You are here

আহমদ মুসনাদে আবু বকর সিদ্দিক (রাঃ) [আবু বকরের বর্ণিত হাদীস] অধ্যায় ৩য় ভাগ হাদিস নং ৬১ – ৮১

পরিচ্ছেদঃ

৬১। আবু বারযা আসলামী (রাঃ) বলেন, আমরা আবু বাকর আস সিদ্দিকের (রাঃ) একটা কাজ উপলক্ষে তাঁর কাছে ছিলাম। তিনি মুসলিমদের এক ব্যক্তির ওপর রাগান্বিত হলেন। ঐ ব্যক্তির ওপর তার রাগ ভীষণ আকার ধারণ করলো। আমি তা দেখে বললামঃ হে রাসূলুল্লাহর খলীফা, আমি কি ঐ লোকটাকে হত্যা করবো? আমি হত্যা শব্দটা উচ্চারণ করা মাত্রই তিনি আলোচনার বিষয়টি পাল্টে ফেললেন এবং অন্য বিষয়ে যথা ব্যাকরণ সংক্রান্ত কোন বিষয়ে মনোনিবেশ করলেন। এরপর আমরা যখন পরস্পর থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে নিজ নিজ কাজে চলে গেলাম, আবু বাকর আস সিদ্দিক (রাঃ) আমাকে ডেকে পাঠালেন। আমি তাঁর নিকট উপস্থিত হলে তিনি বললেনঃ ওহে আবু বারযা, তুমি কি বলেছিলে?

আবু বারযা বললোঃ “আমি কী বলেছিলাম ভুলে গেছি। আপনি মনে করিয়ে দিন।” তিনি বললেনঃ তুমি কী বলেছিলে, তা তোমার মনে নেই? আমি বললামঃ আল্লাহর কসম! মনে নেই। তিনি বললেনঃ তুমি যখন দেখলে, আমি লোকটির ওপর রেগে গেছি, তখন তুমি বললেঃ হে রাসূলুল্লাহর খলীফা, আমি কি লোকটাকে হত্যা করবো? এটা কি তোমার মনে পড়ে না? তুমি কি সত্যই হত্যা করতে চেয়েছিলে? আমি বললামঃ আল্লাহর কসম, হ্যাঁ। এখনও যদি আপনি হুকুম দেন, করবো। তিনি বললেনঃ ধিক তোমাকে। আল্লাহর কসম, মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের পর আর কারো এরূপ করার অধিকার নেই। (দেখুন, হাদীস নং ৫৪)

حَدَّثَنَا عَفَّانُ، حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ زُرَيْعٍ، حَدَّثَنَا يُونُسُ بْنُ عُبَيْدٍ، عَنْ حُمَيْدِ بْنِ هِلالٍ، عَنْ عَبْدِ اللهِ بْنِ مُطَرِّفِ بْنِ الشِّخِّيرِ، أَنَّهُ حَدَّثَهُمْ عَنْ أَبِي بَرْزَةَ الْأَسْلَمِيِّ، أَنَّهُ قَالَ: كُنَّا عِنْدَ أَبِي بَكْرٍ الصِّدِّيقِ فِي عَمَلِهِ، فَغَضِبَ عَلَى رَجُلٍ مِنَ الْمُسْلِمِينَ، فَاشْتَدَّ غَضَبُهُ عَلَيْهِ جِدًّا، فَلَمَّا رَأَيْتُ ذَلِكَ قُلْتُ: يَا خَلِيفَةَ رَسُولِ اللهِ أَضْرِبُ عُنُقَهُ، فَلَمَّا ذَكَرْتُ الْقَتْلَ صَرَفَ عَنْ ذَلِكَ الْحَدِيثِ أَجْمَعَ إِلَى غَيْرِ ذَلِكَ مِنَ النَّحْوِ، فَلَمَّا تَفَرَّقْنَا أَرْسَلَ إِلَيَّ بَعْدَ ذَلِكَ أَبُو بَكْرٍ الصِّدِّيقُ، فَقَالَ: يَا أَبَا بَرْزَةَ مَا قُلْتَ؟ قَالَ: وَنَسِيتُ الَّذِي قُلْتُ، قُلْتُ: ذَكِّرْنِيهِ، قَالَ: أَمَا تَذْكُرُ مَا قُلْتَ؟ قَالَ: قُلْتُ: لَا وَاللهِ. قَالَ: أَرَأَيْتَ حِينَ رَأَيْتَنِي غَضِبْتُ عَلَى الرَّجُلِ فَقُلْتَ: أَضْرِبُ عُنُقَهُ يَا خَلِيفَةَ رَسُولِ اللهِ؟ أَمَا تَذْكُرُ ذَاكَ؟ أَوَ كُنْتَ فَاعِلًا ذَاكَ؟ قَالَ: قُلْتُ: نَعَمْ وَاللهِ، وَالْآنَ إِنْ أَمَرْتَنِي فَعَلْتُ. قَالَ: وَيْحَكَ – أَوْ: وَيْلَكَ – إِنَّ تِلْكَ وَاللهِ مَا هِيَ لِأَحَدٍ بَعْدَ مُحَمَّدٍ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ

 

إسناده قوي، رجاله ثقات رجال الشيخين غير عبد الله بن مطرِّف بن الشخير، فقد روى عنه جمع وخرَّج حديثه أبو داود والنسائي، ووثقه ابن حبان، وقد توبع فيما تقدم تخريجه برقم (54)

حدثنا عفان، حدثنا يزيد بن زريع، حدثنا يونس بن عبيد، عن حميد بن هلال، عن عبد الله بن مطرف بن الشخير، أنه حدثهم عن أبي برزة الأسلمي، أنه قال: كنا عند أبي بكر الصديق في عمله، فغضب على رجل من المسلمين، فاشتد غضبه عليه جدا، فلما رأيت ذلك قلت: يا خليفة رسول الله أضرب عنقه، فلما ذكرت القتل صرف عن ذلك الحديث أجمع إلى غير ذلك من النحو، فلما تفرقنا أرسل إلي بعد ذلك أبو بكر الصديق، فقال: يا أبا برزة ما قلت؟ قال: ونسيت الذي قلت، قلت: ذكرنيه، قال: أما تذكر ما قلت؟ قال: قلت: لا والله. قال: أرأيت حين رأيتني غضبت على الرجل فقلت: أضرب عنقه يا خليفة رسول الله؟ أما تذكر ذاك؟ أو كنت فاعلا ذاك؟ قال: قلت: نعم والله، والآن إن أمرتني فعلت. قال: ويحك – أو: ويلك – إن تلك والله ما هي لأحد بعد محمد صلى الله عليه وسلم إسناده قوي، رجاله ثقات رجال الشيخين غير عبد الله بن مطرف بن الشخير، فقد روى عنه جمع وخرج حديثه أبو داود والنسائي، ووثقه ابن حبان، وقد توبع فيما تقدم تخريجه برقم (54)

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   মুসনাদে আহমাদ  মুসনাদে আবু বকর সিদ্দিক (রাঃ) [আবু বকরের বর্ণিত হাদীস] (مسند أبي بكر)

 ৬২

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ

৬২। হাদীস নং ৭ দ্রষ্টব্য

৭। আবু বাকর (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ দাঁত মাজা মুখ পবিত্র করে ও আল্লাহকে সন্তুষ্ট করে।

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   মুসনাদে আহমাদ  মুসনাদে আবু বকর সিদ্দিক (রাঃ) [আবু বকরের বর্ণিত হাদীস] (مسند أبي بكر)

 ৬৩

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ

৬৩। হাদীস নং ৫১ দ্রষ্টব্য

৫১। আবু হুরাইরা (রাঃ) বলেন, আবু বকর (রাঃ) বললেনঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ, আমাকে এমন একটা জিনিস শিখিয়ে দিন, যা আমি সকালে সন্ধ্যায় ও শোয়ার সময় বলবো। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তুমি বল, হে আল্লাহ, আকাশ ও পৃথিবীর সৃষ্টিকর্তা, অদৃশ্য ও দৃশ্য সব কিছুর সম্বন্ধে জ্ঞাত। অথবা তিনি (এভাবে) বলেছেনঃ হে আল্লাহ, অদৃশ্য ও দৃশ্য সবকিছু সম্পর্কে জ্ঞাত, আকাশ ও পৃথিবীর সৃষ্টিকর্তা। প্রতিটি জিনিসের প্রভু ও মালিক, আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, তুমি ছাড়া কোন ইলাহ নেই, আমি আমার নফসের অনিষ্ট থেকে এবং শয়তানের অনিষ্ট ও তার ধোকাবাজির জাল থেকে তোমার নিকট আশ্রয় চাই।

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   মুসনাদে আহমাদ  মুসনাদে আবু বকর সিদ্দিক (রাঃ) [আবু বকরের বর্ণিত হাদীস] (مسند أبي بكر)

 ৬৪

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ

৬৪। হাদীস নং ৫৯ দ্রষ্টব্য

৫৯। ইবনে আবি মুলাইকা থেকে বর্ণিত। আবু বাকর (রাঃ) কে বলা হলো, হে আল্লাহর খলীফা! আবু বাকর (রাঃ) বললেনঃ আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের খলীফা এবং আমি এতেই সন্তুষ্ট।

 হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai’f)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   মুসনাদে আহমাদ  মুসনাদে আবু বকর সিদ্দিক (রাঃ) [আবু বকরের বর্ণিত হাদীস] (مسند أبي بكر)

 ৬৫

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ

৬৫। ইবনে আবি মুলাইকা বলেন, কখনো কখনো আবু বাকর আস্ সিদ্দিক (রাঃ) এর হাত থেকে লাগাম পড়ে যেত। তখন তিনি তাঁর উটনীর উরুতে আঘাত করতেন, আঘাত করে উটনীকে মাটিতে বসাতেন, তারপর লাগামটি তুলে নিতেন। একবার লোকেরা তাকে বললোঃ আপনি আমাদেরকে আদেশ করলেই তো পারতেন, আমরা আপনাকে লাগাম তুলে দিতাম। তিনি জবাব দিলেনঃ আমার বন্ধু রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে আদেশ করেছেন যেন, মানুষের কাছে কিছু না চাই।

حَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ دَاوُدَ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللهِ بْنُ الْمُؤَمَّلِ، عَنِ ابْنِ أَبِي مُلَيْكَةَ، قَالَ: كَانَ رُبَّمَا سَقَطَ الْخِطَامُ مِنْ يَدِ أَبِي بَكْرٍ الصِّدِّيقِ رَضِيَ اللهُ عَنْهُ، قَالَ: فَيَضْرِبُ بِذِرَاعِ نَاقَتِهِ فَيُنِيخُهَا فَيَأْخُذُهُ، قَالَ: فَقَالُوا لَهُ: أَفَلا أَمَرْتَنَا نُنَاوِلْكَهُ؟ فَقَالَ: إِنَّ حِبِّي رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَمَرَنِي أَنْ لَا أَسْأَلَ النَّاسَ شَيْئًا

 

حسن لغيره، وهذا إسناد ضعيف، عبد لله بن المؤمَّل ضعيف، وابن أبي مليكة لم يدرك أبا بكر

لكن يشهد له حديث عوف بن مالك عند مسلم (1043) ، وأبي داود (1642) ، وابن ماجه (2867) ، وصححه ابن حبان (3385) ، وحديث ثوبان، وسيأتي في ” المسند ” 5 / 277 و279

حدثنا موسى بن داود، حدثنا عبد الله بن المؤمل، عن ابن أبي مليكة، قال: كان ربما سقط الخطام من يد أبي بكر الصديق رضي الله عنه، قال: فيضرب بذراع ناقته فينيخها فيأخذه، قال: فقالوا له: أفلا أمرتنا نناولكه؟ فقال: إن حبي رسول الله صلى الله عليه وسلم أمرني أن لا أسأل الناس شيئا حسن لغيره، وهذا إسناد ضعيف، عبد لله بن المؤمل ضعيف، وابن أبي مليكة لم يدرك أبا بكر لكن يشهد له حديث عوف بن مالك عند مسلم (1043) ، وأبي داود (1642) ، وابن ماجه (2867) ، وصححه ابن حبان (3385) ، وحديث ثوبان، وسيأتي في ” المسند ” 5 / 277 و279

 হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   মুসনাদে আহমাদ  মুসনাদে আবু বকর সিদ্দিক (রাঃ) [আবু বকরের বর্ণিত হাদীস] (مسند أبي بكر)

 ৬৬

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ

৬৬। আবু উবাইদা (রাঃ) আবু বকর (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ইন্তিকালের এক বছর পর আবু বাকর একদিন ভাষণ দিলেন। তিনি বললেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম গত বছর আমাদের মধ্যে দাঁড়িয়ে ভাষণে বলেছিলেন যে, আল্লাহ আদম সন্তানকে সুস্থতা ও নিরাপত্তার চেয়ে উত্তম কিছু দেননি। সুতরাং তোমরা আল্লাহর কাছে সুস্থতা ও নিরাপত্তা চাও। আর তোমরা সত্যবাদিতা ও সততাকে আঁকড়ে ধর। কেননা এ দুটো জিনিস জান্নাতে (নিয়ে যায়)। আর মিথ্যাচার ও পাপাচারকে পরিত্যাগ কর। কেননা এ দুটো জাহান্নামে (নিয়ে যায়)। (৫ নং হাদীস দ্রষ্টব্য)

حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، أَخْبَرَنَا سُفْيَانُ، عَنْ عَمْرِو بْنِ مُرَّةَ، عَنْ أَبِي عُبَيْدَةَ – عَنْ أَبِي بَكْرٍ – قَالَ: قَامَ أَبُو بَكْرٍ بَعْدَ وَفَاةِ رَسُولِ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِعَامٍ، فَقَالَ: قَامَ فِينَا رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَامَ أوَّلَ، فَقَالَ: ” إِنَّ ابْنَ آدَمَ لَمْ يُعْطَ شَيْئًا أَفْضَلَ مِنَ الْعَافِيَةِ، فَاسْأَلُوا اللهَ الْعَافِيَةَ، وَعَلَيْكُمْ بِالصِّدْقِ وَالْبِرِّ فَإِنَّهُمَا فِي الْجَنَّةِ، وَإِيَّاكُمْ وَالْكَذِبَ وَالْفُجُورَ فَإِنَّهُمَا فِي النَّارِ

