪৪ সহীহ সনদে।

بَابُ مَا جَاءَ فِي إِسْبَاغِ الْوُضُوءِ

حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ عَنْ أَبِي الْجَهْضَمِ عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ عَنْ ابْنِ عَبَّاسٍ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ أُمِرْنَا بِإِسْبَاغِ الْوُضُوءِ

إسناده صحيح

حدثنا مسدد حدثنا حماد بن زيد عن أبي الجهضم عن عبيد الله بن عبد الله عن ابن عباس عن النبي صلى الله عليه وسلم قال أمرنا بإسباغ الوضوء إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আবদুল্লাহ ইবনু আব্বাস (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১. পবিত্রতা অধ্যায় (كتاب الطهارة)

 ৭২৪

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৩১. কুলি করা সম্পর্কে

৭২৪. আবদু খায়ের বর্ণনা করেন: একদা আলী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু ফজর সালাত আদায় করার পর (কুফার) খোলা ময়দানে গমন করলেন। আর তিনি ময়দানে বসে পড়লেন। তারপর তিনি তার গোলামকে বললেন: আমার জন্য ওযুর পানি নিয়ে আসো। ফলে গোলামটি এক পাত্র পানি এবং একটি খালি গামলা নিয়ে এলো। আবদু খায়ের বলেন: আমরা বসে তার দিকে দেখছিলাম। তখন তিনি ডান হাত পাত্রে ঢুকিয়ে দিলেন মুখ ভর্তি পানি নিয়ে কুলি করলেন এবং নাকে পানি দিলেন এবং বাম হাত দিয়ে নাক পরিষ্কার করলেন। তিনি তিনবার এরকম করলেন। অতঃপর বললেন: যে ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের ওযু দেখে আনন্দিত হতে চায়, (সে যেন আমার এ ওযু দেখে নেয়)। কেননা, এটিই ছিল তাঁর ওযু।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরজি: আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান ১০৫৬, ১০৭৯; মুসনাদুল মাউসিলী নং ২৮৬; মাওয়ারিদুয যাম’আন নং ১৫০, ১৫১। (ইবনু খুযাইমা, ১৪৭; আবু দাউদ ১১১,১১২; তিরমিযী ৪৯; নাসাঈ ১/৬৮; বাইহাকী আল কুবরা ১/৪৭, ৪৮, ৬৮, ৭৪; ইবনু হিব্বান ১০৪২; দারুকুতনী ১/৩৩।- মাওয়ারিদুয যাম’আন নং ১৫০ এর টীকা হতে।-অনুবাদক।)

بَابٌ فِي الْمَضْمَضَةِ

أَخْبَرَنَا أَبُو الْوَلِيدِ الطَّيَالِسِيُّ حَدَّثَنَا زَائِدَةُ حَدَّثَنَا خَالِدُ بْنُ عَلْقَمَةَ الْهَمْدَانِيُّ حَدَّثَنِي عَبْدُ خَيْرٍ قَالَ دَخَلَ عَلِيٌّ الرَّحَبَةَ بَعْدَمَا صَلَّى الْفَجْرَ قَالَ فَجَلَسَ فِي الرَّحَبَةِ ثُمَّ قَالَ لِغُلَامٍ لَهُ ائْتِنِي بِطَهُورٍ قَالَ فَأَتَاهُ الْغُلَامُ بِإِنَاءٍ فِيهِ مَاءٌ وَطَسْتٍ قَالَ عَبْدُ خَيْرٍ وَنَحْنُ جُلُوسٌ نَنْظُرُ إِلَيْهِ فَأَدْخَلَ يَدَهُ الْيُمْنَى فَمَلَأَ فَمَهُ فَمَضْمَضَ وَاسْتَنْشَقَ وَنَثَرَ بِيَدِهِ الْيُسْرَى فَعَلَ هَذَا ثَلَاثَ مَرَّاتٍ ثُمَّ قَالَ مَنْ سَرَّهُ أَنْ يَنْظُرَ إِلَى طُهُورِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَهَذَا طُهُورُهُ

 

