You are here

আহমদ মুসনাদে আলী ইবনে আবি তালিব (রাঃ) [আলীর বর্ণিত হাদীস] অধ্যায় ১২শ ভাগ হাদিস নং ১২৮১ – ১৩৮০

পরিচ্ছেদঃ

১২৮১। ৬৯০ নং হাদীস দ্রষ্টব্য [দেখুন পূর্বের হাদিস]

 হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   মুসনাদে আহমাদ  মুসনাদে আলী ইবনে আবি তালিব (রাঃ) [আলীর বর্ণিত হাদীস] (مسند علي بن أبي طالب)

পরিচ্ছেদঃ

১২৮২। ৬৯০ নং হাদীস দ্রষ্টব্য। [দেখুন হাদিস নং ১২৮০]

 হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   মুসনাদে আহমাদ  মুসনাদে আলী ইবনে আবি তালিব (রাঃ) [আলীর বর্ণিত হাদীস] (مسند علي بن أبي طالب)

 ১২৮৩

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ

১২৮৩। ৬৯০ নং হাদীস দ্রষ্টব্য। [দেখুন হাদিস নং ১২৮০]

 হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   মুসনাদে আহমাদ  মুসনাদে আলী ইবনে আবি তালিব (রাঃ) [আলীর বর্ণিত হাদীস] (مسند علي بن أبي طالب)

 ১২৮৪

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ

১২৮৪। ১২৩৯ নং হাদীস দ্রষ্টব্য।

আলী (রাঃ) বলেছেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একটি জানাযায় ছিলেন। তারপর বললেনঃ তোমাদের মধ্যে এমন কে আছে যে, মদীনায় গিয়ে সকল মূর্তি ভেঙ্গে দেবে, সকল কবর সমান করে দেবে এবং সকল ছবির ওপর কালো কালি মেখে দেবে? এক ব্যক্তি দাঁড়িয়ে বললোঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ, আমি পারবো। অতঃপর সে চলে গেল। কিন্তু মদীনাবাসীর ভয়ে ভীত হয়ে ফিরে এল। তখন আলী (রাঃ) বললেনঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ, আমি যাবো। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ বেশ, যাও। তিনি গেলেন, আবার ফিরে এলেন। এসে বললেনঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ, আমি প্রতিটি মূর্তি ভেঙ্গে এসেছি, প্রতিটি কবর সমান করে এসেছি এবং প্রতিটি ছবিতে কালি মেখে এসেছি। তারপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ এর একটিও যে ব্যক্তি পুনরায় করবে, সে মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নাযিলকৃত দীনকে অস্বীকার করবে। তারপর বললেনঃ কেউ নির্যাতনকারী হয়ো না, অহংকারী হয়ো না, ব্যবসায়ী হয়ো না, তবে সৎ ব্যবসায়ী হয়ো। কেননা এসকল (নির্যাতনকারী, অহংকারী ও অসৎ ব্যবসায়ী) লোক সৎকাজে পেছনে পড়ে যাবে। (সুতরাং কোন অজুহাতেই কোন প্রাণীর ছবি বা প্রতিকৃতি তৈরি করা ও স্থাপন করা ইসলাম সম্মত নয়।)

[হাদিসটি সহীহ লিগায়রিহী, তবে এই সানাদটি দুর্বল।]

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   মুসনাদে আহমাদ  মুসনাদে আলী ইবনে আবি তালিব (রাঃ) [আলীর বর্ণিত হাদীস] (مسند علي بن أبي طالب)

 ১২৮৫

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ

১২৮৫। ৬৯০ নং হাদীস দ্রষ্টব্য

৬৯০। আলী (রাঃ) বলেছেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে বলেছেনঃ তোমার কাছে যখন দুই ব্যক্তি বাদী ও বিবাদী হয়ে আসবে, তখন একজনকে বাদ দিয়ে অপরজনের বক্তব্য শুনো না। দু’জনেরই বক্তব্য শুনলে বুঝবে কিভাবে বিচার করতে হয়। আলী (রাঃ) বলেনঃ এরপর থেকে আমি বিচারক হিসাবে কাজ করতে লাগলাম।

 হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   মুসনাদে আহমাদ  মুসনাদে আলী ইবনে আবি তালিব (রাঃ) [আলীর বর্ণিত হাদীস] (مسند علي بن أبي طالب)

 ১২৮৬

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ

১২৮৬। ৮৪৩ নং হাদীস দ্রষ্টব্য

৮৪৩। আলী (রাঃ) বলেছেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাকে তাঁর পক্ষ হতে কুরবানী করার আদেশ দিয়েছেন। তাই আমি সব সময় তাঁর পক্ষ হতে কুরবানী করে থাকি।

 হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai’f)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   মুসনাদে আহমাদ  মুসনাদে আলী ইবনে আবি তালিব (রাঃ) [আলীর বর্ণিত হাদীস] (مسند علي بن أبي طالب)

 ১২৮৭

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ

১২৮৭। আলী (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন তাঁকে মুশরিকদেরকে সূরা বারায়াত শুনাতে পাঠালেন, তখন তিনি বললেন, হে আল্লাহর নবী, আমি তেমন বাকপটু কিংবা বড় বক্তা নই। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, এই ঘোষণা দিতে হয় তোমাকে না হয় আমাকে যেতেই হবে। তখন আলী (রাঃ) বললেন, এমন জরুরী যদি হয় তবে আমিই যাবো। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, তাহলে যাও। আল্লাহ তোমার জিহ্বাকে দৃঢ়তা দেবেন ও মনকে সুপথ দেখাবেন। তারপর তাঁর হাত আলীর (রাঃ) মুখের উপর রাখলেন।

حَدَّثَنَا عَبْدُ اللهِ، حَدَّثَنِي أَبُو بَكْرٍ، حَدَّثَنَا عَمْرُو بْنُ حَمَّادٍ، عَنْ أَسْبَاطِ بْنِ نَصْرٍ، عَنْ سِمَاكٍ، عَنْ حَنَشٍ، عَنْ عَلِيٍّ: أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ حِينَ بَعَثَهُ بِبَرَاءَةٌ، فَقَالَ: يَا نَبِيَّ اللهِ إِنِّي لَسْتُ بِاللَّسِنِ، وَلا بِالْخَطِيبِ، قَالَ: ” مَا بُدٌّ أَنْ أَذْهَبَ بِهَا أَنَا أَوْ تَذْهَبَ بِهَا أَنْتَ ” قَالَ: فَإِنْ كَانَ وَلا بُدَّ فَسَأَذْهَبُ أَنَا. قَالَ: ” فَانْطَلِقْ فَإِنَّ اللهَ يُثَبِّتُ لِسَانَكَ وَيَهْدِي قَلْبَكَ قَالَ: ثُمَّ وَضَعَ يَدَهُ عَلَى فَمِهِ

 

 

حسن لغيره، حنش- وهو ابن المعتمر الكناني- قد توبع، فقد رواه بنحوه ابن حبان في “صحيحه” (5065) من طريق عمرو بن حماد، عن أسباط بن نصر، عن سماك بن حرب، عن عكرمة، عن ابن عباس، عن علي، وانظر تمام تخريجه هناك، وباقي رجال الإسناد رجال الصحيح.

أبو بكر: هو ابن أبي شيبة، وعمرو بن حماد: هو القناد

حدثنا عبد الله، حدثني أبو بكر، حدثنا عمرو بن حماد، عن أسباط بن نصر، عن سماك، عن حنش، عن علي: أن النبي صلى الله عليه وسلم حين بعثه ببراءة، فقال: يا نبي الله إني لست باللسن، ولا بالخطيب، قال: ” ما بد أن أذهب بها أنا أو تذهب بها أنت ” قال: فإن كان ولا بد فسأذهب أنا. قال: ” فانطلق فإن الله يثبت لسانك ويهدي قلبك قال: ثم وضع يده على فمه – حسن لغيره، حنش- وهو ابن المعتمر الكناني- قد توبع، فقد رواه بنحوه ابن حبان في “صحيحه” (5065) من طريق عمرو بن حماد، عن أسباط بن نصر، عن سماك بن حرب، عن عكرمة، عن ابن عباس، عن علي، وانظر تمام تخريجه هناك، وباقي رجال الإسناد رجال الصحيح. أبو بكر: هو ابن أبي شيبة، وعمرو بن حماد: هو القناد

 হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   মুসনাদে আহমাদ  মুসনাদে আলী ইবনে আবি তালিব (রাঃ) [আলীর বর্ণিত হাদীস] (مسند علي بن أبي طالب)

 ১২৮৮

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ

১২৮৮। আলী (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উহুদ যুদ্ধের দিন বললেন, ওরা আমাদেরকে সূর্য ডুবে যাওয়া পর্যন্ত যুদ্ধে ব্যস্ত রেখে আসরের নামায থেকে বিরত রেখেছে। আল্লাহ তাদের কবর, তাদের বাড়িঘর ও তাদের পেটকে আগুন দিয়ে ভরে দিন।

[ইবনু খুযাইমা-১৩৩৬, ইবনু মাজাহ-৬৮৪]

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ جَابِرٍ، أَنَّ عَاصِمَ ابْنَ بَهْدَلَةَ، قَالَ: سَمِعْتُ زِرًّا، يُحَدِّثُ عَنْ عَلِيٍّ، عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنَّهُ قَالَ يَوْمَ أُحُدٍ: ” شَغَلُونَا عَنْ صَلاةِ الْوُسْطَى حَتَّى آبَتِ الشَّمْسُ، مَلَأَ اللهُ قُبُورَهُمْ وَبُيُوتَهُمْ وَبُطُونَهُمْ نَارًا

 

 

صحيح لغيره، جابر- وهو ابن يزيد الجعفي وإن كان ضعيفا- قد توبع عند غير المؤلف، وباقي رجاله ثقات رجال الشيخين غيرَ عاصم بن بهدلة، فمن رجال أصحاب السنن وروى له الشيخان مقرونا، وهو حسن الحديث، وقد تقدم الحديثُ عن علي بأسانيد أصح مِن هذا، فانظر (591) و (617)

وأخرجه عبد الرزاق (2192) ، وابن أبي شيبة 2/504، وابن ماجه (684) ، والبزار (557) و (558) ، وأبو يعلى (386) و (387) و (390) ، وا بن خزيمة (1336) ، والطبري 2/558، والطحاوي 1/173 و174، وابن حبان (1745) ، والبيهقي 1/460، والبغوي في “شرح السنة” (387) من طرق عن عاصم، بهذا الإسناد. وفي بعض هذه المصادر “يوم الخندق”، وهو الصواب

حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، عن جابر، أن عاصم ابن بهدلة، قال: سمعت زرا، يحدث عن علي، عن النبي صلى الله عليه وسلم أنه قال يوم أحد: ” شغلونا عن صلاة الوسطى حتى آبت الشمس، ملأ الله قبورهم وبيوتهم وبطونهم نارا – صحيح لغيره، جابر- وهو ابن يزيد الجعفي وإن كان ضعيفا- قد توبع عند غير المؤلف، وباقي رجاله ثقات رجال الشيخين غير عاصم بن بهدلة، فمن رجال أصحاب السنن وروى له الشيخان مقرونا، وهو حسن الحديث، وقد تقدم الحديث عن علي بأسانيد أصح من هذا، فانظر (591) و (617) وأخرجه عبد الرزاق (2192) ، وابن أبي شيبة 2/504، وابن ماجه (684) ، والبزار (557) و (558) ، وأبو يعلى (386) و (387) و (390) ، وا بن خزيمة (1336) ، والطبري 2/558، والطحاوي 1/173 و174، وابن حبان (1745) ، والبيهقي 1/460، والبغوي في “شرح السنة” (387) من طرق عن عاصم، بهذا الإسناد. وفي بعض هذه المصادر “يوم الخندق”، وهو الصواب

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   মুসনাদে আহমাদ  মুসনাদে আলী ইবনে আবি তালিব (রাঃ) [আলীর বর্ণিত হাদীস] (مسند علي بن أبي طالب)

 ১২৮৯

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ

১২৮৯। ৬৩৫ নং হাদীস দ্রষ্টব্য।

৬৩৫। আলী (রাঃ) বলেছেন, দশ ব্যক্তিকে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম অভিশাপ দিয়েছেনঃ সুদখোর, সুদদাতা, সুদ সংক্রান্ত বিষয়ের লেখক, সুদের দু’জন সাক্ষী, হিল্লাকারী, যার জন্য হিল্লা করা হয়, যে ব্যক্তি যাকাত দেয় না, উল্কি অঙ্কনকারী, যে উল্কি করায়।

 হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   মুসনাদে আহমাদ  মুসনাদে আলী ইবনে আবি তালিব (রাঃ) [আলীর বর্ণিত হাদীস] (مسند علي بن أبي طالب)

 ১২৯০

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ

১২৯০। ৬০৮ নং হাদীস দ্রষ্টব্য।

৬০৮। আলী (রাঃ) বলেছেন, আমি দিনে ও রাতে দু’বার রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট যেতাম। তিনি নামাযরত অবস্থায় যখন যেতাম, তখন তিনি কাশি দিতেন। একদিন রাতে তার কাছে গেলাম। তিনি বললেনঃ ফেরেশতা আজ রাতে কী ঘটনা ঘটিয়েছে? আমি নামায পড়ছিলাম। সহসা বাড়িতে মৃদু শব্দ শুনতে পেলাম। তখন আমি বের হলাম। দেখলাম জিবরীল (আলাইহিস সালাম) উপস্থিত। তিনি বললেন, আমি আজ সারা রাত আপনার অপেক্ষায় ছিলাম। আপনার ঘরে একটা কুকুর রয়েছে, সেজন্য আমি ঢুকতে পারিনি। আমরা এমন ঘরে ঢুকিনা যেখানে কুকুর, জুনুব (এমন অপবিত্র ব্যক্তি যার ওপর গোসল করা জরুরী) এবং ছবি থাকে।

 হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai’f)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   মুসনাদে আহমাদ  মুসনাদে আলী ইবনে আবি তালিব (রাঃ) [আলীর বর্ণিত হাদীস] (مسند علي بن أبي طالب)

 ১২৯১

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ

১২৯১। ৫৮৬ নং হাদীস দ্রষ্টব্য।

৫৮৬। আলী (রাঃ) বলেছেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে এই তর্জনীতে বা তার পার্শ্ববতী আঙ্গুলে আঙটি পরতে নিষেধ করেছেন।

[হাদিসটি হাসান এবং উক্ত সানাদ দুর্বল]

 হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   মুসনাদে আহমাদ  মুসনাদে আলী ইবনে আবি তালিব (রাঃ) [আলীর বর্ণিত হাদীস] (مسند علي بن أبي طالب)

 ১২৯২

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ

১২৯২। ৬২৯ নং হাদীস দ্রষ্টব্য।

৬২৯। আলী (রাঃ) বলেছেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমরা আমার নামে মিথ্যা কথা রটিও না। যে ব্যক্তি আমার নামে মিথ্যা রটাবে, সে জাহান্নামে যাবে।

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   মুসনাদে আহমাদ  মুসনাদে আলী ইবনে আবি তালিব (রাঃ) [আলীর বর্ণিত হাদীস] (مسند علي بن أبي طالب)

 ১২৯৩

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ

১২৯৩। ৬৩৩ নং হাদীস দ্রষ্টব্য।

৬৩৩। আলী (রাঃ) বলেছেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কানকাটা ও শিং ভাঙ্গা জন্তু দিয়ে কুরবানী দিতে নিষেধ করেছেন।

 হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   মুসনাদে আহমাদ  মুসনাদে আলী ইবনে আবি তালিব (রাঃ) [আলীর বর্ণিত হাদীস] (مسند علي بن أبي طالب)

 ১২৯৪

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ

১২৯৪। ৬৩৩ নং হাদীস দ্রষ্টব্য। [দেখুন পূর্বের হাদিস]

 হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   মুসনাদে আহমাদ  মুসনাদে আলী ইবনে আবি তালিব (রাঃ) [আলীর বর্ণিত হাদীস] (مسند علي بن أبي طالب)

 ১২৯৫

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ

১২৯৫। ৭৫১ নং হাদীস দ্রষ্টব্য।

৭৫১। আলী (রাঃ) বলেছেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বিতরের শেষে (এই দু’আ) পড়তেনঃ হে আল্লাহ, তোমার ক্ৰোধ থেকে তোমার সন্তষ্টির, তোমার শান্তি থেকে তোমার নিরাপত্তার এবং তোমার থেকে তোমার কাছে আশ্রয় চাইছি। তোমার প্রশংসা করে শেষ করতে পারি না। তুমি তেমনই যেমন নিজের প্ৰশংসা নিজে করেছ।

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   মুসনাদে আহমাদ  মুসনাদে আলী ইবনে আবি তালিব (রাঃ) [আলীর বর্ণিত হাদীস] (مسند علي بن أبي طالب)

 ১২৯৬

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ

১২৯৬। ৬৯১ নং হাদীস দ্রষ্টব্য।

৬৯১। আলী (রাঃ) বলেছেন, যখনই রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কোন সফরের ইচ্ছা করতেন, বলতেনঃ হে আল্লাহ্‌! আমি তোমার নামে কোন কিছুর ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ি, তোমারই নামে স্থানান্তরিত হই এবং তোমারই নামে ভ্ৰমণ করি।

 হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai’f)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   মুসনাদে আহমাদ  মুসনাদে আলী ইবনে আবি তালিব (রাঃ) [আলীর বর্ণিত হাদীস] (مسند علي بن أبي طالب)

 ১২৯৭

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ

১২৯৭। আলী (রাঃ) বলেন, যখন সূরা বারায়াতের প্রথম দশ আয়াত নাযিল হলো, তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আবু বাকরকে ডাকলেন এবং মক্কাবাসীকে তা পড়ে শোনানোর জন্য তাকে পাঠালেন। তারপর আমাকে ডাকলেন এবং বললেন, যাও, আবু বাকরের সাথে মিলিত হও। যেখানেই তুমি তাকে পাবে, তার কাছ থেকে লিখিত আয়াতগুলো নিয়ে নেবে। তা নিয়ে মক্কাবাসীর কাছে যাবে ও তা তাদেরকে পড়ে শুনাবে। আমি আবু বকরকে জুহাফাতে পেলাম। তার কাছ থেকে লিখিত লিপিটি নিলাম। আবু বাকর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট ফিরে গেলেন। গিয়ে বললেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ, আমার সম্পর্কে কি কিছু নাযিল হয়েছে? তিনি বললেন, না, তবে জিবরীল আমার কাছে এসেছিল এবং বলেছেন, এ দায়িত্ব তোমার পক্ষ থেকে তুমি অথবা তোমার নিজস্ব লোক ছাড়া কেউ পালন করতে পারবে না।

حَدَّثَنَا عَبْدُ اللهِ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ سُلَيْمَانَ لُوَيْنٌ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَابِرٍ، عَنْ سِمَاكٍ، عَنْ حَنَشٍ، عَنْ عَلِيٍّ، قَالَ: لَمَّا نَزَلَتْ عَشْرُ آيَاتٍ مِنْ بَرَاءَةٌ عَلَى النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، دَعَا النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَبَا بَكْرٍ فَبَعَثَهُ بِهَا لِيَقْرَأَهَا عَلَى أَهْلِ مَكَّةَ، ثُمَّ دَعَانِي النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ لِي: ” أَدْرِكْ أَبَا بَكْرٍ، فَحَيْثُمَا لَحِقْتَهُ فَخُذِ الْكِتَابَ مِنْهُ، فَاذْهَبْ بِهِ إِلَى أَهْلِ مَكَّةَ، فَاقْرَأْهُ عَلَيْهِمْ ” فَلَحِقْتُهُ بِالْجُحْفَةِ فَأَخَذْتُ الْكِتَابَ مِنْهُ، وَرَجَعَ أَبُو بَكْرٍ إِلَى النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فَقَالَ: يَا رَسُولَ اللهِ، نَزَلَ فِيَّ شَيْءٌ؟ قَالَ: لَا، وَلَكِنَّ جِبْرِيلَ جَاءَنِي، فَقَالَ: ” لَنْ يُؤَدِّيَ عَنْكَ إِلا أَنْتَ أَوْ رَجُلٌ مِنْكَ

 

 

إسناده ضعيف لضعف محمد بن جابر الحنفي، وحنش- وهو ابن المعتمر الكناني- ليس بالقوي. وقال ابن كثير في “تفسيره” 4/48: هذا إسناد فيه ضعف، وقال في “البداية والنهاية” 5/34: ضعيف الإسناد ومتنه فيه نكارة

وأورده السيوطي في “الدر المنثور” 4/122 وزاد نسبته لأبي الشيخ وابن مردويه

قلنا: والصواب ما أخرجه البخاري في “صحيحه” (4656) من حديث حميد بن عبد الرحمن أن أبا هريرة قال: بعثني أبو بكر رضي الله عنه في تلك الحَجة في المؤذنين بعثهم يوم النحر يُؤذنون بمنى: أن لا يحج بعد العام مشرك، وٍ لا يطوف بالبيت عُريان

قال حميد: ثم أردف النبى صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بعلي بن أبي طالب، فأمره أن يؤذنَ ببراءة. قال أبو هريرة

فأذن معنا على في أهل مِنى يومَ النحر ببراءة، وأن لا يحج بعدَ العام مشرك، ولا يطوف بالبيت عريان. وانظر ما تقدم برقم (4) و (594)

حدثنا عبد الله، حدثنا محمد بن سليمان لوين، حدثنا محمد بن جابر، عن سماك، عن حنش، عن علي، قال: لما نزلت عشر آيات من براءة على النبي صلى الله عليه وسلم، دعا النبي صلى الله عليه وسلم أبا بكر فبعثه بها ليقرأها على أهل مكة، ثم دعاني النبي صلى الله عليه وسلم فقال لي: ” أدرك أبا بكر، فحيثما لحقته فخذ الكتاب منه، فاذهب به إلى أهل مكة، فاقرأه عليهم ” فلحقته بالجحفة فأخذت الكتاب منه، ورجع أبو بكر إلى النبي صلى الله عليه وسلم، فقال: يا رسول الله، نزل في شيء؟ قال: لا، ولكن جبريل جاءني، فقال: ” لن يؤدي عنك إلا أنت أو رجل منك – إسناده ضعيف لضعف محمد بن جابر الحنفي، وحنش- وهو ابن المعتمر الكناني- ليس بالقوي. وقال ابن كثير في “تفسيره” 4/48: هذا إسناد فيه ضعف، وقال في “البداية والنهاية” 5/34: ضعيف الإسناد ومتنه فيه نكارة وأورده السيوطي في “الدر المنثور” 4/122 وزاد نسبته لأبي الشيخ وابن مردويه قلنا: والصواب ما أخرجه البخاري في “صحيحه” (4656) من حديث حميد بن عبد الرحمن أن أبا هريرة قال: بعثني أبو بكر رضي الله عنه في تلك الحجة في المؤذنين بعثهم يوم النحر يؤذنون بمنى: أن لا يحج بعد العام مشرك، و لا يطوف بالبيت عريان قال حميد: ثم أردف النبى صلى الله عليه وسلم بعلي بن أبي طالب، فأمره أن يؤذن ببراءة. قال أبو هريرة فأذن معنا على في أهل منى يوم النحر ببراءة، وأن لا يحج بعد العام مشرك، ولا يطوف بالبيت عريان. وانظر ما تقدم برقم (4) و (594)

 হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai’f)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   মুসনাদে আহমাদ  মুসনাদে আলী ইবনে আবি তালিব (রাঃ) [আলীর বর্ণিত হাদীস] (مسند علي بن أبي طالب)

 ১২৯৮

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ

১২৯৮। আলী (রাঃ) কে জিজ্ঞাসা করা হলো, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কি আপনাদেরকে এমন কোনো আদেশ বা উপদেশ দিতেন, যা সাধারণ মানুষকে দিতেন না? তিনি বললেন, আমার এই তরবারীর খাপে যা আছে, তা ছাড়া আর কোন জিনিস এমন নেই, যা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম শুধু আমাদেরকে জানাতেন, অন্য কাউকে জানাতেন না। অতঃপর আলী (রাঃ) একখানা পুস্তিকা বের করলেন, যাতে উটের দাঁতের তৈরি কিছু ছিল। তাতে আরো ছিল, সমগ্র মদীনা একটা পবিত্র নগরী। এখানে যে ব্যক্তি কোন নতুন জিনিস চালু করবে, অথবা নতুন জিনিসের প্রচলনকারীকে প্রশ্ৰয় দেবে, তার ওপর আল্লাহর, ফেরেশতাদের ও সমগ্র মানবজাতির অভিসম্পাত। কিয়ামতের দিন তার পক্ষ থেকে কোন বিনিময় বা সুপারিশ গ্ৰহণ করা হবে না। আর মুসলিমদের পক্ষ থেকে যে কোনো একজন কোনো অমুসলিমের দায়িত্ব গ্রহণ করলেই সে নিরাপদ হয়ে যাবে। যে ব্যক্তি কোনো মুসলিমের উপর গোয়েন্দাগিরী করে তার উপর আল্লাহর ফেরেশতাদের ও সমগ্র মানবজাতির অভিসম্পাত। কিয়ামতের দিন তার পক্ষ থেকে কোনো বিনিময় বা সুপারিশ গ্ৰহণ করা হবে না। আর যে ব্যক্তি মুসলিমদের অনুমতি ব্যতীত কোনো মুক্ত গোলামের মনিব হয়, তার উপর আল্লাহর, ফেরেশতাদের ও সমগ্র মানবজাতির অভিসম্পাত। কিয়ামতের দিন তার পক্ষ হতে কোনো বিনিময় ও কোনো সুপারিশ গ্ৰহণ করা হবে না।