 

صحيح لغيره، وهذا إسناد ضعيف لانقطاعه. وقد تقدم برقم (46)

حدثنا عبد الرزاق، أخبرنا سفيان، عن عمرو بن مرة، عن أبي عبيدة – عن أبي بكر – قال: قام أبو بكر بعد وفاة رسول الله صلى الله عليه وسلم بعام، فقال: قام فينا رسول الله صلى الله عليه وسلم عام أول، فقال: ” إن ابن آدم لم يعط شيئا أفضل من العافية، فاسألوا الله العافية، وعليكم بالصدق والبر فإنهما في الجنة، وإياكم والكذب والفجور فإنهما في النار صحيح لغيره، وهذا إسناد ضعيف لانقطاعه. وقد تقدم برقم (46)

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   মুসনাদে আহমাদ  মুসনাদে আবু বকর সিদ্দিক (রাঃ) [আবু বকরের বর্ণিত হাদীস] (مسند أبي بكر)

 ৬৭

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ

৬৭। আবু হুরাইরা (রাঃ) থেকে বৰ্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ মানুষ যতক্ষণ আল্লাহ ছাড়া আর কোন মাবুদ নেই বলে ঘোষণা না করবে ততক্ষণ পর্যন্ত তাদের সাথে লড়াই চালিয়ে যেতে আমাকে আদেশ দেয়া হয়েছে। যখন তারা এ ঘোষণা করবে, তখন তারা আমার কাছ থেকে তাদের ধন ও প্ৰাণ রক্ষা করতে পারবে। তবে কোন বিশেষ কারণে ধন ও প্ৰাণে কারো প্ৰাপ্য থাকলে সে কথা স্বতন্ত্র। তাদের হিসাব নিকাশ নেয়ার দায়িত্ব একমাত্র আল্লাহর। পরবর্তীকালে যখন ইসলাম পরিত্যাগের হিড়িক পড়লো (এবং কিছু লোক যাকাত দিতে অস্বীকার করলো, আবু বাকর (রাঃ) তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধের ঘোষণা দিলেন) তখন উমার (রাঃ) আবু বাকর (রাঃ) কে বললেনঃ আপনি ওদের বিরুদ্ধে লড়াই করবেন, অথচ আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে এরূপ এরূপ বলতে শুনেছি।

(উমার (রাঃ) রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের উপরোক্ত উক্তির বরাত দিয়ে বলতে চাইছিলেন যে, লোকেরা এখনো ইসলামকে পুরোপুরি পরিত্যাগ করতে উদ্যত হয়নি, কেবল কিছু লোক যাকাত দিতে অস্বীকার করেছেমাত্র। সুতরাং রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের উল্লেখিত উক্তির আলোকে এখনই তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার সময় সমাগত হয়নি। -অনুবাদক) আবু বাকর (রাঃ) বললেনঃ আল্লাহর কসম! আমি নামায ও যাকাতের মধ্যে পার্থক্য করবো না। (অর্থাৎ নামাযের মত যাকাত ত্যাগ করাও ইসলাম ত্যাগের সমার্থক) যারা এ দুটোর মধ্যে পার্থক্য করবে, আমি তাদের বিরুদ্ধে লড়াই করবো। আবু হুরাইরা (রাঃ) বলেন, এরপর আমরা আবু বকরের সাথে (যাকাত অস্বীকারকারীদের বিরুদ্ধে) যুদ্ধ করেছি এবং এটিকে সঠিক মনে করেছি।[১]

[১]. বুখারী-৬৯২৪, মুসলিম-২০, মুসনাদ আহমাদ-১১৭, ২৩৯, ৩৩৫

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يَزِيدَ، قَالَ: أَخْبَرَنَا سُفْيَانُ بْنُ حُسَيْنٍ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ عُبَيْدِ اللهِ بْنِ عَبْدِ اللهِ بْنِ عُتْبَةَ بْنِ مَسْعُودٍ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، قَالَ: ” أُمِرْتُ أَنْ أُقَاتِلَ النَّاسَ حَتَّى يَقُولُوا: لَا إِلَهَ إِلَّا اللهُ، فَإِذَا قَالُوهَا عَصَمُوا مِنِّي دِمَاءَهُمْ وَأَمْوَالَهُمْ إِلَّا بِحَقِّهَا، وَحِسَابُهُمْ عَلَى اللهِ “. قَالَ: فَلَمَّا كَانَتِ الرِّدَّةُ قَالَ عُمَرُ لِأَبِي بَكْرٍ: تُقَاتِلُهُمْ، وَقَدْ سَمِعْتَ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ كَذَا وَكَذَا؟ قَالَ: فَقَالَ أَبُو بَكْرٍ رَضِيَ اللهُ عَنْهُ: وَاللهِ لَا أُفَرِّقُ بَيْنَ الصَّلاةِ وَالزَّكَاةِ، وَلَأُقَاتِلَنَّ مَنْ فَرَّقَ بَيْنَهُمَا. قَالَ: فَقَاتَلْنَا مَعَهُ، فَرَأَيْنَا ذَلِكَ رَشَدًا

 

حديث صحيح، سفيان بن حسين وثقوه إلا في روايته عن الزهري، وقد تابعه في هذا الحديث غير واحد من الثقات. محمد بن يزيد: هو الكلاعي الواسطي

 

وأخرجه النسائي 7 / 77 عن زياد بن أيوب، عن محمد بن يزيد الواسطي، بهذا الإسناد

وأخرجه البخاري (6924) و (6925) و (7284) و (7285) ، ومسلم (20) ، وأبو داود (1556) ، والترمذي (2607) ، والنسائي 5 / 14 و7 / 77، وابن حبان (217) ، وابن منده في ” الإيمان ” (24) ، والبيهقي 4 / 104 و114 و7 / 3 و4 و8 / 176 و9 / 182 من طريق عقيل بن خالد، والنسائي 6 / 5، وابن منده (216) من طريق محمد بن الوليد الزبيدي، كلاهما عن الزهري، به

 

وأخرجه النسائي 6 / 6 من طريق شعيب بن أبي حمزة وسفيان بن عيينة وذكرآخر لم يسمه، ثلاثتهم عن الزهري، عن سعيد بن المسيب، عن أبي هريرة، به، وسيأتي برقم (117) و (239) و (335)

حدثنا محمد بن يزيد، قال: أخبرنا سفيان بن حسين، عن الزهري، عن عبيد الله بن عبد الله بن عتبة بن مسعود عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم، قال: ” أمرت أن أقاتل الناس حتى يقولوا: لا إله إلا الله، فإذا قالوها عصموا مني دماءهم وأموالهم إلا بحقها، وحسابهم على الله “. قال: فلما كانت الردة قال عمر لأبي بكر: تقاتلهم، وقد سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول كذا وكذا؟ قال: فقال أبو بكر رضي الله عنه: والله لا أفرق بين الصلاة والزكاة، ولأقاتلن من فرق بينهما. قال: فقاتلنا معه، فرأينا ذلك رشدا حديث صحيح، سفيان بن حسين وثقوه إلا في روايته عن الزهري، وقد تابعه في هذا الحديث غير واحد من الثقات. محمد بن يزيد: هو الكلاعي الواسطي وأخرجه النسائي 7 / 77 عن زياد بن أيوب، عن محمد بن يزيد الواسطي، بهذا الإسناد وأخرجه البخاري (6924) و (6925) و (7284) و (7285) ، ومسلم (20) ، وأبو داود (1556) ، والترمذي (2607) ، والنسائي 5 / 14 و7 / 77، وابن حبان (217) ، وابن منده في ” الإيمان ” (24) ، والبيهقي 4 / 104 و114 و7 / 3 و4 و8 / 176 و9 / 182 من طريق عقيل بن خالد، والنسائي 6 / 5، وابن منده (216) من طريق محمد بن الوليد الزبيدي، كلاهما عن الزهري، به وأخرجه النسائي 6 / 6 من طريق شعيب بن أبي حمزة وسفيان بن عيينة وذكرآخر لم يسمه، ثلاثتهم عن الزهري، عن سعيد بن المسيب، عن أبي هريرة، به، وسيأتي برقم (117) و (239) و (335)

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   মুসনাদে আহমাদ  মুসনাদে আবু বকর সিদ্দিক (রাঃ) [আবু বকরের বর্ণিত হাদীস] (مسند أبي بكر)

 ৬৮

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ

৬৮। আবু বাকর বিন আবু যুহাইর বর্ণনা করেন যে, আমি জানতে পেরেছি যে, আবু বাকর আস সিদ্দিক (রাঃ) রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বললেনঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ, আল্লাহতো বলেছেনঃ “তোমাদের এবং আহলে কিতাবদের লম্বা লম্বা আশা আকাঙ্ক্ষা কোন কাজে আসবে না। যে-ই খারাপ কাজ করবে, সে-ই তার প্রতিফল ভোগ করবে।” (সূরা আন নিসা-১২৩) এ আয়াতের পর আর আত্মশুদ্ধির উপায় কী থাকে? এ দ্বারা তো বুঝা যায়, যে কোন খারাপ কাজই আমরা করবো, তার শাস্তি আমাদের ভোগ করতেই হবে। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ হে আবু বাকর, আল্লাহ তোমাকে মাফ করুন। আচ্ছা, তোমার কি কখনো রোগ-ব্যাধি হয় না? তুমি কি কখনো দুঃখ কষ্ট ভোগ কর না? তুমি কি কখনো দুশ্চিন্তা ও উদ্বেগে আক্রান্ত হওনা? তুমি কি কখনো পেটের ব্যথায় আক্রান্ত হও না? আবু বকর (রাঃ) বললেনঃ হ্যাঁ। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ ওটাইতো সেই কৰ্মফল, যা তোমাদেরকে দেয়া হয়।[১]

[১]. ইবনু হিব্বান-২৮৯৯, আল হাকেম-৩/৭৪, মুসনাদে আহমদ-৬৯, ৭০, ৭১

حَدَّثَنَا عَبْدُ اللهِ بْنُ نُمَيْرٍ، قَالَ: أَخْبَرَنَا إِسْمَاعِيلُ، عَنْ أَبِي بَكْرِ بْنِ أَبِي زُهَيْرٍ، قَالَ: أُخْبِرْتُ أَنَّ أَبَا بَكْرٍ قَالَ: يَا رَسُولَ اللهِ كَيْفَ الصَّلاحُ بَعْدَ هَذِهِ الْآيَةِ: (لَيْسَ بِأَمَانِيِّكُمْ وَلَا أَمَانِيِّ أَهْلِ الْكِتَابِ مَنْ يَعْمَلْ سُوءًا يُجْزَ بِهِ) [النساء: ١٢٣] فَكُلُّ سُوءٍ عَمِلْنَا جُزِينَا بِهِ ؟ فَقَالَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: ” غَفَرَ اللهُ لَكَ يَا أَبَا بَكْرٍ، أَلَسْتَ تَمْرَضُ؟ أَلَسْتَ تَنْصَبُ؟ أَلَسْتَ تَحْزَنُ؟ أَلَسْتَ تُصِيبُكَ اللَّأْوَاءُ؟ ” قَالَ: بَلَى. قَالَ: ” فَهُوَ مَا تُجْزَوْنَ بِهِ

 

حديث صحيح بطرقه وشواهده، وهذا إسناد ضعيف لانقطاعه بين أبي بكر بن أبي زهير وبين أبي بكر الصديق، ثم إن أبا بكر بن أبي زهير مستور لم يذكر بجرح ولا تعديل. إسماعيل: هو ابن أبي خالد

 

وأخرجه المروزي (111) و (112) ، وأبو يعلى (98) و (99) و (100) و (101) ، والطبري 5 / 294 و295، وابن حبان (2910) و (2926) ، وابن السني في ” عمل اليوم والليلة ” (392) ، والحاكم 3 / 74، والبيهقي 3 / 373 من طرق عن إسماعيل بن أبي خالد، بهذا الإسناد، وصححه الحاكم ووافقه الذهبي

 

وأخرجه أبو يعلى (99) من طريق وكيع، عن إسماعيل بن أبي خالد، عن أبي بكر الصديق

وأورده السيوطي في ” الدر المنثور ” 2 / 226 وزاد نسبته إلى هناد وعبد بن حميد والحكيم الترمذي وابن المنذر والبيهقي في ” شعب الإيمان ” والضياء في المختارة

 

وأخرجه الطبري 5 / 295 من طريق أبي معاوية، عن الأعمش، عن مسلم بن صبيح، قال: قال أبو بكر

وأورده ابن كثير في ” تفسيره ” عن ابن مردويه فيه من طريق فضيل بن عياض، عن سليمان بن مهران، عن مسلم بن صبيح، عن مسروق قال: قال أبو بكر

 

وتقدم برقم (23) مختصراً من طريق زياد الجصاص، عن علي بن زيد، عن مجاهد، عن ابن عمر، عن أبي بكر

وأخرجه الطبري 5 / 295 من طريقين عن عطاء بن أبي رباح، عن أبي بكر مرسلاً

 

وفي الباب عن عائشة بسند حسن في الشواهد عند الطبري 5 / 295، وأخرجه عنها أيضاً أحمد 6 / 218 من طريق حماد بن سلمة، عن علي بن زيد، عن أمية ابنة عبد الله، أنها سألت عائشة … وقال الترمذي (2991) : هذا حديث حسن غريب من حديث عائشة، لا نعرفه إلا من حديث حماد بن سلمة. وله طريق آخر صحيح عند ابن حبان (2923)

وفي الباب أيضاً عن أبي هريرة 2 / 249، وهو في ” صحيح مسلم ” (2574)

 

قوله: ” كيف الصلاح “، قال السندي: أي: صلاح الآخرة، وهو النجاة، أو صلاح الدنيا على وجه يؤدي إلى نجاة الآخرة، ولم يسأل عن وَجْه التوفيق بين هذه الآية وبين آيات المغفرة والشفاعة، فإن التوفيق فيها يفوض الأمر إلى عالمه، ولا ينبغي إظهار التناقض والتدافع بين الآيات، لأنه من قبيل ضَرْب البعض بالبعض، وقد جاء عنه النهيُ، وأما هذا السؤال فأمرٌ متعلق بالنَّفس لا سكون لها بدونه، فلا بُدَّ منه

 