إسناده صحيح

أخبرنا أبو الوليد الطيالسي حدثنا زائدة حدثنا خالد بن علقمة الهمداني حدثني عبد خير قال دخل علي الرحبة بعدما صلى الفجر قال فجلس في الرحبة ثم قال لغلام له ائتني بطهور قال فأتاه الغلام بإناء فيه ماء وطست قال عبد خير ونحن جلوس ننظر إليه فأدخل يده اليمنى فملأ فمه فمضمض واستنشق ونثر بيده اليسرى فعل هذا ثلاث مرات ثم قال من سره أن ينظر إلى طهور رسول الله صلى الله عليه وسلم فهذا طهوره إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ খায়ছামা বিন আব্দুর রহমান (রহঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১. পবিত্রতা অধ্যায় (كتاب الطهارة)

 ৭২৫

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৩১. কুলি করা সম্পর্কে

৭২৫. (অপর সনদে) আবদে খায়ের (পরবর্তী একই রাবী সূত্রে) অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেন।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: এটি পূর্বের হাদীসের পুনরাবৃত্তি ।

بَابٌ فِي الْمَضْمَضَةِ

أَخْبَرَنَا أَبُو نُعَيْمٍ حَدَّثَنَا حَسَنُ بْنُ عُقْبَةَ الْمُرَادِيُّ أَخْبَرَنِي عَبْدُ خَيْرٍ بِإِسْنَادِهِ نَحْوَهُ

إسناده صحيح

أخبرنا أبو نعيم حدثنا حسن بن عقبة المرادي أخبرني عبد خير بإسناده نحوه إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আবদু খায়ের (রহঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১. পবিত্রতা অধ্যায় (كتاب الطهارة)

 ৭২৬

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৩২. নাকে পানি দেওয়া এবং পাথর দ্বারা কুলুখ করা সম্পর্কে

৭২৬. আবু হুরাইরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ ‍আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেছেন: “যে নাকে পানি দেয়, সে যেন নাক ঝেড়ে ফেলে এবং যে পাথর (কুলখ) দ্বারা (পেশাব-পায়খানার পর) পবিত্রতা অর্জন করতে চায়, সে যেন তা বিজোড় সংখ্যায় ব্যবহার করে।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ যয়ীফ। মুহাম্মদ ইবনু ইসহাক মুদাল্লিস আর সে এটি ‘আন আন’ পদ্ধতিতে বর্ণনা করেছেন। কিন্তু হাদীটি সহীহ বুখারী-মুসলিমের।

 

তাখরীজ: সহীহ বুখারী ১৬১; সহীহ মুসলিম ২৩৭; পূর্ণ তাখরীজের জন্য দেখুন সহীহ ইবনু হিব্বান ১৪৩৮, ১৪৩৯; মুসনাদুল মাউসিলী নং ৫৯০৯, ৬৫৭২; মুসনাদুল হুমাইদী নং ৯৮৭।

بَابٌ فِي الِاسْتِنْشَاقِ وَالِاسْتِجْمَارِ

أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ خَالِدٍ حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ إِسْحَقَ عَنْ الزُّهْرِيِّ عَنْ عَائِذِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ قَالَ سَمِعْتُ أَبَا هُرَيْرَةَ يَقُولُ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ مَنْ اسْتَنْشَقَ فَلْيَسْتَنْثِرْ وَمَنْ اسْتَجْمَرَ فَلْيُوتِرْ

 

إسناده ضعيف محمد بن إسحاق قد عنعن وهو مدلس. ولكن الحديث صحيح

أخبرنا أحمد بن خالد حدثنا محمد بن إسحق عن الزهري عن عائذ الله بن عبد الله قال سمعت أبا هريرة يقول سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول من استنشق فليستنثر ومن استجمر فليوتر إسناده ضعيف محمد بن إسحاق قد عنعن وهو مدلس. ولكن الحديث صحيح

 হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai’f)  বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরায়রা (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১. পবিত্রতা অধ্যায় (كتاب الطهارة)

 ৭২৭

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৩৩. দাড়ি খিলাল করা সম্পর্কে