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ سُلَيْمَانَ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ التَّيْمِيِّ، عَنِ الْحَارِثِ بْنِ سُوَيْدٍ، قَالَ: قِيلَ لِعَلِيٍّ: إِنَّ رَسُولَكُمْ كَانَ يَخُصُّكُمْ بِشَيْءٍ دُونَ النَّاسِ عَامَّةً، قَالَ: مَا خَصَّنَا رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِشَيْءٍ لَمْ يَخُصَّ بِهِ النَّاسَ، إِلا بِشَيْءٍ فِي قِرَابِ سَيْفِي هَذَا، فَأَخْرَجَ صَحِيفَةً فِيهَا شَيْءٌ مِنْ أَسْنَانِ الْإِبِلِ، وَفِيهَا: ” إِنَّ الْمَدِينَةَ حَرَمٌ مِمَّا بَيْنِ (1) ثَوْرٍ إِلَى عَائِرٍ، مَنْ أَحْدَثَ فِيهَا حَدَثًا، أَوْ آوَى مُحْدِثًا، فَإِنَّ عَلَيْهِ لَعْنَةَ اللهِ وَالْمَلائِكَةِ وَالنَّاسِ أَجْمَعِينَ، لَا يُقْبَلُ مِنْهُ يَوْمَ الْقِيَامَةِ صَرْفٌ، وَلا عَدْلٌ، وَذِمَّةُ الْمُسْلِمِينَ وَاحِدَةٌ، فَمَنْ أَخْفَرَ مُسْلِمًا فَعَلَيْهِ لَعْنَةُ اللهِ وَالْمَلائِكَةِ وَالنَّاسِ أَجْمَعِينَ، لَا يُقْبَلُ مِنْهُ يَوْمَ الْقِيَامَةِ صَرْفٌ، وَلا عَدْلٌ، وَمَنْ تَوَلَّى مَوْلًى بِغَيْرِ إِذْنِهِمْ فَعَلَيْهِ لَعْنَةُ اللهِ وَالْمَلائِكَةِ وَالنَّاسِ أَجْمَعِينَ، لَا يُقْبَلُ مِنْهُ يَوْمَ الْقِيَامَةِ صَرْفٌ، وَلا عَدْلٌ

 

 

إسناده صحيح على شرط الشيخين. سليمان: هو ابن مهران الأعمش، وإبراهيم التيمي: هو ابن يزيد بن شريك

وأخرجه النسائي في “الكبرى” (4277) من طريق محمد بن جعفر، بهذا الإسناد

وأخرجه الطبري في “تهذيب الآثار” ص 197 من طريق ابن أبي عدي، عن شعبة، به

وأخرجه الطبري أيضاً من طريق سفيان الثوري، عن الأعمش، به. وانظر ما تقدم برقم (615)

حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، عن سليمان، عن إبراهيم التيمي، عن الحارث بن سويد، قال: قيل لعلي: إن رسولكم كان يخصكم بشيء دون الناس عامة، قال: ما خصنا رسول الله صلى الله عليه وسلم بشيء لم يخص به الناس، إلا بشيء في قراب سيفي هذا، فأخرج صحيفة فيها شيء من أسنان الإبل، وفيها: ” إن المدينة حرم مما بين (1) ثور إلى عائر، من أحدث فيها حدثا، أو آوى محدثا، فإن عليه لعنة الله والملائكة والناس أجمعين، لا يقبل منه يوم القيامة صرف، ولا عدل، وذمة المسلمين واحدة، فمن أخفر مسلما فعليه لعنة الله والملائكة والناس أجمعين، لا يقبل منه يوم القيامة صرف، ولا عدل، ومن تولى مولى بغير إذنهم فعليه لعنة الله والملائكة والناس أجمعين، لا يقبل منه يوم القيامة صرف، ولا عدل – إسناده صحيح على شرط الشيخين. سليمان: هو ابن مهران الأعمش، وإبراهيم التيمي: هو ابن يزيد بن شريك وأخرجه النسائي في “الكبرى” (4277) من طريق محمد بن جعفر، بهذا الإسناد وأخرجه الطبري في “تهذيب الآثار” ص 197 من طريق ابن أبي عدي، عن شعبة، به وأخرجه الطبري أيضا من طريق سفيان الثوري، عن الأعمش، به. وانظر ما تقدم برقم (615)

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   মুসনাদে আহমাদ  মুসনাদে আলী ইবনে আবি তালিব (রাঃ) [আলীর বর্ণিত হাদীস] (مسند علي بن أبي طالب)

 ১২৯৯

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ

১২৯৯। ৬১৭ নং হাদীস দ্রষ্টব্য।

৬১৭। আলী (রাঃ) বলেছেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আহযাব (খন্দক) যুদ্ধের দিন বলেছিলেনঃ ওরা (মুশরিক ও ইহুদীরা) আমাদের আছরের নামায পড়তে না দিয়ে যুদ্ধে লিপ্ত রেখেছে। আল্লাহ ওদের কবর ও বাড়িগুলোকে আগুন দিয়ে ভরে দিন। তারপর তিনি মাগরিব ও ইশার মধ্যবর্তী সময় আছরের নামায পড়লেন।

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   মুসনাদে আহমাদ  মুসনাদে আলী ইবনে আবি তালিব (রাঃ) [আলীর বর্ণিত হাদীস] (مسند علي بن أبي طالب)

 ১৩০০

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ

১৩০০। এক ব্যক্তি আলী (রাঃ)-কে বললেন, হে আমীরুল মুমিনীন, আমাদের নিকট রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের (দেহাকৃতির) বিবরণ দিন। আলী (রাঃ) বললেন, “তিনি খুব বেশি দীর্ঘকায় ছিলেন না, তবে মধ্যমের চেয়ে কিছু বেশি লম্বা ছিলেন। যখন কোন দলের সাথে আসতেন, তখন তাদেরকে আচ্ছন্ন করে ফেলতেন, (অর্থাৎ তাদের সবার চেয়ে তাকে উঁচু মনে হতো)। তাঁর শরীরের রং ছিল সাদা ও অত্যধিক উজ্জ্বল, তাঁর মাথা ছিল বড়, পৃথক ভ্রু, অতীব শুভ্ৰ, ঝুলন্ত চোখের পলক, হাত ও পা হৃষ্টপুষ্ট। হাঁটার সময় এমনভাবে সামনের দিকে ঝুঁকে হাঁটতেন যে, মনে হতো, কোন ঢালু জায়গায় নামছেন, মুখমণ্ডলের ঘামের ফোটা মুক্তার মত দেখাতো, তাঁর আগে ও পরে কখনো তাঁর মত কাউকে দেখিনি। আমার পিতা-মাতা তার জন্য উৎসর্গ হোক।

حَدَّثَنَا عَبْدُ اللهِ، حَدَّثَنِي نَصْرُ بْنُ عَلِيٍّ، حَدَّثَنَا نُوحُ بْنُ قَيْسٍ، حَدَّثَنَا خَالِدُ بْنُ خالد، عَنْ يُوسُفَ بْنِ مَازِنٍ: أَنَّ رَجُلًا سَأَلَ عَلِيًّا، فَقَالَ: يَا أَمِيرَ الْمُؤْمِنِينَ، انْعَتْ لَنَا رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ صِفْهُ لَنَا، فَقَالَ: ” كَانَ لَيْسَ بِالذَّاهِبِ طُولًا، وَفَوْقَ الرَّبْعَةِ، إِذَا جَاءَ مَعَ الْقَوْمِ غَمَرَهُمْ، أَبْيَضَ شَدِيدَ الْوَضَحِ، ضَخْمَ الْهَامَةِ، أَغَرَّ أَبْلَجَ، هَدِبَ الْأَشْفَارِ، شَثْنَ الْكَفَّيْنِ وَالْقَدَمَيْنِ، إِذَا مَشَى يَتَقَلَّعُ كَأَنَّمَا يَنْحَدِرُ فِي صَبَبٍ، كَأَنَّ الْعَرَقَ فِي وَجْهِهِ اللُّؤْلُؤُ، لَمْ أَرَ قَبْلَهُ وَلا بَعْدَهُ مِثْلَهُ بِأَبِي وَأُمِّي صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ

 

 

إسناده ضعيف لانقطاعه، يوسف بن مازن لم يُدرك علياً بينهما رجل لم يسم كما في الحديث الآتي، وخالد بن خالد مجهول لا يُعرف، انظر “ذيل الكاشف. لأبي زرعة العراقي ص 90، و”تعجيل المنفعة” ص 111-112

وأخرجه ابن سعد في “الطبقات” 1/411، والبيهقي في “دلاثل النبوة” 1/216-217 و252 من طريق سعيد بن منصور، عن نوح بن قيس، بهذا الإسناد

ورواية البيهقي مختصرة. وانظر ما تقدم برقم (944)

الرَّبْعه: المربوع، وهو المتوسط

حدثنا عبد الله، حدثني نصر بن علي، حدثنا نوح بن قيس، حدثنا خالد بن خالد، عن يوسف بن مازن: أن رجلا سأل عليا، فقال: يا أمير المؤمنين، انعت لنا رسول الله صلى الله عليه وسلم صفه لنا، فقال: ” كان ليس بالذاهب طولا، وفوق الربعة، إذا جاء مع القوم غمرهم، أبيض شديد الوضح، ضخم الهامة، أغر أبلج، هدب الأشفار، شثن الكفين والقدمين، إذا مشى يتقلع كأنما ينحدر في صبب، كأن العرق في وجهه اللؤلؤ، لم أر قبله ولا بعده مثله بأبي وأمي صلى الله عليه وسلم – إسناده ضعيف لانقطاعه، يوسف بن مازن لم يدرك عليا بينهما رجل لم يسم كما في الحديث الآتي، وخالد بن خالد مجهول لا يعرف، انظر “ذيل الكاشف. لأبي زرعة العراقي ص 90، و”تعجيل المنفعة” ص 111-112 وأخرجه ابن سعد في “الطبقات” 1/411، والبيهقي في “دلاثل النبوة” 1/216-217 و252 من طريق سعيد بن منصور، عن نوح بن قيس، بهذا الإسناد ورواية البيهقي مختصرة. وانظر ما تقدم برقم (944) الربعه: المربوع، وهو المتوسط

 হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai’f)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   মুসনাদে আহমাদ  মুসনাদে আলী ইবনে আবি তালিব (রাঃ) [আলীর বর্ণিত হাদীস] (مسند علي بن أبي طالب)

 ১৩০১

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ

১৩০১। হাদীস নং ১৩০০ দ্রষ্টব্য। [দেখুন পূর্বের হাদিস]

 হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai’f)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   মুসনাদে আহমাদ  মুসনাদে আলী ইবনে আবি তালিব (রাঃ) [আলীর বর্ণিত হাদীস] (مسند علي بن أبي طالب)

পরিচ্ছেদঃ

১৩০২। ৬৪৪ নং হাদীস দ্রষ্টব্য।

৬৪৪। আলী (রাঃ) বলেছেন, একদিন আমি ও রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক সাথে চলতে চলতে কা’বার সন্নিকটে উপনীত হলাম। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে বললেন, বস। আমি বসলে তিনি আমার ঘাড়ে চড়লেন। আমি তাঁকে নিয়ে উঠে দাঁড়ালাম; চলতে লাগলাম। কিন্তু তিনি আমার মধ্যে কিছু দুর্বলতা দেখলেন। তাই তিনি নামলেন। এরপর আল্লাহর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার জন্য বসলেন এবং বললেনঃ আমার ঘাড়ে ওঠা। আমি তাঁর ঘাড়ে উঠলাম। তিনি আমাকে নিয়ে উঠে দাঁড়ালেন। তখন আমার মনে হলো, আমি ইচ্ছে করলে আকাশের কিনারা ধরতে পারি। অবশেষে কা’বা ঘরের ওপরে আরোহণ করলাম। তখনও তার ওপরে একটা পিতল বা তামার মূর্তি ছিল। সেটি আমি তার আগে, পিছে, ডানে ও বামে ধরে নাড়াতে লাগলাম। যখন আমি মূর্তিটাকে নিজের হাতে নিয়ে নিলাম, তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে বললেনঃ ওটা ছুঁড়ে ফেলে দাও। আমি সঙ্গে সঙ্গে ছুঁড়ে ফেলে দিলাম। ফলে শিশি বোতল যেভাবে ভেঙ্গে চুরমার হয়ে যায়, মূর্তিটিও সেভাবে ভেঙ্গে চুরমার হয়ে গেল। এরপর আমি নামলাম। তারপর আমি ও রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পরস্পর পাল্লা দিয়ে চলতে লাগলাম। অবশেষে বাড়ি-ঘর সমূহের আড়ালে লুকিয়ে চলতে লাগলাম, যাতে লোকেরা আমাদের দেখতে না পায়।

 হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai’f)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   মুসনাদে আহমাদ  মুসনাদে আলী ইবনে আবি তালিব (রাঃ) [আলীর বর্ণিত হাদীস] (مسند علي بن أبي طالب)

 ১৩০৩

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ

১৩০৩। ১২৫৫ ও ৮৪৮ নং হাদীস দ্রষ্টব্য।

৮৪৮। তারেক বিন যিয়াদ বলেছেন, আমরা আলী (রাঃ) এর সাথে খারিজীদের বিরুদ্ধে অভিযানে বের হয়েছিলাম। আলী (রাঃ) এই অভিযানে তাদেরকে হত্যা করলেন। তারপর বললেনঃ তোমরা খোঁজ নাও। কেননা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ একটা দল আবির্ভূত হবে। যারা সত্য কথা বলবে কিন্তু সে সত্য কথা তাদের মুখেই থাকবে, কণ্ঠ অতিক্রম করবে না। (অর্থাৎ অন্তর থেকে বলবে না) তীর যেভাবে ধনুক থেকে বের হয়, তারা সেই ভাবেই সত্য থেকে বের হবে। তাদের আলামত হলো, তাদের মধ্যে এক ব্যক্তির বর্ণ কালো ও হাত আংশিক পঙ্গু থাকবে। তার হাতে কালো পশম থাকবে। নিহতদের মধ্যে যদি এই ব্যক্তি থাকে, তাহলে তোমরা নিকৃষ্টতম লোককে হত্যা করেছ। সে যদি না থেকে থাকে তাহলে তোমরা সর্বোত্তম ব্যক্তিকে হত্যা করেছ।

আমরা এ কথা শুনে কেঁদে ফেললাম। তারপর তিনি বললেনঃ অনুসন্ধান কর। আমরা অনুসন্ধান করলাম এবং আংশিক পঙ্গু হাত ওয়ালাকে নিহতদের মধ্যে পেলাম। ফলে আমরা শোকর আদায়ের লক্ষে সিজদায় উপুড় হলাম। আলী (রাঃ)ও সিজদায় উপুড় হলেন। তবে তখনো তিনি বললেন, তারা মুখে যা বলতো সত্যই বলতো। (খারিজীদের শ্লোগান ছিলঃ “আল্লাহর হুকুম ছাড়া আর কিছু মানি না।” আলী (রাঃ) এর জবাবে বলতেনঃ ওদের কথাটা সত্য কিন্তু উদ্দেশ্য অসৎ। অর্থাৎ এই ধুয়া তুলে তারা আলী (রাঃ) ও খিলাফাতে রাশেদার শাসন উচ্ছেদের চেষ্টায় লিপ্ত ছিল।)

[হাদিসটি হাসান কিন্তু এই সানাদ দুর্বল]

 হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   মুসনাদে আহমাদ  মুসনাদে আলী ইবনে আবি তালিব (রাঃ) [আলীর বর্ণিত হাদীস] (مسند علي بن أبي طالب)

 ১৩০৪

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ

১৩০৪। আলী (রাঃ) বলেছেন, ওয়ালীদের স্ত্রী রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে এসে বললো, ইয়া রাসূলাল্লাহ, ওয়ালীদ আমাকে প্রহার করে। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তাকে গিয়ে বল, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে আশ্রয় দিয়েছেন। আলী (রাঃ) বলেন, এর অল্প কয়েকদিন পর সে আবার এলো এবং বললো, এখন সে আমাকে আরো বেশি প্রহার করে। এরপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিজের কাপড়ের একটা পাড় তাকে দিয়ে বললেন, (এটা দেখিয়ে) তাকে গিয়ে বল, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে আশ্রয় দিয়েছেন। এর অল্প কয়েকদিন পর সে আবার এল এবং বললো, এখন সে আমাকে আরো বেশি প্রহার করে। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, হে আল্লাহ, তুমি ওয়ালিদকে সামলাও। সে দু’বার আমাকে অমান্য করেছে।

حَدَّثَنَا عَبْدُ اللهِ، حَدَّثَنِي نَصْرُ بْنُ عَلِيٍّ، وَعُبَيْدُ اللهِ بْنُ عُمَرَ، قَالَا: حَدَّثَنَا عَبْدُ اللهِ بْنُ دَاوُدَ، عَنْ نُعَيْمِ بْنِ حَكِيمٍ، عَنْ أَبِي مَرْيَمَ، عَنْ عَلِيٍّ: أَنَّ امْرَأَةَ الْوَلِيدِ بْنِ عُقْبَةَ أَتَتِ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَتْ: يَا رَسُولَ اللهِ، إِنَّ الْوَلِيدَ يَضْرِبُهَا – وَقَالَ نَصْرُ بْنُ عَلِيٍّ فِي حَدِيثِهِ: تَشْكُوهُ – قَالَ: ” قُولِي لَهُ: قَدْ أَجَارَنِي “. قَالَ عَلِيٌّ: فَلَمْ تَلْبَثْ إِلا يَسِيرًا حَتَّى رَجَعَتْ ” فَقَالَتْ: مَا زَادَنِي إِلا ضَرْبًا. فَأَخَذَ هُدْبَةً مِنْ ثَوْبِهِ فَدَفَعَهَا إِلَيْهَا. وَقَالَ: ” قُولِي لَهُ: إِنَّ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَدْ أَجَارَنِي “. فَلَمْ تَلْبَثْ إِلا يَسِيرًا حَتَّى رَجَعَتْ. فَقَالَتْ: مَا زَادَنِي إِلا ضَرْبًا. فَرَفَعَ يَدَيْهِ وَقَالَ: ” اللهُمَّ عَلَيْكَ الْوَلِيدَ أَثِمَ بِي مَرَّتَيْنِ ” وَهَذَا لَفْظُ حَدِيثِ الْقَوَارِيرِيِّ وَمَعْنَاهُمَا وَاحِدٌ

 

 

إسناده ضعيف كسابقه

وأخرجه أبو يعلى (351) عن عبيد الله بن عمر، بهذا الإسناد

وأخرجه البخاري في “رفع اليدين في الصلاة” (95) ، والبزار (767) ، والطبري في “تهذيب الآثار” ص 244 من طرق عن عبد الله بن داود، به. وانظر ما بعده

حدثنا عبد الله، حدثني نصر بن علي، وعبيد الله بن عمر، قالا: حدثنا عبد الله بن داود، عن نعيم بن حكيم، عن أبي مريم، عن علي: أن امرأة الوليد بن عقبة أتت النبي صلى الله عليه وسلم فقالت: يا رسول الله، إن الوليد يضربها – وقال نصر بن علي في حديثه: تشكوه – قال: ” قولي له: قد أجارني “. قال علي: فلم تلبث إلا يسيرا حتى رجعت ” فقالت: ما زادني إلا ضربا. فأخذ هدبة من ثوبه فدفعها إليها. وقال: ” قولي له: إن رسول الله صلى الله عليه وسلم قد أجارني “. فلم تلبث إلا يسيرا حتى رجعت. فقالت: ما زادني إلا ضربا. فرفع يديه وقال: ” اللهم عليك الوليد أثم بي مرتين ” وهذا لفظ حديث القواريري ومعناهما واحد – إسناده ضعيف كسابقه وأخرجه أبو يعلى (351) عن عبيد الله بن عمر، بهذا الإسناد وأخرجه البخاري في “رفع اليدين في الصلاة” (95) ، والبزار (767) ، والطبري في “تهذيب الآثار” ص 244 من طرق عن عبد الله بن داود، به. وانظر ما بعده

 হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai’f)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   মুসনাদে আহমাদ  মুসনাদে আলী ইবনে আবি তালিব (রাঃ) [আলীর বর্ণিত হাদীস] (مسند علي بن أبي طالب)

 ১৩০৫

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ

১৩০৫। ১৩০৪ নং হাদীস দ্রষ্টব্য। [দেখুন পূর্বের হাদিস]

 হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai’f)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   মুসনাদে আহমাদ  মুসনাদে আলী ইবনে আবি তালিব (রাঃ) [আলীর বর্ণিত হাদীস] (مسند علي بن أبي طالب)

 ১৩০৬

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ

১৩০৬। ১১৩২ নং হাদীস দ্রষ্টব্য।

১১৩২। আলী (রাঃ) বলেছেন, খন্দকের যুদ্ধের দিন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম খন্দকের একটা ঢালু অংশে বসে ছিলেন। তিনি বললেন, কাফিররা আমাদেরকে আছরের নামায পড়তে দেয়নি। এই অবস্থায় সূর্য ডুবে গেছে। আল্লাহ ওদের বাড়ি-ঘর ও পেট আগুন দিয়ে ভরে দিন।

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   মুসনাদে আহমাদ  মুসনাদে আলী ইবনে আবি তালিব (রাঃ) [আলীর বর্ণিত হাদীস] (مسند علي بن أبي طالب)

 ১৩০৭

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ

১৩০৭। ৮৫৫ নং হাদীস দ্রষ্টব্য।

৮৫৫। আবুত্ তুফাইল বলেন, আমরা আলী (রাঃ) কে বললামঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আপনাকে গোপনে বলেছেন, এমন কোন কথা থাকলে আমাদেরকে বলুন। আলী(রাঃ) বললেন, আমাকে গোপনে এমন কিছুই বলেননি, যা অন্যদের কাছ থেকে লুকিয়েছেন। তবে আমি তাঁকে বলতে শুনেছিঃ যে ব্যক্তি আল্লাহ ছাড়া অন্য উদ্দেশ্যে কুরবানী করে তার ওপর আল্লাহর অভিশাপ। যে ব্যক্তি ইসলামের নামে নতুন কিছু চালু করতে সচেষ্ট লোককে প্রশ্রয় ও আসকারা দেয়, তার ওপর আল্লাহর অভিশাপ। যে ব্যক্তি নিজের পিতামাতাকে অভিশাপ দেয় তার ওপর আল্লাহর অভিশাপ এবং যে ব্যক্তি জমির সীমানা পাল্টাতে চেষ্টা করে, তার ওপর আল্লাহর অভিশাপ। অর্থাৎ সীমানার চিহ্ন পরিবর্তন করে (জমি আত্মসাতের উদ্দেশ্যে) তার ওপর আল্লাহর অভিশাপ।

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   মুসনাদে আহমাদ  মুসনাদে আলী ইবনে আবি তালিব (রাঃ) [আলীর বর্ণিত হাদীস] (مسند علي بن أبي طالب)

 ১৩০৮

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ

১৩০৮। ৫৯১ নং হাদীস দ্রষ্টব্য।

৫৯১। আলী (রাঃ) বলেছেন, খন্দক যুদ্ধের দিন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তারা যেমন সূর্য ডুবে যাওয়া পর্যন্ত আমাদেরকে নামায পড়তে দেয়নি, তেমনি আল্লাহ তাদের বাড়িঘর ও কবরকে আগুন দিয়ে ভরে দিন।

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   মুসনাদে আহমাদ  মুসনাদে আলী ইবনে আবি তালিব (রাঃ) [আলীর বর্ণিত হাদীস] (مسند علي بن أبي طالب)

 ১৩০৯

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ

১৩০৯। ৭৩২ নং হাদীস দ্রষ্টব্য।

৭৩২। আলী (রাঃ) বলেছেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদেরকে আদেশ দিয়েছেন, যেন কুরবানীর জন্তুর চোখ ও কানে খুঁত আছে কিনা ভালোভাবে দেখে নেই।

 হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   মুসনাদে আহমাদ  মুসনাদে আলী ইবনে আবি তালিব (রাঃ) [আলীর বর্ণিত হাদীস] (مسند علي بن أبي طالب)

 ১৩১০

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ

১৩১০। ৫৭৩ নং হাদীস দ্রষ্টব্য।

৫৭৩। আলী (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়সাল্লাম আমাকে ইয়ামানে প্রেরণ করলেন। আমরা এমন একটা গোষ্ঠীর কাছে যাত্রা বিরতি করলাম, যারা সিংহের জন্য একটা গর্ত তৈরী করেছিল। এলাকার লোকেরা গর্তের পাশে ধাক্কাধাক্কি করতে করতে একজন গর্তে পড়ে গেল। সে ওপরে থাকা অন্য একজনের সাথে যুক্ত ছিল। (সেও পড়ে গেল) সে আর একজনের সাথে যুক্ত ছিল। এভাবে গর্তের ভেতরে চারজন একত্রিত হলো। ভেতরে থাকা সিংহটি তাদেরকে আহত করলো। তৎক্ষণাত এক ব্যক্তি বর্শা নিয়ে সিংহের মুখোমুখী হলো এবং তাকে হত্যা করলো, সিংহের আঘাতে ৪ ব্যক্তিই মারা গেল। প্রথম ব্যক্তির উত্তরাধিকারীরা শেষ ব্যক্তির উত্তরাধিকারীদের কাছে গেল এবং উভয় পক্ষ অস্ত্ৰ সজ্জিত হয়ে যুদ্ধ করতে উদ্যত হলো।

তখন আলী (রাঃ) উত্তেজনা প্রশমিত করতে তাদের কাছে গেলেন। তিনি বললেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জীবিত থাকতেই তোমরা যুদ্ধ করতে চাও? আমি তোমাদের বিবাদ মিটিয়ে দিচ্ছি। আমার ফায়সালা যদি তোমাদের মনঃপূত হয় তবে তো ভালো কথা। নচেত তোমরা একে অপর থেকে নিরন্ত্র থাকবে এবং রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে যাবে। তিনি ফায়সালা করে দেবেন। তারপরও যে ব্যক্তি বাড়াবাড়ি করবে, সে কিছুই পাবে না।

যে সকল গোত্র এই কুয়োটা খুঁড়েছে, তাদের কাছ থেকে দিয়াতের এক চতুর্থাংশ, এক তৃতীয়াংশ, অর্ধাংশ এবং পূর্ণ দিয়াত আদায় কর। তারপর প্রথম জন পাবে এক চতুর্থাংশ। কেননা তার ওপরের জন মারা গেছে। আর দ্বিতীয়জন পাবে এক তৃতীয়াংশ এবং তৃতীয়জন অর্ধেক। এ ফায়সালা তারা মানতে রাজী হলো না। অগত্যা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে গেল। তিনি তখন মাকামে ইবরাহীমে ছিলেন। তারা তার কাছে পুরো ঘটনা খুলে বললো। তিনি ’আমি তোমাদের বিবাদের মীমাংসা করে দিচ্ছি’ এই বলে ঠেস দিয়ে বসলেন। আগন্তুকদের একজন বললোঃ আলী আমাদের বিবাদের নিম্পত্তি করেছেন। অতপর সে আলীর বিচারের বিবরণ দিল। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আলীর বিচারকে যথার্থ বলে সম্মতি দিলেন।

 হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai’f)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   মুসনাদে আহমাদ  মুসনাদে আলী ইবনে আবি তালিব (রাঃ) [আলীর বর্ণিত হাদীস] (مسند علي بن أبي طالب)

 ১৩১১

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ

১৩১১। আলী (রাঃ) বলেছেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ’গাদীরে খুমে’ বলেছেন, আমি যার অভিভাবক, আলী তার অভিভাবক। কিন্তু লোকেরা এরপর এই কথাটা অতিরিক্ত জুড়ে দিয়েছে, “হে আল্লাহ, যে ব্যক্তি তার বন্ধু হবে, তুমি তার বন্ধু হও, আর যে ব্যক্তি তার শত্রু হবে, তুমি তার শত্রু হও।”

حَدَّثَنَا عَبْدُ اللهِ، حَدَّثَنِي حَجَّاجٌ ابْنُ الشَّاعِرِ، حَدَّثَنَا شَبَابَةُ، حَدَّثَنِي نُعَيْمُ بْنُ حَكِيمٍ، حَدَّثَنِي أَبُو مَرْيَمَ، وَرَجُلٌ مِنْ جُلَسَاءِ عَلِيٍّ، عَنْ عَلِيٍّ: أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ يَوْمَ غَدِيرِ خُمٍّ: ” مَنْ كُنْتُ مَوْلاهُ فَعَلِيٌّ مَوْلاهُ ” قَالَ: فَزَادَ النَّاسُ بَعْدُ: ” وَالِ مَنْ وَالاهُ وَعَادِ مَنْ عَادَاهُ

 

 

صحيح لِغيره، نعيم بن حكيم وأبو مريم تقدمت ترجمتهما عند الحديث رقم (644) . وانظر الحديث المتقدم برقم (950)

حدثنا عبد الله، حدثني حجاج ابن الشاعر، حدثنا شبابة، حدثني نعيم بن حكيم، حدثني أبو مريم، ورجل من جلساء علي، عن علي: أن النبي صلى الله عليه وسلم قال يوم غدير خم: ” من كنت مولاه فعلي مولاه ” قال: فزاد الناس بعد: ” وال من والاه وعاد من عاداه – صحيح لغيره، نعيم بن حكيم وأبو مريم تقدمت ترجمتهما عند الحديث رقم (644) . وانظر الحديث المتقدم برقم (950)

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   মুসনাদে আহমাদ  মুসনাদে আলী ইবনে আবি তালিব (রাঃ) [আলীর বর্ণিত হাদীস] (مسند علي بن أبي طالب)

 ১৩১২

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ

১৩১২। ৭৩২ নং হাদীস নং দ্রষ্টব্য।

৭৩২। আলী (রাঃ) বলেছেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদেরকে আদেশ দিয়েছেন, যেন কুরবানীর জন্তুর চোখ ও কানে খুঁত আছে কিনা ভালোভাবে দেখে নেই।

 হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   মুসনাদে আহমাদ  মুসনাদে আলী ইবনে আবি তালিব (রাঃ) [আলীর বর্ণিত হাদীস] (مسند علي بن أبي طالب)

 ১৩১৩

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ

১৩১৩। আলী (রাঃ) বললেনঃ হে ইবনে আ’বুদ, খাবারের হক কি জান?