واللَّأْواء: الشدة وضيق المعيشة، ثم لا بُدَّ من تقييد هذه الآية، أي: إذا لم يغفر له بسبب كالحسنات، لقوله: (إِنَّ الحَسَنَاتِ يُذْهِبْنَ السَّيِّئَاتِ) ، أو بلا سبب، لقوله

(وَيَغْفِرُ مَا دُونَ ذَلِكَ لِمَنْ يَشَاءُ) ، ويمكن أن يقال: إن المغفرة بسبب من باب المجازاة، إذ لولا الذنبُ، لازداد درجة بالحسنات، فعدم الازدياد من المجازاة، وبلا سبب هو أن يخلص من النار بنحو الأمراض، وهو من باب المجازاة كما في الحديث، فرجع الأمرُ إلى المجازاة، فليتأمَّل، والله تعالى أعلم

حدثنا عبد الله بن نمير، قال: أخبرنا إسماعيل، عن أبي بكر بن أبي زهير، قال: أخبرت أن أبا بكر قال: يا رسول الله كيف الصلاح بعد هذه الآية: (ليس بأمانيكم ولا أماني أهل الكتاب من يعمل سوءا يجز به) [النساء: ١٢٣] فكل سوء عملنا جزينا به ؟ فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: ” غفر الله لك يا أبا بكر، ألست تمرض؟ ألست تنصب؟ ألست تحزن؟ ألست تصيبك اللأواء؟ ” قال: بلى. قال: ” فهو ما تجزون به حديث صحيح بطرقه وشواهده، وهذا إسناد ضعيف لانقطاعه بين أبي بكر بن أبي زهير وبين أبي بكر الصديق، ثم إن أبا بكر بن أبي زهير مستور لم يذكر بجرح ولا تعديل. إسماعيل: هو ابن أبي خالد وأخرجه المروزي (111) و (112) ، وأبو يعلى (98) و (99) و (100) و (101) ، والطبري 5 / 294 و295، وابن حبان (2910) و (2926) ، وابن السني في ” عمل اليوم والليلة ” (392) ، والحاكم 3 / 74، والبيهقي 3 / 373 من طرق عن إسماعيل بن أبي خالد، بهذا الإسناد، وصححه الحاكم ووافقه الذهبي وأخرجه أبو يعلى (99) من طريق وكيع، عن إسماعيل بن أبي خالد، عن أبي بكر الصديق وأورده السيوطي في ” الدر المنثور ” 2 / 226 وزاد نسبته إلى هناد وعبد بن حميد والحكيم الترمذي وابن المنذر والبيهقي في ” شعب الإيمان ” والضياء في المختارة وأخرجه الطبري 5 / 295 من طريق أبي معاوية، عن الأعمش، عن مسلم بن صبيح، قال: قال أبو بكر وأورده ابن كثير في ” تفسيره ” عن ابن مردويه فيه من طريق فضيل بن عياض، عن سليمان بن مهران، عن مسلم بن صبيح، عن مسروق قال: قال أبو بكر وتقدم برقم (23) مختصرا من طريق زياد الجصاص، عن علي بن زيد، عن مجاهد، عن ابن عمر، عن أبي بكر وأخرجه الطبري 5 / 295 من طريقين عن عطاء بن أبي رباح، عن أبي بكر مرسلا وفي الباب عن عائشة بسند حسن في الشواهد عند الطبري 5 / 295، وأخرجه عنها أيضا أحمد 6 / 218 من طريق حماد بن سلمة، عن علي بن زيد، عن أمية ابنة عبد الله، أنها سألت عائشة … وقال الترمذي (2991) : هذا حديث حسن غريب من حديث عائشة، لا نعرفه إلا من حديث حماد بن سلمة. وله طريق آخر صحيح عند ابن حبان (2923) وفي الباب أيضا عن أبي هريرة 2 / 249، وهو في ” صحيح مسلم ” (2574) قوله: ” كيف الصلاح “، قال السندي: أي: صلاح الآخرة، وهو النجاة، أو صلاح الدنيا على وجه يؤدي إلى نجاة الآخرة، ولم يسأل عن وجه التوفيق بين هذه الآية وبين آيات المغفرة والشفاعة، فإن التوفيق فيها يفوض الأمر إلى عالمه، ولا ينبغي إظهار التناقض والتدافع بين الآيات، لأنه من قبيل ضرب البعض بالبعض، وقد جاء عنه النهي، وأما هذا السؤال فأمر متعلق بالنفس لا سكون لها بدونه، فلا بد منه واللأواء: الشدة وضيق المعيشة، ثم لا بد من تقييد هذه الآية، أي: إذا لم يغفر له بسبب كالحسنات، لقوله: (إن الحسنات يذهبن السيئات) ، أو بلا سبب، لقوله (ويغفر ما دون ذلك لمن يشاء) ، ويمكن أن يقال: إن المغفرة بسبب من باب المجازاة، إذ لولا الذنب، لازداد درجة بالحسنات، فعدم الازدياد من المجازاة، وبلا سبب هو أن يخلص من النار بنحو الأمراض، وهو من باب المجازاة كما في الحديث، فرجع الأمر إلى المجازاة، فليتأمل، والله تعالى أعلم

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   মুসনাদে আহমাদ  মুসনাদে আবু বকর সিদ্দিক (রাঃ) [আবু বকরের বর্ণিত হাদীস] (مسند أبي بكر)

 ৬৯

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ

৬৯। আবু বাকর বিন আবু যুহাইর বলেন, আবু বাকর (রাঃ) বললেন: ইয়া রাসূলাল্লাহ, এ আয়াতের পর সংশোধনের উপায় কী? রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ হে আবু বাকর, আল্লাহ তোমার ওপর দয়া করুন, তুমি কি রোগাক্রান্ত হওনা? তুমি কি দুশ্চিন্তা ভোগ কর না? তুমি কি পেটের ব্যথায় আক্রান্ত হওনা? তুমি কি..? আবু বাকর বললেনঃ হ্যাঁ, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহুআলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তাহলে এটা তো। ওটারই বিনিময়ে। (অর্থাৎ গুনাহর শাস্তি) (দেখুন, হাদীস নং ৬৮)।

حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، قَالَ: حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي خَالِدٍ، عَنْ أَبِي بَكْرِ بْنِ أَبِي زُهَيْرٍ، أَظُنُّهُ قَالَ أَبُو بَكْرٍ: يَا رَسُولَ اللهِ، كَيْفَ الصَّلاحُ بَعْدَ هَذِهِ الْآيَةِ؟ قَالَ: يَرْحَمُكَ اللهُ يَا أَبَا بَكْرٍ، أَلَسْتَ تَمْرَضُ؟ أَلَسْتَ تَحْزَنُ؟ أَلَسْتَ تُصِيبُكَ اللَّأْوَاءُ؟ أَلَسْتَ … ” قَالَ: بَلَى. قَالَ: ” فَإِنَّ ذَاكَ بِذَاكَ

 

صحيح، وإسناده ضعيف كسابقه. سفيان: هو ابن عيينة

حدثنا سفيان، قال: حدثنا ابن أبي خالد، عن أبي بكر بن أبي زهير، أظنه قال أبو بكر: يا رسول الله، كيف الصلاح بعد هذه الآية؟ قال: يرحمك الله يا أبا بكر، ألست تمرض؟ ألست تحزن؟ ألست تصيبك اللأواء؟ ألست … ” قال: بلى. قال: ” فإن ذاك بذاك صحيح، وإسناده ضعيف كسابقه. سفيان: هو ابن عيينة

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   মুসনাদে আহমাদ  মুসনাদে আবু বকর সিদ্দিক (রাঃ) [আবু বকরের বর্ণিত হাদীস] (مسند أبي بكر)

 ৭০

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ

৭০। ৬৮ ও ৬৯ নং হাদীস দ্রষ্টব্য। [দেখুন পূর্বের হাদিস]

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   মুসনাদে আহমাদ  মুসনাদে আবু বকর সিদ্দিক (রাঃ) [আবু বকরের বর্ণিত হাদীস] (مسند أبي بكر)

 ৭১

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ

৭১। ৬৮ নং হাদীসের পুনরাবৃত্তি। [দেখুন পূর্বের হাদিসগুলো]

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   মুসনাদে আহমাদ  মুসনাদে আবু বকর সিদ্দিক (রাঃ) [আবু বকরের বর্ণিত হাদীস] (مسند أبي بكر)

 ৭২

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ

৭২। আনাস বিন মালিক (রাঃ) বলেন, আবু বাকর (রাঃ) তাদের জন্য লেখেনঃ এগুলো হচ্ছে ফরয সাদাকা, যা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মুসলিমদের ওপর ফারয করেছেন, আর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে আল্লাহ তা’আলা এর জন্য আদেশ দিয়েছেন। যে ব্যক্তি মুসলিমদের কাছ থেকে এগুলো নির্দিষ্ট পরিমাণে চাইবে, তাকে যেন তা দেয়া হয়। আর যে ব্যক্তি এর চেয়ে বেশি চাইবে, তাকে যেন না দেয়া হয়। পঁচিশটির কম উটে যাকাতের হার এরূপ, প্রত্যেক পাঁচটি চরণশীল উটে দিতে হবে একটি ছাগল। যখন উটের সংখ্যা ২৫-এ পৌছবে, তখন একটি বিনতুল মাখায (এক বছর বয়স্কা উটনী) দিতে হবে ৩৫টি পর্যন্ত। বিনতুল মাখায না থাকলে একটি ইবনুল লাবুন (দু’বছর বয়স্ক পুরুষ উট) দিতে হবে। যখন ৩৬-এ পৌছবে, তখন ৪৫ পর্যন্ত একটি বিনতে লাবুন (দু’বছর বয়স্কা উটনী) দিতে হবে। যখন ৪৬-এ পৌছবে, ৪৬ থেকে ৬০ পর্যন্ত দিতে হবে একটি হিক্কা অর্থাৎ গর্ভধারণের যোগ্য তিন বছর পূর্ণ হওয়া উটনী। যখন উটের সংখ্যা ৬১ তে পৌছবে। তখন ৬১ থেকে ৭৫ পর্যন্ত দিতে হবে একটি জাযা’য়া তথা চার বছর পূর্ণ হওয়া উটনী। যখন উটের সংখ্যা ৭৬ হবে, তখন ৯০ পর্যন্ত দু’বছর পূর্ণ হওয়া দুটি উটনী (বিনতে লাবুন) দিতে হবে। যখন ৯১ তে পৌছবে, তখন ১২০ পর্যন্ত দিতে হবে দুটো হিক্কা। ১২০ এর ওপরে প্রত্যেক ৪০ টিতে একটি করে বিনতে লাবুন এবং প্রত্যেক ৫০ টিতে একটি করে হিক্কা দিতে হবে।

সাদাকার ফরয হওয়া অংশ দিতে গিয়ে যখন উটের বয়সে গরমিল পাওয়া যায়, তখন জাযা’য়া ফরয হওয়া সত্ত্বেও যদি জাযা’য়া না থাকে এবং হিক্কা থাকে, তাহলে হিক্কাই গ্ৰহণ করা হবে, তবে সেই সাথে সম্ভব হলে দুটো ছাগল অথবা বিশ দিরহাম দিতে হবে। আর যার ওপর হিক্কা ফরয হয়, কিন্তু তার কাছে হিক্কা নেই, জাযা’য়া আছে, তার কাছ থেকে জাযা’য়াই গ্ৰহণ করা হবে এবং সাদাকা আদায়কারী তাকে ২০ দিরহাম অথবা দুটো ছাগল দেবে। আর যার ওপর হিক্কা ফরয হয় কিন্তু তার কাছে হিক্কা নেই, বিনতে লাবুন আছে,তার কাছ থেকে বিনতে লাবুন গ্রহণ করা হবে। তবে সেই সাথে সম্ভব হলে দুটো ছাগল কিংবা বিশ দিরহাম দিতে হবে। আর যার ওপর বিনতে লাবুন ফরয হবে, কিন্তু তার কাছে হিক্কা ছাড়া কিছু নেই। তার কাছ থেকে হিক্কা গ্ৰহণ করা হবে, তবে সাদাকা আদায়কারী তাকে বিশ দিরহাম অথবা দুটো ছাগল দেবে। আর যার ওপর একটি বিনতে লাবুন ফরয হবে, কিন্তু তার কাছে বিনতে লাবুন নেই, বিনতে মাখায (এক বছর পূর্ণ হওয়া উটনী) আছে, তার কাছ থেকে বিনতে মাখায গ্ৰহণ করা হবে, তবে সে সেই সাথে সম্ভব হলে দুটো ছাগল অথবা বিশ দিরহাম দেবে। আর যার ওপর একটা বিনতে মাখায ফারয হয়, কিন্তু তার কাছে একটা পুরুষ ইবনে লাবুন ছাড়া কিছু নেই, তার কাছ থেকে ইবনে লাবুন গ্ৰহণ করা হবে এবং তার সাথে আর কিছু দিতে হবে না। আর যার কাছে মাত্র চারটি উট আছে, তার ওপর কোন যাকাত ফরয নয়। তবে তার মালিক ইচ্ছে করলে কিছু দিতে পারে।

ছাগলের যাকাত শুধু বিচরণরত ছাগলের ওপরই প্রযোজ্য। বিচরণরত ছাগলের সংখ্যা চল্লিশ হলে ১২০ পর্যন্ত একটা ছাগল দিতে হবে। এর চেয়ে বেশি হলে ২০০ পর্যন্ত দুটো ছাগল দিতে হবে। এর ওপর একটা বেশি হলেও তিনশো পর্যন্ত তিনটে ছাগল দিতে হবে। আরো বেশি হলে প্ৰত্যেক একশোতে একটি করে ছাগল দিতে হবে। অত্যধিক বুড়ো ও দৈহিক ত্রুটিযুক্ত ছাগল ও পাঠা গ্ৰহণ করা হবে না।

তবে আদায়কারী যদি নিতে চায়, তবে নিতে পারে। যাকাত দেয়ার ভয়ে বিচ্ছিন্ন পশুকে একত্র করা বা একত্রিত পশুকে বিচ্ছিন্ন করা চলবে না। আর যে পশু দুই শরীকের মালিকানাধীন হবে, সে পশুর যাকাত উভয় শরীক সমানভাবে পরস্পরের মধ্যে ধাৰ্য করবে। আর যখন কোন ব্যক্তির বিচরণশীল ছাগল চল্লিশটির চেয়ে একটি কম হবে, তখন তাতে কোন যাকাত দিতে হবে না। তবে ছাগলের মালিক ইচ্ছা করলে কিছু (নফল সাদাকা হিসাবে) দিতে পারবে।