৭২৭. শাক্বীক্ব ইবনু সালামাহ বলেন, আমি উছমান রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুকে ওযু করতে দেখেছি। আর তিনি দাড়ি খিলাল করলেন এবং বললেন: আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে এভাবে ওযু করতে দেখেছি।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ হাসান, আমির ইবনু শাক্বীক্ব এর কারণে। কিন্তু হাদীসটি সহীহ।

 

তাখরীজ: আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান ১০৮১; মাওয়ারিদুয যাম’আন নং ১৫৪। আরও দেখুন নাইলুল আওতার ১/১৮৪-১৮৬; দিরায়াহ ১/২২-২৪; তালখীসুল হাবীর ১/৮৫-৮৭; নিসবুর রায়াহ ১/২৩। সামনেও এ সম্পর্কিত হাদীস আসছে।

بَاب فِي تَخْلِيلِ اللِّحْيَةِ

أَخْبَرَنَا مَالِكُ بْنُ إِسْمَعِيلَ حَدَّثَنَا إِسْرَائِيلُ عَنْ عَامِرِ بْنِ شَقِيقٍ عَنْ شَقِيقِ بْنِ سَلَمَةَ قَالَ رَأَيْتُ عُثْمَانَ تَوَضَّأَ فَخَلَّلَ لِحْيَتَهُ وَقَالَ هَكَذَا رَأَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ تَوَضَّأَ

إسناده حسن

أخبرنا مالك بن إسمعيل حدثنا إسرائيل عن عامر بن شقيق عن شقيق بن سلمة قال رأيت عثمان توضأ فخلل لحيته وقال هكذا رأيت رسول الله صلى الله عليه وسلم توضأ إسناده حسن

 হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)  বর্ণনাকারীঃ শাক্বীক ইবনু সালামা (রহঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১. পবিত্রতা অধ্যায় (كتاب الطهارة)

 ৭২৮

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৩৪. আঙ্গুলসমূহ খেলাল করা সম্পর্কে

৭২৮. লাকিত্ব ইবনু সাবরাহ তার পিতা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু) হতে বর্ণনা করেন, যিনি বানু আল মুনতাফিক গোত্রের প্রতিনিধি ছিলেন, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হতে বর্ণনা করেন, তিনি বলেছেন: তুমি যখন ওযু করবে, তখন পরিপূর্ণরূপে ওযু করবে এবং তোমার আঙ্গুলসমূহের মাঝে খিলাল করবে।[1]

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।

 

তাখরীজ: আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান ১০৫৪; মাওয়ারিদুয যাম’আন নং ১৫৯। এটি আরও রয়েছে, ইবনুল জারুদ নং ৮০; দেখুন নাইলুল আওতার ১/১৭৯-১৮০।

باب في تخليل الأصابع

أَخْبَرَنَا أَبُو عَاصِمٍ أَخْبَرَنَا ابْنُ جُرَيْجٍ أَخْبَرَنِي إِسْمَعِيلُ بْنُ كَثِيرٍ عَنْ عَاصِمِ بْنِ لَقِيطِ بْنِ صَبِرَةَ عَنْ أَبِيهِ وَافِدِ بَنِي الْمُنْتَفِقِ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ إِذَا تَوَضَّأْتَ فَأَسْبِغْ وُضُوءَكَ وَخَلِّلْ بَيْنَ أَصَابِعِكَ

إسناده صحيح

أخبرنا أبو عاصم أخبرنا ابن جريج أخبرني إسمعيل بن كثير عن عاصم بن لقيط بن صبرة عن أبيه وافد بني المنتفق عن النبي صلى الله عليه وسلم قال إذا توضأت فأسبغ وضوءك وخلل بين أصابعك إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ লাকিত্ব ইবনু সাবরাহ (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১. পবিত্রতা অধ্যায় (كتاب الطهارة)

 ৭২৯

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৩৫. (ওযুর সময় শুকনো থাকা) পায়ের গোড়ালির জন্য রয়েছে জাহান্নামের কঠিন শাস্তি

৭২৯. আব্দুল্লাহ ইবনু আমর রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: (ওযুর সময় শুকনো থাকা) পায়ের গোড়ালীর জন্য রয়েছে জাহান্নামের কঠিন শাস্তি। (তাই), তোমরা পরিপূর্ণরূপে ওযু করো।”[1]