ইবনে আ’বুদঃ হে আবু তালিবের ছেলে, বলুন খাবারের হক কি?

আলী (রাঃ) : খাবারের হক হলো, তুমি বলবে, বিসমিল্লাহ, হে আল্লাহ, আমাদেরকে যে জীবিকা দিয়েছ তাতে বরকত দাও।”

আলী (রাঃ) : আর যখন খাওয়া শেষ হবে তখন খাবারের শোকর কি জান?

ইবনে আ’বুদঃ খাবারের শোকর কী?

আলী (রাঃ) : শোকর হলো, তুমি বলবে, আল্লাহর জন্য প্রশংসা, যিনি আমাদেরকে খাওয়ালেন ও পান করালেন।

তারপর আলী (রাঃ) বললেন, আমার ও ফাতিমার কাহিনী তোমাকে শুনাবো? ফাতিমা ছিল রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের মেয়ে এবং তাঁর পরিবারের মধ্যে তার নিকট সবচেয়ে আদরের দুলালী। সে আমার স্ত্রী ছিল। আটা পিষতে পিষতে তার হাতে দাগ পড়ে যেত। আর মশক দিয়ে পানি আনতে আনতে তার ঘাড়ে দাগ হয়ে যেত। ঘর ঝাড়ু দিতে দিতে তার কাপড় ধুলায় মলিন হয়ে যেত। চুলায় আগুন জ্বালাতে জ্বালাতে তার পোশাক ময়লা হয়ে যেত। এসব কাজ করতে করতে সে শারীরিকভাবে অনেক ক্ষতিগ্ৰস্ত হচ্ছিল। এ সময় রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট অনেক দাসদাসী বন্দী হয়ে এল।

আমি তাকে বললাম, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট যাও এবং তার কাছে একজন গৃহভৃত্য চাও, যা তোমাকে তোমার বর্তমান অসহনীয় ব্যস্ততা থেকে কিছুটা রক্ষা করবে। অগত্যা ফাতিমা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট গেল এবং সেখানে অনেক চাকর দেখতে পেল। কিন্তু সে কিছুই না চেয়ে ফিরে এল। এরপর আলী (রাঃ) পুরো কাহিনী বর্ণনা করলেন। অবশেষে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ফাতিমাকে বললেন, একজন গৃহভূত্যের চেয়েও তোমার জন্য যা উত্তম, তা কি আমি বলবো না? যখন বিছানায় ঘুমাতে যাবে তখন তেত্রিশবার সুবহানাল্লাহ, তেত্রিশবার আলহামদুল্লিাহ ও চৌত্রিশবার আল্লাহু আকবার বলবে। এ কথা শুনে ফাতিমা তার ঘোমটা থেকে মাথা বের করে “আমি আল্লাহ ও রাসূলের উপর সন্তুষ্ট” এ কথাটা দুবার বললেন।

[আবু দাউদ-২৯৮৮]

حَدَّثَنَا عَبْدُ اللهِ، حَدَّثَنِي الْعَبَّاسُ بْنُ الْوَلِيدِ النَّرْسِيُّ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَاحِدِ بْنُ زِيَادٍ، حَدَّثَنَا سَعِيدٌ الْجُرَيْرِيُّ، عَنْ أَبِي الْوَرْدِ، عَنِ ابْنِ أَعْبُدَ، قَالَ: قَالَ لِي عَلِيُّ بْنُ أَبِي طَالِبٍ: ” يَا ابْنَ أَعْبُدَ هَلْ تَدْرِي مَا حَقُّ الطَّعَامِ؟ ” قَالَ: قُلْتُ: وَمَا حَقُّهُ يَا ابْنَ أَبِي طَالِبٍ؟ قَالَ: ” تَقُولُ بِسْمِ اللهِ اللهُمَّ بَارِكْ لَنَا فِيمَا رَزَقْتَنَا “، قَالَ: وَتَدْرِي مَا شُكْرُهُ إِذَا فَرَغْتَ؟ قَالَ: قُلْتُ: وَمَا شُكْرُهُ؟ قَالَ: ” تَقُولُ الْحَمْدُ لِلَّهِ الَّذِي أَطْعَمَنَا وَسَقَانَا “

ثُمَّ قَالَ: أَلا أُخْبِرُكَ عَنِّي وَعَنْ فَاطِمَةَ كَانَتِ ابْنَةَ رَسُولِ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، وَكَانَتْ مِنْ أَكْرَمِ أَهْلِهِ عَلَيْهِ، وَكَانَتْ زَوْجَتِي، فَجَرَتْ بِالرَّحَى حَتَّى أَثَّرَ الرَّحَى بِيَدِهَا، وَأَسْقَتْ بِالْقِرْبَةِ حَتَّى أَثَّرَتِ الْقِرْبَةُ بِنَحْرِهَا، وَقَمَّتِ الْبَيْتَ، حَتَّى اغْبَرَّتْ ثِيَابُهَا، وَأَوْقَدَتْ تَحْتَ الْقِدْرِ حَتَّى دَنِسَتْ ثِيَابُهَا، فَأَصَابَهَا مِنْ ذَلِكَ ضَرَرٌ، فَقُدِمَ عَلَى رَسُولِ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِسَبْيٍ – أَوْ خَدَمٍ – قَالَ: فَقُلْتُ لَهَا: انْطَلِقِي إِلَى رَسُولِ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَاسْأَلِيهِ خَادِمًا يَقِيكِ حَرَّ مَا أَنْتِ فِيهِ ” فَانْطَلَقَتِ الَى رَسُولِ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَوَجَدَتْ عِنْدَهُ خَدَمًا أَوْ خُدَّامًا فَرَجَعَتْ وَلَمْ تَسْأَلْهُ فَذَكَرَ الْحَدِيثَ فَقَالَ: ” أَلا أَدُلُّكِ عَلَى مَا هُوَ خَيْرٌ لَكِ مِنْ خَادِمٍ؟ إِذَا أَوَيْتِ إِلَى فِرَاشِكِ سَبِّحِي ثَلاثًا وَثَلاثِينَ، وَاحْمَدِي ثَلاثًا وَثَلاثِينَ، وَكَبِّرِي أَرْبَعًا وَثَلاثِينَ ” قَالَ: فَأَخْرَجَتْ رَأْسَهَا، فَقَالَتْ: رَضِيتُ عَنِ اللهِ وَرَسُولِهِ مَرَّتَيْنِ فَذَكَرَ مِثْلَ حَدِيثِ ابْنِ عُلَيَّةَ، عَنِ الْجُرَيْرِيِّ، أَوْ نَحْوَهُ

 

 

إسناده ضعيف لجهالة ابن أعبد- واسمه علي-، وأبو الورد- وهو ابن ثمامة بن حزن القشيري- روى عنه اثنان، وقال ابن سعد: كان معروفا قليلَ الحديث، وقال ابن المديني: ليس بالمعروف، ولا أعرف له غيرَ هذا الحديث. وحديث فاطمة رضي الله عنها تقدم بأسانيدَ صحيحة، انظر رقم (838) و (1229) و (1250)

وأخرجه الطبراني في “الدعاء” (235) من طريق محمد بن عبد الله الرقاشي، عن عبد الواحد بن زياد، بهذا الإسناد

وأخرجه ابن أبي شيبة 8/310 و10/343، وأبو داود (2988) و (5063) من طرق عن الجريري، به. ورواية ابن أبي شيبة مختصرة بقصة حق الطعام، ورواية أبي داود مختصرة بقصة فاطمة

حدثنا عبد الله، حدثني العباس بن الوليد النرسي، حدثنا عبد الواحد بن زياد، حدثنا سعيد الجريري، عن أبي الورد، عن ابن أعبد، قال: قال لي علي بن أبي طالب: ” يا ابن أعبد هل تدري ما حق الطعام؟ ” قال: قلت: وما حقه يا ابن أبي طالب؟ قال: ” تقول بسم الله اللهم بارك لنا فيما رزقتنا “، قال: وتدري ما شكره إذا فرغت؟ قال: قلت: وما شكره؟ قال: ” تقول الحمد لله الذي أطعمنا وسقانا ” ثم قال: ألا أخبرك عني وعن فاطمة كانت ابنة رسول الله صلى الله عليه وسلم، وكانت من أكرم أهله عليه، وكانت زوجتي، فجرت بالرحى حتى أثر الرحى بيدها، وأسقت بالقربة حتى أثرت القربة بنحرها، وقمت البيت، حتى اغبرت ثيابها، وأوقدت تحت القدر حتى دنست ثيابها، فأصابها من ذلك ضرر، فقدم على رسول الله صلى الله عليه وسلم بسبي – أو خدم – قال: فقلت لها: انطلقي إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فاسأليه خادما يقيك حر ما أنت فيه ” فانطلقت الى رسول الله صلى الله عليه وسلم فوجدت عنده خدما أو خداما فرجعت ولم تسأله فذكر الحديث فقال: ” ألا أدلك على ما هو خير لك من خادم؟ إذا أويت إلى فراشك سبحي ثلاثا وثلاثين، واحمدي ثلاثا وثلاثين، وكبري أربعا وثلاثين ” قال: فأخرجت رأسها، فقالت: رضيت عن الله ورسوله مرتين فذكر مثل حديث ابن علية، عن الجريري، أو نحوه – إسناده ضعيف لجهالة ابن أعبد- واسمه علي-، وأبو الورد- وهو ابن ثمامة بن حزن القشيري- روى عنه اثنان، وقال ابن سعد: كان معروفا قليل الحديث، وقال ابن المديني: ليس بالمعروف، ولا أعرف له غير هذا الحديث. وحديث فاطمة رضي الله عنها تقدم بأسانيد صحيحة، انظر رقم (838) و (1229) و (1250) وأخرجه الطبراني في “الدعاء” (235) من طريق محمد بن عبد الله الرقاشي، عن عبد الواحد بن زياد، بهذا الإسناد وأخرجه ابن أبي شيبة 8/310 و10/343، وأبو داود (2988) و (5063) من طرق عن الجريري، به. ورواية ابن أبي شيبة مختصرة بقصة حق الطعام، ورواية أبي داود مختصرة بقصة فاطمة

 হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai’f)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   মুসনাদে আহমাদ  মুসনাদে আলী ইবনে আবি তালিব (রাঃ) [আলীর বর্ণিত হাদীস] (مسند علي بن أبي طالب)

 ১৩১৪

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ

১৩১৪। ৫৯১ নং হাদীস দ্রষ্টব্য।

৫৯১। আলী (রাঃ) বলেছেন, খন্দক যুদ্ধের দিন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তারা যেমন সূর্য ডুবে যাওয়া পর্যন্ত আমাদেরকে নামায পড়তে দেয়নি, তেমনি আল্লাহ তাদের বাড়িঘর ও কবরকে আগুন দিয়ে ভরে দিন।

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   মুসনাদে আহমাদ  মুসনাদে আলী ইবনে আবি তালিব (রাঃ) [আলীর বর্ণিত হাদীস] (مسند علي بن أبي طالب)

 ১৩১৫

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ

১৩১৫। ৬৯৮ নং হাদীস দ্রষ্টব্য।

৬৯৮। আলী (রাঃ) বলেছেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে একসেট রেশম মিশ্ৰিত নতুন পোশাক উপহার দেয়া হলো। তিনি সেটি আমার কাছে পাঠালেন। আমি তা নিয়ে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে উপস্থিত হলাম। এতে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের মুখমণ্ডলে ক্রোধের লক্ষণ পরিস্ফুট দেখতে পেলাম। তাই আমি সেটটি আমার মহিলাদের মধ্যে বণ্টন করে দিলাম।

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   মুসনাদে আহমাদ  মুসনাদে আলী ইবনে আবি তালিব (রাঃ) [আলীর বর্ণিত হাদীস] (مسند علي بن أبي طالب)

 ১৩১৬

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ

১৩১৬। ৫৮৩ নং হাদীস দ্রষ্টব্য।

৫৮৩। নাযযাল ইবনে সাবরা (রাঃ) বলেছেন, আলীর নিকট এক মগ পানি আনা হলো। তিনি তখন বাড়ির প্রাঙ্গনে ছিলেন। তিনি এক আঁজল পানি নিয়ে কুলি করলেন। নাকে পানি দিলেন। তাঁর মুখমণ্ডল, দু’হাত ও মাথা মাসেহ করলেন। অতঃপর দাঁড়িয়ে পানি পান করলেন। তারপর বললেনঃ এ হলো সেই ব্যক্তির ওযূ, যে অপবিত্র হয়নি। আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে এ রকম ওযূ করতে দেখেছি।

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   মুসনাদে আহমাদ  মুসনাদে আলী ইবনে আবি তালিব (রাঃ) [আলীর বর্ণিত হাদীস] (مسند علي بن أبي طالب)

 ১৩১৭

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ

১৩১৭। ৭১৬ নং হাদীস দ্রষ্টব্য।

৭১৬। কুফাবাসী এক মহিলাকে আলী (রাঃ) (ব্যভিচারের দায়ে) যখন পাথর মেরে হত্যা করলেন, তখন বৃহস্পতিবারে তাকে বেত্ৰাঘাত করলেন এবং শুক্রবারে পাথর মেরে হত্যা করলেন। তিনি বললেন, তাকে বেত্ৰাঘাত করছি আল্লাহর কিতাবের আদেশে আর পাথর মারছি আল্লাহর নবীর সুন্নাত অনুসারে।

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   মুসনাদে আহমাদ  মুসনাদে আলী ইবনে আবি তালিব (রাঃ) [আলীর বর্ণিত হাদীস] (مسند علي بن أبي طالب)

 ১৩১৮

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ

১৩১৮। আলী (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যারা কুরআন শিখে ও শেখায়, তারাই তোমাদের মধ্যে সর্বোত্তম। [তিরমিযী-২৯০৯]

حَدَّثَنَا عَبْدُ اللهِ، حَدَّثَنَا أَبُو كَامِلٍ فُضَيْلُ بْنُ الْحُسَيْنِ، وَحَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عُبَيْدِ بْنِ حِسَابٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَاحِدِ بْنُ زِيَادٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ إِسْحَاقَ، عَنِ النُّعْمَانِ بْنِ سَعْدٍ عَنْ عَلِيٍّ، رَضِيَ اللهُ عَنْهُ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: ” خِيَارُكُمْ مَنْ تَعَلَّمَ الْقُرْآنَ وَعَلَّمَهُ

 

 

حسن لغيره، وهذا إسناد ضعيف لِضعف عبد الرحفن بن إسحاق- وهو أبو شيبة الواسطي- وجهالةِ النعمان بن سعد

وأخرجه البزار (698) عن أبي كامل فضيل بن حسين، وابن عدي في “الكامل” 4/1614 من طريق محمد بن عبيد بن حساب، بهذا الإسناد

وأخرجه ابنُ أبي شيبة10/503، والدارمي (3337) ، والترمذي (2909) ، وابن الضريس في “فضائل القرآن” (137) ، وابن عدي 4/1614، والخطيب في “تاريخه” 10/459 من طرق عن عبد الواحد بن زياد، به

ومتن الحديث صحيح، فقد روي من حديث عثمان بن عفان، وقد تقدم في “المسند” برقم (405)

حدثنا عبد الله، حدثنا أبو كامل فضيل بن الحسين، وحدثنا محمد بن عبيد بن حساب، قال: حدثنا عبد الواحد بن زياد، حدثنا عبد الرحمن بن إسحاق، عن النعمان بن سعد عن علي، رضي الله عنه، قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: ” خياركم من تعلم القرآن وعلمه – حسن لغيره، وهذا إسناد ضعيف لضعف عبد الرحفن بن إسحاق- وهو أبو شيبة الواسطي- وجهالة النعمان بن سعد وأخرجه البزار (698) عن أبي كامل فضيل بن حسين، وابن عدي في “الكامل” 4/1614 من طريق محمد بن عبيد بن حساب، بهذا الإسناد وأخرجه ابن أبي شيبة10/503، والدارمي (3337) ، والترمذي (2909) ، وابن الضريس في “فضائل القرآن” (137) ، وابن عدي 4/1614، والخطيب في “تاريخه” 10/459 من طرق عن عبد الواحد بن زياد، به ومتن الحديث صحيح، فقد روي من حديث عثمان بن عفان، وقد تقدم في “المسند” برقم (405)

 হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   মুসনাদে আহমাদ  মুসনাদে আলী ইবনে আবি তালিব (রাঃ) [আলীর বর্ণিত হাদীস] (مسند علي بن أبي طالب)

 ১৩১৯

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ

১৩১৯। এক ব্যক্তি আলী (রাঃ) এর নিকট এসে বললো, হে আমীরুল মুমিনীন, আমি আমার মনিবের দাসত্ব থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য প্রতিশ্রুত মুক্তিপণ যোগাড় করতে পারছি না। আমাকে সাহায্য করুন। আলী (রাঃ) বললেন, আমি কি তোমাকে এমন একটি দু’আ শিখিয়ে দেব, যা রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে শিখিয়েছেন এবং যা পড়লে পাহাড় সমান ঋণও আল্লাহ পরিশোধ করে দেবেন? তা হচ্ছেঃ

اللهُمَّ اكْفِنِي بِحَلالِكَ عَنْ حَرَامِكَ، وَأَغْنِنِي بِفَضْلِكَ عَمَّنْ سِوَاكَ

অর্থাৎ হে আল্লাহ, আমাকে তোমার হালাল সম্পদ দিয়ে তোমার হারাম সম্পদ থেকে বিমুখ করে দাও এবং তোমার অনুগ্রহ দ্বারা আমাকে তুমি ব্যতীত অন্য সবার মুখাপেক্ষিতা থেকে মুক্তি দাও। [তিরমিযী-৩৫৬৩]

[ইমাম হাকেম, ইমাম যাহবী ও শায়খ আলবানীসহ অনেক মুহাদ্দিস হাদিসটিকে সহীহ সাব্যস্ত করেছেন]

حَدَّثَنَا عَبْدُ اللهِ، حَدَّثَنِي أَبُو عَبْدِ الرَّحْمَنِ عَبْدُ اللهِ بْنُ عُمَرَ، حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِيَةَ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ إِسْحَاقَ الْقُرَشِيِّ، عَنْ سَيَّارٍ أَبِي الْحَكَمِ، عَنْ أَبِي وَائِلٍ، قَالَ: أَتَى عَلِيًّا رَضِيَ اللهُ عَنْهُ رَجُلٌ، فَقَالَ: يَا أَمِيرَ الْمُؤْمِنِينَ، إِنِّي عَجَزْتُ عَنْ مُكَاتَبَتِي فَأَعِنِّي. فَقَالَ عَلِيٌّ رَضِيَ اللهُ عَنْهُ: أَلا أُعَلِّمُكَ كَلِمَاتٍ عَلَّمَنِيهِنَّ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، لَوْ كَانَ عَلَيْكَ مِثْلُ جَبَلِ صِيرٍ دَنَانِيرَ لادَّاهُ اللهُ عَنْكَ، قُلْتُ: بَلَى. قَالَ: قُلْ: ” اللهُمَّ اكْفِنِي بِحَلالِكَ عَنْ حَرَامِكَ، وَأَغْنِنِي بِفَضْلِكَ عَمَّنْ سِوَاكَ

 

 

إسناده ضعيف لضعف عبد الرحمن بن إسحاق: وهو أبو شيبة الواسطي الأنصاري، وقول احد الرواة في هذا الحديث في نسبه “القرشي” وهم، فإن عبد الرحمن بنْ إسحاق القرشي لا يروي عن سيار أبي الحكم ولا يروي عنه كذلك أبو معاوية محمد فى بن خازم الضرير. أبو وائل: هو شقيق بن سلمة وأخرجه الترمذي (3563) ، والبزار (563) ، والحاكم 1/538 من طرق عن أبي معاوية، بهذا الإسناد. وقال الترمذي؟ حسن غريب، وصحح إسناده الحاكم ووافقه الذهبي

جبل صِير: هو جبل بأجأ في ديار طيئ، فيه كهوف شبه البيوت

حدثنا عبد الله، حدثني أبو عبد الرحمن عبد الله بن عمر، حدثنا أبو معاوية، عن عبد الرحمن بن إسحاق القرشي، عن سيار أبي الحكم، عن أبي وائل، قال: أتى عليا رضي الله عنه رجل، فقال: يا أمير المؤمنين، إني عجزت عن مكاتبتي فأعني. فقال علي رضي الله عنه: ألا أعلمك كلمات علمنيهن رسول الله صلى الله عليه وسلم، لو كان عليك مثل جبل صير دنانير لاداه الله عنك، قلت: بلى. قال: قل: ” اللهم اكفني بحلالك عن حرامك، وأغنني بفضلك عمن سواك – إسناده ضعيف لضعف عبد الرحمن بن إسحاق: وهو أبو شيبة الواسطي الأنصاري، وقول احد الرواة في هذا الحديث في نسبه “القرشي” وهم، فإن عبد الرحمن بن إسحاق القرشي لا يروي عن سيار أبي الحكم ولا يروي عنه كذلك أبو معاوية محمد فى بن خازم الضرير. أبو وائل: هو شقيق بن سلمة وأخرجه الترمذي (3563) ، والبزار (563) ، والحاكم 1/538 من طرق عن أبي معاوية، بهذا الإسناد. وقال الترمذي؟ حسن غريب، وصحح إسناده الحاكم ووافقه الذهبي جبل صير: هو جبل بأجأ في ديار طيئ، فيه كهوف شبه البيوت

 হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai’f)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   মুসনাদে আহমাদ  মুসনাদে আলী ইবনে আবি তালিব (রাঃ) [আলীর বর্ণিত হাদীস] (مسند علي بن أبي طالب)

 ১৩২০

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ

১৩২০। আলী (রাঃ) বলেছেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এরূপ দু’আ করতেন, হে আল্লাহ, আমার উম্মাত দিনের শুরুতে যে কাজ করবে, তাতে বরকত দাও।

[মুসনাদে আহমাদ-১৩২৩, ১৩২৯, ১৩৩১, ১৩৩৯ ]

[হাদিসটি হাসান এবং উক্ত সানাদ দুর্বল]

حَدَّثَنَا عَبْدُ اللهِ، حَدَّثَنَا أَبُو كَامِلٍ الْجَحْدَرِيُّ، وَمُحَمَّدُ بْنُ أَبِي بَكْرٍ الْمُقَدَّمِيُّ، وَرَوْحُ بْنُ عَبْدِ الْمُؤْمِنِ الْمُقْرِئُ، وَحَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عُبَيْدِ بْنِ حِسَابٍ، وَعُبَيْدُ اللهِ بْنُ عُمَرَ الْقَوَارِيرِيُّ، قَالُوا: حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَاحِدِ بْنُ زِيَادٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ إِسْحَاقَ، عَنِ النُّعْمَانِ بْنِ سَعْدٍ، عَنْ عَلِيٍّ رَضِيَ اللهُ عَنْهُ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: ” اللهُمَّ بَارِكْ لِأُمَّتِي فِي بُكُورِهَا