রূপার মধ্যে চল্লিশ ভাগের এক ভাগ দিতে হয়। যদি রূপা একশো নব্বই দিরহামের বেশি না হয়, তাহলে তাতে কোন যাকাত দিতে হবেনা। তবে যদি মালিক ইচ্ছা করে (নফল হিসাবে) কিছু দিতে পারে।[১]

[১] বুখারী, ইবনে খুযাইমা, ইবনু হিব্বান

حَدَّثَنَا أَبُو كَامِلٍ، حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ، قَالَ: أَخَذْتُ هَذَا الْكِتَابَ مِنْ ثُمَامَةَ بْنِ عَبْدِ اللهِ بْنِ أَنَسٍ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ: أَنَّ أَبَا بَكْرٍ كَتَبَ لَهُمْ: إِنَّ هَذِهِ فَرَائِضُ الصَّدَقَةِ الَّتِي فَرَضَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَلَى الْمُسْلِمِينَ، الَّتِي أَمَرَ اللهُ عَزَّ وَجَلَّ بِهَا رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فَمَنْ سُئِلَهَا مِنَ الْمُسْلِمِينَ عَلَى وَجْهِهَا فَلْيُعْطِهَا، وَمَنْ سُئِلَ فَوْقَ ذَلِكَ فَلا يُعْطِهِ: ” فِيمَا دُونَ خَمْسٍ وَعِشْرِينَ مِنَ الْإِبِلِ فَفِي كُلِّ خَمْسِ ذَوْدٍ شَاةٌ، فَإِذَا بَلَغَتْ خَمْسًا وَعِشْرِينَ فَفِيهَا ابْنَةُ مَخَاضٍ إِلَى خَمْسٍ وَثَلاثِينَ، فَإِنْ لَمْ تَكُنِ ابْنَةُ مَخَاضٍ فَابْنُ لَبُونٍ ذَكَرٌ، فَإِذَا بَلَغَتْ سِتَّةً وَثَلاثِينَ فَفِيهَا ابْنَةُ لَبُونٍ إِلَى خَمْسٍ وَأَرْبَعِينَ، فَإِذَا بَلَغَتْ سِتَّةً وَأَرْبَعِينَ فَفِيهَا حِقَّةٌ طَرُوقَةُ الْفَحْلِ إِلَى سِتِّينَ، فَإِذَا بَلَغَتْ إِحْدَى وَسِتِّينَ فَفِيهَا جَذَعَةٌ إِلَى خَمْسٍ وَسَبْعِينَ، فَإِذَا بَلَغَتْ سِتَّةً وَسَبْعِينَ فَفِيهَا بِنْتَا لَبُونٍ إِلَى تِسْعِينَ، فَإِذَا بَلَغَتْ إِحْدَى وَتِسْعِينَ فَفِيهَا حِقَّتَانِ طَرُوقَتَا الْفَحْلِ إِلَى عِشْرِينَ وَمِائَةٍ، فَإِنْ زَادَتْ عَلَى عِشْرِينَ وَمِائَةٍ فَفِي كُلِّ أَرْبَعِينَ ابْنَةُ لَبُونٍ، وَفِي كُلِّ خَمْسِينَ حِقَّةٌ، فَإِذَا تَبَايَنَ أَسْنَانُ الْإِبِلِ فِي فَرَائِضِ الصَّدَقَاتِ، فَمَنْ بَلَغَتْ عِنْدَهُ صَدَقَةُ الْجَذَعَةِ وَلَيْسَتْ عِنْدَهُ جَذَعَةٌ وَعِنْدَهُ حِقَّةٌ فَإِنَّهَا تُقْبَلُ مِنْهُ، وَيَجْعَلُ مَعَهَا شَاتَيْنِ إِنِ اسْتَيْسَرَتَا لَهُ، أَوْ عِشْرِينَ دِرْهَمًا. وَمَنْ بَلَغَتْ عِنْدَهُ صَدَقَةُ الْحِقَّةِ وَلَيْسَتْ عِنْدَهُ إِلَّا جَذَعَةٌ فَإِنَّهَا تُقْبَلُ مِنْهُ، وَيُعْطِيهِ الْمُصَدِّقُ عِشْرِينَ دِرْهَمًا أَوْ شَاتَيْنِ، وَمَنْ بَلَغَتْ عِنْدَهُ صَدَقَةُ الْحِقَّةِ وَلَيْسَتْ عِنْدَهُ وَعِنْدَهُ بِنْتُ لَبُونٍ، فَإِنَّهَا تُقْبَلُ مِنْهُ، وَيَجْعَلُ مَعَهَا شَاتَيْنِ إِنِ اسْتَيْسَرَتَا لَهُ، أَوْ عِشْرِينَ دِرْهَمًا. وَمَنْ بَلَغَتْ عِنْدَهُ صَدَقَةُ ابْنَةِ لَبُونٍ وَلَيْسَتْ عِنْدَهُ إِلَّا حِقَّةٌ فَإِنَّهَا تُقْبَلُ مِنْهُ، وَيُعْطِيهِ الْمُصَدِّقُ عِشْرِينَ دِرْهَمًا أَوْ شَاتَيْنِ، وَمَنْ بَلَغَتْ عِنْدَهُ صَدَقَةُ ابْنَةِ لَبُونٍ، وَلَيْسَتْ عِنْدَهُ ابْنَةُ لَبُونٍ، وَعِنْدَهُ ابْنَةُ مَخَاضٍ، فَإِنَّهَا تُقْبَلُ مِنْهُ، وَيَجْعَلُ مَعَهَا شَاتَيْنِ إِنِ اسْتَيْسَرَتَا لَهُ، أَوْ عِشْرِينَ دِرْهَمًا. وَمَنْ بَلَغَتْ صَدَقَتُهُ بِنْتَ مَخَاضٍ وَلَيْسَ عِنْدَهُ إِلَّا ابْنُ لَبُونٍ ذَكَرٌ فَإِنَّهُ يُقْبَلُ مِنْهُ وَلَيْسَ مَعَهُ شَيْءٌ، وَمَنْ لَمْ يَكُنْ عِنْدَهُ إِلَّا أَرْبَعٌ مِنَ الْإِبِلِ، فَلَيْسَ فِيهَا شَيْءٌ إِلَّا أَنْ يَشَاءَ رَبُّهَ

 

وَفِي صَدَقَةِ الْغَنَمِ فِي سَائِمَتِهَا إِذَا كَانَتْ أَرْبَعِينَ، فَفِيهَا شَاةٌ إِلَى عِشْرِينَ وَمِائَةٍ، فَإِِذا زَادَتْ فَفِيهَا شَاتَانِ إِلَى مِائَتَيْنِ، فَإِذَا زَادَتْ وَاحِدَةٌ، فَفِيهَا ثَلاثُ شِيَاهٍ إِلَى ثَلاثِ مِائَةٍ، فَإِذَا زَادَتْ، فَفِي كُلِّ مِائَةٍ شَاةٌ، وَلا تُؤْخَذُ فِي الصَّدَقَةِ هَرِمَةٌ وَلا ذَاتُ عَوَارٍ وَلا تَيْسٌ إِلَّا أَنْ يَشَاءَ الْمُتَصَدِّقُ، وَلا يُجْمَعُ بَيْنَ مُتَفَرِّقٍ، وَلا يُفَرَّقُ بَيْنَ مُجْتَمِعٍ خَشْيَةَ الصَّدَقَةِ، وَمَا كَانَ مِنْ خَلِيطَيْنِ فَإِنَّهُمَا يَتَرَاجَعَانِ بَيْنَهُمَا بِالسَّوِيَّةِ، وَإِذَا كَانَتْ سَائِمَةُ الرَّجُلِ نَاقِصَةً مِنْ أَرْبَعِينَ شَاةً وَاحِدَةً، فَلَيْسَ فِيهَا شَيْءٌ إِلَّا أَنْ يَشَاءَ رَبُّهَا.

وَفِي الرِّقَةِ رُبْعُ الْعُشْرِ، فَإِذَا لَمْ يَكُنِ الْمَالُ إِلَّا تِسْعِينَ وَمِائَةَ دِرْهَمٍ فَلَيْسَ فِيهَا شَيْءٌ إِلَّا أَنْ يَشَاءَ رَبُّهَا

 

إسناده صحيح. أبو كامل: هو مظفر بن مدرك الخراساني

وأخرجه النسائي 5 / 18 عن محمد بن عبد الله بن المبارك، عن أبي كامل، بهذا الإسناد

وأخرجه أبو داود (1567) ، والبزار (41) ، والمروزي (70) ، والنسائي 5 / 27، وأبو يعلى (127) ، والطحاوي في ” شرح معاني الآثار ” 4 / 374، والدارقطني 2 / 114، والحاكم 1 / 390، والبيهقي 4 / 86 من طرق عن حماد بن سلمة، به

وأخرجه أبو يعلى (126) عن أبي الربيع الزهراني، عن حماد، عن أيوب، عن ثمامة بن عبد الله، به

وأخرجه البخاري مفرقاً (1448) و (1450) و (1451) و (1453) و (1454) و (2487) و (3106) و (5878) و (6955) ، وابن ماجه (1800) ، والبزار (40) ، وابن الجارود (342) ، وابن خزيمة (2261) و (2273) و (2279) و (2281) و (2296) ، والطحاوي 4 / 374، وابن حبان (3266) ، والبيهقي 4 / 86 من طريق محمد بن عبد الله بن المثنى، عن أبيه، عن يمامة بن عبد الله، به. وبعضهم يرويه مختصراً

الذود: ما بين الثنتين والتسع، أو العشر

 

وابنة المخاض: التي دخلت في السنة الثانية

وابن اللبون: هو ولد الناقة إذا استكمل سنتين، ودخل في الثالثة

والحِقة: هي الداخلةُ في السنة الرابعة

وطروقةُ الفحل: التي بلغت أن يَضْرِبَهَا الفحلُ

والجذعة من الإبل: ما دخل في السنة الخامسة

والسائمة: الراعية

والعَوَار – بالفتح -: العيب، وقد يضم

قوله: ” ولا يجمع بين متفرق “، قال السندي: هو عند الجمهور على النهي، لا ينبغي لمالِكَيْنِ يجب على مال كلٍّ منهما صدقة ومالُهما متفرقٌ بأن يكون لكل منهما أربعون شاةً، فتجب في مال كلٍّ شاةٌ واحدة أن يُجمَعا عند حضور المصدِّق فراراً عن لزوم الشاة إلى نصفها، إذ عند الجمع يؤخذ من كل المال شاة واحدة

وكذا ” ولا يفرق بين مجتمع “، أي: ليس لشريكين مالُهما مجتمع بان يكون لكلٍّ منهما مئةُ شاةٍ وشاةٌ، فيكون عليهما عند الاجتماع ثلاث شياه، أن يُفرِّقا مالَهما ليكون على كل واحدٍ شاة واحدة فقط، فللخلط عند الجمهور تأثير في زيادة الصدقة ونقصانها، لكن لا ينبغي أن يفعل ذلك فراراً عن زيادة الصدقة

وقوله: ” وما كان من خليطين … ” معناه عند الجمهور: أن ما كان متميزاً لأحد الخليطين من المال، فأخذ الساعي من ذلك المتميز يَرجِعُ إلى صاحبه بحصته بأن كان لكلٍّ عشرون، وأخذ الساعي من مال أحدهما يرجع بقيمة نصف شاة، وإن كان لأحدهما عشرون وللآخر أربعون مثلاً، فأخذ من صاحب عشرين يرجع إلى صاحب أربعين بالثلاثين، وإن أخذ منه يرجع على صاحب عشرين بالثلث، وعند أبي حنيفة يُحمل الخليط على الشريك إذ المالُ إذا تَميَّز فلا يؤخذ زكاةُ كلٍّ إلا من ماله، وأما إذا كان المال بينهما على الشركة بلا تميز، وأخذ من ذلك المشترك، فعنده يجب التراجع بالسوية، أي: يَرجع كلٌّ منها على صاحبه بقدر ما يساوي مالَه مثلاً لأحدهما أربعون بقرة، وللآخر ثلاثون، والمال مشترك غير متميز، فأخذ الساعي عن صاحب أربعين مُسِنَّةً، وعن صاحب ثلاثين تَبيعاً، وأعطى كلٌّ منهما من المال المشترك، فيرجع صاحب أربعين بأربعة أسباع