 

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ হাসান।

 

তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ১/২৬; তার সূত্রে সহীহ মুসলিম ২৪১; ইবনু মাজাহ ৪৫০; আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান ১০৫৫; আরও দেখুন নাইলুল আওতার ১/২০৭-২১০; তাফসীর তাবারী ৬/১৩৩. ১৩৪।

بَابٌ: وَيْلٌ لِلْأَعْقَابِ مِنَ النَّارِ

أَخْبَرَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ أَخْبَرَنَا جَعْفَرٌ هُوَ ابْنُ الْحَارِثِ عَنْ مَنْصُورٍ عَنْ هِلَالِ بْنِ يَسَافٍ عَنْ أَبِي يَحْيَى عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَيْلٌ لِلْأَعْقَابِ مِنْ النَّارِ أَسْبِغُوا الْوُضُوءَ

إسناده حسن

أخبرنا يزيد بن هارون أخبرنا جعفر هو ابن الحارث عن منصور عن هلال بن يساف عن أبي يحيى عن عبد الله بن عمرو قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ويل للأعقاب من النار أسبغوا الوضوء إسناده حسن

 হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)  বর্ণনাকারীঃ আবদুল্লাহ ইবনু আমর ইবনুল আস (রাঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১. পবিত্রতা অধ্যায় (كتاب الطهارة)

 ৭৩০

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ ৩৫. (ওযুর সময় শুকনো থাকা) পায়ের গোড়ালির জন্য রয়েছে জাহান্নামের কঠিন শাস্তি

৭৩০. মুহাম্মদ ইবনু যিয়াদ হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি আবু হুরাইরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে শুনেছি। তিনি (বর্ণনাকারী) বলেন, তিনি একদিন আমাদের নিকট দিয়ে যাচ্ছিলেন আর লোকেরা পানির পাত্র থেকে পানি নিয়ে ওযু করছিলো, আর তিনি বলছিলেন, তোমরা পরিপূর্ণরূপে ওযু করো। কেননা, আবুল কাসিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: (ওযুর সময় শুকনো থাকা) পায়ের গোড়ালীর জন্য রয়েছে জাহান্নামের কঠিন শাস্তি।[1]

আবু মুহাম্মদ (দারেমী) বলেন: আব্দুল্লাহ ইবনু আমর-এর হাদীস অপেক্ষা এটি আমার নিকট অধিক পছন্দনীয়।

[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ। হাদীসটি বুখারী-মুসলিমে বর্ণিত।

 

তাখরীজ: সহীহ বুখারী ১৬৫; সহীহ মুসলিম ২৪২;

 

আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান ১০৮৮। আরও দেখুন নাইলুল আওতার ১/২১০-২১২।

بَابٌ: وَيْلٌ لِلْأَعْقَابِ مِنَ النَّارِ

أَخْبَرَنَا هَاشِمُ بْنُ الْقَاسِمِ أَخْبَرَنَا شُعْبَةُ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ زِيَادٍ قَالَ سَمِعْتُ أَبَا هُرَيْرَةَ قَالَ كَانَ يَمُرُّ بِنَا وَالنَّاسُ يَتَوَضَّئُونَ مِنْ الْمِطْهَرَةِ وَيَقُولُ أَسْبِغُوا الْوُضُوءَ قَالَ أَبُو الْقَاسِمِ وَيْلٌ لِلْأَعْقَابِ مِنْ النَّارِ قَالَ أَبُو مُحَمَّد هَذَا أَعْجَبُ إِلَيَّ مِنْ حَدِيثِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو

إسناده صحيح

أخبرنا هاشم بن القاسم أخبرنا شعبة عن محمد بن زياد قال سمعت أبا هريرة قال كان يمر بنا والناس يتوضئون من المطهرة ويقول أسبغوا الوضوء قال أبو القاسم ويل للأعقاب من النار قال أبو محمد هذا أعجب إلي من حديث عبد الله بن عمرو إسناده صحيح

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ মুহাম্মাদ ইবনু যিয়াদ (রহঃ)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)  ১. পবিত্রতা অধ্যায় (كتاب الطهارة)

মন্তব্য করুন

Top