 

 

حسن لغيره، وهذا إسناد ضعيف لضعف عبد الرحمن بن إسحاق الواسطي وجهالة النعمان بن سعد

وأخرجه البزار (696) عن أبي كامل الجحدري، وأبو يعلى (425) عن عبيد الله بن عمر القواريري، وابن الجوزي في “العلل المتناهية” 1/314-315 من طريق محمد بن عبيد بن حساب، جميعاً بهذا الإسناد

وأخرجه الترمذي في “العلل الكبير” (184) ، والعقيلي في “الضعفاء” 2/323، والرامهرمزي في “المحدت الفاصل” (256) ، والخطيب البغدادي في “الجامع لأخلاق الراوي وآداب السامع” 1/149 من طرق عن عبد الواحد بن زياد، به. وسيأتي برقم (1323) و (1329) و (1331) و (1339)

قال أبو حاتم فيما نقله عنه ابنه في “العلل” 2/268: لا أعلم في “اللهم بارك لأمتي في بكورها” حديثاً صحيحاً

وقال ابن الجوزي في “العلل المتناهية” 1/324 بعد أن أورده عن عدد من الصحابة: هذه الأحاديث كلها لا تثبت، ثم عللها كلها

وقال المنذري في “الترغيب والترهيب ” 2/529: قد رواه جماعة عن النبي صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، منهم: علي، وابن عباس، وابن مسعود، وابن عمر، وأبو هريرة، وأنس بن مالك، وعبد الله بن سلام، والنواس بن سمعان، وعمران بن حصين، وجابر بن عبد الله وبعض أسانيده جيدة، ونبيط بن شريط، وزاد في حديثه: يوم خميسها، وبريدة، وأوس بن عبد الله، وعائشة، وغيرهم من الصحابة رضي الله عنهم أجمعين، وفي كثير من أسانيدها مقال، وبعضها حسن

وقال ابن حجر فيما نقله عنه تلميذه السخاوي في “المقاصد الحسنة” ص 90: ومنها (يعني من أحاديث: اللهم بارك لأمتي في بكورها) ما يصح ومنها ما لا يصح، وفيها الحسن والضعيف

وانظر “مسند الشهاب” للقضاعي (1489-1494) ، و”صحيح ابن حبان” (4754) و (4755)

حدثنا عبد الله، حدثنا أبو كامل الجحدري، ومحمد بن أبي بكر المقدمي، وروح بن عبد المؤمن المقرئ، وحدثنا محمد بن عبيد بن حساب، وعبيد الله بن عمر القواريري، قالوا: حدثنا عبد الواحد بن زياد، حدثنا عبد الرحمن بن إسحاق، عن النعمان بن سعد، عن علي رضي الله عنه، قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: ” اللهم بارك لأمتي في بكورها – حسن لغيره، وهذا إسناد ضعيف لضعف عبد الرحمن بن إسحاق الواسطي وجهالة النعمان بن سعد وأخرجه البزار (696) عن أبي كامل الجحدري، وأبو يعلى (425) عن عبيد الله بن عمر القواريري، وابن الجوزي في “العلل المتناهية” 1/314-315 من طريق محمد بن عبيد بن حساب، جميعا بهذا الإسناد وأخرجه الترمذي في “العلل الكبير” (184) ، والعقيلي في “الضعفاء” 2/323، والرامهرمزي في “المحدت الفاصل” (256) ، والخطيب البغدادي في “الجامع لأخلاق الراوي وآداب السامع” 1/149 من طرق عن عبد الواحد بن زياد، به. وسيأتي برقم (1323) و (1329) و (1331) و (1339) قال أبو حاتم فيما نقله عنه ابنه في “العلل” 2/268: لا أعلم في “اللهم بارك لأمتي في بكورها” حديثا صحيحا وقال ابن الجوزي في “العلل المتناهية” 1/324 بعد أن أورده عن عدد من الصحابة: هذه الأحاديث كلها لا تثبت، ثم عللها كلها وقال المنذري في “الترغيب والترهيب ” 2/529: قد رواه جماعة عن النبي صلى الله عليه وسلم، منهم: علي، وابن عباس، وابن مسعود، وابن عمر، وأبو هريرة، وأنس بن مالك، وعبد الله بن سلام، والنواس بن سمعان، وعمران بن حصين، وجابر بن عبد الله وبعض أسانيده جيدة، ونبيط بن شريط، وزاد في حديثه: يوم خميسها، وبريدة، وأوس بن عبد الله، وعائشة، وغيرهم من الصحابة رضي الله عنهم أجمعين، وفي كثير من أسانيدها مقال، وبعضها حسن وقال ابن حجر فيما نقله عنه تلميذه السخاوي في “المقاصد الحسنة” ص 90: ومنها (يعني من أحاديث: اللهم بارك لأمتي في بكورها) ما يصح ومنها ما لا يصح، وفيها الحسن والضعيف وانظر “مسند الشهاب” للقضاعي (1489-1494) ، و”صحيح ابن حبان” (4754) و (4755)

 হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   মুসনাদে আহমাদ  মুসনাদে আলী ইবনে আবি তালিব (রাঃ) [আলীর বর্ণিত হাদীস] (مسند علي بن أبي طالب)

 ১৩২১

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ

১৩২১। ৫৮৬ নং হাদীস দ্রষ্টব্য।

৫৮৬। আলী (রাঃ) বলেছেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে এই তর্জনীতে বা তার পার্শ্ববতী আঙ্গুলে আঙটি পরতে নিষেধ করেছেন।

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   মুসনাদে আহমাদ  মুসনাদে আলী ইবনে আবি তালিব (রাঃ) [আলীর বর্ণিত হাদীস] (مسند علي بن أبي طالب)

পরিচ্ছেদঃ

১৩২২। এক ব্যক্তি আলী (রাঃ)-কে জিজ্ঞাসা করলেন, হে আমীরুল মুমিনীন, রমযানের পর কোন মাসে আমার রোযা রাখা উচিত বলে আপনি মনে করেন? আলী (রাঃ) বললেন, এক ব্যক্তি অবিকল এই প্রশ্নটি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট করেছিল। তারপর আর কাউকে এ প্রশ্ন করতে শুনিনি। তিনি জবাবে বলেছিলেন, রমযানের পর যদি তুমি আর কোন মাসে রোযা রাখতে চাও, তবে মুহাররমে রোযা রাখ। কেননা, ওটা আল্লাহর মাস। ঐ মাসে আল্লাহ একটি জাতির গুনাহ মাফ করেছিলেন এবং ঐ মাসে আরো একটি জাতির গুনাহ মাফ করবেন।

[তিরমিযী-৭৪১, মুসনাদে আহমাদ-১৩৩৫]

حَدَّثَنَا عَبْدُ اللهِ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمِنْهَالِ، أَخُو حَجَّاجٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَاحِدِ بْنُ زِيَادٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ إِسْحَاقَ، عَنِ النُّعْمَانِ بْنِ سَعْدٍ، قَالَ: قَالَ رَجُلٌ لِعَلِيٍّ: يَا أَمِيرَ الْمُؤْمِنِينَ، أَيُّ شَهْرٍ تَأْمُرُنِي أَنْ أَصُومَ بَعْدَ رَمَضَانَ؟ فَقَالَ: مَا سَمِعْتُ أَحَدًا سَأَلَ عَنْ هَذَا، بَعْدَ رَجُلٍ سَأَلَ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ: يَا رَسُولَ اللهِ، أَيُّ شَهْرٍ تَأْمُرُنِي أَنْ أَصُومَ بَعْدَ رَمَضَانَ؟ فَقَالَ: ” إِنْ كُنْتَ صَائِمًا شَهْرًا بَعْدَ رَمَضَانَ، فَصُمِ الْمُحَرَّمَ، فَإِنَّهُ شَهْرُ اللهِ، وَفِيهِ يَوْمٌ تَابَ عَلَى قَوْمٍ، وَيَتُوبُ فِيهِ عَلَى قَوْمٍ

 

 

إسناده ضعيف لضعف عبد الرحمن بن إسحاق أبي شيبة الواسطي وجهالة النعمان بن سعد

وأخرجه البزار (699) عن أبي كامل، عن عبد الواحد بن زياد، بهذا الإسناد

وأخرجه الدارمي (1756) ، والترمذي (741) ، وابن عدي 4/1614 من طرق عن عبد الرحمن بن إسحاق، به. وقال الترمذي: حسن غريب، وسيأتي برقم (1335)

وفي الباب عن أبي هريرة مرفوعاً عند مسلم (1163) بلفظ: “أفضل الصيام بعد رمضان شهر الله المحرم

حدثنا عبد الله، حدثنا محمد بن المنهال، أخو حجاج، حدثنا عبد الواحد بن زياد، حدثنا عبد الرحمن بن إسحاق، عن النعمان بن سعد، قال: قال رجل لعلي: يا أمير المؤمنين، أي شهر تأمرني أن أصوم بعد رمضان؟ فقال: ما سمعت أحدا سأل عن هذا، بعد رجل سأل رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال: يا رسول الله، أي شهر تأمرني أن أصوم بعد رمضان؟ فقال: ” إن كنت صائما شهرا بعد رمضان، فصم المحرم، فإنه شهر الله، وفيه يوم تاب على قوم، ويتوب فيه على قوم – إسناده ضعيف لضعف عبد الرحمن بن إسحاق أبي شيبة الواسطي وجهالة النعمان بن سعد وأخرجه البزار (699) عن أبي كامل، عن عبد الواحد بن زياد، بهذا الإسناد وأخرجه الدارمي (1756) ، والترمذي (741) ، وابن عدي 4/1614 من طرق عن عبد الرحمن بن إسحاق، به. وقال الترمذي: حسن غريب، وسيأتي برقم (1335) وفي الباب عن أبي هريرة مرفوعا عند مسلم (1163) بلفظ: “أفضل الصيام بعد رمضان شهر الله المحرم

 হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai’f)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   মুসনাদে আহমাদ  মুসনাদে আলী ইবনে আবি তালিব (রাঃ) [আলীর বর্ণিত হাদীস] (مسند علي بن أبي طالب)

 ১৩২৩

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ

১৩২৩। ১৩২০ নং হাদীস দ্রষ্টব্য।

 হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   মুসনাদে আহমাদ  মুসনাদে আলী ইবনে আবি তালিব (রাঃ) [আলীর বর্ণিত হাদীস] (مسند علي بن أبي طالب)

 ১৩২৪

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ

১৩২৪। ৮৭৬ নং হাদীস দ্রষ্টব্য।

৮৭৬। আবদ খায়র বলেছেন, আলী (রাঃ) আমাদেরকে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ওযূ শিখিয়েছিলেন। এক যুবক তার হাতে পানি ঢেলে দিল এবং তা দিয়ে তিনি হাত পরিষ্কার করলেন। তারপর তিনি হাত ঢুকিয়ে দিলেন বালতিতে। তারপর কুলি করলেন। নাকে পানি দিলেন। মুখ ধুলেন তিনবার করে। কনুই পর্যন্ত দু’হাত ধুলেন তিনবার করে। পুনরায় বালতিতে হাত ঢুকালেন, হাত পাত্রের নিচ পর্যন্ত ডুবালেন, তারপর হাত উঠালেন এবং তা দ্বারা অন্য হাত মাসেহ করলেন, তারপর দু’হাতের তালু দিয়ে একবার মাথা মাসেহ করলেন, তারপর তিনবার গিরা পর্যন্ত পা ধুলেন, তারপর হাতে এক কোষ পানি নিয়ে তা পান করলেন। তারপর বললেন, এভাবেই রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ওযূ করতেন।

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   মুসনাদে আহমাদ  মুসনাদে আলী ইবনে আবি তালিব (রাঃ) [আলীর বর্ণিত হাদীস] (مسند علي بن أبي طالب)

 ১৩২৫

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ

১৩২৫। ৫৯৩ নং হাদীস দ্রষ্টব্য।

৫৯৩। আলী (রাঃ) বলেছেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে আদেশ করেছেন যেন, যে উটনী আমি কুরবানী দেব, তা যেন আমিই বণ্টন করি, তার চামড়া ও গায়ের চটও যেন বণ্টন করি এবং যাবাইকারীকে যেন তা থেকে (পারিশ্রমিক হিসাবে) কিছু না দিই। তিনি বলেছেনঃ তাকে আমরা নিজেদের পক্ষ থেকে দিয়ে থাকি।

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   মুসনাদে আহমাদ  মুসনাদে আলী ইবনে আবি তালিব (রাঃ) [আলীর বর্ণিত হাদীস] (مسند علي بن أبي طالب)

 ১৩২৬

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ

১৩২৬। ৫৯৩ নং হাদীস দ্রষ্টব্য। [দেখুন পূর্বের হাদিস]

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   মুসনাদে আহমাদ  মুসনাদে আলী ইবনে আবি তালিব (রাঃ) [আলীর বর্ণিত হাদীস] (مسند علي بن أبي طالب)

 ১৩২৭

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ

১৩২৭। ৫৯১ নং হাদীস দ্রষ্টব্য।

৫৯১। আলী (রাঃ) বলেছেন, খন্দক যুদ্ধের দিন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তারা যেমন সূর্য ডুবে যাওয়া পর্যন্ত আমাদেরকে নামায পড়তে দেয়নি, তেমনি আল্লাহ তাদের বাড়িঘর ও কবরকে আগুন দিয়ে ভরে দিন।

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   মুসনাদে আহমাদ  মুসনাদে আলী ইবনে আবি তালিব (রাঃ) [আলীর বর্ণিত হাদীস] (مسند علي بن أبي طالب)

 ১৩২৮

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ

১৩২৮। উমর (রাঃ) এর নিকট এক মহিলাকে আনা হলো। সে ব্যভিচার করেছিল। তিনি তাকে পাথর মেরে হত্যা করার নির্দেশ দিলেন। লোকেরা তাকে পাথর মেরে হত্যা করার জন্য নিয়ে গেল। তাদের সাথে আলী (রাঃ) এর সাক্ষাত হলো। তিনি বললেন, এই মহিলার কী ব্যাপার? লোকেরা বললো, সে ব্যভিচার করেছে। উমর (রাঃ) তাকে পাথর মেরে হত্যা করার হুকুম দিয়েছেন। তৎক্ষণাত আলী (রাঃ) উক্ত মহিলাকে তাদের হাত থেকে ছিনিয়ে নিলেন এবং লোকদেরকে ফেরত পাঠালেন। লোকেরা উমর (রাঃ)-এর নিকট ফিরে গেল। উমার (রাঃ) জিজ্ঞাসা করলেন, তোমাদেরকে কে ফিরালো? তারা বললো, আলী (রাঃ) আমাদেরকে ফিরালেন। উমর (রাঃ) বললেন, আলী (রাঃ) এ কাজ নিশ্চয়ই এমন কোন জিনিসের ভিত্তিতে করেছেন, যা তিনি জানতেন।

অতঃপর তিনি আলী (রাঃ)এর নিকট বার্তা পাঠালেন। আলী (রাঃ) কিছুটা রাগান্বিত অবস্থায় এলেন। তাকে জিজ্ঞাসা করলেন, তুমি ওদেরকে ফিরিয়ে দিয়েছ কেন? আলী (রাঃ) বললেন, আপনি কি শোনেননি, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তিন ব্যক্তিকে আল্লাহ দায়মুক্ত করেছেনঃ ঘুমন্ত ব্যক্তিকে, যতক্ষণ সে জাগ্ৰত না হয়, শিশুকে, যতক্ষণ সে প্রাপ্তবয়স্ক না হয়, অপ্রকৃতিস্থাকে, যতক্ষণ সুস্থ মস্তিষ্ক না হয়। উমার (রাঃ) বললেন, হাঁ, শুনেছি। আলী (রাঃ) বললেন, এ মহিলা অমুক গোত্রের অপ্রকৃতিস্থ মহিলা। হয়তো কোন পুরুষ তার কাছে এমন অবস্থায় এসেছে যখন সে অপ্রকৃতিস্থ ছিল। উমার (রাঃ) বললেন, আমি জানি না। আলী (রাঃ) বললেন, আমিও জানি না। অগত্যা উমর (রাঃ) তাকে আর পাথর মেরে হত্যা করলেন না।

حَدَّثَنَا عَفَّانُ، حَدَّثَنَا حَمَّادٌ، عَنْ عَطَاءِ بْنِ السَّائِبِ، عَنْ أَبِي ظَبْيَانَ الْجَنْبِيِّ أَنَّ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ، رَضِيَ اللهُ عَنْهُ، أُتِيَ بِامْرَأَةٍ قَدْ زَنَتْ، فَأَمَرَ بِرَجْمِهَا، فَذَهَبُوا بِهَا لِيَرْجُمُوهَا، فَلَقِيَهُمْ عَلِيٌّ رَضِيَ اللهُ عَنْهُ فَقَالَ: مَا هَذِهِ؟ قَالُوا: زَنَتْ فَأَمَرَ عُمَرُ بِرَجْمِهَا، فَانْتَزَعَهَا عَلِيٌّ مِنْ أَيْدِيهِمْ وَرَدَّهُمْ، فَرَجَعُوا إِلَى عُمَرَ، رَضِيَ اللهُ عَنْهُ، فَقَالَ: مَا رَدَّكُمْ؟ قَالُوا: رَدَّنَا عَلِيٌّ، رَضِيَ اللهُ عَنْهُ، قَالَ: مَا فَعَلَ هَذَا عَلِيٌّ إِلا لِشَيْءٍ قَدْ عَلِمَهُ، فَأَرْسَلَ إِلَى عَلِيٍّ فَجَاءَ وَهُوَ شِبْهُ الْمُغْضَبِ، فَقَالَ: مَا لَكَ رَدَدْتَ هَؤُلاءِ؟ قَالَ: أَمَا سَمِعْتَ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ: ” رُفِعَ الْقَلَمُ عَنْ ثَلاثَةٍ: عَنِ النَّائِمِ حَتَّى يَسْتَيْقِظَ، وَعَنِ الصَّغِيرِ حَتَّى يَكْبَرَ، وَعَنِ الْمُبْتَلَى حَتَّى يَعْقِلَ ” قَالَ: بَلَى، قَالَ عَلِيٌّ رَضِيَ اللهُ عَنْهُ: فَإِنَّ هَذِهِ مُبْتَلاةُ بَنِي فُلانٍ فَلَعَلَّهُ أَتَاهَا وَهُوَ بِهَا، فَقَالَ عُمَرُ: لَا أَدْرِي، قَالَ: وَأَنَا لَا أَدْرِي. فَلَمْ يَرْجُمْهَا

 

 

صحيح لغيره، وأبو ظبيان الجنبي- واسمه حصين بن جندب- لم يدرك عمر، وقد بُيّنت الواسطة في هذا الحديث عند غير المصنف كما سيأتي في التخريج؟ وهو عبد الله بن عباس. حماد: هو ابن سلمة

وأخرجه الطيالسي (90) عن حماد، بهذا الإسناد. بالمرفوع منه فقط

وأخرجه أبو داود (4402) ، والنسائي في “الكبرى” (7344) ، وأبو يعلى (587) ، والبيهقي 8/264-265 من طرق عن عطاء، به. وسيأتي برقم (1362)

وأخرجه النسائي في “الكبرى” (7345) من طريق أبي حصين، عن أبى ظبيان، به موقوفاً. ورجح النسائي هذه الرواية

وأخرجه بنحوه من طريق الأعمش، عن أبي ظبيان، عن ابن عباس، عن علي مرفوعأ أبو داود (4399) و (4400) و (4401) ، والنسائي في “الكبرى” (3743) ، وابن حبان (143) ، والدارقطني 3/138، وا لحاكم 1/258 و2/59 و4/389، وا لبيهقي 8/264. وصححه الحاكم، ووافقه الذهبي. وانظر ما تقدم برقم (940)

قال الخطابي في “معالم السنن” 3/310: لم يأمر عمر رضي الله عنه برَجْم مجنونة ئطبق عليها في الجنون، ولا يجوز أن يخفى هذا ولا على أحدٍ ممن بحضرته، ولكن هذه امرأَة كانت تجَن مرةً، وتُفيق أخرى، فرأى عمرُ رضي الله عنه أن لا يسقط عنها الحد لما يصيبُها من الجنون، إذ كان الزنى منها في حال الإفاقة، ورأى على كرم الله وجهه أن الجنون شبهة يدرأ بها الحدُّ عمن يبتلى به، والحدود تُدرأ بالشبهات، لعلها قد أصابت ما أصابت وهي في بقية من بلاثها، فوافق اجتهاد عمر رضي الله عنه اجتهاده في ذلك، فدرأ عنها الحد، والله أعلم بالصواب

حدثنا عفان، حدثنا حماد، عن عطاء بن السائب، عن أبي ظبيان الجنبي أن عمر بن الخطاب، رضي الله عنه، أتي بامرأة قد زنت، فأمر برجمها، فذهبوا بها ليرجموها، فلقيهم علي رضي الله عنه فقال: ما هذه؟ قالوا: زنت فأمر عمر برجمها، فانتزعها علي من أيديهم وردهم، فرجعوا إلى عمر، رضي الله عنه، فقال: ما ردكم؟ قالوا: ردنا علي، رضي الله عنه، قال: ما فعل هذا علي إلا لشيء قد علمه، فأرسل إلى علي فجاء وهو شبه المغضب، فقال: ما لك رددت هؤلاء؟ قال: أما سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول: ” رفع القلم عن ثلاثة: عن النائم حتى يستيقظ، وعن الصغير حتى يكبر، وعن المبتلى حتى يعقل ” قال: بلى، قال علي رضي الله عنه: فإن هذه مبتلاة بني فلان فلعله أتاها وهو بها، فقال عمر: لا أدري، قال: وأنا لا أدري. فلم يرجمها – صحيح لغيره، وأبو ظبيان الجنبي- واسمه حصين بن جندب- لم يدرك عمر، وقد بينت الواسطة في هذا الحديث عند غير المصنف كما سيأتي في التخريج؟ وهو عبد الله بن عباس. حماد: هو ابن سلمة وأخرجه الطيالسي (90) عن حماد، بهذا الإسناد. بالمرفوع منه فقط وأخرجه أبو داود (4402) ، والنسائي في “الكبرى” (7344) ، وأبو يعلى (587) ، والبيهقي 8/264-265 من طرق عن عطاء، به. وسيأتي برقم (1362) وأخرجه النسائي في “الكبرى” (7345) من طريق أبي حصين، عن أبى ظبيان، به موقوفا. ورجح النسائي هذه الرواية وأخرجه بنحوه من طريق الأعمش، عن أبي ظبيان، عن ابن عباس، عن علي مرفوعأ أبو داود (4399) و (4400) و (4401) ، والنسائي في “الكبرى” (3743) ، وابن حبان (143) ، والدارقطني 3/138، وا لحاكم 1/258 و2/59 و4/389، وا لبيهقي 8/264. وصححه الحاكم، ووافقه الذهبي. وانظر ما تقدم برقم (940) قال الخطابي في “معالم السنن” 3/310: لم يأمر عمر رضي الله عنه برجم مجنونة ئطبق عليها في الجنون، ولا يجوز أن يخفى هذا ولا على أحد ممن بحضرته، ولكن هذه امرأة كانت تجن مرة، وتفيق أخرى، فرأى عمر رضي الله عنه أن لا يسقط عنها الحد لما يصيبها من الجنون، إذ كان الزنى منها في حال الإفاقة، ورأى على كرم الله وجهه أن الجنون شبهة يدرأ بها الحد عمن يبتلى به، والحدود تدرأ بالشبهات، لعلها قد أصابت ما أصابت وهي في بقية من بلاثها، فوافق اجتهاد عمر رضي الله عنه اجتهاده في ذلك، فدرأ عنها الحد، والله أعلم بالصواب

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   মুসনাদে আহমাদ  মুসনাদে আলী ইবনে আবি তালিব (রাঃ) [আলীর বর্ণিত হাদীস] (مسند علي بن أبي طالب)

 ১৩২৯

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ

১৩২৯। ১৩২০ নং হাদীস দ্রষ্টব্য।

১৩২০। আলী (রাঃ) বলেছেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এরূপ দু’আ করতেন, হে আল্লাহ, আমার উম্মাত দিনের শুরুতে যে কাজ করবে, তাতে বরকত দাও।

[হাদিসটি হাসান এবং উক্ত সানাদ দুর্বল]

 হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   মুসনাদে আহমাদ  মুসনাদে আলী ইবনে আবি তালিব (রাঃ) [আলীর বর্ণিত হাদীস] (مسند علي بن أبي طالب)

 ১৩৩০

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ

১৩৩০। আলী (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রুকু অবস্থায় কুরআন পড়তে নিষেধ করেছেন, তিনি বলেছেনঃ তোমরা রুকুতে আল্লাহর মহত্ত্ব বর্ণনা কর, আর সিজদায় দু’আ কর। আশা করা যায়, তোমাদের সে দু’আ কবুল হবে।

[হাদিসটি হাসান লিগাইরিহী এবং উক্ত সানাদ দুর্বল]

حَدَّثَنَا عَبْدُ اللهِ، حَدَّثَنِي عُبَيْدُ اللهِ بْنُ عُمَرَ الْقَوَارِيرِيُّ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَاحِدِ بْنُ زِيَادٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ إِسْحَاقَ، عَنِ النُّعْمَانِ بْنِ سَعْدٍ، عَنْ عَلِيِّ بْنِ أَبِي طَالِبٍ، رَضِيَ اللهُ عَنْهُ، رَفَعَهُ: أَنَّهُ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ نَهَى أَنْ يَقْرَأَ الْقُرْآنَ وَهُوَ رَاكِعٌ، وَقَالَ: إِذَا رَكَعْتُمْ فَعَظِّمُوا اللهَ، وَإِذَا سَجَدْتُمْ فَادْعُوا فَقَمِنٌ أَنْ يُسْتَجَابَ لَكُمْ

 

 

حسن لغيره، وهذا إسناد ضعيف كسابقه

وأخرجه أبو يعلى (297) و (421) عن عبيد اللُه بن عمر القواريري، بهذا الإسناد

وأخرجه البزار (697) ، والطحاوي في “شرح معاني الآثار” 1/233 من طريقين عن عبد الواحد بن زياد، به

وأخرجه ابن أبي شيبة 1/249، وأبو يعلى (416) من طريقين عن عبد الرحمن بن إسحاق، به. وسيأتي برقم (1337)

وفي الباب عن ابن عباس بإسناد صحيح، وسيأتي في “المسند” برقم (1900)

فقَمِن: أي: جدير وخليق

وقوله: “إذا ركعتم فعظموا الله”، قال السندي: أي: اللائق به تعظيم الله، فهو أولى من الدعاء، وإن كان الدعاءُ جائزاً أيضاً، فلا ينافي أنه كان يقول في ركوعه: اللهم اغفر لي

حدثنا عبد الله، حدثني عبيد الله بن عمر القواريري، حدثنا عبد الواحد بن زياد، حدثنا عبد الرحمن بن إسحاق، عن النعمان بن سعد، عن علي بن أبي طالب، رضي الله عنه، رفعه: أنه صلى الله عليه وسلم نهى أن يقرأ القرآن وهو راكع، وقال: إذا ركعتم فعظموا الله، وإذا سجدتم فادعوا فقمن أن يستجاب لكم – حسن لغيره، وهذا إسناد ضعيف كسابقه وأخرجه أبو يعلى (297) و (421) عن عبيد الله بن عمر القواريري، بهذا الإسناد وأخرجه البزار (697) ، والطحاوي في “شرح معاني الآثار” 1/233 من طريقين عن عبد الواحد بن زياد، به وأخرجه ابن أبي شيبة 1/249، وأبو يعلى (416) من طريقين عن عبد الرحمن بن إسحاق، به. وسيأتي برقم (1337) وفي الباب عن ابن عباس بإسناد صحيح، وسيأتي في “المسند” برقم (1900) فقمن: أي: جدير وخليق وقوله: “إذا ركعتم فعظموا الله”، قال السندي: أي: اللائق به تعظيم الله، فهو أولى من الدعاء، وإن كان الدعاء جائزا أيضا، فلا ينافي أنه كان يقول في ركوعه: اللهم اغفر لي

 হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   মুসনাদে আহমাদ  মুসনাদে আলী ইবনে আবি তালিব (রাঃ) [আলীর বর্ণিত হাদীস] (مسند علي بن أبي طالب)

 ১৩৩১

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ

১৩৩১। ১৩২০ নং হাদীস দ্রষ্টব্য। [দেখুন হাদীস নং ১৩২৯]

 হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   মুসনাদে আহমাদ  মুসনাদে আলী ইবনে আবি তালিব (রাঃ) [আলীর বর্ণিত হাদীস] (مسند علي بن أبي طالب)

 ১৩৩২

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ

১৩৩২। ৬২৬ নং হাদীস দ্রষ্টব্য।

৬২৬। একবার আলী (রাঃ) এর উপস্থিতিতে খারিজীদের (বিদ্রোহী গোষ্ঠী) প্রসঙ্গ আলোচিত হলো। আলী (রাঃ) বললেনঃ তাদের মধ্যে একজনের হাত জন্মগতভাবে অসম্পূর্ণ। তোমরা অহঙ্কারী হয়ে যাবে এই আশঙ্কা যদি না থাকতো, তবে আমি তোমাদেরকে জানাতাম, যারা তাদেরকে হত্যা করবে তাদের ব্যাপারে আল্লাহ্‌ মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের মুখ দিয়ে যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন সে সম্পর্কে। আবিদা বললেনঃ আমি জিজ্ঞাসা করলাম, আপনি কি মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের মুখ থেকে এ কথা শুনেছেন? তিনি বললেনঃ হ্যাঁ, কাবার প্রভুর শপথ, হ্যাঁ, কা’বার প্রভুর শপথ, হ্যাঁ, কা’বার প্রভুর শপথ!