التبيع على صاحب ثلثين، وصاحب ثلثين بثلاثة أسباع المسنة على صاحب أربعين

حدثنا أبو كامل، حدثنا حماد بن سلمة، قال: أخذت هذا الكتاب من ثمامة بن عبد الله بن أنس، عن أنس بن مالك: أن أبا بكر كتب لهم: إن هذه فرائض الصدقة التي فرض رسول الله صلى الله عليه وسلم على المسلمين، التي أمر الله عز وجل بها رسول الله صلى الله عليه وسلم، فمن سئلها من المسلمين على وجهها فليعطها، ومن سئل فوق ذلك فلا يعطه: ” فيما دون خمس وعشرين من الإبل ففي كل خمس ذود شاة، فإذا بلغت خمسا وعشرين ففيها ابنة مخاض إلى خمس وثلاثين، فإن لم تكن ابنة مخاض فابن لبون ذكر، فإذا بلغت ستة وثلاثين ففيها ابنة لبون إلى خمس وأربعين، فإذا بلغت ستة وأربعين ففيها حقة طروقة الفحل إلى ستين، فإذا بلغت إحدى وستين ففيها جذعة إلى خمس وسبعين، فإذا بلغت ستة وسبعين ففيها بنتا لبون إلى تسعين، فإذا بلغت إحدى وتسعين ففيها حقتان طروقتا الفحل إلى عشرين ومائة، فإن زادت على عشرين ومائة ففي كل أربعين ابنة لبون، وفي كل خمسين حقة، فإذا تباين أسنان الإبل في فرائض الصدقات، فمن بلغت عنده صدقة الجذعة وليست عنده جذعة وعنده حقة فإنها تقبل منه، ويجعل معها شاتين إن استيسرتا له، أو عشرين درهما. ومن بلغت عنده صدقة الحقة وليست عنده إلا جذعة فإنها تقبل منه، ويعطيه المصدق عشرين درهما أو شاتين، ومن بلغت عنده صدقة الحقة وليست عنده وعنده بنت لبون، فإنها تقبل منه، ويجعل معها شاتين إن استيسرتا له، أو عشرين درهما. ومن بلغت عنده صدقة ابنة لبون وليست عنده إلا حقة فإنها تقبل منه، ويعطيه المصدق عشرين درهما أو شاتين، ومن بلغت عنده صدقة ابنة لبون، وليست عنده ابنة لبون، وعنده ابنة مخاض، فإنها تقبل منه، ويجعل معها شاتين إن استيسرتا له، أو عشرين درهما. ومن بلغت صدقته بنت مخاض وليس عنده إلا ابن لبون ذكر فإنه يقبل منه وليس معه شيء، ومن لم يكن عنده إلا أربع من الإبل، فليس فيها شيء إلا أن يشاء ربه وفي صدقة الغنم في سائمتها إذا كانت أربعين، ففيها شاة إلى عشرين ومائة، فإذا زادت ففيها شاتان إلى مائتين، فإذا زادت واحدة، ففيها ثلاث شياه إلى ثلاث مائة، فإذا زادت، ففي كل مائة شاة، ولا تؤخذ في الصدقة هرمة ولا ذات عوار ولا تيس إلا أن يشاء المتصدق، ولا يجمع بين متفرق، ولا يفرق بين مجتمع خشية الصدقة، وما كان من خليطين فإنهما يتراجعان بينهما بالسوية، وإذا كانت سائمة الرجل ناقصة من أربعين شاة واحدة، فليس فيها شيء إلا أن يشاء ربها. وفي الرقة ربع العشر، فإذا لم يكن المال إلا تسعين ومائة درهم فليس فيها شيء إلا أن يشاء ربها إسناده صحيح. أبو كامل: هو مظفر بن مدرك الخراساني وأخرجه النسائي 5 / 18 عن محمد بن عبد الله بن المبارك، عن أبي كامل، بهذا الإسناد وأخرجه أبو داود (1567) ، والبزار (41) ، والمروزي (70) ، والنسائي 5 / 27، وأبو يعلى (127) ، والطحاوي في ” شرح معاني الآثار ” 4 / 374، والدارقطني 2 / 114، والحاكم 1 / 390، والبيهقي 4 / 86 من طرق عن حماد بن سلمة، به وأخرجه أبو يعلى (126) عن أبي الربيع الزهراني، عن حماد، عن أيوب، عن ثمامة بن عبد الله، به وأخرجه البخاري مفرقا (1448) و (1450) و (1451) و (1453) و (1454) و (2487) و (3106) و (5878) و (6955) ، وابن ماجه (1800) ، والبزار (40) ، وابن الجارود (342) ، وابن خزيمة (2261) و (2273) و (2279) و (2281) و (2296) ، والطحاوي 4 / 374، وابن حبان (3266) ، والبيهقي 4 / 86 من طريق محمد بن عبد الله بن المثنى، عن أبيه، عن يمامة بن عبد الله، به. وبعضهم يرويه مختصرا الذود: ما بين الثنتين والتسع، أو العشر وابنة المخاض: التي دخلت في السنة الثانية وابن اللبون: هو ولد الناقة إذا استكمل سنتين، ودخل في الثالثة والحقة: هي الداخلة في السنة الرابعة وطروقة الفحل: التي بلغت أن يضربها الفحل والجذعة من الإبل: ما دخل في السنة الخامسة والسائمة: الراعية والعوار – بالفتح -: العيب، وقد يضم قوله: ” ولا يجمع بين متفرق “، قال السندي: هو عند الجمهور على النهي، لا ينبغي لمالكين يجب على مال كل منهما صدقة ومالهما متفرق بأن يكون لكل منهما أربعون شاة، فتجب في مال كل شاة واحدة أن يجمعا عند حضور المصدق فرارا عن لزوم الشاة إلى نصفها، إذ عند الجمع يؤخذ من كل المال شاة واحدة وكذا ” ولا يفرق بين مجتمع “، أي: ليس لشريكين مالهما مجتمع بان يكون لكل منهما مئة شاة وشاة، فيكون عليهما عند الاجتماع ثلاث شياه، أن يفرقا مالهما ليكون على كل واحد شاة واحدة فقط، فللخلط عند الجمهور تأثير في زيادة الصدقة ونقصانها، لكن لا ينبغي أن يفعل ذلك فرارا عن زيادة الصدقة وقوله: ” وما كان من خليطين … ” معناه عند الجمهور: أن ما كان متميزا لأحد الخليطين من المال، فأخذ الساعي من ذلك المتميز يرجع إلى صاحبه بحصته بأن كان لكل عشرون، وأخذ الساعي من مال أحدهما يرجع بقيمة نصف شاة، وإن كان لأحدهما عشرون وللآخر أربعون مثلا، فأخذ من صاحب عشرين يرجع إلى صاحب أربعين بالثلاثين، وإن أخذ منه يرجع على صاحب عشرين بالثلث، وعند أبي حنيفة يحمل الخليط على الشريك إذ المال إذا تميز فلا يؤخذ زكاة كل إلا من ماله، وأما إذا كان المال بينهما على الشركة بلا تميز، وأخذ من ذلك المشترك، فعنده يجب التراجع بالسوية، أي: يرجع كل منها على صاحبه بقدر ما يساوي ماله مثلا لأحدهما أربعون بقرة، وللآخر ثلاثون، والمال مشترك غير متميز، فأخذ الساعي عن صاحب أربعين مسنة، وعن صاحب ثلاثين تبيعا، وأعطى كل منهما من المال المشترك، فيرجع صاحب أربعين بأربعة أسباع التبيع على صاحب ثلثين، وصاحب ثلثين بثلاثة أسباع المسنة على صاحب أربعين

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   মুসনাদে আহমাদ  মুসনাদে আবু বকর সিদ্দিক (রাঃ) [আবু বকরের বর্ণিত হাদীস] (مسند أبي بكر)

 ৭৩

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ

৭৩। আবদুর রাযযাক বলেছেন, মক্কাবাসী বলেনঃ ইবনে জুরাইজ নামায শিখেছেন আতা থেকে, আতা শিখেছেন ইবনে যুবাইর থেকে, ইবনে যুবাইর শিখেছেন আবু বাকর থেকে আর আবু বাকর শিখেছেন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে। ইবনে জুরাইজের চেয়ে উত্তম নামায আদায়কারী আর কাউকে আমি দেখিনি।

حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، قَالَ: أَهْلُ مَكَّةَ يَقُولُونَ: أَخَذَ ابْنُ جُرَيْجٍ الصَّلاةَ مِنْ عَطَاءٍ، وَأَخَذَهَا عَطَاءٌ مِنَ ابْنِ الزُّبَيْرِ، وَأَخَذَهَا ابْنُ الزُّبَيْرِ مِنْ أَبِي بَكْرٍ، وَأَخَذَهَا أَبُو بَكْرٍ مِنَ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، مَا رَأَيْتُ أَحَدًا أَحْسَنَ صَلاةً مِنَ ابْنِ جُرَيْجٍ

 

وأخرجه المروزي (137) عن أبي بكر بن عسكر، عن عبد الرزاق

حدثنا عبد الرزاق، قال: أهل مكة يقولون: أخذ ابن جريج الصلاة من عطاء، وأخذها عطاء من ابن الزبير، وأخذها ابن الزبير من أبي بكر، وأخذها أبو بكر من النبي صلى الله عليه وسلم، ما رأيت أحدا أحسن صلاة من ابن جريج وأخرجه المروزي (137) عن أبي بكر بن عسكر، عن عبد الرزاق

 হাদিসের মানঃ তাহকীক অপেক্ষমাণ  পুনঃনিরীক্ষণঃ   মুসনাদে আহমাদ  মুসনাদে আবু বকর সিদ্দিক (রাঃ) [আবু বকরের বর্ণিত হাদীস] (مسند أبي بكر)

 ৭৪

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ

৭৪। উমার (রাঃ) বলেন, হাফসা বিনতে উমার হুযাফা বা হুযাইফার ছেলে খুনাইস থেকে বিধবা হয়। খুনাইস রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাহাবী ও বদর যুদ্ধে অংশ গ্রহণকারী ছিলেন। তিনি মদীনায় মারা যান। এরপর আমি উসমান বিন আফফানের সাথে দেখা করলাম এবং তার কাছে হাফসাকে পেশ করলাম। আমি বললাম, আপনি চাইলে আমি আপনার সাথে হাফসার বিয়ে দেই। উসমান বললেন, এ বিষয়ে ভেবে দেখবো। এরপর বেশ কিছুদিন অপেক্ষা করলাম। তারপর তিনি আমার সাথে দেখা করলেন। বললেন, এখন আমি বিয়ে করতে ইচ্ছুক নই। উমার (রাঃ) বললেনঃ এরপর আমি আবু বাকরের সাথে দেখা করলাম। তাঁকে বললামঃ আপনি যদি ইচ্ছা করেন, হাফসা বিনতে উমারকে আপনার সাথে বিয়ে দেই। তিনি আমাকে কোন জবাবই দিলেন না। এতে তার ওপর আমার উসমানের চেয়ে বেশি রাগ হলো।

এরপর বেশ কিছু দিন অপেক্ষা করলাম। এরপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার নিকট হাফসাকে বিয়ে করার ইচ্ছা ব্যক্ত করে প্রস্তাব পাঠালেন। ফলে আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে হাফসাকে বিয়ে দিলাম। এরপর আবু বাকর আমার সাথে দেখা করে বললেনঃ আপনি আমাকে হাফসার বিয়ের প্রস্তাব দিয়েছিলেন। কিন্তু আমি আপনাকে কোন জবাব দেইনি। এতে আপনি হয়তো আমার ওপর রাগ করেছেন। আমি বললামঃ হ্যাঁ। তিনি বললেন, আপনি যখন আমার কাছে তার বিয়ের প্রস্তাব দিয়েছিলেন, তখন তার জবাব দিতে না পারার একমাত্র কারণ ছিল এই যে, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে হাফসার কথা বলতে শুনেছি। কিন্তু আমি রাসূলের গোপনীয়তা ফাঁস করতে প্রস্তুত ছিলাম না। তিনি যদি তাকে বিয়ে না করতেন, তাহলে আমি করতাম।[১]

[১]. বুখারী, ইবনু হিব্বান

حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، قَالَ: أَخْبَرَنَا مَعْمَرٌ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ سَالِمٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ عَنْ عُمَرَ، قَالَ: تَأَيَّمَتْ حَفْصَةُ بِنْتُ عُمَرَ مِنْ خُنَيْسِ بْنِ حُذَافَةَ أَوْ حُذَيْفَةَ شَكَّ عَبْدُ الرَّزَّاقِ وَكَانَ مِنْ أَصْحَابِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مِمَّنْ شَهِدَ بَدْرًا، فَتُوُفِّيَ بِالْمَدِينَةِ، قَالَ: فَلَقِيتُ عُثْمَانَ بْنَ عَفَّانَ، فَعَرَضْتُ عَلَيْهِ حَفْصَةَ، فَقُلْتُ: إِنْ شِئْتَ أَنْكَحْتُكَ حَفْصَةَ، قَالَ: سَأَنْظُرُ فِي ذَلِكَ، فَلَبِثْتُ لَيَالِيَ، فَلَقِيَنِي، فَقَالَ: مَا أُرِيدُ أَنْ أَتَزَوَّجَ يَوْمِي هَذَا، قَالَ عُمَرُ: فَلَقِيتُ أَبَا بَكْرٍ، فَقُلْتُ: إِنْ شِئْتَ أَنْكَحْتُكَ حَفْصَةَ ابْنَةَ عُمَرَ، فَلَمْ يَرْجِعْ إِلَيَّ شَيْئًا، فَكُنْتُ أَوْجَدَ عَلَيْهِ مِنِّي عَلَى عُثْمَانَ، فَلَبِثْتُ لَيَالِيَ، فَخَطَبَهَا إِلَيَّ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فَأَنْكَحْتُهَا إِيَّاهُ، فَلَقِيَنِي أَبُو بَكْرٍ فَقَالَ: لَعَلَّكَ وَجَدْتَ عَلَيَّ حِينَ عَرَضْتَ عَلَيَّ حَفْصَةَ فَلَمْ أَرْجِعْ إِلَيْكَ شَيْئًا؟ قَالَ: قُلْتُ: نَعَمْ، قَالَ: فَإِنَّهُ لَمْ يَمْنَعْنِي أَنْ أَرْجِعَ إِلَيْكَ شَيْئًا حِينَ عَرَضْتَهَا عَلَيَّ إِلَّا أَنِّي سَمِعْتُ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَذْكُرُهَا، وَلَمْ أَكُنْ لِأُفْشِيَ سِرَّ رَسُولِ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، وَلَوْ تَرَكَهَا نَكَحْتُهَا

 

إسناده صحيح على شرط الشيخين. سالم: هو ابن عبد الله بن عمر

وأخرجه الطبراني 23 / (302) عن عبد الله بن الإمام أحمد، عن أبيه، بهذا الإسناد

وأخرجه المروزي (5) ، والنسائي 6 / 77، وابن حبان (4039) من طرق عن عبد الرزاق، به

وأخرجه البخاري (5129) من طريق هشام الدستوائي، عن معمر، به

وأخرجه البخاري (4005) و (5122) و (5145) ، والمروزي (4) ، والنسائي 6 / 83، وأبو يعلى (6) و (7) و (20) ، والطبراني 23 / (302) من طرق عن الزهري، به

حدثنا عبد الرزاق، قال: أخبرنا معمر، عن الزهري، عن سالم، عن ابن عمر عن عمر، قال: تأيمت حفصة بنت عمر من خنيس بن حذافة أو حذيفة شك عبد الرزاق وكان من أصحاب النبي صلى الله عليه وسلم ممن شهد بدرا، فتوفي بالمدينة، قال: فلقيت عثمان بن عفان، فعرضت عليه حفصة، فقلت: إن شئت أنكحتك حفصة، قال: سأنظر في ذلك، فلبثت ليالي، فلقيني، فقال: ما أريد أن أتزوج يومي هذا، قال عمر: فلقيت أبا بكر، فقلت: إن شئت أنكحتك حفصة ابنة عمر، فلم يرجع إلي شيئا، فكنت أوجد عليه مني على عثمان، فلبثت ليالي، فخطبها إلي رسول الله صلى الله عليه وسلم، فأنكحتها إياه، فلقيني أبو بكر فقال: لعلك وجدت علي حين عرضت علي حفصة فلم أرجع إليك شيئا؟ قال: قلت: نعم، قال: فإنه لم يمنعني أن أرجع إليك شيئا حين عرضتها علي إلا أني سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يذكرها، ولم أكن لأفشي سر رسول الله صلى الله عليه وسلم، ولو تركها نكحتها إسناده صحيح على شرط الشيخين. سالم: هو ابن عبد الله بن عمر وأخرجه الطبراني 23 / (302) عن عبد الله بن الإمام أحمد، عن أبيه، بهذا الإسناد وأخرجه المروزي (5) ، والنسائي 6 / 77، وابن حبان (4039) من طرق عن عبد الرزاق، به وأخرجه البخاري (5129) من طريق هشام الدستوائي، عن معمر، به وأخرجه البخاري (4005) و (5122) و (5145) ، والمروزي (4) ، والنسائي 6 / 83، وأبو يعلى (6) و (7) و (20) ، والطبراني 23 / (302) من طرق عن الزهري، به

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   মুসনাদে আহমাদ  মুসনাদে আবু বকর সিদ্দিক (রাঃ) [আবু বকরের বর্ণিত হাদীস] (مسند أبي بكر)

 ৭৫

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ

৭৫। আবু বাকর আস সিদ্দিক (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ দুর্ব্যবহারকারী জান্নাতে যাবে না। এক ব্যক্তি বললেনঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ, আপনি কি আমাদেরকে বলেননি যে, এই উম্মাতে দাসদাসী ও ইয়াতীমের সংখ্যা অন্যান্য উম্মাতের চেয়ে বেশি হবে? রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ হ্যাঁ, সুতরাং তোমরা তাদেরকে তোমাদের সন্তানদের মত সম্মান দাও এবং তোমরা যা খাও, তা তাদেরকে খাওয়াও। লোকেরা বললোঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ, দুনিয়ার জীবনে কী কী জিনিস আমাদের উপকার সাধন করে? তিনি বললেন, উত্তম একটি ঘোড়া, যাকে তুমি বেঁধে রাখবে এবং তার ওপর আরোহণ করে আল্লাহর পথে লড়াই করবে এবং একজন দাস বা চাকর, যে তোমার যাবতীয় প্রয়োজন পূরণ ও তোমার রক্ষণাবেক্ষণ করবে। এই দাস বা চাকর নামায পড়লে তোমার ভাই, নামায পড়লে তোমার ভাই।[১]

[১]. ইবনু মাজাহ

حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ سُلَيْمَانَ، قَالَ: سَمِعْتُ الْمُغِيرَةَ بْنَ مُسْلِمٍ أَبَا سَلَمَةَ، عَنْ فَرْقَدٍ السَّبَخِيِّ، عَنْ مُرَّةَ الطَّيِّبِ عَنْ أَبِي بَكْرٍ الصِّدِّيقِ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: ” لَا يَدْخُلُ الْجَنَّةَ سَيِّئُ الْمَلَكَةِ ” فَقَالَ رَجُلٌ: يَا رَسُولَ اللهِ، أَلَيْسَ أَخْبَرْتَنَا أَنَّ هَذِهِ الْأُمَّةَ أَكْثَرُ الْأُمَمِ مَمْلُوكِينَ وَأَيْتَامًا؟ قَالَ: ” بَلَى، فَأَكْرِمُوهُمْ كَرَامَةَ أَوْلادِكُمْ، وَأَطْعِمُوهُمْ مِمَّا تَأْكُلُونَ ” قَالُوا: فَمَا يَنْفَعُنَا فِي الدُّنْيَا يَا رَسُولَ اللهِ؟ قَالَ: ” فَرَسٌ صَالِحٌ تَرْتَبِطُهُ تُقَاتِلُ عَلَيْهِ فِي سَبِيلِ اللهِ، وَمَمْلُوكُك يَكْفِيكَ، فَإِذَا صَلَّى فَهُوَ أَخُوكَ، فَإِذَا صَلَّى فَهُوَ أَخُوكَ

 

إسناده ضعيف لضعف فرقد السبخي، وقد تقدم الكلامُ عليه عند الحديث رقم (13)

وأخرجه ابن ماجه (3691) ، والمروزي (97) ، وأبو يعلى (94) من طرق عن إسحاق بن سليمان، بهذا الإسناد

حدثنا إسحاق بن سليمان، قال: سمعت المغيرة بن مسلم أبا سلمة، عن فرقد السبخي، عن مرة الطيب عن أبي بكر الصديق، قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: ” لا يدخل الجنة سيئ الملكة ” فقال رجل: يا رسول الله، أليس أخبرتنا أن هذه الأمة أكثر الأمم مملوكين وأيتاما؟ قال: ” بلى، فأكرموهم كرامة أولادكم، وأطعموهم مما تأكلون ” قالوا: فما ينفعنا في الدنيا يا رسول الله؟ قال: ” فرس صالح ترتبطه تقاتل عليه في سبيل الله، ومملوكك يكفيك، فإذا صلى فهو أخوك، فإذا صلى فهو أخوك إسناده ضعيف لضعف فرقد السبخي، وقد تقدم الكلام عليه عند الحديث رقم (13) وأخرجه ابن ماجه (3691) ، والمروزي (97) ، وأبو يعلى (94) من طرق عن إسحاق بن سليمان، بهذا الإسناد

 হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai’f)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   মুসনাদে আহমাদ  মুসনাদে আবু বকর সিদ্দিক (রাঃ) [আবু বকরের বর্ণিত হাদীস] (مسند أبي بكر)

 ৭৬

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ

৭৬। যায়িদ বিন ছাবিত জানিয়েছেন যে, আবু বাকর (রাঃ) ইয়ামামার শহীদদের নিহত হওয়ার স্থানে তার নিকট দূত পাঠালেন। এর অব্যবহিত পর তাঁর নিকট উমার এলেন। তারপর আবু বাকর বললেন, আমার নিকট উমার এসেছিলেন। তিনি বলেছেন, ইয়ামামাবাসীর লোমহর্ষক হত্যাকাণ্ড মুসলিমদের মধ্য থেকে কুরআন পাঠকদেরকে (হাফিযদেরকে) নিপাত করেছে। আমার আশঙ্কা হয় যে, আরো বহু জায়গায় অনুরূপভাবে কুরআন পাঠকদেরকে হত্যা করা হবে। এতে করে বহু কুরআন চলে যাবে। ফলে আল কুরআন সংরক্ষিত হবে না। আমি মনে করি, আপনার আল কুরআন সংকলনের আদেশ দেয়া উচিত। আমি (আবু বাকর) উমারকে বললামঃ এমন কাজ আমি কিভাবে করবো, যা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম করেননি? উমার বললেনঃ আল্লাহর কসম! এটি একটি মহৎ কাজ। এরপর উমার ক্রমাগত আমার কাছে এসে এ ব্যাপারে তাকিদ দিতে লাগলেন। অবশেষে আল্লাহ এ বিষয়ে আমার বুককে উম্মুক্ত করে দিলেন (কুরআন সংকলনের যৌক্তিকতা উপলব্ধি করালেন) এবং উমার যা সমীচীন মনে করেছেন, আমিও তা সমীচীন বলে উপলব্ধি করলাম।

যায়িদ (রাঃ) বলেনঃ এ সময় উমার (রাঃ) তার কাছে নীরবে বসেছিলেন। আবু বাকর আমাকে বললেনঃ তুমি একজন বুদ্ধিমান যুবক। তোমার মধ্যে আমরা আপত্তিকর কিছু পাইনি। তুমি তো রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের জন্য ওহী লিপিবদ্ধ করতে। অতএব তুমিই ওহী সংকলন কর। যায়িদ বলেনঃ আল্লাহর কসম! লোকেরা যদি আমাকে একটা পাহাড় স্থানান্তর করার দায়িত্ব অৰ্পণ করতো, তবে তাও আমার নিকট এই কাজের চেয়ে বেশি ভারী মনে হতো না, যার আদেশ তিনি আমাকে দিলেন। অর্থাৎ আল কুরআন সংকলনের। আমি শুধু বললামঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যা করেননি, তা আপনারা কিভাবে করছেন?* (হাদীস নং ৫৭ দ্রষ্টব্য)

*দ্রষ্টব্যঃ যায়িদ এই কথাটা সম্ভবত মনে মনে বলেছিলেন। কেননা প্রকাশ্যে বললে আনুগত্যের পরিপন্থী ও গুনাহর কাজ হতো, যা একজন সাহাবীর দ্বারা সংঘটিত হওয়ার কথা নয়। এ হাদীস থেকে জানা গেল যে, সাহাবীদের বা মুসলিমদের সর্বসম্মত মত (ইজমা) দ্বারা এমন কাজ করা যায় যা ভালো কাজ বলে বিবেচিত হয়। যদিও রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তা করেননি বা করার আদেশ দেননি।

حَدَّثَنَا عُثْمَانُ بْنُ عُمَرَ، قَالَ: أَخْبَرَنَا يُونُسُ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، قَالَ: أَخْبَرَنِي ابْنُ السَّبَّاقِ، قَالَ: أَخْبَرَنِي زَيْدُ بْنُ ثَابِتٍ: أَنَّ أَبَا بَكْرٍ أَرْسَلَ إِلَيْهِ مَقْتَلَ أَهْلِ الْيَمَامَةِ، فَإِذَا عُمَرُ عِنْدَهُ، فَقَالَ أَبُو بَكْرٍ: إِنَّ عُمَرَ أَتَانِي، فَقَالَ: إِنَّ الْقَتْلَ قَدِ اسْتَحَرَّ بِأَهْلِ الْيَمَامَةِ مِنْ قُرَّاءِ الْقُرْآنِ مِنَ الْمُسْلِمِينَ، وَأَنَا أَخْشَى أَنْ يَسْتَحِرَّ الْقَتْلُ بِالْقُرَّاءِ فِي الْمَوَاطِنِ فَيَذْهَبَ قُرْآنٌ كَثِيرٌ لَا يُوعَى، وَإِنِّي أَرَى أَنْ تَأْمُرَ بِجَمْعِ الْقُرْآنِ، فَقُلْتُ لِعُمَرَ: وَكَيْفَ أَفْعَلُ شَيْئًا لَمْ يَفْعَلْهُ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ؟ فَقَالَ: هُوَ وَاللهِ خَيْرٌ، فَلَمْ يَزَلْ يُرَاجِعُنِي فِي ذَلِكَ حَتَّى شَرَحَ اللهُ بِذَلِكَ صَدْرِي، وَرَأَيْتُ فِيهِ الَّذِي رَأَى عُمَرُ، قَالَ زَيْدٌ: وَعُمَرُ عِنْدَهُ جَالِسٌ لَا يَتَكَلَّمُ. فَقَالَ أَبُو بَكْرٍ: إِنَّكَ شَابٌّ عَاقِلٌ لَا نَتَّهِمُكَ، وَقَدْ كُنْتَ تَكْتُبُ (1) الْوَحْيَ لِرَسُولِ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فَاجْمَعْهُ. قَالَ زَيْدٌ: فَوَاللهِ لَوْ كَلَّفُونِي نَقْلَ جَبَلٍ مِنَ الْجِبَالِ مَا كَانَ بِأَثْقَلَ عَلَيَّ مِمَّا أَمَرَنِي بِهِ مِنْ جَمْعِ الْقُرْآنِ، فَقُلْتُ: كَيْفَ تَفْعَلُونَ شَيْئًا لَمْ يَفْعَلْهُ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ؟

 

إسناده صحيح على شرط الشيخين. عثمان بن عمر: هو ابن فارس العبدي، ويونس: هو ابن يزيد الأيلي، وابن السبَّاق: هو عبيد. وقد تقدم الحديث برقم (57)

حدثنا عثمان بن عمر، قال: أخبرنا يونس، عن الزهري، قال: أخبرني ابن السباق، قال: أخبرني زيد بن ثابت: أن أبا بكر أرسل إليه مقتل أهل اليمامة، فإذا عمر عنده، فقال أبو بكر: إن عمر أتاني، فقال: إن القتل قد استحر بأهل اليمامة من قراء القرآن من المسلمين، وأنا أخشى أن يستحر القتل بالقراء في المواطن فيذهب قرآن كثير لا يوعى، وإني أرى أن تأمر بجمع القرآن، فقلت لعمر: وكيف أفعل شيئا لم يفعله رسول الله صلى الله عليه وسلم؟ فقال: هو والله خير، فلم يزل يراجعني في ذلك حتى شرح الله بذلك صدري، ورأيت فيه الذي رأى عمر، قال زيد: وعمر عنده جالس لا يتكلم. فقال أبو بكر: إنك شاب عاقل لا نتهمك، وقد كنت تكتب (1) الوحي لرسول الله صلى الله عليه وسلم، فاجمعه. قال زيد: فوالله لو كلفوني نقل جبل من الجبال ما كان بأثقل علي مما أمرني به من جمع القرآن، فقلت: كيف تفعلون شيئا لم يفعله رسول الله صلى الله عليه وسلم؟ إسناده صحيح على شرط الشيخين. عثمان بن عمر: هو ابن فارس العبدي، ويونس: هو ابن يزيد الأيلي، وابن السباق: هو عبيد. وقد تقدم الحديث برقم (57)

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   মুসনাদে আহমাদ  মুসনাদে আবু বকর সিদ্দিক (রাঃ) [আবু বকরের বর্ণিত হাদীস] (مسند أبي بكر)

 ৭৭

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ

৭৭। ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন ইন্তিকাল করলেন এবং আবু বাকর (রাঃ) খালীফা হলেন, তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের রেখে যাওয়া কিছু জিনিসের ব্যাপারে আব্বাস (রাঃ) আলীর মুকাবিলায় দাবী তুললেন। (এই দাবী আবু বাকরের নিকট পেশ করা হলে) আবু বাকর (রাঃ) বললেনঃ যে জিনিস রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রেখে গেছেন এবং হস্তান্তর করেন নি, আমিও তা হস্তান্তর করবো না। এরপর যখন উমার (রাঃ) খালীফা হলেন, তখন তারা উভয়ে উমারের নিকট পুনরায় একে অপরের মুকাবিলায় দাবী পেশ করলেন।