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   মুসনাদে আহমাদ  মুসনাদে আলী ইবনে আবি তালিব (রাঃ) [আলীর বর্ণিত হাদীস] (مسند علي بن أبي طالب)

 ১৩৩৩

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ

১৩৩৩। নুমান বিন সা’দ বলেন, একদিন আমরা আলী (রাঃ) এর নিকট বসেছিলাম। সহসা তিনি এ আয়াত পড়লেনঃ “যেদিন আমি মুত্তাকীদেরকে দলে দলে দয়াময়ের কাছে সমবেত করবো”। আলী (রাঃ) বললেন, আল্লাহর কসম, তারা পায়ে হেঁটে সমবেত হবে না, কোন দলও পায়ে হেঁটে সমবেত হবে না। তারা এমন উটনীর পিঠে আরোহণ করে সমবেত হবে, যার মত উটনী সৃষ্টি জগত কখনো দেখেনি। ওগুলোর পিঠের উপর সোনার জিন থাকবে, লোকেরা সেই জিনে বসে জান্নাতের দরজায় পৌছে যাবে।

حَدَّثَنَا عَبْدُ اللهِ، حَدَّثَنِي سُوَيْدُ بْنُ سَعِيدٍ، أَخْبَرَنَا عَلِيُّ بْنُ مُسْهِرٍ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ إِسْحَاقَ، حَدَّثَنَا النُّعْمَانُ بْنُ سَعْدٍ، قَالَ: كُنَّا جُلُوسًا عِنْدَ عَلِيٍّ، رَضِيَ اللهُ عَنْهُ، فَقَرَأَ هَذِهِ الْآيَةَ: (يَوْمَ نَحْشُرُ الْمُتَّقِينَ إِلَى الرَّحْمَنِ وَفْدًا) [مريم: 85] قَالَ: ” لَا وَاللهِ مَا عَلَى أَرْجُلِهِمْ يُحْشَرُونَ، وَلا يُحْشَرُ الْوَفْدُ عَلَى أَرْجُلِهِمْ، وَلَكِنْ عَلَى نُوقٍ لَمْ تَرَ الْخَلائِقُ مِثْلَهَا، عَلَيْهَا رَحَائِلُ مِنْ ذَهَبٍ، فَيَرْكَبُونَ عَلَيْهَا حَتَّى يَضْرِبُوا أَبْوَابَ الْجَنَّةِ

 

 

إسناده ضعيف لضعف عبد الرحمن بن إسحاق- وهو أبو شيبة الواسطي-، وجهالة النعمان بن سعد

وأخرجه ابن أبي شيبة 13/119، والطبري في “تفسيره ” 16/126 من طريقين عن عبد الرحمن بن إسحاق، بهذا الإسناد

حدثنا عبد الله، حدثني سويد بن سعيد، أخبرنا علي بن مسهر، عن عبد الرحمن بن إسحاق، حدثنا النعمان بن سعد، قال: كنا جلوسا عند علي، رضي الله عنه، فقرأ هذه الآية: (يوم نحشر المتقين إلى الرحمن وفدا) [مريم: 85] قال: ” لا والله ما على أرجلهم يحشرون، ولا يحشر الوفد على أرجلهم، ولكن على نوق لم تر الخلائق مثلها، عليها رحائل من ذهب، فيركبون عليها حتى يضربوا أبواب الجنة – إسناده ضعيف لضعف عبد الرحمن بن إسحاق- وهو أبو شيبة الواسطي-، وجهالة النعمان بن سعد وأخرجه ابن أبي شيبة 13/119، والطبري في “تفسيره ” 16/126 من طريقين عن عبد الرحمن بن إسحاق، بهذا الإسناد

 হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai’f)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   মুসনাদে আহমাদ  মুসনাদে আলী ইবনে আবি তালিব (রাঃ) [আলীর বর্ণিত হাদীস] (مسند علي بن أبي طالب)

 ১৩৩৪

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ

১৩৩৪। ৯১৫ নং হাদীস দ্রষ্টব্য।

৯১৫। ইকরামা বলেছেন, আমি আলী (রাঃ) এর ছেলে হুসাইন (রাঃ)-এর সাথে মুযদালিফা থেকে রওয়ানা হলাম। তখন থেকে আকাবার জামরায় কংকর নিক্ষেপ করা পর্যন্ত তাকে সৰ্বক্ষণ তালবিয়া পড়তে শুনেছি। তাকে যখন এ বিষয়ে জিজ্ঞাসা করলাম, তখন তিনি বললেনঃ আমি আমার পিতার সাথে মুযদালিফা থেকে যাত্রা করেছিলাম এবং তখন থেকে আকাবার জামরায় কংকর নিক্ষেপ করা পর্যন্ত তাকে সৰ্বক্ষণ তালবিয়া পড়তে শুনেছি। তাঁকে যখন জিজ্ঞাসা করলাম, তখন বললেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে মুযদালিফা থেকে যাত্রা করেছিলাম এবং তখন থেকে আকাবার জামরায় (শেষ জামরা) কংকর নিক্ষেপ পর্যন্ত তাকে সৰ্বক্ষণ তালবিয়া পড়তে শুনেছি।

 হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   মুসনাদে আহমাদ  মুসনাদে আলী ইবনে আবি তালিব (রাঃ) [আলীর বর্ণিত হাদীস] (مسند علي بن أبي طالب)

 ১৩৩৫

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ

১৩৩৫। ১৩২২ নং হাদীস দ্রষ্টব্য।

১৩২২। এক ব্যক্তি আলী (রাঃ)-কে জিজ্ঞাসা করলেন, হে আমীরুল মুমিনীন, রমযানের পর কোন মাসে আমার রোযা রাখা উচিত বলে আপনি মনে করেন? আলী (রাঃ) বললেন, এক ব্যক্তি অবিকল এই প্রশ্নটি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট করেছিল। তারপর আর কাউকে এ প্রশ্ন করতে শুনিনি। তিনি জবাবে বলেছিলেন, রমযানের পর যদি তুমি আর কোন মাসে রোযা রাখতে চাও, তবে মুহাররমে রোযা রাখ। কেননা, ওটা আল্লাহর মাস। ঐ মাসে আল্লাহ একটি জাতির গুনাহ মাফ করেছিলেন এবং ঐ মাসে আরো একটি জাতির গুনাহ মাফ করবেন।

 হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai’f)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   মুসনাদে আহমাদ  মুসনাদে আলী ইবনে আবি তালিব (রাঃ) [আলীর বর্ণিত হাদীস] (مسند علي بن أبي طالب)

 ১৩৩৬

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ

১৩৩৬। আলী (রাঃ) বলেছেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট কুরাইশের কিছু লোক এসে বললো, হে মুহাম্মাদ! আমরা আপনার প্রতিবেশী ও মিত্র, আমাদের কিছু সংখ্যক দাসদাসী আপনার কাছে এসেছে। তারা ধর্মের প্রতিও আগ্রহী নয়, ফিকহের ব্যাপারেও আগ্রহী নয়। তারা শুধু আমাদের ধন-সম্পত্তি ও জমিজমা থেকে পালিয়েছে। কাজেই আপনি তাদেরকে আমাদের নিকট ফেরত দিন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আবু বাকরকে বললেনঃ তোমার মত কী? আবু বকর (রাঃ) বললেন, ওরা সত্য কথাই বলেছে। তারা আপনার প্রতিবেশী। এ কথা শুনে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের মুখমণ্ডল পরিবর্তিত হয়ে গেল। তারপর উমর (রাঃ)-কে জিজ্ঞাসা করলেন, তোমার মত কী? উমর (রাঃ)ও বললেন, ওরা অবশ্যই আপনার প্রতিবেশী ও মিত্র। এবারও রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের মুখমণ্ডল পরিবর্তিত হয়ে গেল। (অর্থাৎ তাঁর চেহারায় অসন্তুষ্টির ভাব ফুটে উঠলো।)

[আবু দাউদ ২৭০০, তিরমিযী ৩৭১৫]

حَدَّثَنَا أَسْوَدُ بْنُ عَامِرٍ، أَخْبَرَنَا شَرِيكٌ، عَنْ مَنْصُورٍ، عَنْ رِبْعِيٍّ، عَنْ عَلِيٍّ، رَضِيَ اللهُ عَنْهُ، قَالَ: جَاءَ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أُنَاسٌ مِنْ قُرَيْشٍ، فَقَالُوا: يَا مُحَمَّدُ إِنَّا جِيرَانُكَ وَحُلَفَاؤُكَ، وَإِنَّ نَاسًا مِنْ عَبِيدِنَا قَدِ اتَوْكَ لَيْسَ بِهِمْ رَغْبَةٌ فِي الدِّينِ، وَلا رَغْبَةٌ فِي الْفِقْهِ إِنَّمَا فَرُّوا مِنْ ضِيَاعِنَا وَأَمْوَالِنَا، فَارْدُدْهُمْ إِلَيْنَا. فَقَالَ لِأَبِي بَكْرٍ: رَضِيَ اللهُ عَنْهُ: ” مَا تَقُولُ؟ ” قَالَ: صَدَقُوا إِنَّهُمْ جِيرَانُكَ. قَالَ: فَتَغَيَّرَ وَجْهُ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ ثُمَّ قَالَ لِعُمَرَ: رَضِيَ اللهُ عَنْهُ: ” مَا تَقُولُ؟ ” قَالَ: صَدَقُوا إِنَّهُمْ لَجِيرَانُكَ وَحُلَفَاؤُكَ فَتَغَيَّرَ وَجْهُ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ

 

 

إسناده ضعيف، شريك- وهو ابن عبد الله النخعي- سيئ الحفظ، وباقي رجاله ثقات رجال الشيخين

وأخرجه بنحوه مطولاً الترمذي (3715) من طريق وكيع، عن شريك، بهذا الإِسناد

وقال: حديث حسن صحيح غريب

وأخرجه بنحوه أبو داود (2700) من طريق أبان بن صالح، عن منصور، به

حدثنا أسود بن عامر، أخبرنا شريك، عن منصور، عن ربعي، عن علي، رضي الله عنه، قال: جاء النبي صلى الله عليه وسلم أناس من قريش، فقالوا: يا محمد إنا جيرانك وحلفاؤك، وإن ناسا من عبيدنا قد اتوك ليس بهم رغبة في الدين، ولا رغبة في الفقه إنما فروا من ضياعنا وأموالنا، فارددهم إلينا. فقال لأبي بكر: رضي الله عنه: ” ما تقول؟ ” قال: صدقوا إنهم جيرانك. قال: فتغير وجه النبي صلى الله عليه وسلم ثم قال لعمر: رضي الله عنه: ” ما تقول؟ ” قال: صدقوا إنهم لجيرانك وحلفاؤك فتغير وجه النبي صلى الله عليه وسلم – إسناده ضعيف، شريك- وهو ابن عبد الله النخعي- سيئ الحفظ، وباقي رجاله ثقات رجال الشيخين وأخرجه بنحوه مطولا الترمذي (3715) من طريق وكيع، عن شريك، بهذا الإسناد وقال: حديث حسن صحيح غريب وأخرجه بنحوه أبو داود (2700) من طريق أبان بن صالح، عن منصور، به

 হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai’f)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   মুসনাদে আহমাদ  মুসনাদে আলী ইবনে আবি তালিব (রাঃ) [আলীর বর্ণিত হাদীস] (مسند علي بن أبي طالب)

 ১৩৩৭

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ

১৩৩৭। ১৩৩০ নং হাদীস দ্রষ্টব্য।

১৩৩০। আলী (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রুকু অবস্থায় কুরআন পড়তে নিষেধ করেছেন, তিনি বলেছেনঃ তোমরা রুকুতে আল্লাহর মহত্ত্ব বর্ণনা কর, আর সিজদায় দু’আ কর। আশা করা যায়, তোমাদের সে দু’আ কবুল হবে।

[হাদিসটি হাসান লিগাইরিহী এবং উক্ত সানাদ দুর্বল]

 হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   মুসনাদে আহমাদ  মুসনাদে আলী ইবনে আবি তালিব (রাঃ) [আলীর বর্ণিত হাদীস] (مسند علي بن أبي طالب)

 ১৩৩৮

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ

১৩৩৮। আলী (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ জান্নাতের কতকগুলো কক্ষ এমন রয়েছে, যার ছাদের ওপর থেকে মেঝে দেখা যায় এবং মেঝে থেকে ছাদের উপরিভাগ দেখা যায়। জনৈক বেদুঈন এ কথা শুনে বললো, ইয়া রাসূলাল্লাহ, ঐ কক্ষগুলো কার জন্য? রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ যে ব্যক্তি মিষ্টভাষী, মানুষকে আহার করায় এবং রাতে যখন সবাই ঘুমিয়ে থাকে তখন আল্লাহর (সন্তুষ্টি লাভের) উদ্দেশ্যে নামায পড়ে। [ইবনু খুযাইমা-২১৩৬, তিরমিযী-১৯৮৪, ২৫২৭]

[হাদিসটি হাসান লিগাইরিহী এবং উক্ত সানাদ দুর্বল]

حَدَّثَنَا عَبْدُ اللهِ، حَدَّثَنِي عَبَّادُ بْنُ يَعْقُوبَ الْأَسَدِيُّ أَبُو مُحَمَّدٍ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ فُضَيْلٍ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ إِسْحَاقَ، عَنِ النُّعْمَانِ بْنِ سَعْدٍ، عَنْ عَلِيٍّ، رَضِيَ اللهُ عَنْهُ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: ” إِنَّ فِي الْجَنَّةِ لَغُرَفًا يُرَى بُطُونُهَا مِنْ ظُهُورِهَا، وَظُهُورُهَا مِنْ بُطُونِهَا ” فَقَالَ أَعْرَابِيٌّ: يَا رَسُولَ اللهِ لِمَنْ هِيَ؟ قَالَ: ” لِمَنْ أَطَابَ الْكَلامَ، وَأَطْعَمَ الطَّعَامَ، وَصَلَّى لِلَّهِ بِاللَّيْلِ وَالنَّاسُ نِيَامٌ

 

 

حسن لغيره، وهذا إسناد ضعيف كسابقه

وأخرجه البزار (702) ، وأبو يعلى (438) ، وابن خزيمة- وقال: إن صح الخبر- (2136) من طرق عن محمد بن فضيل، بهذا الإِسناد

وأخرجه ابن أبي شيبة 8/625 و13/101، وهناد في “الزهد” (123) ، والترمذي (1984) و (2527) ، وأبو يعلى (428) ، وابن عدي في “الكامل” 4/1613-1614 من طريقين عن عبد الرحمن بن إسحاق، به، وقال الترمذي: غريب

وفي الباب عن عبد الله بن عمرو سيأتي في “المسند” (6615) ، وعن أبي مالك الآشعري سيأتي في “المسند” أيضاً (5/343) ، وفي إسناديهما ضعف، لكن الحديث يحسن بمجموع هذه الشواهد

حدثنا عبد الله، حدثني عباد بن يعقوب الأسدي أبو محمد، حدثنا محمد بن فضيل، عن عبد الرحمن بن إسحاق، عن النعمان بن سعد، عن علي، رضي الله عنه، قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: ” إن في الجنة لغرفا يرى بطونها من ظهورها، وظهورها من بطونها ” فقال أعرابي: يا رسول الله لمن هي؟ قال: ” لمن أطاب الكلام، وأطعم الطعام، وصلى لله بالليل والناس نيام – حسن لغيره، وهذا إسناد ضعيف كسابقه وأخرجه البزار (702) ، وأبو يعلى (438) ، وابن خزيمة- وقال: إن صح الخبر- (2136) من طرق عن محمد بن فضيل، بهذا الإسناد وأخرجه ابن أبي شيبة 8/625 و13/101، وهناد في “الزهد” (123) ، والترمذي (1984) و (2527) ، وأبو يعلى (428) ، وابن عدي في “الكامل” 4/1613-1614 من طريقين عن عبد الرحمن بن إسحاق، به، وقال الترمذي: غريب وفي الباب عن عبد الله بن عمرو سيأتي في “المسند” (6615) ، وعن أبي مالك الآشعري سيأتي في “المسند” أيضا (5/343) ، وفي إسناديهما ضعف، لكن الحديث يحسن بمجموع هذه الشواهد

 হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   মুসনাদে আহমাদ  মুসনাদে আলী ইবনে আবি তালিব (রাঃ) [আলীর বর্ণিত হাদীস] (مسند علي بن أبي طالب)

 ১৩৩৯

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ

১৩৩৯। ১৩২০ নং হাদীস দ্রষ্টব্য।

১৩২০। আলী (রাঃ) বলেছেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এরূপ দু’আ করতেন, হে আল্লাহ, আমার উম্মাত দিনের শুরুতে যে কাজ করবে, তাতে বরকত দাও।

 হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   মুসনাদে আহমাদ  মুসনাদে আলী ইবনে আবি তালিব (রাঃ) [আলীর বর্ণিত হাদীস] (مسند علي بن أبي طالب)

 ১৩৪০

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ

১৩৪০। ১০৭৮ নং হাদীস দ্রষ্টব্য।

১০৭৮। আবুদল্লাহ ইবনে সুবাই’ বলেছেন, আমি আলী (রাঃ)-কে বলতে শুনেছি, আমার এই দাড়ি অবশ্যই এই মাথার রক্তে রঞ্জিত হবে। সুতরাং সর্বপেক্ষা হতভাগা অপরাধী (হত্যাকারী) কিসের জন্য অপেক্ষা করবে? লোকেরা বললো, হে আমীরুল মুমিনীন, সেই হত্যাকারীর পরিচয় আমাদের জানিয়ে দিন তাকে আমরা সবংশে নিৰ্মূল করবো। আলী (রাঃ) বললেন, তাহলে আল্লাহর কসম, তোমরা বদলা নিতে আমার হত্যাকারীর পরিবর্তে অন্য ব্যক্তিকে হত্যা করবে। লোকেরা বললো, তাহলে আমাদের জন্য আপনার পরবর্তী খলীফা নিযুক্ত করুন। তিনি বললেন, না, তাও করবো না। তবে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তোমাদেরকে যেভাবে রেখে গিয়েছেন, আমিও তোমাদেরকে সেভাবে রেখে যাবো। (অর্থাৎ তোমরা পরামর্শ ভিত্তিক সিদ্ধান্ত দ্বারা খলীফা নিয়োগ করবে।) লোকেরা বললো, তাহলে আপনি আপনার প্রতিপালকের কাছে গিয়ে কি বলবেন? আলী (রাঃ) বললেন, আমি বলবো, হে আল্লাহ, আপনি যতদিন ভালো মনে করেছেন, ততদিন আমাকে মুসলিমদের দায়িত্বে নিয়োজিত রেখেছেন। তারপর আপনি আমাকে নিজের নিকট তুলে নিয়েছেন, যখন আপনি নিজে তাদের তত্ত্বাবধানে আছেন। এখন আপনি ইচ্ছা করলে তাদেরকে পরিশুদ্ধ করুন। নচেত তাদেরকে অরাজকতায় নিক্ষেপ করুন।

 হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai’f)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   মুসনাদে আহমাদ  মুসনাদে আলী ইবনে আবি তালিব (রাঃ) [আলীর বর্ণিত হাদীস] (مسند علي بن أبي طالب)

 ১৩৪১

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ

১৩৪১। একবার আলী (রাঃ) জনসমক্ষে ভাষণ দিলেন। বললেন, হে জনতা, তোমাদের দাসদাসীর ওপরও শরিয়াত নির্ধারিত দণ্ডবিধি (হুকুম) কার্যকর কর, চাই বিবাহিত হোক বা অবিবাহিত হোক। একবার রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের জনৈকা দাসী ব্যভিচার করেছিল। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে আদেশ দিলেন যেন তার উপর দণ্ডবিধি কার্যকর করি। যখন তার কাছে গেলাম জানতে পারলাম। সে সবেমাত্র প্রসবোত্তর স্রাব থেকে মুক্ত হয়েছে। তাকে বেত্ৰদণ্ড দিলে সে মারা যেতে পারে বলে আমার আশঙ্কা হলো। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট বিষয়টি উল্লেখ করলে তিনি বললেন, (দণ্ড কার্যকর না করে) ভালো করেছ। [মুসলিম-১৭০৫]

حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ دَاوُدَ، أَنْبَأَنَا زَائِدَةُ، عَنِ السُّدِّيِّ، عَنْ سَعْدِ بْنِ عُبَيْدَةَ، عَنْ أَبِي عَبْدِ الرَّحْمَنِ السُّلَمِيِّ، قَالَ: خَطَبَنَا عَلِيٌّ رَضِيَ اللهُ عَنْهُ قَالَ: يَا أَيُّهَا النَّاسُ، أَقِيمُوا عَلَى أَرِقَّائِكُمُ الْحُدُودَ مَنِ احْصِنَ مِنْهُمْ، وَمَنْ لَمْ يُحْصَنْ، فَإِنَّ أَمَةً لِرَسُولِ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ زَنَتْ، فَأَمَرَنِي رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنْ أُقِيمَ عَلَيْهَا الْحَدَّ، فَأَتَيْتُهَا فَإِذَا هِيَ حَدِيثُ عَهْدٍ بِنِفَاسٍ، فَخَشِيتُ إِنِ انَا جَلَدْتُهَا أَنْ تَمُوتَ، فَأَتَيْتُ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَذَكَرْتُ ذَلِكَ لَهُ، فَقَالَ: ” أَحْسَنْتَ

 

 

إسناده صحيح على شرط مسلم. زائدة: هو ابن قدامة، والسدي: هو إسماعيل بن عبد الرحمن بن أبي كريمة، سليمان بن داود: هو الطيالسي، وهو في “مسنده” (112) ومن طريق الطيالسي أخرجه مسلم (1705) والترمذي (1441) ، والبزار (590) ، وأبو يعلى (326) وابن الجارود (816) ، وقال الترمذي: حديث صحيح

وأخرجه البزار (591) من طريق إسرائيل، عن السدي، به. وانظر (679)