উমার (রাঃ) বললেন, যে জিনিস আবু বাকর (রাঃ) হস্তান্তর করেননি, তা আমি হস্তান্তর করবো না। এরপর যখন উসমান (রাঃ) খালীফা হলেন, তখন তাঁরা উভয়ে তাঁর কাছে পরস্পরের বিরুদ্ধে দাবী পেশ করলেন। উসমান (রাঃ) নিরুত্তর হয়ে গেলেন এবং মাথা নিচু করলেন। ইবনু আব্বাস বলেনঃ আমি শঙ্কিত হলাম যে, আব্বাসই হয়তো জিনিসটি নিয়ে নেবেন। আমি তৎক্ষণাত আব্বাসের ঘাড়ে হাত রাখলাম এবং বললাম, আব্বা, আমি আপনাকে আল্লাহর দোহাই দিচ্ছি, জিনিসটি আলীর নিকট সোপর্দ করুন। তখন তিনি তা আলীর হাতে সোপর্দ করলেন।

حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ حَمَّادٍ، حَدَّثَنَا أَبُو عَوَانَةَ، عَنِ الْأَعْمَشِ، عَنْ إِسْمَاعِيلَ بْنِ رَجَاءٍ، عَنْ عُمَيْرٍ مَوْلَى الْعَبَّاسِ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ: لَمَّا قُبِضَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، وَاسْتُخْلِفَ أَبُو بَكْرٍ، خَاصَمَ الْعَبَّاسُ عَلِيًّا فِي أَشْيَاءَ تَرَكَهَا رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فَقَالَ أَبُو بَكْرٍ: شَيْءٌ تَرَكَهُ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فَلَمْ يُحَرِّكْهُ فَلا أُحَرِّكُهُ. فَلَمَّا اسْتُخْلِفَ عُمَرُ اخْتَصَمَا إِلَيْهِ، فَقَالَ: شَيْءٌ لَمْ يُحَرِّكْهُ أَبُو بَكْرٍ فَلَسْتُ أُحَرِّكُهُ، قَالَ: فَلَمَّا اسْتُخْلِفَ عُثْمَانُ اخْتَصَمَا إِلَيْهِ، قَالَ: فَأَسْكَتَ عُثْمَانُ وَنَكَّسَ رَأْسَهُ، قَالَ ابْنُ عَبَّاسٍ: فَخَشِيتُ أَنْ يَأْخُذَهُ، فَضَرَبْتُ بِيَدِي بَيْنَ كَتِفَيِ الْعَبَّاسِ، فَقُلْتُ: يَا أَبَتِ، أَقْسَمْتُ عَلَيْكَ إِلَّا سَلَّمْتَهُ لِعَلِيٍّ، قَالَ: فَسَلَّمَهُ لَهُ

 

إسناده صحيح على شرط مسلم، رجاله ثقات رجال الشيخين غير إسماعيل بن رجاء، فمن رجال مسلم. أبو عوانة: هو الوضاح بن عبد الله اليشكري، وعُمير مولى العباس: هو عُمير بن عبد الله الهلالي

وأخرجه المروزي (29) ، وأبو يعلى (26) عن أبي خيثمة، والبزار (14) عن محمد بن المثنى، كلاهما عن يحيى بن حماد، بهذا الإسناد

 

وأخرجه عمر بن شبة في ” تاريخ المدينة ” 1 / 199، والمروزي (28) ، والطبراني (44) من طريق عبد الرحمن بن حميد الرؤاسي، عن الأعمش، به

أَسكت: أي أطرق مفكراً فلم يتكلّم

حدثنا يحيى بن حماد، حدثنا أبو عوانة، عن الأعمش، عن إسماعيل بن رجاء، عن عمير مولى العباس عن ابن عباس، قال: لما قبض رسول الله صلى الله عليه وسلم، واستخلف أبو بكر، خاصم العباس عليا في أشياء تركها رسول الله صلى الله عليه وسلم، فقال أبو بكر: شيء تركه رسول الله صلى الله عليه وسلم، فلم يحركه فلا أحركه. فلما استخلف عمر اختصما إليه، فقال: شيء لم يحركه أبو بكر فلست أحركه، قال: فلما استخلف عثمان اختصما إليه، قال: فأسكت عثمان ونكس رأسه، قال ابن عباس: فخشيت أن يأخذه، فضربت بيدي بين كتفي العباس، فقلت: يا أبت، أقسمت عليك إلا سلمته لعلي، قال: فسلمه له إسناده صحيح على شرط مسلم، رجاله ثقات رجال الشيخين غير إسماعيل بن رجاء، فمن رجال مسلم. أبو عوانة: هو الوضاح بن عبد الله اليشكري، وعمير مولى العباس: هو عمير بن عبد الله الهلالي وأخرجه المروزي (29) ، وأبو يعلى (26) عن أبي خيثمة، والبزار (14) عن محمد بن المثنى، كلاهما عن يحيى بن حماد، بهذا الإسناد وأخرجه عمر بن شبة في ” تاريخ المدينة ” 1 / 199، والمروزي (28) ، والطبراني (44) من طريق عبد الرحمن بن حميد الرؤاسي، عن الأعمش، به أسكت: أي أطرق مفكرا فلم يتكلم

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   মুসনাদে আহমাদ  মুসনাদে আবু বকর সিদ্দিক (রাঃ) [আবু বকরের বর্ণিত হাদীস] (مسند أبي بكر)

 ৭৮

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ

৭৮। আবদুল্লাহ ইবনে যুবাইরসহ কুরাইশের ছয় থেকে সাতজন বৰ্ণনা করেন, আমরা উমারের নিকট বসে ছিলাম। সহসা আলী ও আব্বাস উচ্চস্বরে কথা বলতে বলতে ঢুকলেন। উমার (রাঃ) বললেনঃ আব্বাস, চুপ করুন। আমি জানি, আপনি কী বলতে চান। আপনি বলতে চান, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার ভাইয়ের ছেলে এবং অর্ধেক সম্পত্তি প্ৰাপ্য। আর হে আলী, আপনি কী বলতে চান তাও আমি জানি। আপনি বলতে চান যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের মেয়ে আমার স্ত্রী এবং অর্ধেক সম্পত্তি তার প্রাপ্য। অথচ এই সম্পত্তি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সামনে ছিল। তিনি এর ব্যাপারে কী নীতি অবলম্বন করেছেন তা আমরা দেখেছি। তার পরে আবু বাকর তার তত্ত্বাবধায়ক হয়েছেন এবং তিনিও রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের অনুসৃত নীতি অবলম্বন করেছেন। আবু বাকরের পরে আমি এর তত্ত্বাবধায়ক হয়েছি। আমি আল্লাহর কসম খেয়ে বলছি, আমি এ সবের ব্যাপারে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও আবু বাকরের অনুসৃত নীতিই অবলম্বন করবো।

তারপর বললেন, আবু বাকর আমাকে জানিয়েছেন এবং হলফ করে বলেছেন যে, তিনি সত্য জানিয়েছেন। তিনি জানিয়েছেন যে, তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছেনঃ নবীর পরিত্যক্ত সম্পত্তির উত্তরাধিকারী কেউ হয় না। তাঁর সম্পত্তির উত্তরাধিকারী হয় শুধু দরিদ্র ও সহায়সম্বলহীন মুসলিমরা। আবু বাকর আমাকে আরো জানিয়েছেন এবং আল্লাহর নামে হলফ করে বলেছেন যে, তিনি সত্য জানিয়েছেন যে, কোন নবী ততক্ষণ পর্যন্ত মৃত্যুবরণ করেন না, যতক্ষণ তার উম্মাতের কোন ব্যক্তি তার ইমামতি না করেন। আর এই সম্পত্তি এভাবেই রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে ছিল। এতে তিনি কী নীতি অবলম্বন করেছেন তা আমরা দেখেছি। তোমরা উভয়ে চাইলে এগুলো তোমাদেরকে দিতে পারি যাতে তোমরা রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও আবু বাকরের নীতি অনুসারে তা ব্যবহার কর যতক্ষণ তা তোমাদের কাছে রাখি। ইবনে যুবাইর বলেনঃ এরপর তারা দু’জনেই চলে গেলেন। তারপর পুনরায় এলেন। অতঃপর আব্বাস বললেন, এগুলি আলীর নিকট সমর্পণ করুন। আমি সানন্দে তাকে দেয়ার অনুমতি দিচ্ছি।

حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ حَمَّادٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو عَوَانَةَ، عَنْ عَاصِمِ بْنِ كُلَيْبٍ، قَالَ: حَدَّثَنِي شَيْخٌ مِنْ قُرَيْشٍ مِنْ بَنِي تَيْمٍ، قَالَ: حَدَّثَنِي فُلانٌ، وَفُلانٌ، فَعَدَّ سِتَّةً أَوْ سَبْعَةً كُلُّهُمْ مِنْ قُرَيْشٍ، فِيهِمْ عَبْدُ اللهِ بْنُ الزُّبَيْرِ، قَالَ: بَيْنَا نَحْنُ جُلُوسٌ عِنْدَ عُمَرَ إِذْ دَخَلَ عَلِيٌّ وَالْعَبَّاسُ، قَدِ ارْتَفَعَتْ أَصْوَاتُهُمَا، فَقَالَ عُمَرُ: مَهْ يَا عَبَّاسُ، قَدْ عَلِمْتُ مَا تَقُولُ، تَقُولُ: ابْنُ أَخِي، وَلِي شَطْرُ الْمَالِ، وَقَدْ عَلِمْتُ مَا تَقُولُ يَا عَلِيُّ، تَقُولُ: ابْنَتُهُ تَحْتِي، وَلَهَا شَطْرُ الْمَالِ، وَهَذَا مَا كَانَ فِي يَدَيْ رَسُولِ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فَقَدْ رَأَيْنَا كَيْفَ كَانَ يَصْنَعُ فِيهِ، فَوَلِيَهُ أَبُو بَكْرٍ مِنْ بَعْدِهِ، فَعَمِلَ فِيهِ بِعَمَلِ رَسُولِ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، ثُمَّ وَلِيتُهُ مِنْ بَعْدِ أَبِي بَكْرٍ فَأَحْلِفُ بِاللهِ لَأَجْهَدَنَّ أَنْ أَعْمَلَ فِيهِ بِعَمَلِ رَسُولِ اللهِ وَعَمَلِ أَبِي بَكْر

ثُمَّ قَالَ: حَدَّثَنِي أَبُو بَكْرٍ – وَحَلَفَ بِاللهِ أَنَّهُ لَصَادِقٌ – أَنَّهُ سَمِعَ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، يَقُولُ: ” إِنَّ النَّبِيَّ لَا يُورَثُ، وَإِنَّمَا مِيرَاثُهُ فِي فُقَرَاءِ الْمُسْلِمِينَ وَالْمَسَاكِينِ “، وحَدَّثَنِي أَبُو بَكْرٍ – وَحَلَفَ بِاللهِ إِنَّهُ صَادِقٌ -: أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: ” إِنَّ النَّبِيَّ لَا يَمُوتُ حَتَّى يَؤُمَّهُ بَعْضُ أُمَّتِهِ “. وَهَذَا مَا كَانَ فِي يَدَيْ رَسُولِ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فَقَدْ رَأَيْنَا كَيْفَ كَانَ يَصْنَعُ فِيهِ، فَإِنْ شِئْتُمَا أَعْطَيْتُكُمَا لِتَعْمَلا فِيهِ بِعَمَلِ رَسُولِ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، وَعَمَلِ أَبِي بَكْرٍ حَتَّى أَدْفَعَهُ إِلَيْكُمَا، قَالَ: فَخَلَوَا ثُمَّ جَاءَا، فَقَالَ الْعَبَّاسُ: ادْفَعْهُ إِلَى عَلِيٍّ، فَإِنِّي قَدْ طِبْتُ نَفْسًا بِهِ لَهُ

 

صحيح لغيره دون قوله: ” إن النبي لا يموت حتى يؤمه بعض أمته ” وهذا إسناد ضعيف لجهالة الشيخ من قريش

 

وأخرجه المروزي (3) عن محمد بن معمر، عن يحيى بن حماد، بهذا الإسناد. وهو عنده مختصر بلفظ: ” ما قُبض نبي قط حتى يؤمَّه رجل من أمته

وانظر ما قبله، وصحيح البخاري (3094) ومسند أبي بكر للمروزي (2)

حدثنا يحيى بن حماد، قال: حدثنا أبو عوانة، عن عاصم بن كليب، قال: حدثني شيخ من قريش من بني تيم، قال: حدثني فلان، وفلان، فعد ستة أو سبعة كلهم من قريش، فيهم عبد الله بن الزبير، قال: بينا نحن جلوس عند عمر إذ دخل علي والعباس، قد ارتفعت أصواتهما، فقال عمر: مه يا عباس، قد علمت ما تقول، تقول: ابن أخي، ولي شطر المال، وقد علمت ما تقول يا علي، تقول: ابنته تحتي، ولها شطر المال، وهذا ما كان في يدي رسول الله صلى الله عليه وسلم، فقد رأينا كيف كان يصنع فيه، فوليه أبو بكر من بعده، فعمل فيه بعمل رسول الله صلى الله عليه وسلم، ثم وليته من بعد أبي بكر فأحلف بالله لأجهدن أن أعمل فيه بعمل رسول الله وعمل أبي بكر ثم قال: حدثني أبو بكر – وحلف بالله أنه لصادق – أنه سمع النبي صلى الله عليه وسلم، يقول: ” إن النبي لا يورث، وإنما ميراثه في فقراء المسلمين والمساكين “، وحدثني أبو بكر – وحلف بالله إنه صادق -: أن النبي صلى الله عليه وسلم قال: ” إن النبي لا يموت حتى يؤمه بعض أمته “. وهذا ما كان في يدي رسول الله صلى الله عليه وسلم، فقد رأينا كيف كان يصنع فيه، فإن شئتما أعطيتكما لتعملا فيه بعمل رسول الله صلى الله عليه وسلم، وعمل أبي بكر حتى أدفعه إليكما، قال: فخلوا ثم جاءا، فقال العباس: ادفعه إلى علي، فإني قد طبت نفسا به له صحيح لغيره دون قوله: ” إن النبي لا يموت حتى يؤمه بعض أمته ” وهذا إسناد ضعيف لجهالة الشيخ من قريش وأخرجه المروزي (3) عن محمد بن معمر، عن يحيى بن حماد، بهذا الإسناد. وهو عنده مختصر بلفظ: ” ما قبض نبي قط حتى يؤمه رجل من أمته وانظر ما قبله، وصحيح البخاري (3094) ومسند أبي بكر للمروزي (2)

 হাদিসের মানঃ সহিহ/যঈফ [মিশ্রিত]  পুনঃনিরীক্ষণঃ   মুসনাদে আহমাদ  মুসনাদে আবু বকর সিদ্দিক (রাঃ) [আবু বকরের বর্ণিত হাদীস] (مسند أبي بكر)

 ৭৯

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ

৭৯। আবু হুরাইরা (রাঃ) বর্ণনা করেন যে, ফাতিমা (রাঃ) আবু বাকর ও উমারের নিকট এসে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের পরিত্যক্ত সম্পত্তিতে তাঁর উত্তরাধিকার দাবী করেছেন। তাঁরা দু’জনেই জবাব দিয়েছিলেনঃ আমরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি যে, আমাদের (নবীদের) উত্তরাধিকারী কেউ হয় না।[১]

[১]. তিরমিযী, হাদীস নং ৬০ দ্রষ্টব্য

حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَهَّابِ بْنُ عَطَاءٍ، قَالَ: أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَمْرٍو، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ: أَنَّ فَاطِمَةَ رَضِيَ اللهُ عَنْهَا جَاءَتْ أَبَا بَكْرٍ، وَعُمَرَ رَضِيَ اللهُ عَنْهُمَا، تَطْلُبُ مِيرَاثَهَا مِنْ رَسُولِ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فَقَالا: إِنَّا سَمِعْنَا رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ: ” إِنِّي لَا أُورَثُ

 

إسناده حسن. محمد بن عمرو: هو ابن علقمة بن وقاص حديثه ينحط عن رتبة الصحيح، وأبو سلمة: هو ابن عبد الرحمن بن عوف

 

وأخرجه الترمذي (1609) ، والبزار (26) ، والمروزي (54) من طرق عن عبد الوهَّاب بن عطاء، بهذا الإسناد

وأخرجه الترمذي (1608) ، وفي ” الشمائل ” (400) ، والبزار (25) من طريق حماد بن سلمة، عن محمد بن عمرو، به. لم يذكر فيه عمر بن الخطاب. قال الترمذي: حديث حسن غريب من هذا الوجه. وسيأتي الحديث برقم (8625) ، وانظر ما تقدم برقم (60)

حدثنا عبد الوهاب بن عطاء، قال: أخبرنا محمد بن عمرو، عن أبي سلمة، عن أبي هريرة: أن فاطمة رضي الله عنها جاءت أبا بكر، وعمر رضي الله عنهما، تطلب ميراثها من رسول الله صلى الله عليه وسلم، فقالا: إنا سمعنا رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول: ” إني لا أورث إسناده حسن. محمد بن عمرو: هو ابن علقمة بن وقاص حديثه ينحط عن رتبة الصحيح، وأبو سلمة: هو ابن عبد الرحمن بن عوف وأخرجه الترمذي (1609) ، والبزار (26) ، والمروزي (54) من طرق عن عبد الوهاب بن عطاء، بهذا الإسناد وأخرجه الترمذي (1608) ، وفي ” الشمائل ” (400) ، والبزار (25) من طريق حماد بن سلمة، عن محمد بن عمرو، به. لم يذكر فيه عمر بن الخطاب. قال الترمذي: حديث حسن غريب من هذا الوجه. وسيأتي الحديث برقم (8625) ، وانظر ما تقدم برقم (60)

 হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   মুসনাদে আহমাদ  মুসনাদে আবু বকর সিদ্দিক (রাঃ) [আবু বকরের বর্ণিত হাদীস] (مسند أبي بكر)

 ৮০

 শেয়ার ও অন্যান্য 

  • বাংলা/ العربية

পরিচ্ছেদঃ

৮০। কায়েস বিন হাযেম বৰ্ণনা করেন যে, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ওফাতের এক মাস পর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের খালীফা আবু বাকর আস সিদ্দিক (রাঃ) এর নিকট বসা ছিলাম। এরপর তিনি একটি ঘটনা বর্ণনা করেন। এই সময় ঘোষণা করা হলোঃ “এক্ষুণি নামাযের জামায়াত অনুষ্ঠিত হবে।” ওটাই ছিল প্রথম নামায, যা “এক্ষুণি নামাযের জামায়াত অনুষ্ঠিত হবে” এই ঘোষণার মাধ্যমে শুরু হচ্ছিল। লোকেরা সমবেত হলো। আবু বাকর মিম্বরে আরোহণ করলেন- যা তার খুতবা দেয়ার জন্য তৈরি করা হয়েছিল। এটাই ছিল, ইসলাম আগমনের পর তাঁর দেয়া প্রথম খুতবা। তিনি আল্লাহর প্রশংসা ও গুণগান করলেন। তারপর বললেনঃ হে জনতা, আমি অবশ্যই চেয়েছিলাম যে, আমি ছাড়া অন্য কেউ এ দায়িত্ব গ্রহণ করুক। তোমরা যদি তোমাদের নবীর সুন্নাতের নিরিখে আমাকে পাকড়াও কর, তবে আমি এ দায়িত্ব পালনে সক্ষম হব না। তিনি তো শয়তান থেকে সুরক্ষিত ছিলেন। তাঁর নিকট আসমান থেকে ওহী নাযিল হতো।

حَدَّثَنَا هَاشِمُ بْنُ الْقَاسِمِ، قَالَ: حَدَّثَنَا عِيسَى – يَعْنِي ابْنَ الْمُسَيَّبِ – عَنْ قَيْسِ بْنِ أَبِي حَازِمٍ، قَالَ: إِنِّي لَجَالِسٌ عِنْدَ أَبِي بَكْرٍ الصِّدِّيقِ خَلِيفَةِ رَسُولِ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، بَعْدَ وَفَاةِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِشَهْرٍ، فَذَكَرَ قِصَّةً، فَنُودِيَ فِي النَّاسِ: أَنَّ الصَّلاةَ جَامِعَةٌ، وَهِيَ أَوَّلُ صَلاةٍ فِي الْمُسْلِمِينَ نُودِيَ بِهَا: أنَّ الصَّلاةَ جَامِعَةٌ، فَاجْتَمَعَ النَّاسُ، فَصَعِدَ الْمِنْبَرَ، شَيْئًا صُنِعَ لَهُ كَانَ يَخْطُبُ عَلَيْهِ، وَهِيَ أَوَّلُ خُطْبَةٍ خَطَبَهَا فِي الْإِسْلامِ، قَالَ: فَحَمِدَ اللهَ وَأَثْنَى عَلَيْهِ، ثُمَّ قَالَ: يَا أَيُّهَا النَّاسُ، وَلَوَدِدْتُ أَنَّ هَذَا كَفَانِيهِ غَيْرِي، وَلَئِنْ أَخَذْتُمُونِي بِسُنَّةِ نَبِيِّكُمْ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَا أُطِيقُهَا، إِنْ كَانَ لَمَعْصُومًا مِنَ الشَّيْطَانِ، وَإِنْ كَانَ لَيَنْزِلُ عَلَيْهِ الْوَحْيُ مِنَ السَّمَاءِ

 

إسناده ضعيف، عيسى بن المسيَّب البجلي قاضي الكوفة مختلف فيه، فقد ضعفه ابن معين وأبو داود والنسائي وأبو زرعة وابن حبان والدارقطني، وقال الدارقطني مرة: صالح الحديث، وكذا قال ابن عدي، وقال أبو حاتم: محله الصدق ليس بالقوي، وصحح الحاكم في ” المستدرك ” حديثه وقال: لم يُجرح قط! وانظر ترجمته في ” تعجيل المنفعة ” رقم (840) ، وباقي رجاله ثقات رجال الشيخين. هاشم بن القاسم: هو ابن مسلم البغدادي أبو النضر

 

وأخرجه مطولاً المروزي (91) عن أبي بكر بن أبي النضر، عن أبي النضر هاشم بن القاسم، بهذا الإسناد

وأورده الهيثمي في ” المجمع ” 5 / 184 وقال: رواه أحمد وفيه عيسى بن المسيب البجلي وهو ضعيف

حدثنا هاشم بن القاسم، قال: حدثنا عيسى – يعني ابن المسيب – عن قيس بن أبي حازم، قال: إني لجالس عند أبي بكر الصديق خليفة رسول الله صلى الله عليه وسلم، بعد وفاة النبي صلى الله عليه وسلم بشهر، فذكر قصة، فنودي في الناس: أن الصلاة جامعة، وهي أول صلاة في المسلمين نودي بها: أن الصلاة جامعة، فاجتمع الناس، فصعد المنبر، شيئا صنع له كان يخطب عليه، وهي أول خطبة خطبها في الإسلام، قال: فحمد الله وأثنى عليه، ثم قال: يا أيها الناس، ولوددت أن هذا كفانيه غيري، ولئن أخذتموني بسنة نبيكم صلى الله عليه وسلم ما أطيقها، إن كان لمعصوما من الشيطان، وإن كان لينزل عليه الوحي من السماء إسناده ضعيف، عيسى بن المسيب البجلي قاضي الكوفة مختلف فيه، فقد ضعفه ابن معين وأبو داود والنسائي وأبو زرعة وابن حبان والدارقطني، وقال الدارقطني مرة: صالح الحديث، وكذا قال ابن عدي، وقال أبو حاتم: محله الصدق ليس بالقوي، وصحح الحاكم في ” المستدرك ” حديثه وقال: لم يجرح قط! وانظر ترجمته في ” تعجيل المنفعة ” رقم (840) ، وباقي رجاله ثقات رجال الشيخين. هاشم بن القاسم: هو ابن مسلم البغدادي أبو النضر وأخرجه مطولا المروزي (91) عن أبي بكر بن أبي النضر، عن أبي النضر هاشم بن القاسم، بهذا الإسناد وأورده الهيثمي في ” المجمع ” 5 / 184 وقال: رواه أحمد وفيه عيسى بن المسيب البجلي وهو ضعيف

 হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai’f)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   মুসনাদে আহমাদ  মুসনাদে আবু বকর সিদ্দিক (রাঃ) [আবু বকরের বর্ণিত হাদীস] (مسند أبي بكر)

পরিচ্ছেদঃ

৮১। আবু বাকর আস সিদ্দিক (রাঃ) বলেছেনঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে সকালে, সন্ধ্যায় ও রাতে ঘুমানোর পূর্বে এই দু’আ পড়ার আদেশ দিয়েছেনঃ হে আল্লাহ, আকাশ ও পৃথিবীর স্রষ্টা, দৃশ্য ও অদৃশ্য জ্ঞানের অধিকারী, আপনি প্রতিটি জিনিসের অধিপতি ও সম্রাট, আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি, আপনি ছাড়া কোন ইলাহ নেই। আপনি এক ও অদ্বিতীয়, মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আপনার বান্দা ও রাসূল। আমি আপনার নিকট আমার নিজের অনিষ্ট থেকে এবং শয়তানের অনিষ্ট ও তার ফাঁদ থেকে পানাহ চাই, আমি পানাহ চাই যেন আমি নিজের কোন ক্ষতি সাধন না করি এবং অন্য কোন মুসলিমের ওপরও কোন ক্ষতি চাপিয়ে না দিই।

حَدَّثَنَا هَاشِمُ بْنُ الْقَاسِمِ، حَدَّثَنَا شَيْبَانُ، عَنْ لَيْثٍ، عَنْ مُجَاهِدٍ، قَالَ: قَالَ أَبُو بَكْرٍ الصِّدِّيقُ: أَمَرَنِي رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنْ أَقُولَ إِذَا أَصْبَحْتُ، وَإِذَا أَمْسَيْتُ، وَإِذَا أَخَذْتُ مَضْجَعِي مِنَ اللَّيْلِ: ” اللهُمَّ فَاطِرَ السَّمَاواتِ وَالْأَرْضِ، عَالِمَ الْغَيْبِ وَالشَّهَادَةِ، أَنْتَ رَبُّ كُلِّ شَيْءٍ وَمَلِيكُهُ، أَشْهَدُ أَنْ لَا إِلَهَ إِلَّا أَنْتَ وَحْدَكَ، لَا شَرِيكَ لَكَ، وَأَنَّ مُحَمَّدًا عَبْدُكَ وَرَسُولُكَ، أَعُوذُ بِكَ مِنْ شَرِّ نَفْسِي، وَشَرِّ الشَّيْطَانِ وَشِرْكِهِ، وَأَنْ أَقْتَرِفَ عَلَى نَفْسِي سُوءًا، أَوْ أَجُرَّهُ إِلَى مُسْلِمٍ

 

حسن لغيره، وهذا إسناد ضعيف، ليث – هو ابن أبي سُليم – ضعيف، ومجاهد – وهو ابن جَبْر – لم يُدرك أبا بكر. شيبان: هو ابن عبد الرحمن النَّحْوي

حدثنا هاشم بن القاسم، حدثنا شيبان، عن ليث، عن مجاهد، قال: قال أبو بكر الصديق: أمرني رسول الله صلى الله عليه وسلم أن أقول إذا أصبحت، وإذا أمسيت، وإذا أخذت مضجعي من الليل: ” اللهم فاطر السماوات والأرض، عالم الغيب والشهادة، أنت رب كل شيء ومليكه، أشهد أن لا إله إلا أنت وحدك، لا شريك لك، وأن محمدا عبدك ورسولك، أعوذ بك من شر نفسي، وشر الشيطان وشركه، وأن أقترف على نفسي سوءا، أو أجره إلى مسلم حسن لغيره، وهذا إسناد ضعيف، ليث – هو ابن أبي سليم – ضعيف، ومجاهد – وهو ابن جبر – لم يدرك أبا بكر. شيبان: هو ابن عبد الرحمن النحوي

 হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   মুসনাদে আহমাদ  মুসনাদে আবু বকর সিদ্দিক (রাঃ) [আবু বকরের বর্ণিত হাদীস] (مسند أبي بكر)

 

মন্তব্য করুন

Top