حدثنا سليمان بن داود، أنبأنا زائدة، عن السدي، عن سعد بن عبيدة، عن أبي عبد الرحمن السلمي، قال: خطبنا علي رضي الله عنه قال: يا أيها الناس، أقيموا على أرقائكم الحدود من احصن منهم، ومن لم يحصن، فإن أمة لرسول الله صلى الله عليه وسلم زنت، فأمرني رسول الله صلى الله عليه وسلم أن أقيم عليها الحد، فأتيتها فإذا هي حديث عهد بنفاس، فخشيت إن انا جلدتها أن تموت، فأتيت رسول الله صلى الله عليه وسلم فذكرت ذلك له، فقال: ” أحسنت – إسناده صحيح على شرط مسلم. زائدة: هو ابن قدامة، والسدي: هو إسماعيل بن عبد الرحمن بن أبي كريمة، سليمان بن داود: هو الطيالسي، وهو في “مسنده” (112) ومن طريق الطيالسي أخرجه مسلم (1705) والترمذي (1441) ، والبزار (590) ، وأبو يعلى (326) وابن الجارود (816) ، وقال الترمذي: حديث صحيح وأخرجه البزار (591) من طريق إسرائيل، عن السدي، به. وانظر (679)

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   মুসনাদে আহমাদ  মুসনাদে আলী ইবনে আবি তালিব (রাঃ) [আলীর বর্ণিত হাদীস] (مسند علي بن أبي طالب)

পরিচ্ছেদঃ

১৩৪২। ৬৬৬ নং হাদীস দ্রষ্টব্য।

৬৬৬। আলী (রাঃ) বলেছেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে ইয়ামানে পাঠিয়েছিলেন। আমি বললামঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ, আপনি আমাকে আমার চেয়ে প্রবীন একটি গোষ্ঠীর নিকট তাদের বিচার ফায়সালার জন্য পাঠাচ্ছেন? তিনি বললেনঃ যাও, আল্লাহ তোমার জিহ্বাকে সংযত ও বলিষ্ঠ করবেন এবং তোমার মনকে সঠিক পথ দেখাবেন।

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   মুসনাদে আহমাদ  মুসনাদে আলী ইবনে আবি তালিব (রাঃ) [আলীর বর্ণিত হাদীস] (مسند علي بن أبي طالب)

 ১৩৪৩

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ

১৩৪৩। আলী (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ জান্নাতে একটা বাজার রয়েছে, যেখানে কোন বেচাকেনা নেই। সেখানে কেবল কিছু নারী ও পুরুষের ছবি রয়েছে। যখন কোন ব্যক্তি একটা ছবি পছন্দ করবে, তখন তার ভেতরে ঢুকবে। সেখানে পরমা সুন্দরী হুরদের সমাবেশ থাকবে। তারা আওয়ায তুলবে। তাদের মত সুন্দরী নারী সৃষ্টি জগতের কেউ কখনো দেখেনি। তারা বলবে, আমরা চিরঞ্জীব, কখনো মরবো না। আমরা চিরদিনের জন্য সন্তুষ্ট ও পরিতৃপ্ত, কখনো অসন্তুষ্ট হবো না, আমরা আনন্দিত, কখনো বিষাদগ্ৰস্ত হবো না। যারা আমাদের জন্য এবং আমরা যাদের জন্য, তাদের জন্য সুসংবাদ।

[তিরমিযী-২৫৫০-২৫৬8, মুসনাদে আহমাদ-১৩88]

حَدَّثَنَا عَبْدُ اللهِ، حَدَّثَنِي أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِيَةَ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ إِسْحَاقَ، عَنِ النُّعْمَانِ بْنِ سَعْدٍ، عَنْ عَلِيٍّ، رَضِيَ اللهُ عَنْهُ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: ” إِنَّ فِي الْجَنَّةِ سُوقًا مَا فِيهَا بَيْعٌ وَلا شِرَاءٌ، إِلا الصُّوَرُ مِنَ النِّسَاءِ وَالرِّجَالِ، فَإِذَا اشْتَهَى الرَّجُلُ صُورَةً دَخَلَ فِيهَا، وَإِنَّ فِيهَا لَمَجْمَعًا لِلحُورِ الْعِينِ يَرْفَعْنَ أَصْوَاتًا لَمْ يَرَ الْخَلائِقُ مِثْلَهَا، يَقُلْنَ: نَحْنُ الْخَالِدَاتُ فَلا نَبِيدُ، وَنَحْنُ الرَّاضِيَاتُ فَلا نَسْخَطُ، وَنَحْنُ النَّاعِمَاتُ فَلا نَبْؤُسُ، فَطُوبَى لِمَنْ كَانَ لَنَا وَكُنَّا لَهُ

 

 

إسناده ضعيف لضعف عبد الرحمن بن إسحاق، ولجهالة النعمان بن سعد، وأورده ابن الجوزي في لا العلل المتناهية” 2/932 وفى “الموضوعات ” 3/256-257 عن “المسند” وقال: هذا حديث لا يصح والمتهم به عبد الرحمن بن إسحاق وهو أبو شيبة الواسطي، قال أحمد: ليس بشيء منكر الحديث، وقال يحيى: متروك. وهو في “مصنف ابن أبي شيبة” 13/100

وأخرجه هناد في “الزهد” (9) ، والمروزي في زياداته على “زهد ابن المبارك” (1487) ، والترمذي (2550) و (2564) ، والبزار (703) ، وأبو يعلى (429) ، والبيهقي في “البعث والنشور” (376) ، والبغوي في “شرح السنة” (4388) من طرق عن أبي معاوية، بهذا الإِسناد. وقال الترمذي: غريب. وسيأتي برقم (1344)

حدثنا عبد الله، حدثني أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا أبو معاوية، عن عبد الرحمن بن إسحاق، عن النعمان بن سعد، عن علي، رضي الله عنه، قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: ” إن في الجنة سوقا ما فيها بيع ولا شراء، إلا الصور من النساء والرجال، فإذا اشتهى الرجل صورة دخل فيها، وإن فيها لمجمعا للحور العين يرفعن أصواتا لم ير الخلائق مثلها، يقلن: نحن الخالدات فلا نبيد، ونحن الراضيات فلا نسخط، ونحن الناعمات فلا نبؤس، فطوبى لمن كان لنا وكنا له – إسناده ضعيف لضعف عبد الرحمن بن إسحاق، ولجهالة النعمان بن سعد، وأورده ابن الجوزي في لا العلل المتناهية” 2/932 وفى “الموضوعات ” 3/256-257 عن “المسند” وقال: هذا حديث لا يصح والمتهم به عبد الرحمن بن إسحاق وهو أبو شيبة الواسطي، قال أحمد: ليس بشيء منكر الحديث، وقال يحيى: متروك. وهو في “مصنف ابن أبي شيبة” 13/100 وأخرجه هناد في “الزهد” (9) ، والمروزي في زياداته على “زهد ابن المبارك” (1487) ، والترمذي (2550) و (2564) ، والبزار (703) ، وأبو يعلى (429) ، والبيهقي في “البعث والنشور” (376) ، والبغوي في “شرح السنة” (4388) من طرق عن أبي معاوية، بهذا الإسناد. وقال الترمذي: غريب. وسيأتي برقم (1344)

 হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai’f)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   মুসনাদে আহমাদ  মুসনাদে আলী ইবনে আবি তালিব (রাঃ) [আলীর বর্ণিত হাদীস] (مسند علي بن أبي طالب)

 ১৩৪৪

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ

১৩৪৪। ১৩৪৩ নং হাদীস দ্রষ্টব্য। [দেখুন পূর্বের হাদিস]

 হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai’f)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   মুসনাদে আহমাদ  মুসনাদে আলী ইবনে আবি তালিব (রাঃ) [আলীর বর্ণিত হাদীস] (مسند علي بن أبي طالب)

 ১৩৪৫

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ

১৩৪৫। ৯৭১ নং হাদীস দ্রষ্টব্য।

৯৭১। আলী (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি তিনবার করে সংশ্লিষ্ট অংগসমূহ ধুয়ে ওযূ করলেন এবং ওযূর উদ্বৃত্ত পানি পান করলেন। তারপর বললেনঃ আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে এ রকমই করতে দেখেছি।

 হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   মুসনাদে আহমাদ  মুসনাদে আলী ইবনে আবি তালিব (রাঃ) [আলীর বর্ণিত হাদীস] (مسند علي بن أبي طالب)

 ১৩৪৬

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ

১৩৪৬। আলী (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ শেষ যামানায় এমন একদল মানুষের আবির্ভাব ঘটবে, যারা কুরআন পড়বে, কিন্তু সেই কুরআন পাঠ তাদের কণ্ঠনালী অতিক্রম করবে না। (অৰ্থাৎ কাজে বাস্তবায়িত হবে না।) ধনুক থেকে তীর যেরূপ দ্রুত বেগে বের হয়, তারা ইসলাম থেকে সেরূপ দ্রুত গতিতে বের হবে। তাদের সাথে লড়াই করা প্রত্যেক মুসলিমের উপর ফারয।

حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ آدَمَ، حَدَّثَنَا إِسْرَائِيلُ، عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ، عَنْ سُوَيْدِ بْنِ غَفَلَةَ، عَنْ عَلِيٍّ، رَضِيَ اللهُ عَنْهُ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: يَكُونُ فِي آخِرِ الزَّمَانِ قَوْمٌ يَقْرَءُونَ الْقُرْآنَ، لَا يُجَاوِزُ تَرَاقِيَهُمْ، يَمْرُقُونَ مِنَ الإِسْلامِ كَمَا يَمْرُقُ السَّهْمُ مِنَ الرَّمِيَّةِ، قِتَالُهُمْ حَقٌّ عَلَى كُلِّ مُسْلِمٍ

 

 

صحيح لغيره، رجاله ثقات رجال الشيخين، إلا أنه رواه يوسف بن أبي إسحاق عن أبيه فأدخل بينه وبين سويد بن غفلة أبا قيس الأودي

وأخرجه البزار (567) ، والنسائي في “خصائص علي” (179) من طريقين عن إسرائيل، بهذا الإِسناد

وأخرجه النسائي في “الخصائص” (180) من طريق إبراهيم بن يوسف، عن أبيه، عن أبي إسحاق، عن أبي قيس الأودي عبد الرحمن بن ثروان، عن سويد بن غفلة، به

وانظر ما تقدم برقم (1086)

حدثنا يحيى بن آدم، حدثنا إسرائيل، عن أبي إسحاق، عن سويد بن غفلة، عن علي، رضي الله عنه، قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: يكون في آخر الزمان قوم يقرءون القرآن، لا يجاوز تراقيهم، يمرقون من الإسلام كما يمرق السهم من الرمية، قتالهم حق على كل مسلم – صحيح لغيره، رجاله ثقات رجال الشيخين، إلا أنه رواه يوسف بن أبي إسحاق عن أبيه فأدخل بينه وبين سويد بن غفلة أبا قيس الأودي وأخرجه البزار (567) ، والنسائي في “خصائص علي” (179) من طريقين عن إسرائيل، بهذا الإسناد وأخرجه النسائي في “الخصائص” (180) من طريق إبراهيم بن يوسف، عن أبيه، عن أبي إسحاق، عن أبي قيس الأودي عبد الرحمن بن ثروان، عن سويد بن غفلة، به وانظر ما تقدم برقم (1086)

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   মুসনাদে আহমাদ  মুসনাদে আলী ইবনে আবি তালিব (রাঃ) [আলীর বর্ণিত হাদীস] (مسند علي بن أبي طالب)

 ১৩৪৭

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ

১৩৪৭। ৬৪৫ নং হাদীস দ্রষ্টব্য।

৬৪৫। আলী (রাঃ) বলেছেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ মাহদী আমাদের বংশধর থেকেই আবির্ভূত হবে। আল্লাহ তাকে এক রাতের মধ্যেই যোগ্যতা দান করবেন।

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   মুসনাদে আহমাদ  মুসনাদে আলী ইবনে আবি তালিব (রাঃ) [আলীর বর্ণিত হাদীস] (مسند علي بن أبي طالب)

 ১৩৪৮

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ

১৩৪৮। ৫৬২ নং হাদীস দ্রষ্টব্য।

৫৬২। আলী ইবনে আবী তালিব থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আরাফাতে অবস্থান করলেন। অতঃপর তিনি বললেনঃ এটা হচ্ছে অবস্থানের জায়গা। সমগ্র আরাফাতই অবস্থানের জায়গা। সূর্য অস্ত যাওয়া মাত্রই তিনি সেখান থেকে রওনা হলেন। উসামাকে পেছনে বসালেন এবং নিজের উটটাকে জোরে জোরে চালালেন। অন্য লোকেরা ডানে বামে চলতে লাগলো। তিনি তাদের দিকে তাকিয়ে বলতে লাগলেন, “হে জনতা, প্রশান্তি!” অতঃপর একদল লোকের কাছে এলেন এবং মাগরিব ও ইশার নামাযে তাদের ইমামতি করলেন। অতঃপর রাত গিয়ে যখন ভোর হলো, তিনি কুযাহতে এলেন এবং কুযাহতে অবস্থান করলেন। তখন তিনি বললেনঃ এটা অবস্থানের জায়গা এবং একটি সমাবেশের জায়গা। পুরো কুযাহাই অবস্থানের জায়গা।

এরপর তিনি আবার চলা শুরু করলেন এবং মুহাসসার উপত্যকায় এলেন ও সেখানে (কিছু সময়) অবস্থান করলেন। তারপর তাঁর উটনীকে ধাক্কা দিয়ে তুললেন। উটটি দুলকি চালে চলে উপত্যকা পার হয়ে গেল। অতঃপর উটনীকে থামালেন এবং ফযলকে পেছনে বসালেন। অতঃপর জামরায় এলেন ও পাথর নিক্ষেপ করলেন। তারপর কুরবানীর জায়গায় এলেন। তারপর বললেন, এটা কুরবানীর জায়গা এবং সমগ্ৰ মিনাই কুরবানীর জায়গা। বর্ণনাকারী বলেন, এই সময় খাসিয়াম গোত্রের এক যুবতী মেয়ে তাঁর নিকট জিজ্ঞাসা করলো যে, আমার বাবা এত বৃদ্ধ যে, চলৎশক্তি রহিত। অথচ তার ওপর হজ্জ ফরয হয়েছে। আমি তার পক্ষ থেকে হজ্জ করলে কি তার হজ্জ আদায় হবে? তিনি বললেনঃ হ্যাঁ, তুমি তোমার বাবার পক্ষ থেকে হজ্জ কর।”

এই সময় তিনি ফযলের ঘাড় ঘুরিয়ে দিলেন। আব্বাস (রাঃ) বললেন, হে আল্লাহ্‌র রাসূল, আপনি আপনার চাচাতো ভাইয়ের ঘাড় ঘুরিয়ে দিলেন কেন? তিনি বললেন, আমি একজন যুবক ও যুবতীকে পাশাপাশি দেখলাম। তাদেরকে শয়তান থেকে নিরাপদ মনে করলাম না। এরপর তার নিকট আর এক ব্যক্তি এল। সে বললোঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ, আমি তো কুরবানীর আগেই চুল কামিয়েছি। তিনি বললেন, কোন অসুবিধা নেই, কুরবানী কর। এরপর তাঁর নিকট আর একজন এল। সে বললোঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ, আমি চুল কামানোর আগেই রওনা হয়েছি। তিনি বললেনঃ কোন সমস্যা নেই, চুল কামাও অথবা ছাটাও। তারপর তিনি বাইতুল্লায় এলেন ও তাওয়াফ করলেন। তারপর যমযমে এলেন এবং বললেনঃ হে আবদুল মুত্তালিবের গোত্ৰ, তোমাদের পানির উৎসকে রক্ষা কর। লোকেরা এর ওপর হুমড়ি খেয়ে পড়বে এই আশঙ্কা না থাকলে আমি নিজে তা থেকে পানি টেনে তুলতাম।

 হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   মুসনাদে আহমাদ  মুসনাদে আলী ইবনে আবি তালিব (রাঃ) [আলীর বর্ণিত হাদীস] (مسند علي بن أبي طالب)

 ১৩৪৯

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ

১৩৪৯। ৬৩১ নং হাদীস দ্রষ্টব্য।

সা’দ বিন মু’আযের পৌত্র ওয়াকিদ বিন আমার বলেছেন, আমি বনু সালমা গোত্রে একটা মৃতদেহ দেখলাম এবং দেখা মাত্রই উঠে দাঁড়ালাম। না’ফে বিন যুবাইর আমাকে বললেনঃ বস। আমি এক্ষুণি তোমাকে এ বিষয়ে প্রমাণ সহকারে জানাবো। আমাকে মাসউদ ইবনুল হাকাম আয যারাকী বলেছেনঃ তিনি কুফার এক মাঠে আলী ইবনে আবী তালিবকে বলতে শুনেছেনঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক সময় আমাদেরকে মৃতদেহ দেখে দাঁড়াতে বলতেন। পরে তিনি নিজেও বসে থাকতেন, আমাদেরকেও বসতে আদেশ দিতেন।

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   মুসনাদে আহমাদ  মুসনাদে আলী ইবনে আবি তালিব (রাঃ) [আলীর বর্ণিত হাদীস] (مسند علي بن أبي طالب)

 ১৩৫০

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ

১৩৫০। ৯৭১ নং হাদীস দ্রষ্টব্য।

৯৭১। আলী (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি তিনবার করে সংশ্লিষ্ট অংগসমূহ ধুয়ে ওযূ করলেন এবং ওযূর উদ্বৃত্ত পানি পান করলেন। তারপর বললেনঃ আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে এ রকমই করতে দেখেছি।

 হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   মুসনাদে আহমাদ  মুসনাদে আলী ইবনে আবি তালিব (রাঃ) [আলীর বর্ণিত হাদীস] (مسند علي بن أبي طالب)

 ১৩৫১

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ

১৩৫১। ৯৭১ নং হাদীস দ্রষ্টব্য। [দেখুন পূর্বের হাদিস]

 হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   মুসনাদে আহমাদ  মুসনাদে আলী ইবনে আবি তালিব (রাঃ) [আলীর বর্ণিত হাদীস] (مسند علي بن أبي طالب)

 ১৩৫২

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ

১৩৫২। ৯৭১ নং হাদীস দ্রষ্টব্য। [দেখুন হাদিস নং ১৩৫০]

 হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   মুসনাদে আহমাদ  মুসনাদে আলী ইবনে আবি তালিব (রাঃ) [আলীর বর্ণিত হাদীস] (مسند علي بن أبي طالب)

 ১৩৫৩

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ

১৩৫৩। একবার আলী (রাঃ) তিন দিরহাম দিয়ে একটা কাপড় কিনলেন। কাপড়টি কিনে যখন পরলেন, তখন বললেন, “আল্লাহর প্রশংসা, যিনি আমাকে এমন সৌন্দৰ্য বর্ধক পোশাক পরিয়েছেন, যা পরে আমি নিজের শরীরের গোপনীয় অংশ ঢাকছি এবং জনগণের সামনে নিজের সৌন্দর্য প্রকাশ করছি।” তারপর বললেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে এরূপ বলতে শুনেছি।

(১৩৫৫ নং হাদীস দ্রষ্টব্য)।

حَدَّثَنَا عَبْدُ اللهِ، حَدَّثَنِي سُوَيْدُ بْنُ سَعِيدٍ، حَدَّثَنَا مَرْوَانُ الْفَزَارِيُّ، عَنِ الْمُخْتَارِ بْنِ نَافِعٍ، حَدَّثَنِي أَبُو مَطَرٍ الْبَصْرِيُّ، وَكَانَ قَدِ ادْرَكَ عَلِيًّا رَضِيَ اللهُ عَنْهُ: أَنَّ عَلِيًّا اشْتَرَى ثَوْبًا بِثَلاثَةِ دَرَاهِمَ فَلَمَّا لَبِسَهُ قَالَ: ” الْحَمْدُ لِلَّهِ الَّذِي رَزَقَنِي مِنَ الرِّيَاشِ مَا أَتَجَمَّلُ بِهِ فِي النَّاسِ، وَأُوَارِي بِهِ عَوْرَتِي ” ثُمَّ قَالَ: ” هَكَذَا سَمِعْتُ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ

 

 

إسناده ضعيف لضعف المحتار بن نافع، ولجهالة أبي مطر البصري، جهله أبو حاتم والذهبي، وتركه حفص بن غياث

وأخرجه أبو يعلى (295) من طريق المعافى بن عمران، عن مختار، بهذا الإسناد

وأحرجه أيضاً (327) من طريق أبي المحياة التيمي، عن أبي مطر، به. وسيأتي برقم (1355)

وفي الباب عن عمر تقدم في مسنده برقم (305)

والرياش؟ هي الثياب

حدثنا عبد الله، حدثني سويد بن سعيد، حدثنا مروان الفزاري، عن المختار بن نافع، حدثني أبو مطر البصري، وكان قد ادرك عليا رضي الله عنه: أن عليا اشترى ثوبا بثلاثة دراهم فلما لبسه قال: ” الحمد لله الذي رزقني من الرياش ما أتجمل به في الناس، وأواري به عورتي ” ثم قال: ” هكذا سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول – إسناده ضعيف لضعف المحتار بن نافع، ولجهالة أبي مطر البصري، جهله أبو حاتم والذهبي، وتركه حفص بن غياث وأخرجه أبو يعلى (295) من طريق المعافى بن عمران، عن مختار، بهذا الإسناد وأحرجه أيضا (327) من طريق أبي المحياة التيمي، عن أبي مطر، به. وسيأتي برقم (1355) وفي الباب عن عمر تقدم في مسنده برقم (305) والرياش؟ هي الثياب

 হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai’f)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   মুসনাদে আহমাদ  মুসনাদে আলী ইবনে আবি তালিব (রাঃ) [আলীর বর্ণিত হাদীস] (مسند علي بن أبي طالب)

 ১৩৫৪

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ

১৩৫৪। ৯৭১ নং হাদীস দ্রষ্টব্য।

৯৭১। আলী (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি তিনবার করে সংশ্লিষ্ট অংগসমূহ ধুয়ে ওযূ করলেন এবং ওযূর উদ্বৃত্ত পানি পান করলেন। তারপর বললেনঃ আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে এ রকমই করতে দেখেছি।

 হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   মুসনাদে আহমাদ  মুসনাদে আলী ইবনে আবি তালিব (রাঃ) [আলীর বর্ণিত হাদীস] (مسند علي بن أبي طالب)

 ১৩৫৫

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ

১৩৫৫। ১৩৫৩ নং হাদীস দ্রষ্টব্য।

 হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai’f)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   মুসনাদে আহমাদ  মুসনাদে আলী ইবনে আবি তালিব (রাঃ) [আলীর বর্ণিত হাদীস] (مسند علي بن أبي طالب)

 ১৩৫৬

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ

১৩৫৬। ৯৭১ নং হাদীস দ্রষ্টব্য।

৯৭১। আলী (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি তিনবার করে সংশ্লিষ্ট অংগসমূহ ধুয়ে ওযূ করলেন এবং ওযূর উদ্বৃত্ত পানি পান করলেন। তারপর বললেনঃ আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে এ রকমই করতে দেখেছি।

 হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai’f)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   মুসনাদে আহমাদ  মুসনাদে আলী ইবনে আবি তালিব (রাঃ) [আলীর বর্ণিত হাদীস] (مسند علي بن أبي طالب)

 ১৩৫৭

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ

১৩৫৭। ৭০৯ নং হাদীস দ্রষ্টব্য।

৭০৯। আলী (রাঃ) বলেছেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে কখনো সা’দ বিন আবি ওয়াক্কাস ছাড়া আর কারো জন্য নিজের পিতা-মাতা উভয়কে উৎসর্গ করতে শুনিনি। উহুদের দিন তিনি সা’দকে বলছিলেনঃ হে সা’দ, তোমার জন্য আমার পিতা-মাতা উৎসর্গ হোক, তীর নিক্ষেপ কর।

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   মুসনাদে আহমাদ  মুসনাদে আলী ইবনে আবি তালিব (রাঃ) [আলীর বর্ণিত হাদীস] (مسند علي بن أبي طالب)

 ১৩৫৮

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ

১৩৫৮। ৬২০ নং হাদীস দ্রষ্টব্য।

৬২০। আলী (রাঃ) বলেছেন, আমি বললামঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ, আপনার কী হয়েছে, কুরাইশদের মধ্য থেকেই (স্ত্রী) বাছাই করেন এবং আমাদেরকে (বনু হাশিমকে) এড়িয়ে চলেন? রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তোমার কাছে কি কোন প্রস্তাব আছে? আমি বললামঃ অবশ্যই, হামযার মেয়ে। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ সে আমার জন্য বৈধ নয়। সে আমার দুধ ভাইয়ের মেয়ে। (অর্থাৎ হামযা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের দুধ ভাই।)

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   মুসনাদে আহমাদ  মুসনাদে আলী ইবনে আবি তালিব (রাঃ) [আলীর বর্ণিত হাদীস] (مسند علي بن أبي طالب)

 ১৩৫৯

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ

১৩৫৯। ৭৮৫ নং হাদীস দ্রষ্টব্য।

৭৮৫। আলী (রাঃ) থেকে বর্ণিত। একবার রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে একটা মাদী খচ্চর উপহার দেয়া হলো। আমরা বললামঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ, আমরা যদি আমাদের ঘোড়াগুলোর ওপর গাধা উঠিয়ে দেই, তাহলে আমরাও এ রকম খচ্চর প্রজনন করাতে পারি। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ ওটা মুর্খ লোকদের কাজ।

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   মুসনাদে আহমাদ  মুসনাদে আলী ইবনে আবি তালিব (রাঃ) [আলীর বর্ণিত হাদীস] (مسند علي بن أبي طالب)

 ১৩৬০

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ

১৩৬০। ৯৭১ নং হাদীস দ্রষ্টব্য।

৯৭১। আলী (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি তিনবার করে সংশ্লিষ্ট অংগসমূহ ধুয়ে ওযূ করলেন এবং ওযূর উদ্বৃত্ত পানি পান করলেন। তারপর বললেনঃ আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে এ রকমই করতে দেখেছি।

 হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   মুসনাদে আহমাদ  মুসনাদে আলী ইবনে আবি তালিব (রাঃ) [আলীর বর্ণিত হাদীস] (مسند علي بن أبي طالب)

 ১৩৬১

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ

১৩৬১। ১৩২৮ নং হাদীস দ্রষ্টব্য।

১৩২৮। উমর (রাঃ) এর নিকট এক মহিলাকে আনা হলো। সে ব্যভিচার করেছিল। তিনি তাকে পাথর মেরে হত্যা করার নির্দেশ দিলেন। লোকেরা তাকে পাথর মেরে হত্যা করার জন্য নিয়ে গেল। তাদের সাথে আলী (রাঃ) এর সাক্ষাত হলো। তিনি বললেন, এই মহিলার কী ব্যাপার? লোকেরা বললো, সে ব্যভিচার করেছে। উমর (রাঃ) তাকে পাথর মেরে হত্যা করার হুকুম দিয়েছেন। তৎক্ষণাত আলী (রাঃ) উক্ত মহিলাকে তাদের হাত থেকে ছিনিয়ে নিলেন এবং লোকদেরকে ফেরত পাঠালেন। লোকেরা উমর (রাঃ)-এর নিকট ফিরে গেল। উমার (রাঃ) জিজ্ঞাসা করলেন, তোমাদেরকে কে ফিরালো? তারা বললো, আলী (রাঃ) আমাদেরকে ফিরালেন। উমর (রাঃ) বললেন, আলী (রাঃ) এ কাজ নিশ্চয়ই এমন কোন জিনিসের ভিত্তিতে করেছেন, যা তিনি জানতেন।

অতঃপর তিনি আলী (রাঃ)এর নিকট বার্তা পাঠালেন। আলী (রাঃ) কিছুটা রাগান্বিত অবস্থায় এলেন। তাকে জিজ্ঞাসা করলেন, তুমি ওদেরকে ফিরিয়ে দিয়েছ কেন? আলী (রাঃ) বললেন, আপনি কি শোনেননি, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তিন ব্যক্তিকে আল্লাহ দায়মুক্ত করেছেনঃ ঘুমন্ত ব্যক্তিকে, যতক্ষণ সে জাগ্ৰত না হয়, শিশুকে, যতক্ষণ সে প্রাপ্তবয়স্ক না হয়, অপ্রকৃতিস্থাকে, যতক্ষণ সুস্থ মস্তিষ্ক না হয়। উমার (রাঃ) বললেন, হাঁ, শুনেছি। আলী (রাঃ) বললেন, এ মহিলা অমুক গোত্রের অপ্রকৃতিস্থ মহিলা। হয়তো কোন পুরুষ তার কাছে এমন অবস্থায় এসেছে যখন সে অপ্রকৃতিস্থ ছিল। উমার (রাঃ) বললেন, আমি জানি না। আলী (রাঃ) বললেন, আমিও জানি না। অগত্যা উমর (রাঃ) তাকে আর পাথর মেরে হত্যা করলেন না।

 হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   মুসনাদে আহমাদ  মুসনাদে আলী ইবনে আবি তালিব (রাঃ) [আলীর বর্ণিত হাদীস] (مسند علي بن أبي طالب)

পরিচ্ছেদঃ

১৩৬২। ৭৬৩ নং হাদীস দ্রষ্টব্য।

৭৬৩। আলী (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আমাকে এমন কয়েকটা জিনিস দেয়া হয়েছে, যা আর কাউকে দেয়া হয়নি। আমরা বললামঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ, কী কী? তিনি বললেনঃ আমাকে ভয় দ্বারা সাহায্য করা হয়েছে (অর্থাৎ ইসলামের শত্রুরা আমাকে ও আমার উম্মাতকে ভয় পায়), আমাকে পৃথিবীর চাবিকাঠি দেয়া হয়েছে (অর্থাৎ পৃথিবীর প্রচুর সম্পদ আমার উম্মাতকে দেয়া হয়েছে)। আমার নাম রাখা হয়েছে আহমাদ, মাটিকে আমার জন্য পবিত্রতা অর্জনের উপকরণ বানানো হয়েছে এবং আমার উম্মাতকে শ্ৰেষ্ঠ জাতি বানানো হয়েছে।

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   মুসনাদে আহমাদ  মুসনাদে আলী ইবনে আবি তালিব (রাঃ) [আলীর বর্ণিত হাদীস] (مسند علي بن أبي طالب)

 ১৩৬৩

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ

১৩৬৩। একবার রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আলী (রাঃ)-কে বললেন, আমি তোমাকে একটা দু’আ শিখাচ্ছি, যা পড়লে তোমার গুনাহ মাফ হয়ে যাবে, যদিও তুমি ক্ষমাপ্রাপ্তঃ লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহুল আলিয়িল আযীম, লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহুল হালিমুল কারীম, সুবনাল্লাহি রাব্বিল আরশিল আযীম, আলহামদু লিল্লাহি, রাব্বিল আলামীন।

حَدَّثَنَا أَبُو سَعِيدٍ، حَدَّثَنَا إِسْرَائِيلُ، حَدَّثَنَا أَبُو إِسْحَاقَ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي لَيْلَى، عَنْ عَلِيٍّ، رَضِيَ اللهُ عَنْهُ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: ” أَلا أُعَلِّمُكَ كَلِمَاتٍ إِذَا قُلْتَهُنَّ غُفِرَ لَكَ عَلَى أَنَّهُ مَغْفُورٌ لَكَ؟ لَا إِلَهَ إِلا اللهُ الْعَلِيُّ الْعَظِيمُ، لَا إِلَهَ إِلا هُوَ الْحَلِيمُ الْكَرِيمُ، سُبْحَانَ اللهِ رَبِّ الْعَرْشِ الْعَظِيمِ الْحَمْدُ لِلَّهِ رَبِّ الْعَالَمِينَ

 

 

حسن لغيره، رجاله ثقات رجال الشيخين غيرَ أبي سعيد مولى بني هاشم فمن رجال البخاري، وانظر “العلل” للدارقطني 4/7- 10

وأخرجه ابن أبي عاصم (1314) ، والبزار (627) ، والنسائي في “عمل اليوم والليلة” (637) ، وفي “خصائص علي” (28) و (29) من طرق عن إسرائيل، بهذا الإسناد

وأخرجه الدارقطني في “العلل” 4/9-10 من طريق سفيان الثوري، عن أبي إسحاق، به. ولم يقل الثوري في روايته “على أنه مغفور لك”. وانظر ما تقدم برقم (712)

حدثنا أبو سعيد، حدثنا إسرائيل، حدثنا أبو إسحاق، عن عبد الرحمن بن أبي ليلى، عن علي، رضي الله عنه، قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: ” ألا أعلمك كلمات إذا قلتهن غفر لك على أنه مغفور لك؟ لا إله إلا الله العلي العظيم، لا إله إلا هو الحليم الكريم، سبحان الله رب العرش العظيم الحمد لله رب العالمين – حسن لغيره، رجاله ثقات رجال الشيخين غير أبي سعيد مولى بني هاشم فمن رجال البخاري، وانظر “العلل” للدارقطني 4/7- 10 وأخرجه ابن أبي عاصم (1314) ، والبزار (627) ، والنسائي في “عمل اليوم والليلة” (637) ، وفي “خصائص علي” (28) و (29) من طرق عن إسرائيل، بهذا الإسناد وأخرجه الدارقطني في “العلل” 4/9-10 من طريق سفيان الثوري، عن أبي إسحاق، به. ولم يقل الثوري في روايته “على أنه مغفور لك”. وانظر ما تقدم برقم (712)

 হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   মুসনাদে আহমাদ  মুসনাদে আলী ইবনে আবি তালিব (রাঃ) [আলীর বর্ণিত হাদীস] (مسند علي بن أبي طالب)

 ১৩৬৪

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ

১৩৬৪। ৬৩৫ নং হাদীস দ্রষ্টব্য।

৬৩৫। আলী (রাঃ) বলেছেন, দশ ব্যক্তিকে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম অভিশাপ দিয়েছেনঃ সুদখোর, সুদদাতা, সুদ সংক্রান্ত বিষয়ের লেখক, সুদের দু’জন সাক্ষী, হিল্লাকারী, যার জন্য হিল্লা করা হয়, যে ব্যক্তি যাকাত দেয় না, উল্কি অঙ্কনকারী, যে উল্কি করায়।

 হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   মুসনাদে আহমাদ  মুসনাদে আলী ইবনে আবি তালিব (রাঃ) [আলীর বর্ণিত হাদীস] (مسند علي بن أبي طالب)

 ১৩৬৫

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ

১৩৬৫। ৭৭৫ নং হাদীস দ্রষ্টব্য।

৭৭৫। আলী (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি দুনিয়াতে কোন গুনাহর কাজ করে ও তার শাস্তি ভোগ করে, আল্লাহ এত ন্যায়বিচারক যে, সেই বান্দাকে পুনরায় আর শাস্তি দেবেন না। আর যে ব্যক্তি দুনিয়ায় কোন গুনাহর কাজ করেছে এবং আল্লাহ তা লুকিয়ে রেখেছেন ও ক্ষমা করেছেন, আল্লাহ এত মহানুভব যে, তার যে গুনাহ ইতিপূর্বে মাফ করেছেন তার জন্য তাকে পুনরায় পাকড়াও করবেন না।

 হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   মুসনাদে আহমাদ  মুসনাদে আলী ইবনে আবি তালিব (রাঃ) [আলীর বর্ণিত হাদীস] (مسند علي بن أبي طالب)

 ১৩৬৬

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ

১৩৬৬। ৫৮৩ নং হাদীস দ্রষ্টব্য।

৫৮৩। নাযযাল ইবনে সাবরা (রাঃ) বলেছেন, আলীর নিকট এক মগ পানি আনা হলো। তিনি তখন বাড়ির প্রাঙ্গনে ছিলেন। তিনি এক আঁজল পানি নিয়ে কুলি করলেন। নাকে পানি দিলেন। তাঁর মুখমণ্ডল, দু’হাত ও মাথা মাসেহ করলেন। অতঃপর দাঁড়িয়ে পানি পান করলেন। তারপর বললেনঃ এ হলো সেই ব্যক্তির ওযূ, যে অপবিত্র হয়নি। আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে এ রকম ওযূ করতে দেখেছি।

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   মুসনাদে আহমাদ  মুসনাদে আলী ইবনে আবি তালিব (রাঃ) [আলীর বর্ণিত হাদীস] (مسند علي بن أبي طالب)

 ১৩৬৭

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ

১৩৬৭। আলী (রাঃ) বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে নিজেকে দেখেছি। তখন আমি ক্ষুধার জ্বালায় পেটে পাথর বেঁধে রাখতাম। আর আজ আমি যাকাত দেই চল্লিশ হাজার দিনার। (১৩৬৮ নং হাদীস দ্রষ্টব্য)

حَدَّثَنَا حَجَّاجٌ، حَدَّثَنَا شَرِيكٌ، عَنْ عَاصِمِ بْنِ كُلَيْبٍ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ كَعْبٍ الْقُرَظِيِّ: أَنَّ عَلِيًّا، رَضِيَ اللهُ عَنْهُ، قَالَ: ” لَقَدْ رَأَيْتُنِي مَعَ رَسُولِ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، وَإِنِّي لارْبُطُ الْحَجَرَ عَلَى بَطْنِي مِنَ الجُوعِ، وَإِنَّ صَدَقَتِي الْيَوْمَ لارْبَعُونَ أَلْفًا

 

 

إسناده ضعيف لانقطاعه، محمد بن كعب القرظي لم يسمع من علي، وشريك – وهو ابن عبد الله النخعي- سيئ الحفظ. حجاج: هو ابن محمد المصيصي الأعور

وأخرجه الدولابي في “الكنى والأسماء” 2/163 من طريق عبد الرحمن بن مصعب، عن شريك، بهذا الإسناد. وليس فيه وإن صدقتي اليوم لأربعون ألفا

حدثنا حجاج، حدثنا شريك، عن عاصم بن كليب، عن محمد بن كعب القرظي: أن عليا، رضي الله عنه، قال: ” لقد رأيتني مع رسول الله صلى الله عليه وسلم، وإني لاربط الحجر على بطني من الجوع، وإن صدقتي اليوم لاربعون ألفا – إسناده ضعيف لانقطاعه، محمد بن كعب القرظي لم يسمع من علي، وشريك – وهو ابن عبد الله النخعي- سيئ الحفظ. حجاج: هو ابن محمد المصيصي الأعور وأخرجه الدولابي في “الكنى والأسماء” 2/163 من طريق عبد الرحمن بن مصعب، عن شريك، بهذا الإسناد. وليس فيه وإن صدقتي اليوم لأربعون ألفا

 হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai’f)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   মুসনাদে আহমাদ  মুসনাদে আলী ইবনে আবি তালিব (রাঃ) [আলীর বর্ণিত হাদীস] (مسند علي بن أبي طالب)

 ১৩৬৮

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ

১৩৬৮। ১৩৬৭ নং হাদীস দ্রষ্টব্য। [দেখুন পূর্বের হাদিস]

 হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai’f)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   মুসনাদে আহমাদ  মুসনাদে আলী ইবনে আবি তালিব (রাঃ) [আলীর বর্ণিত হাদীস] (مسند علي بن أبي طالب)

 ১৩৬৯

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ

১৩৬৯। আলী (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে বললেন, কোন অ-মুহরিমা স্ত্রীলোকের প্রতি এক নাগাড়ে তাকিয়ে থাকবে না। প্রথম বারের দৃষ্টি তোমার জন্য বৈধ। তারপরের দৃষ্টি বৈধ নয়।

(হাদীস নং ১৩৭৩ দ্রষ্টব্য)

حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ إِسْحَاقَ، حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ إِسْحَاقَ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ، عَنْ سَلَمَةَ بْنِ أَبِي الطُّفَيْلِ، عَنْ عَلِيٍّ، رَضِيَ اللهُ عَنْهُ، قَالَ: قَالَ لِي رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: ” لَا تُتْبِعِ النَّظَرَ النَّظَرَ، فَإِنَّ الْأُولَى لَكَ وَلَيْسَتْ لَكَ الْآخِرَةُ

 

 

حسن لغيره، سلمة بن أبي الطفيل- وأبوه هو الصحابي عامر بن واثلة- روى عنه محمد بن إبراهيم التيمى فطر بن خليفة، وذكره ابن حبان في “الثقات” 4/318، وقول ابن خراش فيه: مجهول، رده الحافظ ابن حجر في. التعجيل” ص160، وباقي رجال السند على شرط الصحيح غير محمد بن إسحاق، فقد روى له البخاري تعليقاً ومسلم متابعةً، وهو حسن الحديث، لكنه مدلس وقد رواه بالعنعنة

وأخرجه الدارمي (2709) ، والبزار (907) ، والطحاوي في “مشكل الآثار” 2/350، وابن حبان (5570) ، والحاكم 3/123 من طرق عن حماد بن سلمة، بهذا الإسناد. وصححه الحاكم ووافقه الذهبي. وسيأتي برقم (1373)

وفي الباب عن بريدة عند أحمد وسيأتي في “المسند” (5/351 الطبعة الميمنية) ولفظه: “يا علي لا تتبع النظرة النظرة، فإن لك الأولى، وليست لك الآخرة” وفي إسناده شريك بن عبد الله النخعي، وهو سيئ الحفظ، وقال الترمذي: هذا حديث حسن غريب لا نعرفه إلا من حديث شريك، قلنا: والحديث هنا يتقوى به

حدثنا يحيى بن إسحاق، حدثنا حماد بن سلمة، عن محمد بن إسحاق، عن محمد بن إبراهيم، عن سلمة بن أبي الطفيل، عن علي، رضي الله عنه، قال: قال لي رسول الله صلى الله عليه وسلم: ” لا تتبع النظر النظر، فإن الأولى لك وليست لك الآخرة – حسن لغيره، سلمة بن أبي الطفيل- وأبوه هو الصحابي عامر بن واثلة- روى عنه محمد بن إبراهيم التيمى فطر بن خليفة، وذكره ابن حبان في “الثقات” 4/318، وقول ابن خراش فيه: مجهول، رده الحافظ ابن حجر في. التعجيل” ص160، وباقي رجال السند على شرط الصحيح غير محمد بن إسحاق، فقد روى له البخاري تعليقا ومسلم متابعة، وهو حسن الحديث، لكنه مدلس وقد رواه بالعنعنة وأخرجه الدارمي (2709) ، والبزار (907) ، والطحاوي في “مشكل الآثار” 2/350، وابن حبان (5570) ، والحاكم 3/123 من طرق عن حماد بن سلمة، بهذا الإسناد. وصححه الحاكم ووافقه الذهبي. وسيأتي برقم (1373) وفي الباب عن بريدة عند أحمد وسيأتي في “المسند” (5/351 الطبعة الميمنية) ولفظه: “يا علي لا تتبع النظرة النظرة، فإن لك الأولى، وليست لك الآخرة” وفي إسناده شريك بن عبد الله النخعي، وهو سيئ الحفظ، وقال الترمذي: هذا حديث حسن غريب لا نعرفه إلا من حديث شريك، قلنا: والحديث هنا يتقوى به

 হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   মুসনাদে আহমাদ  মুসনাদে আলী ইবনে আবি তালিব (রাঃ) [আলীর বর্ণিত হাদীস] (مسند علي بن أبي طالب)

 ১৩৭০

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ

১৩৭০। আলী (রাঃ) বলেন, যখন হাসানের জন্ম হলো, তখন তার নাম রাখলাম হামযা। যখন হুসাইন ভূমিষ্ঠ হলো তখন তার নাম রাখলাম জাফর। এরপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে ডাকলেন এবং বললেনঃ এই দু’জনের নাম বদলে দেয়ার জন্য আমাকে আদেশ দেয়া হয়েছে। আমি বললাম, আল্লাহ ও তাঁর রাসূলই এ বিষয়ে ভালো জানেন। অতঃপর তিনি তাদের নাম রাখলেন হাসান ও হুসাইন।

حَدَّثَنَا زَكَرِيَّا بْنُ عَدِيٍّ، أَنْبَأَنَا عُبَيْدُ اللهِ بْنُ عَمْرٍو، عَنْ عَبْدِ اللهِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ عَقِيلٍ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَلِيٍّ، عَنْ عَلِيٍّ، رَضِيَ اللهُ عَنْهُ، قَالَ: لَمَّا وُلِدَ الْحَسَنُ سَمَّاهُ حَمْزَةَ، فَلَمَّا وُلِدَ الْحُسَيْنُ سَمَّاهُ بِعَمِّهِ جَعْفَرٍ، قَالَ: فَدَعَانِي رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ: ” إِنِّي أُمِرْتُ أَنْ أُغَيِّرَ اسْمَ هَذَيْنِ ” فَقُلْتُ: اللهُ وَرَسُولُهُ أَعْلَمُ فَسَمَّاهُمَا حَسَنًا وَحُسَيْنًا

 

 

إسناده حسن، رجاله ثقات رجال الصحيح غير عبد الله بن محمد بن عقيل، فقد روى له البخاري في “الأدب المفرد” وأصحابُ السنن غير النسائي، وخلاصة القول فيه ما قاله الحافظ ابن حجر في “التلخيص” 2/108 من أنه سيئ الحفظ يصلح حديثه للمتابعات، فأما إذا انفرد، فيحسن، وأما إذا خالف فلا يُقبل

وأخرجه أوِ يعلى (498) ، والطبراني بنحوه (2780) من طريقين عن عبيد الله بن عمرو، بهذا الإسناد

وأخرجه البزار (657) من طريق زهير بن معاوية، عن عبد الله بن محمد بن عقيل، به

وانظر ما تقدم برقم (769)

حدثنا زكريا بن عدي، أنبأنا عبيد الله بن عمرو، عن عبد الله بن محمد بن عقيل، عن محمد بن علي، عن علي، رضي الله عنه، قال: لما ولد الحسن سماه حمزة، فلما ولد الحسين سماه بعمه جعفر، قال: فدعاني رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال: ” إني أمرت أن أغير اسم هذين ” فقلت: الله ورسوله أعلم فسماهما حسنا وحسينا – إسناده حسن، رجاله ثقات رجال الصحيح غير عبد الله بن محمد بن عقيل، فقد روى له البخاري في “الأدب المفرد” وأصحاب السنن غير النسائي، وخلاصة القول فيه ما قاله الحافظ ابن حجر في “التلخيص” 2/108 من أنه سيئ الحفظ يصلح حديثه للمتابعات، فأما إذا انفرد، فيحسن، وأما إذا خالف فلا يقبل وأخرجه أو يعلى (498) ، والطبراني بنحوه (2780) من طريقين عن عبيد الله بن عمرو، بهذا الإسناد وأخرجه البزار (657) من طريق زهير بن معاوية، عن عبد الله بن محمد بن عقيل، به وانظر ما تقدم برقم (769)

 হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   মুসনাদে আহমাদ  মুসনাদে আলী ইবনে আবি তালিব (রাঃ) [আলীর বর্ণিত হাদীস] (مسند علي بن أبي طالب)

 ১৩৭১

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ

১৩৭১। আলী (রাঃ) বলেছেন, একদিন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আবদুল মুত্তালিবের বংশধরকে ডেকে একত্রিত করলেন। তাদের মধ্যে এমন ব্যক্তিও ছিল যে একটা মেষ শাবক ও একটা বড় পাত্ৰ ভর্তি পানি খেয়ে ফেলতে পারে। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদের জন্য প্রচুর খাবার তৈরি করলেন। তারা সবাই তা খেল ও তৃপ্ত হলো। অথচ সমস্ত খাদ্য এমনভাবে পড়ে রইল যেন তা স্পৰ্শই করা হয়নি। তারপর পানীয় পান করতে ডাকলেন। সবাই তৃপ্ত হয়ে পান করলো। তারপরও পানীয় এমনভাবে পড়ে রইল যেন তা স্পৰ্শই করা হয়নি। তারপর বললেন, হে আবদুল মুত্তালিবের বংশধর, আমাকে বিশেষভাবে তোমাদের নিকট ও সামগ্রিকভাবে সমগ্র মানব জাতির নিকট প্রেরণ করা হয়েছে। তোমরা এখানে যে নিদর্শন দেখলে তা তো দেখলেই। এখন তোমাদের মধ্যে কে এমন আছে যে, আমার ভাই ও সাথী হবার জন্য আমার নিকট বাইয়াত করবে? কিন্তু কেউ তাঁর দিকে অগ্রসর হলো না। সমগ্ৰ গোত্রের সবচেয়ে বয়োকনিষ্ঠ হয়েও আমি তাঁর দিকে এগিয়ে গেলাম। তিনি আমাকে তিনবার বললেন, ’বস’। কিন্তু প্রতিবার আমি তাঁর দিকে এগিয়ে যাচ্ছিলাম। তবু তিনি বলছিলেন ’বস’। অবশেষে তৃতীয়বারে তিনি তাঁর হাত দিয়ে আমার হাত থাপড়ালেন।

حَدَّثَنَا عَفَّانُ، حَدَّثَنَا أَبُو عَوَانَةَ، عَنْ عُثْمَانَ بْنِ الْمُغِيرَةِ، عَنْ أَبِي صَادِقٍ، عَنْ رَبِيعَةَ بْنِ نَاجِذٍ، عَنْ عَلِيٍّ، رَضِيَ اللهُ عَنْهُ، قَالَ: جَمَعَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ – أَوْ دَعَا رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ – بَنِي عَبْدِ الْمُطَّلِبِ، فِيهِمْ رَهْطٌ كُلُّهُمْ يَأْكُلُ الْجَذَعَةَ، وَيَشْرَبُ الْفَرَقَ، قَالَ: فَصَنَعَ لَهُمْ مُدًّا مِنْ طَعَامٍ، فَأَكَلُوا حَتَّى شَبِعُوا، قَالَ: وَبَقِيَ الطَّعَامُ كَمَا هُوَ كَأَنَّهُ لَمْ يُمَسَّ، ثُمَّ دَعَا بِغُمَرٍ فَشَرِبُوا حَتَّى رَوَوْا، وَبَقِيَ الشَّرَابُ كَأَنَّهُ لَمْ يُمَسَّ – أَوْ لَمْ يُشْرَبْ – فَقَالَ: ” يَا بَنِي عَبْدِ الْمُطَّلِبِ، إِنِّي بُعِثْتُ لَكُمْ خَاصَّةً وَإِلَى النَّاسِ بِعَامَّةٍ، وَقَدْ رَأَيْتُمْ مِنْ هَذِهِ الْآيَةِ مَا رَأَيْتُمْ، فَأَيُّكُمْ يُبَايِعُنِي عَلَى أَنْ يَكُونَ أَخِي وَصَاحِبِي؟ ” قَالَ: فَلَمْ يَقُمِ الَيْهِ أَحَدٌ، قَالَ: فَقُمْتُ إِلَيْهِ وَكُنْتُ أَصْغَرَ الْقَوْمِ، قَالَ: فَقَالَ: ” اجْلِسْ ” قَالَ: ثَلاثَ مَرَّاتٍ كُلُّ ذَلِكَ أَقُومُ إِلَيْهِ فَيَقُولُ لِي: ” اجْلِسْ ” حَتَّى كَانَ فِي الثَّالِثَةِ ضَرَبَ بِيَدِهِ عَلَى يَدِي

 

 

إسناده ضعيف لجهالة ربيعة بن ناجذ، فإنه لم يرو عنه غير أبي صادق الأزدي، قال الذهبي في “الميزان” 2/45: لا يكاد يعرف، وعنه أبو صادق بخبر منكر فيه “علي أخي ووارثي”، وتساهل الحافظ في “التقريب” فقال فيه: ثقة! وأبو صادق الأزدي روى عنه جمع، ووثقه يعقوب بن شيبة وابن حبان، وقال أبو حاتم: مستقيم الحديث، وقال ابن سعد: كان ورعاً مسلماً قليل الحديث يتكلمون فيه

وأخرجه النسائي في “خصائص علي” (66) من طريق عفان، بهذا الإسناد. وزاد “أنت أخي وصاحبي ووارثي ووزيري

الجَذَعة: هي من الإبل ما تَمَّ له أربع سنين، ومن البقر والمعز ما تَمَّ له سنة، قال السندي: والظاهر هاهنا أنها من الإبل

والفرق: مكيال يسع ستة عشر رِطلاً، وهي اثنا عشر مُداً، أو ثلاثة آصع عند أهل الحجاز

والغُمَر، بضم الغين وفتح الميم: القدح الصغير

حدثنا عفان، حدثنا أبو عوانة، عن عثمان بن المغيرة، عن أبي صادق، عن ربيعة بن ناجذ، عن علي، رضي الله عنه، قال: جمع رسول الله صلى الله عليه وسلم – أو دعا رسول الله صلى الله عليه وسلم – بني عبد المطلب، فيهم رهط كلهم يأكل الجذعة، ويشرب الفرق، قال: فصنع لهم مدا من طعام، فأكلوا حتى شبعوا، قال: وبقي الطعام كما هو كأنه لم يمس، ثم دعا بغمر فشربوا حتى رووا، وبقي الشراب كأنه لم يمس – أو لم يشرب – فقال: ” يا بني عبد المطلب، إني بعثت لكم خاصة وإلى الناس بعامة، وقد رأيتم من هذه الآية ما رأيتم، فأيكم يبايعني على أن يكون أخي وصاحبي؟ ” قال: فلم يقم اليه أحد، قال: فقمت إليه وكنت أصغر القوم، قال: فقال: ” اجلس ” قال: ثلاث مرات كل ذلك أقوم إليه فيقول لي: ” اجلس ” حتى كان في الثالثة ضرب بيده على يدي – إسناده ضعيف لجهالة ربيعة بن ناجذ، فإنه لم يرو عنه غير أبي صادق الأزدي، قال الذهبي في “الميزان” 2/45: لا يكاد يعرف، وعنه أبو صادق بخبر منكر فيه “علي أخي ووارثي”، وتساهل الحافظ في “التقريب” فقال فيه: ثقة! وأبو صادق الأزدي روى عنه جمع، ووثقه يعقوب بن شيبة وابن حبان، وقال أبو حاتم: مستقيم الحديث، وقال ابن سعد: كان ورعا مسلما قليل الحديث يتكلمون فيه وأخرجه النسائي في “خصائص علي” (66) من طريق عفان، بهذا الإسناد. وزاد “أنت أخي وصاحبي ووارثي ووزيري الجذعة: هي من الإبل ما تم له أربع سنين، ومن البقر والمعز ما تم له سنة، قال السندي: والظاهر هاهنا أنها من الإبل والفرق: مكيال يسع ستة عشر رطلا، وهي اثنا عشر مدا، أو ثلاثة آصع عند أهل الحجاز والغمر، بضم الغين وفتح الميم: القدح الصغير

 হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai’f)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   মুসনাদে আহমাদ  মুসনাদে আলী ইবনে আবি তালিব (রাঃ) [আলীর বর্ণিত হাদীস] (مسند علي بن أبي طالب)

 ১৩৭২

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ

১৩৭২। ৫৮৩ নং হাদীস দ্রষ্টব্য।

৫৮৩। নাযযাল ইবনে সাবরা (রাঃ) বলেছেন, আলীর নিকট এক মগ পানি আনা হলো। তিনি তখন বাড়ির প্রাঙ্গনে ছিলেন। তিনি এক আঁজল পানি নিয়ে কুলি করলেন। নাকে পানি দিলেন। তাঁর মুখমণ্ডল, দু’হাত ও মাথা মাসেহ করলেন। অতঃপর দাঁড়িয়ে পানি পান করলেন। তারপর বললেনঃ এ হলো সেই ব্যক্তির ওযূ, যে অপবিত্র হয়নি। আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে এ রকম ওযূ করতে দেখেছি।

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   মুসনাদে আহমাদ  মুসনাদে আলী ইবনে আবি তালিব (রাঃ) [আলীর বর্ণিত হাদীস] (مسند علي بن أبي طالب)

 ১৩৭৩

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ

১৩৭৩। আলী (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে বললেনঃ হে আলী, জান্নাতের একটা রত্নভাণ্ডার তোমার জন্য সঞ্চিত রয়েছে। তার দুই শৃঙ্গ তোমার মালিকানাভুক্ত। সুতরাং তুমি কোন বেগানা নারীর প্রতি এক নাগাড়ে তাকিয়ে থেক না। প্রথম দৃষ্টি তোমার জন্য বৈধ। পরবর্তী দৃষ্টি বৈধ নয়। (১৩৬৯ নং হাদীস দ্রষ্টব্য)

حَدَّثَنَا عَفَّانُ، حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ إِسْحَاقَ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ التَّيْمِيِّ، عَنْ سَلَمَةَ بْنِ أَبِي الطُّفَيْلِ، عَنْ عَلِيِّ بْنِ أَبِي طَالِبٍ: رَضِيَ اللهُ عَنْهُ: أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ لَهُ: يَا عَلِيُّ، إِنَّ لَكَ كَنْزًا مِنَ الجَنَّةِ، وَإِنَّكَ ذُو قَرْنَيْهَا، فَلا تُتْبِعِ النَّظْرَةَ النَّظْرَةَ، فَإِنَّمَا لَكَ الْأُولَى وَلَيْسَتْ لَكَ الْآخِرَةُ

 

 

حسن لغيره

وأخرجه ابن أبي شيبة 4/326 و12/64 عن عفان بن مسلم، بهذا الإسناد

وأخرجه أبو نعيم في “معرفة الصحابة” (340) من طريق أبي الوليد الطيالسي، عن حماد بن سلمة، به. وقد تقدم برقم (1369)

حدثنا عفان، حدثنا حماد بن سلمة، حدثنا محمد بن إسحاق، عن محمد بن إبراهيم التيمي، عن سلمة بن أبي الطفيل، عن علي بن أبي طالب: رضي الله عنه: أن النبي صلى الله عليه وسلم قال له: يا علي، إن لك كنزا من الجنة، وإنك ذو قرنيها، فلا تتبع النظرة النظرة، فإنما لك الأولى وليست لك الآخرة – حسن لغيره وأخرجه ابن أبي شيبة 4/326 و12/64 عن عفان بن مسلم، بهذا الإسناد وأخرجه أبو نعيم في “معرفة الصحابة” (340) من طريق أبي الوليد الطيالسي، عن حماد بن سلمة، به. وقد تقدم برقم (1369)

 হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   মুসনাদে আহমাদ  মুসনাদে আলী ইবনে আবি তালিব (রাঃ) [আলীর বর্ণিত হাদীস] (مسند علي بن أبي طالب)

 ১৩৭৪

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ

১৩৭৪। ৫৯৩ নং হাদীস দ্রষ্টব্য।

৫৯৩। আলী (রাঃ) বলেছেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে আদেশ করেছেন যেন, যে উটনী আমি কুরবানী দেব, তা যেন আমিই বণ্টন করি, তার চামড়া ও গায়ের চটও যেন বণ্টন করি এবং যাবাইকারীকে যেন তা থেকে (পারিশ্রমিক হিসাবে) কিছু না দিই। তিনি বলেছেনঃ তাকে আমরা নিজেদের পক্ষ থেকে দিয়ে থাকি।

 হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai’f)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   মুসনাদে আহমাদ  মুসনাদে আলী ইবনে আবি তালিব (রাঃ) [আলীর বর্ণিত হাদীস] (مسند علي بن أبي طالب)

 ১৩৭৫

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ

১৩৭৫। ৬৫০ নং হাদীস দ্রষ্টব্য।

৬৫০। আসিম বিন যামরা বলেন, আমরা আলী (রাঃ)-কে জিজ্ঞাসা করলাম, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দিনের বেলায় কেমন নফল ইবাদাত করতেন? আলী (রাঃ) বললেনঃ তোমরা তা পারবে না। আমরা বললামঃ আমাদেরকে বলুন না, যতদূর পারি অনুকরণ করবো। তিনি বললেনঃ রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ফজরের নামায পড়ার পর কিছুটা বিরতি দিতেন। তারপর সূর্য যখন পূর্ব প্রান্তে এতটা ওপরে উঠতো, যতটা আছরের সময় পশ্চিম প্রান্তে থাকে, তখন উঠে দু’রাকাআত পড়তেন। তারপর আবার কিছুক্ষণ বিরতি দিতেন। তারপর যোহরের সময় সূর্য পশ্চিম প্রান্তে যতটা ওপরে থাকে, ততটা যখন পূর্ব প্রান্তে থাকতো, তখন উঠে চার রাকাআত পড়তেন। তারপর সূর্য পশ্চিমে ঢলে পড়ার পর যোহরের পূর্বে চার রাকাআত পড়তেন এবং দুরাকাআত যোহরের পরে পড়তেন। আর আছরের পূর্বে চার রাকাআত পড়তেন। এই চার রাকাআতের দুই দুই রাকাআত শেষে আল্লাহর ঘনিষ্ঠতম ফেরেশতাদের ওপর, নবীদের ওপর ও তাদের অনুসারী মুমিন ও মুসলিম নরনারীর ওপর সালাম পাঠাতেন। আলী (রাঃ) বললেনঃ এই ষোল রাকাআত রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের দিনের নফল নামায। তবে এই নামাযগুলো নিয়মিতভাবে খুব কম সংখ্যক লোকই পড়ে থাকে।

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   মুসনাদে আহমাদ  মুসনাদে আলী ইবনে আবি তালিব (রাঃ) [আলীর বর্ণিত হাদীস] (مسند علي بن أبي طالب)

 ১৩৭৬

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ

১৩৭৬। আলী (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে বললেনঃ তোমার মধ্যে ঈসা আলাইহিস সালামের সাথে একটা সাদৃশ্য রয়েছে। ইহুদীরা তাঁর প্রতি এত ঘৃণা পোষণ করতো যে, তার মায়ের নামে অপবাদ রটালো। আর খৃস্টানরা তাঁকে এত ভালোবাসলো যে, যে মর্যাদায় তিনি উঠেননি, সেই মর্যাদায় তাকে উঠালো। তারপর (আলী) বললেনঃ আমার কারণে দুই ব্যক্তি ধ্বংস হবেঃ একজন আমাকে অতিরিক্ত ভালোবাসার কারণে আমার মধ্যে যে বৈশিষ্ট্য নেই। তাই আমার মধ্যে আছে বলে প্ৰশংসা করবে। অপরজন আমার সাথে শত্রুতা পোষণ করার কারণে আমার উপর অপবাদ আরোপ করবে।

قَالَ أَبُو عَبْدِ الرَّحْمَنِ: حَدَّثَنِي سُرَيْجُ بْنُ يُونُسَ أَبُو الْحَارِثِ، حَدَّثَنَا أَبُو حَفْصٍ الْأَبَّارُ، عَنِ الْحَكَمِ بْنِ عَبْدِ الْمَلِكِ، عَنِ الْحَارِثِ بْنِ حَصِيرَةَ، عَنْ أَبِي صَادِقٍ، عَنْ رَبِيعَةَ بْنِ نَاجِذٍ، عَنْ عَلِيٍّ، رَضِيَ اللهُ عَنْهُ، قَالَ: قَالَ لِي النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: ” فِيكَ مَثَلٌ مِنْ عِيسَى أَبْغَضَتْهُ الْيَهُودُ حَتَّى بَهَتُوا أُمَّهُ، وَأَحَبَّتْهُ النَّصَارَى حَتَّى أَنْزَلُوهُ بِالْمَنْزِلَةِ الَّتِي لَيْسَ بِهِ ” ثُمَّ قَالَ: ” يَهْلِكُ فِيَّ رَجُلانِ مُحِبٌّ مُفْرِطٌ يُقَرِّظُنِي بِمَا لَيْسَ فِيَّ، وَمُبْغِضٌ يَحْمِلُهُ شَنَآنِي عَلَى أَنْ يَبْهَتَنِي

 

 

إسناده ضعيف لضعف الحكم بن عبد الملك القرشي

وأخرجه النسائي في “خصائص علي” (103) ، وأبو يعلى (534) من طريقين عن أبي حفص الأبَار، بهذا الإسناد

وأخرجه ابن أبي عاصم (1004) والحاكم 3/123 من طريقين عن الحكم بن عبد الملك، به. وصححه الحاكم، وتعقبه الذهبي بقوله: الحكم وهاه ابن معين

وأخرجه البزار (758) من طريق محمد بن كثير الملائي، عن الحارث، به. واقتصر ابن أبي عاصم والبزار والنسائي على المرفوع فقط. وانظر ما بعده

قوله: “يقَرظني”، قال السندي: التقريظ بقاف وراء مهملة وظاء معجمة-: مَدْح الإِنسان وهو حي بحق أو باطل، والمراد ها هنا: المبالغة في المدح أعم من أن يكون لحي أوميت

وبهتوا أمَه، أي: كذبوا عليها ورموها بما ليس فيها، لعنهم الله

قال أبو عبد الرحمن: حدثني سريج بن يونس أبو الحارث، حدثنا أبو حفص الأبار، عن الحكم بن عبد الملك، عن الحارث بن حصيرة، عن أبي صادق، عن ربيعة بن ناجذ، عن علي، رضي الله عنه، قال: قال لي النبي صلى الله عليه وسلم: ” فيك مثل من عيسى أبغضته اليهود حتى بهتوا أمه، وأحبته النصارى حتى أنزلوه بالمنزلة التي ليس به ” ثم قال: ” يهلك في رجلان محب مفرط يقرظني بما ليس في، ومبغض يحمله شنآني على أن يبهتني – إسناده ضعيف لضعف الحكم بن عبد الملك القرشي وأخرجه النسائي في “خصائص علي” (103) ، وأبو يعلى (534) من طريقين عن أبي حفص الأبار، بهذا الإسناد وأخرجه ابن أبي عاصم (1004) والحاكم 3/123 من طريقين عن الحكم بن عبد الملك، به. وصححه الحاكم، وتعقبه الذهبي بقوله: الحكم وهاه ابن معين وأخرجه البزار (758) من طريق محمد بن كثير الملائي، عن الحارث، به. واقتصر ابن أبي عاصم والبزار والنسائي على المرفوع فقط. وانظر ما بعده قوله: “يقرظني”، قال السندي: التقريظ بقاف وراء مهملة وظاء معجمة-: مدح الإنسان وهو حي بحق أو باطل، والمراد ها هنا: المبالغة في المدح أعم من أن يكون لحي أوميت وبهتوا أمه، أي: كذبوا عليها ورموها بما ليس فيها، لعنهم الله

 হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai’f)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   মুসনাদে আহমাদ  মুসনাদে আলী ইবনে আবি তালিব (রাঃ) [আলীর বর্ণিত হাদীস] (مسند علي بن أبي طالب)

 ১৩৭৭

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ

১৩৭৭। ১৩৭৬ নং হাদীসের পুনরাবৃত্তি।

সংযোজনঃ আলী (রাঃ) বলেন, আমি নবী নই এবং আমার নিকট ওহী আসে না। তবে আমি আল্লাহর কিতাব ও তার রাসূলের সুন্নাত অনুসারে যথাসাধ্য কাজ করি। সুতরাং আল্লাহর হুকুম অনুসারে যতক্ষণ আমি তোমাদেরকে হুকুম দেই, ততক্ষণ তা মেনে চলা তোমাদের কর্তব্য চাই তা তোমাদের পছন্দ হোক কিংবা অপছন্দ হোক।

حَدَّثَنَا عَبْدُ اللهِ، حَدَّثَنِي أَبُو مُحَمَّدٍ سُفْيَانُ بْنُ وَكِيعِ بْنِ الْجَرَّاحِ بْنِ مَلِيحٍ، حَدَّثَنَا خَالِدُ بْنُ مَخْلَدٍ، حَدَّثَنَا أَبُو غَيْلانَ الشَّيْبَانِيُّ، عَنِ الْحَكَمِ بْنِ عَبْدِ الْمَلِكِ، عَنِ الْحَارِثِ بْنِ حَصِيرَةَ، عَنْ أَبِي صَادِقٍ، عَنْ رَبِيعَةَ بْنِ نَاجِدٍ، عَنْ عَلِيِّ بْنِ أَبِي طَالِبٍ، رَضِيَ اللهُ عَنْهُ، قَالَ: دَعَانِي رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ: ” إِنَّ فِيكَ مِنْ عِيسَى مَثَلًا، أَبْغَضَتْهُ يَهُودُ حَتَّى بَهَتُوا أُمَّهُ، وَأَحَبَّتْهُ النَّصَارَى حَتَّى أَنْزَلُوهُ بِالْمَنْزِلِ الَّذِي لَيْسَ بِهِ ” ” أَلا وَإِنَّهُ يَهْلِكُ فِيَّ اثْنَانِ، مُحِبٌّ يُقَرِّظُنِي بِمَا لَيْسَ فِيَّ، وَمُبْغِضٌ يَحْمِلُهُ شَنَآنِي عَلَى أَنْ يَبْهَتَنِي، أَلا إِنِّي لَسْتُ بِنَبِيٍّ وَلا يُوحَى إِلَيَّ، وَلَكِنِّي أَعْمَلُ بِكِتَابِ اللهِ وَسُنَّةِ نَبِيِّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَا اسْتَطَعْتُ، فَمَا أَمَرْتُكُمْ مِنْ طَاعَةِ اللهِ فَحَقٌّ عَلَيْكُمْ طَاعَتِي فِيمَا أَحْبَبْتُمْ وَكَرِهْتُمْ

 

 

إسناده ضعيف كسابقه. أبو غيلان الشيباني قال العلامة أحمد شاكر في تعليقه على “المسند”: كذا في الأصول الثلاثة، ولم أعرف من هو؟ وأخشى أن يكون محرفا عن “أبو غسان النهدي”؟! وهذا خطأ منه رحمه اللُه فإن أبا غيلان الشيباني هذا: اسمه سعد بن طالب، روى عنه غيرُ واحد، وأورده البخاري في “تاريخه الكبير” 4/63، وابن حبان في “ثقاته ” 8/283، وابن أبي حاتم في “الجرح والتعديل ” 4/87- 88 وقال: سألت أبي عنه فقال: شيخ صالح في حديثه صنعة، وسئل أبو زرعة عنه فقال: لا بأس به، وترجمه الذهبي في “الميزان” 2/122 ونقل عن أبي حاتم أنه قال: في حديثه ضعف! وفات الحافظ ابن حجر أن يترجم له في “تعجيل المنفعة” مع أنه من شرطه

الشنآن: العداوة، وقيل: شدة البغض. ولفظة: “مطرٍ” ليست في النسخ المطبوعة

حدثنا عبد الله، حدثني أبو محمد سفيان بن وكيع بن الجراح بن مليح، حدثنا خالد بن مخلد، حدثنا أبو غيلان الشيباني، عن الحكم بن عبد الملك، عن الحارث بن حصيرة، عن أبي صادق، عن ربيعة بن ناجد، عن علي بن أبي طالب، رضي الله عنه، قال: دعاني رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال: ” إن فيك من عيسى مثلا، أبغضته يهود حتى بهتوا أمه، وأحبته النصارى حتى أنزلوه بالمنزل الذي ليس به ” ” ألا وإنه يهلك في اثنان، محب يقرظني بما ليس في، ومبغض يحمله شنآني على أن يبهتني، ألا إني لست بنبي ولا يوحى إلي، ولكني أعمل بكتاب الله وسنة نبيه صلى الله عليه وسلم ما استطعت، فما أمرتكم من طاعة الله فحق عليكم طاعتي فيما أحببتم وكرهتم – إسناده ضعيف كسابقه. أبو غيلان الشيباني قال العلامة أحمد شاكر في تعليقه على “المسند”: كذا في الأصول الثلاثة، ولم أعرف من هو؟ وأخشى أن يكون محرفا عن “أبو غسان النهدي”؟! وهذا خطأ منه رحمه الله فإن أبا غيلان الشيباني هذا: اسمه سعد بن طالب، روى عنه غير واحد، وأورده البخاري في “تاريخه الكبير” 4/63، وابن حبان في “ثقاته ” 8/283، وابن أبي حاتم في “الجرح والتعديل ” 4/87- 88 وقال: سألت أبي عنه فقال: شيخ صالح في حديثه صنعة، وسئل أبو زرعة عنه فقال: لا بأس به، وترجمه الذهبي في “الميزان” 2/122 ونقل عن أبي حاتم أنه قال: في حديثه ضعف! وفات الحافظ ابن حجر أن يترجم له في “تعجيل المنفعة” مع أنه من شرطه الشنآن: العداوة، وقيل: شدة البغض. ولفظة: “مطر” ليست في النسخ المطبوعة

 হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai’f)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   মুসনাদে আহমাদ  মুসনাদে আলী ইবনে আবি তালিব (রাঃ) [আলীর বর্ণিত হাদীস] (مسند علي بن أبي طالب)

 ১৩৭৮

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ

১৩৭৮। আলী (রাঃ) বলেছেন, একদিন আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট গেলাম। তখন তার কাছে আয়িশা (রাঃ) ব্যতীত আর কেউ ছিল না। তিনি বললেন, ওহে আবু তালিবের ছেলে। অমুক সম্প্রদায়কে তুমি কিভাবে সামাল দেবে? আমি বললাম, আল্লাহ ও তাঁর রাসূলই ভালো জানেন। তিনি বললেনঃ প্রাচ্য থেকে একটি সম্প্রদায়ের আবির্ভাব ঘটবে। তারা কুরআন পড়বে, কিন্তু কুরআন তাদের কণ্ঠের মধ্যেই সীমিত থাকবে, ধনুক থেকে তীর যেরূপ দ্রুত বেগে বের হয়, তারা সেভাবেই ইসলাম থেকে বের হয়ে যাবে। তাদের মধ্য থেকেই এক ব্যক্তি জন্ম নেবে, যার হাত পঙ্গু হবে, আর তার দুটো হাত হাবশী মহিলার স্তনের মত দেখাবে। (১৩৭৯ নং হাদীস দ্রষ্টব্য)

حَدَّثَنَا عَبْدُ اللهِ، حَدَّثَنِي إِسْمَاعِيلُ أَبُو مَعْمَرٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللهِ بْنُ إِدْرِيسَ، حَدَّثَنَا عَاصِمُ بْنُ كُلَيْبٍ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ: كُنْتُ جَالِسًا عِنْدَ عَلِيٍّ، رَضِيَ اللهُ عَنْهُ، إِذْ دَخَلَ عَلَيْهِ رَجُلٌ عَلَيْهِ ثِيَابُ السَّفَرِ، فَاسْتَأْذَنَ عَلَى عَلِيٍّ رَضِيَ اللهُ عَنْهُ وَهُوَ يُكَلِّمُ النَّاسَ فَشُغِلَ عَنْهُ، فَقَالَ عَلِيٌّ: رَضِيَ اللهُ عَنْهُ: إِنِّي دَخَلْتُ عَلَى رَسُولِ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَعِنْدَهُ عَائِشَةُ رَضِيَ اللهُ عَنْهَا، فَقَالَ لِي: كَيْفَ أَنْتَ وَقَوْمَ كَذَا وَكَذَا؟ فَقُلْتُ: اللهُ وَرَسُولُهُ أَعْلَمُ. ثُمَّ عَادَ، فَقُلْتُ: اللهُ وَرَسُولُهُ أَعْلَمُ. قَالَ: فَقَالَ: ” قَوْمٌ يَخْرُجُونَ مِنْ قِبَلِ الْمَشْرِقِ يَقْرَءُونَ الْقُرْآنَ، لَا يُجَاوِزُ تَرَاقِيَهُمْ، يَمْرُقُونَ مِنَ الدِّينِ كَمَا يَمْرُقُ السَّهْمُ مِنَ الرَّمِيَّةِ، فِيهِمْ رَجُلٌ مُخْدَجُ الْيَدِ، كَأَنَّ يَدَهُ ثَدْيُ حَبَشِيَّةٍ

 

 

إسناده جيد، رجاله رجال الصحيح غير كليب ي شهاب والد عاصم، فمن رجال أصحاب السنن، وهو صدوق. وقال ابن كثير في “البد اية والنهاية” 7/304: إسناده جيد

وأخرجه بأطول مما هنا ابن أبي عاصم (913) ، والبزار (872) و (873) ، والنسائي في “خصائص علي” (183) ، وأبو يعلى (472) و (482) من طرق عن عاصم بن كليب، بهذا الإِسناد. وانظر ما بعده

 

حدثنا عبد الله، حدثني إسماعيل أبو معمر، حدثنا عبد الله بن إدريس، حدثنا عاصم بن كليب، عن أبيه، قال: كنت جالسا عند علي، رضي الله عنه، إذ دخل عليه رجل عليه ثياب السفر، فاستأذن على علي رضي الله عنه وهو يكلم الناس فشغل عنه، فقال علي: رضي الله عنه: إني دخلت على رسول الله صلى الله عليه وسلم وعنده عائشة رضي الله عنها، فقال لي: كيف أنت وقوم كذا وكذا؟ فقلت: الله ورسوله أعلم. ثم عاد، فقلت: الله ورسوله أعلم. قال: فقال: ” قوم يخرجون من قبل المشرق يقرءون القرآن، لا يجاوز تراقيهم، يمرقون من الدين كما يمرق السهم من الرمية، فيهم رجل مخدج اليد، كأن يده ثدي حبشية – إسناده جيد، رجاله رجال الصحيح غير كليب ي شهاب والد عاصم، فمن رجال أصحاب السنن، وهو صدوق. وقال ابن كثير في “البد اية والنهاية” 7/304: إسناده جيد وأخرجه بأطول مما هنا ابن أبي عاصم (913) ، والبزار (872) و (873) ، والنسائي في “خصائص علي” (183) ، وأبو يعلى (472) و (482) من طرق عن عاصم بن كليب، بهذا الإسناد. وانظر ما بعده

 হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   মুসনাদে আহমাদ  মুসনাদে আলী ইবনে আবি তালিব (রাঃ) [আলীর বর্ণিত হাদীস] (مسند علي بن أبي طالب)

 ১৩৭৯

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ

১৩৭৯। ১৩৭৮ নং হাদীসের অনুরূপ। [দেখুন পূর্বের হাদিস]

 হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   মুসনাদে আহমাদ  মুসনাদে আলী ইবনে আবি তালিব (রাঃ) [আলীর বর্ণিত হাদীস] (مسند علي بن أبي طالب)

 ১৩৮০

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ

১৩৮০। ৯৭১ নং হাদীস দ্রষ্টব্য।

৯৭১। আলী (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি তিনবার করে সংশ্লিষ্ট অংগসমূহ ধুয়ে ওযূ করলেন এবং ওযূর উদ্বৃত্ত পানি পান করলেন। তারপর বললেনঃ আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে এ রকমই করতে দেখেছি।

 হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   মুসনাদে আহমাদ  মুসনাদে আলী ইবনে আবি তালিব (রাঃ) [আলীর বর্ণিত হাদীস] (مسند علي بن أبي طالب)

 

মন্তব্য করুন

Top